• ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ১১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Madan Mitra

রাজ্য

১১ ঘণ্টার ম্যারাথন তল্লাশি! মদন মিত্রের ফ্ল্যাট থেকে কী কী নিয়ে গেল ইডি?

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শনিবার ভোরে শুরু হওয়া এই অভিযান চলে প্রায় ১১ ঘণ্টা। দিনের শেষে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করে তদন্তকারীরা ফিরে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।মদন মিত্রের ফ্ল্যাটের কেয়ারটেকার সীতারাম পাহাড়ির দাবি, সকালে ইডি আধিকারিকরা সেখানে পৌঁছে নিজেদের পরিচয় দেন এবং বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশির পর বেশ কিছু কাগজপত্র তাঁরা সঙ্গে করে নিয়ে যান। পাশাপাশি মদন মিত্রের খোঁজও করেন তদন্তকারীরা।সূত্রের খবর, শনিবার একেবারে ভোরবেলা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে মদন মিত্রের ফ্ল্যাটে পৌঁছন ইডির পাঁচ থেকে ছয় জন আধিকারিক। তবে অভিযান শুরু করতেই সমস্যার মুখে পড়তে হয় তাঁদের। জোকা মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন ফ্ল্যাটটি তালাবন্ধ থাকায় প্রথমে ভিতরে প্রবেশ করতে পারেননি তদন্তকারীরা।দীর্ঘ সময় ধরে ফ্ল্যাটের বাইরে অপেক্ষা করতে হয় ইডি আধিকারিকদের। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চাবির খোঁজ চলার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং তল্লাশি শুরু করা সম্ভব হয়। এরপর ফ্ল্যাটের বিভিন্ন অংশে বিস্তারিত অনুসন্ধান চালানো হয়।শুধু জোকার ফ্ল্যাট নয়, একই সঙ্গে মদন মিত্রের ভবানীপুরের ফ্ল্যাটেও তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে বিভিন্ন আর্থিক নথি এবং তথ্য সংগ্রহ করতেই এই অভিযান বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই তল্লাশির পর তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল এবং প্রশাসনের।

জুন ১৩, ২০২৬
কলকাতা

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড় পদক্ষেপ! মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে ইডির অভিযান

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শুক্রবার ভোরে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা। দক্ষিণেশ্বর এবং জোকার ফ্ল্যাটে একযোগে অভিযান ঘিরে সকাল থেকেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, ভোরবেলা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে মদন মিত্রের বিভিন্ন ঠিকানায় পৌঁছন ইডি আধিকারিকরা। জোকা মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন একটি ফ্ল্যাটে গিয়ে প্রথমে সমস্যার মুখে পড়তে হয় তদন্তকারীদের। ফ্ল্যাটটি তালাবন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় বাইরে অপেক্ষা করতে হয় তাঁদের। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চাবির খোঁজ চলার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, জোকার ওই ফ্ল্যাটে গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মদন মিত্র নিয়মিত থাকেন না। স্থানীয় বাসিন্দারাও জানিয়েছেন, বহু বছর ধরে তাঁকে সেখানে দেখা যায়নি। তবে তদন্তের স্বার্থে ওই ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়।একই সময়ে দক্ষিণেশ্বর এবং ভবানীপুরের আরও একটি ঠিকানাতেও পৌঁছে যায় ইডির দল। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য খুঁজতেই এই অভিযান বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, তল্লাশির সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং নগদ অর্থের সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সম্পর্কেও তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। যদিও এই বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।শুধু মদন মিত্রের ঠিকানাই নয়, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এদিন একযোগে মোট আটটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। বেলেঘাটা মেন রোডে ঠিকাদার সঞ্জীব ঘোষের বাড়িতেও পৌঁছয় ইডির একটি দল। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, বিভিন্ন সরকারি কাজের বরাত এবং আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে কোনও অনিয়ম জড়িত ছিল কি না।পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগেও একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই তদন্তের ধারাবাহিকতায় মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে এই তল্লাশি নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জল্পনা বাড়িয়েছে।

জুন ১৩, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার মদন! সই জাল মামলায় সিআইডি নোটিসে তৃণমূলে নতুন অস্বস্তি

বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে এবার নতুন মোড়। শুক্রবার কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে নোটিস দিল সিআইডি। নোটিস পাওয়ার কথা নিজেই স্বীকার করেছেন তৃণমূলের প্রবীণ নেতা।মদন মিত্র জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর বাড়িতে এসে একটি নোটিস দিয়ে গিয়েছেন। তবে এখনও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়নি। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার কথা নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলায় তদন্তের গতি অনেকটাই বেড়েছে। সম্প্রতি এই মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিআইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের একাধিক প্রশ্নের উত্তর তিনি দেননি বলেও সূত্রের দাবি।অভিষেককে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চার মাঝেই মদন মিত্রের কাছে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোয় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে যাঁরা এখনও দৃঢ়ভাবে রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মদন মিত্র। তাই তাঁর কাছে তদন্ত সংস্থার নোটিস পৌঁছনোকে ঘিরে কৌতূহল বাড়ছে।বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে টানাপোড়েন বেড়েছে। দলের একাংশের বিধায়ক ও সাংসদদের অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই সই জালিয়াতি মামলায় তদন্ত আরও জোরদার করেছে সিআইডি।অভিযোগ, কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করে গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্তেই একাধিক ব্যক্তিকে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এখন দেখার, মদন মিত্রকে ভবিষ্যতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় কি না এবং এই মামলার তদন্তে নতুন কী তথ্য সামনে আসে।

জুন ১২, ২০২৬
রাজ্য

মদন মিত্রের গাড়িতে ডিম ছোড়া! ‘মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখলাম’ বলে বিস্ফোরক দাবি বিধায়কের

কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রবিবার তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভও দেখানো হয় বলে দাবি। ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।তবে ঘটনার সময় মদন মিত্র গাড়ির ভিতরে ছিলেন না। পরে সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করে তিনি নিজেই সেই কথা জানান। একই সঙ্গে ঘটনার জন্য এক বিজেপি কর্মীর দিকে আঙুল তোলেন তিনি। মদনের দাবি, আনোয়ার খান নামে ওই ব্যক্তি আগে তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, পরে বিজেপিতে যোগ দেন।সরাসরি সম্প্রচারে মদন মিত্র বলেন, একসময় আনোয়ার তাঁদের সঙ্গেই মিশতেন। পরে রাজনৈতিক অবস্থান বদলান। তাঁর অভিযোগ, কামারহাটির সাম্প্রতিক অশান্তির পিছনেও ওই ব্যক্তির ভূমিকা রয়েছে।শুধু ডিম ছোড়াই নয়, মদন মিত্র আরও দাবি করেন যে ঘটনাস্থলে গুলি চলার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল। যদিও এই অভিযোগের পক্ষে তাঁর কাছে কোনও প্রমাণ নেই বলেও স্বীকার করেছেন তিনি। তবে এলাকার নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ প্রকাশ্যে এলে কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা স্পষ্ট হয়ে যাবে বলেও দাবি করেছেন তৃণমূল বিধায়ক।মদন মিত্র জানান, তিনি দক্ষিণেশ্বরে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে বেরিয়েছিলেন। সেই সময়ই এই ঘটনা ঘটে। তাঁর কথায়, তিনি মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন। তবে মানুষের আশীর্বাদ এবং ঈশ্বরের কৃপায় আবারও সকলের কাছে ফিরে আসতে পেরেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।একই সঙ্গে দক্ষিণেশ্বরে তাঁর দলের এক কাউন্সিলরের বাড়ি কিছু দুষ্কৃতী ঘিরে রেখেছিল বলেও অভিযোগ করেন মদন। সেখানে ধর্মীয় স্লোগানও দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি। এই বিষয়ে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। হামলার অভিযোগ, পাল্টা রাজনৈতিক তরজা এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে কামারহাটিতে।

জুন ০৭, ২০২৬
রাজ্য

এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশ! হঠাৎ তল্লাশিতে জোর চাঞ্চল্য

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক তদন্ত এবং গ্রেপ্তারির ঘটনার মধ্যেই এবার কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাঁর কামারহাটির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক জল্পনা।পুলিশ সূত্রের খবর, বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। যে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়, সেটি প্রথমে তালাবন্ধ ছিল। পরে পুলিশ সেখানে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করে।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, কামারহাটির ওই বাড়ির নাম উদয় ভিলা। সেখানে মদন মিত্রের একটি দলীয় কার্যালয়ও রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, যে জমির উপর বাড়িটি নির্মিত হয়েছে, সেই জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, জমিটি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সংস্থার অধীন। অতীতে সেখানে মহিলাদের স্বনির্ভর করার বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কাজ পরিচালিত হতো। তবে স্থানীয় স্তরে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, ওই জায়গার ব্যবহার এবং দখল নিয়ে নানা অনিয়ম হয়েছে।তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, জমিটি আইন মেনে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং সেখানে কোনও বেআইনি কার্যকলাপ চলত কি না। এই অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করতেই পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে রাজ্যে সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিধায়কদের স্বাক্ষর সংক্রান্ত মামলাতেও তদন্ত এগোচ্ছে। সেই আবহেই মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশের এই অভিযান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।যদিও এই বিষয়ে মদন মিত্রের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ৩১, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বৃষ্টি স্নাত সান্ধ্য বর্ধমানে ক্ষণিকের উষ্ণতা মদনের 'ওহ লাভলি'

বঙ্গ রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে এক বর্ণময় চরিত্র মদন মিত্র। শিক্ষা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য হয়ে পুলিস নানা বিষয়ে তাঁর মন্তব্য বিভিন্ন সময় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বর্তমান ট্রেন্ড মিলিয়ে বলতে গেলে মদন মানেই ভাইরাল। এহেন প্রবীণ রঙ্গীন মানুষটি এবার সকলকে চমকে দিয়ে রুপালি পর্দায় হাজির। টালিগঞ্জের খ্যাতানামা পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী পরিচালিত ওহ লাভলি ফিল্মে দেখা যাবে এই পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদকে। ২৫ অগাস্ট বাংলার বিভিন্ন হল ও মাল্টিপ্লেক্সে মুক্তি পেতে চলেছে হরনাথ চক্রবর্তীর পরিচালিত ওহ লাভলি।এই ছবির মুখ্য ভূমিকায় দেখা যাবে ঋক চট্টোপাধ্যায়কে। ঋক হলেন যমুনা ঢাকির অনুরাধা অর্থাৎ অভিনেত্রী দেবযানী চট্টোপাধ্যায়ের ছেলে। এই ছবির হাত ধরেই ঋক বড়পর্দায় পা রাখছেন। এছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে খরাজ মুখোপাধ্যায়, লাবণী সরকার, রাজনন্দিনী পাল, দ্রোণ মুখোপাধ্যায়, কৌশিক ভট্টাচার্য, তপতী মুন্সী, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, মৃন্ময় দাস সহ আরও কয়েকজন নবাগতকে। ওহ লাভলির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন শুভঙ্কর-শুভম জুটি এবং আবহ সঙ্গীত নির্মাণ করেছেন এসপি ভেঙ্কটেশ।সিনেমাটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ বর্ষীয়াণ তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। সপ্তাহের প্রথম দিন সোমবার ছবির কলাকুশলীদের নিয়ে তিনি বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেট (বিজয় তোরণ) প্রাঙ্গণে ছবির প্রচারে উপস্থিত হন। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে নিম্নচাপের কারণে সারাদিন-ই ঝিরঝিরে বৃষ্টির চলছে, বৃষ্টি মাথায় নিয়েই সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ কলাকুশলীদের নিয়ে হাজির হন প্রাক্তন মন্ত্রী-বিধায়ক-প্রবীন রাজনিতীক-গায়ক-অধুনা অভিনেতা মদন মিত্র। বঙ্গ রাজনীতির এই অন্যতম জনপ্রিয় নেতা কালো ধুতি-পাঞ্জাবী পরিহিত হয়ে মঞ্চে উঠতেই বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে উপভোগ করলেন তাঁর সান্নিধ্য। বরাবরই তিনি খুবই সাবলীল ও রসিক বক্তা।মদন মিত্র তাঁর ছোট্ট বক্তব্যের প্রথমেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনে এই শহরের কিছু সুন্দর মুহুর্তের কথা তুলে ধরেন। সেই সময়কার কিছু উল্লেখযোগ্য সহকর্মীর নামও বিশেষ করে উল্লেখ করেন তৃণমূল কর্মী শিবশঙ্কর ঘোষ, অরূপ দাস (আইনজীবী, কাউন্সিলার) ও খোকন দাসের (বিধায়ক) নাম। তিনি বলেন, আমি তখন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ধমান জেলার অবজার্ভার ছিলাম, এমন একটা দিন যায়নি যে সেদিন কার্জন গেট চত্তরে কোনও জমায়েত করিনি, সেই বর্ধমান শহরেই তাঁর জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের সুচনাতে অভিনেতা মদন মিত্রকে বেশ পুলকিত মনে হল।ওহ লাভলি সিনেমাটি কেমন? সেই প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূল কংগ্রেসের কামারহাটির বিধায়ক বলেন, একেবারে নতুন ছেলেমেয়েরা এই সিনেমায় অভিনয় করছে। টালিগঞ্জের নামজাদা চিত্র পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী এই সিনেমাটির নির্দেশক। তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক সিনেমা হয়েছে যেমন ব্যোমকেশ, শার্লক হোমস, চোখের বালি, কিন্তু একটি গানের একটি শব্দ দিয়ে সিনেমা পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম। ও লাভলি এই সিনেমাতে হাসি, কান্না, গল্প, গান সব রয়েছে।এই ছবি নিয়ে পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী বলেন, এই ছবিটি সপরিবারে দেখার মতো একটা ছবি। প্রথমবার এই ছবিতে মদন মিত্রকে অভিনয় করতে দেখবেন আপনারা। লাবণী সরকার, খরাজ মুখোপাধ্যায়ের মতো জনপ্রিয় অভিনেতাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অভিনয় করেছেন মদন মিত্র। পরিচালক বলেন, আমরা সাদা চোখে যে মদন মিত্রকে দেখতে অভস্ত তাঁর যে ব্যক্তিত্ব, সেই আমেজ বজায় রেখেই এই ছবিতে এক নতুন অবতারে দেখা যাবে তাঁকে। অন্যদিকে, এই ছবি দিয়ে বাংলা ছবির জগতে প্রথমবার পা রাখছেন ঋক। অন্যদিকে রাজনন্দিনীকেও এমন গ্ল্যামারাস অবতারে প্রথমবার পাবেন বাঙালি দর্শক। আশা করি দর্শকের এই ছবি ভাল লাগবে। আগামী ২৫ শে অগাস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে এই ছবি।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
রাজনীতি

মদনের 'টপকে যাওয়া' মন্তব্যে চরমে বিতর্ক, পঞ্চায়েতে জোটেই সওয়াল বিজেপি সাংসদের

নন্দকুমারে সমবায় নির্বাচনে বাম-বিজেপি জোট ধরাশায়ী করেছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। তারপরই বিজেপির সাংসদ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বিরোধীদের সার্বিক জোটের কথা বলেছেন। তাঁর বক্তব্য, প্রতিটি জায়গায় জোট হবে। সবাই মিলে একসঙ্গে তৃণমূলকে হারাতে জোট বাধবে। যে জিতবে সেই প্রার্থীকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দেবে মানুষ। তৃণমূলের বিক্ষুব্ধদের এই জোটে আসতে আবেদন জানিয়েছে সৌমিত্র। এদিকে কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক হুঁশিয়ারি করেছেন বাম-বিজেপি জোটকে। তাই নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে মদন মিত্র বলছেন, এখানে বিজেপি-সিপিএম মনে করে এটাকেও নন্দকুমার বানাবো। এখানে সব খবর পাচ্ছি। কারা ভিতরে ঘোঁটবাজি করছে, নজর রাখছি। আস-যাওয়ার পথে সাবধানে থাকবেন। রাস্তায় খানা খন্দ আছে, বাম্পার আছে কখন কোথায় টপকে যাবেন তখন নিজেদের বুঝতে অসুবিধা হবে। মদন বলেছেন, তৃণমূল কংগ্রেসের ভিতরে থেকে বিজেপির দালালি করেন। বাইরে থেকে গায়ে কালি মেখে নোংরামি করে তৃণমূলের বদনাম করার চেষ্টা করেন। তার ডোজ কী করে দিতে হয় তা তৃণমূলের কর্মীরা ভাল করে জানে। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর বক্তব্যে বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহল। বিজেপি সাংসদ সৌমিত্রর কথায়, কিভাবে তৃণমূল নেতারা রাস্তায় হোচোট খাচ্ছেন তা সবাই দেখতে পাচ্ছেন। রাস্তায় হোচোট খেতে খেতে পার্থ জেলে, অনুব্রত জেলে।

নভেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

ভাসমান মদন কার উদ্দেশে গাইলেন? "না হয় আমি তোমার কাছে ছিলেম অতি নগণ্য .........."

কামারহাটির তরুণ তুর্কি বিধায়ক মদন মিত্র আবার ফেসবুকে লাইভে এসে মাতালেন নেট-নাগরিকদের। অক্ষয় তৃতীয়ার দিন দলীয় মিটিংয়ে দিদির কাছে মৃদু সহানুভুতীশীল ধমক খাওয়া মদন আবার স্বমহিমায়। দেরি করে মিটিংয়ে পৌঁছালে, মমতা তাঁকে দেরির কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েই নাকি তাঁর একটু দেরি হয়েছে। শুক্রবার বিকালে ফেসবুক লাইভে ধরা দিলেন কামারহাটির জনপ্রিয় মদনদা। আদুড়ে গায়ে নীল জলে ভাসতে ভাসতে স্বমহিমায়। শরীরে যৎসামান্য পোশাকে সুইমিং পুলে জলকেলি করতে করতে একেবারে মদনসুলভ খোশমেজাজে লাইভে এলেন মদন মিত্র। জলে চিৎ সাঁতার দিতে দিতে বললেন ছোট বেলায় পড়েছি, বৈ়জ্ঞানিকরা বলতেন জ্ঞানসমুদ্রের তীরে নুড়ি কুড়িয়েছি মাত্র। তখন মানেটা বুঝতে পারিনি। এখন বুঝতে পারছি, ক্যাবিনেট মন্ত্রী থেকে দলের সর্বভারতীয় যুব তৃণমূলের প্রেসিডেন্ট হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক সমুদ্রের কূলে নুড়ি কুড়োতে পারিনি।মনে যে তাঁর গভীর যন্ত্রণা তা মদন মিত্রের বক্তব্যের মধ্যে ফুটে বেরচ্ছিল। তিনি জানান রাজনীতির তীরে নুড়ি কুড়োতে না পেরে সুইমিং পুলেই নুড়ি কুড়োতে নেমেছেন। ২০২১ শের বিধানসভা নির্বাচনে কামারহাটির মতো আসন থেকে জিতে এসে তিনি আশা করেছিলেন, হয় তো বা নুড়ি কুড়োতে গিয়ে মাণিকের সন্ধান পেয়েও যেতে পারেন। মদন মিত্র সংবাদমাধ্যমকে উদ্দেশে বলেন, দয়া করে আমাকে প্রেস করবেন না। অযথা আমাকে বিরক্তও করবেন না। মদনের এই বক্তব্যে খানিকটা শ্লেষ আছে। গত বৃহস্পতিবারের দলীয় বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে দেরি করে পৌঁছানোর জন্য মৃদু সহানুভুতীশীল ধমক খান মদন। কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছিলেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েই নাকি তাঁর দেরি হয়েছে। তাঁর উত্তর শুনে মদনকে মমতা বলেছিলেন, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে এত কথা বলার কী আছে? তাঁর একদিন কাটতে না কাটতেই লাইভে এসে তাঁকে প্রেস কথা উচ্চরণ করে কি অন্য বার্তা দিতে চাইলেন?জলে উল্টো সাঁতার দিয়ে ভাসতে ভাসতে গুনগুন করে গান করতে থাকেন কখনও, কেউ কথা কোয়ো না, কেউ শব্দ কোরো না, ভগবান নিদ্রা গিয়েছেন, গোলযোগ সাইতে পারেন না... কখনও বা না হয় আমি তোমার কাছে ছিলেম অতি নগণ্য ....। গান শেষ হতেই তাঁর ট্রেডমার্ক আওয়াজ ওহ্ লাভলি! ভসতে ভাসতে মদন মিত্রের মুখ থেকে অনেক শ্লেষ ও খেদোক্তি ঝড়ে পরতে শোনা গেলো। যাঁরা রাজনীতির সমুদ্রে সাঁতার কাটতে চান, তাঁদের জীবনের সমুদ্রে সাঁতার...... কাদের নিদান দিলেন মদন মিত্র?

মে ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Didi no 1 : প্রথমবার সস্ত্রীক মদন মিত্র, জমিয়ে দিলেন দিদি নাম্বার

রচনা ব্যানার্জি কেন দিদি নং ১ সেটা আরও একবার প্রমাণিত হল। দিদির সৌজন্যেই প্রথমবার দেখা গেল সস্ত্রীক মদন মিত্রকে। মদন মিত্রকে এতদিন যেখানেই দেখা গেছে না কেন সব লাভলি মহিলাদেরকেই দেখা গেছে। কিন্তু এবার দিদি নং ওয়ানে সস্ত্রীক মদন মিত্র। ফেসবুক লাইভে এসে এই কথা স্বীকারও করেছেন তিনি। জানিয়েছেন, রচনার সৌজন্যে তিনি এবং তাঁর স্ত্রী অর্চনা মিত্র এক মঞ্চে, এক অনুষ্ঠানে। সে দিক থেকেও ইতিহাস গড়ল রিয়্যালিটি শো-এর মঞ্চ। একই সঙ্গে মিষ্টি অনুযোগ, অপেক্ষায় ছিলাম, কবে রচনার শো-তে ডাক পাব! অভিমানও হত, রাজনীতি করি বলেই কি আমাদের ডাকেন না রচনা? আজ আর আমার কোনও অভিমান নেই!দিদি নং ওয়ানে রচনা ব্যানার্জি মদন মিত্রর স্ত্রীকে প্রশ্ন করেন দাদার চারপাশে এত সুন্দরীদের ভিড়। আপনি কখনও থাকেন না। ভয় হয় না? উত্তরে অর্চনা বলেন, ঘুড়ি যতই উড়ুক, লাটাই তো আমার হাতে! সঙ্গে সঙ্গে কামারহাটির বিধায়কের সেই বিখ্যাত সংলাপ, ওহ! লাভলি...।তবে শুধু মদন মিত্র নন। উপস্থিত ছিলেন বাবুল সুপ্রিয়, রাঘব চ্যাটার্জি, শিবাজী চট্টোপাধ্যায়ের মতো গুণী মানুষও। সকলকে নিয়ে বেশ মজা করতেই দেখা যায় দিদি নাম্বার ওয়ান কে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

NGO : স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা স্বপ্নপূরণের উদ্যোগে বিশেষ অনুষ্ঠান

মুন সাহা ও সোমা সরকারের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা স্বপ্নপূরণ-এর উদ্যোগে মানবধর্মী একটি বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজিত হল। পথশিশু, গৃহহীন শিশু এবং বৃদ্ধদের পাশে তারা দাঁড়াল যারা প্রতিদিন বেঁচে থাকার লড়াই করছে। এই মহৎ উদ্দেশ্যের প্রধান অতিথি ছিলেন দেবাশীষ কুমার এবং মদন মিত্র। এছাড়া অলকানন্দা রায়, সোহাগ সেন, এনা সাহা, সমিধ, রিমঝিম গুপ্ত, রাতাশ্রী দত্ত, চৈতালী চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ স্বপ্নপুরনের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সমাজকর্মী রঞ্জিতা সিনহা ছিলেন এই অনুষ্ঠানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এনা সাহা এদিন জানান, আজকে স্বপ্নপূরণে এসে খুব ভালো লাগছে। এরকম ভালো একটা উদ্যোগ। অল দ্য বেস্ট মুন দি ও সোমা দি। আই অ্যাম উইথ দেম। আশা করছি সবকিছু খুব ভালো করে হবে। রাতাশ্রী দত্ত জানালেন, মুন দি দারুণ একটা ইনিশিয়েটিভ নিয়েছেন যে পথশিশু, বৃদ্ধ, বৃদ্ধাদের নিয়ে তাদের একটা আশ্রয় গড়ে তোলা। আমার মনে হয় এই ইনিশিয়েটিভের সাথে সকলের থাকা উচিত যাতে আমরা একটু হলেও সমাজের কাজে লাগতে পারি।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Arsalan : আরসালান এখন কলকাতা ছাড়িয়ে ব্যারাকপুরে

কলকাতার বিরিয়ানির সঙ্গে আরসালান ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। যারা কলকাতার বিরিয়ানি ভালোবাসেন তাদের পছন্দের ফুড জয়েন্ট আরসালান। এই আরসালান এবার কলকাতা ছাড়িয়ে অনেকটা দূরে। ব্যারাকপুরে তাদের নতুন ব্র্যাঞ্চ খুলল। উপস্থিত ছিলেন রাজ চক্রবর্তী, মদন মিত্র সহ আরো অন্যান্যরা।আরও পড়ুনঃ ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসে নতুন মেনু নিয়ে হাজির হচ্ছে হোয়াটস অ্যাপ ক্যাফেএদিন রাজ চক্রবর্তী জানান, এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পেরে খুব ভাল লাগছে। কলকাতার জিভে জল আনা সেরা বিরিয়ানি প্রস্তুতকারক সংস্থার কর্ণধার আকতার পারভেজর বহু প্রচেষ্টার ফলে আজ আমার আরসালান কে এই ব্যারাকপুরে তাদের ১০ তম রেস্টুরেন্ট উদ্বোধন করলেন। ২০০২ সালে পথ চলা শূরূ আর এই ক বছরে মানুষের চাহিদা নোলা মিটিয়ে চলেছে। আশা করব আগামি দিনে আরও বড় হয়ে উঠক এই কামনা করি। আরও পড়ুনঃ মুক্তি পাচ্ছে হরোর স্টোরিস, টেনশনে পরিচালকমদন মিত্র জানালেন আরসালান এর বিরিয়ানি তার প্রিয়। তাই তিনি এতদূরেও এসেছেন। তবে তিনি এই বিশেষ দিনে জানালেন কামারহাটিতে যদি আরসালানের নতুন ব্র্যাঞ্চ খোলা হয় তাহলে তার আরো ভালো লাগবে।

আগস্ট ১৪, ২০২১
কলকাতা

Madan-Dilip: বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতা

রাজ্য রাজনীতিতে একে অপরের দিকে তীর্যক বাণ ছুড়তেই অভ্যস্ত তাঁরা। আর সাধারণও তা্ই দেখতেই অভ্যস্ত। কিন্তু সম্প্রতি বাংলার রাজনীতিতে এমন রঙিন রসিকতা শেষ কবে দেখা গিয়েছে তা হিসেব করতে বসেছেন অনেকেই। তৃণমূলে হিরো একজনই, বিধানসভায় মদন মিত্রের সঙ্গে দেখা হতেই বললেন দিলীপ ঘোষ।আরও পড়ুনঃ চাম্পিয়ানশিপের লক্ষ্যে আর এক ম্যাচ, প্রতিপক্ষ কে আর্জেন্টিনা না কলম্বিয়া?মঙ্গলবার বিধানসভায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে মাল্যদান করতে আসেন মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ। বিধানসভায় শ্যামাপ্রসাদের ছবিতে মাল্যদানের পর লবিতেই বসে দলীয় বিধায়কের সঙ্গে কথা বলছিলেন তিনি। এমন সময় কাছ দিয়েই যাচ্ছিলেন মদন। তাঁকে আসতে দেখেই হাত নেড়ে দাঁড় করান দিলীপ।প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী মদনের পরনে ছিল জমকালো সোনালি কাজ করা কালো পাঞ্জাবি। এমন পোশাক দেখে কৌতূহলী দিলীপ প্রশ্ন করেন, এরকম পাঞ্জাবি কপিস আছে আপনার? খাসা পাঞ্জাবি পরেছেন একখানা। ম়ৃদু হেসে জবাব দেন মদন। তিনি বলেন,একপিসই।হাসতে হাসতেই মদন আরও বলেন, দুপুরে একটু বেরিয়েই ভিজে জবজবে হয়ে গেলাম বলে পোশাকটা পাল্টে এলাম। এরকম পাঞ্জাবি এই একটাই আছে আমার। পাল্টা হাসিতে বিজেপি সভাপতি বলেন, আপনার দলে তো হিরো বলতে তো একজনই আছে, সেটা মদন মিত্র। দিলীপের কথা শুনে হাসতে থাকেন মদন। তারপর অবশ্য বেশিক্ষণ দাঁড়াননি মদন। হেঁটে চলে যান অধিবেশন কক্ষে।কিন্তু কট্টর প্রতিপক্ষের সঙ্গে এমন ২ মিনিটের রসিকতায় মন ভরেছে সকলেরই।

জুলাই ০৬, ২০২১
রাজনীতি

ফেসবুক লাইভ নিয়ে মদনকে ভর্ৎসনা মমতার

দলের সাংগঠনিক বৈঠকে ফেসবুক লাইভ নিয়ে দলনেত্রীর কাছে একপ্রকার ধমক খেতে হল কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রকে । তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মদনকে সাফ জানিয়ে দিলেন, এভাবে সামাজিক মাধ্যমে যখন তখন সব কথা বলা যায় না। যদিও মিটিং শেষে মদনবাবু বললেন, দলনেত্রী তাঁকে ফেসবুক লাইভগুলি আরও সুন্দরভাবে করতে বলেছেন।গতরাতে ফেসবুক লাইভে এসে মদন মিত্র প্রকাশ্যেই বলে বসেন, কামারহাটির পুর প্রশাসকের দায়িত্ব আমাকে দায়িত্ব দিয়ে দেখুন। তিন মাসে সব বদলে দেব। কলকাতা শহরের চেয়েও উন্নত করবেন কামারহাটিকে। যা তৃণমূলের অস্বস্তি বাড়িয়ে দেয়। আজ দলের সাংগঠনিক বৈঠকে সেই প্রসঙ্গের উল্লেখ না করলেও মদন মিত্রকে মমতা তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন বলেই সূত্রের খবর। তৃণমূল নেত্রী মদনকে স্পষ্ট সাবধান করে দিয়েছেন, এভাবে যাতে আর সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি কিছু না বলেন। যদিও, বৈঠক শেষে মদনের প্রতিক্রিয়া, দলনেত্রী আমাকে বলেছেন, তোমায় সবাই ভালবাসে। তুমি তোমার ফেসবুকগুলো আরও সাজিয়ে-গুছিয়ে সুন্দর ভাবে করবে। যাতে আমাদের সুবিধা হয়। সাংগঠনিক বৈঠকে বড় কোনও পদ পাননি। তা সত্ত্বেও তাঁর বক্তব্য, সুন্দর কমিটি হয়েছে। বেস্ট টিম ইন দ্য হিস্ট্রি অব ইন্ডিয়ান ডেমোক্রেসি। এদিন ফের একবার ফেসবুক লাইভে এসে নেত্রীর মন্তব্য নিয়ে অভিমানও প্রকাশ করেন তিনি।

জুন ০৫, ২০২১
রাজনীতি

নারদ কাণ্ডে গ্রেপ্তার ফিরহাদ-সুব্রত-মদন-শোভন, নিজাম প্যালেসে মমতা

নিজাম প্যালেসে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সকালে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক মদন মিত্রকে তুলে আনা হয় সিবিআই দপ্তর নিজাম প্যালেসে। নিয়ে আসা হয় শোভন চট্টোপাধ্যায়কেও। কোনও নোটিস ছাড়া মাত্র ঘণ্টা দেড়েকের ব্যবধানে চার জনকে তুলে আনা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁদের।সোমবার সকালে ফিরহাদকে চেতলার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর মমতা যান ফিরহাদের বাড়িতে। সেখান থেকে তার পর সোজা চলে আসেন নিজাম প্যালেসে। সেখানে সাংবাদিকরা মমতাকে জিজ্ঞেস করেন তাঁর আসার কারণের বিষয়ে। তিনি বলেন, ওদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। সোমবার সকালে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র, তৃণমূলের বিধায়ক এবং মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের চেতলার বাড়ি ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সকাল নটা নাগাদ তাঁকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায় সিবিআই। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় ফিরহাদ বলেন, নারদ মামলায় আমাকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। বিনা নোটিসে আমাকে গ্রেপ্তার করা হল। ফিরহাদ আরও বলেন, স্পিকারের অনুমতি ছাড়াই আমায় গ্রেপ্তার করা হল। আদালতে দেখে নেব। সোমবার সকালেই মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়। নিজাম প্যালেসে আনা হয় রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেও। সেখানে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে সিবিআই সূত্রের খবর। সিবিআই সূত্রে খবর, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ নিজাম প্যালেসে অ্যারেস্ট মেমোয় সই করানো হয় এই চার জনকে।বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের প্রতিক্রিয়া, একজন বিধায়ককে স্পিকারের অনুমতি ছাড়া এভাবে গ্রেপ্তার করা অনৈতিক। আদালতে সব বোঝাপড়া হবে। ফিরহাদ আত্মবিশ্বাসী, তাই আদালতের কথা বলেছেন। এই গ্রেপ্তারি প্রতিহিংসামূলক, তৃণমূলের এই দাবি উড়িয়ে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার বক্তব্য,ফিরহাদ বা মদনের গ্রেপ্তারির সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগই নেই।

মে ১৭, ২০২১
কলকাতা

চিটফান্ড-কাণ্ডে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের নজরে এবার পার্থ-মদন

এবার আইকোর মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠাল সিবিআই। আগামী সপ্তাহে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের মহাসচিবকে। জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ শুক্রবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠানো হয়েছে। আগামী সপ্তাহে কলকাতায় সিবিআইয়ের সদর দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আইকোর মামলার তদন্তে নেমে অনুকূল মাইতিকে জেরা করে একাধিক তথ্য পেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। যদিও পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি এখনও কোনও নোটিস হাতে পাননি। অন্যদিকে, সারদা-কাণ্ডে এবার কামারহাটির তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্রকে তলব করল ইডি। আগামী সপ্তাহে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আগামী ১৮ তারিখ সিজিও কমপ্লেক্সে দেখা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এবিষয়ে মদন মিত্রের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি জানিয়েছেন, এখনও কোনও নোটিস তাঁর কাছে পৌঁছয়নি। অন্যদিকে জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ শুক্রবার বাঁকুড়ার তালডাংরার বিধায়ক সমীর চক্রবর্তীকে জেরা করছেন তদন্তকারীরা। দিন দুয়েক আগেই আইকোর মামলায় তৃণমূল নেতা মানস ভুঁইঞাকে নোটিস পাঠায় সিবিআই। জিজ্ঞাসবাদের জন্য অতি শীঘ্রই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেই সময় সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছিল, আইকোরের একটি অনুষ্ঠানের ভিডিও কিছুদিন আগে প্রকাশ্যে আসে। সেখানে দেখা গিয়েছিল মানস ভুঁইঞাকে। তিনি আইকোরের সমর্থনে একাধিক বক্তব্যও রেখেছিলেন। এছাড়াও আইকোর-কাণ্ডে একাধিক ব্যক্তিকে জেরা করায় উঠে আসে মানস ভুঁইঞার নাম। সেই কারণেই তৃণমূল নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের সিদ্ধান্ত নেন তদন্তকারীরা। সেই সময়ই আরও একাধিক প্রভাবশালীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন তদন্তকারীরা।

মার্চ ১২, ২০২১
কলকাতা

পরিবহণ কমিটির দায়িত্বে মদন মিত্র

পরিবহণ দফতরের একটি কমিটির দায়িত্বে এলেন মদন মিত্র। নবান্ন সূত্রের খবর, পরিবহণ কর্মীদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা ও কল্যাণমূলক প্রকল্পের দেখভাল করার জন্য প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী মদন মিত্রের নেতৃত্বে একটি নতুন কমিটি গড়ল রাজ্য সরকার। রাজ্য পরিবহণ দফতর সূত্রের খবর, অসংগঠিত বা অবহিত না হওয়ার কারণে অনেক পরিবহণ কর্মী রাজ্য সরকারের সব প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না। সেই বিষয়টিই তত্ত্বাবধান করার জন্য মদন মিত্রের নেতৃত্বে এই নতুন কমিটি গঠন করা হল। ইতিমধ্যেই যার বিজ্ঞপ্তি জারি করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। আরও পড়ুন ঃ কো ভ্যাক্সিনের তৃ্তীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে স্বেচ্ছাসেবক হতে চেয়ে আবেদন রাজ্যপালের উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই শুভেন্দু অধিকারী ইস্তফা দেন পরিবহণ দফতরের দায়িত্ব থেকে। ইস্তফা দেওয়ার পরে পরিবহণ দফতর নিজের হাতেই রেখে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও সমস্ত প্রকল্প ধরে ধরে দফতরের পরিস্থিতি তদারকি করা মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে সম্ভব নয়। সরকারি সূত্রের খবর, প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী হিসেবে মদন মিত্রের পরিবহণ বিষয়ে অভিজ্ঞতা রয়েছে, কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগও তিনি করতে পারবেন। এছাড়া বিভিন্ন পরিবহণ সংস্থা ও ইউনিয়নের সাথে তার যোগাযোগ নিবিড়। তাই এই কাজের দায়িত্ব মদন মিত্রকে দেওয়া হয়েছে। এই কমিটিতে মদন মিত্র ছাড়াও রয়েছেন পরিবহণ ডিরেক্টরেট-এর ডেপুটি ডিরেক্টর, এক জন ডেপুটি সচিব এবং বিভিন্ন পরিবহণ সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

ববি, মদন, প্রসূনকে নোটিশ ইডির

সামনেই বিধানসভা ভোট। তার আগেই নারদ কাণ্ডে ফের নোটিস পাঠানো হল তিন তৃণমূল নেতাকে। জানা গিয়েছে, ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র এবং প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডির তরফ থেকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, এই তিন তৃণমূল নেতার কাছে নোটিশ পাঠিয়ে আয়-ব্যায়ের হিসেব জানতে চেয়েছে ইডি। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে একটি সংবাদমাধ্যমের স্টিং অপারেশনে দেখা যায়, টাকা নিচ্ছেন একাধিক তৃণমূল নেতা-বিধায়ক-সাংসদরা। এরপরেই ঘটনার তদন্ত শুরু করে ইডি-সিবিআই। আরও পড়ুনঃ শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গল্প বানিয়েই চলেছে বাংলা সংবাদমাধ্যম এর আগেও একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হয়েছে নারদায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের কাছে। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে রাজনীতির পারদ। এই অবস্থায় ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ইডির এই নোটিশ পৌঁছন গোটা ঘটনায় নয়া মাত্রা যোগ করল বলেই মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ২৩, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগেই বড় প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর! পদ্ম ফুটলেই ‘দু’হাত ভরে দেব’ ঘোষণা

উপনির্বাচনের আগেই রেজিনগর থেকে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জনসভার মঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রেজিনগরের মানুষ যদি বিজেপিকে জয়ী করেন, তাহলে এলাকার উন্নয়নের জন্য বড় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর প্রতিশ্রুতি, একটি নয়, দুটি নতুন সেতু তৈরি করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদেরও রাজ্যে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যে বর্তমানে বিজেপির দুইশো আটটি আসন রয়েছে। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে বিজেপির জয় নিশ্চিত। সেই আসন ধরে রেখে সংখ্যা হবে দুইশো নয়। এরপর রেজিনগরেও জয় পেলে বিধানসভায় বিজেপির আসন আরও বাড়বে।ভোটারদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, রেজিনগরে পদ্মফুল ফুটলে উন্নয়নের কোনও অভাব হবে না। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে নিজের এলাকায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে, যাতে মানুষ পরিবার নিয়ে নিজের এলাকাতেই থাকতে পারেন।জনসভা থেকে তিনি রেজিনগরের প্রাক্তন জনপ্রতিনিধির নাম উল্লেখ না করেই কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষকে ধর্মের নামে বিভক্ত করার রাজনীতি নয়, উন্নয়নের রাজনীতি প্রয়োজন। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তারা কি সাম্প্রদায়িক বিভাজন চান, নাকি কাজ, উন্নয়ন এবং উন্নত জীবনযাত্রা চান।মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি সরকারের আমলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমান সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা ছড়িয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই আশঙ্কা সত্যি হয়নি। তাই উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপিকে সমর্থন করার আবেদন জানান তিনি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন। অন্যদিকে হুমায়ুন কবীর রেজিনগর এবং নওদাদুটি আসনে জয় পান। নিয়ম অনুযায়ী দুজনকেই একটি করে আসন ছাড়তে হয়েছে। সেই শূন্য আসনগুলিতেই এবার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রেজিনগরের ফল আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রিয় কেষ্ট এবার ঋতব্রতের পাশে! বীরভূমে বড় পালাবদলের জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিল অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে বড় খবর। সূত্রের দাবি, তিনি এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তাঁকে বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এই খবরে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।শুধু অনুব্রত মণ্ডলই নন, বীরভূমের আরও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাও ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কাজল শেখ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ সিংহ এবং প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। জানা গিয়েছে, এই নেতাদের আসল তৃণমূল-এর জাতীয় কর্মসমিতিতেও জায়গা দেওয়া হয়েছে।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক তপসিয়ায় শুরু হয়েছে। দুই দিনের এই বৈঠকে রাজ্য এবং বিভিন্ন জেলার সভাপতিদের নাম চূড়ান্ত করা হচ্ছে। সেই বৈঠকেই বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্ব অনুব্রত মণ্ডলের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।এই বিষয়ে অনুব্রত মণ্ডলের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তাঁর জ্বর রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল কলকাতায় যেতে পারেন। যদিও শিবির পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর অনুব্রত মণ্ডল দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে বীরভূম জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেয় দল। পরে কোর কমিটি গঠন করে তাঁকে সেই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও তিনি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতিতে খুব বেশি দেখা যাননি। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, তাঁকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বীরভূমে তাঁর প্রভাব এবং সংগঠনিক দক্ষতা আসল তৃণমূল-এর শক্তি আরও বাড়াতে পারে বলেও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে চাঞ্চল্য! হাসপাতালের ভিতরে যা ধরা পড়ল, তারপরই বড় পদক্ষেপ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আচমকা পরিদর্শনের পর বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হল। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং পরিষেবা নিয়ে একাধিক গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসার পর বারো জন কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।যাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চার জন ওয়ার্ড মাস্টার, চার জন নন-মেডিক্যাল সুপার, একজন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিস্টার, প্রসূতি বিভাগের দুই জন সিস্টার ইনচার্জ এবং একজন পরিষেবার মান নিয়ন্ত্রণ আধিকারিক।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আচমকা পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং বারান্দায় পরিচ্ছন্নতার অভাব লক্ষ্য করেন। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বারান্দায় বিড়াল ঘোরাফেরা করতেও দেখা যায়। এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সেই নির্দেশ মেনেই তদন্তের পর বারো জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বারাসত মেডিকেল কলেজ আগে জেলা হাসপাতাল ছিল। এখনও পুরনো ভবনেই অনেক পরিষেবা চালাতে হচ্ছে। ফলে কিছু পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প তৈরি করে স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সেই প্রস্তাব পাঠানো হবে।বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই একাধিক সরকারি হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বারাসত মেডিকেল কলেজেও তিনি পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খতিয়ে দেখেন। এরপরই রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে আরও কঠোর নজরদারির ঘোষণা করেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিষেবার মান উন্নত করতে সরকারি হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে। গ্রামীণ হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতালেও একই ব্যবস্থা চালু হবে। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বা স্যালাইন ব্যবহার বন্ধ করতে প্রতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিশেষ দল হাসপাতালগুলিতে নিয়মিত পরিদর্শন চালাবে।হাসপাতালে দালালচক্রের বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হবে। যাঁদের কাছে সেই পরিচয়পত্র থাকবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ নিয়ে চরম টানাপোড়েন! এবার আদালতের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ল। ধর্মতলায় সভার অনুমতি না মেলায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। পুলিশের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা। ফলে একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর আগে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর বিকল্প জায়গার অনুমতি চেয়ে রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রতপন্থীরা। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতিও চাওয়া হয়। তবে সেই আবেদনেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। তাদের দাবি, একুশে জুলাই তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। তাই সভা আয়োজনের জন্য উপযুক্ত জায়গার অনুমতি প্রয়োজন।একুশে জুলাই দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি। উনিশশো তিরানব্বই সালে মহাকরণ অভিযানের সময় গুলিতে নিহত তেরো জনের স্মৃতিতে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণেই ধর্মতলায় শহিদ দিবসের সভার আয়োজন করা হয়ে থাকে।তবে এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধের আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নতুন মাত্রা পেয়েছে। দলের সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখা এবং কর্মীদের একজোট করার লক্ষ্যেই এবারের সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল।ইতিমধ্যেই ধর্মতলায় সভার প্রস্তুতির জন্য কয়েকজন নেতা জায়গা পরিদর্শনে গেলে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এরপর কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। সেই সিদ্ধান্তের পরই আইনি পথ বেছে নিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

বেআইনি দখল মামলায় বড় মোড়! উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান হাইকোর্টের

ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বেআইনি নির্মাণ এবং রাস্তা দখল সংক্রান্ত মামলায় উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট । আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সন্তোষজনক রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় জেলাশাসককে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তেইশে জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে হলফনামা এবং পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।শুক্রবার মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ জেলাশাসকের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, একাধিকবার রিপোর্ট চাওয়া হলেও স্পষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য জমা দেওয়া হয়নি। এমনকি আদালতের নির্দেশের পরও দায়সারা রিপোর্ট জমা পড়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, একজন নিম্নপদস্থ কর্মীর মাধ্যমে কেন এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, জেলাশাসক কি নিজেকে ডিভিশন বেঞ্চের চেয়েও বড় মনে করছেন। আদালতের মতে, এই ধরনের আচরণ আদালতের নির্দেশকে গুরুত্ব না দেওয়ারই ইঙ্গিত বহন করছে।আদালত জানায়, এর আগেই সতর্ক করে বলা হয়েছিল, পরবর্তী রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে হবে। সেই নির্দেশও মানা হয়নি। তাই এবার তাঁকে আদালতে উপস্থিত থেকে রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে হবে।বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তোলেন, জেলাশাসক কি এতটাই ব্যস্ত যে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় পাচ্ছেন না।মামলাকারীর অভিযোগ, ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে দখল করে পার্কিং এলাকা এবং বিয়েবাড়ি তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নয়ানজুলি ভরাট করে একাধিক বেআইনি নির্মাণও হয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে দুই হাজার বাইশ সালে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।মামলার আগের শুনানিতে জেলা প্রশাসন স্বীকার করেছিল যে ওই এলাকায় জবরদখলের ঘটনা ঘটেছে। এরপর আদালত জানতে চেয়েছিল, সেই বেআইনি দখল সরাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু একাধিকবার জেলাশাসক বদল হলেও এখনও পর্যন্ত আদালতে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়েনি। সেই কারণেই এবার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

জুলাই ১০, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসির আশঙ্কা জেনেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা! বিস্ফোরক বার্তায় তোলপাড় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আর বিদেশে থেকে নয়, এবার নিজ দেশেই ফিরতে চান। দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। দেশে ফিরে তিনি আইন মেনে আত্মসমর্পণ করবেন। কোনও চাপের মুখে নয়, সম্পূর্ণ নিজের সিদ্ধান্তেই তিনি দেশে ফিরতে চান বলেও জানিয়েছেন।শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর মুখেও পড়তে পারেন। তবুও তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। তাঁর কথায়, যদি মৃত্যু আসে, তবে তা নিজের দেশেই হোক। যেখানে তাঁর বাবা-মায়ের সমাধি রয়েছে, সেই মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলতে চান তিনি।তবে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বার্তা পাঠাননি শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন কোনও গোপন আলোচনার বিষয় হতে পারে না।গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা নিয়েও তিনি ভীত নন বলে জানিয়েছেন। শেখ হাসিনার বক্তব্য, অতীতেও একাধিকবার তাঁকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। কিন্তু গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাঁর জীবনের উপর বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে কোনও সরকারের ভুল হতেই পারে। তবে সেই ভুলের বিচার করার অধিকার জনগণের। দেশের মানুষই ঠিক করবে কোন সরকার ভালো কাজ করেছে আর কোন সরকার ব্যর্থ হয়েছে।আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, যদি দল সত্যিই মানুষের সমর্থন হারিয়ে থাকে, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ভোটের মাধ্যমে নিক। কোনও রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ছাত্র-যুব আন্দোলন এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে গণহত্যার মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করে। যদিও সেই রায় তিনি মানতে অস্বীকার করেছিলেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

জলমগ্ন কলকাতা, ফুঁসছে নদী, উত্তাল সমুদ্র! বাংলাজুড়ে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভিজেছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার সকালেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলায় একইভাবে বৃষ্টির দাপট বজায় রয়েছে। একাধিক এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। শনিবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমদমে প্রায় সাতানব্বই মিলিমিটার এবং আলিপুরে প্রায় সাঁইত্রিশ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ চলছে। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে একাধিক এলাকায় জল জমেছে।কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম মোড় এবং সেক্টর পাঁচ মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় জল জমায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এখনও বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর নেই, তবে দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উপকূলবর্তী এলাকাগুলির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বারো জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি-সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকায় পুলিশ মাইকিং করে সতর্ক করছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সমুদ্রের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জল দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের একাধিক এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেউলবাড় এবং গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াত এখন নৌকার উপর নির্ভর করছে। এতে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।অজয় নদীর জলও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর বাঁধের একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় এই এলাকায় প্লাবনের সমস্যা দেখা দেয়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

জুলাই ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal