• ২০ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ০৮ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MInister

খেলার দুনিয়া

Laxmi Ratan Shukla : বছরের প্রথম দিনে পায়ড়া উড়িয়ে কি বার্তা দিতে চাইলেন প্রাক্তন মন্ত্রী

বঙ্গ ক্রিকেটে পায়রা ওড়ানোর নেশা প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পালের রয়েছে সেকথা সকলেরই জানা। কিন্তু বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক লক্ষ্মীরতন শুক্লাও যে পায়রাপ্রেমী, তা হয়তো অনেকেরই অজানা। শিবশঙ্কর পালের মতো না হলেও কম নেই। নতুন বছরের শুরুতে একঝাঁক পায়রাকে রেখে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা। আসলে পায়রা যে শান্তির প্রতীক।সময় পেলেই বাড়ির ছাদে পায়রা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন শিবশঙ্কর পাল। আগে খেলার সময় মাঠ থেকে বাড়ি ফিরেই পায়রাদের খাওয়ানো, আকাশে উড়িয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে থাকা, অন্য জগতে চলে যেতেন বঙ্গ ক্রিকেটের ম্যাকো। লক্ষ্মীরতন অবশ্য সেদিকে ঝোঁক ছিল না। নিজে না পুষলেও বাড়ির ছাদে পায়রাকে খেতে দেওয়া তাঁর অনেকদিনের অভ্যেস। নতুন বছরের প্রথম দিন সেই ছবিও ধরা পড়েছে। আর বাড়ির ছাদে পায়রাদের খেতে দেওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে সকলকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা।সোশ্যাল মিডিয়ায় লক্ষ্মীরতন শুক্লার এই পোস্ট করা ছবি রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। অসংখ্যা অনুরাগী যেমন লাইক করেছেন, অনেকেই আবার মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ আবার লক্ষ্মীরতনের এই পোস্ট করা ছবি শেয়ার করেছেন। লক্ষ্মীর পায়রার ছবি পোস্ট করার পেছনে অন্য কারণও আছে। পায়রা হল শান্তির প্রতীক। তাই এই ছবি পোস্টের মাধ্যমে নতুন বছরটা সকলকে সুখেশান্তিতে কাটানোর জন্য আর্জি জানিয়েছেন বাংলার এই প্রাক্তন অধিনায়ক।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

Mumbai Covid: মহারাষ্ট্রের ১০ মন্ত্রী, ২০ বিধায়ক কোভিড আক্রান্ত!

ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই দেশে লাফিয়ে বাড়ছে দৈনিক কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা আট হাজার ছাড়িয়েছে। এই আক্রান্তের মধ্যে রয়েছেন মহারাষ্ট্রের ১০ মন্ত্রী এবং ২০ জন বিধায়ক। বছরের প্রথম দিনে এই খবর জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। এই মন্ত্রী-বিধায়করা আক্রান্ত হওয়ায় সে রাজ্যের বিধানসভা অধিবেশনের সময়ও কমানো হবে বলে জানিয়েছেন অজিত।নতুন বছরের প্রথম দিনেই অজিত বলেছেন, এখনও অবধি ১০ জন মন্ত্রী এবং ২০ জন বিধায়ক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ জন্য বিধানসভা অধিবেশনের সময় কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর পরই জনসাধারণের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, নতুন বছরের উৎসবে সকলেই সামিল হতে চাই। কিন্তু মনে রাখা দরকার ওমিক্রন খুব দ্রুত ছড়াচ্ছে। কিছু রাজ্যে ফের রাত্রিকালীন কার্ফু জারি হচ্ছে। মহারাষ্ট্রেও মুম্বই এবং পুণেতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।বর্ষবরণে মেতে পরিস্থিতির অবনতি না হয়, সে জন্য ইতিমধ্যেই মুম্বই জুড়ে জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকলে কোভিড সংক্রান্ত আরও বিধিনিষেধ জারি করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে, আট হাজার ৬৭ জন নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে মহারাষ্ট্রে। এর মধ্যে মুম্বইয়েই আক্রান্ত হয়েছেন পাঁচ হাজার ৬৩১ জন যা শুক্রবারের তুলনায় প্রায় দুহাজার বেশি। ওমিক্রনও দ্রুত হারে ছড়াচ্ছে মহারাষ্ট্রে। এখনও অবধি ৪৫৪ জন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন মহারাষ্ট্রে। যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
কলকাতা

Governor: বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য পদ থেকে রাজ্যপালকে সরানোর ভাবনা!

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আচার্য পদ থেকে রাজ্যপালকে সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার! অন্তর্বর্তিকালীন হিসেবে এই পদে মুখ্যমন্ত্রীকে আনার ভাবনা। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুক্রবার এমনই জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এ বিষয়ে আইনজীবীদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।রাজ্যপালের সঙ্গে নবান্নের বিরোধ নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি রাজ্যপাল রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যায়ের উপাচার্যকে ডেকে পাঠান। তা নিয়ে নতুন করে সঙ্ঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাজ্যপাল একের পর এক টুইটে দাবি করতে থাকেন, তাঁর উপর্যুপরি ডাকেও সাড়া দিচ্ছেন না রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যরা। শাসকের অঙ্গুলি হেলনেই এমনটা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন পদাধিকার বলে রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এই প্রেক্ষিতেই সাংবাদিক বৈঠকে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয় ব্রাত্য বসুর কাছে। ঘটনাচক্রে ব্রাত্যই রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী।এ দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তিনি দিনের পর দিন এভাবে ফাইল ফেলে রাখেন। তিনি বিন্দুমাত্র সহযোগিতার মনোভাব যদি না দেখান, তা হলে কেরলের রাজ্যপাল যেমন বলেছেন, প্রাদেশিক স্তরে আমরাও তা করতে বাধ্য হব। সংবিধান খতিয়ে দেখব, দরকারে আইনজ্ঞদের পরামর্শ নেব। আমরা আইনজীবীদের কাছে জানতে চাইব, অন্তবর্তিকালীন সময়ের জন্য রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আচার্য পদে আমরা মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে আসতে পারি কি না।তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাপার হল, এই প্রসঙ্গে ব্রাত্যর মুখে উঠে আসে সিপিএম শাসিত কেরলের রাজ্যপালের সাম্প্রতিক মন্তব্যের কথা। প্রসঙ্গত, কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান বলেছিলেন, ওই রাজ্যে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের পদে যেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নকে আনা হয়। কেরলেও রাজ্যপালের সঙ্গে নির্বাচিত বাম সরকারের বিরোধ অব্যাহত।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২১
দেশ

Condolence: জেনারেল রাওয়াতের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা দেশ, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ ও প্রধানমন্ত্রীর

জেনারেল বিপিন রাওয়াতের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সাংবিধানিক সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ টুইটারে তাঁর শোকবার্তায় লেখেন, জেনারেল বিপিন রাওয়াত এবং তাঁর স্ত্রী মধুলিকা জির অকাল মৃত্যুতে আমি মর্মাহত ও ব্যথিত। জাতি তার এক বীর সন্তানকে হারাল। মাতৃভূমির জন্য তাঁর চার দশকের নিঃস্বার্থ সেবা নায়কোচিত এবং ব্যতিক্রমী বীরত্বের সূচক। তার পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানাই।Its deeply painful for me to learn of the loss of lives in the chopper crash. I join the fellow citizens in paying tributes to each of those who died while performing their duty. My heartfelt condolences to the bereaved families. President of India (@rashtrapatibhvn) December 8, 2021জেনারেল রাওয়াতের স্মৃতিচারণ করে বুধবার একাধিক টুইট করেন মোদি। একটি টুইটে তিনি লেখেন, জেনারেল বিপিন রাওয়াত একজন অসামান্য সেনানী ছিলেন। ছিলেন একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক। দেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ। কৌশলগত অবস্থানের প্রশ্নে তাঁর অন্তর্দৃষ্টি এবং দৃষ্টিভঙ্গি ছিল ব্যতিক্রমী। তাঁর মৃত্যু আমাকে গভীরভাবে শোকাহত করেছে। ওম শান্তি।Gen Bipin Rawat was an outstanding soldier. A true patriot, he greatly contributed to modernising our armed forces and security apparatus. His insights and perspectives on strategic matters were exceptional. His passing away has saddened me deeply. Om Shanti. pic.twitter.com/YOuQvFT7Et Narendra Modi (@narendramodi) December 8, 2021অন্য একটি টুইটে মোদির মন্তব্য, তামিলনাড়ুতে মর্মান্তিক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় আমি গভীরভাবে মর্মাহত। সেখানে আমরা জেনারেল বিপিন রাওয়াত, তাঁর স্ত্রী এবং সশস্ত্র বাহিনীর অন্য সদস্যদের হারিয়েছি। তাঁরা অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে ভারতের সেবা করেছেন। শোকাহত পরিবারের পাশের রয়েছি আমি।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

BMC: "বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ঢোকার মুখে টোটোর দৌরাত্ম্য", ক্ষোভপ্রকাশ মন্ত্রীর

বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান হওয়ার পর আধিকারিকদের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা সেরে নিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। রবিবার মন্ত্রী জানিয়ে দেন আগামি ৮ ডিসেম্বর রোগী কল্যান সমিতি প্রথম অফিসিয়াল বৈঠকে বসবে। এদিনের বৈঠকে হাসপাতালের সামগ্রিক বিষয় সম্পর্কে অবগত হন স্বপন দেবনাথ। ওই দিন কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে তাও এদিন স্থির হয়েছে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রভুত উন্নতি করেছে। একথা বলেও স্বপন দেবনাথ জানিয়ে দেন, এখনও বেশ কিছু কাজ বাকি রয়েছে। স্বপন দেবনাথ বলেন, উন্নত মানের স্বাস্থ্য পরিষেবার কাজ অব্যাহত থাকলেও তবু তো কিছু খামতি আছে, ঘাটতি আছে বেশ কিছু জায়গায়। সেগুলো নিয়ে আগামি ৮ তারিখের বৈঠকে আলোচনা হবে। এদিন আলোচনায় শিশু বিভাগ, এক্সরে, এমআরআই ও সিটি স্ক্যানের বিষয়গুলো উঠে এসেছে।মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ টোটোর দৌরাত্ম্য নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, হাসপাতালে ঢোকার মুখে টোটোর দৌরাত্ম্য রয়েছে। টোটোর জন্য হাসপাতালের প্রিন্সিপ্যাল পর্যন্ত গাড়ি নিয়ে যেতে পারছেন না। তাঁকে নেমে রাস্তায় যানজট সরাতে হচ্ছে। রোগী নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স হাসপাতালে ঢুকতে পারছে না। এখানে যানজট একটা বড় সমস্যা। এটা নিয়ে পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলা দরকার। পিডব্লুডির সঙ্গেও কথা বলতে হবে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২১
কলকাতা

Swapan Debnath: গুরুতর অসুস্থ মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

গুরুতর অসুস্থ রাজ্যের প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক স্বপন দেবনাথ। মঙ্গলবার দুপুরে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন স্বপন দেবনাথ। খবর দেওয়া হয় চিকিৎসককে। মন্ত্রীর রক্তচাপ কম থাকায় তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন চিকিৎসক।মঙ্গলবার কলকাতায় নিজের দপ্তরেই ছিলেন তিনি। দুপুরে আচমকা শ্বাসকষ্ট হয় তাঁর। বুকে ব্যথা অনুভব করেন তিনি। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় চিকিৎসককে। চিকিৎসক এসে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। ইসিজি করা হয় বর্ষীয়ান এই মন্ত্রীর। হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন চিকিৎসক। তাঁর রক্তচাপ কমে গিয়েছে। অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁকে হাসপাতালে পাঠানোর বন্দোবস্ত করা হয়। প্রথমে নিউটাউনের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হবে।বর্ধমানের রাজনীতিতে অত্যন্ত পরিচিত মুখ বর্ষীয়ান স্বপনবাবু। মমতার মন্ত্রিসভায় প্রথম দিন থেকেই মন্ত্রিত্বের ভার সামলাচ্ছেন স্বপনবাবু। রাজনীতির বাইরেও অন্য রকম পরিচিতি রয়েছে স্বপনবাবুর। পূর্ব বর্ধমান জেলার এই প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার যাত্রার প্রতি ভীষণ আগ্রহ রয়েছে। নিজেও যাত্রায় অভিনয় করেছেন। এমনকী যাত্রাদলের প্রযোজক হিসেবেও সমানতালে কাজ করেছেন স্বপন দেবনাথ।

নভেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

SSC: এসএসসি প্রার্থীদের জন্য বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর!

রাজ্যে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ হবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। আজ, মঙ্গলবার বিধানসভায় ঘোষণা করলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগের ঢিলেমি ও নানারকমের আইনি জটিলতা, টেট দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। সেই প্রশ্নের উত্তরেই ব্রাত্য বসু এদিন বলেন, যত দ্রুত সম্ভব নিয়োগ করা হবে।ব্রাত্য বসু বলেন, রাজ্য শিক্ষক নিয়োগে বদ্ধপরিকর। আমরা ইতিমধ্যেই প্রাথমিকে ৩৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করেছি। তবে শিক্ষক নিয়োগে অনেক মামলা হয়েছে। মামলা মিটিয়ে নিয়োগের চেষ্টা হচ্ছে। আগামী ২ মাসে এসএসসি-তে নিয়োগ হবে। আদালতের জট কাটিয়েই এসএসসি-তে নিয়োগ হবে দ্রুত। আগামী ২ মাসে ১৫ হাজার এসএসসি শিক্ষক নিয়োগ হবে রাজ্যে। আশ্বস্ত করেছেন শিক্ষামন্ত্রী।এসএসসির মাধ্যমে রাজ্য কবে থেকে আবার শিক্ষক নিয়োগ শুরু করবে, তা নিয়ে বিধানসভায় প্রশ্ন করেন পাথরপ্রতিমার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সমীর জানা। প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী এদিন বিস্তারিত বিষয়টি জানান।২০১৬ সালে উচ্চ প্রাথমিক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল।এই নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। সেইসব অভিযোগের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে আইনি জটে আটকে ছিল নিয়োগ প্রক্রিয়া। গত জুলাইয়ে উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগের উপর থেকে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ তুলে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ।

নভেম্বর ১৬, ২০২১
রাজনীতি

TMC Joining Bardhaman: দলে ফিরলেন বর্ধমানের তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকাবুকো নেতা সুজিত ঘোষ

ফের সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরলেন সুজিত কুমার ঘোষ। রবিবার বর্ধমান লোকসংস্কৃতি মঞ্চে এক অনুষ্ঠানে সুজিতবাবুর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। ডাকাবুকো এই নেতার যোগদানের ফলে বর্ধমানে তৃণমূল আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন দলীয় নেতৃত্ব।২০০৩ সাল থেকেই তৃণমূলের কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সুজিত ঘোষ। স্থানীয় স্তরে তিনি দলের নানা দায়িত্ব সামলেছেন। পরবর্তীতে শারীরিক অসুস্থতার জন্য সাময়িক ভাবে রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন। এদিন ফের কয়েকশো অনুগামী সহ তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরলেন সুজিত ঘোষ। শুধু বর্ধমান শহর নয়, গ্রামীণ এলাকা থেকেও তাঁর অনুগামীরা এদিন হাজির হয়েছিলেন।সুজিত ঘোষ বলেন, আমি তৃণমূলের সঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকবো। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও যুবদের আইকন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলার উন্নয়ন কর্মযজ্ঞে সামিল হওযার জন্যই ফের সক্রিয় রাজনীতিতে এলাম। ধন্যবাদ জানাচ্ছি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাছাড়া রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কেও ধন্যবাদ জানাই।এদিন লোকসংস্কৃতি মঞ্চে কয়েকশো কর্মী-সমর্থক হাজির ছিলেন। রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, পূর্ব বর্ধমান জেলার জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধারা ও জেলা নেতা উজ্জ্বল প্রামানিক হাজির ছিলেন। সুজিতবাবু জানিয়েছেন, কোন গোষ্ঠী করার জন্য তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন না। দলের হয়ে কাজ করবেন। দলীয় নেতৃত্বের নির্দেশ মেনে চলবেন। সর্বোপরি সাধারণ মানুষের পাশে থাকবেন।

নভেম্বর ১৪, ২০২১
কলকাতা

SSKM: বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ছিলেন না, মন্ত্রীর মৃত্যুতে প্রশ্নের মুখে এসএসকেএম

সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের পর প্রশ্নের মুখে এসএসকেএম হাসপাতাল। তাঁর আইনজীবী মনিশঙ্কর মুখোপাধ্যায়ের বিস্ফোরক অভিযোগ, জুনিয়র ডাক্তাররা এসে পাম্প করছিলেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ছিলেন না। যখন ব্যথা হচ্ছিল, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা কেউ ছিলেন না।সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের আইনজীবী বলছেন, কোনও চিকিৎসক ছিলেন না। শহরের অন্যতম সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে একগুচ্ছ প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।যদি এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ ঘটনার কথা অস্বীকার করছে না। তাঁরা বলছেন, ঘটনার সময়ে মেডিক্যাল বোর্ডের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ওয়ার্ডে ছিলেন না। সন্ধ্যেবেলার রাউন্ড শেষে সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে দেখে যান তাঁরা। সন্ধ্যার পর যে এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটতে পারে, এমন কোনও ইঙ্গিতই পাননি বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, যখন সুব্রত মুখোপাধ্যায় হাসপাতালে এসেছিলেন, তাঁর হৃদপিণ্ড ঠিকমতো কাজ করছিল না। তাঁর প্রবল শ্বাসকষ্ট ছিল।তাঁকে স্টেইন বসানোর পর ৪৮ ঘণ্টা চিকিৎসকরা পর্যবেক্ষণে রাখেন। স্টেইন বসানোর আগে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বেশ কয়েকবার হৃদপিণ্ডের গতির ছন্দপতন অর্থাৎ হার্ট অ্যারিথমিয়া হয়ে যায়। কিন্তু সোমবার স্টেইন বসানোর পর মঙ্গল ও বুধবার তাঁর হৃদপিণ্ডের ছন্দপতন ঘটেনি। সন্ধ্যায় চিকিৎসকরা দেখে বলেছিলেন, সুব্রত মুখোপাধ্যায় অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন। আজ, শুক্রবার তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আচমকাই তাঁর হার্ট অ্যারিথমিয়া হয়। তার কারণ হিসাবে চিকিৎসকরা বলছেন, আর্টারি, হৃদপিণ্ডের মাংসপেশি আগের থেকেই অনেক বেশি দুর্বল ছিল। সেই কারণেই এটা ঘটেছে। এসএসকেএমের বক্তব্য, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা হয়তো ছিলেন না, কিন্তু বাকি যাঁরা ছিলেন, তাঁরা আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন।

নভেম্বর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Rabiranjan: প্রয়াত বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক, ছিলেন বিডিএ-র চেয়ারম্যান

প্রয়াত হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। ছিলেন রাজ্যের কারিগরী শিক্ষা, বিজ্ঞান ও জৈবপ্রযুক্তি মন্ত্রী। ২০১১ সালে বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় সিপিএমের দাপুটে নেতা নিরুপম সেনকে বিপুল ভোটে পরাজিত করেছিলেন। তারপর ২০১৬-তে ফের এই কেন্দ্র থেকে তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০২১-এ তাঁকে টিকিটই দেয়নি দল। তবে তিনি বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান পদে ছিলেন দীর্ঘ দিন।জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে রবিরঞ্জনবাবু হাই সুগার ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থার কারণে কলকাতায় বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসারত অবস্থায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে বর্ধমানে। শোকজ্ঞাপন করেছেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন তিনি।

নভেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ndia vs Pakistan : আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের হার নিয়ে খোঁচা ইমরান খানের!‌

বিশ্বকাপে ভারতকে হারিয়ে উচ্ছ্বাসে ভাসছে পকিস্তান। ভাবখানা এমন, যেন বিশ্বকাপ জিতেই গেছে। হবে নাই বা কেন, কোনও দিন বিশ্বকাপে ভারতকে হারাতে পারেনি। এই প্রথম বিশ্বকাপে জয়। পাকিস্তানের কাছে তাই অন্যমাত্রা পেয়েছে কোহলিদের হারানো। উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি ভারতকে খোঁচা দিতেও ছাড়েননি পাকিস্তানিরা। স্বয়ং সে দেশের প্রধানমন্ত্রী তথা বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খানও ভারতকে খোঁচা দিয়েছে। রিয়াধে এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক নিয়ে বক্তব্য রাখছিলেন ইমরান খান। সেই অনুষ্ঠানে ইমরান বলেন, মধ্য এশিয়ার বাজার ধরতে গেলে আফগানিস্তানের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক রাখা দরকার। চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের খুব ভাল সম্পর্ক রয়েছে। ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকলে ভাল হত। কিন্তু রবিবার বিশ্বকাপে ভারতকে বিধ্বস্ত করার পর ওদের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতির কথা এখন বলা যাবে না। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে পরোক্ষভাবে কোহলিদের বিশ্বকাপে হারানো নিয়ে খোঁচা দেন ইমরান। প্রাক্তন জোরে বোলার শোয়েব আখতারও ভারতের হার নিয়ে খোঁচা দিতে ছাড়েননি। রবিবারের ম্যাচে আগে হরভজন সিং বলেছিলেন, ভারতপাকিস্তান ম্যাচে পাকিস্তানের ওয়াকওভার দেওয়া উচিত। কারণ বিশ্বকাপে তো কখনও জেতেনি। এবারও হারবে। বিরাট কোহলিরা ১০ উইকেটে হারের পর ভাজ্জিকে খোঁচা দিয়েছেন শোয়েব আখতার। তিনি বলেছেন, ভাজ্জি পারছে এই পরাজয় সহ্য করতে। আইপিএলে দারুণ বোলিং করেছিলেন বরুণ চক্রবর্তী। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ। পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক সলমন বাট বরুণ চক্রবর্তীকে তাচ্ছিল্য করে বলেছেন, বরুণ যে বোলিং করেছেন তা পাকিস্তানের রাস্তর ক্রিকেটে হামেশাই হয়ে থাকে। এটা নয় যে বরুণ ভালো বোলার নয়। কিন্তু ওর যে বৈচিত্র্য, তার সঙ্গে পরিচিত পাক ব্যাটাররা। ওকে সহজেই খেলেছে বাবর ও রিজওয়ান। পাকিস্তানের এক কৌতুক-অভিনেতা ইয়াসির হোসেন বিরাট কোহলির একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন। যাতে দেখা যাচ্ছে আইপিএলে শরীরচর্চার ফাঁকে কোহলি নাচছেন। সেটির ব্যাকগ্রাউন্ডে একটি পাঞ্জাবি গান লেপে দিয়ে ক্যাপশনে তিনি লেখেন, পাকিস্তানিদের তরফে ফতেহ মুবারক জানাই। বেটার লাক নেক্সট টাইম ইন্ডিয়া! ম্যাচের মতোই অসাধারণ কোহলির নাচ।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজনীতি

Mamata: স্বাধীনতা সংগ্রামী বাবার অনুপ্রেরণায় ১২-১৩ বছর বয়স থেকে রাজনীতি শুরু, স্মৃতিচারণা মুখ্যমন্ত্রীর

শিলিগুড়িতে বিজয়া সম্মেলনীতে স্মৃতিচারণায় ভাসলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। জীবনের নানা দিকের কথা বললেন খোলামেলা ভাবে। মুখ্যমন্ত্রীর বাবা যে স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন সেকথাও জানালেন তিনি। তাঁর কাছ থেকেই অনুপ্রেরণা পেয়ে 12-13 বছর থেকে রাজনীতি হাতেখড়ি বলেও জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।রবিবার বিজয়া সম্মেলনীতে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা যখন ছোটো থেকে বড় হয়েছি বিবেকানন্দ, নেতাজি ও রবীন্দনাথ ঠাকুরের বই পড়ে। আমিও জীবনে ১২-১৩ বছর থেকে শুরু রাজনীতি শুরু করেছিলাম। এত ছোট বয়স থেকে রাজনীতি কেউ কেরেছে কিনা জানি না। আমার বাবা স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন। বাবার কাছে শুনে শুনে একটা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম বলতে পারেন। মমতা কথায়, তারপর থেকে এই সারাটা জীবন পরার হয়ে এলাম। জীবনে ক্ষতবিক্ষত হয়ে বেঁচে আছি। আমি জীবন্ত লাশ বলেত পারেন। আমার শরীরের কোনও অংশ বাদ নেই যেখানে আঘাত লাগেনি। অস্ত্রোপচার হয়নি। আজও মনের জোরে কাজ করে চলি।এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে যথেষ্ট আবেগ-প্রবণ হয়ে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। সেকথাও বলে ফেলেন মমতা। তিনি বলেন, গত ২০ বছর আমার জ্বর হয়নি। এখন ঠান্ডাটা লাগলে বেশি লাগে। পঞ্চমীর দিন গলাটাই চোকড হয়ে যায়। তবে এরই মধ্য়ে বিজেপিকে বিঁধতে ছাড়েননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শান্তিতে কেটেছে পুজো। এ শান্তি কোথায় পাবেন। বাংলা ত্রিপুরা হয়ে যায়নি এখনও। আমরা থাকাকালীন কোনও দিন হয়ে যাবেও না। বাংলার সংস্কৃতি আমরাই আগলে রাখব। ত্রিপুরায় গেলেই মাথায় মারো। একে তো মারছে, মারবার পরে হাসপাতালে চিকিৎসা করতেও দিচ্ছে না। একটা ইনজেকশন দিচ্ছে না। তাঁরা বড় বড় কথা বলে। মানবাধিকারের কথা বলে। কটা হিংসা হয়েছে, নির্বাচনের পরে কটা বিজয় উৎসব হয়েছে, কতজনকে মার হয়েছে হয়েছে উত্তরবঙ্গে। রোজ হিংসার কথা বলছে বিজেপি। ত্রিপুরার দিকে তাকিয়ে দেখো। উত্তরপ্রদেশে চলে যান লোক ঢুকতেই পায় না।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
বিবিধ

'Burj Khalifa: দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর 'বুর্জ খলিফা' নিয়ে বিষ্ফোরক তণমূল সাংসদ

শ্রীভূমির বুর্জ খলিফা নিয়ে দুর্গাপুজোর শুরু থেকেই হইচই চলছে কলকাতা জুড়ে। রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজোর আয়োজন নিয়ে সর্বত্র সমালোচনার ঝড় বইছে। মন্ডপে উপচে পড়ছে দর্শনার্থী। এবার সুজিত বসুর উদ্যোগ নিয়ে তোপ দাগলেন দলীয় সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়।বিশ্বের বৃহত্তম ভবন দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা। এবার লেজার লাইট সহযোগে এই বুর্জ খলিফার আদলে মন্ডপ গড়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে দমকলমন্ত্রীর ক্লাব শ্রীভূমি। প্রতিবছর কোনও না কোনও বিশেষ আকর্ষণ থাকে শ্রীভূমির। এবার বুর্জ খলিফা দেখতে লোকে-লোকারন্য। কলকাতা যেন ওই পুজো দেখতে ভেঙে পড়েছে। যদিও বুর্জ খলিফার লেসার লাইট নিয়ে বিমানবন্দর কতৃপক্ষ আপত্তি তোলায় তা বন্ধ রাখতে হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুজিত বসুর দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুললেন কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সুজিত এমনি খুব ভাল ছেলে। কিন্তু বিমানবন্দর এলাকা হওয়ায় আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়া উচিত ছিল। আইন অনুযায়ী লক্ষ্য রাখা হয়নি। কেন এত ক্রাউড ডাকব। ভিড় যাতে বেশি না হয় সেদিকে নজর রাখতে হতো। এমন একটা কাজ করা উচিত নয় যেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ হাজির হয়ে গেল।কোভিড পরিস্থিতি এর ফলে বিগড়ে যেতে পারে বলেও ওই তৃণমূল সাংসদ মনে করছেন। তিনি বলেন, সরকারের উদ্দেশ্যটা এর ফলে ব্যহত হচ্ছে। খোলামেলা জায়গা চাই। যাতে ভাইরাসটা বেরিয়ে যেতে পারে। তুমি বদ্ধ জায়গায় বিপুল লোক জড় করে দিলে। এটা কোভিড নিয়ন্ত্রণের বিরোধী হয়ে যাচ্ছে। যদিও এবিষয়ে সুজিত বসুর কোনও মন্তব্য মেলেনি।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
রাজ্য

By-Election: রাজ্যের উপনির্বাচনের প্রচারে অসমের মুখ্যমন্ত্রী, ৭ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসহ একাধিক সাংসদ

বঙ্গ বিজেপিও চার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে স্টার ক্যামপেইনারের তালিকা প্রকাশ করেছে। ২০ জনের এই তালিকায় বিশেষ উল্লেখের দাবি রাখে সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। রয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা, ত্রিপুরার সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। এছাড়া একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রয়েছেন তালিকায়, রয়েছেন সাংসদ, বিধায়ক ও সংগঠনের কর্তারা।ভবানীপুরের উপনির্বাচনের প্রচারে স্টার ক্যামপেইনার হিসাবে নাম ছিল লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। কিন্তু সেই প্রচারে একদিনও ভবানীপুরে হাজির হননি লকেট। তা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টিও হয়েছিল। কুণাল ঘোষের টুইট দেখে রাজনৈতিক মহলের মনে হয়েছিল তাহলে লকেটও কি তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়েছেন? যে ভাবে বিজেপি থেকে তৃণমূলের দিকে যোগ দেওয়ার ঢল নামছে তা ভাবা খুব স্বাভাবিক। পরে জানা গিয়েছিল দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জগতপ্রকাশ নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। তারপর যথারীতি দলের কাজ শুরু করেছেন লকেট।আরও পড়ুনঃ উপনির্বাচনের চার কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী সহ একাঝাঁক মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন হবে গোসাবা, দিনহাটা, খড়দহ ও শান্তিপুরে। বিজেপির তালিকায় রয়েছেন ১৩ জন সাংসদের নাম, যার মধ্যে ৭ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর নাম বিশেষ ভাবে উল্লেযোগ্য। হেমন্ত বিশ্বশর্মা উপনির্বাচনের প্রচারে আসবেন বাংলায়। উত্তরবঙ্গের দিনহাটায় তিনি প্রচারে আসতে পারেন বলে খবর। ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেস সংগঠন বৃদ্ধির কাজ করে চলেছে। সেদিক থেকে ত্রিপুরার সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিকের এরাজ্যে প্রচারে আসাটা গুরুত্বের দাবি রাখে।একনজরে দেখে নেওয়া যাক কারা রয়েছেন বিজেপির স্টার ক্যামপেইনারের তালিকায়- স্মৃতি ইরানী, ডাঃ সুভাষ সরকার, জন বার্লা, হিমন্ত বিশ্বশর্মা, শান্তনু ঠাকুর, নিশীথ প্রামাণিক, গিরিরাজ সিং, প্রতিমা ভৌমিক, লকেট চট্টোপাধ্যায়, ডঃ সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, শমীক ভট্টাচার্য, অগ্নিমিত্রা পাল, অমিতাভ চক্রবর্তী, রাহুল সিনহা, দেবশ্রী চৌধুরী, অর্জুন সিং ও মাফুজা খাতুন।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Flood : পূর্ব বর্ধমানে বন্যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সুরেই ডিভিসিকে কাঠগড়ায় তুললেন অরুপ বিশ্বাস

রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার জন্য শনিবার আরামবাগে গিয়েও কেন্দ্রকে দুষেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এদিনই পূর্ব বর্ধমানের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এসে মুখ্যমন্ত্রীর সুরেই ডিভিসিকে কাঠগড়ায় তুললেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস। তিনি বলেন, রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানের কথা ডিভিসি কর্তৃপক্ষকেই ভাবতে হবে। মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসও পূর্ব বর্ধমান জেলায় তৈরি হওয়া বন্যা পরিস্থিতিকে ম্যানমেড বন্যা বলেই অবিহিত করেন। জেলার বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে এদিন প্রশাসনিক কর্তাদের কাছে খোঁজ খবর নেন মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস।পরে তিনি জেলার মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাপরিষদ সভাধিপতি শম্পা ধারা, সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু সহ জেলার অন্যান্য নেতাদের কাছেও বন্যা পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে খোঁজ খবর নেন। এরপর দুপুরে তিনি যান বর্ধমান টাউনস্কুলে। সেখানে জেলার জল প্লাবিত এলাকার মানুষদের জন্য ত্রাণ সামগ্রী রাখা হয়েছে। ত্রাণ সামগ্রী বোঝাই দুটি গাড়ি নিয়ে এরপর মন্ত্রীরা কাটোয়া মহকুমার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এখানে মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে দলের কর্মীরা সর্বত্র বানভাসি মানুষজনের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। রাজ্যে কোথায় কোথায় সাধারণ মানুষের কী কী ক্ষতি হয়েছে সেইসব প্রশাসনিক বিষয়গুলি প্রশাসনিক স্তরে দেখা হবে। আপাতত দলনেত্রীর নির্দেশে তাঁরা মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাইছেন।এরপরেই কেন্দ্রকে নিশানা করে অরুপ বিশ্বাস বলেন, রাতের অন্ধকারে একতরফা ভাবে জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। কাটোয়ার বন্যা পরিস্থিতি ঘুরে দেখার পর মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস কাটোয়ার ভারতীভবন উচ্চ বিদ্যালয়ের ত্রাণ শিবিরে যান। সেখানে বন্যা দুর্গত মানুষের পরিস্থিতি দেখার পর মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস ত্রাণ শিবিরে থাকা মানুষজনকে আশ্বস্ত করে বলেন, কোন অসুবিধা হবে না। উপরে ভগবান। আর নিচে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন । ত্রাণশিবিরে গিয়ে বন্যাদুর্গত মানুষদের পরিস্থিতি দেখেন। ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নেওয়া পরিবারের শিশুদের হাতে দুধ ও বিস্কুটের প্যাকেট তিনি তুলে দেন। ভারতী ভবন বিদ্যালয়ের পাশাপাশি কাটোয়া পৌরসভা এলাকায় অন্যান্য ফ্লাড সেন্টারেও বন্যা কবলিত পরিবারগুলিকে রাখা হয়েছে। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস কাটোয়ার অন্যান্য ত্রাণ শিবিরগুলি ঘুরে দেখেন ও ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নেওয়া মানুষদের সঙ্গেও কথা বলেন। এদিনই বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা নিয়ে জেলার বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। বন্যা দুর্গতদের যাতে কোন অসুবিধা না হয় সেই নির্দেশও তিনি বিধায়কদের দেন।এদিকে জলাধারগুলি থেকে জল ছাড়া কমতেই শনিবার থেকে জেলায় বন্যার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। ডিভিসি জল ছাড়ার পরিমাণ কমিয়ে দেওয়ায় জলস্তর কমেছে দামোদরে। একই ভাবে অজয় নদে জল কমায় ধীরে ধীরে জেলার মঙ্গলকোট, কেতুগ্রাম ও আউশগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। শুক্রবার দুই দফায় ডিভিসি জলাধার থেকে ৪ লক্ষেল কিউসেকের বেশি জল ছাড়া হয়েছিল। এদিন ডিভিসি জল ছাড়ার পরিমাণ কমিয়ে ১লক্ষ ৫৫ হাজার ৩০০ কিউসেকে নামে। তেনু ঘাট থেকে ১৩ হাজার কিউসেক, মাইথন থেকে ৫০ হাজার কিউসেক ও পাঞ্চেত ড্যাম থেকে ৬০ হাজার কিউসেক জল ছাড়ার হয়। জলাধার থেকে জল ছাড়া কমার সঙ্গে সঙ্গেই অজয় নদের তীরবর্তী মঙ্গলকোটের পালিগ্রাম, লাখুড়িয়া, ঝিলু ১, মাঝিগ্রাম, ভাল্যগ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কিছু গ্রাম ও কেতুগ্রামের পাণ্ডুগ্রাম, পালিটা, নবগ্রাম, বিল্লেশ্বর, তেওরা, চরখি প্রভৃতি গ্রামে বন্যার জল নামতে শুরু করেছে। তবে কাটোয়া ও মঙ্গলকোটের কয়েক হাজার হেক্টর ধান জমি এখনও জলের তলায় রয়ে আছে। কাটোয়া-সিউড়ি রাজ্য সড়কের উপর দিয়ে এদিন সকালেও জল বয়ে যেতে দেখা যায়। অন্যদিকে জল কমলেও আউসগ্রামের ভেদিয়া অঞ্চলের মানুষজনের দুর্দশা কমেনি। অজয় নদের বাঁধ ভেঙে গিয়ে আউসগ্রামের সাঁতলা, ধুকুর বাগবাটি, বঙ্গপল্লী সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম জলপ্লাবিত হয়ে পড়ে। জল ঢুকে পড়ায় বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ছেড়ে কেউ ভয়ে বাঁধে অস্থায়ী তাঁবুতে আশ্রয় নেন। শিশু সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে এখন তাঁরা বিষধর সাপের সঙ্গেই সহাবস্থান করছেন। চিড়ে, গুড় ও জল খেয়েই সেখানে তাঁদের দিন কাটছে। বাঁধে আশ্রয় নেওয়া বাসিন্দাদের অনেকেরই ঘরবাড়ি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। নষ্ট হয়েছে জমির ফসলও। এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধান অজিত কুমার মণ্ডল এদিন যদিও জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই ভেঙে যাওয়া বাড়ির বাসিন্দাদের জন্য কিছু একটা ব্যবস্থা করা হবে ।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজ্য

Bye Election: ভবানীপুরের উপনির্বাচনের অভিঘাত ভিন্ন, তবে মনে করাচ্ছে ৬৫ বছর আগের বাংলার রাজনীতির কথা

তিরিশে সেপ্টেম্বর ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। ছাপা সংবাদ মধ্যম থেকে বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে এই উপনির্বাচন নিয়ে নানা গালগল্প ও বিশ্লেষন চলছে। সংসদীয় গনতন্ত্রে নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি বিষয় হলেও সাধারণত উপনির্বাচন নিয়ে তেমন আগ্ৰহ ভোঠদাতাদের থাকে না। তাই উপনির্বাচনে ভোটদানের হার কম থাকে। কিন্তু, বঙ্গ রাজনীতিতে ভবানীপুরের উপনির্বাচন এবার অন্য মাত্রা পেয়েছে। তার কারন এই উপনির্বাচনের ফল বলে দেবে রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই পদে থাকবেন কি না।বাংলায় এই নজির অতীতে নেই। তবে ইতিহাস বলছে এমনই এক উপনির্বাচনে বাংলার ভূ-রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারিত হয়েছিল। পাঁচের দশকে নেহেরু সরকার ভাষা ভিত্তিক রাজ্যগঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সেই সময় বাংলা, বিহার সংযুক্ত করে পূর্বপ্রদেশ গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র। তখন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী কৃষ্ণ, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বিধান চন্দ্র রায় কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে, পূর্বপ্রদেশ গঠনে প্রস্তুতি শুরু করেন। অখন্ড কমিউনিষ্ট পার্টি এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় পথে নামে।কমিউনিষ্ট পার্টির নেতৃত্বে তীব্র প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হয়। প্রতিবাদী মিছিল ও সমাবেশে উত্তাল হয় বাংলা।আরও পড়ুনঃ পূজার ছলে ভুলে থাকিসেই সময় কলকাতা উত্তর-পূর্ব কেন্দ্রের সাংসদ বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা-র মৃত্যু হয়। বাম সমর্থিত সাংসদের মৃত্যুতে ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচন ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তখন বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ও কমিউনিষ্ট পার্টির রাজ্য সম্পাদক ছিলেন জ্যোতি বসু। উপনির্বাচন ঘোষণা হতে বিধানচন্দ্র রায় বিধানসভায় জ্যোতিবসুকে বলেন, তোমরা পূর্বপ্রদেশ গঠনের বিরোধিতা করছ। কলকাতা উত্তর-পূর্ব কেন্দ্রে উপনির্বাচনকে আমি গনভোট হিসেবে নিচ্ছি। এই উপনির্বাচনে যদি তোমরা জেতো তাহলে আমি তোমাদের মত মেনে নেব। জ্যোতি বসু সেই চ্যালেঞ্জ গ্ৰহন করেছিলেন। ১৯৫৬ সালে সেই নির্বাচনে বাম প্রার্থী ছিলেন মোহিত মিত্র। কংগ্রেস রার্থী ছিলেন বিখ্যাত আইনজীবী অশোক সেন।সেই সময় দক্ষিণ ভারতে ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির পার্টি কংগ্রেস ছিল। কিন্তু উপনির্বাচন পরিচালনার দ্বায়িত্ব থাকায় জ্যোতি বসু পার্টি কংগ্রেসে যাননি। উপনির্বাচনের ফলে অশোক সেন বিপুল ভোটে পরাজিত হন। একই দিনে মেদিনীপুরে খেজুরি কেন্দ্রেও উপনির্বাচন হয়েছিল। সেই সময় কংগ্রেসী গড় খেজুরিতেও কংগ্ৰেস হেরে গিয়েছিল। উপনির্বাচনের ফল মেনে নিয়ে পূর্বপ্রদেশ গঠনের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছিলেন বিধানচন্দ্র রায়। সেদিন কংগ্রেস জিতলে বাংলার ভূ-রাজনীতির চালচিত্র হয়ত অন্য রকম হতো। প্রায় ৬৫ বছর পরে পশ্চিমবঙ্গে আবার একটি উপনির্বাচন নিয়ে রাজনীতির আঙিনায় আলোড়ন পড়েছে। তবে দুটি উপনির্বাচনে রাজনৈতিক অভিঘাত সম্পূর্ণ আলাদা। ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যাযের বিরুদ্ধে বাম ও বিজেপি দুইদল-ই নবীন প্রার্থী দিয়েছে। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার বিচারে দুই বিরোধী প্রার্থীর সঙ্গে মমতার আসমান-জমিন পার্থক্য থাকলেও একটি সাধারণ অবস্থান রয়েছে। তিনজনেই আইনজীবী। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আইনকে পেশা হিসেবে নেননি। বাকি দুই প্রার্থী পেশাগতভাবে আইনজীবী।বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য্য(রাজনৈতিক বিশ্লেষক)

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

দেবদাস উপন্যাসকে আঁকড়েই শরৎচন্দ্রের জন্মদিবস পালন হাতিপোতা গ্রামে

কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অনবদ্য সাহিত্য সৃষ্টি দেবদাস উপন্যাস। যে উপন্যাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার হাতিপোতা গ্রামের নাম। সেই হাতিপোতা গ্রামের মানুষজন শুক্রবার ঘটা করে পালন করলেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম দিবস। কথা সাহিত্যিকের মূর্তিতে মাল্যদান করার পাশাপাশি তাঁর ছবি হাতে নিয়ে এদিন পদযাত্রায় আংশ নিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথসহ হাতিপোতা গ্রামের পড়ুয়া ও বাসিন্দারা। উপন্যাসে উল্লিখিত হাতিপোতা গ্রামে দেবদাসের মৃত্যুর স্থানে দেবদাস স্মৃতি বৃক্ষ হিসাবে এদিন একটি অশ্বত্থ গাছও রোপন করেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। এমন নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এদিন কার্যত দেবদাসময় হয়ে থাকলো কথা সাহিত্যিকের স্মৃতি বিজরিত গোটা হাতিপোতা গ্রাম।কালনার নান্দাই পঞ্চায়েতের হাতিপোতা গ্রামে ২০০৭ সালে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি আবক্ষ মূর্তি স্থাপন করা হয়েছিল। সেই থেকে প্রত্যেক বছর ৩১ ভাদ্র হাতিপোতা গ্রামে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন পালন করা হয়। দেবদাস স্মৃতি মেলাও অনুষ্ঠিত হয়।মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এদিন বলেন, কথা সাসিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অনন্য সৃষ্টি দেবদাস উপন্যাস। সেই উপন্যাসের নায়ক দেবদাস। উপন্যাসেই কথা সাহিত্যিক উল্লেখ করেছেন হাতিপোতা গ্রামের নাম। হাতিপোতার জমিদার ভুবনমোহন চৌধুরীর সঙ্গে উপন্যাসের নায়িকা পার্বতী অর্থাৎ পারু-র বিয়ে হওয়ার কথাও দেবদাস উপন্যাসে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়াও ওই জমিদার বাড়ির কাছে থাকা একটি অশ্বত্থ গাছের উল্লেখও দেবদাস উপন্যাসে পাওয়া যায়। সেখানেই উপন্যাসের নায়ক দেবদাস জীবনের অন্তিম লগ্নে আসেন এবং সেখানেই দেহ রাখেন। স্বপন বাবু আরও জানান, দেবদাস উপন্যাসের কাহিনী নিয়ে চলচ্চিত্রও তৈরি হয়েছে। দেবদাস উপন্যাসের দৌলতে হাতিপোতা গ্রামের পরিচিতি আজ বিশ্বজুড়ে।কথা সাহিত্যিক তাঁর দেবদাস উপন্যাস লেখার সময়কালের অবস্থা আজ আর হাতিপোতা গ্রাম নেই। গ্রামের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। তবুও দেবদাস উপন্যাসের হাতিপোতা গ্রামকে আজও ভুলতে চাননা এই গ্রামের বাসিন্দারা। কথা সাহিত্যিক এই গ্রামের বাসিন্দাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Ration: দেশের মধ্যে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিনামূল্যে রেশন দেয়, দাবি খাদ্যমন্ত্রীর

কেন্দ্রের সরকার রেশন দেয় অর্থের বিনিময়ে। কিন্তু দেশের মধ্যে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ সরকার সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে রেশন দেয় বলে শনিবার বর্ধমানে এসে দাবি করলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। একই সঙ্গে তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এখন যে রেশন দেওয়া হচ্ছে তা আগামি নভেম্বর মাস পর্যন্ত দেওয়া হবে। কিন্তু রাজ্যের রেশনিং ব্যবস্থা আগামিদিনেও একই রকম ভাবে বহাল থাকবে। দুয়ারে সরকার কর্মসূচীর অগ্রগতি, রেশনিং ব্যবস্থা এবং রাইসমিল সংক্রান্ত নানা বিষয় নিয়ে এদিন বর্ধমানে জেলাশাসকের দপ্তরে আলোচনায় বসেন খাদ্যমন্ত্রী। বৈঠকে রাজ্যের অপর মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু সহ জেলা প্রশাসনের অন্য আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ বলেন, রাজ্যের রেশন ব্যবস্থা নিয়ে যাঁরা অযথা রাজনীতি করতে চাইছে করুক।কিন্তু তাতে কিছু লাভ হবে না। কেন্দ্রের রেশনিং ব্যবস্থা এবং রাজ্যের রেশনিং ব্যবস্থা সম্পূর্ণ পৃথক। রাজ্যের বেশি সংখ্যক মানুষকে কিভাবে খাদ্য সুরক্ষা দেওয়া যায় সে বিষয়ে রাজ্য সরকার যথেষ্ট যত্নবান বলে এদিন জানান খাদ্যমন্ত্রী। তিনি এও বলেন, এই রাজ্যে রেশন কার্ডের সংখ্যা ১০ কোটি ৩৩ লক্ষ। তার মধ্যে ৬ কোটি ১ লক্ষ মানুষ অর্থের বিনিনয়ে ন্যাশানাল ফুড সিকিউরিটি এ্যাক্টের (এনএফএসএ) কার্ডে রেশন পায়। বাকি ৪ কোটি ৩২ লক্ষ মানুষকে রাজ্য সরকার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নিজস্ব রেশন দেয়।কেন্দ্র খাদ্য সুরক্ষার কার্ড থাকা মানুষদের আগামি নভেম্বর অবধি রেশন দেবে। কিন্তু এই রাজ্যের সরকারের সকলকে বিনামূল্যেই রেশন দেওয়া বহাল রাখবে। খাদ্যামন্ত্রী দাবি করেন, গোটা ভারতে আর কোথাও গ্রাহকরা বিনামূল্যে রেশন পান না। এই দৃষ্টান্ত রাজ্য তৈরি করেছে। দুয়ারে রেশন প্রকল্প বাস্তবায়িত করা নিয়ে এদিন জেলার রেশন ডিলারদের বক্তব্যও শোনেন খাদ্যমন্ত্রী। রেশন ডিলারদের বক্তব্য বৈঠকে লিপিবদ্ধ করা হয়। দুয়ারে সরকার শিবিরে রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করা হচ্ছে। যাদের কার্ড নেই তারা শিবিরে আবেদন করতে পারবেন বলে মন্ত্রী জানান। জেলার বেশ কয়েকটি রাইসমিলের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে খদ্যমন্ত্রী বলেন, যেসব রাইসমিলের বর্জ্যে ধানের জমির ক্ষতি হচ্ছে কেবল সেইসব রাইস মিলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাইসমিল চালানোর জন্য কিছু শর্ত পালনের অঙ্গীকার করেই মিল কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স পেয়েছেন।ওই জল শোধনের ব্যবস্থা থাকার কথা বলেই তারা লাইসেন্স পেয়েছেন বলে খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
বিদেশ

Afghanistan: আফগানিস্তানে ঘোষিত হল তালিবান সরকার

দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে ঘোষিত হল আফগানিস্তানের তালিবান সরকার। মঙ্গলবার রাতে প্রথম দফার মন্ত্রিসভা ঘোষণা করেন সংগঠনের মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদ। মহম্মদ হাসান আখুন্দ হলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী। আব্দুল গনি বরাদর হলেন তাঁর ডেপুটি।আফগানিস্তানের বিদেশ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার সামলাবে আমির খান মুত্তাকি আর তাঁর ডেপুটি আব্বাস স্তানিকজাই।। সরাজউদ্দিন হাক্কানি সে দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী। উল্লেখ্য, হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতার ছেলে সরাজউদ্দিন হাক্কানি। আর সে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে কাজ সামলাবেন মোল্লা ইয়াকুব। রীতিমতো সাংবাদিক বৈঠক করে এই নাম ঘোষণা করেছে তালিবান।আরও পড়ুনঃ পুজোয় ঠাকুর দেখতে পারবেন? কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রীদায়িত্বপ্রাপ্ত বিদেশ মন্ত্রী হলেন আমির খান মুত্তাকি। দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মোল্লা হেদিয়াততুল্লা বাদরিকে। দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষা মন্ত্রী করা হয়েছে শেখ মওলায়ি নুরুল্লাকে। সংস্কৃতি মন্ত্রী করা হয়েছে মোল্লা খাইরুল্লা খেরখানকে। সূত্রের খবর অনুসারে,মঙ্গলবার রাতে কাবুলে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদ। তিনি ঘোষণা করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হল মোল্লা ওমর। তিনি আরও বলেন, ইসলামিক এমিরেট সিদ্ধান্ত নিয়েছে আপাতত অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভা দিয়ে সরকারের কাজ করবে। মুজাহিদ মোট ৩৩ সদস্যের মন্ত্রিসভার নাম ঘোষণা করেন সাংবাদিক বৈঠকে। বাকি মন্ত্রীদের নাম আগামী বৈঠকের পরই ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।অন্য তালিব নেতাদের তুলনায় কম পরিচিত মুখ হলেও আখুন্দের নাম রয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের জঙ্গি-তালিকায়। বিশেষ সূত্র উদ্ধৃত করে একটি পাক দৈনিকের দাবি, নয়া সরকারের প্রধান হিসেবে আখুন্দের নাম প্রস্তাব করেন তালিবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লা আখুন্দজ়াদা স্বয়ং। হিবাতুল্লাকে ইরানের কায়দায় দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার পদে বসিয়ে তাঁর অধীনে প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে তালিবান সরকার গড়বে বলে শোনা যাচ্ছিল। তাঁর ভূমিকা নিয়ে আজ কোনও ঘোষণা করেনি তালিবান। তবে হিবাতুল্লা এক বিবৃতিতে বলেছেন, দেশবাসীকে আশ্বস্ত করছি, এঁরা দেশে শরিয়া আইন এবং ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠা করতে কঠোর পরিশ্রম করবেন। দীর্ঘমেয়াদি শান্তি, শ্রীবৃদ্ধি এবং উন্নয়ন নিশ্চিত করবেন তাঁরা। কেউ যেন দেশ ছাড়ার চেষ্টা না করেন। ইসলামি আমিরশাহিতে কাউকে নিয়েই কোনও সমস্যা নেই।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Ex-Minister: প্রাক্তন মন্ত্রীর থরে থরে সাজানো সম্পত্তি যেন জখের ধন!

ঠিক যেন সকলের চোখের আড়ালে জখের ধন সামলে রেখেছিলেন বিষ্ণুপুর পুরসভার প্রাক্তন সভাপতি ও মন্ত্রী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। প্রাক্তন মন্ত্রীর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের লকারগুলি আগেই বাজেয়াপ্ত করেছিলেন তদন্তকারীরা। সেই লকার থেকে এ বার বেরল ভরি ভরি সোনার অলঙ্কার, সোনার বাঁট ও বিস্কুট! শ্যামাপ্রসাদের ওই লকার থেকে প্রায় ৩কিলোগ্রামের বেশি সোনা পাওয়া গিয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি। ব্যাংকের সেই লকারের মালিকানা রয়েছে অবশ্য শ্যাম- ঘনিষ্ঠ রামশঙ্কর মহন্তের নামে।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, রামশঙ্কর জেরায় স্বীকার করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে ব্যাগে করে সমস্ত সোনার গয়না এনে ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে নিজের লকারে জমা করতেন। এছাড়াও, একাধিক জমি-জায়গার মালিকানাও ছিল শ্যামাপ্রসাদের। শুক্রবার দুপুরে রামশঙ্করকে সঙ্গে নিয়ে বিষ্ণুপুর শহরের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে হানা দেন তদন্তকারীরা। লকার খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের। থরে থরে সাজানো সোনার বাঁট, সোনার বিস্কুট-সহ সোনার অলঙ্কার দেখতে পান তদন্তকারীরা। ঠিক কত পরিমাণ সেই সম্পত্তি তা বুঝতে স্বর্ণ বিশেষজ্ঞদের শরণাপন্ন হন গোয়েন্দারা। গোটা ঘটনা ভিডিওগ্রাফি করে রাখা হয়। বিশেজ্ঞরাই জানান, প্রাপ্ত সোনার পরিমাণ প্রায় ৩ কিলোগ্রাম। সোনার পরিমাণ যাচাইয়ের পর ওই লকার সিল করে দেওয়া হয়। প্রায় ৪ ঘণ্টা ধরে অভিযান চালান তাঁরা।আরও পড়ুনঃ পিকনিক করতে গিয়ে রহস্য মৃত্যু যুবকের, আটক তিন বন্ধুশুধু সোনা নয়, ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০ কোটি টাকা মূল্যের জমি-জায়গার খোঁজ পেয়েছেন। জানা গিয়েছে, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বিপুল পরিমাণ টাকা জমি কেনার কাজে বিনিয়োগ করেছিলেন। বিষ্ণুপুর শহরে ও আশেপাশে বিভিন্ন জায়গায় তাঁর নামে-বেনামে প্রচুর জমির খোঁজ মিলেছে। এমনকী, নিজের ছেলেমেয়ের নামেও বেশ কিছু জমি কিনেছিলেন তিনি। তদন্তে নেমে সেগুলির অনেকগুলির দলিলও হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। সেই সব দলিল মিলিয়ে জমি চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু হয়েছে।শহর ও শহর সংলগ্ন মরার গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় খড়িকাশুলিতে প্রায় ৪ বিঘার জমির ওপর নির্মীয়মান পেট্রোল-পাম্পে যান তদন্তকারী অফিসাররা। মরার গ্রাম পঞ্চায়েত ছাড়াও খড়িকাশুলিতে প্রায় ১২ বিঘা জমির খোঁজ মিলেছে। পেট্রোলপাম্প তৈরির কাজে নিযুক্ত ঠিকাদার জানিয়েছেন, প্রাক্তন মন্ত্রী শ্য়ামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে রূপা মুখোপাধ্য়ায়ের নামে কেনা হয়েছে ওই জমি। প্রায় ৯ মাস যাবত্ চলছে পাম্প তৈরির কাজ। এছাড়াও, শহরের তুর্কিডাঙায় রয়েছে ৬ কাঠা জমি। জমি কেনার ক্ষেত্রে ঠিক কত পরিমাণ টাকা ব্যয় করা হয়েছে, আর কারা এর সঙ্গে যুক্ত ছিল তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এছাড়াও আরও একাধিক সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে, যা শ্যামাপ্রসাদের ছেলে-মেয়ের নামে রয়েছে। সবটাই তদন্ত করে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রশ্ন উঠছে প্রাক্তন মন্ত্রীর এত জমানো টাকার উৎস কী? সূত্রের খবর, টেণ্ডার দুর্নীতির ঘটনায় আরও এক প্রাক্তন মন্ত্রী ঘনিষ্ঠকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 17
  • 18
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তি টিকল না! আদালতের নির্দেশে খুলছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমাজমাধ্যমের পাতা

দিল্লি হাই কোর্টে বড় স্বস্তি পেল ককরোচ জনতা পার্টি। সমাজমাধ্যমের তাদের বন্ধ থাকা পাতার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, যে কারণ দেখিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ওই পদক্ষেপ নিয়েছিল, সেই পরিস্থিতি এখন আর প্রাসঙ্গিক নয়। তাই সমাজমাধ্যমের পাতা পুনরায় চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই মামলায় ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, কোনও উপযুক্ত কারণ ছাড়াই তাঁদের সমাজমাধ্যমের পাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুনানিতে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিট পরীক্ষার সময় ওই পাতায় প্রকাশিত বিভিন্ন বার্তা পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি বা বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা ছিল। সেই কারণেই সাময়িকভাবে পাতা বন্ধ করা হয়েছিল।তবে আদালত জানায়, নিট পরীক্ষা ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। ফলে সেই যুক্তির আর প্রাসঙ্গিকতা নেই। এই পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই বিচারপতি স্বর্ণ কান্ত শর্মার বেঞ্চ সমাজমাধ্যমের পাতা পুনরায় চালুর নির্দেশ দেয়।সাম্প্রতিক সময়ে ককরোচ জনতা পার্টি সমাজমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। যদিও এটি নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃত কোনও রাজনৈতিক দল নয়, তবু তাদের অনলাইন উপস্থিতি দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এর আগে অভিজিৎ দীপ দাবি করেছিলেন, অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁদের অনুসরণকারীর সংখ্যা দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলির সমাজমাধ্যমের পাতাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। সেই মন্তব্যের কিছু সময় পরেই তাঁদের সমাজমাধ্যমের পাতা বন্ধ হয়ে যায়। পরে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।আদালতের সাম্প্রতিক নির্দেশের ফলে এই মামলায় নতুন মোড় এল। তবে মামলার অন্যান্য আইনি বিষয় এখনও বিচারাধীন থাকতে পারে।

জুলাই ০৭, ২০২৬
দেশ

প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ! তেলেঙ্গানার ঘটনায় তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর দাবি

তেলেঙ্গানায় এক ব্যক্তির মৃত্যুকে ঘিরে সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, এক নার্সের বিরুদ্ধে তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। এই ঘটনায় ওই নার্স, তাঁর প্রেমিক এবং আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রের দাবি, অভিযুক্ত সন্ধ্যার স্বামী প্রশান্ত কর্মসূত্রে বিদেশে থাকতেন। সেই সময় অনিল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে সন্ধ্যার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বলে অভিযোগ। পরে প্রশান্ত দেশে ফিরে আসার পর তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি।তদন্তে পুলিশের অভিযোগ, প্রথমে প্রশান্তকে মদ্যপান করিয়ে একটি ভবনের ছাদ থেকে ধাক্কা দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি গুরুতর আহত হলেও বেঁচে যান এবং হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর হাসপাতালেই তাঁর চিকিৎসার সময় বিষাক্ত পদার্থ শরীরে প্রবেশ করিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের দাবি, এই ঘটনায় নার্স হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো হয়েছিল। তবে এই সমস্ত অভিযোগের সত্যতা এখনও বিচারাধীন।পুলিশ আরও জানিয়েছে, ভেঙ্কট সাই নামে আরও এক অভিযুক্ত এই পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাঁকে প্রশান্তকে মদ্যপান করানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।প্রশান্তের মা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করার পর তদন্তে নতুন মোড় আসে। ফোনের তথ্য, জিজ্ঞাসাবাদ এবং অন্যান্য প্রমাণ খতিয়ে দেখে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পাশাপাশি ফরেনসিক পরীক্ষার রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে তদন্তকারী দল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খুন এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্কজনিত কারণে হত্যার অভিযোগের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। তেলেঙ্গানার এই ঘটনাও সেই তালিকায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে এই মামলার চূড়ান্ত সত্য আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।

জুলাই ০৭, ২০২৬
দেশ

হানিমুন হত্যাকাণ্ড থেকে শিক্ষা? হবু স্বামীকে হত্যার আগে যা খুঁজছিলেন তরুণী, দাবি পুলিশের

বিয়ের আগেই হবু স্বামীকে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া তরুণীকে ঘিরে তদন্তে উঠে এসেছে নতুন তথ্য। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত সিয়া গোয়েল পরিকল্পিতভাবে হত্যার ছক কষেছিলেন। তদন্তে তাঁর মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে এমন কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে, যা তদন্তকারীদের মতে পরিকল্পনার দিকটি আরও স্পষ্ট করছে। তবে এই সমস্ত তথ্য এখনও পুলিশের দাবি মাত্র এবং আদালতে প্রমাণিত হয়নি।তদন্তে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সিয়া গোয়েল ও কেতনের বাগদান হয়েছিল। আগামী নভেম্বরে তাঁদের বিয়ের কথা ছিল। পুলিশ সূত্রের দাবি, প্রথমে বিয়েতে সম্মতি দিলেও পরে আর বিয়ে করতে চাননি সিয়া। তিনি নাকি বিষয়টি কেতনকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু পরিবারের চাপে সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে না পেরে শেষ পর্যন্ত হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে অভিযোগ।পুলিশের দাবি, প্রায় এক মাস ধরে পরিকল্পনা করা হয়েছিল এই ঘটনা। তদন্তকারীদের মতে, অভিযুক্তরা বিভিন্ন প্রকাশ্যে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং পুরনো বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত খবরও পড়েছিলেন। মোবাইল ফোনের অনুসন্ধানের ইতিহাসে সেই ধরনের তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে পুলিশের দাবি। তবে তদন্তকারীরা এখনও এই তথ্যের সত্যতা এবং ঘটনার সঙ্গে তার সম্পর্ক খতিয়ে দেখছেন।এই মামলায় সিয়া গোয়েল এবং অপর অভিযুক্তকে চৌদ্দ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তদন্তের স্বার্থে সম্প্রতি পুলিশ সিয়াকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখান থেকে বের হওয়ার সময় সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা দেখে তিনি আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি করেন। সেই ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, মুখ কাপড়ে ঢাকা অবস্থায় পুলিশের সঙ্গে বেরিয়ে এসে তিনি চিত্রসাংবাদিকদের দিকে আপত্তিকর ইঙ্গিত করছেন।তদন্ত এখনও চলছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ, পরিকল্পনা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

জুলাই ০৭, ২০২৬
বিদেশ

মোদীর ইন্দোনেশিয়া সফরে বড় চমক! হতে পারে এমন চুক্তি, বদলে যেতে পারে দুই দেশের সম্পর্ক

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তিন দেশের বিদেশ সফরের প্রথম গন্তব্য ইন্দোনেশিয়া। সোমবার জাকার্তায় পৌঁছন তিনি। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো। ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এই সফরকে ঘিরে কূটনৈতিক এবং কৌশলগত মহলে যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।সূত্রের খবর, এই সফরে প্রতিরক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, বন্দর উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা-সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়েও আলোচনা হওয়ার কথা।প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি নজর রয়েছে ভারতের তৈরি অস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্রকে ঘিরে। সূত্রের দাবি, এই ক্ষেপণাস্ত্র কেনার বিষয়ে আগ্রহ দেখাতে পারে ইন্দোনেশিয়া। পাশাপাশি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যাও বাড়াতে চায় জাকার্তা। তবে এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি। দুই দেশের আলোচনার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।শুধু প্রতিরক্ষা নয়, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের সরবরাহ নিশ্চিত করতেও দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়তে পারে। ইন্দোনেশিয়ায় নিকেল ও ইস্পাত উৎপাদনে ভারতীয় বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও সাবাং বন্দর উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা। মালাক্কা প্রণালীর কাছে অবস্থিত এই বন্দর ভারত মহাসাগর অঞ্চলে কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। তাই এই প্রকল্প ভবিষ্যতে দুই দেশের সহযোগিতাকে নতুন মাত্রা দিতে পারে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এটি চতুর্থ ইন্দোনেশিয়া সফর। প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর আমন্ত্রণেই তিনি সেখানে গিয়েছেন। এরপর তিনি অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড সফরে যাবেন। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মতে, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে এবং প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

জুলাই ০৭, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুরে নির্যাতিতার বাড়ির সামনে তীব্র বিক্ষোভ! নেতা-মন্ত্রীদের ঘিরে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন স্থানীয়রা

বারুইপুরে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে এখনও থামেনি উত্তেজনা। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে নাবালিকাকে অপহরণ, যৌন নির্যাতন এবং হত্যার অভিযোগে তদন্ত এগোচ্ছে। তবে তদন্ত এখনও চলমান এবং ঘটনার পূর্ণ সত্য আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। এই ঘটনার প্রতিবাদে এলাকায় ক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে একের পর এক রাজনৈতিক প্রতিনিধি সেখানে পৌঁছন। তাঁদের অনেককেই স্থানীয় মানুষের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়।মঙ্গলবার নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তাঁর আগেই সকালে সেখানে পৌঁছন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং লকেট চট্টোপাধ্যায়। অগ্নিমিত্রা পাল জানান, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবেই তাঁরা পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন। পরে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আরও দুই সাংসদও সেখানে পৌঁছন।এর কিছু পরেই বারুইপুরে যান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শিউলি সাহা, কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং সায়নী ঘোষ। নির্যাতিতার বাড়ির সামনে পৌঁছতেই স্থানীয়দের একাংশ তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। বিশেষ করে সায়নী ঘোষকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনার দুদিন পরে কেন তিনি এলাকায় এলেন। বিক্ষোভকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে নানা প্রশ্ন তোলেন। পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে তাঁদের ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়।পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর সায়নী ঘোষ বলেন, ঘটনার পিছনে বৃহত্তর কোনও চক্র রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন।পরে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সঙ্গীদেরও প্রথমে আটকে দেওয়া হলেও পরে তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই তাঁরা পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এসেছেন। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে, তার জন্য কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

জুলাই ০৭, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা বিপর্যয়ের পর বড় ঘোষণা! নিহতদের পরিবারকে চাকরি, মাসিক সাহায্য ও শিশুদের পড়াশোনার দায়িত্ব নিল রাজ্য

তারাতলা দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার নিহত শ্রমিকদের পরিবারের হাতে দশ লক্ষ টাকার চেক এবং আহতদের হাতে এক লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে ভবিষ্যতেও সবরকম সহায়তা করবে রাজ্য সরকার।গত চব্বিশ জুন দুপুরে তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি গুদাম ভেঙে পড়ে। সেই সময় সেখানে কাজ চলায় বহু শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়েন। উদ্ধারকাজে পুলিশ, দমকল, দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালায়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় ষোলো জনের মৃত্যু হয়েছে এবং একাধিক শ্রমিক আহত হয়েছেন।মঙ্গলবার আর্থিক সাহায্য প্রদান অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন। সেই সময় এক মৃত শ্রমিকের স্ত্রী চাকরির আবেদন জানান। জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে পরিবারের একজন সদস্যকে কাজ দেওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে। তিনি কলকাতা পুর প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে এবং পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। আগামী সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে বিষয়টি পর্যালোচনা করে জানানো হবে বলেও তিনি জানান। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে বলে স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী।এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী জানান, নিহতদের পরিবারের জন্য মাসিক আর্থিক সহায়তা চালুর বিষয়েও রাজ্য সরকার ভাবনা-চিন্তা করছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের পড়াশোনার দায়িত্বও রাজ্য নেবে বলে তিনি ঘোষণা করেন।আহত শ্রমিকদের চিকিৎসা নিয়েও বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত আহতদের সমস্ত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। এই বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে নির্দেশও দেন তিনি।

জুলাই ০৭, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে অভিষেককে বিচারপতির কড়া প্রশ্ন! ‘রক্ষাকবচ পেয়েও তদন্তে সহযোগিতা করছেন না কেন?’

পরবর্তী শুনানির আগে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ মামলাকে ঘিরে আবারও কলকাতা হাই কোর্টে হাজির হলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও শুনানির সময় তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগ তোলে রাজ্য। সেই প্রেক্ষিতেই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য প্রশ্ন তোলেন, আদালতের রক্ষাকবচ থাকা সত্ত্বেও কেন তদন্তে সহযোগিতা করা হচ্ছে না। তিনি মন্তব্য করেন, কণ্ঠস্বরের নমুনা তদন্তকারীদের দেওয়া উচিত। আগামী শুক্রবার ফের এই মামলার শুনানি হবে।আগামী আট জুলাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কথা রয়েছে। তার আগে মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি জানতে চান, আদালতের সুরক্ষা পাওয়ার পরও তদন্তে সহযোগিতা করতে আপত্তি কোথায়। জবাবে অভিষেকের আইনজীবী বলেন, সংশ্লিষ্ট বক্তব্য যে তাঁর মক্কেলেরই, তা আগেই স্বীকার করা হয়েছে। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা নেই।অন্যদিকে, রাজ্যের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, শুধুমাত্র মৌখিক স্বীকারোক্তির উপর নির্ভর করে তদন্ত এগোনো সম্ভব নয়। কণ্ঠস্বরের বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় তদন্তে বিলম্ব হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়। রাজ্যের বক্তব্য, আদালতের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা প্রত্যাশিত হলেও এই ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ, সেই বক্তব্য উসকানিমূলক ছিল। প্রথমে বিধাননগর থানায় মামলা দায়ের হলেও পরে তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। ইতিমধ্যে এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। এবার তদন্তের স্বার্থে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চাইছে তদন্তকারী সংস্থা। যদিও অভিষেকের দাবি, সংশ্লিষ্ট বক্তব্য নিজের বলে তিনি আগেই স্বীকার করেছেন। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সেই কারণেই তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। তবে এখনও এই মামলার চূড়ান্ত রায় হয়নি এবং বিষয়টি বিচারাধীন।

জুলাই ০৭, ২০২৬
কলকাতা

কার টাকায় চলত অভিষেকের চাটার্ড বিমান? পাঁচ জায়গায় একসঙ্গে ইডির তল্লাশিতে নতুন রহস্য

কলকাতার একাধিক জায়গায় মঙ্গলবার সকালে তল্লাশি শুরু করেছে ইডি। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাটার্ড বিমানের ভাড়ার টাকা কোথা থেকে এসেছে, সেই অর্থ কারা দিয়েছেন এবং সেই টাকার লেনদেন কীভাবে হয়েছে, তার পূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, রাজারহাট, নিউটাউন-সহ মোট পাঁচটি জায়গায় আলাদা আলাদা দল অভিযান চালায়।তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এক ব্যবসায়ীর বাড়ি ও অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। অভিযোগ, ওই ব্যবসায়ীর সংস্থার মাধ্যমে চাটার্ড বিমানের ভাড়ার অর্থ দেওয়া হত। সেই অর্থের উৎস কী এবং তৃণমূলের দলীয় তহবিলের সঙ্গে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।এদিকে, তৃণমূলের তহবিল ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই এই অভিযান নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। দলের ভাঙনের পর তহবিল ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্কে চিঠি দিয়ে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন করেছিলেন। সেই বিষয়টি এখনও কলকাতা হাই কোর্টে বিচারাধীন। আদালত একাধিকবার জরুরি শুনানির আবেদন খারিজ করেছে। মঙ্গলবারও একই সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।তদন্তকারীরা সল্টলেকের একটি সংস্থার অফিস এবং সংস্থার পরিচালকদের বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছেন। অভিযোগ, ওই সংস্থার মাধ্যমেই চাটার্ড বিমানের ব্যবস্থা করা হত। তৃণমূলের একাংশের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, বিমানের ভাড়ার অর্থ কাটমানি ও তোলাবাজির টাকায় মেটানো হয়েছে। সেই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই তদন্ত এগোচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।অন্যদিকে, এক বিজেপি বিধায়কও অভিযোগ করেছেন, তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ জমা হয়েছে। সেই অভিযোগেরও তদন্ত চলছে। সব অভিযোগের আর্থিক নথি, ব্যাঙ্ক লেনদেন এবং অর্থের উৎস খতিয়ে দেখতেই মঙ্গলবারের এই তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান।

জুলাই ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal