• ৯ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৭ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

LIC

রাজ্য

বঙ্গীয় হকার সংগঠন রেল পুলিসের অত্যা চার নিয়ে আন্দোলনের হুমকি

শক্তিগড় রেলস্টেশনে জোরদার আন্দোলনে রেল হকাররা। তাদের দাবি আরপিএফ স্বেচ্ছাচারিতা করছে। দমন পীড়ন চালিয়ে টাকা আদায় করছে। এর বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।বঙ্গীয় হকার সম্মেলনের সাধারণ সম্পাদক নাদিম হোসেন মল্লিক জানান, এক মাস আগে রসুলপুর থেকে এক হকারকে তুলে আনা হয়। তার কাছে নিয়মিতভাবে আরপিএফকে টাকা দেবার দাবি করা হয়। অস্বীকার করলে ডাকাতি ও মহিলা কামরায় ওঠা সহ নানা কেস দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে তারা ডেপুটেশন দিতে এলে একটা মীমাংসা হয় জিআরপির উপস্থিতিতে। কিন্তু তারপরও নাদিমবাবুর নামে একটি শমন জারি করা হয়। রেল পুলিসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই বিক্ষোভ বলে তাঁরা জানান।তারা দাবী, রাষ্ট্র আমাদের স্থায়ী কাজ দিতে পারেনি। চুরি, আসৎ উপায় অবলম্বন না করে ট্রেনে ট্রেনে ফেরি করি। এই কাজে বাধা দিতে গেলে জোর লড়াই হবে বলে তাঁরা হুঙ্কার ছাড়েন।

আগস্ট ২০, ২০২২
দেশ

পানশালার বিতর্কে স্মৃতি ইরানির মেয়ে, দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশে অশ্বস্তির মুখে তিন কংগ্রেস নেতা

দিল্লী উচ্চ আদালত জানিয়েছে যে, তিন কংগ্রেস নেতা বিজেপি নেত্রী ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি এবং তার মেয়ের জোয়িশের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এবং ব্যক্তিগত আক্রমণের ষড়যন্ত্র করেছিলেন তা মিথ্যা। ওই তিন কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে মহিলা ও শিশুকল্যাণ উন্নয়ন মন্ত্রী ইরানির দায়ের করা ২ কোটি টাকার দেওয়ানি মানহানির মামলার শুনানির সময় আদালত এই নির্দেশ দেয়।আদালত স্মৃতি ও তাঁর মেয়ের বিরুদ্ধে আনা কংগ্রেসের অভিযোগগুলিকে খণ্ডিত করে তাঁর আদেশে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি এবং তার মেয়ে গোয়ার রেস্তোরাঁ এবং বারের মালিক নন। কংগ্রেসের অভিযোগ ছিল, মৃত ব্যক্তির নথি জাল করে লাইসেন্স পেয়েছে স্মৃতি ইরানির কন্যার গোয়ার রেস্তরাঁ ও পানশালা সিলি সোলস।দিল্লী উচ্চ আদালতের নির্দেশে গোয়ায় উল্লিখিত বারএর নথি যাচাই করে দেখে, যে অভিযোগ জয়রাম রমেশ, পবন খেরা, নেট্টা ডিসুজা করেছেন স্মৃতি ইরানির মেয়ের বিরুদ্ধে,ওই নামে কোনও লাইসেন্স কখনও ইস্যু করা হয়নি এমন কোনও লাইসেন্স আদও ছিল না। ইরানি বা তার মেয়ে ওই রেস্টুরেন্টের মালিকও নন। এবং আদালত সুস্পষ্ট করে জানান, স্মৃতি ইরানি বা তার মেয়ে কখনই লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেনি।উল্লেখ্য,তিন কংগ্রেস নেতা টুইটারে স্মৃতি-র মেয়ে জোয়িশের বিরুদ্ধে জাল নথি পেশ করে পানশালার লাইসেন্স পাওয়ার অভিযোগ জানানোয় ওই তিন নেতাকে আইনি নোটিস পাঠান স্মৃতি ইরানি, এবং দিল্লি হাই কোর্টে মানহানির মামলা দায়ের করেন। দিল্লি হাই কোর্ট গত শুক্রবার জয়রাম রমেশ, পবন খেরা, নেট্টা ডিসুজাকে টুইট মুছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। আজকের আদালতের এই নির্দেশে কংগ্রেসের তিন নেতার আইনি বিপাকে পড়ার সম্ভবনা আরও প্রবল বলেই আইনজ্ঞরা মনে করছেন।

আগস্ট ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বড়পর্দায় কামব্যাক রঞ্জিত মল্লিকের

নেহাল দত্তের পরিচালনায় অপরাজেয় ছবির মাধ্যমে কামব্যাক করছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক। এছাড়া রয়েছেন সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, লাবণী সরকার, সুমিত গাঙ্গুলি, মৃণাল মুখোপাধ্যায়, ফাল্গুনী চট্টোপাধ্যায়, সায়ন ব্যানার্জি, ওরিন, গোপাল তালুকদার প্রমুখ। শ্রীমতী সুমনা কাঞ্জিলাল কর্ণধার - মোজোটেল এন্টারটেনমেন্টস এবং দিব্যা ফিল্মস এর উপস্থাপনায় এই অপরাজেয়।অপরাজেয় তে সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় ও মৃণাল মুখোপাধ্যায়এই গল্পটা একজন সত্যবাদী নিষ্টাবান উকিল শুভঙ্কর স্যানাল এর জীবন নিয়ে! যে কোনদিন মিথ্যা বা অসৎ কোন কাজ কে মেনে নেননি! কিন্তু জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে এলোমেলো হয়ে যায় তাঁর জীবন! এক কেসে তাঁর মক্কেল টাকার জন্য অনৈতিক ভাবে কেস তুলে নেয়, এই কষ্টে অবসর নেন শুভঙ্কর! অবসর জীবনে তাঁর স্ত্রী তাঁদের একমাত্র পুত্র এবং পুত্রবধু ও নাতির প্রতিক্ষায় এক সময়ে নিজেকে শেষ করে দেন! ভেঙ্গে পড়েন শুভঙ্কর বাবু! কিন্ত আবার তাঁকে জাগিয়ে তোলে পাশের বাড়ির এক বৃদ্ধের ওপর বাড়ি বিক্রির ষড়যন্ত্র জড়িত এক সন্তানের অন্যায়ের বিরুদ্ধে আবারও গর্জে উঠলেন সেই হারানো শুভঙ্কর সান্যাল।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

মোবাইলে নিষেধাজ্ঞা কলকাতা পুলিসের, আর ফোন নিয়ে সরকারি ডিউটি করা যাবে না

পুলিসের ফোন ব্যবহার বিধিনিষেধ নিয়ে কড়া নির্দেশিকা লালবাজারের। কয়েকদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির অনুপ্রবেশ ঘিড়ে তুলকালাম পুলিস মহলে। হাফিজুল মোল্লা নামে এক ব্যক্তির অনুপ্রবেশের পর থেকেই পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে। সরকার বিরোধী শিবির বাম, বিজেপি ও কংগ্রেস প্রশ্ন তোলে, যেখানে জেড ক্যাডাগড়ি ভুক্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত, সেখানে রাজ্যের সাধরণ মানুষের কথা যত কম বলা যায় ত্তি ভালো। তাঁর পরবর্তি সময়ে কলকাতা পুলিস বেশ কিছু কড়া সিদ্ধান্ত নেয়। তাঁর মধ্যে প্রথমেই তারা নজর দেয় নবান্নের নিরাপত্তায়। তখন তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো, রাজ্যের প্রধান করণ নবান্নতে এর পর থেকে কর্তব্যরত কোনও পুলিশকর্মী মোবাইল ফোন নিয়ে ডিউটি করতে পারবেন না। তাঁদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন জমা রেখে ডিউটি করতে হবে। সেই নিয়মই বলবত থাকে মুখ্যমন্ত্রীর বসতবাড়ি কালীঘাটেও।নবান্ন বা কালিঘাটের মুখ্যমন্ত্রীর বারিতে থেমে না থেকে কলকাতা পুলিস এবার আরও কড়া ব্যবস্থা নিল। মঙ্গলবার কলকাতা পুলিশ ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ব্যবহারে আরও কঠোর নিয়ম জারি করল। তাঁরা জানিয়েছে, কর্তব্যরত অবস্থায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মোবাইল ফোন ব্যবহার আর করা যাবে না। লালবাজার সুত্রে জানা যায়, বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কর্তব্যরত অবস্থায় পুলিসকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা গেলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আরও জানা গেছে কেউ যদি, কিউআরটি/এইচআরএফএস, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ বা সেন্ট্রি ডিউটিতেও থাকে তাহলেও মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না।মঙ্গলবার কলকাতার পুলিশ কমিশনার পুলিসের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ে বেশ কিছু কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। মনে করা হচ্ছে, কিছুদিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির অনুপ্রবেশের পর পুলিসি ব্যবস্থার প্রতি সাধরণ মানুষের প্রশ্ন জাগতেই এতটা তৎপরতা। সেই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে সর্বস্তরে এক বড় প্রশ্ন ওঠে।লালবাজার সুত্রে জানা গেছে, মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে যারা থাকবেন, তাঁদেরও মোবাইল ব্যবহার নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে। এদিনের লালবাজারের এই নির্দেশিকা মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সেই ঘটনার প্রতিফলন বলে ভাবছে অভিজ্ঞ মহল।

জুলাই ২০, ২০২২
রাজ্য

"ক্লিক করার আগে ভাবুন" পুর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ ও ইউ.আই.টি.-র উদ্যোগে এক অভিনব সাইবার সচেতনতার বার্তা

পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের উদ্যোগে ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়র ইউ আই টি সহায়তায় বুধবার বর্ধমান শহরের এক বেসরকারি স্কুলে সাইবার সুরক্ষা ও সচেতনতা কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কোভিড উত্তর বর্তমান প্রজন্ম অনলাইন ব্যবস্থার সাথে এতটাই ওতোপ্রত ভাবে যুক্ত তাতে করে এই ব্যবস্থাটাকে কোনও ভাবেই এড়িয়ে চলতে পারা যাবে না। এই সুবিধা ভোগ করেও কি ভাবে আরও বেশী সুরক্ষিত থাকা যায় তাঁর জন্যই সাইবার সুরক্ষা ও সচেতনতা সমন্ধে সম্যক ধারনা থাকা দরকার।বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়র ইউ আই টি র কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারি অধ্যাপক প্রধান ডঃ শিবকালি গুপ্ত জনতার কথা কে জানান, ছাত্রদের পড়াশোনা ছাড়াও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকে ঔষধ, টাকা পাঠানো থেকে অফিসিয়াল ডকুমেন্ট এমনকি সরকারি ও বেসরকারি সংস্থায় উপস্থিতি-ও বর্তমানে ডিজিটালি হচ্ছে। সেক্ষেত্রে আমাদের এই ব্যবস্থাকে এড়িয়ে যাওয়া কোনও ভাবেই সম্ভব নয়। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, সেই উদ্দেশ্যেই পূর্ব-বর্ধমান জেলা পুলিশের উদ্যোগে বিভিন্ন জায়গায় আমরা এই সচেতনতা প্রোগ্রাম করছি। তিনি জানান, তাদের এই প্রোগ্রামটির নাম ক্লিক করার আগে ভাবুন (Think Before You CLICK)।ওইদিন ডঃ গুপ্ত ক্লিক করার আগে কি করা উচিত মুলত সেই বিষয়ের ওপরই বেশী প্রাধান্য দেন। তিনি বলেন, এই প্রোগ্রামের জন্য আমদের মুলত স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদেরই বেছে নেওয়ার কারন, বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই বাবা-মায়েরা ছেলে মেয়েদের ওপর-ই মোবাইল বা নেট সংক্রান্ত বিষয়ে বেশী নির্ভর থাকে। সেক্ষত্রে ছেলে-মেয়েদের এবিষয়ে সম্যক জ্ঞ্যান থাকলে তাঁরা তাঁদের বাবা-মাকে আগে ভাগেই সতর্ক করে দিতে পারবে।সাইবার ক্রাইম সচেতনতা সভাডঃ শিবকালি গুপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে কিছু সতর্কবার্তা দেন, কোনওভাবেই কেউ যেন কোনও অপরিচিত লিঙ্ক-এ ক্লিক না করেন, অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন এলে যেন ওটিপি বা ব্যাক্তিগত তথ্য না দেওয়া হয়। হোয়াটসঅ্যাপ বা এস.এম.এস.-এ কোনও ফ্রী গিফট বা লোভনীয় লিঙ্ক নিজে যেমন ক্লিক করবেন না, ঠিক তেমনই কাউকে শেয়ারও করবেন না। এই ধরনের লিঙ্ক দেখলেই সরাসরি ডিলিট করে দেবেন।পুর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান সাইবার ক্রাইম থানা-র সাব ইন্সপেক্টর সাহাবুদ্দিন আহমেদ। ভুল করে ফাঁদে পা দিয়ে ক্লিক বা কোনও ব্যক্তিগত তথ্য বলে দিলে তাঁর পর কি করনীয় সে বিষয়ে তিনি আলোকপাত করেন। তাঁর বিষয় ছিল কি ঘটতে পারে যখন আপনি ক্লিক করে ফেলেছেন (What Happens When You Click)। ইন্সপেক্টর সাহাবুদ্দিন ছাত্র ছাত্রীদের জানান যখন কেউ প্রতারিত হয়েছেন তাঁরা যেন সরাসরি পুলিস প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এছাড়াও তিনি প্রতারিত হলে আইনি ভাবে কি কি করতে হবে সে সংক্রান্ত বিষয়ে বিশেষ আলোকপাত করেন।বর্ধমান শহরের বেসরকারি বিদ্যালয় বর্ধমান মডেল স্কুল-র কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথা কে জানান, এই ধরনের প্রোগ্রাম যত বেশি হবে তত সাধরন মানুষ উপকৃত হবেন। আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা আজকের এই অনুষ্ঠানের ফলে সমৃদ্ধ হল। আজকের সতর্ক বানী তারা তাদের পরিবারকে বলে আরও কিছু মানুষকে প্রতারণা হওয়া থেকে আটকাতে পারবে। অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল পূর্ব-বর্ধমান পুলিস ও ডঃ শিবকালি গুপ্ত কে বিশেশভাবে ধন্যবাদ জানান সাইবার ক্রাইম সংক্রান্ত একটি বাস্তব সমস্যা নিয়ে সচেতনতা সভা বর্ধমান মডেল স্কুল-এ আয়োজন করার জন্য।

জুলাই ০৮, ২০২২
রাজ্য

দাগী দুস্কৃতির সঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক ও তৃণমূল নেতার ছবি, সোচ্চার সিপিএম ও বিজেপি

গুলি ভর্তি পাইপগান সহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যাওয়া এক দুস্কৃতি এখন গলার কাঁটা হয়ে উঠেছে তৃণমূলের নেতাদের। ধৃত ওই দুস্কৃতির নাম সম্পদ জুই ওরফে বাবু। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের রায়নার সেহারাবাজারের পাওয়ার হাউস পাড়ায়। গত মঙ্গলবার ভোররাতে বর্ধমান-অরামবাগ রোডের ফকিরপুর ঢাল এলাকায় নাকা চেকিং চলার সময়ে সে পাইপগান ও কার্তুজ সহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায়।বিজেপি ও সিপিএম নেতৃত্বের দাবি ধৃত সম্পদ জুই খণ্ডঘোষের বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগের অত্যন্ত ঘনিষ্ট একজন তৃণমূল কর্মী।যদিও বিরোধীদের এই দাবি মানতে চাননি খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়ক।রায়না থানার পুলিশ অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো ধৃতের রাজনীতির রং বিচার না করে তাঁকে ওইদিনই বর্ধমান আদালতে পেশ করে।বিচারক ধৃতকে পাঁচ দিন পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দেন। ধৃতকে নিজেদের হেপাজতে নিয়ে পুলিশ খতিয়ে দেখছে সে ওই বেআইনি আগ্নেআস্ত্র কোথা থেকে পেল এবং কি উদ্দেশ্যে সে ওই আগ্নেআস্ত্র নিয়ে স্কুটিচেপে রাতে বাইরে বেরিয়ে ছিল।ধৃতের পুলিশি হেপাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর রবিবার ফের তাঁকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হবে। তবে সম্পদকে এখন শ্রীঘর বাসেই থাকতে হবে বলে পুলিশ কর্তাদের কথায় ইঙ্গিত মিলেছে।বগটুই কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বোমা, গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধারের জন্য রাজ্য জুড়ে পুলিশি তৎপরতা জারি রয়েছে। সেই মতো রায়না থানার পুলিশও তৎপরতা জারি রাখে। আর তাতেই পাইপগান ও কার্তুজ সহ সম্পদ জুই এর গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনায় এখন তোলপাড় চলছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।জেলা বিজেপির সহ- সভাপতি সৌম্যরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন,সম্পদ জুই তৃণমূল কংগ্রেস পার্টির সঙ্গে যুক্ত।এমনকি সে নিজেকে খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগের ঘনিষ্ট বলেই এলাকায় জাহির করতো ।এই সম্পদ জুই কেই রায়না থানার পুলিশ ২০১৮ সালে প্রচুর গাঁজা সহ গ্রেপ্তার করেছিল।মাদক সংক্রান্ত সেই মামলায় সম্পদ জুই দীর্ঘদিন জেলও খাটে।তার পর অপকর্ম চালানোর জন্য সে তৃণমূলে ভিড়ে গিয়ে তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে যে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছিল সেটাও সবাই জানে।। সেই সম্পদ জুই গত মঙ্গলবার রায়না থানার পুলিশের নাকা চেকিংয়ে গুলি ভর্তি পাইপগান ধরা পড়ে ।এই ঘটনা তুলে ধরে বিজেপি নেতা সৌম্যরাজ বাবু দাবি করেন , সম্পদ জুই শুধু যে তৃণমূল কংগ্রেস পার্টি করতো এমনটা নয়। সে খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়ক নবিনচন্দ্র বাগেরও অত্যন্ত ঘনিষ্ট বলেই সবাই জানেন। তৃণমূলের নানা অনুষ্ঠানে তাঁকে বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগের সঙ্গেই দেখা যেত।সেই সব ছবি এখনও সামাজিক মাধ্যমে ঘোরা ঘুরি করছে।পাশাপাশি সৌম্যরাজবাবু এও দাবি করেন,সম্পদ জুই গ্রেপ্তার হওয়ার পর আরও একবার প্রমান হয়েগেল বগটুই কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি আদৌ কোন কাজেই লাগেনি। তাই শাসক দলের লোকজন এখনও বেআইনি আগ্নেআস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর মত স্পর্ধা দেখাচ্ছেন।অন্যদিকে খণ্ডঘোষ নিবাসী জেলা সিপিএম নেতা বিনোদ ঘোষ বলেন,পাইপগান সহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যাওয়া সম্পদ জুই যে খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়কের ঘনিষ্ঠ ছিল সেটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোরাঘুরি করা ছবি থেকেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে।শুধু বিধায়কই নন,ছবিতে সম্পদ জুই এর গা ঘেঁষে খণ্ডঘোষের আর এক তৃণমূল নেতা সঞ্জীব হাজরা কেও দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে বিনোদ বাবুর দাবি , এটা ব্যতিক্রমী কোন ঘটনা নয়। আসলে এই প্রথম রাজ্যে একটা সরকার চলছে যেটা সমাজ বিরোধী (Anti Social) দ্বারা পরিচালিত । সেই কারণেই শাসক দলের নেতা ও বিধায়কদের কাছাকাছি এখন দুস্কৃতি অথবা সমাজ বিরোধীরাই থাকছে ।এটাই বাংলার সব থেকে বড় লজ্জা বলে বিনোদ ঘোষ মন্তব্য করেন।বিরোধীরা এইসব অভিযোগ করলেও ছবি দেখার খণ্ডঘোষের বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগ বলেন,এটি সেহারাবাজারে হওয়া তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস অনুষ্ঠানের ছবি। তবে আমার পাশে যে ব্যক্তি দাঁড়িয়ে আছেন তিনি যে সম্পদ জুই তা তিনি জানেন না। সম্পদ জুই কে তিনি চেনেনও না। অনুষ্ঠান চলাকালীন ওই ব্যক্তি কখন আমার পাশে এসে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল সেটাও আমার আজানা। ছবিটা কিভাবে ছড়িয়ে গেল সেটাই বুঝতে পারছেন না বলে বিধায়ক নবীনচন্দ্রবাগ জানিয়েছেন। অপর তৃণমূল নেতা সঞ্জীব হাজরাও একই ভাবে জানিয়েদেন, সম্পদ জুই কে তিনি চেনেনই না। ওই ব্যক্তি তৃণমূলেরও কেউ নন। রাস্তার ধারে রাতে তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস অনুষ্ঠান চলার সময়ে কখন ওই ব্যক্তি তাঁর ও বিধায়কের পাশে এসে দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন সেটাও অজানা বলে সঞ্জীব বাবু জানিয়েছেন।

মে ১৪, ২০২২
রাজ্য

সেলিমের পুলিশ না রেখে কুকুর পোষার মন্তব্যে বিতর্ক তুঙ্গে

গতকাল, শনিবার পুলিশকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। প্রাক্তন সাংসদের মন্তব্যে তোলপাড় পুলিশ থেকে রাজনৈতিক মহল। তবে নিজের বক্তব্য থেকে একটুও সরে আসেননি সেলিম। বরং সিপিএম নেতার বক্তব্য, পুলিশের বদলে কুকুর পোষার কথা বলে অপমান করেছেন কুকুরকে। তৃণমূল কংগ্রেস কড়া সমালোচনা করেছে মহম্মদ সেলিমের। পুলিশ মহলের বক্তব্য, সমালোচনা করতেই পারেন তবে এভাবে কুকুরের সঙ্গে তুলনা না করলেই পারতেন।দক্ষিণ ২৪ পরগণার বিষ্ণুপুরে জনসভায় মহম্মদ সেলিম বলেছেন, পুলিশকে কেন মাইনে দিয়ে রাখা হয়েছে। পুলিশকে না রেখে কয়েকটা কুকুর পুষলে ভাল হত। পুলিশের কুকুর থাকে না ট্রেনিং দেওয়া, তাঁরা শুঁকে শুঁকে বলে দিতে পারবে কোন দিকে অপরাধী গিয়েছে। কয়েকটা এসপির বদলে বিদেশি কুকুর রেখে দিলে খুনের কীনারা হয়ে যাবে। সেলিমের এই মন্তব্যে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি।তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, এমন মন্তব্য করে অত্যন্ত নিম্মরুচির পরিচয় দিয়েছেন সেলিম। সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী-সহ অন্য নেতারাও এই বিষয়ে তাঁকে সমর্থন করবেন না। নেতাজিকে এরাই তোজোর কুকুর বলেছিল। সিপিএমের আমলে পুলিশ দলদাস ছিল। লালবাজারের নাকের ডগায় বড়বাজারে রশিদ খানের বাড়িতে বোমা বিষ্ফোরণে ১০০জন মারা গিয়েছিল। রশিদ গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু তার পিছনে যে সিপিএম নেতারা ছিল তাঁরা দলের শাস্তির কোপে পড়লেও তাঁদের গ্রেফতার করা হয়নি। এখন পুলিশ নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করছে।এদিকে সেলিমের বক্তব্য নিয়ে প্রাক্তন পুলিশ কর্তারাও বিরোধিতা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, পুলিশ দুর্নীতিযুক্ত নয় তা বলছি না তবে এমন তুলনা না করলেই পারতেন। কিছু সৎ পুলিশ কর্মী-আধিকারিক এখনও আছেন। সিপিএমের আমলেও পুলিশ দলদাসে পরিণত হয়েছিল। লোকাল কমিটির সম্পাদকের সম্মতি ছাড়া পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করতে পারত না। তবে এখন সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে পুলিশ। সব রাজনৈতিক দলই এর জন্য দায়ী।

মে ০৮, ২০২২
দেশ

দিল্লিতে তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে পুলিশি বাধা, কটাক্ষ বিজেপির

দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীতে তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির মহিলা সদস্যরা পুলিশি বাধার সম্মুখীন হয়েছেন বলে অভিযোগ। তাঁদের ওই এলাকায় পুলিশ ঢুকতে দেয়নি বলে অভিযোগ। যদিও তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দাবি, এত বাঁধা সত্বেও তাঁরা পিছনের দিক থেকে ঢুকে অত্যাচারিতদের সঙ্গে কথা বলেছেন। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কটাক্ষ, নিজের এলাকায় গণধর্ষণ, গণহত্যা ঘটলেও সেখানে যান না তৃণমূল সাংসদ। আর ছুটেছেন দিল্লি!বীরভূমের রামপুরহাটের বগটুইয়ের গণহত্যার ঘটনায় দিল্লি বিজেপি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছিল। তাঁরা ঘটনাস্থল ঘুরে দিল্লি ফিরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে রিপোর্ট দাখিল করেন। তারপর হাঁসখালির গণধর্ষণে নাবালিকার মৃত্যুর অভিযোগ খতিয়ে দেখতেও জেপি নাড্ডার নির্দেশে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। বাংলার মানুষ ৩৫৫ ও ৩৫৬ ধারার প্রয়োগ চাইছেন বলে দাবি করেছেন বিজেপির মহিলা প্রতিনিধি দল। এবার দিল্লির দাঙ্গাস্থল পরিদর্শনে তৃণমূল কংগ্রেসের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। এদিন ওই দলে ছিলেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, অপরূপা পোদ্দার ও অর্পিতা ঘোষ।কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, জায়গাটা পুলিশ ঘিরে ব্যারিকেড করে রেখেছে। পুলিশ মানুষকে মানুষ মনে করছে না। তবু বাচ্ছা ও মহিলাদের সঙ্গে নিয়ে পিছনের দিক থেকে ঢুকেছি। সেদিনের অত্য়াচারের কাহিনী শুনেছি। বাড়িঘর ভেঙে দিয়েছে, জল নেই, খুবই কষ্টে রয়েছে। তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সংসদীয় ব্যবস্থায় বিরোধীদের জন্য জায়গা ছেড়ে রাখতে হয়। জাহাঙ্গিরপুরীতে আমাদের প্রতিনিধিদের ঢুকতে দেওয়া উচিত ছিল। গণতন্ত্র রক্ষা করতে পারছে না বিজেপি।এদিকে দিল্লিতে তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি যাওয়ায় কটাক্ষ করেছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, নিজেরে এলাকায় গণধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও সেখানে যাননি সাংসদ। গণহত্যার এলাকাও পরিদর্শনে দেখা যায়নি তৃণমূল সাংসদকে। আগে নিজের এলাকা সামলাও তারপর দিল্লি যাবে।

এপ্রিল ২২, ২০২২
রাজ্য

বোমা বন্দুক বেআইনি ভাবে মজুতের ক্ষেত্রে বীরভূমের কেষ্টর গড়ের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই পূর্ব বর্ধমান

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর ৮ দিনে পূর্ব বর্ধমানে উদ্ধার ৩৬৮টি বোমা ও ৪১টি আগ্নেআস্ত্র , বোমা গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধারের সংখ্যার বিচারে বীরভূমের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই প্রতিবেশী পূর্ব বর্ধমান জেলাও। বগটুই কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী বোমা গুলি ও অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার পর থেকে বীরভূম জেলা পুলিশ যেমন অভিযানে নামে তেমনই অভিযানে নামে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশও।মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর বীরভূম জেলা পুলিশ অভিযানে নেমে চারদিনে উদ্ধার হয় ৪০০-র বেশী বোমা ও ৩০ কেজির বেশী বোমা তৈরীর মশলা। আর পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৮ দিনে অর্থাৎ ৩১ মার্চ পর্যন্ত উদ্ধার করেছে ৩৬৮টি বোমা ও ৩ কেজি বোমা তৈরির মশলা। এছাড়াও উদ্ধার হয়েছে ৪১ টি আগ্নেআস্ত্র ও ৭৭ টি গুলি।বেআইনি ভাবে অস্ত্রসস্ত্র মজুতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে ৪৫ জন্য দুস্কৃতি। এই তথ্য সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক ও বিরোধীদের তর্জা।মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষানার দিন রাতেই আগ্নেআস্ত্র সহ দুই দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করে বর্ধমান থানার পুলিশ। এর পর থেকেই জেলার বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে বোমা, গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার হয়েই চলে। অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধারে বড়সড় সাফল্য পায় কাটোয়া থানার পুলিশ। তারা এক রাতের অভিযানে তিন দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি ৪ টি বন্দুক,২৪ রাউণ্ড বন্দুকের গুলি ,১ টি পিস্তল ও ২ রাউণ্ড পিস্তলের গুলি ও ১৬ টি সকেট বোমা উদ্ধার করে ।ভাতার,দেওয়ানদিঘী ও গলসি থানার পুলিশও ভরি সংখ্যায় বোমা উদ্ধার করে। এইসব থানা গুলি বোমা ও বন্দুক উদ্ধারে সফল হলেও জেলার জামালপুর, মাধবডিহি ও শক্তিগড় থানার পুলিশ তেমন কোন সফলতা দেখাতে পারে নি।তবে কালনা মহকুমার একাধীক থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে বেশকিছু আগ্নেআস্ত্র, বোমা, গুলি উদ্ধার করেছে। কালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, ২৯ ও ৩০ মার্চ, এই দুদিন অভিযান চালিয়ে কালনা ,নাদনঘাট ও মন্তেশ্বর থানার পুলিশ ৬ টি আগ্নেআস্ত্র ও বেশ কয়েকটি গুলি উদ্ধার করেছে। বেআইনি ভাবে আগ্নেআস্ত্র মজুতের অভিযোগে ৫ জন গ্রেপ্তার হয়েছে বলে এসডিপিও জানিয়েছেন।জেলা তৃণমূলের নেতৃত্ব এই বিষয়টিকে পুলিশের সাফল্য বলে দাবী করলেও কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। বিজেপি নেতা কল্লোল নন্দন এদিন বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলার পরেই পুলিশ একেবারে ম্যাজিকের মত বোমা, গুলি,আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার করে ফেললো। তাহলে এতদিন পুলিশ কি কারণে হেলদোল দেখাইনি সেটা ভেবেই তাঁদের আশ্চর্য্য লাগছে। তবুও এটা প্রকাশ্যে এল যে বোমা বন্দুক বেআইনি ভাবে মজুতের ক্ষেত্রে বীরভূমের কেষ্টর গড়ের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই পূর্ব বর্ধমান।

এপ্রিল ০১, ২০২২
রাজ্য

ভাদু খুনে গ্রেপ্তার আরও তিন, মিহিলালকে ফের জেরা সিবিআই-এর

বগটুই-কাণ্ডে আরও তিন জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। রামপুরহাটের বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভাদু শেখ খুনে বুধবার এ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভাদু খুনের পর অভিযুক্তেরা এলাকা ছেড়ে চম্পট দিয়েছিল। ধৃতদের ১০ দিনের পুলিশি হেপাজত দিয়েছেন রামপুরহাট আদালতের বিচারক। ধৃত তিন জনের মধ্যে সঞ্জু এবং শেরার নাম রয়েছে এফআইআরে। রাজা নামে এক জনকে সন্দেহের বশে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।অন্য দিকে, নিহত ভাদুর বাড়িতে বুধবার সিবিআইয়ের একটি দল পৌঁছয়। ভাদুর প্রতিবেশীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি নলহাটি থানার এক পুলিশ আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।বুধবার সিবিআই আধিকারিকরা আবারও এক বার জিজ্ঞাসাবাদ করেন বগটুইয়ের বাসিন্দা মিহিলাল শেখকে। পাশাপাশি রামপুরহাট থানার এএসআই সত্যেন্দ্রনাথ সাহাকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়। বুধবার সাঁইথিয়ার বাতাসপুর থেকে বগটুইয়ের পার্শ্ববর্তী গ্রাম কুমারড্ডায় রওনা দিয়েছেন মিহিলাল। তাঁর কথায়, বগটুই গ্রামে আপাতত কোনও আতঙ্ক নেই। কিন্তু ভবিষ্যতে কী হবে জানি না। আপাতত বগটুইয়ের পাশের গ্রাম কুমারড্ডায় আত্মীয়ের বাড়িতে থাকব। মেয়ে মারা গিয়েছে। ছেলে ইব্রাহিমকে মানুষ করতে চাই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বাড়ি ঘরদোর ঠিক হলে তার পর বগটুইতে ফিরব।

মার্চ ৩০, ২০২২
রাজ্য

বিদ্যুৎ চুরিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গিয়ে কাটোয়ায় আক্রান্ত পুলিশ

বিদ্যুৎ চুরিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গিয়ে আক্রান্ত হল পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া থানার বাঁধমুড়ো গ্রামে। এই গ্রামেই বাড়ি বিদ্যুৎ চুরিতে অভিযুক্ত আনসার মল্লিকের। তাঁর পরিবারের লোকজনের হামলায় জখম হন এএসআই আবদুল হাসিম হাজারি ও সিভিক ভলান্টিয়ার কৈলাস সাহা। জখমদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রাতেই পাঠানো হয় কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। এই ঘটনার পরেই পুলিশ বিদ্যুৎ চুরিতে অভিযুক্ত আনসার মল্লিক ও তাঁর পরিবার সদস্যদের সন্ধানে জোরদার অভাযানে নেমে পড়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, আনসার মল্লিক দীর্ঘদিন ধরে হুকিং করে সাবমার্বিল পাম্প চালাচ্ছেন বলে বিদ্যুৎ দপ্তর থানায় অভিযোগ জানায়। তার ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত আনসারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রজু করে। এদিন রাতে আনসারকে ধরতে বাঁধমুড়ো গ্রামে গিয়েছিলেন কাটোয়া থানার এসআই আবদুল হাসিম হাজারি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সিভিক ভলেন্টিয়ার কৈলাস সাহা। তাঁরা আনসারকে ধরে যেই গাড়িতে তুলতে যাবেন ঠিক সেই সময় অভিযুক্তের তিন ছেলে, পুত্রবধূরা, আরও কয়েকজন আত্মীয় মিলে পুলিশের উপর চড়াও হয়। তারা পুলিশের কাছ থেকে জোরপূর্বক আনসারকে ছিনিয়ে নিয়ে পালায়। এরপর আনসারের পরিবারের মহিলারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইঁট ছুড়তে শুরু করে। ইঁটের আঘাতে মাথা ফাটে এসআই আবদুল হাসিম হাজারির। জখম হয় সিভিক ভলান্টিয়ার কৈলাস সাহাও। কাটোয়া থানার এক পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, পুলিশের উপর হামলা চালানোর ঘটনায় জড়িত কাউকেই রেয়াত করা হবে না।

মার্চ ১৮, ২০২২
রাজ্য

প্রেমিককে খুনের অভিযোগে প্রেমিকাসহ পরিবার সদস্যদের গ্রেফতার করলো পুলিশ

প্রেমিককে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হল প্রেমিকা।রেহাই পাননি প্রেমিকার বাবা, মা ,ও দাদা। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার সকালে মেমারি স্টেশন রোড এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রেমিক শুভ শীলকে খুনের অভিযোগে ধৃতদের নাম প্রিয়াঙ্কা কির্তনিয়া, সুনীল কীর্তনিয়া, জয়মালা কীর্তনিয়া ও রাজীব কীর্তনিয়া। তাঁদের বাড়ি মেমারি পৌরসভার উদয়পল্লী দক্ষিণপাড়ে। এদিনই ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে প্রেমিকা প্রিয়াঙ্কা ও তাঁর ভাই রাজীবকে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় পুলিশ। সিজেএম ধৃত প্রেমিকা ও তাঁর ভাইকে ৪ দিন পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অপর ধৃত প্রেমিকার বাবা ও মাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে সোমবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।পুলিশ জানিয়েছে, মেমারির ৩ নম্বর ওয়াের্ডর পারিজাত নগরের শুভ শীলের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার দীর্ঘদিনের ভাব-ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। যদিও প্রিয়াঙ্কার পরিবার এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি। তা সত্বেও প্রেমিকার বাড়িতে মাঝেমধ্যেই যেত শুভ। প্রিয়াঙ্কার পরিবারের লোকজন বেশ কয়েকবার শুভকে সম্পর্ক ছাড়ার জন্য হুমকি দেয়। অন্যথায় তাঁকে খুন করা হবে বলে শাসানো হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রিয়াঙ্কার বাড়িতে যান শুভ। তারপর থেকে তাঁর খোঁজ মিলছিল না। রাত দেড়টা নাগাদ প্রিয়াঙ্কার বাড়ি থেকে শুভর মাকে মোবাইলে ফোন করা হয়। শুভ গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানানো হয়। খবর পেয়ে শুভর পরিবারের লোকজন প্রিয়াঙ্কার বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তাঁরা দেখেন, উঠানে তাঁর দেহ শায়িত রয়েছে। কাপড়ের পার দিয়ে তাঁর দুহাত বাঁধা। কোমরের একটু উপরে দড়ি বাঁধা রয়েছে। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিস দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠায়। মৃতের বাবা অশোক শীল ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে না পেরে তার পরিবারের লোকজন পরিকল্পিতভাবে শুভকে খুন করেছে। অভিযোগ পেয়ে পরিকল্পনামাফিক খুনের ধারায় মামলা রুজু করেছে থানা।

মার্চ ১৭, ২০২২
রাজ্য

আনিস-মৃত্যু তদন্তে রাজ্য পুলিশেই ভরসা হাইকোর্টের

ছাত্রনেতা আনিস খানের দ্বিতীয়বার ময়না তদন্তের রিপোর্টও ইতিমধ্যেই এসেছে বলে সূত্রের খবর। সেখানে আনিসের মৃত্যুর কারণ খুব স্পষ্ট নয় বলে সূত্রের দাবি। এরইমধ্যে সোমবার রাজ্য পুলিশের হাতে এই ঘটনার তদন্তভার রাখার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সিটই এই ঘটনার তদন্ত করবে। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এদিন বলেন, আপাতত রাজ্য পুলিশ আনিসের মৃত্যুর তদন্ত করবে।অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ বিচারপতির, রাজ্যের পুলিশ পৃথিবীর কারও থেকে কম নয়, যদি কেউ তাদের বাধা না দেয়। নিজেদের প্রমাণ করার সময় এটা। তারাই এই ঘটনার তদন্ত করবে। আগামী একমাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৮ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।এদিন আদালত জানিয়ে দিয়েছে, অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ ক্ষেত্র ছাড়া এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না গেলে তদন্তের সময়সীমা বাড়ানো হবে না। একইসঙ্গে তদন্তকারীদের এক সপ্তাহের মধ্যে ফরেনসিক রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। স্বচ্ছতার সঙ্গে এবং কোনওভাবে প্রভাবিত না হয়ে তদন্ত করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

মার্চ ১৪, ২০২২
কলকাতা

বইমেলায় কেপমারিতে অভিযুক্ত অভিনেত্রীর জেল হেপাজত

বইমেলা থেকে কেপমারির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন অভিনেত্রী রূপা দত্ত। শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতা বইমেলা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। রবিবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে জেল হেপাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। একদিনের জেল হেপাজত হয়েছে রূপা দত্তের। তাঁর আইনজীবী এদিন এজলাসে ১৪ দিনের জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু তা খারিজ করে দেন বিধাননগর মহকুমা আদালতের বিচারক। গ্রেপ্তারের পরই রূপার কাছ থেকে ৭৫ হাজার টাকা, একাধিক পার্স উদ্ধার করে পুলিশ।তবে এই ঘটনা ঘিরে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে এসেছে। টেলি দুনিয়ায় বেশ কয়েকটি সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন রূপা দত্ত। মুম্বইয়েও যোগাযোগ ছিল বলেই তদন্তে উঠে এসেছে। সেলুলয়েডের দুনিয়ায় যাঁর এত পরিচিতি, এভাবে চুরির অভিযোগে তাঁর নাম কেন জড়াল? অন্যদিকে এদিন এজলাসেও বিচারক মামলাটি নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সিজার লিস্টে দুজন সাক্ষীর নাম ছিল। একজন এর মধ্যে মহিলা কনস্টেবল। প্রশ্ন উঠেছে, দ্বিতীয় জনের জবানবন্দি কেন নেওয়া হল না? অন্যদিকে রূপা দত্ত কেন ডাস্টবিনের পার্সের দিকে হাত বাড়াতে গেলেন তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিচারক।

মার্চ ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'ইনস্টিটিটিউশন অফ পাবলিক হেল্থ ইঞ্জিনিয়ারস ইন্ডিয়া' এর৫০ বছরের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

অনুষ্ঠিত হলো সল্টলেকে ইনস্টিটিটিউশন অফ পাবলিক হেল্থ ইঞ্জিনিয়ারদের ৫০ বছরে কাটেন রেজার উদ্বোধন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইনস্টিটিটিউশন অফ পাবলিক হেল্থ ইঞ্জিনিয়ারস ইন্ডিয়া ৫০ বছর পূর্ণ হলো। এই উপলক্ষে সল্টলেক সি কে ৫৮ করুণাময়ীর কাছে তাদের নিজস্ব ভবনের প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠিত হলো এক বর্ণময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রদীপ জ্বালিয়ে এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন পদ্মশ্রী প্রফেসর ড অজয় কুমার রায়, অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন কে জে নাথ, উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক বি কে সেনগুপ্ত, ড গৌতম কুমার বসাক। অনুষ্ঠানে এই সংস্থার কাটেন রেজার উদ্বোধন করেন অধ্যাপক ড অজয় কুমার রায়। উপস্থিত সকলেই এই সংস্থার পঞ্চাশ বছরের নানা স্মৃতিচারণ করেন। এরপর ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠিত হয় গীতি আলেখ্য কিছু কথা কিছু গান। গীতি আলেখ্যটি রচনা করেছেন ভারতী চক্রবর্তী, অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন ছন্দা ব্যানার্জী, দীপালি দত্ত, ভারতী চক্রবর্তী, সুস্মিতা সরকার, শর্বরী সেনগুপ্ত। শিল্পীদের কণ্ঠে ভালো লাগে রবীন্দ্র সঙ্গীত প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে, আকাশ জুড়ে শুনিনু ওই বাজে, আধুনিক গান ওই উজ্জ্বল দিন ডাকে স্বপ্ন রঙিন, উইসেল ওভার কাম প্রমুখ গানগুলি। তরুণ কুমার দত্তর গলায় ভাষ্য পাঠ অনবদ্য লাগে শুনতে। এরপর ছিল শিল্পী শ্যামলী ভট্টাচার্য র ইলেকট্রিক গিটারে লঘু সংগীতের সুর। তিনি বাজিয়ে শোনান প্রয়াত সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় এর আকাশের আস্ত রাগে, প্রয়াত লতা মঙ্গেশকর এর হিন্দিগান জিন্দে গি পেয়ার কি গীত হ্যায় ও প্রয়াত বাপ্পি লাহিড়ী র গান আজ এই দিনটাকে মনের খাতায় লিখে রাখো। সকলের মন ভরে যায় শিল্পীর গিটার বাদন। শিল্পীকে তবলায় সঙ্গত করেন পার্থ ভট্টাচার্য। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা ও সঞ্চলনায় ছিলেন সংস্থার সম্পাদক তরুণ কুমার দত্ত। সমগ্র অনুষ্ঠানটি এককথায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

মার্চ ১১, ২০২২
রাজ্য

জাল দলিল চক্রের নাগাল পেতে গ্রেফতার দুই অভিযুক্তকে হেপাজতে নিল পুলিশ

জমির মিউটেশন করানোর জন্য ভূমি দফতরে জাল দলিল জমা দেওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া দুই ব্যক্তিকেই হেপাজতে নিল পুলিশ। জাল দলিল তৈরি চক্রের পাণ্ডাদের নাগাল পেতেই পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে,কালনা ১ ব্লক ভূমি দফতরে জাল দলিল জমা দিয়ে জমির মিউটেশনা করাতে এসে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন পিন্টু খাঁ ও তুষারকান্তি সরদার। দুজনেরই কালনা ১ ব্লকের বেগপুরের পশ্চিম সাহাপুরে। ব্লক ভূমি আধিকারিক সৈয়দ মাসুদুল আনোয়ারের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার পুলিশ পিন্টু ও তাঁর সহযোগী তুষার কে গ্রেফতার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ দুই ধৃতকে বুধবার কালনা মহকুমা আদালতে পেশ করে নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়। বিচারক দুই ধৃতকেই ৭ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ মনে করছে, হেপাজতে নেওয়া ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালালেই মিলবে জাল দলিল তৈরি চক্রে জড়িতদের হদিশ।ভূমি দফতরের আধিকারিক সৈয়দ মাসুদুল আনোয়ার জানিয়েছেন, মৃত বাবার নামে থাকা জমিজমা নিজের নামে মিউটেশন করানোর জন্য পশ্চিম সাহাপুর নিবাসী পিন্টু খাঁ কালনা ১ ব্লক ভূমি দফতরের অফিসে একটি দলিল সহ বেশ কিছু নথি জমা দেন।এদিন ছিল মিউটেশনের আবেদনের শুনানির দিন। শুনানির সময়ে পিন্টুর জমা দেওয়া দলিলে থাকা স্বাক্ষর দেখে ভূমি দফতরের রেভিনিউ অফিসারের সন্দেহ হয়। এর পর তিনি সরকারি অফিসিয়াল সাইট খুলে দলিলের নম্বর খতিয়ে দেখেন। তখনই তাঁর চোখ কপালে ওঠে। ওই দলিলে থাকা স্বাক্ষর ও তথ্য কোনও কিছুই সরকারি অফিসিয়াল সাইটে মেলে না। তার পরিপ্রেক্ষিতেই দফতরের আধিকারিকরা সবাই নিশ্চিত হয়ে যান মিউটেশন করানোর জন্য ভূমি দফতরে জাল দলিল জমা দেওয়া হয়েছে। এরপরই ভূমি দফতরের আধিকারিকরা পিন্টু ও তাঁর সঙ্গে থাকা সহযোগী তুষারকে ধরে ফেলে থানায় খবর দেয়। জাল দলিল জমা দেওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়ে ধৃতরা মুচলেখাও দেয়। এরপর পুলিশ এলে দুই অভিযুক্তকে আধিকারিকরা পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। কালনা এসডিএলআরও তরুণ মন্ডল জানিয়েছেনএই ধরনের কাজের সাথে যুক্ত থাকা ব্যক্তিদের কাউকেই রেয়াত করা হবেনা। জালিয়াতিতে ধরাপড়া দুজনের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ও ধৃতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২২
বিদেশ

মানবিক করিডর খুলতেই সুমি থেকে উদ্ধার প্রায় ৭০০ ভারতীয়

১৪ দিনে পড়েছে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ। ইউক্রেনের একের পর এক শহর দখল হওয়ার পরই উদ্বেগ বেড়েছিল সে দেশে আটকে পড়া ভারতীয়-দের নিয়ে। কেন্দ্র ও বিদেশ মন্ত্রকের উদ্যোগে শুরু করা হয়েছিল অপারেশন গঙ্গা। ইতিমধ্যেই উদ্ধারকার্য শেষ দফায় পৌঁছে গিয়েছে, বাকি ছিল কেবল যুদ্ধবিধ্বস্ত সুমি-তে আটকে থাকা ভারতীয় পড়ুয়াদের উদ্ধার।মঙ্গলবার কেন্দ্রের তরফে জানানো হল, মানবিক করিডরের মধ্যে দিয়ে রাশিয়া-বেলারুশ সীমান্ত ধরে সুমিতে আটকে থাকা সমস্ত ভারতীয়দের উদ্ধার করে বের করে আনা হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ফোনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে কথা বলেছিলেন ভারতীয়দের সুরক্ষিতভাবে উদ্ধার নিয়ে। এরপরই সুমি থেকে ভারতীয়দের উদ্ধারের কথা জানানো হল।Happy to inform that we have been able to move out all Indian students from Sumy.They are currently en route to Poltava, from where they will board trains to western Ukraine.Flights under #OperationGanga are being prepared to bring them home. pic.twitter.com/s60dyYt9U6 Arindam Bagchi (@MEAIndia) March 8, 2022সপ্তাহের শুরুতেই জানা গিয়েছিল, সুমিতে প্রায় ৬০০-রও বেশি পড়ুয়া আটকে ছিল। রাশিয়ার সীমান্ত থেকে ৫০ কিমি দূরে থাকায়, গোলাবর্ষণের মাঝে তাঁদের পায়ে হেঁটে ফেরাও সম্ভব হচ্ছিল না। কেন্দ্রের কাছে পড়ুয়ারা সাহায্যের আর্জি জানালে, তাদের ধৈর্য্য ধরতে ও নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিতে বলা হয়েছিল। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী সাংবাদিকদের জানান, যে ৬৯৪ জন ভারতীয় পড়ুয়া ইউক্রেনের সুমিতে আটকে ছিল, তাদের উদ্ধার করে আনা হয়েছে। সুমি থেকে তারা পোলটোভার উদ্দেশে বাসে করে রওনা দিয়েছে।সুমি ছাড়াও ইরপিনে আটকে থাকা ভারতীয়দের গ্রিন করিডরের মাধ্যমে উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক। টুইটে ভারতীয় পড়ুয়াদের বাসযাত্রীর ভিডিয়ো পোস্ট করে বলা হয়েছে, রাশিয়া ইউক্রেনে মানবিক করিডর তৈরির যে প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছিল, তার অধীনেই ভারতীয়দের উদ্ধার করে আনা হচ্ছে।

মার্চ ০৯, ২০২২
রাজ্য

জাল দলিল করে মৃত বাবার সম্পত্তি হাতাতে গিয়ে গ্রেফতার ছেলে-সহ সাকরেদ

জমির মিউটেশন করানোর জন্য ভূমি দফতরে জাল দলিল জমা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন দুই ব্যক্তি। ধৃতদের নাম পিন্টু খাঁ ও তাঁর সহযোগী তুষারকান্তি সরদার। দুজনেরই বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনা ১ ব্লকের বেগপুরের পশ্চিম সাহাপুরে। মঙ্গলবার ব্লকের ভূমি দফতরের আধিকারিকরা ওই দুই জালিয়াতকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। ব্লক ভূমি আধিকারিক সৈয়দ মাসুদুল আনোয়ারের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ পিন্টু ও তাঁর সহযোগীকে রাতে গ্রেফতার করেন। এই ঘটনা জানাজানি হতেই কালনার বাসিন্দা মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁরা মনে করছেন মোটা টাকার বিনিময়ে জাল দলিল তৈরি করে দেওয়ার চক্র জেলায় সক্রিয় হয়েছে।ভূমি দফতরের আধিকারিক সৈয়দ মাসুদুল আনোয়ার জানিয়েছেৌন, মৃত বাবার নামে থাকা জমিজমা নিজের নামে মিউটেশন করানোর জন্য পশ্চিম সাহাপুর নিবাসী পিন্টু খাঁ কালনা ১ ব্লক ভূমি দফতরের অফিসে একটি দলিল সহ বেশ কিছু নথি জমা দেন। এদিন ছিল মিউটেশনের আবেদনের শুনানির দিন। শুনানির সময়ে পিন্টুর জমা দেওয়া দলিলে থাকা স্বাক্ষর দেখে ভূমি দফতরের রেভিনিউ অফিসারের সন্দেহ হয়। এর পর তিনি সরকারী অফিসিয়াল সাইট খুলে দলিলের নম্বর খতিয়ে দেখেন। তখনই তাঁর চোখ কপালে ওঠে। ওই দলিলে থাকা স্বাক্ষর ও তথ্য কোন কিছুই সরকারী অফিসিয়াল সাইটে মেলে না। তার পরিপ্রেক্ষিতেই দফতরের আধিকারিকরা সবাই নিশ্চিত হয়েযান মিউটেশন করানোর জন্য ভূমি দফতরে জাল দলিল জমা দেওয়া হয়েছে।এর পরপরই ভূমি দফতরের আধিকারিকরা পিন্টু ও তাঁর সঙ্গে থাকা সহযোগী তুষারকে ধরে ফেলে থানায় খবর দেয়। জাল দলিল জমা দেওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়ে ধৃতরা মুচলেখাও দেয়। এরপর পুলিশ এলে দুই অভিযুক্তকে আধিকারিকরা পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। কালনা এসডিএলআরও তরুণ মন্ডল জানিয়েছেন, এই ধরনের কাজের সাথে যুক্ত থাকা ব্যক্তিদের কাউকেই রেয়াত করা হবেনা।জালিয়াতিতে ধরাপড়া দুজনের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

মার্চ ০৮, ২০২২
কলকাতা

নোনাপুকুরে চলন্ত ট্রামে আগুন, আতঙ্ক এলাকায়

শুক্রবার দুপুরে নোনাপুকুর এলাকায় চলন্ত ট্রামে আগুন লাগে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় নোনাপুকুর এলাকায়। আতঙ্কে হুড়োহুড়ি করে ট্রাম থেকে নামেন যাত্রীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন আয়ত্তে আনার কাজ শুরু করেন দমকলের আধিকারিকরা। ঘটনার জেরে দীর্ঘক্ষণ মল্লিকবাজার থেকে শিয়ালদহগামী ট্রাম চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ব্যাহত হয় যান চলাচলও।মাঝরাস্তায় এই ঘটনার জেরে দীর্ঘক্ষণ ব্যাহত হয় যান চলাচল। তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয় সকলের মধ্যে। এদিকে মল্লিকবাজার থেকে শিয়ালদহগামী ট্রাম পরিষেবাও দীর্ঘক্ষণ বন্ধ ছিল। তবে শিয়ালদহ থেকে মল্লিকবাজার পর্যন্ত ট্রাম চলাচল স্বাভাবিক ছিল। মাঝরাস্তায় এই ঘটনার জেরে দীর্ঘক্ষণ ব্যাহত হয় যান চলাচল। তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয় সকলের মধ্যে। এদিকে মল্লিকবাজার থেকে শিয়ালদহগামী ট্রাম পরিষেবাও দীর্ঘক্ষণ বন্ধ ছিল। তবে শিয়ালদহ থেকে মল্লিকবাজার পর্যন্ত ট্রাম চলাচল স্বাভাবিক ছিল।শুক্রবার দুপুরে মল্লিকবাজার থেকে গড়িয়াহাটের দিকে যাচ্ছিল এসি ট্রামটি। যাত্রীও ছিল। নোনাপুকুর এলাকার আচমকা ট্রামটির পিছন দিকে আগুন দেখতে পান যাত্রীরা। দ্রুত গতিতে ছড়াতে থাকে সেই আগুন। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়ায় যাত্রীদের মধ্যে। ট্রাম থেকে নামতে হুড়োহুড়ি শুরু করেন যাত্রীরা। খবর দেওয়া দমকলে। তবে দমকল পৌঁছতে বেশ খানিকটা সময় লাগে। তার আগে কলকাতা পুরসভার জলের গাড়ির সাহায্যে আগুন আয়ত্তে আনার চেষ্টা করা হয়। কেউ কেউ বালি দিয়ে আগুন নেভানোর কাজে সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসেন। এর কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ইঞ্জিন। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আয়ত্তে আসে আগুন।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, শট সার্কিটের জেরেই এই ঘটনা। দমকল আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আগুন আয়ত্তে এসেছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে গোটা বিষয়টি।

মার্চ ০৪, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে পুরভোটের ২৪ ঘন্টা আগে শনিবার বিজেপি নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো

বর্ধমানে পুরভোটের আর ২৪ ঘন্টাও বাকি নেই। তার আগেই শনিবার সকালে বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে দুটি সুতলি বোমা উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো। দুদিন আগেই এই অফিসে বিজেপির ফ্লেক্স পোড়ানোর অভিযোগ ওঠে। বিজেপির অভিযোগ; শাসকদলের বহিরাগত দুস্কৃতীরা এসে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। তৃণমূল এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী সুধীররঞ্জন কুমার সাউ জানান; সকালে ফোন পেয়ে তিনি এবং দলীয় কর্মীরা এসে দেখেন দুটি বোমা পড়ে আছে দলের অফিসের সামনে। পুলিশ এসে জায়গাটিকে ঘিরে দেয়। তার দাবি; বাইরে থেকে লোক এনে এই ওয়ার্ডের শাসকদলের প্রার্থী ও তার স্বামী আতঙ্ক ছড়াতে চাইছেন। এভাবে ভয় দেখিয়ে এলাকার মানুষ ও বিজেপি কর্মীদের আতঙ্কিত করতে চাইছেন তাঁরা। এভাবে অফিস বন্ধ থাকলে তার ভোট প্রস্তুতি কীভাবে হবে। এলাকার বাসিন্দা; হারু পন্ডিত জানান; বোমার কথা শুনে আর দেখে এলাকার মানুষ আতঙ্কে ভুগছেন।এর পিছনেই জনবসতি।অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, এসব ভুলে ভরা অভিযোগ। তৃণমূল বোমা বন্দুকের রাজনীতি করে না। কোথা থেকে সুতলি জড়ানো কিছু ওরাই নিয়ে আসতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • ...
  • 24
  • 25
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

৩১ অগস্টের পরেও কি থাকবে চাকরি? ২৬ হাজার মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন যোগ্য প্রার্থীরা। ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশই আপাতত বহাল থাকছে। ফলে নতুন করে শুনানি এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি নিয়ে তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে না।২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের নির্ভুল ভাবে আলাদা করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তী সময়ে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্কুলগুলিতে শিক্ষক-সংকটের কথা মাথায় রেখে যোগ্য শিক্ষকদের সাময়িক ভাবে চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি বহাল থাকার কথা ছিল। একই সঙ্গে নতুন করে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতের দ্বারস্থ হন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের বক্তব্য, এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে যোগ্য শিক্ষকরা ফের চাকরি হারানোর আশঙ্কায় পড়বেন।এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে জানানো হয়েছে, নতুন অন্তর্বর্তী আবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশই কার্যকর থাকবে। ফলে আপাতত যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হল।তবে এই নির্দেশকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে ২৬ হাজার চাকরি মামলায় যোগ্য শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ। ফলে আপাতত স্বস্তি মিললেও পুরোপুরি অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৬
রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal