• ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ৩১ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

LED

বিদেশ

Drone Attack: আফগানিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলা খতম কাবুল হামলার মূলচক্রী?

কাবুল বিমানবন্দরে হামলার সমালোচনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বৃহস্পতিবার রাতেই বলেছিলেন, কিছু ভোলা হবে না, কাউকে মাফও করা হবে না। জড়িতদের খুঁজে বের করে উচিত শাস্তি দেওয়া হবে। একদিনের মধ্যেই বদলা নিল আমেরিকা। শুক্রবারই ইসলামিক স্টেট-খোরাসান-র উপর হামলা চালায় মার্কিন ড্রোন।মার্কিন সেন্ট্রাল কম্যান্ডের ক্যাপ্টেন বিল আরবান বলেন, আফগানিস্তানের নানগরহর প্রদেশে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। মানবহীন এই অভিযানের প্রাথমিক ইঙ্গিতে মনে হচ্ছে মূল চক্রীর মৃত্যু হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তালিবানরা আফগানিস্তান দখলের পর এই প্রথম মার্কিন বাহিনী হামলা চালাল।আরও পড়ুনঃ চেতেশ্বর পুজারার ব্যাটে সমালোচকদের জবাবতালিবানরা আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে উদ্ধারকার্য শেষ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। না হলে ফল ভাল হবে না বলেও জানিয়েছে। বৃহস্পতিবারের হামলার পরই উদ্ধারকার্যে ইতি টেনেছে ফ্রান্স, জার্মানির মতো দেশ। ব্রিটেনও জানিয়েছে, খুব অল্প সংখ্যক নাগরিকই আটকে রয়েছেন। একদিনের মধ্যেই উদ্ধারকার্য শেষ করে নেওয়া হবে। এদিকে,আমেরিকার তরফে জানানো হয়েছে বর্তমানে প্রায় এক হাজার মতো মার্কিনবাসী আফগানিস্তানে আটকে রয়েছেন। ৩১ অগস্টের আগেই তাদের উদ্ধার করে আনার সম্পূর্ণ চেষ্টা করা হবে। আগে সময় বাড়ানের কথা বলা হলেও বৃহস্পতিবার বাইডেনও ৩১ অগস্টের মধ্যে যে কোনও প্রকারে উদ্ধারকার্য শেষ করার নির্দেশ দেন। মার্কিন গোয়েন্দদাদের আশঙ্কা, ফের হামলা হতে পারে বিমানবন্দরে। শুক্রবারই পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি জানান, তাদের বিশ্বাস উদ্ধারকার্য়ে বাধা দিতে ফের হামলা হতে পারে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
দেশ

Assam Terroist attack: অসমে বড়সড় জঙ্গি হামলায় মৃত কমপক্ষে ৫

অসমের ডিমা হাসাও জেলায় বড়সড় জঙ্গি হামলা। বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গি সংগঠন ডিমাসা ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির হানায় এখনও পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। গুরুতর আহত হয়েছে আরও এক। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে ডিমা হাসাও জেলার উমরাঙ্গসো লঙ্কা রোডে দাঁড়িয়ে বেশ কয়েকটি লরিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় জঙ্গিরা। এরপর লরিগুলোতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। লরিগুলোতে করে কয়লা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ওই ঘটনায় এখনও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা সকলেই ওই লরিগুলোর চালক নাহলে খালাসি। খবর পেয়ে প্রত্যন্ত ওই এলাকায় যায় পুলিশ। শুরু হয় তদন্ত। অসম পুলিশ সূত্রে খবর, হামলাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। ২০১৯-এর এপ্রিল মাসে তৈরি হয় ডিমাসা ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি। ডিমা হাসাও জেলাকে পৃথক রাজ্য করার দাবিতে সরব বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনটি। মে মাসেই ডিমাসা ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি-র কয়েকজন সদস্যকে নিকেশ করেন নিরাপত্তারক্ষীরা। এরপর থেকেই পাল্টা জবাব দেওয়ার সুযোগ খুঁজছিল জঙ্গি সংগঠনটি।আরও পড়ুনঃ নিজের যন্ত্রণার কথা তুলে ধরলেন যুবরাজ আনন্দরাজ ঠাকরে স্থানীয় সূত্রের দাবি, বিচ্ছিন্নতাবাদী ডিমাসা ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির জঙ্গিরাই এই হামলা চালিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই ডিমা হাসাও জেলায় পৃথক রাজ্যের দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছে তারা। চলতি বছরের মে মাসেই নিরাপত্তারক্ষীরা ওই এলাকায় ডিমাসা ৬ সদস্যকে নিকেশ করে। শুধু তাই নয়, এই বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনটির বিরুদ্ধে সরকার আরও কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে। তখন থেকেই বদলা নেওয়ার সুযোগ খুঁজছিল জঙ্গিরা। বৃহস্পতিবার রাতে জঙ্গি মৃত্যুর বদলা নিতেই ডিমাসা ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি হামলা চালিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আগস্ট ২৭, ২০২১
বিদেশ

Kabul Blast: কাবুল বিমানবন্দরে ছিন্নভিন্ন মৃতদেহের সারি, বিস্ফোরণের দায় নিল আইএস

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কাবুল বিমানবন্দরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ হওয়ার খবর ঘুরছিল। কিন্তু তা যে এভাবে সত্যি হয়ে যাবে, তা স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি বিমানবন্দরে পৌঁছে যাওয়া মানুষগুলো। নিজেদের আপাতত নিরাপদ আশ্রয়ই ভেবে নিয়েছিলেন কাবুল বিমানবন্দর চত্বরকে। কিন্তু, এই নিরাপদ আশ্রয়েই ঘাপটি মেরে রয়েছে নির্মম পরিণতি তা কেউই ভাবেননি। বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দাদের আশঙ্কা সত্যি প্রমাণ করে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাবুল। গভীর রাতে বিস্ফোরণের দায় নিয়েছে ইসলামিক স্টেট (আইএস)। এর আগে তালিবানও এক বিবৃতি দিয়ে দাবি করে, এই হামলা আইএসেরই কাজ। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধে সাড়ে ছটা নাগাদ বিমানবন্দরের কাছে পর পর দুটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণে শিশু-সহ অন্তত ৬০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ১২ জন আমেরিকান সেনা। জখম হয়েছেন দেড়শোরও বেশি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ জোড়া বিস্ফোরণ, গুলিতে কাঁপল কাবুল বিমানবন্দর চত্বর, মৃত কমপক্ষে শিশু-সহ ১৩ বিস্ফোরণের পরে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, রাস্তায় মৃতদেহের স্তূপ, বিমানবন্দরের বাইরের পরিখায় অসংখ্য দেহ ভাসছে। পরে বিমানবন্দরের কাছে ফের একটি বিস্ফোরণ হয়। রাতে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়, বিস্ফোরণ হয়েছে অন্তত ৬টি। গুলির লড়াইও চলে বলে খবর। প্রথম বিস্ফোরণটি হয় হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অ্যাবি গেটের সামনে। এই ফটক দিয়েই এখন বিমানবন্দরের ভিতরে ঢুকছেন দেশ ছাড়ার অনুমতি পাওয়া মানুষেরা। দ্বিতীয় বিস্ফোরণটি হয় বিমানবন্দরের খুব কাছেই ব্যারন হোটেলের সামনে। এই হোটেলে এখন ব্রিটিশ নাগরিকেরা রয়েছেন। বিমানবন্দরের সামনে বিস্ফোরণের পরে একাধিক দুষ্কৃতী সেখানে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। তাতেও অনেকে জখম হন। এক আফগান স্বাস্থ্য আধিকারিককে উদ্ধৃত করে এক ব্রিটিশ চ্যানেল জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা অন্তত ৬০। হাসপাতালগুলিতে উপচে পড়া ভিড়। আক্রান্তদের মধ্যে বিমানবন্দরের দায়িত্বে থাকা আমেরিকান মেরিন কোরের ১১ জন-সহ মোট ১২ জন এবং বিমানবন্দরের বাইরে থাকা কয়েক জন তালিবান রক্ষীও রয়েছেন।প্রথম বিস্ফোরণের পরই সন্দেহের তির তালিবানের দিকে গেলেও তারা সাফ জানিয়ে দেয়, এই হামলার পিছনে তাদের হাত নেই। তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদের দাবি, আইসিস-কে এই হামলা চালিয়েছে। আগামিদিনে জঙ্গিরা যাতে কোনওভাবেই সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের জন্য আফগানিস্তানের মাটিকে না ব্যবহার করতে পারে, সেটা নিশ্চিত করতে তালিবান গোটা আন্তর্জাতিক মহলের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আগস্ট ২৭, ২০২১
বিদেশ

Kabul Blast: জোড়া বিস্ফোরণ, গুলিতে কাঁপল কাবুল বিমানবন্দর চত্বর, মৃত কমপক্ষে শিশু-সহ ১৩

তালিবান তাণ্ডবে কাঁপছে আফগানিস্তান। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বৃহস্পতিবার জোড়া বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাবুল বিমানবন্দরের বাইরের চত্বর। বিস্ফোরণের পর পাগলের মতো ছুটতে থাকা জনতাকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি। যার জেরে গোটা ঘটনায় এখনও পর্যন্ত শিশু-সহ কমপক্ষে ১৩ জনের প্রাণ গিয়েছে বলে শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, সাধারণত এই কৌশলে হামলা চালিয়ে থাকে আইএস (ইসলামিক স্টেট)।Video: Aftermath of attack close to Kabul airport. US Pentagon confirms at least two blasts. Taliban spokesperson Zabiullah Mujahid told TOLOnews at least 52 people are wounded. #Afghanistan pic.twitter.com/pBztAtS7oB TOLOnews (@TOLOnews) August 26, 2021গোটা এলাকাজুড়ে অসহায়দের চিৎকার আর হাহাকার। অ্যাবি গেটের সামনে পড়ে রয়েছে সার সার রক্তাক্ত দেহ। রক্তজলে ভাসছে কিছু। হাত, পা টেনে শুকনো জায়গায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছেন পরিবার-পরিজনেরা। বৃহস্পতিবার কাবুল বিমানবন্দরে জোড়া বিস্ফোরণের পর এমনই সব ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ল নেটমাধ্যমে। আমেরিকার সেনা-ঘেরা অ্যাবি গেটের সামনে প্রথমে একটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণ হয়। ওই বিস্ফোরণের ঠিক পরেই শুরু হয় এলোপাথাড়ি গুলি-বর্ষণ। গোটা ঘটনায় এখনও পর্যন্ত শিশু-সহ ১৩ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। অন্তত ৫২ আহত হয়েছে দুই বিস্ফোরণের জেরে, এমনটাই জানিয়েছেন এক তালিবান মুখপাত্র। কিন্তু মৃত্যু ও আহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারেই বলেই দাবি করা হচ্ছে বিভিন্ন সূত্রে।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা: চিকিৎসক-নার্সদের জন্য কল্পতরু মমতাসম্প্রতি আমেরিকা দাবি করেছিল, নাগরিকদের দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলাকালীন কাবুল বিমানবন্দরে হামলা চালাতে পারে আইএস জঙ্গি সংগঠন। তেমন হুমকি-বার্তাও দিয়েছে বলে জানা গিয়েছিল পেন্টাগন সূত্রে। তার পরই এই ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই অভিযোগের আঙুল আইএসের বিরুদ্ধে। আমেরিকার দাবি, আফগানিস্তানে আইএসের খোরাসান শাখা সংগঠন এই হামলা চালিয়ে থাকতে পারে।সামরিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, প্রথমে বিস্ফোরণ, তার পর এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে এই হামলা পদ্ধতিকে কমপ্লেক্স অ্যাটাক বলা হয়। সাধারণত বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে তাঁদের উপর গুলি চালানো হয় এই পদ্ধতিতে। কাবুল বিমানবন্দরেও ঠিক তাই ঘটেছে। আফগানিস্তান ছাড়তে চেয়ে বিমানবন্দরের অ্যাবি গেটের বাইরে জড়ো হয়েছিলেন প্রচুর মানুষ। ওই এলাকা তখনও আমেরিকার সেনার দখলেই ছিল। সেখানেই হয় প্রথম আত্মঘাতী বিস্ফোরণ। গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা জনতা পালাতে আরম্ভ করতেই তাঁদের উপর নির্বিচারে গুলি চালানো শুরু হয়েছিল, এমনটাই দাবি করেন এক প্রত্যক্ষদর্শী।৩১ অগস্টের আগে বিমানবন্দরে চলছে বিভিন্ন দলের উদ্ধারকারী দলের তৎপরতা। সূত্রের খবর, ইতালির উদ্ধারকারী বিমান লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আহত হয়েছে বহু মানুষ। পেন্টাগনের প্রেস সচিব জন কিরবি টুইটে জানিয়েছেন বিস্ফোরণের কথা।

আগস্ট ২৬, ২০২১
বিদেশ

Afghanistan: সাধারণ মানুষই রুখে দিল তালিবানি-তাণ্ডব, নিকেশ ১০০ তালিবানি

অত্যাচার সহ্য করতে করতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল। এবার ঘুরে দাঁড়ানো পালা। এ বার মাথা নত করে নয়, বরং তালিবানের চোখে চোখ রেখেই কথা বলছে বহু আফগানবাসী। খইর মুহাম্মদ আন্দারাবি গোষ্ঠীর অধীনে একদল সাধারণ মানুষই তালিবানদের হাত থেকে মুক্ত করল আফগানিস্তানের বাঘলান প্রদেশের পোল-ই-হেসার, দেহ সালাহ ও বানু জেলা।সূত্রের খবর, জেলাগুলি পুনর্গঠন করা ঘিরে ওই গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০০ জন তালিবানি নিহত হয়েছে বলে খবর। ওই গোষ্ঠীর তরফে জানানো হয়েছে, মাত্র তিনটি জেলা দখল করেই তারা থেমে থাকবেন না। ধীরে ধীরে বাকি জেলাগুলি দখলের জন্যও তারা অগ্রসর হবেন। তালিবানের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, সকলকে ক্ষমা করে দেওয়ার যে কথা বলছে তালিবান, তা মোটেও অনুসরণ করছে না তারা।আরও পড়ুনঃ সনিয়ার ডাকা বিরোধী-বৈঠকে মমতার বার্তাশুক্রবারই কাবুলের উত্তরে পঞ্জশির উপত্যকার কাছেই অবস্থিত পোল-ই-হেসার জেলার দখল নেয় সাধারণ মানুষ। তালিবানদের পতাকা সরিয়ে আফগানিস্তানের পতাকা লাগানো হয় আবার। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিও। এছাড়াও দেহ সালাহ ও বানু জেলাও তালিবানদের হাত থেকে কেড়ে দখল নেয় ওই গোষ্ঠী। তবে বিনা যুদ্ধে পিছু হটেনি তালিবানরা। দীর্ঘক্ষণ সংঘর্ষ চলার পরই ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের সঙ্গে না পেরে এলাকা ছেড়ে পালায় তালিবানিরা। সংঘর্ষে নিহত কমপক্ষে শতাধিক তালিবানি।উল্লেখ্য, পঞ্জশির উপত্যকাই হল আফগানিস্তানের একমাত্র জায়গা, যেখানে এখনও দখল নিতে পারেনি তালিবানরা। সূত্রের দাবি, ঘানির পালিয়ে যাওয়ার পর আফগানিস্তানের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহ এই অঞ্চলেই লুকিয়ে রয়েছেন এবং সাধারণ মানুষদের উৎসাহিত করছেন তালিবানদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে।

আগস্ট ২১, ২০২১
রাজ্য

Bomb: স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জারিকেন ভর্তি বোমা উদ্ধার বর্ধমানে

স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে বর্ধমানের শিবপুর দিঘীরপাড় এলাকা থেকে উদ্ধার হল প্লাস্টিকের জারিকেন ভর্তি তাজা বোমা। যা জানতে পারার পরেই বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রেখে খবর দেয় বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে। শনিবার বিকালে দুর্গাপুর থেকে সিআইডির বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছায়। তাঁরা জারিকেন ভর্তি বোমা উদ্ধার করে ফাঁকা জায়গায় নিয়ে গিয়ে নিস্ক্রিয় করে। এই ঘটনায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে শিবপুর দীঘিরপাড় এলাকার বাসিন্দা মহলে।আরও পড়ুনঃ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি সিএবি সচিব স্নেহাশিস গাঙ্গুলিবর্ধমানের বেলকাস পঞ্চায়েতের সদস্য তানবীর আলি বলেন, শীবপুর দীঘিরপাড় সংলগ্ন পাওয়ার হাউসের পিছনে জঙ্গলের পড়েছিল জারিকেনটি। এলাকায় বাসিন্দারা সেটি দেখতে পেয়ে বর্ধমান থানায় খবর দেয়। সেই খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ওই জায়গাটি ঘিরে রাখে।আরও পড়ুনঃ পুজারা ও রাহানের ব্যর্থতা নিয়ে কী বলছেন গাভাসকার?এদিন বিকালে সিআইডির বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড ঘটনাস্থলে পৌছে জারিকেনে থাকা বোমাগুলি উদ্ধার করার পর নিস্ক্রিয় করে। বর্ধমান থানার আইসি সুখময় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, প্লাস্টিকের জার থেকে মোট ৬ টি তাজা বোমা উদ্ধার করে সিআইডি বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড। সেগুলি নিস্ক্রিয় করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ক্রিকেটের মক্কাতে কলুষিত ক্রিকেটরাত পোহালেই দেশ জুড়ে পালিত হবে ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস। তার প্রাক্কালে জারিকেন ভর্তি বোমা উদ্ধার ঘিয়ে বর্ধমানে শাসক বিরোধী তর্জা তুঙ্গে উঠেছে। বিরোধীদের অভিযোগ, বিধানসভা নির্বাচনের আগে শহর বর্ধমানের সুভাষপল্লীতে বল ভেবে বোমা নিয়ে খেলতে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটে যাওয়ায় এক শিশুর মৃত্যু হয়। এতবড় ঘটনার পরেও বর্ধমানে বোমা উদ্ধারে ঘটনায় বিরাম পড়েনি। জেলা বিজেপি নেতা কল্লোল নন্দন বলেন, শাসকদলের দৌলতে সব জায়গাতেই বোমা উদ্ধার হয়েই চলেছে। যদিও পল্টা জবাবে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, তৃণমূল বোমা-গুলি নিয়ে রাজনীতি করে না। পুলিশ তদন্ত শুরু করছে। তদন্তেই পরিস্কার হবে যাবে কারা বোমা রেখেছিল।

আগস্ট ১৪, ২০২১
দেশ

Himachal-Landslide: কিন্নরে পাহাড় ধসে আটকে বহু, মৃত কমপক্ষে ১১

চোখের সামনে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল পাহাড়। পাহাড় থেকে পাথরের চাঁই গড়িয়ে নেমে এসে পড়ল নীচের রাস্তা দিয়ে যাওয়া বাসের ছাদে। হিমাচলের কিন্নর জেলায় ভূমিধসের জেরে ফের ভয়াবহ দুর্ঘটনা। ঘটনায় অন্তত ৫০ জন আটকে পড়েছেন বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করছে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন বাসের চালক ও তাঁর সহকারী।আরও পড়ুনঃ দেশে বেড়ে গিয়েছে ভিখারির সংখ্যা, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্টবুধবার দুপুর ১২টা ৪৫ নাগাদ রেকংপেও-শিমলা সড়কে এই ঘটনাটি ঘটেছে। একটি বাসের মাথায় এসে পড়ে পাথরের চাঁই। ওই বাসটি ছাড়া আরও বেশ কয়েকটি গাড়ি পাহাড় থেকে গড়িয়ে আসা বোল্ডারের নীচে চাপা পড়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকার্য চালাচ্ছে ইন্দো-তিব্বতীয় সীমান্ত পুলিশ। হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর বলেন, দ্রুত উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য পুলিশ ও স্থানীয় প্রশানসকে নির্দেশ দিয়েছি। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে সতর্ক করা হয়েছে। আরও তথ্য সামনে এলেই জানানো হবে। উদ্ধারের কাজে সাহায্যের আবেদন জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও ফোনে কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।ডেপুটি কমিশনার আবিদ হোসেন সাদিক বলেন, জাতীয় সড়কের উপর ভূমিধসের খবর পেয়েছে ভবনগর থানা। তার পরই ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে ইন্দো-তিব্বতীয় সীমান্ত পুলিশ, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে। উদ্ধারকার্যে তাঁদের সাহায্য করছেন স্থানীয়রাও। পাহাড় থেকে অনবরত গড়িয়ে নেমে আসছে বড় বড় পাথর, যার জেরে ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধারকার্য, জানিয়েছেন তিনি।

আগস্ট ১১, ২০২১
কলকাতা

Accident: বেপরোয়া গতি প্রাণ কাড়ল ৬ শ্রমিকের

বারুইপুরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ৬ শ্রমিক। কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য হাওড়ার স্টেশনের দিকে রওনা হয়েছিলেন ২৭ জন শ্রমিক। একই গাড়িতে ছিলেন তাঁরা। গাড়িটি সজোরে একটি ইলেকট্রিক পোস্টে ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ৬ জনের। আহত অবস্থায় ১৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার রাত পৌনে ১২ টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ।আরও পড়ুনঃ দিল্লি দরবারে যেতে চান রাজ্য বিজেপি নেতারাবারু্ইপুরের কুলতলি এলাকার রাধা বল্লভপুর মল্লিকপুরের ঘটনা।জানা গিয়েছে, হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেন ধরার কথা ছিল ওই ২৭ জন শ্রমিকের। একটি বোলেরো পিকআপ ভ্যানে সে দিকেই যাচ্ছিলেন তাঁরা। সজোরে একটি পোস্টে ধাক্কা মারে গাড়িটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ছজনের। খবর পেয়েই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বকুলতলা থানার পুলিশ। আহতদের নিমপীঠ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বেশ কয়েকজনকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে চিকিৎসার জন্য। ঘটনাস্থলে বারুইপুর পুলিশ জেলার এসডিপিও-র নেতৃত্ব বিশাল পুলিশবাহিনী যায়। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটি উদ্ধার করে আনে বকুলতলা থানার পুলিশ। কী ভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তার তদন্ত শুরু করেছে বকুলতলা থানার পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, গাড়িটি বেপরোয়া গতিতে চলছিল, আর তার জেরেই এই দুর্ঘটনা।

আগস্ট ০২, ২০২১
দেশ

Terrorist: এনকাউন্টারে খতম মাসুদ আজহারের আত্মীয়

শ্রীনগরে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইতে খতম জইশ জঙ্গি। শনিবার সকালে যে দুই জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে উপত্যকায়, তাদের মধ্যে একজন হল মহম্মদ ইসমাল আলভি ওরফে লম্বু। পাকিস্তানের নাগরিক ইসমাল কুখ্যাত জঙ্গি নেতা মাসুরদ আজহারের আত্মীয় বলে জানা গিয়েছে। ২০১৯-এ পুলওয়ামার ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পিছনে যে জঙ্গিদের মাথা ছিল, তাদের মধ্যে অন্যতম এই ইসমাল। তাই তাকে নিকেশ করা ভারতীয় সেনার এক বড় সাফল্য বলেই মনে করা হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ সেমিফাইনালেও পদক জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে পিভি সিন্ধুরআজ ভোর থেকেই গোপন সূত্রে খবর মেলে দাচিগাম জঙ্গলে অভিযান শুরু করে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী। জঙ্গলের কিছুটা গভীরে প্রবেশ করতেই নিরাপত্তাবাহিনীর ওপর গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা গুলি চালায় পুলিশও। শুরু হয় এনকাউন্টার। জানা গিয়েছে, স্বাধীনতা দিবস ও তার আগেই জম্মুর একাধিক মন্দিরে নাশকতার ছক রয়েছে জঙ্গিদের। সেই অনুযায়ী কড়া সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। আগামী ৫ অগস্ট জম্মুর বেশ কয়েকটি মন্দিরে নাশকতার ছক রয়েছে জঙ্গিদের। কারণ সেইদিনই জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা অবলুপ্তির দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি হবে। এছাড়াও স্বাধীনতা দিবসের দিনও বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা রয়েছে লস্কর-ই-তৈবা ও জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি গোষ্ঠীর।সকালেই দুই জঙ্গি নিকেশের খবর আসে উপত্যকা থেকে। পরে এই জঙ্গির পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ। কাশ্মীর পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে এনকাউন্টারে জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি লম্বুর মৃত্যু হয়েছে। এই সাফল্যে সেনাবাহিনী ও অবন্তিপুরা পুলিশকে অভিনন্দন জানিয়েছে কাশ্মীর পুলিশ। কাশ্মীর পুলিশের ইন্সপেক্টর বিজয় কুমার জানিয়েছেন, পুলওয়ামা হামলায় ষড়যন্ত্রকারীদের মধ্যে অন্যতম মহম্মদ ইসমাল আলভি। এনআইএ-র চার্জশিটেও ছিল তার নাম।

জুলাই ৩১, ২০২১
দেশ

Tragic Accident: ফের দুর্ঘটনার বলি ১৮ পরিযায়ী শ্রমিক

মঙ্গলবার গভীর রাতে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার মর্মান্তিক পরিণতি দেখল উত্তরপ্রদেশ। বারাবাঙ্কি এলাকায় প্রবল গতিতে ধেয়ে আসা ট্রাকের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে মৃত্যু হল ১৮ জনের। জখম হয়েছে আরও ২৪ জন। অযোধ্যা-লখনউ জাতীয় সড়কে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। রাম সানেহি পুলিশ স্টেশনের কাছে এই ঘটনায়। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ওই বাসে প্রায় ১৪০ জন যাত্রী ছিলেন। এরা সকলেই ছিলেন শ্রমিক। উত্তরপ্রদেশের এই জাতীয় সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময়ই দুর্ঘটনার মুখে পড়ে বাসটি। পুলিশ জানিয়েছে, ওই বাস হরিয়ানার পালওয়াল থেকে বিহার আসছিল।লখনউ ঢোকার ২৮ কিলোমিটার আগে জাতীয় সড়কে খারাপ হয়ে যায় বাসের যন্ত্রাংশ। তা ঠিক করার জন্য রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে ছিল বাসটি। বাসে আসা কিছু শ্রমিক বাসের সামনে রাস্তার ধারে ঘুমোচ্ছিলেন। সে সময়ই ঘটে এই ভয়ানক দুর্ঘটনা।আরও পড়ুনঃ বাবার মৃত্যুর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই বহুতল হাসপাতাল থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী ছেলেখবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। মৃতদের দেহ উদ্ধারের পাশাপাশি আহত শ্রমিকদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। ঘটনা নিয়ে অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারাল এসএন সাবাত বলেছেন, মঙ্গলবার রাতে বারাবঁকীতে এক পথ দুর্ঘটনায় বিহারের ১৮ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা দ্বারভাঙা, সীতামারি-সহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। ঘটনায় আহত হয়েছে দুডজনেরও বেশি। তাঁদের চিকিৎসা চলছে।

জুলাই ২৮, ২০২১
দেশ

Border Clash: অসম-মিজোরাম সীমান্ত সংঘর্ষের বলি ৬ পুলিশকর্মী

অসম-মিজোরাম সীমান্তের সংঘর্ষে মৃত্যু অসমের ৬ পুলিশকর্মীর। সোমবার দুপুরে ওই অশান্তির পর টুইট করে এই খবর জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা। তিনি জানিয়েছেন অসম পুলিশের ৬ জওয়ান নিহত হয়েছেন। তিনি লিখেছেন, সাংবিধান নির্ধারিত সীমান্ত রক্ষা করতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে এই ছয় পুলিশকর্মীর। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলঘটনার সূত্রপাত রবিবার রাতে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকায় আট কৃষকদের ঘর জ্বালিয়ে দেয় কিছু দুষ্কৃতী। তারপরই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় সীমান্তবর্তী ওই এলাকা। মিজোরাম পুলিশের ডিআইজি লালবিয়াকথাঙ্গা খিয়াংলে জানিয়েছেন, ওই আট কৃষকদের ঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যদিও সেখানে কেউ ছিলেন না। সেই ঘটনা ঘটে গতকাল রবিবার রাত সাড়ে ১১ টা নাগাদ। এই ঘরগুলি অসমের সীমান্তবর্তী গ্রাম ভাইরেংলের কৃষকদের। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে, তদন্ত চলছে।আরও পড়ুনঃ চিন্তা বাড়াচ্ছে দেশের ৫ রাজ্যের করোনা সংক্রমণঅভিযোগ, গত ১১ জুলাই মিজোরামের এক কৃষকের খেত, বাগানও নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এই নিয়েই অশান্তি শুরু হয়। সীমান্তের দিকে লাঠি নিয়ে ছুটে যায় দুই রাজ্যেরই কিছু লোক। এরপরই সীমান্ত পরিদর্শনে যাওয়া অসম সরকারের একটি টিমের গাড়ি লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোঁড়া হয়। পরপর দুটি বিস্ফোরণ ঘটে সে দিন। আর তারপর থেকে জারি আছে অশান্তি। দিন দুয়েক আগেই উত্তর-পূর্বের সব মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অমিত শাহ। আর তারপরই আজকের এই ঘটনা।আরও পড়ুনঃ সুযোগ পেলেন অভিমন্যু, ভারতীয় টেস্ট দলে একসঙ্গে বাংলার ৩এ দিন অশান্তির পর মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা টু্ইটে লিখেছেন, এ সব এখনই বন্ধ হওয়া উচিৎ। অমিত শাহকে বিষয়টিতে নজর দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। অন্য একটি টুইটে তিনি দেখিয়েছেন, অনেকেই আক্রান্ত হয়েছেন এই ঘটনায়। তাঁর দাবি, নিরপরাধ মানুষকে আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে দুষ্কৃতীদের হাতে। অন্যদিকে, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও টুইটে অমিত শাহকে হস্তক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন।

জুলাই ২৬, ২০২১
দেশ

Himachal-landslide: হিমাচলে চোখের নিমেষে নামল ধস, মৃত ৯

হিমাচল প্রদেশের কিন্নরে ভয়াবহ ভুমিধসে মৃত কমপক্ষে ৯ জন পর্যটকের। আহত হয়েছেন আরও তিন জন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।কিন্নরের পুলিশ সুপার রাজু রাম রানা বলেন, মৃত ও আহতরা প্রত্যেকেই পর্যটক। ভূমিধসের সময় তাঁরা সেতুর কাছে গাড়ির মধ্যে ছিলেন। সেখানেই ধাক্কা মারে বোল্ডারগুলি। আহতদের সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বোল্ডারের ধাক্কায় বাতসেরি সেতু সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। এই ঘটনার একটি ভিডিও প্রকাশ হয়েছে নেটমাধ্যমে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, পাহাড়ের উপর থেকে গড়িয়ে পড়ছে অসংখ্য বড় বড় বোল্ডার। সেগুলি এসে নীচে একটি সেতুতে ধাক্কা মারে। এ ছাড়া সেতুর পাশে থাকা গাড়িগুলিতেও ধাক্কা মারে বোল্ডারগুলি। আশপাশে থাকা অনেককেই ভয় পেয়ে পালাতে দেখা যায় ভিডিওতে।আরও পড়ুনঃ পেয়ারা বিক্রেতা উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তা, প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন নেটনাগরিকরাভূমিধসের পরে ঘটনাস্থলে গিয়েছে চিকিৎসকদের একটি দল। রয়েছে পুলিশও। আগামী কয়েক দিন হিমাচল প্রদেশে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। সেই পূর্বাভাস মেনে সতর্কতাও জারি করে প্রশাসন। যদিও তার মধ্যেই এই দুর্ঘটনা ঘটল সেখানে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে মৃতদের পরিবারপিছু ২ লক্ষ টাকা করে ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্যের কথা জানিয়েছেন।

জুলাই ২৫, ২০২১
কলকাতা

Dhankhar: রাজভবনে স্পিকারকে তলব রাজ্যপালের

বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করার জন্য উদ্যোগী হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। মূলত ধনখড়ের উদ্যোগেই এই সাক্ষাৎ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৪টে নাগাদ তাঁদের দুজনের দেখা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার সকালে এ বিষয়ে টুইট করেন রাজ্যপাল। তিনি লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার স্পিকার শ্রী বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার রাজভবনে বিকেল চারটের সময় দেখা করবেন রাজ্যপাল শ্রী জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে। রাজ্যপালের উদ্যোগেই এই সক্ষাৎ হতে চলেছে। হঠাৎ করে স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছা প্রকাশ করলেন কেন রাজ্যপাল, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।West Bengal Legislative Assembly Speaker Shri Biman Banerjee will call on Governor West Bengal Shri Jagdeep Dhankhar at Raj Bhawan Kolkata today at 4 PM.Scheduled interaction is at the initiative of Governor. Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) July 23, 2021উল্লেখ্য, স্পিকারের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করে গত জুনে সরাসরি তাঁকে চিঠি দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। তাঁর অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল পদের অপমান করেছেন স্পিকার। শুধু তাই নয়, বিধানসভার অধিবেশনের শুরুতে তাঁর ভাষণ সম্প্রচার বন্ধ করা হল কেন, স্পিকারকে চিঠিতে সে কথাও উল্লেখ করেছিলেন রাজ্যপাল। তখন তিনি বলেছিলেন, বিধানসভায় আমার ভাষণ সম্প্রচার বন্ধ করা হয়েছে। যা জরুরি অবস্থার সামিল। রাজ্যপালের সঙ্গে স্পিকারের স্ংঘাত-এর যে আবহ তৈরি হয়েছিল, তার পর শুক্রবার হঠাৎ করে এই সাক্ষাতের বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

জুলাই ২৩, ২০২১
রাজ্য

Harowa: হাড়োয়ায় শহিদ দিবসের অনুষ্ঠানে গুলি, নিহত ২

তৃণমূলের শহিদ দিবসে পতাকা তোলাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার-কাণ্ড হাড়োয়ায়। দলেরই দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে মৃত্যু হল এক মহিলা-সহ ২ জনের। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন উভয়পক্ষের ১২ জন।বুধবার গোটা রাজ্যের সঙ্গে হাড়োয়ার ট্যাংরামারি গ্রামেও আয়োজন করা হয়েছিল শহিদ দিবসের অনুষ্ঠান। সেখানেই পতাকা তোলাকে কেন্দ্র করে দলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এর মধ্যেই চলে গুলি। পুলিশ সূত্রের খবর, নিহতরা হলেন লক্ষ্মী সর্দার(৬২) ও সন্যাসী সর্দার(৩৮)।আরও পড়ুনঃ শশাঙ্কের সঙ্গে কফি ডেটে গেলেন শ্রীলেখা, তারপর!পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, এলাকার বেশ কয়েকজন তৃণমূলের নেতা-কর্মী বিজেপিতে যোগ দেয়। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ফের তারা দলের এক প্রভাবশালী নেতার হাত ধরে তৃণমূলে ফিরে আসে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে হাড়োয়ার বাছড়া মোহনপুর পঞ্চায়েত এলাকায় দলের আদি এবং নব্যদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। গুলি-বোমার লড়াইয়ে উত্তপ্ত ছিল এলাকা। তারই মধ্যে এ দিন সকালে এক পক্ষ দলীয় পাটি অফিসের সামনে ২১ শে জুলাই উপলক্ষে দলের পতাকা তোলায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়।এদিন দলীয় পতাকা তোলা হয়ে গেলে হইহুল্লোড় করার পর খাওয়া শেষে দুপুর আড়াইয়ে নাগাদ এক পক্ষ যখন বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দেয় সে সময়ে অতর্কিতে তাদের উপর আক্রমণ অন্য গোষ্ঠীর সমর্থকেরা। শুরু হয় মুড়িমুড়কির মত গুলি ও বোমা বৃষ্টি। বাড়ি ফেরার পথে ওই সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে যান লক্ষ্মী মণ্ডল। গুলি এসে লাগে লক্ষ্মীর পেটে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। বুকে গুলি লাগে সন্যাসী সর্দারের। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।

জুলাই ২১, ২০২১
দেশ

Hooch Tragedy: বিহারে বিষমদের বলি ১৬

বিহারের পশ্চিম চম্পারণে বিষ মদ খেয়ে কমপক্ষে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় পাঁচ জনকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। যদিও মৃতদের মধ্যে আট জনের পরিবার দাবি করেছে, মদই খাননি মৃতরা।আরও পড়ুনঃ বৃক্ষরোপণ করতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ, মিললো মানুষের মাথার আস্ত খুলিচম্পারণের জেলাশাসক কুন্দন কুমার বলেন, আমরা খবর পেয়েছি গত দু-তিন দিনে প্রায় আট জন রহস্যজনকভাবে মারা গিয়েছেন। যদিও তাঁদের পরিবার ও গ্রামবাসীরা মদ খাওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। এই ঘটনায় এফআইআর দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। যদিও মৃতদের শেষকৃত্য হয়ে যাওয়ায় এই মুহূর্তে মৃত্যুর কারণ বোঝা যাচ্ছে না। আমরা মেডিক্যাল দল নিয়োগ করেছি। আর কারও শরীরে কোনও উপসর্গ দেখা যাচ্ছে কি না সে দিকে নজর রাখা হচ্ছে।চম্পারণের ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল লালমোহন প্রসাদ বলেন, আমরা প্রায় ৪০ জনের বয়ান রেকর্ড করেছি। তাঁদের মধ্যে মৃতদের পরিবারের লোকও রয়েছেন। মদ খাওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন সবাই। যদিও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, তিনি মদ খেয়েছিলেন।

জুলাই ১৭, ২০২১
দেশ

Photo Journalist: কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিক

কান্দাহারে অশান্ত পরিস্থিতির ছবি তুলতে গিয়ে নিহত হলেন পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিক দানিশ সিদ্দিকি। কয়েক আগেই সেখানে গিয়ে আফগান সেনাবাহিনীর সঙ্গে থেকে কাজ করছিলেন তিনি। শুক্রবার সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, কান্দাহারের স্পিন বোলডাক জেলায় সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে নিহত হয়েছেন দানিশ। তিনিই ভারতের প্রথম পুলিৎজার জয়ী চিত্রসাংবাদিক। ২০১৮ সালে সহকর্মী আদনান আবিদির সঙ্গে ফিচার ফোটোগ্রাফিতে পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছিলেন দানিশ। ভারতের রয়টার্সের আলোকচিত্রীদের দলটির প্রধান ছিলেন দানিশ।আরও পড়ুনঃ ফের উত্তপ্ত শ্রীনগর, খতম ২ লস্কর জঙ্গিআন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রধান চিত্র সাংবাদিক ছিলেন দানিশ। টুইটারে এক সাংবাদিকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাতেই গুরুতর জখম হয়েছিলেন দানিশ। তিনি আফগান সেনা শিবিরেই ছিলেন। তাঁকে আহত অবস্থায় শিবিরে রেখেই আফগান সেনারা তালিবান বিরোধী অভিযানে গিয়েছিলেন। কিন্তু শুক্রবার সকালে ফের তালিবানি হামলার মুখে পড়ে আফগান সেনারা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দানিশের। ওই সাংবাদিক নেট মাধ্যমে জানিয়েছেন, দানিশের দেহাবশেষের ছবিও এসেছে তাঁদের কাছে। কিন্তু তাঁরা তা প্রকাশ করছেন না। মুম্বইয়ে বাড়ি দানিশের। বয়স ৪০। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার ছাত্র ছিলেন তিনি। টেলিভিশন সাংবাদিক হিসেবে কেরিয়ার শুরু করলেও পরে চিত্র সাংবাদিকতাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। ২০১০ সালে রয়টার্সে শিক্ষানবীশ চিত্র সাংবাদিক হিসেবে যোগ দেন। তার ছ বছরের মধ্যেই ইরাকের মসুলের যুদ্ধের ছবি তুলতে যান দানিশ। ২০১৫ সালে নেপালের ভূমিকম্পের ছবিও তোলেন। ২০১৯-২০তে হংকং প্রোটেস্ট, ২০২০ তে দিল্লির দাঙ্গার ছবিও তোলেন এই চিত্র সাংবাদিক।

জুলাই ১৬, ২০২১
দেশ

Terrorist: ফের উত্তপ্ত শ্রীনগর, খতম ২ লস্কর জঙ্গি

ফের উত্তপ্ত শ্রীনগর। ভোর তেকেই গুলির লড়াইয়ে খতম হয়েছে ২ লস্কর জঙ্গি। এনকাউন্টারে জখম হয়েছে ২ সেনাও। শুক্রবার ভোরেও জম্মু-কাশ্মীরের দানমার শ্রীনগরের দানমার এলাকায় জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর মিলতেই এনকাউন্টার অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। খতম করা হয় দুই লস্কর-ই-তইবা জঙ্গিকে। আহত হয়েছেন দুই সিআরপিএফ জওয়ানও।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় মানবাধিকার কমিশনের বিস্ফোরক রিপোর্ট, পালটা মমতাপুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন ভোরবেলায় গোপনসূত্রে খবর মেলে শ্রীনগরের দানমার এলাকার আলমদার কলোনিতে লুকিয়ে রয়েছে কিছু জঙ্গি। সঙ্গে সঙ্গে সিআরপিএফ ও পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে। বেগতিক বুঝে গুলি চালাতে শুরু করে ঘাপটি মেরে বসে থাকা জঙ্গিরা। শুরু হয় দুই পক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই। কাশ্মীর পুলিশের আইজি বিজয় কুমার জানান, এনকাউন্টারে দুই জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাদের নাম-পরিচয় এখনও জানা না গেলেও স্থানীয় বাসিন্দা বলেই মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, তারা লস্কর-ই-তইবা জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এ দিকে, গুলির লড়াইয়ে আহত হয়েছেন দুই সিআরপিএফ জওয়ানও। তাদের চিকিৎসার জন্য শ্রীনগর সেনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

জুলাই ১৬, ২০২১
বিদেশ

Iraq Fire: ইরাকের করোনা হাসপাতালে বিধ্বংসী আগুনে মৃত ৬০

ইরাকের করোনা হাসপাতালে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে কমপক্ষে ৬০ জন। ঘটনাটি ঘটেছে ইরাকের নাসারিয়াতে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা। হাসপাতালে আগুন লাগার পর তড়িঘড়ি আপদকালীন বৈঠক করেছেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী মুস্তাফা আল-কাধিমি।আরও পড়ুনঃ সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিক ফাইনাল, অভিনয়ে বলিউড তারকাবৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী নাসারিয়ার স্বাস্থ্য ও সিভিল সার্ভিস ডিফেন্স ম্যানেজারকে বরখাস্ত ও গ্রেপ্তার করার সিদ্ধান্ত জানিয়ছেন বলে খবর। হাসপাতালের ম্যানেজারকেও গ্রেপ্তার করার কথা উল্লেখ রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতিতে। এলাকা ঢেকে গিয়েছে বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায়। মূলত অক্সিজেন ট্যাংকে বিস্ফোরণের জেরেই আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিক অনুমান উদ্ধারকারীদের। এক সরকারি আধিকারিকের মতে, আগুনের কারণ হচ্ছে শর্ট সার্কিট। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর এখন তল্লাশি অভিযান চলছে। এখনও অনেক রোগী করোনা ওয়ার্ডে আটকে আছেন বলে জানাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। এর আগে এপ্রিল মাসেও বাগদাদে অক্সিজেন ট্যাংকে বিস্ফোরণের জেরে আগুন লেগেছিল একটি করোনা হাসপাতালে। সেখানে ৮২ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন, আহত হয়েছিলেন ১১০ জন।আরও পড়ুনঃ বাড়িতে জগন্নাথ বন্দনা করলেন সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীজানা গিয়েছে, দমকলবাহিনী পৌঁছনোর আগেই বিষাক্ত ধোঁয়ার সঙ্গে লড়াই করতে করতে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন অনেকে। বেশ কয়েকজনকে ওই ওয়ার্ড থেকে বের করে আনা সম্ভব হয়। যদিও তাঁদের অবস্থাও সংকটজনক। রোগীর পরিবারের সদস্যরা ওই বিল্ডিং থেক লাফ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। অনেকেই জখম হয়েছেন। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকলবাহিনীর সদস্যরা। মাত্র তিন মাস আগে এই হাসপাতালে ৭০ বেডের করোনা ওয়ার্ড চালু হয়েছিল। ইরাকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, মূল ভবনের পাশে করোনা ওয়ার্ডটি পুরো পুড়ে গিয়েছে।

জুলাই ১৩, ২০২১
রাজ্য

Mongalkote: মঙ্গলকোটে শুটআউট -নিহত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে গুলি করে খুন। বাইক দাঁড় করিয়ে কাছ থেকে গুলি চালিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। মৃত ব্যক্তির নাম অসীম দাস। পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের সিওর গ্রামে তাঁর বাড়ি। তিনি মঙ্গলকোটের লাখুরিয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন। গূলি লাগার পর রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন অসীমবাবু। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে মঙ্গলকোট হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।আরও পড়ুনঃ পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির অভিনব প্রতিবাদ, ডোঙার সাহায্যে জল সেচ তৃণমূল বিধায়কেরএদিকে, তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে গুলি করে মারার ঘটনা জানাজানি হতেই মঙ্গলকোটজুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়েই মঙ্গলকোটের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী-সহ অন্য তৃণমূল নেতারা মঙ্গলকোট হাসপাতালে পৌঁছে যান। একইভাবে ঘটনার কথা জানার পর জেলার উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারাও ঘটনাস্থলে পৌঁছন। দুষ্কৃতীদের খোঁজে পুলিশ পার্শ্ববর্তী জেলার সীমান্তে জোরদার নজরদারি চালানোর পাশাপাশি অভিযুক্তদের খোঁজে জোরদার তল্লাশি চালানো শুরু করেছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহ রায় জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ তিন রাজ্যে বজ্রপাতে মৃত ৬৮, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীরজানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মত এদিন সন্ধ্যায় কাশেমনগর বাজার থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে একাই সিওর গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন অসীম দাস। পথে বাড়ির কাছেই সিওর মোড়ের কাছে কেউ দাদা বলে ডেকে অসীম দাসের মোটরসাইকেল দাঁড় করায়। এরপরেই খুব কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। উত্তেজনা চরমে ওঠায় এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিতৃণমূল নেতা অসীম দাসকে খুনের ঘটনায় বিজেপির যোগসাজোস রয়েছে বলে দাবি করেছেন মঙ্গলকোটের তৃমূলের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী। একই অভিযোগ করে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, ভোটে হেরে যাওয়ার বদলা নিতে মঙ্গলকোটের বিজেপি কর্মীরা এখন সন্ত্রাস ও খুনের রাজত্ব কায়েম করতে চাইছে। খুনিরা কেউ পার পাবেনা বলে দেবু টুডু জানিয়েদেন। মঙ্গলকোট বিধানসভার পর্যবেক্ষক তথা বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছেন,অসীম দাস দক্ষ সংগঠক ছিলেন। বিজেপির লোকজনই পরিকল্পনা করে তাকে খুন করেছে। মৃতর পরিবারকে সমবেদনা জানাতে বুধবার মঙ্গলকোট যাচ্ছেন বলে অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছেন। যদিও বিজেপির বর্ধমান পূর্ব (গ্রামীণ) জেলা কমিটির সহ-সভাপতি অনীল দত্ত পাল্টা দাবি করেন, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। তা ধাপাচাপা দিতেই তৃণমূলের নেতারা বিজেপির দিকে আঙুল তুলছে। পুলিশ সঠিক তদন্ত করেলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে বিজেপি নেতা অনিল দত্ত মন্তব্য করেছেন।

জুলাই ১২, ২০২১
দেশ

Lightning Killed: তিন রাজ্যে বজ্রপাতে মৃত ৬৮, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

দেশে বজ্রপাতে একদিনেই মৃত্যু ৬৮ জনের!! মোট তিনটি রাজ্যে বাজ পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে এই মানুষগুলোর। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে বজ্রপাতের মধ্যে সবথেকে বেশি বজ্রপাত হয়েছে উত্তরপ্রদেশেই। রবিবার বিকেল থেকেই ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। কিন্তু অতিরিক্ত বাজ পড়ে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের একাধিক জায়গায়। কেবল উত্তরপ্রদেশেই বাজ পড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১-এ। মধ্য প্রদেশে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের, রাজস্থানে ২০ জনের। আহতের সংখ্য়াও প্রায় একশোর কাছাকাছি।জানা গিয়েছে, জয়পুরে একটি ওয়াচটাওয়ারে নিজস্বী তুলতে গিয়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিএই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী হিন্দিতে টুইট করে লিখেছেন, রাজস্থানের কিছু এলাকায় বজ্রাঘাতে বেশ কয়েক জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনা খুবই দুঃখজনক। মৃতদের পরিবারকে জানাই গভীর সমবেদনা। শোকপ্রকাশের পাশাপাশি মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত। রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী শচিন পাইলট ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়াও শোকপ্রকাশ করেছেন এই ঘটনায়।PM @narendramodi has announced an ex-gratia of Rs. 2 lakh each from PMNRF to the next of kin of those who lost their lives due to lightning in parts of Rajasthan. Rs. 50,000 would be provided to the injured. PMO India (@PMOIndia) July 12, 2021রাজস্থানে মৃতদের মধ্যে ১১ জন জয়পুর, চার জন কোটা, তিন জন ঢোলপুর, এক জন ঝালওয়ার ও এক জন বারানের বাসিন্দা। জয়পুরের আমের এলাকায় একটি ওয়াচটাওয়ারে ৪০ মিনিটের মধ্যে পর পর দুবার বাজ পড়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরের সওয়াই মান সিং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জুলাই ১২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দুর্গাপুরে জঙ্গলে নেহরুর মূর্তি! ২৪ ঘণ্টার ‘ডেডলাইন’ কংগ্রেসের, বিজেপির পালটা দাবি—‘চোরা তৃণমূলীরাই দায়ী’

দুর্গাপুর, ৩০ আগস্ট: রাজনৈতিক মতাদর্শের লড়াই এবার পৌঁছে গেল দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মূর্তি ঘিরে বিতর্কে। দুর্গাপুরের একটি মেডিটেশন সেন্টারের সামনে থেকে নেহরুর বিশাল মূর্তি ক্রেনের সাহায্যে তুলে পাশের জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। যদিও সেই অভিযোগ সরাসরি খারিজ করে বিজেপির স্থানীয় বিধায়ক পালটা দাবি করেছেন, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে কংগ্রেসেরই একটি অংশ এবং চোরা তৃণমূলীরা।দুর্গাপুরের হর্ষবর্ধন প্রাইমারি স্কুলের পাশে একটি মেডিটেশন সেন্টারের সামনে দীর্ঘদিন ধরে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর একটি বড় মূর্তি ছিল। কংগ্রেসের অভিযোগ, শুক্রবার সেখানে রাখিবন্ধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানের জন্য জায়গা তৈরি করতেই ক্রেন এনে নেহরুর মূর্তিটি সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে সেটি স্কুল সংলগ্ন জঙ্গলের মধ্যে ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ।মূর্তি সরিয়ে ফেলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়। কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। তাদের প্রশ্ন, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতার মূর্তির সঙ্গে এমন আচরণ কেন করা হল?জেলা কংগ্রেস সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী ঘটনাটির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাসনকে কার্যত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, ক্রেনের সাহায্যে নেহরুর মূর্তি উপড়ে নিয়ে গিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে এবং সেই জায়গায় পরবর্তীতে রাখিবন্ধন অনুষ্ঠান করা হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, অনুষ্ঠানে দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিও ছিল।Press ReleaseThe Pradesh Congress strongly condemns the desecration of the statue of the countrys first Prime Minister, Pandit Jawaharlal Nehru; Shri @subhankar_cong demands the immediate reinstallation of the statue and the arrest of the culprits.Kolkata, August 30, 2026: pic.twitter.com/SImtSOHvX8 West Bengal Congress (@INCWestBengal) August 30, 2026দেবেশ চক্রবর্তীর বক্তব্য, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নেহরুর মূর্তিকে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পূর্বের জায়গায় পুনঃস্থাপন করতে হবে। তা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে কংগ্রেস।তবে কংগ্রেসের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পালটা অভিযোগ, কংগ্রেসেরই একটি অংশ গোপনে তৃণমূলে যোগ দিয়েছে এবং সেই চোরা তৃণমূলীরাই নেহরুর মূর্তি সরিয়ে দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত।বিজেপি বিধায়কের দাবি, ঘটনার দায় বিজেপির উপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির সঙ্গে এই ঘটনার কোনও সম্পর্ক নেই। বরং কারা মূর্তিটি সরিয়েছে, তা তদন্ত করে প্রকৃত সত্য সামনে আনা উচিত।নিজের বক্তব্যের পক্ষে অতীতের একটি ঘটনারও উল্লেখ করেন চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, দুর্গাপুরের এভিএল কার্যালয়ের সামনে একাধিক ইউনিয়ন অফিস ভাঙার সময় তাঁর হস্তক্ষেপেই রাজীব গান্ধীর মূর্তিটি রক্ষা পেয়েছিল। ফলে বিজেপি কখনও রাজনৈতিক নেতাদের মূর্তি ভাঙচুরকে সমর্থন করে না বলেও তাঁর দাবি।চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নেহরুর মূর্তি ভাঙার ঘটনায় বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই। বরং যারা এই কাজ করেছে, তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতেও তাঁর দল রয়েছে।এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে এবার সরব হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসও। ৩০ আগস্ট প্রকাশিত এক বিবৃতিতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার নেহরুর মূর্তি সরিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার ঘটনাকে তীব্র নিন্দা করেছেন।শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য, নেহরু শুধু কংগ্রেসের নেতা ছিলেন নাতিনি ছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং আধুনিক ভারত নির্মাণের অন্যতম প্রধান স্থপতি। তাঁর মূর্তি এভাবে সরিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া শুধুমাত্র একটি মূর্তির অবমাননা নয়, বরং দেশের ইতিহাস ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহ্যের প্রতিও অসম্মান।তবে এই ঘটনার পিছনে কোন রাজনৈতিক দলের হাত রয়েছে, তা নিয়ে সরাসরি কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নারাজ প্রদেশ কংগ্রেস। দলের দাবি, প্রশাসন ও পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করুক এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিক।প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অবিলম্বে নেহরুর মূর্তি পূর্বের স্থানে পুনঃস্থাপনের পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নামবে কংগ্রেস।ফলে দুর্গাপুরে নেহরুর মূর্তি ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চাপানউতোর। একদিকে কংগ্রেসের অভিযোগের নিশানায় বিজেপি, অন্যদিকে বিজেপির পালটা অভিযোগ তৃণমূলের দিকে। মূর্তি কে সরাল, কেন সরানো হল এবং ঘটনাটির পিছনে আসল কারণ কীএই প্রশ্নগুলির উত্তর এখন পুলিশের তদন্তের দিকেই তাকিয়ে।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
কলকাতা

জনতার দরবারে মুখ্যমন্ত্রী, এবার সরাসরি আমলা-পুলিশের কাছে অভিযোগ! সপ্তাহে দু’দিন খুলছে দরজা

সরকারি পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ বা সমস্যা হলে এবার থেকে সাধারণ মানুষ সরাসরি উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। এই মর্মে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। সপ্তাহে দুদিন নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি অফিস খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাধারণ মানুষ সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পারবেন। এর জন্য আগে থেকে কোনও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। ওই দুই দিন আধিকারিকদের সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনতে হবে।এই সময়ে আধিকারিকদের যাতে বাইরে সরকারি কাজে যেতে না হয়, সেই বিষয়েও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করাকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে তাঁদের।সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের সরকারি ই-মেইল এবং মোবাইল নম্বরও প্রকাশ করতে হবে। অফিসে এমন জায়গায় এই তথ্য রাখতে হবে, যাতে সহজেই তা সাধারণ মানুষের নজরে আসে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দফতর বা বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইটেও ওই তথ্য স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নতুন ব্যবস্থার আওতায় একাধিক স্তরের সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ থাকবে। বিভাগীয় কমিশনার, জেলা শাসক, পুর কমিশনার, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান আধিকারিক, অতিরিক্ত জেলা শাসক, মহকুমা শাসক এবং সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের মতো আধিকারিকদের কাছে সাধারণ মানুষ নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন।পুরসভার নির্বাহী আধিকারিক থেকে শুরু করে পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের কাছেও অভিযোগ জানানো যাবে। পুলিশ প্রশাসনের ক্ষেত্রে মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, মহাপরিদর্শক, পুলিশ কমিশনার, উপমহাপরিদর্শক, পুলিশ সুপার, উপপুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক এবং থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ থাকবে।বন দফতরের ক্ষেত্রেও একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রধান মুখ্য বনপাল, অতিরিক্ত প্রধান মুখ্য বনপাল, মুখ্য বনপাল, বিভাগীয় বন আধিকারিক, অতিরিক্ত বিভাগীয় বন আধিকারিক এবং বনাঞ্চল আধিকারিকদের কাছেও অভিযোগ জানানো যাবে।রবিবার মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল এই নির্দেশিকা জারি করেছেন। নতুন নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে কি না এবং সরকারি আধিকারিকেরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করছেন কি না, তা খতিয়ে দেখবে রাজ্যের কর্মীবর্গ দফতর।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রতি শনিবার সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনার জন্য জনতার দরবারে বসেন। এবার সরকারি পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে সেই ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরেও সাধারণ মানুষের সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুযোগ তৈরি করা হল।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
দেশ

উত্তম-সত্যজিৎ স্মরণে মোদি, বাংলার দুই কিংবদন্তিকে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

বাংলা চলচ্চিত্রের দুই কিংবদন্তি অভিনেতা উত্তম কুমার এবং পরিচালক সত্যজিৎ রায়কে স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলা সিনেমার ইতিহাসে তাঁদের অবদান এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে শ্রদ্ধা জানালেন তিনি।উত্তম কুমার শুধু বাংলা ছবির জনপ্রিয় নায়ক ছিলেন না, তিনি বাঙালির সাংস্কৃতিক আবেগেরও অন্যতম প্রতীক। তাঁর অভিনয়, ব্যক্তিত্ব এবং পর্দায় উপস্থিতি কয়েক দশক ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর সঙ্গে সুচিত্রা সেনের জুটি আজও কিংবদন্তির মর্যাদা পায়। তাঁর অভিনীত একাধিক ছবি বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগের স্মারক হয়ে রয়েছে। সেই কারণেই উত্তম কুমারের নাম উচ্চারিত হলেই বাঙালির নস্টালজিয়ায় ফিরে আসে এক বিশেষ সময়।অন্যদিকে সত্যজিৎ রায় ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নির্মাতা। তাঁর সৃষ্টিশীলতা শুধু বাংলা বা ভারতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র জগতেও তিনি তৈরি করেছিলেন নিজের স্বতন্ত্র পরিচয়। পথের পাঁচালী থেকে শুরু করে একাধিক কালজয়ী ছবির মাধ্যমে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বদর্শকের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরেন। তাঁর নির্মাণশৈলী, গল্প বলার ধরন এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আজও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে অনুপ্রেরণা।প্রধানমন্ত্রীর এই স্মরণে উঠে এসেছে বাংলা সংস্কৃতির দুই ভিন্ন ধারার দুই মহীরুহের অবদানের কথাই। একজন অভিনয়ের জাদুতে দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিলেন, অন্যজন ক্যামেরার ভাষায় ভারতীয় জীবনের গল্পকে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিয়েছিলেন।উত্তম কুমার ও সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্টির প্রভাব প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে রয়েছে। সময় বদলেছে, বদলেছে চলচ্চিত্রের ভাষাও। কিন্তু তাঁদের কাজের আবেদন এখনও অমলিন। প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন তাই কেবল দুই শিল্পীকে স্মরণ নয়, বাংলা চলচ্চিত্রের সেই গৌরবময় অধ্যায়ের প্রতিও এক সম্মান প্রদর্শন।রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লিখেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর #MannKiBaat-এর অনুষ্ঠানে উঠে এলেন বাংলার মহানায়ক উত্তম কুমার। আপামর বাঙালির কাছে এ এক গর্বের মুহূর্ত, আবেগের মুহূর্ত।আগামী ৩ সেপ্টেম্বর বাংলা চলচ্চিত্র জগতের মহানায়ক উত্তম কুমারের ১০০তম জন্মবার্ষিকী। এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে ভারতীয় ও বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি শিল্পী উত্তম কুমারের অনন্য প্রতিভা, অভিনয় দক্ষতা, কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও কালজয়ী অবদানকে স্মরণ করলেন, তা নিঃসন্দেহে বাংলার মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।উত্তম কুমার শুধু বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়কই ননতিনি বাঙালির আবেগ, সংস্কৃতি, স্মৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর অভিনয়, তাঁর ব্যক্তিত্ব, তাঁর সৃষ্ট চরিত্র আজও প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করে।বাংলার সংস্কৃতি ও বাংলার গৌরবকে জাতীয় মঞ্চে যে সম্মান প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন, তার জন্য তাঁকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

‘দাদাগিরি’র পর এবার ‘বিগ বস’, সৌরভের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ শুরু আজ

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। আজ, রবিবার থেকেই বাংলার টেলিভিশনের পর্দায় শুরু হচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত বিগ বস বাংলা। তবে এবারের আকর্ষণ শুধু প্রতিযোগীদের নিয়ে নয়। এই রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে সঞ্চালকের আসনে। ক্রিকেটের মাঠে নেতৃত্ব দিয়ে যিনি এক সময় ভারতীয় ক্রিকেটের ছবিটাই বদলে দিয়েছিলেন, সেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কেই এবার দেখা যাবে বিগ বস বাংলার মুখ হিসেবে। প্রায় এক দশক পর বাংলায় ফিরছে অনুষ্ঠানটি।সৌরভের কাছে অবশ্য এই দায়িত্ব একেবারেই নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে টেলিভিশনের জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো সঞ্চালনা করেছেন তিনি। কিন্তু বিগ বস-এর চরিত্র আলাদা। এখানে শুধু হাসি-ঠাট্টা বা প্রতিযোগিতার সঞ্চালনা নয়, প্রতিদিনের সম্পর্কের টানাপোড়েন, মতবিরোধ, আবেগ, কৌশল এবং মানসিক চাপ, সবকিছুর মাঝখানে দাঁড়াতে হবে সঞ্চালককে। সেই জায়গাতেই সৌরভের উপস্থিতি এবারের শোকে অন্য মাত্রা দিতে পারে।এই খেলায় ব্যাট হাতে রান করার সুযোগ নেই। নেই প্রতিপক্ষের বোলিং পড়ে নেওয়ার সুবিধাও। বরং একই ছাদের নীচে থাকা একাধিক মানুষের আচরণ, সিদ্ধান্ত এবং পারস্পরিক সমীকরণই হয়ে উঠবে মূল আকর্ষণ। কে বন্ধুত্বকে কাজে লাগাবেন, কে নিজের অবস্থান ধরে রাখবেন, কে চাপের মুহূর্তে ভুল করবেন, সেটাই ধীরে ধীরে স্পষ্ট হবে।শোয়ের নির্মাতারা প্রতিযোগীদের পরিচয় নিয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কৌতূহল ধরে রেখেছেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রের পরিচিত মুখদের পাশাপাশি বিনোদন এবং সোশ্যাল মিডিয়া জগতের একাধিক নাম নিয়েও জল্পনা রয়েছে। তবে চূড়ান্ত তালিকা জানার জন্য দর্শকদের নজর থাকবে আজকের গ্র্যান্ড ওপেনিংয়ের দিকে।স্টার জলসা এবং জিওহটস্টারে সম্প্রচারিত হবে এই নতুন অধ্যায়। ফলে আজ রাত থেকেই বোঝা যাবে, দাদা কি পারবেন ক্রিকেটের মাঠের মতোই টেলিভিশনের এই জটিল খেলাতেও নিজের ছাপ রাখতে? উত্তর খুঁজতেই আজ পর্দার সামনে বসবে বাংলা।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
বিদেশ

নেপালে ভয়াবহ হড়পা বান, মৃতের সংখ্যা সাতশো পেরিয়ে! প্রায় তিন হাজার নিখোঁজ, বড় সিদ্ধান্ত সরকারের

নেপালে হড়পা বানের ভয়াবহতা ক্রমেই বাড়ছে। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। এখনও পর্যন্ত সাতশোর বেশি মানুষের দেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রায় তিন হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ বলে জানা যাচ্ছে। নিখোঁজদের মধ্যে বহু ভারতীয়ও রয়েছেন বলে খবর।বিপর্যয়ের পাঁচ দিন পর উদ্ধারকাজ জোরদার হলেও পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। ধ্বংসস্তূপ এবং কাদামাটির মধ্যে থেকে একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার হচ্ছে। অনেক দেহের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। আবার বহু দেহ দাবি করার মতো পরিবারের কাউকেও পাওয়া যাচ্ছে না।এই পরিস্থিতিতে মৃতদেহ সংরক্ষণ করাই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নেপাল সরকারের আশঙ্কা, দেহগুলি দ্রুত পচে যাওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। হাসপাতালে এবং অন্যত্র এত বিপুল সংখ্যক দেহ রাখার মতো জায়গাও নেই। পরিস্থিতি সামাল দিতে তাই পরিচয়হীন ও দাবিহীন মৃতদেহ গণকবর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি দেহ উদ্ধার হয়েছে চিতওয়ান জেলা থেকে। সেখানে ২৩৩ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিপুল সংখ্যক দেহ একসঙ্গে রাখার কারণে হাসপাতালগুলিতেও সমস্যা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি দেহ পচতে শুরু করেছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।তবে গণকবর দেওয়া হলেও মৃতদের পরিচয় যাতে পরে জানা যায়, তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রতিটি দেহ কবর দেওয়ার আগে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে রাখা হচ্ছে। ভবিষ্যতে কোনও নিখোঁজ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা নেপালে এসে খোঁজ করলে তাঁদের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে এই তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে।শুধু ডিএনএ নমুনাই নয়, প্রতিটি মৃতদেহের আলাদা পরিচয় নম্বরও রাখা হচ্ছে। দেহগুলি বিশেষ ব্যাগে ভরে কবর দেওয়ার সময় সেই ব্যাগে পরিচয় নম্বর এবং অবস্থানের তথ্য দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে পরে কোনও দেহ শনাক্ত হলে ঠিক কোন জায়গায় সেটি কবর দেওয়া হয়েছিল, তা জানা সম্ভব হবে।পরবর্তীকালে দেহ তুলে শনাক্তকরণ বা পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার সুযোগও রাখা হচ্ছে। সেই কারণে গণকবর খুব গভীর করে খোঁড়া হচ্ছে না। প্রতিটি দেহের মধ্যে নির্দিষ্ট দূরত্ব রাখা হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট দেহটি আলাদা করে তোলা যায়।গণকবরের কাছেও একটি কংক্রিটের ব্যবস্থা করা হবে। সেখানে প্রতিটি মৃতদেহের পরিচয় নম্বর নথিভুক্ত থাকবে। ফলে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পরেও মৃতদের পরিচয় যাতে পুরোপুরি হারিয়ে না যায়, সেই ব্যবস্থাই করছে নেপাল প্রশাসন।এদিকে উদ্ধারকাজ এখনও চলছে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আরও মৃতদেহ থাকার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে আগামী দিনে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিখোঁজদের সন্ধান এবং মৃতদের পরিচয় শনাক্ত করাই এখন নেপাল প্রশাসনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
কলকাতা

দেওয়ালে লেখা ছিল বিতর্কিত স্লোগান, রাত পেরোতেই সব সাদা! যাদবপুরে হঠাৎ কেন বদলে গেল ছবি?

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দেওয়ালে বিতর্কিত স্লোগান লেখা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, ক্যাম্পাসের কয়েকটি জায়গায় এমন কিছু লেখা ছিল, যা নিয়ে আপত্তি উঠেছে। শুক্রবার যাদবপুরের আট বি এলাকায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই ধরনের লেখালিখির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেন। তার পরের রাতেই কয়েকটি বিতর্কিত লেখার উপর সাদা চুনকাম করা হয়।যাদবপুরের মুক্তমঞ্চের দেওয়ালে আগে একাধিক রাজনৈতিক ও বিতর্কিত বক্তব্য লেখা ছিল বলে জানা গিয়েছে। তার মধ্যে কয়েকটি লেখায় সশস্ত্র হিংসার পক্ষে বক্তব্য এবং মাওবাদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সমর্থনে স্লোগান ছিল বলে অভিযোগ। সেই লেখাগুলি ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়।ভারতীয় জনতা পার্টির ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গায় দীর্ঘদিন ধরেই নকশালপন্থী মতাদর্শের সমর্থনে নানা ধরনের স্লোগান লেখা রয়েছে। সংগঠনের দাবি, ক্যাম্পাসে এমন লেখা থাকার পরেও দীর্ঘদিন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।সংগঠনের এক প্রতিনিধি একটি দেওয়াল দেখিয়ে দাবি করেন, সেখানে কমরেড কিষেণজিকে সমর্থন করে লেখা ছিল। পরে সেই লেখাটিও মুছে ফেলা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি ওঠে। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিতর্কিত দেওয়াল লিখনের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানের কথা জানান। তার পরেই শনিবার রাতে কয়েকটি দেওয়ালে সাদা চুনকাম করতে দেখা যায়।তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের একাংশের বক্তব্য, দেওয়াল লিখন নিয়ে সমস্যা নতুন নয়। অধ্যাপক নন্দিনী মুখোপাধ্যায় বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে বিভিন্ন ধরনের লেখা দেখা যায়। সেগুলি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা লিখছেন, না কি বাইরের কেউ এসে লিখছে, তা সব সময় নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।তাঁর মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে এমন কোনও স্লোগান থাকা উচিত নয়, যা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জানান, এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়াল লিখনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল। পড়ুয়াদের লেখার জন্য নির্দিষ্ট জায়গাও করে দেওয়া হয়েছিল। পরে সেই নিয়ম আর আগের মতো কার্যকর থাকেনি বলে তাঁর দাবি।বিতর্কিত লেখাগুলি কে লিখেছিল, কখন লেখা হয়েছিল এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছিল কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রাতারাতি কয়েকটি লেখা মুছে ফেলার ঘটনাকে ঘিরে তাই নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
সম্পাদকীয়

বিদ্রোহের আগুন থেকে সাম্যের গান—নজরুলের যে জীবন আজও আমাদের বিস্মিত করে

কাজী নজরুল ইসলামকে আমরা চিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে। চিনি সাম্যের কবি, প্রেমের কবি, মানবতার কবি হিসেবে। তাঁর কবিতা আবৃত্তি হয়েছে মঞ্চে, তাঁর গান বেজেছে ঘরে ঘরে, তাঁর বিদ্রোহের বার্তা উচ্চারিত হয়েছে দশকের পর দশক। কিন্তু নজরুলকে যতটা আমরা জানি, তার চেয়ে অনেক বেশি অজানা রয়ে গিয়েছে তাঁর বিস্ময়কর জীবনের নানা অধ্যায়।নজরুলের জীবন যেন এক চলমান উপন্যাসযেখানে একদিকে দারিদ্র্য, অন্যদিকে বিদ্রোহ; একদিকে সৈনিকের পোশাক, অন্যদিকে কবির কলম; একদিকে ইসলামী সংগীত ও গজল, অন্যদিকে শ্যামা সংগীত ও ভজন; একদিকে রাজনৈতিক সংগ্রাম, অন্যদিকে চলচ্চিত্রের রুপালি পর্দা। তিনি কোনও একটি পরিচয়ের মধ্যে নিজেকে বন্দি রাখেননি। বরং তাঁর জীবনই হয়ে উঠেছিল বহুত্বের এক অসাধারণ উদাহরণ।লেটো দলের মঞ্চ থেকেই শুরুকৈশোরেই দারিদ্র্যের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন নজরুল। সংসারের অভাব তাঁকে স্কুলের গণ্ডি থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। তিনি যুক্ত হন বাংলার লোকনাট্যের জনপ্রিয় ধারা লেটো দলে। সেখানে শুধু অভিনয়ই করেননিগান লিখেছেন, কবিতা লিখেছেন, নাটকের সংলাপ ও পালা রচনা করেছেন, সুর দিয়েছেন, সেই গান গেয়েছেন।এই লেটো-পর্বকে নজরুলের সাহিত্যিক জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণক্ষেত্র বলা যায়। লোকভাষা, ছন্দ, সুর, নাটকীয়তা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযন্ত্রণাসবকিছুর সঙ্গে তাঁর প্রত্যক্ষ পরিচয় ঘটে এই সময়েই। পরবর্তী নজরুল-কাব্যে যে সহজ অথচ তীব্র ভাষা, তার শিকড় অনেকটাই এই লোকজ অভিজ্ঞতায়।সৈনিক নজরুল: যুদ্ধের ময়দান থেকে কবিতার পৃথিবী১৯১৭ সালে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৪৯তম বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন নজরুল। করাচিতে তাঁর দীর্ঘ সেনাজীবন কাটে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষপর্বের এই অভিজ্ঞতা তাঁর মানসজগতে গভীর ছাপ ফেলে।সেনাবাহিনীতে থাকাকালীনই তিনি নিয়মিত সাহিত্যচর্চা করেন। সহযোদ্ধাদের সঙ্গে বসে সাহিত্য নিয়ে আলোচনা, গল্প-কবিতা লেখাসবই চলত। যুদ্ধ তাঁকে শুধু অস্ত্রের সঙ্গে পরিচয় করায়নি; মানুষের জীবন, মৃত্যু, সাম্রাজ্যবাদ ও শোষণের বাস্তবতাকেও নতুন চোখে দেখতে শিখিয়েছিল।পরবর্তীকালে তাঁর লেখায় যে যুদ্ধবিরোধী মানবিকতা এবং শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ দেখা যায়, তার পেছনে এই অভিজ্ঞতার ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই।বিদ্রোহীএক কবিতার বিস্ফোরণ১৯২১ সালের শেষদিকে রচিত বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশের পর বাংলা সাহিত্যে যেন এক ভূমিকম্প ঘটে। এতদিনের কাব্যভাষার বাইরে দাঁড়িয়ে এক তরুণ কবি ঘোষণা করলেন নিজের অদম্য আত্মপরিচয়।কিন্তু বিদ্রোহী কেবল রাজনৈতিক বিদ্রোহের কবিতা নয়। এখানে আছে পুরাণ, ইসলামি ঐতিহ্য, হিন্দু দেবদেবী, প্রকৃতি, প্রেম, ধ্বংস ও সৃষ্টির এক বিস্ময়কর মিশ্রণ। নজরুল যেন বলতে চেয়েছিলেনমানুষকে কোনও একটি ধর্ম, জাতি বা পরিচয়ের খাঁচায় আটকে রাখা যায় না।ধূমকেতু: কলম যখন অস্ত্রনজরুলের সাংবাদিক সত্তাটিও কম বিস্ময়কর নয়। ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর সম্পাদিত সাপ্তাহিক পত্রিকা ধূমকেতু। পত্রিকাটির নামের মধ্যেই যেন ছিল তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের ইঙ্গিত।ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর লেখাগুলি দ্রুতই প্রশাসনের নজরে আসে। আনন্দময়ীর আগমনে কবিতাকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং তাঁকে কারাবন্দি করা হয়।কারাগারেও তিনি নীরব থাকেননি। বন্দিদের অধিকার এবং ঔপনিবেশিক নিপীড়নের প্রতিবাদে তিনি অনশন করেন। দীর্ঘ অনশনের সময় তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে অনশন ভাঙার আহ্বান জানিয়ে বার্তাও পাঠিয়েছিলেন।এই ঘটনা প্রমাণ করে, নজরুলের কাছে স্বাধীনতা শুধু রাজনৈতিক স্লোগান ছিল নাএটি ছিল ব্যক্তিগত বিশ্বাস।খিলাফত প্রশ্নে নজরুলের অবস্থাননজরুলের রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে গেলে তাঁর খিলাফত আন্দোলন সম্পর্কে অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মীয় আবেগকে রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করার ফলে সাম্প্রদায়িক বিভাজন আরও গভীর হতে পারেএই আশঙ্কা তাঁর চিন্তায় প্রতিফলিত হয়েছিল।নজরুলের মূল অবস্থান ছিল মানুষের মুক্তি। ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বিভাজনের বদলে তিনি চেয়েছিলেন শ্রমজীবী, কৃষক, নিপীড়িত ও বঞ্চিত মানুষের ঐক্য।তাই তাঁর রাজনৈতিক চিন্তার কেন্দ্রে বারবার ফিরে এসেছে মানুষহিন্দু বা মুসলমান নয়, প্রথমত মানুষ।লেবার স্বরাজ পার্টি: কবির রাজনৈতিক সংগঠন১৯২৫ সালে নজরুল শ্রমিক-কৃষকের অধিকারের প্রশ্নে সক্রিয় রাজনৈতিক ভূমিকা নেন। হেমন্তকুমার সরকার ও অন্যান্য বামপন্থী নেতাদের সঙ্গে তিনি লেবার স্বরাজ পার্টি অব দ্য ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস গঠনের সঙ্গে যুক্ত হন।এই সংগঠনের ভাবনায় ছিল শ্রমিক-কৃষকের অধিকার, ঔপনিবেশিক শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং সমাজের প্রান্তিক মানুষের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন।নজরুলের রাজনৈতিক লেখায় যে শ্রেণি সচেতনতা দেখা যায়, তার সঙ্গে এই সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের গভীর সম্পর্ক ছিল।নির্বাচনের ময়দানেও নজরুলশুধু কবিতা বা বক্তৃতার মধ্যেই তাঁর রাজনীতি সীমাবদ্ধ ছিল না। ১৯২৬ সালে তিনি আইনসভার নির্বাচনে প্রার্থীও হন। অর্থবল ও সাংগঠনিক শক্তির দিক থেকে তিনি পিছিয়ে ছিলেন। ফলে নির্বাচনী রাজনীতিতে সফলতা আসেনি।কিন্তু এই পর্বটি গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে, নজরুল নিজেকে কেবল সাহিত্যিক হিসেবে দেখেননি। সমাজ পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক প্রক্রিয়াতেও তিনি অংশ নিতে চেয়েছিলেন।হিন্দু-মুসলমানের মিলনের এক বিরল শিল্পীনজরুলের সৃষ্টির সবচেয়ে বিস্ময়কর দিকগুলির একটি তাঁর ধর্মীয় বহুত্ববাদ।তিনি লিখেছেন ইসলামী গান, হামদ, নাত, গজল। আবার লিখেছেন শ্যামাসংগীত, ভজন, কীর্তন ও হিন্দু দেবদেবীকে নিয়ে অসংখ্য গান।মা, শ্যামা, কালী, কৃষ্ণ যেমন তাঁর গানে এসেছে, তেমনই এসেছে আল্লাহ, নবী, রমজান, ঈদ ও ইসলামী আধ্যাত্মিকতার নানা অনুষঙ্গ।এখানে কোনও কৃত্রিম সমন্বয় ছিল না। নজরুলের কাছে ধর্ম ছিল মানুষের আত্মিক অনুভূতির ভাষা; বিভেদের অস্ত্র নয়।তাঁর এই অবস্থান আজকের সময়েও অসাধারণ প্রাসঙ্গিক।চলচ্চিত্রের দুনিয়ায় আর এক নজরুলনজরুলকে আমরা কবি ও গীতিকার হিসেবে যতটা মনে রাখি, চলচ্চিত্রের মানুষ নজরুলকে ততটা মনে রাখি না।কলকাতার চলচ্চিত্রজগতের সঙ্গে তাঁর গভীর যোগাযোগ তৈরি হয়েছিল। তিনি চলচ্চিত্রে গান লিখেছেন, সুর দিয়েছেন এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন। নির্বাক যুগ থেকে সবাক চলচ্চিত্রের উত্তরণের সময় বাংলা সিনেমার সংগীতে নতুন মাত্রা আনার ক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।১৯৩৪ সালের ধ্রুব চলচ্চিত্রে তিনি দেবর্ষি নারদের ভূমিকায় অভিনয় করেন। একই সঙ্গে ছবিটির সংগীত পরিচালনা ও গীতরচনার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। হাতে একতারা, পায়ে খড়ম, মুখে নারদের সাজরুপালি পর্দায় নজরুলের এই উপস্থিতি আজ বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসের এক মূল্যবান অধ্যায়। এটি ছিল তাঁর অভিনয়জীবনের একমাত্র চলচ্চিত্র অভিনয়।রবীন্দ্রনাথের কবিতায় নজরুলের সুররবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সম্পর্ক বাংলা সংস্কৃতির অন্যতম সুন্দর অধ্যায়।বয়সে রবীন্দ্রনাথ ছিলেন অনেক বড়। সাহিত্যিক পথও ছিল আলাদা। তবু দুজনের মধ্যে ছিল গভীর শ্রদ্ধা ও স্নেহ।চলচ্চিত্রে রবীন্দ্রনাথের রচনায় নজরুলের সুরারোপের ঘটনাটি এই সম্পর্কের এক চমৎকার দৃষ্টান্ত। রবীন্দ্রনাথের রচনায় প্রচলিত সুরের বাইরে গিয়ে নজরুল নতুন সুর নির্মাণ করেছিলেন। সেই সুর কবিগুরুকে শুনিয়ে তাঁর অনুমোদন পাওয়ার ঘটনাটি শুধু দুজন শিল্পীর পারস্পরিক শ্রদ্ধার নয়, সৃষ্টিশীল স্বাধীনতারও একটি সুন্দর উদাহরণ।নারীদের কণ্ঠে নতুন যুগবাংলা গান ও চলচ্চিত্রে নারী কণ্ঠশিল্পীদের প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও নজরুলের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। আঙ্গুরবালা দেবী, ইন্দুবালা দেবী, কানন দেবীসহ তৎকালীন বহু শিল্পীর সঙ্গে তাঁর পেশাগত ও সৃষ্টিশীল সম্পর্ক ছিল।বিশেষ করে নারীদের সামাজিক অবস্থান যখন নানা বিধিনিষেধে আবদ্ধ, তখন তাঁদের কণ্ঠকে বৃহত্তর শ্রোতার কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে নজরুলের গান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।তাঁর সৃষ্ট নারীচরিত্রও ছিল প্রচলিত ধারণার বাইরেস্বাধীন, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন এবং প্রতিবাদী।হাফিজ ও ওমর খৈয়াম থেকে নজরুলের বাংলানজরুলের সাহিত্যিক পরিসর বাংলা ভাষার গণ্ডিতে আটকে ছিল না। ফারসি সাহিত্য, আরবি সংস্কৃতি এবং ইসলামী ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর গভীর পরিচয় ছিল।হাফিজ ও ওমর খৈয়ামের রচনার অনুবাদে তিনি বাংলা ভাষায় নিয়ে এসেছিলেন এক অন্যরকম সুর, ভাব ও রোমান্টিকতা। তাঁর অনুবাদে কেবল ভাষান্তর নয়, অনেক সময় দেখা যায় সৃষ্টিশীল পুনর্নির্মাণের প্রবণতা।এই কাজগুলির মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য আরও সমৃদ্ধ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও পারস্যের সাহিত্য-ঐতিহ্যের সঙ্গে।হাজার গানের স্রষ্টা, অথচ কত গান হারিয়ে গেল!নজরুলের গান নিয়ে সবচেয়ে বেদনাদায়ক অধ্যায় তাঁর জীবনের শেষ পর্ব। নজরুলের অসুস্থতার কারণে পরবর্তী সময়ে তাঁর বাকশক্তি ও স্মৃতিশক্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে তাঁর অসংখ্য গানের সঠিক সুর, স্বরলিপি ও পরিবেশনরীতি সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি।আজ আমরা নজরুলগীতির বিপুল ভাণ্ডারের কথা বলি। কিন্তু সেই ভাণ্ডারের কত অংশ হারিয়ে গেছে, কত গান ভুল সুরে বা অসম্পূর্ণভাবে আমাদের কাছে পৌঁছেছেতার সম্পূর্ণ হিসাব করা কঠিন।এই জায়গাতেই নজরুল গবেষণার সামনে এখনও বিশাল কাজ পড়ে রয়েছে।শুধু বিদ্রোহী নন, তিনি ছিলেন সৃষ্টির কবিওনজরুলকে শুধু বিদ্রোহের কবি হিসেবে দেখলে তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়। তিনি প্রেমের কবি। তিনি প্রকৃতির কবি। তিনি আধ্যাত্মিকতার কবি। তিনি হাস্যরসের কবি। তিনি শিশুদের কবি। তিনি শ্রমিকের কবি, কৃষকের কবি, নারীর কবি, নিপীড়িত মানুষের কবি।তাঁর সাম্যবাদী উচ্চারণ যেমন রাজনৈতিক, তেমনই গভীর মানবিক। তাঁর নারী কবিতা যেমন নারীমুক্তির কথা বলে, তেমনই তাঁর প্রেমের গান ব্যক্তিমানুষের হৃদয়ের গোপন দরজাও খুলে দেয়।নজরুলের জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষানজরুলের জীবনের দিকে তাকালে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠেতিনি কখনও নিজের পরিচয়কে সংকীর্ণ হতে দেননি।দারিদ্র্য তাঁকে থামাতে পারেনি। সেনাজীবন তাঁকে কবিতা থেকে দূরে সরাতে পারেনি। কারাগার তাঁর কণ্ঠ স্তব্ধ করতে পারেনি। রাজনৈতিক ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দেয়নি। ধর্মীয় বিভাজন তাঁকে কোনও একপক্ষের কবি বানাতে পারেনি।তিনি একই সঙ্গে মসজিদের আজান শুনেছেন, মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি শুনেছেন; ইসলামী গজল লিখেছেন, আবার শ্যামাসংগীতে মাতৃসাধনার ভাষা সৃষ্টি করেছেন।এই কারণেই নজরুল কেবল একটি জাতির, একটি ধর্মের বা একটি সময়ের কবি নন। তিনি বাংলা ভাষার এক অনন্ত মানবিক কণ্ঠ।আজ তাঁর প্রয়াণের এত বছর পরেও যখন সমাজে বিভাজন বাড়ে, যখন মানুষের পরিচয় ধর্ম ও সম্প্রদায়ের খোপে আটকে যেতে চায়, যখন অন্যায়ের সামনে নীরব থাকার প্রবণতা তৈরি হয়তখন নজরুলের কণ্ঠ আবার ফিরে আসে।সে কণ্ঠ বলেমানুষের চেয়ে বড় কোনও পরিচয় নেই।বিদ্রোহ মানে শুধু অস্ত্র তুলে নেওয়া নয়; অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করাও বিদ্রোহ।আর সাম্য মানে শুধু রাজনৈতিক তত্ত্ব নয়; অন্যের ধর্ম, ভাষা, পরিচয় ও মর্যাদাকে নিজের মতোই সম্মান করাও সাম্য।তাই নজরুলকে স্মরণ করার সবচেয়ে বড় উপায় শুধু তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান নয়। তাঁর গান গাওয়া, কবিতা আবৃত্তি করা কিংবা সামাজিক মাধ্যমে কয়েকটি আবেগঘন বাক্য লেখা নয়।নজরুলকে সত্যিকার অর্থে স্মরণ করতে হলে তাঁর প্রশ্নগুলিকে নিজেদের জীবনে ফিরিয়ে আনতে হবে।মানুষ কি সত্যিই মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে?অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা কি এখনও কথা বলি?ধর্মের নামে বিভেদের বদলে ভালোবাসার সেতু গড়তে পারি কি?এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজতে গেলেই বোঝা যায়নজরুল আজও অমর।তিনি আছেন আমাদের প্রতিবাদে, আমাদের প্রেমে, আমাদের গানে, আমাদের সাম্যের স্বপ্নে।আর যতদিন অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটি কণ্ঠ উচ্চারিত হবে, ততদিন সেই কণ্ঠের ভিতরে কোথাও না কোথাও বেঁচে থাকবেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম।

আগস্ট ২৯, ২০২৬
রাজনীতি

অভিষেকের বাড়িতে কালীঘাট থানার পুলিশ, ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় হাজিরার নোটিশ সাংসদকে

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করল পুলিশ। জানা গিয়েছে, শনিবার রাত ৯ টার পর কালীঘাট থানার পুলিশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যায়। আগামী ১ সেপ্টেম্বর ১ সেপ্টেম্বর সেকশপিয়ার থানায় তাঁকে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ। ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিসে গেলে জোর করে কাজে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেদিন তৃণমূল কংগ্রেস লেখা বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে। সেদিনই পুলিশ এফআইআর করে। ওই ঘটনায় ইতিমধ্যে ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মোট তিনটে কেস করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, শুধু কাজে বাধা নয় শ্লীলতাহানির অভিযোগও উঠেছে। এদিকে ওই বাড়ির দুটি ঘর জোড় করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা দখল করে নিয়েছে বলে মালিকপক্ষ অভিযোগ করেছে।

আগস্ট ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal