• ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Keral

দেশ

কেরল আর নয়, এবার ‘কেরলম’ — মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর জোর জল্পনা

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর বড় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানান, কেরল রাজ্যের নাম বদলে কেরলম করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব আগেই পাশ হয়েছিল কেরল বিধানসভায়। পরে কেন্দ্রের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন জানানো হয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই দাবি জানিয়ে আসছিল রাজ্যের সরকার। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কেরালা বিল দুই হাজার ছাব্বিশ নামে একটি বিল রেফার করবেন। সেই বিল বিধানসভায় পাঠানোর পর রাষ্ট্রপতির সুপারিশে আনুষ্ঠানিকভাবে নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। প্রথম প্রস্তাবে কিছু কারিগরি ত্রুটির কথা জানায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, পরে সংশোধিত প্রস্তাব আবার পাশ হয়। এই উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তিনি জানান, মালয়ালম ভাষায় রাজ্যের নাম কেরলমই এবং ভাষা ও সংস্কৃতির ঐক্যের বার্তা দিতেই এই নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এদিকে পশ্চিমবঙ্গর নাম বদলে বাংলা করার দাবি বহুবার তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুই হাজার আঠারো সালে রাজ্যের তরফে কেন্দ্রের কাছে প্রস্তাবও পাঠানো হয়েছিল যাতে সব ভাষায় রাজ্যের নাম বাংলা করা হয়। তাঁর যুক্তি ছিল, ওয়েস্ট বেঙ্গল নামের কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তালিকার শেষে থাকতে হয় এবং পূর্ববঙ্গ আলাদা রাষ্ট্র হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ নামের ঐতিহাসিক অর্থও আর তেমন নেই। তবে বিদেশ মন্ত্রক জানায়, প্রস্তাবিত নাম প্রতিবেশী বাংলাদেশএর সঙ্গে প্রায় মিল হয়ে যাচ্ছে। ফলে সেই প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়নি, আবার সম্পূর্ণ খারিজও করা হয়নি। মঙ্গলবার এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে অশ্বিনী বৈষ্ণব সরাসরি মন্তব্য এড়িয়ে গিয়ে জানান, মন্ত্রিসভায় কেরলের নাম পরিবর্তন নিয়েই সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং তিনি সেই তথ্যই তুলে ধরছেন।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
দেশ

ভোটের মুখে পদ্ম সম্মান! এগিয়ে বাংলা, কেরলকে কেন এত গুরুত্ব দিল কেন্দ্র?

এগিয়ে বাংলা, তার পরেই কেরল। ভোটের মুখে এই দুই রাজ্যে কেন্দ্র বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। রবিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক চলতি বছরের পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করার পর সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। সরাসরি কোনও রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু না হলেও তালিকা প্রকাশের পর থেকেই নানা প্রশ্ন উঠছে।প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এ বছর বাংলা থেকে পদ্ম সম্মান পেয়েছেন ১১ জন, আর কেরল থেকে পেয়েছেন আট জন। এই দুই রাজ্যই চলতি বছরে বিজেপির কাছে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে। সেই কারণেই সম্মানের তালিকা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক গুঞ্জন।চলতি বছরের পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকায় একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখের নাম রয়েছে। এমনকি রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীরাও। কেন্দ্রের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এ বছর পদ্মভূষণ সম্মান পাচ্ছেন মোট ১৩ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রয়াত ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবু সোরেন। ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছে তিনি গুরুজি বা দিশম গুরু নামে পরিচিত ছিলেন।শিবু সোরেনের পাশাপাশি পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন কেরলের প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভি এস অচ্যুতানন্দন। সাধারণত বামপন্থীরা রাষ্ট্রীয় সম্মান গ্রহণ করেন না। অতীতে জ্যোতি বসু ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ভারতরত্ন এবং পদ্মবিভূষণ সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে অচ্যুতানন্দনের নাম পদ্ম সম্মানের তালিকায় থাকায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে বিষয়টি। প্রয়াত এই বাম মুখ্যমন্ত্রীকে এ বছর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করছে কেন্দ্র।এই সম্মান নিয়ে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন কোনও মন্তব্য করতে চাননি। দলের তরফে শুধু জানানো হয়েছে, কেরল সরকার অচ্যুতানন্দনের নাম পদ্ম সম্মানের জন্য সুপারিশ করেনি। একই সুর শোনা যাচ্ছে বাংলার বাম শিবিরেও। এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ তাঁরা।তবে অচ্যুতানন্দনের পুত্র অরুণকুমার কেন্দ্রকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বাবার এই সম্মানে তিনি খুশি বলে জানান। উল্লেখ্য, শুধু অচ্যুতানন্দনই নন, কেরল থেকে এ বছর আরও সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন। সব মিলিয়ে পদ্ম সম্মানের তালিকা প্রকাশের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা ও জল্পনা।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
দেশ

৪৫ বছরের বাম দুর্গ ভাঙল বিজেপি! কেরলের রাজধানীতে ইতিহাস গড়ল এনডিএ

কেরলের রাজধানী তিরুবনন্তপুরমে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন। পুরসভা নির্বাচনে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছে। এর ফলে টানা ৪৫ বছর ধরে চলা বামফ্রন্টের দখল ভেঙে গেল রাজধানীর কর্পোরেশনে। এই ফলাফলকে কেরলের রাজনীতিতে ঐতিহাসিক বলেই মনে করা হচ্ছে।১০১টি ওয়ার্ডের মধ্যে এনডিএ জিতেছে ৫০টিতে। শাসক বামফ্রন্ট এলডিএফ নেমে এসেছে মাত্র ২৯টি আসনে। কংগ্রেস-নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ পেয়েছে ১৯টি ওয়ার্ড। দুটি আসনে জয়ী হয়েছেন নির্দল প্রার্থীরা। এক ওয়ার্ডে প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট বাতিল হয়েছে।এই ফলের ফলে তিরুবনন্তপুরম কর্পোরেশনে সরকার গঠনের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল এনডিএ। শহরের রাজনৈতিক সমীকরণে যে বড় পরিবর্তন এসেছে, তা স্পষ্ট বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।ফলাফলটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ তিরুবনন্তপুরম জেলা কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা ও সাংসদ শশী থারুরের নিজের এলাকা। তাঁর ঘাঁটিতেই বিজেপির এই সাফল্য কেরলের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিচ্ছে বলে মত পর্যবেক্ষকদের।এখানেই শেষ নয়। কেরলের স্থানীয় নির্বাচন শেষে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য পেয়েছে এনডিএ। ত্রিপুনিথুরা পুরসভাতেও ক্ষমতা হারিয়েছে এলডিএফ, সেখানে দখল নিয়েছে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন জোট।ফল প্রকাশের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে শশী থারুর বলেন, কেরলের গণতন্ত্রের জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য দিন। তিনি ইউডিএফ-এর সামগ্রিক ফলের প্রশংসা করেন এবং একই সঙ্গে তিরুবনন্তপুরম কর্পোরেশনে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের কথা স্বীকার করেন। থারুর বলেন, মানুষের রায়কে সম্মান জানানোই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য, সে রায় বিরোধীদের পক্ষেও গেলে। তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিনের শাসনের বিরুদ্ধে মানুষের পরিবর্তনের ইচ্ছাই এই ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে। শশী থারুরের কথায়, এলডিএফের ৪৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে তিনি পরিবর্তনের ডাক দিয়েছিলেন, কিন্তু ভোটাররা অন্য একটি দলকে সেই পরিবর্তনের দায়িত্ব দিয়েছেন। সেটাই গণতন্ত্রের শক্তি।শেষে তিনি বলেন, কংগ্রেস কেরলের মানুষের জন্য কাজ চালিয়ে যাবে এবং ভাল শাসনের পক্ষে তাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
রাজ্য

কেন বাংলায় নিষিদ্ধ ‘দ্য কেরালা স্টোরি’? কি বলছেন মুখ্যমন্ত্রী ও সংঘ পরিবার?

বাংলায় দ্য কেরালা স্টোরি নিষিদ্ধ করেছে রাজ্য সরকার। নিষিদ্ধ ঘোষণার আগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে দ্য কেরালা স্টোরি তৈরি করে বিজেপি উদ্দেশ্য প্রণোদিত উসকানি দিচ্ছে। দ্য কেরালা স্টোরি নিষিদ্ধ করতে মুখ্যসচিবকে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের শান্তি সৌহার্দ্য বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ বলে খবর। যদিও বিজেপি ও হিন্দু সংগঠনগুলির দাবি, সংখ্যালঘু তোষণ করতেই দ্য কেরালা স্টোরি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়।সোমবার নবান্নে দ্য কেরালা স্টোরি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আগেই অস্বস্তি ব্যক্ত করেন। মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় এই সিনেমা নিয়ে বিজেপিকে নিশানা করেন। মমতার দাবি, ওরা বিভাজনের রাজনীতি করছে। কেন দ্য কাশ্মীর ফাইলস বানালো ওরা? এক শ্রেণীর মানুষকে কটাক্ষ করার জন্য। এখন কেরালা স্টোরি বানিয়েছে। ওটা সিপিএম-এর রাজ্য। আমি ওদের একেবারেই সমর্থন করি না। ওরা বিজেপি-র সঙ্গে চলছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বিজেপি মনোনীত কিছু তারকা তো বাংলাতেও এসেছিলেন। তাদের টাকা দেয় বিজেপি। তথ্য বিকৃত করে তারা নাকি বেঙ্গল ফাইলস নামে একটি ছবি বানাচ্ছে। আগে কাশ্মীর ফাইলস, তারপর দ্য় কেরল স্টোরি, এবার বাংলার মানুষদের তাতাতে বেঙ্গল ফাইলস তৈরি করা হচ্ছে। এভাবে বাংলাকেও অপমান করার চেষ্টা করছে। ওরা বলছে, সেভ বেঙ্গল। কেন? শান্তিপ্রিয় একটা রাজ্য বাংলা। বিজেপি ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছে কেন?তবে মুখ্য়মন্ত্রীর সিনেমা নিষিদ্ধ ঘোষণার পর বিজেপি ও সংঘ পরিবার একযোগে প্রতিবাদে সামিল হয়েছে। দ্য কেরালা স্টোরির বাঙালি পরিচালক সুদীপ্ত সেন আদালতে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী আইসিসকে সমর্থন করছেন। তিনি সন্ত্রাসবাদীদের পক্ষে সমর্থন করছেন। আরএসএস ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দাবি, সত্যি ঘটনাকে আড়াল করতে চাইছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংক টিকিয়ে রাখতেই এই পদক্ষেপ। বাঙালি হিন্দুদের অস্তিত্ব বিপন্ন নিয়ে সিনেমা হওয়া উচিত বলেও মনে করে সংঘ পরিবার। পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য সাংগঠনিক পর্যায়ে বৈঠক করছে আরএসস ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

মে ০৯, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

‌কাট্টিমনির বিশ্বস্ত হাতই আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন করল হায়দরাবাদকে

দরকার ছিল মিনিট দশেক রক্ষণ সামলে গোল ধরে রাখা। তাহলে এবারের আইএসএল খেতাব চলে আসত কেরালা ব্লাস্টার্সের দখলে। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। প্রথমে এগিয়ে গিয়ে চ্যাম্পিয়নের স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল। টাইব্রেকারে তিনতিনটি শট বাঁচিয়ে হায়দরাবাদ এফসিকে আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন করলেন লক্ষ্মীকান্ত কাট্টিমনি। টাইব্রেকারে ৩১ ব্যবধানে জিতল হায়দরাবাদ এফসি। আইএসএল পেল নতুন চ্যাম্পিয়ন। প্রথমবার ফাইনালে উঠেই খেতাব জিতল হায়দরাবাদ এফসি। চলতি বছর আইএসএল পেল নতুন চ্যাম্পিয়ন। ২০১৬ সালের পর ফের টাইব্রেকারের মাধ্যমেই নির্ধারিত হলো আইএসএলের চ্যাম্পিয়ন। ২০১৪ ও ২০১৬ সালের আইএসএলে ফাইনালে উঠেও এটিকের কাছে পরাস্ত হয়েছিল কেরালা ব্লাস্টার্স। হায়দরাবাদ এফসি এবারই প্রথম আইএসএল ফাইনাল খেলল। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় খেলার ফল ছিল ১-১। অবশেষে পেনাল্টি শ্যুটআউটে বাজিমাত হায়দরাবাদের।ফতোরদার পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে এদিন ফাইনাল দেখতে হাজির ছিলেন সাড়ে ১১ হাজার ফুটবলপ্রেমী। এদিনের ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য। আক্রমণ তুলে আনার নিরিখে কেরালা ব্লাস্টার্স এফসি অনেকটা এগিয়ে থাকলেও হায়দরাবাদ এফসির রক্ষণ ভেদ করতে পারেনি। আদ্রিয়ান লুনা, আলভারো ভাজকেজ ও জর্জ দিয়াজের যুগলবন্দিই কেরালার হয়ে একাধিক সুযোগ তৈরি করে, কিন্তু গোলমুখ খোলেনি। ৩৯ মিনিটে ভাজকেজের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। বিরতির ঠিক আগে জেভিয়ার সিভেরিওর হেড দারুণভাবে বাঁচান কেরালার গোলরক্ষক প্রভসুখন গিল।Laxmikant Kattimani is the Hero of the Match for @HydFCOfficial after saving 3️⃣ penalties during the penalty shootout! 🧤🏆#HFCKBFC #HeroISLFinal #FinalForTheFans #HeroISL #LetsFootball pic.twitter.com/KCYnkybf0s Indian Super League (@IndSuperLeague) March 20, 2022দ্বিতীয়ার্ধে কেরালা ব্লাস্টার্সকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেয় হায়দরাবাদ এফসি। ৫৫ মিনিটে বার্থোলোমিউ ওগবেচের একটি প্রয়াস অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৬৮ মিনিটে রাহুল কেপির গোলে এগিয়ে যায় কেরালা। জ্যাকসন সিংয়ের পাস থেকে গোল করেন তিনি। ৭৬ মিনিটে ওগবেচের আরেকটি প্রয়াস রুখে দেন কেরালার গোলকিপার। কেরালা যখন আর কয়েক মিনিট পেরোলেও চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিশ্চিত বলে ধরে নিয়েছে তখনই সমতা ফেরায় হায়দরাবাদ এফসি। তার ঠিক আগেই ৮৬ মিনিটের মাথায় খাসা কামারা নামতেই হায়দরাবাদের খেলায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। ৮৮ মিনিটের মাথায় সাহিল তাভোরার দর্শনীয় গোলে সমতা ফেরায় হায়দরাবাদ এফসি।বাকি সময়ে আর কোনও দলই গোল করতে পারেনি। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে দাপট দেখায় কেরালাই। একটি শট পোস্টে লেগেও ফিরে আসে। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে ওগবেচের গোলমুখী শটে গোলকিপার গিল পরাস্ত হলেও বল গোললাইন পার হওয়ার ঠিক আগে অনবদ্য দক্ষতায় বাঁচান মার্কো লেসকোভিচ। লুনা, চেঞ্চোরাও গোলের জন্য মরিয়া প্রয়াস চালান কিন্তু অতিরিক্ত সময়েও খেলার ফল ১১ থাকে। টাইব্রেকারে মার্কো লেসকোভিচ, নিশু কুমার ও জিকসন সিংয়ের শট বাঁচিয়ে দেন হায়দরাবাদ গোলকিপার কাট্টিমনি।

মার্চ ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ছিটকে গেল লিগ টেবিলের চ্যাম্পিয়ন, আইএসএল ফাইনালে কেরালা ব্লাস্টার্স

আইএসএলের লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচে এটিকে মোহনবাগানের মুখের গ্রাস কেড়ে নিয়েও শেষরক্ষা করতে পারল না জামশেদপুর এফসি। দ্বিতীয় পর্বের সেমিফাইনালে কেরালা ব্লাস্টার্সের সঙ্গে ড্র করে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিতে হল জামশেদপুরকে। প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে কেরালা ব্লাস্টার্স জিতেছিল ১০ ব্যবধানে। দ্বিতীয় পর্বের সেমিফাইনালের ফল ১১। দুই পর্ব মিলিয়ে ২১ ব্যবধানে জিতে ফাইনালে পৌঁছে গেল কেরালা ব্লাস্টার্স। ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হলেও লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকার জন্য এফএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ পাবে জামশেদপুর এফসি। এটাই তাদের কাছে একমাত্র সান্তনা। প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে হারায় এদিন জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না লিগ পর্যায়ে এটিকে মোহনবাগানকে হারিয়ে লিগ শিল্ড জেতা জামশেদপুর এফসির। কিন্তু ম্যাচের শুরুটা দেখে মনে হচ্ছিল কেরালা ব্লাস্টার্সের তাগিদ যেন বেশি। ম্যাচের প্রথম থেকেই জামশেদপুর এফসির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল কেরালা ব্লাস্টার্স। ২ মিনিটেই গোলের সুযোগ তৈরি হয়েছিল। আলভারো ভাসকোয়েজ জামশেদপুর এফসি গোলকিপার টিপি রেহেনেশকে একা পেয়েও বল বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন। ৬ মিনিটে আবার গোল করার মতো সুযোগ এসেছিল কেরালা ব্লাস্টার্সের কাছে। এবার নষ্ট করেন আয়ূষ অধিকারী। প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার ফল পায় কেরালা ব্লাস্টার্স। ম্যাচের ১৮ মিনিটে এগিয়ে যায়। আলভারো ভাসকোয়েজের কাছ থেকে বল পেয়ে কেরালাকে এগিয়ে দেন আদ্রিয়ান লুনা। ৩৬ মিনিটে ড্যানিয়েল চিমা কেরালা ব্লাস্টার্সের জালে বল জড়ালেও অফসাইডের কারণে সেই গোল বাতিল হয়ে যায়। প্রথমার্ধে এই একটি আক্রমণ ছাড়া জামশেদপুর এফসির পক্ষে বলার মতো কিছু ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে জামশেদপুর এফসি। কারণ কেরালা গোল করায় ফাইনালে যেতে গেলে তাদের ২ গোলের ব্যবধানে জিততে হত। ৫০ মিনিটে সমতা ফেরায় জামশেদপুর এফসি। গ্রেগ স্টুয়ার্টের কাছ থেকে বল পেয়ে ড্যানিয়েল চিমা শট নিলে প্রতিহত হয়। ফিরতি বলে গোল করেন প্রণয় হালদার। পরের মিনিটেই আবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল কেরালা ব্লাস্টার্স। আলভারো ভাসকোয়েজের পুশ গোললাইন থেকে বাঁচান এল সাবিয়া। ম্যাচের শেষ দিকে চাপ রাখলেও আর গোল করতে পারেনি জামশেদপুর এফসি। ২০১৬র পর আবার আইএসএল ফাইনালে কেরালা ব্লাস্টার্স।

মার্চ ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জামশেদপুর এফসি–র ফাইনালের রাস্তা কঠিন করে তুলল কেরালা ব্লাস্টার্স

এটিকে মোহনবাগানকে হারিয়ে সবুজমেরুণ শিবিরের লিগ উইনার্স শিল্ড জয়ের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিয়েছিল জামশেদপুর এফসি। এবার তাদের স্বপ্নের পথেও কাঁটা বিছিয়ে দিল কেরালা ব্লাস্টার্স। আইএসএলের প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে ১০ ব্যবধানে জিতে জামশেদপুর এফসির ফাইনালে ওঠার রাস্তা কিছুটা হলেও কঠিন করে তুলল কেরালা। এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে জয়ে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল জামশেদপুর এফসি। ম্যাচের শুরুর দিকে তারই প্রতিফলন ছিল। পরের দিকে কেরালা ব্লাস্টার্স আস্তে আস্তে খেলায় ফিরে কঠিন লড়াইয়ের সামনে ফেলে দেয় জামশেদপুর এফসিকে। এদিন ৪২৩১ ছকে খেলা শুরু করেছিল জামশেদপুর এফসি। অন্যদিকে কেরালা ব্লাস্টার্স শুরু করেছিল ৪৪২ ছকে। শুরু থেকেই কেরালা ব্লাস্টার্সের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে জামশেদপুর এফসি। ম্যাচের ১০ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত জামশেদপুর। গোলকিপার টিপি রেহেনেশের লম্বা ফ্রিকিক হেডে বক্সের মধ্যে নামিয়ে দেন সেইমিনলেন ডঙ্গেল। সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়ে যান লালহলুদের বাতিল ঘোড়া ড্যানিয়েল চিমা। কিন্তু তিনি বল জালে রাখতে পারেননি। মিনিট দশেক পর আরও একটা সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ড্যানিয়েল চিমা। প্রণয় হালদারের কাছ থেকে বল পেয়ে তিনি তিনকাঠি ভেদ করতে পারেননি। ম্যাচের ২৫ মিনিটে ধাক্কা খায় জামশেদপুর এফসি। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন লেন। এরপরই আস্তে আস্তে মাঝমাঠে খেলা ধরে নেয় কেরালা ব্লাস্টার্স। আক্রমণে ঝাঁঝ বাড়ায়। ৩৮ মিনিটে সুফলও পায়। থ্রো ইন পেয়েছিল কেরালা ব্লাস্টার্স। আলভারো ভাজকোয়েজ যখন থ্রো করতে যান, তখন দৌড় শুরু করেন সাহাল সামাদ। তাঁকে দৌড় শুরু করতে দেখেই সাহালের মাথার ওপর দিয়ে থ্রো করেন আলভারো। লালমাওয়ামা বল বিপদমুক্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বল চলে যায় সাহালের পায়ে। তিনি এগিয়ে আসা রেহেনেশের মাথার ওপর দিয়ে চিপ করে বল জালে পাঠান। প্রথমার্ধে ১০ ব্যবধানেই এগিয়ে থাকে কেরালা ব্লাস্টার্স। গোল ধরে রাখার জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া ছিল কেরালা ব্লাস্টার্স। অন্যদিকে, সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে জামশেদপুর এফসি। কিন্তু কেরালার আঁটোসাঁটো রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না ড্যানিয়েল চিমারা। ৬৫ মিনিটে চিমাকে তুলে জর্ডন মারেকে নামান জামশেদপুর কোচ। ৮১ মিনিটে জিতেন্দ্র সিংকে তুলে ইশান পান্ডিতাকে নামিয়ে আক্রমণ লোক বাড়ান। তাতেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে হার স্বীকার করতে হল জামশেদপুর এফসিকে।

মার্চ ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শেষ মুহূর্তে চূড়ান্ত নাটক, জনি কাউকোর গোলে হার বাঁচাল এটিকে মোহনবাগান

টানা ১১ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর শেষ পর্যন্ত হারতে হবে? আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছিলে এটিকে মোহনবাগানের আকাশে। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে জ্বলে উঠলেন জনি কাউকো। গোল করে দলের টানা ১২ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড অক্ষুন্ন রাখলেন না, দলকে তুলে নিয়ে গেলেন আইএসএলের লিগ টেবিলের শীর্ষে। দুদুবার পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। শেষ পর্যন্ত ২২ গোলে ড্র করল এটিকে মোহনবাগান।দ্বিতীয়ার্ধে তখন ইনজুরি সময়ের খেলা চলছে। প্রায় ৭ মিনিট হয়ে গেছে। ইতিমধ্যেই লালকার্ড দেখে ফেলেছেন প্রবীর দাস। রেফারি শেষ বাঁশি বাজানোর অপেক্ষায়। এটিকে মোহনবাগান রিজার্ভ বেঞ্চে ক্রমশ হতাশা গ্রাস করছে। এমন সময়ই ঝলসে উঠল জনি কাউকোর পা। হুগো বোমাসের পাস থেকে দুর্দান্ত দক্ষতায় বল গোলে পাঠান জনি কাউকো। স্বস্তির নিঃশ্বাস এটিকে মোহনবাগান শিবিরে। অন্তত হার তো বাঁচল। এদিন ম্যাচের শুরু খেকেই পরতে পরতে উত্তেজনা। ম্যাচের ৭ মিনিটেই ফ্রিকিক থেকে দুর্দান্ত গোল করে কেরালা ব্লাস্টার্সকে এগিয়ে দেন আদ্রিয়ান লুনা। পরের মিনিটেই সমতা ফেরায় এটিকে মোহনবাগান। প্রীতম কোটালের মাইনাস থেকে ছোট্ট টোকায় কেরালা ব্লাস্টার্সের জালে পাঠান ডেভিড উইলিয়ামস। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই এই বিদেশি স্ট্রাইকারকে নামিয়েছিলেন বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। এরপরই আক্রমণ প্রতিআক্রমণে খেলাটা জমে ওঠে। দুই দলই গোল করার মতো সুযোগ পায়। কিন্তু তিন কাঠি খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়। প্রথমার্ধে খেলার ফল ছিল ১১। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে দুদলই। ডেভিড উইলিয়ামসের জায়গায় হুগো বোমাসকে মাঠে নিয়ে আসেন জুয়ান ফেরান্দো। কিন্তু খুব বেশি লাভ হয়নি। এটিকে মোহনবাগানের আক্রমণের ঝাঁঝ তেমন বাড়েনি। ৬৪ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় কেরালা ব্লাস্টার্স। পুটিয়ার ক্রস থেকে বল এটিকে মোহনবাগানের জালে পাঠান সেই আদ্রিয়ান লুনা। ৮৩ মিনিটে কিয়ান নাসিরিকে নামান জুয়ান ফেরান্দো। তার আগে মাঠে নিয়ে এসেছিলেন রয় কৃষ্ণাকে। ৮৭ মিনিটে নামার প্রবীর দাসকে। ইনজুরি সময়ে মাথা গরম করে লাল কার্ড দেখেন প্রবীর দাস। হার যে বাঁচবে না, একপ্রকার সবাই ধরে নিয়েছিলেন। একেবারে অন্তিমলগ্নে জনি কাউকোর সেই গোল।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌‌‌কেরালা ব্লাস্টার্স ম্যাচ ফাইনাল’‌, কেন একথা বললেন সবুজমেরুণ কোচ?‌

টানা ১১ ম্যাচ অপরাজিত এটিকে মোহনবাগান। ভেঙে দিয়েছে এফসি গোয়ার রেকর্ড। এই রেকর্ড গড়ার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছিল কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে। প্রথম পর্বে এই কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে জয় দিয়ে আইএসএল অভিযান শুরু করেছিল এটিকে মোহনবাগান। তখন দলের দায়িত্বে ছিলেন আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। এখন কোচের দায়িত্বে জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর সামনে দলকে লিগ টেবিলের শীর্ষে তোলার চ্যালেঞ্জ।এই মুহূর্তে ১৫ ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। ১ ম্যাচ বেশি খেলে ২৯ পয়েন্ট হায়দরাবাদ এফসির। গোলপার্থক্যে হায়দরাবাদ শীর্ষে রয়েছে। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ড্র করলেই শীর্ষে পৌঁছে যাবে এটিকে মোহনবাগান। ড্র নয়, কেরালা ব্লাস্টার্সকে হারিয়েই লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছতে চান এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। তাঁকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে প্রথম পর্বের ফল। প্রথম ম্যাচেই কেরালা ব্লাস্টার্সকে ৪২ ব্যবধানে হারিয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। প্রথম পর্বের পারফরমেন্স ধরে রাখতে মরিয়া সবুজমেরুণ শিবির।তবে জুয়ান ফেরান্দোর দলের কাছে লড়াইটা সহজ হবে না। ১৫ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলে চতুর্থ স্থানে রয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্স। সেমিফাইনালের লড়াইয়ে তারাও রয়েছে প্রবলভাবে। ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে বেঙ্গালুরু এফসি। ১৬ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ২৫। ফলে কেরালা ব্লাস্টার যে সহজে ছাড়বে না, সেকথা বিলক্ষণ জানেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। তাই কেরালার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি দারুণ সতর্ক।কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে টানা ১১ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড নিয়ে ভাবতে রাজি নন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। তিনি বলেন, রেকর্ড নিয়ে ভাবছি না। প্রতিটা ম্যাচ নিয়েই আলাদা করে ভাবছি। আমাদের লক্ষ্য চ্যাম্পিয়ন হওয়া। সেজন্য প্রতিটা ম্যাচেই জিততে হবে। তবে কেরালা ব্লাস্টার্স ম্যাচ জিততেই হবে। এই ম্যাচ আমাদের কাছে ফাইনালের মতো। কেরালার বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে পরিবর্তন করার সম্ভাবনা আছে। ডেভিড উইলিয়ামস হয়তো প্রথম একাদশে ঢুকবেন। রয় কৃষ্ণাকেও খেলাতে পারেন জুয়ান ফেরান্দো।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার হার, লজ্জা আরও বাড়ছে এসসি ইস্টবেঙ্গলের

এসসি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর ফিটনেস সমস্যার জন্য দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে বসেই ছিলেন। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ফ্রান সোতাকে প্রথম একাদশে জায়গা দিয়েছিলেন মারিও রিভেরা। দিনেন সহজতম সুযোগ নষ্ট করে দলকে পরাজয়ের দিকে ঠেলে দিলেন ফ্রান সোতা। কেরালা ব্লাস্টার্সের কাছে ১০ গোলে হারল এসসি ইস্টবেঙ্গল। আবার টানা দ্বিতীয় হার লালহলুদের। ম্যাচের আগের দিন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা বলেছিলেন, তাঁর দলের বিরুদ্ধে যে কোনও দল খেলতে ভয় পাবে। কথাটা খুব একটা ভুল বলেননি। লিগ টেবিলে চার নম্বরে থাকা কেরালা ব্লাস্টার্সকে জয় পেতে রীতিমতো ঘাম ঝড়াতে হল। আর ফ্রান সোতা যদি দিনের সহজতম সুযোগ নষ্ট না করতেন, তাহলে তো জয়ই পেত না কেরালা ব্লাস্টার্স। চোট সমস্যার জন্য কেরালা ব্লাস্টার্সের প্রথম একাদশের কয়েকজন ফুটবলার ছিলেন না। ড্যারেন সিডোয়েল ও গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় এসসি ইস্টবেঙ্গলও সমস্যায় পড়ে। প্রথম একাদশে এদিন বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করে দল সাজিয়েছিলেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। ফ্রান সোতা, জয়নার লরেন্সো, মহম্মদ রফিক, শঙ্কর দাস, রাহুল পাসোয়ানদের নিয়ে প্রথম একাদশ সাজিয়েছিলেন। প্রথমার্ধে কেরালা ব্লাস্টার্সের সঙ্গে সমানে সমানে লড়াই করেন লালহলুদ ফুটবলাররা। প্রথমার্ধের ২৫ মিনিট পর্যন্ত এসসি ইস্টবেঙ্গল সেভাবে ছন্দে ছিল না। এরপর আস্তে আস্তে খেলাটা ধরে নেয়। দারুণ ফুটবল উপহার দেন আন্তোনীয় পেরোসেভিচ। বেশ কয়েকবার গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন। তাঁর সেন্টার থেকে লালহলুদ জার্সি গায়ে অভিষেককারী রাহুল পাসোয়ান গোল করতে পারলে ছবিটা বদলে যেত। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল ছিল গোলশূন্য। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে কেরালা ব্লাস্টার্স। ৪৯ মিনিটে কর্ণার থেকে হেডে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন এনেস সিপোভিচ। পিছিয়ে পড়েও হতদ্যোম হয়ে পড়েনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। পেরোসেভিচের নেতৃত্বে আবার ম্যাচে ফিরে আসে। ৮২ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ফ্রান সাতো। সামনে শুধু গোলকিপারকে পেয়েও বাইরে মারেন। গোল করতে পারলে অন্তত ড্র করে মাঠ ছাড়তে পারত এসসি ইস্টবেঙ্গল।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌যে কোনও দলই এখন আমাদের বিরুদ্ধে খেলতে ভয় পাবে’‌, কেন একথা বললেন লালহলুদ কোচ রিভেরা?‌

প্লে অফের আশা অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। সেমিফাইনালের লড়াই থেকে ছিটকে গেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। বাকি ৩ ম্যাচ লালহলুদের কাছে শুধুই সম্মানরক্ষার লড়াই। মারিও রিভেরার দলের সামনে হারানোর কিছু নেই। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের বিরুদ্ধে খেলতে যে কোনও দলই যে ভয় পাবে, একথা মনে করিয়ে দিয়েছেন লালহলুদ কোচ। রবিবার কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। কেরালার কাছে ম্যাচটা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। সেমিফাইনালের দৌড়ে ভালভাবে টিকে থাকার জন্য এই ম্যাচটা জিততেই হবে কেরালা ব্লাস্টার্সকে। হারলেই পিছিয়ে পড়তে হবে। কেরালার কাছে ম্যাচটা সহজ হবে না। সেই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে মারিও রিভেরার মুখে। কেরালার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে লালহলুদ কোচ বলেন, আমার দল আগের থেকে অনেক ভাল ছন্দে রয়েছে। আমাদের এখন হারানো বেশ কঠিন। কোনও দলই এখন আর আমাদের বিরুদ্ধে খেলতে খুশি হবে না। যে কোনও দলই আমাদের এখন ভয় পাবে। দল নিয়ে খুব একটা চিন্তায় নেই লালহলুদ কোচ। জ্যাকিচাঁদ সিং, ফ্রান সোতারা খেলার মতো জায়গায় চলে এসেছেন। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে থাকতে পারেন সোতা। না হলে পরিবর্ত হিসেবে নামবেন। কয়েকজন ফুটবলারের হালকা চোট থাকলেও তাঁদের মাঠে নামতে কোনও অসুবিধা নেই বলে জানিয়েছেন মারিও রিভেরা। তাঁর কথায়, ফ্রান সোতা পুরোপুরি ফিট। কেরালার বিরুদ্ধে ওকে মাঠে নামানোর কথা ভাবছি। জ্যাকিচাঁদও অনুশীলন করছে। ওকেও স্কোয়াডে রাখব। কয়েকজন একটু মানসিক চাপে ভুগছে। দুএকজন ছাড়া বাকিরা মাঠে নামার জন্য তৈরি। এই মুহূর্তে ১৪ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলে পঞ্চম স্থানে রয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্স। চতুর্থ স্থানে রয়েছে বেঙ্গালুরু এসি। ১৬ ম্যাচে তাদের পয়েন্টও ২৩ পয়েন্ট। ১৪ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে জামশেদপুর এফসি। এসসি ইস্টবেঙ্গলকে হারালে তৃতীয় স্থানে উঠে আসার সুযোগ কেরালা ব্লাস্টার্সের সামনে। তাই বিপক্ষ যে জয়ের জন্য মরিয়া হবে, সেকথা মাথায় রাখছেন মারিও রিভেরা। কেরালাকে যথেষ্ট গুরুত্বও দিচ্ছেন। লালহলুদ কোচ বলেন, কেরালার সব বিভাগেই ভাল ভাল ফুটবলার আছে। দলে যথেষ্ট ভারসাম্য রয়েছে। গুরুত্ব তো দিতেই হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে জয় আসবে?‌ আশা দেখাতে পারছেন না দিয়াজ

পাঁচ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে। এবারের আইএসএলে এখনও জয়ের মুখ দেখেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। কোচ মানোলো দিয়াজকে নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠে গেছে। দলের অভ্যন্তরেই কোচের সিদ্ধান্ত নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। দলগত সংহতিও তলানিতে। ৫ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল অথচ এখনও প্রথম একাদশ ঠিক করে উঠতে পারেননি। ফুটবলারদের মধ্যে কোনও বোঝাপড়া নেই। এই অবস্থায় রবিবার কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।কঠিন পরিস্থিতিতেও সমর্থকদের কোনও আশার আলো দেখাতে পারছেন না লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। আগের ৫ ম্যাচে এসসি ফুটবলারদের দেখে মনে হয়নি তাঁরা ফিট। মানোলো দিয়াজ অবশ্য একথা মানতে নারাজ। তাঁর দাবি, দক্ষতার দিক দিয়েই দলকে পিছিয়ে পড়তে হচ্ছে। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে দল প্রথম জয় তুলতে পারবে কিনা, সে ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী নন। কেরালার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দিয়াজ বলেন, দল খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সমর্থকদের মানসিক অবস্থা বুঝতে পারছি। সমর্থকরা যেমন জয়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছে, আমিও জয়ের খোঁজে রয়েছি। চেষ্টা করব কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানোর।গোল করেও তা ধরে রাখতে পারছেন না লালহলুদ ডিফেন্ডাররা। এসসি ইস্টবেঙ্গলের খেলায় কোনও ছন্দ দেখা যায়নি। তিনটি ম্যাচে হার, দুটি ম্যাচে ড্র। যে দুটি ম্যাচে মানোলো দিয়াজের দল ড্র করেছে, তাতে নিজেদের থেকে বিপক্ষ দলের ফুটবলারদের কৃতিত্ব বেশি। ফুটবলারদের ভুল শুধরে দিলেও বারবার একই ভুল হচ্ছে। সংশোধনের কোনও ইচ্ছে লালহলুদ ফুটবলারদের নেই। এইরকম চলতে থাকলে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেও জয় আসা কঠিন।একেই দল খারাপ অবস্থায়, তার ওপর একাধিক ফুটবলারের চোট। সমস্যা আরও বেড়েছে মানোলো দিয়াজের। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেও মাঠে নামার মতো জায়গায় আসেননি গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য। জ্যাকিচাঁদ সিং, সিডোয়েলরাও এখনও পুরো ফিট নন। এই দুই ফুটবলারকেও কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে পাবেন না মানোলো দিয়াজ। আগের ম্যাচে জয়ে ফিরেছে কেরালা ব্লাস্টার্স। বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন লালহলুদ কোচ।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
দেশ

Bird Flue: কেরলে এবার বার্ড ফ্লু-র থাবা, রাজ্যজুড়ে জারি সতর্কতা

করোনা, জিকার পর এবার বার্ড ফ্লু সংক্রমণও শুরু হয়ে গেল কেরলে। আলাপুজা জেলায় বেশ কিছু পাখির নমুনা পরীক্ষা করে বার্ড ফ্লু ধরা পড়তেই কড়া সতর্কতা জারি করল কেরল সরকার। সম্প্রতিই ওই জেলায় গৃহপালিত পাখির মড়ক দেখা দেওয়ায়, মৃত পাখির নমুনা ভোপালের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব হাই সিকিউরিটি অ্যানিমাল ডিজিজে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। সেখান থেকেই জানানো হয়েছে, মৃত পাখিদের শরীরে এইচ৫এন১ ইনফ্লুয়েঞ্জা, যা বার্ড ফ্লু নামে পরিচিত, তা ধরা পড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিগত এক সপ্তাহ ধরে আলাপুজা জেলায় বহু হাস ও মুরগির মৃত্যু হতেই উদ্বেগ ছড়ায়। স্থানীয় প্রশাসনকে খবর দেওয়া হলে তারা নমুনা সংগ্রহ করে ভোপালের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার জন্য পাঠায়। মোট ১৪০ টি নমুনার মধ্যে ২৬টি নমুনাতেই বার্ড ফ্লু সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের পশু আধিকারিকরা জানিয়েছেন, শুক্রবার থেকেই সংক্রমিত এলাকায় পাখি নিধনের কাজ শুরু করা হবে। যাতে আরও পাখির মধ্যে এই সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, পশু-পাখি পালকদের ক্ষতিপূরণও দেওয়া হবে। রাজ্যের পশুপালন মন্ত্রী জে চিঞ্চু রাণী বলেন, সরকারের তরফে জেলা আধিকারিকদের সতর্ক করা হয়েছে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL : বোমাস ঝড়ে উড়ে গেল কেরালা ব্লাস্টার্স, বড় জয় দিয়ে আইএসএল অভিযান বাগানের

কেরালা ব্লাস্টার্সকে ৪২ ব্যবধানে হারিয়ে দুর্দান্তভাবে আইএসএল অভিযান শুরু করল এটিকে মোহনবাগান। জোড়া গোল করে ম্যাচের নায়ক হুগো বোমাস, একটা করে গোল করেন রয় কৃষ্ণা ও লিস্টন কোলাসো। ম্যাচের সেরা হুগো বোমাস। গত মরশুমে এই কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেই আইএসএল অভিযান শুরু করেছিল এটিকে মোহনবাগান। সেই ম্যাচে গোল করে দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। এবছরই সেই আইএসএল অভিযানে প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি কেরালা ব্লাস্টার্স। এবারও জয় দিয়ে অভিযান শুরু। গত মরশুমের তুলনায় এবছর কেরালা ব্লাস্টার্সের শক্তি বেড়েছে। তবে এটিকে মোহনবাগানের শক্তি আরও বেড়েছে। মরশুমের শুরুতে মুম্বই সিটি এফসি থেকে হুগো বোমাসকে তুলে নিয়ে সবুজমেরুণ কর্তারা যে ভুল করেননি, প্রথম ম্যাচেই প্রমাম করে দিলেন হুগো বোমাস। তাঁর দুরন্ত ফুটবলে দাঁড়াতেই পারেনি কেরালা ব্লাস্টার্স। ম্যাচের শুরু থেকেই কেরালা ব্লাস্টার্সের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এটিকে মোহনবাগান। ২ মিনিটে এগিয়েও যায়। কর্ণার থেকে বল পেয়ে লিস্টন কোলাসো বল বাড়ান কেরালা ব্লাস্টার্স বক্সের ডানদিকে দাঁড়ানো হুগো বোমাসকে। বক্সের মাথা থেকে ডান পায়ের দুরন্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন বোমাস। আইএসএলের প্রস্তুতি সেট পিসের ওপর বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। হুগো বোমাসের গোল সেই প্রস্তুতির ফসল।শুরুতে গোল পেয়ে আরও উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা। বারবার কেরালা ব্লাস্টার্সের রক্ষণভাগে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন রয় কৃষ্ণা, জনি কাউকো, মনবীর সিং, লিস্টন কোলাসোরা। সমতা ফেরানোরল জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে কেরালার ফুটবলাররাও। ২৪ মিনিটে সমতাও ফেরায়। রাহুল প্রবীনের পাস থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে গোল করেন সাহাল আব্দুল সামাদ। মিনিট তিনেক পর আবার এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। বক্সের মধ্যে রয় কৃষ্ণাকে ফাউল করেন কেরালা ব্লাস্টার্সের ডিফেন্ডার আলবিনো গোমস। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে ২১ করেন রয় কৃষ্ণা। ৩৩ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। বক্সের মাঝখান থেকে নেওয়া তঁার শট বারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। ৩৯ মিনিটে আবার গোল হুগো বোমাসের। বক্সের বাঁদিকের কোণ থেকে নেওয়া তাঁর শট জালে জড়িয়ে যায়। প্রথমার্ধে ৩১ গোলে এগিয়ে গেলেই রাশ আলগা করেননি হাবাসের দলের ফুটবলাররা। ৫০ মিনিটে ৪১ করেন লিস্টন কোলাসো। রয় কৃষ্ণার পাস থেকে বক্সের বাঁদিক থেকে ডানপায়ের দুরন্ত শটে তিনি গোল করেন। ৪ গোল খেয়ে হতদ্যোম না হয়ে মরিয়া হয়ে ওঠে কেরালা ব্লাস্টার্স। ৬৯ মিনিটে আদ্রিয়ান লুনার ডিফেন্স চেরা থ্রু দুজন ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে বেরিয়ে ডান পায়ের শটে গোল করে ব্যবধান কমান জর্জ পেরেইরা। শেষ দিকে চাপ রাখলেও আর গোল করতে পারেনি কেরালা ব্লাস্টার্স।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
দেশ

Keral Rain: কেরলে প্রবল বৃষ্টি-ধসে মৃত ২১, জারি লাল সতর্কতা

প্রবল বৃষ্টির জেরে বিধ্বস্ত কেরল। আরবসাগরে ঘনিভূত নিম্নচাপের বৃষ্টির জেরে কেরলের মধ্য এবং দক্ষিণ প্রান্তের জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই হড়পা বান শুরু হয়েছে। কেরলের প্রশাসন সূত্রে খবর, বৃষ্টি পরবর্তী ধসে রাজ্যে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়। নিখোঁজ আরও বহু।বৃষ্টি থেকে হওয়া ধসে কেরলে যে সব দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গিয়েছে, সেগুলি মূলত কোট্টায়াম এবং ইদ্দুকি জেলার। এই দুই জেলা এবং পথনমথিট্টার পাহাড়ি এলাকাগুলিতেই বন্যা হয়েছে এবং ধস নেমেছে সবচেয়ে বেশি। কেরলের বেশ কিছু নদীও বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। কোট্টায়াম এবং ইদ্দুকি জেলায় একটি নদী প্লাবিত হয়ে বেশ কয়েকটি গ্রাম ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে। এর উপর রবিবার বাঁধের জল ছাড়ার ব্যাপারে সতর্কতা জারি করেছে কেরল প্রশাসন। বেশ কয়েকটি বাঁধের ধারণ ক্ষমতা অতিক্রম করে যাওয়ায় জল ছাড়া হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। সে ক্ষেত্রে আগামী দুদিন বৃষ্টি কমলেও বন্যা পরিস্থিতি কমার কোনও সম্ভাবনা নেই কেরলে।আরও পড়ুনঃ ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি দক্ষিণবঙ্গে, রাত থেকে শুরু বৃষ্টি, সঙ্গী ঝোড়ো হাওয়াআবহাওয়াবিদরা জানিয়েছিলেন, রবিবার সকাল পর্যন্ত কেরলে অতি ভারী বৃষ্টি হবে। পরবর্তী দুদিনে ধীরে ধীরে বৃষ্টির তীব্রতা কমবে। ইতিমধ্যে কেরলের পাঁচটি জেলায় তাঁরা লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নও মেনে নিয়েছেন পরিস্থিতি বেশ গুরুতর। সাম্প্রতিক কালে এই পর্যায়ের বৃষ্টি বহুদিন হয়নি কেরলে।রবিবার সকালে অবশ্য শুধু কেরল বা দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে নয়, উত্তরের বেশ কয়েকটি রাজ্যেও ভারী বৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানী দিল্লি এবং সংলগ্ন এলাকাও রয়েছে। উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশের পশ্চিমাঞ্চল এবং পঞ্জাবে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়ে লাল এবং কমলা সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। তবে এর মধ্যেও কেরল নিয়ে চিন্তা ক্রমশ বাড়ছে।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
দেশ

Corona: ফের বাড়ছে সংক্রমণ, চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরল

দেশে এক লাফে অনেকটা বাড়ল সংক্রমণ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭ হাজার ৯২ জন। এই সংখ্যা গত দুমাসে সর্বোচ্চ। ১ জুলাই আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ হাজার ছাড়িয়েছিল। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ২৮ লক্ষ ৫৭ হাজার ৯৩৭ জন।করোনা মুক্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ১৮১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫০৯ জনের।দেশের বর্তমানে মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে কেরল। গতকাল কেরলে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ৮০৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৭৩ জনের। তথ্য বলছে, বর্তমানে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ২৮ লক্ষ ৫৭ হাজার ৯৩৭ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৫২৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ২০ লক্ষ ২৮ হাজার ৮২৫ জন।এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা নিয়েছেন ৬৬ কোটি ৩০ লক্ষ ৩৭ হাজার ৩৩৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় টিকা নিয়েছেন ৮১ লক্ষ ৯ হাজার ২৪৪ জন।আরও পড়ুনঃ একযোগে বিষপান লায়লা-মজনু কাকিমা-ভাইপোর, মৃত এক, অন্যজন সংকটজনক গোটা অতিমারি পর্বে দেশে মোট প্রাণ গেল ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৫২৯ জনের। অগস্টের মাঝামাঝিতে যখন সংক্রমণে কিছুটা হলেও কম ছিল, তখন সক্রিয় রোগী কমে সাড়ে তিন লক্ষের নীচে নেমেছিল। গত কয়েক দিন ধরে তা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে ১১ হাজার ৪০২। এখন দেশে মোট সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫৮৩ জন।কেরলে আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় তা ৩২ হাজার ৮০৩। মহারাষ্ট্রে সাড়ে চার হাজারের আশপাশেই থাকছে দৈনিক সংক্রমণ। তামিলনাড়ুতে দেড় হাজারের আশপাশে। কর্নাটক এবং অন্ধ্রপ্রদেশে অনেকদিন ধরেই ১২০০-র নীচে থাকছে আক্রান্তের সংখ্যা। ওডিশা এবং পশ্চিমবঙ্গে দৈনিক সংক্রমণ ৬০০ থেকে ৭০০-র ঘরে ওঠানামা করছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের বাকি রাজ্যগুলিতে আগের থেকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও মিজোরামের পরিস্থিতির ভয়ঙ্কর অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাডার ৯৯২ জন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
দেশ

Corona Update: দুয়ারে তৃতীয় ঢেউ? ফের বাড়ছে সংক্রমণ, সতর্ক করল কেন্দ্র

মহারাষ্ট্র নয়, করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে কেরলে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ জানিয়েছেন, দেশে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি কেরলের।গত এক-দেড় মাসে কোনও জেলার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাই ১০০ পেরোয়নি। কিন্তু আতঙ্ক বাড়িয়ে ফের একবার কলকাতার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা সেঞ্চুরি পার করল। উত্তর ২৪ পরগনার দৈনিক সংক্রমণও ১০০ ছুঁইছুঁই। এই দুই জেলাকে পাল্লা দেওয়ার ইঙ্গিত দেখাচ্ছে দার্জিলিঙের আক্রান্তের সংখ্যাও। বৃহস্পতিবারের কোভিড বুলেটিনে প্রকাশ পেয়েছে শেষ ২৪ ঘণ্টায় ৭১৭ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। এই একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৭২৬ জন। শেষ ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমে হয়েছে ৯ হাজার ১৬৭। সুস্থতার হার দাঁড়িয়ে ৯৮.২২ শতাংশে। শেষ একদিনে নতুনা পরীক্ষার সংখ্যা ৪১ হাজার ৪৯৮। পজিটিভিটি রেট কিছুটা বেড়ে হয়েছে ১.৭৩ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ প্রয়াত বাচিকশিল্পী গৌরী ঘোষঅন্যদিকে, রাজেশ ভূষণ আজ বলেন, কেরল এমন একটি রাজ্য যেখানে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা ১ লাখ। এছাড়া দেশের অন্যান্য ৪ রাজ্যে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্য়া ১০ হাজার থেকে ১ লাখ। তবে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের ৫১ শতাংশ কেরলের।স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, কেরলে টেস্টের সংখ্যা বাড়াতে হবে, বাড়াতে হবে কন্ট্রাক্ট ট্রেসিং, যারা হোম আইসোলেশনে রয়েছে তাদের উপরে নজরদারি বাড়াতে হবে কারণ কেরলের ৮০ শতাংশেরও বেশি করোনা রোগী রয়েছেন হোম আইসোলেশনে। দেশের ২৭৯ জেলায় জুনের প্রথম সপ্তাহে ১০০ বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার পর থেকে ধীরে ধীরে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮,০০০ জন। এর অর্ধেক কেরলের হলেও অন্যান্য রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা কমছে। কেরলের পরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট আক্রান্তের ১৬ শতাংশই মহারাষ্ট্রের।

আগস্ট ২৭, ২০২১
দেশ

Corona Update: ফের বাড়ছে দৈনিক সংক্রমণ, চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরল

ফের দেশে সংক্রমণের হার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এরাজ্যেও সংক্রমণের সংখ্যাটা উপরের দিকেই। এরইমধ্যে দেশের দৈনিক সংক্রমণ বুধবারের তুলনায় একটু বাড়লেও বৃহস্পতিবার তা ৪০ হাজারের নীচেই রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬ হাজার ৪০১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ৩ কোটি ২৩ লক্ষ ২২ হাজার ২৫৮।পাঁচ দিন পর দেশের দৈনিক মৃত্যু ফের ৫০০ ছাড়াল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৫৩০ জনের। গোটা অতিমারি পর্বে করোনা প্রাণ কেড়েছে ৪ লক্ষ ৩৩ হাজার ৪৯ জনের। এর মধ্যে মহারাষ্ট্র (১৫৮) এবং কেরলে (১৭৯) দৈনিক মৃত্যু হচ্ছে সবথেকে বেশি।আরও পড়ুনঃ লোকাল ট্রেন কবে চালু হবে, জানালেন মমতাএখনও দেশের মধ্যে সংক্রমণ বেশি হচ্ছে কেরলে। দৈনিক সংক্রমণের অর্ধেকেরও বেশি হচ্ছে দক্ষিণ ভারতের এই রাজ্যে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ২১ হাজার ৪২৭ জন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা মহারাষ্ট্রের দৈনিক সংক্রমণ কেরলের চারভাগের এক ভাগ। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ১৩২ জন। এর পর রয়েছে তামিলনাড়ু (১,৭৯৭), অন্ধ্রপ্রদেশ (১,৪৩৩), কর্নাটক (১,৩৬৫), ওডিশা (৯৯৩), পশ্চিমবঙ্গে (৬৪৬) এবং অসম (৬৩৯)। সংক্রমণ কম হওয়ায় দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমছে। দেশে এখন সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩ লক্ষ ৬৪ হাজার ১২৯ জন। ভারতে করোনা পরীক্ষার মোট সংখ্যা ৫০ কোটি ছাড়িয়েছে। অতিমারির শুরু থেকে এখন অবধি দেশে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৫০ কোটি ৩ লক্ষ ৮৪০।এদিকে, সংক্রমণে রাশ না পড়লে এবং গ্রামাঞ্চলে ৫০ শতাংশ টিকাকরণ না হলে লোকাল ট্রেনে চালানো হবে না বলে বুধবারই নবান্নে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান মুখ্যমন্ত্রী। লোকা ট্রেন চালানোর দাবিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভও দেখাচ্ছেন যাত্রীরা। যে ট্রেন চালানো হচ্ছে, তাতে ভিড় বাড়ছে, ফলে সংক্রমণের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কাও দেখা দিচ্ছে।

আগস্ট ১৯, ২০২১
দেশ

Zika Virus: আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনার দোসর জিকা ভাইরাস

করোনার ভয়াবহতার মাঝেই এবার জিকা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়েছে দেশে। ইতিমধ্যে কেরলে মোট ১৪ জনের শরীরে পাওয়া গিয়েছে জিকা ভাইরাসের উপস্থিতি। আক্রান্তদের শরীরে জিকার উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি। ২৪ বছরের এক তরুণীর দেহে জিকা ভাইরাসের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেলে আক্রান্তদের মধ্যে ১৯ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছিল পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে। সেখানে ১৯ জনের মধ্যে ১৩ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ওই তরুণীর গর্ভাবস্থায় এই ভাইরাস হানা হয়৷ সতর্কতার সঙ্গে চিকিৎসা জারি রয়েছে। আরও পড়ুনঃ ভাতারের বোমা বিস্ফোরণের পিছনে রহস্য কি?বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখা, জল জমতে না দেওয়া, মশার হাত থেকে বাঁচতে মশা প্রতিরোধী ওষুধ ব্যবহার করা যায়৷ এদিকে জিকা ভাইরাস নিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছে রাজ্য। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী। জিকা প্রতিরোধে তৈরি হচ্ছে বিশেষজ্ঞ কমিটিও। জিকা ভাইরাস একটি মশাবাহিত রোগ। বাহক হল এডিস মশা৷ চিকেনগুনিয়া, ডেঙ্গির মতোই উপসর্গ দেখা যায়। প্রবল জ্বর, গাঁটে ব্যাথা ছাড়াও, শরীরে র্যা শ বের হতে দেখা যায়। এমনকী, শরীরের জটিলতা বাড়িয়ে প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে জিকা। খুব দ্রুত এই ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে। এই জিকা ভাইরাস মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে গর্ভস্থ সন্তান ও ভ্রুণের। গর্ভবতী মহিলারা যদি জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হন, তাহলে শিশু বিকলাঙ্গ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

জুলাই ১০, ২০২১
দেশ

ঘূর্ণিঝড় তকত-এর দাপটে কর্নাটক-কেরলে মৃত ৬

শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় তকতে এগিয়ে চলেছে গুজরাত উপকূলের দিকে। তকতে-র তাণ্ডবে কর্নাটকে ৪ জনের পর রবিবার কেরলেও মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে কেরলে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ২টি জেলায়। এরনাকুলাম ও কোঝিকোড়ে।মৌসম ভবন রবিবার জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় তকতে প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হয়ে সোমবার সকালে গুজরাতের পোরবন্দর ও নালিয়ার মধ্যবর্তী কোনও উপকূলবর্তী এলাকায় আছড়ে পড়তে পারে। গুজরাত ও দিউ উপকূলে ইতিমধ্যেই কড়া নজরদারির ব্যবস্থা হয়েছে। মৌসম ভবনের সিনিয়র ডিরেক্টর (আবহাওয়া) শুভানি ভুতে জানিয়েছেন, তকতে-র দাপটে রবিবার বিকেল থেকেই তুমুল বৃষ্টি হতে পারে মুম্বই ও সংলগ্ন এলাকাগুলিতে। ভারী থেকে খুব ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে গোটা কোঙ্কন ও পশ্চিম মহারাষ্ট্রের পার্বত্য এলাকাগুলিতে। রবি ও সোমবার তুমুল বৃষ্টি হতে পারে মহারাষ্ট্রের কোলহাপুর ও সাতারায়। এ ছাড়াও তুমুল বৃষ্টি হতে পারে গুজরাতের জুনাগড়, গির সোমনাথ, সৌরাষ্ট্র, কচ্ছ, দিউ, পোরবন্দর, দ্বারকা, আমরেলি, রাজকোট ও জামনগরে। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে কর্নাটকে যে শুধুই ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, তা নয়, ৭৩টি বাড়িও ভেঙে পড়েছে বলেও জানিয়েছে কর্নাটক প্রশাসন। যে ৬টি জেলায় ঝড়ের দাপট সবচেয়ে বেশি, তার মধ্যে তিনটি উপকূলবর্তী ও তিনটি পশ্চিমঘাট পর্বত সংলগ্ন। রবিবার বেলা বাড়তেই গোয়ায় ঝড়-বৃষ্টির প্রভাব বেড়েছে। উপড়ে গিয়েছে গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি। গোয়ার একটা বড় অংশে ঝড়ের দাপটে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে, বন্ধ হয়ে গিয়েছে বহু রাস্তা। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুসারে শনিবার রাত আড়াইটে নাগাদ এই ঝড়টি ছিল গোয়া থেকে মাত্র ১৫০ কিলোমিটার, মুম্বই থেকে ৪৯০ কিলোমিটার ও গুজরাত উপকূল থেকে ৭৩০ কিলোমিটার দূরে। মঙ্গলবার সকালে তকতে গুজরাতের উপকূল, পোরবন্দর ও ভাবনগর জেলার মহুভা এলাকায় আছড়ে পড়তে পারে। ঝড়ের শক্তি অনুমান করার জন্য আগামী ১২ ঘণ্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন।ইতিমধ্যেই এই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে আলোচনায় বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি সেই বৈঠকে নির্দেশ দেন যেন এই ঝড়ের কারণে করোনা চিকিৎসায় কোনও সমস্যা না দেখা যায়। হাসপাতালগুলিতে বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা থেকে শুরু করে বাকি সব পরিষেবা যাতে দেওয়া হয়, সে কথা বলেন তিনি। ঝড়ের সময় দলের কর্মীদের সাধারণ মানুষের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়ে টুইট করেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধিও।

মে ১৬, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! ধর্মতলায় ধরনায় বসলেন মমতা, তীব্র চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনকে

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় বহু সাধারণ মানুষের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুর দুইটায় ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের ডোরিনা ক্রসিংয়ে ধরনায় বসতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই সেখানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূলের নেতা থেকে কর্মীরা।এই কর্মসূচির মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছেন যে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করতেই তিনি পথে নেমেছেন। জানা গিয়েছে, এই ধরনা কর্মসূচিতে তাঁর পাশে থাকবেন সেই সব মানুষ যাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সংশোধন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বহু ভোটারও এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে।বঙ্গের এই সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রক্রিয়ার শুনানির শেষ পর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগী ভোটারদের নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরেও যান। সেখানে তিনি অভিযোগ জানান এবং সাধারণ মানুষের হয়ে কথা বলেন। তবুও এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি বদলায়নি বলে দাবি তৃণমূলের।তৃণমূল সূত্রের দাবি, বর্তমানে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে। এর মধ্যে তেষট্টি লক্ষের বেশি ভোটারের নাম ইতিমধ্যেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও প্রায় ষাট লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলনের পথেই হাঁটতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার রাজনীতিতে বহুবার দেখা গিয়েছে, যখনই সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও সংকট তৈরি হয়েছে, তখনই তিনি রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন।ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিং রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। প্রায় কুড়ি বছর আগে ধর্মতলার অনশন মঞ্চ থেকেই বাংলার রাজনীতিতে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। সেই একই জায়গায় আবারও ধরনায় বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই আন্দোলনের লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রতিবাদ করা এবং বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি রুখে দেওয়া। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে, তাহলে সেই নির্বাচনের কোনও অর্থ থাকে না। তাঁর অভিযোগ, চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হওয়ার পরেও দিল্লির নির্দেশে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত সব জায়গায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবুও বহু মানুষের নাম এখনও তালিকায় নেই। সেই কারণেই বাংলার মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে তিনি শুক্রবার থেকে ধর্মতলায় ধরনায় বসছেন। পাশাপাশি তিনি সকলকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার আহ্বানও জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, এটি শুধু রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি বাংলার সম্মানের প্রশ্ন।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

আকাশ ছুঁয়ে ধেয়ে এল মৃত্যু! যে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রে খামেনির শেষ, সেই প্রযুক্তিই আনছে ভারত

অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালীন একটি অত্যাধুনিক ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ব্লু স্প্যারো। এটি একটি বিশেষ ধরনের বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। একই ধরনের প্রযুক্তি এখন ভারতও নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়ানোর জন্য পরীক্ষা ও সংযোজন করছে বলে খবর।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের সময় প্রায় সাড়ে সাতটার দিকে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে তেহরানে খামেনির কম্পাউন্ডে গিয়ে আঘাত হানে সেটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ এবং আক্রমণের ধরন এতটাই জটিল যে সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এটিকে আটকানো প্রায় অসম্ভব।ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্রকে অনেক সময় মহাকাশ থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র বলা হয়। কারণ এটি প্রথমে একটি বুস্টার রকেটের সাহায্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রায় প্রান্তসীমা পর্যন্ত উঠে যায়। তারপর সেখান থেকে অত্যন্ত উচ্চ গতিতে আবার নিচে নেমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে। এই সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি শব্দের গতির পাঁচ গুণেরও বেশি হয়ে যায়। ফলে শত্রুপক্ষের পক্ষে এটিকে শনাক্ত করা বা ধ্বংস করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।এই ক্ষেপণাস্ত্রে জিপিএস ও ইনর্শিয়াল নেভিগেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। ফলে এটি হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। এমনকি একটি ভবনের নির্দিষ্ট ঘরকেও লক্ষ্য করে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থা রাফায়েল এই স্প্যারো পরিবারের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছিল মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুকরণে পরীক্ষা চালানোর জন্য। পরে সেই প্রযুক্তিকেই আরও উন্নত করে আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করেই ভারত নিজেদের বায়ুসেনার শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে রকস ও গোল্ডেন হরাইজন নামে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।রকস ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত ব্লু স্প্যারো প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারতীয় বায়ুসেনা সুখোই সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। প্রায় তিনশো কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। জিপিএস না থাকলেও এটি নিজস্ব সেন্সর ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে।এ ছাড়াও গোল্ডেন হরাইজন নামে একটি দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর সম্ভাব্য পাল্লা প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত না পেরিয়েও শত্রু দেশের অনেক গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।ভারত ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার ব্যবহার শুরু করেছে। ২০২৫ সালে অপারেশন সিন্দুর চলাকালীনও ইসরায়েলি প্রযুক্তির বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহারের কথা সামনে আসে।সেই সময় নির্ভুল লক্ষ্যভেদের জন্য স্পাইস কিট ব্যবহার করা হয়। এগুলির সাহায্যে সাধারণ বোমাকেও অত্যন্ত নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্রে পরিণত করা যায়। এছাড়া হারপি ও হারপ ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয় বলে জানা যায়।ভারত ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি বারাক-৮ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও সেই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এই ব্যবস্থাটি আকাশপথে আসা শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা তৈরি করতে সাহায্য করে।এ ছাড়াও বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ও ইসরায়েলি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে তৈরি স্কাইস্ট্রাইকার ড্রোন এবং র্যাম্পেজ ক্ষেপণাস্ত্রও বিভিন্ন গভীর আঘাত হানার অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারতীয় বায়ুসেনার গভীর আঘাত হানার ক্ষমতা আরও অনেক গুণ বাড়বে। ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও ইসরায়েলের সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্রিগেডের মঞ্চে বড় চমক দিতে চলেছেন মোদি! বাংলার জন্য কী ঘোষণা আসতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আগামী শনিবার বড় জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভা থেকেই বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন তিনি বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে দল।দলীয় সূত্রের দাবি, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই বাংলার মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বড় চমক তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বার্তা দিতে পারেন যা সরাসরি বাংলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হিসেবে সামনে আসবে। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি শুধু রাজনৈতিক দিক থেকে নয়, প্রশাসনিক ও উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেই কারণেই এই ঘোষণাকে ঘিরে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের প্রচারে গতি আনতে একের পর এক বড় প্রতিশ্রুতি সামনে আনছে। সম্প্রতি এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা ঘোষণা করেন। সেখানে বলা হয়, রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে, আট মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা হবে এবং যুবকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের কর্মসংস্থান এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সেই কারণেই ব্রিগেডের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করতে চলেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে ব্রিগেডের সভাকে ঘিরে জল্পনা এবং কৌতূহল দুটোই ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

তেল সংকটের আশঙ্কার মাঝেই বড় স্বস্তি! রাশিয়া থেকে তেল কিনতে ভারতের পথে আর বাধা নেই

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে তেল সংকটের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে সাময়িক ছাড় দিল আমেরিকা। এর ফলে আপাতত বড় স্বস্তি পেল নয়া দিল্লি।কিছু দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল, দেশে প্রায় পঁচিশ দিনের পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে তেল সরবরাহে বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে ভারতের প্রয়োজন হলে তারা তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত। কিন্তু আগে রাশিয়ার থেকে তেল না কেনার শর্তে ভারতের উপর শুল্ক কমিয়েছিল আমেরিকা। সেই কারণে ভারত আদৌ রাশিয়ার তেল কিনতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল।অবশেষে সেই জট কাটল। আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য সাময়িক ছাড়পত্র দিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই অনুমতি ত্রিশ দিনের জন্য দেওয়া হয়েছে। পাঁচ মার্চ থেকে এই সময়সীমা কার্যকর হয়েছে এবং তিন এপ্রিল পর্যন্ত ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে পারবে।আমেরিকার ট্রেজারি সচিব স্কট বেনেট সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমেরিকার জ্বালানি কর্মসূচির ফলে তেল ও গ্যাস উৎপাদন অনেক বেড়েছে। বিশ্ব বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে ত্রিশ দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে তিনি ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভারত আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ভবিষ্যতে ভারত আমেরিকার কাছ থেকেও তেল কেনা বাড়াবে বলে তারা আশা করছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইরান। তবে রাশিয়া ও চিনের তেলবাহী জাহাজকে এই নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গিয়েছে।খবরে জানা যাচ্ছে, ভারতীয় জলসীমার কাছাকাছি এলাকায় রাশিয়ার প্রায় পঁচানব্বই লক্ষ ব্যারেল তেল রয়েছে। রাশিয়া আগেই জানিয়েছিল, প্রয়োজন হলে ভারত এই তেল ব্যবহার করতে পারে।এদিকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে সম্প্রতি ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘাচির সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই আলোচনার পর থেকেই মনে করা হচ্ছিল, এই সংকটের প্রভাব ভারতে খুব বেশি পড়বে না।তারই মধ্যে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে আপাতত তেল সরবরাহ নিয়ে বড় স্বস্তি পেল ভারত। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি কত দিন চলবে এবং বিশ্ব বাজারে তেলের দামে তার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটকের! ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য বন্ধ সমাজমাধ্যম, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার ও সমাজমাধ্যমের প্রভাব ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কর্নাটক সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করেছেন, ষোলো বছরের নিচে কোনও শিশু সমাজমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। রাজ্যের বাজেট পেশ করার সময় বিধানসভায় এই ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে শিশুদের মধ্যে মোবাইল ও সমাজমাধ্যম ব্যবহারের প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে পড়াশোনা, আচরণ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, শিশুদের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্নাটক দেশের প্রথম রাজ্য যেখানে ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। এর আগে আন্ধ্রপ্রদেশ এবং গোয়া সরকারও একই ধরনের পদক্ষেপের কথা ভাবছিল। তবে সবচেয়ে আগে কঠোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল কর্নাটক সরকার।রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু দেশের অন্যতম বড় প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেই রাজ্যেই শিশুদের মোবাইল ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনার প্রস্তাব নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। গত মাসে সরকার স্কুল ও কলেজে ষোলো বছরের নিচে পড়ুয়াদের মোবাইল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনার বিষয়েও ভাবনা শুরু করেছিল।মুখ্যমন্ত্রী এর আগে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি শিশুদের মধ্যে বাড়তে থাকা সমাজমাধ্যম আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, অনেক পড়ুয়া এই কারণে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে এবং মানসিক সমস্যার মুখেও পড়ছে।সরকারের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইলের পর্দায় সময় কাটালে পড়াশোনার ফল খারাপ হতে পারে। আচরণেও পরিবর্তন দেখা যায়। পাশাপাশি অজানা ও ক্ষতিকর বিষয়বস্তুর সংস্পর্শে আসার আশঙ্কাও থাকে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মাদক চক্রের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয় বলে প্রশাসনের দাবি।বিশ্বের বিভিন্ন দেশও শিশুদের সমাজমাধ্যম ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে শুরু করেছে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকারও ষোলো বছরের নিচে কিশোরদের জন্য একাধিক সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে।কর্নাটক সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সবার।মেটা বিবরণ: শিশুদের মোবাইল ও সমাজমাধ্যম আসক্তি ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটক সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করলেন, ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মার্চ ০৬, ২০২৬
বিদেশ

জেন জ়ির সমর্থনেই কি ইতিহাস? গণনায় এগিয়ে বলেন্দ্র, বড় ধাক্কা খেতে চলেছেন ওলি

নেপালে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে ভোট গ্রহণ। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে ভোট গণনা। আর গণনার প্রাথমিক প্রবণতায় বড় চমক দেখা যাচ্ছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি-কে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র বলেন্দ্র শাহ। তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন বলেন্দ্র। সেই জনপ্রিয়তাই এখন ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঝাপা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন বলেন্দ্র শাহ। এই কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই ওলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, চুয়াত্তর বছর বয়সি ওলিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন বলেন্দ্র। যদি এই প্রবণতা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তাহলে নেপালের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।বলেন্দ্র শাহের পরিচয় প্রথমে একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে। পরে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর কাঠামোগত প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। বর্তমানে তিনি কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়-এ গবেষণা করছেন। কিছুদিন তিনি টেলিভিশন সঞ্চালক হিসেবেও কাজ করেছেন। পরে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন এবং রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টি-তে যোগ দেন রবি লামিছানে-র নেতৃত্বে। দুই হাজার বাইশ সালে তিনি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হন।নেপালের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বলেন্দ্র শাহ অত্যন্ত জনপ্রিয়। সমাজমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, সেখানে তিনি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। সেই আন্দোলনের জেরে নেপালের নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটে এবং ক্ষমতাচ্যুত হন কে পি শর্মা ওলি। আন্দোলনের সময় একাংশ বিক্ষোভকারী বলেন্দ্র শাহকেই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তুলেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান নেপালের সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কী।সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন বলেন্দ্র শাহ। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। এবার নির্বাচনের ফলাফল যদি তাঁর পক্ষে যায়, তাহলে তাঁকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবেও তুলে ধরতে পারে তাঁর দল।তবে বলেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি অতীতে একাধিকবার ভারতের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ভারতের কিছু অঞ্চলকে নেপালের অংশ বলে দাবি করেছিলেন তিনি। দুই হাজার তেইশ সালের জুন মাসে নিজের কার্যালয়ে নেপালের একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছিলেন বলেন্দ্র। সেই মানচিত্রে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলকে বৃহত্তর নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।এদিকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, নেপালের পরিস্থিতির উপর তারা নজর রাখছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, নেপালে শান্তি, অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতাকে ভারত সবসময় সমর্থন করে। নতুন সরকার গঠনের পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করার জন্য ভারত কাজ করতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, নেপালের সংসদের নিম্নকক্ষের জন্য মোট দুইশো পঁচাত্তর জন সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে একশো পঁয়ষট্টি জন সরাসরি ভোটে এবং একশো দশ জন অনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভোট গণনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে রাজ্যপাল পদ ছাড়লেন সিভি আনন্দ বোস! বাংলায় আসছেন বিতর্কিত আর এন রবি?

ভোটের আগে হঠাৎই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সি ভি আনন্দ বোস (Bengal Governor)। কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বড় দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পোস্টেই উঠে এসেছে বাংলার সম্ভাব্য নতুন রাজ্যপালের নাম (Bengal Governor)।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে জানিয়েছেন যে আর এন রবি-কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে (Bengal Governor)। তবে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আগে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।কে এই আর এন রবি, তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাঁর পুরো নাম রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। তিনি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের ভারতীয় পুলিশ পরিষেবার আধিকারিক। জন্ম বিহারের পাটনায়, ১৯৫২ সালের ৩ এপ্রিল। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর দেশসেবার লক্ষ্য নিয়ে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেন।কর্মজীবনের বড় অংশ কেটেছে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিভাগে। তিনি দীর্ঘদিন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো-তে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহ দমন এবং জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হয়। পরে তিনি ভারত সরকারের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটি-র চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নাগা শান্তি আলোচনা। দীর্ঘদিন ধরে চলা জটিল সমস্যার সমাধানে তিনি ভারত সরকারের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে দেশের উপ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদেও নিয়োগ করা হয়।পরবর্তীতে তিনি রাজ্যপাল হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। ১৯১৯ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল ছিলেন। সেই সময় কিছুদিনের জন্য মেঘালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করেন। এরপর ২০২১ সাল থেকে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে কাজ করছেন।তবে তামিলনাড়ুতে তাঁর সময়কাল বারবার বিতর্কের কেন্দ্রেও এসেছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন এক সময় তাঁকে কেন্দ্রের এজেন্ট বলেও কটাক্ষ করেছিলেন। পরে রাজ্য সরকার তাঁর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টেও যায়। অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক বিল আটকে রেখেছিলেন।এবার সেই বিতর্কিত রাজ্যপালের নামই ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসেবে। গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে। তাই আর এন রবি এলে সেই সংঘাত কি আবার নতুন করে শুরু হবে, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হরমুজ প্রণালীর টানাপোড়েন, গ্যাস সরবরাহে চাপ! নতুন ডবল সিলিন্ডার আপাতত বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সাধারণ মানুষের রান্নাঘরেও পড়তে শুরু করেছে। ইরান ও ইজরায়েল-এর সংঘাতের মধ্যে নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেল সংস্থাগুলির তরফে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ কোনও গ্রাহক নতুন করে দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করলেও আপাতত তা দেওয়া হবে না।জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যাতে রান্নার গ্যাসের জোগানে সমস্যা না হয়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে যেসব পরিবারের রান্নাঘরে এখন একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে, আপাতত তাদের সেই একটি সিলিন্ডার নিয়েই চলতে হবে। গ্যাস ডিলারদের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে। এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে সমস্যা হলে রান্নার গ্যাস সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ ভারতের জ্বালানি আমদানির বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে।ভারতে ঘরে ঘরে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থাকে এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে মনে করা হচ্ছে। অপরিশোধিত তেল বা তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের তুলনায় রান্নার গ্যাসের উৎস অনেক কম এবং মজুতও তুলনামূলকভাবে সীমিত। দেশের মোট চাহিদার প্রায় আশি থেকে পঁচাশি শতাংশ রান্নার গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এর বেশির ভাগই উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে এবং প্রায় সব জাহাজই হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছয়।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ত্রিশ দিনের রান্নার গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে নির্ধারিত জাহাজ যদি দেরিতে পৌঁছয়, তাহলে সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে।এদিকে সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেক মানুষ আগেভাগে গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে শুরু করেছেন। এতে দ্রুত মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন শহরের গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত সিলিন্ডার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে অযথা বেশি সিলিন্ডার মজুত না করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।অন্যদিকে সমাজমাধ্যমে তেলের দাম বাড়ার গুজবও ছড়িয়ে পড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে পেট্রল পাম্পগুলিতেও। অনেকেই আতঙ্কে গাড়ির ট্যাঙ্ক পুরো ভরে নিচ্ছেন। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, এখনই আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। তেলের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে।ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া জানিয়েছেন, এখনও তেলের জোগান কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘদিন চললে দামের কিছু পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলেই তাঁর দাবি।মেটা বিবরণ: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি সরবরাহে। নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডার সংযোগ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ তেল সংস্থার, সাধারণ মানুষকে অযথা মজুত না করার পরামর্শ।

মার্চ ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal