• ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ১০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Katwa

রাজ্য

Childs Burn: শীত নিবারণের জন্য জ্বালানো আগুনের মধ্যে পড়ে গিয়ে দগ্ধ শিশু

শীত নিবারণের জন্য জ্বালানো আগুনের মধ্যে পা পিছলে পড়ে গিয়ে দগ্ধ হল এক শিশু। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি বুধবার সকালে ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার অগ্রদ্বীপের একটি ইট ভাটায়। আশঙ্কানক অবস্থায় শিশুপুত্র লিটো মাজি (৮) কে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। ঘটনার আকশ্মিকতায় স্তম্ভিত ইটভাটার সকল শ্রমিকরা।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অগ্রদ্বীপের ইঁটভাটায় শ্রমিকের কাজ করেন শিশুটির বাবা-মা। তাঁদের বাড়ি বিহারে। ভাটার শ্রমিকদের কথায় জানা গিয়েছে, শীত নিবারণের জন্য এদিন সকালে তাঁরা কাঠ কুটো যোগড় করে তাতে আগুন জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছিলেন। ওই সময়ে কাছে-পিঠেই ছোটাছুটি করছিলেন কয়েকটি শিশু. তাদের মধ্যে শিশুপুত্র লিটো মাজিও ছিল।। ছুটোছুটি করে খেলার সময়ে হঠাৎতই পা পিছলে লিটো সোজা আগুনের মধ্যে গিয়ে পড়ে। আর তাতেই ঘটেযায় বিপত্তি। লিটোর শরীরের অনেকাংশ আগুনে দগ্ধ হয়। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় পরে তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

Banned Syrup: নিষিদ্ধ সিরাপসহ কাটোয়ায় ধৃত ভিন রাজ্যের দুই মাদক কারবারী

নিষিদ্ধ কোডাইন সিরাপ সহ পুলিশের হাতে ধরা পড়লো ভিনরাজ্যের দুই মাদক কারবারী। ধৃতদের নাম রাহুল কুমার ও আমিল হোসেন। আমিল হোসেনের বাড়ি বিহারের সিওয়ান জেলার গরিয়াকুঠি এলাকায়। অপর ধৃত রাহুল ঝাড়খণ্ডের বোকারো স্টিল সিটির বাসিন্দা। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার পুলিশ সোমবর রাতে টহলদারির সময় কাটোয়ার গাঙ্গুলিডাঙ্গার একটি কালভার্টের কাছ থেকে তাদের ধরে। পুলিশের দাবি, তল্লাশিতে ২ লিটার কোডাইন সিরাপ ভর্তি একটি বোতল যুবকদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়ার পরেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা আন্তরাজ্য চুরি চক্রের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি ধৃত দুই যুবক মাদকের কারবারের সঙ্গেও জড়িত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এইসব অপরাধ চক্রে ধৃতদের সঙ্গে আরও কারা কারা যুক্ত রয়েছে তা জানার চেষ্টা চলছে। পুলিশ ধৃতদের অপরাধ সংক্রাণ্ত অতীত রেকর্ড জানতে ঝাড়খন্ড ও বিহারের পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করছে। গ্রেপ্তার হওয়া দুই ধৃতকে মঙ্গলবার কাটোয়া মহকুমা আদালতে পেশ করা হয় ।তদন্তকারী অফিসার তাঁদের ৭ দিন পুলিশি হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বিচারক ধৃতদের পুলিশি হেপাজত মঞ্জুর করেছেন।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
রাজ্য

কাটোয়ায় বিজেপির সাংগঠনিক সভায় দুই গোষ্ঠীর মারপিট-ভাঙচুর, দিলীপ ঘোষকে গো-ব্যাক শ্লোগান

রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ দলের সাংগঠনিক সভায় পৌছানোর আগেই বাঁধলো ধুন্ধুমার। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার দাঁইহাটের জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে নিজেদের মধ্যেই হাতাহাতি মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি নেতা কর্মীরা। একই সঙ্গে চলে পার্টি অফিসের আসবাবপত্র ও টেবিল চেয়ার ভাঙচুর।সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষ পার্টি অফিসে পৌছানোর পরেও দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতিতে বিরাম পড়েনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হলে দিলীপ ঘোষ পুলিশ দিয়ে লাঠিচার্জ করে বিক্ষুব্ধদের পার্টি অফিস থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন। এর পাল্টা দিলীপ ঘোষকে উদ্দেশ্য করে গো ব্যাক শ্লোগান দিয়ে বিক্ষুব্ধরা।বিজেপির এই গোষ্ঠীকোন্দল নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব কটাক্ষ করলেও রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে এদিনের ঘটনার পিছনে তৃণমূলের ইন্ধন রয়েছে। কাটোয়ার বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল এই প্রথম প্রকাশ্যে আসলো এমনটা নয়। বিধানসভা ভোটের অনেক আগে থেকেই বিজেপির কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষের সঙ্গে তাঁর বিরোধী গোষ্ঠীর বিবাদ চরমে ওঠে। এদিন দাঁইহাটের পার্টি অফিসে বিজেপির দুই গোষ্ঠীর মারপিটে জড়ানোর ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করে দিল ভোটে ভরাঢুবির পরেও কাটোয়ায় বিজেপির গোষ্ঠী বিবাদে বিরাম পড়েনি। এদিন দাঁইহাটের জেলা বিজেপি কার্যালয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপস্থিতিতে একটি সাংগঠনিক সভা ছিল। সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষ পৌছানোর আগে জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ সেই সভা পৌরহিত্য করা শুরু করতেই ক্ষোভ বিক্ষোভ শুরু হয়ে যায়। কৃষ্ণ ঘোষের বিরোধী গোষ্ঠী সভাস্থলেই প্রতিবাদে সোচ্চার হয়। তাঁরা কৃষ্ণ ঘোষ ও দাঁইহাট নগর মণ্ডল সভাপতি অনুপ বসুকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে দেন। বিক্ষুদ্ধরা অভিযোগ তোলেন, এই দুই নেতার জন্যই কাটোয়ায় বিজেপি হেরেছে। কৃষ্ণ ঘোষ টাকার বিনিময়ে তৃণমূল দলকে কাটোয়ায় জিতিয়েছে। তাঁরা দলের কর্মীদের কোন গুরুত্ব দেন না। কৃষ্ণ ঘোষ ও অনুপ বসুর পদত্যাগের দাবিও তোলেন বিক্ষুব্ধরা। এইসব অভিযোগ তোলা নিয়ে সভা শুরুর আগেই জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে ধুন্ধুমার বেঁধে যায়। শুরু হয়ে যায় টেবিল চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ি। বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা মারধোর করা শুরু করে দেয় দলের পদাধীকারীদের। এমন পরিস্থিতি চলার সময়েই দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদার দাঁইহাটের জেলা পার্টি অফিসে এসে পৌঁছান। তার পরেও বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা জেলা কার্যালয়ে ভিতরেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছে দেখে দিলীপ ঘোষ পুলিশ দিয়ে লাঠিপেটা করিয়ে বিক্ষুব্ধদের বের করে দেওয়ার হুমকি দিলে পাল্টা তাঁকে গো- ব্যাক শ্লোগান শুনতে হয়। এই ঘটনা যথেষ্টই বিড়ম্বনায় ফেলে দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্বকে। এদিনের ঘটনা নিয়ে কৃষ্ণ ঘোষ সংবাদ মাধ্যমে কোন মন্তব্য করতে চাননি। তবে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, এদিন যাঁরা ভাঙচুর, অশান্তির ঘটনা ঘটিয়েছে তাঁরা বিজেপির কেউ হতে পারে না। এটা তৃণমূলের চক্রান্ত । যদি এদিনের ঘটনায় বিজেপির কেউ যুক্ত থাকেন তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাল্টা অভিযোগে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন,বিধানসভা ভোটে ভরাঢুবির পর শৃঙ্খলাহীন বিজেপি দলে এখন অন্দরের কোন্দল চরমে উঠেছে। তারই বহিপ্রকাশ এদিন ঘটেছে দাঁইহাটে বিজেপির সভায়।

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

Rape: বৃদ্ধ বাবা-মাকে খুনের হুমকি দিয়ে তরুণীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার

আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে বৃদ্ধ বাবা-মাকে খুনের হুমকি দিয়ে তরুণীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল এক যুবক। ধৃতের নাম সফিকুল ইসলাম। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার কেসিয়ায়। কাটোয়া থানার পুলিশ মঙ্গলবার বিকেলে কাটোয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে অভিযুক্ত সফিকুলকে গ্রেফতার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ধৃতকে কাটোয়া মহকুমা আদলতে পেশ করে পুলিশি হেপাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়। আদালতে এদিনই তরুণী তাঁর গোপন জবানবন্দী দেয়। বিচারক ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেফাজতের পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, কাটোয়া শহরের কুমোরপাড়া এলাকায় বাড়ি বছর ২৩ বয়সী তরুণীর। বাড়িতে তাঁর বৃদ্ধ বাবা-মা রয়েছেন। তরুণীর বাবা ফুলের ব্যবসা করেন। গত শনিবার লিখিত অভিযোগে তরুণীর বাবা কাটোয়া থানার পুলিশকে জানান, গত মাসের ২৬ তারিখ বিকেল তাঁর মেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তিনি তাঁর মেয়ের কোনও সন্ধান পান না।তরুণীর বাবা পরদিন কাটোয়া থানায় একটি নিখোঁজ ডায়রি করেন। এরপর গত ১৩ অক্টোবর তরুণী নিজেই বাড়ি ফিরে আসে। তরুণী এই কদিন কোথায় ছিল তা তরুণীর কাছে জানতে চায় তাঁর বাবা। জিজ্ঞাসাবাদে তরুণী তাঁর বাবাকে জানায় সফিকুল ইসলাম জোরপূর্ব তাঁকে রাস্তা এক অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে যায়। তারপর পরিবারের লোকজনদের মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে সফিকুল তাঁর সঙ্গে জোর করে সহবাস করে। প্রতিবাদ করলে তাঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতনও করে সফিকুল। কোনওভাবে প্রাণ বাঁচিয়ে তাঁর মেয়ে ওই অজ্ঞাত জায়গা থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়। বৃদ্ধর আরও অভিযোগ তাঁর মেয়ে বাড়ি ফিরে আসার দদিন পর রাত সাড়ে দশটা নাগাদ সফিকুল ইসলাম লাথি মেরে তাঁর বাড়ির দরজা খুলে ঘরের ভিতরে ঢোকে। আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে তাঁর মেয়েকে ফের জোর করে তুলে নিয়ে যায়। বৃদ্ধ বাধা দিতে গেলে সফিকুল গুলি করে বৃদ্ধকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়।এই ঘটনার পরের দিন তরুণীর বৃদ্ধ বাবা সফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে কাটোয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিশ নড়েচড়ে বসে। অপহরণ, ধর্ষণ ও অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ অভিযুক্ত সফিকুলের খোঁজ শুরু করে। অবশেষে মঙ্গলবার সফিকুল ইসলাম কাটোয়া থানার পুলিশের জালে ধরা পড়ে।উদ্ধার হয় তরুণীও। ধৃতকে হেপাজতে নিয়ে পুলিশ আগ্নেআস্ত্রটি উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

অক্টোবর ২১, ২০২১
রাজ্য

Teachers at Doors: পূর্ব বর্ধমানে ’দুয়ারে শিক্ষক“-এ শিক্ষকদের মানবিকতা ও মাতৃভক্তির পাঠ মন্ত্রীর, তুঙ্গে বিতর্ক

দুয়ারে শিক্ষক শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শিক্ষকদের মাানবিকতা ও মাতৃভক্তি সংক্রান্ত পাঠ বিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার রবীন্দ্র পরিষদে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, করোনা অতিমারিতে শিক্ষকরা ঘরে বসেই প্রতি মাসের বেতন পেয়ে গেছেন। তাঁরা নিজের পরিবারের জন্য নিয়মিত বাজার করেছেন। কিন্তু অতিমারিতে দুঃস্থ মানুষের পাশে শিক্ষকরা সেভাবে দাঁড়াননি। এটা তিনি লক্ষ্য করেছেন বলে স্বপন দেবনাথ জানান। একই সঙ্গে শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শিক্ষকরা মাটির দুর্গাকে প্রণাম করেন, পুষ্পাঞ্জলি দেন। কিন্তু নিজের বাড়িতে মাকে অভুক্ত রাখেন। বাড়িতে বসে থাকা জ্যান্ত মা কেন অভুক্ত থাকবেন? কেন অনাদরে পড়ে থাকবেন? মন্ত্রী দাবি করেন, নিজের মাকে অনাদরে রাখার সংখ্যা কম নয়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এদিন শিক্ষকদের উপদেশ দেন, দুর্গামাকে প্রণাম করুন। কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু গর্ভধারিণী মাকে যেন অভুক্ত রাখবেন না। জ্যান্ত মাকে হাসিখুশি রাখুন। শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রীর করা এমন মন্তব্য শিক্ষক মহলে যেমন শোরগোল ফেলে দিয়েছে তেমনই তৈরি হয়ছে বিতর্ক।আরও পড়ুনঃ শারদঅর্ঘ্যঅনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ পুজোর সময়ে শিক্ষকদের দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানান। স্বপনবাবু বলেন, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক মিলিয়ে জেলায় ২০ হাজারের বেশী শিক্ষক রয়েছেন। প্রত্যেক শিক্ষক যদি দুটো করে জামা-প্যান্ট দুঃস্থ শিশুদের কিনে দেন তাহলে অনেক শিশু পুজোয় নতুন জামা পরতে পারবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষকগণ মন্ত্রীর এই আবেদনের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন ঠিকই। তবে মন্ত্রীর করা বাকি বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না।আরও পড়ুনঃ রেললাইনের ধার থেকে উদ্ধার নিখোঁজ যুবকের মৃতদেহজেলা শিক্ষক সমিতির সম্পাদক বিশ্বনাথ সাহা এদিন দাবি করেন, করোনা অতিমারির সময়ে কাটোয়ার বিধায়কের উদ্যোগে কাটোয়ার শিক্ষকরা সর্বোতভাবে দুঃস্থ মানুষ জনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। অন্যদিকে নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতির সদস্য কৌশিক দে দাবি করছেন, করোনা অতিমারি কালে শিক্ষকরা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে নিজেদের সাধ্য মতো দান করেছেন। বহু শিক্ষক ব্যক্তিগত উদ্যোগেও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তারপরেও মন্ত্রী তাঁর মন্তব্যের মধ্য দিয়ে গোটা শিক্ষক সমাজকে ছোট করলেন।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Child Fever: বেড ঘাটতির কারণে জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের ঠাঁই হয়েছে কাটোয়া হাসপাতালের মেঝেতে

শিশুদের জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়ার সংখ্যা বেড়ে চললেও বাড়েনি হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে বেডের সংখ্যা। তাই জ্বর, সর্দি ও কাশি উপসর্গ নিয়ে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল ভর্তি হওয়া অনেক শিশুর ঠাই হয়েছে মেঝেতে। অসুস্থ শিশুদের মেঝেতে রেখেই চলছে চিকিৎসা। চাহিদা অনুয়ায়ী শিশু ওয়ার্ডে বেড কম থাকার কথা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বীকার করে নিলেও বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ চেপে রাখেননি চিকিৎসাধীন শিশুর পরিজনরা।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে নবান্ন, টুইট আক্রমণ শুভেন্দুরকাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে সারা বছরই রোগীর চাপ থাকে। পূর্ব বর্ধমান জেলার পাশাপাশি প্রতিবেশী জেলা মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও নদীয়া থেকে রোগীরা চিকিৎসা করাতে এই হাসপাতালে আসেন। তারই মধ্যে বর্তমান জ্বর, সর্দি ও কাশি উপসর্গ নিয়ে কাটোয়া হাসপাতালে শিশু ভর্তির সংখ্যা ব্যাপক ভাবে বেড়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় এখন তিল ধারনের জায়গা নেই কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, গত মঙ্গলবার হাসপাতালে ভর্তি হয় ৮৫ টি শিশু। বুধবার বিকাল পর্যন্ত ৫০ জন শিশু চিকিৎসাধীন থাকে। অথচ শিশু ওয়ার্ডে বেডের সংখ্যা ২০ তেই থমকে রয়েছে। তার কারণে অসুস্থ শিশুর ঠাঁই হয়েছে ওয়ার্ডের মেঝেতেই।আরও পড়ুনঃ পায়রার মৃত্যু নিয়ে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের পক্ষী প্রেমীরকাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল সুপার ধীরাজ রায় এই বিষয়ে জানান, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে বেডের চাহিদার কথা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে তাঁরা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে শিশুদের মধ্যে ভাইরাসঘটিত জ্বর সহ অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। রোজ রোজ শিশু রোগী ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে। তাই সমস্যা দেখা দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

কাটোয়ায় কর্মীসভা থেকে দলের জেলা সভাপতিকে হুমকি অনুব্রত ঘনিষ্ট তৃণমূল নেতার

বিধানসভা ভোটে অভাবনীয় জয়ের পরেও পূর্ব বর্ধমান জেলায় চরমে উঠেছে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। কর্মী সভা থেকে দলের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে হরিদাস পাল বলে কটুক্তি করলেন দলের অনুব্রত অনুগামী কাটোয়ার নেতা অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘটনা জেলার রাজনৈতিক মহলে যথেষ্টই শোরগোল ফেলে দিয়েছে। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি জেলার বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও কাটোয়ার বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথবাবু এদিন স্পষ্ট জানিয়েদেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হওয়া কর্মী সভা দলের কর্মীসভা নয়। অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় নামে নামে কে কর্মী সভার আয়োজন করেছে তাঁকেও চেনেন না বলেও রবীন্দ্রনাথবাবু জানিয়েদেন।কাটোয়া শহরের রবীন্দ্র পরিষদে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের ঘনিষ্ট ও অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামী হিসাবে পরিচিত দলের জেলা সম্পাদক অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় ওই কর্মী সভায় নেতৃত্ব দেন। কর্মী সভায় তিনি বেশ কয়েকজন কর্মীকে সম্বর্ধনা দেন। অরিন্দমবাবু দাবি করেন, দলের কর্মসূচিতে যে সমস্ত তৃণমূল কর্মীদের বিধায়ক ডাকেন না সেইসব তৃণমূল কর্মীদের তিনি সম্বর্ধনা দিলেন। সম্বর্ধনা শেষে বক্তব্য রাখতে উঠে অরিন্দম বাবু জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে একের পর এক কটুক্তি করেন। তিনি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের নাম মুখে না এনে বলেন, ২০১৫ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়ে বিধায়ক ও দলের জেলা সভাপতি হয়েছেন। পুরানো তৃণমূল কর্মীদের কোন অসম্মান করতে আর ওনাকে দেব না।আরও পড়ুনঃ নিম্নচাপে বিধ্বস্ত রাজ্য, রাতভর তুমুল বৃষ্টিতে ভাসছে শহর থেকে জেলামমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে স্লোগান দিতে কোন হরিদাস পালের অনুমোদন লাগে না। হরিদাস পালের অনুমতিও নেবেন না। পুলিশ দিয়ে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই।২০১৫ সালে যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গালাগাল দিত তাঁরাই আজ কাটোয়ায় তৃণমূলের ক্ষমতায় আছে। তাঁরাই রাজনীতিটাকে ব্যবসায় পরিণত করেছে। এমন নেতা ও তাঁর সাগরেদদের সম্পত্তির হিসাব নেওয়া হবে। পাশাপাশি জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে নাম না করে হুমকির সুরে অরিন্দমবাবু বলেন, আপনি এমন কোন হরিদাস পাল নন যে আপনাকে মাথায় করে রাখতে হবে।আপনাকে ছেড়ে কথা বলব না।তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্ব মাস খানেক আগে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি পদে বদল ঘটায়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে সরিয়ে কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে জেলা সভাপতি করে দল। তারপর থেকে দলের একাংশ রবীন্দ্রনাথবাবুর বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছিলেন। এমনকি রবীন্দ্রনাথবাবু জেলা সভাপতি হওয়ার পরে কেতুগ্রামে এক জনসভা মঞ্চ থেকে অনুব্রত মণ্ডলকে বলতে শোনা যায়, দলের কাটোয়ার দায়িত্ব সামলাবে অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় সূত্রে খবর অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের যেমন অনুগামী তেমনই তিনি প্রাক্তন পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি স্বপন দেবনাথেরও ঘনিষ্ট। তবে রবীন্দ্রনাথবাবুকে কটুক্তি করা নিয়ে প্রাক্তন জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথ তাঁর ঘনিষ্ট অরিন্দম বন্দ্যোপধ্যায়ের পাশে দাঁড়াননি। স্বপনবাবু স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অরিন্দমের বক্তব্য আমি সমর্থন করি না। কর্মীসভা করতে হলে দলের জেলা সভাপতির অনুমতি নিয়েই করতে হবে।আরও পড়ুনঃ বাবা-মায়ের সঙ্গে ভালো সময় কাটছে ইউভানবিজেপি পূর্ব বর্ধমান জেলা সহসভাপতি অনিল দত্ত এই প্রসঙ্গে বলেন, তৃণমূলের এক নেতা তাঁদেরই জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে হুংকার ছাড়ছেন। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল এখন কোন পর্যায়ে পৌছেছে। দলের জেলা সভাপতিকে যিনি কটুক্তি করছেন তাঁর মাথায় তৃণমূলের উপর সারির নেতাদের হাত রয়েছে বলেই মত বিজেপি নেতৃত্বের।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Patient : চিকিৎসাধীন রোগীর তান্ডবের হিসেব-নিকেশ, ১৫ লাখ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম নষ্ট

এক আধ টাকার ক্ষয় ক্ষতি নয়। চিকিসাধীন থাকা এক প্রৌঢ় রোগী ভাঙচুর চালিয়ে নষ্ট করে দিয়েছেন হাসপাতালের এইচডিইউ ওয়াডের ১৫ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম।এমনটা জেনে সকলের অবাক লাগাটাই স্বাভাবিক।কিন্তু বাস্তবেই এমনটা ঘটেছে পূর্ব বর্থমানের কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। প্রৌঢ় রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক রাতের তাণ্ডবে ১৫ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম নষ্ট হওয়া সংক্রান্ত রিপোর্ট সোমবার কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের সুপার ধীরাজ রায় জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠিয়েছেন। এই ঘটনা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মী মহলে যথেষ্টই উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ কাটোয়া হাসপাতালে বৃদ্ধ রোগীর বেনজির তান্ডব, ভেঙে চুরমার লক্ষ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সামগ্রীহাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি কাটোয়া শহরের গোয়ালপাড়া এলাকায়। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। বেশ কিছু দিন ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন।পরিবারের লোকজন গত শনিবার সকালে তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালে তাঁর বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। রক্ত পরীক্ষায় অরুণবাবুর সোডিয়াম পটাসিয়াম ঘাটতি ধরা পড়ে।সেই কারণে তাঁকে হাসপাতালের জেনারেল ওয়ার্ড থেকে হাই ডিপেনেন্সি ইউনিটের(এইচডিইউ) ৬ নম্বর বেডে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর হাতে স্যালাইনের চ্যানেলও গোঁজা ছিল। সেই অবস্থাতেই একটি কাটের তুল হাতে নিয়ে শনিবার রাতে তিনি হঠাৎতই রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন। এরপরেই তিনি হাসপাতালের এইচডিইউ বিভাগে ব্যাপক ভাঙচুর শুরু করেদেন। তাকে বিরতে করতে গিয়ে কর্তব্যরত দুই নার্সও আক্রান্ত হন। ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেওয়ার যন্ত্রগুলি তিনি একে একে ভেঙে দেন। এছাড়াও এইচডিইউ বিভাগে থাকা কম্পিউটারের সিপিইউ, মনিটরসহ অন্য নানা দামি মেশিনপত্র তিনি মাটিতে আছড়ে ভেঙে দেন। অক্সিজেন ভর্তি সিলিন্ডার ও ওষুধের প্যাকেটও তিনি ফেলে নষ্ট করে দেন। রোগী অরুণবাবুকে বিরত করতে গিয়ে কর্তব্যরত দুজন নার্সও আক্রান্ত হন। অরুণ বাবুর রুদ্রমূর্তি দেখে এরপর কেউ তাঁকে বিরত করার শাহস আর দেখাননি। হাসপাতালের সিকিউরিটি গার্ড, সিভিক ভলেন্টিয়াররা সবাই কার্যত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ওই রোগীর তান্ডবলীলা দেখতে বাধ্য হন। পরের দিন ওই রোগীকে কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।আরও পড়ুনঃ ষাঁড়ের গুঁতোয় এবার প্রাণ হারালেন কাটোয়ার বৃদ্ধ, আতঙ্কে কাঁপছে মানুষজনকাটোয়া হাসপাতাল সুপার ধীরাজ রায় এদিন বলেন, ক্ষয় ক্ষতির সবিস্তার রিপোর্ট তিনি জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠিয়েছেন। ভাঙচুরের কারণে পরিষেবা সাময়িক ভাবে ব্যহত হলেও জরুরিকালীন ভিত্তিতে টেকনিশিয়ানদের ডেকে কাজ করানো হয়। তারপর থেকে এখন স্বাভাবিক পরিষেবা চলছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Elderly Patient: কাটোয়া হাসপাতালে বৃদ্ধ রোগীর বেনজির তান্ডব, ভেঙে চুরমার লক্ষ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সামগ্রী

ভাঙচুর চালিয়ে হাসপাতালের এইচডিইউ বিভাগের লক্ষাধিক টাকা মূল্যের চিকিৎসা সরঞ্জাম ভেঙে নষ্ট করে দিল চিকিৎসাধীন এক রোগী। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। বৃদ্ধ রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় হাসপাতালে তাণ্ডব চালানোর সময়ে তাঁকে বিরত করতে গিয়ে জখম হন এইচডিইউ বিভাগে কর্তব্যরত দুই নার্স। রোগীর তাণ্ডবে দুই নার্সকে জখম হতে দেখে হাসপাতালের আর কোন কর্মী ওই রোগীর কাছে ঘেঁষার সাহস দেখাননি। চিকিৎসাধীন রোগীর এমন তাণ্ডবের জেরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী মহলে। কি কারণে রোগী এত ভায়লেন্ট হয়ে উঠলেন সেই বিষয়টি চিকিৎসকদের ভাবিয়ে তুলেছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি কাটোয়া শহরের গোয়ালপাড়া এলাকায়। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। পরিবারের লোকজন গত শনিবার সকালে অরুণবাবুকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালে তাঁর বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। রক্ত পরীক্ষায় অরুনবাবুর সোডিয়াম, পটাসিয়ামের ঘাটতি ধরা পড়ে। সেই কারণে তাঁকে হাসপাতালের জেনারেল ওয়ার্ড থেকে হাই ডিপেনেন্সি ইউনিটের(এইচডিইউ) ৬ নম্বর বেডে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর হাতে স্যালাইনের চ্যানেলও গোঁজা ছিল। সেই অবস্থাতেই একটি কাটের তুল হাতে নিয়ে শনিবার রাতে তিনি হঠাৎই রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন। এরপরেই তিনি হাসপাতালের এইচডি ইউনিটে ব্যাপক ভাঙচুর শুরু করে দেন। এইচডিইউ বিভাগে শনিবার রাতে কর্মরত থাকা এক নার্স বলেন, শনিবার রাতে রোগীর তাণ্ডবের ঘটনা তিনি কোনদিন ভুলতে পারবেন না। ওই রাত তাঁদের চরম আতঙ্কে ও উৎকন্ঠার মধ্যে কাটাতে হয়েছে। তাঁদের চোখের সামনেই দামি ও গুরুত্বপূর্ণ বহু চিকিৎসা সরঞ্জাম ওই রোগী ভেঙে চুরমার করে দেন। ভয়ে আতঙ্কে তাঁরা কিছুই করতে পারেননি। অসহায়ের মত দাঁড়িয়ে থেকে তাঁদের সব দেখতে হয়। রোগী অরুণবাবু হঠাৎ কেন এমন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলেন তাও তাঁদের অজানা বলে ওই নার্স জানিয়েছেন। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটটি(এইচডিইউ) চালু হয়। প্রায় ৫৫ লক্ষ টাকা মূল্যের উন্নত যন্ত্রপাতি তখন এইচডিইউ বিভাগে বসানো হয়েছিল। ওই এইচডিইউ ইউনিটে চিকিৎসাধীন থাকা রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার রাত আনুমানিক ১টা নাগাদ অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে দেন। বেড থেকে উঠে একটি কাঠের টুল হাতে নিয়ে তিনি তান্ডব শুরু করে দেন। ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেওয়ার যন্ত্রগুলি তিনি একে একে ভেঙে ফেলেন। কোনরকমে তাঁর হাত থেকে টুলটি কেড়ে নেওয়া গেলেও তাঁকে রোখা যায়নি। এরপর খালি হাতেই তিনি এইচডিইউ বিভাগে থাকা কম্পিউটারের সিপিইউ, মনিটরসহ অনান্য মেশিনপত্র মাটিতে আছড়ে ভেঙে দেন। অক্সিজেন ভর্তি সিলিন্ডার ও ওষুধের প্যাকেটও তিনি ফেলে দেন। অরুণবাবুকে বিরত করতে গিয়ে কর্তব্যরত দুজন নার্সও আক্রান্ত হন। তারপর আর কেউ তাঁকে বিরত করতে যাওয়ার সাহস করেননি। হাসপাতালের নার্স, সিকিউরিটি গার্ড, সিভিক ভলেন্টিয়ারা সবাই কার্যত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ওই রোগীর তান্ডব লীলা দেখতে বাধ্য হন। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের সুপার ধীরাজ রায় জানান, তিনি তাঁর চাকুরি জীবনে এমন ঘটনা এই প্রথম দেখলেন। এইচডিইউ বিভাগের অনেক দামি দামি মেশিনপত্র ওই রোগী ভেঙে নষ্ট করে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে কয়েক লক্ষ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম ওই রোগী ভাঙচুর করে নষ্ট করে দিয়েছেন। ঘটনার সবিস্তার রিপোর্ট জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।চিকিৎসাধীন ওই রোগী রাতে হঠাৎই কেন এত ভায়োলেন্ট হয়ে উঠলেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সুপার জানিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Old Man Died: ষাঁড়ের গুঁতোয় এবার প্রাণ হারালেন কাটোয়ার বৃদ্ধ, আতঙ্কে কাঁপছে মানুষজন

ক্ষিপ্ত ষাঁড়ের গুঁতোয় প্রাণ হারালেন এক বৃদ্ধ গোপালক। মৃতের নাম রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস (৬৪)। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার মোস্তাপুর গ্রামে।সোমবার সন্ধ্যায় রবীন্দ্রনাথ বাবু যখন তাঁর পোষা গাইগরুটিকে গোয়াল ঘরে ঢোকাচ্ছিলেন তখনই ষাঁড়টি তেড়ে এসে তাঁকে গুঁতোয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় গোপালক রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন নিয়ে যান কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।আরও পড়ুনঃ রাগী ষাঁড়ের গুঁতোয় প্রাণে বাঁচলেও মুখের একপাটি দাঁত খোয়ালেন এক শ্রমিকএই ঘটনা জানার পর থেকে ষাঁড়ের আতঙ্কে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন মোস্তাপুর গ্রামের বাসিন্দারা। বরাত জেরে প্রাণে বেঁচে গেলেও ষাঁড়ের গুঁতোয় গত শনিবার মুখের অর্ধেক দাঁত খোয়ান লক্ষণ রাজপুত নামে কালনার এক শ্রমিক। এই ঘটনার পর তিনদিন কাটতে না কাটতেই ষাঁড়ের গুঁতোয় কাটোয়ায় প্রাণ হারালেন বৃদ্ধ। মৃত রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসের স্ত্রী সরস্বতীদেবী এদিন জানিয়েছেন, তাঁর একমাত্র ছেলে ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করে। তাঁরা স্বামী ও স্ত্রী মিলে জনমজুরির পাশাপাশি গোপালন করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। স্বামীর এমন অকাল মৃত্যুতে পরিবারে দুঃখের দিন ফিরে আসবে বলে সরস্বতীদেবী এদিন জানান। জানা গিয়েছে, বছর পাঁচেক আগে হঠাৎ করেই এলাকায় আবির্ভাব ঘটে কালচে খয়েরি রঙের হোমড়াচোমড়া ষাঁড়টির। স্থানীয় দুতিনটে গ্রামে নিজের মন মর্জি মত ষাঁড়টি ঘুরে বেড়াতো। সম্প্রতি ষাঁড়টি উগ্র সভাবের হয়ে ওঠে। তার হামলায় ইতিমধ্যেই এলাকার অনেকে আহতও হয়েছে। গ্রামবাসীরা ষাঁড়টির ভয়ে সিঁটিয়ে থাকতেন। ষাঁড়টির গুঁতোয় এলাকার বাসিন্দা রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস মারা যাওয়ার পর স্থানীয় মানুষজন ষাঁড়টিকে এখন এলাকা ছাড়া করার জন্য প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Hospital Waste : দূষণ ছড়ানোয় হাসপাতালের বর্জ্য সুপারের অফিসের সামনে ফেলে দিয়ে পালালো বাসিন্দারা

হাসপাতালের বর্জ্য থেকে ছড়ানো দূষণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন বাসিন্দারা। প্রতিবাদ স্বরূপ তাঁরাই ওই বর্জ্য তুলে এনে ফেলে দিলেন হাসপাতাল সুপারের অফিসের সামনে। অতিমারি সময়কালে দূষণ নিয়ে এলাকার বাসিন্দাদের এমন প্রতিবাদ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মহলে। বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল সুপার বৃহস্পতিবার কাটোয়া থানার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। বর্জ্য সাফ করা নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থা এরপর নেয় সেদিকেই এখন তাকিয়ে বাসিন্দারা।কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে মৃতদেহ রাখার ঘরের পিছন দিকে সাইকেল স্ট্যান্ডের কাছেই রয়েছে হাসপাতালের বায়ো মেডিকেল ওয়েষ্টেজ(বর্জ্য) ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা। ছাউনি দিয়ে ঘেরা ওই জায়গায় রয়েছে ঢাকনা দেওয়া পাত্র।সেখানেই হাসপাতালের যাবতীয় বর্জ্য সামগ্রী ফেলার কথা। ওই আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য একটি এজেন্সিকে দায়িত্বও দেওয়া রয়েছে। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল লাগোয়া এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, হাসপাতালে ওয়েষ্টেজ কালেকশন সেন্টারে জমা হওয়া আবর্জনা দীর্ঘদিন পরিষ্কার করা হয়নি। তার করণে ঢাকনা দেওয়া পাত্র ছাপিয়ে গিয়েছে হাসপাতালের বায়োমেডিকেল ওয়েষ্টেজে। বর্তমানে ওই সমস্ত বর্জ্য বাইরে স্তুপাকার হয়ে রয়েছে। অতিমারির সময়কালে হাপাতালের ওইসব বর্জ্য থেকে দূর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি দূষণও ছড়াচ্ছে। এছাড়াও কাক ও কুকুর ওইসব বর্জ্য মুখে করে তুলে নিয়ে গিয়ে হাসপাতাল লাগোয়া বাসিন্দাদের বাড়িতে নিয়েনিয়ে গিয়েও ফেলছে। ওইসব বর্জ্য থেকেও রোগ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বাসিন্দা মহলে।বাসিন্দারা দাবি করেন বিষয়টি নিয়ে তাঁরা বার বার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন।কিন্তু কোন কাজ হয়নি। দূষণের কারণে অতিষ্ঠ হওয়া এলাকার প্রতিবাদিরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের টনক নড়াতে বুধবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ বেশ কিছু ওই বর্জ্য তুলে এনে সুপারের অফিস ঘরের সামনে ফেলেদিয়ে চলে গায়েব হয়ে যান। তখন যদিও হাসপাতাল সুপার ধীরাজ রায় অফিসে ছিলেন না। হাসপাতাল কর্মীদের কাছ থেকে ঘটনার কথা জানতে পেরে তিনি ক্ষুব্ধ হন। এদিন বিষয়টি নিয়ে সুপার কাটোয়া থানার পুলিশেরও দৃষ্টি আকর্ষণও করেছেন বলে খবর। হাসপাতাল সুপার ধীরাজ রায় এদিন বলেন, হাসপাতালের বর্জ্য সময়মতো তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য যে এজেন্সি রয়েছে তারা ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন করবেন বলেই আশ্বাস দিয়েছিল। একই সঙ্গে সুপার বলেন, তাঁর অফিসের সামনে যারা আবর্জনা ফেলে দিয়ে গিয়েছে তাঁদের চিহ্নিত করে থানায় লিখিত অভিযোগ জানাবেন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

Marrying a Minor: নাবালিকাকে বিয়ে করার দায়ে শ্রীঘরে ঠাঁই চাইল্ড লাইন সদস্যের

নাবালিকাকে বিয়ে করার দায়ে গ্রেপ্তার হলেন নাবালিকা বিয়ে রোখার দায়িত্বে থাকা চাইল্ড লাইনেরই এক সদস্য। ধৃতের নাম অরুপ সাহা। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার বরমপুর গ্রামের অরপ সাহা চাইল্ডলাইনের কাটোয়া শাখার একজন সদস্য।কাটোয়া থানার পুলিশ শুক্রবার রাতে বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার ধৃতকে পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। বিচরক ধৃতের ৪ দিন জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। চাইল্ড লাইন সদস্যের এমন কীর্তির কথা জেনে স্তম্ভিত কাটোয়াবাসী।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৬ বয়সী যে নাবালিকাকে অরুপ সাহা গত ১ জুলাই বিয়ে করে তার বাড়ি কাটোয়ার মুস্থুলি গ্রামে। স্থানীয়দের মাধ্যমে এই বিয়ের বিষয়ে খবর পায় চাইল্ড লাইন কর্তৃপক্ষ। ঘটনা জানার পরেই ৩ সদস্যের কমিটি গড়ে সংস্থার তরফে শুরু হয় তদন্ত। তাঁরা নাবালিকার বয়সের প্রমাণপত্র ও বিয়ের প্রমানসহ সবকিছু তথ্য খতিয়ে দেখেন। তদন্ত কমিটি গত ২৯ জুলাই উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য সহ রিপোর্ট জমা দেয়। এরপর গত ৬ আগষ্ট পূর্ব বর্ধমান জেলা সমাজকল্যাণ আধিকারিকের কাছে এ নিয়ে ই-মেলের মাধ্যমে অভিযোগ জানান সংস্থার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর জে মজুমদার। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা সমাজকল্যাণ আধিকারিক প্রশান্ত রায় গত মঙ্গলবার কাটোয়া থানায় অরূপ সাহার বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে কাটোয়া থানার পুলিশ শুক্রবার রাতে অরূপ সাহাকে গ্রেফতার করে।আরও পড়ুনঃ ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার চার নাবালক ছাত্রধৃত অরুপ সাহা যদিও দাবি করেছেন, তাঁর বাবা মারা গিয়েছেন। বাড়িতে অসুস্থ মা একাই থাকেন। সংসার সামালনোর জন্য তাঁর মা বিয়ে করে নেওয়ার জন্য তাঁকে খুব চাপ দিচ্ছিলেন। এমন অবস্থার মধ্যে পড়ে গিয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত বিয়ে করতে বাধ্য হন ।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজ্য

Cannabis Smugglers: কাটোয়ায় গ্রেপ্তার তিন আন্তরাজ্য গাঁজা পাচারকারী, উদ্ধার ১ কুইন্টল গাঁজা

মুরগির খাবারবাহী পিকআপ ভ্যানে গাঁজা পাচার করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়লো তিন গাঁজা পাচারকারী। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে কাটোয়ার জাজিগ্রাম মোড় থেকে তাদের ধরে। ধৃতরা হল মদন সরকার, সঞ্জু মালো ও শিবু বর্মন। ধৃতরা কোচবিহার জেলার কোতয়ালি থানার রাজপুর গ্রাম, দিনহাটার রঙ্গপালি ও হুগলির ত্রিবেনীর বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, ধৃতদের ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১ কুইন্টল গাঁজা। ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে গাঁজা বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি পুলিশ পিকআপ ভ্যানটিও আটক করেছে।আরও পড়ুনঃ ইতালিয়ান ফুটবলে সি আর সেভেন যুগের পরিসমাপ্তি, যোগ দিচ্ছেন ম্যান ইউতেতিন ধৃতকেই পুলিশ শুক্রবার পেশকরে মাদক সংক্রান্ত মামলার বিচারের জন্য গঠিত বর্ধমানের বিশেষ আদালতে। বিচারক ৩ ধৃতকে ৬ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ আর নিজের পায়ে হাঁটতে পারবেন না ক্রিস কেয়ার্নস?পুলিশ ছানিয়েছে, গাঁজা পাচারকারীদের কাটোয়া এলাকায় গাঁজা পাচার করতে আসার খবর আগাম পৌছে গিয়েছিল কাটোয়া থানায়। গোপন সূত্রে সেই খবর পাওয়ার পর কাটোয়া থানার পুলিশ কয়েকদিন যাবৎ বিভিন্ন সড়ক পথে নাকাচেকিং চালানো শুরু করে। বৃহস্পতিবার রাতে জাজিগ্রাম মোড়ে মুরগির মালবাহী পিকআপ ভ্যানটি আটকে পুলিশ তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় বস্তাবন্দি ১০০ কেজি গাঁজা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ জানতে পেরেছে, মদন সরকার এই আন্তরাজ্য গাঁজা পাচার চক্রের মূল পান্ডা। তারা কোচবিহার ও শিলিগুড়ি থেকে গাঁজা এনে দক্ষিনবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় পাচার করতো। চক্রের বাকিদের হদিশ পেতে পুলিশ ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

আগস্ট ২৭, ২০২১
রাজ্য

Murdered : সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে খুন মামা, গ্রেফতার ভাগ্নে

সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে মামাকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল ভাগ্নে। পলাতক বোন। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার দোয়াসীন গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মামা অরবিন্দ মাঝি (৪২) কে খুনের দায়ে ধৃত ভাগ্নের নাম রাহুল ঘরুই। মৃত ও ধৃত দুজনেরই বাড়ি দোয়াসীন গ্রামে। এই খুনের ঘটনার পর থেকেই পলাতক মৃতের বোন মৌসুমী ঘরুই। পুলিশ তারও সন্ধান চালাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে অশান্তি অব্যাহত বর্ধমানের খাগড়াগড়েপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় চাষি অরবিন্দ মাঝির বাড়ি দেয়াসীন গ্রামের মাঝেরপাড়ায়। তাঁর দিদি মৌসুমী ঘরুইয়ের শ্বশুরবাড়ি কালনা মহকুমার পূর্বস্থলী থানার আটপাড়া গ্রামে। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় মৌসুমীদেবী বিয়ের ৩ বছর পার হতে না হতেই দোয়াসীন গ্রামে বাপের বাড়ি চলে আসেন। তারপর থেকে একমাত্র ছেলে রাহুলকে সঙ্গে নিয়ে মৌসুমীদেবী বাপের বাড়িতেই রয়ে আছেন।আরও পড়ুনঃ আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদল বৈঠকে যোগ দেবে তৃণমূলএলাকা সূত্রে জানা গিয়েছে, মৌসুমীদেবীরা ৬ বোন ও ২ ভাই। তাঁদের বাবা শ্যাম মাঝি কয়েক বছর আগে মারা গিয়েছেন। এই মাঝি পারিবারের সম্পত্তি নিয়ে রবিবার সন্ধ্যায় মৌসুমীদেবীর সঙ্গে তাঁর ভাই অরবিন্দর বচসা বাঁধে। সেই সময়েই রাহুল বাড়ি ফেরে। এরপর রাহুল ও তাঁর মায়ের সঙ্গে অরবিন্দবাবুর তুমুল কথা কাটাকাটি শুরু হয়। মৃতর স্ত্রী রমাদেবী অভিযোগ, কথা কাটাকাটি চলার সময়ে বাড়িতে থাকা টিউবওয়েলের একটা বাতিল লোহার হ্যান্ডেল নিয়ে ভাগ্নে রাহুল তাঁর স্বামীর মাথায় সজোরে মারে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁর স্বামী অরবিন্দ মাঝি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। রমাদেবী বলেন, এই ঘটনার পরেই রাহুল ও তাঁর মা মৌসুমী বাড়ি ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করে। তারই মধ্যে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে রাহুলকে ধরে ফেলতে পারলেও মৌসুমী পালায়। এরপর ওইদিন রাতেই অরবিন্দবাবুকে উদ্ধার করে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। রমাদেবী ঘটনা সবিস্তার জানিয়ে এদিন কাটোয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ রাহুল ঘরুইকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ পলাতক রাহুলের মা মৌসুমী ঘরুইয়ের সন্ধান চালাচ্ছে বলে মৃতর স্ত্রী রমাদেবী জানিয়েছেন। ননদ ও ভাগ্নার কাঠোর শাস্তির দাবি করেছেন অরবিন্দবাবুর স্ত্রী ও প্রতিবেশীরা।

আগস্ট ২৩, ২০২১
রাজ্য

Minor Marriage: চার হাত এক হওয়ার মুহূর্তে ব্যাকুল খুদে প্রেমিকার স্বপ্ন ভঙ্গ

বিয়ের বয়স না হলেও প্রেমিককেই জীবনসঙ্গী হিসাবে পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল খুদে প্রেমিকা। তাই বুধবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার মণ্ডলহাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রেমিকা সটান চলে আসে পুর্বস্থলীর হলদি-নপাড়া এলাকা নিবাসী প্রেমিকের বাড়িতে। তাঁদের বিয়ের সব আয়োজনও সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ ওই রাতেই সেখানে পৌছে যাওয়ায় ছাদনাতলায় বসার আগেই স্বপ্নভঙ্গ হল প্রেমিকার। সাবালিকা হয়ে প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ের পিড়িতে বসার জন্য প্রেমিকাকে এখন পার করতে হবে পাঁচ পাঁচটা বসন্ত।দুই পরিবারের কাছ থেকে তেমনই মুচলেখা আদায় করে নিয়েছে পুলিশ ও চাইল্ড লাইন কর্তৃপক্ষ । নবালিকা অবশ্য সেই শর্তেই শেষমেষ সন্মতি জানিয়েছে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে এসএফআই-এর কনভেনশনপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়ার মণ্ডলহাট এলাকা নিবাসী নাবালিকার বয়স মাত্র ১৩ বছর। পূর্বস্থলীর হালদি-নপাড়া নিবাসী তাঁর প্রেমিকের বয়স কুড়ি। এই যুবককে বিয়ে করার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল প্রেমিকা। তাই বুধবার সে সটান চলে আসে প্রেমিক যুবকের বাড়িতে।প্রেমিকাকে নিরাশ করতে না চেয়ে যুবকের পরিবার দুজনের চার হাত এক করার যাবতীয় আয়োজনও সম্পূর্ণ করে ফেলেন।আরও পড়ুনঃ পড়ুয়াদের জন্য সুখবর, বড় ঘোষণা মমতারসেই খবর গোপনে পৌছে যায় পূর্বস্থলী থানার পুলিশের কাছে। পাত্র পাত্রী ছাতনা তলায় বিয়ের পিড়িতে বসার আগেই পুলিশ তাদের তুলে নিয়ে থানায় চলে যায়। পুলিশের তরফে খবর দেওয়া হয় চাইল্ড লাইনে। এদিন কাটোয়া থেকে চাইল্ড লাইনের টিম পূর্বস্থলী থানায় পৌছেয়া। ১৮ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত ওই নাবালিকার বিয়ে দেওয়া যাবে না বলে দুই পরিবার চাইল্ডলাইনের কাছে মুচলেখা দেয়। তার পর তারা ছাড়া পায়।আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোটের তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনায় সিআইডির জালে কুখ্যাত দুস্কৃতিচাইল্ড লাইন আধিকারিক সুচেতনা ভট্টাচার্য বলেন, অল্প বয়সে ছেলে, মেয়েদের বিয়ে দিলে তাদের শারীরিক ও মানসিক কি ক্ষতি হতে পারে তা দুই পরিবারকে বোঝানো হয়। বিবাহ সংক্রান্ত বয়সসীমা মানার ব্যাপারে দুই পরিবার এদিন মুচলেখা দিয়েছেন। নাবালিকাকে তাঁর বাড়িতে পৌছে দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Big Breaking: ডেকরেটার্স ব্যবসার আড়ালে বেআইনি অস্ত্র কারখানা, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ, পলাতক অস্ত্র কারবারি

ডেকরেটার্স সামগ্রী ভাড়া দেওয়া ব্যবসার আড়ালে গোপনে বাড়িতেই অস্ত্র কারখানা চালাচ্ছিলেন ব্যবসায়ী। তাও আবার মাটির দেওয়াল আর খড়ের চালার বাড়িতে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। গোপন সূত্রে সেই খবর পৌছায় পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার পুলিশে কাছে। এরপর আর একমুহূর্ত দেরি না করে পুলিশ এবং ওএসজি গ্রুপ মঙ্গলবার ভোর রাতে অভিযান চালায় কাটোয়ার লোহাপোতা গ্রামের রমজন আলি শেখের মাটির বাড়িতে। সেখানেই মেলে অস্ত্র কারখানার হদিশ। উদ্ধার হয় সদ্য তৈরি হওয়া ৩ টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৭ রাউন্ড কার্তুজ, বেশ কয়েকটি অর্ধেক তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ তৈরির বেশকিছু সরঞ্জাম। যদিও বেআইনি অস্ত্র কারখানার মালিক রমজান আলি শেখকে পুলিশ ধরতে পারেনি। পুলিশ তাঁর বাড়িতে পৌছানোর আগেই সে পালিয়ে যায়। পুলিশ হন্যে হয়ে এখন আগ্নেয়াস্ত্র কারবারি রমজান আলি শেখের খোঁজ চালাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুপুলিশ জানিয়েছে, লোহাপোতা গ্রামে রয়েছে রমজান আলি শেখের মাটির দেওয়াল আর খড়ের চালার তিন কুটুরি ঘর। গ্রামের লোকজন তাঁকে ডেকরেটার্স ব্যবসায়ী হিসাবেই জানে। বাড়িতে রয়েছেন রমজানের বামা, মা, স্ত্রী ও মেয়ে। বাড়ির সামনে চেয়ার, টেবিল ও অন্যান্য ডেকরেটার্স সামগ্রী রাখা রয়েছে। যা দেখে কারও ঘুণাক্ষরেও বোঝার উপায় নেই ওই বড়িতেই চলছিল আস্ত একটি অস্ত্র কারখানা।আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ তৈরির সরঞ্জামগোপন সূত্রে সেই খবর কাটোয়া থানায় পৌছাতেই পুলিশ নড়েচড়ে বসে। মঙ্গলবার ভোর রাতে রমজান আলি শেখের মাটির বাড়িতে অভিযানে গিয়ে পুলিশ কর্তারা কার্যত স্তম্ভিত হয়ে যান । পুলিশ সেখানে পৌঁছনোর আগেই যদিও রমজান আলি বেপাত্তা হয়ে যায়। পুলিশ মাটির বাড়ির একটি ঘরে ঢুকে দেখতে পায় ঘরের ভিতরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির যন্ত্রাংশ, তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ, গ্যাস সিলিন্ডার, লোহার পাইপ, স্প্রিং, স্ক্রু বহু সরঞ্জাম।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহলরমজানের সঙ্গে বিহারের মুঙ্গেরের অস্ত্র কারবারীদের যোগাযোগ ছিল কিনা সেই বিষয়টিই এখন পুলিশকে ভাবিয়ে তুলেছে। আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির জন্য রমজান আলি শেখের বাড়িতে বিহারের মুঙ্গেরের অস্ত্র কারবারীদের যাতায়াত ছিল কিনা সেই বিষয়টিও পুলিশ খতিয়ে দেখছে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(গ্রামীণ) ধ্রুব দাস জানিয়েছেন, লোহাপোতা গ্রামের রমজান আলি শেখ নামে এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম, কার্তুজ ইত্যাদি উদ্ধার হয়েছে। তবে রমজান আলি শেখ অভিযান শুরুর আগেই পালিয়ে যায়। তার সন্ধান চলছে। রমজানের পরিবারের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

আগস্ট ০৩, ২০২১
রাজ্য

Job Cheat: প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি! মহিলাদের বড়সড় প্রতারণার ঘটনায় ধৃত ৩

মহিলাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ উঠল একটি সংস্থার বিরুদ্ধে। কাজ পাওয়া তো দূরের কথা দেওয়া টাকাও ফেরত না মেলায় শনিবার প্রতারিত মহিলারা পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া থানার দ্বারস্থ হন। মহিলাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই সংস্থার এক ব্যক্তি ও দুই মহিলাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনকাটোয়া শহরের সুবোধ স্মৃতি রোড এলাকায় একটি মার্কেট কমপ্লেক্সে রয়েছে। সেখানেই রয়েছে কালনার বাসিন্দা এক ব্যক্তির অফিস ঘর। অফিসটি ২০১৯ সালে খোলা হয়। অফিসের সামনে ঝোলানো রয়েছে ভারত সরকারের বাণিজ্য এবং উদ্যোগ মন্ত্রালয়ের অধীনে ফুটওয়্যার ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট লেখা ব্যানার। ব্যানারে ব্যবহার করা হয়েছে অশোকস্তম্ভ লোগো। এছাড়া কৌশল বিকাশ কেন্দ্রলেখা আছে ওই ব্যানারে। ওই ব্যক্তি সেখানে নিজেকে ওই কেন্দ্রীয় সংস্থার লোক বলে পরিচয় দিতেন।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারতৃপ্তি লাহা, মিনা দেবনাথ, মাধবী দাস সরকার প্রমুখ মহিলারা বলেন, ওই ব্যক্তি নিজের কাজের সুবিধার জন্য স্থানীয় দুই গৃহবধূকে নিয়োগ করেছিলেন। সেই দুজন মহিলাই তাঁদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেলাইসহ বিভিন্ন হাতের কাজ শিখিয়ে কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতেন। কেন্দ্রীয় সরকারের নামে ব্যানার থাকায় তাঁরা ওই দুই মহিলার কথা বিশ্বাস করেছিলাম। এজন্য তাঁডের কাছ থেকে ১২০০-২৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন কাজের ব্যাবস্থা তো করছেই না, উপরন্ত টাকা চাইতে গেলে ফের নতুন গল্প শোনাচ্ছে। এলাকার ১ হাজারের অধিক মহিলা প্রতারিত হয়েছেন। কোথাও কোন সুরাহা না পেয়ে তাই বাধ্য হয়ে এদিন তাঁরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানান। গৃহবধুদের প্রত্যাশা পুলিশ তাঁদের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে পারবে।

জুলাই ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মমতার হারের পর তৃণমূলে নতুন সমীকরণ! বিধানসভায় বড় দায়িত্ব পেলেন কারা?

পনেরো বছর পর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা হারিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ফলে এবার বিধানসভায় বিরোধী আসনে বসতে হবে তৃণমূলকে। আর সেই কারণেই বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জোর জল্পনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে।অবশেষে শনিবার সেই জল্পনার অবসান ঘটাল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্ষীয়ান নেতা ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ই হচ্ছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা।একই সঙ্গে বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের চিফ হুইপ করা হয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে। এছাড়াও ডেপুটি বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্র।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মোট ৮০টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে সরকার গঠন করেছে। ভবানীপুর কেন্দ্রেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে।ফল ঘোষণার পর তৃণমূল বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সেই বৈঠকে কোনও নাম ঘোষণা করা হয়নি। অবশেষে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করল দল।রাজনৈতিক মহলের মতে, অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কাজের কারণেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের উপর ভরসা রেখেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। আগামী দিনে বিধানসভায় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তৃণমূলের মুখ হিসেবেই দেখা যাবে তাঁকে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

“আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দিয়েছে”, বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করে চলেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গণনাকেন্দ্রে তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলে আগেই অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন কালীঘাটের অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নতুন অভিযোগ তুললেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, বাড়ির ইন্টারনেট সংযোগও কেটে দেওয়া হয়েছে।শনিবার কালীঘাটে রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেই মঞ্চ থেকেই তিনি বলেন, বিজেপি জেতার রাত থেকেই তাঁর নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। মমতার কথায়, ওরা যেদিন জিতেছে, সেই রাত থেকেই আমাদের সব নিরাপত্তারক্ষী তুলে নিয়েছে। তার পর দেখলাম ফোন আসছে না, মেসেজ ঢুকছে না। পরে বুঝলাম আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দেওয়া হয়েছে। অন্তত এক ঘণ্টা আগে জানাতে পারত। তবে আমি ওদের দয়া চাই না। কারণ লড়াইটা আমরাই জিতেছি।এর আগেও গণনার দিন গুরুতর অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি দাবি করেছিলেন, গণনাকেন্দ্রে ঢোকার সময় তাঁকে বাধা দেওয়া হয় এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে মারধর করেন। তাঁর অভিযোগ, আমি এগিয়ে ছিলাম। তার পর বিজেপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কাউন্টিং সেন্টারে ঢুকে চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে। আমাকে ধাক্কা দেওয়া হয়, লাঠি মারা হয়। তখন সিসিটিভিও বন্ধ ছিল।মমতার এই ধারাবাহিক অভিযোগ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপি অবশ্য এই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। তবে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ইতিহাসে হাত শুভেন্দুর! নতুন বিতর্কে সরগরম বাংলা

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনই পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে শপথ গ্রহণের কয়েক ঘণ্টা পর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাসভবনে যান তিনি। সেখানে শ্রদ্ধা জানানোর পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস ১৯৪৭ সালের ২০ জুন হওয়া উচিত। তাঁর দাবি, ওই দিন বাংলাভাগের সিদ্ধান্ত হয়েছিল বলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে গড়ে উঠেছিল। তিনি জানান, এই বিষয়টি মন্ত্রিসভা এবং বিধানসভায় তোলা হবে। শুভেন্দুর কথায়, ইতিহাস বদলে দেওয়া যায় না। ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে আমাদের অবস্থাও বাংলাদেশে থাকা সংখ্যালঘু হিন্দুদের মতো হতে পারত।১৯৪৭ সালের ২০ জুন অবিভক্ত বাংলার আইনসভায় বাংলাভাগের প্রস্তাব ওঠে। ভোটাভুটিতে বাংলাভাগের পক্ষে মত পড়ে। তার ফলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হয় এবং পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। এই ঘটনাকেই সামনে রেখে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালনের দাবি জানিয়ে এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকারও এই দিনটিকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে পালন করে। লোকভবনেও প্রতি বছর ২০ জুন অনুষ্ঠান হয়।তবে তৎকালীন তৃণমূল সরকার এই সিদ্ধান্ত মানতে চায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাজ্য বিধানসভায় পয়লা বৈশাখকে বাংলা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাশ হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই দুই তারিখ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছিল। এবার রাজ্যে সরকার বদলের পর নতুন করে সেই বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলল শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যে।রাজনৈতিক মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম দিনেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভাবনাকে সামনে এনে শুভেন্দু স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা দিলেন। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে।মেটা বর্ণনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পয়লা বৈশাখের বদলে ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস করার কথা বলতেই শুরু তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

বিজেপিকে ঠেকাতে বাম-অতিবামদের ডাক মমতার! কালীঘাট থেকে বড় বার্তা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

একসময় তৃণমূলকে হারাতে সব বিরোধী শক্তিকে একজোট হওয়ার ডাক দিত বিজেপি। এবার বাংলায় ক্ষমতার পালাবদলের পর একই বার্তা শোনা গেল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। বিজেপিকে রুখতে বাম, অতিবাম-সহ সব বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে আসার আহ্বান জানালেন তিনি।শনিবার রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে কালীঘাটে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দোলা সেন, ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষ-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতা। সেই অনুষ্ঠান থেকেই বিরোধী ঐক্যের বার্তা দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আমি আবেদন জানাচ্ছি, বিজেপির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করছে তারা সবাই একজোট হোন। ছাত্র, যুব, রাজনৈতিক সংগঠন সবাই এক প্ল্যাটফর্মে আসুন। বাম, অতিবামদের নিয়েও আমার কোনও আপত্তি নেই। আমার কোনও ইগো নেই। বিজেপিকে রুখতে হলে সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় জয়ের পরই রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন একক শক্তিতে লড়াই করা তৃণমূল এখন বুঝতে পারছে যে বিজেপির বিরুদ্ধে বৃহত্তর বিরোধী জোট গড়া জরুরি। সেই কারণেই বাম ও অতিবাম দলগুলিকেও পাশে চাওয়ার বার্তা দিলেন মমতা।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বামের ভোটের বড় অংশ বিজেপির দিকে যাওয়াই এবারের নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে। সেই কারণেই বাম ভোটব্যাঙ্ককে ফের একত্রিত করার চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। একই সঙ্গে বিজেপি বিরোধী সব শক্তিকে এক ছাতার তলায় আনার বার্তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন মমতা।তবে মমতার এই আহ্বান নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে ঠিক করুন তিনি বিরোধী রাজনীতি করবেন কি না। বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের কথা যখনই উঠেছে, তখনই তিনি ভাঙনের রাজনীতি করেছেন। তাই এখন তাঁর কথায় কতটা বিশ্বাস করা যায়, সেটাই প্রশ্ন।অন্যদিকে সিপিএমএল নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, বাংলার বর্তমান পরিস্থিতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকেই রাস্তায় নামতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মতো আন্দোলন করুন, আমরাও করব।বাংলার রাজনীতিতে এই মুহূর্তে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বিজেপির উত্থানের পর বিরোধী শক্তিগুলির মধ্যে নতুন করে জোট রাজনীতির আলোচনা শুরু হওয়ায় রাজ্যের রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

২০২০-র সেই সিদ্ধান্তই বদলে দিল বাংলার রাজনীতি, আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর, শনিবার। মেদিনীপুরের কলেজ মাঠে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই দিনটি রাজ্য রাজনীতিতে বড় চমক তৈরি করেছিল। ঠিক সাড়ে পাঁচ বছর পর আবারও এক শনিবার বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকল। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।দুই শনিবারের এই রাজনৈতিক যাত্রা এখন শুভেন্দুর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সময় থেকেই তাঁর লক্ষ্য ছিল বাংলায় বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে হাতে খুব বেশি সময় পাননি তিনি। সেই নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসনে জয় পেলেও পরে একাধিক বিধায়ক দলবদল করেন। তৃণমূলে ফিরে যান মুকুল রায়ও।কিন্তু তারপরও থেমে থাকেননি শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা হিসেবে বিধানসভার ভিতরে এবং বাইরে লাগাতার তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়ে গিয়েছেন। বিজেপি কর্মীদের মনোবল বাড়াতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছুটে গিয়েছেন তিনি।শুভেন্দু বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রামে তিনি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগেও ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দু বুঝেছিলেন, ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রীকে চাপে রাখতে পারলে তার প্রভাব গোটা রাজ্যে পড়বে।শেষ পর্যন্ত সেই কৌশলই সফল হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পরপর দুবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনে হারিয়ে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। আর সেই সাফল্যের পর বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদে তাঁর নামই সবচেয়ে জোরালো হয়ে ওঠে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংগঠন শক্তিশালী করা থেকে শুরু করে বিজেপির ভোটব্যাঙ্ককে ধরে রাখাসব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই শেষ পর্যন্ত বাংলার মসনদে তাঁর বসা অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দুর শপথ মঞ্চে নজর কাড়লেন এই প্রবীণ নেতা, জানেন তাঁর পরিচয়?

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস গড়ল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে ব্রিগেড ময়দান।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়েন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে গোটা মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি বরাবরই বাংলায় নিজেদের রাজনৈতিক লড়াইকে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শের সঙ্গে যুক্ত করে এসেছে। ফল ঘোষণার দিনও বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান করেছিলেন।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই সময়ের অন্যতম সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে বিশেষ সম্মান জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।১৯৮০ সালে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলার সাংগঠনিক দায়িত্বও সামলান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্যকে বিজেপিতে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি দলের।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ হিসেবে টাকা দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডের মঞ্চে আবেগঘন মুহূর্ত! মোদির আলিঙ্গনে উঠে এলেন ৯৭ বছরের প্রবীণ নেতা

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস তৈরি করল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে গোটা ব্রিগেড।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়লেন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে ব্রিগেডের মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি সূত্রে দাবি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শেষযাত্রার সঙ্গীও ছিলেন তিনি।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই ঐতিহাসিক সময়ের সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে সম্মান জানানো হয়।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।পরে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলায় সংগঠন শক্তিশালী করার দায়িত্ব পান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্য সংগঠনে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি বিজেপির।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

রাজ্য়ের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু! সঙ্গে ছিলেন আরও পাঁচ মন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। শুক্রবার নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে তাঁকেই পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতেই বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেই সর্বসম্মতিক্রমে শুভেন্দু অধিকারীর নাম চূড়ান্ত করা হয়। বিজেপি সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু ছাড়া দ্বিতীয় কোনও নাম প্রস্তাবই করা হয়নি। যদিও বিধায়কদের অন্য নাম প্রস্তাব করার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান অমিত শাহ।শুভেন্দুর নাম ঘোষণা হওয়ার পর তাঁকে পদ্মফুল তুলে সংবর্ধনা দেন অমিত শাহ। বৈঠকে উপস্থিত বিজেপি বিধায়কদের মধ্যেও তখন উচ্ছ্বাস দেখা যায়।২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজনৈতিক চমক তৈরি করেছিলেন তিনি। যদিও সেই সময় রাজ্যে সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি।তবে এবারের নির্বাচনে আবারও বড় জয় পান শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন তিনি। এরপর থেকেই বিজেপির অন্দরে মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল।রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপির এই ঐতিহাসিক জয়ের পিছনে শুভেন্দুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং সংগঠনের উপর দখলও তাঁর পক্ষে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নামেই সিলমোহর দিল বিজেপি নেতৃত্ব।

মে ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal