• ১৬ চৈত্র ১৪৩২, বৃহস্পতি ০২ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kasba Fake Vaccination

কলকাতা

Fake Vaccination: কসবা-কাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে যোগের অভিযোগ বিজেপির

রাজ্যে টিকাকরণের নামে ব্যাপক বেনিয়ম চলছে বলে অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিতে চলেছে বিজেপি (BJP)। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ায় নিজের দলীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানান বাঁকুড়ার সাংসদ চিকিৎসক সুভাষ সরকার। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকার কেন্দ্রের পাঠানো টিকাকে নিজেদের কেনা টিকা বলে দাবি করছে। তাছাড়া, এদিন সুভাষবাবু একাধিক ছবি দেখিয়ে দাবি করেন, কলকাতার কসবায় ভুয়ো টিকাকরণ শিবির আয়োজনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ভুয়ো আইএএস (IAS) আধিকারিক দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে তৃণমূলের (TMC)। দুয়ারে সরকার প্রকল্পে একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে ছবি রয়েছে দেবাঞ্জনের। এই ভুয়ো টিকাকরণ নিয়ে রাজ্য সরকারকে এক এক হাত নিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্র সরকার সকলের জন্য ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করেছে, কিন্তু রাজ্য সরকার তা ঠিকভাবে বণ্টন করতে ব্যর্থ। উপরন্তু, এরকম ভুয়ো ঠিকাকরণে রাজ্যে মানুষের মনে ভয়ের সঞ্চার হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ হাম বা বিসিজি বা স্রেফ পাউডার গোলা জল দেওয়া হয়েছে কসবার ক্যাম্পেএরপর তিনি হাওড়ার মানপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকাকরণের নামে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। বলেন, সেখানে অবনী খুটিয়া নামে এক ব্যক্তি টিকা নিতে যান। সেখানে তাঁকে পঞ্চায়েত প্রধানের সুপারিশ লিখিয়ে আনতে বলা হয়। তিনি সেখানে গেলে দেখেন তাঁর ফোনে টিকাকরণের (Vaccination) এসএমএস ও সার্টিফিকেট চলে এসেছে। অথচ টিকাই নেননি অবনীবাবু। প্রশ্ন হল, তাহলে অবনীবাবুর টিকা কে চুরি করল? টিকাটা কে নিল? সেই টিকাই কি বাজারে বিক্রি হচ্ছে? রাজ্যে টিকাকরণের অডিটের দাবিও তোলেন তিনি। বলেন, প্রত্যেকটা টিকা কাকে দেওয়া হয়েছে তা জানা দরকার। রাজ্য সরকার এত অসৎ হলে তো মহা মুশকিল। এই অবনী খুটিয়া যদি এবার করোনায় আক্রান্ত হন। পরিবার যদি তাঁকে হারায়। তাহলে কি তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার?যাদবপুরের সাংসদ গেলেন জাল ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্পে ডোজ ও প্রচার নিতে!বিধায়ক লাভলী মৈত্র মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দিলেন,জয়েন্ট কমিশনার আইএএস অফিসার বলে!তাই জন্য কি আগেভাগে কেঁদে বলেছিলেন ফিরাদ সাহেব,আমায় কলকাতার মানুষকে বাঁচাতে দিল নাসঠিক তদন্ত হোক। দোষীরা যেন ছাড়া না পায়। pic.twitter.com/xOTuUV2Mab Saptarshi Chowdhury (@saptarshiOFC) June 25, 2021সুভাষবাবুর দাবি, কেন্দ্রের টিকাকে রাজ্যের টিকা বলে চালানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে ১.৭৫ কোটি টিকা দিয়েছে। সেখানে রাজ্য সরকার কিনেছে মাত্র ১৭ লক্ষ ভ্যাকসিন। তাতেই সব টিকা রাজ্য সরকার কিনেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। কেন্দ্রের নতুন নীতি অনুসারে কোনও রাজ্যকে আর একটাও টিকা কিনতে হবে না। কেন্দ্রীয় সরকার সবাইকে বিনামূল্যে টিকা দেবে। তিনি বলেন, পরিকাঠামো থাকলেও রাজ্য সরকার টিকাকরণের গতি শ্লথ করে রেখেছে। টিকার কৃত্রিম চাহিদা তৈরি করে টাকা উপার্জনের জন্য একাজ করছে তারা। কেন্দ্র আজ পর্যন্ত কত টিকা পাঠিয়েছে আর কত টিকা দেওয়া হয়েছে তার তথ্য কেন প্রকাশ করছে না রাজ্য? সুভাষবাবুর কথায়, এসব কথা জানিয়ে আমরা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেব।

জুন ২৫, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccination: হাম বা বিসিজি বা স্রেফ পাউডার গোলা জল দেওয়া হয়েছে কসবার ক্যাম্পে

কসবায় ভুয়ো টিকাকরণ শিবির নিয়ে আরও বাড়ল রহস্য। কোভিশিল্ড বা কোভ্যাক্সিন নয়, কসবার শিবিরে সম্ভবত হাম বা বিসিজি-র টিকা কিংবা পাউডার গোলা জল দেওয়া হয়েছিল। এমনই দাবি কলকাতা পুরসভার ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের। তাঁরা জানিয়েছেন যে টিকার কোনও ভায়ালেই ছিল না ব্যাচ নম্বর ও মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ। ছিল না টিকা তৈরির তারিখও। কী ছিল ওই সব ভায়ালে, তা নিয়ে বাড়ছে সন্দেহ। হাম বা বিসিজি-র টিকা কিংবা স্রেফ পাউডার গোলা জলও থেকে থাকতে পারে বলে অনুমান তদন্তকারীদের। সেটাই এত লোককে দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ হেরেও আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন বিরাটকসবার ওই শিবির টিকা নিয়ে প্রতারিত হয়েছেন অভিনেত্রী ও সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। তাঁর তৎপরতাতেই এই ঘটনা সামনে এসেছে। দেবাঞ্জন দেব নামে এক ব্যক্তি নিজেকে আইএএস অফিসার এবং কলকাতা পুরসভার যুগ্ম-কমিশনার হিসেবে ভুয়ো পরিচয় দেন। প্রচার করেন, কলকাতা পুরসভা এই শিবিরের আয়োজক। কসবা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে, গত ১০ দিন ধরে স্থানীয় ইউকো ব্যাংক বিল্ডিংয়ের দ্বিতলে ওই শিবির তৈরি করে চালাচ্ছিলেন তিনি। গত ১০ দিন ধরে সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে এ ভাবেই প্রতিষেধক দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। এত দিন ধরে যত জন প্রতিষেধক নিয়েছেন, কেউই কোনও শংসাপত্র পাননি। আসেনি কোনও এসএমএস-ও।এদিকে বৃহস্পতিবার ধৃত দেবাঞ্জন দেবের অফিসে হানা দেন পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা। উদ্ধার হয় বেশ কয়েকটি নথি, গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম। ফরেন্সিক টিম সেই সব সরঞ্জাম খতিয়ে দেখছে।এদিকে, সরকারি ক্যাম্পে পুরসভার কোনও অনুমতি নেওয়ার নির্দেশিকা স্বাস্থ্য দপ্তরের নেই। কলকাতায় বিভিন্ন হাসপাতালে যে সমস্ত ক্যাম্প হচ্ছে সেখানেও কোনও অনুমতি লাগেনি। কেউ যদি দেখাতে পারে পুরসভাই সব বেসরকারি ক্যাম্প দেখার দায়িত্ব নিয়েছে, তা হলে আমি পদত্যাগ করব। স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তীর গতকালের দাবি নিয়ে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অতীন ঘোষের।

জুন ২৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

“সব তথ্য আমার কাছে আছে!” নানুরে মমতার বিস্ফোরক দাবি, তীব্র আক্রমণ বিজেপিকে

বীরভূমের নানুরে নির্বাচনী জনসভা থেকে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকা সংশোধন ও ভুয়ো ভোটার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে একযোগে নিশানা করেন তিনি।সভা থেকে মমতা অভিযোগ করেন, ফর্মের মাধ্যমে বাইরের লোকদের ভোটার তালিকায় ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে তাঁর কাছে সব তথ্য রয়েছে এবং কে কতজনকে ঢুকিয়েছে, তা তিনি জানেন। তিনি আরও বলেন, সময় এলেই সব তথ্য প্রকাশ্যে আসবে।ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, নাম তোলার জন্য বহু মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে এবং এতে প্রবীণদেরও কষ্ট হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই প্রক্রিয়ার কারণে বহু মানুষ সমস্যার মুখে পড়েছেন।এদিন ভাষা ও পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ বাংলা ভাষায় কথা বললেই তাকে অনুপ্রবেশকারী বলা হচ্ছে কেন। সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কার, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।সভা থেকে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে বিজেপির অবস্থা খুব খারাপ হবে। যতই বাইরে থেকে নজরদারি বাড়ানো হোক, তার কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।নানুরের সভার পর এদিনই মুর্শিদাবাদের আরও দুটি জায়গায় জনসভা করার কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। ভোটের আগে এই সভাগুলি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
বিদেশ

কোথায় মোজতবা? একমাস পরও দেখা নেই, জল্পনার মাঝেই রুশ দূতের বড় দাবি

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। মোজতবা খামেনেই দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় এক মাস কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত তিনি জনসমক্ষে আসেননি। এর ফলে তাঁর জীবিত থাকা নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক রুশ কূটনীতিক দাবি করেছেন, মোজতবা খামেনেই সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং ইরানেই রয়েছেন। তিনি জানান, নিরাপত্তার কারণে এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে তিনি জনসমক্ষে আসছেন না। যদিও ঠিক কী কারণে তিনি আড়ালে রয়েছেন, তা স্পষ্ট করে বলা হয়নি।মনে করা হচ্ছে, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি প্রকাশ্যে আসতে পারেন। তবে তিনি সামনে না এলেও তাঁর বার্তা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং তা দেশের সরকারি সম্প্রচার মাধ্যমেও তুলে ধরা হয়েছে।সম্প্রতি মার্কিন ও ইজরায়েলি হামলায় প্রয়াত হন ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। এরপর তাঁর পুত্র মোজতবাকে নতুন নেতা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে সেই ঘটনার পর থেকেই গুজব ছড়াতে শুরু করে যে তিনিও হয়তো হামলায় আহত বা নিহত হয়েছেন।কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, তিনি গুরুতর আহত এবং বিদেশে চিকিৎসাধীন। এমনকী রাশিয়ায় তাঁর চিকিৎসা চলছে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে সেই সব জল্পনাকে উড়িয়ে দিয়ে এবার রুশ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তিনি ইরানেই আছেন এবং সুস্থ রয়েছেন।এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলা যুদ্ধ পরিস্থিতিও এখন নতুন মোড় নিচ্ছে। প্রায় এক মাস ধরে চলা সংঘর্ষের পর যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত মিলছে বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই সামরিক অভিযান বন্ধ হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে মোজতবা খামেনেইকে ঘিরে রহস্য কবে কাটবে, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

হু হু করে বাড়ছে বিমানের জ্বালানির দাম! এবার আকাশপথে ভ্রমণ হবে আরও ব্যয়বহুল

আকাশপথে ভ্রমণ এবার আরও ব্যয়বহুল হতে চলেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছে বিমানের জ্বালানির দাম। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে বিমান সংস্থাগুলির উপর এবং তার ফলে যাত্রীদেরও বেশি টাকা খরচ করতে হবে।দেশের বিভিন্ন শহরে জ্বালানির দামে বড়সড় বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। রাজধানী দিল্লিতে এই দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। সেখানে প্রতি কিলোলিটারের দাম এক লাফে দুই লক্ষ টাকারও বেশি হয়ে গেছে। গত মাসে যেখানে এই দাম ছিল এক লক্ষ টাকারও কম, সেখানে এক মাসের মধ্যেই এই বিশাল বৃদ্ধি নজরে পড়েছে।শুধু দিল্লি নয়, কলকাতাতেও জ্বালানির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। মার্চ মাসে যেখানে দাম ছিল প্রায় নিরানব্বই হাজার টাকা, এখন তা বেড়ে দুই লক্ষ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। চেন্নাইতেও দাম দুই লক্ষ টাকার বেশি হয়েছে। মুম্বইতে তুলনামূলকভাবে দাম কিছুটা কম হলেও সেখানেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে।এই হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিমান সংস্থাগুলির খরচ অনেকটাই বেড়ে যাবে। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই বিমানের টিকিটের দামও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁরা নিয়মিত বিমান যাত্রা করেন, তাঁদের জন্য এটি বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগেও জ্বালানির দাম কিছুটা বেড়েছিল, তবে এই প্রথম এত বড়সড় বৃদ্ধি দেখা গেল। প্রথমবারের মতো বিমানের জ্বালানির দাম দুই লক্ষ টাকার সীমা ছাড়িয়ে গেল।এই পরিস্থিতিতে আগামী দিনে বিমান ভাড়া কতটা বাড়বে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
রাজ্য

সাত এপ্রিলেই সব পরিষ্কার! ভোটার তালিকা নিয়ে বড় আশ্বাস, সন্তুষ্ট শীর্ষ আদালত

ভোটের আগে বড় স্বস্তির খবর এল আদালত থেকে। বিবেচনাধীন থাকা সমস্ত ভোটারের নাম খুব দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে বলে জানিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই আশ্বাসে সন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্টও।বুধবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির একটি চিঠি তুলে ধরা হয়। সেই চিঠিতে জানানো হয়েছে, আগামী সাত এপ্রিলের মধ্যেই সব বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। এই বক্তব্য শুনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।এদিন আদালতে জানানো হয়, মোট প্রায় ষাট লক্ষ নামের মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় সাতচল্লিশ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন প্রায় দুই লক্ষ করে নাম যাচাই ও নিষ্পত্তি করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।এর আগে এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, ভোটের আগে এত বিপুল সংখ্যক নামের নিষ্পত্তি আদৌ সম্ভব কি না। বিশেষ করে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ঘনিয়ে আসায় উদ্বেগ বাড়ছিল। তবে এদিন আদালতে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।সুপ্রিম কোর্ট জানায়, হাই কোর্টের এই অগ্রগতিতে তারা সন্তুষ্ট এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কাজ শেষ হবে বলে তারা আশা করছে।এছাড়াও আদালত জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই ট্রাইবুনালের কাজও শুরু হবে। বৃহস্পতিবার থেকেই ট্রাইবুনাল কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। এর আগে বুধবার প্রাক্তন বিচারপতিদের প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হবে।এই সিদ্ধান্তের ফলে ভোটার তালিকা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
কলকাতা

মহুয়ার মন্তব্যে অস্বস্তিতে দল! গুজরাটিদের ক্ষোভ, সামনে এল মমতার ক্ষমা প্রার্থনা

ভোটের আগে নতুন করে বিতর্কে জড়াল শাসক দল। দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের একটি মন্তব্য ঘিরে অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস। গুজরাটি সম্প্রদায়কে নিয়ে তাঁর মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই ভবানীপুরে বসবাসকারী গুজরাটি মানুষদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়ায়।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলেরই এক কাউন্সিলর প্রকাশ্যে ওই মন্তব্যের নিন্দা করেন। তিনি জানান, এই ধরনের মন্তব্য দলের অবস্থান নয় এবং সাংসদ নিজের মতেই তা বলেছেন। একইসঙ্গে গুজরাটি সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করা হয় তাঁর তরফে।এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বার্তাও সামনে আনা হয়। সেই বার্তায় তিনি গুজরাটি ভাই-বোনেদের কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি জানান, এই মন্তব্য দল সমর্থন করে না এবং বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সাংসদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। এই ধরনের মন্তব্যের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।কয়েকদিন আগে এক সাংবাদিক বৈঠকে স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে মহুয়া মৈত্র মন্তব্য করেছিলেন, যেখানে তিনি বাঙালিদের অবদানের কথা তুলে ধরতে গিয়ে গুজরাটিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর সেই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক।ঘটনার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়তে থাকে। ভবানীপুরের একটি বড় অংশ গুজরাটি সম্প্রদায়ের মানুষ নিয়ে গঠিত হওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। জানা যায়, অতীতের নির্বাচনে এই এলাকায় তৃণমূল খুব একটা ভালো ফল করতে পারেনি।রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে যখন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা চলছে, তখন এই ধরনের মন্তব্য উল্টো প্রভাব ফেলতে পারে। বিরোধী দল এই ইস্যুকে হাতিয়ার করতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে দ্রুত ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। দলের তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, এই মন্তব্য দল সমর্থন করে না এবং গুজরাটি সম্প্রদায়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
কলকাতা

ফর্ম নিয়ে তুমুল সংঘর্ষের পরও থামছে না উত্তেজনা! সিইও দপ্তরের সামনে আবার অবস্থান

ফর্ম নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। মঙ্গলবারের সংঘর্ষের পর বুধবার সকালেও নির্বাচন দফতরের সামনে চাপা উত্তেজনা বজায় রয়েছে। সকাল থেকেই সেখানে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধর্না ও অবস্থান শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় বিপুল সংখ্যায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।অভিযোগ, এক ব্যক্তি ব্যাগভর্তি ফর্ম নিয়ে নির্বাচন দফতরে ঢুকেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রচুর ফর্ম জমা দেওয়ার অভিযোগে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার নির্বাচন দফতরের সামনে দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মধ্যে বচসা চরমে ওঠে। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এরপর রাতেও দফতরের সামনে তৃণমূল কর্মীদের জমায়েত ও বিক্ষোভ চলতে থাকে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ আধিকারিকরা এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে বিক্ষোভকারীরা কিছুটা সরে যান।এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশনের তরফে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, এ ধরনের অসামাজিক কাজ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়। বুধবার সকাল থেকেই আবার দফতরের সামনে জমায়েত শুরু হয়েছে। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।এদিকে রাতের ঘটনাকে ঘিরে নির্বাচন দফতরের শীর্ষ আধিকারিক ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে বৈঠক হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।ফর্ম জমা দেওয়া নিয়ে এই বিতর্কে ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা ঘিরে বিস্ফোরক দাবি! একজনের হাতে হাজার হাজার আবেদন, প্রশ্নের মুখে প্রক্রিয়া

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানির মাঝেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হল। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এদিন উঠে আসে বিপুল সংখ্যক ফর্ম জমা পড়ার বিষয়টি। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, নির্বাচন কমিশনের দফতরে হঠাৎ করেই গুচ্ছ গুচ্ছ ফর্ম একসঙ্গে জমা পড়ছে।তিনি আদালতে বলেন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার পরও বিবেচনাধীন নামগুলির নিষ্পত্তির কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে এত বড় সংখ্যায় আবেদন জমা পড়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। যদিও তিনি কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে দোষারোপ করেননি, তবে কেন এই সময়ে এত আবেদন জমা পড়ছে, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।প্রধান বিচারপতি এই মন্তব্যের পর সতর্ক করে বলেন, অনুমানের ভিত্তিতে কোনও মন্তব্য করা উচিত নয়। এরপর নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী জানান, নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়নের শেষ দিন পর্যন্ত আবেদন জমা দেওয়া যায়। এমনকি যাঁর সেদিনই আঠারো বছর পূর্ণ হচ্ছে, তিনিও আবেদন করার অধিকার রাখেন। তাই এই প্রক্রিয়ায় কাউকে বাধা দেওয়া সম্ভব নয়।শুনানির সময় আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, এখানে সমস্যা হচ্ছে একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়া। সেই প্রসঙ্গেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, একজন ব্যক্তিই নাকি কয়েক হাজার ফর্ম জমা দিয়েছেন। এই ঘটনায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।প্রধান বিচারপতি বলেন, এই ধরনের ঘটনা নতুন নয় এবং অতীতেও এমন নজির রয়েছে। তবে আবেদনকারীদের পরিচয় জানা না যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন আইনজীবীরা। তাঁদের দাবি, বুথভিত্তিকভাবে আবেদনকারীদের তালিকা প্রকাশ করা হলে অভিযোগ জানানো সহজ হবে।আদালত জানিয়ে দেয়, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে যারা আবেদন করেছেন, তাঁদের নাম বিবেচনা করা হবে। তবে নির্দিষ্ট সময়ের পরে আবেদন করলে নাম তালিকায় উঠলেও সেই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার নাও থাকতে পারে।এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী জানান, তাঁদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী বিপুল সংখ্যক নাম তালিকায় যুক্ত হচ্ছে এবং অনেক নাম বাদও যাচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।এরই মধ্যে মঙ্গলবার রাজ্যের নির্বাচন দফতরের বাইরে উত্তেজনা ছড়ায়। দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীরা ফর্ম জমা দেওয়া নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে এবং পরিস্থিতি সংঘর্ষে গড়ায়। মারধর, ধস্তাধস্তির অভিযোগ ওঠে দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই। এক পক্ষের অভিযোগ, ফর্মের মাধ্যমে বাইরে থেকে লোক এনে ভোটার তালিকায় ঢোকানো হচ্ছে, অন্য পক্ষ সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।এই ঘটনায় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে এবং ভোটের আগে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে শুরু জনগণনা, কিন্তু বাদ পশ্চিমবঙ্গ! কেন এই ব্যতিক্রম? বাড়ছে জল্পনা

দেশজুড়ে আজ থেকে শুরু হল বহু প্রতীক্ষিত জনগণনা প্রক্রিয়া। এই জনগণনা হবে দুই ধাপে। এর সঙ্গে সঙ্গে শুরু হচ্ছে বাড়ি ও বাসস্থানের তথ্য সংগ্রহের কাজও। তবে এই প্রক্রিয়া আপাতত শুরু হচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গে, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, জনগণনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি রাজ্য। এই বিষয়টি ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গকে জানানো হয়েছে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, জনগণনা সম্পূর্ণভাবে একটি কেন্দ্রীয় বিষয় এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই তা করা হবে।এইবারের জনগণনা সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। নাগরিকদের নিজেদের তথ্য নিজেরাই নথিভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের বিস্তারিত তথ্য, বাড়ি ও সম্পত্তির বিবরণ দিতে হবে। এরপর সরকারি আধিকারিকরা বাড়িতে গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন। একবার তথ্য জমা হয়ে গেলে তা আর পরিবর্তন করা যাবে না।আজ থেকে শুরু হওয়া প্রথম ধাপ চলবে সেপ্টেম্বর মাসের শেষ পর্যন্ত। প্রথমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নাগরিকরা নিজেরাই তথ্য জমা দিতে পারবেন। তারপর সরকারি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন।এই প্রথমবার দেশের জনগণনা সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। নাগরিকরা নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে নিজেদের তথ্য জমা দিতে পারবেন এবং যাচাইয়ের জন্য একটি বিশেষ নম্বর পাবেন। পরে সরকারি কর্মীরা সেই নম্বরের ভিত্তিতে তথ্য মিলিয়ে দেখবেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১১ সালের পর এই প্রথম জনগণনা হচ্ছে। সাধারণত প্রতি দশ বছর অন্তর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি। এবারের জনগণনার জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে দেশের অধিকাংশ জায়গায় জনগণনা শুরু হলেও পশ্চিমবঙ্গের বাইরে থাকা এই সিদ্ধান্ত নতুন করে প্রশ্ন তুলছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে এই ইস্যুতে টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal