• ২৭ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

KKR

খেলার দুনিয়া

এভাবে নাইট রাইডার্স সমর্থকদের আশায় জলাঞ্জলি দিলেন অ্যারন ফিঞ্চ!‌

প্রথম ম্যাচে দারুণ শুরু করেছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে করেছিলেন ৪৪। তারপর থেকে ব্যাটে রানের খরা। এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে তাঁর পরিবর্তে অ্যারন ফিঞ্চকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়েছিল নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। ফিঞ্চও প্রত্যাশাপূরণে ব্যর্থ। শুক্রবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে নাইট রাইডার্সের হয়ে অভিষেক ম্যাচে মাত্র ৭ রান করে আউট হলেন। প্রথম ওভারে ভুবনেশ্বর কুমারের দ্বিতীয় বলে ১ রান নেন ফিঞ্চ। পঞ্চম বলে ৬ মারেন। পরের ওভারে মার্কো জানসেনের বলে নিকোলাস পুরানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৫ বলে তিনি করেন ৭। ৯ টা দলের হয়ে অভিষেক ম্যাচে মাত্র দুটো দলের হয়ে সাফল্য পেয়েছিলেন। ২০১৩ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের হয়ে ৫৩ বলে করপেছিলেন ৬৪। আর ২০১৬ সালে গুজরাট লায়ন্সের হয়ে ৪৭ বলে করেছিলেন ৭৪। ২০১০ সালে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে করেছিলেন ২১। পরের আইপিএলে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে অভিষেক ম্যাচে করেছিলেন ৮। ২০১৪ সালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে করেন ২। পরের বছর মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে ৫। ২০১৮ আইপিএলে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে ০। ২০২০ আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে ২৯। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে ইংল্যান্ডের ওপেনার অ্যালেক্স হেলেসকে দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাউডার্স। কিন্তু জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকতে থাকতে হাঁপিয়ে উঠেছেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। তাই আইপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। তাঁর পরিবর্তে অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের ক্রিকেটের অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকে দলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। আইপিএলের মেগা নিলামে অবিক্রিত ছিলেন ফিঞ্চ। মেগা নিলামের সময় নাইট রাইডার্সও তাঁর দিকে ফিরেও তাকায়নি। ২০১০ সাল থেকে আইপিএলে খেলছেন অ্যারন ফিঞ্চ। প্রথম বার তিনি রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি গায়ে তোলেন। এছাড়াও দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর, পুনে ওয়ারিয়র্স, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, গুজরাট লায়ন্স, পাঞ্জাব কিংসের জার্সি গায়েও খেলেছেন। শেষবার আইপিএল খেলেছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের জার্সি গায়ে, ২০২০ সালে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি ফিঞ্চ। তাই তাঁকে দলে নেওয়ার জন্য কোনও ফ্র্যাঞ্জাইজিও আগ্রহ দেখায়নি। ইংল্যাল্ডের অ্যালেক্স হেলস সরে দাঁড়ানোয় ওপেনার সমস্যা মেটাতে শেষ পর্যন্ত নিলামে অবিক্রিত থাকা ফিঞ্চকে তুলে নেয় নাইট রাইডার্স।কলকাতা নাইট রাইডার্স নিয়ে আইপিএলে ৯টি ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি গায়ে তুললেন অ্যারন ফিঞ্চ। যা আইপিএলে যে কোনও ক্রিকেটারের কাছে রেকর্ড। এখনও পর্যন্ত ৯টি ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি কোনও ক্রিকেটারই গায়ে তুলতে পারেননি।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সুযোগ না পেয়ে নাইট রাইডার্স সম্পর্কে কী বললেন প্রাক্তন অধিনায়ক?‌

গতবছর দীনেশ কার্তিককে সরিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট আইপিএলের মাঝপথে দায়িত্ব তুলে দিয়েছিল ইওন মর্গানের হাতে। ব্যাটে হয়তো সেভাবে রান পাননি, কিন্তু দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন মর্গান। দলকে ফাইনালে তুললেও তাঁর যোগ্য মর্যাদা পাননি ইংল্যান্ডের সাদাবলের এই অধিনায়ক। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে তাংর দিকে ফিরেও তাকায়নি কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি। জস বাটলার, ক্রিস জর্ডন, জনি বেয়ারস্টো, মইন আলিরা যখন আইপিএল মাতাচ্ছেন, নিজের দেশে বসে রয়েছেন ইওন মর্গান। আইপিএলের নিলামে কোনও দলে সুযোগ না পেয়েও হতাশ নন ইওন মর্গান। তাংর কোনও আক্ষেপও নেই। এক ক্রিকেট ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মর্গান বলেন, সত্যি কথা বলতে, আইপিএলকে আমি জয়জয় হিসেবে দেখেছিলাম। আইপিএলের মতো বিশ্বের সবথেকে বড় প্রতিযোগিতায় খেলার অভিজ্ঞতা বছরের পর বছর ধরে কাজে লাগিয়ে এসেছি। আইপিএলে আমার বেশকিছু ভাল স্মৃতি রয়েছে। খুব ভাল অভিজ্ঞতাও রয়েছে। আপাতত আমি বিশ্রামে রয়েছি। এরপর খেলা শুরু করলে আর থামতে পারব না। সেই টি২০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত টানা খেলে যেতে হবে। এই বছর আইপিএলে খেলার সুযোগ না পেলেও কোনও আক্ষেপ নেই। কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রতি কোনও অভিমান নেই। হয়তো ওদের পরিকল্পনার সঙ্গে আমি নিজেকে মানাতে পারিনি। তাই দলে রাখেনি। ওদের শুভেচ্ছা রইল। বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে খুব ভাল সময় কাটছে। ইওন মর্গানকে সাদা বলের ক্রিকেটে সবচেয়ে চতুর ক্রিকেটার হিসেবে দেখা হয়। পাশাপাশই তাঁকে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে সেরা অধিনায়কদের মধ্যে একজন হিসেবে গন্য করা হয়। তাঁর হাত ধরেই ইংল্যান্ডের সাদা বলের ক্রিকেটের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এসেছে। তাঁর নেতৃত্বেই ২০১৯ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিল ইংল্যান্ড। গত বছর আইপিএলে শেষপর্বে কলকাতা নাইট রাইডার্সের নেতৃত্বে ছিলেন এবং দলকে ফাইনালে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন। যদিও ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ব্যর্থ হয়েছিলেন।দীনেশ কার্তিক, ইওন মর্গান, দুই নেতাকেই এবছর দলে রাখেনি কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমনেন্ট। মেগা নিলাম থেকে শ্রেয়স আয়ারকে তুলে নিয়ে তাঁরা হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে। চলতি আইপিএলে দলকে দারুণ নেতৃত্ব দিচ্ছেন শ্রেয়স আয়ার। ইতিমধ্যে কলকাতা নাইট রাইডার্স ৫টি ম্যাচ খেলেছে। তিনটিতে জিতেছে, ্২টিতে হেরেছে। আগের ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে হারতে হয়েছে নাইট রাইডার্সকে। নাইট রাইডার্সের পরের ম্যাচ শুক্রবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে। এই মুহূর্তে ইওন মর্গানের অভাব অনুভূত হচ্ছে না নাইট শিবিরে।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দিল্লির বিরুদ্ধে নামার আগে আজ কী নিয়ে চিন্তা নাইট রাইডার্সের?‌

আজ আইপিএলে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তিন ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকলেও দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টের চিন্তা টপ অর্ডার ব্যাটারদের ফর্ম। প্রথম ম্যাচে রান চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ৩৪ বলে করেছিলেন ৪৪ রান করেছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। পরের ৩ ম্যাচে তাংর ব্যাটে রান নেই। নীতিশ রানাও রান পাচ্ছেন না। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার, আন্দ্রে রাসেলদের ব্যাটেও ধারাবাহিকতার অভাব। প্রথম তিন ম্যাচে রান না পাওয়া ভেঙ্কটেশ আয়ার আগের ম্যাচে রানে ফিরেছেন। সুতরাং ব্যাটিং নিয়ে চিন্তায় থাকতে হচ্ছে নাইট রাইডার্সকে। বিশেষ করে টপ অর্ডারের ব্যাটারদের নিয়ে। মিডল অর্ডার ব্যাটারদের নিয়ে অবশ্য খুব একটা সমস্যা নেই। তাঁদের জন্যই জয় ছিনিয়ে নিতে পারছে। ইতিমধ্যেই নাইট শিবিরে যোগ দিয়েছেন ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ। দলের সঙ্গে যোগ দিলেই রবিবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে তাঁকে পাওয়া যাবে না। এখনও তাঁর কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হয়নি। তাই অজিঙ্কা রাহানের পরিবর্তে তাঁকে খেলানোর পরিকল্পনা করতে পারছে না নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। ফিঞ্চের কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হয়ে গেলে রাহানের পরিবর্তে তাঁকে খেলানো হতে পারে। সেক্ষেত্রে স্যাম বিলিংসকে বসিয়ে খেলানো হবে শেলডন জ্যাকসনকে। তবে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ব্যাটিংয়ে পরিবর্তন হতে পারে। নীতিশ রানার পরিবর্তে রিঙ্কু সিংকে খেলানোর চিন্তাভাবনা করছে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। কারণ আগের ৪টি ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি নীতিশ রানা। নেটে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরছেন রিঙ্কু। ব্যাটিং বিভাগে এছাড়া আর পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।নাইট রাইডার্সের তিনটি ম্যাচে জয়ের পেছনে বোলারদেরই অবদান বেশি। বিশেষ করে উমেশ যাদবের কথা বলতে হবে। ৪ ম্যাচে ইতিমধ্যে তুলে নিয়েছেন ৯ উইকেট। এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন। উইকেট না পেলেও প্রথম ম্যাচে নজর কেড়েছেন রসিক সালাম দার। আগের ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে অভিষেক হয়েছে। দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। ৩ ওভারে ১৮ রান দিয়েছিলেন। এছাড়া সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তীরাও দলকে নির্ভরতা দিয়েছেন।

এপ্রিল ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌‘‌শচীনকে আউট করতে কে বলেছে?‌’ শোয়েবকে কেন বলেছিলেন সৌরভ?‌

২০০৮ আইপিএলে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হাইভোল্টেজের ম্যাচ ছিল। এমনিতেই নাইট রাইডার্স ও মুম্বইয়ের ম্যাচে চরম উত্তেজনা থাকে। ওই ম্যাচ আবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে হচ্ছিল। কলকাতা নাইট রাইডার্সের নেতৃত্বে ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। অন্যদিকে বিপক্ষে ছিলেন শচীন তেন্ডুলকারের মতো ক্রিকেটার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের শচীন তেন্ডুলকারকে আউট করেছিলেন নাইট রাইডার্সের শোয়েব আখতার। আর শচীনকে আউট করার পর সৌরভ গাঙ্গুলি শোয়েবকে বলেছিলেন,শচীনকে আউট করতে কে বলেছে? প্রথমে ব্যাট করে কলতাতা নাইট রাইডার্স ১৫.২ ওভারে মাত্র ৬৭ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছিল। দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন শন পোলক। ১২ রানে তুলে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। ডোয়েন ব্র্যাভো, রোহন রাজে ও ডমিনিক থর্নলে ২টি করে উইকেট নেন। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ব্যাট করতে নামলে প্রথম ওভারেই শূন্য রানে শচীন তেন্ডুলকারকে তুলে নেন শোয়েব আখতার। শচীনকে আউট করার পর তাঁর সামনে চিরাচরিত ভঙ্গীতে উচ্ছাসও প্রকাশ করেন। এরপর বাউন্ডারির ধারে ফিল্ডিং করতে যান শোয়েব আখতার। বাইন্ডারি লাইনে ফিল্ডিং করার সময় দর্শকরা শোয়েবকে কটূক্তি করতে থাকে। বিরক্ত হয়ে শোয়েব এসে অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলির কাছে অভিযোগ জানান। সৌরভ বাধ্য হয়ে শোয়েব আখতারের ফিল্ডিংয়ের জায়গা পরিবর্তন করেন।সেই ঘটনার কথা স্মরণ করে শোয়েব আখতার বলেছেন, ওই ম্যাচটা ছিল শচীনের সঙ্গে আমার লড়াই। স্টেডিয়ামে শাহরুখ খানও ছিলেন। শাহরুখ ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের জন্য গোটা স্টেডিয়াম ঠাসা ছিল। ম্যাচের আগে শচীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আড্ডাও দিয়েছিলাম। শচীন এবং আমি দুজনই একে অপরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলাম। কিন্তু প্রথম ওভারেই আমি শচীনকে আউট করেছিলাম। সেটা খুব ভুল হয়েছিল। শচীনকে আউট করার পর আমি ফাইন লেগে ফিল্ডিং করতে যাই। ফাইন লেগে ফিল্ডিং করার সময় দর্শকদের কটূক্তি শুনতে হয়। তখন সৌরভ আমাকে বলেছিল, ওরা তোমাকে মেরে ফেলবে। মিড উইকেটে চলে এস। তোমাকে কে বলেছে শচীনকে আউট করতে? তাও আবার সেটা মুম্বইতে? শোয়েব আখতার ওই সময় ভেবেছিলেন, তিনি আর হয়তো ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে খেলতে পারবেন না। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। মুম্বইয়ের ভালবাসায় পরে মুগ্ধ হয়েছিলেন শোয়েব আখতার। তিনি বলেন, আমি মুম্বাইয়ে অনেক ম্যাচ খেলেছি। অনেক ভালবাসা পেয়েছি। ওয়াংখেড়েতে আমার দেশকে কেউ গালি দেয়নি। কেউ বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য করেনি। ওয়াংখেড়েতে আরও ম্যাচ খেলতে পারলে ভাল লাগত। ক্রিকেটজীবনে ৯ বার শচীন তেন্ডুলকারকে আউট করেছেন শোয়েব আখতার। কিন্তু এর মধ্যে ওই একবারই শচীনকে আউট করে তাঁর মনে হয়েছিল ভুল করে ফেলেছিলেন। ২০০৮ আইপিএলেই শেষ বার শচীনকে আউট করেছিলেন শোয়েব আখতার।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌বড়া পাও ছিনিয়ে নিয়ে গেল’‌, কামিন্স সম্পর্কে কেন একথা বললেন শেহবাগ?‌

ক্রিকেট দুনিয়ায় মজাদার টুইট করার ব্যাপারে দারুণ সুনাম আছে বীরেন্দ্র শেহবাগ ও হরভজন সিংয়ের। এই দুই প্রাক্তন ক্রিকেটারের টুইটে অনেকসময় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। আবার টুইট করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ভক্তদের বিরাগভাজন হয়েছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ। বীরু নাকি নিজের টুইটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে নিয়ে উপহাস করেছেন।কী এমন টুইট করেছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ? বুধবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে ম্যাচ ছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। শেষদিকে ঝড় তুলে ১৫ বলে অপরাজিত ৫৬ রানের ইনিংস খেলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মুখ থেকে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিলেন নাইট রাইডার্সের প্যাট কামিন্স। তাঁর এই ইনিংস দেখে বীরন্দ্র শেহবাগ টুইট করেন, মুন সে নিভালা ছিন লিয়া, বড়া পাও ছিন লিয়া। প্যাট কামিন্স, ক্লিন হিটিংয়ের অন্যতম প্রদর্শন, ১৫ বলে ৫৬। শেহবাগের এই টুইট রোহিত ভক্তদের ভাল লাগেনি।কেন বড়া পাওর কথা বলেছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ? আসলে মুম্বইয়ের মানু্ষদের সবথেকে প্রিয় খাবার বড়া পাও। কামিন্সের ইনিংস দেখে তিনি বলেন, এটা মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ক্রিকেটারদের কাছ থেকে বড়া পাও কেড়ে নেওয়ার মতো। কামিন্সের এই ইনিংসে যেমন শেহবাগ থেকে অনেকেই মুগ্ধ, তেমনই অবাক কামিন্স নিজেও। তিনি যে ওইরকম বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন, কামিন্স নিজেও বিশ্বাস করতে পারছেন না। ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, এই রকম ইনিংস খেলে আমিই সবথেকে বেশি অবাক। সত্যিই আমি আনন্দিত। আমার প্রিয় জায়গায় বল পড়লেই উড়িয়ে দেব, একথা মাথায় রেখে ব্যাট করতে নেমেছিলাম। এর বেশি কিছু করার চেষ্টা করিনি।Moonh se nivala cheen liya ,, sorry vada pav cheen liya.Pat Cummins, one of the most insane display of clean hitting , 15 ball 56 Jeera Batti #MIvKKR pic.twitter.com/Npi2TybgP9 Virender Sehwag (@virendersehwag) April 6, 2022এই মরশুমে প্রথম ম্যাচে নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে নিজের পারফরমেন্সে খুশি কামিন্স। তিনি বলেন, প্রথম ম্যাচে নিজের পারফরমেন্সে আমি খুশি। স্টেডিয়ামের বাউন্ডারি ছোট ছিল। তার সুযোগ নিতে চেয়েছিলাম। ক্রিজে এসে একটা কথাই শুধু মাথায় ছিল, বাউন্ডারির বাইরে বল ওড়াতে হবে। সেই চেষ্টা করতেই সফল। লক্ষ্য ছিল কয়েকটা বড় শট খেলে ভেঙ্কটেশ আয়ারের কাজ সহজ করে দেওয়া। সেটা করতে পেরেছি। কামিন্সের ইনিংস দেখে মুগ্ধ কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। তিনি বলেন, অবিশ্বাস্য ইনিংস। এত জোরে বল মারছিল, এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

যুগ্মভাবে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরি, কামিন্স ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই

আইপিএলের তৃতীয় ম্যাচেও জয় এল না। প্যাট কামিন্স ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। নাইট রাইডার্স জিতল ৫ উইকেটে। ১৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি কামিন্স-এর। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে যুগ্মভাবে আইপিএলের ইতিহাসে দ্রুততম।এদিন টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। রোহিত শর্মাদের ওপর শুরুর দিকে চাপ রেখেছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের বোলাররা। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তোলে ১ উইকেটে মাত্র ৩৫। ১২ বলে ৩ রান করে আউট হন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁকে ফেরান উমেশ যাদব।এরপর ঈশান কিষাণের সঙ্গে জুটি বেঁধে মুম্বইকে টানেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। এদিন দারুণ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। তাঁর সঙ্গে এবি ডি ভিলিয়ার্সের ইতিমধ্যে তুলনা শুরু হয়েছে। নামের পাশে বসে গেছে বেবি এবি তকমা। এই তকমা যে একেবারেই ভুল নয়, আইপিএলের অভিষেক ম্যাচেই বুঝিয়ে দিলেন ব্রেভিস। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে সর্বাধিক রান করা দক্ষিণ আফ্রিকার ব্রেভিস এদিন বরুণ চক্রবর্তীর বলে স্টাম্প আউট হন। ২টি করে চার ও ছয়ের সাহায্যে ১৯ বলে ২৯ রান করেন ব্রেভিস।১১তম ওভারের শেষ বলে ৫৫ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ২১ বলে ১৪ রান করে আউট হন ঈশান কিষাণ। প্যাট কামিন্সের বলে তাঁর ক্যাচ ধরেন শ্রেয়স আয়ার। এরপর সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে জুটি বাঁধেন তিলক বর্মা। সূর্য-তিলকের জুটিতে ৪৯ বলে ৮৩ রান ওঠে। ৩৬ বলে ৫২ রান করে প্যাট কামিন্স-এর বলে আউট হন সূর্যাকুমার। শেষ পাঁচ বলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তোলে ২৩ রান। তিনটি ছক্কার সাহায্যে ৫ বলে ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন কায়রন পোলার্ড। তিনটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে ২৭ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিলক বর্মা। ২০ ওভারে মুম্বই তোলে ১৬১/৪। প্যাট কামিন্স ৪ ওভারে ৪৯ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন। উমেশ যাদব ৪ ওভারে ২৫ ও বরুণ চক্রবর্তী ৪ ওভারে ৩২ রানে ১টি করে উইকেট নেন। খরচ করে একটি করে উইকেট দখল করেন। সুনীল নারাইন ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি।Wow again!!! @KKRiders boys!! pic.twitter.com/ctt0ZQ7vVC Shah Rukh Khan (@iamsrk) April 6, 2022ব্যাট করতে নেমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মতো নাইট রাইডার্সের শুরুটাও ভাল হয়নি। প্রথম ৪ ওভারে ওঠে মাত্র ১৬। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলেই আউট হন অজিঙ্কা রাহানে (৭)। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারকে (১০) তুলে নেন ড্যানিয়েল সামস। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ভেঙ্কটেস আয়ার ও সামস বিলিংস। জুটিতে ওঠে ৩২। বিলিংসকে (১৭) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন মুরুগান অশ্বিন। নীতিশ রানাকেও (৮) ফেরান অশ্বিন।পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। দলকে চাপের মুখ থেকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন ভেঙ্কটেশ আয়ার ও আন্দ্রে রাসেল। কিন্তু তাঁদের প্রয়াস ফলপ্রসূ হয়নি। টাইমল মিলসের শর্ট বল গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনের ধরে ব্রেভিসের হাতে ধরা পড়েন রাসেল (১১)। নাইটদের রান সেই সময় ৫ উইকেটে ১০১।শেষ ৬ ওভারে নাইটদের জেতার জন্য দরকার ছিল ৪৭। ১৫তম ওভারের প্রথম বলেই অর্ধশতরান পূর্ণ করেন ভেঙ্কটেশ আয়ার (৪১ বলে অপরাজিত ৫৬)। যশপ্রীত বুমরার ওই ওভারের, চতুর্থ ও পঞ্চম বলে প্যাট কামিন্স ছয় ও চার মেরে নাইটদেরজয়ের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল করেন। ৫ ওভারে নাইটদের প্রয়োজন দাঁড়ায় ৩৫। ১৬তম ওভারে কামিন্স ঝড় অব্যাহত থাকে। ড্যানিয়েল সামসের প্রথম, তৃতীয় ও চতুর্থ বলে মারেন ছক্কা, দ্বিতীয় বলে চার। এই ওভারই মুম্বইয়ের আশায় জল ঢেলে দেয়। পঞ্চম বলটি করতে গিয়ে স্যামস ওভারস্টেপিংয়ে নো বল করে বসেন, ২ রান নেন কামিন্স। ফ্রি হিটে চার মারার পরের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ করে দেন কামিন্স (১৫ বলে অপরাজিত ৫৬)।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে কেন জ্বলে উঠতে পারলেন না রোহিত?

কলকাতা নাইট রাইডার্সকে সামনে দেখলেই জ্বলে ওঠা রীতিমতো অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। অতীতে নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে তাঁর ব্যাট থেকে বড় বড় ইনিংস পাওয়া গেছে। সে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সই হোক কিংবা মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। নাইটদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠে দলকে জয় এনে দিয়েছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। পঞ্চদশ আইপিএলে নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ তিনি।বুধবার পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। ম্যাচের তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে রোহিত শর্মাকে তুলে নেন উমেশ যাদব। উমেশের শর্ট বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে নাইট উইকেটরকিপার সাম বিলিংসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত। ১২ বলে মাত্র ৩ রান করেন তিনি।এবারের আইপিএলে এই নিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি রান পেলেন না। প্রথম ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৩২ বলে ৪১ রান করেছিলেন রোহিত। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচেও রান পাননি রোহিত। ৫ বলে মাত্র ১০ রান করে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে আউট হন। এদিন করেন মাত্র ৩ রান। নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে যসুরু থেকেই এদিন স্বস্তিতে ছিলেন না রোহিত। উমেশ যাদব ও নাইট রাইডার্সের হয়ে অভিষেককারী জোরে বোলার জম্মু ও কাশ্মীরের রাসিখ সালামের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারছিলেন না। ঝুঁকি নিয়ে আক্রমণাত্মক হতে গিয়েই উইকেট উপহার দেন।আইপিএলে সবথেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধেই সবথেকে বেশি রান করেছেন রোহিত। নাইটদের বিরুদ্ধে আইপিএলে এখনও পর্যন্ত তাঁর রান ১০১৮। কিন্তু বুধবার চূড়ান্ত ব্যর্থ। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে মাইলস্টোনে পৌঁছনোর সুযোগ ছিল রোহিত শর্মার সামনে। এই ম্যাচে ৫৪ রান করলেই দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রান করার নজির গড়তেন রোহিত। ভারতীয়দের মধ্যে টি২০ ক্রিকেটে প্রথম ১০ হাজার রান করার কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন বিরাট কোহলি। এদিন ৮ রান করলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে সাড়ে চার হাজার রান পূর্ণ করতেন রোহিত। আপাতত এই দুটি মাইলস্টোনের জন্য পরের ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ককে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জাতীয় দলে ব্রাত্য উমেশ আইপিএলে গড়লেন অনন্য নজির

সীমিত ওভারের ক্রিকেটে জাতীয় দলে তিনি ব্রাত্য। লাল বলের ক্রিকেটে অবশ্য এখনও তিনি অপরিহার্য। তবে সাদা বলের ক্রিকেটে তাঁর দক্ষতায় যে মরচে ধরেনি, প্রমাণ করে চলেছেন উমেশ যাদব। শুক্রবার পাঞ্জাব কিংলের বিরুদ্ধে তিনি অনন্য নজির গড়েছেন। পেছনে ফেলে দিয়েছেন রোহিত শর্মা, ক্রিস গেইল, ইউসুফ পাঠানদের। একটা দলের বিরুদ্ধে সবথেকে বেশি ম্যাচের সেরার পুরস্কার পাওয়ার রেকর্ড এতদিন ছিল রোহিত শর্মা, ক্রিস গেইল, ইউসুফ পাঠানের। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ৫ বার করে ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছেন রোহিত ও গেইল। আর অধুনা ডেকান চার্জার্সের বিরুদ্ধে ৫ বার ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন ইউসুফ পাঠান। তাঁদের রেকর্ড ভেঙে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ৬ বার ম্যাচের সেরার পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছেন উমেশ। শুক্রবার তিনি এই রেকর্ড ভেঙেছেন। আরও একটা নজির রয়েছে উমেশ যাদবের ঝুলিতে। আইপিএলে এখনও পর্যন্ত জোরে বোলারদের মধ্যে তিনিই সব থেকে বেশি ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছেন। শুক্রবার কলকাতা নাইট রাইডার্স ও পাঞ্জাব কিংসের মধ্যে ম্যাচেও উমেশ যাদব ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছেন। এই নিয়ে তিনি মোট ১০ বার ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেলেন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন লসিথ মালিঙ্গা, যশপ্রীত বুমরা, আশিস নেহরা, জয়দেব উনাদকাত। প্রত্যেকেই ৬ বার করে ম্যাচের সেরা হয়েছেন। এছাড়া ৫ বার করে ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছেন ডেল স্টেন, সন্দীপ শর্মা ও ভুবনেশ্বর কুমার। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে যখন কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট দলে নিয়েছিল, অনেকেই ভেবেছিলেন হয়তো খুব বেশি সুযোগ উমেশ যাদব পাবেন না। কিন্তু সুযোগ পেয়ে প্রতিটা ম্যাচেই পাওয়ার প্লের ওভারগুলিতে আগুন ঝড়িয়েছেন। প্যাট কামিন্স এখনও কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের সঙ্গে যোগ দেননি। ইতিমধ্যে তিনটি ম্যাচ খেলে ফেলেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তিনটি ম্যাচেই দলের বোলিংকে নেতৃত্ব দিয়েছেন উমেশ যাদব। দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের এই জোরে বোলার। ইতিমধ্যেই ৩ ম্যাচে তুলে নিয়েছেন ৮ উইকেট। এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির তালিকায় তিনি রয়েছেন শীর্ষে। বর্তমানে তিনিই আইপিএলে পার্পল ক্যাপএর মালিক।

এপ্রিল ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রাসেলসের ‘‌মাসলসে’‌ উড়ে গেল পাঞ্জাব কিংস, জয়ে ফিরল নাইট রাইডার্স

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচে আন্দ্রে রাসেলের চোট চিন্তা বাড়িয়েছিল কলকাতা টিম ম্যানেজমেন্টের। ফিল্ডিং করার সময় কাঁধে চোট পেয়েছিলেন। আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, শুক্রবার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারবেন তো? সব জল্পনা উড়িয়ে মাঠে নেমেছিলেন আন্দ্রে রাসেল। তাঁর পেশীর তান্ডবে উড়ে গেল পাঞ্জাব কিংস। দুরন্ত ইনিংস খেলে জয়ে ফেরালেন কলকাতা নাইট রাউডার্সকে। নাইটরা জিতল ৬ উইকেটে। এদিন মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাটিং করতে পাঠান নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় পাঞ্জাব। ১ রান উমেশ যাদবের বলে এলবিডব্লু হয়ে ডাগ আউটে ফেরেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ৩ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ঝড় তোলেন ভানুকা রাজাপক্ষে। ৯ বলে ৩১ রান করে তিনি শিবম মাভির বলে সাউদির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিখর ধাওয়ান (১৫ বলে ১৬) আউট হতেই হঠাৎ ধস নামে পাঞ্জাব ইনিংসে। পরপর ফিরে যান লিয়াম লিভিংস্টোন (১৯), শাহরুখ খান (০), রাজ বাওয়া (১১), হরপ্রীত ব্রার (১৪) ও রাহুল চাহার (০)। ওডেন স্মিথ (৯) ও কাগিসো রাবাদার (২৫) সৌজন্যে ১৮.২ ওভারে ১৩৭ রানে পৌঁছয় পাঞ্জাব কিংস। আগের দুটি ম্যাচের মতো ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এদিনও কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে দুরন্ত বোলিং করেন উমেশ যাদব। ৪ ওভারে ১ মেডেন সহ ২৩ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন। ৩৬ রানে ২ উইকেট নেন টিম সাউদি। সুনীল নারাইন, শিবম মাভি ও আন্দ্রে রাসেল ১টি করে উইকেট পান। জয়ের জন্য ১৩৮ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে। দ্বিতীয় ওভারে আউট হন অজিঙ্কা রাহানে (১২)। ভেঙ্কটেশ আয়ারও (৩) এদিন রান পাননি। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার ১৫ বলে ২৬ রান করে আউট হন। শ্রেয়স আউট হওয়ার পরের বলেই ফেরেন নীতিশ রানা (০)। ৭ ওভারের মধ্যে ৫১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। এরপর জ্বলে ওঠেন আন্দ্রে রাসেল। আগের ম্যাচের ব্যর্থতা পুশিয়ে দেন। ক্রিটে নেমে ঝড় তুলে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। ১৪.৩ ওভারে ১৪১/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় নাইট রাইডার্স। ৩১ বলে ৭০ রান করে অপরাজিত থাকেন রাসেল। মারেন ৮টি ৬ ও ২টি ৪। সাম বিলিংস ২৩ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। রাহুল চাহার ১৩ রানে ২ উইকেট পান।

এপ্রিল ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্সের চিন্তা বাড়ালেন আন্দ্রে রাসেল

পঞ্চদশ আইপিএলের প্রথম ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়ের পর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে হার। অল্পরানের পুঁজি নিয়েও দুর্দান্ত লড়াই করেছিলেন নাইট যোদ্ধারা। তবে শেষরক্ষা করতে পারেনি। হারের থেকেও নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে বড় ধাক্কা আন্দ্রে রাসেলের চোট। নাইট রাইডার্সের অন্যতম বড় ভরসা পরের ম্যাচে খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ম্যাচে ফিল্ডিং করার সময় ঘাড়ে চোট পান রাসেল। চোট পেলেও মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যাননি দলের এই নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার। শেষ ওভারে বোলিংও করেন। ম্যাচের শেষ ওভারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৭ রান। রাসেলের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। যদিও দলকে জেতাতে পারেননি রাসেল। প্রথম দুটি বলে ছয় ও চার মেরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে জয় এনে দেন দীনেশ কার্তিক। ম্যাচ শেষ হওয়ার সময় রাসেলের চোট নিয়ে কিছু বোঝা যায়নি। ম্যাচের পর নাইট রাইডার্সের কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম আন্দ্রে রাসেলের চোটের কথা জানান। তিনি বলেন, বাউন্ডারি বাঁচাতে গিয়ে রাসেল ডাইভ দিয়েছিল। তখন ওর ঘাড়ে চোট লেগেছে। তার পরেও ও বোলিং করতে চেয়েছিল। কাঁধে সমস্যা নিয়েও শেষ ওভারে বোলিং করেছিল। পরের ম্যাচে রাসেলকে পাওয়া যাবে কিনা, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলেননি নাইট রাইডার্স কোচ। আন্দ্রে রাসেলের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনও অবকাশ নেই। কিন্তু প্রচন্ড চোটপ্রবন। ২০১৪ থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলছেন এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার। ব্যাট ও বল হাতে দলকে বহু ম্যাচ জিতিয়েছেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে তাঁর চোট চিন্তা বাড়িয়েছে টিম ম্যানেজনেন্টের। ২০১৭ সালে তো গোটা মরশুমই মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছিল আন্দ্রে রাসেলকে। এবছর নিলামের আগে যখন নাইট রাইডার্স তাঁকে রেখে দিয়েছিল, অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। গোটা মরশুমে আদৌও তিনি ফিট থাকবেন কিনা। দ্বিতীয় ম্যাচের পর সেই জল্পনা জোরালো হয়ে উঠল।

মার্চ ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দ্বিতীয় ম্যাচেই ব্যাটিং বিপর্যয়, হারল নাইটরা

দ্বিতীয় ম্যাচেই মুখ থুবড়ে পড়ল কলকাতা নাইট রাইডার্স। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর জিতল ৩ উইকেটে। আইপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচেই ব্যাটিং বিপর্যয় কলকাতা নাইট রাইডার্সের। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ২০ ওভারও ক্রিজে টিকতে পারল না শ্রেয়স আয়ারের দল! ১৮.৫ ওভারে গুটিয়ে গেল মাত্র ১২৮ রানে। সর্বোচ্চ রান আন্দ্রে রাসেলের ২৫। দুর্দান্ত বোলিং করে নাইট রাইডার্সকে বিধ্বস্ত করলেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ২০ রানে তুলে নিলেন ৪ উইকেট। বাংলার আকাশদীপ নিয়েছেন ৩ উইকেট।টস জিতে এদিন নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের মধ্যেই ৩ উইকেট হারায় শ্রেয়স আয়ারের দল। ৩.১ ওভারে দলের ১৪ রানের মাথায় ভেঙ্কটেশ আয়ার আকাশ দীপের বলে তাঁরই হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। তিনি ১৪ বলে করেন ১০। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে ৩২ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় কেকেআর। ১০ বলে ৯ রান করে মহম্মদ সিরাজের বলে শাহবাজ আহমেদের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অজিঙ্ক রাহানে। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে নীতীশ রানা আকাশ দীপের দ্বিতীয় শিকার। দুরন্ত ক্যাচ ধরেন ডেভিড উইলি। রানা করেন ৫ বলে ১০। ৪৪ রানে তৃতীয় উইকেটটি পড়ে কেকেআরের।এরপরই নাইটদের ইনিংসে ধস নামান ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ৪ ওভারে ২০ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। শ্রেয়স আয়ার (১০ বলে ১৩), সুনীল নারিন (৮ বলে ১২), শেল্ডন জ্যাকসন (১ বলে ০) ও টিম সাউদি (৫ বলে ১) হাসারাঙ্গার শিকার। নবম ওভারে সুনীল নারায়ন ও শেলডন জ্যাকসনকে পরপর দুই বলে ফেরান তিনি। স্যাম বিলিংস (১৫ বলে ১৪) ও আন্দ্রে রাসেল (১৮ বলে ২৫) হর্ষল প্যাটেলের শিকার। নাইট রাইডার্সকে লজ্জা থেকে বাঁচান উমেশ যাদব ও বরুণ চক্রবর্তী। জুটিতে ওঠে ২৭ রান। উমেশ যাদব ১২ বলে ১৮ রান করেন। বরুণ চক্রবর্তী ১৬ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন। আকাশ দীপ ৪৫ রানা ৩ উইকেট নেন। হর্ষল প্যাটেলের ৪ ওভারে ২টি মেডেন, ১১ রানের বিনিময়ে তিনি নেন ২ উইকেট। মহম্মদ সিরাজ ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ১টি উইকেট দখল করেন। ব্যাট করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সও শুরুতে বিপর্যয়ে পরে। ১৭ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারায়। আউট হন ফাফ ডুপ্লেসি (৫), অনুজ রাওয়াত (০) ও বিরাট কোহলি (১২)। প্রথম ওভারেই অনুজকে তুলে নেন উমেশ যাদব। পরের ওভারেই ডুপ্লেসিকে ফেরান টিম সাউদি। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে কোহলিকে তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে বড় ধাক্কা দেন উমেশ। কিন্তু প্রাথমিক বিপর্যয় সামলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ডেভিড উইলি ও শেরফানে রাদারফোর্ড। একাদশতম ওভারের শেষ বলে ডেভিড উইলিকে (২৮ বলে ১৮) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন সুনীল নারাইন। এরপর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে টেনে নিয়ে যান শেরফানে রাদারফোর্ড ও শাহবাজ আমেদ। ২০ বলে ২৭ রান করে বরুণ চক্রবর্তীর বলে স্টাম্পড হন শাহবাজ। রাদারফোর্ড (২৮) ও হাসারাঙ্গা (৪) আউট হলেও দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন দীনেশ কার্তিক (অপরাজিত ১৪) ও হর্ষল প্যাটেল ( অপরাজিত ১০)। ৪ বল বাকি থাকতে ১৩২/৭ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স।

মার্চ ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, কুলদীপের সঙ্গে চাকরের মতো ব্যবহার করত নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট!‌

গত বছর আইপিএল চলাকালীনই একসময় কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন কুলদীপ যাদব। দিনের পর দিন রিজার্ভ বেঞ্চে বসে থেকে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। নাইট কর্তাদের কাছে রিলিজও চেয়েছিলেন। কিন্তু পাননি। তাঁর সঙ্গে নাকি চাকরের মতো ব্যবহার করতেন নাইট কর্তারা। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন কুলদীপ যাদবের কোচ কপিল পাণ্ডে। এমনকি নাইট কর্তাদের জন্য এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন কুলদীপ, মনে করছেন তিনি। বেশ কয়েক মরশুম ধরে কলকাতা নাইট রাইডার্সে ব্রাত্য কুলদীপ যাদবকে এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে তুলে নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ করে দিয়েছেন, দলকে জেতানোর মতো দক্ষতা এখনও তাঁর রয়েছে। নাইট রাইডার্সে কুলদীপকে চাকরের মতো রাখা হত বলে জানিয়েছেন কপিল পাণ্ডে। তিনি বলেন, কুলদীপের সঙ্গে নাইট রাইডার্স চাকরের মতো ব্যবহার করত। না খেলিয়ে দিনের পর দিন ওকে বসিয়ে রাখত। ওর মধ্যে হতাশা এসে গিয়েছিল। আমাকে বলত, স্যর আমাকে কেন খেলার সুযোগ দিচ্ছে না, বুঝতে পারছি না। আমাকে যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। কোথায় সমস্যা জানি না। ওকে যেদিন ছেড়ে দিয়েছিল, খুব খুশি হয়েছিলাম। নাইট রাইডার্সের জন্য কুলদীপ যে আর্থিকভাবে ক্ষতি হয়েছেন, সেকথাও জানিয়েছেন কপিল পাণ্ডে। তিনি বলেন, দুবছর ধরে খেলার সুযোগ না পেয়ে ওর দর অনেক কমে গিয়েছে। ওর যা কোয়ালিটি ৯১০ কোটি টাকা পাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু মাত্র ২ কোটি টাকা দর উঠেছিল এবারের নিলামে। নাইট রাইডার্সের জন্যই ওর এতটা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। তবে ওকে বলেছি, ক্ষতি নিয়ে না ভাবতে। দেশের হয়ে খেলার জন্য মনোযোগ দাও। একসময় কুলদীপ যাদবকে বাড়ি ফিরে গিয়ে ঘরে বসে থাকার কথাও নাকি বলেছিলেন দীনেশ কার্তিক, ইওয়িন মর্গানরা। এমনই দাবি করেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফ। তিনি বলেন, কুলদীপ যাদবের ম্যাচ জেতানোর মতো ট্র্যাক রেকর্ড আছে। ও একটু আবেগপ্রবন। যদি দলকে না জেতাতে পারে, কিংবা খারাপ বোলিং করে কিংবা দল থেকে বাদ পড়ে তাহলে খুব ভেঙে পড়ে। কার্তিক ও মর্গান অধিনায়ক থাকার সময় কুলদীপকে তো বলা হয়েছিল বাড়ি গিয়ে বসে থাকতে।

মার্চ ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কুলদীপের ব্যাপারে কেন নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টকে বিঁধলেন অক্ষর প্যাটেল?‌

রোহিত শর্মা ও ঈশান কিশানের দাপটে দিশেহারা বোলাররা। রোহিত ঝড় আটকাতে কুলদীপ যাদবের শরণাপন্ন হয়েছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। গতির তারতম্য ঘটিয়ে রোহিতকে তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছিলেন কুলদীপ। পরে তুলে নেন আরও দুটি উইকেট। পঞ্চদশ আইপিএলে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে নতুন জীবন পেলেন এই চাইনাম্যান বোলার। গত কয়েকটা মরশুম কলকাতা নাইট রাইডার্সে থাকলেও অধিকাংশ সময়ই রিজার্ভ বেঞ্চে কাটাতে হয়েছে কুলদীপকে। সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তীর দাপটে প্রথম একাদশে সুযোগ পাচ্ছিলেন না। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে চলে গিয়েছিল কুলদীপ যাদবের ক্রিকেটজীবন। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে এই চাইনাম্যান বোলারের ওপর ভরসা রেখেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথম ম্যাচেই আস্থার মর্যাদা দিয়েছেন। পেয়েছেন ম্যাচের সেরার পুরস্কারও। কুলদীপকে পুরনো ছন্দে দেখে খুশি সতীর্থরাও। কুলদীপের এই ছন্দে ফেরার কারণ কী? একদিকে যেমন রয়েছে হেড কোচ রিকি পন্টিংয়ের পরামর্শ, তেমনই রয়েছে টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থা। প্রস্তুতি শিবিরে কুলদীপকে লেংথ বোলিংয়ের দিকে নজর দিতে বলেছিলেন পন্টিং। প্রথম ম্যাচে তাঁর পরামর্শমতো বোলিং করেই সাফল্য পেয়েছেন কুলদীপ। নিজের মুখেই স্বীকার করে নিয়েছেন সেকথা। দলের সতীর্থ অক্ষর প্যাটেলও জানিয়েছেন পন্টিং ও অধিনায়ক ঋষভ পন্থের সাপোর্টও কুলদীপের সেরাটা বার করতে সাহায্য করেছে। কুলদীপের ব্যাপারে কলকাতা নাইট রাইটার্স টিম ম্যানেজমেন্টকে সমালোচনা করতে ছাড়েননি অক্ষর। তিনি বলেন, নাইট রাইডার্সে নিজের জায়গার ব্যাপারে নিশ্চিত ছিল না কুলদীপ। তাই নিজেকে মেলে ধরতে পারছিল না। দিল্লি ক্যাপিটালসে যোগ দেওয়ার পর বুঝতে পেরেছে এখানে নিয়মিত খেলার সুযোগ পাবে। তাই নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছে। যে কোনও ক্রিকেটারের ক্ষেত্রেই এমন হয়। কেউ যদি জানে দলে তার জায়গা নিশ্চিত, দুএকটা ম্যাচে খারাপ খেললেও বাদ পড়বে না, তখন সেরাটা বেরিয়ে আসে। কুলদীপের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে।

মার্চ ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মধুর প্রতিশোধ নাইট রাইডার্সের, ধোনির ব্যাটে রান সত্ত্বেও হার চেন্নাইয়ের

গতবছর লিগ পর্বে দুটি সাক্ষাৎকারেই চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে হারতে হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। ফাইনালে উঠেও শেষরক্ষা হয়নি। চেন্নাইয়ের কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল নাইট রাইডার্সকে। পঞ্চদশ আইপিএলের প্রথম ম্যাচেই মধুর প্রতিশোধ। উদ্বোধনী ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসকে ৬ উইকেটে হারাল নাইট রাইডার্স। নাইট রাইডার্সের হয়ে অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ম্যাচেই দারুণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শ্রেয়স আয়ার। রান তাড়া করার ব্যাপারে চেন্নাই সুপার কিংসের দারুণ সুনাম আছে। সেকথা মাথায় রেখে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শ্রেয়স। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে দারুণভাবে স্বাগত জানিয়ে প্রথম ওভারেই ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে (০) তুলে নেন উমেশ যাদব। প্রথম ওভারে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় চেন্নাই। পাওয়ার প্লেতে সেভাবে রান তুলতে পারেননি চেন্নাইয়ের ব্যাটাররা। পঞ্চম ওভারে ডেভন কনওয়েকে (৩) তুলে নেন উমেশ যাদব। রান তোলার গতি মন্থর থাকায় রবিন উথাপ্পা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার চেষ্টা করেন। বরুণ চক্রবর্তীর বলে তিনি স্টাম্পড হন। ২১ বলে ২৮ রান করেন উথাপ্পা। অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন অম্বাতি রায়ডু (১৫)। শিবম দুবেও (৩) দ্রুত ফেরেন। এরপর দলকে বর্তমান ও প্রাক্তন অধিনায়ক মিলে এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান। এবাবের আইপিএলে প্রথম ম্যাচেই দলকে ভরসা দিয়ে গেলেন ধোনি। ৩৮ বলে তাঁর অপরাজিত ৫০ রানের ইনিংস চেন্নাইকে ১০০ রানের গন্ডি পার করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৩১/৫ তোলে চেন্নাই। ২৮ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন জাদেজা। ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিলেন নাইট রাইডার্সের দুই ওপেনার অজিঙ্কা রাহানে ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৪৩। ১৬ বলে ১৬ রান করে ডোয়েন ব্রাভোর বলে ধোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ভেঙ্কটেশ আয়ার। তিন নম্বরে নামা নিতীশ রানা ১৭ বলে করেন ২১। তিনিও ব্রাভোর শিকার। তাঁর ওপর নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট ভরসা করে যে ভুল করেনি, প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ করে দিলেন অজিঙ্কা রাহানে। তিনিই নাইটদের জয়ের ভিত গড়ে দেন। শেষ পর্যন্ত মিচেল স্যান্টনারের বলে তিনি আউট হন। ৩৪ বলে ৪৪ রান করেন রাহানে। সাম বিলিংস ২২ বলে ২৫ রান করে আউট হন। তাঁকে ফিরিয়ে আইপিএলে লসিথ মালিঙ্গার (১৭০) সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্পর্শ করলেন ডোয়েন ব্রাভো। ২০ রানে তিনি নেন ৩ উইকেট। ১৮.৩ ওভারে ১৩৩/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় নাইট রাইডার্স। ১৯ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার।

মার্চ ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্সের অধিনায়ককে নিয়ে কী বললেন ভেঙ্কটেশ আয়ার?‌

ভেঙ্কটেশ আয়ার নামের সঙ্গে সেভাবে পরিচিত ছিলেন না ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। গত আইপিএলের পরেই বদলে গিয়েছে ছবিটা। ২০২১ আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও এই তরুণ তারকাকে খুঁজে পেয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। আইপিএলে ব্যাট ও বল হাতে দুর্দান্ত পারফরমেন্স জাতীয় দলের দরজা খুলে দিয়ে ভেঙ্কটেশ আয়ারের সামনে। এবছর মেগা নিলামের আগে কলকাতা নাইট রাইডার্স যে ৪ জন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছিল, ভেঙ্কটেশ আয়ার তাঁদের মধ্যে অন্যতম। এবারের আইপিএলে টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার মর্যাদা দিতে মরিয়া তিনি। শনিবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে আইপিএল অভিযানে নামবে কলকাতা নাইট রাইডার্স। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে নাইটদের অন্যতম ভরসা ভেঙ্কটেশ বলেন, কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট এবছর আমার ওপর ভরসা রেখেছে। তার জন্য টিম ম্যানেজমেন্টকে ধন্যবাদ। গতবছর অল্পেন জন্য চ্যাম্পিয়ন হতে পারিনি। এবছর চেষ্টা করব দলকে সাফল্য এনে দেওয়ার। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার আমার খুব ভাল বন্ধু। অনুশীলনে ওর সঙ্গে অনেক কথা বলি। শ্রেয়সকে বলেছি, এবছর আইপিএল জিততেই হবে। শ্রেয়স সম্পর্কে আরও বলেছেন, খুব ভাল ছেলে। দারুণ অধিনায়কও। আশা করি দুজনে খুব ভাল সময় কাটাব। বয়সে তরুণ হলেও নেতৃত্বের ব্যাপারে অনেকটাই অভিজ্ঞ। দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি সম্পর্কে বেঙ্কটেশ বলেছেন, অধিনায়ক না হয়েও বিরাট ভাই দলে নেতার মতোই। নেতা হতে গেলে কোনও পদের দরকার নেই। আমার মনে হয় নেতা এমন কারও হওয়া উচিত যে দলে একটা সুন্দর পরিবেশ তৈরি করতে পারে। বিরাট ভাইয়ের অনেক অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। ও জন্মগত নেতা। ও জানে যে কী ভাবে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়। টিম ম্যানেজমেন্ট তাঁকে ৬ নম্বরে ভাবলেও জাতীয় দলে যে কোনও পজিশনে খেলতে রাজি ভেঙ্কটেশ আয়ার। নিজেকে সেভাবেই তৈরি করছেন।

মার্চ ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বড় ধাক্কা নাইট রাইডার্সের, প্রথম ৫ ম্যাচে পাবেন না এই দুই সেরা ক্রিকেটারকে

আইপিএল অভিযানে নামার আগেই ধাক্কা প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলা দুই দল চেন্নাই সুপার কিংস ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের। তবে চেন্নাইয়ের থেকেও কলকাতা নাইট রাইডার্সের ধাক্কাটা বেশি জোরালো। প্রথম ম্যাচে দলের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার মঈন আলিকে পাবে না চেন্নাই সুপার কিংস। অন্যদিকে, প্রথম ৫ ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্স পাবে না প্যাট কামিন্স ও অ্যারন ফিঞ্চকে।এই মুহূর্তে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলতে ব্যস্ত প্যাট কামিন্স। টেস্ট সিরিজ শেষ হওয়ার পরপরই একদিনের সিরিজ শুরু। তারপর একটা টি২০ ম্যাচ। টেস্ট সিরিজের পর একদিনের সিরিজ ও একমাত্র টি২০ ম্যাচে খেলবেন প্যাট কামিন্স। অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে না থাকলেও একদিনের সিরিজ ও টি২০ ম্যাচে খেলবেন অ্যারন ফিঞ্চ। ফলে এই দুই ক্রিকেটারকে প্রথম ৫ ম্যাচে পাবে না নাইট রাইডার্স। বুধবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে নাইট রাইডার্সের মেন্টর ডেভিড হাসি বলেন, সব দলই সেরা ক্রিকেটারদের খেলাতে চায়। কিন্তু আমরা প্রথম ৫ ম্যাচে কামিন্স ও ফিঞ্চকে পাব না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে গুরুত্ব দিতেই হবে। দেশের দায়িত্ব পালন করে ওরা আইপিএলের দলে যোগ দেবে।এবছর নিলামে শ্রেয়স আয়ারকে তুলে নিয়েছে কলকাতা নাইট নাইডার্স। নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট একজন ভাল মাপের নেতা খুঁজছিল। তাই শ্রেয়সের জন্য ঝাঁপিয়েছিল। শ্রেয়সের নেতৃত্বর দক্ষতার ওপর আস্থা রাখছেন দলের মেন্টর ডেভিড হাসি। তিনি বলেন, শ্রেয়সের ক্রিকেটীয় মস্তিষ্ক দুর্দান্ত। নেতা হওয়ার জন্যই ও জন্মেছে। দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে শ্রেয়স নেতৃত্ব দেওয়ার দক্ষতা দেখিয়ে দিয়েছে। ওর হাতে নেতৃত্বের দায়িত্ব তুলে দেওয়াটা টিম ম্যানেজমেন্ট এবং কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালামের দুর্দান্ত পদক্ষেপ। তাছাড়া শ্রেয়স ডেপুটি হিসেবে পাবে প্যাট কামিন্সকে। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে পারে কামিন্স। এবছর নাইট রাইডার্সে ভাল মানের উইকেটকিপার নেই। ভরসা শুধু শেলডন জ্যাকসন। তাঁর ওপর আস্থা রাখছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের মেন্টর ডেভিড হাসি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘদিন রানের মধ্যে না থাকা অজিঙ্কা রাহানের ওপর ভরসা রাখছেন। রাহানে আইপিএলে রানে ফিরবেন, আশাবাদী হাসি। দলের বোলিং বিভাগেও দারুণ ভারসাম্য আছে বলে তিনি মনে করছেন।

মার্চ ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আজব কান্ড!‌ পুরনো দলের নামই মনে করতে পারলেন না নাইট রাইডার্সের অ্যারন ফিঞ্চ?‌

আজব কান্ড! একসময় নিজেই খেলেছেন। আর সেই দলের নামই কিনা মনে করতে পারছেন না অ্যারন ফিঞ্চ? এটা বাস্তব। আসলে এত বেশি দলে খেলে ফেলেছেন, নামই মনে রাখতে পারছেন না অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের ক্রিকেটের এই অধিনায়ক। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে ইংল্যান্ডের ওপেনার অ্যালেক্স হেলেসকে দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাউডার্স। কিন্তু জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকতে থাকতে হাঁপিয়ে উঠেছেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। তাই আইপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। তাঁর পরিবর্তে অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের ক্রিকেটের অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকে দলে নিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। আইপিএলের মেগা নিলামে অবিক্রিত ছিলেন ফিঞ্চ। কলকাতা নাইট রাইডার্স নিয়ে আইপিএলে ৯টি ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি গায়ে তুলবেন তিনি। যা আইপিএলে যে কোনও ক্রিকেটারের কাছে রেকর্ড। এখনও পর্যন্ত ৯টি ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি কোনও ক্রিকেটারই গায়ে তুলতে পারেননি। ২০১০ সাল থেকে আইপিএলে খেলছেন অ্যারন ফিঞ্চ। প্রথম বার তিনি রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি গায়ে তোলেন। এছাড়াও দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর, পুনে ওয়ারিয়র্স, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, গুজরাট লায়ন্স, পাঞ্জাব কিংসের জার্সি গায়েও খেলেছেন। সব দলের নাম মনে থাকলেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরে খেলার কথা বেমালুম ভুলে গেছেন ফিঞ্চ। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফিঞ্চ বলেন, সব দলের নাম মনে আছে। কিন্তু একটা দলের নাম কিছুতেই মনে করতে পারছি না। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ছাড়া বাকি ৮ দলের নাম অবশ্য ঝরঝর করে বলে দেন ফিঞ্চ। এবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন তিনি। ফিঞ্চ বলেছেন, নাইট রাইডার্সের পক্ষ থেকে যখন আমাকে খেলার কথা বলা হয়েছিল, আমি ডিনার করছিলাম। তারপর অ্যামির সঙ্গে কথা বলে ব্রেন্ডন ম্যাকালামকে জানিয়েছিলাম। এবার আমি নাইট রাইডার্সে খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।

মার্চ ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অনুশীলন শুরু কেকেআরের, কী বললেন অজিঙ্কা রাহানে?‌

চেন্নাই সুপার কিংসের খিদে যে কতটা বারবার প্রমাণ হয়ে চলেছে। গতমরশুমেও চ্যাম্পিয়ন হয়ে আশ মেটেনি। লক্ষ্য ২০২২এর আইপিএল খেতাবও। সেই লক্ষ্যেই সপ্তাহখানের আগে অনুশীলনে নেমে পড়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। ধোনিদের পথ ধরে এবার প্রস্তুতি শুরু করল কলকাতা নাইট রাইডার্স। সোমবার থেকে ডিওয়াইপাতিল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে নেমে পড়লেন অজিঙ্কা রাহানেরা।এদিন থেকে নাইট রাইডার্সের প্রস্তুতি শুরু হলেও সব ক্রিকেটার এখনও অনুশীলনে যোগ দেননি। বিদেশি ক্রিকেটাররা এখনও মুম্বই এসে পৌঁছননি। ভেঙ্কটেশ আয়ার এখনও পুরোপুরি ফিট নন। বেঙ্গালুরুর জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাদেমিতে তাঁর রিহ্যাব চলছে। রিহ্যাব শেষ হলেই তিনি অনুশীলনে যোগ দেবেন। নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক শ্রেয়শ আয়ার, উমেশ যাদব জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট খেলতে ব্যস্ত থাকায় এখনও শিবিরে যোগ দেননি। কদিন বিশ্রাম নিয়ে শ্রেয়স শিবিরে যোগ দেবেন বলে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে উমেশ যাদব খুব শীঘ্রই অনুশীলনে যোগ দেবেন। বেশ কয়েকজন কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। কোয়ারেন্টিন পর্ব কাটিয়ে তাঁরা মাঠে নামবেন।এদিকে, কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন অজিঙ্কা রাহানে। নাইট রাইডার্স তাঁর ওপর আস্থা রাখায় খুশি ভারতীয় টেস্ট দলের এই প্রাক্তন সহঅধিনায়ক। নাইটদের ওয়েবসাইটে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, নাইটস রাইডার্স পরিবারের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি খুবই খুশি। একই সঙ্গে উত্তেজিত। নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট আমার ওপর আস্থা রাখার জন্য ধন্যবাদ। আগের দুটি মরশুম নাইটদের খুব ভাল কেটেছে। আশা করছি এবারেও আমরা ভাল খেলতে পারব।

মার্চ ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নিলামে অবিক্রিত থেকে যাওয়া এই বিশ্বজয়ী অধিনায়ককে কেন নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স?‌

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে রয়েছেন ইংল্যান্ডের ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকতে থাকতে দম বন্ধ হয়ে এসেছে তাঁর। মানসিকভাবেও ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। তাই এবছর আইপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন ইংল্যান্ডের এই ক্রিকেটার। তাঁর পরিবর্তে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকে দলে নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। অ্যালেক্স হেলস সরে দাঁড়ানোয় তাঁর পরিবর্তে একজন ভাল মানের বিদেশি ওপেনার খুঁজছিলেন নাইট রাইডার্স কর্তারা। বেশ কয়েকটি নাম তাঁদের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত অ্যারন ফিঞ্চকেই বেছে নিলেন। অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের ক্রিকেটের নেতৃত্বে রয়েছেন অ্যারন ফিঞ্চ। গত বছর তাঁর নেতৃত্বেই টি২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। আইপিএলে খেলার জন্য এবছর মেগা নিলামে নিজের নাম নথিভূক্ত করেছিসলেন ফিঞ্চ। কিন্তু দুদিনের মেগা নিলামে কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজিই তাঁর প্রতি আগ্রহ দেখায়নি। অবিক্রিতই থেকে গিয়েছিলেন। অথচ আইপিএলে খেলার তাঁর যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। ৮৭ ম্যাচে ২ হাজারের বেশি রান করেছেন। দেড় কোটি টাকার বিনিময়ে ফিঞ্চকে দলে নিয়েছে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। দেশের হয়ে এখনও পর্যন্ত ৮৮টি টি২০ ম্যাচ খেলেছেন ফিঞ্চ। রয়েছে ২টি সেঞ্চুরি ও ১৫টি হাফসেঞ্চুরি। তাঁর সংগ্রহে রয়েছে মোট ২৬৮৬ রান। আইপিএলে ৮৭টি ম্যাচে তাঁর রান ২০০৫। কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব, দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়্যালস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে খেলেছেন তিনি। অ্যালেক্স হেলসের পরিবর্তে তাঁকে দলে নিয়ে খুশি কলকাতা নাইট রাইডার্স। ফ্র্যাঞ্চাইজির সিইও ভেঙ্কি মাইসোর বলেন, বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ককে কলকাতা নাইট রাইডার্স দলে পেয়ে আমরা খুশি। অ্যারন ফিঞ্চ আসায় আমাদের ব্যাটিং আরও শক্তিশালী হল। ফিঞ্চ নিজেও উত্তেজিত মুম্বইয়ে নাইট রাইডার্সের বাকি সদস্যদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য। ওর বিশাল অভিজ্ঞতা দলকে অনেক উপকৃত করবে। আগামী ২৬ মার্চ চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে আইপিএল অভিযান শুরু করবে কলকাতা নাইট রাইডার্স। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে অনুষ্ঠিত হবে এই ম্যাচ। তার আগে মুম্বইয়ে প্রস্তুতি শিবির বসবে কলকাতা নাইট রাইডার্সের। সেই শিবিরে সব ক্রিকেটাররা যোগ দেবেন।

মার্চ ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌নাইট রাইডার্সকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান?‌ রূপরেখা তৈরি শ্রেয়সের

আইপিএলের নিলামে তাঁকে নিয়ে দর চড়চড় করে বেড়েই চলেছিল। অন্যদিকে আমেদাবাদে ভারতীয় দলের টিম হোটেলে বসে সতীর্থদের সঙ্গে নিলাম দেখতে দেখতে রক্তচাপ ক্রমশ বাড়ছিল শ্রেয়স আয়ারের। একসময় নার্ভাসও হয়ে পড়েছিল। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে তাঁকে তুলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। নাইট রাইডার্সের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি গায়ে তুলতে পেরে গর্বিত শ্রেয়স আয়ার। আরও সম্মানিত তাঁর হাতে নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট নেতৃত্বর দায়িত্ব তুলে দেওয়ায়। ২০২০ আইপিএলেদিল্লি ক্যাপিটালসের নেতৃত্বে ছিলেন শ্রেয়স আয়ার। দলকে ফাইনালেও তুলেছিলেন। ফাইনালে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। গত মরশুমে চোটের জন্য আইপিএলের মাঝপথে ছিটকে যান। শ্রেয়সের পরিবর্তে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয় ঋষভের হাতে। চোট সারিয়ে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে ফিরলেও তাঁকে আর নেতৃত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি। এই মরশুমের জন্য দিল্লি ক্যাপিটালস তাঁকে ধরেও রাখেনি। নাইট রাইডার্স কর্তারা এমন একজন ক্রিকেটারকে দলে চাইছিলেন নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই শ্রেয়স আয়ারের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছিল। কীভাবে দলকে পরিচালনা করতে চান, সেকথা কলকাতা নাইট রাইডার্সের ওয়েবসাইটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেকথা তুলে ধরেছেন শ্রেয়স আয়ার। তিনি বলেন, নতুন চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। দলের সকলের মধ্যে বোঝাপড়া ঠিক রেখে দলগত সংহতির ওপর ভর করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আইপিএলে একসময় ব্রেন্ডন ম্যাকালামের সঙ্গে খেলেছেন শ্রেয়স। এবার তাঁকে কোচ হিসেবে পাবেন। ম্যাকালামের সঙ্গে কাজ করার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন শ্রেয়স আয়ার। তিনি বলেন, খেলার সময় ম্যাকালাম আগ্রাসী ছিলেন। ঝুঁকি নিতেও ভালবাসতেন। ওর এই আগ্রাসী মনোভাব আমাকে দারুণ আকৃষ্ট করে। আশা করছি একসঙ্গে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal