• ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ১১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

KKR,

খেলার দুনিয়া

ভারত-বাংলাদেশ টানাপোড়েনে আইপিএল সিদ্ধান্ত, কেকেআর দলে বড় বদল

শাহরুখ খানের দল কলকাতা নাইট রাইডার্সে আর খেলবেন না বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। আইপিএল ২০২৬-এ তাঁকে খেলানো যাবে না বলে কেকেআরকে জানানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে আইপিএলে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, মুস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে সরানোর জন্য কেকেআরকে চিঠি পাঠিয়েছে বিসিসিআই। বোর্ডের তরফে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি ক্রিকেটারের বদলে কেকেআর অন্য কোনও বিদেশি খেলোয়াড় নিতে পারবে। বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া সংবাদসংস্থা এএনআই-কে জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এবারের আইপিএল নিলামে মোট সাতজন বাংলাদেশি খেলোয়াড় অংশ নিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে একমাত্র মুস্তাফিজুর রহমানই দল পেয়েছিলেন। কলকাতা নাইট রাইডার্স তাঁকে ৯.২০ কোটি টাকায় কিনেছিল। তবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে তাঁর আইপিএলে খেলা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। রাজনৈতিক মহলেও এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে।গত কয়েক দিন ধরে এই ইস্যুতে বিসিসিআই ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ নীতি নিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত বোর্ড নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেকেআরকে মুস্তাফিজকে ছাড়ার অনুরোধ জানায়।প্রসঙ্গত, ২৬/১১ মুম্বই হামলার পর থেকেই কোনও পাকিস্তানি ক্রিকেটার আইপিএলে খেলার সুযোগ পান না। এবার বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রেও কি একই নীতি নেওয়া হবে, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দুর্দান্ত লড়াই করেও স্বপ্ন শেষ নাইটদের, প্লে অফে লখনউ

নাটকীয় ম্যাচে ফয়সালা হল শেষ ওভারে। দুর্দান্ত লড়াই করেও শেষরক্ষা করতে পারল না নাইট রাইডার্স। শ্রেয়স আয়ারের দলকে ২ রানে হারিয়ে প্লে অফে পৌঁছে গেল লখনউ সুপার জাযান্টস। কুইন্টন ডিকক ও লোকেশ রাহুলের দাপটে প্রথমে ব্যাট করে ২১০ রানের বিশাল স্কোর খাড়া করে লখনউ সুপার জায়ান্টস। সামনে বড় রানের টার্গেট দেখে চাপে পড়ে যান নাইট রাইডার্সের ব্যাটাররা। তার প্রতিফলন শুরুতেই দেখা যায়। প্রথম ওভারেই ধাক্কা। স্কোর বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই চতুর্থ বলেই ভেঙ্কটেশ আয়ারকে (০) তুলে নেন মহসীন খান। তৃতীয় ওভারে আবার ধাক্কা। এবার মহসীন ফেরান আইপিএলে অভিষেককারী নাইটদের ওপর ওপেনার অভিজিৎ টোমারকে। ৮ বলে মাত্র ৪ রান করে আউট হন অভিজিৎ। ৯ রানে ২ উইকেট হারানোর পর ঝড় তোলেন নীতীশ রানা ও শ্রেয়স আয়ার। দুজনে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অষ্টম ওভারে আবার ধাক্কা। এবার নীতীশকে তুলে নেন কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। ২২ বলে ৪২ রান করে আউট হন নীতীশ। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান শ্রেয়স ও স্যাম বিলিংস। শ্রেয়সকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন মার্কাস স্টইনিস। ২৯ বলে ৫০ রান করেন শ্রেয়স। ২৪ বলে ৩৬ রান করে বিলিংস আউট হন। রাসেল করেন ৫।এরপর ম্যাচ জমিয়ে দেন রিঙ্কু সিং। ঝড় তুলে ১৫ বলে ৪০ রান করে তিনি দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন। স্টইনিসের বলে তিনি যখন আউট হন জয় থেকে ৩ রান দূরে নাইটরা। শেষ বলে দরকার ছিল ৩। কিন্তু উমেশ যাদাবকে (০) বোল্ড করে লখনউকে নাটকীয় জয় এনে দেন স্টইনিস। ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন স্টইনিস।টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন লখনউর দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও কুইন্টন ডিকক। প্রথম দিকে খুব বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার চেষ্টা করেননি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে ৪৪। এরপর ক্রমশ নাইট বোলারদের ওপর জাঁকিয়ে বসেন ডিকক ও লোকেশ রাহুল। ৩৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ডিকক। অন্যদিকে, ৪১ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন লোকেশ রাহুল।লখনউ সুপার জায়ান্টসের এই দুই ওপেনারের ওপর কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি নাইট উমেশ যাদবরা। আন্দ্রে রাসেলকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে আইপিএলে জীবনের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন ডিকক। এদিন ৫৯ বলে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।৬ বছর আগে ২০১৬ সালে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে করেছিলেন ১০৮। এদিন ডিককের ব্যাটে রেকর্ডের ছড়াছড়ি। চলতি আইপিএলে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেললেন ডিকক। ৭০ বলে ১৪০ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ১০টি চার ও ১০টি ছয়। চলতি আইপিএলে এক ম্যাচে সবথেকে বেশি ৬ মারার রেকর্ডেরও অধিকারী হলেন। ৫১ বলে ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন লোকেশ রাহুল।

মে ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হায়দরাবাদকে হারিয়ে প্লে অফের স্বপ্ন টিকিয়ে রাখল নাইটরা

সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৫৪ রানে হারিয়ে প্লে অফের স্বপ্ন জিইয়ে রাখল কলকাতা নাইট রাইডার্স। নাইটদের জয়ের নায়ক আন্দ্রে রাসেল। ব্যাট ও বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডারের।বড় রান তাড়া করতে গেলে শুরুটা ভাল হওয়া জরুরি। কিন্তু উমেশ যাদবের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ের সামনে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার সুযোগ পাননি সানরাইজার্স হায়দরাবাদের প্রারম্ভিক ব্যাটাররা। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে ওঠে মাত্র ৩১ রান। তার মাঝেই হারাতে হয় ১ উইকেট। নিজের প্রথম ওভারেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে তুলে নেন আন্দ্রে রাসেল। ১৭ বলে মাত্র ৯ রান করে বোল্ড হন উইলিয়ামসন। ওই ওভারে মাত্র ১ রান দেন রাসেল। উইলিয়ামসন আউট হলেও নিজের ছন্দ ধরে রাখেন অভিষেক শর্মা। ইনিংসের অষ্টম ও সুনীল নারাইনের দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় ও চতুর্থ বলে পরপর দুটি ছয় মারেন। নারাইনের ওই ওভারে ওঠে ১৭ রান। পরের ওভারে রাহুল ত্রিপাঠিকে তুলে নিয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে আবার ধাক্কা দেন টিম সাউদি। ১২ বলে ৯ রান করে সাউদির বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দেন ত্রিপাঠি। দ্বাদশ ওভারের পঞ্চম বলে অভিষেককে তুলে নেন বরুণ চক্রবর্তী। ২৮ বলে ৪৩ রান করে আউট হন অভিষেক। পরের ওভারেই নিকোলাস পুরানকে (২) তুলে নেন নারাইন। তখনই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। ২২ রানে ৩ উইকেট নেন রাসেল।এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ছন্দে না থাকা ভেঙ্কটেশ আয়ার (৬ বলে ৭)। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অজিঙ্কা রাহানে ও নীতীশ রানা। জুটিতে ওঠে ৪৮ রান। নীতীশ রানাকে (১৬ বলে ২৬) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন উমরান মালিক। অজিঙ্কা রাহানেকেও (২৪ বলে ২৮) তুলে নেন তিনি। শ্রেয়স আয়ারও (১৫) দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ। রিঙ্কু সিংও (৫) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। স্যাম বিলিংস ও আন্দ্রে রাসেলের দাপটে ১৭৭/৬ রানে পৌঁছয় নাইটরা। দুজনের জুটিতে ওঠে ৬৩ রান। ২৯ রানে ৩৪ রান করেন বিলিংস। শেষ দিকে ঝড় তুলে ২৮ বলে ৪৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রাসেল। মারেন ৩টি ৪ ও ৪টি ৬। ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন উমরান মালিক।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রাসেলের দাপটে বড় রান তুলে হায়দরাবাদকে চ্যালেঞ্জ কলকাতার

শনিবার আইপিএলের ম্যাচে মুখোমুখি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্লে অফের আশা টিকিয়ে রাখার জন্য দুই দলের কাছেই ম্যাচটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যে দল হারবে, প্লে অফের লড়াই থেকে ছিটকে যাবে। মরণবাঁচন ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে বড় রান তুলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ১৭৭/৬।এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে নাইটরা। প্রথম একাদশে ফিরেছেন উমেশ যাদব এবং স্যাম বিলিংস। অন্যদিকে, সানরাইজার্স হায়দরাবাদও দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে। এদিন প্রথম একাদশে ঢোকেন ওয়াশিংটন সুন্দর এবং টি নটরাজন।ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি কলকাতা নাইট রাইডার্সের। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ছন্দে না থাকা ভেঙ্কটেশ আয়ার। ৬ বলে ৭ রান করে মার্কো জানসেনের বলে তিনি বোল্ড হন। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে টেনে নিয়ে যান অজিঙ্কা রাহানে ও নীতীশ রানা। দুজনের জুটিতে ওঠে ৪৮ রান। অস্টম ওভারের তৃতীয় বলে নীতীশ রানাকে (১৬ বলে ২৬) জুটি ভাঙেন উমরান মালিক। একই ওভারের শেষ বলে অজিঙ্কা রাহানেকেও তুলে নেন। ২৪ বলে ২৮ রান করে আউট হন রাহানে। বাউন্ডারি লাইনে দুরন্ত ক্যাচ ধরেন শশাঙ্ক সিং। এক ওভার পরেই অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারকেও তুলে নেন উমরান মালিক। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলকে নির্বরতা দিতে ব্যর্থ শ্রেয়স। এদিন ৯ বলে মাত্র ১৫ রান করে তিনি আউট হন। রিঙ্কু সিংও (৫) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি।৯৪ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স মনে হচ্ছিল এদিন বড় রানে পৌঁছতে পারবেন না শ্রেয়স আয়াররা। কিন্তু ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন স্যাম বিলিংস ও আন্দ্রে রাসেল। দুজনের জুটিতে ওঠে ৬৩ রান। ২৯ রানে ৩৪ রান করে ভুবনেশ্বর কুমারের বলে আউট হন বিলিংস। শেষ দিকে ঝড় তোলেন রাসেল। ২৮ বলে ৪৯ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ৩টি ৪ ও ৪টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭৭ রান তোলে নাইটরা। ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন উমরান মালিক। ১টি উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার, মার্কো জানসেন এবং টি নটরাজন।

মে ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কামিন্সদের দুরন্ত বোলিংয়ে বেঁচে রইল নাইটদের প্লে অফের ক্ষীণ আশা

বোর্ডে খুব বেশি রান না নিয়েও দারুণ লড়াই। প্যাট কামিন্সদের দুরন্ত বোলিং মু্ম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ৫২ রানের সহজ জয় এনে দিল কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। একই সঙ্গে নাইটদের প্লে অফের ক্ষীণ সম্ভাবনা এখনও বেঁচে রইল। এদিন জয়ের জন্য মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে ১৬৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল নাইট রাইডার্স। জয়ের জন্য লক্ষ্যটা খুব একটা বড় ছিল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে। কিন্তু প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় মুম্বই। টিম সাউদির ওভারের শেষ বলে উইকেটকিপার শেলডন জ্যাকসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মুম্বই অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ৬ বলে মাত্র ২ রান করেন তিনি। চলতি আইপিএলে বিরাট কোহলির মতো তিনিও চূড়ান্ত ব্যর্থ। কোহলির ব্যর্থতা বাকিরা পুশিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই দলে রোহিতের ব্যর্থতা পুশিয়ে দেওয়ার ব্যাটার নেই। মিডল অর্ডারকে যিনি এতদিন নির্ভরতা দিয়ে এসেছেন, সেই সূর্যকুমার যাদব হাতের পেশিতে চোট পেয়ে আইপিএলের বাইরে। রোহিত আউট হওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব ছিল ঈশান কিষানের ওপর। ভালোই খেলছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই ওপেনার। রোহিতের ব্যর্থতা ঢেকে দিয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান। কিন্তু তিলক ভার্মা (৬), রমণদীপ সিং (১৬ বলে ১২), টিম ডেভিডরা (৯ বলে ১৩) সঙ্গ দিতে পারেননি ঈশানকে। এদিন আগ্রাসী বোলিং করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মিডল অর্ডারকে গুড়িয়ে দেন আন্দ্রে রাসেল ও প্যাট কামিন্স। রাসেল তুলে নেন তিলক ও রমণদীপকে। অন্যদিকে প্যাট কামিন্সের শিকার ঈশান (৪৩ বলে ৫১), ড্যানিয়েল সামস (১), মুরুগান অশ্বিন (০)। কায়রন পোলার্ড ১৬ বলে ১৫ রান করে রান আউট হন। ১৭.৩ ওভারে ১১৩ রানে শেষ হয়ে যায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ইনিংস। এদিন প্রথম পাঁচপাঁচটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ভাল শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার অজিঙ্কা রাহানে ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৬০। ভেঙ্কটেশ আয়ারকে তুলে নেন কুমার কার্তিকেয়া। ২৪ বলে ৪৩ রান করে আউট হন ভেঙ্কটেশ। রাহানের সঙ্গে জুটি বেঁছে দলকে টেনে নিয়ে যান নীতিশ। একাদশ ওভারে রাহানেকে (২৪ বলে ২৫) তুলে নেন সেই কার্তিকেয়া। শ্রেয়স আয়ার (৬) এদিনও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৫ বলে ৯ রান করে বুমরার বলে আউট হন রাসেল। একই ওভারে নীতিশ রানাকেও তুলে নেন বুমরা। ২৬ বলে ৪৩ রান করে উইকেটের পেছনে ঈশান কিশানের হাতে ক্যাচ দেন নীতিশ। নীতিশ আউট হওয়ার পরপরই নাইটদের বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ১৯ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন রিঙ্কু সিং। ডেথ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১টি মেডেনসহ ১০ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন বুমরা। ১৬৫/৯ রানে থেমে যায় নাইটরা।

মে ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বুমরার বিধ্বংসী বোলিংয়ে বড় রানের স্বপ্ন চুরমার নাইটদের

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে মরণবাঁচন ম্যাচে শুরু করেও বড় রান করতে ব্যর্থ নাইট রাইডার্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৫/৯ রান তুলতে সমর্থ হয় নাইটরা। দুরন্ত বোলিং করে ১০ রানে ৫ উইকেট নিলেন বুমরা। আইপিএলে এটাই তাঁর সেরা বোলিং। দলকে বড় ইনিংসের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন বেঙ্কটেশ আয়ার ও নীতিশ রানা। যশপ্রীত বুমরার দাপটে নাইটদের বড় রানের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার। এদিন প্রথম পাঁচপাঁচটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। শিবম মাভি, অনুকূল রায়, অ্যারন ফিঞ্চ, বাবা ইন্দ্রজিৎ, হর্ষিত রানা প্রথম একাদশের বাইরে। পরিবর্তে প্রথম একাদশে ভেঙ্কটেশ আয়ার, অজিঙ্কা রাহানে, শেলডন জ্যাকসন, বরুণ চক্রবর্তী ও প্যাট কামিন্স। প্রথম একাদশে পরিবর্তনের ব্যাপারে এবছর চলতি আইপিএলে সব দলকেই টেক্কা দিয়ে গেছে নাইট রাইডার্স। এদিন টস জিতে নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠান মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ভাল শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার অজিঙ্কা রাহানে ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৬০। এরপরই প্রথম ধাক্কা খায় নাইটরা। ভেঙ্কটেশ আয়ারকে তুলে নেন কুমার কার্তিকেয়া। ২৪ বলে ৪৩ রান করে আউট হন ভেঙ্কটেশ। এদিন ব্যাটিং অর্ডারে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল নীতিশ রানাকে। রাহানের সঙ্গে জুটি বেঁছে দলকে টেনে নিয়ে যান নীতিশ। একাদশ ওভারে রাহানেকে (২৪ বলে ২৫) তুলে নেন সেই কার্তিকেয়া। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার এদিনও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৮ বলে ৬ রান করে তিনি মুরুগান অশ্বিনের বলে আউট হন। ব্যাটিং অর্ডারে এদিন আন্দ্রে রাসেলকেও এগিয়ে নিয়ে আসা হয়েছিল। তিনিও ব্যর্থ। ৫ বলে ৯ রান করে তিনি যশপ্রীত বুমরার বলে আউট হন। একই ওভারে নীতিশ রানাকেও তুলে নেন বুমরা। ২৬ বলে ৪৩ রান করে উইকেটের পেছনে ঈশান কিশানের হাতে ক্যাচ দেন নীতিশ। নীতিশ আউট হওয়ার পরপরই নাইটদের বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ১৯ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন রিঙ্কু সিং। ডেথ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১টি মেডেনসহ ১০ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন বুমরা।

মে ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জ্বলে উঠতে ব্যর্থ শ্রেয়সরা, প্লে অফের স্বপ্ন শেষ নাইটদের

ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ শ্রেয়স আয়ারের দল। লখনউ সুপার জায়ান্টসের কাছে ৭৫ রানে হেরে প্লে অফের স্বপ্নের সলিল সমাধি নাইট রাইডার্সের। গত বছরের মতো স্বপ্নের প্রত্যাবর্তন করতে পারলেন না সুনীল নারাইনরা। লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ব্যাটারদের ব্যর্থতার জন্যই ডুবতে হল নাইটদের। এদিন বল হাতে ভাল শুরু করেও লখনউ সুপার জায়ান্টসকে কম রানে বেঁধে রাখতে পারেনি নাইট রাইডার্স। নাইটদের সামনে জয়ের জন্য ১৭৭ রানের টার্গেট রেখেছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি নাইটদের। লখনউ সুপার জায়ান্টসের মতো প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় নাইটরা। ষষ্ঠ বলে ফিরে যান বাবা ইন্দ্রজিৎ। বোর্ডে তখনও কোনও রান ওঠেনি। ইন্দ্রজিৎকে তুলে নেন মহসীন খান। প্রথম ওভারের ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আবার আঘাত। এবার দুষ্মন্ত চামিরার শিকার নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। ৯ বলে মাত্র ৬ রান করে তিনি আয়ুশ বাদোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। নাইটদের রান তখন ৩.৪ ওভারে ১১/২। এক ওভার পরেই আরন ফিঞ্চকে (১৪ বলে ১৪) তুলে নেন জেসন হোল্ডার। সপ্তম ওভারের পঞ্চম বলে ফর্মে থাকা নীতিশ রানাকে (১১ বলে ২) বোল্ড করেন আবেশ খান। ২৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পরে নাইটরা। এরপর ক্রিজে নেমে পাল্টা আক্রমণের রাস্তা বেছে নেন আন্দ্রে রাসেল। জেসন হোল্ডারের এক ওভারে তিনটি ৬, ১টি ৪ ও ২ রান নিয়ে তোলেন ২৪। দ্বাদশ ওভারের প্রথম বলেই রিঙ্কু সিংকে (১০ বলে ৬) তুলে নেন রবি বিশ্নই। এক ওভার পরেই রাসেলের ঝড় থামিয়ে দেন আবেশ খান। ১৯ বলে ৪৫ রান করে আউট হন রাসেল। নাইটদের জয়ের আশা তখনই শেষ হয়ে যায়। একই ওভারে অনুকূল রায়কেও (০) তুলে নেন আবেশ। ১২ বলে ২২ রান করে আউট হন সুনীল নারাইন। শেষ পর্যন্ত ১৪.৩ ওভারে ১০১ রানে থেমে যায় নাইটদের ইনিংস। ৩ টি করে উইকেট নেন আবেশ খান ও জেসন হোল্ডার।এদিন ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় লখনউ সুপার জায়ান্টসও। তবু কুইন্টন ডিকক ও দীপক হুডার সৌজন্যে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। দুজনের জুটিতে ওঠে ৭১। ২৯ বলে ৫০ রান করে আউট হন ডিকক। ২৭ বলে ৪১ রান করেন দীপক হুডা। ২৭ বলে ২৫ রান করেন ক্রূণাল। মার্কাস স্টয়নিসের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের সুবাদে পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭৬/৭ রানে পৌঁছয় লখনউ সুপার জায়ান্টস। ১৪ বলে ২৮ রান করেন স্টয়নিস।

মে ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ কলকাতা নাইট রাইডার্স

জায়ান্টসকে কম রানে বেঁধে রাখতে পারল না কলকাতা নাইট রাইডার্স।প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে লখনউ সুপার তোলে ৭ উইকেটে ১৭৬। প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না কলকাতা নাইট রাইডার্সের সামনে। অথচ এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে কাফ মাসলসে চোটের জন্য ছিটকে যান নাইট রাইডার্সের বোলিংয়ের অন্যতম ভরসা স্তম্ভ উমেশ যাদব। চলতি আইপিএলে ১০ ম্যাচে ১৫ উইকেট নিয়ে বোলারদের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর তালিকায় ৬ নম্বরে রয়েছেন উমেশ যাদব। শুরুর দিকে তাঁর অভাব বুঝতে দেননি টিম সাউদি, সুনীল নারাইনরা। পরে অবশ্য ছন্দ ধরে রাখতে পারেননি।ব্যাট করতে নেমে এদিন শুরুতেই ধাক্কা খায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। প্রথম ওভারেই কোনও বল না খেলেই রান আউট হয়ে ফিরে যান লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল (০)। শুরুর ধাক্কা চমৎকারভাবে সামাল দেন কুইন্টন ডিকক ও দীপক হুডা। দুজনের জুটিতে ওঠে ৭১। অষ্টম ওভারে জুটি ভাঙেন সুনীল নারাইন। তুলে নেন কুইন্টন ডিকককে। ২৯ বলে ৫০ রান করে আউট হন ডিকক। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৪টি চার ও ৩টি ছয়। ১৩ তম ওভারে দীপক হুডাকে তুলে নেন আন্দ্রে রাসেল। ২৭ বলে ৪১ রান করে শ্রেয়স আয়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন দীপক হুডা।২ ওভার পরেই ক্রূণাল পান্ডিয়াকে তুলে নেন সেই রাসেলই। ২৭ বলে ২৫ রান করেন ক্রূণাল। ১৫ ওভারে লখনউ সুপার জায়ান্টসের রান ছিল ১২২/৪। এই সময় মনে হচ্ছিল বড় রানে পৌঁছতে পারবে না লখনউ সুপার জায়ানন্টস। মার্কাস স্টয়নিসের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের সুবাদে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭৬/৭ রানে পৌঁছয় লখনউ সুপার জায়ান্টস। ১৪ বলে ২৮ রান করেন স্টয়নিস। শিবম মাভির এক ওভারে ৩টি ৬ মারেন তিনি। ১৮ বলে ১৫ রান করে অপরাজিত থাকেন আয়ূষ বাদোনি। ৪ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন জেসন হোল্ডার। ২২ রানে ২ উইকেট নেন আন্দ্রে রাসেল। ১টি করে উইকেট নেন টিম সাউদি, শিবম মাভি ও সুনীল নারাইন।

মে ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে প্লে অফের অক্সিজেন পেল নাইট রাইডার্স

টানা ৫ ম্যাচ জয়ের মুখ দেখেনি কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্লে অফের সম্ভাবনাও থেকেও অনেকটাই দুরে সরে গিয়েছিল। অবশেষে জয়ের মুখ দেখল শ্রেয়স আয়ারের দল। মরণবাঁচন ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফের অক্সিজেন পেল কলকাতা নাইট রাইডার্স। জয়ের জন্য ১৫৩ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ৫ বল বাকি থাকতেই ৩ উইকেট হারিয়েই জয় তুলে নিল। বোলারদের দাপটে এদিন রাজস্থান রয়্যালকে কম রানে বেঁধে রেখেছিল নাইটরা। জয়ের জন্য সামনে লক্ষ্য ছিল ১৫৩। খুব একটা কঠিন লক্ষ্য ছিল না। তবু পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের মধ্যে অ্যারন ফিঞ্চ ও বাবা ইন্দ্রজিৎকে হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল নাইট রাইডার্স। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার ও নীতিশ রানা চাপ কাটিয়ে দলের জয়ের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেন। ১০ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল, এখনও সঠিক কম্বিনেশন নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট বেছে নিতে পারল না। খারাপ ফর্মের জন্য এদিন ভেঙ্কটেশ আয়ারকে প্রথম একাদশের বাইরে রেখে অ্যারন ফিঞ্চের সঙ্গে বাবা ইন্দ্রজিৎকে ওপেন করতে পাঠানো হয়। দুই ওপেনারই এদিন দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই অ্যারন ফিঞ্চকে (৭ বলে ৪) তুলে নেন কুলদীপ সেন। ২ ওভার পরেই প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার শিকার বাবা ইন্দ্রজিৎ। ১৬ বলে ১৫ রান করে তিনি আউট হন। ৩২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার ও নীতিশ রানা। জুটিতে ওঠে ৬০ রান। শ্রেয়সকে (৩২ বলে ৩৪) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ট্রেন্ট বোল্ট। এরপর রাজস্থান রয়্যালসের বোলারদের আর কোনও সুযোগ দেননি নীতিশ রানা ও রিঙ্কু সিং। তাঁদের ৬৬ রানের জুটি নাইট রাইডার্সকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। ৫ বল বাকি থাকতে ১৫৮/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় নাইট রাইডার্স। ৩৭ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন নীতিশ রানা। ২৩ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন রিঙ্কু সিং। এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে রাজস্থান রয়্যালসের শুরুটাও ভাল হয়নি। নাইট বোলারদের কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল জস বাটলারের ঝড় আটকানো। সেই লক্ষ্যে সফল উমেশরা। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (২) তুলে নেন উমেশ। নবম ওভারের তৃতীয় বলে বাটলারকে তুলে নেন টিম সাউদি। ২৫ বলে তিনি ২২ রান করে আউট হন। আগের ম্যাচগুলোর মতো দাপট দেখাতে পারেননি বাটলার। এরপর অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন করুণ নায়ার। ১৩ বলে ১৩ রান করে অনুকূল রায়ের বলে রিঙ্কু সিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। রিয়ান পরাগ ১২ বলে করেন ১৯। দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। ৪৯ বলে ৫৪ রান করেন তিনি। শেষদিকে ঝড় তুলে ১৩ বলে ২৭ রান করে রাজস্থানকে ১৫২/৫ রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন শিমরন হেটমায়ার। ৪৬ রানে ২ উইকেট নেন সাউদি। ১ টি করে উইকেট পান উমেশ যাদব, অনুকূল রায় ও শিবম মাভি।

মে ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাটলার আটকে যেতেই বড় রানের স্বপ্ন শেষ রাজস্থানের, মান বাঁচালেন সঞ্জু

প্লে অফের ছাড়পত্র আসবে কিনা সেকথা নিশ্চিত ভাবে বলা যাচ্ছে না। নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারও খুব বেশি আশাবাদী নন। সম্মান বাঁচানোই এখন মূল লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল শ্রেয়সরা। জস বাটলার, সঞ্জু স্যামসন সমৃদ্ধ রাজস্থান রয়্যালসকে আটকে রাখল মাত্র ১৫২/৫ রানে। দারুণ বোলিং করলেন উমেশ যাদব, সুনীল নারাইনরা। বাটলার আটকে যেতেই বড় রানের স্বপ্ন শেষ রাজস্থানের। ডু অর ডাই ম্যাচে এদিন প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। খারাপ ফর্মের জন্য প্রথম একাদশ থেকে বাদ পড়ের গতবছর দলকে প্লে অফে তোলার নায়ক ভেঙ্কটেশ আয়ার। তাঁর পরিবর্তে প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়েছেন অনুকূল রায়। এছাড়াও প্রথম একাদশে নেওয়া হয় শিবম মাভিকে। অন্যদিকে, ড্যারিল মিচেলের জায়গায় করুণ নায়ারকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়েছে রাজস্থান রয়্যালস। টস জিতে এদিন রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। উমেশ যাদবদের কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল জস বাটলারের ঝড় আটকানো। নাইট বোলাররা সেই কাজে সফল। এদিন দারুণ শুরু করেছিলেন উমেশ যাদব। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (২) তুলে নেন। ৭ রানে প্রথম উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রাজস্থান। বাটলার ও সঞ্জু স্যামসন দলকে টেনে নিয়ে গেলেও সেই দাপট ছিল না। নবম ওভারের তৃতীয় বলে বাটলারকে তুলে নেন টিম সাউদি। ২৫ বলে তিনি ২২ রান করে আউট হন। এরপর অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন করুণ নায়ার। প্রথম একাদশে এদিন সুযোগ পেয়েও নিজেকে অবশ্য ভালভাবে মেলে ধরতে পারলেন না করুণ নায়ার। ১৩ বলে ১৩ রান করে তিনি অনুকূল রায়ের বলে রিঙ্কু সিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। রিয়ান পরাগ ১২ বলে ১৯ রান করে সাউদির বলে আউট হন। একের পর এক উইকেট পেলেও দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। ৪৯ বলে ৫৪ রান করে তিনি শিবম মাভির বলে রিঙ্কু সিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। সুনীল নারাইন, উমেশ যাদবরা এদিন একেবারেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার সুযোগ দেননি সঞ্জুকে। শেষদিকে ঝড় তুলে ১৩ বলে ২৭ রান করে অপরাজিত থাকেন শিমরন হেটমায়ার। তাঁর সৌজন্যেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫২/৫ রানে পৌঁছয় রাজস্থান রয়্যালস। ৪৬ রানে ২ উইকেট নেন সাউদি। ১ টি করে উইকেট পান উমেশ যাদব, অনুকূল রায় ও শিবম মাভি।

মে ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সংসারে অশান্তির আগুন নিয়ে রাজস্থানের বিরুদ্ধে নামছে নাইট রাইডার্স

সোমবার আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। নাইট রাইডার্সের কাছে বলতে গেলে ডু অর ডাই ম্যাচ। প্লে অফের সম্ভাবনা জিইয়ে রাখতে গেলে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই শ্রেয়স আয়ারের দলের কাছে। এই রকম মরণবাঁচন ম্যাচের আগে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়ে নাইট শিবির।চলতি আইপিএলে শুরুটা খুব একটা খারাপ করেনি কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্রথম ৪ ম্যাচে তিনটিতে জিতে শুরুর দিকে বেশ ভাল জায়গাতেই ছিল। তারপর হঠাৎই ছন্দপতন। শেষ পাঁচটি ম্যাচ হেরে একেবারে খাদের কিনারে। প্লে অফের ছাড়পত্র পেতে গেলে বাকি ম্যাচগুলিতে জিততেই হবে নাইট রাইডার্সকে। এই অবস্থায় সোমবার এমন একটা দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে, যারা যথেষ্ট ভাল ছন্দে রয়েছে। সুতরাং নাইটদের কাছে কাজটা যে সহজ হবে না, সেকথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।প্লে অফের ছাড়পত্র পেতে গেলে বাকি সব ম্যাচেই জিততে হবে নাইটদের। কাজটা যে যথেষ্ট কঠিন, সেকথা খুব ভালভাবেই জানেন নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। তাই প্লে অফের স্বপ্ন তিনি দেখছেন না। শ্রেয়সের একটাই লক্ষ্য দলের সম্মান রক্ষা করা। সেই লক্ষ্যেই সতীর্থদের নিজেদের উজার করে দেওয়ার কথা বলেছেন। যদিও নাইট শিবিবের অসন্তোষের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। যার নমুনা পাওয়া গেছে টিম সাউদির কথায়। দলের এই জোরে বোলার সরাসরি ওপেনারদের দিকে আঙুল তুলেছেন। প্যাট কামিন্সকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।জস বাটলারের কথা মাথায় রেখে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে প্যাট কামিন্সকে প্রথম একাদশে ফেরানোর ভাবনা শুরু হয়েছে। ভেঙ্কটেশ আয়ার, আন্দ্রে রাসেলদের ফর্মও চিন্তায় রাখছে নাইট টিম ম্যানেজমেন্টকে। ব্যাটে একমাত্র রান রয়েছে অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার ও নীতিশ রানার। নীতিশ রানাকে কেন আরও ওপরে তুলে নিয়ে আসা হচ্ছে না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। আসলে সঠিক কম্বিনেশন বেছে নিতে না পারার জন্যই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে নাইট রাইডার্সকে। গতবছর আইপিএলে শেষ পর্বে টানা ম্যাচ জিতে প্লে অফে পৌঁছে গিয়েছিল নাইটরা। এবছর কাজটা একটু বেশিই কঠিন।দুই দলের সাক্ষাৎকারে নাইট রাইডার্স সামান্য হলেও এগিয়ে রয়েছে। ২৬ সাক্ষাৎকারের মধ্যে নাইটরা জিতেছে ১৩টি ম্যাচে, অন্যদিকে রাজস্থান জিতেছে ১২ ম্যাচে। চলতি আইপিএলের প্রথম পর্বের সাক্ষাৎকারে ৭ রানে জিতেছিল রাজস্থান রয়্যালস। এবার নাইটদের সামনে প্রতিশোধের সুযোগ। শ্রেয়স আয়ারের দলকে জিততে গেলে জস বাটলারকে আটকাতেই হবে।

মে ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন সৈনিক কুলদীপের ঘূর্ণিতেই বেহাল দশা নাইট রাইডার্সের

বৃহস্পতিবার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। শ্রেয়স আয়ারদের কাছে ম্যাচটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্লে অফের সম্ভাবনা জিইয়ে রাখতে গেলে জিততেই হত নাইট রাইডার্সকে। অথচ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। প্রাক্তন সৈনিক কুলদীপ যাদবের স্পিনেই বেসামাল নাইটরা। তাঁর ঘূর্ণিতে ভেঙে পড়ল নাইটদের মিডল অর্ডার। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ১৪৬ তুলল নাইট রাইডার্স। ১৪ রানে ৪ উইকেট নিলেন কুলদীপ। গত বছর আইপিএলে প্রথম পর্বে ৭ ম্যাচের মধ্যে মাত্র ২টিতে জয় পেয়েছিল। শেষ ৭ ম্যাচের মধ্যে ৫টিতে জিতে প্লে অফের টিকিট জোগাড় করে নিয়েছিল নাইটরা। কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা অতীতে রয়েছে নাইট রাইডার্সের। এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারল না। টানা ৪ ম্যাচে হারের ধাক্কা সামলে জয়ে ফেরার লক্ষ্যে এদিন প্রথম একাদশে তিনটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল নাইট রাইডাস। প্রথম একাদশে ফেরানো হয় অ্যারন ফিঞ্চ। এছাড়া এদিন প্রথম সুযোগ দেওয়া হয় বাবা ইন্দ্রজিৎ ও হর্ষিত রানাকে। প্রথম একাদশে ফেরার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ফিঞ্চ। একবার জীবন পেয়েও মাত্র ৩ রান করে আউট হন। টস জিতে এদিন নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। দ্বিতীয় ওভারে চেতন সাকারিয়ার দ্বিতীয় বলে অ্যারন ফিঞ্চের ক্যাচ তালুবন্দী করতে পারেননি রভম্যান পাওয়েল। পরের বলেই অবশ্য ফিঞ্চের (৩) স্টাম্প ছিটকে দেন সাকারিয়া। প্রথম একাদশে ফিরেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না এই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার। এদিন ওপেনিংয়ে ফেরানো হয়েছিল ভেঙ্কটেশ আয়ারকে (৬)। তিনিও দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ। অষ্টম ওভারে পরপর দুবলে বাবা ইন্দ্রজিৎ (৬) ও সুনীল নারাইনকে (০) তুলে নিয়ে নাইটদের মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরান কুলদীপ যাদব। এরপর নীতিশ রানাকে সঙ্গে নিয়ে রুখে দাঁড়ান অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার (৩৭ বলে ৪২)। পরপর দুবলে শ্রেয়স ও আন্দ্রে রাসেলকে (০) তুলে নিয়ে আবার নাইটদের চাপে ফেলে দেন কুলদীপ। শেষ পর্যন্ত নীতিশ রানা (৩৪ বলে ৫৭) ও রিঙ্কু সিংয়ের (১৬ বলে ২৩) সৌজন্যে ১৪৬/৯ রানে পৌঁছয় নাইট রাইডার্স। দুরন্ত বোলিং করে ৩ ওভারে ১৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন কুলদীপ। ১৮ রানে ৩ উইকেট মুস্তাফিজুরের।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শেষ ওভারে ৪ উইকেট! তবুও কুম্বলের রেকর্ড অধরা রাসেলের‌

১৯ ওভার শেষে গুজরাট টাইটান্সের রান ছিল ১৫১/৫। ইনিংসের শেষ ওভারে আন্দ্রে রাসেলের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। ম্যাচে ওটাই ছিল রাসেলের প্রথম ওভার। বল হাতে বিধ্বংসী ভূমিকায় অবতীর্ণ দ্রেরাস। শেষ ওভারে তুলে নিলেন চার-চারটি উইকেট। আইপিএলের ইতিহাসে ১ ওভারের স্পেলে এটাই সেরা বোলিং। তবে সেরা বোলিং করেও অনিল কুম্বলের রেকর্ড স্পর্শ করতে পারলেন না আন্দ্রে রাসেল। আইপিএলে এক ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া বোলাদের তালিকা যথেষ্ট লম্বা। তবে সেই তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন ভারতের প্রাক্তন লেগ স্পিনার অনিল কুম্বলে। আইপিএলে তাঁর সেরা বোলিং ৫ রানে ৫ উইকেট। ২০০৯ সালে কেপ টাইনে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে এই রেকর্ড গড়েছিলেন কুম্বলে। ৩.১ ওভার বল করে ১টিসহ ৫ উইকেট নিয়েছিলেন কুম্বলে। আর এদিন গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ৪ রানে ৪ উইকেট তুলে নিয়েছেন রাসেল। আইপিএলে এটাই অবশ্য আন্দ্রে রাসেলের সেরা বোলিং নয়। দুদুবার তিনি ৫ উইকেট নিয়েছেন। তিনি সেরা বোলিং করেছিলেন গতবছর আইপিএলে। চেন্নাইয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ৩.২ ওভার বল করে ১৫ রানে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। সেই ম্যাচে ইনিংসের ১৮ তম ওভারে পরপর ২ বলে ফিরিয়েছিলেন কায়রণ পোলার্ড ও মার্কো জানসেনকে। আর শেষ ওভারে তুলে নিয়েছিলেন ক্রূণাল পাণ্ডিয়া, যশপ্রীত বুমরা ও রাহুল চাহারকে। এদিন গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ইনিংসের শেষ ওভারে রাসেলের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন শ্রেয়স আয়ার। প্রথম ও দ্বিতীয় বলে ফেরান অভিনব মনোহর ও লকি ফার্গুসনকে। পঞ্চম ও শেষ বলে তুলে নেন রাহুল তেওয়াটিয়া ও যশ দয়ালকে। যশ দয়ালকে কট অ্যান্ড বোল্ড করেন রাসেল। বাকি তিনজনের ক্যাচ ধরেন রিঙ্কু সিং।এবারের আইপিএলে খুব বেশি বোলিং করার সুযোগ পাননি আন্দ্রে রাসেল। গুজরাট টাইটান্স ম্যাচ নিয়ে মোট বল করেছেন ১৪.৪ ওভার। ৮ ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ১০ উইকেট। চলতি আইপিএলে এই ম্যাচের আগে রাসেলের সেরা বোলিং ছিল ২০ রানে ২ উইকেট, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ৩৮ রানে তুলে নিয়েছিলেন ১ উইকেট। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে কোনও উইকেট পাননি। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে শূন্য রানে ১ উইকেট। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচে উইকেটহীন। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ১ উইকেট। আগের ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ১ উইকেট।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রাসেলের অলরাউন্ড পারফরমেন্সেও জয়ে ফিরল না নাইট রাইডার্স

বল ও ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন আন্দ্রে রাসেল। তাঁর দুরন্ত অলরাউন্ড পারফরমেন্স সত্ত্বেও জয় অধরা থেকে গেল কলকাতা নাইট রাইডার্সের। গুজরাট টাইটান্সের কাছে শ্রেয়স আয়ারের দলকে হারতে হল ৮ রানে। টপ অর্ডার ব্যাটারদের ব্যর্থতায় মূল্যহীন হয়ে গেল আন্দ্রে রাসেলের লড়াই। বল হাতে ৫ রানে নিলেন ৪ উইকেট। ব্যাট হাতে ২৫ বলে করেন ৪৮ রান। গুজরাটের তোলা ১৫৬/৯ রানের জবাবে ১৪৮/৮ রানে থেমে যায় কলকাতা নাইট রাইডার্সের ইনিংস। এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় গুজরাট টাইটান্স। শুভমান গিলের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন ঋদ্ধিমান সাহা। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই ফিরে যান শুভমান (৭)। তাঁকে তুলে নেন টিম সাউদি। এরপর গুজরাটকে টেনে নিয়ে যান ঋদ্ধিমান ও অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। জুটিতে ওঠে ৭৫। রান তোলার গতি খুব একটা খারাপ ছিল না গুজরাটের। ১০.২ ওভারে উঠে যায় ৮৩। এরপরই ধাক্কা। ঋদ্ধিকে (২৫ বলে ২৫) তুলে নেন উমেশ যাদব। সপ্তদশ ওভারের দ্বিতীয় বলে ডেভিড মিলার ২০ বলে ২৭ রান করে আউট হন। তাঁকে তুলে নেনে শিবম মাভি। পরের ওভারেই হার্দিককে ফেরান টিম সাউদি। ৪৯ বলে তিনি করেন ৬৭। শেষ ওভারে আন্দ্রে রাসেলের হাতে বল তুলে দেন শ্রেয়স আয়ার। শেষ ওভারে চমক রাসেলের। চারচারটি উইকেট তুলে নেন। এক ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ৫ রান খরচ করে তিনি পান ৪ উইকেট। শেষ ওভারে প্রথম দুই বলে রাসেল তুলে নেন অভিনব মনোহর (২) ও লকি ফার্গুসনকে (০)। ওভারের পঞ্চম এবং ষষ্ঠ বলে তিনি তুলে নেন রাহুল তেওয়াটিয়া (১৭) এবং যশ দয়ালকে (০)। ১৫৬/৯ রানে থেমে যায় গুজরাট। ১৫৭ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে কলকাতা নাইট রাইডার্স। এদিন প্রথম একাদশে তিনটি পরিবর্তন করেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। অ্যারন ফিঞ্চের পরিবর্তে দলে স্যাম বিলিংস, প্যাট কামিন্সের পরিবর্তে টিম সাউদি এবং শেলডন জ্যাকসনের পরিবর্তে রিঙ্কু সিং। রিঙ্কু এবং সাউদি ম্যাচে অবদান রাখলেও ব্যর্থ হয়েছেন স্যাম বিলিংস (৪)। ৩৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়েছিল নাইট রাইডার্স। এরপর লড়াই চালান রিঙ্কু সিং (৩৫), ভেঙ্কটেশ আয়ার (১৭)। কিন্তু বাকি ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ডুবতে হল কলকাতাকে। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার আউট হন ১২ রানে। নীতীশ রানা করেন ২। সুনীল নারাইনের ব্যাট থেকে আসে ৫ রান। শেষ দিকে লড়াই করেন রাসেল। তবে ২০ ওভারে ১৪৮/৮ রানের বেশি তুলতে পারেনি নাইটরা। গুজরাতের হয়ে ২টি করে উইকেট পান মহম্মদ শামি, যশ দয়াল ও রশিদ খান।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাটলারের ঝড়, চাহালের ঘূর্ণিতে বেসামাল কলকাতা নাইট রাইডার্স

ব্যাটে দাপট জস বাটলারের। দুরন্ত সেঞ্চুরি। বল হাতে জ্বলে উঠলেন যুজবেন্দ্র চাহাল। হ্যাটট্রিকসহ নিলেন ৫ উইকেট। এই দুজনের দাপটেই কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ৭ রানে জিতল রাজস্থান।টস জিতে এদিন রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। শুরু থেকেই ঝড় তোলেন দারুণ ছন্দে থাকা জস বাটলার। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে রাজস্থান তুলে ফেলে ৬০। এর মধ্যে বাটলারেরই একার ছিল ৪৬, দেবদত্ত পাড়িক্কলের অবদান মাত্র ৮। প্যাট কামিন্সসহ কোনও বোলারকেই নিস্তার দেননি বাটলার। ২৯ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন বাটলার। নাইট রাইডার্সকে ব্রেক থ্রু এনে দেন দলের জার্সি গায়ে ১৫০ তম আইপিএল ম্যাচ খেলা সুনীল নারাইন। দশম ওভারের চতুর্থ বলে তুলে নেন দেবদত্ত পাড়িক্কলকে। ১৮ বলে ২৪ রান করে আউট হন পাড়িক্কল। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। বাটলারের তান্ডবও অব্যাহত ছিল। ১৯ বলে ৩৮ রান করে আন্দ্রে রাসেলের বলে শিবম দুবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন সঞ্জু। তিনি আউট হওয়ার পরপরই প্যাট কামিন্সের বলে ৬ মেরে চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন বাটলার। তাঁর সেঞ্চুরি আসে ৫৯ বলে। প্যাট কামিন্সের ওই ওভারেই বরুণ চক্রবর্তীর হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন বাটলার। ৬১ বলে তিনি করেন ১০৩। বাটলারের ইনিংসে রয়েছে ৯টি ৪ ও ৫টি ৬। বাটলার আউট হওয়ার পরপরই ফিরে যান রিয়ান পরাগ (৫)। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২১৭ তোলে রাজস্থান রয়্যালস। ১৩ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকতেন শিমরন হেটমায়ের। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে স্ট্র্যাটেজিতে পরিবর্তন করেছিল নাইট রাইডার্স। ভেঙ্কটেশ আয়ারের পরিবর্তে এদিন ওপেনিংয়ে পাঠানো হয়েছিল সুনীল নারাইনকে। একবলও খেলার সুযোগ পাননি নারাইন (০)। প্রথম বলেই হেটমায়ারের দুরন্ত থ্রোতে রান আউট হন। এরপর নাইটদের টেনে নিয়ে যান অ্যারন ফিঞ্চ ও অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। দুজনের জুটিতে ওঠে ১০৭। আগের ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে দারুণ ইনিংস খেলেন ফিঞ্চ। শেষ পর্যন্ত ২৮ বলে ৫৮ রান করে তিনি প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে আউট হন। ফিঞ্চ আউট হওয়ার পর অধিনায়কের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টানছিলেন নীতিশ রানা। ১১ বলে ১৮ রান করে তিনি যুজবেন্দ্র চাহালের বলে আউট হন। রাসেলও (০) ১ বলের বেশি স্থায়ী হননি। তাঁকে ফেরান রবিচন্দ্রন অশ্বিন। পরপর ২ উইকেট হারালেও চাপে পড়েননি নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ১৭ ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন যুজবেন্দ্র চাহাল। হ্যাটট্রিকসহ ৪ উইকেট তুলে নেন। প্রথম বলে ফেরান ভেঙ্কটেশ আয়ারকে (৬), চতুর্থ বলে তুলে নেন শ্রেয়সকে (৫১ বলে ৮৫)। পঞ্চম ও ষষ্ঠ বলে ফেরান শিবম মাভি (০) ও প্যাট কামিন্সকে (০)। উমেশ যাদব (৯ বলে ২১) শেষ দিকে জয়ের আশা জাগিয়েছিলেন। নাইটদের জয়ের জন্য শেষ ওভারে দরকার ছিল ১১ রান। দ্বিতীয় ও চতুর্থ বলে শেলডন জ্যাকসন (৮) ও উমেশকে তুলে নিয়ে রাজস্থানকে জয় এনে দেন ওবেদ ম্যাকয় (২/৪১)। ১৯.৪ ওভারে ২১০ রানে গুটিয়ে যায় নাইটদের ইনিংস। ৪০ রানে ৫ উইকেট নেন চাহাল।

এপ্রিল ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

১৬ দিনের ব্যবধানে আবার সেঞ্চুরি!‌ কোহলিদের রেকর্ড স্পর্শ বাটলারের

মাত্র ১৬ দিনের ব্যাবধানে দুদুটি সেঞ্চুরি! চলতি আইপিএলে স্বপ্নের ফর্মে রয়েছেন রাজস্থান রয়্যালসের জস বাটলার। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি করার সঙ্গে সঙ্গে স্পর্শ করে ফেললেন বিরাট কোহলি, ক্রিস গেইলদের রেকর্ড। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দুরন্ত সেঞ্চুরি উপহার দিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে আবার জ্বলে উঠলেন। তাঁর দুরন্ত সেঞ্চুরির ওপর ভর করে নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে ২১৭/৫ রান তুলল রাজস্থান রয়্যালস। বাটলারের আগে ৫ জন ব্যাটার একটা আইপিএলে দুদুটি সেঞ্চুরি করেছেন। এরা হলেন বিরাট কোহলি, ক্রিস গেইল, শিখর ধাওয়ান, হাসিম আমলা ও শেন ওয়াটসন। তালিকায় নতুন সংযোজন জস বাটলার। আইপিএলে বাটলারের এটা তৃতীয় সেঞ্চুরি। ২০১১ সালে গেইল দুটি সেঞ্চুরি করেছিলেন ১৫ দিনের ব্যবধানে। ২০১৭ আইপিএলে দুটি সেঞ্চুরি করেন হাসিম আমলা, পরের মরশুমে দুটি সেঞ্চুরি করেন শেন ওয়াটসন। ২০২০ আইপিএলে দুদুটি সেঞ্চুরি করে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ফাইনালে তুলেছিলেন শিখর ধাওয়ান। আর চলতি আইপিএলে ১৬ দিনের ব্যবধানে দুদুটি সেঞ্চুরি করলেন বাটলার।টস জিতে এদিন রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। ফিল্ডিং নেওয়ার সময় দুটি বিষয় মাথায় রেখেছিলেন শ্রেয়স। এক, রাতের দিকে শিশির ও দুই, মাঠের একদিকের ছোট বাউন্ডারি। এতে রান তাড়া করতে সুবিধা হবে। সঞ্জু স্যামসনেরও পরিকল্পনা ছিল টস জিতলে ফিল্ডিং নেওয়া। কিন্তু তাঁর সেই সৌভাগ্য হয়নি। তবে ব্যাট করতে নেমে রাজস্থানকে তেমন সমস্যায় পড়তে হয়নি। শুরু থেকেই ঝড় তোলেন দারুণ ছন্দে থাকা জস বাটলার। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে রাজস্থান তুলে ফেলে ৬০। এর মধ্যে বাটলারেরই একার ছিল ৪৬, দেবদত্ত পাড়িক্কলের অবদান মাত্র ৮। প্যাট কামিন্সসহ কোনও বোলারকেই নিস্তার দেননি বাটলার। ২৯ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন বাটলার। নাইট রাইডার্সকে ব্রেক থ্রু এনে দেন দলের জার্সি গায়ে ১৫০ তম আইপিএল ম্যাচ খেলা সুনীল নারাইন। দশম ওভারের চতুর্থ বলে তুলে নেন দেবদত্ত পাড়িক্কলকে। ১৮ বলে ২৪ রান করে আউট হন পাড়িক্কল। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। বাটলারের তান্ডবও অব্যাহত ছিল। ১৯ বলে ৩৮ রান করে আন্দ্রে রাসেলের বলে শিবম দুবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন সঞ্জু। তিনি আউট হওয়ার পরপরই প্যাট কামিন্সের বলে ৬ মেরে চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন বাটলার। তাঁর সেঞ্চুরি আসে ৫৯ বলে। প্যাট কামিন্সের ওই ওভারেই বরুণ চক্রবর্তীর হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন বাটলার। ৬১ বলে তিনি করেন ১০৩। বাটলারের ইনিংসে রয়েছে ৯টি ৪ ও ৫টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২১৭ তোলে রাজস্থান রয়্যালস।

এপ্রিল ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এক প্রাক্তনীর ব্যাটের ঝড়েই উড়ে গেল কলকাতা নাইট রাইডার্স

বড় রান তুলেও শেষরক্ষা হল না। আবার হার কলকাতা নাইট রাইডার্সের। এবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারতে হল ৭ উইকেটে। ১৩ বল বাকি থাকতেই টানা ২ ম্যাচে জয় তুলে নিল কেন উইলিয়ামসনের দল। কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারাতে মুখ্য ভুমিকা নিলেন নাইটদেরই প্রাক্তনী রাহুল ত্রিপাঠী। এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে কলকাতা নাইট রাইডার্সের ম্যাচ ছিল শীর্ষে ওঠার লড়াই। প্রথম একাদশে তিনটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে নাইটরা। অজিঙ্কা রাহানের জায়গায় শেলডন জ্যাকসন, স্যাম বিলিংসের জায়গায় অ্যারন ফিঞ্চ আর রাসিক সালাম দারের জায়গায় আমন হাকিম খান। অন্যদিকে প্রথম একাদশে একটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। চোট পাওয়া ওয়াশিংটন সুন্দরের জায়গায় জগদীশ সুচিথ। ডিউ ফ্যাক্টরের কথা মাথায় রেখে এদিন টস জিতে নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। টানা ৪ ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ায় রাহানের পরিবর্তে নাইটদের হয়ে ওপেন করতে নামেন অ্যারন ফিঞ্চ। নাইট জার্সিতে অভিষেক ম্যাচে ব্যর্থ এই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার। ৫ বলে মাত্র ৭ রান করে মার্কো জানসেনের বলে নিকোলাস পুরানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। পঞ্চম ওভারে আবার ধাক্কা নাইট শিবিরে। প্রথম বলেই ভেঙ্কটেশকে (৬) তুলে নেন নটরাজন। ২ বলের ব্যবধানে ফেরান সুনীল নারাইনকে (৬)। ৫ ওভারের মধ্যে ৩১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। নীতিশ রানার সঙ্গে জুটি বেঁধে অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। শ্রেয়সকে (২৫ বলে ২৮) তুলে নিয়ে উমরান মালিক আবার ধাক্কা দেন নাইট শিবিরকে। শেলডন জ্যাকসনও (৭) সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। ব্যর্থতা কাটিয়ে দিন রানে ফিরলেন নীতিশ রানা। শেষ পর্যন্ত ৩৬ বলে ৫৪ রান করে তিনি নটরাজনের বলে পুরানের হাতে ক্যাচ দেন। প্যাট কামিন্স (৩), আমন হাকিম খানরা (৫) রান না পেলেও শেষ দিকে ঝন তোলেন আন্দ্রে রাসেল। তাঁর দাপটেই ২০ ওভারে ১৭৫/৮ রানে পৌঁছয় নাইট রাইডার্স। ৪টি করে চার ও ছয়ের সাহায্যে ২৫ বলে ৪৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রাসেল। টি নটরাজন ৩৭ রানে ৩টি ও উমরান মালিক ২৭ রানে ২ উইকেট নেন।জয়ের জন্য ১৭৬ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের শুরুটাও ভাল হয়নি। দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম উইকেট হারায়। প্যাট কামিন্সের বলে বোল্ড হন ফর্মে থাকা অভিষেক শর্মা। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করেন তিনি। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও এদিন রান পাননি। ১৬ বলে ১৭ রান করে তিনি আন্দ্রে রাসেলের বলে বোল্ড হন। ৩৯ রানে ২ উইকেট হারায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এরপরই পুরনো দলের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠেন রাহুল ত্রিপাঠী। বাইশ গজে নেমে তিনি ঝড় তোলেন। অন্যপ্রান্তে এইডেন মার্করাম ছিলেন অনেকটাই সংযত। ত্রিপাঠীমার্করাম জুটিই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। জুটিতে ওঠে ৯৩। ৩৭ বলে ৭১ রান করে আন্দ্রে রাসেলের বলে ভেঙ্কটেশ আয়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ত্রিপাঠী। ত্রিপাঠী আউট হলেও জয়ের জন্য সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে জয়ের জন্য সমস্যায় পড়তে হয়নি। দলকে টেনে নিয়ে যান এইডেন মার্করাম। ১৮ তম ওভারে কামিন্সের বলে পরপর চার ও দুটি ছয় মেরে ১৩ বল বাকি থাকতে সানরাইজার্সকে (১৭৬/৩) জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। নাইট রাইডাসের হয়ে ২০ রানে ২ উইকেট নেন আন্দ্রে রাসেল।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ব্যর্থতা কাটালেন নীতিশ, ঝড় তুললেন রাসেল, কোথায় পৌঁছল নাইট রাইডার্স?‌

টপ অর্ডারের ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াল কলকাতা নাইট রাইডার্স। আবার শীর্ষস্থান ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে তুলল ১৭৫। টানা ৫ ম্যাচ পর রানে ফিরলেন নীতিশ রানা। শেষ দিকে ঝড় তুললেন আন্দ্রে রাসেল। তবে নাইটদের জার্সি গায়ে অভিষেক ম্যাচ সুখের হল না অ্যারন ফিঞ্চের কাছে।এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে কলকাতা নাইট রাইডার্সের ম্যাচ ছিল শীর্ষে ওঠার লড়াই। প্রথম একাদশে তিনটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে নাইটরা। অজিঙ্কা রাহানের জায়গায় শেলডন জ্যাকসন, স্যাম বিলিংসের জায়গায় অ্যারন ফিঞ্চ আর রাসিক সালাম দারের জায়গায় আমন হাকিম খান। অন্যদিকে প্রথম একাদশে একটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। চোট পাওয়া ওয়াশিংটন সুন্দরের জায়গায় জগদীশ সুচিথ। ডিউ ফ্যাক্টরের কথা মাথায় রেখে এদিন টস জিতে নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। টানা ৪ ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ায় রাহানের পরিবর্তে নাইটদের হয়ে ওপেন করতে নামেন অ্যারন ফিঞ্চ। নাইট জার্সিতে অভিষেক ম্যাচে ব্যর্থ এই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার। ৫ বলে মাত্র ৭ রান করে মার্কো জানসেনের বলে নিকোলাস পুরানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। পঞ্চম ওভারে আবার ধাক্কা নাইট শিবিরে। প্রথম বলেই ভেঙ্কটেশকে (৬) তুলে নেন নটরাজন। ২ বলের ব্যবধানে ফেরান সুনীল নারাইনকে (৬)। ৫ ওভারের মধ্যে ৩১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। নীতিশ রানার সঙ্গে জুটি বেঁধে অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। শ্রেয়সকে (২৫ বলে ২৮) তুলে নিয়ে উমরান মালিক আবার ধাক্কা দেন নাইট শিবিরকে। শেলডন জ্যাকসনও (৭) সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। ব্যর্থতা কাটিয়ে দিন রানে ফিরলেন নীতিশ রানা। শেষ পর্যন্ত ৩৬ বলে ৫৪ রান করে তিনি নটরাজনের বলে পুরানের হাতে ক্যাচ দেন। প্যাট কামিন্স (৩), আমন হাকিম খানরা (৫) রান না পেলেও শেষ দিকে ঝন তোলেন আন্দ্রে রাসেল। তাঁর দাপটেই ২০ ওভারে ১৭৫/৮ রানে পৌঁছয় নাইট রাইডার্স। ৪টি করে চার ও ছয়ের সাহায্যে ২৫ বলে ৪৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রাসেল। টি নটরাজন ৩৭ রানে ৩টি ও উমরান মালিক ২৭ রানে ২ উইকেট নেন।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এভাবে নাইট রাইডার্স সমর্থকদের আশায় জলাঞ্জলি দিলেন অ্যারন ফিঞ্চ!‌

প্রথম ম্যাচে দারুণ শুরু করেছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে করেছিলেন ৪৪। তারপর থেকে ব্যাটে রানের খরা। এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে তাঁর পরিবর্তে অ্যারন ফিঞ্চকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়েছিল নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। ফিঞ্চও প্রত্যাশাপূরণে ব্যর্থ। শুক্রবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে নাইট রাইডার্সের হয়ে অভিষেক ম্যাচে মাত্র ৭ রান করে আউট হলেন। প্রথম ওভারে ভুবনেশ্বর কুমারের দ্বিতীয় বলে ১ রান নেন ফিঞ্চ। পঞ্চম বলে ৬ মারেন। পরের ওভারে মার্কো জানসেনের বলে নিকোলাস পুরানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৫ বলে তিনি করেন ৭। ৯ টা দলের হয়ে অভিষেক ম্যাচে মাত্র দুটো দলের হয়ে সাফল্য পেয়েছিলেন। ২০১৩ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের হয়ে ৫৩ বলে করপেছিলেন ৬৪। আর ২০১৬ সালে গুজরাট লায়ন্সের হয়ে ৪৭ বলে করেছিলেন ৭৪। ২০১০ সালে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে করেছিলেন ২১। পরের আইপিএলে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে অভিষেক ম্যাচে করেছিলেন ৮। ২০১৪ সালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে করেন ২। পরের বছর মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে ৫। ২০১৮ আইপিএলে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে ০। ২০২০ আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে ২৯। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে ইংল্যান্ডের ওপেনার অ্যালেক্স হেলেসকে দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাউডার্স। কিন্তু জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকতে থাকতে হাঁপিয়ে উঠেছেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। তাই আইপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। তাঁর পরিবর্তে অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের ক্রিকেটের অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকে দলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। আইপিএলের মেগা নিলামে অবিক্রিত ছিলেন ফিঞ্চ। মেগা নিলামের সময় নাইট রাইডার্সও তাঁর দিকে ফিরেও তাকায়নি। ২০১০ সাল থেকে আইপিএলে খেলছেন অ্যারন ফিঞ্চ। প্রথম বার তিনি রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি গায়ে তোলেন। এছাড়াও দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর, পুনে ওয়ারিয়র্স, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, গুজরাট লায়ন্স, পাঞ্জাব কিংসের জার্সি গায়েও খেলেছেন। শেষবার আইপিএল খেলেছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের জার্সি গায়ে, ২০২০ সালে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি ফিঞ্চ। তাই তাঁকে দলে নেওয়ার জন্য কোনও ফ্র্যাঞ্জাইজিও আগ্রহ দেখায়নি। ইংল্যাল্ডের অ্যালেক্স হেলস সরে দাঁড়ানোয় ওপেনার সমস্যা মেটাতে শেষ পর্যন্ত নিলামে অবিক্রিত থাকা ফিঞ্চকে তুলে নেয় নাইট রাইডার্স।কলকাতা নাইট রাইডার্স নিয়ে আইপিএলে ৯টি ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি গায়ে তুললেন অ্যারন ফিঞ্চ। যা আইপিএলে যে কোনও ক্রিকেটারের কাছে রেকর্ড। এখনও পর্যন্ত ৯টি ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি কোনও ক্রিকেটারই গায়ে তুলতে পারেননি।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সুযোগ না পেয়ে নাইট রাইডার্স সম্পর্কে কী বললেন প্রাক্তন অধিনায়ক?‌

গতবছর দীনেশ কার্তিককে সরিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট আইপিএলের মাঝপথে দায়িত্ব তুলে দিয়েছিল ইওন মর্গানের হাতে। ব্যাটে হয়তো সেভাবে রান পাননি, কিন্তু দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন মর্গান। দলকে ফাইনালে তুললেও তাঁর যোগ্য মর্যাদা পাননি ইংল্যান্ডের সাদাবলের এই অধিনায়ক। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে তাংর দিকে ফিরেও তাকায়নি কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি। জস বাটলার, ক্রিস জর্ডন, জনি বেয়ারস্টো, মইন আলিরা যখন আইপিএল মাতাচ্ছেন, নিজের দেশে বসে রয়েছেন ইওন মর্গান। আইপিএলের নিলামে কোনও দলে সুযোগ না পেয়েও হতাশ নন ইওন মর্গান। তাংর কোনও আক্ষেপও নেই। এক ক্রিকেট ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মর্গান বলেন, সত্যি কথা বলতে, আইপিএলকে আমি জয়জয় হিসেবে দেখেছিলাম। আইপিএলের মতো বিশ্বের সবথেকে বড় প্রতিযোগিতায় খেলার অভিজ্ঞতা বছরের পর বছর ধরে কাজে লাগিয়ে এসেছি। আইপিএলে আমার বেশকিছু ভাল স্মৃতি রয়েছে। খুব ভাল অভিজ্ঞতাও রয়েছে। আপাতত আমি বিশ্রামে রয়েছি। এরপর খেলা শুরু করলে আর থামতে পারব না। সেই টি২০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত টানা খেলে যেতে হবে। এই বছর আইপিএলে খেলার সুযোগ না পেলেও কোনও আক্ষেপ নেই। কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রতি কোনও অভিমান নেই। হয়তো ওদের পরিকল্পনার সঙ্গে আমি নিজেকে মানাতে পারিনি। তাই দলে রাখেনি। ওদের শুভেচ্ছা রইল। বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে খুব ভাল সময় কাটছে। ইওন মর্গানকে সাদা বলের ক্রিকেটে সবচেয়ে চতুর ক্রিকেটার হিসেবে দেখা হয়। পাশাপাশই তাঁকে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে সেরা অধিনায়কদের মধ্যে একজন হিসেবে গন্য করা হয়। তাঁর হাত ধরেই ইংল্যান্ডের সাদা বলের ক্রিকেটের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এসেছে। তাঁর নেতৃত্বেই ২০১৯ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিল ইংল্যান্ড। গত বছর আইপিএলে শেষপর্বে কলকাতা নাইট রাইডার্সের নেতৃত্বে ছিলেন এবং দলকে ফাইনালে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন। যদিও ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ব্যর্থ হয়েছিলেন।দীনেশ কার্তিক, ইওন মর্গান, দুই নেতাকেই এবছর দলে রাখেনি কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমনেন্ট। মেগা নিলাম থেকে শ্রেয়স আয়ারকে তুলে নিয়ে তাঁরা হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে। চলতি আইপিএলে দলকে দারুণ নেতৃত্ব দিচ্ছেন শ্রেয়স আয়ার। ইতিমধ্যে কলকাতা নাইট রাইডার্স ৫টি ম্যাচ খেলেছে। তিনটিতে জিতেছে, ্২টিতে হেরেছে। আগের ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে হারতে হয়েছে নাইট রাইডার্সকে। নাইট রাইডার্সের পরের ম্যাচ শুক্রবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে। এই মুহূর্তে ইওন মর্গানের অভাব অনুভূত হচ্ছে না নাইট শিবিরে।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগেই বড় প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর! পদ্ম ফুটলেই ‘দু’হাত ভরে দেব’ ঘোষণা

উপনির্বাচনের আগেই রেজিনগর থেকে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জনসভার মঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রেজিনগরের মানুষ যদি বিজেপিকে জয়ী করেন, তাহলে এলাকার উন্নয়নের জন্য বড় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর প্রতিশ্রুতি, একটি নয়, দুটি নতুন সেতু তৈরি করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদেরও রাজ্যে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যে বর্তমানে বিজেপির দুইশো আটটি আসন রয়েছে। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে বিজেপির জয় নিশ্চিত। সেই আসন ধরে রেখে সংখ্যা হবে দুইশো নয়। এরপর রেজিনগরেও জয় পেলে বিধানসভায় বিজেপির আসন আরও বাড়বে।ভোটারদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, রেজিনগরে পদ্মফুল ফুটলে উন্নয়নের কোনও অভাব হবে না। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে নিজের এলাকায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে, যাতে মানুষ পরিবার নিয়ে নিজের এলাকাতেই থাকতে পারেন।জনসভা থেকে তিনি রেজিনগরের প্রাক্তন জনপ্রতিনিধির নাম উল্লেখ না করেই কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষকে ধর্মের নামে বিভক্ত করার রাজনীতি নয়, উন্নয়নের রাজনীতি প্রয়োজন। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তারা কি সাম্প্রদায়িক বিভাজন চান, নাকি কাজ, উন্নয়ন এবং উন্নত জীবনযাত্রা চান।মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি সরকারের আমলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমান সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা ছড়িয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই আশঙ্কা সত্যি হয়নি। তাই উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপিকে সমর্থন করার আবেদন জানান তিনি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন। অন্যদিকে হুমায়ুন কবীর রেজিনগর এবং নওদাদুটি আসনে জয় পান। নিয়ম অনুযায়ী দুজনকেই একটি করে আসন ছাড়তে হয়েছে। সেই শূন্য আসনগুলিতেই এবার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রেজিনগরের ফল আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রিয় কেষ্ট এবার ঋতব্রতের পাশে! বীরভূমে বড় পালাবদলের জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিল অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে বড় খবর। সূত্রের দাবি, তিনি এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তাঁকে বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এই খবরে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।শুধু অনুব্রত মণ্ডলই নন, বীরভূমের আরও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাও ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কাজল শেখ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ সিংহ এবং প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। জানা গিয়েছে, এই নেতাদের আসল তৃণমূল-এর জাতীয় কর্মসমিতিতেও জায়গা দেওয়া হয়েছে।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক তপসিয়ায় শুরু হয়েছে। দুই দিনের এই বৈঠকে রাজ্য এবং বিভিন্ন জেলার সভাপতিদের নাম চূড়ান্ত করা হচ্ছে। সেই বৈঠকেই বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্ব অনুব্রত মণ্ডলের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।এই বিষয়ে অনুব্রত মণ্ডলের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তাঁর জ্বর রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল কলকাতায় যেতে পারেন। যদিও শিবির পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর অনুব্রত মণ্ডল দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে বীরভূম জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেয় দল। পরে কোর কমিটি গঠন করে তাঁকে সেই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও তিনি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতিতে খুব বেশি দেখা যাননি। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, তাঁকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বীরভূমে তাঁর প্রভাব এবং সংগঠনিক দক্ষতা আসল তৃণমূল-এর শক্তি আরও বাড়াতে পারে বলেও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে চাঞ্চল্য! হাসপাতালের ভিতরে যা ধরা পড়ল, তারপরই বড় পদক্ষেপ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আচমকা পরিদর্শনের পর বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হল। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং পরিষেবা নিয়ে একাধিক গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসার পর বারো জন কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।যাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চার জন ওয়ার্ড মাস্টার, চার জন নন-মেডিক্যাল সুপার, একজন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিস্টার, প্রসূতি বিভাগের দুই জন সিস্টার ইনচার্জ এবং একজন পরিষেবার মান নিয়ন্ত্রণ আধিকারিক।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আচমকা পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং বারান্দায় পরিচ্ছন্নতার অভাব লক্ষ্য করেন। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বারান্দায় বিড়াল ঘোরাফেরা করতেও দেখা যায়। এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সেই নির্দেশ মেনেই তদন্তের পর বারো জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বারাসত মেডিকেল কলেজ আগে জেলা হাসপাতাল ছিল। এখনও পুরনো ভবনেই অনেক পরিষেবা চালাতে হচ্ছে। ফলে কিছু পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প তৈরি করে স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সেই প্রস্তাব পাঠানো হবে।বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই একাধিক সরকারি হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বারাসত মেডিকেল কলেজেও তিনি পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খতিয়ে দেখেন। এরপরই রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে আরও কঠোর নজরদারির ঘোষণা করেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিষেবার মান উন্নত করতে সরকারি হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে। গ্রামীণ হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতালেও একই ব্যবস্থা চালু হবে। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বা স্যালাইন ব্যবহার বন্ধ করতে প্রতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিশেষ দল হাসপাতালগুলিতে নিয়মিত পরিদর্শন চালাবে।হাসপাতালে দালালচক্রের বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হবে। যাঁদের কাছে সেই পরিচয়পত্র থাকবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ নিয়ে চরম টানাপোড়েন! এবার আদালতের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ল। ধর্মতলায় সভার অনুমতি না মেলায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। পুলিশের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা। ফলে একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর আগে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর বিকল্প জায়গার অনুমতি চেয়ে রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রতপন্থীরা। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতিও চাওয়া হয়। তবে সেই আবেদনেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। তাদের দাবি, একুশে জুলাই তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। তাই সভা আয়োজনের জন্য উপযুক্ত জায়গার অনুমতি প্রয়োজন।একুশে জুলাই দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি। উনিশশো তিরানব্বই সালে মহাকরণ অভিযানের সময় গুলিতে নিহত তেরো জনের স্মৃতিতে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণেই ধর্মতলায় শহিদ দিবসের সভার আয়োজন করা হয়ে থাকে।তবে এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধের আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নতুন মাত্রা পেয়েছে। দলের সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখা এবং কর্মীদের একজোট করার লক্ষ্যেই এবারের সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল।ইতিমধ্যেই ধর্মতলায় সভার প্রস্তুতির জন্য কয়েকজন নেতা জায়গা পরিদর্শনে গেলে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এরপর কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। সেই সিদ্ধান্তের পরই আইনি পথ বেছে নিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

বেআইনি দখল মামলায় বড় মোড়! উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান হাইকোর্টের

ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বেআইনি নির্মাণ এবং রাস্তা দখল সংক্রান্ত মামলায় উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট । আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সন্তোষজনক রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় জেলাশাসককে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তেইশে জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে হলফনামা এবং পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।শুক্রবার মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ জেলাশাসকের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, একাধিকবার রিপোর্ট চাওয়া হলেও স্পষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য জমা দেওয়া হয়নি। এমনকি আদালতের নির্দেশের পরও দায়সারা রিপোর্ট জমা পড়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, একজন নিম্নপদস্থ কর্মীর মাধ্যমে কেন এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, জেলাশাসক কি নিজেকে ডিভিশন বেঞ্চের চেয়েও বড় মনে করছেন। আদালতের মতে, এই ধরনের আচরণ আদালতের নির্দেশকে গুরুত্ব না দেওয়ারই ইঙ্গিত বহন করছে।আদালত জানায়, এর আগেই সতর্ক করে বলা হয়েছিল, পরবর্তী রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে হবে। সেই নির্দেশও মানা হয়নি। তাই এবার তাঁকে আদালতে উপস্থিত থেকে রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে হবে।বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তোলেন, জেলাশাসক কি এতটাই ব্যস্ত যে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় পাচ্ছেন না।মামলাকারীর অভিযোগ, ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে দখল করে পার্কিং এলাকা এবং বিয়েবাড়ি তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নয়ানজুলি ভরাট করে একাধিক বেআইনি নির্মাণও হয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে দুই হাজার বাইশ সালে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।মামলার আগের শুনানিতে জেলা প্রশাসন স্বীকার করেছিল যে ওই এলাকায় জবরদখলের ঘটনা ঘটেছে। এরপর আদালত জানতে চেয়েছিল, সেই বেআইনি দখল সরাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু একাধিকবার জেলাশাসক বদল হলেও এখনও পর্যন্ত আদালতে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়েনি। সেই কারণেই এবার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

জুলাই ১০, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসির আশঙ্কা জেনেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা! বিস্ফোরক বার্তায় তোলপাড় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আর বিদেশে থেকে নয়, এবার নিজ দেশেই ফিরতে চান। দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। দেশে ফিরে তিনি আইন মেনে আত্মসমর্পণ করবেন। কোনও চাপের মুখে নয়, সম্পূর্ণ নিজের সিদ্ধান্তেই তিনি দেশে ফিরতে চান বলেও জানিয়েছেন।শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর মুখেও পড়তে পারেন। তবুও তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। তাঁর কথায়, যদি মৃত্যু আসে, তবে তা নিজের দেশেই হোক। যেখানে তাঁর বাবা-মায়ের সমাধি রয়েছে, সেই মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলতে চান তিনি।তবে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বার্তা পাঠাননি শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন কোনও গোপন আলোচনার বিষয় হতে পারে না।গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা নিয়েও তিনি ভীত নন বলে জানিয়েছেন। শেখ হাসিনার বক্তব্য, অতীতেও একাধিকবার তাঁকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। কিন্তু গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাঁর জীবনের উপর বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে কোনও সরকারের ভুল হতেই পারে। তবে সেই ভুলের বিচার করার অধিকার জনগণের। দেশের মানুষই ঠিক করবে কোন সরকার ভালো কাজ করেছে আর কোন সরকার ব্যর্থ হয়েছে।আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, যদি দল সত্যিই মানুষের সমর্থন হারিয়ে থাকে, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ভোটের মাধ্যমে নিক। কোনও রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ছাত্র-যুব আন্দোলন এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে গণহত্যার মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করে। যদিও সেই রায় তিনি মানতে অস্বীকার করেছিলেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

জলমগ্ন কলকাতা, ফুঁসছে নদী, উত্তাল সমুদ্র! বাংলাজুড়ে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভিজেছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার সকালেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলায় একইভাবে বৃষ্টির দাপট বজায় রয়েছে। একাধিক এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। শনিবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমদমে প্রায় সাতানব্বই মিলিমিটার এবং আলিপুরে প্রায় সাঁইত্রিশ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ চলছে। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে একাধিক এলাকায় জল জমেছে।কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম মোড় এবং সেক্টর পাঁচ মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় জল জমায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এখনও বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর নেই, তবে দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উপকূলবর্তী এলাকাগুলির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বারো জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি-সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকায় পুলিশ মাইকিং করে সতর্ক করছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সমুদ্রের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জল দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের একাধিক এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেউলবাড় এবং গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াত এখন নৌকার উপর নির্ভর করছে। এতে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।অজয় নদীর জলও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর বাঁধের একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় এই এলাকায় প্লাবনের সমস্যা দেখা দেয়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

জুলাই ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal