• ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Joe Biden

বিদেশ

Modi-Biden meeting: ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্ব তোলা থাকল ইতিহাসের পাতায়, স্বাক্ষর করলেন মোদি

শুক্রবারই প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে প্রথমবার মুখোমুখি বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত জানুয়ারি মাসে জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট পদে বসলেও বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমণের দাপটের জেরে নতুন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করতে যেতে পারেনননি প্রধানমন্ত্রী। শুভেচ্ছাবার্তা থেকে যাবতীয় বার্তালাপ ফোন ও ভার্চুয়াল মাধ্যমেই হয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের মোট তিনবার সাক্ষাৎ হয়েছে, তবে প্রতিটিই ভার্চুয়াল মাধ্যমে। মার্চ মাসে কোয়াডের ভার্চুয়াল সামিট ও এপ্রিল মাসে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ভার্চুয়াল সামিটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টের। এদিনের বৈঠককে স্মরণীয় করে রাখতে ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্বকে খাতায় কলমেও লিখে রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। করোনাকালে মার্কিন সফর ও প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন-র সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে হোয়াইট হাউস-এর রুজ়ভেল্ট কক্ষের ভিজিটরস বুকে স্বাক্ষর করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।Prime Minister @narendramodi signs the visitor book in the Roosevelt Room of the White House. Registering the spirit of 🇮🇳 🇺🇸 friendship in ink. pic.twitter.com/E2revXyrUK Arindam Bagchi (@MEAIndia) September 24, 2021হোয়াইট হাউসের পশ্চিম ভাগে অবস্থিত এই কক্ষটি দুই প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট থিয়োডর রুজ়ভেল্ট ও ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজ়ভেল্ট-র নামে নামাঙ্কিত। এই কক্ষেই রাখা রয়েছে অতিথিদের জন্য একটি স্বাক্ষর পুস্তিকা, যেখানে বিশেষ অতিথিরা এসে নিজেদের নাম ও কিছু কথা লিখে যান। এ বার সেই বইতে জ্বলজ্বল করবে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরও। বিদেশ মন্ত্রকের তরফেই প্রধানমন্ত্রীর এই স্বাক্ষর করার কথা জানানো হয়। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী টুইটে লেখেন, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কালিতে নথিভুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হোয়াইট হাউসের রুজ়ভেল্ট কক্ষে অতিথিদের জন্য রাখা পুস্তিকায় স্বাক্ষর করেছেন।A Partnership of Trust-globally we will make a difference!Vibrant discussions between PM @narendramodi @POTUS Joseph Biden on global, regional bilateral issues. An expansive agenda including defence, security, health, education, trade, IT, economic, ST, energy P2P ties. https://t.co/ylQwOPlMD8 Arindam Bagchi (@MEAIndia) September 24, 2021শুক্রবারের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য, পারস্পরিক বিশ্বাস নিয়ে আলোচনা করেন। নতুন মার্কিন প্রশাসনের একাধিক উদ্য়োগের প্রশংসা করেও প্রধানমন্ত্রী জানান, কীভাবে এই উদ্যোগগুলির মাধ্যমে উপকার পাচ্ছেন মার্কিনবাসী-সহ অন্যান্য দেশের বাসিন্দারাও। বাইডেনের সঙ্গে বৈঠক চলাকালীন, প্রধানমন্ত্রী ফের একবার করোনাযুদ্ধে ভারতকে সাহায্যের জন্য ধন্যবাদ জানান। একইসঙ্গে আমেরিকাও যেভাবে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছে, তার প্রশংসাও করেন তিনি। জলবায়ু পরিবর্তন ও কোয়াড সম্মেলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে আমেরিকা যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে, সেই উদ্যোগকেও সাধুবাদ জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
বিদেশ

Kabul Airport: কাবুল বিমানবন্দরে আবারও হতে পারে সন্ত্রাসবাদী হামলা!

বৃহস্পতিবারের বিস্ফোরণের ক্ষত এখনও টাটকা। কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে সন্ত্রাসবাদী হামলায় মৃতের সংখ্যা ১৭০ পেরিয়েছে। এরই মধ্যে শনিবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানালেন, আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে কাবুল বিমানবন্দর চত্বরে ফের হামলা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ অসহায় আত্মসমর্পন কোহলিদের, সিরিজে সমতা ফেরাল ইংল্যান্ড এখনও আফগানিস্তানে রয়ে গিয়েছেন প্রায় ৩৫০ জন আমেরিকার নাগরিক, যাঁরা দেশে ফিরতে চান। তাঁদের সতর্ক করে বাইডেন বলেছেন, পরিস্থিতি এখনও বেশ বিপজ্জনক। আগামী ২৪-৩৬ ঘণ্টার মধ্যে আবার হামলা হতে পারে। অত্যন্ত সতর্ক থাকুন। দরকারে সেনাবাহিনীর সাহায্য নিন। বাইডেনের এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরে কাবুলে আমেরিকার দূতাবাসও জানিয়েছে বিমানবন্দর সংলগ্ন বিস্তৃত এলাকায় যেন লাল সতর্কতা জারি করা হয়। হামিদ কারজাই বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকার পাশাপাশি বিমানবন্দরের দক্ষিণ প্রান্তের এয়ারপোর্ট সার্কেল গেট এবং উত্তর-পূর্ব দিকের পঞ্জশির পেট্রল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অবিলম্বে নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে বিবৃতিতে।বাইডেন এই ঘোষণা করেন আমেরিকার সময়ে শনিবার দুপুরে। তার ঘণ্টা খানেক আগেই আমেরিকার সেনাবাহিনীর এক কর্তা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারের বিস্ফোরণের নেপথ্যে থাকা দুজন শীর্ষস্তরের আইসিস-কে জঙ্গিকে খতম করেছে আমেরিকা। দুই জঙ্গির মৃত্যু সংবাদ দিয়ে পেন্টাগনের ওই শীর্ষ পদাধিকারী বলেন, আমেরিকার ড্রোন হামলাতে দুই জঙ্গি নেতার মৃত্যু হয়েছে। হামলায় এক আইসিস-কে জঙ্গি আহতও হয়েছে। এমনকী, ওই জঙ্গি সংগঠনের আর এক শীর্ষনেতার উপরও নিয়ত নজর রাখা হচ্ছে বলেও জানান পেন্টাগনের ওই কর্তা। উক্ত জঙ্গি নেতা, আপাতত জালালাবাদেরই একটি বাড়ির ভিতর লুকিয়ে আছে বলেও জানান তিনি।

আগস্ট ২৯, ২০২১
বিদেশ

Drone Attack: আফগানিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলা খতম কাবুল হামলার মূলচক্রী?

কাবুল বিমানবন্দরে হামলার সমালোচনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বৃহস্পতিবার রাতেই বলেছিলেন, কিছু ভোলা হবে না, কাউকে মাফও করা হবে না। জড়িতদের খুঁজে বের করে উচিত শাস্তি দেওয়া হবে। একদিনের মধ্যেই বদলা নিল আমেরিকা। শুক্রবারই ইসলামিক স্টেট-খোরাসান-র উপর হামলা চালায় মার্কিন ড্রোন।মার্কিন সেন্ট্রাল কম্যান্ডের ক্যাপ্টেন বিল আরবান বলেন, আফগানিস্তানের নানগরহর প্রদেশে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। মানবহীন এই অভিযানের প্রাথমিক ইঙ্গিতে মনে হচ্ছে মূল চক্রীর মৃত্যু হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তালিবানরা আফগানিস্তান দখলের পর এই প্রথম মার্কিন বাহিনী হামলা চালাল।আরও পড়ুনঃ চেতেশ্বর পুজারার ব্যাটে সমালোচকদের জবাবতালিবানরা আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে উদ্ধারকার্য শেষ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। না হলে ফল ভাল হবে না বলেও জানিয়েছে। বৃহস্পতিবারের হামলার পরই উদ্ধারকার্যে ইতি টেনেছে ফ্রান্স, জার্মানির মতো দেশ। ব্রিটেনও জানিয়েছে, খুব অল্প সংখ্যক নাগরিকই আটকে রয়েছেন। একদিনের মধ্যেই উদ্ধারকার্য শেষ করে নেওয়া হবে। এদিকে,আমেরিকার তরফে জানানো হয়েছে বর্তমানে প্রায় এক হাজার মতো মার্কিনবাসী আফগানিস্তানে আটকে রয়েছেন। ৩১ অগস্টের আগেই তাদের উদ্ধার করে আনার সম্পূর্ণ চেষ্টা করা হবে। আগে সময় বাড়ানের কথা বলা হলেও বৃহস্পতিবার বাইডেনও ৩১ অগস্টের মধ্যে যে কোনও প্রকারে উদ্ধারকার্য শেষ করার নির্দেশ দেন। মার্কিন গোয়েন্দদাদের আশঙ্কা, ফের হামলা হতে পারে বিমানবন্দরে। শুক্রবারই পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি জানান, তাদের বিশ্বাস উদ্ধারকার্য়ে বাধা দিতে ফের হামলা হতে পারে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
বিদেশ

মায়ানমারের সেনাকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা বাইডেন প্রশাসনের

মায়ানমারে সামরিক বুটের তলায় পিষ্ট গণতন্ত্র। জনতার সরকার উপড়ে ফেলে মসনদে বসেছে সেনাবাহিনী। বন্দি জনপ্রিয় নেত্রী আং সাং সুকি ও তাঁর বিশ্বস্ত সহযোগীরা। সেনার স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন হাজার হাজার গণতন্ত্রকামী মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে দেশটির সেনাবাহিনীর উপর চাপ সৃষ্টি করে আর্থিক নিষেধাজ্ঞা বলবৎ করার কথা ঘোষণা করল আমেরিকা।বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সাফ জানিয়েছেন, মায়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানে জড়িতদের বিরুদ্ধে আর্থিক নিষেধাজ্ঞা বলবৎ করতে চলেছে তাঁর প্রশাসন। পাশাপাশি, গণতান্ত্রিক সরকারের হাতে দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্যও সামরিক জুন্টাকে কড়া ভাষায় নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে টাটমাডাও বা বার্মিজ সেনার একাধিক কর্তা ও তাঁদের পরিবারের লোকজন। এর ফলে আমেরিকায় তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হবে। একইসঙ্গে, মায়ানমারে স্বাস্থ্য ও জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত সরঞ্জাম ছাড়া অন্য পণ্যের রপ্তানি বন্ধ করতে পারে ওয়াশিংটন। চলতি সপ্তাহের শেষের দিকেই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা বার্মিজ সেনকর্তাদের নাম প্রকাশ করা হবে বলে খবর। এই বিষয়ে বাইডেন বলেন, আমি বার্মিজ সেনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি, তারা যেন দ্রুত সু কি-সহ সকল গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত নেতাদের দ্রুত মুক্তি দেয়।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
বিদেশ

অবশেষে পরাজয় স্বীকার করে নিলেন ট্রাম্প

নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পরেও কিছুতেই সেই ফলাফল মানতে চাইছিলেন না বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি ছিল, তিনিই জয়ী হয়েছেন। ভোটে কারচুপির অভিযোগও ্তুলেছিলেন তিনি। জো বাইডেনের কাছে একপ্রকার হার স্বীকার করেই নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানিয়ে দিলেন, বিডেনের নতুন দলকে ক্ষমতা হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া শুরু হলে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। টুইট করে ডোনাল্ড ট্রাম্প লিখেছেন, লড়াই করুন, আমার বিশ্বাস আমরা জয়ী হবই। আমাদের দেশের স্বার্থে, আমি এমিলি ও তাঁর টিমকে বলছি, প্রোটোকল অনুযায়ী যা করার প্রয়োজন, তা করা হোক। এটা আমার টিমকেও বলেছি। আরও পড়ুন ঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি জো বাইডেনকে মানতে রাজি নন পুতিন উল্লেখ্য, নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে চিঠি লিখে জেনারেল সার্ভিসেস অ্যাডমিনিস্ট্রেটর এমিলি মার্ফি জানান যে, ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া করতে রাজি ট্রাম্প প্রশাসন। এমিলির এই চিঠির পরই টুইট করেন ট্রাম্প। চিঠিতে এমিলি লিখেছেন, তিনি স্বাধীন ভাবেই আইন মোতাবেক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারও চাপের মুখে যে তিনি পড়েননি, সেকথাও উল্লেখ করেছেন এমিলি।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
বিদেশ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি জো বাইডেনকে মানতে রাজি নন পুতিন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী জো বাইডেনকে মার্কিন রাষ্ট্রপতি হিসেব মানতে রাজি নন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেদেশের সরকারি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে পুতিন স্পষ্টভাবেই একথা জানিয়ে দেন। পুতিন বলেন, মার্কিন জনগণ যাঁকে নির্বাচিত করবে আমরা তাঁর সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত। কিন্তু এই নির্বাচনের প্রক্রিয়া তখনই সম্পন্ন হবে যখন প্রতিপক্ষ একজন প্রার্থীকে জয়ী বলে মেনে নেবে। কিংবা আইন তাঁকে মান্যতা দেবে। তবে জো বিডেনকে শুভেচ্ছা না জানানোর পিছনে অন্য কোনও কারণ যে নেই, সেকথাও স্পষ্ট করে দেন পুতিন। পাশাপাশি জানান, আমেরিকারাশিয়ার সম্পর্ক অনেক আগে থেকেই খারাপ হয়ে গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ আমেরিকায় ফের বন্দুকবাজের হামলা , জখম ৮ পাশাপাশি পুতিন জানিয়ে দেন, এমন নয় আমরা নির্দিষ্ট কাউকে পছন্দ করি না। আমরা শুধু অপেক্ষা করছি সেদেশের অভ্যন্তরীন রাজনৈতিক সমস্যা মেটার। পুটিনকে প্রশ্ন করা হয়, তাঁর ওই মন্তব্যের ফলে রুশ-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষতি হবে কিনা! পুতিন বলেন, ক্ষতি হওয়ার কিছু নেই। আগে থেকেই দুদেশের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ট্রাম্পের জয় নিয়ে রাশিয়ার দিতে আঙুল তুলেছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। দাবি ছিল, ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের পেছনে রাশিয়ার হাত রয়েছে। ফলে সেই রাশিয়া এখন বাইডেনের জয় নিয়ে চিন্তিত।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
দেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা মোদির

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। মঙ্গলবার রাত ১১টা ৪০ নাগাদ ট্যুইট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, অভিনন্দন জানানোর জন্য প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা বললাম। ইন্দো-মার্কিন কৌশলগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমাদের দৃঢ় সংকল্পে জোর দিলাম। করোনা মহামারী, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতার মতো বিষয়ে দুপক্ষের অগ্রাধিকার এবং উদ্বেগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ দিল্লিতে ধৃত দুই জইশ জঙ্গি এছাড়াও ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি টুইটারে লেখেন , নব-নির্বাচিত মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকেও উষ্ণ অভিনন্দন জানানোর কথা বলেছি। ভারতীয়-মার্কিনদের কাছে তাঁর সাফল্য অত্যন্ত গর্বের এবং অনুপ্রেরণামূলক। উল্লেখ্য , বাইডেন-হ্যারিস ক্ষমতায় আসার পর ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক কোন দিকে বাঁক নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
বিদেশ

দীপাবলির শুভেচ্ছা জানালেন জো বিডেন ও কমলা হ্যারিস

দীপাবলির শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বিডেন ও তাঁর সহযোগী কমলা হ্যারিস। আমেরিকা সহ বিশ্বের সর্বত্র পালিত হচ্ছে আলোর উৎসব। সোশাল মিডিয়া পোস্টে তাঁর বার্তা, লাখ লাখ হিন্দু, জৈন, শিখ আর বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষে আলোর উৎসবে সামিল হয়েছেন। আমি সকলকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আশা করি নতুন বছরে সকলের আশাপূরণ হবে ও অনন্দ-সমৃদ্ধিতে ভরে উঠবে। সাল মুবারক। আরও পড়ুন ঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জো বিডেন , শুভেচ্ছাবার্তা মোদির অন্যদিকে , কমলা হ্যারিস টুইটে লিখেছেন, দীপাবলির শুভেচ্ছা, স্বাগত নতুন বছর। প্রত্যেকে নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও আনন্দময় নতুন বছর উদযাপন করুক।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
বিদেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জো বিডেন , শুভেচ্ছাবার্তা মোদির

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন সেদেশের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জো বিডেন। আমেরিকার ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন তিনি। শনিবার পঞ্চম দিনের ভোট গণনা শুরু হতেই পেনসিলভেনিয়ার ২০টি ইলেক্টোরাল ভোট চলে যায় বিডেনের ঝুলিতে। ফলে সহজেই ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের ম্যাজিক ফিগার পার করে ফেলেন তিনি। তাঁর ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা এখন ২৭৩। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প আটকে রইলেন ২১৩তেই। ফলে আমেরিকার সবচেয়ে বেশি বয়স্ক প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন বিডেন। ইতিমধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট পাওয়ারও নজির গড়ে ফেলেছেন তিনি। জো বিডেন বলেছেন , এ দেশের মানুষ একসঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁরা একযোগে জয়ের বার্তা দিয়েছেন। সব চেয়ে বেশি ভোটে আমরা জিতেছি। এই জয় মানুষের দ্বারা সম্ভব হয়েছে। তাই এই জয় আমেরিকাবাসীর জয়। জয়ের যত কাছাকাছি এসেছেন বিডেন ততই আমেরিকার রাস্তায় ভিড় জমতে শুরু করেছে। উচ্ছ্বাস দেখিয়েছেন মানুষ। এতেই আপ্লুত বিডেন। তাঁর কথায়, এটা উন্মাদনা জয়ের বহিঃপ্রকাশ। ভবিষ্যতের শুভ সূচনার আশায় মানুষের আস্থা। আমি এই আশা-আস্থা পূরণের চেষ্টা করব।মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জো বিডেনকে অভিনন্দন জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। আরও পড়ুন ঃ করোনা প্রতিরোধই লক্ষ্য , ঘোষণা বিডেনের রবিবার একটি টুইট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, অভিনন্দন জো বিডেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক মজবুত করতে আপনার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে আমি আপনার সঙ্গে কাজ করতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। একইসঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট হতে চলা ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিসকেও অভিনন্দন জানান মোদি। টুইটারে তিনি লেখেন, ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিনিদের জন্য আপনার সফলতা অত্যন্ত গর্বের। আপনার নেতৃত্ব ও সমর্থনে ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। বিডেনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
বিদেশ

করোনা প্রতিরোধই লক্ষ্য , ঘোষণা বিডেনের

নিশ্চিত জয়ের মুখে দাঁড়িয়ে প্রথমেই করোনার সঙ্গে লড়াইয়ের বার্তা দিলেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বিডেন। শুক্রবার ডেলাওয়্যারের উইলমিংটনে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণে বিডেন বলেন, আমাদের রাজ, দ্বেষ পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে হবে। এবার সময় এসেছে দেশ হিসাবে আমাদের একজোট হয়ে লড়াই করার। গোটা দেশের প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব আসছে আমার ওপর। আমি সবাইকে বলতে চাই, আমার প্রথম কাজই হবে করোন সংক্রমণ প্রতিরোধ। যে প্রাণ চলে গিয়েছে, তা ফেরত পাব না কিন্তু আগামীতে অনেক প্রাণ আমাদের বাঁচাতে হবে। এই বিষয়ে জনস্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছি আমরা। এছাড়া, দেশের অর্থনীতিকে কীভাবে মজবুত করা যায়, সেই বিষয়টিও দেখতে হবে আমাদের। আরও পড়ুন ঃ ট্রাম্পকে হারিয়ে জয়ের পথে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বিডেন তিনি আরও বলেন, আমরা জয়ী হতে চলেছি। নেভাদাতে আমরা এগিয়ে রয়েছি। বিগত ২৪ বছরে প্রথম ডেমোক্র্য়াট প্রার্থী হিসেবে আমি অ্যারিজোনা জিতে নিয়েছি। মাত্র কয়েক বছর আগে যে নীল দেওয়াল ভেঙে পড়েছিল। আমরা তা আবার গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছি। পেনসিলভেনিয়া, মিশিগান উইসকনসিন- আমেরিকার হৃদয়। আজ পর্যন্ত জীবনে সবার্ধিক ভোট পেয়েছি আমি। ৭৫ মিলিয়ন ভোট পেয়েছি এখনও পর্যন্ত। অন্যদিকে , ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রার্থী জো বিডেনকে জয়ী ঘোষণা করল মার্কিন তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ডিসিশন ডেস্ক। ডিসিশন ডেস্ক-এর সদর দপ্তর শুক্রবার তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে জানিয়েছে, জো বিডেনই হচ্ছেন আমেরিকার ৪৬তম প্রেসিডেন্ট। সংস্থাটির পূর্বাভাস বলছে, ২০টি ইলেক্টোরাল ভোট পেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য পেনসিলভেনিয়াতে বিডেনের জয় নিশ্চিত। এর ফলে এটা নিশ্চিত করে বলা যায় ওই রাজ্যের ইলেক্টোরাল ভোট-সহ মোট ২৭৩টি ইলেক্টোরাল ভোট পাবেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
বিদেশ

ট্রাম্পকে হারিয়ে জয়ের পথে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বিডেন

হোয়াইট হাউস দখলের কাছাকাছি চলে গেলেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বিডেন। প্রসঙ্গত , হোয়াইট হাউস দখল করতে চাই ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোট। সেখানে ইতিমধ্যেই ২৬৪টি ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছে বিডেন। আর মাত্র ৬ টা ভোট পেলেই তার দখলে চলে আসবে হোয়াইট হাউস। অন্যদিকে ট্রাম্প পেয়েছেন মাত্র ২১৪টি ভোট। মিশিগান ও উইসকনসিন ইতিমধ্যেই চলে গেছে বিডেনের দখলে। এদিকে, পেনসিলভেনিয়া ও মিশিগানে মামলা দায়ের করেছে ট্রাম্প শিবির। অন্যদিকে বিডেনও গতকাল জানিয়ে দিয়েছিলেন, যে আইনি পথে পাল্টা মোকাবিলার জন্য তিনিও তৈরি আছেন। ভারতীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ ডেলাওয়ারের উইলমিংটনে নিজের বাড়ি থেকে বাইডেন বলেন, দীর্ঘ গণনার পর এটাই স্পষ্ট হচ্ছে যে আমরাই জিতছি। ইতিমধ্যেই ভোটের ফল ঘিরে অশান্তির আশঙ্কায় কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে ওয়াশিংটন। আরও পড়ুন ঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বিডেনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই প্রসঙ্গত , ট্রাম্প অভিযোগ করেন, এত রাতে কেন ভোটগ্রহণ চলছে। কারচুপির অভিযোগে তিনি প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি জানান। সমর্থকদের সামনে বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, আমেরিকার জনগণের সঙ্গে এটা প্রতারণা। আমরা নির্বাচনে জিততে চলেছি। আমরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হব। আমরা চাই সব ভোট বন্ধ হোক। পালটা প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে জো বিডেন বলেন , ট্রাম্পের মন্তব্য অপমানজনক।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
বিদেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বিডেনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

হোয়াইট হাউস কার দখলে ? ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বিডেনের মধ্যে লড়াই চলছে হাড্ডাহাড্ডি। প্রথম দিকে জো বিডেন এগিয়ে থাকলেও পরে ধীরে ধীরে জমি ফিরে পাচ্ছেন ট্রাম্প। টক্কর চলছে সমানে সমানে। শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত, জো বিডেনের হাতে রয়েছে ২২৫টি ইলেক্টোরাল ভোট। ট্রাম্পের ঝুলিতে রয়েছে ২১৩টি। ৫৩৮ আসনের ইলেক্টোরাল কলেজ-এ ম্যাজিক ফিগার ২৭০। আটটি রাজ্যের মধ্যে ৬ টিতেই ইতিমধ্যে এগিয়ে গেছেন ট্রাম্প। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দখলে গিয়েছে ফ্লোরিডা। এই ফ্লোরিডা রাজ্যকেই আমেরিকার রাজনীতি্র নির্ণায়ক বলা হয়। আরও পড়ুন ঃ অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় সন্ত্রাসবাদী হামলা , নিহত ৭ হোয়াইট হাউস থেক সরাসরি সমর্থকদের সামনে জয়ধ্বনি দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সাফ জানান, আমরা নির্বাচন জিতেছি। এবার কারচুপি হলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করব। নর্থ ক্যারোলিনার মতো প্রদেশে আমরা জিতেছি। এবার যদি ফল অন্য আসে তার মনে বুঝতে হবে কারচুপি হয়েছে।এবার ফলাফল যদি অন্য কিছু হয় তাহলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করবে তাঁর দল। তিনি এদিন বলেন , নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ব্যালট জমা নিলে কারচুপি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের মতোই নিজেদের গড় রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে দুই দলই। ফলে ফলাফল নির্ভর করছে সুইং স্টেটগুলির উপর। অন্যবার এই সময়ে মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে যায় যে আগামী চার বছর কার দখলে থাকছে হোয়াইট হাউস। কিন্তু এবার করোনা মহামারীর জেরে মেল-ইন-ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন প্রায় ১০ কোটি মার্কিন জনতা। ফলে সেগুলির হিসেবে কিছুটা সময় লাগছে। যাই হোক, মার্কিন রাজনীতিতে বরাবরই পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ঠিক করে ব্যাটল গ্রাউন্ড স্টেটগুলি। এবারও তেমনটাই দেখা যাচ্ছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! ধর্মতলায় ধরনায় বসলেন মমতা, তীব্র চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনকে

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় বহু সাধারণ মানুষের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুর দুইটায় ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের ডোরিনা ক্রসিংয়ে ধরনায় বসতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই সেখানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূলের নেতা থেকে কর্মীরা।এই কর্মসূচির মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছেন যে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করতেই তিনি পথে নেমেছেন। জানা গিয়েছে, এই ধরনা কর্মসূচিতে তাঁর পাশে থাকবেন সেই সব মানুষ যাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সংশোধন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বহু ভোটারও এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে।বঙ্গের এই সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রক্রিয়ার শুনানির শেষ পর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগী ভোটারদের নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরেও যান। সেখানে তিনি অভিযোগ জানান এবং সাধারণ মানুষের হয়ে কথা বলেন। তবুও এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি বদলায়নি বলে দাবি তৃণমূলের।তৃণমূল সূত্রের দাবি, বর্তমানে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে। এর মধ্যে তেষট্টি লক্ষের বেশি ভোটারের নাম ইতিমধ্যেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও প্রায় ষাট লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলনের পথেই হাঁটতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার রাজনীতিতে বহুবার দেখা গিয়েছে, যখনই সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও সংকট তৈরি হয়েছে, তখনই তিনি রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন।ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিং রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। প্রায় কুড়ি বছর আগে ধর্মতলার অনশন মঞ্চ থেকেই বাংলার রাজনীতিতে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। সেই একই জায়গায় আবারও ধরনায় বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই আন্দোলনের লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রতিবাদ করা এবং বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি রুখে দেওয়া। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে, তাহলে সেই নির্বাচনের কোনও অর্থ থাকে না। তাঁর অভিযোগ, চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হওয়ার পরেও দিল্লির নির্দেশে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত সব জায়গায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবুও বহু মানুষের নাম এখনও তালিকায় নেই। সেই কারণেই বাংলার মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে তিনি শুক্রবার থেকে ধর্মতলায় ধরনায় বসছেন। পাশাপাশি তিনি সকলকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার আহ্বানও জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, এটি শুধু রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি বাংলার সম্মানের প্রশ্ন।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

আকাশ ছুঁয়ে ধেয়ে এল মৃত্যু! যে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রে খামেনির শেষ, সেই প্রযুক্তিই আনছে ভারত

অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালীন একটি অত্যাধুনিক ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ব্লু স্প্যারো। এটি একটি বিশেষ ধরনের বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। একই ধরনের প্রযুক্তি এখন ভারতও নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়ানোর জন্য পরীক্ষা ও সংযোজন করছে বলে খবর।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের সময় প্রায় সাড়ে সাতটার দিকে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে তেহরানে খামেনির কম্পাউন্ডে গিয়ে আঘাত হানে সেটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ এবং আক্রমণের ধরন এতটাই জটিল যে সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এটিকে আটকানো প্রায় অসম্ভব।ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্রকে অনেক সময় মহাকাশ থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র বলা হয়। কারণ এটি প্রথমে একটি বুস্টার রকেটের সাহায্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রায় প্রান্তসীমা পর্যন্ত উঠে যায়। তারপর সেখান থেকে অত্যন্ত উচ্চ গতিতে আবার নিচে নেমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে। এই সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি শব্দের গতির পাঁচ গুণেরও বেশি হয়ে যায়। ফলে শত্রুপক্ষের পক্ষে এটিকে শনাক্ত করা বা ধ্বংস করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।এই ক্ষেপণাস্ত্রে জিপিএস ও ইনর্শিয়াল নেভিগেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। ফলে এটি হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। এমনকি একটি ভবনের নির্দিষ্ট ঘরকেও লক্ষ্য করে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থা রাফায়েল এই স্প্যারো পরিবারের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছিল মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুকরণে পরীক্ষা চালানোর জন্য। পরে সেই প্রযুক্তিকেই আরও উন্নত করে আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করেই ভারত নিজেদের বায়ুসেনার শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে রকস ও গোল্ডেন হরাইজন নামে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।রকস ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত ব্লু স্প্যারো প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারতীয় বায়ুসেনা সুখোই সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। প্রায় তিনশো কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। জিপিএস না থাকলেও এটি নিজস্ব সেন্সর ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে।এ ছাড়াও গোল্ডেন হরাইজন নামে একটি দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর সম্ভাব্য পাল্লা প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত না পেরিয়েও শত্রু দেশের অনেক গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।ভারত ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার ব্যবহার শুরু করেছে। ২০২৫ সালে অপারেশন সিন্দুর চলাকালীনও ইসরায়েলি প্রযুক্তির বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহারের কথা সামনে আসে।সেই সময় নির্ভুল লক্ষ্যভেদের জন্য স্পাইস কিট ব্যবহার করা হয়। এগুলির সাহায্যে সাধারণ বোমাকেও অত্যন্ত নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্রে পরিণত করা যায়। এছাড়া হারপি ও হারপ ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয় বলে জানা যায়।ভারত ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি বারাক-৮ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও সেই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এই ব্যবস্থাটি আকাশপথে আসা শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা তৈরি করতে সাহায্য করে।এ ছাড়াও বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ও ইসরায়েলি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে তৈরি স্কাইস্ট্রাইকার ড্রোন এবং র্যাম্পেজ ক্ষেপণাস্ত্রও বিভিন্ন গভীর আঘাত হানার অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারতীয় বায়ুসেনার গভীর আঘাত হানার ক্ষমতা আরও অনেক গুণ বাড়বে। ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও ইসরায়েলের সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্রিগেডের মঞ্চে বড় চমক দিতে চলেছেন মোদি! বাংলার জন্য কী ঘোষণা আসতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আগামী শনিবার বড় জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভা থেকেই বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন তিনি বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে দল।দলীয় সূত্রের দাবি, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই বাংলার মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বড় চমক তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বার্তা দিতে পারেন যা সরাসরি বাংলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হিসেবে সামনে আসবে। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি শুধু রাজনৈতিক দিক থেকে নয়, প্রশাসনিক ও উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেই কারণেই এই ঘোষণাকে ঘিরে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের প্রচারে গতি আনতে একের পর এক বড় প্রতিশ্রুতি সামনে আনছে। সম্প্রতি এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা ঘোষণা করেন। সেখানে বলা হয়, রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে, আট মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা হবে এবং যুবকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের কর্মসংস্থান এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সেই কারণেই ব্রিগেডের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করতে চলেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে ব্রিগেডের সভাকে ঘিরে জল্পনা এবং কৌতূহল দুটোই ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

তেল সংকটের আশঙ্কার মাঝেই বড় স্বস্তি! রাশিয়া থেকে তেল কিনতে ভারতের পথে আর বাধা নেই

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে তেল সংকটের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে সাময়িক ছাড় দিল আমেরিকা। এর ফলে আপাতত বড় স্বস্তি পেল নয়া দিল্লি।কিছু দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল, দেশে প্রায় পঁচিশ দিনের পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে তেল সরবরাহে বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে ভারতের প্রয়োজন হলে তারা তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত। কিন্তু আগে রাশিয়ার থেকে তেল না কেনার শর্তে ভারতের উপর শুল্ক কমিয়েছিল আমেরিকা। সেই কারণে ভারত আদৌ রাশিয়ার তেল কিনতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল।অবশেষে সেই জট কাটল। আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য সাময়িক ছাড়পত্র দিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই অনুমতি ত্রিশ দিনের জন্য দেওয়া হয়েছে। পাঁচ মার্চ থেকে এই সময়সীমা কার্যকর হয়েছে এবং তিন এপ্রিল পর্যন্ত ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে পারবে।আমেরিকার ট্রেজারি সচিব স্কট বেনেট সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমেরিকার জ্বালানি কর্মসূচির ফলে তেল ও গ্যাস উৎপাদন অনেক বেড়েছে। বিশ্ব বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে ত্রিশ দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে তিনি ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভারত আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ভবিষ্যতে ভারত আমেরিকার কাছ থেকেও তেল কেনা বাড়াবে বলে তারা আশা করছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইরান। তবে রাশিয়া ও চিনের তেলবাহী জাহাজকে এই নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গিয়েছে।খবরে জানা যাচ্ছে, ভারতীয় জলসীমার কাছাকাছি এলাকায় রাশিয়ার প্রায় পঁচানব্বই লক্ষ ব্যারেল তেল রয়েছে। রাশিয়া আগেই জানিয়েছিল, প্রয়োজন হলে ভারত এই তেল ব্যবহার করতে পারে।এদিকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে সম্প্রতি ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘাচির সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই আলোচনার পর থেকেই মনে করা হচ্ছিল, এই সংকটের প্রভাব ভারতে খুব বেশি পড়বে না।তারই মধ্যে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে আপাতত তেল সরবরাহ নিয়ে বড় স্বস্তি পেল ভারত। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি কত দিন চলবে এবং বিশ্ব বাজারে তেলের দামে তার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটকের! ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য বন্ধ সমাজমাধ্যম, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার ও সমাজমাধ্যমের প্রভাব ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কর্নাটক সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করেছেন, ষোলো বছরের নিচে কোনও শিশু সমাজমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। রাজ্যের বাজেট পেশ করার সময় বিধানসভায় এই ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে শিশুদের মধ্যে মোবাইল ও সমাজমাধ্যম ব্যবহারের প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে পড়াশোনা, আচরণ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, শিশুদের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্নাটক দেশের প্রথম রাজ্য যেখানে ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। এর আগে আন্ধ্রপ্রদেশ এবং গোয়া সরকারও একই ধরনের পদক্ষেপের কথা ভাবছিল। তবে সবচেয়ে আগে কঠোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল কর্নাটক সরকার।রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু দেশের অন্যতম বড় প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেই রাজ্যেই শিশুদের মোবাইল ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনার প্রস্তাব নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। গত মাসে সরকার স্কুল ও কলেজে ষোলো বছরের নিচে পড়ুয়াদের মোবাইল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনার বিষয়েও ভাবনা শুরু করেছিল।মুখ্যমন্ত্রী এর আগে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি শিশুদের মধ্যে বাড়তে থাকা সমাজমাধ্যম আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, অনেক পড়ুয়া এই কারণে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে এবং মানসিক সমস্যার মুখেও পড়ছে।সরকারের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইলের পর্দায় সময় কাটালে পড়াশোনার ফল খারাপ হতে পারে। আচরণেও পরিবর্তন দেখা যায়। পাশাপাশি অজানা ও ক্ষতিকর বিষয়বস্তুর সংস্পর্শে আসার আশঙ্কাও থাকে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মাদক চক্রের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয় বলে প্রশাসনের দাবি।বিশ্বের বিভিন্ন দেশও শিশুদের সমাজমাধ্যম ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে শুরু করেছে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকারও ষোলো বছরের নিচে কিশোরদের জন্য একাধিক সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে।কর্নাটক সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সবার।মেটা বিবরণ: শিশুদের মোবাইল ও সমাজমাধ্যম আসক্তি ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটক সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করলেন, ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মার্চ ০৬, ২০২৬
বিদেশ

জেন জ়ির সমর্থনেই কি ইতিহাস? গণনায় এগিয়ে বলেন্দ্র, বড় ধাক্কা খেতে চলেছেন ওলি

নেপালে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে ভোট গ্রহণ। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে ভোট গণনা। আর গণনার প্রাথমিক প্রবণতায় বড় চমক দেখা যাচ্ছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি-কে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র বলেন্দ্র শাহ। তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন বলেন্দ্র। সেই জনপ্রিয়তাই এখন ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঝাপা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন বলেন্দ্র শাহ। এই কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই ওলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, চুয়াত্তর বছর বয়সি ওলিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন বলেন্দ্র। যদি এই প্রবণতা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তাহলে নেপালের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।বলেন্দ্র শাহের পরিচয় প্রথমে একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে। পরে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর কাঠামোগত প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। বর্তমানে তিনি কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়-এ গবেষণা করছেন। কিছুদিন তিনি টেলিভিশন সঞ্চালক হিসেবেও কাজ করেছেন। পরে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন এবং রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টি-তে যোগ দেন রবি লামিছানে-র নেতৃত্বে। দুই হাজার বাইশ সালে তিনি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হন।নেপালের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বলেন্দ্র শাহ অত্যন্ত জনপ্রিয়। সমাজমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, সেখানে তিনি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। সেই আন্দোলনের জেরে নেপালের নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটে এবং ক্ষমতাচ্যুত হন কে পি শর্মা ওলি। আন্দোলনের সময় একাংশ বিক্ষোভকারী বলেন্দ্র শাহকেই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তুলেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান নেপালের সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কী।সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন বলেন্দ্র শাহ। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। এবার নির্বাচনের ফলাফল যদি তাঁর পক্ষে যায়, তাহলে তাঁকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবেও তুলে ধরতে পারে তাঁর দল।তবে বলেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি অতীতে একাধিকবার ভারতের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ভারতের কিছু অঞ্চলকে নেপালের অংশ বলে দাবি করেছিলেন তিনি। দুই হাজার তেইশ সালের জুন মাসে নিজের কার্যালয়ে নেপালের একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছিলেন বলেন্দ্র। সেই মানচিত্রে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলকে বৃহত্তর নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।এদিকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, নেপালের পরিস্থিতির উপর তারা নজর রাখছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, নেপালে শান্তি, অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতাকে ভারত সবসময় সমর্থন করে। নতুন সরকার গঠনের পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করার জন্য ভারত কাজ করতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, নেপালের সংসদের নিম্নকক্ষের জন্য মোট দুইশো পঁচাত্তর জন সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে একশো পঁয়ষট্টি জন সরাসরি ভোটে এবং একশো দশ জন অনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভোট গণনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে রাজ্যপাল পদ ছাড়লেন সিভি আনন্দ বোস! বাংলায় আসছেন বিতর্কিত আর এন রবি?

ভোটের আগে হঠাৎই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সি ভি আনন্দ বোস (Bengal Governor)। কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বড় দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পোস্টেই উঠে এসেছে বাংলার সম্ভাব্য নতুন রাজ্যপালের নাম (Bengal Governor)।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে জানিয়েছেন যে আর এন রবি-কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে (Bengal Governor)। তবে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আগে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।কে এই আর এন রবি, তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাঁর পুরো নাম রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। তিনি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের ভারতীয় পুলিশ পরিষেবার আধিকারিক। জন্ম বিহারের পাটনায়, ১৯৫২ সালের ৩ এপ্রিল। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর দেশসেবার লক্ষ্য নিয়ে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেন।কর্মজীবনের বড় অংশ কেটেছে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিভাগে। তিনি দীর্ঘদিন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো-তে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহ দমন এবং জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হয়। পরে তিনি ভারত সরকারের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটি-র চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নাগা শান্তি আলোচনা। দীর্ঘদিন ধরে চলা জটিল সমস্যার সমাধানে তিনি ভারত সরকারের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে দেশের উপ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদেও নিয়োগ করা হয়।পরবর্তীতে তিনি রাজ্যপাল হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। ১৯১৯ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল ছিলেন। সেই সময় কিছুদিনের জন্য মেঘালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করেন। এরপর ২০২১ সাল থেকে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে কাজ করছেন।তবে তামিলনাড়ুতে তাঁর সময়কাল বারবার বিতর্কের কেন্দ্রেও এসেছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন এক সময় তাঁকে কেন্দ্রের এজেন্ট বলেও কটাক্ষ করেছিলেন। পরে রাজ্য সরকার তাঁর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টেও যায়। অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক বিল আটকে রেখেছিলেন।এবার সেই বিতর্কিত রাজ্যপালের নামই ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসেবে। গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে। তাই আর এন রবি এলে সেই সংঘাত কি আবার নতুন করে শুরু হবে, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হরমুজ প্রণালীর টানাপোড়েন, গ্যাস সরবরাহে চাপ! নতুন ডবল সিলিন্ডার আপাতত বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সাধারণ মানুষের রান্নাঘরেও পড়তে শুরু করেছে। ইরান ও ইজরায়েল-এর সংঘাতের মধ্যে নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেল সংস্থাগুলির তরফে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ কোনও গ্রাহক নতুন করে দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করলেও আপাতত তা দেওয়া হবে না।জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যাতে রান্নার গ্যাসের জোগানে সমস্যা না হয়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে যেসব পরিবারের রান্নাঘরে এখন একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে, আপাতত তাদের সেই একটি সিলিন্ডার নিয়েই চলতে হবে। গ্যাস ডিলারদের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে। এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে সমস্যা হলে রান্নার গ্যাস সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ ভারতের জ্বালানি আমদানির বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে।ভারতে ঘরে ঘরে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থাকে এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে মনে করা হচ্ছে। অপরিশোধিত তেল বা তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের তুলনায় রান্নার গ্যাসের উৎস অনেক কম এবং মজুতও তুলনামূলকভাবে সীমিত। দেশের মোট চাহিদার প্রায় আশি থেকে পঁচাশি শতাংশ রান্নার গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এর বেশির ভাগই উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে এবং প্রায় সব জাহাজই হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছয়।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ত্রিশ দিনের রান্নার গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে নির্ধারিত জাহাজ যদি দেরিতে পৌঁছয়, তাহলে সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে।এদিকে সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেক মানুষ আগেভাগে গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে শুরু করেছেন। এতে দ্রুত মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন শহরের গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত সিলিন্ডার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে অযথা বেশি সিলিন্ডার মজুত না করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।অন্যদিকে সমাজমাধ্যমে তেলের দাম বাড়ার গুজবও ছড়িয়ে পড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে পেট্রল পাম্পগুলিতেও। অনেকেই আতঙ্কে গাড়ির ট্যাঙ্ক পুরো ভরে নিচ্ছেন। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, এখনই আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। তেলের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে।ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া জানিয়েছেন, এখনও তেলের জোগান কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘদিন চললে দামের কিছু পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলেই তাঁর দাবি।মেটা বিবরণ: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি সরবরাহে। নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডার সংযোগ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ তেল সংস্থার, সাধারণ মানুষকে অযথা মজুত না করার পরামর্শ।

মার্চ ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal