• ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ১১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India

দেশ

TMC Mamata: দিল্লি অভিযানে মমতার নতুন স্লেগান

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রায় এক বছর আগে জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছিল তৃণমূল। পুরো নির্বাচনী প্রচারে এই স্লোগান দিয়েছে তৃণমূল শিবির। দিল্লি অভিযানের ডাক দিয়ে ২১ জুলাই শহিদ দিবসে তৃণমূল সুপ্রিমোর মুখে নতুন স্লোগান। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে জয় হিন্দুস্থান স্লোগান। বাংলা ছাড়িয়ে জাতীয় স্তরের রাজনীতিতে নতুন করে ঝাঁপিয়ে পড়ার আগে নতুন স্লোগান বেঁধে দিলেন মমতা।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে সামান্য বাড়লেও দেশে করোনা সংক্রমণে স্বস্তিএবারও করোনা আবহে ২১ জুলাই শহিদ স্মরণের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রেখেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বক্তব্য শুরু করলেন জয় হিন্দ, বন্দেমাতরম, জয় বাংলা, জয় হিন্দুস্থান ধ্বনি দিয়ে। ভাষণের শেষেও ছিল জয় হিন্দুস্থান ধ্বনি। একেবারে নতুন ধ্বনির স্লোগান দিয়েই মোদীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন মমতা। তিন বার টানা বাংলা দখল সম্পূর্ণ করে এবার তাঁর নজর দিল্লির মসনদ। বিজেপি বিরোধী শক্তিকে এক জোটে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ফোন ট্যাপ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চান মমতাপ্রথম থেকেই জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে টানা প্রবল বিরোধিতা করে বিজেপি। গেরুয়া শিবির দাবি তোলে এটা বাংলাদেশের স্লোগান। বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গকে জুড়তে চাইছে তৃণমূল, তাই এই স্লোগান। এমনই দাবি ছিল বিজেপির। যদিও এই স্লোগান বিরোধী কোনও মন্তব্যকে পাত্তা দেয়নি তৃণমূল। প্রতিটি জনসভায় জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। এবার ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে দেশব্যাপী লড়াইয়ে জয় হিন্দুস্থান ধ্বনিকে সঙ্গী করেই এগোতে চাইছে ঘাসফুল শিবির। শহিদ দিবসে সেই সুর বেঁধে দিলেন তৃণমূলনেত্রী।

জুলাই ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Abesh Khan : ‌আবেশ খানের আঙুলে চোট, ছিটকে গেলেন ইংল্যান্ড সিরিজ থেকে

ব্যাট হাতে লোকেশ রাহুল, রবীন্দ্র জাদেজারা সফল। এবার বল হাতে দাপট দেখালেন উমেশ যাদব, মহম্মদ সিরাজরা। ভারতীয় বোলারদের দাপটে প্রস্তুতি ম্যাচে দ্বিতীয় দিনের শেষে ২২০/৯ রানের বেশি তুলতে পারল না বাছাই কাউন্টি একাদশ। তবে ভারতের কাছে বড় ধাক্কা আবেশ খানের চোট। বাছাই কাউন্টি একাদশের হয়ে খেলতে নেমে তিনি আঙুলে চোট পেয়েছেন। আঙুলে চিড় ধরেছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন। আবেশ খানকে দেশে ফেরত পাঠানো হবে।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়? জানতে পড়ুনএর আগে ভারতের প্রথম ইনিংস ৩১১ রানে শেষ হয়। আগের দিনের ৩০৬/৯ রান নিয়ে খেলতে নেমে বেশিদুর এগোতে পারেনি ভারতীয় দল। দ্বিতীয় দিনে মাত্র ৫ রান যোগ করে। যশপ্রীত বুমরা (৫) ক্রেগ মিলসের বলে বোল্ড হন। মহম্মদ সিরাজ ৩ রানে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ৩১১ রানে অল আউট হয় ভারত। লোকেশ রাহুল (১০১) ও রবীন্দ্র জাদেজা ছাড়া বাকি ব্যাটসম্যানরা জ্বলে উঠতে পারেননি। রোহিত, পুজারা, মায়াঙ্কদের ব্যর্থতা নিশ্চিতভাবেই চিন্তায় রাখবে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টকে। শুভমান গিল চোটের জন্য ছিটকে যাওয়ায় ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে রোহিত শর্মার সঙ্গে মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে ওপেনে পাঠানোর ভাবনা ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের।আরও পড়ুনঃ আবার অলিম্পিক ভিলেজে করোনায় আক্রান্ত, চিন্তিত আয়োজক কমিটিভারতের ৩১১ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই অস্বস্তিতে ছিল বাছাই কাউন্টি একাদশ। জ্যাক লিবিকে (১২) তুলে নিয়ে বিপক্ষকে প্রথম ধাক্কা দেন উমেশ যাদব। রবার্টস ইয়েটসকে (১) ফেরান যশপ্রীত বুমরা। বাছাই কাউন্টি একাদশের হয়ে খেলতে নেমেছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। তিনি মাত্র ১ রান করে মহম্মদ সিরাজের বলে আউট হন। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে বাছাই কাউন্টি একাদশের। একমাত্র রুখে দাঁড়ান ওপেনার হাসিব হামিদ। তিনি ১১২ রান করে শার্দুল ঠাকুরের বলে আউট হন। ভারতের হয়ে উমেশ যাদব ২২ রানে ৩টি, মহম্মদ সিরাজ ৩২ রানে ২টি উকেট পান। এছাড়া যশপ্রীত বুমরা, শার্দুল ঠাকুর, রবীন্দ্র জাদেজা ও অক্ষর প্যাটেল ১টি করে উইকেট পান।

জুলাই ২২, ২০২১
কলকাতা

United India: শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে 'ইউনাইটেড ইন্ডিয়া'র ডাক

শহিদ দিবসে তৃণমূল নেত্রীর বার্তা শোনাতে দিল্লির কনস্টিটিউশন হলে জায়ান্ট স্ক্রিন লাগানো হয়েছিল। সেই হলে এদিন অভিনব বিরোধী জোটের সাক্ষী রইল গোটা দেশ। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা শুনতে দিল্লির কনস্টিটিউশন হলে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা তথা দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম, দিগ্বিজয় সিং, এনএসপি প্রধান শরদ পওয়ার, নেত্রী সুপ্রিয়া সুলে, সমাজবাদি পার্টি নেত্রী জয়া বচ্চন। উপস্থিত ছিলেন রামগোপাল যাদব, ত্রিরুচি শিবা, কেশব রাও (টিআরএস), সঞ্জয় সিং, মনোজ ঝাঁ, প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদী (শিব সেনা), বলবিন্দর সিং ভাণ্ডারি (অকালি দল)। রাজনৈতিক মহল বলছে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি বিরোধী জোটের সলতে এদিন পাকিয়ে ফেলল তৃণমূল।আরও পড়ুনঃ লন্ডনের পর্ন সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রাজ কুন্দ্রা!শহিদ দিবসের ভার্চুয়াল অনুষ্ঠান থেকে অবিজেপি নেতাদের তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, বাংলা দেখিয়েছে। সব রাজ্যকে বলছি, যান নিজেদের দলকে বোঝান। সবাই মিলে ফ্রন্ট বানান। রোগী মৃত্যুর পর ডাক্তার এলে কোনও লাভ হয় না। এখন আর সময় নেই। আমি দিল্লি যাচ্ছি। ২৬, ২৭, ২৮ এর মধ্যে কোনও মিটিং ডাকতে পারলে ডাকুন। সবাইকে মিলিয়ে আমরা ইউনাইটেড ইন্ডিয়া করতে চাই। এমনকী, জাতীয়স্তরে বিজেপি বিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলারও ডাক দিয়েছেন তিনি। এদিন তিনি আরও বলেন, উন্নততর তৃণমূল গড়তে হবে। তবেই উন্নততর দেশ গড়তে পারব। তৃণমূল নেত্রীর কথায়, নির্বাচনের আগে আড়াই বছর এখনও বাকি।ভোটের আগে জোট বেঁধে লাভ হবে না। আমাদের এখন থেকেই জোট বাঁধতে হবে। ভারতবাসীকে আলো দেখাতে হবে।

জুলাই ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs Sri Lanka Match : ‌দীপক চাহারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে সিরিজ জিতে নিল ভারত

এই মুহূর্তে ভারতীয় রিজার্ভ বেঞ্চের যা শক্তি, প্রথম সারির দলকেও হারানোর ক্ষমতা রাখে। শ্রীলঙ্কা তো কোন ছাড়। সমস্যায় জর্জরিত সিংহলীদের সেই সুদিন আর নেই। রণতুঙ্গা, ডিসিলভা, জয়বর্ধনে, ঙ্গাকারাদের কথা বাদ দিন, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ, কুশল মেন্ডিস, নিরোসান ডিকওয়েলার মতো ব্যাটসম্যানও দলে নেই। এইরকম তৃতীয় সারির ব্যাটিং লাইনের বিরুদ্ধেও উইকেট তুলতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হচ্ছে ভুবনেশ্বর কুমার, কুলদীপ যাদবদের। মান বঁাচালেন যুজবেন্দ্র চাহাল। তিনি জ্বলে না উঠলে ৩০০ রানের গন্ডি টপকে যেত শ্রীলঙ্কা। যদিও দীপক চাহারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে ৩ উইকেটে জিতল ভারত। ২০ ব্যবধানে সিরিজও জিতে নিল।আরও পড়ুনঃ সুযোগ পেয়েও প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামলেন না কোহলি, রাহানেরাটসে জিতে এদিনও প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। নতুন বল হাতে ব্রেক থ্রু দিতে ব্যর্থ ভুবনেশ্বর কুমার ও দীপক চাহার। এই দুই বোলারের বিরুদ্ধেও শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার দাপট দেখিয়ে গেলেন। ওপেনিং জুটিতে ১৩.২ ওভারে ৭৭ তুলে ফেলেন আভিস্কা ফার্নান্ডো ও মিনোন্দ ভানুকা। চাহালের হাত ধরে ব্রেক ব্রেক থ্রু। পরপর দুবলে ভানুকা (৪২ বলে ৩৬) ও রাজাপক্ষকে (১ বলে ০) তুলে নেন। ধনঞ্জয় ডিসিলভাকে নিয়ে দলেকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন আভিস্কা (৭১ বলে ৫০)। হাফ সেঞ্চুরির পরপরই মনসংযোগ হারিয়ে বাজে শট খেলে ভুবনেশ্বরকে উইকেট উপহার দিয়ে যান। ধনঞ্জয়ও (৪৫ বলে ৩২) আবিস্কার মতো বাজে শট খেলে আউট হন। চাহালের বলের লেংথ বুঝতে না পেরে শনাকা (২৪ বলে ১৬) বোল্ড। হাসারাঙ্গাকে (১১ বলে ৮) নাক্ল বলে তুলে নেন দীপক চাহার। আসালঙ্কার ৬৮ বলে ৬৫ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। করুণারত্নের ৩৩ বলে ৪৪ রানের ইনিংস শ্রীলঙ্কাকে ২৭৫/৯ রানে পৌঁছে দেয়। আরও পড়ুনঃ টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?প্রথম ম্যাচে টপ অর্ডার জ্বলে ওঠায় বেশ ঝকঝকে মনে হয়েছিল ভারতীয় ব্যাটিংকে। পৃথ্বী শর ঝোড়ো ব্যাটিং দলের জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিল। এদিন হাসারাঙ্গার গুগলি বুঝতে না পেরে বোল্ড পৃথ্বী (১১ বলে ১৩)। ঈশান কিষানও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেননি। শট নির্বাচনে ভুল করে রাজিথার বলে বোল্ড ঈশান (৪ বলে ১)। তবে ভারতের কাছে বড় ধাক্কা অধিনায়ক শিখর ধাওয়ানের (৩৮ বলে ২৯) উইকেট। ৬৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। কিন্তু দ্রাবিড়ের এই দলের ব্যাটিং গভীরতা এতটাই যে সমস্যা হওয়ার কথা ছিল না। মণীশ পান্ডে ও সূর্যকুমার যাদবের জুটি দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। দুর্ভাগ্যের শিকার মণীশ (৩১ বলে ৩৭)। সূর্যর শট শনাকার হাতে লেগে যখন ননস্ট্রাইকিং প্রান্তের উইকেটে আঘাত করছে, ক্রিজ থেকে অনেক দুরে। হার্দিক পান্ডিয়াও (০) দ্রুত ফেরেন।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকে নজির গড়তে চলেছেন সানিয়া মির্জা, অবসর নিয়ে কী ভাবছেন?একসময় ১১৬ রানে ৫ উইকেট হারায় ভারত। এরপর হাল ধরেন সূর্যকুমার যাদব (৪৪ বলে ৫৩)। সান্দাকানের বলে তিনি এলবিডব্লিউ হতেই জয়ের স্বপ্ন ক্রমশ ফিকে হয়ে যায়। কিন্তু ক্রুনাল পন্ডিয়া (৫৪ বলে ৩৫ ), দীপক চাহারের ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন জেগে ওঠে। দুরন্ত ব্যাটিং চাহারের (৮২ বলে অপরাজিত ৬৯)। জীবনের সেরা ইনিংস খেলে দলকে জয় এনে দেন। ভুবনেশ্বরের (২৮ বলে অপরাজিত১৯) অবদানও অস্বীকার করা যাবে না। ৫ বল বাকি থাকতে ২৭৭/৭ তুলে ম্যাচ ও সিরিজ জিতে নেয় ভারত।

জুলাই ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌সুযোগ পেয়েও প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামলেন না কোহলি, রাহানেরা

বিদেশ সফরে গেলেই প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ না পেলে কাঁদুনি গাইতে শুরু করেন। আর সুযোগ পেয়েও মাঠে নামলেন না বিরাট কোহলিরা? ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে মাঠে নামার আগে কাউন্টির বাছাই একাদশের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিলেন বিরাট কোহলি, অজিঙ্কা রাহানেরা।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকে নামছেন জকোভিচ, গড়তে পারেন নজিরনিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলতে নামার আগে কোনও প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়নি ভারতীয় দল। তার ফল ভুগতে হয়েছিল। লাল বলের ক্রিকেটে একেবারেই মানিয়ে নিতে পারেননি বিরাট কোহলিরা। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড অনেক চেষ্টার পর একটা প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যবস্থা করে। ডারহামে বাছাই করা কাউন্টি একাদশের বিরুদ্ধে ৪ দিনের ম্যাচ খেলতে নামে ভারত। যদিও বাছাই কাউন্টি একাদশের হয়ে মাঠে নামেন দুই ভারতীয় ক্রিকেটার আবেশ খান ও ওয়াশিংটন সুন্দর।আরও পড়ুনঃ আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিংকোহলি, রাহানে ছাড়াও এই প্রস্তুতি ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ান মহম্মদ সামি ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন। অশ্বিনের কথা না হয় আলাদা। সম্প্রতি কাউন্টি ক্রিকেটে সারের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন। তিনি প্র্যাকটিস ম্যাচ পেয়ে গেছেন। কিন্তু কোহলিরা? বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের পর থেকেই তো বিশ্রামের মধ্যেই রয়েছেন। টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় দল। রোহিত শর্মার সঙ্গে ওপেন করেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ৯ রান করে লিন্ডন জেমসের বলে আউট হন রোহিত। জেমসের বলেই ফিরে যান মায়াঙ্ক। তিনি করেন ২৮। চেতেশ্বর পুজারা (২১), হনুমা বিহারীরা (২৪) বড় রান পাননি। তবে নিজেকে মেলে ধরেন লোকেশ রাহুল। তিনি ১০১ রান করে অবসর নেন। রবীন্দ্র জাদেজাও ব্যাট হাতে প্রস্তুতি ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরেন। তিনি ৭৫ রান করে আউট হন। ৯০ ওভারে ভারত ৯ উইকেটে তোলে ৩০৬।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়? জানতে পড়ুনকরোনায় আক্রান্ত হওয়ায় ঋষভ পন্থ এই ম্যাচে খেলছেন না। গ্লাভস হাতে উইকেটের পেছনে দাঁড়াবেন লোকেশ রাহুল। এদিন মাঠে নামার আগে প্রয়াত ভারতীয় ক্রিকেটার যশপাল শর্মাকে শ্রদ্ধা জানান রোহিতরা। ক্রিকেটাররা কালো ব্যাজ পড়ে মাঠে নামেন।

জুলাই ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Deepika Kumari : দীপিকা কি পারবেন অলিম্পিকের ভাগ্য বদলাতে?‌

টোকিও অলিম্পিকে ভারতের প্রতিনিধিত্বকারী অ্যাথলিটের সংখ্যা কম নয়। পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে মোট ১২৬ জন অ্যাথলিট প্রতিনিধিত্ব করবেন। অনেকের মধ্যেই পদক জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু ভারতীয় অ্যাথলিটদের মধ্যে পোস্টার গার্ল কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। সম্ভাবনা বেশি দীপিকা কুমারীর। তাঁকে ঘিরে স্বপ্ন দেখছেন দেশবাসী।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ড সিরিজ কোহলিদের কাছে বড় পরীক্ষা, বলছেন ইয়ান চ্যাপেলএখনও পর্যন্ত ভারতের সবথেকে সফল তীরন্দাজ দীপিকা কুমারী। যেভাবে তিনি উঠে এসেছেন, তাঁকে কিংবদন্তীর আসনে বসিয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দারুণ সাড়া জাগিয়ে শুরু করেছিলেন এই ভারতীয় তীরন্দাজ। ২০১০ দিল্লিতে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ গেমসে দুদুটি সোনা। একটা ব্যক্তিগত বিভাগে, অন্যটি । দলগত বিভাগে। ওই বছরই সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিলেন দীপিকা কুমারী। বিশ্বকাপ ও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন। দ্রুত পৌঁছে গিয়েছিলেন বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১ নম্বরে। তাঁর আগে কোনও ভারতীয় বিশ্বের শীর্ষস্থানে পৌঁছননি। কঠোর মনসংযোগ দেখিয়ে নিজের ভাগ্য নিজেই তৈরি করেছিলেন দীপিকা কুমারী। যেভাবে নিজেকে তিনি শীর্ষস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন, তাতে অনেকেই অনুপ্রাণীত হয়েছিলেন। ২০১০ সাল থেকে ভারতের মহিলা তীরন্দাজ দল রিকার্ভে যতগুলি পদক জিতেছে, প্রত্যেকটাতেই অংশীদার ছিলেন দীপিকা। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৩৫টি বিশ্বকাপ পদক দীপিকা কুমারীর ঝুলিতে, তার মধে ১১টি সোনার পদক। পরবর্তী প্রজন্মের কাছে এই তীরন্দাজ সত্যিই প্রেরণার।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিদীপিকার মূল লক্ষ্য ছিল অলিম্পিক পদক। প্রথম অলিম্পিক খেলার সুযোগ পান ২০১২ সালে, লন্ডনে। মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগে প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নিতে হয়েছিল দীপিকা কুমারীকে। লর্ডসে গ্রেট ব্রিটেনের অ্যামি অলিভারের কাছে ৬২ ব্যবধানে হেরে হতাশায় ভেঙে পড়ছিলেন। ২০১৬ রিও অলিম্পিকেও সাফল্য আসেনি। মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগে প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে চাইনিজ তাইপের ট্যান ইয়াটিংয়ের কাছে ৬০ ব্যবদানে হারতে হয়েছিল। ২০১৯ নভেম্বরে ব্যাঙ্ককে এশিয়ান কন্টিনেন্টাল কোয়ালিফায়ারে সোনা জিতে টোকিও অলিম্পিকের টিকিট পেয়ে যান দীপিকা। মাঝে শীর্ষস্থান হারালেও প্যারিসে অনুষ্ঠিত স্টেজ থ্রি বিশ্বকাপে তিনতিনটি সোনা জিতে জায়গা ফিরে পেয়েছেন। টোকিও অলিম্পিকে তাঁকে ঘিরে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে দেশবাসী। সব প্রতিযোগিতায় সাফল্য আছে। এবার অলিম্পিকের পালা। দীপিকা কি পারবেন অলিম্পিকের ভাগ্য বদলাতে?

জুলাই ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kuldeep Yadav : ‌‌সাদা বলের ক্রিকেটজীবন এখনও শেষ হয়নি, মনে করছেন কুলদীপ

২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ভারতীয় দলে তিনি ছিলেন অটোমেটিক চয়েস। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতিও বদলেছে। সাদা বলের ক্রিকেটে জাতীয় দলে নিজের জায়গা হারিয়েছেন কুলদীপ যাদব। এই মুহূর্তে টিম ম্যানেজমেন্টের ভাবনায় তিনি প্রথম একাদশে নেই। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। তবুও নিজের ওপর বিশ্বাস হারাননি কুলদীপ যাদব। ভারতীয় দলের এই চাইনাম্যান বোলার মনে করছেন, তাঁর কেরিয়ার এখনও শেষ হয়ে যায়নি।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিকুলদীপ বলেন, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর আমি মনে করি না যে সাদা বলের ক্রিকেটে আমার কেরিয়ার শেষ হয়ে গেছে। একটাদুটো খারাপ ম্যাচে কেরিয়ার শেষ হয়ে যায় না। এমন অনেক পরিস্থিতি আসে যখন হাত থেকে রান বেরিয়ে যায়। আমি কখনও কখনও ৪৫ উইকেটও পেয়েছি। আমার মনে হয় মানুষ যদি এই সাফল্যগুলো নিয়ে কথা বলে তাহলে ভাল হবে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার কারণ প্রসঙ্গে কুলদীপ বলেন, ইংল্যান্ড সিরিজে পুনের উইকেট ব্যাটিং সহায়ক ছিল। বোলারদের জন্য উইকেটে কিছুই ছিল না। রাহুল স্যার আমাকে দারুণ সাহায্য করছেন। অনেক পরামর্শ দিয়েছেন। আশা করছি এই সিরিজে নিজেকে মেলে ধরতে পারব।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ড সিরিজ কোহলিদের কাছে বড় পরীক্ষা, বলছেন ইয়ান চ্যাপেলমঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচ খেলতে নামছে ভারত। শিখর ধাওয়ানদের সামনে সিরিজ জয়ের হাতছানি। প্রথম ম্যাচে বোলাররা সেভাবে জ্বলে উঠতে না পারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে কোনও পরীক্ষানিরীক্ষায় যেতে চাইছে না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। বোলিংয়ে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না।আরও পড়ুনঃ দীপিকা কি পারবেন অলিম্পিকের ভাগ্য বদলাতে?ব্যাটসম্যানদের দাপটেই প্রথম ম্যাচে সহজ জয় এসেছে। শিখর ধাওয়ানের ব্যাট থেকে এসেছে অধিনায়কোচিত ইনিংস। অভিষেক ম্যাচেই দারুণ নজর কেড়েছেন ইশান কিষান। শুরুতেই ঝড় তুলেছিলেন পৃথ্বী শ। সূর্যকুমার যাদবের ছোট ইনিংসেও ছন্দে থাকার ইঙ্গিত। ব্যাটিং লাইনে কিছুটা বেমানান ছিলেন মণীশ পান্ডে। বাকিদের মতো জ্বলে উঠতে পারেননি এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। তবুও ব্যাটিং অর্ডারে বদলের কোনও সম্ভাবনা নেই।

জুলাই ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Cricket : ‌‌ইংল্যান্ড সিরিজ কোহলিদের কাছে বড় পরীক্ষা, বলছেন ইয়ান চ্যাপেল

এই মুহূর্তে দলের গভীরতার দিক দিয়ে ভারত ও ইংল্যান্ড বিশ্বের অন্য দলগুলির তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে। বিকল্প ক্রিকেটারের সংখ্যা অনেক। আর দলের এই গভীরতার জন্যই নিজেদের শীর্ষস্থানে তুলে নিয়ে এসেছে এই দুটি দল। তবে আসন্ন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ভারতের ব্যাটিং শক্তির আসল পরীক্ষা হবে বলে মনে করছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক ইয়ান চ্যাপেল। ভারতীয় দলের গভীরতা কতটা, তা বোঝাতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের কথা উল্লেখ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার এই প্রাক্তন অধিনায়ক। ইয়ান চ্যাপেল বলেন, দলে কতটা গভীরতা রয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ভারত সেটা দেখিয়েছে। চোটে জর্জরিত ভারতীয় দল পিছিয়ে থেকে সিরিজ জিতেছে। বিশেষ করে জোরে বোলিং বিভাগের কথা বলতেই হবে। প্রথম ও দ্বিতীয় টেস্টে ৬ জনকে বদল করেও অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে। এইরকম অতিমারীর সময়ে দলের গভীরতা বজায় দারুণ ব্যাপার। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের সব ম্যাচে সেরা বোলার মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরা, ইশান্ত শর্মাদের পায়নি ভারত। উমেশ যাদব, মহম্মদ সিরাজ, টি নটরাজনদের মতো বোলারদের ওপর ভরসা করতে হয়েছিল টিম ম্যানেজমেন্টকে। নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড দলের গভীরতার কথাও শোনা গেছে ইয়ান চ্যাপেলের মুখে। তিনি বলেন, প্রথম একাদশের অনেক ক্রিকেটারকে বিশ্রাম দিয়েও এজবাস্টনে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। আর ইংল্যান্ড দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ জিতেছে। ইংল্যান্ডের দুই জোরে বোলার সাকিব মাহমুদ ও ব্রাইডন কার্স গতি দিয়ে চমকে দিয়েছে।চ্যাপেল মনে করেন, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ভারতীয় দলের গভীরতার আসল পরীক্ষা। তিনি লিখেছেন, যখনই ব্যাটিং গভীরতার কথা উঠে আসে, অন্য দলগুলির তুলনায় ভারত অনেকটাই এগিয়ে। ভারতে অনেক ভাল ভাল ব্যাটসম্যান উঠে এসেছে। যাদের টেকনিক সত্যিই অতুলনীয়। প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে নিজেদের প্রতিভা মেলে ধরেছে। তবে ইংল্যান্ডের বাউন্সি ও সিমিং উইকেটে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের আসল পরীক্ষা। এখনও পর্যন্ত একটাও ওয়ার্ম আপ ম্যাচ খেলেনি। একটা মাত্র ওয়ার্ম ম্যাচ খেলে টেস্ট সিরিজে মাঠে নামবে। ভারতীয় কয়েকজন রিজার্ভ ক্রিকেটারকে ইংল্যান্ড সিরিজে পরীক্ষা দিতে হবে।

জুলাই ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ishan Kishan : জন্মদিনে অভিষেকে হাফসেঞ্চুরি করে নজির ইশান কিষানের, জিতল ভারত

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটে সেই সুদিন আর নেই। সমস্যায় জর্জরিত একসময়ের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। শক্তিশালী ভারতের বিরুদ্ধে দল গড়তেই হিমসিম থেকে হয়েছে। অনভিজ্ঞ, দুর্বল শ্রীলঙ্কা যে শিখর ধাওয়ানদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে না, প্রত্যাশিতই ছিল। শ্রীলঙ্কাকে ৭ উইকেটে হারিয়ে একদিনের সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত। জন্মদিনে দেশের হয়ে অভিষেক ম্যাচে অর্ধশতরান করে নজির গড়লেন ইশান কিষান। টি২০ অভিষেকেও হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন। তিনিই প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এই নজির গড়লেন। একদিনের ম্যাচে অভিষেক হল সূর্যকুমার যাদবেরও। অধিনাকোচিত ইনিংস খেলে দলকে জেতালেন শিখর ধাওয়ান।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকে নামছেন জকোভিচ, গড়তে পারেন নজিরকলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। ভালই শুরু করেছিলেন শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার আভিস্কা ফার্নান্ডো ও মিনোন্দ ভানুকা। দুজনে ওপেনিং জুটিতে তোলেন ৪৯। ভারতের অভিজ্ঞ জোরে বোলার ভুবনেশ্বর কুমার একেবারেই প্রভাব ফেলতে পারেননি। ভারতকে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন যুজবেন্দ্র চাহাল। তুলে নেন আভিস্কা ফার্নান্ডোকে (৩৫ বলে ৩২)। ভানুকাকে (৪৪ বলে ২৭) ফেরান কুলদীপ যাদব। একসময় ১৬ ওভারে শ্রীলঙ্কার রান ছিল ৮৫/১। সেখান থেকে দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। দুর্দান্ত বোলিং করে শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানদের চাপে রাখেন রাহুল চাহার (১/২৬)।A comprehensive 7-wicket win for #TeamIndia to take 1-0 lead in the series🙌How good were these two in the chase! 👏👏8⃣6⃣* runs for captain @SDhawan25 👊5⃣9⃣ runs for @ishankishan51 on ODI debut 💪Scorecard 👉 https://t.co/rf0sHqdzSK #SLvIND pic.twitter.com/BmAV4UiXjZ BCCI (@BCCI) July 18, 2021শ্রীলঙ্কার লোয়ার মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরান দীপক চাহার। ২০১৯ সালে দেশের হয়ে শেষ একদিনের ম্যাচ খেলেছিলেন দীপক চাহার। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জীবনের চতুর্থ একদিনের ম্যাচ খেলতে নেমে তুলে নিলেন ২টি উইকেট। প্রথমে ফেরান ক্রিজে জমে ওঠা আসালঙ্কাকে (৬৫ বলে ৩৮)। পরে তুলে নেন হাসারাঙ্গাকে (৭ বলে ৮)। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ২৬২/৯ তোলে শ্রীলঙ্কা। করুণারত্নে ৩৫ বলে ৪৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। যুজবেন্দ্র চাহাল ও কুলদীপ যাদব ২টি করে উইকেট পান।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়? জানতে পড়ুনব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করে ভারত। ওপেনিং জুটিতে মাত্র ৫.২ ওভারে ৫৮ তোলেন পৃথ্বী শ এবং শিখর ধাওয়ান। ২৪ বলে ৪৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে আউট হন পৃথ্বী। অভিষেক ম্যাচে সফল ইশান কিশান। ব্যাট করতে নেমে তিনিও ঝড় তোলেন। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৫৯ রান করে তিনি আউট হন। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান শিখর ধাওয়ান ও মণীশ পান্ডে। ধনঞ্জয় ডিসিলভার বলে ২৬ রান করে আউট হন মণীশ পান্ডে। ৯৫ বলে অপরাজিত ৮৬ রানের অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শিখর ধাওয়ান। সূর্যকুমার যাদব ২০ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৩৬.৪ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত (২৬৩/৩)।

জুলাই ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Tokyo Olympics : টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়?‌ জানতে পড়ুন

টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়? দৌড়ে এগিয়ে জ্যাভলিন থ্রোয়ার নীরজ চোপড়া। সুদর্শন চেহারার দেশের সেরা এই জ্যাভলিন থ্রোয়ার আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাঁকে ঘিরে সোনা জয়ের স্বপ্ন দেখছে গোটা দেশ। টোকিও অলিম্পিকে নীরজ চোপড়া চমক দেখালে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।আরও পড়ুনঃ নজিরের সামনে দাঁড়িয়েও শিখর ধাওয়ানের মুখে দেশের কথাবছর চারেক আগেই ভারতের এই অ্যাথলিট বড় আসরে সাড়ম্বরে আগমনের বার্তা দিয়েছিলেন। ২০১৬তে অনূর্ধ্ব ২০ আইএএএফ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে চমকে দিয়েছিলেন। শুধু সোনা জেতাই নয়, ৮৬.৪৮ মিটার ছুঁড়ে জুনিয়র বিশ্বরেকর্ডও গড়েছিলেন নীরজ। প্রথম ভারতীয় হিসেবে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড বিভাগে সোনা জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই ভারতীয় জ্যাভলিন থ্রোয়ারকে। ২০১৭ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা। সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ২০১৮ কমনওয়েলথ গেমস ও এশিয়ান গেমসেও দেশকে সোনা এনে দিয়েছিলেন নীরজ চোপড়া।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিনীরজের কেরিয়ারে বড় ধাক্কা আসে ২০১৯ সালে। কাঁধের চোটের জন্য গোটা মরশুম ট্র্যাকের বাইরে কাটাতে হয়েছিল এই ভারতীয় জ্যাভলিন থ্রোয়ারকে। দোহায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপেও অংশ নিতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত টোকিও অলিম্পিকের ছাড়পত্র পাবেন তো? অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। গতবছর দারুণভাবে ট্র্যাকে প্রত্যাবর্তন করেন নীরজ। দক্ষিণ আফ্রিকার পোচেস্ট্রুমে এসিএনডব্লু লিগ মিটে ৮৭.৮৬ মিটার ছুঁড়ে অলিম্পিকের ছাড়পত্র আদায় করে নেন। অলিম্পিকের ছাড়পত্রের জন্য যোগ্যতামান ছিল ৮৫ মিটার।আরও পড়ুনঃ আবার অলিম্পিক ভিলেজে করোনায় আক্রান্ত, চিন্তিত আয়োজক কমিটিকরোনা ভাইরাসের জন্য বিশ্বের নানা প্রান্তের প্রতিযোগিতা বন্ধ হয়ে যায়। ২০২১ সালে জাতীয় প্রতিযোগিতায় নেমে দুদুটি সোনা জিতে নেন নীরজ, ফেডারেশন কাপ ও ইন্ডিয়ান গ্রাঁ প্রি ৩। ইন্ডিয়ান গ্রাঁ প্রি ৩তে জীবনের সেরা পারফরমেন্স করেন। ৮৮.০৭ মিটার ছুঁড়ে জাতীয় রেকর্ড গড়েন নীরজ চোপড়া। তাঁর এই পারপরমেন্স বিশ্বের চতুর্থ সেরা, জোহানেস ভেটের, মার্সিন ক্রুকোস্কি ও কেশরন ওয়ালকটের পর। সুতরাং নিজের পারফরমেন্স ধরে রাখতে পারলে অলিম্পিকের ফাইনালে যাওয়াটা অপ্রত্যাশিত নয়। পদক জয়ের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে সোনা জয়ের পথে তাঁর সামনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেন জোহানেস ভেটের। ৯০ মিটার ছুঁড়ে তিনিই এখন সবার থেকে এগিয়ে। ধারাবাহিকভাবে তিনি এই দুরত্ব অতিক্রম করেই চলেছেন। সুতরাং সোনা জিততে গেলে নীরজকে নিজেকে ছাপিয়ে যেতে হবে। জীবনের প্রথম অলিম্পিকে নিজেকে ছাপিয়ে কি পোস্টার বয় হতে পারবেন ভারতের এই জ্যাভলিন থ্রোয়ার? অপেক্ষায় থাকতেই হবে।

জুলাই ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Cricket : নজিরের সামনে দাঁড়িয়েও শিখর ধাওয়ানের মুখে দেশের কথা

রবিবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে সিরিজ। এই প্রথম দেশকে নেতৃত্ব দেবেন শিখর ধাওয়ান। দেশের হয়ে ১৪২ ম্যাচ খেলার পর দেশকে প্রথম নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন এই ওপেনার। সব থেকে বেশি বয়সে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার নজির গড়তে চলেছেন শিখর ধাওয়ান। আর ২৩ রান করলেই দ্রুততম ৬ হাজার রান করার দিক দিয়ে সৌরভকে টপকে যাবেন। ৬০০০ হাজার রানের মালিক হয়ে যাবেন শিখর। সৌরভ ৬ হাজার রান করতে ১৪৭ ম্যাচ খেলেছিলেন। আর শিখর খেলবেন ১৪২ ম্যাচ।আরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিকনজিরের সামনে দাঁড়িয়েও নির্বিকার ধাওয়ান। তাঁর মুখে শুধু দেশের কথা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে তিনি বলেন, দেশের হয়ে খেলার গুরুত্বই আলাদা। দেশের হয়ে মাঠে নামতে পারছি, এর থেকে বড় কিছু আর হতে পারে না। সিরিজ জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামব। বিপক্ষ শিবির অপেক্ষাকৃত দুর্বল হলেও খুব বেশি পরীক্ষানিরীক্ষা করতে চাইছেন না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। প্রথম ম্যাচ খেলতে নামার আগে ধাওয়ান বলেন, আমাদের প্রথম লক্ষ্য সিরিজ জেতা। কোন ক্রিকেটারকে কোন ম্যাচে খেলানো হবে তা ঠিক হয়নি। সিরিজ জয় নিশ্চিত করে তবেই পরীক্ষানিরীক্ষার রাস্তায় হাঁটব। আর দলে থাকলেই যে সবাইকে খেলাতে হবে, এমন কোনও ব্যাপার নয়। শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতীয় দলে ৬ জন স্পিনার রয়েছেন। সবাইকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলানো হবে কিনা নিশ্চিত নয়।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকে নামছেন জকোভিচ, গড়তে পারেন নজিরশ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজে টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ক্রিকেটারদের দেখে নেওয়া হবে। দীর্ঘদিন তেমন ফর্মে নেই যুজবেন্দ্র চাহাল ও কুলদীপ যাদব। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজ এই জুটির কাছে অগ্নিপরীক্ষা। বিশ্বকাপের দলে থাকতে গেলে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতেই হবে। রাহুল চাহারের কাছেও বড় পরীক্ষা। এই তিন স্পিনার সম্পর্কে ধাওয়ান বলেন, কুলদীপ ও চাহালের মধ্যে বোঝাপড়া খুবই ভাল। নেটে ভাল ছন্দে রয়েছে। রাহুল চাহারও নেটে নজর কেড়েছে। আশা করছি ম্যাচেও সাফল্য পাবে।আরও পড়ুনঃ আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিংঅন্যদিকে, একেবারে অনভিজ্ঞ দল নিয়ে মাঠে নামছে শ্রীলঙ্কা। কোভিড বিধি ভাঙায় নির্বাসনে রয়েছেন কুশল মেন্ডিস ও নিরোসান ডিকওয়েলা। তাই নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে অনভিজ্ঞ দাসুন শনাকার হাতে। তরুণ দল নিয়েই লড়াই করার অপেক্ষায় শ্রীলঙ্কা।

জুলাই ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Bhuvnesh‌war Kumar : সব ধরণের ফরম্যাটেই খেলতে চান ভুবনেশ্বর কুমার

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের দল ঘোষণার পরপরই ভুবনেশ্বর কুমারকে দলে না দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। শোনা গিয়েছিল তিনি নাকি টেস্ট ক্রিকেট খেলতে চান না। সীমিত ওভারের ক্রিকেটকে বাড়তি গুরুত্ব দিতে চান। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ শুরুর আগে জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন ভারতীয় দলের এই জোরে বোলার। পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি সব ধরণের ফরম্যাটেই খেলতে চান। অভিজ্ঞ ও তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে দল গড়ে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলতে দল পাঠিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। রবিবার সিরিজের প্রথম ম্যাচ। মাঠে নামার আগে আত্মবিশ্বাসী ভারতীয় শিবির। ভাঙাল দল নিয়ে শ্রীলঙ্কা খেলতে নামলেও বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্বও দিচ্ছেন ক্রিকেটাররা। যার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে জোরে বোলার ভুবনেশ্বর কুমারের কথাতে। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজ টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবেও দেখছে ভারতীয় শিবির। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলের সহঅধিনায়ক ভুবনেশ্বর কুমার বলেন, এই টি২০ সিরিজ বিশ্বকাপের প্রাথমিক প্রস্তুতি। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তিনটি একদিনের ম্যাচেরল সঙ্গে তিনটি টি২০ ম্যাচও খেলব। টি২০ বিশ্বকাপের আগে এটাই আমাদের কাছে শেষ টি২০ সিরিজ। চোটের জন্য ভারতীয় দলে এখন আর নিয়মিত নন ভুবনেশ্বর। ২০১৮ সাল থেকে চোট সমস্যায় ভুগছেন। গতবছর আইপিএলেও খেলতে পারেননি। চোট সারিয়ে মাঠে ফিরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাদা বলের ক্রিকেটে দারুণ ছন্দে ছিলেন। সিরিজ জয়ে দারুণ অবদান রেখেছিলেন। চোট থেকে বাঁচতে ওয়ার্কলোডের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন ভুবনেশ্বর। চোটের কারণে বারবার ছিটকে যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চোট পাওয়াটা খেলার অঙ্গ। তবে আমার লক্ষ্য থাকে দ্রুত ফিট হয়ে খেলার মতো অবস্থায় ফিরে আসা। শুক্রবারই আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপে গ্রুপ ঘোষণা করেছে। একই গ্রুপে রয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। গ্রুপ প্রসঙ্গে ভুবনেশ্বর বলেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সবসময়ই খেতলে ভাল লাগে। এই ম্যাচের উত্তেজনাই আলাদা। তবে ওই ম্যাচ অনেক দেরি আছে। আমাদের ফোকাস এখন শ্রীলঙ্কা সিরিজ। সেটা নিয়েই ভাবছি। শ্রীলঙ্কা দলে কোনও সিনিয়র ক্রিকেটার নেই। তাসত্বেও শ্রীলঙ্কাকে হালকাভাবে নিতে চাইছেন না ভুবনেশ্বর। তিনি বলেন, ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কা সবসময় চ্যালেঞ্জিং দল। জুনিয়র ক্রিকেটাররা যথেষ্ট প্রতিভাববান। সিরিজে জোর লড়াই হবে।

জুলাই ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 World Cup : টি২০ বিশ্বকাপে গ্রুপ লিগেই মুখোমুখি ভারত–পাকিস্তান

শুক্রবার প্রকাশিত হল টি২০ বিশ্বকাপের সূচি। ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। ভারত, পাকিস্তান ছাড়াও ২ নম্বর গ্রুপে রয়েছে নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তান। টি ২০ বিশ্বকাপে সুপার ১২তে সরাসরি ৮টি দল খেলবে। এই দলগুলি হল ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তান। যোগ্যতা অর্জন পর্ব খেলে আরও ৪টি দল সুপার ১২তে উঠে আসবে। যোগ্যতা অর্জন পর্বে দুটি গ্রুপ করা হয়েছে। গ্রুপ এতে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড, হল্যান্ড ও নামিবিয়া। গ্রুপ বিতে রয়েছে বাংলাদেশ, ওমান, স্কটল্যান্ড ও পাপুয়া নিউ গিনি। এই দুটি গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স সুপার ১২তে উঠে আসবে। সুপার ১২তে দুটি গ্রুপ করা হয়েছে। ১ নম্বর গ্রুপে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা। যোগ্যতা অর্জন পর্ব খেলে গ্রুপ এর চ্যাম্পিয়ন ও গ্রুপ বির রানার্স ১ নম্বর গ্রুপে উঠে আসবে। অন্যদিকে ২ নম্বর গ্রুপে উঠে আসবে বির চ্যাম্পিয়ন ও গ্রুপ এর রানার্স। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছেন শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের সুপার ফাইভে উঠে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। মার্চ মাসে আইসিসির র্যাঙ্কিং অনুসারে গ্রুপ বিন্যাস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইসিসি।বৃহস্পতিবার গ্রুপ বিন্যাস হলেও পূর্ণাঙ্গ সূচি পরে ঘোষণা করা হবে। ১৭ অক্টোবর থেকে টি২০ বিশ্বকাপ শুরু হবে। ১১ ও ১২ নভেম্বর প্রথম ও দ্বিতীয় সেমিফাইনাল। ১৪ নভেম্বর ফাইনাল। সংযুক্ত আরব আমীরশাহী ও ওমানে বিশ্বকাপের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বকাপের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সংযুক্ত আরব আমীরশাহী ও ওমান যাওয়ার কথা। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আইপিএল নিয়েও সংযুক্ত আরব আমীরশাহীর কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন সৌরভ।

জুলাই ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ঋষভ পন্থ করোনার নতুন স্ট্রেন ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত

ডারহামে প্রস্তুতি শিবির শুরুর আগেই ধাক্কা ভারতীয় শিবিরে। করোনায় আক্রান্ত উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ঋষভ পন্থ। সপ্তাহখানেক আগে তাঁর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। যদিও তাঁর কোনও উপসর্গ ছিল না। ঋষভকে দল থেকে আলাদা করে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের পর ক্রিকেটারদের ছুটি দিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। সবাই নিজেদের মতো ছুটি কাটাচ্ছিলেন। কেউ গিয়েছিলেন উইম্বলডন দেখতে, কেউ আবার গিয়েছিলেন ইওরো কাপের খেলা দেখতে। অনেকেই কাউন্টি ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। লন্ডনেই থেকে যান কয়েকজন। কোচ রবি শাস্ত্রী, রবিচন্দ্রন অশ্বিন উইম্বলডনের খেলা দেখতে গিয়েছিলেন। ওয়েম্বলিতে ইওরো কাপের ইংল্যান্ডজার্মানি ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন ঋষভ পন্থ। ভিড় গ্যালারিতে বন্ধুদের সঙ্গে মাস্কহীন অবস্থায় তোলা ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছিলেন ঋষভ। যা নিয়ে সমালোচনা হয়েছিল। তাহলে কি ওয়েম্বলিতে খেলা দেখতে গিয়েই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ঋষভ? অনেকে তেমনই আশঙ্কা করছেন। ৮ দিন আগে ঋষভের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল। তিনি করোনার নতুন স্ট্রেন ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত। তারপরই এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যানকে দলের সঙ্গে আলাদ করে দেওয়া হয়। শোনা যাচ্ছে লন্ডনে এক আত্মীয়র বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন ঋষভ। রিপোর্ট পজিটিভ এলেও তাঁর শরীরে কোনও উপসর্গ নেই। শুক্রবার ঋষভের আবার করোনা পরীক্ষা হবে। রিপোর্ট নেগেটিভ এলেই তিনি দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবেন।ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজীব শুক্লা বলেন, একজন ক্রিকেটারের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ৮ দিন আইসোলেশনে রয়েছে। তবে দলের সঙ্গে হোটেলে নেই। অন্য কোনও ক্রিকেটারও আক্রান্ত হয়নি। বোর্ড সচিব জয় শা সব ক্রিকেটারকে কোভিড প্রটোকল মেনে চলার নির্দেশ পাঠিয়েছেন। বৃহস্পতিবারই ভারতীয় দল লন্ডন থেকে ডারহাম চলে যাচ্ছে। ২০ জুলাই থেকে কাউন্টি একাদশের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবেন বিরাট কোহলিরা। দলের সঙ্গে ডারহাম যাচ্ছেন না ঋষভ পন্থ। তাঁর আরও একবার করোনা পরীক্ষা হবে। রিপোর্ট নেগেটিভ এলে তবেই তিনি ডারহামে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন।

জুলাই ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Teaser : প্রকাশ্যে এল 'ভুজ দ্য প্রাইড অফ ইন্ডিয়া'-র টিজার

এর আগে শুধু মুক্তি পেয়েছিল ছবির ফার্স্ট লুক। এবার সব অপেক্ষার অবসান ঘটল। ডিজনি হটস্টারে মুক্তি পেল অজয় দেবগণ অভিনীত নতুন ছবি ভুজ দ্য প্রাইড অফ ইন্ডিয়া-র টিজার। বলিউডের একাধিক তারকাদের দেখা যাবে এই ছবিতে। ভুজ দ্য প্রাইড অফ ইন্ডিয়া-তে অভিনয় করছেন এই ছবিতে। এদের মধ্যে রয়েছেন অজয় দেবগন, সঞ্জয় দত্ত, সোনাক্ষ্মী সিনহা, নোরা ফতেহি, শরদ কেলকরের মতো তারকারা। এই ছবিটি ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের স্কোয়াড্রন লিডার বিজয় করনিকের জীবনের বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে তৈরি হয়েছে।ভুজ দ্য প্রাইড অফ ইন্ডিয়া-র গল্পের নির্যাস যেটুকু পাওয়া যায়, তা হল, ভুজ বিমানবন্দরের ইনচার্জ ছিলেন বিজয় করনিক নামের এক ব্যক্তি। মাধপর গ্রামের প্রায় তিনশোজন মহিলাকে নিয়ে কীভাবে তিনি ভারতীয় বায়ুসেনার একটি আস্ত এয়ারবেসকে পূনঃনির্মান করেছিলেন। সেই গল্পই তুলে ধরে হয়েছে রুপোলি পর্দায়। পাশাপাশি, দেখানে হয়েছে, ভারতকে শত্রুর হাত থেকে বিজয় করনিকের রক্ষা করার রোমহর্ষক সেই ঘটনাও। বহু প্রতিক্ষিত সেই অজয় দেবগন, সঞ্জয় দত্তর ছবির টিজার অবশেষে মুক্তি পেল। টিজারটিতে ধারাবাহিকভাবে অ্যাকশন সিক্যুয়েন্স দেখানো হয়েছে। দেশাত্মবোধ ছড়িয়ে রয়েছে টিজারের পরতে-পরতে। দেখানো হয়েছে ভুজের বাসিন্দাদের একতা। টিজারের একেবারে শেষ লগ্নে দেখা যাচ্ছে, অজয় দেবগন বলছেন, তাঁর নাম একজন সিপাহী। সোলজার। টিজার থেকে স্পষ্ট, ছবিটিকে বেঁধেছে দেশাত্ববোধের অনুভূতিই। সিরিজ এবং অজয় দেবগন ফিল্মসের এই ছবিটি প্রযোজনা করেছেন, ভূষণ কুমার, কুমার মঙ্গত পাঠক, জিনি খানুজা, ওয়াজির সিংহ এবং বানী সাংভিচ। তাঁরা হলেন, অভিষেক দুধাইয়া, রমন কুমার, রীতেশ শাহ এবং পূজা ভাবোরিয়া।লেখার পাশাপাশি ভুজ দ্য প্রাইড অফ ইন্ডিয়া ছবিটি পরিচালনা করেছেন অভিষের দুধাইয়া। ডিজনি হটস্টার ভিআইপি-তেই ছবিটা রিলিজ করছে। অজয় দেবগন, সঞ্জয় দত্ত এবং সোনাক্ষ্মী সিনহা অভিনীত ভুজ দ্য প্রাইড অফ ইন্ডিয়া ছবিটি রিলিজ করছে আগামী ১৩ আগস্ট।

জুলাই ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ndia-Srilanka: ভারত–শ্রীলঙ্কা সিরিজ কি অনিশ্চিত?‌ আশঙ্কার মেঘ ঘনিয়ে এসেছে

নাসরীন সুলতানাভারতশ্রীলঙ্কা সীমিত ওভারের সিরিজ শেষ পর্যন্ত হবে তো? আশঙ্কার কালো মেঘ ক্রমশ ঘনীভূত হয়ে উঠছে। ১৩ জুলাই থেকে সিরিজ শুরু হওয়ার কথা। চারদিন আগেও দল ঘোষণা করতে পারল না শ্রীলঙ্গা। করোনায় জেরবার গোটা শিবির। যা পরিস্থিতি, শেষ পর্যন্ত হয়তো দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে শিখর ধাওয়ানদের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে হবে শ্রীলঙ্কাকে।ইংল্যান্ড সফর থেকে ফিরেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ব্যাটিং কোচ গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার। এবার দলের ডেটা অ্যানালিস্ট জি টি নিরোশানেরও করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ারের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে আসতেই গোটা দলকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। কোয়ারিন্টন পর্ব কাটিইয়ে শুক্রবারই জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে যাওয়ার কথা ছিল গোটা দলের। কিন্তু জি টি নিরোশানের রিপোর্ট পজিটিভ আসায় আরও কয়েকদিন ক্রিকেটারদের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। এর মধ্যে আবার করোনা পরীক্ষা করা হবে। তারপরই দল ঘোষণা করা হবে। ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের কথা ভেবে দুটি দলকে আলাদা জায়গায় কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহারইংল্যান্ড সফর চলাকালীন শ্রীলঙ্কার ৩ ক্রিকেটার কুশল মেন্ডিস, নিরোশান ডিকওয়েলা এবং ধানুষ্কা গুনথিলাকা জৈব সুরক্ষা বলয় ভেঙেছিলেন। আপাতত তাঁদের সাময়িক নির্বাসনে পাঠিয়েছে শ্রীলঙ্কা বোর্ড। এই তিনজনের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট জমা না পড়া পর্যন্ত তাঁদের দলে নেওয়া হবে না। এমনিতেই সমস্যার মধ্যে রয়েছে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট। চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে ক্রিকেটারদের সঙ্গে বোর্ডের ঝামেলা চলছে। জোড়াতালি দিয়ে দল গড়ে বাংলাদেশ, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ। ভারতের বিরুদ্ধে ব্যর্থ হলে দেশে সমালোচনার ঝড় উঠবে। উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের।আরও পড়ুনঃ রদবদলের পর বড় সিদ্ধান্ত মোদির নতুন মন্ত্রিসভারএদিকে, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে একদিনের ম্যাচে যুজবেন্দ্র চাহাল ও কুলদীপ যাদবকে একসঙ্গে খেলানো উচিত বলে মনে করছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার ভি ভি এস লক্ষ্মণ। তিনি মনে করছেন, এই দুজন নিয়মিত খেলার সুযোগ পেলে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবে। ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভারতীয় বোলিং আক্রমণের বড় অস্ত্র ছিল কুলদীপচাহাল জুটি। লক্ষ্মণ বলেন, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজে ভারতীয় দলে ৬ জন স্পিনার রয়েছে। ওদের যত বেশি বোলিং করতে দেওয়া হবে, আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবে। চাহাল অভিজ্ঞ বোলার। ওর ছন্দে ফিরতে সময় লাগবে না। কুলদীপকে ছন্দে ফেরানো জরুরী।

জুলাই ০৯, ২০২১
স্বাস্থ্য

Corona-Nasal spray: করোনা প্রতিরোধে নতুন দিশা, বাজারে আসছে ন্যাজাল স্প্রে

করোনা প্রতিরোধে শুধু টিকাতেই আটকে থাকতে চান না বিজ্ঞানীরা। তাই বাজারে আসার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে করোনার ওষুধ। ইতিমধ্যে ডিআরডিও-র তত্ত্বাবধানে একটি ওষুধও এসে গিয়েছে। আর এবার করোনা প্রতিরোধে ন্যাজাল স্প্রে বাজারে আসার অপেক্ষায়। জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই তৃতীয় ট্রায়াল শেষ করে ফেলবে করোনার ন্যাজাল স্প্রে। ভারতে এর তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল শুরু করতে চলেছে গ্লেনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালস (Glenmark Pharmaceuticals)। সংস্থার দাবি, করোনার বিরুদ্ধে তাঁদের ন্যাজাল স্প্রে অত্যন্ত কার্যকর।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে নকল স্যানিটাইজারের রমরমা, গ্রেপ্তার ৪জানা গিয়েছে, তাঁদের ন্যাজাল স্প্রে বাজারজাত করার অনুমতি চেয়ে গত সপ্তাহে ড্রাগ রেগুলেটরের কাছে আবেদন করেছে গ্লেনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালস (Glenmark Pharmaceuticals)। যদিও ড্রাগ রেগুলেটরের অন্তর্গত সাবজেক্ট এক্সপার্ট কমিটি (SEC) প্রথমে সংস্থাটিকে তৃতীয় ট্রায়াল সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দিয়েছে। যা শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে। সংস্থার দাবি, সামনে থেকে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করছেন তাঁরা। ইতিমধ্যে কানাডার সংস্থা স্যানোটিজের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে গ্লেনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালস (Glenmark Pharmaceuticals)। এই বিষয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, ভারতে সার্স-কোভ-২ (SARS-COV-2) ভাইরাসের মোকাবিলা করতে একসঙ্গে কাজ করবে তাঁরা।ইতিমধ্যে বিশ্বের অনেক দেশেই তাঁদের ন্যাজাল স্প্রে বাজারজাত করেছে কানাডার সংস্থা স্যানোটিজ (Sanotize)। যা করোনার বিরুদ্ধে খুবই ভাল কাজ করছে বলেই সূত্রের খবর।

জুলাই ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mohammed Siraj‌: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ইশান্তের পরিবর্তে সিরাজকে খেলানোর ভাবনা

নাসরীন সুলতানানিউজিল্যান্ডের কাছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে হেরে জোর ধাক্কা খেয়েছে ভারত। ব্যাটসম্যানদের নিয়ে আগেই প্রশ্ন উঠেছিল। এবার প্রশ্ন উঠছে বোলারদের ভুমিকা নিয়েও। ফাইনালে ইশান্ত শর্মার পারফরমেন্সে খুশি হতে পারেনি টিম ম্যানেজমেন্ট। ইংল্যান্ডের সুইংয়ের পরিবেশে মহম্মদ সিরাজের মতো বোলার দলে থাকা সত্ত্বেও কেন ইশান্তকে খেলানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ইশান্তের পরিবর্তে মহম্মদ সিরাজকে খেলানোর ভাবনা শুরু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহারফাইনালের প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন ইশান্ত শর্মা। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে চূড়ান্ত ব্যর্থ। যশপ্রীত বুমরাও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। একমাত্র মহম্মদ সামি কিছুটা প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছিলেন নিউজিল্যান্ডের বোলারদের ওপর। বল দুদিকে সুইংও করাতে পারছিলেন। বাকি জোরে বোলাররা সুইং করাতে ব্যর্থ। সুইংয়ের পরিবেশে ভারতীয় জোরে বোলারদের ব্যর্থতায় প্রাক্তন ক্রিকেটার ও বিশেষজ্ঞরা বিস্মিত। তাঁদের মতে মহম্মদ সিরাজকে খেলাতে হয়তো লাভবান হত ভারতীয় দল।আরও পড়ুনঃ হুগো বৌমৌসকে তুলে নিয়ে আবার মুম্বইয়ের ঘর ভাঙল এটিকেমোহনবাগান ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে মহম্মদ সিরাজকে খেলানোর ভাবনাচিন্তা শুরু হয়ে গেছে। ভারতীয় দল যদি দুই স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও রবীন্দ্র জাদেজাকেও প্রথম একাদশে খেলায় তাহলেও দলে জায়গা পেতে পারেন মহম্মদ সিরাজ। সেক্ষেত্রে ইশান্ত শর্মা প্রথম একাদশের বাইরে যাবেন। দেশের হয়ে এখনও পর্যন্ত ৫টি টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়েছেন সিরাজ। তুলে নিয়েছেন ১৬ উইকেট। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দেশকে সিরিজ জিততে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন। ৩ টেস্টে তুলে নিয়েছিলেন ১৩ উইকেট। ভারতীয়দের মধ্যে তিনিই ছিলেন সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রহকারী।আরও পড়ুনঃ ৫৫ বছরের শাপমুক্তি, এই প্রথম ইউরো কাপের ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ডশুধু বোলিং বিভাগেই নয়, ব্যাটিংয়েও পরিবর্তন হচ্ছে। চোটের জন্য শুভমান গিল ছিটকে গেছেন। তাঁর জায়গায় লোকেশ রাহুল অথবা মায়াঙ্ক আগরওয়াল ওপেন করতে পারেন। চেতেশ্বর পুজারাকেও ব্যাটিং অর্ডার থেকে সরানোর পরিকল্পনা করছে টিম ম্যানেজমেন্ট। সেক্ষেত্রে অধিনায়ক বিরাট কোহলি ৩ নম্বরে আসতে পারেন। পুজারার মন্থর ব্যাটিংয়ে খুশি নয় টিম ম্যানেজমেন্ট। তাঁকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। হনুমা বিহারীকে সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। এদিকে, চোট পাওয়া শুভমান গিলের জায়গায় নতুন কোনও ওপেনার ইংল্যান্ডে পাঠানো হবে কিনা, কিংবা স্ট্যান্ডবাই থাকা অভিমন্যু ইশ্বরণকে দলে নেওয়া হবে কিনা সে ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

জুলাই ০৮, ২০২১
দেশ

Rail Minister: জেলাশাসক থেকে সফল ব্যবসায়ী, মেধাবী অশ্বিনী এখন দেশের বড় দায়িত্বে

অনেক ক্ষেত্রেই সাংসদ-বিধায়কদের প্রথাগত শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অনেকের পড়াশুনার গন্ডি মাধ্যমিকও পার হয়নি। এরই মধ্যে মন্ত্রীও হন কেউ কেউ। রাজনীতিতে অংশগ্রহণে শিক্ষিত সমাজের অনীহা ক্রমশ বাড়ছে। ব্যতিক্রমও কেউ কেউ আছেন। বুধবার রেলমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁর পড়াশুনার খতিয়ান চমকে দেওয়ার মতো।২০২১ এ বুধবার প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয়বারের জন্য মন্ত্রীসভার সম্প্রসারণ করেন। তাতে রেলমন্ত্রীর দ্বায়িত্ব পান অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁকে রেল মন্ত্রক এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়।অশ্বিনী বৈষ্ণব ১৯৭০-এ রাজস্থানের যোধপুর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। জানা গিয়েছে, ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন অশ্বিনী। ১৯৯১-তে ইলেকট্রনিক ও কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্বর্ণপদক নিয়ে রাজস্থানের যোধপুর থেকে এমবিএম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৪-তে আইএএস যোগ দেওয়ার আগে আইআইটি কানপুর থেকে এমটেক সম্পন্ন করেন। আইএএস তাঁর সর্বভারতীয় স্তরে তাঁর র্যাঙ্কিং ছিল ২৭। ২০০৮ সালে বৈষ্ণব পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত ওয়ার্টন স্কুল থেকে এমবিএ পড়াশোনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান।বৈষ্ণব ওড়িষ্যার বালাসোর ও কটক জেলায় জেলা শাসক হিসাবে কাজ করেছিলেন। পুর্বতন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর কার্যালয়ে উপসচিব পদে নিযুক্ত হওয়ার আগে ২০০৩ পর্যন্ত তিনি ওড়িশায় কর্মরত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের অধীনস্ত পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ প্রকল্পগুলির বাস্তবায়নে ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০০৪ সালে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ নির্বাচন পরাজয়ের পর তিনি বাজপেয়ীর ব্যক্তিগত সচিব হিসাবে কাজ করেছিলেন। ২০০৬এ তিনি গোয়ার মর্মাগাঁও পোর্ট ট্রাস্টের ডেপুটি চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন, পরবর্তী দুবছর তিনি সেখানেই থাকেন।এমবিএ শেষ করার পরে অশ্বিনী ভারতে ফিরে এসে জিই পরিবহণে ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে যোগ দেন। তারপরে তিনি সিমেন্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে কাজ করেছিলেন।কর্পোরেট সেক্টরে কাজ করতে করতে তিনি নিজে ব্যাবসায় মন স্থির করেন। ২০১২ তে তিনি কর্পোরেট সেক্টর ছেড়ে গুজরাতে তিনটি টি অটো লজিস্টিকস প্রাইভেট লিমিটেড এবং ভি ভি জি অটোর কম্পোনেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।২০১৮ -তে তিনি ওড়িশা থেকে রাজ্যসভার সংসদ। ওড়িশায় বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভা নির্বাচনে জিতেছিলেন। বৈষ্ণব বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন কমিটির সদস্য। তাঁর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পরিবেশ ও বন।

জুলাই ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Edu Garcia‌‌: স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকে–মোহনবাগান

নাসরীন সুলতানা২০১৯২০ মরশুমের আইএসএলে এটিকের মাঝমাঠের প্রাণভোমরা ছিলেন এডু গার্সিয়া। দলকে চ্যাম্পিয়ন করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন। মাঝে এটিকে ছেড়ে চীনের ক্লাবে যোগ দিলেও গত মরশুমে আবার তুলে নেন এটিকেমোহনবাগানের জার্সি। যদিও নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি এই আক্রমণাত্মক স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। তাই এই মরশুমে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এটিকেমোহনবাগান কর্তারা।আরও পড়ুনঃ মার্টিনেজ যেন ১৯৯০ র গাইকোচিয়া। কোপা ফাইনালে মেসি-নেইমারস্পেনের সেগুন্ডা ডিভিশনের জারাগোজা ক্লাব থেকে ২০১৭১৮ মরশুমে আইএসএলের ক্লাব বেঙ্গালুরু এফসিতে যোগ দেন গার্সিয়া। একমরশুম বেঙ্গালুরুতে কাটিয়ে চীনের দ্বিতীয় ডিভিশন ক্লাব ঝেজিয়াং গ্রিনটাউন এফসিতে যোগ দেন। ২০১৮ সালে চাইনিজ লিগে খেলার পর ২০১৯২০ মরশুমে এটিকেতে যোগ দেন। এটিকের হয়ে ২২ ম্যাচে ৯ গোল করেছিলেন গার্সিয়া। দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়ে দলকে চ্যাম্পিয়ন হতে সাহায্য করেছিলেন এই স্প্যানিশ আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার। ফাইনালে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে গোলও করেছিলেন।আরও পড়ুনঃ জখম কলেজ ছাত্রী, রক্তমাখা ধারালো কাঁচিসহ গ্রেপ্তার যুবকআগের মরশুমে দুরন্ত পারফরমেন্সের জন্য গত মরশুমে এডু গার্সিয়ার সঙ্গে ২ বছরের জন্য চুক্তি করেন এটিকেমোহনবাগান কর্তারা। গতমরশুমে কিন্তু নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। ১১ ম্যাচে মাত্র ১টি গোল করেছিলেন। তাঁর পারফরমেন্সে হাবাস খুশি ছিলেন না। তাছাড়া আক্রমণভাগে জনি কাউকোর মতো ফুটবলারকে পেয়ে গেছে এটিকেমোহনবাগান। তাই গার্সিয়াকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কর্তারা। যদিও গার্সিয়ার সঙ্গে এখনও ১ বছর চুক্তি আছে এটিকেমোহনবাগানের। গার্সিয়াও রিলিজ নিতে রাজি। এটিকেমোহনবাগান থেকে রিলিজ নিয়ে হায়দরাবাদ এফসিতে যোগ দিচ্ছেন গার্সিয়া। হায়দরাবাদের স্প্যানিশ কোচ মার্কুয়েজও গার্সিয়াকে দলে চান। কয়েকদিনের মধ্যেই সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে যাবে।আরও পড়ুনঃ ৯৬ বছর বয়সে মারা গেলেন হকির কিংবদন্তী কেশব দত্তএদিকে, আবার সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে তুলে নিচ্ছেন ডিফেন্ডার আশুতোষ মেহতা। ২০১৯২০ মরশুমে তিনি আই লিগ জয়ী মোহনবাগান দলের সদস্য ছিলেন। তারপর আইএসএলের নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড দলে যোগ দেন। রক্ষণে বিদেশি নির্ভরতা কমাতে আশুতোষকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এটিকেমোহনবাগান কোচ আন্তেনীও লোপেজ হাবাস। রক্ষণের সব পজিশনে খেলার দক্ষতা রয়েছে আশুতোষের। আবার সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলার সুযোগ পেয়ে খুশি তিনি।

জুলাই ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগেই বড় প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর! পদ্ম ফুটলেই ‘দু’হাত ভরে দেব’ ঘোষণা

উপনির্বাচনের আগেই রেজিনগর থেকে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জনসভার মঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রেজিনগরের মানুষ যদি বিজেপিকে জয়ী করেন, তাহলে এলাকার উন্নয়নের জন্য বড় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর প্রতিশ্রুতি, একটি নয়, দুটি নতুন সেতু তৈরি করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদেরও রাজ্যে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যে বর্তমানে বিজেপির দুইশো আটটি আসন রয়েছে। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে বিজেপির জয় নিশ্চিত। সেই আসন ধরে রেখে সংখ্যা হবে দুইশো নয়। এরপর রেজিনগরেও জয় পেলে বিধানসভায় বিজেপির আসন আরও বাড়বে।ভোটারদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, রেজিনগরে পদ্মফুল ফুটলে উন্নয়নের কোনও অভাব হবে না। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে নিজের এলাকায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে, যাতে মানুষ পরিবার নিয়ে নিজের এলাকাতেই থাকতে পারেন।জনসভা থেকে তিনি রেজিনগরের প্রাক্তন জনপ্রতিনিধির নাম উল্লেখ না করেই কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষকে ধর্মের নামে বিভক্ত করার রাজনীতি নয়, উন্নয়নের রাজনীতি প্রয়োজন। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তারা কি সাম্প্রদায়িক বিভাজন চান, নাকি কাজ, উন্নয়ন এবং উন্নত জীবনযাত্রা চান।মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি সরকারের আমলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমান সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা ছড়িয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই আশঙ্কা সত্যি হয়নি। তাই উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপিকে সমর্থন করার আবেদন জানান তিনি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন। অন্যদিকে হুমায়ুন কবীর রেজিনগর এবং নওদাদুটি আসনে জয় পান। নিয়ম অনুযায়ী দুজনকেই একটি করে আসন ছাড়তে হয়েছে। সেই শূন্য আসনগুলিতেই এবার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রেজিনগরের ফল আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রিয় কেষ্ট এবার ঋতব্রতের পাশে! বীরভূমে বড় পালাবদলের জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিল অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে বড় খবর। সূত্রের দাবি, তিনি এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তাঁকে বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এই খবরে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।শুধু অনুব্রত মণ্ডলই নন, বীরভূমের আরও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাও ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কাজল শেখ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ সিংহ এবং প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। জানা গিয়েছে, এই নেতাদের আসল তৃণমূল-এর জাতীয় কর্মসমিতিতেও জায়গা দেওয়া হয়েছে।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক তপসিয়ায় শুরু হয়েছে। দুই দিনের এই বৈঠকে রাজ্য এবং বিভিন্ন জেলার সভাপতিদের নাম চূড়ান্ত করা হচ্ছে। সেই বৈঠকেই বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্ব অনুব্রত মণ্ডলের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।এই বিষয়ে অনুব্রত মণ্ডলের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তাঁর জ্বর রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল কলকাতায় যেতে পারেন। যদিও শিবির পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর অনুব্রত মণ্ডল দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে বীরভূম জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেয় দল। পরে কোর কমিটি গঠন করে তাঁকে সেই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও তিনি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতিতে খুব বেশি দেখা যাননি। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, তাঁকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বীরভূমে তাঁর প্রভাব এবং সংগঠনিক দক্ষতা আসল তৃণমূল-এর শক্তি আরও বাড়াতে পারে বলেও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে চাঞ্চল্য! হাসপাতালের ভিতরে যা ধরা পড়ল, তারপরই বড় পদক্ষেপ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আচমকা পরিদর্শনের পর বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হল। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং পরিষেবা নিয়ে একাধিক গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসার পর বারো জন কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।যাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চার জন ওয়ার্ড মাস্টার, চার জন নন-মেডিক্যাল সুপার, একজন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিস্টার, প্রসূতি বিভাগের দুই জন সিস্টার ইনচার্জ এবং একজন পরিষেবার মান নিয়ন্ত্রণ আধিকারিক।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আচমকা পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং বারান্দায় পরিচ্ছন্নতার অভাব লক্ষ্য করেন। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বারান্দায় বিড়াল ঘোরাফেরা করতেও দেখা যায়। এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সেই নির্দেশ মেনেই তদন্তের পর বারো জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বারাসত মেডিকেল কলেজ আগে জেলা হাসপাতাল ছিল। এখনও পুরনো ভবনেই অনেক পরিষেবা চালাতে হচ্ছে। ফলে কিছু পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প তৈরি করে স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সেই প্রস্তাব পাঠানো হবে।বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই একাধিক সরকারি হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বারাসত মেডিকেল কলেজেও তিনি পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খতিয়ে দেখেন। এরপরই রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে আরও কঠোর নজরদারির ঘোষণা করেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিষেবার মান উন্নত করতে সরকারি হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে। গ্রামীণ হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতালেও একই ব্যবস্থা চালু হবে। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বা স্যালাইন ব্যবহার বন্ধ করতে প্রতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিশেষ দল হাসপাতালগুলিতে নিয়মিত পরিদর্শন চালাবে।হাসপাতালে দালালচক্রের বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হবে। যাঁদের কাছে সেই পরিচয়পত্র থাকবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ নিয়ে চরম টানাপোড়েন! এবার আদালতের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ল। ধর্মতলায় সভার অনুমতি না মেলায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। পুলিশের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা। ফলে একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর আগে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর বিকল্প জায়গার অনুমতি চেয়ে রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রতপন্থীরা। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতিও চাওয়া হয়। তবে সেই আবেদনেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। তাদের দাবি, একুশে জুলাই তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। তাই সভা আয়োজনের জন্য উপযুক্ত জায়গার অনুমতি প্রয়োজন।একুশে জুলাই দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি। উনিশশো তিরানব্বই সালে মহাকরণ অভিযানের সময় গুলিতে নিহত তেরো জনের স্মৃতিতে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণেই ধর্মতলায় শহিদ দিবসের সভার আয়োজন করা হয়ে থাকে।তবে এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধের আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নতুন মাত্রা পেয়েছে। দলের সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখা এবং কর্মীদের একজোট করার লক্ষ্যেই এবারের সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল।ইতিমধ্যেই ধর্মতলায় সভার প্রস্তুতির জন্য কয়েকজন নেতা জায়গা পরিদর্শনে গেলে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এরপর কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। সেই সিদ্ধান্তের পরই আইনি পথ বেছে নিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

বেআইনি দখল মামলায় বড় মোড়! উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান হাইকোর্টের

ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বেআইনি নির্মাণ এবং রাস্তা দখল সংক্রান্ত মামলায় উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট । আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সন্তোষজনক রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় জেলাশাসককে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তেইশে জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে হলফনামা এবং পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।শুক্রবার মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ জেলাশাসকের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, একাধিকবার রিপোর্ট চাওয়া হলেও স্পষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য জমা দেওয়া হয়নি। এমনকি আদালতের নির্দেশের পরও দায়সারা রিপোর্ট জমা পড়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, একজন নিম্নপদস্থ কর্মীর মাধ্যমে কেন এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, জেলাশাসক কি নিজেকে ডিভিশন বেঞ্চের চেয়েও বড় মনে করছেন। আদালতের মতে, এই ধরনের আচরণ আদালতের নির্দেশকে গুরুত্ব না দেওয়ারই ইঙ্গিত বহন করছে।আদালত জানায়, এর আগেই সতর্ক করে বলা হয়েছিল, পরবর্তী রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে হবে। সেই নির্দেশও মানা হয়নি। তাই এবার তাঁকে আদালতে উপস্থিত থেকে রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে হবে।বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তোলেন, জেলাশাসক কি এতটাই ব্যস্ত যে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় পাচ্ছেন না।মামলাকারীর অভিযোগ, ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে দখল করে পার্কিং এলাকা এবং বিয়েবাড়ি তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নয়ানজুলি ভরাট করে একাধিক বেআইনি নির্মাণও হয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে দুই হাজার বাইশ সালে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।মামলার আগের শুনানিতে জেলা প্রশাসন স্বীকার করেছিল যে ওই এলাকায় জবরদখলের ঘটনা ঘটেছে। এরপর আদালত জানতে চেয়েছিল, সেই বেআইনি দখল সরাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু একাধিকবার জেলাশাসক বদল হলেও এখনও পর্যন্ত আদালতে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়েনি। সেই কারণেই এবার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

জুলাই ১০, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসির আশঙ্কা জেনেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা! বিস্ফোরক বার্তায় তোলপাড় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আর বিদেশে থেকে নয়, এবার নিজ দেশেই ফিরতে চান। দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। দেশে ফিরে তিনি আইন মেনে আত্মসমর্পণ করবেন। কোনও চাপের মুখে নয়, সম্পূর্ণ নিজের সিদ্ধান্তেই তিনি দেশে ফিরতে চান বলেও জানিয়েছেন।শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর মুখেও পড়তে পারেন। তবুও তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। তাঁর কথায়, যদি মৃত্যু আসে, তবে তা নিজের দেশেই হোক। যেখানে তাঁর বাবা-মায়ের সমাধি রয়েছে, সেই মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলতে চান তিনি।তবে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বার্তা পাঠাননি শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন কোনও গোপন আলোচনার বিষয় হতে পারে না।গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা নিয়েও তিনি ভীত নন বলে জানিয়েছেন। শেখ হাসিনার বক্তব্য, অতীতেও একাধিকবার তাঁকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। কিন্তু গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাঁর জীবনের উপর বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে কোনও সরকারের ভুল হতেই পারে। তবে সেই ভুলের বিচার করার অধিকার জনগণের। দেশের মানুষই ঠিক করবে কোন সরকার ভালো কাজ করেছে আর কোন সরকার ব্যর্থ হয়েছে।আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, যদি দল সত্যিই মানুষের সমর্থন হারিয়ে থাকে, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ভোটের মাধ্যমে নিক। কোনও রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ছাত্র-যুব আন্দোলন এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে গণহত্যার মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করে। যদিও সেই রায় তিনি মানতে অস্বীকার করেছিলেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

জলমগ্ন কলকাতা, ফুঁসছে নদী, উত্তাল সমুদ্র! বাংলাজুড়ে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভিজেছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার সকালেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলায় একইভাবে বৃষ্টির দাপট বজায় রয়েছে। একাধিক এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। শনিবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমদমে প্রায় সাতানব্বই মিলিমিটার এবং আলিপুরে প্রায় সাঁইত্রিশ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ চলছে। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে একাধিক এলাকায় জল জমেছে।কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম মোড় এবং সেক্টর পাঁচ মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় জল জমায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এখনও বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর নেই, তবে দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উপকূলবর্তী এলাকাগুলির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বারো জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি-সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকায় পুলিশ মাইকিং করে সতর্ক করছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সমুদ্রের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জল দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের একাধিক এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেউলবাড় এবং গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াত এখন নৌকার উপর নির্ভর করছে। এতে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।অজয় নদীর জলও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর বাঁধের একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় এই এলাকায় প্লাবনের সমস্যা দেখা দেয়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

জুলাই ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal