• ২২ ভাদ্র ১৪৩৩, শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India

খেলার দুনিয়া

Virat Kohli vs Babar Azam : কোহলি–বাবর মুখোমুখি লড়াইয়ে কে এগিয়ে?‌ টি২০ বিশ্বকাপের আগে দ্বৈরথে দুই অধিনায়ক

২৪ অক্টোবর আগামী রবিবার টি২০ বিশ্বকাপের দ্বৈরথ ভারত ও পাকিস্তানের। ভারতকে নেতৃত্ব দেবেন বিরাট কোহলি, অন্যদিকে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেবেন বাবর আজম। টি২০ বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে এই দুজন প্রথমবার মুখোমুখি হবেন। এতদিন টি২০ বিশ্বকাপে ভারতকে নেতৃত্ব দিয়ে এসেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। অন্যদিকে, পাকিস্তান বেশ কয়েকজনের নেতৃত্বে ভারতের বিরুদ্ধে টি২০ বিশ্বকাপে মাঠে নেমেছে। ভারতপাকিস্তান ম্যাচ এলেই তুলনা এসে যায় দুই দলের অধিনায়কের। বিরাট কোহলি ও বাবর আজমও অন্যদের থেকে ব্যতিক্রম নন।টি২০ ফরম্যাটে বিরাট কোহলির থেকে এগিয়ে রয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। টি২০ আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে এই মুহূর্তে বাবর আজম রয়েছেন দু নম্বরে। অন্যদিকে বিরাট কোহলি রয়েছেন চার নম্বরে। একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে পেছনে ফেলে দিয়েছেন বাবর আজম। আইসিসির বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তান অধিনায়ক রয়েছেন ১ নম্বরে। অন্যদিকে বিরাট কোহলি রয়েছেন দুই নম্বরে। শুধু মাত্র টেস্ট ক্রিকেটেই বাবর আজমের থেকে এগিয়ে রয়েছেন কোহলি। তাও আবার খুব বেশি এগিয়ে নেই। কোহলি রয়েছেন ষষ্ঠ স্থানে, আর বাবর আজম রয়েছেন সাত নম্বরে।বিরাট কোহলির পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টি২০ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও বাবর আজমের নেই। এই প্রথম টি২০ ফরম্যাটে ভারতের বিরুদ্ধে খেলবেন বাবর আজম, তাও আবার অধিনায়ক হিসেবে। আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটে বাবার আজম ৬১ ম্যাচে ২২০৪ রান করেছেন। গড় ৪৬.৮৯, স্ট্রাইক রেট ১৩০.৬৪। সর্বোচ্চ দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ১২২। ১টি শতরান ও ২০টি অর্ধশতরান রয়েছে বাবরের। ২০২১ সালে ১৭ ম্যাচে ৫২৩ রান করেছেন, সর্বোচ্চ ১২২। গড় ৩৭.৩৫, স্ট্রাইক রেট ১৩২.৭৪। ১টি শতরান ও ৪টি অর্ধশতরান রয়েছে।অন্যদিকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৬টি টি২০ ম্যাচ খেলেছেন বিরাট কোহলি। প্রথম খেলেছিলেন ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কায় টি২০ বিশ্বকাপে। ৬১ বলে অপরাজিত ৭৮ রান করে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন। ওই বছরই দেশের মাঠে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজে বেঙ্গালুরুতে ৯ রান করেছিলেন কোহলি। আমেদাবাদে করেন ২৭। ২০১৪ সালে ঢাকায় টি২০ বিশ্বকাপে ৩৬ রান করে দলকে জিতিয়েছিলেন কোহলি। ২০১৬ সালে এশিয়া কাপে ৫১ বলে ৪৯ রান করে ম্যাচের সেরা হন বিরাট কোহলি। ২০১৬ সালের টি২০ বিশ্বকাপে ইডেনে ৩৭ বলে অপরাজিত ৫৫ রান করেন তিনি। ম্যাচের সেরাও হয়েছিলেন। সবমিলিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৬ ম্যাচে কোহলির সংগ্রহ ২৫৪ রান। সর্বোচ্চ অপরাজিত ৭৮। গড় ৮৪.৬৬, স্ট্রাইক রেট ১১৮.৬৯। ২টি অর্ধশতরান রয়েছে।

অক্টোবর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌India vs Pakistan : ভারত–পাকিস্তান ম্যাচে কোন দুজন ক্রিকেটার পার্থক্য গড়ে দেবেন?‌ জানতে পড়ুন

ক্রিকেট মাঠে ভরতপাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই অন্য উত্তেজনা। প্রচন্ড চাপ নিয়ে মাঠে নামতে হয় দুদেশের ক্রিকেটারদের। তবে সবথেকে বেশি চাপে থাকেন দুই দেশের অধিনায়ক। ব্যর্থ হলেই সমালোচনার তির ধেয়ে আসে তাঁদের দিকে। কারণ, অধিনায়কদের সামান্য ভুলই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। ২৪ অক্টোবর টি২০ বিশ্বকাপে ভারতপাকিস্তান ম্যাচে বিরাট কোহলি ও বাবর আজমের মস্তিষ্কই ফ্যাক্টর বলে মনে করছেন পাকিস্তানের ব্যাটিং পরামর্শদাতা ম্যাথু হেডেন।অস্ট্রেলিয়ার এই প্রাক্তন ক্রিকেটার মনে করেন ভারতপাকিস্তান ম্যাচে দলকে সঠিকভাবে নেতৃত্ব দেওয়াটাই আসল ব্যাপার। অধিনায়কদের সামান্য ভুলই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। হেডেন বলেছেন, ভারতপাকিস্তান ম্যাচে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে দুই দেশের অধিনায়কের ভুমিকা। এই ম্যাচে দলকে সুচারুভাবে পরিচালনা করাই আসল। অধিনায়কের সামান্য ভুল ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেবে। আরব আমীরশাহীর পরিবেশে ছোটখাট ভুলই মারাত্মক হয়ে দাঁড়াবে।হেডেন মনে করেন, অধিনায়কদের ব্যক্তিগত পারফরমেন্স দলের সাফল্যে খুব একটা প্রভাব ফেলে না। এই ব্যাপারে তিনি তুলে ধরেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও ইওয়িন মর্গ্যানের উদাহরণ। আইপিএলে ব্যাট হাতে চূড়ান্ত ব্যর্থ এই দুই অধিনায়ক। অথচ তাঁদের নেতৃত্বে আইপিএল ফাইনালে উঠেছিল চেন্নাই সুপার কিংস ও কলকাতা নাইট রাইডার্স। হেডেন বলেছেন, আইপিএলেমহেন্দ্র সিং ধোনি ও ইওয়িন মর্গ্যানের ব্যক্তিগত পারফরমেন্স খুবই খারাপ ছিল। ব্যাট হাতে রান পায়নি। কিন্তু দুজনই দলকে দারুণ নেতৃত্ব দিয়েছিল।পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম অধিনায়ক হিসেবে দারুণ ভুমিকা পালন করছেন বলে মনে করেন হেডেন। তাঁর মতে ব্যাট হাতে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তবে বিশ্বকাপে দুই দেশের অধিনায়ককেই চাপ নিয়ে মাঠে নামতে হবে বলে হেডেন মনে করেন। তাঁর কথায়, দলকে জেতানোর জন্য কোহলি ও বাবরের ওপর চাপ থাকবে। বাবর অবশ্য দলকে খুব ভাল নেতৃত্ব দিচ্ছে। ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালন করছে। আশা করছি পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও নিজেকে মেলে ধরবে।

অক্টোবর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : নেতা রোহিত, বল হাতে কোহলি, প্রস্তুতি ম্যাচে চমক ভারতের

টি২০ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চমক ভারতের। তবে হার্দিক পান্ডিয়ার হাত ধরে নয়, চমক এল রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির হাত ধরে। বিরাট কোহলি মাঠে থাকতেও অ্যারন ফিঞ্চের দলের বিরুদ্ধে নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড রোহিত শর্মার হাতে। এখানেই শেষ নয়, অধিনায়ক রোহিত বল করতে ডাকেন বিরাট কোহলিকে। চমক ছাড়া আর কীই বা বলবেন? বিশ্বকাপে তাহলে কি ষষ্ঠ বোলারের দায়িত্ব পালন করবেন কোহলি? এদিন বল হাতে হয়তো তার মহড়া দিয়ে নিলেন।২৪ অক্টোবর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টি২০ বিশ্বকাপে মাঠে নামা আগে প্রথম একাদশ গুছিয়ে নেওয়ার এটাই শেষ সুযোগ ছিল ভারতের কাছে। ফিল্ডিং করতে নামলেও ব্যাটার কোহলিকে এই ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল যশপ্রীত বুমরা ও মহম্মদ সামিকেও। নজর ছিল হার্দিক পান্ডিয়ার দিকে। এদিনও তিনি বোলিং করেননি। টসের সময় রোহিত বলেছিলেন, হার্দিক কয়েকদিনের মধ্যেই নেটে বোলিং শুরু করবে। আশা করছি প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগেই বোলিং করার মতো জায়গায় চলে আসবে। ষষ্ঠ বোলারের অভাব মেটাতেই হয়ত বল হাতে তুলে নেন কোহলি। ২ ওভার হাত ঘুরিয়ে দেন ১২ রান।এদিন ভারতের বিরুদ্ধে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচেও ডেভিড ওয়ার্নার ব্যর্থ। মাত্র ১ রান করে তিনি রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে আউট হন। মিচেল মার্শ (০), অ্যারন ফিঞ্চও (৮) ব্যর্থ। স্টিভ স্মিথ (৫৭), ম্যাক্সওয়েল (৩৭), স্টয়নিসের (অপরাজিত ৪১) দাপুটে ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫২ তোলে অস্ট্রেলিয়া। এদিন বরুণ চক্রবর্তীকে খেলানো হয়েছিল। ২ ওভারে তিনি ২৩ রান দেন। শার্দূল ঠাকুর, রবীন্দ্র জাদেজারা বল হাতে নিজেদের মেলে ধরতে না পারলেও নজর কাড়লেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রাহুল চাহাররা।অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ব্যাটিং অর্ডারে এদিন কিছুটা রদবদল করা হয়েছিল। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন রোহিত। এই জুটিই বিশ্বকাপে ওপেন করবেন। জুটিতে ওঠে ৬৮। লোকেশ ৩৯ রান করে আউট হন। তিন নম্বে নেমে সূর্যকুমার যাদেব ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। রোহিত শর্মা ৬০ রান করে অবসর নেন। হার্দিক পান্ডিয়া ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৭.৫ ওভারে ১৫৩/১ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

অক্টোবর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

DHONI-INDIYA : ধোনিকে ড্রেসিংরুমে পেয়ে উদ্দীপ্ত টিম ইন্ডিয়া

টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সহজ জয় পেয়েছে ভারত। দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও ঈশান কিষান। রান পেয়েছেন ৪ নম্বরে ব্যাট করতে নামা ঋষভ পন্থও। প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটাররা পরীক্ষিত হলেও চিন্তা থেকে গেছে হার্দিক পান্ডিয়াকে নিয়ে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্রস্তুতিতে ম্যাচে প্রথম একাদশ বেছে নেওয়ার শেষ সুযোগ।সবকটি টি২০ বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে ভারতীয় ড্রেসিংরুমে ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। এবারও তিনি ভারতের ড্রেসিংরুমে থাকবেন। তবে মেন্টর হিসেবে। এটাই উদ্দীপ্ত করছে কোহলি ব্রিগেডকে। ধোনির ক্ষুরধার ক্রিকেট মস্তিষ্ক দলের পক্ষে ইতিবাচক ভূমিকা নেবে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত গোটা দল। যেমন ওপেনার লোকেশ রাহুল বলেছেন, ধোনির আবার দলের সঙ্গে যোগ দেওয়াটা দারুণ ব্যাপার। আমরা তাঁর অধিনায়কত্বে খেলেছি। তখনও ধোনিকে আমরা মেন্টর হিসেবেই দেখতাম। যখন ধোনি অধিনায়ক ছিলেন তখনও তাঁর ড্রেসিংরুমের উপস্থিতি আমাদের ভালো লাগত। ভালো লাগত তাঁর শান্ত স্বভাব। যেভাবে চাপের মুখেও ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামলান তা শিক্ষণীয়। ধোনিকে ভারতীয় দলে আমাদের মধ্যে পেয়ে যেমন পরিস্থিতি উপভোগ করছি, তেমনই অনেক মজাও হচ্ছে।ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে খেলানো হয়নি রোহিত শর্মা ও বরুণ চক্রবর্তীকে। শার্দুল ঠাকুরকে দিয়ে বোলিংও করাননি বিরাট। তিনি বলেছিলেন, প্রথম ম্যাচের প্রথম একাদশ প্রায় ঠিকই রয়েছে। প্রস্তুতি ম্যাচে সকলকেই ম্যাচ প্র্যাকটিসের সুযোগ দিয়ে দেখে নেওয়া হতে পারে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে এই তিন ক্রিকেটারকে খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এই ম্যাচেই প্রথম একাদশ ঠিক করে নিতে চায় টিম ম্যানেজমেন্ট। যশপ্রীত বুমরা প্রথম একাদশে থাকবেনই। মহম্মদ শামি ইংল্যান্ড ম্যাচে দারুণ বোলিং করে চাপ বাড়িয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমারের উপর। ইংল্যান্ড ম্যাচে ভুবি চার ওভারে ৫৪ রান দিয়েছেন। তাঁর পরিবর্তে তৃতীয় সিমার হিসেবে খেলানো হতে পারে শার্দুল ঠাকুরকে।স্পিনার হিসেবে ভাবা হয়েছে রবীন্দ্র জাদেজা, বরুণ চক্রবর্তী ও রাহুল চাহারকে। তবে অনেকে মনে করছেন, অভিজ্ঞতার নিরিখে চাহারের পরিবর্তে অশ্বিনে আস্থা রাখতেই পারে টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে হার্দিক পাণ্ডিয়ার বোলিং করতে না পারা ভারতের পারফরম্যান্সে খুব একটা প্রভাব ফেলবে না বলেই দাবি তিরাশির বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক কপিল দেবের।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

K‌apil Dev-Hardik Pandya: কপিলের মতে, হার্দিক বোলিং না করলেও প্রভাব পড়বে না

অলরাউন্ডার হিসেবে ভারতের টি২০ বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া। অথচ বিশ্বকাপে তাঁর বল করা নিয়ে সংশয় রয়েছে। পিঠে চোটের জন্য দীর্ঘদিন ধরে বোলিং করছেন না। এমনকি আইপিএলেও তাঁকে বল হাতে দেখা যায়নি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ২৪ অক্টোবর বিশ্বকাপ অভিযানে নামার আগে হার্দিকের বোলিং করতে না পারাটাই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।অনেকের মতে বিশ্বকাপে টি২০ বিশ্বকাপে হার্দিক যদি বোলিং না করেন, তাহলে ভারতের কাছে সেটা বড় ধাক্কা। কারণ বিরাট কোহলির কাছে বোলিং অপশন কমে যাবে। ভারতের বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব অবশ্য মনে করছেন, হার্দিক বোলিং না করলেও কোনও প্রভাব পড়বে না। হার্দিকের অভাব মিটিয়ে দেওয়ার মতো বোলিং শক্তি ভারতীয় দলের রয়েছে। কপিলদেব বলেছেন, অলরাউন্ডার দলের মধ্যে থাকলে পার্থক্য গড়ে দেয়। বিশ্বকাপে হার্দিক যদি বোলিং নাও করে, তবুও ভারতের সাফল্যে প্রভাব পড়বে না। হয়তো বিরাট কোহলির কাছে বোলিং অপশন কমে যাবে। দলে অলরাউন্ডার থাকলে অধিনায়কের হাতে অপশন বেড়ে যায়, একজন বোলার ব্যর্থ হলে অলরাউন্ডারের হাতে বল তুলে দিতে পারে।কপিলদেব আরও বলেছেন, হার্দিকের মতো প্রতিভা দলের সম্পদ। যদি ২ ওভারও বোলিং করতে পারে তাহলে দলে অনেকটা ফ্লেক্সিবিলিটি আসবে। তবে আমার মনে হয় ওর অভাব মিটিয়ে দেওয়ার মতো ক্ষমতা ভারতীয় দলের রয়েছে। পিঠে চোট থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে বোলিং করছেন না। আইপিএল চলাকালীন নেটে বোলিং করলেও ম্যাচে করেননি। কপিলদেব মনে করেন, একজন অলরাউন্ডারের পক্ষে সম্পূর্ণ চোট সারিয়ে মাঠে ফেরা যথেষ্ট সময় সাপেক্ষ। আত্মবিশ্বাস ফিরতে সময় লাগে। তাঁর কথায়, যদি নেটে ৪০৫০টা বল করতে পারে, তাহলে ম্যাচে বোলিং করার মতো আত্মবিশ্বাস ফিরে আসে। না হলে কিন্তু ম্যাচে বোলিং করার মতো আত্মবিশ্বাস ফিরবে না।আইপিএলে বোলিং না করলেও অনেকে আশা করেছিলেন, টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে বোলিং করবেন হার্দিক। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে অবশ্য তাঁর হাতে বল তুলে দেননি কোহলি। বুধবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে নামবে ভারত। এই ম্যাচেও সকলের নজর থাকবে হার্দিকে ওপর। যদি তিনি বোলিং না করেন, সত্যিই সমস্যায় পড়তে হবে ভারতকে। কারণ বিরাট কোহলির হাতে বোলিং অপশন কমে যাবে। হার্দিককে শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলালে ষষ্ঠ বোলারের অভাবে ভুগতে হবে ভারতকে।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌T20 World Cup : প্রস্তুতি ম্যাচে ভারত জিতলেও প্রশ্ন থেকে গেল হার্দিককে নিয়ে

টি২০ বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে সব দলের লক্ষ্য থাকে টিম কম্বিনেশন দেখে নেওয়া। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের প্রস্তুতি ম্যাচে সকলের নজর ছিল হার্দিক পান্ডিয়ার দিকে। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর বোলিং না করা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। আদৌও সম্পূর্ণ সুস্থ তো হার্দিক? আইপিএলে একটা ম্যাচেও বোলিং করেননি। প্রস্তুতি ম্যাচে বোলিং করেন কিনা সেটাই ছিল দেখার। না, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও বল হাতে দেখা গেল না হার্দিককে। বিশ্বকাপে তঁার বল করা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেল। হার্দিক পরীক্ষায় পাশ না করলেও, উত্তীর্ণ ঈশান কিষান। তাঁর সামনেও ছিল বড় পরীক্ষা। ওপেনিংয়ে রোহিত শর্মার সঙ্গে কে জুটি বাঁধবেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। যদিও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামার আগে টস করার সময়ই কোহলি ধোঁয়াশা দূর করে দিয়েছিলেন রোহিতের সঙ্গী হিসেবে লোকেশ রাহুলের নাম ঘোষণা করে। তিন নম্বরে নামবেন কোহলি নিজে। তাহলে ঈশান কিষান? হয়তো প্রথম একাদশের বাইরেই থাকতে হবে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে যেভাবে ব্যাটিং করলেন, তাঁকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখা কঠিন হবে। এদিন ব্যাট করতে নেমে ভালোই শুরু করেছিলেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার জেসন রয় (১৭) ও জস বাটলার (১৮)। মহম্মদ সামি প্রথম ব্রেক থ্রু দেন বাটলারকে তুলে নিয়ে। জেসন রয়কেও তিনি ফেরান। দাওইদ মালানকে (১৮) আউট করেন রাহুল চাহার। এরপর ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান জনি বেয়ারস্টো ও লিভিংস্টোন। লিভিংস্টোনকে (৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন সামি। বুমরার দুরন্ত ইয়র্কারে বোল্ড হন বেয়ারস্টো (৪৯)। শেষ দিকে মঈন আলির (২০ বলে অপরাজিত ৪৩) ঝড়ে ২০ ওভারে ১৮৮/৫ রানে পৌঁছয় ইংল্যান্ড। ব্যাট করতে নেমে ভারতের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও ঈশান কিষান দারুণ শুরু করেছিলেন। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৮২। এরপর মার্ক উডের বলে আউট হন লোকেশ রাহুল (২৪ বলে ৫৪)। ঈশান কিশান ৪৬ বলে করেন ৭০। দুই ওপেনার দাপট দেখালেও গেলেও প্রস্তুতি ম্যাচে রান নেই কোহলি ( ১৩ বলে ১১), সূর্যকুমারদের (৮) ব্যাটে। লোকেশ ও ঈশানই ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেন। বাকি কাজ সারেন ঋষভ পন্থ (১৪ বলে অপরাজিত ২৯) ও হার্দিক পান্ডিয়া (১০ বলে অপরাজিত ১২)। ১ ওভার বাকি থাকতেই ৭ উইকেটে জয় ভারতের (১৯২/৩)।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌‌20 World Cup : কোহলির নেতৃত্বে ভারত কি বিশ্বকাপ জিততে পারবে? ভবিষ্যতবানী ইঞ্জিনিয়ারের

মাস খানেক আগেই বিরাট কোহলি ঘোষণা করেছিলেন, টি২০ বিশ্বকাপের পরই এই ফর্ম্যাটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন। সেই অর্থে এটাই কোহলির কাছে নেতা হিসেবে শেষ বিশ্বকাপ। দেশের অধিনায়ক হওয়ার পর এখনও পর্যন্ত কোনও আইসিসির কোনও টুর্ণামেন্টে দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। অধিনায়ক হিসেবে শেষ টি২০ বিশ্বকাপে ছাপ রেখে যেতে মরিয়া হবেন কোহলি। ভারতের প্রাক্তন উইকেটকিপার ফারুখ ইঞ্জিনিয়ারও মনে করছেন কোহলির নেতৃত্বে ভারত এবার বিশ্বকাপ জিতবে। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফারুখ ইঞ্জিনিয়ার বলেছেন, এবছর টি২০ বিশ্বকাপ জেতার দারুণ সুযোগ আছে কোহলির কাছে। বড় টুর্ণামেন্টে ভারত বরাবরই প্রভাব দেখিয়ে এসেছে। এবারও দেখাবে। কোহলির নেতৃত্বেই ভারত এবার চ্যাম্পিয়ন হবে। দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার ব্যাপারে খুব ভাল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে কোহলি। এই ভারতীয় দলে প্রচুর প্রতিভা রয়েছে। বিরাট কোহলি, লোকেশ রাহুল, যশপ্রীত বুমরা, ঋষভ পন্থরা যে কোনও পরিস্থিতিতে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে। কোহলির নেতৃত্বেরও দারুণ প্রশংসা করেছেন ফারুখ ইঞ্জিনিয়ার। তিনি বলেন, বিরাট দুর্দান্ত অধিনায়ক। দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা অধিনায়কদের আসনে অনায়াসে ওকে বসানো যায়। কোহলির এনার্জি, পরিকল্পনা, প্রভাব বিস্তার করার দক্ষতা, নিজেকে প্রয়োগ ক্ষমতা এককথায় অসাধারন। দলের শক্তির রসদ জোগাড় করে। জেতার জন্য সবসময় ক্ষুধার্ত থাকে। রানের প্রচুর খিদে রয়েছে। এই কারণেই দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। ওর জন্যই দলের ফিটনেস লেভেল দুর্দান্ত। সতীর্থদের কাছ থেকে সেরাটা বার করে নিয়ে আসার ব্যাপারে কোহলির জুড়ি মেলা বার বলেও মনে করেন ভারতের এই প্রাক্তন উইকেটকিপার। ফারুখ ইঞ্জিনিয়ারের কথায়, কোন সময় সতীর্থদের কীভাবে ব্যবহার করতে হয় কোহলি খুব ভালভাবেই জানে। দলে বেশ কয়েকজন ম্যাচ উইনারকে পেয়েছে। এদের মধ্যে বুমরা, হার্দিক অন্যতম। টি২০ বিশ্বকাপের জন্য নিজের মতো করে দলটাকে সাজিয়ে নিয়েছে। আমার বিশ্বাস, কোহলির নেতৃত্বেই ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হবে।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : টি২০ বিশ্বকাপের আগে কোহলিদের কী পরামর্শ দিলেন সৌরভ?‌

টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডের খেলা শুরু হয়েছে। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে টি২০ বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ভারত। ২০০৭এ মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তারপর থেকে খেতাব অধরা থেকে গেছে। প্রতিবারই অন্যতম ফেবারিট হিসেবে প্রতিযোগিতায় খেলতে নামে ভারত। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়। অধিনায়ক হিসেবে এবছরই শেষ টি২০ বিশ্বকাপ বিরাট কোহলির। খেতাব জিততে মরিয়া কোহলি। এবছরও অন্যতম ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবে ভারত। মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলকে সতর্ক করে দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। নিজের দেশকে অন্যতম ফেবারিট হিসেবে অভিহিত করে একগুচ্ছ পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। সৌরভ গাঙ্গুলি ভারতীয় দলকে সতর্ক করে বলেছেন, ভারতীয় দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো প্রতিভা রয়েছে। তবে একটু পরিণতিবোধ দরকার। বিশ্বকাপে একগুচ্ছ ম্যাচ খেলতে হবে। ক্রিকেটাররা যদি শুরু থেকেই ভেবে নেয় যে চ্যাম্পিয়ন হতে এসেছে, সেটা বোকামি হবে। একেকটা ম্যাচ ধরে এগোতে হবে। চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে ফাইনালে জিততে হবে। তার জন্য ধাপে ধাপে এগোতে হবে। কাজটা কিন্তু ততটা সহজ নয়। কোনও টুর্নামেন্টে নামলেই চ্যাম্পিয়ন হওয়াও যায় না। একটি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। নিজেদের খেলায় পরিণতভাব দেখানোটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুরু থেকেই যদি চ্যাম্পিয়নের কথা মাথায় ঢুকে যায়, তাহলে ফোকাস ঠিক রাখতে পারবে না। সৌরভ আরও বলেছেন, ভারতের এই দলে প্রতিভার কোনও অভাব নেই। রান করা বা উইকেট নেওয়ার দক্ষতাসম্পন্ন ক্রিকেটাররাই বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পেয়েছে। মানসিকভাবে ভাল অবস্থায় থাকলে চ্যাম্পিয়ন হওয়া সম্ভব। ভারতীয় দলে যে প্রতিভার ছড়াছড়ি, সেকথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন সৌরভ। তঁার কথায়, দলে প্রতিভাবান ক্রিকেটারের অভাব নেই। প্রত্যেকের ব্যাট হাতে রান তোলার দক্ষতা রয়েছে, বল হাতে উইকেটও তুলে নিতে পারে। বিশ্বকাপ জিততে এসেছি এমন মানসিকতা নিয়ে ব্যাটিংয়ের সময় গার্ড নেওয়া উচিত নয়। তাতে গোটা প্রক্রিয়াটি কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে যায়। যে বলের মুখোমুখি হতে হচ্ছে সেটা কতটা সঠিকভাবে খেলা যায় তার ওপর ফোকাস রাখা উচিত। ফাইনালে ওঠা না পর্যন্ত এমনটাই করতে হবে। আইপিএলের পরেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে টি২০ বিশ্বকাপ। আইপিএলের ম্যাচগুলি যেখানে খেলা হয়েছে সেখানেই হবে বিশ্বকাপের খেলা। তবে তাতে পিচগুলি মন্থর হবে না বলেই ধারণা সৌরভের। তবে শারজার উইকেট মন্থর আচরণ করতে পারে মনে করছেন তিনি। সৌরভের কথায়, শারজার উইকেটে একটু কম রান উঠতে পারে। দুবাইয়ে সেই সমস্যা নেই। আইপিএল ফাইনালেও উইকেট ভাল আচরণ করেছে। তবে সবথেকে ভাল উইকেট আবু ধাবিতে। বিশ্বকাপের আদর্শ উইকেট।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : মেসিকে স্পর্শ সুনীলের, সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আধিপত্য ভারতের

লিগ পর্বে প্রথম দুটি ম্যাচে ড্র করে একসময় ফাইনালে ওঠাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ফাইনালের ছাড়পত্র। অবশেষে নেপালকে ৩০ ব্যবধানে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আধিপত্য বজায় রাখল ভারত। এই নিয়ে ৮ বার চ্যাম্পিয়ন হল। ২০১৫ সালে কেরলে আফগানিস্তানকে হারিয়ে শেষবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। ফাইনালেও গোল করে লিওনেল মেসিকে স্পর্শ করলেন সুনীল। নেপালের বিরুদ্ধে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক বলেছিলেন, তাঁর দল যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী, তবে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী নয়। সুনীল ছেত্রিরা যে সত্যিই আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন, ম্যাচের শুরু থেকেই তার প্রমাণ মিলেছে। লিগ পর্যায়ের মতো এদিনও রক্ষণাত্মক মানসিকতা নিয়ে মাঠে নেমেছিল নেপাল। ওই ম্যাচের না হয় আলাদা উদ্দেশ্য ছিল। ১ পয়েন্ট পেলেই ফাইনালের ছাড়পত্র পেয়ে যেত নেপাল। ফাইনালে তো আর সেই ব্যাপার ছিল না। আসলে নেপাল কোচ আব্দুল্লাহ আলমুতাইরির লক্ষ্য ছিল শক্তিশালী ভারতের বিরুদ্ধে রক্ষণ শক্ত করে প্রতিআক্রমণভিত্তিক ফুটবল খেলা। রক্ষণে জাল বিছিয়ে রেখেছিলেন নেপাল কোচ। ফলে বারবার আক্রমণে উঠে গিয়েও তিন কাঠি খুঁজে পাচ্ছিলেন না সুনীল ছেত্রি, মনবীর সিংরা। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ ঝড় তুলেছিল ভারত। ৪ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগও এসেছিল। মহম্মদ ইয়াসিরের দুরপাল্লার শট আংশিক প্রতিহত করেন নেপাল গোলকিপার লিম্বু। ফিরতি বল যায় অনিরুদ্ধ থাপার কাছে। তাঁর শট আবার বাঁচান নেপাল গোলকিপার। ৬ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে গোল করার সুযোগ পেয়েছিল নেপাল। নোয়াং শ্রেষ্ঠা কাজে লাগেতে পারেননি। বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে এলেও নেপাল পেনাল্টি বক্সে রক্ষণের ভুলে খেই হারিয়ে ফেলছিলেন মনবীররা। তবে প্রথমার্ধে সবথেকে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। ডানদিক থেকে মহম্মদ ইয়াসিরের ভেসে আসা সেন্টার সুবিধাজনক জায়গা থেকেও জালে রাখতে পারেননি সুনীল। তাঁর ভলি অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। মালদ্বীপের বিরুদ্ধে লিগের শেষ ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় ফাইনালে রিজার্ভ বেঞ্চে ছিলেন না ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। তাঁর পরিবর্তে দল পরিচালনা করেন সহকারী কোচ বেঙ্কটেশ। ম্যাচের বিরতিতে তাঁর পেপ টকই বদলে দেয় ভারতীয় দলকে। প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন স্টিম্যাক। তাঁর পরামর্শেই দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ভারত। শুরু থেকেই গোলের জন্য আরও মরিয়া হয়ে ওঠেন সুনীলরা। মাঝখান দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে কোনও ফায়দা না ওঠায় দুপ্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন মহম্মদ ইয়াসির, প্রীতম কোটালরা। ফলও পেয়ে যায়।ম্যাচের ৪৯ মিনিটে কাঙ্খিত গোল পেয়ে যায় ভারত। ডান প্রান্ত দিয়ে উঠে এসে সেন্টার করেন প্রীতম কোটাল। দুর্দান্ত হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সুনীল ছেত্রি। এই গোলের সঙ্গে সঙ্গে লিওনেল মেসিকে স্পর্শ করেন তিনি। দেশের হয়ে দুজনের গোল সংখ্যাই ৮০। এক মিনিট পরেই ব্যবধান বাড়ান সুরেশ সিং। মহম্মদ ইয়াসিরের কাছ থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত শটে তিনি গোল করেন। ৯০ মিনিটে ভারতের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন সাহাল।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Rahul Dravid : টি২০ বিশ্বকাপের পর দ্রাবিড়ের হাতেই যাচ্ছে বিরাট কোহলিদের দায়িত্ব

টি২০ বিশ্বকাপের পরপরই শেষ হচ্ছে ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর মেয়াদ। তাঁর পরিবর্তে কে বিরাট কোহলিদের দায়িত্ব পাবেন, তা নিয়ে চলছিল জোর কল্পনা। ভেসে উঠছিল একাদিক নাম। সেই তালিকায় যেমন ভারতীয় কোচদের নাম ছিল, তেমনই ছিল বিদেশি কোচদের নাম। শেষ পর্যন্ত সবাইকে টপকে রবি শাস্ত্রীর স্থলাভিষিক্ত হতে চলেছেন রাহুল দ্রাবিড়। শুক্রবারই তঁার হাতে ভারতীয় দলের হেড কোচের দায়িত্ব তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। রাহুল দ্রাবিড়ও শেষ পর্যন্ত রাজি হয়েছেনদীর্ঘদিন অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতীয় দলের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন রাহুল দ্রাবিড়। পাশাপাশি ভারতীয় এ দলের দায়িত্বও তাঁর ওপর অর্পন করা হয়। পরে তাঁকে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকডেমির দায়িত্ব দেওয়া হয়। কয়েকমাস আগে শ্রীলঙ্কা সফরে তঁাকে শিখর ধাওয়ানদের কোচ করে পাঠানো হয়েছিল। তখন থেকেই সিনিয়র দলের হেড কোচ হিসেবে রাহুল দ্রাবিড়ের নাম ভেসে উঠেছিল। কয়েকটা সূত্র থেকে জানা গিয়েছিল, তিনি নাকি বিরাট কোহলিদের কোচ হতে রাজি নন। এরপর অনিল কুম্বলে, ভিভিএস লক্ষ্মণ, মাহেলা জয়বর্ধনে, টম মুডিদের নাম উঠে আসে। টম মুডি নিজেও ভারতীয় দলের হেড কোচ হতে আগ্রহী ছিলেন। শেষ পর্যন্ত দ্রাবিড়ই হতে চলেছেন।শুক্রবার দুবাইয়ে আইপিএল ফাইনাল চলাকালীনই আলোচনায় বসেছিলেন ভারতীয় বোর্ডের শীর্ষ কর্তারা। বৈঠক থেকেই রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তিনিই দ্রাবিড়কে রাজি করান। প্রাথমিকভাবে ভারতীয় দলের হেড কোচের দায়িত্ব নিতে রাজি ছিলেন না দ্রাবিড়। তিনি জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির ডিরেক্টরের দায়িত্বই সামলাতে চেয়েছিলেন। অনেক টালবাহনার পর শেষ পর্যন্ত তিনি রাজি হন। তঁার সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি করতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। দ্রাবিড়কে বছরে ১০ কোটি টাকা দেওয়া হবে বলে বোর্ডের এক সূত্র থেকে জানা গেছে।দ্রাবিড়কে হেড কোচ করার পাশাপাশি পরশ মামরেকেও সিনিয়র দলের দায়িত্বে নিয়ে আসা হচ্ছে। ভরত অরুণের পরিবর্তে তাঁকে বোলিং কোচের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাহুল দ্রাবিড় ও পরশ মামরে জুটি বেঁধে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করেছেন। সেই জুটিকেই আবার ভারতীয় সিনিয়র দলে দেখা যাবে। হেড কোচ ও বোলিং কোচ পরিবর্তন হলেও ব্যাটিং কোচে কোনও বদল ঘটছে না। বিক্রম রাঠোরের সঙ্গে পুনরায় চুক্তি করার পথে হাঁটছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Final-Sunil Chettri : মেসিকে স্পর্শ নয়, দলকে চ্যাম্পিয়ন করাই লক্ষ্য সুনীল ছেত্রির

বয়স বাড়লেও দক্ষতায় এখনও মরচে ধরেনি। পরপর দুটি মরণবাঁচন ম্যাচে দলের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। গোল করে দলকে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে তুলেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে ফাইনালে সেই সুনীল ছেত্রির দিকে তাকিয়ে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। প্রতিযোগিতায় ইতিমধ্যেই ৪ ম্যাচে ৪ গোল করেছেন। এই মুহূর্তে দেশের জার্সি গায়ে তাঁর গোল সংখ্যা ৭৯। লিওনেল মেসির থেকে ১ গোল পেছনে। ফাইনালে ১ গোল করলেই সুনীল ছেত্রি ধরে ফেলবেন আর্জেন্টিনার তারকাকে। ব্যক্তিগত মাইলস্টোন নয়, দলকে চ্যাম্পিয়ন করাই লক্ষ্য সুনীলের। ফাইনালে নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, কাজ এখনও শেষ হয়নি।এক সময় ফাইনালের ছাড়পত্র পাওয়াই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। আর এখন খেতাব জয়ের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আরও একবার আধিপত্য কায়েম করার মুখে দাঁড়িয়ে ভারত। শনিবার ফাইনালে সামনে নেপাল। নেপালকে হারালেই ৮ বার খেতাব জয়ের স্বাদ পাবে ভারত। অন্যতম ফেবারিট হিসেবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে নেমেছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। কিন্তু বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর দুটি ম্যাচে ড্র অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিয়েছিল ভারতকে। লিগের শেষ দুটি ম্যাচে নেপাল ও মালদ্বীপের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না। শেষ দুটি ম্যাচে জ্বলে উঠে দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন সুনীল ছেত্রি। ফাইনালে নেপালের বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নামবে ভারত। পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে নেপালের থেকে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে ইগর স্টিম্যাকের দল। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নামার আগে দুই দল মুখোমুখি হয়েছে ২২ বার। এরমধ্যে ভারত জিতেছে ১৫ বার, নেপাল জিতেছে দুটি ম্যাচে। ৫টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও ভারতের অনুকূলে। সেপ্টেম্বরে দুটি প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুদল। একটা ড্র হয়েছিল, একটায় ভারত জিতেছিল। গ্রুপ লিগের ম্যাচেও ভারত জিতেছিল। ফলে পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে ভারত এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে অবশ্য স্বস্তিতে নেই ভারতীয় শিবির। আগের ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় রিজার্ভ বেঞ্চে বসতে পারবেন না কোচ ইগর স্টিম্যাক। চোটের জন্য ফারুখ চৌধুরি, ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ ফাইনালে মাঠে নামতে পারবেন না। লাল কার্ড দেখায় নেই শুভাশিস বোসও। বিপক্ষ শিবিরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। লিগ পর্যায়ে নেপালের বিরুদ্ধে জিতলেও ফাইনালে মাঠে নামার আগে ফুটবলাররা যাতে আত্মতুষ্টিতে না ভোগে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি স্টিম্যাকের। ফাইনালে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, দলের মধ্যে কোনও প্রকার আত্মতুষ্টি ঢুকতে দিইনি। আমাদের কী করতে হবে তা জাই। আত্মবিশ্বাস ও অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের মধ্যে একটা সূক্ষ্ম লাইন রয়েছে। সেই লাইন অতিক্রম করে ফুটবলাররা যাতে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী না হয়ে পড়ে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রয়েছে। লিগের শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে, দাবি করেছেন স্টিম্যাক। তিনি বলেন, আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে। ফুটবলাররা যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। নেপাল আমাদের কাছে পরিচিত প্রতিপক্ষ। শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে। তবে আমার অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী নই। গোলের জন্য সেই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার সুনীল ছেত্রির দিকে তাকিয়ে ভারতীয় শিবির।

অক্টোবর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India T20 Jersey : বিরাট কোহলিদের টি২০ বিশ্বকাপের জার্সিতে অভিনব চমক

ভক্তদের কথা মাথায় রেখে ভারতীয় ক্রিকেট দলে জার্সি! হ্যাঁ, এমনই অভাবনীয় উদ্যোগ নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। যার নাম দেওয়া হয়েছে বিলিয়ন চিয়ার্স জার্সি। এই জার্সি গায়েই বিশ্বকাপ মাতাবেন বিরাট কোহলিরা। হালকা নীলের শেড ও গাঢ় নীল রঙ দিয়ে ভারতীয় দলের জার্সি তৈরি করা হয়েছে। কোটি কোটি ভক্তরা ভারতীয় দলকে সমর্থন করবেন, নতুন জার্সির ডিজাইন তৈরির করার সময় সেকথা মাথায় রাখা হয়েছে। ভক্তরা এই জার্সি কিনতে পারবেন।মহিলা ও পুরুষদের জার্সির দাম ১৭৯৯ টাকা। নাম ও নম্বর লেখা বিরাট কোহলির জার্সি যদি কেউ কিনতে চান তাহলে অতিরিক্ত ২০০ টাকা খরচ করতে হবে। সেগুলির দাম রাখা হয়েছে ১৯৯৯ টাকা। কলার ছাড়া বিলিয়ন চিয়ার্স ফ্যান জার্সির দাম ১৬৯৯ টাকা। এর পাশাপাশি ৩৬৯৯ টাকা দামের অফিসিয়াল টিম ইন্ডিয়া বিলিয়ন চিয়ার্স প্লেয়ার্স জার্সিও পাওয়া যাবে।২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়া সফর থেকেই সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বিরাট কোহলিরা খেলছেন রেট্রো জার্সি পরে। নেভি ব্লু রংয়ের জার্সির কাঁধের কাছে চারটি রং, নীল, সবুজ, লাল ও সাদা দিয়ে ডিজাইন করা। টি২০ বিশ্বকাপে বিরাট কোহলিরা অন্য ডিজাইনের জার্সি পরে মাঠে নামবেন, তা আগেই জানা গিয়েছিল। আগের আকাশি নীল এখন বদলে হয়েছে গাঢ় নীল। টি২০ বিশ্বকাপের জার্সিতে ক্রিকেটারদের নাম ও নম্বর লেখা রয়েছে গেরুয়া রঙে। নতুন ধরণের জার্সি ক্রিকেটপ্রেমীদের দারুণ পছন্দ হয়েছে। শুধু বিরাট কোহলিরা নন, মহিলা ক্রিকেট দল, অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতীয় দলও এই নতুন জার্সি পরে খেলবেন। নতুন জার্সি প্রসঙ্গে ভারতীয় বোর্ড সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি বলেছেন, সারা বিশ্বে ভারতীয় দলের অগনিত ভক্ত রয়েছে। তাঁদের আবেগ, উৎসাহ, উল্লাস ফুটে উঠেছে এই নতুন জার্সিতে। টি২০ বিশ্বকাপেও দলকে এই জার্সি অনুপ্রেরণা জোগাবে। অধিনায়ক বিরাট কোহলিরও এই নতুন ডিজাইনের জার্সি বেশ পছন্দ হয়েছে। তিনি বলেন, দারুণ আকর্ষণীয় হয়েছে নতুন জার্সি। নতুন জার্সিতে কোটি কোটি সমর্থকদের সামনে নিজেদের মেলে ধরার জন্য আমরা তৈরি। চেষ্টা করব নতুন জার্সিতে সেরাটা দেওয়ার। সমর্থদের প্রতি আমাদের যে শ্রদ্ধা রয়েছে, এই নতুন জার্সিতে ফুটে উঠেছে।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Football Match : মেসির থেকে ১ গোল পেছনে সুনীল, সাফ চাম্পিয়নশিপে ফাইনালে ভারত

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শক্তিধর দেশ। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে অন্য দলগুলির তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে। অনেক প্রত্যাশা নিয়ে এবছর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে নেমেছিল ভারত। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম দুটি ম্যাচ ড্র করে চাপে পড়ে গিয়েছিল। নেপালকে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রেখেছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। মালদ্বীপকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে অবশেষে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত। আগের বারের ফাইনালে হারের মধুর প্রতিশোধ। জোড়া গোল করে ভারতের জয়ের নায়ক সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের ৮০ মিনিটে লাল কার্ড দেখে রিজার্ভ বেঞ্চ থেকে বেরিয়ে যেতে হয় ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাককে। লিগের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের সঙ্গে ড্র করে ৪ ম্যাচে ৭ পয়েন্টে পৌঁছে গিয়েছিল নেপাল। ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে মালদ্বীপের ৩ ম্যাচে পয়েন্ট ছিল ৬। আর ভারতের ৫। ফলে ফাইনালে যেতে গেলে শেষ ম্যাচে মালদ্বীপের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠলেন সুনীল ছেত্রি। ৪ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে ভারত। সুনীলরা ফাইনালে খেলবে দ্বিতীয় স্থানে থাকা নেপালের বিরুদ্ধে। মালদ্বীপের বিরুদ্ধে ডু অর ডাই ম্যাচে প্রথম একাদশে পরিবর্তন করেননি ইগর স্টিম্যাক। নেপালের বিরুদ্ধে জয়ী দলকেই মাঠে নামিয়েছিলেন। এদিন শুরু থেকেই মালদ্বীপের চাপ ছিল। ম্যাচের ৯ মিনিটে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন আলি আশফাক। কোনও রকমে পরিস্থিতি সামাল দেন রাহুল বেকে। ১৩ মিনিটে আবার সুযোগ এসে গিয়েছিল মালদ্বীপের সামনে। সে যাত্রায় দলকে রক্ষা করেন গুরপ্রীত সিং সান্ধু। ম্যাচের ২৬ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল ভারতের সামনে। সুনীল ছেত্রির হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ম্যাচের ৩৩ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। মনবীর সিংয়ের ডান পায়ের জোরালো শট জালে জড়িয়ে যায়। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে মালদ্বীপের হামজাকে ফাউল করেন প্রীতম কোটাল। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান আশফাক। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। ৪৮ মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে যায় ব্রেন্ডন। তাঁর পরিবর্তে মাঠে নামেন উদান্ত সিং। গোলের জন্য দ্বিতীয়ার্ধে আরও মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে মালদ্বীপ রক্ষণে। ম্যাচের ৬২ মিনিটে সুনীল ছেত্রির গোলে আবার এগিয়ে যায় ভারত। ২ মিনিট পরেই সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল মালদ্বীপের সামনে। গুরপ্রীত ভারতের পতন রোধ করেন। ৭১ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন সুনীল ছেত্রি। এদিন ২ গোল করার সুবাদে দেশের হয়ে গোল করার দিক দিয়ে পেলেকে টপকে গেলেন তিনি। পেলের গোল সংখ্যা ৭৭। সুনীলের গোল সংখ্যা ৭৯। লিওনেল মেসির থেকে ১ গোল পেছনে। ম্যাচের একেবারে অন্তিম লগ্নে লাল কার্ড দেখেন ভারতের শুভাশিস বোস।

অক্টোবর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌India T20 Squad : ভারতীয় টি২০ বিশ্বকাপ দলে পরিবর্তন, দলে শার্দূল ঠাকুর

হার্দিক পান্ডিয়ার ওপর কি আস্থা নেই ভারতীয় দলের নির্বাচকদের? যদি আস্থা না থাকে, তাহলে দলেই বা রেখে দেওয়া হল কেন? অক্ষর প্যাটেলের পরিবর্ত হিসেবে টি২০ বিশ্বকাপ দলে শার্দূল ঠাকুরকে অন্তর্ভূক্ত করাতেই প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছে। তাহলে কি হার্দিক পান্ডিয়ার ব্যাকআপ হিসেবে শার্দূল ঠাকুরকে নেওয়া হল?আইপিএলে হার্দিক পান্ডিয়া বোলিং না করাতে তাঁকে নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। আদৌও কি সম্পূর্ণ সুস্থ ভারতীয় দলের এই অলরাউন্ডার? মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কোচ মাহেলা জয়বর্ধনেও পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন, হার্দিক পান্ডিয়ার বোলিং করতে সময় লাগবে। তাই কোনও ঝুঁকি নিল না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। হার্দিক পান্ডিয়ার ব্যাকআপ হিসেবে শার্দূল ঠাকুরকে মূল দলে নিয়েছেন নির্বাচকরা। আগে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে দলে ছিলেন। অক্ষর প্যাটেলের পরিবর্তে তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছে। আর শার্দূলের পরিবর্তে অক্ষর প্যাটেলকে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে রাখা হয়েছে। অনেকেই আশা করেছিলেন ভারতীয় দলে আরও কয়েকটা পরিবর্তন করা হবে। হয়তো বরুণ চক্রবর্তী, রাহুল চাহার, হার্দিক পান্ডিয়াদের পরিবর্ত নেওয়া হবে। ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি অবশ্য আগেই বলেছিলেন দলে কোনও পরিবর্তন করা হবে না। আক্ষরিক অর্থে তাঁর কথাই মিলে গেল। শুধু শার্দূল ঠাকুরকে স্ট্যান্ডবাই থেকে মূল দলে নেওয়া হয়েছে। বাকি দল অপরিবর্তিত রয়েছে। চলতি আইপিএলে অক্ষর প্যাটেলের ইকনমি খুবই ভাল। কিন্তু রবীন্দ্র জাদেজা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, বরুণ চক্রবর্তী, রাহুল চাহাররা দলে রয়েছেন। কেউ চোট পেলে তবেই প্রথম একাদশে সুযোগ পেতেন অক্ষর। সেই কারণেই এই বাঁহাতি অলরাউন্ডারকে আপাতত স্ট্যান্ডবাই হিসেবেই রাখা হয়েছে।এবারের আইপিএলে দারুণ ছন্দে ছিলেন শার্দূল ঠাকুর। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে যেমন ব্রেক থ্রু দিয়েছেন, তেমনই ডেথ ওভারে কার্যকরী ভুমিকা নিয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে শার্দূল ১৩ উইকেট পেয়েছেন। বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও ঝোড়ো ইনিংস খেলার ব্যাপারে ওস্তাদ শার্দূল। অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজেও ব্যাটিং দক্ষতার নমুনা রেখেছেন। হার্দিক পাণ্ডিয়া যেহেতু বোলিং করতে পারছেন না, তাই সিম বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে প্রথম একাদশে সুযোগ পেতে পারেন শার্দূল ঠাকুর।আবেশ খান, উমরান মালিক, হর্ষল প্যাটেল, লুকমান মেরিওয়ালা, ভেঙ্কটেশ আয়ার, কর্ণ শর্মা, শাহবাজ আহমেদ ও কৃষ্ণাপ্পা গৌতম দুবাইয়ে ভারতীয় দলের বায়ো বাবলে থাকছেন। তাঁরা নেট বোলার হিসেবে বিশ্বকাপের ক্রিকেটারদের প্রস্তুতিতে সহায়তা করবেন।

অক্টোবর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : পেলেকে স্পর্শ সুনীলের, ফাইনালের স্বপ্ন ভারতের

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর জুটি ম্যাচে ড্র করে দারুণ চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল ইগর স্টিম্যাকের দল। নেপালকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল। মরণবাঁচন ম্যাচে দেশের মান বাঁচালেন সুনীল ছেত্রি। পাশাপাশি এদিন গোল করে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে স্পর্শ করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ভারতের কাছে যেমন এদিন ছিল মরণবাঁচন ম্যাচ, তেমনই সুনীল ছেত্রির কাছে ছিল পেলেকে ছোঁয়ার ম্যাচ। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে পেলে ৭৭ গোল করেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দেশের জার্সি গায়ে সুনীলের গোল সংখ্যা ছিল ৭৬। ম্যাচের ৮২ মিনিটে নেপালের জালে বল ঢুকিয়ে পেলের পাশে জায়গাআ করে নিলেন সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিলেন ইগর স্টিম্যাক। তা সত্ত্বেও ভারতের খেলায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। প্রথমার্ধে ভারতকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি। বলার মতো একটা মাত্রই সুযোগ পেয়েছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। ৩৪ মিনিটে প্রীতম কোটালের কাছ থেকে নেপাল পেনাল্টি বক্সে বল পেয়ে মাইনাস করেন সুরেশ। সুরেশ যখন মাইনাস করেন, সুনীলের সামনে কেউ ছিলেন না। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন সুনীল। প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোল করার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই ছন্নছাড়া ফুটবল। নেপালের লক্ষ্য ছিল ভারতকে কোনও রকমে আটকে দিয়ে ১ পয়েন্ট নিশ্চিত করা। তাহলেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাবে। তাই রক্ষণের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল। নেপালের রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না সুনীলরা। তার মাঝেই ৫৭ মিনিটে ব্রেন্ডনের কর্ণারে সুবিধাজনক জায়গা থেকে নেপাল গোলকিপারের হাতে হেড করেন মনবীর সিং। ৭৭ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। ব্রেন্ডনের ফ্রিকিক বক্সের মধ্যে হেড করার চেষ্টা করেন সুনীল ছেত্রি। বল তাঁর মাথার পেছন দিকে লেগে যায় শুভাশিস বোসের কাছে। তাঁর হেড আটকে দেন নেপাল গোলকিপার কিরণ কুমার।শেষদিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৮০ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। বেশ কয়েকটা সুযোগ নষ্ট করার পর অবশেষে ৮২ মিনিটে লক্ষ্যভেদ ভারতীয় দলের অধিনায়কের। বাঁদিক থেকে ব্রেন্ডনের সেন্টার ফারুখ চৌধুরি হেডে নামিয়ে দিলে বাঁপায়ের সাইড ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল। একই সঙ্গে ভারতের ফাইনালের স্বপ্নও জেগে রইল। ৩ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট ৫। শেষ ম্যাচ খেলবে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মালদ্বীপের সঙ্গে। জিতলেই ফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত। প্রতিযোগিতায় দেশকে টিকিয়ে রাখতে পেরে খুশি সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, গোলের সামনে আমরা বারবার ব্যর্থ হয়েছি। ফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে পেরে ভাল লাগছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর জুটি ম্যাচে ড্র করে দারুণ চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল ইগর স্টিম্যাকের দল। নেপালকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল। মরণবাঁচন ম্যাচে দেশের মান বাঁচালেন সুনীল ছেত্রি। পাশাপাশি এদিন গোল করে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে স্পর্শ করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ভারতের কাছে যেমন এদিন ছিল মরণবাঁচন ম্যাচ, তেমনই সুনীল ছেত্রির কাছে ছিল পেলেকে ছোঁয়ার ম্যাচ। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে পেলে ৭৭ গোল করেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দেশের জার্সি গায়ে সুনীলের গোল সংখ্যা ছিল ৭৬। ম্যাচের ৮২ মিনিটে নেপালের জালে বল ঢুকিয়ে পেলের পাশে জায়গাআ করে নিলেন সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিলেন ইগর স্টিম্যাক। তা সত্ত্বেও ভারতের খেলায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। প্রথমার্ধে ভারতকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি। বলার মতো একটা মাত্রই সুযোগ পেয়েছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। ৩৪ মিনিটে প্রীতম কোটালের কাছ থেকে নেপাল পেনাল্টি বক্সে বল পেয়ে মাইনাস করেন সুরেশ। সুরেশ যখন মাইনাস করেন, সুনীলের সামনে কেউ ছিলেন না। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন সুনীল। প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোল করার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই ছন্নছাড়া ফুটবল। নেপালের লক্ষ্য ছিল ভারতকে কোনও রকমে আটকে দিয়ে ১ পয়েন্ট নিশ্চিত করা। তাহলেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাবে। তাই রক্ষণের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল। নেপালের রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না সুনীলরা। তার মাঝেই ৫৭ মিনিটে ব্রেন্ডনের কর্ণারে সুবিধাজনক জায়গা থেকে নেপাল গোলকিপারের হাতে হেড করেন মনবীর সিং। ৭৭ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। ব্রেন্ডনের ফ্রিকিক বক্সের মধ্যে হেড করার চেষ্টা করেন সুনীল ছেত্রি। বল তাঁর মাথার পেছন দিকে লেগে যায় শুভাশিস বোসের কাছে। তাঁর হেড আটকে দেন নেপাল গোলকিপার কিরণ কুমার।শেষদিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৮০ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। বেশ কয়েকটা সুযোগ নষ্ট করার পর অবশেষে ৮২ মিনিটে লক্ষ্যভেদ ভারতীয় দলের অধিনায়কের। বাঁদিক থেকে ব্রেন্ডনের সেন্টার ফারুখ চৌধুরি হেডে নামিয়ে দিলে বাঁপায়ের সাইড ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল। একই সঙ্গে ভারতের ফাইনালের স্বপ্নও জেগে রইল। ৩ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট ৫। শেষ ম্যাচ খেলবে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মালদ্বীপের সঙ্গে। জিতলেই ফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত। প্রতিযোগিতায় দেশকে টিকিয়ে রাখতে পেরে খুশি সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, গোলের সামনে আমরা বারবার ব্যর্থ হয়েছি। ফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে পেরে ভাল লাগছে।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : নেপালের বিরুদ্ধে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মরণবাঁচন ম্যাচে নামছেন সুনীলরা

অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে নেমেছে ভারতীয় ফুটবল দল। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে প্রতিযোগিতার অন্য দলগুলির তুলনায় এগিয়ে থাকলেও প্রথম দুটি ম্যাচে সুনীল ছেত্রিদের পারফরমেন্স অনুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে খুঁজতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর ড্র করে অস্তিত্ব সংকটে ভারত। ফাইনালে ওঠার আশা জিইয়ে রাখতে গেলে রবিবার নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই ইগর স্টিম্যাকের দলের সামনে। বলতে গেলে একপ্রকার ডু অর ডাই ম্যাচ।দু ম্যাচে জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে গ্রুপ শীর্ষে রয়েছে নেপাল। গ্রুপ শীর্ষে থাকা দলের বিরুদ্ধে লড়াই যে সহজ হবে না, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। মাস খানেক আগে এই নেপালের বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। একটা ড্র, আর একটা ম্যাচে জিতেছিল ভারত। প্রীতি ম্যাচ আর প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মধ্যে আকাশপাতাল পার্থক্য। ফলে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতের কাছে লড়াইটা যে যথেষ্ট কঠিন হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক অবশ্য মনে করছেন, নেপালের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচে তাঁর দল যে ফুটবল উপহার দিয়েছিল, তা তুলে ধরতে পারলে জেতা সমস্যা হবে না। নেপালকে হারিয়ে ফাইনালের লড়াইয়ে থাকার ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী। মরণবাঁচন ম্যাচে খেলতে নামার আগে স্টিম্যাক বলেন, নেপালের বিরুদ্ধে জিতলে আমরা ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে থাকব। সেপ্টেম্বরে ওদের বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিলাম। একে অপরের সম্পর্কে ধারণা আছে। তবে বিপক্ষের ওপর বেশি ফোকাস করতে চাই না। জিততে গেলে আমাদের নিজেদের খেলায় উন্নতি করতে হবে। আগের দুটি ম্যাচের মতো ভুল করলে চলবে না। গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। সুনীল ছেত্রি আটকে গেলেই গোল পেতে সমস্যা হচ্ছে ভারতের। প্রথম ম্যাচে মনবীর সিং নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। রিস্টন কোলাসোও ব্যর্থ। বাকিরাও পজিটিভ সুযোগ নষ্ট করছেন। এই অবস্থায় সেই অভিজ্ঞ সুনীল ছেত্রির দিকেই তাকিয়ে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। নেপালের বিরুদ্ধে আবার প্রথম একাদশে পরিবর্তন করতে চলেছেন তিনি। মনবীরকে প্রথম একাদশে ফেরাতে পারেন। প্রথম একাদশে ফিরতে পারেন ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ ও প্রীতম কোটাল। প্রথম দুটি ম্যাচে ড্র করে অনেকটাই ভেঙে পড়ছিল গোটা ভারতীয় শিবির। কোচ ইগর স্টিম্যাক দলকে নতুন করে উদ্দীপ্ত করেছেন। অধিনায়ক সুনীল ছেত্রিও দলকে উদ্বুদ্ধ করার দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন। তিনিও তাকিয়ে পেলের রেকর্ড স্পর্শ করার দিকে।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ndia Coach : ভারতীয় কোচের দায়িত্ব আবার এক অস্ট্রেলিয়ানের হাতে?‌

ভারতীয় হেড কোচের দায়িত্ব কি আবার এক অস্ট্রেলিয়ানের হাতে যাবে? তেমন সম্ভাবনাই তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভারতের কোচের পদে ঘোরাফেরা করা টম মুডির নাম আবার ভেসে উঠেছে। গ্রেগ চ্যাপেলের পর আবার এক অস্ট্রেলিয়ানের হাতে ভারতীয় ক্রিকেটারদের দায়িত্ব অর্পিত হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। টি২০ বিশ্বকাপের পরই দায়িত্ব শেষ হচ্ছে হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর। তাঁর পাশাপাশি অন্য কোচিং স্টাফদেরও মেয়াদ শেষ হবে। পুরো কোচিং স্টাফ খোলনলচে বদলে ফেলতে চায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এর মধ্যে কে ভারতীয় দলের কোচ হবেন তা নিয়ে জোর কল্পনা। বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি চেয়েছিলেন অনিল কুম্বলেকে হেড কোচ করতে। কিন্তু বোর্ডের অনেক কর্তারই আপত্তি কুম্বলেকে নিয়ে। কারণ এর আগে তিনি যখন কোচের দায়িত্বে ছিলেন, অধিনায়ক বিরাট কোহলির সঙ্গে সম্পর্ক বেশ খারাপ হয়েছিল কুম্বলের। সেই দলের অনেক ক্রিকেটারই এখন দলে রয়েছেন। তাই কুম্বলেকে আবার কোচ হিসেবে চাইছেন না বাকি বোর্ড কর্তারা। তাছাড়া কুম্বলের বিরুদ্ধে যাচ্ছে আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের ব্যর্থতা। ভারতীয় দলের পাশাপাশি পাঞ্জাব কিংসের কোচ হিসেবেও তেমন কোনও ভাল রেকর্ড নেই কুম্বলের। তিনিও নাকি এখন আর কোচ হতে চাইছেন না। ভিভিএস লক্ষ্মণকেও হেড কোচের পদে বসানোয় সায় নেই অনেক বোর্ড কর্তার। রাহুল দ্রাবিড় এই মুহূর্তে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির দায়িত্ব ছেড়ে বিরাট কোহলিদের দায়িত্ব নিতে রাজি নন। ফলে হেড কোচের জন্য বিদেশিদের দিকেই ঝুঁকছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বীরেন্দ্র শেহবাগ অবশ্য ভারতীয় দলের কোচ হতে আগ্রহী। কিন্তু তাঁর হেড কোচ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। সহকারীর দায়িত্ব পেতে পারেন। মহম্মদ কাইফকে ফিল্ডিং কোচ হিসেবে নিয়োগ করা হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে হে়ড কোচের দৌড়ে ভেসে বেড়াচ্ছে টম মুডির। ২০০৫ সালে যখন গ্রেগ চ্যাপেলকে কোচ করা হ্য তখনও টম মুডির নাম উঠেছিল। ২০১৭ ও ২০১৯ সালে তিনি কোচ হতে আগ্রহী ছিলেন। মুডি এখনও চাইছেন ভারতীয় দলের কোচ হতে। তাঁর কোচিংয়ে ২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কা ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌Ishan Kishan-Virat Kohli : টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ঈশানকে কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিরাট কোহলি?‌

আইপিএলে প্লে অফের জন্য এবছর ঈশান কিষান ও সূর্যকুমার যাদবের ব্যাটের দিকে তাকিয়ে ছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু নিজেদের সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই দুই ব্যাটসম্যানকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। স্বয়ং সুনীল গাভাসকার পর্যন্ত ঈশান কিষান ও সূ্র্যকুমার যাদবের তাগিদ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। গাভাসকারের মনে হয়েছিল, ভারতীয় টি২০ বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেয়ে যাওয়ায় আইপিএলে সেভাবে তাগিদ দেখাচ্ছেন না এই দুই ব্যাটসম্যান। গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে ছবিটা বদলে গেছে। ফর্মে ফিরেছেন ঈশান কিষান ও সূর্যকুমার যাদব। ঈশানকে তো টি২০ বিশ্বকাপে ওপেন করানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়ে ফেলেছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। বেশ কয়েকটা ম্যাচে রান না পেলেও আইপিএলের গ্রুপ লিগের শেষ দুই ম্যাচে পরপর দুটি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন ঈশান কিষান। তার মধ্যে ওপেন করতে নেমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ৩২ বলে ৮৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস সকলের নজর কেড়েছে। ম্যাচের পর ঈশান বলেন, আমি ওপেন করতে ভালবাসি। কিন্তু দলের কম্বিনেশনের জন্য আইপিএলের সব ম্যাচে ওপেন করার সুযোগ পাইনি। শেষ দুই ম্যাচে ওপেন করতে নেমে নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছি। বিরাট ভাই আমাকে বলেছে, টি২০ বিশ্বকাপে আমাকে ওপেনে সুযোগ দিতে পারে। পাশাপাশি আরও বলেছে, বড় পর্যায়ে সব পরিস্থির জন্য তৈরি থাকতে হয়।বিরাট কোহলি প্রতিশ্রুতি দিলেও টি২০ বিশ্বকাপে ঈশান কিষান ওপেন করার কতটা সুযোগ পাবেন, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কারণ নিয়মিত ওপেনার হিসেবে রোহিত শর্মা রয়েছেন। লোকেশ রাহুলও দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। বিরাট কোহলিও অনেক আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, প্রয়োজনে টি২০ বিশ্বকাপে তিনি ওপেন করতে পারেন। ফলে ঈশানের পক্ষে ওপেনিংয়ে সুযোগ পাওয়া কঠিন। এদিকে, টি২০ বিশ্বকাপের আগে ফর্মে ফেরার জন্য খুশি ঈশান কিষান। তিনি বলেন, বিশ্বকাপ শুরুর আগে আমি রানে ফিরেছি। এটা আমার কাছে যেমন ভাল ব্যাপার, তেমনি দলের কাছেও দারুণ খবর।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India T20 WC : ১৩ অক্টোবর ভারতীয় টি২০ বিশ্বকাপের জার্সি উদ্বোধন, থাকছে চমক

টি২০ বিশ্বকাপ দলে পরিবর্তনের শেষদিন ১০ অক্টোবর। তারপরে আর কোনও বদল করা যাবে না। দল নিয়ে পর্যালোচনা করতে শনিবার অর্থাৎ ৯ অক্টোবর বৈঠকে বসছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। এই বৈঠকে জাতীয় নির্বাচকরা ছাড়াও অংশ নেবেন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী, অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও সহ অধিনায়ক রোহিত শর্মা। মেন্টর মহেন্দ্র সিং ধোনিরও মতামত নেওয়া হবে। বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে। চলতি আইপিএলে একেবারেই ছন্দে দেখা যায়নি সূর্যকুমার যাদব, ঈশান কিষাণ, রাহুল চাহারদের। হার্দিক পান্ডিয়া পুরো ফিট নন। বরুণ চক্রবর্তীর হাঁটুর চোট নিয়েও সংশয় রয়েছে। এই অবস্থায় দলে পরিবর্তন করা যায় কিনা কিংবা পরিবর্তন করলে তা যুক্তিযুক্ত হবে কিনা তা নিয়ে নির্বাচক, হেড কোচ ও অধিনায়কের সঙ্গে বৈঠক করবেন বোর্ড কর্তারা। যদিও বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি সম্প্রতি বলেছেন, ফর্মের কারণে কোনও ক্রিকেটারকে বদল করা হবে না। কিন্তু সূত্রের খবর, দলে দুএকটা পরিবর্তন হতে পারে। ঈশান কিষানের জায়গায় শ্রেয়স আয়ারকে দলে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অলরাউন্ডার হিসেবে ভাবা হতে পারে শার্দুল ঠাকুর বা দীপক চাহারকে। রাহুল চাহারের জায়গায় যুজবেন্দ্র চাহালের সামনে খুলে যেতে পারে বিশ্বকাপের দরজা। সবকিছুই নির্ভর করছে কোচ ও অধিনায়কের মতামতের ওপর। ঈশান কিষাণ আগের ম্যাচে ঝোড়ো হাফ সেঞ্চুরি করে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন। আইপিএলে শ্রেয়স আয়ারের দুরন্ত ফর্ম সত্ত্বেও তাঁর বিশ্বকাপের দলে না থাকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। যুজবেন্দ্র চাহালও বিশ্বকাপের দলে নেই। কিন্তু যিনি আছেন সেই রাহুল চাহার সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে নজর কাড়তে ব্যর্থ। বরুণ চক্রবর্তীরও চোট রয়েছে। এদিকে, ১৩ অক্টোবর ভারতীয় দলের টি২০ বিশ্বকাপের জার্সি উন্মোচন হবে। ভারতীয় দলের অফিসিয়াল কিট স্পনসর এমপিএল স্পোর্টসের সঙ্গে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চুক্তি বোর্ডের। তারাই বিশ্বকাপের জন্য জার্সি তৈরি করেছে। এই জার্সিতে চমক থাকছে। ভারত যে এখন নেভি ব্লু রংয়ের রেট্রো জার্সি পরে খেলছে, যাতে নীল, সবুজ, সাদা, লাল স্ট্রাইপ রয়েছে, টি ২০ বিশ্বকাপের জার্সিট তেমন হবে না। ১৮ অক্টোবর নতুন জার্সি পরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ভারত। গত নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে ভারত সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ১৯৯২ সালের জার্সির মতো রেট্রো জার্সি পরছে। ভারতের টি২০ বিশ্বকাপের জার্সি ভারতের ক্রিকেটপ্রেমীরা কিনতে পারবেন। ফ্যান জার্সি, প্লেয়ার এডিশন জার্সি ও বিরাট কোহলির সই করা ১৮ নম্বর জার্সি ফ্যানেরা কিনতে পারবেন। দাম শুরু ১৭৯৯ টাকা থেকে।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Hardik Pandya : টি২০ বিশ্বকাপে হার্দিকের জায়গায় শার্দূল?‌

টি২০ বিশ্বকাপের দল নির্বাচনের সময় হার্দিক পান্ডিয়াকে দলে দেখে অনেকেই ভ্রু কুঁচকেছিলেন। যে ক্রিকেটার পুরো ফিট নন কেন তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছে। নির্বাচকদের যুক্তি ছিল, বিশ্বকাপের আগেই পুরো ফিট হয়ে যাবেন হার্দিক। কিন্তু আইপিএল চলাকালীনই ভারতীয় দলের এই অলরাউন্ডারকে নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেছে। ফিটনেস সমস্যার জন্য টি২০ বিশ্বকাপ দল থেকে ছিটকে যেতে পারেন হার্দিক। তাঁর পরিবর্তে শার্দূল ঠাকুর দলে ঢুকতে পারেন। রবিবারের মধ্যেই বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে যাবে। মাসখানেক আগে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে একদিনের ও টি২০ সিরিজে দলে ছিলেন হার্দিক। কিন্তু শ্রীলঙ্কা সিরিজে তাঁকে সেভাবে বোলিং করতে দেখা যায়নি। ভারতীয় দলের নির্বাচকরা আশা করেছিলেন, আইপিএলে বল হাতে দেখা যাবে হার্দিককে। কিন্তু মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে ব্যাট হাতে নামলেও একটা ম্যাচেও বল করেননি এই অলরাউন্ডার। তাঁকে নিয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকেও সমস্যায় পড়তে হয়েছে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স কোচ মাহেলা জয়বর্ধনেও জানিয়েছিলেন হার্দিক পন্ডিয়ার ফিটনেস নিয়ে সমস্যা রয়েছে। ওয়ার্কলোডের কথা ভেবেই তাঁকে দিয়ে বোলিং করানো হচ্ছে না। এমনকি আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দুটি ম্যাচে প্রথম একাদশেও সুযোগ পাননি এই অলরাউন্ডার। তার পর থেকেই হার্দিকের ফিটনেস নিয়ে জোরালো প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। টি২০ বিশ্বকাপে পুরো কোটা বল করতে পারবেন ধরে নিয়েই হার্দিককে দলে রেখেছিলেন নির্বাচকরা। কিন্তু এখন অন্য পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। আধা ফিট ক্রিকেটারকে দলের সঙ্গে রাখতে নারাজ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তাঁর বিকল্প হিসেবে শার্দূল ঠাকুরকে টি২০ বিশ্বকাপে পাঠানোর চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। যদি কোনও দল ক্রিকেটার পরিবর্তন করতে চায়, তাহলে ১০ অক্টোবরের মধ্যে আইসিসিকে জানাতে হবে। স্ট্যান্ডবাই হিসেবে ভারতীয় টি২০ বিশ্বকাপ দলে রয়েছেন শার্দূল ঠাকুর, দীপক চাহার ও শ্রেয়স আয়ার। এই তিন জনের মধ্যে শার্দূলকে হার্দিকের পরিবর্ত হিসেবে নেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। যদিও সবকিছু নির্ভর করছে নির্বাচকদের ওপর। শুক্রবার আইপিএলের গ্রুপ লিগে সানরাইজার্স হায়দরবাদের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। এই ম্যাচে হার্দিকের ফিটনেসের ওপর নজর রাখবেন নির্বাচকরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, হার্দিক বোলিং করতে না পারলে তাঁর জায়গায় পুরো ফিট ক্রিকেটারকে নেওয়া উচিত। ব্যাটিংয়ের দিক দিয়ে শার্দূল ঠাকুর এগিয়ে থাকায় তাঁর সম্ভাবনা বেশি।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • ...
  • 41
  • 42
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মিরিক যাওয়ার পথে ফের বিপদ! বালাসনের জলে ভেসে গেল অস্থায়ী সেতু

রাতভর টানা বৃষ্টিতে ফের বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। বালাসন নদীর জলস্তর বাড়তেই কয়েক মাসের ব্যবধানে আবার ভেসে গেল দুধিয়ার অস্থায়ী হিউমপাইপের সেতু। এর ফলে সড়কপথে মিরিকের সঙ্গে যোগাযোগ আংশিক ভাবে ব্যাহত হয়েছে। আপাতত বেইলি সেতু দিয়ে ছোট গাড়ি চলাচল করলেও বড় গাড়ি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। তার উপর নতুন করে ধস নামার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দা থেকে পর্যটকেরা।গত জুলাইয়েও টানা বৃষ্টিতে বালাসন নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছিল। সেই সময় মহানন্দার ফুলবাড়ি ব্যারেজের গেট খুলে দেওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। শেষ পর্যন্ত জলের তোড়ে ভেসে যায় দুধিয়ার অস্থায়ী সেতু। শিলিগুড়ি থেকে মিরিকের সড়ক যোগাযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।এর পর যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় সেতু মেরামতির কাজ। দ্রুত যোগাযোগ স্বাভাবিক করতে সেনার তরফে তৈরি করা হয় বেইলি সেতুও। কিন্তু দেড় মাস যেতে না যেতেই ফের একই পরিস্থিতি তৈরি হল।বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকায় মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। সময়ের সঙ্গে বাড়তে থাকে বালাসন নদীর জলস্তর। এক সময় নদীর প্রবল স্রোতে ফের ভেসে যায় দুধিয়ার অস্থায়ী হিউমপাইপের সেতু। ফলে মিরিকের পথে নতুন করে তৈরি হয়েছে যোগাযোগের সমস্যা।আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং বাংলাদেশ সংলগ্ন এলাকায় তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি সরে গিয়ে এখন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর অবস্থান করছে। নিম্নচাপটি কিছুটা দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঝুঁকে রয়েছে। পাশাপাশি হরিয়ানা থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের ওই নিম্নচাপ পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। সেই অক্ষরেখা ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে গিয়েছে। এর প্রভাবেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে।শুক্রবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি রয়েছে। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলির দু-এক জায়গাতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।শনিবারও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কালিম্পং এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও থাকছে। দুধিয়ার সেতু ভেসে যাওয়ার পর নতুন করে সেই আশঙ্কা স্থানীয়দের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। তবে আগামী কয়েক দিনে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গাতেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কমার সম্ভাবনা রয়েছে বলে পূর্বাভাস।দুধিয়ার সেতু ফের ভেসে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি মিরিকমুখী পর্যটকদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আপাতত ছোট গাড়ি বেইলি সেতু দিয়ে চলাচল করলেও বড় গাড়ি বন্ধ থাকায় যাতায়াতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। বৃষ্টি এবং নদীর জলস্তর আরও বাড়লে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা! বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে চাঞ্চল্য

বাগেশ্বর ধামের প্রধান ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী, যিনি বাগেশ্বর বাবা নামে পরিচিত, তাঁর ছবি পোড়ানোর অভিযোগে দক্ষিণ কলকাতা জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অতনু দাসকে গ্রেফতার করল পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে টালিগঞ্জের বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয় বলে কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়েছে। ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই বিধানসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুরে ছবি পোড়ানোর ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে দাবি।বিধানসভায় বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভবানীপুরে থানার সামনে কয়েক জনকে ছবি পোড়াতে দেখা গিয়েছে। তাঁদের গ্রেফতার করার জন্য তিনি কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেন বলেও জানান। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য ছিল, এ রাজ্যে এই ধরনের ঘটনা চলতে পারে না। তাঁর সেই মন্তব্যের পরেই রাতে অতনু দাসকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানা গিয়েছে।অতনু দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর ঘটনায় তিনি জড়িত ছিলেন। তাঁকে গ্রেফতার করে ভবানীপুর থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এই গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে রাতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়ায়।অন্য দিকে, কংগ্রেস নেতা প্রদীপ প্রসাদ এই গ্রেফতারির তীব্র প্রতিবাদ করেছেন। তাঁর দাবি, বাগেশ্বর বাবা বাংলার মানুষকে পাখণ্ডী বলে অপমান করেছেন। তাঁর বক্তব্য, বাংলার মানুষের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরই এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা উচিত ছিল। কিন্তু প্রতিবাদ করার কারণে কংগ্রেস নেতাদের বিরুদ্ধেই মামলা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।প্রদীপ প্রসাদ আরও দাবি করেন, এর আগেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের কুশপুতুল পোড়ানো হয়েছে। কিন্তু সেই ঘটনাগুলিতে মামলা বা গ্রেফতারির মতো পদক্ষেপ হয়নি। তাঁর বক্তব্য, একসময় জ্যোতি বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, অটল বিহারী বাজপেয়ী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুশপুতুল পোড়ানো হলেও তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হয়নি।কংগ্রেস নেতার আরও দাবি, এখানে কুশপুতুল নয়, একটি ছবি পোড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। তাই এই ঘটনায় এত দ্রুত গ্রেফতারি কেন হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর কথায়, বাঙালির অসম্মানের প্রতিবাদ করতে গিয়ে যদি গ্রেফতার হতে হয়, তাতেও তাঁরা পিছিয়ে যাবেন না।ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসকদল এবং কংগ্রেসের মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এক দিকে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতারি, অন্য দিকে কংগ্রেসের পাল্টা অভিযোগসব মিলিয়ে বাগেশ্বর বাবাকে ঘিরে বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল। তবে ছবি পোড়ানোর ঘটনায় অতনু দাসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এখনও চলছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
রাজ্য

আজ ব্যাঙ্ক ধর্মঘট, কাল দ্বিতীয় শনিবার, পরশু রবিবার! পুজোর আগে টানা তিন দিন কী হবে গ্রাহকদের?

সপ্তাহে পাঁচ দিনের কর্মদিবসের দাবিতে শুক্রবার দেশজুড়ে ব্যাঙ্ক ধর্মঘট শুরু হয়েছে। তার পরেই দ্বিতীয় শনিবার এবং রবিবারের ছুটি। ফলে পুজোর মুখে টানা তিন দিন ব্যাঙ্ক পরিষেবা বন্ধ থাকায় চরম সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। বহু জায়গায় এটিএম পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে। যে কয়েকটি এটিএম চালু রয়েছে, সেখানে সকাল থেকেই দীর্ঘ লাইন দেখা গিয়েছে।শুক্রবার সকাল থেকেই একাধিক জেলায় ব্যাঙ্কের সামনে গ্রাহকদের বিক্ষোভ দেখা যায়। আসানসোলেও পাঁচ দিনের কর্মদিবসের দাবিতে বিক্ষোভে শামিল হন স্টেট ব্যাঙ্কের কর্মীরা। সব মিলিয়ে ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গায় উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।কেন এই ধর্মঘট? ব্যাঙ্ক অফিসারদের সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক শুভজ্যোতি চট্টোপাধ্যায় জানান, ২০২৪ সালের বেতন সংশোধনের সময় সপ্তাহে পাঁচ দিনের কর্মদিবস চালু করার বিষয়ে লিখিত চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু প্রায় আড়াই বছর কেটে গেলেও সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি।সংগঠনের অভিযোগ, বার বার আইনি জটিলতার কথা বলে সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পরেও কোনও সমাধান না হওয়ায় এবার ধর্মঘটের পথে যেতে বাধ্য হয়েছেন ব্যাঙ্ক অফিসাররা বলে দাবি সংগঠনের।ব্যাঙ্ক অফিসারদের সংগঠনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, শুক্রবারের ধর্মঘটের পরও যদি দাবি পূরণ না হয়, তা হলে আন্দোলন আরও তীব্র করা হবে। আগামী ২৮, ২৯ এবং ৩০ সেপ্টেম্বর টানা তিন দিনের ধর্মঘটের কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সেই কর্মসূচির পরেও দাবি না মানা হলে ২৬ অক্টোবর থেকে লাগাতার ধর্মঘটে যাওয়ার কথাও জানিয়েছে সংগঠনটি।এই ধর্মঘটের প্রভাব শুধু রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে সীমাবদ্ধ নয়। সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে একাধিক বেসরকারি ব্যাঙ্কের অফিসারও রয়েছেন। ফলে বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাঙ্কের পরিষেবাতেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে জানা গিয়েছে।পুজোর আগে ব্যাঙ্ক পরিষেবা টানা তিন দিন বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। টাকা তোলা, জমা দেওয়া, চেক সংক্রান্ত কাজ এবং অন্যান্য ব্যাঙ্কিং পরিষেবার জন্য যাঁদের ব্যাঙ্কের উপর নির্ভর করতে হয়, তাঁদের অনেককেই শুক্রবার সকাল থেকে সমস্যায় পড়তে হয়েছে।এদিকে এটিএম পরিষেবা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেক জায়গায় এটিএম বন্ধ থাকায় চালু থাকা এটিএমগুলির সামনে লম্বা লাইন দেখা গিয়েছে। ফলে ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের সঙ্গে শনি ও রবিবারের ছুটি যুক্ত হয়ে গ্রাহকদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।পাঁচ দিনের কর্মদিবসের দাবি নিয়ে ব্যাঙ্ক অফিসারদের এই আন্দোলন আগামী দিনে কোন দিকে যায়, তা এখন দেখার। দাবি পূরণ না হলে সেপ্টেম্বরের তিন দিনের ধর্মঘট এবং অক্টোবর থেকে লাগাতার কর্মসূচির হুঁশিয়ারি কতটা বাস্তবায়িত হয়, সেদিকেও নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
কলকাতা

রাজাবাজার থেকে বেলেঘাটা, ৫০ বেআইনি বহুতল! কালো টাকার অভিযোগে এবার সিবিআই তদন্ত

কলকাতায় বেআইনি বহুতল নির্মাণের আড়ালে কোটি কোটি টাকার কালো টাকা সাদা করার অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগের তদন্তে এবার সরাসরি সিবিআইকে দায়িত্ব দিল কলকাতা হাই কোর্ট। আগামী ১৪ অক্টোবরের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে।রাজাবাজার, মানিকতলা, বেলেঘাটা থেকে ক্যানাল স্ট্রিটকলকাতার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৫০টি বেআইনি বহুতল নির্মাণের বিষয় আদালতের নজরে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এই নির্মাণগুলিকে ঘিরেই এ দিন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে একের পর এক গুরুতর প্রশ্ন ওঠে।আদালতের পর্যবেক্ষণ, বেআইনি নির্মাণের সঙ্গে বিপুল অঙ্কের কালো টাকার লেনদেনের যোগ থাকতে পারে। রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।শুধু তাই নয়, কলকাতা পুরসভা এই বেআইনি নির্মাণ সম্পর্কে কিছু জানত কি না, জানলেও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, সেই প্রশ্নও তুলেছে আদালত। পুরসভার কোনও আধিকারিকের প্রত্যক্ষ যোগসাজশ ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে হাই কোর্ট।আদালতে এ দিন সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়, মামলাকারী সরাসরি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু আগের রাজ্য সরকারের তরফে তদন্তের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে সিবিআই আদালতে জানায়। সেই কারণে তখন কোনও পদক্ষেপ করা সম্ভব হয়নি বলেও জানানো হয়।তবে বেআইনি নির্মাণের সঙ্গে বিপুল অঙ্কের কালো টাকার লেনদেন এবং একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেছে হাই কোর্ট। তাই বিষয়টি আর ফেলে রাখা যায় না বলেই আদালতের পর্যবেক্ষণ।এই পরিস্থিতিতে আদালতের নির্দেশে সিবিআই সরাসরি তদন্ত করতে পারবে বলে স্পষ্ট করেছে কলকাতা হাই কোর্ট। তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে প্রয়োজনীয় আইনি ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।এখন কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় চিহ্নিত বেআইনি বহুতলগুলির নেপথ্যে কারা রয়েছেন, নির্মাণের জন্য কী ভাবে অনুমোদন মিলেছিল, আর্থিক লেনদেনের কোনও অনিয়ম হয়েছিল কি না এবং পুরসভার কোনও আধিকারিকের ভূমিকা ছিল কি না, সেই সব বিষয় খতিয়ে দেখবে সিবিআই।আগামী ১৪ অক্টোবরের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে। ফলে সিবিআইয়ের তদন্তে বেআইনি নির্মাণ ও আর্থিক লেনদেন নিয়ে কী তথ্য উঠে আসে, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
বিদেশ

দিল্লিতে পুতিন, মোদির সঙ্গে আজই বৈঠক! ব্রিকসের মঞ্চে কী বার্তা দেবে ভারত-রাশিয়া-চিন?

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার তিন দিনের ভারত সফরে এলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লদিমির পুতিন। শুক্রবার ভোর প্রায় ৪টে নাগাদ দিল্লির পালাম বায়ুসেনা ঘাঁটিতে তাঁর বিমান অবতরণ করে। সেখানে রুশ প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানান বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং।দিল্লির ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে অষ্টাদশ ব্রিকস সম্মেলন। তার আগে শুক্রবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন পুতিন। এই বৈঠকে প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, জ্বানি, প্রযুক্তি-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ভারত ও রাশিয়ার সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।মোদি ও পুতিনের সর্বশেষ সাক্ষাৎ হয়েছিল গত সপ্তাহে বিশকেকে অনুষ্ঠিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্মেলনে। সেই বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও উঠেছিল। মোদি রুশ প্রেসিডেন্টকে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ থেকে সরে এসে শান্তির পথে এগোনোর আহ্বান জানিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের প্রভাব শুধু ইউরোপে সীমাবদ্ধ নেই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং জ্বালানি বাজারেও তার প্রভাব পড়েছে। এর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ঘিরেও তৈরি হয়েছে নতুন উদ্বেগ। এমন পরিস্থিতিতে মোদি-পুতিন বৈঠক থেকে কী বার্তা আসে, সেদিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল।শুধু পুতিন নন, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন। ফলে একই মঞ্চে ভারত, রাশিয়া ও চিনের তিন শীর্ষ নেতার উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা। বিশ্ব রাজনীতিতে এই তিন দেশের সম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।বিশেষ করে আমেরিকার বাণিজ্যনীতি, একতরফা শুল্ক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংঘাতের আবহে ভারত, চিন ও রাশিয়ার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লির ব্রিকস সম্মেলন থেকে আমেরিকার উদ্দেশে কোনও বার্তা যায় কি না, সেদিকেও নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।পুতিন ও জিনপিং ছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান-সহ একাধিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে ইরানের প্রেসিডেন্টের ভারত সফরকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।সব মিলিয়ে দিল্লির ব্রিকস সম্মেলন ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। যুদ্ধ, বাণিজ্য, শুল্ক, জ্বালানি এবং বিশ্ব অর্থনীতির মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যখন আলোচনার কেন্দ্রে, তখন ব্রিকসের মঞ্চ থেকে কোনও বড় বার্তা আসে কি না, সেটাই এখন দেখার। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, বিশ্বজুড়ে চলা একের পর এক সংকট থেকে বেরিয়ে আসার কোনও নতুন পথ কি দেখাতে পারবে ব্রিকস?

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
কলকাতা

যাদবপুরের নিয়োগে ‘বড় গরমিল’! সিবিআই তদন্ত চেয়ে উপাচার্যকে চিঠি সঙ্ঘঘনিষ্ঠ অধ্যাপক সংগঠনের

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল। নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে এবার সিআইডি, সিবিআই অথবা কোনও নিরপেক্ষ তদন্তকারী সংস্থার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানাল সঙ্ঘঘনিষ্ঠ অধ্যাপক সংগঠন অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘ। বৃহস্পতিবার এই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে।সংগঠনের অভিযোগ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের সময় প্রার্থীদের যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা ঠিক ভাবে যাচাই করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখার জন্যই তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।চিঠিতে ডেপুটি রেজিস্ট্রার-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি ফেটের সচিব পদে ভোটের বিধিনিষেধ চলাকালীন কী ভাবে সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংগঠনটি।অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘের অভিযোগ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক নিয়োগের ক্ষেত্রে পক্ষপাত, স্বজনপোষণ, প্রভাব খাটানো এবং আর্থিক অনিয়মের মতো অভিযোগ রয়েছে। সংগঠনের দাবি, এই সমস্ত অভিযোগকেই তদন্তের আওতায় আনা হোক। তবে অভিযোগগুলি এখনও প্রমাণিত নয়।সংগঠনের তরফে আরও দাবি করা হয়েছে, এর আগে গত ১৫ মে এবং ১২ জুনও একই বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়ে উপাচার্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার ফের সেই দাবি জানানো হল।বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, যেদিন বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ প্রশাসন এবং নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী বিল, ২০২৬ পেশ হয়েছে, সেদিনই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ নিয়ে নতুন করে তদন্তের দাবি সামনে এল। সংগঠনের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক নিয়োগের বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।এরই মধ্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি নিয়েও বৃহস্পতিবার প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সংগঠনের সদস্যদের অতীত এবং বর্তমান ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি জানান, তাঁদের সমস্ত ইতিহাস বের করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই যাদবপুরের নিয়োগ নিয়ে তদন্তের দাবিতে উপাচার্যের কাছে চিঠি যাওয়ায় রাজনৈতিক ও শিক্ষামহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।এখন উপাচার্য এই চিঠির পর কী পদক্ষেপ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখতে কোনও তদন্ত হয় কি না এবং হলে কোন সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, সেদিকেই নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
শিক্ষা

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-কর্মী বদলির বিল বিধানসভায় পাশ, শিক্ষাক্ষেত্রে স্বায়ত্তশাসন নিয়ে তীব্র বিতর্ক

নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে শক্তিশালী করার যুক্তি সরকারের, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন খর্ব হবেআপত্তি শিক্ষকমহলের।কলকাতা: রাজ্যের এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের বদলির পথ খুলে গেল। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় ধ্বনিভোটে পাশ হল দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড কলেজেস (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬। যদিও সরকারের এই উদ্যোগকে ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শিক্ষকমহল ও বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের অভিযোগ, এই আইনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বশাসন এবং শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।বিশেষ অধিবেশনে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বিলটি পেশ করেন। গত ৮ সেপ্টেম্বর রাজ্য মন্ত্রিসভা এই সংশোধনীতে অনুমোদন দিয়েছিল। সংশোধিত আইনে ২০১৭ সালের আইনের ১৪এ ধারায় নতুন বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। সেই বিধান অনুযায়ী, প্রয়োজন অনুযায়ী রাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের বদলি করতে পারবে সরকার।নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে শক্তিশালী করতেই বদলি, দাবি সরকারেরসরকারের যুক্তি, রাজ্যের নতুন তৈরি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অভিজ্ঞ শিক্ষক ও কর্মীদের পাঠানো হলে সেখানকার পরিকাঠামো ও শিক্ষার মান উন্নত হবে। ঝাড়গ্রাম বা কোচবিহারের মতো জায়গায় গড়ে ওঠা নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে সেন্টার অফ এক্সেলেন্স-এ পরিণত করার ক্ষেত্রেও অভিজ্ঞ অধ্যাপকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে সরকার।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এদিন বিধানসভায় বিলটির পক্ষে সওয়াল করে বলেন, এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন এবং সরকারের প্রতি প্রতিষ্ঠানের দায়বদ্ধতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে। তাঁর দাবি, এর ফলে পিএইচডি-র তত্ত্বাবধান বা গবেষণা প্রকল্পে কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অভিজ্ঞ অধ্যাপকদের পাঠানো হলে তাঁরা পরিকাঠামো তৈরি, ক্লাস পরিচালনা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারবেন। তাঁর কথায়, নতুন প্রতিষ্ঠানগুলিতে অভিজ্ঞ মানবসম্পদ পৌঁছনোর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে মানবসম্পদের আদানপ্রদানও হবে।সরকারি নিয়ন্ত্রণ বাড়বে, সরব শিক্ষকমহলতবে সরকারের এই যুক্তি মানতে নারাজ শিক্ষকমহলের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সাংবিধানিক বা আইনগত স্বশাসিত সংস্থা রয়েছে। সেখানে রাজ্য সরকারের সরাসরি বদলির ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনকে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে।বালিগঞ্জ সায়েন্স কলেজের মাইক্রোবায়োলজির শিক্ষক সাগরময় ঘোষের মতে, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে শক্তিশালী করার জন্য সরাসরি বদলির পথে না গিয়ে অভিজ্ঞ অধ্যাপকদের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মেন্টরিং করানো যেত।তাঁর বক্তব্য, বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে সম্পদ ও দক্ষতার ভাগাভাগির মতো মডেল জাতীয় শিক্ষানীতিতেও রয়েছে। কিন্তু জোর করে অধ্যাপকদের বদলি করলে দীর্ঘদিনের পরিশ্রমে গড়ে ওঠা কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব একাডেমিক কাঠামো ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুর্বল হতে পারে।এক অধ্যাপকও প্রশ্ন তুলেছেন, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল বা সিন্ডিকেট শিক্ষক নিয়োগ করে, সেই শিক্ষকদের পরে রাজ্য সরকার অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলি করার ক্ষমতা পাবে কেন?গবেষণা নিয়েও আশঙ্কাবিলটি ঘিরে গবেষণার ক্ষেত্রেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মানস ঘোষ। তাঁর দাবি, একটি বিভাগে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা থাকলেই আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা সম্ভব। হঠাৎ করে শিক্ষক বদলি শুরু হলে গবেষণার ধারাবাহিকতা নষ্ট হতে পারে।তাঁর মতে, বিভিন্ন গবেষণা ও অর্থদাতা সংস্থা কোনও অধ্যাপকের নেতৃত্ব এবং দীর্ঘমেয়াদি গবেষণার পরিকল্পনার ভিত্তিতে অর্থ বরাদ্দ করে। ঘন ঘন বা ইচ্ছেমতো বদলি শুরু হলে সেই অর্থসাহায্যও প্রভাবিত হতে পারে।প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অর্ণব হালদারও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বিষয়ে আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনিয়োগ করুক সরকারকলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সমস্যার মূল কারণ যদি পরিকাঠামোগত দুর্বলতা হয়, তাহলে তার সমাধান হিসেবে অভিজ্ঞ অধ্যাপকদের বদলি না করে সরকারকে পরিকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে হবে।তাঁর মতে, সাধারণত অভিজ্ঞ অধ্যাপকেরা উন্নত গবেষণার সুযোগ, ল্যাবরেটরি, পরিকাঠামো এবং একাডেমিক পরিবেশের দিকেই বেশি গুরুত্ব দেন। ফলে শুধু শিক্ষক বদলি করে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন থাকছে।বদলি নিয়ে নতুন বিতর্কএকদিকে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে শক্তিশালী করতে অভিজ্ঞ শিক্ষক-মানবসম্পদ কাজে লাগানোর যুক্তি দিচ্ছে সরকার, অন্যদিকে শিক্ষক সংগঠন ও শিক্ষাবিদদের একাংশের আশঙ্কাএই ক্ষমতা ভবিষ্যতে নির্বাচিতভাবে কোনও শিক্ষককে বদলি বা চাপের মুখে ফেলার হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।ফলে বিধানসভায় বিল পাশ হলেও রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন বনাম সরকারের প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ নিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।Source: Telegraph India

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
কলকাতা

'জনতার দরবারে' অভিযোগের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন! তোলাবাজির মামলায় গ্রেফতার প্রাক্তন উপপুরপ্রধান-সহ ৩

জনতার দরবারে প্রোমোটারের অভিযোগের পরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। তোলাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগে দমদমের প্রাক্তন উপপুরপ্রধান বরুণ নট্টকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি তাঁর দুই ঘনিষ্ঠকেও পাকড়াও করা হয়েছে।দমদমে তোলাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য। পুলিশের জালে দমদম পুরসভার প্রাক্তন উপপুরপ্রধান তথা তৃণমূল নেতা বরুণ নট্ট। তাঁর সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে নয়নাশিস দাস ওরফে জনি এবং সুমন্ত ঘোষ ওরফে লাল্টুকে। ধৃত নয়নাশিস দমদম পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর পর্ণা দাসের ছেলে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার দমদম থানায় প্রোমোটার সুজয় মজুমদার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তোলাবাজি ও প্রতারণার কথা উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্তে নামে পুলিশ। এরপর রাতেই বরুণ নট্ট, নয়নাশিস এবং সুমন্তকে তাঁদের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।ধৃতদের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, প্রতারণা-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। শুক্রবার তিন জনকেই ব্যারাকপুর আদালতে হাজির করানোর কথা রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাঁদের ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে পুলিশ।তদন্তকারীদের মূল নজর এখন কয়েকটি প্রশ্নেঅভিযোগে যে তোলাবাজির কথা বলা হয়েছে, তার সঙ্গে বরুণ নট্ট এবং তাঁর দুই ঘনিষ্ঠের সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছেন কি না এবং প্রতারণার মাধ্যমে কোনও আর্থিক লেনদেন হয়ে থাকলে সেই টাকা কীভাবে ও কার মাধ্যমে আদানপ্রদান হয়েছে।ঘটনার রাজনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে। কারণ, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে হাজির হয়ে তোলাবাজির অভিযোগ তুলেছিলেন প্রোমোটার সুজয় মজুমদার। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানানোর মাত্র দুদিনের মধ্যেই প্রাক্তন উপপুরপ্রধান-সহ তিন জনের গ্রেফতারিকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।তবে অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোটা ঘটনার নেপথ্যে কারা রয়েছেন, অভিযুক্তদের ভূমিকা ঠিক কতটা এবং আর্থিক লেনদেনের কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি নাসবকিছুই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।শুক্রবার আদালতে ধৃতদের পেশ করার পর পুলিশি হেফাজত পাওয়া যায় কি না এবং তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal