• ২১ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India,

খেলার দুনিয়া

India T20 WC : ১৩ অক্টোবর ভারতীয় টি২০ বিশ্বকাপের জার্সি উদ্বোধন, থাকছে চমক

টি২০ বিশ্বকাপ দলে পরিবর্তনের শেষদিন ১০ অক্টোবর। তারপরে আর কোনও বদল করা যাবে না। দল নিয়ে পর্যালোচনা করতে শনিবার অর্থাৎ ৯ অক্টোবর বৈঠকে বসছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। এই বৈঠকে জাতীয় নির্বাচকরা ছাড়াও অংশ নেবেন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী, অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও সহ অধিনায়ক রোহিত শর্মা। মেন্টর মহেন্দ্র সিং ধোনিরও মতামত নেওয়া হবে। বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে। চলতি আইপিএলে একেবারেই ছন্দে দেখা যায়নি সূর্যকুমার যাদব, ঈশান কিষাণ, রাহুল চাহারদের। হার্দিক পান্ডিয়া পুরো ফিট নন। বরুণ চক্রবর্তীর হাঁটুর চোট নিয়েও সংশয় রয়েছে। এই অবস্থায় দলে পরিবর্তন করা যায় কিনা কিংবা পরিবর্তন করলে তা যুক্তিযুক্ত হবে কিনা তা নিয়ে নির্বাচক, হেড কোচ ও অধিনায়কের সঙ্গে বৈঠক করবেন বোর্ড কর্তারা। যদিও বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি সম্প্রতি বলেছেন, ফর্মের কারণে কোনও ক্রিকেটারকে বদল করা হবে না। কিন্তু সূত্রের খবর, দলে দুএকটা পরিবর্তন হতে পারে। ঈশান কিষানের জায়গায় শ্রেয়স আয়ারকে দলে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অলরাউন্ডার হিসেবে ভাবা হতে পারে শার্দুল ঠাকুর বা দীপক চাহারকে। রাহুল চাহারের জায়গায় যুজবেন্দ্র চাহালের সামনে খুলে যেতে পারে বিশ্বকাপের দরজা। সবকিছুই নির্ভর করছে কোচ ও অধিনায়কের মতামতের ওপর। ঈশান কিষাণ আগের ম্যাচে ঝোড়ো হাফ সেঞ্চুরি করে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন। আইপিএলে শ্রেয়স আয়ারের দুরন্ত ফর্ম সত্ত্বেও তাঁর বিশ্বকাপের দলে না থাকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। যুজবেন্দ্র চাহালও বিশ্বকাপের দলে নেই। কিন্তু যিনি আছেন সেই রাহুল চাহার সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে নজর কাড়তে ব্যর্থ। বরুণ চক্রবর্তীরও চোট রয়েছে। এদিকে, ১৩ অক্টোবর ভারতীয় দলের টি২০ বিশ্বকাপের জার্সি উন্মোচন হবে। ভারতীয় দলের অফিসিয়াল কিট স্পনসর এমপিএল স্পোর্টসের সঙ্গে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চুক্তি বোর্ডের। তারাই বিশ্বকাপের জন্য জার্সি তৈরি করেছে। এই জার্সিতে চমক থাকছে। ভারত যে এখন নেভি ব্লু রংয়ের রেট্রো জার্সি পরে খেলছে, যাতে নীল, সবুজ, সাদা, লাল স্ট্রাইপ রয়েছে, টি ২০ বিশ্বকাপের জার্সিট তেমন হবে না। ১৮ অক্টোবর নতুন জার্সি পরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ভারত। গত নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে ভারত সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ১৯৯২ সালের জার্সির মতো রেট্রো জার্সি পরছে। ভারতের টি২০ বিশ্বকাপের জার্সি ভারতের ক্রিকেটপ্রেমীরা কিনতে পারবেন। ফ্যান জার্সি, প্লেয়ার এডিশন জার্সি ও বিরাট কোহলির সই করা ১৮ নম্বর জার্সি ফ্যানেরা কিনতে পারবেন। দাম শুরু ১৭৯৯ টাকা থেকে।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Hardik Pandya : টি২০ বিশ্বকাপে হার্দিকের জায়গায় শার্দূল?‌

টি২০ বিশ্বকাপের দল নির্বাচনের সময় হার্দিক পান্ডিয়াকে দলে দেখে অনেকেই ভ্রু কুঁচকেছিলেন। যে ক্রিকেটার পুরো ফিট নন কেন তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছে। নির্বাচকদের যুক্তি ছিল, বিশ্বকাপের আগেই পুরো ফিট হয়ে যাবেন হার্দিক। কিন্তু আইপিএল চলাকালীনই ভারতীয় দলের এই অলরাউন্ডারকে নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেছে। ফিটনেস সমস্যার জন্য টি২০ বিশ্বকাপ দল থেকে ছিটকে যেতে পারেন হার্দিক। তাঁর পরিবর্তে শার্দূল ঠাকুর দলে ঢুকতে পারেন। রবিবারের মধ্যেই বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে যাবে। মাসখানেক আগে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে একদিনের ও টি২০ সিরিজে দলে ছিলেন হার্দিক। কিন্তু শ্রীলঙ্কা সিরিজে তাঁকে সেভাবে বোলিং করতে দেখা যায়নি। ভারতীয় দলের নির্বাচকরা আশা করেছিলেন, আইপিএলে বল হাতে দেখা যাবে হার্দিককে। কিন্তু মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে ব্যাট হাতে নামলেও একটা ম্যাচেও বল করেননি এই অলরাউন্ডার। তাঁকে নিয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকেও সমস্যায় পড়তে হয়েছে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স কোচ মাহেলা জয়বর্ধনেও জানিয়েছিলেন হার্দিক পন্ডিয়ার ফিটনেস নিয়ে সমস্যা রয়েছে। ওয়ার্কলোডের কথা ভেবেই তাঁকে দিয়ে বোলিং করানো হচ্ছে না। এমনকি আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দুটি ম্যাচে প্রথম একাদশেও সুযোগ পাননি এই অলরাউন্ডার। তার পর থেকেই হার্দিকের ফিটনেস নিয়ে জোরালো প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। টি২০ বিশ্বকাপে পুরো কোটা বল করতে পারবেন ধরে নিয়েই হার্দিককে দলে রেখেছিলেন নির্বাচকরা। কিন্তু এখন অন্য পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। আধা ফিট ক্রিকেটারকে দলের সঙ্গে রাখতে নারাজ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তাঁর বিকল্প হিসেবে শার্দূল ঠাকুরকে টি২০ বিশ্বকাপে পাঠানোর চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। যদি কোনও দল ক্রিকেটার পরিবর্তন করতে চায়, তাহলে ১০ অক্টোবরের মধ্যে আইসিসিকে জানাতে হবে। স্ট্যান্ডবাই হিসেবে ভারতীয় টি২০ বিশ্বকাপ দলে রয়েছেন শার্দূল ঠাকুর, দীপক চাহার ও শ্রেয়স আয়ার। এই তিন জনের মধ্যে শার্দূলকে হার্দিকের পরিবর্ত হিসেবে নেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। যদিও সবকিছু নির্ভর করছে নির্বাচকদের ওপর। শুক্রবার আইপিএলের গ্রুপ লিগে সানরাইজার্স হায়দরবাদের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। এই ম্যাচে হার্দিকের ফিটনেসের ওপর নজর রাখবেন নির্বাচকরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, হার্দিক বোলিং করতে না পারলে তাঁর জায়গায় পুরো ফিট ক্রিকেটারকে নেওয়া উচিত। ব্যাটিংয়ের দিক দিয়ে শার্দূল ঠাকুর এগিয়ে থাকায় তাঁর সম্ভাবনা বেশি।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

S‌AAF Championship : শ্রীলঙ্কার কাছে আটকে গিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সঙ্কটে ভারত

বাংলাদেশ তবু একটু শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ছিল। কিন্তু শ্রীলঙ্কা? বাংলাদেশের তুলনায় অনেকটাই দুর্বল। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ভারতের থেকে ৯৮ ধাপ পিছিয়ে। এইরকম দলের কাছেও আটকে যেতে হল ভারতকে! শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ম্যাচ গোলশূন্য ড্র করে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন থেকে অনেকটাই দুরে সরে গেলেন সুনীল ছেত্রিরা। ফাইনালে যেতে গেলে লিগের বাকি দুটি ম্যাচ শুধু জিতলেই হবে না, অন্য ম্যাচের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে।বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন ফুটবলারের পারফরমেন্সে একেবারেই সন্তুষ্ট হতে পারেননি ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। তাই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করেন। ফুটবলারদের পজিশনও বদল করে দেন। আগের ম্যাচে রক্ষণে দলকে একেবারেই নির্ভরতা দিতে পারেননি প্রীতম কোটাল। তাই এদিন রক্ষণ আমূল বদলে দেন। শুভাশিস বসুকে ডিফেন্সে নামিয়ে নিয়ে আসেন ইগর স্টিম্যাক। সেন্ট্রাল ডিফেন্সে প্রীতম কোটালের পরিবর্তে সুরেশ সিংকে নামিয়ে রাহুল বেকেকে তাঁর সঙ্গে জুড়ে দেন। মাঝমাঠে ব্রেন্ডন, আক্রমণভাগে মনদীপ সিংদের প্রথম একাদশে জায়গা হয়নি।একগুচ্ছ পরিবর্তন করেও হাল ফেরেনি ভারতের। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সুনীল ছেত্রিদের যে দাপট ছিল, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে সেই দাপট দেখা যায়নি। তার মাঝেই ম্যাচের ১৪ মিনিটে মন্দার রাওয়ের ক্রস থেকে গোল করার মতো সুযোগ এসে গিয়েছিল সুনীল ছেত্রির সামনে। শ্রীলঙ্কার গোলকিপার সুজন পেরেরা সুনীলের সেই প্রয়াস রুখে দেন। ২২ মিনিটে ডানদিক থেকে ভেসে আসা বলে অরক্ষিত অবস্থায় থেকেও হেডে বল জালে পাঠাতে ব্যর্থ লিস্টন কোলাসো। এটাই ছিল প্রথমার্ধের সবথেকে সহজ সুযোগ। এই দুটি সুযোগ ছাড়া প্রথমার্ধে বলার মতো আর কোনও সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ভারত। মাঝমাঠ থেকে সেভাবে বল সরবরাহ না হওয়ায় সুনীল ছেত্রিও জ্বলে উঠতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা খেলায় ফেরে ভারত। রিস্টন কোলাসো, উদান্ত সিং, অনিরুদ্ধ থাপারা একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন। ৬০ মিনিটে গোল করার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল। রিস্টন কোলাসোর পাস ৬ গজ বক্সের মধ্যে পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন অনিরুদ্ধ থাপা। দ্বিতীয়ার্ধে রিস্টন কোলাসোর জায়গায় আব্দুল সামাদ ও অনিরুদ্ধ থাপার পরিবর্তে ফারুখ চৌধুরিকে নামান ইগর স্টিম্যাক। ৭২ মিনিটে জটলার মধ্যে থেকে শ্রীলঙ্কার জালে বল পাঠান ফারুখ। কিন্তু শুভাশিস শ্রীলঙ্কার এক ফুটবলারকে ফাউল করায় সেই গোল বাতিল হয়ে যায়। ৮৯ মিনিটে কর্ণার থেকে ভেসে আসা বল সুনীল ছেত্রি হেডে নামিয়ে দিলে গোলকিপারের সঙ্গে হাতমেলানো দুরত্ব থেকে অবিশ্বাস্যভাবে বল বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন শুভাশিস বসু। শেষ দিকে প্রবল চাপ রেখেও জয় আসেনি। পরপর দুম্যাচে আটকে গিয়ে গভীর সঙ্কটে পড়ে গেল ভারত।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Chetri: শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া ভারত, পেলের কৃতিত্বের সামনে সুনীল ছেত্রি

প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ড্র করায় বেশ বিপাকে ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে গেলে লিগের বাকি ম্যাচগুলোতে জিততে হবে ইগর স্টিম্যাকের দলকে। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলতে নামছেন সুনীল ছেত্রিরা।আগের ম্যাচে বাংলাদেশকে ১০ জনে পেয়েও হারাতে পারেনি ভারত। সুনীল ছেত্রিদের পারফরমেন্স নিয়ে চারিদিকে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশের কাছে আটকে যাওয়াটা এখনও মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না কোচ থেকে ফুটবলাররা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। আগের ম্যাচ ড্র করে মনোবলে আঘাত লাগছেও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ভারতীয় শিবির। আর আত্মবিশ্বাসের মূল কারণ বাংলাদেশের থেকে অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল শ্রীলঙ্কা। শক্তির বিচারে ভারতীয় দলের তুলনায় শ্রীলঙ্কা অনেক পিছিয়ে রয়েছে। তা সত্ত্বেও বিপক্ষ শিবিরকে একেবারেই হালকা ভাবে নিচ্ছে ভারতীয় শিবির। পচা শামুকে পা কাটতে পারে, এই আশঙ্কায় ভুগছে ভারতীয় শিবির। তবে আগের ম্যাচের ব্যর্থতা ভুলে গোটা দল নতুনভাবে ঝাঁপাতে চাইছে। ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাকও বাংলাদেশ ম্যাচের কথা এখনও মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারছে না। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে আমাদের ভুলের মাশুল দিতে হয়েছে। এবার আমাদের সামনে তাকাতে হবে। গ্রুপ লিগে এখনও তিনটে ম্যাচ বাকি। এই ম্যাচগুলিতে আমাদের আরও ভাল খেলতে হবে। বাকি ম্যাচগুলো জিতলে আমাদের ফাইনালে যেতে সমস্যা হবে না। ফুটবলারদের ধৈর্য ধরতে হবে।বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে বেশ কয়েকজন ফুটবলারের খেলায় হতাশ ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচে প্রথম একাদশে কয়েকটা পরিবর্তন করতে চলেছেন তিনি। তবে প্রথম একাদশ খোলসা করেননি। এই ব্যাপারে তিনি বলেন, আমাদের হাতে এখনও অনেকটা সময় আছে। ম্যাচের আগে প্রথম একাদশ ঠিক করব। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ নিয়ে ফুটবলারদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমাদের বেশ কয়েকটা জায়গায় উন্নতি করতে হবে। রক্ষণ আরও মজবুত করতে হবে।স্টিম্যাক আরও বলেন, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জয়ের জন্য যা কিছু করা সম্ভব, সবই করব। দল হিসেবে শ্রীলঙ্কাকে সমীহ করতেই হবে। তবে একটা কথা বলব, দুই ম্যাচ খেলে ওরা ২ পয়েন্ট পেয়েছে ঠিকই। কিন্তু ওদের ১ পয়েন্টও পাওয়া উচিত ছিল না। এটাই ফুটবল। এদিকে, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পেলের মাইলস্টোন ছোঁয়ার লক্ষ্যে নামছেন সুনীল ছেত্রি। আর ১ গোল করলেই তিনি দেশের হয়ে পেলের করা ৭৭ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করবেন।

অক্টোবর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Football: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দলের পারফরমেন্সে বিরক্ত ইগর স্টিম্যাক

দারুণ শুরু করেও শেষরক্ষা হয়নি। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচেই বাংলাদেশের কাছে আটকে যেতে হয়েছে ভারতকে। বাংলাদেশকে দ্বিতীয়ার্ধের প্রায় পুরো সময় ১০ জনকে নিয়ে খেলতে হয়েছে। তাসত্ত্বেও জয় না আসায় সুনীল ছেত্রিদের ওপর যথেষ্ট বিরক্ত ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দলের পারফরমেন্স প্রসঙ্গে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক বলেন, নিজেদের ভুলের জন্যই আমরা বাংলাদেশকে হারাতে পারিনি। সবকিছুই আমাদের অনুকূলে ছিল। গোটা ম্যাচ আমরা নিরঙ্কুশ প্রাধান্য নিয়ে খেলেছি। প্রথমে গোল করে এগিয়েও গিয়েছিলাম। পাশাপাশি বিপক্ষের এক জন ফুটবলারের কম থাকার সুবিধাও আমাদের ছিল। তা সত্ত্বেও কোনও অজ্ঞাত কারণে আমরা ভুল পাস খেলা শুরু করি। অপ্রয়োজনীয় ভুল করতে থাকি। বিপক্ষকে যদি আত্মবিশ্বাস ফেরানোর সুযোগ করে দিই, তাহলে ম্যাচ জেতা কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের ক্ষেত্রে সেটাই হয়ে। ভুলের মাশুল দিয়ে ম্যাচ ড্র করে ফিরতে হয়েছে।বাংলাদেশের তুলনায় ভারতীয় দল অনেক বেশি অভিজ্ঞ। কিন্তু সুনীল ছেত্রিরা অভিজ্ঞতার মর্যাদা দিতে পারেননি বলে মনে করছেন ইগর স্টিম্যাক। ভারতীয় দলের এই কোচ বলেন, আমরা নিজেদের ভুলের মাশুল দিয়েছি। অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরিস্থিতির সুযোগ নিতে পারিনি। এই ভারতীয় দল যথেষ্ট অভিজ্ঞ। দলের ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও বেশি প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু ফুটবলাররা অহেতুক নার্ভাস পড়ে গিয়েছিল। আমার কাছে এর কোনও ব্যাখ্যা নেই। গ্রুপ লিগে এখনও তিনটি ম্যাচ বাকি রয়েছে ভারতীয় দলের। ফাইনালের ছাড়পত্র পেতে গেলে যেভাবেই হোক বাকি ম্যাচগুলিতে জিততে হবে ইগর স্টিম্যাকের দলকে। ৭ অক্টোবর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে আবার খেলতে নামবেন সুনীল ছেত্রিরা। বাংলাদেশ ম্যাচের ভুল শুধরে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মাঠে নামতে চান স্টিম্যাক। তিনি বলেছেন, এখন আমরা পরের ম্যাচের দিকে তাকিয়ে রয়েছি। গ্রুপ লিগে এখনও আমাদের তিনটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। বাকি ম্যাচগুলিতে ভাল খেলতেই হবে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৭৫ মিনিটের বেশি সময় দারুণ ফুটবল উপহার দিয়েছিল। বেশ আগ্রাসী ফুটবল খেলেছিল। বারবার বিপজ্জনক জায়গায় পৌঁছে যাচ্ছিল। কিন্তু শেষ ১৫ মিনিটের খেলা আন্তর্জাতিক মানের ছিল না। অনেক ভুল করেছিলাম। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরের ম্যাচে সেই ভুলগুলো করা চলবে না। জিততে গেলে ৯০ মিনিট সেরাটা দিতে হবে। পরের ম্যাচে পেলের ৭৭ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করার সুযোগ সুনীল ছেত্রির সামনে। জয়ের জন্য দলের এই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকারের দিকে তাকিয়ে ইগর স্টিম্যাক।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Hardik Pandya : বিশ্বকাপে আদৌও বল করতে পারবেন?‌ হার্দিককে নিয়ে প্রশ্ন

আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপে অলরাউন্ডার হিসেবে হার্দিক পান্ডিয়ার ওপর ভরসা করেছেন নির্বাচকরা। অথচ তাঁকে নিয়ে ইতিমধ্যেই উঠে গেছে প্রশ্ন। টি২০ বিশ্বকাপে আদৌও কি বল করতে পারবেন এই ভারতীয় অলরাউন্ডার?পিঠে চোটের জন্য আইপিএলে পরপর দুটি মরশুমে বোলিং করতে দেখা যায়নি হার্দিক পান্ডিয়াকে। দেশের হয়ে সাম্প্রতিককালে যে কটা ম্যাচ খেলেছেন, হাতো গোনা কয়েক ওভার বোলিং করেছেন। আইপিএলে নামার আগে শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়েও উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স করতে পারেননি হার্দিক। ব্যাটে রান ছিল না। বল হাতেও হতাশই করেছেন তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিক ও একটি টি২০-তে। কোনওটিতেই কোটার পুরো ওভার তিনি বল করেননি। ব্যাট হাতেও ফর্ম বলার মতো নয়। তবুও তাঁকে অলরাউন্ডার হিসেবে পুরো ফিট বলে দাবি করে বিশ্বকাপের দলে রেখেছেন নির্বাচকরা। চলতি আইপিএলে তাঁকে বল হাতে না দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন।মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হেড কোচ মাহেলা জয়বর্ধনে কিছুদিন আগে জানিয়েছিলেন, বোলার হার্দিককে এখনই ব্যবহার করা যাবে না। হার্দিকের ওয়ার্কলোডের কথা ভেবেই নাকি এই সিদ্ধান্ত। ভারতীয় দলের এই অলরাউন্ডার আইপিএলের ম্যাচে বোলিং করতে না পারলেও অবশ্য নেটে বোলিং করছেন। হার্দিক নিজেও বলেছেন, খুব শীঘ্রই ম্যাচে বোলিং করবেন। এই পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে তিনি ব্যাটসম্যান না অলরাউন্ডার কোন ভূমিকায় থাকবেন তা স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই অলরাউন্ডার হিসেবে হার্দিককে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন শার্দুল ঠাকুর ও দীপক চাহার। কলকাতা নাইট রাইডার্সের ভেঙ্কটেশ আয়ারও সুযোগ পেয়ে নিজেকে মেলে ধরেছেন। রাজস্থান রয়্যালসের শিবম দুবেও অলরাউন্ডার হিসেবে বিশেষজ্ঞদের প্রশংসা আদায় করে নিয়েছেন। টি২০ বিশ্বকাপের দলে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত পরিবর্তন করা যাবে। কিন্তু ভারতীয় বোর্ড সূত্রের খবর, হার্দিককে টি২০ বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ দেওয়া হবে না। কারণ এখনই দীপক চাহার, শার্দুল ঠাকুর, ভেঙ্কটেশ আয়ারদের ওপর ভরসা করতে পারছেন না নির্বাচকরা। নির্বাচকরা চাইছেন, ব্যাটসম্যান হিসেবেই দলে থাকুন হার্দিক। প্রয়োজন হলে তাঁকে দিয়ে ২৩ ওভার বল করানো যেতে পারে। আগামী বছর টি২০ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে নতুন অধিনায়কের সঙ্গে অনেক নতুন মুখ দেখা যেতে পারে।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Chhetri : পেলেকে স্পর্শ করতে সুনীল ছেত্রির চাই আর ১ গোল

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অভিযানে নামার আগে বাংলাদেশকে নিয়ে একটু বেশিই সতর্ক ছিলেন ভারতীয় দলের হেড কোচ ইগর স্টিম্যাক। সুনীল ছেত্রিও বলেছিলেন প্রতিটা ম্যাচেই লড়াই করে জিততে হবে। কথাটা ভুল বলেননি সুনীল। আর স্টিম্যাকের সতর্কতাও একেবারে অমূলক ছিল না। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচে ১০ জনের বাংলাদেশের কাছে আটকে গেল ভারত। ম্যাচের ফল ১১। পেলের রেকর্ড স্পর্শ করতে সুনীল ছেত্রির প্রয়োজন আর ১ গোল। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই আক্রমণে ঝড় তুলেছিল ভারত। বিপক্ষের বক্সে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন সুনীল ছেত্রি, উদান্ত সিং, রিস্টন কোলাসোরা। অন্যদিকে, প্রতি আক্রমণের রাস্তা বেছে নিয়েছিলেন বাংলাদেশের কোচ অস্কার ব্রুজোঁ। ম্যাচের ২৬ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। ডানদিক থেকে প্রীতম কোটাল বল বাড়ান উদান্ত সিংকে। বল নিয়ে বাংলাদেশ বক্সে ঢুকে গোল লাইনের কাছ থেকে মাইনাস করেন উদান্ত। ডান পায়ের জোরালো শটে বল জালে পাঠান সুনীল ছেত্রি। এদিন দেশের হয়ে ৭৬টি আন্তর্জাতিক গোল করে ফেললেন সুনীল ছেত্রি। আর ১ গোল করলেই স্পর্শ করবেন কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে ৭৭ গোল করেছেন পেলে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গোলের সঙ্গে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ১৪টি গোল করে ফেললেন সুনীল। সুনীলের গোলের পরের মিনিটেই সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল বাংলাদেশের সামনে। কাজে লাগাতে পারেনি।এদিনই পেলের রেকর্ড স্পর্শ করতে পারতেন সুনীল ছেত্রি। ৩৮ মিনিটে তাঁর বাঁপায়ের দুরন্ত শট ততোধিক দক্ষতার সঙ্গে বঁাদিকে উড়ে গিয়ে কর্ণারের বিনিময়ে বাঁচান বাংলাদেশ গোলকিপার আনিসুর রহমান। কর্ণার থেকে ক্লিয়ার হওয়া বল পেয়ে দ্রুত গতিতে প্রতি আক্রমণে উঠে আসে বাংলাদেশ। ভারতের বক্সের মধ্যে বল পেয়ে শট নেন বিপ্লো আহমেদ। বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই শট বাঁচিয়ে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন ভারতীয় দলের গোলকিপার গুরপ্রীত সিং সান্ধু। সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। ৫১ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগও পেয়েছিল। ডানদিক থেকে উঠে গিয়ে বিপ্লো পাস বাড়ান সাহাবুদ্দিনকে। সাহাবুদ্ধিনের মাইনাস ৬ গজ বক্সের মধ্যে সুবিধাজনক জায়গায় পেয়েও বল জালে রাখতে পারেননি রাকিব। ৩ মিনিট পরেই বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। বিশ্বনাথ লালকার্ড দেখায় ১০ জন হয়ে পড়ে। বল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন রিস্টন কোলাসো। সামনে কেউ ছিলেন না। রিস্টনকে পেছন থেকে টেনে ফেলে দেন বাংলাদেশের ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে লালকার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বার করে দেন রেফারি। আক্রমণ প্রতি আক্রমণে দ্বিতীয়ার্ধে খেলা দারুণ জমে উঠেছিল। ১০ জন হয়ে যাওয়ার পরেও বাংলাদেশ গুটিয়ে থাকেনি। বরং দ্রুতগতিতে বারবার প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ভারতীয় রক্ষণকে চাপে ফেলে দিচ্ছিল। তার মধ্যেই ৬০ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসে গিয়েছিল ভারতের সামনে। মনবীরের শট বাঁচান বাংলাদেশ গোলকিপার আনিসুর। ফিরতি বলে গোল লক্ষ্য করে শট নেন উদান্ত সিং। আবার বাঁচান আনিসুর। অবশেষে ৭৪ মিনিটে সমতা ফেরায় বাংলাদেশ। কর্ণার থেকে হেডে গোল করেন অরক্ষিত ইয়াসিন আরাফত।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সাফ অভিযানে নামার আগে সতর্ক সুনীলরা

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের আধিপত্য প্রশ্নাতীত। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির এই প্রতিযোগিতায় ১২ বারের মধ্যে ৭ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। আরও একবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে সোমবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করছেন সুনীল ছেত্রিরা। চেনা প্রতিপক্ষ হলেও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সতর্ক ভারতীয় শিবির। কারণ যে কোনও প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচ সবসময়ই কঠিন। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ভারতের অনুকূলে। প্রাক বিশ্বকাপের যোগ্যতাঅর্জন পর্বে যুবভারতীতে ঘরের মাঠে ম্যাচ ১১ ড্র হলেও দোহায় ফিরতি ম্যাচে ২০ ব্যবধানে জিতেছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। ধারেভারে বাংলাদেশের থেকে কিছুটা হলেও এগিয়ে ভারত। তাসত্ত্বেও বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচ সবসময়ই কঠিন। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক কালে খেলেছি। প্রাক বিশ্বকাপের যোগ্যতাঅর্জন পর্বে যুবভারতীতে ঘরের মাঠে ড্র হলেও দোহায় ফিরতি ম্যাচে আমরা জিতেছিলাম। তা সত্ত্বেও ওদের হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। সব দলকেই গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ প্রত্যেক দলের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।কিছুদিন আগেই বেঙ্গালুরু এফসি এবং এটিকে মোহনবাগন মালদ্বীপে এএফসি কাপের ম্যাচ খেলেছে। ওই প্রতিযোগিতায় খেলা যে ফুটবলাররা ভারতীয় দলে রয়েছেন, তাঁদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাইছেন কোচ স্টিমাক। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে এটিকে মোহনবাগান ও বেঙ্গালুরু এফসির ফুটবলারদের প্রথম একাদশে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। ওরা ম্যাচের মধ্যেই রয়েছে। তাছাড়া মালদ্বীপের মাঠে কিছুদিন খেলে যাওয়ায় পরিবেশ সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল। শারীরিক ও মানসিকভাবেও ভাল জায়গায় রয়েছে। সেই সুযোগটা কাজে লাগাতে চাই। অধিনায়ক সুনীল ছেত্রির গলাতেও বাংলাদেশকে সমীহ করার সুর। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অতীত পারফরমেন্সের কথা মাথায় রাখছেন না। প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশ খুবই শক্তিশালী। সাম্প্রতিককালে ওদের বিরুদ্ধে খেলেছি। দারুণ লড়াই হয়েছিল। অতীত মাথায় রাখতে চাই না। এটা নতুন লড়াই। প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে। তবে আমরাও পিছিয়ে নেই। জিততে গেলে সেরাটা দিতে হবে। শুধু সুনীল ছেত্রি নন, শেষ বার সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়া ভারতীয় দলের গুরপ্রীত সিং, প্রীতম কোটালরা ওই দলে রয়েছেন। তঁারাও মনে করছেন, লড়াই সহজ হবে না। কারণ প্রতিটা দলই আগের থেকে অনেক বেশি উন্নতি করেছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Gavaskar-Rohit: রোহিতকে পরপর দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্বে দেখতে চান গাভাসকার

টি২০ বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলের নেতৃত্ব ছাড়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছেন বিরাট কোহলি। তাঁর পরিবর্তে নির্বাচকরা কার হাতে দায়িত্ব তুলে দেবেন, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার চান, এই টি২০ বিশ্বকাপেই কোহলির পরিবর্তে রোহিত শর্মাকে অধিনায়ক করা হোক। আগামী দুটি টি২০ বিশ্বকাপে রোহিতকে জাতীয় দলের নেতৃত্বে দেখতে চান ভারতীয় ক্রিকেটের এই কিংবদন্তি।আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে নেতৃত্ব দিয়ে দারুণ সফল রোহিত শর্মা। তিনি দলকে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করেছেন। মোটামুটি এটা পরিস্কার, টি২০ বিশ্বকাপের পর কোহলির হাতেই দায়িত্ব উঠতে চলেছে। দু বছর পরপর টি২০ বিশ্বকাপ হওয়ার কথা। ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ায় হওয়ার কথা ছিল। করোনার জন্য ২০২২ পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবছর টি২০ বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব ভারতের। ২০২৩ সালে আবার ভারতে একদিনের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। গাভাসকার চান পরপর দুটি বিশ্বকাপেই রোহিত শর্মা নেতৃত্ব দিক।আরও পড়ুনঃ প্রাক্তন শিষ্যের কাছে মাথা নত পেপ গুয়ার্দিওলারগাভাসকার বলেছেন, দেশকে এশিয়া কাপ ও নিদাহাস ট্রফি দেওয়া রোহিত শর্মাই এই গুরু দায়িত্ব পালন করার যোগ্য দাবিদার। ওর হাতে এখনই নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হোক। একটা বিশ্বকাপ হতে কয়েকমাস বাকি। পরের বিশ্বকাপের মধ্যে খুব বেশি সময় নেই। তাই এখনই ওর হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া উচিত। যাতে দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিতে পারে। গাভাসকারের এই মন্তব্য অন্য ইঙ্গিত বহন করছে। কারণ, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আগেই কোহলিকে অধিনায়ক ঘোষণা করেছে। রোহিতকে অধিনায়ক করার পাশাপাশি সহ অধিনায়ক হিসেবে নিজের পছন্দের কথাও জানিয়েছেন গাভাসকার। লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থের মধ্যে একজনকে সহ অধিনায়ক হিসেবে দেখতে চান তিনি। গাভাসকারের কথায়, ভারতীয় ক্রিকেটের বর্তমান দুই তারকা আইপিএলে যেভাবে নিজ নিজ দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছে, মাঠে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, বোলিং পরিবর্তন করছে, তা অসাধারণ। দিল্লি দলে প্রচুর তারকা। ঋষভ দারুন সামলাচ্ছে। বিরাট কোহলির পর রোহিত শর্মা ভারতের টি২০ দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হলে লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থের মধ্যে যে কোনও একজনকে ওর ডেপুটি করে দেওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন চিন্তিত মিতালিরা?আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন লোকেশ রাহুল। দিল্লি ক্যাপিটালসকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তরুণ ঋষভ পন্থ। দুই ক্রিকেটারের উর্বর ক্রিকেট মস্তিষ্কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন সুনীল গাভাসকর। তবে দুই ক্রিকেটারের মধ্যে বেশি দক্ষ কে, তা অবশ্য বলেননি ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

J‌hulan Goswami : ক্রিকেট জীবনে ৬০০ উইকেটের মাইলস্টোনে ঝুলন গোস্বামী

অনন্য নজির গড়লেন ঝুলন গোস্বামী। সব ধরণের ক্রিকেট মিলিয়ে ৬০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছে গেলেন ভারতীয় দলের এই জোরে বোলার। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের সুবাদে সিরিজের তৃতীয় একদিনের ম্যাচ জিতে সম্মান কিছুটা রক্ষা করল ভারত। রবিবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় একদিনের ম্যাচে র্যাচেল হেইন্স ঝুলনের ক্রিকেট জীবনের ৬০০ তম শিকার। একই ওভারে তিনি আউট করেন মেগ ল্যানিংকে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হেইন্স ও ল্যানিং ঝুলনের কেরিয়ারে যথাক্রমে ৬০০ ও ৬০১তম শিকার। ম্যাচের নবম ওভারের প্রথম ও পঞ্চম বলে যথাক্রমে ওপেনার র্যাচেল হেইন্স ও অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মেগ ল্যানিংকে প্যাভিলিয়নে ফেরান ঝুলন। শেষ ওভারে আউট করেন অ্যানাবেল সাদারল্যান্ডকে। অসি অধিনায়ককে শূন্য রানে আউট করে কেরিয়ারের ৬০১তম উইকেটটি ঝুলিতে পুরে ফেলেন ঝুলন। ঝাঁপিয়ে পড়ে অনবদ্য দক্ষতায় ল্যানিংয়ের ক্যাচ তালুবন্দি করেন উইকেটকিপার রিচা ঘোষ।ঝুলন গোস্বামীর দখলে রয়েছে ৩৩৭টি আন্তর্জাতিক উইকেটে। পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটে পেয়েছেন ২৬৫টি উইকেট। সবমিলিয়ে ৬০১টি উইকেট চাকদহ এক্সপ্রেসএর ঝুলিতে। ২০০২ সালে থেকে রবিবার পর্যন্ত ১৯২টি একদিনের আন্তর্জাতিকে ২৪০টি উইকেট নিয়েছেন। সেরা বোলিং ৩১ রানের বিনিময়ে ৬ উইকেট। গড় ২১.৫৯, ইকনমি ৩.৩১। মহিলাদের একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি উইকেট ঝুলনেরই। ১১টি টেস্টে তিনি ৪১টি উইকেট পেয়েছেন। টি২০তে ঝুলনের উইকেট ৬৮ ম্যাচে ৫৬। টেস্ট ও একদিনের ক্রিকেট খেললেও আন্তর্জাতিক টি ০ থেকে ২০১৮ সালেই অবসর নিয়েছেন ঝুলন। মহিলাদের ক্রিকেটে ঝুলনই একমাত্র বোলার যাঁর দখলে ২০০র বেশি ওয়ান ডে উইকেট রয়েছে।সিরিজের দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ঝুলন গোস্বামীর শেষ ওভারের বিতর্কিত নো বলের ফায়দা তুলে ম্যাচ জিতে সিরিজ পকেটে পুরে ফেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। রবিবার সিরিজের শেষ ম্যাচে ২ উইকেটে জিতে সম্মান বাঁচাল ভারত। প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৬৪ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া। গার্ডনার করেন সর্বোচ্চ ৬৭। মুনি করে ৫২। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সেরা বোলিং করেন ঝুলন গোস্বামীই। ১০ ওভার হাত ঘুরিয়ে ২টি মেডেনসহ ৩৭ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট পান ঝুলন। পুজা বাস্ত্রকার ৪৬ রানে নেন ৩ উইকেট। জয়ের জন্য ২৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভাল শুরু করে ভারত। ওপেনিং জুটিতে ১০ ওভারে ওঠে ৫৯। স্মৃতি মান্ধানা ২২ রান করে আউট হন। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে ১০১ রান যোগ করেন শেফালি ভার্মা ও ইয়াস্তিকা ভাটিয়া। শেফালি ৯১ বলে ৫৬ রান করে আউট হন। রিচা ঘোষ কোনও রান করতে পারেননি। ইয়াস্তিকা ৬৯ বলে ৬৪ রান করে আউট হন। ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে দেন দীপ্তি শর্মা (৩১) ও স্নেহা রানা (৩০)। ৪৯.৩ ওভারে ২৬৬/৮ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : কার জন্য কোহলির বর্ণময় ক্রিকেটজীবন এত দীর্ঘায়িত জানেন?‌

একসময় পিঠের চোটে কাবু হয়ে পড়েছিলেন। নীচু হয়ে ভার তোলার ক্ষমতাও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। প্রভাব পড়েছিল বর্ণময় ক্রিকেট জীবনে। ক্রিকেট জীবন হয়তো বেশি দীর্ঘায়িত হত না। সেখান থেকে ফিরে এসে বাইশ গজে আবার স্বমহিমায় বিরাট কোহলি। মারাত্মক চোটকে কাবু করে নিজেকে ফিটনেসের চূড়ান্ত শীর্ষে নিয়ে গেছেন। আর এরজন্য তিনি কৃতিত্ব দিয়েছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন স্ট্রেংথ ও কন্ডিশনিং কোচ বাসু শঙ্করকে। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে বাসু শঙ্করের লেখা ১০০, ২০০, প্র্যাক্টিক্যাল অ্যাপ্লিকেশনস ইন স্ট্রেংথ অ্যান্ড কন্ডিশনিং বই। এই বইয়ের প্রকাশ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বিরাট কোহলি। লেখক বাসু শঙ্করকে পাশে নিয়ে নিজের যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন কোহলি। পাশাপাশি তিনি বাসু শঙ্করের পরামর্শে কীভাবে পিঠের চোট সারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন সে কথাও তুলে ধরেন। কোহলি বইটিতে লিখেছেন, ২০১৪ সালের শেষদিকে আমার পিঠের চোট কিছুতেই সারছিল না। প্রবল যন্ত্রণা ও অস্বস্তি অনুভব করতাম। প্রত্যেক দিন সকালে উঠে পিঠের অস্বস্তি কাটাতে ৪৫ মিনিট ধরে অনেক কিছু করতে হত। তারপরও দিনের যে কোনও সময় অস্বস্তি ফিরে আসত। ভার তুলতেও পারতাম না। এরপরই বাসু স্যারের সঙ্গে আমার আলাপ হয়। স্যারের পরামর্শেই এরপর ধীরে ধীরে ভার তুলতে সক্ষম হই। কোহলি আরও বলেন, প্রথমে আমিও দ্বিধায় ছিলাম। কিন্তু বাসু স্যার তাঁর কথায় বিশ্বাস রাখতে বলেন। তাঁর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সম্পর্কে অবশ্য আমার সংশয় ছিল না। ভার তোলা বা লিফটিং বাসু স্যরের কাছে শেখা শুরু করি। এর বিভিন্ন দিক সম্পর্কে যখন অবগত হতে থাকি তখন অনুশীলনেও এর ইতিবাচক প্রভাব পেতে শুরু করি। স্ট্রেংথ ও কন্ডিশনিংয়ের বিষয়ে আমার জ্ঞানও আরও বাড়তে থাকে এবং এর গুরুত্ব অনুভব করি। বাসু স্যরই আমার বিচারে সেরা স্ট্রেংথ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ। আমার চাহিদা অনুযায়ী শারীরিক গঠন, পারফরম্যান্সকে উন্নত করতে কী কী করা উচিত তা একেবারে সঠিকভাবেই সুনিশ্চিত করেছেন বাসু শঙ্কর। বিরাট কোহলি নিজে উপকৃত হওয়াতেই বাসুও ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল অবধি ছিলেন ভারতীয় দলের সঙ্গে। ভারতীয় ক্রিকেট মহলে এ কথা সকলেই জানেন, বাসু শঙ্করের জন্যই বিরাটের ফিটনেস এতটা উন্নত হয়েছে। শুধু বিরাটের একার নয়, ভারতীয় দলের ফিটনেস লেভেল উন্নতিতেও তাঁরই অবদান।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ravi Shastri : রবি শাস্ত্রীর দাবি, সঠিক সময়েই দায়িত্ব ছেড়ে যাচ্ছেন

এবছর টি২০ বিশ্বকাপের পরই ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর কার্যকালের মেয়াদ শেষ। তাঁর হাতে আর নতুন করে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার কথাও ভাবছে না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বিরাট কোহলিদের হেড স্যারের দায়িত্ব অনিল কুম্বলের হাতে দেওয়ার ভাবনাচিন্তাও শুরু করেছেন বোর্ড কর্তারা। রবি শাস্ত্রীর দাবি, তিনি বোর্ডকে আগেই জানিয়েছিলেন বিশ্বকাপের পর আর কোচিং করাতে চান না। সঠিক সময়েই ছেড়ে যাচ্ছেন বলে মনে করছেন রবি শাস্ত্রী। কোচ হিসেবে যা যা চেয়েছিলেন সবকিছুই পেয়েছেন বলে বলে দাবি করেছেন তিনি।সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাস্ত্রী বলেছেন, আমি যা যা চেয়েছি, সবই পেয়েছি। ৫ বছর ধরে টেস্ট ক্রিকেটে ১ নম্বর। অস্ট্রেলিয়ায় দুবার সিরিজ জিতেছি, ইংল্যান্ডেও সিরিজ জিতেছি। কোভিড পরিস্থিতির মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে ওদের হারানো, ইংল্যান্ডকে হারানো, এ সবের চেয়ে বড় প্রাপ্তি আমার কাছে কিছু হতে পারে না। ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে আমরা ২১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছি। লর্ডস ও ওভালে যেভাবে খেলেছি সত্যিই দুর্দান্ত। তিনি আরও বলেছেন, সাদা বলের ক্রিকেটেও প্রতিটি দেশে গিয়ে তাদের সিরিজ হারিয়ে এসেছি। টি২০ বিশ্বকাপ জিতলে সেটা অসাধারণ ব্যাপার হবে। এর থেকে বেশি কিছু চাই না। ভারতীয় বোর্ড কর্তারা তাঁকে আর হেড কোচের দয়িত্বে চাইছেন না। নিজের ভবিষ্যত বুঝে গেছেন শাস্ত্রী। তাই সম্মান নিয়েই সরে দাঁড়াচ্ছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি একটা কথা বিশ্বাস করি, যেখানে তোমাকে কেউ স্বাগত জানাবে না সেখানে মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর থাকা ঠিক নয়। দায়িত্ব যখন ছাড়তে চলেছি, প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কিছু পেয়েই দায়িত্ব ছাড়ছি। কোভিডের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে টেস্ট সিরিজ জেতা, ইংল্যান্ডে এগিয়ে থাকা আমার কাছে ভারতীয় ক্রিকেটে কাটানো চার দশকে সবচেয়ে তৃপ্তিদায়ক মুহূর্ত।ভারতীয় দলে করোনা সংক্রমণের জন্য তাঁর বই প্রকাশ অনুষ্ঠানকে দায়ী করা হলেও মানতে নারাজ শাস্ত্রী। বলেন, ওই অনুষ্ঠানে যাওয়া নিয়ে আমার কোনও আক্ষেপ নেই। হোটেলের ঘরে আবদ্ধ না থেকে ক্রিকেটাররাও যে কিছু মানুষের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পেরেছিলেন সেটাও খুব ভালো দিক। ওভাল টেস্টে যে সিঁড়ি ক্রিকেটারদের ব্যবহার করতে হয়েছে সেটা আরও ৫ হাজার মানুষ ব্যবহার করেছেন। তাহলে শুধু বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের দিকেই তাহলে কেন আঙুল তোলা হবে? ওই অনুষ্ঠানে ২৫০র মতো মানুষ উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের কারও তো কোভিড হয়নি। বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের জন্য আমার করোনা হয়নি। কেন না, ৩১ অগাস্ট ছিল বই প্রকাশ অনুষ্ঠান। আমার করোনা ধরা পড়ে ৩ সেপ্টেম্বর। আমার ধারণা, লিডসেই করোনা ভাইরাসের কবলে পড়ি। ১৯ জুলাই থেকে ইংল্যান্ডে সমস্ত বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়। হোটেল, লিফট সব কিছু স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসে। কোনও বিধিনিষেধই ছিল না।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Captain: রোহিতকে সহকারী চাননি, ভবিষ্যত বুঝেই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত কোহলির

ঝুলি থেকে এবার আস্তে আস্তে বিড়াল বার হতে শুরু করেছে। ভারতীয় শিবিরের অন্দরমহলে ঠান্ডা লড়াই যে অনেকদিন ধরে চলছিল, আগেই বোঝা গিয়েছিল। এবার সেই অন্দরমহলের খবর বাইরে আসতে শুরু করেছে। বিরাট কোহলির সংসারে বিভাজন তৈরি হয়েছিল। শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেছিলেন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী। অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে নিজের আধিপত্য আরও কায়েম করতে বিরাট কোহলি নির্বাচকদের প্রস্তাব দিয়েছিলেন রোহিত শর্মাকে সহ অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে সরানোর জন্য। যেটা একেবারেই ভালভাবে নেননি নির্বাচকরা এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা।টি২০ বিশ্বকাপের আগে বিরাট কোহলির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেছিলেন নির্বাচকরা। সেই বৈঠকের আগে কোহলি নির্বাচকদের ও বোর্ড কর্তাদের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, বিশ্বকাপে ঋষভ পন্থকে সহ অধিনায়ক করা হোক। আর একদিনের ক্রিকেটে লোকেশ রাহুলকে। নির্বাচক ও বোর্ড কর্তারা কোহলির কোনও প্রস্তাবই মেনে নেননি। টি২০ বিশ্বকাপে রোহিত শর্মাকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। বোর্ড কর্তারা কোহলিকে পরিস্কার বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনিই শেষ কথা নন। নিজের ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দেওয়ার কথা বললেও আসলে ভবিষ্যত বুঝতে পেরেই টি২০ বিশ্বকাপের পর এই ফরম্যাটের নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কোহলি।সবকিছু ঠিকঠাক চললে টি২০ বিশ্বকাপের পর রোহিত শর্মার হাতেই নেতৃত্ব তুলে দিতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। স্টপগ্যাপ অধিনায়ক হিসেবে দেশকে সাফল্য এনে দিয়েছেন রোহিত শর্মা। আইপিএলে তিনি সবচেয়ে বেশি পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। অনেকদিন ধরেই রোহিতকে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অধিনায়ক করার কথা আলোচিত হচ্ছিল ভারতীয় ক্রিকেটে। কিন্তু রবি শাস্ত্রীর সঙ্গে বিরাট কোহলির সম্পর্কর জন্যই কোহলি নেতৃত্বে থেকে গেছেন। গত অস্ট্রেলিয়া সফর থেকেই চাকা ঘুরতে শুরু করে বিরাটের বিপক্ষে।আরও পড়ুনঃ মালদা মেডিক্যাল কলেজে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্কভারতীয় ড্রেসিংরুমে বিরাট বিরোধী হওয়ায় প্রবল। প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও অনেকেই কোহলির আচরণে অসন্তুষ্ট। যদি কোনও সফরে অনুষ্কা শর্মা সঙ্গে থাকেন, তাহলে তো কথাই নেই। অন্য সময়ও যখন তখন কোহলির সঙ্গে মাঠের বাইরে দেখা করা, কথা বলা বা হাল্কা মেজাজে সময় কাটাতে পারেন না সতীর্থ ক্রিকেটাররা। কোচ, নির্বাচক, সাপোর্ট স্টাফ ও বিসিসিআই কর্তাদের আস্থা অর্জন করে বিরাট ভারতীয় দলে একনায়কতন্ত্র বা স্বেচ্ছাচারিতাও শুরু করেন বলে অভিযোগ। তিনি এমন কৌশল নিয়েছিলেন যাতে অধিনায়ক হিসেবে তাঁর উত্তরসূরী কেউ তৈরি হতে না পারেন। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে পাকাপাকিভাবে চার নম্বর পজিশনের ব্যাটসম্যান হিসেবে কাউকে তৈরি করতে চাননি বিরাট। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে দুই স্পিনার নিয়ে খেলতে নামা কিংবা ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে এক নম্বর স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে বসিয়ে রাখাও বিরাটেরই স্বেচ্ছাচারিতার নমুনা বলে জানা যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া সফরে এডিলেড টেস্টের আগেও বিরাটের হাতেই ছিল নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু তা আলগা হতে শুরু করে ৩৬ রানে অল আউট হয়ে টেস্ট হারার পর। এরপর পিতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে বিরাট দেশে ফিরতেই এককাট্টা হয়ে গোটা দল অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ জয় নিশ্চিত করে। এতেই বিরাটের প্রতি দলের অনাস্থা প্রকাশ্যে আসতে থাকে।আরও পড়ুনঃ খড়ের পালুইয়ে বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য রায়নায়কোহলি নিশ্চিতভাবেই বুঝছিলেন, আজ নয় কাল তাঁর সাদা বলের অধিনায়কত্ব চলে যাচ্ছেই। একটিও আইসিসি ইভেন্টে দলকে চ্যাম্পিয়ন করাতে পারেননি কোহলি। টি ২০ বিশ্বকাপেও খারাপ কিছু হলে এমনিতেই অধিনায়কত্ব যেত। আগেভাগেই সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করে কিছুটা মুখরক্ষা করলেন এবং নিজের উপর চাপ কমালেন।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
দেশ

Modi's Birhtday: নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দেশজুড়ে প্রধানমন্ত্রীর ৭১তম জন্মদিন পালন

আজ প্রধানমন্ত্রীর ৭১ তম জন্মদিন। দেশব্যাপী পালিত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন। বারাণসী থেকে পশ্চিমবঙ্গ, সর্বত্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে সেবা ও সমর্পণ অভিযান পালন করবে বিজেপি শিবির। প্রতি বছর এক সপ্তাহের জন্য সেবা দিবসে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ করা হয় গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে। এই বছর তা বাড়িয়ে টানা ২০ দিনের মেগা কর্মসূচিতে দেশজুড়ে কোমর বেঁধে নামছে বিজেপি নেতৃত্ব। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে কর্মসূচি।আরও পড়ুনঃ অজানা জ্বরের কারণ জানতে কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীরদেশজুড়ে একদিনে কমপক্ষে দেড় কোটি মানুষকে টিকা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দলের হাইকম্যান্ডের পক্ষ থেকে। শুধু তাই নয়, কুড়ি দিনব্যাপী বিভিন্ন স্বাস্থ্যশিবির, সচেতনতা অভিযান ও রক্তদান শিবিরের আয়োজন, প্রায় ১৪ কোটি গরিবদের বিনামূল্যে রেশন প্রদানের পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি। পাশাপাশি এদিন মোদির ২০ বছরের রাজনৈতিক যাত্রার নিয়ে চিত্রপ্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা।এছাড়াও নমোর জন্মদিন উপলক্ষ্যে বারাণসীর ভারত মাতা মন্দিরে ৭১ হাজার মাটির প্রদীপ জ্বালানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেওয়া প্রায় ৫ কোটি পোস্টকার্ড পাঠানো হবে দেশের বিভিন্ন পোস্ট অফিস থেকে। কয়েকদিন আগেই এ রাজ্যে দিলীপ ঘোষ জানান, ৭১টি জায়গায় গঙ্গার ঘাট সাফাই, ক্যুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন-সহ নমো অ্যাপের মাধ্যমে মোদির জন্মদিনের নানান মুহূর্ত দেখানো হবে।জন্মদিনে মোদির পাওয়া উপহার ই-নিলামে তুলবে সংস্কৃতি মন্ত্রক। অলিম্পিক্স ও প্যারালিম্পিরক্সে পদকজয়ীদের সরঞ্জাম, অযোধ্যার রাম মন্দিরের ছোট সংস্করণ-সহ একাধিক উপহার পেয়েছেন মোদি। আর সেই সমস্ত উপহার নিলামে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ নমামি গঙ্গা প্রকল্পে অনুদান তহবিলে দান করা হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে না

ম্যাঞ্চেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে বাতিল হওয়া ভারতইংল্যান্ড পঞ্চম টেস্টের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। বিরাট কোহলিরা খেলতে না চাওয়ায় তাঁদের সিদ্ধান্ত নিয়ে চারিদিকে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সমালোচনা হলেও ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি অবশ্য ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এমনকী রবি শাস্ত্রীদের বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে যাওয়াতে কোনও ভুল দেখছেন না। কোনও শাস্তির রাস্তাতেও হাঁটছে না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। কোহলিদের পাশে দাঁড়িয়ে সৌরভ বলেছেন, করোনা আতঙ্কেই ক্রিকেটাররা খেলতে চায়নি। ওদের দোষ দেওয়া যায় না। নীতিন প্যাটেল আইসোলেশনে যাওয়ার পর দলের একমাত্র ফিজিও হিসেবে ছিলেন যোগেশ পারমার। স্বাভাবিকভাবেই ক্রিকেটাররা ওর সংস্পর্শে এসেছিল। এমনকী ক্রিকেটারদের করোনা পরীক্ষাও পারমারই করিয়েছিল। সব ক্রিকেটারদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করছিল পারমারই। পারমার করোনা আক্রান্ত হতেই দলের ক্রিকেটাররা বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে আশঙ্কা দেখা দেয় তারাও সংক্রমিত হয়েছে কিনা। সেই ভাবনা থেকেই ভীতির সঞ্চার হয়। জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা এমনিতেই খুব কঠিন। তাই ক্রিকেটারদের অনুভূতিকে মর্যাদা দিতেই হত। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরও পাশে দাঁড়াচ্ছে ভারতীয় বোর্ড। প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি বলেছেন, ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট বাতিল হওয়ায় ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এটা সামাল দেওয়া সহজ নয়। আগামী বছরও যদি টেস্টটি আয়োজন করা হয় তাহলে সেটি একটি টেস্ট হিসেবেই গণ্য করা হবে। এই সিরিজের অন্তর্গত হবে না। বোর্ডের অনুমতি ছাড়াই ক্রিকেটারদের নিয়ে টিম হোটেলে বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন রবি শাস্ত্রী। সেই প্রসঙ্গে সৌরভ বলেন, বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য শাস্ত্রী, কোহলিরা বোর্ডের কাছ থেকে অনুমতি নেয়নি। কতদিন হোটেলের ঘরে আবদ্ধ থাকা যায়? দিনের পর দিন একই ঘরে আটকে থাকা সম্ভব নয়। হোটেল থেকে মাঠ, মাঠ থেকে হোটেলের ঘরে নিজেকে আবদ্ধ করে রাখা দীর্ঘদিন চলতে পারে না। বায়ো বাব্লে দীর্ঘ সময় থাকা সম্ভব নয়। এক বছর ধরে ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফরা জৈব সুরক্ষা বলয়ে রয়েছেন। এটা মজার ব্যাপার নয়। শরীর ও মনের উপর প্রভাব পড়ে। ভারতীয় দলের সকলেই মানুষ এটা তো অস্বীকারের উপায় নেই। ইংল্যান্ড থেকে আবার সংযুক্ত আমিরশাহীর জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে পড়েছে ক্রিকেটাররা। আবার কোয়ারান্টিন, আবার বায়ো বাবল। এরপর টি ২০ বিশ্বকাপের বায়ো বাবল। এটা সহজ ব্যাপার নয়। সেখান থেকে বেরিয়ে আসারও প্রয়োজন রয়েছে। ভারতীয় বোর্ড শাস্ত্রীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেবে না বলেও জানিয়েছেন সৌরভ। এদিকে, ম্যাঞ্চেস্টারে পঞ্চম টেস্ট বাতিল হওয়ায় বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। ক্ষতি পুষিয়ে দিতে পরের বছর নির্ধারিত ম্যাচ ছাড়াও ২টি অতিরিক্ত টি২০ ম্যাচ খেলার প্রস্তাব দিল ভারতীয় বোর্ড। ২০২২এর জুলাইয়ে ৩টি করে একদিনের ও টি২০ খেলতে ইংল্যান্ড যাবে ভারত। সে সময় টি২০ সিরিজ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ভারতের পক্ষ থেকে। বিষয়টি সম্প্রচারকারী টিভি চ্যানেলের ওপর নির্ভর করছে। ম্যাঞ্চেস্টার টেস্টের জন্য ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ১৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিল তারা। ২টি টি২০তে সেই টাকা ওঠার সম্ভাবনা কম।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

MS Dhoni : ধোনির নামে আইনি নোটিশ!‌ কেন?‌

হাউজিং কমপ্লেক্সে ফ্ল্যাটের টাকা বাকি মহেন্দ্র সিং ধোনির! আর বকেয়া মেটানোর জন্য আইনি নোটিশ? হ্যাঁ, শুনতে খারাপ লাগলে এটাই বাস্তব। প্রাক্তন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মহেন্দ্রে সিং ধোনি এবং আম্রপালি হাউজিং প্রকল্পের ১৮০০ বাড়িওয়ালাকে ২ সপ্তাহের মধ্যে বকেয়া পাওনা পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত রিসিভার, সিনিয়র আইনজীবী আর ভেঙ্কটারামানি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া পাওনা না মেটালে ক্রেতারা যে ফ্ল্যাট বুকিং করেছিলেন, তা বাতিল করা হবে বলে নোটিশে জানানো হয়েছে। নয়ডায় সেক্টর ৪৫এ আম্রপালি হাউজিং প্রকল্পের ব্র্যান্ড অ্যাম্বসাডর ছিলেন মহেন্দ্রে সিং ধোনি। তিনি এই প্রকল্পে দুটি ফ্ল্যাট বুক করেছিলেন। এই ফ্ল্যাটগুলি হল সেফার ফেজ ১ নম্বরে সিপি ৫ এবং সিপি ৬। ধোনির সমস্ত কিছু যারা দেখাশোনা করে সেই রিতি স্পোর্টস ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান অরুণ পান্ডেও এই আম্রপালি প্রকল্পে ফ্ল্যাট বুক করেছিলেন। ধোনির মতো তাঁরও বকেয়া রয়েছে। তাঁকেও নোটিশ পাঠানো হয়েছে।প্রকল্প স্থগিত হয়ে যাওয়ায় ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে আম্রপালির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন ধোনি। আম্রপালি স্টলড প্রজেক্টস ইনভেস্টমেন্ট রিকনস্ট্রাকশন এস্টাব্লিশমেন্ট (ASPIRE) নামে একটি সংস্থাও তৈরি করা হয়েছিল যাতে নয়ডা এবং বৃহত্তর নয়ডা এলাকায় স্থগিত প্রকল্পগুলির কাজ সম্পন্ন করা যায়। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এনবিসিসিকে (NBCC) ২০ হাজার কোটি টাকার বাজেটে ২০ টিরও বেশি আবাসন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। এই প্রকল্পটিকে আদালত নিযুক্ত কমিটির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।আম্রপালি প্রকল্পগুলি সুপ্রিম কোর্টের অধীনে আদালত নিযুক্ত কমিটির আওতায় নেওয়ার পরে, সমস্ত ফ্ল্যাটের ক্রেতাদের বিবরণ নিবন্ধন করতে এবং বকেয়া অর্থ প্রদানের জন্য বলা হয়েছিল। আদালত ২০১৯ সালের জুলাইয়ে রায় দানের পর ক্রেতারা এই বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। আদালত নিযুক্ত রিসিভার বিজ্ঞাপন দিয়ে এই নোটিশের উদ্দেশ্য জানিয়েছিল। সম্প্রতি বৃহত্তর নয়ডা এলাকার প্রকল্পগুলির ক্রেতাদের জন্য একটি পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়ছে। নোটিসে বলা হয়েছে, ক্রেতা ডেটাতে নিবন্ধন করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং এই নোটিশের ১৫ দিনের মধ্যে অর্থ প্রদান না করলে তাদের বুকিং বাতিল করা হবে। এই আগে ২০২১এর ১ আগস্ট শীর্ষ আদালত এই বিষয়ে সতর্ক করে বলেছিল, ক্রেতাদের বকেয়া অর্থ পরিশোধ এবং নিবন্ধনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ জারি করবে। সময়সীমা পূরণ করতে ব্যর্থ হলে, ফ্ল্যাটগুলি নিলাম করা হবে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ND vs ENG Test : কী হবে ভারত–ইংল্যান্ড বাতিল টেস্টের ভবিষ্যত?‌

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই অনিশ্চয়তায় দুলছিল ভারতইংল্যান্ড পঞ্চম টেস্ট। ভারতীয় দলের সহকারী ফিজিও যোগেশ পারমারের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসা টেস্ট ম্যাচ বাতিলের আশঙ্কা ছিল। অবশেষে সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়ে দাঁড়াল। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে বৈঠকের পর ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। যোগেশ পারমারের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। যদিও দলের বাকি সদস্যদের আরটিপিসিআর পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল। তখনই ম্যাঞ্চেস্টারে সিরিজের পঞ্চম টেস্ট শুরুর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। শুক্রবার ফের পালাবদল। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের তরফে জানানো হয় বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ হিসেবে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড বলেছে, ভারতীয় শিবির করোনা বৃদ্ধির ভয়েই ম্যাঞ্চেস্টারে শেষ টেস্ট খেলতে চায় না। তবে কোনও ক্রিকেটার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন কিনা তা নিয়েও জল্পনা চলছে। বৃহস্পতিবার রাতে অধিনায়ক বিরাট কোহলিসহ ভারতীয় দলের কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটার হোটেলের একটি রুমে গিয়ে বোর্ড কর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নেন। করোনাতঙ্কে একাধিক ক্রিকেটার টেস্ট খেলার ব্যাপারে রাজি ছিলেন না। শুক্রবার সকালে ভারতীয় ক্রিকেটারদের প্রত্যেকের মোবাইলে বার্তা পাঠিয়ে বলা হয় টেস্ট ম্যাচ হবে না। সকলকে ঘরে থাকতেই বলা হয়। মিনিট দশেক পর আরও একটি বার্তা আসে। তাতে বলা হয় প্রত্যেকের ঘরে ব্রেকফাস্ট পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। হোটেলে প্রাতঃরাশের যেখানে ব্যবস্থা রয়েছে সেখানে যেতে হবে।এখন প্রশ্ন হল টেস্ট বাতিলের ফলে সিরিজের ভবিষ্যত কী হবে। ভারত এই মুহূর্তে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। আইসিসির বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নিয়মে বলা রয়েছে, করোনা পরিস্থিতিতে কোনও টেস্ট বাতিল বা পরিত্যক্ত হতেই পারে। কিন্তু ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড চাইছে ভারত যেহেতু দল নামাতে পারেনি, তাই তাদের ওয়াকওভার দেওয়া হোক। তাহলে সিরিজ ২২ হবে। ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রডের সঙ্গে কথা বলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে আইসিসি।এদিকে, ম্যাঞ্চেস্টারে বাতিল হয়ে যাওয়া টেস্ট ম্যাচটি পরে আয়োজনের জন্য ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডকে প্রস্তাব দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। সূত্রের খবর, আগামী বছর ভারত যখন ইংল্যান্ড সফরে যাবে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলতে। তখনই ম্যাঞ্চেস্টারে বাতিল হওয়া টেস্ট ম্যাচটি হতে পারে। ভারতীয় বোর্ড সচিব জয় শাহ বলেছেন, বিসিসিআই ও ইসিবি যৌথভাবে আলোচনা করেই ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। টেস্ট ম্যাচটি যাতে খেলা যায় তা নিশ্চিত করতে দুই বোর্ডই দফায় দফায় বৈঠক করেছে। কিন্তু ভারতীয় শিবিরে করোনা সংক্রমণের জেরে সিরিজের পঞ্চম তথা শেষ টেস্টটি স্থগিত রাখার পথে হাঁটতে হল। যেহেতু দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সুদৃঢ় পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে সে কথা মাথায় রেখে বিসিসিআইয়ের তরফে ইসিবিকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এই টেস্টটি পরে কখনও আয়োজনের জন্য সময় বের করার জন্য। কখন ম্যাচটি আয়োজন করা সম্ভব সে ব্যাপারে ইসিবির সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে বিসিসিআই।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

M‌S Dhoni : আদৌও কি মেন্টরের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন ধোনি?‌

২০০৭ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে পাকিস্তানকে হারিয়ে প্রথম টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। এরপর সবকটি টি২০ বিশ্বকাপেই দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ায় এবছর টি২০ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ নেই ধোনির। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাঁর মস্তিষ্ককে কাজে লাগাতে চেয়েছিল। টি২০ বিশ্বকাপে কোহলিদের মেন্টর হিসেবে তাঁকে দায়িত্ব দিয়েছে। কিন্তু আদৌও কি মেন্টরের দায়িত্ব পালন করতো পারবেন ধোনি? এই নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। ধোনিকে ভারতীয় দলের মেন্টরের দায়িত্ব দেওয়ায় স্বার্থ সংঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অ্যাপেক্স কাউন্সিলে অভিযোগ করেছেন মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট সংস্থার আজীবন সদস্য সঞ্জীব গুপ্তা। স্বার্থ সংঘাত নিয়ে অভিযোগ জানানো স্বভাবে পরিণত হয়েছে সঞ্জীব গুপ্তার। এর আগে সৌরভ গাঙ্গুলি থেকে শুরু করে শচীন তেন্ডুলকার, রাহুল দ্রাবিড়দের বিভিন্ন পদে যুক্ত থাকা নিয়ে স্বার্থ সংঘাতের অভিযোগ তুলেছিলেন। এবার তিনি সরব হয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনিকে নিয়ে। আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপে বিরাট কোহলিদের মেন্টর হিসেবে ধোনিকে নির্বাচন করা বেআইনি বলে আখ্যা দিয়ে ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি, সচিব জয় শাহসহ বোর্ডের অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্যদের চিঠি দিয়েছেন মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য সঞ্জীব গুপ্তা। তাঁর দাবি, ধোনিকে ভারতীয় দলের মেন্টরের দায়িত্ব দিলে স্বার্থের সংঘাত ঘটে যাবে। তাই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের উচিত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও এখনও আইপিএল খেলছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। এবছর চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ক কাম মেন্টরের দায়িত্বে রয়েছেন। সঞ্জীব গুপ্তার দাবি, একই সঙ্গে চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক ও ভারতীয় দলের মেন্টর হতে পারেন না মহেন্দ্র সিং ধোনি। লোধা কমিটির তৈরি সংবিধানের ৩৮(৪) ধারা অনুসারে একই সঙ্গে ধোনিকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা আইন বিরুদ্ধে হবে বলে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে জানিয়েছেন মধ্যপ্রদেশে ক্রিকেট সংস্থার আজীবন সদস্য সঞ্জীব গুপ্তা। তাই ধোনিকে মেন্টর করার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন তিনি। টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণার পাশাপাশি মহেন্দ্র সিং ধোনিকে মেন্টর করে চমক দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তাঁর ক্ষুরধার মস্তিষ্ক আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপে কাজে লাগবে বলে মনে করেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। সাদা বলের ক্রিকেটে মহেন্দ্র সিং ধোনির স্ট্র্যাটেজি এককথায় অনবদ্য। তাঁর নেতৃত্বে ২০০৭ সালে টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। ২০১১ সালে দেশকে একদিনের ক্রিকেটের বিশ্বকাপ উপহার দিয়েছেন। ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও জিতেছিল ধোনির ভারত। সুতরাং টি২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের সঙ্গে ধোনিকে জুড়ে দেওয়াটা নিঃসন্দেহে দুর্দান্ত পদক্ষেপ।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India T20 Team : টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা, চমক রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও ধোনি

টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত হল ১৫ জনের ভারতীয় দল। চমকে ভরা ভারতীয় টি২০ দলে দীর্ঘদিন পর সুযোগ পেলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তবে সবচেয়ে বড় চমক মহেন্দ্র সিং ধোনি। না, অবসর ভেঙে তিনি টি২০ বিশ্বকাপে যাচ্ছেন না। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে বড় দায়িত্ব দিয়ে সংযুক্ত আরব আমীরশাহীতে পাঠাচ্ছে। মেন্টর হিসেবে ধোনিকে কোহলিদের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।দল নির্বাচনে চমক দেখিয়েছেন নির্বাচকরা। লেগ স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল যে বাদ পড়বেন, কেউ কি ভেবেছিলেন? কিংবা শিখর ধাওয়ান? রবিচন্দ্রন অশ্বিনকেও যে দীর্ঘদিন পর সাদা বলের ক্রিকেটে ফেরানো হবে, কেউ সামান্য আঁচ করতে পেরেছিলেন? দীর্ঘদিন পরে ফের নীল জার্সি গায়ে মাঠে নামার সুযোগ পেতে চলেছে রবিচন্দ্রণ অশ্বিন। ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলা ক্রূনাল পান্ডিয়ার জায়গা না পাওয়াটাও অস্বাভাবিক।আরও পড়ুনঃ সাক্ষরতা দিবসে আদিবাসী পরিবারের শিশুদের শিক্ষার পাঠ দিলেন পুলিশ কর্তা২০১৭ সালের জুলাই দেশের হয়ে শেষবার সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলেছিলেন রবিচন্দ্রণ অশ্বিন। তাঁকে যে দলে রাখা হবে, হয়তো কেউই ভাবেননি। আইপিএলে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স করে অশ্বিন টি২০ বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নিয়েছেন। অশ্বিনের দলে সুযোগ পাওয়া প্রসঙ্গে জাতীয় নির্বাচক কমিটির প্রধান চেতন শর্মা বলেছেন, আইপিএলে ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলার জন্য রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে দলে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, দেশের হয়ে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স করা যুজবেন্দ্র চাহাল যে টি২০ বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাবেন না, সেটাও ছিল ক্রিকেট প্রেমীদের ধারণার বাইরে।শিখর ধাওয়ানও জায়গা পাননি। এটাও অপ্রত্যাশিত ছিল। তবে চোট সারিয়ে দীর্ঘদিন পর প্রত্যাবর্তন ঘটানো জোরে বোলার ভুবনেশ্বর কুমারকে টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত ১৫ জনের দলে রাখা হয়েছে। শ্রেয়স আয়ারকে স্ট্যান্ড বাই হিসেবে রাখা হয়েছে। ওয়াশিংটন সুন্দর অবশ্য জায়গা পাননি চোটের জন্য। তাঁর পরিবর্তে স্পিনার অলরাউন্ডার হিসেবে দলে নেওয়া হয়েছে অক্ষর প্যাটেলকে। আইপিএলে ভাল খেলার পুরস্কার পেয়েছেন বরুণ চক্রবর্তী, রাহুল চাহাররা। ঋষভ পন্থ, ঈশান কিষাণ, হার্দিক পান্ডিয়া, সূর্যকুমার যাদবদের ওপরও ভরসা করেছেন নির্বাচকরা।আরও পড়ুনঃ কলকাতা লিগের তৃতীয় ম্যাচেই আটকে গেল মহমেডানঘোষিত ভারতীয় দল : বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা (সহ অধিনায়ক), লোকেশ রাহুল, সূর্যকুমার যাদব, ঋষভ পন্থ (উইকেটকিপার), রবীন্দ্র জাদেজা, মহম্মদ শামি, যশপ্রীত বুমরা, হার্দিক পান্ডিয়া, রবিচন্দ্রণ অশ্বিন, রাহুল চাহার, অক্ষর প্যাটেল, বরুণ চক্রবর্তী, ঈশান কিষাণ (উইকেটকিপার), ভুবনেশ্বর কুমার।স্ট্যান্ডবাই: শ্রেয়স আইয়ার, শার্দুল ঠাকুর, দীপক চাহার।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kohli and Shastri : শাস্ত্রী ও কোহলির ওপর অসন্তুষ্ট বোর্ড, চাওয়া হবে কৈফিয়ত

জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও রবি শাস্ত্রীসহ তিন সাপোর্ট স্টাফ কীভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। কেউ কেউ মনে করছেন হোটেলের লিফটে চলাচলের সময় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। তবে যেখানেই আক্রান্ত হোন না কেন, রবি শাস্ত্রী, বিরাট কোহলিদের ওপর বেজায় চটেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। কেন বোর্ডের অনুমতি ছাড়া অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন, তার কৈফিয়ত চাওয়া হবে। বোর্ডের এক শীর্ষ কর্তা বলেছেন, ওই বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের ছবি ভারতীয় বোর্ড কর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় বোর্ডের মুখ পুড়েছে। ওভালের ওই ঘটনার জন্য কোচ ও অধিনায়ককে প্রশ্ন করা হবে। লন্ডনের যে হোটলে ভারতীয় দল রয়েছে, সেখানেই গত মঙ্গলবার রবি শাস্ত্রীর নিজের বই প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে বাইরের অনেক অতিথি হাজির ছিলেন। অনেকেই মনে করছেন, সেই অনুষ্ঠান থেকেই কোনও ভাবে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন ভারতীয় দলের হেড কোচ। শাস্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় দলের আরও যাঁরা কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন, সেই বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধর এবং ফিজিয়ও নীতিন প্যাটেলও ওই অনুষ্ঠানে ছিলেন।হোটেলে বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল। শাস্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে উঠেছিলেন কোহলি। অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য কেউই ভারতীয় বোর্ডের অনুমতি নেননি। দুজনের কাছেই কৈফিয়ত চাওয়া হবে বলে বোর্ডের একটা সূত্র থেকে জানা গেছে। দলের প্রশাসনিক ম্যানেজার গিরিশ ডোংরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। বই প্রকাশ অনুষ্ঠানটি কোনও বোর্ডেরই অনুমোদিত ছিল না।এদিকে, আজই লন্ডন থেকে ম্যাঞ্চেস্টারে পৌঁছে গেল ভারতীয় দল। রবি শাস্ত্রীসহ ৩ সাপোর্ট স্টাফ লন্ডনের হোটেলেই আইসোলেশনে রয়েছেন। ট্রেনে চড়ে ম্যাঞ্চেস্টার সফরের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন ঋদ্ধিমান সাহা। সিরিজ জয়ের হাতছানি ভারতের সামনে। শুক্রবার ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে শুরু পঞ্চম তথা শেষ টেস্ট।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মহালয়ায় কখন করবেন পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ? জেনে নিন শুভ সময় ও বিশেষ নিয়ম

শিউলি ফুলের গন্ধ আর শরতের ভোরের বাতাসে ঢাকের মিঠে বোল এই তো আমাদের দুর্গোৎসবের প্রথম বার্তা! বছর ঘুরে আবারও সেই কাঙ্ক্ষিত দিনটি দোরগোড়ায়। ২০২৬ সালের ১০ই অক্টোবর, শনিবার (২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) শুভ মহালয়া। ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জলদগম্ভীর কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনীর সুর ভেসে আসার সঙ্গেই যেন বাঙালিয়া এক অদ্ভুত আবেগ আর নস্টালজিয়ায় ভেসে যায়। পিতৃপক্ষের সমাপনী আর দেবীপক্ষের এই নতুন সকালে চরাচর যেন এক স্বর্গীয় সুরের আহ্বানে জেগে ওঠে।মহালয়া শুধু একটি দিন নয়, এটি একটি অনুভূতির নাম। পুরাণ মতে, এদিনই দেবী দুর্গা মর্ত্যে তাঁর পিতৃগৃহে পা রাখেন, শুরু হয় দেবীপক্ষ। এর পাশাপাশি এটি আমাদের শিকড়কে স্মরণ করার শ্রেষ্ঠ সময়। এদিন ভোরে গঙ্গার ঘাটে ঘাটে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করার জন্য হাজারো মানুষের মিলনমেলা বসে। শাস্ত্রানুসারে অমাবস্যা তিথিটি শুরু হচ্ছে ৯ই অক্টোবর রাত ৯:৩৫ মিনিটে এবং থাকবে ১০ই অক্টোবর রাত ৯:১৯ মিনিট পর্যন্ত। পিতৃপুরুষকে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ১০ই অক্টোবর সকাল ১১:২৪ মিনিট থেকে দুপুর ১:৫৬ মিনিট পর্যন্ত সময়টিকে সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হচ্ছে।তবে মহালয়া কিন্তু কেবল অতীতের স্মৃতি তর্পণ বা শাস্ত্রমতে তর্পণের আচারটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়, এর পেছনে লুকিয়ে আছে আগমনীর গভীর আনন্দ। এই বিশেষ দিনে প্রতিমার চোখে তুলি ছোঁয়ানো অর্থাৎ চক্ষুদান রীতির মধ্য দিয়েই মৃন্ময়ী রূপ যেন চিন্ময়ীতে পরিণত হতে শুরু করে। ১০ই অক্টোবরের এই অলৌকিক ভোরে মহালয়া শেষ হতেই, পরের দিন ১১ই অক্টোবর থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে সূচনা হবে দেবীপক্ষের। চারপাশের কাশবনের দোল আর নীল আকাশের শুভ্র মেঘেরা তখন যেন চুপিচুপি জানান দেবে মা আসছেন। উৎসবের এই পবিত্র সূচনাকে সুন্দর ও মঙ্গলাময় রাখতে কিছু চিরন্তন রীতির প্রতি শ্রদ্ধা রাখা জরুরি। সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পুণ্যলগ্নে নিরামিষ আহার গ্রহণ করা ও যেকোনো প্রকার নতুন কেনাকাটা বা চুল-নখ কাটা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। পিতৃপুরুষের প্রতি শ্রদ্ধা আর মাতৃরূপী মহাশক্তির আবাহনের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আসুন আমরাও হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে নিজেদের মনকে নির্মল করে তুলি। অপেক্ষা শুধু আর কটা দিনের শরতের এই আলো-আঁধারির খেলায় মহালয়ার ভোর যেন প্রতিটা বাঙালির অন্তরে পৌঁছে দেয় এক অনাবিল আনন্দের পরশ।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে হামলার নিন্দায় মমতা, তদন্তের মাঝেই ‘হিন্দুত্ববাদী’ মন্তব্যে অ্যাকশনের হুঙ্কার শুভেন্দুর

বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। শুক্রবার ভোর প্রায় ৪টে ৫ মিনিট নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়া সাহা কালীবাড়ি এলাকার বাসিন্দা বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বাইকটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতকে এদিন আদালতে পেশ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে।কীভাবে ঘটেছিল হামলা?অভিযোগ, বৃহস্পতিবার ভোরে পূর্ব যাদবপুরে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের মদের বোতল ছোড়ে একদল অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী। বোতলের আঘাতে বাড়ির জানলার কাচ ভেঙে যায়। সেই সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। হামলার সময় অল্পের জন্য রক্ষা পান বাড়ির এক গৃহসহায়িকা।বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের দাবি, ভোর প্রায় পাঁচটা নাগাদ মুখ কাপড়ে ঢাকা এক ব্যক্তি বাইকে চেপে এসে ব্যাগ থেকে কাচের বোতল বের করে তাঁর বাড়ির জানলার দিকে ছুড়তে থাকে। পিছনে আরও কয়েকজন ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজে বাইকে আসা এক ব্যক্তিকে বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফুটেজের অডিয়োয় আমাদের সঙ্গে লাগতে এসো না, আমরা দেশভক্ত এই ধরনের হুমকির কথাও শোনা যায় বলে দাবি।ঘটনার পর পুলিশ বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এবং তাঁর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হামলার কারণ, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না এবং এর পিছনে কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।হিন্দুত্ববাদীরা হামলা করেছে, অভিযোগ বিকাশরঞ্জনেরহামলার ঘটনার পর বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, এই ঘটনার পিছনে রয়েছে হিন্দুত্ববাদী গুন্ডারা। তাঁর বক্তব্য, গরিব মানুষের অধিকারের পক্ষে যাঁরা লড়াই করছেন, তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হামলাকারীরা এভাবে তাঁকে শিক্ষা দিতে চেয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।বিকাশরঞ্জনের এই মন্তব্যকে ঘিরে পাল্টা সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, হামলার ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে এবং তাঁর নির্দেশেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনার দায় সরাসরি হিন্দুত্ববাদীদের উপর চাপানোর বিরোধিতা করেছেন তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি প্রত্যাহার না করা হলে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ করা হবে। ওই পোস্ট মুছে ফেলার উদ্যোগও পুলিশের তরফে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, এ ধরনের মন্তব্যের মাধ্যমে গোটা হিন্দু সমাজকে অপমান করা হয়েছে। গেরুয়া, সনাতন, হিন্দুত্ব ও রাষ্ট্রবাদকে নিশানা করা হলে তার জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়াবিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার নিন্দা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গ ভয় দেখানো বা জঙ্গলরাজের সংস্কৃতি মেনে নেবে না। রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে আইনজীবীদের নির্ভয়ে তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে দেওয়ার পক্ষেও সওয়াল করেছেন তিনি।অন্যদিকে, যাদবপুরের বিধায়িকা শর্বরী মুখোপাধ্যায় এই ঘটনায় বিজেপির যোগ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের নজরে আনা হবে।একদিকে বাড়িতে হামলার ঘটনায় গ্রেফতারি, অন্যদিকে হিন্দুত্ববাদী মন্তব্য ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা আইনি হুঁশিয়ারি সব মিলিয়ে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ এবং এর পিছনে আর কেউ জড়িত কি না, তা পুলিশের তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

১৯৭৬ সালে মহিষাসুরমর্দিনীতে উত্তমকুমার, ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন বাঙালিরা! কেন ফিরিয়ে আনতে হয়েছিল বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রকে?

প্রবাসে থাকা ছেলে মেয়েরা যেভাবে বছরের ৪ দিন তাদের ভিটেমাটির টানে ফিরে আসে, সেভাবে নস্টালজিক বাঙালিকে যিনি বেতারের সামনে শিকড়ের টানে টেনে আনেন তিনি আর কেউ নন বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। মহালয়া (Mahalaya 2026) ,মহিষাসুরমর্দিণী (Mahisashurmardini) আর বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র (Birendra Krishna Bhadra) তিনটে নামই উচ্চারিত হয় এক স্বরে। মহালয়ার ভোরে এই চণ্ডীপাঠের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যিনি গোটা বিশ্বে নিজের কণ্ঠকে অমর করে রেখে গিয়েছেন, সেই বাঙালি মধ্যবিত্ত সাদামাটা ধুতি পাঞ্জাবি পরা কণ্ঠশিল্পীই বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। যাঁর হাত ধরে বাঙালির পুজোর (Durga Puja) ঢাকে কাঠি পড়ে। আজ ২০২৬ সালের মহালয়ার অপেক্ষায় রাত জাগছে বাঙালি, সেই পরিচিত কণ্ঠে মহিষাসুর মর্দিণী শুনবে বলেই। ১৯০৫ সালের এই দিনটিতেই উত্তর কলকাতার আহিরীটোলায় জন্মগ্রহণ করেন প্রবাদপ্রতিম বেতার ব্যক্তিত্ব বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। বাবা রায়বাহাদুর কালীকৃষ্ণ ভদ্র ছিলেন একজন ভাষাতত্ত্ববিদ, মা ছিলেন সরলা দেবী। ছোটবেলায় ঠাকুরমা যোগমায়া দেবীর কাছে সংস্কৃত শিক্ষার হাতেখড়ি হওয়া বীরেন্দ্রকৃষ্ণ মাত্র আট বছর বয়সে প্রখর স্মৃতিশক্তির জোরে নির্ভুল চণ্ডীপাঠ করে সবাইকে চমকে দিতেন। ১৯২৮ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়েতে কর্মজীবন শুরু করলেও তাঁর মন পড়ে থাকত ১ নম্বর গার্স্টিন প্লেসের অল ইন্ডিয়া রেডিওর দফতরে। অফিস শেষের আড্ডা থেকেই ধীরে ধীরে বেতারে নাটকের সুযোগ পান। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে পাকাপাকিভাবে আকাশবাণীতে যোগ দেন।আকাশবাণীতে যোগ দেওয়ার পর বাণীকুমার ভট্টাচার্যের রচনা এবং রাইচাঁদ বড়াল ও পঙ্কজকুমার মল্লিকের সুর পরিচালনায় শুরু হয় মহালয়ার কালজয়ী অনুষ্ঠান মহিষাসুরমর্দিনী। লাইভ সম্প্রচারের সেই যুগে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ আগের রাত থেকেই স্টেশনে থেকে ভোরবেলায় স্নান সেরে, গরদের ধুতি-পাঞ্জাবি পরে চণ্ডীপাঠে বসতেন। একদিন স্টুডিওতে রসিকতা করে বাংলা ভাষ্যটিও স্তোত্রের ঢঙে সুর করে পড়তে গিয়ে জন্ম নেয় তাঁর সেই অবিস্মরণীয় অবদান, যা ১৯৬৬ সালে বাণীকুমারের পরামর্শে রেকর্ড করা হয়। আজও প্রতি মহালয়ার ভোরে প্রতিটি বাঙালির ঘরে ঘরে শোনা যায় এই স্মরণীয় কন্ঠস্বরে চণ্ডীপাঠ, যেন মা দুর্গা প্রথম অঞ্জলি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের থেকেই নেন।কেবল রেডিওর জাদুকরী কণ্ঠই নয়, বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ছিলেন একজন চমৎকার নাট্যকার, সমৃদ্ধ লেখক এবং পরিচালক। তিনি পেশাদারি মঞ্চে সাহেব বিবি গোলাম-এর মতো সফল নাটক পরিচালনা করার পাশাপাশি নিষিদ্ধ ফল-এর মতো চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যও লিখেছিলেন। অনেক গুণী ব্যক্তি রেডিওর জন্যই একসময় নিজেকে উৎসর্গ করে দেন। গোটা বিশ্বে যখন তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ছে তখন হঠাৎই ১৯৭৬ সালে আকাশবাণী কর্তৃপক্ষ প্রথা ভেঙে তাঁর জায়গায় মহানায়ক উত্তমকুমারকে দিয়ে চণ্ডীপাঠ করানোর সিদ্ধান্ত নেয়। বাঙালির আবেগে ঘা পড়তেই, বহু বাঙালি ভক্ত রেডিও অফিসের ওপর চড়াও হয়। কেউই ভালোভাবে গ্রহণ করেনি সেই দিনের চণ্ডীপাঠ। স্বাভাবিক ভাবেই সে বছর পুণরায় ষষ্ঠীর দিন বীরেন্দ্রকৃষ্ণের মহিষাসুরমর্দিনী সম্প্রচার করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু গোটা ঘটনাতে তিনি ছিলেন নির্বিকার স্থির, বোধহয় তিনি মন থেকে জানতেন কিছু স্থান অপরিবর্তনশীল। ১৯৯১ সালের ৩ নভেম্বর মহাপ্রয়াণ ঘটলেও বাঙালি সংস্কৃতির আকাশে তিনি অমর হয়ে রয়েছেন। শরতের ভোরে শিউলি ঝরা হাওয়ায় তাঁর সেই বজ্রনির্ঘোষ অথচ সুরময় কণ্ঠে আশ্বিনের শারদপ্রাতে শুনলেই আজও মনে হয় পুজোর বাদ্যি বেজেছে। এভাবেই কিংবদন্তি বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র মহালয়ায় মহিষাসুরমর্দিণীর মাধ্যমে চিরকাল বেঁচে থাকবেন কোটি কোটি বাঙালির মনে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল, আইএফএ শিল্ড মোহনবাগানের

সেমিফাইনালে বিপক্ষকে ৭ গোল দিয়ে আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় পৌঁছেছিল ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল। ২২ তম আইএফএ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান। এদিন বেশ গুছিয়ে ফুটবল খেলেছে মেরিনার্সরা। ইন্ডিয়ান সুপার লিগ শুরু হওয়ার আগে ইস্টবেঙ্গলের এই হার দলের মনোবলে কতটা আঘাত করবে সেটাও দেখার। গত সিজনের আইএসএল কাপ ইস্টবেঙ্গলের ঘরে ছিল। শুরুতেই ইস্টবেঙ্গল একটি সুযোগ পেয়েও কাডে লাগাতে পারেনি। বিরতির শেষ মুহূর্তে লীড নিয়ে নেয় মোহনবাগান। তখন বেশ চাপে ছিল ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগানের একের পর আক্রমণে তখন দিশেহাপা ইস্টবেঙ্গল। জেলকোভিচের গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। বৃহস্পতিবার আইএফএ শিল্ডের (IFA Shield 2026) ফাইনালে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant) ও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) মুখোমুখি হওয়ায় ফের ফুলবল জ্বরে ভুগতে শুরু করে কলকাতা। সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দুই দলের সমর্থকরা তখন নিজের দলের সমর্থনে চিৎকারে গলা ফাটাচ্ছে। অনেক চেষ্টা করেও আর গোল পায়নি ইস্টবেঙ্গল জেলকোভিচের গোলই ম্যাচের পার্থক্য় গড়ে দেয়। ম্যাচের শেষের দিকে দুটো কর্ণার কিক পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার, আরও সম্পদের সন্ধানে তদন্তে পুলিশ

সরকার বদলের পর থেকে নানা অভিযোগে একের পর এক হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন। এখনও তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারি অব্যাহত। এবার কাটোয়ায় গ্রেফতার হওয়া নেতার বাড়ি থেকে রাশি রাশি টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, সম্পত্তির হদিশও মিলেছে। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার দুই তৃণমূল নেতা সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী কিভাবে বিপুল অর্থ ও সম্পদের মালিক হলেন, তা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। এদের সঙ্গে জড়িত দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।জানা গিয়েছে, সামন্য বেতনে বেসরকারী একটি মোবাইল সংস্থায় কর্মরত ছিলেন ওই দুই নেতা। পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগ দিয়েই কাটোয়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর সর্বসময়ের সঙ্গী দীগন্ত পালের সঙ্গে বিশেষ সখ্য়তা স্থাপন করে ফেলেন। এরপর সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তীর ধনসম্পত্তি বাড়তে বিদ্যুৎ গতিতে। ইতিমধ্যে সরকার পরিবর্তন হতেই আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ দীগন্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সূত্রের খবর, এরপরই গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেরাচ্ছিল সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী। তবে শেষমেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ে দুজনই। এখন তাঁদের বেআইনি ধনসম্পদ নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে সুপ্রিয়র বাড়ি থেকে ৯ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে তাঁরা সোনা রেখে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সোনা কোথা থেকে এসেছে তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদের কাছে দামি চারচাকাও রয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা, সিপিএম নেতার অভিযোগ ওড়ালেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়

সিপিএম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা করা অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব যাদবপুরে তাঁর বাড়ির জানালার কাঁচ ভাঙা হয়েছে। তিনি স্থানীয় থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ করেছে। এই হামলায় বিজেপির মদত আছে বলে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। তবে যাবদপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, জয়শ্রীরাম বলে অন্যায় করলেই কি সে বিজেপি হয়ে যায়। তা হতে পারে না। আজ ভোরে তার বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের বোতল ছোড়া হয়। বিকাশরঞ্জন বলেন, মদের বোতন ছড়িয়ে আছে। শক্ত কাচ ভেঙে ফেলা হয়েছে। সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছে বাইকে এল, ছবি তুললো। তারপর বলতে থাকল, আমরা মায়ের সন্তান। আমাদের পিছনে লেগেছিস। ওই ব্যক্তির মুখ ঢাকা ছিল। মোটর বাইকের নম্বরও ঢাকা ছিল। একেবারে পরিকল্পনা করে এসেছিল। আমি অনবরত হিন্দু মৌলবাদের বিরুদ্ধে বলছি তাই এই হামলা। এর পিছনে সর্বরীদেবীর পার্টিদের মদত আছে। বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় বলেছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের এটা কাজ নয়। কোনও দুষ্কৃতীকারীর কাজ। মুখে স্লোগান দিয়ে এই কাজ করে সরকার ও বিজেপির বদনাম করছে। জয়শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে, কোনও অন্যায় কাজ করল তাঁকে বিজেপি বলা যায় না।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ইতি, প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর

প্রয়াত হলেন প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকর। হিন্দি ও মারাঠি সিনেমার অন্যতম স্বতন্ত্র অভিনেতা হিসেবে পরিচিত নানা পাটেকর বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ায় নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছেলে মালহার পাটেকর। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে তিনি জানান, খবরটি সত্যি। তিনি সেই সময় পুনেতে ছিলেন এবং গোয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। পরিবারের তরফে পরে বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।প্রায় পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ভারতীয় সিনেমায় নিজের স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করেছিলেন নানা পাটেকর। থিয়েটার দিয়ে অভিনয়জীবন শুরু করার পর ১৯৭৮ সালে গমন ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর পরিন্দা, ক্রান্তিবীর, অগ্নিসাক্ষী, খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল, আব তক ছাপ্পান, অপরাধ, রাজনীতি থেকে ওয়েলকামএকাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছে।পরিন্দা ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পান নানা পাটেকর। ক্রান্তিবীর-এর জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি। অন্যদিকে, ২০০৭ সালের জনপ্রিয় ছবি ওয়েলকাম-এ গ্যাংস্টার উদয় শেঠির চরিত্রে তাঁর অভিনয় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিচয় তৈরি করে। চরিত্রটি এতটাই জনপ্রিয় হয় যে পরবর্তী সময়ে ওয়েলকাম ব্যাক ছবিতেও সেই ভূমিকায় দেখা যায় তাঁকে।মারাঠি সিনেমাতেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। ২০১৬ সালের নটসম্রাট ছবিতে অবসরপ্রাপ্ত এক মঞ্চ অভিনেতার চরিত্রে তাঁর অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ড. প্রকাশ বাবা আমটেদ্য রিয়েল হিরো ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও পান।শুধু অভিনেতা হিসেবেই নয়, পরিচালক ও লেখক হিসেবেও কাজ করেছেন নানা পাটেকর। ১৯৯১ সালে প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক ছবিটি পরিচালনা করার পাশাপাশি ছবিতে অভিনয় ও লেখার কাজও করেন তিনি। অভিনয় ও চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ২০১৩ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে মোট তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন নানা পাটেকর। নাম ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য বিভিন্ন কাজ করেছেন তিনি।নানা পাটেকরের প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের এক বর্ণময় অধ্যায়ের অবসান হল। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তাঁর অভিনীত একাধিক চরিত্র দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোর মুখে শিয়ালদহ ডিভিশনে বাড়ল ট্রেন ও এসি লোকালের স্টপেজ, যাত্রীস্বার্থে একাধিক উদ্যোগ রেলের

দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে যাত্রী পরিষেবাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে শিয়ালদহ ডিভিশন একাধিক যাত্রীকেন্দ্রিক পরিচালনামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দৈনন্দিন শহরতলির যাতায়াতকে আরও দ্রুত, সুবিধাজনক ও আরামদায়ক করে তুলতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে অতিরিক্ত পরিষেবা এবং নতুন স্টপেজ। এর ফলে শহরতলির বিভিন্ন রুটের যাত্রীদের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ হবে।শান্তিপুরকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনে পরিষেবার সংখ্যা বৃদ্ধি:দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক যাতায়াতের চাহিদার কথা বিবেচনা করে দিগনগর হল্ট হয়ে শান্তিপুর (STB) ও কৃষ্ণনগর সিটি জংশনের মধ্যে দৈনিক ট্রেন পরিষেবা ১ জোড়া থেকে বাড়িয়ে ২ জোড়া করা হয়েছে। সকালের UP ট্রেনটি শান্তিপুর থেকে ০৯:৩৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:০৭ ঘণ্টায় কৃষ্ণনগর সিটি জংশনে পৌঁছাবে। ফেরার DN ট্রেনটি কৃষ্ণনগর থেকে ১০:১৭ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:৪৩ ঘণ্টায় শান্তিপুরে পৌঁছাবে। এর ফলে অফিসযাত্রী, পড়ুয়া এবং স্থানীয় যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।শিয়ালদহবজবজের মধ্যে গভীর রাতে ইএমইউ পরিষেবা:দেরিতে কর্মস্থল থেকে ফেরা কর্মীদের সুবিধার্থে শিয়ালদহ ডিভিশন পরীক্ষামূলকভাবে শিয়ালদহ (SEALDAH) ও কমাগাটা মারু বজবজ (KBGB)-এর মধ্যে গভীর রাতে একটি শহরতলির পরিষেবা চালু করেছে। DN ট্রেনটি শিয়ালদহ থেকে ২২:৫৫ ঘণ্টায় ছেড়ে ২৩:৪৩ ঘণ্টায় বজবজ পৌঁছাবে। ফেরার UP ট্রেনটি বজবজ থেকে ২৩:৫৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ০০:৪৮ ঘণ্টায় শিয়ালদহে পৌঁছাবে। এর ফলে রাতের শেষভাগেও যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য শহরতলির রেল যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ:শহরতলির যাত্রীদের আরও আরামদায়ক যাত্রার সুযোগ করে দিতে শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনের বদকুল্লা স্টেশনে চারটি এসি ইএমইউ লোকালের পরীক্ষামূলক স্টপেজ দেওয়া হয়েছে।দৈনিক পরিষেবা (রবিবার ব্যতীত): ট্রেন নং ৩১৮৪৫ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১১:৫৩/১১:৫৪ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৬ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৩:৪০/১৩:৪১ ঘণ্টায় থামবে।রবিবারের বিশেষ সময়সূচি: ট্রেন নং ৩১৮৪৭ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১৩:৫৯/১৪:০০ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৮ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৬:১৫/১৬:১৬ ঘণ্টায় থামবে।এই প্রসঙ্গে শিয়ালদহের DRM শ্রী রাজীব সাক্সেনা বলেন, পরিষেবার এই সংযোজনগুলি শহরতলির ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি, বজবজ সেকশনে নির্দিষ্ট গভীর রাতের যোগাযোগ এবং বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ, দৈনন্দিন যাত্রীদের পরিবর্তিত চাহিদার কথা মাথায় রেখেই পরিকল্পনা করা হয়েছে। সকলের জন্য রেলযাত্রাকে আরও সহজলভ্য, নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক করে তুলতে শিয়ালদহ ডিভিশন দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal