• ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ০৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India Vs Pakistan

খেলার দুনিয়া

অবাধ্য থেকে অবিশ্বাস্য! পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৭৭ রানে জ্বলে উঠলেন ঈশান

একসময় তাঁকে নিয়ে নানা সমালোচনা হয়েছিল। অবাধ্য, উচ্ছৃঙ্খলএমন অনেক বিশেষণই জুড়ে দেওয়া হয়েছিল ঈশান কিষানের নামের সঙ্গে। জাতীয় দল থেকেও বাদ পড়তে হয়েছিল। কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি। ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত রান করে আবার নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সুযোগ পেয়েই যেন আগুন ঝরালেন।ভারতের ইনিংসের শুরুটা ভালো ছিল না। দ্রুত অভিষেক শর্মার উইকেট পড়ে যায়। কিন্তু সেখান থেকেই দায়িত্ব তুলে নেন ঈশান। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে থাকেন। পাকিস্তানের বোলারদের উপর এক মুহূর্তের জন্যও চাপ কমতে দেননি। মাত্র ২৭ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। শাদাব খান হোক বা শাহিন আফ্রিদি, কাউকেই রেয়াত করেননি।মাঠের চারদিকে শট খেলেছেন ঈশান। দর্শকেরা অপেক্ষা করছিলেন, পরের বলটি কোন দিকে পাঠাবেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৪০ বলে ৭৭ রান করে ফেরেন। সাইম আয়ুবের বলে আউট হওয়ার সময় ভারতের ইনিংস শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে গেছে। তাঁর এই ইনিংসই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।ম্যাচ শেষে ঈশান বলেন, এই ম্যাচ সব সময় আলাদা। এই জয় শুধু দলের জন্য নয়, দেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, পাকিস্তানের দলে কয়েকজন ভালো স্পিনার রয়েছে, তাই এই জয় আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে। পাশাপাশি জশপ্রীত বুমরাহ ও হার্দিক পাণ্ডিয়ার প্রশংসাও করেন তিনি। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও বলেন, এই জয় দেশের জন্য।ঈশানের কাছে এই ইনিংস ব্যক্তিগতভাবেও খুব গুরুত্বপূর্ণ। ২০২২ সালে ডবল সেঞ্চুরি করার পর অনেকেই ভেবেছিলেন তাঁর জায়গা স্থায়ী হয়ে গেছে। কিন্তু পরবর্তীতে দল থেকে বাদ পড়েন। সেখান থেকেই শুরু হয় নতুন লড়াই। এই প্রত্যাবর্তনের পেছনে রয়েছে ভগবদ্গীতার প্রেরণা। বাবার কাছ থেকে গীতার শ্লোকের অর্থ জেনে তিনি ধীরে ধীরে সেই দর্শনের প্রতি আকৃষ্ট হন। ব্যাট ও গ্লাভসের পাশাপাশি গীতা হয়ে ওঠে তাঁর নিত্যসঙ্গী। কঠিন সময়েও সেই শিক্ষাই তাঁকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছে।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৭৭ রানের এই ইনিংস শুধু একটি ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স নয়, বরং ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। সমালোচনার জবাব দিয়েছেন ব্যাটে। আর প্রমাণ করেছেন, সুযোগ পেলে বড় মঞ্চেই তিনি নিজের সেরাটা দিতে পারেন।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘নো হ্যান্ডশেক’ নিয়ম ভেঙে আক্রমের সঙ্গে করমর্দন! রোহিতকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক

ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক এখন তলানিতে। ক্রিকেট মাঠেও তার প্রভাব স্পষ্ট। দুই দেশের ম্যাচে এখন আর অধিনায়কদের করমর্দন দেখা যায় না। বোর্ডের অঘোষিত নির্দেশ মেনে অনেক ক্রিকেটারই দূরত্ব বজায় রাখছেন। সেই আবহেই ওয়াসিম আক্রমের সঙ্গে রোহিত শর্মার করমর্দন ও হাসিমুখে গল্পের ছবি নতুন বিতর্কের জন্ম দিল।চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর রোহিত শর্মা। তাঁর হাত ধরেই শেষ টি-২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। এবারের আসরে ট্রফি মাঠে আনার দায়িত্বও ছিল তাঁর উপর। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ওয়াসিম আক্রম। সেখানেই দেখা যায়, দুজন বেশ কিছুক্ষণ কথা বলছেন, করমর্দন করছেন, হাসিমুখে খোশগল্প করছেন। মুহূর্তেই সেই ছবি ছড়িয়ে পড়ে নেটমাধ্যমে।অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, যখন ভারত-পাক ম্যাচে নো হ্যান্ডশেক প্রায় নিয়মে পরিণত হয়েছে, তখন রোহিতের এই আচরণ কতটা সমীচীন? এশিয়া কাপ থেকে শুরু করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে দুই দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে করমর্দন এড়িয়ে যাওয়ার ঘটনা দেখা গিয়েছে। টি-২০ বিশ্বকাপেও কলম্বোয় টসের সময় দুই অধিনায়ককে গম্ভীর মুখে দেখা যায়। করমর্দন হয়নি। বয়কটের আবহে ম্যাচের গুরুত্বও ছিল অনেক বেশি।এই পরিস্থিতিতে রোহিত ও আক্রমের খোলামেলা আলাপ অনেকের চোখে বেমানান লেগেছে। তবে অন্য দিকও রয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে রোহিত ভারতীয় দলের প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং ব্যক্তি ও টুর্নামেন্টের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা হিসেবে আরেক কিংবদন্তির সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করায় দোষের কিছু আছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।ওয়াসিম আক্রম শুধু পাকিস্তানের নয়, বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা পেসার হিসেবে স্বীকৃত। ক্রিকেটের ময়দানে তাঁর অবদান সীমান্তের গণ্ডি ছাপিয়ে গেছে। সেই জায়গা থেকে দেখলে দুই প্রজন্মের দুই তারকার সাক্ষাৎ ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে স্বাভাবিক বলেই মনে হতে পারে।তবু ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই এখন অতিরিক্ত আবেগ, উত্তেজনা এবং রাজনৈতিক ছায়া। তাই ছোট একটি মুহূর্তও বড় বিতর্কে রূপ নিচ্ছে। রোহিতের এই করমর্দন কি শুধুই সৌজন্য, না কি অঘোষিত নিয়ম ভাঙার বার্তাসেটাই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

“বয়কটই ভালো ছিল?” ভারতের কাছে ফের চূর্ণ পাকিস্তান, প্রশ্নে নেটদুনিয়া

গত বছর এশিয়া কাপে পাকিস্তানকে টানা তিন ম্যাচে হারানোর পর ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব বলেছিলেন, এখন আর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে সেই আগের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নেই, খেলা একপেশে হয়ে যাচ্ছে। সময়ের সঙ্গে সেই কথাই যেন আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সাম্প্রতিক ম্যাচেও পাকিস্তানের পারফরম্যান্স দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এভাবে হারতে হলে বয়কটই কি ভালো ছিল না?পাক অধিনায়ক সলমন আলি আঘার একাধিক সিদ্ধান্ত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এত বড় ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। শুরুতে স্পিনাররা ভালো বল করলেও দলের অন্যতম ভরসা উসমান তারিককে দেরিতে আনা হয়। যখন তিনি বোলিংয়ে এলেন, তখন ভারতের স্কোর প্রায় একশোর কাছাকাছি। ততক্ষণে ঈশান কিষান ঝড় তুলে ইনিংসের ভিত গড়ে দিয়েছেন।শেষ দিকেও প্রশ্ন উঠেছে অধিনায়কের সিদ্ধান্ত নিয়ে। স্পিনারদের ওভার বাকি থাকা সত্ত্বেও শেষ ওভারে শাহিন আফ্রিদিকে বল দেওয়া হয়। সেই ওভারেই ১৬ রান তুলে নেয় ভারত। ম্যাচের শেষভাগে এই রানই বড় ব্যবধান তৈরি করে দেয়। ১৭৬ রানের লক্ষ্য অজেয় ছিল না, কিন্তু পাকিস্তানের ব্যাটিং শুরু থেকেই ভেঙে পড়ে।প্রথম কয়েক ওভারেই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। দেখে মনে হচ্ছিল, দলটি যেন আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে। ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের রেকর্ডও তাদের পক্ষে কথা বলে না। আট ম্যাচের মধ্যে একবার ছাড়া প্রতিবারই হারতে হয়েছে। কখনও বোল আউটে নাটকীয় পরাজয়, কখনও ফাইনালে মিসবা উল হকের ভুল শট, কখনও মেলবোর্নে বিরাট কোহলির ঐতিহাসিক ইনিংসপ্রতিবারই ভারতের বিরুদ্ধে হারের আলাদা গল্প রয়েছে পাকিস্তানের।২০২১ সালে একমাত্র জয়টি পাওয়ার পর ভারতীয় ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন আসে। নেতৃত্বে বদল হয়, নতুন পরিকল্পনা আসে, এবং পরবর্তীতে আইসিসি ট্রফিও জেতে ভারত। কিন্তু পাকিস্তান ক্রিকেটে সেই ধারাবাহিক উন্নতি চোখে পড়ে না। বরং বড় ম্যাচে বারবার একই ভুল, একই ভাঙন দেখা যাচ্ছে।একসময় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই ছিল টানটান উত্তেজনা, শেষ বল পর্যন্ত অনিশ্চয়তা। এখন সেই রোমাঞ্চ অনেকটাই কমে গিয়েছে। মাঠের লড়াই একপেশে হয়ে গেলে দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী প্রতিদ্বন্দ্বিতাও ম্লান হয়ে যায়। প্রশ্ন উঠছে, যদি এমন পারফরম্যান্সই চলতে থাকে, তবে এই মহারণের মান কোথায় দাঁড়াবে? পাকিস্তানের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নিজেদের নতুন করে গড়ে তোলা। না হলে ভারত-পাকিস্তান লড়াইয়ের সেই পুরনো মর্যাদা আর ফিরবে কি?

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বয়কটের হুঙ্কার, শেষে ৬১ রানে ধ্বংস! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে উড়িয়ে সুপার এইটে ভারত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আবারও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দাপুটে জয় ভারতের। শ্রীলঙ্কার কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে ৬১ রানে হারিয়ে সুপার এইটে জায়গা করে নিল টিম ইন্ডিয়া। এই নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে আটবার হারাল ভারত। বড় ম্যাচে সূর্যকুমার যাদবদের জয়ের পরিসংখ্যান বদলাল না।টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। শুরুতেই অভিষেক শর্মার উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি ভারত। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুত নিজেদের হাতে নিয়ে নেন ঈশান কিষান। মাত্র ২৭ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। পাকিস্তানের বোলারদের একের পর এক বাউন্ডারি মেরে চাপে ফেলে দেন। শাদাব খান ও শাহিন আফ্রিদির বলেও সমান আক্রমণাত্মক ছিলেন ঈশান। ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৪০ বলে ৭৭ রান করে ভারতের ইনিংসের শক্ত ভিত গড়ে দেন তিনি।মাঝে তিলক বর্মা ও হার্দিক পাণ্ডিয়ার দ্রুত আউটে কিছুটা চাপে পড়ে ভারত। সূর্যকুমার যাদব চেষ্টা করলেও বড় রান করতে পারেননি। ৩২ রানে আউট হন তিনি। উসমান তারিকের স্পিন কিছুটা সমস্যায় ফেলেছিল ভারতীয় ব্যাটারদের। তবে শেষ দিকে রিঙ্কু সিং ও শিবম দুবের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে শেষ ওভারে ১৬ রান ওঠে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ভারতের রান দাঁড়ায় ১৭৫।১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। প্রথম ওভারেই সাহিবজাদা ফারহানকে ফেরান হার্দিক পাণ্ডিয়া। পরের ওভারে জশপ্রীত বুমরাহ জোড়া আঘাত করেন। সাইম আয়ুব ও সলমন আলি আঘা দ্রুত প্যাভিলিয়নে ফেরেন। সেখান থেকেই ম্যাচ কার্যত ভারতের দিকে ঝুঁকে যায়।বাবর আজম কিছুটা সময় ক্রিজে থাকলেও রানের গতি বাড়াতে পারেননি। অক্ষর প্যাটেলের বলে আউট হয়ে ফেরেন তিনি। উসমান খান লড়াইয়ের চেষ্টা করেন, কিন্তু অন্য প্রান্তে নিয়মিত উইকেট পড়তে থাকে। শাদাব খান, মহম্মদ নওয়াজ কেউই বড় রান করতে পারেননি। কুলদীপ যাদব ও তিলক বর্মাও উইকেট নেন। অক্ষর প্যাটেলের ঘূর্ণিতে বিভ্রান্ত হয়ে আউট হন উসমানও। শেষ দিকে শাহিন আফ্রিদি ১৯ বলে ২৩ রান করে ব্যবধান কিছুটা কমান।শেষ পর্যন্ত ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। হার্দিক, বুমরাহ, অক্ষর ও বরুণপ্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। ৬১ রানের বড় ব্যবধানে জিতে সুপার এইটে জায়গা নিশ্চিত করে ভারত। আর বিশ্বকাপে আবারও ভারতের সামনে থমকে দাঁড়াল পাকিস্তান।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাই ভোলটেজ ম্যাচে ৬ স্পিনার! কৌশল না বাধ্যবাধকতা?

এক সময় বিশ্ব ক্রিকেটে পেস ফ্যাক্টরি হিসেবে পরিচিত ছিল পাকিস্তান। ইমরান খান, ওয়াসিম আক্রম, ওয়াকার ইউনুস,আকিব জাভেদ, শোয়েব আখতার থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রজন্মে মহম্মদ আমির দাপুটে পেসারদের ধারাবাহিকতায় বিশ্ব কাঁপিয়েছে তারা। কিন্তু সেই পাকিস্তানই আজকের ম্যাচে একসঙ্গে ৬ জন স্পিনার খেলানোয় বিস্মিত ক্রিকেটবিশ্ব ও বিশেষজ্ঞ মহল। আজকের ম্যাচে একসঙ্গে ছয় জন স্পিনার খেলিয়ে পাকিস্তান গড়ল অনন্য বিশ্বরেকর্ড আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে এক দলে সর্বাধিক স্পিন বোলার বল করানোর নজির গড়ল পাকিস্তান।নব্বইয়ের দশক থেকে ২০০০-এর দশক পাকিস্তানের শক্তির মূল স্তম্ভ ছিল আগ্রাসী পেস আক্রমণ। রিভার্স সুইং ছিল তাদের অস্ত্র। ব্যাটসম্যানদের আতঙ্কিত করা, শর্ট বলের চাপে ভুল করানো এটাই ছিল পাকিস্তানি ক্রিকেটের পরিচয়। তাই আজকের দলগঠনে হঠাৎ স্পিননির্ভর কৌশল অনেককেই অবাক করেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে সম্ভাব্য কারণগুলো হতে পারে১. পিচের চরিত্রযদি উইকেট শুষ্ক ও ধীরগতির হয়, তাহলে স্পিনারদের জন্য সহায়ক হতে পারে। টি-টোয়েন্টিতে মাঝের ওভারগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে একাধিক স্পিনার কার্যকর হতে পারে।২. প্রতিপক্ষের ব্যাটিং কম্বিনেশনপ্রতিপক্ষ দলে যদি বাঁহাতি ব্যাটসম্যান বেশি থাকে বা স্পিনে দুর্বলতা থাকে, তাহলে স্পিন আক্রমণ বাড়ানো হতে পারে পরিকল্পিত কৌশল।৩. পেস আক্রমণে আস্থার ঘাটতিসাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের পেস বোলিং ধারাবাহিকভাবে আগের মতো ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলতে পারছে না এমন মতও রয়েছে বিশ্লেষকদের একাংশের।বিশেষজ্ঞদের প্রতিক্রিয়াঅনেকেই মনে করছেন, পাকিস্তান নিজেদের ঐতিহ্য থেকে সরে এসে অতিরিক্ত পরীক্ষানিরীক্ষায় যাচ্ছে। টি-টোয়েন্টিতে বৈচিত্র্য জরুরি হলেও ৬ জন স্পিনার কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত। পাওয়ারপ্লেতে গতি না থাকলে প্রতিপক্ষ দ্রুত রান তুলতে পারে।আবার অন্য একদল বলছেন, আধুনিক টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচ পরিস্থিতি অনুযায়ী দল গঠনই আসল নামের চেয়ে কৌশল গুরুত্বপূর্ণ।পেসের দেশ পাকিস্তানের স্পিনমুখী কৌশল সময়ই বলবে সিদ্ধান্ত সঠিক না ভুল। তবে এতদিনের ঐতিহ্য মাথায় রাখলে আজকের দলগঠন যে ক্রিকেটবিশ্বে আলোচনার ঝড় তুলেছে, তা বলাই যায়।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-পাকিস্তান: মহারণ নয়, একতরফা বার্তা, পেস বলের দেশ -৬ জন স্পিনার!

ফেব্রুয়ারির শুরুতেই বয়কটের হুঁশিয়ারি, তারপর হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলএই নাটকীয়তার আবহেই নামতে হয়েছিল ভারত-পাকিস্তানকে। কিন্তু মাঠে যে লড়াই দেখা গেল, তাতে মহারণ শব্দটা কেবল নামেই রয়ে গেল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুখোমুখি পরিসংখ্যান ৭১ থেকে বেড়ে ৮১ভারতের পক্ষে।কলম্বোর মন্থর উইকেটে টসে হেরে আগে ব্যাট করে ভারত তোলে ১৭৫/৭। জবাবে পাকিস্তান গুটিয়ে যায় ১১৪ রানে। শেষদিকে শাহিন আফ্রিদির ঝড়ো কয়েকটি শট না থাকলে তিন অঙ্কও হয়তো ছোঁয়া হত না। ম্যাচের প্রথম দুওভারেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল, অলৌকিক কিছু না ঘটলে ফলাফল কোন দিকে যাবে।ঈশানের আগুনে ইনিংস: মন্থর পিচে আলাদা আলোকলম্বোর পিচ ধীরগতিরএই ধারণা ম্যাচের আগে থেকেই ছিল। কিন্তু সেই পিচে যেভাবে ব্যাট করলেন ঈশান, তা শুধু ম্যাচ নয়, টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ইনিংস হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শুরুতেই শাহিনকে ছয় মেরে বার্তা দেন তিনিআত্মবিশ্বাসে কোনও ঘাটতি নেই।স্পিনারদের বিরুদ্ধে তাঁর পায়ের ব্যবহার, ফাঁকা জায়গা খুঁজে বাউন্ডারি বের করার দক্ষতাসব মিলিয়ে মনে হচ্ছিল, তিনি যেন অন্য ট্র্যাকে খেলছেন। ভারতীয় দল দীর্ঘদিন পর এমন এক ইনিংস পেল, যা স্কোরবোর্ডে শুধু রান যোগ করেনি, মানসিক দিক থেকেও পাকিস্তানকে চাপে ফেলেছে। ঈশানের এই ইনিংস না থাকলে ১৭৫ রান নাগালের বাইরে থাকত।সূর্য-তিলকের মাপা ব্যাটিং: ঝুঁকি নয়, বুদ্ধির খেলাঈশানের আগ্রাসনের পর পরিস্থিতি বুঝে খেলেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও তিলক বর্মা। তাঁরা জানতেন, একই ছন্দে চালালে উইকেট পড়তে পারে দ্রুত। তাই বেছে নেন খুচরো রান ও স্ট্রাইক রোটেশনের পথ। তৃতীয় উইকেটে ৩৮ রানের জুটি ম্যাচের প্রেক্ষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।সূর্য আবারও দায়িত্বশীল ইনিংস খেললেনঅধিনায়কের মতোই। রানের গতি খানিক কমলেও স্কোরবোর্ড কখনও থামেনি। এই মাপা ব্যাটিং শেষ পর্যন্ত বড় স্কোরের ভিত গড়ে দেয়।শেষের ঝড়: শিবম-রিঙ্কুর কাঁধে বাড়তি ২৫-৩০ রান১৫০ পার হওয়াই যেখানে চ্যালেঞ্জ ছিল, সেখানে শেষ তিন ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন শিবম দুবে ও রিঙ্কু সিংহ। শিবমের ১৭ বলে ২৭ ও রিঙ্কুর ৪ বলে ১১এই দ্রুত রানই ভারতের স্কোর ১৭৫-এ পৌঁছে দেয়। শেষ ওভারে শাহিনের হাতে বল তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের জন্য ব্যুমেরাং হয়ে যায়। অতিরিক্ত ১৫-১৬ রানই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়।প্রথম চার ওভারেই ধস: সূর্যের কৌশলে কাবু পাকিস্তানপাকিস্তানের ইনিংস শুরু হতেই সূর্যের কৌশল নজর কাড়ে। স্পিনে ভরসা না করে প্রথম চার ওভার বল করান জোরে বোলারদের দিয়ে। ফল? আট বলের মধ্যে দুই উইকেট। হার্দিকের বলে ফারহানের বিদায়, তারপর বুমরাহর নিখুঁত ইয়র্কারে সাইম আয়ুবের স্টাম্প উড়ে যাওয়াপাকিস্তান চাপে পড়ে যায় শুরুতেই।সলমনের একটি ঢিলেঢালা শট ধরে নেন হার্দিক। তিন উইকেট পড়ে গেলে মন্থর পিচে ঘুরে দাঁড়ানো প্রায় অসম্ভব। পাকিস্তান আর সেই অলৌকিক প্রত্যাবর্তন দেখাতে পারেনি।স্পিন-ঝুঁকি ও সিদ্ধান্তের ফারাকপাঁচ স্পিনার নিয়ে নামা পাকিস্তান ইতিহাসে নজির গড়লটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এক ইনিংসে ছজন স্পিনার ব্যবহার। কিন্তু পরিকল্পনা আর বাস্তবের ব্যবধান স্পষ্ট হয়ে গেল।অন্যদিকে সূর্যের সিদ্ধান্ত ছিল পরিস্থিতি-ভিত্তিক। প্রথমে পেসে আঘাত, তারপর স্পিনে চেপে ধরাএই কৌশলই ম্যাচের রাশ টেনে নেয় ভারতের হাতে। ফিল্ডিং সেটআপেও দেখা যায় আক্রমণাত্মক মানসিকতা, যা পাকিস্তানকে আরও চাপে ফেলে।নামেই মহারণ, মাঠে একতরফাদুই দেশের রাজনৈতিক উত্তাপ, বয়কটের নাটকসবকিছুর পরেও ক্রিকেটপ্রেমীরা চেয়েছিলেন সমানতালে লড়াই। কিন্তু কলম্বোয় দেখা গেল একতরফা আধিপত্য। ভারত শুধু জিতল না, কৌশল, মানসিকতা ও কার্যকারিতায় প্রতিপক্ষকে অনেক পিছনে ফেলে দিল।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথের ঐতিহাসিক আবেগ থাকলেও, এদিনের ম্যাচ প্রমাণ করলমহারণ হতে হলে দুই পক্ষের সমান প্রস্তুতি ও স্থিরতা দরকার। কলম্বোয় সেই সমতা দেখা যায়নি। ফলাফল তাই শুধু স্কোরলাইনে নয়, খেলায়ও স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক, ভারত-পাক লড়াই কি বাতিল?

কলম্বোয় ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আইসিসি-র নিয়ম মেনে নীরব থাকলেও, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্তে এখনও অনড়। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ভারত ম্যাচ খেলার অনুমতি না দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। একাধিক মহল থেকে পিসিবি ও পাকিস্তান সরকারকে সিদ্ধান্ত বদলের অনুরোধ জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও পরিবর্তন হয়নি।কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, ভারত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়ে আইসিসি-র সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় বসেছে পিসিবি। কিন্তু শনিবার সেই সব খবর সরাসরি অস্বীকার করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ একটি পোস্ট করে পিসিবি-র মুখপাত্র আমির মির বলেন, বোর্ড আইসিসি-র সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এমন দাবি সম্পূর্ণ ভুল। তাঁর কথায়, এক ভারতীয় ক্রীড়া সাংবাদিক এই দাবি করেছেন, কিন্তু তা ভিত্তিহীন।তিনি আরও বলেন, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের একটি অংশ মিথ্যা খবর ছড়াচ্ছে। সময়ই প্রমাণ করবে, আসলে কে আগে যোগাযোগ করেছে।এর আগে এএফপি-র একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, আইসিসি-র তরফে আনুষ্ঠানিক বার্তা পাওয়ার পর পিসিবি নাকি আলোচনায় আগ্রহ দেখিয়েছে। আইসিসি এই সমস্যার সমাধান আলোচনার মাধ্যমে করতে চায় বলেও জানা গিয়েছিল।বিতর্কের সূত্রপাত পাকিস্তানের সেই সিদ্ধান্ত থেকেই, যেখানে তারা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে গ্রুপ এ-র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি খেলবে না বলে জানায়। পাকিস্তান সরকার দলকে টুর্নামেন্টে খেলতে অনুমতি দিলেও ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচের অনুমতি দেয়নি।ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আকর্ষণগুলির একটি। সম্প্রচার, স্পনসরশিপ ও বিজ্ঞাপন থেকে বিপুল অর্থ আয় হয় এই ম্যাচকে ঘিরে। ফলে এই ম্যাচ বাতিল হলে আর্থিক দিক থেকেও বড় ধাক্কা লাগতে পারে।শনিবার নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে অল্প ব্যবধানে জিতে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে পাকিস্তান। তবে ভারত ম্যাচ না খেললে তারা গুরুত্বপূর্ণ দুই পয়েন্ট হারাবে এবং নেট রান রেটেও প্রভাব পড়তে পারে।অন্যদিকে, ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব আগেই জানিয়েছেন, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারতীয় দল কলম্বোতে ম্যাচ খেলতে যাবে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: একই গ্রুপে ভারত–পাকিস্তান, প্রকাশিত সূর্যকুমারদের ম্যাচ সূচি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ একই গ্রুপে ভারত ও পাকিস্তান। সূর্যকুমারদের সম্পূর্ণ ম্যাচ সূচি, গ্রুপ তালিকা, ভেন্যু ও তারিখ জেনে নিন এক নজরে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: একই গ্রুপে ভারতপাকিস্তান, সূর্যকুমারদের ম্যাচের সূচি প্রকাশ। র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে চার গ্রুপে ভাগ করেছে আইসিসি। ভারতের গ্রুপে পাকিস্তানসহ পাঁচ দল। ৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু।আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে গ্রুপ ভাগ করে দিয়েছে। চারটি গ্রুপে পাঁচটি করে দল অংশ নেবে টুর্নামেন্টে। সুপার এইটে উঠবে প্রতিটি গ্রুপের প্রথম দুই দল।সহজ গ্রুপে ভারত, একই গ্রুপে পাকিস্তানটি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা ভারত পেয়েছে তুলনামূলক সহজ গ্রুপ। সূর্যকুমার যাদবদের সাথে সেই গ্রুপে হয়েছে পাকিস্তান (৭), নেদারল্যান্ডস (১৩), নামিবিয়া (১৫) এবং আমেরিকা (১৮)। ভারতপাকিস্তান ছাড়া সব কটি দলই অ্যাসোসিয়েট সদস্যফলে কাগজে-কলমে গ্রুপটি ভারতের পক্ষে সুবিধাজনক।কঠিন চ্যালেঞ্জে শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকাআয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কার গ্রুপে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, জ়িম্বাবোয়ে, আয়ারল্যান্ড ও ওমানচারটি টেস্ট খেলিয়ে দেশ। ইংল্যান্ডের গ্রুপও কঠিন। তাদের মুখোমুখি হতে হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ, নেপাল ও কোয়ালিফায়ার ইটালি। দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রুপে রয়েছে নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং কানাডাযা টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্ত গ্রুপগুলির মধ্যে একটি বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা।ভারতের ম্যাচ সূচি কবে খেলবে কার বিরুদ্ধে?আইসিসি সূত্রে নিশ্চিত হয়েছে, ভারত গ্রুপ পর্বে চারটি ম্যাচ খেলবে৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, অহমদাবাদ ভারত বনাম আমেরিকা১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দিল্লি ভারত বনাম নামিবিয়া১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, কলম্বো ভারত বনাম পাকিস্তান১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মুম্বই ভারত বনাম নেদারল্যান্ডসভেন্যুর তালিকাঃভারতের পাঁচটি শহরে বিশ্বকাপের ম্যাচ হবেঅমেদাবাদ, দিল্লি, কলকাতা, মুম্বই ও চেন্নাই।শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ হবে কলম্বোর দুটি স্টেডিয়াম ও ক্যান্ডিতে।ফাইনাল সম্ভাব্য ভেন্যুঅমেদাবাদ।দুটি সেমিফাইনাল হবে কলকাতা এবং মুম্বইয়ে। তবে পাকিস্তান সেমি বা ফাইনালে পৌঁছলে তাদের ম্যাচ স্থানান্তরিত হবে শ্রীলঙ্কায়।২৫ নভেম্বর প্রকাশ হবে অফিসিয়াল সূচিঃআইসিসি ২৫ নভেম্বর সরকারি ভাবে পুরো সূচি ঘোষণা করবে। তার আগেই গ্রুপ ভাগ ও সম্ভাব্য দ্বৈরথ নিয়ে ক্রিকেট মহলে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

বিরাট রাজার দাপটে ভূপতিত পাকিস্তান। আপাত নিশ্চিন্ত শর্মা'র সাজঘর

ম্যায় হুঁ না!, জেতার জন্য শেষ শটটা খেলে অধিনায়ক রোহিতকে কি ইশারায় এটাই বলতে চাইলেন? সত্যিই বিরাটের মত ক্রিকেটার দলে থাকলে সে দল খেলার আগেই মানসিক ভাবে অনেকটা এগিয়ে থাকে। আর এই রকম ফর্মে থাকলে তো জয়লাভ ছাড়া অন্য কিছু ভাবাই অন্যায়। পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তেই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই মারমার কাটকাট উত্তেজনা। রবিবাসরীয় দুবাইয়ের শুরুতে গ্যালারির কিছুটা হালকা থাকলেও ম্যাচ গড়াতেই আস্তে আস্তে ভরে যায়। ভারত-পাকিস্তান খেলার যে স্নায়ুর লড়াই ৮০ বা ৯০এর দশকেও দেখা গেছে আজকের ম্যাচে তাঁর কোনও দৃশ্য চোখে পড়ল না। ভারত একপ্রকার একপেশেই ম্যাচটা শেষ করল। বিগত দিনের মতই আইসিসি প্রতিযোগিতায় একপেশে দাপটই দেখাল ভারত।পাকিস্তান দল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্রথম ম্যাচে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে হেরে দুবাই এসেছে। ভারতের বিরুদ্ধে প্রাজ্য মানে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায়ের ঘন্টা বেজে যাওয়া সময়ের অপেক্ষা। বোলিং-ফিল্ডিং-ব্যাটিং কোনও বিভাগেই সেইরকম কোনও মরিয়া লড়াই আজ দেখা গেল না। আজ টস জিতে মহঃ রিজ়ওয়ান প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। পরে ব্যাট করে দুবাইয়ের পিচে রান তাড়া করা বরাবরই কঠিন। সেই হিসাব করেই পাকিস্তান আজ আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এই মুহুর্তে ভারতের ব্যাটিংএ যা গভীরতা তাতে রান তাড়া করার ক্ষেত্রে ব্যাটাররা যথেষ্ট সাবলীল। সেই প্রমান উপমহাদেশের দুটি দলের বিরুদ্ধে পরপর দুটি ম্যাচে রাখলেন ভারতীয় কোহলিরা।গত ম্যাচে বিশ্বরেকর্ড করা শামি এই ম্যাচে ছন্দে ছিলেন না। প্রথম ওভারেই শামি পাঁচটি ওয়াইড বল করেন তিনি। শামির তৃতীয় ওভারে বল করার সময় হটাৎ পায়ের পেশিতে টান লেগে কোনোরকমে ওভারটি শেষ করেই মাঠ ছাড়েন শামি। যদিও চোট সেরকম গুরুতর না হওয়ায় খানিক বাদে মাঠে ফিরে এসে বল করেন। শামি ৮ ওভারে ৪৩ রান দিলেও আজ কোনও উইকেট পাননি। হার্দিক পান্ডিয়া ৮ ওভারে ৩১ রান দিয়ে দুটি উইকেট দখল করেন। অপর পেসার হর্ষিত রানাও আজ সেই ভাবে দাগ কাটতে পারেননি। তিনি একটি উইকেট পান। আজকের ম্যচে ভারতের তরূপের তাস ছিল তাঁদের বাঁহাতি স্পিনার ত্রয়ী। আজ পাকিস্তানকে রীতিমত চাপে ফেলে দিলেন কুলদীপেরা। তিন ভারতীয় স্পিনারেরা মিলে পাঁচটি উইকেট নেন। যার মধ্যে কুলদীপ সিং একাই নেন তিনটি। অক্ষর প্যাটেল এবং রবীন্দ্র জাডেজা একটি করে উইকেট লাভ করেন। অনবদ্য ফিল্ডিংয়ের ন্মুনা রাখেন অক্ষর প্যাটেল। তিনি দু দুটি রান আউট করেন।𝗖.𝗛.𝗔.𝗠.𝗣.𝗜.𝗢.𝗡.𝗦 🏆#TeamIndia 🇮🇳 HAVE DONE IT! 🔝👏ICC Mens T20 World Cup 2024 Champions 😍#T20WorldCup | #SAvIND pic.twitter.com/WfLkzqvs6o BCCI (@BCCI) June 29, 2024প্রথম ব্যাট করে পাকিস্তান ৪৭ রানের মধ্যে দু উইকেট হারিয়ে ব্যকফুটে চলেগেছিল। মহম্মদ রিজ়ওয়ান (৪৬) ও সাউদ শাকিল (৬২) এর ১০৪ রানের পার্টনারশিপে খেলায় ফেরে পাকিস্তান দল। দুবাইয়ের মাঠে রান তাড়া করা বরাবরই কঠিন। পিছ ক্রমশ স্লো হতে থাকে। আজকের ম্যাচের পিছ ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচের মত অতটা মন্থর নয় বলেই বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা। ৪৯.৪ ওভার খেলে ১০ উইকেট হারিয়ে ভারতের জন্য ২৪২ রানের লক্ষ্যমাত্রা রাখে পাকিস্তান।দুবাইয়ে স্লো পিচে ২৪২ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে শুরুতেই রোহিতের উইকেট হারায় ভারত। শাহিন শাহ আফ্রিদীর এক অনবদ্য ইয়ার্কারে বোল্ড হয়ে ফিরে যান রোহিত শর্মা। অল্প সময়ে পিচে থেকে বিপক্ষের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে ১৫ বলে ২০ রান করে যান। বিরাট কোহলি ও শুভমন গিল কোনও রকম তাড়াহুড়ো না করে ধীরে সুস্থে জুটি গড়তে শুরু করেন। এই দুই ব্যাটার ৬৯ রানের জুটি গড়েন। বাংলাদেশ ম্যাচে শতরান করা শুভমন এই ম্যাচে ৪৬ রানে আউট হয়ে গেলেও, লক্ষ্যে স্থির থেকে বিরাট কোহলি শ্রেয়াস আয়ারকে জুড়ি করে পাকিস্থানকে ম্যাচ থেকে কয়েক যোজন দূরে পাঠিয়ে দেন। প্রত্যাশা মতই আজকের ম্যাচে ম্যান অফ দা ম্যাচ নির্বাচিত হন বিরাট কোহলি। কোহলি আজ আরও একটি মাইলস্টোন পেরিয়ে যান। ভারতের কিংবদন্তি ফিল্ডার মহঃ আজাহারউদ্দিন (১৫৬) কে টপকে সর্বোচ্চ ক্যাচের অধিকারী হন বিরাট কোহলি (১৫৮)। বিশ্ব ক্রমপর্যায় তৃতীয়।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

India vs Pakistan U19: আবার পাকিস্তানের কাছে হার!‌ ক্রিকেটে কেন ভারতের এই হাল?‌

টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে হারের ক্ষত এখনও শুকোয়নি। তার মাঝেই আবার আঘাত! স্থান সেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তবে এবার সিনিয়রদের ক্রিকেটে নয়। জুনিয়রদের ক্রিকেটে। অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপে পাকিস্তানের কাছে হারতে হল ভারতকে। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে পাকিস্তানকে ২ উইকেটে জয় এনে দিলেন আহমেদ খান। টি২০ বিশ্বকাপে বিরাট কোহলি ও বাবর আজমদের লড়াই একপেশে হয়েছিল। কোহলিদের বিন্দুমাত্র সুযোগ দেননি বাবররা। অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপে অবশ্য জয় পেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হল পাকিস্তানকে। পাকিস্তানকে বিনা লড়াইয়ে এক ইঞ্চিও জায়গা ছাড়েননি যশ ঢুলরা। জয় হাসিল করতে রীতিমতো ঘাম ঝড়াতে হয়েছে পাকিস্তানকে। দুবাইয়ের আইসিসি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টসে জিতে এদিন ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় পাকিস্তান। প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় ভারত। জিশান জামিরের চতুর্থ বলেই ফিরে যান ওপেনার অঙ্ক্রিশ রঘুবংশী (০)। তৃতীয় ওভারে পরপর দুবলে সায়িক রশিদ (৬) ও অধিনায়ক যশ ঢুলকে (০) তুলে নিয়ে ভারতের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন জিশান জামির। একেবারে টি২০ বিশ্বকাপে কোহলিদের অ্যাকশন রিপ্লে। একসময় ১৩৪ রানে ৬ উইকেট পড়ে যায় ভারতের। আরাধ্য যাদব (৫০), কৌশল তাম্বে (৩২), রাজবর্ধন হাঙ্গারগেকরের (৩৩) মতো টেলএন্ডারদের দাপটে ৪৯ ওভারে ২৩৭ রানে পৌঁছয় ভারত। ওপেনার হারনুর সিং করেন ৪৬। জিশান জামির ৬০ রানে ৫ উইকেট নেন। ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের শুরুটাও ভাল হয়নি। দ্বিতীয় বলেই তারা ওপেনার আব্দুল ওয়াহিদকে (০) হারায়। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান মাজ সাদাকাত (২৯) ও মুহাম্মদ শেহজাদ। এক ওভারের ব্যবধানে সাদাকাত ও হাসিবুল্লাকে (৩) হারায়। দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন মুহাম্মদ শেহজাদ (৮১), কাসিম আক্রাম (২২), ইরফান খান (৩২), রিজওয়ান মেহমুদরা (২৯)। ১২ বলে জয়ের জন্য পাকিস্তানের এক সময় দরকার ছিল ১৮ রান। ৪৯ তম ওভারে রাজবর্ধনের বলে আহমেদ খান ১টা ছয় ও ১টা চারের সাহায্যে তোলেন ১০। শেষ ওভারে পাকিস্তানের দরকার ছিল ৮ রান। ৫০ তম ওভারের প্রথম বলেই রবি কুমার তুলে নেন জিশান জামিরকে। শেষ বলে জয়ের জন্য দরকার ছিল ১ রান। ৪ মেরে দলকে জেতান আহমেদ খান। ১৯ বলে ২৯ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ভারতের হয়ে রাজ বাওয়া ৫৬ রানে ৪ উইকেট নেন।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Asian Champions Trophy Hockey : পাকিস্তানকে আবার হারাল ভারত, তবে ব্রোঞ্জ জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হল মনপ্রীতদের

টোকিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতে ভারতীয় হকিকে নতুন দিশা দেখিয়েছিলেন মনপ্রীত সিংরা। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতীয় দলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন হকিপ্রেমীরা। অন্যতম ফেবারিট হিসেবেও প্রতিযোগিতায় খেলতে নেমেছিলেন মনপ্রীতরা। কিন্তু সেমিফাইনালে জাপানের কাছে হেরে স্বপ্নপূরণ হয়নি। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে নামতে হয়েছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। শেষপর্যন্ত পাকিস্তানকে ৪৩ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতল ভারত।সেমিফাইনালে জাপানের কাছে ৫৩ ব্যবধানে হেরে মনোবল অনেকটাই ভেঙে পড়েছিল ভারতীয় দলের। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। তবে ব্রোঞ্জ জিততে ভারতীয় দলকে যথেষ্ট লড়াই করতে হল। সেমিফাইনালে হারের হতাশা ঝেড়ে ফেলে এদিন দারুণভাবে শুরু করেছিল ভারত। প্রথম মিনিটেই হরমনপ্রীত সিংয়ের গোলে এগিয়ে যায়। শুরুতেই গোল পেয়ে যাওয়ায় আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় ভারতীয় দলের। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে পাকিস্তান গোলমুখে। কিন্তু তিনকাঠির নীচে পাকিস্তান গোলকিপার আমজাদ আলি অপ্রতিরোধ্য হওয়ায় ব্যবধান বাড়াতে পারেনি ভারত। উল্টে প্রতি আক্রমনে উঠে এসে ১০ মিনিটে গোল করে পাকিস্তানকে সমতায় ফেরান আফ্রাজ। প্রথম কোয়ার্টারে ৫টি পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে একটিও কাজে লাগাতে পারেনি ভারত। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আধিপত্য বজায় রাখলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেননি মনদীপ সিংরা।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ভারতের আক্রমনের চাপ ছিল ভারতের। খেলার গতির বিরুদ্ধে ৩৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে পাকিস্তানকে এগিয়ে দেন আব্দুল রানা। এরপর মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৪৫ মিনিটে সমতা ফেরান সুমিত। তৃতীয় কোয়ার্টারে ম্যাচের ফল ছিল ২২। ৫৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে গোল করে ভারতকে ৩২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন বরুণ কুমার। ৫৭ মিনিটে ললিত উপাধ্যায়ের পাস থেকে ৪২ করেন আকাশদীপ সিং। প্রায় সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের হয়ে ব্যবধান কমান আহমেদ নাদিম। শেষদিকে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে পাকিস্তান। কিন্তু কাজের কাজ কিছু করতে পারেনি। এই নিয়ে প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানেরল বিরুদ্ধে দুবার জিতল ভারত।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs Pakistan Hockey : পাকিস্তানকে হারিয়ে দুর্দান্ত জয় ভারতের, পৌঁছে গেল এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে

এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হকিতে শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। লিগের প্রথম ম্যাচেই কোরিয়ার কাছে আটকে যেতে হয়েছিল অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ীদের। পরের ম্যাচে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। বাংলাদেশকে উড়িয়ে দিয়েছিল ৯০ ব্যবধানে। তৃতীয় ম্যাচেও দারুণ জয়। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হকির সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল ভারত। দীর্ঘদিন একে অপরের মুখোমুখি হয়নি দুই দল। শেষবার মুখোমুখি হয়েছিল ২০১৮ সালে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ লিগে। ৩১ ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। দুই দল ফাইনালে উঠলেও ম্যাচ ভেস্তে গিয়েছিল। তারপর আর দুই দল একে অপরের বিরুদ্ধে খেলেনি। দীর্ঘ ৩ বছর পর আবার সেই এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির লিগ পর্যায়ে মুখোমুখি হল ভারতপাকিস্তান। সেই ৩ বছর আগের ম্যাচের পুনরাবৃত্তি। ৩১ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল ভারত।সাম্প্রতিক পারফরমেন্সের ভিত্তিতে এদিন ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল ভারত। শুরু থেকেই পাকিস্তানের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মনপ্রীতরা। ৭ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার কাজে লাগিয়ে ভারতকে এগিয়ে দেন হরমনপ্রীত সিং। প্রথম কোয়ার্টারে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল ভারতের সামনে। সুমিতের শট একবার পোস্টে লেগে ফিরে আসে। আর মনপ্রীত সিংয়ের প্রয়াস রুখে দেন পাকিস্তানের গোলকিপার। ২১ মিনিটে রাজকুমার পাল গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। ম্যাচের প্রথমার্ধে ১ গোলের ব্যবধানেই এগিয়েছিল ভারত।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেও সেই ভারতের আধিপত্য। ৪ মিনিটের মধ্যেই দু-দুটি সুযোগ পেয়েছিলেন মনপ্রীতরী। কিন্তু পাকিস্তানের রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় গোল আসেনি। ৪২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় ভারত। লাকড়া ৩ জন পাকিস্তান খেলোয়াড়কে ড্রিবল করে বল সাজিয়ে দেন আকাশদীপ সিংকে। গোল করতে ভুল করেননি আকাশদীপ। মিনিট তিনেক পরেই ব্যবধান কমায় পাকিস্তান। জুনেইদ মঞ্জুর পাকিস্তানের হয়ে গোল করেন। তৃতীয় কোয়ার্টারে খেলার ফল থাকে ভারতের পক্ষে ২১।সমতা ফেরানোর জন্য চতুর্থ কোয়ার্টারের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে পাকিস্তান। চতুর্থ কোয়ার্টারের শুরুতেই একটি পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। ৫১ মিনিটে সহজ সুযোগ পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন আকাশদীপ সিং। পরের মিনিটেই পেনাল্টি কর্ণার পায় পাকিস্তান। জুনেইদ মঞ্জুরের শট আটকে দেন ভারতের গোলকিপার। ৫৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ৩১ করেন ভারতের ড্রাগফ্লিকার হরমনপ্রীত সিং। শেষদিকে দুই দলই একটি করে পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20WC-MS Dhoni : মহেন্দ্র সিং ধোনির টানে আবার মাঠে ‘‌চাচা শিকাগো’‌

মুখে সেই চিরপরিচিত একগাল দাঁড়ি। হাতে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা। গায়ের জার্সিতে অভিনবত্ব। অর্ধেক ভারতের, অর্ধেক পাকিস্তানের। জার্সির সামনে মহেন্দ্র সিং ধোনির ছবি। আবার গ্যালারিতে ফিরে এসেছেন চাচা শিকাগো। কে এই চাচা শিকাগো? আসল নাম মহম্মদ বশির বোজাই। মহেন্দ্র সিং ধোনির অন্ধ ভক্ত। আদি বাড়ি পাকিস্তানের করাচি। বর্তমানে কানাডায় থাকেন। একসময় পাকিস্তানের ম্যাচ থাকলেই বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে ছুটে যেতেন। ভারতপাকিস্তান হলে তো কথাই নেই। ধোনি ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর পর মাঠ থেকে সন্ন্যাস নিয়েছিলেন চাচা বশির। বিশ্বকাপে ধোনি ভারতীয় দলের মেন্টর হয়ে ফিরতেই আবার গ্যালারিতে ফিরে এসেছেন। রবিবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামেও ভারতপাকিস্তান ম্যাচে গ্যালারিতে হাজির ছিলেন। মহেন্দ্র সিং ধোনিও তাঁর এই ভক্তকে দারুণ ভালোবাসেন, শ্রদ্ধা করেন। ২০১১ সালে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে চাচা বশিরকে প্রথমবার টিকিট দিয়েছিলেন ধোনি। সেবার মোহালিতে ভারতপাকিস্তান সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০১৪ সালে ঢাকায় টি২০ বিশ্বকাপের টিকিটও পৌঁছে গিয়েছিল বশির চাচার কাছে। এবারও ধোনিকে দেখবেন বলে দুবাইয়ে হাজির। নিজের হাতেই তৈরি করেছেন ভারতপাকিস্তান মৈত্রীর জার্সি। নিজের দেশ পাকিস্তান হলেও চাচা বশির কিন্তু জয় চেয়েছিলেন ভারতেরই। আর সেটা মহেন্দ্র সিং ধোনির জ্যই। কিন্তু তাঁর সেই আশা পূরণ হয়নি। চাচা বশির যথেষ্ট বিমর্ষ। মাঝে করোনার জন্য বার হতে পারেননি। অসুস্থ শরীর নিয়েও দুবাইয়ে হাজির হয়েছেন শুধু মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্যই। কেন উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছিলেন? চাচা বশিরএর কথায়, আমি ধোনির অন্ধ ভক্ত। ধোনি অবসর নেওয়ার পর খেলা দেখার ইচ্ছেটাই হারিয়ে গিয়েছিল। আমি টিভিতে পর্যন্ত খেলা দেখতাম না। আবার ধোনির টানে ফিরে এসেছি। আমার স্ত্রীর অপারেশন হবে। ছেলেদের কাছে স্ত্রীকে রেখে চলে এসেছি। এইরকম ম্যাচে কি বাড়িতে বসে থাকা যায়। বাইশ গজে দেখতে না পেলেও মাঠে তো ধোনিকে দেখতে পেয়েছি। রবিবার ম্যাচের পর শোয়েব মালিকসহ বেশ কয়েকজন পাকিস্তানের ক্রিকেটার ধোনির কাছে ছুটে গিয়েছিলেন। ধোনির সঙ্গে ছবিও তুলেছিলেন। সেই ছবি দেখে আপ্লুত বশির চাচা। ধোনির প্রতি এত টান, একবার রাঁচি পর্যন্ত ছুটে গিয়েছিলেন চাচা শিকাগো। ক্যাপ্টেন কুলও কখনও ফেরাননি বশির চাচাকে। বহুবার তাঁর জন্য টিকিট রেখে দিয়েছেন। একবার রোদ লাগছে দেখে সুরেশ রায়নাকে দিয়ে চাচা বশিরের জন্য গ্যালারিতে সানগ্লাসও পাঠিয়েছিলেন ধোনি। ধোনির জন্য গলা ফাটাতে গিয়ে পাকিস্তান সমর্থকদের হাতে মারও খেয়েছেন বশির চাচা। ধোনির ছবিসহ ভারতপাকিস্তান মৈত্রী জার্সি প্রসঙ্গে চাচা শিকাগোর বক্তব্য, ধোনি মেন্টর হয়ে ফিরে এসেছে বলেই আমি আবার দুবাইয়ে। ধোনির জন্যই আমার জার্সির একদিকে ভারত, একদিকে পাকিস্তান। আমার জন্ম করাচিতে। শ্বশুর বাড়ি হায়দরাবাদে। দুই দেশের প্রতিই আমার ভালোবাসা রয়েছে। আমার শরীর পাকিস্তানের হলেও, হৃদয় ভারতের। ধোনির জন্যই ভারতের জয় চেয়েছিলাম।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 WC-Virat kohli : পাকিস্তানের কাছে হেরে কেন মেজাজ হারালেন বিরাট কোহলি?‌

রবিবার ভারতপাকিস্তান ম্যাচ শেষে বাবর আজমের সঙ্গে হাত মেলানোর পর বুকে টেনে নেন পাকিস্তানের ওপর ওপেনার মহম্মদ রিজওয়ানকে। পাকিস্তানের অন্য ক্রিকেটাররা ছুটে এসে ঘিরে ধরেন ভারতীয় দলের মেন্টর মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। শোয়েব মালিকরা ছবি তোলেন ধোনির সঙ্গে। দারুণ সৌভাতৃত্বের পরিচয়। কিন্তু মাঠের বাইরে মেজাজ হারালেন ভারতীয় দলের ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলি। এই প্রথম টি২০ বিশ্বকাপে দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কোহলি। অধিনায়ক হিসেবে এটাই শেষ টি২০ বিশ্বকাপ। প্রথম ম্যাচেই চিরশত্রু পাকিস্তানের কাছে হারতে হয়েছে। বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে এটাই প্রথম পরাজয়। মেজাজ এমনিতে খারাপ ছিল। সাংবাদিক সম্মেলনে আরও খারাপ করে দেন পাকিস্তানের এক সাংবাদিক। কোহলির কাছে পাকিস্তানের এক সাংবাদিক জানতে চান, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের জন্যই কি হারতে হয়েছে ভারতকে? পাকিস্তানের ওই সাংবাদিকের প্রশ্নে মেজাজ হারান কোহলি।রাগত সুরেই কোহলি বলেন, বাইরে থেকে অনেকেই অনেক কিছু মনে করে থাকেন। বাস্তব সম্পর্কে তাঁদের কোনও ধারণা নেই। মাঠে নেমে চাপটা বোঝার চেষ্টা করুন। প্রতিপক্ষকে কোনও দল কখনও হালকাভাবে নিয়ে মাঠে নামে না। পাকিস্তানের মতো দল যে কোনও প্রতিপক্ষকে হারিয়ে দিতে পারে। এই সত্যটাকে সকলের মেনে নেওয়া উচিত। আমরা কখনোই মনে করি না এই একটা ম্যাচ জিতলেই সব পাওয়া হয়ে গেল। প্রথম ম্যাচে হার থেকে শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে কোহলি আশাবাদী। তিনি বলেন, আমরা খারাপ খেললে সেটা মেনে নিই। বিপক্ষকে কৃতিত্ব দিতে কুন্ঠিত হই না। হারার পর নজর ঘোরানোর জন্য অন্যরকম কিছু করতে চাই না। ত্রুটিগুলো খুঁজে বার করে সেগুলো সংশোধন করার দিকে নজর দিই।রোহিত শর্মার পরিবর্তে ঈশান কিষানকে খেলানো যেত কিনা, সে প্রশ্নের জবাবে কোহলি বিরক্তি প্রকাশ করে পাল্টা প্রশ্ন করে বসেন ওই সাংবাদিককে, আপনার কী মনে হয়? আপনার মতামত জানতে চাইছি। আপনি কি টি২০ ক্রিকেটে রোহিত শর্মার মতো ক্রিকেটারকে বাদ দিয়ে মাঠে নামতে পারতেন? আমরা সেরা দল নিয়েই খেলতে নেমেছিলাম। পাকিস্তানকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিতে অবশ্য ভোলেননি কোহলি। তিনি বলেন, পাকিস্তান সব বিভাগেই আমাদের পর্যুদস্ত করেছে। আমাদের ম্যাচে কোনও সুযোগই দেয়নি। আমরা চাপ তৈরির চেষ্টা করেছিলাম। তার জবাব দেওয়ার জন্য ওরা খুব ভালভাবে প্রস্তুত ছিল।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup: বিশ্বকাপে প্রথম ভারতকে হারিয়ে ইতিহাস বদলে দিলেন বাবর আজমরা

বিশ্বকাপ মানেই ভারতের আধিপত্য। সে একদিনের বিশ্বকাপই হোক কিংবা টি২০। ভারতের বিরুদ্ধে কখনও জয় পায়নি পাকিস্তান। ইতিহাস পাল্টে দিলেন বাবর আজমরা। রবিবার দুবাইয়ে টি২০ বিশ্বকাপে ভারতকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে এই প্রথম বিশ্বকাপে জয় পেল পাকিস্তান। দুর্দান্ত বল করে ম্যাচের নায়ক শাহিন আফ্রিদি। টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। তাঁর লক্ষ্য ছিল রান তাড়া করে খেলা। পাশাপাশি রাতের শিশিরের কথাও মাথায় রেখেছিলেন। দলের অধিনায়ককে হতাশ করেননি পাকিস্তান বোলাররা। প্রথম ওভারেই আঘাত। ম্যাচের চতুর্থ বলেই শাহিন আফ্রিদির দুরন্ত ইয়র্কার রোহিত শর্মার প্যাডে আছড়ে পড়তেই দেওয়াল লিখন পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল ভারতের। রোহিত (০) যখন সাজঘরের রাস্তা ধরেন ভারতের রান ১। এক ওভার পরেই আউট লোকেশ রাহুল (৩)। তিনিও সেই শাহিন আফ্রিদির শিকার। পাকিস্তানের এই জোরে বোলার যে ডেলিভারিতে বোল্ড করেন, এক কথায় স্বপ্নের বল। সুনীল গাভাসকার পর্যন্ত কমেন্ট্রি বক্সে বসে বলেন, ম্যাজিক ডেলিভারি। খেলা সত্যিই দুঃসাধ্য। তিন ওভারের মধ্যেই ৬ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে ভারত। ভেসে উঠছিল ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ফাইনালের স্মৃতি। সেই ম্যাচেও ৩ ওভারে ৬ রানে ২ উইকেট হারিয়েছিল ভারত। ভারতকে শুরুতে ধাক্কা দিয়েছিলেন মহম্মদ আমির। আর টি২০ বিশ্বকাপে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন শাহিন আফ্রিদি।কোহলির সঙ্গে জুটি বেঁধে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন সূর্যকুমার যাদব। ১টা ৪ ও ১টা ৬ মেরে পাল্টা চাপ তৈরি করতে চেয়েছিলেন সূর্যকুমার (৮ বলে ১১)। হাসান আলির অফস্টাম্পের বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে উইকেটকিপার মহম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দেন। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান কোহলি ও ঋষভ পন্থ। ঋষভ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করলেও ইনিংস গড়ার দিকে নজর দেন কোহলি। জুটিতে ওঠে ৫৩। ৩০ বলে ৩৯ রান করে সাদাব খানের বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দেন ঋষভ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ২টি ৪ ও ২টি ৬। রবীন্দ্র জাদেজাও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। ১৩ বলে ১৩ রান করে তিনি হাসান আলির বলে আউট হন।অন্যপ্রান্ত থেকে একের পর এক উইকেট পড়লেও ধৈর্য হারাননি কোহলি। প্রকৃত নেতার মতোই দলকে টেনে নিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত সেই শাহিন আফ্রিদির বলে উইকেটকিপার মহম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন কোহলি। ৪৯ বলে ৫৭ রান করেন ভারত অধিনায়ক। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও ১টি ৬। কোহলি যখন আউট হন ভারতের রান তখন ১৮.৪ ওভারে ১৩৩। হার্দিক পান্ডিয়াও (৮ বলে ১১) ব্যর্থ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫১ রান তোলে ভারত।পাকিস্তানে লক্ষ্য ছিল ভারতকে এমন রানে আটকে রাখা, যাতে লড়াই করতে সুবিধা হয়। সেই লক্ষ্যে তারা সফল। ভান্ডারে ১৫১ রানে পুঁজি নিয়ে জিততে গেলে শুরুতেই বিপক্ষকে ধাক্কা দেওয়াটা জরুরি। সেই কাজটাই করতে পারেনি ভারতীয় বোলাররা। তবে পাকিস্তানের দুই ওপেনারে প্রশংসাও করতে হবে। দারুণ সতর্কভাবে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে পাকিস্তান তোলে ৪৩। ১০ ওভারে পৌঁছে যায় ৭১ রানে। দুই ওপেনার বাবর আজম ও মহম্মদ রিজওয়ান দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। ভারতীয় বোলারদের কোনও রকম সুযোগই দেননি। টি২০ ক্রিকেটে কেন তিনি র্যাঙ্কিংয়ে ১ নম্বরে রয়েছেন বুঝিয়েস দিলেন। ধীরস্থিরভাবে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। ১৭.৫ ওভারে কোনও উইকেট না হারিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় পাকিস্তান। ৫৫ বলে ৭৯ রানে অপরাজিত থাকেন মহম্মদ রিজওয়ান। ৫২ বলে ৬৮ রানে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক বাবর আজম। এই প্রথম বিশ্বকাপের আসরে ভারতের বিরুদ্ধে জয় পেল পাকিস্তান।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

virat kohli : কোহলির হয়ে গলা ফাটাচ্ছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটারের স্ত্রী?‌ সত্যিই আজব ব্যাপার

টি২০ বিশ্বকাপে ভারতপাকিস্তান লড়াই। আর কোহলির হয়ে গলা ফাটাচ্ছেন কিনা পাকিস্তানের এক ক্রিকেটারের ঘরণী! সত্যিই অবাক হওয়ার কথা। তবে পাকিস্তানের ক্রিকেটারের ওই ঘরণী বিরাট কোহলির হয়ে গলা ফাটালেও নিজের স্বামীর দেশেরই জয় চান। সত্যিই আজব ব্যাপার। পাঠকবর্গের খুব জানতে ইচ্ছে করছে কোন ক্রিকেটারের ঘরণী বিরাট কোহলির ভক্ত? তাঁর নামই বা কী। এবার খোলসা করা যাক।পাকিস্তানের জোরে বোলার হাসান আলির স্ত্রী শামিয়া আরজু কোহলির দুর্দান্ত ভক্ত। শামিয়ার কোহলি প্রেমের মধ্যে কোনও অস্বাভাবিকতা নেই। কারণ কোহলির আবেগ,আগ্রাসনে মুগ্ধ অগনিত ক্রিকেটপ্রেমী। শুধু ক্রিকেট প্রেমীই বা বলি কি করে। ক্রিকেটের বাইরেও অনেক ভক্ত রয়েছে কোহলির। নিজগুনে মহিলাদের মনেও জায়গা করে নিয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক।শামিয়া আরজুর কোহলি প্রীতির মধ্যে রয়েছে অন্যরকম গল্প। আদতে ভারতের মেয়ে শামিয়া আরজু। হরিয়ানার ছান্দেনি গ্রামে বেড়ে ওঠা। ফরিদাবাদের মানব রচনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি টেক পাশ করেন। অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হওয়ার পর জেট এয়ারওয়েজে এয়ার হোস্টেস হিসেবে যোগ দেন। কিছুদিন সেখানে কাজ করার পর এমিরেটস এয়ারলাইনসে ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ারের পদে যোগ দেন। দুবাইতে কর্মরত অবস্থাতেই হাসান আলির সঙ্গে পরিচয়। দুবছর ধরে চলে প্রেম পর্ব। তারপর বিয়ে। ২০১৯ সালে দুবাইতেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন দুজনে।তিনি যে বিরাট কোহলির ভক্ত ভারতপাকিস্তান ম্যাচের আগে শামিয়া আরজু জানাতে দ্বিধা করেননি। বিরাটের ব্যাটে সাফল্য চাইলেও হাসান আলির স্ত্রী অবশ্য পাকিস্তানের জয় চান। পাকিস্তানের আর এক ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের স্ত্রী সানিয়া মির্জা অবশ্য শামিয়া আরজুর মতো খুল্লামখুল্লা নন। ভারতপাকিস্তান ম্যাচের আগে তিনি মুখে কুলুপ এঁটেছেন। সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও অনেক দুরে সরে রয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে শামিয়া আরজু তাঁর কোহলি প্রেমের কথা জানিয়েছেন।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ndia-Kohli : পাকিস্তান ম্যাচের আগে কেন এতটা বিনয়ী বিরাট কোহলি

শনিবারই বেজে গেল টি২০ বিশ্বকাপের দামামা। রবিবারই সেই বহু কাঙ্খিত মহারণ। টি ২০ বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দুবাইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান। বাবর আজমের দলের মুখোমুখি হওয়ার আগে বিপক্ষকে যথেষ্ট সমীহ করছেন বিরাট কোহলি। পাকিস্তান ম্যাচের প্রথম একাদশ নিয়ে অবশ্য ধোঁয়াশা রেখে দিলেন টিম ইন্ডিয়ার ক্যাপ্টেন।বিশ্বকাপের পরিসংখ্যানের দিক থেকে এগিয়ে থেকেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে বিরাট কোহলির দল। বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে এখনও একটা ম্যাচেও হারেনি ভারত। তবে রবিবারের ম্যাচে যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। বিপক্ষ শিবিরকে অবশ্য যথেষ্ট সমীহ করছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, পাকিস্তান যথেষ্ট শক্তিশালী দল। ওদের গুরুত্ব দিতেই হবে। তবে আমরাও ভাল পরিকল্পনা করেছি। সেই পরিকল্পনাগুলি সফলভাবে প্রয়োগ ঘটাতে পারলে জিততে সমস্যা হবে না। জিততে গেলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সবসময় সেরাটা দিতে হবে। ওদের দলেও বেশ কয়েকজন ভাল ক্রিকেটার রয়েছে। যারা ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বদলে দিতে পারে। এদিকে, ম্যাচের আগের দিনই ১২ জনের দল ঘোষণা করে দিয়েছে পাকিস্তান। ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট অবশ্য দল নিয়ে ধোঁয়াশা রেখেই দিয়েছে। প্রথম একাদশ নিয়ে কোহলি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, এখনই দলের কম্বিনেশন প্রকাশ করব না। মাঠে নামার জন্য দলের প্রত্যেকেই তৈরি। সবাই জানে মাঠে কার কী ভুমিকা রয়েছে। কম্বিনেশন না বললেও এটা নিশ্চিত যে বোলার হার্দিক পান্ডিয়াকে পাচ্ছে না ভারত। ব্যাটার হিসেবেই তাঁকে খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে। কোহলির কথাতে তারই ইঙ্গিত মিলেছে। ভারত অধিনায়ক বলেন, হার্দিকের ফিটনেস এখন ভাল জায়গায় রয়েছে। আশা করছি এই বিশ্বকাপেই বোলিং করতে পারবে। তবে ৬ নম্বরে এত দ্রুত হার্দিকের বিকল্প পাওয়া কঠিন। ওর ব্যাটিংয়ের ওপর দলের আস্থা রয়েছে। হার্দিকের ইনিংস কতটা মূল্যবান আমরা জানি। কোহলি খোলসা না করলেও ব্যাটিং অর্ডারে রোহিত ও লোকেশ রাহুল শুরুতে থাকছেন। তিনে কোহলি, চারে সম্ভবত ঋষভ পন্থ, পাঁচে সূর্যকুমার যাদব, ছয়ে হার্দিক পান্ডিয়া। স্পিনার অলরাউন্ডার হিসেবে থাকছেন রবীন্দ্র জাদেজ। দুই জোরে বোলার যশপ্রীত বুমরা ও মহম্মদ সামি। দুই স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌India vs Pakistan : ভারত–পাকিস্তান ম্যাচে কোন দুজন ক্রিকেটার পার্থক্য গড়ে দেবেন?‌ জানতে পড়ুন

ক্রিকেট মাঠে ভরতপাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই অন্য উত্তেজনা। প্রচন্ড চাপ নিয়ে মাঠে নামতে হয় দুদেশের ক্রিকেটারদের। তবে সবথেকে বেশি চাপে থাকেন দুই দেশের অধিনায়ক। ব্যর্থ হলেই সমালোচনার তির ধেয়ে আসে তাঁদের দিকে। কারণ, অধিনায়কদের সামান্য ভুলই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। ২৪ অক্টোবর টি২০ বিশ্বকাপে ভারতপাকিস্তান ম্যাচে বিরাট কোহলি ও বাবর আজমের মস্তিষ্কই ফ্যাক্টর বলে মনে করছেন পাকিস্তানের ব্যাটিং পরামর্শদাতা ম্যাথু হেডেন।অস্ট্রেলিয়ার এই প্রাক্তন ক্রিকেটার মনে করেন ভারতপাকিস্তান ম্যাচে দলকে সঠিকভাবে নেতৃত্ব দেওয়াটাই আসল ব্যাপার। অধিনায়কদের সামান্য ভুলই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। হেডেন বলেছেন, ভারতপাকিস্তান ম্যাচে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে দুই দেশের অধিনায়কের ভুমিকা। এই ম্যাচে দলকে সুচারুভাবে পরিচালনা করাই আসল। অধিনায়কের সামান্য ভুল ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেবে। আরব আমীরশাহীর পরিবেশে ছোটখাট ভুলই মারাত্মক হয়ে দাঁড়াবে।হেডেন মনে করেন, অধিনায়কদের ব্যক্তিগত পারফরমেন্স দলের সাফল্যে খুব একটা প্রভাব ফেলে না। এই ব্যাপারে তিনি তুলে ধরেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও ইওয়িন মর্গ্যানের উদাহরণ। আইপিএলে ব্যাট হাতে চূড়ান্ত ব্যর্থ এই দুই অধিনায়ক। অথচ তাঁদের নেতৃত্বে আইপিএল ফাইনালে উঠেছিল চেন্নাই সুপার কিংস ও কলকাতা নাইট রাইডার্স। হেডেন বলেছেন, আইপিএলেমহেন্দ্র সিং ধোনি ও ইওয়িন মর্গ্যানের ব্যক্তিগত পারফরমেন্স খুবই খারাপ ছিল। ব্যাট হাতে রান পায়নি। কিন্তু দুজনই দলকে দারুণ নেতৃত্ব দিয়েছিল।পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম অধিনায়ক হিসেবে দারুণ ভুমিকা পালন করছেন বলে মনে করেন হেডেন। তাঁর মতে ব্যাট হাতে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তবে বিশ্বকাপে দুই দেশের অধিনায়ককেই চাপ নিয়ে মাঠে নামতে হবে বলে হেডেন মনে করেন। তাঁর কথায়, দলকে জেতানোর জন্য কোহলি ও বাবরের ওপর চাপ থাকবে। বাবর অবশ্য দলকে খুব ভাল নেতৃত্ব দিচ্ছে। ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালন করছে। আশা করছি পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও নিজেকে মেলে ধরবে।

অক্টোবর ২১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ধর্নামঞ্চে নিঃসঙ্গ মমতা, বিদ্রোহীদের শক্তি বাড়ছে? তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনায় তপ্ত বাংলা রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মঞ্চে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নতৃণমূল কংগ্রেস কি বড় ধরনের ভাঙনের মুখে? বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের এক মাসও পূর্ণ হয়নি, তার আগেই দলের অন্দরে অসন্তোষ, সই-জালিয়াতি বিতর্ক, বিধায়কদের অনুপস্থিতি এবং বহিষ্কৃত নেতাদের সক্রিয়তা নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণকে জটিল করে তুলেছে।মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না কর্মসূচি সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। কারণ, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা গেল মাত্র আটজন বিধায়ক এবং ছয়জন সাংসদকে। একসময় যে দল রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল, সেই দলের শীর্ষ নেত্রীর কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের এই সীমিত উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিরোধী কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই ধর্নার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু কর্মসূচির রাজনৈতিক গুরুত্বকে ছাপিয়ে যায় উপস্থিতির হিসাব। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে কেন্দ্র করে পরিষদীয় দলে ভাঙনের জল্পনা তুঙ্গে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপি সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের ভয় দেখানো হচ্ছে, তৃণমূল ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।সই জালিয়াতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মমতা স্পষ্ট বার্তা দেন। তাঁর দাবি, যাঁরা এখন নিজেদের সই অস্বীকার করছেন, তাঁদের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রমাণ দলের কাছে রয়েছে। প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষারও দাবি জানান তিনি। তবে তাঁর বক্তব্য, এই বিতর্ককে সামনে এনে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া আটকে রাখা উচিত নয়।অন্যদিকে, বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা অটুট থাকলেও বর্তমান তৃণমূল তার পুরনো চরিত্র হারিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দল কর্পোরেট সংস্কৃতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং সাধারণ কর্মীদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সাংগঠনিক ব্যর্থতার অভিযোগও তোলেন।রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সংখ্যার অঙ্কে। বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী তাপস রায়ের দাবি, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও ঋতব্রত প্রকাশ্যে সেই দাবি মানতে চাননি। তবুও বারবার উঠে আসছে একটি প্রশ্নযদি সত্যিই এত বড় একটি গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে থাকে, তবে কি তৃণমূলের পরিষদীয় দলে বড়সড় ভাঙন আসন্ন?এদিকে তৃণমূলের তরফে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কুণাল ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের এই অবস্থান জনগণের রায়ের প্রতি অসম্মান।পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে বিধানসভার স্পিকারকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, স্পিকারের অনুমতি ছাড়া বিরোধী সদস্যদের কোনও চিঠি গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিধানসভার কার্যপ্রণালী নিয়ে এই অভিযোগও রাজনৈতিক সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি দাবি করেন, ধর্মতলার কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি অত্যন্ত কম ছিল এবং তৃণমূল এখন কার্যত সংগঠনগত সংকটে ভুগছে। পাশাপাশি সই-জালিয়াতি ইস্যুতে তিনি কড়া ভাষায় প্রাক্তন শাসকদলকে আক্রমণ করেন।সব মিলিয়ে বাংলার রাজনীতিতে এখন এক অস্থির সময় চলছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবির ক্রমশ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছে। সংখ্যার অঙ্ক এখনও প্রকাশ্যে না এলেও, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে আগামী কয়েকদিনই নির্ধারণ করবে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ পথচলা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা।

জুন ০২, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে নম্বর বিতর্কের ঝড়! পদ থেকে সরানো হল সিবিএসই চেয়ারম্যান ও সচিবকে

সিবিএসইর অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সিবিএসই চেয়ারম্যান রাহুল সিং এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তাকে। পাশাপাশি অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পরিষেবা সংক্রান্ত টেন্ডার ও ক্রয় প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।সিবিএসই চেয়ারম্যান হিসেবে রাহুল সিং বোর্ডের পরীক্ষা, শিক্ষানীতি, পাঠক্রম, সংস্কার এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক কাজের তদারকি করতেন। একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্বও তাঁর উপর ছিল। অন্যদিকে সচিব হিমাংশু গুপ্তা বোর্ডের প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয় দেখাশোনা করতেন। দেশজুড়ে পরীক্ষার দৈনন্দিন পরিচালনা এবং বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর পর থেকেই ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। বহু পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তাঁরা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম নম্বর পেয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেন, তাঁদের উত্তরপত্রের কিছু অংশ মূল্যায়নই করা হয়নি। আবার অনেকের অভিযোগ, স্ক্যান করা উত্তরপত্র ঝাপসা ছিল। কোথাও নম্বর গণনায় ভুল ধরা পড়ে, কোথাও উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ ওঠে।রিভিউ এবং পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়াতেও একাধিক সমস্যা সামনে আসে। সার্ভার বিভ্রাট, অর্থপ্রদান সংক্রান্ত জটিলতা এবং পোর্টালে প্রবেশ করতে না পারার অভিযোগ করেন বহু পরীক্ষার্থী। গত পয়লা জুন পোর্টালে প্রবেশের চেষ্টা করলে অনেকেই দেখেন, সেটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।মঙ্গলবার নতুন করে পোর্টাল চালু হলেও সমস্যার অভিযোগ পুরোপুরি থামেনি। বহু পড়ুয়া লগইন সমস্যা, অর্থপ্রদান ব্যর্থ হওয়া এবং ওয়েবসাইট বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন। জানা গিয়েছে, মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে পোর্টালে পনেরো লক্ষেরও বেশি প্রবেশের চেষ্টা হয়। পাশাপাশি অনুমোদনহীন প্রবেশের চেষ্টাও ধরা পড়ে বিপুল সংখ্যায়।যদিও সিবিএসইর দাবি, সমস্ত চাপ এবং প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মধ্যেও পোর্টাল নিরাপদ ও সচল রয়েছে। আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য সেশনের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। বোর্ডের দাবি, এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা আরও সহজে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার চোখের সামনে অসুস্থ কুণাল, তারপর যা করলেন নেত্রী!

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা ধর্না কর্মসূচিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ঘটনাকে ঘিরে ধর্নামঞ্চে সাময়িক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। কুণাল অসুস্থ হয়ে পড়তেই তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে এবং সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করতে দেখা যায় নেত্রীকে।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যে ছিলেন কুণাল ঘোষ। প্রথমে তিনি কালীঘাটে গিয়ে দলীয় বৈঠকে যোগ দেন। এরপর রানি রাসমণি রোডে যান এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে বিধানসভাতেও উপস্থিত হন। সেখান থেকে সরাসরি পৌঁছে যান ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে।ধর্নাস্থলে পৌঁছনোর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন তিনি। পরিস্থিতি বুঝে সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে বসার এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান। হাতে যা ছিল, তা দিয়েই তাঁকে বাতাস করতে দেখা যায়। পাশাপাশি স্নেহভরে তাঁর মাথায় হাত বুলিয়েও দেন নেত্রী।কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর কুণাল ঘোষের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রচণ্ড গরম এবং সারাদিনের ব্যস্ততার কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের আন্দোলন কর্মসূচির মধ্যে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ধর্নামঞ্চে কুণাল ঘোষের অসুস্থ হয়ে পড়া এবং তাঁর পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলেও বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

সই জাল কাণ্ডে নতুন মোড়! ফের স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের, বাড়ল জল্পনা

সই জালিয়াতি বিতর্কের মধ্যেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে ফের চিঠি পাঠালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। স্পিকারকে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার চিঠি দিলেন অভিষেক।এর আগে প্রথম চিঠি পাওয়ার পর স্পিকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সরাসরি চিঠি দিয়ে বিরোধী দলনেতা মনোনয়ন করা যায় না। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দলের পরিষদীয় বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করতে হয়। সেই বৈঠকের কার্যবিবরণী এবং উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর-সহ নথি বিধানসভায় জমা দিতে হয়।মঙ্গলবার পাঠানো দ্বিতীয় চিঠিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্রকে উপ-বিরোধী দলনেতা করার দাবিও তুলেছেন।এদিকে সই জালিয়াতি বিতর্ক ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এই ঘটনায় সরব হওয়ার পর ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সূত্রের দাবি, প্রায় পঞ্চাশ জন বিধায়ককে ঘিরে দলীয় অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তদন্তও এগোচ্ছে দ্রুত। সই জালিয়াতি মামলায় তিন তৃণমূল বিধায়কের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিআইডি। বাহারুল ইসলাম, সুব্রত রায় এবং অরূপ রায়ের হাতের লেখার নমুনা পরীক্ষা করতে চান তদন্তকারীরা। আদালতের নির্দেশে তাঁদের বিচারকের সামনে উপস্থিত হয়ে নমুনা স্বাক্ষর ও হাতের লেখা জমা দিতে হতে পারে। পরে সিআইডির হ্যান্ডরাইটিং বিশেষজ্ঞরা সেই নমুনার সঙ্গে বিতর্কিত স্বাক্ষরের মিল খতিয়ে দেখবেন। ফলে সই জালিয়াতি মামলার তদন্ত এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

কলেজের আলমারিতে লুকিয়ে ছিল লক্ষ লক্ষ টাকা! খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ সবার

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে রহস্যজনকভাবে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কলেজের ইউনিয়ন রুমের একটি পুরনো আলমারি থেকে উঁই ধরা অবস্থায় টাকা ভর্তি একাধিক বাক্স উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার কলেজ চত্বরে এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুচিপাড়া থানার পুলিশ। এরপর ইউনিয়ন রুম থেকে টাকা ভর্তি ব্যাগ ও বাক্সগুলি উদ্ধার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা হতে পারে। তবে ঠিক কত টাকা পাওয়া গিয়েছে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। নোটগুলির একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে আলমারিতে পড়ে থাকার কারণে উঁইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।ঘটনার পরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা কলেজের ইউনিয়ন রুমে কীভাবে এল, কে বা কারা সেখানে টাকা রেখে গিয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা জমা রাখা হয়েছিল, সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস, এর সঙ্গে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের যোগ রয়েছে কি না এবং কতদিন ধরে ওই টাকা সেখানে ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও আর্থিক অনিয়ম রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কলকাতার অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। রহস্যময় এই টাকার উৎস খুঁজতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

ধর্নায় মমতা, কিন্তু কোথায় দলের বিধায়করা? জল্পনা তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতিতে

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। এই আবহেই ফের আন্দোলনের পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে নানা ইস্যুতে তাঁকে ধর্না ও আন্দোলনের মঞ্চে দেখা গিয়েছে। তবে এবারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা।মঙ্গলবার দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে পৌঁছতেই কিছু সমর্থকের ভিড় দেখা গেলেও অতীতের বিশাল জনসমাগমের সঙ্গে তার কোনও তুলনা নেই বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।বর্তমানে তৃণমূলের হাতে ৭৮ জন বিধায়ক এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে ৪১ জন সাংসদ রয়েছেন। কিন্তু ধর্নামঞ্চে দেখা গেল মাত্র কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে। এই উপস্থিতি নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা।মমতার পাশে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সাংসদদের মধ্যে ছিলেন ডেরেক ওব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, দোলা সেন, মালা রায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়া সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তন্ময় ঘোষকে মমতার পাশে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন পুর প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈশ্বনর চট্টোপাধ্যায়, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার-সহ আরও কয়েকজন।ধর্নামঞ্চে অধিকাংশ বিধায়ক ও সাংসদের অনুপস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও দলীয় নেতৃত্বের তরফে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

পঞ্চায়েত চত্বরে আধপোড়া আবাসের নথি! পালাবদলের পর বাঁকুড়ায় তীব্র চাঞ্চল্য

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বাঁকুড়ার একটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশে বিপুল পরিমাণ আধপোড়া সরকারি নথি পড়ে থাকতে দেখা যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উদ্ধার হওয়া একাধিক নথিতে আবাস প্রকল্পের উল্লেখ থাকায় স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য গোপন করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে এলাকার কয়েকজন বিজেপি কর্মী উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে দ্বারিকা গোঁসাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে যান। সেই সময় পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশেই পোড়া কাগজের স্তূপ দেখতে পান তাঁরা। পরে ছাই সরিয়ে বেশ কিছু আধপোড়া নথি উদ্ধার করা হয়। সেগুলির মধ্যে আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে।এরপরই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে পালাবদলের পর অতীতের আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত দুর্নীতির তথ্য ও প্রমাণ নষ্ট করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বাগদী বলেন, আবাস যোজনার নথি কেন পোড়ানো হল, তার সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হবে বলেও জানান তিনি।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। পঞ্চায়েত প্রধান কার্তিক লোহার বলেন, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরও তাঁরা নিয়ম মেনে কাজ করছেন। তাঁর দাবি, পুরনো ব্যানার, ফেস্টুন এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র পরিষ্কার করার সময় সেগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আবাস প্রকল্পের যে তালিকার কপি সেখানে ছিল, সেগুলি পুরনো কাগজ মাত্র। মূল তথ্য এখনও অনলাইনে সংরক্ষিত রয়েছে এবং যে কেউ চাইলে তা দেখতে পারবেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আধপোড়া নথি ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে হাজির ঋতব্রত, শুরু নতুন জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দলের ভাঙন নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। মঙ্গলবার সেই জল্পনা আরও উসকে দিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে তিনি বিধানসভায় পৌঁছনোর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।সূত্রের খবর, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৫০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র নিয়ে বিধানসভার কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। যদিও এদিন স্পিকার দিল্লিতে থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে বিধানসভার সচিবের কাছেই নথি জমা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, ওই চিঠিতে নতুন নেতৃত্বের অধীনে তৃণমূলের একটি পৃথক গোষ্ঠী গঠনের কথা উল্লেখ থাকতে পারে। এমনকি দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে ভবিষ্যতে দাবি তোলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়ের একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। প্রায় ৫০ জন বিধায়ককে নিয়ে স্পিকারের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন ঋতব্রত। খেলা হবে। এই পোস্টের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে।দুই দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিধায়ক বৈঠকে দলের অধিকাংশ বিধায়ক অনুপস্থিত ছিলেন। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র কুড়িজনের উপস্থিতি নতুন প্রশ্ন তুলেছিল। এরপর থেকেই দলের অন্দরে অসন্তোষ ও ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও এনসিপির মতো পরিস্থিতি বাংলাতেও তৈরি হতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে দল ভাঙার কথা স্বীকার করেনি। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

জুন ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal