• ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ১৩ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ill

কলকাতা

পোষ্যকে হাতে নিয়েই ট্রেডমিলে ঘাম ঝড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ভিডিও ভাইরাল

ট্রেডমিলে হাঁটতে হাঁটতে বাজেট তৈরির কথা আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যখন তিনি হাঁটার সময় পান না তখন ট্রেডমিলেই সেই কাজ সেরে নেন। রবিবার ছুটির দিনে ইনস্টাতে ট্রেড মিলে হাঁটার ভিডিও পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে পোষ্যকে হাতে নিয়েই ট্রেডমিলে ঘাম ঝড়াচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। কয়েক সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে তাঁর হাতে মিষ্টি দেখতে একটি লোমশ বিদেশি কুকুর রয়েছে। সেই কুকুরটি হাতে নিয়েই ট্রেডমিলে হাঁটছেন মমতা। অবাক পানে তাকিয়ে রয়েছে কুকুরটি। সে কোনও দুষ্টমি করছে না।বাংলার মুখ্যমন্ত্রী যখন মিছিলে হাঁটেন তখন তাঁর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পারেন না নেতা-নেত্রীরাও। এমনকী তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরাও প্রায় ছুটতে থাকেন। যখন বাইরে হাঁটার সময় পান না তখন ট্রেড মিলেই হাঁটা সেরে নেন তিনি। এবার ট্রেডমিলে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে ওই মিষ্টি পোষ্যকে দেখে নেটিজেনরা মজার মজার মন্তব্য করেছেন।

মে ০৭, ২০২৩
রাজ্য

খাল সংস্কারের মাটি দিয়ে জলাশয় ভরাট নিউটাউনে, অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য, ঘটনায় তোলপাড়

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে নিউটাউনের বাগজোলা খাল ও কেষ্টপুর খালের সংস্কার শুরু করেছে সেচ দপ্তর। প্রতি বছর সামান্য বৃষ্টি হলেই জলমগ্ন হয় নিউটাউন, সল্টলেকের বিস্তীর্ণ এলাকা। অভিযোগ, বাগজোলা খাল সংস্কারের মাটি দিয়ে একাধিক জলাশয় ভরাট হচ্ছে নিউটাউনে পাথরঘাটা পঞ্চায়েতের ছাপনা এলাকায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, পাথরঘাটা পঞ্চায়েতের সদস্য জইরুল হাজরা সহ স্থানীয় নেতাদের মদতে রাতের অন্ধকারে সেই মাটি গিয়ে পড়ছে এলাকার জলাশয় গুলিতে। তবে বিডিও, বিধায়ক ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি জলাশয় ভরাটের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন।রাজারাহটের বিডিও ঋষিকা দাস বলেন, বিষয়টি দেখার জন্য স্থানীয় টেকনো সিটি থানার পুলিশ সহ সেচ দপ্তরের আধিকারিককে আমি চিঠি করেছি। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে। রাজারহাট পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রবীর কর বলেন, সেচ দফতর খাল কাটছে। আর সেই খাল কাটা মাটি নিয়ে জলাভূমি ভরাটের ঘটনাটা আমার কানে এসেছে। পাথরঘাটা পঞ্চায়েতের প্রধানকে বলেছি যে কারা করছে তাদের নোটিশ ধরাতে এবং ভরাট কাজ বন্ধ করাতে। জলাশয় ভরাট করার আইন নেই যদি সেটা রেকর্ড নাও থাকে তাও জলাশয় ভরাট করা যায় না। এক্ষেত্রেও আমি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। যদি ভরাট করা হয়ে থাকে এক্ষেত্রেও মাটি তুলে দেওয়া হবে। দলের উচ্চ নেতৃত্বকে এবিষয়ে জানাবো।রাজারহাট নিউটাউন বিধায়ক তাপস চ্যাটার্জি বলেন, স্থানীয় প্রধান, সভাপতি এবং বিডিও সবাইকে বলেছি বিষয়টা দেখতে জলাভূমিতে যদি মাটি পড়ে থাকে ভরাট করা যাবে না। এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেব আমরা পুলিশকেও বলছি। কোটি কোটি টাকা খরচা করে খাল কাটা হচ্ছে মানুষকে ভালো রাখার জন্য। মেম্বার হলেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে তিনি আইনের উর্ধ্বে নন। কোন মেম্বারের জন্য যদি দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২২
রাজ্য

আয়কর হানা বর্ধমান শহরের চালকল গদিতে, বীরভূম যোগ?

একটি রাইসমিলের বর্ধমানের সিটি অফিসে আয়কর হানা।কার্জনগেটের পাশে একটি মলের দ্বোতলায় মা শান্তি এগ্রো প্রাইভেট লিমিটেডের অফিসে আয়কর বিভাগের আধিকারিকরা ঢুকে তল্লাশি চালাচ্ছে। এই রাইসমিলটি বীরভূমের রামপুরহাট চকপাড়ায় অবস্থিত। মালিকের নাম দিলীপ আগরওয়াল ও ললিত আগরওয়াল। কোম্পানির রেজিস্টার অফিস চকপাড়া, জেলা- বীরভূম, রামপুরহাট।তল্লাসী চলাকালীন স্থানীয় উৎসুক মানুষের ভীড় জমে যায়। বীরভূমের অফিস শুনে তাঁদের অনেককেই নিচুস্বরে বলতে শোনা যায়, অনুব্রত কেসের কোনও লিঙ্ক তো নয় এই রেড! যদিও তদন্তকারী অফিসারদের তরফে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

বিজেপি রাজ্য সভাপতির 'লক্ষীর ভাণ্ডারে ২০০০ টাকা' প্রসঙ্গে কড়া প্রতিক্রিয়া জ্যোতিপ্রিয়র

সুকান্ত মজুমদারের ম্যাচুরিটির অভাব আছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে লক্ষীর ভাণ্ডারের টাকা ২০০০ করে দেওয়া হবে, সুকান্ত মজুমদারের করা এই মন্তব্যর পরিপ্রেক্ষিতে বর্ধমানে এসে প্রতিক্রিয়া বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের।বর্ধমান জেলা রাইস মিলস এ্যাসোসিয়েশনের পরিচালনায় বর্ধমানের আলমগঞ্জের কল্পতরু ময়দানে চতুর্থ বছর রাইস মিল মেসিনারীর আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর সমাপতি অনুষ্ঠানে রবিবার বর্ধমানে উপস্থিত ছিলেন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। অনুষ্ঠানের শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্যের করেন বনমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওদের কাছে আতঙ্কের বিষয়বস্তু হয়ে গেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখলে ওরা আঁতকে উঠছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একমাত্র ভবিষ্যৎ কম্পিটিটার যিনি মোদিকে সরাতে পারে ভারতের রাজনীতি থেকে। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপির যে ফলাফল হয়েছিল তার থেকে ৫০শতাংশ ভোট কমে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগও তোলেন এদিন বন মন্ত্রী।

নভেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

রাইস মিল মেসিনারীর আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী বর্ধমানে

বর্ধমান জেলা রাইস মিলস এ্যাসোসিয়েশনের পরিচালনায় বর্ধমানের আলমগঞ্জের কল্পতরু ময়দানে চতুর্থ রাইস মিল মেসিনারীর আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী শুরু হল। ২৫ নভেম্বর থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত তিন দিন ধরে এই প্রদর্শনী চলবে।এই মেলায় দেশী-বিদেশী প্রায় ১৭০টি কোম্পানির আধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ মেশিনারী এবং প্রদর্শনীর স্টল বসেছে। বিশ্বের প্রায় ২০টি দেশের মানুষ এই এক্সপোতে মিলিত হয়েছেন তাদের বিশ্বমানের প্রযুক্তিতে তৈরি মেশিনারী নিয়ে।প্রদর্শনী থেকে উপকৃত হবেন পূর্ব বর্ধমান জেলা সহ রাজ্যের একাধিক জেলার এই ট্রেডের ব্যবসায়ীরা।২০১৫ সালে প্রথম এই মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১৭, ১৯ সালে করার পর ফের এবছর এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। তিনদিনের এই মেলায় বিচিত্রা অনুষ্ঠানের আয়োজন রাখা হয়েছে।শুক্রবার মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা সভাধিপতি সম্পা ধারা, পূর্ব বর্ধমান জেলার জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন প্রমুখ।

নভেম্বর ২৫, ২০২২
নিবন্ধ

স্বপ্ন পূরণ (ছোট গল্প)

এখনও পাঁচালির আওয়াজ কানে বাজছে দীপ্তর। সেই ছোটো থেকে দেখে আসা স্বপ্নটা আজ সত্যি হলো।কোজাগরী পূজো রাত; রূপোর থালার মত চাঁদের আলোয় ভেসে যাচ্ছে জগত সংসার। এই রাতে নিজেকে সব থেকে সুখী মানুষ মনে হচ্ছে ওর। অথচ কিছু মাস আগেও উল্টো ছিল। আজ দশ বছর পর গ্রামের বাড়িতে এসেছে লক্ষ্মী পূজো উপলক্ষে। এতদিন কলকাতায় আসলেও গ্রামের বাড়িতে আসে নি। এতদিন পরে মনের গোপন কুঠুরিতে লুকিয়ে রাখা স্বপ্ন গুলো প্রকাশ করার সাহস পেয়েছে।গ্রামের ছেলে দীপ্ত, মা বাবাকে হঠাৎ এক দুর্ঘটনায় হারিয়ে শহরে মামার বাড়িতে যখন আসে তখন ও ক্লাস এইট। একে তো এই বয়স তারপর মা বাবাকে হারানো;সব মিলিয়ে দীপ্ত যেন একদম চুপচাপ হয়ে গেছিলো। ওর মামাতো দিদি দীয়া ওকে আগলে রাখতো সবসময়। দীপ্ত দীয়ার থেকে বছর পাঁচের ছোটো কিন্তু মনে হত অনেক ছোটো। দীয়ার সাহচর্যে ও আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। দিদিভাইকে দীপ্ত সহজেই সব কথা বলতে পারত অকপটে। এই বয়সের যেসব পরিবর্তন সেসব কথাও দিদিকেই বলত। কারণ দিদি ছাড়া ওরকম করে ওকে কেউই বুঝত না। যদিও মামীমা খুবই স্নেহ করতেন। গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার ইচ্ছা হলেও দিদিকেই বলত। এইভাবে ও বড়ো হতে থাকলো।দীপ্ত যেবার উচ্চ মাধ্যমিক দেবে ওর দিদির বিয়ে হয়ে গেল। আবার দীপ্ত একা হয়ে গেল। এইসময় ওদের পাশের বাড়িতে একটি পরিবার ভাড়া এল। যতীন কাকু ও স্বপ্না কাকী মা আর ওনাদের মেয়ে রিমা। কাকীমাকে প্রথম থেকেই দীপ্তর মনে হয়েছিল ওর মায়ের মত দেখতে অনেকটা। ওর খালি ইচ্ছা করত ওনার কাছে যেতে। মামীমার সাথে খুব অল্প দিনের মধ্যেই ওনার বেশ ভাব হয়ে গেল। মাঝে মাঝেই এটা ওটা দিয়ে দীপ্ত ওদের বাড়িতে যেত আবার রিমাও আসত ওদের বাড়িতে। ওরা আসাতে দীপ্তর একাকীত্ব যেন একটু লাঘব হলো। যদিও ও রিমা কে একটু এড়িয়ে চলত কারণ ওর মনে হত মেয়েটা বয়সের তুলনায় অনেক বেশি পাকা। রিমা তখন ক্লাস এইট। কাকী মা বলাতে মাঝে মাঝে রিমা কে পড়া দেখিয়ে দিতে হত। যদিও রিমার ভাব কায়দা ভালো লাগতো না। এইভাবেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করেই পাশ করে কলেজে ভর্তি হলো।সেবার দূর্গা পূজোর অষ্টমীর দিন পাড়ার পূজোতে অঞ্জলি দেবার সময় শাড়ি পড়ে ওর পাশে এসে দাঁড়িয়ে রিমা এমনভাবে তাকালো যে দীপ্ত একটু অবাক হলো, কিন্তু বয়সের তুলনায় বাড়ন্ত রিমা কে সেদিন এত সুন্দর লাগছিল যে দীপ্তও ঘায়েল হয়েই গেল। আড়ালে বসে মদনদেব হাসলেন। তার শরে বিদ্ধ হলো দুটি হৃদয়। যদিও এর প্রকাশ ঘটেনি পরস্পরের কাছে। কিন্তু কতদিন আর ওইভাবে চলে। এসে গেল বাঙালীর ভ্যালেন্টাইন ডে সরস্বতী পূজা। দীপ্ত কলেজ যাবে বলে তৈরি হচ্ছে এমন সময় রিমা এসে ওর মামীমার কাছে বায়না ধরে দীপ্তর সাথে কলেজে যাবে। মামীমা রিমা কে খুব ভালোবাসেন তাই দীপ্তকে বলেন রিমা কে নিয়ে যেতে। তখনও কি ঘটতে চলেছে দীপ্তর আন্দাজ ছিল না। রিমা বাড়ি থেকে বেড়িয়ে বলে কলেজ না ও যেখানে বলবে সেখানে যেতে হবে। এই বলে দীপ্তকে অন্য জায়গায় নিয়ে যায়। যেখানে দুজনে মদন শরে বিদ্ধ হয়, দুটি মনের মিলন ঘটে, অধরে অধরে মিলনের সাথে সাথে। সবার সামনে কিন্তু সবার অজ্ঞাতেই চলল দুজনের প্রেম।রিমা মাধ্যমিক পাশ করল মোটামুটি রেজাল্ট করে। দীপ্ত গ্রাজুয়েশন করে গ্রামের বাড়িতে ফিরে গেল; সেখানে যা জমি জমা আছে চাষ করবে বলে। আর সাথে চলল চাকরির জন্য পরীক্ষা দেওয়া। মামা মামীমা খুব আপত্তি জানিয়ে ছিলেন, কিন্তু দীপ্তর গ্রামের প্রতি টানটা যায়নি। মাঝে মাঝে মামার কাছে আসে। এর একবছর পর হঠাৎ দিদিভাইয়ের এক দূরসম্পর্কের আত্মীয়ের সূত্রে একটা মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতে একটা চাকরি পেল। মামার চাপে পরে বাধ্য হলো চাকরিটা করতে। চলে গেল আমেদাবাদ।এবার সবার চোখে রিমার পরিবর্তন ধরা পড়তে লাগল। সেই প্রাণোচ্ছল মেয়েটা যেন কেমন চুপচাপ হয়ে গেল। আসতে আসতে দীপ্তদের বাড়িতে যাওয়া কমতে লাগলো। হঠাৎ দীপ্তর মামীমা খেয়াল করলেন যে রিমার মা আগের মত মেলামেশা করছে না। দীপ্ত ওর দিদিকেই সবটা জানাল। সব জেনে দীয়া গেল রিমার মায়ের সাথে কথা বলতে ওদের ব্যাপারে। রিমার মা দীয়াকে অনেক কথা শুনিয়ে দিলেন। এরপর ওর মামা মামীমা ও দীপ্তর কথা ভেবে কথা বলতে গেলে ওনাদের খুব অপমান করেন রিমার মা বাবা। এটা দীপ্ত মেনে নিতে পারে না। রিমা কে প্রস্তাব দেয় বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে বিয়ে করতে হবে। কিন্তু রিমা রাজী হয় না। দুজনের মধ্যে চলতে লাগল টানাপোড়েন। এইভাবে চলতে চলতে হঠাৎ রিমারা চলে গেল। দীপ্তর সাথে কোনো রকম যোগাযোগ করল না। পরে বন্ধু মারফত শুনে ছিল রিমার বিয়ে হয়ে গেছে।এরপর দীপ্ত শুধু নিজের কেরিয়ার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। চাকরিতে যাতে আরও উন্নতি হয় সেদিকে মনপ্রাণ লাগিয়ে দিল। ওর সততা আর সরলতা সবার মন জয় করে নিল। তরতর করে উন্নতি হতে লাগল। দীপ্ত যখন যার অধীনে কাজ করে সেই ওকে খুব ভালোবেসে ফেলে। কাজের উন্নতির সাথে সাথে বাড়ি আসা কমতে থাকে। এদিকে মামা মামীমা বিয়ের জন্য ক্রমশ জোর দিতে থাকে। বারবার এড়িয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত দিদিভাইয়ের কাছে হার মেনে বিয়ে করতে রাজি হয়। দীপ্তর গ্রামের বাড়ির পাশের গ্রামের এক নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে মধুমিতার সাথে বিয়ে হয় দীপ্তর। মধুমিতা গ্রামের মেয়ে ও গরিবের মেয়ে হলেও খুব উচ্চাকাঙ্ক্ষী ছিল। তবুও বিয়ের পর দুটো বছর বেশ ভালো কাটল। তারপর ওদের মাঝে এল ওদের ছেলে অন্বয়, যাকে ওরা কুট্টুস বলে। কুট্টুস তখন দুবছরের হঠাৎই মধুমিতার ব্যবহারে যেন অনেক পরিবর্তন আসতে থাকে। সারাক্ষণ ফোন নিয়ে বসে থাকে, ছেলেকেও সেভাবে যত্ন করে না। কথায় কথায় দীপ্তর বয়স নিয়ে, যোগ্যতা নিয়ে অপমানজনক কথা বলে। দীপ্তর সাথে ওর বয়সের ফারাক অনেক বেশি বলে হঠাৎ করে ওর দীপ্ত কে নিয়ে ওর মধ্যে সমস্যা দেখা যায়। দীপ্ত প্রথম প্রথম খুব একটা পাত্তা না দিলেও শেষ পর্যন্ত পারে না।শেষ পর্যন্ত ব্যাপারটা প্রায় ডিভোর্সের পর্যায়ে চলে যায়; কিন্তু দীপ্ত ছেলে ছেড়ে থাকতে পারবে না এটা বুঝতে পারে। তাই দীর্ঘ সময় বাপের বাড়িতে রেখে দিলেও শেষ পর্যন্ত ওদের আবার ফিরিয়ে নিয়ে যায় কাজের জায়গায়। সেখানে আরেক অশান্তি শুরু হয়। সমস্যা যখন বেশ সমাধান হতে শুরু করে ঠিক সেই সময় দীপ্তর এক পিসতুতো ভাই মানস কাজের সূত্রে ওদের ওখানে গিয়ে ওঠে। সে প্রায় মধুমিতার কাছাকাছি বয়সের। তার নজর পরে মধুমিতার ওপর। তাই দীপ্ত আর মধুমিতার মধ্যে আবার বিবাদ লাগানোর জন্য রিমার কথা অনেক বেশি বেশি করে বাড়িয়ে বলে মধুমিতার কাছে। মধুমিতার মনে আবার ঝড় ওঠে। এই সময় মানস সুযোগ নিতে চায়। কিন্তু মধুমিতার মনে মানসের জন্য তো কোনো জায়গা ছিল না তাই ও মানসের এই ব্যাপারটা মেনে নিতে পারে না। ও দীপ্তর কাছে সব বলে। এবং মানস যাতে আর না আসে সে ব্যবস্থা করতে বলে দীপ্ত কে।দীপ্ত বোঝে এই মেয়ের সাথে ঝগড়া করে হবে না আস্তে আস্তে বুঝিয়ে ঠিক করতে হবে। ও এই ব্যাপারে দিদিভাইয়ের সাহায্য নেয়। আস্তে আস্তে মধুমিতার মধ্যে পরিবর্তন আসতে শুরু করে। ওর শুধু একটাই রাগ রিমার কথা দীপ্ত কেন ওকে বলেনি। দীপ্ত ওকে বোঝায় রিমার কথা ও মনে করতে চায়না; ওটা ওর একটা বেদনাময় অংশ ছিল। যেদিন থেকে মধুমিতার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় সেদিন থেকে ও শুধু মধুমিতার। দীপ্ত শেষ পর্যন্ত বোঝাতে সক্ষম হয়। আস্তে আস্তে মধুমিতা নিজের ভুল বুঝতে পারে। তারপর থেকে মন দিয়ে সংসার করতে চেষ্টা করে। দীপ্ত আর মধুমিতার মধ্যে সব ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়। ওদের মধ্যে আরেক অতিথি আসে মাস তিনেক আগে। ওদের মেয়ে অন্বেষা।এই আনন্দের সময় দীপ্তর মনে পড়ে ওর মায়ের কথা। একদিন কথাপ্রসঙ্গে মধুমিতার কাছে ও বলে আমার স্বপ্ন ছিল আমার স্ত্রী আমার মায়ের মত করে বাড়িতে লক্ষ্মী পূজো করবে। মধুমিতা সেকথা শুনে রাজী হয়ে যায়। আনন্দের সাথে এবার গ্রামের বাড়িতে এসে এবার দীপ্তর কথা মতো একদম লাল পাড়ে শাড়ি, পায়ে আলতা পড়ে লক্ষ্মী পূজো করে আর শেষে পাঁচালি পড়ে একদম মায়ের মতো করে।দীপ্তর মনে পড়ে যায় হারিয়ে যাওয়া মায়ের সাথে বসে লক্ষ্মী পূজো দেখার কথা। আজ আনন্দে দীপ্তর চোখে ঘুম নেই। ঘরের মধ্যে ছেলে মেয়ে নিয়ে মধুমিতা ঘুমিয়ে পড়েছে, সারাদিন খাটাখাটনি করে ক্লান্ত হয়ে। দীপ্ত ব্যালকনিতে আনন্দের জ্যোৎস্নায় স্নান করছে। আজ যে ওর মনে বাসা বেঁধে ছিল যে স্বপ্ন তা পূরন হয়েছে।শ্রীমতি রাখি রায়বর্ধমান

নভেম্বর ০৬, ২০২২
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে অবৈধ বালি পাচার রুখল বর্ধমান জেলা পুলিস

রাতের অন্ধকারে অবৈধ ভাবে পাচার হচ্ছিল বালি পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে চারটি বালি বোঝায় ট্রাক বাজেয়াপ্ত করেছে গলসি থানার পুলিশ। এছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে তিনটি অতিরিক্ত বালি বোঝায় ট্রাক আটক করে পরিবহন দপ্তরের হাতে তুলে দিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনার জেরে আবারও গলসি এলাকায় বালি চুরি প্রকাশ্যে এসেছে।পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গোহগ্রাম গলসি রোডে হানা দেয় গলসি থানার পুলিশ। ওই সময় গাড়িগুলি গোহগ্রামের দিক থেকে আসছিল। পথেই পুলিশ ট্রাকগুলিকে থামালে চালকরা বালির কোন বৈধ্য কাগজ দেখাতে পারেনি। ঘটনায় অভিযুক্ত চারজন ট্রাক চালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবী, পুলিশের নজর এড়িয়ে রাতের অন্ধকারে পাচার করা হচ্ছিল বালি। তারা জানায়, কদিন আগে গোহগ্রামের পাশে গোপডাল এলাকায় সরকারি অনুমোদন নিয়ে একটি ঘাট চালু হয়েছে। আর এতেই এলাকার কিছু অসাধু চক্র অবৈধভাবে বালি পাচার শুরু করেছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২২
রাজ্য

বেআইনিভাবে পাচারের সময় গাড়িভর্তি রেশন সামগ্রী সহ পাচারকারীদের গ্রেফতার করলো পুলিশ

পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের কুবাজপুর এলাকার ঘটনা। পুলিশ জানায় ধৃতদের নাম শেখ সালাম ও শেখ হাসিবর। বাড়ি ভাতারের বিজিপুর এলাকায়।ভাতারের কুবাজপুর বাসস্ট্যাণ্ডে দোকান রয়েছে সালামের। দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে রেশন সামগ্রী ক্রয় বিক্রয়ের কারবার চালাতে সে। কয়েক মাস আগেও তাঁর দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ রেশন দ্রব্য উদ্ধার করেছিল পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও রুজু করেছিল পুলিশ। বর্তমানে সে জামিনে মুক্ত ছিল। আবারও পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় বিপুল পরিমাণ রেশন দ্রব্য পাচার চক্র চালাচ্ছিল সালাম। গোপন সূত্রে খবর আসে পুলিশের কাছে। ভাতার থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে গাড়ি ভর্তি ১৩৫ বস্তা গম সহ সালাম ও হাসিবুরকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের বিরুদ্ধে মামলার রুজু করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সালামকে হেফাজতে আবেদন জানিয়ে দুজনকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়।ভাতার থানার ওসি অরুন কুমার সোম জানিয়েছেন, বিপুল পরিমাণ রেশনদ্রব্য কিভাবে সংগ্রহ করেছে সে এবং ওই রেশনদ্রব্য কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ধৃত সালামকে হেফাজতের আবেদন জানিয়ে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
রাজনীতি

ক্রেন নিয়ে অবৈধভাবে গাছ কাটার অভিযোগ বর্ধমানে, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর

ফের বিতর্কে বর্ধমান পৌরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর বসির আহমেদ ওরফে বাদশা। তার বিরুদ্ধে বর্ধমানের বাবুরবাগ এলাকায় দীর্ঘদিনের পুরোনো গাছ কাটার অভিযোগ করে বনদপ্তরের দ্বারস্থ হলেন খোদ বর্ধমান শহর জয়হিন্দ বাহিনীর সহ সভাপতি মুক্তার মিঞা। বাদশার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সোমবার দিনের বেলা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে দীর্ঘদিনের পুরোনো একটি শিরিশ গাছ কাটছিল তারা। কাটা গাছটি নিয়ে যাওয়ার জন্য সঙ্গে ছিল ক্রেন। বনদপ্তরে খবর গেলে বনদপ্তরের কর্মীরা আসতেই গাছ অর্ধেক কেটে রেখেই ক্রেন সহ কিছু কাটা কাঠ নিয়ে বেপাত্তা হয় অভিযুক্তরা। মুক্তার মিঞা অভিযোগ করেন, এই গাছটি রাস্তার উপরে রয়েছে। দীর্ঘদিনের পুরোনো এই গাছ কাউন্সিলর বিক্রি করার উদ্দেশ্যে কেটে নেওয়ার জন্য এসেছিল। আমি খবর পাওয়া মাত্র বনদপ্তরে জানাই। বনদপ্তরের কর্মীরা আসতেই সবাই পালিয়ে যায়। বসির আহমেদ সহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে বনদপ্তরে অভিযোগ জানিয়েছেন মুক্তার মিঞা। স্থানীয় বাসিন্দা সেখ রাজিবুল বলেন, অনেক দিনের পুরোনো গাছ কাউন্সিলর বাদশা সহ বেশ কয়েকজন কাটতে এসেছিল। আমরা বনদপ্তরকে বিষয়টি জানিয়েছি। আরেক স্থানীয় বাসিন্দা অনিমা মল্লিক জানান, গাছটি অনেক পুরোনো শুকিয়ে গেছে। ডালপালা কাটার জন্য আমরা কাউন্সিলরকে জানিয়েছিলাম। উনি কি করেছেন আমরা জানি না। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই কাউন্সিলর বসির আহমেদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। গাছটি মারা গেছে, কেটে ফেলার জন্য আমার কাছে স্থানীয়রা এসেছিল। আমি বনদপ্তর ও পৌরসভাকে জানাতে বলেছিলাম। পরে শুনলাম কেউ গাছটা কেটে নিচ্ছে। আমিই বনদপ্তরকে জানিয়েছিলাম বলে দাবী করেন কাউন্সিলর। অতিরিক্ত বনাধিকারিক সোমনাথ চৌধুরী জানান, গতকাল গাছটি কাটা হচ্ছিল বলে আমাদের কাছে খবর আসে। আমাদের কর্মীরা ঘটনাস্থলে যাওয়া মাত্রই সবাই পালিয়ে যায়। কাটা গাছের কিছু অংশ আমরা ঘটনাস্থল থেকে বাজেয়াপ্ত করি। আজ স্থানীয়রা কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। আমরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করবো। এই গাছ কাটার জন্য কয়েকজন অনুমতি নিতে এসেছিলেন। কিন্তু কাগজপত্রে অসঙ্গতি থাকায় আমরা তাদের অনুমতি দিইনি। যারা এটা করেছে আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনমাফিক ব্যবস্থা নেব।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এর আগে কাউন্সিলর বসির আহমেদের বিরুদ্ধে তার দলেরই এক কর্মী তুহিনা খাতুনকে মারধর ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে ওই মামলায় জামিনে রয়েছেন অভিযুক্ত কাউন্সিলর।

অক্টোবর ১১, ২০২২
রাজ্য

ভাতারের হতদরিদ্র নির্মান শ্রমিকের কপাল খুললো ৬০ টাকায়, লটারিতে কোটিপতি

৬০ টাকায় কোটিপতি এক নির্মাণ শ্রমিক । নির্মাণ শ্রমিক প্রসেনজিৎ মণ্ডলের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের বাসুদা গ্রামে।প্রসেনজিৎ মণ্ডল রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালান। মাঝেমধ্যেই তাঁর লটারি টিকিট কাটার অভ্যাস আছে। মা পরিচারিকার কাজের পাশাপাশি জনমজুরি করেন। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও ভাতার বাজারে প্রসেনজিৎ রাজমিস্ত্রির জোগাড়ের কাজে গিয়েছিলেন। কাজের ফাঁকে ৬০ টাকা দিয়ে ভাতার কিষাণ মাণ্ডির বাজারে একটি লটারির দোকানে এক ঘর টিকিট কাটেন। দুপুর নাগাদ তিনি খবর পান তার কাটা টিকিটে ১ কোটি টাকা পুরস্কার হয়েছে। খবর পেতেই কার্যত চক্ষু চড়কগাছ। খুশির জোয়ার পরিবারে।প্রসেনজিতের মা শুভা দেবী বলেন, অনেক কষ্ট করে পরের বাড়িতে কাজ করে ছেলেকে বড় করেছি। ওপরওয়ালার ইচ্ছায় তার ছেলে এক কোটি টাকার পুরস্কার জিতেছে। এই টাকা নিয়ে কিছু জমি জায়গা ও একটা বাড়ি করার ইচ্ছা আছে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২
রাজ্য

স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জেরে খুন আউশগ্রামে, স্বীকার অভিযুক্তর

পরকীয়ার জেরেই খুন করেছে স্বীকার করলো অভিযুক্ত। স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের জেরেই রাগের বশে সাদেক শেখকে খুন করেছে পুলিশের কাছে একথা জানাল পূর্ববর্ধমানের আউশগ্রামের রেওড়া গ্রামে খুনের ঘটনায় ধৃত চন্দন মেটে। ধৃত শুক্রবার দাবি করে তার স্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক ছিল সাদেক শেখের। বারবার নিষেধ সত্বেও সাদেক শোনেনি। তাই রাগের বশেই তাকে কলের হ্যাণ্ডেল দিয়ে মেরেছিলাম। মরে যাবে বুঝতে পারিনি।যদিও নিহতের স্ত্রী গোলেনূর শেখ পুলিশের কাছে অভিযোগপত্রে জানান,পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে বচসার জেরেই চন্দন মেটে তার স্বামী সাদেক শেখকে পরিকল্পনা মাফিক খুন করেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চন্দন মেটেকে আটক করার পর রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার তাকে বর্ধমান আদালতে পাঠানো হয়। আদালত ধৃতকে ৭ দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা যায়।বৃহস্পতিবার বিকেলে আউশগ্রামের রেওড়া গ্রামের মেটেপাড়ার কাছে সাদেক শেখকে রক্তাক্তবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন। বীরভূমের সিয়ান হাসপাতালে তাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয়। পেশায় কৃষক সাদেক শেখ। স্ত্রী গোলেনূর শেখ পুলিশের কাছে অভিযোগে জানিয়েছেন তার স্বামী চন্দনকে ২০ হাজার টাকা ধার দিয়েছিলেন। ওই টাকা বৃহস্পতিবার বিকেলে চাইতে গিয়েছিলেন তার স্বামী সাদেক শেখ। টাকা দিতে অস্বীকার করলে সাদেকের সঙ্গে চন্দনের বচসা হয়। চন্দন তখন হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। গোলেনূর শেখ জানান তারপর চন্দনের বাড়ি থেকে সাদেক বেড়িয়ে এসে যখন ভেদিয়া দীননাথপুর মালিয়াড়া রাস্তায় উঠছিলেন তখন চন্দন পিছন থেকে ভারী বস্তু দিয়ে সাদেকের মাথায় আঘাত করে।যদিও এদিন ধৃত চন্দন বলেন, আমার স্ত্রীর সঙ্গে সাদেক শেখের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। আমার স্ত্রীকে লজে নিয়ে যেত। আমি না থাকা অবস্থায় বাড়িতেও যেত। বৃহস্পতিবার বাড়ি ঢুকেই দেখি সাদেক আমার ঘর থেকে বেড়িয়ে আসছে। তখন রাগের মাথায় কলের হ্যাণ্ডেল দিয়ে পিঠে আঘাত করতে গিয়েছিলাম। মাথায় লেগে গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

হিলি এক্সপোর্ট অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ ট্রাক মালিকদের

লোকাল গাড়িকে গুরুত্ব কম দিয়ে বাইরের গাড়ি কে আগে এক্সপোর্ট করানোর অভিযোগে গতকাল হিলি থানায় জমায়েত হয়েছিল ট্রাক মালিকরা। আজ আবার তারা হিলি এক্সপ্রোট এসোসিয়েশন অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে।, পাশাপাশি ভাড়াও কম দেওয়া হচ্ছে তাদের, অতি শীঘ্র তাদের দাবি না মেনে নিলে এক্সপোর্ট বন্ধ করার হুমকি দেন তারা, এই প্রসঙ্গে হিলি ট্রাক অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি সন্দীপ দত্ত আমাদের কি জানিয়েছে তা শুনে নেবো তার কাছ থেকে।

আগস্ট ২৯, ২০২২
রাজ্য

নদিয়ায় ছেলের হাতে খুন বাবা, স্বামী কে বাঁচাতে গিয়ে আহত মা

নদিয়ায় ছেলের হাতে খুন হল বাবা, স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত মা। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার নবদ্বীপের চন্দ্র কলোনি এলাকায়। জানা যায় মৃত্যের নাম ইন্দ্র দেবনাথ বয়স ৩৮। আজ ভোরে সৎ ছেলে তার বাবাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করে বলে অভিযোগ। অভিযোগ, মা সীমা হালদার ছেলেকে আটকাতে গেলে তাকেও বাঁ হাতে ধারালো অস্ত্রের কোপ মারে ছেলে। ঘটনার খবর পেয়ে নবদ্বীপ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেহটি উদ্ধার করে নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন চিকিৎসক। এই ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলে বাপন হালদারকে আটক করেছে নবদ্বীপ থানার পুলিশ। কি কারণে বাবাকে খুন করল ছেলে তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

আগস্ট ২৯, ২০২২
দেশ

চোখের পলকে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল টুইন টাওয়ার অবশেষে শেষ রক্ষা হল না

দীর্ঘ ৯ বছরের আইনি লড়াইয়ে হেরে গিয়ে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল নয়ডার ৪০তলার সুপারটেক টুইন টাওয়ার। অভিযোগ উঠেছিল এটি নাকি অবৈধভাবে তৈরি করা হয়েছে। সাধারণত দুটি টাওয়ারের মধ্যে দূরত্ব রাখা হয় ১৬ মিটার। কিন্তু এই দুটি টাওয়ারের মধ্যে দূরত্ব ছিল ৯ মিটারের থেকেও কম। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে টুইন টাওয়ার ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। ভাঙতে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক একত্রিত করা হয়েছিল, সময় লেগেছে মাত্র কয়েক সেকেন্ড। কোটি কোটি টাকার ব্যয়ে তৈরি টুইন টাওয়ারের ভবিষ্যত্ অবশেষে ধুলোয় পরিণত হল। আগেই টাওয়ার সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।এমনকি বাড়ির পোষ্যদেরও সবাই নিজেদের সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন। এলাকাবাসীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ঘরের জানালা দরজার সব বন্ধ রাখার।এই দুটি বহুতলের ১০০ মিটার উচ্চতার একটির নাম অ্যাপেক্স এবং ৯৭ মিটার উচ্চতার আরেকটি বহুতলের নাম সিয়ানে। এই দুই বহু তলকে ভাঙতে যৌথভাবে কাজ করেছে মুম্বাই এবং দক্ষিণ আফ্রিকার দুটি সংস্থা। ভাবলে অবাক হবেন, এখানে প্রায় ৯০০ টির বেশি ফ্ল্যাট ছিল। এই টুইন টাওয়ারের সংলগ্ন এলাকায় বাস করছেন প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার। যাদেরকে রবিবার সকাল ৯টার মধ্যেই অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকেল চারটের পর তাদেরকে আবার ওই এলাকায় ফিরিয়ে আনার কথা।এই টুইন টাওয়ার ভাঙতে ব্যবহার করা হয়েছে প্রায় ৩,৭০০ কেজির বিস্ফোরক পদার্থ। এই টাওয়ার ভাঙতে সময় লেগেছে মাত্র কয়েক সেকেন্ড। মাত্র এইটুকু সময়ের মধ্যেই ধ্বংসাবশেষ জমেছে প্রায় ৫৫ হাজার টন। নয়ডার এই টুইন টাওয়ারের বিরুদ্ধে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ এসেছিল। যার কারণে সুপ্রিম কোর্ট এটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেয়। ২০১৩ সালে যখন এই টুইন টাওয়ার তৈরির কাজ শুরু হয়, তখন প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়নি। যার কারণে স্থানীয় এমারেল্ড কোর্ট সোসাইটির বাসিন্দারা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন।এই দুটি টাওয়ারের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ফ্ল্যাট বিক্রি করা হয়ে গিয়েছিল, যা সুদ সহ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এই টাওয়ারটি ভেঙেছে এডিফিস ইঞ্জিনিয়ারিং। সাথে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বিশেষজ্ঞদের দল। এই টাওয়ার ভাঙার পর যদি কোন জরুরি অবস্থা তৈরি হয় তাই নিকটস্থ হাসপাতালে ৫০টি বেড বুক করে রাখা হয়েছিল। কারণ এর ফলে যে পরিমাণ ধুলো তৈরি হবে তার কারণে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। এক্ষেত্র ওই এলাকার বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যগত সমস্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এমনকি এই অঞ্চলের পরিবেশের দূষণের মাত্রা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।চোখের পলকে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে টুইন টাওয়ার ভেঙে পড়তেই চারিদিকে সাদা ধোঁয়া এবং ধুলো ছড়িয়ে পড়ে। যদিও নিরাপত্তা এবং পরিবেশ দূষণের কথা ভেবে আগে থেকেই সমস্ত রকম ব্যবস্থা করে রাখা হয়েছিল। টাওয়ারটি ভেঙে পড়ার পরেই শুরু হয়ে যায় জল স্প্রে। টুইন টাওয়ারের চারিপাশের প্রায় ৫০০ বর্গমিটার এলাকাকে নিষিদ্ধ জোনে রূপান্তরিত করা হয়। যেখানে ওই মুহূর্তে কোন মানুষ, যানবাহন কিংবা প্রাণী যাতে প্রবেশ করতে না পারে সে দিকে কড়া নজর রাখা হয়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে কড়া পাহারায় রয়েছেন প্রায় ৪০০ পুলিশ কর্মী। বিভিন্ন সড়কে বিধি নিষেধ এবং রুট পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে যানবাহন চলাচলের সুবিধার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ১৫০ থেকে ২০০ জন ট্রাফিক কর্মী আলাদাভাবে মোতায়েন করা রয়েছে। এমনকি যাত্রীরা যাতে রুট পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে পারেন, তাই আপডেট তথ্য সরবরাহ করা হচ্ছে।

আগস্ট ২৮, ২০২২
রাজনীতি

বিধায়কের বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ দলের অঞ্চল সভাপতির, ভাইরাল ভিডিও, কটাক্ষ বিজেপির

শাসকদল তৃণমূলের নেতা নেত্রীদের দূর্নীতির কর্মকান্ড ক্রমেই সামনে আসছে। এবার মহিষাদলের বিধায়ক তিলক কুমার চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তুললো দলেরই অঞ্চল সভাপতি। মহিষাদল ব্লকের নাটশাল-২ এর তৃণমূলের বর্তমান অঞ্চল সভাপতি কমলাকান্ত মন্ডল, এবং স্ত্রী জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ কণিকা মন্ডল। অঞ্চল সভাপতি কমলা কান্ত মন্ডলের একটি ভিডিও ভাইরাল রয়েছে। সেই ভিডিওতে তিনি বলছেন,নাটশাল-২ অঞ্চলে সরকারি যে কাজ হয়ে থাকে তা থেকে বিধায়ক কাটমানি নিয়ে থাকেন। কাটমানির অর্থ চার ভাগ করে পাট পাট নিয়ে নেওয়া হয়। নিয়ম মেনে কাজ করা হয়নি, রাস্তার কাজ ছোট ও কম উচ্চতায় করা হয়। কাটমানি নিয়ে নিম্ন মানের কাজ হয়ে থাকে। পাশাপাশি নাটশাল-২ গ্রামপঞ্চায়েতে যাকে প্রধান করেছেন তিনি তৃতীয় শ্রেণী পাশ। অনেক সদস্য মাস্টার ডিগ্রি থাকলেও তাদের করা হয়নি। কারন কাটমানি নিতে পারা যাবে না তাই।মঙ্গলবারই কলকাতার কাম্যাক স্ট্রিট অফিসে তমলুক সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের নেতৃত্বদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই দলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই বৈঠকের কয়েক ঘন্টা কাটতে না কাটতে দলের অঞ্চল সভাপতির এই ধরনের ভিডিও নিয়ে রাজনীতি চর্চা শুরু হয়েছে।এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তপন ব্যানার্জি। তিনি বলেন, রাজ্য জুড়ে যেখানে তৃণমূলের মন্ত্রী, নেতারা কাটমানি নিচ্ছে সেখানে একজন বিধায়ক নিচ্ছে, তৃণমূল দলটাই দূর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। পাশাপাশি দলের মধ্যে এতো বেশি গোষ্ঠী দ্বন্দ তার জন্য এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। ব্লক সভাপতি বিধায়কের সমন্ধে বলছে আবার বিধায়ক ব্লক সভাপতি বিরুদ্ধে বলছেন। এটাই এই রাজনৈতিক দলের কালচার। এই ধরনের অভিযোগ ব্লক, জেলা, রাজ্য সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়ছে।যদিও দলের অঞ্চল সভাপতি করা অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে চাইছেন না বিধায়ক তিলক কুমার চক্রবর্তী। তিনি বলেন, অঞ্চলের মিনিমাম কন্ট্রোল যার নেই, সে এই ধরনের মন্তব্য করছে, যার কোনো মূল্য নেই, যার কোনো গ্রহনযোগ্যতা নেই, যতটুকু পাওয়ার তার থেকে বেশি পাওয়ার জন্য এইধরনের অভিযোগ করছে।

আগস্ট ২৮, ২০২২
রাজ্য

বানভাসি ডুকুর গ্রামের বাসিন্দারা দিন কাটাচ্ছেন অজয়ের পাড়ে, প্রশাসনিক শুকনো আশ্বাস ছাড়া কিছুই জোটেনি

বছর ঘুরে গেল। তবুও মাথা গোঁজার ঠাঁই হল না বানভাসিদের। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের ভেদিয়া পঞ্চায়েতের ডুকুর গ্রাম। বছর খানেক ধরে পলিথিনের ছাউনি বেঁধে বাস করছেন গ্রামবাসীর একাংশ। তাঁদের অভিযোগ,প্রশসানিক আধিকারিকেরা এলাকা পরিদর্শন করলেও মেলেনি ক্ষতিপূরণ। শুধু মিলেছে প্রতিশ্রুতি। তাঁদের দাবি, ব্লক প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েও কাজ হয়নি। ফলে ক্ষোভ ছড়িয়েছে এলাকায়।গত বছর অক্টোবরের ১ তারিখে আউশগ্রামের সাঁতলার কাছে অজয়ের বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় ডুকুর গ্রাম। বাড়িঘর হারিয়ে নদের বাঁধে তাঁবুতে আশ্রয় নেয় গ্রামের ৪২টি পরিবার। তাদের দাবি, শুধু বাড়িঘরই ভাঙেনি, চাষের জমিতে বালির স্তূপ জমে যায়। তিন দিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের খাবারের বন্দবস্ত করা হয়েছিল। তারপর খোঁজ নিয়েছেন প্রশাসনের আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিরা। কিন্তু শুকনো প্রতিশ্রুতি ছাড়া এখনো কিছু মেলেনি ঘরহারা মানুষজনদের। এই বিষয়ে জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন,খুবই খারাপ বিষয়।খোঁজ নিয়ে দেখছি। তারপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আগস্ট ২৬, ২০২২
রাজ্য

স্ত্রীকে নোড়া দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করার অভিযোগে স্বামীকে যাবজ্জীবন সাজা শোনাল কালনা আদালতের অতিরিক্ত জেলা দায়রা বিচারক

সিঙেরকোনের আনোকা গ্রামে নিজের স্ত্রীকে নোড়া দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করায় তাঁর স্বামীকে যাবজ্জীবন সাজা শোনাল কালনা আদালতের অতিরিক্ত জেলা দায়রা বিচারক সুধীর কুমার। মঙ্গলবার ২০১৭র আগস্ট মাসের ১৭ তারিখ নিজের স্ত্রীকে নিজের বাড়িতেই নোড়া দিয়ে থেঁতলে খুন করার অভিযোগ ওঠে তাঁর স্বামী নীলু বাগের বিরুদ্ধে।জানা যায় বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীর উপর পণের জন্য নানান রকম ভাবে অত্যাচার চালাতো তার স্বামী নিলু বাগ। তার স্ত্রী যেদিন খুন হন, তার আগের দিন নিলু তাঁর স্ত্রীকে বাপের বাড়ি পাঠিয়েছিল পয়সা নিয়ে আসার জন্য। সেখান থেকে সে পয়সা না নিয়ে আসায় রাতের বেলায় তাঁকে খুন করে। এর পরই কালনা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। সংশোধনাগারে রেখেই তার এতদিন ধরেই বিচার চলছিল। কালনা থানার তৎকালীন তদন্তকারী অফিসার শরিফুল ইসলাম সহ মোট পনেরো জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণের পর এদিন মঙ্গলবার তাকে সাজা শোনায় কালনা আদালতের বিচারক।

আগস্ট ২৩, ২০২২
রাজ্য

'অপেক্ষা করলে হয়ত আরও কিছু পাওয়া যেতে পারে' অনুব্রত প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি

বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের চারদিনের সিবিআই হেফাজতকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন চালকল থেকে গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে। সিবিআই হেফাজতে থাকলে আরো অনেক কিছু জানা যাবে। আরও অনেক সম্পত্তির হদিস মিলবে। অন্যদিকে ক্যানিংয়ে তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশ প্রশাসন দলদাসে পরিণত হয়েছে। সেইজন্যই এইসব ঘটছে। হয়তো দেখা যাবে ওই তৃণমূল নেতা চাকরীর নামে টাকা নিয়েছিল। তবে পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে হবে। বোলপুরে মলয় পিটের মেডিকেল কলেজ নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, গরুর টাকায় অনুব্রত মণ্ডল মেডিকেল কলেজ বানিয়েছেন। উল্লেখ্য মলয় পিট অনুব্রত মণ্ডল গ্রেপ্তার হওয়ার আগের দিন অনুব্রতের বাড়িতে দেখা করতে আসেন।শনিবার রাজ্য কিষাণমোর্চার বৈঠকে বর্ধমানের টাউনহলে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, পূর্ব-বর্ধমান জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিত তা।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে বিষমদকাণ্ডে মৃত্যু বেড়ে ৮

বর্ধমানে বিষমদকাণ্ডে ফের দুজনের মৃত্য হল। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮। এর আগে ৬জনের মৃত্য়ু হয়েছিল। গতকাল মৃত্যু হয়েছিল শম্ভু শর্মা ও ভবানীপ্রসাদ সাঁইয়ের। তাঁর আগে চারজনের মৃত্যু হয়েছিল ভাতের হোটেলে মদ খেয়ে। তাঁরা হলেন, শেখ সুবরতি (৩৪), শেখ হালিম (৪০), চিন্ময় দে (৩৮), গৌতম দে (৪২)। রবিবার বর্ধমানের খাগড়াগড় পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা মীর মেহবুব(২৬) ওরফে বাপ্পা এবং বাপন শেখ(২৮)-এর মৃত্যু হয়েছে। এদের পরিবারের দাবি, এরা দুজনেই বর্ধমানের কলেজমোড় এলাকার তারামা হোটেল থেকে মদ খেয়েছিল। এরা মাঝে-মধ্যেই কলেজ মোড়ের এই হোটেল থেকে মদ খেত বলে জানিয়েছে তাঁদের পরিবার।তাঁদের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার তারামা হোটেল থেকে মদ খাওয়ার পরেই তাঁরা অসুস্থতা বোধ করে। ক্রমাগত বমি ও পেটে যন্ত্রণায় ছটফট করছিল। মীর মেহবুবকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাপন শেখ স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় দুজনের। পুলিশ ও আবগারি দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খাগড়াগড়ের বাসিন্দারা। তাঁদের প্রশ্ন, ভাতের হোটেলে কিভাবে মদ বিক্রি হয়? দোষীদের শাস্তি দাবি করেছেন তাঁরা।

জুলাই ১০, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে রহস্যজনক মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৬, বন্ধ মদের দোকান, হানা চোলাইয়ের ঠেকে

হোটেলের খাবার (মদ?) খেয়ে অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় ফের বর্ধমান শহরে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন শম্ভু শর্মা ও ভবানীপ্রসাদ সাঁই। পরিবারের সদস্যদের দাবি, মদ খেয়ে অসুস্থ হয়েছিল। এদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। ভাতের হোটেলে মদকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে দুটি মৃত্যুর ক্ষেত্রে পরিবারের বক্তব্য, মদ নয় তাঁরা শারীরিক ভাবে অসুস্থ ছিল।মদ খেয়ে অসুস্থ না খাদ্যে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু? সেই রহস্য রয়েই গিয়েছে। শনিবার বর্ধমান শহরের সমস্ত মদের দোকান বন্ধ ছিল। কেন মদের দোকান বন্ধ তার কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি আবগারি দফতর। তবে মদে খেয়ে অসুস্থ হওয়ার পর মৃত্যু নিয়ে বিতর্ক থাকলেও শহরের অভিযুক্ত হোটেলগুলি থেকে সরকারি মদ ক্যাপটেন উদ্ধার হয়েছে। সেই ক্যাপটেন আদৌ সরকারি কাউন্টার থেকে এসেছে না এর পিছনে অন্য রহস্য আছে তা নিয়ে তদন্ত চলছে।এদিকে এদিন বর্ধমানের বিভিন্ন জায়গায় চোলাইয়ের ঠেকে হানা দেয় পুলিশ ও আবগারি দফতর। বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। এদিকে উদ্ধার হওয়ার মদের নমুনা পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। অন্য ক্ষেত্রে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সহজে প্রকাশ্যে এলেও এক্ষেত্রে রহস্যজনক ভাবে মৃতদের পোস্টমর্টেমের প্রাথমিক রিপোর্টে কী উল্লেখ আছে তা জানায়নি পুলিশ। তবে ভাতের হোটেলে মদের অবৈধ কারবারের রমরমা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বর্ধমানবাসী।

জুলাই ০৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 17
  • 18
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পূর্ণ সময়ের শিক্ষকের চেয়েও বেশি স্যাক্ট (SACT), তবু বঞ্চনার অভিযোগ! হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিতে সরব স্টেট এডেড কলেজ টিচাররা

নিজস্ব সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলার স্টেট এডেড কলেজ টিচার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (SACTWA)-এর যৌথ জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল মেদিনীপুর শহরের রেডক্রশ সভাগৃহে। উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় স্টেট এডেড কলেজ টিচারদের (SACT) ক্রমবর্ধমান ভূমিকা, দীর্ঘদিনের বেতন-বৈষম্য এবং হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিই ছিল সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয়।রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিবেকানন্দ চক্রবর্তী প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপালচন্দ্র ঘোষ, রাজ্য কমিটির সদস্য পীযূষ দাস মহাপাত্র, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ননীগোপাল দাস, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বনাথ দাস ও সুজাতা গোস্বামী, কোষাধ্যক্ষ সুব্রত ভট্টাচার্য-সহ দুই জেলার বিভিন্ন কলেজের স্যাক্ট (SACT) শিক্ষক-শিক্ষিকারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাপতি অমিতাভ পাহাড়ী।সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিবেকানন্দ চক্রবর্তী বলেন, বর্তমানে রাজ্যের কলেজগুলিতে পূর্ণ সময়ের অধ্যাপকদের তুলনায় স্যাক্ট (SACT) শিক্ষকদের সংখ্যাই বেশি। অথচ একইভাবে পাঠদান, পরীক্ষা, প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং কলেজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ সামলালেও তাঁদের বেতনে রয়েছে ব্যাপক বৈষম্য। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে সমকাজে সমবেতন-এর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটেনি। তাঁর কথায়, সামান্য বেতন বৃদ্ধি করে সরকারের দায়িত্ব শেষ হয়েছে। সুযোগ পেলে এই বিষয়টি সরকারের নজরে আনব।সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপালচন্দ্র ঘোষ বলেন, রাজ্যের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে বর্তমানে ১২ হাজারেরও বেশি স্টেট এডেড কলেজ টিচার কর্মরত, যা পূর্ণ সময়ের অধ্যাপকদের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। বহু কলেজে বিভিন্ন বিভাগের মূল দায়িত্বও স্যাক্ট (SACT) শিক্ষকেরাই বহন করছেন। তবুও গত ছয় বছর ধরে এই শিক্ষক সমাজ সবচেয়ে বেশি বঞ্চনার শিকার বলে দাবি করেন তিনি।তিনি বলেন, আমরা হরিয়ানা মডেলের সুবিধা চাই। সেখানে যেভাবে স্টেট এডেড শিক্ষকদের আর্থিক ও পরিষেবা সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গেও সেই মডেল কার্যকর করা হোক। নতুন সরকারের কাছে আমাদের এটাই প্রধান দাবি।সম্মেলনে দুই জেলার বিভিন্ন কলেজে স্যাক্ট (SACT) শিক্ষকদের সংখ্যা, তাঁদের কর্মদায়িত্ব এবং উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় তাঁদের অবদানের বিস্তারিত পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হয়। সংগঠনের দাবি, উচ্চশিক্ষার অন্যতম প্রধান ভরসা হয়ে উঠলেও SACT শিক্ষকরা এখনও বেতন, চাকরির নিরাপত্তা এবং অন্যান্য পরিষেবা থেকে বঞ্চিত।সম্মেলন থেকে সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়, সমকাজে সমবেতন, চাকরির মর্যাদা এবং হরিয়ানা মডেলে পরিষেবা সুবিধা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন ও দাবি অব্যাহত থাকবে।

জুলাই ১২, ২০২৬
রাজ্য

শিবির বদলেই বড় পদক্ষেপ! অফিস থেকে উধাও অভিষেকের ছবি, কিন্তু মমতার ছবি কেন রইল?

শিবির বদলের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ছেড়ে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শনিবার তাঁকে বীরভূম জেলার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। আর তার পরের দিনই বোলপুরে তাঁর দলীয় কার্যালয়ে দেখা গেল বড় পরিবর্তন।রবিবার বোলপুরের নিচুপট্টিতে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আর নেই। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক ছবি আগের মতোই রাখা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিলেও কি অনুব্রত এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিজের নেত্রী হিসেবে মানছেন? আবার অভিষেকের ছবি সরিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে কি বিশেষ কোনও রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইলেন তিনি? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।শিবির বদলের পর অনুব্রত মণ্ডল প্রকাশ্যেই দলের ভরাডুবির জন্য নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণকারী সংস্থাকে দায়ী করেছিলেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সেই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি পরোক্ষভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিশানা করেছিলেন। কারণ ওই সংস্থার সঙ্গে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে আলোচিত।এ প্রসঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে তিনি বহু প্রার্থীকে জয়ী করেছেন, তখন ওই সংস্থার কোনও ভূমিকা ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, হঠাৎ এমন কী ঘটল যে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল? একই সঙ্গে তিনি জানান, তিনি তৃণমূলকে ভালোবাসেন এবং কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে এসেছিলেন। বীরভূমে সকলকে নিয়ে দলের নির্দেশ মেনেই কাজ করবেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে দেওয়া হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আগের জায়গাতেই থাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে। আগামী দিনে এই পরিবর্তনের আরও কোনও রাজনৈতিক তাৎপর্য সামনে আসে কি না, এখন সেটাই দেখার।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ! ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ, সামনে বড় সংঘাতের আশঙ্কা

হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের জানানো তথ্য অনুযায়ী, ওই জাহাজে মোট ১১ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হলেও এখনও একজন ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর খোঁজে তৎপর রয়েছে ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস।বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ওমান প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করছে ভারতীয় দূতাবাস। নিখোঁজ নাবিকের সন্ধানে সবরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। উদ্ধার অভিযানে সহযোগিতার জন্য ওমান সরকারকে ধন্যবাদও জানিয়েছে ভারত।মার্কিন সেনার দাবি, সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পর জাহাজে আগুন ধরে যায়। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর হয়ে ওঠে যে নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হয়। জাহাজের ইঞ্জিন কক্ষে বড় ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর দাবি, কয়েকটি জাহাজ নির্ধারিত পথ ছেড়ে অন্য পথে চলছিল। বারবার সতর্ক করার পরও নির্দেশ না মানায় একটি জাহাজকে গুলি করে থামানো হয়। এরপরই হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে কড়া নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা দেয় ইরান।এই ঘটনার পরই ইরানের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে আমেরিকা। মার্কিন বাহিনীর দাবি, সর্বশেষ অভিযানে প্রায় ১৪০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। গত কয়েক দিনে মোট ৩০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি করেছে তারা। পাল্টা বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলার খবরও সামনে এসেছে।এই পরিস্থিতিতে ভারত স্পষ্ট জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অবিলম্বে উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপরও জোর দিয়েছে ভারত।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

দিলজিৎকে নিশানা করে বিস্ফোরক আক্রমণ! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শুরু তুমুল বিতর্ক

সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে ককরোচ জনতা পার্টি। সেই কর্মসূচিকে ঘিরে দেশজুড়ে চর্চা শুরু হয়। এরই মধ্যে পাঞ্জাবি গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের একটি মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এবার প্রকাশ্যে তাঁকে কটাক্ষ করলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক।বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন গায়ক রবিন্দর সিং, যিনি কাকা নামেই পরিচিত। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা সিদ্ধার্থ ভরদ্বাজ। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিজিৎ দীপক কাকার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ইনিও একজন শিল্পী। এই মন্তব্যকে অনেকেই দিলজিৎ দোসাঞ্ঝকে উদ্দেশ্য করে করা কটাক্ষ বলেই মনে করছেন।কিছুদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে অনুরাগীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়েছিলেন দিলজিৎ। সেখানে তাঁকে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, যন্তর মন্তর প্রতিবাদের জায়গা কি না, তা নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে চান না। তিনি আরও বলেন, তিনি একজন শিল্পী, কোনও রাজনৈতিক নেতা নন। তাই এই ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে দূরে থাকতে চান।দিলজিৎ আরও বলেন, পৃথিবীর সব সমস্যা একসঙ্গে কখনও মিটবে না। যারা প্রতিবাদ করছেন, তাঁদেরও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে যাঁদের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন, তাঁদের সম্পর্কেও কোনও মন্তব্য করতে চাননি বলে জানান। তাঁর দাবি, এই বিষয়টি সম্পর্কে তিনি বিশেষ কিছু জানেন না।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ রাজনীতিতে যোগ দিতে পারেন বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছিল। তবে সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, মানুষের বিনোদন করাই তাঁর কাজ। রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনও ইচ্ছা তাঁর নেই। তা সত্ত্বেও তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

জুলাই ১২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

পরপর লজ্জার হারের পর বড় ধাক্কা! গম্ভীরের শিবিরে ভাঙন, দল ছাড়ছেন ঘনিষ্ঠ দুই সহকারী?

পরপর দুই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এবং শেষ সাত ম্যাচের মধ্যে ছয়টিতে হার। টানা ব্যর্থতার পর ভারতীয় ক্রিকেটে চাপ বাড়ছে। এবার সেই প্রভাব পড়তে পারে দলের কোচিং স্টাফেও। সূত্রের খবর, প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের বেছে নেওয়া দুই সহকারী কোচ জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়তে পারেন। তাঁদের মধ্যে একজনের একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের সঙ্গে প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে কথা হয়েছে। অন্যজনও নতুন দায়িত্বের খোঁজ করছেন বলে জানা গিয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, গৌতম গম্ভীরের কোচিং স্টাফের একজন খুব শিগগিরই জাতীয় দল ছেড়ে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলে যোগ দিতে পারেন। আর এক সহকারীর ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত। বর্তমানে গম্ভীরের কোচিং দলে রয়েছেন রায়ান টেন দুশখাতে, মর্নি মর্কেল, সীতাংশু কোটাক এবং টি দিলীপ। তবে তাঁদের মধ্যে ঠিক কে দল ছাড়বেন, তা এখনও স্পষ্ট করা হয়নি।ভারতীয় দলের সাম্প্রতিক ব্যর্থতায় ক্ষুব্ধ বোর্ড। জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিক দুই সিরিজে হারের কারণ খতিয়ে দেখা হবে। শুধু ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স নয়, কোচিং স্টাফের কাজও পর্যালোচনা করা হবে। সেই পর্যালোচনার ভিত্তিতে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে।যদিও গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে বোর্ডের চুক্তি রয়েছে দুই হাজার সাতাশ সালের এক দিনের বিশ্বকাপ পর্যন্ত। তাই এখনই তাঁর পদে পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। তবে সাম্প্রতিক ফলাফলের পরে তাঁর কোচিং দল নিয়ে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বোর্ডের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর ভারতীয় ক্রিকেট মহলের।

জুলাই ১২, ২০২৬
কলকাতা

একুশের আগে বড় ধাক্কা! ‘ধর্মতলা চলো’ উধাও, হঠাৎ কেন ‘কলকাতা চলো’ পোস্টার কালীঘাট তৃণমূলের?

একুশে জুলাইকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন মোড়। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর গান্ধীমূর্তির পাদদেশে শহিদ স্মরণ কর্মসূচির অনুমতি পেয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির। অন্যদিকে ধর্মতলায় সমাবেশের অনুমতি না পাওয়ায় নতুন কৌশল নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট তৃণমূল। বহু বছরের পরিচিত ধর্মতলা চলো স্লোগানের বদলে এবার প্রকাশ করা হয়েছে কলকাতা চলো পোস্টার।প্রতি বছর একুশে জুলাইয়ের আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মতলা চলো পোস্টার দেখা যেত। কিন্তু এ বছর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। ধর্মতলা এলাকায় বিধিনিষেধ জারি থাকায় সেখানে সমাবেশের অনুমতি মেলেনি। সেই কারণেই স্থান উল্লেখ না করে নতুন পোস্টার প্রকাশ করেছে কালীঘাট শিবির। পোস্টারে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি এবং কলকাতা চলো বার্তা।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষ পর্যন্ত যদি বড় সমাবেশের অনুমতি না মেলে, তা হলে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট জনসভার আয়োজন করা হতে পারে। সেই সভাগুলিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জল্পনা রয়েছে। তবে সেক্ষেত্রেও পুলিশের অনুমতি প্রয়োজন।অন্যদিকে শনিবার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে শহিদ স্মরণ কর্মসূচির অনুমতি পেয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। জানা গিয়েছে, কর্মসূচির আগে নির্ধারিত স্থান পরিদর্শনও করবেন তাঁরা।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল দুই শিবিরে বিভক্ত হওয়ার পর থেকেই একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। দুই পক্ষই প্রথমে ধর্মতলায় সমাবেশ করতে চাইলেও পুলিশ অনুমতি দেয়নি। পরে বিকল্প জায়গার আবেদন করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা এবং শেষ পর্যন্ত গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অনুমতি পান। এখন কালীঘাট শিবিরের কর্মসূচি কীভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১২, ২০২৬
কলকাতা

বড় রায়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি! ‘আসল তৃণমূল’ কার, আদালতের পর্যবেক্ষণে বাড়ল চাপ

তৃণমূলের আসল সংগঠন কোনটি, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক চলছিল। সেই বিতর্কের মধ্যেই আলিপুর আদালতের একটি রায়কে সামনে এনে বড় দাবি করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন কমিটিই আইনগতভাবে স্বীকৃত তৃণমূলের সংগঠন। আদালতের রায়ের কপি হাতে পেলেই তা নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের অন্দরে ভাঙন আরও স্পষ্ট হয়েছে। একের পর এক নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দেওয়ায় সাধারণ কর্মীদের মধ্যেও বিভ্রান্তি তৈরি হয়। কোন সংগঠনকে অনুসরণ করা হবে, সেই প্রশ্নেই কয়েকজন কর্মী আলিপুর আদালতের দ্বারস্থ হন।রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে যে কমিটি গঠন করা হয়েছিল, আদালত সেই কমিটিকেই আইনগতভাবে স্বীকৃত বলে উল্লেখ করেছে। তাঁর দাবি, এই কমিটির বাইরে অন্য কোনও সংগঠন নিজেদের তৃণমূল বলে দাবি করলে তা আইনসম্মত নয়।ঋতব্রত আরও জানান, আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পর তা নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে। তাঁর মতে, এই রায় ভবিষ্যতে দলীয় পরিচয় সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

মধ্যরাতে তাজ হোটেলে বোমা! দাউদের নাম উচ্চারণ করতেই তোলপাড়, তারপর যা জানা গেল...

মুম্বইয়ের ঐতিহাসিক তাজ হোটেলকে ঘিরে রবিবার গভীর রাতে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র আতঙ্ক। পুলিশের কন্ট্রোল রুমে একটি উড়ো ফোন আসে। ফোনে দাবি করা হয়, দাউদ ইব্রাহিমের লোকজন তাজ হোটেলে বোমা রেখে গিয়েছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হোটেলে পৌঁছে যায় পুলিশ, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল এবং অপরাধ দমন শাখার আধিকারিকেরা। গোটা হোটেলে দীর্ঘক্ষণ ধরে তল্লাশি চালানো হলেও কোনও সন্দেহজনক বস্তু মেলেনি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত প্রায় সাড়ে বারোটার সময় এই ফোনটি আসে। ফোন পাওয়ার পর কোনও ঝুঁকি না নিয়ে দ্রুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। হোটেলের প্রতিটি অংশ খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হয়। শেষ পর্যন্ত বোমা বা বিস্ফোরক জাতীয় কিছু উদ্ধার না হওয়ায় স্বস্তি ফেরে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, এটি একটি ভুয়ো ফোন ছিল। তদন্তে জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের তুরভে এলাকা থেকে ফোনটি করা হয়েছিল। ইতিমধ্যেই নম্বরটি শনাক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তকে খুঁজতে ওই এলাকায় বিশেষ দল পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।উল্লেখ্য, তাজ হোটেল ২০০৮ সালের ভয়াবহ জঙ্গি হামলার অন্যতম লক্ষ্য ছিল। সেই ঘটনার পর থেকে হোটেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত কঠোর করা হয়েছে। তাই নতুন করে বোমা আতঙ্কের খবর ছড়াতেই পুলিশ কোনও ঝুঁকি না নিয়ে দ্রুত তল্লাশি অভিযান চালায়। ঘটনার তদন্ত চলছে।

জুলাই ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal