• ১৭ চৈত্র ১৪৩২, বৃহস্পতি ০২ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Il

দেশ

দিলীপ ঘোষ ফের কি রাজ্যে সংগঠনের দায়িত্বে? অনুপম কেন্দ্রীয় সম্পাদকই থেকে গেলেন

আগমী লোকসভা নির্বাচনের আগে জেপি নাড্ডার সর্বভারতীয় টিম থেকে বাদ পরলেন দিলীপ ঘোষ।কিন্তু সম্পাদক পদে থেকে গিয়েছেন অনুপম হাজরা। দলের সর্বভারতীয় স্তরে সাংগঠনিক ক্ষেত্রে রদবদল করল গেরুয়া দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এতদিন দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি ছিলেন দিলীপ ঘোষ। এবার সেই পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল।লোকসভা নির্বাচনের আগে দলের সাংগঠনিকস্তরে রদবদল শুরু করল বিজেপি। সম্প্রতি বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে দিল্লিতে বৈঠক করেছিলেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা। কেন্দ্রীয় স্তর থেকে সরিয়ে ফের কি রাজ্যে দিলীপ ঘোষকে দায়িত্বে আনা হতে পারে? সেই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।তাঁর এই পদ খোয়ানো প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনে যাঁরা লড়বেন, তাঁরা যাতে আরও বেশি করে নিজেদের সংসদীয় ক্ষেত্রে সময় দিতে পারেন সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।Honble Sri @narendramodi ji 🙏Honble Sri @JPNadda ji 🙏 pic.twitter.com/0XHpLliibd Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 ডঃ অনুপম হাজরা ✨ (@tweetanupam) July 29, 2023সূত্রের খবর, শীঘ্রই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতেও রদবদল হতে পারে। সেক্ষেত্রে কি এবার দিলীপ ঘোষকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্বে আনা হবে? বাড়ছে সেই জল্পনাও। এদিকে ৩ বছর কেন্দ্রীয় সম্পাদক পদে থাকার পর ফের তাঁর মেয়াদ বৃদ্ধি করল দল। অনুপম হাজরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও দলের সভাপতি জেপি নাড্ডাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

জুলাই ২৯, ২০২৩
রাজ্য

একুশের সভা শেষ করেই মঙ্গলাহাটে ছুটলেন মমতা, দিলেন আশ্বাস

একুশে জুলাইয়ের সভা শেষ করেই অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হাওড়ার মঙ্গলাহাটে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বহু পুরনো এই বাজারে বিধ্বংসী আগুন লাগে। পুড়ে ছাই হয়ে যায় কয়েক হাজার কাপড়ের দোকান। এদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডে তদন্তেরও কথা দিয়েছেন মমতা।বৃহস্পতিবার গভীর রাতে আচমকা হাওড়ার মঙ্গলাহাটে আগুন লেগে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দমকলের ১৮টি ইঞ্জিন। শেষমেশ একটানা ১১ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে যায় মঙ্গলাহাটের প্রায় এক হাজার কাপড়ের দোকান। এদিন ধর্মতলায় একুশে জুলাইয়ের সভা শেষ করেই মঙ্গলাহাটে ছুটে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্তদের পাঁচ লক্ষ টাকা করে ঋণের ব্যবস্থা করার কথা ঘোষণা করেন। এক্ষেত্রে রাজ্য সরকারই ঋণের গ্যারান্টার থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, এই অগ্নিকাণ্ডের পিছনে কোনও চক্রান্ত আছে কিনা তা সিআইডি তদন্ত করে দেখবে। এছাড়াও এদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন ও তদন্তের জন্য একটি সমন্বয় কমিটি গড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জুলাই ২১, ২০২৩
দেশ

ভারতীয় রেলের নয়া উদ্যোগ, স্টেশনের নামের সাথে যুক্ত হচ্ছে জনপ্রিয় জায়গার নাম, বিশেষ সুবিধা যাত্রীদের

যাত্রীদের সুবিধার্থে ছোট ছোট স্টেশনের নাম জনপ্রিয় স্থান ও শহরের নামের সাথে যুক্ত করার উদ্যোগ নিল ভারতীয় রেল। নতুন এই উদ্যোগ যাত্রীদের আরও সুন্দর ভ্রমণের পরিকল্পনা করা তথা ওয়েবসাইট বা মোবাইল আ্যপের মাধ্যমে টিকিট সংরক্ষণে সহায়ক হবে। পর্যটকরা সহজে স্টেশনের নামও খুঁজে বের করতে পারবেন। তাঁদের কাছে যোগাযোগ আরও সহজ ও উন্নত হবে। নতুন এই ব্যবস্থা আগামীকাল, শুক্রবার থেকে কার্যকর হবে।এই ব্যবস্থায় স্যাটেলাইট শহরগুলিকেও রেল স্টেশনগুলির সাথে যুক্ত করা হয়েছে। যেমন নয়ডাকে যুক্ত করা হয়েছে নতুনদিল্লির সঙ্গে। অনেক সময় রেলওয়ে স্টেশনের নাম স্থানীয় অথবা এলাকার জনপ্রিয় নামের থেকে আলাদা হয়। নতুন এই উদ্যোগে পর্যটকদেট এই বিভ্রান্তি দূর করবে।এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত পরিবর্তন করা হয়েছে। ৭২৫ টি স্টেশনের সঙ্গে ১৭৫ টি জনপ্রিয় স্থান বা এলাকার নামকে যুক্ত করা হয়েছে। ই-টিকিট বুকিং ওয়েবসাইটেও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করা হয়েছে।যাত্রীদের সুবিধা: ট্রেন যাত্রার পরিকল্পনা করার ক্ষেত্রে আরও সহজ ও পছন্দসই পরিকল্পনা করা যাবে। এই ব্যবস্থা যাত্রীদের পক্ষে সুবিধাজনক হবে। যাত্রীদের পক্ষে স্টেশন খুঁজে নেওয়া সহজ হবে। কাশী, খাটুশ্যাম, বদ্রীনাথ, কেদারনাথ, বৈষ্ণদেবীর মতো পর্যটনস্থলগুলিকে নিকটবর্তী স্টেশনগুলির সাথে ম্যাপিং করা হয়েছে। উন্নত যোগাযোগ। এই ব্যবস্থায় স্যাটেলাইট শহরগুলিকেও রেল স্টেশনগুলির সাথে যুক্ত করা হয়েছে। যেমন নয়ডাকে যুক্ত করা হয়েছে নতুন দিল্লির সাথে। স্থানীয় অধিবাসীদের গুরুত্বপ্রদান ও গর্বিত করা : জনপ্রিয় শহরের নাম কোনও স্টেশনের সাথে যুক্ত হলে স্থানীয় অধিবাসীরা গর্বিত হবার পাশাপাশি একাত্মবোধ করেন। পরিচালনার সুবিধার্থে বা রক্ষণাবেক্ষনের কাজে কোনও স্টেশন বন্ধ থাকলে পরিবর্তিত স্টেশনের নাম জার্নি প্লানারে দেখা যাবে। যেমন ট্রেন নম্বর ১৯০৩১-এ (আমেদাবাদ থেকে জয়পুর) ভ্রমণের পরিকল্পনা আমেদাবাদের পরিবর্তে আসারভা থেকেও করা যাবে।জার্নি প্লানারে আমেদাবাদ ইনপুট দিলে সিস্টেম আসারভাও দেখাবে। বর্তমানে যা পর্যটকদের নিজেদের ইনপুট দিতে হয়।

জুলাই ২০, ২০২৩
রাজ্য

পঞ্চায়েতে ফলপ্রকাশ, আবির খেলা, উচ্ছ্বাস, তবু রাজ্যে ফের কিছু বুথে ভোট

রাজ্যের মোট ২০টি বুথে ফের পঞ্চায়েত ভোটের নির্দেশ দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। হাওড়া সাঁকরাইলের ১৫টি সহ রাজ্যের মোট ২০টি বুথে ফের নির্বাচন হবে। এই বুথগুলেতে জয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই ২০টি বুথেই ভোট লুঠ, ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছিল। এরপরই বিডিও-র রিপোর্টের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সাঁকরাইলের ১৫টি সহ উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া-২ ও সিঙ্গুরে আবারও পঞ্চায়েত ভোটের নির্দেশ দিয়েছেন কমিশনার রাজীব সিনহা।যে ২০টি বুথে ফের নির্বাচন হবে- হাওড়ার সাঁরকাইলের মানিকপুর দর্জিপাড়া প্রাথমিক স্কুলের সাতটি বুথ, রশ্মি মহল শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের একটি বুথ, সারেঙ্গা হাইস্কুল ও পল্লিশ্রী পাঠাগারের কয়েকটি বুথ। উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার-২ ব্লকের চারটি বুথ ও সিঙ্গুরের একটি বুথ।এটা কিন্তু পুনর্নির্বাচন নয়। কমিশনার জানিয়েছেন, পঞ্চায়েত আইন অনুযায়ী নতুন করে ভোট নেওয়া হবে ওই বুথগুলিতে। কমিশনের এদিনের নির্দেশের পর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ঠ্যালায় না পড়লে বেড়াল গাছে ওঠে না। আমরা আদালতে আবেদন জানিয়েছি। আইনজীবীরা সওয়াল করবেন। এর শেষ দেখে ছাড়তে চাই।

জুলাই ১৩, ২০২৩
রাজ্য

বিডিওদের একাংশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেন দিলীপ ঘোষ

রোজই পঞ্চায়েত ভোট শিরোনামে কোচবিহারের নাম উঠে আসে। নবজোয়ার যাত্রার সূত্রপাত হয়েছে এই জেলা থেকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচার শুরু করেছেন কো। খুন-খারাবির ঘটনাও ঘটছে। বৃহস্পতিবার এই প্রসঙ্গে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আগেও বলেছি সিতাই, শীতলকুচি আর দিনহাটা হল উপদ্রুত এলাকা। আমাদের লোকসভায় মানুষ জিতিয়েছে। বিধানসভার দুটো আসন জিতেছি। পরে উপ-নির্বাচনে কি হয়েছে আপনারা দেখেছেন। বাইরে থেকে লোক এনে ওখানে ওরা এসব কাজ করে। বিএসএফ ওখানেই গুলি চালিয়েছিল। জনজোয়ার ওরা ওখান থেকেই শুরু করেছে। মুখ্যমন্ত্রী ওখান থেকেই প্রচার শুরু করেছেন। রাজনীতিতে খুব গুরুত্বপূর্ণ কোচবিহার। কিন্তু ওখানকার মানুষ উন্নয়নের কোনও স্বাদ পান না। যদি স্বাদ পেয়ে থাকেন, তাহলে বলব, হাইওয়ে তৈরি হয়েছে। মোদী করেছেন। বন্দে ভারত চালু হয়েছে সেটাও মোদী করেছেন। কেন্দ্র সুবিধা করেছে। আর মমতা ব্যানার্জি মানুষের প্রাণ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন।একাধিক জেলার বিডিওদের বিরুদ্ধেই মূলত অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে চলেছে কমিশন। ভাঙড়, মিনাখার বিডিওদের শোকজ করা হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে। দিলীপ ঘোষ বলেন, বিডিওরাই গণ্ডগোলের মাথা। বিডিও অফিস ঘুঘুর বাসা। পঞ্চায়েত ভোট ওখান থেকেই পরিচালনা হচ্ছে। মনোনয়ন দিয়েও বাতিল করা ওখান থেকেই হচ্ছে। তৃণমূলকে অনৈতিক ভাবে সুবিধা দেওয়া। বাধ্য হয়ে বা ভালো সাজার জন্য বিডিওরা এইসব কাজ করছেন। অত্যন্ত নিন্দনীয়। ১০০ দিনের কাজের টাকা বিডিও অফিস থেকেই লুঠ হচ্ছে। বিডিও অফিস গুলো এখন দুর্নীতির আখড়া।সায়নী ঘোষের নামে ইডি সমন পাঠিয়েছি। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি বলেন, তৃণমূল যুব আছে কোথায়? সায়নী নেত্রী হতে গেছিল। উনি আজ কোথায়? পুরনো বা নতুন মামলা দিয়ে বিজেপি প্রার্থীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। বিনা কারণে বাড়িতে পুলিশের গাড়ি পাঠিয়ে বলা হচ্ছে থানায় আসুন। চমকানো হচ্ছে। সরাসরি বলা হচ্ছে মনোনয়ন প্রত্যাহার করুন। তৃণমূল কংগ্রেসের জোর নেই নির্বাচন করার। পুলিশ ও সরকারি কর্মীদের কাজে লাগিয়ে ভোটে জেতার চেষ্টা চলছে। আমার মনে হয়, সেই দিন চলে গেছে। দাবি দিলীপ ঘোষের।

জুন ২৯, ২০২৩
রাজনীতি

শুভেন্দুকে নিয়ে অভিষেকের ক্ষোভের কড়া জবাব দিলীপ ঘোষের, কেন?

ইডির কাছে যে তথ্য তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপধ্যায় দিয়েছেন তা জেনে যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই অভিযোগ করেছেন অভিষেক। মঙ্গলবার এর জবাবে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, না, সবাই জানে তো, আপনি রাজার ছেলে! হাকডাক করে যাচ্ছেন, লোকে জানে না! আপনি কোথায় খান? কোথায় ঘুমোন ? আপনার কত টাকা পয়সা আছে{ সব পাবলিক জেনে গিয়েছে। লুকোনোর আর কিছু নেই। আমরা সাধারণ মানুষ আমাদের নিয়ে পাবলিক ভাবে না। তাছাড়া সবাই এসব জানেন। আরেকটু বিদেশ মন্ত্রকে খোঁজ করলে সব পাওয়া যায়।অভিষেক দাবি করেছেন তিনি নন্দীগ্রামে ২০ কিমি পদযাত্রা করেছেন, তারই পুরস্কার তাঁর স্ত্রীকে ইডির তলব। এই প্রসঙ্গে মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, জীবনে প্রথম হাঁটাহাঁটি করছেন। সবে তো একটু ঘাম বেরিয়েছে। রোদে একটু মুখটা পুড়ুক! তাহলে রাজনীতি বোঝা যাবে। আপনি কার জন্য হাঁটছেন? নিজের ভবিষ্যতের জন্য! নিজের পার্টির জন্য হাঁটছেন। তাতে জনগণের কি যায় আসে!! মানুষ তো আপনার কথা ভুলেই গিয়েছে।রুজিরাকে তলব করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করেছেন অভিষেক। তাঁরও জবাব দিয়েছে দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন, কোথায় চাঁদ আর কোথায় বাঁদর! কে কাকে চ্যালেঞ্জ করছে। লোকে হেসে মরে যাচ্ছে এসব দেখে। যেখানে আছেন সেখানেই থাকুন, গলির লোক গলিতেই থাকুন। রাজপথে আসতে পারবেন না কোনদিন। যতই আপনি তুলসী গাছে জল ঢালুন অশ্বত্থ গাছ হবে না কখনও। অশ্বত্থ গাছ অশ্বত্থ গাছই থাকবে। আর ছাগলকে নিয়ে যতই গরুর গোয়ালে বাঁধুন, সে গরু হবে না কোনও দিন।সোমবার রুজিরা ছাড়া রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটককেও ইডি তলব করেছে। দিলীপ ঘোষের দাবি, আগেও ডেকেছে। আরও অনেককে ডাকবে। এই যে বছরের পর বছর কোটি কোটি টাকার কয়লা কেলেঙ্কারি চলছে। তার ভাগ অনেকেই পেয়েছে। আমরাও জানি সবাই জানে। ডাকা হয়নি এতদিন। এবার ডাক শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কটক সফর নিয়ে দিলীপের কটাক্ষ, এ সবই ড্রামা। কটক কেন? কেন দার্জিলিং গেলেন না! উঠল বাই কটক যাই!উল্লেখ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, কেন ইডি ছাড় দিচ্ছে দিলীপ ঘোষ ও শুভেন্দু ্অধিকারীকে? বিজেপি করে বলে? কেন তাঁদের ডাকছে না? প্রশ্ন তুলেছেন অভিষেক। অন্য দিকে জঙ্গলমহলে কুড়মিদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছেন দিলীপ ঘোষ। কুড়মিদের সঙ্গে শুভেন্দুর ভাল সম্পর্ক বলেই জানে জঙ্গলমহল। রাজনৈতিক মহলের মতে, ওই বিবাদ মেটাতে প্রয়োজন শুভেন্দু অধিকারীকে।

জুন ০৬, ২০২৩
রাজ্য

এগরার পর বজবজ, বেআইনি বাজি কারখানায় বিষ্ফোরণে মৃত ৩, জখম বহু

এগরার পর এবার বজবজ। পূর্ব মেদিনীপুরের পর এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা। রবিবার রাতে বজবজের নন্দরামপুর দাসপাড়ায় বেআইনি বাজি কারখানার গোডাউনে বিধ্বংসি আগুন লেগে তিনজনের মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, মা জয়শ্রী হাটি, মেয়ে পম্পা হাটি ছাড়া আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়। জখম কয়েকজনকে আইএসআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এদিন রাত আটটার একটু আগে এই ঘটনা ঘটে। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। জানা গিয়েছে, এই গ্রামে প্রতিটা বাড়িতেই কুটির শিল্পের মতো আতশ বাজি তৈরি হয়। ঘটনাস্থলের আশাপাশে চকোলেট বাজি পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। এদিনই ঘটনার পর বিপুল পরিমান বাজি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেই বাজি নিয়ে যায় পুলিশ। এক ব্য়ক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার এগরার বাজি কারখানায় বিষ্ফোরণে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

মে ২১, ২০২৩
রাজ্য

মালগাড়ি-লোকালের ধাক্কা, ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত বর্ধমান-হাওড়া ডাউন মেইন লাইনে

মালগাড়ির সঙ্গে ধাক্কায় লোকাল ট্রেনের লাইনচ্যুত হয় বর্ধমানের শক্তিগড়ের কাছে। বর্ধমান-হাওড়া মেন ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল বুধবার রাত থেকে বন্ধ রয়েছে। এর ফলে নিত্য যাত্রী দুর্ভোগ পোয়াচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালেও এই ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়নি।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত ৯. ১৬ মিনিট নাগাদ পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড় স্টেশনের কাছে ট্র্যাক চেঞ্জ করার সময় একই লাইনে চলে আসা মালগাড়ির সঙ্গে ধাক্কায় লাইনচ্যুত হয় যাত্রীবাহী ডাউন ব্যান্ডেল লোকাল। তবে দুর্ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই। কিন্তু ট্রেনের যাত্রীরা যথেষ্টই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান রেলের আধিকারিকরা। দুর্ঘটনার ফলে এখনও ট্রেন চলাচল ব্যহত রয়েছে।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, ৩৭৭৮৪ ডাউন বর্ধমানব্যান্ডেল লোকাল ট্রেনটি রাত ৯. ১৬ মিনিট নাগাদ শক্তিগড় স্টেশনে ঢুকছিল। তখন দুর্ঘটনাটি ঘটে। ট্রেনটির গতিবেগ কম থাকায় বড়সড় কোনও বিপদ ঘটেনি। ট্রেনের যাত্রী রাজু রায় বলেন, ওই সময়ে আমরা ট্রেনে বসেই প্রবল ঝাঁকুনি অনুভব করি। আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। তারপর দেখতে পাই আমাদের ট্রেনের একটা বগি লাইনচ্যুত হয়ে গিয়েছে। ট্রেনে ধীর গতি থাকায় বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছি। কেন এমন দুর্ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখছে পূর্বরেলের পদস্থ কর্তারা। দ্রুত গতিতে কাজ চলছে।

মে ১১, ২০২৩
রাজ্য

কেন বাংলায় নিষিদ্ধ ‘দ্য কেরালা স্টোরি’? কি বলছেন মুখ্যমন্ত্রী ও সংঘ পরিবার?

বাংলায় দ্য কেরালা স্টোরি নিষিদ্ধ করেছে রাজ্য সরকার। নিষিদ্ধ ঘোষণার আগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে দ্য কেরালা স্টোরি তৈরি করে বিজেপি উদ্দেশ্য প্রণোদিত উসকানি দিচ্ছে। দ্য কেরালা স্টোরি নিষিদ্ধ করতে মুখ্যসচিবকে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের শান্তি সৌহার্দ্য বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ বলে খবর। যদিও বিজেপি ও হিন্দু সংগঠনগুলির দাবি, সংখ্যালঘু তোষণ করতেই দ্য কেরালা স্টোরি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়।সোমবার নবান্নে দ্য কেরালা স্টোরি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আগেই অস্বস্তি ব্যক্ত করেন। মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় এই সিনেমা নিয়ে বিজেপিকে নিশানা করেন। মমতার দাবি, ওরা বিভাজনের রাজনীতি করছে। কেন দ্য কাশ্মীর ফাইলস বানালো ওরা? এক শ্রেণীর মানুষকে কটাক্ষ করার জন্য। এখন কেরালা স্টোরি বানিয়েছে। ওটা সিপিএম-এর রাজ্য। আমি ওদের একেবারেই সমর্থন করি না। ওরা বিজেপি-র সঙ্গে চলছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বিজেপি মনোনীত কিছু তারকা তো বাংলাতেও এসেছিলেন। তাদের টাকা দেয় বিজেপি। তথ্য বিকৃত করে তারা নাকি বেঙ্গল ফাইলস নামে একটি ছবি বানাচ্ছে। আগে কাশ্মীর ফাইলস, তারপর দ্য় কেরল স্টোরি, এবার বাংলার মানুষদের তাতাতে বেঙ্গল ফাইলস তৈরি করা হচ্ছে। এভাবে বাংলাকেও অপমান করার চেষ্টা করছে। ওরা বলছে, সেভ বেঙ্গল। কেন? শান্তিপ্রিয় একটা রাজ্য বাংলা। বিজেপি ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছে কেন?তবে মুখ্য়মন্ত্রীর সিনেমা নিষিদ্ধ ঘোষণার পর বিজেপি ও সংঘ পরিবার একযোগে প্রতিবাদে সামিল হয়েছে। দ্য কেরালা স্টোরির বাঙালি পরিচালক সুদীপ্ত সেন আদালতে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী আইসিসকে সমর্থন করছেন। তিনি সন্ত্রাসবাদীদের পক্ষে সমর্থন করছেন। আরএসএস ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দাবি, সত্যি ঘটনাকে আড়াল করতে চাইছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংক টিকিয়ে রাখতেই এই পদক্ষেপ। বাঙালি হিন্দুদের অস্তিত্ব বিপন্ন নিয়ে সিনেমা হওয়া উচিত বলেও মনে করে সংঘ পরিবার। পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য সাংগঠনিক পর্যায়ে বৈঠক করছে আরএসস ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

মে ০৯, ২০২৩
কলকাতা

পোষ্যকে হাতে নিয়েই ট্রেডমিলে ঘাম ঝড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ভিডিও ভাইরাল

ট্রেডমিলে হাঁটতে হাঁটতে বাজেট তৈরির কথা আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যখন তিনি হাঁটার সময় পান না তখন ট্রেডমিলেই সেই কাজ সেরে নেন। রবিবার ছুটির দিনে ইনস্টাতে ট্রেড মিলে হাঁটার ভিডিও পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে পোষ্যকে হাতে নিয়েই ট্রেডমিলে ঘাম ঝড়াচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। কয়েক সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে তাঁর হাতে মিষ্টি দেখতে একটি লোমশ বিদেশি কুকুর রয়েছে। সেই কুকুরটি হাতে নিয়েই ট্রেডমিলে হাঁটছেন মমতা। অবাক পানে তাকিয়ে রয়েছে কুকুরটি। সে কোনও দুষ্টমি করছে না।বাংলার মুখ্যমন্ত্রী যখন মিছিলে হাঁটেন তখন তাঁর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পারেন না নেতা-নেত্রীরাও। এমনকী তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরাও প্রায় ছুটতে থাকেন। যখন বাইরে হাঁটার সময় পান না তখন ট্রেড মিলেই হাঁটা সেরে নেন তিনি। এবার ট্রেডমিলে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে ওই মিষ্টি পোষ্যকে দেখে নেটিজেনরা মজার মজার মন্তব্য করেছেন।

মে ০৭, ২০২৩
দেশ

ফিরে এল পুলওয়ামার স্মৃতি, পুঞ্চে জঙ্গি হামলায় শহিদ ৫ সেনা জওয়ান-জখম বহু

পুলওয়ামার স্মৃতি ফিরল পুঞ্চে। বৃহস্পতিবার জম্মুতে জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় পাঁচ সেনা জওয়ান শহিদ হয়েছেন। নর্দান কমান্ডের সদর কার্যালয়ের তরফে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় অতিরিক্ত বৃষ্টি পড়ছিল। স্বভাবতই দৃশ্যমানতাও কম ছিল। সেই সুযোগেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে জঙ্গিরা। জঙ্গিদের ছোড়া গ্রেনেডে জওয়ানদের গাড়িতে দাউ দাউ করে আগুন লেগে যায়। তাতেই প্রাণ হারান ৫ সেনা জওয়ান। জখম হন অনেকে।বৃহস্পতিবার দুপুর গড়িয়ে ৩টে নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার সময় সেনাবাহিনীর গাড়িটি রাজৌরি সেক্টরের ভিম্বার গালি এবং পুঞ্চের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল। জানা গিয়েছে, নিহত জওয়ানরা রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের সদস্য। মূলত সন্ত্রাস দমনের জন্য তাঁদের উপত্যকায় নিয়োগ করা হয়েছিল। এই হামলায় মৃত্যুর পাশাপাশি বেশ কয়েকজন সেনা জওয়ান আহতও হয়েছেন। জখমদের রাজৌরির সেনা হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। জঙ্গি হামলার পর ঘটনাস্থল ঘিরে জোরদার তল্লাশি শুরু করেছেন সেনাবাহিনীর জওয়ানরা।পুঞ্চে সেনা জওয়ানদের গাড়িতে আগুন লেগে গিয়েছে, প্রথমে এই খবর জানানো হয়েছিল। অবশেষে সন্ধের পর সত্যিটা সামনে আসে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং টুইটে লেখেন, পুঞ্চ জেলার (জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর) ট্র্যাজেডিতে মর্মাহত। সেখাানে একটি ট্রাকে আগুন লাগায় ভারতীয় সেনাবাহিনী তার সাহসী সৈন্যদের হারিয়েছে। এই দুঃখজনক সময়ে, আমি মানসিকভাবে শোকাহত পরিবারগুলোর পাশে আছি। হামলার পর পর ভিম্বার গালি-পুঞ্চ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঘুরপথে গাড়ি চলাচল করতে থাকে।

এপ্রিল ২০, ২০২৩
রাজ্য

এসএসসি দুর্নীতিতে ধৃত শান্তনু ঘনিষ্ঠ প্রোমোটারের সল্টলেকের বাড়িতে ইডির হানা

যত খুঁড়ছে ততই সোনা। সম্পত্তির যেন কোনও শেষ নেই। শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার সাসপেন্ড তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুগলিতে একাধিক সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শনিবার শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার অয়ন শীলের সল্টলেকের বাড়িতে হানা দেয় ইডি।গ্রাউন্ড ফ্লোরে ভাড়া থাকেন অয়ন শীল। দীর্ঘ তিন বছর ধরে এই অয়ন শীল সল্টলেকের এই বাড়িতে ভাড়া থাকেন। সূত্রের খবর, শনিবার সকালেই তিনি বাড়ি ছেড়ে হুগলির চুঁচুড়া বা অন্যত্র চলে গিয়েছেন। তার খোঁজে এই প্রোমোটারের বাড়িতে হানা ইডির। কেন এই প্রোমোটারের বাড়িতে ইডির হানা? ইডি সূত্রের খবর, শান্তনুর একাধিক হোটেল, রিসর্ট, প্রমোটিং এর মূল দায়িত্বে ছিলেন অয়ন শীল।অয়ন বাড়িতে না থাকায় ইডির আধিকারিকরা পরিবারের অন্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। বাড়ির বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ছিল। অয়নের স্ত্রী এবং ছেলে দিল্লিতে থাকে। এই ফ্ল্যাটে অয়ন শীলের অফিসের কিছু কর্মী এখানে থাকেন। বাড়ির পাশাপাশি অফিস হিসাবেও এই ফ্ল্যাট ব্যবহার হয়।জানা গিয়েছে, প্রমোটিং ছাড়াও অয়ন শীলের একটি প্রোডাকশন হাউজ রয়েছে। রয়েছে পেট্রোল পাম্প।২০১৭ সালে হুগলির চুঁচুড়ার পিপুলপাতিতে একটা আবাসন প্রোজেক্ট করেন অয়ন। সেখানে ৪০ টি ফ্ল্যাট ছিল। সেখানে একটি ফ্ল্যাট কেনে শান্তনু। পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় এর সঙ্গে একটি সিনেমাও অয়ন শীল করেছেন বলে খবর।

মার্চ ১৮, ২০২৩
রাজ্য

'রাজ্যবাসী শীতে কাঁপছে, তৃণমূল সিবিআইয়ের ভয়ে কাঁপছে,', কেন বললেন দিলীপ ঘোষ?

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্যে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন দিদির দূত। এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অন্য দিনের মতো শনিবার সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমনে যান বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। এক প্রশ্নের জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন, দিল্লীর দূত এখন তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে বাড়িতে পৌছে যাচ্ছে। সেই ভয়ে তৃণমূল কাঁপছে। রাজ্যবাসী শীতে কাঁপছে। তৃণমূল সিবিআইয়ের ভয়ে কাঁপছে। ওরা যে দিদির সুরক্ষা কবচ আনছে, ওটা ওদের নেতাদের লাগবে।শহীদ দিবস নিয়ে তরজা প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, যারা শহীদ হল তাদের কথা ভুলে গিয়ে সবাই নিজেদের কথা ভাবছে। শহীদ তো সারা বাংলায় আগে হয়েছে। এখনও হচ্ছে। কোনো একটা দিবস রাজনীতির ইস্যু হয়ে যায়। এটা আগেও হত এখনও হয়।সিপিএম কি বিজেপিকে সাপোর্ট করছে? খড়্গপুরের সাংসদ বলেন, বিজেপির কারও সাপোর্ট লাগে না। সামাজিক সাপোর্টে বিজেপি এগোয়। ওনারা এতদূর এগোলেন কার সাপোর্ট নিয়ে? যাদের সাপোর্ট নিয়ে এলেন, তাদেরই খুন হতে হচ্ছে। পার্টির লোক পার্টির নেতার বিরুদ্ধে আবাস যোজনায় নাম কেটে দেওয়ার অভিযোগ তুলছে। হুমকি দিচ্ছে। নিজেদের মধ্যে গুলি চালাচ্ছে। এটা তৃণমূল কালচার। বিজেপি সারা দেশে আছে। বিজেপিকে সবাই চেনে, জানে।আবার কি তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিতে চাইছে, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, বহু লোক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। ওই দলে আর ভদ্রলোকেরা থাকতে চাইছে না। যোগদান তো চলছে। আমাদের থেকে জোর করে নিয়ে যাওয়া কিছু লোক আবার ফিরছে। লোকে দেখতে চাইছে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়।

জানুয়ারি ০৭, ২০২৩
রাজ্য

জয় শ্রীরামের বদলা পাথর ছোড়া নয় তো? দিলীপের প্রশ্ন

বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধনের পর ট্রেনে পাথর ছোড়া নিয়ে বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। দ্বিতীয়বার পাথর ছোড়ার ঘটনাও ঘটেছে। তা নিয়ে চলছে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে অভিযোগ পাল্টা বক্তব্য। বুধবার দিলীপ ঘোষ বলেন, বন্দে ভারত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নীরব। তাই অনেকেই সন্দেহ করছেন, জয় শ্রীরামের বদলা পাথর ছোড়া নয় তো? কাশ্মীরে দেশপ্রেমীদের পাথর ছুঁড়ে মারা হতো। এখানে রাষ্ট্রবাদীতার প্রতীক বন্দে ভারতে পাথর মারা হচ্ছে। আমরা দেখেছি, স্টেশনে স্টেশনে কি বিপুল উন্মাদনা। ট্রেনকে স্বাগত জানানোর জন্য মানুষের সীমাহীন উৎসাহ। মানুষ এই ট্রেনকে আন্তরিকভাবে নিয়েছেন। এতে মুখ্যমন্ত্রী বোধহয় খুব কষ্ট পেয়েছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গকে পিছন দিকে নিয়ে যাচ্ছেন, জনতাকেও এগোতে দিচ্ছেন না। যারা এগোতে চাইছে, তাদের পাথর মারা হচ্ছে। বিজেপি নেতার দাবি, যাঁরা আমাদের রাজ্যকে বদনাম করছে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।তৃণমূল কংগ্রেস দিদির রক্ষাকবচ নিয়ে পথে নেমে পড়েছে। বাড়ি যাবেন নেতৃত্ব{ দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগেও এই ধরনের ঘোষণা হয়েছে। তৃণমূল নেতাদের বাড়ি বাড়ি যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কেউ যায়নি। সিএম জাটুয়া রায়দিঘী গিয়ে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে মাছ ভাত খেয়েছিলেন। ওনার দলের কেউ ওনাকে খেতে দেয়নি। এই প্রকল্পগুলো মিডিয়াকে বলে বাজার গরম করার চেষ্টা। কারণ ওদের এখন পাবলিকের সামনে মুখ দেখানোর জো নেই।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৩
রাজ্য

আলকায়দা ঢুকছে, বিদেশী জঙ্গিরা আশ্রয় পাচ্ছে বাংলায়, দিলীপ ঘোষের দাবি

বন্দে ভারতে পাথর ছোড়া নিয়ে বিতর্ক বেড়েই চলেছে। মঙ্গলবার বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আগেও বলেছি, কাশ্মীর শুধরে গেছে। বাংলা কাশ্মীর হয়ে যাচ্ছে। দেশ বিরোধী শক্তি এরাজ্যে এতো সক্রিয়, এখানকার সরকার সেই শক্তিকে মদত দিচ্ছে। পার্লামেন্টে যখন সি এ এ পাস হল, তখন বিরোধিতা অনেক রাজ্যে হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে তিনদিন ধরে উৎপাত হয়েছে। আড়াইশো কোটি টাকার সম্পত্তি ধংস করা হয়েছে। যার সিংহভাগ রেলের সম্পত্তি। দেশের সম্পত্তিকে এই রাজ্যের একাংশ শত্রু সম্পত্তি মনে করতে শুরু করেছে। দেশের সংবিধানকে তারা শত্রুপক্ষের সংবিধান বলে মনে করছে। তারা হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের লোক। এবং তৃণমূল কংগ্রেস তাদের পাশে আছে। একাধিকবার এই ঘটনা ঘটেছে। দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, নুপুর শর্মার সময়ে দেখেছি। মন্দিরে সে সময় ঢিল মারা হয়েছে। দেশ বিরোধি শক্তির হাতে বাংলা চলে যাচ্ছে। ১৯৪৭ এর আগে যেরকম হয়েছিল, আবার সেই দিকে যাচ্ছে। এর সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তৃণমূলের। মমতা তাদের সহযোগিতা করছেন। পুলিস এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না।বিজেপি নেতার দাবি, বর্ডার দিয়ে সিমি, জামাত আল কায়দা ঢুকছে। বিদেশী জঙ্গিরা এখানে আশ্রয় পাচ্ছে। সমস্ত গ্যাং স্টার বা সমাজবিরোধী এখানে শেল্টার পাচ্ছে, ধরা পড়ছে। এখানে দেশ বিরোধি শক্তি সহযোগিতা পায়। এখানে তাদের আধার কার্ড হয়। রেশন কার্ড হয়। দেশের অন্যত্র গিয়ে এরা বিস্ফোরণ করে। দেশ বিরোধি কাজের অনুপ্রেরণা এই রাজ্য থেকেই পাওয়া যায়।দিদির সুরক্ষা কবচ নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, দিদি বক ধার্মিক। মমতা ব্যানার্জির মুখ থেকে সত্যের বাণী শুনতে হবে, এটা তো একপ্রকার বিড়ম্বনা। সারাজীবন যিনি মিথ্যা বলায় রেকর্ড করেছেন, মিথ্যা ছাড়া কিছু বলেন নি, দেশের একতা ও অখণ্ডতার বিরুদ্ধে কাজ করেছেন, তিনি সত্যের কথা বলছেন, এটা সত্যিই বিড়ম্বনা।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৩
রাজ্য

জোকা-তারাতলা মেট্রো সপ্তাহে কদিন, কখন চলবে, কদিন বন্ধ থাকবে, রইল বিস্তারিত সূচি

জোকা-বিবাদী বাগ মেট্রো প্রকল্পের জোকা-তারাতলা রুটের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী সোমবার, ২ জানুয়ারি যাত্রী নিয়ে এই রুটে ছুটবে মেট্রো। জোকা থেকে তারাতলার দূরত্ব ৬.৫ কিলোমিটার। এই যাত্রাপথে মোট ছটি স্টেশন থাকছে জোকা, ঠাকুরপুকুর, সখেরবাজার, বেহালা চৌরাস্তা, বেহালা বাজার এবং তারাতলা। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জোকা-তারাতলা রুটে ট্রেন চলাচলের সংখ্যা, সময়সূচীও ঘোষণা করেছে। আপাতত একটি মেট্রো যাতায়াত করবে। জোকা-তারাতলা রুটে প্রতিদিন ১২টা করে মেট্রো চলাচল করবে। ৬টি আপে ও ৬টি ডাউনে মেট্রো চলবে। সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত পরিষেবা মিলবে। তবে শনিও রবিবার পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। ওয়ান ট্রেন সিস্টেম অর্থাৎ একটি ট্রেনই জোকা থেকে ছাড়বে। তা আবার তারাতলা থেকে ফিরবে। সর্বনিম্ন ভাড়া ৫ টাকা। সর্বোচ্চ ভাড়া ২০ টাকা।জোকা-তারাতলা রুটের সময়সূচি-সোমবার থেকে শুক্রবার অর্থাৎ সপ্তাহে ৫ দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫.৩০টা পর্যন্ত মেট্রো চলবে।জোকা থেকে মেট্রো ছাড়বে সকাল ১০ টা, সকাল ১১ টা, বেলা ১২ টা, দুপুর ৩ টে, বিকেল ৪ টে এবং বিকেল ৫ টায়।তারাতলা থেকে মেট্রো ছাড়বে সকাল ১০.৩০টা, সকাল ১১.৩০টা, বেলা ১২.৩০টা, দুপুর ৩.৩০টে, বিকেল ৪.৩০ টে এবং বিকেল ৫.৩০ টায়।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২২
রাজ্য

বন্দে ভারতের চালক গর্বিত করল বর্ধমানকে, স্টেশনে ভিড়ের মাঝে স্বামীকে হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা স্ত্রীর

বন্দে ভারতে মেতেছে বাংলা। ইতিমধ্যে ট্রেনের টিকিট পেতেই হিমশিম অবস্থা। হাওড়া থেকে ছাড়ার পর একে একে নানা স্টেশনেই দাঁড়িয়েছে বন্দে ভারত। জনতার উল্লাসে ভেসেছে মশাগ্রাম, বর্ধমান, বোলপুর স্টেশন। প্রথমবার বন্দে ভারতকে চোখের দেখা দেখতে জাতীয় পতাকা নিয়ে অনেকেই হাজির হয়েছেন। এই সুপার স্পিড ট্রেনের চালককে মালা পড়িয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। বাংলার প্রথম বন্দে ভারতের চালকের বাড়ি বর্ধমানে লোকো সারদা পল্লীতে। বর্ধমান স্টেশনে যখন চালককে নিয়ে মাতামাতি চলছে তখন ভিড়ের মধ্যেই দূর থেকে স্বামীকে হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সুনিতা কুমারী। ওই ভিড়ের মধ্যেও পাল্টা হাত নাড়িয়েছেন চালক অনিল কুমার। অনেকে তো ভাবতেই পারেনি চালকের স্ত্রী সেখানে দাঁড়িয়ে। চালক পাল্টা হাত নাড়ানোয় উপস্থিত জনতার টনক নড়ে। বর্ধমান স্টেশনে ট্রেন দাঁড়াতেই উৎসাহী মানুষজন অনিল কুমারের গলায় মালা পরিয়ে দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে দেখে আবেগঘন হয়ে পড়েন সুনীতা কুমারী। গর্বিত চালকের স্ত্রী বলেন, এই দিনটা আমার কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যে উপস্থিত থাকতে পারলে আরও ভালো লাগতো। আদতে বিহারের বিহারের বাসিন্দা অনিল কুমার। এখন পরিবার নিয়ে তিনি থাকেন বর্ধমানের লোকো সারদাপল্লীতে থাকেন। বন্দেভারত এক্সপ্রেস চালানোর উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার রাতেই অনিল কুমার বর্ধমানের বাড়ি থেকে হাওড়া স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন।এদিন সকালে টেলিভিশনের পর্দায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন নিয়ে উচ্ছ্বাস-উন্মাদনা দেখে বাড়িতে আর মন টেকেনি। সোজা বর্ধমান স্টেশনে চলে আসেন সুনীতা দেবী। তিনি জানিয়েছেন, ট্রেনের অ্যাসিন্ট্যান্ট ড্রাইভার হিসাবে ১৯৯০ সালে কাজে যোগ দেন তাঁর স্বামী। কর্মের প্রতি অবিচল অনিল কুমারের বরাবরই লক্ষ্য ছিল সবথেকে গুরত্বপূর্ণ ট্রেনগুলো চালানো। পূর্বা, কালকা, শতাব্দী, রাজধানী ও দুরন্ত এক্সপ্রেস ট্রেনও তাঁর স্বামী চালিয়েছেন। বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন চালানোর স্পেশাল ট্রেনিং নিতে চলতি মাসের ৭ তারিখ অনিল বাবু উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে যান। ট্রেনিং শেষে ১৯ ডিসেম্বর তিনি বর্ধমানের বাড়িতে ফিরে আসেন। বন্দেভারত এক্সপ্রেসের মতো দুরন্ত গতির ট্রেন চালানোটা তার স্বামীর কাছে আলাদা মাইলস্টোন ছোঁয়ার মতো। এদিন সেই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সাক্ষী থাকার জন্যই বর্ধমান স্টেশনে উপস্থিত হয়েছিলেন বলে সুনীতাদেবী জানান। এদিন বর্ধমান স্টেশনে হাত নেড়ে, ইশারায় শুভেচ্ছা বিনিময় হলেও গর্বিত স্বামীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ হয়নি সুনীতা দেবীর। কথা না হলেও আপশোষ নেই সুনীতা দেবীর। তিনি বলেন, স্বামী কাজের প্রতি দায়বদ্ধ।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২২
রাজ্য

খাল সংস্কারের মাটি দিয়ে জলাশয় ভরাট নিউটাউনে, অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য, ঘটনায় তোলপাড়

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে নিউটাউনের বাগজোলা খাল ও কেষ্টপুর খালের সংস্কার শুরু করেছে সেচ দপ্তর। প্রতি বছর সামান্য বৃষ্টি হলেই জলমগ্ন হয় নিউটাউন, সল্টলেকের বিস্তীর্ণ এলাকা। অভিযোগ, বাগজোলা খাল সংস্কারের মাটি দিয়ে একাধিক জলাশয় ভরাট হচ্ছে নিউটাউনে পাথরঘাটা পঞ্চায়েতের ছাপনা এলাকায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, পাথরঘাটা পঞ্চায়েতের সদস্য জইরুল হাজরা সহ স্থানীয় নেতাদের মদতে রাতের অন্ধকারে সেই মাটি গিয়ে পড়ছে এলাকার জলাশয় গুলিতে। তবে বিডিও, বিধায়ক ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি জলাশয় ভরাটের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন।রাজারাহটের বিডিও ঋষিকা দাস বলেন, বিষয়টি দেখার জন্য স্থানীয় টেকনো সিটি থানার পুলিশ সহ সেচ দপ্তরের আধিকারিককে আমি চিঠি করেছি। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে। রাজারহাট পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রবীর কর বলেন, সেচ দফতর খাল কাটছে। আর সেই খাল কাটা মাটি নিয়ে জলাভূমি ভরাটের ঘটনাটা আমার কানে এসেছে। পাথরঘাটা পঞ্চায়েতের প্রধানকে বলেছি যে কারা করছে তাদের নোটিশ ধরাতে এবং ভরাট কাজ বন্ধ করাতে। জলাশয় ভরাট করার আইন নেই যদি সেটা রেকর্ড নাও থাকে তাও জলাশয় ভরাট করা যায় না। এক্ষেত্রেও আমি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। যদি ভরাট করা হয়ে থাকে এক্ষেত্রেও মাটি তুলে দেওয়া হবে। দলের উচ্চ নেতৃত্বকে এবিষয়ে জানাবো।রাজারহাট নিউটাউন বিধায়ক তাপস চ্যাটার্জি বলেন, স্থানীয় প্রধান, সভাপতি এবং বিডিও সবাইকে বলেছি বিষয়টা দেখতে জলাভূমিতে যদি মাটি পড়ে থাকে ভরাট করা যাবে না। এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেব আমরা পুলিশকেও বলছি। কোটি কোটি টাকা খরচা করে খাল কাটা হচ্ছে মানুষকে ভালো রাখার জন্য। মেম্বার হলেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে তিনি আইনের উর্ধ্বে নন। কোন মেম্বারের জন্য যদি দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

"কথামৃত" এর ঝুলিতে পরপর চারটি পুরস্কার

পরিচালক জিৎ চক্রবর্তী এর ছবি কথামৃত এর ঝুলিতে এবার পরপর চারটি পুরস্কার। গত ১৮ই নভেম্বর মুক্তি পেয়েছে ছবি কথামৃত। মুক্তির পরে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই ছবি। এবার নানা ফিল্ম ফেস্টিভালে পুরস্কার নিয়ে ঝুলি ভরছে এই ছবি। বেস্ট ফিল্ম, বেস্ট অভিনেতা কৌশিক গাঙ্গুলী, বেস্ট ডিরেক্টর জিৎ চক্রবর্তী, বেস্ট অরিজিনাল স্টোরি ক্যাটাগরিতে মনোনীত হয়েছে এই ছবি। ছবির মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা কৌশিক গাঙ্গুলী ও অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য কে। একজন বোবা (কথা বলতে না পারা) মানুষের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কৌশিক গাঙ্গুলী কে। আর তাই একটা ছোট্টো লাল ডাইরিতে লিখে রাখেন নিজের মনের সমস্ত কথা গুলো। সেই ডাইরির নাম কথামৃত। ছবিতে কৌশিক গাঙ্গুলীর স্ত্রীর চরিত্রে দেখা গিয়েছে অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য কে।গল্পের প্রেক্ষাপট কিছুটা এমন, নিজেদের পাড়ার আদর্শ স্বামী-স্ত্রী সনাতন (কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়) ও সুলেখা (অপরাজিতা আঢ্য)। ছেলে ঋককে নিয়ে তাঁদের সুখের সংসার। তাঁদের এই ভালোবাসায় ভরা পরিবারকে পছন্দ করে এলাকার সমস্ত মানুষ। সনাতন কথা বলতে পারেন না। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তাঁর পরিচিত ব্যক্তিরা তাঁর মনের ভাব বুঝতে পারেন। তবে, মনের কথা বলার জন্য় তিনি একটি পকেট ডায়রি সবসময় সঙ্গে রাখেন। সেই ডায়রিটিকেই তিনি কথামৃত নাম দিয়েছেন। ছবিতে আরো দুটি মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন বিশ্বনাথ বসু ও অদিতি চ্যাটার্জি। ছবির পরিচালক জিত চক্রবর্ত্তী জানান এটি কৌশিক গাঙ্গুলী ও অপরাজিতা আড্য এর এক অনন্য জীবনের গল্প। মানুষের জীবনে কথা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা নিয়ে এই ছবি। প্রতিটি সম্পর্কের বুননে কথার গুরুত্ব এই কথামৃত। ছবিটি মুক্তি পেয়েছে জালান প্রোডাকশন এর ব্যানারে প্রযোজক প্রীতম জালান এর প্রযোজনায়।

ডিসেম্বর ২১, ২০২২
দেশ

রাতের উত্তর আকাশে হটাৎ আলোর ছটা! কি সেই আলোর উৎস? জানুন

বৃহস্পতিবার সব্ধায় উত্তর আকাশে টর্চের আলোর মত আলোর ফোকাস দেখে পথ চলতি মানুষের মনে কৌতুহল জন্মায়। তাঁদের নানা জনের মুখে নানা মত শোনা গেছে, কেউ বলছেন উল্কা তো আরেকজন বলছেন ভিন গ্রহের যান। ডিআরডিও-র নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি-৫ যা পারমাণবিক আস্ত্র বহনে সক্ষম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। অগ্নি ৫,৪০০ কিলোমিটারের বেশি দূরে গিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সূত্রে বৃহস্পতিবার জানা গিয়েছে।শহর থেকে গ্রাম, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আকাশে অদ্ভুত আলো দেখে কৌতূহলী হয়ে পরে। সেই আলো নিয়েই ঘনায় রহস্য। ওই আলো ঘিরে সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্কের-ও সৃষ্টি হয়। জল্পনার মধ্যেই সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা যায়,ক্ষেপণাস্ত্রের নতুন প্রযুক্তি এবং সরঞ্জাম যাচাই করার জন্য এই পরীক্ষাটি করা হয়েছিল এবং এটি প্রমাণ করেছে যে ক্ষেপণাস্ত্রটি এখন আগের চেয়ে আরও দূরে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে।ওড়িশার উপকূলের আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রটি নিক্ষেপ করা হয়েছে। এটি অগ্নি V- সিরিজের নবম ফ্লাইট। ২০১২ সালে অগ্নি-র প্রথম উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবারের নিক্ষেপণটি একটি সাধারণ পরীক্ষা বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সুত্রে জানা গিয়েছে।চীন সীমান্তে ভারত ও চীন সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের কয়েকদিন পর পরীক্ষাটি করা হয়েছে বলে অনেকের-ই মনে কৌতূহল জন্মায়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে এটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ভারত একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করার দিন ঘোষণা করেছিল। এবং অরুণাচলের তাওয়াং-এ ঘটনার আগে এয়ারম্যানদের জন্য একটি নোটাম বা নোটিশ জারি করেছিল।অরুণাচলে অনুপ্রবেশের সাথে সাথে, চীন গত সপ্তাহে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা নামে পরিচিত ডি ফ্যাক্টো সীমান্তে একতরফাভাবে স্থিতাবস্থা পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছিল, সংঘর্ষের সূত্রপাত করেছিল যা উভয় পক্ষের সেনাবাহিনী আহত হয়েছিল। সাময়িকভাবে সেই চেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • ...
  • 68
  • 69
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

“সব তথ্য আমার কাছে আছে!” নানুরে মমতার বিস্ফোরক দাবি, তীব্র আক্রমণ বিজেপিকে

বীরভূমের নানুরে নির্বাচনী জনসভা থেকে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকা সংশোধন ও ভুয়ো ভোটার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে একযোগে নিশানা করেন তিনি।সভা থেকে মমতা অভিযোগ করেন, ফর্মের মাধ্যমে বাইরের লোকদের ভোটার তালিকায় ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে তাঁর কাছে সব তথ্য রয়েছে এবং কে কতজনকে ঢুকিয়েছে, তা তিনি জানেন। তিনি আরও বলেন, সময় এলেই সব তথ্য প্রকাশ্যে আসবে।ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, নাম তোলার জন্য বহু মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে এবং এতে প্রবীণদেরও কষ্ট হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই প্রক্রিয়ার কারণে বহু মানুষ সমস্যার মুখে পড়েছেন।এদিন ভাষা ও পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ বাংলা ভাষায় কথা বললেই তাকে অনুপ্রবেশকারী বলা হচ্ছে কেন। সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কার, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।সভা থেকে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে বিজেপির অবস্থা খুব খারাপ হবে। যতই বাইরে থেকে নজরদারি বাড়ানো হোক, তার কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।নানুরের সভার পর এদিনই মুর্শিদাবাদের আরও দুটি জায়গায় জনসভা করার কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। ভোটের আগে এই সভাগুলি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
বিদেশ

কোথায় মোজতবা? একমাস পরও দেখা নেই, জল্পনার মাঝেই রুশ দূতের বড় দাবি

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। মোজতবা খামেনেই দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় এক মাস কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত তিনি জনসমক্ষে আসেননি। এর ফলে তাঁর জীবিত থাকা নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক রুশ কূটনীতিক দাবি করেছেন, মোজতবা খামেনেই সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং ইরানেই রয়েছেন। তিনি জানান, নিরাপত্তার কারণে এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে তিনি জনসমক্ষে আসছেন না। যদিও ঠিক কী কারণে তিনি আড়ালে রয়েছেন, তা স্পষ্ট করে বলা হয়নি।মনে করা হচ্ছে, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি প্রকাশ্যে আসতে পারেন। তবে তিনি সামনে না এলেও তাঁর বার্তা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং তা দেশের সরকারি সম্প্রচার মাধ্যমেও তুলে ধরা হয়েছে।সম্প্রতি মার্কিন ও ইজরায়েলি হামলায় প্রয়াত হন ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। এরপর তাঁর পুত্র মোজতবাকে নতুন নেতা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে সেই ঘটনার পর থেকেই গুজব ছড়াতে শুরু করে যে তিনিও হয়তো হামলায় আহত বা নিহত হয়েছেন।কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, তিনি গুরুতর আহত এবং বিদেশে চিকিৎসাধীন। এমনকী রাশিয়ায় তাঁর চিকিৎসা চলছে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে সেই সব জল্পনাকে উড়িয়ে দিয়ে এবার রুশ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তিনি ইরানেই আছেন এবং সুস্থ রয়েছেন।এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলা যুদ্ধ পরিস্থিতিও এখন নতুন মোড় নিচ্ছে। প্রায় এক মাস ধরে চলা সংঘর্ষের পর যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত মিলছে বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই সামরিক অভিযান বন্ধ হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে মোজতবা খামেনেইকে ঘিরে রহস্য কবে কাটবে, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

হু হু করে বাড়ছে বিমানের জ্বালানির দাম! এবার আকাশপথে ভ্রমণ হবে আরও ব্যয়বহুল

আকাশপথে ভ্রমণ এবার আরও ব্যয়বহুল হতে চলেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছে বিমানের জ্বালানির দাম। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে বিমান সংস্থাগুলির উপর এবং তার ফলে যাত্রীদেরও বেশি টাকা খরচ করতে হবে।দেশের বিভিন্ন শহরে জ্বালানির দামে বড়সড় বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। রাজধানী দিল্লিতে এই দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। সেখানে প্রতি কিলোলিটারের দাম এক লাফে দুই লক্ষ টাকারও বেশি হয়ে গেছে। গত মাসে যেখানে এই দাম ছিল এক লক্ষ টাকারও কম, সেখানে এক মাসের মধ্যেই এই বিশাল বৃদ্ধি নজরে পড়েছে।শুধু দিল্লি নয়, কলকাতাতেও জ্বালানির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। মার্চ মাসে যেখানে দাম ছিল প্রায় নিরানব্বই হাজার টাকা, এখন তা বেড়ে দুই লক্ষ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। চেন্নাইতেও দাম দুই লক্ষ টাকার বেশি হয়েছে। মুম্বইতে তুলনামূলকভাবে দাম কিছুটা কম হলেও সেখানেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে।এই হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিমান সংস্থাগুলির খরচ অনেকটাই বেড়ে যাবে। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই বিমানের টিকিটের দামও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁরা নিয়মিত বিমান যাত্রা করেন, তাঁদের জন্য এটি বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগেও জ্বালানির দাম কিছুটা বেড়েছিল, তবে এই প্রথম এত বড়সড় বৃদ্ধি দেখা গেল। প্রথমবারের মতো বিমানের জ্বালানির দাম দুই লক্ষ টাকার সীমা ছাড়িয়ে গেল।এই পরিস্থিতিতে আগামী দিনে বিমান ভাড়া কতটা বাড়বে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
রাজ্য

সাত এপ্রিলেই সব পরিষ্কার! ভোটার তালিকা নিয়ে বড় আশ্বাস, সন্তুষ্ট শীর্ষ আদালত

ভোটের আগে বড় স্বস্তির খবর এল আদালত থেকে। বিবেচনাধীন থাকা সমস্ত ভোটারের নাম খুব দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে বলে জানিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই আশ্বাসে সন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্টও।বুধবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির একটি চিঠি তুলে ধরা হয়। সেই চিঠিতে জানানো হয়েছে, আগামী সাত এপ্রিলের মধ্যেই সব বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। এই বক্তব্য শুনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।এদিন আদালতে জানানো হয়, মোট প্রায় ষাট লক্ষ নামের মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় সাতচল্লিশ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন প্রায় দুই লক্ষ করে নাম যাচাই ও নিষ্পত্তি করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।এর আগে এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, ভোটের আগে এত বিপুল সংখ্যক নামের নিষ্পত্তি আদৌ সম্ভব কি না। বিশেষ করে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ঘনিয়ে আসায় উদ্বেগ বাড়ছিল। তবে এদিন আদালতে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।সুপ্রিম কোর্ট জানায়, হাই কোর্টের এই অগ্রগতিতে তারা সন্তুষ্ট এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কাজ শেষ হবে বলে তারা আশা করছে।এছাড়াও আদালত জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই ট্রাইবুনালের কাজও শুরু হবে। বৃহস্পতিবার থেকেই ট্রাইবুনাল কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। এর আগে বুধবার প্রাক্তন বিচারপতিদের প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হবে।এই সিদ্ধান্তের ফলে ভোটার তালিকা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
কলকাতা

মহুয়ার মন্তব্যে অস্বস্তিতে দল! গুজরাটিদের ক্ষোভ, সামনে এল মমতার ক্ষমা প্রার্থনা

ভোটের আগে নতুন করে বিতর্কে জড়াল শাসক দল। দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের একটি মন্তব্য ঘিরে অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস। গুজরাটি সম্প্রদায়কে নিয়ে তাঁর মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই ভবানীপুরে বসবাসকারী গুজরাটি মানুষদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়ায়।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলেরই এক কাউন্সিলর প্রকাশ্যে ওই মন্তব্যের নিন্দা করেন। তিনি জানান, এই ধরনের মন্তব্য দলের অবস্থান নয় এবং সাংসদ নিজের মতেই তা বলেছেন। একইসঙ্গে গুজরাটি সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করা হয় তাঁর তরফে।এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বার্তাও সামনে আনা হয়। সেই বার্তায় তিনি গুজরাটি ভাই-বোনেদের কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি জানান, এই মন্তব্য দল সমর্থন করে না এবং বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সাংসদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। এই ধরনের মন্তব্যের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।কয়েকদিন আগে এক সাংবাদিক বৈঠকে স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে মহুয়া মৈত্র মন্তব্য করেছিলেন, যেখানে তিনি বাঙালিদের অবদানের কথা তুলে ধরতে গিয়ে গুজরাটিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর সেই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক।ঘটনার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়তে থাকে। ভবানীপুরের একটি বড় অংশ গুজরাটি সম্প্রদায়ের মানুষ নিয়ে গঠিত হওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। জানা যায়, অতীতের নির্বাচনে এই এলাকায় তৃণমূল খুব একটা ভালো ফল করতে পারেনি।রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে যখন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা চলছে, তখন এই ধরনের মন্তব্য উল্টো প্রভাব ফেলতে পারে। বিরোধী দল এই ইস্যুকে হাতিয়ার করতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে দ্রুত ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। দলের তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, এই মন্তব্য দল সমর্থন করে না এবং গুজরাটি সম্প্রদায়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
কলকাতা

ফর্ম নিয়ে তুমুল সংঘর্ষের পরও থামছে না উত্তেজনা! সিইও দপ্তরের সামনে আবার অবস্থান

ফর্ম নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। মঙ্গলবারের সংঘর্ষের পর বুধবার সকালেও নির্বাচন দফতরের সামনে চাপা উত্তেজনা বজায় রয়েছে। সকাল থেকেই সেখানে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধর্না ও অবস্থান শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় বিপুল সংখ্যায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।অভিযোগ, এক ব্যক্তি ব্যাগভর্তি ফর্ম নিয়ে নির্বাচন দফতরে ঢুকেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রচুর ফর্ম জমা দেওয়ার অভিযোগে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার নির্বাচন দফতরের সামনে দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মধ্যে বচসা চরমে ওঠে। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এরপর রাতেও দফতরের সামনে তৃণমূল কর্মীদের জমায়েত ও বিক্ষোভ চলতে থাকে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ আধিকারিকরা এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে বিক্ষোভকারীরা কিছুটা সরে যান।এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশনের তরফে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, এ ধরনের অসামাজিক কাজ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়। বুধবার সকাল থেকেই আবার দফতরের সামনে জমায়েত শুরু হয়েছে। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।এদিকে রাতের ঘটনাকে ঘিরে নির্বাচন দফতরের শীর্ষ আধিকারিক ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে বৈঠক হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।ফর্ম জমা দেওয়া নিয়ে এই বিতর্কে ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা ঘিরে বিস্ফোরক দাবি! একজনের হাতে হাজার হাজার আবেদন, প্রশ্নের মুখে প্রক্রিয়া

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানির মাঝেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হল। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এদিন উঠে আসে বিপুল সংখ্যক ফর্ম জমা পড়ার বিষয়টি। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, নির্বাচন কমিশনের দফতরে হঠাৎ করেই গুচ্ছ গুচ্ছ ফর্ম একসঙ্গে জমা পড়ছে।তিনি আদালতে বলেন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার পরও বিবেচনাধীন নামগুলির নিষ্পত্তির কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে এত বড় সংখ্যায় আবেদন জমা পড়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। যদিও তিনি কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে দোষারোপ করেননি, তবে কেন এই সময়ে এত আবেদন জমা পড়ছে, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।প্রধান বিচারপতি এই মন্তব্যের পর সতর্ক করে বলেন, অনুমানের ভিত্তিতে কোনও মন্তব্য করা উচিত নয়। এরপর নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী জানান, নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়নের শেষ দিন পর্যন্ত আবেদন জমা দেওয়া যায়। এমনকি যাঁর সেদিনই আঠারো বছর পূর্ণ হচ্ছে, তিনিও আবেদন করার অধিকার রাখেন। তাই এই প্রক্রিয়ায় কাউকে বাধা দেওয়া সম্ভব নয়।শুনানির সময় আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, এখানে সমস্যা হচ্ছে একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়া। সেই প্রসঙ্গেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, একজন ব্যক্তিই নাকি কয়েক হাজার ফর্ম জমা দিয়েছেন। এই ঘটনায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।প্রধান বিচারপতি বলেন, এই ধরনের ঘটনা নতুন নয় এবং অতীতেও এমন নজির রয়েছে। তবে আবেদনকারীদের পরিচয় জানা না যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন আইনজীবীরা। তাঁদের দাবি, বুথভিত্তিকভাবে আবেদনকারীদের তালিকা প্রকাশ করা হলে অভিযোগ জানানো সহজ হবে।আদালত জানিয়ে দেয়, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে যারা আবেদন করেছেন, তাঁদের নাম বিবেচনা করা হবে। তবে নির্দিষ্ট সময়ের পরে আবেদন করলে নাম তালিকায় উঠলেও সেই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার নাও থাকতে পারে।এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী জানান, তাঁদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী বিপুল সংখ্যক নাম তালিকায় যুক্ত হচ্ছে এবং অনেক নাম বাদও যাচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।এরই মধ্যে মঙ্গলবার রাজ্যের নির্বাচন দফতরের বাইরে উত্তেজনা ছড়ায়। দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীরা ফর্ম জমা দেওয়া নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে এবং পরিস্থিতি সংঘর্ষে গড়ায়। মারধর, ধস্তাধস্তির অভিযোগ ওঠে দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই। এক পক্ষের অভিযোগ, ফর্মের মাধ্যমে বাইরে থেকে লোক এনে ভোটার তালিকায় ঢোকানো হচ্ছে, অন্য পক্ষ সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।এই ঘটনায় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে এবং ভোটের আগে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে শুরু জনগণনা, কিন্তু বাদ পশ্চিমবঙ্গ! কেন এই ব্যতিক্রম? বাড়ছে জল্পনা

দেশজুড়ে আজ থেকে শুরু হল বহু প্রতীক্ষিত জনগণনা প্রক্রিয়া। এই জনগণনা হবে দুই ধাপে। এর সঙ্গে সঙ্গে শুরু হচ্ছে বাড়ি ও বাসস্থানের তথ্য সংগ্রহের কাজও। তবে এই প্রক্রিয়া আপাতত শুরু হচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গে, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, জনগণনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি রাজ্য। এই বিষয়টি ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গকে জানানো হয়েছে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, জনগণনা সম্পূর্ণভাবে একটি কেন্দ্রীয় বিষয় এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই তা করা হবে।এইবারের জনগণনা সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। নাগরিকদের নিজেদের তথ্য নিজেরাই নথিভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের বিস্তারিত তথ্য, বাড়ি ও সম্পত্তির বিবরণ দিতে হবে। এরপর সরকারি আধিকারিকরা বাড়িতে গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন। একবার তথ্য জমা হয়ে গেলে তা আর পরিবর্তন করা যাবে না।আজ থেকে শুরু হওয়া প্রথম ধাপ চলবে সেপ্টেম্বর মাসের শেষ পর্যন্ত। প্রথমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নাগরিকরা নিজেরাই তথ্য জমা দিতে পারবেন। তারপর সরকারি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন।এই প্রথমবার দেশের জনগণনা সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। নাগরিকরা নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে নিজেদের তথ্য জমা দিতে পারবেন এবং যাচাইয়ের জন্য একটি বিশেষ নম্বর পাবেন। পরে সরকারি কর্মীরা সেই নম্বরের ভিত্তিতে তথ্য মিলিয়ে দেখবেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১১ সালের পর এই প্রথম জনগণনা হচ্ছে। সাধারণত প্রতি দশ বছর অন্তর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি। এবারের জনগণনার জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে দেশের অধিকাংশ জায়গায় জনগণনা শুরু হলেও পশ্চিমবঙ্গের বাইরে থাকা এই সিদ্ধান্ত নতুন করে প্রশ্ন তুলছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে এই ইস্যুতে টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal