• ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ISL

খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : প্রথম জয়ের খোঁজে কেন বিদেশিদের দিকে তাকিয়ে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানেলো দিয়াজ?‌

এসসি ইস্টবেঙ্গল মাঠে নামার আগে সমর্থকরা কি আশা করেন দল জয় পাবে? নিশ্চিতভাবেই না। দলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখাই ছেড়ে দিয়েছেন লালহলুদ সমর্থকরা। কেনই বা দেখবেন? এইরকম জঘন্য ফুটবল গতবছর আইএসএলেও খেলেননি এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। রক্ষণের এইরকম করুণ অবস্থাও দেখা যায়নি। এবছর তো গোল করেও ধরে রাখতে না পারাটা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে। শুক্রবার এসসি ইস্টবেঙ্গল এমন একটা দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে, সেই নর্থইস্ট ইউনাইটেডের অবস্থাও খুব একটা ভাল নয়। ৪ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলে ঠিক ওপরে রয়েছে লালহলুদের। এইরকম দলের বিরুদ্ধে এবারের আইএসএলে প্রথম জয়ের সুযোগ মানেলো দিয়াজের দলের সামনে। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে দলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেই পারেন সমর্থকরা। তার অন্যতম কারণ মানেলো দিয়াজের দলের ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরা। দুএকটা ভুল ছাড়া আগের ম্যাচে তুলনামূলকভাবে ভাল খেলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। তাছাড়া চোটআঘাত থেকেও ফুটবলাররা বেরিয়ে আসছেন। জ্যাকিচাঁদ সিং খেলার মতো জায়গায় চলে এসেছেন। মহম্মদ রফিকও অনেকটাই ফিট। গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্যও মাঠে নামার জায়গায় চলে এসেছেন। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে তাঁকে খেলাতে পারেন কোচ মানেলো দিয়াজ। ড্যারেন সিডোয়েল অবশ্য এখনও পুরো ফিট নন। তিনি এখনও খেলার মতো জায়গায় আসেননি। দল যে এখনও পুরোপুরি তৈরি নয়, স্বীকার করে নিয়েছেন লালহলুদ কোচ মানেলো দিয়াজ। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, শেষ মুহূর্তে দল গঠন করা হয়েছিল। অনেক দেরিতে আমরা প্রাকমরশুম প্রস্তুতি শুরু করেছিলাম। দলকে পুরোপুরি তৈরি করতে পারিনি। তাই সমস্যা হচ্ছে। আমাদের যথেষ্ট কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে খেলতে হচ্ছে। প্রতিটা ম্যাচই আমাদের কাছে চ্যালেঞ্জিং। দলের বিদেশি ফুটবলারদের পারফরমেন্সে একেবারেই সন্তুষ্ট নন মানেলো দিয়াজ। তিনি বলেন, আমার দল এখনও পর্যন্ত ৯টা গোল করেছে। তারমধ্যে বিদেশিরাই করেছে ৮টি। তবুও ওদের খেলায় আমি খুশি নই। ওদের কাছ থেকে আরও ভাল পারফরমেন্স আশা করছি। আশা করছি নর্থইস্টের বিরুদ্ধে দায়িত্ব নিয়ে দলকে জেতাবে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : রক্ষণের ভুলেই ডুবতে হল, আবার ড্র এটিকে মোহনবাগানের

প্রথম দুম্যাচ জিতে সদস্যসমর্থকদের স্বপ্ন দেখিয়েছিল আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসের এটিকে মোহনবাগান। তারপরই ছন্দহীন। শেষ ৩ ম্যাচে জয় আসেনি। দুটিতে হার, একটাতে ড্র। বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ছিল জয়ে ফেরার লড়াই। দুদুবার এগিয়ে গিয়েও জিততে ব্যর্থ এটিকে মোহনবাগান। দুর্বল রক্ষণের জন্যই ভুগতে হল হাবাসের দলকে। ম্যাচের পল ৩৩।জয়ে ফেরার লড়াই ছিল বেঙ্গালুরু এফসির কাছেও। ছন্দে না থাকা দলের সেরা স্ট্রাইকার সুনীল ছেত্রিকে বাইরে রেখেই প্রথম একাদশ সাজিয়েছিলেন বেঙ্গালুরু কোচ মার্কো পেজাইউলি। শুরু থেকেই এটিকে মোহনবাগানের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন ক্লেইটন সিলভারা। কিন্তু তিন কাঠি ভেদ করতে পারেননি। বরং সেটপিস কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। ম্যাচের ১৩ ডানদিক থেকে নেওয়া হুগো বোমাসের কর্ণারে বেঙ্গালুরুর ৩ ডিফেন্ডারকে এড়িয়ে মাথা ছুঁইয়ে সবুজমেরুণকে এগিয়ে দেন শুভাশিস বসু। এই অগ্রগমন অবশ্য বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান। মিনিট তিনেক পরেই বক্সের মধ্যে ক্লেইটন সিলভাকে ফাউল করেন লিস্টন কোলাসো। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান ক্লেইটন। ২৬ মিনিটে বেঙ্গালুরুকে এগিয়ে দেন দানিশ ফারুখ। ক্লেইটন সিলভার কর্ণারে হেডে গোল করেন তিনি। এরপর সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে এটিকে মোহনবাগান। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসতে থাকে। ৩৮ মিনিটে সমতাও ফেরায়। জনি কাউকো মাঝমাঠ থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে দেন রয় কৃষ্ণাকে। রয় কৃষ্ণা এগিয়ে গিয়ে বক্সের ঠিক বাইরে ডিফেন্স চেরা থ্রু বাড়ান হুগো বোমাসের উদ্দেশ্যে। বাঁপায়ের দুরন্ত কোনাকুনি শটে ২২ করেন হুগো বোমাস। আগের তিনটি ম্যাচেই রক্ষণ সমস্যায় ভুগতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধেও প্রীতম কোটাল, তিরিরা ভরসা দিতে পারেননি আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসকে। সব ডেড বলেই কেঁপে যাচ্ছিল এটিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের ফুটবলাররা। অপ্রয়োজনে ফাউল করছিলেন দীপক টাংরি, প্রীতম কোটালরা। যার ফলে আতঙ্ক তৈরি হচ্ছিল। প্রথমার্ধে বারবার এইরকম ঘটনা দেখা যাচ্ছিল। দ্বিতীয়ার্ধেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই চাপ বাড়ায় এটিকে মোহনবাগান। ৫৮ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন রয় কৃষ্ণা। শুভাশিস বসুকে বক্সের মধ্যে ফাউল করেন প্রিন্স আইবারা। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে গোল করেন রয় কৃষ্ণা। ২৭ নভেম্বর ডার্বি ম্যাচে গোল করেছিলেন। ৩ ম্যাচ পর আবার গোল পেলেন কৃষ্ণা। পিছিয়ে পড়ে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে বেঙ্গালুরু এফসি। ৭২ মিনিটে সমতা ফেরায়। রোশন নওরেমের দুরন্ত কর্ণারে হেডে মাথা ছুঁইয়ে ৩৩ করেন প্রিন্স আইবারা। বেঙ্গালুরুর তিনটি গোলই সেটপিস থেকে। জয়ের জন্য ম্যাচের শেষদিকে মরিয়া হয়ে ওঠে দুদলই। বেশ কয়েকটি সুযোগও তৈরি হয়। রয় কৃষ্ণারা যেমন তিন কাঠি ভেদ করতে পারেননি। তেমনই এটিকে মোহনবাগানের জালে বল ঢোকাতে পারেননি সুনীল ছেত্রিরা। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে কোস্তার হেড বারে না লাগলে ১ পয়েন্টও পাওয়া হত না হাবাসের দলের।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন, কিন্তু কেন আতঙ্কে এটিকে মোহনবাগান কোচ হাবাস?‌

আইএসএলে বেঙ্গালুরু এফসি একসময় ছিল সব দলের কাছেই আতঙ্ক। সুনীল ছেত্রিদের সেই ঐতিহ্য আর নেই। গত কয়েকবছর ধরে পারফরমেন্স একেবারে তলানিতে। এবছর তো যথেষ্ট করুণ অবস্থা। ৬ ম্যাচে মাত্র ১টা জয়, ১টা ড্র। চারটিতে হার। লিগ টেবিলে রয়েছে নবম স্থানে। একেবারেই ছন্দে নেই বেঙ্গালুরুর দলটি। ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য যে কোনও প্রতিপক্ষ যে এইরকম দলকেই বেছে নেবে, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসও ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচকেই বেছে নিচ্ছেন।এবারের আইএসএলে দারুণ শুরু করেছিল গতবারের রানার্স এটিকে মোহনবাগান। প্রথম দুটি ম্যাচেই জয়। তার মধ্যে আবার একটা ম্যাচ ডার্বি। সমর্থকরা আশা করেছিলেন, প্রথম দুটি ম্যাচ জেতায় অশ্বমেধের ঘোড়ার মতোই ছুটবে এটিকে মোহনবাগান। কিন্তু বিধি বাম। ডার্বি জেতার পর থেকেই ছন্দপতন। টানা ৩ ম্যাচে জয় নেই। দুটিতে হার, একটা ড্র। বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে জয়ে ফিরতে মরিয়া হাবাস ব্রিগেড।সুনীল ছেত্রির ছন্দে নেই। এটাই সমস্যায় ফেলেছে বেঙ্গালুরু এফসিকে। তা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নিতে রাজি নন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, সুনীল ছেত্রি অনেক বড় মাপের স্ট্রাইকার। ভারতের সেরা ফুটবলার। দুএকটা ম্যাচে গোল না পেলেও সেটা কোনও ব্যাপার নয়। যে কোনও দিন জ্বলে উঠতে পারে। ওকে গুরুত্ব দিতেই হবে। তবে শুধু ওকে গুরুত্ব দিলে চলবে না, গোটা দলকেই গুরুত্ব দিতে হবে। শেষ ৪ ম্যাচে জয় না এলেও বেঙ্গালুরু এফসিকে সমীহ করছেন হাবাস। তিনি বলেন, দুএকটা ম্যাচে হারলেও বিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। আইএসএলের সব দলের শক্তিই উনিশবিশ। ওরাও চেষ্টা করবে ঘুরে দাঁড়ানোর। সুনীলের খারাপ ফর্ম বাড়তি কোনও সুবিধা দেবে না বলে মনে করছেন ৭এটিকে মোহনবাগান কোচ।চেন্নাইন এফসি ম্যাচের আগে তিনটি ম্যাচে রক্ষণ সমস্যায় ভুগতে হয়েছে এটিকে মোহনবাগানকে। তিরিকে প্রথম একাদশে ফিরিয়ে ও প্রীতম কোটালকে তাঁর পাশে নিয়ে এসে রক্ষণ কিছুটা মজবুত করেছেন হাবাস। তবে রোগ এখনও পুরোপুরি সারেনি। বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে রক্ষণ সংগঠনের ওপর জোর দিতে চান। মাঝমাঠের ফুটবলারদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রয়োজনে নেমে এসে রক্ষণকে সাহায্য করতে। কয়েকটা ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ভুগতে হয়েছে এটিকে মোহনবাগানকে। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে রেফারিং নিয়ে চিন্তা যাচ্ছে না হাবাসের।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL : ‌কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ভাল খেলেও জয় অধরা থেকে গেল এসসি ইস্টবেঙ্গলের

৬ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। এবারের আইএসএলে এখনও জয় পেল না এসসি ইস্টবেঙ্গল। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে এগিয়ে গিয়েও আটকে গেল লালহলুদ শিবির। ম্যাচের ফল ১১। অন্যদিনের তুলনায় এদিন ভাল খেলেও আটকে যেতে হল মানোলো দিয়াজের দলকে।লিগ টেবিলে কেরালা ব্লাস্টার্সও খুব একটা ভাল জায়গায় নেই। জয়ের জন্য তারাও যথেষ্ট মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছিল। শুরু থেকে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে কেরালা ব্লাস্টার্সের ফুটবলাররা। আলভারো ভাজকোয়েজ, আদ্রিয়ান লুনারা একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল। কিন্তু টমিস্লাভ মার্সেলা, রাজু গায়কোয়াড়রা সজাগ থাকায় সুবিধা করতে পারেননি কেরালা ব্লাস্টার্সের ফুটবলাররা। এসসি ইস্টবেঙ্গলও মাঝেমাঝে প্রতি আক্রমণে উঠে আসছিল। এর মাঝেই ১৫ মিনিটে লালহলুদের জালে বল পাঠান কেরালা ব্লাস্টার্সের আলভারো ভাজকোয়েজ। কিন্তু ভাজকোয়েজের কাছে বল যাওয়ার আগে হ্যান্ডবল হয় অমরজিৎ কিয়ামের। রেফারি গোল বাতিল করে ফ্রিকিকের নির্দেশ দেন।এরপরই আস্তে আস্তে খেলাটা ধরে নেয় এসসি ইস্টবেঙ্গল। ২০ মিনিটে এগিয়েও যেতে পারত লালহলুদ। পেরোসেভিচের বাঁপায়ের দুরন্ত শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ৩৭ মিনিটে এগিয়ে যায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। ডান দিক থেকে রাজু গায়কোয়াড়ের লম্বা থ্রো হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন টমিস্লাভ মার্সেলা। ৪৪ মিনিটে সমতা ফেরায় কেরালা ব্লাস্টার্স। রাজু গায়কোয়াড়ের মিস পাস থেকে এসসি ইস্টবেঙ্গলের পেনাল্টি বক্সের বাইরে ডানদিকে বল পেয়ে ডানপায়ে শট নেন আদ্রিয়ান লুনা। তাঁর শট টমিস্লাভ মার্সেলার মাথায় লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়।অন্যান্য দিনের তুলনায় কেরালা ব্লাস্টার্স ম্যাচে এসসি ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ অনেকটাই সংগঠিত ছিল। আলভারো ভাজকোয়েজ, আদ্রিয়ান লুনাদের সেভাবে সুযোগ দেননি রাজু গায়কোয়াড়, টমিস্লাভ মার্সেলারা। একবার ছাড়া বাকি ম্যাচে মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন রাজু। দ্বিতীয়ার্ধে লালহলুদ ডিফেন্ডারদের জন্য গোলের সুযোগ পায়নি কেরালা। অধিকাংশ সময়ই মাঝমাঠে খেলা ঘোরাফেরা করছিল। ড্যানিয়েল চিমা এদিন একেবারে নিঃস্প্রভ ছিলেন। ৬৮ মিনিটে তাঁকে তুলে নিয়ে আমির ডার্বিসেভিচকে মাঠে নামান এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। একই সঙ্গে মাঠে নিয়ে আসেন বিকাশ জাইরু ও লুয়াংকে। ৮১ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে দারুণ শট নিয়ে ছিলেন পেরিসেভিচ। কেরালা ব্লাস্টার্স গোলকিপার দুর্দান্ত সেভ করে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন। ৮৯ মিনিটে আবার গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন পেরিসেভিচ। তাঁর পা থেকে আবার নিশ্চিত গোল বাঁচান কোরালা ব্লাস্টার্স গোলকিপার। শেষদিকে চাপ রাখলেও জয়ের গোল তুলতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : আবার ড্র!‌ হারের হ্যাটট্রিক বাঁচাল হাবাসের এটিকে মোহনবাগান

এবারের আইএসএলে ভাল শুরু করেও ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান। পরপর দুটি ম্যাচে জয়ের পর দুম্যাচে হার। পঞ্চম ম্যাচেও জয়ে ফিরল না সবুজমেরুণ শিবির। চেন্নাইন এফসির কাছেও আটকে গেল। বলা যেতে পারে হারের হ্যাটট্রিক বাঁচাল আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসের দল। যদিও চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচের শুরু থেকেই এটিকে মোহনবাগান ফুটবলারদের শরীরীভাষা যথেষ্ট ইতিবাচক মনে হচ্ছিল। রক্ষণ শক্তিশালী করতে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে তিরিকে প্রথম একাদশে রেখেছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। তিরি আসায় রক্ষণ অনেক সংগঠিত হয়। তাঁর পাশে প্রীতম কোটালও ছিল স্বপ্রতিভ।১৮ মিনিটে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। মাঝমাঠ থেকে দুই ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে বক্সের মধ্যে দুর্দান্ত ডিফেন্স চেরা থ্রু বাড়ান রয় কৃষ্ণা। বাঁদিক দিয়ে বক্সের মধ্যে ঢুকে চলতি বলেই ডান পায়ের দুরন্ত শটে দলকে এগিয়ে দেন লিস্টন কোলাসো। পিছিয়ে পড়ে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়ে হয়ে ওঠে চেন্নাইন এফসি। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে। ২১ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল চেন্নাইন এফসি। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। অনিরুদ্ধ থাপার শট এটিকে মোহনবাগান গোলকিপার অমরিন্দার সিং আংশিক প্রতিহত করেন। বল গোলে ঢোকার মুখে বাঁচান প্রীতম কোটাল। পরপর বেশ কয়েকটি কর্ণার আদায় করেও কাজে লাগাতে পারেননি চেন্নাইন এফসি ফুটবলাররা।৪৫ মিনিটে সমতা ফেরায় চেন্নাইন এফসি। ডান দিক থেকে থ্রো করেন লুকাস। এটিকে মোহনবাগানের জনি কাউকোর মাথায় লেগে বল যায় ভ্লদিমির কোম্যানের কাছে। ডান পায়ের দুরন্ত কোণাকুনি শটে গোল করেন কোম্যান। চেন্নাইন কোচ এদিন রয় কৃষ্ণাকে আটকানোর জন্য বিশেষ পরিকল্পনা করেছিলেন। হুগো বোমাস, লিস্টন কোলাসোদের জায়গা করে দেওয়ার জন্য রয় কৃষ্ণা বারবার মাঝমাঠে নেমে আসছিলেন। এতে তাঁকে আটকাতে সমস্যা হচ্ছিল চেন্নাইন ডিফেন্ডারদের। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই রয় কৃষ্ণার পাস থেকে গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন হুগো বোমাস। তাঁর শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এটিকে মোহনবাগানের দুই বিদেশি জনি কাউকো ও হুগো বোমাস প্রথমার্ধে একেবারেই ছাপ ফেলতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধেও বোমাস, কৃষ্ণাদের জ্বলে উঠতে দেননি চেন্নাইন এফসি ফুটবলাররা। প্রথমার্ধে দুই দল কয়েকটা সুযোগ তৈরি করলেও দ্বিতীয়ার্ধে গোল করার মতো তেমন সহজ পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। ৮৯ মিনিটে হুগো বোমাসকে তুলে নিয়ে ডেভিড উইলিয়ামসকে মাঠে নামান। ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ পাননি উইলিয়ামস।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে জয় আসবে?‌ আশা দেখাতে পারছেন না দিয়াজ

পাঁচ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে। এবারের আইএসএলে এখনও জয়ের মুখ দেখেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। কোচ মানোলো দিয়াজকে নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠে গেছে। দলের অভ্যন্তরেই কোচের সিদ্ধান্ত নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। দলগত সংহতিও তলানিতে। ৫ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল অথচ এখনও প্রথম একাদশ ঠিক করে উঠতে পারেননি। ফুটবলারদের মধ্যে কোনও বোঝাপড়া নেই। এই অবস্থায় রবিবার কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।কঠিন পরিস্থিতিতেও সমর্থকদের কোনও আশার আলো দেখাতে পারছেন না লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। আগের ৫ ম্যাচে এসসি ফুটবলারদের দেখে মনে হয়নি তাঁরা ফিট। মানোলো দিয়াজ অবশ্য একথা মানতে নারাজ। তাঁর দাবি, দক্ষতার দিক দিয়েই দলকে পিছিয়ে পড়তে হচ্ছে। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে দল প্রথম জয় তুলতে পারবে কিনা, সে ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী নন। কেরালার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দিয়াজ বলেন, দল খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সমর্থকদের মানসিক অবস্থা বুঝতে পারছি। সমর্থকরা যেমন জয়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছে, আমিও জয়ের খোঁজে রয়েছি। চেষ্টা করব কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানোর।গোল করেও তা ধরে রাখতে পারছেন না লালহলুদ ডিফেন্ডাররা। এসসি ইস্টবেঙ্গলের খেলায় কোনও ছন্দ দেখা যায়নি। তিনটি ম্যাচে হার, দুটি ম্যাচে ড্র। যে দুটি ম্যাচে মানোলো দিয়াজের দল ড্র করেছে, তাতে নিজেদের থেকে বিপক্ষ দলের ফুটবলারদের কৃতিত্ব বেশি। ফুটবলারদের ভুল শুধরে দিলেও বারবার একই ভুল হচ্ছে। সংশোধনের কোনও ইচ্ছে লালহলুদ ফুটবলারদের নেই। এইরকম চলতে থাকলে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেও জয় আসা কঠিন।একেই দল খারাপ অবস্থায়, তার ওপর একাধিক ফুটবলারের চোট। সমস্যা আরও বেড়েছে মানোলো দিয়াজের। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেও মাঠে নামার মতো জায়গায় আসেননি গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য। জ্যাকিচাঁদ সিং, সিডোয়েলরাও এখনও পুরো ফিট নন। এই দুই ফুটবলারকেও কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে পাবেন না মানোলো দিয়াজ। আগের ম্যাচে জয়ে ফিরেছে কেরালা ব্লাস্টার্স। বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন লালহলুদ কোচ।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL-ATK Mohun Bagan : ‌‌চেন্নাইনের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়ে এটিকে মোহনবাগান। কে হবেন হাবাসের অস্ত্র?‌

এবছর আইএসএলেও সেই মুম্বই সিটি এফসির আধিপত্য। ৫ ম্যাচ খেলে চারটিতে জিতে ১২ পয়েন্ট নিয়ে এখনও লিগ টেবিলের শীর্ষে রয়েচে মুম্বইয়ের দলটি। কলকাতার দুই প্রধানের অবস্থা খুব একটা ভাল নয়। এটিকে মোহনবাগান ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে থাকলেও করুণ অবস্থা এসসি ইস্টবেঙ্গলের। ৪ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের একেবারে শেষে। পরপর দুটি ম্যাচ হেরে যথেষ্ট চাপে এটিকে মোহনবাগান। এই অবস্থায় শনিবার চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামছে সবুজমেরুণ শিবির। চেন্নাইনের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া হাবাস ব্রিগেড।এই মরশুমে আক্রমণভগের শক্তি বেড়েছে এটিকে মোহনবাগানের। রয় কৃষ্ণার সঙ্গে হুগো বোমাস ষুক্ত হয়েছেন। লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংরাও রয়েছেন। তা সত্ত্বেও আক্রমণভাগের গোলখরা চলছে। রয় কৃষ্ণা ও হুগো বোমাসরা এখনও পর্যন্ত সেভাবে নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। শক্তিশালী রক্ষণের কাছে আটকে যাচ্ছেন। এসব ঘটনাকে একেবারেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না। পরপর দুম্যাচে হার তাঁর কাছে অতীত। একেবারেই মাথায় রাখছেন না। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস বলেন, লম্বা প্রতিযোগিতা। উত্থানপতন থাকবে। পরপর দুটো ম্যাচ হেরেছি বলে আমরা বিশ্বের সবথেকে খারাপ দল হয়ে গেছি, এইরকম ভাবলে চলবে না। কঠিন পরিস্থিতিতে খেলতে হচ্ছে। কয়েকটা জিনিস ঠিক করতে হবে। তাহলেই দল আবার ছন্দে ফিরে আসবে।প্রথম দুই ম্যাচে ৭ গোল করেছিল এটিকে মোহনবাগান। আগের দুটি ম্যাচে রক্ষণের ভুলে হারতে হয়েছে। তিরি সুস্থ থাকা সত্ত্বেও তাঁকে প্রথম একাদশে খেলাননি হাবাস। তাঁর স্ট্র্যাটেজি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শুধু রক্ষণ নয়, গোটা দলের খেলায় উন্নতি করতে হবে বলে মনে করছেন হাবাস। তিনি বলেন, শুধু ডিফেন্স নয়, গোটা দলের খেলা নিয়ে ভাবছি। সব জায়গায় উন্নতি করতে হবে। গোটা ম্যাচে একই ছন্দ ধরে রাখতে হবে। রক্ষণ শক্তিশালী করতে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে ম্যাকহিউয়ের পরিবর্তে তিরিকে খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে হাবাসের। চেন্নাইন এফসিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন সবুজমেরুণ কোচ। প্রতিপক্ষ সম্পর্কে তিনি বলেন, চেন্নাইন এফসি যথেষ্ট লড়াকু দল। ওদের দলে দেশি ও বিদেশি, সব ফুটবলারই বেশ ভাল। রক্ষণ দারুণ শক্তিশালী। লড়াইটা কঠিন হবে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : তিন–তিনবার সমতা ফিরিয়েও শেষরক্ষা হল না এসসি ইস্টবেঙ্গলের

৫ ম্যাচ হয়ে গেল। এবারের আইএসএলে এখনও জয়ের মুখ দেখতে পেল না এসসি ইস্টবেঙ্গল। আবার হার মানোলো দিয়াজের দলের। এবার হার এফসি গোয়ার কাছে। ম্যাচের ফল ৪৩। তিনতিনবার ম্যাচে সমতা ফিরিয়েও হার বাঁচাতে পারল না এসসি ইস্টবেঙ্গল। ৫ ম্যাচে ২ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলের সবার শেষে লালহলুদ। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই প্রাধান্য ছিল এফসি গোয়ার। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে এসসি ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সকে ব্যতিব্যস্ত রাখছিলেন জর্জ ওর্টিজ, আলবার্তো নগুয়েরারা। ১৪ মিনিটে এগিয়েও যায় এফসি গোয়া। ওর্টিজের কাছ থেকে বল পেয়ে ডান পায়ের দুরন্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন নগুয়েরা। লালহলুদ গোলকিপার শুভম সেনের কিছু করার ছিল না। ২৬ মিনিটে সমতা ফেরায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। বক্সের অনেকটা বাইরে ফ্রিকিক পায়। পেরোসিভিচের ফ্রিক এফসি গোয়ার ফুটবলারদের গড়া প্রাচীরে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে বাঁপায়ের দুরন্ত শটে সমতা ফেরান পেরোসিভচ। নিঃসন্দেহে বিশ্বমানের গোল। যদিও এই সমতা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। ৩২ মিনিটে সৌরভ বসু বক্সের মধ্যে শেরিটনকে ফাউল করেন। সহকারী রেফারির সঙ্গে কথা বলে রেফারি কৃষ্ণা পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে গোল করে এফসি গোয়াকে আবার এগিয়ে দেন ওর্টিজ। ৩৭ মিনিটে আবার সমতা ফেরায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। ডার্বিসেভিচের বুদ্ধিদীপ্ত ফ্রিকিক এফসি গোয়া গোলকিপার ধীরাজের সামনে ড্রপ খেয়ে গোলে ঢুকে যায়। ৪৩ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় এফসি গোয়া। আলবার্তো নগুয়েরার কর্ণারে দেবেন্দ্র মুরগাঁওকার হেড করেন। দেবেন্দ্রর হেড পেরোসিভিচের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়িয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে এসসি ইস্টবেঙ্গল। শুরুতেই দুদুটি পরিবর্তন করেন লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। টমিস্লাভ মার্সেলা ও অমরজিৎ কিয়ামের পরিবর্তে নামান ড্যানিয়েল চিমা ও আদিল খানকে। কিছুটা খেলায় ফেরে লালহলুদ। প্রথমার্ধের তুলনায় অনেক বেশি ঝকঝকে লাগছিল মানোলো দিয়াজের ফুটবলারদের। ৫৯ মিনিটে সমতা ফেরান পেরোসিভিচ। এফসি গোয়ার গ্লেন মার্টিনের ভুল পাস ধরে মাঝমাঠ থেকে একক প্রয়াসে এগিয়ে দারুণ ফিনিশ করেন পেরোসিভিচ। ৬৭ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ড্যানিয়েল চিমা। নাওরেম মহেশের দুরন্ত পাস ফাঁকা গোলে ঠেলতে পারেননি চিমা। ৭৮ মিনিটে তাঁর শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। চিমার সুযোগ নষ্টের এক মিনিট পরেই জয়সূচক গোল তুলে নেয় এফসি গোয়া। ওর্টিজের পাস থেকে নগুয়েরা ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান। এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। ৫ ম্যাচ খেলা হয়ে গেলেও জয় অধরাই থেকে গেল। অন্যদিকে, এই মরশুমে আইএসএলে প্রথম পয়েন্ট তুলে নিল এফসি গোয়া।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL : ‌আবার হার, ঘুরে দাঁড়াতে ব্যর্থ এটিকে মোহনবাগান

ভাল শুরু করেও ছন্দপতন। এবছর আইএসএল অভিযানে প্রথম দুটি ম্যাচে জয়ের পর আগের ম্যাচে মুম্বই সিটি এফসির কাছে বিদ্ধস্ত হতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। সোমবার জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে ছিল ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। ঘুরে দাঁড়াতে ব্যর্থ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসের দল। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হারতে হল এটিকে মোহনবাগানকে। তবে আগের ম্যাচের মতো লজ্জায় পড়তে হয়ননি সবুজমেরুণ শিবিরকে। জামশেদপুর এফসির কাছে হারল ২১ ব্যবধানে।মুম্বই সিটি এফসি ম্যাচের কথা মাথায় রেখে এদিন রক্ষণ জমাট করে খেলতে শুরু করেছিল এটিকে মোহনবাগান। জামশেদপুর এফসিও যথেষ্ট সতর্ক ছিল। তাই শুরুর দিকে তেমন কোনও সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কোনও দলই। তার মাঝেই ম্যাচের ৩৪ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল জামশেদপুর এফসি। ভাল্সকিসের কাছ থেকে বল পেয়ে দারুণ শট নিয়েছিলেন গ্রেগ স্টেওয়ার্ট। তাঁর শট ততোধিক তৎপরতার সঙ্গে বাঁচান এটিকে মোহনবাগান গোলকিপার অমরিন্দার সিং। মিনিট চারেক পরেই অবশ্য এগিয়ে যায় জামশেদপুর এফসি। দ্রুত প্রতিআক্রমণে উঠে এসে এটিকে মোহনবাগানের বক্সের বাইরে থেকে ডানদিকে লেন ডংগেলকে বল বাড়ান জিতেন্দ্র সিং। ডানপায়ের দুরন্ত কোণাকুণি শটে বল জালে পাঠান লেন ডংগেল।৪২ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল এটিকে মোহনবাগানের সামনে। রয় কৃষ্ণার শট জামশেদপুর এফসি গোলকিপার রেহেনেশের হাত থেকে বেরিয়ে গোলে ঢোকার মুখে গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেন এলি সাবিয়া। প্রথমার্ধে এটিকে মোহনবাগানের বলের দখল বেশি ছিল। কিন্তু গোলমুখী আক্রমণ গড়ে তোলার দিকে জামশেদপুর এফসি মুন্সিয়ানা বেশি দেখায়। ভাল্সকিস, লেন ডংগেল, গ্রেগ স্টেওয়ার্টরা পাঁচপাঁচবার গোলমুখী শট নিয়েছিলেন। অন্যদিকে, রয় কৃষ্ণা, হুগো বোমাসরা ৩ বার টার্গেটে বল রাখতে পেরেছিলেন।সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে উঠেছিল এটিকে মোহনবাগান। কিন্তু জামশেদপুর এফসির শক্তিশালী ডিফেন্স ভেদ করতে পারছিলেন না রয় কৃষ্ণা, হুগো বোমাসরা। আগের ম্যাচেই মতোই এদিনও ছন্দহীন ছিলেন এই দুই ফুটবলার। তাই আক্রমণের ধার বাড়াতে ৬১ মিনিটে কার্ল ম্যাকাউয়ের পরিবর্তে ডেভিড উইলিয়ামসকে মাঠে নামান হাবাস। উইলিয়ামস মাঠে নামার পর এটিকে মোহনবাগানের আক্রমণের তেজ বাড়ে। সুযোগও তৈরি হয়। ৮০ মিনিটে ডেভিড উইলিয়ামসের দুরন্ত শট ততোধিক তৎপরতার সঙ্গে বাঁচান জামশেদপুর গোলকিপার রেহেনেশ। পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে ৮৪ মিনিটে ব্যবধান বড়িয়ে এটিকে মোহনবাগানের ম্যাচে ফেরার স্বপ্ন শেষ করে দেন অ্যালেক্স লিমা। ৮৯ মিনিটে এটিকে মোহনবাগানের হয়ে ব্যবধান কমান প্রীতম কোটাল।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL : গোয়ার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে চোট–আঘাতে জর্জরিত এসসি ইস্টবেঙ্গল

গত বছরের মতোই কি এবারও আইএসএলে ব্যর্থতাই সঙ্গী হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলের? যেমন শুরু করেছে লালহলুদ, তেমনই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। চার ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। এখনও জয় নেই এসসি ইস্টবেঙ্গলের। এই চার ম্যাচে যে ফুটবল উপহার দিয়েছে মানোলো দিয়াজের দল, অতিবড় লালহলুদ সমর্থকও দলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখবেন না। প্রথম ম্যাচে ড্রয়ের পর ডার্বিতে হার। পরের ম্যাচও পরাজয়। আগের ম্যাচে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে ড্র করে কিছুটা হলেও মনোবল ফিরে এসেছে লালহলুদ শিবিরের।মঙ্গলবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের সামনে এফসি গোয়া। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে ফিরে পাওয়া আত্মবিশ্বাসই ভরসা লালহলুদ শিবিরের কাছে। তবে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে একেবারেই স্বস্তিতে নেই এসসি ইস্টবেঙ্গল। চোটআঘাতে জর্জরিত লালহলুদ শিবির যেন মিনি হাসপাতাল। গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য ডার্বি ম্যাচে চোট পেয়েছিলেন। এখনও খেলার মতো জায়গায় আসেননি। অঙ্কিত মুখার্জি, বলবন্ত সিং, জ্যাকিচাঁদ সিংরাও চোটের কবলে। মঙ্গলবার এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মানোলো দিয়াজ পাবেন না মহম্মদ রফিক ও ড্যারেন সিডোয়েলকে। শুধু গোয়া ম্যাচেই নয়, বেশ কিছুদিন মাঠের বাইরে কাটাতে হবে সিডোয়েলকে। মাঝমাঠের এই বিদেশি হ্যামস্ট্রিংয়ে বেশ ভালোই চোট পেয়েছেন।ফুটবলারদের চোটআঘাত নিয়ে চিন্তিত লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। এর জন্য প্রাক মরশুম প্রস্তুতির অভাবকেই দায়ি করেছেন তিনি। দিয়াজ বলেন, প্রস্তুতির জন্য আমরা খুব বেশি সময় পাইনি। ফলে ফুটবলাররা ঘন ঘন চোট পাচ্ছে। কম সময়ের মধ্যে বেশি ম্যাচ খেলতে হওয়ায় ফুটবলাররা ক্লান্ত। ফলে সেরাটা দিতে পারছে না। গোয়ার বিরুদ্ধে প্রথম একাদশ নির্বাচন করাই সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে মানোলো দিয়াজের কাছে।দুটি ম্যাচ ড্র করে এসসি ইস্টবেঙ্গল ঘরে ২ পয়েন্ট তুললেও এফসি গোয়ার অবস্থা আরও করুণ। তিন ম্যাচে একটা পয়েন্টও সংগ্রহ করতে পারেনি। লিগ টেবিলে সবার শেষে থাকলেও এফসি গোয়াকে দারুণ সমীহ করছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, প্রথম ৩ ম্যাচে হারলেও গোয়া যথেষ্ট শক্তিশালী দল। ওদের গুরুত্ব দিতেই হবে। আমাদের কাছে সব ম্যাচই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামব। আশা করছি ব্যর্থতা কাটিয়ে গোয়ার বিরুদ্ধে দল ঘুরে দাঁড়াবে। চেন্নাইন ম্যাচ ড্র করে ফুটবলাররা আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL : রেফারিং নিয়ে ক্ষোভের মাঝেই জয়ে ফিরতে মরিয়া এটিকে মোহনবাগান

ডার্বিতে দুরন্ত জয়ের পর পরের ম্যাচেই কুপোকাত পালতোলা নৌকা। গতবারের আইএসএল চ্যাম্পিয়ন মুম্বই সিটি এফসির কাছে ৫১ ব্যবধানে বিধ্বস্ত হয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। মুম্বইয়ের কাছে হেরে রেফারিং নিয়ে অভিযোগের আঙুল তুলেছিল সবুজমেরুণ শিবির। সেই ক্ষোভ এখনও যায়নি। সোমবার এটিকে মোহনবাগানের সামনে জামশেদপুর এফসি। রেফারিং নিয়ে ক্ষোভের মাঝে জয়ে ফিরতে মরিয়া বাগান শিবির।জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে মুম্বই এফসি ম্যাচের কথা মাথায় রাখতে চান না এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনীও লোপেজ হাবাস। তবে রেফারিং নিয়ে অসন্তোষ যাচ্ছে না। হাবাস বলেন, মুম্বই সিটি এফসি ম্যাচ আমাদের কাছে অতীত। হারের জন্য কোনও অজুহাত দিতে চাই না। মুম্বই আমাদের থেকে অনেক ভাল খেলেছিল। তবে হ্যাঁ, রেফারিংয়ের জন্য আমাদের সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে মনোবল ভেঙে পড়েছিল। তার ওপর দ্বিতীয় গোলটা অবৈধভাবে করেছিল মুম্বই। তৃতীয় গোলের আগেও ফাউল হয়েছিল। রেফারি এড়িয়ে গিয়েছিলেন। চতুর্থ গোল তো পরিস্কার অফসাইড থেকে। রেফারি এতগুলো ভুল না করলে এত বড় ব্যবধানে হারতাম না। তার ওপর আমাদের দীপক টাঙরিকে লালকার্ড দেখিয়ে বার করে দিয়েছিলেন। তবে হ্যাঁ, স্বীকার করতে দ্বিধা নেই, মুম্বই আমাদের থেকে অনেক ভাল ফুটবল খেলেছিল। অতীত নিয়ে আর মাথা ঘামাতে চাই না। এখন জামশেদপুর এফসি ম্যাচে ফোকাস করছি। জেতার জন্য ঝাঁপাতে হবে।জামশেদপুর এফসিকে যথেষ্ট সমীহ করছেন হাবাস। তিনি বলেন, জামশেদপুর যথেষ্ট শক্তিশালী দল। আক্রমণ ও রক্ষণ খুবই ভাল। ভালস্কিস, জর্ডান মারে, লিমার মতো দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি ফুটবলার রয়েছে। ওয়েন কোলও দারুণ বিচক্ষণ কোচ। সুতরাং গুরুত্ব দিতেই হবে। ওদের শক্তির কথা মাথায় রেখে দল সাজাতে হবে। জামশেদপুরের বিরুদ্ধে কোন ছকে দল সাজাবেন, তা অবশ্য ভাঙেননি সবুজমেরুণ কোচ। চোট সারিয়ে তিরি প্রথম একাদশে ফিরছেন। বাকি দল অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনাই বেশি। তবে আগের ম্যাচে রয় কৃষ্ণা ও হুগো বোমাসের ছন্দহীনতা চিন্তায় রাখছে এটিকে মোহনবাগান শিবিরকে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL Derby : ডার্বিতে হারের হ্যাটট্রিক, বড় লজ্জার হাত থেকে বাঁচল এসসি ইস্টবেঙ্গল

ডার্বিতে হারাটা যেন অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। গত মরশুমে দুটি সাক্ষাৎকারেই জিতেছিল এটিকে মোহনবাগান। এবছর প্রথম ডার্বিতেও ছবিটা বদলাল না। গোয়ার তিলক ময়দানে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে ৩-০ গোলে হারিয়ে আইএসএল ডার্বি জয়ের হ্যাটট্রিক করল এটিকে মোহনবাগান। জয়ের ব্যবধান আরও বাড়তে পারত। লালহলুদকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচালেন গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্যর পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামা শুভম সেন।প্রথমার্ধে তিন গোল হজম করে লাল হলুদ। এটিকে মোহনবাগানের শক্তিশালী আক্রমণভাগের বিরুদ্ধে ৩ জনকে ডিফেন্সে রাখার মাশুল দিতে হল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। সেই সঙ্গে অরিন্দম ভট্টাচার্যের জঘন্য গোলকিপিংয়ের কথাও বলতে হবে। গত বছর আইএসএলে প্রথম সাক্ষাতে এই দিনেই ডার্বি জিতেছিল আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল। কাকতালীয়ভাবে সেই একই দিনে আবার ডার্বিতে জয়।এদিন এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ৩-৪-৩ ছকে আক্রমণাত্মকভাবে শুরু করেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। অন্যদিকে হাবাস ৪-৩-৩ ছকে শুরু করেন। চেনা ছন্দে ফিরতে দেরি হয়নি এটিকে মোহনবাগানের। ১১ মিনিটের মধ্যে তিন গোল হতোদ্যম করে দেয় এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ১২ মিনিটে রয় কৃষ্ণর প্রথম গোল। মনবীর সিং ডানদিক দিয়ে উঠে এসে বল বাড়ান প্রীতম কোটালের দিকে। এটিকে মোহনবাগানের অধিনায়ক বক্সের কাছে গিয়ে বল বাড়়ান রয় কৃষ্ণকে উদ্দেশ্য করে। দর্শনীয় ভঙ্গিমায় বল জালে জড়ান রয় কৃষ্ণ। এর ঠিক দুই মিনিট পরেই ব্যবধান বাড়ান মনবীর। জনি কাউকোর দুরন্ত থ্রু পাস থেকে অরিন্দম ভট্টাচার্যকে পরাস্ত করে সবুজ-মেরুনকে এগিয়ে দেন মনবীর। ২৩ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর গোল। দ্বিতীয় গোলের মতোই তৃতীয় গোলটিও এটিকে মোহনবাগানকে কার্যত উপহার দেন অরিন্দম। বক্সের প্রায় বাইরে গিয়ে কোলাসোর থেকে বল কেড়ে নিতে গিয়েছিলেন অরিন্দম। তাঁকে পরাস্ত করতে সময় নেননি কোলাসো।৩৩ মিনিটে অরিন্দম ভট্টাচার্যকে তুলে নিতে বাধ্য হন লালহলুদ কোচ। নামান শুভম সেনকে। হলুদ কার্ড দেখা লালরিনলিয়ানা হামতেকে তুলে নিয়ে অমরজিৎ কিয়ামকে নামানো হয়। তিন গোল করার পরও প্রথমার্ধে আরও বেশ কয়েকবার গোলের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল সবুজ মেরুন। কিন্তু লাল হলুদের লজ্জা বিরতির আগে আর বাড়েনি।দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা খেলায় ফেরে এসসি ইস্টবেঙ্গল। মানোলো দিয়াজ ডিফেন্স মজবুত করায় এটিকে মোহনবাগান আর ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। এদিনের জয়ের সুবাদে ২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগশীর্ষে চলে গেল এটিকে মোহনবাগান। এসসি ইস্টবেঙ্গল নেমে গেল নবম স্থানে। ২ ম্যাচে লাল হলুদের ঝুলিতে ১ পয়েন্ট। মঙ্গলবার ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে খেলবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। এটিকে মোহনবাগানের পরবর্তী ম্যাচ বুধবার মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal vs Mohun Bagan : ছন্দে থাকলেও ডার্বিতে নিজেদের এগিয়ে রাখছেন না হাবাস

গত বছর অল্পের জন্য খেতাব হাতছাড়া হয়েছে। মুম্বই সিটি এফসি-র কাছে ফাইনালে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। এবছর দারুণভাবে আইএসএল অভিযান শুরু করেছে এটিকে মোহনবাগান। আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল উদ্বোধনী ম্যাচেই ৪-২ গোলে হারিয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্সকে। আজ কলকাতা ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই নামছে এটিকে মোহনবাগান। কারণ ছন্দ ও শক্তির বিচারে অনেক এগিয়ে সবুজমেরুণ শিবির। যদিও কোচ হাবাস নিজেদের ফেবারিট হিসেবে মানতে নারাজ।ডার্বিতে নামার আগে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে সমীহ করে তিনি বলেন, এসসি ইস্টবেঙ্গলের দল এবার একেবারেই নতুন। নতুন কোচ এসেছেন। এমনিতে নতুন দলের থিতু হতে অন্তত এক বছর লাগে। কিন্তু এখানে সব কিছু দ্রুত তৈরি করে নিতে হয়। দুই দলের কাছেই ম্যাচটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাচ কলকাতার বাইরে হচ্ছে। গ্যালারিতে দর্শক থাকবে না। ফুটবলারদের বাড়তি চাপ নিয়ে মাঠে নামতে হবে না। ফলে এই ডার্বিতে কে এগিয়ে তা আগাম বলা যাবে না।তারকা প্রথায় কখনও বিশ্বাস করেন না এটিকে মোহনবাগান কোচ। তাই হুগো বুমোস, লিস্টন কোলাসো, রয় কৃষ্ণ, জনি কাউকোদের নিয়ে সমর্থক থেকে সংবাদমাধ্যমের মাতামাতি দেখে অসন্তুষ্ট হাবাস। তিনি বলেন,তিন-চারজনকে নিয়ে দল হয় না।বঅমরিন্দর, প্রীতম, প্রবীর, তিরির মতো ফুটবলাররাও রয়েছে। আমার কাছে সব ফুটবলারই গুরুত্বপূর্ণ। গত মরশুমে দুটি ডার্বিতেই জিতেছিল এটিকে মোহনবাগান। অতীতের সাফল্যের কথা মাথায় রাখতে চাইছেন না হাবাস। তিনি বলেন, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি সবসময় হয় না। নতুন বছর, নতুন ম্যাচ।কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে দলের খেলায় গা ছাড়া মনোভাব যাতে ডার্বিতে না দেখা যায় সেজন্য ফুটবলারদের সতর্ক করে দিয়েছেন হাবাস। ডার্বিতে তিরিকে পাচ্ছে না এটিকে মোহনবাগান। তিনি বাদে সকলেই সুস্থ। রণকৌশলও গোপনই রাখলেন হাবাস। তিনি বলেন, সব ম্যাচে সমানভাবে খেলা যায় না। পরিবেশ, পরিস্থিতি অনুযায়ী বিপক্ষ কেমন খেলছে সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করাটাই স্বাভাবিক। কার হলুদ কার্ড রয়েছে, কাকে কতক্ষণ খেলানো যাবে এই সব বিষয়ও বিবেচনাধীন থাকে। তৎক্ষণাৎ কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধেও তার ব্যতিক্রম হবে না।পেরোসেভিচ বা চিমাকে বাড়তি গুরুত্ব না দিয়ে গোটা এসসি ইস্টবেঙ্গলকে কীভাবে আটকাবেন সেটাই পরিকল্পনা করছেন।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL Derby : ডার্বিতে এগিয়ে কোন দল? নিজেদের আন্ডারডগ ভাবছেন দিয়াজ

দুই দলের মধ্যে পার্থক্য অনেকটাই। গত মরশুমের দল ধরে রাখার পাশাপাশি এটিকে মোহনবাগান শক্তি বাড়িয়েছে অনেকটাই। হুগো বোমাস যোগ দেওয়ায় আক্রমণভাগ অনেকটাই শক্তিশালী হয়েছে। অন্যদিকে, শেষ মুহূর্তে দল গড়তে নেমে তেমন ভাল দল গড়তে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। এই মরশুমে আইএসএল অভিযানের শুরুতেও ছাপ রাখতে পারেনি। অন্যদিকে, দুর্দান্ত শুরু করেছে এটিকে মোহনবাগান। শনিবার মরশুমের প্রথম ডার্বিতে ধারেভারে সবুজমেরুণ শিবিরই যে এগিয়ে, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে নতুন কোচের তত্ত্বাবধানে নতুন মুখদের নিয়ে আইএসএলে এবার ডার্বি জিততে মরিয়া লাল হলুদ শিবির।কেরালা ব্লাস্টার্সকে ৪-২ গোলে হারিয়ে এবারের আই এস এল অভিযান শুরু করেছে এটিকে মোহনবাগান। অন্যদিকে, জামশেদপুর এফসির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করলেও খুব একটা খারাপ খেলেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। ডার্বিতে অন্য খেলা হবে, সে কথা বুঝিয়ে দিয়েছেন লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। তিনি বলেন কলকাতা ডার্বি আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ম্যাচের গুরুত্ব সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। স্পেন, মেক্সিকোতেও অনেক ডার্বি দেখেছি। ডার্বি সব সময় অন্য মাত্রা নেয়। আমাদের কাছে এটা লিগের দ্বিতীয় ম্যাচ। সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব।এটিকে মোহনবাগান দারুণ সমীহ করছেন লালহলুদ কোচ। দিয়াজ বলেন, এটিকে মোহনবাগান খুবই ভালো দল। কোচও খুবই ভাল। বিপক্ষ কোচের আইএলএলেও যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। ভুলভ্রান্তি কম করে বিপক্ষের দুর্বলতাগুলোকে কাজে লাগিয়ে ভাল খেলতে হবে। সবুজমেরুণকে সমীহ করলেও প্রথম একাদশ খোলসা করেননি মানোলো দিয়াজ। ড্যারেন সিডোলকে খেলাবেন কিনা সে ব্যাপারেও নিশ্চিত করে কিছু বলেননি। দলের সব ফুটবলারই ডার্বি খেলতে প্রস্তুত বলে মানোলো দিয়াজ জানিয়েছেন।মরশুমের প্রথম ডার্বিতে নিজেদের আন্ডারডগ হিসেবে দেখছেন মানোলো দিয়াজ। তিনি বলেন, আন্ডারডগ তকমা আমাদের গায়ে লাগিয়ে দেওয়া হলেও কোনও অসুবিধা নেই। আমরা নিজেদের শক্তি অনুযায়ি খেলব। এটিকে মোহনবাগান গত মরশুমে দারুন খেলেছে। বেশ কয়েকজন ফুটবলার কয়েক মরশুম ধরে একসঙ্গে খেলছেন। আমরাও তৈরি অনেক ফর্মেশন তৈরি রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী ছক বদল করব। রয় কৃষ্ণ, হুগো বুমোসদের কীভাবে আটকাতে চান সেই কৌশলও গোপন রাখলেন লাল হলুদ কোচ। তিনি বলেছেন, ম্যাচের পরিস্থিতির উপর এটা নির্ভর করবে। বল আমাদের বক্সের কাছাকাছি থাকলে ম্যান মার্কিংয়ে যাব। তবে আমরা রয়, হুগোর বিরুদ্ধে খেলছি না। তাঁরা ভালো ফুটবলার, গোল করতে পারেন। তবে তাঁদেরও সতীর্থদের সাহায্যের প্রয়োজন। ফলে শুধু দুজনকে নয়, গোটা দলকেই আটকানোর চেষ্টা করব।অভিজ্ঞতায় এটিকে মোহনবাগান কিছুটা এগিয়ে রয়েছে মানলেও খেলাটা সবুজ মেরুনের আক্রমণ বনাম লাল হলুদের ডিফেন্সের লড়াই হবে বলে মানতে নারাজ দিয়াজ। তিনি বলেন, আমাদের শক্তিশালী হতে হবে। ভালো ও নিখুঁত পাস দেওয়া-নেওয়া করতে হবে নিজেদের মধ্যে। বিপক্ষের গোল এরিয়ায় প্রচুর গোলের সুযোগ তৈরি করতে হবে। সারাক্ষণ যদি ওদের বিরুদ্ধে আমরা রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলি, তা হলে ম্যাচটা আমাদের কাছে আরও কঠিন হয়ে উঠবে।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : জামশেদপুরের বিরুদ্ধে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ভরসা নতুন চিমা

এবছর আইএসএলে খেলা নিয়েই একসময় চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। সব বিতর্ক মিটিয়ে, বাধাবিপত্তি কাটিয়ে অবশেষে মাঠে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি জামশেদপুর এফসির। গতবছরের ব্যর্থতা ভুলে এবছর নতুনভাবে শুরু করতে চায় লালহলুদ ব্রিগেড। একই সঙ্গে ২৭ নভেম্বরের ডার্বির প্রস্তুতিও সেরে ফেলতে চায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। লক্ষ্য ৩ পয়েন্ট ঘরে তুলে এটিকে মোহনবাগান ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নেওয়া। আইএসএল খেলা নিয়ে টালবাহনা থাকায় এবছর অনেক দেরিতে দল গঠন করতে নেমেছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ভাল মানের স্বদেশী ফুটবলার দলে নিতে পারেননি। গত বছর খেলা বিদেশিরাও কেউ নেই। কোচও নতুন। একঝাঁক নতুন স্বদেশী ফুটবলার। সব মিলিয়ে নতুন পরিবেশ। অতীত ভুলে নতুনভাবে শুরু করতে চাইছে লালহলুদ ব্রিগেড। প্রস্তুতি ম্যাচে ফুটবলাররা যেরকম পারফরমেন্স করেছে, তাতে দল নিয়ে আশাবাদী এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। লালহলুদের দায়িত্ব নেওয়ার সময়ই গত বছরের ব্যর্থতার কথা জেনেছিলেন। এবছর সাফল্য এনে দিতে তিনি মরিয়া। তবে লালহলুদ কোচের প্রাথমিক লক্ষ্য প্রথম ম্যাচ। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে আইএসএল অভিযান শুরুর আগে মানোলো দিয়াজ বলেন, গত মরশুমে কী ফল হয়েছিল, আমরা সবাই জানি। এবছর সব ফুটবলারই নতুন, নতুন কোচ। আপাতত আমাদের লক্ষ্য প্রথম ম্যাচে ভাল ফল করা। তাহলে আত্মবিশ্বাস অনেকটা বেড়ে যাবে। খুব ভাল প্রস্তুতি হয়েছে। প্র্যাকটিস ম্যাচগুলিতেও ভাল খেলেছি। আশা করছি ভালভাবে শুরু করতে পারব। এই প্রথম কোনও ভারতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েছেন মানোলো দিয়াজ। এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচিং দারুণ উপভোগ করছেন তিনি। স্পেনের ফুটবলে সব স্তরে সাফল্য পাওয়ার পর দিয়াজের আশা ভারতীয় ফুটবলেও সাফল্য পাবেন। লালহলুদের ফুটবলে স্প্যানিশ ছোঁয়া থাকবে কিনা, সে সম্পর্কে খোলসা করে কিছু বলেননি দিয়াজ। তবে দলের ফুটবলারদের দক্ষতা বুঝে নিয়েছেন। সেইভাবেই পরিকল্পনা তৈরি করেছেন লালহলুদ কোচ। ড্যানিয়েল চিমা চুকোউ প্র্যাকটিস ম্যাচগুলিতে নজর কেড়েছেন। এই বিদেশির ওপর বাড়তি ভরসা মানোলো দিয়াজের। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, চিমা দারুণ স্কিলফুল ফুটবলার। নিজে যেমন গোল করতে পারে, গোল করাতেও পারে। ওর মতো ফুটবলারকে পেয়ে দলের খুব ভাল হয়েছে। তবে বাকি সতীর্থদের চিমাকে সাহায্য করতে হবে। প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ জামশেদপুর এফসিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন মানোলো দিয়াজ। কোন ৪ বিদেশিকে নিয়ে মাঠে নামবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় রয়েছেন লালহলুদ কোচ। আক্রমণভাগে চিমা নিশ্চিত। রক্ষণে দুই বিদেশি টমিস্লাভ মার্সেলো ও ফ্রাঞ্জো পার্চেকে নিয়ে দল সাজালে মাঝমাঠে আমির দেরভিসেভিচ। আর রক্ষণে এক বিদেশি নিয়ে মাঠে নামলে মাঝমাঠে আমিরের সঙ্গে ড্যারেন সিডোয়েল।

নভেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL : গোল পেলেন না সুনীল ছেত্রি, তবু ৪–২ ব্যবধানে জয় বেঙ্গালুরু এফসি–র

আইএসএলে একসময় ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে শীর্ষে ছিল বেঙ্গালুরু এফসি। ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। পরের বছর অল্পের জন্য খেতাব হাতছাড়া। রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। পরপর তিনবছর সাফল্য নেই। তার ওপর গতবছর খুবই করুণ অবস্থা। ৭ নম্বরে শেষ করেছিল বেঙ্গালুরু এফসি। আর নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে সেমিফাইনালে তুলেছিলেন খালিদ জামিল। এবছর দলকে সাফল্য এনে দেওয়া তাঁর কাছে নতুন চ্যালেঞ্জ। প্রথম ম্যাচে অবশ্য বেঙ্গালুরু চ্যালেঞ্জ টপকাতে পারল না নর্থইস্ট ইউনাইটেড।আইএসএলে এর আগে দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল ১০ বার। একবার মাত্র জিতেছিল নর্থইস্ট ইউনাইটেড। পরিসংখ্যানে এগিয়ে থেকেই শনিবার খালিদ জামিলের দলের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল বেঙ্গালুরু এফসি। যদিও ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝড় তুলেছিল নর্থইস্ট ইউনাইটেড। ৮ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগও পেয়েছিল। দেশর্ন ব্রাউনের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। খেলার গতির বিরুদ্ধে এগিয়ে যায় বেঙ্গালুরু এফসি। ম্যাচের ১৪ মিনিটে উদান্ত সিং বক্সের মধ্যে থ্রু বল বাড়ান। সেই থ্রু ধরে বঁাপায়ের জোরালো শটে বেঙ্গালুরু এফসিকে এগিয়ে দেন ক্লেইটন সিলভা। যদিও এই অগ্রগমন বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেননি বেঙ্গালুরু এফসি। ১৭ মিনিটে ভি সুহেরের ক্রসে বাঁপায়ের দুরন্ত ভলিতে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের হয়ে সমতা ফেরান দেশর্ন ব্রাউন।প্রথমার্ধে আক্রমণ প্রতিআক্রমণে খেলা দারুণ জমে ওঠে। ২২ মিনিটে মাসুর শেরেফের আত্মঘাতী গোলে আবার এগিয়ে যায় বেঙ্গালুরু এফসি। মিনিট তিনেক পর সমতা ফেরায় নর্থইস্ট ইউনাইটেড। মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে ম্যাথিয়াস কৌরিয়ুর ডান পায়ের জোরালো শটে গোল করেন। ৩৬ মিনিটে ম্যাথিয়াসের ডানপায়ের শট দারুণ দক্ষতার সঙ্গে বাঁচান বেঙ্গালুরু গোলকিপার শুভশিস রায়চৌধুরি। ৪২ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় বেঙ্গালুরু এফসি। ক্লেইটন সিলভার পাস থেকে বল পেয়ে ডান পায়ের শটে ৩২ করেন জয়েশ রানে। দ্বিতীয়ার্ধেও বেঙ্গালুরু এফসির দাপট অব্যাহত ছিল। জয়েশ রানে, উদান্ত সিংরা বারবার উঠে এসে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত রাখছিলেন। বেশ কয়েকটি সুযোগও তৈরি হয়। কিন্তু লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি উদান্ত সিং, ক্লেইটন সিলভারা। অবশেষে ৮২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় বেঙ্গালুরু এফসি। অ্যালান কোস্তার কাছ থেকে বল পেয়ে ডান পায়ের জোরালো শটে ৪২ করেন প্রিন্স আইবারা।

নভেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL : বোমাস ঝড়ে উড়ে গেল কেরালা ব্লাস্টার্স, বড় জয় দিয়ে আইএসএল অভিযান বাগানের

কেরালা ব্লাস্টার্সকে ৪২ ব্যবধানে হারিয়ে দুর্দান্তভাবে আইএসএল অভিযান শুরু করল এটিকে মোহনবাগান। জোড়া গোল করে ম্যাচের নায়ক হুগো বোমাস, একটা করে গোল করেন রয় কৃষ্ণা ও লিস্টন কোলাসো। ম্যাচের সেরা হুগো বোমাস। গত মরশুমে এই কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেই আইএসএল অভিযান শুরু করেছিল এটিকে মোহনবাগান। সেই ম্যাচে গোল করে দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। এবছরই সেই আইএসএল অভিযানে প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি কেরালা ব্লাস্টার্স। এবারও জয় দিয়ে অভিযান শুরু। গত মরশুমের তুলনায় এবছর কেরালা ব্লাস্টার্সের শক্তি বেড়েছে। তবে এটিকে মোহনবাগানের শক্তি আরও বেড়েছে। মরশুমের শুরুতে মুম্বই সিটি এফসি থেকে হুগো বোমাসকে তুলে নিয়ে সবুজমেরুণ কর্তারা যে ভুল করেননি, প্রথম ম্যাচেই প্রমাম করে দিলেন হুগো বোমাস। তাঁর দুরন্ত ফুটবলে দাঁড়াতেই পারেনি কেরালা ব্লাস্টার্স। ম্যাচের শুরু থেকেই কেরালা ব্লাস্টার্সের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এটিকে মোহনবাগান। ২ মিনিটে এগিয়েও যায়। কর্ণার থেকে বল পেয়ে লিস্টন কোলাসো বল বাড়ান কেরালা ব্লাস্টার্স বক্সের ডানদিকে দাঁড়ানো হুগো বোমাসকে। বক্সের মাথা থেকে ডান পায়ের দুরন্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন বোমাস। আইএসএলের প্রস্তুতি সেট পিসের ওপর বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। হুগো বোমাসের গোল সেই প্রস্তুতির ফসল।শুরুতে গোল পেয়ে আরও উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা। বারবার কেরালা ব্লাস্টার্সের রক্ষণভাগে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন রয় কৃষ্ণা, জনি কাউকো, মনবীর সিং, লিস্টন কোলাসোরা। সমতা ফেরানোরল জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে কেরালার ফুটবলাররাও। ২৪ মিনিটে সমতাও ফেরায়। রাহুল প্রবীনের পাস থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে গোল করেন সাহাল আব্দুল সামাদ। মিনিট তিনেক পর আবার এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। বক্সের মধ্যে রয় কৃষ্ণাকে ফাউল করেন কেরালা ব্লাস্টার্সের ডিফেন্ডার আলবিনো গোমস। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে ২১ করেন রয় কৃষ্ণা। ৩৩ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। বক্সের মাঝখান থেকে নেওয়া তঁার শট বারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। ৩৯ মিনিটে আবার গোল হুগো বোমাসের। বক্সের বাঁদিকের কোণ থেকে নেওয়া তাঁর শট জালে জড়িয়ে যায়। প্রথমার্ধে ৩১ গোলে এগিয়ে গেলেই রাশ আলগা করেননি হাবাসের দলের ফুটবলাররা। ৫০ মিনিটে ৪১ করেন লিস্টন কোলাসো। রয় কৃষ্ণার পাস থেকে বক্সের বাঁদিক থেকে ডানপায়ের দুরন্ত শটে তিনি গোল করেন। ৪ গোল খেয়ে হতদ্যোম না হয়ে মরিয়া হয়ে ওঠে কেরালা ব্লাস্টার্স। ৬৯ মিনিটে আদ্রিয়ান লুনার ডিফেন্স চেরা থ্রু দুজন ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে বেরিয়ে ডান পায়ের শটে গোল করে ব্যবধান কমান জর্জ পেরেইরা। শেষ দিকে চাপ রাখলেও আর গোল করতে পারেনি কেরালা ব্লাস্টার্স।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL : আজ আইএসএল অভিযানে নামছে এটিকে মোহনবাগান। প্রথম একাদশে কোন ৪ বিদেশি?‌

শুক্রবার আইএসএল অভিযানে নামছে এটিকে মোহনবাগান। সামনে কেরালা ব্লাস্টার্স। গত মরশুমেও এই কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে আইএসএল অভিযান শুরু করেছিল সবুজমেরুণ ব্রিগেড। এবারও প্রথম ম্যাচে সামনে কেরালা। গত মরশুমের তুলনায় এবছর শক্তি অনেকটাই বেড়েছে এটিকে মোহনবাগানের। তা সত্ত্বেও নিজেদের ফেবারিট হিসেবে মানতে নারাজ সবুজমেরুণ কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে হাবাস দারুণ সমীহ করছেন বিপক্ষ শিবিরকে। কেরালা ব্লাস্টার্স সম্পর্কে তিনি বলেন, গত মরশুমের সঙ্গে এই দলটার আকাশপাতাল পার্থক্য আছে। বিভিন্ন পজিশনে বেশ কয়েকজন ফুটবলার বদল হয়েছে। ফুটবলারদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেছি। কিন্তু ওদের খেলা সম্পর্কে আমার ধারণা নেই। এই নিয়ে আমি ভাবছিও না। কারণ বিপক্ষ শিবিরকে নিয়ে চিন্তাভাবনা করাটা আমার অভিধানে নেই। ৩ পয়েন্টের জন্য যা যা করা উচিত, তাই করব। দলে রয়েছেন ৬ জন বিদেশি। আইএসএলের নতুন নিয়ম অনুসারে ৪ জনের বেশি খেলানো যাবে না। বিদেশি বাছাইয়ের কাজটা যে যথেষ্ট কঠিন, স্বীকার করে নিয়েছেন আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। তিনি বলেন, সবাই প্রথম একাদশে খেলার যোগ্য। কিন্তু কোন চারজনকে খেলাব, মাঠে নামার আগে সিদ্ধান্ত নেব। তবে আমার কাছে দেশিবিদেশি সবাই সমান। সব ফুটবলারকে সেরাটা দেওয়ার জন্য তৈরি থাকতে হবে। গোলে অমরিন্দার সিং খেলবেন এটা নিশ্চিত। ডিফেন্সে সন্দেশ ঝিঙ্ঘানের অভাব সুমিত রথী কতটা মেটাতে পারবেন সেটাই দেখার। উইংয়ে লিস্টন কোলাসো এবং মাঝমাঠে হুগো বোমাসের উপস্থিতি এটিকে মোহনবাগানের আক্রমণভাগকে ধারালো করবে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। স্ট্রাইকারে রয় কৃষ্ণ নিশ্চিত। রক্ষণে তিরি ও মাঝমাঠে হুগো বোমাস যদি খেলেন তাহলে চতুর্থ বিদেশির লড়াই ডেভিড উইলিয়ামস ও জনি কাউকোর মধ্যে।এটিকে মোহনবাগানকে চ্যালেঞ্জ জানাতে তৈরি কেরালা ব্লাস্টার্স। দলে এবার সব বিদেশিই নতুন। চেন্নাইন এফসিতে খেলা এনেস সিপোভিচ ও ক্রোয়েশিয়ার মার্কো লেসকোভিচরা রয়েছেন। মেলবোর্ন সিটিকে এলিগ জেতানো আদ্রিয়ান লুনা, অ্যালভারো ভাসকুয়েজের পাশাপাশি গোলের জন্য হরমনজ্যোৎ সিং খাবড়ার দিকেও তাকিয়ে থাকবে কেরালা ব্লাস্টার্স। সাহাল আবদুল সামাদ, জিকসন সিং, সাথিয়েন সিংরা কেরালার মাঝমাঠে অন্যতম ভরসা। সবুজ মেরুণ শিবিরকে চ্যালেঞ্জ জানাতে তৈরি কেরালা ব্লাস্টার্স কোচ ইভান ভুকোমানোভিচ। তিনি বলেন, ভাল প্রস্তুতি হয়েছে। বেশ কয়েকটা প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলে দলের আত্মবিশ্বাসও বেড়েছে। কোনও প্রতিপক্ষ আমাদের সহজে হারাতে পারবে না।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : এই মরশুমে নেতা হিসেবে কাদের বেছে নিলেন হাবাস?‌ জানতে পড়ুন

কয়েকদিন আগেই আইএসএলের জন্য অধিনায়ক নির্বাচিত করেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। একজন নেতাই বেছে নিয়েছেন লালহলুদ কোচ মানেলো দিয়াজ। নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড তুলে দিয়েছেন অভিজ্ঞ গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্যর হাতে। সহকারী হিসেবে বেছে নিয়েছেন টমিস্লাভ মার্সেলোকে। এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস অবশ্য একজন অধিনায়কের নীতিতে বিশ্বাসী নন। গত বছর আইএসএলে একাধিক অধিনায়ক বেছে নিয়েছিলেন। সেই পথ অনুসরণ করে এবছরও তিনজন অধিনায়ক বেছে নিয়েছেন আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। রয় কৃষ্ণা, প্রীতম কোটালের সঙ্গে এবছর সবুজমেরুণ ব্রিগেডকে নেতৃত্ব দেবেন শুভাশিস বসু। আইএসএল অভিযানে নামার একদিন আগে এই মরশুমের নেতা বেছে নিয়েছেন হাবাস।এটিকে মোহনবাগান কোচ হাবাস মনে করেন, একক নেতৃত্বের ওপর সেরা পারফরমেন্স হয় না। দলগত সংহতিই আসল। তাই তিনি একাধিক অধিনায়কের দর্শনে বিশ্বাসী। এতে দলের পারফরমেন্স নাকি ভাল হয়, এমনই মনে করেন সবুজমেরুন কোচ। গত বছর একাধিক নেতা থাকায় পারফরমেন্স ভাল হয়েছিল। সেই ধারণা থেকেই এই সিদ্ধান্ত হাবাসের। গত মরশুমে আইএসএলে এটিকে মোহনবাগানকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা এবং প্রীতম কোটাল। এবার তাঁদের সঙ্গে বেছে নেওয়া হয়েছে শুভাশিস বসুকে।আবার এটিকে মোহনবাগানকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়ে গর্বিত প্রীতম কোটাল। কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসের প্রতি কৃতজ্ঞতা ঝড়ে পড়েছে এই বাঙালী ডিফেন্ডারের গলায়। তিনি বলেন, গত মরশুমে কোচ আমাকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছিল। এবছরও সেই গুরুদায়িত্ব দিয়েছে। আমরা ওপর আস্থা রাখায় খুব ভাল লাগছে। এটা আমার কাছে খুব বড় প্রাপ্তি। এটিকে মোহনবাগানের মতো দলকে নেতৃত্ব দেওয়া দারুণ সম্মানের। নিয়মের জন্য হয়তো একজনের হাতে আর্ম ব্যান্ড থাকবে। কিন্তু দলের সবাই নেতা। মাঠে নেমে নিজেদের পজিশনে সব ফুটবলারকেই নেতৃত্ব দিতে হয়। আমিও সেটাই করব। আশা করছি এবছর দলকে সাফল্য এনে দিতে পারব।দুবছর ধরে এটিকে মোহনবাগান রক্ষণের অন্যতম ভরসা শুভাশিস বসু। তিনিও কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। শুভাশিস বলেছেন, এটিকে মোহনবাগানের মতো দলকে নেতৃত্ব দেওয়াটা বাঙালী ফুটবলারদের কাছে অন্য আবেগ। আমি নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়ে গর্বিত। নেতৃত্বের দায়িত্ব আমাকে আরও ভাল খেলতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। দায়িত্ব আরো বেড়ে গেল। গতবছরও সবুজমেরুণের আর্ম ব্যান্ড ছিল রয় কৃষ্ণার হাতে। এবছরও দায়িত্ব পেয়ে তিনি খুশি।

নভেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : আইএসএলের অভিযান শুরুর আগে ডার্বির ভাবনা শুরু এটিকে মোহনবাগান ফুটবলারদের

গতবছর কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে আইএসএল অভিযান শুরু করেছিল এটিকে মোহনবাগান। এবছরও প্রথম ম্যাচে সেই কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে সবুজমেরুণ ব্রিগেড। রয় কৃষ্ণার গোলে গতবছর জয় এসেছিল। এবছর শুধু রয় কৃষ্ণা নয়, হুগো বোমাস, মনবীর সিংদের ওপরও ভরসা করছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। কারণ তাঁর ফুটবল দর্শনই আলাদা। তারকা প্রথায় বিশ্বাসী নন সবুজমেরুণ কোচ। প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচ সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। জয় পেলে বাকি ম্যাচগুলোর রসদ এসে যায়। সেই দিকেই তাকিয়ে আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। গতবছরের মতো জয় দিয়ে আইএসএল অভিযান শুরু করতে বদ্ধপরিকর। আগের মরশুমে ফাইনালে উঠেও শেষরক্ষা হয়নি। এবার সেই আফশোষ মেটাতে চান। ভাল খেলেও দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি মনবীর সিং। চ্যাম্পিয়ন না হওয়ার আক্ষেপ থেকেই গেছে। এবার সেই আক্ষেপ মেটাতে চান। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে প্রস্তুতির ফাঁকে মনবীর সিং বলেন, গত মরশুমে ৬ গোল করেছিলাম। দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারিননি। সেই আক্ষেপ থেকেই গেছে। এই মরশুমে চ্যাম্পিয়ন হতেই হবে। খেতাব জিততে গেলে শুরুটা ভাল করতে হবে। প্রথম ম্যাচ জিতলে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে। তাই জয় দিয়ে শুরু করাটা জরুরি। ডার্বি ম্যাচে জয় এলে মনোবল আরও বেড়ে যাবে। সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছি। গত বছরের তুলনায় এবছর এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনীও লোপেজ হাবাসের অনুশীলন বৈচিত্র্যে ভরা। ফুটবলাররা দারুণ উপভোগ করছেন। ফুটবলারদের ফিটনের বাড়ানোর দিকে বাড়তি নজর দিয়েছেন সবুজমেরুণ কোচ। পাশাপাশি চলছে সেটপিস অনুশীলন। আধুনিক ফুটবলে সেটপিস থেকে প্রচুর গোল আসে। ম্যাচের ভাগ্যও নির্ধারণ করে দেয়। গোলকিপারদের দক্ষতা বাড়াতে টেনিস বলে অনুশীলন করাচ্ছেন আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। ফুটবলারদের একাধিক ছকে খেলার জন্য প্রস্তুত রাখছেন তিনি। কোন ছকে খেলবেন, সেটা বিপক্ষকে দেখে ঠিক করবেন তিনি। এবছর বেশ কয়েকজন ফুটবলার এটিকে মোহনবাগান ক্লাবে নতুন এসেছেন। যাদের অতীতে ডার্বি খেলার অভিজ্ঞতা নেই। এর মধ্যে যেমন রয়েছেন জনি কাউকো, হুগো বোমাসের মতো বিদেশি, তেমনই রয়েছেন লিস্টন কোলাসো, দীপক টাংরির মতো স্বদেশীরা। প্রত্যেকেই ডার্বি খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। সন্দেশ ঝিঙ্ঘাননের অভাব মেটাতে চান দীপক। আর লিস্টন কোলাসোর প্রথম ম্যাচের থেকেই বেশি লক্ষ্য ডার্বি।

নভেম্বর ১৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার মাশুল! দুই বাংলাদেশি মহিলার বিরুদ্ধে আদালতের বড় রায়

অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া দেশে বসবাসের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি মহিলাকে দুবছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল মহারাষ্ট্রের একটি আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।দোষী সাব্যস্ত হওয়া দুই মহিলার নাম শাহানাজ বিলাল সদ্দার এবং হাসিনা জব্বর খান। আদালতের নথি অনুযায়ী, গত তিন ডিসেম্বর দুই হাজার চব্বিশ সালে মহারাষ্ট্রের থানে জেলার মিরা রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে পুলিশের মানব পাচার বিরোধী শাখা। এরপর থেকেই তাঁরা হেফাজতে ছিলেন।তদন্তে উঠে আসে, দুই মহিলা বৈধ নথি ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং মহারাষ্ট্রে একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।আদালতে দুই মহিলার আইনজীবী জানান, তাঁরা অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য। দুজনই বিবাহিত এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁদের বিরুদ্ধে আগে কোনও অপরাধের অভিযোগও ছিল না। পাশাপাশি আদালতের কাছে দাখিল করা আবেদনে দুই মহিলা নিজেদের দোষ স্বীকার করার ইচ্ছার কথাও জানান।সমস্ত দিক বিবেচনা করে আদালত বিদেশি আইন এবং পাসপোর্ট আইনের অধীনে দুই মহিলাকে দোষী সাব্যস্ত করে। তবে গ্রেপ্তারের পর থেকে তাঁরা যে সময় হেফাজতে কাটিয়েছেন, সেই সময় মূল কারাদণ্ডের মেয়াদের সঙ্গে সমন্বয় করার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারক।এই রায়ের পর অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া ভারতে বসবাসের অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচে বড় আতঙ্ক! দুর্গে পরিণত আটলান্টা, কেন এত কড়া নিরাপত্তা?

আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল ঘিরে এখন শুধু ফুটবল নয়, নিরাপত্তাও বড় আলোচনার বিষয়। দুই হাজার দুই সালের পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দেশ। এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে ইতিহাস, আবেগ এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন করে সামনে এসেছে। সেই কারণেই আটলান্টার স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা।মার্কিন প্রশাসনের মতে, চলতি বিশ্বকাপে এটাই সবচেয়ে স্পর্শকাতর ম্যাচগুলির একটি। সেই কারণে স্থানীয় পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি একাধিক বৈঠক করে নিরাপত্তা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।স্টেডিয়ামে বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সমর্থকদের নিরাপদে প্রবেশ নিশ্চিত করতে দুই দলের দর্শকদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে নির্দিষ্ট কিছু ব্যানার বা রাজনৈতিক বার্তা বহনকারী সামগ্রী স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়ার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বহু পুরনো। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুই দলের একাধিক ম্যাচ বিতর্ক, উত্তেজনা এবং নাটকীয় ঘটনার সাক্ষী। সেই কারণেই এই লড়াইকে ঘিরে সমর্থকদের আবেগও সব সময় তুঙ্গে থাকে।শুধু অতীতের ইতিহাস নয়, সাম্প্রতিক ঘটনাও প্রশাসনের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের জয়য়ের পর দুই দলের কিছু সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে আসে। সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে সতর্ক হয়েছে প্রশাসন।সব মিলিয়ে মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই এই ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা চরমে। একদিকে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে হ্যারি কেনের ইংল্যান্ড। তবে খেলার পাশাপাশি এবার নজর থাকবে মাঠের বাইরের পরিস্থিতির দিকেও। নিরাপত্তা ব্যবস্থার কড়াকড়ি থেকেই স্পষ্ট, কোনও ধরনের ঝুঁকি নিতে রাজি নয় আয়োজকরা।

জুলাই ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগেই মেসিদের ঘিরে বিস্ফোরক দাবি! বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের ডাক কেন?

বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলেছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। দুই হাজার দুই সালের পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে এই দুই ফুটবল শক্তির লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। তবে ম্যাচ শুরুর আগেই নতুন বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে লিওনেল মেসির দল।সাম্প্রতিক কয়েকটি ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সেই আবহেই সামাজিক মাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে একটি অনলাইন আবেদন ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে। ওই আবেদনের সমর্থকেরা অভিযোগ করেছেন, রেফারির সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়নি।প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, লক্ষ লক্ষ মানুষ ওই অনলাইন আবেদনে সমর্থন জানিয়েছেন। আবেদনকারীদের বক্তব্য, বিশ্বকাপে সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা উচিত। তবে এই দাবির বিষয়ে ফিফার পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।এই বিতর্কের মাঝেই মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই দুই দলের লড়াই বহু স্মরণীয় ঘটনার সাক্ষী। দিয়েগো মারাদোনার বিতর্কিত গোল থেকে শুরু করে একাধিক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ এখনও ফুটবলপ্রেমীদের মনে রয়েছে। তাই এবারও এই ম্যাচ ঘিরে প্রত্যাশা অনেক বেশি।ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনও ম্যাচের আগে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, আর্জেন্টিনা খুব অভিজ্ঞ দল। তারা জানে কীভাবে ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে হয় এবং প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে হয়। তাই এই ম্যাচ সহজ হবে না বলেই মনে করছেন তিনি।অন্যদিকে গোলদাতাদের তালিকাতেও নজর রয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের। লিওনেল মেসি আটটি গোল করে শীর্ষে রয়েছেন। কিলিয়ান এমবাপেও আট গোল করেছিলেন। ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনের ঝুলিতে রয়েছে ছয় গোল। ফলে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই ম্যাচে মেসি যেমন দলকে জেতানোর লক্ষ্য নিয়ে নামবেন, তেমনই গোলদাতাদের তালিকায় নিজের অবস্থান আরও শক্ত করার সুযোগও থাকবে তাঁর সামনে।সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের এই মহারণ শুধু দুই দলের লড়াই নয়, মাঠের বাইরের বিতর্কও এই ম্যাচকে আরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এনে দিয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

‘বেইমানদের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী’! বিস্ফোরক বার্তায় নতুন লড়াইয়ের ডাক মমতার

তৃণমূলের অন্দরে একের পর এক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে দলের ভিতরে অস্বস্তি বাড়লেও লড়াই থেকে এক ইঞ্চিও পিছিয়ে যেতে রাজি নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে আবারও শূন্য থেকে দল গড়ে তুলতে প্রস্তুত তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ দলের প্রতীক দেখে ভোট দিয়েছেন। তাই যাঁরা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তাঁদের বেইমান বলেও কড়া আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, দুই হাজার সাতানব্বই সালে একা লড়াই শুরু করেছিলেন। তখনও সফল হয়েছিলেন। তাই দুই হাজার ছাব্বিশ সালেও নতুন করে লড়াই শুরু করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে মদন মিত্র-সহ একাধিক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এই প্রসঙ্গে মমতা বলেন, অভিষেককে অকারণে নিশানা করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, অভিষেক নিজের দায়িত্ব পালন করছেন এবং আগামী বহু বছর রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন।মদন মিত্রের দলত্যাগ প্রসঙ্গেও পরোক্ষে প্রতিক্রিয়া দেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চাপ দেখিয়ে অনেককে দল ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের নোটিস পাঠিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা দল ছেড়ে গিয়েছেন, তাঁদের অনেকের পরিস্থিতি আগেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন।এরপর তৃণমূলের শুরুর দিনের কথা মনে করিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে দল গড়ে নির্বাচন লড়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছিল। পরে কঠিন সময় এলেও লড়াই থামেনি। তাই বর্তমান পরিস্থিতিকেও তিনি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছেন।একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশ নিয়েও বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশ মেনে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা হবে। প্রতি বছরের মতো সমাবেশের আগের দিন তিনি নিজে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন, যাতে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।মমতা আরও বলেন, কোনও বাধা এলেও সভা বন্ধ হবে না। প্রয়োজন হলে মাইক্রোফোন ছাড়াই কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ নির্ধারিত সময়েই হবে এবং দল লড়াই চালিয়ে যাবে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় স্বস্তি! আদালতের রায়ে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থল পেল কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের সমাবেশ কোথায় হবে, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই চলছিল জোর রাজনৈতিক টানাপোড়েন। শেষ পর্যন্ত সেই বিতর্কে ইতি টানল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ কালীঘাট তৃণমূলকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা করার অনুমতি দিয়েছে। তবে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে।আদালতে প্রথমে কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে হাজরায় সভা করার প্রস্তাব মানা হয়নি। পরে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেও সভা করার আবেদন জানানো হলেও আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। এরপর আদালত রাজ্যের কাছে বিকল্প জায়গার বিষয়ে মত জানতে চায়। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ওয়েলিংটনের সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেখানে নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের সভা করা সম্ভব বলেও জানানো হয়।কালীঘাট তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে দাবি করেন, তাঁদের আবেদন অনেক আগে করা হলেও অনুমতি দেওয়া হয়নি। অথচ পরে আবেদন করা অন্য সংগঠনকে সভার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম কেন প্রযোজ্য হবে, সেই প্রশ্নেরও উত্তর পাওয়া যায়নি।আদালতে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহিদ মিনারে অন্য একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি রয়েছে। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সীমিত সংখ্যক সমর্থক নিয়ে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা করার প্রস্তাব দেন। তিনি জানান, এই জায়গাটি দুই কর্মসূচির মধ্যে যথেষ্ট দূরত্ব বজায় রাখবে। তবে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সমর্থকের সংখ্যা সীমিত রাখতে হবে।প্রথমে তিন হাজার মানুষের অনুমতির কথা উঠলেও রাজ্য আপত্তি জানায়। পরে আদালত আড়াই হাজার সমর্থক নিয়ে সভা করার অনুমতি দেয়। একই সঙ্গে জানানো হয়, সভা বিকেল সাড়ে তিনটার মধ্যে শেষ করতে হবে।শুনানির সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় একুশে জুলাইয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, এই দিনের সঙ্গে তাঁদের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। আগের দিনের বিক্ষোভে কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও আদালতের সামনে তোলা হয়।সব দিক বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে শর্তসাপেক্ষে একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশের অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটলেও, রাজনৈতিক উত্তাপ যে এখানেই থামছে না, তা স্পষ্ট।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

মদনের পদত্যাগেই জোর জল্পনা! এবার কি বড় ঝড়ের মুখে তৃণমূল?

তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক সমীকরণ কি দ্রুত বদলে যাচ্ছে? সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনাকে ঘিরে সেই প্রশ্নই এখন জোরালো হচ্ছে। একের পর এক নেতার অবস্থান বদল এবং নতুন শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। সব মিলিয়ে তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে বাড়ছে জল্পনা।ভাই স্বরূপ বিশ্বাস জেলে রয়েছেন। অরূপ বিশ্বাসকে নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে নানা জল্পনা চলছিল। সেই পরিস্থিতিতে অনেকেই ভেবেছিলেন দলের ভিতরে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অরূপ বিশ্বাসকে দেখা যায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। এরপরই শুরু হয় নতুন রাজনৈতিক চর্চা।এর মধ্যেই আরও বড় চমক দেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। তৃণমূলের দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিত মদন দলীয় সব পদ ছেড়ে ঋতব্রতের শিবিরে যোগ দেন। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, এটি কি শুধুই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি দলের অন্দরে জমে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ?ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, এটি কোনও ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নয়। তাঁর কথায়, ব্যক্তিপূজার পরিবর্তে সম্মিলিত নেতৃত্বের পক্ষে যারা বিশ্বাস করেন, তাঁদের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির নেপথ্যে আরও বড় রাজনৈতিক সমীকরণ কাজ করছে।এদিকে পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মদন মিত্রের স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। আগামী বাইশ ও তেইশ জুলাই তাঁদের হাজির হতে বলা হয়েছে। এই ঘটনার পরই মদনের নতুন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আরও জোরালো হয়েছে জল্পনা।অন্যদিকে অনুব্রত মণ্ডলও নতুন আইনি সমস্যায় পড়েছেন। দুই হাজার একুশ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, হামলা চালিয়ে বিপুল সংখ্যক ইট লুট করা হয়েছিল এবং ভয় দেখানো হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি নেতা তাপস রায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের অন্দরে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, দলের ভিতরে এখন অস্থিরতা স্পষ্ট।সব মিলিয়ে একের পর এক রাজনৈতিক ঘটনা ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। আগামী দিনে এই ঘটনাগুলি রাজ্যের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টের চাপে শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিলেন অভিষেক! এবার কি বড় বিপদ?

হাইকোর্টের নির্দেশের পর শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিতে হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিধাননগর আদালতে প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে তাঁর কণ্ঠস্বর রেকর্ড করা হয়েছে। এবার সেই নমুনা যাবে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য। এই রিপোর্টকে ঘিরেই রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি পাতার লেখা দুবার পড়তে বলা হয়। একবার স্বাভাবিক গলায় এবং আর একবার ধীরে। সেই রেকর্ডিং একটি মেমোরি কার্ডে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরে সেটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। তদন্তকারীদের লক্ষ্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত অডিয়োর কণ্ঠস্বরের সঙ্গে এই নমুনার মিল রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা।জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনে কোনও নির্দিষ্ট বক্তৃতা হুবহু পড়ানো হয়নি। অভিযোগে উল্লিখিত কিছু শব্দ ব্যবহার করে একটি নতুন লেখা তৈরি করা হয়েছিল। সেই লেখাই পড়ে শোনান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিও রেকর্ডিংও করা হয়েছে। আদালতে পৌঁছনো থেকে শুরু করে কণ্ঠের নমুনা দেওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ ক্যামেরাবন্দি করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে যাতে কোনও প্রশ্ন না ওঠে, সেই কারণেই সমস্ত কিছু নথিভুক্ত করা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহের পর প্রয়োজনীয় নথিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাক্ষরও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রেকর্ডিং এবং ভিডিওর বিশেষ ডিজিটাল পরিচিতিও তৈরি করা হয়েছে, যাতে ফরেন্সিক পরীক্ষার সময় তথ্যের অখণ্ডতা বজায় থাকে।এই মামলার অভিযোগকারী রাজীব সরকারের দাবি, তদন্তের কাজ সঠিক দিকেই এগোচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত একটি তালিকা এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি জনসভায় জেলা, ব্লক এবং ওয়ার্ডভিত্তিক একটি তালিকার কথা বলেছিলেন। সেই তালিকাতেই বহু মানুষের নাম ছিল বলে অভিযোগকারীর দাবি। তদন্তে সেই তালিকারও খোঁজ চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।এখন সকলের নজর ফরেন্সিক রিপোর্টের দিকে। কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার ফল এই মামলার তদন্তে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

একুশের পোস্টার থেকে হঠাৎ উধাও অভিষেক! তৃণমূলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত?

একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের নতুন পোস্টার প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। পোস্টারে রয়েছেন শুধু তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নেই। এই নিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা।কলকাতা হাইকোর্ট একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের জন্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি দেওয়ার পর নতুন পোস্টার প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ। পরে সেই একই পোস্টার নিজের সামাজিক মাধ্যমেও ভাগ করে নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পোস্টারে তাঁর ছবি না থাকায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে।এর আগে প্রকাশিত প্রথম পোস্টারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল। তখন সমাবেশের নির্দিষ্ট স্থান ঠিক না হওয়ায় শুধু কলকাতায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু নতুন পোস্টারে শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রাখা হয়েছে।এই ঘটনা এমন সময়ে সামনে এল, যখন দলের অন্দরে একের পর এক রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েক জন নেতা ও বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সর্বশেষ সেই তালিকায় যোগ হয়েছে মদন মিত্রের নাম। ফলে পোস্টারে অভিষেকের ছবি না থাকাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে।তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, এই ঘটনাকে নতুন করে দেখার প্রয়োজন নেই। কারণ গত বছরও একুশে জুলাইয়ের প্রচারের পোস্টারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল না। সেই সময় দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই সমাবেশের পোস্টারে শুধুমাত্র দলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিই রাখা হবে। একই ধরনের ঘটনা দুই হাজার তেইশ সালেও দেখা গিয়েছিল।ফলে নতুন পোস্টার ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা যতই বাড়ুক, এটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত নাকি তার পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, সেই উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একুশে জুলাইয়ের আগে এই পোস্টার যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুলাই ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal