মেষ/ ARIES: আজ অনুতাপ হতে পারে। বৃষ/ TAURUS: অনেক দিনের কোনও ইচ্ছাপূরণ হতে পারে। মিথুন/ GEMINI : মনের মধ্যে অস্থিরতা ভাব হতে পারে। কর্কট/ CANCER : অর্থবিনিয়োগে ক্ষতি হতে পারে। সিংহ/ LEO: রক্তচাপে কষ্ট পেতে পারেন। কন্যা/ VIRGO: আজ প্রভুত্ব লাভ করতে পারেন। তুলা/ LIBRA: আজ দাম্পত্যসুখ ভোগ করতে পারেন। বৃশ্চিক/ Scorpio: বিরহ ব্যাথায় ভুগতে পারেন। ধনু/ SAGITTARIUS: দালালিতে লাভ হতে পারে।মকর/ CAPRICORN: বন্ধুদের সাহায্যলাভ করতে পারেন। কুম্ভ/ AQUARIUS: কর্মে অগ্রগতি হতে পারে। মীন/ PISCES : পদমর্যাদা বৃদ্ধি পেতে পারে আজ।
কামারহাটিতে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ৭০ জনের বেশি। তার মধ্যে পাঁচ শিশুও রয়েছে। ইতিমধ্যেই ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে দুই মহিলার। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সোমবার রাতে নজনকে ভর্তি করা হয়েছে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। মঙ্গলবার বমি ও পেটের সমস্যা নিয়ে আরও অনেককে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। মূলত জল থেকেই এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।আরও পড়ুনঃ স্কুল খোলার আগে বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীরসূত্রের খবর, কামারহাটি পুরসভার ১, ২, ৩, ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ডায়রিয়ার প্রকোপ ছড়িয়েছে। জল থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে মনে করছে পুরসভাও। কামারহাটি পুরসভার মুখ্য প্রশাসক গোপাল সাহা জানিয়েছেন, কেএমডিএ-এর জল প্রকল্প এবং কামারহাটি জুটমিলের পরিবাহিত জল থেকে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। তিনি জানিয়েছেন, পুরসভার পক্ষ থেকে আক্রান্ত এলাকায় নজরদারি চালানো হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রতিশেধক দেওয়া হচ্ছে। এই পাঁচ ওয়ার্ডে পুরসভার সরবরাহ করা জল ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে বাসিন্দাদের। জলের নমুনা ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।কামারহাটি পুরসভার মুখ্য প্রশাসকের বক্তব্যের সঙ্গে অবশ্য সহমত নন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। তিনি বলেন, ডায়রিয়া হয়েছে বলে শোনা গিয়েছে। মৃত্যু হয়েছে এমন নিশ্চিত তথ্য নেই। আমি শুনেছি চেয়ারম্যান বলেছেন, জল থেকে হয়েছে। এটা চেয়ারম্যানকে দোষ দেব না। চেয়ারম্যান তো বিশেষজ্ঞ নন। উনি আবেগের বশে বলেছেন। এটা আমার গর্ব যে উনি নিজের ঘাড়ে দোষ নিয়েছেন। তবে আমি মানতে রাজি নই।
তালিবান আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পরেই ওই পাহাড় মরুভূমি ঘেরা দেশের মেয়েরা বুঝেছেন, এ মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ নয়। তালিবানের মুরুব্বিরা বলছেন দেশ শৃঙ্খলমুক্ত হলো। আর আফগান মেয়েরা ও মুক্তমনারা বুঝতে পারছেন তাঁদের পায়ে বেড়ি পড়ল। তাঁরা স্বাধীনতা হারালেন। এই স্বাধীনতা-পরাধীনতার প্রশ্নে পৃথিবী জুড়ে মতামতের ঝড় বইছে। নেট মাধ্যমে সেই ঝড়ে বাঙালিদের সদম্ভ উপস্থিতি। দূর দেশে স্বাধীনতার মৃত্যুতে বাঙালি যখন সরব ঠিক তখনই গত সপ্তাহে স্বাধীনতা র পুজারী এক বাঙালির পঁয়তাল্লিশ তম মৃত্যুবার্ষিকী বড় নিঃশব্দে চলে গেল। স্বাধীনতার সঙ্গে যাকে সমার্থক করেছেন আর এক বাঙালি সামসুর রহমান। বাংলা দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের কবির অজেয় কলম লিখেছেস্বাধীনতা তুমি কাজি নজরুলঝাঁকড়া চুলের বাবরি দোলানো মহান পুরুষস্বাধীনতা যার আকন্ঠ তৃষ্ণার কারণ ছিল সেই কাজি নজরুল ইসলামের ২৯ এ অগাস্ট, পঁয়তাল্লিশতম মৃত্যু বার্ষিকী র দিনটি বড় অবহেলায়, অনাদরে চলে গেল। প্রায় একশ বছর আগে ইংরেজদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা র যুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনে নজরুলের শানিত কলম তাঁর মাথায় পরিয়ে দিল বিদ্রোহী কবির মুকুট। শুধু তো কবিতা নয় এই অসাধারণ প্রতিভাধর মানুষ টি প্রায় তিন হাজার গান লিখেছেন যা বাংলা গানের চালচিত্রে নজরুল গীতি হিসেবে ভিন্নধারার পরিচিতি পেয়েছে। পরাধীন ভারতবর্ষের উপনিবেশবাদ, ধর্মীয় মৌলবাদ ও স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে নজরুলের কলম কখনও ক্লান্ত হয়নি। বাঙলার এক প্রত্যন্ত গ্ৰাম থেকে অজানার পথে পা বাড়ানো বালক ই পরবর্তী কালের নাট্যকার, কবি, ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী। উত্তর কলকাতার যে অঞ্চলে আমার বাড়ি, সেই পাইকপাড়ায় থাকতেন নজরুলের কনিষ্ঠ পুত্র কাজী সব্যস্যাচি। ছেলেবেলায় তাঁকে দেখলে কানে বাজতো মেঘমন্দ্র স্বরের প্রতিধ্বনি, বল বীর বল উন্নত মম শির। সেই বড় হবার দিনে পুজো প্যান্ডেলে, রাজনৈতিক মিছিলে, দেওয়াল লিখনে নজরুলের বিদ্রোহী কবিতার উজ্জ্বল উপস্থিতি ছিল। স্কুলে, পাড়ায়, আবৃত্তি প্রতিযোগিতাতেও এই কবিতার শরীর ঝলসে উঠতো। গত তিন দশকে কবি ও তার কবিতাকে অগস্ত্য যাত্রায় পাঠিয়েছে বাঙালি। রবীন্দ্রনাথ অপঠিত হলেও ২৫শে বৈশাখ ও বাইশে শ্রাবনে স্মরনীয় আছেন।বর্তমান সময়ে দেশ, সমাজ, সংস্কৃতি সবই অবশ্য রাজনীতির আখড়ায় গন্যমান্যতা পায়। এর প্রমাণ বঙ্গের সাম্প্রতিক বিধানসভা ভোট। সেই ভোটে বাংলা বিজয়ের স্বপ্নে বিজেপি র গায়ে বঙ্গ সংস্কৃতির চাদর জড়ানোর তাগিদ ছিল। অতএব ডাক পড়েছিল রবীন্দ্রনাথের, রামমোহন রায়ের, বিদ্যাসাগরের। ভোট বড় বালাই। তাই বিস্মৃতির অতল থেকে তুলে আনা হয়েছিল মধ্যযুগের এক বাঙালি কবি কেও। সংস্কৃতির সেই রাজনৈতিক আবাহনে বাদ পড়েছিলেন নজরুল ইসলাম। হিন্দুত্ববাদের সংকীর্ণ দৃষ্টিতে নজরুল অপাংক্তেয় বলে তখন সরব হয়েছিল বুদ্ধিজীবী থেকে সাধারণ বাঙালি। ভোট মিটৈ যাওয়ার একশ একত্রিশ দিন পর বঙ্গ জীবনে সেই নজরুল সম্পর্কে অপার নৈঃশব্দ।১৮৯৯ এ আসানসোলের চুরুলিয়া গ্ৰামে এক দরিদ্র মুসলিম পরিবারে নজরুলের জন্ম। ধর্মীয় শিক্ষায় তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা। স্থানীয় মসজিদে কিছুদিন মোয়াজ্জিন থাকার পরে স্কুলে প্রবেশ নজরুলের। স্কুলে দশম শ্রেণী পর্যন্ত তাঁর শিক্ষা। এরপরে বাড়ির পরিচারক। বেকারিতে জোগাড়ের কাজ করে পেট চালাতে হয় তাঁকে। শেষে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন নজরুল। পরবর্তী কালে আরবি ও ফার্সি র পাশাপাশি বাংলা ও সংস্কৃত সাহিত্য নিয়ে গভীর পড়াশোনা করেন বিদ্রোহি কবি । নজরুলের বাঙালিয়ানা নিয়ে যারা প্রশ্ন তোলেন তাঁদের জানাই বঙ্গললনা প্রমিলা দেবী কে বিবাহ করেছিলেন তিনি। নজরুল ভাগ্যবান তখন লাভ জেহাদের জন্ম হয়নি। নজরুল তাঁর প্রথম ও দ্বিতীয় সন্তানের নাম রেখেছিলেন কৃষ্ণ মহম্মদ ও অরিন্দম খালেদ। দুই সন্তানের-ই অল্প বয়সে মৃত্যু হয়। পরে যে দুই ছেলের জন্ম হয় তাদের নাম কাজী সব্যস্যাচি ও কাজী অনিরুদ্ধ। নজরুলের সৃষ্টিতে ও দুই ধর্মের মধ্যে অবাধ যাতায়াত। তাঁর গানে কবিতায় ঈশ্বর আল্লাহ দুইয়ের নামই জপ করেছেন। তাঁর এই মেলবন্ধনের সফর খুব মসৃন হয়নি। টিকি - দাড়ি দু পক্ষই তাঁকে ছেড়ে কথা কয়নি। সমালোচনা শুধুমাত্র মুখের গন্ডীতেই থাকেনি, শারীরিক আক্রমন ও সইতে হয়েছিল কবিকে। দুই ধর্মের কারবারিদের এই আঘাতে কবির কলম লিখেছে, নর বলে আমি বড় নারী ঘেঁষা, নারী বলে আমি নারী বিদ্বেষী। তৎকালীন বামপন্থী পত্রিকা গণবানীতেও নজরুল গদ্যে এই অচলায়তন ভেঙে মুক্ত মনের জানালা দরজা খুলতে চেয়েছেন। তবে ধর্মান্ধদের এই আক্রমন কে ভোঁতা করে দিয়েছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী রা ও স্বাধীনতা প্রিয় মানুষ। তারা নজরুল কে আলোর পথযাত্রী হিসেবেই দেখেছিলেন। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে কলম ধরে কবি-কে একবছর জেলে থাকতে হয়েছিল। আমরা ভুলে থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতি তে নজরুল অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। সিডিশন অর্থাৎ দেশদ্রোহের অপরাধে তাঁর গারদ বাস করতে হয়েছিল। বর্তমান ভারতে এই সিডিশনে অভিযুক্ত হয়ে বহু মানবাধিকার কর্মী, অধ্যাপক ও লেখকের জেল খাটার ভুরিভুরি উধাহরন রয়েছে। আমি অনেক মার্ক্সবাদী তাত্ত্বিক ও বুদ্ধিজীবীর হাতে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ফিদেল কাস্ত্রোর সওয়ালের বিবরণ On Trial বইটি দেখেছি। কিন্তু সেদিন ইংরেজদের আদালতে দাঁড়িয়ে নজরুলের আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য রাজবন্দীর জবানবন্দী নিয়ে আলোচনা কখনো শুনিনি। যদিও নজরুলের সাম্যবাদী ও উদার ভাবধারা যাঁর দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়েছিল তিনি ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মুজফ্ফর আহমেদ। নজরুল ও মুজফ্ফর আহমেদ যৌথভাবে প্রকাশ করেছিলেন বামপন্থার পত্রিকা লাঙ্গল।বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় আসার পরে নজরুলের কবিতা স্কুলপাঠ্যতে অন্তর্ভুক্ত হয়। তৈরি হয় নজরুল অ্যাকাডেমি ও মঞ্চ। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় এসে তৈরি করেছে কাজি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ও নজরুল তীর্থ। আসানসোলে তৈরি হয়েছে নজরুল গবেষনা কেন্দ্র। প্রতিষ্ঠান রয়েছে, কিন্তু কবির প্রতি বাঙালির মন নেই। বাঙালির মন থেকে নির্বাসিত বিদ্রোহী কবি। অবশ্য বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের একটি অংশ নজরুল কে তাঁর ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর পদ অনুসারে হাবিলদার কবি বলে ই মনে করেন। তারা খুশি ই হবেন। যদি বাঁশি আর না বাজে প্রবন্ধে কবি লিখেছিলেন, রবীন্দ্রনাথ আমাকে প্রায়ই বলতেন, দেখ উন্মাদ তোর জীবনে শেলির মত, কিটসের মত খুব বড় একটা ট্র্যাজেডি আছে, তুই প্রস্তুত হ কিন্তু জীবনের সেই ট্র্যাজেডি দেখার জন্য। সেই ট্র্যাজেডি দেখার আগে ই দূরারোগ্য মস্তিষ্কের ব্যাধিতে চলাফেরা, কথাবলার, অনুভব করার শক্তি হারিয়েছিলেন। মৃত্যুর পরে এই নির্বাসনেও তাই ট্র্যাজেডি থাকলেও কবির ছবির অনুভূতি নেই।বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য্য(রাজনৈতিক বিশ্লেষক)
কয়লা পাচার-কাণ্ডে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট দপ্তরে ৯ ঘণ্টা জেরার পর বেরিয়ে রীতিমতো বিস্ফোরক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি করেছিলেন, ২৫ জন বিজেপি বিধায়ক যোগদান করতে চাইছেন। তৃণমূল নিচ্ছে না। মঙ্গলবার এই প্রসঙ্গেই অভিষেককে একহাত নিলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, ৯ ঘণ্টা ইডি জেরা করলে তখন অনেকেই আবলতাবোল বকে। তৃণমূলের অনেক নেতারাই কয়লা, বালি লুট, পাচারের সঙ্গে যুক্ত। ওনাদের রাজত্বকালে কয়লা, বালি, পাথর, লুট হয়েছে গোরু পাচার হয়েছে। একটা দল অফিশিয়ালি এই কাজগুলো করছে, তাদের সব নেতা জড়িত। পুলিশ অভিযোগ নেয়নি। এখন সিআইএসএফ দেখানো হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ ইডি দপ্তরে ৯ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরার পর বিস্ফোরক অভিষেক বিজেপির রাজ্য সভাপতি এদিন অভিষেকের ২৫ জন বিজেপি বিধায়কের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, জানি না পঁচিশ না পঞ্চাশ। আমাদের পার্টিতে অনেক নেতা এসে বলেছিলেন একশো আছে দেড়শো আছে। আগে তো ওনাদের বিধায়ক সাংসদরা ইডি, সিবিআই থেকে বাঁচুক, তারপর আমাদের বিধায়ক সম্পর্কে ভাববেন। অভিষেক হুঁশিয়ারির সুরে বলেছিলেন, যা করার করে নিন। বিজেপি অনেক শক্তিশালী হতে পারে, লিখে রাখুন আগামী নির্বাচনে বিজেপিকে হারাবে তৃণমূল। ২০২৪ সালে হারাব। জীবন দিয়ে দেব। কিন্তু মাথানত করব না। রাজনৈতিকভাবে লড়াই করার হিম্মত নেই এদের।এদিন সেই বক্তব্যকে কটাক্ষ করে দিলীপের মন্তব্য, জীবন কোথায় দিচ্ছেন। জীবন নিয়ে তো পালিয়ে গেল নেতারা। এতদিন এই অভিযোগ করতে করতে আদালতও শুনেছে। তারা কোনও না কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে। তাই তাদের নেতারা বাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছে। গায়েব হয়ে যাচ্ছে। অন্য দেশের নাগরিকত্ব নিয়ে নিচ্ছেন, কতটা সৎ ছিল ওরা বোঝাই যাচ্ছে।
মেষ/ ARIES: সংঘর্ষে ক্ষতি হতে পারে। বৃষ/ TAURUS: রোগব্যাধীর শিকার হতে পারেন। মিথুন/ GEMINI : দানধ্যান করতে পারেন। কর্কট/ CANCER : পুলিশি ঝামেলায় জড়িয়ে পড়তে পারেন। সিংহ/ LEO: আজ বুদ্ধিভ্রম হতে পারে। কন্যা/ VIRGO: আজ ভ্রাতৃস্নেহ করতে পারেন। তুলা/ LIBRA: চাকরীক্ষেত্রে সুনাম বৃদ্ধি। বৃশ্চিক/ Scorpio: অর্থ ও যশলাভ করতে পারেন। ধনু/ SAGITTARIUS: আজ কার্যসিদ্ধি হতে পারে। মকর/ CAPRICORN: আজ মানহানির যোগ হতে পারে। কুম্ভ/ AQUARIUS: আজ সম্মানলাভ করতে পারেন। মীন/ PISCES : অবৈধ প্রণয়ে জড়িয়ে পড়তে পারেন।
৯ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরা শেষে বিস্ফোরক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যা করার আছে করে নিন। তৃণমূল কোনও অবস্থাতেই মাধা নোয়াবে না। ৯ ঘণ্টা ধরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ চলার পর বেরিয়ে এমনটাই বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৪-এ বিজেপিকে হারানোর ডাক দিলেন তিনি। ইডি, সিবিআই লাগিয়ে নয়, রাজনৈতিক পথেই লড়ার বার্তা দিলেন অভিষেক। আজ সকাল ১১ টায় দিল্লিতে ইডির জামনগরের অফিসে ঢোকার পর চলে ম্যারাথন প্রশ্নোত্তর পর্ব। একগুচ্ছ প্রশ্নের মধ্যে উঠে আসে বিনয় মিশ্র, রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ। ৯ ঘণ্টা পর ইডি দপ্তর থেকে বেরোন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বেরিয়েই পদ্ম শিবিরকে কড়া বার্তা দেন তিনি। দিল্লি থেকে তো বটেই, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে গিয়েও তৃণমূল গেরুয়া শিবিরকে পরাজিত করবে বলে বার্তা দেন তিনি। তিনি এ দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, আমাদের জীবন দিয়ে দেব তবু মাথা নোয়াব না এই সব ভীতুদের কাছে, যারা রাজনৈতিকভাবে হারাতে পারে না। তাঁর কথায়, আমাদের পেটের মধ্যে আগুন আছে। আমরা ২০২৪-এ বিজেপিকে হারাবই। কথা দিয়ে গেলাম।আরও পড়ুনঃ অধীরের ইচ্ছাবদল, মমতার বিরুদ্ধে জোট-প্রার্থী দিতে চায় কংগ্রেসবিজেপিকে তোপ দেগে অভিষেক মনে করিয়ে দেন, বাংলার নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের ফল প্রত্যাশাজনক হয়নি। তিনি বলেন, অমিত শাহ অনেক স্বপ্ন দেখেছিলেন। কী অবস্থা হল দেখুন। অমিত শাহের গাড়ি ৭০-এ আটকে গেল। ৯ ঘণ্টার জিজ্ঞসাবাদে অভিষেককে যে একাধিক অস্ব্স্তিজনক প্রশ্নে তদন্তকারী আধিকারিকেরা চাপের মুখে ফেলতে চেয়েছেন, তেমনটাই সূত্রের খবর। আর সেই জেরা শেষ করে রীতি মতো গলার জোরে অভিষেক বলেন, কোন মায় কা লালের হিম্মত আছে দেখি, যে ধমকে- চমকে তৃণমূলকে চুপ করাবে। যা করার আছে করে নিন। ইডি, সিবিআই, ইনকাম ট্যাক্স যা লাগানোর আছে লাগিয়ে দিন। কিন্তু বিজেপিকে আমরা হারাবই। পাশাপাশি অভিষেক দাবি করেছেন, বাংলায় ২৫ জন বিধায়ক এই মুহূর্তে বিজেপিতে আসার জন্য আটকে রয়েছে।
পঞ্জশির তাদের দখলে বলে দাবি করেছে তালিবান। এ বার তারা দাবি করল পঞ্জশিরে প্রতিরোধ বাহিনীর অন্যতম নেতা আহমদ মাসুদের বাড়িরও দখল নিয়েছে তারা। নেটমাধ্যমে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে মাসুদের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তালিব যোদ্ধারা। এই মুহূর্তে পঞ্জশিরে একটি গোপন ডেরায় আমরুল্লা সালেহ্ ও মাসুদ রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ স্বপ্নের ক্যানভাস নিয়ে হাজির শিল্পাঙ্গন আর্ট স্কুলসোমবার সকালে তালিবানের প্রধান মুখপাত্র জাবিরুল্লা মুজাহিদ দাবি করেন, আফগানিস্তানের শেষ প্রদেশ হিসাবে পঞ্জশির এখন আমাদের দখলে। গোটা আফগানিস্তানের দখল নিয়েছে তালিবান। যদিও এই দাবির পাল্টা উত্তরের জোট জানিয়েছে, মিথ্যা দাবি করছে তালিবান। ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্স অব আফগানিস্তান টুইট করে বলে, তালিবানের পঞ্জশির দখলের দাবি মিথ্যা। এখনও সেখানে প্রতিরোধ বাহিনী রয়েছে। আমরা লড়াই করছি। আমরা আফগানদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, যত দিন না স্বাধীনতা ও নিজেদের অধিকার ফিরে পাব তত দিন লড়াই চলবে। উত্তরের জোট যা-ই দাবি করুক, সোমবার বেলা বাড়তেই পঞ্জশিরের সরকারি ভবনে তালিবানি পতাকা উড়তে দেখা যায়। বিক্ষিপ্ত হিংসার খবরও আসতে থাকে নেটমাধ্যমে।#BreakingTaliban entered to the Panjshir province Governor Office.Panjshir Province has completely captured, says the Taliban Spokesman.https://t.co/DouEN9FB1D Aśvaka - آسواکا News Agency (@AsvakaNews) September 6, 2021এ দিকে রবিবারই যুদ্ধবিরতির ডাক দেয় উত্তরের জোট বা নর্দার্ন অ্যালায়েন্স। তালিবানের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রস্তাবও দেয় তারা। যদিও সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে তালিবান। অন্যদিকে, রবিবারই আফগানিস্তানের জাতীয় প্রতিরোধ বাহিনীর তরফে ফেসবুক পোস্ট করে ফহিমের মৃত্যুর খবর জানানো হয়। ওই পোস্টে বলা হয়, অত্যন্ত দুঃখ ও শোকের সঙ্গে জানানো হচ্ছে যে আজকের যুদ্ধে আমাদের দুই ভাই ও যোদ্ধাদের হারিয়েছি। আমির সাহিব আহমেদ মাসুদ ও জেনারেল সাহিব আব্দুল ওয়াদুদ জ়োরের অফিসের প্রধান কর্মকর্তা ফহিম মাসুদও শহিদ হয়েছেন। তোমাদের সেলাম। আফগান সাংবাদিক ফ্রুড বেজ়হানও টুইটে ফহিম দাস্তির মৃত্যুর খবর জানান। প্রতিরোধ বাহিনীর শীর্ষনেতা আহমেদ মাসুদ ও আফগানিস্তানের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট আমিরুল্বাহ সালেহকে আটক করা হয়েছে বলেও দাবি তালিবানের। তবে প্রতিরোধ বাহিনীর তরফে এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
গোটা দেশে শুধুমাত্র ভবানীপুরে কেন উপনির্বাচন? নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর প্রশ্ন তুলেছিলেন দিলীপ ঘোষ শুভেন্দু অধিকারীরা । সাংবিধানিক সংকটের বিষয়টি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। আর এবার এই সাংবিধানিক সংকট তৈরির জন্য সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার দুর্গাপুরে এক বেসরকারী হাসপাতালে এক মহিলা বিজেপি কর্মীকে দেখতে এসে তৃণমূলের পাশাপাশি উপনির্বাচন ইস্যুতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকেও একহাত নিলেন দিলীপ ঘোষ।রাজ্যের উপনির্বাচনগুলিকে নিয়ে আইনের পথে যেতে তারা প্রস্তুত হচ্ছেন বলে ফের একবার জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, একজন মুখ্যমন্ত্রী হেরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন,উনি আবার যে জিতবেন এর নিশ্চয়তা কোথায়?আরও পড়ুনঃ শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতেরকরোনা পরিস্থিতিতে অন্য জায়গায় উপনির্বাচন হচ্ছে না। অথচ ব্যতিক্রম ভবানীপুর। কমিশনের এই দ্বি-নীতিই আদালতে তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি।এই প্রসঙ্গে ইঙ্গিত দিয়ে দিলীপ বলেন, রাজ্যের কমিশন বলছে, পুরভোটের মতো পরিস্থিতি নেই। অথচ জাতীয় নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করে দিল। অন্য রাজ্য বলছে ভোট করতে পারব না। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এর পিছনে কোনও রহস্য নেই তো? বিজেপির রাজ্য সভাপতি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন ভবানীপুর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিতিয়েই ছাড়বেন বলে মনে হচ্ছে। তা না হলে এরকম পক্ষপাতমূলক আচরণ করতো না কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন।
সোমবার সকাল ১১টা নাগাদই জামনগরের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর অফিসে পৌঁছে গেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঢোকার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, যে কোনও তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। সব রকম সহযোগিতা করব। তদন্তকারী সংস্থা নিজের কাজ করছে। এক জন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমারও উচিত তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করা।আরও পড়ুনঃ দুর্নীতি প্রমাণের চ্যালেঞ্জ দিয়ে আজ দিল্লিতে ইডি-র মুখোমুখি অভিষেককয়লা কেলেঙ্কারির তদন্তে গত ২৮ অগস্ট নোটিস পাঠিয়ে অভিষেককে তলব করেছে ইডি। হাজিরা দিতে রবিবারই দিল্লিতে পৌঁছন অভিষেক। দিল্লি যাওয়ার আগের কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের অভিষেক বলেছেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ে হেরে গিয়ে প্রতিহিংসায় নেমেছে। তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করা ছাড়া এদের (শাসক বিজেপি) কোনও কাজ নেই। একই মামলায় অভিযেকের স্ত্রী রুজিরাকেও ১ সেপ্টেম্বর ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। অতিমারি পরিস্থিতিতে সন্তানদের কলকাতায় রেখে দিল্লি যাওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয় বলে ইডি-কে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন রুজিরা।উল্লেখ্য, রবিবার বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে রীতিমতো চ্যালেঞ্জের সুরেই অভিষেক বলেন, বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা পাঁচ মিনিটের জন্যও যদি আমার সঙ্গে বসেন, তাহলে গত পাঁচ বছরে কোন কেন্দ্রীয় সংস্থা কীভাবে কাজ করেছে আমি সব দেখিয়ে দেবো। আর তা যদি প্রমাণ করতে না পারি তো রাজনীতি ছেড়ে দেবো।
আজ ইডি-র অফিসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবারই দিল্লির উদ্দেশে উড়ে গিয়েছিলেন তিনি। আজ দিল্লিতে খান মার্কেটে ইডি দপ্তরে হাজিরা দেবেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে অভিষেক বলে গিয়েছেন, আমার পিছনে ইডি-সিবিআই লাগানোর প্রয়োজন নেই। দশ পয়সার দুর্নীতিও যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে, তাহলে ফাঁসি মঞ্চে দাঁড়াব। তবে কলকাতার কেসে দিল্লিতে তলব নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। এর পিছনে প্রতিহিংসা পরায়ণ রাজনীতিই কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতেররবিবার বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে রীতিমতো চ্যালেঞ্জের সুরেই তিনি বলেন, বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা পাঁচ মিনিটের জন্যও যদি আমার সঙ্গে বসেন, তাহলে গত পাঁচ বছরে কোন কেন্দ্রীয় সংস্থা কীভাবে কাজ করেছে আমি সব দেখিয়ে দেবো। আর তা যদি প্রমাণ করতে না পারি তো রাজনীতি ছেড়ে দেবো।উল্লেখ্য, ১ সেপ্টেম্বর অভিষেক-পত্নী রুজিরা নারুলাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণ দেখিয়ে হাজিরা দেননি রুজিরা। কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আর্জি জানিয়েছিলেন রুজিরা। কিন্তু অভিষেক আর সে পথে হাঁটেননি। রবিবারই তিনি দিল্লি উড়ে গিয়েছেন।উল্লেখ্য, কয়লা-কাণ্ডে ফের সক্রিয় হয়েছে ইডি। সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছে ইডি। আগামী ১ সেপ্টেম্বর অভিষেকের স্ত্রী রুজিরা এবং ৬ সেপ্টেম্বর অভিষেককে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সরব হন তৃণমূল নেতারা। আর তার প্রেক্ষিতে আগে অভিষেকের মুখে শোনা যায় আক্রমণের সুরও।
মেষ/ ARIES: আজ প্রবঞ্চনার শিকার হতে পারে।বৃষ/ TAURUS: আজ পরোপকার করতে পারেন। মিথুন/ GEMINI : মন নিরানন্দ হতে পারে। কর্কট/ CANCER : মনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হতে পারে। সিংহ/ LEO: পুরনো কোনও ঋণ পরিশোধ করতে পারেন। কন্যা/ VIRGO: ব্যভিচারের শিকার হতে পারেন। তুলা/ LIBRA: বিশ্বাসহানি ঘটতে পারে। বৃশ্চিক/ Scorpio: কারুর অপ্রিয়ভাজন হতে পারেন। ধনু/ SAGITTARIUS: যানবাহনে বিপদ হতে পারে। মকর/ CAPRICORN: দৈহিক ক্লান্তি আসতে পারে। কুম্ভ/ AQUARIUS: সাংবাদিকদের জন্য শুভ সময়। মীন/ PISCES : মানসিক উদ্বেগের শিকার হতে পারেন।
ওভালে চতুর্থ টেস্ট জিতে কি সিরিজে এগিয়ে যেতে পারবে ভারত? তেমন সম্ভাবনাই তৈরি হয়েছে। প্রথম দিনের ব্যর্থতা কাটিয়ে চতুর্থ দিনে ম্যাচের চালকের আসনে বিরাট কোহলির দল। ইংল্যান্ডের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে ৩৬৭। ভারতকে চালকের আসনে বসিয়েছে টেল এন্ডারদের দুরন্ত ব্যাটিং। ম্যাচের তৃতীয় দিনই ভারতের বড় রানের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন রোহিত শর্মা, চেতেশ্বর পুজারারা। সেই ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে দলকে ৪৬৬ রানে পৌঁছে দেন টেল এন্ডাররা। আগের দিনের ৩ উইকেটে ২৭০ রান হাতে নিয়ে খেলতে নামে ভারত। বিরাট কোহলি ২২ ও রবীন্দ্র জাদেজা ৯ রানে ক্রিজে ছিলেন। দুজনই ভারতকে বড় রানের দিকে এগিয়ে নিয়ে থাকেন। কোহলি ও জাদেজার জুটিতে ওঠে ৫৯ রান। এরপরই ক্রিস ওকসের বলে লেগ বিফোর হন জাদেজা। ৫৯ বলে তিনি করেন ১৭ রান। ব্যাট হাতে আবার ব্যর্থ সহঅধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে। মাত্র ৮ বল খেলে ক্রিস ওকসের বলে তিনিও লেগ বিফোর হন। ওকসের বলে একবার আম্পায়ার আউট দিয়েছিলেন রাহানেকে। কিন্তু ডিআরএস নিয়ে সে যাত্রায় বেঁচে যান। রাহানে যখন আউট হন ভারতের রান ২৯৬/৫। হাফ সেঞ্চুরি করার আগে মঈন আলির বলে স্লিপে ধরা পড়েন কোহলি (৪৪)। আবার বড় রান পেতে ব্যর্থ ভারত অধিনায়ক।এরপর ঋষভ পন্থ ও শার্দুল ঠাকুর দলকে টেনে নিয়ে যান। সপ্তম উইকেটে ঋষভ পন্থের সঙ্গে ১০০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ভারতকে মজবুত জায়গায় দাঁড় করান শার্দুল। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও জ্বলে ওঠেন ভারতীয় দলের এই জোরে বোলার। প্রথম ইনিংসে ৮ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৫৭ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেছিলেন। একদিনের মেজাজে ব্যাট করে ৭২ বলে ৬০ রানের দুরন্ত ইনিংস উপহার দেন শার্দুল ঠাকুর। ৭টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন তিনি। জো রুটের বলে ক্রেগ ওভারটনের হাতে ধরা পড়েন শার্দুল। ম্যাচের দুই ইনিংসে অর্ধশতরান করে বিশ্ব ক্রিকেটের এক এলিট ক্লাবে প্রবেশ করেছেন তিনি। ৮ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে বিশ্বের ষষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টের দুই ইনিংসে অর্ধশতরান করার বিরল নজির গড়েন। শার্দুল আউট হওয়ার পরপরই ফিরে যান ঋষভ পন্থ। ১০৬ বলে ৫০ রান করে তিনি মঈন আলির বলে তাঁরই হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর ভারতকে ৪৬৬ রানে পৌঁছে দেন উমেশ যাদব (২৫) ও যশপ্রীত বুমরা (২৪)। ইংল্যান্ডের হয়ে ক্রিস ওকস ৩টি, মঈন ও রবিনসন ২টি করে এবং জো রুট, ক্রেগ ওভারটন ও অ্যান্ডারসন ১টি করে উইকেট পান। সংক্ষিপ্ত স্কোর: ভারত প্রথম ইনিংস ১৯১, দ্বিতীয় ইনিংস ৪৬৬। ইংল্যান্ড প্রথম ২৯০।
মেষ/ ARIES: জ্বরাদিভোগ করতে পারেন।বৃষ/ TAURUS: সংক্রমণজনিত রোগে ভুগতে পারেন। মিথুন/ GEMINI : বিচ্ছেদের কারণে বেদনা হতে পারে। কর্কট/ CANCER : প্রযুক্তিবিদদের জন্য শুভ সময়। সিংহ/ LEO: কোনও কারণে মতানৈক্য হতে পারে। কন্যা/ VIRGO: বিশ্বাসভঙ্গ হতে পারে আপনার। তুলা/ LIBRA: বিপথে চালিত হতে পারেন কোনও কারণে। বৃশ্চিক/ Scorpio: অনর্থপাত হতে পারে আজ। ধনু/ SAGITTARIUS: কূটনৈতিক কারণে জয় হতে পারে। মকর/ CAPRICORN: সম্পত্তি বিরোধের মধ্যে পড়তে পারেন। কুম্ভ/ AQUARIUS: শ্লেষ্মাধিক্যে ভুগতে পারেন। মীন/ PISCES : প্রতিযোগিতায় সাফল্য পেতে পারেন।
মৌপিয়া আজ বড় শান্ত হয়ে মধুপ এর দেওয়া একগুচ্ছ গোলাপ বুকে নিয়ে শুয়ে আছে। আজ ওদের দ্বিতীয় বিবাহ বার্ষিকী। পাশে ডিভোর্স পেপার হাতে বসে আছে মধুপ। মৌপিয়া পেপার টা মধুপের হাতে দিয়েছে একটু আগে। সসে এ জীবন থেকে মুক্তি চায়। আমরা আজ মুক্ত------ বলে মধুপ। বলে চলে দুজন দুজনকে মুক্তি দিলাম পিয়া। কিন্তু আমি তো এটা চাইনি। আমি যে তোমাকে আজও ভালোবাসি। খুব খুব ভালোবাসি--- বলতে বলতে মধুপ শুয়ে পড়ে মৌপিয়ার পাশে। এই মৌপিয়ার সাথে মধুপের বিয়ে হয় দুবছর আগে ভ্যালেনটাইন ডে তে। তার ঠিক একবছর আগে ঐ দিন ওদের পরিচয় হয় বীরভূমের লাল মাটি তে। বড়ো ব্যবসাদার বাবার আদরের ছোটো ছেলে মধুপ, সখের ফটোগ্রাফার। সখের টানে গেছিল বীরভূম আর মৌপিয়া বন্ধুদের সাথে বেড়াতে গেছিল। সেখানেই দুজনের আলাপ। তারপর এক বছরে নদীতে কত জল বয়ে গেছে। বাড়িতে অমত থাকা সত্ত্বেও মৌপিয়ার সাথেই বিয়ে করে মধুপ। আদরের ছেলের জন্য সব মেনে নেয় মা বাবা। বেশ কাটছিল দুজনের। হঠাৎ করে ওদের জীবনে ঢুকে পড়লেন অরিত্র, মধুপের ছোট্ট বেলার বন্ধু। বিদেশে থাকার জন্য বিয়েতে থাকতে পারেনি তাই দেশে ফিরেই দামি উপহার নিয়ে দেখা করতে আসে। অবাধ যাতায়াত মধুপের বাড়িতে। সবাই বেশ ভালোবাসে অরিত্রকে। অরিত্র ফিল্ম মেকিং এর কাজ করে। নতুন ফিল্মে মৌপিয়া কে কাজের অফার দেয়। মৌপিয়া ও কথা দিয়ে ফেলে মধুপের সাথে না আলোচনা করে। এতে মধুপের খারাপ লাগে ঠিকই কিন্তু মুখে কিছু বলে না। কারণ ব্যক্তি স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। জীবনের পরিবর্তন শুরু হয় তখন থেকেই। আস্তে আস্তে সেটা সকলের চোখে লাগে। ছোটখাটো বিষয়ে অশান্তি লাগে। সব কিছু স্পষ্ট হয়ে যায় যে দিন আলমারি তে ডিভোর্সের পেপার টা দেখতে পায়। আর ফোনে বলা কিছু কথা কানে আসে মধুপের। সেদিন থেকেই মধুপের মনে মুক্তির চিন্তা আসে। ভাবে আর তো কটা দিন পরেই বিবাহ বার্ষিকী ঐদিন মুক্তি হবে অশান্তির জীবন থেকে। তাই আজ একগুচ্ছ বিষাক্ত গোলাপের সঙ্গে জীবন থেকে মুক্তি উপহার দেয়। নিজেও মৌপিয়ার পাশে চিরদিনের মত ঘুমিয়ে পরে। মুক্তি জীবন থেকে দুজনের।।লেখিকাঃ রাখি রায়
গতবছর আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা ঋষি কাপুর। তাঁর আজ ৬৯ তম জন্মবার্ষিকী। অভিনেত্রী নীতু কাপুর তাঁর প্রয়াত স্বামী অভিনেতা ঋষি কাপুরের জন্য একটি আবেগঘন কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।নিতু কাপুর ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, এনওয়াইসি -তে আমার গত কয়েক বেদনাদায়ক বছরগুলিতে আমি ঋষি জি থেকে অনেক কিছু শিখেছি .. তার রক্তের সংখ্যা বেড়ে গেলে আমরা কীভাবে উদযাপন করেছি .. আমরা কেনাকাটা করতে গিয়েছিলাম, খাবার খেয়েছিলাম, হেসেছিলাম এবং কিছু চমত্কার মুহূর্ত ছিল কেমোথেরাপির পরের রাউন্ডে সে ভালো হয়ে যাবে এই আশায় .. শক্তিশালী হওয়ার আশায় সে আমাকে শিখিয়েছে .. সারা দিনের মূল্য। এর সঙ্গে তিনি আরও বলেন, আজ আমরা সবাই তাকে মিস করছি। আমি কল্পনা করতে পারি যে তিনি তার ৬৯ তম জন্মদিনে কতটা উত্তেজিত হতেন !! আমি নিশ্চিত সে সেখানে তার পরিবারের সঙ্গে উদযাপন করছে। শুভ জন্মদিন কাপুর স্যার। ঋষি কাপুর ৩০ এপ্রিল ২০২০ তারিখে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি লিউকেমিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। আজ, তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর শেষ ছবি শর্মা জি নমকিন -এর পোস্টারও প্রকাশ করা হয়েছে।
জন্ম থেকে ডান হাত একেবারে অকেজো। বাঁ হাতেই সবকিছু করতে হয়। টোকিও প্যারালিম্পিক্সে সেই বাঁ হাতেই খেল দেখালেন মণীশ নারওয়াল। শনিবার ৫০ মিটার পিস্তল ইভেন্টে দেশকে সোনা এনে দিলেন। শুধু সোনা জেতাই নয়, ২১৮.২ পয়েন্ট সংগ্রহ করে নতুন প্যারালিম্পিক্স রেকর্ডও গড়েছেন মণীশ। এই ইভেন্ট থেকেই দেশকে রুপো এনে দিয়েছেন সিংহরাজ আধানা। টোকিও অলিম্পিকে মানু ভাকের, সৌরভ চৌধুরিদের নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল। কিন্তু প্রত্যাশাপূরণ করতে পারেননি ভারতীয় শুটাররা। মানু ভাকর ও সৌরভ চৌধুরীদের ব্যর্থতা ঢেকে দিলেন অবনী লেখারা, মণীশ নারওয়াল, সিংহরাজ আধানারা। টোকিও প্যারালিম্পিক্সে দুটি সোনা সহ মোট পাঁচটি পদক জিতে ইতিহাস তৈরি করল ভারত। শনিবার মনীশ নারওয়াল ও সিংহরাজ আধানার হাত ধরে এক বৃত্ত সম্পন্ন হল। একই প্যারালিম্পিক্সে দুটি পদক জিতে এলিট ক্লাবের সদস্য হলেন সিংহরাজ। ১৯৮৪ প্যারালিম্পিক্স থেকে একটি সোনা ও দুটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন যোগিন্দর সিং সোধি। চলতি প্যারালিম্পিকের শুটিং ইভেন্ট থেকে সোনা ও ব্রোঞ্জ জিতেছেন অবনী লেখারা।পি ৪ মিক্সড ৫০ মিটার পিস্তল এসএইচ ওয়ান ইভেন্টের ফাইনালে মণীশের থেকে ভাল শুরু করেছিলেল সিংহরাজ আধানা। প্রথম ১০টি শটের পর ৯২.১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ স্থানে ছিলেন। মণীশের স্কোর ছিল ৮৭.২ পয়েন্ট। একসময় তাঁকে টপকে যান রাশিয়ান প্যারালিম্পিক্স কমিটির সার্গেই মালিসেভ। পঞ্চম সিরিজ পর্যন্ত মালিসেভই সোনা জয়ের দাবিদার ছিলেন। শেষ দুই সিরিজে জ্বলে ওঠেন ভারতের দুই শুটার। সিংহরাজ আধানাকেও টপকে যান মণীশ। প্রথম ১০ শটে অনেকটাই পিছিয়ে ছিলেন। ১৮ নম্বর শটের পর ৪ নম্বরে ছিলেন মণীশ। শেষ দুই সিরিজে ১০.৮ ও ১০.৫ পয়েন্ট সংগ্রহ করে ২১৮.২ পয়েন্টে পৌঁছে যান ১৯ বছর বয়সী এই প্যারা শুটার। বিশ্বরেকর্ড গড়ে সোনা জেতেন। অন্যদিকে, সিংহরাজ আধানা সংগ্রহ করেন ২১৬.৭। ১৯৬.৮ পয়েন্ট নিয়ে ব্রোঞ্জ জেতেন সার্গেই মালিসেভ। পি ৪ মিক্সড ৫০ মিটার পিস্তল এসএইচ ওয়ান ইভেন্টের যোগ্যতা অর্জন পর্বে ৫৩৬ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ হয়েছিলেন সিংহরাজ আধানা। ৫৩৩ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম হয়ে ফাইনালে উঠেছিলেন মনীশ। তবে চূড়ান্ত পর্বে দুই ভারতীয় প্যারা শুটারদের পারফরমেন্স সকলকে চমকে দিয়েছে। শৈশবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন মনীশ নারওয়াল। লক্ষ্য ছিল দেশের হয়ে খেলবেন। কিন্তু শারীরিক প্রতিবন্ধকতায় ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নপূরণ হয়নি। প্যারালিম্পিক্স থেকে দেশকে সোনা জিতে নতুন ইতিহাস রচনা করলেন হরিয়ানার এই প্যারা শুটার।
নয়া তালিব সরকার আগের থেকে অনেক আলাদা হবে বলেই আশ্বাস দিয়েছেন তালিবানি শীর্ষনেতারা। মহিলাদের শিক্ষা ও কাজ করার স্বাধীনতা দেওয়ার কথাও বলেছেন তারা। কিন্তু আফগানিস্তানের মসনদে বসার আগেই তালিবানের মহিলাদের খুন করার পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে গেল।সূত্রের খবর, তালিবানরা ইতিমধ্যেই একটি তালিকা তৈরি করেছে, যেখানে কোন কোন মহিলাদের খুন করা হবে, তা উল্লেখ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, দেহ ব্যবসা ও নীলছবির সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের খুন করার পরিকল্পনা করেছে তারা। সরকার ঘটনের পরই যৌনকর্মীদের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হতে পারে। দ্য সান পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনও দাবি করা হয়েছে, সমস্ত পর্ন সাইটগুলিও খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে তালিবানিরা। সেখানে কোনও বিদেশী পুরষের সঙ্গে যৌন কার্যকলাপে জড়িত হয়েছিলেন, এমন কোনও আফগান মহিলাকে দেখতে পেলেই তাঁকে খুঁজে বের করে নিজেদের যৌনদাসী বানিয়ে রাখা বা খুন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের দাবি, আফগানিস্তানজুড়ে একটি নতুন কর্মসূচিও শুরু করেছে তালিবানিরা, যেখানে দেহ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত মহিলাদের চিহ্নিতকরণের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তাদের খোঁজ মিললেও জনসমক্ষে ফাঁসি দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সেপ্টেম্বরে হচ্ছে না উপনির্বাচন?কান্দাহারেও নতুন ফতেয়াতে জারি করে গণমাধ্যম থেকেও মহিলাদের অস্তিত্ব মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, এ বার থেকে মহিলা কন্ঠস্বর টিভি বা রেডিওয় শোনা যাবে না। আফগান সরকারের পতনের পরই কান্দাহার, হেরাতে দেখা গিয়েছিল সমস্ত দোকান থেকে মহিলাদের ছবি সাদা বা কালো রঙে ঢেকে ফেলা হচ্ছে। বিগত ২০ বছরেও ক্ষমতায় না থাকলেও অবৈধ সম্পর্ক বা বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের ক্ষেত্রেও মহিলাদের খুন করেছে তালিবান। এ বার পালা পর্নস্টার ও যৌনকর্মীদের। ২০ বছর পর ফের একবার যখন তালিবানের হাতেই আফগানিস্তানের শাসনভার এসে পড়ে, ফের বীভীষিকাময় দিনগুলি ফিরে আসার আশঙ্কাই করেন আফগান মহিলারা। তবে তালিবানি শীর্ষ নেতারা আশ্বস্ত করে জানান, অতীতের তালিবানের সঙ্গে তাদের আকাশ-পাতাল ফারাক রয়েছে। নতুন তালিবান সরকার মহিলাদের সম্মান করবে, শিক্ষা ও কাজ করার অধিকারও দেবে শরিয়া আইন মেনে। সবসময় হিজাব পড়ে থাকতে হবে না, বোরখা পরলেই চলবে।
সেপ্টেম্বরে কি উপনির্বাচন হচ্ছে রাজ্যে? প্রশ্ন ঘুরছে। তবে আপাতত সেপ্টেম্বরে যে উপনির্বাচন যে হচ্ছে না, তা কার্যত স্পষ্ট রাজনৈতিকবিদদের কাছে। শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠক বাতিলের পর উপনির্বাচন না-হওয়ার সম্ভাবনাই জোরাল হচ্ছে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। ফলে দুএকদিনের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হতে পারে বলে ভাবা হয়েছিল। কিন্তু আচমকা বাতিল হয় বৈঠক। ফলে চলতি মাসের মধ্যে উপনির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রইল না বলে মনে করছেন অনেকে। সেক্ষেত্রে অক্টোবরে উপনির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। উল্লেখ্য,দুদিন আগে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। পরে কমিশনকে চিঠি দিয়ে পুজোর আগেই উপনির্বাচনের অনুরোধ করেন তিনি।কমিশন সূত্রের খবর, পুজোর আগে নির্বাচন করাতে হলে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে। কারণ বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার ন্যূনতম ২৪ দিন পর ভোটগ্রহণ হয়। সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিজ্ঞপ্তি জারি হলে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ভোট হতে পারে। পুজোর আগে বা পরে উপনির্বাচন করানোর জন্য প্রস্তুত নবান্ন । সূত্রের খবর, পুজোর আগেই ভোট মিটিয়ে ফেলতে চাইছে রাজ্য সরকার।
রহস্যে মোড়া দিল্লি বিধানসভা চত্বর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কত ইতিহাস যে চাপা পড়ে যায়, তার কোনও ইয়ত্তা নেই। যদিও কালের নিয়মে অনেকসময় তা আবার বেরিয়ে আসে। ঠিক যেমন দিল্লি বিধানসভার ভিতরে খোঁজ মিলল সেই ব্রিটিশ যুগের গোপন সুড়ঙ্গের। দেশের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য লালকেল্লার সঙ্গে সংযুক্ত একটি সুরঙ্গের হদিশ মিলেছে বৃহস্পতিবার। দিল্লি বিধানসভার অন্দরের একটি ঘরে সুড়ঙ্গের প্রবেশ পথের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। দিল্লি বিধানসভা থেকে লালকেল্লার দূরত্ব প্রায় ৬ কিমি। তাই সুদীর্ঘ সুড়ঙ্গটির খোঁজ মেলার পর দিল্লি বিধানসভার অন্দরে উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে।আরও পড়ুনঃ উমেশের ধাক্কা সত্ত্বেও প্রথম ইনিংসে ৯৯ রানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড হঠাৎ এই সুরঙ্গ আবিষ্কারের মধ্যে অনেক রহস্যের গন্ধ পাওয়া গেলেও, আদতে এর পেছনে রয়েছে অন্য কাহিনি। এই বিষয়ে দিল্লি বিধানসভার অধ্যক্ষ রামনিবাস গোয়েল জানিয়েছেন, বিধানসভা থেকে লালকেল্লা সংযোগকারী এই সুড়ঙ্গ মূলত ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অন্যত্র সরানোর সময় জনরোষের হাত থেকে বাঁচতেই এটি ব্যবহার করা হত। এই প্রসঙ্গে দিল্লি বিধানসভার অধ্যক্ষ আরও বলেন, যখন আমি প্রথম বারের জন্য বিধায়ক নির্বাচিত হয়ে আসি তখন থেকেই গুঞ্জন শুনেছিলাম যে এখানে লালকেল্লা সংযোগকারী একটি সুড়ঙ্গ রয়েছে। এর সঙ্গে জড়িত ইতিহাসের কথা মাথায় রেখে সুড়ঙ্গটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করেও সফল হতে পারিনি। এখন আমরা এটি খুঁজে পেয়েছি। কিন্তু আমরা কোনওরকম খনন কার্য চালাচ্ছি না, কারণ মেট্রো প্রকল্প ও নর্দমা নির্মাণের ফলে এখন আর সুড়ঙ্গটির কোনও অস্তিত্ব নেই।আরও পড়ুনঃ ফোনে কথা বলছেন নার্স, ভ্যাকসিন পড়ল পর পর ৩ ডোজ!ব্রিটিশ আমলের মতো সুড়ঙ্গটি চলাচলের যোগ্য করা যাবে কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত নন তিনি। তবে এই ইতিহাসের সাক্ষী হওয়ার সুযোগ সাধারণ মানুষের সামনে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। খুব তাড়াতাড়ি এই সুড়ঙ্গের কিছু মেরামতি করে তা দর্শকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। আগামী বছর ১৫ অগস্ট দর্শকের জন্য সম্ভবত এই সুড়ঙ্গ খুলে দেওয়া হবে।১৯১২ সালে ব্রিটিশ রাজত্বের সময় কলকাতা থেকে দিল্লিতে রাজধানী স্থানান্তরিত হওয়ার পর, বর্তমান দিল্লি বিধানসভা ভবনটি তখন কেন্দ্রীয় আইনসভা হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ১৯২৬ সালের পর এটিকে আদালতে রূপান্তরিত করা হয়। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের কোর্টে নিয়ে আসার সময় এই সুড়ঙ্গটি ব্রিটিশরা ব্যবহার করত।
ঠিক যেন সকলের চোখের আড়ালে জখের ধন সামলে রেখেছিলেন বিষ্ণুপুর পুরসভার প্রাক্তন সভাপতি ও মন্ত্রী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। প্রাক্তন মন্ত্রীর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের লকারগুলি আগেই বাজেয়াপ্ত করেছিলেন তদন্তকারীরা। সেই লকার থেকে এ বার বেরল ভরি ভরি সোনার অলঙ্কার, সোনার বাঁট ও বিস্কুট! শ্যামাপ্রসাদের ওই লকার থেকে প্রায় ৩কিলোগ্রামের বেশি সোনা পাওয়া গিয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি। ব্যাংকের সেই লকারের মালিকানা রয়েছে অবশ্য শ্যাম- ঘনিষ্ঠ রামশঙ্কর মহন্তের নামে।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, রামশঙ্কর জেরায় স্বীকার করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে ব্যাগে করে সমস্ত সোনার গয়না এনে ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে নিজের লকারে জমা করতেন। এছাড়াও, একাধিক জমি-জায়গার মালিকানাও ছিল শ্যামাপ্রসাদের। শুক্রবার দুপুরে রামশঙ্করকে সঙ্গে নিয়ে বিষ্ণুপুর শহরের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে হানা দেন তদন্তকারীরা। লকার খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের। থরে থরে সাজানো সোনার বাঁট, সোনার বিস্কুট-সহ সোনার অলঙ্কার দেখতে পান তদন্তকারীরা। ঠিক কত পরিমাণ সেই সম্পত্তি তা বুঝতে স্বর্ণ বিশেষজ্ঞদের শরণাপন্ন হন গোয়েন্দারা। গোটা ঘটনা ভিডিওগ্রাফি করে রাখা হয়। বিশেজ্ঞরাই জানান, প্রাপ্ত সোনার পরিমাণ প্রায় ৩ কিলোগ্রাম। সোনার পরিমাণ যাচাইয়ের পর ওই লকার সিল করে দেওয়া হয়। প্রায় ৪ ঘণ্টা ধরে অভিযান চালান তাঁরা।আরও পড়ুনঃ পিকনিক করতে গিয়ে রহস্য মৃত্যু যুবকের, আটক তিন বন্ধুশুধু সোনা নয়, ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০ কোটি টাকা মূল্যের জমি-জায়গার খোঁজ পেয়েছেন। জানা গিয়েছে, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বিপুল পরিমাণ টাকা জমি কেনার কাজে বিনিয়োগ করেছিলেন। বিষ্ণুপুর শহরে ও আশেপাশে বিভিন্ন জায়গায় তাঁর নামে-বেনামে প্রচুর জমির খোঁজ মিলেছে। এমনকী, নিজের ছেলেমেয়ের নামেও বেশ কিছু জমি কিনেছিলেন তিনি। তদন্তে নেমে সেগুলির অনেকগুলির দলিলও হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। সেই সব দলিল মিলিয়ে জমি চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু হয়েছে।শহর ও শহর সংলগ্ন মরার গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় খড়িকাশুলিতে প্রায় ৪ বিঘার জমির ওপর নির্মীয়মান পেট্রোল-পাম্পে যান তদন্তকারী অফিসাররা। মরার গ্রাম পঞ্চায়েত ছাড়াও খড়িকাশুলিতে প্রায় ১২ বিঘা জমির খোঁজ মিলেছে। পেট্রোলপাম্প তৈরির কাজে নিযুক্ত ঠিকাদার জানিয়েছেন, প্রাক্তন মন্ত্রী শ্য়ামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে রূপা মুখোপাধ্য়ায়ের নামে কেনা হয়েছে ওই জমি। প্রায় ৯ মাস যাবত্ চলছে পাম্প তৈরির কাজ। এছাড়াও, শহরের তুর্কিডাঙায় রয়েছে ৬ কাঠা জমি। জমি কেনার ক্ষেত্রে ঠিক কত পরিমাণ টাকা ব্যয় করা হয়েছে, আর কারা এর সঙ্গে যুক্ত ছিল তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এছাড়াও আরও একাধিক সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে, যা শ্যামাপ্রসাদের ছেলে-মেয়ের নামে রয়েছে। সবটাই তদন্ত করে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রশ্ন উঠছে প্রাক্তন মন্ত্রীর এত জমানো টাকার উৎস কী? সূত্রের খবর, টেণ্ডার দুর্নীতির ঘটনায় আরও এক প্রাক্তন মন্ত্রী ঘনিষ্ঠকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা।