• ২৭ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IS

রাশিফল

চাকরিতে অগ্রগতি, ১১ই নভেম্বর ২০২৫ – মঙ্গলবার, আপনার রাশিচক্র অনুযায়ী দিনটি কেমন কাটবে

১১ই নভেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার, আপনার রাশিচক্র অনুযায়ী দিনটি কেমন কাটবে তা জানতে নিচে প্রতিটি রাশির জন্য সংক্ষিপ্ত রাশিফল দেওয়া হলো:🐏 মেষ (Aries): কাজের চাপ কমে আরাম।🐂 বৃষ (Taurus): অর্থ বিনিয়োগে লাভ।👥 মিথুন (Gemini): নতুন পরিচয় উপকারে আসবে।🦀 কর্কট (Cancer): মন খারাপ বা অস্থিরতা। বিশ্রাম নিন।🦁 সিংহ (Leo): নেতৃত্বের সুযোগ।🌾 কন্যা (Virgo): ভুল বোঝাবুঝি মিটবে।⚖️ তুলা (Libra): আনন্দের খবর।🦂 বৃশ্চিক (Scorpio): চাকরিতে অগ্রগতি।🏹 ধনু (Sagittarius): প্রেমে সুখবর।🐐 মকর (Capricorn): খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।🌊 কুম্ভ (Aquarius): ব্যবসা থেকে লাভ।🐟 মীন (Pisces):নতুন কাজ/বিদেশ যোগাযোগ।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
রাশিফল

ব্যবসায় লাভ, টাকা ফেরত মিলতে পারে, সোমবারের রাশিফল

১০ নভেম্বর ২০২৫ সোমবার, আপনার রাশিচক্র অনুযায়ী দিনটি কেমন কাটবে তা জানতে নিচে প্রতিটি রাশির জন্য সংক্ষিপ্ত রাশিফল দেওয়া হলো:🐏 মেষ (Aries): নতুন কাজের যোগ। অর্থ লাভ। 🐂 বৃষ (Taurus): পরিবারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ধৈর্য দরকার।👥 মিথুন (Gemini): ভ্রমণ বা নতুন যোগাযোগ।🦀 কর্কট (Cancer): খরচ বাড়বে, স্বাস্থ্য সতর্ক।🦁 সিংহ (Leo): সম্মান ও প্রশংসা।🌾 কন্যা (Virgo): অফিসের চাপ, ফল ইতিবাচক। ⚖️ তুলা (Libra): বন্ধুর সহায়তায় কাজ এগোবে।🦂 বৃশ্চিক (Scorpio): ব্যবসায় লাভ, টাকা ফেরত মিলতে পারে।🏹 ধনু (Sagittarius): পারিবারিক খুশি। 🐐 মকর (Capricorn): নতুন দায়িত্ব।🌊 কুম্ভ (Aquarius): প্রেমে শুভ সময়।🐟 মীন (Pisces): কাগজপত্রে সতর্কতা দরকার।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
বিদেশ

দিল্লির কায়দায় ইসলামাবাদের আদলতের সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! ঘটনাস্থলেই মৃত্যু ১২ জনের

দিল্লির ভয়াবহ বিস্ফোরণের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই একই কায়দায় বিস্ফোরণ এবার ইসলামাবাদে। মঙ্গলবার দুপুরে পাকিস্তানের রাজধানীর একটি আদালতের বাইরে ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১২ জনের। আহতের সংখ্যা বহু। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, এটি আত্মঘাতী হামলাও হতে পারে।মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ ইসলামাবাদের আদালত চত্বরের পার্কিং এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িতে আচমকা বিস্ফোরণ হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। ভয়াবহ আওয়াজে কেঁপে ওঠে আশপাশের এলাকা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের শব্দ ছয় কিলোমিটার দূর পর্যন্ত শোনা যায়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশ কয়েকটি গাড়ি। ঘটনার সময় আদালত চত্বরে উপস্থিত ছিলেন বহু আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ মানুষ।বিস্ফোরণের পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ, দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি এবং করাচি-সহ পাকিস্তানের প্রধান শহরগুলিতে জারি করা হয়েছে উচ্চ সতর্কতা। গোটা এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।প্রাথমিক অনুমান, গাড়ির মধ্যে রাখা গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। তবে নাশকতার দিকটিও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ধরণ দেখে মনে হচ্ছে, এর মধ্যে মানবসৃষ্ট উপাদানও থাকতে পারে। ঘটনাস্থলে ফরেনসিক টিম কাজ শুরু করেছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, এর ঠিক একদিন আগে সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল অন্তত ১৩ জনের। তদন্তে উঠে এসেছে, বিস্ফোরণটি ঘটানো হয়েছিল গাড়ির ভিতর থেকে। একই ধাঁচে মঙ্গলবার ইসলামাবাদেও বিস্ফোরণ হওয়ায় জঙ্গি নেটওয়ার্ক জুড়ে আশঙ্কা ছড়িয়েছে।দিল্লি ও ইসলামাবাদে টানা দুই দিনে ঘটে যাওয়া এই দুই বিস্ফোরণ এখন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মহলে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। ভারতীয় গোয়েন্দা মহলও ঘটনাটির দিকে নজর রাখছে বলে সূত্রের খবর।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
কলকাতা

টানা মেয়র, বিধায়ক— তবুও ভোটার তালিকায় নাম নেই সব্যসাচীর! ক্ষোভে ফুঁসছেন তৃণমূল নেতা

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি ১৯৯৫ সাল থেকে বিধাননগর পুরসভার কাউন্সিলর, ২০১৫ সালে বিধাননগরের মেয়র, ২০১৬ সালে নিউটাউনের বিধায়ক এমন একজন তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত (Sabyasachi Dutta) নিজেই খুঁজে পাচ্ছেন না নিজের নাম ভোটার তালিকায়! শুধু তিনি নন, নেই তাঁর স্ত্রী ইন্দ্রাণী দত্তের নামও। বিষয়টি জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য।বিধাননগর কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সব্যসাচীর অভিযোগ, ২০০২ সালের ভোটার তালিকা থেকে উধাও তাঁর নাম। অথচ, এক সময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু, প্রাক্তন সাংসদ সরলা মাহেশ্বরী, অ্যাডভোকেট জেনারেল নরনারায়ণ গুপ্ত প্রমুখ ছিলেন তাঁরই ভোটার! নিজেকে প্রমাণে তিনি সামনে আনেন ২০০০ সালের কাউন্সিলর পদে জেতার সার্টিফিকেটও।ক্ষুব্ধ সব্যসাচীর কথায়, আমার নাম যদি ২০০২ সালের তালিকায় না থেকে থাকে, তবে সেই সময় জ্যোতি বসুর মতো ব্যক্তিত্বরা আমার ভোটার হলেন কী করে? আমি টানা কাউন্সিলর ছিলাম, মেয়রও হয়েছি। আজ আমার নামটাই উধাও! তিনি আরও বলেন, এই এনুমারেশন ফর্ম কীভাবে পূরণ করব জানি না। অনেকবার জেলাশাসক এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছি, কিন্তু কোনও সুরাহা নেই। ফর্ম ফাঁকাই জমা দেব বলে ভাবছি।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সব্যসাচীর সল্টলেকের বাড়ি ডিএল ২৩৯ নম্বরে, থানা বিধাননগর পূর্ব। ওই পাড়ার মোট আটটি বাড়ি ডিএল ২৩২ থেকে ২৪০ সবগুলিই উধাও ২০০২ সালের ভোটার তালিকা থেকে। অনুমান করা হচ্ছে, ডিলিমিটেশনের পর হয়তো ওই সব ঠিকানা ভুলবশত অন্য কোনও বিধানসভার সাপ্লিমেন্টারি পার্টে চলে গিয়েছে।একসময় এই অঞ্চল ছিল রাজ্যের অন্যতম বড় বিধানসভা বেলগাছিয়া পূর্বের অন্তর্ভুক্ত। এখন সেটি বিধাননগর বিধানসভা। প্রশাসনের দাবি, তালিকার ডেটা মার্জিং ত্রুটি-র কারণেই এমন বিপত্তি ঘটেছে।রাজনৈতিক মহল বলছে, নির্বাচন কমিশনের এই গাফিলতি শুধু প্রশাসনিক নয়, বড়সড় লজ্জার বিষয়। টানা জননেতা হিসেবে জনপ্রিয় সব্যসাচীর নিজের নামই ভোটার তালিকা থেকে উধাও হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে তাহলে সাধারণ ভোটারদের অবস্থা কী!

নভেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

আত্মঘাতী হামলার ছক কষেছিলেন উমর! পুলিশের হাতে জোরালো প্রমাণ

দিল্লির বুক কাঁপিয়ে দিয়েছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। লালকেল্লার কাছেই বিস্ফোরণে ইতিমধ্যেই প্রাণ গিয়েছে নয় জনের। ঘটনার পরই উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র সূত্রে জানা গিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে সীমান্ত পেরনোর সময় সন্দেহভাজন গাড়িটির ভিতরে এক ব্যক্তির হাত ও অস্পষ্ট মুখ। তদন্তকারীদের মতে, সেই ব্যক্তিই সম্ভবত পুলওয়ামার চিকিৎসক মহম্মদ উমর যিনি ফরিদাবাদের বিস্ফোরণ চক্রের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত।তদন্তে প্রকাশ, ফরিদাবাদের ঘটনায় সহযোগী চিকিৎসক মুজাম্মিল শাকিলের গ্রেফতারির পর থেকেই উমর ছিলেন আতঙ্কে। সেই থেকেই নাকি আত্মঘাতী হামলার ছক কষতে শুরু করেন তিনি। উমরই বিস্ফোরক বোঝাই হুন্ডাই আই২০ গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বলে আশঙ্কা পুলিশের। ওই গাড়ির মালিক মহম্মদ সলমনকে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে। তাঁর দাবি, দেড় বছর আগেই গাড়িটি বিক্রি করে দেন তিনি। তারপর আরও দুইবার হাতবদল হয়ে গাড়িটি পৌঁছয় পুলওয়ামার তারিক নামে এক ব্যক্তির কাছে। তাকেও হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।তদন্তকারীদের বক্তব্য, দিল্লির বিস্ফোরণ ও ফরিদাবাদের বিস্ফোরক উদ্ধারের মধ্যে অদ্ভুত মিল রয়েছে। দুটি ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়েছে একই মডেলের আইইডি ডিভাইস। সুতরাং এই দুটি ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র থাকা একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এখন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা উমরের ফোন রেকর্ড, ব্যাংক ট্রানজ্যাকশন ও পেশেন্ট ডেটা খতিয়ে দেখছে।সূত্রের দাবি, উমরের মোবাইল থেকে পাকিস্তানের বালাকোটে এক সন্দেহভাজন নম্বরে বারবার যোগাযোগের চিহ্ন মিলেছে। এই মুহূর্তে দিল্লি, কাশ্মীর ও ফরিদাবাদ পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত চালাচ্ছে। বিস্ফোরণ পরবর্তী এই গোটা রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে প্রতি ঘণ্টা।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
কলকাতা

ভালোবাসার গল্পে রাজনীতির ছোঁয়া— সুন্দরবনের রিয়া ও রাখির সঙ্গে দেখা করবেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড

সুন্দরবনের অন্তঃস্থল থেকে উঠে এসেছে এক অনন্য ভালোবাসার গল্প। সমাজের বাঁধা, কুসংস্কার, এবং অগণিত বাধা পেরিয়ে একে অপরকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন রিয়া সর্দার ও রাখি নস্কর। তাঁদের সাহসিকতা, আত্মবিশ্বাস, এবং সত্যিকারের ভালোবাসা গোটা বাংলাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল আবেগে। এবার সেই দুই তরুণীর সঙ্গেই দেখা করতে যাচ্ছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ ও তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এর আগেও রিয়া ও রাখির সম্পর্কের খবর প্রকাশ্যে আসতেই তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সমর্থন জানিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে বলেছিলেন, এই দুই কন্যা বাংলা ও বাঙালির গর্ব। তাঁদের জন্য তৃণমূলের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় ফোন মারফত বার্তা পাঠিয়ে অভিষেক জানিয়েছিলেন, আমার খুবই ভাল লেগেছে সুন্দরবনের মাটিতে এমন ইতিহাস তৈরি হয়েছে। রিয়া ও রাখি দেখিয়ে দিয়েছে, ভালোবাসা কোনও সীমারেখায় আটকে থাকে না না ধর্মে, না বর্ণে, না লিঙ্গে।অভিষেকের বার্তায় আরও বলা হয়, দুজনেই জানত, সমাজের চোখ রাঙানি আসবেই, বাধা আসবেই। তবুও তাঁরা পিছিয়ে যায়নি। একসঙ্গে থাকার জন্য লড়াই চালিয়ে গেছে। তাঁদের এই সাহসিকতার জন্য আমি তাঁদের কুর্নিশ জানাই। সেই সঙ্গে গ্রামবাসীকেও ধন্যবাদ জানাই তাঁরা রিয়া ও রাখির পাশে দাঁড়িয়ে ভালোবাসার জয়ে নিজেদের মানুষত্ব প্রমাণ করেছেন।অভিষেক আরও যোগ করেন, রিয়া ও রাখি শুধু একে অপরের ভালোবাসার প্রতীক নয়, তাঁরা মানবতার প্রতীক। এটা কেবল দুটি মানুষের বিয়ে নয় এটা বাংলার গর্ব, ভারতের গর্ব। আমি তাঁদের শুভেচ্ছা জানাই এবং তাঁদের গ্রামের মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই, যারা এই ভালোবাসাকে হৃদয় দিয়ে গ্রহণ করেছেন।রাজনৈতিক নেতা হয়েও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এমন বার্তা এখন ভাইরাল হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে এমন মানবিক ও সাহসিকতার পাশে দাঁড়ানোর পদক্ষেপকে অনেকে বাংলার প্রগতিশীলতার প্রতীক বলে আখ্যা দিয়েছেন।এখন সকলের নজর অভিষেকের আসন্ন সফরের দিকে কবে তিনি পৌঁছবেন সুন্দরবনের সেই গ্রামে, যেখানে দুই তরুণী তাঁদের ভালোবাসা দিয়ে সমাজের গোঁড়ামিকে হার মানিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই অভিষেক তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং সরাসরি শুভেচ্ছা জানাবেন।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

গোপনে পরমাণু বিস্ফোরণ? পাকিস্তানকে ঘিরে ফের ছায়াযুদ্ধের গন্ধ, এবার বিস্ফোরক বার্তা দিলেন রাজনাথ সিং

অপারেশন সিঁদুরের ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই ফের আন্তর্জাতিক মঞ্চে চাপের মুখে পাকিস্তান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিস্ফোরক দাবি ইসলামাবাদ গোপনে পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে! ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে ভূ-রাজনৈতিক তোলপাড়। আর সেই দাবিকে ঘিরে রবিবার পাকিস্তানকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।রবিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাজনাথ সিং বলেন, ওরা যদি সত্যিই পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা করে, তাহলে করুক। ওদের থামানো যাবে না। তবে ভারতও যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। প্রশ্ন ওঠে, পাকিস্তান যদি সত্যিই পরমাণু বিস্ফোরণ চালায়, ভারতও কি পাল্টা পরীক্ষা করবে? রাজনাথের জবাব, আগে ওরা করুক, তারপর দেখা যাবে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান, রাশিয়া, চিন এবং উত্তর কোরিয়া এই চার দেশ গোপনে পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে একাধিক ভূমিকম্প আসলে গোপন পারমাণবিক বিস্ফোরণের ফল। বিশেষ করে এপ্রিল-মে মাসে আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে যে ৪.০ থেকে ৪.৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল, তা ১৯৯৮ সালে পাকিস্তানের চাগাই-১ ও চাগাই-২ বিস্ফোরণের তীব্রতার সঙ্গে মিলে যায়।এই দাবির পরই আন্তর্জাতিক পরমাণু নিরাপত্তা সংস্থাগুলির তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। ইসলামাবাদ যদিও এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে মুখ খোলেনি। তবে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিক্রিয়া এসেছে বেশ কড়া ভাষায়। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, পাকিস্তানের গোপন ও বেআইনি পারমাণবিক কর্মকাণ্ড কোনও নতুন বিষয় নয়। দশকের পর দশক ধরে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক রপ্তানি আইন ভেঙে, চোরাপথে চুক্তি করেছে। ভারত বরাবরই সেই তথ্য আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরেছে।ট্রাম্পের দাবি ও রাজনাথ সিংয়ের মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক মহলে তৈরি হয়েছে নতুন উত্তেজনা। দক্ষিণ এশিয়ায় ফের বাড়ছে পারমাণবিক তাপমাত্রা। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের গোপন পরীক্ষা নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য কেবল রাজনৈতিক বার্তা নয়, বরং ভবিষ্যতের একটি বড় সংঘাতের ইঙ্গিতও বটে।ভারতীয় কূটনীতিক মহলের দাবি, ইসলামাবাদকে ঘিরে এখন আন্তর্জাতিক নজরদারি বাড়বে। আর নয়াদিল্লি জানিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান যতই গোপনে ষড়যন্ত্র পাকাক, ভারত প্রস্তুত আছে প্রত্যেক পরিস্থিতির জন্য।

নভেম্বর ০৯, ২০২৫
বিদেশ

‘আল কায়দা নাকি আইএস?’— জেহাদি ঘাঁটিতে নিখোঁজ ৫ ভারতীয়, কাঁপছে নয়াদিল্লি

পশ্চিম আফ্রিকার অশান্ত দেশ মালিতে ফের ভয়ঙ্কর ঘটনা। জঙ্গি-প্রবণ কোবরি অঞ্চলে সশস্ত্র আততায়ীদের হাতে অপহৃত হয়েছেন পাঁচজন ভারতীয় প্রকৌশলী। বৃহস্পতিবারই তাঁদের তুলে নিয়ে যায় একদল বন্দুকধারী। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন অপহরণের দায় স্বীকার করেনি। তবে প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, অপহরণের খবর সত্যি।সূত্রের খবর, ওই পাঁচ ভারতীয় একটি বেসরকারি সংস্থার হয়ে মালির পশ্চিমাঞ্চলে বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে নিযুক্ত ছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে হঠাৎ একদল সশস্ত্র জঙ্গি তাঁদের গাড়ি ঘিরে ধরে এবং জোর করে তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাঁদের কোনও খোঁজ মেলেনি। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, বাকি ভারতীয় কর্মীদের আপাতত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।মালির সেনাশাসিত সরকার জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এই অপহরণের পেছনে কারা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রশাসনের আশঙ্কা আল কায়দা-ঘনিষ্ঠ Jamaat Nusrat al-Islam wal-Muslimin (JNIM) বা ইসলামিক স্টেটের কোনও গোষ্ঠী এর সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে।উল্লেখ্য, ২০১২ সাল থেকে পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটি ক্রমাগত জেহাদিদের কবলে। আল কায়দা ও ইসলামিক স্টেট-ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীগুলি প্রায়শই বিদেশি নাগরিকদের অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে। সম্প্রতি সেপ্টেম্বরে দুজন আরব ও একজন ইরানি নাগরিককে অপহরণ করেছিল জেএনআইএম জঙ্গিরা। পরে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মুক্তিপণের বিনিময়ে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়। ফলে প্রশাসনের ধারণা, এই অপহরণও মুক্তিপণ-লক্ষ্যেই হতে পারে।বিদেশমন্ত্রকের তরফে এখনও কোনও সরকারি বিবৃতি জারি হয়নি। তবে নয়াদিল্লির সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় দূতাবাসের মাধ্যমে পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। ভারতীয় দফতরগুলিতে উদ্বেগ ছড়িয়েছে।মালিতে বিদেশিদের অপহরণের ঘটনা নতুন নয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ফরাসি, কানাডীয় এবং ইতালীয় নাগরিকদেরও জঙ্গিদের হাতে অপহৃত হতে দেখা গেছে। বর্তমানে সেনা জুন্টা ক্ষমতায় থাকলেও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ কার্যত অচল। গ্রামের পর গ্রাম জেহাদিদের দখলে।যদিও পাঁচ ভারতীয় প্রকৌশলীর নাম-পরিচয় এখনো প্রকাশ্যে আনা হয়নি, তবে প্রশাসন বলছে, তাঁরা সম্ভবত বিহার ও উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। ঘটনাটি জানাজানি হতেই তাঁদের পরিবারগুলিতে শুরু হয়েছে চরম উৎকণ্ঠা।এখন প্রশ্ন একটাই এই পাঁচ ভারতীয় কি মুক্তিপণের দাবিতে বন্দি, না আরও ভয়ঙ্কর কিছু ঘটেছে? মালির মরুভূমিতে নিখোঁজ এই প্রকৌশলীদের খোঁজে মরিয়া প্রশাসন।

নভেম্বর ০৮, ২০২৫
দেশ

এনডিএর পুরনো অস্ত্র ‘লালুর ভয়’— এবার ফাঁস করলেন প্রশান্ত কিশোর!

বিহারে প্রথম দফার ভোট শেষ। রাজ্যজুড়ে রেকর্ড ভোটিং ৬৪.৬ শতাংশ। রাজনৈতিক দলগুলো যখন অঙ্ক কষতে ব্যস্ত, ঠিক তখনই ফের আলোচনায় এলেন প্রাক্তন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। তাঁর বিস্ফোরক দাবি, লালু প্রসাদ যাদবের ভয় দেখিয়ে ভোট জিততে চাইছেন নরেন্দ্র মোদি!বিহারের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ প্রশান্ত কিশোরের কথায়, বিজেপি এবং এনডিএর একমাত্র অস্ত্র এখন লালুর ভয়। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি বিহারের ভোটারদের মনে লালু প্রসাদ যাদবের ভয় ঢুকিয়ে দিতে চাইছেন। কারণ, তাঁর আর বলার মতো নতুন কিছু নেই। গত কয়েক দশক ধরে এনডিএ-র মূল স্ট্র্যাটেজিই হচ্ছে এই ভয় দেখিয়ে ভোট তোলা যাতে মানুষ ভাবে, কাজ হোক বা না হোক, অন্তত জঙ্গলরাজ ফিরে আসেনি।কিশোর আরও বলেন, কিন্তু সময় বদলে গেছে। আজকের বিহারের মানুষ বিকল্প খুঁজছে। সেই বিকল্প জন সুরজ। মোদি যদি বলেন জঙ্গলরাজ ফিরবে না, তাহলে প্রশ্ন ওঠে, এত বছর পরেও আপনি (এনডিএ) কেন?রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে প্রশান্ত কিশোরের এই মন্তব্য নিঃসন্দেহে বিজেপিকে চাপে ফেলবে। তাঁর দল জন সুরজ-এর বার্তা ইতিমধ্যেই তরুণ ভোটারদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজের প্রচারে জঙ্গলরাজ প্রসঙ্গ তুলে আরজেডি ও তেজস্বী যাদবকে আক্রমণ করেছিলেন। মোদি বলেন, বিহারের তরুণরা যেন পুরোনো প্রজন্মের মুখে শোনে, লালুর আমলে কেমন ছিল অপরাধের দৌরাত্ম্য। এনডিএ বিহারকে সেই জঙ্গলরাজ থেকে মুক্ত করেছে।বিহারের রাজনীতিতে জঙ্গলরাজ শব্দটি বহু বছর ধরে বিজেপির অন্যতম প্রধান প্রচার অস্ত্র। লালু প্রসাদ যাদবের শাসনকাল যেখানে আইনশৃঙ্খলা প্রশ্নে রাজ্য প্রায় অচল হয়ে পড়েছিল আজও রাজনৈতিক প্রচারে ঘুরে ফিরে আসে। কিন্তু প্রশান্ত কিশোরের বক্তব্যে এবার সেই প্রচারই প্রশ্নের মুখে।প্রথম দফার ভোটে ৬৪.৬ শতাংশ ভোট পড়েছে যা বিহারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ২০০০ সালে ভোট পড়েছিল ৬২ শতাংশ। অর্থাৎ, বিহারের মানুষ এবার আগের চেয়ে বেশি আগ্রহী, বেশি সক্রিয়। ফলে, দ্বিতীয় দফার আগে প্রশান্ত কিশোরের এই মন্তব্য রাজনৈতিক তাপমাত্রা আরও বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, প্রশান্ত কিশোরের এই মন্তব্য নিছক কৌশল নয়, বরং দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে জন সুরজ-এর পক্ষে পরিবেশ তৈরির প্রচেষ্টা।

নভেম্বর ০৮, ২০২৫
কলকাতা

পুরসভার ইঞ্জিনিয়ারের কাছে কোটি টাকার সোনা, ফ্ল্যাট, লকার— তদন্তে চোখ কপালে পুলিশের

কলকাতা পুরসভায় ফের দুর্নীতির গন্ধ! রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখার হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন পুরসভার প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার পার্থ চোঙদার। অভিযোগ, সরকারি চাকরি করেও আয় বহির্ভূত বিপুল সম্পত্তির মালিক তিনি। তদন্তে উঠে এসেছে এমন সব চমকপ্রদ তথ্য, যা শুনে হতবাক তদন্তকারীরাও।পুলিশ সূত্রে খবর, ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সময়কালে পার্থ চোঙদার বেতন পেয়েছেন মোটে ৫৬ লক্ষ টাকা, অথচ তাঁর নামে ও বেনামে পাওয়া গিয়েছে ৬ কোটিরও বেশি সম্পত্তি! এই বিপুল পার্থক্যই তাঁকে এনে দিয়েছে দুর্নীতি দমন শাখার জালে।তদন্তে জানা গিয়েছে, পার্থর একাধিক ফিক্সড ডিপোজিট, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ রয়েছে। নিউটাউনের এক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ২৮ লক্ষ টাকার এফডি। এছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাঙ্কে ১০ লক্ষ, ২০ লক্ষ ও ২৫ লক্ষ টাকার একাধিক ফিক্সড ডিপোজিট। এমনকি শ্বশুরবাড়ির নথি ব্যবহার করেও খুলেছেন ৫-৬টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, যেখানে রাখা রয়েছে কোটি টাকার লেনদেন।কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় রয়েছে ৬টি ফ্ল্যাট, বোলপুরে ৩৬ লক্ষ টাকার বাংলো, স্ত্রীর নামে একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানি, আর ব্যাঙ্ক লকারে ৭৩৪.৮৫ গ্রাম সোনা। শুধু তাই নয়, জীবনবিমা, বিদেশযাত্রা এবং বিলাসবহুল জীবনযাপন সবই মিলে তাঁর আয়-সম্পত্তির হিসাবে ফাঁকফোকর চোখে পড়ার মতো।দুর্নীতি দমন শাখা সূত্রে খবর, এই বিপুল সম্পত্তির উৎস নিয়ে প্রথম থেকেই সন্দেহ ছিল। সেই সূত্রে ২০২৩ সালে পার্থর বাড়িতে হানা দেয় তদন্তকারীরা। প্রায় দুই বছর ধরে চলা তদন্তের পর অবশেষে শুক্রবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন একটাই এই বিপুল টাকা এল কোথা থেকে? কোনও বেআইনি কার্যকলাপ, কমিশন বা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কি তিনি? এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা।কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম আগেই জানিয়েছিলেন, পুরসভার কোনও কর্মী দুর্নীতিতে যুক্ত হলে রেয়াত করা হবে না। তাই পার্থ চোঙদারের বিরুদ্ধে এবার স্পষ্ট জিরো টলারেন্স নীতি-তেই এগোচ্ছে প্রশাসন। শনিবার আদালতে তোলা হয়েছে ধৃত ইঞ্জিনিয়ারকে।পুরসভা মহলে এখন গুঞ্জন এক পার্থ ধরা পড়েছে, কিন্তু আরও কতজন এখনো রয়ে গিয়েছেন অন্ধকারে? তদন্তের জালে আরও বড় নাম জড়াতে পারে বলেই অনুমান করছে ওয়াকিবহাল মহল।

নভেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

রঙ্গোলিতে রঙের জাদু! অভিষেকের জন্মদিনে বিশ্বরেকর্ডের পথে তৃণমূল

আজ তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। আর এই দিনটিকে ঘিরে রাজ্যজুড়ে যেন উৎসবের আবহ। কিন্তু এবারের জন্মদিনে যুব তৃণমূলের আয়োজন এমন এক অনন্য নজির গড়েছে, যা সরাসরি বিশ্বরেকর্ডের দৌড়ে।জানা গেছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে তৈরি করা হয়েছে ২০ হাজার স্কোয়ার ফিটের এক বিশাল থ্রিডি রঙ্গোলি। রঙে-তুলিতে তৈরি এই রঙ্গোলিটি যেন এক শিল্পমহাকাব্য যেখানে ফুটে উঠেছে অভিষেকের হাসিমুখ, দলের প্রতীক এবং তৃণমূলের অগ্রযাত্রার বার্তা। এই রঙ্গোলি এতটাই বিশাল যে, আকাশ থেকে তাকালেও পুরোটা একসঙ্গে দেখা যায় না।এখন পর্যন্ত দেশের সবচেয়ে বড় রঙ্গোলি তৈরি হয়েছিল মধ্যপ্রদেশে যার আয়তন ছিল ১৮ হাজার স্কোয়ার ফিট। সেই রেকর্ড এবার ভেঙে দিয়েছে যুব তৃণমূলের এই ২০ হাজার স্কোয়ার ফিটের সৃষ্টিকর্ম। ইতিমধ্যেই এই রঙ্গোলির সমস্ত তথ্য পাঠানো হয়েছে লিমকা বুক অব রেকর্ডস এবং গোল্ডেন বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর কাছে। স্বীকৃতির অপেক্ষায় এখন পুরো যুব তৃণমূল।প্রতি বছরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন ঘিরে তৃণমূল কর্মীদের উন্মাদনা চোখে পড়ার মতো হয়। শহর-শহরতলি থেকে জেলা, প্রত্যেক জায়গায় দিনভর চলে নানা সামাজিক কর্মসূচি কোথাও কেক কাটা, কোথাও বিশেষ পুজো, কোথাও রক্তদান শিবির। এবারও তার অন্যথা হয়নি। হাজার হাজার অনুরাগী ও কর্মী কলকাতায় এসে জড়ো হয়েছেন প্রিয় অভিষেকদা-কে শুভেচ্ছা জানাতে।দলের এক নেতা বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের প্রেরণা। তাঁর জন্মদিন মানে আমাদের কাছে উদযাপনের দিন, আশার দিন।রঙ্গোলির ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। নেটিজেনদের দাবি, এই সৃষ্টিই এবার বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নেবে। কেউ লিখেছেন এই রঙেই মিশে আছে তৃণমূলের লড়াই, অভিষেকের হাসি।

নভেম্বর ০৭, ২০২৫
বিদেশ

ফরাসি উপকূলে ভয়াবহ হামলা, আল্লাহ-এর নাম নিয়ে জনতার ওপর চালিয়ে দিল গাড়ি

ফের রক্তে ভেসে গেল ফ্রান্সের রাস্তা। বুধবার সকালে আটলান্টিক উপকূলে ওলেরন (Olron) শহরের শান্ত সকাল মুহূর্তে পরিণত হয় রণক্ষেত্রে। পথচারীদের ভিড়ের মধ্যে হঠাৎই বেপরোয়া গতিতে ঢুকে পড়ে একটি গাড়ি। মুহূর্তের মধ্যেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বহু মানুষ। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, গাড়িচালককে থামানোর চেষ্টা করা হলেও, তিনি ক্রমাগত চিৎকার করছিলেন আল্লাহু আকবর!এই ভয়ঙ্কর ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। রক্তাক্ত অবস্থায় আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, ৩৫ বছরের ওই চালক ওলেরনেরই বাসিন্দা। তাঁর নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি, তবে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে তিনি লা কোটিনিয়ে (La Cotinire) নামের এক ছোট মৎস্যগ্রামের বাসিন্দা। ঘটনাস্থলেই তাঁকে গ্রেপ্তার করে স্থানীয় পুলিশ। তাঁকে গ্রেপ্তারের সময়ও তিনি ধর্মীয় স্লোগান দিচ্ছিলেন বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছায় বিপুল পুলিশবাহিনী। উলটে যাওয়া গাড়ির ভেতর থেকে ধৃতকে উদ্ধার করার সময়ও তাঁকে ক্রমাগত চিৎকার করতে শোনা যায়। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এটি ইচ্ছাকৃত হামলা বলেই মনে হচ্ছে। তবে তাঁর সঙ্গে কোনও জঙ্গি সংগঠনের যোগ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ফরাসি প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তের অতীতে অপরাধমূলক রেকর্ড রয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো এবং মাদক সংক্রান্ত একাধিক অপরাধের জন্য আগে দুবার গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তাকে। ফলে এটি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি ধর্মীয় উন্মাদনায় প্ররোচিত পরিকল্পিত হামলা সেই প্রশ্নে এখন ফুঁসছে ফ্রান্স।ওলেরন ফ্রান্সের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত একটি ছোট দ্বীপ, যা সাধারণত পর্যটকদের প্রিয় গন্তব্য। সেই শান্ত শহরে সকালবেলায় এমন নৃশংস হামলায় চমকে গিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাস্থল ঘিরে কড়া নিরাপত্তা জারি করেছে পুলিশ। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

নভেম্বর ০৬, ২০২৫
দেশ

কাশ্মীরে আবারও পাক ষড়যন্ত্র! আইএসআই-র ছত্রছায়ায় তৈরি হচ্ছে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা

জম্মু-কাশ্মীরে ফের পাক মদতে জঙ্গি হামলার ছক! ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, লস্কর-ই-তৈবা এবং জৈশ-ই-মহম্মদ একসঙ্গে কাশ্মীরের মাটিতে হামলার পরিকল্পনা করছে। অপারেশন সিঁদুরের ছমাস পরই আবারও এমন নাশকতার গন্ধে উদ্বেগ বেড়েছে দিল্লি থেকে শ্রীনগর পর্যন্ত। গোয়েন্দারা আশঙ্কা করছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই হতে পারে ফিদায়েঁ হামলা।রিপোর্ট অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরেই সীমান্তে নজরদারি চালাচ্ছে পাক জঙ্গি সংগঠনগুলি। ড্রোন ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রণরেখার দুর্বল জায়গাগুলি চিহ্নিত করা হচ্ছে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তানের স্পেশাল সার্ভিসেস গ্রুপ (SSG) ও গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর প্রত্যক্ষ মদতেই সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশ ঘটেছে। অর্থাৎ, শুধু জঙ্গিরাই নয়, পাক সেনার একাংশও এই ষড়যন্ত্রে যুক্ত।সূত্রের খবর, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নতুন করে মোতায়েন করা হয়েছে বর্ডার অ্যাকশন টিম (BAT)। এই ব্যাট বাহিনী সাধারণত জঙ্গিদের সীমান্তে গাইড করার কাজ করে এবং ভারতের সেনাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। গোয়েন্দারা মনে করছেন, এই বাহিনীর উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে কাশ্মীরে ফের বড় আকারের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান।রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে ইসলামাবাদে একটি গোপন বৈঠক হয়, যেখানে আইএসআই এবং পাক সেনার উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানেই নেওয়া হয় অপারেশন সিঁদুরের প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত। সেই বৈঠকেই নির্ধারিত হয় নতুন করে সীমান্তে জঙ্গি অনুপ্রবেশের রূপরেখা।প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারান ২৬ জন পর্যটক। সেই ঘটনার পরই ভারতীয় সেনা চালায় অপারেশন সিঁদুর, যেখানে একাধিক পাক জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়। পাকিস্তান সেই সময় আন্তর্জাতিক মঞ্চে মুখ পুড়িয়ে ফেললেও, এখন আবার প্রতিশোধের নেশায় নাশকতার নতুন ছক কষছে বলে মনে করছে ভারতের গোয়েন্দারা।ইতিমধ্যে জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে। সেনাবাহিনী সীমান্তবর্তী সব এলাকা ও দুর্গম উপত্যকায় টহল বাড়িয়েছে। নিয়ন্ত্রণরেখায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত ব্যাটালিয়ন, বাড়ানো হয়েছে ড্রোন নজরদারি ও থার্মাল সেন্সর সিস্টেম। সেনা সূত্রে খবর, প্রতিটি ঘাঁটি ও বাঙ্কারে দেওয়া হয়েছে উচ্চ সতর্কতার নির্দেশ।ভারতের প্রতিরক্ষা মহল মনে করছে, পাকিস্তান অপারেশন সিঁদুরের পর কূটনৈতিকভাবে চাপে পড়েছিল, তাই এখন তারা জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ব্যবহার করে প্রক্সি যুদ্ধ চালাতে চাইছে। এই হামলার মূল লক্ষ্য হবে সেনা কনভয়, পর্যটক বাস, অথবা সীমান্তের কোনও ফরওয়ার্ড পোস্ট।এক প্রবীণ প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ বলেছেন, লস্কর ও জৈশ এখন একত্রে কাজ করছে। তাদের হাতে নতুন ড্রোন, আমেরিকান রাইফেল এবং পাকিস্তানের সেনা প্রশিক্ষিত জঙ্গিরা রয়েছে। এটি শুধু সীমান্ত নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়, ভারতের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নও।সব মিলিয়ে জম্মু-কাশ্মীর আবারও রণক্ষেত্রের মুখে দাঁড়িয়ে। অপারেশন সিঁদুরের পর শান্তি ফিরছিল উপত্যকায়, কিন্তু পাক মদতে এই নতুন ষড়যন্ত্র ফের অশান্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে। সেনা ও গোয়েন্দারা এখন সময়ের বিরুদ্ধে লড়ছেন, যাতে কাশ্মীরের আকাশে আর কোনও কালো ছায়া না নামে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৫
কলকাতা

BLO-দের জন্য বড় খবর— এবার থেকে পূর্ণসময়ের কাজ, শিক্ষকরা কি আর স্কুলে ফিরবেন না?

নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ BLO মানে ফুল-টাইম কাজই করতে হবে। কোনও দ্বিধা, সন্দেহ, অস্পষ্টতা আর নেই। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবু অনেকেই ভাবছিলেন, দিনের এক ভাগ ভোটার তালিকার কাজ করে পরে আগের দপ্তরে ফিরতে হবে কিনা। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন ফের জানিয়ে দিয়েছে BLO-দের দায়িত্ব সম্পূর্ণ সময়ের জন্যই।জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যেই এই নির্দেশিকা মাঠপর্যায়ে পাঠিয়ে দিয়েছে। ফলে আপাতত শিক্ষক-বিএলওরা ধরেই নিচ্ছেন, স্কুলে তাদের এখন যাওয়া লাগবে না। কারণ কমিশন খুব পরিষ্কার করে দিচ্ছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের এই সময়ে BLO-দের একটাই কাজ SIR-এর দায়িত্ব পূর্ণ সময় পালন করা। অন্য কোনও কাজ নয়।যদিও বিহার প্রশাসন তাদের BLO-দের ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছিল। কিন্তু বাংলা এখনও মুখ্যসচিবের কোনও আলাদা নির্দেশ পায়নি। তাই শিক্ষক সমাজের এক বড় অংশ বলছে, কমিশনের নির্দেশই যথেষ্ট আপাতত ক্লাসে ফিরতে হবে না। কিন্তু তাতে নতুন সমস্যা SIR কালে প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার হাজার স্কুলে শিক্ষক ফাঁকা হয়ে পড়ার আশঙ্কা। শিক্ষা দফতরেরই মাথাব্যথা বেড়েছে।রাজ্যের যুগ্ম সিইও অরিন্দম নিয়োগী জানিয়েছেন, ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত SIR পুরোপুরি ফুলটাইম কাজ হিসেবেই ধরা হবে। সেইমতো সব জেলা নির্বাচন আধিকারিক ও EROদেরকে ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে SIR। আর প্রথম দিনেই বিভ্রান্তি চরমে ওঠে BLO-দের মধ্যে। অনেকেই ফর্ম পাননি, কারও হাতে দেওয়া হয়েছে একটির বদলে মাত্র এক কপি, কারও আই-কার্ডই নেই এমন অভিযোগও ওঠে।সবে শুরু হল কাজ, কিন্তু তার আগেই বিতর্ক, বিভ্রান্তি, আর নির্দেশাবলীর ঢল। মাঠে নামা BLO-রা বলছেন বুঝে উঠতেই দিন শেষ! তবে কমিশন চূড়ান্ত করে দিল দুই নৌকোয় পা নয়, আপাতত শুধু ভোটার তালিকাই।

নভেম্বর ০৫, ২০২৫
কলকাতা

ভাইফোঁটা যাওয়া কি বৃথা যায়? শেষমেশ মমতার ঘরেই ফিরলেন শোভন

দীর্ঘ সাত বছর পর আবার নিজের পুরনো দলে ফিরলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও তৃণমূলের একসময়ের গুরুত্বপূর্ণ মুখ শোভন চট্টোপাধ্যায়। সঙ্গে ফিরলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ সঙ্গী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৯ সালের ১৮ অগস্টসেই দিন বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিয়েছিলেন শোভন। আজ, ৭ বছর পর, ঠিক উল্টোপথে হাঁটলেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ নিয়েই তৃণমূল ভবনে ঢুকলেন শোভন-বৈশাখী জুটি।ভবনে ঢোকার মুখে শোভনের গলায় শোনা গেল আবেগ, মমতাদির আশীর্বাদ নিয়ে আজ ফিরে এলাম। এটা আমার নিজের ঘর। যোগদানের পর সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট বলেন, এটা আমার নিজের সংসার। ঘরের ছেলে হিসেবে ফিরলাম। তৃণমূল কংগ্রেসকে আবার শক্তিশালী করব। বক্সীদা আমার ভাই, অপরূপ আমার বন্ধুওদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। যা দায়িত্ব দেবেন, নিষ্ঠা নিয়ে পালন করব।আজকের এই অনুষ্ঠান একেবারে আবেগে ভরপুর। উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী ও মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। অরূপ বলেন, ঘরের ছেলে ঘরে ফিরছে। আজ থেকে আবার মাঠে নেমে কাজ শুরু করবেন। সুব্রতবাবুও জানিয়ে দিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে শোভন ফিরছেন। বৈশাখীকেও বিশেষভাবে স্বাগত জানানো হয়।রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছেনির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে শোভনের প্রত্যাবর্তন নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। তৃণমূল সরকারের প্রথম দুদশকে কলকাতার উন্নয়নের অন্যতম মুখ ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন মেয়রের দায়িত্ব সামলেছেন, মন্ত্রিসভায় থেকেছেন। কিন্তু ২০১৮ সালে আচমকা সব পদ ছেড়ে দেন। এর পর বিজেপিতে যোগ দেন মুকুল রায়ের হাত ধরে। কিন্তু খুব বেশি দিন গেরুয়া শিবিরে সক্রিয় ছিলেন না তিনি।মজার বিষয়, তৃণমূল ছাড়লেও মমতার বাড়িতে ভাইফোঁটা নিতে প্রায় প্রতি বছরই গিয়েছেন শোভন। সেই সম্পর্কের সূত্রই যেন এবার তাঁকে ফিরিয়ে আনল ঘরের উঠোনে। সম্প্রতি এনকেডিএ-র চেয়ারম্যান পদ পাওয়ার পরই তাঁর ফেরার ইঙ্গিত মিলছিল। আজ সেটাই আনুষ্ঠানিক হল।রাজনীতির অন্দরে এখন চাপা গুঞ্জনশোভন কি আবার কলকাতা পুরসভা কিংবা শহর রাজনীতিতে বড় ভূমিকা নিতে চলেছেন? ভোটের আগে তাঁর এই প্রত্যাবর্তন কি তৃণমূলের বড় চমক? সময়ই বলবে। তবে আজ তৃণমূল ভবনে তাঁর হাসিমুখে যেন স্পষ্ট লেখাঘরের ছেলেকে ঘর ডেকেছে, আর সে ফিরেছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৫
রাজ্য

'চা হাতে হাঁটছিলেন, হঠাৎ পড়ে গেলেন'—এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যু কি সত্যিই? রহস্য বাড়ছে

এসআইআর নিয়ে রাজ্যে ফের মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্য। আগরপাড়া, ইলামবাজার ও পূর্ব বর্ধমানের পর এবার ডানকুনিএকই আতঙ্কের ছবি উঠে এল। ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন, অর্থাৎ এসআইআরএর ভয়েই হৃদরোগে মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। যদিও বিজেপি পুরো অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে, বলেছেশাসকদলের রাজনৈতিক নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়।মৃতের নাম হাসিনা বেগম, বয়স ৬০। হুগলির ডানকুনি পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হলেও বয়সের কারণে মেয়ের বাড়িতে থাকতেন, ডানকুনিরই ২০ নম্বর ওয়ার্ডে। স্থানীয়দের দাবি, কয়েকদিন ধরেই এসআইআর নিয়ে প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলেন তিনি। তিন দিন আগে এলাকায় এ নিয়ে সচেতনতা বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকেও গিয়েছিলেন হাসিনা। কিন্তু বৈঠকের পরেও উদ্বেগ যেন কমেনি, বরং বাড়তেই থাকে।রবিবার সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। চা হাতে নিয়ে হাঁটছিলেন, এমন সময় মাঝরাস্তায় মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়েন। আশপাশের লোকজন তাকে ধরে বাড়িতে নিয়ে যান। কিন্তু তখনই তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।সোমবার সকালে মৃতার বাড়িতে পৌঁছন ডানকুনি পুরসভার চেয়ারপার্সন হাসিনা শবনম। তাঁর দাবি, হাসিনার নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় না থাকায় ভয় আরও বাড়ে। সেই আতঙ্কই শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যুর কারণ। তিনি বলেন, মানুষের মনে ভয় ঢুকে যাচ্ছে। আমরা বোঝানোর চেষ্টা করছি, কিন্তু আর কত প্রাণ যাবে? পাশের বাড়ির এক মহিলাও নাকি একই আতঙ্কে হৃৎরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ, এমনটাই দাবি শবনমের।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও বলেন, চাপ নিতে না পেরে মৃত্যু। তালিকায় নাম না থাকা নিয়ে উদ্বেগে ছিলেন। বারবার অসুস্থ হচ্ছিলেন, শেষে হার্ট অ্যাটাক।অন্যদিকে বিজেপি নেতাদের দাবি, এসব নিছক রাজনৈতিক চক্রান্ত। বিরোধী নেতা দেবাশীষ মুখোপাধ্যায় বলেন, এসআইআর নিয়ে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল। ২০০২ সালে মমতা নিজেই এ প্রকল্পকে সমর্থন করেছিলেন। এখন রাজনীতি করছেন।এসআইআর নিয়ে রাজনীতির পারদ চড়ছে। সরকারি তালিকা নিয়ে মানুষের ভয় বাড়ছে না কি রাজনৈতিক লাভের হিসেবএই প্রশ্ন এখন ছড়িয়ে পড়ছে সাধারণের মধ্যেও।

নভেম্বর ০৩, ২০২৫
দেশ

"অপারেশন সিঁদুর ভুলতে পারেনি পাকিস্তান-কংগ্রেস", নতুন করে বিস্ফোরক মন্তব্য মোদির

বিহারের আরায়ায় রবিবার নির্বাচনী প্রচারে এসে কংগ্রেস ও আরজেডিকে একযোগে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে এল জাতীয় নিরাপত্তা, কাশ্মীর, এবং অতীতের রাজনৈতিক সহিংসতার প্রসঙ্গ।মোদি বলেন, অপারেশন সিঁদুরের পর থেকে পাকিস্তান ও কংগ্রেসদুই পক্ষই এখনও ধাক্কা সামলাতে পারেনি। পাকিস্তানে বিস্ফোরণের সময় কংগ্রেসের রাজপরিবারর ঘুম নষ্ট হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর মন্তব্যআমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সন্ত্রাসীদের ঘরে ঢুকে মারব। অপারেশন সিঁদুর সেই অঙ্গীকার পূরণ করেছে। সঙ্গে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন মোদি। বলেন, এটি তাঁর গ্যারান্টি ছিল এবং আজ তা বাস্তব।বিহার রাজনীতিতে মহাগঠবন্ধনের দিকে কটাক্ষ ছুঁড়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস কখনওই তেজস্বী যাদবকে মুখ্যমন্ত্রী মুখ করতে চাইনি। কিন্তু আরজেডির চাপেই কংগ্রেসকে রাজি হতে হয়েছে। তাঁর ভাষায়আরজেডি বন্দুক ঠেকিয়ে কংগ্রেসকে সিএম প্রার্থী ঘোষণা করাতে বাধ্য করেছে।মোদি দাবি করেন, কংগ্রেস-আরজেডির মধ্যে গভীর বিরোধ আছে, এবং নির্বাচন শেষে তারা পরস্পরকে দোষারোপ করবে। তাই তাঁদের উপর আস্থা রাখা যায় না। মহাগঠবন্ধনের ইস্তেহারকে তিনি মিথ্যার আর প্রতারণার দলিল আখ্যা দেন। এনডিএর ঘোষণাপত্রকে বলেন সত্ ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, যা বিহারের উন্নয়নের জন্য তৈরি।এদিন ১৯৮৪র শিখবিরোধী দাঙ্গার কথাও টেনে আনেন মোদি। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস আজও সেই সময়ের দোষীদের সম্মান দিচ্ছে। তিনি বলেনআরজেডির নাম জঙ্গলরাজের সঙ্গে জড়িত, আর কংগ্রেসের পরিচয় শিখ গণহত্যার সঙ্গে। বিহার ভোটমাঠে শেষ দফা প্রচারে তাই তীব্র হচ্ছে ভাষার লড়াই। একদিকে এনডিএর উন্নয়নের দাবি, অন্যদিকে পরিবর্তনের ডাকদুই পক্ষের জোর প্রচারের মধ্যেই প্রস্তুতি নিচ্ছে ভোটযুদ্ধের ময়দান।

নভেম্বর ০২, ২০২৫
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে ফের মুখ্যমন্ত্রী, নাগরাকাটায় নিহতদের পরিবারের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র ও ক্ষতিপূরণ

ফের উত্তরবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নাগরাকাটায় গিয়ে দুর্যোগ বিধ্বস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ালেন তিনি। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মৃতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে হোমগার্ড পদে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী এদিন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের তদারকি করেন এবং দুর্গত এলাকার মানুষদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, যাদের ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে, রাজ্য সরকার তাদের ঘর নতুন করে তৈরি করে দেবে। কেউ একা নয়, সরকার আপনাদের পাশে আছে। দুর্যোগের পর এর আগেও একাধিকবার উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার ফের তিনি নাগরাকাটা, দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়ির ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলি পরিদর্শনে যান। প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও পুনর্গঠন কর্মসূচির অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন তিনি।দুর্গাপুজো শেষ হতেই প্রকৃতির ভয়াল রোষে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা। বিশেষ করে দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় ব্যাপক ভূমিধস ও বৃষ্টিপাতে বহু ঘরবাড়ি ধসে পড়ে। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিপুল। সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি দার্জিলিঙের মিরিকে, যেখানে একাধিক জায়গায় ধস নেমে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।রাজ্য সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, প্রকৃতির রোষে আমরা হার মেনে যাব না, মানুষকে নিরাপদ রাখতে যা যা করার দরকার, রাজ্য সরকার তাই করবে। দুর্যোগের পর পরই রাজ্য প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা এবং মুখ্যমন্ত্রীর পরিদর্শন উত্তরবঙ্গের দুর্গত মানুষের মনে কিছুটা হলেও আশার সঞ্চার করেছে।

অক্টোবর ১৪, ২০২৫
বিদেশ

গাজা শান্তি সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধি কীর্তি বর্ধন সিং

মিশরের শর্ম-এল-শেখে সোমবার অনুষ্ঠিত হতে চলেছে গাজা শান্তি সম্মেলন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ দূত হিসেবে ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করবেন কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ এল-সিসি শেষ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ জানান। তবে মোদি নিজে অংশ না নিয়ে প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রীকে।এই সম্মেলনে অংশ নেবেন আরও বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতা জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমমানুয়েল মাক্রোঁ, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদরো স্যাঞ্চেজ এবং জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।কূটনৈতিক মহল মনে করছে, গাজা উপত্যকার সংঘাত পরিস্থিতি নিয়ে এই বৈঠকে আন্তর্জাতিক পরিসরে শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার রূপরেখা তৈরি হতে পারে। উল্লেখ্য গাজায় আপাতত যুদ্ধবিরতি চলছে।

অক্টোবর ১২, ২০২৫
রাজনীতি

একদল কার্যকর্তা নিয়ে ওড়িশা গেলেন দিলীপ ঘোষ, কি জন্য ছুটলেন সেখানে.......

এখনও বঙ্গ বিজেপির কাছে ব্রাত্য দিলীপ ঘোষ। অন্য দলে যোগ না দিলেও বিজেপির কোনও কার্যক্রমেই দেখা মিলছে না বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতির। দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দূরত্ব কমার কোনও লক্ষণ এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি। এরইমধ্যে একদল দলীয় কার্যকর্তা নিয়ে ওড়িশা গেলেন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু কেন ছুটলেন ওড়িশা?The Bengal Files এরাজ্যে কোনও প্রেক্ষাগৃহেই রিলিজ হয়নি। দেশের অন্যত্র এই বিতর্কিত সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। এবার পাশের বিজেপি শাসিত রাজ্য ওড়িশায় বেঙ্গল ফাইলস দেখতে গিয়েছেন প্রাক্তন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি একা নন, তাঁর সঙ্গে গিয়েছেন বিজেপির ৫৫ জন কার্যকর্তা। বৃহস্পতিবার এরা দলবল মিলে খড়গপুর থেকে ট্রেনে চেপেছেন। উদ্দেশ্য ওড়িশায় গিয়ে বেঙ্গল ফাইলস সিনেমা দেখা। বেঙ্গল ফাইল সিনেমার সার্বিক বিরোধিতা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এমনকী সিনেমার মুখ্য চরিত্র গোপাল মুখোপাধ্যায়ের পরিবারও সিনেমাটির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। ঘটনা বিকৃত করার অভিযোগে পরিচালকের বিরুদ্ধে এফআইআর পর্যন্ত করেছেন তাঁর নাতি শান্তনু মুখোপাধ্যায়। ১৯৪৬ সালের আগস্ট মাসে কলকাতার হিংসাত্মক পরিস্থিতি ও সেই সঙ্গে গোপাল মুখার্জি (গোপাল পাঠা)-র ভূমিকা রয়েছে এই হিন্দি ছবিতে। ছবিটির পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। এরাজ্যে ব্যান করা না হলেও তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধিতার জন্য় বাংলার কোথাও এই সিনেমা মুক্তি পায়নি। এমনকী The Bengal Files ট্রেলার লঞ্চেও কলকাতায় তুমুল গন্ডগোল হয়েছিল। এরাজ্যে মুক্তি না পাওয়ায় বেঙ্গল ফাইলস দেখতে ওড়িশায় গেলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ।ওড়িশা যাওয়ার পথে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, সারা ভারতে রিলিজ হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখানে The Bengal Files রিলিজ হতে দেয়নি। রাজ্য সরকারের যে স্বৈরাচারী নীতি নিয়েছে তার প্রতিবাদে আমরা বালেশ্বর যাচ্ছি বেঙ্গল ফাইলস সিনেমাটি দেখার জন্য। তাঁর দাবি, রাজ্য সরকার সত্যকে ভয় পায়। বাঙালির সঙ্গে স্বাধীনতার আগে ও পরে কী হয়েছে, এখনও কী চলছে মানুষ যাতে সেটা জানতে না পারে তাই বেঙ্গল ফাইলস রিলিজ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ...
  • 128
  • 129
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভো-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal