মেষ/ARIES: বঞ্চনায় হতাশা আসতে পারে।বৃষ/TAURUS: গবেষণায় বিঘ্ন ঘটতে পারে।মিথুন/GEMINI: প্রতারিত হতে পারেন।কর্কট/CANCER: মানসিক শান্তি পেতে পারেন।সিংহ/LEO: প্রলোভনে ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: দ্বি-মুখী আয় হতে পারে।তুলা/ LIBRA: আশাতীত লাভ হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: মনোমালিন্য হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: আগুন থেকে বিপদ হতে পারে।মকর/CAPRICORN: আঘাত পেতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: ব্যবসায় সাফল্য আসতে পারে।মীন/ PISCES: নৈতিক জয় হতে পারে।
দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ডহারবার মডেল নিয়ে প্রকাশ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসে বিরোধ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। সোশাল মিডিয়ায় দলের সাধারণ সম্পাদকের হয়ে গলা ফাটাতে শুরু করেছেন যুবনেতারা। তৃণমূলের রাজ্য যুব নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের পর এবার তৃণমূল যুবর রাজ্য সহসভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় আই সাপোর্ট ডায়মন্ডহারবার মডেল লিখে ফেসবুক পোষ্ট করেছেন। ওই পোস্টে ইঙ্গিতে এক সাংসদের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাবও দিয়েছেন শান্তনুবাবু।করোনা নিয়ে অভিষেকের কিছু ঘোষণা নিয়ে রাজনৈতিক মহল তোলপাড়। বিরোধীরা তা নিয়ে ইতিমধ্যে সমালোচনা করেছেন। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেছেন, দলে থেকে ভালো সাজার চেষ্টা হচ্ছে। সিপিএমের বক্তব্য, এখন করোনা মোকাবিলায় ২ মাস রাজনৈতিক, ধর্মীয় সভা-সমাবেশ বন্ধ করার কথা বলছেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। কিন্তু ডায়মন্ডহারবারের এমপি কাপে ভিড়ের কথা কী ভুলে গিয়েছেন তিনি। তাছাড়া পুরভোট বন্ধ নিয়ে এখনও রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। এদিকে শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেকের বক্তব্য নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্ক বাড়িয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য কখনও ব্যক্তিগত হয় না। এটা একপ্রকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতা করা। তবে রাজনৈতিক মহল তৃণমূল কংগ্রেসের এসব কান্ডকে এখনই গুরুত্ব দিতে নারাজ। এটা আদি-নব্য মতানৈক্য নাকি দলের রণকৌশল তা নিয়ে জল্পনা চলছে। সময় এর জবাব দিয়ে দেবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এদিকে রাজ্য তৃণমূল যুব নেতা তথা হুগলি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্য়ায় তাঁর ফেস বুক পোস্টে সরাসরি অভিষেকের ডায়মন্ডহারবার মডেলকে সমর্থন করেছেন। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন-#I_Support_Diamond_Harbour_Modelরাজনীতি তে মানুষই শেষ কথা বলে।মমতা ব্যানার্জীর আদর্শে এবং তাঁর দেখানো পথে মানুষের পাশে অভিষেক ব্যানার্জী ছিল, আছে আর থাকবে। মানুষ এর আশীর্বাদ সাথে থাকলে কোনো অ-কল্যান কামি শক্তি কিছু করতে পারে না।মমতা ব্যানার্জী জিন্দাবাদ।।অভিষেক ব্যানার্জী জিন্দাবাদ।।#তফাৎছিল তফাৎআছে তফাৎ_থাকবে ।।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নামে জয়ধ্বনী দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অ-কল্যান কামী শব্দটি নিয়েই রাজনৈতিক মহল তোলপাড়। কেন অকল্যান অ-কল্যান হল, তা নিয়েই গবেষণা চলছে তৃণমূলে। যদিও এনিয়ে কোনও ব্যাখ্যা দেননি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। তাছাড়া তফাৎ কার সঙ্গে কার তা নিয়েও গুঞ্জন অব্যাহত।
রাজ্যে বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণের হার। টানা তিন দিন বাড়ল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সংক্রমিতের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ২৩ হাজার। বাড়ল পজিটিভিটি রেট, এদিন মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৩,৪৬৭। এদিন পজিটিভিটি রেট বেড়ে হয়েছে ৩২.১৩। গতকাল এই রেট ছিল ৩০.৮৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের। গতকাল এই সংখ্যা ছিল ২২।পিজিটিভি রেট বৃদ্ধি চিন্তায় রাখলো বাংলাকে। মঙ্গলবার পজিটিভিটি রেট ছিল ৩২.৩৫ শতাংশ। গতকাল এই হার কিছুটা কমেছিল। এদিন তা বেড়ে যাওয়ায় ফের রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৮,১৩৯জন। কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যাও কিছুটা কমেছে। বেড়েছে অন্য কয়েকটি জেলায়। এদিন পর্যন্ত মোট হোম আইসোলেশনে আছেন ১,২৭,৭৮৯জন। হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩৫২৫। ২৩৯ জন আছেন সেফ হোমে।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৬,৭৬৮উত্তর ২৪ পরগনা ৪,৭২৮হাওড়া ১,২৮৯পশ্চিম বর্ধমান ১,২৬১হুগলি ১,৩৩৫দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,৩৪৯বীরভূম ৮৯৫পূর্ব বর্ধমান ৮৬১নদিয়া ৭০৮মালদা ৫৪৮মুর্শিদাবাদ ৫৭৬পশ্চিম মেদিনীপুর ৫৯০পুরুলিয়া ২৭২দার্জিলিং ৪৬২বাঁকুড়া ৪৪২জলপাইগুড়ি ২৪৮উত্তর দিনাজপুর ২৩৬পূর্ব মেদিনীপুর ৩০০ঝাড়গ্রাম ১১৫দক্ষিণ দিনাজপুর ২৬৭কোচবিহার ১২৮আলিপুরদুয়ার ৭৬কালিম্পং ১৩
দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে কেপ টাউনে কি আদৌও ইতিহাস তৈরি করতে পারবে ভারত? তবে দুই দেশের তৃতীয় টেস্ট যে উত্তেজক পরিসমাপ্তির দিকে এগোচ্ছে, সেকথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। জয়ের জন্য ২১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা তুলেছে ১০১/২। জয়ের জন্য প্রয়োজন আরও ১১১ রান। আর ইতিহাস তৈরি করতে গেলে ভারতকে তুলতে হবে ৮ উইকেট। পেন্ডুলামের মতো দুলছে ম্যাচের ভাগ্য। তৃতীয় টেস্টে ভারতকে লড়াইয়ে ফেরানোর কৃতিত্ব দাবি করতেই পারেন ঋষভ পন্থ। জোহানেসবার্গে তাঁর আউট হওয়ার ধরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। অনেক সমালোচনা হজম করতে হয়েছিল ঋষভকে। এদিন দায়িত্বশীল ব্যাটিং। ১৩৯ বলে অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংস খেলে দলকে লড়াইয়ের প্ল্যাটফর্ম এনে দেন ভারতের এই উইকেটকিপারব্যাটার। দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতের সংগ্রহ ১৯৮। তার মধ্যে ঋষভের একারই ১০০। বাকি ৯ ব্যাটার মিলে তোলেন ৭০। শ্রীযুক্ত অতিরিক্তর দৌলতে আসে ২৮। তিনিই ভারতীয় ইনিংসের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ১৪৩ বল খেলে তিনি করেন ২৯। আগের দিনের ৫৭/২ রান হাতে নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। দিনের দ্বিতীয় ওভারেই জানসেনের বলে ফিরে যান পুজারা (৯)। পরের ওভারেই রাবাডা তুলে নেন রাহানেকে (১)। এরপর ভারতকে টেনে নিয়ে যান বিরাট কোহলি ও ঋষভ পন্থ। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় ভারতের রান ছিল ১৩০/৪। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির কিছুক্ষণ পর কোহলি (২৯) আউট হতেই ধস নামে ভারতীয় শিবিরে। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ঋষভ। টেল এন্ডারদের সঙ্গে নিয়ে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস। মার্কো জানসেন ৩৬ রানে ৪টি, রাবাডা ৫৩ রানে ও এনগিডি ৩৩ রানে ৩ টি করে উইকেট নেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে ভারত এগিয়ে যায় ২১১ রানে। জয়ের জন্য ২১২ রানে লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে অষ্টম ওভারেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এইডেন মার্করামকে (১৬) তুলে নেন মহম্মদ সামি। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকাকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ডিন এলগার ও কিগান পিটারসেন। দুজনে মিলে ৭৮ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। এলগারকে (৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন বুমরা। এলগার আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দিনের খেলার পরিসমাপ্তি ঘটে। কিগান পিটারসেন ৪৮ রান করে ক্রিজে রয়েছেন।
ফের একবার এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়ল করোনা সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৪৭ হাজার জন। গতকালই এই সংখ্যাটি ছিল ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭২০। অর্থাৎ একদিনেই ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে দৈনিক সংক্রমণে। বর্তমানে দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ৬৩ লাখে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৪৭ হাজার ৪১৭ জন। গতকালই এই সংখ্যাটি ছিল ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭২০, অর্থাৎ একদিনেই ৫০ হাজারের বেশি আক্রান্তের সংখ্যায় বৃদ্ধি হয়েছে। বিগত আট মাস বাদে এই প্রথম দৈনিক সংক্রমণ দুই লাখের গণ্ডি পার করল। দেশে বেড়েছে দৈনিক মৃতের সংখ্যাও, গত ২৪ ঘণ্টাতেই করোনা সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৩৮০ জনের।গত কয়েক দিন ধরেই দেশে দৈনিক সংক্রমণের হার ১০ শতাংশ ছাড়াচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তা পৌঁছে গিয়েছে ১৩.১১ শতাংশে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য জানাচ্ছে, গত এক সপ্তাহ ধরে দেশের ২৯টি রাজ্যের অন্তত ১২০টি জেলায় সংক্রমণের হার রয়েছে ১০ শতাংশের বেশি। সেই সঙ্গে বাড়ছে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪৮৮ জন।
মেষ/ARIES: অহেতুক চিন্তা করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: মানসিক পরিবর্তন হতে পারে।মিথুন/GEMINI: শেয়ার ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।কর্কট/CANCER: প্রশিক্ষণে সাফল্য লাভ করতে পারেন।সিংহ/LEO: হজমের গণ্ডগোল হতে পারে।কন্যা/VIRGO: শরিকি দ্বন্দ্ব হতে পারে।তুলা/ LIBRA: শুভ প্রয়াস করতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: দৈহিক দুর্বলতা হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: রত্নধারণে ধনলাভ করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: কর্ম পরিবর্তন করতে পারেন। কুম্ভ/AQUARIUS: বন্ধু বিরোধ হতে পারে।মীন/ PISCES: দায়িত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে।
করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে চলেছে রাজ্য। বুধবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী রাজ্যে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ২২,১৫৫। মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। গতকাল, মঙ্গলবার এই সংখ্যা ছিল ২১,০৯৮। এদিন মোট পরীক্ষা হয়েছে ৭১,৭৯২ জনের। কলকাতায় ফের সংক্রমণ বেড়েছে গতকালের তুলনায় প্রায় পাঁচশো। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্য়া ১৮,১৭,৫৮৫। ক্রমশ বাড়ছিল পজিটিভিট রেট। এদিন কিছুটা কমেছে পজিটিভিটি রেট, ছিল ৩০.৮৬ শতাংশ। পজেটিভিটি রেট বৃদ্ধি চিন্তায় ফেলেছিল রাজ্যকে। মঙ্গলবার পজিটিভিটি রেট ছিল ৩২.৩৫ শতাংশ। এই হার কমায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে স্বাস্থ্য দফতরের। একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৮,১১৭জন। কলকাতায় এদিনও আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজার পেরিয়েছে। এছাড়া বেশ কিছু জেলায় সংক্রমণ বেড়েছে, কোথাও আবার একটু কমেছে। মোদ্দা কথা করোনার তৃতীয় ঢেউ এখনও শঙ্কায় রেখেছে রাজ্যবসীকে। এদিকে বাংলায় একাধিক শহরে আংশিক লকডাউন চলছে।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতাঃ ৭,০৬০উত্তর ২৪ পরগনাঃ ৪,৩২৬হাওড়াঃ ১,৪৬১পশ্চিম বর্ধমানঃ ১,০১০হুগলিঃ ১,১০৭দক্ষিণঃ ২৪ পরগনা ১,৪৬১বীরভূমঃ ৭০১পূর্ব বর্ধমানঃ ৭৭৮নদিয়াঃ ৬৩৫মালদাঃ ৫১৮মুর্শিদাবাদঃ ৪২১পশ্চিম মেদিনীপুরঃ ৩০৯পুরুলিয়াঃ ২৭৮দার্জিলিংঃ ৫০০বাঁকুড়াঃ ৩৭০জলপাইগুড়িঃ ২৫৫উত্তর দিনাজপুরঃ ১৭৫পূর্ব মেদিনীপুরঃ ২৪১ঝাড়গ্রামঃ ২৯৫দক্ষিণ দিনাজপুর ১৪১কোচবিহারঃ ৮৬আলিপুরদুয়ারঃ ৭৮কালিম্পংঃ ৫১
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহ করতে নাজেহাল হয়েছিল দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্য।সাম্প্রতিক কোভিড স্ফীতিতে সংক্রমণের তুলনায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার অনুপাত কিছুটা কম। তবে এই পরিসংখ্যান বাড়তে পারে ধরে নিয়ে রাজ্যগুলিকে এখন থেকেই প্রস্তুত হতে বলল কেন্দ্র। বর্তমান পরিস্থিতিতে, কীভাবে করোনা মোকাবিলা করা যায় তা নিয়ে আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। তার ২৪ ঘণ্টা আগেই সব রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলকে অক্সিজেনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে চিঠি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ।দুই পাতার সেই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রত্যেক রাজ্যের কাছে এই আবেদন করা হচ্ছে, যাতে কমপক্ষে আগামী ৪৮ ঘণ্টা সময় ধরে অতিরিক্ত অক্সিজেন সরবরাহের সুবিধা থাকে। পাশাপাশি, যথাযথ পরিমাণে অক্সিজেন সিলিন্ডারের যোগান, পিএসএ প্লান্ট তৈরি, অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর-সহ উপযুক্ত পরিষেবার ব্যবস্থা যাতে থাকে সেদিকে কড়া নজর দিতে বলা হয়েছে। সমস্ত তথ্য তুলে দিতে বলা হয়েছে কেন্দ্রকে। প্রয়োজনে তাহলে সমস্ত রাজ্যকেই মেডিক্যাল অক্সিজেন সরবরাহ করতে সহযোগিতা করবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।কিছুদিন আগেই পাঁচটি রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে একটি বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। পাশাপাশি ভোটমুখী রাজ্যগুলির কোভিড পরিস্থিতি কী তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায়, জেলাস্তরে বিশেষ নজর দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটালেন আমেরিকার এক দল চিকিৎসক। এক ঐতিহাসিক কান্ড করে বসলেন। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মানুষের শরীরে শূকরের হৃদয় (Genetically Modified Pig Heart) প্রতিস্থাপন করেছেন তাঁরা। ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড মেডিকেল সেন্টারের (University of Maryland Medical Center) হাসপাতাল কতৃপক্ষ সোমবার জানিয়েছেন যে, অস্ত্রপচারের তিন দিন পরেও রোগী জীবিত আছেন। অস্ত্রপচারের পর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, প্রতিস্থাপিত হার্ট রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দনকে স্বাভাবিক রাখার কাজ করছে।আরও পড়ুনঃ ভামিকার জন্মদিনে সেঞ্চুরি হাতছাড়া, রান পেলেও ব্যর্থ বাবা কোহলিপ্রায় আট ঘণ্টা ব্যাপী এই অস্ত্রপচারটি শেষ হয়েছে শুক্রবার। যদিও চিকিৎসকরা কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে অস্ত্রপচারের সময় লাগানো কৃত্রিম হার্ট ও ফুসফুসের বাইপাস মেসিন এখনো খোলেননি। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নতুন হার্ট-ই কাজ করছে, বিকল হওয়ার কোনও সম্ভবনা আপাতত তাঁরা দেখছেন না। চিকিৎসকরা আশা করছেন খুব শীঘ্র-ই দু-এক দিনের মধ্যে সাপোর্ট সিস্টেম খুলে স্বাভাবিক অবস্থায় রেখে দেবেন।আরও পড়ুনঃ বুধবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা, থাকবে মেঘলা আকাশ, মহানগরীর শীত উধাওমুখ্য শল্য চিকিৎসক ডঃ বার্টলে পি গ্রিফিথ জানিয়েছেন, আমরা খুব মনযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করছি পুরো পদ্ধতিটা এবং আমরা ভীষণ আশাবাদী যে সারা পৃথিবীর মানুষের জন্য একটা বিকল্প দিক খুলে দিতে পারব। যখন মানুষের অঙ্গ পাওয়া খুব-ই দুষ্কর ব্যাপার। তিনি আরও জানিয়েছে যে, এটা মনে রাখতে হবে, এর আগেও শূকরের কোষ, চামড়া, হার্টের ভাল্ব মানুষের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, কিন্তু অন্য জীবের পুর্নাঙ্গ অঙ্গ প্রতিস্থাপন সারা পৃথিবীতে এটাই প্রথমবার। এই ধরনের অস্ত্রপচার-কে বলে জেনোট্রান্সপ্লান্টেশন (Xenotransplantation)। করাচী অধিবাসী এক পাকিস্তানি চিকিৎসক ডঃ মহম্মদ মহিউদ্দিন এই অস্ত্রপচারে ডঃ বার্টলে পি গ্রিফিথকে মূল সহয়তা করেন।BREAKING; In a medical first, doctors transplanted a pig heart into a human in a last-ditch effort to save his life. A Maryland hospital says the patient is doing well three days after the highly experimental surgery. https://t.co/hAQcYbwaYl The Associated Press (@AP) January 10, 2022ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড মেডিকেল সেন্টার কতৃপক্ষ সোমবার জানিয়েছে, অত্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে অস্ত্রপচারের তিন দিন পরেও রোগীর স্বাস্থ্য ভালো আছে। ডঃ মহম্মদ জানিয়েছেন, এটা খুব কঠিন এক পদক্ষেপ ছিল, দীর্ঘ নয় মাস ধরে আমরা এই বিষয়ে গবেষণা চালিয়েছি। রোগীর শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল তাতে আমাদের এটা ডু-অর-ডাই অবস্থা। আর কোনও বিকল্প রাস্তা ছিল না। তিনি আরও জানান, এটা চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক দিগন্তের দেখা মিলল। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জীবনদায়ী এক পদ্ধতির দরজা খুলে গেল।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস গড়েও জয় এল না এসসি ইস্টবেঙ্গলেররোগী ডেভিড বেনেটের ছেলে (৫৭) সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, তাঁর বাবা ছয় সপ্তাহ যাবত একমো সাপোর্টে মেরিল্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ডেভিড জানতেন এই ধরনের অস্ত্রপচারের সাফল্যের কোনও নিশ্চয়তা নেই। রোগী মারাও যাতে পারেন। তিনি চেয়েছিলেন তাঁর শরীরে একটি মানব হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপন করতে। বেনেট অস্ত্রপচারের একদিন আগে বলেছিলেন, এটি আমার জন্য করো বা মরো পরিস্থিতি। আমি বাঁচতে চাই, আমি জানি এটা অন্ধকারে তীর নিক্ষেপ করার মত, কিন্তু এটাই আমার কাছে শেষ বিকল্প।
মেষ/ARIES: সম্পর্কের উন্নতি হতে পারে।বৃষ/TAURUS: ক্লান্তিবোধ আসতে পারে।মিথুন/GEMINI: দেহকষ্ট হতে পারে।কর্কট/CANCER: পারিবারিক অশান্তি হতে পারে।সিংহ/LEO: পরনির্ভরতা বৃদ্ধি পেতে পারে।কন্যা/VIRGO: উপদ্রব বৃদ্ধি পেতে পারে।তুলা/ LIBRA: আত্মতৃপ্তি হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: প্রাপ্তিযোগ রয়েছে।ধনু/SAGITTARIUS: ব্যাঘাতযোগ রয়েছে আজ।মকর/CAPRICORN: বিদ্যায় সাফল্য আসতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: কোমরে ব্যথা হতে পারে।মীন/ PISCES: প্রাপ্য টাকা আদায় হতে পারে।
ফের রাজ্যে কিছুটা বাড়ল সংক্রমণের হার। মঙ্গলবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২১,০৯৮। যদিও রবিবারের তুলনায় কিছুটা কম। গত ২৪ ঘন্টায় কলকাতাতেও করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা রবিবারের তুলনায় কমেছে অনেকটা। একই অবস্থা উত্তর ২৪ পরগনার ক্ষেত্রেও। তবে সোমবারের তুলনায় সংক্রমণ ফের কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় চিন্তায় রেখেছে চিকিৎসক মহলকে। এদিন করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে মোট ৬৫,২১০ জনের।রাজ্যে প্রতিদিনই রকেট গতিতে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল, সোমবার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৯,২৮৬। রবিবার ছিল ২৪,২৮৭। এদিকে গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি চলছে। অন্যদিকে কেন্দুলিতে জয়দেবের মেলা হবে বলেও ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। করোনা সংক্রমণ রুখতে রাজ্যের বিভিন্ন শহরে স্থানীয় প্রশাসন আংশিক লকডাউন ঘোষণা করছে। স্থানীয় স্তরে দোকানপাট বন্ধ রাখা হচ্ছে। এখনও বহু মানুষ মাস্ক ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছে।রাজ্যে মোট আক্রান্ত ২১,০৯৮কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৬,৫৬৫উত্তর ২৪ পরগনা ৪,০১৬হাওড়া ১,৮১৫পশ্চিম বর্ধমান ১,১০৯হুগলি ১,৩০৫দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,৪৩৫বীরভূম ৬৮২পূর্ব বর্ধমান ৬২২নদিয়া ৩৮৫মালদা ৫৪৪মুর্শিদাবাদ ৪৪৫পশ্চিম মেদিনীপুর ৫১৪পুরুলিয়া ২০৯দার্জিলিং ২২৬বাঁকুড়া ২৫৬জলপাইগুড়ি ১৩৪উত্তর দিনাজপুর ১৮১পূর্ব মেদিনীপুর ২১৯ঝাড়গ্রাম ১৫২দক্ষিণ দিনাজপুর ১২৮কোচবিহার ৬৬আলিপুরদুয়ার ৭০কালিম্পং ২০
ভাগ্য বরাবরই সাহসীদের সঙ্গ দেয়। যেমন আইএসএলে আগের দুম্যাচে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে দিয়েছিল। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে অবশ্য ভাগ্য সহায় হল না। স্বদেশি ব্রিগেড নিয়ে মাঠে নেমে নজির গড়লেন। আইএসএলের ইতিহাসে এই নজির আগে কোনও দল দেখাতে পারেনি। তবুও এদিন দলের হারল বাঁচাতে পারলেন না লালহলুদের অন্তর্বর্তীকলীন কোচ রেনেডি সিং। শেষ মুহূর্তের গোলে হারতে হল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। টানা ৪ ম্যাচ পর আবার হারের মুখ দেখতে হল। তবে লালহলুদ ব্রিগেডের লড়াইকে কুর্নিশ জানাতেই হবে।এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে লিগ টেবিলে চতুর্থ স্থানে ছিল জামশেদপুর এফসি। অন্যদিকে লালহলুদ শিবির একেবারে শেষ স্থানে। তার ওপর ৪ জন বিদেশি নিয়ে মাঠে নেমেছিল জামশেদপুর এফসি। এসসি ইস্টবেঙ্গলের ভরসা স্বদেশি ব্রিগেড। অসম লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত হাল মানল লালহলুদ ব্রিগেড।আরও পড়ুনঃ ভামিকার জন্মদিনে সেঞ্চুরি হাতছাড়া, রান পেলেও ব্যর্থ বাবা কোহলিযদিও ম্যাচের শুরু থেকে সমানে সমানে লড়াই করছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। এদিন জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে সেমবই হাওকিপকে একা ওপরে রেখে ৪১৪১ ছকে দল সাজিয়েছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ রেনেডি সিং। লক্ষ্য ছিল মাঝমাঠে প্রতিপক্ষকে আটকে দেওয়া। সৌরভ দাস দুই ডিফেন্ডারের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। ফলে প্রথমার্ধে তিনকাঠি খুঁজে পাননি জামশেদপুর এফসি স্ট্রাইকাররা।দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণত্মক হয়ে ওঠে জামশেদপুর এফসি। ৫২ মিনিটে গোল করার সুযোগও এসেছিল। সেবিয়ার সেন্টারে স্টুয়ার্ট হেড করলে বল বারে লেগে ফিরে আসে। অবশেষে ৮৮ মিনিটে কাঙ্খিত গোল পায় জামশেদপুর। পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে ইশান পান্ডিতা গোল করে দলকে জেতান। ১৯ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছে গেল জামশেদপুর।
করোনা আবহে হাইকোর্টের নির্দেশে গঙ্গাসাগর মেলার তোড়জোড় চলছে, এবার তার দোসর হতে চলেছে জয়দেবের মেলা। সারা দেশের সঙ্গে বাংলা করোনা ঝড়ে বেসামাল। রাজ্যে করোনা বিধি চালু হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন নানা স্থানে আংশিক লকডাউন করছে। দোকানপাট, বাজারহাট বন্ধ থাকছে। সেই পরিস্থিতিতে জয়দেবের মেলা ঘোষণা করায় নতুন করে বিতর্ক সৃষ্ঠি হয়েছে।আরও পড়ুনঃ চীনা নয়, আইপিএলের স্পনসর এবার ভারতীয় গোষ্ঠীরাজ্যের অন্য জেলার মতো বীরভূমেও করোনার কোপে সাধারণের বেহাল দশা। এর আগে ঠিক হয়েছিল জয়দেবের কেন্দুলি মেলায় এবার মকরস্নানের ক্ষেত্রে পুন্যার্থীদের ছাড় দেওয়া হবে। তবে মেলা বসতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এবার মেলা বসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। মঙ্গলবার রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা কেন্দুলি মেলার আয়োজনের কথা ঘোষণা করেছেন।আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে বড় ভাঙন উত্তরপ্রদেশ বিজেপিতেমন্ত্রী বলেন, জয়দেবের মেলা যেমন হয়, তেমনই হবে কোভিড বিধি মেনে। পুন্যার্থীদের স্নান ও পুজো দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। মেলায় যাঁরা আসবেন তাঁদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সেদিকে নজর দিতে হবে। এটা একটা ঐতিহ্যশালী মেলা। ধর্মীয় আবেগকে তো আমরা বন্ধ করতে পারব না। সে জন্যই এই মেলা করতে বাধ্য হয়েছি। নজরদারিও থাকবে। পুন্যার্থীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা থাকছে। এছাড়া আখড়াও হচ্ছে। এটা আউল-বাউলদের মেলা। বাউলরা তো আসবেই। তাঁদের জন্য সবরকম ব্যবস্থা থাকবে।আরও পড়ুনঃ দুপুর গড়াতেই জেলায় জেলায় শুরু বৃষ্টি! পাঁচ জেলাকে সতর্ক করল আলিপুরবিজেপির বক্তব্য, সবেতেই রাজনীতি হচ্ছে। মেলা হচ্ছে অথচ স্কুল, কলেজ বন্ধ। এদিকে এই ঘোষণার পরই মেলার প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।
হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস ছিলই। মঙ্গলবার দুপুর গড়াতেই শুরু হয়েছে জেলায় জেলায় বৃষ্টি। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী দু থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুসারে সন্ধ্যার মধ্যেই বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর জেলার একাধিক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। সকলকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সতর্কবার্তা রয়েছে হুগলি ও কলকাতার জন্যও।আরও পড়ুনঃ হাইকোর্টের নির্দেশে শুভেন্দুকে ছাড়াই গঙ্গাসাগরের নতুন কমিটিআগামী ৪৮ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। পশ্চিমীঝঞ্ঝার কারণে হাওয়ার গতিপথের পরিবর্তন, সেই সঙ্গে বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্পপূর্ণ আসা হাওয়া এই দুয়ের প্রভাবেই এই বৃষ্টিপাত। এই বৃষ্টির প্রভাব বেশি পড়বে পশ্চিমের জেলাগুলিতে। ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে আগামী দুদিন। তবে পশ্চিমের জেলাগুলির দুএক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ লিটন যেন রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, তবু লড়াই জমাতে পারল না বাংলাদেশমঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল আকাশের মুখ ভার। দুপুর গড়াতে শুরু হয় বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টিপাত। মেদিনীপুর শহরে এদিন বিকেল চারটে নাগাদ চারদিক একেবারে অন্ধকার করে আসে। সাড়ে চারটে থেকে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। বিকেল থেকে আকাশ কালো ঘাটালে। হালকা ঝোড়ো হাওয়া আর ঝিরঝির করে বৃষ্টি। বৃষ্টি বাড়তে কী হবে চিন্তায় ঘাটাল মহকুমার কৃষকরা। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী যদি বৃষ্টি আরও বাড়ে তাহলে চরম ক্ষতি হবে আলু চাষের। এমনিতেই বছরের শুরু থেকে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় চরম ক্ষতি হয়েছে চাষে। আবার এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় চিন্তার ভাঁজ কৃষকদের কপালে।আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে বড় ভাঙন উত্তরপ্রদেশ বিজেপিতেঝাড়গ্রামেও সকাল থেকে আকাশ মেঘলা ছিল। বিকেল থেকে বৃষ্টি শুরু হয় জেলাজুড়ে। ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির ঝাপট। পুরুলিয়াতেও সকাল থেকেই আকাশের মুখ ছিল ভার। বিকেল থেকে বৃষ্টি শুরু হয় পুরুলিয়া জেলাজুড়ে। প্রথমে ঝিরঝিরি বৃষ্টি শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে বৃষ্টির তোড়। শীত এবং সেই সঙ্গে বৃষ্টিতে জবুথবু পুরুলিয়া। রাস্তাঘাট একেবারে শুনশান।
নতুন বছরের শুরুতেই খুশির খবরটা এসেছে। বাংলাদেশের তারকা দম্পতি পরিচালক মোস্তাফা সারওয়ার ফারুকি ও অভিনেত্রী নুসরত ইমরোজ তি্শার সদ্যোজাত পৃথিবীর আলো দেখেছে ৫ জানুয়ারি। এর মধ্যেই তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে সংবাদমাধ্যমে খুদের ভুয়ো ছবি ভাইরাল হয়ে গেছে। আর এটা নিয়েই তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন নবজাতকের মা তিশা। তিনি আদর করে সন্তানকে ডাকছেন ইলহাম বলে। ৮ জানুয়ারি নবজাতককে নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিনি। ফেরার ছোট ভিডিও পোস্ট করে অভিনেত্রী লিখেছেন, মায়ের হাত শক্ত করে ধরে বাড়ি যাচ্ছে ছোট্ট ইলহাম!আজ তিশার অভিযোগ, সংবাদমাধ্যম তার সন্তানের ভুয়ো ছবি দিয়েছে। তিনি এখনও কোনও ছবিই কোথাও দেননি। ফেসবুকে পোস্ট করে নবজাতকের মায়ের বক্তব্য, একটা ব্যাপারে বেশ বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এটা আরও ছড়ানোর আগেই আমরা পরিষ্কার করে জানাতে চাই। কিছু কিছু সংবাদ এবং ভিডিয়োর সঙ্গে ইলহামের ছবি হিসাবে একটা পুরনো ছবি জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। আমরা জানতে পেরেছি শুরুর দিকে ভুলে এটা যোগ করা হয়েছিল। যেটা পরে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। কিন্তু অনলাইনে একটা কিছু উঠে গেলে সেটা ছড়াতেই থাকে। সে জন্যই এই পোস্ট দেওয়া। যাতে কোনও বিভ্রান্তি না ছড়ায়।
মেষ/ARIES: শুভ যোগাযোগ হতে পারে।বৃষ/TAURUS: পুরস্কার প্রাপ্তি হতে পারে।মিথুন/GEMINI: সংস্থাগত পরিবর্তন হতে পারে।কর্কট/CANCER: কর্মসূত্রে বিদেশ যাত্রা।সিংহ/LEO: ধনাগম হতে পারে।কন্যা/VIRGO: নিরাপত্তার অভাব বোধ করতে পারে।তুলা/ LIBRA: অর্থনাশ হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: বিদ্যায় সাফল্য হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: শুভ সংবাদ পেতে পারেন।মকর/CAPRICORN: ধর্মে আসক্তি হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: মাথায় ব্যথা হতে পারে।মীন/ PISCES: চিত্তচাঞ্চল্য হতে পারে।
করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার রাজ্যের পাঁচ জেলাকে বিশেষভাবে সতর্ক করে দিয়েছে। মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠক করেন।কলকাতা, হাওড়া,উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, বীরভূমে আশঙ্কাজনক সংক্রমণ বৃদ্ধি নিয়ে মুখ্যসচিব উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে নবান্নে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।ওইসব জেলায় কোভিড বিধি কঠোরভাবে বলবৎ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেজন্য প্রশাসনিক নজরদারি আরও বাড়াতে বলা হয়েছে। সংক্রমণ রুখতে প্রয়োজনে আরও বেশি করে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন চালু করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা ও সব ধরনের কোভিডবিধি মেনে চলার ওপর নির্দেশ দিয়েছেন। তবে রাজ্য সরকারের নির্দেশিকার বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত কড়াকড়ি করা যাবে না বলেও প্রশাসনকে স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব।করোনা সংক্রমণের বিরুদ্ধে কার্যকরী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে টিকাকরেণ আরও জোর দেওয়ারও তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। এ রাজ্যে বহু সংখ্যক মানুষের এখনো দ্বিতীয় ডোজের টিকা না পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি অবিলম্বে তাদের টিকাকরণ শেষ করার জন্য জেলা প্রশাসনকে উদ্যোগী হতে বলেন। হাসপাতালের বেড বাড়াতে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ সেফ হোম তৈরি করতে তিনি জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। মানুষ যাতে বাড়িতে থেকেই উপযুক্ত চিকিৎসা পান তার জন্য টেলিমেডিসিন পরিষেবার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।বৈঠকে স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম বিপুল সংখ্যক করোনার সংক্রমণ ছড়ানোর প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে অটুট রাখতে সংক্রমিত স্বাস্থ্যকর্মীদের সাত দিনের নিভৃতবাসের শেষে অন্য কোনও শারীরিক সমস্যা না থাকলে নিয়ম মেনে কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন।
দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও ভারতীয় দল সিরিজ জিতে ফিরে আসতে পারেনি। বিরাট কোহলির দলের সামনে সেই সুযোগ। প্রথম টেস্ট জিতে সিরিজে এগিয়ে গিয়েছিল ভারত। জোহানেসবার্গে জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। মঙ্গলবার থেকে কেপ টাউনে শুরু হচ্ছে তৃতীয় টেস্ট। দুই দলের মধ্যে যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।আরও পড়ুনঃ এসটিএফের অভিযানে ৬৫ কোটি টাকার হেরোইনসহ গ্রেফতার বাবা ও ছেলে, ব্যাপক চাঞ্চল্য বর্ধমানেতৃতীয় টেস্টে মাঠে নামার আগে প্রথম একাদশ নিয়ে দ্বিধায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সিরিজে প্রথমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রথম একাদশ খোলসা করেননি ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। জোহানেসবার্গে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে তৃতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে গেছেন মহম্মদ সিরাজ। তাঁর জায়গায় উমেশ যাদব, না ইশান্ত শর্মাকে খেলানো হবে তা এখনও ঠিক করে উঠতে পারেনি ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে ইশান্তের পাল্লাই ভারি। চোটের জন্য আগের টেস্টে খেলতে পারেননি বিরাট কোহলি। এই টেস্টে তিনি ফিরছেন। কোন ব্যাটার বাদ যাবেন, এখন সেটাই দেখার। তবে হনুমা বিহারীর প্রথম একাদশ থেকে বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ঋষভ পন্থকে নিয়েও জল্পনা রয়েছে। দ্বিতীয় টেস্টে তিনি যেভাবে আউট হয়েছেন, স্বয়ং ভারতীয় দলের হেডস্যার খুশি নন। বিরাট অবশ্য মহেন্দ্র সিং ধোনির পরামর্শর কথা উত্থাপন করে ঋষভকে সতর্ক করে দিয়েছেন। ধোনি একবার কোহলিকে বলেছিলেন, একই ভুল যেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৬৭ মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বার না ঘটে।আরও পড়ুনঃ আইএসএলে ইতিহাস গড়তে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। কীভাবে দেখে নিনমঙ্গলবার কন্যা ভামিকার জন্মদিন। মেয়ের জন্মদিনেই ৯৯ তম টেস্ট স্মরণীয় করে রাখতে চান কোহলি। দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই। মেয়ের জন্মদিনে সুযোগ পেলে সেঞ্চুরি করে স্মরণীয় করে রাখতে চান। তবে তাঁর সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে যেভাবে চারিদিকে চর্চা হচ্ছে তা নিয়ে একেবারে চিন্তিত নন কোহলি। তিনি জানিয়েছেন, কারও কাছে তাঁর নিজেকে নতুন করে প্রমাণ করার কিছু নেই।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অনন্য কৃতিত্ব ট্রেন্ট বোল্টেরকেপ টাউনে ভারতের পরিসংখান একেবারেই ভাল নয়। এর আগে নিউল্যান্ডসে ৫টি টেস্ট খেলেছে ভারত। ৩টিতে হার, দুটি ড্র। এবার ইতিহাস বদলানোর সুযোগ ভারতীয় দলের সামনে। কিন্তু ভারতের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে নিউল্যান্ডসের বাইশ গজ ও কেপ টাউনের আবহাওয়া। জোহানেসবার্গের মতো এখানেও বৃষ্টির হানা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্ট্রাইকার সমস্যা কাটতে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গলে। কয়েকদিনের মধ্যেই গোয়ার শিবিরে যোগ দিচ্ছেন পর্তুগালের প্রথম ডিভিশনে খেলা স্ট্রাইকার মার্সেলো রিবেইরো ডস স্যান্টোস।আইএসএলের প্রথম থেকেই স্ট্রাইকার সমস্যায় সমস্যায় ভুগতে হয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। দলবদলের দ্বিতীয় উইন্ডোতে নতুন স্ট্রাইকারকে সই করাল এসসি ইস্টবেঙ্গল। পর্তুগালের প্রথম ডিভিশনে খেলা ক্লাব গিল ভিসিন্তে খেলা মার্সেলো রিবেইরো ডস স্যান্টোসকে এবার খেলতে দেখা যাবে লালহলুদ জার্সি গায়ে।আরও পড়ুনঃ সুপারস্প্রেডারের ভয়ে গঙ্গাসাগর মেলা বন্ধ করতে আদালতে আর্জি ডক্টর্স ফোরামেরআইএসএলে বিদেশি ফুটবলাররাই সাধারনত পার্থক্য গড়ে দেন। কিন্তু লালহলুদে ড্যানিয়েল চিমা, আমির ডার্বিসেভিচরা দলকে ভরসা দিতে পারেননি। হাতে বিকল্প না থাকায় ড্যানিয়েল চিমাকে দিনের পর দিন প্রথম একাদশে খেলাতে হয়েছে। কিন্তু তিনি যেভাবে গোলের সুযোগ নষ্ট করেছেন, এককথায় অবিশ্বাস্য। তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য উদগ্রীব ছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। অবশেষে দলবদলের দ্বিতীয় উইন্ডোতে তাঁকে ছেঁটে ফেললেন। মুম্বই সিটি এফ সি ম্যাচের পরই তাঁর সঙ্গে চুক্তি ছিন্ন করা হয়।আরও পড়ুনঃ আইএসএলে ইতিহাস গড়তে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। কীভাবে দেখে নিনড্যানিয়েল চিমার পরিবর্ত হিসেবে আগে থেকেই বিদেশি স্ট্রাইকারের খোঁজে ছিলেন লালহলুদ কর্তারা। একসময় গত মরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গলে খেলে যাওয়া ব্রাইট এনবাখারের সঙ্গে কথাও বলেন। কিন্তু এই মুহূর্তে তিনি কভেন্ট্রির সঙ্গে চুক্তি ছিন্ন করে আসতে রাজি হননি। হাইমে কোলাডোরে সঙ্গেও কথা বলেন। শেষ পর্যন্ত পর্তুগালের মার্সোলো রিবেইরো ডস স্যান্টোসকে সই করালেন লালহলুদ কর্তারা।🚨𝐀𝐍𝐍𝐎𝐔𝐍𝐂𝐄𝐌𝐄𝐍𝐓🚨We are pleased to announce that we have acquired the services of young Brazilian striker 𝐌𝐚𝐫𝐜𝐞𝐥𝐨 𝐑𝐢𝐛𝐞𝐢𝐫𝐨 𝐝𝐨𝐬 𝐒𝐚𝐧𝐭𝐨𝐬 on loan from Gil Vicente FC till the end of the season, subject to clearances.#WelcomeMarcelo #WeAreSCEB pic.twitter.com/FER5whE2Lm SC East Bengal (@sc_eastbengal) January 10, 2022২৪ বছর বয়সী ডস স্যান্টোস ২০২১র আগস্টে প্রথম গিল ভিসেন্তের জার্সি গায়ে মাঠে নামেন। এখনও পর্যন্ত তিনি ৩টির বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। ডস স্যান্টোসও নিয়মিত খেলার আশায় ক্লাব ছাড়তে মুখিয়ে ছিলেন। লালহলুদ কর্তাদের প্রস্তাব তিনি গ্রহন করেন। আপাতত তিনি গিল ভিসেন্তে থেকে লোনে এসসি ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিচ্ছেন। এসসি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চুক্তি করার পর মার্সোলো রিবেইরো ডস স্যান্টোস বলেন, এসসি ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিতে পেরে আমি খুশি। শুনেছি এই ক্লাবটি ভারতের অন্যতম সেরা। আশা করছি দলের হয়ে ভাল অবদান রাখতে পারব। স্যান্টোসকে চুক্তি করলেও আপাতত কয়েকটা ম্যাচে তিনি খেলতে পারবেন না। ভারতে এসে তাঁকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। তবে একটাই সুবিধা তিনি খেলার মধ্যে রয়েছেন। আরও পড়ুনঃ এসটিএফের অভিযানে ৬৫ কোটি টাকার হেরোইনসহ গ্রেফতার বাবা ও ছেলে, ব্যাপক চাঞ্চল্য বর্ধমানে
১০ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট। লিগ টেবিলের একেবারে শেষে। এখনও পর্যন্ত আইএসএলে জয়ের মুখ দেখেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। অতিবড় লালহলুদ সমর্থকও নিশ্চিতভাবে প্লে অফের আশা করছেন না। এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররাও হয়তো আশা ছেড়ে দিয়েছেন। এখন মোটিভেশন বলতে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা। সেই লক্ষ্যেই আপাতত এগিয়ে চলা। মঙ্গলবার সামনে শক্তিশালী জামশেদপুর এফসি। বিদেশি ছাড়াই জামশেদপুরের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। বিদেশি ছাড়াই খেললে আইএসএলে ইতিহাস তৈরি হবে। এখনও পর্যন্ত কোনও দল এই সাহস দেখাতে পারেনি।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অনন্য কৃতিত্ব ট্রেন্ট বোল্টেরজামশেদপুরের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে লালহলুদ শিবিরকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে আগের ম্যাচে মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে দুর্দান্ত পারফরমেন্স। রেনেডি সিং অন্তর্বর্তীকালীন কোচের পদে বসার পর আমূল বদলে গেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। আগের তুলনায় অনেকবেশি সঙ্ঘবদ্ধ। মাত্র একজন বিদেশি নিয়ে মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে লালহলুদ ব্রিগেডের দুর্দান্ত লড়াই মন জয় করে নিয়েছে বিশেষজ্ঞদের। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে এটাই ভরসা জোগাচ্ছে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ রেনেডি সিংকে। স্বদেশি ব্রিগেডের পারফরমেন্সে তিনি মুগ্ধ।আরও পড়ুনঃ সুপারস্প্রেডারের ভয়ে গঙ্গাসাগর মেলা বন্ধ করতে আদালতে আর্জি ডক্টর্স ফোরামেরজামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধেও রেনেডি সিংয়ের ভরসা সেই স্বদেশি ব্রিগেড। মুম্বই সিটি এফসি ম্যাচের পরই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ড্যানিয়েল চিমাকে। আন্তোনীয় পেরোসেভিচ নির্বাসনের কবলে। টমিস্লাভ মার্সেলো ও ফ্রাঞ্জো পিরেজের চোট এখনও সারেননি। আগের ম্যাচে নতুন করে চোটের কবলে পড়ছেন জয়নার লরেন্সো। ফলে হাতে একমাত্র বিদেশি আমির ডার্বিসেভিচ। যার থেকে স্বদেশি ফুটবলারদের ওপরই ভরসা বেশি রেনেডি সিংয়ের।আরও পড়ুনঃ লোড হচ্ছে.... কি বোঝাতে চাইলেন পরীমনি? মা হচ্ছেন?এই অবস্থায় নিজেদের মেলে ধরার জন্য আরও একটা সুযোগ পাচ্ছেন সৌরভ দাস, অঙ্কিত মুখার্জি, হীরা মণ্ডলরা। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচও ভরসা করছেন স্বদেশি ব্রিগেডের ওপর। রেনেডি বলেন, যারা এতদিন সুযোগ পায়নি তাদের কাছে নিজেদের প্রমাণ করার ভাল সুযোগ। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে বিদেশি ছাড়াই শুরু থেকে দল মাঠে নামবে। ফুটবলাররা যে দারুণ লড়াই করবে, সে বিষয়ে আমি আশাবাদী। তবে জিততে গেলে সব বিভাগকে একসঙ্গে জ্বলে উঠতে হবে। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে প্রথম পর্বের ম্যাচে এগিয়ে গিয়েও রক্ষণের ব্যর্থতায় জিততে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। রেনেডি সিংয়ের কোচিংয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে লালহলুদ শিবির। সেটাই আশাবাদী করে তুলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল সদস্যসমর্থকদের।