মেষ/ ARIES: আজ কোনওকিছুতে মিশ্রফল ভোগ করতে পারেন। বৃষ/ TAURUS: সৌভাগ্য বৃদ্ধি পেতে পারে।মিথুন/ GEMINI : শিক্ষকদের জন্য শুভ। কর্কট/ CANCER : আজ শত্রুবৃদ্ধি পেতে পারে। সিংহ/ LEO: আর্থিক উন্নতি হতে পারে। কন্যা/ VIRGO: দ্বিমুখী আয় হতে পারে। তুলা/ LIBRA: বদলির সম্ভাবনা রয়েছে আজ। বৃশ্চিক/ Scorpio: কোনও কারণে চিন্তান্বিত হতে পারেন। ধনু/ SAGITTARIUS: আজ সুনাম বৃদ্ধি পেতে পারেন। মকর/ CAPRICORN: পদোবনতি হতে পারে আজ। কুম্ভ/ AQUARIUS: জনহিতকর কাজ করতে পারেন আজ। মীন/ PISCES : চিকিৎসা বিভ্রাটে পড়তে পারেন।
সরকারি ও বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে একসঙ্গে পড়াশোনা করতে পারবেন না ছেলে ও মেয়েরা। গত রবিবার আফগানিস্তান দখল নিশ্চিত করার পর হেরাটে প্রথম ফতোয়া জারি করল তালিবান। শনিবার ওই প্রদেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পরই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠনের নেতৃত্ব, এমনটাই জানা গিয়ে সংবাদ সংস্থা সূত্রে।আরও পড়ুনঃ সেনাবাহিনী থেকে অনন্য সম্মান পেতে চলেছেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়া২০০১ সালে তালিবানি শাসনের প্রথম-পর্ব শেষ হওয়ার পর গত দুই দশক ধরে আফগানিস্তানে ছেলেমেয়েদের একসঙ্গে পড়াশোনা বা কোএডুকেশন শিক্ষানীতি চালু ছিল সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। আফগানিস্তানে তালিবান-রাজ ফিরতেই হেরাটে ফের পুরনো নীতি চালু করা হল। তালিবান নেতৃত্বের এই সিদ্ধান্তের জেরে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির বিশেষ সমস্যা না-হলেও বেকায়দায় পড়বে বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলি, এমনটাই মত সে দেশের শিক্ষাবিদদের। হেরাট প্রদেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-সহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যাপকদের সঙ্গে তিন ঘণ্টার বৈঠকের পর তালিবান নেতা মোল্লা ফরিদ বলেন, সমাজে পচন ধরার মূলেই রয়েছে ছেলেমেয়েদের একসঙ্গে শিক্ষা। বিকল্প কোনও রাস্তা নেই। ছেলেমেয়েদের একসঙ্গে পড়াশোনা বন্ধ করতে হবে। মহিলা অধ্যাপকেরা শুধুমাত্র মেয়েদেরই পড়াতে পারবেন।
প্রভিডেন্ট ফান্ডের পুরো টাকাই দেবে কেন্দ্র। কোভিডে যারা কাজ হারিয়েছেন, তাঁদের জন্য এ বার বড় ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন শনিবার জানিয়েছেন, কর্ম-হারা কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা এ বার কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে। সাধারণত দুভাগে এই টাকা দেওয়া হয়। একটি অংশ দেয় সেই সংস্থা যেখানে কোনও কর্মী কর্মরত অবস্থায় রয়েছেন। দ্বিতীয় অংশটি ওই কর্মীর বেতন থেকে কেটে নেওয়া হয়। উভয় ভাগের টাকাই কেন্দ্রের পক্ষ থেকেই দেওয়া হবে বলে এ দিন ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। আগামী ২০২২ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কর্মচারী, এবং সংস্থা; উভয় পক্ষের পিএফ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।If in a district, more than 25,000 migrant workers working in the informal sector return to their native place will get benefits from 16 Central schemes for employment. In 2020, we increased the MGNREGA budget from Rs 60,000 cr to around Rs 1 lakh cr due to COVID:Finance Minister pic.twitter.com/9azlNN24D4 ANI (@ANI) August 21, 2021অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্যও এ দিন বড় ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, করোনার কারণে যদি কোনও জেলায় কমপক্ষে ২৫ হাজার শ্রমিক অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করেন, তবে তাঁদের সুবিধার জন্য এবং রোজগার বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে মোট ১৬ টি জনকল্যাণমূলক প্রকল্প কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে। যার লাভ তাঁরা নিতে পারেন। অতিমারির কারণে যেহেতু প্রচুর পরিমাণ দিনমজুর এবং পরিযায়ী শ্রমিক নিজেদের বাড়ি ফিরে গিয়েছেন, তাই সেই মানুষগুলির কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে মনরেগার বাজেট ৬০ হাজার কোটি থেকে বাড়িয়ে ১ লক্ষ কোটি টাকা করেছে কেন্দ্র। এমনটাও জানান অর্থমন্ত্রী।
আফগানিস্তানে তালিবান শাসন কায়েম হতেই মহাসংকটে সে দেশের ক্রিকেট। আফগানদের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলা নিয়ে মুখ ফিরিয়ে নিল পাকিস্তানও। সামনের মাসে শ্রীলঙ্কায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলার কথা রশিদ খানদের। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ইতিমধ্যেই সিরিজ স্থগিত রাখার কথা ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে, আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সিইও হামিদ শিনওয়ারি জানিয়েছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলার জন্য তাঁরা তৈরি। তাবানরা আফগানিস্তানের দখল নিতেই সব কিছুর মতো দেশের ক্রিকেটীয় ভবিষ্যৎ নিয়ে চলছে জোর জল্পনা।আরও পড়ুনঃ সেনাবাহিনী থেকে অনন্য সম্মান পেতে চলেছেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়াআফগানিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক আসগর আফগানের বাড়িতে হাজির হয় তালিবানরা। রাজকীয় আপ্যায়নের ব্যবস্থা ছিল তালিবানদের জন্য। আগের দিনই আফগানিস্তানেরই প্রাক্তন ক্রিকেটার আবদুল্লাহ মাজারিকে সঙ্গে নিয়ে তালিবানরা পৌঁছে গিয়েছিল আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সদর দফতরে। তারপর আসগারের বাড়িতে তালিবানি উপস্থিতি অন্য মাত্রা যোগ করেছে। গত জুনেই আফগানিস্তানের ক্রিকেট বোর্ড আসগারকে অধিনায়কত্বের পদ থেকে সরিয়ে দেয়। একদিনের আন্তর্জাতিক ও টেস্টের অধিনায়ক করা হয় হাশমত শাহিদিকে। টি২০ অধিনায়ক করা হয় রশিদ খানকে। এই পরিস্থিতিতে আফগানিস্তানের ক্রিকেটীয় ভবিষ্যৎ কোন খাতে গড়ায় তা নিয়ে জল্পনা চলছে।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?যদিও আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সিইও হামিদ শিনওয়ারি বলেন, আগেও তালিবান শাসনের সময় ক্রিকেটের ওপর কোনও প্রভাব পড়েনি। এবারও পড়বে না। অতীতে ক্রিকেটের ওপর তালিবানরা কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বলে মনে পড়ছে না। দেশের এইরকম পরিস্থিতিতেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলতে আমাদের কোনও সমস্যা নেই। আমরা খেলব। টি২০ বিশ্বকাপের জন্যও আমরা তৈরি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও অন্যান্য ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আমাদের খুব ভাল সম্পর্ক। আইসিসির সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছি।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরশিনওয়ারির এই বিবৃতির মাঝেই শ্রীলঙ্কায় আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ আপাতত স্থগিত করে দিল পাকিস্তান। তালিবান আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পরে সে দেশে যে সঙ্কট তৈরি হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই পাক বোর্ড এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাকিস্তান বোর্ড জানিয়েছে, আগে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড নিশ্চিত করুক, সিরিজ হবে। এই সিরিজের জন্য শনিবার থেকে লাহোরে পাকিস্তান দলের শিবির শুরু হওয়ার কথা ছিল। দল ঘোষণারও কথা ছিল। আপাতত তা স্থগিত রেখেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। ৩ সেপ্টেম্বর থেকে হাম্বানটোটায় তিন ম্যাচের সিরিজ শুরুর কথা ছিল। এই সফরের ব্যাপারে তালিবানদের সঙ্গে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড আলোচনা করছে।
অত্যাচার সহ্য করতে করতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল। এবার ঘুরে দাঁড়ানো পালা। এ বার মাথা নত করে নয়, বরং তালিবানের চোখে চোখ রেখেই কথা বলছে বহু আফগানবাসী। খইর মুহাম্মদ আন্দারাবি গোষ্ঠীর অধীনে একদল সাধারণ মানুষই তালিবানদের হাত থেকে মুক্ত করল আফগানিস্তানের বাঘলান প্রদেশের পোল-ই-হেসার, দেহ সালাহ ও বানু জেলা।সূত্রের খবর, জেলাগুলি পুনর্গঠন করা ঘিরে ওই গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০০ জন তালিবানি নিহত হয়েছে বলে খবর। ওই গোষ্ঠীর তরফে জানানো হয়েছে, মাত্র তিনটি জেলা দখল করেই তারা থেমে থাকবেন না। ধীরে ধীরে বাকি জেলাগুলি দখলের জন্যও তারা অগ্রসর হবেন। তালিবানের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, সকলকে ক্ষমা করে দেওয়ার যে কথা বলছে তালিবান, তা মোটেও অনুসরণ করছে না তারা।আরও পড়ুনঃ সনিয়ার ডাকা বিরোধী-বৈঠকে মমতার বার্তাশুক্রবারই কাবুলের উত্তরে পঞ্জশির উপত্যকার কাছেই অবস্থিত পোল-ই-হেসার জেলার দখল নেয় সাধারণ মানুষ। তালিবানদের পতাকা সরিয়ে আফগানিস্তানের পতাকা লাগানো হয় আবার। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিও। এছাড়াও দেহ সালাহ ও বানু জেলাও তালিবানদের হাত থেকে কেড়ে দখল নেয় ওই গোষ্ঠী। তবে বিনা যুদ্ধে পিছু হটেনি তালিবানরা। দীর্ঘক্ষণ সংঘর্ষ চলার পরই ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের সঙ্গে না পেরে এলাকা ছেড়ে পালায় তালিবানিরা। সংঘর্ষে নিহত কমপক্ষে শতাধিক তালিবানি।উল্লেখ্য, পঞ্জশির উপত্যকাই হল আফগানিস্তানের একমাত্র জায়গা, যেখানে এখনও দখল নিতে পারেনি তালিবানরা। সূত্রের দাবি, ঘানির পালিয়ে যাওয়ার পর আফগানিস্তানের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহ এই অঞ্চলেই লুকিয়ে রয়েছেন এবং সাধারণ মানুষদের উৎসাহিত করছেন তালিবানদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে।
মেষ/ ARIES: আজ পরোপকার করতে পারেন।বৃষ/ TAURUS: প্রবঞ্চনার শিকার হতে পারেন। মিথুন/ GEMINI : আজ ঋণ নেওয়ার যোগ রয়েছে। কর্কট/ CANCER : পৈত্রিকসূত্রে লাভ করতে পারেন। সিংহ/ LEO: আইনি পরামর্শ লাভ করতে পারেন। কন্যা/ VIRGO: মানসিক অশান্তিতে ভুগতে পারেন। তুলা/ LIBRA: আজ প্রশংসা লাভ করতে পারেন। বৃশ্চিক/ Scorpio: কোনও সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। ধনু/ SAGITTARIUS: বিদ্যায় সাফল্যলাভ করতে পারেন। মকর/ CAPRICORN: কোনও রমণীর প্রতি প্রীতি জন্মাতে পারে। কুম্ভ/ AQUARIUS: লটারি পেতে পারেন আজ। মীন/ PISCES : আজ পরনির্ভর হয়ে পড়তে পারেন।
আফগানিস্থানে তালিবানদের আধিপত্য কায়েম হয়েছে আবার। ফের আদিমতার পদচিহ্নের সূত্রপাত। ১৯৯৪ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্থানে যে তালিবানি শাসন কায়েম ছিল তা পুনরায় ফিরে এলো। এই দেশের বেশির ভাগ অংশই এখন তালিবানিদের দখলে। শরিয়ত আইন স্থাপন এবং ইসলামিক রাষ্ট্র সামরিক শক্তির আশ্রয়ে গঠন করাই তালিবানদের লক্ষ্য। হঠাৎ করে আবার কেন তালিবানি শাসন বিস্তার? এই প্রশ্নের সম্মুখীন গোটা বিশ্ব, এই উত্থানের পেছনে কাদের মদত রয়েছে - এই প্রশ্ন জাগছে মানুষের মনে। মধ্যযুগীয় বর্বরতা, গণতন্ত্রের হত্যা, সামরিক বাহিনীর কড়া নজরদারি, যেখানে সেখানে মানুষের ন্যুনতম আধিকারে হস্তক্ষেপ, স্বাধীনতা খর্ব করাই হচ্ছে তালিবানদের প্রধান উদ্দেশ্য। কুড়ি বছর পর ফের আফগানিস্থানে তালিবানি শাসন কায়েম আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটাচ্ছে - দাবী বিশেষজ্ঞদের।আরও পড়ুনঃ ফাঁকা পড়ে থাকা ভারতীয় দূতাবাসে কী খুঁজছে তালিবান?বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, আফগানিস্থানের সাধারণ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে, মহিলারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে রয়েছেন, স্কুল কলেজ সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো সব বন্ধ। যদিও তালিবানদের মুখপাত্র ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, আফগানিস্থানে সমস্ত অফিসের কার্যকলাপ স্বাভাবিক নিয়মে শুরু করার কথা। এছাড়াও তিনি আরও জানান, নারীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত রয়েছে এবং নারীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়া নিয়ে তাঁদের কোনও বিরোধ নেই। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন কথা বলছে। আফগানিস্থান থেকে মহিলারা সোশাল মিডিয়াতে জানিয়েছেন, তাঁরা নিরাপত্তা নিয়ে ভীষণ ভাবে ভীত, সন্ত্রস্ত হয়ে রয়েছেন। সরকারি টেলিভিশনের মহিলা অ্যাঙ্করকে ছাটাই করেছে কাবুল দখল করেই। হাত পিছমোড়া করে বেঁধে এক মহিলার কপালে গুলি করা হচ্ছে, সেই ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।এরপরও কি তালিবানদের ওপরে কোনও ভরসা করা যায়? নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফা তিনিও উদ্বিগ্ন প্রকাশ করেছেন নারী এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে।আরও পড়ুনঃ তালিবানি আতঙ্কের মাঝেই কেঁপে উঠল আফগানিস্তানমার্কিন সামরিক বাহিনী আফগানদের মাটি ছাড়ার পরই তালিবান শক্তি আফগানিস্থান দখল করেছে। এই ঘটনায় হতবাক বিশেষজ্ঞরা। এখানেই বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এরইমধ্যে আমেরিকার সংবাদ মাধ্যমেও প্রশ্ন উঠেছে সে দেশের প্রশাসনের কাছে কি আগাম খবর ছিল? একদল আমেরিকান সরকারি কর্মী এমন আভাসের কথাও নাকি জানিয়েছিলেন সে দেশের প্রশাসনকে। আমেরিকান সৈন্য আফগানিস্তানের মাটি ছাড়তেই তালিবানরা প্রবল শক্তিতে দখল নিতে শুরু করে। অস্ত্রের ঝনঝনানি শব্দ যে অনেক দিন বিশ্ববাসী শোনেনি। অস্ত্র ব্যবসাও তলানিতে। অর্থাৎ যুদ্ধ বা গৃহযুদ্ধের দামামা শুরু!আরও পড়ুনঃ টাকা চুরি করে নয়, চটি পড়ে দেশ ছেড়েছি, মুখ খুললেন আসরাফঅন্যদিকে, পাকিস্তান, চীন এবং মধ্য প্রাচ্য-এর দেশগুলো তালিবানদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। এমনটাই দেখা গিয়েছে। কমিউনিস্টরাও সমর্থন করছে ধর্মান্ধদের! রাজনীতির স্বার্থে সবই সম্ভব। তানিবানদের আফগানিস্থানে প্রথম সরকার গঠনের পরবর্তী ঘটনার ইতিহাস সারা বিশ্ব আজও ভুলতে পারেনি। সেই স্মৃতির আতঙ্ক ফের মনে করিয়ে দিচ্ছে তালিবানরা। একবিংশ শতাব্দীতেও গণতন্ত্র বাদ দিয়ে ধর্মীয় উন্মাদনায় বন্দুকের নল যদি ক্ষমতার উৎস হয় তা ভয়াবহ হতে বাধ্য। ফের হত্যালীলা, অত্যাচার শুরু করে দিয়েছে। ভারতীয় দূতাবাসের অফিসগুলোতে তন্ন তন্ন করে তল্লাশি চালিয়েছে তারা। এই সভ্যতার যুগে মানুষ উড়োজাহাজের চাকায় ও ছাদে চেপে বসেছে। মাঝ আকাশ থেকে ছিটকে পড়ে মৃত্যু- আতঙ্কের ভয়াবহতা এতেই স্পষ্ট। আফগান নারীরা সন্তানদের প্রাণ বাঁচাতে এয়ারপোর্টে আমেরিকান সৈন্যদের হাতে তুলে দিয়েছে। এভাবেই এগোচ্ছে বিশ্বের সভ্যতা! রাস্ট্রসংঘ, উন্নয়নশীল দেশগুলো টিভির পর্দায় বর্বরতা দেখছে। কী কারণে রাষ্ট্রপুঞ্জ গঠন করা হয় তা-ও এখন প্রশ্নের মুখে। তালিবানদের বর্বরতা কোনও দেশের অভ্যন্তরীন বিষয় বলে এড়িয়ে যাওয়া যায় কি? এদেশের বিদ্বজনেরাও কিম্তু চোখে ঠুলি লাগিয়েছেন। তাঁদের মুখেও কিম্তু লিউকেপ্লাস্টার লাগিয়ে নিয়েছেন। কানে গুঁজেছেন তুলো। এসব বিষয় নিয়ে আলেচনা নৈব নব চ।আরও পড়ুনঃ তালিবানি অন্ধকারের মধ্যেই কী আশার আলো? মহিলা সঞ্চালককে সাক্ষাৎকার তালিবান নেতারজানা যাচ্ছে, আফগানিস্তানের পঞ্জশিরে এখনও তালিবানরা প্রবেশ করতে পারেনি। নর্দার্ন অ্যালায়েন্স প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। দেখা যাচ্ছে আফগান মহিলারাও হাতে অস্ত্র তুলে নিচ্ছে। এবার দখলদারির শুরুতে প্রতিরোধ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগের তালিবান জমানায় একাধিক শিল্প-সংস্কৃতি-ঐতিহ্য ধ্বংস করেছে তালিবান গোষ্ঠী। এবারও যে কী করবে তা শীঘ্রই প্রত্যক্ষ করা যাবে।আরও পড়ুনঃ কাবুল বিমাবন্দরে প্রাণ বাঁচানোর লড়াইয়ে ম্লান একরত্তির অকাতর কান্নাএকবিংশ শতাব্দীতে এসেও মধ্যযুগীয় বর্বরতার শিকার হচ্ছে মানুষ - কেনও? সেই প্রশ্নই ঘুরে-ফিরে আসে। বিশ্বায়ন তথা আধুনিকতার যুগে এই বর্বরতার ছবি পুনরায় ঘটবে। অন্যদিকে বাকি বিশ্বের মানুষ তামাসা দেখবে? এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।ডঃ অপর্ণা দেবনাথ
মারধরের পর মুখে বিষাক্ত কিছু ঢেলে দিয়ে আশা কর্মী মণিকা বোসকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে তাঁর সৎ ছেলে ও বৌমা। এই দুই অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গ আশা কর্মী ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে সকল আশা কর্মীরা।নিহত মণিকা বোসের ছবি দেওয়া ফ্লেক্স হাতে নিয়ে এদিন র্যালি করে জামালপুর ব্লক হাসপাতাল থেকে জামালপুর থানায় পৌছান কয়েক শো আশা কর্মী। সেখানে দাঁড়িয়েই শ্লোগান তুলে তাঁরা মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি জানান। পরে দাবির বিষয়টি নিয়ে আশা কর্মীরা থানায় স্মারকলিপিও জমা দেন। মৃত আশা কর্মীর বাবা কাশীনাথ নন্দীও এদিন থানা চত্ত্বরে হাজির থেকে চোখের জল মুছতে মুছতেই তাঁর মেয়ের খুনিরদের কঠোর শাস্তির দাবি করেন।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশপশ্চিমবঙ্গ আশা কর্মী ইউনিয়নের পূর্ব বর্ধমান জেলা ইনচার্য ঝর্ণা পাল জানিয়েছেন,তাঁদের সহকর্মী বছর ৪৫ বয়সী মণিকা বোস জামালপুর ব্লক হাসপাতাল অধীনে কাজ করতেন। প্রকৃত অর্থেই মণিকা ছিলেন একজন করোনা যোদ্ধা। জামালপুর থানা সংলগ্ন কালাড়াঘাট গ্রামে তাঁর স্বামীর বাড়ি। বাবার বাড়ি কালাড়াঘাটের অনতি দূরে জামালপুরের হাওয়াখানা পাড় এলাকায়। ঝর্না পাল বলেন, কালাড়াঘাট নিবাসী দিলীপ বোষের স্ত্রী তাঁর পুত্রসন্তান সুভাষকে জন্ম দেওয়ার কয়েক বছর পর মারা যান। এরপর সংসার সামলানো ও নাবালক সন্তান সুভাষকে প্রতিপালনের জন্য ব্যবসায়ী দিলীপ বোস পুনর্বিবাহের মনস্থির করেন। বছর ১৬ আগে দিলীপ বোসের সঙ্গে মণিকার সঙ্গে বিয়ে হয়। মণিকা নিজে নিঃসন্তান থেকে গিয়ে সুভাষকে পুত্র স্নেহে বড় করে তেলেন। বছর ১০-১১ আগে দিলীপ বোস মারা যান। তারপরেও সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। মণিকার সংসারে অশান্তি শুরু তাঁর সৎ ছেলে সুভাষ ছয় মাস আগে মণিকার মতামতকে কোন গুরুত্ব না দিয়ে নিছের ইচ্ছায় বর্ধমানের বড়শুলের তরুণী আল্পনাকে বিয়ে করার পর থেকে। মণিকা এই বিয়ে মেনে নিতে পারেনি। তাই গত সোমবার মারধরের পর মুখে বিষাক্ত কিছু ঢেলে দিয়ে করোনা যোদ্ধা মণিকাকে প্রাণে মেরে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁরই সৎ ছেলে ও বৌমার বিরুদ্ধে। এই ঘটনা নিয়ে মণিকার বাবা কাশীনাথ নন্দী জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে পুলিশ খুনের মামলা রুজু করে মণিকার সৎ ছেলে সুভাষ বোস ও তার স্ত্রী আল্পনা বোসকে গ্রেপ্তার করে। আদালতের নির্দেশে তারা এখন জামালপুর থানার পুলিশি হেপাজতে রয়েছে।আরও পড়ুনঃ ভবিনিসুতোয় প্রসঙ্গে অনিন্দিতা সরকারএদিন থানায় স্মারকলিপি প্রদান করে সকল আশা কর্মীরা মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সৎ ছেলে সুভাষ ও বৌমা আল্পনার দৃষ্টান্তমূলক সাজার ব্যবস্থা করার দাবি এদিন পুলিশকে জানান। একই দাবি থানার পুলিশ কর্তাদের কাছে রাখেন আশা কর্মী মণিকার বাবা কাশীনাথ নন্দীও। থানায় হাজির হওয়া আশা কর্মী শম্পা দাস, মিতা বিশ্বাস প্রমুখরা বলেন, আমাদের সহকর্মী মণিকাকে এই ভাবে খুন হতে হবে তা আমরা কেউ কল্পনাও করতে পারিনি। আমরা চাই মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের কঠোর সাজা।যথাযথ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আশা কর্মীদের আশ্বস্ত করেছেন জামালপুর থানার পুলিশ কর্তারা।
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে এক বিবৃতি জারি করে ২০২১-২২ স্নাতকস্তরের আবেদনপত্রের জমা করার তারিখ ২০.৮.২১ থেকে বাড়িয়ে ২৭.৮.২১ করা হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষকে এই মর্মে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার আবেদন করা হয়েছে উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের তরফে। পরবর্তী সময়ে কলেজগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে সংশ্লিষ্ট বিষয় জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করা হয়ছে।
পরিচালক অতনু ঘোষের নতুন ছবি বিনিসুতোয়। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন ঋত্বিক চক্রবর্তী , জয়া আহসান, চান্দ্রেয়ী ঘোষ, অনিন্দিতা সরকার প্রমুখ। ছবির প্রিমিয়ার হয়ে গেল নন্দনে। উপস্থিত ছিলেন পরিচালক থেকে শুরু করে অন্যান্য কলাকুশলীরা।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশবিনিসুতোয় তে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা খুব ভাল। এমনটাই জানিয়েছেন অভিনেত্রী অনিন্দিতা সরকার। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, বিনিসুতোয় একটা মনস্তাত্বিক ছবি। মনের মধ্যে এমন কথা যেটা খুব সহজে আমরা বলতে পারি না বা প্রকাশ করতে পারিনা সেরকমই বেশ কিছু দিক নিয়ে এই ছবির গল্প। যারা একটু অন্যধরণের ছবি দেখতে ভালোবাসেন তারা অবশ্যই এই ছবিটা দেখুন। অতনুদার মতো একজন ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড উইনিং ডিরেক্টর এবং এত ভাল ভাল অভিনেতা এখানে কাজ করেছেন যেমন ঋত্বিক চক্রবর্তী, জয়া আহসান, চান্দ্রেয়ী ঘোষ রয়েছেন তাদের মধ্যে আমিও একটা রোল প্লে করেছি। তিনি আরও জানান,আমার অনুরোধ রইল ছবিটা আপনারা দেখুন। খুব সুন্দর দেবজ্যোতি মিশ্রর মিউজিক, সেখানে ইমন চক্রবর্তী, রূপঙ্কর বাগচীর মতো গায়করা গান গেয়েছেন। এরকম একটা প্যান্ডামিক সিচুয়েশন যেখানে আমরা হলে গিয়ে সিনেমা দেখা প্রায় ভুলেই গিয়েছি তো সেই জায়গায় নন্দনে ফুল হাউস। আশা করব আগামী দিনগুলোতে অনেক দর্শক আসবেন এই ছবিটা দেখতে। একটাই অনুরোধ, ছবিকে বাঁচিয়ে রাখতে গেলে এবং ভালো ছবি যাতে আরও হয় সেইজন্যই আমাদের সাপোর্ট করতে হবে এবং বিনিসুতোয় দেখতে যেতে হবে।
দেশ ছাড়তে চেয়েছিলেন। বাঁচার মরিয়া প্রচেষ্টা বিফলে গেল। এক নিমেষে শেষ তরতাজা প্রান। স্বপ্নের উড়ান থেমে গেল তালিবান আতঙ্কে। বিমানের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা গেলেন আফগানিস্তানের তরুণ ফুটবলার জাকি আনওয়ারি।তালিবানরা কাবুলের দখল নেওয়ার পর গত সোমবার থেকে দেশ ছাড়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন আফগানরা। কাবুলের বিমানবন্দর থেকে উড়ছে বিমান। বিমানের চাকাসহ বিভিন্ন জায়গা আঁকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টায় বহু মানুষ। যারা সৌভাগ্যক্রমে ঠেলাঠেলি করে বিমানে উঠতে পেরেছেন তাঁরা বেঁচে গেছেন। কিন্তু বহু হতভাগ্য বিমানের ডানা, চাকাসহ নানা জায়গায় মরিয়া হয়ে উঠে পড়েছিলেন। বিমান থেকে পড়ে মৃত্যু হচ্ছে দুই হতভাগ্যের। তাঁদেরই একজন ছিলেন আফগানিস্তানের জাতীয় দলের ফুটবলার জাকি আনওয়ারি।আরও পড়ুনঃ সিএবির আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফিমার্কিন বিমানবাহিনীর বোয়িং সি১৭ বিমান থেকে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন জাকি। আফগানিস্তানের দখল তালিবানরা নেওয়ার পর জাকিও অনেক দেশবাসীর মতোই পালিয়ে কাবুলে হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন। মরিয়া হয়ে প্রাণ বাঁচাতে মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে কোনওভাবে উঠেছিলেন বিমানের বাইরের কোনও অংশে। ওই বিমানটির চাকা ধরে কেউ কেউ বসেছিলেন। কেউ বসেছিলেন উড়ানের ডানার ওপর। প্রাণে বাঁচতে এতটাই মরিয়া হয়ে দেশ ছাড়তে উদ্যত হয়েছিলেন। তাঁদেরই একজন ছিলেন জাকি। বিমানের চাকায় তাঁর দেহাংশ পাওয়া গেছে।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশওই বিমানের ভিতরে উঠতে পেরেছিলেন ৬৪০ জন। বিমানে যা যাত্রী ধরে তার চেয়ে পাঁচগুণ বেশি। যদিও আফগানিস্তানের জাতীয় যুব দলের ফুটবলার ১৯ বছরের জাকির বিমানের ভিতরে প্রবেশের সৌভাগ্য হয়নি। তাই বিমান থেকে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল তাঁর। একের পর এক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হচ্ছে। একটিতে দেখা গিয়েছে বহু মানুষ বিমানবন্দরের গেট ও ঘেরা অংশের বাইরে দাঁড়িয়ে বিমানবন্দরে প্রবেশের জন্য আকুতি করছেন। আর্তনাদ করে তাঁরা বলছেন, তালিবানরা আসছে। আমাদের বাঁচান।আরও পড়ুনঃ টাকা চুরি করে নয়, চটি পড়ে দেশ ছেড়েছি, মুখ খুললেন আসরাফমার্কিন বিমানবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, যে মিলিটারি কার্গো বিমানটির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, সেটি কাতার বিমানবন্দরে পৌঁছয় যাত্রীদের নিয়ে। ওই বিমান থেকে পড়ে কত সংখ্যক মানুষ প্রাণ হারিয়ছেন এবং তাঁদের পরিচয় সম্পর্কে এখনও পুরোপুরিভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিমানের চাকাতে অনেকের দেহাংশ মিলেছে বলে ডিপার্টমেন্ট অব দ্য এয়ার ফোর্স অব স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশনসের তরফে জানানো হয়েছে। বিমানটি কাবুল বিমানবন্দরে পৌঁছেছিল আফগান ও মার্কিনদের দ্রুত আফগানিস্তান থেকে সরানোর জন্য। কিন্তু সেই সরঞ্জামগুলি নামানোর আগেই কয়েক হাজার মানুষ বিমানটিকে ঘিরে ফেলেন। এরপরই অবস্থার অবনতি লক্ষ্য করে দ্রুত বিমানটি ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা হয়। পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল যে দূতাবাসের আধিকারিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে মার্কিন বাহিনীকে গুলি চালাতে হয়, যাতে জনা পাঁচেক মানুষ প্রাণ হারান।
মেষ/ ARIES: প্রণয়ে বিঘ্ন হতে পারে। বৃষ/ TAURUS: শিক্ষায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে। মিথুন/ GEMINI : আজ স্বার্থত্যাগ করতে পারেন। কর্কট/ CANCER : আজ প্রসন্নতা লাভ করতে পারেন। সিংহ/ LEO: মানসিক আঘাত পেতে পারেন। কন্যা/ VIRGO: কোনও কারণে বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। তুলা/ LIBRA: আজ রোগমুক্তি হবে। বৃশ্চিক/ Scorpio: মনে কোনও কারণে আঘাত লাগতে পারে। ধনু/ SAGITTARIUS: রাজনৈতিক বিবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন। মকর/ CAPRICORN: পরিবারে কোনও শুভ যোগাযোগ হতে পারে। কুম্ভ/ AQUARIUS: কর্মক্ষেত্রে অশান্তি দেখা দিতে পারে। মীন/ PISCES : আজ অনর্থপাত হতে পারে।
এ বার থেকে প্রত্যেক ১৫ দিন অন্তরই এসএসকেএম হাসপাতালে দেখতে পাওয়া যাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রধানত দুটি বিষয়ে নজর দিতে প্রতিমাসে একাধিকবার এসএসকেএম হাসপাতালে যাবেন তিনি। প্রথমত শিল্প, দ্বিতীয়ত স্বাস্থ্য। শিল্পের ক্ষেত্রে যা যা সমস্যা রয়েছে, এবং স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে যে যে অসুবিধার দিকগুলির রয়েছে, দুই সমস্যার সমাধান সূত্র খতিয়ে দেখতেই নিয়মিত ব্যবধানে মুখ্যমন্ত্রী পিজি হাসপাতালে বসবেন বলে ঠিক করেছেন।আরও পড়ুনঃ শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি? আবেগে মুগ্ধ পিটারসেনমমতা বলেন, প্রত্যেক বৃহস্পতিবার বা ১৫ দিন অন্তর আমরা এখানে বসব। কারণ আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে এখন শিল্প। আর শিল্পের ক্ষেত্রের যা যা সমস্যা রয়েছে। বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ব্যাপারে কথা বলতে একটা বোর্ড গড়েছি। সবাই মিলে বসব। দ্বিতীয়ত, আমার মনে হয় হাসপাতালটাও আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা। স্বাস্থ্যভবনটা যেহেতু যেতে দূর হয়, তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ১৫ দিন অন্তর ১০-১২ জনকে নিয়ে আমি এখানে এসে বসব। কেন বসবেন সেই জবাবও দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, কারণ অনেক সময় অনেক হাসপাতালে সমস্যা থাকে। এখানে ৫ টা মেডিক্যাল কলেজ আছে। তা ছাড়াও স্বাস্থ্যের নানারকম ব্যাপার আছে। তাই স্বাস্থ্যসচিব আমার সঙ্গে থাকবে। কখনও মুখ্যসচিবকেও সঙ্গে নিয়ে আসব।বৃহস্পতিবার বিকেলে আচমকাই এসএসকেএম হাসপাতালে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। ঠিক কেন তিনি সেখানে গেলেন, সেই সম্পর্কে কিছুই বোঝা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল, ভোটের আগে তাঁর যে পায়ে চোট লেগেছিল, সেটাই দেখাতে এসেছেন তিনি। কারণ দিনকয়েক আগেও সেই পায়ের কিছু সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল তাঁকে। প্রায় ৩ ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে মমতা যা বলেন, তাতে কিছুটা চমকেই যায় সাংবাদিক মহল। কারণ রাজ্য তথা শহরের প্রথম সারির কোনও হাসপাতালে বসে এর আগে কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে সরকারি কাজ করতে দেখা যায়নি বলে জানাচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল। মুখ্যমন্ত্রী জানান, একটি হাসপাতালে বসে যাতে বাকি হাসপাতালগুলির উপর সঠিকভাবে নজরদারী চালানো যায়, সেই কারণেই এভাবে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেট লিগে ম্যাঞ্চেস্টার অরিজিনালসের বিরুদ্ধে সবে খেলে উঠেছেন। স্কাই স্পোর্টসের টিভি ক্যামেরায় ডাগ আউটে লেন্সবন্দী করতেই অন্য ছবি। দলের জয় সত্ত্বেও মুখে হাসি নেই। চোখেমুখে শূন্যতা। গ্রাস করেছে হতাশা। উৎকন্ঠার স্পষ্ট ছবি।দেশে টালমাটাল পরিস্থিতি। পরিবার নিয়ে চিন্তিত রশিদ খান। ইংল্যান্ডে বসে শঙ্কাউৎকন্ঠায় দিন কাটছে এই আফগানিস্তানের ক্রিকেটারের। পরিবার নিয়ে উৎকন্ঠার মাঝেও দেশের মানু্ষকে নিয়ে চিন্তার শেষ নেই। নেমে পড়েছেন মহৎ উদ্দেশ্যে। আফগানিস্তানের সাধারন মানুষের জন্য অর্থ সংগ্রহে।আরও পড়ুনঃ ১৫ দিন অন্তর এসএসকেএমে কয়েক ঘণ্টা বসবেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন?তালিবানদের ক্ষমতা দখলের প্রয়াস শুরু হতেই শান্তির আবেদন জানিয়েছিলেন এই আফগান ক্রিকেটার। টুইট করে বিশ্ব নেতাদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিলেন। অনুরোধ করেছিলেন আফগানিস্তানকে বিশৃঙ্খল অবস্থার মধ্যে যেন ফেলে না রাখেন। শান্তির আবেদন জানিয়েছিলেন। টুইটারে তিনি লিখেছিলেন, প্রতিদিন হাজার হাজার শিশু, মহিলা শহীদ হচ্ছে। আতঙ্কে অনেকে দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে। আফগানদের হত্যা ও আফগানিস্তানকে ধ্বংস করা বন্ধ হোক। আমরা শান্তি চাই। বিশ্ব নেতাদের কাছে অনুরোধ, আমাদের বিশৃঙ্খল অবস্থার মধ্যে ফেলে রাখবেন না।আরও পড়ুনঃ শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি? আবেগে মুগ্ধ পিটারসেনবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের মানুষের পাশে দাঁড়াতে তহবিল সংগ্রহের কাজে নেমে পড়েছেন রশিদ খান। নিজের ইনস্টাগ্রামে সোয়াইপআপ লিঙ্ক দেশের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে তিনি লিখেছেন, আপনাদের প্রত্যেকের অবদান কারও জীবনকে সহজ করে তুলতে পারে। আফগান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন রশিদ খান ফাউন্ডেশনের সাথে এই তহবিল সংগ্রহে সহযোগিতা করছে।আরও পড়ুনঃ লর্ডসে বেঙ্গসরকারের অনন্য নজির আজও অমিলদেশের বর্তমান অবস্থা নিয়ে ঘোরের মধ্যে রয়েছেন রশিদ খান। দেশে ফেরার পথ বন্ধ। নিজের পরিবারকেও দেশ থেকে বার করে নিয়ে আসতে পারছেন না। কয়েকদিন আগে বিশ্ব নেতাদের কাছে রশিদ খান আকুতি জানান, যেন আফগানিস্তানের লোকদের আর মারা না হয়। তাঁর আবেদনের কয়েকদিনের মধ্যেই পুরো আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তালিবান। তবে রশিদ খানের বক্তব্যকে নাকচ করে দিয়ে তালিবানদের মুখপাত্র সুহাইল শাহীন জানিয়েছেন, আফগান ক্রিকেটের ধ্বংস নয় বরং উন্নতি করতে চান তারা। তিনি দাবি করেচেন, আফগানিস্তানকে ক্রিকেটে এনেছেন তাঁরাই। এক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে তালিবান মুখপাত্র বলেন, আফগানিস্তান ক্রিকেট দলের খেলা নিজস্ব গতিতেই চলবে। অতীতের মতো এখনও আমরা ক্রিকেটের উন্নতি সাধনে কাজ করব। আমরা ক্ষমতায় থাকার সময়ই আফগানিস্তানকে ক্রিকেটের সাথে পরিচয় করিয়েছি। ক্রিকেটাররা আমাদেরই থাকবে। দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবে। শাহীন আরও বলেছেন, রশিদ খানকে দিয়ে যারা ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে সবাইকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। আমরা কখনোই অশান্তি চাইনি।আরও পড়ুনঃ কলকাতা লিগে দুর্দান্ত শুরু মহমেডানের, নায়ক সার্বিয়ান নিকোলাআফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোরাফেরা করছে। সেই ছবিতে দেখা গেছে, আফগানিস্তানের জাতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার আবদুল্লাহ মাজারিকে সঙ্গে নিয়ে তালিবানরা পৌঁছে গিয়েছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সদর দফতরে। তা দেখে অনেকে মজা করে লিখছেন, এটা আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড, নাকি তালিবান ক্রিকেট বোর্ড? যদিও আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সিইও অবশ্য আগাগোড়া দাবি করে এসেছেন, তালিবানরা ক্রিকেট-অনুরাগী, তাই ক্রিকেট চলবে আপন পথেই। উল্লেখ্য, আফগানিস্তানে তালিবান সরকার প্রথমে অন্য খেলাধুলোর সঙ্গে ক্রিকেট খেলার অনুমতি না দিলেও ২০০০ সালে নিজেদের অবস্থান পাল্টায় আফগানিস্তান যাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার স্বীকৃতি লাভ করে সেজন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে সমর্থনের আর্জিও জানানো হয়েছিল। পাকিস্তানে শরণার্থী শিবিরে থাকাকালীন আফগানরা ক্রিকেটে দক্ষ হয়ে ওঠেন। তিন ফরম্যাটেই খেলার স্বীকৃতি রয়েছে আফগানিস্তানের। ১২ বছরের মধ্যেই নিজেদের খেলাকে উন্নত জায়গায় নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি রশিদ খানরা বিশ্বের সেরা দশজনেও ঠাঁই পেয়েছেন।
তালিবানের তাণ্ডবে এমনিতেই দিশেহারা অবস্থা আফগানিস্তানের। তার মধ্যেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের আতঙ্ক। ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান।২৪ ঘণ্টায় এই নিয়ে চ্বিতীয়বার কম্পন অনুভূত হল। স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কে বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার সেখানকার স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৫২ মিনিটে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে তীব্রতা ছিল ৪.৫।আরও পড়ুনঃ অতিরিক্ত টোল আদায়, অভব্য আচরণের অভিযোগ বালি টোল সংস্থার বিরুদ্ধেআফগানিস্তানের বরাজক থেকে ৩৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে খিঞ্জ এলাকায় ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল। কাবুল থেকে তা প্রায় ১২২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। ভূমিকম্পের জেরে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। মঙ্গলবারও ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল আফগানিস্তান। ফৈজাবাদ থেকে ৮৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল। স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ৮ মিনিট নাগাদ অনুভূত হয়েছিল কম্পন। এ নিয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় বার ভূমিকম্প হল সে দেশে।
তালিবান কাবুলে প্রবেশ করার পরই প্রাণভয়ে ক্ষমতা ছেড়ে সপরিবারে পালিয়ে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট আসরাফ ঘানি। গত কয়েকদিন ধরে তাঁর অবস্থান ঠিক ভাবে বোঝা যাচ্ছিল না। আফগানিস্তান ছেড়ে কোন দেশে গেলেন আসরাফ ঘানি, সেই প্রশ্নে ঘুরছিল আন্তর্জাতিক মহলে। অবশেষে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তরফে জানানো হয়েছে যে মানবিকতার খাতিরে সেখানেই আশ্রয় দেওয়া হয়েছে তাঁকে। গতকালের সেই খবর প্রকাশ্যে আসার পর একটি ভিডিও বার্তায় দেশ ছাড়ার পর প্রথম মৌনতা ভাঙলেন আফগানিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট। রক্তপাত এড়াতে যে কাবুল ছেড়েছেন সে কথা আগেই বলেছিলেন ঘানি। এবার তিনি নাম না করে জবাব দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে। সেই সঙ্গে টাকা নিয়ে দেশ ছাড়ার যে গুজব তৈরি হয়েছে তা মিথ্যা বলেও ওড়ালেন তিনি।আরও পড়ুনঃ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে খুঁটিনাটি স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রীআসরাফ ঘানি দেশ ছাড়ার পর রাশিয়ার এক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল যে গাড়ি এবং চপার ভর্তি টাকা নিয়ে আফগানিস্তান ছেড়েছেন ঘানি। সেই অভিযোগ উড়িয়ে আসরাফ ঘানি বলেন, আমি খালি হাতেই দেশ ছেড়েছি। এত কম সময়ের মধ্যে আমাকে দেশ ছাড়তে হয়েছে যে আমার পায়ের চটি খুলে বুট পর্যন্ত পরার সময় পাইনি। টাকা নেওয়ার অভিযোগ যে মিথ্যা তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, খালি হাতেই দেশ ছেড়েছি। প্রয়োজন হলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কাস্টমসে খোঁজ নিন।আরও পড়ুনঃ লোকাল ট্রেন কবে চালু হবে, জানালেন মমতাআফগান প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়ার পর এটাই ছিল তাঁর প্রথম ভিডিও বার্তা। গতকাল দুবাই থেকে সেই বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, যদি তিনি কাবুলে থাকতেন তাহলে সেখানে আরও ধ্বংসাত্মক ঘটনা ঘটত।সেই সঙ্গে আফগানিস্তানের থেকে লড়াই করার জন্য আফগান সেনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে ক্ষমতা হস্তান্তরের যে প্রক্রিয়া চলছে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই এবং প্রাক্তন নেতা আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহের নেতৃত্বে, সেই প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। ঘানি বলেন, আমি আমি চাই এই প্রক্রিয়া সফল হোক। তিনি আরও বলেন, আমি যদি আফগানিস্থানে থাকতাম তাহলে একজন প্রেসিডেন্টকে আফগানিস্তানের মানুষের চোখের সামনে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হতো।
মেষ/ ARIES: মিথ্যাপবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন। বৃষ/ TAURUS: অযথা অর্থব্যয় হতে পারে। মিথুন/ GEMINI : ভুল বোঝাবুঝির শিকার হতে পারেন। কর্কট/ CANCER : কোনও আঘাত পেতে পারেন। সিংহ/ LEO: আজ বিরহে ভুগতে পারেন। কন্যা/ VIRGO: দাম্পত্যসুখ পেতে পারেন আজ। তুলা/ LIBRA: আজ কোনও মনোবাঞ্ছা পূরণ হতে পারে। বৃশ্চিক/ Scorpio: কোনও কার্যসিদ্ধি হতে পারে। ধনু/ SAGITTARIUS: কোনও বিয়োগবার্তা পেতে পারেন। মকর/ CAPRICORN: চাকরিক্ষেত্রে সুনাম বৃদ্ধি পেতে পারেন। কুম্ভ/ AQUARIUS: গীতবাদ্যানুরাগ হতে পারে। মীন/ PISCES : বাড়িতে চোরের ভয় হতে পারে।
অবশেষে সুনন্দা পুষ্কর-র মৃত্যু মামলায় অব্যাহতি পেলেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। বুধবার দিল্লি আদালত-র তরফে এই মামলা থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পরই কংগ্রেস নেতা শশী থারুর আদালতে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। সাড়ে সাত বছর ধরে অকথ্য অত্যাচার থেকে মুক্তি পেলাম। দেশের বিচার ব্যাবস্থার উপর ভরসা ছিল। এ বার আমরা সবাই সুনন্দার জন্য শোকপালন করতে পারব। শশী থারুরের আইনজীবীও এ দিন আদালতে জানান, বিশেষ তদন্তকারী দল বিনা কারণে শশী থারুরকে হেনস্থা করেছেন। কোনও প্রমাণ জমা দিতে না পারায় তাঁকে সমস্ত মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক। তদন্তে জানা গিয়েছিল, মৃত্যুর এক সপ্তাহ আগেই স্বামী শশী থারুরকে একটি ই-মেইল পাঠিয়েছিলেন সুনন্দা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, আমার বেঁচে থাকার আর কোনও ইচ্ছা নেই। শুধু আমার মৃত্যুই চাইছি। যদিও এই মেইলের কোনও জবাব দেননি শশী। এরপরই তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কে ফাটলের তত্ত্ব সামনে উঠে আসে। আরও পড়ুনঃ নতুন ছবির প্রস্তুতি শুরু মিমিরউল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি দিল্লির একটি পাঁচতারা হোটেল থেকে উদ্ধার হয় সুনন্দা পুষ্করের দেহ। দিল্লি পুলিশ শশী থারুরের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও নৃশংসতার অভিযোগ আনে। তবে এ দিন আদালতের তরফে শশী থারুরের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়। ২০১৪-র ১৭ জানুয়ারি দিল্লির একটি অভিজাত হোটেল থেকে উদ্ধার হয় ৫২ বছর বয়সী সুনন্দা পুষ্করের দেহ। ময়নাতদন্তে তাঁর পাকস্থলীতে বিষের উপস্থিতি মেলে। এরপরই অভিযোগের তীর ওঠে কংগ্রেস সাংসদের বিরুদ্ধে। সুনন্দার মৃত্যুর কারণ আরও স্পষ্ট ভাবে জানতে এফবিআইয়ের কাছে ভিসেরার নমুনা পাঠানো হয়। পাকস্থলী, প্লীহা, যকৃৎ ও মূত্রের নমুনা পরীক্ষা করে নমাস পরে রিপোর্ট পাঠায় এফবিআই। সেই রিপোর্টে জানানো হয়, নমুনা হিসাবে পাঠানো প্রত্যেকটি দেহাংশেই বিষের উপস্থিতি মিলেছে। সুতরাং বিষক্রিয়ার কারণেই অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল সুনন্দা পুষ্করের।
আফগান হিন্দু ও শিখদের আশ্রয় দেবে ভারত। মঙ্গলবার নিজের বাসভবনে নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে এমনই বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মানুষ সাহায্য চাইলে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশও দেন তিনি। সূত্রের খবর, মোদি বৈঠকে জানিয়েছেন, ভারত কেবলমাত্র নিজের দেশের নাগরিকদের রক্ষা করবে না। তিনি বলেছেন, আফগানিস্তানে সংখ্যালঘু শিখ ও হিন্দুদের অবশ্যই আমাদের আশ্রয় দিতে হবে। যে আফগান ভাইবোনেরা সাহায্যের জন্য ভারতের দিকে তাকিয়ে আছেন, তাঁদেরও প্রয়োজনীয় সাহায্য পৌঁছে দিতে হবে। সোমবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কেবল আফগান হিন্দু ও শিখ শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। আশ্রয় দেওয়ার কথা না বললেও আফগান নাগরিকদের সাহায্যের আশ্বাস দেন মোদি।আরও পড়ুনঃ সুপার ড্যান্স শো তে ফিরলেন শিল্পাভারতীয় বায়ুসেনার বিমানে মঙ্গলবার আফগানিস্তান থেকে দেশে ফিরেছেন ১৪০ জন ভারতীয়। এর মধ্যে রয়েছেন আফগানিস্তানে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত রুদ্রেন্দ্র ট্যান্ডন, দূতাবাসের কর্মী, ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (আইটিবিপি) কর্মী ও সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা। ট্যান্ডন দেশে ফিরেই হাজির হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাবিনেট বৈঠকে। সেখানে তিনি আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে সবিস্তারে জানিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। মঙ্গলবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর রাজধানীর বাইরে থাকায় মন্ত্রকের হয়ে বৈঠকে অংশ নেন বিদেশ সচিব। এ ছাড়াও বৈঠকে ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও।
তালিবানি আতঙ্কের পরিবেশে অনেকটা উলটপুরাণই বটে। একটি আফগান সংবাদমাধ্যমের মহিলা সঞ্চালক বেহেস্তা আরঘান্দকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তালিবান মিডিয়া সেলের অন্যতম শীর্ষ আধিকারিক মাওলাই আবদুল্লা হেমাদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এই ছবিটি। তাহলে কী সত্যিই বদল এসেছে তালিবানি রক্ষণশীল ধারণায়? প্রশ্ন উঠছে। আরও পড়ুনঃ বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজ কাবুলের দখল নিয়েছে তালিবানরা। গোটা আফগানিস্তানের তাদের দখলে আসা এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। গোটা বিশ্ব যখন আগের অন্ধকার যুগ ফিরে আসার আতঙ্কে বুঁদ। শরিয়ত আইনের কঠোর শৃঙ্খলে বাঁধা পড়ার আশঙ্কায় যখন আতঙ্কে মহিলারা, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে এই ছবিটি। আফগানিস্তানে তালিবান রাজ কায়েম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহিলাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা পৃথিবী। কারণ, শরিয়ত আইন মেনে চলা তালিবানরা বরাবরই মহিলাদের কঠোর নিয়মের মধ্যে বেঁধে রাখতে পছন্দ করে। মহিলাদের পড়াশোনার অধিকার, বাইরে কাজের অধিকার, পছন্দ মতো পোশাক পরার অধিকারকে মান্যতা দেয় না তারা। অন্তত অতীত তাই বলছে। কিন্তু এবার আফগানিস্তান নিজেদের কবলে নিয়ে নেওয়ার পর থেকেই মহিলাদের শিক্ষা, চাকরির জন্য আশ্বাসবানী শোনা যাচ্ছে তালিবানদের তরফে। যদিও তাতে ভরসা করতে সাহস দেখাচ্ছেন না কেউই। নারীদের প্রতি তালিবানদের ভূমিকা ঠিক কী হবে, তা নিয়ে ধন্দে পড়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিকমহল। এরইমধ্যে মহিলা সঞ্চালককে তালিবানি মিডিয়া সেলের আধিকারিকের দেওয়া সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে বিশ্বকে অন্য বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল। কিন্তু ভবিষ্যতই বলবে তালিবানিযুগে মহিলা স্বাধীনতা ঠিক কতটা উড়ান পায়।