• ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IS

রাজ্য

বৃষ্টিতে ভাসতে পারে চার জেলা

অবশেষে বঙ্গ থেকে বিদায় নিতে চলেছে শীত। আকাশ মেঘলা থাকলেও কলকাতায় (Kolkata) বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দিনের বেলা ঊর্ধ্বমুখী হবে তাপমাত্রার পারদ। রাতের দিকে অনুভূত হতে পারে শীতের আমেজ, এমনটাই জানাল হাওয়া অফিস।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার একধাক্কায় কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পেরিয়েছে ২১ ডিগ্রির গণ্ডি। এদিনের তিলোত্তমার তাপমাত্রা ২১. ১ ডিগ্রি। সকাল থেকেই মুখভার দক্ষিণবঙ্গে ৪ জেলা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের। সেখানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। জানা গিয়েছে, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঊর্ধ্বমুখী থাকবে তাপমাত্রার পারদ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাঁফফাঁস দশা হবে সকলের। তবে রাতের দিকে সামান্য নামতে পারে পারদ। শীতের আমেজ অনুভূত হতে পারে। তবে বঙ্গে আর সেভাবে পারদ পতনের সম্ভাবনা নেই বলেই খবর। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি না হলেও উত্তরবঙ্গে বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল থেকেই মেঘলা মালদা, দুই জেলার আকাশ।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যে আসছে ১২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

বঙ্গ বিধানসভা ভোটের সুর চড়ল আরও। চলতি মাসেই ১২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসতে চলেছে রাজ্যে। সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহেই ধাপে ধাপে বাহিনীর জওয়ানরা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঢুকতে শুরু করবে। ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাঁদের চলে আসার কথা। রাজ্যে ইতিমধ্যেই মোতায়েন থাকা বাহিনীর সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করবেন তাঁরা। ভোট ঘোষণার আগেও বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় টহলদারি চালাবেন বাহিনীর জওয়ানরা। চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আইনশৃঙ্খলা। তা মানছেন দিল্লির নির্বাচন কমিশনের কর্তারাও। কমিশনের ফুল বেঞ্চ ইতিমধ্যেই রাজ্যের পরিস্থিতি পরিদর্শন করে গিয়েছে তিনদিনের সফরে এসে। সেসময় তাঁরা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে, প্রশ্ন করা হয়েছিল, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে কি ভোটের মাসখানেক আগে থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বাংলায়? জবাবে তাঁরা জানিয়েছিলেন, নিয়ম মেনেই বাহিনী মোতায়েন করা হবে। ধাপে ধাপে সেই সংখ্যা বাড়ানো হবে। তাছাড়া ভোটের সময় কত বাহিনী হাতে থাকবে, তার উপর নির্ভর করবে কোথায় তাঁদের কীভাবে বিন্যস্ত করা যাবে। স্পর্শকাতর ও অশান্ত জায়গার বাসিন্দাদের মনে ভরসা জোগাতে এমনিতেও ভোটের দিন কয়েক আগে থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী সক্রিয় হয়ে ওঠে। এবারও তেমনটাই হতে চলেছে। তবে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকেই রাজ্যে আধাসামরিক বাহিনী ঢুকতে শুরু করবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। সূত্রের খবর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়ায় সবচেয়ে বেশি কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২১
রাজ্য

গুচ্ছ প্রতিশ্রুতির মাঝে সোনার বাংলা গড়ার শাহি ডাক

কখনও বলেছেন রাজ্যে কার্যকর হবে কৃষক সম্মান নিধি, কখনও আবার আয়ুষ্মান ভারত কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিজেপি নেতারা। এমনকী, রাজ্যে বিজেপি সরকার গড়লে লক্ষাধিক কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল গেরুয়া শিবির। বৃহস্পতিবার নামখানা থেকে পরিবর্তন যাত্রা সূচনার আগে আরও এক বড় প্রতিশ্রুতি দিলেন বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ।মঞ্চে উপস্থিত সমস্ত নেতৃত্বকে এবং উপস্থিত জনতাকে সম্ভাষণ করে তিনি নিজের বক্তব্য শুরু করেন। ● আজ আমার জন্য খুব সৌভাগ্যের দিন। আজ আমি গঙ্গাসাগর দর্শন করে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। ● বাংলায় পরিবর্তন করার জন্য আমরা আজ সবাই উপস্থিত হয়েছি। আজ পরমহংস শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের এবং শ্রী চৈতন্যদেবের জন্মদিন। খুবই শুভময় দিন আজ। ● আজ পরিবর্তন যাত্রার পঞ্চম দফায় শুরু হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গের সব বিধানসভায় যাবে এই যাত্রা। সব বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই আমরা তৃনমূলকে উৎখাত করব। ● এই যাত্রা প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির বার্তা নিয়ে আসছে। বড় বড় মিছিল, ১৫০০ অধিক সভা এবং সব বুথের কর্মী অংশগ্রহণ করবেন। ● এই লড়াই পশ্চিমবঙ্গকে সোনার বাংলা করার, তৃনমূলের সিন্ডিকেট শেষ করার লড়াই।● সিন্ডিকেট করেন যারা তাঁরা সাহায্য মানুষ পর্যন্ত পৌঁছতে দেয় না। এই সিন্ডিকেট রাজ আপনারা বদলাবেন তো? পরিবর্তন করবেন তো?● আমাদের লক্ষ্য হল বাংলায় পরিবর্তন। গরিব জনতার পরিবর্তন, মা বোনদের পরিবর্তন। এই জন্য এই যাত্রা। জেলেদের, আদিবাসীদের কাটমানি না দিতে হয় তার জন্য এই যাত্রা। ● প্রাকৃতিক দুর্যোগ, আম্ফানের সময় যাতে আপনার বরাদ্দ কেউ না নিতে পারে তাই এই যাত্রা। তুষ্টিকরণ বন্ধ করে, দুর্গা পূজা, সরস্বতী পূজা, রাম নবমী যাতে ভালোভাবে পালন করা যায় তাকেই পরিবর্তন বলে।● এই পরিবর্তন শুধু ক্ষমতা বদলের পরিবর্তন নয়। গঙ্গাসাগরের পরিবর্তন, এখানে মৎস্যজীবী, আদিবাসীদের অবস্থা বদলানোর জন্য পরিবর্তন। ● যতদিন মমতা ব্যানার্জি ক্ষমতায় আছেন বাংলায় আইন শৃঙ্খলা উন্নতি হতে পারে না। ● কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বতে বড় ইঞ্জিন সরকার গঠিত হয়েছে। কিন্তু এখানে তাকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। আপনারা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠিত করুন যারা কেন্দ্রের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে। ● বন্ধুগণ, এখানে আর্থিক ব্যবস্থা এত করুন এখানে সপ্তম পে কমিশন পাননা সরকারি কর্মীরা। বিজেপি সরকার গঠিত হলে সপ্তম পে কমিশন চালু হবে।● শিক্ষকরা কোমর পর্যন্ত জলে দাঁড়িয়ে নিজেদের দাবি ন্যায় জানাচ্ছেন। আমি শিক্ষক ভাইবোনদের জানাতে চাই ক্ষমতায় এসে যাতে আপনারা ন্যায় পান তার জন্য আমরা কমিটি গঠন করব। ● মৎস্যজীবীদের জন্য ৬০০০ টাকা করে দেওয়া হবে মৎস্যজীবী সম্মান নিধি। মৎস্যজীবীদের জন্য একটি অর্গানাইজেশন গঠন করা হবে যাতে মৎস্যজীবীরা সঠিক দাম পান। তার জন্য একটি মন্ত্রণালয় বানানো হবে। ● ২৪ পরগনায় তৈরি হবে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ হাব। ● গঙ্গাসাগরকে পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক পিঠস্থান হিসেবে গড়ে তোলা হবে। ● গঙ্গাসাগরের মেলাকে আন্তরাষ্ট্রীয় রূপে গড়ে তোলা হবে যাতে দেশে বিদেশে মানুষ আসেন। ● তৃনমূল অল্প দিনে কিছু যোজনা ঘোষণা করেছিলেন কিন্তু কিছুই হয়নি। ইন্টিগ্রেটেড ফিসারি জোন তৈরি হয়নি। সুন্দরবনকে আলাদা জেলার কথা বললেও তা হয়নি। ঝড়খালীতে পর্যটন গড়ে ওঠেনি। আমফানের পর মোদিজির পাঠানো টাকা তৃণমূলের গুন্ডা খেয়ে নিয়েছে। ● আমি সবাইকে বলছি, বিজেপি সরকার গঠিত হলেই একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত করে যারা আম্ফানে দুর্নীতি করেছে তাদের জেলে পাঠানো হবে। ● মোদিজি ৩৫০০ কোটি টাকা দিয়েছেন। কিন্তু কিছু হয়নি। তৃণমূলের একটাই কল্যাণ। ভাইপোর কল্যাণ। ● এটি দুর্যোগপ্রবণ এলাকা। বিজেপি ক্ষমতায় এসেই জিরো ক্যাজুয়ালটি টাস্ক ফোর্স তৈরি করবে। যাতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে কারও প্রাণ না যায়। ● বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় আমাদের ১৩০ অধিক বিজেপি কার্যকর্তার মৃত্যু হয়েছে। মমতা দিদি আপনার গুন্ডা কর্তৃক মৃত ১৩০ অধিক কর্মীর বলিদান ব্যর্থ যাবে না। রাজ্যজুড়ে প্রবল পরাক্রমে পদ্ম ফুটবে।● যে গুন্ডারা আজ লুকিয়ে আছে তাদের বলছি বিজেপি পাতাল থেকে খুঁজে বের করে আপনাদের জেলে পাঠাবে।● নিবার্চনে তৃণমূলের গুন্ডা থাকবে না।● বাংলার উন্নয়নের জন্য মোদি প্রভূত টাকা পাঠান। কিন্তু সিন্ডিকেট খেয়ে নেয় টাকা। ● কংগ্রেস আমলে ৫ বছরে বাংলার জন্য ১ লক্ষ ৩২ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিল। ● মোদি সরকার ৩ লক্ষ ৫৯ কোটি টাকা দিয়েছে।● কিন্তু গ্রামে গ্রামে কিছুই পৌঁছয় না। ভাইপো আর তার গুন্ডা খেয়ে নিয়েছে সব। সব তদন্ত হবে। ● মমতা ব্যানার্জি অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে পারেনি। বিজেপি ক্ষমতায় এলে অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধ করবে। ● দুর্গাপূজার জন্য আদালত থেকে অনুমতি নিতে হয়। সরস্বতী পূজা বন্ধ করিয়ে দেওয়া হয়। জয় শ্রীরাম শুনলে দিদির অপমান লাগে। জয় শ্রীরাম আমাদের পরিবর্তনের প্রতীক ।● এই পরিবর্তন যাত্রাকে আপন করে নিন, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদিকে একটা সুযোগ দিন সোনার বাংলা গড়ে তোলার। পাঁচ বছরে সোনার বাংলা গড়ে দেব।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজ্য

এসএসকেএম-এ জাকির, চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা মমতার

বোমাবাজিতে আহত খোদ রাজ্যের মন্ত্রী জাকির হোসেন।তাঁকে দেখতে এসএসকেএমে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা বললেন চিকিৎসকদের সঙ্গে। খোঁজ নিলেন মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার। ঘটনার জন্য কেন্দ্রকে তোপও দাগেন মমতা। বলেন, জাকিরের ভাগ্নে বলেছে রিমোটে বোমা ফাটানো হয়েছে। পুরোটাই পরিকল্পনামাফিক। জাকির কমিটেড ছেলে। ওকে কদিন ধরেই দল ছাড়তে বলছিল কেউ কেউ। একসঙ্গে ৩০-৪০ জন থাকে সবসময়। তাই গুলি করে লাভ হবে না বুঝেই বোমা ছুঁড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গুরুতর জখমদের পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। সামান্য আহতরা পাবেন ১ লক্ষ টাকা।বিস্ফোরণের ঘটনায় মন্ত্রীর হাতের একটি আঙুল ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি পায়ের একাধিক জায়গায় স্প্লিন্টারের আঘাতের চিহ্ন মিলেছে।উল্লেখ্য, বুধবার রাতে রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী জাকির হোসেনকে লক্ষ্য করে বোমাবাজির ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ঘটনার তদন্তের দাবিতে সবর হয়েছিল সবমহল। বৃহস্পতিবার ঘটনার তদন্তভার হাতে নিয়েছে সিআইডি। বিস্ফোরণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে নিমতিতা স্টেশনে গিয়েছে বম্ব স্কোয়াডের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। ঘটনাস্থলে যাবে সিআইডি। সেই কারণে ফরাক্কা-জঙ্গিপুর আজিমগঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে নিমতিতা স্টেশন চত্বর। মন্ত্রী জাকির হোসেনের উপর হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে দশটা থেকে জঙ্গিপুরের ওমরপুর ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। এই ঘটনার রেলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে তৃণমূল। প্রশ্ন করা হচ্ছে, মন্ত্রীর যাত্রার কথা থাকা সত্ত্বেও কেন যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হল না। সব মিলিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জারি চাপানউতোর।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজ্য

বোমার আক্রমণে জখম খোদ রাজ্যের মন্ত্রী হাসপাতালে, উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ

বোমাবাজিতে জখম হলেন খোদ রাজ্যের মন্ত্রী। শ্রম দফতরের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এই ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন। জানা গিয়েছে, তাঁর হাতের আঙুল উড়ে গিয়েছে। তাঁকে প্রথমে জঙ্গীপুর সুপার স্পেশালিটি হাসাপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। তারপর তাঁকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় তাঁর সঙ্গী বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। মন্ত্রীর ওপর বোমাবাজির ঘটনায় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। জেলা পুলিশ সুপারের কাছে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের আবেদন করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি আবু তাহের।জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে জাকির হোসেন নিমতিতা রেল স্টেশনে যান কলকাতা যাওয়ার উদ্দেশ্যে ট্রেন ধরতে। নিজের গাড়ি থেকে নেমে তিনি সমর্থকদের সঙ্গে হাঁটছিলেন। জাকিরবাবু জিন্দাবাদ বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন তাঁর অনুগামীরা। তখন হঠাতই বোমার আওয়াজে নিমতাতা স্টেশনের দুনম্বর প্লাটফর্ম কেঁপে ওঠে। মুহূর্তের মধ্যে চিতকার চেঁচামেচি শুরু হয়ে যায়। বোমার আঘাতে জখম রাজ্যের মন্ত্রীকে নিয়ে যাওয়া হয় জঙ্গীপুর হাসপাতালে। সেখান প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়ে মন্ত্রীকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয়।মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূলের সভাপতি আবু তাহের বলেন, কে কারা এই বোমাবাজির ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি। আমার সঙ্গে তিনি বিকেল পর্যন্ত ছিলেন। তিনি ব্যবসায়ী, সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। পুলিশ সুপারকে বলা হয়েছে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করতে।এদিকে রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্ব এই ঘটনার জন্য তৃণমূলকেই দায়ী করেছে। সাংসদ দিলীপ ঘোষ বলেন, এখানে তৃণমূলের মন্ত্রীরাও বাদ যাচ্ছেন না। দুদিন আগেই আমাদের উত্তর ২৪ পরগনার নেতা বাবু মাস্টারের ওপর বোমাবাজি হয়েছে। এদিন খোদ মন্ত্রীর ওপর হামলা হল। কীভাবে এরাজ্যে শান্তিতে নির্বাচন সম্পন্ন হবে সেটাই চিন্তার বিষয়।এদিকে প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি তথা বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরীর বক্তব্য, জাকির হোসেনের মত ভাল মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসে কখনও থাকতে পারেন না। এই দলে মন্ত্রীর ওপর হামলা হয়।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১
বিদেশ

তুষারঝড়ে বিধ্বস্ত আমেরিকা, মৃত কমপক্ষে ২১

প্রবল তুষারঝড়ে কাঁপছে আমেরিকা। বিশেষত শীতকালীন ঝড়ে বিধ্বস্ত টেক্সাস। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ২১ জনের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রদেশের একটা বড় অংশ ব্যাপক তুষারপাতের কবলে। সঙ্গে প্রচণ্ড ঠান্ডা এবং কনকনে হাওয়া। তাপমাত্রা নেমেছে মাইনাস ১০ ডিগ্রির আশপাশে। বিদ্যুৎ সংযোগ ছিন্ন হয়েছে ৩০ লক্ষ গ্রাহকের।গোটা প্রদেশেই শীতকালীন ঝড়ের সতর্কতাবার্তা জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে হিউস্টনে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সেই সতর্কীকরণের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এই এলাকায় তুষারপাত এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট জানিয়েছেন, অস্বাভাবিক ঠান্ডার জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস বা বায়ুশক্তি, কোনওভাবেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে না বেশিরভাগ বিদ্যুৎ সংস্থা। অবস্থার উন্নতির চেষ্টা চালানো হচ্ছে। যাঁদের বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই, তাঁদের সাহায্য করছে রাজ্য প্রশাসন। বাসিন্দাদের বিদ্যুৎ সংরক্ষণ করতেও বলা হয়েছে। একে ভয়ানক তুষারপাত, তার উপর বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকা। কার্যত বিধ্বস্ত শহরবাসীর জীবন। অনেকের মতেই হারিকেনের মতো ঝড়ের কবলে পড়লেও এই রকম পরিস্থিতি সচরাচর তৈরি হতে দেখা যায় না। আগামী কতদিন বিদ্যুৎ ছাড়া থাকতে হবে, তা ভেবে উদ্বিগ্ন হচ্ছেন তাঁরা। টেক্সাসের প্রধান বিমানবন্দরে বিমান চলাচল হয় বন্ধ, না হলে ব্যাহত। মেট্রো পরিষেবাও স্থগিত রাখা হয়েছে। প্রদেশের স্কুল, অফিসও বন্ধ। টেক্সাসের হ্যারিস কাউন্টিতে কোভিড-১৯ টিকাকরণ চলছিল। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধাক্কায় বন্ধ রাখা হয়েছে টিকাকরণ কেন্দ্রগুলো। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রশাসন উপদ্রুত এলাকাগুলোর গভর্নরদের আশ্বস্ত করেছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১
বিদেশ

আফগানিস্তানের মসজিদে বিস্ফোরণ, মৃত ৩০ তালিবান জঙ্গি

মসজিদে চলছিল বোমা বানানোর প্রশিক্ষণ। হাতে-কলমে সেটাই শেখানো হচ্ছিল। আর তখনই ঘটে যায় বিস্ফোরণ। আফগানিস্তানের বালখ প্রদেশের এই ঘটনায় প্রাণ গিয়েছে ৩০ তালিবানি জঙ্গি। এমনটাই জানানো হয়েছে আফগান সেনার পক্ষ থেকে।বিস্ফোরণের ঘটনায় আফগান সেনাবাহিনীর ২০৯ শাহিন কোরের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়। সেখানেই জানানো হয়, গত শনিবার বিস্ফোরণে ৩০ তালিবান জঙ্গি মারা গিয়েছে। তাতে আবার ছয় জন বিদেশিও রয়েছে। এরাই মাইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে সেখানে অন্যদের বিস্ফোরক বানানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল। জানা গিয়েছে, বালখ প্রদেশের দৌলতাবাদ জেলার কুলতাক গ্রামের একটি মসজিদে ঘটনাটি ঘটেছে। সেখানেই ওই ছয় বিদেশির কাছ থেকে বিস্ফোরক বানানোর কৌশল শিখছিল জঙ্গিরা। তখনই আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে। তার তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ওই ছজনের পরিচয়ও জানা যায়নি। গোটা ঘটনায় ওই এলাকায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।দীর্ঘদিন ধরেই তালিবানের দৌরাত্ম্যে অশান্ত আফগানিস্তান। বছরখানেক ধরে শান্তি আলোচনা চলছে তালিবান ও আফগান সরকারের মধ্যে। মধ্যস্থতায় রয়েছে মার্কিন প্রশাসনও। অথচ তার মধ্যেই নিয়মিত হিংসার ঘটনা ঘটেই চলেছে। এমনকী বাইডেন প্রশাসনও সম্প্রতি তালিবানের বিরুদ্ধে চুক্তি না মানার অভিযোগ তুলেছে। এই পরিস্থিতিতে সে দেশে একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তালিবান।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১
রাজ্য

একই জেলায় সভা শাহ ও মমতার

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দুদিনের সফরে আজ রাজ্যে আসছেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাতে দিল্লি থেকে কলকাতা বিমান বন্দরে পৌঁছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিউটাউনে পাঁচতারা হোটেলে যাবেন এবং সেখানে রাত্রিবাস করবেন। আগামীকাল সকালে পাঁচতারা হোটেল থেকে রাসবিহারী অ্যাভিনিউয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। রাসবিহারী অ্যাভিনিউ পৌঁছে ভারত সেবাশ্রম সংঘ পরিদর্শনে যাবেন। এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে রেসকোর্স হেলিপ্যাড ময়দানে পৌঁছে হেলিকপ্টারে গঙ্গাসাগরের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। গঙ্গাসাগরে পৌঁছে কপিল মুনির আশ্রমে গিয়ে আশ্রম দর্শন করবেন। এরপর এক দরিদ্র পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন করবেন। মধ্যাহ্নভোজনের পর গঙ্গাসাগর হেলিপ্যাড ময়দানে এসে হেলিকপ্টারে নামখানায় পৌঁছবেন। সেখানে নামখানা ময়দানে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করে কাকদ্বীপ রেল স্টেশন পর্যন্ত পরিবর্তন যাত্রায় অংশ নেবেন।এরপর কাকদ্বীপ থেকে হেলিকপ্টারে কলকাতায় আসবেন। বিকেলে কলকাতায় এসে বিবাদীবাগ পৌঁছে সেখানে ফ্রিডম ফাইটার বাইক যাত্রার সূচনা করবেন। বিবাদীবাগ থেকে শেক্সপিয়ার সরণি পৌঁছে শ্রী শাহ অরবিন্দ ভবন পরিদর্শনে যাবেন। এরপর শহরের দুটি পাঁচতারা হোটেলে দুটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তারপর কলকাতা বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।এদিকে বৃহস্পতিবারই দক্ষিণ ২৪ পরগনার পৈলানে জনসভা করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে থাকবেন তৃণমূল যুবর সর্বভারতীয় সভাপতি তথা ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একই জেলায় দুই প্রান্তে দুই প্রতিপক্ষের রাজনৈতিক কর্মসূচি। একই দিনে জবাব দেওয়ার সুযোগ। পাল্টা আক্রমণের ক্ষেত্র তৈরি করা। আবার ২২ ফেব্রুয়ারি হুগলির ডানলপে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই ২৪ ফেব্রুয়ারি তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভা করবেন।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১
কলকাতা

বাবু মাস্টারের উপরে হামলায় উত্তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনা

বিজেপি নেতা ফিরোজ কামাল গাজি ওরফে বাবু মাস্টারের উপর হামলার ঘটনায় উত্তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনার রাজনীতি। কিছুদিন আগেই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া আরেক নেতা মণীশ শুক্লাকে প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করেছিল দুষ্কৃতীরা। এবার আরেক দলবদলু নেতার উপর হামলা। বিজেপির অভিযোগ, বাবু মাস্টারকেও একইভাবে সরানোর চেষ্টা করছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এই হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি।বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের দাবি, বাবু মাস্টার বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁর উপর হামলার ছক কষা হচ্ছিল। পুলিশকে দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছিল। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক তাঁকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছিলেন। হতে পারে গতকালের এই হামলা জ্যোতিপ্রিয়ই করিয়েছেন। অর্জুন সিংয়ের এই অভিযোগ স্পষ্টতই খারিজ করে দিয়েছেন তৃণমূলের উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সভাপতি মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনি বলেন, এটা নব্য বিজেপির সঙ্গে পুরনো বিজেপির লড়াইয়ের জের। দীর্ঘদিন ধরেই বাবু মাস্টারের অনেক শত্রু রয়েছে। একটা সময় সিপিএমের গৌতম দেবের ডান হাত ছিলেন বাবু। তখন থেকেই তাঁর অনেক শত্রু। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই বিজেপিতে যোগদান করেন ফিরোজ কালাম গাজি ওরফ বাবু মাস্টার নামের ওই ব্যক্তি। শনিবার বসিরহাটে সাংগঠনিক বৈঠক সেরে কলকাতা যাচ্ছিলেন তিনি। মিনাখাঁ থানার কাছে লাউহাটি মোড় এলাকায় পৌঁছতেই তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। বোমাবাজিও করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম হন কালাম গাজি। ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাঁর গাড়ি। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। সেখান থেকে তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, বাবু মাস্টারের দেহ থেকে একাধিক বোমের স্প্লিন্টার বের করা হয়েছে। তবে, আপাতত তিনি বিপদমুক্ত। রাতে তাঁকে হাসপাতালে দেখতে যান শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি নেতারা।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১
দেশ

জইশের নিশানায় অজিত ডোভাল, জারি কড়া সতর্কতা

পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের নিশানায় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। গত ৬ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার হওয়া জইশ-ই-মহম্মদের এক জঙ্গিকে জেরা করার পরই সামনে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য।গত ৬ ফেব্রুয়ারি হিদায়তউল্লা মল্লিক নামের ওই জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয় জম্মু ও কাশ্মীরের সোপিয়ান থেকে। তার কাছ থেকে অজিত ডোভালের অফিসের রেকি করার ভিডিওটি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিয়েছে সে। জেরার মুখে নিজের কীর্তির কথা সবিস্তারে জানিয়েছে ধৃত জঙ্গি। ২০১৯ সালের ২৪ মে শ্রীনগর থেকে বিমানে নয়াদিল্লিতে আসে হিদায়ত। কেবল ভিডিও তোলাই নয়, পাশাপাশি সেখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখে সে। পরে তার তোলা ভিডিওটি সে হোয়াটসঅ্যাপে পাকিস্তানে পাঠিয়েও দেয়। নিজের পাক প্রভুকে ডক্টর বলে উল্লেখ করেছে ধৃত। পাকিস্তান থেকে কারা নির্দেশ দিত, সে সম্পর্কেও বহু তথ্য ফাঁস করেছে সে। দশটি ফোন নম্বর ছাড়াও তাদের নাম, সাংকেতিক নামও জানিয়েছে হিদায়ত।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২১
কলকাতা

চলতি মাসেই ফের রাজ্যে মোদি-শাহ-নাড্ডা!

একুশের নির্বাচনের প্রচারে অনেকবার বাংলায় আসবেন। আগেই সে কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন অমিত শাহ। গত বৃহস্পতিবার রাজ্যে এসে একাধিক কর্মসূচিতে অংশও নিয়েছিলেন। শোনা যাচ্ছে, চলতি মাসে ফের তিনি বঙ্গে আসছেন। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি কাকদ্বীপ থেকে পরিবর্তন রথযাত্রার উদ্বোধন হবে তাঁর হাত দিয়েই। তবে একা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন, বঙ্গ দখলের ভিত শক্ত করতে ফেব্রুয়ারিতেই আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তবে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি মোদির বাংলায় পা রাখার কথা শোনা যাচ্ছে। যদিও সূত্রের খবর অনুযায়ী, এবারও সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দিতেই এরাজ্যে আসবেন তিনি। মোদি-শাহর পাশাপাশি ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলায় আসার কথা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডারও।এখনও পর্যন্ত মোদির সফরের কথা সরকারিভাবে ঘোষণা না হলেও জানা গিয়েছে, নোয়াপাড়া-দক্ষিণেশ্বর মেট্রো রেলের উদ্বোধন করবেন মোদি। হুগলিতে জনসভাও করতে পারেন তিনি। তবে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েই বঙ্গ সফরে আসার কথা অমিত শাহর। এর আগে কোচবিহার থেকে পরিবর্তন রথযাত্রার শুভ সূচনা করেছিলেন শাহ। এবার কাকদ্বীপের যাত্রার উদ্বোধনে হাজির থাকতে পারেন তিনি। পাশাপাশি কলকাতা জোনেও জনসভা করতে পারেন তিনি। আবার হুগলির সিঙ্গুরেও অমিত শাহর সমাবেশ চাইছে রাজ্য বিজেপি। ভোটের আগে জনসংযোগ বাড়াতে ইতিমধ্যেই চারটি পরিবর্তন রথযাত্রার সূচনা হয়েছে বঙ্গে। নবদ্বীপ, তারাপীঠ ও ঝাড়গ্রাম থেকে যাত্রার উদ্বোধনে ছিলেন জেপি নাড্ডা। কাকদ্বীপ থেকে পঞ্চম রথযাত্রা শুরু হবে। সব ঠিকঠাক থাকলে তারই উদ্বোধন হবে শাহর হাতে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২১
রাজ্য

'দিদির দূত' অ্যাপের জনপ্রিয়তা ১ লক্ষ ছাড়াল

গত ৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২১-এ দিদির দূত অ্যাপ্লিকেশনটির সূচনা হয়, এবং এটি ৮ দিনের মধ্যেই ১ লক্ষের বেশি মানুষ ডাউনলোড করে ফেলেছেন। দিদির দূত এই ধরনের প্রথম একটি অ্যাপ্লিকেশন, যা তৈরি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য। এটির মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ সরাসরি তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে যোগাযোগ করতে এবং তাঁর কাজ-উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সম্পর্কে জানতে পারবেন।দিদির দূত অ্যাপ্লিকেশন যাঁরা ব্যবহার করবেন, তাঁরা সরাসরি দিদির সাথে সংযুক্ত হতে পারবেন এবং দিদির সভাগুলো একসাথে সবার সঙ্গে একই সময় দেখতে পাবেন। দিদির প্রত্যেক কাজকর্মের,চিন্তা ভাবনার ও অনুষ্ঠানের সাথেও যুক্ত থাকতে পারবেন। ব্যবহারকারীরা রাজ্যজুড়ে নতুন তথ্য, খবরাখবর, ফটো, ভিডিও সম্পর্কেও অবগত থাকবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের মতামতও এই অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে পৌঁছে দিতে পারবেন অ্যাপ ব্যবহারকারীরা। অ্যাপ্লিকেশনটি গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাবে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আজ, ১৩ ফেব্রুয়ারি দিদির দূত নামক একটি সাজানো গাড়িতে সোনারপুর উত্তর ও দক্ষিণ বিধানসভায় একটি পথযাত্রা করবেন। সারা রাজ্য জুড়ে এই ধরনের গাড়িতে দলের অন্যান্য নেতারাও নানান স্থানে মানুষের সাথে সংযুক্ত হবেন। পাশাপাশি যে কোনও ব্যক্তি যাঁরা দিদির সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে তাঁর বার্তাকে, উদ্দেশ্যকে রাজ্যের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চান, তাঁরাও এই গাড়ির মাধ্যমে দিদির বার্তাবাহক (দূত) হতে পারবেন। যে কোনও ব্যক্তি এই দিদির দূত যানের গায়ে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করে অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করতে পারবেন।দিদির দূত অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২১
কলকাতা

রোজভ্যালি কাণ্ডে প্রথম সাজা ঘোষণা

রোজভ্যালি চিটফান্ড কাণ্ডে এবার সাজা ঘোষণার পালা। সংস্থার এক আধিকারিক অরুণ মুখোপাধ্যায়কে সাত বছরের কারাবাসের সাজা দিল নগর দায়রা আদালত। সেইসঙ্গে আড়াই লক্ষ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাস কারাবন্দি থাকতে হবে তাঁকে। এই প্রথমবার রোজভ্যালি সংস্থার একাধিক মামলার মধ্যে একটিতে সাজা ঘোষণা হল।ভুয়ো সংস্থার আর্থিক কেলেঙ্কারি নিয়ে বেশ কয়েকটি মামলা চলছিল রোজভ্যালির। শেয়ার ডিবেঞ্চার সংক্রান্ত একটি মামলায় সংস্থার কর্ণধার গৌতম কুণ্ডু-সহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রায় ১৩ কোটি টাকা আর্থিক তছরূপের মামলার তদন্ত করছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তাদের দেওয়া চার্জশিটে ছিল ৯ জনের নামই। এরপর চার্জ গঠনের সময়ে অন্যতম অভিযুক্ত সংস্থার আধিকারিক অরুণ মুখোপাধ্যায় নিজেই কেলেঙ্কারির দায় নিজের কাঁধে নেন। ফলে তিনি একাই দোষী সাব্যস্ত হন। শুক্রবার তাঁকে ৭ বছরের জন্য কারাবাসের সাজা শোনাল নগর দায়রা আদালত। গ্রেপ্তার হওয়ার পর ইতিমধ্যে অরুণ মুখোপাধ্যায়ের ৪ বছর কারাবাসের মেয়াদ শেষ হয়েছে। ফলে আর তিন বছর জেলে কাটাতে হবে তাঁকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২১
রাজ্য

টিফিন, পানীয় জল, এমনকি কলমও 'শেয়ার' করা নিষেধ স্কুলে

ছাত্রীদের একসময়ে সব কিছু সকলে ভাগ করে নেওয়ার শিক্ষা দিয়েছিলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। শুক্রবার নিউ নর্মাল পরিস্থিতিতে স্কুল খোলার দিনে ছাত্রীদের ভাগ করতে বারণ করার কথা তাঁর মূখেই শোনা গেল। করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় ১১মাস বন্ধ থাকার পরে এদিনই প্রথম খুলল স্কুল। সকালে স্কুলে ঢোকার সময়ে সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে সার দিয়ে দাঁড়াতে হলো ছাত্রীদের। প্রথমেই থার্মালগান দিয়ে তাপমাত্রা মাপা হলো, তারপরে হাত স্যানিটাইজার দিয়ে জীবানুমুক্ত করে তারপরেই ক্লাসরুমে ঢুকতে দেওয়া হলো হাওড়া যোগেশচন্দ্র গার্লস স্কুলের নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের। এদিন সকালে স্কুলে আসা ছাত্রীদের করোনা বিধি মেনে চলার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি, নিজেদের মধ্যে টিফিন, পানীয় জল, এমনকি কলমও শেয়ার করতে বারণ করেন।এদিন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শুভ্রা চক্রবর্তী বলেন, ছোট বেলায় যাদেরকে সবকিছু ভাগ করে নেবার শিক্ষা দিয়েছিলাম, করোনা পরিস্থিতিতে এবারে সেটাই করতে তাদের বারন করতে হচ্ছে। ছাত্রীদের করোনা বিধি মেনে চলার কথা বলেছি। প্রতি বেঞ্চের দুই ধারে দুইজন ছাত্রী বসবে। এদিন প্রায় এক বছর পরে স্কুলে এসে যারপরনাই খুশি ছাত্রীরা।একাদশ শ্রেনীর ছাত্রী রিয়া সাহানির কথায়, প্রায় এক বছর পরে আবার বন্ধুদের সাথে দেখা হচ্ছে। অনেক নতুন বন্ধু হয়েছে। খুব আনন্দ হচ্ছে। এদিন ধর্মঘটের মধ্যে স্কুলে আসা নিয়ে এক অবিভাবকের কথায়, ওরা তো অনেকদিন ধরেই গৃহবন্দী হয়ে রয়েছে। তাই বাংলা বনধে স্কুল খোলায় ওদেরকে আর থামানো যায়নি। বামফ্রন্টের ডাকা বন্ধ না মেনে তাই স্কুলে ছুটেছে পড়ুয়ারা। এদিনের বাংলা বনধে হাওড়ার জনজীবনে বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া কোন প্রভাব পড়েনি। বাস ও ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক ছিল। বন্ধ না মেনে পথে নামেন মানুষজন। হাওড়া স্টেশনে ট্যাক্সি পরিষেবাও প্রায় স্বাভাবিক ছিল।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
কলকাতা

কয়লাকাণ্ডে হাইকোর্টে ধাক্কা রাজ্যের

কয়লা পাচার কাণ্ডে তল্লাশি চালাতে গেলে লাগবে না রাজ্যের অনুমতি। সিবিআইকে বড়সড় স্বস্তি দিয়ে সাফ জানাল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা-সহ অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাতে পারবে সিবিআই। ২৩ মার্চের মধ্যে সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। ২৭ তারিখ মামলার পরবর্তী শুনানি।গত সোমবার সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। কয়েকদিন আগে কয়লা পাচার কাণ্ডে রাজ্যের সহযোগিতা নিয়ে তল্লাশি চালাতে হবে বলে সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। আর এতেই আপত্তি ছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটির।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
কলকাতা

ভোট ঘোষণার আগে চূড়ান্ত প্রস্তুতি মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের প্রশ্নের জবাব যাতে পত্রপাঠ দিয়ে দেওয়া যায় সেই লক্ষ্যে সব আয়োজন সেরে ফেলতে চাইছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। এবং সেই তাগিদেই বৃহস্পতিবার রাজ্যের সমস্ত জেলাশাসকের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) আরিজ আফতাব।ইতিমধ্যেই অসম ও পশ্চিমবঙ্গের ভোট প্রস্তুতিপর্ব খতিয়ে দেখে গিয়েছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তারপর দিল্লিতে কয়েক দফায় পর্যালোচনা বৈঠকও হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে তামিলনাড়ুতে পা রেখেছে ফুল বেঞ্চ। সেখানে দুদিনের সফর সেরে ১৩ তারিখ তামিলনাড়ু, কেরলে উড়ে যাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরার নেতৃত্বাধীন ফুল বেঞ্চ। ১৩ এবং ১৪ তারিখ কেরলের ভোট প্রস্তুতিপর্ব খতিয়ে দেখার পর ১৫ তারিখ দিল্লি ফিরবেন তাঁরা। সূত্রের খবর, তার পরই চার রাজ্যের সিইওর সঙ্গে ভোটপ্রস্তুতি সংক্রান্ত চূড়ান্ত বৈঠক করতে চলেছে কমিশন। ওই বৈঠকের পরই নির্বাচনী সূচি ঘোষণা হয়ে যাবে। মনে করা হচ্ছে ১৮ ফেব্রুয়ারির পর যে কোনও দিন ভোট ঘোষণা হতে পারে। ওই বৈঠকে কমিশনের যাবতীয় প্রশ্নের জবাব পত্রপাঠ দিয়ে দিতে হোমওয়ার্কে এক তিল খামতি রাখতে চান না সিইও।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
রাজ্য

রাসমেলা ময়দান থেকে মমতাকে খোঁচা অমিত শাহর

কোচবি্হারের মাটিতে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রীতিমতো কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন। খোঁচা দিয়ে বললেন, দিদি লোকসভা নির্বাচনের আগে আমাদের শূন্য দিচ্ছিলেন, এখন নিজেই নিজের জন্য আসন খুঁজে বেড়াচ্ছেন। এখানে লড়বেন না ওখানে লড়বেন, নাকি দুটি আসনে লড়বেন। বুঝে উঠতে পারছেন না। কোচবিহারের রাসমেলার ময়দান থেকে তিনি গগনভেদী জয় শ্রীরাম ধ্বনি তোলেন। বলেন, এত জোরে ধ্বনি তুলুন সবাই। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে তাঁর খোঁচা, রামনাম উচ্চারণ করে গর্ববোধ করেন। কিন্তু মমতাজির তাতে আপত্তি। কারণ, উনি তোষণের রাজনীতি করেন। তবে ভোট শেষ হতে হতে আপনিও জয় শ্রীরাম স্লোগান তুলবেন।রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, শুভেন্দুর বিজেপিতে যোগদানের পর দুই মেদিনীপুর তথা জঙ্গলমহল এলাকায় দলের যাতে ক্ষতি না হয়, তা নিশ্চিত করতেই নন্দীগ্রামে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন মমতা। কিন্তু অমিত শাহ তার ব্যাখ্যা দিলেন নিজের মতো করে। বলে দিলেন, নিজের জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত নন বলেই নিজের জন্য নিরাপদ আসন খুঁজে বেড়াচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। কোচবিহারের সভা থেকে তাঁর খোঁচা,লোকসভা ভোটের আগে আমরা বলেছিলাম রাজ্যে আমরা কুড়িটির বেশি আসন জিতব। দিদি আমাদের বলেছিলেন আমরা নাকি শূন্য পাব। আজ উত্তরবঙ্গ থেকে রাজু সিং বিস্তা, নিশীথ প্রামাণিকরা সাংসদ হয়ে গিয়েছেন। আর আপনি নিজের জন্য আসন খুঁজে বেড়াচ্ছেন। এখানে দাঁড়াবেন না ওখানে দাঁড়াবেন, এক জায়গায় লড়বেন না দুই জায়গায় লড়বেন, বুঝতেই পারছেন না।#WATCH | Mamata didi keeps on quarrelling with Modi ji, she even quarrelled during Subhash babus program. It was Subhash babus event, you could have refrained from politics there: Union Home Minister Amit Shah in Coochbehar pic.twitter.com/iCFWzW65ou ANI (@ANI) February 11, 2021

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
কলকাতা

বন সহায়ক পদে নিয়োগ: রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

বন সহায়ক পদে নিয়োগ তরজার জল গড়াল হাইকোর্টে।নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা নিয়ে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। সেই মামলা নিয়ে এবার রাজ্যের কাছে হলফনামা চাইল কলকাতা হাইকোর্ট। ৪ মার্চের মধ্যে হলফনামা জমা করার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজশেখর মন্থা। গত নভেম্বর মাসে রাজ্যের ২ হাজার বন সহায়ক পদে নিয়োগ হয়। সেই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন মালদহের বাসিন্দা কৌশিক ঘোষ। এর আগে স্যাটেও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিন আদালতের বিচারপতি রাজশেখর মন্থা নিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য জানতে চেয়েছেন রাজ্যের কাছে। মেধাতালিকা কী অবস্থায় রয়েছে, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে আদালত। হলফনামা জমা পড়ার পরই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হবে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি।প্রসঙ্গত, বন সহায়ক পদে নিয়োগ নিয়ে আপাতত উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সঠিক নয় বলে অভিযোগ উঠছিল দীর্ঘদিন ধরেই। দিন কয়েক আগে একই অভিযোগ শোনা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেও। তিনি বলেছিলেন, আমাদের সঙ্গে ছেলেটা ছিল। সে এখন আমাদের সঙ্গে আর নেই। আমার কাছে অভিযোগ এসেছে বন সহায়ক পদ নিয়ে কারচুপি হয়েছে। আমরা তদন্ত করে দেখছি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
রাজ্য

সাধারণের জন্য খুলে গেল বেলুড়মঠের দরজা

দ্বিতীয় দফায় ১৯১দিন বন্ধ থাকার পরে বুধবার থেকে আপামর ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্যে খুলে গেল বেলুড়মঠ। এদিন থেকেই রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের স্ট্যান্ডার্ড অপারেশন প্রসিডিওর মেনে লক্ষ লক্ষ ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্যে খুলে দেওয়া হল বেলুড়মঠের দ্বার। গত ২৫শে জানুয়ারী এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন বেলুড়মঠের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবিরানন্দ মহারাজ। লকডাউনের জেরে ২০২০সালে ২৫ মার্চ থেকে বন্ধ রাখা হয়েছিল বেলুড় মঠ। ৮২ দিন বন্ধ থাকার পর। ১৫ জুন তা আবার জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল। ওই সময় একাধিক করোনা বিধি মেনে গেটে প্রবেশ করান হতো।বেলুড়মঠে ঢোকার সময় সামাজিক দুরত্ব মানা থেকে স্যানেটাইজ করে মঠে ঢোকা, সব করোনাবিধিই মানতে হত ভক্ত থেকে দর্শনার্থী সকলকেই। এর প্রায় দেড় মাস পর ২রা আগস্ট থেকে ফের বন্ধ করে দেওয়া হয় বেলুড় মঠ। সেই সময়ে মঠের আবাসিক প্রায় ৮০জন সন্যাসী করোনায় আক্রান্ত হন। যার জেরেই মূলত দ্বিতীয়বার বেলুড়মঠে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বুধবার থেকে প্রত্যহ সকাল ৮.৩০মিনিট থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত ও বিকাল ৩.৩০মিনিট থেকে বিকাল ৫.১৫মিনিট পর্যন্ত খোলা থাকবে মঠের দরজা | মঠের মূল মন্দিরসহ মোট চারটি মন্দিরে প্রবেশ করতে পারলেও, মন্দিরে বসা ও মঠ চত্বরে সময় কাটাতে পারবেন না কেউ | দেখা যাবে না সন্ধ্যা আরতি।কোভিড বিধিকে মান্যতা দিয়ে এই বছরে বেলুড়মঠে বন্ধ রাখা হচ্ছে সাধারণ উৎসব। আগামী ২১মার্চ সাধারণ উৎসব বন্ধ রাখা হচ্ছে বলে জানান মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দ জী মহারাজ। এদিন তিনি আরো জানান, আগামী ১৬ই ফেব্রুয়ারী সরস্বতী পূজা ও আগামী ১৫ই মার্চ ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেবের জন্মতিথি পুজার দিনেও ভক্ত ও দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ রাখা হবে। এই দিনগুলোতে অতিরিক্ত ভিড়ের ফলে করোনা বিধি ভাঙ্গার আশঙ্কাই করছেন মঠ কর্তৃপক্ষ। এদিন মঠ কর্তৃপক্ষ যে পরিমান দর্শনার্থীর আশা করে ছিলেন সেই তুলনায় কয়েক গুন বেশী ভক্ত ও দর্শনার্থীদের এলেও কোন সমস্যা হয়নি। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের বাসিন্দা স্নাতকোত্তরের ছাত্রী পারমিতা এদিন সকালেই মায়ের সাথে ছুটে আসেন বেলুড়মঠে। তিনি জানান, মঠে ঢোকার সময়ে থার্মাল গান দিয়ে তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে, হাতে দেওয়া হচ্ছে স্যানিটাইজার। পারমিতার ভাষায় আজকের ভোর নতুন বার্তা নিয়ে এসেছে। তিনি আরও জানান, করোনা আমাদের অনেক কিছু কেড়ে নিলেও অনেক শিক্ষাও দিয়েছে। করোনার প্রকোপ কমে গেলেও মাস্ক পরা সহ কিছু বিধিনিষেধ লাগু থাকাই আমাদের পক্ষে মঙ্গলের বলে মনে করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
দেশ

দেশবিরোধী পোস্ট খুঁজতে ভলান্টিয়ার নিয়োগ কেন্দ্রের!

সাইবার দুনিয়াতেও চলবে নজরদারি। তা-ও আবার স্বেচ্ছাসেবকের মাধ্যমে। কে বা কারা জাতীয়তাবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত, নেট দুনিয়ার নানা মাধ্যমে তার বার্তা ছড়াচ্ছেন, তাঁর উপর নজর রাখতে এবার নিযোগ করা হচ্ছে স্বেচ্ছাসেবক। প্রাথমিকভাবে জম্মু-কাশ্মীর ও ত্রিপুরা থেকে শুরু করে ক্রমেই তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে দেশের অন্যান্য প্রান্তেও। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে এমনটাই জানানো হয়েছে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সাইবার অপরাধদমন শাখা থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশবিরোধী কার্যকলাপ ছড়িয়ে দিতে কারা কীভাবে সক্রিয় তার উপর নজর রাখাই হবে এই স্বেচ্ছাসেবকদের কাজ। স্বেচ্ছাসেবকরা নজর রাখবেন, কে কোথায় কী ধরনের তথ্য আদানপ্রদান করছে, তার উপরও। সরকারের কোনও গোপন নথি, বেআইনি কোনও নথি বাইরে চলে যাওয়া, শিশুদের নিয়ে তৈরি নীল ছবি, ধর্ষণ এবং সন্ত্রাসের ছবি সম্প্রচার, মৌলবাদী প্রচার এবং জাতীয়তাবাদ বিরোধী প্রচার, সবকিছুর উপরই নজর রাখবেন এই স্বেচ্ছাসেবকরা। কারা এই ধরনের তথ্য তৈরি করছে এবং কারা তা ছড়িয়ে দিচ্ছে তা কিন্তু আর নজরের আড়ালে থাকবে না। প্রতিমুহূর্তেই তাতে নজর রাখবেন এই ধরনের স্বেচ্ছাসেবকরা।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 129
  • 130
  • 131
  • 132
  • 133
  • 134
  • 135
  • ...
  • 150
  • 151
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

চলন্ত ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে ধোঁয়া-আগুন, বর্ধমানে ২০ মিনিট থমকাল ট্রেন; অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়াল রেল

ইঞ্জিনের পরের কামরার নীচে ব্রেক বাইন্ডিং থেকে আগুন, খানা-তালিতের মাঝে দাঁড় করিয়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনলেন রেলকর্মীরা; নিরাপদে রওনা দিল হাওড়ার উদ্দেশেধানবাদ থেকে হাওড়াগামী ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে চলন্ত অবস্থায় আচমকাই ধোঁয়া ও আগুন দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল যাত্রীদের মধ্যে। পূর্ব বর্ধমানের খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটে এই ঘটনা। দ্রুত ট্রেন থামিয়ে রেলকর্মীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রায় ২০ মিনিট বন্ধ থাকার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ট্রেনটি আবার হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। এই ঘটনায় কোনও যাত্রী আহত হননি বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।রেল সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ থেকে নির্ধারিত সময়েই ২২৩৮৭ ডাউন ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। যাত্রীদের একাংশের দাবি, পানাগড় পার হওয়ার পর থেকেই ট্রেনে যান্ত্রিক সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবে পরিস্থিতি যে এতটা গুরুতর হতে পারে, তা কেউ বুঝতে পারেননি।ট্রেনটি পূর্ব বর্ধমানের দিকে এগোতে থাকলে ইঞ্জিনের ঠিক পরের কামরার নীচ থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ধোঁয়ার সঙ্গে আগুনের শিখাও দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই ট্রেনের কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উদ্যোগ নেন এবং রাত প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় ট্রেনটি জরুরি ভিত্তিতে থামিয়ে দেওয়া হয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রেলের প্রযুক্তিগত কর্মী ও আধিকারিকরা। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট কামরার ব্রেক ব্যবস্থা এবং অন্যান্য যান্ত্রিক অংশ খতিয়ে দেখা হয়। সমস্ত দিক পরীক্ষা করে ট্রেনটিকে নিরাপদ ঘোষণা করার পর রাত প্রায় ৮টা ২০ মিনিট নাগাদ পুনরায় হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানিয়েছেন, ইঞ্জিনের পরের কামরায় ব্রেক বাইন্ডিং-এর কারণে অতিরিক্ত ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঘর্ষণ থেকেই ধোঁয়া ও আগুনের সৃষ্টি হয়। তিনি জানান, রেলকর্মীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান করায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।ঘটনার সময় ওই কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত ছিলেন। ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গেই আতঙ্কিত যাত্রীরা দ্রুত নেমে নিরাপদ দূরত্বে চলে যান। মুহূর্তের মধ্যে অন্যান্য কামরাতেও খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই উদ্বেগে বাইরে নেমে আসেন। যদিও রেলকর্মীদের তৎপরতায় পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যায়।ধানবাদ থেকে ট্রেনে ওঠা এক যাত্রী জানান, আসানসোলের কিছু আগে থেকেই ট্রেনে একটা অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছিল। পরে তালিতের কাছে এসে দেখি কামরার নীচ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে, তারপর আগুনও দেখা যায়। তখন স্বাভাবিকভাবেই সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল।এইদিনের ব্ল্যাক ডাইমন্ডের যাত্রীরা জানান, হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখে আমরা খুব ভয় পেয়ে যাই। ট্রেন দাঁড়াতেই নেমে পড়ি। পরে রেলকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় স্বস্তি ফিরে আসে।এই ঘটনার জেরে ধানবাদ-হাওড়া রেলপথে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। রেলের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানি বা বড়সড় দুর্ঘটনা না ঘটায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন যাত্রীদের পাশাপাশি রেল কর্তৃপক্ষও। তবে চলন্ত ট্রেনে এমন যান্ত্রিক ত্রুটি সামনে আসায় রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

'বোতলবন্দী' পেনেল্টি রহস্য! পিকফোর্ডের ‘গোপন অস্ত্র’ মেসিদের হাতে! ইংল্যান্ড গোলকিপারের জলের বোতলে মিলল আর্জেন্টিনার সব পেনাল্টি শুটারের নোট

ছোটবেলায় পারস্যের রহস্য-রোমাঞ্চের গল্পে পড়া যেত রাজা-রানির প্রাণভোমরা নাকি বন্দি থাকত একটি বোতলে। সেই বোতল এমন গোপন স্থানে লুকিয়ে রাখা হতো, যাতে শত্রুরা কোনওভাবেই তার নাগাল না পায়। শতাব্দী পেরিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে যেন সেই বোতলবন্দি রহস্য-রই আধুনিক সংস্করণ দেখা গেল। তবে এখানে প্রাণভোমরা নয়, বোতলের গায়ে বন্দি ছিল ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের সবচেয়ে গোপন অস্ত্র আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য প্রতিটি পেনাল্টি শুটারের বিরুদ্ধে তৈরি করা বিস্তারিত পরিকল্পনা।বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে সম্ভাব্য টাইব্রেকারের কথা মাথায় রেখে নিজের জলের বোতলেই একটি চিট শিট সাঁটিয়ে রেখেছিলেন পিকফোর্ড। সেখানে লেখা ছিল আর্জেন্টিনার প্রতিটি সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারের অভ্যাস, কে কোন দিকে শট নিতে পারেন এবং কোন কৌশলে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস, ম্যাচ গড়ায়ইনি টাইব্রেকারে। নির্ধারিত সময়েই আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে যায়। আর ম্যাচ শেষে সেই গোপন অস্ত্রই চলে আসে লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থদের হাতে।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, পিকফোর্ডের জলের বোতল হাতে নিয়ে মেসি ও একাধিক আর্জেন্টাইন ফুটবলার কৌতূহল নিয়ে সেটি পরীক্ষা করছেন। বোতলের গায়ে ইংরেজিতে লেখা ছিল বিভিন্ন ফুটবলারের পেনাল্টি নেওয়ার প্রবণতা এবং কোন দিকে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।ভাইরাল ছবিটিতে দেখা যায়, মেসির নামের পাশে লেখা Fake left, dive right, অর্থাৎ প্রথমে বাঁ দিকে যাওয়ার ভান করে পরে ডান দিকে ঝাঁপ দেওয়ার পরামর্শ। এনজো ফার্নান্দেজের ক্ষেত্রে লেখা ছিল Stand central, আর থিয়াগো আলমাদার জন্য উল্লেখ ছিল Feel on the day, অর্থাৎ ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ।যদিও এই পরিকল্পনা মাঠে বাস্তবায়নের সুযোগই পাননি পিকফোর্ড, তবু ম্যাচ শেষে তাঁর সেই বোতলবন্দি কৌশল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। আধুনিক ফুটবলে প্রতিপক্ষের প্রতিটি খেলোয়াড়ের অভ্যাস বিশ্লেষণ করে এমন তথ্যভান্ডার তৈরি করা এখন বড় দলগুলির নিয়মিত প্রস্তুতির অংশ। কিন্তু সেই গোপন নথি প্রতিপক্ষের হাতেই চলে যাওয়া নিঃসন্দেহে বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত।এই প্রসঙ্গে বাংলা সাহিত্যের রসিক সম্রাট দাদাঠাকুর শরৎচন্দ্র পণ্ডিতর বিখ্যাত বোতল পুরাণ-এর কথা মনে পড়তেই পারে। সেখানে বোতলকে ঘিরে ছিল ব্যঙ্গ, হাস্যরস আর সমাজের নানা চরিত্রের কৌতুকপূর্ণ উপস্থাপনা। আর কাতারের পর ২০২৬ বিশ্বকাপেও যেন আর এক বোতল পুরাণ-এর জন্ম দিলেন জর্ডান পিকফোর্ড। পার্থক্য শুধু একটাই দাদাঠাকুরের বোতলে ছিল রসিকতার নেশা, আর পিকফোর্ডের বোতলে বন্দি ছিল ডেটা অ্যানালিটিক্স, কৌশল আর প্রতিপক্ষকে হারানোর স্বপ্ন!শেষ পর্যন্ত সেই বোতল পুরাণ-এর পরিণতিও কম মজার নয়। যে বোতল লুকিয়ে রাখার কথা ছিল ইংল্যান্ডের সবচেয়ে গোপন পরিকল্পনা, সেটিই ম্যাচ শেষে হাতে নিয়ে পড়ছেন লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থরা! যেন পারস্যের সেই প্রাণভোমরার বোতল শেষমেশ শত্রুর হাতেই ধরা পড়েছে। পার্থক্য শুধু এটুকুই এখানে রাজ্য হারায়নি ইংল্যান্ড, কিন্তু ফাইনালে ওঠার স্বপ্নটা যে সেই বোতলের সঙ্গেই বোতলবন্দি হয়ে রইল, তা বলাই যায়।এবার বিশ্বকাপের শিরোপার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার সামনে স্পেন। তবে সেমিফাইনালের এই বোতল রহস্য এবং বোতল পুরাণ ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে বহুদিন রয়ে যাবে কারণ বিশ্বকাপে ট্রফির লড়াইয়ের পাশাপাশি, কখনও কখনও একটি সাধারণ জলের বোতলও হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় গল্প।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজনীতি

২১ জুলাইয়ের আগে তৃণমূলে বড় ধাক্কা! কোয়েল মল্লিকের রাজ্যসভা ছাড়া, মণীশ গুপ্তর সরে দাঁড়ানো ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একের পর এক রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হচ্ছে। মদন মিত্রকে নিয়ে বিতর্কের আবহ এখনও পুরোপুরি কাটেনি, তার মধ্যেই রাজ্যসভার সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূলের সাংসদ কোয়েল মল্লিক। একই সঙ্গে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মণীশ গুপ্ত। ফলে শাসক শিবিরে নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগের পর কোয়েল মল্লিকের বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে আরও কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সাক্ষাতের পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি তিনি রাজনৈতিকভাবে নতুন কোনও সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছেন? যদিও এখনও পর্যন্ত কোয়েল মল্লিক বা বিজেপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তাই তিনি আদৌ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে ঘটনাপ্রবাহকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে।অন্যদিকে, প্রাক্তন আমলা ও তৃণমূলের প্রবীণ নেতা মণীশ গুপ্তও দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও তিনি এখনও তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেননি, তবুও তাঁর এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। বিশেষ করে ২১ জুলাইয়ের মতো বড় কর্মসূচির আগে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দলের জন্য অস্বস্তিকর বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি এক সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোয়েল মল্লিকের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কোয়েল ভবিষ্যতে রাজ্যকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মতো সক্ষমতা রাখেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর এত দ্রুত রাজ্যসভা থেকে কোয়েলের পদত্যাগ রাজনৈতিক মহলে আরও বেশি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরির ইঙ্গিত মিলছে। শাসক দলের ভেতরে সাংগঠনিক পরিবর্তন, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং বিরোধী শিবিরের তৎপরতাসব মিলিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহ রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।তবে কোয়েল মল্লিকের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান, মণীশ গুপ্তর পরবর্তী পদক্ষেপ কিংবা তৃণমূলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াএসবের দিকেই এখন নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

মাত্র ১৪ বছরেই জেইই অ্যাডভান্সডে বাজিমাত! উত্তরপ্রদেশের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কির সাফল্যে চমকে দেশ

মেটা ডেসক্রিপশন: উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরের ১৪ বছরের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতে JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করেছে। জেনে নিন তাঁর অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প।ভারতের অন্যতম কঠিন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকা পরীক্ষা JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করাই যেখানে অধিকাংশ পরীক্ষার্থীর কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ, সেখানে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নজির গড়লেন উত্তরপ্রদেশের এক কিশোর। তাঁর নাম যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি। হিন্দি-মাধ্যমে পড়াশোনা করা এই ছাত্র মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতেই জেইই অ্যাডভান্সডে ক্যাটেগরি র্যাঙ্ক ১,৬৪০ অর্জন করে সারা দেশের নজর কেড়েছেন।যুবরাজের এই সাফল্য শুধু একটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার গল্প নয়, বরং এটি প্রমাণ করে দিয়েছে যে বয়স, ভাষা কিংবা শহর-গ্রামের সীমাবদ্ধতা মেধা ও অধ্যবসায়ের সামনে কখনও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।১৪ বছরেই দ্বাদশ শ্রেণি, তারপর JEE Advancedউত্তরপ্রদেশের গোরখপুর জেলার চৌরি চৌরা এলাকার বাসিন্দা যুবরাজ ছোটবেলা থেকেই অসাধারণ মেধার পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর শিক্ষকদের নজরে আসে যে তিনি সমবয়সীদের তুলনায় অনেক দ্রুত বিষয়বস্তু আয়ত্ত করতে পারেন। সেই কারণেই প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদনের মাধ্যমে তাঁকে স্কুলজীবনে দুটি শ্রেণি একসঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।ফলে যখন তাঁর সমবয়সী অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী অষ্টম বা নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছিল, তখন যুবরাজ ইতিমধ্যেই দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। সেখানে তাঁর সহপাঠীদের অধিকাংশের বয়স ছিল ১৭ থেকে ১৮ বছর।সহপাঠীদের সমর্থনও ছিল বড় শক্তিসংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বয়সের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও স্কুলে কখনও অস্বস্তির মুখে পড়তে হয়নি যুবরাজকে। বরং শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সহপাঠীরা তাঁকে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করেন এবং নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি JEE Advanced-এর প্রস্তুতিতেও যথেষ্ট সহযোগিতা করেন।এই ইতিবাচক পরিবেশ তাঁর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয় এবং কঠিন পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বড় ভূমিকা পালন করে।হিন্দি-মাধ্যমেই তৈরি ইতিহাসযুবরাজের সাফল্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলির একটি হল, তিনি কোনও নামী কোচিং শহরে না গিয়ে অনলাইন হিন্দি-মাধ্যমের কোচিংয়ের মাধ্যমে JEE Advanced-এর প্রস্তুতি নেন।দীর্ঘদিন ধরে একটি ধারণা প্রচলিত ছিল যে IIT-তে সুযোগ পেতে হলে ইংরেজি-মাধ্যমে পড়াশোনা, বড় শহরে থাকা কিংবা ব্যয়বহুল কোচিং অপরিহার্য। যুবরাজ সেই ধারণাকেই কার্যত ভেঙে দিয়েছেন।বর্তমানে ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার এবং মাতৃভাষাভিত্তিক অনলাইন শিক্ষার সুযোগ যে গ্রামাঞ্চলের ছাত্রছাত্রীদের কাছেও নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে, যুবরাজের সাফল্য তারই উজ্জ্বল উদাহরণ।অনেকের কাছে অনুপ্রেরণাযুবরাজ সিং সোলাঙ্কির এই কৃতিত্ব ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই তাঁর সঙ্গে ভারতের তরুণ ক্রিকেট প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশীর তুলনা করছেন। যদিও দুইজনের ক্ষেত্র সম্পূর্ণ আলাদা, তবুও কম বয়সেই অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে দুজনেই নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।শিক্ষাবিদদের মতে কী শেখার আছে?বিশেষজ্ঞদের মতে, যুবরাজের এই সাফল্যকে সব ছাত্রছাত্রীর জন্য মানদণ্ড হিসেবে দেখা উচিত নয়। প্রত্যেক শিশুর শেখার গতি ও দক্ষতা আলাদা। তবে তাঁর গল্প থেকে একটি বিষয় স্পষ্টসঠিক দিকনির্দেশনা, অধ্যবসায়, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ থাকলে যে কোনও শিক্ষার্থী নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

বিকাশ ভবনে গেস্ট টিচারদের জোরালো সওয়াল, চাকরির নিরাপত্তা-নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানীর দাবিতে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর উদ্দেশে স্মারকলিপি

রাজ্যের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজগুলিতে কর্মরত হাজার হাজার গেস্ট টিচার, ইনভাইটেড টিচার ও ভিজিটিং ফ্যাকাল্টিদের দীর্ঘদিনের কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং আর্থিক বৈষম্যের অবসান ঘটানোর দাবিতে আবারও সরব হল পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (WBCGTWA)। বুধবার সংগঠনের পক্ষ থেকে বিকাশ ভবনে উপস্থিত হয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী শ্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশে একটি বিস্তারিত স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। উচ্চশিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে সেই স্মারকলিপি গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিক প্রাপ্তিস্বীকারও দেওয়া হয়েছে।সংগঠনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে গেস্ট টিচাররা অত্যন্ত কম পারিশ্রমিকে এবং সম্পূর্ণ অনিশ্চিত কর্মপরিবেশে দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, পাঠদান এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে সচল রাখার ক্ষেত্রে তাঁদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বাস্তব পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই সরকারের কাছে মানবিক ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের আবেদন জানানো হয়েছে।বিকাশ ভবনে জমা দেওয়া এই প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি সুজিৎ দাস, সাধারণ সম্পাদক অনুপম দাস এবং সহ-সম্পাদক ড. অসিত কুমার মণ্ডল। প্রতিনিধিদলটি উচ্চশিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকদের সামনে গেস্ট টিচারদের বিভিন্ন সমস্যা, ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘদিনের দাবি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে।কী কী দাবি জানানো হয়েছে?স্মারকলিপিতে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।প্রথমত, চাকরির নিরাপত্তা। সংগঠনের বক্তব্য, বহু শিক্ষক বছরের পর বছর কলেজে কর্মরত থাকলেও তাঁদের চাকরির কোনও স্থায়ী নিশ্চয়তা নেই। ফলে প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে। তাই গেস্ট টিচারদের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও স্থায়ী চাকরির নিরাপত্তা নীতি প্রণয়নের দাবি জানানো হয়েছে।দ্বিতীয়ত, পরিষেবার ধারাবাহিকতা। সংগঠনের দাবি, যোগ্য ও অভিজ্ঞ গেস্ট টিচারদের সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী অন্তত ৬০ কিংবা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত কর্মরত থাকার সুযোগ দিতে হবে। তাঁদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব বলেই সংগঠনের মত।তৃতীয়ত, নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু। বর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্লাসভিত্তিক পারিশ্রমিকের উপর নির্ভর করতে হয় গেস্ট টিচারদের। সংগঠনের দাবি, এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করে সমস্ত সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে কর্মরত গেস্ট টিচারদের জন্য একটি নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু করা হোক। এতে তাঁরা আর্থিক নিরাপত্তা পাবেন এবং মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারবেন।আরও পড়ুনঃ পূর্ণ সময়ের শিক্ষকের চেয়েও বেশি স্যাক্ট (SACT), তবু বঞ্চনার অভিযোগ! হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিতে সরব স্টেট এডেড কলেজ টিচাররাদীর্ঘদিনের আন্দোলনের ধারাবাহিকতাসংগঠনের দাবি, ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক পদ্ধতিতে গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে আসছে। বিকাশ ভবনে এই ডেপুটেশনও সেই ধারাবাহিক আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, এর আগেও তারা রাজ্য সরকারের বিভিন্ন স্তরে একাধিকবার নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে। নবান্ন-সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে গিয়ে একাধিক মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধির কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবারই চাকরির নিরাপত্তা, পরিষেবার ধারাবাহিকতা এবং নির্দিষ্ট মাসিক পারিশ্রমিকের বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে দাবি জানানো হয়েছে।সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগের প্রত্যাশাWBCGTWA-র নেতৃত্বের মতে, ধারাবাহিকভাবে সরকারের বিভিন্ন স্তরে বিষয়টি তুলে ধরার ফলে গেস্ট টিচারদের সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে। তাঁদের আশা, উচ্চশিক্ষা দপ্তর ও রাজ্য সরকার এই বিষয়ে দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং দীর্ঘদিনের এই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাবে।সংগঠনের বক্তব্য, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার, সম্মানজনক পারিশ্রমিক এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু শিক্ষকদের স্বার্থেই নয়, রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের জন্যও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে এই শিক্ষক-শিক্ষিকারা কলেজগুলির শিক্ষাদান প্রক্রিয়াকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।আন্দোলন চলবে, জানাল সংগঠনপশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন থামবে না। ভবিষ্যতেও শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক পথেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে সংগঠন।উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া এই স্মারকলিপির মাধ্যমে গেস্ট টিচারদের দীর্ঘদিনের সমস্যার একটি কার্যকর ও স্থায়ী সমাধানের পথ খুলবে বলেই আশাবাদী সংগঠনের সদস্যরা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজ্য

রথের আনন্দ মুহূর্তে রক্তাক্ত দিঘা! দাঁড়িয়ে থাকা বাসে লরির ভয়াবহ ধাক্কা, একসঙ্গে চার প্রাণ ঝরে গেল

রথযাত্রার দিন দিঘা যাওয়ার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল চারজনের। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও তিনজন। তাঁদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে দিঘা-নন্দকুমার জাতীয় সড়কের হেঁড়িয়া এলাকায়। দুর্ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম তপন দাস, শিবব্রত পট্টনায়েক, অশোক মাইতি এবং শুভদীপ মণ্ডল। তপন দাস বাসের মালিক ছিলেন। শিবব্রত পট্টনায়েক ছিলেন বাসচালক। অশোক মাইতি ও শুভদীপ মণ্ডল বাসের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।জানা গিয়েছে, হাওড়া থেকে দিঘার উদ্দেশে যাচ্ছিল একটি বেসরকারি বাস। বৃহস্পতিবার ভোরে হেঁড়িয়া এলাকায় বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। সেই কারণে বাসটি রাস্তার ধারে দাঁড় করানো হয়। বাসের মালিক, চালক এবং সহকারীরা মেরামতির কাজ করছিলেন। সেই সময় পিছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জেরে ঘটনাস্থলেই গুরুতর জখম হন কয়েকজন।বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় মানুষ ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকেরা চারজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত তিনজনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর ঘাতক লরিটিকে আটক করেছে খেজুরি থানার পুলিশ। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, দ্রুতগতির কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
দেশ

‘প্রভু অহংকার সয় না, তাই সরকারও টেকেনি’! মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহীর

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। বিভিন্ন মহল আপত্তি তুললেও সেই নামেই মন্দিরের উদ্বোধন হয়েছিল। তবে সরকার পরিবর্তনের পর সেই ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়। এবার এই বিতর্কে নতুন করে মুখ খুললেন পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী জগন্নাথ দয়িতাপতি। তাঁর দাবি, তিনি আগেই এই বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তাঁর কথা শোনা হয়নি। তাঁর মন্তব্য, প্রভু কারও অহংকার সহ্য করেন না। সেই কারণেই সরকারও টেকেনি।এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জগন্নাথ দয়িতাপতি বলেন, তিনি কোনও রাজনীতি করেন না, শুধু ধর্মীয় বিধি ও শাস্ত্র অনুযায়ী মত প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, চার ধামের অন্যতম হল পুরীর জগন্নাথ ধাম। তাই অন্য কোনও মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি জানান, দিঘার মন্দিরের নাম নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই পরামর্শ মানা হয়নি।তিনি আরও বলেন, দেশে বহু জগন্নাথ মন্দির রয়েছে। কিন্তু ধাম হিসেবে স্বীকৃতি একমাত্র পুরীরই। তাই দিঘার মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ যোগ করা ধর্মীয় দৃষ্টিতে সঠিক ছিল না। তাঁর দাবি, এই বিষয়েই তিনি বারবার সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু সেই কথা গুরুত্ব পায়নি।জগন্নাথ দয়িতাপতি এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও করেন। তাঁর বক্তব্য, সরকার পরিবর্তনের পর দিঘার মন্দিরের নাম থেকে ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে তিনি সঠিক বলে উল্লেখ করেন।এর আগে পুরীর প্রধান পুরোহিত রাজেশ দয়িতাপতিও একই ধরনের বক্তব্য রেখেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, দিঘার জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার সময়ই তিনি কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে পাথরের মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা এবং ধাম শব্দ ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিলেন। পরে নিমকাঠের মূর্তি তৈরি হলেও ধাম শব্দটি সরানো হয়নি বলে তাঁর আক্ষেপ ছিল।দিঘার জগন্নাথ মন্দির ঘিরে এই বিতর্ক ফের নতুন করে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। বিশেষ করে মুখ্য পানিগ্রাহীর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
কলকাতা

‘পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে’! বিস্ফোরক দাবি শমীকের, পুজো নিয়েও বড় বার্তা

রাজ্যে মৌলবাদের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যারে দুর্গাপুজোর খুঁটিপুজোয় যোগ দিয়ে তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলার পরিস্থিতি দেখে বাংলাদেশের কথা মনে পড়ছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন জায়গায় এমন নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে যেখানে প্রদীপ জ্বালানো যাবে, কিন্তু শাঁখ বাজানো যাবে না। মরদেহের শেষকৃত্য করা যাবে, কিন্তু হরিবোল ধ্বনি দেওয়া যাবে না। স্বাধীন ভারতে এই ধরনের ঘটনা উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন তিনি।শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, বাংলাদেশে দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুর, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাধা এবং হিন্দুদের উপর হামলার যে অভিযোগ ওঠে, পশ্চিমবঙ্গের কিছু জায়গাতেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেমন দুর্গাপুজোর সময় গান বন্ধ করে অন্য শব্দ বাজানো হয়, তেমন ঘটনাও এ রাজ্যের কিছু এলাকায় দেখা গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুর্শিদাবাদ-সহ একাধিক জেলায় ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো প্রসঙ্গেও তৎকালীন তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, একসময় দুর্গাপুজোকে শুধুমাত্র উৎসব হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু দুর্গাপুজো শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি বলেন, প্রতিমাকে সরিয়ে রেখে শুধু থিম বা আলোর আয়োজন করলে মানুষ সেই পুজোর সঙ্গে একাত্ম হতে পারবেন না। দুর্গাপুজোর মূল আকর্ষণ দেবী দুর্গার আরাধনা, সেই ঐতিহ্য রক্ষা করতেই হবে।এদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গও তুলে আনেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনিষ্ঠতম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে তিনি সরব হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি বিভিন্ন মহলের সহযোগিতা চাইলেও শেষ পর্যন্ত একাই আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন বিজেপি সভাপতি।রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যার থেকে শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। দুর্গাপুজো, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর একাধিক বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal