• ২ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IR

দেশ

প্রজাতন্ত্র দিবসেই অবসর নিল বিরাট, স্নেহ-ভালোবাসায় ভরালেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতিরা

বুধবার দেশের ৭৩ তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে অনেকের অজান্তেই এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী রইল দিল্লির রাজপথ। বিদায়ের দিনেও শেষবারের মতো দায়িত্ব পালন করল বিরাট। এই বিরাট-কে দেশের সবথেকে সেরা ঘোড়া বা বলা যেতে পারে ঘোড়াদের রাজা।বুধবার শেষ বারের মতো রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের লিমুজিনকে এসকর্ট করে রাজপথ অবধি নিয়ে গিয়েছিল বিরাট। এবার থেকে আর দেশের প্রথম নাগরিকের কনভয়ে তাঁর স্থান হবে না, অবসরের বয়স হয়ে গিয়েছে যে। বিরাটের বিদায়ে সবথেকে বেশি মন খারাপ রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকা নিরাপত্তারক্ষীদের। তাই স্বাভাবিকভাবেই সকলের অগোচরে বিরাট নিয়ে তৈরি হয়েছে আবেগঘন পরিস্থিতি।দেশের সব প্রেসিডেন্টের বডিগার্ড টিমে একদল ঘোড়া রয়েছে। তাদের ক্যাপ্টেন এই বিরাট। সে নিজেও একটা কালো ঘোড়া। বিরাট রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষী কমান্ড্যান্টের চার্জার। বিরাট নামের ঘোড়াটি ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রাচীনতম রেজিমেন্টের গর্ব এবং তাদের মধ্যে সবচেয়ে শান্ত প্রভাবশালী। দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবস পালনের সময় অবসর নেওয়া বিরাটকে স্নেহ, ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট রামনাথ কোভিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ১৭৭৩ সালে তৈরি রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষী বাহিনীর ঘোড়া রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে রাজপথ অবধি পথ দেখিয়ে নিয়ে যায়। আপনি যদি রাষ্ট্রপতি নিরাপত্তারক্ষীদের বাকি ঘোড়াগুলির দিকে নজর দেন, ফারাকটা স্পষ্ট বুঝতে পারেন যে কেন বিরাট বাকিদের তুলনায় আলাদা। তাঁর মধ্যে রাজকীয়তার ছাপ স্পষ্ট।২০০৩ সালের ৩ বছর বয়স থেকে শুরু করে দীর্ঘদিন রাষ্ট্রপতির অন্যতম প্রধান সঙ্গী ছিল বিরাট। ১৩ বছর ধরে কমান্ড্যান্টের চার্জার হিসাবে, সে রাষ্ট্রপতিকে প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং রাষ্ট্রপতি ভবনে রাষ্ট্রপ্রধানদের পরিদর্শন করার জন্য আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার নেতৃত্বে ছিল। দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের থেকে জানা গিয়েছে, প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের সময় রাজপথে উল্লাসের মধ্যে তাঁর আরোহীর ক্ষীণতম ফিসফিস শোনার ক্ষমতা তাঁকে সবচেয়ে বিশ্বস্ত ঘোড়া করে তুলেছিল। দূর থেকে বন্দুকের আওয়াজ বা ব্যান্ডে জাতীয় সঙ্গীত কোনও কিছুতেই ভয় পেতে দেখা যায়নি বিরাটকে। সবকিছুতেই সে ধীর, স্থির- কর্তব্যে অবিচল। অসংখ্য দর্শকরে মাঝেও তাঁর আত্মবিশ্বাস বারবার প্রকাশিত হয়েছে।গত সপ্তাহে সেনাপ্রধান নারভানে বিরাটকে সিওএএস কম্যান্ডেশন কার্ড দিয়েছিলেন। ২০০৭ সালে ফরিয়াদের পরে দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষী ঘোড়াকে এই সম্মান দেওয়া হয়েছে। অবসর নিলেও বিরাট পেনশন পাবে, তা অবশ্য জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার বাকি জীবনটা কাটবে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

করোনায় আক্রান্ত দক্ষিণী অভিনেতা চিরঞ্জীবী

আবার এক তারকার কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট পাওয়া গেল। করোনায় আক্রান্ত দক্ষিণী সিনেমার প্রথম শ্রেণীর তারকা চিরঞ্জীবী। আজ প্রজাতন্ত্র দিবসের সকালে টুইট করে এই কথা নিজে জানিয়েছেন। টুইট বার্তায় অভিনেতা লেখেন, আমার শরীরে করোনার মৃদু উপসর্গ। অস্বস্তি শুরু হতেই পরীক্ষা করিয়েছিলাম। ফলাফল ইতিবাচক এসেছে। আপাতত তিনি নিজের বাড়িতেই নিভৃতবাসে রয়েছেন। একই সঙ্গে অনুরোধ করেছেন, গত কয়েক দিন ধরে যাঁরা তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন তাঁরাও যেন কোভিড পরীক্ষা করিয়ে নেন।তিনি আরও লিখেছেন, মঙ্গলবার রাতে মৃদু উপসর্গ দেখা দেওয়ায় পরীক্ষা করাই। ফলাফল ইতিবাচক আসতেই সবার থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নিয়েছি। আশা, দ্রুত সুস্থ হয়ে ফিরব। চিরঞ্জীবীর অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই উদ্বেগ প্রকাশ করেন তাঁর অনুরাগীরা। বেশ কিছু ভক্ত অভিনেতার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে পালটা টুইট করেছেন। প্রযোজক শ্রীনিবাস কুমার লিখেছেন, আপনি এখনও দক্ষিণী বিনোদন দুনিয়ার এক ছত্র অধিপতি। তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন। ছবির বাণিজ্য বিশ্লেষক রমেশ বালা শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন,স্যার তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন।চিরঞ্জীবী বর্তমানে পরিচালক কোরাতলা শিবার আচার্যর মুক্তির জন্য অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন। এই ছবিতে তিনি দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
দেশ

সাধারণতন্ত্র দিবসে ১১ হাজার ফুট উচ্চতায় মাইনাস ২০ ডিগ্রিতে স্কি আইটিবিপি-র!

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ১১ হাজার ফুট উচ্চতায় স্কি করছে ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ (আইটিবিপি)! উত্তরাখণ্ডের অউলিতে বরফের কোলে আইটিবিপি হিমবীর- এর সাধারণতন্ত্র দিবস উদযাপনের ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।आईटीबीपी के हिमवीरों का राष्ट्र को नमनHappy Republic Day from #Himveers of ITBPFrom #Ladakh#RepublicDay2022 #RepublicDay #गणतंत्रदिवस pic.twitter.com/bS1A8pnPlH ITBP (@ITBP_official) January 26, 2022৭৩তম সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। টুইটার হ্যান্ডেল থেকে মোদি লেখেন, সবাইকে শুভ প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা। জয় হিন্দ।On 73rd #RepublicDay, lets listen to the ITBP Constable Lovely Singh singing a song dedicated to the nation:हम हिन्दुस्तानी हैंसैनिक तूफानी हैं..#RepublicDay2022 #RepublicDayIndia@PMOIndia @DefenceMinIndia @rajnathsingh @PIBHomeAffairs @ianuragthakur📽️: @ITBP_official pic.twitter.com/9O4pUKJ1N0 Ministry of Information and Broadcasting (@MIB_India) January 26, 2022আইটিবিপি-র একাধিক ভাইরাল ভিডিওর মধ্যে একটিতে দেখা যাচ্ছে সাদা বরফে ডাকা অউলিতে কালো পোশাকে স্কি করছেন জওয়ানরা। হাতে রয়েছে জাতীয় পতাকা। আরেক ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, আইটিবিপি জওয়ানরা কুচকাওয়াজ করছেন বরফে ঘেরা লাদাখে। ৭৩তম সাধারণতন্ত্র দিবসের সকালে এই দুই ভিডিও কার্যত ভাইরাল হয়েছে টুইটারে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল : সিংহের আশার সঞ্চার, কর্কটের সম্পদহানি

মেষ/ARIES: বুদ্ধিভ্রম হতে পারে।বৃষ/TAURUS: বাতের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।মিথুন/GEMINI: সহানুভূতি লাভ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: সম্পদহানি হতে পারে।সিংহ/LEO: আশার সঞ্চার হতে পারে।কন্যা/VIRGO: মামলায় জড়িয়ে পড়তে পারেন।তুলা/ LIBRA: নতুন উদ্যোগ শুরু করতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: অপবাদ জুটতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: উৎফুল্লতা লাভ করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: ব্যবসায় লাভ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: আত্মীয় বিবাদ হতে পারে।মীন/ PISCES: অর্থলাভ করতে পারেন।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌‌বিশ্বকাপ জেতেনি বলে কোহলি খারাপ ক্রিকেটার?‌ কী বললেন শাস্ত্রী

মহেন্দ্র সিং ধোনির হাত থেকে নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড পাওয়ার পর ভারতীয় দলকে অন্য উচ্চতায় তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। লালবলের ক্রিকেটে তাঁর নেতৃত্বেই দীর্ঘদিন শীর্ষে ছিল ভারত। একদিনের ক্রিকেটেও দুর্দান্ত সাফল্য। তবে একটাই আক্ষেপ, কখনও আইসিসির প্রতিযোগিতায় দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। এরজন্য কোহলিকে অনেকেই হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। বিশ্বকাপ জেতেননি বলে কোহলি খারাপ ক্রিকেটার, এমনটা মনে করছেন না রবি শাস্ত্রী। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন হেডস্যার বলেন, একজন ক্রিকেটারকে বিশ্বকাপ জয়ের মাপকাঠি দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। দীর্ঘদিন ধরে সেই ক্রিকেটার কেমন খেলছে, আইকন হয়ে উঠেছে কিনা সেটা দেখতে হবে। অনেক বড় বড় ক্রিকেটারও বিশ্বকাপ জেতেনি। সৌরভ, কুম্বলে, দ্রাবিড়, লক্ষ্মণও তো বিশ্বকাপ জেতেনি। তাহলে এরা খারাপ ক্রিকেটার হয়ে গেল? বিশ্বকাপ জেতার জন্য শচীন তেন্ডুলকারকে ৬টি বিশ্বকাপ খেলতে হয়েছে। আমাদের দেশে মাত্র দুজন অধিনায়ক বিশ্বকাপ জিতেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সাদা ও লালবলের ক্রিকেটে সিরিজ হারতে হয়েছে ভারতকে। ভারতের তুলনায় অনেক কম শক্তিশালী ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এইরকম দলের কাছে টেস্ট ও একদিনের সিরিজে পরাজয় অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। শাস্ত্রী অবশ্য মনে করছেন, এই হারে সমর্থকদের বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। তিনি বলেন, ভারতের এই ব্যর্থতা সাময়িক। সব ম্যাচ কখনোই জেতা সম্ভব নয়। ৫ বছর ধরে ভারত বিশ্বের একনম্বর দল ছিল। সাফল্যের অনুপাত ৬৫ শতাংশ। হঠাৎ করে তাদের পারফরমেন্স নেমে যাবে? এই ব্যর্থতা কাটিয়ে খুব তাড়াতাড়ি ভারত ঘুরে দাঁড়াবে। গতবছরই টি২০ নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। পরে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেন জাতীয় নির্বাচকরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ হারের পরের দিনই টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ান কোহলি। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছেন রবি শাস্ত্রী। তিনি বলেন, নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত কোহলির ব্যক্তিগত ব্যাপার। ওর এই সিদ্ধান্তকে সবাইকে সম্মান জানাতেই হবে। সুনীল গাভাসকার, শচীন তেন্ডুলকার, মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো অধিনায়করাও ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দেওয়ার জন্য নেতৃত্ব ছেড়েছিল।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: মিথুনের ক্লান্তি, ধনুর বিপদাশঙ্কা

মেষ/ARIES: লাঞ্ছনাভোগ করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: শুভ যোগাযোগ করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: ক্লান্তিবোধ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: বন্ধুবিরোধ হতে পারে।সিংহ/LEO: অপ্রিয়ভাজন হতে পারেন।কন্যা/VIRGO: মানহানি হতে পারে।তুলা/ LIBRA: লাম্পট্য করতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: স্থান পরিবর্তন করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: বিপদাশঙ্কা হতে পারে।মকর/CAPRICORN: প্রতারিত হতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: সম্মানহানি হতে পারে।মীন/ PISCES: অপব্যয় করতে পারেন।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

রেল পুলিশের তৎপরতায় বর্ধমান স্টেশন থেকে উদ্ধার ২২৭ টিয়া পাখি

রেল পুলিশের তৎপরতায় পাচারের আগেই বর্ধমান স্টেশন থেকে উদ্ধার হল দুই শতাধিক টিয়া পাখি। টিয়া পাখি পাচারের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রেল পুলিশ একবাল খাঁন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। তার বাড়ি শহর বর্ধমানের আলুডাঙা এলাকায়। ধৃতকে সোমবার পেশ করা হয়েছে বর্ধমান আদালতে। রেল পুলিশ এদিন ২২৭টি টিয়া পাখি তুলে দিয়েছে বর্ধমান বন দফতরের হাতে। রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, টিয়া পাখিগুলিকে ব্যাগ বন্দি করে ডাউন দানাপুর এক্সপ্রেসের জেনারেল কামরায় চাপিয়ে বর্ধমানে আনা হচ্ছিল। সোমবার সকালে ট্রেনটি বর্ধমান স্টেশনে দাঁড়াতেই রেল পুলিশ ট্রেনের কামরায় চেকিং চালায়। ওই সময়ে একটি কামরায় চটের ব্যাগে বন্দি অবস্থায় কিছু রয়েছে দেখে রেল পুলিশের সন্দেশ হয়। রেল পুলিশ ব্যাগ খুলে তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় ২২৭ টি টিয়া পাখি। টিয়া পাখি পাচারের অভিযোগে কামরা থেকেই রেল পুলিশ একবাল খাঁনকে গ্রেফতার করে। বর্ধমান রেঞ্জের বন আধিকারিক নিশা গোস্বামী জানিয়েছেন, আরপিএফ ২২৭ টি টিয়া পাখি উদ্ধার করেছে। টিয়া পাচারের অভিযোগে ধৃতকে এদিন আদালতে পেশ করা হয়েছে। আদালতে নির্দেশ পেলে উদ্ধার হওয়া টিয়া পাখিগুলি ছেড়ে দেওয়া হবে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

নেতাজির স্মরণে রাজ্যে পৃথক যোজনা কমিশন গঠনের ঘোষণা মমতার

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর চিন্তাধারাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে কেন্দ্রীয় যোজনা কমিশনেরর আদলে রাজ্যে পৃথক যোজনা কমিশন গড়ে তোলা হবে। রবিবার নেতাজি জয়ন্তীতে ময়দানে নেতাজির মূর্তিতে মাল্যদান করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একথা ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, নেতাজি যোজনা কমিশনের পরিকল্পনা করেছিলেন। মোদি সরকার ক্ষমতায় এসে যোজনা কমিশন তুলে দিয়ে নীতি আয়োগ তৈরি করেছে। এই সিদ্ধান্ত লজ্জার । একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আজ ঘোষণা করেছেন, রাজ্যে নেতাজির নামে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হবে। তাঁর নামে বাঁকুড়াতে ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে। এনসিসির কায়দায় স্কুল-কলেজে তৈরি হবে জয় হিন্দ বাহিনী। মুখ্যমন্ত্রী জানান,আপাতত করোনা পরিস্থিতির জন্য এই বাহিনী গড়ার কাজ বন্ধ হয়ে রয়েছে।শুধু তাই নয়, নেতাজির স্মৃতিতে আলাদা সংগ্রহশালা করার কথা তিনি ঘোষণা করেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন এবং স্বাধীনতার ৭৫ বছর উপলক্ষে রাজ্য সরকার একগুচ্ছ কর্মসূচি দিচ্ছে। আলিপুর সেন্ট্রাল জেল ঋষি অরবিন্দ যে সেলে দীর্ঘদিন বন্দী ছিলেন, সেখানেও বিশেষ মিউজিয়াম তৈরি করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছে, স্বাধীনতা সংক্রান্ত, নেতাজির জীবন নিয়ে যা যা নথিপত্র রাজ্য সরকারের কাছে ছিল তা সমস্তই প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। সেই সমস্ত তথ্য ডিজিটাইজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্বাধীনতার ৭৫ বছর উপলক্ষে ২৫ থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত এবং ১৫ থেকে ২১ আগস্ট রাজ্যের সমস্ত স্বাধীনতা সংগ্রামীর মূর্তি ফুল এবং আলো দিয়ে সাজানো হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাংলার যে সমস্ত এলাকা স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত, সেখানে পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া হবে। শোনানো হবে সেই ইতিহাস। পাশাপাশি, তাম্রলিপ্ত সরকার গঠনের দিনও উদযাপিত হবে তমলুকে। প্রকাশিত হবে বিশেষ পুস্তিকা। যেখানে স্বাধীনতার সঙ্গে জড়িত নারীদের নিয়ে তৈরি হবে বিশেষ পুস্তিকা। তৎকালীন সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও বই প্রকাশ করা হবে।এদিন দুপুর ঠিক ১২ টা বেজে ১৫ মিনিটে মুখ্যমন্ত্রী শঙ্খ বাজিয়ে নেতাজির জন্ম মুহূর্তে তাকে শ্রদ্ধা জানান। বেজে ওঠে সাইরেন। মঞ্চে নেতাজির গান গাইতে শোনা যায় নেতাজি পরিবারের সদস্য সুগত বসু ও সুমন্ত্র বসুকে। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি নেতাজির পরিবারের সদস্য ও অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা নেতাজির মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অমর জওয়ান জ্যোতি নিভিয়ে দেওয়া এবং ইন্ডিয়া গেটে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তি বসানোর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন।শুধুমাত্র মূর্তি বসিয়ে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে শ্রদ্ধা জানানো যায় না বলেও তিনি মন্তব্য করেন। নাম না করে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন যাঁরা ধর্মের নামে দেশ ভাগ করতে চাইছেন, তাঁদের উচিত নেতাজি, রবীন্দ্রনাথ, বিবেকানন্দ পড়ে দেখা। ভাগাভাগি করে, দেশভাগ করে জাতীয়তাবাদ দেখানো যায় না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন তিনি চান,গান্ধীজি কাকে বেশি ভালবাসতেন, তা নিয়ে বিতর্ক হোক। স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে পড়ানো হোক দেশপ্রেমের ইতিহাস। একটা অমর জ্যোতি নিভিয়ে দিয়ে, শুধু নেতাজির মূর্তি বসিয়ে সুভাষচন্দ্রকে শ্রদ্ধা জানানো যায় না।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

একদিনের সিরিজে হোয়াইট ওয়াশ ভারত, বিতর্কে বিরাট কোহলিও

পার্লের বোল্যান্ড পার্কে পরপর দুম্যাচ জিতে আগেই সিরিজ পকেটে ভরে নিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতকে হোয়াইট ওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়েই তৃতীয় ম্যাচে মাঠে নেমেছিল প্রোটিয়া শিবির। অন্যদিকে, ভারতের লক্ষ্য ছিল হোয়াইট ওয়াশের লজ্জা বাঁচানো। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ৪ রানে হারল ভারত। হোয়াইট ওয়াশের লজ্জা বাঁচাতে পারলেন না লোকেশ রাহুলরা। ভারত যেমন হোয়াইট ওয়াশের লজ্জা বাঁচাতে পারল না, তেননই তৃতীয় একদিনের ম্যাচে বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন বিরাট কোহলি। ম্যাচ শুরুর আগে জাতীয় সঙ্গীত বাজার সময় সব ক্রিকেটার গলা মিলিয়েছিলেন। টিভি ক্যামেরায় দেখা যায় জাতীয় সঙ্গীতে গলা না মিলিয়ে চুইংগাম চিবোচ্ছেন কোহলি। জাতীয় সঙ্গীত বাজার সময় তাঁর এই চুইংগাম চিবোনোর ছবি দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় তোলেন নেট নাগরিকরা। অনেকেই কোহলির আচরণ নিয়ে কটাক্ষ করেন। ব্যাটিংয়েও যেভাবে দায়সারা শট খেলে আউট হয়েছেন, তাও অনেকে মেনে নিতে পারছেন না।এদিন প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল ভারত। ব্যাটিং শক্তি বাড়াতে ভেঙ্কটেশ আয়ারের পরিবর্তে সূর্যকুমার যাদবকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেওয়া হয়। ছন্দে না থাকে ভুবনেশ্বর কুমারের জায়গায় দীপক চাহার, রবিচন্দ্রন অশ্বিনের জায়গায় জয়ন্ত যাদব, শার্দূল ঠাকুরের পরিবর্তে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে নিয়ে মাঠে নেমেছিল ভারত। কেপ টাউনের নিউল্যান্ডে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। তৃতীয় ওভারে জানেমান মালানকে (১) তুলে নিয়ে প্রোটিয়া শিবিরকে প্রথম ধাক্কা দেন দীপক চাহার। বাভুমাও (৮) দ্রুত ফিরলেও দক্ষিণ আফ্রিকাকে চাপে ফেলতে পারেনি ভারত। কুইন্টন ডিকক ও এইডেন মার্করাম চাপ কাটিয়ে দেন।ত্রয়োদশ ওভারে মার্করামকে (১৫) তুলে নিয়ে দীপক চাহার জুটি ভাঙলেও ডিকককে টলাতে পারেননি ভারতীয় বোলাররা। রাসি ভ্যান ডার ডুসেনের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ডিকক। ভারতকে সামনে দেখলেই যেন জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন এই প্রোটিয়া উইকেটকিপারব্যাটার। ডুসেনের সঙ্গে জুটিতে তোলেন ১৪৪ রান। যশপ্রীত বুমরাকে মাঠের বাইরে পাঠাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে শিখর ধাওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ডিকক। ১৩০ বলে ১২৪ রান করেন তিনি। ডিককের ইনিংসে রয়েছে ১২টি ৪ ও ২টি ৬। ডিকক আউট হওয়ার পরের ওভারেই ফিরে যান ডুসেন। ৫৯ বলে ৫২ রান করেন তিনি। ফেলুকায়ো (৪) আউট হওয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকাকে টানেন ডেভিড মিলার ও প্রিটোরিয়াস। ২০ রান করে প্রিটোরিয়াস প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে আউট হন। ডেভিড মিলারও (৩৯) প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর শিকার। শেষ পর্যন্ত ৪৯.৫ ওভারে ২৮৭ রানে শেষ হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ৫৯ রানে ৩ উইকেট নেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। দীপক চাহার, যশপ্রীত বুমরা ২টি করে উইকেট নেন। যুজবেন্দ্র চাহাল নেন ১ উইকেট। ব্যাট করতে নেমে ভারতও শুরুতে ধাক্কা খায়। নেতৃত্বের চাপ যে তাঁর ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে, তিনটি ম্যাচেই বুঝিয়ে দিলেন লোকেশ রাহুল (৯)। এদিনও লুঙ্গি এনগিডির অফস্টাম্পের বাইরের বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ভারতের রান তখন ১৮। শুরুর ধাক্কা সামলে দলকে ভালোই টেনে নিয়ে যান শিখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলি। ৭৩ বলে ৬১ রান করে ফেলুকায়োর বলে আউট হন ধাওয়ান। একই ওভারের ঋষভ পন্থকেও (০) তুলে নেন ফেলুকায়ো। ৩২তম ওভারে কেশব মহারাজের বলে দায়সারা শট খেলে আউট হন কোহলি। ৮৪ বলে ৬৫ রান করেন তিনি। ১৫৬ রানে ৪ উইকেট হারায় ভারত।এরপর জয়ের জন্য শ্রেয়স আয়ার ও সূর্যকুমার যাদবের দিকে তাকিয়ে ছিল গোটা দল। ৩৪ বলে ২৬ রান করে মাগালার বলে ফেলুকায়োর হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন শ্রেয়স। জয়ন্ত যাদব (২) ব্যর্থ হলেও ভারতকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান দীপক চাহার। ৩৪ বলে ৫৪ রান করে এনগিডির বলে প্রিটোরিয়াসের হাতে চাহার ধরা পড়তেই চাপে পড়ে যায় ভারত। ১৫ বলে ১২ রান করে ফেলুকায়োর বলে আউট হন বুমরা। শেষ ওভারে ভারতের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৬ রান। প্রিটোরিয়াসের বলে চাহাল (২) আউট হতেই ভারতের সম্মান রক্ষার লড়াই শেষ।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল : কর্কটের দাম্পত্যে সুখলাভ, ধনুর সুনামবৃদ্ধি

মেষ/ARIES: আত্মীয় বিরোধ হতে পারে।বৃষ/TAURUS: চিকিৎসায় ব্যয় হতে পারে।মিথুন/GEMINI: বন্ধুদ্বারা উপকৃত হতে পারেন।কর্কট/CANCER: দাম্পত্যে সুখলাভ করতে পারেন।সিংহ/LEO: বাসনাপূরণ হতে পারে।কন্যা/VIRGO: শরিকি বিবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন।তুলা/ LIBRA: প্রাপ্তিযোগ রয়েছে।বৃশ্চিক/Scorpio: অযথা চিন্তা করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: সুনামবৃদ্ধি পেতে পারে।মকর/CAPRICORN: বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়তে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: ভোগবিলাসে ব্যয় করতে পারেন।মীন/ PISCES: কন্যার জন্য গর্বিত হতে পারেন।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: মিথুনের ঋণপরিশোধ, ধনুর নতিস্বীকার

মেষ/ARIES: আঘাত পেতে পারেন।বৃষ/TAURUS: দেহপীড়া হতে পারে।মিথুন/GEMINI: ঋণপরিশোধ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: প্রশিক্ষণে সাফল্য আসতে পারে।সিংহ/LEO: দ্বিমুখী আয়ের সুযোগ আসতে পারে।কন্যা/VIRGO: ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।তুলা/ LIBRA: কর্মে অগ্রগতি হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: প্রতিপ্রত্তি লাভ করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: নতিস্বীকার করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: অবৈধ প্রণয়ে জড়িয়ে পড়তে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হতে পারেন।মীন/ PISCES: পাওনা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
কলকাতা

বাড়িতে বসেই এবার পাওয়া যাবে জন্ম-মৃত্যুর সংশাপত্র

কলকাতা পুরসভা থেকে জন্ম আর মৃত্যুর শংসাপত্র পাওয়ার পদ্ধতি আরও সহজ হচ্ছে। এখন থেকে বাড়িতে বসেই যেমন আবেদন করা যাবে জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্রের, তেমনই বাড়িতেই পৌঁছে যাবে ওই শংসাপত্র। খুব শিগগিরই এমন ব্যবস্থা চালু হচ্ছে কলকাতা পুরসভায়। শনিবার এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন কলকাতা পুরসভার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম। শুধু তাই নয়, পুরসভার সমস্ত কাজকে সম্পূর্ণ পেপারলেস করারও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্রের জন্য সাধারণ মানুষকে যাতে হয়রানি পোহাতে না হয়, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে না হয়, তার জন্য গত বছর থেকেই হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর চালু করেছিল কলকাতা পুর কর্তৃপক্ষ। বাড়িতে বসেই অনলাইনে ওই শংসাপত্রের জন্য আবেদন জানানো যায়। সেই সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে জানা যায় কোন নির্দিষ্ট দিনে কোন সময়ে শংসাপত্র নিতে আসতে হবে। এতে অনেকটাই কমেছে হয়রানি। তবে শংসাপত্র নেওয়ার জন্য আসা সাধারণ মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হয়। সেই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতেই এবার অন্য পথে হাঁটা হচ্ছে।এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম জানান, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে কলকাতা পুরসভার সমস্ত কাজই অনলাইনে হবে। কাগজের ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হবে। পুরসভার কাজকর্ম পেপারলেস করার জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ৪২ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছে। কীভাবে পুরসভাকে সম্পূর্ণ কাগজমুক্ত করা যায়, তার জন্য তথ্য ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও কথা বলবেন।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
কলকাতা

নেতাজিনগরে বাড়িতেই ঝলসে মৃত্যু বৃদ্ধার

নেতাজিনগরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক বৃদ্ধার। নাম বকুল অধিকারী। এদিন সকালে কলকাতা পুরসভার ৯৯ নম্বর ওয়ার্ডে বিদ্যাসাগর কলোনি এলাকায় থিম পার্কের কাছে এই আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। যায় নেতাজিনগর থানার পুলিশও। জানা গিয়েছে, পুরোপুরি দগ্ধ বকুলদেবীকে বাঘাযতীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁকে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।কীভাবে এই আগুন লাগার ঘটনা ঘটল তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। কোনওভাবে রান্নাঘরে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন লেগে গিয়েছে নাকি শর্ট সার্কিটের জেরে এই অগ্নিকাণ্ড তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যে ঘরে আগুন লেগেছে সেখানে শুধু বৃদ্ধাই থাকতেন নাকি আরও কেউ থাকতেন সে বিষয়গুলিও খোঁজ খবর নিয়ে দেখছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে যাবেন। জায়গাটি খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। নমুনা সংগ্রহ করবেন তাঁরা।সূত্রের খবর, বিদ্যাসাগর কলোনি এলাকার বস্তির একটি ঘরে আগুন লাগে এদিন। ঘরে সেই সময় এক বৃদ্ধা ছিলেন। পরে দমকলের ইঞ্জিন ও পুলিশ সেখানে পৌঁছলে ঘর থেকে ওই বৃদ্ধার দগ্ধ দেহ উদ্ধার করে।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
দেশ

বিদেশ থেকে পর্যটক এলে তাদের জন্য আজ থেকে কার্যকর নতুন কোভিড গাইডলাইন

বিদেশী পর্যটকদের জন্য আবার নতুন নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র। বাইরের কোনও দেশ থেকে পর্যটকরা এলে তাদের আজ থেকে সরকারের তরফে আইসোলেশনের ব্যবস্থা আর করা হবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তবে কোনও বিদেশী পর্যটক করোনা পজিটিভ হলে প্রোটোকল মেনে তাকে অবশ্যই হোম আইসোলেশনে থাকতে হবে।বৃহস্পতিবার এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। এই পুনর্বিবেচিত বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের জন্য কোভিড নির্দেশিকা-তে কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে যে বিদেশ আসা ব্যক্তিরা কোভিড পজিটিভ হলে তাঁদের সাত দিনের জন্য হোম আইসোলেশনে থাকতে হবে। সাত দিন পরে ভারতে আসার অষ্টম দিনে আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করাতে হবে তাঁদের। আজ থেকে কার্যকরী হয়েছে এই নতুন নির্দেশিকা।উল্লেখ্য, ওমিক্রনের কারণে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। বুধবার, অসমারিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী বিমান চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা বজায় থাকবে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ছাড় আছে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে,দেশে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা নিম্নগামী হওয়ায় ১৫ ডিসেম্বর থেকে যাত্রীবাহী উড়ানগুলি ফের চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। পরে তা পিছিয়ে জানুয়ারি পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়। বর্তমানে ওমিক্রনের দাপটে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
দেশ

মুম্বইয়ের বহুতলে অগ্নিকাণ্ডে মৃত কমপক্ষে ৭, অসুস্থ অনেকে

ফের মুম্বইয়ের বহুতলে অগ্নিকাণ্ড। মুম্বইয়ের তারদেওতে বহুতলে আগুনে লাগে শনিবার সকালে। প্রথমে দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও পরে তা বেড়ে সাত হয়। আহত হয়েছেন অনেকেই। এর মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ধোঁয়া থেকে শ্বাসকষ্টে অসুস্থ হয়ে পড়েন কেউ কেউ। ভাটিয়া হাসপাতালের কাছেই কমলা বিল্ডিংয়ে এদিন সকাল সাতটা নাগাদ আগুন লাগে বলে খবর। দমকলের ১৩টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। ঘটনাস্থলে পাঁচটি অ্যাম্বুল্যান্সও রাখা হয়।#UPDATE | Two persons got injured and have been shifted to the hospital. 5 ambulances present at the spot: Brihanmumbai Municipal Corporation pic.twitter.com/qloovBrLIg ANI (@ANI) January 22, 2022সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, এদিন সকাল ৭টা নাগাদ মুম্বইয়ের তারদেও এলাকায় একটি ২০ তলা বিল্ডিংয়ের ১৮ তলায় আগুন লাগে। গান্ধি হাসপাতালের বিপরীতে কমলা বিল্ডিংয়ের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিল্ডিংয়ের অন্যান্য বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে এনে আগুন নেভানোর কাজ চলে বলে খবর। এই আগুনকে লেভেল থ্রি অগ্নিকাণ্ডের ক্যাটাগরিতে রাখা হচ্ছে। আগুন নেভাতে দমকলের ইঞ্জিনের পাশাপাশি সাতটি ওয়াটার জেটিও আনা হয়। কিন্তু ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট করে বলা হয়নি।Six old age people needed oxygen support system and have been shifted to the hospital. Fire flame is under control but smoke is huge. All people have been rescued: Mumbai Mayor Kishori Pednekar pic.twitter.com/PFzDDsDTyW ANI (@ANI) January 22, 2022মুম্বইয়ের মেয়র কিশোরী পেডনেকর জানিয়েছেন, ছজন বয়স্ক মানুষের অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ইতিমধ্যেই চলে এসেছে। তবে এখনও কোনও কোনও পকেট থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যাচ্ছে। সকলকেই উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১৫ জনকে স্থানীয় ভাটিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনকে জেনারেল ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। তাঁরা এখন স্থিতিশীল। তবে তিনজনের শারীরিক অবস্থা উদ্বেগজনক হওয়ায় আইসিইউয়ে রাখা হয়েছে। চারজনকে নায়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে দুজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। পরে অসুস্থ আরও ৫ জনের মৃত্যু হয় বলে খবর। মহারাষ্ট্র বিজেপির প্রেসিডেন্ট ও বিধায়ক মঙ্গল প্রভাত লোধা জানান, অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এই ঘটনা।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
নিবন্ধ

উপেক্ষিত কবি-নাট্যকার-সুরকার-গীতিকার দিলীপ কুমার রায়

একবার এক গ্রন্থাগারিক দাদা কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম,আপনাদের গ্রন্থাগারে দিলীপকুমার রায়ের কী কী বই আছে? তিনি জানতে চেয়েছিলেন, অভিনেতা দিলীপ রায় এর কথা বলছ? তার উত্তরে বলি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের গুণী পুত্রের কথা। তিনি বিস্মিয় প্রকাশ করেন, জানতাম না তো!আমিও যে আগে থেকে তাঁর কথা অনেক কিছু জানতাম,তা নয়। কিন্তু যত তাঁকে জেনেছি তত বিস্ময়ে ডুবে গেছি। ক্রমে তাঁর লেখা, তাঁর গান সর্বপরি তাঁর প্রতি একটা টান যেটা পরে ভাললাগা থেকে ভালবাসায় পরিণত হয়েছে।তাঁর জন্ম ২২ জানুয়ারি ১৮৯৭। আজ থেকে ঠিক ১২৫ বছর আগে। এর ঠিক একদিন পরে জন্ম গ্রহন করেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, এঁরা ছিলেন আবাল্য অন্তরঙ্গ বন্ধু। বাবা প্রখ্যাত কবি-নাট্যকার-সুরকার-গীতিকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। মা সুরবালা দেবী। মাত্র ছ বছর বয়সে মাকে হারান। বাবা গত হন ষোলো বছর বয়সে।তিনি কৈশোর থেকেই ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। ম্যাট্রিকুলেশনে একুশতম স্থানাধিকার করেন। তারপর প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে অঙ্কে প্রথম শ্রেণীর অনার্সসহ উত্তীর্ণ হয়ে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে যান অঙ্কে ট্রাইপস হওয়ার জন্য। ট্রাইপস-এর সঙ্গে সঙ্গে চলে পাশ্চাত্য সংগীতের অধ্যয়ন। জার্মানি আর ইতালি যান গানে আরো পারদর্শী হতে। দেশে ফিরে তালিম নেন উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে, আব্দুল করিম খাঁ, ফৈয়জ খাঁ, হাফিজ আলি খাঁ, পন্ডিত ভাতখণ্ডে প্রমুখের কাছে। বাংলা, হিন্দি, ইংরাজি, ফরাসি ও জার্মান ভাষায় কৃতি ছিলেন। আর দক্ষ ছিলেন দেবভাষায়।ছিলেন রবীন্দ্রনাথ, অতুলপ্রসাদ, গান্ধীজি স্নেহধন্য। রোমাঁ রোলাঁ, বার্ট্রান্ড রাসেল, হেরমেন হেস প্রমুখ বিখ্যাত ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্যধন্য। শ্রীঅরবিন্দের দীক্ষিত শিষ্য।দিলীপিকুমার ছিলেন, সুগায়ায়ক, গীত রচয়িতা এবং সুরকার। ভাবলে কষ্ট হয় যে এই এই সুরসুধাকরের বহুপ্ৰসবী সংগীত প্রতিভার কথা, তাঁর সহস্রাধিক গান আজ বাঙালি সংগীত সংসারে উপেক্ষিত। সাদ-ভ্রাম্যমান সন্ন্যাসব্রতধারী রচনা করেছেন অগণিত নাটক, কাব্য, রম্যলেখা, ভ্রমণকাহিনী, অনুবাদ সাহিত্য এবং স্মৃতিচারণ।সেইসব রত্ন ভান্ডার ও সমকালীন আন্তর্জাতিক মনীষীদের সঙ্গে দ্বিরালাপমূলক বই আর পত্র সম্ভার নিয়ে খন্ডে খন্ডে প্রকাশিত হচ্ছে বিচিত্র ও বর্ণময় রচনাবলী।তিনি তিরিশ বছর বয়সে শ্রীঅরবিন্দের কাছে দীক্ষা নিয়ে পন্ডিচেরী আশ্রমে যোগ দেন। শ্রীঅরবিন্দের মহাপ্রয়াণের পর পন্ডিচেরী আশ্রম ত্যাগ করে পুনায় গড়ে তোলেন শ্রীহরিকৃষ্ণ মন্দির।দেওয়ান কার্তিকেয়চন্দ্র রায়ের পৌত্র, কবি ও সংগীতকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের সুযোগ্য সন্তান বহুমুখী প্রতিভা, মনন ও মেধাসম্পন্ন চিন্তক, সাধক ও বৈরাগ্যপন্থী, অনন্য গায়ক ও সুরকার, সাহিত্যিক ও ভ্রামণিকের প্রয়াণ হয় ৬ জানুয়ারি ১৯৮০ ।এই বিস্মৃতপ্রায় মহান কে তাঁর ১২৫ তম জন্মদিনে আমার প্রণাম জানাই তাঁরই লেখা দিয়ে...জ্ঞানের অগাধ সিন্ধুতলে যাঁর চিত্ত মীন সমসঞ্চরে সহজে নিত্য; জেনেছে যে প্রাণে প্রিয়তমশুধু তাঁরে - যাঁর দিব্য আলোয় নিখিল বিশ্ব আলো,ধন মান প্রতিষ্ঠার নহে যে প্রত্যাশী; বেসে ভালোঅনন্দময়ের সদানন্দ যে-বিবেকী; নিতি চায়যে সাগ্রহে যোগী যতি ধ্যানী মুনি ঋষির চরণেহতে নত নিরন্তর সরল বিনম্র পিপাসায়;পার্থিব বিলাস,অল্প সুখ ছাড়ি ভূমার বরনেযে-উদাসী অপার্থিব স্পর্শমণি আশে- সঁপি তাঁরশ্রীকরে স্মৃতিচারণ অন্তরের চির জিজ্ঞাসার।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌৭ উইকেটে বিধ্বস্ত ভারত, সিরিজ দক্ষিণ আফ্রিকার, শেহবাগের রেকর্ড স্পর্শ কোহলির

টেস্ট সিরিজে পিছিয়ে থেকে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। একদিনের সিরিজে ভারতকে কোনও সুযোগই দিল না। প্রথম একদিনের ম্যাচে ৩১ রানে জিতে সিরিজে এগিয়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ৭ উইকেটে হারিয়ে একম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জিতে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০১৮ সালে ঘরের মাঠে একদিনের সিরিজ হারের মধুর প্রতিশোধ নিল প্রোটিয়ারা।পার্লের বোল্যান্ড পার্কে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে টস ভাগ্য অবশ্য সহায় হয়েছিল লোকেশ রাহুলের। আগের ম্যাচে পরে ব্যাট করতে গিয়ে মন্থর উইকেটে সমস্যা হয়েছিল। সেকথা মাথায় রেখে এদিন টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। ভাল শুরু করেছিলেন ভারতীয় দলের দুই ওপেনার রাহুল ও শিখর ধাওয়ান। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৬৩। এরপরই ছন্দপতন। ৩৮ বলে ২৯ রান করে এইডেন মার্করামের বলে আউট হন শিখর ধাওয়ান। পরের ওভারেই বিরাট কোহলিকে (০) তুলে নেন কেশব মহারাজ। ভারত হারলেও এদিন বীরেন্দ্র শেহবাগের রেকর্ড স্পর্শ করলেন বিরাট কোহলি। বীরেন্দ্র শেহবাগ ৩৭৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৩১ বার শূন্যে আউট হয়েছিলেন। বিরাট কোহলি নিজের ৪৫০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচে শেহবাগের সেই রেকর্ড স্পর্শ করলেন। শেহবাগ টেস্টে ১৬ বার, একদিনের আন্তর্জাতিকে ১৪ বার এবং টি ২০ আন্তর্জাতিকে একবার শূন্যে আউট হয়েছেন। ফলে বিরাট এদিন একদিনের আন্তর্জাতিকে শেহবাগের ১৪ বার শূন্য রানে আউট হওয়ার নজির স্পর্শ করলেন।এক ওভারের ব্যবধানে পরপর দুটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। অধিনায়ক লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থের চওড়া ব্যাট ভারতকে চাপ থেকে বার করে নিয়ে আসে। জুটিতে ওঠে ১১৫ রান। জুটি ভাঙেন সিসান্দা মাগালা। তুলে নেন লোকেশ রাহুলকে। ৭৯ বলে ৫৫ রান করে আউট হন রাহুল। পরের ওভারেই তাবরেজ সামসির বলে আউট হন ঋষভ পন্থ। ৭১ বলে তিনি করে ৮৫। এটাই ঋষভের একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান। পরপর দুটি উইকেট হারিয়ে আবার চাপে পড়ে যায় ভারত রান তোলার গতিও কমে যায়। এর মাঝেই ৩৬.৫ ওভারের মাথায় আউট হন শ্রেয়স আয়ার (১১)। ভারতের রান তখন ২০৭/৫। ভেঙ্কটেশ আয়ার ৩৩ বলে ২২ রান করে আউট হন। শার্দূল ঠাকুর (৩৮ বলে অপরাজিত ৪০) ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনের (২৪ বলে অপরাজিত ২৫) সৌজন্যে ৫০ ওভারে ২৮৭/৬ রানে পৌঁছয় ভারত। তাবরেজ সামসি ৯ ওভারে ৫৭ রানে ২টি, কেশব মহারাজ ৯ ওভারে ৫২ রানে ১টি, এইডেন মার্করাম ৮ ওভারে ৩৪ রানে ১টি, সিসান্ডা মাগালা ৮ ওভারে ৬৪ রানে ১টি, ফেলুকায়ো ৮ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন।জয়ের জন্য ২৮৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনার জানেমান মালান ও কুইন্টন ডিকক। প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ হলেও এদিন ভারতীয় বোলারদের কোনও সুযোগই দেননি। যশপ্রীত বুমরা, ভুবনেশ্বর কুমারদের ওপর চূড়ান্ত দাপট দেখিয়ে ওপেনিং জুটিতে মালান ও ডিকক তোলেন ১৩২। শার্দূল ঠাকুর এসে জুটি ভাঙেন। তুলে নেন ডিকককে। ৬৬ বলে ৭৮ রান করে আউট হন ডিকক। ডিকক ফিরে গেলেও চাপে পড়েনি দক্ষিণ আফ্রিকা। জানেমান মালামনের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। দলের ২১২ রানের মাথায় যশপ্রীত বুমরার বল ব্যাটের ভিতরের দিকে কানায় লাগিয়ে আউট হন জানেমান মালান। ১০৮ বলে ৯১ রান করেন তিনি। পরের ওভারেই যুজবেন্দ্র চাহালের বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দিয়ে আউট হন বাভুমা (৩৬ বলে ৩৫)। উইকেটে জমে যাওয়া দুই ব্যাটারকে পরপর দুওভারে তুলে নিয়েও দক্ষিণ আফ্রিকাকে চাপে ফেলতে পারেনি ভারত। ধীরে ধীরে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান এইডেন মার্করাম (৪১ বলে অপরাজিত ৩৭) ও রাসি ভ্যান ডার ডুসেন (৩৮ বলে অপরাজিত ৩৭)। ৪৮.১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৮৮ রান তুলে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের হয়ে যশপ্রীত বুমরা, যুজবেন্দ্র চাহাল ও শার্দূল ঠাকুর ১টি করে উইকেট নেন।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: কন্যার নৈতিক অবনতি, মীনের আগুনে ক্ষতি

মেষ/ARIES: ক্রমোন্নতি হতে পারে।বৃষ/TAURUS: ভোগবিলাস করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: শ্রীবৃদ্ধি হতে পারে।কর্কট/CANCER: অর্থাভাব দেখা দিতে পারে।সিংহ/LEO: অংশীদারীতে লাভ হতে পারে।কন্যা/VIRGO: নৈতিক অবনতি হতে পারে।তুলা/ LIBRA: বিতৃষ্ণা জন্মাতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: উচ্চাকাঙ্খা দেখা দিতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: স্বজনবিয়োগ হতে পারে।মকর/CAPRICORN: চিত্তবিক্ষেপ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: নতুন প্রচেষ্টা করতে পারেন।মীন/ PISCES: অগ্নিদ্বারা ক্ষতি হতে পারে।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থায় নেই স্থানীয় বিধায়ক, দায়িত্বে কাকলি

বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার (BDA) নতুন চেয়ারপার্সন ঘোষণা করলো রাজ্য পৌর ও নগরোন্নয়ন দফতর। শুক্রবার বিজ্ঞপ্তিতে একজন চেয়ারপার্সন ও ৯ জন সদস্যের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু নতুন কমিটিতে সদস্য পর্যন্ত করা হয়নি বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসকে। এই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।এর আগে বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান ছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক রবিবঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। তাঁর মৃত্যুর পর পদটি দীর্ঘদিন ফাঁকা ছিল। বিডিএ-র দায়িত্ব দূরের কথা সদস্য়ও করা হয়নি বর্ধমানের বিধায়ক খোকন দাসকে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নতুন চেয়ারপার্সন হয়েছেন কাকলি তা গুপ্ত। ৯ জন সদস্যের মধ্যে রয়েছেন, পুর্ব-বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি, রাজ্য সরকারের অর্থ দফতরের প্রতিনিধি, পৌর ও নগরোন্নয়ন দফতরের প্রতিনিধি, পুর্ব-বর্ধমান জেলাশাসক, পুর্ব-বর্ধমান পুলিশসুপার, বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান, বর্ধমান উত্তর বিধানসভার বিধায়ক নিশীথ মালিক, শুভব্রত মুখোপাধ্যায় ও বিডিএর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার।প্রসঙ্গত কাকলি তা গুপ্ত দীর্ঘদিন তৃণমূল দলের সক্রিয় রাজনীতির সাথে যুক্ত। তিনি বর্ধমান-১ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত-কর্মাধক্ষের দ্বায়িত্ব সামলেছেন। বর্তমানে তিনি বর্ধমান-১ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জন্মদিনে স্ত্রী কে বিশেষভাবে শুভেচ্ছা আয়ুষ্মান খুরানার

৩৯-এ পা দিলেন লেখিকা-পরিচালক তাহিরা কশ্যপ। বিশেষ দিনে স্ত্রী কে বিশেষভাবে শুভেচ্ছা জানালেন জাতীয় পুরস্কার জয়ী বলিউড অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানা। ইনস্টাগ্রামে নিজেদের একগুচ্ছ নানান রং ও মেজাজের পুরোনো ছবির মন্তাজ দিয়ে সাজানো একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন আয়ুষ্মান। ভিডিয়োর ব্যাকগ্র্যাউন্ডে বাজছে বড়ে আচ্ছে লগতে হ্যায় গানটি।ক্যাপশনে স্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়ে আয়ুষ্মান ফাঁস করেন ২০০১ সালের কোনও এক শীতের দিনে শুখনা লেকের ঘাটের সিঁড়িতে বসে তাহিরের জন্য এই গানটি লিখেছিলেন তিনি। এর পাশাপাশি তিনি আরও জানান যে তাহিরার জন্য লেখা এটিই ছিল তাঁর প্রথম গান। তাহিরার জন্য আয়ুষ্মানের এই ভালোবাসায় মুগ্ধ নেটিজেনরা। ভিডিওর কমেন্ট বক্সে দুজনকে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন তারা। শুধু নেটিজেনরাই নন, বলিউড তারকারাও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। টিসকা চোপড়া রয়েছেন এই তালিকায়। বার্থডে গার্ল কে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লিখেছেন আয়ুষ্মান ও তাহিরা তাঁকে কাছে নয়নসুখ এর থেকে কম কিছু নয়। মিকা সিং কমেন্টে লিখেছেন, হ্যাপি বার্থডে।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 53
  • 54
  • 55
  • 56
  • 57
  • 58
  • 59
  • ...
  • 94
  • 95
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্কুল আছে, শিক্ষকও আছেন, কিন্তু পড়ুয়া শূন্য! রাজ্যের ৪১৩৩ স্কুল নিয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত

স্কুল রয়েছে, শিক্ষকও রয়েছেন। কিন্তু সেই স্কুলে পড়ুয়া নেই একজনও। রাজ্যে এমন পড়ুয়াশূন্য সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের সংখ্যা ৪১৩৩। এবার এই স্কুলগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার। ফাঁকা স্কুলবাড়িগুলি যাতে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে না থাকে, তার জন্য বিকল্প ব্যবহারের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, শিক্ষা সচিবের নির্দেশে ইতিমধ্যেই জেলাস্তরে এই কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিটি জেলার জেলাশাসককে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। কলকাতার ক্ষেত্রে কলকাতা পুরসভার কমিশনারকেও চিঠি পাঠানো হয়েছে।পড়ুয়াশূন্য স্কুলগুলির বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জেলাস্তরে একটি কমিটি কাজ করবে। স্কুলগুলির ভবনের অবস্থা, পরিকাঠামো, অবস্থান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় যাচাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট স্কুলবাড়ি ভবিষ্যতে কী কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে, সেই বিষয়ে প্রস্তাব তৈরি করবে কমিটি।শিক্ষা দফতরের হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যে এমন ৪১৩৩টি স্কুল চিহ্নিত হয়েছে যেখানে বর্তমানে একজনও পড়ুয়া নেই। অথচ এই স্কুলগুলির সঙ্গে প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষক যুক্ত রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির পরিকাঠামো এবং শিক্ষক সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।এই স্কুলবাড়িগুলিকে কী ভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও একাধিক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও স্কুলবাড়িতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করা যেতে পারে। কোথাও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করার প্রস্তাব আসতে পারে। আবার কোনও ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পিপিপি মডেলে স্কুল চালানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হতে পারে।তবে কোনও স্কুলের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনই চূড়ান্ত হয়নি। জেলাস্তরের কমিটি পরিকাঠামো ও স্থানীয় প্রয়োজন যাচাই করার পর প্রস্তাব পাঠাবে। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই পর্যালোচনা এবং প্রস্তাব তৈরির প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে রাজ্যের ৪১৩৩ পড়ুয়াশূন্য স্কুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে।পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির ভবন যাতে দীর্ঘদিন ফাঁকা পড়ে না থাকে, সেই লক্ষ্যেই বিকল্প ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কোন স্কুলে কী পরিবর্তন হবে, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রয়োজন, ভবনের পরিকাঠামো এবং জেলাস্তরের কমিটির রিপোর্টের উপর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই ভোগান্তি, ১০ ঘণ্টা পথেই! এশিয়ান গেমসে কেন এমন পরিণতি বরুণের?

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের এক সদস্যের পুত্র বরুণ সান্যাল এশিয়ান গেমসে ভারতের হয়ে মিক্সড মার্শাল আর্টে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিযোগিতায় নামার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে প্রতিযোগিতা থেকে নাম প্রত্যাহার করতে হয়েছে।এবারই এশিয়ান গেমসে মিক্সড মার্শাল আর্ট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৭৭ কেজি বিভাগে ভারতের প্রথম পুরুষ প্রতিনিধি হিসেবে নামার কথা ছিল বরুণের। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে তাঁর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই এশিয়ান গেমসে সুযোগ পান তিনি। তবে প্রথমে নির্বাচিত ক্রীড়াবিদদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। পরে সংশোধিত তালিকায় জায়গা পান বরুণ।রবিবার প্রতিযোগিতায় নামার কথা ছিল তাঁর। তার আগে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সনায় যান বরুণ। ওজনভিত্তিক লড়াইয়ে নামার আগে অনেক প্রতিযোগীই সনায় গিয়ে শরীরের অতিরিক্ত জল কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখেন। কিন্তু সনায় যাওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বরুণ।জানা গিয়েছে, প্রচণ্ড গরমের কারণে অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছিল। এর পর তাঁর পেশিতে টান ধরে এবং শরীরে জলের পরিমাণও আশঙ্কাজনক ভাবে কমে যায়। রাত একটা নাগাদ সনাতেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি। এক নেপালি ক্রীড়াবিদ বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করার পর বরুণকে প্রতিযোগিতার জন্য অনুপযুক্ত বলে জানান। ফলে ৭৭ কেজি বিভাগে আর লড়াইয়ে নামার অনুমতি পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত এশিয়ান গেমস থেকেই নাম প্রত্যাহার করতে হয় তাঁকে।তবে বরুণের অসুস্থতার পিছনে শুধু সনার ঘটনাই নয়, জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই একাধিক সমস্যার মুখে পড়ার অভিযোগও উঠেছে। জানা গিয়েছে, এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনায় তাঁর নাম নথিভুক্ত করতেই দীর্ঘ সময় লেগেছিল। প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে একের পর এক দফতরে গিয়ে নথিভুক্তির কাজ শেষ করার চেষ্টা করতে হয়েছিল বলে অভিযোগ।এর পর থাকার ঘর নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়। বরুণ যে ঘর পেয়েছিলেন, সেখানে আরও দুজন ক্রীড়াবিদকে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই সমস্যা মেটাতেও বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় চলে যায়।এই সমস্ত সমস্যার কারণে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগও কমে যায় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছিল বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ওজন ঠিক রাখতে সনায় যেতে হয়েছিল বরুণকে।কিন্তু সনায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে প্রতিযোগিতায় নামার অনুমতি দেননি। ফলে এশিয়ান গেমসে ইতিহাস তৈরির সুযোগ পেয়েও লড়াইয়ে নামতে পারলেন না বরুণ। তাঁর এই পরিস্থিতির জন্য এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে আয়োজকদের তরফে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন ছুটির দাবিতে ফের ধর্মঘট, মাসের শেষে টানা পাঁচ দিন বিপাকে গ্রাহক?

দেশজুড়ে ফের ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালু এবং শনি ও রবিবার ছুটির দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীদের যৌথ মঞ্চ ফের দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। আগামী ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর টানা তিন দিন ধর্মঘটের কর্মসূচি রয়েছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বরও দেশজুড়ে এক দিনের ধর্মঘট পালন করেছিলেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা।ধর্মঘটের আগে এবং পরে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ব্যাঙ্ক পরিষেবা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ২৬ সেপ্টেম্বর চতুর্থ শনিবার এবং ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার হওয়ায় ২৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ব্যাঙ্কের স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কোন পরিষেবা কতটা ব্যাহত হবে, তা ব্যাঙ্কভেদে আলাদা হতে পারে।ব্যাঙ্ক কর্মী সংগঠনগুলির দীর্ঘদিনের অন্যতম দাবি হল সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু করা। অর্থাৎ শনি ও রবিবার নিয়মিত ছুটি দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন কর্মীরা। সেই দাবির পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় নিয়ে আন্দোলন চলছে। দাবি পূরণ না হওয়ায় ফের ধর্মঘটের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ধর্মঘটের প্রভাব কমাতে আগেভাগেই তৎপর হয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। আর্থিক পরিষেবা দফতরের সচিবের নেতৃত্বে ২১ সেপ্টেম্বর একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক, ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন এবং নাবার্ডের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।ধর্মঘটের সময়ে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা এবং গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা কী ভাবে যতটা সম্ভব সচল রাখা যায়, সেই বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। ধর্মঘটের জেরে যাতে আর্থিক লেনদেন ও জরুরি পরিষেবায় বড় ধরনের সমস্যা না হয়, তার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ধর্মঘটের সঙ্গে সপ্তাহান্তের ছুটি এবং ব্যাঙ্কের অর্ধবার্ষিক হিসাব বন্ধের সময়ও মিলে যাচ্ছে। ফলে ওই সময়ে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত জরুরি কাজকর্মে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।অন্য দিকে, কর্মী সংগঠনগুলির কর্মসূচি এখানেই শেষ নয়। তাঁদের দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী সময়ে আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। ফলে সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালুর দাবি ঘিরে কর্মী সংগঠন, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের মধ্যে আলোচনা কোন দিকে যায়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বড় ধাক্কা! আদালতের নির্দেশে বন্ধ পোষ্য বিক্রি

উত্তর কলকাতার শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বেআইনি পাখি, মাছ, কুকুরছানা-সহ বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি বন্ধে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। বুধবার আদালতের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। রবিবার থেকেই সেই নির্দেশ কার্যকর করার কথা ছিল। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রবিবার সকাল থেকেই গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে নজরদারি শুরু হয়। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরের আধিকারিকেরা বাজারে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।বাজারের সংগঠনের তরফেও মাইকিং করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় ব্যানার টাঙিয়ে ব্যবসায়ীদের আদালতের নির্দেশ সম্পর্কে জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজারের সদস্যদের কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক বলেও জানানো হয়েছে।গ্যালিফ স্ট্রিটের এই সখের হাট দীর্ঘদিনের পুরনো। বাজারের ব্যবসায়ীদের দাবি, কয়েক দশক ধরে তাঁরা এখানে ব্যবসা করছেন। তাঁদের বক্তব্য, এক সময় সরকারই তাঁদের এখানে বসার অনুমতি দিয়েছিল। এখন ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়ম সামনে আসায় বহু ব্যবসায়ী সমস্যায় পড়েছেন।সখের হাটের সদস্য অমর চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বাজারে সাতশোরও বেশি সদস্য রয়েছেন। তাঁর দাবি, এটি শতাব্দীপ্রাচীন বাজার এবং বহু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এখানে ব্যবসা করছেন। কিন্তু কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স না থাকলে ব্যবসা চালানো নিয়ে নতুন করে সমস্যা তৈরি হয়েছে।অমর বলেন, যত দিন এই রাস্তার উপর ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়টি মীমাংসা না হচ্ছে, তত দিন ব্যবসা চালানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। অনেক ব্যবসায়ীর কাছেই সেই লাইসেন্স নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে আদালতের নির্দেশ তাঁরা মেনে নিয়েছেন বলে স্পষ্ট করেছেন সখের হাটের ওই সদস্য।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে পাখি ও বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে দেশীয় পাখি কেনাবেচা আইনত নিষিদ্ধ হওয়ায় এই বাজারে নজরদারি চালিয়েছে বন দফতর। অতীতে এই বাজারে বেআইনি পাখি বিক্রির অভিযোগে অভিযান এবং পাখি উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে।এ বার কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। রবিবার থেকেই বাজারে পুলিশ ও শুল্ক দফতরের আধিকারিকদের উপস্থিতি দেখা যায়। ফলে আদালতের নির্দেশ কতটা কার্যকর করা যায় এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে কত জন প্রয়োজনীয় নথি ও লাইসেন্স দেখাতে পারেন, সে দিকেই এখন নজর।তবে এই নির্দেশের ফলে বাজারের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাতশোর বেশি সদস্যের এই পুরনো বাজারে কত জন বৈধ ভাবে ব্যবসা চালাতে পারবেন, কত জনকে নতুন নিয়ম মেনে চলতে হবে, তা আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হবে।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটের ক্ষেত্রে এখন মূল বিষয় দুটিআদালতের নির্দেশ মেনে বেআইনি পোষ্য বিক্রি বন্ধ করা এবং বৈধ ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি ও ট্রেড লাইসেন্স নিশ্চিত করা। আদালতের নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর বাজারের চেহারা কতটা বদলায়, সেটিই এখন দেখার।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
রাজ্য

কিষানজির ছায়াসঙ্গী মঙ্গল, সঙ্গে স্ত্রী মালতী! জঙ্গলমহলে বড় সাফল্যের দাবি এসটিএফের

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা মাওবাদী দম্পতি মঙ্গল মাহাতো ও তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মুকে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। শনিবার দুপুরে শালবনি থানার সরবেড়িয়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাঁদের এসটিএফের হাতে আসার খবর ছড়ায়। তবে তাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, নাকি আত্মসমর্পণ করেছেন, তা নিয়ে রাত পর্যন্ত সরকারি ভাবে স্পষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।মঙ্গল মাহাতো পুলিশের খাতায় পতিত মাহাতো, পাপ্পু, সমীর এবং পান্ডে নামেও পরিচিত। পুলিশ সূত্রের দাবি, তিনি সিপিআই মাওবাদীর সাব জোনাল কমিটির সদস্য ছিলেন। ঝাড়খণ্ড পুলিশের তরফে তাঁর মাথার দাম পাঁচ লাখ টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মু সংগঠনের এরিয়া কমিটির সদস্য ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁর বিরুদ্ধেও দুই লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।পুলিশের দাবি, মঙ্গলের হাতে একে-৪৭ এবং মালতীর হাতে ইনসাস রাইফেল থাকত। তবে তাঁদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।মঙ্গল মাহাতো দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, ২০০৮ সালে তিনি মাওবাদী কার্যকলাপে যুক্ত হন। প্রথমে বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করার পর স্কোয়াডের সদস্য হন। ২০০৯ সালে নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় সশস্ত্র সংগঠনে যোগ দেন বলে তাঁর পরিবারের দাবি।লালগড় আন্দোলনের সময় মঙ্গলের সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি। পরে তিনি মাওবাদী নেতা কিষানজির দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেছিলেন বলে জানা যায়। কিষানজির মৃত্যুর সময় সুচিত্রা মাহাতো ছাড়া মঙ্গলই সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে পুলিশের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। ওই সময় বাহিনীর ঘেরাটোপ পেরিয়ে তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।মালতী মুর্মুর জীবনও অল্প বয়সেই মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে যায় বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকার বাসিন্দা মালতী ছোটবেলাতেই মাকে হারান। পরে জ্যাঠার বাড়িতে বড় হন। প্রায় ১৫ বছর বয়সে তিনি মাওবাদী স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে। পরবর্তী সময়ে মঙ্গল ও মালতীর মধ্যে সহকর্মী হিসেবে সম্পর্ক তৈরি হয় এবং তাঁরা বিয়ে করেন।২০১১ সালের পর দুজনেই ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী নেতা আকাশের স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। প্রথমে বাংলা লাগোয়া পূর্ব সিংভূমের জঙ্গলে, পরে দলমা ও সারান্ডার জঙ্গলে তাঁদের ঘোরাফেরা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁরা সংগঠনের পূর্বাঞ্চলীয় ঘাঁটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।এর মধ্যে যৌথ বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের জেরে আকাশ-সহ কয়েক জন মাওবাদী বাংলার দিকে ফিরেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আগস্ট মাসে মদন মাহাতো, বীরেন সিং এবং মীরা পাহাড়িয়াকে ঝাড়খণ্ড পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে অনিতা কায়েম আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়।সংগঠনের সদস্য সংখ্যা কমে যাওয়ার পর আকাশও জঙ্গল ছেড়ে শহরের দিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জনের বিরুদ্ধেও পরে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে আত্মসমর্পণের উদ্যোগ নেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে।এই পরিস্থিতিতেও মঙ্গল ও মালতী জঙ্গলেই ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলেও তদন্তকারীরা জানতে পারেন বলে খবর। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের লালাট গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে আকাশকে এসটিএফ গ্রেফতার করে।আকাশকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গল মাহাতোর সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে তদন্তকারীরা তথ্য পান বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আকাশের গ্রেফতারের খবর প্রকাশ্যে আসার পর মঙ্গল জঙ্গলে আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে গাড়িতে করে পশ্চিম মেদিনীপুরের দিকে চলে আসেন বলেও তদন্তকারীদের দাবি।এর পরেই শালবনির সরবেড়িয়া গ্রামে মদন মাহাতোর এক আত্মীয়ের বাড়িতে তাঁদের অবস্থানের খবর পাওয়া যায়। সেখান থেকেই শনিবার দুজনকে এসটিএফ নিজেদের হেফাজতে নেয় বলে সূত্রের খবর।তবে এই ঘটনায় এখনও কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট নয়। মঙ্গল ও মালতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, নাকি তাঁরা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, তা সরকারি ভাবে জানানো হয়নি। তাঁদের কাছ থেকে কোনও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সেটিও এখনও স্পষ্ট নয়। এসটিএফের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি সামনে এলে গোটা ঘটনা আরও পরিষ্কার হবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

মমতাকে হারানোর ছক নাকি ক্যামাক স্ট্রিটে! ঋতব্রতর বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড়

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব নিয়ে নতুন করে বিস্ফোরক দাবি করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর দাবি, ক্যামাক স্ট্রিট থেকে তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই তালিকায় প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই দাবির স্বপক্ষে তাঁর কাছে নাকি প্রমাণও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।ঋতব্রতর বক্তব্য অনুযায়ী, ভোটের অনেক আগে থেকেই তৃণমূলের ভিতরে নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল। এক দিকে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা, অন্য দিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তরুণ নেতাদের একটি অংশ। ভোটের আগে প্রকাশ্যে সেই দ্বন্দ্ব খুব বেশি দেখা না গেলেও দলের ভিতরে টানাপোড়েন চলছিল বলে দাবি ঋতব্রতর।তাঁর অভিযোগ, এই পরিস্থিতির মধ্যেই তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ওই তালিকার প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তালিকায় আরও কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূল নেতার নাম ছিল বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তবে ওই ১৪ জনের সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ্যে আসেনি।ঋতব্রত আরও দাবি করেছেন, যাঁদের হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মীদের নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া এবং নির্বাচনী এজেন্টদের সমস্যায় ফেলার মতো পদক্ষেপ করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের নির্দেশ দলের ভিতর থেকেই দেওয়া হয়েছিল।এই দাবির সঙ্গে ভবানীপুরের নির্বাচনী ঘটনাকেও জুড়ে দেখার চেষ্টা করছেন ঋতব্রত। তাঁর বক্তব্য, ভবানীপুরে ভোটগণনার সময় তৃণমূলের এক এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও গণনাকেন্দ্রে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে সেই সময় খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে ওই ঘটনার সঙ্গে ঋতব্রতর বর্তমানে করা অভিযোগের সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা প্রমাণিত নয়।ঋতব্রতর দাবি, তাঁর কাছে এই অভিযোগের সমর্থনে যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে। প্রয়োজন হলে আদালতেও সেই প্রমাণ পেশ করতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর এই অভিযোগের স্বাধীন কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই নির্দিষ্ট অভিযোগের কোনও জবাব এই প্রতিবেদনে যুক্ত করা যাচ্ছে না। ফলে ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম তালিকার প্রথমে থাকা এবং ক্যামাক স্ট্রিট থেকে নির্দেশ যাওয়ার অভিযোগসবই আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য হিসাবেই থাকছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন নিয়ে গত কয়েক মাসে একাধিক নেতা প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে দলের ভিতরে-বাইরে বিতর্কও হয়েছে। ফলে ঋতব্রতর এই নতুন দাবি সেই রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।এখন প্রশ্ন, ঋতব্রত যে ১৪ জনের তালিকার কথা বলছেন, সেখানে আর কারা ছিলেন এবং তিনি যে সাক্ষ্যপ্রমাণের কথা বলেছেন, সেগুলি কী। সেই তথ্য প্রকাশ্যে এলে তাঁর অভিযোগের সত্যতা নিয়ে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

যাদবপুরে তাণ্ডব! প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ, নিশানায় একাধিক তৃণমূল কার্যালয়

শনিবার সন্ধ্যায় যাদবপুরের বিজয়গড়-সহ একাধিক এলাকায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রাক্তন বিধায়ক তথা মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদার, যিনি মলয় মজুমদার নামেও পরিচিত, তাঁর বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বাড়ির পাশাপাশি তাঁর কার্যালয়েও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাদবপুর থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।মলয় মজুমদারের অভিযোগ, হামলাকারীদের একটি দল তাঁর বিজয়গড়ের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং তাঁর দাদা ও বউদিকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। হামলার সময় বাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থারও ক্ষতি করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।প্রাক্তন বিধায়কের অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে বিজেপির দুই নেতা অনুপম তালুকদার ও সজল বসুর নেতৃত্ব রয়েছে। তাঁদের দলবলই হামলা চালিয়েছে বলে দাবি মলয়ের। তবে এই অভিযোগের সঙ্গে বিজেপির যোগের বিষয়টি এখনও পুলিশের তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।মলয় আরও অভিযোগ করেছেন, পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় খোলা যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি দলের কর্মীদেরও নানা ভাবে ভয় দেখানো হয়েছে বলে তাঁর দাবি।শুধু মলয় মজুমদারের বাড়ি নয়, ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সীমা ঘোষের বাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, বাড়িতে ঢুকে দলের মহিলা কর্মীদের মারধর করা হয়। তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগও সামনে এসেছে।এর পর যাদবপুরের একাধিক এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় নিয়েও উত্তেজনা ছড়ায়। আনন্দপল্লি, বিজয়গড়, বাঘাযতীন ডি ব্লক-সহ কয়েকটি জায়গায় দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করে পরে তালা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা পুরভোটের আগে পর্যন্ত ওই কার্যালয় ব্যবহার করা যাবে না বলে হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ।সীমা ঘোষের অভিযোগ, তাঁকেও এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় থাকা যাবে না এবং বিজেপি বা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনও কথা বলা যাবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি।ঘটনার পর যাদবপুরের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু তৃণমূলের কার্যালয় বা মলয় মজুমদারের বাড়িই নয়, এলাকার একাধিক রাজনৈতিক কার্যালয়েও হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ফলে শনিবার সন্ধ্যার ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।অন্য দিকে, মলয় মজুমদারের অভিযোগ সরাসরি খারিজ করেছে বিজেপি। দলের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই হামলার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নয়। স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ বা জনরোষের জেরেই এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে পালটা দাবি করেছে বিজেপি।ফলে যাদবপুরের ঘটনায় এখন মূল প্রশ্ন, হামলার পিছনে কারা ছিল এবং কেন একসঙ্গে একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও দলীয় কার্যালয়কে নিশানা করা হল। মলয় মজুমদারের দায়ের করা অভিযোগ এবং অন্যান্য পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
নিবন্ধ

তুমি আছো নীরবে - ভয়ঙ্কর রোমাঞ্চকর গল্প -(অন্তিম পর্ব)

দ্বিতীয় পর্বের পরঃসৌভিক, কিছু দরকার? স্নেহা, না সেরকম কিছু না, তোমার আর সায়নীর মধ্যে সব ঠিক আছে? সৌভিক, কেন বলোতো? স্নেহা, শেষ দুদিন দেখলাম সায়নী তোমায় খুব বাজে ভাবে এড়িয়ে চলছে। সৌভিক এবার নড়েচড়ে বসলো, স্নেহাও লক্ষ্য করেছে মানে এটা সৌভিকের মনের ভুল মোটেও নয় আর সায়নীর কি হয়েছে সেটা স্নেহার থেকে ভালো কেও বলতেও পারবেনা সুতরাং যখন সুযোগ নিজে হেঁটে এসেছে তখন সেটা কাজে লাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ।সৌভিক, হ্যাঁ, সেটা ওই করছে, কিন্তু কেন করছে তার কোনো সদুত্তর আমার কাছে নেই, তোমার কাছে যদিও থাকে তবে তুমি বলতে পারো, আমি চেষ্টা করে দেখবো যদিও কিছু করতে পারি তো। স্নেহা, কি হয়েছে সেটা আমিও ঠিক জানিনা তবে তোমায় এটুকু বলতে পারি ওর মাথায় কিছু একটা চলছে আর আমাদের সাথে কিছু অদ্ভুত ঘটনাও ঘটছে, তোমার সাহায্য লাগবে। সৌভিক, কিরকম সাহায্য লাগবে? আর কি ঘটছে সেটা বললে ভালো হতো। স্নেহা, সব জানার দরকার নেই, শুধু তুমি আজ রাতের তৈরী থেকো। আমি যাকে সন্দেহ করছি সেই যদিও এসবের পিছনে থেকে থাকে তবে তাকে আজকেই আমরা হাতেনাতে ধরবো। এই বলে স্নেহা সৌভিকের কেবিন থেকে বাইরে বেরোয়, আজকেও রাহুল হন্তদন্ত হয়ে কোথায় যেন একটা বেরিয়ে গেলো।তখন সন্ধ্যে হয়ে এসেছে, সৌভিকের ভাড়া করে দেওয়া ট্যাক্সিটা এসে থামলো সায়নীদের এপার্টমেন্টটার সামনে।ট্যাক্সির ডানদিকের দরজাটা খুলে প্রথমে স্নেহা নামলো, তারপর সায়নী নামতে গেলো,কিন্তু সায়নী দেখলো আশেপাশের পরিবেশটা কেমন যেন আরো অন্ধকার হয়ে এসেছে। ড্রাইভার সায়নীকে বললো, ম্যাম আপনি ঈশানের সাথে এরকম কেন করলেন? সায়নী ভয় পেলো ড্রাইভারের এই আকস্মিক প্রশ্নের সামনে, সায়নী দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে এপার্টমেন্টর দিকে পা বাড়ালো কোনোদিকে না তাকিয়ে, কিন্তু আজ ঈশান যেন ওর পিছু ছাড়ছেনা, সায়নী যেখানে যেখানে যাচ্ছে সেখানে সেখানে আশেপাশের লোকজন ওর দিকে তাকিয়ে ওকে একই প্রশ্ন করছে, তুমি এটা ঈশানের সাথে কেন করলে? প্রথমে সিকিউরিটি গার্ড, তারপর পাশের ফ্ল্যাটের বৃদ্ধা, মাঠে খেলতে থাকা বাচ্চারা, আর বহুদূরে দাঁড়িয়ে ঈশান ওই একই হাসি নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে রয়েছে, ওর চোখে মুখে রক্ত লেগে, কি বীভৎস লাগছে ওকে। সায়নী এবার আর হাঁটলো না, ওই সোজাসুজি দৌড় দিলো, একের পর এক সিঁড়ি বেয়ে ওই উপরে উঠে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো কিন্তু ওর কাছে চাবি ছিলোনা, পাশে স্নেহাও নেই, ওই কোথায় গেলো?সিঁড়ি দিয়ে কেও একজন উপরে উঠে আসছে, পায়ের শব্দ শোনা যাচ্ছে, ধীরে ধীরে শরীরটাও স্পষ্ট হচ্ছে। একি এটা যে ঈশান, ওর দিকেই এগিয়ে আসছে, সায়নী আরো জোরে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো, ভয়ে আর্তনাদ করে উঠলো কিন্তু এই দুনিয়ায় যেন কেও নেই ওর আর্তনাদ শোনার মতো, কেও যেন নেই ওকে বাঁচানোর মতো। ঈশান হাঁটতে পারছেনা, ওর পা দুটো ভাঙ্গা আর একটা হাত নেই এখন দৃশ্যমান। সে এসে সায়নীর সামনে দাঁড়ালো আর মুখের ওই সরল হাসিটা এখন আর সরল লাগছেনা বরং ভয়ানক পৈশাচিক লাগছে। ঘরঘরে গলায় ঈশান বললো, সায়নী, কেমন আছো? শুনলাম তুমি নাকি প্রথম হয়েছো? সায়নী কাঁদতে কাঁদতে বললো, সরি ঈশান, আমি ভুল করেছি, প্লিজ আমায় ক্ষমা করো প্লিজ। ঈশান এবার আরো বিকৃত হাসি হাসলো, সরি? মনে আছে সেইদিনের কথা? ঠিক কিভাবে তুমি আমায় কিছু না করেও আমার মৃত্যুর কারণ হয়েছিল? কিভাবে একটা মধ্যবিত্ত বাড়ির বড়ো ছেলেকে তুমি শেষ করে দিয়েছিলে? তোমার বাবার তো অঢেল সম্পত্তি ছিল তোমার কি সত্যিই কিছু ক্ষতি হতো সায়নী? হতোনা, কিন্তু আমার হয়েছে, আমার পর আমার ভাইকে দেখার কেও ছিলোনা, মা অসুস্থ এখনো অপেক্ষা করে আমার ফেরার। তোমায় আমি ছাড়বোনা সায়নী, এভাবেই তুমিও শেষ হবে আর তোমার ওই অহংকারী বাবার কোল শূন্য হবে তবেই আমার প্রতিশোধ পূরণ হবে। সায়নী আরো জোরে চিৎকার করে উঠলো, তারপর বুঝলো ওকে জড়িয়ে ধরে রয়েছে স্নেহা, ওকে শান্ত করার চেষ্টা করছে আর সামনে দাঁড়িয়ে রাহুল।সায়নী যখন ওদের দেখলো তখন আরো কান্নায় ভেঙে পড়লো, রাহুল ও আমায় শেষ করে দেবে বলেছে প্লিজ বাঁচা আমায়। সায়নী রাহুলের পায়ে পরে কাকুতি মিনতি করতে শুরু করে দিলো।সায়নীর এই অবস্থা দেখে রাহুল ওকে ধরে উঠিয়ে দাঁড় করিয়ে বললো, ঘরে চল আমি আছি, আমি ওকে বুঝিয়ে বলবো ও এলে, তুই চিন্তা করিসনা। স্নেহা দরজা খুললো তারপর ওরা দুজনে সায়নীকে নিয়ে গিয়ে ঘরে শোয়ালো। কিছুক্ষণ দুজনেই সায়নীর পাশে বসে ওকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করলো, সায়নী ঘুমাতে রাহুল ডাইনিংএ এসে বসলো আর সামনের চেয়ারটা টেনে নিয়ে বসলো স্নেহা।রাহুল, আমার মনে হয় এবার আমার যাওয়া উচিত, সৃজা অপেক্ষা করছে হয়তো । স্নেহা, না রাহুলদা, তোমায় তো এখানে থাকতেই হবে।রাহুল স্নেহার দিকে একবার তাকায়, চোখে প্রশ্ন দৃশ্যমান।স্নেহা, থাকতে হবে তার কারণ এতক্ষন আমি ভাবছিলাম এই গল্প ঈশান আর সায়নীর প্রেমের কিন্তু ভুল ছিলাম, আসলে এই গল্পের মুখ্য চরিত্র তো তুমি, ওরাতো ব্যাস দুটো পার্শ্ব চরিত্র। তাই নয় কি?স্তম্ভিত রাহুল স্নেহার দিকে তাকিয়ে বললো, কি বলতে চাও তুমি? স্নেহা কোনো কথার উত্তর না দিয়ে নিজের ফোনটা বের করে একটা ছবি দেখিয়েছো রাহুলকে প্রশ্ন করে, এটাই তোমার ঈশান তাই না? রাহুল এবার আরো অবাক হয়,স্নেহা রাহুলকে বলে, কি রাহুলদা তুমি কি ভেবেছিলে, খেলা খেলতে শুধুই তুমি পারো? আমি পারিনা? আমি আগেই সৌভিককে পাঠিয়েছিলাম তোমার পিছনে। সন্দেহ আমার হয়েছিল তারও দুদিন আগে যখন আমি নিজে তোমায় ওই পাগলাগারদে ঢুকতে দেখেছিলাম, তখন সন্দেহ পুরো তৈরী হয়নি কিন্তু পরে হয়েছে, পরে হয়েছে এটা ভেবে যে যেদিন থেকে তুমি এসেছো তারপর থেকেই কেন ঈশানের আত্মা ওকে তাড়া করছে? আত্মার প্রতিশোধের ব্যাপার হলে তো সে অনেক আগেই আসতে পারতো। এই কেনর উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমার মনে পড়লো তুমি ঠিক কিভাবে নিজের লাঞ্চবক্স বারবার সায়নীকে দিয়ে যেতে খাওয়ার জন্য। কেও সন্দেহ করতোনা কিন্তু আমি করেছি, কি ওষুধ মেশাতে ওতে?রাহুল স্নেহাকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে সে যা ভাবছে তা সত্যি নয় কিন্তু স্নেহা যেন বোঝার ইচ্ছাতেই নেই।স্নেহা বলে চলে, চুপ করো রাহুলদা, আমার কাছে সব প্রমান আছে, আর ঈশান তো কোনোদিনও মরেই নি, ওই আছে ওই পাগলাগারদে যাকে তুমি রোজ দেখতে যাও, যাকে তোমার স্ত্রী সৃজাও দেখতে যায়, এসব তোমাদের প্ল্যান। আমি বিগত দুদিনে বারবার ওই জায়গায় গেছি, তোমাদের দেখেছি। একটা জীবিত মানুষের কিভাবে ভুত হয়ে কাওকে ভয় দেখায়? কেন করছো মেয়েটার সাথে এরকম? রাহুল এবার টেবিল চাপড়ে বলে, হ্যাঁ আমাদের প্ল্যান আর যা করেছি বেশ করেছি, আর সায়নীকে যতদিন না ওই বেডের পাশে এনে ফেলতে পারছি ততদিন আমি থামবোনা। ওর মতো ডাইনির সুস্থ শরীরে বেঁচে থাকার অধিকার নেই।স্নেহা, মুখ সামলে রাহুলদা, কে ডাইনি? তোমার বন্ধুকে না করেছিল বলে ডাইনি হয়ে গেলো? বাহ্ রে বাহ্ এইতো পুরুষতান্ত্রিক সমাজের আদর্শ পুরুষ। বলি ঘেন্না হয়না নিজের উপর?রাহুলের চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট, সাথে যখন এই ঘৃণা শব্দটা সে শুনলো যেন তার কান লাল হয়ে ধোঁয়া বেরোবে, সে বললো , ঠিক আছে তুমি যখন এতদূর বললে তবে পুরোটা শোনো আর তারপর যদি তোমার মনে হয় আমি দোষী তবে পুলিশ ডেকো আমি নিজে ধরা দেবো। এই বলে রাহুল নিজের ফোনে 101 ডায়েল করে স্নেহার হাতে দিয়ে বলে, যদি মনে হয় আমি ভুল আমার কথা শোনার পরেও তবেই ফোন করো। স্নেহা, ঠিক আছে বলো, সব অপরাধীকেই শেষবারের নিজের স্বপক্ষে যুক্তি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।রাহুল বলতে শুরু করে - ফার্স্ট ইয়ারে যখন ঈশান আসে তখন ও খুবই সহজ সরল একটা ছেলে ছিল তবে প্রতিবাদে কোনোদিনও পিছু হাটতো না। ওর ওই গুন ওকে ইউনিয়নের অনেকের কাছেই পছন্দের পাত্র করে তুলেছিল। তো এই ঈশান ছিল পড়াশোনায় দুর্দান্ত, ওর বাবা ছিলোনা। মা আর ভাইয়ের দায়িত্ব ওর উপরেই ছিল আর সেই জন্য দিনরাত খেতে পড়াশোনা করতো। প্রথম সেমেস্টারের রেজাল্ট যখন আসে তখন ওই প্রথম হয় আর অবাক করা বিষয়ে সায়নী যে কিনা বিক্রমের সাথে সবসময় ঘুরতো সে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায় ঈশানের দিকে। মাঝে মাঝেই নিজের চারচাকায় নিয়ে ওকে ঘুরতে যেত, বড়ো বড়ো রেস্টুরেন্টে দুজনকে একসাথে দেখতে পেতাম। আমি অতটা ভাবিনি বিষয়টা নিয়ে, ক্রমে বছর ঘুরলো দুজনে এই সম্পর্ককে বন্ধুত্ব বললেও কেও বিশ্বাস করতোনা আর উল্টোদিকে বিক্রমও ব্যাপারটা মেনে নিতে পারতোনা যে সায়নী ঈশানের সাথে সবসময় থাকে।মাঝে মাঝে বুঝতে পারতাম ঈশান সায়নীকে শুধু বন্ধু আর ভাবেনা।রাহুল একটু থামে ওর গলা ধরে এসেছে, টেবিলের উপরে রাখা জলের বোতল থেকে খানিকটা জল খায় তারপর বলে, তখন লাস্ট সেমিস্টার, পরীক্ষা শুরুর আগেরদিন ঈশানকে নিয়ে সায়নী কোথায় একটা গেলো। বেশ কিছুক্ষন পর যখন ঈশান ফিরলো ওই খুব খুশি ছিল, ও নিজের মাকে পর্যন্ত ফোন করে সায়নীর ব্যাপারে বললো আর আমায় বললো সায়নী নাকি বলেছে সায়নী ওকে বিয়ে করতে চায়। ব্যাপারটায় আমি খুবই খুশি হয়েছিলাম, যাক শেষ পর্যন্ত সব ভালো হচ্ছে।কিন্তু বুঝিনি এটা সবে শুরু, পরেরদিন থেকে সায়নী কেমন যেন বদলে গেলো, ঈশানকে পাত্তা দিতোনা, কথা বলার সুযোগটুকু দিতোনা আর রাতে বাড়ি ফিরে ঈশান মেসেজ করার চেষ্টা করলে সেখানেও ওকে পেতোনা।এভাবে দুটো পরীক্ষা শেষ হলো, পরীক্ষার শেষে ঈশান আমায় ওর হোয়াটস্যাপ দেখিয়ে বললো একটাও মেসেজ সায়নীর কাছে নাকি ডেলিভার হচ্ছেনা। আমি দেখলাম আর বুঝলাম সায়নী ওকে ব্লক করেছে, এটা জানতে পেরে ওই বেচারা আর থাকতে পারেনি তখনই ক্লাসের মাঝে গিয়ে সায়নীকে প্রশ্ন করে যে ওই এমন কেন করলো। সায়নীর ব্যবহার আরো খারাপ ছিল, ও সেসময় হাসে আর ঈশানকে বলে যে ঈশান কখনো নিজের ক্লাস নিয়ে ভেবেছে? কোথায় ঈশানের কুঁড়েঘর আর কোথায় সায়নীর বাবার রাজপ্রাসাদ, ঈশানের কোনো যোগ্যতা নেই সায়নীর পাশে। তারপর বিক্রমের হাত ধরে সায়নী ঈশানের সামনে দিয়ে বেরিয়ে যায়।ঈশান ভেঙে পরে, ওর মধ্যে আর ক্ষমতা ছিলোনা পড়াশোনা করার। পরের একটা পরীক্ষাও সে দিতে আসতে পারেনি, ঘরে বসে থাকতো চুপচাপ। যেদিন রেজাল্ট এলো সেদিন ও শুধু দেখেছিলো কিভাবে সায়নী ওর জায়গাটা ছিনিয়ে নিয়েছে, কিভাবে একটা নোংরামি ওকে এতটা পিছনে ঠেলে দিয়েছে যে ওর একটা বছর নস্ট হয়ে গেছে। ঈশানের চোখ দিয়ে যে জলের ফোটা সেদিন পড়েছিল সেটাই সায়নীর ধ্বংসের কারণ আজ। ঈশান তারপর আর কোনোদিনও সুস্থ হতে পারেনি, ওই নিজের উপর ভরসা রাখতে পারেনি, সব ভুলে গেছে শুধু সায়নীর নামটা মনে আছে আজও। সায়নীর সাথে ওর কোনো পুরোনো বন্ধুর যোগাযোগ নেই কেন জানো? ঠিক এই কারণে, কারণ কেওই এটা মেনে নিতে পারেনি যেটা সায়নী ঈশানের সাথে খেলেছে। এরপরও তুমি বলবে সায়নী ঠিক আর আমি ভুল?স্নেহা এতদূর শুনে বললো, মিথ্যা সব মিথ্যা রাহুলদা, সায়নীকে আমি চিনি ওই এরকম মেয়ে মোটেও না। পিছনে কখন সৌভিক এসে দাঁড়িয়েছে রাহুল বুঝতে পারেনি, সেও বলে উঠলো, রাহুলদা সব শেষ, তুমি ধরা পরে গেছো এবার কোর্টে তোমার সাথে দেখা হবে। সৌভিক স্নেহার থেকে ফোনটা নিয়ে ফোন করতেই যাচ্ছিলো পুলিশে এমন সময় সায়নীর গলার স্বর শোনা গেলো। সায়নী ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে আর সৌভিকের দিকে তাকিয়ে হাসছে উন্মাদের মতো।স্নেহা গিয়ে সায়নীকে শান্ত করার চেষ্টা করলো কিন্তু কোনো লাভ হলোনা, সায়নী হেসেই চললো তারপর ওই হাসির মাঝেই বললো, ঈশান তুমি মরেও আমার পিছন ছাড়লে না? ঠিকই বলেছিলাম সেদিন, তুমি আসলে কুকুরেরও অধম, তোমার সাথে প্রেম করবো আমি? ছিঃ, ঘেন্না হয় তোমার মতো ছেলেগুলোকে। কোনো ক্লাস নেই এদিকে নাকি বড়োলোক বাড়ির মেয়েকে বিয়ে করবে। বেশ করেছি, তুমি এই কোম্পানিতে চাকরি করার যোগ্য নও ঈশান, ওটার যোগ্য শুধু আমি, ওই গোল্ড মেডেলের যোগ্য শুধুই আমি। বোকা ছেলে, তোমার মতো ছেলেগুলোকে হারিয়ে এগিয়ে যাওয়া সবচেয়ে সোজা।এই জানো এখনো আবার একটা ছেলে আমার ফাঁদে পা দিয়েছে, ওটাকেও শেষ করবো ঠিক তোমার মতো। আমায় অনেক উঁচুতে যেতে হবে ঈশান, যেখানে পৌঁছাতে তোমার দুজন্ম আরো লাগবে। নিজেকে দেখো, না আছে একটা হাত, না ঠিক করে হাঁটতে পারছো, মরে ভুত হয়েও সেই আমার পিছনে ঘুরে বেড়াচ্ছ, হোয়াট আ লুসার। সৌভিককেও তোমার মতোই শিখিয়ে পরিয়ে দিও যাতে ভুত হয়ে ভয় দেখিয়ে বেড়াতে পারে।সায়নী এই বলে উন্মাদের মতোই হেসে চলেছে, ওর হাসি আজ বাঁধ মানছেনা।দুদিন পর শহরের এক নামি পাগলাগারদে: সায়নী নিজের বেডে বসে পাশের ছেলেটাকে বলে, এই ছেলে তোমার নাম কি?ছেলেটার মুখে একটা সরল হাসি ফুটে ওঠে, সে বলে, আমি ঈশান।সায়নী, তুমি ঈশান? জানো ঈশান বলে একটা ভুত আমায় খুব জ্বালায়, ওকে একটু বকে দেবে গো?ঈশান বলে, ভুত? সে কি মানুষের থেকেও বেশি ভয়ানক?বাইরে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট ধরালো সৌভিক, সামনে স্নেহা আর রাহুল এককাপ চা নিয়ে দাঁড়িয়ে।সৌভিকই প্রথম মৌনতা ভেঙে বললো, সরি দাদা, আর একটু হলে আমিও এই পাগলাগারদেই হয়তো থাকতাম। খারাপ লাগছে ঈশানকে দেখে, ওর পরিবার....রাহুল, চিন্তা করোনা, ওর ভাইয়ের দায়িত্ব আমার আর সৃজার। ওর ভাই এখন লাস্ট ইয়ারে পড়াশোনা করছে, ওই ছেলেটাও ঈশানের মতোই পড়াশোনায়, ঠিক একটা কিছু করেই নেবে।স্নেহা, দাদা একটা প্রশ্ন রয়েই গেলো। রাহুল, কি প্রশ্ন? স্নেহা, সায়নীকে তুমি পাগল করলে কিভাবে? রাহুল একটু হাসলো তারপর বললো, amphitamin, ওকে দিনের পর দিন এটারই ডোস দিয়েছি আর শেষদিন যখন ও পাগলের মতো হাসছিলো তখন ওকে যে বোতলের জলটা তুমি দিয়েছিলে ওটাতে শেষ ডোস ছিল, আমি জল খাওয়ার সময়ে মিশিয়ে দিয়েছিলাম, তোমার অলক্ষ্যে। ব্যাস, আমি জানতাম আমি যদি আজ পুলিশের কাছে ধরা পরেও যাই তবুও তোমরা সায়নীকে বাঁচাতে পারবেনা। ভাগ্য সহায় ছিল যে সায়নী নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ায় তোমরা আর আমায় জেলে পাঠাওনি, বদলে ওকে পাগল হতে দেখেছো আর ভয়ে ওর থেকে দূরে সরে গেছো । স্নেহা, জেলে তো ওরই যাওয়া উচিত, যে একটা পরিবারকে শেষ করে দিলো নিজের স্বার্থে। রাহুল, পরজন্মে দুজন যেন সুস্থ মানুষের মতো বাঁচতে পারে এই প্রার্থনাই করি ঈশ্বরের কাছে। ওরা নিজেদের চা শেষ করে নিজেদের গোঁন্ত্যব পথে পা বাড়ালো। তখন সূর্য ডুবে গেছে, বাইরেটা অন্ধকার গ্রাসঃ করেছে আর ভিতরে?তখনও সায়নী নিজের খেয়ালে ঈশানের সাথে বকবক করে চলেছে, যেন দুজন দুজনকে ছেড়ে এক মুহূর্ত থাকতে পারবেনা। ওদের মধ্যে কি সত্যিই কোনোদিনও ভালোবাসা তৈরী হয়নি? বোঝা মুশকিল। কারণ দৃশ্যত উন্মাদদের থেকে অনেক বেশি উন্মাদ হয় সুস্থ স্বাভাবিক মানুষেরা।সমাপ্তসায়ন্তন গোস্বামী

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal