• ২৭ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IR

কলকাতা

ধোঁয়ার ঢাকল রাস্তা, দমকল পৌঁছাতে দেরি — দাউ দাউ করে জ্বলছে ডালহৌসির ওয়ার্কশপ!

শহরের ঘিঞ্জি ও সরু গলিতে এক ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সকালে ঘুম ভাঙতেই দেখা যায়, R. N. Mukherjee Road-২১ নম্বরে গাড়ি যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারী একটি কারখানায় অগ্নি বিষয়ক এক বিপর্যয় শুরু হয়েছে। ওই গোডাউনের রয়েছে প্রচুর পরিমাণে তৈল, রাসায়নিক ও দাহ্য পদার্থযার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।ঘণ্টা সাড়ে দশটার সময়, কারখানার পিছন দিক থেকে ধোঁয়ার গোলা বের হতে দেখেন সামনের দোকানের কর্মীরা। সরু গলি হেঁকে তারা এগিয়ে গিয়ে পরে বুঝতে পারেন, এক এক করে লেলিহান শিখা ছুঁইড়ে উঠছে। প্রথমে আশপাশের দোকানিরা হাঁসফাঁস করে জল ছিটিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে, সঙ্গে সঙ্গে গোডাউনের ভিতরে থাকা কয়েকজনকে সরে যেতে বলে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসে।কিন্তু নির্মাণকারীর বানানো এসব গাড়ি যন্ত্রাংশের সঙ্গে যুক্ত তৈল-রাসায়নিক মজুত থাকায়, আগুন যেন দ্রুত পাহাড় হয়ে উপচে পড়ছেদহনের পরিমাণ বাড়তেই থাকে। প্রথমে দুইটি দমকল ইঞ্জিন এসে কাজে লেগেছিল, পরে আরও তিনটি যোগ হয়। তবে ধোঁয়ার কালো গ্যালাকে ঘিরে পুরো এলাকা মুহূর্তে দৃশ্যমানতা হারিয়ে ফেলে। দমকলকর্মীরা ভয়ডরেই ঝুঁকি নিয়ে ভিতরে ঢুকছেন, যেখানে শ্বাস নেওয়াও প্রায় দুষ্কর হয়ে পড়েছে।ঘটনাস্থলেই আশপাশের দোকান ও অফিসগুলো খালি করে দেওয়া হয়েছে; মানুষ একটু একটু করে সরিয়ে নিচ্ছেন নিরাপদ স্থানগুলোতে। পরবর্তী খবর পাওয়া গেছে যে, আরও বেশি ইঞ্জিন-যান পাঠানো হতে পারে, কারণ আগুন নিয়ন্ত্রণে এখনও দমকলকর্মীদের পুরোপুরি সফল হতে পারেনি।এই ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ডটি শুধু রোডের ওই এক কোণেই সীমাবদ্ধ নয় সরু গলিতে বসে থাকা ছোট দোকান, অফিস, আশপাশের জনসংখ্যার সমান-সমানে ঝুঁকিতে রয়েছে। অবস্থা নজিরবিহীন; শহরের মুখে এমন দাহ্য দৃশ্য বিরল। কর্তৃপক্ষ দ্রুত হস্তক্ষেপ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর রূপ নিতে পারে।এই মুহূর্তে অনুসন্ধান চলছে কারখানার ভিতরে কী কারণে আগুন ধরল, নিরাপত্তার দিক থেকে কোনো আশঙ্কাজনক অবহেলা ছিল কি না। যেমন-তেমনেই এই খবর এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, অনেকেই ইতিমধ্যেই ঘটনা দেখে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করছেন; ধোঁয়ার লম্বা দাগ, শিখার তীব্রতা, ভীতসন্ত্রস্ত দোকানিরাসবই চোখে ধরা পড়ছে।আপনি যদি এলাকা ঘিরে থাকেন বা পরিচিত কেউ সেখানে থাকেন, তাহলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাচাই করে নেওয়া জরুরি। এই মুহূর্তে আতঙ্কিত নয়, সচেতন থাকাই সবচেয়ে বড় কারণ যে কোনো অপ্রত্যাশিত মুহূর্তে এই ধরনের বিপর্যয় মুহূর্তেই বিভীষিকায় পরিণত হতে পারে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

"আমার কাগজ নেই, আমাকে বার করে দেবে"— ভাঙড়ে যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

এসআইআরএর পরিবেশ ঘিরে আরও এক মৃত্যুর ঘটনা। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আত্মহত্যার খবরের পর এবার ভাঙড়। শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হল এক যুবকের ঝুলন্ত দেহ। মৃতের নাম সফিকুল গাজি। তাঁর পরিবারের দাবি, কাগজপত্র নিয়ে আতঙ্কে ভুগেই আত্মঘাতী সফিকুল। বুধবার সকালে ঘর থেকে তাঁর নিথর দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে ছুটে যান ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা।পরিবার জানাচ্ছে, গত কয়েক দিন ধরেই এক অদ্ভুত ভয় গ্রাস করেছিল সফিকুলকে। কারও সঙ্গে কথা বলছিলেন না। খাওয়াদাওয়াও প্রায় বন্ধ। মাঝেমধ্যে কাগজপত্র নিয়ে বসতেন, আর বারবার একটাই কথা আমার সব কাগজ নেই আমাকে এখান থেকে বার করে দেবে। স্ত্রী জানিয়েছেন, টানা দুই দিন ধরে স্বামী এমন কথাই বলে যাচ্ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে স্বাভাবিক মতোই খেয়েদেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। বুধবার সকালে স্ত্রী ও ছেলে কাজে বেরিয়ে যান। ফিরে এসে দেখেন ঘরের ভিতর ঝুলছে তাঁর দেহ। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে।ভাঙড়েই শ্বশুরবাড়ি ছিল সফিকুলের, সেখানেই থাকতেন। আসল বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনায়। বিধায়ক শওকত মোল্লা বলেন, শুনেছি ওর বাবা-মায়ের বৈধ কাগজপত্র ছিল। কিন্তু ওর নিজের নামে কিছুই নেই। সেই হতাশাই ওকে শেষ করে দিল। এটা শুধু মৃত্যু নয়, আতঙ্কের একটা ভয়াবহ প্রতিচ্ছবি। সেই সঙ্গে তিনি বিজেপির দিকেই আঙুল তুলেছেন গতকাল সাত জন, আজ আট! বিজেপিকে জবাব দিতে হবে। এই মৃত্যু মিছিলের দায় তাঁদের।বিজেপির রাহুল সিনহা তৃণমূলের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলে বলেন, এসআইআর নিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেছে তৃণমূলই। এখন আবার মৃতদেহের রাজনীতি করছে। কে কোথায় মরছে, সেটাই নজর রাখছে ওরা। এসআইআরএর আবহে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে উদ্বেগ আর সেই সঙ্গেই প্রশ্ন, এই আতঙ্ক থামবে কবে?

নভেম্বর ০৫, ২০২৫
দেশ

বিশ্ব তাঁকে বলে ‘লাকিয়েস্ট’… রমেশের কাঁপানো স্বীকারোক্তি — “সবচেয়ে একা আমি”

এক মুহূর্তে ভাগ্যবান, পরের মুহূর্তেই যেন সব হারানো মানুষ। আমেদাবাদের ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার পর এই দ্বৈত অনুভূতির মধ্যেই বন্দি রমেশ বিশ্বাসকুমার। সারা বিশ্ব তাঁকে বলছে লাকিয়েস্ট সারভাইভারকিন্তু তাঁর মনে শুধুই শূন্যতা। জীবিত বেঁচে ফেরা তাঁর কাছে আশীর্বাদ নয়, যেন এক অন্তহীন বোঝা। কারণ সেই আগুনের বলয়ে হারিয়ে গেছেন তাঁর ভাই, তাঁর সবচেয়ে কাছের মানুষ, জীবনের শক্তি।১২ জুন। আমেদাবাদ থেকে লন্ডনের গ্যাটউইকের উদ্দেশে উড়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার সেই বিমান। রমেশ ছিলেন ১১এ আসনে। কয়েক সারি পিছনেই বসেছিলেন তাঁর ভাই অজয়। দুজনেই ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। দেশে-বিদেশে যাওয়াআসা ছিল নিয়মিত। কেউ জানত না, ওই দিনটাই হবে ভাইয়ের সঙ্গে তাঁর শেষ যাত্রা। কয়েক মিনিটের মধ্যে আগুনে ঘেরা মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয় বিমান। সারা দুনিয়া হতভম্ব হয়ে দেখেছিল সেই আগুন, সেই কালো ধোঁয়া, সেই ছিন্নভিন্ন ধাতব খোলস। আর রমেশ দেখেছিলেন নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় ভয়াবহ দৃশ্য।চার মাস কেটে গেছে, কিন্তু রমেশ সামান্যটাই এগোতে পেরেছেন স্মৃতি থেকে। ভাইয়ের শেষকৃত্য নিজের হাতে করেছেন তিনি। কিন্তু মনের আগুন নিভেনি। আজও শীতল স্বরে বলেন, আমি যে বেঁচে আছি, এখনও বিশ্বাস হয় না। কিন্তু ভাইটা নেই। ও ছিল আমার মেরুদণ্ড। প্রতিটা মুহূর্তের সঙ্গী। এখন আমি একেবারে একা।তিনি আর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন না। স্ত্রীর সঙ্গে নয়, সন্তানের সঙ্গেও নয়। নিজের ঘরে থাকেন, দরজা বন্ধ করে। নিজের পৃথিবীতে কেবল ব্যথা, স্মৃতি আর নিঃশব্দ কান্না। কারও সঙ্গে থাকতে ইচ্ছে হয় না। নিঃশব্দটাই ভালো লাগে, বলেন রমেশ।দীর্ঘদিন ঘরবন্দি থাকার পর মানসিক আঘাত আরও গভীর হয়েছে। চিকিৎসা নেই। আর্থিক সংকটও ঘিরে ধরেছে পরিবারকে। শুধু রমেশই নন, ভেঙে পড়েছেন তাঁর মা-ও। প্রতিদিন বাড়ির সদর দরজায় বসে থাকেন তিনি। কথা বলেন না। কারও সাথে নয়, নিজের সঙ্গেই যুদ্ধ করেন। প্রতিদিনই আমাদের পরিবারের জন্য অসহ্য। খুব ক্লান্ত মানসিক ও শারীরিকভাবে, বললেন রমেশ।

নভেম্বর ০৩, ২০২৫
রাজ্য

বাড়ি-বাড়ি ফর্ম, রাস্তায় আতঙ্ক—হাসপাতালে তৃণমূল কাউন্সিলর

এখন বাংলায় এসআইআর ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে ফর্ম বিলি, বাড়ি-বাড়ি যাবেন বিএলওরা। আর সেই গরম রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রিষড়া পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামী সাকির আলি। তৃণমূল বলছে, মানুষের আতঙ্ক সামলাতে গিয়েই অসুস্থ তিনি। বিজেপি-র ভাষায়এ সবই নাটক।রবিবার আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন সাকির আলি। ভর্তি করা হয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে। শয্যায় শুয়েই তিনি দাবি করেছেন, তাঁর ওয়ার্ডে একটি বড় বস্তি এলাকা আছে। এসআইআর ঘোষণার পর থেকেই সেখানে প্রচণ্ড আতঙ্ক ছড়িয়েছে। দিনভর বহু মানুষ তাঁর কাছে ছুটে এসেছেনতাঁদের নাম বাদ যাবে না তো? কাগজপত্র ঠিক আছে তো? কী করতে হবে? কারও হাতে পাকা নথি নেই, কারও তথ্য মেলে না। সেই আতঙ্ক সামলাতে সামলাতেই ধকল যায় তাঁর, দাবি কাউন্সিলরের। সেই চাপ সহ্য করতে না পেরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, এমনটাই বলছে তৃণমূল শিবির।অন্যদিকে বিজেপি একেবারে পাল্টা সুরে। বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য স্বপন পাল বলেন, পুরোটাই নাটক! তাঁর অভিযোগ, দেশের ১২টি রাজ্যে এসআইআর চলছে, কোথাও এমন কেউ অসুস্থ হচ্ছে না। কিন্তু বাংলায় তৃণমূলের কাউন্সিলরই কেবল অসুস্থ হচ্ছেন! অভিযোগ আরও এগিয়ে গিয়ে বলেন, রিষড়া পুরসভার চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাকির আলির দূরত্ব তৈরি হয়েছে। তাই প্রচারের আলোয় আসতেই এই নাটক সাজানো হয়েছে।এদিকে এসআইআর নিয়ে আতঙ্ক যে বাস্তব, তা স্পষ্ট রাজ্যের নানা প্রান্তে। ইতিমধ্যেই একাধিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে আতঙ্ককে দায়ী করা হচ্ছে। হুগলির ডানকুনিতে রবিবার সন্ধ্যায় মারা গিয়েছেন ষাট বছর বয়সি হাসিনা বেগম। স্থানীয়দের দাবি, এসআইআর নিয়ে আতঙ্কেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। মানুষ এখনও বুঝে উঠতে পারছেন না, কী কী নথি লাগবে, কীভাবে নাম নথিভুক্ত হবে। তার মধ্যেই আতঙ্ক যেন ছায়ার মতো তাড়া করছে সাধারণ মানুষকে।রাজ্যজুড়ে প্রশ্ন একটাইএসআইআর কার্যকর করতে গিয়ে প্রশাসন কি ন্যায়সঙ্গতভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে? নাকি আতঙ্ক আরও ঘনীভূত হচ্ছে? মানুষের ঘরে ঘরে অস্থিরতা বাড়ছে, রাজনৈতিক পালটা-যুদ্ধ আরও উত্তপ্ত হচ্ছে। আর এই সবকিছুর মধ্যেই হাসপাতালে শুয়ে আছেন সাকির আলিতাঁর দাবি, মানুষ বাঁচাতে গিয়ে তাঁর নিজের শরীরই হার মানল। বিজেপি বলছে, সবটাই সাজানো দৃশ্য। সত্যি কোনটা? উত্তর চাইছে রাজ্যবাসী।

নভেম্বর ০৩, ২০২৫
রাজ্য

'চা হাতে হাঁটছিলেন, হঠাৎ পড়ে গেলেন'—এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যু কি সত্যিই? রহস্য বাড়ছে

এসআইআর নিয়ে রাজ্যে ফের মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্য। আগরপাড়া, ইলামবাজার ও পূর্ব বর্ধমানের পর এবার ডানকুনিএকই আতঙ্কের ছবি উঠে এল। ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন, অর্থাৎ এসআইআরএর ভয়েই হৃদরোগে মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। যদিও বিজেপি পুরো অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে, বলেছেশাসকদলের রাজনৈতিক নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়।মৃতের নাম হাসিনা বেগম, বয়স ৬০। হুগলির ডানকুনি পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হলেও বয়সের কারণে মেয়ের বাড়িতে থাকতেন, ডানকুনিরই ২০ নম্বর ওয়ার্ডে। স্থানীয়দের দাবি, কয়েকদিন ধরেই এসআইআর নিয়ে প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলেন তিনি। তিন দিন আগে এলাকায় এ নিয়ে সচেতনতা বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকেও গিয়েছিলেন হাসিনা। কিন্তু বৈঠকের পরেও উদ্বেগ যেন কমেনি, বরং বাড়তেই থাকে।রবিবার সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। চা হাতে নিয়ে হাঁটছিলেন, এমন সময় মাঝরাস্তায় মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়েন। আশপাশের লোকজন তাকে ধরে বাড়িতে নিয়ে যান। কিন্তু তখনই তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।সোমবার সকালে মৃতার বাড়িতে পৌঁছন ডানকুনি পুরসভার চেয়ারপার্সন হাসিনা শবনম। তাঁর দাবি, হাসিনার নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় না থাকায় ভয় আরও বাড়ে। সেই আতঙ্কই শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যুর কারণ। তিনি বলেন, মানুষের মনে ভয় ঢুকে যাচ্ছে। আমরা বোঝানোর চেষ্টা করছি, কিন্তু আর কত প্রাণ যাবে? পাশের বাড়ির এক মহিলাও নাকি একই আতঙ্কে হৃৎরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ, এমনটাই দাবি শবনমের।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও বলেন, চাপ নিতে না পেরে মৃত্যু। তালিকায় নাম না থাকা নিয়ে উদ্বেগে ছিলেন। বারবার অসুস্থ হচ্ছিলেন, শেষে হার্ট অ্যাটাক।অন্যদিকে বিজেপি নেতাদের দাবি, এসব নিছক রাজনৈতিক চক্রান্ত। বিরোধী নেতা দেবাশীষ মুখোপাধ্যায় বলেন, এসআইআর নিয়ে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল। ২০০২ সালে মমতা নিজেই এ প্রকল্পকে সমর্থন করেছিলেন। এখন রাজনীতি করছেন।এসআইআর নিয়ে রাজনীতির পারদ চড়ছে। সরকারি তালিকা নিয়ে মানুষের ভয় বাড়ছে না কি রাজনৈতিক লাভের হিসেবএই প্রশ্ন এখন ছড়িয়ে পড়ছে সাধারণের মধ্যেও।

নভেম্বর ০৩, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

স্বপ্নভঙ্গের দাগ এখনও টাটকা! ফাইনালের আগে হরমনদের পাশে দাঁড়ালেন কোহলি-বুমরাহ-সূর্য

দুই বছর আগে ঠিক এই মঞ্চেই স্বপ্ন ভেঙেছিল ভারতীয় মহিলাদের। বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠে ট্রফি ছোঁয়ার এতটা কাছে গিয়েও ফিরে আসতে হয়েছিল খালি হাতে। সেই ব্যথা এখনও জাগ্রত। তাই ২০২৫এর আরেক মহাযুদ্ধের আগে হরমনপ্রীত কৌরদের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ। সেই সঙ্গে পাশে দাঁড়িয়ে গেলেন ভারতীয় পুরুষ দলের তারকারাও। কোহলি, সূর্যকুমার যাদব থেকে শুরু করে জশপ্রীত বুমরাহসবাই একসুরে জানিয়ে দিলেন, ভয় নেই, এগিয়ে যাও।ফাইনাল ম্যাচের আগে BCCIর প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা গেল গৌতম গম্ভীরকে। শান্ত অথচ দৃঢ় কণ্ঠে গম্ভীর বললেন, ভারতীয় ক্রিকেট পরিবার ধন্যবাদ জানাচ্ছে মেয়েদের। তিনি বলেন, ফাইনাল উপভোগ করো, সাহসিকতার সঙ্গে খেলো। ভুল করলেও ভয় পেয়ো না। তোমরা ইতিমধ্যেই দেশকে গর্বিত করেছ। গম্ভীরের বার্তায় স্পষ্টচাপ নয়, আনন্দই দিক নির্দেশ করবে।অন্যদিকে বিরাট কোহলি ও সূর্যকুমার যাদবও বার্তা পাঠিয়েছেন। সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার জন্য মহিলা দলের প্রশংসা করেছেন তাঁরা। সূর্য বলেছেন, নিজেদের মত করে খেলে যাও, টুর্নামেন্ট জুড়ে তোমরা অসাধারণ খেলেছ। এমনকি জশপ্রীত বুমরাহর কথায়ও একই সুর। অস্ট্রেলিয়া থেকে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, জীবনে অনেক ফাইনাল আসে না, তাই বাড়তি চাপ না নিয়ে নিজের সেরাটা দাও। নিজের খেলায় বিশ্বাস রাখো। ফল ঠিকই আসবে।২০১৭তে মিতালি রাজের দল, এরপর ২০২৩এ রোহিত শর্মাদের স্বপ্নভঙ্গভারতীয় পুরুষ ও মহিলা দল দুইই ফাইনালের যন্ত্রণা চেনেন। কিন্তু এবার প্রত্যাশা ভরা চোখে মানুষ অপেক্ষা করছে নতুন ইতিহাসের জন্য। ভারতীয় ক্রিকেটাররাও বিশ্বাস রাখছেন, হরমনপ্রীতস্মৃতিরিচাদের হাতেই এবার বিশ্বজয়ের গল্প লেখা হবে।দেশজুড়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। প্রত্যেক ভারতীয়র মনে একই প্রার্থনাএবার ট্রফি ফিরেই আসুক দেশের মাটিতে।

নভেম্বর ০২, ২০২৫
বিদেশ

গাজা শান্তি সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধি কীর্তি বর্ধন সিং

মিশরের শর্ম-এল-শেখে সোমবার অনুষ্ঠিত হতে চলেছে গাজা শান্তি সম্মেলন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ দূত হিসেবে ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করবেন কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ এল-সিসি শেষ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ জানান। তবে মোদি নিজে অংশ না নিয়ে প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রীকে।এই সম্মেলনে অংশ নেবেন আরও বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতা জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমমানুয়েল মাক্রোঁ, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদরো স্যাঞ্চেজ এবং জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।কূটনৈতিক মহল মনে করছে, গাজা উপত্যকার সংঘাত পরিস্থিতি নিয়ে এই বৈঠকে আন্তর্জাতিক পরিসরে শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার রূপরেখা তৈরি হতে পারে। উল্লেখ্য গাজায় আপাতত যুদ্ধবিরতি চলছে।

অক্টোবর ১২, ২০২৫
রাজ্য

মুর্শিদাবাদে উল্টো হাওয়া, অধীরের উপস্থিতিতে কংগ্রেসের যোগদান সভায় ভিড়

দলের আদর্শে আস্থা রেখে এবং সর্বভারতীয় কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধীর রঞ্জন চৌধুরীর নেতৃত্বে অনুপ্রাণিত হয়ে আজ প্রায় ১০০০জন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান করলেন।জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত এই যোগদান সভায় ফারাক্কার বিশিষ্ট সমাজসেবী সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরাও অধীর চৌধুরীর হাত থেকে কংগ্রেসের পতাকা নিয়ে দলে যোগ দেন ।এই প্রসঙ্গে অধীর রঞ্জন চৌধুরী আজ বলেন, দিন দিন মানুষের কাছে পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে যে কেবলমাত্র রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস দলই বিজেপি - আরএসএসকে মোকাবেলা করতে পারে। তাই তাঁরা আমাদের প্রতি আস্থা রেখে কংগ্রেসে যোগদান করছেন। আগামিদিনে আমরা প্রতিটি ব্লক ও মহকুমায় ভোটার অধিকার সম্মেলন শুরু করব এবং বিজেপি ও তৃণমূলের ভোট চুরির বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলব।উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেস সভাপতি ও প্রাক্তন মন্ত্রী মনোজ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, এই বিশাল যোগদান আগামী দিনে জেলার কংগ্রেস সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৫
রাজ্য

রাসবিহারী ঘোষের জন্মভিটে সংরক্ষণ ও সংস্কারের লক্ষ্যে তাঁর পৈতৃক জমি পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের হাতে হস্তান্তর

বুধবার পূর্ব বর্ধমান জেলাশাসক কার্যালয়ের বিবেকানন্দ মিটিং হলে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন ও স্যার রাসবিহারী ঘোষ স্মৃতি রক্ষা কমিটির যৌথ উদ্যোগে এক ঐতিহাসিক জমি হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।স্বাধীনতা সংগ্রামী, আইনজ্ঞ, সমাজসংস্কারক স্যার রাসবিহারী ঘোষের পৈতৃক জমি আনুষ্ঠানিকভাবে পুর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের হাতে হস্তান্তর করা হল। এদিন পূর্ব বর্ধমান জেলাশাসকের কার্যালয়ে বিবেকানন্দ মিটিং হলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্যার রাসবিহারী ঘোষ স্মৃতি রক্ষা কমিটি জমিটি জেলাশাসক ও কালেক্টরের হাতে তুলে দেন।পূর্ব বর্ধমান জেলার জেলাশাসক শ্রীমতী আয়েশা রানি এ., আইএএস এদিন বলেন এই জমি কেবল একটি সম্পত্তি নয়, এটি জাতি গঠনের এক জীবন্ত প্রতীক। আজকের এই হস্তান্তরের মাধ্যমে স্যার রাসবিহারী ঘোষের আদর্শ ও মূল্যবোধ আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।এছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও রাসবিহারী ঘোষ স্মৃতি রক্ষা কমিটির সম্পাদক পঞ্চানন দত্ত ও সদস্যগণ। তাঁরা রাসবিহারী ঘোষের স্বাধীনতা আন্দোলনে ভূমিকা, শিক্ষার প্রসার ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের কথা স্মরণ করেন। উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের সুপার শ্রী সায়ক দাস (আই পি এস), পূর্ব বর্ধমান জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক (পর্যটন) শ্রী প্রতীক সিং আইএএস, বর্ধমান সদর দক্ষিণ-র মহকুমাশাসক শ্রী বুদ্ধদেব পান (ডাব্লু বি সি এস, এক্সি) ও পূর্ব বর্ধমান জেলা পর্যটন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত আধিকারীক শ্রী মিলন তীর্থ সামন্ত (ডাব্লু বি সি এস, এক্সি)।স্যার রাসবিহারী ঘোষ একজন বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ও দেশপ্রেমিক মানুষ ছিলেন। তাঁর জন্ম খণ্ডঘোষের তোরকোনা গ্রামে। অল্প বয়সেই অসাধারণ মেধার পরিচয় দিয়ে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে প্রথম এম.এ. ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীকালে ১৯০৭ সালে সুরাট অধিবেশনে তিনি কংগ্রেস পার্টির সভাপতি নির্বাচিত হন যা তাঁর রাজনৈতিক জীবনের এক ঐতিহাসিক স্বীকৃতি।শুধু রাজনীতি নয়, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণেও তাঁর অবদান অনন্য। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিনি লক্ষাধিক টাকা দান করেছিলেন, যাতে আগামী প্রজন্ম জ্ঞান ও শিক্ষার আলোয় আলোকিত হতে পারে। তাঁর জীবন তাই কেবল একজন আইনজ্ঞের কৃতিত্বে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এক দেশপ্রেমিক, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসংস্কারকের অমলিন উত্তরাধিকার হয়ে আজও সমুজ্জ্বল।ইতিহাসবিদদের মতে, স্যার রাসবিহারী ঘোষ ছিলেন প্রথম ভারতীয় যিনি ১৯০৭ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। আইনজীবী হিসেবে তাঁর মেধা ও শিক্ষা প্রসারে তাঁর অসামান্য ভূমিকা তাঁকে ভারতবর্ষের ইতিহাসে অনন্য আসন দিয়েছে।পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা, হস্তান্তরিত জমিটি ব্যবহার করা হবে স্যার রাসবিহারী ঘোষের জন্মভিটে সংরক্ষণ ও সংস্কারের কাজে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জমিটিকে ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই অনুষ্ঠান কেবল একটি জমি হস্তান্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি সম্মান ও ঐতিহ্য রক্ষার এক প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বর্ধমান তথা সমগ্র বাংলার সাংস্কৃতিক মানচিত্রে এ উদ্যোগ নতুন অধ্যায় রচনা করবে বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৫
বিদেশ

ইউক্রেনে বিধ্বংসী হামলা রাশিয়ার! ভয়াবহ আগুনে জ্বলে খাক জেলেনস্কির অফিস, পরপর মৃত্যু

রাশিয়ার নতুন আক্রমণের পর ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের একটি প্রশাসনিক ভবনে ভয়াবহ আগুন লেগেছে বলে জানিয়েছেন কিয়েভ সামরিক প্রশাসনের প্রধান টিমার তাকাচেঙ্কো। আগুন লাগার পর পেচেরস্কি জেলার ওই ভবন থেকে ঘন ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়, যা ইউক্রেনীয় সরকারের কেন্দ্রীয় ভবনের কাছাকাছি অবস্থিত।ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সভিরিডেনকো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, এই প্রথমবার রুশ হামলায় কোনো সরকারি ভবনের ছাদ ও উপরের তলা ক্ষতিগ্রস্ত হলো। কিয়েভে এই আক্রমণে তিনজন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে একটি শিশু রয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ১৮ জন, এবং সরকারি ভবন ছাড়াও একাধিক স্থাপনায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে।কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিটসকো জানান, প্রথমে ড্রোন হামলা এবং পরবর্তীতে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের ফলে ভবনে আগুন ধরে যায়। জরুরি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত একটি আবাসিক ভবনের চারটির মধ্যে দুটি তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সভিয়াতোশিনস্কি জেলায় নয়তলা একটি ভবনের কয়েকটি অংশ ধসে পড়েছে। এছাড়া, ধ্বংসাবশেষ পড়ে ১৬ তলা ও দুটি নয়তলা ভবনে আগুন লাগে। তাকাচেঙ্কোর মতে, রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবেই বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করেছে।অন্যদিকে, ইউক্রেনের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ক্রেমেনচুকে একাধিক বিস্ফোরণে কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন মেয়র ভিতালি মালেটস্কি। একই অঞ্চলের ক্রিভি রিহ শহরে রুশ হামলায় পরিবহন ব্যবস্থা ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সামরিক প্রশাসনের প্রধান ওলেকজান্ডার ভিলকুল।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
দেশ

হঠাৎ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কারণ ঘিরে চর্চা তুঙ্গে!

রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি। শনিবার রাইসিনা হিলসে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে। বৈঠকের একটি ছবি রাষ্ট্রপতি নিজেই এক্স-এ পোস্ট করলেও, আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে কোনও সরকারি ব্যাখ্যা আসেনি। ফলে জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি জাপান ও চিন সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন। কূটনৈতিক দিক থেকে দুই সফরই গুরুত্বপূর্ণ হলেও, বিশেষ নজর কাড়ছে চিন সফর। সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর সম্মেলন ঘিরে গড়ে ওঠা অনানুষ্ঠানিক মিত্রতার সমীকরণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্মেলনে শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মোদীর বৈঠককে কেন্দ্র করে বিশ্ব কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে, যা আমেরিকাকেও অস্বস্তিতে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের অবস্থান পুনর্নির্মাণে এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।তবে শুধু বৈদেশিক সম্পর্কই নয়, অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এই বৈঠকের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। কেননা, ৯ই সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের উত্তরসূরি কে হবেন, তা ঠিক করতে এখন রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের সময়। এমন পরিস্থিতিতেই রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত আলাপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এই বৈঠক আদৌ কি আন্তর্জাতিক কূটনীতি নিয়ে আলোচনা, নাকি আসন্ন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত? উত্তর স্পষ্ট না হলেও, নয়াদিল্লির ক্ষমতার কেন্দ্রে নতুন সমীকরণের গুঞ্জন ইতিমধ্যেই জোরালো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

মন্দিরবাজারে মাটির দেওয়াল ধসে মা ও দুই মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজার থানার কামারপাড়া এলাকায় এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মাটির দেওয়াল ধসে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন এক মা ও তাঁর দুই মেয়ে। মৃতরা হলেন বৃহস্পতি কর্মকার (৪৩), তাঁর মেয়ে শিলা কর্মকার (১৫) এবং প্রিয়া কর্মকার (১০)। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে, যখন তারা তাদের মাটির বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ভোরবেলা হঠাৎ মাটির দেওয়াল ভেঙে পড়ায় তিনজনই চাপা পড়েন। স্থানীয়রা শব্দ শুনলেও প্রাথমিকভাবে বিষয়টি বুঝতে পারেননি। সকালে দেওয়াল ধসে পড়া অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী নাইয়ারহাট হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকরা তিনজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার পর মন্দিরবাজার থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পুরনো মাটির দেওয়ালের দুর্বল গঠনই এই দুর্ঘটনার কারণ। তবে ঘটনার বিস্তারিত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।এই ঘটনায় মন্দিরবাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনাকে দায়ী করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলা আবাস যোজনার আওতায় ওই পরিবারকে বাড়ি দেওয়ার জন্য দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হয়েছিল এবং বাড়ি নির্মাণের কাজ চলছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার তিন বছর আগে তৃতীয় কিস্তির টাকা আটকে না রাখলে বাড়িটি সম্পূর্ণ হতো এবং এই মর্মান্তিক ঘটনা এড়ানো যেত। বিধায়ক আরও বলেন, আমরা পরিবারের পাশে রয়েছি এবং তাদের সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করছি।এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মাটির বাড়ির দুর্বল অবকাঠামোর কারণে এ ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে। এই ঘটনা সরকারি আবাসন প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, যোজনার টাকা সময়মতো দেওয়া হলে এই পরিবারের জীবন বাঁচানো যেত।মন্দিরবাজার থানার পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের পর ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। এদিকে, স্থানীয় প্রশাসন মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৫
দেশ

নতুন রূপে জিএসটি ঘোষণা, দাম কমতে চলেছে একাধিক পণ্য - পারিষেবার

নতুন জিএসটি স্ল্যাব ঘোষণা করেছে কেন্দ্র সরকার। পুজোর আগে প্রায় জিনিসপত্রের দাম কমতে চলেছে। স্বাস্থ্যবিমা এবং জীবনবিমায় জিএসটি থাকল না, ১৮% থেকে একেবারে ০। ৩৩ টি প্রয়োজনীয় ওষুধের GST শূন্য করায় দাম কমল।বেশিরভাগ খাবারের দাম কমবে। ছানা, রুটি, পনির, ঘি, বাটার, দুধের জিএসটি প্রায় থাকছেই না।তেল, সাবান, শ্যাম্পু, ব্রাশ, শেভিং ক্রিম সব কিছুরই দাম কমছে, ১৮ শতাংশ থেকে কমে ৫ শতাংশ জিএসটি।নুডলস, চানাচুর, নিমকি, ভুজিয়া টাইপ খাবারের দামও কমছে।বাচ্চাদের ন্যাপকিন, ডায়াপারের দাম কমছে।খাতা, পেন, পেনসিল, গ্লোব, ম্যাপ, রাবার - ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার প্রয়োজনীয় সবকিছুর দাম কমছে।জুতো, জামাকাপড়ের দামও কমবে। চাষবাসের জিনিসপত্র, কীটনাশকের দাম কমছে, ফলে সার্বিক ভাবে শাক সবজি ও কৃষিজাত পণ্যের দাম কমার কথা।বাসনপত্র, স্কুটার, বাইক, গাড়ির জিএসটি ২৮ শতাংশ থেকে কমে ১৮ শতাংশ, ফলে দাম কমবে।টিভি, এসি, ওয়াশিং মেশিনের মতো জিনিসের দামও কমছে।মোদ্দা কথা মধ্যবিত্তদের রোজকারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কিছুটা হলেও কমতে পারে। কারণ কোন কায়দায় কোন জিনিসের দাম বাড়বে বলা মুশকিল। পুজোর আগে এর থেকে ভাল উপহার আর কিছু হতে পারে না বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৫
রাজ্য

SSC-এর 'অযোগ্য' তালিকায় তৃণমূলের দাপুটে বিধায়কের ছেলের বউয়ের নামও

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) প্রকাশ করেছে অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা। শনিবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত ওই তালিকায় নাম রয়েছে মোট ১৮০৪ জনের। তালিকা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই নতুন করে চাপে পড়ল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।প্রকাশিত তালিকার ১২৬৯ নম্বরে রয়েছেন পানিহাটির তৃণমূল বিধায়ক তথা বিধানসভার মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষের পুত্রবধূ শম্পা ঘোষ। উত্তর চব্বিশ পরগনার নৈহাটির একটি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন তিনি। তবে অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকায় নিজের নাম প্রকাশ পাওয়ার বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কোনও মন্তব্য করতে চাননি শম্পা ঘোষ।এছাড়া, রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার কাউন্সিলর কুহেলি ঘোষের নামও রয়েছে অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকায়। তিনিও রাজপুরের এক স্কুলে শিক্ষকতার দায়িত্বে ছিলেন। শুধু তাঁরা নন, তালিকায় আরও আছেন পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরে দলীয় পদে থাকা নেতাদের আত্মীয়-স্বজন।এসএসসি জানিয়েছে, এই তালিকায় থাকা প্রার্থীদের মধ্যে অনেকে আবার নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদন করেছিলেন। কমিশন তাঁদের আবেদনপত্র বাতিল করার পাশাপাশি অ্যাডমিট কার্ডও স্থগিত করেছে।রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা ভোটের আগে শাসক দলের অস্বস্তি আরও বাড়ল এই তালিকা প্রকাশের ফলে। কারণ, অযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে সাধারণ প্রার্থীদের পাশাপাশি শাসক দলের জনপ্রতিনিধি এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম উঠে আসায় বিরোধীরা নতুন করে রাজনৈতিক অস্ত্র পেয়ে গেল।

আগস্ট ৩১, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

টলিউড অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাকে তলব ED-র, কারণ জানলে তাজ্জব হবেন!

কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ED টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাকে তলব করেছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ইডির কলকাতার সিএজিও কমপ্লেক্সের দফতরে অঙ্কুশ হাজরাকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। যদিও অঙ্কুশ বা তাঁর প্রতিনিধি কারও তরফেই ইডির সমন প্রসঙ্গে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে, বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর আগেও নানা ঘটনায় টলিউডের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রীকে ডেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা।গত বছর থেকে, বলিউড এবং দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র তারকাদের পাশাপাশি ক্রিকেটারদের অবৈধ অনলাইন বেটিং অ্যাপের প্রচার নিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থা তদন্ত করছে। ইতিমধ্যেই এই তালিকায় নাম রয়েছে রানা দত্তুগুথি, বিজয় দেবেরাকোন্ডা (Vijay Deverakonda), প্রকাশ রাজ (Prakash Raj), হরভজন সিং, উর্বশী রাউতেলা এবং সুরেশ রৈনার মতো তারকাদের।এবার অঙ্কুশ হাজরাও সেই তালিকায় রয়েছেন। জানা গেছে যে নিষিদ্ধ অনলাইন বেটিং অ্যাপ প্ল্যাটফর্মের প্রচারের বিষয়ে ইডির চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে অভিনেতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে, বাঙালি অভিনেতাকেও ইডি অফিসে হাজির হতে হবে।সূত্র জানিয়েছে, যে বেটিং কোম্পানিগুলি তাদের অ্যাপ এবং ওয়েবসাইট প্রচারের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে। যেহেতু জনপ্রিয় তারকারা এই বিজ্ঞাপনের সাথে যুক্ত, তাই স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষ এই ধরনের অ্যাপ ব্যবহারে প্রভাবিত হচ্ছে।

আগস্ট ৩০, ২০২৫
দেশ

প্রকৃতির রোষে ভূস্বর্গ! মেঘভাঙা বৃষ্টি ও ভূমিধসে ১১ জনের মৃত্যু, নিহতদের মধ্যে ৫ শিশু

শনিবার সকালে জম্মু ও কাশ্মীরের রামবণ এবং রিয়াসি জেলায় দুই পৃথক ঘটনায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন পাঁচজন শিশু।রামবণ জেলার রাজগড় তেহসিলে শনিবার সকালে ভয়াবহ মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়। আকস্মিক বন্যায় ভেসে যায় দুটি বাড়ি ও একটি স্কুল ভবন। এতে চার গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা। ইতিমধ্যেই উদ্ধার ও ত্রাণকার্য শুরু হয়েছে।একজন কর্মকর্তা জানান, এখনও পাঁচজন নিখোঁজ বলে খবর পাওয়া গেছে। আমরা তাঁদের খোঁজ চালাচ্ছি। আকস্মিক বন্যায় ওই এলাকায় প্রচুর সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।অন্যদিকে, রিয়াসি জেলার মহোরে এলাকার দূরবর্তী বাদ্দের গ্রামে শনিবার সকালে ভূমিধসের ঘটনায় মাটি চাপা পড়ে এক পরিবারের ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে বাবা-মা ও তাঁদের পাঁচ শিশু সন্তান (সবাই ১২ বছরের নিচে)।মৃত পরিবারের প্রধান ছিলেন নাজির আহমদ। তাঁর স্ত্রী ওয়াজিরা বেগম (৩৫) এবং তাঁদের সন্তান বিলাল আহমদ (১৩), মোহাম্মদ মুস্তাফা (১১), মোহাম্মদ আদিল (৮), মোহাম্মদ মুবারক (৬) ও মোহাম্মদ ওয়াসিম (৫)-এর মৃত্যু হয়েছে।এদিকে, উধমপুর থেকে বানিহাল পর্যন্ত একাধিক জায়গায় ধস নামায় জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কে টানা পঞ্চম দিন যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি, মেঘভাঙা ও ভূমিধসে জম্মু অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে অন্তত ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে অধিকাংশই তীর্থযাত্রী।সম্প্রতি কিস্তওয়ার জেলার চিশোটি গ্রামে মেঘভাঙার ঘটনায় মচাইল মাতা যাত্রা চলাকালীন ৬৫ জন তীর্থযাত্রী প্রাণ হারান। আবার, জম্মুর কাটরায় মাতা বৈষ্ণোদেবী মন্দিরের কাছে ভূমিধসে মারা যান আরও ৩০ জন তীর্থযাত্রী।শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকার কাটরা মন্দির সংলগ্ন ভূমিধসে নিহতদের ঘটনা তদন্তে বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি ভূমিধসের কারণ, উদ্ধার ও ত্রাণ ব্যবস্থার ত্রুটি এবং ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সংক্রান্ত পরামর্শ দেবে।প্রবল বর্ষণ, মেঘভাঙা ও ভূমিধসের কারণে জম্মু-কাশ্মীরে হাজার কোটি টাকার সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে বলে সরকারি অনুমান।

আগস্ট ৩০, ২০২৫
রাজ্য

এসআইআর থেকে দৃষ্টি ঘোরাতেই কি তৎপর কেন্দ্রীয় সরকার? সংবিধান সংশোধন বিল পেশ নিয়ে তুলকালাম

এসআইআর নিয়ে বিরোধীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সারা দেশ তোলপাড়। এরই মাঝে সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ হল লোকসভায়। তৃণমূল কংগ্রেসে এই বিলের তীব্র বিরোধিতা করেছে। এসআইআর ইস্যু থেকে দৃষ্টি ঘুরিয়ে দিতেই এই বিল আনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপরাধ্যায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সংবিধান সংশোধনের জন্য উভয় কক্ষেই দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাগে। এটা আসলে কেবলমাত্র একটা ভেল্কিবাজি। আমরা আগে থেকেই সতর্ক করেছিলাম, যখন বিজেপি প্রচার চালাচ্ছিলঅবকি বার, ৪০০ পারতখনই বলেছিলাম ওদের উদ্দেশ্য- সংবিধান বদলে দেওয়া। আর আজ, মাত্র ২৪০ সাংসদ নিয়ে ওরা ১৩০তম সংবিধান সংশোধন নিয়ে এসেছে। ভাবুন তো, যদি ৪০০ সাংসদ থাকত, তাহলে কী করত!ডায়মন্ডহারবারের সাংসদের দাবি, SIR ইস্যু থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর জন্য এই বিল পেশ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সাংবাদিক বৈঠকের পরই স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, উত্তর দেওয়ার বদলে ওরা কেবল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। মাত্র দুদিন আগে ৮টি রাজনৈতিক দল যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছিল। কিন্তু এই বিলের উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা, মুদ্রাস্ফীতি, কৃষক-শ্রমিকদের দুঃখকষ্ট, বা শিল্প গড়ে তোলাএসবের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। সরকারের একমাত্র উদ্দেশ্য শক্তি, টাকা, আর নিয়ন্ত্রণ দখল করা। দেশের সীমান্ত রক্ষা, জঙ্গিদের আটকানো, সার্বভৌমত্ব রক্ষাএসব নিয়ে সরকারের কোনও আগ্রহ নেই।নতুন আইনে বলা হয়েছে যদি কোনও প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় বা রাজ্যের মন্ত্রী, বা মন্ত্রিসভার সদস্য কোনও তদন্তকারী সংস্থার দ্বারা ৩০ দিনের বেশি আটক থাকে, তবে তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এর মানে আপনি নিজের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগই পাবেন না। তাহলে বিচারব্যবস্থার দরকার কী? এটা পুরো বিচারব্যবস্থা ও বিচারপ্রক্রিয়ার ভিতটাই দুর্বল করে দেয়। প্রধানমন্ত্রীর নিজের বিরুদ্ধেও মামলা ঝুলছে। বিজেপি বলবে তৃণমূল ভয় পেয়েছে। যদি আমরা ভয় পেতাম, তবে ঘরে বসে থাকতাম। কিন্তু আমরা তো রাস্তায় নেমে লড়াই করছি।অভিষেকের দাবি, এই বিলের একমাত্র উদ্দেশ্য হল বিরোধী নেতাদের, কর্মী-সমর্থকদের এবং জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দমন করা। তথ্যই তা প্রমাণ করছেঅর্থমন্ত্রক নিজেই সংসদীয় প্রশ্নের জবাবে বলেছে, গত ১০ বছরে ইডি ৫,৮৯২টি মামলার তদন্ত করেছে, কিন্তু দোষী সাব্যস্ত হয়েছে মাত্র ৮টিতে। মানে ০.১৩%। অর্থাৎ, ৯৯.৯% মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অথচ প্রধানমন্ত্রী মোদীর তৃতীয় মেয়াদের মন্ত্রিসভায় ২৮ জন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, যার মধ্যে ১৯ জনের বিরুদ্ধে খুন, অপহরণ, ধর্ষণ এবং মহিলাদের উপর নৃশংস অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এই বিল পাশ হলে ওদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে?বারে বারেই অভিযোগ উঠেছে সিবিআই, ইডি সহ সমস্ত কেন্দ্রীয় এজেন্সি বিজেপির কথা মতো কাজ করে। নির্বাচনের আগে বিজেপি বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীদের পিছনে ইডি, সিবিআই লেলিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সাজা হয় না বলে খবর। অভিষেক বলেছেন, ২০১৪ থেকে এখন পর্যন্ত ২৫ জন বিরোধী নেতা, যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা চলছিল তাঁরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এর মধ্যে ২৩ জনের সব মামলা থেকে রেহাই মিলেছে। তাহলে বিজেপির উদ্দেশ্য দুর্নীতি বিরোধী লড়াই, না বিরোধীদের হয়রানি? যদি ওদের উদ্দেশ্য সৎ হত, তবে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, অজিত পওয়ার, শুভেন্দু অধিকারীরা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মুক্তি পেতেন না। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে ওদের বিরুদ্ধে একটাও সমন জারি হয়নি। তাঁর প্রশ্ন, গত ১০ বছরে কতজন বিজেপি নেতা গ্রেফতার হয়েছে?

আগস্ট ২১, ২০২৫
রাজ্য

জমি দখলের চেষ্টা তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠের, জোট বেঁধে তাড়ালেন মহিলারা

আবারও তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে জোর করে জমি দখল করার অভিযোগ। এবার ঘটনাস্থল নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার খেয়াদাহ এক গ্রাম পঞ্চায়েতের হরপুর এলাকার।অভিযোগ, সোনারপুর উত্তর বিধানসভার বিধায়ক ফিরদৌসী বেগমের ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা সঞ্জীব হালদারের বিরুদ্ধে। হরপুর এলাকায় জোর করে সরকারি ওয়েটল্যাণ্ড দখল করার অভিযোগ।পাট্টাভুক্ত দখলকারি জমি দখল করে রেস্টুরেন্টে বানানোর চেষ্টা করলে এলাকার মহিলারা সেখানে উপস্থিত হয়ে সেগুলি ভেঙে দেয়। এমনকি তৃণমূল নেতার সাগরেদদের সেখানে তাড়িয়ে দেয়। সেই ভিডিও সোস্যাল মিডিয়াতে ভাইরালও হয়েছে।শুধুমাত্র হরপুর নয় খেয়াদাহ এক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন জায়গায় এভাবেই সরকারি জমি দখল করে ওয়েটল্যাণ্ডে কংক্রিটের নির্মাণ চলছে। যা দেখে না দেখার ভান প্রশাসনের।চাষীরা নিজেদের জমি ফিরে পেতে চায়! তবে আদৌ কি তাঁরা জমি ফিরে পাবেন নাকি কোন এক অজ্ঞাত কারণে আবারও চলবে এই জমি দখল! বলবে সময়।

আগস্ট ১৬, ২০২৫
রাজ্য

১৯৪৭-এ এক টাকায় মিলত সপ্তাহের বাজার, সোনার দাম কত ছিল জানেন?

১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছিল ভারত। তখন এক টাকার মূল্য ছিল অপরিসীমযা দিয়ে মিলত সপ্তাহের বাজার। ১ টাকা দিয়ে ১-২ কেজি গম, হাফ কেজি ঘি বা এক সপ্তাহের শাকসবজি কিনে নেওয়া যেত অনায়াসে। চাল ছিল ১২ পয়সা, ময়দা ১০ পয়সা, ডাল ২০ পয়সা ও চিনি ৪০ পয়সা প্রতি কেজি। ঘি মিলত ৭৫ পয়সায়।সেই সময় একটি সাইকেলের দাম ছিল মাত্র ২০ টাকা, যা এখন প্রায় ১০-১২ হাজার টাকা। সোনা ছিল আরও সস্তা১৯৪৭ সালে ১০ গ্রাম সোনার দাম ছিল ৮৮.৬২ টাকা, যা এখন এক লক্ষ টাকারও বেশি। পেট্রোলের দাম ছিল মাত্র ২৭ পয়সা, আর আজ তা প্রায় ১০৫ টাকা।তৎকালীন দিল্লি-মুম্বই বিমান ভাড়া ছিল ১৪০ টাকা এবং একমাত্র এয়ার ইন্ডিয়াই বিমান পরিষেবা দিত। গত ৭৯ বছরে পণ্য ও পরিষেবার দাম আকাশছোঁয়া হলেও সেই সময়ের এক টাকার কেনাকাটার স্মৃতি আজও বিস্ময় জাগায়।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
দেশ

দিল্লি Aiims এ ভয়াবহ আগুন! তুমুল চাঞ্চল্য হুলস্থূল কান্ড

রাজধানীর অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (AIIMS)এর মাদার অ্যান্ড চাইল্ড ব্লক এবং ট্রমা সেন্টারের নিকটবর্তী ট্রান্সফরমার-এ বৃহস্পতিবার দুপুরে দুই দফা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ছড়িয়ে পড়ে চূড়ান্ত চাঞ্চল্য। তবে দমকলের দ্রুত পদক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় এবং যদিও এদিনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর মেলেনি।প্রথম ঘটনাটি ঘটে মাদার অ্যান্ড চাইল্ড ব্লকএ। বিকেল প্রায় ৫টা ১৫ মিনিট নাগাদ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। হাসপাতালের কর্মীরা দমকলকর্মীদের সঙ্গে মিলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এর আগে দুপুর প্রায় ৩টে ৩৪ মিনিটে ট্রমা সেন্টারের কাছে থাকা ট্রান্সফরমারএ আগুন লাগে। দিল্লি ফায়ার সার্ভিস (DFS) সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থলে মোট আটটি দমকল ইঞ্জিন পাঠানো হয়। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এই ঘটনাতেও কোন হতাহতের খবর নেই।দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানান, ট্রমা সেন্টারের ট্রান্সফরমারে আগুন লাগে। আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

আগস্ট ১৪, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • ...
  • 79
  • 80
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal