• ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ১৫ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IR

কলকাতা

চামড়া পোড়া গন্ধে ঢেকে আনন্দপুর! উদ্ধার ৩ কঙ্কাল-সহ ৮ দগ্ধ দেহাংশ

আনন্দপুরের সেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পরে গোটা এলাকা জুড়ে এখন শুধু পোড়া চামড়ার গন্ধ। পুড়ে যাওয়া গোডাউনের ভিতর থেকে এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে তিনটি পোড়া কঙ্কাল-সহ মোট আটটি ঝলসে যাওয়া দেহাংশ। ঘটনাস্থলের ভয়াবহ ছবি কার্যত কাঁপিয়ে দিয়েছে গোটা শহরকে। তদন্তে নেমেছে ফরেনসিক দল। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু এবং দমকলের ডিজি।প্রাথমিক তদন্তে দমকল আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ওই গোডাউনে কোনও অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। সেই কারণেই আগুন লাগার পর প্রথম পর্যায়ে কর্মীরা আগুন নেভানোর কোনও চেষ্টাই করতে পারেননি। সোমবার থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, এত বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়, যেখানে একের পর এক কর্মীর ঝলসে যাওয়া দেহ উদ্ধার হচ্ছে, সেই গোডাউনের মালিক কোথায়?স্থানীয় এক যুবক কথা বলতে গিয়ে জানান, বহু বছর আগে এলাকারই এক প্রবীণ ব্যক্তি গঙ্গাধর দাস এই গোডাউনটি তৈরি করেছিলেন। তবে নিয়মকানুন মানা হয়েছিল কি না, সেই প্রশ্ন করা হলে তিনি উত্তর এড়িয়ে যান। দমকল আধিকারিকরা সোমবারই স্পষ্ট করে জানান, গোডাউনে আগুন নেভানোর মতো কোনও ব্যবস্থা ছিল না। মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে গিয়ে দমকলমন্ত্রীও সেই কথাই স্বীকার করেন। তবে তখনও গোডাউনের মালিকের দেখা মেলেনি।পরে জানা যায়, আনন্দপুরের ওই গোডাউনটি একটি নামী মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার। গোডাউনটি ভর্তি ছিল নরম পানীয় এবং শুকনো খাবারের প্যাকেটে। তবে গোডাউনের মালিকের দাবি, সেখানে অগ্নি নির্বাপণের সমস্ত ব্যবস্থা ছিল। তাঁর বক্তব্য, চার থেকে পাঁচ কোটি টাকার জিনিস পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, ফায়ার এক্সটিংগুইশার ছিল, এখনও সেগুলি সেখানে পড়ে রয়েছে। কিন্তু রাত দুটোর সময় আগুন লাগায় সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। তাই কেউ ব্যবহার করার সুযোগ পাননি।যদিও দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু এ বিষয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দমকলের ডিজির সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছেন যে ওই গোডাউনে অগ্নি নির্বাপণের মতো কোনও ব্যবস্থা ছিল না। ফরেনসিক তদন্ত হবে, এফআইআর দায়ের করা হবে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত চলবে বলেও জানান তিনি।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

চোখের জলে ভাসলেন চিরঞ্জিত! টিকিট চাইতে আবেগঘন বার্তা তৃণমূল বিধায়কের

দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। কে টিকিট পাবেন, কে বাদ পড়বেনএই প্রশ্নে এখন উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ঠিক সেই সময়েই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আবেগে ভেঙে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। ভাষণ দিতে গিয়ে কার্যত চোখে জল চলে আসে তাঁর। বলেন, মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছেন, এখনও অনেক কাজ বাকি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি আবার তাঁকে টিকিট দেন, তবে সেই অসম্পূর্ণ কাজগুলো শেষ করবেনএই আশ্বাসও দেন তিনি।গত ১৫ বছর ধরে বারাসতের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। কিন্তু ২০২৬ সালের ভোটের আগে বারাসতে কানাঘুষো শুরু হয়েছিল, তিনি আদৌ টিকিট পাবেন কি না। কারণ, রাজনীতির ময়দানে তাঁকে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায় না বলেই অভিযোগ। শাসকদলের বড় মিছিল বা আন্দোলনেও সচরাচর তাঁকে দেখা যায় না। এরই মধ্যে বারাসতের অলিগলিতে ঘুরছে নতুন নামসাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে, চিকিৎসক বৈদ্যনাথ দস্তিদারের।এই জল্পনার মধ্যেও চিরঞ্জিত জানান, তাঁর ভরসা একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর উপরই। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কা হয়তো তিনিও বুঝতে পেরেছেন, তাই আবেগে ভেসে গিয়েছেন। যদিও চিরঞ্জিত নিজে বলেন, তিনি রাজনীতি বোঝেন না, মানুষ বোঝেন। তাঁর দাবি, এত বছর মানুষের জন্য কাজ করেছেন। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বলেছিলেন, অপশাসন সরাতে কিছু আসন দরকার। তখন নেত্রীর বিশ্বাস ছিল, তিনি যেখানে দাঁড়াবেন, হারবেন না।চিরঞ্জিত এ দিন বলেন, তিনি মিছিল করতে পারেন না, স্লোগান দিতে পারেন না, চিৎকার করতেও পারেন না। কিন্তু মানুষের কাজ করতে পারেন। আক্ষেপের সুরে জানান, বারাসতে একটি অডিটোরিয়াম তৈরির ইচ্ছে ছিল তাঁর। কিন্তু টাকার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। সেই কাজ এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে। সুযোগ পেলে সেটাও শেষ করতে চান তিনি।শেষে চিরঞ্জিত বলেন, নেত্রী যদি মনে করেন তাঁকে আবার থাকতে হবে, তখন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই তিনি এগোবেন। আপাতত সব উত্তরই মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরের শুনানিতে ত্বহা সিদ্দিকী! বেরিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, ভোটে জবাবের হুঁশিয়ারি

এসআইআর সংক্রান্ত শুনানির নোটিস থেকে বাদ পড়লেন না ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকীও। মঙ্গলবার শুনানিতে হাজির হয়ে গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। ত্বহার দাবি, প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার পরও আধিকারিকরা সেগুলি দেখে শুধু মুচকি হেসেছেন। তাঁর কথায়, শুনানির নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। তবে এই হয়রানির জবাব যে ভোটেই মিলবে, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।শুনানির নোটিস পেয়ে এ দিন নির্ধারিত সময়েই হাজির হন ত্বহা সিদ্দিকী। বাইরে বেরিয়ে তিনি বলেন, এসআইআরের নামে সাধারণ মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে, আর রাজনৈতিক দলগুলি পরস্পরের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছে। তাঁর মন্তব্য, বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরের বিরোধী হলেও বাস্তবে তারা একই খেলায় নেমেছে। একজন কামড়াচ্ছে, আর একজন সেই কামড় সারানোর ভান করছেএভাবেই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন তিনি।পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ টেনে ত্বহা বলেন, তাঁর পরিবারের ইতিহাস শুধু এই রাজ্য নয়, দেশের বাইরেও বহু মানুষ জানেন। তবুও তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুসলিমদের লক্ষ্য করেই বেশি করে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। কারণ বিজেপির ধারণা, মুসলিমরা তাদের ভোট দেয় না। ত্বহার দাবি, তাঁরা কোনও দলকেই অন্ধভাবে সমর্থন করেন না। যে দল উন্নয়ন করে, তার পাশেই থাকেন।ত্বহা আরও বলেন, ভোটের আগে রাজনীতিকরা সাধারণ মানুষের খুব কাছে এসে যান, কিন্তু ভোট মিটে গেলেই তাঁদের দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে মানুষ এর জবাব দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে সেই জবাব কোন দল পাবে, বিজেপি না তৃণমূলসে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি পীরজাদা।শুনানির অভিজ্ঞতা নিয়ে ত্বহা জানান, তাঁর কোনও সমস্যা হয়নি। তাঁর কথায়, তিনি সমস্ত কাগজপত্র ঠিকঠাক রেখেই শুনানিতে গিয়েছিলেন। আধিকারিকরা নথি দেখে শুধু হাসছিলেন, কোনও প্রশ্নই করেননি। ত্বহার দাবি, আধিকারিকরাও চাপে রয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত এই গোটা পরিকল্পনাই ভেস্তে যাবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

আনন্দপুরে আগুনে মৃত্যু: সত্যিই কি বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করা হয়েছিল? প্রকাশ্যে পুলিশের রিপোর্ট

আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, বাইরে থেকে কি গুদামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল? নিখোঁজ কর্মীদের পরিবারের একাংশ প্রথম দিকে সরাসরি গুদামের মালিকের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেওয়ার কারণেই আটকে পড়ে প্রাণ হারান কর্মীরা। কিন্তু সত্যিই কি তাই? নাকি ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনও কারণ?প্রায় ৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দাউদাউ করে জ্বলেছিল আনন্দপুরের ওই কারখানা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কারখানার ভিতরে দুটি আলাদা গুদাম ছিল। একটি ছিল একটি নামী মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার, অন্যটি একটি ডেকরেটর্স সংস্থার। দুটি গুদামেই ছিল প্রচুর শুকনো খাদ্যদ্রব্য ও দাহ্য সামগ্রী। এর মধ্যেই মজুত ছিল পাম তেল। আগুন লাগার পর এই দাহ্য বস্তুগুলিই আগুনকে আরও ভয়াবহ করে তোলে।এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৮ জন কর্মীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। তবে প্রশাসনের ধারণা, এখনও অন্তত ২৫ জন কর্মী নিখোঁজ। সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়া ওই কারখানায় আদৌ কেউ জীবিত রয়েছেন কি না, তা নিয়েই গভীর সংশয় তৈরি হয়েছে।ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় একটি প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট তৈরি করেছে পুলিশ। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, বাইরে থেকে কেউ গুদামের দরজায় তালা লাগাননি। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, আগুন লাগার সময় গুদামের টিনের চাল ভেঙে পড়ে। তার জেরেই ভিতরে আটকে পড়েন কর্মীরা এবং কারখানাটি কার্যত মৃত্যুকূপে পরিণত হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডেকরেটর্স সংস্থার গুদামে ঢোকা ও বেরনোর জন্য দুটি গেট ছিল। আগুন লাগার সময় ওই দুই গেটের সামনেই থাকা টিনের চাল ভেঙে পড়ে। ফলে গেট দুটি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। কর্মীরা প্রাণপণে গেট খোলার চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি। বিকল্প কোনও বেরনোর পথ খুঁজে পাননি তাঁরা।শেষ পর্যন্ত আটকে পড়া কর্মীরা টিনের চাল ভেঙে বেরনোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেই সময়ই সেখানে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আরও ভয়াবহ আকার নেয়। সেখানেই পুড়ে মৃত্যু হয় একাধিক কর্মীর।মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার গুদামেও প্রায় একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ওই গুদামের মূল গেটের সামনেই দাউদাউ করে জ্বলছিল আগুন। ফলে গেটের চাবি নিজেদের কাছে থাকলেও তিন কর্মী আগুনের তাপে গেটের কাছে পৌঁছতে পারেননি। ওই গুদামেও প্রচুর পাম তেল মজুত ছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানেও আগুন ধরে যায়।প্রাণ বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে তাঁরা গেটের পাশেই থাকা একটি অফিস ঘরে আশ্রয় নেন। সেখান থেকেই পরিবারের সঙ্গে শেষবার কথা বলেছিলেন তাঁরা। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই ঘরেও ছড়িয়ে পড়ে আগুন। শেষ পর্যন্ত আর রক্ষা হয়নি। সেখানেই মৃত্যু হয় তিন কর্মীর।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

মোমো নয়, ডেকরেটর্স কারখানাও জ্বলছে! নিখোঁজের সংখ্যা বেড়ে উদ্বেগ

প্রায় বারো ঘণ্টা পেরিয়ে গেল, এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। রবিবার গভীর রাত থেকে জ্বলছে একটি নামজাদা মোমো কারখানা। তার পাশেই রয়েছে একটি ডেকরেটর্স সংস্থার কারখানা। সেই দুই কারখানায় কাজ করা বহু কর্মীর এখনও কোনও খোঁজ নেই। ফোন বন্ধ, কোনও যোগাযোগ নেই। উদ্বেগে, আতঙ্কে ভেঙে পড়ছেন পরিবারের সদস্যরা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১৩ জন নিখোঁজের একটি তালিকা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে তিন জন মোমো কারখানার কর্মী এবং দশ জন ডেকরেটর্স সংস্থার শ্রমিক। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন গুরুপদ সাউ। তাঁর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরে। তিনি মোমো কারখানার পাশের ডেকরেটর্সের গুদামে ফুলের কাজ করতেন। রবিবার রাতেও পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল গুরুপদের। তিনি জানিয়েছিলেন, গুদামের ভিতরে কাজ করছেন। কিন্তু সোমবার ভোরে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর থেকেই তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ। এরপর থেকেই উৎকণ্ঠা বাড়ছে পরিবারের।ঘটনাস্থলে হাজির গুরুপদের এক আত্মীয় জানান, গুরুপদ রাতে গুদামেই ছিলেন বলে পরিবারের সঙ্গে শেষ কথা হয়। সকাল থেকে তাঁকে ফোন করা হলেও কোনও উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। শুধু গুরুপদ নন, তাঁর সঙ্গে কাজ করা আরও অনেক শ্রমিকেরও খোঁজ নেই। তাঁদের অনেকেই পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা বলে জানা যাচ্ছে।প্রথমে মনে করা হয়েছিল, মোমো কারখানার নাইট শিফ্টে থাকা তিন জন কর্মী নিখোঁজ। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই সংখ্যা বেড়েছে। পরে জানা যায়, শুধু মোমো কারখানাই নয়, পাশাপাশি থাকা ডেকরেটর্সের গুদাম থেকেও একাধিক কর্মী নিখোঁজ হয়েছেন। সব মিলিয়ে নিখোঁজের সংখ্যা ঘিরে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।এখনও আগুন পুরোপুরি নেভেনি। ভিতরে ঢুকে তল্লাশি চালানো সম্ভব হয়নি। দমকল ও পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে, কিন্তু প্রতিটি মুহূর্তে বাড়ছে উদ্বেগ। প্রিয়জনদের কোনও খবর না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন পরিবারের সদস্যরা।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা বিতর্কে বড় ধাক্কা, বসিরহাটের বিডিও সাসপেন্ড

বাংলার ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের অধীন বসিরহাট-২ ব্লকের বিডিও তথা অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার সুমিত প্রতিম প্রধানকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। একই সঙ্গে তাঁকে ভোটার তালিকা সংশোধনের সমস্ত কাজ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।রবিবার এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী ভট্টাচার্যকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্ত বিডিও বেআইনিভাবে ১১ জন অতিরিক্ত এআরও নিয়োগ করেছিলেন। কমিশনের মতে, ওই ধরনের নিয়োগ করার কোনও আইনগত ক্ষমতাই তাঁর ছিল না। তবু তিনি নিজে থেকেই নোটিস জারি করে শুনানি প্রক্রিয়া চালাচ্ছিলেন।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০-এর ১৩সি ধারা স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে। ক্ষমতার বাইরে গিয়ে এই নিয়োগকে কমিশন অনিয়ম বলেই চিহ্নিত করেছে। শুধু তাই নয়, ওই বেআইনি ভাবে নিযুক্ত অতিরিক্ত এআরও-রা এতদিন যে সমস্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বা কাজ করেছেন, সেগুলিও সম্পূর্ণ বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়েছে।পাশাপাশি, পুরো বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর এবং মুখ্যসচিবের কাছ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্টও চাওয়া হয়েছে।এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিজেপি। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ টিভি৯ বাংলাকে বলেন, সুষ্ঠুভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া চালানোর ক্ষেত্রে এই প্রথম কোনও কঠোর ও ইতিবাচক পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। তাঁর কথায়, নিয়ম মেনে কাজ করতে গেলে এমন কঠিন সিদ্ধান্ত প্রয়োজন, আর এটিই তার প্রথম ধাপ।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতার বুকে ভয়াবহ আগুন, নামী মোমো কারখানায় নিখোঁজ ৬ কর্মী

১২টি ইঞ্জিন নামানো হয়েছে আগুন নেভাতে। তবু নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছে দমকল। শহর কলকাতার বুকে এমন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড কার্যত নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকেই। গভীর রাত থেকে জ্বলছে আনন্দপুর এলাকার একটি নামী মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার কারখানা। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে আতঙ্ক।রাতে নাইট শিফটে কারখানার ভিতরে থাকা কর্মীদের এখনও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। প্রথমে তিন জন কর্মী নিখোঁজ বলে মনে করা হলেও, পরে সেই সংখ্যা বেড়ে ছজনে পৌঁছেছে। পরিবারের সদস্যদের উৎকণ্ঠা ক্রমশ চরমে উঠছে। অনেকের মনেই দানা বাঁধছে প্রাণহানির আশঙ্কা।এখনও পুরোপুরি নেভেনি আগুন। দমকলের উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছে। ভস্মীভূত কারখানার সামনে দাঁড়িয়ে অসহায় পরিবারের চোখে মুখে শুধু উৎকণ্ঠা। মাঝেমধ্যেই কারখানার এক একটি অংশ ভেঙে পড়ছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক ব্যক্তি বলেন, তাঁর জামাই ভিতরে আটকে রয়েছেন। শেষবার রাত তিনটে নাগাদ ফোন করেছিলেন। জানিয়েছিলেন শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, গেট বন্ধ থাকায় বাইরে বেরোতে পারছেন না।এই অভিযোগ শুধু একজনের নয়। কারখানার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একাধিক কর্মীর পরিবার একই অভিযোগ তুলেছেন। তাঁদের দাবি, কারখানার গেট বাইরে থেকে তালা দেওয়া ছিল। এর মধ্যেই কারখানার এক পাশের পাঁচিল ভেঙে পড়ে আগুন আরও ছড়িয়ে পড়ে। দমকল আগুনের উৎস খোঁজার চেষ্টা করছে। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, গোডাউনে প্রচুর পরিমাণে পাম অয়েল মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ভয়াবহ আকার নেয়।দমকলের এক আধিকারিক জানান, কারখানার পিছনের দিকে একটি আবাসিক এলাকা রয়েছে, যেখানে প্রায় ১০০ জন মানুষ থাকতেন। তাঁদের সবাইকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে গোডাউনের ভিতরে থাকা কর্মীদের এখনও উদ্ধার করা যায়নি। তাঁদের ফোনও বন্ধ।এই ঘটনার খবর পৌঁছেছে রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর কাছেও। তিনি জানান, ভোর তিনটে নাগাদ খবর পেয়ে দমকল ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। ওই এলাকায় দুটি গোডাউন রয়েছে, একটি নামী মোমো সংস্থার, অন্যটি একটি ক্যাটারিং সংস্থার। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর ইস্যুতে নোবেলজয়ীর বক্তব্যে অস্বস্তিতে বিজেপি? রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে এবার প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানালেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। এর আগে তাঁকে এসআইআর সংক্রান্ত একটি নোটিস দেওয়া হয়েছিল, যা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছিল তীব্র চাপানউতোর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই নোটিসের প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন। অন্যদিকে বিজেপির বক্তব্য ছিল, আইন সবার জন্যই সমান। এই আবহেই এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুললেন খোদ অমর্ত্য সেন।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অমর্ত্য সেন বলেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ হাতে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হলে তা অবশ্যই ভাল সিদ্ধান্ত। কিন্তু বাংলায় সেই প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে না। তাঁর অভিযোগ, এসআইআর নিয়ে অযথা তাড়াহুড়ো করা হচ্ছে। সামনে বিধানসভা নির্বাচন থাকলেও, তার আগে সাধারণ ভোটারদের নিজেদের ভোটাধিকার প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট সময় দেওয়া হচ্ছে না। এই পরিস্থিতি গণতান্ত্রিক অধিকারকে লঙ্ঘন করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।অমর্ত্য সেনের এই মন্তব্যের পরই কড়া প্রতিক্রিয়া দেন বিজেপি বিধায়ক ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, অমর্ত্য সেনের কথার উত্তর দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। শুভেন্দুর বক্তব্য, তিনি সবসময় এই ধরনের কথা বলে থাকেন এবং তাঁর কথার বিশেষ গুরুত্ব নেই। আরও এক ধাপ এগিয়ে শুভেন্দু বলেন, পশ্চিমবঙ্গে অমর্ত্য সেন কোনও শিক্ষিত যুবকের কর্মসংস্থান করেছেন বা কোনও গরিব মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেনএমন উদাহরণ নেই। যাঁদের বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও অবদান নেই, তাঁদের মন্তব্যের জবাব দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্যে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, একজন নোবেলজয়ী ব্যক্তিত্বকে নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য করা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলার জন্য অবদান কী। দেবাংশুর দাবি, নোবেল পুরস্কার বুঝেশুনেই দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, যে বাঙালিরা স্বাধীনতা সংগ্রামে লড়াই করেছিলেন, তাঁদের আজ নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য লাইনে দাঁড় করানো হচ্ছে।এসআইআর ইস্যুতে অমর্ত্য সেনের মন্তব্য এবং তার পাল্টা রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই বিতর্ক আরও তীব্র হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর শুনানিতে রাজ্যের মন্ত্রী! শশী পাঁজাকে নোটিস ঘিরে তোলপাড়

এ বার এসআইআর শুনানিতে হাজিরার নোটিস পেলেন রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। নোটিস অনুযায়ী, রবিবার দুপুর দুটোর মধ্যে তাঁকে কেশব অ্যাকাডেমিতে হাজির থাকতে বলা হয়েছে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় শশী পাঁজার নাম থাকলেও শুনানিতে ডাকা হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বিস্মিত ও বিরক্ত তিনি।শশী পাঁজা জানিয়েছেন, তিনি এনুমারেশন ফর্মে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ঠিকঠাকভাবে জমা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, কোনও লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে নয়, শুধুমাত্র অ্যাপের প্রযুক্তিগত গলদের জন্যই ২০০২ সালের তালিকায় তাঁর নাম ডিজিটালভাবে দেখাচ্ছে না। এই বিষয়টি জানার পর তিনি অবাক হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।রাজ্যে অক্টোবর মাস থেকেই শুরু হয়েছে এসআইআর বা বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ। ভোটার তালিকা ত্রুটিমুক্ত করতেই এই প্রক্রিয়া চলছে। ফর্ম জমা নেওয়ার পর এখন চলছে শুনানির পর্ব। নামের বানান, তথ্যের অমিল, ম্যাপিং সংক্রান্ত সমস্যা বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে বহু ভোটারকে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, অভিনেতা দেব-সহ একাধিক পরিচিত মুখ এই শুনানির নোটিস পেয়েছেন। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হল রাজ্যের মন্ত্রীর নামও।এই প্রসঙ্গে শশী পাঁজা বলেন, তিনি ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং তাঁর নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় রয়েছে। কিন্তু কমিশনের তড়িঘড়ি কাজের জেরে বিএলওদের ব্যবহৃত অ্যাপ ও সফটওয়্যারে একাধিক গলদ দেখা দিয়েছে। সেই কারণেই প্রকৃত তালিকায় নাম থাকলেও অ্যাপে তা দেখা যাচ্ছে না। তিনি জানান, আলাদা কোনও সুবিধা না নিয়ে সাধারণ মানুষের মতোই লাইনে দাঁড়িয়ে শুনানিতে হাজির হবেন।তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় তিনি সত্যিই অবাক। তাঁর কথায়, যখন একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকেই এ ভাবে ডাকা হচ্ছে, তখন সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হচ্ছে, তা সহজেই বোঝা যায়। গোটা বিষয়টি তাঁর কাছে হাস্যকর বলেই মনে হয়েছে।এ দিকে জানা গিয়েছে, এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়েছেন তৃণমূলের আইটি সেলের নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যও। তিনি একটি ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি জানিয়েছেন। দেবাংশু জানান, এখনও পর্যন্ত তিনি হাতে নোটিস পাননি। তবে তাঁর দাবি, ২০০২ সাল থেকে তাঁর ও পরিবারের সকলের নথিতে নামের বানান এবং মধ্যনাম এক রয়েছে। ফলে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির প্রশ্নই ওঠে না। নোটিস হাতে পাওয়ার পরই কেন ডাকা হয়েছে, তা পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

‘এখন যুদ্ধের সময়’—এসআইআর ইস্যুতে তৃণমূলকে রণসজ্জায় নামালেন অভিষেক

এসআইআর ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, তখন বিনা যুদ্ধে এক চুল জমিও ছাড়তে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রণসজ্জা দেখে এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। আদালত থেকে রাজপথ, সব জায়গাতেই সরব ঘাসফুল শিবির।ভোটার দিবসে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে পথে নামছে তৃণমূল। রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে ব্লকে মিছিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতি ব্লকে দুটি করে মিছিল হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি বুথে বুথে ভোটরক্ষা কমিটি গঠনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এখন আত্মতুষ্টির সময় নয়, এটি লড়াইয়ের সময়। আগামী ২২ দিন দলের কর্মীদের মাঠে নেমে মাটি আঁকড়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কাজের ক্ষেত্রে কোনও রকম ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না বলেও কড়া বার্তা দিয়েছেন অভিষেক। সূত্রের খবর, দলের এক মেগা ভার্চুয়াল বৈঠকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ওই ভার্চুয়াল বৈঠকে দলের প্রায় সব স্তরের নেতানেত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। বিধায়ক, সাংসদ থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত ও পুরসভা স্তরের নেতারা যোগ দিয়েছিলেন। প্রায় এক লক্ষেরও বেশি মানুষ এই বৈঠকে ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। সেখানে একের পর এক স্পষ্ট বার্তা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই বৈঠকে বিএলএ-টুদের সক্রিয় উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও এক চুল জমি ছাড়তে রাজি নয় তৃণমূল, এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের।সূত্রের খবর, এই বৈঠকেই বিধায়ক ও সাংসদদের উদ্দেশে কড়া নির্দেশ দেন অভিষেক। প্রয়োজনে নিজেদের খরচে ওয়ার রুম চালানোর কথাও বলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, অন্য দলের মতো তৃণমূল বিধায়ক বা সাংসদদের বেতন থেকে টাকা কাটে না। দল যখন সুযোগ দিয়েছে, তখন এখন ঝাঁপিয়ে পড়ার সময়।লজিক্যাল ডিক্রিপেন্সির তালিকায় থাকা প্রায় ১ কোটি ৩৬ লক্ষ নাম যাতে কোনওভাবেই বাদ না পড়ে, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন অভিষেক। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই নামগুলি আগের ভোটার তালিকায় ছিল, এখন সেগুলি লজিক্যাল ডিক্রিপেন্সিতে দেখানো হয়েছে। এই ভোটারদের নাম রক্ষা করাই এখন দলের প্রধান লক্ষ্য।আগামী পনেরো থেকে কুড়ি দিন ওয়ার রুম সক্রিয় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন অভিষেক। দুদিনের মধ্যে ওয়ার রুম কার্যকর করতে বলা হয়েছে। তাঁর সাফ কথা, ওয়ার রুম চালু না থাকলে বিজেপির ষড়যন্ত্র কীভাবে ধরা যাবে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর নিয়ে টানাপোড়েন! চূড়ান্ত তালিকা কি পিছোচ্ছে?

এসআইআর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর ক্রমেই বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন মনে করছে, আগামী ৭ তারিখের মধ্যে সমস্ত শুনানি শেষ করা সম্ভব হবে না। ফলে ১৪ ফেব্রুয়ারি যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা ছিল, তা আরও অন্তত ১০ দিন পিছিয়ে যেতে পারে।এর মধ্যেই সামনে এসেছে নতুন অভিযোগ। অভিযোগ উঠেছে, শুনানির অগ্রগতি সংক্রান্ত তথ্য নিয়মিত ভাবে নির্বাচন কমিশনের পোর্টালে আপলোড করা হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে কমিশন। গড়িমসি লক্ষ্য করেই কমিশনের তরফে ERO এবং AERO-দের সতর্ক করা হয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, শুনানি সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পোর্টালে আপলোড হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে তা হচ্ছে না। বিশেষ করে আনম্যাপড এবং লজিক্যাল ডিক্রিপেন্সি সংক্রান্ত তথ্য প্রতিদিন আপডেট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, যদি এই সংক্রান্ত কোনও তথ্য এখনও বাকি থাকে, তবে আগামী ২৬ জানুয়ারির মধ্যেই তা সম্পূর্ণ করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ না হলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
দেশ

সাধারণতন্ত্র দিবসের আগেই বড় সাফল্য! বিল্লাওয়ারে খতম জইশ জঙ্গি

জম্মু-কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ অভিযানে নিহত হল এক জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি। শুক্রবার নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, কাঠুয়া জেলার বিল্লাওয়ার এলাকায় জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, সেনা এবং সিআরপিএফ একসঙ্গে অভিযান চালায়। সেই অভিযানেই ওই পাক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই বিভিন্ন গোয়েন্দা রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে উপত্যকায় জঙ্গি নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে। সেই সংক্রান্ত কিছু নির্দিষ্ট তথ্য নিরাপত্তা সংস্থার হাতে আসে। এর পর থেকেই জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে তল্লাশি অভিযান আরও জোরদার করা হয়। তারই ফল হিসেবে বিল্লাওয়ারে এই সাফল্য মিলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, প্রায় দশ দিন আগেই বিল্লাওয়ার এলাকায় জঙ্গিদের একটি গোপন আস্তানার সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। তারপর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় লাগাতার তল্লাশি চলছিল। সেনার দাবি, গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পরই শুক্রবার নির্দিষ্ট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এক জঙ্গি সেখানে আত্মগোপন করে রয়েছে এমন তথ্য মিলতেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে বাহিনী। ফলে অভিযানের সময় পালানোর কোনও সুযোগ পায়নি ওই জঙ্গি।একই সঙ্গে কিশ্তওয়ার জেলার পাহাড়ি জঙ্গল এলাকাতেও সেনার অভিযান চলছে। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, যে এলাকায় জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, সেটি গভীর জঙ্গল ও খাড়া পাহাড়ে ঘেরা। সেখানে সইফুল্লা ও আদিল নামে দুই জইশ জঙ্গি আত্মগোপন করে রয়েছে বলে খবর মিলেছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, চার দিন আগে কিশ্তওয়ারে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ভারতীয় সেনার এক জওয়ান শহিদ হন। সেই ঘটনার পর কিশ্তওয়ারে অভিযান আরও তীব্র করা হয়েছে। তল্লাশি চালিয়ে সেনা জঙ্গিদের একটি গোপন ডেরারও খোঁজ পেয়েছে। গাছের আড়ালে এমন ভাবে বাঙ্কার তৈরি করা হয়েছিল যে, বাইরে থেকে তা চিহ্নিত করা প্রায় অসম্ভব। বাঙ্কারটি এমন কৌশলে বানানো, যাতে উল্টো দিক থেকে হামলা হলেও সহজে প্রতিরোধ করা যায়।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পের আমন্ত্রণে পুতিনের পাল্টা চাল! গাজার জন্য ১ বিলিয়ন ডলার, শর্তে চমক

বিশ্ব কূটনীতির মঞ্চে নতুন চাল দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সদ্য গঠিত গাজা পিস বোর্ডে রাশিয়াকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই আমন্ত্রণের পরই পুতিন জানালেন, গাজার উন্নয়নের জন্য তিনি ১ বিলিয়ন ডলার দিতে প্রস্তুত। তবে এই অর্থ দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি শর্ত জুড়ে দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। তাঁর প্রস্তাব, আমেরিকা যে রুশ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে রেখেছে, সেখান থেকেই এই টাকা কেটে নেওয়া হোক।গাজায় শান্তি ফেরাতে নতুন উদ্যোগ হিসেবে বোর্ড অফ পিস গঠন করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। জানা যাচ্ছে, প্রাথমিক ভাবে তিন বছরের জন্য এই বোর্ডের সদস্য হওয়া যাবে। তবে স্থায়ী সদস্যপদ পেতে হলে দিতে হবে ১ বিলিয়ন ডলার। আমন্ত্রিত দেশগুলির তালিকায় রয়েছে রাশিয়াও।এই আমন্ত্রণ পাওয়ার পর পুতিন প্যালেস্টাইনের প্রেসিডেন্ট মহমুদ আব্বাসের সঙ্গে বৈঠকে জানান, প্যালেস্টাইনের সঙ্গে রাশিয়ার বিশেষ সম্পর্কের কারণে তিনি গাজার উন্নয়নে ১ বিলিয়ন ডলার দিতে চান। তাঁর বক্তব্য, এই অর্থ আমেরিকা যে রুশ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে, সেখান থেকেই দেওয়া হোক। এই প্রস্তাবের মাধ্যমে কার্যত বল আমেরিকার কোর্টে ঠেলে দিয়েছেন পুতিন।উল্লেখ্য, ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে রাশিয়ার উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে আমেরিকা ও পশ্চিমি দেশগুলি। জি-৭ দেশগুলির যৌথ সিদ্ধান্তে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রাশিয়ার প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সম্পত্তি ফ্রিজ করা হয়েছে। শুধু আমেরিকাতেই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার। রাশিয়া বহুবার এই অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি জানালেও তা মানেনি ওয়াশিংটন।এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া বুঝে নিয়েছে, এই অর্থ সহজে আর ফেরত পাওয়া সম্ভব নয়। তাই সেই অর্থেরই একটি অংশ গাজার উন্নয়নে ব্যবহার করার প্রস্তাব দিয়ে কৌশলী চাল দিলেন পুতিন। পিস বোর্ডের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য যে ১ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন, ঠিক সেই অঙ্কের অর্থই ফ্রিজ করা সম্পত্তি থেকে দেওয়ার কথা বলেছে মস্কো।শুধু গাজাই নয়, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন পুনর্গঠনের ক্ষেত্রেও একইভাবে সাহায্য করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন পুতিন। যদিও ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিসে রাশিয়া শেষ পর্যন্ত যোগ দেবে কি না, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তবে গাজা ইস্যুতে এই প্রস্তাব দিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বন্দ্যোপাধ্যায় না ব্যানার্জি? বানানেই বিপত্তি, শুনানিতে ডাক কেন—ব্যাখ্যা কমিশনের

ভোটার তালিকা সংশোধনের শুনানিতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে বারবার হয়রান হতে হচ্ছে, এমন অভিযোগ উঠছে বিভিন্ন জায়গা থেকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমস্যার কারণ হিসেবে সামনে আসছে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি। নামের বানান, বাবা বা মায়ের নামের সঙ্গে মিল না থাকা কিংবা বয়সের ফারাকের মতো বিষয় নিয়ে ভোটারদের শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ।এই বিষয়টি নিয়েই শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন। তাঁর প্রশ্ন ছিল, বাবার পদবি ব্যানার্জি আর ছেলের পদবি বন্দ্যোপাধ্যায় হলে সেটাকে কেন সমস্যা হিসেবে ধরা হচ্ছে। এবার সেই প্রশ্নের ব্যাখ্যা দিলেন নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত বাংলার বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত।সুব্রত গুপ্ত জানান, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির সংখ্যা খুব বেশি হওয়ায় কমিশনের কাজের চাপ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। তিনি স্বীকার করেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বানানগত ভুলের কারণেই শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে। তবে এই সমস্যার মূল কারণও ব্যাখ্যা করেন তিনি।তাঁর কথায়, বন্দ্যোপাধ্যায় ও ব্যানার্জি একই পদবি হলেও বানানের পার্থক্যের কারণে কম্পিউটার সিস্টেমে তা আলাদা হিসেবে ধরা পড়ছে। একই ভাবে, কোথাও দেখা যাচ্ছে পদবি দে হলেও কেউ লিখছেন Dey, কেউ লিখছেন De। উত্তরবঙ্গে গিয়ে তিনি দেখেছেন, অনেক পদবিরই পাঁচ-ছয় রকম বানান রয়েছে। ফলে কম্পিউটারের পক্ষে তা মিলিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সেই কারণেই একাধিক ক্ষেত্রে ভোটারদের বারবার শুনানির জন্য ডাকা হচ্ছে।তবে গোটা প্রক্রিয়াটি আরও বেশি সময় নিয়ে করা গেলে ভালো হত বলেও মনে করছেন সুব্রত গুপ্ত। তিনি বলেন, একটু বেশি সময় পেলে আরও ভেবে কাজ করা যেত। কিন্তু এপ্রিলের মধ্যেই ভোট হওয়ার কথা থাকায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সব পরিকল্পনা করে কাজ করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, সময় কম থাকলেও তথ্য অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ডেডলাইন পেরোল, তবু এফআইআর নেই! কমিশনকে উল্টে হুঁশিয়ারি তৃণমূল বিধায়কের

নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় কেটে গেলেও ফরাক্কার তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এখনও কোনও এফআইআর দায়ের হয়নি। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বহাল তবিয়তেই রয়েছেন তিনি। উল্টে প্রকাশ্য সভা থেকে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেই এফআইআর করার হুঁশিয়ারি দিতে শোনা গিয়েছে তাঁকে।মনিরুল ইসলামের দাবি, এসআইআর সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার জেরে বহু মানুষ সমস্যায় পড়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতে একাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে, এমনকি আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছে। তাই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেই গণ এফআইআর হওয়া উচিত বলে তিনি দাবি করেন। মঞ্চ থেকে কমিশনকে কার্যত চোখরাঙান ফরাক্কার বিধায়ক।তবে প্রকাশ্যে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেও চিঠিতে সম্পূর্ণ ভিন্ন সুরে কথা বলেছেন মনিরুল ইসলাম। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর করার কথা উঠতেই তিনি নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকা ইআরও-কে একটি চিঠি পাঠান। সেই চিঠিতে তিনি লেখেন, তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সংবিধান মেনেই কাজ করেন।উল্লেখ্য, গত ১৪ জানুয়ারি ফরাক্কার বিডিও অফিসে ব্যাপক অশান্তি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সেই সময় মঞ্চ থেকে মনিরুল ইসলাম বলেন, তাঁকে ভয় দেখিয়ে কোনও লাভ নেই। আদালত সকলের জন্যই খোলা আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে গণহারে এফআইআর করার ডাকও দেন বিধায়ক।ফরাক্কার ঘটনা ঘিরেই রাজ্যে এসআইআর সংক্রান্ত অশান্তির সূত্রপাত বলে মনে করা হচ্ছে। এরপর চাকুলিয়া, সন্দেশখালি ১ নম্বর ব্লক, ইটাহার সহ একাধিক জায়গায় বিডিও অফিস ও শুনানি কেন্দ্রে ভাঙচুরের অভিযোগ সামনে এসেছে। ধীরে ধীরে এই অশান্তি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে।ফরাক্কার ঘটনার পর জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে সরাসরি মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরেই নড়েচড়ে বসেন তৃণমূল বিধায়ক। চিঠিতে তিনি জানান, তাঁর বক্তব্যের উদ্দেশ্য কমিশনকে আঘাত করা নয়। বরং সাধারণ মানুষ যাতে তাঁদের ভোটাধিকার নিয়ে সমস্যায় না পড়েন, সেই বিষয়টি বোঝাতেই তিনি কথা বলেছেন। নিজের বক্তব্যের জন্য দুঃখপ্রকাশও করেছেন তিনি। এই চিঠি ইতিমধ্যেই জেলা নির্বাচন আধিকারিকের কাছে পাঠানো হয়েছে।এদিকে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে ভয় দেখানো, ভাঙচুর ও অশান্তির পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, শুধুমাত্র এফআইআর করার নির্দেশ দিলেই চলবে না। নির্বাচন কমিশনকে সাংবিধানিক স্তরে কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নেতাজির জন্মজয়ন্তীতে বিস্ফোরক বার্তা, মমতাকে জাতীয় নেতৃত্বের ডাক

রাজনীতিতে সম্পর্ক ও অবস্থান যে সময়ের সঙ্গে বদলায়, তা আবারও স্পষ্ট হল শুক্রবার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে। এক সময় যিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভোটের লড়াইয়ে নেমেছিলেন, সেই চন্দ্র বসুকেই এ দিন দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একই মঞ্চে। শুধু তাই নয়, নেতাজির পরিবারের সদস্য চন্দ্র বসু প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেশের নেত্রী হিসেবে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানালেন।রেড রোডে আয়োজিত সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে চন্দ্র বসু বলেন, তিনি চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেই না থেকে দেশের নেতৃত্বের দায়িত্ব নিন। তাঁর কথায়, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আদর্শই একমাত্র দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী ছিলেন চন্দ্র বসু।এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ভোটের সময় সামনে এলে এ রকম অনেক পরিবর্তন দেখা যায়। তাঁর মতে, কিছু নেতার অবস্থান ও গতিবিধি লক্ষ্য করলেই সব বোঝা যায়।এ দিন মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজির অবদান স্মরণ করে একাধিক প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, আজ নেতাজি বেঁচে থাকলে তাকেও কি শুনানিতে ডাকা হত? পাশাপাশি নেতাজির জন্মদিনকে এখনও কেন জাতীয় ছুটি ঘোষণা করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আজও নেতাজির জন্মদিন জাতীয় ছুটির তালিকায় নেই। একই সঙ্গে নেতাজির মৃত্যুদিন নিয়ে অনিশ্চয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।নেতাজির ঐতিহাসিক আহ্বান তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব প্রসঙ্গে মমতা বলেন, তিনি কারও কাছে রক্ত চাইছেন না। তাঁর আবেদন, মানুষ যেন নিজেদের প্রাণ বাঁচায়। ছাত্রছাত্রী, খেলোয়াড় ও শিল্পীদের এগিয়ে আসার ডাক দিয়ে তিনি বলেন, একে অন্যের পাশে দাঁড়ানোই আজ সবচেয়ে জরুরি।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত! অশান্তি হলেই বন্ধ শুনানি, সময়সীমা বাড়াতে পারে কমিশন

এসআইআর-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের সময়সীমা আরও বাড়তে পারে। ১৪ ফেব্রুয়ারির বদলে অন্তত আরও ১০ দিন সময় দেওয়া হতে পারে বলে কমিশন সূত্রে খবর। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের জেলাশাসকদের উদ্দেশে এক বিশেষ ও কড়া নির্দেশ পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশে বলা হয়েছে, শুনানি কেন্দ্রে অশান্তি তৈরি হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিতে হবে শুনানি।সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়া ও ইটাহার, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন চরম বিশৃঙ্খলার ছবি সামনে এসেছে। কোথাও বচসা, কোথাও ধাক্কাধাক্কি, আবার কোথাও শুনানি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে হয়েছে। এই সমস্ত ঘটনার রিপোর্ট ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে তলব করা হয়েছে। এমনকি উত্তর দিনাজপুরের বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।এই আবহেই নিরাপত্তা নিয়ে আরও কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, যদি শুনানি কেন্দ্রের পরিবেশ উত্তপ্ত হয় বা ভোটাররা ভয় পেয়ে সেখানে যেতে না পারেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে শুনানি বন্ধ করে দিতে হবে। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কোনওভাবেই শুনানি পুনরায় শুরু করা যাবে না।কমিশন সূত্রে খবর, সময়সীমা বাড়ানোর সম্ভাবনা থাকায় এখন শুনানি শেষ করার ক্ষেত্রে অতটা তাড়াহুড়ো নেই। তার বদলে ভোটারদের নিরাপত্তা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই আপাতত কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।উল্লেখ্য, তৃণমূলের দাবিকে মান্যতা দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট আগেই নির্দেশ দিয়েছিল যে পঞ্চায়েত বা ব্লক অফিসেই ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি করতে হবে। সেই নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পরেই নিরাপত্তা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের উপর চাপ বাড়াল কমিশন।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে আগামী শনিবার লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি-র তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা। সেই সময় যাতে কোনও রকম অশান্তি বা বিশৃঙ্খলা না তৈরি হয়, তার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনারকে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।এই পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার দাবি করেছেন, শুনানি বন্ধ হলে ভোট পিছিয়ে যেতে পারে। সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির পরিস্থিতি তৈরি হবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল সেটাই চাইছে। পাল্টা তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের দাবি, বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ভোটারদের ভয় দেখিয়ে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নির্দেশ অমান্য! রাজ্যকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাল নির্বাচন কমিশন

চারজন নির্বাচন আধিকারিকের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের নেওয়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, তাদের নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনেই সংশ্লিষ্ট ইআরও ও এইআরও-দের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। মুখ্যসচিবকে পাঠানো চিঠিতে কমিশন জানিয়েছে, একাধিকবার এফআইআর করার নির্দেশ দেওয়া হলেও রাজ্য সরকার তা মানেনি। কেন কমিশনের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে, সেই প্রশ্নেরও উত্তর চাওয়া হয়েছে।জানা গিয়েছে, গত বছরের অগস্ট মাসেই নির্বাচন কমিশনের তরফে এই বিষয়ে রাজ্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব এবং পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার ইআরও ও এইআরও-দের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ ছিল সেই চিঠিতে। সেই সময় রাজ্যের মুখ্যসচিব ছিলেন মনোজ পন্থ। তিনি দিল্লিতে গিয়ে কমিশনের সঙ্গে বৈঠকও করেন। তবে সেই বৈঠকের পর সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের শুধু সাসপেন্ড করা হয়, এফআইআর দায়ের করা হয়নি।চলতি বছরের শুরুতে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয়, জেলা নির্বাচন আধিকারিকরা প্রয়োজনে এফআইআর করতে পারবেন। এরপর নবান্ন থেকে চিঠি পাঠিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়, কেন অপেক্ষাকৃত ছোট অপরাধে এত কঠোর শাস্তি দেওয়া হচ্ছে এবং কেন এফআইআর জরুরি। তার জবাবে কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, শাস্তি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রাজ্য সরকারের নয়, নির্বাচন কমিশনের। সেই বিষয়টি ফের মনে করিয়ে দিয়ে রাজ্যকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। কমিশনের নির্দেশ, দ্রুত ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ করতে হবে।উল্লেখ্য, বেআইনিভাবে ভোটার তালিকায় নাম তোলার অভিযোগে ময়না ও বারুইপুর পূর্বের ইআরও এবং এইআরও-দের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। অভিযুক্ত চার আধিকারিক হলেন তথাগত মণ্ডল, দেবোত্তম দত্তচৌধুরী, বিপ্লব সরকার এবং সুদীপ্ত দাস। তাঁদের সাসপেন্ড করার পাশাপাশি এফআইআর করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ কার্যকর না হওয়ায় ফের রাজ্যকে চিঠি পাঠাল কমিশন।এই প্রসঙ্গে বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, নির্বাচন কমিশনকে যেন নাক-দন্তহীন প্রতিষ্ঠান বলে মনে না হয়, সেটাই তাঁদের দাবি। মুখ্যসচিব যদি কমিশনের নির্দেশ না মানেন, তা হলে তাঁর বিরুদ্ধেও কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, যাঁরা মানুষের ভোটের অধিকার রক্ষা করতে ব্যর্থ, তাঁরাই এখন শাস্তির কথা বলছেন, যা দুর্ভাগ্যজনক।

জানুয়ারি ২১, ২০২৬
দেশ

মোদির উদ্বোধন করা ট্রেনেই আবর্জনার পাহাড়, ভাইরাল ভিডিওতে ক্ষোভ

ভোটের মুখে বাংলায় এসে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু উদ্বোধনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিতর্কে জড়াল সেই আধুনিক ট্রেন। হাওড়া-গুয়াহাটি (কামাখ্যা) রুটের বন্দে ভারত স্লিপারের পরীক্ষামূলক যাত্রার সময় ট্রেনের ভিতরের একাধিক ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হতেই শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা। ঝাঁ-চকচকে নতুন ট্রেনের কোচের মেঝেতে ছড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে প্লাস্টিকের প্যাকেট, চামচ ও বিভিন্ন আবর্জনা। উদ্বোধনের দিনেই যাত্রীদের আচরণ নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন।১৭ জানুয়ারি, শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয় হাওড়া-গুয়াহাটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের। যদিও বাণিজ্যিকভাবে এই ট্রেন চলবে ২২ জানুয়ারি, সরস্বতী পুজোর দিন থেকে। উদ্বোধনের দিন পরীক্ষামূলক যাত্রায় বন্দে ভারত স্লিপারের আধুনিক কোচ, উন্নত সুযোগ-সুবিধা এবং প্রায় বিমানের মতো অভিজ্ঞতার ছবি ও ভিডিও সামনে আসে। যা দেখে অনেকেই ট্রেনটিকে ভারতের রেলের নতুন যুগের প্রতীক বলে প্রশংসা করেন। কিন্তু সেই আনন্দের মধ্যেই ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ভিডিওতে ধরা পড়ে ট্রেনের ভিতরের নোংরা ছবি।ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্লিপার কোচের মেঝেতে ছড়িয়ে রয়েছে খাবারের প্যাকেট ও আবর্জনা। ওই ভিডিও পোস্ট করে এক ব্লগার সরাসরি যাত্রীদের একাংশের দিকে আঙুল তোলেন। তিনি বলেন, এটা রেলের গাফিলতি নয় বা সরকারের গাফিলতি নয়, এটা যাত্রীদেরই দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, উদ্বোধনের দিনেই একটি নতুন ট্রেনের এই অবস্থা করে ফেলেছি আমরা। এটাই কি আমাদের নাগরিক দায়িত্ববোধ? ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ট্রেন বিশ্বমানের হতে পারে, কিন্তু নাগরিক সচেতনতা এখনও অনেক পিছিয়ে।এই ভিডিও দেখে হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন বহু নেটিজেন। তাঁদের অনেকেই মন্তব্য করেছেন, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, সাধারণ মানুষেরও। কারণ ট্রেন ব্যবহার করেন যাত্রীরাই। ভাইরাল ভিডিও নজরে এসেছে রেল কর্তৃপক্ষেরও। রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, রেলের সম্পত্তি পরিষ্কার রাখা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। এভাবে কোচে আবর্জনা ফেললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।একদিকে যখন যাত্রীদের একাংশের আচরণ নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে, অন্যদিকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের খাবার নিয়েও একাধিক ভিডিও সামনে এসেছে। সেই সব ভিডিওতে খাবারের গুণমানের প্রশংসা করেছেন বেশিরভাগ যাত্রী। বিমানের মতো খাবার পরিবেশন ও পরিষেবায় খুশি অনেকেই। তবে সব প্রশংসার মাঝেও নতুন ট্রেনের প্রথম যাত্রাতেই এই নোংরা ছবি বন্দে ভারত স্লিপারের ভাবমূর্তিতে ধাক্কা দিয়েছে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কোর্টে আর নয়! অবসর ঘোষণা করলেন সাইনা নেহওয়াল

অবশেষে প্রতিযোগিতামূলক ব্যাডমিন্টনকে বিদায় জানালেন সাইনা নেহওয়াল। ভারতের ব্যাডমিন্টনে প্রথম অলিম্পিক পদক এনে দেওয়া এই তারকা খেলোয়াড় দীর্ঘদিন ধরেই চোট-আঘাতে ভুগছিলেন। শেষ দুবছরে তাঁর শারীরিক সমস্যা এতটাই বেড়েছে যে আর কোর্টে ফেরা সম্ভব হয়নি। শেষবার ২০২৩ সালের সিঙ্গাপুর ওপেনে তাঁকে খেলতে দেখা গিয়েছিল।একটি পডকাস্টে নিজের অবসরের কথা জানিয়ে সাইনা বলেন, তিনি আসলে অনেক আগেই ব্যাডমিন্টন খেলা বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, নিজের ইচ্ছাতেই এই খেলায় এসেছিলেন, আবার নিজের ইচ্ছাতেই সরে দাঁড়াচ্ছেন। আলাদা করে অবসর ঘোষণা করার প্রয়োজন তিনি অনুভব করেননি। যখন বুঝেছেন আর খেলা সম্ভব নয়, তখনই থেমে যাওয়াই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত বলে মনে করেছেন তিনি।চোটের কথা খোলাখুলিভাবেই জানান সাইনা। তিনি বলেন, তাঁর হাঁটুর কার্টিলেজ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছে এবং আর্থ্রাইটিসের সমস্যাও রয়েছে। বাবা-মা ও কোচদের আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে পরিস্থিতি খুব কঠিন হয়ে উঠছে। বিশ্বমানের খেলোয়াড় হতে গেলে দিনে আট থেকে নয় ঘণ্টা অনুশীলন প্রয়োজন, কিন্তু তিনি সেখানে দুঘণ্টার বেশি চালিয়ে যেতে পারছিলেন না। হাঁটু আর আগের মতো সঙ্গ দিচ্ছিল না বলেই কেরিয়ার থামানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি।মাত্র ১৫ বছর বয়সে, ২০০৫ সালে ব্যাডমিন্টনে পেশাদার কেরিয়ার শুরু করেছিলেন সাইনা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ছিলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের সবচেয়ে বড় নাম। ২০১০ সালের কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জেতেন তিনি। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতে ব্যাডমিন্টনে ভারতের প্রথম অলিম্পিক পদক এনে দেন সাইনা নেহওয়াল।বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে একটি রুপো ও একটি ব্রোঞ্জ জিতেছেন তিনি। ২০১৮ সালের কমনওয়েলথ গেমসে আবারও সোনা এবং এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ পদক জয় করেন। জুনিয়র স্তরে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও সোনা জিতেছিলেন সাইনা। তবে ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকের পর থেকেই হাঁটুর চোট তাঁর কেরিয়ারে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ধীরে ধীরে ছন্দ হারান তিনি। শেষ পর্যন্ত বুঝে যান, আর নয়। সেই সঙ্গে ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের এক গৌরবময় অধ্যায়েরও পর্দা নামল।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • ...
  • 90
  • 91
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

সমুদ্রের নিচে আমেরিকার গোপন হামলা! ইরানের ঘাঁটি উড়িয়ে দিল নতুন মারণাস্ত্র, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ল। এবার সমুদ্রপথে নতুন অস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে আমেরিকা। মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, তাদের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও যুদ্ধে সামুদ্রিক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। এই অভিযানে ইরানের একটি ডুবোজাহাজ এবং জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। হামলার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে সেই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সমাজমাধ্যমে জানিয়েছে, রবিবার মানববিহীন সামুদ্রিক ড্রোন ব্যবহার করে ইরানের বন্দর আব্বাসে অভিযান চালানো হয়। তাদের দাবি, তিনটি সামুদ্রিক ড্রোন দিয়ে ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটিতে সফল হামলা চালানো হয়েছে। এই অভিযানের ফলে হরমুজ প্রণালী এলাকায় ইরানের সামরিক সক্ষমতায় বড় ধাক্কা লেগেছে বলেও দাবি করেছে আমেরিকা।প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ছোট মানববিহীন জলযান দ্রুত গতিতে জলের উপর দিয়ে এগিয়ে গিয়ে একটি স্থাপনার সঙ্গে ধাক্কা মারে। তার পরেই প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুনের বিশাল গোলা আকাশে ছড়িয়ে পড়ে। মার্কিন দাবি, ওই বিস্ফোরণে জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রের বড় অংশ ধ্বংস হয়ে যায়।এই হামলার আগে থেকেই হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল। আমেরিকার অভিযোগ, ইরান একাধিক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাচ্ছে। সম্প্রতি একটি মালবাহী জাহাজেও হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। অন্যদিকে মার্কিন বাহিনীও টানা কয়েক দিন ধরে ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই ঘোষণা করেছিলেন, হরমুজ প্রণালীতে ইরানি জাহাজের বিরুদ্ধে আবারও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ওই জলপথ ব্যবহারকারী জাহাজের জন্য নতুন শুল্ক আরোপের কথাও জানান তিনি। এর পাল্টা জবাবে ইরান বাহরিন, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির একাধিক জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও জটিল হয়ে উঠেছে এবং আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
দেশ

ইরানের হামলায় মৃত্যু ভারতীয় নাবিকের! আগুনে জ্বলল তেলবাহী জাহাজ, বাড়ছে যুদ্ধের উত্তাপ

যত দিন যাচ্ছে, ততই জটিল হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার নিচ্ছে। এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালীর কাছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুটি তেলবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। এই হামলায় এক ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও আটজন। তাঁদের মধ্যে ছয়জন ভারতীয় এবং দুজন ইউক্রেনের নাগরিক। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।জানা গিয়েছে, ওমানের জলসীমায় হরমুজ প্রণালীর দক্ষিণ অংশ দিয়ে যাওয়ার সময় মোমবাসা এবং আল বাহিয়াহ নামে দুটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। নিহত ভারতীয় নাবিক মোমবাসা জাহাজে কর্মরত ছিলেন। হামলার পর দুই জাহাজেই আগুন লাগে। পরে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এবং ভারতের বিদেশ মন্ত্রক পুরো ঘটনার উপর নজর রাখছে।ঘটনার পর কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তাদের দাবি, এই হামলা আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস দাবি করেছে, ওই দুটি জাহাজ তাদের সতর্কবার্তা অমান্য করেছিল। তাদের অভিযোগ, জাহাজগুলি নেভিগেশন ব্যবস্থা বন্ধ রেখে নিষিদ্ধ পথ ব্যবহার করার চেষ্টা করছিল। সেই কারণেই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। একই সঙ্গে তাদের অভিযোগ, আমেরিকা বাণিজ্যিক জাহাজগুলিকে ভুল পথে চলাচলে উৎসাহ দিচ্ছে, যার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে।এদিকে আমেরিকাও টানা সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা, ড্রোন ঘাঁটি এবং ক্ষেপণাস্ত্র পরিকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালীতে চলাচলকারী জাহাজের উপর নতুন কর আরোপের কথাও জানিয়েছে আমেরিকা। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই আশঙ্কা বাড়ছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
দেশ

অনশনে সোনম, উদ্বেগে ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর অভিনেতা! কী এমন বললেন ওমি বৈদ্য?

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি। নিট-সহ একাধিক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তুলে শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিও জানিয়েছে তারা। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবেই অনির্দিষ্টকালের অনশনে বসেছেন সমাজকর্মী ও গবেষক সোনম ওয়াংচুক। দীর্ঘ অনশনের জেরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন থ্রি ইডিয়টস ছবির অভিনেতা ওমি বৈদ্য।সম্প্রতি সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দেখা করেন ওমি বৈদ্য। পরে সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, সোনমের শারীরিক অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে চিন্তিত। তাঁর কথায়, দীর্ঘ অনশনের কারণে সোনমের যেন কোনও অঘটন না ঘটে, সেটাই তিনি চান।ভিডিও বার্তায় ওমি বৈদ্য সকলকে সোনম ওয়াংচুকের আন্দোলনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানার আবেদন জানান। তাঁর দাবি, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, লাদাখের স্বায়ত্তশাসন এবং পরিবেশ রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আন্দোলন করছেন সোনম। এই বিষয়গুলি সম্পর্কে মানুষের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।ককরোচ জনতা পার্টির দাবি, অনশন শুরুর পর থেকে সোনম ওয়াংচুকের ওজন প্রায় আট কেজি কমে গিয়েছে। রক্তে শর্করার মাত্রাও কমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। তবুও তিনি নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি।ভিডিও বার্তায় আবেগঘন সুরে ওমি বৈদ্য বলেন, আমি চাই না ফুনসুখ ওয়াংড়ু মারা যান। উল্লেখ্য, থ্রি ইডিয়টস ছবির ফুনসুখ ওয়াংড়ু চরিত্রটি বাস্তবের সোনম ওয়াংচুককে অনুপ্রেরণা করেই তৈরি হয়েছিল। অভিনেতা আরও বলেন, আপনি তাঁর সঙ্গে একমত না-ও হতে পারেন, কিন্তু তাঁর মতো একজন অনুপ্রেরণাদায়ক মানুষকে হারানো উচিত নয়।শেষে তিনি সকলকে সমাজ ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি থ্রি ইডিয়টস-এর জনপ্রিয় সংলাপের ঢঙে নিজের বক্তব্য শেষ করেন ওমি বৈদ্য।

জুলাই ১৪, ২০২৬
রাজ্য

সুখবর লাখো মানুষের জন্য! আয়ুষ্মানে নাম না থাকলেও মিলবে বিনামূল্যে চিকিৎসা, সামনে এল নতুন পরিকল্পনা

রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বহু মানুষ নাম নথিভুক্ত করতে শুরু করেছেন। তবে এই প্রকল্পের সুবিধা সবাই পাবেন না। নির্দিষ্ট কিছু শর্তের ভিত্তিতে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। ফলে অনেকেই এই প্রকল্পের বাইরে থেকে যাচ্ছেন। তাঁদের জন্যই নতুন স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প চালুর কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, খুব শীঘ্রই চালু হবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প। এই প্রকল্পেও পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নগদহীন চিকিৎসার সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, যাঁরা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় আসবেন না, তাঁরাই মূলত মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। আয়ুষ্মান ভারতের নির্দিষ্ট যোগ্যতার তালিকায় যাঁদের নাম নেই, যাঁদের পাকা বাড়ি রয়েছে অথবা নির্দিষ্ট শ্রমভিত্তিক পেশার সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁদের অনেকেই এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।তবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পে কীভাবে আবেদন করতে হবে, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আবেদন প্রক্রিয়ার রূপরেখা এখনও তৈরি হচ্ছে। আগে যাঁদের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে নাম ছিল, তাঁদের তথ্য সরাসরি নতুন প্রকল্পে যুক্ত করা হবে কি না, নাকি নতুন করে আবেদন করতে হবে, তা এখনও নির্ধারিত হয়নি।সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। খুব শীঘ্রই আবেদন পদ্ধতি, যোগ্যতার শর্ত এবং প্রয়োজনীয় নথি সম্পর্কে বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে। ফলে যাঁরা আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন না, তাঁদের আপাতত সরকারি ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপের আগে বড় চমক! ইংল্যান্ড ম্যাচে মেসিদের বিশেষ অস্ত্রে সায়, তোলপাড় ফুটবল বিশ্ব

বিশ্বকাপের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনাকে ঘিরে নানা আলোচনা চলছে। এবার সেমিফাইনালের আগে নতুন করে সেই বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে নিজেদের সৌভাগ্যের গাঢ় নীল জার্সি পরার অনুমতি চেয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে ফিফা। ফলে বুধবারের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পরিচিত নীল-সাদা জার্সির বদলে গাঢ় নীল জার্সিতেই মাঠে নামতে পারে লিওনেল মেসিদের দল।এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ফুটবল মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচে গাঢ় নীল জার্সি পরে খেলতে নেমে অতীতে একাধিকবার জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। সেই কারণেই এই জার্সিকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলে মনে করেন অনেক সমর্থক ও ফুটবলপ্রেমী।উনিশশো ছিয়াশি সালের বিশ্বকাপে দিয়েগো মারাদোনার নেতৃত্বে ইংল্যান্ডকে হারানোর সময়ও আর্জেন্টিনার গায়ে ছিল গাঢ় নীল জার্সি। পরে উনিশশো আটানব্বই সালের বিশ্বকাপেও একই রঙের জার্সি পরে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল তারা। অন্যদিকে, দুই হাজার দুই সালের বিশ্বকাপে নীল-সাদা জার্সি পরে মাঠে নেমে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যেতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে।এই কারণেই সেমিফাইনালের আগে আবার সেই গাঢ় নীল জার্সি পরার আবেদন জানায় আর্জেন্টিনা। অনুমতি মেলায় অনেকেই মনে করছেন, এটি দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বড় ভূমিকা নিতে পারে। যদিও ম্যাচের ফল শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে মাঠের পারফরম্যান্সের উপরই।আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্কৃতিতে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে বিশেষ জার্সি বা নির্দিষ্ট রীতিনীতি মানার প্রচলন রয়েছে। এই বিশ্বাসকে তারা কাবালা নামে চেনে। সেই বিশ্বাস থেকেই এবারও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গাঢ় নীল জার্সি বেছে নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা এর আগে পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে। তার মধ্যে তিনটি ছিল নকআউট ম্যাচ। এবার চতুর্থ নকআউট লড়াইয়ে আবারও মুখোমুখি দুই ফুটবল শক্তি। এখন দেখার, ইতিহাসের সৌভাগ্য নাকি মাঠের লড়াই শেষ পর্যন্ত কোনটি জয় এনে দেয় মেসিদের।

জুলাই ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বনদফতরের চাকরিতে বড় বদল! মুখ্যমন্ত্রীর এক ঘোষণাতেই বদলে গেল নিয়োগের নিয়ম

বনদফতরের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তনের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, এবার থেকে বনদফতরের নিয়োগ হবে পুলিশ নিয়োগ পর্ষদের মাধ্যমে। এই সিদ্ধান্তের ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়বে বলেই মনে করছে প্রশাসনের একাংশ। অতীতে বনদফতরের নিয়োগ নিয়ে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের পর এই ঘোষণা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।মঙ্গলবার সল্টলেকের বনবিতানে অরণ্য উৎসবের উদ্বোধনে এসে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বনদফতরের কর্মীরা অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কর্মীর অভাব এবং পরিকাঠামোর ঘাটতি রয়েছে। এই পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন করা হবে। তিনি বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁকে নির্দেশ দেন, কোথায় কত শূন্যপদ রয়েছে এবং কী কী পরিকাঠামোর প্রয়োজন, তার বিস্তারিত তালিকা তৈরি করে মুখ্য সচিবের কাছে জমা দিতে। সেই তালিকার ভিত্তিতেই নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে।মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, বনদফতরের সমস্ত নতুন নিয়োগ পুলিশ নিয়োগ পর্ষদের মাধ্যমে করা হবে। তাঁর দাবি, এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় থাকবে এবং যোগ্য প্রার্থীরাই সুযোগ পাবেন।উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে বন সহায়ক পদে নিয়োগ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। প্রায় দুই হাজার শূন্যপদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অস্বচ্ছতার অভিযোগ ওঠে। পরে কলকাতা হাই কোর্ট পুনরায় সাক্ষাৎকার নেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেই ঘটনার পর থেকেই বনদফতরের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে।অনুষ্ঠান থেকে আগের সরকারেরও কড়া সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, বন ও জঙ্গলের উন্নয়নে কোনও কাজ করা হয়নি। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের মতো বনাঞ্চল আজ নানা সমস্যায় জর্জরিত। আকাশপথে সেই এলাকাগুলি দেখলে পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট বোঝা যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে সাত কোটি পঞ্চাশ লক্ষ গাছ লাগানোর লক্ষ্যও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পঞ্চায়েত সদস্যদের এক হাজার করে এবং বিধায়কদের এক লক্ষ করে গাছ লাগানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

জুলাই ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে ফের ট্রলার বিপর্যয়! মৃত্যুর মুখ থেকে কীভাবে ফিরলেন ১৩ মৎস্যজীবী?

ফের বঙ্গোপসাগরে ট্রলার দুর্ঘটনা ঘিরে আতঙ্ক ছড়াল উপকূল জুড়ে। তবে এবার বড় বিপদ থেকেও অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেলেন ১৩ জন মৎস্যজীবী। মাঝসমুদ্রে ট্রলার ডুবে গেলেও পাশ দিয়ে যাওয়া অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের তৎপরতায় সকলকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এই ঘটনায় স্বস্তি ফিরলেও কয়েক দিন আগের ভয়াবহ ট্রলার দুর্ঘটনার স্মৃতি আবারও তাজা হয়ে উঠেছে।স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কাকদ্বীপের বাসিন্দা লক্ষ্মীনারায়ণ দাসের এফবি সিদ্ধিবিনায়ক নামে একটি ট্রলার ১৩ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিল। সোমবার রাতে মাছ ধরে ফেরার পথে বকখালি উপকূল থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে আচমকা আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারের নিচের অংশ ফেটে জল ঢুকতে শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই ট্রলারটি ডুবতে থাকে।বিপদ বুঝে মৎস্যজীবীরা চিৎকার করে সাহায্য চান। সেই সময় কাছাকাছি থাকা অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। উদ্ধারকারীদের তৎপরতায় ডুবন্ত ট্রলার থেকে ১৩ জন মৎস্যজীবীকেই নিরাপদে তুলে আনা সম্ভব হয়। যদিও এফবি সিদ্ধিবিনায়ক ট্রলারটি সমুদ্রের জলে তলিয়ে যায়। এখনও সেটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।উদ্ধার হওয়া মৎস্যজীবীদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরপর তাঁদের উপকূলে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। সকলেই নিরাপদে ফিরে আসায় পরিবার ও প্রশাসন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। তবে পরপর ট্রলার দুর্ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে মৎস্যজীবীদের মধ্যে।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই বঙ্গোপসাগরে মা কালী নামে একটি ট্রলার নিখোঁজ হয়ে যায়। শঙ্করপুর বন্দর থেকে ১৫ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে রওনা হওয়ার পর ট্রলারটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে বকখালি উপকূলের কাছে উল্টে থাকা অবস্থায় সেটি উদ্ধার হয়। সেই ঘটনায় ৯ জনের দেহ উদ্ধার হলেও এখনও ৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নতুন এই দুর্ঘটনার পর সমুদ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ফের বড় ধাক্কা সুপ্রতিম সরকারের! রাতারাতি সরিয়ে দিল রাজ্য, পুলিশে ব্যাপক রদবদল

রাজ্য পুলিশে ফের বড় রদবদল করল সরকার। মঙ্গলবার জারি হওয়া নির্দেশে একাধিক আইপিএস এবং রাজ্য পুলিশ পরিষেবার আধিকারিকের দায়িত্ব বদল করা হয়েছে। এই রদবদলের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত হল প্রাক্তন কলকাতা পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে অপরাধ তদন্ত দফতরের অতিরিক্ত মহানির্দেশকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া। তাঁকে এবার টেলিকম শাখার অতিরিক্ত মহানির্দেশকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অপরাধ তদন্ত দফতরের নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেলেন নটরাজন রমেশবাবু।একইসঙ্গে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ পদে আনা হয়েছে সৎ ও দক্ষ আধিকারিক হিসেবে পরিচিত কে জয়রামনকে। তাঁকে অর্থনৈতিক অপরাধ দমন শাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার পদ থেকেও সরানো হয়েছে ত্রিপুরারি অথর্ভকে। তাঁর জায়গায় নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অমিত রাঠোর।বারুইপুরের সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করেও প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। সেখানে কর্মরত দুই অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের মধ্যে পিনাকি দত্তকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় অতীশ বিশ্বাসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছাতে দেরি হওয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পরই এই বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সুপ্রতিম সরকারকে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদ থেকে সরানো হয়েছিল। পরে তাঁকে অপরাধ তদন্ত দফতরের অতিরিক্ত মহানির্দেশক করা হয়। এছাড়া ভিনরাজ্যে নির্বাচন পর্যবেক্ষকের দায়িত্বও পালন করেছিলেন তিনি।এবার তাঁকে টেলিকম শাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই শাখা রাজ্য পুলিশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক পরিচালনা করলেও প্রশাসনিক গুরুত্বের বিচারে এটি তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ পদ বলে পুলিশ মহলের একাংশের মত।

জুলাই ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal