• ২০ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IPS

কলকাতা

ফের বড় ধাক্কা সুপ্রতিম সরকারের! রাতারাতি সরিয়ে দিল রাজ্য, পুলিশে ব্যাপক রদবদল

রাজ্য পুলিশে ফের বড় রদবদল করল সরকার। মঙ্গলবার জারি হওয়া নির্দেশে একাধিক আইপিএস এবং রাজ্য পুলিশ পরিষেবার আধিকারিকের দায়িত্ব বদল করা হয়েছে। এই রদবদলের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত হল প্রাক্তন কলকাতা পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে অপরাধ তদন্ত দফতরের অতিরিক্ত মহানির্দেশকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া। তাঁকে এবার টেলিকম শাখার অতিরিক্ত মহানির্দেশকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অপরাধ তদন্ত দফতরের নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেলেন নটরাজন রমেশবাবু।একইসঙ্গে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ পদে আনা হয়েছে সৎ ও দক্ষ আধিকারিক হিসেবে পরিচিত কে জয়রামনকে। তাঁকে অর্থনৈতিক অপরাধ দমন শাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার পদ থেকেও সরানো হয়েছে ত্রিপুরারি অথর্ভকে। তাঁর জায়গায় নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অমিত রাঠোর।বারুইপুরের সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করেও প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। সেখানে কর্মরত দুই অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের মধ্যে পিনাকি দত্তকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় অতীশ বিশ্বাসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছাতে দেরি হওয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পরই এই বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সুপ্রতিম সরকারকে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদ থেকে সরানো হয়েছিল। পরে তাঁকে অপরাধ তদন্ত দফতরের অতিরিক্ত মহানির্দেশক করা হয়। এছাড়া ভিনরাজ্যে নির্বাচন পর্যবেক্ষকের দায়িত্বও পালন করেছিলেন তিনি।এবার তাঁকে টেলিকম শাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই শাখা রাজ্য পুলিশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক পরিচালনা করলেও প্রশাসনিক গুরুত্বের বিচারে এটি তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ পদ বলে পুলিশ মহলের একাংশের মত।

জুলাই ১৪, ২০২৬
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে কড়া বার্তা বিজেপি সরকারের, তিন আইপিএসের সাসপেনশন আরও ১২০ দিন বৃদ্ধি, নতুন করে তদন্তে জোর

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে বহুল আলোচিত আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ-খুন মামলা। প্রশাসনিক স্তরে এই মামলার তদন্তকে আরও গভীর করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করল বিজেপি সরকার। আরজি কর-কাণ্ডের সময়ে কলকাতা পুলিশের শীর্ষ পদে থাকা তিন আইপিএস আধিকারিকের সাসপেনশনের মেয়াদ আরও ১২০ দিন বাড়ানো হয়েছে। সরকারের দাবি, ওই সময় তদন্ত ও প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে ওঠা একাধিক অভিযোগের নিরপেক্ষ মূল্যায়ন না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় প্রক্রিয়া চলবে।সাসপেন্ড হওয়া তিন আধিকারিক হলেন তৎকালীন কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, তৎকালীন ডিসি (নর্থ) অভিষেক গুপ্ত এবং তৎকালীন ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরই আরজি কর মামলার প্রশাসনিক দিকগুলি নতুন করে খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সূত্রেই তিন আধিকারিককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। এবার সেই নিলম্বনের মেয়াদ আরও চার মাস বাড়ানো হল।সরকারি সূত্রের দাবি, শুধুমাত্র অপরাধের তদন্ত নয়, ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকা, তথ্য পরিবেশন, অপরাধস্থল সংরক্ষণ এবং তদন্তে কোনও গাফিলতি হয়েছিল কি না, সেই সমস্ত বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বে থাকা অবস্থায় এই তিন আধিকারিক যথাযথ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। সেই কারণেই বিভাগীয় তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের সাসপেনশন বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এদিকে আদালতের নির্দেশে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)-এর হয়ে সিবিআই ইতিমধ্যেই তিন আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। গত মাসে তাঁরা পৃথকভাবে সিবিআই দফতরে হাজিরা দেন। তদন্তকারীরা তাঁদের বয়ান রেকর্ড করেন এবং ঘটনার সময় পুলিশের সিদ্ধান্ত, তদন্তের অগ্রগতি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন। সূত্রের খবর, প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও তাঁদের ফের ডেকে পাঠানো হতে পারে।২০২৪ সালের অগস্টে আরজি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত এক তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা রাজ্যজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল। কলকাতা পুলিশ অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতার করলেও তদন্তের বিভিন্ন পর্যায়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশ্যে চলে আসা, পরস্পরবিরোধী তথ্য প্রকাশ, তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়ে বিতর্ক এবং হাসপাতালের ভিতরে দীর্ঘদিন ধরে চলা কথিত অসাধু চক্রকে আড়াল করার অভিযোগে তৎকালীন পুলিশ প্রশাসন সমালোচনার মুখে পড়ে।ঘটনার জেরে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরে বিনীত গোয়েলকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদ থেকে সরিয়ে দেন। যদিও তিনি অন্য একটি প্রশাসনিক দায়িত্বে বহাল ছিলেন। কিন্তু সরকার বদলের পর তাঁর ভূমিকা নতুন করে তদন্তের আওতায় আসে।এই মামলায় বিতর্ক আরও বাড়ে ঘটনার প্রায় দুসপ্তাহ পরে একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই হয়নি, তবু সেখানে দেখা যায় বলে দাবি করা হয় যে, যেখান থেকে চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার হলে একাধিক বহিরাগত প্রবেশ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, ভিডিওটি সেমিনার হলের হলেও অপরাধস্থল সুরক্ষিত ছিল। তাঁর এই বক্তব্য ঘিরেই তথ্য গোপনের অভিযোগ ওঠে।অন্যদিকে, অপরাধস্থলের চেহারা বদলে যাওয়া, সেমিনার হলের কাঠামোয় পরিবর্তন, রাতদখল কর্মসূচির রাতে ভাঙচুর এবং প্রমাণ সংরক্ষণে ব্যর্থতার মতো একাধিক অভিযোগের সঙ্গেও অভিষেক গুপ্তের নাম উঠে আসে। তদন্তকারীরা এখন সেই সমস্ত অভিযোগের নথি, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের নেপথ্য কারণ খতিয়ে দেখছেন।রাজনৈতিক মহলের মতে, সাসপেনশনের মেয়াদ আরও ১২০ দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, আরজি কর মামলায় শুধুমাত্র অপরাধীদের বিচারের মধ্যেই তদন্ত সীমাবদ্ধ থাকছে না; বরং ঘটনার সময় প্রশাসনিক ব্যর্থতা বা দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগও সমান গুরুত্ব দিয়ে বিচার করতে চাইছে বর্তমান সরকার। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই তিন আইপিএস আধিকারিকের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কান্ডে বড় পদক্ষেপ! তিন আইপিএস সাসপেন্ড, ফের খুলছে তদন্তের ফাইল; মমতার ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের বহুল আলোচিত চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনকাণ্ডে নতুন করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। শুক্রবার নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করলেন, ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা তিন আইপিএস অফিসারবিনীত গোয়েল, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্ত-কে সাময়িক বরখাস্ত করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি-র ভূমিকা নিয়েও খতিয়ে দেখার ইঙ্গিত দিয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী।নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছে লিখিত রিপোর্ট তলব করেছিলেন। আরজি করের ঘটনার সময় পুলিশ প্রশাসন কীভাবে পরিস্থিতি সামলেছিল, কোথায় কোথায় গাফিলতি হয়েছে এবং কোন স্তরে তদন্ত প্রক্রিয়ায় ব্যত্যয় ঘটেছে, তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পরই এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, প্রাথমিক তদন্তেই উঠে এসেছে একাধিক গুরুতর ত্রুটির অভিযোগ। বিশেষ করে ঘটনার পর যথাসময়ে এফআইআর দায়ের, প্রমাণ সংগ্রহ এবং তদন্তের প্রাথমিক ধাপগুলি সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু তথ্যের উল্লেখ করে শুভেন্দু দাবি করেন, নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সরকারি স্তরে আর্থিক সমঝোতার চেষ্টা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।২০২৪ সালের অগস্টে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড সামনে আসতেই সারা রাজ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়। চিকিৎসক সমাজের লাগাতার আন্দোলন, প্রতিবাদ মিছিল এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে জনরোষের মুখে তৎকালীন কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবিও জোরালো হয়। পরবর্তীতে তাঁকে কলকাতা পুলিশের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে এসটিএফ-এর এডিজি ও আইজিপি পদে বদলি করা হয়েছিল।একই সময়ে কলকাতা পুলিশের ডিসি (নর্থ) পদে ছিলেন অভিষেক গুপ্ত। তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ ওঠার পর তাকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। ডিসি (সেন্ট্রাল) পদে থাকা ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ও আরজি কর-পরবর্তী অস্থির পরিস্থিতিতে কলকাতা পুলিশের মুখপাত্র হিসেবে বারবার সংবাদমাধ্যমের সামনে এসেছিলেন। তাঁর ভূমিকাও এখন তদন্তের আওতায় আসছে।শুভেন্দু স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই তদন্ত শুধু প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা নির্ধারণেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; প্রয়োজন হলে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর এই ঘোষণার পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। বিরোধীরা একে ন্যায়বিচারের পথে বড় পদক্ষেপ বলে দাবি করলেও, শাসকদলের একাংশ এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই কটাক্ষ করেছে।আরজি কর কাণ্ডে নতুন করে তদন্তের দরজা খোলায় ফের সামনে আসছে সেই ভয়াবহ রাতের বহু অমীমাংসিত প্রশ্ন। এবার প্রশাসনিক পদক্ষেপ কতদূর গড়ায়, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ডে বড় অ্যাকশন! একসঙ্গে সাসপেন্ড তিন আইপিএস অফিসার

ক্ষমতায় এসেই আরজি কর কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। নির্যাতিতা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে তিন জন আইপিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্তও।যাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁরা হলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্ত। রাজ্য সরকারের অভিযোগ, আরজি কর কাণ্ডের সময় পুলিশের তরফে যথাযথ পদক্ষেপ করা হয়নি। এফআইআর করতে দেরি এবং তদন্তে গাফিলতির অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, সেই সময় পুলিশের আধিকারিক এবং অফিসারদের ভূমিকা ঠিক কী ছিল, তা বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে দেখা হবে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মূল মামলার তদন্ত যেহেতু সিবিআই করছে, তাই সেই তদন্তে রাজ্য সরকার কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।আরজি কর কাণ্ড সামনে আসার পর নির্যাতিতার পরিবারকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছিল বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, দুই পুলিশ অফিসার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে চাপ তৈরি করার চেষ্টা করেছিলেন। সেই অভিযোগও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।আরজি কর কাণ্ডের সময় কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে ছিলেন বিনীত গোয়েল। ডিসি সেন্ট্রাল হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, কেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় পুলিশের মুখপাত্রের মতো আচরণ করেছিলেন এবং সেই সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এত প্রশ্ন কেন উঠেছিল।এই ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক মহলেও তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, আরজি কর কাণ্ড নিয়ে শুরু থেকেই রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ করল নতুন সরকার।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

দল ছাড়ছেন দীপ্সিতা? সদস্যপদ নবীকরণ ঘিরে তীব্র জল্পনা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের বাম রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তরুণ নেত্রী দীপ্সিতা ধর তাঁর দলীয় সদস্যপদ পুনর্নবীকরণ এখনও না করায় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন দলের অভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ডে অসন্তোষ থেকেই এই দূরত্ব, আবার কেউ বলছেন বিষয়টি সম্পূর্ণই সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার অংশ। যদিও দীপ্সিতা নিজে সমস্ত জল্পনাকে রটনা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং জানিয়েছেন সদস্যপদ নবীকরণের জন্য মার্চ মাস পর্যন্ত সময় রয়েছে।দলীয় নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর জানুয়ারি থেকে মার্চের শেষ পর্যন্ত সদস্যপদ নবীকরণ করা যায়। সাধারণত এই সময়ের মধ্যেই অধিকাংশ সদস্য প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেন। আবেদন প্রথমে জেলা স্তরে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয় এবং ধাপে ধাপে তা সম্পন্ন হয়। তবে দলীয় সূত্রে খবর, ফেব্রুয়ারির অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলেও দীপ্সিতার নবীকরণ হয়নি। এদিকে নির্বাচনের সম্ভাব্য ঘোষণা সামনে থাকায় আপাতত সংগঠনের কাজের গতি কিছুটা থমকে রয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে তিনি আদৌ সদস্যপদ চালিয়ে যেতে চান কি না।দীপ্সিতা জানিয়েছেন, তিনি পড়াশোনার সময় জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় এ থাকাকালীন দলের সদস্য হন এবং সেই সূত্রে তাঁর সদস্যপদ নবীকরণ দিল্লিতেই হওয়ার কথা। তাই রাজ্যে নবীকরণ না হওয়া নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সময় শেষ হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে অযথা জল্পনা ছড়ানো হচ্ছে। তবে মার্চের মধ্যে নতুন করে ফর্মে সই করবেন কি না সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি প্রতীক উর রহমান এর পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, দলের সমালোচনা মানেই দলবিরোধী অবস্থান নয়। এতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে দলের তরুণ নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ইদানিং দলীয় কর্মসূচিতে দীপ্সিতাকে তেমন সক্রিয় দেখা যাচ্ছে না। এমনকি বিতর্কসভা ও মিছিলেও তাঁর উপস্থিতি কমেছে। ২০২৪ সালে শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়ে পরাজয়ের পর কিছুদিন সক্রিয় থাকলেও বর্তমানে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।অন্যদিকে একই প্রজন্মের নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি করে চলেছেন। দীপ্সিতার এলাকাতেও তাঁর সক্রিয়তা চোখে পড়ছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, ভবিষ্যতে কি নতুন কোনও সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন দীপ্সিতা? নাকি সবটাই সাময়িক দূরত্ব? এই প্রশ্নের উত্তর সময়ই দেবে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
কলকাতা

দুই দিনের মধ্যেই কর্মজীবন শেষ রাজীব কুমারের! রাজ্যকে কড়া নির্দেশ ক্যাটের

আগামী ৩১ জানুয়ারি রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমারের কর্মদিবসের শেষ দিন। তার আগেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে কড়া নির্দেশ দিল সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রাইবুনাল। বুধবার আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমারের মামলার প্রেক্ষিতে ক্যাট জানিয়ে দেয়, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই স্থায়ী ডিজি নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।ক্যাটের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্য সরকারকে আগামী ২৩ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে ই-মেল এবং বিশেষ বাহকের মাধ্যমে ইউপিএসসির কাছে ডিজিপি বা হেড অফ পুলিশ ফোর্স পদের জন্য এমপ্যানেলমেন্টের প্রস্তাব নতুন করে জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে ইউপিএসসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে এমপ্যানেলমেন্ট কমিটির বৈঠক ডেকে নিয়ম মেনে প্যানেল চূড়ান্ত করতে হবে। সেই প্যানেল ২৯ জানুয়ারির মধ্যেই রাজ্য সরকারের কাছে পাঠাতে হবে। প্যানেল হাতে পাওয়ার পর রাজ্য সরকারকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ডিজি নিয়োগ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।অর্থাৎ কার্যত আগামী পরশুর মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের ডিজি নিয়োগ নিয়ে ইউপিএসসির কাছে প্রস্তাব পাঠাতে বাধ্য রাজ্য সরকার। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে স্থায়ী ডিজি মনোজ মালব্য অবসর নেওয়ার পর থেকে রাজ্যে আর স্থায়ী ডিজি নিয়োগ হয়নি। সেই সময় কোনও প্যানেল না পাঠিয়েই রাজীব কুমারকে ভারপ্রাপ্ত ডিজির দায়িত্ব দেয় রাজ্য সরকার।এই কারণেই ইউপিএসসি এখনও ২০২৩ সালের ডিসেম্বরকেই ডেট অব ভ্যাকেন্সি হিসেবে ধরে রেখেছে। যদিও ২০২৫ সালে রাজ্য সরকার দুবার ইউপিএসসির কাছে প্যানেল পাঠিয়েছিল, কিন্তু সেই প্যানেল গ্রহণ না করে সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ নিতে বলে ইউপিএসসি। বিষয়টি নিয়ে নিজেরা সিদ্ধান্ত নিতে না পেরে কেন্দ্রের অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটরামানির দ্বারস্থ হয় কমিশন।অ্যাটর্নি জেনারেলের পরামর্শ ছিল, রাজ্য সরকারকে আগে সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি নিতে হবে। শীর্ষ আদালত অনুমতি দিলে তবেই ইউপিএসসির পক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ করা সম্ভব। সেই অবস্থার মধ্যেই ক্যাটের এই নির্দেশ নতুন করে চাপ বাড়াল রাজ্য সরকারের উপর। এখন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ডিজি নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে আইনি জটিলতা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ২১, ২০২৬
দেশ

রাতবিরেতে ট্রেন থেকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ! কেন গ্রেপ্তার প্রাক্তন আইপিএস অমিতাভ ঠাকুর

লখনউ পুলিশ বুধবার ভোররাতে প্রাক্তন আইপিএস অফিসার অমিতাভ ঠাকুরকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগ, ১৯৯৯ সালে উত্তরপ্রদেশের ডোরিয়া জেলার পুলিশ সুপার থাকা অবস্থায় তিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে ভুয়ো নথি বানিয়ে স্ত্রীর নামে একটি শিল্প প্লট দখল করেছিলেন। সেই মামলাতেই তাঁর বিরুদ্ধে নতুন করে তদন্ত শুরু হয় এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়।মঙ্গলবার গভীর রাতে তিনি ট্রেনে করে লখনউ হয়ে দিল্লি যাচ্ছিলেন। রাত প্রায় ২টোয় শাহজাহানপুর জংশনে তাঁকে আটক করে লখনউ পুলিশ। এরপর কঠোর নিরাপত্তায় তাঁকে ডোরিয়া নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা পরীক্ষা করানো হয় এবং পরে মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতে পেশ করা হয়। আদালত তাঁকে ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।পুলিশ জানিয়েছে, ডোরিয়া সদর কোতোয়ালি থানায় ১০২১/২৫ নম্বর মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪১৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৩৪ ও ১২০বি ধারায় অভিযোগ রয়েছে। মামলার মূল অভিযোগভুয়ো কাগজ দেখিয়ে অবৈধভাবে শিল্প প্লট দখল করা।আদালতে ঢোকার সময় অমিতাভ ঠাকুর দাবি করেন, তিনি সরকার ও প্রশাসনের দুর্নীতি প্রকাশ করেন বলেই তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। তাঁর আরও অভিযোগ, আমাকে খুন করার প্ল্যানও করা হতে পারে। ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে কথা বললে এমনটাই হয়।তাঁর এই মন্তব্যে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে উত্তরপ্রদেশে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

আদালত অবমাননায় বিপাকে সিনিয়র আইপিএস, গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি হাইকোর্টের

আদালতের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগে এবার কার্যত কঠোর অবস্থান নিল Telangana High Court। বৃহস্পতিবার আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, আগামী ৫ ডিসেম্বর সশরীরে হাজিরা না দিলে হায়দরাবাদের হাইড্রা কমিশনার তথা সিনিয়র আইপিএস অফিসার AV Ranganath-এর বিরুদ্ধে জারি হতে পারে নন-বেলেবল ওয়ারেন্ট। বাথুকাম্মা কুন্তা লেক সংস্কার সংক্রান্ত একটি আদালত অবমাননার মামলায় এই কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।এই মামলার সূত্রপাত বাঘ অম্বরপেট এলাকায় বাথুকাম্মা কুন্তা লেকের পাশে থাকা একটি বিতর্কিত জমিকে ঘিরে। জমিটির মালিক আবেদনকারী এ সুধাকর রেড্ডি। তাঁর অভিযোগ, আদালতের নির্দিষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট সংস্থা ওই জমিতে বড়সড় নির্মাণকাজ চালিয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, হাইড্রার দাবি, ওই জমি আসলে লেকের ফুল ট্যাঙ্ক লেভেল বা এফটিএল-এর মধ্যেই পড়ে এবং জলাশয় পুনরুদ্ধারের জন্য সেখানেই কাজ করা জরুরি।গত জুন মাসে এই মামলায় আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, বর্ষার আগে শুধু সীমিত পরিসরে বন্যা প্রতিরোধমূলক কাজ করা যাবে, কিন্তু বিতর্কিত জমিতে কোনও রকম দখল করা চলবে না। অভিযোগ, সেই নির্দেশ অমান্য করেই লেক সংস্কারের নামে জমিতে বড়সড় পরিবর্তন ও নির্মাণ চালানো হয়েছে। অক্টোবরে তোলা ছবিতে সেই নির্মাণকাজের প্রমাণ মেলায় আদালত প্রাথমিকভাবে এটিকে আদালত অবমাননা বলেই মনে করে।বৃহস্পতিবার শুনানির দিন কমিশনার রঙ্গনাথ সশরীরে হাজির না হয়ে অব্যাহতির আবেদন জানান। সেই আবেদন খারিজ করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের সাফ বক্তব্য, এই মামলায় তাঁর ব্যক্তিগত উপস্থিতি বাধ্যতামূলক, কারণ এখানে ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতের নির্দেশ অমান্যের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।উল্লেখ্য, রঙ্গনাথ বর্তমানে Hyderabad Disaster Response and Asset Protection Agency বা হাইড্রার শীর্ষ পদে রয়েছেন। এই সংস্থা শহরের সরকারি সম্পত্তি রক্ষা ও বিপর্যয় মোকাবিলার দায়িত্বে রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি জমি সংক্রান্ত একাধিক ইস্যুতে হাইড্রার ভূমিকা নিয়ে আদালতের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছে সংস্থাটিকে।এই মামলায় আদালতের কড়া অবস্থানে প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। একদিকে যখন শহরের জলাশয় রক্ষার দাবি করা হচ্ছে, তখন অন্যদিকে আদালতের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ প্রশাসনের ভাবমূর্তিতে বড় ধাক্কা বলে মনে করছেন আইনি বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এখন সব নজর ৫ ডিসেম্বরের দিকেসেদিন সত্যিই কমিশনার হাজিরা দেন কি না, তার উপর নির্ভর করছে এই বিতর্কিত মামলার পরবর্তী গতিপথ।

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

রং তোলার ভয়ে যারা দোল খেলেন না তাদের জন্য, দোলের রং তোলার সহজ উপায়

নানারকম দোলের রং মেখে সারা মুখে এক কিম্ভুতকিমাকার দশা। স্নানের সময় বার বার সাবান দিয়ে ধুয়েও কোনও ভাবে যাচ্ছেই না, বেশী ত্বক ঘসার জন্য ত্বকে জ্বালা, অফিস যেতে সমস্যা। না! রং তোলা মোটেই খুব কঠিন বিষয় নয়। আমাদের হাতের কাছেই থাকা কয়েকটা উপাদান দিয়ে অতি সহজেই ত্বকের রং তুলে ফেলা যায়। কিন্তু এগুলির অনেকই আবার ত্বকের জন্য ততটা নিরাপদ নয়। তা হলে? দেখে নেওয়া যাক, রং তোলার কিছু সহজ প্রক্রিয়া, যারা ক্ষতি তো করবেই না, বরং এগুলিতে উপকার হবে ত্বকের।পাতিলেবুঃ একটু হালকা রং তোলার জন্য পাতিলেবুর বিকল্প নেই। লেবু, মধু, জলপাই তেল আর হলুদ আছে এমন ফেস প্যাক ব্যবহার করে রং তুললে ত্বকের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসে। ত্বকের নমনীয়তাও বাড়ে। এছাড়া পাতিলেবুর রস তুলো দিয়ে ত্বকে বুলিয়ে নিয়ে ৩-৪ মিনিট রেখে জলে ধুয়ে নিয়ে রঙের প্রলেপ অনেকটা হালকা হয়।ডিমঃ রং খেলার নাম করে মাথায় ডিম ফাটানোর রেওয়াজ আজকের নয়। অনেকেরই দাবি, এতে চুলের উপকার হয়। কথাটা খুব একটা ভুলও নয়। চুলের এবং মাথার ত্বকের রং তুলতে ডিমের হলুদ অংশ খুবই পারদর্শী। ডিমের হলুদ অংশ রং লাগা জায়গাগুলিতে মাখিয়ে রেখে, পরে তা হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে তুলে ফেললেই হল। রং পরিষ্কার।বিয়ারঃ পানীয় হিসেবে দোলের দিনে এটি অনেকেরই পছন্দ। কিন্তু শুধুমাত্র পানীয় হিসেবে নয়, এটিকে রং তোলার ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যেতে পারে। চুলের রং আর মুখের রং তুলতে বিয়ার ব্যবহার করা যেতেই পারে। এতে চুলের এবং ত্বকের উভয়েরই উপকার হয়। শুধু বিয়ার দিয়ে রং সাফ করার আগে, এক বোতল এই পানীয়ের সঙ্গে এক চামচ পাতি লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারলে ভাল হয়।হোলির বা দোলের রং সহজে তুলতে অলিভ অয়েল অতি উপকারী উপাদান। যারা আলিভ অয়েল যগার করতে পারবেন না তারা অলিভের পরিবর্তে নারকেল তেল ও ব্যবহার করতে পারেন। রং খেলার আগে তেল মেখে নিলে রং সহজে উঠে যায় এবং ত্বকের ক্ষতিও হয় না।এখানে রং খেলার পর সেটি তোলার জন্য অলিভ অয়েল ব্যবহারের কিছু উপায় দেওয়া হলোঃরং খেলার আগেরং খেলার আগে ভালো করে অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল হাতে, পায়ে, এবং মুখে লাগিয়ে নিন। রং খেলার পরঃরং খেলার পর সাবান বা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার আগে, অলিভ অয়েল দিয়ে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। ত্বকের জন্য প্যাকঃরং তোলার জন্য দই, বেসন, হলুদ গুঁড়ো, অলিভ অয়েল এবং লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে লাগাতে পারেন।চুলের জন্যঃচুলের রং তুলতে ডিমের সাদা অংশ বা নারকেলের দুধ ব্যবহার করতে পারেন।ত্বকের যত্নঃরং তোলার পর ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে ভুলবেন না।বিঃদ্রঃ ত্বকে এই উপাদানের কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকলে এই ধরনের উপকরণ ব্যবহারের করবেন না।

মার্চ ১৫, ২০২৫
রাজ্য

চাকরি থেকে ইস্তফা দিলেন আইপিএস অফিসার

নিঃশর্তে চাকরি থেকে ইস্তফা দিলেন কোচবিহারের শীতলকুচিতে ভোটকেন্দ্রে গুলিকাণ্ডে সাসপেন্ড হওয়া পুলিশ সুপার তথা আইপিএস অফিসার দেবাশিস ধর। ২০২১ বিধানসভা ভোটের সময়ে কোচবিহারের শীতলখুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চার গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছিল। সেই সময়ে কোচবিহারের পুলিশ সুপার ছিলেন তিনি। বিধানসভার ভোট মিটে যেতেই দেবাশিসের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল রাজ্য গোয়েন্দা দফতর তথা সিআইডি। লোকসভা নির্বাচনের আগে তাঁর ইস্তফা যথেষ্ট তাৎপর্য পূর্ণ।বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা। দক্ষিণবঙ্গের কোন একটি লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন প্রাক্তন পুলিশ কর্তা দেবাশীষ ধর। এরআগে উত্তরবঙ্গের আইজি প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের পর প্রার্থী হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মালদা উত্তর লোকসভা কেন্দ্র থেকে। স্বভাবতই জল্পনা তুঙ্গে।

মার্চ ২১, ২০২৪
রাজ্য

ফের বদল রাজ্য পুলিশের ডিজি, নতুন পদে সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে নিয়োগ কমিশনের

ইতিমধ্যে রাজ্য পুলিশের ডিজির পদ থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশন আইপিএস রাজীব কুমারকে অপসারণ করেছিল। নির্বাচনী সব প্রক্রিয়া থেকে তাঁকে বাইরে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর রাজ্যের ডিজি কে হবেন তা নির্ণয়ে নবান্নের কাছে তিনটি নাম চেয়েছিল কমিশন। সেই তালিকা থেকে রাজ্যে কর্মরত সবচেয়ে অভিজ্ঞ আইপিএস বিবেক সহায়কে ডিজির চেয়েরে বসার সিলমোহর দেয় কমিশন। ওইদিনই দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন বিবেক সহায়। কিন্তু ২৪ ঘন্টা না কাটতেই ফের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি পরিবর্তন করে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বিবেক সহায়ের বদলে নবান্নের তরফে কমিশনের কাছে পাঠানো তালিকায় নাম থাকা আইপিএস সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে ডিজি-র দায়িত্ব দেওয়া হল। আজ, অর্থাৎ মঙ্গলবার বিকেল ৫টর মধ্যেই ডিজি-র দায়িত্বভার গ্রহণ করতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।রাজীব কুমারের উত্তরসূরি হিসাবে আইপিএস বিবেক সহায়ের সঙ্গে আরও দুই সিনিয়র আইপিএস অফিসার সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় এবং রাজেশ কুমারের নাম নবান্ন কমিশনে পাঠিয়েছিল। তার মধ্যে থেকেই এ দিন ১৯৮৯ সালের আইপিএস সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে ডিজি নিয়োগ করল কমিশন।কেন ২৪ ঘন্টার আগেই ডিজি-র পদ থেকে আইপিএস বিবেক সহায়কে সরাল কমিশন? সূত্রের খবর, আইপিএস বিবেক সহায়কে সিনিয়ারিটির ভিত্তিতে রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ পদে বসানো হয়েছিল। কিন্তু লোকসভা ভোট চলাকালীনই আগামী মে মাসে তাঁর অবসর। তখনও সাত দফা নির্বাচনের শেষ দফা ভোট (১ জুন) বাকি থাকবে। ফলে আইন-শৃঙ্খলার অসুবিধা হতে পারে। কমিশনের যুক্তি, ভোট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একজন ডিজিপি দায়িত্বে থাকলে কাজের সুবিধা হয়। তাই আইপিএস সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কেই রাজ্যের ডিজি-র চেয়ারে বসানো হল।অপসারণের দিন রাতেই আইপিএস রাজীব কুমাকে রাজ্যের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব পদে নিয়োগ করেছে রাজ্য প্রশাসন।

মার্চ ১৯, ২০২৪
রাজ্য

পাগরিধারী আইপিএসকে 'খালিস্থানি' কটাক্ষ, বিজেপির প্রতি ক্ষোভ উগরালেন মমতা

ফের সন্দেশখালি যাওয়ার পথে এদিনও প্রথমে আটকানো হয় শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপি বিধায়কদের। তখন পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান শুভেন্দুরা। অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। অভিযোগ, এর মাঝেই কর্তব্যরত এক পাগড়িধারী আইপিএস পুলিশ আধিকারিককে খালিস্তানি বলা হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। যার প্রতিবাদে মুখর হন মুখ্যমন্ত্রী। একটি ভিডিও পোস্ট করে গর্জে ওঠেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সন্দেশখালি যাওয়ার পথে মঙ্গলবার সকালে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির প্রতিনিধি দলকে ধামাখালিতে আটকায় পুলিশ। কেন এই পদক্ষেপ? তা জানতে চেয়ে পুলিশের সঙ্গে চরম বচসায় জড়ায় শুভেন্দু অধিকারীরা। বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব পুলিশের সঙ্গে বিরোধে জড়ান। এসবের মাঝেই পুলিশের ব্যারিকেডের মাঝে মাথায় পাগড়ি পরিহিত এক পুলিশ আধিকারিককে খালিস্তানি বলা হয়েছে বলে অভিযোগ। এরকম বলার জন্য জসপ্রিত সিং নামে ওই পুলিশ আধিকারিককে সংবাদ মাধ্যমের সামনেই প্রতিবাদ করতে দেখা যায়।মুখ্যমন্ত্রীর সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে পুলিশ কর্তা জসপ্রিত সিং বারবার তাঁকে খালিস্তানি বলার জন্য প্রতিবাদ করছেন। তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমার মাথায় পাগড়ি আছে বলে আমায় খালিস্তানি বলছেন? আমাকে খালিস্তানি কেন বলছেন? আমি কি খালিস্তানি? এই মনোভাব আপনাদের? এমনকী, এ জন্য তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানান। তবে তাঁকে নির্দিষ্ট করে কে খালিস্তানি বলেছে,তা স্পষ্ট করা হয়নি।এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, আজ, বিজেপির বিভাজনের রাজনীতি নির্লজ্জভাবে সাংবিধানিক সীমানা অতিক্রম করেছে। বিজেপির কাছে পাগড়ি পরা প্রত্যেক ব্যক্তিই খালিস্তানি? আমি আমাদের শিখ ভাই ও বোনদের খ্যাতি ক্ষুন্ন করার এই প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানাই, আমাদের জাতির প্রতি তাঁদের ত্যাগ এবং অটল সংকল্পের জন্য সম্মানিত। আমরা বাংলার সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় দৃঢ়ভাবে রয়েছি এবং এটিকে ব্যাহত করার যে কোন প্রচেষ্টা প্রতিরোধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।পাল্টা শুভেন্দু অধিকারী এ প্রসঙ্গে বলেন, পাকিস্তান, খালিস্তান এসব আমাদের বলার প্রয়োজন হয় না। আমি বা আমার সাথীদের দ্বারা কাউকে ব্যক্তি আক্রমণ করা হয়েছে বলে বিশ্বাস করি না। ওই অফিসার নম্বর বাড়াতে মমতাকে সঙ্গে নিয়ে এসব করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিম্নমানের রাজনীতি করেন। ওই অফিসারও নম্বর বাড়াতে অসত্য ঘটনা পরিবেশন করছেন।বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতীম সরকার বলেন, বিরোধী দলনেতা একজন পুলিশ আধিকারিকদের দেখে তাঁর ধর্ম তুলে কটাক্ষ করছেন। এটা বরদাস্ত করা হবে না। এর বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৪
রাজ্য

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তমত রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি হলেন রাজীব কুমার, শুভেচ্ছা জানিয়েও খোঁচা তৃণমূল নেতার

রাজ্য পুলিসের নতুন ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) হলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার আইপিএস রাজীব কুমার। বুধবার মমতা মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। রাজীব কুমারকে নিয়ে বহু বিতর্ক হয়েছে তিনি কলকাতার পুলিস কমিশনার থাকাকালীন। এহেন আইপিএসকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিজি পদমর্যাদায় উন্নীত করায় বিরোধীরা কটাক্ষ ছুঁড়ে দিতে কসুর করছেন না। ইউপিএসসি-র কিছু নিময়ের ফেরে, আপাতত রাজীব কুমার ভারপ্রাপ্ত ডিজি হিসেবে কাজ করবেন।কলকাতা পুলিসের প্রাক্তন কমিশনার রাজীব কুমার তথ্য ও প্রযুক্তি দফতরের প্রধান সচিবের পদে কর্মরত ছিলেন। বুধবার মন্ত্রীসভার বৈঠকের পর সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাজীবের এই পদন্নোতির কথা জানানো হয়। রাজীব কুমার কলকাতার পুলিস কমিশনার থাকাকালীন তাঁর নাম একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছিল। ২০১৩ তে বহু চর্চিত সারদা অর্থ লগ্নি সংস্থার মামলায় তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল সিট গঠন করে রাজ্য সরকার। সে সময় সরকারের পক্ষ থেকে বিধাননগর পুলিস কমিশনারের দায়িত্বে থাকা রাজীব কুমারকে সিট-এর দৈনন্দিন কাজকর্ম দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।২০১৩ তে সারদাকাণ্ডে প্রাক্তন সাংবাদিক ও তৎকালীন তৃণমূলের সাংসদ এবং বর্তমানে ওই দলেরই মুখপাত্র রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষকে গ্রেফতার করেছিলেন রাজীব কুমার। এবং ২০১৯ সালে সেই সারদা অর্থ লগ্নি সংস্থার মামলাতেই রাজীব কুমারকে অভিযুক্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সিবিআই রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে সারদা মামলার তথ্য প্রমান লোপাটের মত ভয়ানক অভিযোগ তোলে। বেশ কিছুদিন লুকোচুরি খেলার পর রাজীব কুমারকে সেই সময় কলকাতা হাই কোর্ট থেকে আগাম জামিন নিতে হয়। ২০১৯ এর ফেব্রুয়ারি মাসে রাজীব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তাঁর বাসভবনে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। তার প্রতিবাদে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ধর্নায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময় সিবিআই দাবি করে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সারদা-সহ একাধিক অর্থ লগ্নি সংস্থার টাকা ও সুবিধা কারা ভোগ করেছিলেন সে বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সে সময় সিবিআই আরও জানায়, তাঁরা তদন্তে রাজীব কুমারের থেকে কোনও রকম সহযোগিতা পাননি।প্রসঙ্গ: রাজীব কুমার ডিজি।উনি দক্ষ অফিসার। মাঝখানে ওঁর সঙ্গে তীব্র বিরোধ ছিল। কালীপুজোর দিন CM-এর বাড়িতে বহুদিন পর দেখা ও সৌজন্যবিনিময় হয়।রাজীব, আপনাকে শুভেচ্ছা। তবে কখনও কারুর কথা শুনে আমার মত কোনো নির্দোষের জীবন নষ্ট করতে যাবেন না। এসব ভগবান ক্ষমা করেন না। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) December 27, 2023রাজীব কুমারকে রাজ্য পুলিসের নতুন ডিরেক্টর জেনারেল-র (ডিজি) পদে বসানোর খবরে তৃণমূলের দলীয় মুখপাত্র ও রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েও তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় খোঁচা দিতেও ছাড়েননি। রাজীবকে দক্ষ আইপিএস অফিসার বলার পরমুহুর্তেই কুণালের কটাক্ষঃউনি দক্ষ অফিসার। মাঝখানে ওঁর সঙ্গে তীব্র বিরোধ ছিল। কালীপুজোর দিন CM-এর বাড়িতে বহুদিন পর দেখা ও সৌজন্য বিনিময় হয়।রাজীব, আপনাকে শুভেচ্ছা। তবে কখনও কারুর কথা শুনে আমার মত কোনও নির্দোষের জীবন নষ্ট করতে যাবেন না। এসব ভগবান ক্ষমা করেন না।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজ্য

মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশ সফরের প্রাক্কালে প্রশাসনে ব্যপক রদবদল

পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু কুমার মাজি হলেন পূর্ব বর্ধমানের নতুন জেলাশাসক। বিশেষ সচিব পদমর্যাদায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ওএসডি পদে থাকা তনভীর আফজলকে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক করা হলো। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলাকে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের বিশেষ সচিব করা হয়েছে। পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পদে থাকা এস অরুণ প্রসাদ নদিয়ার নতুন জেলাশাসক হলেন। নদিয়ার জেলাশাসক শশাঙ্ক শেঠি পর্যটন দফতরের সিনিয়র বিশেষ সচিব হলেন। দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক পোন্নাবালাম এস পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক হিসেবে কার্যভার বুঝে নেবেন। উত্তর ২৪ পরগনার অতিরিক্ত জেলাশাসক ড. প্রীতি গোয়েলকে দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক করা হলো। উত্তর ২৪ পরগনার অতিরিক্ত জেলাশাসক শামা পরভীনকে জলপাইগুড়ির জেলাশাসক করা হয়েছে। ওই পদে থাকা মৌমিতা গোদারা বসু স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ দফতরের সচিব হলেন। হাওড়ার জেলাশাসক মুক্তা আর্যকে হুগলির জেলাশাসক করা হয়েছে, হুগলির জেলাশাসক পি দীপাপ প্রিয়া হলেন হাওড়ার নতুন জেলাশাসক।দক্ষিণ ২৪ পরগনার অতিরিক্ত জেলাশাসক শিয়াদ এন হলেন বাঁকুড়ার নতুন জেলাশাসক। বাঁকুড়ার জেলাশাসক কে রাধিকা আইয়ার কেইআইআইপির প্রজেক্ট ডিরেক্টরের দায়িত্বে এলেন। উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মীনা হলেন কোচবিহারের জেলাশাসক। কোচবিহারের জেলাশাসক পবন কাদিয়ান অর্থ দফতরের বিশেষ সচিব হলেন।আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মীনাকে উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক করা হলো। কালিম্পংয়ের জেলাশাসক আর বিমলা হলেন আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক। কালিম্পংয়ের জেলাশাসক করা হয়েছে স্ট্যাম্প রেভিনিউয়ের রেজিস্ট্রেশন ও কমিশনারের আইজি বালাসুব্রহ্মণ্যন টি-কে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন পশ্চিম বর্ধমানের অতিরিক্ত জেলাশাসক হরিশঙ্কর পানিকার।পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের ওএসডি আশিস কুমারকে বসিরহাটের মহকুমাশাসক করা হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের কালনার মহকুমাশাসক সুরেশকুমার জগৎ বন দফতরের যুগ্ম সচিব হলেন। কালনার মহকুমাশাসক করা হয়েছে মুখ্য সচিবের ওএসডি শুভম আগরওয়ালকে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

বর্ষা শেষে বর্শায় সোনা গাঁথল সোনার ছেলে নীরজ, ইতিহাস গড়ে বিশ্ব অ্যাথলেটিক্সে প্রথম স্বর্ণপদক

প্রথম ভারতীয় হিসাবে বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপের ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড মিটে জ্যাভলাইন সোনার পদক জিতলেন নীরজ চোপরা। চূড়ান্ত পর্বে ফাইনালে ৮৮.১৭ মিটার দূরত্বে জ্যাভলিন ছুঁড়ে ইতিহাস গড়লেন অলিম্পিক্সের সোনাজয়ী ভারতেরএই সোনার ছেলে।নীরজের ট্রাম্প কার্ড সাধারণত প্রথম থ্রোয়েতেই লুকানো থাকে। ফাইনালে সেই কার্ড কাজে না এলেও সোনা পেতে কোনও অসুবিধা হয়নি। ফাইনালে নীরজের প্রথম থ্রো ফাউল হয়। নীরজ তাঁর দ্বিতীয় থ্রোতেই ৮৮.১৭ মিটার দূরত্বে জ্যাভলিন ছুঁড়ে বিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। ঠিক যেমন যোগ্যতা অর্জন পর্বে ৮৮.৭৭ মিটার দূরত্বে জ্যাভলিন ছুঁড়ে এক থ্রোয়েই বাজিমাত করে দিয়েছিলেন। সেই এক থ্রোয়েই নীরজ প্যারিস অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জনও করে ফেলেছেন।.@Neeraj_chopra1 brings home a historic gold for India in the javelin throw 👏#WorldAthleticsChamps pic.twitter.com/YfRbwBBh7Z World Athletics (@WorldAthletics) August 27, 2023কিন্তু ফাইনালে প্রথম থ্রোটি ফাউল করে ফেলেন নীরজ। দ্বিতীয় থ্রোতে আর কোনও ভুল করেননি তিনি। সারা দেশের রাত জাগা সফল করে ৮৮.১৭ মিটার দূরত্বে জ্যাভলিন ছুঁড়েই উল্লাসে চিৎকার করে ওঠেন। প্রতিপক্ষের পরিসংখ্যান তার জানায় ছিল। তাই হয়ত নিজে বুঝতে পেরে গিয়েছিলেন যে, তাঁকে টপকানো একটু চাপ আছে। দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেন পাকিস্থানের নাদিম, তিনি ৮৭.৮২ মিটার দুরুত্বে জ্যাভলিন ছোঁড়েন। ভারতের ওপর দুই প্রতিযোগী জেনা ও মানু যথাক্রমে পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে শেষ করেন। জেনার সর্বোচ্চ দূরত্ব ছিল ৮৪.৭৭, এটি তার ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ এবং মানু ছোঁড়েন ৮৪.১৪ মিটার।অলিম্পিক্সে অ্যাথলেটিক্সে সোনা পদক প্রাপ্তির পর থেকেই নীরাজ চোপরার ওপর দেশ বাসীর আশা ক্রমশ উর্ধমুখী হয়ে উঠেছে। দেশের একজন ক্রীড়াবিদ হিসাবে তার সামাজিক মাধ্যম ইন্সটাগ্রাম ফলোয়ারের সংখ্যা সর্বাধিক। ইন্সটাগ্রামে নীরজের ফলোয়ার ছয় মিলিয়ন। নীরজের জন্য ২০২১ সালের ৭ অগস্ট দিনটি ভারতীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের কাছে স্বর্নাক্ষরে লেখা আছে। অলিম্পিক্সে অ্যাথলেটিক্সে দেশকে সোনা এনে তিনি হয়ে উঠেছিলেন ভারতের সোনার ছেলে।

আগস্ট ২৮, ২০২৩
কলকাতা

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ফের কাজে যোগ দিলেন আইপিএস মির্জা

নারদা-কাণ্ডে গ্রেফতার হয়ে কারাবাস করেছেন। ব্যারাকপুরে এক সাব ইন্সপেক্টরের আত্মহত্যা জনিত মৃত্যুতে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল। অবশেষে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর এবার ফের কাজে যোগ দিলেন আইপিএস সৈয়দ মহম্মদ হুসেন মির্জা (এসএমএইচ মির্জা)। আপাতত ভবানীভবনে ওএসডি পদে যোগ দিচ্ছে। জানা গিয়েছে৷ আদালতের নির্দেশে মির্জা চাকরি ফিরে পেয়েছেন মাসখানেক আগেই। নির্দেশমতো তাঁর নিয়োগে ছাড়পত্র দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও। এর আগে তিনি পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপারের পদে ছিলেন। তাঁর যাবতীয় বকেয়া অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়ার জন্য আদালত রাজ্য সরকারকে নির্দেশও দিয়েছে।নারদায় প্রকাশিত ভিডিওয় তাঁর নাম উঠে এসেছিল অন্যতম অভিযুক্ত মুকুল রায়ের মুখে। পাশাপাশি, তাঁকেও নারদার ভিডিওতে দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, সিবিআই তদন্তে তিনি প্রকৃত তথ্য জানিয়ে দিয়েছেন।সূত্রের খবর, তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল ব্যারাকপুরের এক সাব ইনস্পেক্টরের আত্মহত্যার ঘটনায়। মৃত পুলিশ আধিকারিকের পরিবারের দায়ের করা অভিযুক্তের তালিকায় মির্জার নাম ছিল। কিন্তু দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছেন। কোনওরকম হাল ছাড়েননি এই আইপিএস। পালটা আইনি লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। অবশেষে তার সুফল পেলেন। বৃহস্পতিবার তাঁর নিয়োগ নিয়ে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য পুলিশের কর্মীবর্গ বিভাগ।

জুন ২৩, ২০২৩
রাজ্য

আদালতের নির্দেশে কালিয়াগঞ্জ কাণ্ডে তদন্তের দায়িত্বে দুই অবসরপ্রাপ্ত দুঁদে আইপিএস ও জাঁদরেল দময়ন্তী সেন

কালিয়াগঞ্জে নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়েছে। জনতার রোষে আগুন ঝড়েছে, বেধড়ক মারধর খেয়েছে পুলিশ। এবার কালিয়াগঞ্জে নাবালিকা মৃত্যুর ঘটনায় আদালতের নজরদারিতে তদন্ত করবে বিশেষ তদন্তকারী দল। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। এই বিশেষ তদন্তকারী দল বা এসআইটি-র সদস্য করা হয়েছে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল সিপি (১) দময়ন্তী সেন, প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন বিশ্বাস এবং প্রাক্তন আইজি পঙ্কজ দত্তকে। তদন্তের প্রয়োজনে এসআইটি মৃতদেহ দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করতে পারবে বলেও নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ।সম্প্রতি ১৬ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে। যদিও পুলিশের তদন্তে উঠে আসে বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই কিশোরী। তোলপাড় হয় রাজ্য রাজনীতি। কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা হয়। সিবিআই তদন্তের দাবি করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় মৃতার পরিবার। পুলিশ নৃশংসভাবে দেহ টেনে নিয়ে গিয়েছিল বলেও অভিযোগ ওঠে।এদিন আদালত বলেছে, ময়নাতদন্তের সময় নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। পুলিশের রিপোর্ট ও হাসপাতালের বয়ানে কিশোরীর দেহের ময়না তদন্তের সময় ভিন্ন রয়েছে বলে উল্লেখ করেছে আদালত। সেইসঙ্গে এদিন বিচারপতি মান্থা আরও নির্দেশ, ওই কিশোরীর পরিবারকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে রাজ্য সরকারকে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৮ জুন। তারমধ্যে এই মামলায় গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দলকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পার্কস্ট্রিট ধর্ষণকাণ্ডের তদন্তে আইপিএস দময়ন্তী সেনের ভূমিকা সমাজে সাড়া ফেলেছিল। বদলিও হতে হয়েছিল তাঁকে{ লালু প্রসাদ যাদবকে পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার করে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন উপেন বিশ্বাস{ এই জাঁদরেল সিবিআই অফিসার ওই কেলেঙ্কারিতে এমনভাবে তদন্ত করেছিলেন আদালতেও ছাড় পাননি লালু। চাকরি থেকে অবসরের পর বাগদার বিধায়ক ও মন্ত্রী হয়েছিলেন। সাম্প্রতি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তাঁর মন্তব্য ও আদালতে নথি পেশ হইচই ফেলে দিয়েছে। অস্বস্তি বেড়েছে শাসক দলের। প্রাক্তন আইজি পঙ্কজ দত্তকে নানা টিভি আলোচনায় সরকারকে কড়া সমালোচনা করতে দেখা যায়

মে ১১, ২০২৩
দেশ

বিমানবন্দরে রক্ষীর নির্দেশে স্যুটকেস খুলতেই বেরিয়ে এল... অবাক কান্ড! বিড়ম্বনায় আইপিএস অফিসার

জয়পুর আন্তঃর্জাতিক বিমানবন্দরে বিড়ম্বনায় পড়লেন ওডিশার পরিবহণ কমিশনার অরুণ বোথরা। তাঁর সুটকেস থেকে উদ্ধার হওয়া মালপত্র দেখে হতবাক নিরাপত্তা রক্ষীরা। বিমানবন্দরে প্রবেশ করার পর সিকিউরিটি চেক-ইনে তাঁর লাগেজ স্ক্যানারে ঢোকাতেই চোখ কপালে নিরাপত্তারক্ষীদের।তিনি একজন আইপিএস অফিসার, সেই পরিচয় জানতে পেরেও তাঁকে বাধ্য করেন সুটকেস খুলে দেখাতে। স্বাভাবিক ভাবেই থিকথিকে ভিড়ে ঠাসা বিমানবন্দরে হাজির মানুষজন কৌতূহলে ভিড় জমিয়ে ফেলেন পরবর্তি ঘটনার জানার জন্য।অরুণ বোথরা পারিবারিক কাজে রাজস্থান থেকে ফিরছিলেন। বিমানবন্দরের অনভিপ্রেত ঘটনা পরম্পরাই চারপাশে উৎসাহী মানুষের চোখ তখন ওই স্যুটকেসের দিকে। কি থাকতে পারে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। অত্যুতশাহী কৌতূহলি মানুষজন যেন দু-চোখ দিয়েই স্ক্যান করে নেবে স্যুটকেসটি। উপচে পড়ছে ভিড়। নিয়ম বড় বালাই। তা সে সাধরন মানুষ কি আইপিএস কি শিল্পী। অগত্যা স্যুটকেসটি খুলে দেখাতেই হল বোথরা কে।Security staff at Jaipur airport asked to open my handbag 😐 pic.twitter.com/kxJUB5S3HZ Arun Bothra 🇮🇳 (@arunbothra) March 16, 2022সামাজিক মাধ্যম টুইটারে সেই খোলা স্যুটকেসেরই ছবি শেয়ার করেছেন বোথরা। ওডিশার পরিবহণ কমিশনার অরুণ বোথরার টুইটার ফলোয়ারের সংখ্যা এক লক্ষ ৩০ হাজার। কিছু ক্ষণের মধ্যেই মজার মজার রিটুইটে ভরে যায় টুইটার হ্যান্ডল।কী ছিল সেই স্যুটকেসে? জানলে অবাক হয়ে যাবেন! একজন আইপিএস এই সব জিনিস স্যুটকেসে নিয়ে এয়ার ট্রাভেল করতে পারেন? নিরপত্তারক্ষীদের নির্দেশে স্যুটকেস খুলতেই বেড়িতে এলো ১০ কেজি মটরশুঁটি! যা তিনি জয়পুর থেকে কিনে নিয়ে ওডিশায় আসছিলেন। রসিক আইপিএস জানাতে ভোলেননি তিনি ওই মটরশুঁটি ৪০ টাকা কেজি দরে কিনেছেন।

মার্চ ১৮, ২০২২
কলকাতা

Kolkata Police: কলকাতা পুলিশের অন্তত ৮৬ জন করোনা আক্রান্ত, রয়েছেন আইপিএস অফিসারেরাও

এবার করোনা হানা লালবাজারে! কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার, অতিরিক্ত যুগ্ম কমিশনার এবং ৫ জন ডেপুটি কমিশনার পর্যায়ের আইপিএস অফিসার করোনায় আক্রান্ত। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮০-র উপরে। মঙ্গলবার নতুন করে তিন জনের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এর ফলে আইপিএস আক্রান্তের সংখ্যাটা গিয়ে দাঁড়িয়েছে সাত।রাজ্যে ক্রমশ বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে শহরের সরকারি এবং বেসরকারি একাধিক হাসপাতালের চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে কলকাতায় সংক্রমণের হার সব থেকে বেশি। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুয়াযী ২৬ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত কলকাতার সংক্রমণের হার (পজিটিভিটি রেট) ২৯.০৭ শতাংশ। কোনও বেসরকারি হাসপাতালে ৩৩ জন করোনা আক্রান্ত, তো কোনও সরকারি হাসপাতালে ৬১ জন।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
বিদেশ

Solar Eclips: অন্ধকারে ডুবে যাবে অ্যান্টার্কটিকা

এ বছরের শেষ সূর্যগ্রহণ হচ্ছে শনিবার। সূর্যের পূর্ণগ্রাস।চাঁদ পুরোপুরি ঢেকে দেবে সূর্যকে।LIVE from Antarctica: A total eclipse of the Sun. Totality is at 2:44am ET (07:44 UT): https://t.co/HH1sEaccXd pic.twitter.com/oRQmGwtd2U NASA (@NASA) December 4, 2021নাসা জানিয়েছে, ভারতীয় সময় শনিবার সকাল ১০টা ৫৯ মিনিটে শুরু হবে সূর্যের গ্রহণ। বেলা ১২টা ৩৩ মিনিট থেকে শুরু হবে পূর্ণগ্রাস। দুপুর ১টা ৪ মিনিটে পূর্ণগ্রাসের মাহেন্দ্রক্ষণ। পূর্ণগ্রাস শেষ হবে দুপুর ১টা ৩৪ মিনিটে। আর গ্রহণের হাত থেকে সূর্য মুক্তি পাবে বিকেল ৩টে ৭ মিনিটে। পূর্ণগ্রাস সবচেয়ে ভাল ভাবে দেখা যাবে পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকায়। এ ছাড়াও সূর্যের খণ্ডগ্রাস দেখা যাবে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, প্রশান্ত মহাসাগর, অতলান্তিক মহাসাগর, ভারত মহাসাগর এবং অ্যান্টার্কটিকার বাকি অংশে। নাসা এ-ও জানিয়েছে, এ বছরে সূর্যের শেষ গ্রহণ আংশিক ভাবে দেখা যাবে সেন্ট হেলেনা দ্বীপ, নামিবিয়া, লেসেথো, দক্ষিণ জর্জিয়া, স্যান্ডউইচ দ্বীপপুঞ্জ, ক্রোজেট দ্বীপপুঞ্জ, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, চিলি, নিউজিল্যান্ড থেকেও।অ্যান্টার্কটিকা-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে দেখা যাবে এই পূর্ণগ্রাস বা খণ্ডগ্রাস। তবে ভারতের কোথাও তা দেখা যাবে না।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মহালয়ায় কখন করবেন পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ? জেনে নিন শুভ সময় ও বিশেষ নিয়ম

শিউলি ফুলের গন্ধ আর শরতের ভোরের বাতাসে ঢাকের মিঠে বোল এই তো আমাদের দুর্গোৎসবের প্রথম বার্তা! বছর ঘুরে আবারও সেই কাঙ্ক্ষিত দিনটি দোরগোড়ায়। ২০২৬ সালের ১০ই অক্টোবর, শনিবার (২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) শুভ মহালয়া। ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জলদগম্ভীর কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনীর সুর ভেসে আসার সঙ্গেই যেন বাঙালিয়া এক অদ্ভুত আবেগ আর নস্টালজিয়ায় ভেসে যায়। পিতৃপক্ষের সমাপনী আর দেবীপক্ষের এই নতুন সকালে চরাচর যেন এক স্বর্গীয় সুরের আহ্বানে জেগে ওঠে।মহালয়া শুধু একটি দিন নয়, এটি একটি অনুভূতির নাম। পুরাণ মতে, এদিনই দেবী দুর্গা মর্ত্যে তাঁর পিতৃগৃহে পা রাখেন, শুরু হয় দেবীপক্ষ। এর পাশাপাশি এটি আমাদের শিকড়কে স্মরণ করার শ্রেষ্ঠ সময়। এদিন ভোরে গঙ্গার ঘাটে ঘাটে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করার জন্য হাজারো মানুষের মিলনমেলা বসে। শাস্ত্রানুসারে অমাবস্যা তিথিটি শুরু হচ্ছে ৯ই অক্টোবর রাত ৯:৩৫ মিনিটে এবং থাকবে ১০ই অক্টোবর রাত ৯:১৯ মিনিট পর্যন্ত। পিতৃপুরুষকে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ১০ই অক্টোবর সকাল ১১:২৪ মিনিট থেকে দুপুর ১:৫৬ মিনিট পর্যন্ত সময়টিকে সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হচ্ছে।তবে মহালয়া কিন্তু কেবল অতীতের স্মৃতি তর্পণ বা শাস্ত্রমতে তর্পণের আচারটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়, এর পেছনে লুকিয়ে আছে আগমনীর গভীর আনন্দ। এই বিশেষ দিনে প্রতিমার চোখে তুলি ছোঁয়ানো অর্থাৎ চক্ষুদান রীতির মধ্য দিয়েই মৃন্ময়ী রূপ যেন চিন্ময়ীতে পরিণত হতে শুরু করে। ১০ই অক্টোবরের এই অলৌকিক ভোরে মহালয়া শেষ হতেই, পরের দিন ১১ই অক্টোবর থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে সূচনা হবে দেবীপক্ষের। চারপাশের কাশবনের দোল আর নীল আকাশের শুভ্র মেঘেরা তখন যেন চুপিচুপি জানান দেবে মা আসছেন। উৎসবের এই পবিত্র সূচনাকে সুন্দর ও মঙ্গলাময় রাখতে কিছু চিরন্তন রীতির প্রতি শ্রদ্ধা রাখা জরুরি। সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পুণ্যলগ্নে নিরামিষ আহার গ্রহণ করা ও যেকোনো প্রকার নতুন কেনাকাটা বা চুল-নখ কাটা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। পিতৃপুরুষের প্রতি শ্রদ্ধা আর মাতৃরূপী মহাশক্তির আবাহনের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আসুন আমরাও হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে নিজেদের মনকে নির্মল করে তুলি। অপেক্ষা শুধু আর কটা দিনের শরতের এই আলো-আঁধারির খেলায় মহালয়ার ভোর যেন প্রতিটা বাঙালির অন্তরে পৌঁছে দেয় এক অনাবিল আনন্দের পরশ।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে হামলার নিন্দায় মমতা, তদন্তের মাঝেই ‘হিন্দুত্ববাদী’ মন্তব্যে অ্যাকশনের হুঙ্কার শুভেন্দুর

বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। শুক্রবার ভোর প্রায় ৪টে ৫ মিনিট নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়া সাহা কালীবাড়ি এলাকার বাসিন্দা বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বাইকটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতকে এদিন আদালতে পেশ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে।কীভাবে ঘটেছিল হামলা?অভিযোগ, বৃহস্পতিবার ভোরে পূর্ব যাদবপুরে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের মদের বোতল ছোড়ে একদল অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী। বোতলের আঘাতে বাড়ির জানলার কাচ ভেঙে যায়। সেই সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। হামলার সময় অল্পের জন্য রক্ষা পান বাড়ির এক গৃহসহায়িকা।বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের দাবি, ভোর প্রায় পাঁচটা নাগাদ মুখ কাপড়ে ঢাকা এক ব্যক্তি বাইকে চেপে এসে ব্যাগ থেকে কাচের বোতল বের করে তাঁর বাড়ির জানলার দিকে ছুড়তে থাকে। পিছনে আরও কয়েকজন ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজে বাইকে আসা এক ব্যক্তিকে বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফুটেজের অডিয়োয় আমাদের সঙ্গে লাগতে এসো না, আমরা দেশভক্ত এই ধরনের হুমকির কথাও শোনা যায় বলে দাবি।ঘটনার পর পুলিশ বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এবং তাঁর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হামলার কারণ, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না এবং এর পিছনে কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।হিন্দুত্ববাদীরা হামলা করেছে, অভিযোগ বিকাশরঞ্জনেরহামলার ঘটনার পর বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, এই ঘটনার পিছনে রয়েছে হিন্দুত্ববাদী গুন্ডারা। তাঁর বক্তব্য, গরিব মানুষের অধিকারের পক্ষে যাঁরা লড়াই করছেন, তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হামলাকারীরা এভাবে তাঁকে শিক্ষা দিতে চেয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।বিকাশরঞ্জনের এই মন্তব্যকে ঘিরে পাল্টা সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, হামলার ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে এবং তাঁর নির্দেশেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনার দায় সরাসরি হিন্দুত্ববাদীদের উপর চাপানোর বিরোধিতা করেছেন তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি প্রত্যাহার না করা হলে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ করা হবে। ওই পোস্ট মুছে ফেলার উদ্যোগও পুলিশের তরফে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, এ ধরনের মন্তব্যের মাধ্যমে গোটা হিন্দু সমাজকে অপমান করা হয়েছে। গেরুয়া, সনাতন, হিন্দুত্ব ও রাষ্ট্রবাদকে নিশানা করা হলে তার জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়াবিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার নিন্দা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গ ভয় দেখানো বা জঙ্গলরাজের সংস্কৃতি মেনে নেবে না। রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে আইনজীবীদের নির্ভয়ে তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে দেওয়ার পক্ষেও সওয়াল করেছেন তিনি।অন্যদিকে, যাদবপুরের বিধায়িকা শর্বরী মুখোপাধ্যায় এই ঘটনায় বিজেপির যোগ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের নজরে আনা হবে।একদিকে বাড়িতে হামলার ঘটনায় গ্রেফতারি, অন্যদিকে হিন্দুত্ববাদী মন্তব্য ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা আইনি হুঁশিয়ারি সব মিলিয়ে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ এবং এর পিছনে আর কেউ জড়িত কি না, তা পুলিশের তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

১৯৭৬ সালে মহিষাসুরমর্দিনীতে উত্তমকুমার, ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন বাঙালিরা! কেন ফিরিয়ে আনতে হয়েছিল বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রকে?

প্রবাসে থাকা ছেলে মেয়েরা যেভাবে বছরের ৪ দিন তাদের ভিটেমাটির টানে ফিরে আসে, সেভাবে নস্টালজিক বাঙালিকে যিনি বেতারের সামনে শিকড়ের টানে টেনে আনেন তিনি আর কেউ নন বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। মহালয়া (Mahalaya 2026) ,মহিষাসুরমর্দিণী (Mahisashurmardini) আর বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র (Birendra Krishna Bhadra) তিনটে নামই উচ্চারিত হয় এক স্বরে। মহালয়ার ভোরে এই চণ্ডীপাঠের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যিনি গোটা বিশ্বে নিজের কণ্ঠকে অমর করে রেখে গিয়েছেন, সেই বাঙালি মধ্যবিত্ত সাদামাটা ধুতি পাঞ্জাবি পরা কণ্ঠশিল্পীই বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। যাঁর হাত ধরে বাঙালির পুজোর (Durga Puja) ঢাকে কাঠি পড়ে। আজ ২০২৬ সালের মহালয়ার অপেক্ষায় রাত জাগছে বাঙালি, সেই পরিচিত কণ্ঠে মহিষাসুর মর্দিণী শুনবে বলেই। ১৯০৫ সালের এই দিনটিতেই উত্তর কলকাতার আহিরীটোলায় জন্মগ্রহণ করেন প্রবাদপ্রতিম বেতার ব্যক্তিত্ব বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। বাবা রায়বাহাদুর কালীকৃষ্ণ ভদ্র ছিলেন একজন ভাষাতত্ত্ববিদ, মা ছিলেন সরলা দেবী। ছোটবেলায় ঠাকুরমা যোগমায়া দেবীর কাছে সংস্কৃত শিক্ষার হাতেখড়ি হওয়া বীরেন্দ্রকৃষ্ণ মাত্র আট বছর বয়সে প্রখর স্মৃতিশক্তির জোরে নির্ভুল চণ্ডীপাঠ করে সবাইকে চমকে দিতেন। ১৯২৮ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়েতে কর্মজীবন শুরু করলেও তাঁর মন পড়ে থাকত ১ নম্বর গার্স্টিন প্লেসের অল ইন্ডিয়া রেডিওর দফতরে। অফিস শেষের আড্ডা থেকেই ধীরে ধীরে বেতারে নাটকের সুযোগ পান। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে পাকাপাকিভাবে আকাশবাণীতে যোগ দেন।আকাশবাণীতে যোগ দেওয়ার পর বাণীকুমার ভট্টাচার্যের রচনা এবং রাইচাঁদ বড়াল ও পঙ্কজকুমার মল্লিকের সুর পরিচালনায় শুরু হয় মহালয়ার কালজয়ী অনুষ্ঠান মহিষাসুরমর্দিনী। লাইভ সম্প্রচারের সেই যুগে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ আগের রাত থেকেই স্টেশনে থেকে ভোরবেলায় স্নান সেরে, গরদের ধুতি-পাঞ্জাবি পরে চণ্ডীপাঠে বসতেন। একদিন স্টুডিওতে রসিকতা করে বাংলা ভাষ্যটিও স্তোত্রের ঢঙে সুর করে পড়তে গিয়ে জন্ম নেয় তাঁর সেই অবিস্মরণীয় অবদান, যা ১৯৬৬ সালে বাণীকুমারের পরামর্শে রেকর্ড করা হয়। আজও প্রতি মহালয়ার ভোরে প্রতিটি বাঙালির ঘরে ঘরে শোনা যায় এই স্মরণীয় কন্ঠস্বরে চণ্ডীপাঠ, যেন মা দুর্গা প্রথম অঞ্জলি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের থেকেই নেন।কেবল রেডিওর জাদুকরী কণ্ঠই নয়, বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ছিলেন একজন চমৎকার নাট্যকার, সমৃদ্ধ লেখক এবং পরিচালক। তিনি পেশাদারি মঞ্চে সাহেব বিবি গোলাম-এর মতো সফল নাটক পরিচালনা করার পাশাপাশি নিষিদ্ধ ফল-এর মতো চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যও লিখেছিলেন। অনেক গুণী ব্যক্তি রেডিওর জন্যই একসময় নিজেকে উৎসর্গ করে দেন। গোটা বিশ্বে যখন তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ছে তখন হঠাৎই ১৯৭৬ সালে আকাশবাণী কর্তৃপক্ষ প্রথা ভেঙে তাঁর জায়গায় মহানায়ক উত্তমকুমারকে দিয়ে চণ্ডীপাঠ করানোর সিদ্ধান্ত নেয়। বাঙালির আবেগে ঘা পড়তেই, বহু বাঙালি ভক্ত রেডিও অফিসের ওপর চড়াও হয়। কেউই ভালোভাবে গ্রহণ করেনি সেই দিনের চণ্ডীপাঠ। স্বাভাবিক ভাবেই সে বছর পুণরায় ষষ্ঠীর দিন বীরেন্দ্রকৃষ্ণের মহিষাসুরমর্দিনী সম্প্রচার করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু গোটা ঘটনাতে তিনি ছিলেন নির্বিকার স্থির, বোধহয় তিনি মন থেকে জানতেন কিছু স্থান অপরিবর্তনশীল। ১৯৯১ সালের ৩ নভেম্বর মহাপ্রয়াণ ঘটলেও বাঙালি সংস্কৃতির আকাশে তিনি অমর হয়ে রয়েছেন। শরতের ভোরে শিউলি ঝরা হাওয়ায় তাঁর সেই বজ্রনির্ঘোষ অথচ সুরময় কণ্ঠে আশ্বিনের শারদপ্রাতে শুনলেই আজও মনে হয় পুজোর বাদ্যি বেজেছে। এভাবেই কিংবদন্তি বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র মহালয়ায় মহিষাসুরমর্দিণীর মাধ্যমে চিরকাল বেঁচে থাকবেন কোটি কোটি বাঙালির মনে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল, আইএফএ শিল্ড মোহনবাগানের

সেমিফাইনালে বিপক্ষকে ৭ গোল দিয়ে আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় পৌঁছেছিল ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল। ২২ তম আইএফএ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান। এদিন বেশ গুছিয়ে ফুটবল খেলেছে মেরিনার্সরা। ইন্ডিয়ান সুপার লিগ শুরু হওয়ার আগে ইস্টবেঙ্গলের এই হার দলের মনোবলে কতটা আঘাত করবে সেটাও দেখার। গত সিজনের আইএসএল কাপ ইস্টবেঙ্গলের ঘরে ছিল। শুরুতেই ইস্টবেঙ্গল একটি সুযোগ পেয়েও কাডে লাগাতে পারেনি। বিরতির শেষ মুহূর্তে লীড নিয়ে নেয় মোহনবাগান। তখন বেশ চাপে ছিল ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগানের একের পর আক্রমণে তখন দিশেহাপা ইস্টবেঙ্গল। জেলকোভিচের গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। বৃহস্পতিবার আইএফএ শিল্ডের (IFA Shield 2026) ফাইনালে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant) ও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) মুখোমুখি হওয়ায় ফের ফুলবল জ্বরে ভুগতে শুরু করে কলকাতা। সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দুই দলের সমর্থকরা তখন নিজের দলের সমর্থনে চিৎকারে গলা ফাটাচ্ছে। অনেক চেষ্টা করেও আর গোল পায়নি ইস্টবেঙ্গল জেলকোভিচের গোলই ম্যাচের পার্থক্য় গড়ে দেয়। ম্যাচের শেষের দিকে দুটো কর্ণার কিক পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার, আরও সম্পদের সন্ধানে তদন্তে পুলিশ

সরকার বদলের পর থেকে নানা অভিযোগে একের পর এক হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন। এখনও তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারি অব্যাহত। এবার কাটোয়ায় গ্রেফতার হওয়া নেতার বাড়ি থেকে রাশি রাশি টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, সম্পত্তির হদিশও মিলেছে। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার দুই তৃণমূল নেতা সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী কিভাবে বিপুল অর্থ ও সম্পদের মালিক হলেন, তা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। এদের সঙ্গে জড়িত দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।জানা গিয়েছে, সামন্য বেতনে বেসরকারী একটি মোবাইল সংস্থায় কর্মরত ছিলেন ওই দুই নেতা। পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগ দিয়েই কাটোয়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর সর্বসময়ের সঙ্গী দীগন্ত পালের সঙ্গে বিশেষ সখ্য়তা স্থাপন করে ফেলেন। এরপর সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তীর ধনসম্পত্তি বাড়তে বিদ্যুৎ গতিতে। ইতিমধ্যে সরকার পরিবর্তন হতেই আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ দীগন্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সূত্রের খবর, এরপরই গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেরাচ্ছিল সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী। তবে শেষমেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ে দুজনই। এখন তাঁদের বেআইনি ধনসম্পদ নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে সুপ্রিয়র বাড়ি থেকে ৯ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে তাঁরা সোনা রেখে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সোনা কোথা থেকে এসেছে তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদের কাছে দামি চারচাকাও রয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা, সিপিএম নেতার অভিযোগ ওড়ালেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়

সিপিএম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা করা অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব যাদবপুরে তাঁর বাড়ির জানালার কাঁচ ভাঙা হয়েছে। তিনি স্থানীয় থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ করেছে। এই হামলায় বিজেপির মদত আছে বলে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। তবে যাবদপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, জয়শ্রীরাম বলে অন্যায় করলেই কি সে বিজেপি হয়ে যায়। তা হতে পারে না। আজ ভোরে তার বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের বোতল ছোড়া হয়। বিকাশরঞ্জন বলেন, মদের বোতন ছড়িয়ে আছে। শক্ত কাচ ভেঙে ফেলা হয়েছে। সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছে বাইকে এল, ছবি তুললো। তারপর বলতে থাকল, আমরা মায়ের সন্তান। আমাদের পিছনে লেগেছিস। ওই ব্যক্তির মুখ ঢাকা ছিল। মোটর বাইকের নম্বরও ঢাকা ছিল। একেবারে পরিকল্পনা করে এসেছিল। আমি অনবরত হিন্দু মৌলবাদের বিরুদ্ধে বলছি তাই এই হামলা। এর পিছনে সর্বরীদেবীর পার্টিদের মদত আছে। বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় বলেছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের এটা কাজ নয়। কোনও দুষ্কৃতীকারীর কাজ। মুখে স্লোগান দিয়ে এই কাজ করে সরকার ও বিজেপির বদনাম করছে। জয়শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে, কোনও অন্যায় কাজ করল তাঁকে বিজেপি বলা যায় না।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ইতি, প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর

প্রয়াত হলেন প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকর। হিন্দি ও মারাঠি সিনেমার অন্যতম স্বতন্ত্র অভিনেতা হিসেবে পরিচিত নানা পাটেকর বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ায় নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছেলে মালহার পাটেকর। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে তিনি জানান, খবরটি সত্যি। তিনি সেই সময় পুনেতে ছিলেন এবং গোয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। পরিবারের তরফে পরে বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।প্রায় পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ভারতীয় সিনেমায় নিজের স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করেছিলেন নানা পাটেকর। থিয়েটার দিয়ে অভিনয়জীবন শুরু করার পর ১৯৭৮ সালে গমন ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর পরিন্দা, ক্রান্তিবীর, অগ্নিসাক্ষী, খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল, আব তক ছাপ্পান, অপরাধ, রাজনীতি থেকে ওয়েলকামএকাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছে।পরিন্দা ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পান নানা পাটেকর। ক্রান্তিবীর-এর জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি। অন্যদিকে, ২০০৭ সালের জনপ্রিয় ছবি ওয়েলকাম-এ গ্যাংস্টার উদয় শেঠির চরিত্রে তাঁর অভিনয় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিচয় তৈরি করে। চরিত্রটি এতটাই জনপ্রিয় হয় যে পরবর্তী সময়ে ওয়েলকাম ব্যাক ছবিতেও সেই ভূমিকায় দেখা যায় তাঁকে।মারাঠি সিনেমাতেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। ২০১৬ সালের নটসম্রাট ছবিতে অবসরপ্রাপ্ত এক মঞ্চ অভিনেতার চরিত্রে তাঁর অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ড. প্রকাশ বাবা আমটেদ্য রিয়েল হিরো ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও পান।শুধু অভিনেতা হিসেবেই নয়, পরিচালক ও লেখক হিসেবেও কাজ করেছেন নানা পাটেকর। ১৯৯১ সালে প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক ছবিটি পরিচালনা করার পাশাপাশি ছবিতে অভিনয় ও লেখার কাজও করেন তিনি। অভিনয় ও চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ২০১৩ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে মোট তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন নানা পাটেকর। নাম ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য বিভিন্ন কাজ করেছেন তিনি।নানা পাটেকরের প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের এক বর্ণময় অধ্যায়ের অবসান হল। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তাঁর অভিনীত একাধিক চরিত্র দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোর মুখে শিয়ালদহ ডিভিশনে বাড়ল ট্রেন ও এসি লোকালের স্টপেজ, যাত্রীস্বার্থে একাধিক উদ্যোগ রেলের

দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে যাত্রী পরিষেবাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে শিয়ালদহ ডিভিশন একাধিক যাত্রীকেন্দ্রিক পরিচালনামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দৈনন্দিন শহরতলির যাতায়াতকে আরও দ্রুত, সুবিধাজনক ও আরামদায়ক করে তুলতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে অতিরিক্ত পরিষেবা এবং নতুন স্টপেজ। এর ফলে শহরতলির বিভিন্ন রুটের যাত্রীদের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ হবে।শান্তিপুরকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনে পরিষেবার সংখ্যা বৃদ্ধি:দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক যাতায়াতের চাহিদার কথা বিবেচনা করে দিগনগর হল্ট হয়ে শান্তিপুর (STB) ও কৃষ্ণনগর সিটি জংশনের মধ্যে দৈনিক ট্রেন পরিষেবা ১ জোড়া থেকে বাড়িয়ে ২ জোড়া করা হয়েছে। সকালের UP ট্রেনটি শান্তিপুর থেকে ০৯:৩৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:০৭ ঘণ্টায় কৃষ্ণনগর সিটি জংশনে পৌঁছাবে। ফেরার DN ট্রেনটি কৃষ্ণনগর থেকে ১০:১৭ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:৪৩ ঘণ্টায় শান্তিপুরে পৌঁছাবে। এর ফলে অফিসযাত্রী, পড়ুয়া এবং স্থানীয় যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।শিয়ালদহবজবজের মধ্যে গভীর রাতে ইএমইউ পরিষেবা:দেরিতে কর্মস্থল থেকে ফেরা কর্মীদের সুবিধার্থে শিয়ালদহ ডিভিশন পরীক্ষামূলকভাবে শিয়ালদহ (SEALDAH) ও কমাগাটা মারু বজবজ (KBGB)-এর মধ্যে গভীর রাতে একটি শহরতলির পরিষেবা চালু করেছে। DN ট্রেনটি শিয়ালদহ থেকে ২২:৫৫ ঘণ্টায় ছেড়ে ২৩:৪৩ ঘণ্টায় বজবজ পৌঁছাবে। ফেরার UP ট্রেনটি বজবজ থেকে ২৩:৫৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ০০:৪৮ ঘণ্টায় শিয়ালদহে পৌঁছাবে। এর ফলে রাতের শেষভাগেও যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য শহরতলির রেল যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ:শহরতলির যাত্রীদের আরও আরামদায়ক যাত্রার সুযোগ করে দিতে শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনের বদকুল্লা স্টেশনে চারটি এসি ইএমইউ লোকালের পরীক্ষামূলক স্টপেজ দেওয়া হয়েছে।দৈনিক পরিষেবা (রবিবার ব্যতীত): ট্রেন নং ৩১৮৪৫ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১১:৫৩/১১:৫৪ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৬ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৩:৪০/১৩:৪১ ঘণ্টায় থামবে।রবিবারের বিশেষ সময়সূচি: ট্রেন নং ৩১৮৪৭ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১৩:৫৯/১৪:০০ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৮ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৬:১৫/১৬:১৬ ঘণ্টায় থামবে।এই প্রসঙ্গে শিয়ালদহের DRM শ্রী রাজীব সাক্সেনা বলেন, পরিষেবার এই সংযোজনগুলি শহরতলির ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি, বজবজ সেকশনে নির্দিষ্ট গভীর রাতের যোগাযোগ এবং বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ, দৈনন্দিন যাত্রীদের পরিবর্তিত চাহিদার কথা মাথায় রেখেই পরিকল্পনা করা হয়েছে। সকলের জন্য রেলযাত্রাকে আরও সহজলভ্য, নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক করে তুলতে শিয়ালদহ ডিভিশন দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal