• ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IPL 2022

খেলার দুনিয়া

সামিদের গতিকে টেক্কা দিয়ে বাজিমাত সানরাইজার্স হায়দরাবাদের

গতির বিরুদ্ধে গতির লড়াই। একদিকে মহম্মদ সামি, লকি ফার্গুসন, আলজেরি জোশেফ। অন্যদিকে উমরান মালিক, মার্কো জানসেন, টি নটরাজনরা। শুরুতে ধাক্কা দিয়েও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বড় রান আটকাতে পারলেন মহম্মদ সামিরা। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৯৫ রান তুলল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। মহম্মদ সামিদের গতিকে টেক্কা দিয়ে বাজিমাত অভিষেক শর্মা, এইডেন মার্করাম, শশাঙ্ক সিংদের।দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎকারে গুজরাট টাইটান্সকে হারিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। বুধবার মাঠে নামার আগে চলতি আইপিএলে ওই একটা ম্যাচেই হারতে হয়েছিল হার্দিক পান্ডিয়ার গুজরাট টাইটান্সকে। প্রতিশোধের ম্যাচে টস জিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন গুজরাট অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। গুজরাট এদিন উইনিং কম্বিনেশন ধরে রাখলেও প্রথম একাদশে একটা পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল। জগদীশ সুচিথের জায়গায় ওয়াশিংটন সুন্দর।ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের (৫) অফ স্টাম্প ছিটকে দেন মহম্মদ সামি। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে আবার ধাক্কা সামির। এবার তুলে নেন ক্রমশ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠা রাহুল ত্রিপাঠীকে (১০ বলে ১৬)। এরপরই রুখে দাঁড়ান অভিষেক শর্মা ও এইডেন মার্করাম। দারুণ ছন্দে রয়েছেন অভিষেক শর্মা। চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি করে তিনি দলকে বড় ইনিংসের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেন। মার্করামের সঙ্গে জুটিতে তোলেন ৯৬। আলজেরি জোশেফ দ্বিতীয় স্পেলে বোলিং করতে এসে জুটি ভাঙেন। তুলে নেন অভিষেককে। ৬টি চার ও ৩টি ছয়ের সাহায্যে ৪২ বলে ৬৫ রান করে তিনি আউট হন।এবছর নিলামে নিকোলাস পুরানের পেছনে বড় অর্থ লগ্নি করেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। সেভাবে অবদান রাখতে পারছেন না। এদিনও ব্যর্থ পুরান (৫ বলে ৩)। মহম্মদ সামির বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে গিয়ে লং অনে শুভমান গিলের হাতে ধরা পড়েন। পরের ওভারেই মার্করামকে তুলে নেন যশ দয়াল। ৪০ বলে ৫৬ রান করে তিনি ডেভিড মিলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। চোট সারিয়ে এদিন প্রথম একাদশে ফিরেছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। ব্যাট হাতে তিনিও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। মাত্র ৩ রান করে তিনি রান আউট হন। শেষ ওভারে ঝড় তোলেন শশাঙ্ক সিং। ৬ বলে ২৫ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। গতি দিয়ে এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্যাটারদের কাবু করতে পারেননি সামি (৩/৩৯), জোশেফ (১/৩৫), ফার্গুসনরা (০/৫২)।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ঘুরে দাঁড়াতে গত বছরের পারফরমেন্সই প্রেরণা নাইটদের কাছে

প্রথম ৪ ম্যাচে ৩টিতে জয়। তারপর টানা ৪ ম্যাচে হার। ৮ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে লিগ টেবিলে অষ্টম স্থানে রয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। টানা ৪ ম্যাচে পরাজয় পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে নাইট রাইডার্সের। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের মুখোমুখি হচ্ছে শ্রেয়স আয়ারের দল। প্লে অফের সম্ভাবনা জিইয়ে রাখতে গেলে জিততেই হবে নাইট রাইডার্সকে।কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা অতীতে রয়েছে নাইট রাইডার্সের। গত বছর আইপিএলে প্রথম পর্বে ৭ ম্যাচের মধ্যে মাত্র ২টিতে জয় পেয়েছিল। শেষ ৭ ম্যাচের মধ্যে ৫টিতে জিতে প্লে অফের টিকিট জোগাড় করে নিয়েছিল নাইটরা। সেই ঘটনা প্রেরণা হয়ে উঠতে পারে নাইটদের কাছে। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে গত বছরের উদাহরণ তুলে ধরেছেন নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। তাঁর আশা এবছরও তেমন কিছু ঘটাতে পারবে দল। সতীর্থদের ওপর আস্থা হারাচ্ছেন না শ্রেয়স আয়ার।দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে নাইট অধিনায়ক বলেছেন, প্রথম ৪ ম্যাচের মধ্যে আমরা তিনটিতে জিতেছিলাম। তারপর ছন্দ হারিয়েছি। সবকিছু পরিকল্পনা মাফিক হয়নি। আশা করছি দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে দল ছন্দে ফিরবে। দিল্লির বিরুদ্ধে জিতলেই আমাদের থামানো কঠিন হবে। সতীর্থদের ওপর ভরসা আছে। আশা করছি দিল্লির বিরুদ্ধেই দল ঘুরে দাঁড়াবে। ইডেন গার্ডেন্সে প্লে অফ খেলার দিকেও তাকিয়ে নাইট রাইডার্স অধিনায়ক।দিল্লি ক্যাপিটালস ও নাইট রাইডার্স, দুই দলের কাছেই এই ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যে দল এই ম্যাচ থেকে ২ পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পারবে, প্লে অফের লড়াইয়ে তারাই অক্সিজেন পেয়ে যাবে। দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে অবশ্য কিছুটা হলেও নাইটরা এগিয়ে রয়েছে। দুই দলের ৩০ বার সাক্ষাৎকারের মধ্যে কলকাতা নাইট রাইডার্স জিতেছে ১৬ ম্যাচে। ১৩টি ম্যাচ জিতেছে দিল্লি ক্যাপিটালস। একটা ম্যাচে কোনও ফলাফল হয়নি।দুই দলই অবশ্য সমস্যা নিয়েই বৃহস্পতিবার মাঠে নামতে চলেছে। নাইট রাইডার্স যেমন এখনও প্রথম একাদশ তৈরি করে উঠতে পারেনি। একই অবস্থা দিল্লি ক্যাপিটালসেরও। নাইটদের সবথেকে বড় মাথাব্যাথা হয়ে দাঁড়িয়েছে রহস্যময় স্পিনার বরুণ চক্রবর্তীর ফর্ম। তাংর রহস্য ধরে ফেলেছেন বিপক্ষের ব্যাটাররা। দলের ব্যাটারদেরও ধারাবাহিকতার অভাব। সাম বিলিংস, শেলডন জ্যাকসনরাও দলকে ভরসা দিতে ব্যর্থ। ওপেনিং জুটি ক্লিক করছে না। সুনীল নারাইনকে দিয়ে পরীক্ষা চালানো হয়েছিল। তিনিও ব্যর্থ। দিল্লির বিরুদ্ধে হয়তো ভেঙ্কটেশ আয়ারকে আবার ওপেনিংয়ে ফেরানো হতে পারে।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হ্যাজেলউডের দাপটে ব্যর্থ বাটলার, বড় রানে ব্যর্থ রাজস্থান

বড় রানের জন্য রাজস্থান রয়্যালস তাকিয়েছিল স্বপ্নের ফর্মে থাকা জস বাটলারের দিকে। কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্টকে হতাশ করলেন রাজস্থানের এই বিধ্বংসী ব্যাটার। জস হ্যাজেলউডের অফ স্টাম্পের বাইরে পড়া শর্ট বল মিড অনের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন বাটলার। মিড অনে সিরাজের হাতে সহজ ক্যাচ। রাজস্থান রয়্যালসের বড় রানের স্বপ্নের সেখানেই সলিলসমাধি। বাকিরা দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৪/৮ রানের বেশি তুলতে পারল না রাজস্থান রয়্যালস। দুরন্ত বোলিং করেন জস হ্যাজেলউড।নৈশালোকে ম্যাচ হলে টস জিতে বিপক্ষকে ব্যাট করতে পাঠানো ট্র্যাডিশন হয়ে দাঁড়িয়েছে সব দলের কাছেই। এদিনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান। দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় রাজস্থান। চতুর্থ বলে দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (৭) তুলে নেন মহম্মদ সিরাজ। এদিন পিঞ্চ হিটার হিসেবে তিন নম্বরে নামানো হয়েছিল রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে। ভালোই শুরু করেছিলেন এই বর্ষীয়ান অফ স্পিনার। কিন্তু চতুর্থ ওভারে সিরাজের শেষ বলে তাঁরই হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। চারটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৯ বলে ১৭ রান করে আউট হন অশ্বিন। পরের ওভারেই হ্যাজেলউড বাটলারকে তুলে নিয়ে রাজস্থানকে সবথেকে বড় ধাক্কা দেন।এরপর মনে হচ্ছিল অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের হাত ধরে ঘুরে দাঁড়াবে রাজস্থান। ভাল শুরুও করেছিলেন সঞ্জু। শাহবাজ আমেদের বলে পরপর দুটি ছক্কাও হাঁকান। কিন্তু ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন। ১টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ২১ বলে ২৭ রান করেন সঞ্জু। এরপরই রানের গতি কমে যায় রাজস্থানের। ড্যারেল মিচেল নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ২৪ বলে মাত্র ১৬ রান করে আউট হন। শিমরন হেটমায়ারও এদিন ব্যর্থ। ৭ বলে মাত্র ৩ রান করে হাসারাঙ্গার বলে তিনি আউট হন।একের পর এক উইকেট পড়তে থাকায় বড় রানের স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ হয়ে যায় রাজস্থানের। একা লড়াই করেন রিয়ান পরাগ। এই তরুণ ব্যাটারের দাপটেই মান বাঁচায় রাজস্থান। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে তোলে ১৪৪/৮। ৩১ বলে ৫৬ রান করে অপরাজিত থাকেন রিয়ান পরাগ। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে দুরন্ত বোলিং করেন জস হ্যাজেলউড ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১ মেডেন সহ ১৯ রানে ২ উইকেট তুলে নেন তিনি।

এপ্রিল ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডেথ ওভার বোলিংয়ে বুমরাদের পেছনে ফেলে দিয়েছেন এই তরুণ জোরে বোলার

ডেথ ওভার বোলিংয়ে দারুণ সুনাম আছে যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামি, ভুবনেশ্বর কুমারদের। কিন্তু চলতি আইপিএলে তাঁদেরও পেছনে ফেলে দিয়েছেন এক অখ্যাত তরুণ জোরে বোলার। অথচ একসময় পাঞ্জাবের বয়সভিত্তিক দলেই সুযোগ পাচ্ছিলেন না। বাবা পরামর্শ দিয়েছিলেন দেশ ছেড়ে কানাডায় চলে যেতে। সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করে নিজের কেরিয়ার তৈরি করতে। রাজি হননি তরুণ অর্শদীপ। বাবার পরামর্শ অগ্রাহ্য করে ভারতীয় ক্রিকেটে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পথে।ছোট থেকেই ক্রিকেটই ছিল ধ্যানজ্ঞান। বাবা ছেয়েছিলেন ছেলে হকি খেলোয়াড় হোক। কিন্তু অর্শদীপের ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ দেখে বাবা আর জোরাজুরি করেননি। কিন্তু স্থানীয় পর্যায়ে ভাল খেলেও পাঞ্জাবের বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাচ্ছিলেন না। ২০০৭ সাল। বাবা পরামর্শ দিয়েছিলেন কানাডার ব্র্যাম্পটনে দিদির কাছে চলে যেতে। রাজি হননি অর্শদীপ। বাবার কাছে একবছর সময় চেয়ে নেন। এক বছরের মধ্যে পাঞ্জাবের অনূর্ধ্ব ১৯ দলে সুযোগ। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি অর্শদীপ সিংকে। সুযোগ এসে যায় অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতীয় দলেও। ২০১৮ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপেও দলে ছিলেন। কিন্তু সেভাবে খেলার সুযোগ পাননি। তাংকে বসিয়ে খেলানো হয়েছিল ঈশান পোড়েল, কমলেশ নাগরকোটিদের। আইপিএলে তাঁরাই এখন ডাগ আউটে বসে। আর বাইশ গজ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন অর্শদীপ সিং।২০১৯ সাল থেকেই পাঞ্জাব কিংসের জার্সি গায়ে খেলছেন এই তরুণ জোরে বোলার। ওই বছর খুব বেশি খেলার সুযোগ পাননি। মাত্র ৩টি ম্যাচ খেলেছিলেন। উইকেট তুলে নিয়েছিলেন ৩টি। পরের বছর ৮ ম্যাচে ৯ উইকেট। তবে গত বছর আইপিএলে রীতিমতো নজর কাড়েন ১২ ম্যাচে তুলে নেন ১৮ উইকেট। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে অর্শদীপকে ধরে রেখেছিল পাঞ্জাব কিংস। টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার মর্যাদা দিচ্ছেন।চলতি আইপিএলে ডেথ ওভারের বোলিংয়ে কৃপনতার দিক দিয়ে তারকা বোলারদের পেছনে ফেলে দিয়েছেন অর্শদীপ সিং। সোমবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ম্যাচ পর্যন্ত ডেথ ওভারে তাঁর ইকনমি ৫.৬৬। অর্শদীপ ডেথ ওভারের বোলিংয়ে পেছনে ফেলে দিয়েছেন সুনীল নারাইন, যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামি, ভুবনেশ্বর কুমারদের। ডেথ ওভারে সুনীল নারাইনের ইকনমি ৬.০০। অন্যদিকে ডেথ ওভার বিশেষজ্ঞ যশপ্রীত বুমরার ইকনমি ৮.১৬। মহম্মদ সামির ৮.৪০, ভুবনেশ্বর কুমারের ৮.৫০। শেষ ৪ ওভারে ৩০ বল করার পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে অর্শদীপ সিংই সেরা।সোমবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ডেথ ওভারে তাঁরই বোলিংই পাঞ্জাব কিংসের জয়ের পথ প্রশস্ত করেছিল। চেন্নাই ইনিংসের ১৭তম ওভারে অর্শদীপের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর ওই ওভারে তাঁর ওই ওভারে মাত্র ৭ রান তুলতে সক্ষম হয় চেন্নাই। ১৯ তম ওভারেও ৭ রান দেন অর্শদীপ। অর্থাৎ ২ ওভারে মাত্র ১৪ রান। এতেই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় চেন্নাইয়ের। মহেন্দ্র সিং ধোনি, রবীন্দ্র জাদেজার মতো ফিনিশাররাও জ্বলে উঠতে পারেননি অর্শদীপের বোলিংয়ের সামনে।

এপ্রিল ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেক্কা দিতে পারলেন না রায়ুডু, শিখরের ব্যাটে জয় পাঞ্জাবের

শেষ মুহূর্তে জ্বলে উঠেছিলেন অম্বাতি রায়ুডু। ৩৯ বলে ৭৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেও শেষরক্ষা করতে পারলেন না। ফিনিশারের ভূমিকা নিতে পারলেন না মহেন্দ্র সিং ধোনিও। দলকে জেতাতে ব্যর্থ। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসকে ১১ রানে হারাল পাঞ্জাব কিংস। এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় চেন্নাই সুপার কিংস। পাঞ্জাবের প্রথম উইকেট পড়ে ৩৭ রানের মাথায়। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (২১ বলে ১৮) তুলে নেন মহেশ থিকসানা। এরপরই দলকে দারুণভাবে টেনে নিয়ে যান শিখর ধাওয়ান ও ভানুকা রাজাপক্ষে। নিজের ২০০ তম আইপিএল ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে ওঠেন শিখর ধাওয়ান। চেন্নাই সুপার কিংসের বোলারদের কোনও রকম সুযোগ তিনি এদিন দেননি। ভানুকা রাজাপক্ষর সঙ্গে জুটিতে শিখর ধাওয়ান তোলেন ১১০ রান। এই জুটিই পাঞ্জাব কিংসের বড় রানের প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেয়।১৭.২ ওভারের মাথায় ডোয়েন ব্র্যাভোর বলে শিবম দুবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ভানুকা রাজাপক্ষে। ৩২ বলে তিনি করেন ৪২। এক ওভার পরেই লিয়াম লিভিংস্টোনকেও তুলে নেন ডোয়েন ব্র্যাভো। ৭ বলে ১৯ রান করেন লিভিংস্টোন। শিখর ধাওয়ানকে অবশ্য থামাতে পারেননি চেন্নাই সুপার কিংসের বোলাররা। শেষ দিকে ঝড় তুলে ৫৯ বলে ৮৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ধাওয়ান। ৯টি বাউন্ডারি ও ২টি ছক্কার সাহায্যে তিনি এই রান করেন। ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হন জনি বেয়ারস্টো। ৩ বলে তিনি করেন ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান তোলে পাঞ্জাব কিংস।জয়ের জন্য ১৮৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা একেবারেই ভাল হয়নি চেন্নাই সুপার কিংসের। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ফর্মে থাকা রবিন উথাপ্পা। মাত্র ১ রান করে তিনি সন্দীপ শর্মার বলে ঋষি ধাওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৫.৩ ওভারের মাথায় ৩০ রানে ফিরে যান মিচেল স্যান্টনার। ১৫ বলে ৯ রান করে তিনি অর্শদীপ সিংয়ের বলে বোল্ড হন। চেন্নাই আরও সমস্যায় পরে সপ্তম ওভারের শেষ বলে। ঋষি ধাওয়ানের বলে বোল্ড হন শিবম দুবে (৮)। ৪০ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও অম্বাতি রায়ুডু। জুটিতে ওঠে ৪৯। ঋতুরাজকে (২৭ বলে ৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন কাগিসো রাবাদা। জয়ের জন্য শেষ ওভারে দরকার ছিল ২৭ রান। ঋষি ধাওয়ানের প্রথম বলে ছক্কা মারেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। দ্বিতীয় বল ওয়াইড। পরের বল ডট। ওভারের তৃতীয় ধোনির আউট। বড় শট খেলতে গিয়ে ৮ বলে ১২ রান করে সাজঘরে ফিরলেন। তাতেই নিশ্চিত হয়ে গেল ম্যাচের ভাগ্য। পঞ্চম বলে জাদেজার ছক্কা। কিন্তু তাতে চলতি আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ফিরতি সাক্ষাতেও পরাজয় এড়াতে পারল না চেন্নাই সুপার কিংস। জাদেজা ১৬ বলে ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ১৭৬/৬ রানে থেমে যায় চেন্নাই।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ধাওয়ান, রানের শিখরে পাঞ্জাব কিংস

দুরন্ত ছন্দে শিখর ধাওয়ান। একই দিনে তিনটি মাইলস্টোন করার করার সঙ্গে সঙ্গে দলকে টেনে নিয়ে গেলেন। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান তুলল পাঞ্জাব কিংস। ৫৯ বলে ৮৮ রান করে অপরাজিত থাকেন শিখর ধাওয়ান।মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এদিন মুখোমুখি হয়েছিল পাঞ্জাব কিংস ও চেন্নাই সুপার কিংস। প্লে অফে যাওয়ার জন্য দুই দলের কাছেই এদিনের ম্যাচ ছিলই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এদিন মাঠে নামার আগে ৭ ম্যাচ খেলে পাঞ্জাব কিংসের পয়েন্ট ছিল ৬। চেন্নাই সুপার কিংসের পয়েন্ট ছিল ৪। অষ্টম স্থানে থাকা পাঞ্জাবের পরেই চেন্নাই সুপার কিংস রয়েছে নবম স্থানে।এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় চেন্নাই সুপার কিংস। পাঞ্জাবের প্রথম উইকেট পড়ে ৩৭ রানের মাথায়। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (২১ বলে ১৮) তুলে নেন মহেশ থিকসানা। এরপরই দলকে দারুণভাবে টেনে নিয়ে যান শিখর ধাওয়ান ও ভানুকা রাজাপক্ষে। নিজের ২০০ তম আইপিএল ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে ওঠেন শিখর ধাওয়ান। চেন্নাই সুপার কিংসের বোলারদের কোনও রকম সুযোগ তিনি এদিন দেননি। ভানুকা রাজাপক্ষর সঙ্গে জুটিতে শিখর ধাওয়ান তোলেন ১১০ রান। এই জুটিই পাঞ্জাব কিংসের বড় রানের প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেয়।১৭.২ ওভারের মাথায় ডোয়েন ব্র্যাভোর বলে শিবম দুবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ভানুকা রাজাপক্ষে। ৩২ বলে তিনি করেন ৪২। এক ওভার পরেই লিয়াম লিভিংস্টোনকেও তুলে নেন ডোয়েন ব্র্যাভো। ৭ বলে ১৯ রান করেন লিভিংস্টোন। শিখর ধাওয়ানকে অবশ্য থামাতে পারেননি চেন্নাই সুপার কিংসের বোলাররা। শেষ দিকে ঝড় তুলে ৫৯ বলে ৮৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ধাওয়ান। ৯টি বাউন্ডারি ও ২টি ছক্কার সাহায্যে তিনি এই রান করেন। ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হন জনি বেয়ারস্টো। ৩ বলে তিনি করেন ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান তোলে পাঞ্জাব কিংস।এদিন ৩৭ বলে চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় তথা আইপিএল কেরিয়ারে ৪৬ তম হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন শিখর ধাওয়ান। চলতি আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ধাওয়ান করেছিলেন ৪৩। এরপর নাইট রাইডার্স ম্যাচে ১৬, লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ৩৩, গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ৩৫, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ৭০ রান করেন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচে ৮ ও দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৯ রানে আউট হয়েছিলেন। তারপর আজ দুরন্ত হাফ সেঞ্চুরি।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

খোলা চিঠি, বিরাট কোহলিকে এ কী পরামর্শ দিলেন এক ভক্ত!

চলতি আইপিএলে ব্যাটে রান নেই বিরাট কোহলির। হতাশ কোহলিভক্তরা। চারিদিকে সমালোচনার ঝড়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই কোহলিকে নিয়ে মিম ছড়িয়ে পড়েছে। কেউ কেউ আবার লিখেছেন, এক বলের খদ্দের। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ভক্ত আবার কোহলিকে উদ্দেশ্য করে খোলা চিঠি লিখেছেন।কোহলির উদ্দেশ্যে ওই ভক্ত লিখেছেন, বিরাট ভাই, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের তাড়াহুড়ো এবং মুম্বাইয়ের প্রচণ্ড উত্তাপ একটানা ম্যাচ খেলতে অনেক সমস্যা তৈরি করছে। এই সবের মাঝে, করোনার কারণে দলগুলির জন্য তৈরি বায়ো বাবলটিও একটি কঠিন বিষয়, যেখানে আপনি আপনার পরিবার এবং কাছের মানুষদের থেকে দূরে রয়েছেন। করোনার মাঝামাঝি সময়ে অনেকেই এমন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও আপনি একটানা ক্রিকেট খেলছেন, যেটা একটা দারুণ ব্যাপার।কিন্তু আইপিএলের এই মরশুমে ব্যাট নিয়ে যা হয়েছে তা দেখার মতো নয়। টানা দুই ম্যাচে গোল্ডেন ডাকে আউট হওয়া কোনও ব্যাটারের জন্য সাধারণ ব্যাপার নয়। আমরা ক্রিকেট ভক্ত, আমরা সমালোচক, আমরা দুঃখ বোধ করি, কিন্তু আমরা জানি আপনি নিশ্চয়ই এর থেকেও বেশি কষ্ট, কষ্ট ও যন্ত্রণা ভোগ করছেন।এই ঘটনা শুধু চলতি আইপিএলের কথা নয়। এটা ২০১৯ সাল থেকে চলছে। যখন আপনি আপনার শেষ আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি করেছিলেন। আপনার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটজীবন যখন শুরু হয়েছিল, তখন থেকেই সেঞ্চুরির ঝাপটা ছিল। তখন সবাই বলত এই ছেলেটা একদিন শচীন তেন্ডুলকারের রেকর্ড ভাঙবে। তখন আমরা বিশ্বাস করিনি। কিন্তু আপনি আমাদের সকলকে ভুল প্রমাণ করেছেন।পরপর দুই ম্যাচে প্রথম ম্যাচেই গোল্ডেন ডাকে আউট হওয়া কোনও ব্যাটারের জন্য সাধারণ ব্যাপার নয়। বিশেষ করে আপনার মতো ব্যাটারের জন্য তো নয়ই। ২০১৯ এবং ২০২২ এর মধ্যে যা কিছু ঘটেছে তা সেই বিশ্বাসের ভিত্তিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। সবকিছু সবসময় এক রকম থাকে না, সকাল হলে সন্ধ্যাও হবে। ব্যাটার ভালো ফর্মে থাকলে খারাপ সময়ও আসবে। যা আপনার প্রিয়জনরা অনুভব করছেন।আপনাকে আর আগের মতো মাঠের মধ্যে আবেগে ভাসতে দেখা যায় না। আপনার অধিনায়কত্ব চলে যাওয়ার পর এটি আরও দৃশ্যমান হয়েছে। সেই রকম উৎসাহ, সেই রকম আবেগ মাঝে মাঝে মাঠে দেখা যায়। কিন্তু রানের জন্য ক্ষুধার্ত বিরাটকে আর প্রতিপক্ষ দলে দেখা যাচ্ছে না। খারাপ ফর্মের চেয়েও, এটি একজন ভক্তের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ, আমরা যে রাজা কোহলিকে চিনি তা হারিয়ে গেছে।টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী, যিনি দীর্ঘদিন ধরে আপনার সাথে কাজ করেছেন এবং আরও অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটার বলেছেন যে আপনার বিরতি নেওয়া উচিত। লম্বা বিরতি. বর্তমান যুগে যে সমস্ত ক্রিকেট হচ্ছে তার মাঝে আপনি ঘন ঘন বিরতি নিচ্ছেন। তবে এটা একটা সিরিজ, কয়েকটা ম্যাচ, তার মধ্যেও আপনি একটা অ্যাড ফিল্মের শুটিংয়ে ব্যস্ত। এই পর্বটি শেষ করতে, আপনার রবি শাস্ত্রী এবং অন্য সবার কথা শোনা উচিত, সম্ভবত এটি আরও ভাল প্রমাণিত হবে।আপনাকে অবশ্যই বিজ্ঞাপন ফিল্মের জগৎ থেকে বিরতি নিতে হবে, ক্রিকেট মাঠ থেকে দূরে। যেখানে শুধু আপনি, আপনার স্ত্রী, কন্যা এবং পরিবারের সদস্যরা আছেন। জনগণের তাড়াহুড়ো বা আমাদের মতো ভক্তরাও নয় যারা আপনার প্রতিটি কাজের উপর নজর রাখছে। এই বিরতি সম্ভবত আপনার ফর্ম, আপনার মনোবল এবং ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য একটি লাইফলাইন হবে। যাই হোক, একটা কথা প্রচলিত আছে যে সিংহ যখন দুই পা পিছিয়ে যায় তার মানে এই নয় যে সে হেরে যাচ্ছে, বরং সে তার লক্ষ্যের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।এই আইপিএলে এখন পর্যন্ত ৮ ম্যাচে ১১৯ রান করেছেন। আমরা যদি সমস্ত ইনিংসের দিকে তাকাই, আপনার স্কোর হল ৪১, ১২, ৫, ৪৮, ১, ১২, ০, ০। প্রথম ম্যাচে আপনাকে রান করতে দেখে আশা জাগে এবং মনে হয়েছিল এই আইপিএলে ইতিহাস তৈরি হবে। কিন্তু ইতিহাসের ভাষা বদলে গেছে। এটা একজন আন্তর্জাতিক স্তরের ব্যাটারের সঙ্গে ঘটে। কিন্তু আপনি আলাদা এবং আপনি যেভাবে আউট হন এবার সেটা একেবারেই আলাদা। আপনি রানে ফিরবেন আমরা নিশ্চিত। আমাদের থেকে আপনি নিজের ওপর বেশি বিশ্বাস রাখুন।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

একই দিনে তিনটি মাইলস্টোন! এ কী করলেন শিখর ধাওয়ান!

চলতি আইপিএলে একই দিনে তিনটি মাইলস্টোন। দুর্দান্ত নজির গড়লেন শিখর ধাওয়ান। এদিন চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ২০০ তম আইপিএল ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন শিখর ধাওয়ান। এটা একটা মাইলস্টোন। আর আইপিএলে ২০০ তম ম্যাচ খেলার দিনেও আরও দুটি নজির গড়লেন পাঞ্জাব কিংসের এই ওপেনার। এদিন তিনি আইপিএলে ৬০০০ রানের সীমা অতিক্রম করে গেলেন। বিরাট কোহলির পর দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। শুধু তাই নয়, টি২০ ক্রিকেটে ৯০০০ রানের মাইলস্টোনেও পৌঁছে গেলেন শিখর ধাওয়ান। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মার পর তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন।টি২০ ক্রিকেটে বিরাট কোহলির মোট রান ১০৩৯২। আর রোহিত শর্মা টি২০ ক্রিকেটে করেছেন ১০০৪৮ রান। চলতি আইপিএলেই তিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছেছেন। আর শিখর ধাওয়ান সোমবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ৯ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছলেন। এদিন মহেশ থিকসানাকে স্লগসুইপ করে ছক্কা মেরে টি২০ ক্রিকেটে ৯ হাজার রানে পৌঁছন শিখর ধাওয়ান।চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আইপিএলে ৪৫টি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন শিখর ধাওয়ান। সবথেকে বেশি হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড ডেভিড ওয়ার্নারের দখলে। তিনি করেছেন ৫২টি হাফ সেঞ্চুরি। হাফ সেঞ্চুরির দিক দিয়ে শিখর ধাওয়ান রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। সবথেকে বেশি বাউন্ডারি মারার রেকর্ড অবশ্য পাঞ্জাব কিংসের এই ওপেনারের দখলে। তিনি মোট ৬৭৫টি বাউন্ডারি মেরেছেন। ২০১৯ সাল থেকে আইপিএলের প্রতিটা সংস্করণে ৫০০র বেশি রান করেছেন শিখর ধাওয়ান। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চলতি আইপিএলে ৭ ম্যাচে শিখর ধাওয়ানের সংগ্রহ ছিল ২১৪ রান। সর্বাধিক ৭০। গড় ৩০.৫৭, স্ট্রাইক রেট ১২৬.৬৩। আইপিএলে শিখরের দুটি সেঞ্চুরি রয়েছে শিখর ধাওয়ানের। দুটিই সেঞ্চুরিই এসেছিল ২০২০ সালে। এবছরও খুব একটা খারাপ ফর্মে নেই। বছরের শেষদিকে অস্ট্রেলিয়ায় টি২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। বাকি ম্যাচগুলিতে ধারাবাহিকভাবে রানের মধ্যে থাকলে আবার জাতীয় দলে জায়গা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হবে ধাওয়ানের।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শেষ ওভারে ৪ উইকেট! তবুও কুম্বলের রেকর্ড অধরা রাসেলের‌

১৯ ওভার শেষে গুজরাট টাইটান্সের রান ছিল ১৫১/৫। ইনিংসের শেষ ওভারে আন্দ্রে রাসেলের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। ম্যাচে ওটাই ছিল রাসেলের প্রথম ওভার। বল হাতে বিধ্বংসী ভূমিকায় অবতীর্ণ দ্রেরাস। শেষ ওভারে তুলে নিলেন চার-চারটি উইকেট। আইপিএলের ইতিহাসে ১ ওভারের স্পেলে এটাই সেরা বোলিং। তবে সেরা বোলিং করেও অনিল কুম্বলের রেকর্ড স্পর্শ করতে পারলেন না আন্দ্রে রাসেল। আইপিএলে এক ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া বোলাদের তালিকা যথেষ্ট লম্বা। তবে সেই তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন ভারতের প্রাক্তন লেগ স্পিনার অনিল কুম্বলে। আইপিএলে তাঁর সেরা বোলিং ৫ রানে ৫ উইকেট। ২০০৯ সালে কেপ টাইনে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে এই রেকর্ড গড়েছিলেন কুম্বলে। ৩.১ ওভার বল করে ১টিসহ ৫ উইকেট নিয়েছিলেন কুম্বলে। আর এদিন গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ৪ রানে ৪ উইকেট তুলে নিয়েছেন রাসেল। আইপিএলে এটাই অবশ্য আন্দ্রে রাসেলের সেরা বোলিং নয়। দুদুবার তিনি ৫ উইকেট নিয়েছেন। তিনি সেরা বোলিং করেছিলেন গতবছর আইপিএলে। চেন্নাইয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ৩.২ ওভার বল করে ১৫ রানে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। সেই ম্যাচে ইনিংসের ১৮ তম ওভারে পরপর ২ বলে ফিরিয়েছিলেন কায়রণ পোলার্ড ও মার্কো জানসেনকে। আর শেষ ওভারে তুলে নিয়েছিলেন ক্রূণাল পাণ্ডিয়া, যশপ্রীত বুমরা ও রাহুল চাহারকে। এদিন গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ইনিংসের শেষ ওভারে রাসেলের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন শ্রেয়স আয়ার। প্রথম ও দ্বিতীয় বলে ফেরান অভিনব মনোহর ও লকি ফার্গুসনকে। পঞ্চম ও শেষ বলে তুলে নেন রাহুল তেওয়াটিয়া ও যশ দয়ালকে। যশ দয়ালকে কট অ্যান্ড বোল্ড করেন রাসেল। বাকি তিনজনের ক্যাচ ধরেন রিঙ্কু সিং।এবারের আইপিএলে খুব বেশি বোলিং করার সুযোগ পাননি আন্দ্রে রাসেল। গুজরাট টাইটান্স ম্যাচ নিয়ে মোট বল করেছেন ১৪.৪ ওভার। ৮ ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ১০ উইকেট। চলতি আইপিএলে এই ম্যাচের আগে রাসেলের সেরা বোলিং ছিল ২০ রানে ২ উইকেট, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ৩৮ রানে তুলে নিয়েছিলেন ১ উইকেট। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে কোনও উইকেট পাননি। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে শূন্য রানে ১ উইকেট। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচে উইকেটহীন। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ১ উইকেট। আগের ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ১ উইকেট।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌এক বলের কাস্টমার’‌!‌ কোহলিকে নিয়ে কটাক্ষ সোশ্যাল মিডিয়ায়

খুব খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন বিরাট কোহলি। আবার গোল্ডেন ডাকএর শিকার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের প্রাক্তন অধিনায়ক। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধেও প্রথম বলে আউট হলেন বিরাট কোহলি। পরপর দুই ম্যাচে। আর আইপিএলের ইতিহাসে এই নিয়ে পঞ্চমবার। এদিন আউট হওয়ার পরপরই সোশষ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে নিয়ে নানা রকম কটাক্ষ। কেউ হাঁসের সঙ্গে ছবি দিয়ে লিখেছেন, এক বলের কাস্টমার। এদিন টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ইনিংসে। দ্বিতীয় বলেই অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসির অফ স্টাম্প ছিটকে দেন মার্কো জানসেন। ৭ বলে তিনি করেন মাত্র ৫ রান। এরপর ক্রিজে আসেন বিরাট কোহলি। জানসেনের ১৪০ কিমি গতিতে ধেয়ে আসা বল অফ স্টাম্পে পড়ে হালকা সিম করে কোহলির ব্যাটের কানা ছঁুয়ে জমা হয় দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা এইডেন মার্করামের হাতে। আবার শূন্য রানে আউট বিরাট কোহলি। এই নিয়ে পঞ্চম বার গোল্ডেন ডাকএর শিকার কোহলি। ২০০৮ সালে প্রথম আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে আশিস নেহরার বলে আউট হয়েছিলেন। ২০১৭ আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ইডেনে প্রথম বলেই আউট হয়েছিলেন কোহলি। সেই দিনটাও ছিল ২৩ এপ্রিল। আজও ২৩ এপ্রিল গোল্ডেন ডাকএর শিকার কোহলি। দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে আবার ধাক্কা খায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। এবার অনুজ রাওয়াতকে (০) তুলে নেন জানসেন। দ্বিতীয় ওভারে ৩ উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলাতে পারেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। পঞ্চম ওভারে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে তুলে নেন নটরাজন। মিড অফে দুরন্ত ক্যাচ ধরেন কেন উইলিয়ামসন। ১১ বলে ১২ রান করেন ম্যাক্সওয়েল। এরপর মিছিল শুরু হয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে। শাহবাজ আমেদ (৭) থেকে শুরু করে দীনেশ কার্তিক (০), হর্ষাল প্যাটেল (৪), ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (৮), সবাই ব্যর্থ। সর্বোচ্চ রান করেন সু্য়াস প্রভুদেশাই। ২০ বলে তিনি করেন ১৫। ম্যাক্সওয়েল ও তিনি ছাড়া রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের আর কোনও ব্যাটার দুঅঙ্কের রানে পৌঁছতে পারেননি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে দুরন্ত বোলিং করেন মার্কো জানসেন, টি নটরাজন। ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন জানসেন, আর ১০ রানে ৩ উইকেট নেন নটরাজন।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কুলদীপ–অক্ষরদের কাছে দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠলেন বাটলার, শীর্ষে রাজস্থান

শেষ ওভারে দিল্লির জয়ের জন্য দরকার ছিল ৩৬। ওবেদ ম্যাকয়ের প্রথম তিন বলে তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে লড়াই জমিয়ে দিয়েছিলেন রভম্যান পাওয়েল। কিন্তু ২০ রানের বেশি তুলতে পারেননি। জয়ের জন্য ২২৩ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ২০৭ রানে থেমে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। ১৫ রানে জিতে লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছল রাজস্থান রয়্যালস। তবে ওয়াংখেড়ের দর্শকরা এদিন দুর্দান্ত ম্যাচের সাক্ষী থাকল। রাজস্থান রয়্যালস ও দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচ ছিল মূলত রাজস্থানের ব্যাটারদের সঙ্গে দিল্লির বোলারদের লড়াই। বলা ভাল জস বাটলারের সঙ্গে দিল্লির বোলারদের। কুলদীপ যাদব, মুম্তাফিজুর রহমান, অক্ষর প্যাটেলদের উড়িয়ে দিলেন জস বাটলার। বিধ্বংসী মেজাজে ব্যাট করে আবার সেঞ্চুরি বাটলারের। ৬৫ বলে করেন ১১৬। চলতি আইপিএলে তৃতীয় শতরান। একই সঙ্গে আইপিএলে তাঁর মোট সেঞ্চুরির সংখ্যা দাঁড়াল ৪। স্পর্শ করলেন ডেভিড ওয়ার্নার ও শেন ওয়াটসনকে। নিজের শেষ ৮ আইপিএল ইনিংসের চারটিতেই সেঞ্চুরি বাটলারের।এদিন টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। দিল্লি বোলারদের কোনও রকম সুযোগ দেননি রাজস্থানের দুই ওপেনার জস বাটলার ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। চলতি আইপিএলে স্বপ্নের ফর্মে রয়েছেন বাটলার। এদিন ললিত যাদবের বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৩৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। দেবদত্ত পাড়িক্কলও নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেন। তাঁর হাফ সেঞ্চুরি আসে ৫০ বলে। রাজস্থানের এই দুই ওপেনার সবথেকে বেশি নির্দয় ছিলেন কুলদীপ যাদবের ওপর। শেষ পর্যন্ত ৩৫ বলে ৫৪ রান করে খলিল আমেদের বলে এলবিডব্লুউ হন দেবদত্ত পাড়িক্কল। বাটলার ও দেবদত্তর প্রথম দিকে বাটলার খুব বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন না। হাফ সেঞ্চুরি করার পর রীতিমতো ঝড় তোলেন। পরের ৫০ আসে ২১ বলে। অর্থাৎ ৫৭ বলে সেঞ্চুরি। আইপিলে মোট ৪ সেঞ্চুরির মালিক হলেন বাটলার। চলতি মরশুমে ৩টি। শেষ পর্যন্ত ৬৫ বলে ১১৬ রান করে তিনি মুস্তাফিজুরের বলে ডেভিড ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। সঞ্জু স্যামসনও ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন। ১৯ বলে ৪৬ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২২২ রান তোলে রাজস্থান রয়্যালস। জয়ের জন্য ২২৩ রানের লক্ষ্য মোটেই সহজ ছিল না দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে। তবে দারুণ শুরু করে দলকে আশা জাগিয়েছিলেন দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও পৃথ্বী শ। ওপেনিং জুটিতে ৪.২ ওভারে ওঠে ৪৩। এরপরই ধাক্কা। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে ফিরে যান ওয়ার্নার। ১৪ বলে তিনি করেন ২৮। পরের ওভারেই আউট সরফরাজ খান (১)। পৃথ্বী শ এবং অধিনায়ক ঋষভ পন্থ দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এই সময় মনে হচ্ছিল চাপ কাটিয়ে দিল্লি হয়তো জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যেতে পারে। দশম ওভারের শেষ বলে পৃথ্বীকে (২৭ বলে ৩৭) তুলে নিতেই চাপে পড়ে যায় দিল্লি। এক ওভার পরে অধিনায়ক ঋষভ (২৪ বলে ৪৪) ফিরতেই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় দিল্লির। অক্ষর প্যাটেল (১), শার্দূল ঠাকুররা (১০) দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। ললিত যাদব (২৪ বলে ৩৭) ও রভম্যান পাওয়েল (১৫ বলে ৩৬) চেষ্টা করেছিলেন। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ২০২৭ তুলতে সমর্থ হয় দিল্লি। ২২ রানে ৩ উইকেট নেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ৩২ রানে ২ উইকেট রবিচন্দ্রন অশ্বিনের।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টানা ৭ ম্যাচে হার, কেন এই হাল মুম্বইয়ের?‌ রহস্য ফাঁস

চলতি আইপিএলে পরপর ৭ ম্যাচে হেরে রেকর্ড গড়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। আর এই টানা হারে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শিবিরে দলের ভেতরের খবর বাইরে এসে পড়েছে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শিবির এখন ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। ড্রেসিংরুমের পরিবেশ একেবারেই ভাল নয়। এমনই জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার ক্রিস লিন। বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের ডিওওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে পাঁচবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স রবীন্দ্র জাদেজার চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে তিন উইকেটে হেরেছে। শেষ ওভারে ৪ বলে ১৬ রান নিয়ে জয়দেব উনাদকাট চেন্নাইয়ের রাম তাড়া করার চাপ ধরে রাখতে পারেননি। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ফিনিশারের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। রোহিত অ্যান্ড কোম্পানি আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে টানা ৭ ম্যাচ হেরেছে। কেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই রকম বিপর্যয়? মুম্বই শিবিরের অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ক্রিস লিন মনে করছেন, ড্রেসিংরুমের পরিবেশ খারাপ হওয়ার কারণেই দলের এই হাল। ক্রিস লিন ২০২০ ও ২০২১ আইপিএলেও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলের অংশ ছিলেন। তাঁর মতে, মুম্বই শিবিরে ক্রিকেটারদের মধ্যে নানা মত পার্থক্য রয়েছে।এক ক্রিকেট ওয়েবসাইটের অনুষ্ঠানে ক্রিস লিন বলেছেন, জেতাটা একটা অভ্যাস আর হারটাও একটা অভ্যাস। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ব্যাট, বল, মাঠে এবং মানসিকভাবে সমস্যায় পড়েছে। দেখে মনে হচ্ছে গোটা দলের সেট আপে সর্বত্র দলাদলি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, যখন দল একেবারে টেবিলের নীচের দিকে থাকবে, তখন অধিনায়কের মতো বাকিরা, কাইরন পোলার্ডও মিড অন বা মিড অফ থেকে দৌড়ে আসবে, সাহায্য করবে। কিন্তু মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলের মধ্যে এটা দেখিনি। কারণ তারা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হতে শুরু করেছে এবং তারা কেবল মাঠে নামতে চায়। এটা ভাল লক্ষণ নয়। আমার মনে হয় এই মুহূর্তে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দলের পরিবেশ ভাল জায়গায় রয়েছে। এই মুহূ্র্তে রোহিত শর্মার দল পয়েন্ট তালিকায় সকলের শেষে রয়েছে। প্লে অফে যেতে গেলে বাকি ম্যাচগুলোতে জিততেই হবে। যা খুবই কঠিন। এই পরিস্থিতিতে ২৪ এপ্রিল রবিবার মুম্বইয়েরে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে লোকেশ রাহুলের নেতৃত্বাধীন লখনউ সুপার জায়ান্টদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে।

এপ্রিল ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার সেঞ্চুরি!‌ স্বপ্নের ফর্মে বাটলার, উড়ে গেলেন কুলদীপরা

আবার ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন জস বাটলার। এদিন ওয়াংখেড়েতে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে পেলেন চলতি আইপিএলের তৃতীয় শতরান। সেই সঙ্গে আইপিএলে তাঁর মোট শতরানের সংখ্যা দাঁড়াল ৪। বাটলার স্পর্শ করলেন ডেভিড ওয়ার্নার ও শেন ওয়াটসনকে। নিজের শেষ ৮ আইপিএল ইনিংসের চারটিতেই শতরান হাঁকালেন বাটলার।রাজস্থান রয়্যালস ও দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচে লড়াইটা ছিল মূলত রাজস্থানের ব্যাটারদের সঙ্গে দিল্লির বোলারদের লড়াই। কুলদীপ যাদব, মুম্তাফিজুর রহমান, অক্ষর প্যাটেলদের নক আউট করে দিয়ে রীতিমতো দাপট দেখিয়ে গেলেন বাটলারদেবদত্ত পাড়িক্কলরা। এই দুই ওপেনারের সৌজন্যেই দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে বড় রান রাজস্থান রয়্যালসের। এদিন টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ভেবেছিলেন ১৫০১৬০ রানের মধ্যে রাজস্থান রয়্যালসকে আটকে রাখতে পারবেন। ভরসা করেছিলেন দলের সেরা লেগ স্পিনার কুলদীপ যাদবের ওপর। কিন্তু দিল্লি বোলারদের কোনও রকম সুযোগ দেননি রাজস্থানের দুই ওপেনার জস বাটলার ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। চলতি আইপিএলে স্বপ্নের ফর্মে রয়েছেন বাটলার। এদিন ললিত যাদবের বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৩৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। দেবদত্ত পাড়িক্কলও নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেন। তাঁর হাফ সেঞ্চুরি আসে ৫০ বলে। রাজস্থানের বাটলার ও দেবদত্তর এই দুই ওপেনার সবথেকে বেশি নির্দয় ছিলেন কুলদীপ যাদবের ওপর। শেষ পর্যন্ত ৩৫ বলে ৫৪ রান করে খলিল আমেদের বলে এলবিডব্লুউ হন দেবদত্ত পাড়িক্কল।প্রথম দিকে বাটলার খুব বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন না। হাফ সেঞ্চুরি করার পর রীতিমতো ঝড় তোলেন। পরের ৫০ আসে ২২ বলে। অর্থাৎ ৫৭ বলে সেঞ্চুরি। আইপিলে মোট ৪ সেঞ্চুরির মালিক হলেন বাটলার। চলতি মরশুমে ৩টি। শেষ পর্যন্ত ৬৫ বলে ১১৬ রান করে তিনি মুস্তাফিজুরের বলে ডেভিড ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। সঞ্জু স্যামসনও ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন। ১৯ বলে ৪৬ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২২২ রান তোলে রাজস্থান রয়্যালস।

এপ্রিল ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মাঠের বাইরে চরম ধাক্কা, বাইশ গজে এভাবে চমক দিল্লি ক্যাপিটালসের!‌

ম্যাচ শুরুর কয়েক ঘন্টা আগে চরম অনিশ্চয়তা। আদৌও ম্যাচ হবে তো? করোনার ধাক্কায় রীতিমতো বেসামাল দিল্লি ক্যাপিটালস। আগেই করোনায় আক্রান্ত মিচেল মার্শ। এবার টিম সেইফার্ট। ম্যাচ শুরুর কয়েকঘন্টা আগে দিল্লি ক্যাপিটালসের উইকেটকিপারব্যাটার টিম সেইফার্টে আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। মাঠের বাইরে প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে বাইশ গজে দারুণভাবে জ্বলে উঠল দিল্লি ক্যাপিটালস। তাদের দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১১৫ রানে গুটিয়ে গেল পাঞ্জাব কিংস। দুই দলের কাছেই এদিন ছিল জয়ের সরণিতে ফেরার লড়াই। প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল পাঞ্জাব কিংস। চোট কাটিয়ে প্রথম একাদশে ফেরেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। আর ওডিয়েন স্মিথের জায়গায় প্রথম একাদশে নেওয়া হয় মাথান এলিসকে। অন্যদিকে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রথম একাদশে একটি পরিবর্তন। করোনায় আক্রানত মিচেল মার্শের পরিবর্তে প্রথম একাদশে সরফরাজ খান। টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান। ভাল শুরু করেছিলেন চোট সারিয়ে এদিন খেলতে নামা অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। শুরু থেকেই ঝড় তুলেছিলেন। ৩.৩ ওভারে ৩৩ রানে পৌঁছে যায় পাঞ্জাব। এরপরই ধাক্কা খায়। শিখর ধাওয়ানকে তুলে নেন ললিত যাদব। ১০ বলে মাত্র ৯ রান করে উইকেটের পেছনে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দেন। তবে পাঞ্জাব কিংস সবথেকে বড় ধাক্কা খায় পঞ্চম ওভারে। মুস্তাফিজুর রহমানের তৃতীয় বলে স্টাম্প ছিটকে যায় পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের। ১৫ বলে ২৪ রান করে তিনি আউট হন। মায়াঙ্ক ফিরে যাওয়ার পরপরি ধস নামে পাঞ্জাব কিংস ইনিংসে। একে একে ফিরে যান জনি বেয়ারস্টো (৯) ও লিয়াম লিভিংস্টোন (২)। অক্ষর প্যাটেলের বলে লিভিংস্টোনকে দুর্দান্ত স্টাম্প করেন ঋষভ। এরপর হাল ধরার চেষ্টা করেন জিতেশ শর্মা ও শাহরুখ খান। জুটি গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁদের সেই প্রয়াস কার্যকরী করতে দেননি ম্যাচের সেরা বোলার অক্ষর প্যাটেল। জিতেশ শর্মাকে (২৩ বলে ৩২) তুলে নিয়ে পাঞ্জাবের বড় রানের স্বপ্নে জল ঢেলে দেন। শাহরুখ খান করেন ২০ বলে ১২। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১১৫ রানে গুটিয়ে যায় পাঞ্জাবের ইনিংস। দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন অক্ষর প্যাটেল। খলিল আমেদ, ললিত যাদব ও কুলদীপ যাদবো ২টি করে উইকেট নেন।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

পুনে থেকে কেন সরানো হল দিল্লি ক্যাপিটালস ও রাজস্থান রয়্যালস ম্যাচ?‌

২২ এপ্রিল রাজস্থান রয়্যালস ও দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচ পুনে থেকে সরিয়ে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নিয়ে আসা হল। দিল্লি ক্যাপিটালস শিবিরে একের পর এক ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বুধবারই বোর্ডের পক্ষ থেকে এখবর জানানো হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব জয় শাহ একটি প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গোটা দিল্লি ক্যাপিটালস দলে আজ দুই রাউন্ড কোভিড পরীক্ষা করা হয়েছে। করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে। তাই দিল্লি ক্যাপিটালস এবং পাঞ্জাব কিংস ম্যাচ নং নির্ধারিত সূচি অনুসারে মুম্বইয়ের ব্র্যাবোর্ন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ২২ এপ্রিল দিল্লি ক্যাপিটালস ও রাজস্থান রয়্যালস ম্যাচ পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে হওয়ার কথা ছিল। ওই ম্যাচ সরিয়ে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নিয়ে আসা হয়েছে। বুধবার দিল্লি ক্যাপিটালসের উইকেটকিপারব্যাটার টিম সেইফার্টের আরটিপিসিআর পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর ভেনু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বুধবার দিল্লি ক্যাপিটালস ও পাঞ্জাব কিংস ম্যাচ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। ম্যাচ শুরুর কয়েকঘন্টা আগে জানা যায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন দিল্লি ক্যাপিটালসের উইকেটকিপারব্যাটার টিম সেইফার্ট। তাঁর আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। মিচেল মার্শের পর টিম সেইফার্ট হলেন দিল্লি ক্যাপিটালসের দ্বিতীয় ক্রিকেটার যিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আগের দিন মিচের মার্শের র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের রিপোর্ট প্রথমে নেগেটিভ এসেছিল। পরে আরটিপিসিআর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। আগেই দলের ফিজিও প্যাট্রিক ফারহার্ট করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। একজন ম্যাসিওরও করোনায় আক্রান্ত। টিম সেইফার্টকে নিয়ে দিল্লি শিবিরে করোনায় আক্রান্ত সদস্যর মোট সংখ্যা ৬। দিল্লি ক্যাপিটালসে একের পর এক সদস্য করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আইপিএলের জৈব সুরক্ষা বলয় নিয়ে আবার প্রশ্ন উঠেছে। এক কঠোর জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও কীভাবে দিল্লি ক্যাপিটালসের ৬ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে সকলেই অবাক। গত মরশুমে একের পর এক ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় মাঝপথে আইপিএল বন্ধ করে দিতে হয়েছিল। পরে ভারত থেকে সরিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লখনউকে হারিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স

লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ১৮ রানে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। জয়ের জন্য ১৮২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৩ রান তোলে লোকেশ রাহুলের দল।টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে ব্যাট করতে পাঠান লখনউ অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। প্রথম ওভারেই ধাক্কা। দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই। বিরাট কোহলির দিকে তাকিয়ে ছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স সমর্থকরা। ভেবেছিলেন লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে বড় রান আসবে প্রাক্তন অধিনায়কের ব্যাট থেকে। সমর্থকদের হতাশ করলেন কোহলি (০)। ক্রিজে নেমেই দুষ্মন্ত চামিরার বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে দীপক হুডার হাতে যেন ক্যাচ প্র্যাকটিস দিলেন। গোল্ডেন ডাক বিরাট কোহলির। ৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স।অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসির সঙ্গে চাপ কাটানোর চেষ্টা করছিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ক্রিজে নেমেই আক্রমণ শানিয়ে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বোলারদের ওপর পাল্টা চাপ শানানোর চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু তাঁর ঝড় বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ষষ্ঠ ওভারের দ্বিতীয় বলে ক্রূণাল পান্ডিয়ার বলে দুরন্ত ক্যাচ ধরে ম্যাক্সওয়েলকে (১১ বলে ২৩) ডাগ আউটে পাঠান জেসন হোল্ডার। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৩ উইকেটে ৪৭ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর।এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। তাঁকে সাহায্য করেন শাহবাজ আমেদ। ২২ বলে ২৬ রান করে রান আউট হন শাহবাজ। সুয়াশ প্রভুদেশাই ৯ বলে ১০ রান করে আউট হন। নিশ্চিত সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন ডুপ্লেসি। ইনিংসের শেষ ওভারে জেসন হোল্ডারের পঞ্চম বলে ৬ মারতে গিয়ে মার্কাস স্টয়নিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ডুপ্লেসি। ৬৪ বলে ৯৬ রান করেন তিনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮১ রান তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। দীনেশ কার্তিক ৮ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। লখনউর হয়ে ২৫ রানে ২ উইকেট নেন জেসন হোল্ডার। ৩১ রানে ২ উইকেট নেন দুষ্মন্ত চামিরা। জয়ের জন্য ১৮২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে লখনউ সুপার জায়ান্টসেরও শূরুটা ভাল হয়নি। ৮ ওভারের মধ্যেই ৬৪ রানে ৩ উইকেট হারায়। তৃতীয় ওভারে জস হ্যাজেলউডের বলে ফিরে যান কুইন্টন ডিকক। মাত্র ৩ রান করেন তিনি। এক ওভার পরেই মনীশ পাণ্ডেকেও (৬) তুলে নেন হ্যাজেলউড। এরপর দলকে টানছিলেন অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। কিন্তু অষ্টম ওভারের শেষ বলে তাঁকে তুলে নিয়ে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে বড় ধাক্কা দেন হর্ষল প্যাটেল। ২৪ বলে ৩০ রান করেন লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক। ১২.৩ ওভারের মাথায় চতুর্থ উইকেট পড়ে লখনউ সুপার জায়ান্টসের। দীপক হুডাকে ফেরান মহম্মদ সিরাজ। ১৪ বলে ১৩ রান করে প্রভুদেশাইয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন হুডা। পরের ওভারেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে থাকে ক্রুনাল পান্ডিয়াকে (২৮ বলে ৪২) তুলে নিয়ে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে চাপে ফেলে দেন ম্যাক্সওয়েল। আয়ুশ বাদনি (১৩), মার্কস স্টয়নিস (২৪), জেসন হোল্ডাররা (১৬) সেই চাপ থেকে দলকে বার করে নিয়ে আসতে পারেননি। ১৬৩/৮ রানে থেমে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। দুরন্ত বল করে ২৫ রানে ৪ উইকেট নেন হ্যাজেলউড।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বঞ্চনার মোক্ষম জবাব, নাইট রাইডার্সকে তছনছ করে দিলেন এই স্পিনার

যাবতীয় বঞ্চনার জবাব। পুরনো দলের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন কুলদীপ যাদব। তাঁর দাপটেই টানা ২ ম্যাচ হারের পর জয়ে ফিরল দিল্লি ক্যাপিটালস। নাইট রাইডার্সকে হারাল ৪৪ রানে। ৩৪ রানে ৪ উইকেট তুলে নিলেন কুলদীপ। টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। শুরু থেকেই ঝড় তুলে উমেশ যাদব, রসিক সালাম দার, প্যাট কামিন্সদের ছন্দ নষ্ট করে দেন দিল্লির দুই ওপেনার। ৪ ওভারেই ৫০ রান পূর্ণ হয়ে যায় দিল্লির। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে ৬৮। চলতি আইপিএলে এটা তৃতীয় সর্বোচ্চ। সবথেকে বেশি তুলেছে চেন্নাই সুপার কিংস (৭৩/১) লখনউর বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাঞ্জাব কিংসের (৭২/২)। পাঞ্জাব তুলেছিল চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে। সবকটিই মুম্বইয়ের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামে। ওয়ার্নারের তুলনায় পৃথ্বী শ বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন। ২৭ বলে তিনি হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন পৃথ্বী। নাইটদের বিরদ্ধে আগের ৫ ইনিংসে তাঁর রান ৮২,৬৬,১৪,৯৯,৬২।নাইট রাইডার্সকে ব্রেক থ্রু এনে দেন বরুণ চক্রবর্তী। নবম ওভারের চতুর্থ বলে তাঁর গুগলিতে পরাস্ত হয়ে বোল্ড হন পৃথ্বী (২৯ বলে ৫১)। পৃথ্বীর ইনিংসে রয়েছে ৭টা ৪ এবং ২টি ৬। ৯.৫ ওভারে ১০০ রান পূর্ণ হয় দিল্লির। এদিন ব্যাটিং অর্ডারে নিজেকে তিন নম্বরে উঠিয়ে নিয়ে এসেছিলেন ঋষভ পন্থ। দারুণ শুরুও করেছিলেন। ১৪ বলে ২৭ রান করে আন্দ্রে রাসেলের বলে উমেশ যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ঋষভ আউট হওয়ার পরের বলেই ফেরেন ললিত যাদব (১)। তিনি সুনীল নারাইনের বলে এলবিডব্লু হন। নারাইনকে তুলে মারতে গিয়ে পরিবর্ত ফিল্ডার রিঙ্কু সিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রভম্যান পাওয়েল (৮)। ৪৫ বলে ৬১ রান করে উমেশ যাদবের বলে ফিরে যান ওয়ার্নার। পরপর ৪ উইকেট হারিয়ে রান তোলার গতি অনেকটাই কমে যায় দিল্লি ক্যাপিটালসের।পরের দিকে ঝড় তোলেন অক্ষর প্যাটেল (১৪ বলে অপরাজিত ২২) ও শার্দুল ঠাকুর (১১ বলে অপরাজিত ২৯)। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ২১৫/৫ তোলে দিল্লি। সুনীল নারাইন ২১ রানে ২ উইকেট নেন। উমেশ যাদব ৪ ওভারে দেন ৫৮। তুলে নেন ১ উইকেট। জয়ের জন্য ২১৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি কলকাতা নাইট রাইডার্সের। ৩৮ রানের মধ্যে ফিরে যান দুই ওপেনার ভেঙ্কটেশ আয়ার ও অজিঙ্কা রাহানে। এদিন শুরুটা ভাল করেছিলেন ভেঙ্কটেশ। ৮ বলে ১৮ রান করে তিনি খলিল আহমেদের বলে অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।এদিনও ব্যর্থ রাহানে। ১৪ বলে মাত্র ৮ রান করে খলিল আহমেদের বলে শার্দুল ঠাকুরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। আনরিখ নোখিয়ার পরিবর্তে এদিন খলিল আহমেদকে খেলায় দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট। সুযোগের দারুন সদব্যবহার করেন খলিল। ৩৮ রানে ২ উইকেট হারানোর পর নাইট রাইডার্সকে টেনে নিয়ে যান নীতিশ রানা ও অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। জুটিতে ওঠে ৬৯ রান। নীতিশকে (২০ বলে ৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ললিত যাদব।পুরনো দলের বিরুদ্ধে নাইট রাইডার্সকে দারুন টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন শ্রেয়স। এগিয়ে এসে কুলদীপকে মারতে গিয়ে স্টাম্পড হন তিনি। ৩৩ বলে ৫৪ করেন শ্রেয়স। শ্রেয়স আয়ার আউট হওয়ার পরপরই ধস নামে নাইট রাইডার্স ইনিংসে। পরপর ফিরে যান সাম বিলিংস (১৫), প্যাট কামিন্স (৪), সুনীল নারাইন (৪), উমেশ যাদব (০)। দলের ষষ্ঠদশ ও নিজের চতুর্থ ওভারে কামিন্স, নারাইন ও উমেশকে ফেরান কুলদীপ। ৪ ওভারে ৩৫ রানে ৪ উইকেট নিয়ে নাইট রাইডার্সের মেরুদন্ড ভেঙে দেন। আন্দ্রে রাসেল ২১ বলে করেন ২৪। ১৯.৪ ওভারে ১৭১ রানে গুটিয়ে যায় নাইট রাইডার্সের ইনিংস।

এপ্রিল ১০, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! ধর্মতলায় ধরনায় বসলেন মমতা, তীব্র চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনকে

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় বহু সাধারণ মানুষের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুর দুইটায় ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের ডোরিনা ক্রসিংয়ে ধরনায় বসতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই সেখানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূলের নেতা থেকে কর্মীরা।এই কর্মসূচির মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছেন যে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করতেই তিনি পথে নেমেছেন। জানা গিয়েছে, এই ধরনা কর্মসূচিতে তাঁর পাশে থাকবেন সেই সব মানুষ যাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সংশোধন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বহু ভোটারও এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে।বঙ্গের এই সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রক্রিয়ার শুনানির শেষ পর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগী ভোটারদের নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরেও যান। সেখানে তিনি অভিযোগ জানান এবং সাধারণ মানুষের হয়ে কথা বলেন। তবুও এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি বদলায়নি বলে দাবি তৃণমূলের।তৃণমূল সূত্রের দাবি, বর্তমানে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে। এর মধ্যে তেষট্টি লক্ষের বেশি ভোটারের নাম ইতিমধ্যেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও প্রায় ষাট লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলনের পথেই হাঁটতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার রাজনীতিতে বহুবার দেখা গিয়েছে, যখনই সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও সংকট তৈরি হয়েছে, তখনই তিনি রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন।ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিং রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। প্রায় কুড়ি বছর আগে ধর্মতলার অনশন মঞ্চ থেকেই বাংলার রাজনীতিতে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। সেই একই জায়গায় আবারও ধরনায় বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই আন্দোলনের লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রতিবাদ করা এবং বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি রুখে দেওয়া। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে, তাহলে সেই নির্বাচনের কোনও অর্থ থাকে না। তাঁর অভিযোগ, চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হওয়ার পরেও দিল্লির নির্দেশে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত সব জায়গায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবুও বহু মানুষের নাম এখনও তালিকায় নেই। সেই কারণেই বাংলার মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে তিনি শুক্রবার থেকে ধর্মতলায় ধরনায় বসছেন। পাশাপাশি তিনি সকলকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার আহ্বানও জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, এটি শুধু রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি বাংলার সম্মানের প্রশ্ন।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

আকাশ ছুঁয়ে ধেয়ে এল মৃত্যু! যে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রে খামেনির শেষ, সেই প্রযুক্তিই আনছে ভারত

অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালীন একটি অত্যাধুনিক ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ব্লু স্প্যারো। এটি একটি বিশেষ ধরনের বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। একই ধরনের প্রযুক্তি এখন ভারতও নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়ানোর জন্য পরীক্ষা ও সংযোজন করছে বলে খবর।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের সময় প্রায় সাড়ে সাতটার দিকে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে তেহরানে খামেনির কম্পাউন্ডে গিয়ে আঘাত হানে সেটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ এবং আক্রমণের ধরন এতটাই জটিল যে সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এটিকে আটকানো প্রায় অসম্ভব।ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্রকে অনেক সময় মহাকাশ থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র বলা হয়। কারণ এটি প্রথমে একটি বুস্টার রকেটের সাহায্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রায় প্রান্তসীমা পর্যন্ত উঠে যায়। তারপর সেখান থেকে অত্যন্ত উচ্চ গতিতে আবার নিচে নেমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে। এই সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি শব্দের গতির পাঁচ গুণেরও বেশি হয়ে যায়। ফলে শত্রুপক্ষের পক্ষে এটিকে শনাক্ত করা বা ধ্বংস করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।এই ক্ষেপণাস্ত্রে জিপিএস ও ইনর্শিয়াল নেভিগেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। ফলে এটি হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। এমনকি একটি ভবনের নির্দিষ্ট ঘরকেও লক্ষ্য করে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থা রাফায়েল এই স্প্যারো পরিবারের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছিল মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুকরণে পরীক্ষা চালানোর জন্য। পরে সেই প্রযুক্তিকেই আরও উন্নত করে আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করেই ভারত নিজেদের বায়ুসেনার শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে রকস ও গোল্ডেন হরাইজন নামে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।রকস ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত ব্লু স্প্যারো প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারতীয় বায়ুসেনা সুখোই সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। প্রায় তিনশো কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। জিপিএস না থাকলেও এটি নিজস্ব সেন্সর ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে।এ ছাড়াও গোল্ডেন হরাইজন নামে একটি দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর সম্ভাব্য পাল্লা প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত না পেরিয়েও শত্রু দেশের অনেক গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।ভারত ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার ব্যবহার শুরু করেছে। ২০২৫ সালে অপারেশন সিন্দুর চলাকালীনও ইসরায়েলি প্রযুক্তির বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহারের কথা সামনে আসে।সেই সময় নির্ভুল লক্ষ্যভেদের জন্য স্পাইস কিট ব্যবহার করা হয়। এগুলির সাহায্যে সাধারণ বোমাকেও অত্যন্ত নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্রে পরিণত করা যায়। এছাড়া হারপি ও হারপ ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয় বলে জানা যায়।ভারত ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি বারাক-৮ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও সেই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এই ব্যবস্থাটি আকাশপথে আসা শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা তৈরি করতে সাহায্য করে।এ ছাড়াও বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ও ইসরায়েলি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে তৈরি স্কাইস্ট্রাইকার ড্রোন এবং র্যাম্পেজ ক্ষেপণাস্ত্রও বিভিন্ন গভীর আঘাত হানার অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারতীয় বায়ুসেনার গভীর আঘাত হানার ক্ষমতা আরও অনেক গুণ বাড়বে। ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও ইসরায়েলের সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্রিগেডের মঞ্চে বড় চমক দিতে চলেছেন মোদি! বাংলার জন্য কী ঘোষণা আসতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আগামী শনিবার বড় জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভা থেকেই বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন তিনি বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে দল।দলীয় সূত্রের দাবি, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই বাংলার মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বড় চমক তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বার্তা দিতে পারেন যা সরাসরি বাংলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হিসেবে সামনে আসবে। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি শুধু রাজনৈতিক দিক থেকে নয়, প্রশাসনিক ও উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেই কারণেই এই ঘোষণাকে ঘিরে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের প্রচারে গতি আনতে একের পর এক বড় প্রতিশ্রুতি সামনে আনছে। সম্প্রতি এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা ঘোষণা করেন। সেখানে বলা হয়, রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে, আট মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা হবে এবং যুবকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের কর্মসংস্থান এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সেই কারণেই ব্রিগেডের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করতে চলেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে ব্রিগেডের সভাকে ঘিরে জল্পনা এবং কৌতূহল দুটোই ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

তেল সংকটের আশঙ্কার মাঝেই বড় স্বস্তি! রাশিয়া থেকে তেল কিনতে ভারতের পথে আর বাধা নেই

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে তেল সংকটের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে সাময়িক ছাড় দিল আমেরিকা। এর ফলে আপাতত বড় স্বস্তি পেল নয়া দিল্লি।কিছু দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল, দেশে প্রায় পঁচিশ দিনের পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে তেল সরবরাহে বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে ভারতের প্রয়োজন হলে তারা তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত। কিন্তু আগে রাশিয়ার থেকে তেল না কেনার শর্তে ভারতের উপর শুল্ক কমিয়েছিল আমেরিকা। সেই কারণে ভারত আদৌ রাশিয়ার তেল কিনতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল।অবশেষে সেই জট কাটল। আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য সাময়িক ছাড়পত্র দিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই অনুমতি ত্রিশ দিনের জন্য দেওয়া হয়েছে। পাঁচ মার্চ থেকে এই সময়সীমা কার্যকর হয়েছে এবং তিন এপ্রিল পর্যন্ত ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে পারবে।আমেরিকার ট্রেজারি সচিব স্কট বেনেট সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমেরিকার জ্বালানি কর্মসূচির ফলে তেল ও গ্যাস উৎপাদন অনেক বেড়েছে। বিশ্ব বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে ত্রিশ দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে তিনি ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভারত আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ভবিষ্যতে ভারত আমেরিকার কাছ থেকেও তেল কেনা বাড়াবে বলে তারা আশা করছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইরান। তবে রাশিয়া ও চিনের তেলবাহী জাহাজকে এই নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গিয়েছে।খবরে জানা যাচ্ছে, ভারতীয় জলসীমার কাছাকাছি এলাকায় রাশিয়ার প্রায় পঁচানব্বই লক্ষ ব্যারেল তেল রয়েছে। রাশিয়া আগেই জানিয়েছিল, প্রয়োজন হলে ভারত এই তেল ব্যবহার করতে পারে।এদিকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে সম্প্রতি ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘাচির সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই আলোচনার পর থেকেই মনে করা হচ্ছিল, এই সংকটের প্রভাব ভারতে খুব বেশি পড়বে না।তারই মধ্যে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে আপাতত তেল সরবরাহ নিয়ে বড় স্বস্তি পেল ভারত। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি কত দিন চলবে এবং বিশ্ব বাজারে তেলের দামে তার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটকের! ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য বন্ধ সমাজমাধ্যম, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার ও সমাজমাধ্যমের প্রভাব ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কর্নাটক সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করেছেন, ষোলো বছরের নিচে কোনও শিশু সমাজমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। রাজ্যের বাজেট পেশ করার সময় বিধানসভায় এই ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে শিশুদের মধ্যে মোবাইল ও সমাজমাধ্যম ব্যবহারের প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে পড়াশোনা, আচরণ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, শিশুদের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্নাটক দেশের প্রথম রাজ্য যেখানে ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। এর আগে আন্ধ্রপ্রদেশ এবং গোয়া সরকারও একই ধরনের পদক্ষেপের কথা ভাবছিল। তবে সবচেয়ে আগে কঠোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল কর্নাটক সরকার।রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু দেশের অন্যতম বড় প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেই রাজ্যেই শিশুদের মোবাইল ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনার প্রস্তাব নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। গত মাসে সরকার স্কুল ও কলেজে ষোলো বছরের নিচে পড়ুয়াদের মোবাইল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনার বিষয়েও ভাবনা শুরু করেছিল।মুখ্যমন্ত্রী এর আগে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি শিশুদের মধ্যে বাড়তে থাকা সমাজমাধ্যম আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, অনেক পড়ুয়া এই কারণে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে এবং মানসিক সমস্যার মুখেও পড়ছে।সরকারের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইলের পর্দায় সময় কাটালে পড়াশোনার ফল খারাপ হতে পারে। আচরণেও পরিবর্তন দেখা যায়। পাশাপাশি অজানা ও ক্ষতিকর বিষয়বস্তুর সংস্পর্শে আসার আশঙ্কাও থাকে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মাদক চক্রের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয় বলে প্রশাসনের দাবি।বিশ্বের বিভিন্ন দেশও শিশুদের সমাজমাধ্যম ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে শুরু করেছে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকারও ষোলো বছরের নিচে কিশোরদের জন্য একাধিক সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে।কর্নাটক সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সবার।মেটা বিবরণ: শিশুদের মোবাইল ও সমাজমাধ্যম আসক্তি ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটক সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করলেন, ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মার্চ ০৬, ২০২৬
বিদেশ

জেন জ়ির সমর্থনেই কি ইতিহাস? গণনায় এগিয়ে বলেন্দ্র, বড় ধাক্কা খেতে চলেছেন ওলি

নেপালে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে ভোট গ্রহণ। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে ভোট গণনা। আর গণনার প্রাথমিক প্রবণতায় বড় চমক দেখা যাচ্ছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি-কে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র বলেন্দ্র শাহ। তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন বলেন্দ্র। সেই জনপ্রিয়তাই এখন ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঝাপা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন বলেন্দ্র শাহ। এই কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই ওলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, চুয়াত্তর বছর বয়সি ওলিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন বলেন্দ্র। যদি এই প্রবণতা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তাহলে নেপালের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।বলেন্দ্র শাহের পরিচয় প্রথমে একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে। পরে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর কাঠামোগত প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। বর্তমানে তিনি কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়-এ গবেষণা করছেন। কিছুদিন তিনি টেলিভিশন সঞ্চালক হিসেবেও কাজ করেছেন। পরে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন এবং রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টি-তে যোগ দেন রবি লামিছানে-র নেতৃত্বে। দুই হাজার বাইশ সালে তিনি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হন।নেপালের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বলেন্দ্র শাহ অত্যন্ত জনপ্রিয়। সমাজমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, সেখানে তিনি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। সেই আন্দোলনের জেরে নেপালের নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটে এবং ক্ষমতাচ্যুত হন কে পি শর্মা ওলি। আন্দোলনের সময় একাংশ বিক্ষোভকারী বলেন্দ্র শাহকেই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তুলেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান নেপালের সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কী।সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন বলেন্দ্র শাহ। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। এবার নির্বাচনের ফলাফল যদি তাঁর পক্ষে যায়, তাহলে তাঁকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবেও তুলে ধরতে পারে তাঁর দল।তবে বলেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি অতীতে একাধিকবার ভারতের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ভারতের কিছু অঞ্চলকে নেপালের অংশ বলে দাবি করেছিলেন তিনি। দুই হাজার তেইশ সালের জুন মাসে নিজের কার্যালয়ে নেপালের একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছিলেন বলেন্দ্র। সেই মানচিত্রে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলকে বৃহত্তর নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।এদিকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, নেপালের পরিস্থিতির উপর তারা নজর রাখছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, নেপালে শান্তি, অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতাকে ভারত সবসময় সমর্থন করে। নতুন সরকার গঠনের পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করার জন্য ভারত কাজ করতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, নেপালের সংসদের নিম্নকক্ষের জন্য মোট দুইশো পঁচাত্তর জন সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে একশো পঁয়ষট্টি জন সরাসরি ভোটে এবং একশো দশ জন অনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভোট গণনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে রাজ্যপাল পদ ছাড়লেন সিভি আনন্দ বোস! বাংলায় আসছেন বিতর্কিত আর এন রবি?

ভোটের আগে হঠাৎই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সি ভি আনন্দ বোস (Bengal Governor)। কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বড় দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পোস্টেই উঠে এসেছে বাংলার সম্ভাব্য নতুন রাজ্যপালের নাম (Bengal Governor)।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে জানিয়েছেন যে আর এন রবি-কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে (Bengal Governor)। তবে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আগে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।কে এই আর এন রবি, তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাঁর পুরো নাম রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। তিনি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের ভারতীয় পুলিশ পরিষেবার আধিকারিক। জন্ম বিহারের পাটনায়, ১৯৫২ সালের ৩ এপ্রিল। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর দেশসেবার লক্ষ্য নিয়ে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেন।কর্মজীবনের বড় অংশ কেটেছে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিভাগে। তিনি দীর্ঘদিন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো-তে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহ দমন এবং জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হয়। পরে তিনি ভারত সরকারের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটি-র চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নাগা শান্তি আলোচনা। দীর্ঘদিন ধরে চলা জটিল সমস্যার সমাধানে তিনি ভারত সরকারের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে দেশের উপ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদেও নিয়োগ করা হয়।পরবর্তীতে তিনি রাজ্যপাল হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। ১৯১৯ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল ছিলেন। সেই সময় কিছুদিনের জন্য মেঘালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করেন। এরপর ২০২১ সাল থেকে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে কাজ করছেন।তবে তামিলনাড়ুতে তাঁর সময়কাল বারবার বিতর্কের কেন্দ্রেও এসেছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন এক সময় তাঁকে কেন্দ্রের এজেন্ট বলেও কটাক্ষ করেছিলেন। পরে রাজ্য সরকার তাঁর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টেও যায়। অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক বিল আটকে রেখেছিলেন।এবার সেই বিতর্কিত রাজ্যপালের নামই ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসেবে। গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে। তাই আর এন রবি এলে সেই সংঘাত কি আবার নতুন করে শুরু হবে, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হরমুজ প্রণালীর টানাপোড়েন, গ্যাস সরবরাহে চাপ! নতুন ডবল সিলিন্ডার আপাতত বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সাধারণ মানুষের রান্নাঘরেও পড়তে শুরু করেছে। ইরান ও ইজরায়েল-এর সংঘাতের মধ্যে নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেল সংস্থাগুলির তরফে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ কোনও গ্রাহক নতুন করে দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করলেও আপাতত তা দেওয়া হবে না।জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যাতে রান্নার গ্যাসের জোগানে সমস্যা না হয়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে যেসব পরিবারের রান্নাঘরে এখন একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে, আপাতত তাদের সেই একটি সিলিন্ডার নিয়েই চলতে হবে। গ্যাস ডিলারদের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে। এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে সমস্যা হলে রান্নার গ্যাস সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ ভারতের জ্বালানি আমদানির বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে।ভারতে ঘরে ঘরে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থাকে এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে মনে করা হচ্ছে। অপরিশোধিত তেল বা তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের তুলনায় রান্নার গ্যাসের উৎস অনেক কম এবং মজুতও তুলনামূলকভাবে সীমিত। দেশের মোট চাহিদার প্রায় আশি থেকে পঁচাশি শতাংশ রান্নার গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এর বেশির ভাগই উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে এবং প্রায় সব জাহাজই হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছয়।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ত্রিশ দিনের রান্নার গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে নির্ধারিত জাহাজ যদি দেরিতে পৌঁছয়, তাহলে সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে।এদিকে সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেক মানুষ আগেভাগে গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে শুরু করেছেন। এতে দ্রুত মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন শহরের গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত সিলিন্ডার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে অযথা বেশি সিলিন্ডার মজুত না করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।অন্যদিকে সমাজমাধ্যমে তেলের দাম বাড়ার গুজবও ছড়িয়ে পড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে পেট্রল পাম্পগুলিতেও। অনেকেই আতঙ্কে গাড়ির ট্যাঙ্ক পুরো ভরে নিচ্ছেন। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, এখনই আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। তেলের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে।ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া জানিয়েছেন, এখনও তেলের জোগান কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘদিন চললে দামের কিছু পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলেই তাঁর দাবি।মেটা বিবরণ: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি সরবরাহে। নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডার সংযোগ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ তেল সংস্থার, সাধারণ মানুষকে অযথা মজুত না করার পরামর্শ।

মার্চ ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal