• ৮ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৭ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

INDIA

দেশ

পরপর দু’দিন কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্র ও রাজ্য কোমর বেঁধে নামতেই মিলল ইতিবাচক ফল। একদিকে যেমন টিকাকরণের গতি বেড়েছে, তেমনই একাধিক শহর হেঁটেছে পূর্ণ ও আংশিক লকডাউনের পথে। সমস্ত কোভিড প্রোটোকল মানার ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি চলছে। যার ফল মিলল পরিসংখ্যানে। পরপর দুদিন দেশে সংক্রমণ নিম্নমুখী। একদিনে সুস্থ হয়ে উঠলেন তিন লক্ষ ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ।মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ২২৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। দৈনিক সংক্রমণ অনেকটাই কমেছে মহারাষ্ট্রেও। তবে জুলাই ও অগস্টে সে রাজ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও উদ্ধব সরকার জানিয়ে দিয়েছে, সমস্ত পরিস্থিতির জন্য তারা তৈরি। গোটা দেশে মোট করোনা আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ২ লক্ষ ৮২ হাজার ৮৩৩-এ। এদিকে একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৩,৪৪৯ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ২ লক্ষ ২২ হাজার ৪০৮ জন। তবে চিন্তায় রাখছে অ্যাকটিভ কেস। বর্তমানে করোনার চিকিৎসাধীন ৩৪ লক্ষ ৪৭ হাজার ১৩৩ জন।পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ২০ হাজার ২৮৯ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ৬৬ লক্ষ ১৩ হাজার ২৯২ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। টিকা পেয়েছেন ১৫ কোটি ৮৯ লক্ষেরও বেশি মানুষ। দেশজুড়ে করোনার নয়া তাণ্ডব রুখতে টিকাকরণের গতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। তবে টিকাকরণের পাশাপাশি রোগী চিহ্নিত করতে চলছে টেস্টিংও। আইসি্এমআর-এর রিপোর্ট বলছে, গতকাল ১৬ লক্ষ ৬৩ হাজার ৭৪২টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

মে ০৪, ২০২১
দেশ

দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরোল ৪ লক্ষ

বিশ্বে প্রথম। ভারতের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৪ লক্ষের গণ্ডি। পরপর ৯ দিন আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লক্ষের বেশি থাকার পর শনিবার নতুন রেকর্ড গড়ে ফেলল ভারত। এর আগে বিশ্বের কোনও দেশে দৈনিক সংক্রমণ চার লক্ষের ধারেকাছেও যায়নি। আক্রান্তের এই রেকর্ড বৃদ্ধি কাঁপুনি ধরাচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। তবে স্বস্তির খবর, আক্রান্তের রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি সুস্থতার হারেও রেকর্ড গড়ছে দেশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থও হয়েছেন প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ।শনিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪ লক্ষ ১ হাজার ৯৯৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ১৬ হাজার বেশি। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৯৬৯ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ২ লক্ষ ১১ হাজার ৮৫৩ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৫২৩ জনের। এই সংখ্যাটাও আগের দিনের থেকে অনেকটা বেশি। করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় এই প্রথম মৃত্যু সাড়ে ৩ হাজার পেরল।স্বস্তির খবর হল, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৯৮ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেক কম হলেও এযাবৎকালের রেকর্ড। আপাতত দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস বেড়ে দাঁড়াল ৩২ লক্ষ ৬৮ হাজার ৭১০ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪০৬ জন। প্রসঙ্গত, করোনা রুখতে আজ থেকেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হচ্ছে গণটিকাকরণ। শুক্রবারের হিসেব অনুযায়ী টিকা নেওয়ার জন্য ১৮ থেকে ৪৪ বছরের প্রায় ২ কোটি ৪৫ লক্ষ মানুষ ভ্যাকসিন পাওয়ার আশায় নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন। তবে, কয়েকটি রাজ্যে টিকার অপ্রতুলতার জন্য টিকাকরণ শুরু করা যায়নি। তবে, এখনও পর্যন্ত দেশে টিকা পেয়েছেন মোট ১৫ কোটি ৪৯ লক্ষ ৮৯ হাজার ৬৩৫ জন।

মে ০১, ২০২১
রাজ্য

সাতসকালে তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ

সাতসকালে ভূমিকম্পে কেঁপে মুর্শিদাবাদ ও উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায়। স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন উত্তরবঙ্গের বাসিন্দরা। ঘুম চোখে রাস্তায় নেমে পড়েন বহু মানুষ। হুলুস্থুলু পরিস্থিতি তৈরি হয়। জানা গিয়েছে, এদিন সকাল ৭ টা বেজে ৫১ মিনিট নাগাদ মুর্শিদাবাদ, মালদহ, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও শিলিগুড়ির বাসিন্দারা কম্পন অনুভব করেন। রীতিমতো কেঁপে ওঠে ঘর-বাড়ি। বিপদের আশঙ্কা করে রাস্তায় নেমে পড়েন বহু মানুষ। যাঁরা সকালে বেরিয়েছিলেন, তাঁরা ইতস্তত ছোটাছুটি শুরু করে। রাস্তায় রীতিমতো ভিড় হয়ে যায়। বেশ কিছুক্ষণ পর আতঙ্ক কাটিয়ে ফের ঘরে ফেরেন সকলে। এদিন সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে অসমও। জানা গিয়েছে, এই কম্পনের উৎসস্থ অসমের সোনিতপুর। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬.৪। অর্থাৎ কম্পনের তীব্রতা যথেষ্ঠ ছিল। তবে এখনও পর্যন্ত বড়়সড় ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর মেলেনি। উত্তরবঙ্গে কিছুদিন আগে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলা।

এপ্রিল ২৮, ২০২১
দেশ

করোনার কোপে একসঙ্গে বাতিল বহু ট্রেন

দেশজুড়ে ভয়াবহ আকার নিয়েছে কোভিড। এই পরিস্থিতিতে ট্রেন পরিষেবা চালু থাকা নিয়ে রীতিমতো সংশয় তৈরি হয়েছে। সেই সংশয় আরও খানিকটা বাড়িয়ে দিয়ে মঙ্গলবার একযোগে ৪০টি ট্রেন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় রেল। রেলের তরফে এক বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, করোনার জেরে এই ট্রেনগুলিতে যাত্রীসংখ্যা একধাক্কায় অনেকটা কমেছে।কম যাত্রীর জেরেই পরবর্তী নোটিস না দেওয়া পর্যন্ত এই ৪০টি ট্রেনের পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে।তবে, এই ট্রেন বাতিলের ফলে এ রাজ্যে যাত্রীদের নতুন করে সমস্যায় পড়ার কথা নয়। কারণ অধিকাংশ ট্রেনই বাতিল হয়েছে উত্তর-পশ্চিম রেলের। এর মধ্যে কিছু ট্রেন আংশিক সময়ের জন্য বাতিল করা হলেও, অধিকাংশই বাতিল করা হয়েছে পরবর্তী নোটিস না দেওয়া পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা আঘাত হানার পরই শিয়ালদহ এবং হাওড়া ডিভিশনে বহু চালক এবং গার্ড আক্রান্ত হয়েছেন। যার জেরে এই দুই শাখাতেই প্রচুর ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। যার জেরে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে নিত্যযাত্রীদের।এদিকে, শিয়ালদহ ও হাওড়া শাখায় পরপর বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন বাতিল হওয়ায় যাত্রীমহলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।প্যাসেঞ্জার ট্রেন বন্ধ হয়ে যাবে, এমন গুজবও শোনা যাচ্ছে ইতিউতি। এরই মধ্যে উত্তর-পশ্চিম রেলের ৪০টি ট্রেন বাতিলের খবরে প্যাসেঞ্জার ট্রেন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার জল্পনা আরও বাড়ল। যদিও, রেলের তরফে বারবার আশ্বস্ত করা হয়েছে কোনওভাবেই ট্রেন পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে না। গত রবিবারও রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান সুনীত শর্মা জানিয়েছেন, রেলকর্মীদের বড় অংশ কোভিডে আক্রান্ত তবুও রেল বন্ধ হবে না। এ নিয়ে কোনও রাজ্য এখন পর্যন্ত কোনও বার্তা দেয়নি। ফলে পরিষেবা বন্ধের আশঙ্কা নেই। রেল মন্ত্রকের তরফেও ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্যাসেঞ্জার ট্রেন কিংবা কোনও দূরপাল্লার ট্রেন বন্ধ হচ্ছে না। পরিষেবা স্বাভাবিকই থাকছে। বিশেষ কারণে কোথাও ট্রেন বাতিল হতে পারে, কিন্তু তা স্থায়ী সিদ্ধান্ত নয়।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
দেশ

কোভিড বিধ্বস্ত ভারতকে মোটা অঙ্কের অনুদান গুগলের

করোনায় বিপর্যস্ত গোটা ভারত। সেই সময় দেশের দুই সন্তান ভারতের পাশে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই এবং মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেল্লা।গুগলের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, সংস্থার তরফে ভারতে করোনা মোকাবিলা করতে ১৩৫ কোটি টাকা দেওয়া হবে। এই টাকা সরাসরি ভারত এবং ভারতকে সাহায্য করার জন্য ইউনিসেফকে দেওয়া হবে। ভরতে করোনা মোকাবিলার জন্য কিছু সরঞ্জাম ইউনিসেফ ভারতের জন্য জোগাড় করে দেবে। এছাড়াও গুগলের কর্মীরাও ভারতের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। ৯০০ কর্মী ইতিমধ্যেই প্রায় ৩ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা দান করেছেন ভারতে করোনা মোকাবিলার জন্য। আর্থিক অনুদান ছাড়াও প্রযুক্তিগত সাহায্যও করবে গুগল।ভারতের এই জরুরি অবস্থার সময় মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেল্লাও জানিয়েছেন, তাঁর কোম্পানি প্রযুক্তিগতভাবে সব রকম সাহায্য করবে। করোনা মোকাবিলায় তারা সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি অক্সিজেনের সংকট মেটাতেও প্রযুক্তিগত সাহায্য নিয়ে এগিয়ে আসবে। বিশ্বের দুই শীর্ষ প্রযুক্তি সংস্থার এই সাহায্যের আশ্বাস এমন সময়ে এল যখন ভারতে এক দিনে সাড়ে ৩ লক্ষ আক্রান্তের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেল। প্রতিদিন বাড়ছে সংখ্যা। এই অবস্থায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। তার পর গুগল আর মাইক্রোসফটের তরফেও সাহায্যের কথা জানানো হল।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
দেশ

ভয়াবহ কোভিড পরিস্থিতি, ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত সাড়ে ৩ লক্ষ!

মাত্র ২০ দিনের ব্যবধানে দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ থেকে বেড়ে সাড়ে তি লক্ষে পৌঁছে গেল। যা গোটা বিশ্বে নজিরবিহীন। লাগামছাড়া সংক্রমণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। আর বাড়তে থাকা অ্যাকটিভ কেসই বলে দিচ্ছে, কেন চতুর্দিকে অক্সিজেন এবং বেডের অভাব। রীতিমতো দেশকে নাড়িয়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।রবিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬৯১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর বেশিরভাগটাই যে মহারাষ্ট্রে, তা বলাই বাহুল্য। গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু মুম্বইতেই সংক্রমিত প্রায় ৬ হাজার মানুষ। একইভাবে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে রাজধানী দিল্লি। সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর চিন্তা ভাবনা করছে কেরজিওয়ালের সরকার বলেই খবর। দেশে মোট করোনা আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়াল ১ কোটি ৬৯ লক্ষ ৬০ হাজার ১৭২-এ। এদিকে একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারালেন ২,৭৬৭ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ১ লক্ষ ৯২ হাজার ৩১১ জন। লাফিয়ে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসও। বর্তমানে করোনার চিকিৎসাধীন ২৬ লক্ষ ৮২ হাজার ৭৫১ জন।পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ১৭ হাজার ১১৩ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ৪০ লক্ষ ৮৫ হাজার ১১০ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। টিকা পেয়েছেন ১৪ কোটি ৯ লক্ষেরও বেশি মানুষ। দেশজুড়ে করোনার নয়া তাণ্ডব রুখতে টিকাকরণের গতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। ১ মে থেকে আবার ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে প্রত্যেককে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। টিকাকরণের পাশাপাশি রোগী চিহ্নিত করতে চলছে টেস্টিংও। আইসিএমআর-এর রিপোর্ট বলছে, গতকাল ১৭ লক্ষ ১৯ হাজার ৫৮৮টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তবে শুধু বাড়তে থাকা সংক্রমণই নয়, চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনার নয়া স্ট্রেনও।

এপ্রিল ২৫, ২০২১
দেশ

করোনা সংক্রমণে বিশ্বরেকর্ড ভারতের

দৈনিক করোনা সংক্রমণে বিশ্বের সর্বকালের সব রেকর্ড ভেঙে দিল ভারত। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই লাগাতার বাড়ছিল করোনা সংক্রমণ। বৃহস্পতিবার তা যেন মাত্র ছাড়িয়ে গেল। বিশ্বের সর্বকালের সব রেকর্ড ভেঙে একদিনে করোনা আক্রান্ত হলেন প্রায় ৩ লক্ষ ১৫ হাজার মানুষ। এর আগে গতবছর ১৭ সেপ্টেম্বর আমেরিকায় একদিনে ৩ লক্ষ ৭ হাজার মানুষ করোনার কবলে পড়েছিলেন। সেই রেকর্ডও এদিন ভেঙে দিল ভারত। আক্রান্তের সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যাটাও বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে।বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ১৪ হাজার ৮৩৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ১৮ হাজার বেশি। এই সংখ্যাটা দেশের তো বটেই গোটা বিশ্বের সর্বকালের সর্বোচ্চ। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৫৯ লক্ষ ৩০ হাজার ৯৬৫ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৮৮০ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ১০৪ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ৮৪১ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের প্রায় অর্ধেক। যার ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ২২ লক্ষ ৯১ হাজার ৪২৮ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৩৪ লক্ষ ৫৪ হাজার ৮৮০ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা পেয়েছেন ১৩ কোটি ২৩ লক্ষ ৩০ হাজার ৬৪৪ জন সংক্রমণ রুখতে ইতিমধ্যেই দেশের বহু রাজ্য কার্ফু এবং লকডাউনের পথে হেঁটেছে। যে তালিকায় সাম্প্রতিকতম সংযোজন মহারাষ্ট্র। আজ থেকেই মরাঠাভূমে শুরু হচ্ছে কঠোর কার্ফু। ঝাড়খণ্ডেও আজ থেকে শুরু হচ্ছে ৭ দিনের কার্ফু।

এপ্রিল ২২, ২০২১
দেশ

দৈনিক সংক্রমণে আমেরিকাকেও পিছনে ফেলল ভারত!

লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে দেশের দৈনিক করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পৌঁছে গেল ২ লক্ষ ৯৫ হাজারে। এক দিনে আক্রান্তের নিরিখে এই সংখ্যা শুধুমাত্র ভারতে নয় বিশ্বেও সর্বোচ্চ। এ বছর ৮ জানুয়ারি আমেরিকাতে এক দিনে আক্রান্ত হয়েছিলেন ২ লক্ষ ৮৯ হাজার ১৯৫ জন। কোনও একটি দেশে একদিনে আক্রান্তের নিরিখে এই সংখ্যা এত দিন সর্বোচ্চ ছিল। দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে বুধবার নতুন রের্কড গড়ল ভারত।দৈনিক মৃত্যুর নিরিখেও দেশে বুধবার তৈরি হল নতুন রের্কড। দেশে এই প্রথম একদিনে মৃত্যু ২ হাজার ছাড়িয়ে গেল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ২৩ জনের। করোনাভাইরাসের ছোবলে দেশে এখনও অবধি প্রাণ হারিয়েছেন ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৫৫৩ জন। বুধবার দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৯৫ হাজার ৪১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হলেন ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ১৬ হাজার ১৩০ জন। মোট আক্রান্তের নিরিখে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। প্রথম আমেরিকা।বিপুল পরিমাণ দৈনিক আক্রান্তে জেরে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সক্রিয় রোগী বেড়েছে ১ লক্ষ ২৫ হাজার ৫৬১। এখন দেশে মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২১ লক্ষ ৫৭ হাজার ৫৩৮ জন। যদিও এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা নেমেছিল দেড় লক্ষের নীচে। তার পর বাড়তে বাড়তে গিয়েছে এই পরিস্থিতিতে। এর জেরে হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার পরিসর ক্রমেই কমে আসছে। অনেক ক্ষেত্রেই একই শয্যায় একাধিক রোগীকে শুয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। অক্সিজেনেরও অভাব সামাল দিতে আসরে নেমেছে প্রশাসনও। অনেক জায়গাতেই অস্থায়ী কোভিড কেয়ার কেন্দ্র তৈরি করে পরিস্থিতি মোবাবিলার চেষ্টা চালাচ্ছে বিভিন্ন রাজ্যের সরকার।সংক্রমণ শৃঙ্খল রুখতে লকডাউনও জারি হয়েছে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে। রাজধানী দিল্লিতে সোমবার থেকে চলছে লকডাউন। মহারাষ্ট্রেও করোনা কার্ফু চলছে। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে সপ্তাহান্তে চলছে লকডাউন। রাত্রিকালীন কার্ফুও জারি হয়েছে দেশের বিভিন্ন শহরে। এর পাশাপাশি দেশে টিকাকরণ চলছে জোরকদমে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে টিকা নিয়েছেন ২৯ লক্ষ ৯০ হাজার ১৯৭ জন। এ নিয়ে দেশে মোট কোভিড টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে ১৩ কোটি ১ লক্ষ ১৯ হাজার ৩১০।

এপ্রিল ২১, ২০২১
দেশ

৬ মাস পর দেশের দৈনিক সংক্রমণ ফের ৮১ হাজার পেরলো

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ক্রমেই বেসামাল হচ্ছে দেশের কোভিড পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭২ হাজার। শুক্রবার তা প্রায় সাড়ে ৮১ হাজার। ২৮ সেপ্টেম্বরের পর এত সংখ্যক লোক এক দিনে আবার আক্রান্ত হলেন। এর মধ্যে মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি সবচেয়ে করুণ। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা গোটা করোনাকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। সেখানে এক দিনে আক্রান্ত ৪৩ হাজার ছাড়িয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত ৮১ হাজার ৪৬৬ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হলেন ১ কোটি ২৩ লক্ষ ৩ হাজার ১৩১ জন। করোনার নতুন প্রজাতির জন্যই সংক্রমণ এ রকম আকার নিচ্ছে বলে সম্প্রতি মত প্রকাশ করেছিলেন দিল্লি এইমসের প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া। দেখা যাচ্ছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এক লাফে বাড়িয়ে দিয়েছে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও। দেশের দৈনিক মৃত্যু এক মাস আগেও ছিল ১০০-র আশপাশে। গত ২৪ ঘণ্টায় তা ৪৬৯। মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি মহারাষ্ট্রে। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৪৯ জনের। কর্নাটক, দিল্লি, পঞ্জাব এবং ছত্তিশগড়েও গত কদিনে মৃতের সংখ্যা বেড়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

স্টোকস-বেয়ারস্টোর ব্যাটিংয়ের জোরে ভারতকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল ইংল্যান্ড

ভারত: ৫০ ওভারে ৩৩৬/৬ (রাহুল ১০৮, পন্থ ৭৭, টপলি ২/৫০)ইংল্যান্ড: ৪৩.৩ ওভারে ৩৩৭/৪ (বেয়ারস্টো ১২৪, স্টোকস ৯৯, প্রসিদ্ধ ২/৫৮)ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে জয়ী।কেএল রাহুলের শতরান কিংবা ঋষভ পন্থের ঝোড়ো ৭৭। পুণেতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে কোনও কিছুই টিম ইন্ডিয়ার হার বাঁচাতে পারল না। জনি বেয়ারস্টোর দুরন্ত শতরান এবং বেন স্টোকসের ৯৯ রানের সৌজন্য ভারতের দেওয়া ৩৩৭ রানের লক্ষ্যমাত্রা সহজেই পেরিয়ে গেল ইংল্যান্ড। আর এর ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে সমতা ফিরিয়ে আনল ইংরেজরা।এদিন প্রথম ব্যাট করে ৬ উইকেটে ৩৩৬ রান তোলেন বিরাটরা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওয়ানডের মতোই দুরন্ত ব্যাটিং করেন দুই ইংরেজ ওপেনার। প্রথম উইকেটে ১১০ রান যোগ করেন জেসন রয় এবং জনি বেয়ারস্টো। এরপর ৫২ বলে ৫৫ রান করে আউট হন জেসন। কিন্তু তিন নম্বরে নামা বেন স্টোকস এদিন যেন দুরন্ত ছন্দে ছিলেন। বেয়ারস্টো এবং স্টোকস মিলে ১১৭ বলে ১৭৫ রান যোগ করেন। আর এই জুটিই বলতে গেলে ভারতকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়। বেয়ারস্টো ১১২ বলে ১২৪ রান করেন। মারেন ১১টি চার ও ৭টি ছয়। উল্টোদিকে, মাত্র ১ রানের জন্য শতরান হাতছাড়া করেন বেন স্টোকস। মাত্র ৫২ বলে ৯৯ রানের ইনিংসে ইংরেজ অলরাউন্ডার মারেন ৪টি চার এবং দশটি ছয়। এরপর স্টোকস, বেয়ারস্টো এবং বাটলারের উইকেট দ্রুত পড়লেও তাতে ইংল্যান্ডের জয় আটকায়নি। শেষপর্যন্ত ৩৯ বল বাকি থাকতেই জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় ইংল্যান্ড। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে কেউই তেমন দাগ কাটতে পারেননি। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা দুটি উইকেট এবং ভুবনেশ্বর একটি উইকেট পান। এর আগে দিনের শুরুতে কোহলি, কেএল রাহুল এবং ঋষভের ব্যাটে ভর করে স্কোরবোর্ডে তিনশোর উপর রান তুলতে সক্ষম হয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। রাহুল করেছিলেন অনবদ্য ১০৮ রান। অন্যদিকে, ঋষভ করেন ৭৭ রান। অধিনায়ক কোহলিও ব্যাটে রান পান। তাঁর সংগ্রহ ছিল ৬৬ রান। কিন্তু সেই সব ইনিংসই চাপা পড়ে গেল বেয়ারস্টো-স্টোকসের ব্যাটিংয়ের সামনে। এই ম্যাচে ভারত হারায় সিরিজের শেষ ম্যাচটি হয়ে দাঁড়াল ফয়সলার। ওই ম্যাচ যাঁর, সিরিজ তাঁর।

মার্চ ২৬, ২০২১
দেশ

দেশে একদিনে করোনার কবলে প্রায় ৪১ হাজার

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ গোটা দেশকে জেরবার করে দিচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরেই দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটা ৪০ হাজারের উপরে ঘোরাফেরা করছে। ব্যতিক্রম হল না মঙ্গলবারও। এদিন আরও একবার একদিনে আক্রান্ত হলেন প্রায় ৪১ হাজারের কাছাকাছি। মহারাষ্ট্রের পাশাপাশি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ভোটমুখী রাজ্য কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরি। এরাজ্যেও বাড়ছে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। তবে হঠাত করোনার এই বাড়বাড়ন্তের নেপথ্যে সবচেয়ে বড় কারণ মহারাষ্ট্রের মহামারি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা। উদ্ধব ঠাকরের রাজ্য শুরু থেকেই করোনার হটস্পট ছিল। দেশের অধিকাংশ রাজ্যে কোভিড নিয়ন্ত্রণে ছিল, তখনও মারণ ভাইরাসকে বাগে আনতে পারেনি মহারাষ্ট্র। এখন আবার নতুন করে এই মহারাষ্ট্রই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় মুম্বইয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ২৪ হাজারের বেশি।বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪০ হাজার ৭১৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে কয়েক হাজার কম হলেও সার্বিকভাবে উদ্বেগজনক। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৬ লক্ষ ৮৬ হাজার ৭৯৬ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মোট মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬০ হাজার ১৬৬ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৯৯ জনের। এই সংখ্যাটা আগের দিনের থেকে সামান্য কম।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন মাত্র ২৯ হাজার ৭৮৫ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেকটা কম। ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার ৩৭৭ জন। গত বেশ কয়েকদিন সংখ্যাটা নিয়মিত হারে বাড়ছে। দেশে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন, ১ কোটি ১১ লক্ষ ৮১ হাজার ২৫৩ জন। এখনও পর্যন্ত মোট টিকা পেয়েছেন ৪ কোটি ৮৪ লক্ষ ৯৪ হাজার ৫৯৪ জন।

মার্চ ২৩, ২০২১
দেশ

ভারতে একদিনে নতুন করে করোনা আক্রান্ত প্রায় ৪০ হাজার

ঋতু বদলের সময়ে দেশে ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে করোনা সংক্রমণ। নতুন করে চিন্তা বাড়াচ্ছে দৈনিক পরিসংখ্যান। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনা ভাইরাসে নতুন করে সংক্রমিত ৩৯ হাজার ৭২৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৫৪ জনের। বৃহস্পতিবার এই সংখ্যাটা ছিল ৩৫ হাজার ৮৭১। তুলনায় অনেক কম সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা। পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ২০ হাজার ৬৫৪ জন। বাড়ছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যাও। এই মুহূর্তে দেশে অ্যাকটিভ কোভিড রোগী ২ লক্ষ ৭১ হাজার ২৮২ জন।মহারাষ্ট্র-সহ একাধিক রাজ্যে হু হু করে বেড়ে চলা কোভিড সংক্রমণেই নয়া বিপদ সংকেত। দেশে সপ্তাহখানেকের কোভিড গ্রাফ দেখে চিন্তিত খোদ কেন্দ্রও। প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজে এ নিয়ে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, এখনও যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন প্রয়োজন। নইলে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা ফের পরিস্থিতি বিপজ্জনক করে তুলতে পারে। সংক্রমিত এলাকাগুলোকে চিহ্নিত করে সেখানে নাইট কার্ফু, লকডাউন জারি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে, জোড়া ভ্যাকসিন দিয়ে গণটিকাকরণের মাধ্যমে করোনা যুদ্ধে দেশ আরও এগিয়ে চলেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইতিমধ্যে ৩ কোটি ৯৩ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮১৭ জনের টিকাকরণ সম্পূর্ণ। করোনা ভাইরাস থাবা বসিয়েছিল দেশের ১ কোট ১৫ লক্ষ ১৪ হাজার ৩১১ জনের শরীরে। তাকে কাবু করে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ কোটি ১০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৬৭৯ জন। সবমিলিয়ে এই মুহূর্তে ভারতের করোনা পরিস্থিতি যেমন, তাতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা অবলম্বনে সামান্য ঢিলেমিও ভয়াবহ হতে পারে। এমনই আশঙ্কা স্বাস্থ্যমহলের।

মার্চ ১৯, ২০২১
বিদেশ

চিনা আগ্রাসন রুখতে ভারতেই আস্থা কোয়াড গোষ্ঠীর

চিনকে নজরে রেখে ব্লক তৈরির চেষ্টা শুরু হয়েছিল সেই ২০০৭ সাল থেকেই। অবশেষে বেজিংয়ের রক্তচক্ষুকে অবজ্ঞা করে শুক্রবার সন্ধ্যায় বসল প্রথম চতুর্দেশীয় অক্ষ বা কোয়াড রাষ্ট্রপ্রধানদের বৈঠক। লালফৌজকে নজরে রেখে কোয়াড গোষ্ঠীর চার সদস্য দেশ ভারত, আমেরিকা, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত আদানপ্রদান গভীর করাই এই মঞ্চের লক্ষ্য বলে প্রাথমিক বিবৃতিতে জানিয়েছেন নেতারা। বিশেষ করে, চিনকে রুখতে ভারতই যে আমেরিকার ভরসা তা আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠল।চিন একাই ঘুম উড়িয়ে দিচ্ছে গোটা বিশ্বের। বেজিংয়ের অর্থনৈতিক, সাইবার এবং সামরিক আগ্রাসন নিয়ে আমেরিকা-সহ বিশ্বের চার বৃহৎ শক্তির জোটবদ্ধ হওয়া তারই ইঙ্গিত। কোয়াড গোষ্ঠীর মাথাব্যথার কারণ বেজিংয়ের আগ্রাসী মনোভাব। বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারসাম্য রক্ষাই চ্যালেঞ্জ। করোনা টিকার উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি শুক্রবারের বৈঠকে এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন চার রাষ্ট্রপ্রধান। ভবিষ্যতের স্বার্থে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে মুক্ত রাখতে কৌশলগত সমঝোতা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উঠেছে আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রসঙ্গও। কূটনৈতিক লড়াইয়ে চিনকে কোণঠাসা করার লক্ষ্যে একাধিকবার চার দেশের আমলা-মন্ত্রীরা বৈঠকে বসেছেন। কিন্তু করোনা অতিমারি বদলে দিয়েছে পরিস্থিতি। তার জেরেই শুক্রবার প্রথমবার বৈঠকে মুখোমুখি হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা।ভারতীয় সংস্থাগুলির করোনা টিকা উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধিকে ঢাল করে আসলে চিনের টিকা আবিষ্কারের আলোচনা সারলেন চার রাষ্ট্রপ্রধান। মূলত মার্কিন ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলোর জন্য ভারতীয় উৎপাদক সংস্থাগুলোর কার্যকরী মূলধনের জোগান অব্যাহত রাখতে নয়াদিল্লির আবেদনে শুক্রবারের কোয়াড শীর্ষ বৈঠক। করোনা অতিমারির মোকাবিলায় ভারতীয় সংস্থাগুলোর উপর ভরসা রাখতে চাইছে অধিকাংশ দেশ। আশঙ্কা, টিকা কূটনীতিকে হাতিয়ার করে আরও আগ্রাসী হবে চিন।পূর্ব লাদাখ সীমান্তের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত-চিন সামরিক সংঘাত উদ্বেগ বাড়িয়েছে কোয়াড গোষ্ঠীর। দক্ষিণ চিন সাগর এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনা নৌবহরের ক্রমবর্ধমান দাপট আমেরিকার জন্য অস্বস্তির। ভারত-চিন বিতর্কে কোয়াড গোষ্ঠী নয়াদিল্লির পাশেই রয়েছে। তেমনই আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা রেখে দেওয়ার ব্যাপারে সায় দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। এক্ষেত্রেও চিন্তা বা দুশ্চিন্তা সেই বেজিং। হোয়াইট হাউসের আশঙ্কা, কাবুল থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হলে আফগানিস্তানে দাপট প্রতিষ্ঠা করবে লালফৌজ। পারস্পরিক স্বার্থ সুরক্ষিত করার মাধ্যমে একজোট থাকতে চায় ওয়াশিংটন, নয়াদিল্লি, টোকিও এবং ক্যানবেরা। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ক্রমবর্ধমান চিনা বিনিয়োগের প্রভাব নিয়েও উদ্বিগ্ন কোয়াড গোষ্ঠী।

মার্চ ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত, তিন দিনেই শেষ চতুর্থ টেস্ট!

চারদিনেই ম্যাচ শেষ করে ৩-১ এ সিরিজ জয়ের সাথে সাথে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালেও পৌছগেল ভারতীয় ক্রিকেট দল। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দু-দিনে দিন রাতের টেস্ট জিতে পিচ নিয়ে সমলোচকদের বাক্যবানে বিদ্ধ ভারতীয় দল উপযুক্ত জবাব ফিরিয়ে দিল। কোনও ম্যচ-ই কোনদিন পিচ খেলেনি। খেলোয়াড় দের সেখানে নেমে পারফর্ম করতে হয়। শুধু ক্রিকেটে নয়, লন-টেনিসেও ক্লে কোর্ট ও ঘাসের কোর্ট নিয়ে অসট্রেলিয়ান ও ব্রিটিশ দের মধ্যে নাক শোঁকাশুকি আছে। উপমহাদেশের মাঠে খেলতে এসে প্রথম বিশ্বের দলগুলির পিচ নিয়ে অভিযোগ এটাই প্রথম বার নয়। এর আগেও বহুবার করেছেন। তবে এই ম্যচের পিচ সেরকম স্বাভাববিরুদ্ধ আচরণ করেনি ইংল্যন্ডের হয়ে যেমন পেসাররা সফল (বেন স্টোকস ও জেমস অ্যান্ডারসন), তেমনই ভরতের হয়ে আবার স্পিনাররা। ভারত এই ম্যাচে এক ইনিংস ও ২৫ রানে জয় পায়। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে লর্ডসে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে টিম ইন্ডিয়া।উপমহাদেশে খেলতে গেলে স্পিন বোলিং-এ বিরুদ্ধে ব্যাট করার যে টেকনিক রপ্ত করতে হয় তার হোমওয়ার্ক-এর যথেষ্ট ঘাটতি ছিল এই ইংল্যন্ড দলের। তারা আরও একবার স্পিন অস্ত্রে নাজেহাল হল। ওই একই ঘূর্ণি পিচে জ্যাক লিচ, ডম বেসদের তোয়াক্কা না করে প্রথম ইনিংসে ৩৬৫ রান তোলে ভারত, সেই একই পিচে তৃতীয় ইনিংসে ১৬০ রান তুলতে পারলেন না তারা। তাদের ব্যাটিং অর্ডার তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। অশ্বিন ও অক্ষর যেন তাদের স্পিন বোলিং-এর ক্লাস নিলেন। আরও একবার গুটিয়ে গেল ব্রিটিশদের স্বানামধন্য ব্যাটিং বিভাগ। প্রকট হয়ে উঠল তাদের স্পিন খেলার অক্ষমতা। প্রথম টেস্টের একটা ইনিংস ছাড়া গোটা সিরিজে ভারতীয়দের প্রাধান্যই ছিল লক্ষণীয়। টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। ভারতীয় বোলারদের বিক্রমে প্রথম দিনের সুর্য ডোবার আগেই ২০৫ রানে মুড়িয়ে যায় তারকাখচিত জো রুটদের প্রথম ইনিংস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন বেন স্টোকস। অক্ষর প্যাটেল প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট নেন। ৩টি উইকেট নিয়ে তাকে যোগ্য সাহায্য করেন অভিঞ্জ রবিচন্দ্রণ অশ্বিন।জবাবে ব্যাট করতে নামা ভারতীয় দলে শুরুতেই বিরাট ধাক্কা খায়। শূন্য রান করে ফিরে যান শুভমান গিল। রান করতে ব্যর্থ হন চেতেশ্বর পূজারা। মাত্র ১৭ রান আঊট হয়ে ফিরে আসেন। ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিও কোনও রান না করেই সাজঘরে ফিরে যান। রোহিত ও অজিঙ্ক রাহানের হাল ধরার চেস্টা করেন তারা ৩৯ রান যোগ করে সাময়িক ধাক্কা সামলান। ১৪৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে কোমাতে চলে যাওয়া ভারতীয় দলকে অক্সিজেন দিয়ে জাগিয়ে তোলেন ঋষভ পন্থ ও ওয়াশিংটন সুন্দর। তারা ১১৩ রানের পার্টনারশিপ করেন। অনবদ্য শতরান করেন ঋষভ পন্থ। নতুন অলরাউন্ডার ওয়াশিংটন সুন্দর এক সময়োচিত দূর্মুল্য ইনিংস উপহার দেন দলকে, তার দুর্ভাগ্য যোগ্য সঙ্গীর আভাবে শতরান থেকে ৪ রান দূরে অপরাজিত হয়ে সাজঘরে ফিরে আসতে হয়। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বাধা অতিক্রম করতে পারলে বিশ্বের প্রথম দল হিসেবে এক অনন্য কীর্তি গড়বে বিরাট কোহলি শিবির। এই মুহুর্তে ভারতীয় দল প্যেন্ট তালিকায় শীর্ষে।দেখে নেওয়া যাক আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত তালিকার কোথায় অবস্থান করছে ভারত। তালিকার কে কোথায়India on 🔝Virat Kohli and Co. are No.1 in the @MRFWorldwide ICC Test Team Rankings 🔥 pic.twitter.com/uHG4q0pUlj ICC (@ICC) March 6, 2021ম্যচ রিপোর্টঃ জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

মার্চ ০৭, ২০২১
রাজনীতি

ভাইজান ইস্যুতে বাম-কংগ্রেসকে কড়া তোপ তৃণমূল-বিজেপির

আব্বাস সিদ্দিকিকে নিয়ে বাম-কংগ্রেসের ব্রিগডকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল তৃণমূল ও বিজেপি। আব্বাসের জাতপাত ও বিভাজনের রাজনীতিকে সমর্থন করছে বাম ও কংগ্রেস এই অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এর বিরোধিতা করবে বিজেপি। ভাইজানের ঔদ্ধত্য ও আগ্রাসী অবস্থান এরাজ্যে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করছে বলে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, জাতপাতের রাজনীতি করছে কংগ্রেস ও বামফ্রণ্ট। বিজেপি দুই নতুন বন্ধু পেয়েছে।রবিবার ব্রিগেডে পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি তথা ভাইজানের ভাগিদারি বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, পশ্চিমবঙ্গকে নতুন করে ভাগ করতে চাইছে। আমরা তা করতে দেব না। এই বিভাজনের রাজনীতি সর্বশক্তি দিয়ে রুখব।এদিকে এদিন তৃণমূল ভবনে বর্ষীয়াণ তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায় অভিয়োগ করেছেন, ভাইজানকে ভরসা করে রাজনীতি করতে হচ্ছে বাম-কংগ্রেসকে। তারাও জাতপাতের রাজনীতিতে সামিল হল। বিভাজনের রাজনীতির দুই নতুন বন্ধু পেল বিজেপি।

মার্চ ০১, ২০২১
রাজনীতি

ব্রিগেড সমাবেশেই গুঁতো, ভবিষ্যতে জোটের হাল কী হবে? উঠছে প্রশ্ন

বাম-কংগ্রেস ও আইএসএফের প্রথম সভাতেই জোটে যেন জট পেকে গেল। ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্টের প্রতিষ্ঠাতা পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি তাঁর বক্তব্যে নাম না করে কংগ্রসকে বিঁধেছেন। সিপিএম নেতৃত্বকে আব্বাস সিদ্দিকি তথা ভাইজানকে নিয়ে বাড়তি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে। বক্তব্যে আব্বাস সিপিএম নেতাদের নাম আনলেও কংগ্রেস বা অধীর চৌধুরীর নাম পর্যন্ত মুখে আনেননি। আবার বন্দেমাতরম স্লোগান হল না জোট সমাবেশে। রবিবারের ব্রিগেডে এমন নানা কার্যকলাপ তৃণমূল-বিজেপি বিরোধী জোটের বাঁধন অনেকটাই নড়বড়ে করে দিয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।এ যেন কাকের বাসায় কোকিলের ডিম। ব্রিগেডের সভার মূল আয়োজক বামফ্রন্ট। কংগ্রেস সঙ্গে থাকবে এটাও ঘোষিত। কিন্তু আব্বাস সিদ্দিকি জানিয়েছিলেন আসন সমঝোতা হলে ব্রিগেড সমাবেশে হাজির থাকবেন। শুক্রবার অর্থাৎ ব্রিগেড সভার দুদিন আগে তিনি জোটের কথা ঘোষণা করেন। তারপরই রবিবারের সভা। সভার আয়োজন করে রবিবার তাবড় বাম নেতৃত্ব হাজির। বক্তব্য রাখা হয়ে গিয়েছে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রের। অধীর চৌধুরী বক্তব্য রাখছেন। তখনই ভাইজান সভামঞ্চে হাজির। তাঁর সমর্থকদের চিৎকারে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির ভাষণ বন্ধ হয়ে যায়। এ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝিও হয়।ভাইজানের বক্তব্য শেষ হতেই আইএসএফের কর্মীসমর্থকরা মাঠ ছাড়তে শুরু করেন। সীতারাম ইয়েচুরি সহ বাকিরা যখন ভাষণ দিচ্ছেন তখন ব্রিগেড ফাঁকা হতে শুরু করেছে। ভাইজান তাঁর বক্তব্যে জানিয়েও দিয়েছেন এক সপ্তাহের প্রস্তুতি থাকলেই ময়দান ভরিয়ে দিতেন। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই কথার মাধ্যমেও তিনি বাম-কংগ্রসকে একপ্রকার কটাক্ষই করেছেন। তবে এটাও বাস্তব আইএসএফ এই ব্রিগেডে হাজির না থাকলে ময়দান অনেকটাই ফাঁকা থাকত।সিপিএমের নীচুতলার কর্মীদের একাংশের মতে, তৃণমূল ও বিজেপি বিরোধিতা করে যে জোটে দল সামিল হয়েছে তার ফলে ভবিষ্যতে আরও বড় মাশুল গুণতে হতে পারে। এর আগে ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে জোটের ফল বেশি পেয়েছিল কংগ্রেস। এবার আবার আইএসএফ জোটে সামিল হয়েছে। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, প্রথম সভাতেই গুঁতো খেতে হল। এরপর তো আগামী দিন পরে রইল।

মার্চ ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ঘুর্নীর পাক বোঝার আগেই ম্যাচ শেষ , ভারত ২-১ এ এগিয়ে

রবীন্দ্রোত্তর সাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক প্রবন্ধে লিখেছিলেন ঝোলের সমুদ্র মন্থন করে হার-মাংসের অস্বিত্ত খুঁজে পেতে গেলে, ডুবুড়ি কে গামছা কিনে দিতে হবে। মোতেরার বা আধুনা নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম-এ দুই দলের ব্যাটসম্যানরা মনে হয় সেই গামছাটাই খুঁজছিলেন রানের অস্তিত্ত্ব সন্ধান করতে। তারা হিমসিম খেলেন ঘুর্নী পিচে। সারা ম্যাচে মাত্র দুটি অর্ধশতরান! খেলা দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিল কোলকাতার সিএবি দু দিনের লীগ হচ্ছে। ১২ ঘন্টাও স্থায়ী হলনা ম্যাচ!ভারতের দুই পেস বোলার ইশান্ত শর্মা এবং যশপ্রীত বুমরা এক বারও হাত না ঘুরিয়ে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয়ে গেলো মাত্র ৩০.৪ ওভারে! ভূমিপুত্র অক্ষর পটেল ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন দুজনেই মাত্র ১৫ ওভার করে হাত ঘোরালেন এবং শেষ উইকেটটা ৩১তম ওভার করতে এসে তার চতুর্থ বলে তুলে নিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। ইংল্যন্ডের দ্বিতীয় ইনিংস এক সেশনেরও (দু ঘণ্টার-ও কম) কম সময়ে শেষ হয়ে যাওয়াই এই ম্যাচের পিচের ভঙ্করতা স্পষ্ট করে দিয়েছে।এখনো পর্যন্ত যতগুলি পিঙ্ক টেস্ট (দিনরাতের) হয়েছে, তার প্রায় সব গুলোতেই পেস বোলারদের প্রাধান্যই বেশী দেখা গিয়েছে। স্পিন বোলাররা সেরকমভাবে হালে পানি পাননি, সর্বত্র গতির দাপটে কাহিল হয়েছেন ব্যাটসম্যানরা। ইডেনে হওয়া প্রথম দিন-রাতের পিঙ্ক টেস্টেও পেসারদেরই প্রাধান্য ছিল তারা ১৯টি উইকেট নিয়েছিলেন।পিচ নিয়ে বিদেশী মিডিয়াতে গেল গেল রব উঠেছে। এখনো পর্যন্ত তারা ঘূর্ণি পিচের থেকে বেশি মাত্রাই ইংরেজ ব্যাটসম্যানদের স্পিন খেলার অক্ষমতা নিয়েই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছেন। পেস বোলাররা সাহায্য ভারতের কোন মাঠের কোনও পিচেই সেভাবে পাননি কোনদিন, শোনা যায় সেই কারনেই ভারত সফরে প্রচণ্ড অনীহা ছিল প্রবাদ প্রতিম স্যর রিচার্ড হ্যাডলি এবং ইয়ান বোথামের, ভারতের পিচে কিছুটা সাহায্য সিম বোলাররা পান, বিপক্ষ্যে দুই ভয়ঙ্কর সিম বোলার জেমস অ্যান্ডারসন এবং স্টুয়ার্ট ব্রড রয়েছেন, যাঁরা অসম্ভব পারদর্শি দুদিকেই বল সুইং করাতে। সে কারণেই হয়ত পেস পিচের ঝুঁকি নিতে চাননি রবি শাস্ত্রী ব্রিগেড।প্রথম বল থেকেই বনবন করে বল ঘুরেছে। খুব কম বল-ই হাঁটুর ওপর উঠেছে। কখনো কখনো মনে হচ্ছিল ব্যাটসম্যানরা হয়ত সোজা হয়ে দাঁড়াতেই ভুলে গেছেন। প্রথম ইনিংসে ১১২ রানে ইংল্যান্ড শেষ হয়ে যায়। প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন জ্যাক ক্রাউলি (৫৩), বাকি ব্যাটসম্যানরা কেউই কুড়ি রানের গণ্ডী পার করতে পারেননি। জবাবে ভারত প্রথম ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৪৫ রান সংগ্রহ করে। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ রান রোহিত শর্মার(৬৬), ভারত অধিনায়ক ২৭ রান করে জ্যাক লিচ এর বলে বোল্ড আউট হয়ে ফিরে যান। দ্বিতীয় দিন মাত্র চার ঘণ্টাতেই দু দলের ১৭টি উইকেটের পতন হয়। ভারতীয় ব্যটসম্যানরা যারা স্পিন বল খেলতে সিদ্ধহস্ত তারাও হিমসিম খেলেন, একটা উদাহরন-ই যথেষ্ট এটা বোঝানোর জন্য। জো রুটের মত একজন অনিয়মিত অফস্পিনারের বোলিং গড় ৬.২ ওভার ৩ মেডেন, ৮ রান ৫ উইকেট! এক সময় তো রুট কে মনে হচ্ছিল যেন মুথাইয়া মুরলীধরন বল করছেন। একের পর এক ভারতীয় ব্যাটসম্যান রুটের বলে দিসেহারা হয়ে সাজঘর থেকে ক্রিজে আসা-যাওয়া করছিলেন। মাত্র ৩৩ রানে এগিয়ে থেকে শেষ হয়ে যায় ভারতের প্রথম ইনিংস। যদিও ম্যাচের শেষে রোহিত শর্মার জানান এই পিচে সে রকম কোন জুজু ছিল না।বোলার্স ফুটমার্ক এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল যে আম্পায়ার কে বার বার গ্রাঊন্ডসম্যান ডেকে ক্ষত রিপেয়ার করতে হচ্ছিল। টেস্ট ম্যাচে প্রথম দিনেই এ দৃশ্য শেষ কবে দেখা গেছে সেটা নিয়ে গবেষনা চলতেই পারে। পিচের হাল এতটাই খারাপ তা অনুমান করে বিরাট কোহালি দ্বিতীয় ইনিংসে জোরে বোলারদের না এনে প্রথম থেকেই স্পিনারদের লেলিয়ে দিলেন। প্রথম ওভারের প্রথম বলে জ্যাক ক্রলি আউট হবার পর তৃতীয় বলে জনি বেয়ারস্টোও আউট হয়ে ফিরে যান।পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ছাড়া ভারতের ঘুর্নী উইকেটে অন্য দলের সাফল্য দুরবীন দিয়েও বড় একটা দেখা যায় না। অক্ষর এবং অশ্বিনের বল এই ঘুর্নী পিচে সামলানোর মত টেকনিক ইংল্যন্ড দলের ব্যটসম্যানদের ছিল না। কতক্ষণ তারা টেকে সেটাই বড় প্রশ্ন ছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের। এক সেশনও পার করতে পারলো না!৪৯ রানের টার্গেট অতিক্রম করতে ভারতকে বিশেষ আসুবিধা হয়নি। বিনা উইকেট তারা জয়ের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছে যায়। সহজাত ভঙ্গীতে জো রুটের বলে ছয় মেরে ম্যাচ শেষ করলেন রোহিত শর্মা (২৫) অপরদিকে শুভমন গিল ১৫ রান করে অপরাজিত থেকে যোগ্য সহয়তা করেন। এই জয়ের সৌজন্যে ১-০ পেছিয়ে থেকেও ভারত ২-১ ফলে সিরিজে এগিয়ে গেল। জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
কলকাতা

বামেদের ব্রিগেডে হাজির থাকতে পারেন ভাইজান

চলতি মাসের ২৮-এ বামেদের ব্রিগেড সমাবেশের আগেই ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্টের সঙ্গে আসন সমঝোতা হয়ে যেতে পারে। সেই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে দিলেন আইএসএফের কান্ডারী পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি ওরফে ভাইজান। মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে দলীয় সভায় ভাইজান বলেন, আমার আশা ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আসন সমঝোতা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে ব্রিগেড সমাবেশে ভিড় উপচে পড়বে বলেও তিনি জানিয়ে দেন।আটচল্লিশ ঘণ্টার নোটিসে মঙ্গলবার ধর্মতলায় সভা ডেকেছিল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্ট। আব্বাস সিদ্দিকি শিয়ালদা থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত একটি মিছিলের নেতৃত্ব দেন। অপর মিছিলটি আসে হাওড়া স্টেশন থেকে। ছোট জায়গায় সভার অনুমতি মেলায় উষ্মাপ্রকাশ করেছেন ভাইজান। তাঁর খেদোক্তি, ভোট নেওয়ার সময় আমরা। এদিকে একটা বড় জায়গা পাওয়া যায় না সভা করার জন্য। একটা দুর্গন্ধযুক্ত জায়গায় সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।এদিনের সভায় ভাইজান জানিয়ে দিয়েছেন টাকা রোজগারের জন্য তিনি রাজনীতি করতে আসেননি। তাছাড়া কলকাতায় সম্পত্তি করতেও তিনি রাজনীতি করছেন না। কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, ভাইপোকে প্রতিষ্ঠা করতেও রাজনীতিতে আসিনি।কেন্দ্রীয় কৃষি বিল, পেট্রল-ডিজেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি, কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতির প্রতিবাদে এদিন সভা করে আইএসএফ। ওয়াই চ্যানেলের সভা থেকে কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারকেই তোপ দেগেছেন আব্বাস সিদ্দিকি। ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্টের সঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে আসন সমঝোতা করা নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে বাম-কংগ্রেসের। সেই জোট হলে বাংলার ভোট ত্রিমুখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই আসন সমঝোতা এখনও স্পষ্ট নয়।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
দেশ

ভ্যাকসিন চেয়ে মোদিকে ফোন ট্রুডোর

বাংলাদেশ, ব্রাজিলের পর এবার ইউরোপের দেশ কানাডা। মহামারি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ভ্যাকসিন হাতে পেতে ভারতের মুখাপেক্ষী হচ্ছে আরও অনেকেই। এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করে ভারতের তৈরি করোনা টিকা পাওয়ার আবেদন জানালেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। ভারত-কানাডার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অটুট রাখতে তাঁকে ভ্যাকসিন সরবরাহে সাহায্য করার আশ্বাসও দিয়েছেন মোদি। নিজেই টুইটে এ খবর জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।ট্রুডোকে বন্ধু বলে সম্বোধন করে মোদি টুইটারে লেখেন, বুধবার কানাডার প্রধানমন্ত্রীর ফোন পেয়ে খুশি হয়েছেন। কানাডার রাষ্ট্রপ্রধান ভারতের থেকে কোভিড ভ্যাকসিন নিতে চান বলে জানিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রীও তাঁকে আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছেন, কানাডার প্রয়োজনমতো করোনা টিকা সরবরাহ করতে ভারতও যথাসাধ্য সাহায্য করবে। ইতিমধ্যেই বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ ভারতের করোনা টিকা পেতে আবেদন জানিয়েছে, তাও মোদি জানিয়েছেন ট্রুডোকে। করোনা প্রতিরোধে ভ্যাকসিন তৈরিতে ভারতের চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের নিরলস পরিশ্রমের প্রশংসায় করে ট্রুডো এরপর জানান যে, করোনা যুদ্ধে ভারতের ভূমিকা এই মুহূর্তে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশীয় প্রযুক্তিতে একাধিক টিকা তৈরির চেষ্টায় ভারতই সবচেয়ে এগিয়ে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
স্বাস্থ্য

শিশুদের জন্য প্রথম হাসপাতাল চালু হাওড়ায়

হাওড়া জেলায় পথম শিশু হাসপাতাল চাল্য হল। মাস কয়েক আগে বহির্বিভাগ চালু করা হলেও এদিন আন্তর্বিভাগও চালু করা হয়েছে। ২০টি শয্যার এই শিশু হাসপাতালে প্রসূতিদের জন্যও থাকছে শয্যা। এছাড়া রয়েছে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থাও। থাকছে শিশুদের পাঁচটি এনআইসিইউ। হাওড়া ময়দানে মহত্মা গান্ধী রোডে একটি তিনতলা ভবনে এই হাসপাতালটি তৈরি করা হয়েছে। দোতলায় রয়েছে অপারেশন থিয়েটার ও শিশু ও প্রসূতি বিভাগ। এদিন নবনির্মিত এই হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজ্যের সমবায়মন্ত্রী অরূপ রায় ও হাওড়া সদরের সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়। উদ্বোধনের পর সমবায়মন্ত্রী অরূপ রায় জানান, গরীব মানুষও যাতে এই হাসপাতালে শিশুদের চিকিৎসা করাতে পারেন তা দেখা হবে। পাশেই রাজ্য সরকারের নিজস্ব জায়গায় হাসপাতালটির আরও বড় পরিকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও এদিন জানান তিনি। এই হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ছাড়াও গায়নোকোলজিস্টরা থাকবেন।ইন্ডিয়ান রেড ক্রস সোসাইটির সম্পাদক তথা শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ সুজয় চক্রবর্তী জানালেন, শিশুদের টাইফয়েড, হারনিয়ার মতো চিকিৎসা হবে। এছাড়াও শিশুদের স্পিচ থেরাপি, কাউন্সেলিংও হবে এখানে। হবে চামড়ার চিকিৎসা। এমনকী শিশুদের জটিল অস্ত্রোপচারও। সাংসদ তহবিলের ১০ লক্ষ টাকা অনুদান ও সমবায় দফতরের আর্থিক সাহায্যে এই হাসপাতালটি তৈরি হয়েছে। প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা ব্যায় হাসপাতালটি তৈরি করা হল। ইন্ডিয়ান রেড ক্রস সোসাইটি ও রাজ্য সরকারের সমবায় দফতরের যৌথ উদ্যোগেই শিশু হাসপাতালটি তৈরি হল।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

৩১ অগস্টের পরেও কি থাকবে চাকরি? ২৬ হাজার মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন যোগ্য প্রার্থীরা। ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশই আপাতত বহাল থাকছে। ফলে নতুন করে শুনানি এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি নিয়ে তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে না।২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের নির্ভুল ভাবে আলাদা করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তী সময়ে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্কুলগুলিতে শিক্ষক-সংকটের কথা মাথায় রেখে যোগ্য শিক্ষকদের সাময়িক ভাবে চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি বহাল থাকার কথা ছিল। একই সঙ্গে নতুন করে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতের দ্বারস্থ হন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের বক্তব্য, এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে যোগ্য শিক্ষকরা ফের চাকরি হারানোর আশঙ্কায় পড়বেন।এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে জানানো হয়েছে, নতুন অন্তর্বর্তী আবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশই কার্যকর থাকবে। ফলে আপাতত যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হল।তবে এই নির্দেশকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে ২৬ হাজার চাকরি মামলায় যোগ্য শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ। ফলে আপাতত স্বস্তি মিললেও পুরোপুরি অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৬
রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal