• ৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IC

বিনোদুনিয়া

New song : পথের গানওয়ালা মিউজিক্যাল স্যান্ডউইচ এর প্রথম গান মুক্তি নতুন বছরে

বছর শুরুতে পাহাড়ের গান নিয়ে হাজির হচ্ছেন কলকাতার স্ট্রিট মিউজিকে অতি চেনা নাম মিউজিক্যাল স্যান্ডউইচ। এই ব্র্যান্ডে বেশ পরিচিত নীলাঞ্জন সাহা। গোলপার্কে সাইকেলকে সম্বল করে স্ট্রিট মিউজিক নিয়ে কাজ করার তাগিদেই স্যান্ডউইচ বিক্রির এই অভিনব পন্থা নেন নীলাঞ্জন। দেখতে, দেখতে বছর তিন পার করে ফেলেছেন এই তরুণ তুর্কী।এই প্রথম অরিজিনাল গান করলেন নীলাঞ্জন। সম্ববত এই প্রথম শহরের কোনো স্ট্রিট মিউজিশিয়ান গান রেকর্ড করলেন।আর এই গানের নেপথ্যে থাকা মানুষটি শহরের প্রথম স্ট্রিট মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এর উদ্যোক্তা, পাশাপাশি মাউন্টেন মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এরও আয়োজক, সুদীপ্ত চন্দ। গানের কথা,সুর তাঁর এবং এই প্রথম গানও গাইলেন নীলাঞ্জনের সাথে। সুদীপ্ত মূলত পাহাড়ের গান করেন।এর আগে দুটো গানই পাহাড় নিয়ে বানিয়েছেন। গেয়েছেন রূপঙ্কর। এই প্রথম স্ট্রিট মিউজিশিয়ানকে সঙ্গী করে গান বানালেন সুদীপ্ত।গানের শুট হলো দার্জিলিং এর দাওয়াইপানির আনাচেকানাচে, লামাহাটার পাইন বনে,ত্রিবনীতে। গান জুড়ে পাহাড়ের দৃশ্যগুলো বেশ নজর কাড়ে। পাহাড়ের কোলে দুই বন্ধুর জার্নি নিয়ে বছর শুরুতে এই গান প্রকাশ পাবে দ্যা ড্রিমার্স মিউজিক পি আর এজেন্সি এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে। গানের সঙ্গীত আয়োজন করেছেন মাধুর্য মুখোপাধ্যায়। সুদীপ্ত চন্দ বললেন, ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনে পড়ার সময় প্রথম গান করেছিলাম। পরে সুরঙ্গমা-তে রবীন্দ্রসঙ্গীত শিক্ষা।মূলত মিউজিক নিয়ে সাংবাদিকতা করেই পরিচিত হই। নতুন গান তৈরি করার ইচ্ছে অনেক দিন ধরেই ছিল।কিন্তু নিজে গান রেকর্ড করবো আগে ভাবিনি।নীলাঞ্জনকে তিন বছর ধরেই চিনি। ওঁর কাজ বহু মানুষকে আনন্দ দেয়।আমাকও দেয়। তাই মনে হলো একজন স্ট্রিট মিউজিশিয়ানের সঙ্গেই গানটা রেকর্ড করি।আর পাহাড়ের প্রেক্ষাপটে গানটা শোনার সাথে দেখতেও বেশ ভালো হয়েছে।অন্যদিকে নীলাঞ্জন সাহা বলেন, সুদীপ্ত দা আমার থেকে বয়েসে অনেকটাই বড়। বয়েসের এই পার্থক্যকে উপেক্ষা করে গড়ে ওঠা একটা বন্ধুত্বের গল্প বলে আমাদের এই গান এ পথ চলা,যেটা খুব একটা দেখা যায় না বলে আমার মনে হয়। ফুটপাথের গানওয়ালা থেকে একজন রেকর্ডেড আর্টিস্ট হয়ে উঠতে পেরে সত্যি খুব ভালো লাগছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 30th December 2021): কর্কটের উৎসাহ লাভ, কন্যার ভাগ্যোদয়

মেষ/ARIES: মনে কষ্ট পাবেন।বৃষ/TAURUS: শোকপ্রাপ্তি হতে পারে।মিথুন/GEMINI: প্রতিবেশীর সঙ্গে বিবাদ।কর্কট/CANCER: উৎসাহ লাভ করতে পারেন।সিংহ/LEO: কোনও দ্রব্যের ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: ভাগ্যোদয় হতে পারে।তুলা/ LIBRA: উন্নতিতে বাধা সৃষ্টি হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: পারিবারিক অশান্তি হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: মানসিক স্বস্তি পেতে পারেন।মকর/CAPRICORN: সংক্রমণজনিত রোগ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: উচ্চশিক্ষার সুযোগ আসতে পারে।মীন/ PISCES: ধর্মে আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে পারে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Arica : জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ভারত, কিন্তু বাধা আসতে পারে, কেন?‌

সেঞ্চুরিয়নে প্রথম টেস্ট জিতে সিরিজে এগিয়ে যেতে পারবে ভারত? সেই সম্ভাবনা চতুর্থ দিনেই জোরালো করে তুললেন ভারতের বোলাররা। জয়ের জন্য ৩০৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা তুলেছে ৯৪/৪। জয়ের জন্য প্রোটিয়াদের এখনও দরকার ২১১ রান। অন্যদিকে ভারতকে তুলতে হবে ৬ উইকেট। ভারতের কাজটা অপেক্ষকৃত সহজ হলেও জয়ের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে আবহাওয়া। বৃহস্পতিবার সেঞ্চুরিয়নে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।বছরটা একেবারেই ভাল গেল না ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলির কাছে। আইপিএল, টি২০ বিশ্বকাপে ব্যর্থতা, একদিনের নেতৃত্ব থেকে অপসারন। অনেকেই আশা করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে সবকিছুর যোগ্য জবাব দেবেন। কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে বড় রান পাননি। দ্বিতীয় ইনিংসেও সেই ব্যর্থতা সঙ্গী। একবার জীবন পেয়েও বড় রান করতে পারলেন না ভারতীয় দলের অধিনায়ক। চলতি বছরেও সেঞ্চুরি পেলেন না কোহলি।টেস্টে বিরাট কোহলির ব্যাট থেকে শেষ সেঞ্চুরি এসেছিল ২০১৯এ। তারপর থেকে আর ব্যাটে বড় রান নেই। অনেকেই ভেবেছিলেন সাদা বলের ক্রিকেটের নেতৃত্বভার কাঁধ থেকে নেমে যাওয়ায় চাপমুক্ত হয়ে মাঠে নামতে পারবেন। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ৩৫। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও অনেক বাইরের বল তাড়া করে আউট হলেন। দুই ইনিংসেই যেভাবে উইকেট ছুঁড়ে দিয়েছেন, তাতে তাঁর মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শুধু কোহলিই নয়, দ্বিতীয় ইনিংসে চূড়ান্ত ব্যাটিং ব্যর্থতা ভারতের। ৫০.৩ ওভারে মাত্র ১৭৪ রানে শেষ হয়ে গেল ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস। আগের দিনের ১৬/১ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে ভারত। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় রান ছিল ৩২ ওভারে ৭৯/৩। এদিন প্রথম আউট হন শার্দুল ঠাকুর (১০), তারপর লোকেশ রাহুল (২৩)। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর প্রথম বলেই আউট হন কোহলি। এরপর প্রোটিয়া বোলারদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন ভারতীয় ব্যাটারদের। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর ১ ঘন্টার মধ্যে ৪টি উইকেট হারায় ভারত। চেতেশ্বর পুজারা (১৬) আবার ব্যর্থ। রাহানে (২০), অশ্বিনরা (১৪) রান পাননি। ঋষভ পন্থ (৩৪) কিছুটা লড়াই করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কাগিসো রাবাডা ৪২ রানে ৪টি, মার্কো জানসেন ৫৫ রানে ৪টি ও লুঙ্গি এনগিডি ৩১ রানে ২টি উইকেট নেন। জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে লক্ষ্য ৩০৫। ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসেও শুরুতে ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় ওভারেই এইডেন মার্করামকে (১) তুলে নেন মহম্মদ সামি। পঞ্চদশ ওভারের প্রথম বলে কীগান পিটারসেনকে (১৭) ফেরান মহম্মদ সিরাজ। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ডিন এলগার ও ভ্যান ডার ডুসেন। ডুসেনকে (১১) তুলে নিয়ে ব্রেক থ্রু দেন যশপ্রীত বুমরা। শেষ বেলায় তুলে নেন কেশব মহারাজকে (৮)। ৫২ রান করে ক্রিজে রয়েছেন এলগার।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Contaminated Mustard Oil: রাসায়নিক মেশানো ভেজাল সরষের তেল তৈরির ডেরার পর্দা ফাঁস পূূর্ব বর্ধমানে, গোডাউন মালিক বেপাত্তা

চোরাই রাইস অয়েলের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষতিকারক রাসায়নিক মিশিয়ে তৈরি করা হত ভেজাল সরষের তেল। গোপন সূত্রে সেই খবর পেয়ে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে ছিনুই এলাকায় গজিয়ে ওঠা ওই ভেজাল সরষের তেলের কারবারী ডেরায় হানা দেয়। সেখান থেকে পুলিশ ভেজাল সরষের তেল তৈরিতে যুক্ত তিন জনকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি ৫২টি টিনের ড্রামে ভর্তি ভেজাল সরষের তেল ও রাসায়নিক দ্রব্য উদ্ধার করেছে। এছাড়াও রাইসয়েল তেল সমেত একটি ট্যাঙ্কারও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। পুলিশ নড়ে-চড়ে বসাতেই ভেজাল সরষের তেলের কারবারী চক্রের পর্দাফাঁস হল বলে মনে করছেন মেমারির বাসিন্দারা। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম অসীম মিত্র, গোবিন্দ সরকার ও পঙ্কজ সিং। অসীম ও গোবিন্দর বাড়ি মেমারির ছিনুই গ্রামে। অপর ধৃত পঙ্কজ সিং বাজেয়াপ্ত হওয়া ট্যাঙ্কারটির চালক। তাঁর বাড়ি হাওড়ার বালি এলাকায়। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার তিন ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁদের ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। বিচারক ধৃতদের ৫ জানুয়ারী পর্যন্ত পুলিশি হেপাজত মঞ্জুর করেছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যান সিংহরায় বলেন, ভেজাল সরষের তেল তৈরি চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত রয়েছে এবং চক্রে আরও কারা করা যুক্ত রয়েছে তা ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে খতিয়ে দেখা হবে। বাজেয়াপ্ত হওয়া সমস্ত সামগ্রীও ল্যাব টেস্টিংয়ে পাঠানো হবে। যে গোডাউনে ভেজাল সরষের তেল তৈরি করা হত সেই গাডাউনের মালিক কে সেই বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে বলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানিয়েছেন। মেমারির ছিনুই শীতলাতলা এলাকায় ভেজাল সরষের তেল তৈরি হওয়ার খবর মঙ্গলবার গোপন সূত্রে পায় মেমারি থানায় পুলিশ। ওই এলাকায় হানা দিতেই পুলিশের নজরে আসে একটি ট্যাঙ্কার থেকে তেল বের করে ড্রামে ভরা হচ্ছে। পুলিশ ওই ট্যাঙ্কারের চালককে ধরার পাশাপাশি ট্যাঙ্কারটি বাজেয়াপ্ত করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্যাঙ্কার থেকে রাইসয়েল ড্রামে ভরে নিয়ে গোডাউনে রাখা হত। এই রাইসয়েলও চুরি করা রাইসয়েল। এছাড়াও আরও বিভিন্ন জায়গা থেকে রাইসয়েল সংগ্রহ করতো কারবারীরা। তদন্তে নেমে পুলিশ জেনেছে, গোডাউনের মধ্যে ওই রাইসয়েল প্রথমে একটি বড় পাত্রে ঢালা হত। পরে তাতে সরষের তেলের রঙ আনার জন্য কাঠ পালিশে ব্যবহৃত কামধেনু রঙ সহ নানা ভেজাল দ্রব্য মেশানো হত। এছাড়াও সরষের তেলের ঝাঁজ আনার জন্য ওই রাইসয়েলে ক্ষতিকারক রাসায়নিকও মেশানো হত। এইসব ভেজাল দ্রব্য মিশিয়ে কারবারীরা রাইসয়েলকে সরষের তেলের রুপ দিত। পরে সেই তেল ১৫ কেজির খালি টিনের ড্রামে ভরে টিনের ছিপি দিয়ে শিল করে দেওয়া হত। এরপর ওই টিনের ড্রামে বিভিন্ন নামি দামি কোম্পানির স্টিকার আঠা দিয়ে এঁটে কারবারীরা বিভিন্ন দোকানে বিক্রি করতো। মেমারি থানার পুলিশ দাবি করেছে, ভেজাল সরষের তেলের এই কারবারির ডেরা থেকে ৫২ ড্রাম ভর্তি ভেজাল সরষের তেল, ৭৪টি খালি টিনের ড্রাম ও নগদ ৫০ হাজার টাকা পুলিশ অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছে। এছাড়াও ভেজাল তেল তৈরিতে ব্যবহৃত সমস্ত উপকরণ ও রাইসয়েল সমেত ট্যাঙ্কারটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে মেমারি থানার পুলিশ জানিয়েছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

Corona Vaccination: ৩রা জানুয়ারি থেকে শহরে ১৫-১৮ বছর বয়সীদের করোনা টিকা

শহরের স্কুলে স্কুলে ১৫-১৮ বছর বয়সীদের করোনার টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুর নিগম। ১৬ টি বরোর মোট ১৬ টি স্কুলে ১৫-১৮ বছর বয়সীদের কোভ্যাক্সিনের ডোজ দেওয়া হবে ৩ জানুয়ারি। তারপরের দিন অর্থাৎ ৪ জানুয়ারি ১৬ টি বরোর ৫০ টি স্কুলে দেওয়া হবে ১৫ ঊর্ধ্বদের ডোজ। প্রত্যেক ক্ষেত্রে স্কুলে ক্যাম্প করেই দেওয়া হবে ভ্যাকসিন। এর সঙ্গেই জানা গিয়েছে, আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে পুর নিগমের হেলথ সেন্টারে ষাটোর্ধ্বদের করোনার বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে। বুধবার কলকাতা পুর নিগময় স্বাস্থ্য কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম।বুধবার স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্তাদের সঙ্গে এই টিকাকরণ কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক করেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ, ও পুর নিগমের স্বাস্থ্য কর্তারা। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আগামী ৩ জানুয়ারি থেকেই বরো ধরে ধরে স্কুলেই দেওয়া হবে করোনার টিকা। যেহেতু ১৫ ঊর্ধ্বদের ক্ষেত্রে কোভ্যাক্সিনকেই মান্যতা দিয়েছে কেন্দ্র। তাই সেই ভ্যাকসিনই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুর নিগম। গত মঙ্গলবার স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে নবান্নে সুপারিশ করা হয়, ১৫ উর্ধ্বদের টিকাকরণের কাজ যাতে নির্দিষ্ট বিদ্যালয়ে দেওয়া হয়। আর তাতেই মান্যতা দিল কলকাতা পুর নিগম। ১৫ থেকে ১৮ বছরের মোট ২.৫ লক্ষ ভ্যাকসিন প্রাপক রয়েছে কলকাতায়। বিশৃঙ্খলা এড়াতেই স্কুলেই টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত কলকাতা পুর নিগমের। এরই সঙ্গে কলকাতা পুর নিগম সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে ষাটোর্ধ্বদের করোনার টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে।এক্ষেত্রে যারা দুটি টিকার ডোজ নিয়েছেন তারাই একমাত্র বুস্টার ডোজ পাবেন। কোভ্যাক্সিন টিকা নেওয়া ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট ভ্যাকসিনের বুস্টার পাবেন। কোভিশিল্ড প্রাপকরা পাবেন সংশ্লিষ্ট ভ্যাকসিনের বুস্টার।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa-Kohli : ‌ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের, বছরটা কেন ভাল গেল না কোহলির কাছে?‌

বছরটা একেবারেই ভাল গেল না ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলির কাছে। আইপিএল, টি২০ বিশ্বকাপে ব্যর্থতা, একদিনের নেতৃত্ব থেকে অপসারন। অনেকেই আশা করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে সবকিছুর যোগ্য জবাব দেবেন। কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে বড় রান পাননি। দ্বিতীয় ইনিংসেও সেই ব্যর্থতা সঙ্গী। একবার জীবন পেয়েও বড় রান করতে পারলেন না ভারতীয় দলের অধিনায়ক। চলতি বছরেও সেঞ্চুরি পেলেন না কোহলি।টেস্টে বিরাট কোহলির ব্যাট থেকে শেষ সেঞ্চুরি এসেছিল ২০১৯এ। তারপর থেকে আর ব্যাটে বড় রান নেই। অনেকেই ভেবেছিলেন সাদা বলের ক্রিকেটের নেতৃত্বভার কাঁধ থেকে নেমে যাওয়ায় চাপমুক্ত হয়ে মাঠে নামতে পারবেন। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ৩৫। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও অনেক বাইরের বল তাড়া করে আউট হলেন। দুই ইনিংসেই যেভাবে উইকেট ছুঁড়ে দিয়েছেন, তাতে তাঁর মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শুধু কোহলিই নয়, দ্বিতীয় ইনিংসে চূড়ান্ত ব্যাটিং ব্যর্থতা ভারতের। ৫০.৩ ওভারে মাত্র ১৭৪ রানে শেষ হয়ে গেল ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস। আগের দিনের ১৬/১ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে ভারত। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় রান ছিল ৩২ ওভারে ৭৯/৩। এদিন প্রথম আউট হন শার্দুল ঠাকুর (১০), তারপর লোকেশ রাহুল (২৩)। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর প্রথম বলেই আউট হন কোহলি। এরপর প্রোটিয়া বোলারদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন ভারতীয় ব্যাটারদের। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর ১ ঘন্টার মধ্যে ৪টি উইকেট হারায় ভারত। চেতেশ্বর পুজারা (১৬) আবার ব্যর্থ। রাহানে (২০), অশ্বিনরা (১৪) রান পাননি। ঋষভ পন্থ (৩৪) কিছুটা লড়াই করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কাগিসো রাবাডা ৪২ রানে ৪টি, মার্কো জানসেন ৫৫ রানে ৪টি ও লুঙ্গি এনগিডি ৩১ রানে ২টি উইকেট নেন। জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে লক্ষ্য ৩০৫।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

Corona: ফিরহাদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান থেকে ফিরেই করোনায় আক্রান্ত ৪ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান

করোনা অক্রান্ত কলকাতা পুরিনগেমর ৪ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান সাধনা বসু। মঙ্গলবার মেয়রের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন তিনি। কিছুক্ষণ পর থেকেই তাঁর শরীর খারাপ হতে শুরু করে। পরে তাঁর কোভিড পজিটিভ ধরা পড়েছে। মঙ্গলবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকা অনেকেরই গতরাত থেকে জ্বর এসেছে।সূত্রের খবর, ফিরহাদ হাকিমের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন এমন প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। উত্তর কলকাতার এক বরো চেয়ারম্যান ছাড়াও বেশ কয়েকজনের করোনা পজিটিভি ধরা পড়েছে বলে খবর। পুরনিগমের বেশ কয়েকজন কর্মীও জ্বর-জ্বর অনুভব করছেন। যাঁদের যাঁদের শরীরে উপসর্গ দেখা যাচ্ছে, তাঁদের প্রত্যেকের করোনা পরীক্ষা করানো হচ্ছে।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার কলকাতার মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন ফিরহাদ হাকিম। শপথগ্রহণ পর্বে ছিল ঠাসা ভিড়। অধিংকাংশের মুখেই দেখা যায়নি মাস্ক। শারীরিক দূরত্ববিধিরও কোনও বালাই ছিল না। এই পরিস্থিতিতে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের পর পরই এতজন জ্বর জ্বর অনুভব করায় স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

Omicron: জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকেই ফের বন্ধ হতে পারে স্কুল, কমতে পারে লোকাল ট্রেন, ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

করোনা পরিস্থিতি যে ভাবে ফের অবনতির দিকে যাচ্ছে, তাতে আশঙ্কার মেঘ দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে, ফের নতুন করে কিছু বিধিনিষেধ জারি হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেন তিনি। পরিস্থিতির অবনতি হলে প্রয়োজনে পুনরায় স্কুল বন্ধ করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। বুধবার গঙ্গা সাগরে প্রশাসনিক বৈঠক থেকে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের এই বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন মমতা।করোনা সংক্রমণ যদি বাড়ে, তাহলে আবার কিছুদিনের জন্য স্কুল- কলেজ বন্ধ করতে হবে। বুধবার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি মণীশ জৈনকে নির্দেশ দেন, করোনা পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে, তাতে খেয়াল রাখতে হবে। মমতা বলেন, থার্ড ওয়েভ আসছে। ওমিক্রনও হচ্ছে। এই সময় স্কুল, কলেজ খোলা রাখা যায় কি না, তা দেখতে হবে। সামনেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা আছে বলেও উল্লেখ করেন মমতা।মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকেও মমতা নির্দেশ দেন, করোনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে স্কুল-কলেজ চালু থাকবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ দিন স্বাস্থ্য সচিব নারায়ন স্বরূপ নিগমের কাছে করোনা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাস্থ্য সচিব জানান, কলকাতা ও শহরতলিতে বাড়ছে সংক্রমণ। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দেন যাতে কনটেনমেন্ট জোন বা মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন তৈরি করার পরিকল্পনা করা হয়। ৩ জানুয়ারি থেকে যাতে সেই সংক্রান্ত বিধি জারি করা যায়, সেই নির্দেশ দিয়েছেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রী এ দিন আন্তর্জাতিক বিমানের যাত্রীদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন আন্তর্জাতিক বিমানে আসা যাত্রীদের থেকেই ছড়িয়ে পড়ছে ওমিক্রন সংক্রমণ। তাই সে ক্ষেত্রে কোভিড বিধিতে কোনও বদল আনা যেতে পারে কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন তিনি। করোনা পরিস্থিতিতে অনেক দিন ধরেই বন্ধ ছিল লোকাল ট্রেন। পরে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসায় পরে চালু হয় লোকাল ট্রেন। এ দিন প্রশাসনিক বৈঠকে মমতা নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে লোকাল ট্রেনের সংখ্যা কিছুটা কমানো যায়। পাশাপাশি, প্রয়োজনে অফিসগুলোতে উপস্থিতি ৫০ শতাংশ করার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ‌কেমন আছেন সৌরভ? ওমিক্রন পরীক্ষার রিপোর্ট আসতে আরও একদিন বাকি

সৌরভ গাঙ্গুলি কি ওমিক্রনে আক্রান্ত? বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হতে পারেননি চিকিৎসকরা। সৌরভের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়ে। বৃহস্পতিবার সেই রিপোর্ট আসার কথা। তারপরই জানা যাবে ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন কিনা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। তবে এখন অনেকটাই ভাল আছেন তিনি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন সৌরভে অবস্থা স্থিতিশীল। করোনায় আক্রান্ত হয়ে সোমবার রাতে মধ্য কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন সৌরভ গাঙ্গুলি। জ্বর না এলেও করোনার হালকা উপসর্গ ছিল। যেহেতু সৌরভের হৃদযন্ত্রে সমস্যা রয়েছে, তাই কোনো ঝুঁকি নেননি চিকিৎসকরা। তাঁর চিকিৎসার জন্য তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মেডিকেল বোর্ডে রয়েছেন ডাঃ সরোজ মণ্ডল, ডাঃ সপ্তর্ষি বসু ও ডাঃ সৌতিক পাণ্ডা। হালকা সর্দি থাকায় সৌরভকে স্টিম দেওয়া হয়েছে। কাশি না থাকার জন্য আপাতত সিটি স্ক্যান করা হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার সৌরভের ওমিক্রন পরীক্ষার রিপোর্ট আসার কথা। রিপোর্ট ঠিকঠাক থাকলে এদিনই সৌরভকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও বাড়ির বাইরে বার হতে পারবেন না সৌরভ। আপাতত তাঁকে বেশ কয়েকদিন নিভৃতবাসে থাকতে হবে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে বেশ খোশমেজাজেই রয়েছেন সৌরভ। টিভিতে ভারতদক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট ম্যাচ দেখার পাশাপাশি অফিসের জরুরি কাজও করছেন।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Raj Chakraborty : চিকেন পক্স থেকে সেরে উঠছেন, এখন অনেকটাই সুস্থ রাজ

চিকেন পক্সে আক্রান্ত হয়েছিলেন টলিউডের পরিচালক ও ব্যারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তাড়েছিলেন। চলচ্চিত্র উৎসবের আগে রাজের এই শারীরিক অবস্থার জন্য তার ফ্যান থেকে শুরু করে অনেকেই চিন্তিত হয়ে পরেছিলেন। তবে তিনি এখন অনেকটাই ভালো আছেন। আনন্দবাজার অনলাইনকে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।রাজ বলেছেন, ভালো আছি। শরীরে কোনও অসুবিধা নেই। একটু কাবু হয়ে পড়েছিলাম। জ্বরও এসেছিল। গুটিও বেরিয়েছিল। এখন সব কমে গিয়েছে। পরশু অর্থাৎ ৩০ ডিসেম্বর থেকে আগের মতোই কাজে বেরোতে পারব। কলকাতার বাড়িতেও ফিরব ওই দিনেই।চিকেন পক্স ছোঁয়াচে রোগ তাই রিস্ক নেননি রাজ। সোজা চলে গিয়েছিলেন হালিশহরের বাড়িতে। ছেলে ইউভান এবং শাশুড়ি লীলা চক্রবর্তীকে নিয়ে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় এখন কলকাতায় রয়েছেন বহুতলের ফ্ল্যাটেই। রাজকে দেখভাল করেছেন তাঁর সহকারীরাই।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিধায়কের দায়িত্ব পালনের যেমন একটা চাপ রয়েছে এর পাশাপাশি কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের চেয়ারপার্সনও তিনি। তাই ব্যস্ততা আরও বেশি। রাজের আগামী ছবি ধর্মযুদ্ধ মুক্তি পবে ২১ জানুয়ারি।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 29th December 2021): ধনুর মাথায় ব্যথা, মীনের পায়ের ব্যথা

মেষ/ARIES: শান্তিভঙ্গ হতে পারে।বৃষ/TAURUS: পকেটমারী হতে পারে।মিথুন/GEMINI: বিদ্যুৎ থেকে বিপদ হতে পারে।কর্কট/CANCER: কর্মে অগ্রগতি হতে পারে।সিংহ/LEO: ক্রীড়ায় সাফল্য আসতে পারে।কন্যা/VIRGO: সন্তানের উন্নতি হবে।তুলা/ LIBRA: চিকিৎসায় সাফল্য আসবে।বৃশ্চিক/Scorpio: স্পষ্টকথায় বিপদ হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: মাথায় ব্যথা হতে পারে।মকর/CAPRICORN: শেয়ার ব্যবসায় লাভ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: বুদ্ধি বিভ্রম হতে পারে।মীন/ PISCES: পায়ের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : ‌দুর্দান্ত প্রত্যাঘাত ভারতীয় বোলারদের, ৫ উইকেট নিয়ে মাইলস্টোনে মহম্মদ সামি

দিনের শুরুটা যদি দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের হয়, শেষবেলাটা অবশ্যই ভারতীয় বোলারদের। তৃতীয় দিন সকালে লুঙ্গি এনগিডি, কাগিসো রাবাডাদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন করেছিলেন ভারতীয় ব্যাটাররা। শেষবেলায় পাল্টা প্রত্যাঘাত মহম্মদ সামিদের। ভারতের ৩২৭ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯৭ রানে গুটিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। বল হাতে জ্বলে উঠলেন মহম্মদ সামি। ৪৪ রানে তুলে নিলেন ৫ উইকেট। একই সঙ্গে পৌঁছে গেলেন টেস্টে ২০০ উইকেটের মাইলস্টোনে।বৃষ্টির জন্য মাঠ ভেজা থাকায় দ্বিতীয় দিন একবলও খেলা হয়নি। প্রথম দিনের তোলা ২৭২/৩ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। আগের দিনের ১২২ রানের সঙ্গে মাত্র ১ রান যোগ করে আউট হন লোকেশ রাহুল। রাবাডার বলে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডিককের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। বড় রানের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন অজিঙ্ক রাহানে। ৪৮ রান করে এনগিডির বলে তিনি সেই উইকেটের পেছনেই ক্যাচ দেন। এদিন শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই জোরে বোলার লুঙ্গি এনগিডি ও কাগিসো রাবাডা। গতি ও সুইং দিয়ে বাজিমাত করে গেলেন দুজনে। উইকেটের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ অবশ্য কাজ অনেকটাই সহজ করে দিয়েছিল এই দুই জোরে বোলারের।লোকেশ রাহুল ও অজিঙ্ক রাহানে আউট হতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ভারতের ব্যাটিং। প্রথম ঘন্টাতেই ভারত এদিন ৬ উইকেট হারায়। তৃতীয় দিন সকালে ভারতের পঞ্চম উইকেট পড়ে ২৯১ রানে। সেখান থেকে ৩০৮ রানের মধ্যে চারটি উইকেট হারায়, মাত্র ১২ রানের ব্যবধানে। ঋষভ পন্থ (৮), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৪), শার্দুল ঠাকুর (৪), মহম্মদ সামি (৮) কেউই রান পাননি। যশপ্রীত বুমরার (১৪) সৌজন্যে ভারত ৩২৭ রানে পৌঁছয়। শেষ উইকেটের জুটিতে মূল্যবান ১৯ রান যোগ করেন বুমরা ও মহম্মদ সিরাজ (অপরাজিত ৪)। লুঙ্গি এনগিডি ৭১ রানে ৬টি, কাগিসো রাবাডা ৭২ রানে ৩টি উইকেট নেন। ১টি উইকেট নেন মার্কো জানসেন। ভারতের শেষ ৭ উইকেট পড়ে ৫৫ রানে।এরপর ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের সামনে দিশেহারা হয়ে পড়ে প্রোটিয়া ব্যাটাররা। ১৩ ওভারের মধ্যে ৩২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে। প্রথম ধাক্কা দেন যশপ্রীত বুমরা। ইনিংসের পঞ্চম বলে তুলে নেন অধিনায়ক ডিন এলগারকে (১)। সেই ধাক্কা আর সামলাতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। মার্করাম (১৩), কিগান পিটারসেন (১৫), ভ্যান ডার ডুসেনরা (৩) রান পাননি। কিছুটা লড়াই করেন তেম্বা বাভুমা (৫২) ও কুইন্টন ডিকক (৩৪)। রাবাডা করেন ২৫। ৬২.৩ ওভারে ১৯৭ রানে গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ৪৪ রানে ৫ উইকেট নেন সামি। বুমরা ও শার্দুল ঠাকুর ২টি করে উইকেট নেন।১৩০ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তুলেছে ১ উইকেটে ১৬। ৪ রান করে জানসেনের বলে আউট হয়েছেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। লোকেশ রাহুল ৫ ও শার্দুল ঠাকুর ৪ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Beengal-Perosevic : এসসি ইস্টবেঙ্গলের নতুন কোচ কে হলেন?‌ রেফারিকে মেরে ৫ ম্যাচ নির্বাসিত পেরোসেভিচ

দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে পদত্যাগ করেছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। বেশ কয়েকজন কোচের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। এলকো শাতোরি, ফিলিপ ডিরাইডার, মারিও রিবেরো, আলেজান্দ্রো মেন্ডেজদের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। নতুন কোচের সঙ্গে চুক্তি করতে কয়েকদিন সময় লাগবে। তারপর কোয়ারেন্টিন পর্ব মিটিয়ে দলের দায়িত্ব নিয়ে আরও কয়েকটা দিন কেটে যাবে। এই পরিস্থিতিতে দলের সহকারী কোচ রেনেডি সিংকে অন্তর্বতী কোচ হিসেবে দায়িত্ব দিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তাঁকে সাহায্য করবেন ম্যানেজারের দায়িত্বে থাকা মৃদুল ব্যানার্জি। মানোলো দিয়াজ পদত্যাগ করার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। লালহলুদে যোগ দেওয়ার সময় সহকারী হিসেবে স্পেনেরই অ্যাঞ্জেল পাবলো গার্সিয়াকে নিয়ে এসেছিলেন মানোলো দিয়াজ। তিনিও পদত্যাগ করেছেন। দুজনই এখন দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। দুই কোচের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের সিইও শিবাজি সমাদ্দার। ক্লাবের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেছেন, চলতি মরশুমে অবদানের জন্য হোসে ও অ্যাঞ্জেলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ওদের জন্য শুভকামনা রইল।মানোলো দিয়াজ পদত্যাগ করে ক্লাব কর্তাদের স্বস্তি দিলেও আরও বড় অস্বস্তিতে পড়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। আন্তোনীয় পেরোসেভিচকে ৫ ম্যাচের জন্য নির্বাসিত করেছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। সঙ্গে ১ লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্তে অখুশি হয়ে তাঁকে সরাসরি ধাক্কা মেরেছিলেন পেরোসেভিচ। রেফারি তাঁকে লালকার্ড দেখান। ২৪ জানুয়ারি হায়দরাবাদ এফসি ম্যাচে তিনি খেলতে পারেননি। অর্থাৎ এক ম্যাচ নির্বাসিত ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে। এখনও ৪ ম্যাচ মাঠের বাইরে কাটাতে হবে। তবে এই শাস্তির বিরুদ্ধে আবেদন করতে পারবেন পেরোসেভিচ। ১০ দিনের মধ্যে তাঁকে আবেদন করতে হবে। একেই আইএসএলে এখনও জয় নেই। তার ওপর পেরোসেভিচের নির্বাসন। এসসি ইস্টবেঙ্গলে একমাত্র পেরোসেভিচই ভাল খেলছিলেন। তিনি না থাকলে সমস্যায় পড়তে হবে। সব মিলিয়ে কঠিন সমস্যায় লালহলুদ শিবির।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Fuchka: কামড় দিলেই তেতুল জলের বদলে বাটারস্কচ আইসস্ক্রিম, ভিন্ন স্বাদের ফুচকায় মেতেছে বর্ধমান

ফুচকা অতি জনপ্রিয় সুস্বাদু মুখরোচক খাদ্যবস্তু। সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে জনপ্রিয় হলেও জানা যায় এর সৃষ্টি মুলত বাংলা এবং ওড়িশা-য়। খাদ্যবস্তুটি বাংলাদেশ এবং ভারতে শহর থেকে শহরতলি হয়ে গ্রামাঞ্চলেও সমান জনপ্রিয়। বিভিন্ন জায়গায় এটিকে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়। যেমন পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় এর নাম ফুচকা, উত্তর ভারতে গোল-গাপ্পা নামে জনপ্রিয়। মুম্বাই সহ সমগ্র মহারাষ্ট্রতে এর জনপ্রিয়তা পানি-পুরি। আবার আমাদের বাংলাতেই পশ্চিম-বর্ধমানের আসানসোল, বরাকরে এটিকে গুপচুপ বলা হয়ে থাকে।আরও পড়ুনঃ নগিডি, রাবাডাদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন, তৃতীয় দিন কেন ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের?সাধারণভাবে আটা এবং সুজি দিয়ে তৈরি একটি গোলাকৃতি পাপড়ির মধ্যে নানাবিধ মসলামিশ্রিত সেদ্ধ আলুর পুর (ছোলা, ধনেপাতা, মটর,কাঁচা লঙ্কা) ভরে তেঁতুলজল সহযোগে পরিবেশন করা হয় ফুচকা। বিভিন্ন অঞ্চলের নামকরণের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় মানুষের খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী মশালারও প্রকারভেদ হয়। নানারকমের নামের পাশাপাশি ফুচকা পরিবেশনের রীতিটিও বিভিন্নতা লাভ করেছে। কোনও কোনও অঞ্চলে তেঁতুলজলের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় পুদিনামিশ্রিত জল। আবার পশ্চিমবঙ্গে ফুচকার পুর হিসেবে ব্যবহৃত আলুতে পেঁয়াজের প্রচলন কম থাকলেও, ওড়িশাতে পেঁয়াজ ছাড়া ফুচকার কথা ভাবাই যায় না। এছাড়াও সারা ভারতেই দই-ফুচকা জনপ্রিয়তা প্রবল, এটি সাধারনত এলিট শ্রেনী-র পদ হিসাবেই বিবেচনা হয়।আরও পড়ুনঃ রোগীদের চিকিৎসা করছেন ডাক্তার বিডিও, গর্বের অন্ত নেই ভাতারবাসীরফুচকার ইতিহাস ঘেঁটে গ্রহণযোগ্য আর প্রমাণসাপেক্ষ যা জানা যায় তা হল, এর সৃষ্টি মহাভারতের দ্রোপদীর হাতে। কথিত আছে দ্রোপদী বিয়ে পর পান্ডবদের কাছে আসার পরে তাঁর শাশুরি মাতা কুন্তি তাঁকে আগের রাতের বেচে যাওয়া আলুর সব্জি আর আটার মন্ড দিয়ে বলেছিল তাঁর স্বামীদের (পান্ডব) জন্য খাবার বানাতে। তখন দ্রোপদী আটা দিয়ে একটি গোলাকৃতি পাপড়ির মধ্যে মসলা মিশিয়ে সেদ্ধ আলুর পুর ভরে তেঁতুলজল সহযোগে পরিবেশন করেন এই পদটি। কুন্তি পরে দ্রোপদীর বানানো খাবারকে অমরত্বের আশীর্বাদ দান করেন। সেই থেকে মগধে এই পদটিকে ফুলকি নামে ও পরে কালক্রমে নাম পরিবর্তন হয়ে ফুচকার নামে রূপান্তর হয়।শ্রীনাথ ও নিহা রায়ফুচকার নাম মনে পড়লেই তেঁতুল জলের কথা মনে আসবেই। কচি-কাঁচা থেকে অশীতিপর বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদেরও জিভে জল এসে যায় এই পদের নাম শুনলে। কালান্তরে এর প্রকারভেদ হতে হতে হালের আধুনিক প্রগতিশীলদের হাতে পরে ফুচকার কর্পোরেটাইজেশন হয়ে গিয়েছে। অতিমারী কোভিড-র প্রকোপে লকডাউনে কলকাতায় কাজ হারান বর্ধমানবাসী শ্রীনাথ। তিনি জনতার কথা কে জানান, আমি বর্ধমান সেন্ট জেভিয়ার্স-এ স্নাতক স্তরের পড়াশোনা চলিয়ে যাবার সাথে সাথেই আমার ড্রিম ফুলফিলমেন্টের জন্য নানা ধরনের কাজে যুক্ত হতে শুরু করি। স্নাতক পড়াশনার মাঝেই কলকাতা পাড়ি দিয়ে একটা কলসেন্টারে জব জয়েন করি। পাশ করার পর তিনি কলকাতার গড়িয়াতে একটি স্পোকেন-ইংলিস সেন্টারে শিক্ষকতা শুরু করেন। কিন্তু বিধি বাম! শ্রীনাথের সুখ বেশি দিন স্থায়ী হল না। সারা দেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। তড়িঘড়ি বর্ধমানে ফিরে আসেন। দু-মাস ওয়ার্ক ফ্রম হোম করার পর কলকাতা থেকে চাকরী যাবার ফোন আসে।আরও পড়ুনঃ আগ্নেআস্ত্র নিয়ে দাদাগিরি করার দায়ে বর্ধমানে গ্রেফতার যুবকসদ্য বিবাহিত মানুষটি দিশেহারা হয়ে পড়েন, দুমাস বসে থাকার পর এক বন্ধুর পরামর্শে ডেলিভারি বয়ের কাজে লেগে পড়েন। তিনি বলেন কাজের সঙ্কোচ কোনওদিন-ই আমি করিনি, যে-কোনোও কাজকেই আমি সন্মান করি। কোনও কাজই আমার কাছে ছোটো নয়। কিছুদিন যেতেই তিনি বুঝতে পারেন এই কাজ করে তাঁর স্বপ্নপুরন স্বম্ভব নয়। তিনি বলেন, সেই কারনে আমার স্ত্রী নিহা কে নিয়ে আমি নিজে কিছু করার উদ্যোগ নিতে শুরু করি, আমি নিজে খেতে খুব ভালো বাসি, আমার এবং আমার স্ত্রী দুজনেই বাড়িতে লোকজন এলেই নানা রকম পদ রান্না করে খাওয়ানোর চেষ্টা করি। আমাদের দুজনে মিলেই সিদ্ধান্ত নিই যে আমরা খাবারের ব্যবসা-ই করবো।ভাবনার রুপদান করতে লেগে পড়েন। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তাঁকে সঙ্গ দেন তাঁর স্ত্রী নিহা। বর্ধমান শহরের এক প্রান্তে বিজয়রাম-এ খুলে ফেলেন তাঁর স্বপ্নের ঝাঁপি, নাম দিলেন জিভে জল। সত্যি-ই ফুচকা নামেই সাধারণ মানুষের জিভে জল আসবেই। তাঁর রেশ ধরেই এই নামকরণ বলে মনে করছেন স্থানীয় মানুষজন। বিভিন্ন প্রকারের সম্ভার এই কাফেতে। জল ফুচকা, ধনিয়া জল ফুচকা, মিষ্টি জল ফুচকা, চিকেন ফুচকা,আইসক্রিম ফুচকা, আগুন ফুচকা, দই ফুচকা,পনির ফুচকা আরও অনেক রকমের ফুচকা। আরও পড়ুনঃ এবার বিজেপিতে বিদ্রোহী পাঁচ মতুয়া বিধায়কখেতে খেতে হটাৎ যদি শোনেন What else can I do for you? বা Will you eat anything else! অবাক হবেন না, প্রথাগত ফুচকা ওয়ালা দের থেকে স্পোকেন-ইংলিস টিচার-র আদব কায়দা একটু হলেও আলাদা। সেটা দেখতেই কিশোর-কিশোরী থেকে কলেজ পড়ুয়ারা ভিড় জমাচ্ছে তাঁর এই কাফেতে। সেখানে আসা কয়েক জনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল তাঁরা ফুচকার সঙ্গে সঙ্গে এই শিক্ষিত ইংরাজি বলা মানুষটিকে চাক্ষুষ করতেই ভিড় জমাচ্ছেন। শ্রীনাথ জনতার কথা কে জানান আপাতত আপনারা জিভে জলএ গেলে ২২ রকমের ফুচকা, ৮ রকমের লস্যি, ৮ রকমের সরবত, ১০ রকমের চা, ও ভেজ ও চিকেন ফ্রাইড এবং ষ্টীম মোমো পাবেন, এই ভরা ক্রিসমাস ও নতুন বছরের প্রাক্কালে বর্ধমানবাসীরা ভিড় জমাচ্ছেন এই স্পোকিং ইংলিশ-বলা ফুচকার দোকানে।আরও পড়ুনঃ সারমেয়-র টানে পশুপ্রেমী টলি অভিনেত্রী বর্ধমানেশুধু ফুচকা নয়, এখানে আপনি চাএর ভ্যারাইটি পাবেন যেমন, মিল্ক টি, মসালা টি, লবঙ্গ টি, এলাচি টি, ব্ল্যাক টি, লেমন টি, মালাই টি। পাবেন নানা রকমের মোমো, ঠান্ডা পানীয়। বছরের শেষ লগ্নে ঘুরতে ঘুরতে একবার স্পোকেন-ইংলিস টিচারর জিভে জল-এ ঘুরে যেতেই পারেন। উপাদেয় নানা ধরনের খাবার তো পাবেন-ই আর যেটা অতিরিক্ত পাবেন সেটা হল আত্মবিশ্বাস, তাঁকে দেখে কবির সুমনের একটা গান আপনার মনে পরবেই হাল ছেড়োনা বন্ধু...

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : ‌এনগিডি, রাবাডাদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন, তৃতীয় দিন কেন ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের?‌

দুর্দান্ত শুরু করেও শেষরক্ষা হল না। লুঙ্গি এনগিডি, কাগিসো রাবাডাদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন ভারতীয় ব্যাটারদের। তৃতীয় দিন সকালে ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ভারতের ইনিংস গুটিয়ে গেল ৩২৭ রানে। ভারতীয় বোলারদেরও পাল্টা প্রত্যাঘাত। মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরাদের সামনে দিশেহারা ডিন এলগাররাও। বৃষ্টির জন্য মাঠ ভেজা থাকায় দ্বিতীয় দিন একবলও খেলা হয়নি। প্রথম দিনের তোলা ২৭২/৩ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। আগের দিনের ১২২ রানের সঙ্গে মাত্র ১ রান যোগ করে আউট হন লোকেশ রাহুল। রাবাডার বলে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডিককের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। বড় রানের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন অজিঙ্ক রাহানে। ৪৮ রান করে এনগিডির বলে তিনি সেই উইকেটের পেছনেই ক্যাচ দেন। এদিন শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই জোরে বোলার লুঙ্গি এনগিডি ও কাগিসো রাবাডা। গতি ও সুইং দিয়ে বাজিমাত করে গেলেন দুজনে। উইকেটের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ অবশ্য কাজ অনেকটাই সহজ করে দিয়েছিল এই দুই জোরে বোলারের।লোকেশ রাহুল ও অজিঙ্ক রাহানে আউট হতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ভারতের ব্যাটিং। প্রথম ঘন্টাতেই ভারত এদিন ৬ উইকেট হারায়। তৃতীয় দিন সকালে ভারতের পঞ্চম উইকেট পড়ে ২৯১ রানে। সেখান থেকে ৩০৮ রানের মধ্যে চারটি উইকেট হারায়, মাত্র ১২ রানের ব্যবধানে। ঋষভ পন্থ (৮), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৪), শার্দুল ঠাকুর (৪), মহম্মদ সামি (৮) কেউই রান পাননি। যশপ্রীত বুমরার (১৪) সৌজন্যে ভারত ৩২৭ রানে পৌঁছয়। শেষ উইকেটের জুটিতে মূল্যবান ১৯ রান যোগ করেন বুমরা ও মহম্মদ সিরাজ (অপরাজিত ৪)। লুঙ্গি এনগিডি ৭১ রানে ৬টি, কাগিসো রাবাডা ৭২ রানে ৩টি উইকেট নেন। ১টি উইকেট নেন মার্কো জানসেন। ভারতের শেষ ৭ উইকেট পড়ে ৫৫ রানে। যদি সকালে লোকেশ রাহুল ও অজিঙ্ক রাহানে ঘন্টাখানেক উইকেটে কাটিয়ে দিতে পারতেন, তাহলে অনেক বড় স্কোর হত ভারতের। কিন্তু এনগিডি ও রাবাডা সেই সুযোগ দেননি। ব্যাট করতে নেমে স্বস্তিতে নেই দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে তোলে ৫৭।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ওমিক্রনে আক্রান্ত সৌরভ গাঙ্গুলি?‌ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হল নমুনা

করোনার তৃতীয় ঢেউ ক্রমশ চোখ রাঙাচ্ছে। ইতিমধ্যেই নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তার মধ্যেই করোনায় আক্রান্ত হলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা বর্তমান বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। আপাতত তিনি মধ্যে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রমে আক্রান্ত কিনা তা পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে। কয়েকদিন ধরেই অসুস্থবোধ করছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। করোনার কয়েকটা অপসর্গ দেখা দিয়েছিল। এরপরই তিনি নিজেই সেলফ টেস্টিং কিট দিয়ে করোনা পরীক্ষা করেন। পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সেই রিপোর্টে সন্তুষ্ট না হয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতলে আবার পরীক্ষা করান। দ্বিতীয় পরীক্ষার রিপোর্টও পজিটিভ আসে। এরপর আর ঝুঁকি না নিয়ে সোমবার রাতেই মধ্য কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে যান। এদিনই তাঁর দাদাগিরি অনুষ্ঠানের শুটিং ছিল। রবিবার রাতে হালকা জ্বর আসায় তিনি সেই শুটিং আগেই বাতিল করে দিয়েছিলেন।এই বছরের শুরুতে বুকে অস্বস্তি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন সৌরভ। পরে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় হৃদযন্ত্রে স্টেন্ট বসাতে হয়েছিল। যেহেতু হৃদযন্ত্রে সমস্যা রয়েছে, তাই চিকিৎসকরা ঝুঁকি নিতে চাননি। তাঁকে হাসপাতালে আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেন। এর আগে সৌরভের দাদা স্নেহাশিস গাঙ্গুলি, তাঁর মা করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে সৌরভের করোনার কোনও উপসর্গ নেই। আজ রাতেই তঁাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। তবে বাড়িতে ফিরে আইসোলেশনে থাকতে হবে। সতর্কভাবে চলাফেরা করলেও কীভাবে সৌরভ করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। কয়েকদিন আগে তিনি টনিক সিনেমার প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন। অনেকের আশঙ্কা সেখান থেকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন সৌরভ। তার আগে একটা কাজে মুম্বই গিয়েছিলেন। তবে সৌরভের সংস্পর্ষে যারা এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে তাঁদেরও করোনা পরীক্ষা করা হবে। স্ত্রী ডোনা, কন্যা সানাসহ সৌরভের পরিবারের অন্য সদস্যদের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সকলেরই করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
দেশ

Delhi Yellow Alert: ওমিক্রন আতঙ্কে দিল্লিতে জারি হলুদ সতর্কতা

করোনার নয়া রূপ ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে দেশজুড়ে। উদ্বেগজনক পরিস্থিতি দিল্লিতে। এই প্রেক্ষিতে করোনা বিধিনিষেধ ফিরল রাজধানীতে। জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা। নয়া বিধিনিষেধে রয়েছে, অফিস কাছারি ৫০ শতাংশ হাজিরা নিয়ে চলবে। প্রেক্ষাগৃহ, জিম সম্পূর্ণ বন্ধ। মলের বিভিন্ন দোকান ও সাধারণ দোকান খোলা যাবে জোড়-বিজোড় হিসেবে। রাত ১০টা থেকে পরদিন ভোর ৫টা পর্যন্ত নৈশ কার্ফু।নয়া নির্দেশিকায় দেখা যাচ্ছে, স্কুল, কলেজ, জিম, প্রেক্ষাগৃহ সম্পূর্ণ বন্ধ, ৫০ শতাংশ হাজিরা নিয়ে চলবে অফিস। রাত ১০টার মধ্যে বন্ধ করে দিতে হবে রেস্তরাঁ, পানশালা প্রভৃতি। মল বা সাধারণ দোকানপাট খোলা যাবে জোড়-বিজোড় হিসেবে। সকাল ১০টায় দোকান খুলে রাত ৮টায় বন্ধ করতে হবে। প্রতিদিন রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত জারি থাকবে নৈশকালীন কার্ফু।সাধারণত টানা দুদিন সংক্রমণের হার ০.৫ শতাংশের উপরে থাকলে হলুদ সতর্কতা জারির পরিস্থিতি তৈরি হয়। দিল্লিতেও গত দুদিন ধরে সংক্রমণের হার ০.৫ শতাংশের উপরে। ফলে রাজধানীতেও জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা।সোমবার দিল্লিতে সংক্রমণের সংখ্যা ছিল গত ছমাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। সোমবার দিল্লিতে ৩৩১জন নতুন আক্রান্তের সন্ধান মেলে। এর পরই তড়িঘড়ি করোনা বিধিনিষেধ ফেরানোর তোড়জোড় শুরু করে কেজরিওয়াল সরকার। প্রসঙ্গত, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী নিজেও জনতাকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বাজার ঘাটে মাস্ক ছাড়া মানুষের ছবি দেখতে পাচ্ছি। আপনারা যদি মাস্ক না পরেন, তা হলে আমাকে বাজার বন্ধ করার মত কঠিন সিদ্ধান্তই নিতে হবে। তবে এখনও পর্যন্ত বাজার বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
দেশ

DGCI: কোভিড-যুদ্ধে আরও দুই টিকা ও ওষুধকে ছাড়পত্র দিল ডিসিজিআই

আরও দুই টিকা কোভোভ্যাক্স ও কোরবেভ্যাক্স-কে ভারতে ব্যবহারের ছাড়পত্র দিল ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই)। এর সঙ্গে অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ মলনুপিরাভিরকে করোনা আক্রান্ত রোগীদের বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।টিকা দুটি কেন্দ্রীয় সংস্থার বিশেষজ্ঞ প্যানেলের বিবেচনাধীন ছিল। সোমবারই ওই বিশেষজ্ঞ প্যানেল চূড়ান্ত ছাড়পত্রের জন্য পাঠায়। বড়দের ক্ষেত্রে জরুরি পরিস্থিতিতে এই টিকা দুটি ব্যবহার করা যাবে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রক অনুমতি দিয়েছে। অন্যদিকে অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ মলনুপিরাভিরকে কোভিড আক্রান্তের ক্ষেত্রে জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য এ খবর টুইট করে জানিয়েছেন।এই নিয়ে সব মিলিয়ে দেশে মোট আটটি করোনা টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দিল স্বাস্থ্য মন্ত্রক। দেশের দৈনিক কোভিড সংক্রমণ পর পর তিন দিন ছহাজারের ঘরেই রয়েছে। তবে দেশে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি উদ্বেগের কারণ হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
কলকাতা

Firhad Hakim: কলকাতাকে বিশ্বের সেরা শহর করবে 'টিম কর্পোরেশন', শপথ মেয়র ফিরহাদ হাকিমের

কলকাতা পুরসভার মেয়র হিসাবে ফের শপথ নিলেন ফিরহাদ হাকিম। চেয়ারপার্সন হলেন মালা রায়। মঙ্গলবার পুরসভায় এক অনুষ্ঠানে মেয়র ও তাঁর পারিষদেরা শপথ নেন। প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় বার কলকাতার মেয়র হলেন ফিরহাদ। এর আগে ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে শোভন চট্টোপাধ্যায় মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলে, তৎকালীন পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের দায়িত্বে থাকা ফিরহাদকে কলকাতার মেয়র পদে বসান মমতা।শপথ নেওয়ার পর ফিরহাদ হাকিম বলেন, টিম কর্পোরেশনকে বিশ্বের সেরা শহর হিসাবে কলকাতাকে তুলে ধরতে হবে। ফিরহাদ হাকিমের কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক প্রত্যাশা করে এই বোর্ড গড়েছেন। এই বোর্ডকে মনোনীত করেছেন। আমরা টিম কর্পোরেশন অর্থাৎ চেয়ার পার্সন মালা রায়ের সঙ্গে আমরা সবাই, সব কাউন্সিলররা একটাই শপথ নেব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে প্রত্যাশা মানুষকে সেবা দেওয়ার, কলকাতাকে বিশ্বের সেরা শহর করার সেটা আমরা বাস্তবায়িত করব। মানুষকে এমন জায়গায় সেবা দিতে হবে, যাতে মানুষ বলেন এই বোর্ড শ্রেষ্ঠ বোর্ড। আমি নিশ্চিতভাবে মেয়র। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা কেউ প্রশাসনিক বিরাট পদে নয়। আমরা সবাই সেবক এবং প্রধান সেবকের নাম ফিরহাদ হাকিম। আমরা সকলে মিলে কাজ করব।পুরনির্বাচনে ১৩৪টি আসনে জয়ী হয়ে আগেই পুরবোর্ড গঠন নিশ্চিত করেছিল তৃণমূল। এরপর মহারাষ্ট্র নিবাস হলে মেয়র, চেয়ারপার্সন, মেয়র পারিষদ, বরো চেয়ারম্যানদের নাম ঠিক করে দিয়েছিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবারের এই অনুষ্ঠান ছিল নেহাতই উপচার। প্রবীণ কাউন্সিলর হিসাবে ওই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ৭৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রাম প্যায়ারে রাম। তিনিই মেয়র ও চেয়ারপার্সনকে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন।ডেপুটি মেয়র পদে শপথ নেন অতীন ঘোষ। মেয়র পারিষদ পদে শপথ নেন দেবাশিস কুমার, দেবব্রত মজুমদার, তারক সিং, অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়, স্বপন সমাদ্দার, মিতালি বন্দ্যোপাধ্যায়, জীবন সাহা, রাম প্যারে রাম, সন্দীপন সাহা, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, সন্দীপ বক্সী, আমিরউদ্দিন ববি। তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন মেয়র। শপথবাক্য পাঠ করানোর পর ফিরহাদ বলেন, মেয়র বা মেয়র পারিষদ কিংবা কাউন্সিলর হলেই চলবে না, যখন ডাকি তখন পাই, এমনটাই হতে হবে। সে কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর প্রতিনিধি করে আমাদের এখানে পাঠিয়েছেন। মনে রাখতে হবে, দায়িত্ব পালন মানে মানুষের পাশে থাকা, তাঁদের সেবা করা।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 28th December 2021): ধনুর বিশ্বাসভঙ্গ, মকরের প্রাপ্তিযোগ

মেষ/ARIES: পদমর্যাদা বৃদ্ধি পেতে পারে।বৃষ/TAURUS: সহায়তা লাভ করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: প্রেমে বাধা সৃষ্টি হতে পারে।কর্কট/CANCER: সৌভাগ্যবৃদ্ধি পেতে পারে।সিংহ/LEO: চিকিৎসা বিভ্রাট ঘটতে পারে।কন্যা/VIRGO: জটিলতা বৃদ্ধি পেতে পারে।তুলা/ LIBRA: ব্যবসায় মন্দা দেখা দিতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: প্রতিভার বিকাশ ঘটতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: বিশ্বাসভঙ্গ হতে পারে।মকর/CAPRICORN: প্রাপ্তিযোগ রয়েছে।কুম্ভ/AQUARIUS: সমৃদ্ধিলাভ করতে পারেন।মীন/ PISCES: অযথা অর্থব্যয় করতে পারেন।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 73
  • 74
  • 75
  • 76
  • 77
  • 78
  • 79
  • ...
  • 144
  • 145
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি, পথে বর্ধমান—পথ নিরাপত্তার বার্তা নিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের বিশেষ র‍্যালি

বর্ধমান: চিকিৎসা পরিষেবার গণ্ডি পেরিয়ে এবার পথ নিরাপত্তার সচেতনতা ছড়ানোর বার্তা নিয়ে রাস্তায় নামলেন ফিজিওথেরাপিস্টরা। দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি পর্যন্ত দীর্ঘপথে বিশেষ র্যালির আয়োজন করা হয়েছে। গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপিস্ট, চিকিৎসক এবং পড়ুয়ারা এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার সেই র্যালিরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সাক্ষী থাকল বর্ধমান শহর।দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে পূর্ব ভারতের এই র্যালির সূচনা হয়। এরপর বর্ধমানের বিজয় তোরণ তথা কার্জন গেট হয়ে র্যালিটি এগিয়ে যাবে দুর্গাপুর, আসানসোল, ধানবাদ-সহ একাধিক শহরের দিকে। শেষপর্যন্ত দিল্লিতে গিয়ে এই যাত্রার সমাপ্তি হবে।র্যালিতে অংশ নেওয়া ফিজিওথেরাপিস্টদের বক্তব্যে উঠে আসে পথ নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। হেলমেট পরে বাইক চালানো, গাড়িতে সিটবেল্ট ব্যবহার এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার মতো বিষয়গুলিতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করাই এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।দক্ষিণবঙ্গ তথা বাংলার বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) জনতার কথা-কে জানান, ফিজিওথেরাপিস্টরা প্রতিদিনই দুর্ঘটনার পর গুরুতর শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করেন। সড়ক দুর্ঘটনার পরে অনেক রোগী পক্ষাঘাত, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অক্ষমতা কিংবা দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হন। দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো গেলে এই ধরনের বহু বিপর্যয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।বর্ধমান শহরের বি.আই.এম.এল.এস ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT) বলেন, এটি অত্যন্ত সাধু ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমাদের বি.আই.এম.এল.এস কলেজে বর্তমানে পরীক্ষা চলায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বহু ছাত্রছাত্রী এই কনভেনশনে যোগ দিতে পারেনি। অন্য সময়ে এই আয়োজন হলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা আরও অনেক বেশি হত।ডঃ ভট্টাচার্যের কথায়, আমরা ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে এমন বহু রোগীকে দেখি, যারা সড়ক দুর্ঘটনার পরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা পঙ্গুত্বের মতো গুরুতর সমস্যায় আমাদের কাছে আসেন। তাঁদের জীবন একেবারে অন্য জায়গায় চলে যায়। তাই দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার পাশাপাশি দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই সচেতনতা তৈরি করাও আমাদের দায়িত্ব।এই কর্মসূচি শুধুমাত্র পূর্ব ভারতেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণচার প্রান্ত থেকেই একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। তাঁদের দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফিজিওথেরাপিস্টরা এই সচেতনতা কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছেন।র্যালির সঙ্গে ছিলেন West Bengal IAP-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT) এবং EC মেম্বার তথা জয়েন্ট সেক্রেটারি ডাঃ শুভেন্দু জানা (PT)। বর্ধমানের পক্ষ থেকেও একাধিক বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন IAP-এর কনভেনর ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ আদিত্য পাল (PT), ডাঃ সুখদেব মুখার্জি (PT), ডাঃ অতনু রায় (PT), ডাঃ অনিন্দ্য দে (PT) - সহ আরও অনেকে।দিল্লিতে বড় সম্মেলন, বিশ্ব রেকর্ডের লক্ষ্যর্যালির পাশাপাশি আগামী ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে একটি বৃহৎ ফিজিওথেরাপি সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও জানান আয়োজকরা। সেখানে প্রায় ১২ হাজার প্রতিনিধি অংশ নেবেন বলে দাবি করা হয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার ঘটনাটি বিশ্ব রেকর্ডের জন্য মনোনীত হয়েছে বলেও জানান তাঁরা।দক্ষিণেশ্বর থেকে শুরু হওয়া র্যালির মূল সুর তাই শুধু চিকিৎসা পেশার প্রচার নয়দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার চেয়ে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণএই বার্তাই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।বর্ধমান শহরের বুক দিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের এই বিশেষ র্যালি অতিক্রম করার সময় সেই বার্তাই হয়ে উঠল দিনের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। চিকিৎসক ও ছাত্রছাত্রীদের এই উদ্যোগে পথ নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা সচেতনতা তৈরি হয়, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

‘বন্দে মাতরম’ না গাইলেই কি জেল? সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণে নড়েচড়ে বসল কেন্দ্র

বন্দে মাতরম-এর সবকটি স্তবক না গাওয়া বা গান গাইতে অস্বীকার করার ক্ষেত্রে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যায় কি না, সেই প্রশ্ন এবার খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট। কর্নাটকের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী টিএম কৃষ্ণের দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। কৃষ্ণ কেন্দ্রের নির্দেশিকা এবং জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইনে ২০২৬ সালে আনা সংশোধনীর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাঁর মূল আপত্তি, সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়ার নির্দেশ এবং তার সঙ্গে যুক্ত শাস্তির বিধান নিয়ে।তবে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, জাতীয় গান হিসেবে কোন গান বা তার কোন সংস্করণ নির্ধারণ করা হবে, সেই প্রশ্নে আদালত আপাতত ঢুকছে না। দুই স্তবক না ছয় স্তবকএই বিতর্কের পরিবর্তে আদালতের নজর মূলত অন্য একটি বিষয়ে। ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত আপত্তির কারণে কেউ গান না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যাবে কি না, সেটিই খতিয়ে দেখতে চায় বেঞ্চ।এই প্রসঙ্গে ১৯৮৬ সালের বিজয় ইমানুয়েল মামলার নজিরের কথা উল্লেখ করে আদালত। ওই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়া কয়েক জন পড়ুয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের বিষয়টি খতিয়ে দেখেছিল। মঙ্গলবারের শুনানিতে বেঞ্চ জানায়, সেই মামলায় আদালত যে আইনি অবস্থান জানিয়েছিল, সেটি বন্দে মাতরম সংক্রান্ত বিষয়েও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।আবেদনকারীর পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী এস মুরলীধর যুক্তি দেন, ২০২৬ সালের সংশোধনীতে জাতীয় গান-এর স্পষ্ট সংজ্ঞা নেই। তাঁর বক্তব্য, এই অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়নি বলেও তিনি আদালতের সামনে দাবি করেন।মুরলীধরের আরও বক্তব্য, বন্দে মাতরম-এর শেষের কয়েকটি স্তবকে দুর্গা, লক্ষ্মী ও সরস্বতীর মতো হিন্দু দেবদেবীর উল্লেখ রয়েছে। সেই কারণে সব নাগরিককে ওই স্তবক গাইতে বাধ্য করা হলে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির প্রশ্ন উঠতে পারে বলে তাঁর দাবি। এই বক্তব্য অবশ্য মামলাকারীর যুক্তি; এ বিষয়ে এখনও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন। তিনি ইঙ্গিত করেন, অন্য দেশে জাতীয় প্রতীকের সঙ্গে ধর্মীয় শব্দের উপস্থিতি থাকলেও তা একা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্নের উত্তর নয়। মামলাটি নিয়ে আদালতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এবং মুরলীধরের মধ্যে তীব্র বাক্যবিনিময়ও হয়। মেহতা মামলাকারীর যুক্তির সমালোচনা করতে গিয়ে নকশাল শব্দ ব্যবহার করেন। সেই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন মুরলীধর।এদিন আদালত অবশ্য এই পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক নোটিস জারি করেনি। তবে কেন্দ্রের কাছ থেকে জবাব চাওয়া হয়েছে। বেঞ্চের মৌখিক পর্যবেক্ষণ, ধর্মীয় কারণে কেউ বন্দে মাতরম না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি হওয়া উচিত নয়বিজয় ইমানুয়েল মামলার আইনি অবস্থানই এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক থাকবে বলে আদালত আশা করছে।ফলে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়া নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি এখন সামনে এসেছে আরও গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নকেউ ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত কারণে গানটি না গাইলে তাঁকে অপরাধী করা যাবে কি না। কেন্দ্রের জবাব পাওয়ার পর এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কী অবস্থান নেয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
কলকাতা

পুরনো মামলায় জেল, আরও পাঁচ মামলায় রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন মিলন! হাই কোর্টে কী হল?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারি ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি। এর মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আরও পাঁচটি মামলা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হয় মঙ্গলবার। শুনানিতে রাজ্য জানায়, মিলনের বিরুদ্ধে নতুন করে যে পাঁচটি মামলা নিয়ে তিনি রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন, সেগুলি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।মিলন প্রধানের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য অবশ্য জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম ছাড়াও আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। সেই মামলাগুলিতেও গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার আবেদন করেন তিনি। আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, ১৯ বছর আগের মামলায় গ্রেফতারির পর ভোটের প্রচারেও মিলন অংশ নিতে পারছেন না। ৪ অক্টোবর প্রচারের শেষ দিন হওয়ায় বিষয়টি দ্রুত বিবেচনা করার আবেদন জানানো হয়।তবে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের আদালতে শুনানির সময় জানানো হয়, নন্দীগ্রাম থানার মামলাটি ছাড়া বাকি পাঁচটি মামলায় মিলন প্রধান অভিযুক্ত নন। সেই কারণে ওই মামলাগুলির ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে আলাদা করে রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে আদালত মন্তব্য করে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ১০ অক্টোবর।এর আগে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন মিলন। সেই আশঙ্কা থেকেই কলকাতা হাই কোর্টে রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন করা হয়। তাঁর আইনজীবী আদালতের কাছে ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেই বিষয়ে সুরক্ষা চেয়েছিলেন।মিলন প্রধানের গ্রেফতারির সময় নিয়েও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। সেই দিনই পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয় মিলনকে। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল ও কংগ্রেসের নেতারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের অভিযোগ তুলেছেন। সেই অভিযোগ অবশ্য সংশ্লিষ্ট মামলার বিচারিক সিদ্ধান্ত নয়।তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ও মিলনের গ্রেফতারি নিয়ে রাজনৈতিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, বিরোধীদের হেনস্থা করার জন্য মামলা ব্যবহার করা হচ্ছে। আদালতের নির্দেশ নিয়ে অবশ্য তিনি মন্তব্য করতে চাননি বলে জানিয়েছেন।অন্য দিকে, মিলনের বিরুদ্ধে যে পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটি ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণবিরোধী আন্দোলনের সময়ের মামলা। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ওই মামলায় গুরুতর অভিযোগ এবং দীর্ঘদিনের গ্রেফতারি পরোয়ানার কথা উঠে এসেছে। মিলন বর্তমানে ওই মামলাগুলির কারণে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ৬ অক্টোবর। তার আগে কংগ্রেস প্রার্থীর জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলির আইনি অবস্থান স্বাভাবিক ভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবারের শুনানিতে পাঁচটি মামলা প্রত্যাহারের কথা রাজ্য জানালেও, মিলনের রক্ষাকবচের আবেদন নিয়ে আদালতের তরফে বড় কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। আগামী ১০ অক্টোবর ফের মামলাটি আদালতে উঠবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

আবারও ডেডলাইন শেষ! স্পিকারের নোটিসের জবাব দিতে আরও ৪ সপ্তাহ চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা

আবারও সময়সীমা শেষ। কিন্তু লোকসভার স্পিকারের নোটিসের জবাব এখনও দেননি তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদ। ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা থাকলেও, তার আগেই আরও চার সপ্তাহ সময় চেয়ে স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আবেদন জানাতে চলেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ওই সাংসদেরা। ফলে সাংসদ পদ খারিজের আবেদনকে ঘিরে ফের তৈরি হয়েছে নতুন টানাপোড়েন।লোকসভা সচিবালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য আরও চার সপ্তাহ সময় চাওয়া হবে। অর্থাৎ আরও প্রায় এক মাস সময় চেয়েছেন তৃণমূলত্যাগী সাংসদেরা। এর আগে প্রথমে তাঁদের এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। পরে অতিরিক্ত সময়ের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। এবার সেই সময়সীমাও শেষ হওয়ার মুখে।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেন ২০ জন সাংসদ। তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে সাংসদ পদ খারিজের আবেদন করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার স্পিকারের কাছে পৃথক ভাবে ওই সাংসদদের বিরুদ্ধে আবেদন জানানো হয়।স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে গত ২৫ অগস্ট ২০ জন সাংসদের কাছে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তাঁদের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে স্পিকারের কাছেও এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়েছিল আদালত।এর পর লোকসভার স্পিকারের সচিবালয়ও ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠায়। প্রথমে সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সাংসদদের তরফে আরও সময় চাওয়া হয়। তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন স্পিকার ওম বিড়লা।কিন্তু ২২ সেপ্টেম্বরও জবাব জমা না দিয়ে ফের সময় চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ২০ সাংসদ। এবার তাঁদের আবেদনে চার সপ্তাহ সময় দেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। স্পিকার সেই আবেদন মঞ্জুর করবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।এই ২০ সাংসদের দলবদল এবং তাঁদের সাংসদ পদ নিয়ে শুরু থেকেই রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁরা দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিলেও লোকসভার নথিতে এখনও তাঁদের তৃণমূল সাংসদ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই দলত্যাগ বিরোধী আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, সাংসদদের বক্তব্য এখনও স্পিকারের কাছে সম্পূর্ণ ভাবে জমা পড়েনি। ফলে অভিযোগের জবাব এবং তাঁদের বক্তব্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্পিকার নতুন করে চার সপ্তাহ সময় দেন কি না, নাকি দ্রুত পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করেন, এখন সেই সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।অর্থাৎ, একবার নয়পরপর সময়সীমা পেরিয়ে ফের সময় চাওয়ার পথে হাঁটছেন সুদীপ-কাকলিরা। এবার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের আরও এক মাস সময় দেন কি না, নাকি নোটিসের জবাব না পাওয়ার পর অন্য কোনও পদক্ষেপ করেন, সেটাই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

ফোন নিজে থেকেই নিল ‘আপডেট’, খুলতেই দেখলেন অ্যাকাউন্ট ফাঁকা! উধাও ৯৯ হাজার

ডিজিটাল লেনদেনের সময়ে সাইবার প্রতারণার অভিযোগ নতুন নয়। তবে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে এক যুবকের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট হওয়ার পর ফোন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। ফোন চালু হওয়ার পর ব্যাঙ্কের বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।ভাতার থানার ভুমশোর গ্রামের বাসিন্দা শেখ রাজেশের একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাঁর দাবি, গত শনিবার তিনি লক্ষ্য করেন, তাঁর স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট নিতে শুরু করেছে। পরে রবিবার ব্যক্তিগত কাজে কলকাতায় গিয়েছিলেন তিনি।রাজেশ জানিয়েছেন, রবিবার কলকাতা থেকে ফেরার পথে বিকেল চারটে নাগাদ তাঁর ফোনে ফের আপডেট শুরু হয়। প্রায় ২০ মিনিট ফোনটি বন্ধ ছিল। আপডেট শেষ হওয়ার পর ফোন চালু করতেই তাঁর কাছে ব্যাঙ্কের বার্তা আসে। সেই বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।বিষয়টি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেননি রাজেশ। বাড়ি ফেরার পর তিনি ব্যাঙ্কে গিয়ে অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করেন। সেখানে টাকা কেটে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় বলে তাঁর দাবি।রাজেশের আরও দাবি, তিনি কাউকে কোনও ওটিপি দেননি। এমনকি টাকা তোলার জন্য কোনও অনুমতিও দেননি বলে জানিয়েছেন তিনি। তাহলে কী ভাবে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হল, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন ওই যুবক।ঘটনার পর প্রথমে ভাতার থানায় অভিযোগ জানান রাজেশ। পরে জেলা পুলিশের সাইবার অপরাধ শাখায় বিস্তারিত জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।তদন্তকারীরা ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। কী ভাবে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা হল, লেনদেনটি কোন পথে হয়েছে এবং ফোন আপডেট হওয়ার সময়ের সঙ্গে ঘটনার কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তবে ফোনের আপডেটের কারণেই টাকা খোয়া গিয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। গোটা বিষয়টি তদন্তের পরেই পরিষ্কার হবে। অভিযোগের সত্যতা এবং টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি জানতে সাইবার অপরাধ শাখা বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

তোলাবাজির মামলায় ভবানী ভবনে কীর্তি আজাদ! সিআইডির জেরায় কী বললেন তৃণমূল সাংসদ?

তোলাবাজির অভিযোগের মামলায় সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ। কলকাতা হাই কোর্ট তাঁকে আপাতত কড়া পদক্ষেপ থেকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে সিআইডির দফতরে হাজির হন তিনি।মামলাটি এক ব্যবসায়ীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, ২০২৫ সালের মে মাসে ওই ব্যবসায়ীকে দুর্গাপুরের একটি বাংলোয় ডাকা হয়েছিল। সেখানে কীর্তি আজাদের এক সহযোগী তাঁর কাছে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ। টাকা না দিলে তাঁর ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি অভিযোগকারীর। ওই কথোপকথনের একটি অডিয়ো রেকর্ড তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ বলে উঠে এসেছে।ঘটনার পর ব্যবসায়ী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। পরে তদন্তভার নেয় সিআইডি। কীর্তি আজাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও তলব করা হয়। গ্রেফতারির আশঙ্কায় এরপর কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন সাংসদ।আদালতে কীর্তি আজাদের আইনজীবী অভিযোগের সময় এবং মামলা দায়েরের মধ্যে দীর্ঘ ব্যবধানের বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁদের দাবি ছিল, ঘটনার প্রায় ১৫ মাস পরে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। কীর্তির বিরুদ্ধে সরাসরি টাকা নেওয়ার প্রমাণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। কীর্তি আজাদ নিজেও অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তাঁকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।এর পর কলকাতা হাই কোর্ট কীর্তি আজাদকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেয়। আদালত তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয় এবং ভবানী ভবনে হাজির হয়ে সিআইডির প্রশ্নের উত্তর দিতে বলে। ভবিষ্যতে ফের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হলে তাঁকে আগাম নোটিস দেওয়ার কথাও আদালত জানিয়েছে।কীর্তি আজাদ মঙ্গলবার নির্দিষ্ট সময়ে ভবানী ভবনে পৌঁছন। সেখানে তাঁকে মামলার অভিযোগ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সাংসদের দাবি, তোলাবাজির কোনও ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। যে দিনের ঘটনা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেই দিন তিনি দুর্গাপুরে ছিলেন না বলেও দাবি করেছেন তিনি। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে তাঁর কাছে একাধিক নথি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন কীর্তি।অন্য দিকে, ব্যবসায়ীর অভিযোগ এবং অডিয়ো রেকর্ডের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সিআইডি। আদালত আপাতত কীর্তি আজাদকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্ত বন্ধ করেনি। ফলে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের পরবর্তী ধাপে মামলায় আরও কী তথ্য সামনে আসে, সে দিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
টুকিটাকি

আপনি কি ডায়াবেটিক? করলার জুস কি সত্যিই কমায় সুগার?

সকালে খালি পেটে করলার জুসডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সহজ সমাধান, নাকি শুধুই প্রচলিত ধারণা? বিজ্ঞান কী বলছে?সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস করলার জুস। অনেকের কাছেই এটি যেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ঘরোয়া ফর্মুলা। কারও দাবি, নিয়মিত করলার জুস খেলেই কমে যায় রক্তে শর্করা। কেউ আবার বলেন, ওষুধের পাশাপাশি করলা নাকি প্রাকৃতিক ইনসুলিন হিসেবে কাজ করে। সামাজিক মাধ্যমেও এমন নানা পরামর্শের ছড়াছড়ি।কিন্তু সত্যিই কি করলার জুস ডায়াবেটিস কমাতে পারে? কতটা উপকারী এই তেতো পানীয়? প্রতিদিন খাওয়া কি নিরাপদ? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্নকরলার জুস খেলে কি ডায়াবেটিসের ওষুধ বন্ধ করা যায়?বিজ্ঞানের উত্তর একেবারে সরল নয়।গবেষণায় করলার কিছু উপাদানের রক্তে গ্লুকোজ কমানোর সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। কিছু clinical trial ও meta-analysis-এ fasting blood glucose এবং HbA1c কমার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। কিন্তু অন্য গবেষণায় আবার উল্লেখযোগ্য উপকার মেলেনি। ফলে করলাকে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা হিসেবে নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠা করার মতো শক্তিশালী প্রমাণ এখনও নেই। অর্থাৎ, করলা উপকারী হতে পারে, কিন্তু করলা ডায়াবেটিসের ওষুধ নয়।কেন করলাকে ঘিরে এত আলোচনা?করলায় রয়েছে একাধিক bioactive compound। এর মধ্যে charantin, polypeptide-p-সহ কয়েকটি উপাদান নিয়ে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন।ল্যাবরেটরি ও প্রাণী-গবেষণায় করলার কিছু উপাদান insulin-এর মতো প্রভাব ফেলতে পারে, glucose metabolism-এ প্রভাব ফেলতে পারে এবং insulin sensitivity বাড়াতে পারেএমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।কিন্তু এখানেই গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।ল্যাবরেটরিতে কোনও উপাদান কার্যকর প্রমাণিত হওয়া আর মানুষের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সেটি কার্যকর প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়। মানুষের উপর clinical trial-ই শেষ পর্যন্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ।গবেষণা কী বলছে?২০১৯ সালের একটি systematic review ও meta-analysis-এ টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ে করা ১০টি গবেষণা এবং ১,০৪৫ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে করলার বিভিন্ন preparation ব্যবহারে fasting glucose, post-meal glucose এবং HbA1c কমার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে গবেষণার প্রমাণের মান ছিল কম থেকে খুব কম।অন্যদিকে, ২০২৪ সালের একটি systematic review-তে ৯টি randomised trial এবং ৪১৪ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করে placebo-র তুলনায় fasting glucose বা HbA1c-তে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, গবেষণার ফলাফল এখনও একমুখী নয়।আরও সাম্প্রতিক গবেষণাতেও করলার সম্ভাব্য উপকারের কথা উঠে এসেছে, কিন্তু একই সঙ্গে গবেষণার সীমাবদ্ধতার কথাও বলা হয়েছে।তাই বিজ্ঞানীদের বর্তমান অবস্থানকে সংক্ষেপে বলা যায়করলা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এটিকে diabetes treatment-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করার মতো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও নেই।তাহলে করলার জুস খাবেন কীভাবে?এখানেই রয়েছে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।সামাজিক মাধ্যমে প্রায়ই বলা হয়, সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করলার জুস ডায়াবেটিসের জন্য সবচেয়ে কার্যকর। কিন্তু করলার জুস খালি পেটে খেতেই হবেএমন কোনও শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।আর প্রতিদিন কত মিলিলিটার করলার জুস খেতে হবে, তারও কোনও সর্বজনস্বীকৃত therapeutic dose নেই।তাই তাজা করলা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। অতিরিক্ত ঘন করে জুস বানাবেন না। জুসে চিনি, মধু বা অন্য কোনও মিষ্টি উপাদান মেশাবেন না। প্রথম থেকেই বেশি পরিমাণে খাওয়া শুরু করবেন না। খালি পেটে খাওয়াকে অবশ্যই করণীয় মনে করবেন না।অনেক ক্ষেত্রে করলাকে জুস না করে সাধারণ সবজি হিসেবে খাবারের সঙ্গে খাওয়াই বেশি বাস্তবসম্মত। এতে খাদ্যতালিকায় সবজি ও fibre যোগ হয় এবং অতিরিক্ত concentrated preparation নেওয়ার ঝুঁকিও কম থাকে।ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে করলার জুস?এখানে কিন্তু যথেষ্ট সতর্ক হতে হবে।যাঁরা insulin অথবা রক্তে glucose কমানোর ওষুধ খান, তাঁদের ক্ষেত্রে করলার সম্ভাব্য glucose-lowering effect ওষুধের সঙ্গে যোগ হয়ে রক্তে শর্করা অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে।ফলে নিজের মতো করে প্রতিদিন করলার জুস শুরু করা ঠিক নয়।হঠাৎ ঘাম হওয়া হাত-পা কাঁপা মাথা ঘোরা দুর্বল লাগা অতিরিক্ত ক্ষুধা বিভ্রান্তিইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলে hypoglycaemia-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে।কারা সাবধান?গর্ভবতী মহিলা: concentrated বা medicinal preparation এড়ানো উচিত।Insulin বা diabetes medicine গ্রহণকারী: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত করলার জুস শুরু করা উচিত নয়।কিডনি বা লিভারের সমস্যা রয়েছে যাঁদের: বিশেষ করে concentrated extract বা supplement নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।শিশুদের ক্ষেত্রে: নিজের মতো করে করলার জুস বা extract দেওয়া উচিত নয়।সবচেয়ে বড় ভুলটা কী?ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর অনেকে ওষুধের পাশাপাশি বিভিন্ন ঘরোয়া উপায় শুরু করেন। সমস্যা তখনই হয়, যখন সেই ঘরোয়া উপায়কে ওষুধের বিকল্প ভাবা শুরু হয়।করলার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।করলার জুস খেয়ে যদি কারও blood sugar কিছুটা কমেও, তার অর্থ এই নয় যে তাঁর diabetes সেরে গেছে।ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি metabolic condition। এর নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ, সুষম খাদ্য, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত blood glucose ও HbA1c পরীক্ষা।তাহলে করলা খাবেন কি খাবেন না?উত্তরটা সহজ।খাবার হিসেবে করলাহ্যাঁ।ডায়াবেটিসের ওষুধ হিসেবে করলানা।করলা একটি পুষ্টিকর, কম-ক্যালোরির সবজি হিসেবে সুষম খাদ্যের অংশ হতে পারে। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে এর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে গবেষণা চলছে। কিন্তু শুধুমাত্র করলার জুসের উপর নির্ভর করে diabetes management করা বৈজ্ঞানিকভাবে যুক্তিযুক্ত নয়।শেষ কথাতেতো স্বাদ মানেই বেশি ওষুধি শক্তিএমন ধারণার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।করলা নিয়ে গবেষণা আশাব্যঞ্জক হলেও এখনও চূড়ান্ত নয়। তাই করলার জুস খেলেই সুগার নিয়ন্ত্রণএমন সরল দাবি থেকে দূরে থাকাই ভালো।ডায়াবেটিস থাকলে করলাকে সহায়ক খাদ্য হিসেবে ভাবুন, চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে নয়।আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণওষুধ বন্ধ করার আগে নয়, করলার জুস শুরু করার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

সমুদ্রে নামার আগে সতর্কবার্তা, তারপরেই তলিয়ে গেল তিনজন! মন্দারমণিতে চাঞ্চল্য

মন্দারমণিতে ফের সমুদ্রস্নানে নেমে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। জোয়ারের টানে সমুদ্রে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হল দুজনের। মৃতদের মধ্যে রয়েছে এক নাবালক। এখনও নিখোঁজ আরও এক জন। তাঁর খোঁজে সমুদ্রজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় উদ্ধারকাজেও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে মন্দারমণির তিন নম্বর ঘাটের কাছে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দিঘা থেকে টোটো ভাড়া করে মোট আট জন মন্দারমণিতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সুমন শীল, বৃষ্টি শীল এবং প্রায় দশ বছরের নাবালক সোমনাথ হালদার।একটি রিসর্টের সামনে তাঁরা সমুদ্রে স্নান করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সময় আচমকা জোয়ারের টানে তিন জন গভীর জলে চলে যান। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় বাসিন্দারা সোমনাথকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁকে দ্রুত বালিসাই বড় রাঙ্গুয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।সোমনাথের বাবা সন্তু হালদারের কথায়, ছেলে পাড়ের কাছেই স্নান করছিল। তিনি কিছুটা দূরে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন, ছেলে সেখানে নেই। পরে খোঁজাখুঁজির পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়। ছেলেকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন তিনি।অন্য দিকে, সোমবার রাতে বৃষ্টি শীলের দেহও উদ্ধার করা হয়। তবে এখনও খোঁজ মেলেনি সুমন শীলের। তাঁর সন্ধানে স্পিড বোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। উত্তাল সমুদ্রের কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা তৈরি হলেও নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।ঘটনার পর মন্দারমণির উপকূল এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রের কাছাকাছি যেতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ-প্রশাসনের তরফে মাইকিং করে পর্যটকদের সতর্ক করা হচ্ছে।পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা জানিয়েছেন, ওই আট জন নদিয়ার বাসিন্দা এবং তাঁরা দিঘা মোহনায় কাজ করেন। তাঁরা মন্দারমণিতে বেড়াতে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, পর্যটকদের সতর্ক করতে নিয়মিত মাইকিং করা হয় এবং নজরদারির জন্য নুলিয়ার সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, সমুদ্র উত্তাল থাকলে পর্যটকদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রশাসনের তরফে নজরদারি চললেও পর্যটকদের অসতর্কতার কারণে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।গভীর নিম্নচাপের কারণে আপাতত মন্দারমণি-সহ উপকূলের সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রের ধারে পর্যটকদের নামার ক্ষেত্রে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। নিখোঁজ সুমন শীলের খোঁজে এখনও তল্লাশি চলছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal