• ৬ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IC

দেশ

দিল্লিতে তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে পুলিশি বাধা, কটাক্ষ বিজেপির

দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীতে তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির মহিলা সদস্যরা পুলিশি বাধার সম্মুখীন হয়েছেন বলে অভিযোগ। তাঁদের ওই এলাকায় পুলিশ ঢুকতে দেয়নি বলে অভিযোগ। যদিও তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দাবি, এত বাঁধা সত্বেও তাঁরা পিছনের দিক থেকে ঢুকে অত্যাচারিতদের সঙ্গে কথা বলেছেন। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কটাক্ষ, নিজের এলাকায় গণধর্ষণ, গণহত্যা ঘটলেও সেখানে যান না তৃণমূল সাংসদ। আর ছুটেছেন দিল্লি!বীরভূমের রামপুরহাটের বগটুইয়ের গণহত্যার ঘটনায় দিল্লি বিজেপি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছিল। তাঁরা ঘটনাস্থল ঘুরে দিল্লি ফিরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে রিপোর্ট দাখিল করেন। তারপর হাঁসখালির গণধর্ষণে নাবালিকার মৃত্যুর অভিযোগ খতিয়ে দেখতেও জেপি নাড্ডার নির্দেশে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। বাংলার মানুষ ৩৫৫ ও ৩৫৬ ধারার প্রয়োগ চাইছেন বলে দাবি করেছেন বিজেপির মহিলা প্রতিনিধি দল। এবার দিল্লির দাঙ্গাস্থল পরিদর্শনে তৃণমূল কংগ্রেসের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। এদিন ওই দলে ছিলেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, অপরূপা পোদ্দার ও অর্পিতা ঘোষ।কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, জায়গাটা পুলিশ ঘিরে ব্যারিকেড করে রেখেছে। পুলিশ মানুষকে মানুষ মনে করছে না। তবু বাচ্ছা ও মহিলাদের সঙ্গে নিয়ে পিছনের দিক থেকে ঢুকেছি। সেদিনের অত্য়াচারের কাহিনী শুনেছি। বাড়িঘর ভেঙে দিয়েছে, জল নেই, খুবই কষ্টে রয়েছে। তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সংসদীয় ব্যবস্থায় বিরোধীদের জন্য জায়গা ছেড়ে রাখতে হয়। জাহাঙ্গিরপুরীতে আমাদের প্রতিনিধিদের ঢুকতে দেওয়া উচিত ছিল। গণতন্ত্র রক্ষা করতে পারছে না বিজেপি।এদিকে দিল্লিতে তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি যাওয়ায় কটাক্ষ করেছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, নিজেরে এলাকায় গণধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও সেখানে যাননি সাংসদ। গণহত্যার এলাকাও পরিদর্শনে দেখা যায়নি তৃণমূল সাংসদকে। আগে নিজের এলাকা সামলাও তারপর দিল্লি যাবে।

এপ্রিল ২২, ২০২২
রাজ্য

গরমে চাহিদা বাড়লেও বাড়ন্ত বিয়ার - তা নিয়ে হতাশ বিয়ার প্রেমীরা

বৈশাখের শুরু থেকেই চরমে উঠছে তাপমাত্রা। এই অবস্থায় আবহাওয়া দফতর এখনই কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা যেমন কিছু দেখছে না তেমনি মদের দোকানেও দেখা নেই বিয়ারের। আর গরমে বিয়ার অমিল হয়ে পড়ায় হতাশ বিয়ারপ্রেমীরা। গরম পড়লেই মদের দোকান গুলিতে বিয়ারের চাহিদা বহুগুন বেড়ে যায়। পূর্বেকার বছর গুলিতে বিয়ারের যোগান নিয়ে কোন সমস্যা না থাকলেও এই বছর আশ্চর্যজনক ভাবে বিয়ারের যোগান ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গলসি নিবাসী ব্যবসায়ী শুভেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখন সপ্তাহে মাত্র ১৭ ক্রেট বিয়ার পাওয়া যাচ্ছে। এক ক্রেট ৬৫০ মিলিলিটারের ১২টি বোতল থাকে। অথচ এখন বিয়ারের চাহিদা এর থেকেও অনেক গুন বেশী। একই জায়গায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মেমারির সাতগেছিয়ার ব্যবসায়ী প্রলয় ঘোষ দাবী করেন, এখন তিনি যদি সপ্তাহে ১৪০ ক্রেট বিয়ার পান। সেটাই হুড়িয়ে বিক্রী হয়ে যাবে। কিন্তু এখন মিলছে মাত্র ১০ ক্রেট। অপর ব্যবসায়ী সনাতন সিংহ দাবী করেন, গত বছর গাড়ি গাড়ি বিয়ার তুলেছিলাম। আর এখন গাড়ি তো দূরের কথা, চাহিদার অর্ধেকও বিয়ার মিলছে না।একই আক্ষেপের কথা শুনিয়েছেন বর্ধমান, কালনা, কাটোয়া, গুসকরার ও জামালপুর ও মেমারির মদ ও বিয়ারের ব্যবসায়ীরা। তাঁদের বক্তব্য বিয়ারপ্রেমী খরিদ্দারদের বিয়ার দিতে পারছি না। বিয়ার না পেয়ে খরিদ্দাররা হতাশ হয়েই মুখ ঘুরিয়ে চলে যাচ্ছে। হঠাৎ করে এই বছর বিয়ারের চাহিদা এত বেড়ে যাওয়ার কি কারণ তা জানার জন্যে বিয়ারপ্রেমীদেরও কৌতুহলের শেষ নেই। এই বিষয়ে ব্যবসায়ীদের দাবি, বিয়ারের দাম আগের থেকে কমে গিয়েছে। তাই যে সব সুরাপ্রেমীরা আগে পচাই বা দেশি মদ খেতেন তারাও এখন এই গরমে বিয়ারের দিকে ঝুঁকেছেন। এর কারণে বিয়ারের চাহিদা এখন আনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। অপর কারণ হিসাবে উঠে এসেছে, পূর্ব বর্ধমান জেলার ৩১৩ টি দোকানে বিয়ারের পর্যাপ্ত সরবরাহের সুষ্ঠু ব্যবস্থা না থাকা। আবগারি দফতরের তরফে যদিও বলা হচ্ছে, এপ্রিল-মে মাসে প্রতি সপ্তাহে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ১৮-২০ হাজার ক্রেট বিয়ার লাগে। সেই চাহিদা মতোই চলতি সপ্তাহে যোগান দেওয়া হয়েছে। বিক্রীও গত বছরের চেয়ে ৮-৯ শতাংশ বেশি হয়েছে। তারপরেও এখন দোকানে দোকানে বিয়ার বাড়ন্ত।এদিকে বিয়ারের যোগান কম থাকায় ফরেন লিকার বা বিদেশি মদের চাহিদাও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। দফতর সূত্রে খবর এপ্রিল মাসেই ফরেন লিকারের বিক্রি ২৯ হাজার লিটার বেড়েছে। যা গত মার্চ মাসের চেয়ে ২৩% বেশী। জেলা আবগারী দফতরের তথ্য অনুযায়ী গত এক মাসে শুধু মাত্র দোকানের হিসেবে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ২০ কোটি টাকারও বেশি মদ-বিয়ার বিক্রি হয়েছে। এই বিষয়ে আবগারি দফতরের সুপার এনায়েত রব্বির দাবী,জোগানে ঘাটতি নেই বললেই চলে। তবে গরমের জন্যে বিয়ারের চাহিদা বেড়ে গিয়েছে। যদিও বিয়ারের জোগান কবে থেকে স্বাভাবিক হবে তার উত্তর আবগারি দফতরের কোন কর্তারাই দিতে পারেন নি।এদিকে মদের দোকানে বিয়ারের বাড়ন্তের মাঝেই আবার ওয়েস্টবেঙ্গল পচাই অ্যান্ড কান্ট্রি স্পিরিট ভেন্ডর অ্যাসোসিয়েশন চাহিদা মতো বিয়ার চেয়ে আবগারি দফতরে চিঠি পাঠিয়েছে। ওই সংগঠনের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক গুসকরার বাসিন্দা মেঘনাদ সাহা। তিনি দাবি করেছেন, চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না বলে ব্যবসায়ীদের যেমন ক্ষতি হচ্ছে তেমনি রাজ্য সরকারও রাজস্ব হারাচ্ছে।

এপ্রিল ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইসক্রিমে বান!‌ রুটিতে চকোলেট ও নান্দু সস!‌ সঙ্গে চিকেন!‌ এ কোন ভারতীয় ক্রিকেটারের মেনু?‌

ভারতীয় ক্রিকেটে ডায়েট ও ফিটনেসের ব্যাপারে একটা শৃঙ্খলা তৈরি করেছিলেন প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। আধুনিক ক্রিকেটে বয়স ও ডায়েট একটা অন্য প্যারামিটার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু ভারতীয় ড্রেসিংরুমে এমন দুজন ক্রিকেটার রয়েছেন, যারা ডায়েটের ধার ধারেন না। ডায়েটের ব্যাপারে তাঁদের শৃঙ্খলার কোনও বালাই নেই। তাঁরা অনায়াসে আইসক্রিমে বান ডুবিয়ে খেতে পারেন। রুটির ওপরে চকোলেট ও নান্দু সস মাখাতে পারেন। ভেবে অবাক হয়ে যাচ্ছেন, এমনও ক্রিকেটার ভারতীয় দলে রয়েছেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই। এটাই ঘটনা। এই দুই ক্রিকেটার হলেন ঈশান কিশান ও ঋষভ পন্থ। ডায়েটের কোনও ধার ধারেন না ভারতীয় দলের এই দুই ক্রিকেটার।ফিটনেসের জন্য ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি দীর্ঘদিন জাঙ্ক ফুট ত্যাগ করেছেন। অথচ তাঁরই সংসারে অন্য গল্প। বিরাট কোহলির যুগে, ভারতীয় দল ফিটনেসের দিক থেকে ব্যাপকভাবে উন্নতি করেছে। তার মানে এই নয় যে ভারতীয় দলের সব ক্রিকেটারই ডায়েটের ব্যাপারে বিরাট কোহলির মতো সমান কঠোর। ঈশান কিশান ও ঋষভ পন্থের ডায়েটের বিষয়টা প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছেন জাতীয় দলে তাঁদেরই সতীর্থ সূর্যকুমার যাদব। ঈশান কিশান এবং ঋষভ পন্থ খাবারে যে অদ্ভুত সংমিশ্রণ ঘটান, তা যে কারও ঠোঁটে লেগে থাকতে পারে।সূর্যকুমার যাদব তাঁর বিখ্যাত ইউ টিউব শো ব্রেকফাস্ট উইথ চ্যাম্পিয়নসএ অভিনেতা এবং টেলিভিশন ও ক্রিকেট উপস্থাপক গৌরব কাপুরকে ঈশান কিশান ও ঋষভ পন্থের অদ্ভুত ডায়েটের কথা বলেছিলেন। সূর্যকুমার বলেন, ঋষভ পন্থ এবং ঈশান কিশান যদি এক জায়গায় হাজির হয়, তাহলে ওদের খাবার অন্য উচ্চতায় পৌঁছে যায়। ওরা অনায়াসে যা কিছু খেতে পারে। একটি বান আইসক্রিমে ডুবিয়ে খায়। রুটির ওপর চকোলেট আইসক্রিম রাখে, তার ওপরে নন্দোর সস রাখে। শুধু তাই নয়, মুরগির মাংসও সঙ্গে থাকে। এই সংমিশ্রণটা হল ওদের চোখে একটি বার্গার। ওইভাবে সাজিয়ে ওরা আমাকে বলে, এটা খাও। তুমি আগামীকাল রান করবে। এই নতুন জিনিস ওরা শুরু করেছে। দুজনেরই পরিচ্ছন্ন হৃদয়, একেবারে বিশুদ্ধ আত্মা। ওদের সাথে সময় কাটাতে দারুণ মজা পাবেন।মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে খেলার সুবাদে ঈশান কিশানকে দীর্ঘদিন ধরেই জানেন সূর্যকুমার। জাতীয় দলে একসঙ্গে থাকার সুবাদে ঋষভ পন্থকেও ভালভাবে চেনেন। ঈশানকে বেশ ব্যক্তিত্ববান বলে মনে হয়েছে সূর্যকুমারের। দলের মধ্যে সবসময় ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করে রাখেন ঈশান। সূর্যর কথায়, ইশান আমার দলের সেরা বন্ধুদের একজন। বিশেষ করে যখন দল একটি ম্যাচ হেরেছে, সিগন্যাল বাউন্সের মতো ঈশান এক বিষয় থেকে অন্য বিষয়ে বাউন্স করে। প্র্যাকটিসের সময় আমি কোচকে বলেছিলাম, আমি শুধুমাত্র ওর সঙ্গে প্র্যাকটিস করতে চাই। যখনই আমরা একসাথে ব্যাট করি, স্কোরবোর্ডের দিকে তাকাই না যতক্ষণ না আমাদের তাড়া করতে হয়। আমরা ক্রিকেট ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলি। যেমন, আজকে যদি আমরা ম্যাচ জিততে পারি তাহলে আমরা ব্রাউনি আইসক্রিম অর্ডার করব। দারুণ মজা করি।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মূল্যহীন হয়ে গেল চৈতি ফারহানার লড়াই, মারণ ব্যাধির কাছে হার রুবেলের

মিরপুরের শেরইবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের কাঁচ ঘেরা শববাহী যানে চিরনিদ্রায় শুয়ে রয়েছেন মোশারফ হোসেন রুবেল। কাঁচের দেওয়ালে মাথা রেখে প্রিয় মানুষটির দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে চৈতি ফারহানা রুপা। চোখ দুটো যেন কাঁচের দেওয়ার ভেদ করে কাছে পৌঁছতে চাইছিল। কিন্তু সম্ভব ছিল না। চৈতির কোলে একমাত্র সন্তান রুশদান। মায়ের মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে সেও তাকিয়ে মোশারফ হোসেন রুবেলের দিকে। হয়তো মায়ের কোলে বসে ভাবছিল, কখন উঠে আসবে আব্বু। তার যে এখনও বোঝার বয়স হয়নি তার জানের আব্বু না ফেরার দেশে চলে গেছেন। কী ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে গেছে তাঁদের জীবনে। এইরকম যে হতে পারে, কল্পনা করেননি কেউই। দেশের হয়ে পাঁচটি একদিনের ম্যাচ খেলা মোশারফ হোসেন রুবেলের মস্তিষ্কে ২০১৯ সালের মার্চে টিউমার ধরা পড়ে। ২৪টি কেমোথেরাপি লেগেছিল তাঁর। সিঙ্গাপুরে গিয়ে অস্ত্রোপচার করিয়ে সেই টিউমার কেটে বাদও দেওয়া হয়েছিল। মোটামুটি সুস্থই হয়ে উঠেছিলেন তিনি। আবার মাঠে ফেরার প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। কিন্তু মারণরোগ তার পিছু ছাড়েনি। পুনরায় ফিরে আসা ঘাতক ব্যাধিকে আর হারাতে পারেননি রুবেল।জানুয়ারি মাসে তাঁর মস্তিষ্কে নতুন করে টিউমার ধরা পড়ে। আবারও শুরু হয় কেমোথেরাপি। অবশ হয়ে যায় শরীরের একদিক। গত মাসে তাঁকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। তবে প্রায় এক মাস পর ১৫ এপ্রিল হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরেছিলেন রুবেল। তাঁর শারীরিক অবস্থা ভালোমন্দের মধ্য দিয়েই যাচ্ছিল। চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছিল তাঁর পরিবার। তবে দেশের ক্রিকেটমহল তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে। আগামী সপ্তাহেই তাঁর আবার কেমোথেরাপি নেওয়ার কথা ছিল। মঙ্গলবার হঠাৎ করে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রুবেলকে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।তিন বছর ধরে জীবনের প্রিয় মানুষকে বাঁচানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে গেছেন চৈতি ফারহানা রুপা। প্রেম করে মোশারফ হোসেন রুবেলকে বিয়ে করেছিলেন। ব্যাঙ্কে চাকরি করেন। ছোট বাচ্চা রয়েছে। সংসার, বাচ্চা ও ব্যাঙ্কের চাকরি সামলে প্রিয় মানুষটির জন্য লড়াই করে গেছেন। গত তিন বছর ধরে হাসপাতালই হয়েছিল চৈতি ফারফানার ঘরবাড়ি। স্বামীর চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন। ঢাকার একমাত্র ফ্ল্যাটটাও বিক্রি করে দিতে হয়েছে। অর্থ সংগ্রহের জন্য চারিদিকে ছোটাছুটি করছে হয়েছে। অনেকেই পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। সাকিব আল হাসান তুলে দিয়েছিলেন ১৫ লাখ টাকা। আর্থিক সাহায্য করেছিলেন মোশারপ হোসেনও। যেখানে যতটুকু অর্থ ছিল, সব নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন স্বামীকে বাঁচাতে। কিন্তু বাঁচাতে পারেননি। স্বামীর জন্য কী না করেননি চৈতি ফারহানা? হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকা রুবেলকে গল্পের বই পড়ে শোনাতেন। স্বামীকে দেখাশোনার পাশাপাশি হাসপাতালে বসেই ল্যাপটপে অফিসের কাজ করতেন। রুবেলকে সবসময় মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখার চেষ্টা করতেন। প্রিয় মানুষটির জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছেন। তবু মারণ ব্যাধি সবকিছু কেড়ে নিয়ে গেল চৈতির। ৪০ বছর বয়সী মোশারফ হোসেন রুবেল দেশের হয়ে ৫টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন। ৪টি উইকেট পেয়েছেন। ২০০৮ সালে চট্টগ্রামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তাঁর জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক। জাতীয় দলের হয়ে শেষ খেলেন ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দিল্লির বিরুদ্ধে জয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের, তবু দাবি উঠল কোহলি হঠাও

বিরাট কোহলিকে তাহলে আর অপরিহার্য বলা যাবে না। তিনি রান না পেলেও যে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর যে জেতে, প্রমাণ হয়ে গেল। শুধু দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধেই নয়, চলতি আইপিএলে আগেও কোহলির ব্যর্থতার দিনে জিতেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। কোহলিপ্রেমীরা এতটাই হতাশ যে, কয়েকটা ম্যাচ বিশ্রাম নেওয়ার দাবিও তুলেছেন নেট নাগরিকরা। কেউ কেউ আবার দাবি তুলেছেন, কোহলি হঠাও।কোহলি রান না পেলেও বড় ইনিংস গড়তে সমস্যা হয়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে ১৮৯/৫ রান তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। ১৭৩/৭ রানে থেমে যায় দিল্লি। দিল্লির পরাজয় ১৬ রানে।এদিন, আইপিএলে মাইলস্টোনের ছড়াছড়ি। প্রথম লখনউ সুপার জায়ান্টস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচে আইপিএলে নিজের শততম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন লোকেশ রাহুল। তেমনই দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে শততম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। মহম্মদ সিরাজের কাছে আবার আইপিএলের পঞ্চাশতম ম্যাচ। লোকেশ রাহুলের মতো শততম ম্যাচ স্মরণীয় করতে রাখতে পারলেন না গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তবে তাঁর ব্যাটেই প্রাথমিক ধাক্কা সামলে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। আর শেষদিকে ঝড় তুলে দলকে বড় রানে পৌঁছে দেড় দীনেশ কার্তিক।Some well deserved awards after a memorable game. 🔝👏🏻👏🏻#PlayBold #WeAreChallengers #IPL2022 #Mission2022 #RCB #ನಮ್ಮRCB #DCvRCB pic.twitter.com/XeuhdE1cCm Royal Challengers Bangalore (@RCBTweets) April 16, 2022টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। প্রথম একাদশে দুটি দলই একটা করে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। সরফরাজ খানের জায়গায় দিল্লির প্রথম একাদশে ঢোকেন মিচেল মার্শ। অন্যদিকে, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে আকাশ দীপের জায়গায় হর্ষাল প্যাটেল। বোনের মৃত্যুর জন্য জৈব সুরক্ষা ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন হর্ষাল। ফিরে এসে আবার জৈব সুরক্ষা বলয়ে যোগ দেন ১১ এপ্রিল। তিন দিনের কোয়ারেন্টিন পর্ব মিটিয়ে দিল্লির বিরুদ্ধে মাঠে নামেন।ব্যাট করতে নেমে শুরুটা এদিন ভাল হয়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। দ্বিতীয় ওভারে ফর্মে থাকা অনূজ রাওয়াতকে (০) তুলে নেন শার্দূল ঠাকুর। পরের ওভারেই অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসিকে ফেরান খলিল আমেদ। ১১ বলে ৮ রান করে ডু্প্লেসি অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দেন। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স সবথেকে বড় ধাক্কা খায় সপ্তম ওভারে। ললিত যাদবের দুরন্ত থ্রোতে রান আউট হন বিরাট কোহলি। ১৪ বলে তিনি করেন ১২।এরপরই রুখে দাঁড়ান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। রীতিমতো তিনি ঝড় তোলেন কুলদীপ যাদবের এক ওভারে নেন ২৩। কুলদীপের বলেই অবশ্য তাঁকে ফিরতে হয়। ৩৪ বলে ৫৫ রান করে তিনি ললিত যাদবের হাতে ক্যাচ দেন। অক্ষর প্যাটেলের বলে আউট হন সুয়াস প্রভুদেশাই (৬)। এরপর বাইশ গজে তান্ডবলীলা চালান দীনেশ কার্তিক। মুস্তাফিজুর রহমানের এক ওভারে চারটি ৪ ও দুটি ছক্কাসহ নেন ২৮। ২৬ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন দীনেশ কার্তিক। শেষ পর্যন্ত ৩৪ বলে ৬৬ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে তিনি অপরাজিত থাকেন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি করে ৬ ও ৪। শাহবাজ আমেদ ২১ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন।জয়ের জন্য ১৯০ রানের লক্ষ্য খুব একটা সহজ ছিল না দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে। দারুণ শুরু করেছিসলেন দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও পৃথ্বী শ। ওপেনিং জুটিতে ৪.৩ ওভারে ৫০ রান পূর্ণ হয়। এরপরই মহম্মদ সিরাজের ধাক্কা। তুলে নেন পৃথ্বীকে (১৩ বলে ১৬)। ওয়ার্নারের ঝড় অবশ্য থামানো যায়নি। ২৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ হলেও পরপর দুই ম্যাচে দিল্লিকে নির্ভরতা দিলেন ওয়ার্নার। দলকে ভালোই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন এই অসি ওপেনার। হাসারাঙ্গার বলে এলবিডব্লু হতেই সমস্যায় পড়ে দিল্লি। ৪টি চার ও ৬টি ছয়ের সাহায্যে ৩৮ বলে ৬৬ রান করে আউট হন ওয়ার্নার। দিল্লির হয়ে অভিষেক ম্যাচও স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না মিচেল মার্শ (২৪ বলে ১৪)। হাসারাঙ্গার দুরন্ত থ্রোতে রান আউট। রভম্যান পাওয়েল (০), ললিত যাদবরা (১) দ্রুত ফেরায় চাপে পড়ে যায় দিল্লি। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ (১৭ বলে ৩৪) ঝড় তোলার চেষ্টা করেও সফল হননি। শার্দূল ঠাকুর করেন ১৭। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ২৯ রানে ৩ উইকেট নেন জস হ্যাজেলউড। ৩১ রানে ২ উইকেট সিরাজের।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শততম ম্যাচে কী করলেন ম্যাক্সওয়েল?‌ ঝড় তুলে টেক্কা দীনেশ কার্তিকের

শনিবার আইপিএলে মাইলস্টোনের ছড়াছড়ি। এদিন প্রথম লখনউ সুপার জায়ান্টস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচে আইপিএলে নিজের শততম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন লোকেশ রাহুল। তেমনই দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে শততম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। মহম্মদ সিরাজের কাছে আবার আইপিএলের পঞ্চাশতম ম্যাচ। লোকেশ রাহুলের মতো শততম ম্যাচ স্মরণীয় করতে রাখতে পারলেন না গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তবে তাঁর ব্যাটেই প্রাথমিক ধাক্কা সামলে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। আর শেষদিকে ঝড় তুলে দলকে বড় রানে পৌঁছে দেড় দীনেশ কার্তিক। তাঁর দাপটেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮৯/৫ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। এদিন টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। প্রথম একাদশে দুটি দলই একটা করে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। সরফরাজ খানের জায়গায় দিল্লির প্রথম একাদশে ঢোকেন মিচেল মার্শ। অন্যদিকে, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে আকাশ দীপের জায়গায় হর্ষাল প্যাটেল। বোনের মৃত্যুর জন্য জৈব সুরক্ষা ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন হর্ষাল। ফিরে এসে আবার জৈব সুরক্ষা বলয়ে যোগ দেন ১১ এপ্রিল। তিন দিনের কোয়ারেন্টিন পর্ব মিটিয়ে দিল্লির বিরুদ্ধে মাঠে নামেন। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা এদিন ভাল হয়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। দ্বিতীয় ওভারে ফর্মে থাকা অনূজ রাওয়াতকে (০) তুলে নেন শার্দূল ঠাকুর। পরের ওভারেই অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসিকে ফেরান খলিল আমেদ। ১১ বলে ৮ রান করে ডু্প্লেসি অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দেন। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স সবথেকে বড় ধাক্কা খায় সপ্তম ওভারে। ললিত যাদবের দুরন্ত থ্রোতে রান আউট হন বিরাট কোহলি। ১৪ বলে তিনি করেন ১২।এরপরই রুখে দাঁড়ান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। রীতিমতো তিনি ঝড় তোলেন কুলদীপ যাদবের এক ওভারে নেন ২৩। কুলদীপের বলেই অবশ্য তাঁকে ফিরতে হয়। ৩৪ বলে ৫৫ রান করে তিনি ললিত যাদবের হাতে ক্যাচ দেন। অক্ষর প্যাটেলের বলে আউট হন সুয়াস প্রভুদেশাই (৬)। এরপর বাইশ গজে তান্ডবলীলা চালান দীনেশ কার্তিক। মুস্তাফিজুর রহমানের এক ওভারে চারটি ৪ ও দুটি ছক্কাসহ নেন ২৮। ২৬ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন দীনেশ কার্তিক। শেষ পর্যন্ত ৩৪ বলে ৬৬ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে তিনি অপরাজিত থাকেন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি করে ৬ ও ৪। শাহবাজ আমেদ ২১ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন। শুরুর ধাক্কা সামলে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮৯ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সন্তোষ ট্রফির প্রথম ম্যাচে বাংলার জয়ে আশার আলো ইস্টবেঙ্গলে

সামনের মরশুমের জন্য আশা বুক বাঁধতেই পারেন লালহলুদ সমর্থকরা। নতুন স্পনসর হয়তো কয়েকদিনের মধ্যেই চূড়ান্ত হয়ে যাবে। ফুটবলার বাছাইয়ের কাজও চলছে। নতুন মরশুমের জন্য ইস্টবেঙ্গল রিক্রূটাররা যে খুব একটা খারাপ দল গড়ছেন না, সন্তোষ ট্রফির প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ পাওয়া গেল। সন্তোষ ট্রফির প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে জয় দিয়ে শুরু করল বাংলা। বাংলার জয়ের নায়ক শুভম ভৌমিক। তাঁর করা একমাত্র গোলেই জিতল বাংলা।লালহলুদ সমর্থকরা প্রশ্ন করতেই পারেন, বাংলার জয়ের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সম্পর্ক কী? আছে। সামনের মরশুমে লালহলুদ জার্সি গায়ে চাপাতে চলেছেন শুভম ভৌমিক। তাঁর সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের কথাবার্তা চূড়ান্ত। শুভমের গোলে লালহলুদ সমর্থকরা খুশি হতেই পারেন। সামনের মরশুমের দল গঠনের জন্য সন্তোষ ট্রফিকেই বেছে নিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এই প্রতিযোগিতা থেকেই ফুটবলার তুলে নিতে চান। শনিবার কেরলের মালাপ্পুরমের কোটাপাডি ফুটবল স্টেডয়ামে প্রতিযোগিতার অন্যতম শক্তিশালী প্রতিপক্ষ পাঞ্জাবের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। প্রথম ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনাল গ্রুপ লিগে রীতিমতো ভাল জায়গায় থাকল রঞ্জন ভট্টাচার্যর দল। প্রথম থেকেই ম্যাচের রাশ ছিল বাংলার হাতে। দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে বারবার পাঞ্জাব রক্ষণে হানা দিচ্ছিলেন শুভম ভৌমিকরা। একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও প্রথমার্ধে গোল পায়নি বাংলা। ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে দ্বিতীয়ার্ধের ১৭ মিনিটে। ডানদিক থেকে বসের মধ্যে জয় বাজের সেন্টার ভেসে আসে। বল বক্সে পড়ার মুখে ডানপায়ের ভলিতে জালে পাঠান শুভম ভৌমিক। ম্যাচের বাকি সময়ে পাঞ্জাব মরিয়া হলেও বাংলার রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেনি। এদিন বাংলার রক্ষণকে দারুণ নেতৃত্ব দেন অধিনায়ক মনোতোষ চাকলাদার। বল দখলের লড়াইয়ে হেড করতে উঠলে পাঞ্জাবের এক ফুটবলারের সঙ্গে সংঘর্ষে তাঁর মাথা ফেটে যায়। দুটি সেলাইও করতে হয়েছে। দলের খেলায় খুশি বাংলা দলের কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, দীর্ঘ বাস জার্নি করে এসে মাঝে মাত্র একদিন বিশ্রাম পেয়েছে ফুটবলার। তারপর মাঠে নেমে নতুন পরিবেশে এই গরমের মধ্যেও দারুণ ফুটবল উপহার দিয়েছে। পাঞ্জাবকতে হারিয়ে সন্তুষ্ট থাকলে চলবে না। পরের ম্যাচ কেরালার বিরুদ্ধে। যথেষ্ট লড়াই করতে হবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

"খনন আদি" দুটি খুনের রহস্য ও আইনী জটিলতার লড়াই

বেলঘড়িয়া এথিকের নবতম প্রযোজনা খনন আদি অভিনীত হলো, গিরিশ মঞ্চে। নাটকটির বিষয় ভবনা ও নির্দেশনা, চরিত্র নির্মাণ ও সংলাপ- আলো- আবহ চতুষ্কোণে ২ ঘণ্টা চুম্বকের মত আকর্ষণ করে রাখে দর্শকদের, যার রেশ থেকে যায় শেষের পরেও।মূলত রহস্যের আঙ্গিকে উপস্থাপিত হলেও নাটকের শেষে রহস্য উন্মোচিত হয়না , থেকে যায় ওপেন এন্ডেড খুন হয়েছে, রথীন্দ্র প্রতাপ সিংহা,নিজের বেডরুমে।তিনি শহরের সবচেয়ে ক্ষমতা ও প্রভাবশালী ড্ন। তার প্রাসাদের নাম মহাকাব্য । তদন্তের দায়িত্ব পান শহরে নতুন পোস্টিং পাওয়া এ সি পি ইন্টেলিজেন্স সমুদ্র বর্মন। খুনের প্রধান সাসপেক্ট ব্যারিস্টার ঋষি সেন,তাকে রাখা হয় হাউস অ্যারেস্টে। কারণ ঠিক পঁচিশ বছর আগে তার একমাত্র মেয়ে ভূমিকা খুন হয়েছিল রথীন্দ্র প্রতাপের হাতে।কিন্তু মৃত্যুর অসংখ্য কারণ ছড়িয়ে চার পাশে, রথীন্দ্র এর তিন স্ত্রী,চার ছেলে,বিপুল সম্পত্তি এর মালিকানা, রিভাল গ্যাং, দক্ষিণের বিজনেস এক্সটেনশনএবং তিনি খুন হন, নিজের সুরক্ষিত বেডরুমেই। হটাৎ সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত এক ব্যক্তি সামনে এসে খুনের দায় ভার স্বীকার করেন। কিন্তু কেনো? তাকে এই অপরাধী কে বাঁচাতে ঋষি সেন নামেন আইনি লড়াইয়ের শেষপর্যন্ত অপরাধী কে? নাটকের সংলাপ অত্যন্ত শক্তিশালী, যা ভাবতে ও ভাবাতে বাধ্য করে। সমুদ্র বর্মণের চরিত্রে শান্তনু দাস, ঋষি সেন এর চরিত্রে দেবাশিস সেনগুপ্ত, কস্তুরী সিংহা এর চরিত্রে কাকলি মজুমদার ও ভিকি এর চরিত্রে শুভম মিত্র এর অভিনয় নাটকের মেরুদন্ড। এছাড়াও নাটকের প্রত্যেকটি চরিত্র নিজের মত করে সম্পূর্ন, নতুন এক ঝাঁক তরুণ অভিনেতা মৃত্যুঞ্জয় রায়,তাপস সরকার, সুরঞ্জনা দাস,কেয়া কুন্ডু, অর্ণব দত্ত ও এষনা সেন এর কাজেও রয়েছে যত্নের ছাপ। সৌমেন চক্রবর্তী এর আলোক ভাবনা ও প্রয়োগ নাটকটিকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যায়, তিনি মঞ্চে নতুন ব্যাকরণ সৃষ্টি তে সফল। তপন বিশ্বাসের আবহ নির্মাণ ও মদন হালদার এর মঞ্চ ভাবনা সৃষ্টি কে সম্বৃদ্ধ করে।প্রথম অভিনয় এর পর এই নাটক টির আরো বেশি করে দর্শকদের মস্তকে- মননে পৌঁছানোর দাবিদার তা প্রমাণিত। ততাকথিত তারকাহীন ভাবে বেলঘরিয়া এথিকের এই ছন্দবদ্ধ নির্মাণ আরো সফল হবে, নতুন অভিনেতা দের অভিনয় কুশল আরো ধারালো হবে এই ভরসা রাখি। নাট্যকার ও নির্দেশক দেবাশিস সেনগুপ্ত র নির্দেশনায় এই নাটক সকল নাট্যমোদি দর্শকদের ভালো লাগবে।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে ব্যর্থওয়ার্নার, লখনউকে জেতালেন দিল্লিরই এক প্রাক্তন

গত বছর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ ছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। মেগা নিলামের আগে তাঁকে ছেড়ে দেয় সানরাইজার্স। নিলাম থেকে তাঁকে ৬.২৫ কোটি টাকায় কেনে দিল্লি ক্যাপিটালস। ২০১২ সালে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে খেলেছিলেন ওয়ার্নার। ৯ বছর পর পুরনো দলে ফিরেও নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না। ওয়ার্নারের ব্যর্থতার দিনে জয়ে ফেরা হল না দিল্লি ক্যাপিটালসের। এবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের কাছে হার ৬ উইকেটে। দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রাক্তনী কুইন্টন ডিককের দুরন্ত ব্যাটিংই জেতাল লখনউ সুপার জায়ান্টকে। এদিন শুরুটা ভাল করেও বড় রান করতে ব্যর্থ দিল্লি ক্যাপিটালস। মূলত পৃথ্বী শ, ঋষভ পন্থ ও সরফরাজ খানের সৌজন্যে ১৪৯/৩ তোলে। জয়ের জন্য ১৫০ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না লখনউ সুপার জায়ান্টসের কাছে। শুরুটাও দুর্দান্ত হয়েছিল। ওপেনিং জুটিতে ৭৩ তুলে ফেলে লখনউ সুপার জায়ান্টস। কুইন্টন ডিকক আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাটিং করতে থাকায় অ্যাঙ্করের ভুমিকা পালন করেন লোকেশ রাহুল। দশম ওভারের চতুর্থ বলে জুটি ভাঙেন কুলদীপ যাদব। তাঁকে তুলে মারতে গিয়ে লং অফে পৃথ্বী শর হাতে ক্যাচ দেন লোকেশ রাহুল। ২৫ বলে তিনি করেন ২৪। দু ওভার পরেই এভিন লুইসকে (৫) তুলে নেন ললিত যাদব। ১২.৩ ওভারে লখনউর রান দাঁড়ায় ৮৬/২।এরপর লখনউকে টেনে নিয়ে যান কুইন্টন ডিকক। ৫২ বলে ৮০ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে তিনি কুলদীপ যাদবের বলে সরফরাজ খানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৯টি ৪ ও ২টি ৬ মারেন ডিকক। শেষ ওভারে লখনউর জয়ের জন্য দরকার ছিল ৫ রান। প্রথম বলেই দীপক হুডাকে (১৩ বলে ১১) তুলে নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে দেন শার্দূল ঠাকুর। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি। দ্বিতীয় বলে আয়ুষ বাদোনি কোন রান করতে না পারলেও তৃতীয় বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে স্কোর সমান সমান করেন। চতুর্থ বলে ৬ মেরে দলকে জয় এনে দেন আয়ুষ বাদোনি (৩ বলে অপরাজিত ১০)। ১৪ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ক্রূণাল পান্ডিয়া।জয়ের সরণিতে ফিরতে রোমারিও শেফার্ডের পরিবর্তে ডেভিড ওয়ার্নারের ওপর ভরসা করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। দিল্লির জার্সি গায়ে প্রথম ম্যাচেই ব্যর্থ এই অসি তারকা। প্রতিটা ম্যাচেই রাতের দিকে শিশির সমস্যায় ফেলছে। সেকথা মাথায় রেখে টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। পৃথ্বী শর সৌজন্যে দারুণ শুরু করেছিল দিল্লি। পাওয়ার প্লের প্রথম ৬ ওভারে দিল্লি ক্যাপিটালস তোলে ৫২/০।অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে ধাক্কা খায় দিল্লি ক্যাপিটালস। নিজের দ্বিতীয় ওভারে পৃথ্বী শকে তুলে নেন কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। ওভারের প্রথম দুটি বলে ৬ ও ৪ মেরেছিলেন পৃথ্বী। পরের বলে কাট করতে গিয়ে বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডিককের হাতে জমা দেন। ৯টি চার ও ২টি ছক্কার ৩৪ বলে ৬১ রান করে আউট হন পৃথ্বী। গতমরশুমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জার্সি গায়ে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি ডেভিড ওয়ার্নার। দিল্লি ক্যাপিটালসের জার্সি গায়ে মরশুমের প্রথম ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না। লখনৌ সুপার জায়ান্টের বোলারদের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই অস্বস্তিতে ছিলেন। রবি বিষ্ণোইয়ের অফ স্টাম্পের অনেকটা বাইরের বল কাট করতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে আয়ুষ বাদোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ১২ বলে মাত্র ৪ রান করেন ওয়ার্নার। দুই স্পিনার রবি বিষ্ণোই ও কৃষ্ণাপ্পা গৌতমের আঁটোসাটো বোলিং চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল। রান তোলার গতি মন্থর হয়ে গিয়েছিল। ডট বলের সংখ্যাও বাড়ছিল। চাপ কাটাতে গিয়েই আউট রভম্যান পাওয়েল। হতাশ হতে তিনি স্লগ সুইপে বিষ্ণোইকে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে বোল্ড হন। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করেন পাওয়েল। ১১ ওভারের মধ্যেই ৭৪ রানে ৩ উইকেট হারায় দিল্লি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও সরফরাজ খান। জুটি ওঠে ৭৩। এই জুটিই দিল্লিকে ১৪৯/৩ রানে পৌঁছে দেয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে তোলে দিল্লি। ৩৬ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। ২৮ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন সরফরাজ। রবি বিষ্ণোই ২২ রানে ২ উইকেট নেন।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দিল্লির হয়ে প্রত্যাবর্তন ম্যাচে এ কী হাল ডেভিড ওয়ার্নারের!‌

আইপিএলের দিল্লির জার্সি গায়ে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না ডেভিড ওয়ার্নার। গত মরশুমের মতো এবছরের শুরুতেও আইপিএলে রানের জন্য সেই লড়াই এই অসি তারকার। বৃহস্পতিবার লখনউ সুপার জায়ান্টাসের বিরুদ্ধে ১০ বলে মাত্র ৪ রান করে আউট হলেন। গত বছর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ ছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। মেগা নিলামের আগে তাঁকে ছেড়ে দেয় সানরাইজার্স। নিলাম থেকে তাঁকে ৬.২৫ কোটি টাকায় কেনে দিল্লি ক্যাপিটালস। ২০১২ সালে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে খেলেছিলেন ওয়ার্নার। ৯ বছর পর পুরনো দলে ফিরেও নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না। জয়ের সরণিতে ফিরতে রোমারিও শেফার্ডের পরিবর্তে ডেভিড ওয়ার্নারের ওপর ভরসা করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। দিল্লির জার্সি গায়ে প্রথম ম্যাচেই ব্যর্থ এই অসি তারকা। পৃথ্বী শ, সরফরাজ খান ও অধিনায়ক ঋষভ পন্থের সৌজন্যে লখনউ সুপার জায়ান্টের বিরুদ্ধে মান বাঁচাল দিল্লি ক্যাপিটালস। মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে তুলল ১৪৯/৩। প্রতিটা ম্যাচেই রাতের দিকে শিশির সমস্যায় ফেলছে। সেকথা মাথায় রেখে টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। পৃথ্বী শর সৌজন্যে দারুণ শুরু করেছিল দিল্লি। পাওয়ার প্লের প্রথম ৬ ওভারে দিল্লি ক্যাপিটালস তোলে ৫২/০। আগের ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন আবেশ খান। ম্যাচের সেরাও ছিনিয়ে নিয়েছিলেন। কিন্তু দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে প্রথম ওভারে দেন ১৩। জেসন হোল্ডারও ভাল শুরু করতে পারেননি। ৩০ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন পৃথ্বী শ। পাওয়ার প্লের ফিল্ডিং নিষেধাজ্ঞার সুযোগ দারুণ কাজে লাগান। পৃথ্বী ঝড় তোলায় শুরুর দিকে আক্রমণের রাস্তায় যাননি ৯ বছর পর দিল্লির জার্সি গায়ে আবার খেলতে নামা ডেভিড ওয়ার্নার। অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে ধাক্কা খায় দিল্লি ক্যাপিটালস। নিজের দ্বিতীয় ওভারে পৃথ্বী শকে তুলে নেন কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। ওভারের প্রথম দুটি বলে ৬ ও ৪ মেরেছিলেন পৃথ্বী। পরের বলে কাট করতে গিয়ে বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডিককের হাতে জমা দেন। ৯টি চার ও ২টি ছক্কার ৩৪ বলে ৬১ রান করে আউট হন পৃথ্বী। গতমরশুমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জার্সি গায়ে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি ডেভিড ওয়ার্নার। দিল্লি ক্যাপিটালসের জার্সি গায়ে মরশুমের প্রথম ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না। লখনৌ সুপার জায়ান্টের বোলারদের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই অস্বস্তিতে ছিলেন। রবি বিষ্ণোইয়ের অফ স্টাম্পের অনেকটা বাইরের বল কাট করতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে আয়ুষ বাদোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ১২ বলে মাত্র ৪ রান করেন ওয়ার্নার। দুই স্পিনার রবি বিষ্ণোই ও কৃষ্ণাপ্পা গৌতমের আঁটোসাটো বোলিং চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল। রান তোলার গতি মন্থর হয়ে গিয়েছিল। ডট বলের সংখ্যাও বাড়ছিল। চাপ কাটাতে গিয়েই আউট রভম্যান পাওয়েল। হতাশ হতে তিনি স্লগ সুইপে বিষ্ণোইকে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে বোল্ড হন। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করেন পাওয়েল। ১১ ওভারের মধ্যেই ৭৪ রানে ৩ উইকেট হারায় দিল্লি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও সরফরাজ খান। জুটি ওঠে ৭৩। এই জুটিই দিল্লিকে ১৪৯/৩ রানে পৌঁছে দেয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে তোলে দিল্লি। ৩৬ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। ২৮ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন সরফরাজ। রবি বিষ্ণোই ২২ রানে ২ উইকেট নেন।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌বড়া পাও ছিনিয়ে নিয়ে গেল’‌, কামিন্স সম্পর্কে কেন একথা বললেন শেহবাগ?‌

ক্রিকেট দুনিয়ায় মজাদার টুইট করার ব্যাপারে দারুণ সুনাম আছে বীরেন্দ্র শেহবাগ ও হরভজন সিংয়ের। এই দুই প্রাক্তন ক্রিকেটারের টুইটে অনেকসময় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। আবার টুইট করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ভক্তদের বিরাগভাজন হয়েছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ। বীরু নাকি নিজের টুইটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে নিয়ে উপহাস করেছেন।কী এমন টুইট করেছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ? বুধবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে ম্যাচ ছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। শেষদিকে ঝড় তুলে ১৫ বলে অপরাজিত ৫৬ রানের ইনিংস খেলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মুখ থেকে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিলেন নাইট রাইডার্সের প্যাট কামিন্স। তাঁর এই ইনিংস দেখে বীরন্দ্র শেহবাগ টুইট করেন, মুন সে নিভালা ছিন লিয়া, বড়া পাও ছিন লিয়া। প্যাট কামিন্স, ক্লিন হিটিংয়ের অন্যতম প্রদর্শন, ১৫ বলে ৫৬। শেহবাগের এই টুইট রোহিত ভক্তদের ভাল লাগেনি।কেন বড়া পাওর কথা বলেছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ? আসলে মুম্বইয়ের মানু্ষদের সবথেকে প্রিয় খাবার বড়া পাও। কামিন্সের ইনিংস দেখে তিনি বলেন, এটা মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ক্রিকেটারদের কাছ থেকে বড়া পাও কেড়ে নেওয়ার মতো। কামিন্সের এই ইনিংসে যেমন শেহবাগ থেকে অনেকেই মুগ্ধ, তেমনই অবাক কামিন্স নিজেও। তিনি যে ওইরকম বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন, কামিন্স নিজেও বিশ্বাস করতে পারছেন না। ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, এই রকম ইনিংস খেলে আমিই সবথেকে বেশি অবাক। সত্যিই আমি আনন্দিত। আমার প্রিয় জায়গায় বল পড়লেই উড়িয়ে দেব, একথা মাথায় রেখে ব্যাট করতে নেমেছিলাম। এর বেশি কিছু করার চেষ্টা করিনি।Moonh se nivala cheen liya ,, sorry vada pav cheen liya.Pat Cummins, one of the most insane display of clean hitting , 15 ball 56 Jeera Batti #MIvKKR pic.twitter.com/Npi2TybgP9 Virender Sehwag (@virendersehwag) April 6, 2022এই মরশুমে প্রথম ম্যাচে নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে নিজের পারফরমেন্সে খুশি কামিন্স। তিনি বলেন, প্রথম ম্যাচে নিজের পারফরমেন্সে আমি খুশি। স্টেডিয়ামের বাউন্ডারি ছোট ছিল। তার সুযোগ নিতে চেয়েছিলাম। ক্রিজে এসে একটা কথাই শুধু মাথায় ছিল, বাউন্ডারির বাইরে বল ওড়াতে হবে। সেই চেষ্টা করতেই সফল। লক্ষ্য ছিল কয়েকটা বড় শট খেলে ভেঙ্কটেশ আয়ারের কাজ সহজ করে দেওয়া। সেটা করতে পেরেছি। কামিন্সের ইনিংস দেখে মুগ্ধ কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। তিনি বলেন, অবিশ্বাস্য ইনিংস। এত জোরে বল মারছিল, এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পূর্ব কলকাতার মাহেশ্বরী সভার উদ্যোগে ১৩ তম বার্ষিক গাঙ্গোর মহোৎসব

সদ্য সমাপ্ত হোলিকা দহনের পরের দিন থেকে অর্থাৎ চৈত্রের নবরাত্রির তৃতীয় দিন (শুক্ল পক্ষের তৃতীয়া তিথি) থেকে ১৬ দিনব্যাপী গাঙ্গোর পুজোর বিধান আছে শাস্ত্রে। উত্তর ও পশ্চিম ভারতে বিশেষ করে রাজস্থানে বাংলার দুর্গাপুজোর মতোই মহা ধুমধামে এই উৎসব পালিত হয়। কলকাতাও এর ব্যতিক্রম নয়। শহরের পশ্চিম প্রান্ত বড়বাজারে আগে এই উৎসব সীমাবদ্ধ ছিল। এখন জন বিস্তৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই উৎসব পালিত হচ্ছে।২০০৯ সালে পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভা সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষের মঙ্গল কামনায় গাঙ্গোর উৎসব পালন করছে দুদিনব্যাপী। প্রতি বছরই কাঁকুড়গাছি সংলগ্ন রোজ ব্যাঙ্কয়েটে হাজার মানুষের সমাগম হয়। মূলত এই উৎসব পালিত হয় দেবাদিদেব মহাদেব,পার্বতী ও তাঁদের পুত্র গণেশের অর্চনার মধ্য দিয়ে। বিয়ের উপযুক্ত মেয়েরা মানত করেন মহাদেবের মত স্বামীর কামনায়। সদ্য বিবাহিত মেয়েরা অর্চনা করেন তাঁদের কাঙ্ক্ষিত মহাদেবের মত স্বামী পেয়ে । মেয়েরা গাঙ্গোর উৎসবে অংশ নিয়ে স্বামী সন্তানের মঙ্গল কামনা করেন।গাঙ্গোর মহোৎসবদুদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হবেন বিনোদন ও ক্রীড়া জগতের বেশ কিছু ব্যক্তিত্বরা এবং রাজনৈতিক নেতারাও। উৎসবের অন্যতম আয়োজক পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভার সভাপতি এবং বিশিষ্ট চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী হেমন্ত মার্দা। তিনি জানালেন, ধর্মীয় উৎসবের মধ্য দিয়ে মানুষের মিলন মেলায় থাকে তৃপ্তি সুখ। পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভা বছরব্যাপী সামাজিক দায়িত্বও পালন করে। কোভিড পরিস্থিতিতে মানুষের প্রয়োজনে খাদ্য,ওষুধ, ডাক্তার পরিষেবা এমনকি অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে রোগীদের সহায়তা করেছে। এ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার ব্যবস্থা করে রোগীদের হাসপাতালে পাঠানোরও ব্যবস্থা করেছে। এই বছর উৎসব উপলক্ষে প্রায় ২৫০ জন আর্থিকভাবে দুর্বল ছোট ছোট ছাত্রছাত্রীদের স্কুলের প্রয়োজনীয় খাতা, পেন, পেন্সিল তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে এই সামাজিক দায়বদ্ধতাকে প্রচারের আলোয় আনার কথা ভাবা হয় না। সকলের হাসিমুখ দেখার মধ্যেই যে নিবিড় শান্তি ও তৃপ্তি আছে আমাদের কাছে সেটাই কাম্য।গাঙ্গোর মহোৎসবদুদিনব্যাপী উৎসবের শুভ সূচনা করেন বৃহত্তর কলকাতা প্রদেশ মাহেশ্বরী সমাজের সভাপতি বিনোদ জাজু। তিনি বলেন, পূর্বাঞ্চল মাহেশ্বরী সভা প্রতি বছরের মত এবারও উৎসবের আয়োজন যেমন করেছে তেমন বছর ধরে সমাজসেবামূলক কাজে নিয়োজিত থাকে। যা প্রশংসার যোগ্য। উৎসবের প্রথম দিনে স্থানীয় বিধায়ক ও পুরপিতা পরেশ পাল সংগঠনের প্রশংসা করে বলেন, সামাজিক বিকাশের স্বার্থে সংগঠনের সব কাজেই যথাসাধ্য সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন - ভাওয়ার রাঠি, সুরেশ ঝাওয়ার, গোপাল দামানী, ভগবতী মুন্দ্রা, নারায়ণ মণিহার প্রমুখ। প্রথম দিনের পূজা পরিচালনা করেন বিজয় কোমল চান্দক। স্ত্রী আচারের অঙ্গ মেহেন্দি র আয়োজন করেন অনিতা রাঠী। প্রায় ২০০ মহিলা ভক্তকে মেহেন্দি পরান মঞ্জু ঝাওয়ার ও অঞ্জু ভূত্রা। মেহেন্দি অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যপূর্ণ রাজস্থানী গাঙ্গোর সঙ্গীত পরিবেশন করে তরুণীরা। সন্ধায় সংগঠনের সদস্য শিলজা ও বানোয়ারি বাহেটির বাসগৃহে অনুষ্ঠিত হয় সঙ্গীতানুষ্ঠান। ভক্তিমূলক গান রচনা করেন শশী কোঠারি ও বিনয় লাহোটি। সঙ্গীতে অংশ নেন প্রায় ১৬ জন নারীপুরুষ।শিল্পীদের তালিকায় ছিলেন ভামিকা মহতা, রুচিকা মাহেশ্বরী, পদ্মাবাগরি, রবি তাপারিয়া, গিরিরাজ কোঠারি প্রমুখ। গাঙ্গর গীত পরিবেশন করেন রাজকুমার দুজারি ও গিরিরাজ কোঠারি। বড়বাজার অঞ্চলে গত ১৫০বছর ধরে এই উৎসব পালিত হচ্ছে। পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভার সদস্যা রতন বাহেটি বলেন, উৎসবের মধ্য দিয়ে রাজস্থানী ঐতিহ্য অবলম্বন করে মানুষের সামাজিক মেলবন্ধন গড়ে তোলাই লক্ষ্য।দ্বিতীয়দিনের পূজা পরিচালনা করেন রেশমি ও রাজেশ চান্দক। প্রায় দুহাজার মহিলা ভক্তের উপস্থিতিতে উৎসব সফল হয়ে ওঠে। এই উৎসব সফল করে তুলতে সুনিতা বাহেটি, রাজকুমারী দামানী, লীলা মণিহার এর মত সদস্যাদের সহযোগিতা স্মরণীয়। উৎসবের দু দিনে সমাজের বিভিন্ন স্তরের বহু বিখ্যাত মানুষের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিশেষভাবে সক্ষমদের নিয়ে নতুন ভাবনা, সামিল টলি তারকারা

বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের জন্য নতুন ভাবনা চুপচাপ চার্লি। ড্রামা থেরাপির মাধ্যমে এই সকল শিশুদের যতটা পারা যায় স্বাবলম্বী করার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে। নাইজেল আকারা এই প্রোজেক্ট নিয়ে জানালেন, খুব চ্যালেঞ্জিং একটা প্রোজেক্ট। আমরা বাইরে থেকে আর্টিস্ট নিচ্ছি। যেমন দেবলীনা কুমার অ্যাসোসিয়েট হয়েছেন। দুর্নিবার একটা গান গাইছে। প্রাঞ্জ মিউজিক করছে। এছাড়া মনীষা ভট্টাচার্য বলে একজন সাইকোলজিস্ট কে আমাদের প্রোজেক্টে নিয়েছি। প্রাঞ্জ জানালেন, এই প্রোজেক্টে মিউজিক করতে পারাটা আমার কাছে বড় প্রাপ্তি। দুর্নিবার জানালেন, খুব ভালো অভিজ্ঞতা। ওদের সঙ্গে কাজ করতে পারাটা আমার কাছে খুবই এক্সাইটিং। অভিনেত্রী দেবলীনা কুমার জানিয়েছেন,বিশেষভাবে সক্ষম বাচ্চাদের নিয়ে কাজ হবে। তাদের নিয়ে নাটক মঞ্চস্থ হবে। আমি কিছু না ভেবেই হ্যাঁ বলেছিলাম। এদের সঙ্গে থাকলে প্রচুর পজিটিভিটি, প্রচুর এনার্জি পাওয়া যায়। আমার জন্য নতুন এক্সপিরিয়েন্স হবে।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নির্বাসনের মুখে পড়া বাংলার শাহবাজই ভরসা দিচ্ছেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে

কয়েকবছর আগে সিএবি কর্তাদের অন্তর্কলহের শিকার হতে হয়েছিল এই শাহবাজ আমেদকে। আদৌও তিনি বাংলার ক্রিকেটার কিনা, তা নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন। তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল সিএবি। শাহবাজের খেলার ওপর নিষেধাজ্ঞা। বেশ কিছুদিন মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছিল। বহিরাগত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আবার ক্লাব ক্রিকেটে ফেরা। সময়টা দুঃস্বপ্নের মতো কেটেছিল শাহবাজের। মনে হয়েছিল ক্রিকেটজীবনই শেষ হতে চলেছে। ফিরে যেতে চেয়েছিলেন হরিয়ানার গ্রামের বাড়িতে। ভেবেছিলেন ক্রিকেট ছেড়ে ইঞ্জিনিয়ারিংকেই পেশা হিসেবে বেছে নেবেন। আবার ফিরে যাবেন প্রিয় ক্যালকুলাসে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মুক্তি। আর আজ তিনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর সংসারে নায়ক।ক্রিকেটার না হলে অন্যখাতে বইত শাহবাজের জীবন। হয়তো নামী কোনও সংস্থায় ইঞ্জিনিয়ারের চাকরি নিয়ে পড়ে থাকতেন। সে সব কিছুই হয়নি। ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে হরিয়ানার ফরিদাবাদের পালোয়াল থেকে বাবামার হাত ধরে পাড়ি দিয়েছিলেন কলকাতায়। ৭ বছর আগে দলের মিডল অর্ডারে ভারসাম্য আনার জন্য এমন একজন ব্যাটসম্যান খুঁজছিলেন কলকাতার তপন মেমোরিয়ালের কোচ ধর্মেন্দ্র সিং, যিনি বোলিংও করতে পারেন। হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে এক পরিচিত শাহবাজ আমেদের ব্যাটিংয়ের ভিডিও পাঠিয়েছিলেন। পছন্দ হয় ধর্মেন্দ্রর। একদিন বাবামাকে সঙ্গে নিয়ে পালোয়াল থেকে কলকাতায় হাজির হন শাহবাজ। দুদিন নেটে দেখেই সই করানোর সিদ্ধান্ত। ধর্মেন্দ্র সিংয়ের হুগলির শ্রীরামপুরের বাড়িই হয়ে ওঠে স্থায়ী আস্তানা।ক্লাবের হয়ে প্রথম ম্যাচেই সাফল্য। বল হাতেও যে তিনি সমান দক্ষ সেদিনই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন শাহবাজ। আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। তপন মেমোরিয়ালের হয়ে প্রথম বছর সাফল্য। পরের মরশুমে বড় ক্লাবের প্রস্তাব সত্ত্বেও থেকে যান তপন মেমোরিয়ালেই। যে ক্লাব তাঁকে কলকাতা ময়দানে প্রতিষ্ঠা দিয়েছে তার প্রতি আনুগত্য দেখাতে কার্পন্য করেননি। ছোট ক্লাব থেকে বাংলা দলে সুযোগ পাওয়ার নজির তেমন নেই। শাহবাজ সেদিক দিয়ে ব্যতিক্রম। কোনও বয়সভিত্তিক বাংলা দলে না খেলেও সরাসরি সিনিয়র দলে।সিএবি কর্তাদের কাজিয়ায় একসময় বাংলায় খেলা অনিশ্চিত হয়ে উঠেছিল শাহবাজের। তিন বছর আগে শাহবাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে তিনি বহিরাগত। তপন মেমোরিয়ালের হয়ে ক্লাব ক্রিকেটে খেলার অধিকার নেই। মাস চারেকের জন্য নির্বাসিত। গঠিত হয় তদন্ত কমিটি। তিনি যে হরিয়ানা ছেড়ে স্থায়ীভাবে শ্রীরামপুরে বসবাস করছেন প্রমাণ হয়ে যায়। উঠে যায় নির্বাসন। সুযোগ পান বাংলা দলে। ২০১৮১৯ মরশুমে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে রনজি অভিষেক। তার আগে বাংলার হয়ে খেলে ফেলেছিলেন বিজয় হাজারে ট্রফি। যে দলের বিরুদ্ধে রনজি অভিষেক, সেই হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ২০২০র রনজি ট্রফিতে হ্যাটট্টিক।হরিয়ানায় হোমটাউন হলেও এখন বাংলাই তাঁর ঘরবাড়ি। শাহবাজের মুখে প্রায়শই শোনা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বাংলায় আছি। এখন বাংলাই আমার কাছে সবকিছু, আমার ভবিষ্যত। ক্রিকেটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছি। নিজে স্পিনার হলেও শাহবাজের প্রিয় বোলার বেন স্টোকস। তবে ভারতীয়দের মধ্যে ভাল লাগে রবীন্দ্র জাদেজাকে। জাদেজা ভারতীয় দলে যেরকম ভূমিকা পালন করেন, বাংলার হয়ে তেমন ভূমিকা পালন করতে চান শাহবাজ। তাঁর লড়াকু মানসিকতা দারুণ পছন্দ করেন বাংলার কোচ অরুণলাল। বিরাট কোহলিও শাহবাজের লড়াকু মানসিকতার ওপর আস্থা রেখেছিলেন। ক্যালকুলাস তাঁর খুবই পছন্দের বিষয়। অঙ্ক কষতে গেলে মাথা ঠান্ডা রাখতে হয়। মঙ্গলবার রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে কঠিন পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে নেমেছিলেন। ২৬ বলে ৪৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দলকে জয়ের মুখে পৌঁছে দিয়েছিলেন। তাঁর ব্যাটিংয়ে মুগ্ধ বিশেষজ্ঞরা। ম্যাচের পর শাহবাজ বলছিলেন, খুব কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ব্যাট করতে গিয়েছিলাম। আমার দক্ষতার ওপর অধিনায়ক আস্থা রেখেছিল, এতেই আমি খুশি। দীনেশ কার্তিক আমার চাপ কমিয়ে দিয়েছিল। শাহবাজ আরও বলেন, প্র্যাকটিস চালিয়ে যাচ্ছি। সেটা হলে দলের পক্ষেই ভালো। তবে কঠিন পরিস্থিতি থেকে দলের জয় নিশ্চিত করায় অবদান রাখতে পেরে ভালো লাগছে। ঠিক করেছিলাম, স্পিনারদের উইকেট দেব না। শিশির পড়ায় বল ব্যাটে আসছিল, তাই জোরে বোলারদের আক্রমণের রাস্তা বেছে নিই। দীনেশ কার্তিকের ঝোড়ো ব্যাটিং মোমেন্টাম তৈরি করে দেয়। ম্যাচের বয়স বাড়তেই খেলাও ক্রমে সহজ হয়ে যায়। ট্রেন্ট বোল্ট ১৮তম ওভার করতে আসার আগে আরসিবির ৩ ওভারে ২৮ দরকার ছিল। শাহবাজ প্রথম বলে রান পাননি, পরের তিনটি বলে চার, ছয় ও দুই রান নেন, পঞ্চম বলে আউট হন। ট্রেন্ট বোল্ট বাঁহাতি হওয়ায় সুবিধা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন শাহবাজ। বলেন, বড় শট নিতেই হতো। সেটা পারায় লক্ষ্যের দিকে আমরা আরও এগিয়ে যাই। দলকে জিতিয়ে আসতে না পারার জন্য আক্ষেপ রয়েছে শাহবাজের। হর্ষল প্যাটেল শাহবাজকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, আরও লম্বা ইনিংসের সাক্ষী থাকতে চাই আমরা। বিরাট কোহলিও শাহবাজের ইনিংসের প্রশংসা করেছেন। বাংলার অলরাউন্ডারের প্রশংসা করেছেন অধিনায়ক ফাফ দু প্লেসিও। তিনি বলেন, শাহবাজ বড় শট খেলতে পারদর্শী। বল হাতেও তিনি কার্যকরী ভূমিকা নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের আইপিএলে ২ ম্যাচে ২টি এবং গত মরশুমে ১১ ম্যাচে ৭টি উইকেট নিয়েছিলেন শাহবাজ।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
দেশ

এবার ওমিক্রণের থেকে বহু গুণ সংক্রামক নতুন এক্স-ই ভ্যারিয়েন্টের হদিশ দেশে

দেশে প্রথম ধরা পড়ল কোভিড এক্স-ই ভ্য়ারিয়েন্ট। বুধবার মুম্বাইতে করোনা ভাইরাসের নতুন XE রূপের প্রথম রিপোর্ট ধরা পড়েছে। ওমিক্রণের থেকেও বেশি সংক্রমণযোগ্য এই ভ্যারেয়েন্ট, মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। এই ভ্যারিয়েন্ট প্রথম মিলেছিল ব্রিটেনে। দেশে এই প্রথম নতুন ভ্যারিয়েন্ট ধরা পড়ায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।বিএমসি জানিয়েছে, ৫০ বছর বয়সী এক মহিলার শরীরে এক্স-ই ভাইরাস মিলেছে। তাঁর করোনা ভ্য়াক্সিন নেওয়া আছে। তাঁর শরীরে এখনও পর্যন্ত কোনও লক্ষণ দেখায়নি। ওই মহিলার কোমরবিডিটিও নেই।জানা গিয়েছে, পেশায় একজন কস্টিউম ডিজাইনার ওই মহিলা গত ১০ ফেব্রুয়ারী দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে মুম্বাই এসেছিলেন। ভারতে আসার পরে তিনি কোভিড -১৯-এর পরীক্ষা করেছিলেন। তখন কোভিড টেস্ট নেগেটিভ এসেছিল। কিন্তু গত ২ মার্চ রুটিন পরীক্ষার সময় তাঁর শরীরে পজিটিভ পাওয়া যায়। পরে তিনি মুম্বাইয়ের শহরতলির বান্দ্রার তাজ ল্যান্ডস এন্ডে কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। তবে পরের দিন তাঁর নমুনা নেগেটিভ আসে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল ত্রিপুরার শিল্পীদের মিউজিক ভিডিও 'হৃদি'

জি মিউজিক বাংলা থেকে মুক্তি পেল মিউজিক ভিডিও হৃদি। এই মিউজিক ভিডিওর সঙ্গে ত্রিপুরার সব শিল্পীরা যুক্ত রয়েছেন। ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন অনুপম গোস্বামী। সুরকার সুরজিৎ পটারী, গানের কথা লিখেছেন সৈকত সরকার, সঙ্গীত ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন তাপস ধর, গান গেয়েছেন অর্পিতা সরকার ও কিষাণ দাস এবং অভিনয় করেছেন পূজা দেবনাথ ও কর্ণজিৎ ভট্টাচার্য। মিউজিক ভিডিও নিয়ে অর্পিতা জনতার কথা কে জানালেন, হৃদির সঙ্গে ত্রিপুরার কিছু শিল্পী জড়িত রয়েছে। প্রত্যেকের প্রচেষ্টায়, প্রত্যেকের ডেডিকেশনে কাজটি মুক্তি পেল। গানের ব্যাপারে আপনাদের বলতে পারি গানটি তিন-সাড়ে তিন বছর আগে আমাকে পাঠানো হয়েছিল। এটা একটা ভালোবাসার গান যেখানে ছেলেটি তার প্রেমিকার প্রতি অনুভূতি প্রকাশ করছে। অর্পিতা আরও জানান,মিউজিক ভিডিওর গল্পটা খুব সহজ। আর সহজ জিনিসের সঙ্গেই অডিয়েন্সরা বেশি কানেক্ট করতে পারে। গানটি অনেক মানুষের কাছে পৌঁছেছে এবং তারা যতটা যেভাবে পারছে আরও আরও ভালোবাসা দিয়ে যাচ্ছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
বিদেশ

গভীর সঙ্কটে পরশি দ্বীপরাষ্ট্রঃ শ্রীলঙ্কার কেন এই দশা? পরিত্রাণের উপায় খুঁজছে দেশটি

ঋণগ্রস্ত হলে কী বেহাল দশা হয় এখন দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতি দেখে তা সহজেই অনুমান করা যায়। বিশ্ববাজার থেকে ঋণ ক্রমাগত ঋণ নিয়ে তার বোঝা বেড়ে গিয়েছে। একইসঙ্গে চরম খাদ্য সংকটে দেশটি। রয়েছে জ্বালানি সংকটও। মোদ্দা কথা সমস্ত দিক থেকে কোমর ভেঙে গিয়েছে প্রতিবেশি দেশটির। তারওপর দুডজনের বেশি মন্ত্রী এই বোঝা বইতে না পেরে পদত্যাগ করেছেন। নিদারুণ সংকটে জেরবার শ্রীলঙ্কা। কিন্তু কেন দেখা দিল এই জেরবার পরিস্থিতি?সরকার বিরোধী বিক্ষোভে টালমাটাল সারা শ্রীলঙ্কা। ইতিমধ্যে ২৬ জন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। অর্থনৈতিক সঙ্কটে বেলাগাম মূল্যবৃদ্ধি। প্রতি কিলোগ্রাম চালের দাম ২২০ টাকা। প্রতিটি জিনিষে হাত দিলেই ছ্যাঁকা লাগছে। ১৯৪৮-তে স্বাধীনতা অর্জনের পর এই প্রথম এমন ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটের কবলে দেশটি। এর আগে এলটিটিই গেরিলা যুদ্ধে দেশটির নাজেহাল অবস্থা হয়েছিল। এবার সামগ্রিক সঙ্কটের মধ্যে দেশটি। শ্রীলঙ্কা জ্বালানী নেই, বিদ্যুৎ নেই, খাবার নেই, এ এক চরম অরাজকতা। তার মধ্যে বিক্ষোভ দমন করছে সরকার। কয়েকশো বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতারও করেছে সরকার। জনরোষ ঠেকাতে কার্ফু জারি করতে হয়েছে। কীভাবে পরিস্থিতি আয়ত্বে আসবে তা খুব কঠিন বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।বিশ্বে এই দেশের ঋণের পরিমান কত, জানেন?বিশ্বের নানা ক্ষেত্র থেকে ঋণ নিয়ে দায়গ্রস্ত শ্রীলঙ্কা। বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি নানা দেশ থেকেও ঋণ নিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রটি। দীর্ঘ সেই তালিকা। শ্রীলঙ্কা এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক থেকে নিয়েছে ১৪.৬ শতাংশ, আন্তর্জাতিক সার্বভৌম বন্ড থেকে ঋণের পরিমান ৩৬.৪ শতাংশ। তাছাড়া প্রাথমিক ঋণদাতাদের মধ্যে রয়েছে জাপান, চিন এবং এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাঙ্ক(ADB)। প্রতিবেশি দেশের সঙ্কটে পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত সরকার। ১ বিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে শ্রীলঙ্কাকে। জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধ কিনতে সাহায্য করার জন্য। পাশাপাশি ডিজেল পাঠাচ্ছে ভারত। একইসঙ্গে ভারতের তরফে ৫০০ মিলিয়ন ডলার ক্রেডিট বাড়ানো হয়েছে। ঋণ শোধ করার জন্য কেউ সময় বাড়িয়েছে, কোনও দেশ আবার চাপও বাড়িয়েছে।কী করে পরিত্রাণ পেতে চাইছে শ্রীলঙ্কা?ঋণের বোঝা কমাতে উদ্যোগী হয়েছে শ্রীলঙ্কা। আপাতত ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ পরিশোধের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে দেশটি। পাশাপাশি শুধু অপরিহার্য পণ্য সামগ্রী বিদেশ থেকে আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্র। সারা দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষপত্র, বিশেষত খাদ্য ও জ্বালানী সঙ্কট তীব্র মাত্রা নিয়েছে। দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য আকাশছোঁয়ায় রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে দেশজুড়ে। সরকার মনে করছে, ঋণ শোধ করা এই মুহূর্তে খুব জরুরি। তবে এখন শ্রীলঙ্কা সরকারের ভান্ডারে রয়েছে ২.৩১ বিলিয়ন ডলার। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবও পড়েছে এই দেশে। কারণ বিশ্ববাজারে জ্বালানী তেলের দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। ঋণগ্রস্ত দেশটির তাই আরও নাজেহাল অবস্থা। শেষমেশ দেশে অশান্তি এড়াতে সেনা মোতায়েন করতে বাধ্য হয়েছে সরকার।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
দেশ

রেকর্ড দাম পেট্রল-ডিজেলের, ১৬ দিনে ১৪ বার মূল্য বৃদ্ধি

বেড়েই চলেছে পেট্রল-ডিডেলের দাম। রেকর্ড সংখ্যক ১৬ দিনে ১৪ বার বাড়ল জ্বালানী তেলের দাম। ইতিমধ্যে রাজ্যের ৬ জেলায় ডিজেলের দাম সেঞ্চুরি ছুঁয়েছে। পেট্রলের দাম পার করছে ১১৫ টাকা। উত্তরপ্রদেশসহ পাঁচ রাজ্যের নির্বাচন চলাকালীন দাম বাড়েনি পেট্রল-ডিজেলের। নির্বাচন মিটতেই লাগামছাড়া দাম বেড়ে চলেছে পেট্রপণ্যের। দোহাই দেওয়া চলছে আন্তর্জাতিক বাজারে যুদ্ধের জন্য তেলের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। কলকাতায় পেট্রলের দাম বাড়ছে ৮৪ পয়সা। এবার কলকাতায় এক লিটার পেট্রল কিনতে গুনতে হবে ১১৫টাকা ১২ পয়সা। এদিকে কলকাতায় ডিজেলের দাম বাড়ছে ৮১পযসা। কলকাতায় এক লিটার ডিজেল কিনতে ৯৯টাকা ৮৩পয়সা লাগবে। এদিকে শুধু পেট্রপণ্যের দাম বাড়েনি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে নিয়মিত। ভোজ্য তেল থেকে বিভিন্ন খাদ্যশস্যের ক্রয় করতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।পেট্রপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কড়া সমালোচনা করছে বিরোধী দলগুলো। পথে নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছে কংগ্রেস, তৃণমূল। যদিও বিজেপি নেতৃত্বের কথায়, রাজ্য সরকার শুল্ক কমালে এরাজ্যে দাম কমবে পেট্রল-ডিজেলের। পাশাপাশি অন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ছে বলেই এই মূল্যবৃ্দ্ধি, বলছেন বিজেপি নেতৃত্ব। যুক্তি, পাল্টা যুক্তি যাই দেওয়া হোক না কেন পেট্রপণ্যসহ নানান নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির জন্য সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার অবস্থা। অধিকাংশ দেশবাসীর এখন নুন আনতে পান্তা ফুরানোর পরিস্থিতি। অভিজ্ঞ মহলের মতে, ভোট এলেই প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দেয় রাজনৈতিক দলগুলো। ভোট পেরনোর পর সব ভোকাট্টা। জীবনযুদ্ধে কঠিন পরিস্থিতির শিকার হতে হয় আমআদমিকে।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

ঝালদায় বুধবার ১২ ঘন্টার বনধের ডাক কংগ্রেসের, গন্ডগোলের মাঝে পুরবোর্ড গঠন তৃণমূলের

কংগ্রেস নেতা তপন কান্দু খুন, সিবিআই তদন্ত শুরু, কংগ্রেসের বিক্ষোভে উত্তাল ঝালদা। এরইমধ্যে মঙ্গলবার এক নির্দল কাউন্সিলরের সমর্থনে ঝালদা পুরসভায় বোর্ড গঠন করল তৃণমূল কংগ্রেস। ঝালদার পুরপ্রধান হলেন সুরেশ আগরওয়াল ও উপপুরপ্রধান পদে এলেন সুদীপ কর্মকার। এদিকে এদিন কংগ্রেসের চার কাউন্সিলরও শপথ নেন। পুলিশি হেনস্থার প্রতিবাদে বুধবার ১২ ঘন্টার ঝালদা বনধের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস।এদিন ঝালদা শহরে মিছিল করে কংগ্রেস। কংগ্রেসের মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। ধস্তাধস্তি চলে কংগ্রেস কর্মী ও পুলিশের মধ্যে। ঝালদা পুরসভার বাইরে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে কংগ্রেস। পুরসভার ভিতরেও তান্ডব চলতে থাকে। তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দুর ওপর পুলিশি হেনস্তার প্রতিবাদে বুধবার ১২ ঘণ্টার ঝালদা বনধের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস। এদিকে কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। নিহতের স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু সিবিআই তদন্ত শুরু করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। খুনের ঘটনার মূল চক্রান্তকারী রূপে অভিযোগ উঠেছে ঝালদা থানার আইসি সঞ্জীব ঘোষের বিরুদ্ধে। যদিও জেলা পুলিশ সুপার আইসিকে ক্লিন চিট দিয়েছেন। তবে পূর্ণিমা নিজের অবস্থানে অনড়। তাঁর অভিযোগ, তপন কান্দু খুনের ঘটনায় ওই আইসি যুক্ত রয়েছেন।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইসিসি–র চেয়ারম্যান পদে সৌরভ গাঙ্গুলি–জয় শাহ লড়াই?

এই বছরের নভেম্বরে নভেম্বরে মেয়াদ শেষ হচ্ছে আইসিসির চেয়ারম্যার গ্রেগ বার্কলের। তাঁর পরিবর্তে নতুন চেয়ারম্যান কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। লড়াইটা শেষ পর্যন্ত দাঁড়াতে পারে তিন ভারতীয়র মধ্যে। এমন সম্ভাবনাই তৈরি হয়েছে। আইসিসির চেয়ারম্যান পদের জন্য সম্মুখসমরে নামতে পারেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি ও সচিব জয় শাহ। লড়াইয়ে সামিল হতে পারেন প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলির পুত্র রোহন জেটলিও। ২ বছর পরপর আইসিসির চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়। কোনও চেয়ারম্যান ৬ বছরের বেশি দায়িত্বে থাকতে পারেন না। ২০১৫ সালে শশাঙ্ক মনোহরের পর অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যান হিসেবে ১৪৫ দিন দায়িত্ব সামলেছিলেন সিঙ্গাপুরের ইমরান খোয়াজা। ২০২০র ২৪ নভেম্বর চেয়ারম্যানের দায়িত্বভার গ্রহন করেন গ্রেগ বার্কলে। চলতি বছরের নভেম্বরেই তাঁর ২ বছরের মেয়াদ পূর্ণ হচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, বার্কলে আর এই পদে থাকতে রাজি নন। তিনি অকল্যান্ডের খ্যাতনামা আইনজীবী। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের অনেক সংস্থার বোর্ডে রয়েছেন। কয়েকটি সংস্থার ডিরেক্টরের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন। ব্যস্ততার কারণেই তিনি আর আইসিসির চেয়ারম্যান পদে থাকতে চাইছেন না। আইসিসির বার্ষিক সাধারন সভা জুলাই মাসে। তখনও নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচন করা হবে। তবে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত বার্কলেই আইসিসি চেয়ারম্যান পদে থাকছেনই। চলতি সপ্তাহে আইসিসি বোর্ড মিটিং রয়েছে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আইসিসির পুরুষদের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান, তিনি দুবাইয়ে যাচ্ছেন। আইসিসির পরবর্তী চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য সৌরভের দিকেই যে বেশিরভাগের সমর্থন থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু লড়াইয়ে ডার্ক হর্স বিসিসিআই সচিব জয় শাহ। তিনি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট পদেও রয়েছেন।২০২৩ সালে একদিনের বিশ্বকাপ হবে ভারতে। এই সময় আইসিসিতে ভারতের কেউ চেয়ারম্যান পদে থাকলে ব্যাপারটা ভাল হবে। সেই কারণেই আইসিসির শীর্ষপদে যেতে আগ্রহী জয় শাহ। আইসিসির অন্য সদস্যদের সঙ্গে সৌরভ গাঙ্গুলির সম্পর্ক ভাল। তাঁরা সৌরভকে চেয়ারম্যান চাইছেন। তবে সৌরভ ও জয় শাহ যদি আইসিসির চেয়ারম্যান পদে লড়াই না করেন, তাহলে দিল্লি অ্যান্ড ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট রোহন জেটলি আইসিসির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হতে পারেন।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 48
  • 49
  • 50
  • 51
  • 52
  • 53
  • 54
  • ...
  • 144
  • 145
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বাংলার কোচ থেকে ঋষভদের ব্যাটিং গুরু! ইরানি কাপে বড় দায়িত্বে লক্ষ্মীরতন শুক্ল

শ্রীনগরে জম্মু-কাশ্মীরের বিরুদ্ধে অবশিষ্ট ভারতের ম্যাচে ব্যাটিং কোচের ভূমিকায় বাংলার কোচ | অধিনায়ক ঋষভ পন্থ, দলে সুদীপ ঘরামি-আকাশদীপ-মুকেশ কুমারবর্ধমান: বাংলার ক্রিকেটে কোচ হিসেবে সাফল্যের পর এবার আরও বড় মঞ্চে দায়িত্ব পেতে চলেছেন লক্ষ্মীরতন শুক্ল। আসন্ন ইরানি কাপে অবশিষ্ট ভারত (Rest of India) দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন বাংলার বর্তমান কোচ। অর্থাৎ, ঋষভ পন্থের নেতৃত্বাধীন তারকা-সমৃদ্ধ দলের ব্যাটিং বিভাগ সামলানোর দায়িত্ব উঠতে চলেছে বাংলার প্রাক্তন অধিনায়কের কাঁধে।যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি, ক্রিকেটমহলে খবর, লক্ষ্মীরতনের দায়িত্ব পাওয়া কার্যত নিশ্চিত। খুব শীঘ্রই বিসিসিআই এ বিষয়ে সরকারি ঘোষণা করতে পারে।ইরানি কাপে সাধারণত আগের মরসুমের রঞ্জি ট্রফি জয়ী দলের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হয় অবশিষ্ট ভারত। সেই নিয়ম অনুযায়ী এবার অবশিষ্ট ভারতের প্রতিপক্ষ জম্মু-কাশ্মীর। আগামী ১ থেকে ৫ অক্টোবর শ্রীনগরের শের-এ-কাশ্মীর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের।এই ম্যাচেই নতুন ভূমিকায় দেখা যেতে পারে লক্ষ্মীরতনকে। তবে তিনি দলের প্রধান কোচ হিসেবে নয়, ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন। তাঁর সঙ্গে বোলিং বিভাগে কাজ করতে পারেন ওড়িশা ও ভারতের প্রাক্তন পেসার দেবাশিস মোহান্তি। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট কোনও প্রধান কোচ ছাড়াই কোচিং ইউনিটের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।বাংলার কোচ হিসেবে লক্ষ্মীরতন শুক্লর কাজ নজর কেড়েছে। তাঁর কোচিংয়ে সাম্প্রতিক রঞ্জি মরসুমে বাংলার পারফরম্যান্সও ছিল উল্লেখযোগ্য। সেই অভিজ্ঞতা এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁর দীর্ঘদিনের কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই ইরানি কাপে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।এবারের অবশিষ্ট ভারত দলে রয়েছে একাধিক পরিচিত মুখ। দলের নেতৃত্বে থাকছেন ভারতের তারকা উইকেটকিপার-ব্যাটার ঋষভ পন্থ। সহ-অধিনায়ক সরফরাজ খান। বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য আরও বড় আকর্ষণ, দলে রয়েছেন বাংলার সুদীপ ঘরামি, আকাশদীপ এবং মুকেশ কুমার।তবে আকাশদীপের খেলা এখনও শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করছে। চিকিৎসকদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পাওয়ার পরেই মাঠে নামতে পারবেন তিনি।ইরানি কাপ বরাবরই ঘরোয়া ক্রিকেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। রঞ্জি ট্রফির সেরা দলের বিরুদ্ধে অবশিষ্ট ভারতের এই লড়াইয়ে জাতীয় দলের একাধিক ক্রিকেটারের পাশাপাশি উঠে আসা ঘরোয়া ক্রিকেটারদেরও নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ থাকে। সেই মঞ্চেই এবার ঋষভ পন্থদের ব্যাটিং শক্তিকে আরও ধারালো করার দায়িত্ব পেতে চলেছেন বাংলার লক্ষ্মীরতন শুক্ল।অবশিষ্ট ভারত দলের সম্ভাব্য সদস্যরাঋষভ পন্থ (অধিনায়ক), সনৎ সাঙ্গোয়ান, শিখর মোহন, সুদীপ ঘরামি, সরফরাজ খান (সহ-অধিনায়ক), স্মরণ রবিচন্দ্রন, মানব সুতার, সারাংশ জৈন, আকাশদীপ, মুকেশ কুমার, মুকেশ চৌধরী, আরিয়ান জুয়াল, আরিয়ান পান্ডে, অনুকূল রায়, আয়ুষ দোসেজা।সব মিলিয়ে, বাংলার কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লর জন্য ইরানি কাপ হতে চলেছে আরও একটি বড় পরীক্ষা। এবার তাঁর ব্যাটিং-পরামর্শে ঋষভ পন্থদের অবশিষ্ট ভারত শ্রীনগরের মাটিতে রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন জম্মু-কাশ্মীরের বিরুদ্ধে কতটা সফল হয়, সেদিকেই নজর থাকবে ক্রিকেটমহলের।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
দেশ

‘যারা ব্যাট করবে, তারাই আম্পায়ার বাছবে?’ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল বুধবার। ২০২৩ সালের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের পদ্ধতি এবং কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুনানির সময় ক্রিকেটের আম্পায়ারের উদাহরণ টেনে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত।২০২৩ সালের আইনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি বাছাই কমিটি রয়েছে। সেই কমিটিতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় এই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতির থাকার কথা বলা হয়েছিল। পরে সংসদে নতুন আইন পাশ হওয়ার পর প্রধান বিচারপতির জায়গায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রাখা হয়।এই নিয়োগ পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে মূল বিষয়ে মতভেদ দেখা যায়। বিচারপতি দত্তের মতে, বিষয়টি আগের সাংবিধানিক নীতির ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে। অন্য দিকে বিচারপতি শর্মা মনে করেন, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মামলাটি বৃহত্তর সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি পাঠাতে দুই বিচারপতিই সম্মত হন।শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে ক্রিকেটের উদাহরণ দেন বিচারপতি দত্ত। তিনি বোঝান, কোনও দল যদি নিজেরাই আম্পায়ার বেছে নেয়, তা হলে সেই আম্পায়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিলেও তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আম্পায়ার নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করলেও তাঁকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে বলে ইঙ্গিত করেন বিচারপতি দত্ত। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, কমিশনের স্বাধীনতা শুধু বাস্তবে থাকলেই হবে না, সাধারণ মানুষের কাছেও সেই স্বাধীনতা দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।বিচারপতি দত্ত আরও প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধে যাবেন কি না। তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, এই পরিস্থিতিতে তিন সদস্যের কমিটিতে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এগুলি মামলার শুনানিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ; আদালত এখনও ২০২৩ সালের আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেনি।এই মামলার সূত্রেই ২০২৩ সালের আইন এবং তার আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী নিয়োগ ব্যবস্থার পার্থক্যও সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে সংসদ আইন না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে সংসদ আইন করে সেই কাঠামোয় পরিবর্তন আনে।এদিকে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যেই নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই শুনানি বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য সেই প্রতিবেদনে ওঠা মতবিরোধের দাবি নস্যাৎ করে জানিয়েছে, এসআইআর-সহ কমিশনের সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বর্তমান পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক প্রশ্ন, অন্য দিকে কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কদুই বিষয়ই একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। এখন নজর থাকবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে যাওয়ার পর এই মামলায় পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠিত হয় কি না এবং শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের নিয়োগ আইন নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিরাট খবর! মার্চের মধ্যে দেড় লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ

রাজ্যে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় খবর। বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহু পদ খালি পড়ে রয়েছে। কর্মীর সংখ্যা কম থাকায় একাধিক দপ্তরে কাজের চাপ বেড়েছে। সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মী ঘাটতির প্রভাব পড়ছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শূন্যপদ পূরণে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।এর আগে বিভিন্ন দপ্তরকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদগুলির মধ্যে কোন পদগুলি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছিল। সব শূন্যপদ একসঙ্গে পূরণ না করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।বুধবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পর সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতি পেতে চলেছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে। মোট ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদের মধ্যে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে ২০ হাজার পদ রয়েছে। রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ পূরণের কথা বলা হয়েছে।চলতি বছরে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের বাজেটেও বড় ঘোষণা হয়েছিল। জুনে পেশ করা ২০২৬-২৭ সালের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানানো হয়েছিল। তার মধ্যে পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ৫০ হাজার পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল।এখন বুধবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের যে খবর সামনে এসেছে, তাতে চাকরিপ্রার্থীদের নজর স্বাভাবিক ভাবেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরবর্তী সরকারি নির্দেশিকার দিকে। কোন দপ্তরে কত পদ, কোন পদে কী যোগ্যতা এবং নিয়োগের পদ্ধতি কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা সরকারি পদগুলি পূরণ হলে এক দিকে যেমন বহু চাকরিপ্রার্থী নিয়োগের সুযোগ পাবেন, অন্য দিকে সরকারি দপ্তরগুলির কর্মী ঘাটতিও কিছুটা কমতে পারে। তবে কবে থেকে আবেদন শুরু হবে এবং কোন কোন পদে ধাপে ধাপে নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সরকারি বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ধুঁয়াধার অ্যাকশনে রাহুল গান্ধী, মোদী সরকারের রক্তচাপ বাড়িয়ে এবার 'বিস্ফোরক' মন্তব্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা Special Intensive Revision (SIR) ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনের অন্দরে SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির খবর প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার কমিশনকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে রাহুলের দাবি, ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং সংবিধানের উপর সরাসরি আঘাত।রাহুল গান্ধী লেখেন, ভারতে ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আমাদের সংবিধানের উপর সরাসরি আক্রমণ। বিজেপি, আরএসএস এবং নির্বাচন কমিশন যারা এটি করেছে, তারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছে। ভিডিয়ো বার্তাতেও নির্বাচন কমিশন ও ভোট আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যা করছেন তা ভুল এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা সিংভিরএই বিতর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও নিশানা করেছেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার দেশের মানুষ এবং নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের বিভ্রান্ত করেছেন। সিংভির দাবি, নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়ার কথা হলেও কমিশনের অভ্যন্তরে এক ধরনের ইন্টারনাল বুলডোজার কাজ করছে।সিংভি আরও অভিযোগ করেন, একজন ব্যক্তির হাতেই যদি কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে থাকে, তাহলে বাকি নির্বাচন কমিশনারদের ভূমিকা কীসেই প্রশ্ন উঠছে। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি সংখ্যাগরিষ্ঠতাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।তদন্তের দাবি প্রিয়াঙ্কারবিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। নির্বাচন কমিশনাররাই যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রিয়াঙ্কার কথায়, এই বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন। এটিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।কী রয়েছে রিপোর্টে?বুধবার প্রকাশিত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি গত ১০ মাসে SIR এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে অন্তত ১৪ বার আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনের দাবি, একটি দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, Form 6-এ পরিবর্তন, ভোটার ডেটাবেসে অ্যাক্সেস কেন্দ্রীভূত করা, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার যুক্ত করার মতো বিষয় নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের অজ্ঞাতে নেওয়া হয়েছে বলেও দুই কমিশনারের তরফে আপত্তি জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া ভোটার সংক্রান্ত সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের বিষয়েও দুই কমিশনার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে চিঠিপত্র চালাচালির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন SIR নিয়ে কমিশনের অন্দরে কোনও বিভাজনের দাবি খারিজ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নোট, পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়া প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ এবং SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

'জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে পুরনো ভোটার তালিকায় বাংলায় ভোট', এবার মমতার তোলপাড় ফেলা দাবি, কিন্তু কেন?

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতারের দাবি তোলার পাশাপাশি পুরনো ভোটার তালিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ফের বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে মমতা অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য আপত্তি তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, এতদিন যে অভিযোগগুলি তৃণমূলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছিল, সাম্প্রতিক রিপোর্টে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন কমিশনের অন্দরে বিভাজন বা অনিয়মের অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছে, SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।একটি ভিডিয়ো বার্তায় জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে মমতা বলেন, তাঁর পদে থাকার কোনও নৈতিক অধিকার নেই এবং তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। এই দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনেরও ডাক দেন তিনি। মমতার অভিযোগ, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগমমতা আরও অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ কুমার পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজি না হলে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুরনো ভোটার তালিকায় পুনর্নির্বাচনের দাবিSIR নিয়ে সাম্প্রতিক রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে মমতা দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপি সংক্রান্ত তাঁদের অভিযোগ এখন আরও জোরালো হয়েছে। তাঁর দাবি, পুরনো ভোটার তালিকা ফিরিয়ে এনে বাংলায় নতুন করে নির্বাচন করতে হবে।মমতা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাঁর বক্তব্য, যতদিন জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে থাকবেন, ততদিন দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নিনির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ করে মমতা বলেন, এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিরোধী মতের মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কমিশনারদের মধ্যে নোট, পর্যবেক্ষণ বা প্রযুক্তিগত বিষয়ে মতামত বিনিময় প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ। SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতি ছিল বলেও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নওশাদের আইএসএফের প্রতীক হাতছাড়া, হাই কোর্টে উঠল কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় প্রশ্ন

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক খাম নিয়ে নতুন করে আইনি জট তৈরি হয়েছে। প্রতীকটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর দল। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানির পর নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।২০২১ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। দলটির প্রতিষ্ঠাতা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। শুরু থেকেই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন তাঁর ভাই নওশাদ সিদ্দিকী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে খাম প্রতীক নিয়ে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন নওশাদ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও ভাঙড় থেকে একই খাম প্রতীক নিয়ে লড়াই করে জয় পান নওশাদ। আইএসএফের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতীক দলের সঙ্গে যুক্ত। চলতি বছরের মার্চেও প্রতীকটি নিয়ম মেনে নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে।কিন্তু উপনির্বাচনের আগে পরিস্থিতি বদলে যায়। নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম প্রতীক বরাদ্দ করে। অন্য দিকে, আইএসএফকে দেওয়া হয় আলমারি প্রতীক। এই সিদ্ধান্তের পরই আপত্তি জানিয়ে কমিশনের কাছে চিঠি দেন নওশাদ। পরে প্রতীক ফিরে পাওয়ার দাবিতে হাই কোর্টে মামলা করে আইএসএফ।বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, একই প্রতীক কীভাবে দুটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। আদালতের প্রশ্ন ছিল, একই প্রতীক নিয়ে দুটি দল নির্বাচনে অংশ নেবে কীভাবে। এই বিষয়ে কমিশনের বক্তব্য জানার পাশাপাশি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আইএসএফের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে খাম প্রতীকটি আইএসএফ ব্যবহার করে আসছে। সেই প্রতীকই পরে অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, আইএসএফ একটি অনস্বীকৃত রাজনৈতিক দল এবং তাদের জন্য খাম কোনও সংরক্ষিত প্রতীক নয়। কমিশনের যুক্তি, এই ধরনের প্রতীক অবাধ বা মুক্ত প্রতীকের তালিকায় থাকলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তা অন্য দলকেও দেওয়া যেতে পারে।এই যুক্তির পরেই আদালত জানতে চায়, একই প্রতীক নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেবে কী ভাবে। বিষয়টি স্পষ্ট করতে কমিশনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে।প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে খাম প্রতীক নিয়ে আইএসএফ ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে আদালত এখনও প্রতীকটি আইএসএফকে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশ থেকে ফিরেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে’, নিশানায় বিজেপি

প্রায় তিন সপ্তাহ বিদেশে থাকার পর চোখের চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিষেক।দমদম বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জোর করে বাংলা দখল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিজেপির পরিস্থিতি সারা দেশেই খারাপ বলে দাবি করেন তিনি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অভিষেক আরও বলেন, সাংবিধানিক পদে বসিয়ে কোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তার ফল ভুগতে হবে। তাঁর কথায়, যাঁরা এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের ভবিষ্যতে জেলে যেতে হতে পারে। বিচারব্যবস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজের মতো করে চালানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ভোটার তালিকা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গও উঠে আসে অভিষেকের বক্তব্যে। যাঁরা ভোট দিতে পারেননি, তাঁদের চোখের জল বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভোটাধিকার নিয়ে যে কোনও অভিযোগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অন্দরমহল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফেরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও দুই কমিশনার প্রশ্ন তুলেছিলেন। ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ আরও কেন্দ্রীয়করণের বিষয়েও তাঁদের আপত্তি ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।নতুন ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ছয় নম্বর ফর্মে সংশোধন নিয়েও আপত্তির কথা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন ফর্মে আবেদনকারীর নিজের বা তাঁর বাবা-মা কিংবা দাদু-ঠাকুমার নাম আগের বিশেষ নিবিড় সংশোধনের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনারের তরফে অননুমোদিত এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানানোর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে নির্বাচন কমিশন এই ধরনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রকাশিত দাবিকে নস্যাৎ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন-সহ কমিশনের সমস্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত মতামত বা নথিতে কোনও প্রশ্ন তোলা হয়ে থাকলেও সেটিকে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূলের তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিষেকও এর আগে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি জানিয়েছিলেন। আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত করে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।অভিষেকের অভিযোগ ছিল, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যদি কোনও ভাবে বহু মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে, তা গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর বিষয়। তবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক দাবি হিসাবেই রয়েছে; নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করেনি।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যের লিখিত আপত্তির দাবি, অন্য দিকে কমিশনের সর্বসম্মতির বক্তব্যদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর বিদেশ থেকে চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরেই এই প্রসঙ্গে অভিষেকের কড়া মন্তব্য সেই বিতর্কে আরও রাজনৈতিক উত্তাপ যোগ করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়েই নির্বাচন কমিশনে বিস্ফোরণ! ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি দুই কমিশনারের

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধের দাবি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের আপত্তির মধ্যে নতুন ভোটারের নাম যোগ করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফের যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফর্ম ছয়ে পরিবর্তন আনা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। নতুন ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য এই ফর্ম ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি ফর্মে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু নতুন তথ্য চাওয়া হয়েছিল। সেখানে নতুন ভোটারকে জানাতে হত, আগের এসআইআরের ভোটার তালিকায় তাঁর নিজের, বাবা-মা অথবা দাদু-ঠাকুমার নাম ছিল কি না।সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনার অনুমোদনহীন এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল, সংশ্লিষ্ট নিয়মে পরিবর্তন না করে ফর্মে এই ধরনের নতুন তথ্য যোগ করা যায় কি না, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও ওই পরিবর্তন সরানো হয়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।শুধু ফর্ম ছয় নয়, ভোটার তালিকা তৈরির পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। দুই কমিশনার ভোটার তালিকা তৈরির তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা আরও বেশি কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ভোটার তালিকা তৈরিতে স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ভূমিকা ও ক্ষমতা কমে যাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একটি সিদ্ধান্ত ও নির্দেশিকা নিয়ে একই দিনে চার বার আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। তাঁদের একাধিক আপত্তির মধ্যে ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ছিল। এমনকি এই সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আমলার কাছেও বিষয়টি জানিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তবে এই প্রতিবেদনের মূল দাবিগুলি খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সূত্রের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে কোনও বিষয়ে লিখিত মতামত বা আপত্তি থাকা মানেই সেটি কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মতবিরোধ প্রমাণ করে না। কমিশনের দাবি, এসআইআর-সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছে।ফলে বর্তমানে বিষয়টি ঘিরে দুই ধরনের বক্তব্য সামনে এসেছে। এক দিকে সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দুই কমিশনারের একাধিক লিখিত আপত্তির দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিন সদস্যের মধ্যে কোনও মতবিরোধ ছিল না। এই দুই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তৃণমূলের তরফে গোটা বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে এটি তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ এবং এখনও এমন কোনও চূড়ান্ত প্রমাণ বা আদালতের রায় সামনে আসেনি যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছিল।এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। তার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই দুই কমিশনারের একাধিক আপত্তির এই দাবি সামনে আসায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে সত্যিই কোনও অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ছিল কি না, তা নিয়ে আপাতত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই পক্ষের দাবিই সামনে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal