• ২ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৮ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IC

বিনোদুনিয়া

পোস্টকার্ডে বিশেষ ভাবনা, সঙ্গে গান

সময়টা বড়ই আধুনিক। যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও তার প্রভাব যথেষ্ট। সেই রানারের চিঠি বিলির দিন আজ অনেকটাই সরকারি কাজে, না হলে খুব প্রয়োজনে, এছাড়া চিঠি-চাপাটির দিন আজ অনেকটাই সেকেলে।আধুনিকতার ছোঁয়ায় ইউটিউবে আজ মানুষ ভ্লগ দেখেন, ইমেল, হোয়াস্ট অ্যাপে মনের কথা, কাজের কথা আদান প্রদান করেন। একটা সময় ছিল যখন চিঠি লেখা ছিল অন্যতম যোগাযোগের মাধ্যম। যেহেতু মানুষের প্রয়োজনের মাধ্যম ছিল তাই অনেক সচেতনতা সংক্রান্ত বিষয়ও পোস্টকার্ডে ছাপা হতো। দেওয়া হতো নানা রকমের বিজ্ঞাপন। আজ এই সব অনেকটাই অতীত।সচেতনার পাঠে পোস্টকার্ড ব্যবহার এখন তেমন ভাবে চল না থাকলেও একটা সময় পোলিও দূরীকরণ কর্মসূচীর বিজ্ঞাপন বেশ চোখে পড়তো।থাকতো সিনেমার বিজ্ঞাপন, নানা রকম বানিজ্যিক দ্রব্যের বিজ্ঞাপনও। ডাক বিভাগের এছিল আয়ের এক সূত্র।সেটা আজ অতীত হলেও এই প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের কাছে পোস্টকার্ডের সেই চিঠি পাঠানোর নস্টালজিয়াকে উস্কে দিল সেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশন। এবার পোস্টকার্ডে জনসংযোগে নামলেন থ্যালাসেমিয়া সংক্রান্ত সচেতনতাকে কাজে লাগাতে। এই বিষয়ে সারা বছর নানা কর্মযজ্ঞে নিয়োজিত প্রাণ এই সংস্থা এবার পোস্টকার্ড পাঠালো বিভিন্ন ক্লাব, সামাজিক সংস্থার কর্মী-সদস্যদের। উদ্যেশ্য একটাই, থ্যালাসেমিয়া বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি। তবে পন্থা একটু অন্যরকম।এর উপরি পাওনা আন্তর্জাতিক সঙ্গীত দিবসের প্রাক্কালে বিশ্ব সঙ্গীতের আঙ্গিনায় সনামধন্য কৃতি সঙ্গীত শিল্পীদের পোস্টকার্ডে স্মরণ। পোস্ট কার্ডের একপাশে যেমন আছে থ্যালাসেমিয়া সংক্রান্ত সচেতনতার কথা, অপর দিকে আছে এলভিস প্রিসলি, ম্যাডোনা, সলিল চৌধুরী, রাহুল দেব বর্মণ, জন লেনন-এর মতো সঙ্গীতজ্ঞদের সম্পর্কিত কিছু তথ্য। গানের ভুবনে যাঁদের কৃতিত্ব অনস্বীকার্য এই পোস্টকার্ড থ্যালাসেমিয়া সচেতনতার পাশাপাশি ওঁদেরকেও স্মরণ করায়। এই ভাবনা প্রসঙ্গে সংস্থার সম্পাদক সঞ্জীব আচার্য বলেন, পোস্টকার্ড হলো জনসংযোগের সব থেকে পকেটফ্রেন্ডলি মাধ্যম। এত সস্তায় আম আদমি পোস্টকার্ড ছাড়া নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখত না। এখন এসব অতীত। এখন পোস্টকার্ডের দাম কত জিজ্ঞাসা করলে অনেকেই বলতে পারবেননা। আমরা সেই নস্টালজিয়াটাকে ফিরে দেখলাম এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে কেন্দ্র করে। তিনি আরও জানান, গানের এই বিশেষ দিনকে মনে করলাম বিশ্বসঙ্গীতের কয়েকজন কিংবদন্তিকে যাঁরা সঙ্গীতের মাধ্যমে মানুষের সেবা করেছেন। মিউজিক থেরাপি। মানুষের মন ভালো রাখার ওষুধ। এই দুই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে মাথায় রেখেই আমরা এবার পোস্টকার্ডে জনসংযোগে নামলাম।

জুন ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সিরিজ নির্ণায়ক ম্যাচের আগে ঋষভকে নিয়ে কেন চিন্তা ভারতীয় শিবিরে?‌

দারুণ জমে উঠেছে ভারতদক্ষিণ আফ্রিকা টি২০ সিরিজ। প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে সিরিজে এগিয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশাখাপত্তনম ও রাজকোটে জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে ভারত। রবিবার বেঙ্গালুরুতে সিরিজ নির্ণায়ক ম্যাচ। ছন্দে ফেরা ভারত যে এগিয়ে থেকে মাঠে নামবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে এখনও টি২০ সিরিজ জিততে পারেনি ভারত। রবিবার বেঙ্গালুরুতে জিতলে নজির গড়বে ঋষভ পন্থের দল। ২০১৫ সালে ভারত সফরে এসে দক্ষিণ আফ্রিকা তিন ম্যাচের টি২০ সিরিজ জিতেছিল ২০ ব্যবধানে। ২০১৯ সালের টি২০ সিরিজ ১১ ড্র হয়। এছাড়া ২০১৬ সালে টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে ওয়াংখেড়েতেও ভারতকে ৪ রানে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। চলতি সিরিজে ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগছে প্রোটিয়ারা। সিরিজের প্রথম ম্যাচে দিল্লিতে ভারতের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড গড়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। আর আগের ম্যাচে রাজকোটে দক্ষিণ আফ্রিকা টি২০ আন্তর্জাতিকে সবচেয়ে কম রানের রেকর্ড গড়েছে। তবে সিরিজ নির্ণায়ক ম্যাচে যে অন্য লড়াই হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। তবে ভারতীয় বোলারদের বিরুদ্ধে চাপে থাকবে প্রোটিয়ারা। যার প্রমাণ আগের দুটি ম্যাচেই দেখা গেছে। বিশাখাপত্তনম ও রাজকোটে দক্ষিণ আফ্রিকা পুরো ২০ ওভারও ব্যাট করতে পারেনি। দারুণ দাপট দেখিয়েছিলেন আবেশ খানরা। বোলাররা দারুণ ছন্দে থাকলেও ব্যাটিং নিয়ে চিন্তায় ভারত। অস্বস্তির কারণ অধিনায়ক ঋষভ পন্থের ফর্ম এবং তাঁর আউট হওয়ার ধরণ। শ্রেয়স আয়ারও সেরা ছন্দে নেই। ঋতুরাজ গায়কোয়ারের ব্যাটেও ধারাবাহিকতার অভাব। তবে টি২০ বিশ্বকাপের দলে জায়গা পাওয়ার লক্ষ্যে বেঙ্গালুরুতে নিজেদের প্রমাণ করতে মুখিয়ে থাকবেন শ্রেয়স আয়ার ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। আগের ম্যাচে টপ অর্ডারের ব্যর্থতা ঢেকে দিয়েছিলেন দীনেশ কার্তিক ও হার্দিক পান্ডিয়া। বেঙ্গালুরুতে এই দুই ব্যাটারের দিকে তাকিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টন। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ঘুরে দাঁড়াতে গেলে পারফরমেন্সে উন্নতি ঘটাতে হবে। রাজকোটে কাগিসো রাবাডা ও ওয়েন পার্নেলের অভাব প্রকট হয়েছে ডেথ ওভারে। শেষ পাঁচ ওভারে ভারত ৭৩ রান তুলে ফেলে। অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা ব্যাট হাতে তেমন কিছু করতে না পারলেও তাঁর অধিনায়কত্বের প্রশংসা অনেকেই করছেন। আগের ম্যাচে চোট পেয়ে তিনি অনিশ্চিত। যদি একান্তই খেলতে না পারেন, তাঁর আভাব বোধ করবে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেক্ষেত্রে দলকে নেতৃত্ব দেবেন কেশব মহারাজ।

জুন ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সেমিফাইনালেই স্বপ্ন শেষ, আত্মতুষ্টির খেসারত দিতে হল বাংলাকে

কোয়ার্টার ফাইনালে ঝাড়খণ্ডের বাধা টপকানোর পর ফাইনালের স্বপ্ন দেখেছিল বাংলা। ব্যাটারদের দুরন্ত ফর্মই আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছিল বাংলা শিবিরকে। ভেবেছিল মধ্যপ্রদেশের বাধাও অনায়াসে টপকে যাবে। কিন্তু স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেল। আত্মতুষ্টির খেসারত দিতে হল বাংলাকে। যেমনটা ঘটেছিল ২০১৪ সালে। আলুরে সেমিফাইনালেই শেষ হয়ে গেল অভিমন্যু ঈশ্বরণের দলের রনজি অভিযান। বাংলাকে ১৭৪ রানে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেল মধ্যপ্রদেশ। তাদের সামনে এবার মুম্বই। জয়ের জন্য ৩৫০ রানের লক্ষ্য নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেছিল বাংলা। দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল। চতুর্থ দিনের শেষে বাংলার রান ছিল ৪ উইকেটে ৯৬। পরাজয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। ম্যাচের শেষ দিনের খেলায় ব্যাঘাত ঘটায় বৃষ্টি। বৃষ্টির কারণে মাঠ ভিজে থাকায় খেলা শুরু হয়েছিল নির্ধারিত সময়ের অনেকটাই দেরিতে। দিনের দ্বিতীয় বলেই অনুষ্টুপ মজুমদারের উইকেট তুলে নেন গৌরব যাদব। অনুষ্টুপ মজুমদার ২৬ বলে ৮ রান করে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। এরপর শাহবাজ আমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। যদিও দুজনে মিলে জুটিতে ৩৮ রানের বেশি তুলতে পারেননি।চুয়ান্নতম ওভারের প্রথম বলেই অভিমন্যুকে তুলে নেন কুমার কার্তিকেয়। ১৫৭ বলে ৭৮ রান করে বোল্ড হন বাংলার অধিনায়ক। এদিন প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৫ হাজার রানের গণ্ডি টপকে গেলেন অভিমন্যু। খেললেন ৭২ ম্যাচ। অভিমন্যু যখন আউট হন বাংলার রান তখন ৬ উইকেটে ১৩৫। ২ ওভার পরেই সায়নশেখর মণ্ডল আউট হন। ৬ বলে মাত্র ১ রান করে তিনি সারাংশ জৈনের বলে এলবিডব্লু হন। ৫৯.২ ওভারে বাংলার অষ্টম উইকেট পড়ে। ১৩ বলে ৫ রান করে আউট হন প্রদীপ্ত প্রামানিক। তিনি কার্তিকেয়র পঞ্চম শিকার। ৬৩.৪ ওভারে আকাশ দীপ (১১ বলে ২০) আউট হন গৌরব যাদবের বলে। বাংলার রান তখন ১৭১। ১ ওভার পরেই মুকেশ কুমারকে (৪ বলে ৪) তুলে নিয়ে বাংলার ইনিংস শেষ করে দেন গৌরব যাদব। ১৭৫ রানে গুটিয়ে যায় বাংলার ইনিংস। ৮২ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন শাহবাজ আমেদ। ৬৭ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট নেন কুমার কার্তিকেয়া। প্রথম ইনিংসে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮ উইকেট। গৌরব যাদব ১৯ রানে নেন ৩ উইকেট। সারাংশ জৈন নেন ২ উইকেট। ম্যাচের সেরা হয়েছেন হিমাংশু মন্ত্রী।

জুন ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সিরিজের সমতা ফেরানোর আগে ঋষভকে নিয়ে কেন বিশেষ ক্লাস দ্রাবিড়ের?‌

প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে সিরিজে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশাখাপত্তনমে তৃতীয় ম্যাচ জিতে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে ভারতীয় শিবিরে। আজ রাজকোটে সিরিজে সমতা ফেরানোর লড়াই ঋষভ পন্থদের সামনে। প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে মাঠে নামার আগে ভারতীয় শিবিরকে চিন্তায় রাখছে ব্যাটারদের ফর্ম। ব্যাটারদের রানে ফেরার পাশাপাশি মন্থর পিচের দিকেও তাকিয়ে ভারত। কারণ, মন্থর পিচে প্রোটিয়া ব্যাটারদের কাবু করার পরিকল্পনা। ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগছে ভারতীয় দলের ব্যাটিং। প্রথম ম্যাচে বড় রান করলেও কটকে দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যর্থ। বিশাখাপত্তনমে তৃতীয় ম্যাচে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ঈশান কিষান বড় রানের ভিত গড়ে দিলেও মিডল অর্ডার চূড়ান্ত ব্যর্থ। বিশেষ করে একেবারেই চেনা ছন্দে নেই অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও শ্রেয়স আয়ার। শ্রেয়স আয়ার তিনে নেমে দিল্লি ম্যাচে ২৭ বলে ৩৬ রান, কটকে ৩৫ বলে ৪০, বিশাখাপত্তনমে ১১ বলে ১৪ করেন। শ্রেয়স তিন ম্যাচে যেভাবে খেলেছেন তাতে বিরাট কোহলি, সূর্যকুমার যাদবরা এসে গেলে তাঁর প্রথম একাদশে জায়গা ধরে রাখা কঠিন হয়ে যাবে। পেসারদের বিরুদ্ধে তাঁকে আগ্রাসী হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। চলতি সিরিজে পেসারদের ৪৬ বলে ৩৮ রান করেছেন শ্রেয়স। স্পিনারদের বিরুদ্ধে তিনি ২৭ বলে করেছেন ৫২। এই অবস্থায় আজ রাজকোটের ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে শ্রেয়সের দিকে থাকবে নজর।ঋষভ পন্থও চেনা ছন্দে নেই। চলতি বছর ফেব্রুয়ারির পর থেকে সাদা বলের ক্রিকেটে তাঁর অর্ধশতরান নেই। এমনকি আইপিএলেও হাফ সেঞ্চুরি পাননি। ভারতের এখন বাকি দুটি ম্যাচই ডু অর ডাই। চার নম্বরে পন্থ যাতে ব্যাট হাতে স্বমহিমায় ফেরেন সেজন্য বৃহস্পতিবার নেটে তাঁর ক্লাস নিতে দেখা গিয়েছে হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়কে। ব্যাটিং স্টান্স কেমন হবে, কীভাবে কোন শট মারতে হবে সেই সংক্রান্ত পরামর্শই পন্থকে দিয়েছেন দ্রাবিড়। এই ক্লাসের সুফল আজ দেখা যাবে কিনা তা বলবে সময়।এদিকে সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে ভারত তাকিয়ে মন্থর উইকেটের দিকে। সেই কথাই শোনা গেছে দলের জোরে বোলার হর্ষাল প্যাটেলের মুখে। তিনি বলেন, আমরা মন্থর পিচে খেলতে ভালবাসি। এই ধরণের উইকেটে লড়াইয়ের সুযোগ থাকে। যদিও রাজকোটে গতিময় উইকেটে খেলতে হবে না দুই দলকে। রাজকোটের উইকেটে রান আছে। ফলে বড় স্কোরের ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ভারত প্রথম দুটি ম্যাচে হেরে যাওয়ার পরেও তৃতীয় টি ২০ আন্তর্জাতিকে প্রথম একাদশে বদল আনেনি। ফলে ধরে নেওয়াই যায় রাজকোটে উইনিং কম্বিনেশনই ধরে রাখবে ভারত। ফলে উমরান মালিক ও অর্শদীপ সিংকে অভিষেকের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

জুন ১৭, ২০২২
রাজ্য

আজব ঘটনা! পেটের ভিতরে ২৫০টি পেরেক সঙ্গে ৩৫টি কয়েন, বর্ধমান হাসপাতালে অস্ত্রোপচারে সুস্থ মইনুদ্দিন

এক আধটা নয় পেটের মধ্য়ে ছিল ২৫০টি পেরেক। শুধু পেরেক খেয়ে সন্তুষ্ট ছিল না ওই ব্যক্তি। পেরেকের সঙ্গে মিলল ৩৫টি কয়েনও। এই নিয়ে দিব্বি চলাফেরা করছিলেন মইনুদ্দিন। তাঁর অস্ত্রোপচার সফল হওয়ায় খুশি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকরা। অপারেশনের পর সুস্থ রয়েছেন মঙ্গলকোটের কৃষ্ণবাটি গ্রামের বাসিন্দা সেখ মইনুদ্দিন(৩৮)।জানা গিয়েছে, সেখ মইনুদ্দিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মানসিক রোগ বিভাগে নিয়মিত চিকিৎসা করান। শনিবার সকাল থেকে খাবারে কোনও রুচি আসছিল না মইনুদ্দিনের। ফলে কোনও কিছুই খাচ্ছিলেন না মইনুদ্দিন। পরিবারের লোকজন চিন্তায় পরে যান। মঙ্গলবার বর্ধমান শহর সংলগ্ন একটি বেসরকারি নার্সিংহোমের এক চিকিৎসকের কাছে মইনুদ্দিনকে নিয়ে আসে পরিবারের সদস্যরা। ওই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো বুধবার সকালে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তাঁকে। চিকিৎসকরা এক্স-রে করে তাঁকে ভর্তি করেন।বুধবার রাতে অস্ত্রোপচার করার সিদ্ধান্ত নেন চিকিতসকরা। বুধবার রাতে অপারেশন করে তাঁর পেট থেকে এক এক করে ২৫০ টি পেরেক বেরিয়ে আসে। সঙ্গে ৩৫ টি কয়েন ও বেশ কিছু পাথর-কুচি বের হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচারের পর আপাতত তিনি সুস্থ আছেন। এই অপারেশন বর্ধমান হাসপাতালের এক অভুতপূর্ব সাফল্য বলে দাবি করেছেন হাসপাতালের সুপার ডা. তাপস ঘোষ।

জুন ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রকাশ হল 'ম্যাহেসুস' মিউজিক অ্যালবাম, মাধুর্য ছড়ালেন 'মধুরা'

নিতিন জৈন পরিচালিত মিউজিক ভিডিও ম্যাহেসুস গানটি মুক্তি পেল এনভি প্রোডাকশনের ব্যানারে। মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করতে দেখা যাবে বসুন্ধরা পণ্ডিতা ও করণ সারোহা কে। শিশুশিল্পী হিসাবে রয়েছেন কবীর পাহনা এবং অ্যামারাইরা সুদ।এই মিউজিক অ্যালবাম-এ কন্ঠ দিয়েছেন রাজ বর্মন ও মধুরা ভট্টাচার্য। এই প্রজন্মের বাঙ্গালি কণ্ঠ সঙ্গীত শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম মধুরা। সঙ্গীতের সুত্রে দীর্ঘ সময় মুম্বাই-য়ে কাটিয়েছেন। আর বাংলা টেলিভিশিন ও সিনেমার জগতে অতি পরিচিত মুখ তিনি।ম্যাহেসুস গানটা নিয়ে জনতার কথা কে সঙ্গীতশিল্পী মধুরা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, খুব সুন্দর একটা ৯০ দশকের ফিল আছে গানটার মধ্যে। পুরুষ কন্ঠটা রাজ বর্মনের। ও প্রথমে গানটার ব্যাপারে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে। যারা মিউজিক করেন, তারা সবাই দিল্লি, মুম্বই দুই জায়গার ব্যস্ততম মানুষ। এই মিউজিক ভিডিওটার মাধ্যমে একটা গল্প খুব সুন্দরভাবে বলা হয়েছে। যাঁরা অভিনয় করেছেন তারাও খুব-ই ভালো অভিনয় করেছেন। পুরো ব্যাপারটা খুব ভালো ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৩ লক্ষের ও বেশি মানুষ গানটা শুনেছেন। এটাও একটা বিশেষ ভালোলাগা।কেকে-র অকাল প্রয়াণের পর যখন মুম্বাই ও কলকাতার সঙ্গীতশিল্পী দের মধ্যেআমরা-ওরা ধারনা-র অদৃশ্য প্রাচীর তৈরি হচ্ছে ঠিক সেই সময় মধুরা-র ম্যাহেসুস যেন সেই ক্ষতে প্রলেপ। অনেক আগেই তিনি সর্বভারতীয় স্তরে তাঁর সঙ্গীতের মাধ্যমে সামনে এসেছেন। আমাদের আশা ম্যাহেসুস তাঁকে প্রচারের আলোয় আরও সামনে এনে দেবে।

জুন ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আসল মন্ত্রীর ব্যাটে চাপ কাটিয়ে উঠল বাংলা

এভাবেও ফিরে আসা যায়! বাংলাকে না দেখলে সত্যিই বিশ্বাস করা কঠিন। স্কোর বোর্ডে কোনও রান যোগ হওয়ার আগেই প্রথম ওভারেই দুজন ব্যাটার সাজঘরে। চতুর্থ ওভারে আরও একজন। ১৬ ওভারের মধ্যে ৫৪ রানে ৫ উইকেট। সেখান থেকে দিনের শেষে ৫ উইকেটে ১৯৭। বাংলার এই প্রত্যাবর্তনের নায়ক মন্ত্রীমশাই মনোজ তেওয়ারি ও শাহবাজ আমেদ। এই দুই ব্যাটারের সৌজন্যে চাপ কাটিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস বাংলার।দিনের শুরুতে বাংলাকে অবশ্য চাপে ফেলেছিল মধ্যপ্রদেশের দুই ব্যাটার হিমাংশু মন্ত্রী ও পুনীত দুবে। দলকে বড়ে রানের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ৩২৩ রানের মাথায় জুটি ভাঙেন শাহবাজ আমেদ। পুনীত দুবেকে তুলে নেন। ৩৭ বলে ৩৩ রান করে আউট হন পুনীত। এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করছিলেন পুনীত। তিনি আউট হওয়ার ৪ ওভার পরেই হিমাংশু মন্ত্রীকে তুলে নেন মুকেশ কুমার। ৩৩৭ বলে ১৬৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন হিমাংশু। তিনি উইকেটের পেছনে অভিষেক পোড়েলের হাতে ক্যাচ দেন। শেষ পর্যন্ত ১০৫.৩ ওভারে ৩৪১ রানে গুটিয়ে যায় মধ্যপ্রদেশের ইনিংস। বাংলার হয়ে মুকেশ কুমার ৬৬ রানে ৪টি ও শাহবাজ আমেদ ৮৬ রানে ৩ উইকেট নেন। ২টি উইকেট নেন আকাশ দীপ। ১টি উইকেট নেন প্রদীপ্ত প্রামানিক।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চূড়ান্ত বিপর্যয়ে পড়ে বাংলা। ব্যর্থ দুই ওপেনার অভিষেক রমন (০) এবং সুদীপ কুমার ঘড়ামি (০)। প্রথম ওভারেই কুমার কার্তিকেয়ার বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন বাংলার এই দুই ব্যাটার। চতুর্থ ওভারে সারাংশ জৈনর বলে রজত পতিদারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অনুষ্টুপ মজুমদার। অধিনায়ক অভিমূন্য ঈশ্বরণ ২২ রান করে আউট হন পুনীত দুবের বলে। অভিষেক পোড়েলকেও (৯) পুনীত দুবে। ৫৪ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলা। এরপর রুখে দাঁড়ান মনোজ তেওয়ারি ও শাহবাজ আমেদ। অসমাপ্ত জুটিতে দুজনে তুলেছেন ১৪৩ রান। এই জুটিই স্বপ্ন দেখাচ্ছে বাংলাকে। দিনের শেষে মনোজ ৮৪ রানে ও শাহবাজ ৭২ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

জুন ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সৌরভ গাঙ্গুলির নেতৃত্বে দুর্দান্ত পদক্ষেপ নিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্ব নেওয়ার পর একের পর এক দুর্দান্ত পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁর নেতৃত্বে আবার এক দারুণ পদক্ষেপ নিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। প্রাক্তন ক্রিকেটার ও আম্পায়ারদের মাসিক পেনশন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে অন্তত ৭৫ শতাংশ পেনশনভোগীর মাসিক পেনশনের পরিমাণ একশো শতাংশ বাড়ল। এতে উপকৃত হবেন প্রায় ৯০০ জন প্রাক্তন ক্রিকেটার ও আম্পায়ার। বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্ধিত পেনশন ১ জুন থেকেই কার্যকর হবে।যেসব প্রাক্তন ক্রিকেটার ও আম্পায়ারের মাসিক পেনশন ১৫ হাজার টাকা ছিল তা বেড়ে হচ্ছে ৩০ হাজার। যারা প্রতি মাসে ২২,৫০০ টাকা পেনশন পেতেন, তাঁরা এবার থেকে পাবেন প্রতি মাসে ৪৫ হাজার টাকা। ৩০ হাজার টাকা পেনশন প্রাপকরা এবার থেকে পাবেন ৫২,৫০০ টাকা। ৩৭ হাজার ৫০০ টাকার স্ল্যাবে যে পেনশনভোগীরা রয়েছেন তাঁদের পেনশন বেড়ে হলো প্রতি মাসে ৬০ হাজার টাকা। যারা প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা পেনশন পান, তাঁরা এবার থেকে পাবেন প্রতি মাসে ৭০ হাজার টাকা।বোর্ডের সূত্র থেকে জানা গেছে, আইপিএলের মিডিয়া স্বত্ব রেকর্ড দরে বিক্রি হওয়ায় আগামী বছর থেকে ক্রিকেটারদের স্যালারি পার্স প্রায় দ্বিগুণ করা হতে পারে। আর্থিকভাবে ক্রিকেটাররাও যাতে লাভবান হন তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাগুলির যে ক্ষতি হয়েছিল তা অনেকটা মিটিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও করছে বোর্ড। বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, প্রাক্তন ক্রিকেটাররা যাতে আর্থিকভাবে ভালো থাকেন তা নিশ্চিত করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্লেয়াররাই লাইফলাইন। কোনও ক্রিকেটার খেলা ছাড়ার পরও তাঁদের পাশে থাকা কর্তব্য। আম্পায়ার ভূমিকার কথা নেপথ্যেই থেকে যায়। তাঁদের অবদানকেও বোর্ড অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে মর্যাদা দিয়ে থাকে। বোর্ড সচিব জয় শাহ বলেন, প্রাক্তনই হোন বা বর্তমান, সব ধরনের ক্রিকেটারই যাতে ভালো থাকেন তা নিশ্চিত করাকে আমরা সব সময় প্রাধান্য দিয়ে আসি। মাসিক পেনশন বৃদ্ধি তারই একটা অঙ্গ। বছরের পর বছর ধরে আম্পায়াররা যেভাবে ভারতীয় ক্রিকেটের সেবা করে এসেছেন তাঁদের অবদানকেও বোর্ড মর্যাদা দেয়। বোর্ডের এই পদক্ষেপে প্রায় ৯০০ জন উপকৃত হতে চলেছেন। তাঁদের মধ্যে ৭৫ শতাংশের পেনশন ১০০ শতাংশ বাড়ানো হল।

জুন ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ব্যর্থ হয়ে গেল ভুবনেশ্বরের দুরন্ত বোলিং, আবার হার ভারতের

৭ বছর আগে এই দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেই কটকের বারাবাটি স্টেডিয়ামে বিধ্বস্ত হয়েছিল ধোনির ভারত। ঋষভ পন্থদের সামনে ছিল প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না ঋষভরা। দ্বিতীয় ম্যাচে ৪ উইকেটে ভারতকে হারিয়ে টি২০ সিরিজে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। দুরন্ত বোলিং করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ভুবনেশ্বর কুমার।এদিনও টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। কাগিসো রাবাডার অফ স্টাম্পের বাইরের বল তাড়া করতে গিয়ে উইকেট ছুড়ে দিয়ে আসেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (১)। এরপর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন ঈশান। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ঈশান কিষাণ ও শ্রেয়স আইয়ার ৩৫ বলে ৪৫ রান যোগ করেন। সপ্তম ওভারে ঈশান কিষাণকে তুলে নেন আনরিখ নরটিয়ে। ২টি ছয় ও ৩টি চারের সাহায্যে তিনি করেন ২১ বলে ৩৪। ৪৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ভারত।অধিনায়ক ঋষভ পন্থও এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৭ বলে ব্যক্তিগত ৫ রান করে আউট হন দলের ৬৮ রানের মাথায়। তাঁকে তুলে নেন কেশব মহারাজ। হার্দিক পাণ্ডিয়া ১২ বলে ৯ রান করে ওয়েন পার্নেলের বলে বোল্ড হলে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৯০। বড় রানের দিকে এগোচ্ছিলেন শ্রেয়স আইয়ার। কিন্তু ১৩.৫ ওভারে তিনি ডোয়েন প্রিটোরিয়াসের বলে কট বিহাইন্ড হন। ২টি করে চার ও ছয় মেরে শ্রেয়স ৩৫ বলে করেন ৪০। ১৭ তম ওভারের শেষ বলে অক্ষর প্যাটেলকে (১১ বলে ১০) বোল্ড করেন নরটিয়ে। ১১২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় ভারতের। শেষ ৫ ওভারে ভারত ১ উইকেট হারিয়ে তোলে ৪৪ রান। দীনেশ কার্তিক শেষ দিকে আগ্রাসী ব্যাটিং করে ভারতকে ১৪৮/৬ রানে পৌঁছে দেয়। ২১ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন কার্তিক। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ২টি করে ৪ ও ৬। ৯ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন হর্ষল প্যাটেল। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে আনরিখ নরটিয়ে ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। কাগিসো রাবাডা ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান খরচ করেন, একটি উইকেট পান তিনিও।জয়ের জন্য ১৪৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম ওভারেই ফিরে যান কুইন্টন ডিককের পরিবর্তে ওপেন করতে নামা রেজা হেনড্রিকস (৪)। তাঁকে তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। এক ওভার পরে আবার ধাক্কা দক্ষিণ আফ্রিকার। এবার আউট ডোয়েন প্রিটোরিয়াস (৪)। তিনিও ভুবনেশ্বরের শিকার। ষষ্ঠ ওভারে রাসি ভ্যান ডার ডুসেনকে (১) হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। অধিনায়ক তেম্বা বাভুমার সঙ্গে জুটি বেঁধে দলের বিপর্যয় সামাল দেন হেনরিখ ক্লাসেন। ১৩.২ ওভারে চাহালের বলে বোল্ড হন বাভুমা। ৩০ বলে তিনি করেন ৩৫। বাভুমা আউট হলেও চাপে পড়েননি ক্লাসেন। ডেভিড মিলারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন। ৪৬ বলে ৮১ রান করে করে আউট হন ক্লাসেন। তাঁকে তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। ওয়েন পার্নেলকে (১) ফেরান ভুবনেশ্বর। তাসত্ত্বেও জয় আটকায়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। ১০ বল বাকি থাকতেই দলকে জয়ের লক্ষ্যে (১৪৯/৬) পৌঁছে দেন ডেভিড মিলার। ১৫ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। এদিন দুরন্ত বোলিং করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ভুবনেশ্বর। ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন তিনি।

জুন ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় দল কি পারবে ঘুরে দাঁড়াতে?‌ কী বললেন ভুবনেশ্বর

সিরিজের প্রথম টি২০ ম্যাচে ২১১ রান করেও শেষরক্ষা হয়নি। ডেভিড মিলার ও রাসি ভান ডার ডুসেনের দাপটে হারতে হয়েছিল। কটকে সিরিজে সমতা ফেরানোর দিকে তাকিয়ে রয়েছে ভারত। ঋষভ পন্থের দলের কাছে কাজটা খুব একটা সহজ হবে না।কটকের বরাবাটি স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার সাফল্য কিন্তু খারাপ নয়। ২০১৫ সালে এই বরাবটি স্টেডিয়ামেই ভারতকে ৯২ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে সিরিজ পকেটে ভরেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। বরাবাটি স্টেডিয়ামে ৫ বছর পর টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নামবে ভারত। ভারত অবশ্য তাকিয়ে ৭ বছর আগের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে।করোনার জন্য এতদিন ক্লোজড ডোর অনুশীলনই হচ্ছিল। শনিবার কটকের ছবিটা ছিল আলাদা। অনুশীলন দেখতেই গ্যালারি ভর্তি। কটকে গ্যালারি ভর্তি দর্শকের সামনে অনুশীলন করছে ভারতীয় দল। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও সহ অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়ার ব্যাটিং অনুশীলনে আগ্রাসী মেজাজ, বড় শট খেলা দেখা তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেন দর্শকরা। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ভাল হয়েছে। বোলিংয়ের জন্যই ডুবতে হয়েছিল ভারতকে। সেকথা মাথায় রেখে বোলিং বিভাগে উন্নতির জন্য পরিকল্পনা করছে ভারতীয় শিবির।কটকে দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলের সবথেকে অভিজ্ঞ বোলার ভুবনেশ্বর কুমার বলেন, সিরিজের প্রথম ম্যাচে আমাদের কোথায় ভুলত্রুটি হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সকলেই আইপিএল খেলে এসেছে এবং এই দলে যারা রয়েছে, প্রত্যেকেই আইপিএলে ভাল খেলেছে। সবাই জানে ম্যাচে কী কী করতে হবে। একটা দিন খারাপ যেতেই পারে। আগের ম্যাচে বোলিং বিভাগের সেটাই হয়েছিল। আমরা সকলেই ঘুরে দাঁড়াতে মুখিয়ে রয়েছি।ভারতীয় দলের ব্যাটিং বিভাগে পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। বরাবাটি স্টেডিয়ামের উইকেট দেখে বোলিং আক্রমণে পরিবর্তন আসে কিনা সেটা দেখার। তবে হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় নিজে দ্রুত পরিবর্তনের পথে হাঁটতে চান না। সকলকে পর্যাপ্ত সুযোগ দিতে চান। বরাবাটির উইকেটে হাইস্কোরিং ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা। পেসার কমিয়ে স্পিনার রবি বিষ্ণোইকে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্শদীপ সিং বা উমরান মালিকের অভিষেক কটকে হয় কিনা তা নিয়ে জল্পনা চলছে। তবে প্রথম একাদশে পরিবর্তন না হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

জুন ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার ঘর ভাঙছে ইস্টবেঙ্গলে, গত মরশুমের সেরা ফুটবলার যাচ্ছেন কেরালা ব্লাস্টার্সে

আবার ঘর ভাঙতে চলেছে ইস্টবেঙ্গলের। সামনের মরশুমে লালহলুদ জার্সিতে আর দেখা যাবে না আন্তোনীয় পেরেসোভিচকে। ক্রোয়েশিয়ার এই তারকার সঙ্গে কেরালা ব্লাস্টার্সের কথা অনেকদূর এগিয়েছে। যদিও চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে এখনও সই করেননি লুকা মদ্রিচইভান রাকিটিচের দেশের এই ফুটবলার।গত মরশুমে আইএসএলে লালহলু্দ জার্সিতে যে কজন ফুটবলার নজরকাড়া পারফরমেন্স করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আন্তোনীয় পেরেসোভিচ। যদিও আইএলএলের মাঝপথে রেফারিকে ধাক্কা দিয়ে ৫ ম্যাচ নির্বাসনের কবলে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি তাঁকে শাস্তি দিয়েছিল। শাস্তির কমানোর জন্য আবেদন করেও লাভ হয়নি। ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে শেষ স্থান পেলেও পেরেসোভিচের খেলা ভাল লেগেছিল কেরালা ব্লাস্টার্স কর্তাদের। তাঁরা ক্রোয়েশিয়ার এই ফুটবলারকে পাওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখান। পেরেসোভিচের এজেন্টের সঙ্গে এক প্রস্থ কথা হয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্সের কর্তাদের।গত মরশুমে পেরেসোভিচ লালহলুদ জার্সি গায়ে ১৪টি ম্যাচ খেলেছিলেন। গোল করেছিলেন ৪টি, একটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন তিনি। কেরালা ব্লাস্টার্স ছাড়াও পেরেসোভিচকে পাওয়ার জন্য ভারতের আরও কয়েকটি ক্লাব আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে কেরালা ব্লাস্টার্সের পাল্লা ভারি। ক্রোয়েশিয়ার জাতীয় দলের জার্সিতে দুটি ম্যাচ খেলেছেন পেরেসোভিচ। নিজের দেশের ক্লাবেরও প্রস্তাব রয়েছে তাংর কাছে।অন্য দিকে, বিশাল কাইথকে নিশ্চিত করে ফেলল এটিকে মোহনবাগান। কাইথকে দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তির অফার করা হয়েছে এবং মোটা অঙ্কেই এটিকে মোহনবাগানে আসছেন তিনি। চেন্নাইয়িন এফসির সঙ্গে তাঁর চুক্তি শেষ হওয়ায় ফ্রি এজেন্ট ছিলেন কাইথ। তাঁকে পাওয়ার জন্য ইস্টবেঙ্গল আগে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল এবং লাল-হলুদের রিক্রুটারদের সঙ্গে অনেক দূর কথা এগিয়ে ছিল এরই মাঝে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়ে এটিকে মোহনবাগান। অপর দিকে, পাঞ্জাবের ডিফেন্ডর গুরমুখসিং-এর সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি করল চেন্নাইয়িন এফসি। আই লিগের দল রাজস্থান ইউনাইটেড থেকে গুরমুখ এলেন দুই বারের আই লিগ চ্যাম্পিয়ন চেন্নাইয়নে। যদিও গুরমুখের সঙ্গে যোগ রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের। লাল-হলুদের অ্যাকাডেমি থেকে এই ফুটবলার উঠে এসেছেন। মিনার্ভা অ্যাকাডেমি এফসিতেও ছিলেন এই পাঞ্জাব তনয়। রাজস্থান ইউনাইটেডের হয়ে মোট ২২ ম্যাচ খেলেছেন এই তরুণ ডিফেন্ডার।

জুন ১১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গানের মাধ্যমে কেকে কে শ্রদ্ধা কলকাতার শিল্পীদের

কেকের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ দেশবাসী।তিনি যে আমাদের মধ্যে আর নেই সেটা মেনে নিতেই কষ্ট হচ্ছে। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে থমথমে পরিবেশ বিনোদন মহলে। এদিন দক্ষিণ কলকাতার ক্যাফে ক্যাফে আলাপ প্রিয় শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বিনোদন জগতের এক ঝাঁক তারকা।সারেগামা মঞ্চ খ্যাত অনুষ্কা পাত্র, রিক বসু, নবাগত সংগীত পরিচালক জুটি শুভম-শুভঙ্কর উপস্থিত ছিলেন এই বিশেষ অনুষ্ঠানে। এদের পাশাপাশি উপস্তিত ছিলেন অনুষ্কা চক্রবর্ত্তী, রেমো, জিৎ চক্রবর্ত্তী, সায়ন মুখোাধ্যায়, অধিরাজ গঙ্গোপাধ্যায়, নীলাঙ্কুর মুখোাধ্যায় এবং দীপান্বিতা নাথ।কেকের গানে জমজমাট ছিল সন্ধ্যা। আলোচনা হল এই বিশিষ্ট শিল্পীকে নিয়ে। কথা প্রসঙ্গে উঠে এল কেকে কিভাবে তাদের দৈনন্দিন জীবনে গানের অংশ হয়ে গিয়েছিলেন। কেকের জারা সা গানটি গাইলেন রিক বসু।

জুন ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মিলার আবার হয়ে উঠলেন ‘‌কিলার’‌, প্রোটিয়াদের কাছে ৭ উইকেটে হার ভারতের

বোর্ডে ২১২ রান তুলেও শেষরক্ষা হল না। এবার দেশের হয়ে খেলতে নেমে কিলার হয়ে উঠলেন ডেভিড মিলার। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিলেন রাসি ভ্যান ডার ডুসেন। দুজনের দুরন্ত ব্যাটিংই ভারতের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেটে জয় এনে দিল প্রোটিয়াদের। ভারতের ২১১/৪ রান ৫ বল বাকি থাকতেই তুলে ফেলল দক্ষিণ আফ্রিকা। এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। ভারতের দুই ওপেনার ঈশান কিশান ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের ওপর কোনও প্রভাব খেলতে পারেননি কেশব মহারাজ, কাগিসো রাবাডা, আনরিখ নর্টিয়েরা। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ভারত তুলে ফেলে ৫১। এরপরই ধাক্কা খায় ভারত। সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় বলেই পার্নেলের বলে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ১৫ বলে তিনি করেন ২৩। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঈশান কিশান ও শ্রেয়স আয়ার। ৩৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ঈশান। শেষ পর্যন্ত ৪৮ বলে ৭৬ রান করে তিনি আউট হন। আইপিএলে সেভাবে জ্বলে উঠতে না পারলেও দেশের হয়ে নিজেকে মেলে ধরলেন। শ্রেয়স আয়ার করেন ২৭ বলে ৩৬। তাঁকে তুলে নেন প্রিটোরিয়াস। শ্রেয়স যখন আউট হন, ভারতের রান তখন ১৬.১ ওভারে ১৫৬। পাওয়ার প্লেতে ঝড় তোলেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও হার্দিক পান্ডিয়া। দুজনে ১৪ বলে ৪৬ রানের জুটি গড়ে তোলেন। ১৯.১ ওভারের মাথায় আউট হন ঋষভ। ভারতের রান তখন ২০২। ১৬ বলে ২৯ রান করেন ঋষভ। ঝড় তুলে ১২ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন হার্দিক পান্ডিয়া। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১১ রান তোলে ভারত। দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে এটাই ভারতের সর্বোচ্চ রান। শুধু তাই নয়, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও টি২০ ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের স্কোর ভারতের।জয়ের জন্য ২১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের বিরুদ্ধে এই সিরিজকে পরীক্ষানিরীক্ষার জন্য বেছে নিয়েছে প্রোটিয়ারা। সিরিজ শুরুর আগেই অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা বলেছিলেন, বিশ্বকাপের জন্য ব্যাটিং অর্ডার ঠিক করে নিতে চান। কুইন্টন ডিককের সঙ্গে এদিন ওপেন করতে নেমেছিলেন বাভুমা। তিনি নিজেকে মেলে ধরতে ব্যর্থ হন। ৮ বলে মাত্র ১০ রান করে তিনি ভুবনেশ্বর কুমারের বলে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ডোয়েন প্রিটোরিয়াস ১৩ বলে ২৯ রান করে হর্ষল প্যাটেলের বলে বোল্ড হন। কুইন্টন ডিকক ১৮ বলে করেন ২২।৮.৪ ওভারে ৮১ রানে ৩ উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর দলকে এগিয়ে নিয়ে যান রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ও ডেভিড মিলার। আইপিএলে দারুণ ছন্দে ছিলেন রাজস্থান রয়্যালসের এই ব্যাটার। ভারতের বিরুদ্ধেও সেই ছন্দ অব্যাহত রাখেন। ২২ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন। অন্যদিকে, শুরুতে সতর্ক থাকলেও পরের দিকে ঝড় তুলে ৩৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন ডুসেন। শেষ ৩ ওভারে জয়ের জন্য ৩৪ রান দরকার ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। ১৭ তম ওভারে ভুবনেশ্বর কুমারের বলে ২২ রান তুলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন মিলার ও ডুসেন। ১৯.১ ওভারে ২১২ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৪৬ বলে ৭৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ডুসেন। ৩১ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন মিলার।

জুন ০৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মাইকেল বোসের প্রদর্শনীতে ফুটে উঠেছে নারীর যন্ত্রণা

শিল্পী মাইকেল বোস তার চিত্রশিল্পের মাধ্যমে বহু বিশিষ্ট মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন। চিত্রশিল্পী হিসাবে তাঁর একাধিক একক চিত্রপ্রদর্শনী হয়েছে।মাইকেল বোসের নতুন একক চিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে একাডেমিতে। বুধবার ৮ জুন এই চিত্র প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়ে গেল উপস্থিত ছিলেন শিল্পী দেবব্রত চক্রবর্তী, শিল্পী বিমল কুন্ডু, শিল্পী মলয় দাস, শিল্পী পার্থসারথি নাথ, শিল্পী পৃথ্বীশ সিকদার, শিল্পী বাদল পাল, সমাজসেবী দেবলীনা রায় চৌধুরী, সমাজসেবী শ্যামাদাস, সমাজসেবী সুজিত কুমার ঘোষ, কবি ফুল্লোরা মুখোপাধ্যায়, অভিনেত্রী সুভদ্রা মুখার্জি প্রমুখ।এই একক চিত্র প্রদর্শনী নিয়ে মাইকেল বোস জনতার কথা কে জানালেন, এটা আমার ১৮ তম একক চিত্র প্রদর্শনী। ৮ তারিখ শুরু হয়েছে, ১৪ তারিখ পর্যন্ত প্রর্দশনীটি চলবে। মোট ২২টি পেন্টিং রয়েছে। সবকটা আঁকাতেই নারীদের কষ্ট তুলে ধরা হয়েছে। মর্ডান ইন্ডিয়ান আর্টিস্ট সিক্স বইটিরও আনুষ্ঠানিক প্রকাশ পেল।

জুন ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌১২৯ বছরের পুরনো রেকর্ড ভাঙল বাংলা, জানতেনই না অভিমন্যুরা

রনজি সেমিফাইনালের পথে বাংলা। বাংলার ৭৭৩/৭ রানের জবাবে তৃতীয় দিনের শেষে ঝাড়খণ্ড তুলেছে ৫ উইকেটে ১৩৯ রান। এখনও ৬৩৪ রানে পিছিয়ে ঝাড়খণ্ড। হাতে এখনও দুদিন সময়। যা পরিস্থিতি দুই ইনিংস মিলিয়ে বাংলার রান টপকে ঝাড়খণ্ডের সেমিফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। একমাত্র অলৌকিক কিছু ঘটলেই বাংলার সেমিফাইনালে যাওয়া আটকে যেতে পারে। প্রায় আড়াই দিন ব্যাট করে বাংলা ঝাড়খণ্ডের ওপর বিশাল রানের বোঝা চাপিয়ে দেয়। একই সঙ্গে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ১২৯ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙে দিল বাংলা। অনন্য কৃতিত্বের নজির গড়লেন অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। বাংলার নজন ব্যাটার হাফসেঞ্চুরি বা তার বেশি রান করেছেন। ক্রিকেট ইতিহাসে এমন রেকর্ড কোনও দলের নেই। ১২৯ বছর আগে অস্ট্রেলিয়ার একটি দলের ৮ জন ব্যাটার ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত দলের বিরুদ্ধে অর্ধশতরান বা তার বেশি করেছিলেন। সেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। বাংলার হয়ে হাফসেঞ্চুরি বা তার বেশি রান করেছেন অভিষেক রমণ (৬১), অভিমন্যু ঈশ্বরণ (৬৫), সুদীপ ঘরামি (১৮৬), অনুষ্টুপ মজুমদার (১১৭), মনোজ তেওয়ারি (৭৩), অভিষেক পোড়েল (৬৮), শাহবাজ আমেদ (৭৮), সায়নশেখর মণ্ডল (অপরাজিত ৫৩), আকাশদীপ (অপরাজিত ৫৩)। এদিন মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর প্রথম বলে সায়নশেখর মণ্ডল যখন হাফসেঞ্চুরি করেন, তখনই রেকর্ডের ইতিহাসে নাম লেখায় বাংলা। এরপর ব্যাটিং করতে নামা আকাশ দীপও হাফসেঞ্চুরি করেন। তারই সঙ্গে বাংলা ভেঙে দেয় ১২৯ বছরের প্রাচীন রেকর্ড। পাশাপাশি প্রথম নজন ব্যাটসম্যানের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৫০ রানের বেশি করার নজির প্রথম বার তৈরি হয়। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বাধিক পঞ্চাশ কিংবা তার বেশি রান করার রেকর্ড এতদিন ছিল অস্ট্রেলিয়ানদের দখলে। ১৮৯৩ সালে অক্সফোর্ড অ্যান্ড কেমব্রিজ পাস্ট অ্যান্ড প্রেজেন্ট দলের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ান্স দল প্রথম ইনিংসে করে ৮৩৩। যার মধ্যে ৮ জন ব্যাটার ৫০ বা তার বেশি রান করেছিলেন। রেকর্ড ভাঙার কথা অবশ্য জানতই না বাংলা শিবির।বিশাল রানের সামনে ঝাড়খণ্ডের ব্যাটাররা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি। দিনের শেষে তুলেছে ১৩৯/৫। বাংলার হয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন সায়নশেখর মণ্ডল। ২টি উইকেট নিয়েছেন শাহবাজ আমেদ। ঝাড়খণ্ডের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছেন নাজিম সিদ্দিকি (৫৩)।

জুন ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আক্ষেপ নিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় মহিলা ক্রিকেটের ‘‌শচীনের’‌

৩৯ বছর বয়সেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দাপিয়ে খেলা চাট্টিখানি কথা নয়। তাও আবার মহিলা ক্রিকেটে। জুনিয়রদের টেক্কা দিয়ে সেই কঠিন কাজটা এতদিন ধরে করে চলেছিলেন মিতালি রাজ। অবশেষে তাঁর সেই পথ চলা শেষ হল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে পুরোপুরি বিদায় জানালেন ভারতীয় ক্রিকেটের মহিলা শচীন। আক্ষেপ নিয়েই ক্রিকেট থেকে সরে গেলেন মিতালি রাজ। বছর তিনেক আগে টি২০ ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। স্বপ্ন ছিল একদিনের বিশ্বকাপ জিতে ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর। সেই স্বপ্নপূরণ হয়নি। এবছর মার্চে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত একদিনের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি ভারত। লিগ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল মিতালিদের। এবছর বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে মিতালি তাকিয়েছিলেন জীবনের শেষ বিশ্বকাপে স্বপ্নপূরণের দিকে। সতীর্থদের কাঁধে চেপে ভিকট্রি ল্যাপ দিচ্ছেন, সেই স্বপ্নই দেখেছিলেন। বলেও ছিলেন, বিশ্বকাপ জিততে পারলে আমার ক্রিকেটজীবনের বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে। কিন্তু তাঁর সেই ক্রিকেটজীবনের বৃত্ত অসম্পূর্ণ থেকে গেল। শচীনের মতো ঝুলিতে অজস্র রেকর্ড মিতালি রাজের। মহিলাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান। গতবছরই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজেই ভেঙে দিয়েছেন শার্লট এডওয়ার্ডসের ১০২৭৩ রানের রেকর্ড। একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের ম্যাচে ৭ হাজারের বেশি রান। টানা ৭ ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরির অনন্য নজির। সবথেকে বেশি হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড। পুরুষ ও মহিলা ক্রিকেটার মিলিয়ে দেশের মধ্যে প্রথম টি২০ ক্রিকেটে ২ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছনো।Thank you for all your love support over the years!I look forward to my 2nd innings with your blessing and support. pic.twitter.com/OkPUICcU4u Mithali Raj (@M_Raj03) June 8, 2022এখানেই শেষ নয়। মিতালির মুকুটে রয়েছে আরও পালক। মহিলা ক্রিকেটে তিনিই প্রথম অধিনায়ক, যিনি দুদুটি একদিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, ২০০৫ ও ২০১৭ সালে। আর কী চাই? শচীনের মতোই মহিলাদের ক্রিকেটে নিজেকে কিংবদন্তীতে পরিণত করেছেন মিতালি রাজ। পেয়েছেন অর্জুন পুরস্কার, পদ্মশ্রী সম্মানও। এছাড়াও অনেক মিল রয়েছে। সীমিত ওভার ক্রিকেটে একসময় নিয়মিত ওপেন করেছেন। শচীনের মতোই পার্ট টাইম লেগ স্পিনার।মিতালি রাজের ভারতীয় ক্রিকেটে যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৯৯ সালের জুন মাসে। তারপর থেকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। ভারত এবং বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা মহিলা ক্রিকেটার হিসাবে অবসর নিলেন। শেষ হল ২৩ বছরের যাত্রা। বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলেছিলেন মিতালি। ওই ম্যাচ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। ভারত ওই ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের বাধা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হয়। কিন্তু মিতালি ওই ম্যাচে ৮৪ বলে ৬৮ রান করেছিলেন। টুইটারে পোস্ট করা এক আবেগঘন পোস্টে মিতালি রাজ লিখেছেন আমি একটি ছোট মেয়ে হিসাবে নীল জার্সি পড়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। দেশের হয়ে খেলাটাই তখন থেকে আজ পর্যন্ত আমার কাছে সর্বোচ্চ সম্মান হয়ে থেকেছে। পথ সহজ ছিল না। কখনও খুব ভালো সময় গিয়েছে আবার এসেছে খারাপ সময়ও। তবে মাঠের প্রতিটি ঘটনা আমাকে নতুন কিছু শিখিয়েছে। আমার জীবনে প্রচুর চ্যালেঞ্জ এসেছে তবে সবসময় সব চ্যালেঞ্জকে আমি উপভোগ করেছি।মিতালি আরও বলেছেন, সমস্ত যাত্রার মতো, এটিও অবশ্যই একদিন না একদিন শেষ হত। সেটাই হল। আমি অবসর নিলাম ক্রিকেট থেকে। আমি যখনই মাঠে নেমেছি, ভারতকে জেতানোর জন্য আমি সেরাটা দিয়েছি। আমি মনে করি এখন আমার খেলার ক্যারিয়ারে ইতি টানার উপযুক্ত সময় কারণ দল এখন কিছু অত্যন্ত প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড়ের হাতে রয়েছে এবং ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যত উজ্জ্বল। আমি বিসিসিআই এবং জয় শাহ স্যারকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। কারণ তাঁদের দারুণ সমর্থন পেয়েছি। প্রথমে একজন খেলোয়াড় হিসেবে এবং তারপর ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হিসেবে। এত বছর ধরে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া একটি সম্মানের বিষয়। এটি অবশ্যই একজন ব্যক্তি হিসাবে আমাকে তৈরি করেছে এবং আশা করি ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটকেও নতুন রূপ দিতে সাহায্য করেছে। ৩৯ বছর বয়সী মিতালি মহিলাদের ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক এবং এই ফরম্যাটে তিনি ৭৮০৫ রান করেছেন। সেঞ্চুরির সংখ্যা ৭, হাফ সেঞ্চুরি ৬৪টি। ৮৯ টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে ২৩৬৪ রান করেছেন মিতালি। ১৭টি হাপ সেঞ্চুরি। ১২ টেস্ট ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ৬৯৯ রান। সেঞ্চুরির সংখ্যা ১টি।

জুন ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সুদীপ ঘরামির দুরন্ত সেঞ্চুরি, ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে বড় রানের পথে বাংলা

ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে রনজি ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামার আগে ব্যাটিং নিয়ে সিঁদুরে মেঘ দেখেছিলেন বাংলার কোচ। তাঁর আশঙ্কা যে অমূলক ছিল, প্রমান করে দিলেন সুদীপ ঘরামি, অনুষ্টুপ মজুমদার, অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। বেঙ্গালুরুর জাস্ট ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে রীতিমতো দাপট দেখালেন বাংলার টপ অর্ডার ব্যাটাররা। প্রথম দিনের শেষে বাংলার সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩১০। দুরন্ত সেঞ্চুরি সুদীপ ঘরামির। সেঞ্চুরির মুখে দাঁড়িয়ে অনুষ্টুপ মজুমদার।জাস্ট ক্রিকেট গ্রাউন্ডের বাইশ গজে ঘাসের আভা দেখে টস জিতে বাংলাকে ব্যাট করতে পাঠান ঝাড়খণ্ড অধিনায়ক সৌরভ তেওয়ারি। কিন্তু তাঁর সিদ্ধান্তকে বুমেরাং করে দিয়ে দারুণ শুরু করেন বাংলার দুই ওপেনার অভিষেক রমণ ও অভিমন্যু ঈশ্বরণ। কিন্তু ইনিংসের ২৫ তম ওভারে রান নিতে গিয়ে পিঠের পেশিতে টান লাগে অভিষের রমণের। তিনি রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফিরে আসেন। ৭২ বলে ৪১ রান করেন অভিষেক। এরপর বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক অভিমন্যু ও তরুণ সুদীপ ঘরামি। ৩৯.৫ ওভারে বাংলার প্রথম উইকেট পড়ে। বাংলার রান তখন ১৩২। সুশান্ত মিশ্রর বলে এলবিডব্লু আউট হন অভিমন্যু। ১২৪ বলে ৬৫ রান করেন তিনি।অধিনায়ক ফিরে যাওয়ার পর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন সুদীপ ঘরামি ও অনুষ্টুপ মজুমদার। তাঁদের অসমাপ্ত ১৭৮ রানের পার্টনারশিপ বাংলাকে বড় রানে পৌঁছে দেয়। প্রথম দিন ৮৯ ওভারে বাংলা তোলে ১ উইকেটে ৩১০। সুদীপ ঘরামি ২০৪ বলে ১০৬ রান করে অপরাজিত রয়েছেন। অন্যদিকে ১৩৯ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত রয়েছেন অনুষ্টুপ মজুমদার। ইনিংসের ৮১ তম ওভারে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে জীবনের প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন সুদীপ ঘরামি। গ্রুপ লিগের ম্যাচে রান পাননি বাংলার এই তরুণ ব্যাটার। তাসত্ত্বেও তাঁর ওপর আস্থা রেখেছিলেন কোচ অরুণলাল। অভিজ্ঞ সুদীপ চ্যাটার্জিকে বাইরে রেখে তাঁকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেন। কোচের আস্থার মর্যাদা দিলেন সুদীপ ঘরামি। তাঁর ইনিংস নিয়ে বাংলার কোচ অরুণলাল বলেন, অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেছে। সুদীপ ঘরামি দুর্দান্ত প্রতিভা। তাই গ্রুপ পর্যায়ে রান না পেলেও ওর ওপর আস্থা হারাইনি। আমাদের সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না, প্রমাণ করে দিল।

জুন ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌অভিমন্যু, মনোজরা কেন ঘুম কেড়ে নিলেন বাংলার কোচ অরুণলালের?‌

রনজির কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারবে তো বাংলা? একসময় অভিমন্যু ঈশ্বরণের দলকে নিয়ে তুমুল অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। শেষপর্যন্ত গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে চণ্ডীগড়কে ১৫২ রানে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল বাংলা। সোমবার থেকে শুরু হয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বের লড়াই। বাংলার সামনে ঝাড়খণ্ড।খাতায় কলমে ঝাড়খণ্ড খুব একটা শক্তিশালী প্রতিপক্ষ নয়। বাংলা শিবির বিপক্ষকে নিয়ে খুব বেশি চিন্তিতও নয়। ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে বাংলার কোচ অরুণলালে ঘুম কেড়েছে নিজের দলের ব্যাটাররা। গ্রুপ লিগে ব্যাটিং ব্যর্থতায় পড়তে হয়েছিল বাংলাকে। সেই রোগ যে সারেনি কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামার আগে দুদুটি প্রস্তুতি ম্যাচেই তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। কর্ণাটক ও উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিল বাংলা। দুটি প্রস্তুতি ম্যাচেই জ্বলে উঠতে পারেননি অভিমন্যুরা। এটাই চিন্তা বাড়িয়েছে বাংলা শিবিরে।ম্যাচের আগের দিন সরকারিভাবে অনুশীলনে ছুটি ছিল বাংলার। ব্যাটারদের কিন্তু রেহাই দেননি অরুণলাল। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির নেটে নামিয়ে দেন অভিমন্যু, মনোজ, সুদীপদের। এমনিতে জোরে বোলিং নিয়ে মাথাব্যাথা রয়েছে বাংলার। তার ওপর যে মাঠে বাংলাকে খেলতে হবে, সেই মাঠেও বাইশ গজ সবুজে ভরা। ফলে চিন্তা একটা থাকছেই। ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ৪ জোরে বোলার নিয়ে মাঠে নামার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলার। সেক্ষেত্রে আকাশদীপ, ঈশান পোড়েল ও মুকেশ কুমারের সঙ্গী হবেন সায়নশেখর মণ্ডল। একমাত্র স্পিনার শাহবাজ আহমেদ। যদি শেষ মুহূর্তে ৩ জোরে বোলার নিয়ে মাঠে নামা হয়, তাহলে সায়নের পরিবর্তে ঢুকবেন ঋত্বিক চ্যাটার্জি।ব্যাটিং অর্ডার নিয়েও ম্যাচের আগের দিন পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বাংলা। ওপেনিংয়ে অভিমন্যু ঈশ্বরণ নিশ্চিত। তাঁর সঙ্গে কে জুটি বাঁধবেন, ঠিক হয়নি। সুদীপ ঘরামিও হতে পারেন, আবার অভিষেক রমণের কথাও ভাবা হয়েছে। চারে অনুষ্টুপ মজুমদারকে পাঠানো হতে পারে। সেক্ষেত্রে মনোজ তেওয়ারি যাবেন ৬ নম্বরে। সুদীপ চ্যাটার্জির প্রথম একাদশে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।

জুন ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বেন স্টোকসকে প্রতিদান দিলেন জো রুট, কীভাবে?‌

জো রুট নেতৃত্বে থাকার সময় অনেক টেস্ট জিতিয়েছিলেন বেন স্টোকস। উত্তরসূরীকে এবার প্রতিদান দিলেন জো রুট। প্রাক্তন অধিনায়কের ব্যাটে ভর করে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টে দারুণ জয় তুলে নিল ইংল্যান্ড। কেন উইলিয়ামসনের দলকে ৫ উইকেট হারিয়ে সিরিজে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলেন বেন স্টোকসরা। দুরন্ত সেঞ্চুরি করে অপরাজিত থাকেন জো রুট। এদিন সেঞ্চুরি করার সঙ্গে সঙ্গে তিনি পৌঁছে যান ১০ হাজার রানের মাইলস্টোনে।প্রথম ইনিংসে দুই দলই ব্যাটিং ব্যর্থতার মুখে পড়েছিল। নিউজিল্যান্ড শেষ হয় ১৩২ রানে। জবাবে ইংল্যান্ড ১৪১ রানের বেশি তুলতে পারেনি। ড্যারিল মিচেলের দুরন্ত সেঞ্চুরির সুবাদে নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে তোলে ২৮৫। ইংল্যান্ডের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৭৭। তৃতীয় দিন ব্যাট করতে নেমে ৬৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে একসময় যথেষ্ট চাপের মুখে পড়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। সেখান থেকে দলকে টেনে নিয়ে যান জো রুট ও অধিনায়ক বেন স্টোকস। জুটিতে ওঠে ৯০। ৫৪ রান করে আউট হন স্টোকস। এরপর রুটের সঙ্গে জুটি বাঁধেন বেন ফোকস,তৃতীয় দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল পাঁচ উইকেটে ২১৬। চতুর্থদিন মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগেই ১৩.৫ ওভারে বাকি রান তুলে নেয় ইংল্যান্ড। প্রাক্তন অধিনায়ক জো রুট অপরাজিত ছিলেন ৭৭ রানে। ১৭০ বলে ১১৫ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। মেরেছেন ১২টি চার। এরই ফাঁকে এদিন তিনি পেরিয়ে যান টেস্টে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোন।এই বছরে জো রুটের এটা তৃতীয় সেঞ্চুরি। ১১৮ টেস্টে তাঁর রান ১০ হাজার ১৫। গড় ৪৯.৫৭, ২৬টি শতরান ও ৫৩টি অর্ধশতরান করেছেন। বিশ্বের ১৪ নম্বর ব্যাটার হিসেবে টেস্টে ১০ হাজার রানের ক্লাবে ঢুকে পড়লেন রুট। টেস্টে সবচেয়ে বেশি রান সচিন তেন্ডুলকরের। তিনি করেছেন ১৫ ৯২১। এরপর রয়েছেন রিকি পন্টিং, জ্যাক কালিস, রাহুল দ্রাবিড়, অ্যালিস্টার কুক, কুমার সাঙ্গাকারা, ব্রায়ান লারা, শিবনারায়ণ চন্দ্রপাল, মাহেলা জয়বর্ধনে, অ্যালান বর্ডার, স্টিভ ওয়া, সুনীল গাভাসকর ও ইউনিস খান।

জুন ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মিলিন্দ গাবার মিউজিক ইন্ডিয়া ট্যুর

কলকাতার বৃহত্তম লাইভ এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি, সিলেক্ট দর্শকদের জন্য নিয়ে এল মিলিন্দ গাবার ইন্ডিয়া ট্যুর। এটি হল মিলিন্দ গাবার প্রথম লাইভ ইন কনসার্ট ইন্ডিয়া ট্যুর। কলকাতার জে ডব্লু ম্যারিওটে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।সিলেক্টের এই উদ্যোগে ২ মাসে দেশের ৮ টি শহরে হবে মিলিন্দ গাবার এই মিউজিক ট্যুর। কনসার্টগুলি হবে একদম অনন্য, আগে কখনও দেখা যায়নি এমন অভিজ্ঞতা হবে। যেখানে মিলিন্দ গাবা তার সেরা পারফরম্যান্স তুলে ধরবেন৷ মিলিন্দ গাবার সঙ্গে লাইভ এবং প্রিয় গায়কের সঙ্গে ছন্দ ও সুরে ভক্তরা গান গাইতে এবং নাচতে পারে।মিলিন্দ গাবা একজন ভারতীয় বলিউড গায়ক, গীতিকার, সঙ্গীত প্রযোজক, পাঞ্জাবি এবং বলিউড সঙ্গীতের সঙ্গে যুক্ত অভিনেতা। তিনি তার নজর লাগা যায়েগি, সে জানে না এবং ইয়ার মোদ দো গানগুলির জন্য পরিচিত। তার জনপ্রিয় একক গানগুলি হল নজর লাগা যায়েগি, সে জানে না, ম্যায় তেরি হো গায়ে, জিন্দেগি দি পাউদি, পিলে পিলে, সুন্দর, নাচুঙ্গা আইসে এবং কেয়া কারু। তার সে ডোন্ট নো গানের মিউজিক ভিডিওটি ইউটিউবে টি-সিরিজে ৮ জানুয়ারী ২০১৯-এ প্রকাশিত হয়েছিল।এই ভিডিওটি ৫০০মিলিয়নেরও বেশি ভিউ নিয়ে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলিউড গায়ক মিলিন্দ গাবা বলেন , এটি হল আমার প্রথম সমন্বিত এবং একচেটিয়া ভারত সফর। বিভিন্ন শহরে আমার দর্শকদের জন্য লাইভ পারফর্ম করার এই সুযোগ পেয়ে আমি খুবই কৃতজ্ঞ। সিলেক্টের সঙ্গে এই যাত্রা অবশ্যই আমার জন্য একটি অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা।এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, সিলেক্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রবি আগরওয়াল এবং গীতেশ শর্মা, সিলেক্টের প্রতিনিধি বলেন, সিলেক্ট সারা ভারতে ভক্তদের কাছে সেরা লাইভ মিউজিক্যাল অভিজ্ঞতা আনার ক্ষেত্রে একটি অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করছে। আমরা এখন মিলিন্দ গাবার প্রথম মেগা ইন্ডিয়া ট্যুরে তার ভক্তদের বিনোদন দেওয়ার জন্য তার সঙ্গে কাজ করতে পেরে উত্তেজিত। মিলিন্দ গাবা, তার প্রাণময় সুর দিয়ে, ভারতের লক্ষ লক্ষ ভক্তের সঙ্গে একসঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তিনি এই প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। সিলেক্ট দ্বারা আয়োজিত এই মিউজিক ট্যুরটি অন্যান্য তিনটি শহরের সঙ্গে মুম্বই, কলকাতা, গোয়া, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদের মতো বড় শহরগুলিতে পৌঁছাবে।

জুন ০৪, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 39
  • 40
  • 41
  • 42
  • 43
  • 44
  • 45
  • ...
  • 139
  • 140
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

একের পর এক মামলার চাপে অভিষেক! এবার কি আরও বড় আইনি সংকট সামনে?

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে আইনি ও রাজনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে দায়ের হওয়া একটি মানহানি মামলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক সভায় দেওয়া বক্তব্যে এক বিজেপি নেতাকে উদ্দেশ করে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। মামলার শুনানির জন্য একাধিকবার সমন পাঠানো হলেও তিনি আদালতে হাজির হননি বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর আদালতের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তিনি অন্তর্বর্তী স্বস্তি পেয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক আদালতি সিদ্ধান্তকে ঘিরে আবারও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।এদিকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দলের অন্দরে নেতৃত্ব ও সংগঠন নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলীয় স্তরেও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও মতভেদ দেখা দিয়েছে।শুধু তাই নয়, গত কয়েক মাসে একাধিক মামলার তদন্তে বিভিন্ন সংস্থার তলবের মুখোমুখি হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি মামলায় তিনি তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ পেয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী তদন্তকারী সংস্থার দপ্তরে হাজিরাও দিয়েছেন। অন্য কয়েকটি মামলাতেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।এছাড়াও বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে তাঁর নাম উঠে এসেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও সামনে আসেনি।নতুন আদালতি পরিস্থিতির ফলে আগামী দিনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি লড়াই কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। একই সঙ্গে এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে বড় পদক্ষেপ! কেন হঠাৎ টেলিগ্রামের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান কেন্দ্রের?

প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই আবহে টেলিগ্রামের একাধিক চ্যানেলের কার্যকলাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, কিছু চ্যানেল পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র পাইয়ে দেওয়ার নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করছিল এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছিল।সরকারি সূত্রের দাবি, শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে সক্রিয় একাধিক প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, এটি কোনও মতপ্রকাশ বা কণ্ঠরোধের বিষয় নয়। বরং পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং পরীক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। তাদের দাবি, কয়েকজন দুষ্কৃতীর কর্মকাণ্ডের জন্য বিপুল সংখ্যক সাধারণ ব্যবহারকারী সমস্যার মুখে পড়ছেন। সংস্থার পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে সাধারণ ব্যবহারকারীদের উপর প্রভাব পড়ছে।এদিকে পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থার দাবি, গত কয়েক মাস ধরে একাধিক সন্দেহভাজন চ্যানেলের উপর নজর রাখা হচ্ছিল। তদন্তে দেখা যায়, কিছু চ্যানেল প্রকাশ্যে প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে কয়েক হাজার থেকে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাবি করছিল।তবে পরীক্ষা কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, এই ধরনের দাবি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং প্রতারণামূলক। পরীক্ষার্থীদের কোনওভাবেই এমন প্রলোভনে পা না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনও বার্তা বা চ্যানেলের তথ্য প্রশাসনকে জানানোর আবেদনও করা হয়েছে।পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রশ্নে এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ এবং তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষা মহলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের পর এবার সমাজবাদী পার্টি? বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড় উত্তরপ্রদেশ রাজনীতি

দেশের রাজনীতিতে আবারও দলভাঙার জল্পনা ঘনীভূত হচ্ছে। তৃণমূল এবং শিবসেনাকে ঘিরে বিতর্কের পর এবার সমাজবাদী পার্টিকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক মহল।সূত্রের দাবি, আগামী দিনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইন সংসদে আনার প্রস্তুতি চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং তাদের সাংসদদের অবস্থান নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আবহেই সমাজবাদী পার্টির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা সামনে এসেছে।এক মন্ত্রীর দাবি, সমাজবাদী পার্টির ভিতরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে এবং দল ভাঙার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাঁর বক্তব্য, দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ নাকি অন্য রাজনৈতিক পথ বেছে নেওয়ার বিষয়ে ভাবছেন। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে একটি কথিত তালিকাকে ঘিরে। দাবি করা হয়েছে, কয়েকজন সাংসদের নাম নিয়ে একটি তালিকা তৈরি হয়েছে এবং তা দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে পৌঁছেছে। যদিও এই দাবির পক্ষে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রমাণ সামনে আসেনি।এদিকে সমাজবাদী পার্টির শীর্ষ নেতারা এই সমস্ত জল্পনা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দলের মধ্যে কোনও ভাঙনের পরিস্থিতি নেই এবং বিরোধীদের পক্ষ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।দলের এক প্রবীণ নেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি কোনও তালিকা কারও হাতে দেননি এবং দল ভাঙার প্রশ্নই ওঠে না। তাঁর দাবি, সমাজবাদী পার্টি আগের মতোই ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ের নানা ঘটনাকে সামনে রেখে এই ধরনের জল্পনা আরও বাড়তে পারে। কারণ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে দলবদল ও রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে।ফলে সমাজবাদী পার্টিকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে নজর রয়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। আপাতত দাবি ও পাল্টা দাবির মধ্যেই উত্তপ্ত উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বুলডোজারে আপাতত ব্রেক! হকার উচ্ছেদে বড় রায়, স্বস্তির নিঃশ্বাস হাজার হাজার পরিবারের

হকার উচ্ছেদ নিয়ে চলা বিতর্কে বড় স্বস্তির খবর। কলকাতা হাই কোর্ট আপাতত একাধিক এলাকায় হকার উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে বালিগঞ্জ, বামনগাছি, বারুইপুর, ডানকুনি, গুমা, বনগাঁ, দুর্গনগর, মথুরাপুর, যাদবপুর-সহ বিভিন্ন জায়গায় আগের উচ্ছেদ নোটিস এখনই কার্যকর করা যাবে না।আদালতে মামলাকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, যেভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে, তাতে বহু মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, জীবিকার অধিকার এবং বেঁচে থাকার অধিকার সংবিধান স্বীকৃত অধিকার। হাজার হাজার পরিবার ছোট দোকান, ঠেলাগাড়ি বা অস্থায়ী ব্যবসার উপর নির্ভর করে সংসার চালায়। হঠাৎ করে উচ্ছেদ করে দিলে তাদের জীবন ও জীবিকা সংকটে পড়বে।মামলাকারীদের আইনজীবীর বক্তব্য, রাষ্ট্রের দায়িত্ব দুর্বল ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তাঁদের শত্রুর মতো আচরণ করা নয়। অথচ বহু জায়গায় আচমকা বুলডোজার নিয়ে গিয়ে দোকান ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয় আদালতে। এমন পরিস্থিতিতে বহু মানুষ রাত জেগে নিজেদের দোকান ও জীবিকা বাঁচানোর চেষ্টা করছেন বলেও দাবি করা হয়।আদালতে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে কোনও জায়গায় মানুষ বসবাস বা ব্যবসা করে এলে সেই বিষয়টি বিবেচনা না করে হঠাৎ উচ্ছেদ করা উচিত নয়। অতীতে সর্বোচ্চ আদালতের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণের কথাও তুলে ধরা হয়।অন্যদিকে রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট জমি বহু বছর আগে আইনসম্মতভাবে অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। সেই জমি ব্যবহারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নোটিসও দেওয়া হয়েছিল। তাই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া আইন মেনেই করা হচ্ছে বলে দাবি করে রেল।শুনানির সময় আদালত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রশ্ন তোলে। বিশেষ করে যাঁদের বৈধ অনুমতি বা লাইসেন্স ছিল, তাঁদেরও উচ্ছেদ করা হয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত আপাতত উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে বহু হকার ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই বিতর্কের উপর নজর থাকবে প্রশাসন, আদালত এবং সাধারণ মানুষের।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

একসময় ছিল দেশের ভরসা, আজ বিস্মৃত ইতিহাস! ফের আলোচনায় ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস

একসময় দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস। দুই বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে সীমান্ত রক্ষা এবং জঙ্গি দমনএকাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে এই বাহিনী। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই গৌরব অনেকটাই ফিকে হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও গুরুত্বহীনতার কারণে বাহিনীটি প্রায় বিস্মৃতির আড়ালে চলে গিয়েছে।সম্প্রতি এই বাহিনীকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দার্জিলিং সফরে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলসকে আবারও শক্তিশালী করা হবে। তাঁর বক্তব্য, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এক হাজার যুবক-যুবতীকে এই বাহিনীতে নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে মহিলাদের জন্যও উল্লেখযোগ্য সংরক্ষণের কথা জানানো হয়েছে।ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলসের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত এই বাহিনীতে মূলত পাহাড়ি অঞ্চলের যোদ্ধাদের নিয়োগ করা হত। দেশভাগের আগে বিভিন্ন যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তারা। স্বাধীনতার পরও সীমান্ত নিরাপত্তা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় এই বাহিনীর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।পরবর্তীকালে বিভিন্ন প্রশাসনিক পরিবর্তনের ফলে বাহিনীর গুরুত্ব কমতে শুরু করে। একসময় জঙ্গি দমন অভিযানে নিয়মিত ব্যবহৃত হলেও পরিস্থিতি বদলের সঙ্গে সঙ্গে তাদের ভূমিকা সীমিত হয়ে যায়। ধীরে ধীরে নিয়োগ, পরিকাঠামো এবং আধুনিকীকরণেও গতি কমে আসে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এই বাহিনীর উন্নয়ন নিয়ে কার্যকর উদ্যোগের অভাব ছিল। ফলে বহু দক্ষ ও ঐতিহ্যবাহী সদস্য থাকা সত্ত্বেও বাহিনীটি তার পুরনো অবস্থান হারায়।এবার সেই পরিস্থিতি বদলানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন করে এই বাহিনীকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর।এছাড়াও ভবিষ্যতে সীমান্ত এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এই বাহিনীকে ব্যবহার করা হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবু প্রশাসনিক মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা যাচ্ছে।একসময় যে বাহিনী দেশের নিরাপত্তার অন্যতম স্তম্ভ ছিল, তাকে আবারও সক্রিয় ও শক্তিশালী করার এই উদ্যোগ কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

ফের ভাঙনের মুখে উদ্ধব শিবির! হঠাৎ উধাও একাধিক সাংসদ, দিল্লিতে বড় রাজনৈতিক নাটক

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের বড় অস্থিরতার ইঙ্গিত মিলছে। একসময় শিবসেনা ভেঙে আলাদা শিবির গড়েছিলেন একনাথ শিন্ডে। সেই ঘটনার পর নতুন করে ধাক্কার মুখে পড়তে চলেছে উদ্ধব ঠাকরের দল। সূত্রের খবর, দলের একাধিক সাংসদ আচমকাই যোগাযোগের বাইরে চলে গিয়েছেন। তাঁদের ফোন বন্ধ থাকায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, অন্তত ছয় থেকে সাতজন সাংসদ শিবির বদলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন দিল্লিতে গিয়ে একনাথ শিন্ডের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলেও খবর। এই সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক অন্দরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছিল। সেই অসন্তোষই এবার প্রকাশ্যে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁদের নাম সামনে এসেছে, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই দলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত। ফলে তাঁদের সম্ভাব্য বিদ্রোহ উদ্ধব শিবিরের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াতে পারে।দল ভাঙার এই সম্ভাব্য প্রক্রিয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন একটি নামও ঘুরছে। সূত্রের দাবি, পুরো পরিকল্পনাকে ঘিরে বিশেষ কৌশল নেওয়া হয়েছে এবং সেই কারণেই সাংসদদের আচমকা অদৃশ্য হয়ে যাওয়া নিয়ে এত আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে উদ্ধব ঠাকরে নিজে এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।এদিকে একনাথ শিন্ডেও বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ সম্ভাব্য বৈঠকের পর বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন।শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল ঠাকরের আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের জন্য দলের দরজা খোলা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন শিন্ডে শিবিরের এক শীর্ষ নেতা। সেই মন্তব্যের পর থেকেই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।একসময় যে দল মহারাষ্ট্র রাজনীতির অন্যতম শক্তিশালী মুখ ছিল, সেই দলের ভবিষ্যৎ এখন নতুন করে প্রশ্নের মুখে। উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বে থাকা শিবির কি এই ধাক্কা সামলাতে পারবে, নাকি আবারও বড় ভাঙনের সাক্ষী হবে মহারাষ্ট্রসেই উত্তর মিলবে খুব শীঘ্রই।

জুন ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাত্র ২৮ বছরেই ইতিহাসের দরজায় এমবাপে! আর মাত্র তিন গোল, তারপরই বিশ্ব ফুটবলে মহারেকর্ড

বিশ্ব ফুটবলে নতুন ইতিহাস লেখার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন কিলিয়ান এমবাপে। সেনেগালের বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্সে জোড়া গোল করে ফ্রান্সকে ৩-১ ব্যবধানে জিতিয়ে রেকর্ডের খাতায় নিজের নাম আরও উজ্জ্বল করে তুললেন এই তারকা ফুটবলার।আট বছর আগে বিশ্বকাপের মঞ্চে এক কিশোরকে দেখে বিস্মিত হয়েছিল ফুটবল বিশ্ব। তাঁর গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার ক্ষমতা নজর কেড়েছিল সকলের। সেই কিশোরই আজ বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। বয়স এখনও মাত্র ২৮, অথচ ইতিমধ্যেই তিনি পৌঁছে গিয়েছেন একের পর এক ঐতিহাসিক মাইলফলকের সামনে।সেনেগালের বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথমার্ধে ফ্রান্স বেশ কয়েকবার আক্রমণ গড়লেও গোলের দেখা পায়নি। এমবাপেকে কড়া নজরে রেখেছিল প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ। ফলে তাঁকে খুব বেশি জায়গা দেওয়া হয়নি।দ্বিতীয়ার্ধে ফরাসি কোচ একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পরিবর্তন করেন। এমবাপেকে মাঝের জায়গা থেকে সরিয়ে প্রান্তে খেলানো শুরু হয়। আর সেই পরিবর্তনের ফল মিলতে সময় লাগেনি। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে সতীর্থের পাস থেকে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপে।এরপর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আবারও জ্বলে ওঠেন তিনি। অতিরিক্ত সময়ে দুরন্ত শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। সেই গোলেই নিশ্চিত হয় ফ্রান্সের জয়।তবে শুধু ম্যাচ জেতানো নয়, এই দিনটি এমবাপের জন্য বিশেষ হয়ে থাকল আরও একটি কারণে। ফ্রান্সের জার্সিতে তাঁর মোট গোলসংখ্যা পৌঁছে গেল ৫৮-তে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গেলেন দেশের প্রাক্তন কিংবদন্তি অলিভিয়ের জিরুকে এবং ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে এলেন।একই সঙ্গে বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁর মোট গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১৪। প্রথম বিশ্বকাপে চার গোল, পরের আসরে আট গোল এবং এবার শুরুতেই দুই গোল করে তিনি পৌঁছে গিয়েছেন এই মাইলফলকে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গিয়েছেন ফরাসি কিংবদন্তি জুল ফন্টেকেও।এখন বিশ্ব ফুটবলের নজর একটাই প্রশ্নে। আর মাত্র তিন গোল করলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড স্পর্শ করবেন এমবাপে। বয়স, ফর্ম এবং ধারাবাহিকতা বিচার করলে সেই রেকর্ড ভাঙা সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও প্রমাণ হল, কিলিয়ান এমবাপে শুধু বর্তমানের তারকা নন, তিনি ভবিষ্যতের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। আর সেই কিংবদন্তির নতুন অধ্যায় দেখার অপেক্ষায় এখন গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মেসিকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ! কলকাতা পুলিশকে চিঠি, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মেসিকে ঘিরে বিতর্কে ফের নতুন মোড়। এবার কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠালেন আর্জেন্টিনার মহাতারকার ম্যানেজমেন্ট টিমের প্রতিনিধিরা। সেই চিঠিতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, মেসির মাঠে উপস্থিতির সময় নির্দিষ্ট কিছু নিরাপত্তা বিধি আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। সেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। শুধুমাত্র কয়েকজন অনুমোদিত ক্যামেরা কর্মী উপস্থিত থাকতে পারতেন। কিন্তু সেই নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ।ম্যানেজমেন্ট টিমের দাবি, নির্ধারিত তালিকার বাইরে একাধিক ব্যক্তি মাঠে প্রবেশ করেছিলেন। এমনকি অনেক অননুমোদিত ফটোগ্রাফার ও ক্যামেরা কর্মীকেও সেখানে দেখা যায়। এর ফলে মাঠের পরিবেশ বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়ে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কিছু ব্যক্তি বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে তাঁর ব্যক্তিগত পরিসর ও স্বাচ্ছন্দ্য নষ্ট হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে পরিকল্পিত কিছু কর্মসূচি বাতিল করে নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন মেসি এবং তাঁর দলের সদস্যরা।এই ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। তাঁর দাবি, মেসির সফরের পরামর্শদাতা ও প্রতিনিধি পুলিশকে পাঠানো ইমেলে স্পষ্টভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, মাঠে বহু অননুমোদিত ব্যক্তি প্রবেশ করেছিলেন এবং সেই কারণেই সফরের কিছু অংশ বাতিল করতে হয়েছিল।শতদ্রু দত্ত আরও দাবি করেছেন, এতদিন যেসব অভিযোগ সামনে আনা হয়েছিল, সেই চিঠি নাকি তারই সমর্থন করছে। তাঁর মতে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন প্রত্যক্ষদর্শী এই অভিযোগগুলির কথা লিখিতভাবে জানিয়েছেন। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এদিকে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মঞ্চে হ্যাটট্রিক করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মেসি। সেই আবহের মধ্যেই এই চিঠি সামনে আসায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। ফুটবল মহল থেকে রাজনৈতিক মহলসব জায়গাতেই এখন আলোচনা একটাই, যুবভারতীতে সেদিন আসলে কী ঘটেছিল?চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আসার পর গোটা ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে তদন্ত ও আলোচনার দাবি উঠেছে। আগামী দিনে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal