• ২৮ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IC

দেশ

ফের বাড়ল পেট্রল-ডিজেলের দাম, নয়া রেকর্ড কলকাতায়

ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকেই পেট্রপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রুটিনে পরিণত হয়েছে। মাঝখানে এক-দুদিনের বিরতি থাকলেও প্রায় নিয়মিত বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। রবিবার ফের মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশজুড়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে গেল জ্বালানি তেল। যার প্রভাব সরাসরি পড়ছে খোলা বাজারে। বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম। অথচ, এখনও ভ্রূক্ষেপ নেই প্রশাসনের।রবিবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লিটারপ্রতি পেট্রলের দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ১৭ পয়সা। ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি বেড়েছে ২৫-২৯ পয়সা। এই নিয়ে চলতি মাসেই পেট্রলে লিটারপ্রতি প্রায় ২ টাকা ৬০ পয়সা, এবং ডিজেলে লিটারপ্রতি প্রায় ২ টাকা ৯০ পয়সা দাম বাড়ল। কলকাতায় পেট্রলের নতুন দাম লিটারপ্রতি ৯৩ টাকা ২৭ পয়সা। আর ডিজেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৮৬ টাকা ৯১ পয়সা। আজ মুম্বইয়ে পেট্রল বিকোচ্ছে ৯৯ টাকা ৪৯ পয়সা প্রতি লিটার দরে। ডিজেল বিকোচ্ছে ৯১ টাকা ৩০ পয়সা দরে। রাজধানী দিল্লিতে পেট্রলের নতুন দাম হয়েছে ৯৩ টাকা ২১ পয়সা। ডিজেল বিকোচ্ছে লিটারপ্রতি ৮৪ টাকা ৭ পয়সা দরে। চেন্নাইয়ে পেট্রল ও ডিজেলের নতুন দাম যথাক্রমে ৯৪ টাকা ৮৬ পয়সা এবং ৮৮টাকা ৯১ পয়সা। মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং রাজস্থানের একাধিক শহরে জ্বালানি তেল এখন বিকোচ্ছে ১০০ টাকার উপরে।

মে ২৩, ২০২১
কলকাতা

কোভিড শ্মশানের চুল্লিতে আগুন

হাওড়ার একমাত্র কোভিড শ্মশানে দাহ কাজ চলার সময়েই চুল্লিতে আগুন লেগে আতঙ্ক ছড়ায়। দমকলের দুটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছিয়ে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। একমাসের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার এই শ্মশানের চুল্লিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটল। কেন আগুন লাগল তার কারণ অনুসন্ধান করতে ঘটনাস্থলে যান হাওড়া পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা। অতিরিক্ত চাপের কারণেই এই ঘটনা বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকেই হাওড়ার শিবপুর শ্মশানকে কোভিড শ্মশানে পরিনত করে হাওড়া পুরসভা। তারপর থেকেই সারা জেলায় কোভিডে মৃতদেহের সৎকারের কাজ এই শ্মশানেই করা হতে থাকে। বাড়তে থাকে চাপ। সেই চাপ সহ্য করতে দিনরাত দাহ কাজ চালিয়ে যেতে হয় এই চুল্লিতে। গত এপ্রিল মাসের ২৭তারিখেও দাহ কাজ চলার সময়ে চুল্লির চিমনি গরম হয়ে আগুন লেগে যায়। ওই ঘটনার পর হাওড়া পুরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, টানা ২৪ ঘণ্টা ফারনেস চলায় সেটি মারাত্মক গরম হয়ে যাচ্ছে। ওই সময় শ্মশানের দুটি চুল্লির মধ্যে একটিই মাত্র সচল ছিল। পুরসভার সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতি বুঝে দ্বিতীয় চিমনিটি সারাবার পর সেটিতেও কোভিড দেহ পোড়াবার কাছে লাগানো হয়। তবে দুটো চুল্লিকেই একসঙ্গে কাজে না লাগিয়ে একটিকে বন্ধ রেখে অন্যদিকে চালানো হচ্ছিল। তারপরে এক মাসেরও কম সময়ে আবার আগুন লাগার ঘটনায় উদ্বিগ্ন এলাকার মানুষ। হাওড়া পুরসভার এক পদস্থ আধিকারিক জানান, সারাক্ষণ চুল্লি জ্বলতে থাকায় চুল্লি বা চিমনি কোনওটাই ঠাণ্ডা করা যাচ্ছে না। সেই কারণেই এদিন এই ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিন আগুন নেভানোর পর আর এক নম্বর চুল্লিটি ব্যবহার করা হয়নি। দ্বিতীয় চুল্লিতে পরে দাহ কাজ শুরু করা হয়। এই ঘটনার জেরে বেশ কিছু সময় ব্যাহত হয় মৃতদেহের অন্তিম সংস্কারের কাজ।

মে ২০, ২০২১
কলকাতা

জোড়া রদবদল রাজ্য প্রশাসনে, সরলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দুই কর্তা

ফের রাজ্য প্রশাসনে বড়সড় রদবদল। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে বিজ্ঞপ্তিু জারি করে আমলাস্তরে জোড়া রদবদল করা হল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার পর একাধিক পদের রদবদল করেছেন। দুটি পরিবর্তন সেই তালিকায় নবতম সংযোজন।নির্বাচনের আগে নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের সচিব ছিলেন সংঘমিত্রা ঘোষ। নির্বাচনের মুখে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে একাধিক আধিকারিককে সরানো হয়। সেই সময় কমিশনের অ্যাডিশনাল চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার পদে আনা হয় ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার সংঘমিত্রা ঘোষকে। ভোট মিটে যাওয়ার পর সরকার গঠন হতেই তাঁকে পুরনো পদেই ফেরানো হল। আরেক অ্যাডিশনাল চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার স্মারকি মহাপাত্রকে সরিয়ে দেওয়া হল। বদলে তাঁকে রাজ্যে অর্থদপ্তরের সচিব পদে নিয়োগ করা হল। তিনি ২০০২ সালের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার।রাজ্যে মিটে গিয়েছে ভোটপর্ব। ২০০-রও বেশি আসন নিয়ে তৃতীয়বার সরকার গড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর ভোট মিটতেই রাজ্যের পুলিশ এবং প্রশাসনিক পদে বেশ কিছু রদবদল করা হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই তালিকা আরও দীর্ঘ হয়েছে। ভোটের পরই বদলানো হয়েছে বীরভূমের জেলাশাসক এবং এসডিপিও-কে। তেমনই রাজ্য পুলিশের আরও একাধিক পদে বদল আনা হয়েছে।বীরভূমের জেলাশাসকের পদে ডিপি কারনামের জায়গায় আসতে চলেছেন বিধানচন্দ্র রায়। তিনি এর আগে খাদ্যদপ্তরের যুগ্ম সচিব পদে ছিলেন। ডিপি কারনামকে করা হয়েছে ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পের ডিরেক্টর। এছাড়া তিনি বিশ্ববাংলা কর্পোরেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টরের দায়িত্বও সামলাবেন। শ্রী নিখিল নির্মলকে করা হয়েছে বস্ত্রমন্ত্রকের ডিরেক্টর। এদিকে, হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার অভিষেক তিওয়ারিকে করা হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব। অন্যদিকে, ধবল জৈনকে করা হয়েছে হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার। এছাড়া সরানো হয়েছে নদিয়ার জেলাশাসক পার্থ ঘোষকেও। তাঁকে নিয়ে আসা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ অ্যাগ্রি মার্কেটিং কর্পোরেশন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে। যে পদে এতদিন ছিলেন ধবল জৈন। সেই রদবদলের তালিকা এদিন আরও দীর্ঘ হল।

মে ২০, ২০২১
রাজ্য

বর্ষীয়ান-অশীতিপর-বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের ভ্যাকসিন নিতে অভিনব প্রস্তাব

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির ফলে রাজ্যে জারি বিধিনিষেধ। কার্যত লকডাউনে যান চলাচল বন্ধ থাকায় করোনা ভ্যাকসিন নিতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বহু মানুষকে। তার ওপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও ভ্যাকসিনের অপ্রতুলতার কারণে হতাশ হয়েই ফিরতে হচ্ছে অনেককে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার বর্ষীয়ান ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন নাগরিকরা। এই পরিস্থিতিতে বর্ষীয়ান, অশীতিপর, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন নাগরিকদের সুরাহার কথা ভেবে হুগলির জেলাশাসকের কাছে অভিনব প্রস্তাব পাঠালেন জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়।হুগলি জেলার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, সকল বিধায়ক, জেলা পরিষদের সভাধিপতি, কর্মাধ্যক্ষ ও পুরসভার চেয়ারম্যানরা। এই জেলাতেও করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কী কী কাজ করা উচিত তা এদিন আলোচিত হয়।জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, আমি জেলাশাসককে তিনটি প্রস্তাব দিয়েছি। প্রথমটি, অশীতিপর ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন নাগরিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পোস্টাল ব্যালটে ভোট নেওয়া হয়েছে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে। সেই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য আমাদের কাছেও রয়েছে। হুগলি জেলায় এমন নাগরিকের সংখ্যা ৬০ থেকে ৭০ হাজারের মধ্যে। তাঁদের মধ্যে অনেকে টিকা পেয়েছেন। কেউ হয়তো দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় আছেন। ফলে যেখানে হকার, পরিবহণকর্মী, সাংবাদিক-সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের জন্য ভ্যাকসিন প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেখানে যে প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নরা এখনও টিকা পাননি তাঁদের বিষয়টিকেও আরও বেশি গুরুত্ব দিলে ভালো হয়। কেন না, তাঁদের হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর সমস্যা যেমন থাকে, তেমনই সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কাও থাকে। এই অবস্থায় আশা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের তাঁদের বাড়ি বাড়ি পাঠিয়ে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা হলে অনেকটাই সুরাহা হবে। তাতে দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তাতেও ভুগতে হবে না প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের।শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রোগী বা পরিজনদের কাছ থেকে আমরা অভিযোগ পাচ্ছি, করোনা সংকটকালে জেলার অনেক নার্সিংহোম অক্সিজেন, বেড, ওষুধ ইত্যাদি নিয়ে কয়েক গুণ বেশি বিল করছে। এটাও জরুরি ভিত্তিতে বন্ধ করতে হবে। ন্যায্যমূল্যে যাতে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা পরিষেবা পান সেটা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য মনিটরিং টিম থাকলেও ভালো হয়। এ ধরনের ঘটনা বন্ধে প্রয়োজনে কড়া পদক্ষেপও করতে হবে। পাশাপাশি, সামনেই বর্ষা আসছে। তাই ডেঙ্গু পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্যও আগাম সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে বলেও প্রস্তাব দেওয়া হয় এদিনের বৈঠকে।তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, গত বছর মার্চে লকডাউন ঘোষণার পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমাদের কর্মীরা লাগাতার মানুষের পাশে থেকে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে নীরবে কাজ করে চলেছেন। লকডাউন ও আম্ফানের পর সমস্যায় পড়া হাজারো পরিবারের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার পরও অক্সিজেন থেকে শুরু করে বেড জোগাড়ের কাজ করছেন আমাদের দলের কর্মীরা। বলাগড়েই পাঁচশোর উপর এমন স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন। হুগলি জেলায় এমন কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিরলস কাজ করে চলেছেন। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপও খোলা হয়েছে। কেউ বিপদে পড়লেই দল-মত নির্বিশেষে মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছেন আমাদের কর্মীরাও।

মে ১৯, ২০২১
রাজ্য

মহামারিতে মানুষের পাশে মানবিক বিধায়ক

চারিদিকে মহামারির হাহাকার। রোজ হাজার হাজার মানুষ করোনার বলি হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে লাগু হয়েছে কড়া বিধিনিষেছ। যখন মানুষ ঘর থেকে বেরোতে ভয় পাচ্ছেন, নিজের প্রতিবেশী, আত্মীয়দের পর্যন্ত সাহায্য করতে কুণ্ঠা বোধ করছেন, এমনই এক দুঃসময়, দুর্দিনে মানবিকতার অন্যতম নজির গড়লেন মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক শ্রী সুব্রত মৈত্র।বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হয় ঐতিহ্যবাহী বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজের পদার্থবিদ্যার প্রাক্তন অধ্যাপক ডঃ পূর্ণেন্দু সেনের। করোনার ভয়ে তাঁর পরিবার বা প্রতিবেশী এগিয়ে আসেননি। এমত অবস্থায় নিজে উদ্যোগ নিয়ে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন শ্রী সুব্রত মৈত্র। মুখাগ্নিও করেন তিনি। বিধায়কের এমন পদক্ষেপে এলাকার মানুষের প্রশংসা বন্যা বইয়ে দিয়েছেন। যেখানে জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হয় প্রায়ই, সেখানে একজন জনপ্রতিনিধির এমন মানবিক আচরণে সকলেই মুগ্ধ।

মে ১৯, ২০২১
রাজ্য

লকডাউনে জুটমিল বন্ধে পথে বসলেন প্রায় এক হাজার শ্রমিক

করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যে লকডাউনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে গেল হাওড়ার আরও একটি জুটমিল। কাজ হারালেন প্রায় এক হাজার শ্রমিক।দাশনগরের ভারত জুটমিলের পর এবার বালি বাদামতলার মহাদেব জুটমিল সাসপেনশন অফ ওয়ার্কের নোটিশ দিয়ে বন্ধ হল। আজ বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হল বালি বাদামতলা মহাদেব জুটমিল। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়লেন প্রায় হাজারের উপরে শ্রমিক। মূলত কাঁচামালের আমদানি ও রপ্তানির ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেওয়ায় এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে মিল কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, স্বাধীনতার পর থেকে এই প্রথম বন্ধ হল হাওড়ার বালি বাদামতলা মহাদেব জুটমিল। কর্মহীন হয়ে পড়লেন প্রায় এক হাজার শ্রমিক।মিলের ট্রেড ইউনিয়ন নেতা মিহির দত্ত বলেন, সকালে হঠাৎ কাঁচামাল নেই বলে মিলে সাসপেনশন অফ ওয়ার্ক নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এই কারখানা বন্ধ হওয়ায় প্রায় এক হাজার কর্মী কাজ হারালেন। কাঁচামালের অজুহাত দেখিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে মিল কর্তৃপক্ষ। স্বাধীনতার পর এই প্রথম মিলটি বন্ধ হলো। এটা অন্যায় করেছে মিল কর্তৃপক্ষ। এই পরিস্থিতিতে মানুষ যেখানে খেতে পারছে না সেখানে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া অনৈতিক। আমাদের ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা হয়েছিল। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন পাট এলে মিলের কাজ হবে।মিল বন্ধের কারণে মিলের সামনে ধর্না দিচ্ছেন কর্মীরা। এদিন সকালে কাজে এসে দেখা যায় মিল বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মিলের এক কর্মী তাফের আলম জানান, এদিন সকালে এসে দেখেন কাঁচা মালের জন্য মিল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মিল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল কাঁচামাল এলে কাজ হবে। লকডাউনের কারণে পাট রাস্তায় আটকে আছে। এই পরিস্থিতিতে প্রায় এক হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়লেন। সরকারি নির্দেশমতো ৩০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ চলছিল। তাঁদের সঙ্গে আলোচনা না করেই মিল কর্তৃপক্ষ একতরফাভাবে কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দাবি শ্রমিকদের।

মে ১৯, ২০২১
স্বাস্থ্য

বর্ধমানের ইছলাবাদ কিরণসঙ্ঘের উদ্যোগে বিনামূল্যে অক্সিজেন বিলি

করোনা মহামারিতে জেরবার দেশ। রাজ্যের পরিস্থিতিও তথৈবচ। এমন অবস্থায় এলাকায় করোনা আক্রান্তদের জন্য সাহায্যার্থে এগিয়ে এসে মাসবিকতার এক অনন্য নজির সৃষ্টি করল বর্ধমানের ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাব। ক্লাবের উদ্যোগে বেশ কিছু অক্সিজেন সিলিন্ডার তারা কিনেছে। এই অতিমারির বিপদের সময় কেউ অক্সিজেনের খোঁজে এলে, তাদের যেন খালি হাতে ফিরে যেতে না হয়, সেই ব্যবস্থাই করা হয়েছে ক্লাবের তরফে। ইতিমধ্যেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন এলাকারই বেশ কিছু সহৃদয় বক্তি। ক্লাবের তরফে একটি ফোন নম্বরও দেওয়া হয়েছে। নম্বরটি হল, ৭৫৮৫৯৯৭০০২। যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি ক্লাবের মাধ্যমে করোনা আক্রান্ত দের পাশে থাকতে চান ও অক্সিজেন সিলীন্ডার, অক্সিজেন পাইপ, মাস্ক, জীবনদায়ী ঔষধ দিয়ে সাহায্য করতে চান, তাও করতে পারেন।এই মহৎ উদ্যোগ যাঁদের সাহায্য ছাড়া একেবারেই সফল করা সম্ভব হত না, তাঁরা হলেন নন্তনু বল ও উত্তম চক্রবর্তী, তাঁদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই যুদ্ধে সামিল সুব্রত সাঁই ও তমাল সাহা। যখন প্রানের ভয়ে মানুষ গৃহবন্দী সে সময় এদের প্রয়াস কুর্নিশ জানানোর মত।জানা গিয়েছে, শুধু বিনামূল্যে অক্সিজেন দিয়েই নয়, এলাকার করোনা আক্রান্ত মানুষের নানা প্রয়োজনে তারা থাকছেন।

মে ১৭, ২০২১
দেশ

আগামী সপ্তাহেই বাজারে আসছে ডিআরডিও’র তৈরি ওষুধ

দেশজুড়ে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে করোনা মহামারি। সমস্ত কিছুকে আরও জটিল করে দিয়েছে হাসপাতালগুলিতে অক্সিজেনের ঘাটতি। এই পরিস্থিতিতে করোনা মোকাবিলায় ডিআরডিওর তৈরি করোনার ওষুধকে জরুরিভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র দিয়েছিল ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া। আর আগামী সপ্তাহ থেকেই বাজারে মিলবে এই ওষুধটি। শুক্রবার অর্থাৎ ছাড়পত্র পাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই ঘোষণা ডিআরডিওর। ড্রাগ ২ ডিঅক্সি ডি গ্লুকোজ বা সংক্ষেপে ২ডিজি নামে ওষুধটির প্রথম ব্যাচে থাকবে দশ হাজারটি ডোজ। যা ব্যবহার করা যাবে করোনা রোগীদের চিকিৎসায়।সংস্থার পক্ষ থেকে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, করোনার চিকিৎসার জন্য আগামী সপ্তাহেই ২ডিজি ওষুধের প্রথম ব্যাচটি বাজারে আসতে চলেছে। যাতে থাকবে দশ হাজারটি ডোজ। ওষুধটি বাজারে এলেই তা করোনা রোগীদের জন্য ব্যবহার করা হবে। এর সঙ্গেই তাতে সংযোজন করা হয়েছে, ওষুধটি ডঃ অনন্ত নারায়ন ভাট-সহ ডিআরডিওর বৈজ্ঞানিকদের একটি দল তৈরি করেছে। প্রস্তুতকারক সংস্থা এই ওষুধটির উৎপাদন আরও বাড়াতেও সচেষ্ট হয়েছে, যাতে তা করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা যায়।ইনস্টিটিউট অফ নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালিড সায়েন্স এবং হায়দরাবাদের ডক্টর রেড্ডিস ল্যাবের সহায়তায় ডিআরডিওর গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে এই ওষুধ। গত শনিবার আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে ডিআরডিও জানিয়েছিল, এই ওষুধের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গিয়েছে, রোগীর শরীরে অক্সিজেন নির্ভরতা কমাতে সক্ষম এটি। সহজে, ব্যাপক হারে উৎপাদনও করা যায়। করোনা রোগীদের উপর তা প্রয়োগ করে দেখা গিয়েছে, দ্রুতই তাঁদের রিপোর্ট কোভিড নেগেটিভ হয়ে যাচ্ছে। গ্লুকোজের অণু এই ওষুধের প্রধান উপকরণ।জানা গিয়েছে, ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে এই ওষুধের ট্রায়াল শুরু হয়েছিল। প্রথম দফার পর দ্বিতীয় দফাতেও দুধাপে হয়েছে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ। তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালও হয় দুভাগে। ২০২০-র ডিসেম্বর থেকে ২০২১-এর মার্চের মধ্যে দুশোরও বেশি কোভিড রোগীর উপর ২ডিজি প্রয়োগ করা হয়েছে বলে দাবি ডিআরডিওর। সেসবের সাফল্যের নিরিখেই এবার ডিআরডিও-র তৈরি ওষুধকে জরুরিভিত্তিতে প্রয়োগের ছাড়পত্র দেওয়া হল। এর আগে রেমডেসিভির, ভিরাফিনকেও একইভাবে জরুরি চিকিৎসার জন্য ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছিল ডিজিসিআই। এবার মিলল ২ডিজি ব্যবহারের ছাড়পত্র। এই মুহূর্তে করোনা চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় উপকরণ অক্সিজেনের বড়সড় সংকট। ফলে এই ওষুধ যদি সেই সমস্যার খানিকটা সমাধান করতে পারে, তা ভেবেই দ্রুত আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ব্যবহারে অনুমোদন দেওয়া হল, এমনই মত স্বাস্থ্যমহলের একাংশের।

মে ১৫, ২০২১
দেশ

অসমের নাগরিকপঞ্জি ফের যাচাইয়ের জন্য আবেদন সুপ্রিম কোর্টে

অসমের নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) খতিয়ে দেখার জন্য ফের আবেদন জমা পড়ল সুপ্রিম কোর্টে। সে রাজ্যের এনআরসি কো-অর্ডিনেটর হিতেশ দেব শর্মা শীর্ষ আদালতকে জানিয়েছেন এনআরসি-র চূড়ান্ত খসড়া তালিকায় কিছু গুরুতর অনিয়ম চিহ্নিত করা হয়েছে। তাই ওই তালিকা ফের যাচাই করা প্রয়োজন।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ও তদারকিতে তৈরি হওয়া এনআরসি-র চূড়ান্ত খসড়া তালিকা ২০১৯-এর ৩১ অগস্ট প্রকাশিত হয়। তাতে অসমের ৩ কোটি ৩০ লক্ষ আবেদনকারীর প্রায় ১৯ লক্ষ ৭ হাজার বাসিন্দার নাম বাদ গিয়েছে বলে অভিযোগ। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে ফের একবার তার যাচাইয়ের জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু ২০১৯-এর ১২ অগস্ট তৎকালীন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের বেঞ্চ সেই আবেদন নাকচ করে দিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টে হিতেশ জানিয়েছেন, অনেক তালিকায় ঠাঁই পাওয়ার যোগ্য অনেক নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। ঘটনাচক্রে, সম্প্রতি অসমের নয়া মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে যে শরণার্থীরা চলে এসেছিলেন, তাঁদের অধিকাংশের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। কারণ, এনআরসি কর্তৃপক্ষ তাঁদের পেশ করা শরণার্থী শংসাপত্রকে নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেনি। প্রসঙ্গত, অসম সরকার এবং কেন্দ্র এর আগে অভিযোগ তুলেছিল অনেক অযোগ্য ব্যক্তির নামও এনআরসি-র খসড়া তালিকায় স্থান পেয়েছে।অসমের পূর্বতন বিজেপি সরকার এর আগে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে ২০ শতাংশ এবং অন্যত্র ১০ শতাংশ নাগরিকের নথিপত্র ফের যাচাই করা হবে। এই সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যেই আপত্তি তুলেছে অসমের কিছু বাংলাভাষী এবং সংখ্যালঘু সংগঠন। যদিও বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট এনআরসি-ভুক্ত নাগরিকদের নথিপত্র ফের যাচাইয়ের আবেদন জানিয়েছেন হিতেশ। তাঁর যুক্তি, আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী রাজ্য অসমের অবস্থান কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রশ্নটি এ ক্ষেত্রে অতি গুরুত্বপূর্ণ।

মে ১৩, ২০২১
রাজ্য

দেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলো কি দেখতে পাচ্ছে না? কোচবিহারে তোপ রাজ্যপালের

ভোট চলাকালীন রক্তাক্ত হয়েছিল শীতলকুচি । সিআরপিএফের গুলিতে প্রাণ গিয়েছিল চারজনের। সেই ক্ষত এখনও টাটকা। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার শীতলকুচি যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তাকে লক্ষ্য করে উঠল গো ব্যাক স্লোগান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। কার্যত সঙ্গে সঙ্গেই পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে পুলিশ। পূর্বসূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকালে কোচবিহার যান রাজ্যপাল। কোচবিহার বিমানবন্দরে নেমে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ফের উদ্বেগ প্রকাশ করেন। রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার কথা বলেন। বলেন, রাজ্যের এই পরিস্থিতি দেখে আমি চুপচাপ রাজভবনে বসে থাকতে পারব না। আমি কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় যাব। যাঁরা আতঙ্কে অসমে পালিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের ফিরিয়ে আনব। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হয়ে এই জায়গাকে কলঙ্কিত হতে দেখতে পারব না। এরপরই সড়কপথে মাথাভাঙা, শীতলকুচি, সিতাই ও দিনহাটার হিংসা কবলিত এলাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। শীতলকুচি-সহ বিভিন্ন জায়গায় তাঁকে লক্ষ্য করে গো ব্যাক স্লোগান ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক সন্ত্রাসের শিকার পরিবারগুলির সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। ধনকড়কে কাছে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই কান্নায় ভেঙে পড়ে নির্যাতিত পরিবারগুলি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ধনখড় আরও বলেন, এখানে একটাই কথা শোনা যাচ্ছে, আমরা ঝান্ডা লাগিয়েছি তাও বাঁচতে পারছি না কেন? আমাদের খুব ভুল হয়ে গিয়েছে। আমরা গণতন্ত্রে শ্বাস নিতে চাই। ওরা বলছে, প্রশাসনের কেউ আসেনি। পুলিশে গেলে বরবাদ হয়ে যাব। আমার মনে হচ্ছে, এখানে পুলিশ ও প্রশাসনের হৃদয় নেই। আইনের শাসন নেই। ঘরে-বাইরে আতঙ্ক, সন্ত্রাসের বাতাবরণ। আমার নিজের লজ্জা হচ্ছে। দেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলো কী করছে! ওরা কি দেখতে পায়না? উল্লেখ্য, এই জেলা সফর নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছেন রাজ্যপাল। ধনকড় প্রথা ভেঙে এই সফর করছেন, এমনটা দাবি করে বুধবার তাঁকে একটি চিঠি লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি ছিল, প্রথা অনুযায়ী, রাজ্যপাল যদি রাজ্যের কোনও জেলায় যান, সেক্ষেত্রে তা সরকারকে জানাতে হয়। তিনি যেখানে যাচ্ছেন সেখানকার প্রশাসনকেও তা জানানো আবশ্যক। কিন্তু রাজ্যপাল তা করেননি। এদিন ওই চিঠির শুরু থেকেই রাজ্যপালের কোচবিহার সফর ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। বৃহস্পতিবার নিশীথ প্রামাণিককে সঙ্গে নিয়ে কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। মাথাভাঙার বেশ কিছু জায়গা পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল। উল্লেখ্য, যে রাস্তা দিয়ে রাজ্যপালের কনভয় যায়, তারই দুপাশে বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর, হামলার নিদর্শন স্পষ্ট ছিল। একটি এলাকায় পৌঁছতেই দেখা যায়, রীতিমতো রাজ্যপালের পায়ের কাছে পড়ে যান আক্রান্ত পরিবারের এক মহিলা। বিচার চেয়ে কাঁদতে থাকেন তিনি। আরও এক মহিলাকে রাজ্যপালের পায়ে পড়তে দেখা যায়। সেখানে উপস্থিত অন্যান্য মহিলা আধিকারিকরা দুজনকে সরিয়ে নেন। এলাকায় বিপর্যস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। অন্যদিকে, শীতলকুচি যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন রাজ্যপাল। দিনহাটা শহরে বিজেপি নেতার ভাঙা বাড়ি দেখে রাস্তায় ওঠার মুখেই কিছু যুবক রাজ্যপালকে কালো পতাকা দেখান। এরপর গাড়ি থেকে নেমে পড়েন রাজ্যপাল। পুলিশকে ডেকে জানতে চান, এসব কী হচ্ছে। দিনহাটার এসডিপিওকে ধমক দেন। রাজ্যপালের রোষের মুখে পরে দিনহাটা থানার আইসি স্বয়ং। তাঁকেও ডেকেও রাজ্যপাল জানতে চান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমন কেন দিনহাটা জুড়ে? এরপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর জেলা সফরে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তাঁর কথায়, অপমানিত, আহত বোধ করছেন তিনি। কোনও চাপের কাছে মাথা নত নয় বলে সাংবাদিকদের সামনে স্পষ্ট করে রাজ্য সরকারকে বার্তা দেন রাজ্যপাল।

মে ১৩, ২০২১
রাজ্য

দেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলো কি দেখতে পাচ্ছে না? কোচবিহারে তোপ রাজ্যপালের

ভোট চলাকালীন রক্তাক্ত হয়েছিল শীতলকুচি । সিআরপিএফের গুলিতে প্রাণ গিয়েছিল চারজনের। সেই ক্ষত এখনও টাটকা। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার শীতলকুচি যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তাকে লক্ষ্য করে উঠল গো ব্যাক স্লোগান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। কার্যত সঙ্গে সঙ্গেই পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে পুলিশ। পূর্বসূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকালে কোচবিহার যান রাজ্যপাল। কোচবিহার বিমানবন্দরে নেমে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ফের উদ্বেগ প্রকাশ করেন। রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার কথা বলেন। বলেন, রাজ্যের এই পরিস্থিতি দেখে আমি চুপচাপ রাজভবনে বসে থাকতে পারব না। আমি কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় যাব। যাঁরা আতঙ্কে অসমে পালিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের ফিরিয়ে আনব। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হয়ে এই জায়গাকে কলঙ্কিত হতে দেখতে পারব না। এরপরই সড়কপথে মাথাভাঙা, শীতলকুচি, সিতাই ও দিনহাটার হিংসা কবলিত এলাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। শীতলকুচি-সহ বিভিন্ন জায়গায় তাঁকে লক্ষ্য করে গো ব্যাক স্লোগান ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক সন্ত্রাসের শিকার পরিবারগুলির সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। ধনকড়কে কাছে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই কান্নায় ভেঙে পড়ে নির্যাতিত পরিবারগুলি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ধনখড় আরও বলেন, এখানে একটাই কথা শোনা যাচ্ছে, আমরা ঝান্ডা লাগিয়েছি তাও বাঁচতে পারছি না কেন? আমাদের খুব ভুল হয়ে গিয়েছে। আমরা গণতন্ত্রে শ্বাস নিতে চাই। ওরা বলছে, প্রশাসনের কেউ আসেনি। পুলিশে গেলে বরবাদ হয়ে যাব। আমার মনে হচ্ছে, এখানে পুলিশ ও প্রশাসনের হৃদয় নেই। আইনের শাসন নেই। ঘরে-বাইরে আতঙ্ক, সন্ত্রাসের বাতাবরণ। আমার নিজের লজ্জা হচ্ছে। দেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলো কী করছে! ওরা কি দেখতে পায়না? উল্লেখ্য, এই জেলা সফর নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছেন রাজ্যপাল। ধনকড় প্রথা ভেঙে এই সফর করছেন, এমনটা দাবি করে বুধবার তাঁকে একটি চিঠি লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি ছিল, প্রথা অনুযায়ী, রাজ্যপাল যদি রাজ্যের কোনও জেলায় যান, সেক্ষেত্রে তা সরকারকে জানাতে হয়। তিনি যেখানে যাচ্ছেন সেখানকার প্রশাসনকেও তা জানানো আবশ্যক। কিন্তু রাজ্যপাল তা করেননি। এদিন ওই চিঠির শুরু থেকেই রাজ্যপালের কোচবিহার সফর ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। বৃহস্পতিবার নিশীথ প্রামাণিককে সঙ্গে বিয়ে কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। মাথাভাঙার বেশ কিছু জায়গা পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল। উল্লেখ্য, যে রাস্তা দিয়ে রাজ্যপালের কনভয় যায়, তারই দুপাশে বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর, হামলার নিদর্শন স্পষ্ট ছিল। একটি এলাকায় পৌঁছতেই দেখা যায়, রীতিমতো রাজ্যপালের পায়ের কাছে পড়ে যান আক্রান্ত পরিবারের এক মহিলা। বিচার চেয়ে কাঁদতে থাকেন তিনি। আরও এক মহিলাকে রাজ্যপালের পায়ে পড়তে দেখা যায়। সেখানে উপস্থিত অন্যান্য মহিলা আধিকারিকরা দুজনকে সরিয়ে নেন। এলাকায় বিপর্যস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। অন্যদিকে, শীতলকুচি যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন রাজ্যপাল। দিনহাটা শহরে বিজেপি নেতার ভাঙা বাড়ি দেখে রাস্তায় ওঠার মুখেই কিছু যুবক রাজ্যপালকে কালো পতাকা দেখান। এরপর গাড়ি থেকে নেমে পড়েন রাজ্যপাল। পুলিশকে ডেকে জানতে চান, এসব কী হচ্ছে। দিনহাটার এসডিপিওকে ধমক দেন। রাজ্যপালের রোষের মুখে পরে দিনহাটা থানার আইসি স্বয়ং। তাঁকেও ডেকেও রাজ্যপাল জানতে চান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমন কেন দিনহাটা জুড়ে? এরপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর জেলা সফরে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তাঁর কথায়, অপমানিত, আহত বোধ করছেন তিনি। কোনও চাপের কাছে মাথা নত নয় বলে সাংবাদিকদের সামনে স্পষ্ট করে রাজ্য সরকারকে বার্তা দেন রাজ্যপাল।

মে ১৩, ২০২১
বিদেশ

ভারতে করোনা বৃদ্ধির জন্য দায়ী বড় বড় ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক সমাবেশ’: হু

ল্যানসেট এবং নেচার পত্রিকার পর এবার ভারতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য সরাসরি রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় সমাবেশকে দায়ী করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। হু বলছে, ভারতের বর্তমান পরিস্থিতির কারণ খতিয়ে দেখতে গিয়ে তাঁরা জানতে পেরেছেন, ভারতে সংক্রমণ বৃদ্ধির অনেকগুলি কারণের মধ্যে অন্যতম হল বড় বড় রাজনৈতিক জনসভা এবং ধর্মীয় জমায়েত।আসলে, প্রথম দফার সংক্রমণের গতি কিছুটা কমতেই ভারত সরকার তথা সাধারণ মানুষ করোনা নিয়ে অনেকটাই গা-ছাড়া মনোভাব দেখিয়েছে।দূরত্ব বিধি তো মানা হয়ইনি, উলটে বড়বড় রাজনৈতিক তথা ধর্মীয় সমাবেশ হয়েছে এদেশে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই দূরত্ববিধি শিকেয় তুলে ৭টি রাজ্যে নির্বাচন হয়েছে। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একের পর এক বড় বড় জনসভা করেছেন। একই দোষে দুষ্ট বিরোধী শিবিরও। শুধু রাজনৈতিক সমাবেশ নয়, এ হেন কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে কুম্ভমেলার মতো সুপার স্প্রেডার ধর্মীয় সমাবেশ হয়েছে। বহু পুজো-অর্চনা, এবং অন্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জমায়েতের অনুমতি দিয়েছে সরকার। এগুলিকেই দেশে দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহ আকার নেওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করল হু।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, ভারতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে হু জানতে পেরেছে যে, ভারতে সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার বৃদ্ধির অনেক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বড় বড় রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় জমায়েত। বিশেষ করে, এই জমায়েতগুলিতে ন্যুনতম কোনওরকম দূরত্ববিধি না মানার জন্য বেড়েছে সংক্রমণের ঝুঁকি। তবে, এই সমাবেশগুলির জন্য ঠিক কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।

মে ১৩, ২০২১
রাজ্য

ফের রাজ্যে প্রশাসনিক ও পুলিশে রদবদল

রাজ্যে জেলাশাসক স্তরে এদিস ফের রদবদল হলো। বীরভূম জেলার নতুন জেলাশাসক হলেন বিধানচন্দ্র রায়। তিনি খাদ্য দপ্তরের যুগ্ম সচিব ছিলেন। এখনকার জেলাশাসক ডিপি কারানাম ক্ষুদ্র ও কুটীর শিল্প দপ্তরের অধিকর্তা হলেন। এই দায়িত্বে ছিলেন নিখিল নির্মল। তাঁকে বস্ত্র অধিকর্তা করা হলো। হাওড়া পুরসভার কমিশনার অভিষেক তিওয়ারিকে স্বাস্থ্য দপ্তরের যুগ্ম সচিব করা হলো। তাঁর জায়গায় এলেন দাভাল জৈন। তাঁকে হাওড়া জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসকের দায়িত্বও দেওয়া হলো। বুধবার এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তর।এদিন আইপিএস স্তরেও বেশ কিছু রদবদল হয়েছে। শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার দেবেন্দ্র প্রকাশ সিং আইজি, উত্তরবঙ্গ হলেন। এই পদে ছিলেন আইপিএস বিশাল গর্গ। তাঁকে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত নগরপাল করা হলো। কম্পালসারি ওয়েটিংএ থাকা আইপিএস শ্রীহরি পাণ্ডেকে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের নর্থ জোনের ডিসি করা হলো। রায়গঞ্জের ফোর্থ ব্যাটেলিয়ান স্যাপের সিও আইপিএস প্রদীপ কুমার যাদবকে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের পুলিশ সুপার করা হলো।

মে ১২, ২০২১
কলকাতা

স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বচসা ও মারামারি, বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে সাময়িক বন্ধ পরিষেবা

স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বচসার জেরে বুধবার সারাদিন বেহাল পরিষেবা অবস্থা থাকল হাওড়ার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের। এদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ না করায় নানা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হন রোগীরা। অনেক রোগীর পরিবারের সদস্যরাই অভিযোগ তোলেন, স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ বন্ধ করে দিনভর বচসা ও মারামারি করায় অনেকে খাবার জলটুকুও পাননি। পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বরজুড়ে এক অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ না করায় যত্রতত্র পড়ে থাকে পিপিই কিট। চুক্তিভিত্তিক এক স্বাস্থ্য কর্মীকে হাসপাতালের এক সুপারভাইজার মদ্যপ অবস্থায় মারধর করেছেন, এই অভিযোগেই কাজ বন্ধ করে দেন স্বাস্থ্য কর্মীদের একাংশ। এমনকী, বুধবার দুপুরে এই কোভিড হাসপাতালের ভিতরেই স্বাস্থ্যকর্মীদের দুই পক্ষের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি বেধে যায়। যার জেরে বন্ধ হয়ে যায় রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার কাজ। ঘটনার সূত্রপাত হয় মঙ্গলবার রাতে। হিল্লোল বন্দোপাধ্যায় নামে চুক্তিভিত্তিক এক স্বাস্থ্য কর্মীর অভিযোগ, তাঁদের এক কর্মীকে হাসপাতালের এক সুপারভাইজার ওদিন রাতে মদ্যপ অবস্থায় মারধর করে। তাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা। আর সে কারণেই নিরাপত্তার দাবিতে তাঁরা কাজ বন্ধ করে দেন। এদিন বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের প্রায় ৩৭ জন চতুর্থ শ্রেণির চুক্তিভিত্তিক সরকারি স্বাস্থ্যকর্মী কাজ বন্ধ করে দেন। অপরদিকে, যাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠে সেই চুক্তিভিত্তিক সুপারভাইজার লাল্টু বিশ্বাস অবশ্য অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন। এই পরিস্থিতিতে বুধবার অনেক রোগীর পরিজনরাই তাঁদের রোগীদের ওই হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত করার চেষ্টা করেন। পরিষেবা না পাওয়ার জন্য এদিন হাসপাতালে রীতিমতো বিক্ষোভ দেখান রোগীর আত্মীয়রা।৩০০ শয্যার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় সমস্যায় পড়েন বহু রোগী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এদিন বিকেলেই স্বাস্থ্য কর্মীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের ডেপুটি সুপার। সন্ধ্যা পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয় বলে জানান জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক।

মে ১২, ২০২১
কলকাতা

স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বচসা ও মারামারি, বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে সাময়িক বন্ধ পরিষেবা

স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বচসার জেরে বুধবার সারাদিন বেহাল পরিষেবা অবস্থা থাকল হাওড়ার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের। এদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ না করায় নানা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হন রোগীরা। অনেক রোগীর পরিবারের সদস্যরাই অভিযোগ তোলেন, স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ বন্ধ করে দিনভর বচসা ও মারামারি করায় অনেকে খাবার জলটুকুও পাননি। পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বরজুড়ে এক অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ না করায় যত্রতত্র পড়ে থাকে পিপিই কিট। চুক্তিভিত্তিক এক স্বাস্থ্য কর্মীকে হাসপাতালের এক সুপারভাইজার মদ্যপ অবস্থায় মারধর করেছেন, এই অভিযোগেই কাজ বন্ধ করে দেন স্বাস্থ্য কর্মীদের একাংশ। এমনকী, বুধবার দুপুরে এই কোভিড হাসপাতালের ভিতরেই স্বাস্থ্যকর্মীদের দুই পক্ষের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি বেধে যায়। যার জেরে বন্ধ হয়ে যায় রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার কাজ। ঘটনার সূত্রপাত হয় মঙ্গলবার রাতে। হিল্লোল বন্দোপাধ্যায় নামে চুক্তিভিত্তিক এক স্বাস্থ্য কর্মীর অভিযোগ, তাঁদের এক কর্মীকে হাসপাতালের এক সুপারভাইজার ওদিন রাতে মদ্যপ অবস্থায় মারধর করে। তাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা। আর সে কারণেই নিরাপত্তার দাবিতে তাঁরা কাজ বন্ধ করে দেন। এদিন বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের প্রায় ৩৭ জন চতুর্থ শ্রেণির চুক্তিভিত্তিক সরকারি স্বাস্থ্যকর্মী কাজ বন্ধ করে দেন। অপরদিকে, যাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠে সেই চুক্তিভিত্তিক সুপারভাইজার লাল্টু বিশ্বাস অবশ্য অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন। এই পরিস্থিতিতে বুধবার অনেক রোগীর পরিজনরাই তাঁদের রোগীদের ওই হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত করার চেষ্টা করেন। পরিষেবা না পাওয়ার জন্য এদিন হাসপাতালে রীতিমতো বিক্ষোভ দেখান রোগীর আত্মীয়রা।৩০০ শয্যার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় সমস্যায় পড়েন বহু রোগী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এদিন বিকেলেই স্বাস্থ্য কর্মীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের ডেপুটি সুপার। সন্ধ্যা পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয় বলে জানান জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক।

মে ১২, ২০২১
দেশ

ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানির দাম

ভোট মিটতেই জ্বালানির দামের ফের ঊর্ধ্বমুখী দৌঁড় শুরু। বুধবারও অব্যাহত সেই ধারা। পর পর তিনদিন দাম বেড়ে কলকাতায় এ বছরে সর্বোচ্চ দামে পৌঁছল পেট্রল। ডিজেলের দামও জ্বালা ধরাচ্ছে আমজনতার হেঁশেলে। বুধবার লিটারপ্রতি ২৪ পয়সা বেড়ে এ শহরে পেট্রলের দাম হল ৯২ টাকা ১৬ পয়সা। ২৫ পয়সা বেড়ে লিটার প্রতি ডিজেলের দাম দাঁড়াল ৮৫ টাকা ৪৫ পয়সা। গতকাল কলকাতায় প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ছিল ৯১ টাকা ৯২ পয়সা। পরশু দিনের চেয়ে ২৬ পয়সা বেড়েছিল প্রতি লিটারের দাম। ৩০ পয়সা বেড়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম হয়েছিল ৮৫ টাকা ২০ পয়সা। স্বাভাবিকভাবেই এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়ছে বাজারেও। উল্লেখ্যা, মে মাসের ১২দিনের মধ্যে ৭দিন বাড়ল পেট্রল-ডিজেলের দাম।চার রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটপর্ব চলাকালীন কিছুটা কমেছিল জ্বালানির দাম। তখনই রাজনৈতিক মহল দাবি করেছিল, ভোটের সময় মানুষের মন পেতে দাম কমানো হচ্ছে। নির্বাচনের ফল ঘোষণা হতেই আবার পারদ চড়ছে জ্বালানির দামের। আর তাপে ছ্যাঁকা খেতে হচ্ছে আমজনতাকে। একে করোনাকালে বিধিনিষেধের গেঁরোয় রুজিরুটিতে চান পড়েছে অনেকের। তার উপর লাফিয়ে বাড়ছে খরচ। এর মাঝে জ্বালানির দামবৃদ্ধির জেরে ক্রমশ অগ্নিমূল্য হচ্ছে বাজার। দাম বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের।শুধু কলকাতা নয়, মুম্বইতেও পেট্রলের দাম বেড়ে হয়েছে প্রতি লিটারে ৯৮.৩৬ টাকা। ডিজেলের দাম দাঁড়িয়েছে প্রতি লিটারে ৮৯.৭৫ টাকা। রাজধানী দিল্লিতে পেট্রলের দাম হয়েছে ৯২.০৫ টাকা। অন্যদিকে,ডিজেলের দাম লিটারে বেড়ে হয়েছে ৮২.৬১ টাকা। রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশের পর গতকাল মহারাষ্ট্রে সেঞ্চুরির গণ্ডি পেরিয়েছে পেট্রলের দাম।

মে ১২, ২০২১
দেশ

উত্তরপ্রদেশে মুসলিম ধর্মগুরুর শেষকৃত্যে উপচে পড়া ভিড়

দিল্লির নিজামুদ্দিনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল উত্তরপ্রদেশে। করোনা বিধি উড়িয়ে মুসলিম ধর্মগুরুর মৃত্যুতে উপচে পড়ল হাজার হাজার মানুষের ভিড়। এই মর্মে একটি মামলা দায়ের করেছে প্রশাসন।ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বদায়ুঁতে। গত রবিবার মৃত্যু হয় আবদুল হামিদ মহম্মদ সলিমুল কাদরি নামের এক মুসলিম ধর্মগুরুর। তারপর ভক্তদের জন্য স্থানীয় একটি মসজিদে রাখা হয়েছিল ওই ধর্মগুরু দেহ। সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বদায়ুঁতে হাজির হয় কয়েক হাজার মানুষ। করোনা বিধি শিকেয় তুলে এই বিশাল জমায়েতের ঘটনায় সোমবার মামলা দায়ের করেছে প্রশাসন। বলে রাখা ভাল, করোনা সংক্রমণ রুখতে শেষকৃত্যে সর্বোচ্চ ২০ জন মানুষ উপস্থিত থাকার অনুমতি দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন। এছাড়া, মাস্ক না পরে প্রথমবার ধরা পড়লে ১ হাজার টাকা ও দ্বিতীয়বার ১০ হাজার টাকা জরিমানাও ধার্য করা হয়েছে। তবে এসব কোনও আইন কানুনই সলিমুল কাদরির শেষকৃত্যে ভিড় আটকাতে পারেনি।মানা হয়নি করোনা বিধিও। ফলে মরকজের মতো এই জমায়েত থেকে সুপার স্প্রেডারদের ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মে ১১, ২০২১
কলকাতা

যুবককে পিটিয়ে খুন, রণক্ষেত্র হাওড়া

সামান্য বচসার জেরে যুবককে পিটিয়ে খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হাওড়ার শিবপুর। সোমবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটলেও মঙ্গলবারও উত্তেজনা এলাকায়। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে জিটি রোড অবরোধ করেছন স্থানীয়রা। ঘটনাস্থলে মোতায়েন প্রচুর পুলিশ ও র্যাফ।হাওড়ার শিবপুরের বাগদি পাড়ার বাসিন্দা গুড্ডু চৌরাসিয়া নামে ওই যুবক। জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে পাশের পাড়ার ছেলেদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে ওই যুবক ও তাঁর বন্ধুরা। ক্রমেই তা হাতাহাতিতে পৌঁছে যায়। একে অপরকে লক্ষ্য করে শুরু করে ইটবৃষ্টি। ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় এলাকার বেশ কয়েকটি দোকানে। কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। অভিযোগ, সেই সময় বেধড়ক মারধর করা হয় গুড্ডুকে। রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন যুবক। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শিবপুর চত্ত্বর। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে জিটিরোড অবরোধ করে উত্তেজিত ঘটনা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়দানে নামে প্রচুর পুলিশ ও ব়্যাফ। তাঁদের সামনেও চলে অবরোধ। এখনও রীতিমতো উত্তপ্ত এলাকা। বাগদি পাড়ার এক বাসিন্দার দাবি, সামান্য খেলাধুলো নিয়ে কথা কাথাকাটাকাটি থেকেই এই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। সামান্য অশান্তির কারণেই পিটিয়ে খুন করা হল যুবককে, নাকি নেপথ্যে লুকিয়ে অন্য রহস্য, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মে ১১, ২০২১
বিদেশ

জন্মদিনের পার্টিতে বন্দুকবাজের হামলায় খুন ৬ জনকে, আত্মঘাতী হামলাকারী

ফের মার্কিন মুলুকে বন্দুকবাজের হামলা। জন্মদিনের পার্টিতে ঢুকে গুলি চালিয়ে ছজনকে খুন করল এক বন্দুকবাজ। যাঁদের মধ্যে আবার রয়েছে তার বান্ধবী। এরপর শেষে নিজেও আত্মঘাতী হয় ওই যুবক। আর এই ঘটনা ঘিরেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আমেরিকার কলোরাডোতে। প্রাথমিক সন্দেহে অনুমান প্রেমঘটিত কারণেই এই হামলার ঘটনাটি ঘটেছে।সেদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটে রবিবার গভীর রাতে। কলোরাডো স্প্রিংসে সেসময় চলছিল জন্মদিনের পার্টি। আচমকাই সেখানে ঢুকে পড়ে ওই বন্দুকবাজ। এরপর আচমকাই গুলি চালাতে শুরু করে সে। তাতেই প্রাণ হারান তার বান্ধবী-সহ ছজন। এরপর সে নিজেকেও গুলি করে। কলোরাডো শহরের পুলিশ এই প্রসঙ্গে জানিয়েছে, কলোরাডো স্প্রিংসে ওই বন্দুকবাজের হানা দেওয়ার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশের উদ্ধারকারী দল সেখানে পৌঁছয়। কিন্ত কয়েক মিনিটের মধ্যেই গোটা ঘটনাটি ঘটে গিয়েছিল। এরপর পুলিশ ছজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে। গুরুতর আহত অবস্থায় রক্তাক্ত বন্দুকবাজকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকেও মৃত বলে ঘোষণা করেন।প্রাথমিক তদন্তে আধিকারিকদের অনুমান, নিহতদের মধ্যে এক তরুণীর বয়ফ্রেন্ড ওই বন্দুকবাজ। প্রেমঘটিত কারণে বদলা নিতেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে ওই যুবক। তবে কলোরাডোর মেয়র জন সাদার্স জানিয়েছেন, এই ঘটনার তদন্ত করার জন্য বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। জন্মদিনের পার্টিতে উপস্থিত এক মহিলা প্রত্যক্ষদর্শী সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, যে সময়ে এই ঘটনা ঘটে তখন তিনি পার্টি ছেড়ে পার্কিংজোনে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছিলেন। হঠাৎই জোরাল শব্দ শুনতে পান। মুহুর্মুহু গুলি চলতে থাকে। ভয়ে তিনি লুকিয়ে পড়েন। পুলিশ আরও জানিয়েছে, জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অনেক শিশু উপস্থিত ছিল। কিন্ত তাদের কেউ জখম হয়নি। অর্থাত্ বেশ দেখেশুনেই গুলি চালিয়েছে ওই বন্দুকবাজ। তবে এই প্রথম নয়, মার্কিন মুলুকে বন্দুকবাজের হামলা প্রায়শই ঘটে থাকে। শুধু কলোরাডো শহরে গত ছবছরে চতুর্থবার বন্দুকবাজের হামলার ঘটনা ঘটল।

মে ১০, ২০২১
প্রযুক্তি

ভাইরাস ধ্বংসকারী মাস্ক আবিষ্কারে বাঙালি তরুণীর বিশ্বজয়

গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার - উচ্চ-রেজোলিউশন চিত্র ও ভিডিও আকারে বিশ্বজুড়ে বিশ্ব সেরা শিল্পকর্ম পন্য এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শন গুলির সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের একটি অনলাইন মিউজিয়াম। গুগল ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠা করে এই ভার্চুয়াল মিউজিয়াম টি । এই মিউজিয়াম উচ্চ- রেজুলেশন চিত্র প্রযুক্তি ব্যবহার করে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত রেখেছে। বিশ্ব সেরা দশটি শিল্পকর্ম, পন্য এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শন গুলির দেখার জন্য গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার এর মিউজিয়ামে প্রবেশ করলে দেখা মিলবে ভারতের গর্ব দিগন্তিকা বোস এর উদ্ভাবিত ভাইরাস ডিটারেন্ট মাস্ক ২০২০। তার উদ্ভাবিত মাস্ক টি গুগল এর মিউজিয়ামে উপস্থাপনে সহযোগিতা করেছে মিউজিয়াম অফ ডিজাইন এক্সিলেন্সের যাদুঘর মুম্বাই। গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার মিউজিয়ামে দিগন্তিকার উদ্ভাবিত ভাইরাস ডিটারেন্ট মাস্ক এর মডেল সংরক্ষণ করেছে । সাথে উল্লেখ করেছে ভাইরাস ডিটারেন্ট মাস্ক,2020, উদ্ভাবক দিগন্তিকা বোস এর নাম । আরো উল্লেখ করেছে এই ধুলোমুক্ত এবং ভাইরাস-নিরোধকমাস্কটি ভারতের সতের বছর বয়সী কনিষ্ঠ তম উদ্ভাবক হিসাবে ডিজাইন টির প্রোটোটাইপ করেছেন দিগন্তিকা, মিউজিয়ামে আরো উল্লেখ করেছে যে তাঁর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জ্ঞানকে ব্যবহারিক ব্যবহারের জন্য প্রয়োগ করে দিগন্তিকা আবিষ্কার করেছিলেন যে নেতিবাচক আয়নগুলি আমাদের চারপাশের বাতাসের সংস্পর্শে আসে তখন তারা বেশিরভাগ ভাইরাসকে ধ্বংস করে দেয়। সম্পূর্ণ ভাইরাস ধ্বংস নিশ্চিত করতে, একটি সাবান-জল মিশ্রণ দুটি রাসায়নিক ফিল্টারে যুক্ত করা হয়েছে যা গৃহীত বাতাসকে বিশুদ্ধ করে যার মধ্যে ভাইরাসের অবশিষ্ট ধ্বংস করে প্রবেশ করতে দেয়। এই ভাবে সমগ্ৰ উদ্ভাবন টির বর্ণনা দিয়েছে গুগল। দিগন্তিকা মেমরি ভি এম ইনস্টিটিউশন ইউনিট ২ এর দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। এতি মধ্যে তার এগারো টি উদ্ভাবনের জন্য এই বয়সেই উদ্ভাবক হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে।দিগন্তিকা জানায় আমার খুব ভালো লাগছে এটা জানতে পেরে যে আমার উদ্ভাবিত ভাইরাস ধ্বংসকারী মাস্ক কে গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার বিশ্ব সেরা দশটি অনুপ্রেরণামূলক ডিজাইনের মধ্যে স্থান দিয়েছেন গুগলের মিউজিয়ামে।

মে ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 110
  • 111
  • 112
  • 113
  • 114
  • 115
  • 116
  • ...
  • 131
  • 132
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভোও-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal