• ৩ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IC

দেশ

বিশ্ব কাঁপানো সিদ্ধান্ত! হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান, তেলের দামে আগুন লাগার আশঙ্কা

ইরান-আমেরিকার সংঘাত নিয়ে যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা এবার সত্যি হল। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলার জেরে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে ইরান। আমেরিকার ঘনিষ্ঠ সাতটি দেশজর্ডন, কুয়েত, কাতার, বাহরিন, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে মিসাইল হামলার দাবি করেছে তেহরান। এরই মধ্যে আরও বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে হরমুজ প্রণালী।ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনও জাহাজ যাতায়াত করতে পারবে না। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের লেনদেনে বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মাত্র প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার চওড়া এই সরু জলপথ দিয়েই বিশ্বের প্রায় বিশ শতাংশ তেল আমদানি ও রফতানি হয়। বিশ্বে প্রতি পাঁচ ব্যারেল তেলের মধ্যে একটি ব্যারেল এই পথ ধরে আসে। সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার ও ইরানমধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব বড় তেল উৎপাদনকারী দেশই এই পথ ব্যবহার করে এশিয়ার বাজারে তেল পাঠায়। ভারত, চিন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া এই তেলের বড় ক্রেতা।হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় চাপে পড়তে পারে ভারতও। সূত্রের খবর, বর্তমানে ভারতের কৌশলগত তেল ভাণ্ডার দিয়ে প্রায় চুয়াত্তর দিন দেশের চাহিদা মেটানো সম্ভব। তার পর বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে। তেল সরবরাহ কমে গেলে স্বাভাবিকভাবেই পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তার প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের বাজারেও।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা নিয়ে ভাবনা শুরু হয়েছে। তবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে সম্প্রতি তেল আমদানি বাড়িয়েছিল ভারত। গত বছরে যেখানে প্রায় বিশ লক্ষ ব্যারেল তেল কেনা হয়েছিল, সেখানে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে দৈনিক প্রায় ছাব্বিশ লক্ষ ব্যারেলে পৌঁছয় আমদানি। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের মোট তেল আমদানির প্রায় অর্ধেকই এসেছিল এই পথ ধরে। এর আগে সেই পরিমাণ ছিল প্রায় চল্লিশ শতাংশ।হরমুজ প্রণালীর বিকল্প হিসেবে সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবুধাবি থেকে লোহিত সাগর পর্যন্ত পাইপলাইন ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সেই ব্যবস্থারও সীমাবদ্ধতা রয়েছে এবং সরবরাহের পরিমাণ কম।এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া থেকেও আবার তেল কেনার কথা ভাবতে হতে পারে ভারতকে। কিন্তু তাতেও জটিলতা রয়েছে। রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে আগে ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিল আমেরিকা। বর্তমানে দুই দেশের বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পথে। ফলে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে না। আমেরিকা চাইছে ভারত তাদের কাছ থেকে তেল কিনুক। পাশাপাশি পশ্চিম আফ্রিকার নাইজেরিয়া ও আঙ্গোলা, লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলা থেকেও তেল আমদানির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই ক্ষেত্রে খরচ অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের সাধারণ মানুষের পকেটে।

মার্চ ০১, ২০২৬
রাজ্য

অন্তঃসত্ত্বাকে মারধরের অভিযোগ, গর্ভস্থের মৃত্যুকে ঘিরে শিলিগুড়িতে বিস্ফোরণ, টিয়ার গ্যাসে থামল বিক্ষোভ

এক আদিবাসী অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধরের অভিযোগ ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠল শিলিগুড়ি। অভিযোগ, এক সিভিক ভলান্টিয়রের মারধরের জেরে গর্ভস্থ সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ উত্তরকন্যা অভিযানে নামেন। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং এলাকায় রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড টপকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এর পরই দুপক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটায় এবং জলকামান ব্যবহার করে। মাইকিং করে বারবার সতর্ক করা হয়। তিনবাত্তি মোড় এলাকায় আগে থেকেই বিপুল পুলিশবাহিনী মোতায়েন ছিল। একাধিক ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছিল। তবু বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে এগোতে থাকেন বলে অভিযোগ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত তেইশে ডিসেম্বর ফাঁসিদেওয়ায় জমি দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে অশান্তির সময় এই ঘটনা ঘটে। সেই সময় এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে এক সিভিক ভলান্টিয়রের বিরুদ্ধে। পরে গত নয় জানুয়ারি মহম্মদ কাদের নামে ওই সিভিক ভলান্টিয়রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও আরও চারজন অভিযুক্ত এখনও ধরা পড়েননি বলে জানা গিয়েছে।অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে এদিন উত্তরকন্যা অভিযানে অংশ নেন বহু আদিবাসী মানুষ। এই কর্মসূচিতে সমর্থন জানায় ভারতীয় জনতা পার্টি। কর্মসূচি আগে থেকেই ঘোষণা করা ছিল, তাই পুলিশও প্রস্তুত ছিল। তবু পরিস্থিতি দ্রুত অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এলাকায় উত্তেজনা বজায় রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
রাজ্য

চাঞ্চল্য কল্যাণীর মেডিক্যাল হস্টেলে, ঘরবন্দি পড়ুয়ার পচাগলা দেহ উদ্ধারে রহস্য ঘনীভূত

রাজ্যে ফের এক মেডিক্যাল পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নদিয়ার কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতাল হস্টেল থেকে উদ্ধার হল এক ছাত্রের দেহ। মৃত ছাত্রের নাম পুলক হালদার। তিনি মেডিক্যাল কলেজের চূড়ান্ত বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মগরাহাটের ধামুয়ায়।জানা গিয়েছে, গত কুড়ি তারিখ হস্টেলের ক্যান্টিনে খেতে গিয়েছিলেন পুলক। তারপর থেকে আর তাঁকে ঘরের বাইরে দেখা যায়নি। এমনকি পরবর্তী দিনগুলিতেও তিনি ক্যান্টিনে যাননি বলে সহপাঠীরা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর ঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে। গন্ধ পেয়ে হস্টেলের ছাত্ররা কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে খবর দেন।এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং কল্যাণী থানার পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকে। ভিতরে বিছানার উপর পুলকের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। হস্টেলের অন্যান্য আবাসিকদের বক্তব্য, পুলক ঘরে একাই থাকতেন। আগামী মাসের পাঁচ তারিখ থেকে তাঁর পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে কলেজে।এই মৃত্যুর পিছনে পরীক্ষার চাপ, না কি ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন রয়েছে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।কলেজের চিকিৎসক মনিদীপ পাল জানিয়েছেন, দুপুর প্রায় দুটো থেকে আড়াইটে নাগাদ তাঁরা বিষয়টি জানতে পারেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়া হয় এবং দরজা খোলার পর দেহ উদ্ধার করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
বিদেশ

মেক্সিকো তপ্ত! মোস্ট ওয়ান্টেড ড্রাগ কার্টেল নেতা এল মেনচো নিহত, শহরে তাণ্ডব ও আগুন

মেক্সিকো জ্বলছে। দেশ তথা বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর ও মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক পাচারকারী এল মেনচো সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন। মেক্সিকোর সেনা দেশের বিভিন্ন অংশে মাদকবিরোধী অভিযান চালাচ্ছিল। জালিস্কো শহরে সামরিক অভিযানের সময় আহত হন এল মেনচো। তাকে আকাশপথে মেক্সিকো সিটিতে নিয়ে যাওয়ার সময় মৃত্যুর খবর আসে।এল মেনচো জালিস্কো নিউ জেনেরেশন কার্টেলের নেতা ছিলেন। তার মাথার উপরে ১৫ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার ছিল। আমেরিকা এই গোষ্ঠীকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছিল। সেনাদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে আহত হন এল মেনচো। অভিযানে তাঁর ছাড়াও আরও ছয়জনকে নিকেশ করা হয়েছে, দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে রকেট লঞ্চার ও বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। সংঘর্ষে তিনজন সেনা আহত হয়েছেন।এল মেনচোর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শহরে অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। কার্টেলের সদস্যরা বন্দুক নিয়ে রাস্তায় নামেন। পশ্চিম জালিস্কোর কমপক্ষে ২০টি রাস্তা অবরোধ করা হয়। রাস্তায় থাকা গাড়ি ও ট্রাক জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। আশেপাশের রাজ্যগুলিতেও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিমানবন্দরে ঢুকেও তাণ্ডব চালানো হয়।মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শিনবম নাগরিকদের শান্ত থাকার আবেদন জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে মিলিত হয়ে শান্তি ফেরানোর চেষ্টা করছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের কাণ্ডারী মুকুল রায়! ছায়াসঙ্গী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুকুল রায় দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন। সোমবার রাত দেড়টার সময় শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মুকুল রায়ের প্রয়াণে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমেছে। অনেকেই স্মৃতিচারণ করছেন, আর রাজনীতির মানুষজন মনে করিয়ে দিচ্ছেন কেন তাঁকে বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য বলা হতো।যুব কংগ্রেসে নেতা হিসাবে মুকুল রায় তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন। সেখানেই পরিচয় হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তিনি মমতাকে দিদি বলে সম্বোধন করতেন, আর মমতাও তাঁকে ভাইয়ের মতো স্নেহ করতেন। প্রতি বছর ভাইফোঁটা দেওয়ার রীতি ছিল, যদিও শেষ কয়েক বছরে নানা কারণে তা থেমে গিয়েছিল।মুকুল রায় ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ১৯৯৮ সালে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন হয়, তিনি সর্বদা পাশে ছিলেন। দল গঠনের সময় থেকে প্রতিটি ব্লক, বুথ, জেলা এবং শহরে তৃণমূলের পরিচয় দেওয়ার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন তিনি। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ও তিনি ছিলেন নেতৃত্বের মুখ।২০০৬ সালে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হন এবং দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ডের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধানসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তবে প্রথমবার হেরে যান। এরপরও তাঁর লড়াকু মনোবল কখনও হ্রাস পায়নি। ২০০৬ সালে রাজ্যসভার সদস্য মনোনীত হন এবং ২০০৯ থেকে ২০১২ পর্যন্ত তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালের নির্বাচনে তিনি তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ কাণ্ডারী ছিলেন।জমি আন্দোলনের সময়ও সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাংগঠনিক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। কংগ্রেস ও বিভিন্ন বামদল ভেঙে তৃণমূলে নেতা-কর্মীদের আনার কাজও মুকুল রায়ের নেতৃত্বে সম্পন্ন হয়। দ্বিতীয় ইউপিএ জমানায় জাহাজ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ সালে রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।কিছু বছর পর তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। কৃষ্ণনগর থেকে বিজেপির টিকিটে জয়ী হন। তবে ২০২১ সালে ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করলেও মূল রাজনীতির মঞ্চ থেকে ধীরে ধীরে সরে যান।বাংলার রাজনীতিতে তাঁর শূন্যস্থান পূরণ করা সহজ হবে না। মুকুল রায় ছিলেন যে কারণে তৃণমূল কংগ্রেসের চাণক্য, তা চলে গেলেও স্মৃতিতে বেঁচে থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
বিদেশ

বাংলাদেশে নতুন সমীকরণ, নির্বাচনের পরই খুলছে আওয়ামী লীগের কার্যালয়

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর বিভিন্ন জায়গায় আবার খুলতে শুরু করেছে আওয়ামী লীগ এর দলীয় কার্যালয়। ঢাকা সহ একাধিক জেলা ও উপজেলায় বন্ধ অফিস খুলে প্রবেশ করছেন নেতা কর্মীরা। ফলে প্রশ্ন উঠছে, দীর্ঘ সময় পর কি আবার সক্রিয় হতে চলেছে দলটি এবং রাজনীতিতে নতুন করে ভূমিকা নিতে পারে কি না।নির্বাচনের পর তারেক রহমান এর নেতৃত্বে সরকার গঠন অনেককে চমকে দিয়েছে। এর মধ্যেই আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলা এবং কর্মীদের তৎপরতা নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। অনেকেই জানতে চাইছেন, কর্মীরা কি ব্যক্তিগত উদ্যোগে অফিস খুলছেন, নাকি দলের নির্দেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিরোধী শিবিরের সঙ্গে কোনও বোঝাপড়া রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।২০২৪ সালের অগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর মহম্মদ ইউনূস এর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলে ২০২৫ সালের মে মাসে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করা হয়। সেই কারণে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি দলটি। এই সময় বহু দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। ধানমন্ডির বত্রিশ নম্বরে শেখ মুজিবর রহমান এর ঐতিহাসিক বাড়িতেও হামলার অভিযোগ ওঠে।তবে নির্বাচন শেষ হতেই আওয়ামী লীগের কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় কার্যালয় খুলে সেখানে অবস্থান নিতে শুরু করেছেন। কোথাও কোথাও আবার পাল্টা দখল ও হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা দলটি হঠাৎ সক্রিয় হয়ে ওঠায় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে।আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম জানিয়েছেন, দলের কার্যালয় বাজেয়াপ্ত করা হয়নি এবং নেতা কর্মীদের সেখানে যাতায়াতে কোনও বাধা নেই। তাঁর দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ের পর দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এই আশাতেই তৃণমূলের কর্মীরা কার্যালয়ে ফিরছেন।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বিদেশে অবস্থান করেও শেখ হাসিনা বিভিন্ন মাধ্যমে দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং তাঁদের কার্যালয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়া কয়েকটি জেলার নেতা কর্মীদের দাবি, নির্বাচনের আগে স্থানীয়ভাবে সমর্থন পাওয়ার আশায় বিরোধী শিবিরের কিছু নেতা আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং নির্বাচনের পর কার্যালয় খোলার আশ্বাস দিয়েছিলেন।নির্বাচনের পরদিনই পঞ্চগড়ে একটি কার্যালয়ের তালা খোলার দৃশ্য প্রকাশ্যে আসে এবং তা ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়। গত এক সপ্তাহে চাঁদপুর, ঠাকুরগাঁও, সাতক্ষীরা, বরগুনা, পটুয়াখালী ও খুলনা সহ একাধিক জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের কার্যালয়ে সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত? সাত বাসিন্দাকে নিয়ে থানায় বিধায়ক, শুরু বড় বিতর্ক

জীবনতলা থানায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়েরকে ঘিরে ক্যানিং পূর্বে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ায় বৈধ ভোটার হওয়া সত্ত্বেও বারবার ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা তুলে অভিযোগ জানিয়েছেন কয়েক জন বাসিন্দা। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা তাঁদের নিয়ে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। মোট সাত জন বাসিন্দা লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁরা বহু বছর ধরে ভোট দিচ্ছেন এবং পরিবারের নথিপত্র সহ সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দেওয়া সত্ত্বেও বারবার শুনানির নামে ডাকা হচ্ছে এবং হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তাঁদের আশঙ্কা, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হলে নাম বাদ পড়তে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা তৈরি হতে পারে।অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, গণনা ফর্ম জমা দেওয়ার পরও একাধিকবার ডেকে নথি যাচাই করা হয়েছে। তবুও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় তাঁরা উদ্বিগ্ন। এই পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের দাবি, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই এমন অভিযোগ তোলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁদের বক্তব্য, নাম বাদ পড়েছে কি না তা চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে। তবে বিধায়ক শওকত মোল্লা দাবি করেছেন, বহু পুরনো ভোটারদের ক্ষেত্রেও অকারণে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে এবং গত কয়েক দিনে বিপুল সংখ্যক নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
কলকাতা

দল ছাড়ছেন দীপ্সিতা? সদস্যপদ নবীকরণ ঘিরে তীব্র জল্পনা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের বাম রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তরুণ নেত্রী দীপ্সিতা ধর তাঁর দলীয় সদস্যপদ পুনর্নবীকরণ এখনও না করায় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন দলের অভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ডে অসন্তোষ থেকেই এই দূরত্ব, আবার কেউ বলছেন বিষয়টি সম্পূর্ণই সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার অংশ। যদিও দীপ্সিতা নিজে সমস্ত জল্পনাকে রটনা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং জানিয়েছেন সদস্যপদ নবীকরণের জন্য মার্চ মাস পর্যন্ত সময় রয়েছে।দলীয় নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর জানুয়ারি থেকে মার্চের শেষ পর্যন্ত সদস্যপদ নবীকরণ করা যায়। সাধারণত এই সময়ের মধ্যেই অধিকাংশ সদস্য প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেন। আবেদন প্রথমে জেলা স্তরে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয় এবং ধাপে ধাপে তা সম্পন্ন হয়। তবে দলীয় সূত্রে খবর, ফেব্রুয়ারির অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলেও দীপ্সিতার নবীকরণ হয়নি। এদিকে নির্বাচনের সম্ভাব্য ঘোষণা সামনে থাকায় আপাতত সংগঠনের কাজের গতি কিছুটা থমকে রয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে তিনি আদৌ সদস্যপদ চালিয়ে যেতে চান কি না।দীপ্সিতা জানিয়েছেন, তিনি পড়াশোনার সময় জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় এ থাকাকালীন দলের সদস্য হন এবং সেই সূত্রে তাঁর সদস্যপদ নবীকরণ দিল্লিতেই হওয়ার কথা। তাই রাজ্যে নবীকরণ না হওয়া নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সময় শেষ হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে অযথা জল্পনা ছড়ানো হচ্ছে। তবে মার্চের মধ্যে নতুন করে ফর্মে সই করবেন কি না সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি প্রতীক উর রহমান এর পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, দলের সমালোচনা মানেই দলবিরোধী অবস্থান নয়। এতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে দলের তরুণ নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ইদানিং দলীয় কর্মসূচিতে দীপ্সিতাকে তেমন সক্রিয় দেখা যাচ্ছে না। এমনকি বিতর্কসভা ও মিছিলেও তাঁর উপস্থিতি কমেছে। ২০২৪ সালে শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়ে পরাজয়ের পর কিছুদিন সক্রিয় থাকলেও বর্তমানে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।অন্যদিকে একই প্রজন্মের নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি করে চলেছেন। দীপ্সিতার এলাকাতেও তাঁর সক্রিয়তা চোখে পড়ছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, ভবিষ্যতে কি নতুন কোনও সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন দীপ্সিতা? নাকি সবটাই সাময়িক দূরত্ব? এই প্রশ্নের উত্তর সময়ই দেবে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
দেশ

ভোটের আগে টাকা বিলি নিয়ে কড়া প্রশ্ন, শীর্ষ আদালতের মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড়

ভোটের আগে নগদ সহায়তা ও বিভিন্ন আর্থিক প্রকল্প ঘোষণা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলল দেশের শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার এই ধরনের প্রকল্পকে ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত-এর নেতৃত্বে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলি-র বেঞ্চ জানতে চায়, ভোটের আগে কেন বিভিন্ন রাজ্য সরকার হঠাৎ করে নগদ অর্থ বা সুবিধা দেওয়ার প্রকল্প চালু করে। আদালতের মতে, এই প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রভাব ফেলতে পারে এবং এতে তোষণের রাজনীতির ইঙ্গিতও রয়েছে।এদিন তামিলনাড়ু-এর একটি মামলার শুনানির সময় এই প্রশ্ন ওঠে। বিদ্যুৎ সংশোধনী নিয়মকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তামিলনাড়ু পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড মামলা দায়ের করেছিল। সেই শুনানির মধ্যেই বিনামূল্যে পরিষেবা ও নগদ সহায়তা দেওয়ার রাজনীতি নিয়ে আদালত উদ্বেগ প্রকাশ করে। বিচারপতিরা মন্তব্য করেন, ভোটের আগে হঠাৎ উন্নয়নমূলক প্রকল্প ঘোষণা করা হলে তা মানুষের কর্মপ্রবণতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। আদালত আরও জানায়, কে বিল দিতে সক্ষম আর কে নয়, সেই বিভাজন তৈরি করা সহজ নয় এবং এই সংস্কৃতি নিয়ে আদালত উদ্বিগ্ন।এই মন্তব্য এমন সময় সামনে এল, যখন পশ্চিমবঙ্গ-এ সম্প্রতি যুব সহায়তা প্রকল্পে বেকারদের নগদ ভাতা দেওয়ার ঘোষণা হয়েছে এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের অর্থের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, মধ্য প্রদেশ ও ছত্তিসগঢ়-সহ একাধিক রাজ্যেই ভোটের আগে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রকল্প সামনে এসেছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষক শুভময় মৈত্র মনে করেন, আদালতের পর্যবেক্ষণ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর মতে, দেশের সম্পদ সঠিকভাবে বণ্টন হলে মানুষের আর্থিক কষ্ট অনেকটাই কমতে পারত। তবে রাজনৈতিক বাস্তবতায় তা সবসময় সম্ভব হয় না। তিনি বলেন, আর্থিক সহায়তা মানুষের জন্য উপকারী হলেও দীর্ঘমেয়াদে কর্মসংস্থান ও আয়ের স্থায়ী ব্যবস্থা তৈরি করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে না খেলার আক্ষেপ, এবার ভারতের দিকেই তাকিয়ে বাংলাদেশ

বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তে বড় মূল্য চুকাতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। নিজেদের অনড় অবস্থানের জেরে বিশ্বমঞ্চে খেলাই হয়নি তাদের। সেই সময় বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল মন্তব্য করেছিলেন, নতুন সরকার এলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত হতে পারে। নির্বাচনের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন প্রাক্তন ফুটবলার আমিনুল হক। দায়িত্ব নিয়েই তিনি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বার্তা দিলেন।মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বিশ্বকাপ বয়কট করেছিল বাংলাদেশ। International Cricket Council একাধিকবার আলোচনা করার চেষ্টা করলেও তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার সিদ্ধান্ত বদলায়নি। অনেকেই মনে করেন, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই ভারতবিরোধী অবস্থান নেওয়া হয়েছিল।নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল দায়িত্ব নেওয়ার পর জানান, শপথের দিনই তিনি সংসদ ভবনে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে দেখা করেছেন। সেখানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও দুই দেশের ক্রীড়া সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। আমিনুল বলেন, আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান চান তিনি। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী বাংলাদেশ। শুধু খেলাধুলা নয়, অন্যান্য ক্ষেত্রেও সুসম্পর্ক গড়তে চায় নতুন সরকার।আগামী সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে ভারতের ক্রিকেট সফর হওয়ার কথা ছিল, যা এখন স্থগিত রয়েছে। ভারত সফর না হলে বড় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তা জানে বাংলাদেশ ক্রিকেট মহল। নির্বাচনের আগে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়লেও এখন নতুন সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের দিকেই এগোচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।আমিনুল আগের সরকারকে দায়ী করে বলেন, কূটনৈতিক জটিলতার কারণেই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সম্ভব হয়নি। সময়মতো আলোচনা হলে হয়তো দল বিশ্বকাপে খেলতে পারত। সব মিলিয়ে, বিশ্বকাপ বয়কটের পর নতুন করে ভারত-বাংলাদেশ ক্রীড়া সম্পর্ক কোন পথে যায়, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

২০০ লিটার ডিজেল ভরা ড্রাম ফেটে তাণ্ডব! হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে শিশু

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হল চার নাবালক। রাস্তার ধারে খেলতে খেলতেই পাশে রাখা রাসায়নিক ভর্তি ড্রামে আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে। আগুনে দগ্ধ হয়ে চার জনই গুরুতর আহত হয়। অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে এক নাবালক পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেয়।ঘটনাটি ঘটেছে ক্যানিং পূর্ব বিধানসভার ঘটকপুকুর থেকে মধ্য খড়গাছি পর্যন্ত চলা রাস্তা মেরামতির কাজে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কয়েক দিন আগে শুরু হওয়া সংস্কারের সময় প্রায় ২০০ লিটার লাইট ডিজেল অয়েল ভর্তি একটি ড্রাম রাস্তার ধারে ফেলে রাখা ছিল। সেই ড্রামের কাছেই খেলছিল ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী চার পড়ুয়া। হঠাৎ বিকট শব্দে ড্রামটি ফেটে যায়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় এক শিশু মারাত্মকভাবে ঝলসে যায়। বাকি তিনজনও দগ্ধ হয়।আহতদের নাম সাদিকুল মোল্লা, সামিউল মোল্লা, রায়হান মোল্লা এবং রিয়াজ হাসান মোল্লা। তারা সকলেই স্থানীয় খড়গাছি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে নলমুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তিনজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের কলকাতার এনআ. বাঙুর পাঠানো হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, সাদিকুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক।ঘটনার খবর পেয়ে ভাঙড় ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার সৈকত ঘোষ এবং ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরিবারগুলির পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। বিস্ফোরণের সঠিক কারণ জানতে বম্ব স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াড ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। রাস্তা মেরামতির সময় যথাযথ নিরাপত্তা ছিল কি না এবং দাহ্য পদার্থ খোলা রাস্তায় কেন রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে এলাকায় চরম উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাই ভোলটেজ ম্যাচে ৬ স্পিনার! কৌশল না বাধ্যবাধকতা?

এক সময় বিশ্ব ক্রিকেটে পেস ফ্যাক্টরি হিসেবে পরিচিত ছিল পাকিস্তান। ইমরান খান, ওয়াসিম আক্রম, ওয়াকার ইউনুস,আকিব জাভেদ, শোয়েব আখতার থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রজন্মে মহম্মদ আমির দাপুটে পেসারদের ধারাবাহিকতায় বিশ্ব কাঁপিয়েছে তারা। কিন্তু সেই পাকিস্তানই আজকের ম্যাচে একসঙ্গে ৬ জন স্পিনার খেলানোয় বিস্মিত ক্রিকেটবিশ্ব ও বিশেষজ্ঞ মহল। আজকের ম্যাচে একসঙ্গে ছয় জন স্পিনার খেলিয়ে পাকিস্তান গড়ল অনন্য বিশ্বরেকর্ড আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে এক দলে সর্বাধিক স্পিন বোলার বল করানোর নজির গড়ল পাকিস্তান।নব্বইয়ের দশক থেকে ২০০০-এর দশক পাকিস্তানের শক্তির মূল স্তম্ভ ছিল আগ্রাসী পেস আক্রমণ। রিভার্স সুইং ছিল তাদের অস্ত্র। ব্যাটসম্যানদের আতঙ্কিত করা, শর্ট বলের চাপে ভুল করানো এটাই ছিল পাকিস্তানি ক্রিকেটের পরিচয়। তাই আজকের দলগঠনে হঠাৎ স্পিননির্ভর কৌশল অনেককেই অবাক করেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে সম্ভাব্য কারণগুলো হতে পারে১. পিচের চরিত্রযদি উইকেট শুষ্ক ও ধীরগতির হয়, তাহলে স্পিনারদের জন্য সহায়ক হতে পারে। টি-টোয়েন্টিতে মাঝের ওভারগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে একাধিক স্পিনার কার্যকর হতে পারে।২. প্রতিপক্ষের ব্যাটিং কম্বিনেশনপ্রতিপক্ষ দলে যদি বাঁহাতি ব্যাটসম্যান বেশি থাকে বা স্পিনে দুর্বলতা থাকে, তাহলে স্পিন আক্রমণ বাড়ানো হতে পারে পরিকল্পিত কৌশল।৩. পেস আক্রমণে আস্থার ঘাটতিসাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের পেস বোলিং ধারাবাহিকভাবে আগের মতো ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলতে পারছে না এমন মতও রয়েছে বিশ্লেষকদের একাংশের।বিশেষজ্ঞদের প্রতিক্রিয়াঅনেকেই মনে করছেন, পাকিস্তান নিজেদের ঐতিহ্য থেকে সরে এসে অতিরিক্ত পরীক্ষানিরীক্ষায় যাচ্ছে। টি-টোয়েন্টিতে বৈচিত্র্য জরুরি হলেও ৬ জন স্পিনার কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত। পাওয়ারপ্লেতে গতি না থাকলে প্রতিপক্ষ দ্রুত রান তুলতে পারে।আবার অন্য একদল বলছেন, আধুনিক টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচ পরিস্থিতি অনুযায়ী দল গঠনই আসল নামের চেয়ে কৌশল গুরুত্বপূর্ণ।পেসের দেশ পাকিস্তানের স্পিনমুখী কৌশল সময়ই বলবে সিদ্ধান্ত সঠিক না ভুল। তবে এতদিনের ঐতিহ্য মাথায় রাখলে আজকের দলগঠন যে ক্রিকেটবিশ্বে আলোচনার ঝড় তুলেছে, তা বলাই যায়।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-পাকিস্তান: মহারণ নয়, একতরফা বার্তা, পেস বলের দেশ -৬ জন স্পিনার!

ফেব্রুয়ারির শুরুতেই বয়কটের হুঁশিয়ারি, তারপর হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলএই নাটকীয়তার আবহেই নামতে হয়েছিল ভারত-পাকিস্তানকে। কিন্তু মাঠে যে লড়াই দেখা গেল, তাতে মহারণ শব্দটা কেবল নামেই রয়ে গেল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুখোমুখি পরিসংখ্যান ৭১ থেকে বেড়ে ৮১ভারতের পক্ষে।কলম্বোর মন্থর উইকেটে টসে হেরে আগে ব্যাট করে ভারত তোলে ১৭৫/৭। জবাবে পাকিস্তান গুটিয়ে যায় ১১৪ রানে। শেষদিকে শাহিন আফ্রিদির ঝড়ো কয়েকটি শট না থাকলে তিন অঙ্কও হয়তো ছোঁয়া হত না। ম্যাচের প্রথম দুওভারেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল, অলৌকিক কিছু না ঘটলে ফলাফল কোন দিকে যাবে।ঈশানের আগুনে ইনিংস: মন্থর পিচে আলাদা আলোকলম্বোর পিচ ধীরগতিরএই ধারণা ম্যাচের আগে থেকেই ছিল। কিন্তু সেই পিচে যেভাবে ব্যাট করলেন ঈশান, তা শুধু ম্যাচ নয়, টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ইনিংস হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শুরুতেই শাহিনকে ছয় মেরে বার্তা দেন তিনিআত্মবিশ্বাসে কোনও ঘাটতি নেই।স্পিনারদের বিরুদ্ধে তাঁর পায়ের ব্যবহার, ফাঁকা জায়গা খুঁজে বাউন্ডারি বের করার দক্ষতাসব মিলিয়ে মনে হচ্ছিল, তিনি যেন অন্য ট্র্যাকে খেলছেন। ভারতীয় দল দীর্ঘদিন পর এমন এক ইনিংস পেল, যা স্কোরবোর্ডে শুধু রান যোগ করেনি, মানসিক দিক থেকেও পাকিস্তানকে চাপে ফেলেছে। ঈশানের এই ইনিংস না থাকলে ১৭৫ রান নাগালের বাইরে থাকত।সূর্য-তিলকের মাপা ব্যাটিং: ঝুঁকি নয়, বুদ্ধির খেলাঈশানের আগ্রাসনের পর পরিস্থিতি বুঝে খেলেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও তিলক বর্মা। তাঁরা জানতেন, একই ছন্দে চালালে উইকেট পড়তে পারে দ্রুত। তাই বেছে নেন খুচরো রান ও স্ট্রাইক রোটেশনের পথ। তৃতীয় উইকেটে ৩৮ রানের জুটি ম্যাচের প্রেক্ষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।সূর্য আবারও দায়িত্বশীল ইনিংস খেললেনঅধিনায়কের মতোই। রানের গতি খানিক কমলেও স্কোরবোর্ড কখনও থামেনি। এই মাপা ব্যাটিং শেষ পর্যন্ত বড় স্কোরের ভিত গড়ে দেয়।শেষের ঝড়: শিবম-রিঙ্কুর কাঁধে বাড়তি ২৫-৩০ রান১৫০ পার হওয়াই যেখানে চ্যালেঞ্জ ছিল, সেখানে শেষ তিন ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন শিবম দুবে ও রিঙ্কু সিংহ। শিবমের ১৭ বলে ২৭ ও রিঙ্কুর ৪ বলে ১১এই দ্রুত রানই ভারতের স্কোর ১৭৫-এ পৌঁছে দেয়। শেষ ওভারে শাহিনের হাতে বল তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের জন্য ব্যুমেরাং হয়ে যায়। অতিরিক্ত ১৫-১৬ রানই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়।প্রথম চার ওভারেই ধস: সূর্যের কৌশলে কাবু পাকিস্তানপাকিস্তানের ইনিংস শুরু হতেই সূর্যের কৌশল নজর কাড়ে। স্পিনে ভরসা না করে প্রথম চার ওভার বল করান জোরে বোলারদের দিয়ে। ফল? আট বলের মধ্যে দুই উইকেট। হার্দিকের বলে ফারহানের বিদায়, তারপর বুমরাহর নিখুঁত ইয়র্কারে সাইম আয়ুবের স্টাম্প উড়ে যাওয়াপাকিস্তান চাপে পড়ে যায় শুরুতেই।সলমনের একটি ঢিলেঢালা শট ধরে নেন হার্দিক। তিন উইকেট পড়ে গেলে মন্থর পিচে ঘুরে দাঁড়ানো প্রায় অসম্ভব। পাকিস্তান আর সেই অলৌকিক প্রত্যাবর্তন দেখাতে পারেনি।স্পিন-ঝুঁকি ও সিদ্ধান্তের ফারাকপাঁচ স্পিনার নিয়ে নামা পাকিস্তান ইতিহাসে নজির গড়লটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এক ইনিংসে ছজন স্পিনার ব্যবহার। কিন্তু পরিকল্পনা আর বাস্তবের ব্যবধান স্পষ্ট হয়ে গেল।অন্যদিকে সূর্যের সিদ্ধান্ত ছিল পরিস্থিতি-ভিত্তিক। প্রথমে পেসে আঘাত, তারপর স্পিনে চেপে ধরাএই কৌশলই ম্যাচের রাশ টেনে নেয় ভারতের হাতে। ফিল্ডিং সেটআপেও দেখা যায় আক্রমণাত্মক মানসিকতা, যা পাকিস্তানকে আরও চাপে ফেলে।নামেই মহারণ, মাঠে একতরফাদুই দেশের রাজনৈতিক উত্তাপ, বয়কটের নাটকসবকিছুর পরেও ক্রিকেটপ্রেমীরা চেয়েছিলেন সমানতালে লড়াই। কিন্তু কলম্বোয় দেখা গেল একতরফা আধিপত্য। ভারত শুধু জিতল না, কৌশল, মানসিকতা ও কার্যকারিতায় প্রতিপক্ষকে অনেক পিছনে ফেলে দিল।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথের ঐতিহাসিক আবেগ থাকলেও, এদিনের ম্যাচ প্রমাণ করলমহারণ হতে হলে দুই পক্ষের সমান প্রস্তুতি ও স্থিরতা দরকার। কলম্বোয় সেই সমতা দেখা যায়নি। ফলাফল তাই শুধু স্কোরলাইনে নয়, খেলায়ও স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুরের মেডিক্যাল কলেজে ফের চাঞ্চল্যকর ঘটনা, একই কলেজে ছাত্রের রহস্যমৃত্যু

দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ফের চাঞ্চল্যকর ঘটনা। হস্টেলের বাথরুম থেকে উদ্ধার হল দ্বিতীয় বর্ষের এক চিকিৎসক পড়ুয়ার দেহ। মৃতের নাম লাবণ্য প্রতাপ, বয়স ২২। তিনি বিহারের পাটনার বাসিন্দা। শনিবার রাতে পুলিশ দেহ উদ্ধার করে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কীভাবে মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতের বাবা জানিয়েছেন, তাঁদের কেউ আগে কিছু জানায়নি। দরজা খুলে তিনি দেখেন, তাঁর ছেলে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। এরপরই প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে।মৃতের পরিবারের অভিযোগ, কলেজ কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বাবা বলেন, অভিভাবকেরা টাকা দেন পড়াশোনার জন্য, কিন্তু ছাত্রদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কলেজেরই।সম্প্রতি কলেজে পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। সেই ফল ভাল না হওয়ায় মানসিক চাপে এই ঘটনা কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর এই একই কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে মেডিক্যাল কলেজের বাইরে জঙ্গলে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় ছয় জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে পাঁচজন স্থানীয় যুবক এবং একজন সহপাঠী। বর্তমানে তারা পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একই কলেজে ছাত্রের মৃত্যু ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মহারণ: ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ রবিবার কলম্বোয়, দ্বীপরাস্ট্রে বৃষ্টির ভ্রূকুটি

আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ বহুল প্রতীক্ষিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি অনিশ্চয়তার মেঘ কাটিয়ে নির্ধারিত সূচি মেনেই হচ্ছে। রবিবার কলম্বোর R Premadasa Stadium-এ মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। গ্রুপ পর্বে এই হাইভোল্টেজ লড়াই ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তুঙ্গে।ফর্মের বিচারে দুই দলডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত অভিযান শুরু করেছে জয়ের সুরে। যুক্তরাষ্ট্রকে হারানোর পর নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ৯৩ রানের দাপুটে জয় নিয়ে কলম্বোয় পৌঁছেছে সূর্যকুমার যাদবের দল। অন্যদিকে পাকিস্তান প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে চাপে পড়লেও শেষ পর্যন্ত রোমাঞ্চকর জয় তুলে নেয়। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আরও সংগঠিত পারফরম্যান্সে সহজ জয় পায় তারা।বিশ্বকাপে মুখোমুখি ইতিহাসটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই আলাদা উত্তাপ। এই টুর্নামেন্টে দুই দল এখন পর্যন্ত আট বার মুখোমুখি হয়েছেভারত জিতেছে সাত বার, পাকিস্তানের একমাত্র জয় ২০২১ সালে।গত পাঁচটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং আগের দুইটি ৫০ ওভারের বিশ্বকাপেও দুই দল একই গ্রুপে ছিল। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে তারা আলাদা গ্রুপে পড়েছিল বটে, তবে সেমিফাইনালে দেখা হয়। সেই ম্যাচে ভারত জিতে ফাইনালে উঠে পরে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শিরোপা জেতে।কলম্বোয় ভারতের শক্তিশালী রেকর্ডকলম্বোর এই ভেন্যুতে ভারতের পরিসংখ্যান যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক। ২০০৯ সালের পর থেকে এখানে ১৫টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে ভারতজিতেছে ১১টি, হেরেছে মাত্র ৪টি। শ্রীলঙ্কার কন্ডিশনে তাদের সাফল্যের হারই আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে।আবহাওয়া নিয়ে শঙ্কাতবে ম্যাচের আগে চিন্তার কারণ বৃষ্টি। পূর্বাভাস বলছে, রবিবার দিনে প্রায় ৭৬% বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সন্ধ্যায় সেই সম্ভাবনা কমে ১৩%-এ নামতে পারে, যদিও আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার সম্ভাবনা ১০০%। ফলে ম্যাচে বৃষ্টির প্রভাব পড়তে পারে বলেই আশঙ্কা।ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব অবশ্য আবহাওয়াকে বড় করে দেখছেন না। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আবহাওয়া আমাদের নিয়ন্ত্রণে নয়। আমরা প্রস্তুতিতেই মন দিচ্ছি।সম্ভাব্য দলভারত: সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, তিলক বর্মা, সঞ্জু স্যামসন, শিবম দুবে, ইশান কিশন, হার্দিক পান্ডিয়া, অর্শদীপ সিং, জসপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ সিরাজ, বরুণ চক্রবর্তী, কুলদীপ যাদব, অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, রিঙ্কু সিং।পাকিস্তান: সালমান আলি আগা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, বাবর আজম, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, খাওয়াজা নাফায়, মহম্মদ নওয়াজ, মহম্মদ সালমান মির্জা, নাসিম শাহ, সাহিবজাদা ফারহান, সাইম আয়ুব, শাহিন শাহ আফ্রিদি, শাদাব খান, উসমান খান, উসমান তারিক।সব মিলিয়ে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে আরেকটি মহারণের অপেক্ষা। পরিসংখ্যান ভারতের পক্ষে থাকলেও ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে আগাম ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন। কলম্বোর আকাশ পরিষ্কার থাকলে ক্রিকেটপ্রেমীরা হয়তো উপভোগ করবেন আরেকটি স্মরণীয় লড়াই।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ছোট দলের বিরুদ্ধে জয়, তবু স্পষ্ট দুর্বলতা — পাকিস্তান ম্যাচের আগে চিন্তায় ভারত

নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ৯৩ রানের দাপুটে জয়। স্কোরবোর্ড বলছে একতরফা ম্যাচ। কিন্তু মাঠের ছবিটা অন্য কথা বলছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে ৯ উইকেটে ২০৯ রান তুলে ভারত জিতলেও, ব্যাটিংয়ের শেষভাগের ধস ও স্পিন-দুর্বলতা পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিল।ঝড়ো শুরু, কিন্তু শেষটা ধসঅভিষেক শর্মার অসুস্থতায় সুযোগ পান সঞ্জু স্যামসন। ৮ বলে ২২ রান করে শুরুটা ভালো হলেও ইনিংস বড় করতে পারলেন না। নিউ জিল্যান্ড সিরিজেও ব্যর্থ সঞ্জু বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না।তবে পাওয়ারপ্লেতে ভারত ছিল অপ্রতিরোধ্য। মাত্র ৬.৫ ওভারে ১০০ রান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এত দ্রুত ১০০ করার নজির আগে ছিল না। এই কৃতিত্বের বড় অংশ জুড়ে ঈশান কিশন। অনুশীলনে চোট পাওয়ার পরও ২৪ বলে ৬১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেললেন তিনি। ৬টি চার ও ৫টি ছয়ে নামিবিয়ার বোলিং ছিন্নভিন্ন করে দেন।কিন্তু মাঝের ওভারে তাল কাটে। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ১৩ বলে মাত্র ১২ রান করেন। তিলক বর্মা ২৫ করে থামেন। শেষদিকে ইনিংস টেনে নেন হার্দিক পান্ডিয়া ২৮ বলে ৫২ রানের ইনিংস ভারতকে ২০০ পার করায়।তারপরই চরম ধস। শেষ ১১ বলে ৫ উইকেট, শেষ দুই ওভারে মাত্র ১০ রান। ২০৯ থেকে স্কোর আরও বড় হতে পারত, কিন্তু নামিবিয়ার স্পিনে ছন্দ হারায় ভারত। অধিনায়ক গেরহার্ড ইরাসমাস ২০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ভারতীয় ব্যাটিংয়ের ভিত কাঁপিয়ে দেন। স্পিনারদের দাপটে ভারতের ৯ উইকেটের মধ্যে ৫টিই স্পিনে।ছোট দলের বিরুদ্ধে বড় সতর্কবার্তানামিবিয়ার মতো অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলের বিরুদ্ধেও স্পিন সামলাতে হিমশিম খেল ভারত। বিশেষ করে ইনিংসের শেষভাগে ব্যাটারদের শট-নির্বাচন ও রানিং বিটুইন দ্য উইকেট ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। রিঙ্কু-শিবমের ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট, অক্ষরের প্রথম বলেই বোল্ড এসব বিশ্বচ্যাম্পিয়নসুলভ নয়।আরও বিস্ময়, নতুন বলে জসপ্রীত বুমরাহ-কে আনা হয়নি। সপ্তম ওভারে আক্রমণে আসেন তিনি। পাওয়ারপ্লেতে ৫.৪ ওভারে ৫০ তোলে নামিবিয়া যা তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্রুততম ৫০। প্রথম ম্যাচে তিন উইকেট নেওয়া মোহাম্মদ সিরাজ-কে একাদশে না রাখাও কৌশলগত প্রশ্ন তুলেছে।বোলারদের হাত ধরে রক্ষাতবে ম্যাচ জেতালেন বোলাররাই। বরুণ চক্রবর্তী ৭ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন। হার্দিক ও অক্ষর দুটি করে উইকেট নেন। ১৮.২ ওভারে ১১৬ রানে থামে নামিবিয়া।পাকিস্তান ম্যাচের আগে উদ্বেগস্কোরলাইন বড় জয় দেখালেও বাস্তব বলছে ভারতের ব্যাটিং এখনও স্থিতিশীল নয়। আমেরিকার বিরুদ্ধে সমস্যার ইঙ্গিত মিলেছিল, নামিবিয়ার বিরুদ্ধেও তা স্পষ্ট হল। স্পিনের বিরুদ্ধে দুর্বলতা, ইনিংসের শেষভাগে ধস, নতুন বলের ব্যবহার নিয়ে দ্বিধা সব মিলিয়ে পাকিস্তান ম্যাচের আগে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।নামিবিয়ার মতো ছোট দলের বিরুদ্ধেও যদি এমন ফাঁকফোকর দেখা যায়, তবে পাকিস্তানের শক্তিশালী বোলিং আক্রমণের সামনে ভারত কতটা প্রস্তুত সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। জয় এসেছে, কিন্তু বিশ্ব ত্রাস দলের ভিত যে পুরোপুরি মজবুত নয়, সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভোটের আগে বড় চুক্তি! আমেরিকার সঙ্গে ইউনুস সরকারের সমঝোতা ঘিরে জল্পনা

বাংলাদেশে সংসদীয় নির্বাচনের আগে আমেরিকার সঙ্গে একটি পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর করল মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশি পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার কমে দাঁড়াল ১৯ শতাংশে। সামাজিক মাধ্যম এক্সে নিজেই এই চুক্তির কথা জানিয়েছেন ইউনুস।তিনি জানান, সোমবার বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং তার ফলে আমেরিকা তাদের শুল্কের হার আরও কমিয়ে ১৯ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। ইউনুস আরও বলেন, ভবিষ্যতে কিছু টেক্সটাইল ও পোশাক পণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্কের সুবিধা দেওয়ার জন্য একটি বিকল্প ব্যবস্থা তৈরির বার্তাও দিয়েছে আমেরিকা।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ মূলত টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানির উপর নির্ভরশীল। দেশটির মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই এই খাত থেকে আসে। ফলে মার্কিন শুল্ক কমায় বাংলাদেশের রপ্তানি ক্ষেত্রে বড় স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের একাধিক দেশের বিরুদ্ধে কার্যত শুল্কযুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। সেই সময় প্রথমে বাংলাদেশি পণ্যের উপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়। পরে গত বছরের আগস্টে তা কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়। এবার নতুন চুক্তির ফলে সেই শুল্ক আরও কমে ১৯ শতাংশে এল।প্রায় ৯ মাস ধরে দীর্ঘ আলোচনার পর এই চুক্তি হয়েছে। তবে নির্বাচন একেবারে সামনে, আর অন্তর্বর্তী সরকারও অস্থায়ীভাবে ক্ষমতায়এই পরিস্থিতিতে এমন বড় বাণিজ্য চুক্তির অর্থ কী, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গাভাস্কারের ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি! শেষমেশ ভারত ম্যাচ খেলতেই রাজি পাকিস্তান

ভারতের বিরুদ্ধে টি-২০ বিশ্বকাপ ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা থেকে পাকিস্তানের সরে আসা নিয়ে কটাক্ষ করলেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তে নতুন কিছু নেই। পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের মতোই বোর্ডও প্রায়ই সিদ্ধান্ত বদলায়, আগে বড় ঘোষণা করে পরে তা তুলে নেয়। তাঁর এই মন্তব্যের কিছুদিন পরই পাকিস্তান সরকার বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।প্রথমে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে ভারত ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু এক সপ্তাহের মধ্যেই সরকার জানায়, ক্রিকেটের স্পিরিট বজায় রাখার জন্য তারা সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করছে। এই হঠাৎ পরিবর্তন ঘিরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়।এর আগে এশিয়া কাপের সময়ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ম্যাচ বয়কটের হুমকি দিয়েছিল। কিন্তু ম্যাচ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে সেই সিদ্ধান্ত থেকেও সরে আসে তারা। ফলে পাকিস্তানের এই ধরনের সিদ্ধান্ত বদলের ঘটনা নতুন নয় বলেই মনে করছেন অনেকে।এই বার পাকিস্তান যে ম্যাচ বয়কটের হুমকি দিয়েছিল, সেটি ছিল ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও আয়বহুল ম্যাচগুলির একটিভারত বনাম পাকিস্তান। সম্প্রচার সংস্থা ও আয়োজকদের কাছে এই ম্যাচের আর্থিক মূল্য প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার বলে মনে করা হয়। অথচ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের বার্ষিক আয় প্রায় ৩৫.৫ মিলিয়ন ডলার। সেই দিক থেকে এই ম্যাচ বয়কট করলে বড় আর্থিক ধাক্কা খেতে হত পাকিস্তানকে।বয়কটের পেছনে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে কারণ হিসেবে দেখিয়েছিল পাকিস্তান। বিষয়টি নিয়ে আইসিসি, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে দীর্ঘ বৈঠকও হয়। সেই বৈঠকে পাকিস্তান একাধিক দাবি তোলে, যার মধ্যে ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সিরিজ শুরু করার প্রস্তাবও ছিল। তবে আইসিসি জানিয়ে দেয়, তারা দ্বিপাক্ষিক সিরিজে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।শেষ পর্যন্ত আইসিসি জানায়, বাংলাদেশকে আর্থিকভাবে শাস্তি দেওয়া হবে না এবং তাদের রাজস্ব অংশীদারিত্ব বজায় থাকবে। এই সিদ্ধান্তকে সামনে রেখে পাকিস্তান বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।ক্রিকেট মহলের অনেকেই মনে করছেন, আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাই পাকিস্তানকে সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য করেছে। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ভারত ম্যাচ বয়কট করা বাস্তবে সম্ভব ছিল না বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।১৫ ফেব্রুয়ারি দুই দল মাঠে নামলে এই বিতর্ক অনেকটাই চাপা পড়ে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। দর্শক ভরা গ্যালারি, উচ্চ টিআরপি আর চিরচেনা উত্তেজনার মধ্যে আবারও মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
বিদেশ

নিজের সন্তান দিয়ে ‘উন্নত মানবজাতি’ তৈরির ভাবনা, ফাঁস এপস্টেইনের চাঞ্চল্যকর

যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইন নাকি নিজের ঔরস থেকে একটি সুপার রেস বা উন্নত মানবজাতি তৈরি করার পরিকল্পনা করেছিলেন। এমনই দাবি করা হয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আমেরিকার নিউ মেক্সিকোতে তাঁর প্রাসাদটিকেই পরীক্ষাগার হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিজের এই পরিকল্পনার কথা এপস্টেইন বহু প্রভাবশালী ও শিক্ষিত ব্যক্তিকেও জানিয়েছিলেন। সেই কারণেই অনেকে তাঁর নিউ মেক্সিকোর প্রাসাদটিকে বেবি র্যাঞ্চ বলে ডাকতেন। যদিও এই পরিকল্পনা আদৌ বাস্তবায়িত হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, নিজেকে নাসার বিজ্ঞানী বলে পরিচয় দেওয়া এক মহিলা দাবি করেছেন, এপস্টেইন একসঙ্গে অন্তত ২০ জন গর্ভবতী মহিলাকে ওই প্রাসাদে রাখার কথা ভেবেছিলেন। নোবেলজয়ীদের শুক্রাণু সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তৈরি রিপোজিটরি ফর জার্মিনাল চয়েস নামে একটি পুরনো স্পার্ম ব্যাঙ্কের ধারণা থেকেও তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।অনেকের মতে, এপস্টেইনের এই পরিকল্পনা ট্রান্সহিউম্যানিজম নামে এক বিতর্কিত মতবাদের সঙ্গে যুক্ত। এই ধারণা অনুযায়ী, প্রযুক্তি, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে মানুষের ক্ষমতা আরও উন্নত করা সম্ভব। তবে সমালোচকেরা বলেন, এই মতবাদের সঙ্গে ইউজেনিক্স-এর মিল রয়েছে। হিটলারের জার্মানিতে ইউজেনিক্স ধারণা ব্যবহার করে তথাকথিত শুদ্ধ জাতি গঠনের চেষ্টা করা হয়েছিল। এই মতবাদে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম থেকে অনভিপ্রেত জিন দূর করার কথা বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
বিদেশ

রাশিয়ার হস্টেলে রক্তাক্ত তাণ্ডব! ভারতীয় পড়ুয়াদের উপর ছুরি নিয়ে হামলা কিশোর নাৎসি সদস্যের

রাশিয়ার একটি স্টেট মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির হস্টেলে ছুরি নিয়ে হামলা চালিয়েছে এক কিশোর। এই ঘটনায় চার জন ভারতীয় পড়ুয়া আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। বাকি তিন জনের অবস্থা স্থিতিশীল।পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারী কিশোরের বয়স প্রায় পনেরো বছর। সে নব্য নাৎসি গোষ্ঠী ন্যাশনাল সোশালিজম/ হোয়াইট পাওয়ার-এর সদস্য বলে দাবি করা হয়েছে। এই সংগঠনকে ২০২১ সালে রাশিয়ার সুপ্রিম কোর্ট জঙ্গি গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করেছিল।ঘটনাটি ঘটেছে এমন একটি হস্টেলে, যেখানে মূলত বিদেশি পড়ুয়ারা থাকেন। জানা গিয়েছে, পুলিশ পৌঁছনোর আগেই কিশোরটি হস্টেলের ভিতরে ঢুকে কয়েক জন পড়ুয়ার উপর ছুরি নিয়ে হামলা চালায়। হামলার সময় তার মুখে নাৎসি স্লোগান ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এমনকি এক আহত পড়ুয়ার রক্ত দিয়ে সে দেওয়ালে স্বস্তিকা চিহ্ন এঁকেছিল বলেও অভিযোগ।রাশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের সময় কিশোরটি পুলিশের বাধার মুখে প্রতিরোধ করে। সে দুজন পুলিশকর্মীকেও ছুরি দিয়ে আঘাত করে। পরে সে নিজের শরীরেও আঘাত করে বলে জানা গিয়েছে।সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, চারপাশ বরফে ঢাকা। সেখানে পুলিশের হাতে আটক কিশোরকে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আহত চার ভারতীয় পড়ুয়ার মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। বাকি তিন জনের চিকিৎসা চলছে এবং তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল।হামলাকারী কিশোরকেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় একটি শিশু হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। তার শারীরিক অবস্থাও গুরুতর বলে জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ...
  • 144
  • 145
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময়ের থেকে এগিয়ে’—প্রয়াণে আবেগঘন শ্রীলেখা মিত্র

দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার মধ্যে ছিল আধুনিকতা, স্মার্টনেস আর এক আলাদা ফ্রেশনেসমিঠুকে স্মরণ করে লিখলেন শ্রীলেখাবর্ধমান: সত্তর-আশির দশকের বাংলা ছবির পরিচিত মুখ মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলা চলচ্চিত্রমহল। ৭১ বছর বয়সে দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে রবিবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেত্রী। প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই তাঁর অভিনয়, সৌন্দর্য এবং স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বের কথা স্মরণ করছেন চলচ্চিত্রজগতের বহু মানুষ। সেই তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রও। সোশ্যাল মিডিয়ায় মিঠুকে স্মরণ করে তাঁর লেখা দীর্ঘ আবেগঘন পোস্টে উঠে এসেছে এক দর্শকের ব্যক্তিগত মুগ্ধতাযে মুগ্ধতা শুধু অভিনয়ে নয়, মিঠুর পর্দার উপস্থিতি এবং নিজস্ব ব্যক্তিত্বকে ঘিরেও।শ্রীলেখার কথায়, মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময় থেকে এগিয়ে থাকা এক অভিনেত্রী। তাঁর চোখে মিঠুর আকর্ষণ ছিল এমন এক স্বাভাবিক ব্যক্তিত্বে, যা পর্দায় আলাদা করে নজর কাড়ত। শ্রীলেখা মনে করিয়ে দিয়েছেন, সত্তরের দশক থেকে আশি এবং নব্বইয়ের গোড়ার দিক পর্যন্ত মিঠু একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। মৌচাক, মর্জিনা আবদুল্লাহ, স্বয়ংসিদ্ধার মতো ছবিতে তাঁর উপস্থিতি আজও দর্শকের স্মৃতিতে উজ্জ্বল।মিঠুর সৌন্দর্য নিয়েও অকপট শ্রীলেখা। বড় বড় চোখ, সেই চোখের অভিব্যক্তি, শিফন শাড়িতে তাঁর পর্দার উপস্থিতিসব মিলিয়ে মিঠুর মধ্যে তিনি খুঁজে পেয়েছেন এক দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার পরিচিত ছাঁচের বাইরে থাকা এক আধুনিক মুখ। শ্রীলেখার মতে, সেই সময়ের অনেক অভিনেত্রী যেখানে নির্দিষ্ট একটি ইমেজ-এর মধ্যে নিজেদের আটকে রাখতেন, সেখানে মিঠু ছিলেন অনেকটাই অন্যরকম।তাঁর ভাষায়, মিঠু যেন সেই সময়ের পর্দায় এক ঝলক fresh airআধুনিক, স্মার্ট, চুলবুলি এবং নিজের মতো করে থাকা এক অভিনেত্রী।শুধু সৌন্দর্য নয়, মিঠুর স্বাভাবিক আকর্ষণকেও বিশেষভাবে মনে করেছেন শ্রীলেখা। তাঁর সঙ্গে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী নীতু সিংয়েরও কোথাও একটা মিল খুঁজে পেয়েছেন তিনি। দুজনের মধ্যেই ছিল এমন এক effortless charm, যা কৃত্রিমভাবে তৈরি করার প্রয়োজন পড়ত নাস্বাভাবিকভাবেই যা দর্শকের চোখে ধরা দিত।১৯৭২ সালে চিত্ত বসুর শেষ পর্ব ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে পা রাখেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লাহ, নিশিকন্যা, মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, হোটেল স্নো ফক্স-সহ একাধিক ছবিতে অভিনয় করে নিজের জায়গা তৈরি করেন বাংলা ছবিতে। উত্তমকুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিত মল্লিকের মতো অভিনেতাদের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন মিঠু।তবে জীবনের পরের পর্বে ধীরে ধীরে চলচ্চিত্রজগতের আলো থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু। মুম্বইয়ে অনেকটাই অন্তরালে কাটছিল তাঁর জীবন। শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ অসুস্থতার পর থেমে গেল সেই জীবনযাত্রা।শ্রীলেখার পোস্টের শেষটুকু তাই হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত শ্রদ্ধার্ঘ্য। প্রিয় অভিনেত্রীকে বিদায় জানিয়ে তাঁর লেখামিঠু মুখোপাধ্যায় তাঁর খুব পছন্দের একজন অভিনেত্রী ছিলেন। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন শ্রীলেখা, পাশাপাশি সমবেদনা জানিয়েছেন মিঠুর পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি।পর্দার আলো নিভে গিয়েছে। কিন্তু বড় বড় চোখ, স্বতঃস্ফূর্ত হাসি আর সেই স্বতন্ত্র freshnessস্মৃতির পর্দায় হয়তো আরও অনেকদিন জ্বলজ্বল করবেন মিঠু মুখোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

আগামীকাল থেকেই আবহাওয়ার মেগা বদল, তুফানি তান্ডব বাংলা জুড়ে, কোন কোন জেলায় তুমুল বৃষ্টিপাত?

আবারও বদলাতে চলেছে বঙ্গের আবহাওয়া। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর রাজ্যের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকায় বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে উপকূলবর্তী পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় উপকূলবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।বঙ্গোপসাগরেও তৈরি হতে পারে প্রতিকূল পরিস্থিতি। সমুদ্র উত্তাল থাকার সম্ভাবনা থাকায় ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই যারা সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদেরও দ্রুত নিরাপদ স্থানে ফিরে আসতে এবং সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও আবহাওয়ার পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে। বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ফলে খোলা জায়গায় এবং গাছপালা বা দুর্বল কাঠামোর আশপাশে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতেও প্রতিকূল আবহাওয়া তৈরি হতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের দুই প্রান্তেই আবহাওয়ার উপর নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। তাই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং স্থানীয় প্রশাসন ও আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

উৎসবের মরসুমের পুণ্যার্থীদের জন্য জ্যাকপট, তারাপীঠ যাবেন? বিরাট ঘোষণায় ছক্কা হাঁকাল পূর্ব রেল

উৎসবের মরসুমের আগে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল ও সংলগ্ন এলাকার ট্রেনযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর দিল পূর্ব রেল। দীর্ঘদিনের দাবির পর শিয়ালদহ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন ব্যারাকপুরে এবার পরীক্ষামূলকভাবে থামবে ১৩১৮৭/১৩১৮৮ শিয়ালদহরামপুরহাটশিয়ালদহ মা তারা এক্সপ্রেস। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ থেকে এই নতুন স্টপেজ কার্যকর হবে বলে রেল সূত্রে জানানো হয়েছে।পূর্ব রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিয়ালদহ থেকে রামপুরহাটগামী ১৩১৮৭ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকাল ৭টা ৪১ মিনিটে ব্যারাকপুর স্টেশনে পৌঁছবে। সেখানে এক মিনিট দাঁড়িয়ে সকাল ৭টা ৪২ মিনিটে রামপুরহাটের উদ্দেশে রওনা দেবে।অন্যদিকে, রামপুরহাট থেকে শিয়ালদহগামী ১৩১৮৮ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন বিকেল ৫টা ৫৩ মিনিটে ব্যারাকপুরে পৌঁছবে। এক মিনিটের বিরতির পর বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিটে শিয়ালদহের উদ্দেশে যাত্রা করবে।এই স্টপেজ চালু হওয়ায় ব্যারাকপুরের পাশাপাশি টিটাগড়, খড়দহ, পলতা-সহ আশপাশের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এতদিন তারাপীঠ বা বীরভূমের অন্যান্য এলাকায় যেতে হলে অনেক যাত্রীকে প্রথমে শিয়ালদহ যেতে হত। কেউ কেউ নৈহাটি বা ব্যান্ডেল হয়ে সংযোগকারী ট্রেনের উপর নির্ভর করতেন। এবার ব্যারাকপুর থেকেই সরাসরি রামপুরহাটগামী ট্রেন ধরার সুযোগ মিলবে।বিশেষ করে তারাপীঠের মা তারার দর্শনে যাওয়া পুণ্যার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের জন্য এই পরিষেবা সুবিধাজনক হবে। এতে যাতায়াতের সময় এবং অতিরিক্ত খরচ, দুটিই কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।রেল সূত্রে খবর, আপাতত যাত্রীদের চাপ এবং টিকিটের চাহিদা পর্যালোচনা করতে পরীক্ষামূলকভাবে এই স্টপেজ চালু করা হচ্ছে। স্থানীয় যাত্রী সংগঠন এবং নিত্যযাত্রীদের তরফেও রেলের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলির সঙ্গে দূরপাল্লার যোগাযোগ বাড়ানোই এই ধরনের সিদ্ধান্তের অন্যতম লক্ষ্য। ব্যারাকপুরে মা তারা এক্সপ্রেস-এর স্টপেজ চালু হলে প্রতিদিনের যাত্রীদের পাশাপাশি উৎসবের মরসুমে তারাপীঠগামী যাত্রীদেরও সুবিধা হবে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

ছেলেকে হারিয়ে শোকে বুকে পাথর চেপে প্রচারে ঝড়! দেড় লাখের বেশি ভোটে জয়ে আত্মবিশ্বাসী ‘ঘরের মেয়ে’ হাসিরানি রথ

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার যত জোরদার হচ্ছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা। রবিবার প্রচারে বেরিয়ে ভোটারদের কাছে বিজেপির পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেন দলের প্রার্থী হাসিরানি রথ। ভোটের গুরুত্ব বোঝাতে তিনি তুলে ধরলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের গোবর্ধন পর্বত ধারণের প্রসঙ্গ। তাঁর বক্তব্য, শ্রীকৃষ্ণ যেমন এক আঙুলে গোবর্ধন পর্বত ধারণ করেছিলেন, তেমনই ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের শক্তি দেখাতে হবে।নন্দীগ্রামে প্রচার চলাকালীন বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন হাসিরানি। নন্দীগ্রামকে নিজের বাড়ি বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, এলাকার মানুষ তাঁকে যেভাবে আপন করে নিয়েছেন, তাতে তিনি অভিভূত। আগামী ৬ অক্টোবর ভোটের দিন ইভিএমে পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের কাছে আবেদন জানান তিনি।প্রচারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারীর অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর দাবি, সেই সময় শুভেন্দু অধিকারীকে একাধিকবার হেনস্থার মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি সভা করার অনুমতি পেতেও তাঁকে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন হাসিরানি।এরপরই ৬ অক্টোবরের ভোটকে রাজনৈতিক লড়াইয়ের সঙ্গে যুক্ত করে তিনি বলেন, ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের মাধ্যমে নিজেদের শক্তি প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি নেতৃত্ব এবং শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি সমর্থন জানানোর আবেদনও করেন তিনি।নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁকে ঘরের মেয়ে হিসেবে গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করেন হাসিরানি। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়ে তিনি খুশি বলেও জানান বিজেপি প্রার্থী।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হওয়ার পর ভবানীপুর আসনটি রেখে নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই কারণেই এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে। বিজেপির তরফে প্রার্থী করা হয়েছে হাসিরানি রথকে। তিনি প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা। চন্দ্রনাথ ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে। ভোটগণনা ৯ অক্টোবর। বিজেপি, তৃণমূলের দুই শিবির, কংগ্রেস এবং বাম-সহ একাধিক রাজনৈতিক শক্তি এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই জোরদার হচ্ছে প্রচার এবং রাজনৈতিক চাপানউতোর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

একসময় পর্দায় ঝড় তুলেছিলেন, তারপর আচমকাই অন্তরালে! প্রয়াত মিঠু মুখোপাধ্যায়

বিনোদন জগতে ফের শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন বাংলা ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিঠু মুখোপাধ্যায়। মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে রবিবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি। চিকিৎসার মধ্যেই শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হল সাতের দশকের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর পারিবারিক বন্ধু প্রবীর রায়। তাঁর কথায়, প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন অভিনেত্রী। মৃত্যুর সঠিক সময় সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।অভিনেত্রীর প্রয়াণের খবর প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে শোকপ্রকাশ করেছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মিঠু মুখোপাধ্যায়ের ছবি ভাগ করে তিনি তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তাঁর প্রয়াণকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করে প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন, অভিনেত্রীর স্মৃতি এবং তাঁর কাজ দীর্ঘদিন মানুষের মনে বেঁচে থাকবে।সাতের দশকের বাংলা সিনেমায় মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত মুখ। ১৯৭২ সালে একটি বাংলা ছবির মাধ্যমে তাঁর অভিনয়জীবন শুরু হয়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লা ছবিতে নামভূমিকায় অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি। মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, নিশিকন্যা-সহ একাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শকদের নজর কেড়েছিল। পরে হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর সৌন্দর্য ও পর্দায় স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিও দর্শকদের মধ্যে বিশেষ জনপ্রিয় ছিল। সেই সময় অনেকেই তাঁর সঙ্গে বলিউডের অভিনেত্রী রেখার তুলনা করতেন। বাংলা ছবির দর্শকদের একাংশের কাছে তিনি কলকাতার রেখা নামেও পরিচিত হয়ে ওঠেন।তবে জনপ্রিয়তার মধ্যেই ধীরে ধীরে সিনেমা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। পরবর্তী জীবনে তাঁকে খুব বেশি প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি অনেকটাই লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন। ফলে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহলও ছিল দর্শকদের মধ্যে।তাঁর অভিনয়জীবন খুব দীর্ঘ না হলেও বাংলা সিনেমায় তাঁর উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। একের পর এক জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করে অল্প সময়ের মধ্যেই নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন তিনি। প্রেমিকা থেকে শুরু করে প্রাণবন্ত তরুণী, নানা ধরনের চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।শেষ জীবনে অবশ্য সিনেমার আলো থেকে অনেক দূরে ছিলেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর রবিবার রাতে মুম্বইয়ে তাঁর মৃত্যু হল। তাঁর প্রয়াণে বাংলা সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় অধ্যায়ের ইতি ঘটল।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

এসআইআরের জট কাটতে ১২ বছর! সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে বিস্ফোরক দাবি নির্বাচন কমিশনের

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে তৈরি হওয়া জট এখনও কাটেনি। এসআইআরের সময় নাম বাদ পড়া এবং ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি নিয়ে মোট ৩৮ লক্ষের বেশি আপিল জমা পড়েছে। তার মধ্যে বিপুল সংখ্যক আবেদন এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানিয়েছে, বর্তমান গতিতে কাজ চললে সব আপিলের নিষ্পত্তি করতে ১২ বছরেরও বেশি সময় লেগে যেতে পারে।কমিশনের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, মোট ৩৮ লক্ষ ৩১ হাজারের মতো আপিল জমা পড়েছে। এর মধ্যে এসআইআরে নাম বাদ পড়া ভোটারদের ২২ লক্ষ ২১ হাজার ১১৮টি আবেদন রয়েছে। তাঁরা ভোটার তালিকায় নিজেদের নাম ফেরানোর আবেদন করেছেন। অন্য দিকে, প্রায় ১৬ লক্ষ ১০ হাজার আবেদন করা হয়েছে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে।এই বিপুল সংখ্যক আপিলের মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র এক লক্ষের কিছু বেশি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের আরও সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, ১ লক্ষ ২৬ হাজার ১৯৪টি আপিলের নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৯৩ শতাংশ ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের পক্ষে সিদ্ধান্ত গিয়েছে এবং তাঁদের নাম ফের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্য দিকে, ৮ হাজার ৬৪৯টি আপিলে আবেদনকারীরা হেরে গিয়েছেন।কমিশনের হিসাব বলছে, ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৩৭ লক্ষ ৫ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। বর্তমান গতিতে মাসে গড়ে প্রায় ২৫ হাজারের কিছু বেশি আবেদন নিষ্পত্তি হচ্ছে। সেই হিসাবেই বাকি আবেদন শেষ করতে ১৪৬ মাসের মতো সময়, অর্থাৎ ১২ বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলে কমিশন জানিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে আপিলের শুনানি দ্রুত শেষ করতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে। সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪২টি করার আবেদন জানানো হয়েছে। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের ভিত্তিতে একটি করে ট্রাইব্যুনাল তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শুধু ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানো নয়, অনলাইনেও শুনানি করার অনুমতি চেয়েছে কমিশন। বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা যাতে নিজেদের বাসভবন বা অন্য নির্দিষ্ট জায়গা থেকে অনলাইনে শুনানি করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার সংশোধনের কথাও হলফনামায় জানানো হয়েছে।এসআইআরের সময় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছিল বলে কমিশনের তথ্য। তাঁদের মধ্যে ২২ লক্ষের বেশি ভোটার নিজেদের নাম ফেরানোর জন্য আপিল করেছেন। অর্থাৎ বাদ পড়া ভোটারদের একটি বড় অংশই এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাম পুনর্বহালের আবেদন করেছেন।ফলে এখন মূল নজর আপিলের দ্রুত নিষ্পত্তির দিকে। ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব এবং অনলাইন শুনানির ব্যবস্থা কার্যকর হলে মামলার গতি কতটা বাড়ে, সেটাই এখন দেখার। একই সঙ্গে বাদ পড়া ভোটারদের আবেদনের শুনানি এবং ভোটার তালিকায় নাম পুনর্বহালের প্রক্রিয়া নিয়েও সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের নাম-প্রতীক ফ্রিজ! মমতার মামলায় জরুরি শুনানির আর্জি মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। সেই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করার আবেদন গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে সোমবার বিষয়টি উল্লেখ করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।নির্বাচন কমিশন গত ১৭ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী নির্দেশে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম এবং দলের নির্দিষ্ট নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহারে আপাতত নিষেধাজ্ঞা জারি করে। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দলের নাম, প্রতীক এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী উপনির্বাচনের জন্য দুই গোষ্ঠীকেই আলাদা নাম ও প্রতীক বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। তাঁর আবেদনে কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। সেই মামলাটিই দ্রুত শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার আবেদন জানান কপিল সিব্বল।সোমবার আদালতে মামলাটি উল্লেখ করে কপিল সিব্বল কমিশনের সিদ্ধান্তের সময় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের প্রক্রিয়া জুন মাসে শুরু হয়েছিল এবং জুলাইয়ে তাঁদের তরফে জবাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারির পর প্রতীক ফ্রিজ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।সিব্বলের আরও বক্তব্য, নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলাকালীন এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং তাই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করা প্রয়োজন। তিনি কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ চেয়েছেন বলেও আদালতে জানান।এর পর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, মামলাটি তালিকাভুক্ত হলে সব পক্ষই নিজেদের বক্তব্য রাখার সুযোগ পাবে। আদালত বিষয়টি দ্রুত তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করবে বলেও জানানো হয়। অর্থাৎ জরুরি শুনানির আবেদন গ্রহণ করা হলেও সেই মুহূর্তে শুনানির নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।এদিকে নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় দুই গোষ্ঠীকে আলাদা নাম ও প্রতীক দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর জন্য একটি নতুন নাম ও নতুন প্রতীক এবং অপর গোষ্ঠীর জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা আসন্ন উপনির্বাচনকে সামনে রেখে কার্যকর করা হয়েছে।ফলে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর এবার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। মামলাটি কবে তালিকাভুক্ত হয় এবং শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সমর্থন পাওয়ার পরেই গ্রেফতার, এবার হাইকোর্টে মিলন! কী চাইছেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে আইনি জটিলতায় পড়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। পাঁচটি মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তাঁর আইনজীবী মামলাটি উল্লেখ করেছেন। আগামীকাল মামলাটির শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা সামনে এসেছে। তাঁর আইনজীবীর দাবি, এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের আগে তাঁকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। আদালত মামলাটি শুনে অভিযোগগুলির গুরুত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবে।মিলন প্রধানের গ্রেফতারিও নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মিলনকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো খুনের মামলায় মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। সেই মামলার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের আরও দাবি, ওই মামলায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে ছিলেন।এ ছাড়াও মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণ, প্রমাণ লোপাট এবং অস্ত্র আইনের মতো ধারায় মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন করে আরও একটি মামলা যুক্ত হওয়ার কথাও প্রকাশ্যে এসেছে।মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি এখনও আদালতে বিচারাধীন। তাঁর আইনজীবী নির্বাচনের আগে রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। ফলে আদালত এই আবেদন গ্রহণ করে কী নির্দেশ দেয়, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একদিকে প্রার্থীর গ্রেফতারি, অন্য দিকে পাঁচ মামলায় হাইকোর্টে রক্ষাকবচের আবেদনদুই ঘটনাতেই নতুন করে নজর পড়েছে এই কেন্দ্রের দিকে। আগামীকাল শুনানি হলে মিলন প্রধানের আবেদনে আদালতের অবস্থান কী হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal