• ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২, রবিবার ০৮ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Home

দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

শুভেন্দুর গাড়িতে হামলা? রিপোর্ট চাইল অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল রাজ্যে। ঘটনার রেশ পৌঁছে গেল দিল্লিতেও। শুভেন্দুর গাড়িতে হামলা-র অভিযোগের প্রেক্ষিতে রিপোর্ট তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, অমিত শাহের মন্ত্রকের তরফে বিরোধী দলনেতার অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট ও ভিডিয়ো ফুটেজ চাওয়া হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর অফিসের পক্ষ থেকে সেই সব ফুটেজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে পাঠানো হচ্ছে।শনিবার পুরুলিয়ায় কর্মসূচি সেরে ফেরার পথে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা রোডে এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। শুভেন্দুর গাড়ি যাওয়ার সময় রাস্তার এক পাশে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা দাঁড়িয়ে ছিলেন। রাস্তার উল্টো দিকে তৃণমূলের পতাকা হাতে কয়েক জন দাঁড়িয়েছিলেন বলে অভিযোগ। শুভেন্দুর দাবি, তাঁর গাড়ি আসতেই আচমকা হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, ১২ থেকে ১৫ জন মিলে তাঁর গাড়িতে হামলা করেছে। পুলিশের মদতেই এই ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর আরও দাবি, হামলাকারীদের হাতে পেট্রল ও ডিজেল ছিল।ঘটনার পরই শুভেন্দু অধিকারী চন্দ্রকোনা পুলিশের বিট হাউসে পৌঁছে যান। সেখানে হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন তিনি। আইসির ঘরে মেঝেতে বসে পড়ে তিনি জানান, দোষীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত তিনি বিক্ষোভ চালিয়ে যাবেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য তৃণমূলকে নিশানা করে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর পর থেকেই বারবার শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলা হচ্ছে। পাল্টা তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, শুভেন্দুর গাড়িতে কোনও হামলা হয়নি। জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল, সেটাই তিনি সামলাতে পারেননি। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষ করে লেখেন, চন্দ্রকোনায় ভুল করে বিজেপি কর্মীদেরই পেটানো হয়েছে কেন, তার জবাব কেন্দ্রীয় বাহিনী দিক।এদিকে, শুভেন্দুর গাড়িতে হামলার অভিযোগের প্রতিবাদে রাজ্যের একাধিক জেলায় বিক্ষোভে নামেন বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা। বাঁকুড়ার লালবাজারে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নিলাদ্রি শেখর দানার নেতৃত্বে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন কর্মীরা। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি থানার সামনেও বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা।এই পরিস্থিতির মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক শুভেন্দু অধিকারীর অফিসের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। পাঠানো ভিডিয়ো ফুটেজ খতিয়ে দেখে কেন্দ্র কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতি।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজ্য

ফোন ধরেননি দু’দিন, তারপর মিলল ঝুলন্ত দেহ— হোমগার্ডের রহস্যমৃত্যুর পরেই উধাও সাব ইনসপেক্টর

ক্যানিং থানার পুলিশ কোয়ার্টারের একটি ঘর থেকে উদ্ধার হল ২২ বছরের হোমগার্ড গুলজ়ান পারভিন মোল্লা ওরফে রেশমির ঝুলন্ত দেহ। রবিবার সকালে এই ঘটনার পর গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। রেশমি ক্যানিং থানাতেই হোমগার্ড হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বছর দুয়েক আগে ভাঙড়ে খুন হন তাঁর বাবা রশিদ মোল্লা। বাবার মৃত্যুর পর তাঁর চাকরি দেওয়া হয়েছিল বড় মেয়েকে। এবার সেই মেয়ের মৃত্যুকে ঘিরে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।পরিবারের অভিযোগ, ক্যানিং থানার সাব-ইন্সপেক্টর সায়ন ভট্টাচার্যের সঙ্গে রেশমির বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কের কথা জানাজানি হতেই তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। এই অভিযোগের ভিত্তিতে খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে বারুইপুর জেলা পুলিশ।ঘটনার পরই বারুইপুর পুলিশ জেলার সুপারের নির্দেশে সাসপেন্ড করা হয়েছে ক্যানিং থানার সাব-ইন্সপেক্টর সায়ন ভট্টাচার্যকে। তাঁর বিরুদ্ধে আলাদা করে তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশের অনুমান, রেশমির রহস্যমৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসতেই তিনি পলাতক হয়েছেন।তদন্তে গতি আনতে ছয় সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করা হয়েছে। এই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রূপান্তর সেনগুপ্ত।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার ডিউটি শেষ করে ক্যানিং থানার পিছনে থাকা একটি কোয়ার্টারে গিয়েছিলেন রেশমি। তারপর থেকেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরিবারের লোকজন বারবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি। শনিবারও সারাদিন একইভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়, কিন্তু কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। এতে পরিবারের উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়।শেষ পর্যন্ত রবিবার পরিবারের লোকজন ক্যানিং থানায় আসেন। রেশমির বোন রুকসানা খাতুন থানার কোয়ার্টারের দিকে যান। দরজা খুলতেই তিনি হতবাক হয়ে যান। সিলিং ফ্যান থেকে ওড়না জড়ানো অবস্থায় ঝুলছিল রেশমির দেহ। সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার শুরু করেন তিনি। তাঁর চিৎকার শুনে ছুটে আসেন কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীরা।রেশমির মৃত্যু আত্মহত্যা না কি খুন, তা নিয়েই এখন জোর তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের অগ্রগতির দিকেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা এলাকা।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
দেশ

এক ঝটকায় উড়ে গেল থানার অর্ধেক অংশ! নওগাম বিস্ফোরণ নিয়ে কী বললেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

নওগাম থানার ভয়াবহ বিস্ফোরণ নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। শুক্রবার গভীর রাতে থানার একটি বড় অংশ উড়ে যায়, চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ধ্বংসস্তূপ, আর তার মাঝেই প্রাণ হারান ৯ জন। প্রায় ৩০ জনের বেশি আহত হয়ে হাসপাতালের বেডে ছটফট করছেন। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। শুরু হয় সন্দেহএ কি আরেক নতুন নাশকতা? কারণ দিল্লির বিস্ফোরণে ব্যবহার হওয়া বিস্ফোরকের সঙ্গেই মিল পাওয়া গিয়েছিল নওগামের বিস্ফোরকটির।কিন্তু শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে যুগ্ম কমিশনার প্রশান্ত লোখান্ডে জানিয়ে দেন, এটা কোনও নাশকতা নয়, পুরোপুরি দুর্ঘটনা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল। সেই সময়ই হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। কীভাবে, কেনএই প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়। তবে তদন্ত শেষ হলেই সব তথ্য জানানো হবে বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে। বিশেষ বিষয়, সাংবাদিক বৈঠকে জঙ্গি হামলা বা নাশকতার কোনও উল্লেখই করা হয়নি।জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল নলীন প্রভাতও একই দাবি করেন। তিনি জানান, ৩৬০ কেজি বিস্ফোরক ফরিদাবাদে এক চিকিৎসকের ভাড়া বাড়ি থেকে উদ্ধার করার পর সেটি নওগাম থানায় রাখা হয়েছিল। নিয়ম মাফিক খোলা জায়গায় বিস্ফোরক সুরক্ষিত ছিল। কিন্তু নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়ে আচমকাই ঘটে দুর্ঘটনা। এতে এক স্টেট ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির আধিকারিক, তিনজন এফএসএল কর্মী, দুই ফটোগ্রাফার, দুই রেভেনিউ কর্মী এবং এক টেইলর প্রাণ হারান। আহত হন ২৭ জন পুলিশ আধিকারিক ও ৩ জন স্থানীয় বাসিন্দা।ডিজিপির কথায়, সমস্ত সতর্কতা নিয়েও কীভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল, সেটাই এখন তদন্তের মূল প্রশ্ন। তিনি বলেন, সব নিয়ম মেনে কাজ হচ্ছিল। তার মধ্যেই রাত ১১টা ২০ মিনিটে হঠাৎ বিস্ফোরণ। এর পিছনে অন্য কোনও সন্দেহের কারণ নেই।এদিকে জঙ্গি সংগঠন প্যাফ এই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করলেও সরকারিভাবে সেই দাবির কোনও ভিত্তি পাওয়া যায়নি। ফলে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আরও প্রশ্ন বাড়ছেনাশকতার ছায়া থাকলে কেন তা অস্বীকার করা হলো, আর যদি দুর্ঘটনা হয়, তবে এত বড় বিস্ফোরক পরিচালনায় কী সতর্কতা নেওয়া হয়েছিল?তদন্তের শেষ রিপোর্টই জানাবে সঠিক সত্য। বর্তমানে নিহতদের পরিবার শোকাহত, আহতদের চিকিৎসা চলছে, আর প্রশাসনও সর্বোচ্চ সতর্কতায় পরিস্থিতি নজরে রাখছে।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
রাজ্য

বাংলায় বেকার ছেলেকে চাকরি পেতে গেলে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়ঃ অমিত শাহ

এরাজ্যে চাকরি পেতে গেলে ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়। রাজ্যের কয়েকজন নেতা ও মন্ত্রীদের ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে কোটি কোটি টাকা। অনেকেই জেল খাটছেন। এই ভ্রষ্টাচার আটকাতে গেলেই মোদি সরকারকে দরকার । মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ মালদা লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীর সমর্থনে নির্বাচনী প্রচার এবং রোডশো করতে এসে এভাবেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের সমালোচনা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন উত্তরবঙ্গে দ্বিতীয় দফায় মালদা এসে রোড শো করেন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ইংরেজবাজার শহরের ফোয়ারা মোড় থেকে রবীন্দ্র এভেনিউ এলাকার রবীন্দ্রমূর্তির কাছেই রোড-শো শেষ হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। দক্ষিণ মালদার বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীকে হুডখোলা গাড়িতে পাশে নিয়ে এই রোড-শো করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর রোড-শোকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের বাদ্যযন্ত্র ও দলীয় ঝান্ডায় সামিল হন দলীয় নেতা, কর্মীরা।এদিন তীব্র দাবদহের মধ্যে মালদার ইংরেজবাজার শহরের প্রাণকেন্দ্র ফোয়ারা মোড় থেকে রথবাড়ি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর রোড-শোয়ের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। সকাল গড়িয়ে দুপুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহের হেলিকপ্টার নামে মালদা বিমানবন্দরে। এরপরে সেখান থেকে কনভয় নিয়ে সরাসরি শহরের ফোয়ারা মোড় এলাকার সভা মঞ্চে চলে আসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সেখানে মাত্র পাঁচ মিনিট বক্তব্য রেখেই শুরু হয় এই রোড শো। এদিন নির্বাচনী প্রচারে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, এরাজ্যে একের পর এক দুর্নীতিগ্রস্ত নেতারা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সির কাছে ধরা পড়েছে। এই বাংলায় বেকার ছেলেকে চাকরি পেতে গেলে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয় । এর থেকে আর নিন্দাজনক কি হতে পারে? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লক্ষ্য স্বচ্ছ ভারত এবং উজ্জ্বল ভারত গড়ে তোলা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আরও বলেন, উজ্জ্বল ভারত গড়তে গেলে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হবে। অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে গেলে এনআরসি এবং সিএএ দরকার। ভ্রষ্টাচার বন্ধ করতে হবে। বেকারত্ব দূর করতে হবে। যেটা গত দুইবারের ক্ষমতায় থেকে কেন্দ্রের মোদি সরকার করেছেন। এরাজ্যে তৃণমূল সরকার শুধু দুর্নীতি আর ভ্রষ্টাচার করে এসেছে। তাঁর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর একটাই ভাষা সেটাই হচ্ছে আপনাদের ভোট । এই ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থীকে অন্তত এক লক্ষেরও বেশি ভোট দিয়ে জয়ী করতে হবে। এদিন মালদায় রোড-শো করার সময় মালদার তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৪২ ডিগ্রির কাছাকাছি। আর এত দাবদাহের মধ্যে অসংখ্য মানুষের ভিড় দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । তিনি বলেন, আপনাদের জনজোয়ার এবং স্লোগান বলে দিচ্ছে এই বাংলায় বিজেপি প্রচুর আসন পাবে । একইভাবে মালদার দুটো আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হবে বিজেপির দুই প্রার্থী। এই রোড-শো করার পর এই দিন মালদা থেকে হেলিকপ্টার করেই পূর্ণিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এপ্রিল ২৩, ২০২৪
রাজ্য

ফের বাংলায় লোকসভার টার্গেট দিয়ে গেলেন অমিত শাহ

তিনি প্রথমে বলেছিলেন, বাংলায় ৩৫ আসন চাই। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর প্রথমবার বাংলায় নির্বাচনী সভা থেকে বাংলায় টার্গেট কমিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বললেন, ২০১৪ সালে বাংলার মানুষ দুটি আসন দিয়েছিল। ২০১৯-এ সেটা বেড়ে হয়েছিল ১৮, এবার ২০২৪-এ ১৮ থেকে বাড়িয়ে ৩০ করতে হবে। যাতে বিজেপির গোটা দেশে আসন ৩৭০ পেরিয়ে যায়।বুধবার বালুরঘাটে নির্বাচনীয় সভায় এসে নয়া লক্ষ্যমাত্রা দিলেন বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। কিছুদিন আগে পর্যন্তও ৩৫ আসনের লক্ষ্যমাত্রার কথা বলেছিলেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, বাংলায় ৪২-এ ৪২ করতে হবে। তবে শাহ এদিন বললেন, ৩০ আসন চাই। আর বাংলায় বিজেপি ৩০ আসন পেরোলে কী হবে সেটাও জানিয়ে দিলেন তিনি। বললেন, বিজেপি অসমে অনুপ্রবেশ খতম করেছে। বাংলায় লোকসভা ভোটে ৩০ আসন পেলে এখানে সীমান্ত টপকে কোনও পরিন্দা বা পাখিও ঢুকতে পারবে না।কীভাবে ভোটে দেবেন সেটাও বলেছেন জনতাকে। বলেছেন, স্নান করে শিবের পুজো করে ১৯ তারিখে পদ্মপ্রতীকে বোতাম টিপতে হবে। এদিনের সভায় ভিড় দেখে খুশি প্রকাশ করেছেন অমিত শাহ। তিনি বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারকে বলেন, আপনার ভোটের ফল তো এখানেই হয়ে গেল। বলেছেন, এত রাগে বালুরঘাটে বোতাম টিপবেন যেন কলকাতায় মমতা দিদির গায়ে কারেন্ট লাগে।বাংলায় সিএএ নিয়ে শাহ বলেছেন, হাতজোড় করে বাংলার জনতাকে বলতে চাই, মমতা দিদি বাংলার লোকেদের বোকা বানাচ্ছেন। আমি বলতে চাই, ভয় না পেয়ে যত শরণার্থী এসেছেন, তাঁরা যেন নাগরিকত্বের আবেদন করেন। কারও নাম বাদ যাবে না।কয়েকদিন আগেই ভূপতিনগরে বোমা বিস্ফোরণে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের ধরতে এসে আক্রান্ত হন এনআইএ আধিকারিকরা। সরাসরি এনআইএ শাহের অধীনে পড়ে। এই প্রসঙ্গে অমিত শাহ বলেছেন, সবাইকে উল্টো ঝুলিয়ে সোজা করা হবে।

এপ্রিল ১০, ২০২৪
রাজ্য

পঞ্চায়েত ভোটের আগে বাড়িতে ত্রিশূল, দা, তরোয়াল রাখার দাওয়াই দুই বিজেপি নেতার

পঞ্চায়েত ভোটের আগে বাড়িতে ত্রিশূলে রেখে শান দিতে বললেন বীরভূম জেলা বিজেপি সভাপতি ধ্রুব সাহা। ভাষণ দিতে গিয়ে ধ্রুব সাহা বলেন, বাড়িতে ত্রিশূল তৈরি করুন। তাতে ভাল করে শান দিন। এই ত্রিশূল দিয়ে বীরভূমের অসুর বধ করতে হবে। বাড়িতে দা তৈরি করুন, তরোয়াল বানান। বীরভূম জেলা সভাপতির সুরে সুর মিলিয়ে ঘরে ঘরে ত্রিশূল রাখার হুঙ্কার দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। বরানগরে এক সভায় রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সামনে একটা যুদ্ধ আসছে। তৃণমূল নিজেরাই বোম-গুলিতে মারামারি করে মরছে। পঞ্চায়েত ভোটে আত্মরক্ষার জন্য মা-বোনেরা ঘরে ঘরে ত্রিশূল রাখুন।এদিকে তৃণমূল নেতৃত্ব বিজেপি নেতাদের হুঙ্কারকে সন্ত্রাসে উস্কানি দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন। তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায় বলেন, অযথা অশান্তি সৃষ্টি করতে চাইছে বিজেপি। রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, দিলীপ ঘোষ, সায়ন্তন বসুরা মাঝে-মধ্যেই এই ধরনের উসকানিমূলক মন্তব্য রাখেন। প্ররোচনা দিচ্ছেন। এমন ধরনের অস্ত্র দিলে রাজ্যে শান্তি কি থাকবে? তেমন কিছু হলে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ-মিলিটারি আছে। ওদের এসব নিয়ে ভাবতে হবে না।সামনের বছর রাজ্যে গ্রামপঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগেই মহড়া দিতে শুরু করেছে তৃণমূল-বিজেপি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন। ওই নির্বাচনে ভাল ফল করতে হলে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ঝাঁপাতেই হবে। তা নাহলে পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনে তার প্রভাব পড়বে। ২০১৮ গ্রামপঞ্চায়েত ভোটে জোরদার লড়াইয়ের ফল ২০১৯ লোকসভা ভোটে পেয়েছিল বিজেপি। ২ থেকে এক লাফে বিজেপির সাংসদ সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ১৮-তে। তাই ফের এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে ঝাঁপাচ্ছে বিজেপি।

নভেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

জেলা সংশোধনাগারে বিচারাধীন বন্দীর মৃত্যু ঘিরে রহস্যের গন্ধ

বর্ধমান জেলা সংশোধনাগারে এক বিচারাধীন বন্দীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। মৃতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ তাদের সময়মত খবর দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।মৃত বন্দীর নাম শেখ মোশাররফ হোসেন ওরফে চাঁদ। তার দুই ভাই শেখ জিয়াউদ্দিন আহমেদ ও কবীর হাসান জানান; তাদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার ধরমপুর গ্রামে। গত ৩ রা অক্টোবর চাঁদ বর্ধমানে ঠাকুর দেখতে এসেছিল। সে সময় সন্দেহভাজন হিসেবে পুলিশ একটি চুরির কেসে তাকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে তোলার আগে পরিবারকে খবর দেওয়া হয়। তারা জানান ; আদালতে এবং জেল হেফাজতে কোনো অসুস্থতা তার ছিলনা।আজ সকালে হঠাৎই ভাতার থানা থেকে তাদের ফোনে জানান হয়; আসামী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তারা জানতে পারেন তার মৃত্যু ঘটেছে। মৃতের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য; হঠাৎই কেউ লো প্রেসারে এভাবে মরে যেতে পারেনা। যদি তাই হবে হাসপাতালে ভর্তি করার সময় তাদের খবর দেওয়া হয়নি কেন। আজ বর্ধমানে এসে হাসপাতালের সেলে যান। সেখানে না দেখতে পেয়ে তারা বর্ধমান থানায় এসে জেল কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন।তাদের ধারণা; আসামীকে মারধর করা হয়ে থাকতে পারে। গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চাইছেন মৃতের পরিবার।এই ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২২
রাজ্য

'বাংলা' না 'পশ্চিমবঙ্গ', বল পৌছালো সংসদে, প্রস্তাবের প্রাপ্তি স্বীকার কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের

নামটা মানের উদ্দেশ্য নয় - লোকে বড় বড় চুল রাখে ঝুঁটি ধরে টানবার জন্য নয়। বিখ্যাত লেখকের এই বক্র উক্তি অনেক কিছুই ভাবার অবকাশ দেয়। সব নামের মানে থাকবে যেমন আশা করা অন্যায়, তেমনি মানে খুঁজে ব্যঙ্গক্তি করাও সমীচীন নয়। কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন হতেই পারে, আতর আলি গায়ে আতরের গন্ধ খুঁজতে গিয়ে বিফল হওয়ার সমূহ সম্ভবনা থাকতে পারে। ঠিক তেমনই উত্তর পাড়া তে দক্ষিণ পাড়া খুঁজতে গিয়ে হয়রান হওয়ার সম্ভবনাও থাকে।ঠিক তেমনি এক নাম-র লড়াই বাংলায়। পশ্চিমবঙ্গের নাম বাংলাই পরিবর্তনের লড়াই অনেক পুড়ানো। রাজ্যের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বা প্রতিনিধিদের দীর্ঘদিনের আক্ষেপ, রাজ্যের নাম পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) হওয়াতে ইংরাজি অক্ষর W শেষের দিকে বলে বাংলার প্রতিনিধিরা শেষের দিকে বলার সুযোগ পেতেন। রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগে বহুবার অভিযোগ জানিয়েছেন, সংসদে যখনই রাজ্যের প্রতিনিধিরা বা মমতা নিজেই কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্যগুলির মধ্যে কোনও বৈঠকে বক্তব্য রাখার কথা থাকতো তখনই পশ্চিমবঙ্গের নাম সর্বদা তালিকার নীচে উপস্থিত হত। এখন রাজ্যের নাম পরিবর্তন হয়ে বাংলা হলে ইংরাজি B অনেক আগে হওয়াতে পশ্চিমবঙ্গ-র প্রতিনিধিরা অনেকটা সামনের দিকে বলার সুযোগ পাবেন।২০১৬-এর ২৯ আগস্ট রাজ্য বিধানসভা পশ্চিমবঙ্গের নাম পরিবর্তন করে ইংরেজিতে বেঙ্গল, বাংলায় বাংলা এবং হিন্দিতে বাঙ্গাল করার প্রস্তাব পাস করা হয়েছিল। তিনটি ভিন্ন ভাষায় তিনটি নাম রাখার প্রস্তাবটিকে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র দপ্তর প্রত্যাখ্যান করে। ঠিক তার দুই বছর পর ২০১৮-র ২৬ জুলাই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা সেই প্রত্যাখ্যাত বিলটি পরিবর্তন করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে তিনটি ভিন্ন ভাষায় রাজ্যের নাম পরিবর্তন করে বাংলা করার বিল পাস করে।মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের নামকরণ বাংলা করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে যে প্রস্তাব পাঠিয়েছে, সেটির তারা প্রাপ্তি স্বীকার করেছে। কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই সংসদকে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছ থেকে এই প্রস্তাব তাঁরা পেয়েছেন।নিত্যানন্দ রাই জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছ থেকে তিনটি ভাষায় অর্থাৎ বাংলা, ইংরেজি এবং হিন্দিতে রাজ্যের বাংলা নামকরণের জন্য একটি প্রস্তাব এসেছে। রাই লোকসভায় লিখিত উত্তরে বলেছেন যে মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক সারা দেশে শহরগুলির নাম পরিবর্তনের জন্য গত পাঁচ বছরে প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলিতে অনাপত্তি শংসাপত্র (NOC) দিয়েছে।সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) সাংসদ সাইদা আহমেদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে জানতে চান, সারা দেশে বিভিন্ন শহরের নাম পরিবর্তনের অনুমোদন পাওয়ার জন্য ঠিক কতগুলি প্রস্তাব এসেছে? তিনি আরও জানতে চান সরকার কি হেরিটেজ স্থানের নাম পরিবর্তন ক্ষেত্রে পুর্বতন নির্দেশিকাগুলি সংশোধন করেছে কিনা।নিত্যানন্দ রাই সেই প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন যে, হেরিটেজ জায়গাগুলির নাম পরিবর্তনের জন্য মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের সেরকম কোনও নির্দেশিকা নেই। তিনি আরও জানান, ২০১৭-তে অন্ধ্রপ্রদেশের রাজমুন্দ্রির নাম পরিবর্তন করে রাজামহেন্দ্রভারম করা হয়। ২০১৮ তে, ঝাড়খণ্ডের নগর উন্টারির নাম পরিবর্তন করে শ্রী বংশীধর নগর করা হয়।ওই একই বছরে, মধ্যপ্রদেশ নগর পঞ্চায়েত শহর বীরশিংপুর পালি পরিবর্তন করে মা বিরাসিনী ধামএ পরিণত হয়। ২০১৮ তেই, এক উল্লখযোগ্য নাম পরিবর্তন হল, উত্তরপ্রদেশের কুম্ভ শহর এলাহাবাদের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় প্রয়াগরাজ।মন্ত্রী সংসদকে জানান, ২০২১-এ মধ্যপ্রদেশের হোশাঙ্গাবাদ নগরর নাম পরিবর্তন করে নর্মদাপুরম এবং বাবাই শহরের নাম পরিবর্তন করে মাখন নগর করা হয়। ২০২২ এ, পাঞ্জাবের শহর শ্রী হরগোবিন্দপুরের নাম পরিবর্তন করে শ্রী হরগোবিন্দপুর সাহেব রাখা হয়। রাই আরও জানান যে নসরুল্লাগঞ্জ নগরের নাম পরিবর্তন করে ভৈরুন্ডা করার একটি প্রস্তাব ২৫ এপ্রিল, ২০২২-এ মধ্যপ্রদেশ সরকারের কাছ থেকে মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক পেয়েছে।

জুলাই ১৯, ২০২২
রাজ্য

সিপিএম বিজেপির বি-টিম,' বাংলা নয়, দিল্লি দেখুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি মমতার

এদিন দলের নয়া রাজ্য কমিটির প্রথম বৈঠক হয় তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন ভবনে। এদিকে দুদিনের বাংলা সফরে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জনসভায় নিশানা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে অমিত শাহকে কড়া জবাব দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি দলীয় নেতা-কর্মীদের মানুষের পাশে থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মনুষ পরিষেবা না পেলে কেন পাচ্ছে না দেখতে হবে। মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে। ভুল করলে খারাপ লাগলে ক্ষমাপ্রার্থী। ভুল হলে ধরিয়ে দেবেন। এদিন অমিত শাহ তাঁর বক্তব্যে টানা আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল সরকার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।কাটমানি, অত্যাচার নিয়ে অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টমন্ত্রী। মমতা বলেন, কাটমানির সংজ্ঞা কী? গ্যাস, ডিজেলের দাম বাড়ছে। সেই টাকাটা কোথায় যাচ্ছে? পাশাপাশি এদিন তৃণমূল নেত্রী বলেন, সিপিএম বিজেপির বি টিম। ওরা বিজেপির লিংক।এরাজ্যে অশান্তি নিয়ে অমিত শাহর অভিযোগ প্রসঙ্গে মমতা বলেন, আগে নিজের দিকে তাকান। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লি দেখুন, বাংলার দিকে তাকাতে হবে না। জাহাঙ্গিরপুরী, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের দিকে তাকান। রাজ্যে কী ভাবে অশান্তি লাগে তাতে উৎসাহ দিচ্ছেন। আমাকে গাইড করতে হবে না। দেশকে ভাঙতে চাইছে আর ঘরে বসে সিবিআই, ইডি, আয়কর দফতর ছাড়া কোনও কাজ করেছেন না। সিএএ লাগু নিয়ে মমতার হুঙ্কার, বাংলায় সিএএ চালু হবে না। কাদের ভোটে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হয়েছেন? তাঁরা কী দেশের নাগরিক নয়? প্রশ্ন তোলেন মমতা

মে ০৫, ২০২২
রাজ্য

অত্যাচার, সিন্ডিকেট, দুর্নীতি বন্ধ হয়নি বাংলায়, শেষ পর্যন্ত লড়াই করবে বিজেপিঃ অমিত শাহ

বিধানসভা নির্বাচনের এক বছর পরে এরাজ্যে এসে জনসভায় বক্তব্য রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ির জনসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে টানা তোপ দাগেন অমিত শাহ। তৃতীয়বার রাজ্যে ক্ষমতায় এসেও তৃণমূল কংগ্রেস যে শোধরায়নি সেকথাও জানিয়ে দেন শাহ। তাঁর হুঙ্কার এখানে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে বিজেপি। করোনা আবহ কেটে গেলেই সিএএ চালু হবে বলেও জানিয়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তৃণমূল সিএএ নিয়ে ভুল বোঝাচ্ছে বলে শাহর দাবি।অমিত শাহ বলেন, বাংলার মানুষ বলুন সিন্ডিকেটরাজ, দুর্নীতি কী বন্ধ হয়েছে? তারপরও কী অত্যাচার বন্ধ হয়েছে? অত্যাচার বন্ধ না হলে বিজেপি লড়াই চালিয়ে যাবে। বাংলার মানুষের ওপর অত্যাচার, সিন্ডিকেটরাজ, কাটমানি চললে বিজেপি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাবে। তৃতীয়বার ক্ষমতা এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও শোধরাননি।ভোটপরবর্তী হিংসার কথাও উঠে আসে অমিত শাহর বক্তব্যে। বাংলায় আইনের শাসন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অমিত শাহ। বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, মানবাধিকার কমিশনও বলছে বাংলায় আইনের কোনও শাসন নেই। ২২ মার্চ থেকে বাংলায় ৮১টি হিংসার ঘটনা ঘটেছে। দেশে কোথাও কিছু হলে প্রতিনিধি পাঠাচ্ছেন দিদি। বীরভূমে মহিলা-শিশুদের হত্যা করা হয়েছে। সেখানে কেন প্রতিনিধিদল পাঠানো হল না। বীরভূম কী বাংলায় নয়। হাঁসখালিতেও কেন প্রতিনিধি দল গেল না।এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে একাধিকবার বাংলার অত্যাচার নিয়ে সরব হয়েছেন। তিনি বলেন, তৃণমূলের অত্যাচার বন্ধ না করা অবধি শান্তিতে বসতে পারব না।

মে ০৫, ২০২২
দেশ

সীমান্তে অনুপ্রবেশ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে নিশানা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিধানসভা নির্বাচনের পর এই প্রথম বাংলা সফরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ৬টি অত্যাধুনিক ভাসমান আউটপোস্ট এবং ওয়াটার অ্যাম্বুল্যান্সের উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার কলকাতা থেকে হেলিকল্টারে তিনি উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে উড়ে যান। এদিনই বনগাঁর হরিদাসপুরে মৈত্রী সংগ্রহালয়ের শিলান্যাস করেন অমিত শাহ। অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তেই সবচেয়ে বেশি অনুপ্রবেশ ঘটে। তবে এবার যে অত্যাধুনিক নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার ফলে এই অনুপ্রবেশ এবং পাচার বন্ধ হবে। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া অনুপ্রবেশ ও পাচার রোখা কঠিন বলেও মন্তব্য করেছেন শাহ। একইসঙ্গে এদিন তিনি সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফ-এর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।এদিন সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর প্রশংসায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব বিএসএফ-এর। অনুপ্রবেশ ও পাচারকারীদের রুখতে সচেষ্ট বিএসএফ। শুধু ফেন্সিং দিয়েই হবে না, দেশের সুরক্ষা দিতে পারে বিএসএফ। অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে টহলদারির ওপর আরও বেশি জোর দিতে হবে।সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের কাজের পরিধি বৃদ্ধি নিয়ে এর আগে রাজ্য সরকারের সঙ্গে বিরোধ বেধেছিল। এবিষয়ে ঘোরতর আপত্তি জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বাংলাদেশের যুদ্ধের প্রসঙ্গও তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই সময় ভারতীয় সেনা ও বিএসএফের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন অমিত শাহ। এদিন বিকেলে শিলিগুড়িতে জনসভা ছাড়াও বেশ কয়েকটি সংগঠনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে অমিত শাহর।बीएसएफ की इन फ्लोटिंग सीमा चौकियों पर स्वास्थ्य सुविधाओं के लिए बोट एम्बुलेंस का भी शुभारंभ किया।किसी भी आपातकालीन स्थिति में ये बोट एम्बुलेंस बहुत सहायक सिद्ध होगी। pic.twitter.com/wNYjLkU0PD Amit Shah (@AmitShah) May 5, 2022এদিন এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অমিত শাহর সফর নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যদি কেউ বলে বাংলায় গেল খুন হয়ে যাব। আমার গায়ে লাগে। উল্লেখ্য বাংলার রাজনৈতিক হিংসা প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।উল্লেখ্য, দেশের সীমান্ত এলাকাগুলিতে বিএসএফ-এর কাজের পরিধি বাড়াতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। তবে এক্ষেত্রে ঘোরতর অপত্তি রয়েছে বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যের। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে তাঁর আপত্তির কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামিকাল, শুক্রবার কলকাতায় ফিরে দলের রাজ্য ও জেলাস্তরের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।

মে ০৫, ২০২২
রাজ্য

কাল বাংলায় সীমান্ত পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সুন্দরবনে ৬টি ভাসমান বিওপি ও বোট অ্যাম্বুলেন্সের সূচনা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগামিকাল এরাজ্যে আসছেন। তিনি বৃহ্পতিবার বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত পরিদর্শন করবেন। এই সফরে অমিত শাহ বিএসএফ-এর সুন্দরবনের জলে অবস্থিত ০৬ টি আধুনিক ভাসমান বিওপি-সতলজ, নর্মদা, কাবেরী, গঙ্গা, সবরমতি, কৃষ্ণা এবং বোট অ্যাম্বুলেন্স এর বিওপি হিঙ্গলগঞ্জে পৌঁছানোর পর উদ্বোধন করবেন। ভাসমান বিওপি উদ্বোধনের পর শ্রী শাহ বিওপি হরিদাসপুরে অবস্থিত মৈত্রী সংগ্রহালয় (জাদুঘর) এর উদ্বোধন করবেন।বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সীমান্ত পর্যবেক্ষণ ও সুরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বিএসএফের এবং সরকার তাই সেখানে আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহের ওপর জোর দিচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সংলগ্ন আমাদের সীমান্তের সব বিওপিকে নজরদারি ও সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে শক্তিশালী করার ওপরও জোর দিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের দুর্গম এলাকায় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের নজরদারি জোরদার ও মজবুত করতে ভাসমান বিওপির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের এই দুর্গম এলাকায় চিকিৎসা সেবা দিতে বোট অ্যাম্বুলেন্সও চালু করা হচ্ছে যা সাহেব খালি থেকে শামসের নগর পর্যন্ত এলাকায় সেবা দেবে। ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে বিএসএফ-এর বীরত্ব সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে সচেতন করতে ফ্রেন্ডশিপ মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরের সময় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের মহাপরিচালক পঙ্কজ কুমার সিং, আইপিএস, যোগেশ বাহাদুর খুরানিয়া, আইপিএস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, ইস্টার্ন কমান্ড এবং ডাঃ অতুল ফুলঝেলে, আইপিএস, ইন্সপেক্টর জেনারেল সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার উপস্থিত থাকবেন।

মে ০৪, ২০২২
রাজ্য

স্বাস্থ্যসাথীর ‘জালিয়াতি’ নিয়ে বর্ধমানে এবার তদন্তে নামলো স্বাস্থ্য দফতর ও সিআইডি

স্বাস্থ্যসাথীর জালিয়াতি নিয়ে এবার তদন্তে নামল পূর্ব বর্ধমান জেলা স্বাস্থ্য দফতর। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলার নির্দেশে জালিয়াতির তদন্তের জন্য বুধবার জেলার ডেপুটি সিএমওএইচ(১) জগন্নাথ মণ্ডলের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রণব রায় জানিয়েছেন, তদন্ত কমিটি এদিন থেকেই কাজ শুরু করে দিয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে তাঁদের তদন্তের রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই জালিয়াতির ঘটনা নিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরও কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে।পুলিশ ও স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে জালিয়াতি করার অভিযোগে কাটোয়া গাঁফুলিয়া গ্রাম নিবাসী সালেহার বিবি নামে একজনকে সোমবার দুপুরে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পাশাপাশি গ্রেফতার হয়েছে বর্ধমানের একটি নার্সিংহোমে কাজে যুক্ত থাকা সালেহার বিবির জামাই নুরুল হাসান। তাঁরা এখন কাটোয়া থানায় পুলিস হেফাজতে রয়েছেন। ওই নার্সিংহোমের ডিরেক্টর আবির গুহকে পুলিশ থানায় দেখা করার জন্যে নোটিসও দিয়েছে। এরই মধ্যে মঙ্গলবার সিআইডির বর্ধমান শাখার একটি দল ওই নার্সিংহোমে গিয়ে খোঁজখবর নেয়। পুলিশ ওই নার্সিংহোম থেকে পাওয়া ১২৩টি স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের প্রতিলিপি স্বাস্থ্য দফতরকে জমা দিয়েছে। সেখানে পুলিশ জানিয়েছে, ৪২ জন রোগীর সন্ধান মিললেও বাকি ৮১টি কার্ডের প্রাপকদের খোঁজ পাওয়া যায়নি।স্বাস্থ্য দফতরের তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন ,ওই ৮১টি কার্ডের ধরে যাবতীয় তথ্য খুঁজে বের করা হবে। কেন এতগুলি স্বাস্থসাথী কার্ড নার্সিংহোমে ছিল তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তাঁরা প্রতিটি কার্ডের প্রাপককে ফোন করে তা যাচাই করে দেখতে চাইছেন।এই নার্সিংহোমের বিরুদ্ধেই অভিযোগজেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তার কথায় ওই নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে আগেও স্বাস্থ্যসাথী নিয়েই অভিযোগ উঠেছিল। ক্লিনিক্যাল এস্টাব্লিশমেন্ট আইন না মানায় ওই নার্সিংহোমকে বন্ধও করে দিয়েছিল স্বাস্থ্য দফতর। সিআইডি জানিয়েছে, এ ব্যাপারে তারা একটি বিশদে রিপোর্ট ভবানী ভবনে পাঠাবে। সেখান থেকে নির্দেশ এলে সিআইডি তদন্তভার নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এ দিন ওই নার্সিংহোমের ডিরেক্টর আবির গুহ বলেন, তদন্তকারী সব দলের কাছেই সব রকমের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। কয়েক দিন পরেই তো তদন্ত রিপোর্ট বেরিয়ে যাবে।

মার্চ ১৬, ২০২২
রাজ্য

স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে নজিরবিহীন জালিয়াতি বর্ধমানে, গ্রেফতার জালিয়াত শাশুড়ি ও জামাই

সাধারণ মানুষ নিখরচায় যাতে চিকিৎসা পরিষেবা পান তার জন্য স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প চালু করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে জালিয়াতির ঘটনা ঘটেই চলেছে। এবার স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে নজিরবিহীন জালিয়াতির ঘটনা ঘটলো পূর্ব বর্ধমানে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকা পরিবারের কারও অসুস্থ হয়ে পড়া বা অস্ত্রপচারের ঘটনা না ঘটলেও তাঁদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে মোটা টাকা।এমনই জালিয়াতি চক্রের পাণ্ডা সালেহার বিবি ও তাঁর সহযোগী মুন্সি নূর আলমকে সোমবার গ্রেফতার করেছে কাটোয়া থানার পুলিশ। তাঁদের সঙ্গে নিয়েই পুলিশ এদিন বিকালে শহর বর্ধমানের খোসবাগানের একটি বেসরকারী নার্সিংহোমে তল্লাশি চালায়। তল্লাশিতে সেখান থেকেই উদ্ধার হয় বেশ কিছু উপভোক্তার নামে থাকা স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড। এই ঘটনা জেলা প্রশাসনিক মহলেও শোরগোল ফেলে দিয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত সালেহার বিবির বাড়ি কাটোয়া ১ ব্লকের আলমপুর পঞ্চায়েতের গাঁফুলিয়া গ্রামে। আপর ধৃত মুন্সি নূর আলম সম্পর্কে সালেহারের জামাই। পুলিশ বর্ধমানের ওই নার্সিংহোম থেকে নূর আলমকে এদিন গ্রেফতার করে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীন) ধ্রুব দাস জানিয়েছেন, গাঁফুলিয়া গ্রামের বেশ কিছু গরিব পরিবারের মহিলার কাছ থেকে তাঁদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড সালেহার নিজের কাছে নিয়ে রাখেন। পরে সালেহার ও তাঁর সহযোগী মিলে জালিয়াতি করে ওইসব মহিলাদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে অনুদানের মোটা টাকা তুলে নিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। পুলিশ তদন্তে নামার পর অভিযোগের সত্যতা ধরা পড়লে সালেহার বিবিকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার করা হয় এই জালিয়াতি কাণ্ডে জড়িত সালেহারের জামাইকেও। জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন জানিয়েছেন, এটা বড় কেলেঙ্কারির ঘটনা। এর তথ্য প্রমাণ আসার পর ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনায় জড়িত কাউকেই ছাড়া হবে না।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গাঁফুলিয়া গ্রামে থাকা সালেহার বিবির বাড়ি এদিন ঘেরাও করেন এলাকার বেশ কিছু বাসিন্দা । তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে ওঠে। খবর পেয়ে কাটোয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। সেখানে থাকা বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে জানায়,গত দেড়মাস ধরে সালেহার বিবি এলাকার মহিলা ও পুরুষের বলে চলেন স্বাস্থ্যসাথী কার্ড তাঁকে জমা দিয়ে বর্ধমানের একটি নার্সিংহোমে গিয়ে চেকআপ করালেই মিলবে ১০ হাজার টাকা। ১০ হাজার টাকার লোভে পড়ে গাঁফুলিয়ার বেশকিছু মহিলা তাদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড সালেহারকে জমা দেন। মেনকা বিবি নামে এক গ্রামবাসী বলেন, সালেহার বিবি বলেছিলেন তাঁর জামাই বর্ধমানের খোসবাগানের একটি নার্সিংহোমে কাজ করে। সেখানে একবার গেলেই হবে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে ১২ হাজার উঠবে। তা থেকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হবে যাঁর নামে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড তাঁকে।এই নার্সিংহোমের বিরুদ্ধেই অভিযোগসালেহারের কথা মতো মেনকা বিবি সপ্তাহ দুয়েক আগে বর্ধমানের ওই নার্সিংহোমে যান। পরে মেনকা বিবি জানতে পারেন তার স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে ৬১,৬০০ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। একইভাবে রিজিয়া বিবি নামে এলাকার অপর মহিলা জানতে পারেন তাঁর স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে ৭৫,৬০০ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাটি মেনকা বিবি ও রিজিয়া স্থানীয় পঞ্চায়েতে গিয়ে জানান। পঞ্চায়েতের এক কর্মী ওই দুই মহিলার স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পরীক্ষা করেন। পরীক্ষা করে তিনিও নিশ্চিত হন সত্যি সত্যি ওই মহিলাদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে মোটা অঙ্কের সরকারি অনুদানের টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত কর্মী এমনটা জানিয়ে দেওয়ার পর এদিন এলাকার লোকজন টাকা ফেরতের দাবিতে সালেহার বিবির বাড়িতে চড়াও হন। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, ১০ হাজার টাকার টোপ দিয়ে সালেহার বিবি ও তাঁর জামাই নূর আলম ৩৫ - ৪০ জনের কাছ থেকে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা জালিয়াতি করেছে।জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা বলেন, আমরাও প্রশাসনিক ভাবে এই ঘটনা বিষয়ে তদন্ত করবো। অন্যদিকে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (সিএমওএইচ) প্রণব রায় বলেন ,ঘটনার কথা শুনেছি। এই বিষয়ে সবিস্তার খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।

মার্চ ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতায় ইন্ট্রিগুই হোম এর উদ্বোধন করলেন লোপামুদ্রা

বাঙালিরা একটু ঘুমকাতুরে হয়। সারাদিনের ক্লান্তির পর বা দুপুরে ছুটি থাকলে ঘুমানোর সময় পেলে আমরা সেটা হাতছাড়া করি না। সেরকমই আমাদের ঘুমটা যাতে ভালো হয় তার জন্য দারুণ ভাবনা নিয়ে এসেছে ইন্ট্রিগুই হোম। হোম ইস হোয়ার দ্য হার্ট ইস। এই ইন্ট্রিগুই হোম নিয়ে এল বিভিন্ন কালেকশনের বিছানার সামগ্রী। যেটা মানুষকে আরো বেশি আরাম দেবে। ইন্ট্রিগুই হোম ২৫ বছর ধরে তাদের ব্যবসা চালাচ্ছে। তাদের নতুন ভাবনায় অ্যাট্রাক্টিভ কুশনস থেকে শুরু করে আরো অনেক চমক রয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন কর্ণধার বিপুল দুগার। বিশেষ দিনে উপস্থিত ছিলেন ফ্যাশন জগতের পরিচিত নাম লোপামুদ্রা মণ্ডল। তিনি জানালেন, কলকাতায় ইন্ট্রিগুই হোমের ব্র্যান্ড লঞ্চ করতে পেরে আমার সত্যিই খুব ভালো লাগছে। যারা ভালো মানের বিছানার চাদর থেকে পর্দা ইত্যাদির খোঁজ করছেন তাদের জন্য ইন্ট্রিগুই হোম আদর্শ। মন পছন্দ লাক্সারি ব্র্যান্ডের খোঁজ করলে ইন্ট্রিগুই সকলের ভরসা।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
দেশ

বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ মোদি, অমিত শাহ, বিষণ্ণ রাষ্ট্রপতি

ভারতীয় সঙ্গীত জগতের নক্ষত্র-পতনে শোকস্তব্ধ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিংবদন্তী গায়ক ও সুরকার বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিবেষ্টিত ছিল বাপ্পি লাহিড়ীর সঙ্গীত। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাঁর গানে মুগ্ধ হবে।বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণের দুঃসংবাদ শোনার পরই শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। টুইটারে নিজের মনের ভাব ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, বাপ্পি লাহিড়ীর সঙ্গীত ছিল পরিবেষ্টিত, সুন্দরভাবে বিভিন্ন আবেগ প্রকাশ করে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাঁর গানে মুগ্ধ হবে। তাঁর প্রাণবন্ত স্বভাব সবাই মিস করবেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত, পরিবার ও ভক্তদের প্রতি সমবেদনা। ওম শান্তি।Shri Bappi Lahiri Jis music was all encompassing, beautifully expressing diverse emotions. People across generations could relate to his works. His lively nature will be missed by everyone. Saddened by his demise. Condolences to his family and admirers. Om Shanti. pic.twitter.com/fLjjrTZ8Jq Narendra Modi (@narendramodi) February 16, 2022কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। বুধবার সকালে বাপ্পি লাহিড়ীর মৃত্যুর দুঃসংবাদ শুনেই শোকে ভেঙে পড়েছেন রাষ্ট্রপতি। শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, শুধু দেশ নয় বিশ্বেও বাপ্পি লাহিড়ীর গান জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাঁর গান শ্রোতাদের আনন্দ দিয়ে যাবে।বুধবার সকালে শোকপ্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, বাপ্পি লাহিড়ী ছিলেন একজন অতুলনীয় গায়ক ও সুরকার। তাঁর গান শুধু ভারতে নয়, বিদেশেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাঁর স্মরণীয় গান শ্রোতাদের আনন্দ দিয়ে যাবে বহুদিন। তাঁর পরিবার ও অনুরাগীদের প্রতি সমবেদনা।Shri Bappi Lahiri was a matchless singer-composer. His songs found popularity not only in India but abroad. His diverse range included youthful as well as soulful melodies. His memorable songs will continue to delight listeners for long time. Condolences to his family and fans. President of India (@rashtrapatibhvn) February 16, 2022কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শোকবার্তায় অমিত শাহ জানিয়েছেন, বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হল ভারতীয় সঙ্গীত জগতে। হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মিউজিকের দশা আর দিশা দুটোই বদলে গিয়েছিলেন এই বাঙালি সঙ্গীত শিল্পী বাপ্পি। ডিস্কো সঙ্গীতের অবিসাংবাদিত রাজা তিনি। বাপ্পি লাহিড়ী প্রয়াত হয়েছেন মঙ্গলবার মধ্যরাতে।Pained to learn about the passing away of legendary singer and composer, Bappi Lahiri Ji. His demise leaves a big void in the world of Indian music. Bappi Da will be remembered for his versatile singing and lively nature. My condolences to his family and admirers. Om Shanti. Amit Shah (@AmitShah) February 16, 2022বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণের দুঃসংবাদ শোনার পরই শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার সকালে টুইট করে শোকবার্তায় অমিত শাহ জানিয়েছেন, কিংবদন্তী গায়ক এবং সুরকার বাপি লাহিড়ীর মৃত্যু সংবাদে আমি শোকাহত। তাঁর মৃত্যু ভারতীয় সঙ্গীত জগতে এক বিরাট শূন্যতার সৃষ্টি করেছে। বাপি দা তাঁর বহুমুখী গানের প্রতিভা এবং প্রাণবন্ত প্রকৃতির জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর পরিবার ও ভক্তদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। ওম শান্তি।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

সাধারণতন্ত্রদিবস উপলক্ষে বিএসএফ এর ভিডিও বিভ্রান্তি

সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বিএসএফ (BSF) এর ভিডিও বার্তা নিয়ে তোলপাড় বাংলা। বিএসএফ-র সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে অফিসিয়াল ভিডিওতে নর্থ বেঙ্গল (North Bengal) বলে একটি রাজ্যের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। সম্প্রতি সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বাংলা ভাষা রক্ষা-র দাবিতে জোরালো আন্দোলন চলছে। সেই আন্দোলনের মুখ্য সংগঠন বাংলাপক্ষ বিএসএফ-র ভিডিও নিয়ে জোরালো প্রশ্ন তোলে, তাহলে বিএসএফ কি বাংলা ভাগ করতে চায়? তাঁরা বলেন, সে ভিডিওতে নানা ভাষা ব্যবহৃত হলেও কেউ বাংলা ভাষায় কথা বলেনি। অথচ বাংলার বর্ডার বিএসএফের সবচেয়ে বড় এলাকা। সেই কারণে বাংলা পক্ষ-র তরফ থেকে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমিত শাহকে চিঠি দিয়েছে বলে কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান। এবং তাঁরা এবিষয়ে সামাজিক মাধ্যম টুইটার-এ প্রচার-ও চালাচ্ছেন হ্যাসট্যাগ- #AntiBengalBSFvideoতাদের সমবেত প্রতিবাদের ঝড়ে পিছু হঠতে বাধ্য হল বিএসএফ, চাপে পড়ে বিএসএফ কতৃপক্খ পুনরায় বাংলা সহ নতুন তিনটে ভাষায় সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানালো। এবং শুধুমাত্র বাংলা ভাষার জন্য আলাদা আরও একটা ভিডিও বের করেছে। এটা তাঁদের নৈতিক জয় বলে মনে করছে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষের তরফে কৌশিক মাইতি আরও জানান সেই ভিডিও-তে রাজ্যের নাম নর্থ বেঙ্গল (North Bengal) মুছে দিয়ে, রাজ্যের নাম পশ্চিমবঙ্গ-ই (West Bengal) লিখেছে বিএসএফ। তিনি বলেন বিএসএফ চরম প্রতিবাদের সন্মুখে পিছু হঠে ভুল স্বীকার করে নিয়েছে, কারণ বাঙালি জেগে গিয়েছে। বাংলা পক্ষ দাবী তোলে, বিএসএফ কেন বারবার বাংলা ও বাঙালি ইস্যুতে বিতর্কে জড়াচ্ছে? এই ভিডিও বানানোর দায়িত্বে কে ছিল? তাঁকে চিহ্নিত করে তদন্ত শুরু করা হোক। শুধু মাত্র বহুল শুধরে নিলেই শেষ হ্যনা। এর পিছনে কোনও চক্রান্ত আছে কিনা তা খূজে বার করা হোক। বাংলা ভাগের গুরুতর বিষয়কে ইন্ধন দেওয়া বাঙালি কখনই ভালো ভাবে নেবে না। ভবিষ্যতে এমন হলে সমস্ত বাঙালি রাস্তায় নেমে লড়াই করবে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
কলকাতা

বাড়িতে বসেই এবার পাওয়া যাবে জন্ম-মৃত্যুর সংশাপত্র

কলকাতা পুরসভা থেকে জন্ম আর মৃত্যুর শংসাপত্র পাওয়ার পদ্ধতি আরও সহজ হচ্ছে। এখন থেকে বাড়িতে বসেই যেমন আবেদন করা যাবে জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্রের, তেমনই বাড়িতেই পৌঁছে যাবে ওই শংসাপত্র। খুব শিগগিরই এমন ব্যবস্থা চালু হচ্ছে কলকাতা পুরসভায়। শনিবার এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন কলকাতা পুরসভার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম। শুধু তাই নয়, পুরসভার সমস্ত কাজকে সম্পূর্ণ পেপারলেস করারও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্রের জন্য সাধারণ মানুষকে যাতে হয়রানি পোহাতে না হয়, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে না হয়, তার জন্য গত বছর থেকেই হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর চালু করেছিল কলকাতা পুর কর্তৃপক্ষ। বাড়িতে বসেই অনলাইনে ওই শংসাপত্রের জন্য আবেদন জানানো যায়। সেই সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে জানা যায় কোন নির্দিষ্ট দিনে কোন সময়ে শংসাপত্র নিতে আসতে হবে। এতে অনেকটাই কমেছে হয়রানি। তবে শংসাপত্র নেওয়ার জন্য আসা সাধারণ মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হয়। সেই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতেই এবার অন্য পথে হাঁটা হচ্ছে।এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম জানান, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে কলকাতা পুরসভার সমস্ত কাজই অনলাইনে হবে। কাগজের ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হবে। পুরসভার কাজকর্ম পেপারলেস করার জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ৪২ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছে। কীভাবে পুরসভাকে সম্পূর্ণ কাগজমুক্ত করা যায়, তার জন্য তথ্য ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও কথা বলবেন।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

হাওড়া স্টেশনে রাত কাটানো থেকে নিজের বাড়ি, স্বপ্নপূরণ কাটোয়ার অভিনেত্রী মেয়ের

স্বপ্ন দেখতে আমরা সকলেই ভালোবাসি। স্বপ্নই আমাদের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। জীবনে ভালো কিছু করার রসদ জোগায়। সাধারণ মানুষদের মতো অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও জীবনে অনেক স্বপ্ন দেখেন। সেরকমই অভিনেত্রী মৌলী দত্ত কাটোয়া থেকে রঙিন স্বপ্ন নিয়ে কলকাতায় অভিনয় করতে আসেন। তার জন্য দিনের পর দিন হাওড়া স্টেশনের ওয়েটিং রুমে রাত কাটিয়েছেন হাসিমুখে শুধুমাত্র তাঁর স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।এরপর বেশ কয়েকবছর স্ট্রাগেল করার পর বর্তমানে অপরাজিতা অপু ধারাবাহিকে বর্ষার চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন। এত ভালো অভিনয় করার পরেও তার একটা আক্ষেপ ছিল। কলকাতায় নিজের একটা বাড়ি হবে। অবশেষে তাঁর সেই স্বপ্নপূরণ হল। একসময় বালিশ দিয়ে ঘর বানাতে বানাতে নিজের বাড়ি হবে সেইসব চিন্তা মনে রামধনুর মতো স্বপ্নে রঙিনভাবে ছুঁয়ে যেত। কিন্তু এখন থেকে মৌলী নিজের বাড়িতেই আনন্দে ঘুমাতে পারবে। বালিশ দিয়ে ঘর বানানোর কথা ভাবতে হবে না।মৌলীর স্বপ্নপূরণমৌলী তার এই আনন্দ সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, স্বপ্নপূরণ ২০২২, গৃহপ্রবেশ ১৭/১/২২। বালিশ দিয়ে যখন থেকে ঘর বানাতাম তখন থেকেই ভাবতাম যে আমার একটা নিজের বাড়ি হবে আজ সেই স্বপ্নপূরণের দিন.. কর্মসূত্রে যখন কোলকাতায় আসি তখন কোলকাতা শহরে থাকার জায়গা ছিল না বলে বহুদিন হাওড়া স্টেশনের ওয়েটিং রুমে থেকেছি আজ আমার সেই কষ্টটা স্বার্থক . বাবা মা পাশে না থাকলে এই সবকিছু সম্ভবই হতনা .. আর যারা আমার পাশে ছিল তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ যাদের পাশে পাইনি তাদেরও ধন্যবাদ কারণ তারা না থাকলে এইদিন দেখা হতোনা.সবার আর্শীবাদ কাম্যসত্যি তো স্বপ্ন তো এটাই হয়।একসময় যে হাওড়া স্টেশনের ওয়েটিং রুমে হাসিমুখে রাত কাটিয়েছে তার নিজের বাড়ি হয়েছে। আর সেই বাড়িতেই আরও বড় স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে মৌলী। জনতার কথা টিমের পক্ষ থেকে মৌলীর জন্য রইল অনেক আশীর্বাদ।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

সাংবাদিক খুন মামলায় মুক্তি গুরমিত রাম রহিমের! তবু জেলেই থাকতে হবে কেন?

সাংবাদিক হত্যা মামলায় বড় স্বস্তি পেলেন ডেরা সচ্চা সৌদার প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিং। ২০০২ সালের এক সাংবাদিক খুনের ঘটনায় সাত বছর আগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে সিবিআই আদালত এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে এবার সেই মামলায় তাঁকে অব্যাহতি দিল উচ্চ আদালত। যদিও এই রায়ের পরও জেল থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না তিনি। কারণ দুটি ধর্ষণ মামলায় ইতিমধ্যেই কুড়ি বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন এই স্বঘোষিত ধর্মগুরু।রাম রহিমের আইনজীবী জিতেন্দর খুরানা জানান, উচ্চ আদালত সাংবাদিক রামচন্দর ছত্রপতি হত্যা মামলায় তাঁর মক্কেলকে অব্যাহতি দিয়েছে। ২০১৯ সালে সিবিআই আদালত এই মামলায় রাম রহিম, নির্মল সিং এবং কৃষ্ণান লালকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছিল।রামচন্দর ছত্রপতি পুরা সাচ নামে একটি সংবাদপত্র চালাতেন। ২০০২ সালের অক্টোবরে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এর কিছুদিন আগে তাঁর পত্রিকায় একটি বেনামী চিঠি প্রকাশিত হয়েছিল। সেই চিঠিতে ডেরা সচ্চা সৌদার সদর দপ্তরে নারী অনুসারীদের উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তোলা হয়েছিল।তবে এই মামলায় অব্যাহতি পেলেও জেল থেকে এখনই বেরোতে পারছেন না রাম রহিম। ২০১৭ সালে দুই নারী অনুসারীকে ধর্ষণের মামলায় তাঁকে কুড়ি বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। সেই সাজা ভোগ করার কারণেই বর্তমানে রোহতকের সুনারিয়া জেলে রয়েছেন ৫৭ বছরের এই ধর্মগুরু।যদিও সরকারি নথিতে তিনি জেলবন্দি থাকলেও বিভিন্ন সময়ে প্যারোলে মুক্তি পাওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। গত জানুয়ারিতেই তিনি চল্লিশ দিনের জন্য প্যারোলে মুক্তি পান। হরিয়ানার বিজেপি সরকার তাঁর এই ছুটি মঞ্জুর করেছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে তাঁকে বিশ দিনের প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। এরপর এপ্রিল মাসে আবার একুশ দিনের জন্য প্যারোল দেওয়া হয়। একই বছরের আগস্ট মাসে আবার চল্লিশ দিনের জন্য মুক্তি পান তিনি।এখানেই শেষ নয়। হরিয়ানা এবং পাঞ্জাবের মতো রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও একাধিকবার তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। হিসাব বলছে, ২০২০ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে মোট তিনশো ছাব্বিশ দিন প্যারোলে জেলের বাইরে ছিলেন রাম রহিম।

মার্চ ০৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় এসে বিস্ফোরক মন্তব্য রাষ্ট্রপতির! ‘মমতা হয়তো আমার উপর রাগ করেছেন’

ভোটের আগে বাংলায় রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সভাস্থল নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর অভিযোগ, অনুষ্ঠানের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার অনুমতি দেয়নি। সেই কারণেই শেষ পর্যন্ত অন্য জায়গায় সভা করতে হয়েছে।শনিবার শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। তবে তিনি মঞ্চে ওঠার পর দেখা যায় দর্শকাসনে অনেক চেয়ারই ফাঁকা পড়ে রয়েছে। বিষয়টি নজরে আসতেই তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত চেয়ার ফাঁকা কেন। তাঁর সন্দেহ, কেউ হয়তো বাধা দিয়েছে।উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রথমে ঠিক হয়েছিল এই সম্মেলন হবে বিধাননগরে। কিন্তু পরে একাধিকবার সভাস্থল বদল করতে হয়। শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে গোঁসাইপুরে সভা করার অনুমতি দেয় প্রশাসন। তবে আয়োজকদের অভিযোগ, অনেক আমন্ত্রিত অতিথি নিরাপত্তা পাশ না পাওয়ায় অনুষ্ঠানে ঢুকতে পারেননি। পুলিশ তাদের আটকে দেয় বলে অভিযোগ।সভা শেষে রাষ্ট্রপতি সেখানেই থেমে থাকেননি। তিনি শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগরে যান, যেখানে প্রথমে সভা হওয়ার কথা ছিল। সেখানে গিয়ে গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন এবং বলেন, তিনি আসলে এখানেই সভা করতে চেয়েছিলেন। জায়গাও যথেষ্ট ছিল। তবে কেন রাজ্য সরকার অনুমতি দিল না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি তাঁর ছোট বোনের মতো। তবে হয়তো কোনও কারণে তিনি তাঁর উপর রাগ করেছেন, সেই কারণেই সভা করতে দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের কোনও মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না। এ নিয়েও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সাধারণত রাষ্ট্রপতি কোনও রাজ্যে গেলে মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কেউ তাঁকে স্বাগত জানান। সেটাই নিয়ম এবং প্রোটোকল।শেষ পর্যন্ত বিধাননগরে পূর্ব নির্ধারিত জায়গায় একটি শালগাছ লাগিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন রাষ্ট্রপতি।অন্যদিকে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব জানান, রাজ্যের পক্ষ থেকে তিনিই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। জেলা শাসক এবং পুলিশ কমিশনারও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, এর আগেও রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রণব মুখোপাধ্যায় যখন এসেছিলেন, তখনও তিনি তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। সভাস্থল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, তা মূলত নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণেই হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মার্চ ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কাইফকে নিয়ে তীব্র কটাক্ষ আমিরের, টেনে আনলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে নতুন করে বিতর্ক ছড়ালেন পাকিস্তানের প্রাক্তন পেসার মহম্মদ আমির। এর আগে দুবার তিনি ভারতের বিশ্বকাপ যাত্রা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। কিন্তু দুবারই তাঁর কথা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। এবার দলকে নয়, সরাসরি ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফকে আক্রমণ করলেন তিনি। কাইফকে কটাক্ষ করতে গিয়ে টেনে আনলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামও।রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলবে ভারতীয় দল। তার আগেই আমিরের মন্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, ভারত সেমিফাইনালে উঠতে পারবে না। পরে আবার বলেন, ভারত ফাইনালেও যেতে পারবে না। কিন্তু সেই দুই ভবিষ্যদ্বাণীই ভুল প্রমাণিত হয়। এরপর অনেকের কাছেই সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাঁকে।এই প্রসঙ্গে কাইফ বলেছিলেন, আমিরকে এত গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, পাকিস্তানের ক্রিকেটও এখন অনেক পিছিয়ে রয়েছে। কাইফের এই মন্তব্যে বেজায় চটে যান আমির এবং সরাসরি তাঁকে আক্রমণ করেন।আমির বলেন, তিনি কাইফের ক্রিকেট কেরিয়ার সম্পর্কে খুব বেশি জানতেন না। পরে খোঁজ নিয়ে দেখেছেন, কাইফ নাকি আইপিএলে মাত্র উনত্রিশটি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাঁর স্ট্রাইক রেটও খুব বেশি নয়। তাঁর দাবি, তিনি নিজে তিনশোরও বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং পারফরম্যান্সের জোরেই ক্রিকেট খেলেছেন। কাইফকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, শুধু ফিল্ডিংয়ের জন্যই তিনি ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন। পাশাপাশি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে বলেন, কাইফের উচিত তাঁকে ধন্যবাদ জানানো।তবে কাইফ যে ভারতীয় দলের অন্যতম সেরা ফিল্ডার ছিলেন, তা ক্রিকেট মহলে সকলেই মানেন। অনেক ভারতীয় ক্রিকেটারই স্বীকার করেছেন যে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তাঁরা জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন।এই বিতর্কে মুখ খুলেছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার নভজ্যোৎ সিং সিধুও। তিনি আমিরকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, এই ধরনের মানুষদের কথা বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, শুধু ভবিষ্যদ্বাণী করে ম্যাচ জেতা যায় না। মাঠে নেমে লড়াই করেই ম্যাচ জিততে হয়। সিধুর কথায়, যারা বেশি কথা বলে তারা অনেক সময়ই বাস্তবে কিছু দেখাতে পারে না।

মার্চ ০৭, ২০২৬
বিদেশ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মাঝেই বড় সিদ্ধান্ত ইরানের, প্রতিবেশীদের কাছে ক্ষমা চাইল তেহরান

মধ্যপ্রাচ্যে টানা উত্তেজনার মাঝেই আচমকা সুর নরম করল ইরান। শনিবার দেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়ে দিলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির উপর আর নতুন করে হামলা চালানো হবে না। তাঁর এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এক ভাষণে পেজেশকিয়ান বলেন, দেশের অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে প্রতিবেশী দেশগুলির উপর আর নতুন হামলা চালানো হবে না। তিনি স্পষ্ট করে জানান, যদি ইরানের উপর সরাসরি আক্রমণ না হয়, তাহলে তেহরানও আর কোনও হামলা করবে না।এর পাশাপাশি সাম্প্রতিক হামলার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলির কাছে ক্ষমাও চান তিনি। তাঁর বক্তব্য, অন্য কোনও দেশকে আক্রমণ করার ইরানের কোনও ইচ্ছা নেই। তবে একই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান কখনও আত্মসমর্পণ করবে না।উল্লেখ্য, গত আটাশে ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই পালটা আক্রমণ শুরু করে ইরান। প্রথমে মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছিল। পরে সেই হামলার মাত্রা আরও বাড়তে থাকে।এরপর ইরাকের পাশাপাশি কুয়েত, সৌদি আরব, আরব আমিরশাহী, বাহরিন, ওমান এবং জর্ডনের মতো প্রতিবেশী দেশগুলিতেও হামলার অভিযোগ ওঠে। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরবও পালটা হামলার হুঁশিয়ারি দেয়।বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, টানা হামলার কারণে ইরানের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলির সম্পর্ক দ্রুত খারাপ হতে শুরু করেছিল। অনেক বন্ধু রাষ্ট্রই ক্রমে বিরোধী অবস্থানে চলে যাচ্ছিল। তাই পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আগে কূটনৈতিকভাবে চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
কলকাতা

আবার কি বঙ্গভঙ্গের চেষ্টা? বিজেপিকে নিশানা করে বড় অভিযোগ মমতার

কলকাতায় ধরনা মঞ্চ থেকে আবারও বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, বাংলাকে ভাগ করার পরিকল্পনা করছে বিজেপি। তবে তৃণমূল কংগ্রেস যতদিন রয়েছে, ততদিন বাংলার এক ইঞ্চি জমিও কেউ ভাগ করতে পারবে না বলেই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।মমতা বলেন, তিনি সম্প্রতি একটি বার্তা দেখেছেন যেখানে বলা হয়েছে বাংলা এবং বিহারকে ভাগ করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গ তুলে তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাকে ভাগ করার চক্রান্ত চলছে।ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি কাল একটি বার্তা দেখলাম। সেখানে বলা হচ্ছে বাংলা এবং বিহারকে ভাগ করে নাকি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হবে। ওদের আসল উদ্দেশ্য বাংলাকে ভাগ করা। আবারও বঙ্গভঙ্গ করার চেষ্টা চলছে।এর পাশাপাশি বিহারের প্রসঙ্গও টানেন তিনি। মমতার দাবি, আগে বিহারকে ভাগ করে ঝাড়খণ্ড আলাদা করা হয়েছিল। এখন আবার বিহারকেও নতুন করে ভাগ করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে বাংলার মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধে বাংলাকে ভাগ করার অভিযোগ তুলে তিনি কার্যত রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র করে দিলেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালের আগে বড় প্রশ্ন! দলে থাকবেন তো অভিষেক? পাশে দাঁড়ালেন কপিল দেব ও রবি শাস্ত্রী

চলতি কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপে অভিষেক শর্মার পারফরম্যান্স নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে তিনি ছিলেন অন্যতম ভরসার নাম। তাঁর ছক্কার ঝড় দেখার অপেক্ষায় ছিলেন অনেকেই। কিন্তু বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সেই আগ্রাসী ব্যাটিং খুব একটা দেখা যায়নি। তাই ফাইনালের আগে প্রশ্ন উঠছে, প্রথম একাদশে কি থাকবেন অভিষেক?তবে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটারদের অনেকেই তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব মনে করছেন, দলের উচিত অভিষেকের উপর ভরসা রাখা। তাঁর কথায়, দলের পরিচালকদের খেলোয়াড়ের উপর আস্থা রাখা দরকার। একই সঙ্গে অভিষেকেরও নিজের উপর বিশ্বাস রাখা উচিত। তিনি বলেন, এখনও একটি ম্যাচ বাকি রয়েছে, সেটাই ফাইনাল। তাই শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে।এই বিশ্বকাপে অভিষেক এখনও নিজের সেরা ছন্দ খুঁজে পাননি। ফর্ম, ফিটনেস এবং আত্মবিশ্বাস সব দিক থেকেই তিনি কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন অনেকেই। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে একটি অর্ধশতরান করলেও সেই ইনিংস খুব বেশি আত্মবিশ্বাসী ছিল না বলে মত অনেকের। সেমিফাইনালেও তিনি মাত্র নয় রান করে আউট হন।ভারতের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রীও মনে করছেন, দলে কোনও পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, অভিষেককে নিজের প্রতিভার উপর ভরসা রাখতে হবে। তিনি বলেন, নিজের দুর্বলতা নিয়ে বেশি চিন্তা না করে শক্তির জায়গাগুলোর উপর আস্থা রাখা দরকার। মাঠে নেমে স্বাভাবিক খেলাটা খেললেই হয়তো এই ম্যাচেই তাঁর সেরা ইনিংস দেখা যেতে পারে। তবে শট নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শাস্ত্রী।ভারতীয় দলের পরিচালকরাও এখনও অভিষেকের উপর আস্থা রাখছেন বলে জানা গিয়েছে। রান না পেলেও তাঁকে সমর্থন করছেন কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ফাইনালের দলেও অভিষেক থাকতে পারেন বলেই ইঙ্গিত মিলছে। তাঁর পাশে থাকবেন ভাল ফর্মে থাকা সঞ্জু স্যামসন। দলের তরফে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের দিকেই নজর রাখা হচ্ছে এবং অভিষেকের উপর দলের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
দেশ

বড় মোড় লোকসভায়! স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থায় কি বিরোধীদের পাশে তৃণমূল?

লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার জন্য আগেই নোটিস দিয়েছিল বিরোধী শিবির। এবার বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হতেই সেই বিষয়টিকে সামনে রেখেই কৌশল সাজাতে শুরু করেছে বিরোধী জোট। রাজনৈতিক মহলের সূত্রের খবর, এই পর্বে এত দিন একলা চলার নীতি নেওয়া তৃণমূল কংগ্রেসও বিরোধী শিবিরের পাশে দাঁড়াতে পারে।সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায়। এই অধিবেশনেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে সরব হতে চলেছে বিরোধীরা। যদিও কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু আগেই জানিয়েছিলেন, অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হওয়ার পর অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটি হতে পারে।সূত্রের খবর, সেই ভোটাভুটিতে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদেরা অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষেই ভোট দিতে পারেন। যদিও অধিবেশনের প্রথম পর্যায়ে এই অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিস দেওয়া হয়েছিল বিরোধীদের পক্ষ থেকে। স্পিকার ওম বিড়লা শাসক দলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন এই অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানিয়েছিল বিরোধী জোট। সেই নোটিসে মোট একশো কুড়ি জন বিরোধী সাংসদের স্বাক্ষর ছিল। পরে সেই নোটিস খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন স্পিকার নিজেই।তবে সেই সময় এই প্রস্তাব থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিসে স্বাক্ষর করেননি তৃণমূলের সাংসদেরা। সে সময় দলের অন্যতম শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, তাদের স্বাক্ষর করতে কোনও আপত্তি ছিল না। কিন্তু তার আগে কংগ্রেসকে একটি চিঠি পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূল। সেই চিঠির ভিত্তিতে স্পিকার যদি কোনও পদক্ষেপ না নেন, তার পরেই অনাস্থা প্রস্তাব আনার কথা বলেছিল তারা।কিন্তু এবার পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা। যদিও প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেনি তৃণমূল, তবু অনাস্থা ভোটাভুটির সময় বিরোধী জোটের পক্ষেই দাঁড়াতে পারে রাজ্যের শাসকদল। ফলে লোকসভায় এই বিষয়টি ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ার জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
কলকাতা

বেকারদের জন্য বড় চমক! ঘোষণার আগেই ঢুকছে ভাতা, আজ থেকেই টাকা পাচ্ছেন যুবক-যুবতীরা

বাজেট ঘোষণার সময়েই জানানো হয়েছিল, রাজ্যের মাধ্যমিক পাশ করা অথচ এখনও চাকরি না পাওয়া যুবক-যুবতীদের জন্য নতুন ভাতা চালু করবে রাজ্য সরকার। যুবসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হবে এই ভাতা।প্রথমে জানা গিয়েছিল, চলতি বছরের অগস্ট মাস থেকে এই টাকা পাওয়া যাবে। পরে সেই সময়সীমা অনেকটাই এগিয়ে এনে ঘোষণা করা হয়, ১ এপ্রিল থেকেই ভাতা দেওয়া শুরু হবে। তবে শনিবার আরও বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের আগেই শুরু হচ্ছে এই ভাতা। অর্থাৎ ১ এপ্রিল নয়, শনিবার ৭ মার্চ থেকেই যুবসাথীর টাকা পাওয়া শুরু করবেন বেকার যুবক-যুবতীরা।কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনা মঞ্চ থেকে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ১ এপ্রিল থেকে যেটা ঢোকার কথা ছিল সেটা আজ থেকেই ঢুকবে। যুবসাথীর টাকা আজ থেকেই পাবেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ফেব্রুয়ারি থেকেই দেওয়া শুরু হয়েছে। আমরা যা বলি, তা করি।যুবসাথী প্রকল্পে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই গোটা রাজ্যে বিপুল সাড়া পাওয়া গেছে। অফলাইন এবং অনলাইন দুই ভাবেই লাখ লাখ আবেদন জমা পড়েছে।অন্যদিকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পেও সম্প্রতি ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। রাজ্যের মহিলারা এখন আগের থেকে আরও পাঁচশো টাকা বেশি পাচ্ছেন। তবে এই বিষয়টি নিয়েও রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাপানউতোর চলছে। বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছে, ভোটের আগে ভাতা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। আবার বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হবে।এই পরিস্থিতিতে বেকার ভাতা আগেভাগে চালু হওয়ায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal