• ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Hockey

খেলার দুনিয়া

মেয়েদের পর ছেলেরাও সোনা! মালয়েশিয়াকে ৫-১ উড়িয়ে ইতিহাস, অলিম্পিকের টিকিটও পাকা ভারতের

৪৪ বছর পর মেয়েদের হকিতে সোনা এসেছিল। এ বার পুরুষদের দলও সেই পথেই ইতিহাস গড়ল। মালয়েশিয়াকে ৫-১ গোলে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে পুরুষ হকির সোনা ধরে রাখল ভারত। শুধু সোনাই নয়, এই জয়ের সঙ্গে ২০২৮ সালের অলিম্পিকের সরাসরি যোগ্যতাও অর্জন করল হরমনপ্রীত সিংয়ের দল। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এই প্রথম একই আসরে ভারতের পুরুষ ও মহিলা হকি দল দুটিই সোনা জিতল। পুরুষ হকিতে পরপর দুবার সোনা জেতার নজিরও এই প্রথম ভারতের।শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ভারত। ১১ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। তবে বেশিক্ষণ সেই ব্যবধান থাকেনি। পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করে সমতা ফেরায় মালয়েশিয়া। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আবার ভারতকে এগিয়ে দেন যুগরাজ সিং। ২৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকেই আসে সেই গোল।বিরতির পর একের পর এক সুযোগ তৈরি করছিল ভারত। ৪২ মিনিটে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে ব্যবধান বাড়ান হার্দিক সিং। এর পর ৫৪ মিনিটে শিলানন্দ লাকরা গোল করে ভারতের জয় প্রায় নিশ্চিত করে দেন। ম্যাচ শেষ হওয়ার তিন মিনিট আগে নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোর ৫-১ করেন হরমনপ্রীত। ১৪টি পেনাল্টি কর্নার পেলেও ভারত তার মধ্যে তিনটি কাজে লাগাতে পেরেছে। শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে জয় নিয়েই সোনা নিশ্চিত করে ভারত।হকির পাশাপাশি কুস্তিতেও সোনা এসেছে। পুরুষদের ৫৭ কেজি ফ্রিস্টাইল বিভাগে উত্তর কোরিয়ার প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন আমন সেহরাওয়াত। এক সময় এগিয়ে থেকেও পরে পিছিয়ে পড়েছিলেন তিনি। শেষ মুহূর্তে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করে ম্যাচ জিতে নেন ভারতীয় কুস্তিগির। এই বিভাগে এশিয়ান গেমসে ভারতের প্রথম সোনা এনে দিয়েছেন আমন। অন্য দিকে মহিলাদের ৫৩ কেজিতে রুপো পেয়েছেন অন্তিম পাঙ্ঘাল। পুরুষদের ৯৭ কেজিতে ব্রোঞ্জ জিতেছেন দীপক পুনিয়া।তিরন্দাজিতেও ইতিহাস তৈরি হয়েছে। মাত্র ১৭ বছর বয়সে মহিলাদের ব্যক্তিগত রিকার্ভ বিভাগে সোনা জিতেছেন কুমকুম মহোদ। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পাঁচ সেটের পর লড়াই ৫-৫ সমতায় শেষ হয়। শুট-অফে নিখুঁত ১০ পয়েন্ট তুলে সোনা নিশ্চিত করেন কুমকুম। এশিয়ান গেমসে মহিলাদের ব্যক্তিগত রিকার্ভে সোনা জেতা প্রথম ভারতীয় মহিলা তিরন্দাজ তিনি। পুরুষদের রিকার্ভে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন নীরজ চৌহান।গলফেও এল ঐতিহাসিক সাফল্য। মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগে ১৫ আন্ডার ২৬৫ স্কোর করে সোনা জিতেছেন প্রণবী উরস। এশিয়ান গেমসে এই বিভাগে ভারতের প্রথম সোনা এটি। দলগত বিভাগেও রুপো পেয়েছে ভারত।দিনের শেষে ক্রিকেটেও সোনার মুকুট পেল ভারত। পুরুষদের ফাইনালে পাকিস্তানকে ১৯ রানে হারিয়ে সোনা জিতেছে শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বাধীন দল। প্রথমে ব্যাট করে ভারত ৬ উইকেটে ২১১ রান তোলে। অভিষেক শর্মা ২৮ বলে ৬১ রান করেন। তিলক বর্মা ২২ বলে অপরাজিত ৫১ রান করেন। জবাবে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ১৯২ রানেই থেমে যায়। হাসান নওয়াজ ৫১ বলে ৯৬ রান করে শেষ পর্যন্ত লড়াই করলেও পাকিস্তানকে জেতাতে পারেননি।এর ফলে এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটের দুই সোনাই এ বার ভারতের দখলে। মহিলা দলও আগে সোনা জিতেছিল। হকি এবং ক্রিকেটের পাশাপাশি কুস্তি, তিরন্দাজি ও গলফে সাফল্য মিলিয়ে শেষ দিনে ভারতের সোনার সংখ্যা এক ধাক্কায় বেড়েছে। সব মিলিয়ে ২১টি সোনা, ২৭টি রুপো এবং ৩৭টি ব্রোঞ্জ-সহ মোট ৮৫টি পদক নিয়ে এশিয়ান গেমস শেষ করেছে ভারত। পদক তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারত।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হকি বিশ্বকাপে ফের পাকিস্তান-বধ, ৫-৩ গোলে উড়িয়ে দিল হরমনপ্রীতের ভারত

হকি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর মঞ্চে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিল ভারত। ১৯ অগস্ট নেদারল্যান্ডসের আমস্টেলভিনের ওয়াগনার হকি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। হরমনপ্রীত সিংয়ের নেতৃত্বে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হকি খেলেছে ভারতীয় দল। শেষ পর্যন্ত ৫-৩ গোলে পাকিস্তানকে হারিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয় নিশ্চিত করে টিম ইন্ডিয়া।ম্যাচের শুরু থেকেই পাকিস্তানের উপর চাপ বাড়াতে থাকে ভারত। ম্যাচের মাত্র ৬ মিনিটেই পেনাল্টি কর্নার থেকে দুর্দান্ত ড্র্যাগ-ফ্লিকে গোল করেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার পর আক্রমণের ঝাঁঝ আরও বাড়িয়ে দেয় ভারত। ১১ মিনিটের মাথায় ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মনদীপ সিং। তাঁর গোলে প্রথম কোয়ার্টার শেষ হওয়ার আগেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। দ্বিতীয় কোয়ার্টারেও একই গতিতে আক্রমণ চালিয়ে যায় হরমনপ্রীতের দল।দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ফের গোল করেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। নিজের দ্বিতীয় গোল করে ভারতকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। তিন গোলের ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে চাপ আরও বেড়ে যায় পাকিস্তানের উপর। তবে হাল ছাড়েনি পাকিস্তান। ম্যাচে ফিরে আসার চেষ্টা শুরু করে তারা। হন্নান শাহিদ পাকিস্তানের হয়ে প্রথম গোল করে ব্যবধান কমিয়ে ৩-১ করেন। এরপর কিছুটা উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে ম্যাচ। পাকিস্তান ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ভারত আক্রমণের ধার একেবারেই কমায়নি।২৪ মিনিটে ফের ভারতীয় শিবিরে উচ্ছ্বাস। দুর্দান্ত ব্যক্তিগত দক্ষতায় গোল করেন অভিষেক। একসঙ্গে ৪-৫ জন পাকিস্তানি খেলোয়াড়কে কাটিয়ে তাঁর অসাধারণ ফিনিশ ভারতকে ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়। যদিও এরপরই পাকিস্তানের হয়ে সুফিয়ান গোল করে ব্যবধান কমিয়ে ৪-২ করেন।দ্বিতীয় কোয়ার্টার শেষে ৪-২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ভারত। প্রথমার্ধে হরমনপ্রীতের জোড়া গোল, মনদীপের একটি গোল এবং অভিষেকের দুর্দান্ত ফিনিশে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে ভারত। পাকিস্তানের হয়ে হন্নান শাহিদ ও সুফিয়ানের গোল অবশ্য তাদের ম্যাচে ফেরার আশা জিইয়ে রাখে। দ্বিতীয়ার্ধেও নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখে ভারত। আক্রমণাত্মক হকির পাশাপাশি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও নিজেদের হাতে রেখে শেষ পর্যন্ত ৫-৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে হরমনপ্রীতের দল।চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এই জয় হকি বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাপট দেখিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপ অভিযানে নিজেদের শক্তির পরিচয় দিল টিম ইন্ডিয়া।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‌রক্ষণের ভুলে এশিয়া কাপের ফাইনালের স্বপ্ন শেষ ভারতের

রক্ষণের ভুলের মাশুল দিতে হল ভারতীয় হকি দলকে। সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে ৪৪ গোলে ড্র করে এশিয়া কাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন শেষ গতবারের চ্যাম্পিয়নদের। পয়েন্ট সমান হলেও গোলের ব্যবধানে দক্ষিণ কোরিয়ার থেকে পিছিয়ে থাকায় ফাইনালে জায়গা করে নিতে পারল না ভারত। এখন ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে জাপানের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। আয়োজক দেশ মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ফাইনাল খেলবে ভারত।সুপার ফোরে গোল পার্থক্যে এগিয়ে ছিল দক্ষিণ কোরিয়া ও মালয়েশিয়া। তাই ফাইনালে যেতে গেলে ভারতের সামনে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না। জেতার লক্ষ্যে ম্যাচের শুরু থেকেই ঝড় তুলেছিল ভারতীয় দল। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে দক্ষিণ কোরিয়ার বক্সে। প্রথম কোয়ার্টারে মাত্র ৮ মিনিটেই পেনাল্টি কর্ণার থেকে গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন নীলম সঞ্জীব। শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে খেলায় ফিরে আসে দক্ষিম কোরিয়া। ১৩ মিনিটে দক্ষিণ কোরিয়াকে সমতায় ফেরান জাং জং হিউন। ১৮ মিনিটে গোল করে দক্ষিণ কোরিয়াতে এগিয়ে দেন জি উ চিয়ন। ২১ মিনিটে মনিন্দর সিংয়ের গোলে সমতা ফেরায় ভারত। এক মিনিট পরেই শেশে গৌড়া ভারতকে ৩২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। ২৭ মিনিটে কিম জুং হো কোরিয়ার হয়ে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ভারত প্রাধান্য বজায় রেখেছিল। ৩৭ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় ভারত। মারেস্মরণ শক্তিভেল গোল করে ভারতকে ৪৩ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। কিন্তু ৪৪ মিনিটে জুং মাঞ্জাইয়ের গোলে সমতা ফিরিয়ে আনে দক্ষিণ কোরিয়া। শেষ কোয়ার্টারে কোনও দলই কোনও গোল করতে পারেনি।গ্রুপ লিগে বড় জয় পেয়েছিল ভারতীয় হকি দল। মরণবাঁচন ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে ১৬০ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল ভারত। যার দরুণ পাকিস্তানকে টেক্কা দিয়ে সুপার ফোরে জায়গা করে নিয়েছিলেন মনিন্দর, নীলমরা। এ বার সেই গোলপার্থক্যের কারণেই সুপার ফোর থেকে ফাইনালে ওঠা হল না গতবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতের। ভারত খেতাব জয়ের অন্যতম ফেভারিট হিসেবে ইন্দোনেশিয়ায় এই বারের এশিয়া কাপে অংশ নিতে এসেছিল কিন্তু ডিফেন্সের দুর্বলতার কারণে শেষ পর্যন্ত ফাইনালে আর পৌঁছনো হল না।

জুন ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইন্দোনেশিয়াকে ১৬ গোল!‌ এশিয়া কাপে এ কী করল ভারত?‌

কঠিন সময়ে জ্বলে ওঠার নজির আগেও রয়েছে ভারতীয় দলের। সেই কাজটা আবার করে দেখাল এশিয়া কাপে। অসম্ভবকে সম্ভব করে সুপার ফোরে পৌঁছে গেল ভারতীয় হকি দল।আগের ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ড্র করে নিজেদের ভবিষ্যত অনিশ্চিত করে তুলেছিলেন বীরেন্দ্র লাকড়ারা। সেমিফাইনালে যেতে গেলে এবারের এশিয়া কাপের আয়োজক ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে ১৫০ গোলের ব্যবধানে জিততে হত ভারতীয় দলকে। ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠলেন বীরেন্দ্ররা। ১৬০ ব্যবধানে জিতে পুল এ থেকে সুপার ফোরে পৌঁছে গেল ভারত। ভারতের হয়ে পাঁচটি গোল করেন দীপসন তিরকে, হ্যাটট্রিক করেন বেলিমগ্গা। দুটি করে গোল করেন সেলভম কারথি, সোমওয়ারপত, সুনীল এবং রাজভর।এশিয়া কাপের নকআউট পর্বে যাওয়ার জন্য গতবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে ইন্দোনেশিয়াকে বিশাল ব্যবধানে হারাতে হত। শুরু থেকেই ইন্দোনেশিয়ার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন বীরেন্দ্র লাখড়ারা। ভারতীয় দলের একের পর এক আক্রমণের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ইন্দোনেশিয়ার রক্ষণ। ম্যাচের ১০ মিনিটে রাজভর প্রথম গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন। ১ মিনিট পরেই পেনাল্টি কর্ণার থেকে ২০ করেন তিনিই। প্রথম কোয়ার্টার শেষ হওয়ার আগেই ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। ১৯ মিনিটে ৪০ করেন সুনীল। প্রথমার্ধেও ৬০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। দ্বিতীয়ার্ধে আরও ৯ গোল চাপিয়ে দেয় ইন্দোনেশিয়ার ওপর।𝗗𝗶𝗽𝘀𝗮𝗻 𝘀𝘁𝗮𝗿𝘀 𝗶𝗻 𝗜𝗻𝗱𝗶𝗮𝘀 𝘄𝗶𝗻!India beat hosts #Indonesia by a massive 16-0 margin to qualify for the semi-finals of the #HeroAsiaCup2022.Dipsan Tirkey netted 4️⃣ goals while Olympian Birendra Lakra Odia boy Nilam Sanjeep Xess scored a goal each. pic.twitter.com/IIQdkaE8xn Odisha Sports (@sports_odisha) May 26, 2022গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানের সঙ্গে ১১ ড্র করে ভারত। এর পর জাপানের বিরুদ্ধে ৫২ ব্যবধানে হেরে যায়। বৃহস্পতিবার জাপান ৩২ ব্যবধানে হারায় পাকিস্তানকে। ২-৩ গোলের ব্যবধানে হেরে যায়। এর পরে সুপার ফোরে ওঠার জন্য ভারতের কাছে একটাই পথ খোলা ছিল ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে ১৫ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে। ভারত ১৬টি গোল করে।এদিন শেষ ১৫ মিনিটে তিন গোল দরকার ছিল ভারতের। ভারত দেয় ৪ গোল। শেষ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার পায় ভারত এবং তা থেকে তিরকে গোল করে যান। এটি ছিল তাঁর ম্যাচের চতুর্থ গোল। আর এই গোলের সঙ্গে পুল এ-তে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে ভারত। ফলে গ্রুপে তৃতীয় স্থানে শেষ করে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যায় পাকিস্তান। ভারত ২০১৭ সালে এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

মে ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Ashim Ganguly : ফাইনাল দেখে যেতে পারলেন না এন্টালি হকি অ্যাকাডেমির প্রাণপুরুষ

এন্টালি হকি অ্যাকাডেমির মাঠে চলছিল আমন্ত্রণমূলক সারা বাংলা ছোটদের হকি প্রতিযোগিতা। যে প্রতিযোগিতার মূল উদ্যোক্তা ছিলেন তিনিই। কিন্তু ফাইনাল দেখে যেতে পারলেন না অসীম গাঙ্গুলি। ফাইনালের আগেই রবিবার ভোরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন হকি অন্তপ্রাণ এই ক্রীড়াবিদ। বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।এন্টালি হকি অ্যাকাডেমির মাঠে চলছে ছোটদের সারা বাংলা হকি প্রতিযোগিতা। শুক্রবারও মাঠে হাজির ছিলেন অসীম গাঙ্গুলি। খেলোয়াড়দের সঙ্গে পরিচিতি হন। মাঠে বসে খেলা দেখেন। দুপুরে হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন। মাঠে উপস্থিত অন্যরা তাঁকে বাড়ি পৌঁছে দেন। সন্ধের দিকে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে অকৃতদার অসীম গাঙ্গুলিকে মৌলালির একটি বেসরকারি নার্সিকহোমে ভর্তি করেন এন্টালি হকি অ্যাকাডেমির যুগ্মসচিব শুভ্র ভট্টাচার্যসহ অন্যরা। শনিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গ অকেজো হতে শুরু করে। রবিবার ভোরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।আরও পড়ুনঃ নির্বাচনী প্রচারে কোভিড বিধি ভঙ্গের অভিযোগে গ্রেফতার বিজেপি বিধায়কএকসময় এয়ারফোর্সে চাকরি করতেন অসীম গাঙ্গুলি। এয়ারফোর্সের হয়ে চুটিয়ে হকি খেলতেন। পরে সেই চাকরি ছেড়ে পাকাপাকি চলে আসেন নিজের কলকাতায়। যোগ দেন এ জি বেঙ্গলে। হল্যান্ডের বিরুদ্ধে অবশিষ্ট ভারতের হয়ে একটা ম্যাচও খেলেছিলেন। দীর্ঘদিন বাংলার হয়ে জাতীয় হকিতে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। কলকাতার ঘরোয়া হকিতে এন্টালির হয়ে নিয়মিত খেললেও ১৯৮১ সালে খেলেছেন মোহনবাগানের হয়ে। সেই বছর মোহনবাগান হকি লিগ চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যও ছিলেন অসীম গাঙ্গুলি। খেলতেন মাঝমাঠে।আরও পড়ুনঃ পিকনিকে এসে অজয়ের চেরাবালিতে তলিয়ে গেল এক, আশঙ্কাজনক দুজন হাসপাতালেখেলোয়াড়ের থেকেও অসীম গাঙ্গুলির বেশি পরিচয় ছোটদের কোচ হিসেবেই। তাঁর হাত ধরেই একসময় গড়ে ওঠে এন্টালি হকি অ্যাকাডেমি। যার খ্যাতি এখন ভারত জুড়ে। এই অ্যাকাডেমির ছোটদের সর্ব ভারতীয় প্রতিযোগিতা দারুণ জনপ্রিয়। একাদিকবার জাতীয় প্রতিযোগিতায় বাংলার বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলের কোচ হয়েছেন। বাংলার নির্বাচকেরও দায়িত্ব সামলেছেন। ২০২০ সালে পেয়েছেন রাজ্য সরকারের ক্রীড়াগুরু পুরস্কার।আরও পড়ুনঃ আজব কান্ড! ছক্কা ছাড়াই ১ বলে ৭ রান!অসীম গাঙ্গুলির উদ্যোগেই বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক নির্মল কুমার সাহা হকি মিরর নামে একটা বুলেটিন বার করতেনন। পরে যার নাম হয় হকি দর্পন। যার যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন অসীম গাঙ্গুলি ও নির্মল কুমার সাহা। দুজনে মিলে হকির ওপর একটা বইও লিখেছিলেন। ননাম হকি নলেজ ও কুইজ ১৯৯৯ সালে বইটি প্রকাশিত হয়। এদিন অসীম গাঙ্গুলির মরদেহ বাড়ি হয়ে এন্টালি হকি অ্যাকাডেমিতে নিয়ে আসা হয় সেখানে সকলে শ্রদ্ধা জানানো হয়। হাজির ছিলেন অনেক ক্রীড়াবিদ। এরপর বাংলার হকি সংস্থা হয়ে দুপুরে নিয়ে যাওয়া হয় নিমতলা মহাশ্মশানে। সেখানেই শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Asian Champions Trophy Hockey : পাকিস্তানকে আবার হারাল ভারত, তবে ব্রোঞ্জ জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হল মনপ্রীতদের

টোকিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতে ভারতীয় হকিকে নতুন দিশা দেখিয়েছিলেন মনপ্রীত সিংরা। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতীয় দলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন হকিপ্রেমীরা। অন্যতম ফেবারিট হিসেবেও প্রতিযোগিতায় খেলতে নেমেছিলেন মনপ্রীতরা। কিন্তু সেমিফাইনালে জাপানের কাছে হেরে স্বপ্নপূরণ হয়নি। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে নামতে হয়েছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। শেষপর্যন্ত পাকিস্তানকে ৪৩ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতল ভারত।সেমিফাইনালে জাপানের কাছে ৫৩ ব্যবধানে হেরে মনোবল অনেকটাই ভেঙে পড়েছিল ভারতীয় দলের। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। তবে ব্রোঞ্জ জিততে ভারতীয় দলকে যথেষ্ট লড়াই করতে হল। সেমিফাইনালে হারের হতাশা ঝেড়ে ফেলে এদিন দারুণভাবে শুরু করেছিল ভারত। প্রথম মিনিটেই হরমনপ্রীত সিংয়ের গোলে এগিয়ে যায়। শুরুতেই গোল পেয়ে যাওয়ায় আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় ভারতীয় দলের। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে পাকিস্তান গোলমুখে। কিন্তু তিনকাঠির নীচে পাকিস্তান গোলকিপার আমজাদ আলি অপ্রতিরোধ্য হওয়ায় ব্যবধান বাড়াতে পারেনি ভারত। উল্টে প্রতি আক্রমনে উঠে এসে ১০ মিনিটে গোল করে পাকিস্তানকে সমতায় ফেরান আফ্রাজ। প্রথম কোয়ার্টারে ৫টি পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে একটিও কাজে লাগাতে পারেনি ভারত। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আধিপত্য বজায় রাখলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেননি মনদীপ সিংরা।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ভারতের আক্রমনের চাপ ছিল ভারতের। খেলার গতির বিরুদ্ধে ৩৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে পাকিস্তানকে এগিয়ে দেন আব্দুল রানা। এরপর মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৪৫ মিনিটে সমতা ফেরান সুমিত। তৃতীয় কোয়ার্টারে ম্যাচের ফল ছিল ২২। ৫৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে গোল করে ভারতকে ৩২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন বরুণ কুমার। ৫৭ মিনিটে ললিত উপাধ্যায়ের পাস থেকে ৪২ করেন আকাশদীপ সিং। প্রায় সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের হয়ে ব্যবধান কমান আহমেদ নাদিম। শেষদিকে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে পাকিস্তান। কিন্তু কাজের কাজ কিছু করতে পারেনি। এই নিয়ে প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানেরল বিরুদ্ধে দুবার জিতল ভারত।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Asian Champions Trophy Hockey : জাপানি ‘‌সুনামি’‌তে উড়ে গেল ভারত, ফাইনালের স্বপ্ন অপূর্ণ মনপ্রীতদের

এ যেন গ্রুপ লিগের উল্টোপূরান। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ হকির গ্রুপ লিগের ম্যাচে জাপানকে হাফডজন গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। সেমিফাইনালে সেই জাপানেরই মুখোমুখি হয়েছিলেন মনপ্রীতরা। গ্রুপ লিগের ফলাফলে হয়তো একটু বেশিই আত্মতুষ্ট হয়ে পড়ছিল ভারতীয় শিবির। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের খেসারত দিতে হল মনপ্রীতদের। জাপানের কাছে হেরে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন চূরমার হয়ে গেল টোকিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ীদের। ভারতকে ৫২ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ লিগে হারের মধুর প্রতিশোধ নিল জাপান। একই সঙ্গে পৌঁছে গেল এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হকির ফাইনালে। গ্রুপ লিগে মনপ্রীতরা শুরু থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়ে জাপানকে মাথা তুলে দাঁড়ানোর সুযোগ দেয়নি। সেমিফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে সেই একই স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিল জাপান। শুরু থেকেই ভারতীয় রক্ষণে আক্রমণের ঝড় তোলে। ১ মিনিটের মধ্যেই পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। যা কাজে লাগিয়ে জাপানকে এগিয়ে দেন সোতা ইয়ামাদা। প্রথম মিনিটে গোল খাওয়ার ধাক্কা ভারত সামলে ওঠার আগেই ব্যবধান বাড়ায় জাপান। দ্বিতীয় মিনিটে আবার পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। যা থেকে গল করে আবার ব্যবধান বাড়ায় জাপান। শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে ভারতের রক্ষণকে ব্যতিব্যস্ত করে দেয় জাপান। ম্যাচের প্রথম ৬ মিনিটের মধ্যে ৬টি পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। প্রথম কোয়ার্টারে কোনও আক্রমণ গড়ে তোলার সুযোগ পায়নি ভারত। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে শুরুতেই প্রথম আক্রমণে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন মনপ্রীতরা। ১৬ মিনিটে ভারতের হয়ে ব্যবধান কমান দিলপ্রীত সিং।এরপর মনপ্রীত সিংদের খেলা দেখে মনে হচ্ছিল ম্যাচে ফিরতে পারে ভারত। জাপানি আক্রমণ সামলে মাঝে মাঝে প্রতি আক্রমণে উঠে আসছিল। কিন্তু ভারতের ম্যাচে ফেরার স্বপ্নে আবার ধাক্কা দেয় জাপান। ২৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ান কেনতা তানাকা। ম্যাচের প্রথমার্ধে ৩১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল জাপান। ৩৫ মিনিটে ভারতীয় রক্ষণের ভুলে ৪১ করে জাপান। ৪১ মিনিটে জাপানকে ৫১ গোলে এগিয়ে দেন গ্রিম। ৫৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ব্যবধান কমান হরমনপ্রীত সিং। ৫২ হওয়ার পর শেষদিকে মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। একের পর এক পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারছিলেন না হরমনপ্রীতরা। ৬০ মিনিটে হার্দিক সিং ৫৩ করেন।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Hockey : ‌জাপানকে হাফডজন গোল, এশিয়ান হকিতে ভারতের দাপট চলছেই

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়ে আগেই সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছিল ভারতীয় হকি দল। আগের ম্যাচে পাকিস্তানকে হারানোর পর আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল মনদীপ সিংদের। লিগের শেষ ম্যাচে জাপানের বিরুদ্ধে ড্র করলেই শীর্ষস্থানে পৌঁছে যেত ভারত। কিন্তু মনপ্রীতদের লক্ষ্য ছিল জাপানকে হারিয়েই শীর্ষস্থান দখল করা। সেই লক্ষ্যে সফল ভারতীয় হকি দল। জাপানকে ৬০ ব্যবধানে উড়িয়ে এশিয়ান হকি চ্যাম্পিয়নশিপে লিগ টেবিলে শীর্ষস্থান দখল করল ভারত।প্রতিযোগিতায় মনপ্রীত সিংরা যে দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন আগের দুটি ম্যাচেই প্রমাণ পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান ম্যাচের মতো জাপানের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক মেজাজে শুরু করেছিল ভারত। ৬ মিনিটের মধ্যেই দুদুটি পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে নেয়। যদিও কাজে লাগাতে পারেনি। জাপানও প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ৭ মিনিটে একটা পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে নেয়। তারাও কাজে লাগাতে পারেনি। অবশেষে ১০ মিনিটে তৃতীয় পেনাল্টি কর্ণার কাজে লাগিয়ে ভারতকে এগিয়ে দেন হরমনপ্রীত সিং। ১৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন ললিত উপাধ্যায়। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। প্রথম কোয়ার্টারে খেলার ফল থাকে ১০।দ্বিতীয় কোয়ার্টারেও ভারতের সেই আধিপত্য বজায় থাকে। জাপানও মাঝে মাঝে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ভারতীয় রক্ষণে হানা দিচ্ছিল। কিন্তু ভারতীয় রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের দৃঢ়তায় গোল করতে পারেনি। ২৩ মিনিটে মনপ্রীত সিংয়ের পাস থেকে ২০ করেন দিলপ্রীত সিং। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা করে জাপান। কিন্তু মনপ্রীতরা কোনও সুযোগ দেননি। ৩৪ মিনিটে জারমানপ্রীত সিংয়ের গোলে ব্যবধান বাড়ায় ভারত।৩৬ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি জাপান। পরের মিনিটেই ভারতীয় গোলকিপার সুরজ কারকেরা একটি নিশ্চিত গোল বাঁচান। চতুর্থ কোয়ার্টারে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে ভারত। ৪৬ মিনিটে ৪০ করেন সুমিত। ৫৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার কাজে লাগিয়ে ব্যবধান বাড়ান হরমনপ্রীত সিং। ১ মিনিট পরেই শীলানন্দ লাকড়ার পাস থেকে ৬০ করেন সামশের সিং। ৪ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে পৌঁছে যায় ভারত।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs Pakistan Hockey : পাকিস্তানকে হারিয়ে দুর্দান্ত জয় ভারতের, পৌঁছে গেল এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে

এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হকিতে শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। লিগের প্রথম ম্যাচেই কোরিয়ার কাছে আটকে যেতে হয়েছিল অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ীদের। পরের ম্যাচে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। বাংলাদেশকে উড়িয়ে দিয়েছিল ৯০ ব্যবধানে। তৃতীয় ম্যাচেও দারুণ জয়। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হকির সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল ভারত। দীর্ঘদিন একে অপরের মুখোমুখি হয়নি দুই দল। শেষবার মুখোমুখি হয়েছিল ২০১৮ সালে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ লিগে। ৩১ ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। দুই দল ফাইনালে উঠলেও ম্যাচ ভেস্তে গিয়েছিল। তারপর আর দুই দল একে অপরের বিরুদ্ধে খেলেনি। দীর্ঘ ৩ বছর পর আবার সেই এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির লিগ পর্যায়ে মুখোমুখি হল ভারতপাকিস্তান। সেই ৩ বছর আগের ম্যাচের পুনরাবৃত্তি। ৩১ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল ভারত।সাম্প্রতিক পারফরমেন্সের ভিত্তিতে এদিন ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল ভারত। শুরু থেকেই পাকিস্তানের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মনপ্রীতরা। ৭ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার কাজে লাগিয়ে ভারতকে এগিয়ে দেন হরমনপ্রীত সিং। প্রথম কোয়ার্টারে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল ভারতের সামনে। সুমিতের শট একবার পোস্টে লেগে ফিরে আসে। আর মনপ্রীত সিংয়ের প্রয়াস রুখে দেন পাকিস্তানের গোলকিপার। ২১ মিনিটে রাজকুমার পাল গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। ম্যাচের প্রথমার্ধে ১ গোলের ব্যবধানেই এগিয়েছিল ভারত।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেও সেই ভারতের আধিপত্য। ৪ মিনিটের মধ্যেই দু-দুটি সুযোগ পেয়েছিলেন মনপ্রীতরী। কিন্তু পাকিস্তানের রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় গোল আসেনি। ৪২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় ভারত। লাকড়া ৩ জন পাকিস্তান খেলোয়াড়কে ড্রিবল করে বল সাজিয়ে দেন আকাশদীপ সিংকে। গোল করতে ভুল করেননি আকাশদীপ। মিনিট তিনেক পরেই ব্যবধান কমায় পাকিস্তান। জুনেইদ মঞ্জুর পাকিস্তানের হয়ে গোল করেন। তৃতীয় কোয়ার্টারে খেলার ফল থাকে ভারতের পক্ষে ২১।সমতা ফেরানোর জন্য চতুর্থ কোয়ার্টারের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে পাকিস্তান। চতুর্থ কোয়ার্টারের শুরুতেই একটি পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। ৫১ মিনিটে সহজ সুযোগ পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন আকাশদীপ সিং। পরের মিনিটেই পেনাল্টি কর্ণার পায় পাকিস্তান। জুনেইদ মঞ্জুরের শট আটকে দেন ভারতের গোলকিপার। ৫৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ৩১ করেন ভারতের ড্রাগফ্লিকার হরমনপ্রীত সিং। শেষদিকে দুই দলই একটি করে পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Naveen Patnaik : ভারতীয় হকির পুনর্জন্মে নেপথ্য নায়ক নবীন পট্টনায়েক

অলিম্পিকে ৪১ বছর পর পদক জিতেছে ভারতীয় পুরুষ দল। পদক না জিতলেও দুর্দান্ত খেলা উপহার দিয়েছে মহিলা দল। অভিনন্দনের জোয়ারে ভেসে যাচ্ছেন দুদলের খেলোয়াড়রা। অথচ অসাধারণ সাফল্যের নেপথ্যে থাকা মানু্ষটাকে সকলে ভুলে গেছেন। ব্রাত্য নবীন পট্টনায়েক।Spoke to the victorious stars of Indian Mens #Hockey and congratulated them on their spectacular win over Germany to win Bronze medal in #Tokyo2020. May they continue to shine and bring more glory for the nation. #Cheer4India pic.twitter.com/zuteKBayeJ Naveen Patnaik (@Naveen_Odisha) August 5, 2021আইপিএল, আইএসএল গ্ল্যামারের দুনিয়ায় তলিয়ে গেছে গোটা দেশ। হকির জন্য ভাবার সময় ছিল না কারও। কোনও কর্পোরেট সংস্থা এগিয়ে আসেনি। নিঃশব্দে অর্থের ভান্ডার নিয়ে হাজির হয়েছিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক। না, কোনও মাইলেজের আশায় নয়। শ্রেফ ভালবাসার টানে।আরও পড়ুনঃ প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থেকে চালকের আসনে ভারতস্পনসরের অভাবে যখন ধুঁকছিল ভারতীয় হকি, ২০১৮ সালে এগিয়ে এসেছিলেন নবীন পট্টনায়েক। ১৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন ভারতীয় হকির জন্য। সাহারার থেকে ৫ গুন বেশি অর্থ ঢেলেছিলেন। ২০১৮ বিশ্বকাপ হকি আয়োজন করে গোটা দেশকে চমকে দিয়েছিলেন। বিশ্বকাপ আয়োজনের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন ২০১৪ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করে। হকির প্রতি তিনি যে কতটা অনুরাগী, তার প্রমাণ দিয়েই চলেছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী। ররাউরকেলায় তৈরি করছেন বিশ্বমানের হকি স্টেডিয়াম। লক্ষ্য ২০২৩ হকি বিশ্বকাপ সুষ্টভাবে সম্পন্ন করা। ভারতীয় হকির জন্য শুধু ১৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে থেমে থাকেননি নবীন পট্টনায়েক। টাটা গ্রুপের সঙ্গে যৌথভাবে ভুবনেশ্বরে গড়ে তুলেছেন হাই পারপরমেন্স সেন্টার।আরও পড়ুনঃ ৬৫ কেজি ফ্রিস্টাইলের সেমিফাইনালে হেরে গেলেন বজরং পুনিয়াঅন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী হলে, নিজের ঢাক পেটাতেন। নবীন পট্টনায়েক কিন্তু বরবারই প্রচার বিমুখ। নিঃশব্দে কাজ করে যান। ঢাউস ঢাউস হোর্ডিং লাগিয়ে, টিভিতে বিজ্ঞাপন দিয়ে আত্মপ্রচার করতেই পারতেন। সে রাস্তায় কখনও হাঁটেননি। ফটোগ্রাফাররা ছবি তুলতে গেলে চুপিচুপি ফ্রেম থেকে সরে যান। তিনি প্রমান করে দিয়েছেন, দেশের সেবা করতে গেলে হোর্ডিংবিজ্ঞাপন লাগে না। শুধু সদিচ্ছা প্রয়োজন।Spoke to the stars of Indian Women #Hockey Team and congratulated them for their exemplary performance in #Tokyo2020. They may have lost the match, but they have won over a billion hearts. May the team continue to inspire and set the path for a golden future. #Cheer4India pic.twitter.com/7GshNwZWNm Naveen Patnaik (@Naveen_Odisha) August 6, 2021টোকিও অলিম্পিকে হকিতে ভারতের পুনর্জন্মে এই ক্রীড়াপ্রেমী মুখ্যমন্ত্রীর অবদান কিন্তু কম নয়। কিন্তু নিজের কৃতিত্ব কোথাও জাহির করেননি। গোটা দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অনেক কিছুই করতে পারতেন, করেননি। তিনি যে আত্মপ্রচার বিমুখ। কখনও শিরোনামে আসতে চাননি। রাজ্যের ওপর দিয়ে বারবার ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটে গেছে। বিধ্বস্ত হয়েছে রাজ্য। কখনও ত্রাণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে দরাদরি করতে দেখেছেন? সীমিত ক্ষমতা নিয়েই রাজ্যবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে গ্রেট ব্রিটেনের কাছে হেরে ইতিহাসে নাম তুলতে ব্যর্থ রানিরানবীন পট্টনায়েকের হকি প্রীতির কারণ আছে। একসময় স্কুল পর্যায়ে ভাল হকি খেলতেন। দুন স্কুলের হয়ে তিনকাঠির নীচে দারুণ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন। কলেজ জীবনে খেললেও উচ্চশিক্ষার জন্য পড়ে খেলা ছাড়তে বাধ্য হন। ভালবাসার টানেই তিনি আজ হকির পাশে দাঁড়িয়েছেন। যখন তিনি হকির জন্য বিনিয়োগ করেছিলেন, এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন, এত টাকা বিনিয়োগ করা বাড়াবাড়ি নয়? সেই সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে নবীন পট্টনায়েক বলেছিলেন, হকিতে নয়, ভারতীয় ক্রীড়াপ্রেমী যুবকযুবতীদের ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ করছি। তাঁর বিনিয়োগ যে বিফলে যায়নি, প্রমান করে দিয়েছেন মনপ্রীত সিং, রানী রামপালরা। আগামী ১৬ই আগষ্ট নবীন পট্টনায়েক ভারতীয় দুই হকি দলকে (মহিলা ও পুরুষ) সম্বর্ধনা দেওয়ার জন্য ওডিশায় আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

আগস্ট ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Women Hockey : ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে গ্রেট ব্রিটেনের কাছে হেরে ইতিহাসে নাম তুলতে ব্যর্থ রানিরা

মনদীপ সিংরা পারলেও, রানি রামপালরা ব্যর্থ। ইতিহাসে নাম তুলতে পারল না ভারতীয় মহিলা হকি দল। টোকিও অলিম্পিকে তৃতীয় স্থান নির্ণায়ক ম্যাচে গ্রেট ব্রিটেনের কাছে ৪৩ ব্যবধানে হেরে ব্রোঞ্জ জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল রানি রামপলদের। যদিও তাঁদের এই পরাজয় অগৌরবের নয়। দুর্দান্ত লড়াই করে হারতে হয়েছে। গ্রেট ব্রিটেনকে এদিন বিনা লড়াইয়ে জমি ছাড়েনি ভারত। যদিও ম্যাচের প্রথম কোয়ার্টায়ে নিজেদের সেভাবে গুছিয়ে নিতে পারেননি রানিরা। সেই সুযোগে ভারতীয় ডিফেন্সে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে ব্রিটেন। বেশ কয়েকটি পেনাল্টি কর্ণার আদায় করলেও গোল করতে পারেনি। ভারতীয় দলের গোলকিপার সবিতা পুনিয়া তিন কাঠির নীচে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন। তিনি বেশ কয়েকটি গোল বাঁচিয়ে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন। দ্বিতীয় কোয়ার্টারের শুরু থেকেও ভারতের ওপর আধিপত্য ছিল গ্রেট ব্রিটেনের। ১৬ মিনিটে এলিনা রেয়ারের পুশ ভারতীয় ডিফেন্ডার গ্রেস এক্কার স্টিকে লেগে গোলে যায়। ২২ মিনিটে ভারতীয় দলের মিডফিল্ডার নিশা গ্রিন কার্ড দেখে মাঠের বাইরে চলে যান। ভারতীয় দলের ১০ জন হয়ে যাওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ২৪ মিনিটে ২০ করে গ্রেট ব্রিটেন। ১ মিনিট পরেই পেনাল্টি কর্ণার থেকে ব্যবধান কমান গুরজিৎ কাউর। ব্যবধান কমিয়ে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে ভারত। ২৬ মিনিটে আবার পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। পেনাল্টি কর্ণার থেকে ম্যাচে সমতা ফেরান সেই গুরজিৎ কাউর। দ্বিতীয় কোয়ার্টারের শেষদিকে আরও নাটক অপেক্ষা করছিল। ২৯ মিনিটে বন্দনা কাটারিয়া গোল করে ভারতকে ৩২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। পিছিয়ে পড়ে দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে গ্রেট ব্রিটেন। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসতে থাকে ভারতীয় রক্ষণে। চাপে পড়ে ভুল করতে থাকে ভারতীয় রক্ষণভাগের খেলোয়াড়রা। সেই সুযোগে ৩৫ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে গ্রেট ব্রিটেন। পেনাল্টি কর্ণার থেকে ইসাবেলে পিটারের নেওয়া শট সবিতা পুনিয়া বাঁচালেও ফিরতি বল থেকে গোল করে সমতা ফেরান হোলি ওয়েব। চতুর্থ কোয়ার্টারে ম্যাচ দারুণ জমে ওঠে। আক্রমণ প্রতিআক্রমণে দুই দল একে অপরকে টেক্কা দিতে থাকে। ৪৮ মিমিটের মাথায় পেনাল্টি কর্ণার থেকে গোল করে গ্রেট ব্রিটেনকে ৪৩ ব্যবধানে এগিয়ে দেন গ্রেস ব্যালসডন। বাকি সময় চেপে ধরলেও সমতা ফেরাতে পারেনি ভারত। হারলেও রানি রামপালদের এই লড়াইকে কুর্ণিশ করছে গোটা দেশ। এর আগে ১৯৮০ ও ২০১৬ সালের অলিম্পিকে খেললেও নিজেদের মেলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছিল ভারত। এবারই প্রথম অলিম্পিকের সেমিফাইনালে পৌঁছে ইতিহাস রচনা করলেন রানি রামপালরা।

আগস্ট ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Tokyo Olympics : ‌৪১ বছরের শাপমুক্তি ঘটল টোকিওতে, জার্মানিকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতল ভারত

অবশেষে শাপমুক্তি। ৪১ বছরের খরা কাটিয়ে অলিম্পিকে পদক জিতল ভারত। ১৯৮০ মস্কো অলিম্পিকের পর টোকিও। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে জার্মানিকে ৫৪ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতল ভারত। ভারতীয় হকির গৌরব আবার ফিরিয়ে নিয়ে এলেন মনদীপ সিংরা। ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছিল জার্মানরা। তারপর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন মনদীপ সিংদের। শেষ পর্যন্ত জয় হাসিল। ম্যাচের ২ মিনিটে ভারতীয় ডিফেন্সের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে গোল করে জার্মানিকে এগিয়ে দিয়েছিল টিমুর ওরুজ। শুরুতে এগিয়ে গিয়ে জার্মানরা বাড়তি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছিল। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল ভারতীয় ডিফেন্সে। ১০ ও ১২ মিনিটে পরপর দুটি গোল বাঁচিয়ে ব্যবধান বাড়তে দেননি শ্রীজেশ।আরও পড়ুনঃ বধূকে ধর্ষণের পর সোনার গয়না ও টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবকদ্বিতীয় কোয়ার্টারের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ১৭ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে নীলকান্ত শর্মার পাস থেকে সমতা ফেরান সিমরনজিৎ সিং। ২০ মিনিটে জার্মানির ফ্লোরিয়ান ফুচসের প্রয়াস রুখে দেন শ্রীজেশ। ২৪ মিনিটে নিকলাস ওয়েলেন জার্মানিকে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। পরের মিনিটেই বেনেডিক্ট ফুর্ক ৩১ করেন। ৩১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে সম্বিত ফেরে মনদীপদের। ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। দ্বিতীয় কোয়ার্টারের শেষদিকে নাটকীয় প্রত্যাবর্তন। ২৭ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ব্যবধান কমান হার্দিক সিং। ২ মিনিট পরে আবার পেনাল্টি কর্ণার পায় ভারত। পেনাল্টি কর্ণার থেকে সমতা ফেরান হরমনপ্রীত সিং।আরও পড়ুনঃ বুমরা, সামির ঝড়ে বেসামাল ইংল্যান্ড, গুটিয়ে গেল ১৮৩ রানেদ্বিতীয়ার্ধে আরও নাটক অপেক্ষা করছিল। জার্মানির ওপর জাঁকিয়ে বসেন মনপ্রীতরা। ৩১ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ভারতকে এগিয়ে দেন রুপিন্দার পাল সিং। ৩ মিনিট পর গুরজন্ত সিং ডানদিক থেকে উঠে এসে বল বাড়ান সিমরনজিৎ সিংকে। খুব কাছ থেকে বল জালে পাঠান সিমরনজিৎ। ৫৩ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। ৪২ মিনিটে পরপর বেশ কয়েকটা পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি রুপিন্দাররা।আরও পড়ুনঃ বুপুরুষদের জ্যাভলিন থ্রোর ফাইনালে পৌঁছলেন নীরজ কুমারম্যাচের চতুর্থ কোয়ার্টারে চূড়ান্ত ক্লাইম্যাক্স। ব্রোঞ্জ ধরে রাখার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে জার্মানরা। অন্যদিকে ৪১ বছরের খরা কাটাতে মরিয়া মনদীপরা। ম্যাচের পরতে পরতে উত্তেজন। ৪৮ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার পায় জার্মানি। পেনাল্টি কর্ণার থেকে ব্যবধান কমান লুকাস উইন্ডফেডার। ৫২ মিনিটে জার্মান গোলকিপার স্ট্যাডলারকে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি মনদীপ। শেষদিকে মরিয়া হলেও সমতা ফেরাতে পারেনি জার্মানি। অবশেষে ৪১ বছরের শাপমুক্তি ঘটিয়ে অলিম্পিকে পদক জিতল ভারত।

আগস্ট ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Women Hockey : ‌‌ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ রানি রামপালরা, সামনে এবার ব্রোঞ্জের লড়াই

তাঁর কোচিংয়ে ভারতীয় মহিলা হকি দলের উত্থান। অলিম্পিক হকিতে দেশকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন সোয়ার্ড মারিন। সেমিফাইনালে পৌঁছে ইতিহাস রচনা করেছিলেন রানি রামপালরা। কিন্তু সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ২১ গোলে হেরে ফাইনালের স্বপ্ন শেষ ভারতের। তবে পদকের আশা শেষ হয়ে যায়নি। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে ৬ আগস্ট রানি রামপালদের খেলতে হবে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কুস্তির সেমিফাইনালে রবি কুমার ও দীপক পুনিয়াপ্রথমবার অলিম্পিকের সেমিফাইনালে পৌঁছে ইতিহাস রচনা করেছিল ভারতের মহিলা হকি দল। সেই ইতিহাস রানি রামপলদের পক্ষে আর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হল না। যদিও আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছিল ভারত। ম্যাচের প্রথম মিনিটেই পেনাল্টি কর্নার পায়। পেনাল্টি কর্ণার থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন গুরজিৎ কাউর। এরপরই আস্তে আস্তে ম্যাচের ওপর নিয়ন্ত্রণ দেখাতে থাকে আর্জেন্টিনা। ভারতের ওপর ক্রমশ চাপ বাড়াতে থাকে। যদিও প্রথম কোয়ার্টারে ম্যাচে সমতা ফেরাতে পারেনি। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আরও চাপ বাড়ায়। ১৮ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান মারিয়া ব্যারিয়োনুয়েভো। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ভারত দুদুটি পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি।আরও পড়ুনঃ সেমিফাইনালে হেরে ব্রোঞ্জেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে লাভলিনাকেম্যাচে সমতা ফেরানোর পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে দুই নম্বরে থাকা আর্জেন্টিনা। বারবার আক্রমণে উঠে এসে ভারতের রক্ষণভাগকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে। বেশ কয়েকটি পেনাল্টি কর্ণারও আদায় করে নেয়। ৩৬ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি কর্ণার থেকে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক মারিয়া ব্যারিয়োনুয়েভো। পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালান রানি রামপালরা। বেশ কয়েকবার কাছাকাছি পৌঁছলেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি কর্ণার পেয়েছিল ভারত। কাজে লাগাতে পারেনি। গুরজিৎ কাউরের শট দারুণ দক্ষতার সঙ্গে আটকে দলকে নিশ্চিত গোল বাঁচান আর্জেন্টিনা গোলকিপার। একই সঙ্গে ম্যাচে সমতা ফেরানোর সম্ভাবনাও শেষ হয়ে যায়।

আগস্ট ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Hockey : ‌বেলজিয়ামের কাছে হেরে সোনার স্বপ্ন শেষ মনপ্রীতদের

২ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। তাতেও শেষরক্ষা হল না। বেলজিয়ামের কাছে ৫২ ব্যবধানে হেরে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল মনপ্রীতদের। হ্যাটট্রিক করে বেলজিয়ামের জয়ের নায়ক আলেক্সজান্ডার হেনড্রিকস। সেমিফাইনালে হারলেও পদক জয়ের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে ভারতের। ব্রোঞ্জ জয়ের লড়াইয়ে নামতে হবে। ম্যাচের ২ মিনিটেই এগিয়ে যায় বেলজিয়াম। পেনাল্টি কর্ণার থেকে দুর্দান্ত গোল করে দলকে এগিয়ে দেন লয়িক লুপার্ট। পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে খেলায় ফিরে আসে। প্রথম ৫ মিনিট বেলজিয়ামের আধিপত্য থাকলেও আস্তে আস্তে ম্যাচের রাশ নিজেদের হাত নিয়ে নেয় ভারত। ৭ মিনিটে পরপর দুটি পেনল্টি কর্ণার আদায় করে। দ্বিতীয় পেনাল্টি কর্ণার থেকে সমতা ফেরান হরমনপ্রীত সিং। প্রতিযোগতিতায় এটা তাঁর পঞ্চম গোল। পরের মিনিটেই আবার গোল। ডানদিক থেকে দুর্দান্ত পাস বাড়ান অমিত রোহিদাস। বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসে ভারতকে এগিয়ে দেন মনদীপ সিং। প্রথম কোয়ার্টারে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ভারত।আরও পড়ুনঃ স্বপ্ন শেষ, অলিম্পিক থেকে বিদায় বক্সার সতীশ কুমারেরদ্বিতীয় কোয়ার্টারের শুরু থেকেই সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে বেলজিয়াম। ১৭ মিনিটে পরপর তিনটি পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। কিন্তু অমিত রোহিদাস দুর্দান্তভাবে ব্লক করায় গোল পায়নি বেলজিয়াম। ২ মিনিট পরেই অবশ্য পেনাল্টি কর্ণার থেকে সমতা ফেরান আলেক্সজান্ডার হেনড্রিকস। ২৪ মিনিটে ভারতকে এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি দিলপ্রীত সিং। ২৯ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকেও গোল করতে ব্যর্থ হয় ভারত।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুতৃতীয় কোয়ার্টারে ম্যাচের গতি কিছুটা কম ছিল। আসলে ভারতের তারুণ্যের সঙ্গে পাল্লা দিতে না পেরে খেলার গতি কমিয়ে দিয়েছিল রেড লায়ন্সরা। লক্ষ্য ছিল প্রতি আক্রমণে উঠে এসে গোল তুলে নেওয়া। কিন্তু ভারতীয় ডিফেন্সে রুপিন্দার, অমিতরা সে সুযোগ দেননি। ৩৯ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার পেয়েছিল ভারত। হরমনপ্রীতের শট আটকে দেন বেলজিয়ামের ডিফেন্ডাররা। এদিন স্কুপ বল দারুণ বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ব্যবহার করছিলেন মনপ্রীতরা। কিন্তু বেলজিয়াম ডিফেন্স অনেক বেশি সংগঠিত থাকায় সুযোগ কাজে লাগাতে পারছিল না।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াচতুর্থ কোয়ার্টারের জ্বলে ওঠেন আলেক্সজান্ডার হেনড্রিকসরা। ৪৯ মিনিটে পরপর তিনটি পেনাল্টি কর্ণার পায় বেলজিয়াম। পেনাল্টি কর্ণার থেকে গোল করে দলকে ৩২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন আলেক্সজান্ডার হেনড্রিকস। এইসময় গ্রিন কার্ড দেখে ২ মিনিটের জন্য মাঠের বাইরে যেতে হয়েছিল ভারতীয় অধিনায়ক মনপ্রীত সিংকে। ৫৩ মিনিটে পেনাল্টি পায় বেলজিয়াম। পেনাল্টি থেকে গোল করে দলের ফাইনালে ওঠা নিশ্চিত করেন হেনড্রিকস। প্রতিআক্রমণ থেকে উঠে এসে দলের হয়ে শেষ গোল করেন ডোহমেন।

আগস্ট ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Hockey : ‌মনপ্রীতরা কি পারবেন ৪১ বছরের শাপমুক্তি ঘটাতে?‌

মঙ্গলবার টোকিও অলিম্পিকে বেলজিয়ামকে হারাতে পারলেই ঘটবে ৪১ বছরের শাপমুক্তি। ভারতীয় পুরুষ হকি দলের সামনে খুলে যাবে পদকের দরজা। হারলেও পদকের সম্ভাবনা থাকতে। সেক্ষেত্রে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে নামতে হবে মনপ্রীতদের। ভারত কি পারবে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বেলজিয়ামকে হারিয়ে টোকি অলিম্পিকের ফাইনালে পৌঁছতে? সেমিফাইনালে মাঠে নামার আগে আত্মবিশ্বাসী মনপ্রীতরা।২০১৬ রিও অলিম্পিকে এই বেলজিয়ামের কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল ভারতকে। মনপ্রীতদের সামনে এবার প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ। মনপ্রীতদের কাছে কাজটা কঠিন হলেও একেবারে অসম্ভব নয়। মহিলাদের হকিতে রানি রামপালরা বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে বেশ কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকা অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রমান করে দিয়েছে কোনও কিছুই অসম্ভব নয়। রানি রামপালদের সাফল্য তাগিদ বাড়িয়ে দিয়েছে মনপ্রীতদের। বিশ্বের ১ নম্বর দল হলেও বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ভারতের আশার আলো সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান। রেড লায়ন্সদের বিরুদ্ধে শেষ ৫ ম্যাচে ৪টিতে জয় মনপ্রীতদের। ২০১৬ রিও অলিম্পিকে এই বেলজিয়ামের কাছেই হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল ভারতকে। অতীত মাথায় রাখছেন না মনপ্রীতরা। আগের ম্যাচে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয় আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় শিবিরের। গ্রুপ লিগের ম্যাচের কথা ভুলে কোয়ার্টার ফাইনালে নতুনভাবে শুরু করেছিলেন মনপ্রীতরা। আগের ম্যাচে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে দারুণ জয় তুলে নিলেও বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে বারবার সতীর্থদের সতর্ক করে দিয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। সতীর্থদের বলেছেন, আমাদের কাজ এখনও শেষ হয়নি। এখনও দুটো ম্যাচ বাকি। মাটিতে পা রেখে বেলজিয়াম ম্যাচে ফোকাস করতে হবে। বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন মনপ্রীত। তাঁর কথায়, গত দেড়দুবছর ধরে অস্ট্রেলিয়া ও বেলজিয়াম বিশ্বের ১ নম্বর জায়গা ধেরে রেখেছে। সুতরাং বেলজিয়াম যথেষ্ট কঠিন প্রতিপক্ষ, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ওদের বিরুদ্ধে জিততে গেলে আমাদের দক্ষতার শীর্ষে উঠতে হবে। কোয়ার্টার ফাইনালে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে হলুদ কার্ড দেখে মাঠের বাইরে যেতে হয়েছিল অধিনায়ক মনপ্রীতকে। বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কোচ গ্রাহাম রিড খেলোয়াড়দের সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বেলজিয়ামের মতো দলের বিরুদ্ধে পুরো ম্যাচ ১১ জন মাঠে থাকা জরুরি। আবেগ নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। কার্ড দেখা চলবে না।

আগস্ট ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Women Hockey : ‘‌চক দে ইন্ডিয়া’‌, অলিম্পিক হকির ইতিহাসে রানিরা

টোকিও অলিম্পিকে চক দে ইন্ডিয়া। ইতিহাস রানি রামপালদের। সোনা জয়ের অন্যতম ফেবারিট শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে ভারতীয় মহিলা হকি দল। আগের দিন গ্রেট ব্রিটেনের দর্পচূর্ণ করে সেমিফাইনালে উঠেছেন মনপ্রীতরা। এদিন অস্ট্রেলিয়ার দম্ভে আঘাত করে সেমিফাইনালে রানি রামপালরা। স্বর্ণযুগে ভারতীয় হকি। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠাই একসময় অনিশ্চিত ছিল। পুল এর প্রথম ৩ ম্যাচে পরাজয়। সেখান থেকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। গ্রুপ লিগে পরপর দুম্যাচে আয়ারল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধ অবিশ্বাস্য জয়। তবুও কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা নিশ্চিত ছিল না ভারতের সামনে। গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে গ্রেট ব্রিটেনের কাছে আয়ারল্যান্ড হারলে তবেই শেষ আটের ছাড়পত্র পাওয়া যেত। ভাগ্য সহায় ছিল রানি রামপালদের। ব্রিটেনের কাছে আয়ারল্যান্ডের পরাজয় টোকিও অলিম্পিকে মহিলাদের হকিতে কোয়ার্টার ফাইনালের ছাড়পত্র এনে দিয়েছিল ভারতকে।কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের লড়াই সহজ ছিল না। প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া র্যাঙ্কিংয়ে অনেকটাই এগিয়ে। তবুও গুটিয়ে থাকেননি রানি রামপালরা। আসলে গ্রুপ লিগের শেষ দুটি ম্যাচের পারফরমেন্স আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল। অঘটনের স্বপ্ন দেখেছিলেন রানি রামপালরা। তাঁদের স্বপ্ন দেখা যে একেবারেই অমূলক ছিল না, প্রমাণ হয়ে গেল। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত খেলা উপহার দিল ভারত। রানি রামপালদের স্বপ্ন দেখিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ সাক্ষাৎকার। ২০১৯ সালের আগস্টে টোকিও অলিম্পিকের টেস্ট ইভেন্টে ২২ ড্র হয়েছিল সেই ম্যাচ। আমরাও পারি, এই বিশ্বাস দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন কোচ সোয়ার্ড মারিজিনে।আরও পড়ুনঃ ৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরাম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝড় তুলেছিল অস্ট্রেলিয়া। ২ মিনিটেই গোল করার সুযোগ পেয়েছিল। ভারতীয় ডিফেন্ডারদের তৎপরতায় গোল পায়নি। ৯ মিনিটে রানি রামপালের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ২০ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। উল্টে ২২ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ভারতকে এগিয়ে দেন পেনাল্টি কর্ণার বিশেষজ্ঞ গুরজিৎ কাউর। এরপর সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুদ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণের চাপ বাড়ায় অস্ট্রেলিয়া। সুযোগও তৈরি করে। কিন্তু তিনকাঠির নীচে ভারতীয় গোলকিপার সবিতা পুনিয়া অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন। ভারতীয় ডিফেন্সও দারুণ মুন্সিয়ানার পরিচয় দেয়। ম্যাচে ৭ টি পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। অলিম্পিকে সোনা জয়ের অন্যতম ফেবারিটকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠে ইতিহাস রানি রামপালদের। অলিম্পিকে ভারতের মহিলা দলের সেরা সাফল্য ১৯৮০ মস্কো অলিম্পিকে। সেবারই প্রথম অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পেয়েছিল ভারতীয় মহিলা হকি দল। ৬ দলের মধ্যে চতুর্থ স্থানে শেষ করেছিল।

আগস্ট ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Hockey : ‌৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরা

১৯৮০ মস্কো অলিম্পিকে শেষবার পদক এসেছিল ভারতের। ৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরা। গ্রেট ব্রিটেনকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে অলিম্পিক হকির সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ভারত। পদকের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হল মনপ্রীতদের। সেমিফাইনালে ভারতের সামনে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম।রিও অলিম্পিকে কোয়ার্টার ফাইনালে আকাশদীপের করা গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষরক্ষা হয়নি। বেলজিয়ামের কাছে ৩১ ব্যবধানে হেরে পদকের স্বপ্ন শেষ হয়ে গিয়েছিল। এদিন গ্রেট ব্রিটেনকে হারিয়ে স্বপ্ন পূরণের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল ভারত।আরও পড়ুনঃ কিশোর কুমারের জন্মদিনে নতুন চমক আনছেন পুত্র অমিত গ্রুপ লিগে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৭১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়া ছাড়া গোটা প্রতিযোগিতাতেই দারুণ খেলা উপহার দিয়ে এসেছে ভারত। গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন মনপ্রীতরা। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য ছিল ভারতের। ১ মিনিটেই ডি বক্সের মধ্যে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়েছিলেন মনদীপ। কিন্তু গ্রেট ব্রিটেনের ডিফেন্ডাররা এমনভাবে ঘিরে ধরেন, গোলে শট নেওয়ার সুযোগ পাননি। ৭ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। সিমরনজিৎ সিংয়ের পাস থেকে দলকে এগিয়ে দেন দিলপ্রীত সিং। শুরুতে গোল পেয়ে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় মনপ্রীতদের। ১৬ মিনিটে শুটিং এরিয়ায় বল পেয়ে ২০ করেন গুরজন্ত সিং।আরও পড়ুনঃ স্বপ্ন শেষ, অলিম্পিক থেকে বিদায় বক্সার সতীশ কুমারেরদ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে গ্রেট ব্রিটেন। বারবার আক্রমণে উঠে এলেও ভারতীয় ডিফেন্স ভেদ করতে পারছিল না। অবশেষে ৪৫ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার কাজে লাগিয়ে স্যামুয়েল ওয়ার্ড ব্যবধান কমান। ম্যাচের শেষ দিকে ভারতকে চেপে ধরে গ্রেট ব্রিটেন। একের পর আক্রমণ তুলে নিয়ে আসলেও রুপিন্দার সিংদের তৎপরতায় তিন কাঠি ভেদ করতে পারেনি। ৫৪ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখে অধিনায়ক মনপ্রীত সিং মাঠের বাইরে চলে গেলেও ছন্দ হারায়নি বারত। ৫৭ মিনিটে গ্রেট ব্রিটেনের ম্যাচে ফেরার আশা শেষ করে দেন হার্দিক সিং। প্রতিআক্রমণে উঠে এসে নীলাকান্ত শর্মার কাছ থেকে বল পেয়ে দুরূহ কোন থেকে ৩১ করেন হার্দিক। একই সঙ্গে ৪৯ বছর পর অলিম্পিক হকির সেমিফাইনালে পৌঁছে যায় ভারত। শেষবার সেমিফাইনাল খেলেছিল ১৯৭২ সালে। মিউনিখ অলিম্পিকের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ২০ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল ভারতকে। আর ১৯৮০ মস্কো অলিম্পিকে ৬টা দল অংশ নিয়েছিল। কোনও সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি।

আগস্ট ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Hockey: জয়ের হ্যাটট্রিক, দ্বিতীয় স্থানে থেকে অলিম্পিক হকির শেষ আটে ভারত

কোয়ার্টার ফাইনালের ছাড়পত্র নিশ্চিত হয়েছিল আগেই। পুল এ-তে কত নম্বর স্থান দখল করে, সেটাই ছিল দেখার। জাপানকে ৫-৩ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করে টোকিও অলিম্পিকের হকির শেষ আটে ভারত। টানা ৩ ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে গেল।অলিম্পিকে ভারতের সবচেয়ে বেশি সাফল্য হকিতেই। অথচ ১৯৮০ সালের অলিম্পিকে সোনা জেতার পর আর পদকই আসেনি।একের পর এক অলিম্পিকে শুধুই ব্যর্থতায় হতাশ হতে হয়েছে ভারতীয় হকিকে। এবার মনপ্রীতরা ৪১ বছরের পদকের খরা মেটাতে পারেন কিনা সেদিকেই সকলের নজর।নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩-২ গোলে জয় দিয়ে টোকিও অলিম্পিক অভিযান শুরু করেছিল ভারত। তারপর অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৭-১ ব্যবধানে হার। অনেকেই মনপ্রীতদের নিয়ে সংশয়ে ছিলেন। তবে স্পেনকে তিন গোলে হারানোর পর শক্তিশালী আর্জেন্তিনার বিরুদ্ধে ৩-১ গোলে জয় ভারতের জায়গা সুনিশ্চিত করে দেয় অলিম্পিক হকির কোয়ার্টার ফাইনাল।এদিন প্রথম কোয়ার্টারে ভারত এগিয়ে ছিল ১-০ গোলে। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ভারতের লিড গিয়ে হয় ২-১। তৃতীয় কোয়ার্টারে ফল ছিল ৩-২। চতুর্থ কোয়ার্টারে হল সবচেয়ে বেশি গোল। এর ফলে ৫-৩ গোলে জিতে পুল এ-র দুইয়ে থেকে শেষ আটে জায়গা পাকা করলেন মনপ্রীতরা।১৭ ও ৫৬ মিনিটে ম্যাচে জোড়া গোল করেন গুরজন্ত সিং। ১৩ মিনিটে প্রথম গোলটি করেছিলেন হরমনপ্রীত সিং। এ ছাড়া ৩৪ মিনিটে শমশের সিং ও ৫১ মিনিটে নীলকান্ত শর্মাও গোল করে দলের জয়ে অবদান রাখেন।গ্রুপ পর্যায়ের খেলার শেষে পুল এ-র শীর্ষে রইল অস্ট্রেলিয়া। পাঁচটির মধ্যে চারটিতে জিতে ভারত রইল দুইয়ে। অস্ট্রেলিয়া চারটি ম্যাচে জিতেছে এবং একটি ড্র করেছে। প্রতি পুলে ছটি করে দলের মধ্যে থেকে চারটি করে দল পৌঁছায় কোয়ার্টার ফাইনালে। ভারতের পরের প্রতিপক্ষ অবশ্য এখনও চূড়ান্ত হয়নি।হকিতে ভারত শেষ অলিম্পিক সোনা জিতেছিল ১৯৮০ সালে। ১৯৮৪ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে পঞ্চম, ১৯৮৮-র সিওল অলিম্পিকে ষষ্ঠ, ১৯৯২ সালের বার্সেলোনা অলিম্পিকে সপ্তম, ১৯৯৬ সালের আটলান্টা অলিম্পিকে ভারত অষ্টম স্থানে শেষ করেছিল হকিতে। ২০০০ সালে সিডনি ও ২০০৪ সালের এথেন্স অলিম্পিকে ভারত হকিতে ছিল সপ্তম স্থানে। ২০০৮ সালে অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জনই করতে পারেনি। ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে দ্বাদশ ও ২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকে ভারতকে অষ্টম স্থানে থেকেই অভিযান শেষ করতে হয়েছিল।

জুলাই ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympics Hockey: আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করল ভারত

অলিম্পিক হকিতে এগিয়ে চলেছে ভারত। গ্রুপ লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গতবারের সোনাজয়ী আর্জেন্টিনাকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার পাশাপাশি পুল এতে দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করল।একপ্রকার কঠিন গ্রুপে রয়েছে ভারত। বর্তমান বিশ্বসেরা অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে রয়েছে আগের অলিম্পিকে সোনাজয়ী আর্জেন্টিনা। পুলের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জিতলেও অস্ট্রেলিয়াআর কাছে বড় ব্যবধানে হারে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। পরের ম্যাচে স্পেনের বিরুদ্ধে অবশ্য দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান মনপ্রীতরা। ৩০ ব্যবধানে জিতে হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছিল। সেই আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই এদিন আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল ভারত।আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে জিতলেই কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়া নিশ্চিত ছিল ভারতের। পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত জয় তুলে নিলেন মনপ্রীতরা। অলিম্পিকে যাওয়ার আগে আর্জেন্টিনায় প্রস্তুতি সফরে গিয়েছিল ভারত। শেষ ম্যাচে ৪২ ব্যবধানে জিতেছিল। যদিও সেই জয়ের কথা মাথায় রেখে মাঠে নামেননি মনপ্রীতরা। গুটিয়ে না থেকে এদিন শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে ভারত। ৪ মিনিটে প্রায় ভারতকে এগিয়ে দিচ্ছিলেন দলপ্রীত। খুব কাছ থেকে নেওয়া তাঁর ফ্লিক আটকে দেন আর্জেন্টিনার গোলকিপার। ১৫ মিনিটে ড্রিবল করতে গিয়ে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সিমরণজিৎ সিং। ১৭ মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা। স্কোরিং সার্কেলের মধ্যে লুকাস রোসিকে আটকে দেন ভারতীয় ডিফেন্ডাররা। প্রথমার্ধে কোনও দলই গোল করতে পারেনি। যদিও ভারতের আধিপত্য বেশি ছিল।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও গোলের সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি ভারত। ৪২ মিনিটে পরপর দুটি পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি রুপিন্দাররা। ৪৩ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। পেনাল্টি কর্ণার থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন বরুণ কুমার। চতুর্থ কোয়ার্টারে নাটক জমে ওঠে। ৪৮ মিনিটে প্রথম পেনাল্টি কর্ণার পায় আর্জেন্টিনা। মাইকো ক্যাসেলা গোল করে সমতা ফেরান। অনেকেই মনে করছিলেন ম্যাচ হয়তো ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছে। তখনই জ্বলে ওঠেন ভারত। ৫৭ মিনিটে বিবেক প্রসাদ সাগর গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। ২ মিনিট পর আবার গোল ভারতের। ৮ নম্বর পেনাল্টি কর্ণার কাজে লাগিয়ে হরমনপ্রীত সিং ৩১ করেন। ৪ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট পেয়ে পুল এতে দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করল ভারত।

জুলাই ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌India Women Hockey : গ্রেট ব্রিটেনের কাছেও হার, অলিম্পিক থেকে কার্যত ছিটকে গেলেন রানিরা

টানা ৩ ম্যাচ হেরে অলিম্পিক থেকে কার্যত ছিটকে গেল ভারতীয় মহিলা হকি দল। পুল এর ম্যাচে গ্রেট ব্রিটেনের কাছে রানি রামপালরা হারলেন ৪১ ব্যবধানে।প্রথম ম্যাচে হল্যান্ডের কাছে ৫১ ব্যবধানে হেরেছিল ভারতীয় মহিলা হকি দল। দ্বিতীয় ম্যাচে জার্মানির কাছে হার ২০ ব্যবধানে। পরপর দুটি ম্যাচ হেরে অনেকটাই ব্যকফুটে চলে গিয়েছিল ভারত। পরের রাউন্ডে যাওয়ার আশা টিকিয়ে রাখতে গেলে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে জিততেই হত ভারতকে। কিন্তু রানি রামপালরা জ্বলে উঠতে ব্যর্থ।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াম্যাচের শুরু থেকেই গ্রেট ব্রিটেনের আধিপত্য। ২ মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। হানা মার্টিন গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। শুরুতেই গোল হজম করে হতদ্যোম হয়ে পড়ের রানি রামপালরা। তবে ১২ মিনিটে পরপর দুটি পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি ভারত। ১৭ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল ভারতের সামনে। নবনীত কাউর গোলের সামনে ফ্রি হিট নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। ২ মিনিট পরেই ব্যবধান বাড়ায় গ্রেট ব্রিটেন। সেই হানা মার্টিন আবার গোল করেন। ২৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ব্যবধান কমান গুরজিৎ কাউর।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা খেলায় ফেরে ভারত। শুরুতেই পরপর তিনটি পেনাল্টি কর্ণারও আদায় করে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। ৪১ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় গ্রেট ব্রিটেন। পেনাল্টি কর্ণার থেকে ৩১ করেন লিলি ওসলে। এখানেই ম্যাচে ফেরার আশা শেষ হয়ে যায় রানি রামপালদের। ম্যাচ শেষ হওয়ার মিনিট তিনেক আগে ডি বক্সের মধ্যে শরীর দিয়ে বল আটকালে পেনাল্টি পায় গ্রেট ব্রিটেন। গ্রেস ব্যালসডন পেনাল্টি থেকে ৪১ করেন।

জুলাই ২৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘ভারতে আর শান্তি পাই না’, তুমুল বিতর্কের মাঝেই সঞ্জয় দত্তের ইউটার্ন! কী সাফাই দিলেন মুন্নাভাই?

ভারতে আর শান্তি পাই নাশেখর সুমনের অনুষ্ঠানে সঞ্জয় দত্তের এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনুষ্ঠানের একটি অংশ প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে অভিনেতাকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে না হতেই এবার নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন সঞ্জয়। অভিনেতার দাবি, তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং পুরো কথোপকথনটাই ছিল আগে থেকে লেখা ও হালকা মেজাজের।শেখর সুমনের অনুষ্ঠানে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সঞ্জয় বলেছিলেন, ভারতের মানুষ অত্যন্ত ভালো ও অতিথিপরায়ণ। কিন্তু ইদানীং দেশে আগের মতো শান্তি তিনি অনুভব করছেন না। সেই শান্তির সময় যেন দ্রুত ফিরে আসে, শিবের কাছে এমন প্রার্থনা করেন বলেও জানিয়েছিলেন অভিনেতা। এই মন্তব্যের একটি অংশ সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক।এর পরেই সঞ্জয় দত্ত নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, কোনও ব্যক্তি, সম্প্রদায় বা প্রতিষ্ঠানের অনুভূতিতে আঘাত করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। কাউকে অপমান বা অসম্মান করার ইচ্ছাও তাঁর ছিল না বলে জানান অভিনেতা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানের কথোপকথনটি চিত্রনাট্য মেনেই তৈরি হয়েছিল এবং দর্শকদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখেই তা বলা হয়েছিল।সঞ্জয়ের ব্যাখ্যা, তাঁর কথাগুলিকে অনুষ্ঠানের মূল প্রেক্ষাপট থেকে আলাদা করে দেখা হয়েছে। মুন্নাভাই ছবির হাস্যরস ও ব্যঙ্গের ধাঁচেই কথাগুলি বলা হয়েছিল বলে দাবি তাঁর। বিশেষ করে গান্ধীগিরি-র ভাবনার মাধ্যমে ভালোবাসা, আন্তরিকতা, একতা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বার্তা দেওয়াই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। কিন্তু সেই বক্তব্যের মূল ভাবটি হারিয়ে গিয়ে তা অন্য ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।বিতর্কের সূত্রপাত মূলত অনুষ্ঠানের সেই অংশ নিয়ে, যেখানে সঞ্জয় দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মন্তব্য করেছিলেন। পরে তাঁর বক্তব্যের আরও কিছু অংশও সামনে আসে, যেখানে মুন্নাভাই-এর ভঙ্গিতে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ এবং শান্তির বার্তা ছিল। ফলে পুরো কথোপকথনটি কী প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়।তবে বিতর্ক থামেনি। মন্তব্যটি নিয়ে সমাজমাধ্যমে একাংশের সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। অন্য দিকে সঞ্জয়ের বক্তব্য, তাঁর কথার উদ্দেশ্য ছিল না কাউকে ছোট করা বা দেশের মানুষকে অসম্মান করা। বরং হাস্যরসের মাধ্যমে শান্তি, ভালোবাসা ও ঐক্যের বার্তাই তুলে ধরতে চেয়েছিলেন তিনি।ফলে একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখন অন্য মোড় নিয়েছে। প্রথমে ভারতে শান্তি নেই মন্তব্য, তার পর সমাজমাধ্যমে সমালোচনা এবং শেষে অভিনেতার চিত্রনাট্য-নির্ভর কথোপকথনের ব্যাখ্যাসঞ্জয় দত্তকে ঘিরে এই বিতর্কে আপাতত নজর তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
দেশ

সর্বসম্মতি না থাকলে এসআইআর বাতিল? জ্ঞানেশ কুমার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ

এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে বড় মোড়। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের একক ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ এবং নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় নোটিস জারি করেছে শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে ফর্ম-৬-এ পরিবর্তন নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের প্রশ্ন ঘিরেও নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।মামলাকারীদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সব কমিশনারের ভূমিকা থাকা প্রয়োজন। আইনজীবী বিকাশ সিং আদালতে অভিযোগ করেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার একক ভাবে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে রাজি হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এই পর্যায়ে আদালত জ্ঞানেশ কুমারকে স্থগিত করার অন্তর্বর্তী আবেদন গ্রহণ করেনি।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু ও বিবেক জোশীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলায় আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৩ সালের আইনে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের তাঁদের সরকারি দায়িত্ব পালনের সঙ্গে যুক্ত কিছু কাজের ক্ষেত্রে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। সেই রক্ষাকবচের সাংবিধানিক বৈধতাকেও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।এই মামলায় আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী নির্বাচন কমিশনের কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মামলাকারীদের তরফে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়েই মূল আপত্তি জানানো হয়েছে।শুনানিতে ফর্ম-৬-এর পরিবর্তনের বিষয়টিও সামনে আসে। ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত এই ফর্মে সাম্প্রতিক সময়ে একটি পরিবর্তন করা হয়েছিল। পরে সেই পরিবর্তন সরিয়ে নেয় নির্বাচন কমিশন। এর আগে দুই নির্বাচন কমিশনার ওই পরিবর্তন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।ফর্ম-৬ নিয়ে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানতে চান, ওই পরিবর্তন কে করেছিলেন। আদালতের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, ফর্ম-৬-এ যে পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তার জন্য আদালতের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। ফলে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই গুরুত্বপূর্ণ নথিতে কী ভাবে এবং কার নির্দেশে পরিবর্তন হয়েছিল, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এসআইআর নিয়েও মামলায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। মামলাকারীদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন যদি সাংবিধানিক ভাবে নির্ধারিত যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে থাকে, তা হলে সেই সিদ্ধান্তগুলির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এসআইআর ইতিমধ্যেই বাতিল হয়ে গিয়েছে বা আদালত তা বাতিল করে দিয়েছেএমন কোনও নির্দেশ এই শুনানিতে দেওয়া হয়নি। বরং বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য নোটিস জারি করে পরবর্তী শুনানির পথ তৈরি হয়েছে।এর আগে নির্বাচন কমিশন দাবি করেছিল, গত এক বছরে নেওয়া সব সিদ্ধান্তই সর্বসম্মত ছিল। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য বা পরামর্শ থাকলেও তা সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। অন্য দিকে, প্রকাশিত নথি নিয়ে প্রতিবেদনে দুই নির্বাচন কমিশনারের একাধিক আপত্তির কথা উঠে এসেছে। ফলে নির্বাচন কমিশনের ভিতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।এখন নজর পরবর্তী শুনানির দিকে। ফর্ম-৬ পরিবর্তনের বিষয়টি কী ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে আদালত কী বলে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে মামলাটি কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই এখন অপেক্ষা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

ইমরানের মুক্তির দাবিতে রাজপথে হাজার হাজার মানুষ, ইসলামাবাদমুখী মিছিল ঘিরে পাকিস্তানে চরম উত্তেজনা!

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানের রাজপথে ফের বড় মিছিল। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর খাইবার পাখতুনখোয়ার লাক্কি মারওয়াত থেকে ইসলামাবাদের উদ্দেশে দীর্ঘ পদযাত্রা শুরু করেছে ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফের সমর্থকেরা। মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ সোহেল আফ্রিদি। দলীয় সমর্থকদের নিয়ে মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছনো।ইমরানের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত এই মিছিল শুরু হওয়ার আগেই পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সরকারের সঙ্গে তেহরিক-ই-ইনসাফের আলোচনা কোনও সমাধানে পৌঁছয়নি। এরপরই পূর্বঘোষণা অনুযায়ী মিছিল শুরু করে ইমরানপন্থীরা। বিভিন্ন জেলা থেকে বহু সমর্থক লাক্কি মারওয়াতে জড়ো হন। মিছিলের সঙ্গে থাকা বহর ধীরে ধীরে ইসলামাবাদের দিকে এগোচ্ছে।মিছিল আটকাতে প্রশাসনের তরফেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। একাধিক জায়গায় রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে কন্টেনার দিয়ে। রাজধানীতে বিক্ষোভকারীদের প্রবেশ ঠেকাতে প্রশাসন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে।মিছিল ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলেও খবর। কিছু এলাকায় পাথর ছোড়াছুড়ি এবং লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ইমরানের দলও অভিযোগ করেছে, তাদের বহু সমর্থককে আটক করা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে প্রায় দুই হাজার জনকে আটকের কথা বলা হয়েছে। তবে আটকের সঠিক সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য রয়েছে।অন্য দিকে, ইমরানপন্থীরা জানিয়েছে, প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও তারা আন্দোলন থেকে পিছিয়ে যাবে না। মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছে ইমরান খানের মুক্তির দাবিকে আরও জোরালো করা। তেহরিক-ই-ইনসাফের নেতৃত্বের বক্তব্য, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে রাজনৈতিক উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা সফল না হওয়াতেই ফের রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই মিছিলের নেতৃত্বে থাকা খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি লাক্কি মারওয়াত থেকে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তিনি জানান, প্রদেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনও নীতি মেনে নেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ইমরান খানের নীতি ও রাজনৈতিক অবস্থানের প্রতি সমর্থনও জানান তিনি।ইমরান খান ২০২৩ সাল থেকে জেলে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং বিভিন্ন মামলায় তাঁকে সাজাও দেওয়া হয়েছে। ইমরান ও তাঁর দল অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে চলা আইনি পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে। পাকিস্তান সরকার সেই অভিযোগ মানে না। ফলে ইমরানের জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর মুক্তির দাবিকে ঘিরে দেশটির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে।এ বার সেই টানাপোড়েনই নতুন করে রাজপথে এসে পড়েছে। লাক্কি মারওয়াত থেকে শুরু হওয়া মিছিল কত দূর এগোয়, ইসলামাবাদে পৌঁছতে পারে কি না এবং প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘাত কতটা বাড়ে, এখন নজর সেদিকেই। পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই মিছিল নতুন করে কতটা প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার পায়ের রিপোর্ট প্রকাশ্যে! হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য ভবনকে আইনি নোটিস, এবার কী হবে?

২০২১ সালের নন্দীগ্রাম বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার ঘটনা নিয়ে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিক বৈঠকে সেই সময়ের একটি মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনে দাবি করেন, রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির প্রমাণ মেলেনি। এর পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য দফতরের সংশ্লিষ্ট কর্তাদের আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আইনি নোটিসে মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য কীভাবে প্রকাশ্যে এল। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও সরকারি সংস্থা বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ আইন মেনে কোনও মেডিক্যাল নথি সংগ্রহ করলেও, সেই নথি সাধারণ মানুষের সামনে প্রকাশ করার অধিকার স্বয়ংক্রিয় ভাবে তৈরি হয় না। চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য অত্যন্ত ব্যক্তিগত এবং সংবেদনশীল বলেও নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে।নোটিসে সংবিধানের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সুরক্ষিত রাখা চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্বের অংশ বলেও আইনজীবীর তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেও তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার অধিকার রয়েছেএই বিষয়টিকেও বিশেষ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত নন্দীগ্রামের পুরনো ঘটনা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকে। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি ২০২১ সালের এগারো মার্চের বাঙুর ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সের রেডিয়ো ডায়াগনসিস বিভাগের একটি রিপোর্ট দেখান। তাঁর দাবি, সেই রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সেই নথি দেখিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৎকালীন পায়ের চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বিষয়টি তদন্তের কথা জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিষয়টি সিআইডির নজরে রয়েছে। নির্বাচনী বিধি উঠে যাওয়ার পর এই ঘটনা নিয়ে আরও তদন্ত করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। তবে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার অর্থ এই নয় যে ওই সময় কোনও ধরনের চোটই ছিল না। সমসাময়িক চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিতে পা ও শরীরের অন্য অংশে আঘাতের কথা উল্লেখ ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফলে রিপোর্টের ব্যাখ্যা নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখন মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও ব্যক্তির চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি সরকারি দফতরের হাতে থাকলেই তা প্রকাশ্যে আনার অধিকার তৈরি হয় না। সেই কারণেই হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরের কাছে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে।অন্য দিকে, তৃণমূলের তরফেও রিপোর্ট প্রকাশ নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। পাল্টা রাজনৈতিক বক্তব্যে শাসক দলের নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন, ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি কীভাবে প্রকাশ্যে এল। আবার সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ২০২১ সালের পায়ের চোট নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতেই তদন্তের প্রয়োজন।ফলে নন্দীগ্রামের পাঁচ বছর আগের সেই পায়ের চোটের ঘটনা ফের রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে। এক দিকে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার দাবি, অন্য দিকে সেই রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে মমতার আইনি পদক্ষেপদুই দিকের প্রশ্নেই এখন নজর। তদন্ত এগোলে পুরনো ঘটনার আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের পর এবার বিজেপি, রাজ্যসভার টিকিট হাতে কোয়েল! পুরনো সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন অভিনেত্রী?

রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার এক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। রবিবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভা আসনের উপনির্বাচনের জন্য তাঁর নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। সোমবার সকালে দলীয় দফতরে তাঁর হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেওয়া হয়। এর পরেই রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেন তিনি।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল জানান, এই দায়িত্ব তাঁর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান তিনি। বাংলার মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি, কর্মসংস্থান এবং আরও বেশি স্কুল তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন অভিনেত্রী। তাঁর বক্তব্য, মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পেলে তিনি নিজের মতো করে সেই দায়িত্ব পালন করতে চান।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানান। গত কয়েক মাসে বাংলায় উন্নয়নের কাজ দেখে তিনি উৎসাহিত হয়েছেন বলেও জানান। তাঁর কথায়, সামাজিক মাধ্যমে তিক্ততা বাড়ছে। কাজের সুযোগ এবং কর্মসংস্থান বাড়ানো গেলে সেই পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলে মনে করেন তিনি।তবে কোয়েলের বিজেপিতে যোগদানের পর সবচেয়ে বেশি চর্চা হয়েছে তাঁর পুরনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে। কয়েক মাস আগেই তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। পরে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন। রবিবার বিজেপি তাঁকেই ফের পশ্চিমবঙ্গের ওই আসনের প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করে। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক পথবদল আরও স্পষ্ট হয়ে গেল।তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর অবশ্য দেননি কোয়েল। বরং তিনি জানান, অতীতে তিনি কারও সম্পর্কে খারাপ কথা বলেননি এবং ভবিষ্যতেও কাউকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে চান না। রাজনৈতিক মতবদলের পরেও ব্যক্তিগত আক্রমণের পথে হাঁটবেন না বলেই বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী।আগামিদিনে সক্রিয় রাজনীতিতে তাঁকে আরও বেশি দেখা যাবে কি না, সেই প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন কোয়েল। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবার সঙ্গে তাঁর পরিচয় রয়েছে। ছুটির সময়ে তাঁর মা তাঁকে মিশনারিজ় অব চ্যারিটিতে নিয়ে যেতেন বলেও জানান তিনি। মানুষের জীবনে সামান্য হলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারলে সেটাকেই নিজের সাফল্য বলে মনে করবেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।এদিকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে ঘিরে নানা ধরনের কটাক্ষও শুরু হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে কোয়েল বলেন, যাঁরা অন্যকে ছোট করে আনন্দ পান, তাঁদের প্রতি তাঁর কোনও রাগ নেই। মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী হিসাবে বিষয়টিকে তিনি অন্য ভাবে দেখেন বলেও জানান। কটাক্ষকারীদের মানসিক সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।ফলে অভিনয় থেকে রাজনীতিতে আসার পর অল্প সময়ের মধ্যেই কোয়েল মল্লিকের রাজনৈতিক যাত্রায় আরও একটি বড় মোড় এল। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ থেকে পদত্যাগ, তার পর বিজেপিতে যোগ এবং ফের রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়াপরপর এই ঘটনাগুলিই এখন বাংলার রাজনীতিতে কোয়েলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্র তৈরি করেছে। আগামী রাজ্যসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

রবিবারের সংঘর্ষের পর সকালেই বদলে গেল এসআরএফটিআই, গেটে গান্ধীর ছবি, ফের দেওয়াল লিখন!

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট। রবিবার বিকেলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিলকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানের মূল ফটকের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। মিছিলকারীদের একাংশ পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে ক্যাম্পাসে ঢোকার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তিও হয়। ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের লক্ষ্য করে বাইরে থেকে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। পাল্টা হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরাও তাঁদের উপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন।রবিবার অজয়নগর থেকে মিছিল করে এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছন হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যেরা। সংগঠনের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় স্বামী বিবেকানন্দ এবং ভারতমাতাকে অসম্মান করা হয়েছে। সেই অভিযোগের প্রতিবাদেই এই মিছিল বলে জানানো হয়। মিছিল এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছনোর পর গেটের বাইরে বিক্ষোভ শুরু হয়। বন্ধ গেট ঠেলে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের দিকে বাইরে থেকে ইট এবং জলের বোতল ছোড়া হয়। এক জন অধ্যাপক আহত হয়েছেন বলেও একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে, মিছিলকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।এই ঘটনার পর সোমবার সকাল থেকেই এসআরএফটিআইয়ের সামনে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। মূল ফটকের বাইরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়, যাতে নতুন করে কোনও উত্তেজনা তৈরি না হয়। রবিবারের ঘটনায় মহাত্মা গান্ধীর ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল। তার পরের দিন সকালে পড়ুয়ারা ফের ক্যাম্পাসের গেটে গান্ধীর ছবি টাঙিয়ে দেন।এদিকে, রবিবার পুলিশের উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসের দেওয়াল থেকে কিছু লেখা মুছে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সোমবার সকালে পড়ুয়ারা ফের সেখানে দেওয়াল লিখন করেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে। পড়ুয়াদের একাংশ প্রতিষ্ঠানের উপাচার্যের কাছেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছেন।এসআরএফটিআইয়ে এই নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় বার উত্তেজনা তৈরি হল। এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পড়ুয়া এবং ওই সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার পরেই ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। এক সপ্তাহ না কাটতেই ফের বাইরের একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল।ঘটনার পর এখন মূল নজর ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা এবং দুই পক্ষের ওঠানো অভিযোগের তদন্তের দিকে। একের পর এক রবিবারে এসআরএফটিআইয়ের মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং যাতে আর কোনও সংঘর্ষ না হয়, সেই জন্য নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের কয়েক ঘণ্টা আগে নন্দীগ্রামে বড় বদল! আইসি সরিয়ে নতুন আধিকারিক, কেন এমন সিদ্ধান্ত?

রাত পোহালেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন। তার ঠিক আগের দিন, সোমবার নন্দীগ্রাম থানার আইসি বদল করল নির্বাচন কমিশন। এত দিন এই পদে ছিলেন অজয়কুমার মিশ্র। তাঁর জায়গায় নতুন আইসি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দেবাশিস সরকারকে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, অবিলম্বে এই বদলি কার্যকর করতে হবে। ভোটের ঠিক আগে এই রদবদল ঘিরে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে আইসি বদলের নির্দিষ্ট কোনও কারণ উল্লেখ করা হয়নি। দেবাশিস সরকার এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ইনস্পেক্টর ইন-চার্জ হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন। এখন তাঁকেই নন্দীগ্রাম থানার আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব দেওয়া হল। কমিশন তাঁর যোগদানের রিপোর্টও দ্রুত জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৬ অক্টোবর। ভোটগণনা হবে ৯ অক্টোবর। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন। পরে নিয়ম অনুযায়ী তিনি একটি আসন ছেড়ে দেওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনটি শূন্য হয়। সেই কারণেই এই উপনির্বাচন।নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক গুরুত্ব অবশ্য নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে তীব্র লড়াই হয়েছিল। সেই নির্বাচনে শুভেন্দু জয়ী হন। পরবর্তী সময়েও নন্দীগ্রাম রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে থেকেছে। এবারের উপনির্বাচনেও তাই এই কেন্দ্রের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এবারের উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হাসিরানি রথ। কংগ্রেসের হয়ে লড়ছেন মিলন প্রধান। নন্দীগ্রামের নির্বাচনী লড়াই ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রচারে উত্তাপ ছিল যথেষ্ট। রবিবার সন্ধ্যায় প্রচারপর্ব শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণের আগে সোমবারই আইসি বদলের সিদ্ধান্ত সামনে এল।গত বিধানসভা নির্বাচনের আগেও অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে রাজ্যের একাধিক থানার ওসি ও আইসি বদল করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই সময় নন্দীগ্রাম-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশি স্তরে রদবদল করা হয়েছিল।তবে এবার ভোটের মাত্র এক দিন আগে নন্দীগ্রামের আইসি বদলের সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনও মেলেনি। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতেও কারণ জানানো হয়নি। ফলে শেষ মুহূর্তের এই প্রশাসনিক রদবদল নিয়েই এখন জোর চর্চা। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের ভোটে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আইসির অধীনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কী থাকে, সেদিকেই এখন নজর।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

৯/১১-র ছকেই কি হামামির পরিকল্পনা? স্মিতকে সরিয়ে ইজরায়েলে বিমান আছড়ানোর ভয়ঙ্কর নকশা ফাঁস

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাই বিমানে মাঝ আকাশে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারী সূত্র ও একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি শুধু ককপিটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেনি, বরং বিমানটিকে ইজরায়েলে আছড়ে ফেলার পরিকল্পনাও করে থাকতে পারে। এমনকি তার পরিকল্পনার সঙ্গে ৯/১১-র ধাঁচের আত্মঘাতী বিমান হামলার মিল রয়েছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তদন্তকারীদের জেরায় হামামি কী জানিয়েছে, তা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমে ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে সরিয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। এরপর বিমানটিকে স্বাভাবিক ভাবে তেল আভিভের দিকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণের অনুমতি পাওয়ার পর শেষ মুহূর্তে বিমানটিকে বিমানবন্দরের কোনও ভবন বা অন্য একটি বিমানের সঙ্গে ধাক্কা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।ইতালির সংবাদপত্রের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমেও দাবি করা হয়েছে, ককপিটে প্রার্থনা করার অছিলায় হামামি কুঠার বের করে স্মিতকে আক্রমণ করে। প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানটিকে মরুভূমিতে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ করারও চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে।ঘটনার ভয়াবহতা আরও বেড়ে যায় যখন বিমানটি মাত্র কয়েক দশ সেকেন্ডে হাজার হাজার ফুট নীচে নেমে আসে। এর আগে প্রকাশিত তদন্ত-তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ের ওই বিমানটি প্রায় ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার ফুট পর্যন্ত দ্রুত নেমে গিয়েছিল। গুরুতর আহত হয়েও স্মিত ককপিটের দরজা খোলার সুযোগ তৈরি করেন। এরপর যাত্রী ও বিমানে থাকা অন্য পাইলটদের হস্তক্ষেপে হামামিকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের তাবুকে বিমানটির জরুরি অবতরণ করানো হয়।তদন্তে হামামি একাই এই পরিকল্পনা করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ছিল। সাম্প্রতিক কয়েকটি প্রতিবেদনে তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এখনও পর্যন্ত হামামির সঙ্গে কোনও সংগঠিত গোষ্ঠীর যোগসূত্রের প্রমাণ সামনে আসেনি এবং সে একাই কাজ করে থাকতে পারে। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তার উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য যোগাযোগ নিয়ে বিভিন্ন দেশের তদন্তকারী সংস্থা খোঁজখবর করছে।এদিকে আরও একটি দাবি সামনে এসেছে। হামামি নাকি ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেওয়ার আগেই হামলার পরিকল্পনা করেছিল। জুলাই মাসেও তার একটি পরিকল্পনা ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সেই পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত কেন বাতিল হয়েছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। এমনকি তেল আভিভগামী উড়ানের জন্যই সে ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দিয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার পর হামামির আগের উড়ান-জীবন নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, উগ্রপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগের কারণে ওমানের একটি বিমান সংস্থা আগে তাকে উড়ানের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। তবে এই সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি এখনও তদন্তাধীন এবং হামামির অতীত সম্পর্কে সব তথ্যের সরকারি নিশ্চিতকরণ হয়নি।গত বুধবারের সেই ঘটনার সময় বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। ককপিটে হামলার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। স্মিতের প্রতিরোধ, ককপিটের দরজা খোলা এবং যাত্রী ও অন্য পাইলটদের দ্রুত হস্তক্ষেপের জেরেই বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তদন্তে ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে হামামির চূড়ান্ত উদ্দেশ্য, তার সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি না এবং বিমানটি ঠিক কোথায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিলএই প্রশ্নগুলির তদন্ত এখনও চলছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal