• ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Heavy Rain

রাজ্য

প্রবল বৃষ্টিতে জলমগ্ন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ অঞ্চল

বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে প্রবল বর্ষন জেলা জুড়ে। জলমগ্ন গোটা দক্ষিণ ২৪ পরগনা। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর সোমবার থেকে টানা বৃষ্টির ফলে জল থৈথৈ করছে সারা জেলা। কোথাও হাঁটুর পর্যন্ত তো কোথাও বা কোমর পর্যন্ত জল দাঁড়িয়ে গেছে বিভিন্ন জায়গায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনা কাকদ্বীপ, নামখানা, গঙ্গাসাগর ,ডায়মন্ড হারবার, কুলতলী ,গোসভা ,বাসন্তী গঙ্গাসাগর, নদীগুলি জল জলোচ্ছ্বাসে বাড়ছে। ভয়ে শিউরে উঠছে সুন্দরবনের স্থায়ী বাসিন্দারা। মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে বজ্রপাত, ঝড়ো হাওয়ার সাথে তুমুল বৃষ্টিপাত।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

একটানা বৃষ্টিতে নাকাল চাঁচল, বাড়ির ভিতরে জল

নেই নিকাশি ব্যাবস্থা। রাতের টানা বৃষ্টিতেই জল থই থই মালদার চাঁচলের একাধিক এলাকা। ভারী বৃষ্টিতে চাঁচলের অধিকাংশ বাড়িতে ঢুকলো জল। হাটু সমান জলে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা। রাস্তার নোঙরা জল বাড়িতে ঢুকতেই অস্থায়ী ভাবে ঘর ছাড়লেন অনেকেই। টানা কয়েকঘন্টা জলমগ্ন থাকলে পঞ্চায়েতের তরফে নিস্কাশন না হওয়ায় সরব হয়ে বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা। জল যন্ত্রণা নিয়ে শুরু তৃণমূল বিজেপি চাপানোতোর।গভীররাতে ভারী বৃষ্টিপাতের জেরে জল থই থই করছে চাঁচল সদরের বিভিন্ন ওলি গলিতে। কোথাও হাটু সমান জল আবার কোথাও আবার রাস্তা উপচে জল ঢুকেছে শোবার ঘরে। মঙ্গলবার সাত সকালে জল যন্ত্রণার ছবি ফুটে উঠেছে চাঁচলে। চাঁচল সদরের ট্যান্ডেল পাড়া, হাসপাতালপাড়া, থানা পাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় জল থই থই করছে।থানা পাড়ার একাধিক বাড়িতে জল ঢুকে একাকার। পঞ্চায়েত প্রশাসনের তরফে জল নিস্কাশন না হওয়ায় বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা। থানাপাড়ার বাসিন্দা সৌরভ দাসের অভিযোগ, ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট নেন নেতারা। কিন্তু ভোটপর্ব মিটতেই এলাকায় আর দেখা যায়না।কয়েকদশক ধরে থানা পাড়ার শতাধিক বাসিন্দা জলযন্ত্রনায় ভুগছি।বর্ষাকাল হোক বা বর্ষা শেষে। সামান্য বৃষ্টি হলেই জলমগ্ন হয়ে পড়ে এলাকা। একাধিকবার ড্রেন নির্মাণের দাবি জানালেও কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যেরও দেখা নেই। সকাল থেকে জল নিস্কাশনের ব্যবস্থা নেননি কেউ।চাঁচল গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধান আজমেরী খাতুনের স্বামী মোক্তার হোসেন জানিয়েছেন,১০০ দিনের প্রকল্পে ড্রেন নির্মাণের টেন্ডার ধরা হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় সরকার সেই প্রকল্প বন্ধ রাখায় কাজ থমকে রয়েছে।তবে বৃষ্টির জল নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জল যন্ত্রণা নিয়ে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি। চাঁচলের বিজেপি নেতা প্রসেনজিৎ শর্মা বলেন, পঞ্চায়েত ও প্রশাসনের উদাসীনতার কারণেই মানুষ জল যন্ত্রণার শিকার হচ্ছে।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

ভোর থেকে ভারী বৃষ্টি জল বন্দি জলপাইগুড়ি

মাঝরাত থেকে প্রবল বর্ষণে জলবন্দী জল্পাইগুরি শহর ও সংলগ্ন এলাকা। আবহাওয়া দপ্তরের পুর্বাভাষ ছিল। সোমবার ভোর থেকে শুরু হওয়া অবিরাম বৃষ্টিতে ভাসলো জলপাইগুড়ি শহরের বিভিন্ন এলাকা,কোথাও হাঁটু জল। কোথাও কোমর অবধি জল। সপ্তাহের প্রথম দিনের ভোরে জলে থৈ থৈ জলপাইগুড়ি শহরের পথঘাট, সমস্যায় পরতে হচ্ছে কাজে কর্মে যাওয়া সাধারণ মানুষের।স্কুল ছাত্র ছেতে অফিস যাত্রী সবাই গৃহ বন্দী। রাস্তার পাশের পানীয় জলের কল গুলি ও জলের তলায়। এলাকা বাসিদের আশঙ্কা জল তাড়াতাড়ি না নাম্লে পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দিতে পারে। সাথে সাথে জল বাহিত রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা করছেন এলাকার মানুষজন।

আগস্ট ২৯, ২০২২
রাজ্য

ঘূর্ণিঝড়ের অশনি সংকেত, রাজ্যে প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা

মে যেন ঘূর্ণিঝড়ের মাসে পরিণত। এর আগেও মে-তেই নানান ঝড় এসেছে বঙ্গে। বা ঝড়ের প্রভাবে লাগাতার বৃষ্টি হয়েছে। ফের ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আলিপুর হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, গতকাল দক্ষিণ আন্দামান সাগরের ঘূর্ণাবর্ত আজ, শনিবার গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তবে এই নিম্নচাপ রবিবারের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার এই ঘূর্ণিঝড় পাশের ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের কাছে অবস্থান করবে। আবহাওয়ায় এই পরিবর্তনের দরুন বঙ্গে আগামী মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুত্-সহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ইতিমধ্যে উপকূলবর্তী এলাকায় ঘোষণা করা হয়েছে, মত্স্যজীবীরা যেন ওই সময় সমুদ্রে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকেন। এদিন সন্ধ্যাতে ঘূর্ণাবর্ত গভীর নিম্নচাপে পরিবর্তন হবে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

মে ০৭, ২০২২
বিদেশ

সিডিনির সমুদ্র সৈকতে ভেসে উঠল বিরল প্রজাতির রঙ্গীন সি-ড্রাগন

অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসল অতিকায় প্রাণবন্ত রঙ্গীন বিরল প্রানী। বেশ কয়েকদিন ধরেই টানা বৃষ্টি হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ায়। সেই বৃষ্টির জলে সমুদ্রপৃষ্টের জলস্তর অনেকটা স্ফীত হয়ে উঠেছে, তারই সাথে গত কয়েকদিনে অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র সৈকতে বেশ কিছু অদ্ভুত এবং প্রাণবন্ত প্রাণী ভেসে আসছে। তীরে ভেসে আসা সর্বশেষ সামুদ্রিক প্রাণীটি বিশেষজ্ঞদের বিস্মিত করেছে। নিউ সাউথ ওয়েলসের সমুদ্র সৈকত জুড়ে মৃত মাছ - সিড্রাগন - এর ছবি ফুটে উঠেছে। এখনও অবধি, সিড্রাগনগুলি ক্রনুল্লা, মালাবার এবং সেন্ট্রাল কোস্ট অঞ্চলে দেখা গেছে। কিন্তু এই আটকে পড়া সামুদ্রিক ড্রাগনগুলিকে স্বাভাবিকের চেয়ে কমপক্ষে ১০ গুণ বড় দেখা গেছে, যা প্রানী বিজ্ঞানীদের রিতীমত অবাক ও আতঙ্কিত করে তুলছে।এই প্রানীগুলি নিয়ে রীতিমত গবেষণা শুরু করে দিয়েছেন প্রানী বিজ্ঞানীরা। ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি সিডনির সামুদ্রিক বাস্তুবিদ্যার অধ্যাপক, ডঃ ডেভিড বুথ সিডনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন যে, রং-বেরংয়ের সি-ড্রাগনগুলি এভাবে সমুদ্র পৃষ্টে এসে পরার কারন হতে পারে টানা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, অতি মাত্রায় দুষন সমুদ্রের জলে এসে পড়ায় তাঁরা পাড়ে এসে উঠেছে। তিনি জানিয়েছেন মাত্র দু-সপ্তাহের মধ্যে সিডনির সৈকত জুড়ে ২০ টিরও বেশি সামুদ্রিক ড্রাগন দেখা গিয়েছে।এই সিড্রাগনগুলি প্রায়শই অস্ট্রেলিয়ান জলে দেখতে পাওয়া যায় এবং তাদের এতটা পথ পাড়ি দিয়ে পথভ্রষ্ট হওয়াটা কিছুটা অস্বাভাবিক। বুথ ব্যাখ্যা করেছেন যে এই ছোট সিড্রাগনগুলি আগাছাযুক্ত এবং তারা তাদের পুরো জীবনকালে তাদের এলাকা থেকে ২০ থেকে ৫০ মিটারের বেশি দূরে সরে যায় না। শক্তিশালী স্রোতের সময়, তারা সমুদ্রের ভিত্রে গুল্ম আঁকড়ে ধরে থাকে যাতে পথ ভ্রষ্ট না হয়।বিচগোয়ার বেটি র্যাটক্লিফ সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন যে তিনি এক সপ্তাহের মধ্যে ৭টি সিড্রাগনের উপর হোঁচট খেয়েছেন। কমলা, হলুদ এবং বেগুনি রঙের রাঙ্গানো প্রাণীগুলি খুবই প্রাণবন্ত ছিল, তিনি বলেন, আগামী কয়েকদিন ধরে তিনি আরও বেশি খুঁজতে থাকবেন যাতে আরও বেশী সামুদ্রিক প্রানী পেতে পারেন।আবাসস্থল হারানোর জন্য সংবেদনশীল এবং পরিবেশগত কারণগুলিকে তীরে চলে আসা সিড্রাগনের প্রধান কারণ হিসাবে বিবেচনা করছেন পরিবেশবিদরা।

এপ্রিল ২০, ২০২২
রাজ্য

Suicide: ফসলের ক্ষতি, আরও এক চাষি আত্মঘাতী শস্যগোলায়, শুরু রাজনৈতিক তর্জা

জাওয়াদের প্রভাবে হওয়া অসময়ের বৃষ্টিতে ধান ও আলু চাষে ক্ষতি হয়ে যাওয়ার হতাশায় ফের পূর্ব বর্ধমানে আত্মঘাতী হলেন চাষি। সোমবার সকালে বাড়ি থেকে উদ্ধার হল জেলার মেমারি ২ ব্লকের সাতগেছিয়া সংলগ্ন পাহারহাটি গ্রামের বছর ৫৩ বয়সী চাষি ভাস্কর মণ্ডলের মৃতদেহ। এই নিয়ে বিগত এক মাসের মধ্যে রাজ্যের শস্যগোলার পাঁচ জন চাষি আত্মঘাতী হলেন। যা নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক ও বিরোধীদের রাজনৈতিক তর্জা। মৃত চাষি ভাস্কর মণ্ডলের পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি জাওয়াদের প্রভাবে দুদিন ধরে লাগাতার বৃষ্টিপাত হয়। তার করণে ভাস্করবাবুর পাকা ধান জমি ও আলু চাষের জমি জলে ডোবে। মৃতর ভাই অরুপ সরকার বলেন, তাঁর দাদার জমির পাকা ধান গাছ জলে ডুবে গিয়ে পচে নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়াও তাঁর দাদা যে বিঘে পাঁচেক জমিতে আলু বীজ বসিয়েছিল তাও জলে ডুবে যাওয়ায় নষ্ট হয়ে যায়। চাষের জন্য মহাজনও ঋণ ছাড়াও অনেকের কাছে ভাস্কর বাবু দেনা করেছিলেন। কয়েক লক্ষ টাকা তাঁর দেনা ছিল। ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েন ভাস্করবাবু। দেনা কিভাবে শোধ করবেন তা বুঝে উঠতে না পেরে তিনি মানসিক হতাশা ও দুঃশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছিলেন। মাঝে মধ্যেই আত্মহত্যা করব বলে বাড়ির লোকজনকে বলতেন। শেষ পর্যন্ত তিনি আত্মহত্যারই পথ বেছে নিলেন। একই কথা বলেছেন মৃতর স্ত্রী রীণাদেবী। এদিনই মেমারি থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে পাঠায়। যদিও জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মহম্মদ ইসমাইল দাবি করেছেন, চাষের কারণে ভাস্কর মণ্ডল আত্মঘাতী হননি। তিনি মানসিক রোগী ছিলেন। একই দাবি করেছেন জেলার সহ কৃষি আধিকারিক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।কৃষি আধিকারিক এমনটা দাবি করলেও কৃষি দফতর সূত্রে খবর, সম্প্রতি হওয়া অসময়ের বৃষ্টিতে মেমারি ২ ব্লকে চাষের ভালোই ক্ষতি হয়েছিল। ১৭ হাজার হেক্টর আমন ধানের মধ্যে প্রায় ৭ হাজার হেক্টর ধান ক্ষতির মুখে পড়ে। এছাড়াও ৮৬০০ হেক্টরের আলু চাষের মধ্যে ৫২০০ হেক্টর আলু চাষের জমি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তার মধ্যে মেমারি ২ ব্লকের পাহারহাটি এলাকায় ক্ষতির পরিমান ভালোই ছিল।এদিকে এই চাষির মৃত্যু নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপান-উতোর। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ পোদ্দার বলেন, সাতগেছিয়া এলাকায় চাষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অথচ রাজ্য সরকারকে চাষিরা পাশে পেল না। তৃণমূলের মেমারি ২ ব্লকের সভাপতি তথা জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মহম্মদ ইসমাইল অবশ্য বলেছেন, রাজ্য সরকার চাষিদের পাশে সবসময় রয়েছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

Cyclone JAWAD: গভীর নিম্নচাপ হয়েই বাংলায় প্রবেশ জাওয়াদের

শনিবারই শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছিল ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ। রবিবার সকালে তা আরও শক্তিক্ষয় করে সাধারণ নিম্নচাপে পরিণত হয় এবং ঘণ্টায় ১১ কিলোমিটার গতিবেগে ওডিশা উপকূলের দিকে এগিয়েছে। হাওয়া অফিসের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী সোমবার ওডিশা উপকূল থেকে নিম্নচাপটি আরও উত্তরপূর্বে সরেছে। এবং ১০ কিলোমিটার প্রতিঘণ্টা বেগে এগোচ্ছে। আগামী ছঘণ্টায় আরও শক্তি ক্ষয় করে নিম্নচাপ অঞ্চলে পরিণত হবে বাংলার উপকূল।যার জেরে রাত থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। সোমবার সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার। টানা বৃষ্টিতে কলকাতার একাধিক অঞ্চলে জল জমার সম্ভাবনা। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতি কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে।হাওয়া অফিসের জানিয়েছে, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, বীরভূম, বাঁকুড়া, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমানে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাংলাদেশ লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, রাজ্যের উপকূলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। দুই ২৪ পরগনা এবং দুই মেদিনীপুরে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সোমবার বিকেল থেকে ধীরে ধীরে হাওয়ার গতি কমবে। মঙ্গলবারের পর বৃষ্টি কমতে পারে বলেই জানিয়েছে তারা।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Cyclone Jawad: বাংলায় গভীর নিম্নচাপ হয়েই প্রবেশের সম্ভাবনা জাওয়াদের, জানাল হাওয়া অফিস

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ স্থলভাগের ঠিক কোথায় আছড়ে পড়বে, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানায়নি হাওয়া অফিস। তবে, বাংলায় তা ঢুকতে পারে গভীর নিম্নচাপ হিসাবে। শনিবার সকালে হাওয়া অফিসের বুলেটিন অন্তত এমনটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে।মধ্য-পশ্চিম বঙ্গোপাগরেই এখন অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড়টি। গত ৬ ঘণ্টায় ৬ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে উত্তর এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়েছে সে। শনিবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় মৌসম ভবনের দেওয়া তথ্য অনুসারে, বিশাখাপত্তনম থেকে ২৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, পুরী থেকে ৪৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে। ৫ ডিসেম্বর তা পুরী উপকূলে পৌঁছতে পারে বলে আশঙ্কা আবহাওয়াবিদদের। এর পর তা ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে। তার পরই তা ক্রমশ এগিয়ে আসতে পারে বাংলার উপকূলবর্তী এলাকায়। কিন্তু বাংলায় যখন আসবে, তখন তার শক্তি কতটা থাকবে, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। এখনও অবধি মৌসম ভবন যা জানিয়েছে, তাতে গভীর নিম্নচাপ হয়েই জাওয়াদ-এর বঙ্গে ঢোকার সম্ভাবনা প্রবল।বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ঘণীভূত হওয়ার জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ শনিবার সকাল থেকেই মেঘলা। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, বিক্ষিপ্ত থেকে হালকা বৃষ্টিও হতে পারে কলকাতায়। উপকূলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টিরও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২১
রাজ্য

Cyclone Jawad: পুরী ছুঁয়ে বাংলার দিকে আসতে পারে জাঁদরেল জাওয়াদ

সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের অভিমুখ পরিবর্তন বিপদ বাড়াচ্ছে বাংলার। মৌসম ভবনের দাবি অনুযায়ী জাওয়াদ আগামিকাল অর্থাৎ শনিবার ভোরে অন্ধ্র-ওডিশা উপকূলে পা রাখবে। তারপর তা বাঁক নিয়ে ওডিশা, ছত্তিশগড় হয়ে মধ্যপ্রদেশের দিকে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাংলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু দ্বিতীয় মত, এই ঘূর্ণিঝড় ভূমিস্পর্শ করবে না শনিবার ভোরে। বরঞ্চ তা সাগরের বুকেই বাঁক নিয়ে মধ্য ও উত্তর ওডিশা উপকূলের দিকে এগিয়ে আসবে। রবিবার বিকালের মধ্যেই তা পুরীর কাছাকাছি চলে আসবে। অনুমান সোমবার ভোরে তা ভূমিস্পর্শ ঘটবে বাংলা ওডিশা উপকূলে। যদিও সেক্ষেত্রে তা আর ঘূর্ণিঝড় থাকবে কিনা তা নিয়ে খটকা থাকছে। কেননা দীর্ঘ সাগর পাড়ি দেওয়ার জেরে সাগরের বুকেই তার শক্তিক্ষয় হতে শুরু করে দেবে। তার জেরে ভূমিস্পর্শ কালে তা অতি গভীর নিম্নচাপের চেহারা নেবে। আর তার জেরে ওডিশা ও বাংলার বুকে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। আবার এটাও হতে পারে ওডিশা উপকূল ধরে এগোবার সময় সাগর থেকে আরও শক্তি সঞ্চয় করবে সে। আর তারপরেই সে এগিয়ে আসবে বাংলার দিকে।শুক্রবার বিকালে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছে, এই ঘূর্ণিঝড় আদৌ ভূমিস্পর্শ করবে কিনা তা নিয়েই খটকা আছে। তবে সাগরের বুকেই সে বাঁক নিয়ে ওডিশার উপকূল ধরে বাংলার দিকে এগিয়ে আসবে। তার জন্য এদিন থেকেই বাংলায় বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে। বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। শনিবার এই দুই জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। সঙ্গে উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, কলকাতা, হাওড়া ও হুগলি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। রবিবার কিন্তু দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও ঝাড়গ্রাম জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হবে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। সঙ্গে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় জলোচ্ছ্বাসেরও সম্ভাবনা থাকছে সেক্ষেত্রে। তবে ওডিশা উপকূল ধরে এগোনোর সময়েই জাওয়াদের শক্তিক্ষয় ঘটতে পারে। তাই বঙ্গে ঝড়ের তাণ্ডব সেভাবে নাও থাকতে পারে। কিন্তু যদি তার বিপরীত হয়, তাহলে বাংলার কপালে দুর্ভোগ থাকবে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Cyclone-Jawad: আরও শক্তি বাড়াল নিম্নচাপ! আগামী ১২ ঘণ্টায় ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়

আরও শক্তি বাড়াল নিম্নচাপ। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত অতি গভীর নিম্নচাপ। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর লাগোয়া পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান। আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিণত হবে ঘূর্ণিঝড়ে। রবিবার সকালের মধ্যে পৌঁছবে ওডিশা-অন্ধ্র উপকূলে। তারপর উত্তর-উত্তরপূর্ব অভিমুখে বাঁক নেবে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ।বঙ্গোপসাগরে ঘণীভূত হওয়া নিম্নচাপের জেরে শনিবার থেকে বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলায়। শনিবার থেকেই বৃষ্টি শুরু হতে পারে রাজ্যের উপকূলের জেলাগুলিতে। রবিবার দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলাতেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, শুক্রবার কলকাতার আকাশ থাকবে আংশিক মেঘলা। তবে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। আকাশে বিক্ষিপ্ত মেঘের জেরে বাড়বে তাপমাত্রা। যার জেরে কমবে শীতের অনুভূতি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে যথাক্রমে ২৯.৭ ডিগ্রি এবং ১৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি।শুক্রবার থেকেই বেশ কয়েকটি জেলা, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়ায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। ৬ জেলায় শনিবার ভারী বৃষ্টি। রবিবার মূল দুর্যোগের আশঙ্কা। এই ঘূর্ণিঝড় অন্ধ্র-ওডিশা উপকূলের দিকে এগোবে। কিন্তু সেখান থেকে এটি স্থলভাগে ঢুকে যাবে কিনা, তা সুস্পষ্ট নয়। এক হতে পারে, স্থলভাগে ঢুকে খানিকটা শক্তি হারিয়ে বাংলার দিকে এল। অথবা স্থলভাগে না ঢুকেই সমুদ্র পথ ধরে বাংলায় আছড়ে পড়তে পারে। ওড়িশার কাছাকাছি আসার পর ঘূর্ণিঝড় একটা টার্ন নিতেই পারে।আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এবছর আন্দামান ও বঙ্গোপসাগরে বারবার নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে। যদি নিম্নচাপ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে,তাহলে শক্তি বৃদ্ধি করবেই। এক্ষেত্রেও সেটি হবে। এবছর একটানা শীতের মরসুমও নেই। তার একটাই কারণ জলীয় বাষ্প। শীতের আমেজও এবার কম থাকবে। এক টানা কনকনে শীতের সম্ভাবনা কম।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Cyclone: ফের ঘূর্ণিঝড়ের ভ্রুকুটি বঙ্গে, থাইল্যান্ড থেকে ধেয়ে আসছে জাওয়াদ

থাইল্যান্ড থেকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ। ফের বাংলায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস। সপ্তাহান্তে কলকাতা-সহ উপকূল সংলগ্ন জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে অতিভারী বৃষ্টির সর্তকতা জারি করা হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে।দক্ষিণ থাইল্যান্ডের ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি ক্রমশ দক্ষিণ আন্দামান সাগরে ঢুকবে। শক্তি সঞ্চয় করে সেখানেই ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে এই গভীর নিম্নচাপ। ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে জাওয়াদ। শনিবার সকালে এটি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ অথবা ওডিশা উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কলকাতা -সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টি এবং উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনি ও রবিবার ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।এর প্রভাবে শনিবার সকালে পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্র উপকূলে বাতাসের গতিবেগ ৬৫ থেকে ৮০ কিলোমিটার হতে পারে। মৎস্যজীবীদের দেওয়া সতর্কবার্তায় আবহাওয়া দপ্তর শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। যারা সমুদ্রের রয়েছেন তাদের বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে ফিরে আসতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Weather: সপ্তাহের শুরুতেই প্রবল ঝড়-বৃষ্টি কলকাতায়

রবিবারের বিকেলেই বদলে গেল কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়া। কালো মেঘে ঢাকল আকাশ। ঝোড়ো হাওয়া সঙ্গে বৃষ্টিতে সোমবারও ভিজবে তিলোত্তমা, এমনটাই খবর৷ ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া সঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় এই বৃষ্টি হবে বলে জানান হয়েছে৷রবিবার থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টি সোমবার থেকে বাড়তে শুরু করেছে৷ সপ্তাহের শুরুতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। মঙ্গলবারও বৃষ্টি হবে কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে, হাওয়া অফিস সূত্রে এমনটাই খবর। সোমবার উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টি হবে। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে কোচবিহার, মালদা ও দুই দিনাজপুরে।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে সোমবার খারাপ আবহাওয়ার আশঙ্কা। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি চলবে মঙ্গলবার পর্যন্ত। উপকূলের জেলাগুলিতে বেশি বৃষ্টির পূর্বাভাস। সমুদ্রযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে মৎস্যজীবীদের জন্য। রবিবারের মধ্যেই মাঝ সমুদ্র থেকে তাদের ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৭ শতাংশ, ন্যূনতম ৭৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১৫.৭ মিলিমিটার।মৌসম ভবনের তরফে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে দুটি নিম্নচাপ রয়েছে। দক্ষিণ পূর্ব আরব সাগরে রয়েছে একটি নিম্নচাপ। অন্য নিম্নচাপটি পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ দক্ষিণ ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে অবস্থান। শক্তি হারাচ্ছে নিম্নচাপটি। অভিমুখ উত্তরপ্রদেশ। ফলে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
দেশ

Keral Rain: কেরলে প্রবল বৃষ্টি-ধসে মৃত ২১, জারি লাল সতর্কতা

প্রবল বৃষ্টির জেরে বিধ্বস্ত কেরল। আরবসাগরে ঘনিভূত নিম্নচাপের বৃষ্টির জেরে কেরলের মধ্য এবং দক্ষিণ প্রান্তের জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই হড়পা বান শুরু হয়েছে। কেরলের প্রশাসন সূত্রে খবর, বৃষ্টি পরবর্তী ধসে রাজ্যে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়। নিখোঁজ আরও বহু।বৃষ্টি থেকে হওয়া ধসে কেরলে যে সব দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গিয়েছে, সেগুলি মূলত কোট্টায়াম এবং ইদ্দুকি জেলার। এই দুই জেলা এবং পথনমথিট্টার পাহাড়ি এলাকাগুলিতেই বন্যা হয়েছে এবং ধস নেমেছে সবচেয়ে বেশি। কেরলের বেশ কিছু নদীও বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। কোট্টায়াম এবং ইদ্দুকি জেলায় একটি নদী প্লাবিত হয়ে বেশ কয়েকটি গ্রাম ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে। এর উপর রবিবার বাঁধের জল ছাড়ার ব্যাপারে সতর্কতা জারি করেছে কেরল প্রশাসন। বেশ কয়েকটি বাঁধের ধারণ ক্ষমতা অতিক্রম করে যাওয়ায় জল ছাড়া হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। সে ক্ষেত্রে আগামী দুদিন বৃষ্টি কমলেও বন্যা পরিস্থিতি কমার কোনও সম্ভাবনা নেই কেরলে।আরও পড়ুনঃ ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি দক্ষিণবঙ্গে, রাত থেকে শুরু বৃষ্টি, সঙ্গী ঝোড়ো হাওয়াআবহাওয়াবিদরা জানিয়েছিলেন, রবিবার সকাল পর্যন্ত কেরলে অতি ভারী বৃষ্টি হবে। পরবর্তী দুদিনে ধীরে ধীরে বৃষ্টির তীব্রতা কমবে। ইতিমধ্যে কেরলের পাঁচটি জেলায় তাঁরা লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নও মেনে নিয়েছেন পরিস্থিতি বেশ গুরুতর। সাম্প্রতিক কালে এই পর্যায়ের বৃষ্টি বহুদিন হয়নি কেরলে।রবিবার সকালে অবশ্য শুধু কেরল বা দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে নয়, উত্তরের বেশ কয়েকটি রাজ্যেও ভারী বৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানী দিল্লি এবং সংলগ্ন এলাকাও রয়েছে। উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশের পশ্চিমাঞ্চল এবং পঞ্জাবে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়ে লাল এবং কমলা সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। তবে এর মধ্যেও কেরল নিয়ে চিন্তা ক্রমশ বাড়ছে।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Weather: নিম্নচাপ কাটলেও ভারী বর্ষণের সতর্কতা! রাজ্যের কোন কোন অংশ ভাসবে জানুন

নিম্নচাপের জেরে একটানা বৃষ্টি চললেও, শুক্রবার বৃষ্টি অনেকটাই কমবে এমনটাই জানান হয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে৷ তবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কমলেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। এছাড়াও রাজ্যের একাধিক জায়গায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এই মুহূর্তে ঝাড়খণ্ড ও বিহারের উপরে সুস্পষ্ট নিম্নচাপ অবস্থান করছে। শুক্রবার সেটি শক্তি হারিয়ে ফের ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হবে। কিন্তু সেটি গতিপথ বদলে গিয়েছে বর্তমানে। শনি ও রবিবারও উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি হবে বলে হাওয়া অফিস জানিয়েছে। তবে আবার রবিবার বিকেল থেকেই বৃষ্টির দাপট অনেকটা কমবে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। রবিবার কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে,একারণে কমলা সতর্কবার্তা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। অন্যদিকে, শনিবার বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। উল্লেখ্য, চলতি মাসে গোটা রাজ্যেই অতিরিক্ত বৃষ্টি হলেও ঘাটতি থেকে গিয়েছে উত্তরে। তাই ঘাটতি পূরণে এবার ভাসবে উত্তরবঙ্গ।আজ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আকাশ প্রধানত মেঘলাই থাকবে৷ ছিটেফোঁটা বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৮ শতাংশ, ন্যূনতম ৭০ শতাংশ।

অক্টোবর ০১, ২০২১
রাজ্য

Heavy Rain: নিম্নচাপে বিধ্বস্ত রাজ্য, রাতভর তুমুল বৃষ্টিতে ভাসছে শহর থেকে জেলা

মঙ্গলবার যে ঘূর্ণাবর্তটি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছিল সেটি এখন গভীর নিম্নচাপ হয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের মাঝামাঝি অবস্থান করছে। ফলে বুধবারও সারা দিন কলকাতা এবং দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার রাত থেকেই কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা-সহ রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে জোরালো বর্ষণ শুরু হয়। সেই বৃষ্টি বুধবার সকালেও অবিরাম চলছে। সুস্পষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে মঙ্গলবার রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতায়। বুধবার সারা দিন বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। রাতভর বৃষ্টিতে জল জমেছে কলকাতার অনেক জায়গায়। সকাল ও সন্ধ্যায় জোয়ারের জন্য লকগেট বন্ধ থাকায় জল-যন্ত্রণা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ বেটিং চক্র বন্ধের দাবিতে প্রশাসনের দ্বারস্থ কালনার বাসিন্দারাজল জমেছে উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার অনেক জায়গায়। উত্তরের ঠনঠনিয়া, কালাকার স্ট্রিট, মহাত্মা গান্ধি রোড, কলেজ স্ট্রিট, মধ্য কলকাতার সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ, তারাতলা, নিউ আলিপুর জলমগ্ন। নিউ আলিপুরে রাস্তায় ভেঙে পড়েছে গাছ। ফলে যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটেছে। আবহবিদরা জানাচ্ছেন, সুস্পষ্ট নিম্নচাপের জেরেই এমন পরিস্থিতি। এর প্রভাব আগামী ২৪ ঘণ্টা চলবে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের কয়েকটি জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার কিছু জায়গাতেও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনা, দুই বর্ধমানের কিছু অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। টানা বৃষ্টির কারণে বুধবার তাপমাত্রাও কমবে বেশ কিছুটা। আাবহবিদরা জানিয়েছেন, বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা কি না স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Weather: ঘূর্ণাবর্তের চোখরাঙানি, ভাসবে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলা

ঘূর্ণিঝড় গুলাবের প্রভাব এ রাজ্যে তেমন পড়েনি। কিন্তু গুলাবের পিছুপিছু মঙ্গলবার রাজ্যে হাজির হচ্ছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। যার জেরে মঙ্গলবার থেকেই গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। ঘূর্ণাবর্তের জেরে বুধবারও কলকাতা-সহ বিভিন্ন জেলায় চলবে বৃষ্টি। এই বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন হতে পারে কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা। গুলাব স্থলভাগে প্রবেশ করে শক্তি হারিয়েছে। তবে বঙ্গোপসাগরে চোখরাঙাচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত। দক্ষিণবঙ্গে ফের দুর্যোগের সতর্কতা। আজ ও কাল কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। আরও পড়ুনঃ কয়েক ঘণ্টায় দক্ষিণের জেলাগুলোতে ধেয়ে আসছে বৃষ্টিমঙ্গলবার সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দফায় দফায় বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রামে । বুধবারেও মেঘলা আকাশ থাকবে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলায়। ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ায়। বৃষ্টি চললেও বৃষ্টির পরিমাণ কমে যাবে। ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে। কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। আগামী দু-তিন দিন গুজরাত, কোঙ্কন, গোয়া, মধ্য মহারাষ্ট্র, মারাঠাওয়াড়া, সৌরাষ্ট্র, কচ্ছ এবং ঝাড়খণ্ডে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।দুর্যোগের পরিস্থিতি সামাল দিতে তৈরি প্রশাসন। এ নিয়ে দক্ষিণবঙ্গ ও উপকূলবর্তী জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন মুখ্যসচিব । পরিস্থিতি সামলাতে একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা, মহকুমা, পুরসভা ও ব্লক সদর দফতরে কন্ট্রোল রুম প্রস্তুত রয়েছে। প্রস্তুত টেলিকম দপ্তরও।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Cyclone Gulab: সরাসরি না আসলেও গুলাব ভাসাবে দক্ষিণবঙ্গ, জারি সতর্কতা

ঘূর্ণিঝড় গুলাব বঙ্গে আছড়ে পড়ছে না। তবে নিম্নচাপের জেরে মঙ্গলবার থেকে দুর্যোগের ঘনঘটা চলতে পারে দক্ষিণবঙ্গে। এনিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্নরকম ব্যবস্থা নিতে শুরু করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, গুলাব-এর ল্যান্ডফল হতে পারে কলিঙ্গপত্তনমের কাছে। ঝড়ের গতি হতে পারে ৭৫-৯৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। এর প্রভাবে ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশে ভারী বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে। এর প্রভাবে মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর জন্য দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ দুর্যোগের আবহে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি বাতিল সরকারি কর্মীদেররবিবার সকাল থেকেই দিঘায় ঝলমলে আবহাওয়া থাকলেও দুপুরের পর থেকে আকাশের মুখ গোমরা হতে শুরু করে। দফায় দফায় বৃষ্টিও হচ্ছে। সকালে আবহাওয়া ভালো থাকায় পর্যটকরা সমুদ্রে নামতে শুরু করে। তখনই প্রশাসনের তরফে মাইকিং করে তাদের উঠে যেতে বলা হয়। বিকেলে দিঘার সমুদ্র সৈকতে আর কোনও পর্যটককে ঘেঁসতে দেওয়া হচ্ছে না। ইতিমধ্যে দিঘায় মোতায়েন করা হয়েছে এনডিআরএফ। প্রশাসনের তরফে মাইকে ঘোষণা করা হচ্ছে মঙ্গলবার থেকে কোনও হোটেলে বুকিং নেওয়া হবে না। ওই নির্দেশিকা কার্যকর থাকবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। যেসব পর্যটক আগে থেকেই হোটিল বুকিং করে রেখেছিলেন তাদের বুকিং বাতিল করে দিতে হবে বা বুকিং পিছিয়ে দিতে হবে। বহু মৎস্যজীবী ফিরে এসেছেন। তাদের নৌকোগুলিকে শক্ত করে বেঁধে রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে বিপর্যয় মোকাবিলায় লালবাজারে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। যেখানে পুরসভা, সিইএসই, দমকল, পিডব্লুডি অফিসাররা থাকছেন। অ্যাডিশনাল সিপি তন্ময় রায়চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশি বন্দোবস্ত করা হয়েছে। মোট ২২টি বিপর্যয় মোকাবিলা দল প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। প্রত্যেক দলে ৩জন করে থাকবেন। এর মধ্যে ভবানীপুর ও কালীঘাট থানায় মোট ৪টি দল থাকছে। আলিপুর, ওয়াটগঞ্জ, একবালপুর, নিউ মার্কেট, পার্ক স্ট্রিট থানায় একটি করে টিম থাকছে। বাকি 8টি ডিভিশনে ১টি করে টিম থাকবে। পিটিএস ও বডিগার্ড লাইনে ৫টি টিম স্ট্যান্ড বাই থাকবে। থানাগুলিকে বলা হয়েছে, তাঁদের এলাকায় বিপজ্জনক বাড়ির তালিকা তৈরি করে রাখতে। সেখানে থাকা মানুষদের শেল্টারে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করতে বলা হয়েছে। পুরসভা ও সেচ দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে সব থানাকে।অন্যদিকে, ক্যানিংয়ের বিভিন্ন জায়গায় মাইকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। গোসাবা, বাসন্তী, জীবনতলা, ক্যানিংয়ের গ্রামে গ্রামে প্রচার চালাচ্ছে প্রশাসন। যেসব লোকের মাটির বাড়ি তাদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছেন প্রশাসনের লোকজন। তাদের বলা হচ্ছে দুর্যোগ শুরু হলেই নিকটবর্তী স্কুল বা সরকারি ভবনে গিয়ে উঠতে হবে। সঙ্গে রাখতে হবে পর্যাপ্ত পানীয় জল ও পর্যাপ্ত খাবার।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
রাজ্য

Weather: মহামূর্তি ধারণ করে এগিয়ে আসছে জোড়া দুর্যোগ, আতঙ্কে বঙ্গবাসী

বঙ্গের আকাশ থেকে দুর্যোগের মেঘ যেন কিছুতেই কাটছেই না। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপ গত ১২ ঘণ্টায় আরও শক্তি বাড়িয়ে অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। রবিবারই তা ওডিশা উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। এদিকে আজই পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে তা ওডিশা ও বাংলার মধ্যে দিয়ে স্থলভাগে আঘাত করতে পারে। এই জোড়া ফলায় রবিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।আরও পড়ুনঃ ডিসি সাউথের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রিয়াঙ্কারনিম্নচাপ ও ঘূর্ণাবর্তের জেরে আবারও ভাসতে পারে বাংলা। বিশেষ করে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির বরাতে মহালয়ার আগে যে যথেষ্ট দুর্ভোগ অপেক্ষা করছে, তা হাওয়া অফিসের সতর্কবার্তায় স্পষ্ট। সোমবার থেকে বুধবারের মধ্যে প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। একাধিক জেলায় বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ায় বিপর্যস্ত হতে পারে জনজীবন। যে সমস্ত এলাকা নিচু, তা প্লাবিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। নদীও উত্তাল হবে এ সময়। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, রবিবার থেকেই উপকূল লাগোয়া জেলা অর্থাৎ দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া ও হুগলিতেও রবিবার থেকেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কলকাতায় বৃষ্টি বাড়বে মঙ্গলবার। সে দিন শহরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুধু কলকাতা নয়, মঙ্গলবার থেকে দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ভারী বৃষ্টি হবে বলেই জানিয়েছেন আবহবিদরা। বুধবারেও পশ্চিমের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। তবে এদিন থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাতে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। সে ক্ষেত্রে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকছে। তবে আপাতত এই বিপদ থেকে মুক্ত উত্তরবঙ্গ।আরও পড়ুনঃ বঙ্গে দুর্যোগের আগাম লাল সতর্কতা জারি নবান্নরএই পরিস্থিতিতে শনিবার থেকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আলিপুর। যে মৎস্যজীবীরা ইতিমধ্যে চলে গিয়েছেন, তাঁদের শনিবারের মধ্যে ফিরে আসার কথা বলা হয়েছে।শুক্রবার দুপুর থেকেই চালু হয়ে গিয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য তৈরি হওয়া এই কেন্দ্র। যাতে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে একসঙ্গে কাজ করা যায় তার জন্য ওই কেন্দ্রে পুলিশ, পুরসভা, এনডিআরএফ, দমকল, সিইএসসি এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্তারা থাকবেন বলে খবর।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Nabanna Red Alert: বঙ্গে দুর্যোগের আগাম লাল সতর্কতা জারি নবান্নর

এক দুর্যোগ কাটতে না কাটতেই আরও বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা। বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ পিছু ছাড়ছে না। যে কারণে নতুন করে সপ্তাহান্তে আবারও বৃষ্টি বাড়বে। আবহাওয়া দপ্তরের এই পূর্বাভাসের পরই নবান্নর পক্ষ থেকে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সূত্র জানাচ্ছে, মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের সঙ্গে এক বৈঠকের পরই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। মূলত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির ক্ষেত্রে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নবান্নে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ দিন মুখ্যসচিব জেলাশাসকদের নির্দেশ দেন ত্রাণ সামগ্রী তৈরি রাখার জন্য।মুখ্যসচিব বুধবার ভিডিও কনফারন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার, সেচ এবং বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা বিভাগের আধিকারিকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। চলতি সপ্তাহের শেষে ঘূর্ণাবর্তের কারণে আবারও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় সব জেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী মজুদ রাখার পাশাপাশি তিনি উপকূলবর্তী জেলার মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। ভবানীপুর-সহ ভোট মুখী এবলাকায় দুর্যোগের মোকাবিলায় বিশেষ প্রস্তুতি রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।আরও পড়ুনঃ আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে বর্ধমানের বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করলো সিবিআইএছাড়াও এই বৈঠকে একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কলকাতা-সহ শহরতলিতেও জল জমার সমস্যা নিয়েও আলোচনা হয় বৈঠকে। পুরসভার দ্রুত জল বার করতে কি ব্যবস্থা নিচ্ছে সে ব্যপারেও জানতে চান মুখ্য সচিব।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক নদী বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। প্রবল জলের স্রোতের কারণে মেদিনীপুরে বেশ কয়েকটি বাঁধ ভেঙেছে। যার জেরে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুরের একাধিক অংশে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এরমধ্যে আরও বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের কর্তাদের। যদিও পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন আধিকারিকরা। আগামী ২৬ তারিখ অর্থাৎ সোমবার থেকে প্রবল বর্ষণের সর্তকতা জারি করা হয়েছে।অন্যদিকে নবান্নে চালু হয়েছে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম। সেখান থেকে গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। আরও বৃষ্টি হলে কীভাবে মোকাবিলা হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, এখনও দুর্যোগ শেষ হয়নি। সপ্তাহের শেষে বঙ্গোপসাগরের উপরে জোড়া ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে। দিনের এই বৈঠকে এই সমস্ত বিষয়গুলি নিয়েই আলোচনা করেন মুখ্যসচিব।বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর সূত্রে খবর ইতিমধ্যে ৫৭৭ টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। সেখানে কমপক্ষে ৮০ হাজার মানুষকে শিবিরে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। ১ লক্ষ ৪১ হাজার মানুষকে সরানো হয়েছে নিরাপদ স্থানে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

Weather: এখনই নেই রেহাই, আজও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

এখনই রেহাই নেই বৃষ্টির হাত থেকে। আজও দিনভর চলবে বৃষ্টি। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় চলবে টানা বৃষ্টি। এমনটাই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, সোমবারের ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। যার অবস্থান গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের ওপর। এছাড়া মৌসুমী অক্ষরেখা গয়া থেকে কলকাতার ওপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এর ফলে বৃষ্টি চলবে। এই জোড়া ফলায় দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতে মঙ্গলবারও বৃষ্টি চলবে। তবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সঙ্গে রয়েছে বজ্রপাতেরও সতর্কতা। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, মঙ্গলবার বৃষ্টি হতে পারে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে। আজ বৃষ্টি বাড়বে পশ্চিমের জেলাগুলিতে। অর্থাৎ বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টি বাড়বে। বৃষ্টি বাড়বে দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দুই মেদিনীপুরে।আরও পড়ুনঃ কি কি কারণে বিজেপির রাজ্য সভাপতি হলেন সুকান্ত মজুমদার? দুর্ভোগের অন্ত নেই। নিম্নচাপের পিছনেই আরও একটি নিম্নচাপের কারণে এই সমস্যা। তবে আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, কলকাতায় আজ বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। বিক্ষিপ্তভাবে ভারি বৃষ্টি হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হালকা মাঝারি বৃষ্টি হবে। আজ সকালে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিক এর থেকে ৭ ডিগ্রি কম। আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬. ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। এদিকে নীচু এলাকায় জল জমার সম্ভাবনাও রয়েছে অতিরিক্ত পরিমাণে। ইতিমধ্যেই কলকাতায় ঠনঠনিয়া, বেলগাছিয়া, বেহালা ফ্লাইং ক্লাব, আমহার্স্ট স্ট্রিট এলাকা জলমগ্ন।সোমবার কার্যত সারা দিনই পাম্প চালিয়ে জল গঙ্গায় ফেলা হয়েছে। তবে যেসব এলাকায় কর্মীদের দিয়ে পাম্প চালিয়ে জল বের করার চেষ্টা চলছিল, সেখানে রাত হতেই সেই কাজটা বন্ধ। কারণ ভারী বর্ষণে পাম্প করে খালের জল ফেলা সম্ভব হচ্ছে না বলেই পুরসভা সূত্রে খবর। লকগেটগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ফলে জল জমার প্রবণতা আরও বেশি দেখা যাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় বড়সড় ‘অ্যাকশন’! ২৫২টি বন্ধের নির্দেশ, শোকজ আরও ১০০—সরকারি সমীক্ষায় চাঞ্চল্য

অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ রাজ্যের, জেলায় জেলায় নথি যাচাইয়ের পর সিদ্ধান্ত।মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় এবার বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। রাজ্যজুড়ে মাদ্রাসাগুলির উপর চালানো সমীক্ষার পর প্রথম দফায় ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে আরও প্রায় ১০০টি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কলকাতা-সহ রাজ্যের ২২টি জেলায় মাদ্রাসাগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই যাচাই-পর্বে শুধু অনুমোদন রয়েছে কি না, তা-ই নয়পরিচালন ব্যবস্থা, পড়ুয়ার সংখ্যা, শিক্ষক-শিক্ষিকার উপস্থিতি, অর্থের উৎস, নথিপত্র, রেজিস্ট্রেশন এবং পরিকাঠামো-সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছে।সমীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসতেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যে বিপুল সংখ্যক মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন বা নির্দিষ্ট স্বীকৃতি ছাড়াই চলছে বলে প্রশাসনের তরফে দাবি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২,৩৯৬। এর মধ্যেই প্রথম ধাপে ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরাসরি বন্ধের নোটিস জারি করেছে সরকার।খারিজি মাদ্রাসাই কি নিশানায়?সরকারি পদক্ষেপের আওতায় আসা ২৫২টি মাদ্রাসার বড় অংশই খারিজি বা বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত মাদ্রাসা বলে খবর। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বৈধতা, পরিচালন পদ্ধতি এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েই মূলত প্রশাসনের নজরদারি।তবে সরকারের অবস্থানও স্পষ্টকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি স্বীকৃতির বাইরে থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চলতে পারে না। যে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই কিংবা ন্যূনতম পরিকাঠামো ও নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ, তাদের বিরুদ্ধে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শুধু বন্ধ নয়, শোকজ-এর পরেও কড়া বার্তাপ্রথম দফায় ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিস দেওয়া হলেও প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠানকে আপাতত দেওয়া হয়েছে শোকজ নোটিস। অর্থাৎ, তাদের নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।প্রশাসনের প্রশ্নকোন আইনি অনুমোদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান চলছে? কতজন পড়ুয়া রয়েছে? শিক্ষক কারা? অর্থ আসছে কোথা থেকে? পর্যাপ্ত ভবন ও শিক্ষার পরিকাঠামো রয়েছে কি না? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।জানা যাচ্ছে, সন্তোষজনক উত্তর বা প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারলে শোকজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধেও পরবর্তী ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হতে পারে।২২ জেলায় নথি যাচাইতারপরই সিদ্ধান্তমাদ্রাসা নিয়ে এই অভিযান হঠাৎ করে নয়। রাজ্য সরকারের নির্দেশেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছিল সমীক্ষা। কলকাতা-সহ ২২টি জেলার মাদ্রাসাগুলির নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়।সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে দাবি, অনুমোদিত মাদ্রাসাগুলি নিয়ম মেনেই চলছে। কিন্তু অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রে সরকার আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না।মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর বক্তব্য, মাদ্রাসাগুলির যাবতীয় নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়েছে। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলি চালু রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।সরকারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, প্রশ্ন তুললেন ত্বহা সিদ্দিকীতবে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে পাল্টা প্রশ্নও উঠছে। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেনকেন কোনও মাদ্রাসাকে শোকজ করা হচ্ছে, কেনই বা বন্ধ করা হচ্ছে, তা আগে সাধারণ মানুষকে জানানো হোক।তাঁর বক্তব্য, বহু মাদ্রাসা সাধারণ মানুষের অনুদান ও সাহায্যের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। মাদ্রাসায় শুধু ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয় না, সরকারি পাঠ্যক্রমও পড়ানো হয় বলে দাবি তাঁর।ফলে সরকারের প্রশাসনিক যুক্তির বিপরীতে উঠে আসছে অন্য প্রশ্নঅনুমোদনের মাপকাঠি কী? কোন প্রতিষ্ঠান নিয়মবহির্ভূত এবং কোনটি নয়? আর বহু বছর ধরে চলা প্রতিষ্ঠানগুলির ভবিষ্যৎই বা কী?রাজনীতির ময়দানেও বাড়ছে উত্তাপমাদ্রাসা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, সংখ্যালঘু শিক্ষা এবং সরকারি অনুমোদনের প্রশ্নের সঙ্গে এবার সরাসরি যুক্ত হচ্ছে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বনাম দীর্ঘদিনের সামাজিক উদ্যোগে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলির স্বাধীনতা।একদিকে সরকারের যুক্তিআইন ও নিয়মের বাইরে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের একাংশের বক্তব্যশুধু সরকারি অনুমোদনের অভাবকে কেন্দ্র করে কোনও প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।ফলে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ এখন শুধু প্রশাসনিক ফাইলের বিষয় নয়; তা ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনীতি ও সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে।উত্তরাখণ্ডের পর বাংলাতেও কড়া পদক্ষেপঅনুমোদনহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের নজির অন্য রাজ্যেও রয়েছে। উত্তরাখণ্ডে ইতিমধ্যেই একাধিক অননুমোদিত মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলার এই পদক্ষেপকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।এখন মূল নজর শোকজ পাওয়া প্রায় ১০০টি মাদ্রাসার জবাবের দিকে। তারা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিকাঠামোর প্রমাণ দিতে পারে কি না, তার উপরই নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ।তবে একটি বিষয় ইতিমধ্যেই স্পষ্টমাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে আর নজরদারির বাইরে রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার। ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রথম দফার এই অ্যাকশন আগামী দিনে আরও বড় প্রশাসনিক অভিযানের ইঙ্গিত কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
বিদেশ

পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে যাত্রীবাহী ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলা! ইউক্রেন যুদ্ধ কি এবার ন্যাটোর দরজায়?

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে ড্রোন হামলার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার পশ্চিম ইউক্রেনে ঘটনাটি ঘটে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। হামলায় ট্রেনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ২০৬ জন যাত্রীর কেউ আহত হননি বলে দাবি করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পোল্যান্ডের একটি রেল সংস্থার পরিচালিত ওই ট্রেনটি কিয়েভ থেকে ওয়ারশের দিকে যাচ্ছিল। পথে আচমকাই ট্রেনটির উপর একের পর এক রুশ ড্রোন হামলা হয় বলে অভিযোগ। হামলার জেরে ট্রেনে আগুন ধরে যায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে।তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হামলার পর প্রায় ছঘণ্টা ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি এমন একটি সময়ে ঘটল, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে গোটা ইউরোপেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।পোল্যান্ডের কাছে এই ঘটনার গুরুত্ব আরও বেশি বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য দেশ। ন্যাটোর চুক্তি অনুযায়ী, কোনও সদস্য দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলা হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্য সদস্যদেশগুলির সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হতে পারে।তবে রবিবারের ঘটনাটিকে সরাসরি পোল্যান্ডের উপর রুশ হামলা হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকেরা। তাঁদের একাংশের মতে, পোল্যান্ড সীমান্তের এত কাছে এমন ঘটনা ন্যাটোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। রাশিয়ার উদ্দেশ্য ন্যাটোর প্রস্তুতি ও ঐক্য পরীক্ষা করা কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া যদি ভবিষ্যতে পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তার প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা কম। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য। সে ক্ষেত্রে গোটা ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেই বড় পরিবর্তন আসতে পারে।তবে রবিবারের হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যে পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে এই হামলার অভিযোগ নতুন করে ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাইরাশিয়া যদি সত্যিই পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তখন ন্যাটো কী পদক্ষেপ করবে?

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
দেশ

একের পর এক ভূমিধসে বসে যাচ্ছে আস্ত পাহাড়! সিকিমে হড়পা বানের আতঙ্ক, সরানো হল ৩৮ পরিবার

পশ্চিম সিকিমের গিয়ালশিং জেলার সিঙ্গলিথাম গ্রাম এবং সংলগ্ন রিম্বি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রবিবার সকাল থেকে ভূমিধসের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পাহাড়ের ঢাল থেকে কাদা, পাথর ও গাছের ধ্বংসাবশেষ নেমে আসছে। এর জেরে রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় সিকিম প্রশাসনের তরফে রিম্বির ৩০টি এবং সিঙ্গলিথামের ৮টি পরিবারকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় সিঙ্গলিথামের বেশ কয়েকটি বাড়িও ইতিমধ্যে ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, সিঙ্গলিথামের পাহাড়ের ঢাল থেকে ক্রমাগত কাদা, বড় পাথর এবং গাছ নেমে এসে স্থানীয় ঝোরার গতিপথ আটকে দিচ্ছে। ফলে রিম্বির নিচের দিকে আচমকা হড়পা বান নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। প্রশাসনের নজরদারিতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, রিম্বির ঠিক উপরে সিঙ্গলিথাম গ্রামের কাছে একটি টিলা ধীরে ধীরে বসে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতির অবনতি শুরু হয়। টানা ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় মাটি, কাদা এবং পাথর ক্রমাগত নিচের দিকে নেমে আসছে। স্থানীয়দের দাবি, গত অগস্ট মাস থেকেই ওই এলাকায় ভূমিধস শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধস গ্রামের দিকে এগিয়ে আসছে।ভূমিধসের ধ্বংসস্তূপে রিম্বি-ইউকসম এবং রিম্বি-খেচুপেরি সড়কের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ইউকসম-তাশিডিং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও। স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদেরও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে প্রশাসনের তরফে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ এবং যাত্রীদের বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিপদের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে শুরু করেছেন।প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। পাহাড়ের ঢাল আরও নরম হলে নতুন করে ধস নামার আশঙ্কাও রয়েছে। বিশেষ করে ঝোরা অবরুদ্ধ হলে নিচের এলাকায় হড়পা বান তৈরি হতে পারে কি না, সেই দিকেই এখন নজর স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রাম, রেজিনগরে বড় চমক মমতার, আসন্ন উপনির্বাচনে ২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার দলের তরফে জানানো হয়েছে, নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন সঞ্চিতা প্রধান (দে)। পাশাপাশি, রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য রাবিউল আলম চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতার জল্পনার অবসান হল।দলের এই ঘোষণা এমন সময়ে এল, যখন শনিবারই তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করলে তারা ওই কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে না। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তরফে মমতাকে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করে বিধানসভায় ফেরার আহ্বানও জানানো হয়েছিল।১৫ বছর পর বিধানসভার বাইরে মমতা?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫,১০৫ ভোটে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামেও শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ভবানীপুরের উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধানসভায় প্রবেশ করেন মমতা। ২০১৬ সালে ফের ভবানীপুর থেকে জয় পান তিনি। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর উপনির্বাচনে জিতে আবারও বিধানসভায় জায়গা করে নেন। তৃণমূল নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা করায় এবার দীর্ঘ ১৫ বছর পর তাঁকে বিধানসভার বাইরে থাকতে হতে পারে।কেন নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে তিনি ভবানীপুর আসনটি ধরে রেখে নন্দীগ্রাম থেকে ইস্তফা দেন। সেই কারণেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হচ্ছে।নির্বাচন কমিশনের সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন হবে। ভোটের গণনা ৯ অক্টোবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর।তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল অব্যাহতপ্রার্থী ঘোষণার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিবাদ আরও জটিল হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীদুই পক্ষই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। উভয় শিবিরই দলের নিয়ন্ত্রণ, নাম এবং জোড়াফুল প্রতীকের স্বীকৃতি দাবি করেছে।১২ সেপ্টেম্বর দুই পক্ষের বক্তব্য শোনে নির্বাচন কমিশন। বিদ্রোহী শিবিরের কাছে আরও কিছু নথি চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমার আগে দলের প্রতীক ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিবাদের নিষ্পত্তি হয়নি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রীর পুরনো হাসি ভুলতে পারেননি! ৮৮ বছর বয়সে নিজের হাতেই বানিয়ে ফেললেন তাঁর মুখ

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা ৮৮ বছরের ভূপতিরঞ্জন দেবনাথ। দীর্ঘ কর্মজীবনে মধ্যমগ্রাম হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন তিনি। প্রায় তিন দশক আগে অবসর নিয়েছেন। এখন পেনশনের টাকাতেই চলে তাঁর সংসার। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংসারে একের পর এক কঠিন সময় এসেছে তাঁর জীবনে।ভূপতির স্ত্রী অঞ্জলির বয়স সত্তরের কোঠায়। তাঁদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে। দুই মেয়েরই মধ্যমগ্রামে বিয়ে হয়েছে। বাড়িতে রয়েছেন পুত্রবধূ এবং নাতিও। তবে করোনা অতিমারির সময় একমাত্র ছেলেকে হারিয়েছেন ভূপতি ও অঞ্জলি। ছেলের পরিবারকেও এরপর নিজেদের দায়িত্বে আগলে রেখেছেন তাঁরা।এরই মধ্যে গত ছমাস ধরে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী অঞ্জলি। বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন যে, এখন হাতে কলম নিয়ে সই করাও তাঁর পক্ষে সম্ভব হয় না। একসময় যে স্ত্রী সংসারের নানা কঠিন পরিস্থিতিতেও হাসিমুখে সব সামলে নিতেন, আজ সেই মুখেই অসুস্থতার ছাপ স্পষ্ট।কিন্তু স্ত্রীর সেই পুরনো হাসি এখনও ভুলতে পারেননি ভূপতি। বরং সেই হাসিই তাঁর মনে আজও একই রকম উজ্জ্বল। তাই স্ত্রীর মুখের সেই পুরনো অবয়ব এবং হাসিকে ধরে রাখতে নিজের হাতেই তৈরি করেছেন একটি প্রতিকৃতি।শিক্ষকতার পাশাপাশি হাতের কাজেও যথেষ্ট দক্ষ ছিলেন ভূপতি। কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে মাটি, নারকেলের খোল, গাছের ডাল-সহ নানা সাধারণ উপকরণ দিয়ে নানা জিনিস তৈরি করেছেন তিনি। ফেলে দেওয়া জিনিস তাঁর হাতে নতুন রূপ পেয়েছে। সেইসব কাজ এখনও তাঁর বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় যত্ন করে রাখা রয়েছে।এ বার সেই দক্ষতাকেই কাজে লাগিয়েছেন নিজের জীবনসঙ্গীর স্মৃতি ধরে রাখতে। প্লাস্টার অফ প্যারিস দিয়ে তৈরি করেছেন অঞ্জলির হাসিমুখের একটি প্রতিকৃতি। বাড়ির একটি শোকেসে রাখা রয়েছে সেই মূর্তি। স্ত্রীর পাশে বসে থাকার সময় কখনও অসুস্থ অঞ্জলির দিকে তাকান, কখনও আবার চোখ চলে যায় সেই হাসিমুখের প্রতিকৃতির দিকে।ভূপতির কথায়, তাঁদের দাম্পত্য জীবন প্রায় ৫৯ বছরের। অঞ্জলি বরাবরই হাসিখুশি থাকতে ভালোবাসতেন। সংসারে যত সমস্যাই আসুক, তিনি কখনও তা প্রকাশ করতেন না। হাসিমুখেই কঠিন সময় পার করেছেন। সেই হাসিই ছিল ভূপতির কাছে বড় ভরসা।আজ অঞ্জলি অসুস্থ। বিছানা থেকে ওঠার শক্তিও নেই। মুখের সেই পুরনো হাসিও আর দেখা যায় না। কিন্তু ভূপতির স্মৃতিতে অঞ্জলির হাসি এখনও একই রকম জীবন্ত। সেই হাসিকে অমলিন রাখতেই স্ত্রীর মুখের আদলে তৈরি করেছেন এই প্রতিকৃতি।পুরনো দিন আর ফিরে আসবে না, তা জানেন ৮৮ বছরের ভূপতি। তবু তাঁর একটাই আশা, স্ত্রী আবার শারীরিক সমস্যা কাটিয়ে উঠে একটু হাঁটাচলা করতে পারবেন, আগের মতো তাঁর পাশে বসতে পারবেন। আর সেই আশার সঙ্গেই ঘরের শোকেসে হাসিমুখে থেকে গিয়েছে অঞ্জলির সেই পুরনো মুখ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি? কেনার আগে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি, সঠিক নিয়মে পুজোয় পাবেন হাতে নাতে ফল

ভগবান গণেশকে উৎসর্গ করে পালিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু উৎসব গণেশ চতুর্থী। বিঘ্নহর্তা, জ্ঞানদাতা এবং শুভ সূচনার দেবতা হিসেবে গণেশের আরাধনা করেন ভক্তরা। ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। ওই দিন থেকেই শুরু হবে দশ দিনব্যাপী গণেশ উৎসব।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, গণেশ চতুর্থীর দিন বাড়িতে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পুজো করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস, এই সময় বাপ্পাকে বাড়িতে স্বাগত জানালে জীবনের বাধা-বিপত্তি দূর হয় এবং সুখ-সমৃদ্ধি আসে। তবে মূর্তি কেনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সৌন্দর্য বা সাজসজ্জা দেখলেই হবে না। ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, মূর্তির উচ্চতা, ভঙ্গি, রং, শুঁড়ের দিক এবং বাহনের উপস্থিতিরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করা হয়।কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি?বাস্তুশাস্ত্রের প্রচলিত মত অনুযায়ী, বাড়িতে পুজোর জন্য গণেশের মূর্তি খুব বড় হওয়া উচিত নয়। সাধারণত ৯ থেকে ১১ ইঞ্চি উচ্চতার মূর্তিকে গৃহস্থের পুজোর জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। এর তুলনায় বড় মূর্তি রাখলে পুজো ও বিসর্জনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সমস্যা হতে পারে বলেও মত রয়েছে।মূর্তির ভঙ্গির দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলা হয়। বাড়িতে পুজোর জন্য উপবিষ্ট গণেশের মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই ভঙ্গি শান্তি, স্থায়িত্ব ও সুখের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, চার হাতের গণেশ মূর্তির ক্ষেত্রে উপরের বাম হাতে পাশ, ডান হাতে অঙ্কুশ, নীচের বাম হাতে মোদক এবং নীচের ডান হাত অভয় মুদ্রায় থাকা শুভ বলে মনে করা হয়।গণেশের শুঁড় কোন দিকে থাকবে?গণেশের মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাম দিকে বাঁকানো শুঁড়যুক্ত গণেশের মূর্তি বাড়িতে স্থাপনের জন্য শুভ। এই ধরনের গণেশকে বামামুখী গণেশ বলা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রূপ শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক।অন্যদিকে, ডান দিকে বাঁকানো শুঁড়ের গণেশকে সিদ্ধিবিনায়ক বলা হয়। এই রূপকে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী বলে মনে করা হয় এবং তাঁর পুজোয় বিশেষ নিয়মকানুন মেনে চলার প্রচলন রয়েছে। তাই বাড়ির পুজোর জন্য মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটি খেয়াল করার পরামর্শ দেওয়া হয়।গণেশের বাহন ইঁদুর থাকা কি জরুরি?ভগবান গণেশের বাহন ইঁদুর। তাই মূর্তি কেনার সময় গণেশের পায়ের কাছে তাঁর বাহন ইঁদুরের মূর্তি রয়েছে কি না, সেটিও দেখে নেওয়ার কথা বলা হয়।প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির সঙ্গে তাঁর বাহন ইঁদুরের উপস্থিতির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তাই সম্পূর্ণ মূর্তি কেনার সময় এই বিষয়টিও নজরে রাখা হয়।কোন দিকে মুখ করে থাকবে গণেশের মূর্তি?বাড়িতে গণেশের মূর্তি স্থাপনের ক্ষেত্রে দিকেরও গুরুত্ব রয়েছে বলে বাস্তুশাস্ত্রে প্রচলিত মত রয়েছে। সেই অনুযায়ী, গণেশের মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকে রেখে মূর্তি স্থাপন করা শুভ বলে মনে করা হয়। পুজোর সময়ও গণেশের মুখ যেন পূর্ব অথবা উত্তর দিকে থাকে, সেদিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।তবে গণেশের মূর্তির আকার, ভঙ্গি, শুঁড়ের দিক কিংবা মূর্তি স্থাপনের দিক নিয়ে প্রচলিত এই ধারণাগুলি মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্রভিত্তিক মত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১৪ নাকি ১৫ সেপ্টম্বর, কবে পালিত হবে গণেশ চতুর্থী? জানুন ঠিক কোন সময়ে পুজোয় মিলবে দ্বিগুণ আর্শীবাদ?

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব গণেশ চতুর্থী। গণেশোৎসব নামেও পরিচিত এই উৎসব ভগবান গণেশের জন্মতিথি হিসেবে পালিত হয়। জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবতা গণেশের আরাধনা করে ভক্তরা সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতেই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল। সাধারণত ১০ দিন ধরে চলে এই উৎসব। অনন্ত চতুর্দশীর দিন গণেশ বিসর্জনের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি হয়।গণেশ চতুর্থী ২০২৬ কবে?দ্রিক পঞ্চাঙ্গ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। গণেশ বিসর্জন হবে শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর। উৎসবের শুরুতে বাড়ি ও বিভিন্ন মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো, প্রার্থনা ও আরতির মাধ্যমে চলে বাপ্পার আরাধনা। ফুল, ধূপ, প্রদীপ, ফল, মিষ্টি এবং বিশেষ করে মোদক নিবেদন করা হয় গণেশকে।গণেশ চতুর্থী ২০২৬-এর পুজোর শুভ মুহূর্তগণেশ পুজোর ক্ষেত্রে মধ্যাহ্নকালকে বিশেষ শুভ বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সময়েই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল।১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ পুজোর শুভ সময়:সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত।গণেশ চতুর্থীর তিথি শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৬ মিনিটে এবং শেষ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে।শহরভেদে গণেশ পুজোর শুভ সময়বিভিন্ন শহরে স্থানীয় সময় অনুযায়ী গণেশ পুজোর শুভক্ষণে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।পুনে: সকাল ১১টা ১৬ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৪ মিনিটনয়াদিল্লি: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচেন্নাই: সকাল ১০টা ৫১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ১৮ মিনিটজয়পুর: সকাল ১১টা ৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৬ মিনিটহায়দরাবাদ: সকাল ১০টা ৫৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৫ মিনিটগুরগাঁও: সকাল ১১টা ৩ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচণ্ডীগড়: সকাল ১১টা ৪ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৩ মিনিটকলকাতা: সকাল ১০টা ১৮ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটমুম্বই: সকাল ১১টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৮ মিনিটবেঙ্গালুরু: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৮ মিনিটআহমেদাবাদ: সকাল ১১টা ২১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৯ মিনিটনয়ডা: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটকীভাবে পালিত হয় গণেশ চতুর্থী?গণেশ চতুর্থীর উৎসব শুরু হয় বাড়ি বা মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো ও আরতি করা হয়। ভক্তরা বাপ্পাকে ফুল, ফল, দূর্বা, ধূপ এবং বিভিন্ন মিষ্টি নিবেদন করেন। এর মধ্যে গণেশের প্রিয় মিষ্টি হিসেবে মোদকের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।অনেক পরিবারে গণেশের মূর্তি বাড়িতে এনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কয়েক দিন ধরে পুজো করা হয়। অন্যদিকে, বিভিন্ন শহর ও এলাকায় বড় বড় মণ্ডপ তৈরি করে গণেশোৎসবের আয়োজন করা হয়। পুজোর পাশাপাশি সেখানে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি, সঙ্গীতানুষ্ঠান, খাবারের আয়োজন এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগও দেখা যায়।উৎসবের শেষ দিনে গণেশের মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জলাশয়ে বাপ্পার বিসর্জনের মাধ্যমে গণেশোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

রাশি অনুযায়ী বেছে নিন গণপতি বাপ্পার মূর্তির রং, কোন রাশির জন্য কোন রং শুভ?

গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে বাড়িতে গণপতি বাপ্পার মূর্তি স্থাপনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন ভক্তরা। মূর্তি কেনার সময় সাধারণত আকার, রূপ, ভঙ্গি এবং পুজোর নিয়মের দিকে নজর দেওয়া হয়। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির রঙেরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বিভিন্ন রঙের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রহ এবং তাদের বৈশিষ্ট্যের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়। সেই বিশ্বাস অনুযায়ী, নিজের রাশি অনুসারে গণেশের মূর্তির রং বেছে নিলে শুভ ফল পাওয়া যেতে পারে।২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে ১৪ সেপ্টেম্বর। প্রচলিত জ্যোতিষীয় মতে, ওই সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করবে। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কোন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়।মেষ ও বৃষ রাশির জন্য লাল ও হালকা গোলাপিমেষ রাশির অধিপতি গ্রহ মঙ্গল। জ্যোতিষশাস্ত্রে মঙ্গলের সঙ্গে লাল রঙের সম্পর্ক রয়েছে। তাই মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য লাল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সাহস, কর্মশক্তি ও সংকল্পের প্রতীক। জীবনের বাধা কাটিয়ে এগিয়ে যেতে লাল গণপতির আরাধনা ফলদায়ক হতে পারে বলে বিশ্বাস।বৃষ রাশির অধিপতি শুক্র। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ক্রিম বা হালকা গোলাপি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, আরাম, সম্প্রীতি ও স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।মিথুন ও কর্কটের জন্য সবুজ ও সাদামিথুন রাশির অধিপতি বুধ। তাই মিথুন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, সবুজ রং বুদ্ধি, যোগাযোগ, শিক্ষা ও ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কিত।কর্কট রাশির অধিপতি চন্দ্র। তাই এই রাশির জন্য সাদা রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। সাদা রং শান্তি, পবিত্রতা, মানসিক স্থিরতা এবং পারিবারিক সম্প্রীতির প্রতীক বলে বিশ্বাস করা হয়।সিংহ ও কন্যার জন্য কমলা ও সবুজসিংহ রাশির অধিপতি সূর্য। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কমলা, জাফরান বা হালকা সোনালি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং আত্মবিশ্বাস, প্রাণশক্তি, নেতৃত্ব এবং অভ্যন্তরীণ শক্তির প্রতীক।কন্যা রাশির অধিপতিও বুধ। তাই কন্যা রাশির জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি উপযুক্ত বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে মনে করা হয়। সবুজ রং বুদ্ধি, দক্ষতা ও যোগাযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।তুলা ও বৃশ্চিকের জন্য গোলাপি ও মেরুনতুলা রাশির অধিপতি শুক্র। তাই এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গোলাপি এবং হালকা নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, সম্পর্কের ভারসাম্য, সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক।বিশেষ করে ২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থীর সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করার বিষয়টিকেও জ্যোতিষীয় দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গাঢ় লাল বা মেরুন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং শক্তি, মানসিক সাহস এবং নিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।ধনু ও মীনের জন্য হলুদধনু রাশির অধিপতি বৃহস্পতি। তাই ধনু রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। হলুদ রং শিক্ষা, সমৃদ্ধি এবং আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতীক বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়।মীন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। বৃহস্পতির সঙ্গে হলুদ রঙের সম্পর্ক থাকায় এই রঙকে জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।মকর ও কুম্ভের জন্য মাটির রং ও নীলমকর রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ধূসর, পাথুরে বা মাটির মতো বাদামি রঙের গণেশ মূর্তি বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই রং শনির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও ধীরস্থির অগ্রগতির প্রতীক বলে মনে করা হয়।অন্যদিকে, কুম্ভ রাশির জন্য নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে জ্যোতিষীয় বিশ্বাস রয়েছে। নীল রং স্থিরতা, গভীরতা ও মানসিক দৃঢ়তার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।তবে রাশি অনুযায়ী গণেশ মূর্তির রং বেছে নেওয়ার এই ধারণাগুলি মূলত জ্যোতিষশাস্ত্র ও ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে প্রচলিত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ও পছন্দ ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal