• ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ০৮ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Hathras

রাজ্য

উত্তরপ্রদেশের হাতরস ফের শিরোনামে, এবার পদপিষ্টে ৫০ জনের মৃত্য়ুর আশঙ্কা

আবার খবরের শিরোনামে উত্তরপ্রদেশের হাথরস। চার বছর আগে এই হাথরসেই এক দলিত নাবালিকার গণধর্ষণে মৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল সারা দেশ দেশ। এবার যোগী রাজ্যের এই শহরে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হল অন্তত ৫০ জনের। গোটা ঘটনায় প্রশ্নের মুখে উত্তরপ্রদেশের প্রশাসনের ভূমিকা।সূত্রে খবর, হাথরসের মুঘলগড়ি গ্রামে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। এটাওয়ার পুলিশ সুপার রাজেশ কুমার সিং জানিয়েছেন, হতাহতদের স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা চলছে। মৃতদের দেহ শনাক্তকরণের কাজ চলছে।জানা গিয়েছে, ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষ হতেই চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। বিপুল সংখ্যক ভক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। হুড়োহুড়ির ফলে অনেকে মাটিতে পড়ে যান, তাতেই পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। নিহতের মধ্যে বহু মহিলা এবং বেশ কয়েকটি শিশুও রয়েছে। কীভাবে কেন এই ঘটনা ঘটল তা তদন্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। জানা গিয়েছে, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে শিবকথা চলছিল। তা শেষ হতেই হলের ছোট দরজা দিয়ে সবাই একসঙ্গে বেরনোর চেষ্টা করেন। তাতেই ঘটে বিপত্তি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। আহতদের মধ্যে অনেকেই আশঙ্কাজনক। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, পুরো ঘটনার বিবরণ জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে। ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জুলাই ০২, ২০২৪
দেশ

ফের শিরোনামে হাথরাস

ফের শিরোনামে বিতর্কিত হাথরাস। হাথরাস রয়েছে হাথরাসেই। গত বছর উত্তরপ্রদেশের এই জেলায় এক দলিত তরুণীকে গণধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে উত্তাল হয়েছিল দেশ। এক তরুণীর শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্ত যুবক গৌরব শর্মা গুলি করে মারল নির্যাতিতার বাবাকে! এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন ইতিমধ্যেই।আরও পড়ুন: বিজপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী২০১৮ সালে এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। তরুণীর বাবার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ গ্রেপ্তারও করে গৌরবকে। কিন্তু মাসখানেক পরে জামিন পেয়ে যায় সে। সেই থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে অশান্তি। যা চরম আকার নেয় গতকাল। সোমবার বিকেলে নির্যাতিতা তরুণীর গ্রামের মন্দিরে পুজো দিতে যান অভিযুক্তের স্ত্রী ও কাকিমা। সেই সময় সেখানে আসেন নির্যাতিতা ও তাঁর বোনও। শুরু হয় ঝগড়া। পরে সেখানে আসেন তরুণীর বাবা ও গৌরব। গৌরবের সঙ্গে আরও কয়েকজন ছিল বলে জানা গিয়েছে। ক্রমেই পরিস্থিতি ঘোরাল হয়ে ওঠে। তারপরই আচমকা গৌরব গুলি চালিয়ে দেয়। গুরুতর আহত হন তরুণীর বাবা। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়ই তাঁর মৃত্যু হয়। এমন ঘটনায় মুহূর্তে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ইতিমধ্যেই গৌরবের পরিবারের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মার্চ ০২, ২০২১
দেশ

হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে হাথরাস কাণ্ডে সিবিআই তদন্ত

হাথরাসের নির্যাতিতা দলিত তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় তদন্ত শেষ করতে আর কতদিন সময় লাগবে? শুক্রবার তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে এই প্রশ্ন করল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। শুক্রবার হাইকোর্টে ওই ধর্ষণের মামলার শুনানি ছিল। বিচারপতি পঙ্কজ মিঠল ও বিচারপতি রাজন রায়ের বেঞ্চ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইয়ের আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন, এই তদন্ত শেষ করতে আর কতদিন সময় লাগবে? সিবিআইয়ের আইনজীবী অবশ্য নির্দিষ্ট করে কোনও তারিখের কথা জানাতে পারেননি। এরপরই বেঞ্চ সিবিআইকে স্পষ্ট জানায় ২৫ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। সেদিনই যেন তারা আদালতকে তদন্তের সর্বশেষ রিপোর্ট জমা দেয়। এই মামলার শুনানিতে বেঞ্চ রাজ্য সরকারকে প্রশ্ন করে, হাথরাসের জেলাশাসক হিসেবে প্রবীণ কুমারকে ওই পদে রেখে দেওয়া কি ন্যায়সঙ্গত এবং যুক্তিযুক্ত? বেঞ্চের ওই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের আইনজীবী এস ভি রাজু আদালতকে জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি রাজ্য সরকারকে জানাবেন। আরও পড়ুন ঃ আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গ্রেফতার অর্ণব গোস্বামী প্রসঙ্গত , হাথরাসে ১৯ বছরের দলিত তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে চার যুবকের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের পর ওই তরুণীর উপর চরম শারীরিক নির্যাতন করা হয়। ঘটনার এক সপ্তাহের মধ্যে ওই তরুণীর মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা দেশ। ঘটনার প্রেক্ষিতে এলাহাবাদ হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। এই ধর্ষণের ঘটনার তদন্ত ভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সেই মামলারই শুনানি ছিল এদিন।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
দেশ

এলাহাবাদ হাইকোর্টের নজরদারিতেই হাথরাসের গণধর্ষণ ও খুনের মামলাঃ সুপ্রিম কোর্ট

এলাহাবাদ হাইকোর্টের নজরদারিতে চলবে হাথরাসের দলিত তরুণীকে গণধর্ষণ ও খুনের মামলা। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। সিবিআইকে তদন্তের স্টেটাস রিপোর্ট হাই কোর্টে জমা করতে হবে। উত্তরপ্রদেশের বাইরে হাথরস কাণ্ডের মামলা নিয়ে যাওয়ার এখনই কোনও প্রয়োজন নেই। সিবিআই তদন্ত করছে, তদন্তের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করবে ইলাহাবাদ হাইকোর্ট। নির্যাতিতার পরিবার ও মামলার সাক্ষীদের নিরাপত্তার দিকেও নজর রাখবে হাইকোর্ট। হাথরাসে দলিত তরুণীর গণধর্ষণ মামলায় আদালতের নজরদারিতে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন সমাজকর্মী সত্যেন দুবে। আরও পড়ুনঃ একটা করে প্রদীপ বীর জওয়ানদের স্মরণ করে জ্বালানঃ মোদি হাথরাস গণধর্ষণ মামলার শুনানি উত্তরপ্রদেশে বাইরে করার আরজি জানিয়েছিলেন হাথরাসের নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী। এ বিষয়ে শীর্ষ আদালতের মত, আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত শেষ করুক। তারপর তো সেই পথ তো খোলা থাকছেই। প্রসঙ্গত , এর আগে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকারের তরফেও হাথরাসকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করা হয়।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
দেশ

‘ধর্ষণ করিনি, নির্যাতিতাকে মেরেছে মা এবং দাদা’, চিঠিতে দাবি অভিযুক্তদের

নির্যাতিতাকে ধর্ষণ করা হয়নি। উত্তরপ্রদেশের ওই দলিত তরুণীকে মেরে ফেলেছেন ওঁর মা ও দাদা। পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্টকে লেখা এক চিঠিতে এমনই দাবি করেছেন হাথরাস কাণ্ডের অভিযুক্তরা। পাশাপাশি এই মামলায় যেন নিরপেক্ষ তদন্ত হয়, এমনই দাবি জানিয়েছে তারা। এই মামলার প্রধান অভিযুক্ত সন্দীপ ওই চিঠিতে দাবি করেছে, ১৯ বছরের ওই তরুণীর মৃত্যুর জন্য দায়ী ওঁর পরিবার। এখন তাকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। চিঠিতে সে ছাড়াও সই করেছে বাকি তিন অভিযুক্ত রামু, লবকুশ ও রবি। অভিযুক্ত সন্দীপের দাবি, তার সঙ্গে ওই তরুণীর সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মেয়েটির পরিবার এই সম্পর্ককে মেনে নেয়নি। নির্যাতিতার দাদা ও মা এ কারণে মারধরও করত ওই তরুণীকে। তার ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি অভিযুক্তের। এদিকে মঙ্গলবারই উত্তরপ্রদেশ পুলিশ দাবি করে, নির্যাতিতার ভাইয়ের সঙ্গে সন্দীপের বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। তাদের মধ্যে ফোনে কথাও হত। ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত তাদের মধ্যে পাঁচ ঘণ্টা কথোপকথন হয়েছে। যদিও তরুণীর দাদা এই দাবিকে অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে সন্দীপের কখনও ফোনে কথা হয়নি।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
কলকাতা

রাজভবনের সামনে বিক্ষোভ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির

উত্তরপ্রদেশ-সহ বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যে যেভাবে দলিতদের উপর অত্যাচার, খুন, ধর্ষণ হচ্ছে তার প্রতিবাদে এবং কেন্দ্রীয় সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি ও কৃষি বিলের প্রতিবাদে এবার পথে নামল পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। প্রাথমিক শিক্ষকদের এই সংগঠনের সভাপতি অশোক রুদ্রর নেতৃত্বে শনিবার ৩ অক্টোবর রাজভবনের সামনে কালো পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। ছিলেন সংগঠনের সহ সভাপতি পলাশ সাধুখাঁ-সহ অন্যান‌্য নেতৃবৃন্দ। অশোক রুদ্র বলেন, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে নারী, যুবক, কৃষক কেউ সুরক্ষিত নন। এই রাজ্যের রাজ্যপাল ওই পদের গরিমাকে গুরুত্ব না দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে রাজভবনকে বিজেপির পার্টি অফিস বানিয়েছেন। তাই এখানেই আমরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে প্রতিবাদ জানালাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনে শিক্ষক সমাজ যে জননেত্রীর ডাকে সামিল হতে সব সময় প্রস্তুত রয়েছে সেই বার্তাও দেওয়া হলো।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
দেশ

হাথরাস গণধর্ষণ কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ যোগীর

হাথরস গণধর্ষণের ঘটনায় অবশেষে চাপের মুখে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হল উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথ সরকার। গোটা ঘটনার তদন্তভার তুলে দেওয়া হচ্ছে সিবিআইয়ের হাতে।এমনই সিদ্ধান্তের কথা শনিবার জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ। সারা দেশ উত্তাল হাতরস কাণ্ড নিয়ে।নির্যাতিতার জন্য পথে নেমে সওয়াল করছে রাজনৈতিক -অরাজনৈতিক সব পক্ষ।হাতরস কাণ্ডে বহু বিষয়ই হাতের বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে। ভেঙে পড়ছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা। বেগতিক বুঝেই শনিবার বিকেলে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন যোগী আদিত্যনাথ। তার আগে ধর্ষিতা দলিত কন্যার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন ডিজিপি এইচসি অস্তি এবং স্বরাস্ট্রসচিব অবিনাশ অতশী। তাদের সামনে ক্ষোভ উগরে দেন মৃতার পরিবার। খবর পৌঁছয় যোগীর টেবিলে।এদিকে আজ রাহুল গান্ধি ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধি দেখা করেন হাতরস কন্যার পরিবারের সঙ্গে। দেশের নানা প্রান্তে পথে নামছে বিরোধীরা।যন্তরমন্তর থেকে গর্জন করছেন চন্দ্রশেখর আজাদের ভীম আর্মির সদস্যরা। পথে নেমেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। দাবি করা হচ্ছে যোগীর পদত্যাগ।বিজেপি নেত্রী উমা ভারতীও যোগীকে এই ঘটনায় সঠিক পদক্ষেপ নিতে বলেছেন। এই চাপের মুখেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিলেন যোগী আদিত্যনাথ।অন্যদিকে,পরিবারের সঙ্গে দেখা করে রাহুল গান্ধী বলেন, কোনও শক্তি আমাদের রুখতে পারবে না। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে রয়েছি। তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের।প্রিয়াঙ্কা বলেন, মেয়েটির পরিবার ন্যায়বিচার না পাওয়া অবধি আমরা লড়ে যাব। যোগী আদিত্যনাথ নিজের দায়িত্বকর্তব্য ভুলে যেতে পারেন না। আর দ্ব্যর্থহীন ভাষায়ক্ষোভ উগড়ে দেন মৃতার ভাই। তিনি বলেন, জেলাশাসক আমাদের শাসিয়েছে। তাকে কেন বরখাস্ত করল না সরকার? ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমার বোনের অস্থিবিসর্জন হবে না।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
কলকাতা

হাথরসকাণ্ডের প্রতিবাদ,বাম ও কং মিছিলে বাধা পুলিশের

হাথরস কাণ্ডের প্রতিবাদে শনিবার বিড়লা তারামণ্ডল থেকে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত মিছিলে হাঁটেন তিনি।তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে যোগ দেন দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা, সাংসদ এবং বিধায়করা। ছিলেন অসংখ্য কর্মী-সমর্থকরাও। অপরদিকে একই ইস্যুতে মৌলালী থেকে ধর্মতলা থেকে যৌথ প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করেছিল বাম-কংগ্রেসের যুব-ছাত্র-মহিলারা। মুখ্যমন্ত্রীর মিছিল পুলিশি নিরাপত্তায় অবাধে পুরো পথ পরিক্রমা করলেও আটকে দেওয়া হল বাম-কংগ্রেসের মিছিল। বিরোধীদের বক্তব্য, এই রাজ্যেই গণতন্ত্র নেই, তাই একযাত্রায় পৃথক ফল। শনিবার বিকেলে বামফ্রন্ট ও প্রদেশ কংগ্রেসের এক যৌথ মিছিল মৌলালি থেকে ধর্মতলার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। মিছিলে দাবি ওঠে, কেন্দ্রে মোদী ও উত্তরপ্রদেশে যোগীর মতো সরকারের আর প্রয়োজন নেই। তাদের জমানায় মেয়েরা নিরাপদ নন।ধর্মতলা ঢোকার মুখে ওই মিছিলটি আটকায় পুলিশ। বাম-কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের বচসা ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়।এরপরই কর্মী সমর্থকরা ধর্মতলা ওয়াই চ্যানেলে বসে পড়েন। মশাল জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বাম-কংগ্রেস সমর্থকরা। বিক্ষোভকারীদের দাবি তাঁদের ইউপি ভবন যেতে দিতে হবে।মিছিলে ছিলেন প্রাক্তন মেয়র বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য-সহ অন্যান্য বাম নেতারা। ধর্মতলায় জমায়েতের মধ্যেই নরেন্দ্র মোদী ও যোগী আদিত্যনাথের কুশপুতুলে আগুন ধরান বিক্ষোভকারীরা।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
রাজনীতি

হাথরসকাণ্ডের প্রতিবাদে আজ বিকেলে প্রতিবাদ মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর

করোনা আবহে আজ উত্তরপ্রদেশের হাথরস ইস্যুতে কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদ মিছিল করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা পরিস্থিতিতে এই প্রথম প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শনিবার বিকেল ৪টায় মিছিল বিড়লা প্লানেটোরিয়াম থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। শুক্রবার হাথরসে ঢুকতে গিয়ে বাধা পায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। অভিযোগ, মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনকে। উত্তরপ্রদেশের হাথরসে দলিত তরুণীর গণধর্ষণে মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ আপামর জনতা। তারওপর যোগী সরকারের কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ আরও বাড়ছে। স্থানীয় জেলাশাসক হুমকি দিয়েছেন ওই পরিবারকে। এমনটাই অভিযোগ। কংগ্রেসে নেতা রাহুল গান্ধীকে মেরে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এর আগে টুইটে উত্তরপ্রদেশের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার পথে নেমে প্রতিবাদ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অক্টোবর ০২, ২০২০
দেশ

হাথরসে পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে মাটিতে পড়ে গেলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন

হাথরসে নির্যাতিতার বাড়ি যাওয়ার পথে তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে আটকে দিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। নির্যাতিতার বাড়ি থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে তাঁদের আটকে দেওয়া হয়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে পড়ে যান তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন । তৃণমূলের এই প্রতিনিধি দলে রয়েছেন সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন সহ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, মমতাবালা ঠাকুর এবং প্রতিমা মণ্ডলেরা। শুক্রবার সকালে নির্যাতিতার বাড়ি থেকে ১.৫ কিলোমিটার দূরে আটকে দেওয়া হয় বলে তৃণমূলের এই প্রতিনিধিদলকে।শুক্রবার সকালে তৃণমূল সাংসদদের একটি দল হাথরসের উদ্দেশে রওনা দেয়। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের সমবেদনা জানাতে যাচ্ছিলেন তাঁরা। দিল্লি থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার যাত্রা করেও ফেলেছিলেন তারা। কিন্তু, হাথরসে ঢোকার মাত্র দেড় কিলোমিটার আগে তাদের আটকে দেওয়া হয়।বাধার মুখে পড়ে পুলিশের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল সাংসদরা। সেইসময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে পড়ে যান ডেরেক ও ব্রায়েন।ডেরেক বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এবং সমবেদনা জানাতে হাথরস এসেছি। আমরা সমস্ত প্রোটোকল বজায় রাখছি। আমাদের কাছে তো অস্ত্রশস্ত্র নেই । তবে কেন আমাদের থামানো হচ্ছে ? এটা কী ধরনের জঙ্গলরাজ যে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেও নির্বাচিত সাংসদদের বাধা দেওয়া হচ্ছে ! নির্যাতিতার বাড়ি আর মাত্র ১.৫ কিলোমিটার পথ। হেঁটেই যাব আমরা। গতকাল হাথরসের নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে একইভাবে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছিলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধি । কিন্তু হাথরস ঢোকার আগে একাধিকবার তাঁদের আটকানো হয়। এরপর হেঁটে হাথরসে যেতে গেলে ফের বাধা দেয় পুলিশ। চলে বচসা। ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে যান রাহুল। পরে তাঁদের আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ । রাতে গৌতম বুদ্ধ নগরের ইকোটেক ওয়ান পুলিশ স্টেশনে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয় ।

অক্টোবর ০২, ২০২০
দেশ

হাতরাসে যেতে বাধা, উত্তরপ্রদেশে ঢুকতেই আটক রাহুল

হাতরাসে মৃতা তরুণীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করার জন্য দিল্লি থেকে উত্তরপ্রদেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। কিন্তু যমুনা এক্সপ্রেসওয়ের কাছে তাদের গাড়ি আটকে দেয় যোগী রাজ্যের পুলিশ। এরপর তাঁদের হেনস্থা করা হয়। আক্রান্ত হয় তাঁদের সঙ্গে যাওয়া কং কর্মীরা। বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশের হাথরাসের উদ্দেশে রওনা দেন রাহুল গান্ধী ও তাঁর বোন প্রিয়াঙ্কা। অভিযোগ গাড়ি থেকে নামতেই রাহুলকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় পুলিশ। এমনকী তাঁকে লাঠিপেটা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। এরপরই রাহুল গান্ধী ও তাঁর বোনকে আটক করে অতিথিশালায় নিয়ে যাওয়া হয়।একাধিক বিরোধী দলের নেতা দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি তুলেছেন। বৃহস্পতিবার নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছিলেন রাহুল গান্ধী। সঙ্গে ছিলেন তাঁর বোন তথা কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও। হাথরাস পৌঁছনোর আগেই রাহুল-প্রিয়াঙ্কার পথ আটকায় উত্তরপ্রদেশ পুলিস। গ্রেটার নয়ডায় তাঁদের কনভয় ঢুকতেই পথ আটকায় পুলিশ। গাড়ি থেকে নেমে পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে যান রাহুল গান্ধী।জানতে চান , কেন তাকে আটকানো হচ্ছে। পুলিশ জানায় , সেখানে ১৪৪ ধারজারি রয়েছে। কেউ যেতে পারবেন না। এরপর পুলিশের সঙ্গে তাঁরা বচসায় জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগ, এরপরেই রাহুল গান্ধীকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। রাহুলকে পুলিশ লাঠিপেটা করে বলেও অভিযোগ ওঠে। এরপরই পুলিশ রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করে। করোনার জেরে এলাকায় কন্টেনমেন্ট জোন রয়েছে, সেই কারণেই বাইরের কাউকে এলাকায় ঢুকতে দেওয়া যাচ্ছে না। কংগ্রেস নেতাদের আটকাতে এমনই যুক্তি সাজিয়েছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।

অক্টোবর ০১, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

হাজারো মানুষের জমায়েতের পরেই পাল্টা আক্রমণ! ককরোচ জনতা পার্টিকে নিশানা নীতীনের

দিল্লির যন্তর মন্তরে শনিবারের বিক্ষোভ কর্মসূচির পর ফের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ককরোচ জনতা পার্টি। সংগঠনের ডাকে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতেই দলটিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন।শনিবার রাঁচিতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নীতীন বলেন, দেশের যুবসমাজ নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে এবং দেশের উন্নয়নে অংশ নিতে চায়। কিন্তু কিছু মানুষ তরুণ প্রজন্মকে নেতিবাচক রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি বলেন, ভারতের যুবসমাজ ইতিবাচক চিন্তা ও গঠনমূলক কাজের পথেই এগোবে।নাম না করেই ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের দিকেও ইঙ্গিত করেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, বিদেশে বসে কয়েক জন মানুষ মনে করছেন যে তাঁরা ভারতের যুবসমাজের চিন্তাধারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। কিন্তু দেশের তরুণ প্রজন্ম কারও হাতের পুতুল নয়।নীতীন আরও বলেন, গণতন্ত্রে মতবিরোধ থাকতেই পারে, তবে গণতান্ত্রিক কাঠামোকে দুর্বল করার কোনও প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর দাবি, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি এবং নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের তরুণরা নিজেদের দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন। তাঁদের পরিশ্রমের ফলেই দেশে বিপুল সংখ্যক নতুন উদ্যোগ গড়ে উঠেছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে যে ধরনের সরকারবিরোধী আন্দোলন দেখা গিয়েছে, সেই পরিস্থিতি ভারতে তৈরি হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অন্যদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি সামনে আনা হয়েছে। সংগঠনের দাবি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, শিক্ষা ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ডিজিটাল রূপান্তর, মণিপুরে স্বাভাবিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলিতে আরও স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে।শনিবারের কর্মসূচিকে ঘিরে প্রথমে নানা জল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি দেয়। শুধু অনুমতিই নয়, কর্মসূচি ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্যও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। অভিজিৎ দীপক ভারতে এলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে যে জল্পনা চলছিল, তাও বাস্তবে দেখা যায়নি। বরং কর্মসূচি চলাকালীন তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।সব মিলিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির সাম্প্রতিক কর্মসূচি এবং তা ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে শুরু হওয়া নতুন বিতর্ক এখন রাজনৈতিক মহলের অন্যতম আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

‘অপমানে মাথা নোয়েনি’— স্বরূপ গ্রেফতারের পর ১০ পরিচালকের নাম প্রকাশ্যে আনলেন সুদীপ্তা

স্টুডিওপাড়ায় তোলাবাজি এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পর স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন ধরে টলিউডের বিভিন্ন মহলে তাঁর বিরুদ্ধে অসন্তোষ থাকলেও অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। তবে গ্রেফতারের পর সেই পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে।স্বরূপ বিশ্বাস দীর্ঘদিন পূর্ব ভারতের চলচ্চিত্র প্রযুক্তিবিদ ও কর্মী সংগঠনের শীর্ষ পদে ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় টলিউডে কাজের ক্ষেত্রে তাঁর প্রভাব ছিল অত্যন্ত বেশি। বহু শিল্পী, কলাকুশলী এবং কর্মচারীর দাবি, বিভিন্ন সময়ে তাঁদের কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছে।এই আবহে অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তীর একটি সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। হারাধনের দশটি ছেলে শিরোনামে করা সেই পোস্টে তিনি এমন দশ জন পরিচালকের কথা উল্লেখ করেছেন, যাঁরা নানা চাপের মধ্যেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেননি।সুদীপ্তার দাবি, প্রায় দেড় বছর আগে ফেডারেশনের তৎকালীন সভাপতির বিরুদ্ধে বহু পরিচালক একযোগে আইনি পদক্ষেপ করেছিলেন। পরে কাজের স্বার্থে অনেকেই সেই অবস্থান থেকে সরে এলেও কয়েক জন পরিচালক শেষ পর্যন্ত নিজেদের প্রতিবাদ বজায় রেখেছিলেন। তাঁদের নিয়েই পোস্টে লিখেছেন অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, অপমান এবং পেশাগত ক্ষতির মুখেও তাঁরা নিজেদের নীতি থেকে সরে যাননি।সেই তালিকায় রয়েছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, আশীষ সেন চৌধুরী, অভিষেক সাহা, বিদুলা ভট্টাচার্য, দেবাশিস চক্রবর্তী, ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরী, কিংশুক দে, সুব্রত সেন, সুদেষ্ণা রায় এবং সুমিত দাম।সুদীপ্তার পোস্টে বিশেষভাবে উঠে এসেছে অনির্বাণ ভট্টাচার্যের নাম। অভিযোগ, দীর্ঘদিন তাঁকেও কাজের সুযোগ থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। সেই সময় তিনি নিজের সৃজনশীল কাজ এবং সংগীতচর্চার মাধ্যমে দর্শকদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। পরে অভিনেতা ও প্রযোজক দেব তাঁর একটি ছবিতে কাজের সুযোগ দেন বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।অন্যদিকে, স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে আরও কিছু অভিযোগ সামনে এসেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এক মেক-আপ শিল্পীর অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, প্রায় দুবছর ধরে তিনি কোনও কাজ পাননি। কাজের সুযোগ চাইলে তাঁর কাছে টাকা দাবি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি ভয় দেখানো এবং হুমকি দেওয়ার কথাও তিনি অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন।অভিযোগকারীর দাবি, দীর্ঘদিন কাজ না পাওয়ার কারণে তিনি সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি নিজের সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন। এরপরই তাঁর পেশাগত জীবনে কিছু সুযোগ আসে। তবে অভিযোগের সমস্ত দিকই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে ওঠা এই অভিযোগগুলি নিয়ে এখন টলিউডে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে তদন্তে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর শিল্পী মহল এবং রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ০৭, ২০২৬
কলকাতা

ডিম আতঙ্কে শেষ মুহূর্তে বাতিল বৈঠক! তৃণমূল ভবন নিয়ে জোর জল্পনা

কলকাতা পুরসভার নতুন মেয়র নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। এর মধ্যেই রবিবার বিকেলে তৃণমূল ভবনে ডাকা কাউন্সিলরদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষ মুহূর্তে বাতিল করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।তৃণমূলের অন্দরের দাবি, বৈঠককে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। পাশাপাশি কিছু কাউন্সিলরের মধ্যেও বৈঠকে যোগ দেওয়া নিয়ে অনীহা দেখা গিয়েছিল বলে সূত্রের দাবি। সেই পরিস্থিতির কথা উচ্চ নেতৃত্বের কাছে পৌঁছনোর পর বৈঠক বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।দলীয় সূত্রের আরও দাবি, নতুন মেয়র নির্বাচনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অন্য কোনও স্থানে কাউন্সিলরদের ডেকে প্রয়োজনীয় নথিতে স্বাক্ষর করানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।এদিকে, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরেরও কথা রয়েছে। বিরোধী জোটের বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে কোনও বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি হোক, তা দল চাইছে না বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।উল্লেখ্য, ফিরহাদ হাকিম মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর কলকাতা পুরসভায় প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কেন পুরবোর্ড ভেঙে দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রাজ্য সরকারের তরফে নোটিস পাঠানো হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তার জবাবও দিতে হবে।এই পরিস্থিতিতে নতুন মেয়র নির্বাচন নিয়ে তৃণমূলের তৎপরতা বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই একাধিক নাম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের নামও জল্পনায় উঠে এসেছে। তবে শেষ পর্যন্ত দল কাকে দায়িত্ব দেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০৭, ২০২৬
কলকাতা

তালা ভেঙে বাড়িতে ঢুকল পুলিশ, ঘর থেকে টেনে বের করা হল তৃণমূল কাউন্সিলরকে

কলেজ স্ট্রিটে রবিবার ভোর থেকে চলে টানটান উত্তেজনা। প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টার নাটকীয় অভিযানের পর অবশেষে গ্রেপ্তার করা হল ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মহম্মদ জসিমউদ্দিনকে। পুলিশ সূত্রে খবর, ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ কাউন্সিলরের বাড়িতে পৌঁছে যায় জোড়াসাঁকো থানার পুলিশ। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পরেও তিনি দরজা খোলেননি।পুলিশের দাবি, কাউন্সিলর বাড়ির ভিতরেই ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর আধিকারিকরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন। তবুও দরজা না খোলায় শেষ পর্যন্ত চাবিওয়ালাকে ডাকা হয়। সদর দরজা ও একাধিক কোলাপসিবল গেটের তালা খুলে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে পুলিশ। এরপর ঘর থেকে কাউন্সিলরকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়।কাউন্সিলরকে বাড়ি থেকে বের করার সময় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর সমর্থকেরা বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে পুলিশের গাড়ি আটকে দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দারাও বিক্ষোভে সামিল হন। কাউন্সিলরকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয় এবং জমায়েত সরাতে বাহিনী তৎপর হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে এক নাবালিকাকে নির্যাতনের অভিযোগে পকসো আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় কাউন্সিলর এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েক জনের নাম ছিল। অভিযোগ, মামলা তুলে নেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিতার পরিবারকে চাপ দেওয়া হচ্ছিল।শনিবার নতুন করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ওই তরুণীকে একা পেয়ে কাউন্সিলর ঘনিষ্ঠ কয়েক জন প্রথমে কটূক্তি করে। প্রতিবাদ করলে তাঁকে মারধর করা হয়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, আক্রান্ত তরুণী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঘটনার পর আশপাশের একাধিক নজরদারি ক্যামেরাও ভাঙচুর করা হয়েছে। এই সমস্ত অভিযোগের ভিত্তিতেই রবিবার সকালে পুলিশ কাউন্সিলরের বাড়িতে অভিযান চালায়।দীর্ঘ সাড়ে ৫ ঘণ্টার টানাপোড়েনের পর কাউন্সিলর মহম্মদ জসিমউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় কাউন্সিলরসহ মোট দুই জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং পুলিশ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

জুন ০৭, ২০২৬
কলকাতা

স্বরূপের পর কি এবার অরূপ? হাই কোর্টের শুনানির আগেই প্রাক্তন মন্ত্রীকে তলব পুলিশের

স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে আইনি জটিলতার পর এবার কি একই পথে হাঁটতে চলেছেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস? মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।গত ১৭ মে মেসির সফরের আয়োজক শতদ্রু দত্ত বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে প্রায় ২২ হাজার টিকিট কালোবাজারি করা হয়েছে। পাশাপাশি চাঁদাবাজি, প্রতারণা, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন এবং অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতির মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগও আনা হয়েছে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে।শতদ্রুর আরও দাবি, প্রভাব খাটিয়ে অরূপ বিশ্বাস মেসির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। এমনকি অনুমতি ছাড়াই মেসির গায়ে হাত দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।এই অভিযোগের ভিত্তিতে অরূপ বিশ্বাসকে ৪ জুন বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল পুলিশ। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে তিনি জানান, অসুস্থতার কারণে আগামী দুসপ্তাহের মধ্যে তাঁর পক্ষে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয়।কিন্তু সেই আবেদন মঞ্জুর করেনি পুলিশ। শনিবার ফের নোটিস পাঠিয়ে প্রাক্তন মন্ত্রীকে সোমবার সকাল ১১টার মধ্যে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই মামলায় গ্রেপ্তারি এড়াতে অরূপ বিশ্বাস প্রথমে বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। তবে সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এরপর তিনি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। আগামী ৯ জুন সেই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।তবে হাই কোর্টে শুনানির আগেই পুলিশের নতুন তলব ঘিরে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর। সোমবার অরূপ বিশ্বাস থানায় হাজিরা দেন কি না এবং তদন্তে নতুন কী তথ্য উঠে আসে, তা নিয়েই কৌতূহল বাড়ছে।

জুন ০৭, ২০২৬
রাজ্য

পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে হানা, উদ্ধার পুলিশের পোশাক ও গুলির খোল! ডায়মন্ড হারবারে তীব্র চাঞ্চল্য

ডায়মন্ড হারবারে এক পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়ি ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সরিষার কামারপোল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মইদুল ইসলামের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণসামগ্রী, ওষুধ, ত্রিপল, কম্বল এবং পুলিশের পোশাক উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি গুলির খোল ও বাক্সও পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জুড়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার গভীর রাতে কয়েক জন গ্রামবাসী খবর পান যে প্রধানের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ সামগ্রী মজুত রয়েছে। এরপর তাঁরা সেখানে গিয়ে বিভিন্ন ঘরে তল্লাশি চালান বলে দাবি। অভিযোগ, সেখান থেকে হাজার হাজার ত্রিপল, শিশুদের খাদ্যসামগ্রী, পোশাক, কম্বল এবং প্রচুর ওষুধ উদ্ধার হয়।স্থানীয়দের আরও দাবি, উদ্ধার হওয়া ওষুধের মধ্যে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে পরিচালিত সেবাশ্রয় শিবিরের চিহ্নযুক্ত ওষুধও ছিল। তবে এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ঘটনার সবচেয়ে বিতর্কিত দিক হল, প্রধানের বাড়ি থেকে পুলিশের পোশাক এবং গুলির খোল উদ্ধার হওয়ার অভিযোগ। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে এই সামগ্রী সেখানে পৌঁছল, তা নিয়ে কৌতূহল ও উদ্বেগ দুই-ই বাড়ছে।খবর পেয়ে ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ এবং পারুলিয়া উপকূল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, সমস্ত সামগ্রীর উৎস এবং সেগুলি কীভাবে ওই বাড়িতে এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।স্থানীয়দের দাবি, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই অভিযুক্ত প্রধান এলাকায় নেই। ফলে তাঁর বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, গ্রামবাসীদের একাংশের অভিযোগ, সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ ত্রাণসামগ্রী দীর্ঘদিন ধরে বণ্টন না করে মজুত রাখা হয়েছিল।ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছে বিজেপি। দলের স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, সাধারণ মানুষের প্রাপ্য ত্রাণসামগ্রী আত্মসাৎ করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের পোশাক উদ্ধারের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে তারা। তাঁদের অভিযোগ, এই পোশাক ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার বা ভয় দেখানোর মতো কাজ করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই অভিযোগের পক্ষে কোনও সরকারি প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি।এদিকে, এই ঘটনার বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, তার উপরই নির্ভর করবে এই বিতর্কের ভবিষ্যৎ।

জুন ০৭, ২০২৬
টুকিটাকি

গরমের দিনে পান্তা ভাতের জুড়ি নেই, শুধু সুস্বাদু নয়, এতে লুকিয়ে আছে পুষ্টির ভাণ্ডার

পান্তা ভাত। শুনলেই অনেকের জিভে জল চলে আসে। এ স্বাদের কোনও ভাগ হবে না। সত্যি এ এক অনন্য স্বাদের খাবার। গরমে এর কোনও বিকল্প নেই। কিন্তু পান্তা ভাতের গুনাগুন শুনলে যে কেউ চমকে যাবেন। অনেকেরই ধারণার বাইরে। পান্থা ভাত কি শুধু স্বাদের জন্য পছন্দ করি, নাকি তার কিছু গুনাগুন আছে? পান্তাভাতের সঙ্গে চাই গন্ধরাজ লেবু, কাঁচা পেয়াজ, কাঁচা লঙ্কা। তার সঙ্গে পোস্তের বরা বা ডালের বরা হলে মন্দ নয়। পান্তা ভাতের গাজন বা ফার্মান্টেশনের জন্য ভিটামিন বি ১২, ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম তৈরি হয়। এটি শুধু শরীরের ভিতরকে ঠান্ডা করে না পাশাপাশি হজম শক্তি বাড়ায়। ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। পান্তা ভাত যেমন অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে তেমনি তার পুষ্টিগুন জনতি বৃদ্ধিতে রক্ত শূন্যতা বা অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করে। শরীরে ক্লান্তি ও অনিদ্রা দূর করে। ত্বক ও চুলকে ভালো রাখা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য় করে।কিভাবে এই খাবার তৈরি করবেন? পান্তা ভাত তৈরির জন্য বিশুদ্ধ খাবার জলে ভাত ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখা উচিত। ১২ ঘন্টার বেশি ভিজিয়ে রাখলে পেটের অসুখ হতে পারে। পান্তা ভাতের এই ফার্মান্টেশন শরীরের ঘুম ঘুম ভাব এনে থাকে অর্থাৎ অনিদ্রা দূর করে।

জুন ০৭, ২০২৬
রাজ্য

গৃহস্থের বাজেটে আগুন! তিন মাস পর আবার দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের

সাধারণ মানুষের জন্য ফের বড় ধাক্কা। তিন মাস পর আবার বাড়ানো হল গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের দাম। ৭ জুন থেকে সারা দেশে বাড়ির ব্যবহারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৯ টাকা বৃদ্ধি করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর কলকাতায় একটি গৃহস্থালি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম দাঁড়াল ৯৬৮ টাকা।তবে এই মুহূর্তে বাণিজ্যিক গ্যাসের দামে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। কলকাতায় উনিশ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের বর্তমান দাম ৩২৫৫ টাকা ৫০ পয়সা।বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহ ও দামের উপর চাপ তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে গ্যাস, পেট্রোল এবং ডিজেলের বাজারেও। চলতি বছরের শুরু থেকে ধারাবাহিকভাবে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বেড়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসও।গত বছরের জুলাই মাস থেকে এখন পর্যন্ত রান্নার গ্যাসের দাম মোট ৮৯ টাকা বেড়েছে। এর আগে মার্চ মাসে একবারে ৬০ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ বৃদ্ধির পর দিল্লিতে গৃহস্থালি গ্যাসের দাম হয়েছে ৯৪২ টাকা, মুম্বইয়ে ৯৪১ টাকা ৫০ পয়সা, চেন্নাইয়ে ৯৫৭ টাকা ৫০ পয়সা এবং কলকাতায় ৯৬৮ টাকা।সংবাদসংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ভর্তুকিযুক্ত গ্যাস কম দামে বিক্রি করার কারণে তেল সংস্থাগুলির আর্থিক চাপ বাড়ছে। সেই ক্ষতি কিছুটা সামাল দিতেই গৃহস্থালি গ্যাসের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, বাণিজ্যিক গ্যাসের দামও গত কয়েক মাসে একাধিকবার বেড়েছে। এপ্রিল মাসে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম ২১৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। মে মাসে এক ধাক্কায় প্রায় এক হাজার টাকা বৃদ্ধি পায় দাম। এরপর জুন মাসের শুরুতে আরও ৫৩ টাকা ৫০ পয়সা বাড়ানো হয় বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্য।সব মিলিয়ে রান্নার গ্যাসের নতুন মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের সংসারের খরচ আরও বাড়িয়ে দিল বলে মনে করছেন অনেকেই। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত গৃহস্থের উদ্বেগ আরও বাড়াবে বলেই মত অর্থনৈতিক মহলের একাংশের।

জুন ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal