• ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩, শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Government

কলকাতা

হাসপাতালে রোগীর পরিবারকে প্রতারিত করার ফাঁদ—ধরা পড়তেই বিস্ফোরক তথ্য, মাথা ঘুরে গেল পুলিশের

সরকারি হাসপাতালে দালালচক্র নির্মূলের দাবি বহুদিনের। অথচ কলকাতার দুই প্রধান স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠল পুরনো সেই দাপটই। মেডিক্যাল কলেজ ও SSKMদুটি হাসপাতালেই রোগীর আতঙ্ক বাড়িয়ে আবার সক্রিয় হয়েছে দালাল চক্র। গত শুক্রবার সন্ধেয় সাদা পোশাকে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের আকস্মিক হানাতেই ধরা পড়ল এই নেটওয়ার্কের দুই সক্রিয় সদস্য।মেডিক্যাল কলেজ থেকে ধরা হয় সচিন রাউথ নামে এক ব্যক্তিকে। অভিযোগ, তিনি রোগীর পরিবারের কাছে ঘোরাফেরা করে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা তুলছিলেন। চিকিৎসাপরামর্শ দেওয়ার নামে তাঁকে আগে থেকেই নজরে রেখেছিল পুলিশ। সেই সূত্র ধরেই শেষ পর্যন্ত হাতেনাতে ধরা পড়ে তিনি।অন্যদিকে SSKM হাসপাতাল থেকে পাকড়াও করা হয়েছে গোলাম রসুল নামে আরও এক দালালকে। রোগীদের ভিড়ের মাঝে ছদ্ম পরিচয়ে ঘুরে বেড়িয়ে তিনি নানাভাবে টাকা আদায় করতেন বলে অভিযোগ। হাসপাতাল সূত্রে দাবি, তিনি বহিরাগতই ছিলেন। গত কয়েক দিন ধরেই তাঁর গতিবিধি সন্দেহজনক লাগছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশের গোপন নজরদারিতে তার জাল শেষমেশ ভেঙে পড়ে।সবচেয়ে বড় প্রশ্নমুখ্যমন্ত্রী সরাসরি হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরও কীভাবে সরকারি হাসপাতালের ভিতর এমন দালালচক্রের দাপট এতটা প্রকাশ্যে চলল? গত মাসেই SSKM হাসপাতালের বহিরাগত প্রবেশ ও CCTV নজরদারি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। সেই সময়ই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, হাসপাতালের ভেতরে কারা ঢুকছেবেরোচ্ছে তার বিশেষ খতিয়ান রাখতে। তবু কীভাবে এসব চক্র ফের সক্রিয় হল, তা এখন তদন্তের মুখ্য দিক।দুই অভিযুক্তকেই আজ আদালতে পেশ করা হবে। তাঁদের কাছ থেকে আরও তথ্য জোগাড় করার চেষ্টা চলছে। পুলিশ মনে করছে, তাঁদের পিছনে আরও বড় চক্র লুকিয়ে থাকতে পারে। হাসপাতাল চত্বরে তাদের ম্যাপিং শুরু করেছে তদন্তকারী দল।কলকাতার দুই সর্বাধিক ব্যস্ত সরকারি হাসপাতালে দালালচক্রের এই নতুন সক্রিয়তা রোগীদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। প্রশ্ন উঠছেএবার কি সত্যিই কঠোর পদক্ষেপ করবে প্রশাসন?

নভেম্বর ২২, ২০২৫
দেশ

দিল্লির লালকেল্লায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ! সন্ত্রাসবাদী হামলা বলেই জানাল কেন্দ্র

দিল্লির বুক কাঁপিয়ে গেল এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ! লালকেল্লার সামনে সোমবারের (১০ নভেম্বর) সেই বিস্ফোরণ যে নিছক কোনও দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত সন্ত্রাসবাদী হামলাই ছিল, তা এখন আর কারও অজানা নয়। বুধবার কেন্দ্রীয় সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করলএটি ছিল এক ঘৃণ্য টেরর অ্যাটাক।বুধবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বৈঠকে বসে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটি। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। বৈঠকের শুরুতেই দুই মিনিটের নীরবতা পালন করা হয় লালকেল্লা বিস্ফোরণে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। এরপর কেন্দ্র স্পষ্ট জানিয়ে দেয়এটি দেশবিরোধী শক্তির পরিকল্পিত হামলা, যার উদ্দেশ্য ছিল ভারতের নিরাপত্তা ও ঐক্যকে চ্যালেঞ্জ করা।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশে ফেরার পরই সরাসরি ছুটে যান দিল্লির লোক নায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালে। সেখানে আহতদের সঙ্গে কথা বলেন, চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে আশ্বাস দেন যে এই জঘন্য ঘটনার দায়ে জড়িতদের একটিকেও ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। যারা এই হামলার পিছনে, তাদের শাস্তি হবেই।এই ঘটনার পর দেশজুড়ে নিরাপত্তা আরও কড়া করা হয়েছে। গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছেন, কোথা থেকে এবং কারা এই হামলার পরিকল্পনা করেছিল। ইতিমধ্যেই দিল্লি পুলিশের পাশাপাশি এনআইএ-র একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে।১০ নভেম্বর বিকেলে লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি হুন্ডাই আই-২০ গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে, একের পর এক গাড়ি উড়ে যায়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের দোকান ও বাড়ির জানলার কাচ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, একটা বোমার আওয়াজে যেন কেঁপে উঠেছিল গোটা এলাকা!এখন প্রশ্ন একটাইকাদের হাত এই হামলার পিছনে? গোটা দেশ তাকিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার দিকে। প্রধানমন্ত্রী থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাসবার এক সুর, ভারতকে ভয় দেখানো যাবে না।দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে। বিদেশ থেকেও একাধিক দেশ ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সমর্থনের বার্তা দিয়েছে। এদিকে কেন্দ্র জানিয়েছে, অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোরতম সাজা দেওয়া হবে।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
বিদেশ

নেপালে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনে কি অনিশ্চয়তা বাড়ছে? কে পাচ্ছেন দায়িত্ব?

কে পি শর্মা ওলি সরকারের পতনের পর নেপালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা বৃহস্পতিবার আরও তীব্র হয়ে ওঠে। জেনারেল জেডের প্রতিবাদী দলগুলি ক্ষমতার অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কে নেবে তা নিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়ে এবং রাষ্ট্রপতি রাম চন্দ্র পৌডেল জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান অচলাবস্থার যে কোনও সমাধান বিদ্যমান সংবিধানের অধীনেই খুঁজে বের করতে হবে।রাষ্ট্রপতির এই অবস্থান নেপালের সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগডেলের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দ্রুত দায়িত্ব গ্রহণের প্রচেষ্টাকে জটিল করে তোলে। একদিন আগে, জেনারেল সিগডেল প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কিকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান নির্বাহী হিসেবে পদত্যাগ করতে বলেছিলেন, অনেক বোঝাপড়া এবং জেনারেল জেডের কিছু গোষ্ঠীর আনুষ্ঠানিক বিবৃতির পর তিনি এই প্রস্তাব গ্রহণ করেন।নেপালের বর্তমান সংবিধান কোনও প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি বা সুপ্রিম কোর্টের বিচারককে রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী হতে বা অবসর গ্রহণের পরে অন্য কোনও রাজনৈতিক বা সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত হতে দেয় না। কার্কি ২০১৭ সালের জুনে অবসর গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি পৌডেল বলেন যে বিদ্যমান সংবিধানের অধীনে অচলাবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার উপায় সম্ভব এবং এটি আরও এগিয়ে নেওয়া উচিত।তাঁর এই দাবিকে অত্যন্ত মেরুকৃত পরিবেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং সংবিধান রক্ষার পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কমপক্ষে চারটি প্রধান দল - সিপিএন (মাওবাদী কেন্দ্র), নেপালি কংগ্রেস, সিপিএন (ইউএমএল) এবং মাদেশ-কেন্দ্রিক গোষ্ঠী - তার আহ্বানকে সমর্থন করেছে।পৌডেলের এই বক্তব্য জেনারেল সিগডেলের একাধিক জেনারেল জেড গ্রুপ এবং অন্যান্য নেতাদের আলোচনার টেবিলে আনার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে। যেখানে কোনও বিদ্যমান রাজনৈতিক দলের নেতার নেতৃত্বে নয় এমন একটি সরকার গঠনের সুবিধার্থে, প্রধান রাজনৈতিক দলগুলির নেতারা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন।রাষ্ট্রপতির এই পদক্ষেপ সফল হলে, বিষয়টি সংসদে ফিরে আসবে যেখানে নেপালি কংগ্রেস এবং সিপিএন (ইউএমএল)-এর জোট - দুই দিন আগে অলি প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ না করা পর্যন্ত ক্ষমতাসীন জোট - সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে। এটি অলি বা তার মনোনীত প্রার্থীর ফিরে আসার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয় কারণ তিনি এখনও সংসদীয় দলের নেতা হিসেবে পদত্যাগ করেননি।সংবিধান এবং সংসদ রক্ষার এই পদক্ষেপ জেনারেল জেড গ্রুপিংয়ের মধ্যে বিভ্রান্তি এবং বিভক্তির মধ্যে এসেছে - এর কোনও আনুষ্ঠানিক কাঠামো বা কমান্ডের শৃঙ্খল নেই এবং একাধিক গ্রুপ বিভিন্ন এজেন্ডা নিয়ে এগোচ্ছে।বিদ্যমান সংবিধান রক্ষার জন্য ঐক্যের লক্ষণ দেখানো সত্ত্বেও, প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতারা ২০ জন বিক্ষোভকারীর হত্যা এবং সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের জন্য দোষারোপের খেলা শুরু করেছেন। অলি এই সহিংসতার জন্য সমাজবিরোধী এবং অপরাধীদের দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, জেনারেল জেড গ্রুপগুলিতে অনুপ্রবেশ করেছিল। কিন্তু মাওবাদী প্রধান পুষ্প কমল দহল প্রচণ্ড সরাসরি সিপিএন (ইউএমএল) এবং নেপালি কংগ্রেসের ক্ষমতাসীন জোটের উপর দোষ চাপিয়েছেন। ১৪ মাস আগে যখন আমি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে শুরু করি, তখন তারা একসাথে আমার সরকারকে উৎখাত করে, তিনি বলেন।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৫
বিদেশ

ইউক্রেনে বিধ্বংসী হামলা রাশিয়ার! ভয়াবহ আগুনে জ্বলে খাক জেলেনস্কির অফিস, পরপর মৃত্যু

রাশিয়ার নতুন আক্রমণের পর ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের একটি প্রশাসনিক ভবনে ভয়াবহ আগুন লেগেছে বলে জানিয়েছেন কিয়েভ সামরিক প্রশাসনের প্রধান টিমার তাকাচেঙ্কো। আগুন লাগার পর পেচেরস্কি জেলার ওই ভবন থেকে ঘন ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়, যা ইউক্রেনীয় সরকারের কেন্দ্রীয় ভবনের কাছাকাছি অবস্থিত।ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সভিরিডেনকো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, এই প্রথমবার রুশ হামলায় কোনো সরকারি ভবনের ছাদ ও উপরের তলা ক্ষতিগ্রস্ত হলো। কিয়েভে এই আক্রমণে তিনজন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে একটি শিশু রয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ১৮ জন, এবং সরকারি ভবন ছাড়াও একাধিক স্থাপনায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে।কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিটসকো জানান, প্রথমে ড্রোন হামলা এবং পরবর্তীতে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের ফলে ভবনে আগুন ধরে যায়। জরুরি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত একটি আবাসিক ভবনের চারটির মধ্যে দুটি তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সভিয়াতোশিনস্কি জেলায় নয়তলা একটি ভবনের কয়েকটি অংশ ধসে পড়েছে। এছাড়া, ধ্বংসাবশেষ পড়ে ১৬ তলা ও দুটি নয়তলা ভবনে আগুন লাগে। তাকাচেঙ্কোর মতে, রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবেই বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করেছে।অন্যদিকে, ইউক্রেনের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ক্রেমেনচুকে একাধিক বিস্ফোরণে কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন মেয়র ভিতালি মালেটস্কি। একই অঞ্চলের ক্রিভি রিহ শহরে রুশ হামলায় পরিবহন ব্যবস্থা ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সামরিক প্রশাসনের প্রধান ওলেকজান্ডার ভিলকুল।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজনীতি

'দ্য বেঙ্গল ফাইলস' দেখাতে বাম্পার কৌশল বঙ্গ BJP-র! রাজ্যে আরও এক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

শুরু থেকেই নানা বিতর্কে জর্জরিত বিবেক অগ্নিহোত্রীর ছবি দ্য বেঙ্গল ফাইলস। এবার সেই সিনেমাকেই কেন্দ্র করে নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। জানা গিয়েছে, কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমান্তরালে নিজেদের উদ্যোগে আলাদা এক চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করছে তারা।সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই উৎসবে দেশি-বিদেশি, আঞ্চলিক এবং বাংলা ছবির প্রদর্শনী হবে। এর জন্য শহরের কয়েকটি কেন্দ্রীয় সরকারি অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। উৎসবে থাকবেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের অভিনেতা-পরিচালকরা। পুরো দায়িত্ব সামলাচ্ছেন বিজেপি নেতা-অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় ও রুদ্রনীল ঘোষ। সিদ্ধান্তে সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও।এদিকে, ৫ সেপ্টেম্বর গোটা দেশে মুক্তি পেলেও দ্য বেঙ্গল ফাইলস এখনও পর্যন্ত বাংলার প্রেক্ষাগৃহে দেখা যায়নি। ফলে এই সমান্তরাল উৎসবেই ছবিটি দেখানো হবে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। রুদ্রনীল ঘোষ অবশ্য জানাচ্ছেন, আমাদের ভুল কিংবা অন্যায় মেনে নেওয়ার জায়গা তৈরি হয় না। অথচ সেই যুক্তিতে অর্ধেক বাংলাবাসীকেই বাদ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই একটা বিকল্প মঞ্চ দরকার। এই উৎসব সেই নিরপেক্ষ জায়গা তৈরির চেষ্টা।রুদ্রনীলের দাবি, উৎসবে এমন সব ছবি দেখানো হবে যেগুলি মানবিকতা আর গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলবে। সেখানেই থাকছে দ্য বেঙ্গল ফাইলস। তাঁর বক্তব্য, দেশজুড়ে ছবি মুক্তি পেলেও বাংলায় ব্যবসায়ীদের নানা চাপের মুখে পিছিয়ে যেতে হয়। হল মালিকরা অশান্তির ভয়ে ঝুঁকি নেন না। সবাই আসলে ২০২৬-এর রাজনৈতিক ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছে। তাই দর্শকদের সামনে সেই জানলা খুলে দেওয়ার লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

নির্ধারিত দিনেই SSC-এর পরীক্ষা, দাগিরা সুযোগ পেলে 'ফল' ভুগবে রাজ্য, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

বেআইনি নিয়োগ-কেলেঙ্কারির কারণে দাগি (অযোগ্য) প্রার্থীরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) আসন্ন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করার স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি, নিয়োগ পরীক্ষার নির্ধারিত দিন ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর বজায় রেখে পরীক্ষা বাধা ছাড়াই সম্পন্ন করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এক জন দাগি অযোগ্য প্রার্থীও যেন পরীক্ষায় বসতে না পারে তা নিশ্চিত করা SSC কর্তৃপক্ষের প্রধান দায়িত্ব ।SSC-এর আইনজীবী জানিয়েছিলেন, প্রায় ১,৯০০ জন প্রার্থী দাগি বা অযোগ্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত ।সুপ্রিম কোর্ট SSC-কে এক সপ্তাহের মধ্যে (৭ দিনের মধ্যে) অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দেয়; তা না হলে SSC-কে ফল ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়।কলকাতা হাইকোর্ট আগেই দাগি প্রার্থীদের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন, যা upheld হয় ডিভিশন বেঞ্চের মাধ্যমে ।একই সঙ্গে এদিন আদালত জানিয়েছে, অযোগ্যদের পুনরায় সুযোগ দেওয়ার SSC ও রাজ্য সরকারের যুক্তিও দ্বিগুণ শাস্তির সমতুল্য হবে। আদালত ত আরো জানিয়েছে, সমাজে প্রতারণার জন্য কোন স্থান নেই।স্কুল সার্ভিস কমিশনের নতুন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর। অন্যদিকে, এসএসসির আইনজীবী এদিন জানিয়েছেন দাগী প্রার্থীর সংখ্যা প্রায় ১,৯০০ জন।SSC-কে সেই নামের তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।বিধি লঙ্ঘনের ফল SSC-কে ভোগ করতে হবে বলেও এদিন স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের এই বক্তব্যের পর এসএসসি-র তরফে আইনজীবী জানিয়েছেন, সম্ভব হলে আগামীকাল অর্থাৎ শনিবারই দাগিদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশে স্পষ্ট যে, নিয়োগে স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করতে দাগি প্রার্থীরা কোনোভাবেই পরীক্ষায় বসতে পারবে না, এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া সময়মতো, আইনগত ও নৈতিক মানদণ্ড অনুসারে সম্পন্ন করতে হবে।

আগস্ট ২৯, ২০২৫
রাজ্য

বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য মন্ত্রিসভার, সাময়িক সুরাহা, চাকরিহারা শিক্ষা কর্মীদের জন্য মাসিক ভাতা ঘোষণা মমতার

পশ্চিমবঙ্গ সরকার সম্প্রতি একটি নতুন ভাতা প্রকল্প চালু করেছে, যার মাধ্যমে চাকরি হারানো গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি শিক্ষাকর্মীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এই সিদ্ধান্তটি ২০২৫ সালের ১৪ মে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত হয়েছে।এই প্রকল্পের নাম ওয়েস্ট বেঙ্গল লাইভলিহুড এন্ড সোশ্যাল সিকিউরিটি ইন্টেরিম স্কিম (West Bengal Livelihood and Social Security Interim Scheme),ভাতা পরিমাণ:গ্রুপ সি কর্মীদের জন্য মাসিক ₹২৫,০০০, গ্রুপ ডি কর্মীদের জন্য মাসিক ₹২০,০০০, এই স্কিম কার্যকরের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২৫ থেকে এবং এই প্রকল্পের তত্ত্বাবধান করবে রাজ্য শ্রম দফতরের।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার সাংবাদিক সন্মেলনে জানিয়েছেন এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চাকরি হারানো ২৫,৭৫২ জন স্কুল কর্মচারীর আর্থিক দুর্দশা লাঘব করা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, এই ভাতা প্রদান চলবে যতদিন না পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা রিভিউ পিটিশনের নিষ্পত্তি হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগটি মানবিকতার দিক বিবেচনা করে নেওয়া হয়েছে, যাতে চাকরি হারানো কর্মীরা তাদের পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।যদিও অনেক কর্মী এই ভাতা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন, তবুও তাদের মূল দাবি চাকরিতে পুনর্বহাল হওয়া। একজন প্রাক্তন কর্মী কৌশিক রঞ্জন মণ্ডল বলেন, ভাতা সমাধান নয়। আমি মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপের প্রশংসা করি, তবে আমরা চাই আমাদের চাকরি ফিরে আসুক।তৃণমূল কর্মী সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবী করা হচ্ছে যে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্য সরকার প্রমাণ করেছে যে তারা চাকরি হারানো কর্মীদের পাশে রয়েছে এবং তাদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মে ১৫, ২০২৫
দেশ

রুষ্ট গনদেবতা

I rebel, therefore I exist.Albert Camusগন দেবতার অভিজ্ঞানই তো প্রসবিনী করে লেখকের কলম। অস্তিত্বের সংকটে পড়লে শিরদাঁড়া ঝুঁকতে শুরু করলে জনতার রোষ ডানা ঝাপটায়। মানবজমিনের এই ইতিহাস আরো একবার পরীক্ষা দিল এবারের লোকসভা নির্বাচনে। সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে জনতা জনার্দন জানিয়ে দিল কোনো পরমাত্মা নয় গনতন্ত্রের থানে একমাত্র গনদেবতার ই অধিষ্ঠান। গত দশ বছরে বিশাল আধিপত্য বিস্তারে যে অনুশীলন শুরু হয়েছিল তাতে সুতীক্ষ্ণ কৌশলে আরও অতিকায় করে তোলার অভিযান ছিল এই নির্বাচনের পর্ব থেকে পর্বান্তরে। সেই অভিযানের সামনে দাঁড়িয়ে বিশেষত গ্ৰামীন ভারত জানিয়ে দিল কে আসল জনার্দন। ২০২৪য়ের নির্বাচনী ফলাফলকে কোনো সরল মাত্রায় বিচার করা যাবে না। একদিকে খাদ্য দ্রব্যের আকাশ ছোঁয়া দাম, বেকারত্ব, আর্থিক, সামাজিক অসাম্য, আর কৃষকদের রুটি রুজির অনিশ্চয়তা। এই দুর্দশাগ্ৰস্ত ভারতকে নস্যাৎ করে বেলাগাম মেরুকরণের রাজনীতি তীব্র ধর্মীয় বিভাজন আর এক ও অদ্বিতীয় নেতার ভাবমূর্তি নির্মানের প্রচার কৌশল। এর পাশাপাশি ছিল দেশের সংবিধান কি অক্ষত থাকবে, গনতন্ত্র কোন চেহারায় থাকবে সেই প্রশ্নও। এই বহুমাত্রিক ক্যানভাসের কেন্দ্রস্থলে দাঁড়ানো প্রবল বলশালী শাসককে ভারতীয় ভোটার রা জানিয়ে দিল গনতন্ত্র, বহুমত, বহুমুখী,বহুস্বর ই প্রকৃত প্রতাপশালী। খালি পেটে ধর্ম হয় না, প্রাচীন প্রবাদ। মূল্যায়ন সংস্থা CRISIL জানাচ্ছে পেঁয়াজ সহ অন্যান্য আনাজের দাম বেড়েছে চল্লিশ শতাংশের বেশি। গৃহস্থ বাড়িতে নিরামিষ থালি তৈরির খরচ বেড়েছে ৯%। আমিষ থালির খরচ তুলনায় কিছুটা কম। কিন্তু আমিষ কেনার সামর্থ্য সবার নেই। বিভিন্ন কাঁচা মালের দামের ভিত্তিতে দেশের উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব পশ্চিমে গৃহস্থের বাড়িতে রান্না করা খাবারের গড় খরচ হিসাব করে তারা। আম জনতার এই দূর্ভোগ কে প্রশমন করতে মুসলিমদের দুষে বিদ্বেষ ছড়িয়ে ছিলেন নরেন্দ্র মোদী। খালি পেট সেই বিদ্বেষে ভোলেনি। অযোধ্যা যার অন্তর্গত সেই লোকসভা কেন্দ্র ফইজাবাদে বিজেপি হেরেছে। তিন দশকের বেশি সময় ধরে অযোধ্যার রামমন্দির গেরুয়া রাজনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। আবার সাম্প্রতিক সময় গেরুয়া হিন্দুত্বের অন্যতম প্রধান মঞ্চ বারানসী। সেই বারানসী তে এক অকিঞ্চিৎকর প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে ভোট যুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর জয়ের ব্যবধান বিপুল হারে কমেছে। পেটের আগুনের আঁচে পুড়েছে বিদ্বেষের রাজনীতি ও। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে হিন্দুদের মঙ্গল সুত্র, সম্পত্তি ও পিছিয়ে পড়াদের সংরক্ষণ কেড়ে নিয়ে মুসলিমদের দিয়ে দেবে। প্রচারের এই তীব্র বিদ্বেষের সুর প্রথম শোনা যায় রাজস্থানের বারমের কেন্দ্রে। সেখানে বিজেপি হেরেছে । গুজরাটে বনসকন্ঠ লোকসভা কেন্দ্র। এই বনসকন্ঠ শহরে ডেয়ারী শিল্পের প্রাচুর্য রয়েছে। এই কেন্দ্রের প্রচারে প্রধানমন্ত্রী মুসলমানদের অধিক সংখ্যক সন্তানের জন্মদাতা বলেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে হিন্দুদের মোষ কেড়ে নিয়ে মুসলমানদের দিয়ে দেবে। গুজরাটের বনসকন্ঠেও বিজেপি হেরেছে। ২০১৪ এবং ২০১৯-র তুলনায় গেরুয়া হিন্দুত্বের চারণভূমি উত্তর প্রদেশে বিজেপির শোচনীয় ফল হয়েছে। দলিত, সবরকম OBC এবং মুসলিম ভোটাররা বিজেপির জয়রথ থামিয়েছেন। যাদবদের দল হিসেবে পরিচিত SP র নেতা অখিলেশ যাদব, যাদব নির্ভরতা কমিয়ে এই তিন শক্তি কে কাছে টেনে এক নতুন Social Engineering -র রাস্তা দেখিয়েছেন। এবারের নির্বাচনের আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল বিজেপির ৩৭০ অথবা ৪০০ আসন পারের স্লোগান সংবিধানের প্রশ্নকে উচ্চকোটির স্তর থেকে বেরিয়ে গন রাজনীতির পরিসরে প্রবেশ করিয়েছে। বিজেপি ৩৭০ বা ৪০০ আসন পেলে সংবিধান বদলাবে। সেই বদলে দেশের সংরক্ষণ ব্যবস্থা উঠে যাবে। এই আশঙ্কা বিশেষত তুলনায় শিক্ষিত দলিত যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে ছড়িয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে এতদিন সংবিধান নিয়ে আশঙ্কা, আলোচনা, বিতর্ক সব ই ছিল উচ্চকোটির সীমানায় বন্দি। ইংরেজি সংবাদপত্র, JNU, Delhi Law School, Delhi School of Economics and Sociology, এবং India International centre য়ের seminar hall য়েই সংবিধান নিয়ে যাবতীয় আলোচনা হতো। সংবিধান দলিত এবং OBC সম্প্রদায়ের Mass politics য়ে চলে আসার ফলে ভুগতে হল বিজেপি কে। এই পথ ধরেই দলিত রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা চন্দ্রশেখর আজাদ এবার সংসদে গেলেন। শুধু তাই নয় উত্তর প্রদেশের জনতা এবার ভোটে হিন্দুত্বের রাজনীতির প্রতিস্পর্ধা হিসেবে Social justice party কে ফিরিয়ে আনলেন। এই নির্বাচনী ফলে বিভিন্ন রাজ্য, বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর স্বর ভারতের স্বাভাবিক বৈচিত্র্যকেও ফিরিয়ে এনেছে। তবে এই নির্বাচন শুধু শাসকদের নয়, বিরোধীদের ও আরো দ্বায়িত্বশীল হওয়ার কথা বলেছে।

জুন ১০, ২০২৪
রাজ্য

পুজোর পর ঈদেও বাংলায় বোনাস বৈষম্য সিভিক ভলান্টিয়ারদের, অভিযোগে সরব শুভেন্দু

বিজেপির বিরুদ্ধে বিভাজনের রাজনীতির অভিযোগে বরাবরই সরব থাকে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার বিভাজনের রাজনীতির অভিযোগ উঠল মমতা প্রশাসনের বিরুদ্ধে। ঈদের দিনে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বোনাস বৈষম্যের অভিযোগে সরব হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দুর্গা পুজো ও ঈদের সময় সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাসের অঙ্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা প্রাপ্তির ছবিও তুলে ধরেছেন তিনি।বিরোধী দলনেতা এক্স হ্যান্ডেলের শুরুতেই, এক কাজ এক বোনাস-এর দাবি জানিয়েছেন। তারপর সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাসের অঙ্ক তুলে ধরেছেন।নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু অধিকারী সরকারি বিজ্ঞপ্তি তুলে ধরে লিখেছেন, দুর্গাপুজো সময় কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ারদের ৫,৩০০ টাকা করে বোনাস দেওয়া হয়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ারদের ২ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হয়। পাশাপাশি দুটি অ্যাকাউন্টে ওই বোনাস প্রাপ্তির ছবিও দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। ঈদে কিছু জেলা পুলিশ ৫,৩০০ টাকা বোনাস দিয়েছে, কয়েকটি জেলা ৬,০০০টাকা বোনাস দিয়েছে।I demand ONE JOB ONE BONUS.Bonus Amount for Civic Volunteers:During Durga Puja:-@KolkataPolice - Rs. 5,300/-@WBPolice - Rs. 2,000/-During Eid-ul-Fitr:-Some Police Districts - Rs. 5,300/-Other Police Districts - Rs. 6,000/-Why this disparity? All the Civic Volunteers https://t.co/WtzG2OhanT pic.twitter.com/0A2hP3oitv Suvendu Adhikari (Modi Ka Parivar) (@SuvenduWB) April 11, 2024এরপরই বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, কেন এই বৈষম্য? সমস্ত সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজের বিবরণ এবং দায়িত্ব একই, তাহলে তাদের দেওয়া বোনাসের পরিমাণ এক নয় কেন?এই বৈষম্যের বিষয়টির অবসানে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিবের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন শুভেন্দু। এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, আমি মাননীয় স্বরাষ্ট্র সচিবকে অনুরোধ করছি এই বৈষম্যের অবসান ঘটাতে এবং সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করা আমাদের সকল বোন ও ভাইদের উৎসবের সময় সমানভাবে অর্থ প্রদান করতে।

এপ্রিল ১১, ২০২৪
রাজ্য

দুর্নীতি নিয়ে সরকারি আধিকারিকদের হুঁশিয়ারি দিলেন মমতা

ভরা মঞ্চ থেকে এবার রাজ্যের প্রশাসনিক আধিকারিকদের একাংশকে কড়া ভাষায় হুঙ্কার ছাড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়দের। তাঁর হুঁশিয়ারি কোনও অফিসার দুর্নীতিতে জড়ালে আমি ছেড়ে কথা বলব না। মঙ্গলবার শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে এভাবেই রাজ্য সরকারি আধিকারিকদের একাংশকে সতর্কতার পাঠ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।সাম্প্রতিক সময়ে গরু, কয়লা, নিয়োগ, রেশন-সহ একাধিক দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে রাজ্যের শাসকদলের তাবড় নেতা-মন্ত্রী-বিধায়কদের। ইতিমধ্যেই দুর্নীতিতে অভিযুক্ত হয়ে জেল খাটছেন তাঁদের অনেকেই। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডল, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, মানিক ভট্টাচার্য, জীবনকৃষ্ণ সাহারা দিনের পর দিন ধরে জেলে রয়েছেন।কয়লা কেলেঙ্কারিতে ইতিমধ্যেই একাধিকবার ইডির সমন পেয়েছেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বারবার ডেকে পাঠিয়ে চোখা চোখা প্রশ্ন করেছে ইডি। শাসকদলের হেভিওয়েট একাধিক নেতা-মন্ত্রী কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার স্ক্যানারে থাকায় ফি দিন তৃণমূলকে তুলোধনা করে সোচ্চার বিরোধীরা।তবে এবার খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন আশঙ্কা নয়া বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। দলের নেতা-মন্ত্রী কিংবা বিধায়ক নন, এবার প্রশাসনের অন্দরেই বিরাট অনিময়ের আঁচ পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার ভরা সভায় সেই আশঙ্কার কথাই নিজে মুখে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু জানানোই নয়, অনিয়ম রুখতে কড়া বার্তাও দিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।একটা রাজনৈতিক লোক ৫ টাকা চুরি করলেও ১০ বার টিভিতে দেখানো হয়। কিন্তু কোনও অফিসারও যদি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন আমি কিন্তু ছেড়ে কথা বলব না। দুএকজন বিএলআরও দুষ্টু লোকেদের সাথে মিলে জমি কেনা-বেচায় জড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে সোচ্চার হতেই ফের একবার দিল্লি যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁকে বৈঠকের সময় দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, আগামী ২০ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকেই রাজ্যের পাওনাগণ্ডা নিয়ে দরবার করবেন তিনি।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানে সরকারি ঘর দখলের অভিযোগে তালা ভেঙ্গে ঘরগুলিকে দখল মুক্ত করা হয়

সরকারি দোকান ঘর দখলমুক্ত করল ব্লক প্রশাসন। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের ওড়গ্রামে ২০১৫ সালে ভাতার পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে ওঠে কর্মতীর্থ। ২০১৭ সালে স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য বিনামূল্যে ৪২ টি দোকানঘর হস্তান্তর করা হয়। প্রথমদিকে তারা দোকান ঘরগুলিতে ব্যবসা শুরু করলেও পরবর্তী সময়ে তা বন্ধ করে দেয়। ৪২ টি দোকান ঘরের মধ্যে সাতজন ব্যবসায়ী তারা ব্যবসা করতে থাকেন। ৩৫টি দোকান ঘর বছর পর বছর যুবকরা দখলে রাখলেও ব্যবসার উদ্যোগে নেননি।ভাতার পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে তাদেরকে চিঠি দিয়ে জানানো হয় অবিলম্বে দোকান ঘরে ব্যবসা শুরু না করলে দোকান ঘরগুলি দখল ছাড়তে হবে। প্রশাসনের নির্দেশকে অমান্য করে তারা ব্যবসাও শুরু করেনি ও দখলমুক্ত করেননি। এরপরই ঘরগুলিকে দখল মুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। বুধবার ভাতার ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে তালা ভেঙ্গে ঘরগুলিকে দখল মুক্ত করা হয়। পাশাপাশি নতুন তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। ছিলেন ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী, ভাতারের বিডিও অরুণ কুমার বিশ্বাস, যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক তাপস কুমার মণ্ডল, ভাতার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাতার থানার ওসি অরুণ কুমার সোম সহ অন্যান্যরা।বিধায়ক মান গোবিন্দ অধিকারী বলেন, এলাকার মানুষদের কর্মসংস্থানের জন্য দোকান ঘরগুলি বিনামূল্যে দেওয়া হয়েছিল।ব্যবসা শুরু না করায় সরকারিভাবে দোকান ঘরগুলি দখল মুক্ত করে ভাতার পঞ্চায়েত সমিতি হেফাজতে নেয়। পরবর্তী সময়ে যারা ব্যবসা করতে ইচ্ছুক তাদেরকে দোকান ঘরগুলি হস্তান্তর করা হবে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২২
রাজ্য

সরকারি অনুদানে ঘর তৈরি হয়েও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চালু হলনা

বছর ১২ আগে আদিবাসী অধ্যুষিত পাড়ায় সরকারি অনুদানে ঘর তৈরি হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জন্যই এই ঘর তখন নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু তখন থেকেই ঘরটি বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। পূর্ববর্ধমানের আউশগ্রামের বিল্বগ্রাম অঞ্চলের লাফারপাড়ায় ঘর তৈরি হলেও চালু হয়নি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। পাড়ার বাচ্ছাদের প্রায় এক দেড় কিলোমিটার দূরে ভাতার ব্লকের মোহনপুর গ্রামের কাছে কোঁড়াপাড়ায় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে খাবার খেতে যেতে হয়। স্থানীয় বাসিন্দা রবি মুর্মু ও মোহন হাঁসদাদের অভিযোগ পাড়ার বাচ্চাদের জন্য অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চালু হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও এখনও পর্যন্ত চালু হল না। ফলে বাচ্চাদের খাবার খেতে যেতে রোজ নাকাল হতে হচ্ছে।বিল্বগ্রাম অঞ্চলের লাফারপাড়া সম্পূর্ণ আদিবাসী অধ্যুষিত ছোট একটি পাড়া। জানা যায় ১২-১৩ ঘর আদিবাসী সম্প্রদায়ের বসবাস রয়েছে। সকলেই জনমজুর পরিবার। এই পাড়ার মধ্যে রয়েছে একটি পাকা ঘর।সামনে বারান্দা। কিন্তু ঘরটি নির্মাণের পর থেকেই তালাবন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। স্থানীয়রা জানান অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জন্যই এই ঘর নির্মাণ করা হয়েছিল প্রায় ১১ বছর আগে। কিন্তু অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চালু হয়নি। পাড়ার পরিবারগুলি মিলে ১২ - ১৩ জন শিশু রয়েছে। এই শিশুদের খাবার নিতে অনেক দূরে যেতে হয়।স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন আমাদের পাড়ায় ঘর তৈরি হলেও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চালু হল না। আমরা আউশগ্রাম ব্লক এলাকার মধ্যে বসবাস করছি। আমাদের বাচ্চাদের খাবার নিতে কোঁড়াপাড়ায় যেতে হয়।ওই এলাকা ভাতার ব্লক এলাকার মধ্যে পড়ছে। অনেকটা দূরে। ছেলেমেয়েদের যেতে কষ্ট হয়। জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন,ক িজন্য বন্ধ আছে জানি না। তবে বিডিওকে বলছি দ্রুত অঙ্গনওয়াড়িটি চালু করার জন্য।

নভেম্বর ১৮, ২০২২
রাজ্য

মানবিক মুখ সরকারি আধিকারিকের, অঙ্গহানি থেকে রক্ষা দুর্ঘটনাগ্রস্তের

স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে রাজ্য জুড়ে নানাবিধ অভিযোগে বিদ্ধ রাজ্যের সরকার, কখনো অভিযোগের তীর বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দিকে তো, কখনো সরকারি কর্মচারীদের দিকে। কয়েকদিন আগেই পুর্ব-বর্ধমান জেলার জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা এক বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য সাথী সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে নিজে সরজমিনে তদন্তে যান। আবার উল্টো চিত্রও দেখা যাচ্ছে পুর্ব-বর্ধমান জেলার বর্ধমান-১ ব্লকে। বর্ধমান-১ ব্লকের বিডিও অভিরুপ ভট্টাচার্য তাঁর সামাজিক মাধ্যমে জানান, রায়ান-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের নাড়ানদিঘী গ্রামের বাসিন্দা এক প্রতিবন্ধী মা শিখা মণ্ডল তাঁর কাছে কাতর আবেদন নিয়ে আসেন যে, ওঁর পুত্র রণজিৎ মণ্ডল মোটরবাইক দুর্ঘটনায় একটি হাত (বাম হাত) গভীর ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। যদি সঠিক সময়ে অপারেশন না করা যায় তাহলে হয়ত তাঁর হাত টি শরীর থেকে বাদ দিতে হবে।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান বিষমদকাণ্ডে মৃত্যু বেড়ে ৮অভিরুপ ভট্টাচার্য খোঁজ নিয়ে জানেন যে সঞ্চিতা মণ্ডলের পরিবারের কোনও স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নেই। তিনি কালবিলম্ব না করে নিজে উদ্যোগ নিয়ে জেলা স্বাস্থ্য সাথী দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করেন। এবং জেলা স্বাস্থ্য সাথী দপ্তর পরিস্থিতি গুরুত্ব পর্যালোচনা করে মাত্র ২ ঘণ্টার মধ্যে পরিচয়পত্র ক্ষতিয়ে দেখে ইউ আর এন জেনারেট করে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড বিডিও-র হাতে তুলে দেন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন যাতে তাঁরা যেন স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের মাধ্যমে দুর্ঘটনায় আহত রঞ্জিত মণ্ডলের অপারেশন অতি বিলম্বে শুরু করেন।সোশ্যাল পোস্ট ও স্বাস্থসাথী কার্ডরণজিৎ মণ্ডলের স্ত্রী সঞ্চিতা মণ্ডল জনতার কথা কে জানান, বিডিও সাহেব না থাকলে হয়ত আমার স্বামীর হাত ফিরে পেতো না, আমার তরফে তাঁকে অনেক ধন্যবাদ। তিনি যে ভাবে নিজে দায়িত্ব নিয়ে আমাদের সাহায্য করলেন, সারাজীবন আমরা তাঁর কথা মনে রাখবো। সোমবার তিনি যখন জনতার কথা র সাথে কথা বলছিলেন তখন রণজিৎ মণ্ডলের বাম হাতের সেলাই কাটা হচ্ছিল। সঞ্চিতা জানান, ডাক্তার বাবু বললেন এই মুহুর্তে আমার স্বামী বিপদমুক্ত, কিন্তু আগামী ছয় মাস কোনও রকম কাজ সেই হাতে করতে পারবেন না। আমরা চিন্তায় আছি আমার স্বামী রাজমিস্ত্রী-র কাজ করে, সেই একমাত্র বাড়িতে কাজের মানুষ। তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্য সাথী কার্ড না থাকার জন্য আমি বা আমার শাশুড়ি কেউই লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের অনুদান পায় না।আরও পড়ুনঃ আপনি কি বিছানার চাদরের নিচে সাবান রেখে শুচ্ছেন? একটু চেষ্টা করে দেখুনঅভিরুপ ভট্টাচার্য তাঁর সামাজিক মাধ্যমে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড দপ্তরের সাথে জড়িত ব্লক অফিস ও জেলার সকল সহকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে আরও জানিয়েছেন আক্রমনাত্মক ভাবে, সক্রিয় থেকে, দৃঢ় পদক্ষেপে সঠিক পথে সামান্য চেষ্টা করলে, অনেক ভাল জিনিস ঘটতে পারে। তিনি জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর বক্তব্য উল্লেখ করে লিখেছেন আপনি অন্যদের মধ্যে যে পরিবর্তন দেখতে চাইছেন সেটা আগে নিজের মধ্যে আনুন।

জুলাই ১১, ২০২২
কলকাতা

মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের মৃত্যুতে রাজ্যে আজ অর্ধ দিবস ছুটি

প্রয়াত রাজ্যের মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে । তাঁর মৃত্যুতে আজ অর্ধ দিবস ছুটি ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। দুপুর দুটো থেকে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে নবান্নের তরফে। কাল রাতে কলকাতায় নিয়ে আসা হয় মন্ত্রীর মরদেহ।আজই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।উল্লেখ্য, রবিবার সকালেই প্রথম দুঃসংবাদটি আসে। মুম্বইয়ের এক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবে যথেষ্ট সফল ছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপাট সামলানোর কাজে অনেকটা ভরসা করতেন সাধনবাবুকে। তাঁর এই হঠাৎ প্রয়াণে শোকস্তব্ধ মমতাও। প্রয়াত ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রীকে সম্মান জানাতে আগামিকাল অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা করেছে নবান্ন।দীর্ঘ কয়েক মাস ধরেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন সাধন পাণ্ডে। গতবছরেই মানিকতলার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। ধরা পড়েছিল ফুসফুসের সংক্রমণ। উন্নত মানের চিকিৎসার জন্য তাঁকে মুম্বইয়ের এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। মুম্বইয়ের ওই হাসপাতালের বেডে শুয়েই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মন্ত্রী।বর্ষীয়ান মন্ত্রীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়েও ব্যক্তিগত স্তরে বেশ সুসম্পর্ক ছিল রাজ্যপাল ও সাধন পাণ্ডের। বর্ষীয়ান নেতার প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে টুইটে এমনটাই লিখেছেন রাজ্যপাল।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

করোনাকালে পড়ুযাদের মানসিক চাপ কমাতে রাজ্যের বিশেষ উদ্যোগ

করোনাকালে স্কুল বন্ধ থাকার কারণে নানাভাবে সমস্যায় পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে পৌঁছতে রাজ্য সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে।স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে তৈরি হওয়া মানসিক চাপ ও অনিশ্চয়তাকে নিরাময় করতে রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর বিশেষ ওয়েবিনার সিরিজের আয়োজন করার কথা ঘোষণা করেছে। ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবকদের সামিল করে উজ্জীবন চর্চা নামে বিশেষ ওয়েবিনারে বিশেষজ্ঞরা নির্বাচিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। রবিবার আয়োজিত হবে প্রথম ওয়েবিনারটি। কোভিডকালে শিক্ষার্থী মন নামক এই ওয়েবিনারের আলোচকমণ্ডলীতে থাকবেন বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডঃ রিমা মুখার্জি, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ও থেরাপিস্ট শ্রীমতী পায়েল ঘোষ, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ও স্পেশ্যাল এডুকেটর শ্রীমতী পৌষালী দাস।অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করবেন সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গভর্নমেন্ট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শ্রীমতী পাপিয়া নাগ। শিক্ষক শিক্ষিকা-সহ একাদশ শ্রেণির পড়ুয়া ও তাদের অভিভাবকরা এই ওয়েবিনারে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে ছাত্রছাত্রী ও তাঁদের অভিভাবকরা এই ওয়েবিনারে অংশ নিতে পারবে। অন্যদিকে, দুপুর ১.৩০ থেকে ২.৩০-এর মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষিকারা এই ওয়েবিনারে অংশ নিতে পারবেন।তৃতীয়বারের জন্য সারা দেশ জুড়ে মারণ থাবা বসিয়েছে করোনা ভাইরাস। এহেন পরিস্থিতিতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলি। ফের একবার অনলাইন ক্লাসেই ফিরে গিয়েছে পড়ুয়ারা। করোনার সময় স্কুলের ক্লাসরুম থেকে বঞ্চিত হওয়া পড়ুয়া ও তাঁদের অভিভাবকদের জন্য একগুচ্ছ ওয়েবিনার নিয়ে হাজির হল পশ্চিমবঙ্গ স্কুল শিক্ষা দপ্তর।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
কলকাতা

শুভেন্দু-কাণ্ডে রাজ্যের হলফনামা চাইল হাইকোর্ট

নেতাইয়ের শহিদ স্মরণ কর্মসূচিতে শুভেন্দু অধিকারীকে যোগ দিতে পুলিশি বাধা এবং কাঁথিতে তাঁর বাড়ির সামনে সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে নজরদারির অভিযোগ সংক্রান্ত মামলায় রাজ্যের হলফনামা চাইল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি রাজশেখর মান্থার নির্দেশ, আগামী দুসপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে হলফনামা দিয়ে বক্তব্য জানাতে হবে রাজ্যকে।হাইকোর্টে দায়ের করা মামলায় শুভেন্দুর অভিযোগ ছিল, তাঁর কাঁথির বাড়ির সামনে রাত ২টো পর্যন্ত উচ্চস্বরে মাইক বাজানো হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁর উপর নজরদারির জন্য বাড়ির দরজা, জানালা লক্ষ্য করে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে বলেও অভিযোগ জানান তিনি। এমনকী, নিরাপত্তাজনিত দিক থেকে তাঁর বাড়ি স্পর্শকাতর এলাকা হলেও সেখানে রাজ্যের শাসকদলের কর্মী সমর্থকেরা যখন-তখন মিছিল-সমাবেশ করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।প্রসঙ্গত, ২০২০-র ডিসেম্বরে বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরে ২০২১-এর জানুয়ারিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার দাবিতেও কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন শুভেন্দু। রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত হওয়ার পরে গত জুন মাসে হাইকোর্টে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকার তাঁকে একজন পূর্ণমন্ত্রীর সমতুল নিরাপত্তা দেয়নি। সাংবিধানিক বিধি অনুযায়ী যা তাঁর প্রাপ্য। এখনও তাঁকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। অভিযোগ প্রসঙ্গে, বিচারপতি মান্থা বৃহস্পতিবার জানান নিরাপত্তার স্বার্থে কোথায় সিসিটিভি ক্যামেরা বসবে তা শুভেন্দুর সুরক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত সিআরপিএফ বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ আলোচনার ভিত্তিতে স্থির করতে পারে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
রাজ্য

"নেতাজি" সুভাষচন্দ্র বসু-র ট্যাবলো বাতিল করলো কেন্দ্র সরকার, প্রতিবাদে মুখর 'বাংলা পক্ষ'

একদিকে যখন বিজেপি শাসিত কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করছে এই বছর ২৩ জানুয়ারি থেকেই সাধারণতন্ত্র দিবস পালন শুরু হবে, সরকার আরও জানিয়েছে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকীকে মর্যাদা দিতেই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া ২০১৯ এ নেতাজির জন্মবার্ষিকীকে পরাক্রম দিবস হিসেবে পালন করার কথা ঘোষণা করেছিল মোদি সরকার, এবং এই উপলক্ষে কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমরিয়াল হলে এক মনোজ্ঞ অনুষ্টানের আয়োজন করে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।অদ্ভুত ভাবে সেই সরকারই ২৬ শে জানুয়ারী-র সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ উপলক্ষে বীর সুভাষ ও আজাদ-হিন্দ-ফৌজ-কে কেন্দ্র করে তৈরি বাংলার ট্যাবলো বাতিল করেছে। একই সরকারের এই দ্বিমুখী আচরণে অবাক সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে বিদ্বজন।এই আচরণের তীব্র বিরোধিতা করে বাংলা পক্ষ। বেশ কিছুদিন ধরেই বাংলা ও বাঙালি বিদ্বেষি কোনও ঘটনার প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠেছে এই বাংলা প্রেমী সংগঠন। তাঁরা তাদের টুইটার হ্যাণ্ডেল থেকে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে। জনতার কথার প্রতিনিধি কে বাংলা পক্ষ জানিয়েছে, বাঙালির শত্রু বিজেপি শাসিত দিল্লির কেন্দ্র সরকার। বিজেপি ও হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী কেন্দ্র সরকারের সর্বদাই বাংলা ও বাঙালি বিরোধী চরিত্র দেখি আমরা।আরও পড়ুনঃ নেতাজির জীবন নিয়ে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলেবাংলা পক্ষ-এর তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে, যখন বাঙালি বীর সন্তানরা ভারতের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিচ্ছে তখন আরএসএস ব্রিটিশের দালালি করতো। ইতিহাসক্রমেই বিজেপি ও আরএসএস (RSS) সুভাষ বিরোধী। এবার সাধারণতন্ত্র দিবসে সুভাষের নামাঙ্কিত বাংলার ট্যাবলো বাতিল হওয়ায় দিল্লির সুভাষ বিরোধিতা আরও প্রকট ভাবে প্রকাশিত হল। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বাঙালি বিরোধী বিজেপি ও কেন্দ্র সরকারকে ধিক্কার জানিয়ে ট্যুইটার প্রচার শুরু করেছে বাংলা পক্ষ। যদিও এবিষয়ে আরএসএসের কোনও মন্তব্য মেলেনি।বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জানিয়েছেন, বাঙালিদের তাঁরা আহ্বান জানাচ্ছেন #AntiNetajiBJP হ্যাসট্যাগ ব্যবহার করে ট্যুইটারে ঝড় তোলার জন্য। এছাড়াও আরও একটি হ্যাসট্যাগ #BengalNetajibannedinDelhi তাঁরা ব্যবহার করছেন এই প্রচারে। হাজার হাজার ট্যুইটের মাধ্যমে সুভাষচন্দ্রের অমর্যাদার প্রতিবাদে গর্জে ওঠার আবেদন তাঁরা রাখছেন সমগ্র ভারতীয়দের কাছে। তাঁরা জানিয়েছেন সুভাষচন্দ্র শুধু বাঙালির গর্ব নয় সমগ্র ভারতবর্ষের অলঙ্কার।কৌশিক মাইতি আরও জানিয়েছেন, তাঁরা বাংলা পক্ষ এই ট্যুইটার প্রচারে আরও কয়েকটি দাবি রেখেছে সেগুলি হলঃ১. সুভাষ চন্দ্র বসু সম্পর্কিত সমস্ত ফাইল প্রকাশ করতে হবে।২. ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্ট চাই।৩. ভারতীয় সেনাবাহিনীর পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়ার সুযোগ চাই।

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

পুরভোট বন্ধ নিয়ে সরাসরি রায় নয় হাইকোর্টের, নির্বাচন পিছানোর সিদ্ধান্ত বর্তাল কমিশনের ওপর

টানা তিন দিন করোনা সংক্রমণ বেড়েছে রাজ্যে। অ্যাক্টিভ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এরইমধ্যে ব্যক্তিগত মন্তব্যে ভোট এখন বন্ধ রাখা উচিত বলেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি পুরনির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার দাবি করে আসছে। আদালতে ভোট পিছিয়ে দেওয়া নিয়ে মামলা চলছে। সেই মামলায় এদিন কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে করোনা আবহে পুরভোট ৪-৬ সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া যায় কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশ দিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত আগামি ৪৮ ঘন্টার মধ্যে জানাতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।আরও পড়ুনঃ বেসরকারি বাসপরিবহণ শিল্পে তীব্র সংকট, সরকারি সাহায্য জরুরিবাংলায় গড়ে ২০ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তৃতীয় ঢেউ নাজেহাল পরিস্থিতি রাজ্যের। ২২ জানুয়ারি বিধাননগর, আসানসোল, চন্দননগর ও শিলিগুড়িতে পুরভোট চার কেন্দ্রেই করোনা বিধি মেনে প্রচারের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রচারে করোনা বিধি না মানা নিয়ে প্রতিদিনই নানা অভিযোগ উঠছে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে। এক্ষেত্রে ডান-বাম কোনও প্রার্থী বাদ যাচ্ছে না। পুলিশ অতি তৎপর বলেও বিরোধীরা অভিযোগ তুলছে। এই পরিস্থিতিতে পুরভোট পিছিয়ে দেওয়া যায় কিনা তা জানাতে কমিশনকে নির্দেশ দিল হাইকোর্টয়।আরও পড়ুনঃ কুয়াশার মধ্যেই চলছে উদ্ধারকাজ, ময়নাগুড়ি পৌঁছলেন রেলমন্ত্রী, জন বার্লাআদালতের বক্তব্য, করোনা আবহে পুরভোট কি ৪-৬ সপ্তাহ পিছিয়ে যায় কি? ভোট পিছনোর ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। এই সিদ্ধান্ত কমিশনকে নিতে হবে। সিদ্ধান্ত জানাতে আদালত ৪৮ ঘন্টা সময় দিয়েছে কমিশনকে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, নির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় দুটি বিষয় চিন্তা করতে হবে কমিশনকে। এই অবস্থায় ভোট হলে কি মানুষের স্বার্থ রক্ষিত হবে? তাছাড়া আদৌ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করা এই পরিস্থিতিতে সম্ভব? রাজনৈতিক দল থেকে বিভিন্ন মহল পুরভোট পিছনোর দাবি জানিয়ে আসছে। সরাসরি ভোট বন্ধ করার রায় না দিলেও এবার হাইকোর্ট তাতে সায় দিল। শুধু সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বর্তেছে নির্বাচন কমিশনের ওপর।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

বেসরকারি বাসপরিবহণ শিল্পে তীব্র সংকট, সরকারি সাহায্য জরুরি

গণপরিবহণ ব্যবস্থার অন্যতম শরিক বেসরকারি বাস। এই শিল্পে লক্ষ লক্ষ মানুষের রুটি-রুজি। বাসের মালিক, শ্রমিক থেকে অনুসারী শিল্প ও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বহু মানুষ। আজ এই শিল্পের সঙ্গে মানুষগুলোর সংসার ভেসে যাচ্ছে। বাসমালিকদের অনেকেরই আজ আর রাস্তায় গাড়ি নামানোর মতো কোমরে জোর নেই। আর্থিক অনটনে ভগ্নদশা বেসরকারি বাস পরিবহণের। যার ফল ভোগ করতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীসাধারণকেও।আরও পড়ুনঃ কুয়াশার মধ্যেই চলছে উদ্ধারকাজ, ময়নাগুড়ি পৌঁছলেন রেলমন্ত্রী, জন বার্লা২০২০ করোনা আবহে লকডাউনের শুরু থেকেই বাস পরিবহণের দৈন্যদশার সূত্রপাত। বাসগুলো দীর্ঘ দিন বসে গিয়ে তার কলকব্জা নষ্ট হতে থাকে। পেটের টান পড়ে মালিক ও শ্রমিকদের। তার ওপর ডিজেলের দাম বেড়েই চলেছে। বাসের টায়ার থেকে যন্ত্রপাতির মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে সমানতালে। রয়েছে বিমা, ট্যাক্স, ফাইন। তাছাড়া রাজ্য সরকারের কাছে একাধিকবার দাবি করেও বাড়েনি বাসভাড়া। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি করে মেলেনি আর্থিক প্যাকেজ। এই শিল্প আজ প্রায় শেষলগ্নে পৌঁছে গিয়েছে। হুঁশ ফেরেনি কোনও সরকারের। রাজ্য সরকার সামান্য টাকা ট্যাক্স ছাড় দিলেও তাতে যে চিড়ে ভিজবে না তা বলছেন বাসমালিকদের একটা বড় অংশ।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, বৃদ্ধি পেল পজিটিভিটি রেটওবেকারী দূরীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয় না তার হাজারো প্রমান রয়েছে। ক্ষমতায় এলে কেউ আর কথা রাখে না। যে শিল্প বাস্তবে ধুঁকছে সেই শিল্পকে আর্থিক সাহায্য় করলে লক্ষ লক্ষ মানুষ দুমুঠো খেয়ে বেঁচে থাকতে পারবে তা রক্ষা করার দায় কেউ নিচ্ছে না। লক্ষ লক্ষ চাকরি দেওয়ার ভাষণ না দিয়ে বাসপরিবহণ শিল্পে নজর দিলে লক্ষ লক্ষ মানুষ ফের বেকার হয়ে পড়বে না। এই বিষয় একটা সাধারণ মানুষ বুঝলে সরকার বাহুদুর বুঝবে না তা আবার হয় নাকি।আরও পড়ুনঃ ডায়মন্ডহারবার মডেল নিয়ে তৃণমূল যুবনেতার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে জল্পনা তুঙ্গেইএমআই দিতে না পারার জন্য প্রায় প্রতিদিনই বাস টেনে নিয়ে যাচ্ছে ব্যাংকগুলো। বাসের দখল নিলেও এতে যেমন ব্যাংকের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে তেমনই বাসমালিক নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। বাসের মালিকসহ শ্রমিকরা পথে বসে যাচ্ছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বেসরকারি বাসপরিবহণ টিকিয়ে রাখার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ করা উচিত। মালিক-শ্রমিকরা তো এই দেশের নাগরিক। তাঁদেরও বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। দুই সরকারই যদি সদর্থক উদ্যোগ নেয় তাহলে এই শিল্প রক্ষা পাবে। রক্ষা পাবে লক্ষ লক্ষ পরিবার। কৃষকদের জন্য দুই সরকার অনুদান দিচ্ছে। সেটা ভাল উদ্যোগ। বাসপরিবহণকে রক্ষা করার জন্য নতুন পরিকল্পনা নিলে দুই সরকারই মানুষের আশীর্বাদ পাবে। সরকার মানুষের সরকার হবে, জনগণের সরকার বলে বিবেচিত হবে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
কলকাতা

Safe Home: কলকাতা কাবু কোভিডে, ফের খুলছে সেফ হোম

কলকাতা ফের কাবু কোভিডে। ক্রমেই জাল ছড়াচ্ছে ওমিক্রন। পরিসংখ্যান বলছে, একধাক্কায় প্রায় ৩ হাজার বৃদ্ধি। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে সংক্রমিত ৯ হাজার ৭৩। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৬ জন করোনা রোগীর। কলকাতার সঙ্গে সংক্রমণে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বীরভূম, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীরা।যেভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে ফের খোলা হচ্ছে সেফ হোমগুলি। তিনটি সেফ হোমের শয্যা সংখ্যা ৩৫০। কলকাতার তিনটি সেফ হোম। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় হল বাইপাস সংলগ্ন সেফ হোম। এখানে রয়েছে ২০০ টি শয্যা। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দুই কর্তা ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি পরিদর্শন করেছেন। বেডগুলির পরিকাঠামো, কাজের গুণগত মান, পরিচ্ছন্নতা-সব খতিয়ে দেখেছেন তাঁরা। পরিদর্শনে গিয়েছেন রাজ্য দপ্তরের এক জন হেলথ অফিসারও।আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত শ্রীজাত আরেকটি সেফ হোম হয়েছে কসবার গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে। এই সেফ হোমটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সংক্রমণ আবার বৃদ্ধি পাওয়ায়, তা খোলা হয়েছে। সেগুলিকে চালু করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা পুর প্রশাসন। গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে ১০০ টি শয্যা রয়েছে। ইতিমধ্যেই তা পরিস্কার করা হয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্যভবনের তরফে চিকিৎসক ও নার্সরা এই সেফ হোমের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। কলকাতার তৃতীয় সেফ হোমটি রয়েছে উত্তর কলকাতায়। সেখানে ৫০টি শয্যা রয়েছে।তবে চিকিৎসকরা বলছেন, ওমিক্রনের ক্ষেত্রে উপসর্গ অনেক হালকা। চিকিৎসক বলছেন, ভাগ্য ভালো আক্রান্তদের বেশিরভাগই ৫-৭ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠছেন। হয়তো হোম আইসোলেশনের যে লম্বা ১৭ দিনের পিরিয়ড, সেটাকেও কমিয়ে আনা হবে। যদি সেটা কমিয়ে আনা হয়, তাহলে ওয়ার্ক টার্নওভার বা অর্থনীতির ক্ষেত্রে অনেকটা উপকারী হবে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বিশ্বকর্মা পুজোয় আজও ধূপ-ধুনোয় সেজে ওঠে ‘স্টিম সাহেব’, জলপাইগুড়ির বুকে ব্রিটিশ আমলের জীবন্ত স্মৃতি

জলপাইগুড়ি শহরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও নস্টালজিয়ার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রয়েছে এক ব্যতিক্রমী নাম, স্টিম সাহেব। ব্রিটিশ আমলের কয়লা চালিত এই স্টিম রোলারকে ঘিরে এখনও আবেগ রয়েছে বহু মানুষের। প্রতি বছর বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে জলপাইগুড়ি পূর্ত দপ্তরের সাব ডিভিশনাল অফিস চত্বরে পরম যত্নে পুজো করা হয় ঐতিহাসিক এই যন্ত্রটিকে।স্বাধীনতার বহু আগে সুদূর লন্ডন থেকে জলপাইগুড়িতে আনা হয়েছিল কয়লা চালিত এই স্টিম রোলার। ব্রিটিশ সাহেবদের হাত ধরে শহরে আসার কারণেই স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে এর নাম হয়ে যায় স্টিম সাহেব। একসময় জলপাইগুড়ি থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশের রংপুর পর্যন্ত রাস্তা তৈরি ও মেরামতির কাজে নিয়মিত ব্যবহার করা হত এই রোলার।সেই সময়ের যান্ত্রিক প্রযুক্তির অন্যতম নিদর্শন ছিল এটি। রোলারের বয়লারে কয়লা দেওয়া থেকে শুরু করে স্টিয়ারিং ঘোরানোপুরো ব্যবস্থাটিই ছিল যান্ত্রিক পদ্ধতিনির্ভর। দেশভাগের পরেও দীর্ঘদিন নিজের দায়িত্ব পালন করেছে স্টিম সাহেব। তবে সময়ের সঙ্গে ডিজেল চালিত রোলারের ব্যবহার বাড়ায় ধীরে ধীরে গুরুত্ব কমতে থাকে এই পুরনো যন্ত্রটির। একসময় পূর্ত দপ্তরের এক কোণে অবহেলায় পড়ে ছিল এটি।১৯৬৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় রোলারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে সেটিকে উদ্ধার করে মেরামত করা হয়। সরকারি উদ্যোগে এরপর পূর্ত দপ্তরের সাব ডিভিশনাল অফিস চত্বরেই স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয় ঐতিহাসিক এই স্টিম রোলারকে। জানা যায়, কয়েক বছর আগে যে লন্ডন-ভিত্তিক সংস্থা এটি তৈরি করেছিল, তাদের পক্ষ থেকে রোলারটি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে রাজ্য সরকারের তরফে সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি।তাই আজও জলপাইগুড়ির মাটিতেই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে স্টিম সাহেব। বিশ্বকর্মা পুজোর দিন বর্তমান কর্মীদের পাশাপাশি বহু অবসরপ্রাপ্ত কর্মীও নস্টালজিয়ার টানে ছুটে আসেন পূর্ত দপ্তরে।অবসরপ্রাপ্ত কর্মী পার্থপ্রতিম সেনের কথায়, স্টিম সাহেব এখনও তাঁদের কাছে এক জীবন্ত নস্টালজিয়া। বর্তমান কর্মী গৌতম দীক্ষিত এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মী মধু সরকারও মনে করেন, এই ঐতিহ্য ও পরম্পরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যেও একইভাবে টিকে থাকুক। তাঁদের কাছে স্টিম সাহেব শুধু একটি পুরনো যন্ত্র নয়, বরং জলপাইগুড়ির ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

‘ঝরা পাতা তৃণমূলে নয়’, কংগ্রেসের ‘বটগাছের’ ছায়ায় আসার ডাক অধীরের

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরকে নতুন নাম ও প্রতীক নিয়ে ভোটে নামতে হয়েছে। মমতা শিবিরের জন্য ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জন্য খাম প্রতীক নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জোড়াফুল প্রতীক ও দলের পুরনো নামের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও প্রক্রিয়াধীন।এই পরিস্থিতির মধ্যেই নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের কথা জানান। রেজিনগর নিয়ে অবশ্য মমতার শিবিরের অবস্থান তখনও স্পষ্ট ছিল না।নন্দীগ্রামের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তৃণমূলকে নিশানা করেছেন কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। তাঁর দাবি, বিজেপি-বিরোধী লড়াইয়ে তৃণমূল বা তৃণমূলের অন্য কোনও শিবিরের পরিবর্তে কংগ্রেসের পাশে আসা উচিত বিরোধীদের।অধীর বলেন, কংগ্রেস একটি বটগাছের মতো এবং তৃণমূল সেই বটগাছের ঝরা পাতা। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করতে চান, তাঁদের কংগ্রেসের ছায়ায় আসা উচিত। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি বিজেপি-বিরোধী ভোটার ও রাজনৈতিক শক্তিগুলিকে কংগ্রেসের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।তৃণমূলের নতুন প্রতীক নিয়েও কটাক্ষ করেন অধীর। তাঁর কথায়, মমতার শিবির ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক পেয়েছে এবং অন্য শিবির পেয়েছে খাম। একই সঙ্গে নন্দীগ্রামে প্রার্থী প্রত্যাহারের ঘটনাকেও তিনি তৃণমূলের জন্য রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে তুলে ধরেন। রেজিনগর নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।তবে সঞ্চিতা প্রধান দে কেন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন, সেই বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে বিস্তারিত কারণ জানানো হয়নি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের আগে তাঁর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল বলে একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে ওই সাক্ষাৎ এবং তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের মধ্যে কোনও নির্দিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা হয়নি।এর পর নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নেয়। মমতা জানিয়েছেন, উপনির্বাচনে কংগ্রেসকে সমর্থন করে বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করাই তাঁদের উদ্দেশ্য।নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়েও সরব হয়েছেন অধীর। তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করেন এবং কমিশনকে বিজেপির প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট বলে দাবি করেন। তবে এটি অধীররঞ্জন চৌধুরীর রাজনৈতিক অভিযোগ; নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের সরকারি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী নিজেদের বৈধ প্রতিনিধি দাবি করায় উপনির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে পুরনো নাম ও প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।নন্দীগ্রামে প্রার্থী প্রত্যাহার, তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত এবং মমতা শিবিরের কংগ্রেসকে সমর্থনএই তিনটি ঘটনা ঘিরে উপনির্বাচনের আগে বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। রেজিনগরেও শেষ পর্যন্ত কী ছবি দেখা যাবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
কলকাতা

খাম নিয়ে নতুন সংঘাত, ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে আইনি পথে আইএসএফ? কী বললেন নওশাদ

ঘাসফুল আপাতত বাইরে। নতুন নাম গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস, আর প্রতীক খাম। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পরেই নতুন বিতর্কে জড়াল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির। কারণ, খাম প্রতীকটি আগে থেকেই ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের সঙ্গে যুক্ত। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতীকেই ভোটে লড়ার দাবি করেছে আইএসএফ। এবার সেই প্রতীকই ঋতব্রত শিবিরকে দেওয়া হওয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আইনি পথে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।শুক্রবার নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের দুই শিবিরের জন্য নতুন নাম ও প্রতীক ঘোষণা করে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের নাম হয়েছে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের প্রতীক হিসেবে দেওয়া হয়েছে খাম। অন্য দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির পেয়েছে আলাদা নাম ও প্রতীক। পুরনো তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক আপাতত ব্যবহার করা যাবে না।কিন্তু ঋতব্রত শিবিরের নতুন প্রতীক সামনে আসার পরেই আপত্তি তোলে আইএসএফ। নওশাদ সিদ্দিকীর দাবি, ২০২১ সাল থেকেই তাঁদের দল খাম প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচনে লড়ছে। চলতি বছরেও ওই প্রতীক নবীকরণ করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, সেই পরিস্থিতিতে একই প্রতীক অন্য একটি দলকে কী ভাবে দেওয়া হল?শুক্রবার ফুরফুরা শরিফে দলের রাজ্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন নওশাদ। সেখানে তিনি দাবি করেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনের জন্য গত ১০ মার্চ আইএসএফের খাম প্রতীক নবীকরণ করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে এই প্রতীকেই দলটি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। তাই ঋতব্রত শিবিরকে একই প্রতীক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আপত্তি জানিয়েছেন।নওশাদ জানিয়েছেন, প্রতীক নিয়ে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, আইএসএফকে দুর্বল করার চেষ্টা হতে পারে। তবে এই অভিযোগ নওশাদ সিদ্দিকীর রাজনৈতিক বক্তব্য; নির্বাচন কমিশনের তরফে এমন কোনও ষড়যন্ত্রের কথা জানানো হয়নি।অন্য দিকে, ঋতব্রত শিবির অবশ্য নতুন প্রতীক নিয়ে সন্তুষ্ট। নন্দীগ্রামের ওই শিবিরের প্রার্থী এহতেশামুল হক জানিয়েছেন, তাঁরা খাম প্রতীক পেয়েছেন এবং সেই প্রতীক নিয়েই প্রচারে নামবেন। ফলে নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একই প্রতীক নিয়ে দুই পক্ষের দাবি ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে মূল প্রশ্ন, আইএসএফের দাবি নির্বাচন কমিশন কী ভাবে বিবেচনা করবে এবং নন্দীগ্রামের ভোটে শেষ পর্যন্ত কোন প্রার্থী কোন প্রতীকে লড়বেন। ঋতব্রত শিবিরকে খাম প্রতীক দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে কমিশন। এখন নওশাদ সিদ্দিকীর আপত্তির পর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে রোহিতের ভবিষ্যৎ কী? দলবদলের জল্পনার মধ্যেই মিলল তাঁর নিজের বার্তা

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে রোহিত শর্মার ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্রিকেটমহলে নানা জল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে হার্দিক পাণ্ডিয়াকে ঘিরে দলের নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার মধ্যেই প্রশ্ন উঠছে, রোহিত কি ফের মুম্বইয়ের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিতে পারেন? পাশাপাশি তাঁর অন্য কোনও আইপিএল দলে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও জল্পনা রয়েছে। সেই আলোচনাতেই নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ব্যাটিং কোচ এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের হেড কোচ অভিষেক নায়ার।তবে এই জল্পনার সূত্রপাত কোনও ক্রিকেট ম্যাচে নয়, রোহিত শর্মার নতুন একটি রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চে। শনিবার থেকে শুরু হতে চলা সেই অনুষ্ঠানের টিজারে রোহিত এবং অভিষেক নায়ারের কথোপকথনের একটি অংশ প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে রোহিতের পোশাকের রং নিয়েই মজার ছলে শুরু হয় দলবদলের প্রসঙ্গ।টিজারে দেখা যায়, রোহিতের পরনে হলুদ পোশাক। সেই রং দেখে অভিষেক নায়ার মজা করে চেন্নাইয়ের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি জানতে চান, রোহিত কি তবে দল বদলানোর কথা ভাবছেন? কারণ হলুদ রং চেন্নাইয়ের সঙ্গে জড়িত। প্রশ্ন শুনে রোহিতও মজার ছলে পাল্টা জবাব দেন। তিনি বলেন, তাঁর পোশাকের রং সরষের মতো হলুদ।এর পরেই কথোপকথনে উঠে আসে কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রসঙ্গ। অভিষেক নায়ার বলেন, সোনালি এবং হলুদ রঙের সঙ্গে কলকাতার ফ্র্যাঞ্চাইজিরও যোগ রয়েছে। ফলে রোহিত কি এবার কলকাতার দলে যোগ দেবেন, সেই ইঙ্গিতও মজার ছলে দেওয়া হয়।অভিষেকের প্রশ্নের মধ্যেই দর্শকদের একাংশ মুম্বইয়ের নামে স্লোগান দিতে শুরু করেন। সেই সময় রোহিত মৃদু হেসে বলেন, চিরকাল। তাঁর এই এক শব্দের উত্তর থেকেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মুম্বইয়ের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্কের কথা মাথায় রেখে অনেকেই এই বক্তব্যকে দলবদলের জল্পনার প্রেক্ষিতে দেখছেন। তবে টিজারের এই কথোপকথন থেকে রোহিতের আইপিএল ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের কথা জানা যায়নি।মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে রোহিতের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। তাঁর নেতৃত্বে দলটি আইপিএলে পাঁচ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দলের অধিনায়ক হিসাবেও রোহিতের সাফল্য রয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে এবং এক দিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে।এ বার ক্রিকেটের মাঠের পাশাপাশি টেলিভিশনের পর্দাতেও নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে রোহিতকে। তাঁর নতুন অনুষ্ঠানের প্রথম টিজার প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। টিজারে অভিষেক নায়ারের সঙ্গে রোহিতের কথোপকথনও সেই আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে।রোহিত সত্যিই মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ছাড়বেন কি না, কিংবা অন্য কোনও আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তাঁকে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে আপাতত কোনও নিশ্চিত ঘোষণা নেই। তবে নতুন অনুষ্ঠানের টিজারে মুম্বই নিয়ে রোহিতের চিরকাল মন্তব্য দলবদলের জল্পনার মধ্যে বিশেষ নজর কেড়েছে। এখন দেখার, টেলিভিশনের মঞ্চে রোহিতের এই নতুন ইনিংস দর্শকদের কতটা মুগ্ধ করে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
দেশ

সারা ঘরে বেলুন দিয়ে সাজানো, ফ্রিজে মেয়ের দেহ, পাশে চকলেট! ঘরে উদ্ধার বাবার ঝুলন্ত দেহ

গুজরাটের আমরেলি জেলায় এক পাঁচ বছরের শিশুকন্যার মৃত্যু এবং তার বাবার আত্মহত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, ৪০ বছরের কিশোর ধনক তাঁর পাঁচ বছরের মেয়ে হিংমাশীকে হত্যা করার পর নিজে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘরের ভিতর থেকে তিনটি চিরকুট উদ্ধার হয়েছে। সেখানে আর্থিক সমস্যার কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি মেয়েকে কেন হত্যা করেছিলেন, তারও ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।ঘটনাটি আমরেলি জেলার সাভরকুণ্ডলা এলাকার হাদিদা গ্রামের। কিশোর ধনক নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী মঞ্জুবেন বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন। পরে স্বামীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যাচ্ছিল না। ফোন বন্ধ থাকায় তিনি তাঁর ভাইকে বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিতে বলেন। বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে দরজা খুলে ঘরে ঢুকতেই কিশোরের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পাওয়া যায়।এর পর বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে পুলিশ ফ্রিজের ভিতর হিংমাশীর দেহ উদ্ধার করে। পুলিশের দাবি, শিশুটিকে হত্যা করার পর তার দেহ ফ্রিজে রাখা হয়েছিল। ঘটনার পর দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং কী ভাবে তার মৃত্যু হয়েছিল, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর আরও স্পষ্ট হবে।ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি তদন্তকারীদের আরও ভাবিয়ে তুলেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘরটি বেলুন ও মোমবাতি দিয়ে সাজানো ছিল। শিশুটির জন্য চকোলেটও রাখা হয়েছিল। এমনকি ফ্রিজের উপরে শুভ জন্মদিন হিংমাশী লেখা একটি কাগজ পাওয়া যায়। অথচ সেদিন হিংমাশীর জন্মদিন ছিল না। শিশুটিকে সাদা পোশাক পরানো হয়েছিল এবং মাথায় ওড়নাও দেওয়া ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। ফ্রিজের ভিতর কুশন রাখা ছিল বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ঘরে পুজোর আয়োজনও করা হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এই সমস্ত বিষয় দেখে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, মেয়ের জন্য শেষবারের মতো জন্মদিন পালনের মতো একটি আয়োজন করেছিলেন কিশোর। তবে কেন এমন আয়োজন করা হয়েছিল, কেনই বা মেয়েটিকে হত্যা করা হল, তা এখনও তদন্তের বিষয়। পুলিশের তরফে ঘটনাটির প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া তিনটি চিরকুট তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পুলিশের কাছে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, একটি চিরকুটে কিশোর তাঁর আর্থিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন। ব্যক্তিগত ঋণ নিয়ে নির্মাণকাজে টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন বলে সেখানে লেখা ছিল। তাঁর দাবি ছিল, ব্যবসায়িক অংশীদারদের কাছ থেকে প্রায় সাত লক্ষ টাকার বেশি পাওনা ছিল। কিন্তু সেই টাকা না পাওয়ায় তিনি আর্থিক সমস্যায় পড়েছিলেন।অন্য একটি চিরকুটে মেয়েকে হত্যা করার কারণ হিসেবে কিশোর এমন কথা লিখেছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর মৃত্যুর পরে মেয়েকে যেন কোনও সমস্যার মধ্যে পড়তে না হয়, সেই কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর একটি চিরকুটে নিজের কাজের জন্য ক্ষমা চাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে চিরকুটে লেখা কথাগুলি তদন্তের অংশ হিসেবেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরের স্ত্রী কয়েক দিন আগে বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে পৌঁছন। সেখান থেকেই প্রথমে কিশোরের দেহ এবং পরে ফ্রিজের ভিতর শিশুকন্যার দেহের সন্ধান মেলে। ঘটনার পর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।আর্থিক সমস্যাই এই ঘটনার মূল কারণ কি না, শিশুকন্যাকে হত্যার আগে ঠিক কী ঘটেছিল এবং ঘরটি কেন জন্মদিনের মতো করে সাজানো হয়েছিলএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, চিরকুট এবং পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য মিলিয়ে গোটা ঘটনার ছবি স্পষ্ট করার চেষ্টা চলছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

মমতা পাশে দাঁড়াতেই বড় ধাক্কা! পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার হলেন মিলন। শুক্রবার তাঁকে একটি পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রামের জমি অধিগ্রহণ-বিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি খুনের মামলায় তিনি অভিযুক্ত বলে পুলিশ জানিয়েছে। ওই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও ছিল বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বড় রাজনৈতিক ঘোষণাকে ঘিরে। তাঁর দলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। তার পরেই সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা জানান, নন্দীগ্রামে তাঁর দল কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থন করবে। দেশের কথা এবং বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।মমতার সেই ঘোষণার পরেই মিলন প্রধানের গ্রেফতারির খবর সামনে আসে। শুক্রবার তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৭ সালের একটি পুরনো খুনের মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল এবং সেই মামলায় পরোয়ানাও জারি হয়েছিল। ফলে গ্রেফতারির সঙ্গে পুরনো মামলার যোগ রয়েছে বলেই প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে।কংগ্রেস অবশ্য এই গ্রেফতারিকে স্বাভাবিক ভাবে দেখছে না। প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করার অর্থ বিজেপি কংগ্রেস প্রার্থীকে ভয় পাচ্ছে। তবে এটি অধীর চৌধুরীর রাজনৈতিক অভিযোগ; বিজেপির তরফে এমন অভিযোগের সমর্থনে কোনও বক্তব্য এই ঘটনায় সামনে আসেনি।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারও গ্রেফতারির সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনের ঠিক আগে মিলন প্রধান সকাল থেকেই প্রচারে ছিলেন। তার পর তাঁকে হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয়। কেন এবং কোন পরিস্থিতিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে বিষয়ে স্থানীয় থানাগুলির কাছ থেকে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।শুভঙ্কর জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবে কংগ্রেস। নির্বাচন কমিশনের কাছেও লিখিত ভাবে জানতে চাওয়া হবে, কেন প্রার্থীকে গ্রেফতার করা হল এবং বর্তমানে তিনি কোথায় রয়েছেন। কংগ্রেসের বক্তব্য, ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পর নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিষয়টি কমিশনের নজরেও থাকা উচিত।অন্য দিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক মদন মিত্র এই গ্রেফতারিকে প্রশাসনের বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কেউ প্রার্থী হলেই তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না, এমন কোনও নিয়ম নেই। প্রশাসনের কাছে প্রয়োজন মনে হলে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করার অধিকার রয়েছে বলেও তিনি জানান। একই সঙ্গে তিনি নন্দীগ্রামে মমতার কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েও মন্তব্য করেন।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। এক দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত, অন্য দিকে সেই কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের পুরনো মামলায় গ্রেফতারিদুই ঘটনাই একই দিনে সামনে এসেছে। ফলে গ্রেফতারির সময় নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠলেও, পুলিশ জানিয়েছে পুরনো মামলার পরোয়ানার ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে বিধানসভা উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে মিলন প্রধানের গ্রেফতারির ঘটনায় কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনের পর এই ঘটনায় নন্দীগ্রামের ভোটের রাজনৈতিক সমীকরণে কী প্রভাব পড়ে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
দেশ

পুজোর আগে সিকিমে বড় বিপদ! পাহাড় থেকে নামছে কাদা-পাথরের স্রোত, বন্ধ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা

একটানা ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমালয়ের বিস্তীর্ণ এলাকা। সিকিম, নেপাল এবং ভুটানের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসের খবর মিলছে। কোথাও জাতীয় সড়ক বন্ধ, কোথাও হাইওয়ে অবরুদ্ধ। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন পর্যটকেরাও। পুজোর মরসুম সামনে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মহলেও।উত্তর সিকিমে বুধবার থেকে ভারী বৃষ্টি চলছে। শুক্রবার ভোরে সিকিম-শিলিগুড়ি যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের বারডাংয়ের ২০ মাইল এলাকায় ধস নামে। রাস্তার উপর দিয়ে কাদা ও পাথরের স্রোত নামায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সাধারণ যাত্রী থেকে পর্যটক, সকলেই সমস্যায় পড়েন।গ্যাংটক জেলাতেও একাধিক জায়গায় ভূমিধস ও কাদাধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। ধসের কারণে বেশ কিছু রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। কোথাও বাড়ি ও গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শুক্রবার কবি-টিংদা কেন্দ্রের বিধায়ক শেরিং টি ভুটিয়ার নেতৃত্বে একটি যৌথ দল বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে।বোজোগহারি সংলগ্ন লুয়িং-রাঙ্কা সড়ক, লোয়ার বোজোগহারি, লিংডিং, হাইকোর্ট রোড, টিএনএ গেট, ভিআইপি কলোনি, আপার জেড-বোজোগহারি, পাংথাং-লিংডক সড়ক, পামরো গাঁও, লিং পারবিং, আপার ও মিডল লুয়িং, ফেনজং, রাঙ্কা, রকডং তিনটেক, দারাগাঁও, আপার বুরতুক, সিচে এবং আরিথাং-সহ একাধিক এলাকায় ধসের প্রভাব পড়েছে।বহু জায়গায় এখনও রাস্তা পুরোপুরি পরিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কিছু বহুতলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর। সিচের নিকাশি জল পরিশোধন কেন্দ্র এবং এনচে স্কুলের বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের কাছেও ধ্বংসস্তূপ জমে রয়েছে। ফলে ওই এলাকাগুলিতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।উত্তর সিকিমেও ব্যাপক ধসের খবর এসেছে। ফেনসং, কবি এবং লিংচুম-টিংদা এলাকায় ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রাস্তা ফের চালু করার কাজ চলছে। ধসপ্রবণ এলাকায় বৃষ্টির জল যাতে মাটির গভীরে ঢুকে পরিস্থিতি আরও খারাপ না করে, সে জন্য ত্রিপল বিছিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।প্রশাসনের তরফে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ধসপ্রবণ এলাকা দিয়ে যাতায়াত না করার জন্য বলা হয়েছে। বিশেষ করে রাতে আরও বেশি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ৩২ মাইলের কাছে রাডাং এলাকাতেও ধসের কারণে রাস্তা অবরুদ্ধ হওয়ার খবর মিলেছে।পূর্ব সিকিমের দুগা এলাকাতেও রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যাত্রীরা নিজেরাই রাস্তা পরিষ্কারের কাজে নেমে পড়েন। এই পথটি গ্যাংটকের সঙ্গে যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প রাস্তা। ফলে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের সমস্যাও বেড়েছে।শুধু সিকিম নয়, নেপালেও ভারী বৃষ্টির জেরে পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। জামিরেঘাটে ভূমিধসের কারণে পৃথ্বী হাইওয়ে অবরুদ্ধ হয়েছে। রাস্তার উপরের দিক থেকে বড় ধস নেমে কাঠমান্ডুগামী দুই দিকের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ধাদিংয়ের ট্রাফিক পুলিশ প্রধান শিশির থাপা জানিয়েছেন, ধসের পরিমাণ বেশি হওয়ায় রাস্তা পরিষ্কার করতে সময় লাগতে পারে। কৃষ্ণভির এলাকাতেও ধসের কারণে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।ভুটানেও কয়েকটি পাহাড়ি রাস্তায় বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে। দোচুলা-ওয়াংদুয়ে সড়কের পেনজালুম দ্রুবচু এলাকায় একমুখী যান চলাচল শুরু হলেও পর্যটকদের সতর্ক হয়ে যাতায়াতের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে পানবাং-মাথাংগুড়ি সংযোগ সড়কের কিছু অংশও অবরুদ্ধ হয়েছে।সিকিম, নেপাল এবং ভুটানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পথে ধসের কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় পুজোর আগে পর্যটন শিল্প নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই সময় পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়ে। ফলে আগামী দিনে বৃষ্টি ও ধসের পরিস্থিতি কীভাবে বদলায়, তার দিকে নজর রাখছেন পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষজন।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

‘নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠনের মতো কাজ করছে’, তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ নিয়ে সরব শুভঙ্কর সরকার

নিজস্ব সংবাদদাতা: সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক ফুল-ঘাস ফ্রিজ করে দেওয়ার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার অভিযোগ করলেন, কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে টালবাহানা করে রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্তের সময় ও পদ্ধতি নিয়ে গভীর সন্দেহের অবকাশ রয়েছে।উল্লেখ্য, ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও সংরক্ষিত ফুল-ঘাস প্রতীক আপাতত ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে দুটি গোষ্ঠী নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস হিসেবে দাবি করছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই পৃথক নাম ও প্রতীক নিয়ে উপনির্বাচনে লড়তে হবে।এই পরিস্থিতিতে শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এই বিতর্কের সমাধান করা। কিন্তু মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর, স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়ে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর সন্দেহের অবকাশ থাকে।কংগ্রেস সভাপতির মতে, ভারতের সংবিধানে প্রতিষ্ঠিত বহুদলীয় সংসদীয় গণতন্ত্রই দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর অন্যতম ভিত্তি। তাঁর কথায়, এই বহুদলীয় ব্যবস্থাই ভারতের বহুত্ববাদের প্রতিফলন। কংগ্রেস বরাবরই এই বহুত্ববাদে বিশ্বাসী।শুভঙ্কর সরকার মহারাষ্ট্রে শিবসেনার দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তাঁর অভিযোগ, একই ধরনের পরিস্থিতি পশ্চিমবঙ্গেও তৈরি করা হচ্ছে।তবে তৃণমূলের সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধের জায়গাটি স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, মতাদর্শগত লড়াই থাকবেসংসদীয় গণতন্ত্রে এটাই কাম্য। কাউকে পরাজিত করতে হলে আমরা সংসদীয় গণতন্ত্রের মধ্য দিয়েই করব। কাউকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করতে হলে, সেটা বাংলার মানুষ তাঁদের ভোটের রায়ের মাধ্যমে করবেন।এরপরই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন তিনি। শুভঙ্কর সরকারের অভিযোগ, আজ আমরা দেখছি নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠনের মতো কাজ করছে। তারা একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার খেলায় নেমেছে। এটি সংসদীয় গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক ইঙ্গিত।একইসঙ্গে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের রাজনৈতিক অবস্থানও স্পষ্ট করেন তিনি। তাঁর দাবি, তৃণমূলের রাজনৈতিক মতাদর্শের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের লড়াই চলেছে এবং চলবে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেস কর্মীদের উপর হামলা, দলীয় কার্যালয় দখল এবং রাজ্যে অপশাসনের অভিযোগও তোলেন তিনি।তবে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে কোনও রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনী পরিচয় থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াকে কংগ্রেস মেনে নেবে না বলেই জানিয়েছেন শুভঙ্কর সরকার।শেষে তাঁর স্পষ্ট বার্তা, নির্বাচন কমিশনের এই দলদাসসুলভ আচরণ গণতন্ত্রের ভিতকে দুর্বল করছে। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal