• ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ১১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Girl

রাজ্য

বাংলায় শুরু এনকাউন্টার! বারুইপুরে পুলিশের হেফাজত থেকে পালাতে গিয়ে নিহত ধর্ষণ-খুনের মূল অভিযুক্ত

বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের বহুল আলোচিত মামলায় নাটকীয় মোড়। পুলিশের দাবি, ক্রাইম সিন পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করায় ধৃত মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে বুধবার ভোর থেকেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর এলাকায়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে প্রভাস মণ্ডলকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল অপরাধস্থলের পুনর্নির্মাণের জন্য। অভিযোগ, রাত প্রায় ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ সে এক পুলিশকর্মীর সার্ভিস পিস্তল ছিনিয়ে নেয় এবং একটি গুলি চালায়। এরপর অন্ধকারের সুযোগে পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত।পুলিশের দাবি, বারবার আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হলেও প্রভাস তা অগ্রাহ্য করে। উল্টে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং আত্মরক্ষার স্বার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালাতে বাধ্য হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় প্রভাস মণ্ডলের।উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে বারুইপুরের একটি পরিত্যক্ত এলাকা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিল নিখোঁজ নাবালিকার দেহ। তদন্তে ধৃত প্রভাস মণ্ডলই পুলিশকে মৃতদেহের অবস্থান দেখিয়েছিল বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। সেই সূত্র ধরেই ঘটনার পুনর্নির্মাণ চলছিল।এদিকে, এই ঘটনায় তদন্তের জাল আরও বিস্তৃত হয়েছে। নাবালিকা ধর্ষণ-খুন মামলায় এবার বসিরহাট থেকে গ্রেপ্তার হয়েছে আরও এক অভিযুক্ত, কবীর মোল্লা। এই নিয়ে মামলায় গ্রেপ্তারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল চার।অন্যদিকে, ঘটনার পর এলাকায় ছড়িয়ে পড়া উত্তেজনা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও গণপিটুনিতে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি, অশান্তি উসকে দেওয়ার অভিযোগে চারজন সিপিএম নেতার বিরুদ্ধেও বারুইপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগের তালিকায় রয়েছেন সুজন চক্রবর্তী, লাহেক আলি-সহ আরও দুই নেতা।তবে উল্লেখযোগ্য বিষয়, প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যুর বিষয়ে পুলিশের এই বয়ানই বর্তমানে সরকারি দাবি। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, ফরেনসিক রিপোর্ট এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই এনকাউন্টারের সমস্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে চূড়ান্ত ছবি স্পষ্ট হবে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

গ্রামীণ স্কুলে বইয়ের আলো, পাহাড়হাটিতে একদিনের বইমেলায় উৎসবের আমেজ

পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারী ২ নম্বর ব্লকের পাহাড়হাটি বাবুরাম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো একদিনের বইমেলা। ছাত্রীদের মধ্যে বইপড়ার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্যেই এই অভিনব উদ্যোগ নেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এটি একটি সম্পূর্ণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হওয়ায় মেয়েদের মানসিক ও বৌদ্ধিক বিকাশে বইয়ের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করতেই এই আয়োজন বলে জানান কর্তৃপক্ষ।বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায় জানান, বর্তমান সময়ে মোবাইল ও ডিজিটাল আসক্তির মধ্যে বইয়ের প্রতি ছাত্রীদের আগ্রহ ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই জায়গা থেকেই বইকে কাছাকাছি আনার জন্য এই একদিনের বইমেলার আয়োজন। তিনি আরও জানান, প্রথমবার এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ছাত্রীদের পাশাপাশি অভিভাবক ও স্থানীয় মানুষজনের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে।প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বইমেলার শুভ সূচনা করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায়। স্কুল চত্বরে সাজানো হয় বিভিন্ন প্রকাশনার বইয়ের স্টল। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, সাধারণ জ্ঞান, জীবনী থেকে শুরু করে পাঠ্য সহায়ক নানা বইয়ের সম্ভারে খুশি ছাত্রীরা। অনেকেই নিজের পছন্দের বই কিনে নিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।উল্লেখ্য, শহর থেকে অনেকটা দূরে অবস্থিত এই গ্রামীণ বিদ্যালয়ের আশপাশে নিয়মিত বইয়ের দোকানের বিশেষ সুবিধা নেই। ফলে ছাত্রীদের বই কেনার সুযোগ সীমিত। সেই অভাব পূরণ করতেই এই বইমেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই প্রয়াসকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকেরা। তাঁদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ এলাকার মেয়েদের শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।বিদ্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, এবছরের সাফল্যে তাঁরা আপ্লুত। ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও উৎসাহ দেখে আগামী বছরও এই বইমেলার আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে বইমেলার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে শিক্ষাক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

একবছর পর রাজস্থান থেকে উদ্ধার নাবালিকা, অভিযুক্তকেও বর্ধমানে নিয়ে এল পুলিশ

এক বছর এক মাস। অভিযোগের পর অনেকটা সময় পেরিয়ে গিয়েছিল। গলসি থানায় অভিযোগ হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ ছিল, ১৭ বছরের নাবালিকা মেয়ে বাড়ি থেকে কাউকে কিছু না বলে চলে যায়। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গলসি থানাতে একটি মামলা রুজু হয়। ২০২৩ সাল থেকে বিভিন্নভাবে মেয়েটিকে গলসি থানার তদন্তকারী অফিসার খোঁজার চেষ্টা করেন, কিন্তু প্রাথমিকভাবে কোনও হদিশ পাওয়া যায়নি। তা সত্ত্বেও তদন্তকারী অফিসাররা হাল ছাড়েননি।গত ৪ ডিসেম্বর পুলিশ সুপারের অনুমতি নিয়ে রাজস্থান এর উদেশ্যে পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ টিম রওনা দেয়। গত ৭ ডিসেম্বর স্থানীয় পালরি- এম থানার সহায়তায় যোধপুর স্টেশন থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পোশালিয়া গ্রাম থেকে তদন্তকারী অফিসাররা ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে এবং আসামিকে গ্রেপ্তার করেন। আজ, মঙ্গলবার নাবালিকা এবং আসামিকে পূর্ব বর্ধমানে ফিরিয়ে আনা হয়। আগামীকাল, বুধবার আসামি এবং উক্ত নাবালিকাকে পূর্ব বর্ধমান জেলা আদালতে নিয়ে যাওয়া হবে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৪
রাজ্য

প্রকাশ্যে রাস্তায় কিশোরীকে ছুরির কোপ, যুবককে ধরে গণপ্রহার

আরজি কর কাণ্ডের আনহে এবার দিনের বেলায় রাস্তায় কিশোরীকে পর পর ছুরির কোপ। প্রাণভয়ে ছুটে পালাতে গিয়েও মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ওই কিশোরী। না যেন কোন অ্যাকশন সিনেমার সিন। বেলঘরিয়ায় ভরদুপুরে এমনই হাড়হিম ঘটনায় শিউরে উঠলেন আশেপাশের মানুষজন। কিছুটা সামলে নিয়েও তারা ধাওয়া করে ওই কিশোরকে ধরে ফেলেন। এরপর চলে গণপ্রহার। পরে পুলিশ এসে ওই কিশোরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। কিশোরীকে আহত অবস্থায় স্থানীয় এক নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার জেরে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বেলঘরিয়ার প্রফুল্ল নগরে প্রকাশ্য দিবালোকে স্কুল ফেরত ছাত্রীকে ছুরির কোপ। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কোন কিছু নিয়ে ওই কিশোর ও কিশোরীর মধ্যে শুরু হয় বচসা। এর জেরে ওই কিশোরের গালে সপাটে চড় কষান কিশোরী। এতেই মেজাজ হারিয়ে ধারালো অস্ত্র নিয়ে পরপর কোপ মারে অভিযুক্ত কিশোর। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই কিশোরী মাটিতে লুটিয়ে পড়লে কিশোর পালানোর চেষ্টা করে। তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপরই শুরু হয় মারধর। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে। মহিলা নিরাপত্তার দাবিতে পুলিশের সঙ্গে বচসাও বেধে যায় স্থানীয়দের। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বেশ কয়েকদিন আগে ওই কিশোরীকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে কিশোরী তা নাকচ করে দেয়। এরপরই প্রতিশোধ নিতেই ঘটনার দিন দুপুরে ওই কিশোরীর পথ আটকায় অভিযুক্ত কিশোর। বচসা থেকে হাতাহাতি এরপর পকেট থেকে ছুরি বের করে এলোপাথাড়ি কোপ মারতে শুরু করে ওই কিশোরীকে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আপাতত আটক করা হয়েছে কিশোরকে। জানা গিয়েছে কিশোরীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৪
রাজ্য

মায়ের সাথে মনোমালিন্য, আত্মহনন কিশোরীর

পড়াশোনায় অমনযোগী হওয়ায় মায়ের বকুনি খেয়ে অভিমানে আত্মঘাতী হল কিশোরী। মৃতার নাম শ্রেষ্ঠা সরকার (১৪)। বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের হরেকৃষ্ণপল্লীতে।বেশ কয়েক দিন ধরেই ঠিকঠাক পড়াশোনা করছিলো না শ্রেষ্টা তাই মা তাকে গতকাল বকাঝকা করে। অভিমানে বাড়ির ভিতরে গলায় ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে শ্রেষ্টা। মেমারি থানার পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠায়।

নভেম্বর ০৭, ২০২২
রাজ্য

সব্জী ব্যবসায়ী মায়ের অনুপস্থিতিতে মেয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু বর্ধমানের রসুলপুরে

এক নাবালিকার রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর নতুন রাস্তা এলাকায়। মেয়েটির বয়স মাত্র সতেরো। তার মা ও এলাকাবাসীর ধারণা, তাকে কেউ খুন করেছে। পুলিশ খুনের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে। জেলা পুলিশসুপার জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে ফরেন্সিক টিমের সাহায্য নেওয়া হবে।পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর রেল গেটের কাছে নতুন রাস্তা এলাকায় মৃতার বাড়ি। তার মা দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে থাকেন। প্রতিদিন ভোরে তিনি সব্জি আনতে মেমারি যান। আজ ও মেয়েকে বলেই বেরোন। মেয়েকে জানিয়ে বাইরে গিয়ে দরজা লাগিয়ে যান। আলোও জ্বালা ছিল। সকাল ৭ টা বাজতে ১০ মিনিট আগে তিনি ফিরে আসেন। তিনি ও তার ভাইপো গিয়ে দেখেন মেয়ের কোনো সাড় নেই। বালিশ টা একপাশে পড়ে আছে। মুখটা কিছুটা ফোলা। তাদের চিৎকারে এলাকার মানুষ ছুটে আসেন। এসে দেখা যায় মেয়েটি মৃত। এরপর পুলিশ আসে। উত্তেজিত এলাকাবাসী মৃতদেহ নিয়ে যেতে বাঁধা দেন। তাদের বুঝিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠায় পুলিশ।এলাকায় এসেছেন জেলা পুলিশসুপার কামনাশীষ সেন সহ পুলিশের টিম।জেলা পুলিশসুপার জানান; ঘটনাটি সকালের দিকেই ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তারা ফরেন্সিক টিম ডেকেছেন।মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশ তদন্তে নেমেছে। এর কিনারা করবেই পুলিশ।মৃতা মেয়েটি বৈদ্যডাঙ্গা গার্লস স্কুলে পড়তো। তার মৃত্যতে শোকের ছায়া এলাকায়।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২
কলকাতা

ধর্ষিতা কিশোরীর বাড়িতে তৃণমুল নেতৃত্ব। পাশে থাকার আশ্বাস

টিটাগরে কিশোরী কে ধর্ষণের ঘটনায় নির্যাতিতার বাড়িতে গেলেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সাংসদ অর্জুন সিং ও বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীটিটাগর পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ লাইন অঞ্চলের ১৯ বছরের কিশোরীকে গণধর্ষণের পর আজ সন্ধ্যায় ধর্ষিতার বাড়িতে এলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ব্যারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী, ব্যারাকপুর সংসদ অর্জুন সিংহ, সহ টিটাগর তৃণমূলের নেতৃত্ব। প্রত্যেকেই ধর্ষিতার সঙ্গে কথা বলেন এবং তাকে আশ্বস্ত করেন। এরপর চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের জানান নক্কারজনক ঘটনায় ইতিমধ্যেই ঘটনা চারজনের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে টিটাগর থানার পুলিশ। দোষীদের যাতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয় সে ব্যাপারেও প্রশাসনের সাথে কথা বলবেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

নাবালিকা কন্যাকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল সৎ বাবার বিরুদ্ধে

কালনা থানার বাঘনাপাড়া এলাকায় নাবালিকা কন্যাকে দীর্ঘদিন ধরে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল সৎ বাবার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় চালছল্য ছড়িয়ে পড়ে। যানা যায় নির্যাতিতা ওই নাবালিকাকে প্রানে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই এই এমন অপকর্ম করে আসছিলেন তার বাবা।তিন দিন আগে মেয়েটি তার মাকে পুরো ঘটনা খুলে বলে। এর পরই নির্যাতিতা ওই নাবালিকার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে কালনা থানায় দায়ের হয় অভিযোগ, সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে রবিবার কালনা আদালতে পাঠায় কালনা থানার পুলিশ।

আগস্ট ২৮, ২০২২
রাজ্য

পাঁশকুড়া গার্লস হাই স্কুলের চারজন ছাত্রীর ওপর তরল জাতীয় পদার্থ ছুড়ে মারে দুজন যুবক, এলাকায় উত্তেজনা

শুক্রবার স্কুলের মধ্যাহ্নভোজের সময় পাঁশকুড়া গার্লস হাই স্কুলের চারজন ছাত্রীর ওপর তরল জাতীয় পদার্থ ছুড়ে মারে স্থানীয় দুজন যুবক, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান ওই দুই যুবক লস্যি খেতে খেতে যাওয়ার সময় ওই লস্যি ছাত্রীদের গায়ে ছুড়ে মারে,ধৃত ২ যুবক বলেন, ক্লাস রুম থেকে ক্লাস সেভেনের ছাত্রীরা ভেঙ্গানোর ফলেই রাগবশত ওই লস্যি তাদের গায়ে ছুড়ে মারে, আতঙ্কিত ছাত্রীরা অসুস্থ বোধ করলে তাদের তৎক্ষণাৎ পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।ছাত্রীদের সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে যান স্কুলের শিক্ষিকারা, স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা জানান ওই চারজন ছাত্রীর মধ্যে দুজনের স্যাম্পেল পরীক্ষা করার পর এসিড হালকা স্যাম্পল পাওয়া যায়, এখন ছাত্রীদের অবস্থা স্থিতিশীল, প্রত্যেককেই তাদের অভিভাবকের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে দুই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পাঁশকুড়া থানার পুলিশ।

আগস্ট ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পার্থ বাবুর আরও চার পাঁচ জন প্রাক্তন আছেন ইন্ডাস্ট্রিতে (টলিউডে)...কাদের নাম করলেন শ্রীলেখা?

এই মহুর্তে এসএসসি দুর্নীতি মামলার ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী ও বর্তমান রাজ্যের শিল্প মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এসএসকেএম হাসপাতালের ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওভাস্কুলার সায়েন্সেস-এর আইসিসিইউতে চিকিৎসা চলছে। ইন্টেনসিভ করোনারি কেয়ার ইউনিটের ১৮ নম্বর কেবিনে তিনি ভর্তি আছেন। তাঁকে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের চিকিৎসকরা পরীক্ষা করেন। আপাতত মন্ত্রীকে কার্ডিওলজি বিভাগের স্পেসাল কেবিনে ভর্তি করে চিকিৎসা হচ্ছে বলে জানা যায়। মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে তাঁর চিকিৎসার জন্য।শনিবার সকাল তখন ১০টা নাগাদ মন্ত্রীর বাসভবন নাকতলাথেকে গ্রেফতার করে নিয়ে গিয়েছিল ইডি। । জোকা ইএসআই, সল্টলেক সিজিও কম্পলেক্স ভায়া ব্যাঙ্কশাল কোর্ট তাঁকে সাড়ে সাতটা নাগাদ আনা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। গাড়ি থেকে নামিয়ে হুইল চেয়ারে করে পার্থকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। বিগত ২৬-২৬ ঘণ্টা র জেরা ইতি হয়ে মন্ত্রী গ্রেপ্তার হতেই সামাজিক মাধ্যম ভরে যায় যা নানা সমলোচলনা ও মিমে। বিরোধী দল বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেস তো আছেই। শুরু হয়ে যায় বিভিন্ন মহলের বিশিষ্ট জনেদের মন্তব্য।জনপ্রিয় চিত্র পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় ইডির টুইট করা ছবি দেখে তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লেখেন যা দেখছি, কেউ নায়ক ছবির remake করলে স্বপ্নদৃশ্যের জন্যে টাকার পাহাড়ের অভাব হবে না এই বাংলায় !!! তিনি আরেকটা পস্টে লিখেছেন এবার ভুঁড়িটা কমাতেই হবে। ফ্রেঞ্চ কাট বা ঘনিষ্ঠ রূপসী - বা থিম পুজো - নৈব নৈব চ। ইঙ্গিত স্পষ্ট, সাধরণ মানুষের বুঝে উঠতে খুব একটা ক্ষত করতে হয় না।বাংলা চলচিত্র অভিনেতাদের মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ব্যস্ত অভিনেত্রী শ্রীলেখা। চলমান জগতে কোনও গুরুত্বপূর্ন বা স্পর্শকাতর বিষয়-ই তাঁর নজর এড়িয়ে যায় না। রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিশেষ বন্ধু অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাটে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা উদ্ধার মাত্র দুই বান্ধবীর নাম সামনে এসেছে তাতেই ইতিমধ্যে ২১কোটি ২০ লক্ষ টাকা সাথে ৭৯ লক্ষ গহনার হদিস পেয়েছে ইডি। এছাড়াও বীরভুমে ও কোলকাতায় একধিক বাংলো ও ফ্ল্যাটের খোঁজ পাওয়া গেছে ইডি সুত্রে খবর। এবার সামাজিক মাধ্যমে বোমা ফাটালেন টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন পার্থ বাবুর আরও চার পাঁচ জন প্রাক্তন আছেন ইন্ডাস্ট্রিতে (টলিউডে)। বলবো নাকি নাম গুলো?। শ্রীলেখা কি কিছু ইঙ্গিত দিলেন?অভিজ্ঞ মহলের ধারনা ইডি কোনও আধিকারিক যদি শ্রীলেখার সামাজিক মাধ্যম ফলো করে থাকেন অবশ্যই এই প্রশ্ন তাঁরা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে রাখবেন। এবং তদন্ত করে শ্রীলেখার বক্তব্য থেকে তাঁরা সারমর্ম খুঁজে বার করার চেষ্টা করবেন-ই। তাৎপর্যপূর্ন ভাবে শুক্রবার সাত সকালে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ইডি-র তদন্তকারী দল পৌঁছানোর পরপরই মন্ত্রীর বিশেষ বন্ধু অর্পিতা মুখার্জি নাম সামনে আসে, তারপরই বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মন্ত্রীর শান্তিনিকেতন (বীরভূম) যোগ নিয়ে সরব হন। আজ সারাদিন সমস্ত সার্চ লাইট বোলপুর ও কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে এসে যায়। রবীন্দ্র-নজরুল মিলে মিশে একাকার।শ্রীলেখাকে আক্ষেপের সুরে বলতে দেখা যায় সেই সমস্ত (অদৃশ্য) বন্ধুদের কাছে কত কোটি দিয়েছে কে জানে। পরক্ষনেই তিনি এক অজানা কারনে নিজেকে গুটিয়ে নিলেন। তাঁর ধারনা প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কিছু বলে শত্রু বাড়ানোর কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর আশঙ্কা এসব পাবলিক করলে হয়ত সুপারি কিলার-ও পিছনে লাগাতে পারে।এই মন্তব্যের পর তাঁকে সামাজিক মাধ্যমে তাঁর ফ্যান ফলোয়াররা চেপে ধরতে থাকেন নাম প্রকাশ করার জন্য, কেউ কেউ লেখেন নেশন ওন্টাস টু নো। কিন্তু অভিনেত্রী বরাবরের মতোই বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন এই বিতর্কে থেকে। এমনকি জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়,রূপা ভট্টাচার্যের মত টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রী দের জোরাজুরিতেও তিনি রা কারেননি। মুখ খুলেও মুখ লোকালেন শ্রীলেখা...... ভয়ে না আশঙ্কায়! নেশন ওন্টাস টু নো

জুলাই ২৪, ২০২২
রাজ্য

প্রেমিককে খুনের অভিযোগে প্রেমিকাসহ পরিবার সদস্যদের গ্রেফতার করলো পুলিশ

প্রেমিককে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হল প্রেমিকা।রেহাই পাননি প্রেমিকার বাবা, মা ,ও দাদা। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার সকালে মেমারি স্টেশন রোড এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রেমিক শুভ শীলকে খুনের অভিযোগে ধৃতদের নাম প্রিয়াঙ্কা কির্তনিয়া, সুনীল কীর্তনিয়া, জয়মালা কীর্তনিয়া ও রাজীব কীর্তনিয়া। তাঁদের বাড়ি মেমারি পৌরসভার উদয়পল্লী দক্ষিণপাড়ে। এদিনই ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে প্রেমিকা প্রিয়াঙ্কা ও তাঁর ভাই রাজীবকে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় পুলিশ। সিজেএম ধৃত প্রেমিকা ও তাঁর ভাইকে ৪ দিন পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অপর ধৃত প্রেমিকার বাবা ও মাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে সোমবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।পুলিশ জানিয়েছে, মেমারির ৩ নম্বর ওয়াের্ডর পারিজাত নগরের শুভ শীলের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার দীর্ঘদিনের ভাব-ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। যদিও প্রিয়াঙ্কার পরিবার এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি। তা সত্বেও প্রেমিকার বাড়িতে মাঝেমধ্যেই যেত শুভ। প্রিয়াঙ্কার পরিবারের লোকজন বেশ কয়েকবার শুভকে সম্পর্ক ছাড়ার জন্য হুমকি দেয়। অন্যথায় তাঁকে খুন করা হবে বলে শাসানো হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রিয়াঙ্কার বাড়িতে যান শুভ। তারপর থেকে তাঁর খোঁজ মিলছিল না। রাত দেড়টা নাগাদ প্রিয়াঙ্কার বাড়ি থেকে শুভর মাকে মোবাইলে ফোন করা হয়। শুভ গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানানো হয়। খবর পেয়ে শুভর পরিবারের লোকজন প্রিয়াঙ্কার বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তাঁরা দেখেন, উঠানে তাঁর দেহ শায়িত রয়েছে। কাপড়ের পার দিয়ে তাঁর দুহাত বাঁধা। কোমরের একটু উপরে দড়ি বাঁধা রয়েছে। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিস দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠায়। মৃতের বাবা অশোক শীল ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে না পেরে তার পরিবারের লোকজন পরিকল্পিতভাবে শুভকে খুন করেছে। অভিযোগ পেয়ে পরিকল্পনামাফিক খুনের ধারায় মামলা রুজু করেছে থানা।

মার্চ ১৭, ২০২২
রাজ্য

'সন্তান পুত্র বা কন্যা-মাতা কোন ভাবেই দায়ী নন’, বিয়ের অতিথিদের এই পাঠ দিলেন শিক্ষক বাবা

একমাত্র কন্যা অদিতির বিয়ের আয়োজনে কোন খামতি রাখেননি বাবা। ফুল,মালা ও আলোক রোশনাইয়ে নিখুঁত ভাবে সাজানো হয় বিয়ে বাড়ি।বুধবার সারাটা দিন বিয়ে বাড়ি ভরে থাকে সানাইয়ের সুর মুর্ছনায়। এতকিছুর মধ্যেও ওই বিয়ে বাড়িতে সবথেকে বেশী নজরকাড়া ছিল পাত্রীর শিক্ষক বাবা শ্যামাপ্রসাদ দাসের দেওয়া সচেতনতার পাঠ। তিনি বিয়ে বাড়িতেই কন্যা সন্তান নিয়ে বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা তুলে ধরা বড়বড় ফ্লেক্স টাঙিয়েছেন। তাতে উল্লেখ থাকে সন্তান হোক পুত্র বা কন্যা-মাতা কোন ভাবেই দায়ী না।নিজের মেয়ের বিয়েতে শুধু এই বার্তা দিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি শ্যামাপ্রসাদ বাবু। তিনি রীতিমতো বিজ্ঞপ্তি জারির আকারে বিয়ে বাড়ির মূল ফটকে পোস্টার লাগিয়ে দিয়ে উপহার সামগ্রী নিয়ে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করে রাখেন। বুধবার রাতে বিয়ে বাড়ির অন্দরে প্রবেশের পর এইসব চাক্ষুষ করে অতিথিরা কার্যত থমকে দাঁড়িয়ে যেতে বাধ্য হন। তবে তাঁরা পাত্রীর বাবার এমন ভাবানার তারিফ না করেও পারেননি।শ্যামাপ্রসাদ দাসের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে।তিনি যখন ছোট ছিলেন তখন তাঁদের পারিবারে আর্থিক স্বচ্ছলতা তেমন ছিল না। তবুও সমস্ত প্রতিকুলতাকে জয় করে মা সরস্বতীদেবীর প্রেরনায় লেখাপড়া চালিয়ে যান মেধাবী ছাত্র শ্যামাপ্রসাদ।বিজ্ঞান বিষয় নিয়ে পড়াশুনা করে সাফল্যের সঙ্গে তিনি স্নাতক হন। পরে তিনি স্কুল শিক্ষকতার চাকরি পান। এরপর সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরে। তবে শ্যামাপ্রসাদ বাবুর জীবনে বড় অঘটন ঘটে যায় কয়েক বছর আগে।হঠাৎতই দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান শ্যামাপ্রসাদ বাবুর স্ত্রী কাকলীদেবী। তখন তাঁর একমাত্র কন্যা অদিতি অনেক ছোট। শ্যামাপ্রসাদ বাবু নিজেই একদিকে পিতা ও অন্যদিকে মাতার ভূমিকা নিয়ে তাঁর কন্যার যাবতীয় দায় দায়িত্ব পালন করেন। বাবার বিজ্ঞান প্রীতিকে অনুসরণ করে অদিতিও সম্প্রতি কলকাতার সিটি কলেজ থেকে বিএসসি পাশ করে । এরই মধ্যে অদিতির সঙ্গে ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে মালদার মথুরাপুর নিবাসী পেশায় ইঞ্জিনিয়ার যুবক স্বর্ণাঙ্কু সাহার। মেয়ের পছন্দের পাত্রকেই নিজের জামাই করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন শ্যামাপ্রসাদ বাবু। বুধবার বিয়ের দিনেও মেয়ের ভাব ভালবাসার বিষয়টি তিনি একেবারে লিখিত ভাবেই সাজিয়ে গুছিয়ে জনসমক্ষে তুলে ধরেন।সন্তান হোক পুত্র বা কন্যা-মাতা কোন ভাবেই দায়ী না।একমাত্র কন্যার বিয়ের দিনই কেন বিয়ে বাড়িতে কন্যা সন্তান জন্মানোর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা তুলে ধরলেন? এর উত্তরে শ্যামাপ্রসাদবাবু বলেন, বিজ্ঞান ভিত্তিক কি কারণে সন্তান পুত্র বা কন্যা হয়ে জন্মায় তা বহু মানুষের কাছেই অজানা রয়ে আছে। তার কারণে এখনকার যুগেও বহু মানুষ মনে করেন কন্যা সন্তান জন্মানোর দায় শুধু মাত্র মায়ের। তাই কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ার জন্য মায়েদের নির্যাতন হজম করতে হয়। কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ার অপরাধে অনেক মায়ের প্রাণ খোয়ানোর মত ঘটনায় ঘটছে। অথচ বিজ্ঞান বলছে,সন্তান পুত্র হোক বা কন্য তার জন্য মাতা কোন ভাবেই দায়ী নয় । অন্ধ ধারনা থেকে মানুষ্য সমাজমুক্ত হতে না পারলে কোন কন্যা সন্তানের বাবা মা তাঁদের মেয়ের বিয়ে দিয়ে দুশ্চিন্তা মুক্ত হয়ে থাকতে পারবেন না। তাই মেয়ের বিয়েতে বিজ্ঞানের এই পাঠ সবার সমক্ষে তুলে ধরেছেন বলে শ্যামাপ্রসাদ বাবু জানান। পাশাপাশি তিনি এও বলেন, কোভিড অতিমারির জেরে দেশের বর্তমান আর্থসামাজিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে তিনি তাঁর মেয়ের বিয়েতে উপহার সামগ্রী নিয়ে আসার ব্যাপারে নিয়েধাজ্ঞা জারি করেছেন বলে জানান।বিয়ে বাড়িতে সবার উপলব্ধির জন্য শ্যামাপ্রসাদ বাবু বিজ্ঞানের যে পাঠ দিয়েছেন ,তাঁকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন তাঁর মেয়ে অদিতি ও জামাই স্বর্ণাঙ্কু। তাঁরা বলেন, এটাতো বিজ্ঞান সম্মত ভাবেই প্রমানিত সন্তান পুত্র বা কণ্যা যাই হোক- তার জন্য মাতা কোন ভায়েই দায়ী নন। এর কারণ ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে অদিতি বলেন, নবম শ্রেণীর বিজ্ঞান বইতেই আমরা পড়েছি আমাদের মানব শরীরে ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম আছে । তার মধ্যে একজোড়া ক্রোমোজোম হল সেক্স ক্রোমোজোম ।সেটা আমাদের মায়ের শরীরে XX। আর বাবার শরীরে XY। এই সেক্স ক্রোমোজোম-ই সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণে সহায়তা করে। বৈজ্ঞানিক ভাবেই এটা প্রমানিত যে বাবা ও মায়ের শরীরে থাকা অর্ধেক অর্ধেক ক্রোমোজোম সন্তান পেয়ে থাকে। সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণের ক্রোমোজোম যদি আমরা ধরি তাহলে বাবার শরীর থেকে আসতে পারে X বা Y এর মধ্যে যে কোন একটি। মাতার শরীরে X ছাড়া যেহেতু অন্য আর কোন ক্রোমোজোম ভ্যারিয়েন্ট থাকে না তাই মায়ের শরীয় থেকে আসে শুধুমাত্র একটি X ক্রোমোজোম। তাই সন্তান যে হবে তাঁর সেক্স ক্রোমোজোম XX বা XY হতে পারে। ওই সন্তান পুত্র বা কন্যা যাই হোক তার জন্য মাতার কোন ভূমিকা থাকে না। পুরুষের ইচ্ছাতে এর সমস্ত কিছু না হলেও বৈজ্ঞানিক ভাবে বলা হয়েছে সন্তান পুত্র বা কন্যা যাই হোক তার পিছনে মূখ্য ভূমিকা পুরুষেরই থাকে। এত কিছু বৈজ্ঞানিক প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও মাতার জরায়ু থেকে সন্তান জন্ম নেয় বলে কন্যা সন্তান জন্মালেই মায়েদের দায়ী করা হয়। মানুষের এই ভুল ধারণা ভাঙতে তাঁর বাবা বিয়ে বাড়িতে আগত সব অতিথিকে যে পাঠ দিয়েছেন সেটা যথেষ্টই সময়োপযোগী ও যুক্তি সঙ্গত বলে অদিতি দাবি করেছে। জামাই স্বর্ণাঙ্কু বলেন, শনিবার বৌভাতের দিন তিনি মালদার বাড়িতে অতিথিদের একই পাঠ দেবেন। তার পিছনে উদ্দেশ্য একটাই থাকবে কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়া মায়েদের লাঞ্ছনা গঞ্জনা থেকে মুক্তি দেওয়া। বুধবার অদিতির বিয়েতে উপস্থিত থাকা অতিথি অঞ্জন মুখোপাধ্যায় ও যুথিকা দাস বলেন, কন্যার বিয়েতে কন্যা সন্তানের জন্ম নিয়ে কন্যার বাবার এমন বিজ্ঞান ভিত্তিক পাঠদান কার্যতই নজিরবিহীন। ওই পাঠদান থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাই সচেতন হলে সমাজেই মঙ্গল হবে ।

মার্চ ১১, ২০২২
রাজ্য

অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবি ক্যামেরায় বন্দি করে বিয়ের জন্য পিস্তল দেখিয়ে প্রেমিকের হুমকি! কালনায় আত্মঘাতী কলেজ ছাত্রী

প্রেমিকের ব্ল্যাকমেল ও হুমকি শাসানির জেরে আত্মহত্যার পথ বেছেনিতে বাধ্য হলেন এক কলেজ ছাত্রী।মৃতার নাম গঙ্গা সেন (১৯)। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার শাসপুর পশ্চিমপাড়ায়। রবিবার কালনা মহকুমা হাসপাতাল পুলিশ মর্গে ছাত্রীর মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয়। তারপর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছে প্রেমিক। এইঘটনা নিয়ে জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শাসপুর এলাকায়। প্রেমিক যুবকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর পরিবারের আনা অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে কালনা থানার পুলিশ। পুলিশ ও পরিবার সূত্র জানা গিয়েছে, গঙ্গা সেন নামে ওই ছাত্রীটি কালনা কলেজের প্রথম বর্ষে পড়াশুনা করতো। ছাত্রীর বাবা নগেন সেন জানান, কয়েক বছর হল তাঁর মেয়ে গঙ্গা এলাকার এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। কিন্তু মনে কু-উদ্দেশ্য থাকায় ওই যুবক কোন এক সময়ে তাঁর মেয়ের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহুর্তের বেশ কিছু ছবি মোবাইল ফোনের ক্যামেরা বন্দি করে নেয়। পরে সেই ছবি দেখিয়েই গঙ্গাকে ব্ল্যাকমেল করেচলে তাঁর প্রেমিক। এরই মধ্যে গঙ্গা জানতে পারে যে তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে একাধিক মেয়ের সম্পর্ক রয়েছে। এরপর থেকে গঙ্গা তাঁর প্রেমিকে সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ব্যাপারে মনস্থির করে নেয়। নগেন বাবুর অভিযোগ, তাঁর মেয়ে প্রেমের সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাইছে জানতে পেরে ওই প্রেমিক যুবক মাঝেমধ্যেই তাঁদের বাড়িতে এসে পিস্তল দেখিয়ে হুমকি শাসানি দিয়ে যেত।ছাত্রীর মা বিশাখা সেন বলেন, আমার মেয়েকে বিয়ে করবে বলে ওই যুবক বাড়িতে এসে চাপ দেওয়া শুরু করে। কিন্তু অন্য মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক থাকায় আমার মেয়ে ওই যুবককে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। তার জন্য ওই যুবক পিস্তল উঁচিয়ে আমাদের বাড়ির সবাইকে প্রাণে মেরে দেবে বলে কিছুদিন আগে হুমকি দিয়ে যায়। এইসব নিয়ে মেয়ে গঙ্গা মানসিক চাপের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। রবিবার সকালে তিনি ও তাঁর স্বামী কোভিডের ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। তার পরেই বাড়ির একটি ঘরে গলায় দড়ি ফাঁস দিয়ে গঙ্গা ঝুলেপড়ে। বাড়িতে তখন ছোট মেয়ে ছিল। সে তাঁর দিদিকে গালায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলতে দেখে আমাদের জানায়। এই খবর পেয়েই দ্রূত বাড়িতে ফিরে এসে মেয়েকে উদ্ধার করে আমরা কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক গঙ্গাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নগেন সেন ও তাঁর স্ত্রী বিশাখাদেবী দুজনেই তাঁদের মেয়ে গঙ্গার মৃত্যুর জন্য ওই প্রেমিক যুবককেই দায়ী করেছেন। সেন দম্পতি দাবি করেন, প্রেমিক যুবকের ব্ল্যাকমেল ও হুমকি শাসানির জেরেই তাঁদের মেয়ে গঙ্গা আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে। সেই অভিোগের কথা পুলিশকেও এদিন মৌখিক ভাবে জানিয়ে এসেছেন। দাহকার্য শেষ করে সোমবার থানায় গিয়ে লিখিত ভাবে যুবকের বিরূদ্ধে অভিযোগ জমা দেবেন বলে নগেন সেন জানিয়েছেন। কালনা থানার পুলিশ জানিয়ছে, লিখিত অভিযোগ জমা পড়লে তার ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মৃতার পরিবার ও তাঁর সহপাঠীদের প্রত্যাশা পুলিশ যুবকের দৃষ্টান্তমূলক সাজার ব্যবস্থা করবে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

Google Girl : ২ বছর বয়সেই সবাইকে চমকে দিচ্ছে ডোমকলের ‘‌গুগল গার্ল’‌

দেশের রাজধানীর নাম কী?....দিল্লি।ভারতের জাতীয় পাখি কী?....ময়ূর। যে কোনও প্রশ্ন করলেই এক মুহুর্ত নষ্ট না করে সঠিক উত্তর দিচ্ছে একরত্তি মেয়েটা......!বয়স মেরে কেটে ২ বছর ২ মাস। এই বয়সে অনেকেই ভালভাবে কথা বলতে পারে না। আর একরত্তি মেয়েটার কিনা নথদর্পনে দেশের রাজধানীর নাম! জাতীয় পাখি, জাতীয় পশুর নামও বলে দিচ্ছে অনায়াসে! সবাইকে চমকে দিয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলার ডোমকলের শিবনগর থানার সাইকা হাসিন। তাঁর এই প্রতিভা দেখে অনেকেই সাইকাকে ডাকতে শুরু করেছে গুগল গার্ল নামে।ছোট থেকেই দুর্দান্ত স্মৃতিশক্তি সাইকা হাসিনের। মাত্র ৯ মাস বয়সে হাঁটতে শুরু করে সাইকা। ১ বছরের মধ্যেই কথা বলা শুরু। একবার যে জিনিস চোখের সামনে দেখে, কখনও ভোলে না। একবার কোনও জিনিস মাথায় গেঁথে গেলে সেটা আর মোছে না। ছবি দেখালেই ফুলের নাম, ফলের নাম, অনায়াসে বলে দিতে পারে। শুধু বাংলাতেই নয়, ইংরেজিতেও বলে দিতে সক্ষম সাইকা। ইংরেজী ১২ মাসের নাম মুখস্ত। এছাড়া আরও অনেককিছুই নখদর্পনে ২ বছর বয়সী এই গুগল গার্ল সাইকা হাসিনের।সাইকার বাবার সুরজ শেখ ব্যাংকে চতুর্থ শ্রেণী পদে কর্মরত। পড়াশোনা প্রাইমারির গন্ডিও পার করেননি। মায়ের কাছেই সবকিছু শেখা সাইকা হাসিনের। ছোট থেকেই মেয়েকে সবকিছু শেখাতে শুরু করেন সাইকার মা। বিভিন্ন দেশের নাম, রাজধানীর নাম, ফলের নাম, ফুলের নাম, পশুপাখির নাম, দেশ ও তাদের রাজধানীর নাম সবই বলতে পারে ছোট্ট সাইকা। এমনকি জাতীয় পতাকা দেখালেও বলে দিতে পারে সেটা কোন দেশের। তাঁর প্রতিভা দেখে মুগ্ধ এলাকাবাসী। দুরদূরান্ত থেকে অনেকেই তাকে একঝলক দেখতে হাজির। সাইকার এই প্রতিভার স্বীকৃতি পেতে ইতিমধ্যেই পরিবারের পক্ষ থেকে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডেস জন্য আবেদন করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Tanushree Bhattacharya : শমীকের লক্ষ্মীলাভ, মা হলেন অভিনেত্রী তনুশ্রী ভট্টাচার্য

মা হলেন অভিনেত্রী তনুশ্রী ভট্টাচার্য। করুণাময়ী রাণী রাসমণী ধারাবাহিকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তনুশ্রী ভট্টাচার্যর কোল আলো করে এল লক্ষ্মী। আর এই সুখবরটা জানিয়েছেন তাঁর স্বামী পরিচালক শমীক বোস। সোশ্যাল মিডিয়াতে তাঁর স্ত্রী কে ট্যাগ করে লক্ষ্মী এলো ঘরে এই ছবিটি পোস্ট করেন শমীক। ক্যাপশনে লেখেন আমাদের পরিবারে স্বাগত। পরিবারে নতুন সদস্য আসার খবর সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করারা পর থেকেই অনেক শুভেচ্ছাবার্তা পেতে শুরু করেছেন শমীক ও তনুশ্রী।সদ্য বাবা হওয়া শমীক কে জনতার কথা থেকে ফোনে ধরা হয়। তাঁর এই আনন্দটা ভাগ করে নিলেন আমাদের সঙ্গে। বাবা হলেন। যেটার জন্য এতদিন অপেক্ষা করে আছো। সেটা ফুলফিল হল। কেমন লাগছে? শমীক জানালেন,সত্যি কথা বলতে প্রথম যখন ওটি থেকে বার করে এনে দেখালো আমার বেবি কে তখন যে অনুভূতি সেই অনুভুতিটা কোনও ভাষাতেই প্রকাশ করা যায় না। এটা অন্যধরণের অনুভূতি। মনে হচ্ছে যেন ওর মুখের দিকেই তাকিয়ে থাকি। কান্নার আওয়াজটাও মনে হচ্ছে যেন অন্যরকম। এটা স্বর্গীয় অনুভূতি। বেবি বাবা না মায়ের মত হয়েছে? উত্তরে পরিচালক জানালেন,বেবি সবে হয়েছে। তাই ওই ভাবনাটা ভেবে উঠতে পারিনি। ও ওর মতো হয়েছে। তোমার ফ্যামিলিতে একটা লক্ষ্মী ছিল এবং আরও একটা লক্ষ্মী এল। তাহলে কি পরিচালকের এই বছরটায় লক্ষ্মীলাভ বলা যায়? উত্তরে তিনি জানালেন,লক্ষ্মীলাভ হবে কি হবে না জানিনা। তবে আমার লক্ষ্মীলাভ হয়েছে। তোমার নতুন প্রোজেক্ট দেবী ও শুরু হয়েছে। তার মধ্যে কন্যাসন্তান ও হল। পরিচালক হাসিমুখে ফোনার ওপার থেকে জানালেন,ইনফ্যাক্ট ফ্লোরের সবাই বলছে দেবী এল ঘরে। ফ্লোরের সবাই খুব খুশি। সবাই খুব লাফালাফি করছে।দুমাস আগে সাধের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন তনুশ্রী। দুমাস পর তাঁর ঘর আলো করে এল একটি ফুটফুটে কন্যাসন্তান। শমীক ও অনুশ্রীর জন্য জনতার কথা র পক্ষ থেকে রইল অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
দেশ

Marriage: বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের, বাড়ছে মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স

চিন্তাভাবনা অনেকদিন আগে থেকেই ছিল, অবশেষে বাস্তবে রূপান্তর হতে চলেছে সেই ভাবনা। বৃহস্পতিবার মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে ২১ বছর করার প্রস্তাবনা পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। সূত্রের খবর, এক বছর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স বাড়ানোর যে কথা বলেছিলেন, তারপর থেকেই এই বিষয় নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছিল।গত বছর স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য় রাখতে গিয়েই দেশের মহিলাদের নিজেদের প্রতিভাকে প্রকাশ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর থেকে বাড়ানোর কথা বলেছিলেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, আমাদের সরকার দেশের মেয়ে-বোনেদের স্বাস্থ্য নিয়ে ক্রমাগত উদ্বিগ্ন থাকে। মেয়েদের অপুষ্টির হাত থেকে রক্ষা করতে, সঠিক বয়সে তাদের বিয়ে হওয়া জরুরি।সূত্রের খবর, কেন্দ্রের এই প্রস্তাবনাকে সমর্থন জানিয়েছে নীতি আয়োগের টাস্ক ফোর্স এই টাস্ক ফোর্সের নেতৃত্ব দিচ্ছেন জয়া জেটলি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের আধিকারিক ডঃ ভিকে পালও এই টাস্ক ফোর্সের সদস্য। এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব, নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক, উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রক-সহ একাধিক মন্ত্রকের প্রতিনিধিরাও এই টাস্ক ফোর্সের সদস্য।গত বছর জুন মাসে এই টাস্ক ফোর্সের গঠন করে কেন্দ্র। গত ডিসেম্বরে প্রথম রিপোর্ট জমা দেয় টাস্ক ফোর্স। সেই রিপোর্টেই টাস্ক ফোর্সের তরফে জানানো হয়েছিল, মহিলাদের স্বাস্থ্যের কথা বিচার-পর্যালোচনা করে দেখা গিয়েছে, মহিলাদের প্রথম সন্তান হওয়ার বয়স ন্যূনতম ২১ বছর হওয়া উচিত।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
নিবন্ধ

Diary of a young girl: মিঠির ডায়েরি (বাংলা ছোট গল্প)

ফোনটা পেয়ে আই পি এস অফিসার সুকৃতী রায় নিজেই গেলেন ঘটনাস্থলে,সঙ্গে দুজন অধস্তন সহকর্মীকে নিয়ে।বুঝলেন মেয়েটার শরীরে তখনও প্রাণ আছে।নিজের গাড়িতেই তুলে নিয়ে ছুটলেন হাসপাতাল রেখে গেলেন সহকর্মীদের।ঘটনাস্থলে চারজনকে ধরা হয়েছে।হাসপাতাল পৌঁছে মেয়েটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করে আবার গেলেন ঘটনাস্থলে যদি কিছু পাওয়া যায়,মেয়েটির পরিচয়,আপনজন কারো কোনো খোঁজ।ঘরে চারিদিক খূঁজে একটা সেল ফোন পেলেন ।কিন্তু কেনো জানিনা আরো কিছু পাওয়ার আশায় খূঁজে দেখ্তে লাগলেন । পেয়েও গেলেন একটা ডায়েরি।দুটো জিনিস নিয়ে ফেরেন নিজের অফিসে।বারবার মেয়েটার মুখটা মনে পড়ছে; কতই বা বয়স হবে কুড়ি একুশ।মুখে যেন একটা অব্যক্ত কষ্ট আর আতঙ্ক ছিলো মেশানো।ভাবতে....ভাবতে মেয়েটার ফোনটা বের করে অন করলেন। বাহ নামটা বেশ ভালো মিঠি।লাস্ট কয়েকবার বাবাকে ফোন করেছিল।বোধহয় ফোনটা রিসিভ হয়নি।কিন্তু কেনো? কে এই মেয়ে? কেনো এতবার বাবাকে ফোন করেছিল? কি বলতে চেয়েছিল?এইসব নানান প্রশ্ন আসছে মাথায়।নিজের ফোন থেকেই বাবার নং টা ডায়াল করলেন--দু তিন বার রিং হওয়ার পরহ্যালো,কে?আমি লালবাজার থেকে বলছি।লালবাজার? কে কেনো? গলাটা যেন কেঁপে গেল মনে হলো সুকৃতীরহ্যাঁ , আপনার মেয়ে মিঠি দাস?মিঠি? কে মিঠি? আমি কোনো মিঠিকে চিনিনা। বলে ফোনটা কেটে দিল।সুকৃতী অবাক হয়ে কিছুক্ষণ বাইরের দিকে তাকিয়ে রইল; সব কেমন গুলিয়ে যাচ্ছে।বেয়ারা কে ডেকে এক কাপ চা দিতে বলল।চা খেতে খেতে ডাযেরি টা খুলল...না রোজ লেখা নয়, হয়তো যে ঘটনা লিখে রাখতে মন হয়েছে সেটাই লিখে রেখেছে। মানে যে ঘটনা মিঠির মনে দাগ কেটেছে সেটা ও ওর লেখায় বন্দি করে রেখেছে।লেখা শুরু করেছে তখন ও ক্লাস নাইন। স্কুলে বন্ধুদের সঙ্গে নতুন নতুন জানা বিষয় নিয়ে কোনো আলোচনার কথা লিখেছে।সুকৃতী পড়তে লাগল পাতা উল্টে, মিঠি নিজের প্রথম প্রেমের কথা লিখেছে।১২/০৮/২০০৯আমি এখন ক্লাস ইলেভেন এ পড়ি ।পড়ার বাইরে নাচ গান করতে আমার ভালো লাগে।স্কুলের স্বাধীনতা দিবসে একটা প্রগ্রাম হবে। সেইজন্য এখন রোজ রিহার্সাল চলছে। কদিন থেকেই খেয়াল করছিলাম ক্লাস টুয়েলভের সুজয় কিছু বলতে চাইছে ।আজ ও বলেই ফেলল। খারাপ না ছেলেটা। আমারও ভালই লাগে।যদিও আজ আমি কোনো উত্তর দিই নি।আবার ১২/০৮/২০০৯আজ সুজয় কে হ্যাঁ বলেছি।কিন্তু ভয় করছে খুব। মা তো আমাকে দেখেই বুঝবে তখন আমি মা কে কি বলবো। মা যে আমার মুখ দেখেই সব বুঝতে পারে ।আমার পড়া নষ্ট করলে হবে না। তাহলে মা কষ্ট পাবে।এরপর আবার বেশ কিছুদিন কিছুই লেখেনি । তারপর হঠাত্ লিখেছে মায়ের কি যেন হচ্ছে আমাকে ঠিক বলছে না। শরীরটা দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। বাবাও কদিন থেকে ডাক্তার দেখানোর কথা বলছে।বাবা মায়ের সম্পর্কটা খুব ভালো লাগে।সুজয়কে বললাম মায়ের কথা।ও যেন একটু অন্যরকম। মায়ের কথাটা গুরুত্ব দিলনা । আমার ভালো লাগেনি ওর এই ব্যবহার।এরপর বেশ কিছু পাতায় রয়েছে মিঠির সঙ্গে মায়ের সম্পর্কের কথা।মা মেয়ের মধ্যে যে একটা বন্ধুত্বপুর্ণ সম্পর্ক সেটা বোঝা যায় ওর লেখায়।সুজয়ের সঙ্গে ওর ঝগড়া হয়ে গেছে।ছেলেটা খুব স্বার্থপর । ওর সঙ্গে সম্পর্ক রাখে না।এরপর ওর মায়ের অসুস্থতার কথা লেখা আছে।বাড়িতে ঝড় চলছে। ও বাবা মা কে যতটা পারছে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছে।এই ভাবে ও উচ্চমাধ্যমিক পাশ করলো। খুব আনন্দ সেদিন ওদের । বাবা তো ভীষণ খুশি ওর রেজাল্ট এ। ও যে ওর বাবার স্কুলেই পড়ে ।এরপর ওর জীবনের সব থেকে কষ্টের ঘটনাটা ঘটে। ওর মা পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়। তার প্রায় একমাস পরে ও আবার লেখে...মা চলে গেছে একমাস হয়ে গেল।আমি খুব একা হয়ে গেছি। বাবার দিকে তাকানো যাচ্ছে না। মানুষটা যেন কেমন হয়ে গেছে। আমার তো এখং কলেজে যাওয়া আছে অনেকটা সময় কেটে যায় ওখানে। বাবা স্কুল যাচ্ছে না এখনো ।খুব চিন্তা হচ্চে বাবার জন্য।বাবা মেয়ের সংসার চলছে কোনোরকমে। কলেজে যাওয়ার পথে সুনন্দর সঙ্গে পরিচয় হয় মিঠির ।খুব helpful ছেলে টা । বেশ ভালো কথা বলে।এরপর আবার চোখ আটকে যায় সুকৃতীর... ১২/০৩/২০১২বাবা কাল বিয়ের কথা বলছিল কাকে যেন। মনে হলো কোনো বন্ধুর সঙ্গেই কথা বলছিল।আজ সুনন্দ কে সে কথা বললাম। ও বলল ভয় কি আমি তো আছি। কি জানি কি হবে আমার তো খুব ভয় করছে। মা এর পর একমাত্র সুনন্দর সঙ্গে সব কথা বলতে পারি । ও আমাকে বোঝে খুব ভালো।দেখ যাক কি হয়। নাহলে বাবা কে বলতেই হবে।জীবন বয়ে চলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন আসে মানুষের মধ্যে।মিঠির মাতৃহারা একাকী জীবনেও সেরকম জুড়ে যায় সুনন্দ।বেশ কিছু পাতায় লেখা ওর আর সুনন্দর কাটান অনেক ভালো মুহূর্তের কথা। সেগুলো পড়ে সুকৃতী ভাবে বেশ ভালো একটা সঙ্গ পায় মিঠি।এরপর বেশ কিছুদিন কিছুই লেখেনি। তারপর হটাত লেখে২৫/১২/২০১২আজ একটু বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে যাচ্ছি বলে সুনন্দর সঙ্গে বেরিয়ে ছিলাম। বেশ ভালই কাটলো দিনটা; কিন্তু সন্ধ্যে বেলা বাড়ি ফিরে দেখি বাবার বন্ধু তিমির কাকু এসে বসে আছেন।তিমির কাকুর ছেলের সঙ্গেই আমার বিয়ের কথা হচ্ছে । ওনাকে দেখে আমার তো ভুত দেখার অবস্থা।যাই হোক রাতে কাকু আমাদের বাড়িতে থাকলেন আজ।২৬/১২/২০১২না আজ আর থাকতে পারলাম না। বাবাকে সব বললাম। সুনন্দর কথা শুনে বাবা তো কোনো কথা না বলে ঘরে চলে গেল। আর রাতে খেতেও উঠল না। আমি একটু আগে সুনন্দকে ফোনে সব বললাম ও দুদিন পর দেখা করবে বলল। এদিকে আমার পড়া মাথায় উঠেছে।আবার দুদিন পরে লেখা... ২৮/১২/২০১২আজ সুনন্দর সঙ্গে দেখা করলাম। ও যেটা বলছে আমি মানতে পারছিনা। ও বলছে বিয়ে করে নিতে। তারপর বাবা ঠিক মেনে নেবে। কিন্তু আমি এভাবে কিছু করতে চাই না। এদিকে সেদিনের পর থেকে বাবাও আমার সঙ্গে কথা বলা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। আমি তবু বাবাকে বললাম একবার কথা বলতে সুনন্দর সঙ্গে। কিন্তু বাবা কোনো সাড়া দিল না। আজ মায়ের অভাব টা বড্ড বেশী করে অনুভব করছি।এভাবে বেশ কিছু দিন ওর মনের উদ্বেগের কথা লেখা। বাবার সঙ্গে এইনিযে দুরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। একা কি করবে ঠিক করতে পারছে না। সেরকম কোনো বন্ধুও ওর নেই যার সঙ্গে পরামর্শ করবে।তারপর প্রায় মাস খানেক পরে লেখা ১৩/০২/২০১৩আজ এক সপ্তাহ হলো আমি আর সুনন্দ বিয়ে করেছি । বাবা মেনে নেয়নি। আমরা ওর এক মাসির বাড়িতে আছি। ও এই মাসির কাছেই মানুষ হয়েছে। কারণ ছোটবেলায় ওর মা বাবা মারা যান। মাসি বেশ ভালো । আমাকে মায়ের মতই আগলে রাখেন।বেশ কাটছে দিন গুলো।কিন্তু বাবার জন্য খুব মন খারাপ হয়। সুনন্দ তখন বোঝায় আমাকে।এরপর বেশ কিছুদিন গ্যাপ দিয়ে দিয়ে ওদের সুখের কথাই লেখা।আবার... ১৫/০৮/২০১৩আমরা কলকাতার একটা ছোট্ট ফ্ল্যাটে উঠে এলাম। সুনন্দর কাজের সুবিধার জন্য।মাসি এলেন না ওনার বাড়ি ছেড়ে।আমাদের দিন গুলো বেশ কাটছে। আমার ভিতর কিছু একটা পরিবর্তন হচ্ছে মনে হয়। মাকে আমার খুব মনে পরে। মা থাকলে আজ বাবা ঠিক মেনে নিত। বাবা কে ফোনে চেষ্টা করেছি, বাবা ধরেনি।আমি কনফার্ম না হয়ে সুনন্দ কে কোনো কিছু বলতে পারছিনা। ঠিক এর দুদিন পরের লেখা পরে সুকৃতী চমকে ওঠে......মানুষের জীবনে কার সঙ্গে কিভাবে পরিচয় হয় আর কাকে কখন কিভাবে কাজে লেগে যায় কেউ মনে হয় জানে না।সুকৃতীর ক্ষেত্রেও ঠিক তেমনটাই হলো।যেখান টা পড়তে গিয়ে চমকে গেলো সেই ঘটনা মনে পরে গেল ওর---- মাস দু তিন আগে একদিন খুব প্রয়োজনে একটি শপিং মলে যায় সুকৃতী ।একদম অন্য ভাবে কাস্টমার হিসাবেই যায়।কিন্তু অবাক হয় একটি অল্পবয়সি বিবাহিত মেয়ে ওর কাছে এসে যখন ওর সঙ্গে কথা বলতে চাইল এবং বলল ও সুকৃতীর কথা পড়েছে কাগজে । সুকৃতীর বেশ ভালো লাগল। ঐ বয়সী মেয়েরা সাধারণত সিনেমার জগতের খবর রাখে । এই মেয়েটা যেন একটু আলাদা । তারপর ওর ফোন নং চাইলে সেটা দেয় মেয়েটা কে।এই যে সেই মেয়ে বুঝতেই পারেনি।ডায়েরি তে সেদিনের কথা লেখা আছে সব।এরপর চমক আর চমকনা কোনো তারিখ নেইআজ লিখছি যদিও ঘটনা কাল ঘটেছে,জা আমাকে আহত করেছে মানসিক ভাবে ।কাল একটা কিট এনে টেস্ট করি এবং খুব আনন্দের সঙ্গে সুনন্দকে রাতে খবরটা যখন দিলাম ও তো রীতিমত বিরক্ত হলো। আমি আকাশ থেকে পড়লাম ওর ব্যবহার দেখে। ও চায় না আমি মা হই। যেভাবে ও সেটা বলল মনে হলো যেন সব ভুল আমার। তারপর অবাক হলাম বেশ অনেকটা রাতে কার সঙ্গে যেন ফোনে কথা বলছিল,মনে হলো যেন এই ব্যাপারেই বলছে।পরের লেখার তারিখ ২০/০৮/২০১৩আজ আমার জীবনের এমন একটা দিন যা আমাকে অনেক প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। আজ মনে হচ্ছে এরকম ভুল কেউ মনে হয় করে না। আমার ভুলের কোনো ক্ষমা নেই। আমি আমার বাবাকে কষ্ট দিয়েছি । আজ ঈশ্বর আমাকে সেই শাস্তি দিচ্ছে।।সুনন্দর মনে কি আছে বুঝতে পারছি বলে মনে হচ্ছে; কিন্তু কোনো প্রমান না পেলে আমি কাকে কি বলবো?? আজ আমার স্বপ্ন ভেঙ্গে গেল। জোর করে অ্যাবরেশন (abortion) টা করিয়ে দিল।সুনন্দ যে কোনো অফিসে কাজ করে না সেটা আমি বুঝতেই পারিনি। ও যে জঘন্য কাজের সঙ্গে যুক্ত বুঝলাম ওর রাতে ফোনে কথা শুনে। ও বুঝতেই পারেনি যে আমি জেগে আছি।তাই ওর দলের কাউকে বলছিল আর না মালটা কে অনেকদিন সহ্য করলাম এবার দিয়ে দিতে হবে। শালা ভেবেছিলাম বাপটা মেনে নিলে কিছু মালকড়ি ঝেড়ে তারপর মালটাকে বিক্রী করবো। ধুর বাপটা শালা এখনো ডাকল না। এবার তো একদম সংসার করে ফেললাম। আর না এবার মালটা কে পথে নামাতে হবে। এসব শোনার পর আমার পায়ের তলার মাটি সরে গেল। কিছুক্ষণ ভাবলাম কি করবো এখন? কি ভাবে বাঁচব এবার এর হাত থেকে? হটাত মনে পরলো সুকৃতী ম্যাডামের কথা। মেসেজ করলাম ওনাকে ।এবার শুরু হয়েছিল সুকৃতীর সঙ্গে মিঠির যোগযোগ। না বেশিদিন না কারণ সুনন্দর তাড়া ছিল। আর আজ সেটাই ঘটল।মিঠি সুকৃতীর কথা মতোই সুনন্দর কথা গুলো রেকর্ড করে পাঠিয়ে দেয় ।এগুলো কিছুই সুনন্দ জানতে পারে না। আজ যে সুনন্দ মিঠিকে ওদের মতো করে ব্যবহার করতে চলেছে মিঠি সেটা বুঝে সুকৃতী কে জানায় আর এটাও বলে যে দেরি হলে ওর জীবন সংশয়।আজ সুনন্দ বন্ধুর বাড়ি নিয়ে যাওয়ার নাম করে মিঠিকে নিয়ে বের হয়। তারপর নিয়ে যায় বেশ কিছুটা দুরে একট বাগান বাড়িতে । সেখানে তিন চার জন ছিলো। বেরনোর ঠিক আগে সুযোগ বুঝে ফোনটা নিয়ে নিয়েছিল মিঠি। ওখানে গিয়ে সব বুঝতে পারে তারপর কোনো ভাবে সুকৃতীকে ফোনটা করেছিল।শেষ মুহুর্তে ওরা পৌঁছে সব কটাকে হাতে নাতে ধরে।সুকৃতী মেয়েটার সাহস দেখে সত্যি অবাক হয়েছিল।বারবার এই কাজে যে কতটা রিস্ক আছে বুঝিয়ে ছিলো । বলেছিল ওখান থেকে বেরিয়ে আসতে। কিন্তু মেয়েটার একটা কথা ওকে চুপ করিয়ে দিয়েছিল-- ম্যাডাম আর যেন কেউ আমার মতো ওদের কাছে বোকা না হয়। আমাকে পারতেই হবে।তখন সুকৃতী ওকে একটা জিনিস দেয় জুতোর নিচে পরে রাখতে বাইরে যাবার সময়। সেই মতো মিঠি সব করেছিল। কিন্তু ও যে সঙ্গে করে মারাত্বক বিষটা সঙ্গে নেবে ভাবেনি। সুকৃতীর পৌঁছাতে একটু দেরি হয়ে যায় রাস্তায় জ্যাম থাকায়।আর তাতেই মেয়েটা শেষে এই পদক্ষেপ নিয়ে নেয়।সুকৃতী নিজেকেই দায়ী করে কিছুটা।মিঠির ডায়েরির কথা শেষ। তারপরেও কিছু ঘটনা থেকে যায় যেটা না বললে ডায়েরিটা যে কি ভাবে কাজে আসলো সেটা না বললে সম্পূর্ণ হয়না।ডায়েরিটা পড়ে সুকৃতীর মনটা বড়োই উতলা হয়ে উঠলো। পড়া হয়ে গেলে আবার ফোন করে মিঠির বাবাকে।হ্যালো প্লিস ফোনটা কাটবেন না। কিছু কথা আছে আপনার সঙ্গে।ও বলুনআপনার মেয়ে মিঠি মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে। ও শেষ মুহুর্তে আপনার কাছে ক্ষমা চাইবার জন্য ফোন করেছিল।ওদিকে কোনো সাড়া না পেয়েহ্যালো শুনতে পাচ্ছেন??......হ্যাঁ বলুন বলুন,কোথায় আছে ও? আমাকে ঠিকানা তা দিন।সুকৃতী তখন ওনাকে ঠিকানা দিলেও ওখানকার পুলিশ স্টেশনে ফোন করে ।সেখানে ওর চেনা একজন অফিসার আছে। তাকে বলে মিঠির বাবা কে পৌঁছে দিতে ।আর ওনাকে ঐ অফিসারের সঙ্গে দেখা করতে বলে রেখে দেয়।এরপর আবার হাসপাতাল যায়, মিঠির খবর নিতে।তখনো জ্ঞান ফেরেনি।ডাক্তার বাহাত্তর ঘন্টা সময় দিয়েছে।সুকৃতী বারবার ভাবে আর একটু যদি আগে পৌঁছাতে পারত তাহলে আজ মেয়েটার এই অবস্থা হতো না।এবার ফোনে খবর নেয় ধরা পড়া দলের। এই দলটা কে বেশ কিছুদিন ধরেই ধরার চেষ্টা চলছিল কিন্তু কিছুতেই পারছিল না ।আজ মিঠির সাহসের কারণে সম্ভব হল।অথচ মেয়েটাকে রক্ষা করতে পারল না।এইসব ভাবছে হসপিটাল করিডোরে দাঁড়িয়ে এমন সময় উদ্বেগপুর্ণ কন্ঠ কানে এলো।মিঠির বাবা চলে এসেছেন।আমার মেয়েটা কেমন আছে? কোথায় সে? কি হয়েছে? বলতে বলতে এগিয়ে আসে সুকৃতীর দিকে।সুকৃতী বলে আপনি শান্ত হয়ে বসুন।ও এখন এখানেই আছে ।চিন্তা করবেন না ।সব ঠিক হয়ে যাবে।সুকৃতীর হাতটা ধরে কেঁদে ফেলেন । আমায় মেয়ের প্রাণ টা ফিরিয়ে দাও ।আর আমি কিছু চাই না মা।তুমি শুধু আমার মেয়েটাকে ফিরিয়ে দাও।তুমিও আমার মেয়ের মতো ।আমি খুব ভুল করেছি । আমি যে বাবা, আমার দরজা ওর জন্য চিরকাল খোলা সেটা বলতে ভুলে গেছিলাম।সুকৃতীর মনে পরে গেলো নিজের বাবার কথা।আজ বাবা নেই,কিন্তু বাবাও ঠিক এই কথাটাই বলতেন।আমাদের অভিভাবকদের কাজ ভালো মন্দ টা বলে দেওয়া।তারপর সন্তান কোনটা বেছে নেবে সেটা তার ব্যাপার। ভুল করে যদি ভুল পথে যায় ও আমাদের দরজা সব সময় খোলা সন্তানের জন্য।আমরা যে বাবা মা।ভুল বুঝে যদি ফিরে আসতে চায় তাকে সাদরে গ্রহণ করা বাবা মায়ের কাজ।সুকৃতীর চোখটা ভিজে গেলো ।পুলিশ হলেও মনটা তো আছে ।এরপর মিঠি সুস্থ হয়ে বাবার সঙ্গে বাড়ি গেলো আর সুনন্দ আর তার সাঙ্গপাঙ্গরা জেলে।জামিন অযোগ্য ধারায় কেস দিয়েছে সুকৃতী।শাস্তি ওরা পাবেই।পরিশেষে বলি মিষ্টি কথায় ভুলতে নেই। ভুল ধরা পড়লে এইভাবে সাহসের সঙ্গে এগোতে হয়।লেখিকাঃ রাখি রায়রাখি রায়-র কলমে আরও কিছু লেখাআরও পড়ুনঃ বিষাক্ত গোলাপ - (ছোট গল্প)আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রূপু আমাকে ক্ষমা করিসআরও পড়ুনঃ উত্তরণ (বাংলা ছোট গল্প)আরও পড়ুনঃ নতুন প্রভাতআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- দ্বিতীয় পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- তৃতীয় পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- চতুর্থ পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)-অন্তিম পর্ব

নভেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Commit Suicide: ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ছাত্রকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে প্রেমিকা সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু

ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্রকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ উঠলো প্রেমিকা সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে। মৃত ছাত্রের নাম সৈকত মাঝি(১৯)।তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার কাঁশড়া গ্রামে। সৈকত দুর্গাপুরের বেসরকারী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পড়তো। গত ১৫ অক্টোবর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ছাত্রের ঝুলন্ত মৃতদেহ। ছাত্রের এই মৃত্যুর ঘটনার জন্য দোষীদের শাস্তিদানের ব্যাপারে পুলিশ ব্যবস্থা না নেওয়ায় শুক্রবার বর্ধমান সিজেএম আদালতের দ্বারস্থ হন ছাত্রের দাদা সৌমেন মাঝি। মামলাকারীর আইনজীবীর বক্তব্য শুনে সিজেএম আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা জন্য জামালপুর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতে সৌমেন মাঝি জানিয়েছেন, তাঁদের বাড়ি জামালপুর থানার কাঁশড়া গ্রামে। তাঁর ভাই সৈকত মাঝি দুর্গাপুরের বেসরকারী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে মেকানিক্যাল বিভাগের ছাত্র ছিল। কাঁশড়া এলাকার এক যুবতীর সঙ্গে তাঁর ভাইয়ের ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। এই সম্পর্কের বিষয়টি যুবতীর পরিবার মেনে নেয়নি। ঘটনার মাস দুই আগে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য যুবতীর পরিবার সৈকতকে নানা ভাবে হুমকি দেয়। এইসবের কারণে তাঁর ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ভাই মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিল। ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করতো না।উদাস থাকতো। সেই কারণে সব ভুলে গিয়ে ভাল করে পড়াশুনা করার জন্য তিনি তাঁর ভাইকে বলেন।সৈকত তখন তাঁদের জানায় ,যুবতী অন্য একজনের সঙ্গে প্রণয়ের সম্পের্ক লিপ্ত হয়েছে। তাই নানা কটুক্তি করে তাকে ভুলে যাওয়ার কথা যুবতী তাঁর ভাই সৈকতকে বলছে। এমনকি চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে যুবতী সৈকতকে তার সঙ্গে দেখা করার জন্য ডেকে পাঠায়। সৈকত দেখা করতে গেলে যুবতী ও তার নব্য প্রেমিক তাকে অপমানজনক কথাবার্তা বলে। তাতে সৈকত মানসিকভাবে আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এমন অবস্থার মধ্যেই গত ১৫ অক্টোবর রাত দেড়টা নাগাদ মদ্যপ অবস্থায় কয়েকজন তাঁদের বাড়িতে এসে দরজায় ধাক্কাধাক্কি করে। তারা তাঁর ভাইকে ডাকাডাকি করে। তা শুনে সৈকত বাইরে বেরিয়ে এলে তাকে তাঁরা পুনরায় কটূক্তি করে। এমনকি গুলি করে মেরে দেওয়ারও হুমকি দিয়ে তারা চলে যায়। এরপর সৈকত ঘরে শুতে যায়। সৌমেন জানিয়েছেন, পরের দিন সকালে ঘরের সিলিং ফ্যানের হুকে লেপের কভার দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় সৈকতকে ঝুলতে দেখা যায়। জামালপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক সৈকতকে মৃত ঘোষণা করেন।মামলাকারী মৃতের দাদার আইনজীবী শর্মিষ্ঠা সামন্ত জানিয়েছেন, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনার কথা থানায় জানানো হয়েছিল। থানা কোনও ব্যবস্থা না নিয়ে ছাত্রের পরিবারকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। বিষয়টি জেলার পুলিশ সুপারকেও জানানো হয়। তারপরও পুলিশ ব্যবস্থা না নেওয়ায় বাধ্য হয়ে সিজেএম আদালতে মামলা করা হয়েছে। সিজেএম তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। জামালপুর থানার এক অফিসার বলেন, সম্ভবত কেউ এই ধরণের অভিযোগ জানাতে থানায় আসেন নি। তবে আদালত নির্দেশ দিলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Rape: বৃদ্ধ বাবা-মাকে খুনের হুমকি দিয়ে তরুণীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার

আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে বৃদ্ধ বাবা-মাকে খুনের হুমকি দিয়ে তরুণীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল এক যুবক। ধৃতের নাম সফিকুল ইসলাম। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার কেসিয়ায়। কাটোয়া থানার পুলিশ মঙ্গলবার বিকেলে কাটোয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে অভিযুক্ত সফিকুলকে গ্রেফতার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ধৃতকে কাটোয়া মহকুমা আদলতে পেশ করে পুলিশি হেপাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়। আদালতে এদিনই তরুণী তাঁর গোপন জবানবন্দী দেয়। বিচারক ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেফাজতের পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, কাটোয়া শহরের কুমোরপাড়া এলাকায় বাড়ি বছর ২৩ বয়সী তরুণীর। বাড়িতে তাঁর বৃদ্ধ বাবা-মা রয়েছেন। তরুণীর বাবা ফুলের ব্যবসা করেন। গত শনিবার লিখিত অভিযোগে তরুণীর বাবা কাটোয়া থানার পুলিশকে জানান, গত মাসের ২৬ তারিখ বিকেল তাঁর মেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তিনি তাঁর মেয়ের কোনও সন্ধান পান না।তরুণীর বাবা পরদিন কাটোয়া থানায় একটি নিখোঁজ ডায়রি করেন। এরপর গত ১৩ অক্টোবর তরুণী নিজেই বাড়ি ফিরে আসে। তরুণী এই কদিন কোথায় ছিল তা তরুণীর কাছে জানতে চায় তাঁর বাবা। জিজ্ঞাসাবাদে তরুণী তাঁর বাবাকে জানায় সফিকুল ইসলাম জোরপূর্ব তাঁকে রাস্তা এক অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে যায়। তারপর পরিবারের লোকজনদের মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে সফিকুল তাঁর সঙ্গে জোর করে সহবাস করে। প্রতিবাদ করলে তাঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতনও করে সফিকুল। কোনওভাবে প্রাণ বাঁচিয়ে তাঁর মেয়ে ওই অজ্ঞাত জায়গা থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়। বৃদ্ধর আরও অভিযোগ তাঁর মেয়ে বাড়ি ফিরে আসার দদিন পর রাত সাড়ে দশটা নাগাদ সফিকুল ইসলাম লাথি মেরে তাঁর বাড়ির দরজা খুলে ঘরের ভিতরে ঢোকে। আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে তাঁর মেয়েকে ফের জোর করে তুলে নিয়ে যায়। বৃদ্ধ বাধা দিতে গেলে সফিকুল গুলি করে বৃদ্ধকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়।এই ঘটনার পরের দিন তরুণীর বৃদ্ধ বাবা সফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে কাটোয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিশ নড়েচড়ে বসে। অপহরণ, ধর্ষণ ও অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ অভিযুক্ত সফিকুলের খোঁজ শুরু করে। অবশেষে মঙ্গলবার সফিকুল ইসলাম কাটোয়া থানার পুলিশের জালে ধরা পড়ে।উদ্ধার হয় তরুণীও। ধৃতকে হেপাজতে নিয়ে পুলিশ আগ্নেআস্ত্রটি উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

অক্টোবর ২১, ২০২১
রাজ্য

Maldah Rape: মালদায় স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ

মালদায় এক স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল। স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ, এলাকারই তিন ব্যক্তি এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। অভিযুক্তরা শাসকদলের ঘনিষ্ট হওয়ায় ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ, এমনটাই দাবি নাবালিকার পরিবারের। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার রতুয়া থানার দেবীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মাকাইয়া গ্রামে।আরও পড়ুনঃ টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড, বাতিল একাধিক ট্রেন এদিকে, ধর্ষিতার পরিবারের অভিযোগ পার্শ্ববর্তী গ্রাম বালুপুর এলাকার বাসিন্দা রহিমুল হক, টিউশনি পড়তে যাওয়ার সময় ওই নাবালিকাকে জোর করে গাড়িতে তুলে নেয়। এরপর মাদক খাইয়ে রহিমুল এবং তার দুই সহযোগী মোট তিনজন মিলে ওই নাবালিকাকে সারাদিন ধর্ষণ করে। এরপর গ্রামে ফেলে রেখে চলে যায়। অচৈতন্য অবস্থায় কোনওরকমে ওই নাবালিকা বাড়িতে আসে।একটু সুস্থ হয়ে উঠলে সমস্ত ঘটনা তাঁর পরিবারের সদস্যদের জানায় সে। এরপরই পরিবারের সদস্যরা রতুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করে। মূল অভিযুক্ত শাসকদলের ঘনিষ্ঠ হওয়ার ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ অভিযোগ পরিবারের। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত তিনজনের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগেই বড় প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর! পদ্ম ফুটলেই ‘দু’হাত ভরে দেব’ ঘোষণা

উপনির্বাচনের আগেই রেজিনগর থেকে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জনসভার মঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রেজিনগরের মানুষ যদি বিজেপিকে জয়ী করেন, তাহলে এলাকার উন্নয়নের জন্য বড় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর প্রতিশ্রুতি, একটি নয়, দুটি নতুন সেতু তৈরি করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদেরও রাজ্যে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যে বর্তমানে বিজেপির দুইশো আটটি আসন রয়েছে। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে বিজেপির জয় নিশ্চিত। সেই আসন ধরে রেখে সংখ্যা হবে দুইশো নয়। এরপর রেজিনগরেও জয় পেলে বিধানসভায় বিজেপির আসন আরও বাড়বে।ভোটারদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, রেজিনগরে পদ্মফুল ফুটলে উন্নয়নের কোনও অভাব হবে না। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে নিজের এলাকায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে, যাতে মানুষ পরিবার নিয়ে নিজের এলাকাতেই থাকতে পারেন।জনসভা থেকে তিনি রেজিনগরের প্রাক্তন জনপ্রতিনিধির নাম উল্লেখ না করেই কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষকে ধর্মের নামে বিভক্ত করার রাজনীতি নয়, উন্নয়নের রাজনীতি প্রয়োজন। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তারা কি সাম্প্রদায়িক বিভাজন চান, নাকি কাজ, উন্নয়ন এবং উন্নত জীবনযাত্রা চান।মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি সরকারের আমলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমান সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা ছড়িয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই আশঙ্কা সত্যি হয়নি। তাই উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপিকে সমর্থন করার আবেদন জানান তিনি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন। অন্যদিকে হুমায়ুন কবীর রেজিনগর এবং নওদাদুটি আসনে জয় পান। নিয়ম অনুযায়ী দুজনকেই একটি করে আসন ছাড়তে হয়েছে। সেই শূন্য আসনগুলিতেই এবার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রেজিনগরের ফল আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রিয় কেষ্ট এবার ঋতব্রতের পাশে! বীরভূমে বড় পালাবদলের জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিল অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে বড় খবর। সূত্রের দাবি, তিনি এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তাঁকে বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এই খবরে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।শুধু অনুব্রত মণ্ডলই নন, বীরভূমের আরও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাও ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কাজল শেখ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ সিংহ এবং প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। জানা গিয়েছে, এই নেতাদের আসল তৃণমূল-এর জাতীয় কর্মসমিতিতেও জায়গা দেওয়া হয়েছে।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক তপসিয়ায় শুরু হয়েছে। দুই দিনের এই বৈঠকে রাজ্য এবং বিভিন্ন জেলার সভাপতিদের নাম চূড়ান্ত করা হচ্ছে। সেই বৈঠকেই বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্ব অনুব্রত মণ্ডলের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।এই বিষয়ে অনুব্রত মণ্ডলের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তাঁর জ্বর রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল কলকাতায় যেতে পারেন। যদিও শিবির পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর অনুব্রত মণ্ডল দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে বীরভূম জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেয় দল। পরে কোর কমিটি গঠন করে তাঁকে সেই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও তিনি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতিতে খুব বেশি দেখা যাননি। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, তাঁকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বীরভূমে তাঁর প্রভাব এবং সংগঠনিক দক্ষতা আসল তৃণমূল-এর শক্তি আরও বাড়াতে পারে বলেও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে চাঞ্চল্য! হাসপাতালের ভিতরে যা ধরা পড়ল, তারপরই বড় পদক্ষেপ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আচমকা পরিদর্শনের পর বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হল। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং পরিষেবা নিয়ে একাধিক গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসার পর বারো জন কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।যাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চার জন ওয়ার্ড মাস্টার, চার জন নন-মেডিক্যাল সুপার, একজন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিস্টার, প্রসূতি বিভাগের দুই জন সিস্টার ইনচার্জ এবং একজন পরিষেবার মান নিয়ন্ত্রণ আধিকারিক।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আচমকা পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং বারান্দায় পরিচ্ছন্নতার অভাব লক্ষ্য করেন। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বারান্দায় বিড়াল ঘোরাফেরা করতেও দেখা যায়। এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সেই নির্দেশ মেনেই তদন্তের পর বারো জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বারাসত মেডিকেল কলেজ আগে জেলা হাসপাতাল ছিল। এখনও পুরনো ভবনেই অনেক পরিষেবা চালাতে হচ্ছে। ফলে কিছু পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প তৈরি করে স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সেই প্রস্তাব পাঠানো হবে।বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই একাধিক সরকারি হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বারাসত মেডিকেল কলেজেও তিনি পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খতিয়ে দেখেন। এরপরই রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে আরও কঠোর নজরদারির ঘোষণা করেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিষেবার মান উন্নত করতে সরকারি হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে। গ্রামীণ হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতালেও একই ব্যবস্থা চালু হবে। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বা স্যালাইন ব্যবহার বন্ধ করতে প্রতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিশেষ দল হাসপাতালগুলিতে নিয়মিত পরিদর্শন চালাবে।হাসপাতালে দালালচক্রের বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হবে। যাঁদের কাছে সেই পরিচয়পত্র থাকবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ নিয়ে চরম টানাপোড়েন! এবার আদালতের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ল। ধর্মতলায় সভার অনুমতি না মেলায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। পুলিশের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা। ফলে একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর আগে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর বিকল্প জায়গার অনুমতি চেয়ে রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রতপন্থীরা। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতিও চাওয়া হয়। তবে সেই আবেদনেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। তাদের দাবি, একুশে জুলাই তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। তাই সভা আয়োজনের জন্য উপযুক্ত জায়গার অনুমতি প্রয়োজন।একুশে জুলাই দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি। উনিশশো তিরানব্বই সালে মহাকরণ অভিযানের সময় গুলিতে নিহত তেরো জনের স্মৃতিতে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণেই ধর্মতলায় শহিদ দিবসের সভার আয়োজন করা হয়ে থাকে।তবে এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধের আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নতুন মাত্রা পেয়েছে। দলের সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখা এবং কর্মীদের একজোট করার লক্ষ্যেই এবারের সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল।ইতিমধ্যেই ধর্মতলায় সভার প্রস্তুতির জন্য কয়েকজন নেতা জায়গা পরিদর্শনে গেলে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এরপর কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। সেই সিদ্ধান্তের পরই আইনি পথ বেছে নিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

বেআইনি দখল মামলায় বড় মোড়! উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান হাইকোর্টের

ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বেআইনি নির্মাণ এবং রাস্তা দখল সংক্রান্ত মামলায় উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট । আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সন্তোষজনক রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় জেলাশাসককে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তেইশে জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে হলফনামা এবং পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।শুক্রবার মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ জেলাশাসকের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, একাধিকবার রিপোর্ট চাওয়া হলেও স্পষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য জমা দেওয়া হয়নি। এমনকি আদালতের নির্দেশের পরও দায়সারা রিপোর্ট জমা পড়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, একজন নিম্নপদস্থ কর্মীর মাধ্যমে কেন এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, জেলাশাসক কি নিজেকে ডিভিশন বেঞ্চের চেয়েও বড় মনে করছেন। আদালতের মতে, এই ধরনের আচরণ আদালতের নির্দেশকে গুরুত্ব না দেওয়ারই ইঙ্গিত বহন করছে।আদালত জানায়, এর আগেই সতর্ক করে বলা হয়েছিল, পরবর্তী রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে হবে। সেই নির্দেশও মানা হয়নি। তাই এবার তাঁকে আদালতে উপস্থিত থেকে রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে হবে।বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তোলেন, জেলাশাসক কি এতটাই ব্যস্ত যে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় পাচ্ছেন না।মামলাকারীর অভিযোগ, ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে দখল করে পার্কিং এলাকা এবং বিয়েবাড়ি তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নয়ানজুলি ভরাট করে একাধিক বেআইনি নির্মাণও হয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে দুই হাজার বাইশ সালে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।মামলার আগের শুনানিতে জেলা প্রশাসন স্বীকার করেছিল যে ওই এলাকায় জবরদখলের ঘটনা ঘটেছে। এরপর আদালত জানতে চেয়েছিল, সেই বেআইনি দখল সরাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু একাধিকবার জেলাশাসক বদল হলেও এখনও পর্যন্ত আদালতে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়েনি। সেই কারণেই এবার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

জুলাই ১০, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসির আশঙ্কা জেনেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা! বিস্ফোরক বার্তায় তোলপাড় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আর বিদেশে থেকে নয়, এবার নিজ দেশেই ফিরতে চান। দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। দেশে ফিরে তিনি আইন মেনে আত্মসমর্পণ করবেন। কোনও চাপের মুখে নয়, সম্পূর্ণ নিজের সিদ্ধান্তেই তিনি দেশে ফিরতে চান বলেও জানিয়েছেন।শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর মুখেও পড়তে পারেন। তবুও তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। তাঁর কথায়, যদি মৃত্যু আসে, তবে তা নিজের দেশেই হোক। যেখানে তাঁর বাবা-মায়ের সমাধি রয়েছে, সেই মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলতে চান তিনি।তবে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বার্তা পাঠাননি শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন কোনও গোপন আলোচনার বিষয় হতে পারে না।গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা নিয়েও তিনি ভীত নন বলে জানিয়েছেন। শেখ হাসিনার বক্তব্য, অতীতেও একাধিকবার তাঁকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। কিন্তু গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাঁর জীবনের উপর বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে কোনও সরকারের ভুল হতেই পারে। তবে সেই ভুলের বিচার করার অধিকার জনগণের। দেশের মানুষই ঠিক করবে কোন সরকার ভালো কাজ করেছে আর কোন সরকার ব্যর্থ হয়েছে।আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, যদি দল সত্যিই মানুষের সমর্থন হারিয়ে থাকে, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ভোটের মাধ্যমে নিক। কোনও রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ছাত্র-যুব আন্দোলন এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে গণহত্যার মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করে। যদিও সেই রায় তিনি মানতে অস্বীকার করেছিলেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

জলমগ্ন কলকাতা, ফুঁসছে নদী, উত্তাল সমুদ্র! বাংলাজুড়ে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভিজেছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার সকালেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলায় একইভাবে বৃষ্টির দাপট বজায় রয়েছে। একাধিক এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। শনিবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমদমে প্রায় সাতানব্বই মিলিমিটার এবং আলিপুরে প্রায় সাঁইত্রিশ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ চলছে। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে একাধিক এলাকায় জল জমেছে।কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম মোড় এবং সেক্টর পাঁচ মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় জল জমায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এখনও বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর নেই, তবে দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উপকূলবর্তী এলাকাগুলির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বারো জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি-সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকায় পুলিশ মাইকিং করে সতর্ক করছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সমুদ্রের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জল দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের একাধিক এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেউলবাড় এবং গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াত এখন নৌকার উপর নির্ভর করছে। এতে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।অজয় নদীর জলও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর বাঁধের একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় এই এলাকায় প্লাবনের সমস্যা দেখা দেয়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

জুলাই ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal