• ৫ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ২০ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Gas

দেশ

Pegasus: ফোনে আড়ি পাতা হয়েছে কীভাবে? শুনছে সুপ্রিম কোর্ট

বাদল অধিবেশনের প্রথমদিন থেকেই বারবার পেগাসাস-কাণ্ড নিয়ে উত্তাল হয়েছে সংসদের উভয়কক্ষ। তদন্ত চাই, বিষয়টি সামনে আসুক এই দাবিতে দায়ের হয়েছে একাধিক পিটিশন। এবার আড়ি পাতা কাণ্ডে ৯ পিটিশনের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার শুনানি শুরু হয়েছে শীর্ষ আদালতে। প্রধান বিচারপতি এনভি রমনা ও বিচারপতি সূর্যকান্তের ডিভিশন বেঞ্চে উঠেছে এই মামলা।পেগাসাস কাণ্ডে তদন্ত চেয়ে প্রবীণ সাংবাদিক এন রাম ও শশী কুমার, রাজ্যসভার সিপিএম সাংসদ জন ব্রিটাস এবং আইনজীবী এম এল শর্মা সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছেন। এদিন প্রধান বিচারপতি বলেন, মিডিয়ায় প্রকাশিত তথ্য সত্যি হলে তা গুরুতজ। অন্যদিকে, এডিটর্স গিল্ডও সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে। বাকস্বাধীনতায় আঘাত ও ব্যক্তি পরিসরের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী বলে সওয়াল করা হয়েছে পিটিশনে। কপিল সিবল সওয়ালে বলেছেন, সরকারকে এক্ষেত্রে উত্তর দিতে হবে, কত টাকা দিয়ে কিনেছিল সরকার। কোথায় রাখা হয়েছ হার্ডডিস্ক।ইজ়রায়েলের এনএসও সংস্থা বহু দেশকে ফোন হ্যাক করার পেগাসাস স্পাইওয়্যার বেচেছিল। সেই তথ্যভাণ্ডার থেকেই সম্প্রতি ৫০ হাজার ফোন নম্বরের তালিকায় ফাঁস হয়ে গিয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-সহ বিশ্বের একাধিক দেশের সংবাদমাধ্যম তার তদন্তে নেমেছে। সেই তদন্তেই এ বার অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অরুণ মিশ্রর নাম উঠে এসেছে। তিনি ২০২০-র সেপ্টেম্বরে অবসর নেন। ২০১৯-এ নজরদারির তালিকায় তাঁর একটি নম্বর যোগ করা হয়। বিচারপতি মিশ্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনি ২০১৪-য় এপ্রিলেই ওই ফোন নম্বর ব্যবহার করা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তদন্তে উঠে এসেছে, পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক প্রতারণায় অভিযুক্ত নীরব মোদির আইনজীবী বিজয় আগরওয়াল, অগুস্তা ওয়েস্টল্যান্ড হেলিকপ্টার কেনায় দুর্নীতিতে অভিযুক্ত মিডলম্যান ক্রিশ্চিয়ান মিশেলের আইনজীবী আলজো জোসেফের নম্বরও সম্ভাব্য নজরদারির তালিকায় ছিল।

আগস্ট ০৫, ২০২১
রাজ্য

Pegasus Row: বড় খবর: দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতার

ফোনে আড়ি পাতার ঘটনায় তদন্ত কমিশন গঠন করল রাজ্য সরকার। সোমবার দিল্লি যাওয়ার আগে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ কথা ঘোষণা করেন। দুই অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে এই কমিশন গঠন করেছে রাজ্য সরকার।সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, ফোনে আড়ি পাতার ঘটনায় তদন্ত কমিশন গঠন করেছি আমরা। মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের অবসপ্রাপ্ত বিচারপতি মদন লকুর ও হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য এই তদন্ত কমিশনের দায়িত্বে থাকবেন। এনকোয়্যারি অ্যাক্ট (১৯৫২)-এর আওতায় এই কমিশন গঠন করা হয়েছে। প্রথম কোনও রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে গঠিত হল তদন্ত কমিশন। মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে কমিশন গঠনের প্রস্তাবে সিলমোহর পড়ল। কমিশনের দায়িত্বে রয়েছেন ২ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। এদিন কেন্দ্রকে তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি না জাগে, তাঁকে জাগাতে হয়। আশা করব আমাদের পদক্ষেপ বাকিদেরও জাগিয়ে তুলবে।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলউল্লেখ্য, আজ দুপুরেই দিল্লি উড়ে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজধানীতে একগুচ্ছ কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। তবে, দিল্লি রওনা দেওয়ার আগে সোমবার মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই এই বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়ে। এরপর সাংবাদিক বৈঠকে চাঁচাছোলা ভাষায় কেন্দ্রকে তোপ দাগেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পেগাসাস ব্যবহার করে সাংবাদ মাধ্যম, আইনজ্ঞ মহল, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, নাগরিক সমাজকে নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে সংসদ চলাকালীন আমরা ভেবেছিলাম, সুপ্রিম কোর্টের কোনও বিচারপতিকে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার নিশ্চয়ই তদন্ত করাবে। সেক্ষেত্রে মানুষ বিচার পাবে। কিন্তু আমরা যখন দেখলাম সরকারের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। তখন দিল্লি যাওয়ার আগে আমি বিচার বিভাগীয় কমিশন তৈরি করে দিলাম।

জুলাই ২৬, ২০২১
দেশ

Pegasus-Congress: পেগাসাস-কাণ্ডে অভিষেকের পাশে কংগ্রেস

পেগাসাস কাণ্ডে কাছাকাছি কংগ্রেস-তৃণমূল! রবিবার কংগ্রেসের অফিশিয়াল টুইটার হ্যান্ডলে একটি পোস্ট ঘিরে এমনই জল্পনা শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের ওই পোস্টে লেখা হয়েছে, নিজের শত্রুদের চোখে চোখে রাখতে হয়। এই প্রবাদ নিয়ে মোদি একটু বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছেন। এই বক্তব্যটির নীচে দেওয়া হয়, হ্যাশট্যাগ পেগাসাসস্নুপগেট। টুইটটির সঙ্গে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। ছবির পাশে লেখা হয়েছে, আপনি ক্রোনোলজিটা বুঝুন। পেগাসাসে গুপ্তচরবৃত্তির লক্ষ্য। কে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো। কখন? ২০২১। কেন? পশ্চিমবঙ্গের ভোটের সময়। তার নীচে মন্তব্য, মোদি সরকারের নিরাপত্তাহীনতার শেষ নেই।PM Modi took the adage, keep your enemies closer a little too far. #PegasusSnoopgate pic.twitter.com/YfaIP2rH44 Congress (@INCIndia) July 25, 2021ইতিপূর্বে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ভবানীপুর উপনির্বাচনে মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী না দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন প্রকাশ্যেই। এ বার নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডলে অভিষেকের ছবি দিয়ে ফোনে আড়িপাতার ঘটনায় মোদি সরকারে বিরুদ্ধে সরব হয়ে এআইসিসি মমতাকে জোটের বার্তা পাঠিয়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। উল্লেখ্য, সোমবার দিল্লি রওনা হচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। চার দিনের দিল্লি সফরে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে ২০২৪ সালের ভোট নিয়ে আলোচনাও হতে পারে তাঁর। তার আগেই মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোর ফোনে আড়িপাতার ঘটনা নিয়ে সরব হয়ে কৌশলেই কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁকে আলোচনায় বসার বার্তাই পাঠিয়েছেন বলে মত অনেকের। তবে এই প্রতিবাদকে কংগ্রেসের তৃণমূলের প্রতি জোটবার্তা বলে মানতে চাননি রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, কংগ্রেস নেতৃত্ব বিরোধী কোনও নেতার ফোনে আড়িপাতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই পারে। শুধুই অভিষেকই নয়, দেশের অনেক বিরোধী নেতা আছেন যাঁদের ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগ উঠেছে। শুধু রাজনৈতিক নেতৃত্ব নন, দেশের বহু উল্লেখ্যযোগ্য মানুষের ফোনেও আড়ি পাতা হয়েছে। সবার আগে পুরো বিষয়টির তদন্ত হওয়া দরকার।এই ঘটনায় কংগ্রেস সার্বিক প্রতিবাদ জানিয়েছে। এবং তা কোনও বিশেষ দলের জন্য নয়। প্রতিবাদ মানে এই নয় যে, কোনও নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে।

জুলাই ২৫, ২০২১
প্রযুক্তি

Pegasus: পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?

২০২১-র বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন দুই প্রধান বিরোধী দলের মুখ্য-কান্ডারিদের প্রতিনিয়ত ফোন কল সংবাদমাধ্যমের কাছে চলে আসাটা নিয়মিত ভাবে ঘটছিল। প্রত্যেক দলই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে দায়ী করছিলেন তাঁদের ফোনকল ট্যাপ হওয়ার জন্য। অতিসম্প্রতি আমরা প্যাগাসাস স্পাইওয়্যারের নাম শুনলাম। যার দ্বারা অতি সহজেই যেকোনও মোবাইল ফোন হ্যাক করা এবং তাদের ম্যাসেজ এবং কললিস্ট পড়া যায়। এই স্পাইওয়্যারটি ব্যবহার করে ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশ সাংবাদিক, সরকারি আমলা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের ফোনে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনেছে বলে জানা গেছে। তবে, ভারত সরকার জানিয়েছে যে, এই ধরণের মন্তব্য ভারতীয় গণতন্ত্র এবং এর প্রতিষ্ঠানগুলিকে কলুষিত করার জন্য অতিরঞ্জিত করে অনুমানভিত্তিক একটা চক্রান্ত চলছে।২০১৯ সাল থেকে ১৬টি সংবাদমাধ্যম মিলে পেগাসাস প্রোজেক্ট নামে একটি তদন্ত করেছিল। রবিবার সেই রিপোর্টের কিছু অংশ প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৯-এর অক্টোবরে ফেসবুকের মালিকানাধীন সংস্থা হোয়াটসঅ্যাপ জানায়, চারটি মহাদেশের অনুমানিক ১৪০০ জনের মোবাইল এই স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে হ্যাক করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য ভাবে সেই তালিকায় ছিলেন কংগ্রেসের প্রিয়ঙ্কা গাঁধী, এনসিপি-র প্রফুল্ল পটেল, একাধিক সমাজকর্মী, আইনজীবী ও সাংবাদিকরা। আসুন এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক পেগাসাস স্পাইওয়্যার কি? এর থেকে কি ভাবেই বা সাবধানে থাকব।পেগাসাস স্পাইওয়্যার কী?পেগাসাস হল এনএসও গ্রুপের তৈরি একটি বিশেষ স্পাইওয়্যার। এনএসও গ্রুপ একটি ইজরায়েলি সংস্থা যারা সাইবার হানা দেওয়ার জন্য এই ধরণের স্পাইওয়্যার ও ম্যালওয়্যার বানাতে সিদ্ধহস্ত। এটি সর্বপ্রথম ২০১৬ তে আলোচনাতে আসে, যখন আরবের এক ব্যাক্তি তাঁর মোবাইলে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। এমনও খবর পাওয়া গিয়েছে যে পেগাসাস আইফোন (iOS) ব্যবহারকারীদের টার্গেট করছে। এটা জানতে পেরে অ্যাপল আইওএসের (iOS) একটি আপডেট সংস্করণ প্রকাশ করেছিল। আইওএসের (iOS) সুরক্ষা বলয়ে যে যে ত্রুটি ছিল, যেখান দিয়ে পেগাসাস স্পাইওয়্যার ফোন হ্যাক করার সুযোগ নিচ্ছিল সেই জায়গাগুলি সঠিক ভাবে আটকাবার জন্য এই আপডেট।আইওএসের (iOS) আপডেটের এক বছর পরে দেখা গেল পেগাসাস অ্যান্ড্রয়েড ফোন হ্যাক করতেও সমানভাবে সক্ষম। ফলস্বরূপ, সমস্ত মোবাইল ফোন সংস্থা তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা আপডেট করতে মাঠে নেমে পড়ল। ২০১৯ এ ফেসবুক পেগাসাস তৈরির জন্য এনএসও গ্রুপের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছে। একই সাথে হোয়াটসঅ্যাপ ও একটি বার্তার মাধ্যমে ভারতীয় ব্যবহারকারীদের স্পাইওয়্যার সম্পর্কে অবহিত করেছিল।পেগাসাস স্পাইওয়্যার কীভাবে কাজ করে?পেগাসাস স্পাইওয়্যারটি মেলিসিয়াস ওয়েবসাইট লিঙ্কের মাধ্যমে গোপনে মোবাইল ফোনে ইনস্টল করা হয়। মোবাইল ব্যবহারকারী এই লিঙ্কে ক্লিক করলে স্পাইওয়্যারটি ফোনে অটোমেটিক ইনস্টল হয়ে যায়। এটি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ভয়েস কল করে সুরক্ষা বাগের মাধ্যমেও ইনস্টল করা যেতে পারে। স্পাইওয়্যারটি এতটাই উন্নত যে, কেবল মোবাইল ব্যবহারকারীর কাছে মিস কল দিয়ে ফোনে ইনস্টল করা যেতে পারে। স্পাইওয়্যার সফ্টওয়্যারটি কল লগ এন্ট্রি মুছে দেয়, যাতে মোবাইল ব্যবহারকারী জানতেও পারবে না যে তাদের ফোন হ্যাক করা হয়েছে।একবার ফোনে স্পাইওয়্যার ইনস্টল হয়ে গেলে এটি তার প্রয়োজনীয় মডিউলগুলি অটোম্যাটিক ভাবে ডাউনলোড করে নেয়, যাতে এটি ডেটা অ্যাক্সেস করতে সহায়তা করে। সাধারণভাবে জানা যায় পেগাসাস স্পাইওয়্যারটির কি-লগিং এবং অডিও রেকর্ডিং ক্ষমতা রয়েছে যার দ্বারা এটি কল শুনতে এবং এনক্রিপ্ট করা বার্তাগুলি পড়তে সক্ষম হয়।পেগাসাস স্পাইওয়্যার সম্পর্কে আরও একটি আকর্ষণীয় তথ্য হল, এটি ফোনে সম্পূর্ণ লুকিয়ে থাকতে পারে। যদি এটি এর কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল (CC) সার্ভারের সাথে ৬০ দিনেরও বেশি সময় ধরে যোগাযোগ করতে সক্ষম না হয় বা একটি ভুল ডিভাইসে ইনস্টল হয়ে থাকে তাহলে স্পাইওয়্যার নিজেই নিজেকে ডিস্ট্রাক্ট করে দেয়।আপনার ব্যক্তিগত তথ্যভাণ্ডার কি সুরক্ষিত?পেগাসাস স্পাইওয়্যার যে মোবাইলে ইন্সটল হয়, তার সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য সে অ্যাক্সেস করতে পারে এবং ফোনটি হ্যাক করতে সমর্থ হয়। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এনক্রিপ্টেড করা চ্যাটগুলিও পড়তে পারে। আপনি জেনে অবাক হবেন যে, এই পেগাসাস স্পাইওয়্যারটি আপনার ফোনের ম্যাসেজ পড়তে, আপনার করা কলগুলি ট্র্যাক করতে, বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে আপনি কি কি করলেন তার উপর নজরদারি চালাতে সক্ষম। এটি আপনার গতিবিধির উপরও নজরদারী চালায় জিপিএস এর মাধ্যমে এবং অজান্তে আপনার ফোনের ক্যামেরা ব্যবহার করতে পারে। এতেই শেষ নয়, হ্যাকার প্যাগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে আপনার মাইক্রোফোনের মাধ্যমে আপনার ব্যাক্তিগত কথোপকথন শুনতেও সক্ষম।সাধরণ মানুষের দুশ্চিন্তা করা উচিত?২০২১ প্রজেক্ট পেগাসাস রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে, বর্তমানে পেগাসাসের যে ভার্সনটি আছে তাতে আইওএস ১৪.৬ (iOS 14.6) পর্যন্ত সমস্ত ফোন হ্যাক করতে সক্ষম। তবে আশার কথা গুগল, অ্যাপল, ফেসবুকের মতো সংস্থাগুলি তাদের গ্রাহকের মোবাইল ফোন হ্যাক করা আটকাতে তাঁদের নিজেদের ভুলভ্রান্তির জায়গাগুলি ঠিক করার জন্য সদা সতর্ক থেকে নিয়মিত ভাবে তাদের সফ্টওয়্যার আপডেট করার চেষ্টা করে চলেছেন। সুতরাং, আপনি কারও নির্দিষ্ট লক্ষ্য না হয়ে থাকলে আপনার ফোন এই স্পাইওয়্যার দ্বারা সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশেই কম। এছাড়াও, পেগাসাস হল অত্যন্ত ব্যয়বহুল এক স্পাইওয়্যার যা বড় সংস্থা বা সরকার অপরাধী এবং অসামাজিক উপাদানগুলির উপর নজরদারি রাখতে ব্যবহার করে। সাধারণ মানুষের দিকে এদের লক্ষ্য নেই বলেই সাইবার বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা।

জুলাই ২১, ২০২১
দেশ

HP Gas: স্বাধীনতার হীরক জয়ন্তীতে হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়ামের বিশেষ উদ্যোগ

স্বাধীনতার হীরক জয়ন্তীবর্ষ অভিনব কায়দায় পালন করছে হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম গ্যাস। সংস্থার তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ঘোষণা করা হয়েছে, দেশের যে সব নাগরিকের জন্ম ১৯৪৭ সালে হয়েছে, তাঁদের বিশেষ সম্মাননার পাশাপাশি সেইসব নাগরিকদের নামে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে গ্যাস কানেকশন দেবে হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম সংস্থা। তবে এরজন্য বেশ কিছু মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। যা নিম্নরূপঃ১.প্রত্যেক নাগরিককে অবশ্যই ১৯৪৭ সালেই জন্মগ্রহণ করতে হবে। ২. সংশ্লিষ্ট মহিলা বা পুরুষের নিজের জন্ম তারিখের সরকারি প্রমাণপত্র থাকতে হবে। যেমন, আধার কার্ড, স্কুল সার্টিফিকেট, কর্মক্ষেত্রের পরিচয়পত্র, মেডিক্যাল রেকর্ড, জন্মের প্রমাণপত্র প্রমুখ।৩. গ্যাসের কানেকশনের জন্য প্রত্যেকটি নথির কেওয়াইসিও নথিভুক্ত করতে হবে।৪. রেশনকার্ড বা অন্য কোনও পারিবারিক কার্ড থাকলেও তা জমা করতে হবে।অগ্নিমূল্য জ্বালানির বাজারে, যেখানে প্রায় প্রতিদিনই জ্বালানির দাম বৃদ্ধি হয়ে চলেছে, সেখানে হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়ামের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সমাজের নানা স্তরের মানুষ।বর্ধমান শহরের মনিমার্ট সংলগ্ন হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম গ্যাস ডিলার কর্মী শৈলেন বিশ্বাস জানান, সংস্থার তরফ থেকে এই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলি এসে গেছে। ১৯৪৭ এ জন্মানো ব্যাক্তিরা তাঁদের প্রয়োজনীয় শংসাপত্র নিয়ে উপস্থিত হলে, আমরা নির্দেশ মত সব ব্যবস্থা করে দেবো।শহরের প্রবীন মানুষজন হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম গ্যাস সংস্থার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

জুলাই ১৪, ২০২১
রাজ্য

গুচ্ছ প্রতিশ্রুতির মাঝে সোনার বাংলা গড়ার শাহি ডাক

কখনও বলেছেন রাজ্যে কার্যকর হবে কৃষক সম্মান নিধি, কখনও আবার আয়ুষ্মান ভারত কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিজেপি নেতারা। এমনকী, রাজ্যে বিজেপি সরকার গড়লে লক্ষাধিক কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল গেরুয়া শিবির। বৃহস্পতিবার নামখানা থেকে পরিবর্তন যাত্রা সূচনার আগে আরও এক বড় প্রতিশ্রুতি দিলেন বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ।মঞ্চে উপস্থিত সমস্ত নেতৃত্বকে এবং উপস্থিত জনতাকে সম্ভাষণ করে তিনি নিজের বক্তব্য শুরু করেন। ● আজ আমার জন্য খুব সৌভাগ্যের দিন। আজ আমি গঙ্গাসাগর দর্শন করে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। ● বাংলায় পরিবর্তন করার জন্য আমরা আজ সবাই উপস্থিত হয়েছি। আজ পরমহংস শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের এবং শ্রী চৈতন্যদেবের জন্মদিন। খুবই শুভময় দিন আজ। ● আজ পরিবর্তন যাত্রার পঞ্চম দফায় শুরু হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গের সব বিধানসভায় যাবে এই যাত্রা। সব বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই আমরা তৃনমূলকে উৎখাত করব। ● এই যাত্রা প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির বার্তা নিয়ে আসছে। বড় বড় মিছিল, ১৫০০ অধিক সভা এবং সব বুথের কর্মী অংশগ্রহণ করবেন। ● এই লড়াই পশ্চিমবঙ্গকে সোনার বাংলা করার, তৃনমূলের সিন্ডিকেট শেষ করার লড়াই।● সিন্ডিকেট করেন যারা তাঁরা সাহায্য মানুষ পর্যন্ত পৌঁছতে দেয় না। এই সিন্ডিকেট রাজ আপনারা বদলাবেন তো? পরিবর্তন করবেন তো?● আমাদের লক্ষ্য হল বাংলায় পরিবর্তন। গরিব জনতার পরিবর্তন, মা বোনদের পরিবর্তন। এই জন্য এই যাত্রা। জেলেদের, আদিবাসীদের কাটমানি না দিতে হয় তার জন্য এই যাত্রা। ● প্রাকৃতিক দুর্যোগ, আম্ফানের সময় যাতে আপনার বরাদ্দ কেউ না নিতে পারে তাই এই যাত্রা। তুষ্টিকরণ বন্ধ করে, দুর্গা পূজা, সরস্বতী পূজা, রাম নবমী যাতে ভালোভাবে পালন করা যায় তাকেই পরিবর্তন বলে।● এই পরিবর্তন শুধু ক্ষমতা বদলের পরিবর্তন নয়। গঙ্গাসাগরের পরিবর্তন, এখানে মৎস্যজীবী, আদিবাসীদের অবস্থা বদলানোর জন্য পরিবর্তন। ● যতদিন মমতা ব্যানার্জি ক্ষমতায় আছেন বাংলায় আইন শৃঙ্খলা উন্নতি হতে পারে না। ● কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বতে বড় ইঞ্জিন সরকার গঠিত হয়েছে। কিন্তু এখানে তাকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। আপনারা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠিত করুন যারা কেন্দ্রের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে। ● বন্ধুগণ, এখানে আর্থিক ব্যবস্থা এত করুন এখানে সপ্তম পে কমিশন পাননা সরকারি কর্মীরা। বিজেপি সরকার গঠিত হলে সপ্তম পে কমিশন চালু হবে।● শিক্ষকরা কোমর পর্যন্ত জলে দাঁড়িয়ে নিজেদের দাবি ন্যায় জানাচ্ছেন। আমি শিক্ষক ভাইবোনদের জানাতে চাই ক্ষমতায় এসে যাতে আপনারা ন্যায় পান তার জন্য আমরা কমিটি গঠন করব। ● মৎস্যজীবীদের জন্য ৬০০০ টাকা করে দেওয়া হবে মৎস্যজীবী সম্মান নিধি। মৎস্যজীবীদের জন্য একটি অর্গানাইজেশন গঠন করা হবে যাতে মৎস্যজীবীরা সঠিক দাম পান। তার জন্য একটি মন্ত্রণালয় বানানো হবে। ● ২৪ পরগনায় তৈরি হবে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ হাব। ● গঙ্গাসাগরকে পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক পিঠস্থান হিসেবে গড়ে তোলা হবে। ● গঙ্গাসাগরের মেলাকে আন্তরাষ্ট্রীয় রূপে গড়ে তোলা হবে যাতে দেশে বিদেশে মানুষ আসেন। ● তৃনমূল অল্প দিনে কিছু যোজনা ঘোষণা করেছিলেন কিন্তু কিছুই হয়নি। ইন্টিগ্রেটেড ফিসারি জোন তৈরি হয়নি। সুন্দরবনকে আলাদা জেলার কথা বললেও তা হয়নি। ঝড়খালীতে পর্যটন গড়ে ওঠেনি। আমফানের পর মোদিজির পাঠানো টাকা তৃণমূলের গুন্ডা খেয়ে নিয়েছে। ● আমি সবাইকে বলছি, বিজেপি সরকার গঠিত হলেই একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত করে যারা আম্ফানে দুর্নীতি করেছে তাদের জেলে পাঠানো হবে। ● মোদিজি ৩৫০০ কোটি টাকা দিয়েছেন। কিন্তু কিছু হয়নি। তৃণমূলের একটাই কল্যাণ। ভাইপোর কল্যাণ। ● এটি দুর্যোগপ্রবণ এলাকা। বিজেপি ক্ষমতায় এসেই জিরো ক্যাজুয়ালটি টাস্ক ফোর্স তৈরি করবে। যাতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে কারও প্রাণ না যায়। ● বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় আমাদের ১৩০ অধিক বিজেপি কার্যকর্তার মৃত্যু হয়েছে। মমতা দিদি আপনার গুন্ডা কর্তৃক মৃত ১৩০ অধিক কর্মীর বলিদান ব্যর্থ যাবে না। রাজ্যজুড়ে প্রবল পরাক্রমে পদ্ম ফুটবে।● যে গুন্ডারা আজ লুকিয়ে আছে তাদের বলছি বিজেপি পাতাল থেকে খুঁজে বের করে আপনাদের জেলে পাঠাবে।● নিবার্চনে তৃণমূলের গুন্ডা থাকবে না।● বাংলার উন্নয়নের জন্য মোদি প্রভূত টাকা পাঠান। কিন্তু সিন্ডিকেট খেয়ে নেয় টাকা। ● কংগ্রেস আমলে ৫ বছরে বাংলার জন্য ১ লক্ষ ৩২ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিল। ● মোদি সরকার ৩ লক্ষ ৫৯ কোটি টাকা দিয়েছে।● কিন্তু গ্রামে গ্রামে কিছুই পৌঁছয় না। ভাইপো আর তার গুন্ডা খেয়ে নিয়েছে সব। সব তদন্ত হবে। ● মমতা ব্যানার্জি অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে পারেনি। বিজেপি ক্ষমতায় এলে অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধ করবে। ● দুর্গাপূজার জন্য আদালত থেকে অনুমতি নিতে হয়। সরস্বতী পূজা বন্ধ করিয়ে দেওয়া হয়। জয় শ্রীরাম শুনলে দিদির অপমান লাগে। জয় শ্রীরাম আমাদের পরিবর্তনের প্রতীক ।● এই পরিবর্তন যাত্রাকে আপন করে নিন, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদিকে একটা সুযোগ দিন সোনার বাংলা গড়ে তোলার। পাঁচ বছরে সোনার বাংলা গড়ে দেব।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১
কলকাতা

বাম ছাত্র-যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযানে ধুন্ধুমার

বামপন্থী ছাত্র ও যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযানের শুরুতেই ধুন্ধুমার। পুলিশের কড়া নজরদারি এড়িয়ে বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতেই আচমকা একেবারে নবান্নের সামনে চলে আসেন সিপিএম বিধায়ক তথা বাম ছাত্র নেতা ইব্রাহিম আলি। সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন। তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করলে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয়ে তাঁদের আটকান। ইব্রাহিম-সহ ৫ জনকে টেনেহিঁচড়ে পুলিশের ভ্যানে তোলা হয়। তখনও উঁচু গলায় স্লোগান দিচ্ছিলেন তাঁরা। এ নিয়ে দিনের শুরুতে নবান্ন অভিযান নিয়ে অশান্তি ছড়াল। এরপর বেলা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে থাকে। ধর্মতলা চত্বর থেকে প্রায় চার হাজার সদস্য নবান্নের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে চান বাম ছাত্র,যুবরা। প্রথম জলকামান, টিয়ার গ্যাস ছুঁড়ে তাঁদের রোখার চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু তাতেও আন্দোলনকারীরা দমে যাননি। এরপর পুলিশ নির্বিচার লাঠিচার্জ করলে অনেকে আহত হন, অসুস্থ হয়ে পড়েন কেউ কেউ। গুরুতর জখমদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৪৪ ধারা জারি থাকলেও, তা অমান্য করে সিধু-কানু-ডহরে ঢুকে পড়েন কয়েকজন ছাত্র ও যুব। আন্দোলনকারীদের শক্তি দেখে কার্যত বিভ্রান্ত পুলিশও।শূন্যপদে নিয়োগ, সকলের জন্য খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষার অধিকার-সহ একগুচ্ছ দাবিতে বৃহস্পতিবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল বাম ছাত্র-যুব সংগঠন। এসএফআই, ছাত্র ফেডারেশন, ডিওয়াইএফআই -সহ মোট ৮ বামপন্থী ছাত্র ও যুব সংগঠনের সঙ্গে এই কর্মসূচিতে সামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে কংগ্রেসের ছাত্র, যুব সংগঠনকেও। সবমিলিয়ে ১০ টি সংগঠনের ডাকে এদিন নবান্ন অভিযানে নেমেছে বাম ও কংগ্রেস কর্মীরা। বাম ছাত্রনেতা তথা পাঁশকুড়ার সিপিএম বিধায়ক ইব্রাহিম আলি আচমকা নবান্নের সামনে হাজির হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিদায় ঘটে গিয়েছে, এই বার্তা দিয়ে স্লোগান তোলেন। সেখান থেকেই আটক করা হয় তাঁকে। তারপর টেনেহিঁচড়ে তোলা হয় প্রিজন ভ্যানে। একইভাবে আটক করা হয়েছে আরও ৫ জনকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
দেশ

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে জখম ১৩ বাঙালি

হায়দরাবাদ, ২১ জানুয়ারি: বুধবার মাঝরাতে হায়দরাবাদে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ১৩ জন। জানা গিয়েছে, এঁরা সকলেই বাঙালি। সোনার কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এরা সকলেই। তাই থাকতেনও একসঙ্গে।স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বুধবার মাঝরাতে হঠাৎই তীব্র বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা।আর্তনাদে ঘুম ভেঙে যায় এলাকার সকলে্রই।বাড়ি থেকে বেরিয়েই সকলে ওই বাড়ি থেকে দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে দেখেন। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত এলাকায় আসে মীর চক থানার পুলিশ। জখমদের কয়েকজনকে স্থানীয় ওসমানিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা গিয়েছে, জখমদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সোনার কাজ করার জন্য যে রাসায়নিকের ব্যবহার করা হয়, তা থেকেই অসতর্কতার কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে। যদিও পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
টুকিটাকি

গ্যাসের সমস্যায় ভুগছেন! জেনে নিন সমাধানের উপায়গুলি

শসা : শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী একটি খাদ্য উপাদান।এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমাতে সাহায্য করে। দই : দই আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়, ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়। পেঁপে : পেঁপেতে রয়েছে পাপায়া নামক এনজাইম যা আমাদের হজমশক্তি বাড়ায়।নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে যায়। কলা ও কমলা : কলা ও কমলা পাকস্থলির অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।সারাদিনে অন্তত দুটি কলা খান।পেট পরিষ্কার রাখতে কলার জুড়ি মেলা ভার। আদা : আদা সবচাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার।পেট ফাঁপা এবং পেটে গ্যাস হলে আদা কুচি করে লবণ দিয়ে কাঁচা খান, দেখবেন গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে খুব সহজেই। ঠাণ্ডা দুধ : পাকস্থলির গ্যাসট্রিক অ্যাসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি দেয় ঠাণ্ডা দুধ।এক গ্লাস ঠাণ্ডা দুধ পান করলে অ্যাসিডিটি দূর হয়।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ওসিদের হুঁশিয়ারি! গাফিলতি হলেই বড় শাস্তি, কড়া নির্বাচন কমিশন

ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। আগেই কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছিল, ভোটের দিনে অস্ত্র, বোমা বা গুলি যাতে কোথাও মজুত না থাকে, সে দিকে কড়া নজরদারি চালাতে হবে। তবুও কোথাও অস্ত্র বা বিস্ফোরক উদ্ধার হলে দ্রুত তা নিষ্ক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে থানার আধিকারিকেরা এই নির্দেশ মেনে কাজ শুরু করেছেন।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন ভোট চায়। কোথাও অশান্তির ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনও রকম দেরি হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে। প্রথম দফার ভোটের আগে থানার ওসিদের কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। অতীতে যাঁদের বিরুদ্ধে ভোটে অশান্তির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের এখনও কেন গ্রেফতার করা হয়নি, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে কমিশনের তরফে।শনিবার সকালে এই নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে জেলার পুলিশ সুপার, কমিশনারেটের আধিকারিক এবং থানার দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলোচনা হয়। সেখানেই দায়িত্বে গাফিলতি হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া অবস্থানের ফলে ভোটের আগে প্রশাসনিক চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ফাঁস! বাংলায় একের পর এক স্কুল বন্ধ, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

ভোটের আগে বাংলায় অন্যতম বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে শিক্ষা ব্যবস্থা। শাসক থেকে বিরোধীসব রাজনৈতিক শিবিরই এখন প্রচারে ব্যস্ত, কিন্তু গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে যে সমস্যা বারবার সামনে এসেছে, তা হল স্কুলের বেহাল অবস্থা। দুর্নীতির অভিযোগের পাশাপাশি একের পর এক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। মূলত দুর্বল পরিকাঠামো এবং শিক্ষকের অভাবএই দুই কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আট হাজারেরও বেশি স্কুল কেন বন্ধ হয়ে গেল, সেই প্রশ্ন বারবার তুলছে বিরোধীরা।কলকাতায় কিছু স্কুলে শিক্ষক থাকলেও জেলাগুলির অবস্থা অনেক খারাপ। সরকারি স্কুলে সাধারণত প্রান্তিক পরিবারের শিশুরাই পড়াশোনা করে। সেখানে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প থাকলেও বাস্তবে বহু স্কুলে পড়াশোনা কার্যত থমকে গেছে। পরিসংখ্যান বলছে, জেলার তুলনায় কলকাতায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি শিক্ষক রয়েছেন, অথচ ছাত্রসংখ্যা সেখানে অনেক কম। শিক্ষক বদলির উদ্যোগের ফলে জেলার অনেক শিক্ষক শহরে চলে আসায় এই সমস্যা আরও বেড়েছে। ফলে জেলায় শিক্ষক কমে যাওয়ায় পড়ুয়াও কমেছে, আর ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে অনেক স্কুল।সরকারি স্তরে জেলায় শিক্ষক পাঠানোর কথা বলা হলেও তা কার্যকর হয়নি বলেই অভিযোগ। শিক্ষানীতিতে গ্রামে গিয়ে পড়ানোর বাধ্যবাধকতার কথা থাকলেও তা বাস্তবে মানা হয়নি। বদলি ব্যবস্থার সুযোগে অধিকাংশ শিক্ষক শহরমুখী হয়েছেন বলেই অভিযোগ উঠছে।পরিসংখ্যান আরও বলছে, স্কুলের সংখ্যার নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ অনেক পিছিয়ে। রাজস্থানে স্কুলের সংখ্যা বেশি, উত্তর প্রদেশে আরও বেশি। তবুও সেখানে শিক্ষক সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। রাজস্থানে একটি স্কুলে গড়ে ছয় জনের বেশি শিক্ষক থাকলেও বাংলায় সেই সংখ্যা পাঁচ জনেরও কম। ফলে শিক্ষক সঙ্কট আরও প্রকট হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। দমদমের একটি প্রাথমিক স্কুলে আর ক্লাস হয় না, ঘণ্টাও বাজে না। শিক্ষকের অভাবে বহু স্কুল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। কোথাও কোথাও সেই স্কুলঘর এখন অন্য কাজে ব্যবহার হচ্ছে। শুধু দমদম নয়, জেলার বিভিন্ন জায়গায় একই ছবি দেখা যাচ্ছে।এই শিক্ষক সঙ্কট ভোটে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। শিক্ষামন্ত্রী নিজেও এই সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে বিরোধীরা এই ইস্যুকে সামনে রেখে প্রচার জোরদার করেছে। শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের একাংশের মতে, এক জন শিক্ষক দিয়ে যদি শতাধিক ছাত্রকে পড়াতে হয়, তাহলে শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকেই এগোবে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

সোনা পাপ্পু যোগে নতুন রহস্য! বেহালায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইডির হানা

ভোটের আগে রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার একাধিক জায়গায় ইডির তল্লাশি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি এবং বর্তমানে কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের দুটি ঠিকানায় হানা দেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। একই সঙ্গে বেহালায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। জানা গিয়েছে, সান গ্রুপ-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয় কামদারের বাড়িতেও পৌঁছয় ইডি। আর্থিক প্রতারণা সংক্রান্ত মামলায় এই তল্লাশি চলছে বলে সূত্রের খবর।রবিবার ভোরেই মোট পাঁচটি গাড়িতে করে ইডির আধিকারিকরা পৌঁছন। তার মধ্যে তিনটি গাড়িতে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। সকাল ছটা নাগাদ তারা সংশ্লিষ্ট বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি শুরু করেন। কয়েকদিন আগেই এই বাড়ি থেকে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছিল ইডি। এরপর জয় কামদারকে দুবার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা দেননি বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, যেদিন এই টাকা উদ্ধার হয়েছিল, সেদিনই সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকেও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি।এর আগেও ভোটের মুখে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। একাধিকবার তাঁর বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং নির্বাচনী অফিসে অভিযান চালানো হয়। শুধু তাই নয়, ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীর মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক মিরাজ শাহের বাড়িতেও হানা দেয় আয়কর দফতর। এই সব ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ বলে অভিযোগ তোলা হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও একযোগে ইডির তল্লাশি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তদন্ত কতদূর এগোয় এবং এই অভিযান থেকে নতুন কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

সকাল সকাল ইডির চমক! কালীঘাটের প্রাক্তন ওসির বাড়িতে রবিবার সকালেই ইডির হানা

ভোটের মুখে আবারও সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রবিবার সকালেই কলকাতায় ইডির হানায় চাঞ্চল্য ছড়াল। এবার ইডির নজরে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি তথা বর্তমানে কলকাতা পুলিশের ডিসি পদে থাকা শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। সকালে গোলপার্কে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডির একটি দল। সূত্রের খবর, তাঁর বাড়ির পাশেই থাকা একটি সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেও তল্লাশি চালানো হয়। তবে সেখানে সকাল থেকে তালা থাকায় তা খুলে তদন্ত শুরু করতে কিছুটা সময় লাগে।ঠিক কোন মামলায় এই তল্লাশি চলছে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। তবে এর আগেও কয়লা পাচার মামলায় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করেছিল ইডি। সেই তলবের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন। এছাড়াও মেডিক্যাল এনআরআই কোটায় ভর্তির দুর্নীতির অভিযোগেও তাঁকে ডাকা হয়েছিল। এবার সরাসরি তাঁর বাড়িতে হানা দেওয়ায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যেই সাম্প্রতিক আরেকটি ঘটনার কথা উঠে আসছে। রাসবিহারীতে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজ্য রাজনীতি। তাঁর বাড়ির পাশাপাশি দলীয় কার্যালয় ও নির্বাচনী অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই অভিযানে প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এলাকায়। দেবাশিসের সমর্থকেরা বিক্ষোভ দেখান এবং অভিযোগ তোলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এই অভিযান চলছে। তৃণমূলের তরফেও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয় এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও ইডির হানায় ভোটের আগে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তদন্ত কতদূর গড়ায় এবং নতুন কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধবিরতির মাঝেই বিস্ফোরণ! ট্রাম্পকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলল ইরান, বাড়ল উত্তেজনা

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আপাতত দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চলছে। তারই মধ্যে এক সপ্তাহ কেটে গেলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণ নেই। বরং পাল্টা আক্রমণ এবং কড়া বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল ইরান। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ দাবি করেছেন, ট্রাম্প অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক মিথ্যা দাবি করেছেন। যদিও ঠিক কোন দাবিগুলি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন, তা স্পষ্ট করেননি।শুক্রবার ট্রাম্পের বক্তব্যের সময়ই সামাজিক মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন ঘালিবাফ। তিনি স্পষ্ট করে জানান, আমেরিকার অবরোধ চালু থাকলে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে না। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ইরানের নিয়ম মেনে এবং তাদের অনুমতি নিয়েই করতে হবে।এর পরেই ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। তাদের দাবি, আমেরিকা প্রতিশ্রুতি ভেঙেছে এবং এখনও ইরানের বন্দরগামী জাহাজগুলির উপর অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র কথার ভিত্তিতে নয়, বাস্তব পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগে যদিও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ খুলে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
দেশ

লোকসভায় বড় ধাক্কা, বিল পাশ না হতেই পথে বিজেপি! এবার লক্ষ্য বাংলা-তামিলনাড়ু

লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই প্রথম সংসদে এমন পরাজয়ের মুখে পড়তে হল সরকারকে। প্রয়োজনীয় সমর্থন না মেলায় বিলটি পাশ করা সম্ভব হয়নি।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শাসকদল (BJP) এবার দেশজুড়ে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তাদের মহিলা বিরোধী বলে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দুই রাজ্যকে, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু। কারণ, এই দুই রাজ্যেই সামনে নির্বাচন রয়েছে। শাসকদলের লক্ষ্য, মহিলাদের জন্য সংরক্ষণে বিরোধিতা করেছে বিরোধীরাএই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া (BJP) ।সংসদে বিল পাশ না হওয়ার পরই শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। এর পাশাপাশি মহিলা সাংসদদের নেতৃত্বে প্রতিবাদও শুরু হয় সংসদ চত্বরে।অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তৎপর। তারা দাবি করছে, তারা সংরক্ষণের বিরোধী নয়, বরং আসন পুনর্বিন্যাসের কিছু বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের মতে, মহিলাদের সংরক্ষণের পক্ষে তারা আগেও ছিল, এখনও রয়েছে (BJP) ।এই পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যেই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় এই ইস্যু আগামী দিনে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বুথে ‘লক্ষ্মণরেখা’! একশো মিটার ঘিরে কড়া পাহারা, ভোটে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার একের পর এক নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে থাকবে সর্বক্ষণ নজরদারি এবং ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। বুথের চারপাশে প্রায় একশো মিটার এলাকা সাদা চক দিয়ে ঘিরে একটি নির্দিষ্ট সীমানা তৈরি করা হবে। এই সীমানার ভিতরে শুধুমাত্র ভোটারদেরই প্রবেশের অনুমতি থাকবে, অন্য কেউ ঢুকতে পারবেন না।ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বুথের বাইরে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বুথ লেভেল কর্মী এবং তাঁর সহকারী এই নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে বসে নথি পরীক্ষা করবেন। বুথের বাইরে টেবিল বসিয়ে সেখানেই এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।ভোটার স্লিপ বিলির ক্ষেত্রেও কড়া নির্দেশ জারি হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি ভোটারদের হাতে স্লিপ পৌঁছে দিতে হবে। যাঁদের হাতে স্লিপ দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাঁদের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। ভোটের দিন সেই ভোটার উপস্থিত হলে কেন আগে স্লিপ নেননি, তাও জানতে চাওয়া হতে পারে। সঠিক নথি ও ছবির মিল দেখেই ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।ভুয়ো ভোট আটকাতে অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত বা মৃত ভোটারদের তালিকাও আবার খতিয়ে দেখা হবে। নজরদারি আরও জোরদার করতে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের শরীরে লাগানো ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। বুথের আশেপাশে কোনও সন্দেহজনক ঘটনা নজরে এলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ভোট প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্ভুল করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। ভোটারদের আস্থা ফেরানো এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোট চলাকালীন কোন আচরণ অপরাধ হিসেবে ধরা হবে, তা নিয়ে আগাম প্রচার চালানো হবে এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

পনেরো ঘণ্টার তল্লাশি ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

শুক্রবার দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে এই তল্লাশি চলে এবং সেই সময় তাঁর বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আইনি ভিত্তি ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ আইন বিরুদ্ধ বলেই দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। কেন ভোটের আগে এত দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রার্থীকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নিজেদের সম্পত্তির সমস্ত তথ্য আগেই জানিয়ে দেন। সেই অবস্থায় হঠাৎ করে এই তল্লাশি কেন করা হল, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটের আগে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব ফেলতেই করা হচ্ছে।দলের এক নেতা বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের চাপে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal