• ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Food

টুকিটাকি

তেঁতুল শুধু টক নয়, পুষ্টির বড় ভাণ্ডার! শিশু থেকে বয়স্ক, কারা কতটা খাবেন?

তেঁতুলের নাম শুনলেই অনেকের জিভে জল চলে আসে। টক, হালকা মিষ্টি এবং নিজস্ব স্বাদের কারণে ভারতীয় রান্নাঘরে দীর্ঘদিন ধরেই তেঁতুলের বিশেষ জায়গা রয়েছে। ডাল থেকে চাটনি, শরবত থেকে আচার, বিভিন্ন পদে তেঁতুল খাবারের স্বাদ বাড়ায়। তবে শুধু স্বাদ নয়, পুষ্টিগুণের দিক থেকেও এই ফলের গুরুত্ব রয়েছে। পরিমিত পরিমাণে খেলে শিশু থেকে প্রবীণ, বিভিন্ন বয়সের মানুষের সুষম খাদ্যতালিকায় তেঁতুল রাখা যেতে পারে।তেঁতুলে রয়েছে খাদ্যআঁশ, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, অল্প পরিমাণ ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি-গোষ্ঠীর কিছু উপাদান। পাশাপাশি এতে পলিফেনলসহ বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও রয়েছে। খাদ্যআঁশ অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখতে এবং হজমে সাহায্য করতে পারে। একই কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও কিছুটা উপকার মিলতে পারে। অন্যদিকে, পটাশিয়াম শরীরের স্বাভাবিক রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ম্যাগনেশিয়ামসহ বিভিন্ন খনিজ হাড়, পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যকারিতায় প্রয়োজনীয়।আরও পড়ুনঃ এত দিন মুখ বন্ধ, গ্রেফতার হতেই মুখ খুললেন সুমিত? জমি কেলেঙ্কারিতে সামনে আসছে নতুন তথ্যতেঁতুলে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা শরীরে দ্রুত শক্তি জোগাতেও সাহায্য করতে পারে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে ভূমিকা রাখে। তবে তেঁতুল কোনও রোগের ওষুধ বা অলৌকিক খাদ্য নয়। এর উপকার পেতে হলে সামগ্রিক সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবেই এটি খাওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ এক রেজিস্ট্রেশন নম্বর, দুই চিকিৎসক! শিশুমৃত্যুর তদন্তে ভুয়ো ডাক্তারি নথির চাঞ্চল্যকর অভিযোগদুই বছরের বেশি বয়সি শিশুদের অল্প পরিমাণে তেঁতুল দেওয়া যেতে পারে। তেঁতুলের শরবত, টক ডাল, সাম্বর, চাটনি, সালাদ কিংবা তেঁতুল ভাত, বিভিন্নভাবেই এটি খাবারে যোগ করা সম্ভব। তবে অতিরিক্ত তেঁতুল খেলে কারও কারও অম্বল বা পেটের অস্বস্তি হতে পারে। যাঁদের তীব্র অ্যাসিডিটি বা পাকস্থলীর আলসারের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন। খুব টক খাবার ঘন ঘন খেলে দাঁতের এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তাই তেঁতুলের ক্ষেত্রে মূল কথা, স্বাদ ও পুষ্টি পেতে পরিমিত খাওয়াই সবচেয়ে ভালো

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
রাজ্য

বাসি খাবার, ছত্রাক ধরা মোমো, মেয়াদ পেরোনো মসলা! দুর্গাপুরে অভিযানে একের পর এক চাঞ্চল্যকর ছবি

খাবারের মান ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্গাপুরে একাধিক দোকান, মিষ্টির কারখানা এবং খাদ্য মজুতের জায়গায় অভিযান চালাল খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। সোমবার গোপাল মাঠ এলাকায় অভিযান চালাতে গিয়ে আধিকারিকদের নজরে আসে একাধিক অনিয়মের ছবি। কোথাও বাসি খাবার, কোথাও ছত্রাক ধরা খাদ্যসামগ্রী, আবার কোথাও মিষ্টি তৈরির জায়গায় আরশোলার উপদ্রব দেখা যায় বলে জানা গিয়েছে।গোপাল মাঠ এলাকার একটি মিষ্টি কারখানায় অভিযান চালানোর সময় খাবার তৈরির জায়গায় আরশোলা দেখতে পান আধিকারিকেরা। অভিযোগ, সেই পরিবেশেই বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি তৈরি করা হচ্ছিল। কারখানায় থাকা একাধিক খাদ্যসামগ্রীর অবস্থাও খতিয়ে দেখেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকেরা।অন্য একটি দোকানে অভিযান চালিয়ে ছত্রাক ধরা মোমো এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ মসলা উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের রং ও রাসায়নিকও পাওয়া যায় বলে দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। খাবারে ব্যবহারের জন্য ওই সামগ্রীগুলি কী ভাবে রাখা হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।অভিযানের সময় বেশ কিছু বাসি ও পচা খাবারও উদ্ধার করা হয়। কোথাও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল পুরনো খাবার, আবার কোথাও মিষ্টির বাসি রস পড়ে থাকতে দেখা যায়। খাবার তৈরির জায়গার পরিচ্ছন্নতা, খাদ্যসামগ্রীর মান এবং সংরক্ষণের নিয়ম মানা হচ্ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখেন আধিকারিকেরা।উদ্ধার হওয়া পচা, বাসি এবং ব্যবহারের অনুপযোগী খাদ্যসামগ্রী ঘটনাস্থলেই নষ্ট করে ফেলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দোকান ও কারখানার মালিকদের সতর্ক করা হয়। খাবার তৈরির ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।এর পর দুর্গাপুরের মেন গেট এলাকার একটি মিষ্টির দোকানে অভিযান চালিয়ে আরও চাঞ্চল্যকর ছবি সামনে আসে। দোকানের ফ্রিজ খুলতেই উদ্ধার হয় আট বস্তা বাসি খোয়া এবং বাসি পনির। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই খাদ্যসামগ্রী ফ্রিজে মজুত করে রাখা হয়েছিল।খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকেরা জানান, উদ্ধার হওয়া খোয়া ও পনিরের অবস্থা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ছিল। কী ভাবে এবং কত দিন ধরে ওই খাদ্যসামগ্রী সংরক্ষণ করা হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। খাবার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হয়।অভিযানের পর ওই মিষ্টির দোকানের মালিককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে খাদ্যসামগ্রী সংরক্ষণ ও খাবার তৈরির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।দুর্গাপুরে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের এই অভিযান ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, সাধারণ মানুষের জন্য বিক্রি হওয়া খাবারের মান এবং তৈরির পরিবেশ নিয়ে। শহরের বিভিন্ন খাবারের দোকান ও মিষ্টির কারখানায় আগামী দিনে আরও অভিযান চালানো হবে কি না, সেদিকেও নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
রাজ্য

সীতাভোগ-মিহিদানার শহর বর্ধমানে খাদ্য দফতরের হানা, কি খাচ্ছেন মিষ্টিরসিকরা?

মিষ্টির জন্য বিখ্যাত বর্ধমান। এই শহরের সীতাভোগ ও মিহিদানার খ্যাতি বিশ্বজুড়ে। শক্তিগড়ের ল্যাংচারও যথেষ্ট নামডাক আছে। কিন্তু কি খাচ্ছেন মিষ্টিরসিকরা? খাদ্য দফতরের অভিযানে বেরিয়ে এল বর্ধমানের মিষ্টির দোকানের কঙ্কালসার চেহারা। একের পর এক দোকান মেয়াদ উত্তীর্ণ দ্রব্যসামগ্রী রাখছে। এই তালিকায় নামীদামী দোকানও আছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পর রাজ্যজুড়ে খাবারের গুণমান নিয়ে নজরদারি আরও জোরদার করেছে খাদ্য সুরক্ষা দফতর। কলকাতার পাশাপাশি বিভিন্ন জেলাতেও মিষ্টির দোকান, হোটেল ও খাবারের প্রতিষ্ঠানে শুরু হয়েছে ধারাবাহিক অভিযান। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই বুধবার পূর্ব বর্ধমানের সদর শহর বর্ধমানে একাধিক নামী মিষ্টির দোকানে হানা দিলেন খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা। অভিযানে বেশ কয়েক কেজি মেয়াদ উত্তীর্ণ পনির উদ্ধারের পাশাপাশি মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়া আইসক্রিম ও নরম পানীয়ও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে দফতর সূত্রে দাবি।সীতাভোগ-মিহিদানার জন্য পরিচিত বর্ধমান শহরে এদিনের অভিযান শুরু হয় বর্ধমান পুরসভার সামনের একটি নামী মিষ্টির দোকান থেকে। খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকদের সঙ্গে ছিলেন বর্ধমান থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা। দোকানে তল্লাশি চালানোর সময় বেশ কয়েক কেজি মেয়াদ উত্তীর্ণ পনিরের সন্ধান মেলে। উদ্ধার হওয়া ওই পনির নষ্ট করে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পনির বিক্রি বন্ধ রাখতেও বলা হয়েছে।এরপর বি বি ঘোষ রোডের আরও একটি পরিচিত মিষ্টির দোকানে অভিযান চালানো হয়। প্রশাসন সূত্রে খবর, সেখানেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মেয়াদ উত্তীর্ণ পনির পাওয়া যায়। শুধু মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী উদ্ধারই নয়, মিষ্টি তৈরিতে ব্যবহৃত রং, মশলা, ঘি-সহ একাধিক সামগ্রীর নমুনাও সংগ্রহ করেন আধিকারিকরা। একটি দোকান থেকে ঘির নমুনা পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্টে কোনও ধরনের গরমিল ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।বর্ধমান শহরের পাশাপাশি জেলার অন্যান্য এলাকাতেও চলছে এই নজরদারি। মঙ্গলবার শক্তিগড়ের ল্যাংচা হাব এবং সংলগ্ন বিভিন্ন খাবারের দোকানে অভিযান চালিয়েছিল খাদ্য সুরক্ষা দফতর। বুধবারও পূর্ব বর্ধমানের ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে আমড়া এলাকার একাধিক হোটেলে পরিদর্শন করেন ফুড সেফটি অফিসাররা।আমড়ার একটি হোটেল পরিদর্শনের পর ফুড সেফটি অফিসার প্রদীপ্ত মণ্ডল জানান, সেখানে কোনও অবৈধ সামগ্রী পাওয়া যায়নি। ব্যবহৃত খাদ্যসামগ্রীরও মেয়াদ শেষ হয়ে যায়নি। তবে হোটেলের ভিতরের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিয়ে আপত্তি জানায় দফতর। হোটেল মালিককে নোটিশ দিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সমস্যা দূর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকদের বক্তব্য, বর্ধমানের নামী মিষ্টির দোকান ও বিভিন্ন খাবারের প্রতিষ্ঠানের উপর সাধারণ মানুষের নির্ভরতা যথেষ্ট বেশি। ফলে ক্রেতাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই প্রতিষ্ঠানগুলির উপর বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। আগামী দিনেও পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন মিষ্টির দোকান, হোটেল এবং খাবারের প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৬
কলকাতা

সেক্টর ফাইভে বড় ধাক্কা! একদিনেই উধাও হাজার খাবারের দোকান, বিপাকে অফিসপাড়া

সেক্টর ফাইভে ফুটপাতের ধারে থাকা শত শত খাবারের দোকান নিয়ে বড় পরিবর্তনের ছবি সামনে এল। চা, ঝালমুড়ি, ফাস্ট ফুড থেকে ভাতের হোটেলঅফিসপাড়ার কর্মীদের প্রতিদিনের ভরসা ছিল এই দোকানগুলো। সম্প্রতি প্রায় এক হাজার থেকে বারোশো দোকানদারকে নোটিস দিয়েছে নবদিগন্ত ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপ অথরিটি। সোমবারের মধ্যে দোকানের ছাউনি ও অস্থায়ী কাঠামো সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পর থেকেই অনেক ব্যবসায়ী নিজেরাই দোকান খুলে সরিয়ে নিতে শুরু করেন।সেক্টর ফাইভে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ কাজের জন্য আসেন। তাঁদের বড় অংশের সকালের চা, দুপুরের খাবার এবং সন্ধ্যার জলখাবারের ভরসা ছিল এই ফুটপাতের দোকানগুলি। রবিবার থেকেই কলেজ মোড়, ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানার সামনে, গোদরেজ সংলগ্ন এলাকা এবং টেকনো ইন্ডিয়া মোড় থেকে স্বাস্থ্য ভবনের রাস্তা পর্যন্ত একের পর এক দোকান খুলে নেওয়ার ছবি দেখা যায়। সোমবার অফিসপাড়ার বহু জায়গা কার্যত ফাঁকা হয়ে যায়। কোথাও চোখে পড়েনি খাবারের অস্থায়ী স্টল।ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দোকানে আগুন জ্বালিয়ে রান্না করতে নিষেধ করা হয়েছে। ফলে খাবারের দোকান চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এক ভাতের হোটেলের মালিক বলেন, এতদিন যাঁরা তাঁদের দোকানের উপর নির্ভর করতেন, তাঁদের কী হবে তা নিয়েই এখন সবচেয়ে বেশি চিন্তা। সবাই পরবর্তী সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।অন্যদিকে নবদিগন্ত ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপ অথরিটির দাবি, কোনও হকারকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে না। আইন অনুযায়ী নির্ধারিত নিয়ম মেনেই ব্যবসা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ থাকলেও প্রশাসনের বক্তব্য, নিয়ম মেনেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।

জুলাই ১৩, ২০২৬
শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভোও-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

'ফুড ব্লগ'! সস্তা জনপ্রিয়তার আড়ালে ভাইরাল 'অন্ধকার'

মুঠোফোন ধরে সামাজিক মাধ্যমে খানিক নাড়াচাড়া করতেই একের পর এক খাবারের দোকানের ভিডিও আসতে থাকে। প্লাস্টিকের চালা, একেবারেই অস্বাস্থকর পরিবেশ কিন্তু মানুষ লাইন দিয়ে খাবার খাচ্ছে। আবার সেই খাবার খেয়ে ক্যামেরার সামনে প্রস্বস্থি সূচক মন্তব্যও করে যাচ্ছেন। বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমের দাপট এতটায় যে, কেউ নতুন উদ্যোগ নিলে উদ্বোধনের দিন প্রথমেই যাঁদের কথা তাঁদের মনে করেন তাঁরা হলেন ফুড ব্লগার। সামাজিক মাধ্যম খুললেই আমরা বিভিন্ন ধরনের ফুড ব্লগারদের কে দেখতে পাই। তাঁদের মধ্যে বেশকিছু ফুড ব্লগার আছেন যাঁদের ফুড ব্লগিংয়ের মাধ্যমে বহু সাধারণমানের খাবার স্টল রাতারাতি সেলিব্রিটি হয়ে গেছেন। আমরা কলকাতার নন্দিনীর ভাতের হোটেল দেখেছি, শিয়ালদার রাজুর পরটা, মোবাইল পরটা, বর্ধমানে মুনমুন দির পোলাও চিলি চিকেন ছাড়াও অনেক ভাইরাল ফুড ব্লগ দেখেছি, এরা প্রত্যেকেই সাধারণ থেকে খুব কম সময়ে অতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। আবার অন্যদিকে বেশকিছু ফুড ব্লগার আছেন যাঁরা রীতিমত ফুড ব্লগিংয়ের নামে এক কথায় নোংরামি চালায় বলে অভিযোগ। আর এদের কারণেই প্রায় সময়েই বিক্রেতাদের নানা সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।চিত্র পরিচালক সূর্য বলেন, এই সমস্ত ফুড ব্লগারদের অযৌক্তিক সব প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে কোন বিক্রেতা হয়ে ওঠে খুব জনপ্রিয় আবার কেও হয় সমালোচনার শিকার। তাঁদের জীবন ও জীবিকা দুটোই দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। আর এই সমস্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি - ফুড ব্লগ। ছবিটির পরিচালনা করেছেন সূর্য। যেটি মুক্তি পাচ্ছে আগামী ২৮ শে জুন SD Entertainment youtube চ্যানেলে। এই ছবির মুখ্য চরিত্র দেখা যাবে অভিনেতা অনুপম মুখার্জিকে। যিনি থিয়েটারের পাশাপাশি বিভিন্ন মেগা সিরিয়ালে নিয়মিত অভিনয় করে চলেছেন।এ ছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করেছেন পুষ্পিতা বক্সী, রাজা মুখার্জি, সুদিপ চক্রবর্তী, অনিরুদ্ধ দাসগুপ্ত, আকাশ ব্যানার্জি সহ আরো এক ঝাঁক নতুন অভিনেতা। ছবিতে চিত্রগ্রাহকের দায়িত্ব ছিলেন সৌনক দাস ও অভ্রজিৎ নাথ।এখনো পর্যন্ত ফুডব্লগ ছবিটি ৯ টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এ অংশগ্রহণ করে ৬ টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে সেরা বাংলা ছবি, সেরা গল্প, সেরা পরিচালক বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছে। যার মধ্যে বাংলাদেশ ও নেপাল আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অন্যতম।ফুড ব্লগ ছবিটি প্রসঙ্গে পরিচালক সূর্য জানান আমি সর্বদা এমন ছবি তৈরি করতে পছন্দ করি যা এক সামাজিক বার্তা প্রদান করে। আশা করি এই ছবিটির মাধ্যমেও আমরা সমাজকে এক শিক্ষামূলক বার্তা দিতে পারবো।

জুন ২৮, ২০২৫
রাজ্য

ভাগ্যের চাকা ঘুরে গেল ফাস্টফুডের দোকানির, পাওনাদারের টাকা মেটাতে গিয়ে লরারির টিকিটি কেটেছিলেন

পাওনাদারের টাকা মেটাতে গিয়ে লটারি টিকিট কেটে কোটিপতি ফাস্টফুডের দোকানদার। ভাগ্যের চাকা ঘুরে গেল। খুশি দম্পতি। উত্তর ২৪ পরগনার হেলেঞ্চা বাজারের ফাস্টফুডের দোকানদার গোপাল সরকার। শনিবার সকালে বাগদাতে গিয়েছিল আইসক্রিমের মালিকের কাছে টাকা দিতে। বাগদা বাজার থেকেই দুপুর ১ টায় খেলার দেড়শ টাকার লটারি কিনেছিল গোপাল। আর সেই লটারি গোপালের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিল। দুপুর গড়াতেই লটারি রেজাল্ট বেরোতেই তা দেখে চক্ষু চড়ক গাছ দম্পতির। খুশি গোপাল ও গোপালের স্ত্রী। কোটি টাকার প্রথম পুরস্কার পেয়ে গোপাল সরকার জানিয়েছেন সে খুব খুশি। মাঝেমধ্যে ভাগ্য পরীক্ষা করার জন্য টিকিট কাটতো গোপাল। এই টাকা দিয়ে দোকানের উন্নতি করবে এবং ছেলের ভবিষ্যৎ গড়বে। আর গোপালের স্ত্রী জানিয়েছেন, স্বামী লটারি টিকিট কাটত মাঝে মধ্যে। আমি জানতাম কিন্তু ভাগ্য পরীক্ষার জন্য কিছু বলতাম না। কোটি টাকা পুরস্কার পায় আমি খুব খুশি। আগামীতে দোকানটাকে ভালো করে সাজাবো এবং পরিবারের সকলকে নিয়ে ভালো থাকবো।

মে ২৫, ২০২৫
রাজ্য

বিদেশের বাজারে মালদার আমসত্ত্বের বিরাট চাহিদা, ভিডিওতে দেখুন কিভাবে তৈরি হয়

বিদেশের বাজারে রপ্তানি করা হচ্ছে মালদায় তৈরি আমসত্ত্ব। প্রায় ২০০০ টাকা কিলো দরে বিক্রি হচ্ছে। তার পাশাপাশি আমসত্ত্বের সঠিকভাবে বাজারজাত করার জন্য রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে মালদা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। রবিবার মালদা শহরের এনএস রোড এলাকায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানালেন মালদা ম্যাংগো মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি উজ্জ্বল সাহা।জানা গেছে মালদার ইংলিশবাজার ব্লকের কোতুয়ালি অঞ্চলের কল্যাণপুর গ্রামে ৬০ থেকে ৭০ টি পরিবারের বসবাস। যারা প্রত্যেকেই আমসত্ত্ব পেশার সঙ্গে যুক্ত। গোপালভোগ, হিমসাগর, ল্যাংড়া মূলত এই তিনটি প্রজাতির আমের আমসত্ত্ব স্বাদে অতুলনীয়। পড়ে যাওয়া পাকা আম অথবা পাকা আম গাছ থেকে পেড়ে বোটা ছাড়িয়ে প্রায় আধঘন্টা জলে ভিজিয়ে রাখতে হয়। তারপর আমের খোসা ছাড়িয়ে আবার আমগুলিকে প্রায় ১৫ মিনিট জলে ভিজিয়ে রাখার পর থেঁতো করা হয়।তারপর সেই আমের পেস্ট একের পর এক প্রলেপ দিয়ে রোদে শুকাতে হয়। এইভাবে সাত দিন রোদে শুকানোর পর কাটিং করে তৈরি হাওয়া আমসত্ত্ব বাজারে বিক্রি করা হয়। এবছর ভিন রাজ্যের পাশাপাশি বিদেশের বাজারেও জেলার জগৎ বিখ্যাত বিভিন্ন প্রজাতির আম দিয়ে তৈরি আমসত্ত্বের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তাই ইতিমধ্যে ভিন রাজ্যের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি শুরু হয়েছে আমসত্ত্ব। এই বিষয়ে মালদা ম্যাঙ্গো মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি উজ্জ্বল সাহা জানান, ইতিমধ্যে আমসত্ত্ব বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। তার পাশাপাশি সরকারিভাবে আমসত্ত্ব তৈরির একটা উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। তারই সঙ্গে আমসত্ত্বের সঠিকভাবে বাজারজাত করার জন্য রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় মালদা জেলা প্রশাসন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর ফলে মালদা জেলার আম চাষি আম ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি যারা এই পেশার সাথে যুক্ত তারাও লাভবান হবেন।

জুন ২৫, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

শুটিঙের ফাঁকে নিয়ম ভেঙে কলকাতার কি কি খাবার চেখে দেখলেন বলি নায়িকা অনুষ্কা?

মুম্বাইয়ানা হিন্দি ছবির বর্তমান প্রজন্মের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম অনুষ্কা শর্মা। তর্কাতীত ভাবেই বলিউডি নায়িকাদের মধ্যে প্রথম সারিতেই আলোকিত করে থাকেন তিনি। ছায়াছবির জগতে নায়ক-নায়িকাদের শরীর সচেতনতা অনেকটা আরব্য রজনীর গল্পের মত। কেউ ২০ বছর ভাত খাননি তো কেউ আবার তেল মশালা বিহীন খাবার খেয়ে ৩০ বছর বেঁচে আছেন। বয়সকে একটা টাইম ফ্রেমর মধ্যে ধরে আখাটায় চ্যালেঞ্জ।এঁরা কেউই ডায়েটিশিয়ানের কথার অবাধ্য হননা। অনুষ্কা-ও যে শরীর-স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হবেন তা বলা বাহুল্য। বিরাট ঘরনি বিগত বছর ধরেই ঝুলন গোস্বামী বায়োপিক চাকদা এক্সপ্রেস নির্মানের বেশ কয়েকবার কোলকাতায় আসা যাওয়া করছেন। এর আগেও তিনি কোলকাতার সিগনেচার খাবার খেয়েছেন, অনুষ্কা আগেও জানিয়েছেন কলকাতায় এলে লোভনীয় বাঙালি খাবার থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারেন না একেবারেই। সেই প্রমান এবারো দিলেন। শুধু খেলেনই না সামাজিক মাধ্যমে তার আনন্দটাও ভাগ করে নিলেন পর্দার ঝুলন।ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার ঝুলন গোস্বামীর বায়োপিকের শুটিঙে কোলকাতা এসেছিলেন ১৭ অক্টোবর। রুপালি পর্দায় ঝুলন গোস্বামীকে ফুটিয়ে তোলার জন্য প্রচন্ড পরিশ্রম করছেন এই বলিউডি লাস্যময়ী নায়িকা। ১৮ অক্টোবর তাঁকে ভারতীয় জার্সী পড়ে ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেন গার্ডেনে চাকদা এক্সপ্রেসর শুটিঙে দেখা যায়। ছবির শুটিংয়ের চাপের মধ্যেও কলকাতার খাবারের আনন্দ উপভোগ করতে ভুল করেননি। তিনি সে আনন্দ যে তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেছেন, তার ঝলক-ই ইনস্টাগ্রামে তুলে ধরেছেন পর্দার ঝুলন। সিটি অফ জয়ে এসে তিনি কী কী খেয়েছেন, তারই এক ঝলক ভক্তদের সাথে শেয়ার করে নিয়েছেন রব নে বানা দি জোড়ি নায়িকা।অনুষ্কা খাবের তালিকায় ছিল উত্তর কলকাতার বিখ্যাত পুঁটিরামের কচুরি, গিরীশ দের মালাই রোল, প্যারামাউন্টের চার রকমের সরবত, মিঠাইয়ের বেকড রসগোল্লা, হরিশ মুখার্জীর গুরুদুয়ারার পাশে বলবন্ত সিংহের কেশর চা সাথে গরম শিঙাড়া, ধর্মতলার আলিয়ার ফিরনি।শুটিংয়ের মাঝে কলকাতার বহুল পরিচিত দোকানগুলির সুস্বাদু খাবারের স্বাদ যে তিনি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেছেন, সেই কথাই অনুষ্কা জানিয়েছেন। চিত্র বিনোদন জগতের প্রতিটি শিল্পী-ই ঘড়ির কাঁটা ধরে বিধিনিষেধ মেনে খাওয়াদাওয়া করেন। নিয়মমাফিক শরীরচর্চা। কিন্তু কলকাতায় এসে নিয়মকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে যে সমস্ত লোভনীয় খাবার চেখে দেখেছেন টা সত্যি অবাক হওয়ার মত। এর সাথে তিনি ধর্মীয় পীঠস্থান বেলুড় মঠ ও কালীঘাট মন্দিরের নামও তাঁর পস্টে উল্লেখ করেছেন। অনুষ্কা কথা পড়ে নেটিজেনেদের ধারনা শুটিংয়ের মাঝে ওই দুই জায়গাতেও হয়ত ঘুরে এসেছেন তিনি।কলকাতার লোভনীয় খাবারের তালিকা লিখে ইনস্টাগ্রামে যে পোস্ট অনুষ্কা করেছেন অনুষ্কা, তাতে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন কলকাতার শুটিং পর্ব আপাতত শেষ হয়েছে। এখন ছবির মুক্তির অপেক্ষায় আপামর বাঙালি সহ সিনেমা প্রেমী ভারতবাসী।

অক্টোবর ৩০, ২০২২
রাজ্য

শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের খাবার খেয়ে একই পরিবারের ১৭ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে

পূর্বস্থলী ২ নম্বর ব্লকের কালেখাতলা-১ পঞ্চায়েতের অন্তর্গত হৃষি এলাকায় শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের খাবার খেয়ে একই পরিবারের বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পরে। শুক্রবার বিকালের পর থেকেই তাঁরা অসুস্থতা বেশি বোধ করায় পূর্বস্থলী ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা করানোর জন্য আসে ১৭ জন।পূর্বস্থলী হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসা জয়কৃষ্ণ দাস নামের এক ব্যক্তি বলেন, তার বাবা মারা যাওয়ার পর শ্রাদ্ধশান্তি অনুষ্ঠানের কাজ শেষে খাওয়াদাওয়ার করার পর বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে বমি পায়খানা শুরু হয়। আজ দুপুরের পর থেকে অবস্থা খারাপ হওয়ায় পূর্বস্থলী হাসপাতালে ১৭ জনকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। শনিবার সকালে ১২ জন পূর্বস্থলী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। খাবারে বিষক্রিয়া থেকেই এই ঘটনা বলে অনুমান হাসপাতালের স্বাস্থ্য আধিকারিক শুভ রায়ের।

অক্টোবর ২২, ২০২২
দেশ

রেল যাত্রীদের জন্য বড় ধাক্কা, ট্রেনের খাবারও অগ্নিমূল্য, বর্ধিত খাবারের নতুন দাম দেখে নিন এক ঝলকে

মুদ্রাস্ফীতিতে নাজেহাল দেশবাসী, ভোজ্য তেল,জ্বালানি তেল, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসহ সব কিছুরই দাম আকাশছোঁয়া। তার মধ্যেই এবার ভারতীয় রেল তাদের ট্রেনের পরিবেশিত খাদ্য দ্রব্যের মুল্য বৃদ্ধি করলো। যাঁরা রাজধানী, শতাব্দী, তেজস, বন্দেভারত এবং দুরন্তের এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনে ভ্রমণ করেন তাঁদের যেনে রাখা দরকার কিসের কিসের দাম বাড়লো। সম্প্রতি ট্রেন যাত্রাকালীন চায়ের দামের চেয়ে বেশি সার্ভিস চার্জ নেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। সেই চায়ের বিলের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং সেখানে অনেকেই ভারতীয় রেলের কড়া সমালোচনা করেন। এরকম অনভিপ্রেত ঘটনা এড়াতে ভারতীয় রেলের খাদ্য সরবরাহকারী সংস্থা আইআরসিটিসি খাদ্যদ্রব্যের মুল্য তালিকা প্রকাশ করেছে। আইআরসিটিসি জানিয়েছে এখন থেকে ট্রেনে ভ্রমনকালীন সময়ে কোনও খাবারের অর্ডার করলে অন-বোর্ডিং চার্জ দিতে হবে।ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশন (IRCTC) দ্বারা চালিত ট্রেনের ভিতরে খাবারের অর্ডারের সংশোধিত মুল্য তালিকা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক। নতুন সংশোধিত মুল্য তালিকা অনুযায়ী, রেলওয়ে প্রিমিয়াম ট্রেনে প্রি-অর্ডার করা নয় এমন সমস্ত খাবার এবং পানীয়ের অন-বোর্ড পরিষেবা চার্জ সরিয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে স্ন্যাকস, লাঞ্চ এবং ডিনারের দামের সাথে অতিরিক্ত ৫০ টাকা যোগ করা হয়েছে।খাবার-পানীয় আরও মহার্ঘ হয়ে গেল!চায়ের দাম এর মত ঘটনা যাতে আবার না ঘটে তার জন্য আইআরসিটিসি (IRCTC) রাজধানী, শতাব্দী, তেজস, বন্দে ভারত এবং দুরন্তর মতো ট্রেনগুলিতে অনবোর্ড ক্যাটারিং পরিষেবাগুলির জন্য একটি নতুন মুল্য তালিকা প্রকাশ করেছে। রেলওয়ের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, যে সমস্ত যাত্রীরা টিকিট বুকিংয়ের সময় ক্যাটারিং পরিষেবার বিষয়টি নির্বাচন করেন না এবং ট্রেনে ওঠার পর খাবার ও পানীয় অর্ডার করেন, তাদের অনবোর্ড চার্জ দিতে হবে। এ কারণে খাদ্য সামগ্রীর দাম বেড়েছে।রাজধানী সহ ওই পাঁচটি ট্রেনে, যে সমস্ত যাত্রী টিকিট কাটার সময় সকালের প্রাতরাশ, মধ্যাহ্নভোজন বা রাতের খাবারের জন্য টাকা পেমেন্ট করে রাখেন তাঁদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। কিন্তু তাঁরা যদি টিকিটের কাটবার সময় সেই অর্থ প্রদান না করেন সেক্ষেত্রে তাঁরা যদি বোর্ডে অর্থাৎ ট্রেনের মধ্যেই অর্ডার করেন তাঁদের এই অতিরিক্ত গাঁটের কড়ি খরচ করতে হবে।খাদ্য ও পানীয় তালিকা এবং চার্জ ইনরাজধানী, দুরন্ত এবং শতাব্দী এক্সপ্রেসের প্রথম শ্রেণি এবং ইকনমি ক্লাসে প্রিপেইড এবং অন-বোর্ড দুই ক্ষেত্রেই সকালের চায়ের দাম ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় শ্রেনী এবং তৃতীয় শ্রেনী এসি এবং চেয়ার কারে চায়ের দাম ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।একইভাবে, রাজধানী, দুরন্ত এবং শতাব্দী এক্সপ্রেসের প্রথম শ্রেনী এসি-তে প্রিপেইড-এ সকালের প্রাতরাশ (ব্রেকফাস্ট) খেতে ১৪০ টাকা দিতে হবে। অন-বোর্ড যাত্রীদের ক্ষেত্রে ব্রেকফাস্টের দাম ১৯০ টাকা। প্রিপেড ব্রেকফাস্ট দ্বিতীয় শ্রেনী এবং তৃতীয় শ্রেনী এসি-তে অন-বোর্ড ১৫৫ টাকায় পাওয়া যাবে।ওই ট্রেনগুলির প্রথমশ্রেনী এসি এবং ইকোনমি ক্লাসে প্রিপেইড লাঞ্চ-ডিনারের মুল্য ২৪৫ টাকা। আপনি যদি অন বোর্ডে অর্ডার করেন, আপনাকে এর জন্য ২৯৫ টাকা দিতে হবে। দ্বিতীয় শ্রেনী এসি, থার্ড এসি এবং চেয়ার কারে আপনাকে প্রিপেইডের জন্য ১৮৫ টাকা এবং অন বোর্ডে ২৩৫ টাকা দিতে হবে।প্রথমশ্রেনী এসি এবং ইকোনমি ক্লাসে সন্ধ্যার চা এবং স্ন্যাকসের জন্য মুল্য ১৪০ টাকা। যারা অন বোর্ডে অর্ডার করবেন তাদের ১৯০ টাকা দিতে হবে। দ্বিতীয়শ্রেনী এসি, তৃতীয় শ্রেনী এসি এবং চেয়ার কারের জন্য প্রিপেইড হিসাবে ৯০ টাকা এবং অন বোর্ডে ১৪০ টাকা গুনতে হবে।দুরন্ত এক্সপ্রেসের স্লিপার কোচে সকালের চায়ের প্রিপেইড এবং অন-বোর্ড মূল্য হল ১৫ টাকা। প্রাতঃরাশের জন্য প্রিপেইডে ৬৫ টাকা এবং অন-বোর্ড যাত্রীদের জন্য ১১৫ টাকা খরচ হবে। লাঞ্চ এবং ডিনারের জন্য, আপনাকে প্রিপেইডে ১২০ টাকা এবং অন বোর্ডে ১৭০ টাকা দিতে হবে।আপনি যদি তেজস ট্রেনের প্রথম শ্রেনী এসি এবং ইকোনমি ক্লাসে ভ্রমণ করেন, তাহলে আপনাকে সকালের প্রাতঃরাশের জন্য ১৫৫ টাকা (প্রিপেইড) দিতে হবে। একই সময়ে, অন বোর্ডে অর্ডার করলে, এর দাম পড়বে ২০৫ টাকা। সে রকম, দ্বিতীয় শ্রেনীএসি, তৃতীয় শ্রেনী এসি এবং চেয়ার কারের জন্য আপনাকে ১২২ টাকা (প্রিপেইডের জন্য) এবং অন-বোর্ড অর্ডারের জন্য ১৭২ টাকা দিতে হবে।বন্দেভারত ট্রেনের যাত্রীদের জন্য খাবার ও পানীয়ের মুল্য তালিকাঃবন্দেভারতএ সকালের চায়ের জন্য ১৫ টাকা দিতে হবে। প্রাতঃরাশের জন্য আপনাকে প্রিপেইডে ১৫৫ টাকা এবং অন বোর্ডে ২০৫ টাকা দিতে হবে। লাঞ্চ এবং ডিনারের জন্য আপনাকে প্রিপেইডে ২৪৪ টাকা এবং অন বোর্ড অর্ডার করলে ২৭২ টাকা দিতে হবে। সন্ধ্যার চা এবং জলখাবারের জন্য, প্রথমশ্রেনী এসি এবং ইকোনমি ক্লাসের যাত্রীদের প্রিপেইড হিসাবে ১০৫ টাকা দিতে হবে। আর যদি অন বোর্ডে অর্ডার করেন, তাহলে এই দাম বেড়ে ১৫৫ টাকা হবে।ট্রেন নির্ধারিত সময়ের না চললেঃরাজধানী, দুরন্ত, শতাব্দী, তেজস এবং বন্দেভারত এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনগুলি যদি নির্ধারিত সময়ে না চলে দেরিতে চলে, সেই পরিস্থিতিতে চা ও কফির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ টাকা এবং সকালের নাস্তা ও সন্ধ্যার চা পাওয়া যাবে ৩০ টাকায়।

জুলাই ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইসক্রিমে বান!‌ রুটিতে চকোলেট ও নান্দু সস!‌ সঙ্গে চিকেন!‌ এ কোন ভারতীয় ক্রিকেটারের মেনু?‌

ভারতীয় ক্রিকেটে ডায়েট ও ফিটনেসের ব্যাপারে একটা শৃঙ্খলা তৈরি করেছিলেন প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। আধুনিক ক্রিকেটে বয়স ও ডায়েট একটা অন্য প্যারামিটার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু ভারতীয় ড্রেসিংরুমে এমন দুজন ক্রিকেটার রয়েছেন, যারা ডায়েটের ধার ধারেন না। ডায়েটের ব্যাপারে তাঁদের শৃঙ্খলার কোনও বালাই নেই। তাঁরা অনায়াসে আইসক্রিমে বান ডুবিয়ে খেতে পারেন। রুটির ওপরে চকোলেট ও নান্দু সস মাখাতে পারেন। ভেবে অবাক হয়ে যাচ্ছেন, এমনও ক্রিকেটার ভারতীয় দলে রয়েছেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই। এটাই ঘটনা। এই দুই ক্রিকেটার হলেন ঈশান কিশান ও ঋষভ পন্থ। ডায়েটের কোনও ধার ধারেন না ভারতীয় দলের এই দুই ক্রিকেটার।ফিটনেসের জন্য ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি দীর্ঘদিন জাঙ্ক ফুট ত্যাগ করেছেন। অথচ তাঁরই সংসারে অন্য গল্প। বিরাট কোহলির যুগে, ভারতীয় দল ফিটনেসের দিক থেকে ব্যাপকভাবে উন্নতি করেছে। তার মানে এই নয় যে ভারতীয় দলের সব ক্রিকেটারই ডায়েটের ব্যাপারে বিরাট কোহলির মতো সমান কঠোর। ঈশান কিশান ও ঋষভ পন্থের ডায়েটের বিষয়টা প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছেন জাতীয় দলে তাঁদেরই সতীর্থ সূর্যকুমার যাদব। ঈশান কিশান এবং ঋষভ পন্থ খাবারে যে অদ্ভুত সংমিশ্রণ ঘটান, তা যে কারও ঠোঁটে লেগে থাকতে পারে।সূর্যকুমার যাদব তাঁর বিখ্যাত ইউ টিউব শো ব্রেকফাস্ট উইথ চ্যাম্পিয়নসএ অভিনেতা এবং টেলিভিশন ও ক্রিকেট উপস্থাপক গৌরব কাপুরকে ঈশান কিশান ও ঋষভ পন্থের অদ্ভুত ডায়েটের কথা বলেছিলেন। সূর্যকুমার বলেন, ঋষভ পন্থ এবং ঈশান কিশান যদি এক জায়গায় হাজির হয়, তাহলে ওদের খাবার অন্য উচ্চতায় পৌঁছে যায়। ওরা অনায়াসে যা কিছু খেতে পারে। একটি বান আইসক্রিমে ডুবিয়ে খায়। রুটির ওপর চকোলেট আইসক্রিম রাখে, তার ওপরে নন্দোর সস রাখে। শুধু তাই নয়, মুরগির মাংসও সঙ্গে থাকে। এই সংমিশ্রণটা হল ওদের চোখে একটি বার্গার। ওইভাবে সাজিয়ে ওরা আমাকে বলে, এটা খাও। তুমি আগামীকাল রান করবে। এই নতুন জিনিস ওরা শুরু করেছে। দুজনেরই পরিচ্ছন্ন হৃদয়, একেবারে বিশুদ্ধ আত্মা। ওদের সাথে সময় কাটাতে দারুণ মজা পাবেন।মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে খেলার সুবাদে ঈশান কিশানকে দীর্ঘদিন ধরেই জানেন সূর্যকুমার। জাতীয় দলে একসঙ্গে থাকার সুবাদে ঋষভ পন্থকেও ভালভাবে চেনেন। ঈশানকে বেশ ব্যক্তিত্ববান বলে মনে হয়েছে সূর্যকুমারের। দলের মধ্যে সবসময় ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করে রাখেন ঈশান। সূর্যর কথায়, ইশান আমার দলের সেরা বন্ধুদের একজন। বিশেষ করে যখন দল একটি ম্যাচ হেরেছে, সিগন্যাল বাউন্সের মতো ঈশান এক বিষয় থেকে অন্য বিষয়ে বাউন্স করে। প্র্যাকটিসের সময় আমি কোচকে বলেছিলাম, আমি শুধুমাত্র ওর সঙ্গে প্র্যাকটিস করতে চাই। যখনই আমরা একসাথে ব্যাট করি, স্কোরবোর্ডের দিকে তাকাই না যতক্ষণ না আমাদের তাড়া করতে হয়। আমরা ক্রিকেট ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলি। যেমন, আজকে যদি আমরা ম্যাচ জিততে পারি তাহলে আমরা ব্রাউনি আইসক্রিম অর্ডার করব। দারুণ মজা করি।

এপ্রিল ২০, ২০২২
রাজ্য

Door to door Food: করোনাকালে বাড়ি বাড়ি খাবার পাঠাবে রাজ্য

করোনায় দুঃস্থদের জন্য বিশেষ সহায়তা প্রদানের ঘোষণা রাজ্য সরকারের। দুঃস্থদের বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছনোর নির্দেশ দিলেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। মঙ্গলবারই সব জেলাশাসককে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নবান্নের তরফে। প্যাকেটে করে খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে দুঃস্থদের কাছে।আরও পড়ুনঃ কোহলির না থাকার ধাক্কা সামলাতে ব্যর্থ ভারত, দ্বিতীয় টেস্টে কেন ব্যাটিং বিপর্যয়?চাল, ডাল, মুড়ি, বিস্কুটের প্যাকেট দেওয়া হবে রাজ্যের তরফে। খাবার যাতে বাড়ি অবধি পৌঁছে দেওয়া যায় তারই ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে স্থানীয় পুলিশের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে বলেও নবান্নের তরফে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে করোনার প্রকোপ প্রবল হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। কলকাতার পাশাপাশি করোনা সংক্রমণ বাড়ছে জেলাগুলিতেও।আরও পড়ুনঃ রনজি ট্রফি স্থগিত করবে বোর্ড? বাংলা শিবিরে করোনা হানায় আশঙ্কার মেঘকরোনার কারণে বহু জায়গায় কাজে কাটছাঁট হচ্ছে। বিধিনিষেধের কড়াকড়িতে কাজ পেতে সমস্যা হচ্ছে দিন আনে দিন খায় এমন বহু মানুষের। যে হারে করোনা বাড়ছে তা আগামী এক মাসও যদি অব্যাহত থাকে, তা হলে এই মানুষগুলোর অন্নসংস্থান প্রশ্নের মুখে পড়বে। কোভিডের তৃতীয় ঢেউ যখন ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে, এই পরিস্থিতিতে কোনওভাবেই রাজ্য সরকার কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না বলেই নবান্ন সূত্রে খবর। একটি মানুষকেও যাতে খাবারের অভাব বোধ করতে না হয় সে কারণে এবার প্রথম থেকেই প্রস্তুত নবান্ন।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Manosi : হাসপাতালে ভর্তি অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্ত

২০২২ এর শুরুতেই পরপর তারকাদের কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার খবর আসছে। বলিউড থেকে টলিউড অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সেরকমই নতুন বছরের শুরুটা অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্ত ও তার ভক্তদের জন্য চিন্তার কারণ গেল। কারণ হাসপাতালে ভর্তি মানসী। যদিও তার হাসপাতালে ভর্তির কারণ কোভিড নয়। ফুড পয়জনিং-এর জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। বর্তমানে মুম্বই-এর জেনিথ হাসপাতালে ভর্তি মানসী। অসুস্থ হওয়ার পর একাই অটো করে হাসপাতালে যান। যদিও এখন অনেকটাই সুস্থ আছেন জানিয়েছেন তিনি। কয়েকমাস আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। মানসী সেনগুপ্ত কলকাতায় ধারাবাহিকে অভিনয় করে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। কি করে বলবো তোমায় ধারাবাহিকে পায়েল সেনের চরিত্র এখনও ভুলতে পারেনি দর্শকরা। লেগেটিভ চরিত্র হলেও সেটা দর্শকের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিল। এরপর উমা ধারাবাহিকে ঈশিতার চরিত্রে নজর কেড়েছেন মানসী। বর্তমানে তিনি কলকাতা ছেড়ে মুম্বইয়ে পাড়ি দিয়েছেন একটি হিন্দি ধারাবাহিকের জন্য। খুব শীঘ্রই শশী-সুমিত মিত্তলের আসন্ন হিন্দি সিরিয়ালে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন মানসী। তাই এখন পুরোপুরি মুম্বইবাসী মানসী। ধারাবাহিক ছাড়া সম্প্রতি রাজা চন্দের ওয়েব সিরিজ কাটাকুটি তে অভিনয় শেষ করেছেন তিনি।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
রাজ্য

Ration: দেশের মধ্যে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিনামূল্যে রেশন দেয়, দাবি খাদ্যমন্ত্রীর

কেন্দ্রের সরকার রেশন দেয় অর্থের বিনিময়ে। কিন্তু দেশের মধ্যে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ সরকার সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে রেশন দেয় বলে শনিবার বর্ধমানে এসে দাবি করলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। একই সঙ্গে তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এখন যে রেশন দেওয়া হচ্ছে তা আগামি নভেম্বর মাস পর্যন্ত দেওয়া হবে। কিন্তু রাজ্যের রেশনিং ব্যবস্থা আগামিদিনেও একই রকম ভাবে বহাল থাকবে। দুয়ারে সরকার কর্মসূচীর অগ্রগতি, রেশনিং ব্যবস্থা এবং রাইসমিল সংক্রান্ত নানা বিষয় নিয়ে এদিন বর্ধমানে জেলাশাসকের দপ্তরে আলোচনায় বসেন খাদ্যমন্ত্রী। বৈঠকে রাজ্যের অপর মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু সহ জেলা প্রশাসনের অন্য আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ বলেন, রাজ্যের রেশন ব্যবস্থা নিয়ে যাঁরা অযথা রাজনীতি করতে চাইছে করুক।কিন্তু তাতে কিছু লাভ হবে না। কেন্দ্রের রেশনিং ব্যবস্থা এবং রাজ্যের রেশনিং ব্যবস্থা সম্পূর্ণ পৃথক। রাজ্যের বেশি সংখ্যক মানুষকে কিভাবে খাদ্য সুরক্ষা দেওয়া যায় সে বিষয়ে রাজ্য সরকার যথেষ্ট যত্নবান বলে এদিন জানান খাদ্যমন্ত্রী। তিনি এও বলেন, এই রাজ্যে রেশন কার্ডের সংখ্যা ১০ কোটি ৩৩ লক্ষ। তার মধ্যে ৬ কোটি ১ লক্ষ মানুষ অর্থের বিনিনয়ে ন্যাশানাল ফুড সিকিউরিটি এ্যাক্টের (এনএফএসএ) কার্ডে রেশন পায়। বাকি ৪ কোটি ৩২ লক্ষ মানুষকে রাজ্য সরকার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নিজস্ব রেশন দেয়।কেন্দ্র খাদ্য সুরক্ষার কার্ড থাকা মানুষদের আগামি নভেম্বর অবধি রেশন দেবে। কিন্তু এই রাজ্যের সরকারের সকলকে বিনামূল্যেই রেশন দেওয়া বহাল রাখবে। খাদ্যামন্ত্রী দাবি করেন, গোটা ভারতে আর কোথাও গ্রাহকরা বিনামূল্যে রেশন পান না। এই দৃষ্টান্ত রাজ্য তৈরি করেছে। দুয়ারে রেশন প্রকল্প বাস্তবায়িত করা নিয়ে এদিন জেলার রেশন ডিলারদের বক্তব্যও শোনেন খাদ্যমন্ত্রী। রেশন ডিলারদের বক্তব্য বৈঠকে লিপিবদ্ধ করা হয়। দুয়ারে সরকার শিবিরে রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করা হচ্ছে। যাদের কার্ড নেই তারা শিবিরে আবেদন করতে পারবেন বলে মন্ত্রী জানান। জেলার বেশ কয়েকটি রাইসমিলের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে খদ্যমন্ত্রী বলেন, যেসব রাইসমিলের বর্জ্যে ধানের জমির ক্ষতি হচ্ছে কেবল সেইসব রাইস মিলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাইসমিল চালানোর জন্য কিছু শর্ত পালনের অঙ্গীকার করেই মিল কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স পেয়েছেন।ওই জল শোধনের ব্যবস্থা থাকার কথা বলেই তারা লাইসেন্স পেয়েছেন বলে খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Whats app cafe : ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসে নতুন মেনু নিয়ে হাজির হচ্ছে 'হোয়াটস অ্যাপ ক্যাফে'

১৫ ই আগস্ট ভারতের ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস। এই বিশেষ দিন উপলখ্যে কলকাতার বিভিন্ন ক্যাফে থেকে রেস্টুরেন্ট বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে হাজির হচ্ছে। বাদ যায়নি হোয়াটস অ্যাপ ক্যাফেও। হোয়াটস অ্যাপ ক্যাফে তে বেশ কিছু স্পেশাল মেনু থাকছে এইদিন। সব ক্যাফে ও রেস্টুরেন্টের মতো ১২টা থেকে ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে হোয়াটস অ্যাপ ক্যাফে। প্রতিদিনের মতো এই বিশেষ দিনেও কোভিডের সব বিধিনিষেধ মেনে চলা হবে।আরও পড়ুনঃ দক্ষিণ কলকাতায় দেবীসম্মানের ক্যালেন্ডার শুটবেশ কিছু মেনু রয়েছে ফ্রিডম মেনু এবং শেফের রেকমেন্ড করা কিছু মেনু রয়েছে। ফ্রিডম মেনুর মধ্যে রয়েছে মটন দই বড়া, কষা মাংস, প্রন ভাপা, মটন রোস্ট ও কাশ্মীরি পোলাও, হার্টই চেলো কাবাব, মার্গারিটা পিজ্জা, মিক্সড চিকেন লাসাগ্না এবং ফ্রেশ ওয়াটারমেলন জুস। শেফের রেকমেন্ড করা মেনুর মধ্যে রয়েছে রারা গোস্ট, ফিস অ্যান্ড চিকেন গ্রিলড প্ল্যাটার এবং চেলো কাবাব। দুজনে ১৫ ই আগস্ট খেতে এলে দাম ১২০০ টাকা। এছাড়া আলাদা ট্যাক্স দিতে হবে। স্বাধীনতা দিবসের স্মরণীয় দিনে হোয়াটস অ্যাপ ক্যাফে তে এসে বিভিন্ন ধরণের সুস্বাদু খাবারের স্বাদ নিতেই পারেন ফুড লাভাররা।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজ্য

রেশনের খাদ্যসামগ্রী পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার দুই, চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানে

রেশনের খাদ্যসামগ্রী পাচারের অভিযোগে ডিলারসহ ২ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে ১০টি বস্তায় ভর্তি ৫ কুইন্টল চাল ও ৮টি বস্তায় ভর্তি ৪ কুইন্টাল গম। ধৃতরা হলেন ডিলার তুলসীরঞ্জন মুখোপাধ্যায় ও মোটর ভ্যান চালক তাপস দাস। প্রথমজনের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ভাতরের এওড়া গ্রামে। অপর ধৃত ভাতারের আড়া গ্রামের বাসিন্দা। ভাতার থানার পুলিশ বুধবার সন্ধ্যায় তাদের গ্রেফতার করে। বাজেয়াপ্ত করা হয়ে উদ্ধার হওয়া খাদ্য সামগ্রী। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ। দুই ধৃতকেই বৃহস্পতিবার পেশ করে বর্ধমান আদালতে। ভারপ্রাপ্ত সিজেএম দুই ধৃতের জামিন নামাঞ্জুর করে বিচারবিভাগীয় হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন । পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সুত্রে বুধবার সন্ধ্যায় পুলিশ খবর পায় এওড়া গ্রামের রেশন ডিলার তুলসিরঞ্জন মুখোপাধ্যায় রেশনের বেশ কিছু খাদ্য সামগ্রী পাচার করছে। সেই খবর পেয়েই পুলিশ সেখানে হানা দেয়। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই তাপস দাসের মোটরভ্যানে রেশনের ১০ বস্তা চাল ও ৮ বস্তা গম লোড করে ফেলেছিল ডিলার। পুলিশ হাতেনাতে তাদের ধরে ফেলে। খবর পেয়ে ব্লক খাদ্য আধিকারিক দয়াময় গোস্বামীও ঘটনাস্থলে পৌঁছান । পুলিশ দুজনকে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জেরায় খাদ্যসামগ্রী পাচারের কথা কবুল করার পরেই পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তাদের গ্রেফতার করে। পুলিশ সূত্রে খবর, খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে রেশনের খাদ্য সামগ্রী পাচার করা হচ্ছিল।

জুলাই ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Foodka : অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ ফুডকার

প্রিয়ম চন্দের পরিচালনায় মেল্টিং পয়েন্ট ফিল্মসের স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি ইন দ্য এন্ড মুক্তি পেয়েছে ইউটিউবে। এর স্ক্রিপ্ট লিখেছেন শুশোভন দাশগুপ্ত, ক্যামেরার দায়িত্ব সামলেছেন অরিজিৎ সরকার। মেল্টিং পয়েন্ট ফিল্মসের ইউটিউবে মুক্তির পরেই দর্শকমহলে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এখানে অভিনয়ের মাধ্যমে অভিনেতা হিসাবে আত্মপ্রকাশ হল ইন্দ্রজিৎ লাহিড়ী অর্থাৎ সকলের প্রিয় ফুডকার। এছাড়া অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে অস্মিতা ভাদূড়ী, সৌমী নন্দীকেও। ফেসবুকে মীর এই শর্টফিল্মের কথা উল্লেখ করেছেন আজ। এই শর্টফিল্ম নিয়ে পরিচালক প্রিয়ম চন্দ জনতার কথাকে জানালেন,কলকাতার নন্দী হাউসে শুটিং হয়েছে। পুরো শুটটাই একদিনে হয়েছে। ফুডকাকে সেটে পাওয়া একটা দারুণ ব্যাপার ছিল। সিনেমায় তিনি নতুন হলেও তাকে দেখে সেটা মনে হচ্ছিল না। বাকীরাও খুব ভাল ছিল। একটা ভাল ইউনিট পেয়েছি। সকলের সঙ্গে কাজ করে মজা হয়েছে।

জুলাই ১৭, ২০২১
স্বাস্থ্য

ঘন এবং লম্বা চুল চাই? মেনে চলুন বাড়ির এই সহজ খাদ্যতালিকা

লম্বা, ঘন, চুল কে না চায়৷ তবে সুন্দর চুলের অনেকটাই নির্ভর করে জিনের উপর৷ পরিবেশের পলিউশনের জন্য আরও চুলে সমস্যা দেখা যায়। এখন দোকানে প্রচুর ওষুধ, ক্রিম, তেল পাওয়া। যা ব্যবহার করলে চুল ভাল হয়। কিন্তু সেই সব প্রোডাক্ট অনেক কেমিক্যালও থাকে যা চুলের অনেক সময় ক্ষতিও করে৷ কিন্তু জানেন কি, এই সব বাইরের ক্রিম বা তেল নয় বাড়ির কিছু খাবার খেলেই পেতে পারেন অসাধারণ চুল।অ্যালোভেরা জুসঅ্যালোভেরাতে থাকে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিওল্যাক্টিক এনজাইম। যা মরা কোষকে মেরামত করতে সাহায্য করে। সহজেই চুলের গ্রোথে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে অ্যালোভেরা জুস খাওয়া খুবই উপকারি।আমন্ড এবং ব্যানানা স্মুদিআমন্ডে থাকে প্রচুর ভিটামিন, মিনারেল, জিঙ্ক। যা চুলের জন্য খুবই পুষ্টিকর। আমন্ডে থাকে ভিটামিন ই। যা ড্যামেজ চুলকে মেরামত করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে কলাতে থাকে অনেক ক্যালসিয়াম, ফলিক অ্যাসিড যা চুলের পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। আমন্ড আর কলা, দুধ দিয়ে তৈরি এই স্মুদি খুবই সুস্বাদু এবং উপকারিও।প্রোটিন-রিচ ডায়েটপুষ্টিবিদদের মতে, আমাদের চুল ৯৫ শতাংশ কেরাটিন এবং ১৮ অ্যামাইনো অ্যাসিড। প্রতিদিনের ডায়েটে যদি প্রোটিন রাখা যায় যা চুলের পুষ্টিগুণ বাড়ায়। ডিম, চিকেন, পোলট্রি, দুধ, চিজ, বাদাম, দই থেকে পাওয়া যায় প্রচুর প্রোটিন।তাই বাইরের কোনও প্রোডাক্ট ব্যবহার না করে বাড়ির ঘরোয়া খাবার থেকেই পেতে পারেন চুলের জন্য অপরিহার্য পুষ্টি। তাহলে চুলের জন্য কিছু কেনার আগে আরও একবার ভেবে দেখতেই পারেন।

জুলাই ০৮, ২০২১
রাজ্য

গলসিতে বিয়ে বাড়ির খাবার খেয়ে অসুস্থ ১০ শিশু সহ ৪৪ জন

বিয়েবাড়িতে খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন পরিবার পরিজন সহ কয়েকজন গ্রামবাসী। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানে গলসি থানার উচ্চগ্রামে। ১০ জন শিশুসহ ৪৪ জন অসুস্থকে ভর্তি করা হয়েছে পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।আরও পড়ুনঃ সরকারের লিখে দেওয়া ভাষণে সত্যি উল্লেখ ছিল না, তাই বাধাহাসপাতালে ভর্তি অসুস্থরা বলেন, অনুষ্ঠান বাড়িতে আমন্ত্রিত ও প্রতিবেশীরা সবাই এদিন বেলা দশটার সময় মুড়ি, কুমড়োর তরকারি, বোঁদে খান। তারপরেই তাঁদের বমি শুরু হয়। খবর পেয়ে গ্রামে স্বাস্থ্যে কেন্দ্রের টিম যায়। পৌঁছায় ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ফারুক হোসেন। গ্রামে যান গলসি থানার ওসি দীপঙ্কর সরকার সহ পুলিশকর্মীরা। স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও পুলিশের উদ্দ্যোগে অসুস্থ ৪৪ জন স্থানীয় পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। চিকিৎসক ডাঃ সৈফ আলি জানিয়েছেন, অসুস্থদের চিকিৎসার সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন সবাই একটু সুস্থ রয়েছে । অসুস্থতার কারণ খতিয়ে দেখার কাজ শুরু করেছে স্বাস্থ্য দপ্তরের টিম। আরও পড়ুনঃ আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশঅসুস্থদের আত্মীয় ক্ষেত্রনাথ বাগদী জানান, এই ঘটনার পরে গ্রামে আশেপাশের মানুষজনকে সেলাইন বিতরণ ও ওষুধ বিলি করা হয়েছে। পাশাপাশি এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় ব্লিচিং ছড়িয়ে মানুষকে সতর্ক করা হয়। এলাকায় ব্যবহৃত নলকুপটি বন্ধ করেদেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশ ও স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে এলাকার পুকুরের জল ব্যবহার না করার জন্যে পোস্টার সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ০২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় বড়সড় ‘অ্যাকশন’! ২৫২টি বন্ধের নির্দেশ, শোকজ আরও ১০০—সরকারি সমীক্ষায় চাঞ্চল্য

অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ রাজ্যের, জেলায় জেলায় নথি যাচাইয়ের পর সিদ্ধান্ত।মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় এবার বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। রাজ্যজুড়ে মাদ্রাসাগুলির উপর চালানো সমীক্ষার পর প্রথম দফায় ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে আরও প্রায় ১০০টি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কলকাতা-সহ রাজ্যের ২২টি জেলায় মাদ্রাসাগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই যাচাই-পর্বে শুধু অনুমোদন রয়েছে কি না, তা-ই নয়পরিচালন ব্যবস্থা, পড়ুয়ার সংখ্যা, শিক্ষক-শিক্ষিকার উপস্থিতি, অর্থের উৎস, নথিপত্র, রেজিস্ট্রেশন এবং পরিকাঠামো-সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছে।সমীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসতেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যে বিপুল সংখ্যক মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন বা নির্দিষ্ট স্বীকৃতি ছাড়াই চলছে বলে প্রশাসনের তরফে দাবি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২,৩৯৬। এর মধ্যেই প্রথম ধাপে ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরাসরি বন্ধের নোটিস জারি করেছে সরকার।খারিজি মাদ্রাসাই কি নিশানায়?সরকারি পদক্ষেপের আওতায় আসা ২৫২টি মাদ্রাসার বড় অংশই খারিজি বা বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত মাদ্রাসা বলে খবর। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বৈধতা, পরিচালন পদ্ধতি এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েই মূলত প্রশাসনের নজরদারি।তবে সরকারের অবস্থানও স্পষ্টকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি স্বীকৃতির বাইরে থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চলতে পারে না। যে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই কিংবা ন্যূনতম পরিকাঠামো ও নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ, তাদের বিরুদ্ধে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শুধু বন্ধ নয়, শোকজ-এর পরেও কড়া বার্তাপ্রথম দফায় ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিস দেওয়া হলেও প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠানকে আপাতত দেওয়া হয়েছে শোকজ নোটিস। অর্থাৎ, তাদের নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।প্রশাসনের প্রশ্নকোন আইনি অনুমোদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান চলছে? কতজন পড়ুয়া রয়েছে? শিক্ষক কারা? অর্থ আসছে কোথা থেকে? পর্যাপ্ত ভবন ও শিক্ষার পরিকাঠামো রয়েছে কি না? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।জানা যাচ্ছে, সন্তোষজনক উত্তর বা প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারলে শোকজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধেও পরবর্তী ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হতে পারে।২২ জেলায় নথি যাচাইতারপরই সিদ্ধান্তমাদ্রাসা নিয়ে এই অভিযান হঠাৎ করে নয়। রাজ্য সরকারের নির্দেশেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছিল সমীক্ষা। কলকাতা-সহ ২২টি জেলার মাদ্রাসাগুলির নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়।সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে দাবি, অনুমোদিত মাদ্রাসাগুলি নিয়ম মেনেই চলছে। কিন্তু অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রে সরকার আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না।মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর বক্তব্য, মাদ্রাসাগুলির যাবতীয় নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়েছে। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলি চালু রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।সরকারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, প্রশ্ন তুললেন ত্বহা সিদ্দিকীতবে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে পাল্টা প্রশ্নও উঠছে। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেনকেন কোনও মাদ্রাসাকে শোকজ করা হচ্ছে, কেনই বা বন্ধ করা হচ্ছে, তা আগে সাধারণ মানুষকে জানানো হোক।তাঁর বক্তব্য, বহু মাদ্রাসা সাধারণ মানুষের অনুদান ও সাহায্যের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। মাদ্রাসায় শুধু ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয় না, সরকারি পাঠ্যক্রমও পড়ানো হয় বলে দাবি তাঁর।ফলে সরকারের প্রশাসনিক যুক্তির বিপরীতে উঠে আসছে অন্য প্রশ্নঅনুমোদনের মাপকাঠি কী? কোন প্রতিষ্ঠান নিয়মবহির্ভূত এবং কোনটি নয়? আর বহু বছর ধরে চলা প্রতিষ্ঠানগুলির ভবিষ্যৎই বা কী?রাজনীতির ময়দানেও বাড়ছে উত্তাপমাদ্রাসা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, সংখ্যালঘু শিক্ষা এবং সরকারি অনুমোদনের প্রশ্নের সঙ্গে এবার সরাসরি যুক্ত হচ্ছে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বনাম দীর্ঘদিনের সামাজিক উদ্যোগে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলির স্বাধীনতা।একদিকে সরকারের যুক্তিআইন ও নিয়মের বাইরে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের একাংশের বক্তব্যশুধু সরকারি অনুমোদনের অভাবকে কেন্দ্র করে কোনও প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।ফলে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ এখন শুধু প্রশাসনিক ফাইলের বিষয় নয়; তা ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনীতি ও সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে।উত্তরাখণ্ডের পর বাংলাতেও কড়া পদক্ষেপঅনুমোদনহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের নজির অন্য রাজ্যেও রয়েছে। উত্তরাখণ্ডে ইতিমধ্যেই একাধিক অননুমোদিত মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলার এই পদক্ষেপকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।এখন মূল নজর শোকজ পাওয়া প্রায় ১০০টি মাদ্রাসার জবাবের দিকে। তারা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিকাঠামোর প্রমাণ দিতে পারে কি না, তার উপরই নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ।তবে একটি বিষয় ইতিমধ্যেই স্পষ্টমাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে আর নজরদারির বাইরে রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার। ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রথম দফার এই অ্যাকশন আগামী দিনে আরও বড় প্রশাসনিক অভিযানের ইঙ্গিত কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
বিদেশ

পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে যাত্রীবাহী ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলা! ইউক্রেন যুদ্ধ কি এবার ন্যাটোর দরজায়?

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে ড্রোন হামলার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার পশ্চিম ইউক্রেনে ঘটনাটি ঘটে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। হামলায় ট্রেনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ২০৬ জন যাত্রীর কেউ আহত হননি বলে দাবি করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পোল্যান্ডের একটি রেল সংস্থার পরিচালিত ওই ট্রেনটি কিয়েভ থেকে ওয়ারশের দিকে যাচ্ছিল। পথে আচমকাই ট্রেনটির উপর একের পর এক রুশ ড্রোন হামলা হয় বলে অভিযোগ। হামলার জেরে ট্রেনে আগুন ধরে যায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে।তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হামলার পর প্রায় ছঘণ্টা ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি এমন একটি সময়ে ঘটল, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে গোটা ইউরোপেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।পোল্যান্ডের কাছে এই ঘটনার গুরুত্ব আরও বেশি বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য দেশ। ন্যাটোর চুক্তি অনুযায়ী, কোনও সদস্য দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলা হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্য সদস্যদেশগুলির সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হতে পারে।তবে রবিবারের ঘটনাটিকে সরাসরি পোল্যান্ডের উপর রুশ হামলা হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকেরা। তাঁদের একাংশের মতে, পোল্যান্ড সীমান্তের এত কাছে এমন ঘটনা ন্যাটোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। রাশিয়ার উদ্দেশ্য ন্যাটোর প্রস্তুতি ও ঐক্য পরীক্ষা করা কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া যদি ভবিষ্যতে পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তার প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা কম। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য। সে ক্ষেত্রে গোটা ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেই বড় পরিবর্তন আসতে পারে।তবে রবিবারের হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যে পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে এই হামলার অভিযোগ নতুন করে ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাইরাশিয়া যদি সত্যিই পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তখন ন্যাটো কী পদক্ষেপ করবে?

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
দেশ

একের পর এক ভূমিধসে বসে যাচ্ছে আস্ত পাহাড়! সিকিমে হড়পা বানের আতঙ্ক, সরানো হল ৩৮ পরিবার

পশ্চিম সিকিমের গিয়ালশিং জেলার সিঙ্গলিথাম গ্রাম এবং সংলগ্ন রিম্বি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রবিবার সকাল থেকে ভূমিধসের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পাহাড়ের ঢাল থেকে কাদা, পাথর ও গাছের ধ্বংসাবশেষ নেমে আসছে। এর জেরে রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় সিকিম প্রশাসনের তরফে রিম্বির ৩০টি এবং সিঙ্গলিথামের ৮টি পরিবারকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় সিঙ্গলিথামের বেশ কয়েকটি বাড়িও ইতিমধ্যে ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, সিঙ্গলিথামের পাহাড়ের ঢাল থেকে ক্রমাগত কাদা, বড় পাথর এবং গাছ নেমে এসে স্থানীয় ঝোরার গতিপথ আটকে দিচ্ছে। ফলে রিম্বির নিচের দিকে আচমকা হড়পা বান নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। প্রশাসনের নজরদারিতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, রিম্বির ঠিক উপরে সিঙ্গলিথাম গ্রামের কাছে একটি টিলা ধীরে ধীরে বসে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতির অবনতি শুরু হয়। টানা ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় মাটি, কাদা এবং পাথর ক্রমাগত নিচের দিকে নেমে আসছে। স্থানীয়দের দাবি, গত অগস্ট মাস থেকেই ওই এলাকায় ভূমিধস শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধস গ্রামের দিকে এগিয়ে আসছে।ভূমিধসের ধ্বংসস্তূপে রিম্বি-ইউকসম এবং রিম্বি-খেচুপেরি সড়কের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ইউকসম-তাশিডিং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও। স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদেরও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে প্রশাসনের তরফে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ এবং যাত্রীদের বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিপদের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে শুরু করেছেন।প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। পাহাড়ের ঢাল আরও নরম হলে নতুন করে ধস নামার আশঙ্কাও রয়েছে। বিশেষ করে ঝোরা অবরুদ্ধ হলে নিচের এলাকায় হড়পা বান তৈরি হতে পারে কি না, সেই দিকেই এখন নজর স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রাম, রেজিনগরে বড় চমক মমতার, আসন্ন উপনির্বাচনে ২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার দলের তরফে জানানো হয়েছে, নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন সঞ্চিতা প্রধান (দে)। পাশাপাশি, রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য রাবিউল আলম চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতার জল্পনার অবসান হল।দলের এই ঘোষণা এমন সময়ে এল, যখন শনিবারই তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করলে তারা ওই কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে না। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তরফে মমতাকে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করে বিধানসভায় ফেরার আহ্বানও জানানো হয়েছিল।১৫ বছর পর বিধানসভার বাইরে মমতা?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫,১০৫ ভোটে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামেও শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ভবানীপুরের উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধানসভায় প্রবেশ করেন মমতা। ২০১৬ সালে ফের ভবানীপুর থেকে জয় পান তিনি। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর উপনির্বাচনে জিতে আবারও বিধানসভায় জায়গা করে নেন। তৃণমূল নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা করায় এবার দীর্ঘ ১৫ বছর পর তাঁকে বিধানসভার বাইরে থাকতে হতে পারে।কেন নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে তিনি ভবানীপুর আসনটি ধরে রেখে নন্দীগ্রাম থেকে ইস্তফা দেন। সেই কারণেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হচ্ছে।নির্বাচন কমিশনের সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন হবে। ভোটের গণনা ৯ অক্টোবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর।তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল অব্যাহতপ্রার্থী ঘোষণার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিবাদ আরও জটিল হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীদুই পক্ষই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। উভয় শিবিরই দলের নিয়ন্ত্রণ, নাম এবং জোড়াফুল প্রতীকের স্বীকৃতি দাবি করেছে।১২ সেপ্টেম্বর দুই পক্ষের বক্তব্য শোনে নির্বাচন কমিশন। বিদ্রোহী শিবিরের কাছে আরও কিছু নথি চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমার আগে দলের প্রতীক ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিবাদের নিষ্পত্তি হয়নি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রীর পুরনো হাসি ভুলতে পারেননি! ৮৮ বছর বয়সে নিজের হাতেই বানিয়ে ফেললেন তাঁর মুখ

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা ৮৮ বছরের ভূপতিরঞ্জন দেবনাথ। দীর্ঘ কর্মজীবনে মধ্যমগ্রাম হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন তিনি। প্রায় তিন দশক আগে অবসর নিয়েছেন। এখন পেনশনের টাকাতেই চলে তাঁর সংসার। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংসারে একের পর এক কঠিন সময় এসেছে তাঁর জীবনে।ভূপতির স্ত্রী অঞ্জলির বয়স সত্তরের কোঠায়। তাঁদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে। দুই মেয়েরই মধ্যমগ্রামে বিয়ে হয়েছে। বাড়িতে রয়েছেন পুত্রবধূ এবং নাতিও। তবে করোনা অতিমারির সময় একমাত্র ছেলেকে হারিয়েছেন ভূপতি ও অঞ্জলি। ছেলের পরিবারকেও এরপর নিজেদের দায়িত্বে আগলে রেখেছেন তাঁরা।এরই মধ্যে গত ছমাস ধরে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী অঞ্জলি। বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন যে, এখন হাতে কলম নিয়ে সই করাও তাঁর পক্ষে সম্ভব হয় না। একসময় যে স্ত্রী সংসারের নানা কঠিন পরিস্থিতিতেও হাসিমুখে সব সামলে নিতেন, আজ সেই মুখেই অসুস্থতার ছাপ স্পষ্ট।কিন্তু স্ত্রীর সেই পুরনো হাসি এখনও ভুলতে পারেননি ভূপতি। বরং সেই হাসিই তাঁর মনে আজও একই রকম উজ্জ্বল। তাই স্ত্রীর মুখের সেই পুরনো অবয়ব এবং হাসিকে ধরে রাখতে নিজের হাতেই তৈরি করেছেন একটি প্রতিকৃতি।শিক্ষকতার পাশাপাশি হাতের কাজেও যথেষ্ট দক্ষ ছিলেন ভূপতি। কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে মাটি, নারকেলের খোল, গাছের ডাল-সহ নানা সাধারণ উপকরণ দিয়ে নানা জিনিস তৈরি করেছেন তিনি। ফেলে দেওয়া জিনিস তাঁর হাতে নতুন রূপ পেয়েছে। সেইসব কাজ এখনও তাঁর বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় যত্ন করে রাখা রয়েছে।এ বার সেই দক্ষতাকেই কাজে লাগিয়েছেন নিজের জীবনসঙ্গীর স্মৃতি ধরে রাখতে। প্লাস্টার অফ প্যারিস দিয়ে তৈরি করেছেন অঞ্জলির হাসিমুখের একটি প্রতিকৃতি। বাড়ির একটি শোকেসে রাখা রয়েছে সেই মূর্তি। স্ত্রীর পাশে বসে থাকার সময় কখনও অসুস্থ অঞ্জলির দিকে তাকান, কখনও আবার চোখ চলে যায় সেই হাসিমুখের প্রতিকৃতির দিকে।ভূপতির কথায়, তাঁদের দাম্পত্য জীবন প্রায় ৫৯ বছরের। অঞ্জলি বরাবরই হাসিখুশি থাকতে ভালোবাসতেন। সংসারে যত সমস্যাই আসুক, তিনি কখনও তা প্রকাশ করতেন না। হাসিমুখেই কঠিন সময় পার করেছেন। সেই হাসিই ছিল ভূপতির কাছে বড় ভরসা।আজ অঞ্জলি অসুস্থ। বিছানা থেকে ওঠার শক্তিও নেই। মুখের সেই পুরনো হাসিও আর দেখা যায় না। কিন্তু ভূপতির স্মৃতিতে অঞ্জলির হাসি এখনও একই রকম জীবন্ত। সেই হাসিকে অমলিন রাখতেই স্ত্রীর মুখের আদলে তৈরি করেছেন এই প্রতিকৃতি।পুরনো দিন আর ফিরে আসবে না, তা জানেন ৮৮ বছরের ভূপতি। তবু তাঁর একটাই আশা, স্ত্রী আবার শারীরিক সমস্যা কাটিয়ে উঠে একটু হাঁটাচলা করতে পারবেন, আগের মতো তাঁর পাশে বসতে পারবেন। আর সেই আশার সঙ্গেই ঘরের শোকেসে হাসিমুখে থেকে গিয়েছে অঞ্জলির সেই পুরনো মুখ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি? কেনার আগে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি, সঠিক নিয়মে পুজোয় পাবেন হাতে নাতে ফল

ভগবান গণেশকে উৎসর্গ করে পালিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু উৎসব গণেশ চতুর্থী। বিঘ্নহর্তা, জ্ঞানদাতা এবং শুভ সূচনার দেবতা হিসেবে গণেশের আরাধনা করেন ভক্তরা। ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। ওই দিন থেকেই শুরু হবে দশ দিনব্যাপী গণেশ উৎসব।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, গণেশ চতুর্থীর দিন বাড়িতে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পুজো করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস, এই সময় বাপ্পাকে বাড়িতে স্বাগত জানালে জীবনের বাধা-বিপত্তি দূর হয় এবং সুখ-সমৃদ্ধি আসে। তবে মূর্তি কেনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সৌন্দর্য বা সাজসজ্জা দেখলেই হবে না। ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, মূর্তির উচ্চতা, ভঙ্গি, রং, শুঁড়ের দিক এবং বাহনের উপস্থিতিরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করা হয়।কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি?বাস্তুশাস্ত্রের প্রচলিত মত অনুযায়ী, বাড়িতে পুজোর জন্য গণেশের মূর্তি খুব বড় হওয়া উচিত নয়। সাধারণত ৯ থেকে ১১ ইঞ্চি উচ্চতার মূর্তিকে গৃহস্থের পুজোর জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। এর তুলনায় বড় মূর্তি রাখলে পুজো ও বিসর্জনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সমস্যা হতে পারে বলেও মত রয়েছে।মূর্তির ভঙ্গির দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলা হয়। বাড়িতে পুজোর জন্য উপবিষ্ট গণেশের মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই ভঙ্গি শান্তি, স্থায়িত্ব ও সুখের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, চার হাতের গণেশ মূর্তির ক্ষেত্রে উপরের বাম হাতে পাশ, ডান হাতে অঙ্কুশ, নীচের বাম হাতে মোদক এবং নীচের ডান হাত অভয় মুদ্রায় থাকা শুভ বলে মনে করা হয়।গণেশের শুঁড় কোন দিকে থাকবে?গণেশের মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাম দিকে বাঁকানো শুঁড়যুক্ত গণেশের মূর্তি বাড়িতে স্থাপনের জন্য শুভ। এই ধরনের গণেশকে বামামুখী গণেশ বলা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রূপ শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক।অন্যদিকে, ডান দিকে বাঁকানো শুঁড়ের গণেশকে সিদ্ধিবিনায়ক বলা হয়। এই রূপকে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী বলে মনে করা হয় এবং তাঁর পুজোয় বিশেষ নিয়মকানুন মেনে চলার প্রচলন রয়েছে। তাই বাড়ির পুজোর জন্য মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটি খেয়াল করার পরামর্শ দেওয়া হয়।গণেশের বাহন ইঁদুর থাকা কি জরুরি?ভগবান গণেশের বাহন ইঁদুর। তাই মূর্তি কেনার সময় গণেশের পায়ের কাছে তাঁর বাহন ইঁদুরের মূর্তি রয়েছে কি না, সেটিও দেখে নেওয়ার কথা বলা হয়।প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির সঙ্গে তাঁর বাহন ইঁদুরের উপস্থিতির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তাই সম্পূর্ণ মূর্তি কেনার সময় এই বিষয়টিও নজরে রাখা হয়।কোন দিকে মুখ করে থাকবে গণেশের মূর্তি?বাড়িতে গণেশের মূর্তি স্থাপনের ক্ষেত্রে দিকেরও গুরুত্ব রয়েছে বলে বাস্তুশাস্ত্রে প্রচলিত মত রয়েছে। সেই অনুযায়ী, গণেশের মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকে রেখে মূর্তি স্থাপন করা শুভ বলে মনে করা হয়। পুজোর সময়ও গণেশের মুখ যেন পূর্ব অথবা উত্তর দিকে থাকে, সেদিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।তবে গণেশের মূর্তির আকার, ভঙ্গি, শুঁড়ের দিক কিংবা মূর্তি স্থাপনের দিক নিয়ে প্রচলিত এই ধারণাগুলি মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্রভিত্তিক মত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১৪ নাকি ১৫ সেপ্টম্বর, কবে পালিত হবে গণেশ চতুর্থী? জানুন ঠিক কোন সময়ে পুজোয় মিলবে দ্বিগুণ আর্শীবাদ?

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব গণেশ চতুর্থী। গণেশোৎসব নামেও পরিচিত এই উৎসব ভগবান গণেশের জন্মতিথি হিসেবে পালিত হয়। জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবতা গণেশের আরাধনা করে ভক্তরা সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতেই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল। সাধারণত ১০ দিন ধরে চলে এই উৎসব। অনন্ত চতুর্দশীর দিন গণেশ বিসর্জনের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি হয়।গণেশ চতুর্থী ২০২৬ কবে?দ্রিক পঞ্চাঙ্গ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। গণেশ বিসর্জন হবে শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর। উৎসবের শুরুতে বাড়ি ও বিভিন্ন মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো, প্রার্থনা ও আরতির মাধ্যমে চলে বাপ্পার আরাধনা। ফুল, ধূপ, প্রদীপ, ফল, মিষ্টি এবং বিশেষ করে মোদক নিবেদন করা হয় গণেশকে।গণেশ চতুর্থী ২০২৬-এর পুজোর শুভ মুহূর্তগণেশ পুজোর ক্ষেত্রে মধ্যাহ্নকালকে বিশেষ শুভ বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সময়েই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল।১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ পুজোর শুভ সময়:সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত।গণেশ চতুর্থীর তিথি শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৬ মিনিটে এবং শেষ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে।শহরভেদে গণেশ পুজোর শুভ সময়বিভিন্ন শহরে স্থানীয় সময় অনুযায়ী গণেশ পুজোর শুভক্ষণে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।পুনে: সকাল ১১টা ১৬ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৪ মিনিটনয়াদিল্লি: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচেন্নাই: সকাল ১০টা ৫১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ১৮ মিনিটজয়পুর: সকাল ১১টা ৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৬ মিনিটহায়দরাবাদ: সকাল ১০টা ৫৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৫ মিনিটগুরগাঁও: সকাল ১১টা ৩ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচণ্ডীগড়: সকাল ১১টা ৪ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৩ মিনিটকলকাতা: সকাল ১০টা ১৮ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটমুম্বই: সকাল ১১টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৮ মিনিটবেঙ্গালুরু: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৮ মিনিটআহমেদাবাদ: সকাল ১১টা ২১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৯ মিনিটনয়ডা: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটকীভাবে পালিত হয় গণেশ চতুর্থী?গণেশ চতুর্থীর উৎসব শুরু হয় বাড়ি বা মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো ও আরতি করা হয়। ভক্তরা বাপ্পাকে ফুল, ফল, দূর্বা, ধূপ এবং বিভিন্ন মিষ্টি নিবেদন করেন। এর মধ্যে গণেশের প্রিয় মিষ্টি হিসেবে মোদকের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।অনেক পরিবারে গণেশের মূর্তি বাড়িতে এনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কয়েক দিন ধরে পুজো করা হয়। অন্যদিকে, বিভিন্ন শহর ও এলাকায় বড় বড় মণ্ডপ তৈরি করে গণেশোৎসবের আয়োজন করা হয়। পুজোর পাশাপাশি সেখানে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি, সঙ্গীতানুষ্ঠান, খাবারের আয়োজন এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগও দেখা যায়।উৎসবের শেষ দিনে গণেশের মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জলাশয়ে বাপ্পার বিসর্জনের মাধ্যমে গণেশোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

রাশি অনুযায়ী বেছে নিন গণপতি বাপ্পার মূর্তির রং, কোন রাশির জন্য কোন রং শুভ?

গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে বাড়িতে গণপতি বাপ্পার মূর্তি স্থাপনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন ভক্তরা। মূর্তি কেনার সময় সাধারণত আকার, রূপ, ভঙ্গি এবং পুজোর নিয়মের দিকে নজর দেওয়া হয়। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির রঙেরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বিভিন্ন রঙের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রহ এবং তাদের বৈশিষ্ট্যের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়। সেই বিশ্বাস অনুযায়ী, নিজের রাশি অনুসারে গণেশের মূর্তির রং বেছে নিলে শুভ ফল পাওয়া যেতে পারে।২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে ১৪ সেপ্টেম্বর। প্রচলিত জ্যোতিষীয় মতে, ওই সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করবে। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কোন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়।মেষ ও বৃষ রাশির জন্য লাল ও হালকা গোলাপিমেষ রাশির অধিপতি গ্রহ মঙ্গল। জ্যোতিষশাস্ত্রে মঙ্গলের সঙ্গে লাল রঙের সম্পর্ক রয়েছে। তাই মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য লাল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সাহস, কর্মশক্তি ও সংকল্পের প্রতীক। জীবনের বাধা কাটিয়ে এগিয়ে যেতে লাল গণপতির আরাধনা ফলদায়ক হতে পারে বলে বিশ্বাস।বৃষ রাশির অধিপতি শুক্র। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ক্রিম বা হালকা গোলাপি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, আরাম, সম্প্রীতি ও স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।মিথুন ও কর্কটের জন্য সবুজ ও সাদামিথুন রাশির অধিপতি বুধ। তাই মিথুন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, সবুজ রং বুদ্ধি, যোগাযোগ, শিক্ষা ও ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কিত।কর্কট রাশির অধিপতি চন্দ্র। তাই এই রাশির জন্য সাদা রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। সাদা রং শান্তি, পবিত্রতা, মানসিক স্থিরতা এবং পারিবারিক সম্প্রীতির প্রতীক বলে বিশ্বাস করা হয়।সিংহ ও কন্যার জন্য কমলা ও সবুজসিংহ রাশির অধিপতি সূর্য। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কমলা, জাফরান বা হালকা সোনালি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং আত্মবিশ্বাস, প্রাণশক্তি, নেতৃত্ব এবং অভ্যন্তরীণ শক্তির প্রতীক।কন্যা রাশির অধিপতিও বুধ। তাই কন্যা রাশির জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি উপযুক্ত বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে মনে করা হয়। সবুজ রং বুদ্ধি, দক্ষতা ও যোগাযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।তুলা ও বৃশ্চিকের জন্য গোলাপি ও মেরুনতুলা রাশির অধিপতি শুক্র। তাই এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গোলাপি এবং হালকা নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, সম্পর্কের ভারসাম্য, সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক।বিশেষ করে ২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থীর সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করার বিষয়টিকেও জ্যোতিষীয় দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গাঢ় লাল বা মেরুন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং শক্তি, মানসিক সাহস এবং নিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।ধনু ও মীনের জন্য হলুদধনু রাশির অধিপতি বৃহস্পতি। তাই ধনু রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। হলুদ রং শিক্ষা, সমৃদ্ধি এবং আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতীক বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়।মীন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। বৃহস্পতির সঙ্গে হলুদ রঙের সম্পর্ক থাকায় এই রঙকে জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।মকর ও কুম্ভের জন্য মাটির রং ও নীলমকর রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ধূসর, পাথুরে বা মাটির মতো বাদামি রঙের গণেশ মূর্তি বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই রং শনির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও ধীরস্থির অগ্রগতির প্রতীক বলে মনে করা হয়।অন্যদিকে, কুম্ভ রাশির জন্য নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে জ্যোতিষীয় বিশ্বাস রয়েছে। নীল রং স্থিরতা, গভীরতা ও মানসিক দৃঢ়তার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।তবে রাশি অনুযায়ী গণেশ মূর্তির রং বেছে নেওয়ার এই ধারণাগুলি মূলত জ্যোতিষশাস্ত্র ও ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে প্রচলিত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ও পছন্দ ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal