• ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩, রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Film

বিনোদুনিয়া

ধনিয়াখালী শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের মঞ্চে সন্মাননা পেলেন পরিচালক রাজকুমার দাস

হুগলীর ধনিয়াখালীতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দুদিনের শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। রাজু মালিক ফিল্ম প্রোডাকশনের উদ্যোগে উক্ত ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল আয়োজিত করা হয়। প্রায় ত্রিশজন পরিচালকের ছবি উক্ত উৎসবে মনোনীত হয়ে প্রদর্শিত হয়। উক্ত উৎসবে পরিচালক রাজকুমার দাস পরিচালিত ও অভিনীত দা ব্লাইন্ড ভীষন-সেফ লাইফ সেভ ড্রাইভ এর উপর ভিত্তি করে সমাজ সচেতনতা মূলক ছবিটি দেখানো হয়।দর্শকদের কাছে সমাদৃত হয়। এদিনের মঞ্চে পরিচালক রাজকুমার দাসের হাতে সন্মাননা স্মারক ও মানপত্র তুলে তাকে সংবর্ধনা জানানো হয়। উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক পঙ্কজ সেন, চিত্রগ্রাহক-অরিন্দম ভট্টাচার্য, পরিচালক অজন্তা দেব বর্মণ, বাদল সরকার,অরূপ মুখার্জী,ধনঞ্জয় মন্ডল প্রমুখ।পরিচালক রাজকুমার দাস বলেন যেকোন সন্মান পাওয়া মানে আরও মানুষের জন্য ভালো ভালো ছবি করে যাওয়ার ইচ্ছা শক্তিকে বাড়িয়ে দেয়,তাই মানুষের ভালোবাসা পেয়ে ভালো লাগছে। ইতিমধ্যেই রাজকুমার পরিচালিত নীল বিষ,অন্তরালে,চোরাবালি, বলিদান,বীর তিতুমীর, পল্লী কবি কুমুদ রঞ্জন ,জার্নি অব লাইফ, মিশন টলিউড, প্রমুখ ফিল্ম শর্ট ফিল্ম ও তথ্যচিত্র বানিয়ে দর্শকদের কাছে বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছেন। আগামীতে কাজ করছেন আরও বেশকিছু নতুন ছবি। ধনিয়াখালী ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে র উদ্বোধন করেন স্থানীয় বিধায়ক অসীমা পাত্র। আয়োজনে ছিল চিত্রপরিচালক রাজু মালিক। উৎসবটি দ্বিতীয় বছরে পড়লো। আগামী দিনে এই উৎসব সুচারু ভাবে এগিয়ে চলুক। শুভেচ্ছা রইলো।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'রং দে বসন্তী'-র ১৬ বছর পার

আজ থেকে ১৬ বছর আগের ঘটনা। ২০০৬ সালের ২৬ জানুয়ারি বড়পর্দায় মুক্তি পায় রাকেশ ওমপ্রকাশ মেহরার ছবি রং দে বসন্তী। আমির খান, মাধবন, শরমন জোশী, সোহা আলি খান সহ আরও অনেক তারকা এই ছবিতে অভিনয় করেন। এই ছবির গান খুব হিট হয়েছিল। এখনও তার জনপ্রিয়তা কমেনি। ২৬ জানুয়ারি পরিচালক এই ছবির গান নিয়ে লতা মঙ্গেশকরের কথা বললেন। রাকেশের কথায়, লতাজি নিজেই জানালেন, তিনি ৯-১০ নভেম্বর নাগাদই চেন্নাইতে রহমানের স্টুডিওতে চলে আসবেন। আমরা সবাই ভেবেছিলাম, অন্য কোনও প্রয়োজনে আগে চলে আসছেন। পরে জানলাম, লতাজি শুধুমাত্র আগে মহড়া দিয়ে নিখুঁত ভাবে গানটা গাইবেন বলেই আগে চলে এসেছেন। এত বড় এক জন মানুষ, এখনও এমন করতে পারেন, আমাদের কল্পনাতেও আসেনি! অবশ্য তখনও জানি না, লতাজি এর চেয়েও বেশি অবাক করে দেবেন আমাদের! রাকেশ বলেন, সে দিন ছিল লুকাছুপির রেকর্ডিং। ঠিক সময়ে লতাজি পৌঁছে গেলেন স্টুডিওয়। তার পর টানা ৮ ঘণ্টা মাইকের সামনে। ঠায় দাঁড়িয়ে। আমরা চেয়ার রেখেছিলাম পাশে। বসেননি। ৮ ঘণ্টা ধরে ও ভাবেই পুরো গান রেকর্ডিং করেছিলেন অত বড় এক জন শিল্পী। আমরা হাঁ করে দেখেছিলাম সবটা। শিখেছিলাম ওনার থেকে। সাধে কি লতাজি কিংবদন্তী! এদিন অভিনেতা শরমন জোশী ইন্সটাগ্রামে এক পোস্ট দিয়েছেন। রং দে বসন্তী-র একটা ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, এই মহাকাব্যিক চলচ্চিত্রের১৬ তম বার্ষিকীতে স্ক্রিপ্টটি পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। এই পরিবারের একটি অংশ হতে পেরে তাই গর্বিত। কি একটা সময় ছিল আমাদের!

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

‘চার এক্কে প্যাঁচ'-র জন্য জোড়া পুরস্কার পেলেন পরিচালক অরূপ সেনগুপ্ত

চালচ্চিত্র রোলিং অ্যাওয়ার্ড-এ জোড়া পুরস্কার পেল পরিচালক অরূপ সেনগুপ্তের ছবি চার এক্কে প্যাঁচ। গত ২ বছরের বন্দি দশা কাটিয়ে সাধারণ মানুষকে সিনেমা আবার হলমুখী করাচ্ছে। পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবির পাশাপাশি এই প্রতিযোগিতায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সামিল হয়েছে স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবিও। আর এই প্রতিযোগিতায় বেস্ট কমেডি ফিল্ম এবং বেস্ট এন্থুসিয়াস্টিক ফিল্মমেকার পুরস্কার জিতল অরূপ সেনগুপ্তের স্বল্প দৈঘ্যের ছবি চার এক্কে প্যাঁচ।এই ছবির পুরো শুটিং এক দিনের শেষ করেছেন পরিচালক ও তার টিম। শুটিং হয়েছে বারুইপুর স্কুল ও যাদবপুরে। এখন বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালের জন্য পাঠানো হয়েছে ছবিটা। সেইসব ফেস্টিভ্যাল থেকে ভালো কিছু ফিডব্যাক পাবেন আশাবাদী অরূপ সেনগুপ্ত।পরিচালক জনতার কথা-কে জানিয়েছেন, আমার ছবিটা ১৭ মিনিট এর। একটি কমেডি শর্টফিল্ম। এই স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবিতে অভিনয় করেছেন অসীম রায়চৌধুরী, দেবমাল্য গুপ্ত, ঈশিকা রায়, রাজ্জাক হোসেন, প্রিয়াঙ্কা সরকার। ছবির গল্প লিখেছেন বোধিসত্ব মজুমদার। চিত্রগ্রাহক রতন মন্ডল। সংগীত পরিচালকের দায়িত্ব সামলেছেন অরিন। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন নিখিল আগরওয়াল। এরকম একটা অ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় পরিচালক হিসাবে ভালো কাজ করার উৎসাহটা আরও বেড়ে গেল।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সাংবাদিক থেকে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির পুরস্কার বিজেতা পরিচালক মুখোমুখি জনতার কথার

সৌম্যদীপ ঘোষ চৌধুরী, বহুল প্রচারিত সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বিনোদন বিভাগে সাংবাদিকতা করতে করতে সিনেমা বানানোর প্রতি ভালোবাসা জন্মায়। সেই ভালোবাসার টানেই সাংবাদিকতা ছেড়ে ২০১৭ থেকে এখনও অবধি ছবি নির্মাণেই নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন। সম্প্রতি গোল্ডেন মিরর ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির পুরস্কার জিতে নিল তাঁর এলএসসি। এলএসসি দিয়ে শুরু করে, সাংবাদিক থেকে চিত্র পরিচালক হয়ে ওঠার জার্নি ফোন-ইন্টারভিউতে জনতার কথা-র সায়ন্তন সেনের সঙ্গে শেয়ার করলেন সৌম্যদীপ।জনতার কথাঃ আপনার ছবি গোল্ডেন মিরর ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির পুরস্কার জিতে নিল। যেখানে গৌতম ঘোষের মত একজন ফিল্মমেকার উপস্থিত ছিলেন। সেখানে পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতিটা কেমন ছিল?সৌম্যদীপঃ যে কোনও ফেস্টিভ্যালে পুরস্কার পাওয়া ব্যাপারটা খুবই ইন্টারেস্টিং। ভালোই লাগে। পুরস্কারের থেকে বড় জিনিস হল ছোট ছবি দেখা এবং দেখানোর পরিসরটা তো খুব একটা বেশি নেই। বাংলা ছবির ক্ষেত্রে সেটা খুবই কম। এই ছোট-বড় যে কোনও ফেস্টিভ্যালে এই ছোট ছবি দেখা এবং দেখানোর যে পদ্ধতি থাকে সেটা সবসময়ই খুব ভালো লাগে। গৌতম ঘোষের মতো একজন সিনিয়র পরিচালক যখন এরকম একটা ফেস্টিভ্যালে থাকেন এবং বসে ছবি দেখেন সেটা একটা আলাদা অনুভূতির জায়গা। এঁরা ছোট ছবিকে ছোট পর্যায়ে রাখেন না। এঁদের প্রেসেন্সেটা পরিসরটাকে অনেকটা বড় করে তোলে।পুরস্কার বিতরনজনতার কথাঃ এলএসসি নিয়ে যদি সংক্ষেপে কিছু বলেন...সৌম্যদীপঃ এটার ফুল ফর্ম লাইক, শেয়ার, কমেন্ট (Like, Share, Comment)। সেটাকেই শর্ট করে এলএসসি করা হয়েছে। ইট সাউন্ডস লাইক এলএসডি। এলএসডি যেমন একটা ড্রাগ হয় তেমনই লাইক, শেয়ার, কমেন্টটাও এই জেনারেশনের কিছু মানুষের কাছে খানিকটা ড্রাগের মতোই পৌঁছাচ্ছে। সেটার কি কি খারাপ দিক আছে এবং সেটা কতটা খারাপ হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ার সেই জার্নিটা নিয়েই পুরো কাহিনীটা তৈরি করা। আগে কুকুরকে আমরা চেন দিয়ে বেঁধে রাখতাম। এখন ফোনের চার্জারের তারটা আমাদের সুইচবোর্ডের সঙ্গে বেঁধে রাখে। এই ছবির গোটা কনসেপ্টটাই এটা নিয়ে।জনতার কথাঃ ছোট ছবি মানেই ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফিল্ম। আপনারটাও নিশ্চয় সেটাই...সৌম্যদীপঃ ছোট ছবি মানেই বেশিরভাগ ইন্ডিপেন্ডেন্ট ছবি, কিন্তু এটা ইন্ডিপেন্ডেন্ট ছবি না। এলএসসির প্রযোজক সোমনাথ দে। উনি আপাদমস্তক একজন কর্পোরেট মানুষ, দীর্ঘদিন ভারতের বাইরে কাটিয়ে দেশে ফিরে দেশের মানুষের জন্য কিছু করার উদ্যোগে নিচ্ছিলেন, আই অ্যাম ফরচুনেট যে, ওনার সঙ্গে সেই মুহূর্তে আমার দেখা হয়। এটা তারও প্রথম প্রযোজনা। আর এটা পুরোটাই বানানো হয়েছে হিন্দিতে। বাংলা শর্ট ফিল্ম করলে দর্শক তো পাওয়া যায় না, বিক্রি করারও জায়গা পাওয়া যায় না। কিন্তু হিন্দিতে শর্ট ফিল্ম করাতে কেনার পরিসরটা অনেকটা বড় এবং ডিস্ট্রিবিউশনটাও ভালো হয়। আমি লাকি যে সোমনাথ দে এই ছবি প্রযোজনা করতে রাজি রয়েছেন এবং তাঁর কাছে মনে হয়েছে এটা সমাজের জন্য খুব দরকারি একটা ছবি। প্রযোজক খুব সাপোর্ট করেছেন।জনতার কথাঃ এই ছোট ছবিটা কতক্ষণের এবং কে কে অভিনয় করেছেন?সৌম্যদীপঃ এটা ১৮ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের। মূল চরিত্রে প্রশান্ত সূত্রধর। এছাড়া রয়েছেন স্বস্তি দাস, মৌমিতা বি বোস।পরিচালক ও প্রযোজক সোমনাথ দেজনতার কথাঃ বাংলাতে বিগত দু-তিন বছরে অনেক শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল হচ্ছে। এই শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উপযোগিতা কতটা রয়েছে বা স্বচ্ছতা কতটা আছে?সৌম্যদীপঃ বাংলায় অনেক শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল হচ্ছে। তার একটা ভালো দিকও আছে। আবার একটা খারাপ দিকও আছে। ভালো দিক হল প্রচুর কন্টেন্ট তৈরি হবে। আবার প্রচুর আবোল-তাবোল কন্টেন্টও তৈরি হবে। গুণগত মানটাও কমে যায়। লকডাউনে আমি এরকম অনেক ছবি দেখেছি যারা কেউ প্রপার ফিল্মমেকার না। ফলে কোয়ালিটি ফল করছে। আর স্বচ্ছতার কথা বললে আমি খুব সহজভাবে বলি সব ফেস্টিভ্যালের খুব স্বচ্ছতা থাকে না। অস্বচ্ছতা বেশিরভাগ ফেস্টিভ্যালেরই আছে, তবে সব ফেস্টিভ্যালেরই যে আছে এমনটাও বলতে পারছি না। শর্টকাট ওয়েতে একটা অ্যাওয়ার্ড হয়তো পাওয়া যেতে পারে কিন্তু তাতে ভালো ছবি হয় না। কোনও ছবি বানানোর পর আমি যদি অ্যাওয়ার্ডের জন্য কাউকে রিকোয়েস্ট করি তার মানে সেই ছবির গুণগত মান ভালো হয়নি বলেই কিন্তু আমি রিকোয়েস্ট করছি। সেরকম একটা ছবি ফেস্টিভ্যালে পাঠানো ঠিক না। তাহলে শিল্পের গুণগত মান পড়বে বলেই আমার ধারনা। অ্যাওয়ার্ড পাওয়াটাই যদি মূল উদ্দেশ্য হয় সেটা খুব একটা ভালো ব্যাপার নয়।জনতার কথাঃ আপনার আপকামিং আর কি কি ছবি আসছে?সৌম্যদীপঃ আমার একটা ফিট অ্যান্ড ফো ছবি হল। যেখানে ক্যাকটাসের সিধু দা এবং সায়নী দত্ত অভিনয় করেছেন। এটা ৩০ মিনিটের একটা শর্ট এবং এটাই আমার শেষ শর্ট ফিল্ম। আমি এখন ফিচার ফিল্ম ও ওয়েব সিরিজের দিকে মন দিয়েছি।জনতার কথাঃ পেজ থ্রি জার্নালিস্ট থেকে পরিচালনায় আসায় কোনও সুবিধা কি পেয়েছেন?সৌম্যদীপঃ সুবিধা তো পেয়েছি। কন্ট্যাক্ট তৈরি হয়েছে। নাওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীকে আমি নাওয়াজ বলে ডাকতে পারি। ওর সঙ্গে একটা ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে। আদিল হুসেন, পঙ্কজ ত্রিপাঠীর সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব তৈরিই হত না আমি টাইমস-এ চাকরিটা না করলে। সাংবাদিক থেকে ফিল্ম ডিরেক্টর হওয়ায় সাংবাদিক পরিমণ্ডলে থাকা আমার সাংবাদিক বন্ধুরা আমাকে খুব ভালোভাবে গ্রহণ করেছে।গৌতম ঘোষ ও পরিচালক সৌম্যদীপজনতার কথাঃ শেষ প্রশ্ন, আগামি দিনে কি সাংবাদিকতায় ফেরার ইচ্ছে রয়েছে আপনার?সৌম্যদীপঃ না সেরকম ইচ্ছে নেই। পরিচালনা করছি, বই লিখছি এটাই ঠিক আছে। বইমেলায় আমার নতুন বইও প্রকাশ পাচ্ছে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'পরজীবী'-র জন্য সেরা অভিনেত্রী রূপ দে

পরিচালক রজত সাহার ও তাঁর পরজীবী টিমের জন্য খুশির খবর। তাঁর স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি পরজীবী ক্যালকাটা ইন্টারন্যাশনাল কাল্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে নিল। সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই বেশ খুশি অভিনেত্রী রূপ দে। রজতের পোস্ট শেয়ার করে রূপ লেখেন,পুরো টিমকে শুভেচ্ছা। পরিচালক রজত দে ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, আমার ছবি পরজীবী ক্যালকাটা ইন্টারন্যাশনাল কাল্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে নিল। টিমকে অনেক শুভেচ্ছা।উল্লেখ্য পরজীবী তে রূপ দে ছাড়াও অভিনয় করেছেন পৃথ্বীরাজ চৌধুরী, ফিরোজ শাহ এবং অনিমেষ চক্রবর্তী। অভিনেয়ের পাশাপাশি ক্যামেরার দায়িত্ব ও সামলেছেন অনিমেষ। অন্যদিকে পরিচালনার পাশাপাশি এই ছবির সম্পাদনার কাজটাও সামলেছেন রজত দে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
কলকাতা

KIFF: করোনা উদ্বেগে স্থগিত কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসব

শেষ রক্ষা হল না। সবরকমের ব্যবস্থা নিয়েও কোভিডের কারণে শেষ মুহূর্তে স্থগিতই হয়ে গেলো ২৭ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব।কারণ করোনা থাবা বসিয়েছে খোদ চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজক কমিটির অন্দরেই।প্রশাসনিক সূত্রের খবর বৃহস্পতিবার চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজক কমিটির প্রধান রাজ চক্রবর্তী, কমিটির সদস্য পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় সহ কয়েকজন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।এর জেরেই তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় উৎসব স্থগিত রাখার।নবান্ন থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলচ্চিত্র উৎসবের সঙ্গে জড়িত অনেকেই সংক্রমিত হয়েছেন। সেকারণেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সাধারণ মানুষের নিরপত্তার কথা ভেবে চলচ্চিত্র উৎসব আপাতত স্থগিত রাখা হল।পরিবর্তিত দিনক্ষণ যথাসময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।এবারে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব রীতিমত কোভিড আবহেই অনুষ্ঠিত হতে চলেছিল। এর জন্য কড়া বিধিও দর্শকদের মেনে চলতে হবে বলে কর্তৃপক্ষের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। যে ১০টি প্রেক্ষাগৃহে এবারে চলচ্চিত্র উৎসবের সিনেমা ও শর্ট ফিল্মগুলি দেখানো হবে সেগুলির সবকটিতেই ৫০ শতাংশ দর্শকাসনের টিকিট বিক্রি করা হবে বলে জানানো হয়েছিল। কিন্তু এদিন রাজ,পরমব্রতর কোভিড আক্রান্তের খবর সামনে আসার পরেই কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসব স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, পরমের কোভিড আক্রান্তের ঘটনা সামনে আসতেই রাজ চক্রবর্তী কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তারপরেই চলচ্চিত্র উৎসব স্থগিত রাখার কথা ঘোষণা করা হয়এর ২৪ ঘন্টা আগেই শিশির মঞ্চে ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পরম। পাশে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। অরিন্দম শীল, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো তারকারাও সেখানেই ছিলেন। রেখেছেন বক্তব্য, দাঁড়িয়েছেন ফোটোসেশনের জন্যও। সাংবাদিকদের দিয়েছেন বাইটও। এই অভিনেতা এদিন নিজেই টুইট করে এই কথা জানিয়েছেন।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
কলকাতা

KIFF: ৫০ শতাংশ দর্শক নিয়ে ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসব

সব রকম করোনাবিধি মেনে নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। আগামী ৭ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন সভাঘর থেকে ভার্চুয়ালি উৎসবের সূচনা করবেন। সত্যজিৎ রায়ের জন্মশতবর্ষ উদযাপনের অঙ্গ হিসেবে এবার চলচ্চিত্র উৎসবে তাঁর পরিচালিত ছবি অরণ্যের দিনরাত্রি দেখানো হবে উদ্বোধনী ছবি হিসেবে।মঙ্গলবার শিশির মঞ্চে এক সাংবাদিক সম্মেলনে চলচ্চিত্র উৎসবের সহ মুখ্য উপদেষ্টা ইন্দ্রনীল সেন বলেন, এবারের উৎসবের থিম কান্ট্রি ফিনল্যান্ড।সে দেশের সাতটি ছবি উৎসবে দেখানো হবে। উৎসব অধিকর্তা শান্তনু বসু বলেন, নন্দন,রবীন্দ্র সদনশিশির মঞ্চ-সহ ১০ টি প্রেক্ষাগৃহে এবার ছবি দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ কলকাতায় বাড়ছে কনটেনমেন্ট জোন শতবর্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি বিভাগে এবারের উৎসবে দেখানো হবে সত্যজিৎ রায়, চিদানন্দ দাশগুপ্ত ও মিকলস জানস্কোর ছবি। বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ বিভাগে থাকছে বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, দিলীপ কুমার, স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত, জ্যাঁ পল বেলমন্দো ও সুমিত্রা ভাবে প্রমুখের ছবি। সত্যজিৎ রায় স্মারক বক্তৃতা দেবেন পরিচাল সুজিত সরকার। বিশেষ প্রদর্শনী বিভাগে এবার নেতাজিকে নিয়ে নির্মিত তিনটি ছবি দেখানো হবে।৫০ শতাংশ দর্শকাসন নিয়ে নির্ধারিত সময়েই হচ্ছে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। এবছর সত্যজিৎ রায়কে শতবর্ষের শ্রদ্ধা জানানো হবে। আগামী ৭ থেকে ১৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব । প্রতিবছরের মতো এবছরও থাকছে একাধিক নয়া চমক। দেশ-বিদেশের বিখ্যাত চলচ্চিত্র দেখানো হবে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে। কোভিড গাইডলাইন মেনে সামাজিক দূরত্বের কথা মাথায় রেখে অত্যাধুনিক স্মার্ট ডিজাইনের মাধ্যমেই আয়োজিত করা হবে চলচ্চিত্র উৎসব।আরও পড়ুনঃ তৃতীয়বার করোনায় অক্রান্ত বাবুল সুপ্রিয়, আক্রান্ত পরিবারের সদস্যরাওজানা গিয়েছে, কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব প্রখ্যাত অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এর ওপর তথ্যচিত্র আমি সৌমিত্র প্রথমবার প্রদর্শিত হবে। আগামী ১০ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬ টায় ছবিটি দেখানোর কথা। সায়ন্তন মুখোপাধ্যায় পরিচালিত আমি সৌমিত্র তথ্যচিত্রটির ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হিসেবে আছেন সৌমিত্র- কন্যা পৌলোমী বসু। সাতদিন ধরে চলা এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী ছবি অরণ্যের দিন-রাত্রি। এবার সবমিলিয়ে মোট ১০৩টি ফিচার ফিল্ম এবং ৫৮টি শর্ট ফিল্ম ও ডকুমেন্ট্রি প্রদর্শিত হবে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে। চলতি বছর ভারতের অন্যতম চর্চিত এই ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অংশ হতে ৭১টি দেশ থেকে মোট ১৬৯৮ টি আবেদন জমা পড়েছিল, সেখান থেকে বাছাই করে নেওয়া হয়েছে এই ১৬১টি ছবি, ছোট ছবি ও তথ্যচিত্র।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Palok : প্রদর্শিত হল ছোট ছবি 'পালক'

নারীর ক্ষমতায়ন বা Women Empowerment হল বর্তমানে বহুল চর্চিত একটি বিষয়। আজকের নারী শুধুমাত্র স্বামী, সংসার, সন্তান এতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এই সমস্ত কিছু সামলে নিজের কেরিয়ার এবং স্বপ্নকে বাস্তব করে তুলতে বদ্ধপরিকর। এই বার্তা নিয়ে প্রর্দশিত হল স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি পালক।এই ছবিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন পারমিতা ব্যানার্জী। যার নিজের জীবনটাই এই বিষয়ে একটা জলন্ত উদাহরণ। পেশায় স্কুল শিক্ষিকা পারমিতার স্বপ্ন নিজেকে একজন সফল পারফর্মিং আর্টিস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। এবং নিজের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে সে এগিয়ে চলেছে। মডেলিং ক্যরিয়ারে রাম্প ওয়াক, ফোটোশুট, ব্রান্ডশুট, এর পাশাপাশি একজন জাজ হিসেবেও কাজ করেছে সংগে আরও বেশ কিছু আগামী প্রজেক্ট। এবং তার জীবনের গল্পকেই একটি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে পালক-এ।পারমিতা জানালেন এই প্রজেক্টে কাজ করার সুন্দর অভিজ্ঞতার কথা। পালক পরিচালনা এবং তার চিত্রনাট্য করেছেন আকাশ বণিক। এছাড়াও সিনেমাটোগ্রাফি এবং সম্পাদনায় আছেন সত্যজিৎ সি্ংহ নেগি, সংগে সৌনক। ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক করেছেন পীযূষ যা এককথায় দূর্দান্ত। এক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য শুভময় ঘোষের বাঁশি। পালক দেখা যাচ্ছে ক্যালকলিং টিভির ইউটিউব চ্যানেলে।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Tonic : 'টনিক' নিয়ে জনতার কথায় পরিচালক অভিজিৎ সেন

মুক্তি পেল টনিক। ইচ্ছেপূরণের গল্প নিয়ে এই ছবি। বড়পর্দায় পরিচালক অভিজিৎ সেনের এটা প্রথম কাজ। তাই টনিক নিয়ে খুব এক্সাইটেড তিনি। প্রিমিয়ারের দিন তাঁর কথাতেই উঠে এল সেই এক্সাইটমেন্ট।জনতার কথাঃ তোমার এটা ফার্স্ট ফিচার ফিল্ম। কেমন লাগছে? অভিজিৎঃ দারুণ লাগছে। টনিক আজ সিনেমাহলে মুক্তি পেল। এটা স্বাভাবিকভাবেই যেকোনো পরিচালকের বা প্রযোজকের,অভিনেতা-অভিনেত্রী বা কলাকুশলীর যারা টনিক সিনেমার সঙ্গে যুক্ত বা যেকোনো সিনেমার সঙ্গে যুক্ত তাদের ছবি রিলিজ হলে আলাদা একটা উত্তেজনা কাজ করে। মানুষ কেমনভাবে তাদের ছবিটা পছন্দ করছে সেটা ডেফিনেটলি তারা জানতে চায়। সেদিক থেকে আমিও খুব উৎসাহী। মানুষ ছবিটা কতটা ভালোবাসছে বা ছবিটা থেকে কতটা এন্টারটেন হচ্ছে সেটা দেখার জন্য। টনিক একটা ফ্যামিলি ফিল্ম। টনিক পরিবারের সবাই একসাথে বসে হইহই করে দেখার ছবি, মজার ছবি।জনতার কথাঃ পরাণ দা ও দেবের কেমিস্ট্রি নিয়ে কি বলবে?অভিজিৎঃ পরাণ দা ও দেবের অসাধারণ কেমিস্ট্রি এখানে দর্শকরা দেখতে পাবেন। সেটা সিনেমাহলে অলরেডি যে সকল দর্শক দেখেছেন এক কথায় বলছেন অসাধারণ। আমার খুবই ভালো লাগছে প্রথম দিনেই সাধারণ মানুষরা অনেক এনজয় করছেন। জনতার কথাঃ আজকে কি পরিচালক তাহলে লটারি জিতে গেল?অভিজিৎঃ সাধারণ মানুষ যখন আমাদের কাজ ভালোবাসেন, আশীর্বাদ করেন তখন আমাদের পরিশ্রম আর পরিশ্রম থাকে না। সেটাই আমাদের উৎসাহিত করে আরও ভালো কিছু করার জন্য। ল্টারি তো টনিক অলরেডি জিতে গেছে। কিন্তু আমরা চাইব সবাই মিলে সিনেমাহলে আসুন, সিনেমা দেখুন। আর একটা কথা বলবো বাঙালি ভ্রমণ ভালোবাসে। সেই ভ্রমণের একটা ভালো জায়গা আমরা তুলে ধরেছি এই টনিকে।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Haami-2 : আজ থেকে শুরু হল ‘হামি-২’র শুটিং

২০১৮ সালে হামি বিপুল সাফল্য লাভ করে। সেদিক মাথায় রেখেই হামি-২ নিয়ে আসছে উইন্ডোজ প্রোডাকশন হাউস। পরিচালক ও অভিনেতা শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই খবরটি জানিয়েছেন। তিনি হামি২-র লাল্টুর ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন,তৃতীয়বার লাল্টু। পদবী ও পেশা চমক রইল। কাল থেকে শ্যুটিং শুরু। আশীর্বাদ করুন যেন আপনাদের মন রাখতে পারি। সবার জন্য রইল অনেক হামি। গতকাল এই পোস্টটি তিনি করেন। অর্থাৎ আজ থেকে শুরু হল এই ছবির শুটিং। ২০২০ সালের মার্চ মাসে হামি-২র শুটিং শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার জন্য শুটিং এর তারিখ পিছিয়ে যায়। অবশেষে ২০২১ এর শেষে এই ছবির শুটিং শুরু করল উইন্ডোজ প্রোডাকশন। এর আগে হামি তে ভুতুর বাবা লাল্টু বিশ্বাস এবং রামধনু তে লাল্টু দত্তর চরিত্রে অভিনয় করেছেন শিবপ্রসাদ। ছাপোষা বাঙালির চরিত্রে তাকে দর্শকরা যথেষ্ট পছন্দ করেছেন। শোনা যাচ্ছে হামি তে যারা অভিনয় করেছেন হামি-২ তেও তারাই রয়েছেন। উইন্ডোজ প্রোডাকশনের ২০২২ এ অনেকগুলো ছবি তাদের পাইপলাইনে রয়েছে। ফেব্রুয়ারি- বাবা বেবি ও, ২০ মে - বেলা শুরু, ১৭ জুন - লক্ষ্মী ছেলে এবং সব ঠিক থাকলে, আগামী বছর বড়দিনে অর্থাৎ ২৩ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে হামি ২।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Dev : 'নো প্যানিক অনলি টনিক' দর্শকদের মনের টনিক হয়ে উঠতে তৈরি দেব

নো প্যানিক অনলি টনিক। অভিজিৎ সেনের পরিচালিত ছবি এবং বেঙ্গল টকিজের প্রযোজিত ও দেব এন্টারটেনমেন্ট ভেঞ্চারসের সহ-প্রযোজনায় টনিক মুক্তি পাচ্ছে আগামী ২৪ ডিসেম্বর। দেবের জন্মদিন ২৫ ডিসেম্বর। জন্মদিনের ঠিক আগের দিন মুক্তি পাচ্ছে টনিক। টনিক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করেছেন দেব। ছবিতে দেখা যাচ্ছে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছেন এই টলি স্টার। পরনে একটা টিশার্ট। যেখানে লেখা নো প্যানিক অনলি টনিক। মূলত ইচ্ছেপুরণের গল্প বলবে টনিক। এখানে দেব একজন ট্র্যাভেল এজেন্সির কর্মী। দুই বয়স্ক দম্পতির ইচ্ছেপুরণ করবেন তিনি। যে চরিত্রে দেখা যাবে পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও শকুন্তলা বড়ুয়া কে। এছাড়াও রয়েছেন সুজন মুখোপাধ্যায়, কণীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, রজতাভ দত্ত, বিশ্বনাথ বসু প্রমুখ। টনিক-এ পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কে একদম অন্যভাবে দেখবেন দর্শকরা। রিভার রাফটিং,প্যারা গ্ল্যাইডিং থেকে পাহাড়ে চড়া কিছুই বাদ নেই তার। এবারের দুর্গাপুজোয় মুক্তি পেয়েছে দেবের গোলন্দাজ। যে ছবিটি দর্শকমহলে বেশ সাড়া ফেলেছে। এবার পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাণের টনিক হয়ে নতুন্রুপে দেখা যাবে দেব কে। বেশ কিছুদিন আগে ছবির ট্রেলার লঞ্চের পর মিউজিক লঞ্চও হয়ে গেছে। দেব জানিয়েছেন গল্পের দিক থেকে টনিক তার জীবনের এখনও পর্যন্ত সেরা ছবি হতে চলেছে।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

8/12 : মুক্তি পেল বহু প্রতীক্ষিত ছবি '৮/১২'-র ট্রেলার

কান সিং সোধার প্রযোজনা সংস্থা KSS Productions and Entertainment প্রযোজিত আসন্ন ছবি ৮/১২ (বিনয় বাদল দীনেশ সাগা) ছবির ট্রেলার লঞ্চের সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল। বিবাদিবাগে, বিনয় বাদল দীনেশের প্রতিমূর্তির সামনে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। প্রতিমূর্তিতে মাল্যদানের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। ৮/১২ (বিনয় বাদল দীনেশ সাগা) ছবির ট্রেলার লঞ্চ সেই বিশেষ দিনেই করা হয়, ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দে যেদিন রাইটার্স বিল্ডিং-এ অনুপ্রবেশ করেন বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত ও দীনেশ গুপ্ত এবং অত্যাচারী সিম্পসন সাহেবকে উপযুক্ত শাস্তি দেন ভারতবর্ষকে ব্রিটিশ শাসন মুক্ত করার জন্য। ৮/১২ ছবির মধ্যে দিয়ে যে সেই ঐতিহাসিক ঘটনাই পরিবেশিত হতে চলেছে দর্শকদের সামনে, ছবির ট্রেলারেই তা সুস্পষ্ট। এগারো ও হীরালাল খ্যাত পরিচালক অরুণ রায় পরিচালিত এই ছবিতে বিনয় বসু -র ভূমিকায় অভিনয় করেছে কিঞ্জল নন্দ। বাদল গুপ্ত-র ভূমিকায় অভিনয় করেছে অর্ণ মুখোপাধ্যায় ও দীনেশ গুপ্ত-র ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রেমো। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, খরাজ মুখোপাধ্যায়, শংকর দেবনাথ, দেবরাজ মুখোপাধ্যায়, অনুষ্কা চক্রবর্তী, গুলশনারা খাতুন প্রমুখ। ট্রেলার মুক্তির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছবির সব কলাকুশলীরা। প্রযোজক কান সিং সোধা, পরিচালক অরুণ , কিঞ্জল নন্দ, অর্ণ মুখোপাধ্যায়, রেমো, গুলশনারা খাতুন, অনুষ্কা চক্রবর্তী এবং ছবির সংগীত পরিচালক সৌম্য ঋত - র উপস্থিতিতে হয়ে গেলো ছবির ট্রেলার মুক্তির অনুষ্ঠান। ট্রেলার মুক্তির বিষয়ে বলতে গিয়ে প্রযোজক কান সিং সোধা জানালেন, এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আমি গর্বিত। আমি গর্বিত এক ভারতীয় হিসেবে যে আমি আজকের এই বিশেষ দিনে এই মঞ্চে দাড়িয়ে বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত ও দীনেশ গুপ্তের মতন প্রতঃস্মরণীয় স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি দিতে পারছি। ১৯৩০ সালের আজকের দিনে রাইটার্স বিল্ডিং এ ব্রিটিশ পোশাক পরে অনুপ্রবেশ করে অত্যাচারী সিম্পসন কে হত্যা করেছিলেন বিনয় বদল দীনেশ। এই তিন তরুণ তাদের ব্যাক্তিগত স্বার্থের কথা ভাবেননি, ভাবেননি নিজেদের খুশির কথা, কেবল দেশকে পরাধীনতা থেকে অত্যাচার থেকে মুক্ত করতে নিজেদের প্রাণ বলিদান দিয়েছেন তারা। এই তিন বীরের বীরগাঁথা নিয়েই ৮/১২, আমি গর্বিত এই ছবির প্রযোজক হিসেবে, এমন তিনজন সংগ্রামী বীরের কাহিনী আমরা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারছি। এই ছবির সঙ্গে অনেক পরিশ্রম, অনেক আত্মত্যাগ জড়িয়ে আছে। আশা করি ছবির ট্রেলার সকলের ভালো লাগবে। আসন্ন বছরের জানুয়ারি মাসেই দর্শক বিনয় বদল দীনেশের বীরত্বের কাহিনী বড় পর্দায় দেখতে পাবেন বলে আশা করছি। ছবির পরিচালক অরুণ রায় জানান, ভারতবাসীর স্বাধীনতা অনেক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ফসল। বিনয় বাদল দীনেশের আত্মবলিদানের কথা আমরা বর্তমানে অনেকেই প্রায় ভুলে গিয়েছি। ১৯৩০ সালে ৮ই ডিসেম্বর, রয়টার্স বিল্ডিং এ তাদের ঐতিহাসিক অনুপ্রবেশ - ই আমাদের ছবির মধ্যে দিয়ে পরিবেশিত হতে চলেছে। ট্রেলারে ও প্রকাশিত তারই ঝলক। আশা করি এই ট্রেলার আপনাদের ভালো লাগবে।বিবাদি বাগে কর্মরত পুলিশ কর্তাদের সামনেই লঞ্চ করা হয় এই ট্রেলার। তাদের মধ্যেই অন্যতম উচ্চ পদস্থ এক পুলিশ কর্তা জানালেন, ৮/১২ (বিনয় বাদল দীনেশ সাগা) ছবির এই ট্রেলার আমার মনে এক আশ্চর্য শিহরণ জাগিয়ে দিল।। ট্রেলার দেখতে দেখতে আমাদের প্রশিক্ষণের সময়ের কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল। এগারো ছবির সময় থেকেই অরুণ রায়ের ছবির ভক্ত আমি।।এই ছবির ট্রেলার দেখে আমি নিশ্চিত যে ভারতবাসী এই ছবি দীর্ঘ দিন মনে রাখতে চলেছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Antardhan : ১০ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে অন্তর্ধান, মুক্তি পেল এই ছবির গান

আগামী ১০ ডিসেম্বর বড়পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে পরিচালক অরিন্দম ভট্টাচার্যের ছবি অন্তর্ধান। এই ছবিরই মিউজিক লঞ্চ হয়ে গেল দক্ষিণ কলকাতার একটি হোটেলে। অন্তর্ধান একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। হিমাচল প্রদেশের কসৌলীতে। ক্লাস এইটের এক মিষ্টি মেয়ে জিনিয়াকে নিয়েই গড়ে উঠেছে ছবির প্লট। এই চরিত্রে অভিনয় করেছে মোহর চৌধুরী। মা-বাবার সঙ্গে হিমাচলে থাকে জিনিয়া। মা-বাবার চরিত্রে রয়েছেন পরমব্রত এবং তনুশ্রী। সুখেই দিন কাটছিল তাদের। তবে, আচমকাই তাদের জীবনে নেমে আসে একটা বিপর্যয়। হঠাৎই কিডন্যাপ হয়ে যায় জিনিয়া। আর জিনিয়ার এই অন্তর্ধান রহস্যকে ঘিরেই ছবির গল্পটা এগিয়েছে। এই ছবির মিউজিক লঞ্চে পরিচালক জানালেন,যারা ঘরে বসে হিমাচল প্রদেশের স্বাদ পেতে চান তারা অন্তর্ধান দেখুন। অনেক থ্রিলার তো হয়। এই থ্রিলারটি অন্যান্য থ্রিলারগুলোর থেকে একদমই আলাদা। এই ছবিতে জিনিয়ার চরিত্রে অভিনয় করছেন মোহর চৌধুরী। অন্তর্ধানে তার চরিত্র নিয়ে মোহর জানালেন,আমার চরিত্রটা হল জিনিয়া। পরম্ব্রত ও তনুশ্রীর মেয়ে। এই ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট খুব কষ্ট করে হয়েছিল। এমনিতে আমার লম্বা চুল। এখানে চুল কেটে দেওয়া হয়েছিল। চশমা পরানো হয়েছিল। ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট যেরকম আস্তে আস্তে হয় সেইভাবেই হয়েছে। ভয়টা আস্তে আস্তে কেটেছে। এই ক্যারেক্টারটা নিয়ে বলতে পারবো যে একটা বাচ্চা যে হারিয়ে যাচ্ছে। এই ছবির গান নিয়ে রাতুল শঙ্কর জানালেন,অন্তর্ধানে আমি দুটো গান করেছি। একটা লালাবাঈ। উজ্জয়িনী গেয়েছে। অম্বরিশ মজুমদার লিখেছে। এটা একটা সফট নাম্বার। আরেকটি ট্র্যাক। যেটা সম্পূর্ণ আলাদা। আশা করি সবাই গানগুলো শুনবেন। হলে এসে ছবিটা দেখবেন। এই আশা করবো। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য অন্তরলীন, ফ্ল্যাট নম্বর-৬০৯ এর পর তৃতীয় ছবি অন্তর্ধান নিয়ে হাজির হয়েছেন পরিচালক। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় এই ছবির প্রমোশন হয়েছে। এখন ১০ ডিসেম্বর পর ছবিটি দর্শকদের কাছে কেমন ফিডব্যাক পায় সেটাই দেখার।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Raj-Subhasree : নতুন বছরেই সুখবর আসছে রাজ-শুভশ্রীর লাইফে

ডিসেম্বর মাস পড়তে আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। ডিসেম্বরের পরেই বাঙালি আরও একটা নতুন বছর কে স্বাগত জানাবে। আর নতুন বছরেই তাদের ফ্যানদের জন্য খুশির খবর নিয়ে আসছেন টলিউডের হ্যাপি ক্যাপল রাজ-শুভশ্রী। দুবছরের অপেক্ষার পর অবশেষে মুক্তি পেতে চলেছে রাজ-শুভশ্রীর ছবি ধর্মযুদ্ধ। আগামী বছরের শুরুতে অর্থাৎ ২১ জানুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে ধর্মযুদ্ধ। ছবির নতুন পোস্টার শেয়ার করে শুভশ্রী লেখেন, ধর্মের লড়াই নাকি বেঁচে থাকার লড়াই? ২১শে জানুয়ারি, ২০২২ ধর্মযুদ্ধ আসছে বাংলার সমস্ত প্রেক্ষাগৃহে।বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতেই যে এই ছবিটা সেটা নাম দেখেই বোঝা যাচ্ছে। শুভশ্রী ছাড়াও পরিচালক রাজের এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় থাকছেন সোহম চক্রবর্তী, ঋত্বিক চক্রবর্তী, পার্নো মিত্র এবং স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত। শুভশ্রী এই ছবিতে রয়েছেন মুন্নীর চরিত্রে, ঋত্বিক চক্রবর্তী, সোহম চক্রবর্তী, পার্নো মিত্রকে দেখা যাবে যথাক্রমে রাঘব,জাফর এবং শবনমের ভূমিকায়।এই বছর পুজোতে বেশ কয়েকটা বাংলা ছবি মুক্তি পেয়েছে। পুজোর পরেও মুক্তি পেয়েছে কয়েকটা বাংলা ছবি। বছর শেষ হতে চলেছে বাংলা ছবি মুক্তি দিয়ে। নতুন বছরটা আবার শুরু হচ্ছে ধর্মযুদ্ধ মুক্তির মাধ্যমে।

নভেম্বর ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Iskabon : জঙ্গলমহল, মাওবাদী, প্রেম মুক্তি পেল 'ইস্কাবন' এর ট্রেলার

বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় লেখক রাধামাধব মণ্ডলের রেডস্টারের ক্যাম্প গল্প অবলম্বনে জঙ্গলমহলে মাওবাদীদের জীবনকে ছবির মাধ্যমে তুলে ধরেছেন পরিচালক মনদীপ সাহা। এই ছবিরই ট্রেলার মুক্তি পেল। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন অনামিকা চক্রবর্তী, সৌরভ দাস ও সঞ্জু। মুখ্য চরিত্রে সৌরভের এটাই প্রথম প্রোজেক্ট।এসএমডি এন্টারটেনমেন্টের ব্যানারে মুক্তি পাচ্ছে এই ছবি। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন অর্ণব ভৌমিক ও অনিন্দ্য মুখোপাধ্যায়। পুরো ছবি জুড়ে রয়েছে গুলি, বোমা, বন্দুক, কান্নার ছাপ।এই ছবি প্রসঙ্গে পরিচালক মনদীপ সাহা জনতার কথা কে জানান,এটার কনসেপ্টটা তো রাধামাধব দার। ওর সাথে একদিন ছবি নিয়ে কথা বলছিলাম। রাধামাধব দা আমাকে বলে একটা কনসেপ্ট আছে শোন। শোনার পর আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। জঙ্গলমহলের বিষয়ে আমরা অল্পবিস্তর সকলেই জানি। ওই পটভূমির ওপর ছবি হবে এটা শোনার পর আমার অন্যরকম ভালোলাগা তৈরি হয়। তারপর কনসেপ্টটা নিয়ে আমি অর্ণব ও অনিন্দ্যর সঙ্গে বসি। গল্পটা দাঁড়িয়ে গেল। তারপর শুট শুরু হয়। শুটিং করতে গিয়ে অনেক প্রতিকূলতা অতিক্রম করতে হয়েছিল জানালেন পরিচালক। তার কথায়,আফটার ফার্স্ট লকডাউন আমরা জঙ্গলমহলের যেসব জায়গায় শুট করতে চাইছিলাম সেখানে পারমিশন পাওয়া নিয়ে একটা সমস্যা হচ্ছিল। তারপর যদিও শুট করা যায়। জঙ্গলের মাঝে গিয়ে, পাহাড়ের চুড়ায় গিয়ে আমরা শুট করেছি। জল, খাবার ঠিকঠাক পাইনি তবুও আমরা ভালোবেসে ছবিটা করে গেছি। অভিনেতা সৌরভ দাস জানালেন,আমি মাওবাদীর ক্যারেক্টার প্লে করছি। এর আগে কখনও করিনি। ভীষণ এক্সাইটিং লাগছে এবং আশা করবো ছবিটা যেন দর্শকরা ভালোবাসেন। এই ছবিতে বাবার চরিত্রে দেখা যাবে টলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা অরিন্দম গাঙ্গুলি কে। তিনি তার চরিত্র নিয়ে জানালেন,ইস্কাবনের যে নায়ক তার বাবার চরিত্রে আমাকে দেখা যাবে। যদিও চরিত্রটা একটু অন্যধরণের। বাবা ছেলের বিয়ে দিয়ে আনার পর ছেলে মারা যায়। বৌমাকে চাকরি করিয়ে, অন্যরকম একটা রিস্ক নিয়ে বৌমার পাশে এসে দাঁড়ায়। চরিত্রটা ছোট কিন্তু ভালো। এই ছবির মাধ্যমেই বড়পর্দায় অভিষেক হচ্ছে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অনামিকা চক্রবর্তীর। তিনি জানালেন,ফ্যান্টাস্টিক এক্সপিরিয়েন্স। আমাকে অনেক রিসার্চ করতে হয়েছে এবং ওদের লোকেদের সাথে অনেক কথা বলেছি। ওদের ভাষাটা ডেভেলপ করা খুব টাফ ছিল বাট আই ডিড ইট। সৌরভ দার সঙ্গে কাজ করার এক্সপিরিয়েন্স কেমন প্রশ্ন করাতেই অনামিকার মুখে একগাল হাসি পাওয়া গেল। জানালেন,আ হি ইস অ্যা ট্যালেন্ট। বাঞ্চ অফ এনার্জি। ফুল অফ এনার্জি। ভেরি পজিটিভ। ভেরি হেল্পফুল। মাই সিনিয়র। মাই টিচার।সঞ্জুর এই ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হচ্ছে। তার চরিত্র প্রসঙ্গে জানালেন,আমার চরিত্র হচ্ছে একটা সিআরপিএফের চরিত্র। ক্যাপ্টেন সিড মুখার্জী। ও হাত চালাতে বেশি পছন্দ করে না। বুদ্ধি চালাতে বেশি পছন্দ করে। নিজের চরিত্র নিয়ে টলিউডের আরেক বর্ষীয়ান অভিনেতা সুমিত গাঙ্গুলি জানালেন,খুব ভালো লাগছে। যেকোনো চরিত্রই চ্যালেঞ্জ। এই চরিত্রটা অন্যধরণের একটা চরিত্র। আমি যে চরিত্র করে থাকি তার বাইরে একটা চরিত্র। ডিরেক্টর, প্রোডিউসার, লেখককে আমাকে এই চরিত্রে ভাবার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। আমি একটা মিলিটারি মেজর জেনারেলের চরিত্রে রয়েছি। এই চরিত্রটা করে আমি খুব এনজয় করেছি।৬১ গড়পার লেনের পর অভিনেত্রী রুমা ভদ্রর এটা দ্বিতীয় ছবি হল রিলিজ করতে চলেছে। জনতার কথা কে অভিনেত্রী জানালেন,আমি মাওবাদীর চরিত্রে অভিনয় করছি। শ্যামলী ক্যারেক্টারের নাম। ওয়ার্কশপ করতে হয়েছিল ওদের ভাষাটা শেখার জন্য। শান্তনু দাস যিনি আমাদের ওয়ার্কশপ করাচ্ছিলেন তিনি টোটালি আমাদের গ্রুমিং করিয়েছিলেন। কীভাবে বলবো না বলবো। তাই শুট করার সময় বা আগে ভাষাটা বলতে অসুবিধা হয়নি।

নভেম্বর ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Tonic : খুশির খবর, ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে দেবের ছবি টনিক

২৫ ডিসেম্বর দেবের জন্মদিন। তার আগেই অনুরাগীদের জন্য খুশির খবর নিয়ে এলেন টলিউড সুপারস্টার দেব। ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পেতে চলেছে দেব অভিনীত ছবি টনিক। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবরটা জানিয়েছেন তারকা অভিনেতা। প্রযোজক অতনু রায়চৌধুরীর সঙ্গে যৌথ প্রযোজনায় টনিক তৈরি করছেন দেব। ছবিতে অভিনয় করেছেন দেব, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শকুন্তলা বড়ুয়া প্রমুখ।অনেকদিন আগেই ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোভিডের জন্য মুক্তির তারিখ পিছিয়ে যায়। অবশেষে সব অপেক্ষার অবসান হয়ে হলে মুক্তি পেতে চলেছে টনিক। পরিচালক অভিজিৎ সেনের ডেবিউ ছবি টনিক।ছবিতে এক ট্রাভেল এজেন্সির কর্মী দেব। দেবের কাকার ভূমিকায় রয়েছেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিন প্রধান চরিত্রের সম্পর্কের সমীকরণই টনিক এর গল্প। এখানে দেব অভিনীত চরিত্রটির নামই টনিক। তিনি একজন ট্যুর প্ল্যানার। ঘুরতে নিয়ে যান বয়স্ক দুই মানুষকে। এরপরই তাঁরা জীবনের রসদ খুঁজে পান। মূলত ইচ্ছেপূরণেরই গল্প বলবে টনিক।

নভেম্বর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Olpo Holeo Sotti : মুক্তি পেল 'অল্প হলেও সত্যি'

সব অপেক্ষার অবসান হল। রূপ প্রোডাকশনের ব্যানারে পরিচালক সৌম্যজিত আদকের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবি অল্প হলেও সত্যি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল। ছবির প্রিমিয়ারে পরিচালক, অভিনেতা, অভিনেত্রী, প্রযোজক ছাড়াও উপস্থিত ছিল টলিউডের অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। পরিচালক এই বিশেষ দিনে জানালেন,খুব ভালো লাগছে। এটা আমার প্রথম ফিচার ফিল্ম। অনেক গুণীজন, অনেক কাছের মানুষ এসেছেন এই সিনেমাটা দেখতে। আশা করছি ছবিটা দেখার পর মানুষ হনেস্ট ফিডব্যাক দেবে। ভালো, খারাপ সেটা আমরা নিয়েই এগিয়ে যাব। ছবির প্রযোজক অঙ্কিত দাস জানালেন,প্রথমেই বলি অল্প হলেও সত্যি একটা বন্ধুদেরকে নিয়ে বানানো। আমার মনে হয় অল্প হলেও সত্যি অলরেডি বাংলার মানুষের বুকে দাগ কেটেছে কারণ এটা আলাদা প্রেমের গল্প। সৌরভ একটা ক্যানসার পেশেন্ট। ক্যানসার পেশেন্ট হওয়া সত্ত্বেও যে ভালোবাসা, ওষুধ ছাড়াও যে ভালোবাসা দিয়ে তার রোগকে সাড়াচ্ছে সেটাই আমরা এই মুভিতে দেখাতে পেরেছি। আমরা আশাবাদী বাংলার মানুষ এবং প্রত্যেকজন যারা সিনেমা ভালোবাসে তারা এই মুভিটা পছন্দ করবে।ছবির প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন এনা সাহা। তিনি জানালেন,খুব ভালো লাগছে। এটা ওর ফার্স্ট ফিচার ফিল্ম। ওকে অনেক বেস্ট উইশেস, অনেক ভালোবাসা। আমার বিশ্বাস ও একটা ভালো সিনেমা বানিয়েছে। আপনাদের রিকোয়েস্ট করবো হলে এসে সিনেমাটা দেখুন।

নভেম্বর ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Tokhon Kuyasha Chilo : বড়পর্দায় মুক্তি পাচ্ছে শৈবাল মিত্র'র ছবি 'তখন কুয়াশা ছিল'

পরিচালক শৈবাল মিত্রর নতুন ছবি তখন কুয়াশা ছিল। সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের উপন্যাস তখন কুয়াশা ছিল ছিল থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই এই ছবি নির্মাণ করছেন পরিচালক। তখন কুয়াশা ছিলর ট্রেলার ও মিউজিক লঞ্চ হয়ে গেল। উপস্থিত ছিলেন শাশ্বত চ্যাটার্জী, বাসবদত্তা চ্যাটার্জী, সুকৃতি লাহিড়ী, অঙ্কিতা মজুমদার সহ আরও অন্যান্যরা। এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। এই ছবি প্রসঙ্গে পরিচালক জনতার কথা কে জানালেন,সইদ মুস্তাফা সিরাজের গল্প তখন কুয়াশা ছিল তে যা ছিল এখানেও সেটাই লক্ষ্য করা যাবে। প্রেমের গল্প। কি ঘটছে না ঘটছে। তার ঘাত-প্রতিঘাতে। এটাই বিষয়। সমসাময়িক সময়টা একটু অন্যভাবে ধরা হয়েছে এই ছবিতে। তিনি আরও জানান,নভেম্বরে ছবিটি মুক্তি পাবে। প্রথম সপ্তাহটা নন্দন ও নজরুল তীর্থ তে ছবিটি রিলিজ হবে। এরপর আরও অন্যান্য হলে ছবিটি দেখা যাবে। শুটিং কোথায় কোথায় হয়েছে উত্তরে জানালেন,ইলামবাজার, দুবরাজপুর, বর্ধমান, ইলামবাজারে জঙ্গলের মধ্যে একটা বাড়ি আছে সেখানে শুটিং হয়েছে। আর ইন্ডোর হয়েছে কলকাতার টেকনিশিয়ান্স স্টুডিওতে।এই ছবির মাধ্যমেই অনেকদিনের বিরতির পর অভিনেত্রী হিসাবে দর্শকরা দেখতে পাবেন অঙ্কিতা মজুমদার কে। জনতার কথা কে তিনি জানালেন,এই ছবির শুটিং ৪ বছর আগে ২০১৭ তে করা। তবে অনেকদিন পর ফাইনালি ছবিটি রিলিজ করছে। সকলের মতো আমারও ভালো লাগছে। একটা লম্বা গ্যাপের পর আবার আমি কাজে ফিরতে পারছি।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Love Story : একটু অন্যধারার ভালোবাসার গল্প বলবেন পরিচালক প্রীতম

পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি লেট দেয়ার বি লাভ এর সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল কলকাতার প্রেস ক্লাবে। এই ছবির কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপ দেবারতি ভৌমিকের। নির্দেশনা করেছেন প্রীতম মুখার্জী। এই ছবিতে নীলাদ্রি দত্তের চরিত্রে রয়েছেন অনুভব কাঞ্জিলাল যিনি পেশায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী। সোনালি দত্তর চরিত্রে হৈমন্তী গাঙ্গুলী যিনি নীলাদ্রির স্ত্রীর ভূমিকায় রয়েছেন। মিতালী দত্ত অর্থাৎ নীলাদ্রির মা হয়েছেন পারমিতা মুখার্জী। অনিমেষ রায় যিনি একজন চিকিৎসক তার চরিত্রে দেখা যাবে অরিন্দম আচার্যকে। অজিতের চরিত্রে জিত ভট্টাচাৰ্য। তিনি পেশায় উকিল এবং নীলাদ্রির বাল্য বন্ধু। নয়নার চরিত্রে পৌলোমী পাঁজ। তিনি সোনালীর বাল্য বন্ধু। পরিচালক জনতার কথা কে জানিয়েছেন পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি এটা তার প্রথম। এর আগে একটি শর্ট ফিল্ম নির্মাণ করেছেন এবং একটি OTT প্ল্যাটফর্মের জন্য একটি ওয়েবসিরিজ করেছেন। লেট দেয়ার বি লাভ এক মিষ্টি প্রেমের গল্পের এক বেদনার সমাপ্তির গল্প। নীলাদ্রি আর সোনালির ভালবাসায় কানায় কানায় ভর্তি এক সংসার। নীলাদ্রির মা বাবা আর ওরা দুজনে মিলে খুব সুখে ছিল, এমনকি ওঁদের পরিবারে নতুন সদস্য আসার খবরও আনন্দে মাতিয়ে দেবে গোটা দত্ত পরিবারকে। কিন্তু সুখ বেশিদিন সইল না নীলাদ্রির কপালে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয় সোনালি, জীবনের চরম পরিহাস তাকে মানসিকভাবে এমন এক অবস্থায় নিয়ে যায় যে সোনালির মুক্তি চায় নীলাদ্রি। Euthanasia করতে চায় ও। স্বেছা মৃত্যু যা মার্চ ২০১৮ থেকে ভারতে আইন সিদ্ধ কিন্তু কি চরম অবস্থার মধ্যে পড়লে নিজের আপনজন এটা চাইতে পারে সেটাই এই ছবির মাধ্যমে দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। ছবি ঃ প্রকাশ পাইন

অক্টোবর ৩০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Musical short film : মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্মে নকশাল পিরিওডের প্রেম

যুগ যুগ ধরে প্রেমের পবিত্রতা এক হলেও সমাজের প্রতিবন্ধকতা তার পরিণতির দিক ভিন্ন ভিন্ন হয়। বিচারের চশমা পরে তর্ক চলতে পারে, কিন্তু দুটো পবিত্র আত্মা পবিত্রই থাকে। বেশিরভাগ বিখ্যাত প্রেমের পরিণতি এই চশমা বলে বিয়োগান্তক, কিন্তু দুটো আত্মাকে কোন শক্তি কি আলাদা করতে পেরেছে? এইরকম একটা চোখে জল ঝড়ানো গত সত্তর দশকে (১৯৭০-৮০) এই বাংলার সমাজ জীবনে তোলপাড় কেটেছিল অসংখ্য টাটকা তাজা প্রাণের। বুক ভরা সমাজের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে ঝাপিয়ে পরা যুব সমাজ নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থ বিসর্জন দিয়েছিল গঙ্গার বুকে। নিকশ কালো অন্ধকারে ওদের বুকের রক্তে গঙ্গার জল লাল হলেও কতজন তার খবর রেখেছে। এইরকম একটুকরো অল্প সময়ের জন্য হলেও অনন্ত সেই ভালোবাসার এই গল্প হলেও সত্যি ঘটনা। এই নিয়েই পরিচালক অরিন্দম গোস্বামীর মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম হামারে দরমিয়া। এখানে অভিনয় করছেন শুভ্রজ্যোতি রায়, শীপ্রা শীল ও কণাদ বণিক।এই মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম নিয়ে পরিচালক জনতার কথা কে জানালেন, এটা আমার দ্বিতীয় মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম হামারে দরমিয়া। ১৯৭১ সালের নকশালিস্ট পিরিওডের ওপর বেস করা। এটা একটা আনটোল্ড লাভ স্টোরি। বিষয়টা হচ্ছে আজকালকার দিনের প্রেম আর তখনকার দিনের প্রেমের মধ্যে আকাশ আর পাতাল তফাত আছে। তখনকার দিনের প্রেমের মেন ফোকাস থাকতো আইডোলজির ওপর। প্রচণ্ড শিক্ষিত সমাজ ছিল। এই বিষয়ের ওপর বেস করেই হামারে দরমিয়া। কবে শুটিং শুরু এবং কোথায় কোথায় শুটিং হবে উত্তরে জানালেন,শুটিং টা পুরো নর্থ কলকাতা জুড়ে হবে। তার মধ্যে রয়েছে বাগবাজার, উল্টোডাঙ্গার কিছু জায়গা।অভিনেতা কণাদ বণিক তার চরিত্র প্রসঙ্গে জানালেন,আমি নকশাল লিডারের চরিত্রে অভিনয় করছি। আমি হচ্ছি লিডার। আমার সংগঠন আছে। সেখানে বিভিন্ন লোক আছে যারা আমার অর্ডারে কাজ করে। ১৯৭১ এর এই আনটোল্ড লাভ স্টোরি হামারা দরমিয়া আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। অভিনেতা শুভ্রজ্যোতি রায় তার চরিত্র প্রসঙ্গে জানালেন,আমি ফ্রিডমের যে রাইটস তার জন্য লড়াই করছি। খুবই নতুন। আপনাদের ভালো লাগবে। এই গানটার সঙ্গে আপনারা অনেক কিছু রিলেট করতে পারবেন। অভিনেত্রী শিপ্রা শীল তার চরিত্র প্রসঙ্গে জানালেন,আমাকে ১৯৭১ সালের একটা স্বদেশী ক্যারেক্টারে লিড করছি। আপনারা ভিডিওটা দেখুন। আপনাদের ভালো লাগবে।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

রবিবার মেট্টো চলাচল কোন দিকে কতক্ষণ বন্ধ থাকবে? অসুবিধায় না পড়তে এই খবর আগে পড়ুন

রবিবার বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে মেট্রো রেলের এই ঘোষণা জেনে নিন। ওই দিন কয়েকটি স্টেশনের মধ্যে মেট্রো চলাচল বন্ধ থাকবে। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণের কাজের সুবিধার্থে ১৩.০৯.২০২৬ (রবিবার) ব্লু লাইনের গীতাঞ্জলি এবং কবি নজরুল মেট্রো স্টেশনের মধ্যে যান চলাচল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এর ফলে, ওই দিন সকাল ০৯:০০টা থেকে সন্ধ্যা ১৮:৩০টা পর্যন্ত শহীদ ক্ষুদিরাম এবং মহানায়ক উত্তম কুমার স্টেশনের মধ্যে কোনো মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে না।তবে, ওই দিন অর্থাৎ ১৩.০৯.২০২৬ (রবিবার) দক্ষিণেশ্বর এবং মহানায়ক উত্তম কুমার মেট্রো স্টেশনের মধ্যে স্বাভাবিক মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে। রবিবার ব্লু লাইনের সম্পূর্ণ অংশে, অর্থাৎ দক্ষিণেশ্বর থেকে শহীদ ক্ষুদিরাম মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত স্বাভাবিক মেট্রো পরিষেবা সন্ধ্যা ১৮:৩০টার পর (আনুমানিক) পুনরায় চালু হবে। যাত্রীদের এই অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
রাজ্য

পথচারীর মৃত্যুর পর উত্তপ্ত আউসগ্রামের বড়া চৌমাথা, দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ির যাত্রীদের উপর হামলা, তান্ডবের অভিযোগ

পথ দুর্ঘটনায় এক চাষির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের বড়া চৌমাথা। দুর্ঘটনার পর দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল স্থানীয়দের একাংশের বিরুদ্ধে। গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি তার ভিতরে থাকা শনিবার দুপুরে বড়া চৌমাথা মোড়ের কাছে দুর্ঘটনার পর দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল স্থানীয়দের একাংশের বিরুদ্ধে। গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি তার ভিতরে থাকা তিন পুরুষ যাত্রীকে মারধর এবং এক মহিলা যাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ সামনে এসেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় আউশগ্রাম ও ভাতার থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার বর্ধমান-বোলপুর NH 114 নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে বিহার থেকে কলকাতার দিকে যাচ্ছিল একটি চারচাকা গাড়ি। বড়া চৌমাথা মোড়ের কাছে আচমকাই এক পথচারীকে ধাক্কা দেয় গাড়িটি। দুর্ঘটনার জেরে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির পরিচয় বিনোদ মল্লিক রায় (৩৮)। তিনি বড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় চাষি ছিলেন।ঘটনার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, ক্ষুব্ধ জনতার একাংশ দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিকে ঘিরে ফেলে তাতে ভাঙচুর চালায়। এরপর গাড়ির যাত্রীদের বাইরে বের করে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। গাড়িতে থাকা মহিলা যাত্রীর সঙ্গে অভব্য আচরণ ও শ্লীলতাহানির অভিযোগও উঠেছে। ঘটনাকে ঘিরে বড়া চৌমাথা মোড় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়।দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিতে মোট চারজন যাত্রী ছিলেন একজন মহিলা এবং তিনজন পুরুষ। হামলা ও দুর্ঘটনায় তাঁরা আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে গুসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে সকলকেই বর্ধমান হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।অন্যদিকে, দুর্ঘটনায় মৃত বিনোদ মল্লিক রায়ের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিও আটক করেছে পুলিশ। এই ঘটনার জেরে বর্ধমান-বোলপুর জাতীয় সড়কে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি গাড়ি ভাঙচুর, যাত্রীদের মারধর এবং মহিলা যাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ হয়েছে। দুটি ক্ষেত্রেই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
রাজ্য

মোদীর জন্মদিনে ‘আশীর্বাদ কা দিয়া’, বাংলায় মাসভর জনসংযোগে বিজেপি

১৭ সেপ্টেম্বর থেকে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর জুড়ে সেবা সংকল্প অভিযান, বুথে বুথে প্রদীপ প্রজ্বলন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচারযুব সমাজ ও সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছনোর বিশেষ পরিকল্পনাপ্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনকে সামনে রেখে বাংলায় কার্যত মাসব্যাপী জনসংযোগ অভিযানে নামতে চলেছে বিজেপি। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর মোদীর জন্মদিন। সেই দিন থেকেই সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরজুড়ে রাজ্যজুড়ে চলবে সেবা সংকল্প অভিযান। তবে শুধুমাত্র জন্মদিন উদ্যাপন নয়, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দলের সংগঠনকে বুথস্তর পর্যন্ত আরও সক্রিয় করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোই বিজেপির অন্যতম লক্ষ্য বলে দলীয় সূত্রে খবর।এই অভিযানের অন্যতম আকর্ষণ আশীর্বাদ কা দিয়া। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি বুথে প্রতিটি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রদীপ প্রজ্বলনের আবেদন জানানো হবে। বিজেপির ব্যাখ্যায়, এই প্রদীপ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দীর্ঘ ২৫ বছরের জনসেবার প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর লক্ষ্যে দেশবাসীর সম্মিলিত সংকল্পের প্রতীক। মোদীর দীর্ঘায়ু কামনা করেও প্রদীপ জ্বালানোর আবেদন জানানো হবে।প্রাথমিক ভাবে প্রতি বিধানসভা এলাকায় ২৫ হাজার করে প্রদীপ জ্বালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হলেও পরে সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৫০ হাজার করা হয়েছে। প্রশাসনের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের মাধ্যমে ওই প্রদীপগুলি সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছে।প্রদীপের দাম প্রতি পিস ৪ টাকা করে নির্ধারণ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তরফে। প্রদীপ জ্বালানোর ক্ষেত্রে মোম ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বর্তমানে রাজ্যে ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৫০ হাজার করে প্রদীপ জ্বালানো হলে মোট প্রদীপের সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ১ কোটি ৪৭ লক্ষ। অর্থাৎ, এই কর্মসূচিতে প্রদীপ বাবদ মোট খরচ হতে পারে প্রায় ৫ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা। প্রশাসনিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিধায়কদের মাধ্যমে প্রদীপ বিতরণ করে নির্দিষ্ট দিনে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চলছে।সুবিধাভোগীদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছবে বিজেপিসেবা সংকল্প অভিযান-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলির একটি হতে চলেছে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগ। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের তালিকা বুথ সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বুথ স্তরের কর্মীরা সেই তালিকা অনুযায়ী সুবিধাভোগীদের বাড়িতে গিয়ে আশীর্বাদ কা দিয়া প্রজ্বলনের আমন্ত্রণ জানাবেন।শুধু সরাসরি যোগাযোগ নয়, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেও সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে হিন্দিতে একটি বিশেষ ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে। পরে সেটিকে বিভিন্ন রাজ্যে স্থানীয় ভাষায় রূপান্তর করা হবে। বাংলাতেও সেই ভিডিও প্রচার করা হবে। একইসঙ্গে তৈরি হচ্ছে থিম সং এবং সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র।দলের লক্ষ্য, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এবং মোদী সরকারের সাফল্যের বার্তা সরাসরি সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। অর্থাৎ, জন্মদিনের কর্মসূচিকে ঘিরে একদিকে যেমন আবেগ ও শুভেচ্ছার আবহ তৈরি করা হবে, অন্যদিকে সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে দলের রাজনৈতিক যোগাযোগও আরও জোরদার করার চেষ্টা থাকবে।নজরে যুব সমাজ, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়এবারের কর্মসূচিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে তরুণ প্রজন্মকে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় এবং তাঁদের কাছে বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর ভাবনা তুলে ধরার পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি।সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দীর্ঘ জনসেবা, তাঁর বিভিন্ন উদ্যোগ এবং বিকশিত ভারতের রূপরেখা নিয়ে তথ্য তুলে ধরা হবে। স্কুলস্তরেও থাকছে অঙ্কন ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা। এই কর্মসূচিতে শিক্ষা দফতরকেও যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে দল।এর পাশাপাশি জনসংযোগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হবে পথনাটক। কমিউনিটি হল থেকে শুরু করে জনবহুল বিভিন্ন এলাকায় পথনাটকের আয়োজন করা হবে। মোদীর ২৫ বছরের জনসেবা, বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং দেশের পরিবর্তনের দাবিএই বিষয়গুলিই পথনাটকের মূল বক্তব্য হিসেবে তুলে ধরা হবে।সেবা সেতু শিবিরে সরকারি পরিষেবার বার্তাশুধু প্রচার নয়, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে সাধারণ মানুষকে সহায়তা করার জন্য বিধানসভা এলাকার ব্লকস্তরেও সেবা সেতু অভিযান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে সেবা সেতু নামে শিবির করে যোগ্য নাগরিকদের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা হবে।যাঁরা এখনও কোনও প্রকল্পের সুবিধাভোগী হিসেবে নথিভুক্ত হননি, তাঁদেরও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে এই শিবিরগুলিকে জনসংযোগের পাশাপাশি সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহার করতে চাইছে বিজেপি।পদযাত্রা থেকে স্বাস্থ্য শিবির, থাকছে একাধিক কর্মসূচিসেবা সংকল্প অভিযান-এর তালিকা আরও দীর্ঘ। রাজ্যজুড়ে পদযাত্রা, বাইক র্যালি, স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির, রক্তদান শিবিরের মতো একাধিক কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের নিয়েও বিশেষ কর্মসূচির পরিকল্পনা রয়েছে।দলীয় সূত্রের দাবি, রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর মোদীর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে দল ও সরকারকে একইসঙ্গে মাঠে নামিয়ে এত দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি এই প্রথম। ফলে কর্মসূচিকে নিছক জন্মদিন পালন হিসেবে দেখতে নারাজ রাজ্য নেতৃত্ব। বরং সেপ্টেম্বর-অক্টোবরজুড়ে এই কর্মসূচির মাধ্যমে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে দলের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ বাড়ানোই মূল উদ্দেশ্য।এই গোটা কর্মসূচির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়কে। এখন দেখার, প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে ঘোষিত এই সেবা সংকল্প অভিযান শেষ পর্যন্ত কতটা বড় রাজনৈতিক জনসংযোগ কর্মসূচির চেহারা নেয় এবং বুথস্তরে বিজেপির সংগঠনকে কতটা সক্রিয় করতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
দেশ

এক পাশে পুতিন, অন্য পাশে জিনপিং! মাঝখানে মোদী, এক ছবিতেই চমকে দিল ব্রিকস সম্মেলন

দিল্লিতে শুরু হয়েছে ব্রিকস সম্মেলন। সেই সম্মেলনের মাঝেই এক ফ্রেমে দেখা গেল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে। ছবিতে দুই রাষ্ট্রনেতার মাঝে দাঁড়িয়ে ছিলেন মোদী। তিন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই ছবি ঘিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।শুক্রবার ভারতে পৌঁছন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার পর শনিবার সকালে দীর্ঘ সাত বছর পর ভারতে আসেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। দিল্লির ভারত মণ্ডপমে ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানেই একসঙ্গে দেখা যায় তিন রাষ্ট্রনেতাকে।সামাজিক মাধ্যমে সেই ছবি ভাগ করে নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছবিতে দেখা যায়, পুতিন, মোদী এবং জিনপিং হাতে হাত ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে একই ছবিতে ছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোও।ছবি ভাগ করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, দিল্লিতে শুরু হল ব্রিকস সম্মেলন ২০২৬। ছবিটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ভারত, রাশিয়া এবং চিনের পারস্পরিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই মুহূর্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।শনিবার দুপুরে শুরু হয় ব্রিকস সম্মেলনের মূল অধিবেশন। সম্মেলনের শুরুতেই বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলিকে আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, বিশ্বের বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়ায় উন্নয়নশীল দেশগুলির প্রতিনিধিত্ব আরও বাড়ানো প্রয়োজন।মোদী জানান, আন্তর্জাতিক স্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলির নীতি নির্ধারকদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং প্রশিক্ষণ দিতে ভারত প্রস্তুত। বিশ্বের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এই দেশগুলির মতামতকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।ব্রিকসের মঞ্চ থেকেই রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কারের দাবি তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এই সংস্কারের বিষয়টি আর পিছিয়ে দেওয়া উচিত নয়। নিরাপত্তা পরিষদের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ঠিক করা প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু আলোচনা করলেই হবে না, সেই আলোচনার সুনির্দিষ্ট ফলাফলও সামনে আসা জরুরি। বিশ্ব ব্যবস্থার পরিবর্তনের জন্য ব্রিকসের সদস্য দেশগুলিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলেও মত তাঁর।আগামী কুড়ি বছরের কথা মাথায় রেখে একটি সুস্পষ্ট পথনকশা তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন মোদী। পুতিন ও জিনপিংয়ের সঙ্গে একই ফ্রেমে ধরা পড়ার পর ব্রিকসের মঞ্চ থেকে তাঁর এই বক্তব্য নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
রাজ্য

রোলাহাটুর জঙ্গলে মিলল ২ ইনসাস, ১০৩ রাউন্ড গুলি! আকাশের পুরনো স্কোয়াড ঘিরে তদন্তে বড় মোড়

রোলাহাটু পাহাড়ে দুটি ইনসাস রাইফেল, ১০৩ রাউন্ড গুলি এবং ছটি খালি ম্যাগাজিন উদ্ধারের পর মাওবাদী নেতা অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশের পুরনো স্কোয়াডকে ঘিরে তদন্ত আরও জোরদার হয়েছে। অস্ত্রগুলি কোথা থেকে এল, কারা ব্যবহার করত এবং নিরাপত্তাবাহিনীর চাপের সময় সেগুলি কোথায় সরানো হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সাম্প্রতিক ঝাড়খণ্ড পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সারান্ডা জঙ্গলে নিরাপত্তাবাহিনীর চাপ বাড়ার পর আকাশ তাঁর দলবল নিয়ে দলমা এলাকার দিকে সরে গিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছজন মাওবাদী থাকার তথ্য সামনে এসেছিল। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ১৫ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষিত রামপ্রসাদ মার্ডি ওরফে সচিন, ১০ লক্ষ টাকার মীতা ওরফে নয়নতারা, পাঁচ লক্ষ টাকার মঙ্গল মাহাতো, দুলক্ষ টাকার মালতি মুর্মু এবং এক লক্ষ টাকার বুলু ওরফে গৌরী। আকাশের মাথায় এক কোটি টাকা পুরস্কার রয়েছে বলে পুলিশি তথ্য।এর পরেই সেই দলে বড় ভাঙন দেখা দিয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর বাঁকুড়া জেলা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন রামপ্রসাদ, তাঁর স্ত্রী মীতা এবং বুলু ওরফে গৌরী। রামপ্রসাদ একটি একে-৪৭ রাইফেলও পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। ঝাড়খণ্ড পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আত্মসমর্পণের আগে এই তিনজনই আকাশের সঙ্গে দলমা এলাকায় ছিলেন।তাঁদের জেরা করে আকাশের বর্তমান গতিবিধি এবং তাঁর পুরনো স্কোয়াড সম্পর্কে আরও তথ্য জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। ফলে আগে চিহ্নিত ছজনের মধ্যে আকাশ ছাড়া আরও দুজন মাওবাদী এখন কোথায় রয়েছেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের পরিচয় নিয়ে সরকারি ভাবে নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে আগের তালিকায় থাকা মঙ্গল মাহাতো ও মালতি মুর্মুর নাম তদন্তের পরিধিতে রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।পূর্ব সিংভূম পুলিশের প্রকাশ করা পোস্টারে আকাশ-সহ ওই ছজনের ছবি এবং তাঁদের মাথায় ঘোষিত পুরস্কারের তথ্য ছিল। তিনজন আত্মসমর্পণ করার পর সেই পুরনো তালিকাই এখন তদন্তকারীদের কাছে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।অন্য দিকে, রোলাহাটু পাহাড় থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনাতেও বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়খণ্ডের জঙ্গল এলাকার যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সারান্ডা থেকে দলমা এবং সেখান থেকে বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমান্তের জঙ্গলপথ পর্যন্ত আকাশের দলের সম্ভাব্য গতিপথ নিয়ে নজরদারি চলছে।বিশেষ করে পুরুলিয়ার বান্দোয়ান-সংলগ্ন জঙ্গল এবং সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির উপর নজর রয়েছে তদন্তকারীদের। রোলাহাটুর পুরনো ডাম্পে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র কোনও সময়ে আকাশের স্কোয়াড ব্যবহার করেছিল কি না, অথবা নিরাপত্তাবাহিনীর চাপের সময় অস্ত্রগুলি অন্যত্র সরিয়ে রাখা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তবে এখনও পর্যন্ত রোলাহাটু থেকে উদ্ধার হওয়া দুটি ইনসাস সরাসরি আকাশের অস্ত্র বলে চিহ্নিত করার কোনও প্রমাণ নেই বলেই দাবি বাঁকুড়া জেলা পুলিশের। একই ভাবে, আকাশের সঙ্গে বর্তমানে থাকা বলে সন্দেহ করা দুই সদস্যের নামও পুলিশ প্রকাশ করেনি।ফলে তদন্তের কেন্দ্রে এখন তিনটি বিষয়। রোলাহাটুর অস্ত্রভাণ্ডারের উৎস কোথায়, আত্মসমর্পণকারীদের জেরায় আকাশ সম্পর্কে কী তথ্য পাওয়া যাচ্ছে এবং সারান্ডা থেকে দলমা হয়ে পুরুলিয়া-বাঁকুড়া সীমান্তের জঙ্গলপথে আকাশের পুরনো নেটওয়ার্কের কোনও যোগাযোগ এখনও সক্রিয় রয়েছে কি না। এই তিন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই তদন্ত আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
উৎসব

বিশ্বকর্মা পুজোর আগের দিন কেন হয় অরন্ধন? মনসা পুজো, উনুন আর ভিজে ভাতের সঙ্গে জড়িয়ে বাংলার প্রাচীন লোকাচার

অরন্ধন কেন? বিশ্বকর্মা পুজোর সঙ্গে তার সম্পর্কই বা কী? আর কেনই বা এই দিনটিতে দেবী মনসার আরাধনা করা হয়? বাংলার লোকসংস্কৃতির এই পর্বের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একাধিক প্রাচীন বিশ্বাস, ঋতু পরিবর্তনের স্মৃতি এবং গ্রামবাংলার হেঁসেলের নিজস্ব সংস্কৃতি।বারো মাসে তেরো পার্বণএই প্রবাদ যেন বাঙালির জীবনযাত্রারই প্রতিচ্ছবি। পুজো-পার্বণের সেই দীর্ঘ তালিকায় বিশ্বকর্মা পুজোর ঠিক আগের দিন বাংলার বহু ঘরে পালিত হয় অরন্ধন বা রান্না পুজো। বিশেষ করে রাঢ়বাংলা ও দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় এখনও এই লোকাচার যথেষ্ট জনপ্রিয়।অরন্ধনের আক্ষরিক অর্থই হলরান্না না করা। অর্থাৎ যে দিন বিশ্বকর্মা পুজো, সেদিন হেঁসেলে আগুন জ্বালানো হবে না। তার আগের দিনই রান্না করে রাখতে হবে পরের দিনের সমস্ত খাবার। তাই বিশ্বকর্মা পুজোর আগের দিন থেকেই বহু বাঙালি বাড়িতে শুরু হয়ে যায় রীতিমতো রান্নার উৎসব।বিশ্বকর্মা পুজোর সঙ্গে অরন্ধনের যোগ কোথায়?বিশ্বকর্মা পুজো মূলত কারিগর, শিল্পী, শ্রমজীবী মানুষ এবং কর্মযন্ত্রের আরাধনার দিন। কলকারখানা থেকে গ্যারাজ, দোকান থেকে বাড়ির সেলাই মেশিনকর্মের সঙ্গে যুক্ত নানা সরঞ্জাম এই দিনে পুজো করা হয়। ফলে বহু জায়গায় বিশ্বাস করা হয়, পুজোর দিনে কর্মযন্ত্রকে যেমন বিশ্রাম দেওয়া হয়, তেমনই বিশ্রাম দেওয়া হবে হেঁসেলকেও।তবে অরন্ধনের সঙ্গে শুধু বিশ্বকর্মা পুজোর সম্পর্ক নেই। এর গভীরে রয়েছে দেবী মনসার লোকবিশ্বাস। বাংলার লোকাচারে মনসা দেবী মূলত সাপ ও সর্পদংশনের ভয় থেকে রক্ষা করার দেবী হিসেবে পূজিত। বর্ষার শেষভাগে গ্রামবাংলায় সাপের আনাগোনা বেড়ে যেত। ভাদ্রের শেষ ও আশ্বিনের শুরুর এই সময়টিকে তাই এক বিশেষ সন্ধিক্ষণ হিসেবে দেখতেন মানুষ।এই বিশ্বাস থেকেই অরন্ধনের দিনে মনসা দেবীর আরাধনার প্রচলন হয়েছে বলে লোকবিশ্বাস।উনুনই মনসার প্রতীক!অরন্ধনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সবচেয়ে আকর্ষণীয় লোকবিশ্বাসগুলির একটি হল উনুন।বছরের প্রতিটি দিন যে উনুনে পরিবারের জন্য রান্না হয়, অরন্ধনের দিনে সেই উনুনেই আগুন জ্বলে না। বরং বহু পরিবারে উনুন পরিষ্কার করে তার উপর আলপনা দেওয়া হয়। কোথাও মনসা পাতা, শালুক পাতা বা অন্য পবিত্র পাতা দিয়ে সাজিয়ে ঘট বসানো হয়।লোকবিশ্বাসে, সেই উনুনের গর্তকেই দেবী মনসার প্রতীক হিসেবে মানা হয়। তাই সেদিন উনুনে রান্না না করে তারই সামনে দেবীর পুজো করা হয়।অর্থাৎ অরন্ধন শুধু রান্না না করার দিন নয়, বরং যে আগুন ও উনুন সারা বছর সংসারকে ধারণ করে, তাকে এক দিনের জন্য বিশ্রাম ও সম্মান জানানোর লোকাচারও।অরন্ধনের ভোগে কী থাকে?অরন্ধনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ অবশ্যই তার বহু পদে সাজানো ভোগ ও খাবারের আয়োজন। অঞ্চলভেদে পদ বদলে যায়, পরিবারের রীতিতেও থাকে পার্থক্য। তবে ভাদ্র সংক্রান্তি বা অরন্ধনের দিনে বাংলার ঘরে ঘরে দেখা যায় নানা ধরনের নিরামিষ ও আমিষ পদ।কচুর শাক এই রান্নার অন্যতম পরিচিত পদ। তার সঙ্গে থাকে নানা শাক, বিভিন্ন রকম ভাজা, ডাল, চালতার ডাল, চালতার টক, কুমড়ো ভাজা, নারকেল ভাজা ইত্যাদি।অনেক বাড়িতে থাকে ইলিশ মাছের নানা পদ। কোথাও ইলিশ ভাজা, কোথাও সর্ষে ইলিশ, আবার কোথাও স্থানীয় রীতি অনুযায়ী অন্য মাছের পদও রান্না করা হয়।এর পাশাপাশি থাকতে পারেমুগ ডাল বা মুসুর ডালচালতার ডালকচুর শাকবিভিন্ন শাকভাজাকুমড়ো ভাজানারকেল ভাজাআলু বা অন্যান্য সবজির ভাজাচালতার টকইলিশ মাছ বা অন্যান্য মাছের পদপান্তা বা ভিজে ভাতবিভিন্ন ধরনের বড়া ও স্থানীয় ভাজাভুজিঅঞ্চলভেদে আরও নানা পদ যোগ হয়। কোথাও অরন্ধনের ভোগে থাকে কলাই ডাল, কোথাও কাঁচকলা, আবার কোথাও বিশেষ কোনও পারিবারিক পদ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে।ভিজে ভাতের সঙ্গে কেন এত স্মৃতি?অরন্ধনের খাবারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল ভিজে ভাত বা পান্তা ভাত। আগের দিন রান্না করা ভাত জলে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন খাওয়ার রীতি বাংলার গ্রামীণ খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।এর সঙ্গে কচুর শাক, বিভিন্ন ভাজা, ডাল, মাছের পদ কিংবা টকসব মিলিয়ে তৈরি হয় একেবারে অন্যরকম স্বাদের খাবার। আধুনিক রান্নাঘরে যার জায়গা ক্রমশ কমছে, অরন্ধনের দিন সেই পুরনো স্বাদই যেন ফিরে আসে।আগের দিন এত রান্না কেন?অরন্ধনের মূল নিয়মই হলপরের দিন রান্না নয়। তাই আগের দিন সকাল থেকেই বাড়ির মহিলারা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মিলে শুরু করেন রান্নার আয়োজন।একসঙ্গে অনেক পদ রান্না করে রাখা হয়। তারপর মনসা দেবীকে সেই রান্না নিবেদন করা হয়। পুজো শেষ হলে পরিবারের সদস্যরা সেই খাবার প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করেন।এই কারণেই কোথাও এই উৎসবের নাম রান্না পুজো, কোথাও বুড়ো রান্না, আবার কোথাও আটাশে রান্না বা স্থানীয় অন্য নামে পরিচিত।অরন্ধন আসলে বাংলার হেঁসেলের উৎসবশহুরে জীবনে অরন্ধনের অনেক রীতিই আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। গ্যাসের উনুন, ইন্ডাকশন, মাইক্রোওয়েভের যুগে মাটির উনুনে আলপনা দিয়ে পুজো করার দৃশ্য এখন আগের মতো সর্বত্র দেখা যায় না।তবু বাংলার বহু বাড়িতে আজও অরন্ধন মানেই আত্মীয়-স্বজনের সমাগম, পুরনো দিনের রান্না, মাটির উনুন, মনসা দেবীর পুজো এবং পরের দিন রান্নাঘরে আগুন না জ্বালানোর এক অভিনব রীতি।বিশ্বকর্মা পুজোর কর্মযন্ত্র যখন এক দিনের বিশ্রাম পায়, তখন হেঁসেলের উনুনও যেন সেই বিশ্রামের অংশীদার হয়। আর তারই সামনে দেবী মনসার আরাধনা করে বাঙালি মনে রাখে প্রকৃতি, ঋতু পরিবর্তন, সর্পভয় এবং ঘর-সংসারের মঙ্গলকামনার সেই প্রাচীন লোকবিশ্বাসকে।তাই অরন্ধন শুধুমাত্র রান্না না করার দিন নয়। এটি বাংলার লোকসংস্কৃতি, খাদ্যপরম্পরা, দেবী মনসার আরাধনা এবং পারিবারিক ঐতিহ্যকে এক সুতোয় বেঁধে রাখা এক অনন্য উৎসব।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
টুকিটাকি

তেঁতুল শুধু টক নয়, পুষ্টির বড় ভাণ্ডার! শিশু থেকে বয়স্ক, কারা কতটা খাবেন?

তেঁতুলের নাম শুনলেই অনেকের জিভে জল চলে আসে। টক, হালকা মিষ্টি এবং নিজস্ব স্বাদের কারণে ভারতীয় রান্নাঘরে দীর্ঘদিন ধরেই তেঁতুলের বিশেষ জায়গা রয়েছে। ডাল থেকে চাটনি, শরবত থেকে আচার, বিভিন্ন পদে তেঁতুল খাবারের স্বাদ বাড়ায়। তবে শুধু স্বাদ নয়, পুষ্টিগুণের দিক থেকেও এই ফলের গুরুত্ব রয়েছে। পরিমিত পরিমাণে খেলে শিশু থেকে প্রবীণ, বিভিন্ন বয়সের মানুষের সুষম খাদ্যতালিকায় তেঁতুল রাখা যেতে পারে।তেঁতুলে রয়েছে খাদ্যআঁশ, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, অল্প পরিমাণ ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি-গোষ্ঠীর কিছু উপাদান। পাশাপাশি এতে পলিফেনলসহ বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও রয়েছে। খাদ্যআঁশ অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখতে এবং হজমে সাহায্য করতে পারে। একই কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও কিছুটা উপকার মিলতে পারে। অন্যদিকে, পটাশিয়াম শরীরের স্বাভাবিক রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ম্যাগনেশিয়ামসহ বিভিন্ন খনিজ হাড়, পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যকারিতায় প্রয়োজনীয়।আরও পড়ুনঃ এত দিন মুখ বন্ধ, গ্রেফতার হতেই মুখ খুললেন সুমিত? জমি কেলেঙ্কারিতে সামনে আসছে নতুন তথ্যতেঁতুলে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা শরীরে দ্রুত শক্তি জোগাতেও সাহায্য করতে পারে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে ভূমিকা রাখে। তবে তেঁতুল কোনও রোগের ওষুধ বা অলৌকিক খাদ্য নয়। এর উপকার পেতে হলে সামগ্রিক সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবেই এটি খাওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ এক রেজিস্ট্রেশন নম্বর, দুই চিকিৎসক! শিশুমৃত্যুর তদন্তে ভুয়ো ডাক্তারি নথির চাঞ্চল্যকর অভিযোগদুই বছরের বেশি বয়সি শিশুদের অল্প পরিমাণে তেঁতুল দেওয়া যেতে পারে। তেঁতুলের শরবত, টক ডাল, সাম্বর, চাটনি, সালাদ কিংবা তেঁতুল ভাত, বিভিন্নভাবেই এটি খাবারে যোগ করা সম্ভব। তবে অতিরিক্ত তেঁতুল খেলে কারও কারও অম্বল বা পেটের অস্বস্তি হতে পারে। যাঁদের তীব্র অ্যাসিডিটি বা পাকস্থলীর আলসারের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন। খুব টক খাবার ঘন ঘন খেলে দাঁতের এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তাই তেঁতুলের ক্ষেত্রে মূল কথা, স্বাদ ও পুষ্টি পেতে পরিমিত খাওয়াই সবচেয়ে ভালো

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোয় আমিষ নিয়ে বাগেশ্বরের মন্তব্য, এবার পাল্টা মুখ্যমন্ত্রী! বাঙালিদের নিয়ে কী বললেন?

পুজোর মরসুমে আমিষ ও নিরামিষ খাবার নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। বাঙালির খাদ্যাভ্যাস নিয়ে স্বঘোষিত ধর্মগুরু বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের পর থেকেই এই নিয়ে জোর চর্চা চলছে। তার মধ্যেই শনিবার গণেশ পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, বাঙালি জানে কখন নিরামিষ খেয়ে পুষ্পাঞ্জলি দিতে হয়, আবার মাছ দিয়ে প্রসাদ দেওয়ার রীতিও বাঙালির অজানা নয়।কয়েক দিন আগে হাওড়ার লিলুয়ায় এসেছিলেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী, যিনি বাগেশ্বর বাবা নামে পরিচিত। সেখানেই বাঙালির খাদ্যাভ্যাস নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ছিল, অনেকে পেঁয়াজ খান, মদ্যপান করেন, আবার নিজেদের ধার্মিকও বলেন। এমনকি পুজোর সময়ে আমিষ খাওয়া বন্ধ করার আবেদনও জানান তিনি। আমিষ খান এমন মানুষদের ধর্মীয় পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বাগেশ্বর বাবা। পাখণ্ডী শব্দ ব্যবহার করে তাঁদের ভেকধারী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বাগেশ্বর বাবার এই বক্তব্য ঘিরেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, একজন মানুষের ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাস নিয়ে অন্য কেউ কীভাবে নির্দেশ দিতে পারেন। বিতর্কের মধ্যেই স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো থেকে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যাও দেন বাগেশ্বর বাবা। তাঁর দাবি, তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, পুজোয় আমিষ খেতে বারণ করার তিনি কেউ নন। তাঁর আপত্তি বলিপ্রথা নিয়ে। তবে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মণ্ডপে মাছ-মাংস খেতে তিনি বারণ করেছেন বলেও জানান।এই পরিস্থিতিতেই শনিবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গণেশ পুজোর অনুষ্ঠানের মঞ্চে তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী লিলুয়ায় এসেছিলেন এবং তাঁকে দেখতে বহু মানুষের সমাগম হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গেই বাঙালির খাদ্যাভ্যাসের কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।তিনি বলেন, বাঙালি জানে কখন নিরামিষ খেয়ে পুষ্পাঞ্জলি দিতে হয়। আবার মাছ দিয়ে প্রসাদ দেওয়ার রীতিও বাঙালির জানা। অর্থাৎ পুজোর সময়ে বাঙালির ধর্মীয় আচারের সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসের যে নিজস্ব রীতি রয়েছে, সেই দিকটিই তুলে ধরেন তিনি।বাগেশ্বর বাবার আমিষ সংক্রান্ত মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যদিও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং অগ্নিমিত্রা পাল বাগেশ্বর বাবার বক্তব্যকে সমর্থন করেননি বলেই জানা গিয়েছে। ফলে পুজোর মরসুমে আমিষ ও নিরামিষ খাবার নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখন ধর্মীয় মত, বাঙালির সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাসএই তিনটি বিষয়কে ঘিরেই আরও জোরালো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal