• ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ০১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Extended

রাজ্য

রাজ্যে করোনা বিধিনিষেধের মেয়াদবৃদ্ধি ৩১ মার্চ পর্যন্ত

রাজ্যে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এলেও আপাতত কোনও ঝুঁকি নিচ্ছে না রাজ্য সরকার। তাই আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত রাজ্যে করোনার বিধিনিষেধ বাড়ানো হলো। পাশাপাশি বজায় থাকবে নৈশ কার্ফু। যদিও হোলিকা দহনের জন্য আগামী ১৭ মার্চ নৈশ কার্ফুর ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী স্বাক্ষরিত এক নির্দেশিকায় এ কথা জানানো হয়েছে।কিন্তু ফের মারণ ভাইরাস নতুন করে তাণ্ডব চালাতে পারে, এমন আশঙ্কায় বিধিনিষেধ পুরোপুরি তুলে নেওয়া হচ্ছে না। গত মাসেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল ১৫ মার্চ পর্যন্ত করোনার বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে এদিন সন্ধ্যায় বিধিনিষেধ ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানোর কথা জানানো হলো। মুখ্যসচিবের স্বাক্ষরিত নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ৩১ মার্চ পর্যন্ত বিধিনিষেধের পাশাপাশি রাত বারোটা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত নৈশ কার্ফু চালু থাকবে। তবে দোলের আগের দিন ন্যাড়া পোড়ানো বা হোলিকা দহনের জন্য নৈশ কার্ফু শিথিল থাকবে। বিধিনিষেধ চলাকালীন মাস্ক পরা যেমন বাধ্যতামূলক, তেমনই শারীরিক দুরত্বও বজায় রাখতে হবে।রাজ্যে গত মাসখানেক ধরেই করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে। দৈনিক সংক্রমণ যেমন একশোর গণ্ডির নিচে নেমে এসেছে, তেমনই দৈনিক মৃত্যুও হ্রাস পেয়েছে। সংক্রমণের হার কমে দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক ২৯ শতাংশে। মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসায় ধীরে-ধীরে কোভিড বিধিনিষেধ শিথিল করার পথে হেঁটেছে রাজ্য সরকার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-সহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র যেমন খুলে দেওয়া হয়েছে, তেমনই নৈশ কার্ফুতেও অনেকটা ছাড় দেওয়া হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২২
রাজ্য

কোভিডবিধি বহাল থাকল আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত

বাড়ানো হল পশ্চিমবঙ্গের কোভিড বিধির মেয়াদ। মেয়াদ বাড়ানো হল আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত। তবে আলগা করা হল না কোভিড বিধিনিষেধ। বর্তমানে রাজ্যে যে কোভিডবিধি কার্যকর রয়েছে, তা-ই ১৫ মার্চ পর্যন্ত বহাল থাকবে। সোমবার সন্ধ্যায় নির্দেশিকা জারি করে জানাল নবান্ন।গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নবান্নের জারি করা কোভিড বিধিনিষেধে নৈশ কার্ফুর মেয়াদ এক ঘণ্টা কমানো হয়েছিল। সময়সীমা রাত ১২ টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত করা হয়েছিল। সোমবার জারি করা নির্দেশিকাতেও ওই একই নিয়ম বহাল রাখা হয়েছে। আগের মতোই কেবল জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের এই নৈশ কার্ফুর আওতা থেকে বাদ রাখা হয়েছে। পাশাপাশিই, মাস্ক পরা এবং শারীরিক দূরত্ববিধির নিয়ম আগের মতোই বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নবান্নের নির্দেশ, বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থাগুলিকেও আগের মতোই কোভিড নিরাপত্তা বজায় রাখতে হবে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক উড়ানের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধের মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হল। সোমবার এক নির্দেশিকা জারি করে এমনটাই জানিয়েছে ডিজিসিএ।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ল ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, প্রেক্ষাগৃহে ৭৫ শতাংশ দর্শকসংখ্যা ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

করোনা বিধি-নিষেধের মেয়াদ ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়লেও খুশির খবর টলিউডে। প্রেক্ষাগৃহে দর্শকসংখ্যা ৫০ শতাংশ থেকে বেড়ে হল ৭৫ শতাংশ। সোমবার নবান্ন থেকে করোনার নতুন বিধি ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অনুযায়ী, আরও ২৫ শতাংশ বাড়ল প্রেক্ষাগৃহের দর্শকসংখ্যা। এর আগে ওমিক্রনের প্রভাবে প্রেক্ষাগৃহ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল দিল্লিতে। পশ্চিমবঙ্গে প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ না হলেও ১০০ শতাংশ দর্শকসংখ্যা কমিয়ে করা হয়েছিল ৫০ শতাংশ। যার ফলে, ফের মাথায় হাত পড়েছিল হল-মালিক, পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতাদের। বেশ কিছু ছবি-মুক্তিও পিছিয়েছিল এই কারণেই। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণা কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরিয়ে দিল বিনোদন দুনিয়ায়।অন্যদিকে সরকারি বেসরকারি অফিসে ৭৫ শতাংশ হাজিরা নিয়ে হবে কাজকর্ম।৭৫ শতাংশ নিয়ে সিনেমা হল, থিয়েটার হল, রেস্তোরাঁ এবং বার চালু থাকতে পারবে। স্পোর্টস অ্যাকটিভিজ ৭৫ শতাংশ আসনে লোক নিয়ে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, রাজনৈতিক কর্মসূচিও ৭৫ শতাংশ আসনে লোক নিয়ে করা যাবে। নেতাজি ইনডোরে কোনও অনুষ্ঠান হলে ৭৫ শতাংশ আসন ক্ষমতা নিয়ে অনুষ্ঠান করা যাবে। হলগুলোও ৭৫ শতাংশ লোক নিয়ে চলবে। রাস্তার মিটিং মিছিলে একটু কড়াকড়ি রাখা হয়েছে। সবটা একসঙ্গে ছাড়লে সমস্যা হতে পারে। সিএবিরও আইপিএল আসছে। সুতরাং একটা ভেন্যু থেকে ৭৫ শতাংশ ক্যাপাসিটি রেখে করতে পারবে। সুইমিং পুল খুলে দেওয়া হল। পার্ক খুলে দেওয়া হচ্ছে। বিয়েবাড়িতে ৭৫ শতাংশ উপস্থিতিতে ছাড়। ১৬ ফেব্রুয়ারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল মিট হবে। চেম্বার্সগুলোর সঙ্গে। মুম্বই, দিল্লির বিমান নিয়মিত ওঠানামা করবে। ইউকে কলকাতা উড়ান হবে। এখানে নেমে আরটিপিসিআর করতে হবে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
রাজ্য

বিয়ে ও মেলায় কিছু ছাড় দিয়ে রাজ্যে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত জারি বিধিনিষেধ

করোনা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের জেরে গত ২ জানুয়ারি মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী রাজ্যে নতুন করে করোনা বিধিনিষেধ জারি করেন।বাড়তি কিছু ছাড়-সহ রাজ্যে কোভিড জনিত বিধি-নিষেধের মেয়াদ আরো ১৫ দিন বাড়ানো হলো।আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বিধিনিষেধ জারি থাকবে বলে নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে। তবে এ বার বিয়ে ও মেলা আয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে।রাজ্য সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে,বিয়েবাড়ি বা বিয়ে সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে একই সময় সর্বোচ্চ ২০০ জন কিংবা অনুষ্ঠান স্থলের মোট আসন সংখ্যার অর্ধেক, এর মধ্যে যেটা কম, সেই সংখ্যক মানুষ উপস্থিত থাকতে পারবেন। খোলা আকাশের তলায় মেলা করা যাবে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে কঠোরভাবে করোনা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে।তবে এই পর্বেও সমস্ত স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকছে। জিম, সুইমিং পুল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।অর্ধেক হাজিরা নিয়ে চলবে সরকারি অফিস। তবে আগের দেওয়া ছাড় বজায় রেখে ৫০ শতাংশ ক্রেতা নিয়ে সেলুন খোলা থাকবে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে রাত দশটা পর্যন্ত লোকাল ট্রেন চলাচল করবে। নৈশ বিধিনিষেধের সময়সীমাও একই থাকছে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
দেশ

AFSPA: নাগাল্যান্ডে আরও ৬ মাস মেয়াদ বাড়ল আফস্পার

খারিজ হল নাগাল্যান্ড সরকারের দাবি, বাড়ল আফস্পার মেয়াদ। আরও ৬ মাস আফস্পার মেয়াদ বৃদ্ধি করল কেন্দ্র। নাগাল্যান্ড সরকারের আফস্পা প্রত্যাহারের দাবি খারিজ করে উপদ্রুত এলাকা হিসাবে ঘোষণা করল কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, জঙ্গি কার্যকলাপের বাড়বাড়ন্তের ফলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জনজীবন স্বাভাবিক রাখতেই বাহিনির বিশেষ ক্ষমতা বলবৎ করা হচ্ছে। এর আগে নাগালান্ডের একাংশ উপদ্রুত এলাকা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এবার সারা নাগাল্যান্ডকেই উপদ্রুত বলে ঘোষণা করা হল।এদিকে আফস্পা প্রত্যাহারের আন্দোলনের মধ্যেই গত ৪ ডিসেম্বর নাগাল্যান্ডের মন জেলার ওটিং গ্রামে এক অভিযানে অন্তত ১৪ জন গ্রামবাসী এবং একজন সেনা জওয়ান নিহত হন। এরপর আফস্পা প্রত্যাহারের দাবি আরও তীব্র হয়। নাগাল্যান্ডের দক্ষিণপন্থী এমনকী নাগাল্যান্ড সরকারও আফস্পা প্রত্যাহারের দাবি তোলে।বর্তমানে, জম্মু ও কাশ্মীর, নাগাল্যান্ড, অসম, মণিপুর (ইম্ফলের সাতটি বিধানসভা কেন্দ্র বাদে) এবং অরুণাচল প্রদেশের কিছু অংশে আফস্পা আইন কার্যকর রয়েছে। যদি প্রশাসন মনে করে ওই এলাকায় পরিবেশ এখন আর অশান্ত নয় কিংবা যদি মনে করা হয় এলাকার পরিস্থিতি পুলিশ বাহিনী দিয়ে পরিচালানা করার যোগ্য, তখন এই আইনটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ত্রিপুরা থেকে আফস্পা আইন বাতিল করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে মেঘালয় থেকেও আফস্পা সরিয়ে নেওয়া হয়। অরুণাচল প্রদেশেও এই আইনের ব্যবহার সীমিত করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Corona Restriction: পুজোর দিনে বিশেষ ছা‌ড় থাকলেও চলবে না লোকাল ট্রেন, অক্টোবর মাসেও চলবে করোনা বিধিনিষেধ

করোনাজনিত বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও একদফা বাড়ালো রাজ্য সরকার। তবে আসন্ন পুজোর দিনগুলোতে শিথিল করা হলো নৈশকালীন কড়াকড়ি। তবে এই পর্বেও লোকাল ট্রেন চলাচলের অনুমতি দেয়নি নবান্ন।করোনা রুখতে রাজ্য সরকারের জারি করা বিধি-নিষেধের চলতি মেয়াদ বৃহস্পতিবারই শেষ হয়েছে। এদিন সন্ধ্যায় নবান্ন থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত করোনা বিধিনিষেধ জারি থাকবে। তবে ১০ ই অক্টোবর পঞ্চমী থেকে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার দিন ২০ অক্টোবর পর্যন্ত রাত ১১ টা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত বাইরে বেরোনো নিয়ে কোনও কড়াকড়ি থাকবে না। অর্থাৎ আগের মত রাত জেগে ঠাকুর দেখতে পারবেন মানুষ। তবে মাসের বাকি দিনগুলোতে যথারীতি নৈশ বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে। অর্থাৎ জরুরি কোনও কারণ ছাড়া ওই সময় বাইরে বেরোনো নিষেধ থাকছে।বুধবার সন্ধ্যায় নবান্নের তরফে যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছে এখন যে সব করোনা বিধিনিষেধ রাজ্যে চালু রয়েছে তেমনটাই চলবে গোটা অক্টোবর মাসেও। অনেকে আশা করেছিলেন অক্টোবর থেকে লোকাল ট্রেন চলাচলে অনুমতি দিতে পারে রাজ্য সরকার। কিন্তু বুধবারের বিজ্ঞপ্তির পরে এটা স্পষ্ট যে, এখনই লোকাল ট্রেনের স্বাভাবিক চলাচলের ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার। একইভাবে মেট্রো রেলের চলাচলও নিয়ন্ত্রিতই থাকছে অক্টোবর মাসে। একই সঙ্গে এই সময়ে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা-সহ অন্যান্য বিধিনিষেধ নিয়ে প্রশাসন যে কড়া মনোভাব দেখাবে তাও বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশকে করোনা বিধিনিষেধ পালন নিশ্চিত করতে কড়া পদক্ষেপ করারও নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
দেশ

Pan-Aadhar Link: প্যান-আধার লিঙ্ক হয়নি? আপনার জন্য স্বস্তির খবর

প্যান-আধার কার্ড এখনও সংযুক্ত করাননি? চিন্তা নেই। আপনার জন্য সুখবর রয়েছে। করোনা আবহের কথা মাথায় রেখে ফের একবার বাড়ানো হল প্যান ও আধার কার্ড সংযুক্ত করার সময়সীমা। শুক্রবার নতুন ডেডলাইন ঘোষণা করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্যান ও আধার কার্ডের সংযুক্তিকরণ সম্পন্ন করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্র। এবার সেই সময়সীমা বাড়ানো হল।আগামী বছর অর্থাৎ ২০২২-এর ৩১মার্চের মধ্যে প্যান ও আধার কার্ড সংযুক্ত করতে হবে। অর্থাৎ আরও ৬ মাস বাড়ানো হল সময়সীমা। এই সময়সীমা বাড়ানো না হলে আয়করের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। তাই করোনা পরিস্থিতিতে সেই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতেই এই সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র।এই নিয়ে চলতি বছরে চতুর্থবার প্যান ও আধার কার্ড সংযুক্তিকরণে সময়সীমা বাড়ানো হল। এর আগে জুলাই মাসেও সংযুক্তিকরণে সময়সীমা বাড়িয়ে করা হয় ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্যই জুলাই মাসে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছিল।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Covid Guideline: রাজ্যে আরও এক দফা বাড়ল করোনা বিধিনিষেধ

রাজ্যে আরও এক দফা বাড়ল কোভিড বিধিনিষেধ। নবান্ন সূত্রে খবর, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে বলবৎ থাকছে কোভিড বিধি-নিষেধ। এই পর্বেও চালু হচ্ছে না লোকাল ট্রেন।এই পর্বেও রাত্রিকালীন বিধিনিষেধ জারি রাখতে চাইছে নবান্ন। অর্থাৎ রাত্রি ১১টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত আপৎকালীন পরিষেবা ছাড়া কোনও গাড়ি চলবে না। অন্য সময়ে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। বেসরকারি ক্ষেত্রে বা ছোট বড় কোনও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ক্ষেত্রে কর্মচারীদের অফিসে আনার ক্ষেত্রে কোভিডবিধি মানতেই হবে। অফিস চালাতে হলে কর্মচারীদের টিকারদুটি ডোজ থাকা বাধ্যতামূলক। এই পর্বে মাস্ক ব্যবহার এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা আগের মতোই বাধ্যতামূলক। মনে করা হচ্ছে পুজোর মরশুমে ভিড়ের চাপে করোনার প্রত্যাঘাত রুখতেই এই পদক্ষেপ নিচ্ছে নবান্ন। বিধিভঙ্গের অভিযোগে মহামারি আইন ২০০৫ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Local Train: ফের রাজ্যে বাড়লো কোভিড বিধি, সময়সীমা কমলো নাইট কার্ফুর

৩১ অগস্ট পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেন। এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। জানালেন, আগামী ৩১ অগস্ট পর্যন্ত রাজ্যে কোভিড বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। ওই সময় পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেন। তবে কমছে নাইট কার্ফুয়ের সময়সীমা। এতদিন রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে নাইট কার্ফু চলছিল। কিন্তু ১৬ অগস্ট থেকে তার সময় বদলাচ্ছে। জনগণের দাবি এবং কাজকর্মের কথা বিবেচনা করে রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত থাকবে রাত্রিকালীন বিধিনিষেধ।এদিন সাংবাদিক বৈঠক মুখ্যমন্ত্রী আর যে যে বিষয়গুলো বলেন, তা নিম্নরূপ:১. ২৫ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত সব মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাবেন। বাংলা একদিন বিশ্ব বাংলায় পরিণত হবে।২. অনেকে প্রশ্ন করছেন লোকাল ট্রেন কেন চলছে না? আমি জানি সাধারণ মানুষের কষ্ট হচ্ছে। সেজন্য মেট্রো, বাস চালু করে দেওয়া হচ্ছে। আরও কয়েকটা দিন কষ্ট করতে হবে। লোকাল ট্রেন চালাতে আরও কিছুদিন সময় নিচ্ছি। তৃতীয় ঢেউয়ের বিষয়টি দেখছি। অগস্টের ৩১ তারিখ পর্যন্ত লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকবে।৩. সাধারণ মানুষের দাবি মেনে রাত ১১ টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ বন্ধ থাকবে। এতে মানুষের কোনও অসুবিধা হবে না।৪. ভাইফোঁটার দিন থেকে চালু হচ্ছে দুয়ারে রেশন।৫. তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা আছে, তাই আরও কিছু দিন কষ্ট করতে হবে৬. সংক্রমণের হার কমেছে বাংলা।৭. গ্রামাঞ্চলে টিকাকরণ বেড়েছে। ইতিমধ্যেই ৫০ শতাংশ টিকাকরণ হয়ে গিয়েছে।৮. টিকা পাচ্ছি না, তাও সাধ্য মতো চেষ্টা করে যাচ্ছি।রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত মে মাস থেকে দফায় দফায় চলছে বিধিনিষেধ। দৈনন্দিন কাজের সুবিধার্থে একাধিক বিষয়ে ছাড় দিয়ে চলতি নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ছিল ১৫ অগস্ট পর্যন্ত। এবার তা আরও বাড়ানো হল। ৩১ অগস্ট পর্যন্ত তা বাড়ল। তবে এখনই খুলছে না লোকাল।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজ্য

Covid-Guideline extended: ফের বাড়ল করোনা বিধিনিষেধের মেয়াদ

রাজ্যে কোভিড সংক্রান্ত বিধিনিষেধের মেয়াদ ফের বাড়ল। ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হল এই সময়সীমা। সেই সঙ্গে কোভিড নিয়ন্ত্রণ বিধিতে কিছু ছাড় এবং কিছু বাড়তি বিধি নিষেধও আরোপ করেছে রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার রাজ্যের মুখ্যসচিবের তরফে জারি করা একটি নোটিসে জানানো হয়েছে, শনিবার, ৩১ জুলাই থেকেই নতুন নিয়ম জারি হবে।আরও পড়ুনঃ পদকের দিকে আরও একধাপ এগোলেন সিন্ধুবৃহস্পতিবার সকালে নবান্ন থেকে সেই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিধি-নিষেধের এই নতুন পর্যায়ে তেমন কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না নিয়মে। লোকাল ট্রেন চালু করার কথা এ বারও জানায়নি রাজ্য। শুধু সরকারি অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে নতুন করে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছে। নয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এ বার থেকে কোনও সরকারি অনুষ্ঠান করতে গেলে ৫০ শতাংশের উপস্থিতিতে কোনও ঘেরা জায়গায় তা করা যেতে পারে। এ ছাড়া প্রত্যেক সেক্টরের ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব ওয়ার্ক ফ্রম হোম করানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে রাত ৯ টা থেকে ভোর ৫ টা নাইট কার্ফুর ক্ষেত্রে আরও কড়া ব্যবস্থা নিতে চলেছে প্রশাসন। সব জেলার পুলিশ সুপার ও জেলা শাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে নাইট কার্ফুর বিষয়টিতে তাঁরা আরও বেশি জোর দেন। রাতে কোনও গাড়ি চলাচলের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এছাড়া মাস্ক ব্যবহারের থাকছে বিশেষ কড়াকড়ি।তৃতীয় ঢেউ নিয়ে আশঙ্কার আবহেই করোনা সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রণবিধির মেয়াদ বাড়ানো হল। তবে সরকারি অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য পরিষেবা, আইন শৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত পরিষেবা এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবা ছাড়া এই সময়ে যানবাহন এবং রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষের চলাফেরাতে নিষেধাজ্ঞা ছিল। সরকারি বিবৃতিতে জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ কমিশনারেটগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আইন যাতে যথাযথভাবে পালন করা হয় তাতে কড়া নজর রাখতে।

জুলাই ২৯, ২০২১
রাজ্য

বড় খবর: রাজ্যে বাড়ল করোনার বিধিনিষেধ, চালু হচ্ছে না লোকাল ট্রেন

রাজ্যে করোনার বিধিনিষেধ ফের বাড়ল। আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত এই বিধিনিষেছ লাগু থাকছে। এখনই চলবে না লোকাল ট্রেন। তবে সাধারণের জন্য ১৬ জুলাই থেকে শর্তসাপেক্ষে মেট্রো চলাচল শুরু হবে। শনি ও রবিবার বাদে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে চলবে মেট্রো। স্কুল, কলেজ যথারীতি বন্ধই থাকছে। স্কুল, কলেজ যথারীতি বন্ধই থাকছে। গত জুন মাস থেকেই করোনা নিয়ে রাজ্যে বিধিনিষেধ চালু হয়েছিল।আরও পড়ুনঃ সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যুহার, কি বলছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট? জানুনপ্রতিদিন মেট্রো স্যানিটাইজ করতে হবে। মেট্রোর কর্মী ও যাত্রীদের নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। নবান্নের তরফে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়-সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধই থাকবে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি বাস, ফেরি, ট্রাম, ট্যাক্সি, ক্যাব ও অটো চলবে। তবে চালক ও যাত্রীদের কোভিড বিধি মেনে চলতে হবে। শনি-রবি বাদে সপ্তাহে ৫ দিন চালু থাকবে মেট্রো রেল। ব্যাংক খোলার সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত খোলা থাকবে ব্যাংক। সমস্ত দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হল। শপিংমলে খুচরো বিপণনী ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে খোলা যাবে। তবে নির্দিষ্ট সময়ে থাকতে হবে ৫০ শতাংশ ক্রেতা। রেস্তোরাঁগুলি ৮টার পর খোলা রাখা যাবে না। সিনেমাহল, স্পা ও সুইমিংপুল বন্ধ থাকছে। যদিও রাজ্য, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সাতারুদের প্রাত্যহিক অভ্যাসের জন্য সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে সুইমিংপুল। সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষাগত, বিনোদনমূলক ও রাজনৈতিক সভা-জমায়েত নিষিদ্ধ। বিবাহ অনুষ্ঠানে ৫০ জনের বেশি অতিথি থাকতে পারবেন না। দাহকার্যে ২০ জনের বেশি থাকতে পারবেন না।আরও পড়ুনঃ করোনা প্রতিরোধে নতুন দিশা, বাজারে আসছে ন্যাজাল স্প্রেকরোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার সতর্কবার্তা আইএমএ-র তরফে আসার পরই নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলো। ইতিমধ্যে করোনা সংক্রমণও গত ২দিনে সামান্য হলেও ঊর্ধ্বমুখী। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগেভাগেই করোনা বিধিনিষেধে লাগাম টানল রাজ্য সরকার।১৫ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যে কার্যত লকডাউনের বিধিনিষেধ ফের একবার ১৫ দিন বাড়ানো হল। যান চলাচলে ছাড় দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট করোনা বিধিনিষেধ অবশ্যই পালন করার কড়া নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১৪, ২০২১
রাজ্য

Lockdown: ১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউন, কোন কোন ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল, জানুন

করোনার কড়া বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ১৫দিন বাড়ল রাজ্যে। তবে একাধিক ক্ষেত্রে মিলল ছাড়। যদিও এখনই লোকাল ট্রেন, মেট্রো বা গণপরিবহণ চলাচলে ছাড় দেয়নি রাজ্য। তবে দোকান, বাজার, অফিসের মতো জন পরিষেবার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে সেই সমস্ত তথ্য জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। আগামী ১৫ দিন কী করা যাবে আর কী করা যাবে না, রইল তার তালিকা।১৬ মে থেকে বিধিনিষেধ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য। ২৫ শতাংশ কর্মীদের উপস্থিতি নিয়ে সমস্ত সরকারি অফিস চলবে। বেসরকারি অফিস ১০-৪ টে থেকে খোলা। ২৫ শতাংশ কর্মী উপস্থিত থাকতে পারেন। কর্মীদের জন্য পরিবহণের ব্যবস্থা করবে অফিস। ই-পাসের ব্যবস্থা থাকবে। প্রাতঃভ্রমণের জন্য সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত পার্ক খোলা। টিকা নিয়েছেন, এমন ব্যক্তিরাই মর্নিং ওয়াকে বেরনোর অনুমতি পাবেন। টিকার দুটি ডোজ সম্পূর্ণ হলে তবেই ঢোকা যাবে পার্কে। বাজার খোলা সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত। অন্যান্য দোকান খোলা থাকবে ১১-৬ টা পর্যন্ত। রেস্তরাঁ-বার, শপিং মল,হোটেল ১২টা থেকে ৮টা পর্যন্ত খোলা। শপিং মল ১১-৬টা পর্যন্ত খোলা, ২৫ শতাংশের বেশি কর্মী হাজির থাকতে পারবেন না। একসঙ্গে ঢুকতে পারবেন সর্বাধিক ৩০ শতাংশ ক্রেতা। স্টেডিয়ামে খেলা হতে পারে। তবে দর্শক থাকতে পারবেন না। প্রতি শুটিং ইউনিটে ৫০ জন সদস্য হাজির থাকতে পারবেন। প্রত্যেকের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হতে হবে। স্কুল-কলেজ-সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। লোকাল ট্রেন, মেট্রো পরিষেবা বন্ধ। বন্ধ বাসও। জরুরি পরিষেবা ছাড়া ট্যাক্সি, অটো বন্ধ। সামাজিক-রাজনৈতিক জমায়েত বন্ধ। সিনেমা হল, বিউটি পার্লার, স্পা বন্ধ। বিয়েতে সর্বাধিক ৫০ জন হাজির থাকতে পারবেন। শেষকৃত্যে ২০ জনের বেশি নয়। ব্যাংক ১০টা থেকে দুপুর ২ টো পর্যন্ত খোলা। রাত ৯টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত কোনও গাড়ি চলবে না। জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বেরনো যাবে না।

জুন ১৪, ২০২১
রাজ্য

Lockdown: ১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউন, কোন কোন ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল, জানুন

করোনার কড়া বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ১৫দিন বাড়ল রাজ্যে। তবে একাধিক ক্ষেত্রে মিলল ছাড়। যদিও এখনই লোকাল ট্রেন, মেট্রো বা গণপরিবহণ চলাচলে ছাড় দেয়নি রাজ্য। তবে দোকান, বাজার, অফিসের মতো জন পরিষেবার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে সেই সমস্ত তথ্য জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। আগামী ১৫ দিন কী করা যাবে আর কী করা যাবে না, রইল তার তালিকা।১৬ মে থেকে বিধিনিষেধ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য। ২৫ শতাংশ কর্মীদের উপস্থিতি নিয়ে সমস্ত সরকারি অফিস চলবে। বেসরকারি অফিস ১০-৪ টে থেকে খোলা। ২৫ শতাংশ কর্মী উপস্থিত থাকতে পারেন। কর্মীদের জন্য পরিবহণের ব্যবস্থা করবে অফিস। ই-পাসের ব্যবস্থা থাকবে। প্রাতঃভ্রমণের জন্য সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত পার্ক খোলা। টিকা নিয়েছেন, এমন ব্যক্তিরাই মর্নিং ওয়াকে বেরনোর অনুমতি পাবেন। টিকার দুটি ডোজ সম্পূর্ণ হলে তবেই ঢোকা যাবে পার্কে। বাজার খোলা সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত। অন্যান্য দোকান খোলা থাকবে ১১-৬ টা পর্যন্ত। রেস্তরাঁ-বার, শপিং মল,হোটেল ১২টা থেকে ৮টা পর্যন্ত খোলা। শপিং মল ১১-৬টা পর্যন্ত খোলা, ২৫ শতাংশের বেশি কর্মী হাজির থাকতে পারবেন না। একসঙ্গে ঢুকতে পারবেন সর্বাধিক ৩০ শতাংশ ক্রেতা। স্টেডিয়ামে খেলা হতে পারে। তবে দর্শক থাকতে পারবেন না। প্রতি শুটিং ইউনিটে ৫০ জন সদস্য হাজির থাকতে পারবেন। প্রত্যেকের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হতে হবে। স্কুল-কলেজ-সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। লোকাল ট্রেন, মেট্রো পরিষেবা বন্ধ। বন্ধ বাসও। জরুরি পরিষেবা ছাড়া ট্যাক্সি, অটো বন্ধ। সামাজিক-রাজনৈতিক জমায়েত বন্ধ। সিনেমা হল, বিউটি পার্লার, স্পা বন্ধ। বিয়েতে সর্বাধিক ৫০ জন হাজির থাকতে পারবেন। শেষকৃত্যে ২০ জনের বেশি নয়। ব্যাংক ১০টা থেকে দুপুর ২ টো পর্যন্ত খোলা। রাত ৯টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত কোনও গাড়ি চলবে না। জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বেরনো যাবে না।

জুন ১৪, ২০২১
রাজ্য

১৫ জুন পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউনের মেয়াদ

রাজ্যে কার্যত লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি পেল ১৫ জুন পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত সব বিধিনিষেধ জারি থাকবে রাজ্যে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, যে যে বিধিনিষেধ জারি ছিল, সেগুলিই জারি থাকবে। বিধিনিষেধের ফলে রাজ্যে সংক্রমণ কিছুটা কমেছে। তাই এই সিদ্ধান্ত।আরও পড়ুন: নিউ বারাকপুরে গেঞ্জি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডএর আগে ১৫ মে থেকে রাজ্যে কার্যত লকডাউন ঘোষণা করা হয়। তার আগের দিন, অর্থাৎ ১৪ মে রাজ্যে সংক্রমণ ছিল সবচেয়ে বেশি। আক্রান্ত হয়েছিলেন ২০ হাজার ৮৪৬ জন। ১৫ মে আক্রান্ত হন ১৯ হাজার ৫১১ জন। কিন্তু লকডাউন ঘোষণার পর থেকে সংক্রমণ কমছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ হাজার ২২৫ জন। সেই কারণেই আরও ১৬ দিন লকডাউন বাড়ানো হল বলেই প্রশাসন সূত্রে খবর। বৃহস্পতিবার মমতা বলেন, আমরা একে লকডাউন বলছি না। আমরা বলছি বিধিনিষেধ। এর আগে যা যা বিধিনিষেধ ছিল, সেগুলিই বজায় থাকবে। রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত কেউ বাইরে বেরোবেন না। বাজার, মিষ্টির দোকান, শাড়ি, গয়নার দোকান যে রকম নিয়ম মেনে খুলছিল সে রকমই খুলবে। শুধু জুটমিলে কর্মীর সংখ্যা ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে নির্মাণ কাজে যুক্ত শ্রমিকদের টিকা নেওয়া হয়ে গেলে তাঁরা কাজ করতে পারবেন।

মে ২৭, ২০২১
রাজ্য

কড়া রাজ্য, আগামী ১৪ দিন বন্ধ বাস, মেট্রো-সহ সব গণপরিবহণ

করোনা সংক্রমণ রুখতে কার্যত লকডাউনের পথে হাঁটল রাজ্য সরকার। রবিবার সকাল ৬টা থেকে ৩০ তারিখ সন্ধে পর্যন্ত কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। শনিবার দুপুরে নবান্নে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে এ কথা জানিয়েছেন। দেখে নিন, কোন কোন ক্ষেত্রে কঠোরতম নিষেধাজ্ঞা জারি হল বার বাস, মেট্রো-সহ সমস্ত গণপরিবহণ বন্ধ করা হল। বন্ধ ফেরি, অটো পরিষেবাও। শুধুমাত্র জরুরি পরিস্থিতিতেই মিলবে পরিবহণ পরিষেবা। সরকারি ও বেসরকারি অফিস, কলকারখানাও বন্ধ হচ্ছে আগামী ১৫ দিনের জন্য। বন্ধ সমস্ত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্য়ালয়-সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নাইট কার্ফু জারি হল রাজ্যে।প্রায় লকডাউনের পরিবেশই ফিরছে রাজ্যে। গত ৫ তারিখ তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়ে কোভিড মোকাবিলায় বৈঠকের পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, দু সপ্তাহ বন্ধ থাকবে লোকাল ট্রেন। কিন্তু অন্যান্য গণপরিবহণ স্বাভাবিকই ছিল। এবার তাও বন্ধ করে কার্যত জনগণের বাড়ির বাইরে আসাযাওয়া নিয়ন্ত্রণের পথে হাঁটল প্রশাসন। এমনকী, বন্ধ অটোও। আগের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৫ দিন বন্ধ থাকবে রেস্তরাঁ, শপিংমল, সুইমিং পুল, পার্লার। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরনো প্রায় নিষেধ। রাত ৯টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত কার্যত নাইট কার্ফু জারি হল রাজ্যে। এছাড়া সমস্ত ধর্মীয়, রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ বন্ধ। মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এ ধরনের জমায়েত থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কাই বেশি। তাই তা রুখতে জমায়েতে কড়া হাতে রাশ টানছে প্রশাসন।এদিকে, রেল চলাচল বন্ধ হওয়ার কথা মুখ্যসচিব জানালেও পূর্ব রেলের সিপিটিএম-এর বক্তব্য, এখনও রাজ্যের তরফে কোনও নির্দেশিকা আসেনি। সেক্ষেত্রে দূরপাল্লার ট্রেন বন্ধ না হওয়ার আশা দেখছেন রেলকর্তারা। তবে ছাড়ও রয়েছে বেশ কয়েকটি পরিষেবায়। চিকিৎসা, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যাবতীয় পরিষেবা দিনভর সচল থাকবে। ওষুধ, ইলেকট্রনিক্স, চশমার দোকান খোলা থাকবে। সীমিত সংখ্যক কর্মী নিয়ে চালু থাকবে চা বাগান, জুটমিল। খুব প্রয়োজনে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে বেরনো যাবে পথে। মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। সারাদিন চালু থাকবে খাদ্য সরবরাহ সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিষেবা। রেস্তরাঁ, হোটেল বন্ধ থাকলেও মিলবে অনলাইনে ফুড ডেলিভারি।

মে ১৫, ২০২১
দেশ

রাজধানীতে লকডাউন বাড়ল আরও এক সপ্তাহ

সংক্রমণ কমার কোনও লক্ষণই নেই, তাই আরও এক সপ্তাহ বাড়ল দিল্লির লকডাউন। আজ এক ভিডিও বার্তায় একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।সব দিক পর্যালোচনা করেই লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।দিল্লিতে ক্রমশ বাড়ছে করোনা। সেই সঙ্গে অক্সিজেন ও হাসপাতালে শয্যা সংকটও চলছে। এই পরিস্থিতিতে আরও এক সপ্তাহ লকডাউন বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে দিল্লি সরকার, এমনটাই জানা গিয়েছিল। রবিবার দুপুরে সেই জল্পনাকে সত্যি করেই লকডাউনের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কেন্দ্রীয় সরকার দিল্লির জন্য দৈনিক অক্সিজেন সরবরাহ ৪৮০ মেট্রিক টন থেকে বাড়িয়ে ৪৯০ মেট্রিক টন করেছে।দিল্লিতে প্রতিদিন ৭০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন কেজরিওয়াল। শনিবার দিল্লির জয়পুর গোল্ডেন হাসপাতালের তরফে জানা যায়, সেখানে অক্সিজেনের অভাবে ২৫ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। উৎপাদন কেন্দ্রগুলি থেকে কতটা অক্সিজেন হাসপাতালগুলিতে সরবরাহ করা হচ্ছে তার রেকর্ড রাখার একটি পোর্টাল তৈরি করছে দিল্লি সরকার। সেই পোর্টালে অক্সিজেনে সরবরাহের স্থিতি প্রতি ২ ঘণ্টায় আপডেট করা হবে। উৎপাদন কেন্দ্রগুলি থেকে কতটা অক্সিজেন হাসপাতালগুলিতে সরবরাহ করা হচ্ছে তার রেকর্ড রাখার একটি পোর্টাল তৈরি করছে দিল্লি সরকার। সেই পোর্টালে অক্সিজেনে সরবরাহের স্থিতি প্রতি ২ ঘণ্টায় আপডেট করা হবে।দিল্লিতে গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে ২৪ হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৩৫৭ জনের, যা একদিনে সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে গতকাল দিল্লির ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির তরফেও জানানো হয় যে তাঁরা আরও দীর্ঘ লকডাউন চান।

এপ্রিল ২৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

নির্বাচন-পরবর্তী অশান্তি নিয়ে সরব প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেক-কল্যাণের ওপর হামলায় বিজেপিকে নিশানা

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে হামলা, গ্রেফতারি এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগকে সামনে এনে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় বিরোধী কণ্ঠরোধের চেষ্টা এবং রাজনৈতিক হিংসার নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে, যার পিছনে বিজেপির ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গত কয়েক দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। তার পরদিনই লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আক্রমণের ঘটনা সামনে আসে। এই ধারাবাহিক ঘটনাগুলিকে তিনি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখতে নারাজ। তাঁর মতে, বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।আক্রান্ত সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তিনি জানান, দলের পক্ষ থেকে আক্রান্ত নেতার পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বাংলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে উসকে দিয়ে বিজেপি স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষের নামে নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের মাঠে নামাচ্ছে। তাঁর দাবি, গণতান্ত্রিক বিরোধিতাকে দমন করতে রাজনৈতিক হিংসাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি এও প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নীরবতা বা প্রশ্রয় ছাড়া এ ধরনের ঘটনা এত ঘনঘন ঘটতে পারে কি না।সামাজিক মাধ্যমের ওই পোস্টে বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলা বরাবরই সৌজন্য, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চার পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত। সেই বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে হিংসা, ভয় দেখানো বা গুন্ডামির কোনও স্থান নেই। তাই এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি দুই ক্ষেত্রেই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত। শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হিংসা ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলছে। সেই আবহেই তাঁর এই বার্তা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের সফরে ‘নীরব’ সোনারপুরের তৃণমূল! হামলা ঘিরে সামনে এল দলের অন্দরেই অস্বস্তির ইঙ্গিত

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কর্মসূচি এক সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ছিল মর্যাদা ও গুরুত্বের বিষয়। তাঁর জেলা সফর মানেই নেতাদের ব্যস্ততা, মঞ্চে নেতার সাথে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ছিল প্রতিযোগিতা। কিন্তু শনিবার সোনারপুরের ঘটনাপ্রবাহ যেন সম্পূর্ণ উল্টো ছবি তুলে ধরল।ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সোনারপুরে গিয়েছিলেন তৃণমূল দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর এই কর্মসূচিতে স্থানীয় তৃণমূলের প্রথম সারির অধিকাংশ নেতা-কাউন্সিলরের অনুপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। যে এলাকায় অভিষেকের উপর বিক্ষোভ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে, সেটি রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। অথচ সেই ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাদের কাউকেই কার্যত দেখা যায়নি ঘটনাস্থলের আশপাশে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, অভিষেকের সফরের আগে থেকেই সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কার কথা স্থানীয় নেতৃত্ব জানিয়েছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল। তবে সেই সতর্কবার্তা সত্ত্বেও কর্মসূচি বাতিল হয়নি। ফলস্বরূপ, নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ, স্লোগান এবং হামলার মুখে পড়তে হয় অভিষেককে।রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার অধিকাংশ কাউন্সিলর তৃণমূলের হলেও তাঁদের কাউকেই সামনে দেখা যায়নি। দলের একাধিক জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এলাকায় এমন এক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল যে অনেকেই প্রকাশ্যে বেরোতে সাহস পাননি। অন্যদিকে, পুরসভার চেয়ারম্যানের ডাকা বৈঠকও শেষ মুহূর্তে হয়নি বলে খবর, যা ঘটনাকে ঘিরে আরও জল্পনা বাড়িয়েছে।সোনারপুর উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক ও তৃণমূল নেত্রী ফিরদৌসি বেগমও জানিয়েছেন, তিনি অভিষেকের সঙ্গে যেতে চাইলেও তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় বেরোতে পারেননি। ফলে অভিষেকের পাশে স্থানীয় নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এদিকে হামলায় ধৃত কয়েক জনের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপির দাবি, গ্রেফতার হওয়া কয়েক জনকে অতীতে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক লাভলি মৈত্রের ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় দেখা যেত। যদিও লাভলি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ধৃতরা তৃণমূলের কেউ নন, বরং বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ প্রশাসন ও দলীয় নেতৃত্বকেও তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, হামলার ঘটনার পাশাপাশি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অনুপস্থিতি দলীয় সংগঠনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ নেতার কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতৃত্বের এই দূরত্ব নিছক কাকতালীয়, নাকি এর পিছনে রয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক অস্বস্তি সেই জল্পনাই এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

বন্ধ ফ্ল্যাটে দু’টি দেহ, পাশে নেশাগ্রস্ত তিন বন্ধু! গল্ফ গ্রিন কাণ্ডে চাঞ্চল্য

দক্ষিণ কলকাতার গল্ফ গ্রিন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে এক যুবক ও এক যুবতীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার দুপুরে অরবিন্দ নগরের একটি আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে ওই দুই জনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম দিলশাদ। তাঁর বয়স প্রায় ছাব্বিশ বছর। মৃত যুবতীর বয়স একুশ বছর। দুজন ওই ফ্ল্যাটে একসঙ্গে থাকতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, দেহ দুটিতে পচন ধরেছিল। ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকজাতীয় সামগ্রীও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শনিবার বিকেল থেকেই ওই আবাসনের আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। প্রথমে কেউ বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও রবিবার সকালে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে শুরু করেন এলাকাবাসীরা। তখন সন্দেহ হয় একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটকে ঘিরে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে এবং সেখান থেকেই উদ্ধার হয় যুবক ও যুবতীর দেহ।তদন্তে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন যুবক ও যুবতী। যুবকের বাড়ি তিলজলায় এবং যুবতীর বাড়ি রামগড় এলাকায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন বলে প্রতিবেশীদের দাবি।পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে আরও দুই যুবক ও এক যুবতী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই তিন জনকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।এক প্রবীণ স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, ওই ফ্ল্যাটে থাকা যুবক-যুবতী নিয়মিত নেশা করতেন বলে এলাকায় পরিচিত ছিল। তিনি জানান, ঘটনার রাতে ফ্ল্যাটে আরও কয়েক জনের উপস্থিতির কথা স্থানীয়রা জানতে পেরেছিলেন। পরে পুলিশ এসে তাঁদের নিয়ে যায়।দুই তরুণ-তরুণীর মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মনে করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। একই সঙ্গে ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া মাদকজাতীয় সামগ্রীর উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গল্ফ গ্রিনের এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রহস্যমৃত্যু, মাদক এবং ফ্ল্যাটে উপস্থিত অন্য তিন জনকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশ! হঠাৎ তল্লাশিতে জোর চাঞ্চল্য

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক তদন্ত এবং গ্রেপ্তারির ঘটনার মধ্যেই এবার কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাঁর কামারহাটির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক জল্পনা।পুলিশ সূত্রের খবর, বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। যে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়, সেটি প্রথমে তালাবন্ধ ছিল। পরে পুলিশ সেখানে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করে।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, কামারহাটির ওই বাড়ির নাম উদয় ভিলা। সেখানে মদন মিত্রের একটি দলীয় কার্যালয়ও রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, যে জমির উপর বাড়িটি নির্মিত হয়েছে, সেই জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, জমিটি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সংস্থার অধীন। অতীতে সেখানে মহিলাদের স্বনির্ভর করার বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কাজ পরিচালিত হতো। তবে স্থানীয় স্তরে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, ওই জায়গার ব্যবহার এবং দখল নিয়ে নানা অনিয়ম হয়েছে।তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, জমিটি আইন মেনে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং সেখানে কোনও বেআইনি কার্যকলাপ চলত কি না। এই অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করতেই পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে রাজ্যে সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিধায়কদের স্বাক্ষর সংক্রান্ত মামলাতেও তদন্ত এগোচ্ছে। সেই আবহেই মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশের এই অভিযান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।যদিও এই বিষয়ে মদন মিত্রের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক ইস্যুতে বিক্ষোভ, তারপরই বড় পদক্ষেপ! গ্রেপ্তার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হলেন চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার-সহ ১০ জন। পুলিশকে বাধা দেওয়া এবং কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির অভিযোগে রবিবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার হুগলির পিপুলপাতি এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল তৃণমূল। সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। অবরোধের জেরে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হতে শুরু করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামেন।অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বচসা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয়।এই ঘটনার পর তদন্তে নেমে রবিবার সকালে অসিত মজুমদার-সহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা, কাউন্সিলার রঞ্জন রাহা, নির্মল চক্রবর্তী, সমীর সরকার-সহ আরও কয়েক জন তৃণমূল নেতা ও কর্মী।পুলিশের দাবি, সরকারি কাজে বাধা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার অভিযোগেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের আদালতে পেশ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে যাওয়ার পথে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কর্মসূচি শুরু করে তৃণমূল। হুগলির পিপুলপাতির বিক্ষোভও ছিল সেই কর্মসূচিরই অংশ।এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। বিরোধী ও শাসক শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে বড় মোড়! প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, শুরু জোর রাজনৈতিক চর্চা

যুবভারতীতে মেসির সফর ঘিরে বিতর্কের ঘটনায় নতুন মোড় এল। আয়োজক শতদ্রু দত্তের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করেছে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শতদ্রু। তিনি লিখেছেন, সত্যের জয়। পাশাপাশি বর্তমান প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে প্রতারণা, ভয় দেখানো, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে অপরাধমূলক কাজের পরিকল্পনার মতো বিষয়।ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের ডিসেম্বর মাসে। আন্তর্জাতিক ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো দে পল কলকাতায় এসেছিলেন একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। যুবভারতীতে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠান ঘিরে বিপুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল। দর্শকদের মধ্যে টিকিটের চাহিদা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে কালোবাজারির অভিযোগও সামনে আসে।তবে অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। দর্শকদের একাংশ গ্যালারি থেকে মাঠে নেমে পড়েন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দেশের অন্য শহরগুলিতে অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলেও কলকাতার অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই সময় আয়োজক শতদ্রু দত্তও আইনি সমস্যার মুখে পড়েছিলেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে মুখ খুলেছেন শতদ্রু দত্ত। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী তাঁর কাছে বিপুল সংখ্যক টিকিট ও প্রবেশপত্র চেয়েছিলেন। তিনি আরও দাবি করেছেন, টিকিট দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানানো হলে তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এছাড়া অনুষ্ঠানের দিন একাধিক অনিয়ম এবং বিশৃঙ্খলার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।শতদ্রুর আরও দাবি, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সতর্কবার্তার যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাঁর অভিযোগ, প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তাঁকেই দায়ী করা হয়েছিল।এদিকে এই মামলাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে সকলের। অভিযোগগুলির সত্যতা প্রমাণিত হবে কি না, তা নির্ভর করছে তদন্তের ফলাফলের উপর। তবে মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পর যুবভারতীর সেই বহুচর্চিত মেসি-কাণ্ড আবারও রাজ্যের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের পর কল্যাণ! পরপর হামলায় বিস্ফোরক মমতা, বিজেপিকে বললেন ‘গণতন্ত্র হত্যাকারী’

পরপর দুদিনে দুই তৃণমূল সাংসদের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভ ও হেনস্তার ঘটনার পর রবিবার হুগলির চণ্ডীতলায় আক্রান্ত হন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দুই ঘটনার পর সরাসরি বিজেপিকে দায়ী করে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সাংসদের উপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনাগুলি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁর অভিযোগ, এর পিছনে পরিকল্পিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বিজেপিকে গণতন্ত্র হত্যাকারী বলেও কটাক্ষ করেছেন।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং লোকসভায় দলের অন্যতম প্রধান মুখ। অন্যদিকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন। এই দুই নেতার উপর পরপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই তুলে ধরেছেন মমতা।শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর পোশাক ও ব্যক্তিগত সামগ্রীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর রবিবার চণ্ডীতলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। তাঁর দিকে ঢিল ছোড়া হয় এবং চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনাগুলির পর তৃণমূল কংগ্রেসও সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করে। দলের দাবি, ঘটনাগুলি পূর্বপরিকল্পিত এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে হাসপাতাল-সংক্রান্ত বিতর্কও নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। সোনারপুরের ঘটনার পর তাঁকে শহরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা প্রাথমিক পরীক্ষার পর ভর্তি করার প্রয়োজন দেখেননি। এই বিষয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিয়ে একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তা সত্ত্বেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।পরপর দুই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ, হাসপাতাল বিতর্ক এবং পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক আক্রমণকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে ভর্তি না নেওয়া নিয়ে বিতর্ক! ভাইরাল অডিও ঘিরে নতুন রাজনৈতিক ঝড়

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার পর এবার নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল। একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।শনিবার সোনারপুরের ঘটনায় উত্তেজনার মধ্যে কলকাতায় ফিরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষার পর জানানো হয়, তাঁর শরীরে গুরুতর কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই।এরপর তাঁকে শহরের আরও একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও চিকিৎসকরা একই মত দেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ ছিল, বাড়িতেই পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা করা সম্ভব।এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। দাবি করা হচ্ছে, সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের শীর্ষ কর্তার মধ্যে কথোপকথন শোনা যাচ্ছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।এই অডিও প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী শিবিরের তরফে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিকিৎসা নিয়ে অযথা রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। দলের একাংশের অভিযোগ, কিছু মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টিকে অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর চশমা, ঘড়ি এবং পোশাকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে নিরাপত্তারক্ষী ও পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।ঘটনার পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নজর রাখছেন চিকিৎসকরা। একই সঙ্গে ভাইরাল অডিও এবং হাসপাতালকে ঘিরে ওঠা বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। ফলে সোনারপুর কাণ্ডের রেশ এখন রাজনীতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

মে ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal