• ৮ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Electricity

কলকাতা

স্মার্ট মিটার বসানোর প্রকল্প আদৌ কি পুরো বন্ধ, বড় বিক্ষোভ

অনৈতিকভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বারা স্মার্ট মিটার বসানোর প্রকল্পের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ ভবন ঘেরাও অভিযান। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা কংগ্রেসের তরফ থেকে এই অভিযান করা হয়। উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার সহ উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নেতৃত্ব। পাঁচজনের প্রতিনিধি দল গিয়ে ডেপুটেশন জমা দেয়।রাজ্যে কংগ্রেসের সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানান, আমরা ধন্যবাদ জানাব সরকার স্মার্ট মিটার বসানোর প্রকল্প তুলে নিয়েছে। সরকার ভয় পেয়ে তুলেছে না চার পা পিছিয়ে গেল আরও দশ পা এগোনোর জন্য। সামনে নির্বাচনে আছে। কালীগঞ্জের উপনির্বাচন আছে। এখানে ভয় পেয়ে কি সরকার পিছলো এটা আমরা জানতে চাই। কারণ, কেন্দ্রীয় সরকার প্রাইভেট এজেন্সির মাধ্যমে মিটারগুলো সাপ্লাই করছে। এবার কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে রাজ্য সরকার বোঝাপড়া করছেন না কেন? ৫০০০০ অলরেডি পরিবার যাদের জোর করে এই স্মার্ট মিটার লাগানো হয়েছে। এই পরিবারগুলোর কি হবে। এই মিটার বন্ধ করার নির্দেশ এসেছে কিন্তু সেটা পার্মানেন্ট কি? এই বিষয়গুলো কেউ জানে। এই পঞ্চাশ হাজার পরিবার কার কাছে যাবে, সরকারের কোন নোটিফিকেশন নেই আবার এটা চালু হবে কিছুদিন পর সেটাও কেউ কিছু বলছে না। ৫০ হাজারের মিটারের কি হবে এটা কর্তৃপক্ষকে বিদ্যুৎমন্ত্রীকে রাজ্য সরকারকে বলতে হবে। রাজ্য সরকার দরকার হলে সর্বদলীয় কমিটির মিটিং ডাকুন। তার কারণ সেটা মানুষের ওপর একটা কালো আইন হিসাবে চালানোর চেষ্টা চলছে। যাদের বসালেন এবার খুলবে কে? পুরনো মিটারটা দেবে কে? এগুলো কিন্তু পুরো অস্বচ্ছ। বিষয়টি তাই বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে বলব এগুলোকে ক্লিয়ার করুন। তাই আজকে প্রতি কি প্রতিবাদ হিসেবে এই কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়।

জুন ১০, ২০২৫
রাজ্য

স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা রাজ্যের, পুরো বাতিলের দাবি অ্যাবেকার

বিগত বছরের শেষ থেকেই রাজ্যের নানা জায়গায় স্মার্ট মিটার বসাতে শুরু করে রাজ্য বিদ্যুৎ দফতর। এই মিটার বসানো নিয়ে নানা মহল থেকে প্রতিবাদ শুরু হয়। বাধাও দেওয়া হয় বিভিন্ন জায়গা থেকে। শেষমেশ স্মার্ট মিটার নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তর। আপাতত গৃহস্থ বাড়িতে স্মার্ট মিটার বসানোর প্রক্রিয়া বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।সোমবার বিদ্যুৎ দফতরের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পরীক্ষামূলকভাবে বেশ কিছু বাড়িতে স্মার্ট মিটার বসানো শুরু হয়েছিল। তবে এক্ষেত্রে বেশ কিছু অভিযোগ আসার কারণে আপাতত সেই কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্মার্ট মিটারের অস্বাভাবিক বিল নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নানা অভিযোগ ওঠে। নানা জায়গায় বিদ্যুৎ দফতর ঘেরাও পর্যন্ত হয়। অবশেষে পিছু হঠার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার।অল বেঙ্গল ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন (অ্যাবেকা)-এর সাধারণ সম্পাদক সুব্রত বিশ্বাস বলেন, রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তর থেকে আজ এক প্রেস বিবৃতি দিয়ে স্মার্ট মিটার সম্পর্কে যা জানানো হয়েছে তা হতাশাজনক। গৃহস্থে যাদের অন্যায় জবরদস্তি করে স্মার্ট মিটার লাগানো হয়েছে সেগুলো খোলার বিষয়ে কোনও বক্তব্য নেই। কমার্শিয়াল, ক্ষুদ্রশিল্পে ও গৃহস্থে যাদের এই স্মার্ট মিটার লাগানো হয়েছে সেগুলো খুলে নিতে হবে। সামগ্রিক গ্রাহকদের টাকা লুট করার যন্ত্র স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার প্রকল্প বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত অ্যাবেকার আন্দোলন চলবে।

জুন ০৯, ২০২৫
রাজ্য

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিবাদ ঘিরে মালদায় পুলিশ-জনতা খন্ডযুদ্ধ, জখম বিক্ষোভকারী, পুলিশও

পথ অবরোধ তুলতে গিয়ে দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ালো মালদার মানিকচক থানার এনায়েতপুরে। পুলিশের ওপর হামলা এবং গাড়ি ভাঙচুর করার ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক রাউন্ড গুলি চালাতো হয় পুলিশকে, অভিযোগ। এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন দুই যুবক। এমনকি বিক্ষোভকারীদের পাল্টা ধাওয়ায় পুলিশকে একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে থাকতে হয়। পরে মানিকচক থানা থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে ঘটনাস্থলে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ। ফাটানো হয় বেশ কয়েক রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস। এই পরিস্থিতিতে বিক্ষোভকারীদের হামলায় মাথা ফাঁটে মানিকচক থানার আইসি পার্থ প্রতিম হালদারের। তাঁকে চিকিৎসার জন্য মালদার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করানো হয়েছে। এছাড়াও আরও দুই পুলিশ কর্মী বিক্ষোভকারীদের হামলায় জখম হয়েছেন। তাঁরাও চিকিৎসাধীন মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে। পাশাপাশি গুলিবিদ্ধ দুই যুবককে ভর্তি করানো হয়েছে মালদা মেডিক্যাল কলেজে। দুইজনেরই পায়ে গুলি লেগেছে।কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয় সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ। পরে মালদা জেলার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদবের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী, কমব্যাট ফোর্স ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছায়। এরপরই ওই এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার রীতিমতো অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে মালদা-মানিকচক রাজ্য সড়ক। পুলিশ ওই স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত থেকেই অন্ধকারে ডুবে রয়েছে মানিকচক থানার এনায়েতপুর সহ বেশ কয়েকটি এলাকা। আর এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে এদিন সকাল থেকেই এনায়েতপুরের বেশ কয়েকটি এলাকার দফায় দফায় রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান শতাধিক গ্রামবাসীরা। যাদের মধ্যে মহিলারাই বেশি ছিলেন। এদিন দুপুর বারোটা নাগাদ অবরোধ তুলতে গিয়েই বিক্ষোভের মুখে পড়ে মানিকচক থানার কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। তারপরই আচমকা পুলিশকে ইঁট,পাথর নিয়ে ধাওয়া করে বিক্ষোভকারীদের একাংশ বলে অভিযোগ। কয়েকজ্ন হাতে গোনা পুলিশ কর্মী ঘটনাস্থলে থাকায় তাদের পিছিয়ে আসতে হয়। সেই সময় পুলিশের একটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে একটি বাড়িতে আশ্রয় নেয় কর্তব্যরত কয়েকজন পুলিশ কর্মী। আর সেই বাড়িকে লক্ষ্য করে পুলিশকে এলোপাথাড়ি ইঁট, পাথর ছোড়ে বিক্ষোভকারীরা, অভিযোগ। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পুলিশকে কয়েক রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়তে হয়। উত্তেজনার খবর পেয়ে মানিকচক থানার আইসি পার্থসারথী হালদারের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলেপৌছায়। তখনই পুলিশ এবং বিক্ষোভকারীদের মধ্যে খন্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। বিক্ষোভকারীদের ছোঁড়া ইঁটের আঘাতে আইসির মাথা ফেটে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাইরে বেরিয়ে যায়। তখনই পুলিশ গুলি চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। সেই সময় পুলিশের গুলিতে দুইজন পথচারী জখম হন।এনায়েতপুর এলাকার বাসিন্দা গুলিবিদ্ধ আকবর শেখ জানিয়েছেন, এদিন বিক্ষোভের সময় তিনি রাস্তা দিয়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন। আচমকা তার বাম পায়ে গুলি লাগে। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসার জন্য ভর্তির ব্যবস্থা করেন। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়েছে বলেও জখম দুই যুবকের অভিযোগ।এদিকে বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, কয়েক দিন ধরেই গ্রামে লোডশেডিং চলছে। বুধবার রাত থেকে একটানা লোডশেডিং-এর জেরে ব্যাপক সমস্যা তৈরি হয়েছে। অনেকেই গরমের মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ছোট ছোট শিশুরাও গরমের জ্বালায় ছটফট করছে। লোডশেডিং-এর জেরে পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এইসব ঘটনার বিষয় প্রতিবাদ করা হয়েছিল। কিন্তু আচমকায় পুলিশ এসে আমাদের ওপর লাঠিচার্জ করে এবং গুলি চালাই। তখনই বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ক্ষোভ বেড়ে যায়।যদিও এই ব্যাপারে মালদার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব জানিয়েছেন, কোনওরকম গুলি চলেনি। পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুলিশের উপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস লোডশেডিংয়ের বিষয়টি মানতে চাননি। অরূপ বিশ্বাস এক বিবৃতিতে বলেন, মানিকচক থানার এনায়েতপুরে যে ঘটনাটি ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়ে সেখানে কোন সমস্যা নেই। বৃহস্পতিবার মানিকচকের লোডশেডিং-এর প্রতিবাদ রাজ্য সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের মধ্যে খন্ডযুদ্ধ বাঁধে। মন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গে লোডশেডিং শব্দটি চিরতরে তুলে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। যেখানে অন্যান্য রাজ্যে প্রায় দিনই ছয় থেকে আট ঘন্টা লোডশেডিং হয়। সেই ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গে এক মিনিটও লোডশেডিং হয় না। তবে মালদার মানিকচকে এনায়েতপুরে সমস্যা হচ্ছে বৈদ্যুতিক হাই টেনশন টাওয়ার বসানো নিয়ে। উন্নত মানের বিদ্যুৎ পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে মালদা পাওয়ার গ্রিড থেকে মানিকচক পর্যন্ত ৮৯ টি টাওয়ার বসানোর কথা রয়েছে। ইতিমধ্যে ৮৬ টি টাওয়ার বসানোর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তিনটি টাওয়ার বসানো বাকি রয়েছে। কিছু এলাকার মানুষের অসহযোগিতার কারণেই এই তিনটি হাই টেনশন টাওয়ার বসানোর ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এক্ষেত্রে মালদা জেলা পুলিশ, প্রশাসন, বিদ্যুৎ দপ্তর সক্রিয়তার সাথে কাজ করে চলছে। এই তিনটি টাওয়ার বসানো হলে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মালদায় উন্নতমানের বিদ্যুৎ পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

জুলাই ১৮, ২০২৪
রাজ্য

বাংলার বিদ্যুৎ দপ্তরের এর চাকরিতে ডোমিসাইল চালু, বাংলা পক্ষর দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল

বিদ্যুৎ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার সহ সমস্ত চাকরিতে ভিন রাজ্যের কর্মীতে ভরে যাচ্ছিল, বঞ্চিত হচ্ছিল বাঙালি ছেলেমেয়েরা। বাংলা পক্ষের দাবী, এমনও দেখা যাচ্ছিলো চাকরি পাওয়া ৪১ জন ইঞ্জিনিয়ারের ৩৪ জন ছিল বাইরের রাজ্যের। কিন্তু অন্য রাজ্যে বিদ্যুৎ দপ্তরে বাঙালি চাকরি পায় না, কারণ সেই রাজ্যের স্থানীয় ভাষার পেপার বাধ্যতামূলক ও ডোমিসাইল আছে। ২০১৯ থেকে বাংলা পক্ষ লাগাতার আন্দোলন শুরু করে বিদ্যুৎ দপ্তরের হেডকোয়ার্টার বিদ্যুৎ ভবনে। বারবার ডেপুটেশন, বিক্ষোভ চলতে থাকে। তাঁরা বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সাথে বারংবার সাক্ষাৎ করে আসল চিত্রটা বোঝানোর চেষ্টা করেন৷ বাকি রাজ্য কি ভাবে নিয়োগ করে তাঁর বিস্তারিত নিয়ম ডকুমেন্ট আকারে জমা করা হয় বিদ্যুৎ মন্ত্রীর কাছে। সেই আন্দোলনের ফলে এর আগেই বিদ্যুৎ বিভাগের চাকরিতে বাংলা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হয়েছিল। সেখানেই বাংলা পক্ষ থেমে থাকেনি। তাঁরা বাঙালি ইঞ্জিনিয়ারদের কথা দিয়েছিল, এর থেকেও বড় সুখবর তাঁরা দেবে বলে। বৃহস্পতিবার এলো সেই সুখবর। বিদ্যুৎ দপ্তরের কোম্পানী WBSETCL এর চাকরিতে ডোমিসাইল চালু করার নোটিফিকেশন জারী করা হয়। বাঙালি ছেলেমেয়েদের চাকরি ও কাজের স্বার্থে বাংলা পক্ষ নিরলস পরিশ্রম করে চলেছে। বাংলার মাটিতে যাতে কোনো বাঙালি ছেলেমেয়ে বঞ্চিত না হয়, সেজন্যই এই সংগঠন তৈরি বলে তাঁরা মনে করেন। শুধু বাঙালি না, প্রতিটা ভূমিসন্তানের চাকরি ও কাজে অধিকারের জন্য তাঁরা লড়াই করছে বলে বাংলা পক্ষের দাবী।বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ কৌশিক মাইতি জনতার কথা কে জানান, বাংলার ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে এই সিদ্ধান্তের জন্য তাঁরা বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে ধন্যবাদ জ্ঞপন করেন। তাঁরা ধন্যবাদ জানান বাংলার সরকারকে। আগামীতে বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থা WBSEDCL এও চাকরিতে ডোমিসাইল চালু হবে, সেই দাবিতেই লড়াই করছে বাংলা পক্ষ। আশা করি আগামীতে WBSEDCL সহ সব রাজ্য সরকারি দপ্তরে চাকরির পরীক্ষা বাংলা ভাষার পেপার বাধ্যতামূলক হবে এবং ডোমিসাইল চালু হবে বল তাঁদের আশা।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
রাজ্য

দূর্ঘটনার কারন জানতে জামালপুরে গ্রামে পরিদর্শনে এলেন বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকরা

জামালপুরের কানাঘূষা গ্রামে পরিদর্শনে এলেন বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকরা। নবান্নের নির্দেশে ওই টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা মৃতের পরিবারে লোকজনদের সvঙ্গেও দেখা করেছেন। গ্রামের পাশ দিয়ে বিপজ্জনকভাবে বিদ্যুতের তার গিয়েছে। কাঠের খুঁটিতে তার গুলি বাঁধা রয়েছে। গ্রামের বাসিন্দারা সেগুলি সরানোর দাবি জানিয়েছেন। বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকরা বিষয়টি দেখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার এই খুঁটি থেকেই বিদ্যুতের তার ছিড়ে পড়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়। গ্রামের বাসিন্দারা ক্ষতিপূরণের দাবিতে সরব হয়েছিলেন। তারপরই এদিন বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন

অক্টোবর ৩০, ২০২২
রাজ্য

স্কুলে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট, তবুও এসেছে প্রায় লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন পুর্ব-বর্ধমানে রায়নার স্কুল

বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর জন্য বিদ্যালয়ে রয়েছে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ইউনিট। তা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ দফতর পূর্ব বর্ধমানের রায়না ২ ব্লকের একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠিয়েছে প্রায় লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল। শুধু এত বিশাল পরিমান টাকার বিদ্যুৎ বিল পাঠানোই নয়।বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই বিল সংশোধনের আবেদন করার পর উল্টে বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগই বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।তার কারণে এখন বিদ্যালয়ে পঠন পাঠন জারি রাখার ক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে চুড়ান্ত অচলাবস্থা। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ ও স্কুল দফতর সহ প্রশাসনের নানা মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বিদ্যালের প্রধান শিক্ষক। কিন্তু সুরাহার কোনও ব্যবস্থা হয়নি। সামনেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। সেই কথা মাথায় রেখে প্রশাসন কি ব্যবস্থা করে সেই দিকেই এখন তাকিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পড়ুয়ার।বিদ্যালয় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক মহম্মদ মইদুল হক জানান, প্রথম থেকেই রাজ্য বিদ্যুৎ দফতরের দেওয়া বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল তাঁর বিদ্যালয়ে।পরবর্তী সময়ে রাজ্য সরকার বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎতের চাহিদা মেটাতে সৌরশক্তির উপর ভরসা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়।সেই মত ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে বিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ইউনিট চালু হয়। সেই সৌরবিদ্যুৎ ইউনিট থেকে বিদ্যালয়ও বিদ্যুৎ সংযোগ পায়।তার পরেই বিদ্যুৎ দফতর বিদ্যালয়ে থাকা পূর্বের মিটার রিডিং যন্ত্রটি খুলে নিয়ে নেট মিটার যন্ত্র লাগিয়ে দেয়।প্রধান শিক্ষক তাঁর অভিযোগে বলেন, ওই নেট মিটার যন্ত্র লাগানো হওয়ার পর থেকে দীর্ঘদিন কেটে গেলেও বিদ্যুৎ দফতরের কেউ মিটার রিডিং দেখতে আসেনি।তারই মধ্যে করোনা অতিমারির প্রভাব বেড়ে যায়। তার কারণে রাজ্য সরকার স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয়ও বন্ধ থাকে। এর পরেও ২০২১ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত বিদ্যুৎ দফতরের লোকজন মিটার রিডিং সংগ্রহ করতে আসেন না। বিষয়টি নিয়ে তিনি বিদ্যুৎ দফতরের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তার পর বিদ্যুৎ দফতরের লোকজন মিটার রিডিং নিয়ে যায়। পরে তারা ৯৮ হজার ৭৮৮ টাকার বিদ্যুৎ বিল বিদ্যালয়ে পাঠায়।এত বিপুল পরিমাণ টাকার বিল সঠিক মনে না হওয়ায় এরপর তিনি বিল সংশোধনের জন্য বিদ্যুৎ দফতরে লিখিত আবেদন করেন।কিন্তু সেই আবেদন গ্রাহ্য না করে উল্টে বিদ্যুৎ দফতরের কোন নোটিশ না দিয়েই ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর লোকজন পাঠিয়ে বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।এদিকে বিদ্যুৎ না থাকার তার কারণে এখন বিদ্যালয়ের পঠন পাঠন চালু রাখা নিয়ে তৈরি হয়েছে অচলাবস্থা।পড়ুয়ারা জানিয়েছে, বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ না থাকায় তাঁরা কম্পিউটার ক্লাস করতে পারছে না।পাম্প চালাতে পারা না যাওয়ায় স্কুলে পানীয় জলও পাওয়া যাচ্ছে না।এমনকি জলের অভাবে সাফাই কাজ বন্ধ থাকায় স্কুলের শৌচাগার ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে গিয়েছে।মিড ডে মিল রান্না করার জন্য দূর থেকে জল আনাতে হচ্ছে। এছাড়াও পড়ুয়াডের সরকারী সূযোগ সুবিধা পাবার জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষে অনলাইনে যে যে বিষয়ে আবেদন করতে হয় সেই কাজও করতে পারা যাচ্ছেন না বলে পড়ুয়ারা অভিযোগ করেছে।বিদ্যুৎ বিল সঠিক মনে না হওয়ার কারণ নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে প্রধান শিক্ষক মহম্মদ মইদুল হক বলেন, বিদ্যালয়ে থাকা সৌরবিদ্যুৎ ইউনিট থেকে কতটা বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় তার হিসাব নেট মিটার যন্ত্রে দেখা যায়।উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিদ্যালয় তার প্রয়োজন মত ব্যবহার করার পর বাকি সবটা বিদ্যুৎ দফতর নিয়ে নেয়।অতিমারির কারণে প্রায় দুবছর ধরে বিদ্যালয় বন্ধ ছিল।তাহলে আমাদের বিদ্যালয় বিদ্যুৎ খরচ করলো কোথায়! প্রধান শিক্ষক এও দাবি করেন, অতিমারির কারণে তাঁদের বিদ্যালয় বন্ধ থাকার সময়ে উৎপাদিত সমস্ত সৌরবিদ্যুৎ বিদ্যুৎ দফতরই গ্রহন করেছে।কিন্তু বিলে বিদ্যুৎ দফতর কতটা সৌরবিদ্যুৎ গ্রহন করেছে আর বিদ্যালয় কতটা বিদ্যুৎ খরচ করেছে তার কোন হিসাবও দেওয়া হয় নি। নেট মিটারে উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎতের যে হিসাব ধরা পড়েছে তার সবটাই একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয় ব্যবহার করেছে দেখিয়ে মনগড়া বিল তৈরিকরে বিদ্যুৎ দফতর বিদ্যালয়ে পাঠিয়েছে বলে প্রধান শিক্ষক দাবি করেন।প্রধান শিক্ষক আরও জানান, ওই বিল পাওয়ার পর তিনি সৌরবিদ্যুৎ বিভাগের (ডাব্লুবিআরইডিএ) সুপারেনটেন্ডেন্ট ইঞ্জিয়ার পিসি রাউতকে বিস্তারিত জানান। উনি সবকিছু খতিয়ে দেখে জানান, নেট মিটার রিডিং ফলো করে ডাব্লু বি এ সি ডি সি এল বিল পাঠিয়েছে ঠিকই। কিন্তু সিস্টেম মেনে ওই বিলে উৎপাদিত সৌর বিদ্যুৎতের পরিমাণ ও স্কুল কতটা বিদ্যুৎ ব্যায় করেছে তার হিসাব আলাদা করা হয়নি। তার কারণেই এই সমস্যা তেরি হয়েছে।প্রধান শিক্ষক বলেন,সুপারেনটেন্ডেন্ট ইঞ্জিয়ার তাঁকে জানিয়েছেন, এমন সমস্যা শুধু একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেই তৈরি হয় নি। রায়না ও ভাতার এলাকার আরও তিনটি বিদ্যালয় সহ রাজ্যের ১৪ টি বিদ্যালয়ে এমন সমস্যা দেখা দিয়েছে ।এই বিষয়ে যদিও বিদ্যুৎ দফতরের রায়নার সেহারাবাজারের স্টেশন ম্যানেজার জ্যোতির্ময় চক্রবর্তী সংবাদ মাধ্যকে কোনকিছু জানাতে অস্বীকার করেন।তবে রায়না ২ ব্লকের বিডিও অনিষা যশ জানিয়েছেন, উদ্ভুত সমস্যার সমাধানে আগামী মঙ্গলবার তিনি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ,বিদ্যুৎ দফতর ও পঞ্চায়েত সমিতির কার্যকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর আগে একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয় যাতে বিদ্যুৎ সংযোগ পায় সেই ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

Ganga Water Level: ভাগীরথীর জল ছুঁইছুঁই ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইন, বিপত্তি পূর্বস্থলীর গ্রামে

কয়েকদিনের নাগাড়ে বৃষ্টিপাত ও তার সঙ্গে জলাধার থেকে ছাড়া জলে ফুলেফেঁপে উঠেছে ভাগিরথী নদী। আর তাতেই ঘটেছে বিপত্তি ।ভাগীরথীর জল ছুঁইছুঁই ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের তার। সেই কারণে সাত দিন ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের ঝাউডাঙা পঞ্চায়েতের ঝাউডাঙ্গা এবং হালতাচড়া গ্রাম। বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এই দুই গ্রামের দেড়শোটি পরিবার। দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বিদ্যুৎ দপ্তরে দরবার করেও সুরাহা না মেলায় ক্ষোভে ফুঁষছেন গ্রামবাসীরা।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়াভাগীরথীর একপাড়ে পূর্বস্থলীর ঝাউডাঙা ও হালতাচড় গ্রাম। এই গ্রামে বিদ্যুৎ এসেছে ভাগীরথীর অপর পাড়ের নদিয়ার বেথুয়াডহরি থেকে। এলাকার বাসিন্দা প্রহ্লাদ ঘোষ শনিবার জানান, ভাগীরথীর দুই পাড়ে পোলে ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের তার টানা হয়েছে। ভাগীরথী এখন জলে টইটুম্বুর। বিদ্যুতের তার ভাগীরথীর জলে ঠেকতে আর হাত কয়েক বাকী। সেই কারণেই গ্রামের লাইনে সাত দিন ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে রেখেছে বিদ্যুৎ দফতর। এরফলে ঝাউডাঙা ও হালতাচড় গ্রামের দেড়শটি পরিবার সাত দিন ধরে বিদ্যুৎ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে রয়েছে।অপর বাসিন্দা দুর্গা মণ্ডল বলেন, ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎতের তার যখন টানা হয় তখনই গাফিলতি ছিল। তার উঁচু করে টানা হয়নি। সেই জন্য ঝাউডাঙা ও হালতাচড় গ্রামে বিদ্যুৎ আসার পর থেকে প্রতি বছর বর্ষায় গ্রাম বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকে। ১১হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের তার অ্যাঙ্গেলের সাহায্যে উঁচু করার জন্য বহুবার দুই গ্রামের মানুষ বিদ্যুৎ দফতরে দরবার করেছিল। কিন্তু কোন ফল হয়নি। শুক্রবারও নদিয়ার বেথুয়াডহরিতে বিদ্যুৎ দফতরে গিয়ে বিক্ষোভ দেখায় হালতাচড়া এবং ঝাউডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দারা। বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীদের শনিবার গ্রামে লাইন ঠিক করতে আসার কথা ছিল। কিন্তু কেউ আসেনি। এইভাবেই প্রতি বছর বর্ষায় ভোগান্তি চলছেই। তার বিরাম ঘটছে না। সন্ধ্যা নামলেই অন্ধকারে ঢাকা পড়ছে ঝাউডাঙা ও হালতাচড় গ্রাম। দুর্ভোগের অবসান কবে ঘটবে তা জানা নেই পূর্বস্থলীর এই দুই গ্রামের বাসিন্দাদের। দুই গ্রামের অনেকেই টোটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।টোটোয় চার্জ না থাকায় সেই টোটোগুলিও বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। পাশাপাশি তীব্র গরমে গ্রামের কয়েকশো মানুষ ব্যাপক অসুবিধার মধ্যে রয়েছেন। গ্রামের ছাত্র আশিষ ঘোষ জানায়, এখন তাঁদের অনলাইনে পড়াশুনো চলছে। কারেন্ট না থাকায় মোবাইল ফোনে চার্য দেওয়ার সূযোগ না থাকায় ফোন বন্ধ হয়ে রয়েছে। তাই লাটে উঠেছে অনলাইনে পড়াশুনা। সন্ধ্যা নামলে লম্ফ অথবা হ্যারিকেনের আলোয় কোনরকমে রাত কাটাতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ দফতর দ্রুত ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুতের তার টেনে উুঁচু করার ব্যবস্থা করে দুর্ভোগ থেকে মুক্তির ব্যবস্থা করুক, এমনটাই দাবি দুই গ্রামের পড়ুয়াদের।আরও পড়ুনঃ শনিবার দিনভর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাসএই বিষয়ে পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় বলেন, ভাগীরথী জলে টইটুম্বুর। বিদ্যুতের তার নদীর জল ছুঁইছুই হয়ে রয়েছে। এই অবস্থায় ওই তারে বিদ্যুৎ প্রবাহিত থাকলে ভয়ানক বিপদ ঘটে যাবে বলে বিদ্যুুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে। নদীর জল না কমা পর্যন্ত কিছু করার নেই। ওই লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখতেই হবে।

আগস্ট ০৭, ২০২১
বিদেশ

তুষারঝড়ে বিধ্বস্ত আমেরিকা, মৃত কমপক্ষে ২১

প্রবল তুষারঝড়ে কাঁপছে আমেরিকা। বিশেষত শীতকালীন ঝড়ে বিধ্বস্ত টেক্সাস। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ২১ জনের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রদেশের একটা বড় অংশ ব্যাপক তুষারপাতের কবলে। সঙ্গে প্রচণ্ড ঠান্ডা এবং কনকনে হাওয়া। তাপমাত্রা নেমেছে মাইনাস ১০ ডিগ্রির আশপাশে। বিদ্যুৎ সংযোগ ছিন্ন হয়েছে ৩০ লক্ষ গ্রাহকের।গোটা প্রদেশেই শীতকালীন ঝড়ের সতর্কতাবার্তা জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে হিউস্টনে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সেই সতর্কীকরণের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এই এলাকায় তুষারপাত এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট জানিয়েছেন, অস্বাভাবিক ঠান্ডার জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস বা বায়ুশক্তি, কোনওভাবেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে না বেশিরভাগ বিদ্যুৎ সংস্থা। অবস্থার উন্নতির চেষ্টা চালানো হচ্ছে। যাঁদের বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই, তাঁদের সাহায্য করছে রাজ্য প্রশাসন। বাসিন্দাদের বিদ্যুৎ সংরক্ষণ করতেও বলা হয়েছে। একে ভয়ানক তুষারপাত, তার উপর বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকা। কার্যত বিধ্বস্ত শহরবাসীর জীবন। অনেকের মতেই হারিকেনের মতো ঝড়ের কবলে পড়লেও এই রকম পরিস্থিতি সচরাচর তৈরি হতে দেখা যায় না। আগামী কতদিন বিদ্যুৎ ছাড়া থাকতে হবে, তা ভেবে উদ্বিগ্ন হচ্ছেন তাঁরা। টেক্সাসের প্রধান বিমানবন্দরে বিমান চলাচল হয় বন্ধ, না হলে ব্যাহত। মেট্রো পরিষেবাও স্থগিত রাখা হয়েছে। প্রদেশের স্কুল, অফিসও বন্ধ। টেক্সাসের হ্যারিস কাউন্টিতে কোভিড-১৯ টিকাকরণ চলছিল। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধাক্কায় বন্ধ রাখা হয়েছে টিকাকরণ কেন্দ্রগুলো। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রশাসন উপদ্রুত এলাকাগুলোর গভর্নরদের আশ্বস্ত করেছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

‘ঝালমুড়ি খেয়েছি, ঝাল লেগেছে তৃণমূলের’—কৃষ্ণনগরে তীব্র আক্রমণ মোদীর

প্রথম দফার ভোট চলাকালীনই আবার বাংলায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনী প্রচারে নদিয়ার কৃষ্ণনগর-এ জনসভা করে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁর দাবি, গত পঞ্চাশ বছরে বাংলায় এত বেশি ভোটদান আগে হয়নি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, হিংসামুক্ত ভোটের দিকেও এগোচ্ছে রাজ্য।সভা থেকে মোদি জানান, বাংলায় ভোটের পুরনো সব রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি জয়ের ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী সুরে বলেন, ৪ মে বাংলায় পদ্ম ফুটবে। মিষ্টি বিলি হবে, ঝালমুড়িও বিলি হবে। তাঁর মতে, রাজ্যে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে এবং মানুষের মধ্যে ভরসা বাড়ছে।এই সভা থেকে ফের ঝালমুড়ি প্রসঙ্গও তুলে আনেন তিনি। সম্প্রতি ঝাড়গ্রামে তাঁর ঝালমুড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, আমি ঝালমুড়ি খেয়েছি, কিন্তু ঝাল লেগেছে তৃণমূলের। তাঁর এই মন্তব্যে সভাস্থলে হাসির রোল পড়ে। তিনি দাবি করেন, বহু বছর পর বাংলায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট এবং উত্তর থেকে দক্ষিণসব জায়গায় মানুষ পরিবর্তন চাইছেন।সভায় দাঁড়িয়ে মতুয়া সম্প্রদায়ের উদ্দেশেও বার্তা দেন মোদি। তিনি বলেন, তাঁদের কোনও ভয় পাওয়ার দরকার নেই এবং কেউ তাঁদের ক্ষতি করতে পারবে না। ক্ষমতায় এলে নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করার আশ্বাসও দেন তিনি। তাঁর কথায়, ৪ মে-র পর থেকে নতুন সুরক্ষার গ্যারান্টি শুরু হবে।ভোটের মাঝেই প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য ও প্রতিশ্রুতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
দেশ

মুখ্যমন্ত্রী তদন্তে ঢুকতেই প্রশ্নে গণতন্ত্র! সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য, তুষার মেহতার বড় অভিযোগ

আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। বুধবার বিচারপতি পি কে মিশ্র গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণে জানান, কোনও মুখ্যমন্ত্রী যদি কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেন, তাহলে গণতন্ত্রের উপর প্রশ্ন উঠে যায়। এই মন্তব্যের পর বৃহস্পতিবার শুনানিতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা একের পর এক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন।ঘটনার সূত্রপাত আইপ্যাক অফিসে ইডির তল্লাশি ঘিরে। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান এবং কিছু নথি ও ডিজিটাল সামগ্রী নিয়ে বেরিয়ে আসেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে মামলা দায়ের হয়। রাজ্যের তরফে ইডির তদন্তের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, আর সেই বিষয়েই এদিন আদালতে নিজের সওয়াল পেশ করেন তুষার মেহতা।তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। তাঁর বক্তব্য, আইনের শাসন বজায় রাখা সংবিধানের একটি মৌলিক অধিকার এবং তা লঙ্ঘিত হয়েছে। কয়লা পাচার মামলায় বিপুল টাকার দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সেই তদন্তে ইডি কাজ করছে এবং তাদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষা করা প্রয়োজন। তাঁর আরও দাবি, বেআইনি অর্থ বিদেশি চ্যানেলের মাধ্যমে অন্য রাজ্যে গিয়ে পরে আইপ্যাকের কাছে পৌঁছেছে।মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, তদন্ত চলাকালীন গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ডিজিটাল যন্ত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইডি আধিকারিকদের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সেই ঘটনার পর ইডি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দায়ের করা হয়, সেটিকেই চ্যালেঞ্জ করে আদালতে আসা হয়েছে বলে জানান তুষার মেহতা। তিনি নিরপেক্ষ সংস্থার মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানান।তুষার মেহতা আরও অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলের নজরদারি ক্যামেরার তথ্য এবং কর্মীদের মোবাইল ফোন পর্যন্ত পুলিশ নিয়ে গেছে। তাঁর কথায়, যাঁরা নিজেরাই তদন্তের আওতায় রয়েছেন, তাঁদের রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।হাইকোর্টের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শুনানির আগেই কোর্টরুমে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। যদিও বিচারপতি পি কে মিশ্র জানতে চান, এই বিষয়ের সঙ্গে মামলার সরাসরি সম্পর্ক কী। জবাবে তুষার মেহতা জানান, ন্যায়সঙ্গত পরিবেশ না থাকায় তারা উচ্চ আদালতের পরিবর্তে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আসতে বাধ্য হয়েছেন।তিনি অতীতের একাধিক ঘটনার উল্লেখও করেন। কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারকে ঘিরে সিবিআই তদন্তের সময় মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকার প্রসঙ্গ তোলেন। অভিযোগ করেন, তদন্তে বারবার বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং আদালতের কাজেও প্রভাব ফেলার চেষ্টা হয়েছে।জানুয়ারি মাসে আইপ্যাক অফিসে তল্লাশির ঘটনার পর এই মামলা শুরু হয়। সেই মামলার শুনানি এখন সুপ্রিম কোর্টে চলছে। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও শুনানিতে তুষার মেহতা বিস্তারিত সওয়াল করেন এবং একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চারটার পরেই আগুন! বীরভূমে ভোটকেন্দ্রে তুমুল সংঘর্ষ, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মারধর

বীরভূমের খয়রাশোল এলাকায় ভোট চলাকালীন হঠাৎই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। বিকেল চারটার পর থেকেই অশান্তির আশঙ্কা ছিল বলে আগে থেকেই সতর্ক করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়ে ওঠে। দুবরাজপুর বিধানসভার খয়রাশোল ব্লকের বুধপুর গ্রামের একটি বুথে আচমকাই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে তা খণ্ডযুদ্ধে পরিণত হয়।স্থানীয় ভোটারদের অভিযোগ, ইভিএমে নির্দিষ্ট বোতাম চাপলেও অন্য প্রার্থীর পক্ষে ভোট চলে যাচ্ছে। প্রায় দুইশো ভোট পড়ার পর এই বিষয়টি ধরা পড়ে বলে দাবি করেন গ্রামবাসীরা। এই অভিযোগ ঘিরে ভোটারদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয় এবং তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে ভোট প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবি তোলেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতেই ভোট বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে ইঞ্জিনিয়ারদের আসার কথা জানানো হয়। কিন্তু তার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয়দের তীব্র বচসা শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ, স্থানীয়রা জওয়ানদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়তে শুরু করেন এবং মারধরও করা হয়। এই ঘটনায় কয়েকজন জওয়ান ও গাড়ির চালক আহত হন। বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে এগোতে দেখা যায়। গোটা এলাকায় এখনো চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

হাবড়া-অশোকনগরে মেট্রো! অমিত শাহের বড় ঘোষণা, স্বপ্ন না কি ভোটের প্রতিশ্রুতি?

হাবড়া ও অশোকনগরে মেট্রো চালুর প্রতিশ্রুতি ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর চব্বিশ পরগনায়। বুধবার হাবড়ার একটি জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেন, এই দুই শহরে মেট্রো পরিষেবা চালু করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই বক্তব্য সামনে আসতেই জল্পনা শুরু হয়েছে সর্বত্র।হাবড়ার বাণীপুর চৌমাথা সংলগ্ন আম্বেদকর মাঠে আয়োজিত সভায় তিনি দলীয় প্রার্থী দেবদাস মণ্ডল ও অশোকনগরের প্রার্থী সুময় হীরার সমর্থনে বক্তব্য রাখেন। সেখানেই তিনি জানান, মেট্রো চালু হলে হাবড়া ও অশোকনগরের পরিবহণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যারও সমাধান হতে পারে বলে দাবি করেন তিনি।হাবড়া ও অশোকনগর, দুই এলাকাতেই প্রতিদিন প্রচুর মানুষের যাতায়াত হয়। বিশেষ করে হাবড়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ী কেন্দ্র। এখানে চালের বড় বাজার ও সুতির কাপড়ের হাট রয়েছে, যার জন্য বহু মানুষ প্রতিদিন এই শহরে আসেন। ফলে প্রায়ই তীব্র যানজট তৈরি হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, মেট্রো চালু হলে মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।তবে এই ঘোষণার পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বাস্তবতা নিয়ে। অনেকের মতে, এখনও পর্যন্ত বারাসত বা বারাকপুর পর্যন্ত প্রস্তাবিত মেট্রো প্রকল্পের কাজই শুরু হয়নি। জমি সংক্রান্ত সমস্যা ও অন্যান্য জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্প আটকে রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে হাবড়া পর্যন্ত মেট্রো পৌঁছনো আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন অনেকেই।কলকাতায় দেশের প্রথম মেট্রো চালু হলেও পরবর্তী সময়ে খুব বেশি দূর পর্যন্ত তার সম্প্রসারণ হয়নি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই অনেকের মতে, হাবড়া ও অশোকনগরে মেট্রো পরিষেবা চালুর ঘোষণা আপাতত স্বপ্নের মতোই শোনাচ্ছে। তবে এই প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়িত হবে, সেটাই এখন দেখার।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের দিনই তাণ্ডব! অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে পাথরবৃষ্টি, ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল আসানসোল

ভোটকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। মুর্শিদাবাদে জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীরের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগের পর এবার আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।অগ্নিমিত্রা পালের অভিযোগ, বার্নপুরের রহমত নগর এলাকায় তাঁর গাড়ির উপর আচমকা হামলা চালানো হয়। তিনি জানান, এলাকায় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে একটি স্কুলে ঢুকেছিলেন। সেখান থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার পরই তাঁর গাড়িকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া শুরু হয়। চলন্ত গাড়ির পিছনে একের পর এক পাথর আঘাত হানে। তাঁর দাবি, তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলা চালিয়েছে। শুধু তাঁর গাড়িই নয়, সঙ্গে থাকা সাংবাদিকদের গাড়িতেও পাথর ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার পর তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান।এ দিনের সকালেই আসানসোলের রানিগঞ্জ এলাকায় পুলিশ তাঁকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় পুলিশের এক আধিকারিকের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা হয়। নিমচা ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক নাসরিন সুলতানা জানান, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থীর সঙ্গে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি গাড়ি রাখা যাবে না। এই নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়।এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে, একই দিনে মুর্শিদাবাদে হুমায়ুন কবীরের গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয় বলে জানা গেছে। তাঁর গাড়ির কাচ সম্পূর্ণ ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।রাজ্যের একাধিক জেলায় এভাবে প্রার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় ভোটের পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের দিনেই বিস্ফোরক মন্তব্য! গুণ্ডামির অভিযোগে সরব শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে বেরিয়েই সুর চড়ালেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। নিজের বুথে ভোট দিয়ে তিনি দাবি করেন, বাংলায় পরিবর্তন হবেই। তাঁর কথায়, এবার যদি পরিবর্তন না হয়, তাহলে বাংলায় সনাতনবাদ বিপদের মুখে পড়বে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের কাজকে ভালো বললেও কিছু জায়গায় গুণ্ডামির অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, তাঁদের পোলিং এজেন্টকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।শুভেন্দু অধিকারী দীর্ঘদিন ধরেই নন্দীগ্রামের ভোটার। প্রতি নির্বাচনের মতো এবারও তিনি নিজের বুথে গিয়ে ভোট দেন। এদিন সকালে ব্রজমোহন তিওয়ারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বুথে গিয়ে ভোট দেন তিনি। ভোট দিয়ে বেরিয়ে এসে বুথ স্তরের এক কর্মীর ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করে এসেছেন।পরে তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু হিন্দু ভোটারকে ভয় দেখানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রাম বরাবরই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর কেন্দ্র। প্রতি নির্বাচনে এখানে উত্তেজনা দেখা যায়।এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মূল লড়াই তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে। একদিকে শুভেন্দু অধিকারী, অন্যদিকে তাঁর প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ পবিত্র কর তৃণমূলের প্রার্থী। এই দুই প্রার্থীর লড়াই ঘিরে আগেই উত্তাপ বেড়েছিল। ভোটের দিন সকালে নিজেই ভোট দিয়ে পরে দলীয় কার্যালয়ের দিকে রওনা দেন শুভেন্দু।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ইডির সমনে হাজিরা দিতে হবে সুজিত বসুকে! হাইকোর্টে বড় রায়

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুকে ঘিরে নতুন মোড়। এই মামলায় তাঁকে বারবার তলব করেছিল তদন্তকারী সংস্থা। তবে আপাতত কিছুটা স্বস্তি পেলেন তিনি। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এখনই হাজিরা দিতে হবে না, তবে নির্দিষ্ট দিনে হাজিরা দিতেই হবে।দুবছর আগে এই মামলায় চার্জশিট জমা পড়লেও সেখানে সুজিত বসুর নাম ছিল না। তবুও ভোটের আগে থেকে তাঁকে একাধিকবার তলব করা হয়। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তাঁকে বারবার সমন পাঠানো হচ্ছিল। একবার তিনি নিজে না গিয়ে নিজের ছেলেকে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু তা গ্রহণ করেনি তদন্তকারী সংস্থা।এরপর আবার তাঁকে নির্দিষ্ট দিনে হাজিরার জন্য ডাকা হয়। তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আবেদন করেন, ভোট চলাকালীন তিনি প্রার্থী হওয়ায় এখন হাজিরা থেকে ছাড় দেওয়া হোক। তাঁর দাবি ছিল, ভোট শেষ হওয়ার পর তাঁকে ডাকা হোক। অন্যদিকে তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তাঁকে বারবার ডাকা হলেও তিনি সহযোগিতা করছেন না।সব দিক বিবেচনা করে আদালত জানিয়েছে, আগামী ১ মে সকাল সাড়ে দশটায় তাঁকে হাজিরা দিতে হবে। নিজের জায়গায় অন্য কাউকে পাঠানো যাবে না। তবে যেহেতু তিনি ভোটে প্রার্থী, তাই এই সময়সীমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আদালত।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

হুমায়ুনকে ঘিরে তাণ্ডব! গাড়ি ভাঙচুর, বাঁশ ফেলে অবরোধ

ভোটের দিন মুর্শিদাবাদের নওদায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছল। সকালে ১৭৩ এবং ১৭৪ নম্বর বুথের কাছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এর প্রতিবাদে রাস্তার উপরেই চেয়ার পেতে বসে পড়েন হুমায়ুন কবীর।কিছুক্ষণের জন্য পরিস্থিতি শান্ত হলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কাটেনি। প্রায় দুঘণ্টা রাস্তার উপর বসে থাকার পর সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময় রাস্তার উপর বাঁশ ফেলে তাঁর গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করা হয়। তাঁর কনভয়ে থাকা গাড়িতে ভাঙচুর এবং এজেন্টের গাড়িতে হামলার অভিযোগও ওঠে।এর পরেই আবার পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়। দুই পক্ষের মধ্যে লাঠি ও বাঁশ নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে এগিয়ে যান জওয়ানরা। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় এলাকা ছাড়তে সক্ষম হন হুমায়ুন কবীর।ঘটনার পর এলাকায় এখনও উত্তেজনা রয়েছে। ভোটের দিন এমন ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal