• ১৭ চৈত্র ১৪৩২, বৃহস্পতি ০২ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election

রাজনীতি

By Election: কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

দ্রুত উপনির্বাচন করানোর দাবিতে ফের নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস৷ আজ, দিল্লিতে তৃমমূলের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এই দাবি জানাবে৷ গত মাসেও একই দাবি নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদরা৷ এদিকে, উপনির্বাচনের দাবিতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে আজ বেলা আড়াইটের সময় দেখা করতে যাবেন তৃণমূলের প্রতিনিধি দল।বিধানসভার উপনির্বাচনের দাবিতে শুক্রবার ফের নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হতে চলেছে তৃণমূল। সূত্রের খবর, এদিন উপনির্বেচনের দাবিতে CEO-র কাছে যাবে তৃণমূল নেতৃত্ব। যথা সময়ে নির্বাচনের দাবি জানাবেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং সুব্রত বক্সি, তাপস রায় -সহ অন্যান্যরা। আরও পড়ুনঃ কলকাতাগামী ট্যাঙ্কার থেকে গ্যাস লিকেজ, ব্যাপক আতঙ্ক ছড়াল বর্ধমানে উপনির্বাচনের দাবিতে আগেই কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূলের সংসদীয় দল। তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয় যে, উপনির্বাচনের জন্য সাতদিন প্রচারের সময় দিলেই চলবে। করোনা পরিস্থিতিতেও যাতে কোনও ব্যাঘাত না ঘটে, সেই বিষয়টিও দেখা হবে। তৃণমূলের অভিযোগ, সাত বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন না করিয়ে রাজনৈতিক ভাবে তাঁদের অসুবিধার মধ্যে ফেলতে পারে বিজেপি। সেই পরিকল্পনা ভেস্তে দিতেই তৃণমূলের এই তৎপরতা।রাজ্যে পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের পাশাপাশি দুটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণও বাকি রয়েছে৷ যে পাঁচটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা, তার মধ্যে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷ কারণ নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে পরাজিত হওয়ায় শপথ নেওয়ার ছ মাসের মধ্যে যে কোনও একটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে৷ নভেম্বর মাসে সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে৷ হাতে সময় থাকলেও দ্রুত উপনির্বাচন করানোর পক্ষে তৃণমূল৷ তাই এই দাবিতে নির্বাচন কমিশনের উপরে চাপ বজায় রাখতে চাইছে তারা৷

আগস্ট ০৬, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: তড়িঘড়ি উপনির্বাচন নিয়ে দিলীপের খোঁচা

ফের একবার উপনির্বাচন নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর কটাক্ষ, লোকাল ট্রেন চালাতে পারছেন না, অথচ ভোট করাতে চাইছেন। দিলীপের কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের মুখ্যমন্ত্রিত্ব ধরে রাখতেই তড়িঘড়ি উপনির্বাচনের পথে হাঁটতে চাইছেন। যদিও তৃণমূলের তরফে একাধিকবার দাবি করা হয়েছে, মূল নির্বাচন পর্ব যে সময় হয়েছিল, তখন সংক্রমণের হার শীর্ষে ছিল। সে তুলনায় এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। তাই ভোট করাতে কোনও বাধা থাকার কথা নয়। উল্লেখ্য, রাজ্যে সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন বাকি রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম ভবানীপুর কেন্দ্র। নন্দীগ্রামে হারের পর ছ মাসের মধ্যে কোনও একটি বিধানসভা থেকে জয়ী হয়ে আসতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে। এই প্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছিলেন, তাড়াতাড়ি উপনির্বাচন করতে। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলেই দাবি করেন তিনি।আরও পড়ুনঃ জয়ের হ্যাটট্রিক, দ্বিতীয় স্থানে থেকে অলিম্পিক হকির শেষ আটে ভারতশনিবার ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, উপনির্বাচন হওয়া উচিত। আমার মনে হয় যথা সময়েই তা হবে। বাংলায় কার্যত লকডাউন চলছে। দু বছর ধরে পুরসভার ভোট আটকে রয়েছে। অথচ মুখ্যমন্ত্রী খালি উপনির্বাচন নিয়ে বলছেন। ওনার যদি মনে হয় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে তা হলে বিধিনিষেধ তুলে দিন। আসলে উনি নিজে মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন বলেই উপনির্বাচন নিয়ে এতটা সরব। এর আগে এই একই বিষয়ে কটাক্ষ করতে শোনা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকেও। তিনিও বলেছিলেন, রাজ্যে কোভিড পরিস্থিতি ও টিকাকরণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত উপনির্বাচনের পরিস্থিতি নেই।

জুলাই ৩১, ২০২১
রাজনীতি

Rajyasabha: রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

রাজ্যসভার আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রাক্তন আমলা ও প্রসারভারতীর প্রাক্তন সিইও রাজ্যসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হচ্ছেন। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস টুইট করে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। এর আগে কে প্রার্থী হবেন তা নিয়ে অনেকের নাম নিয়েই জল্পনা চলছিল। যশবন্ত সিনহা, মুকুল রায়ের নাম নিয়ে যথেষ্ট গুঞ্জন ছড়িয়ে ছিল।নাম ঘোষণার পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন জহর সরকার। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, এটা আমার কাছে অবিশ্বাস্য। আমার ৪২ বছরের সরকারি চাকরি জীবনে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না, এখনও নেই। তবুও আমাকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।We are delighted to nominate Mr. @jawharsircar in the Upper House of the Parliament.Mr. Sircar spent nearly 42 years in public service was also the former CEO of Prasar Bharati. His invaluable contribution to public service shall help us serve our country even better! All India Trinamool Congress (@AITCofficial) July 24, 2021নির্বাচন কমিশন গত ১৬ জুলাই এরাজ্যে রাজ্যসভার একটি আসনে ভোটের দিন ঘোষণা করেছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন আগামী ২৯ জুলাই। ভোটগ্রহণ ৯ অগাস্ট। দীনেশ ত্রিবেদীর ছেড়ে যাওয়া আসনে নির্বাচন হবে। কিন্তু এখনও মানস ভুঁইয়ার ছেড়ে যাওয়া রাজ্যসভার আসনেের ভোটের দিন ঘোষণা হয়নি।তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী পদত্যাগ করায় এরাজ্য থেকে একটি আসন শূন্য হয়। পরে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। সেই আসনে তৃণমূলের প্রার্থী কে হবে তা নিয়ে জল্পনা ছিল। যশবন্ত সিনহা, মুকুল রায়ের নাম নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে ছিল।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: খবর প্রকাশ হতেই বাড়ির দুয়ারে ভ্যাকসিন

খবর প্রকাশ হতেই একেবারে বাড়ির দুয়ারে বসে কোভিডের ভ্যাকসিন পেলেন নির্বাচন কমিশনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার খর্বকায় প্রতিবন্ধী ভ্রাতৃদ্বয়। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার কলানবগ্রামে বাড়ি প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয় সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডলের। ভোটের সময়ে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা কোভিডের ভ্যাকসিন পেয়ে গেলেও ভ্যাকসিন পাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি কমিশনে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার ভ্রাতৃদ্বয় এমনকি ভোট মিটে যাওয়ার পরেও গত বুধবার পর্যন্ত তারা ভ্যাকসিন পাননি । সেই খবর এদিন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হতেই প্রশাসনের কর্তারা নড়ে চড়ে বসেন। জনতার কথাতেও তা প্রকাশিত হয়।আরও পড়ুনঃ কোভিড ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত বিধানসভা ভোটের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়রীতিমতো দুয়ারে ভ্যাক্সিন নিয়ে বৃহস্পতিবার প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়ের বাড়িতে হাজির হয়ে যান মেমারির বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য, মেমারি ১ ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও মেমারি ১ নম্বর ব্লকের যুগ্ম বিডিও। তাঁদের সঙ্গেই ছিল মেডিকেল টিম। বাড়িতেই সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডলকে দেওয়া হয় কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজ। ভ্যাকসিন পেয়ে উচ্ছ্বাসিত প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভাতৃদ্বয়। বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খবর পেয়েই ব্লক প্রশাসন উদ্যোগী হয়। তবে তিনি দবি করেন, ব্লক প্রশাসনের বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত ছিল।

জুলাই ২২, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: কোভিড ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত বিধানসভা ভোটের 'ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার' খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়

বিধানসভা ভোটের সময়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে নির্বাচন কমিশনের ব্র্যাণ্ড অ্যাম্বাসাডার করা হয়েছিল দুই প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়কে। আর ভোট মিটে যেতেই তারা এখন ব্রাত্য হয়ে গিয়েছেন। কোভিড ভ্যাকসিন প্রাপ্তি থেকেও বঞ্চিত ভোটে নির্বাচন কমিশনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার হওয়া সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডল। ভ্যাকসিন পাওয়ার সৌভাগ্য আদৌ হবে কিনা তাও জানেন না দুই খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয় সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডলের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি বিধানসভার কলানবগ্রামে। বাড়িতে রয়েছেন বৃদ্ধা মা আন্না মণ্ডল। মাটির এক কুটুরি বাড়িতেই তাঁরা বসবাস করেন। সরকারী ভাতার সামান্য কয়েকটা টাকা আর দুচারটে ছগল, গরু ও মুরগি প্রতিপালন করে সামন্য যে টুকু রোজগার হয় তা দিয়েই তাঁরা দিন গুজরান করেন। এমনই এক হতদরিদ্র পরিবারের খর্বকায় প্রতিবন্ধী ভ্রাতৃদ্বয় সঞ্জীব ও মানিককে ২০২১ বিধানসভা ভোটে ২৬৫ মেমারি বিধানসভার ভোট আইকন করা হয়। নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থাপনায় প্রতিবন্ধী এবং ৮০ উর্ধ্ব ভোটারদের ভোট দানে উৎসাহিত করার ব্যাপারে তাঁরাই হয়েছিলেন প্রধান মুখ ।আরও পড়ুনঃ কফি ডেটে যেতে চান শ্রীলেখা! কিন্তু কার সঙ্গে?কোভিড অতিমারির মধ্যেই এবার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হয়। তার জন্য নির্বাচন কমিশন বেশ কিছু নতুন নিয়ম জারি করে। প্রতিবন্ধী ও ৮০ উর্ধ্ব বয়সী ভোটাররা যাতে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারেন তার ব্যবস্থা করে নির্বাচন কমিশন। এছাড়াও কোভিড পেসেন্টরাও যাতে একই সুবিধা পান সেই ব্যবস্থাও কমিশন ধার্য করে। এই সকল ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিয়ে ভারতের নির্বাচন কমিশন গোটা রাজ্য জুড়ে প্রচার চালানোর উদ্যোগ নেয়। তারই প্রচার কাজে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মেমারি বিধানসভার আধিকারিকরা আইকন হিসাবে বেছে নেন খর্বকায় দুই প্রতিবন্ধী ভাই সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডলকে। ভোটের সময় নিঃস্বার্থ ভাবেই এই দুই প্রতিবন্ধী ভাই ট্রাইসাইকেলে চড়ে গণতন্ত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসবে সবাইকে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানোর কাজও চালিয়ে যান। তাঁদের এই কর্মকাণ্ড ভোটার মহলে যথেষ্ট সাড়াও ফেলে। এখন ভোট মিটে গিয়েছে। আর ভোট মিটে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্রাত্য হয়ে গিয়েছেন দুই প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীসঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডল বুধবার আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ভোট শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই এখন আর তাদের কথা কেউ মনে রাখে না। মনে রাখেনি সরকারও। সেই কারণে কোভিডের তৃতীয় ঢেউয়ের আগেও তাঁরা কোভিড ভ্যাকসিনের টিকা পাননি। ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য অনেকবার পাল্লারোডের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়েছেন। লাইনে দাঁড়িয়েও ছিলেন। কিন্তু ভ্যাকসিন না পেয়ে তাঁদের হতাশ হয়েই বাড়ি ফিরতে হয়েছে। সঞ্জীব ও মানিক আরও জানান, ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য ব্লকের বিডিও অফিসেও মৌখিক ভাবে তাঁরা জানিয়ে ছিলেন। তাতেও সুরাহা হয়নি। আদৌ কোভিড ভ্যাকসিনের টিকা পাবেন কিনা তা নিয়েও অন্ধকারে রয়েছেন বলে প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয় জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?এই বিষয়ে মেমারি ১ নম্বর ব্লকের বিডিও আলি মহম্মদ ওয়ালিউল্লাহ বলেন, তাঁর সঙ্গে ওনারা যোগাযোগ করেননি। তবে বিষয়টি তিনি জেনেছেন।খুব তাড়াতাড়ি ওনাদের ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা হবে বলে বিডিও আশ্বাস দিয়েছেন।

জুলাই ২১, ২০২১
কলকাতা

Election Commission: অগস্টের প্রথমেই ৫ কেন্দ্রের ভোটযন্ত্র পরীক্ষার নির্দেশ

ভবানীপুর-সহ রাজ্যে পাঁচটি কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি আরও জোরাল করার নির্দেশ দিল রাজ্য নির্বাচন দপ্তর। প্রাথমিক ভাবে ওই পাঁচটি কেন্দ্রের ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট পরীক্ষার কাজ অগস্টের প্রথম সপ্তাহে শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যা থেকে মনে করা হচ্ছে, অগস্টে বা সেপ্টেম্বরে উপনির্বাচন হতে পারে ধরে নিয়েই এগোচ্ছে রাজ্য নির্বাচন দপ্তর। যদিও নির্বাচনের মতোই উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআররাজ্যে যে পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে, সেগুলি হল ভবানীপুর, খড়দহ, বাসন্তী, শান্তিপুর এবং দিনহাটা। ওই কেন্দ্রগুলির জন্যই প্রস্তুতিতে গতি আনার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন দপ্তর। তবে জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জের ক্ষেত্রে এমন নির্দেশ দেওয়া হয়নি। কমিশন সূত্রে খবর, এই দুটি বিধানসভায় নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি বিধানসভা ভোটের আগেই সারা হয়ে গিয়েছিল। কারণ, ওই দুটি আসনে ভোট স্থগিত ছিল প্রার্থীদের মৃত্যুতে। ফলে সেখানে আর নতুন করে ভোটযন্ত্র পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। কিন্তু যে পাঁচটি আসনে ভোট হয়েছিল, সেখানে নতুন করে ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট পরীক্ষার প্রয়োজন আছে। রাজ্য নির্বাচন দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আমরা সবরকম প্রস্তুতি রাখছি। রাজ্যসভা হোক বা বিধানসভা সব রকম নির্বাচনের জন্য দপ্তর প্রস্তুত।

জুলাই ২১, ২০২১
কলকাতা

Rajya Sabha Election: রাজ্যসভায় দীনেশের আসনে উপনির্বাচন ৯ অগস্ট

রাজ্যসভার উপনির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীর ছেড়ে যাওয়া আসনে ফের নির্বাচন হবে। ৯ অগস্ট ওই আসনে ভোটগ্রহণ বলে কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ফের উত্তপ্ত শ্রীনগর, খতম ২ লস্কর জঙ্গিগত ১২ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভার অধিবেশন চলাকালীনই নিজের পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন দীনেশ ত্রিবেদী।সে দিন রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে উঠেই পদত্যাগের ঘোষণা করেন তিনি। অধিবেশন চলাকালীন বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, আমি বেশি সময় নেব না। দুই মিনিটের মধ্যেই আমার বক্তব্য শেষ করব। আমি অন্তরাত্মার ডাক অনুসরণ করে এগোচ্ছি। আমার মতে কাজ না করার থেকে পদত্যাগ করাই শ্রেয়। এখানে থেকে কোনও কাজ করা যাচ্ছে না, দম বন্ধ হয়ে আসছে। এরপরই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন। এদিকে তাঁর সাংসদ পদের মেয়াদ ছিল ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত। ফলে এই আসনে দ্রুত নির্বাচন করাতে চাইছে কমিশন। আরও পড়ুনঃ কেন দ্বিতীয় বিয়ে করলেন না পূজা ভাট!শুক্রবার নির্বাচন কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, আগামী ২২ জুলাই প্রথা মেনে ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। ২৯ জুলাই পর্যন্ত মনোনয়ন পেশ করা যাবে। ৩০ জুলাই হবে স্ক্রুটিনি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ২ অগস্ট। এরপরই ৯ তারিখ ভোটগ্রহণ হবে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত ভোটগ্রহণ পর্ব চলবে। সেদিনই বিকেল ৫টা থেকে ভোট গণনা। যদিও রাজ্যসভার সাংসদ মানস ভুঁইয়ার ফাঁকা আসন নিয়ে, তাঁর জায়গায় নতুন সাংসদ নির্বাচনের কোনও বিজ্ঞপ্তি এখনও অবধি জারি করা হয়নি।

জুলাই ১৬, ২০২১
কলকাতা

Nandigram-High Court: নন্দীগ্রামের ভোট সংক্রান্ত নথি সংরক্ষণের নির্দেশ হাইকোর্টের

নন্দীগ্রামে (Nandigram) ভোট সংক্রান্ত যাবতীয় নথি, ভিডিও সংরক্ষিত রাখতে হবে। বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) মামলা গ্রহণ করে নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission) এই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এ দিন এই মামলায় সমস্ত পার্টিকে নোটিস পাঠিয়েছে আদালত। এ ছাড়া গণনাকেন্দ্রে যে রিটার্নিং অফিসার ছিলেন তাঁকে ও নির্বাচন কমিশনকে নোটিসের একটি করে কপি দেওয়া হবে। এ ছাড়া মামলার নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সব নথি সংরক্ষণ করার কথা বলা হয়েছে। বিচারপতি শম্পা সরকারের এজলাসে চলছে এই মামলার শুনানি।আরও পড়ুনঃ কাপ্পার কবলে এবার রাজস্থানও নন্দীগ্রামের ভোটগণনায় কারচুপির অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ওই রায় চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করেছেন। তাঁর আবেদনপত্র স্ক্রুটিনি করেছেন রেজিস্টার। রিপোর্টে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী পিটিশনে কোন ত্রুটি নেই। এরপর নন্দীগ্রাম মামলা গ্রহণ করে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ভোট সংক্রান্ত সমস্ত নথি ও ভিডিও সংরক্ষণ করার জন্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে নির্দেশ দেয় আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি ১২ অগস্ট। মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী পিটিশন মামলা ওঠে বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চে। বিচারপতি চন্দের সঙ্গে বিজেপি যোগের অভিযোগ তুলে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মামলা প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কায় অন্য বেঞ্চে সরানোর আর্জি করেন। বিচারপতি কৌশিক চন্দকেও চিঠি দেন। এরপর নন্দীগ্রাম মামলা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন বিচারপতি চন্দ। একইসঙ্গে বিচারব্যবস্থাকে কলুষিত করার জন্য ৫ লক্ষ টাকা জরিমানার নির্দেশ দেন তিনি। সোমবার এজলাস বদল হয়। মামলা ওঠে বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে।

জুলাই ১৪, ২০২১
রাজনীতি

Srabanti Tathagata: বেহালা পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী শ্রাবন্তীর ইলেকশন এজেন্টকে নিয়ে প্রশ্ন তথাগতর

এবার বেহালা পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের চিফ ইলেকশন এজেন্ট সোহেল দত্তকে প্রশ্ন তুললেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথাগত রায়। বর্ষীয়াণ এই বিজেপি নেতা এর আগেও একাধিক টুইট করে দলকে সতর্ক করেছেন। দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন।রাজ্য কার্যকরি কমিটির সাম্প্রতিক বৈঠকে হাজির ছিলেন তথাগত রায়। রাজ্যে বিজেপির পরাজয়ের কারণ নিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে বার্তা দিয়েছেন। চিঠি পাঠিয়ে শলা-পরামর্শও দিয়েছেন দলের সর্বভারতীয় নেতৃত্বকে। এবার শ্রাবন্তীর চিফ ইলেক এজেন্টের রাজনৈতিক সত্ত্বা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিজেপি নেতা।টুইটে কি ছবি পোস্ট করেছে তথাগত রায়?Is this true? pic.twitter.com/AhuS5LNhQw Tathagata Roy (@tathagata2) July 4, 2021রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুব্রত বক্সীকে নিজের হাতে মিষ্টি খাইয়ে দিচ্ছেন সোহেল।কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ছবি রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক ও রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে।রাজ্যের আরেক মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় মঞ্চে বক্তব্য রাখছেন, পাশে দাঁড়িয়ে এই অভিনেতা।তৃণমূলের রাজ্য সভার সাংসদ সুভাশিস চক্রবর্তীকে জড়িয়ে ধরে রয়েছে প্রকাশ্য মঞ্চে। অবশ্যই মুখে হাসি লেগে রয়েছে।এনআরসি ও সিএএ বিরোধী মিছিলে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সোহেল।এই পাঁচটি ছবি পোস্ট করে তথাগত রায় প্রশ্ন তুলেছেন, এটা কি সত্য?টুইটে তথাগত লিখেছেন, এটি হচ্ছে সোহেল দত্ত বেহালা পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের চিফ ইলেকশন এজেন্ট। বাকিটা আপনারা বিচার করুন। বর্ষীয়ান বিজেপি নেতার এই পোস্ট ঘিরেই বিতর্ক দানা বেধেছে। উল্লখযোগ্য বিষয় বেহালা পশ্চিম কেন্দ্রে শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন প্রবীণ তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে।আরও পড়ুনঃ চূড়ান্ত ট্রায়ালে সাফল্য, ডেল্টা প্রজাতি রুখতে সক্ষম কোভ্যাক্সিন!নির্বাচনপর্ব মিটবার কিছু দিন পর বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি মুকুল রায় দল ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে গিয়েছেন। বিজেপির একাংশ দল ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিতে চাইছেন বলেও তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেছেন। এদিকে তৃণমূলের কালচারাট ইউনিটের রাজ্য সভাপতি রাজ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, দলে যে কেউ ফিরতে পারেন, স্বাগত। রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, বিজেপি খতিয়ে না দেখেই বিভিন্ন লোককে দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছিল নির্বাচনে। সেই প্রশ্ন উঠছে দলের মধ্য থেকেও।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যে কবে পুরভোট? কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যে ১১২টি পুরসভার নির্বাচন বাকি রয়েছে। এরমধ্যে ৬টি কর্পোরেশনও আছে। পুরপ্রশাসক নিয়োগ করে পুরসভাগুলো পরিচালনা করা হচ্ছে। কবে পুরভোট হতে পারে বৃহস্পতিবার নবান্নে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।২০১৮-তেই বেশ কয়েকটি পুরসভার নির্বাচিত বোর্ডের পরিচালনের মেয়াদ ফুরিয়ে যায়। তারপর ধীরে ধীরে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১১২টিতে। তার মধ্যা কলকাতা, হাওড়া, বিধাননগর, চন্দননগর, আসানসোল ও শিলিগুড়ি কর্পোরেশনের নির্বাচন বাকি রয়েছে। এবার রাজ্য অপেক্ষা করছে বিধানসভার ৭টি আসনে কবে উপনির্বাচন হবে। এর মধ্যে যে কোনও একটি আসন থেকে নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে জয়ী হতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আরও পড়ুনঃ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডরাজ্যে পুরসভা নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইলেকশন কমিশন আগে উপনির্বাচনের কথা বলুক, আমাদের সময়মতো পুর নির্বাচন করব। আমরা অপক্ষো করছি। আমরা তৈরি। আমাদের নির্বাচন করতে কোনও ভয় নেই। আমাদের দেখতে হবে ৭ টি আসনে কবে উপনির্বাচন হয়। বাদ বাকিগুলো করে নেব।আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রাম মামলার শুনানি শেষ, রায়দান স্থগিতলোকসভা ভোটের পর থেকেই রাজ্যে পুরসভাগুলোর মেয়াদ শেষ হতে থাকে। নানা কারণে নির্বাচন পিছোতে থাকে। শেষমেশ কোভিড পরিস্থিতি এসে পড়ে এরাজ্যেও। এরইমধ্যে ৮ দফায় বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এবার দেখার বিষয় কবে উপনির্বাচন ঘোষণা করে। রাজ্য চাইছে যত দ্রুত সম্ভব উপনির্বাচন যেন হয়। সেক্ষেত্রে তারপরই পুরনির্বাচনও সম্পন্ন করে ফেলতে চায় রাজ্য।

জুন ২৪, ২০২১
কলকাতা

State By-Election: রাজ্যে দ্রুত উপনির্বাচনের আর্জি মুখ্যমন্ত্রীর

কোভিড (COVID-19) পরিস্থিতি এখন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে। নির্বাচন কমিশন চাইলেই উপনির্বাচন করতে পারে। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক থেকে কমিশনের (Election Commission) উদ্দেশে দ্রুত রাজ্যের ৭ আসনের উপনির্বাচন সেরে ফেলার আর্জি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে কমিশন এবং প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কটাক্ষও শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর গলায়।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত পূর্ব বর্ধমান, চলল ব্যাপক মারধর-ভাঙচুরবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election 2021) বিপুল আসনে জিতে তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে হ্যাটট্রিক করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Mamata Banerjee)। তবে নির্বাচনে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি। যদিও সেই ফলাফলে নানান কারচুপির অভিযোগ ওঠায়, বিষয়টি বর্তমানে আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তবে নিয়মমাফিক ছমাসের মধ্যে ভোটে জিতে আসতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। যার মধ্যে প্রায় মাস দেড়েক ইতিমধ্যেই কেটে গিয়েছে। বস্তুত রাজ্যে আগামী সাড়ে চার মাসের মধ্যে ৭ আসনে উপনির্বাচনও হওয়ার কথা। যার মধ্যে যে কোনও একটি আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে আসতে চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerejee)। আরও দুই মন্ত্রী অমিত মিত্র (Amit Mitra) এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কেও জিতিয়ে আনতে হবে।তৃণমূল নেতাদের আশঙ্কা, রাজ্যে সাংবিধানিক সংকট তৈরির উদ্দেশে এই উপনির্বাচনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে নির্বাচন কমিশন। করোনার অজুহাতে ছমাসের মধ্যে উপনির্বাচন নাও করানো হতে পারে। এদিন নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে মমতার কথায় সেই আশঙ্কার আভাস মিলল। তিনি বললেন, আমি তো শুনেছি প্রধানমন্ত্রীর ইঙ্গিত না পেলে নির্বাচন কমিশন উপনির্বাচনের অনুমতি দেবে না। তাই আমি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব, আমাদের উপনির্বাচনটা ক্লিয়ার করে দিন। মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন, রাজ্যে মোট ৭ আসনে উপনির্বাচন বাকি। এখন কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। তাই যে কোনও সময় উপনির্বাচন হতে পারে। তাঁর আর্জি, সাতদিন সময় দিয়ে উপনির্বাচন করুন। উপনির্বাচনে প্রার্থীদের বেশি সময় দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

জুন ২৩, ২০২১
কলকাতা

জোড়া রদবদল রাজ্য প্রশাসনে, সরলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দুই কর্তা

ফের রাজ্য প্রশাসনে বড়সড় রদবদল। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে বিজ্ঞপ্তিু জারি করে আমলাস্তরে জোড়া রদবদল করা হল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার পর একাধিক পদের রদবদল করেছেন। দুটি পরিবর্তন সেই তালিকায় নবতম সংযোজন।নির্বাচনের আগে নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের সচিব ছিলেন সংঘমিত্রা ঘোষ। নির্বাচনের মুখে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে একাধিক আধিকারিককে সরানো হয়। সেই সময় কমিশনের অ্যাডিশনাল চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার পদে আনা হয় ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার সংঘমিত্রা ঘোষকে। ভোট মিটে যাওয়ার পর সরকার গঠন হতেই তাঁকে পুরনো পদেই ফেরানো হল। আরেক অ্যাডিশনাল চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার স্মারকি মহাপাত্রকে সরিয়ে দেওয়া হল। বদলে তাঁকে রাজ্যে অর্থদপ্তরের সচিব পদে নিয়োগ করা হল। তিনি ২০০২ সালের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার।রাজ্যে মিটে গিয়েছে ভোটপর্ব। ২০০-রও বেশি আসন নিয়ে তৃতীয়বার সরকার গড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর ভোট মিটতেই রাজ্যের পুলিশ এবং প্রশাসনিক পদে বেশ কিছু রদবদল করা হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই তালিকা আরও দীর্ঘ হয়েছে। ভোটের পরই বদলানো হয়েছে বীরভূমের জেলাশাসক এবং এসডিপিও-কে। তেমনই রাজ্য পুলিশের আরও একাধিক পদে বদল আনা হয়েছে।বীরভূমের জেলাশাসকের পদে ডিপি কারনামের জায়গায় আসতে চলেছেন বিধানচন্দ্র রায়। তিনি এর আগে খাদ্যদপ্তরের যুগ্ম সচিব পদে ছিলেন। ডিপি কারনামকে করা হয়েছে ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পের ডিরেক্টর। এছাড়া তিনি বিশ্ববাংলা কর্পোরেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টরের দায়িত্বও সামলাবেন। শ্রী নিখিল নির্মলকে করা হয়েছে বস্ত্রমন্ত্রকের ডিরেক্টর। এদিকে, হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার অভিষেক তিওয়ারিকে করা হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব। অন্যদিকে, ধবল জৈনকে করা হয়েছে হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার। এছাড়া সরানো হয়েছে নদিয়ার জেলাশাসক পার্থ ঘোষকেও। তাঁকে নিয়ে আসা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ অ্যাগ্রি মার্কেটিং কর্পোরেশন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে। যে পদে এতদিন ছিলেন ধবল জৈন। সেই রদবদলের তালিকা এদিন আরও দীর্ঘ হল।

মে ২০, ২০২১
রাজনীতি

অনেক টানাপড়েনের পর নন্দীগ্রামে জয়ী শুভেন্দু অধিকারী

ভোটের ফল প্রকাশ পাওয়ার পর একেবারে শেষ লগ্নে এসেও ধোঁয়াশা কাটল না নন্দীগ্রাম নিয়ে। জেলার রিটার্নিং অফিসার অবশ্য শুভেন্দু অধিকারীকেই জয়ী ঘোষণা করেছেন। যার কিছুক্ষণ পরই রীতিমতো গণনার কাগজ প্রকাশ করে নিজেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে জয়ী ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।সাম্প্রতিক সময়ে যে যে নেতা তৃণমূল নেতা দলবদল করে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে একমাত্র শুভেন্দু অধিকারীই এ দিন সামান্য কিছু ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন নন্দীগ্রামে। যদিও তাঁর জয়ের রাস্তাটা সহজ ছিল না। ভোটগণনা শুরু হওয়ার পর থেকে এগিয়েই ছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু, কয়েক রাউন্ড ভোট গণনার পরই এগিয়ে যান মমতা। চলতে থাকে সাপ লুডোর খেলা। কখনও এগিয়ে যান শুভেন্দু, কখনও এগোতে থাকেন মমতা।এই প্রবণতা অব্যাহত ছিল শেষ রাউন্ড গণনা পর্যন্ত। বিকেলে সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১২০০ ভোটের ব্যবধানে নন্দীগ্রামে জিতেছেন মমতা। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই আবার বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, শুভেন্দু জিতেছেন নন্দীগ্রামে। কমিশনের পক্ষ থেকেও এমনটাই জানানো হয়। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়ে তৃণমূল। মমতা জানান যে তিনি আদালতে যাবেন। যা নিয়ে এখনও জলঘোলা অব্যাহত। পুর্নগণনার আবেদন জানিয়েছে শাসকদল।অন্যদিকে, কমিশনের তরফে জয়ী তকমা পাওয়ার পর শুভেন্দু টুইটে লেখেন, আমার ওপর বিশ্বাস এবং ভরসা রাখার জন্য নন্দীগ্রামের প্রতিটি মানুষকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এই জয় নন্দীগ্রামে প্রতিটি মানুষের জয়। আগামী দিনে নন্দীগ্রামের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করাই আমার সংকল্প।

মে ০২, ২০২১
রাজ্য

বাংলা থাকল নিজের মেয়ের হাতেই

সেই এক পায়েই বাংলা দখল করে দেখালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট প্রচারের জনসভা থেকে এভাবেই মোদি সরকারের বিরুদ্ধে হুঙ্কার দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভাঙা পায়েই ময়দানে নেমেছিলেন জননেত্রী। কেন্দ্রের হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীদের প্রচারের বিরুদ্ধে কার্যত একাই ২৯৪টি আসনে লড়েছেন। লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় ওঠা গেরুয়া ঝড়কে বিধানসভা ভোটে একার নেতৃত্বে রুখে দিয়েছেন তিনি। সেই দীর্ঘ লড়াই আর আত্মত্যাগের আজ মধুর ফল পেলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বিজেপিকে অনেকখানি পিছনে ফেলে ম্যাজিক ফিগারের অনেক বেশি আসন নিয়ে আরও একবার বঙ্গে ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করল মমতার তৃণমূল সরকার। দিদির কাছেই রইল বাংলা। একুশের নির্বাচনের আগে অদ্ভুত এক দলবদলের আবহ তৈরি হয়েছিল। তৃণমূলের ঘরভাঙা নিয়ে একটা সময় দলের অন্দরেও চিন্তার ভাঁজ পড়ে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামটাই যে বাংলার মানুষের বিশ্বাস অর্জনের জন্য যথেষ্ট ছিল, তা তৃতীয়বারের জন্য প্রমাণ করে দিলেন তৃণমূল নেত্রী। দলত্যাগীদের নিয়ে বিন্দুমাত্র বিচলিত হতে দেখা যায়নি তাঁকে। বরং বলে দিয়েছিলেন, যাঁরা বেরিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের নিয়ে না ভেবে, যাঁরা দীর্ঘ দশ বছর জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে নিয়েই লড়াই জিতবেন। এমনকী নিজের গড় ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়ার চ্যালেঞ্জও স্বেচ্ছায় নিয়েছিলেন। যে ভূমি আন্দোলন থেকে তৃণমূলের উত্থান হয়েছিল, সেই মাটিতেই জয়ের নয়া ইতিহাস গড়ার শপথ নিয়েছিলেন। বিজেপি প্রার্থী তথা পূর্ব মেদিনীপুরের ঘরের ছেলে শুভেন্দু অধিকারীকে হারিয়ে বুঝিয়ে দিতে চেয়েছিলেন, তাঁর পক্ষে অসম্ভব কিছুই নয়। দীর্ঘ ৩৪ বছরের বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে ইতিহাস গড়েছিলেন মমতা। ২০১৬ সালে সবুজ ঝড়ে উড়ে গিয়েছিল বিরোধীরা। সেই মমতা সাম্রাজ্যের পতন ঘটাতে এবার একের পর এক বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা এসে বঙ্গে প্রচার করেছেন। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৮টি সভা করে গিয়েছেন। কিন্তু মমতার জনপ্রিয়তা, তাঁর প্রতি রাজ্যবাসীর বিশ্বাস, আস্থা-ভরসাকে টলাতে পারেননি শাহ-নাড্ডা-স্মৃতি ইরানিরা। কেন্দ্রীয় শক্তির চোখ রাঙানিকে কখনওই ভয় করেননি তিনি। বরং ভাঙা পা নিয়েই মিটিং-মিছিল, জনসভা চালিয়ে গিয়েছেন। দশ বছর পরও বিধানসভা ভোটে তিনিই ফ্যাক্টর, তা আজ স্পষ্ট হয়ে গেল। দেশের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী যে ভারতীয় রাজনীতির সেরা নক্ষত্রদের মধ্যে অন্যতম, তা নিয়ে আর কোনও দ্বিধা রইল না।

মে ০২, ২০২১
কলকাতা

ভোটগণনার আগে ব্যাপক বোমাবাজি, উত্তপ্ত বেলেঘাটা

আর মাত্র কয়েকঘণ্টার অপেক্ষা। কিছুক্ষণের মধ্যে স্পষ্ট হয়ে যাবে বাংলার দায়িত্ব যাচ্ছে কার হাতে, তৃণমূল না বিজেপি। তার আগে উত্তেজনা ছড়াল বেলেঘাটায়। বিজেপির বুথ এজেন্টের বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে কোচবিহার থেকে উদ্ধার হয়েছে তাজা বোমা। জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে বেলেঘাটা ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে এক বুথ এজেন্টের বাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ব্যাপক বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এরপর বাইকে ১০ থেকে ১২ জন যুবক বেলেঘাটা মেন রোড এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেয়। বোমাবাজি করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। সেইসময় অভিযুক্তরা পুলিশের উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। মারধরও করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। দীর্ঘক্ষণ পর শান্ত হয় এলাকা। পুলিশের তরফে ইতিমধ্যেই বোমার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত। অন্যদিকে, ভোটগণনা শুরুর ঠিক আগের মুহূর্তে কোচবিহার মাথাভাঙ্গার পঞ্চানন মোড় এবং বাইশগুড়ি হাই স্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার হয় তাজা বোমা। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। খবর যায় পুলিশে। ইতিমধ্যেই বোমাটি উদ্ধার করা হয়েছে। বোমাবাজি হয়েছে বীরভূমের দুবরাজপুরে। এছাড়াও অন্যান্য জেলা থেকে প্রকাশ্যে এসেছে অশান্তির খবর। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত পুলিশ।

মে ০২, ২০২১
রাজ্য

কড়া নিরাপত্তায় রাজ্যে শুরু হল গণনা

বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে আট দফা ভোট শেষে এবার ফলপ্রকাশের পালা। ২৯২ টি আসনে শুরু ভোটগণনা। বাকি ২টি আসনের প্রার্থীর মৃত্য়ুতে সেখানে ভোট হয়নি। কোভিডবিধি মেনে, প্রত্যেক গণনাকর্মী, রাজনৈতিক দলের এজেন্টদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা কর তবেই কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কড়া নিরাপত্তায় জেলার প্রশাসনিক ভবনগুলিতে শুরু হয়েছে ভোটের গণনা। মোতায়েন ২৪২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সকাল ৮.৪০: পোস্টাল ব্যালট গণনায় নন্দীগ্রামে এগিয়ে শুভেন্দু অধিকারী। পুরুলিয়া, রঘুনাথপুরে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থীরা। বাঘমুন্ডি আসনে এগিয়ে সংযুক্ত মোর্চা প্রার্থী নেপাল মাহাতো। সকাল ৮.৩৬: দমদমে পিছিয়ে তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী ব্রাত্য বসু। মানিকতলায় এগিয়ে সাধন পাণ্ডে। সকাল ৮.৩২: জামুড়িয়ায় এগিয়ে সংযুক্ত মোর্চা প্রার্থী ঐশী ঘোষ। বারাকপুর, ভাটপাড়া, হাবড়া, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণে এগিয়ে বিজেপি। সকাল ৮.২৮: পোস্টাল ব্যালট গণনায় হাসন, সুজাপুরে এগিয়ে সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থীরা।সকাল ৮.২০: দাঁতন, মুরারই, মঙ্গলকোট, খড়গপুর সদর, রানাঘাট দক্ষিণে এগিয়ে তৃণমূল। রানিগঞ্জ, কেশিয়াড়ি, চন্দ্রকোণা, আলিপুরদুয়ার, দিনহাটা, মাদারিহাটে এগিয়ে বিজেপি। সকাল ৮.১২: পোস্টাল ব্যালট গণনার শুরুতে ৬ আসনে এগিয়ে বিজেপি, ৩ আসনে এগিয়ে তৃণমূল। কেতুগ্রাম, আসানসোল উত্তর, সবং, নলহাটিতে এগিয়ে তৃণমূল, মেমারি, সিউড়ি, দুবরাজপুরে বিজেপি এগিয়ে। সকাল ৮.০৪: গণনার শুরুতেই পানিহাটিতে অসুস্থ কংগ্রেসের এজেন্ট। গরমে হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। হাসপাতালে ভরতি করাতে হল। এই গণনাকেন্দ্রে কোভিড বিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। গণনা ঘিরে শুরুতেই গন্ডগোল। সকাল ৮: ভোটগণননা শুরু রাজ্যের ২৯২টি বিধানসভা কেন্দ্রে। ২ টি কেন্দ্রে ভোট হয়নি। প্রথম আধঘণ্টা পোস্টাল ব্যালটের গণনা। তারপর হবে ইভিএমের ভোটগণনা।

মে ০২, ২০২১
রাজ্য

অধিকাংশ বুথ ফেরত সমীক্ষায় 'বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়'

আসল পরিবর্তন নাকি বাংলার নিজের মেয়ে। বাংলার নির্বাচনের সম্ভাব্য ফলাফল জানা যাবে আগামী ২ মে। কিন্তু তার আগে বুথ ফেরত সমীক্ষায় যে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে তাতে তৃণমূল সমর্থকরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতেই পারেন। অধিকাংশ সংস্থার বুথ ফেরত সমীক্ষা দেখা যাচ্ছে, বাংলায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। আগের থেকে আসন সংখ্যা অনেকটা বাড়ালেও তৃণমূলকে গদিচ্যুত করতে পারছে না গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে বাম, কংগ্রেস, এবং আইএসএফের জোট কার্যত ধুলিস্যাত হয়ে যাচ্ছে। যদিও, সিএনএক্সের বুথ ফেরত সমীক্ষায় অন্য ফল দেখাচ্ছে। যদিও সবশেষে বলে রাখা দরকার, এগজিট পোল বা বুথ ফেরত সমীক্ষা কোনওভাবেই ভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করে না। এটা সম্ভাব্য ফলাফলের আভাসমাত্র। অতীতে বহুবার দেখা গিয়েছে এগজিট পোল বা বুথ ফেরত সমীক্ষার সঙ্গে আসল ফলাফল একেবারেই মেলেনি। সমস্ত সমীক্ষক সংস্থা এগজিট পোলের যে ফলাফল প্রকাশ করেছে, আসল ফলাফল তার উলটো হয়েছে। আবার এগজিট পোলের সঙ্গে আসল ফলাফল হুবহু মিলে গিয়েছে, এমন নজিরও কমবেশি আছে। টিভি নাইন-সি ভোটার- ১৪২-১৫২ (তৃণমূল), ১২৫-১৩৫ (বিজেপি), সংযুক্ত মোর্চা (১৬-২৬), অন্যান্য-০টাইমস নাও-সি ভোটার- ১৫৮ (তৃণমূল), ১১৫ (বিজেপি), ২২ (সংযুক্ত মোর্চা), অন্যান্য-০রিপাবলিক টিভি-সিএনএক্স- ১২৮-১৩৮ (তৃণমূল), ১৩৮-১৪৮ (বিজেপি), ১১-২১ (সংযুক্ত মোর্চা), অন্যান্য-০এবিপি নিউজ-সি ভোটার- ১৫২- ১৬৮ (তৃণমূল), ১০৯- ১২১ (বিজেপি), ১৪-২৫ (সংযুক্ত মোর্চা), অন্যান্য-০বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য সুজিত ঘোষের বক্তব্য, এরাজ্যে লোকসভা-২০১৯ নির্বাচনে অনেক সংস্থার সমীক্ষা রিপোর্ট মুখ থুবড়ে পড়েছিল। গতবছর বিহারের বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরও একই দৃশ্য দেখা গিয়েছে। অতএব ২ মে প্রকৃত ফল জানা যাবে। বিজেপি ভাল ফল করবে। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব অনেকেই সমীক্ষার ওপর আশা রাখছেন।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
রাজ্য

শহরে বোমাবাজি ও অশান্তির আবহে রাজ্যে শুরু ভোটগ্রহণ

বঙ্গে আজ শুরু হয়েছে অষ্টম তথা শেষ দফার ভোট। উত্তর কলকাতা-সহ মোট ৪ জেলার ৩৫ টি কেন্দ্রে চলছে ভোটগ্রহণ পর্ব। মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূমের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েটের ভাগ্য পরীক্ষা চলছে। এছাড়া পুনর্নির্বাচন কোচবিহারের শীতলকুচির ১২৬ নং বুথেও। নিরাপত্তায় মোতায়েন মোট ৭৫৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। কোভিডবিধি কড়াভাবে মেনেই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রদান করছেন ভোটাররা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতেই নানাবিধ অশান্তির আবহেই চলছে ভোটগ্রহণ।সকাল ৯.৩১: বোমাবাজি রবীন্দ্র সরণিতে। বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিতের গাড়ি লক্ষ্য করে সরাসরি বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ। তাঁকে হত্যার চক্রান্ত চলছে, অভিযোগ প্রার্থীর। এর আগে বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে। সকাল ৯.২০: চৌরঙ্গির তৃণমূল প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে বুথে ঢুকতে বাধা কেন্দ্রীয় বাহিনীর। মেট্রোপলিটান স্কুলের বুথে ঢুকতে পারলেন না তিনি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে বচসায় জড়ান তিনি।সকাল ৯: শীতলকুচিতে পুনর্নির্বাচনের দিনও উত্তেজনা। তৃণমূল প্রার্থী তথা জেলা তৃণমূল সভাপতি পার্থপ্রতিম রায়ের সঙ্গে পুলিশের বচসা। তিনি পুলিশকে হুমকি দেন বলে অভিযোগ। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে পার্থপ্রতিমের বক্তব্য, বিজেপি এখানে অশান্তির চেষ্টা করছে।সকাল ৮.৪৯: বীরভূমের নানুর বিধানসভার সিংগী গ্রামে বিজেপি কর্মীদের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ, ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়। অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।সকাল ৮.৪৪: নানুরের সন্ত্রস্ত এলাকা বন্দর গ্রামে দীর্ঘক্ষণ পর ভোটগ্রহণ শুরু। ভোটারদের বাধাদানের অভিযোগ ঘিরে তৃণমূল-বিজেপির হাতাহাতি চরম আকার নেয়। শেষপর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। শুরু হয় ভোট।সকাল ৮.১৪: ভোটের সকালে খাস কলকাতায় বোমাবাজি, মহাজাতি সদনের সামনে ২ টি বোমা ফেটেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা, এলাকায় আতঙ্ক। ঘটনাস্থলে বাড়তি পুলিশ।সকাল ৮.১১: কাশীপুর-বেলগাছিয়া কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অতীন ঘোষকে বুথে বাধা দেওয়ার অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। বাকবিতন্ডায় না জড়িয়ে তিনি শান্তভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেন। এজেন্টকে ডেকে বুথের খবরাখবর নেন তিনি। সকাল ৮.০৫: মানিকতলার ৫৬ নং বুথে বিজেপি এজেন্টকে হেনস্তা, পরিচয়পত্র ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কমিশনে অভিযোগ দায়ের।সকাল ৮: ময়ূরেশ্বরে ভোট শুরু হতেই উত্তেজনা। বাড়তি জমায়েত হঠাতে লাঠি হাতে পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে নামল কেন্দ্রীয় বাহিনী।সকাল ৭.৪৮: ভোটের শুরুতেই বীরভূমের নানা জায়গায় রাজনৈতিক অশান্তি। এসবের মাঝে এদিন আরও নজরদারি বাড়ল অনুব্রত মণ্ডলের উপর। সকাল ৭.৪৪: বীরভূমের লাভপুরে হাতিয়া গ্রামে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর। বিজেপির অভিযোগ তৃণমূলের সর্মথকেরা লাভপুর থানার পুলিশ নিয়ে এসে ভাঙচুর করে।সকাল ৭.৪০: বোলপুরের ১১৪ নং ওয়ার্ডে উত্তেজনা। বিজেপি কর্মীরা ভিড় করে বুথ জ্যাম করছেন, তৃণমূল সর্মথকদের ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। সকাল ৭.৩৫: মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় রাজনৈতিক অশান্তি। কংগ্রেস কর্মীদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ হোসেনপুর এলাকা। সকাল ৭.৩০: নির্বিঘ্নে পুনর্নির্বাচন শুরু কোচবিহারের শীতলকুচির ১২৬ নং বুথে। গত ১০ তারিখ এখানে ভোট চলাকালীন কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জনের মৃত্যু হয়। এরপর আজ সেখানে আবার ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল ৭.২১: সাতসকালেই ভোটের লাইনে মিঠুন চক্রবর্তী। কাশীপুর-বেলগাছিয়া কেন্দ্রের ভোটার তিনি। ভোট দিয়ে বেরিয়ে সকলের উদ্দেশে মহাগুরুর বার্তা, ভালভাবে ভোট দিন, ওটা আপনার অধিকার।সকাল ৭.১১: ভোট শুরু হতেই বেলেঘাটায় জমায়েত ঘিরে বিশৃঙ্খলা। বুথের সামনে বাজার বসলে তা তুলে দেয় পুলিশ। তা নিয়েই বিক্রেতাদের সঙ্গে পুলিশের বচসা, উত্তেজনা। চলে লাঠিচার্জ, অশান্তি এড়াতে কয়েকজনকে আটক করা হয় বলে অভিযোগ।সকাল ৭.০৮: বীরভূমের সিউড়ির সদাইপুর গ্রামে ২৮১ নং বুথে অশান্তি। অভিযোগ, বুথে পৌঁছনোর আগেই সাধারণ ভোটারদের ভয় দেখানো, ভোটে বাধাদানের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুথের বাইরে বোমাবাজি চলে বলেও অভিযোগ। আতঙ্কিত ভোটাররা। সকাল ৭.০২: বীরভূমের মুরারইয়ে সাফুয়ায় বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।সকাল ৬.৫৩: ভোট শুরুর আগে এন্টালি কেন্দ্রে উত্তেজনা। বিজেপি পোলিং এজেন্টকে বাধা, কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ। কাঠগড়ায় শাসকদল। এ নিয়ে কমিশনে অভিযোগ দায়ের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের। পরে বাহিনী ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। মধ্য কলকাতার এই কেন্দ্রে রয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। সকাল ৬.৫০: মালদহের ইংরেজবাজারে বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।সকাল ৬.৪৭: ভোটের সকাল থেকেই উত্তপ্ত অনুব্রতর গড়। বীরভূমের নানুরে ১৩১ নম্বর বুথে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ।সকাল ৬.৩৮: মালদহের সুজাপুরে ভোট শুরুর আগেই উত্তেজনা। তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের বিরুদ্ধে।সকাল ৬.৩০: বীরভূমের একাধিক বুথে বিজেপির এজেন্টকে বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। বেলডি গ্রামের ঘটনায় অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।সকাল ৬.২০: ভোটের আগের রাতে ব্যাপক বোমাবাজি নানুরে।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
কলকাতা

ভোটের সকালে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে বোমাবাজি

নির্বাচন অশান্তির আশঙ্কায় শহর কলকাতার নিরাপত্তায় বাড়তি নজর দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। মোতায়েন করা হয়েছিল অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনীও। কিন্তু তা সত্ত্বেও অশান্তি এড়ানো গেল না। সাতসকালে ভোট শুরু হতে না হতেই বোমাবাজির ঘটনা ঘটল সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের মহাজাতি সদনের সামনে। আর তার জেরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল জোড়াসাঁকো কেন্দ্রের অন্তর্গত এই এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। আতঙ্কিত ভোটারদের সাহস জোগান তাঁরা। ওয়াকিবহাল মহলের মত, কলকাতায় ভোটের দিন এমন ঘটনা নজিরবিহীন।জানা গিয়েছে, সকাল ৭.৫০ নাগাদ আচমকাই প্রবল শব্দে কেঁপে ওঠে মহাজাতি সদনের সামনের ফুটপাথ। সেখানে কয়েকজন তখনও ঘুমিয়ে ছিলেন। প্রচণ্ড শব্দে ঘুম ভেঙে যায় তাঁদের। তাঁরা জানিয়েছেন, ২ টি বোমা ফেটেছে। চারিদিকে পড়ে রয়েছে তার খণ্ডাংশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ বাহিনী। পৌঁছে যান জোড়াসাঁকো কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বিবেক গুপ্তা। তিনি চারদিক খতিয়ে দেখেন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, চলন্ত গাড়ি থেকে বোমা ছোঁড়া হয়েছে। স্প্লিন্টার জাতীয় কিছু ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ক্ষয়ক্ষতি তেমন হয়নি। তা সত্ত্বেও ভোটের সকালেই সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের মতো এলাকায় এ ধরনের ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে।জোড়াসাঁকোর বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিতের অভিযোগ, এই সময় তাঁর ওই এলাকায় যাওয়ার কথা ছিল। তাঁকে বাধা দিতেই এই বোমাবাজি করা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি কাঠগড়ায় তুলেছেন তৃণমূলকেই। পাশাপাশি জানিয়েছেন, এসব বাধা উপেক্ষা করেই তিনি ঘটনাস্থলে যাবেন। এ নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে। আতঙ্কিত সাধারণ ভোটাররা। তবে তাঁদের সাহস জোগাতে এলাকায় মোতায়েন বাড়তি নিরাপত্তা বাহিনী। এই ঘটনার খবর পেয়েই রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটাল, তার সন্ধানে নেমেছে পুলিশ।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
রাজ্য

আজ শেষ দফার নির্বাচন, বিশেষ নজর উত্তর কলকাতায়

শেষ দফার ভোট শান্তিপূর্ণভাবে করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। শেষ দফায় ভোট রয়েছে উত্তর কলকাতায়। কলকাতা উত্তরে যে কোনও ধরণের অশান্তি রুখতে কড়া প্রশাসন। ভোটের অশান্তি রুখতে সেখানে মোতায়েন থাকছে ১০৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী । রাখা হয়েছে ৪০ নাকা চেকিং পয়েন্ট। বহিরাগতরা এসে যাতে কোনও অশান্তি পাকাতে না পারে তার জন্যে থাকছে কলকাতা পুলিশের বিশেষ নজর।উত্তর কলকাতার ২৯ টি থানা এলাকায় ভোটকেন্দ্র থাকছে ৫৪৭টি। বুথ থাকছে ২০৮৩টি। উত্তর কলকাতার ৭ বিধানসভাকে ভাগ করা হয়েছে ৯৮ সেক্টরে। আর গোটা এলাকা জুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকার পাশাপাশি থাকছে ৬ হাজার কলকাতা পুলিশ। যে সব জায়গা সংবেদনশীল, উত্তেজনাপ্রবণ সেই সব জায়গায় বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে। মোট ২১ জন ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিক থাকবেন দায়িত্বে।রাস্তায় থাকবেন যুগ্ম পুলিশ কমিশনাররাও। উত্তর কলকাতার জন্যে থাকছে ৮৭ আর টি ভ্যান। ২৯ হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড, ৯০ কুইক রেসপন্স টিম, থাকছে প্রায় ১০০০ বাইক। বিশেষ বাহিনীর প্রায় ১০০ টহলদারি গাড়িও থাকছে। এছাড়া গঙ্গার প্রতিটি ঘাটে নজর রাখবে জল পুলিশ। হাওড়া ব্রিজেও থাকছে নাকা চেকিং পয়েন্ট।যে ভোটকেন্দ্রে থাকবে ১টি বুথ, সেখানে হাফ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। যেখানে দুটি ও চারটি বুথে থাকবে সেখানে দুই সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী, যেখানে নটি বুথে থাকবে, সেখানে থাকবে ৩ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী। উত্তর কলকাতার যে সব জায়গা নজরে রাখা হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম কাশীপুর-বেলগাছিয়া। কারণ, এখানে লাগাতার রাজনৈতিক সংঘর্ষ হয়েই চলেছে বেশ কয়েকদিন ধরে। নজর রয়েছে বেলেঘাটার দিকেও। নজরে রয়েছে ট্যাংরা, তপসিয়া, মাঠপুকুর, এন্টালি-সহ বেশ কিছু জায়গা। এছাড়া শিয়ালদা ও বউবাজারের বেশ কিছু হোটেলে চলছে নজরদারি। বড়বাজার, এসপ্ল্যানেড এলাকার গেস্ট হাউজ, হোটেলেও নজরদারি চালাচ্ছে কলকাতা পুলিশ।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • ...
  • 32
  • 33
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

“সব তথ্য আমার কাছে আছে!” নানুরে মমতার বিস্ফোরক দাবি, তীব্র আক্রমণ বিজেপিকে

বীরভূমের নানুরে নির্বাচনী জনসভা থেকে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকা সংশোধন ও ভুয়ো ভোটার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে একযোগে নিশানা করেন তিনি।সভা থেকে মমতা অভিযোগ করেন, ফর্মের মাধ্যমে বাইরের লোকদের ভোটার তালিকায় ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে তাঁর কাছে সব তথ্য রয়েছে এবং কে কতজনকে ঢুকিয়েছে, তা তিনি জানেন। তিনি আরও বলেন, সময় এলেই সব তথ্য প্রকাশ্যে আসবে।ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, নাম তোলার জন্য বহু মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে এবং এতে প্রবীণদেরও কষ্ট হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই প্রক্রিয়ার কারণে বহু মানুষ সমস্যার মুখে পড়েছেন।এদিন ভাষা ও পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ বাংলা ভাষায় কথা বললেই তাকে অনুপ্রবেশকারী বলা হচ্ছে কেন। সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কার, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।সভা থেকে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে বিজেপির অবস্থা খুব খারাপ হবে। যতই বাইরে থেকে নজরদারি বাড়ানো হোক, তার কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।নানুরের সভার পর এদিনই মুর্শিদাবাদের আরও দুটি জায়গায় জনসভা করার কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। ভোটের আগে এই সভাগুলি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
বিদেশ

কোথায় মোজতবা? একমাস পরও দেখা নেই, জল্পনার মাঝেই রুশ দূতের বড় দাবি

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। মোজতবা খামেনেই দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় এক মাস কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত তিনি জনসমক্ষে আসেননি। এর ফলে তাঁর জীবিত থাকা নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক রুশ কূটনীতিক দাবি করেছেন, মোজতবা খামেনেই সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং ইরানেই রয়েছেন। তিনি জানান, নিরাপত্তার কারণে এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে তিনি জনসমক্ষে আসছেন না। যদিও ঠিক কী কারণে তিনি আড়ালে রয়েছেন, তা স্পষ্ট করে বলা হয়নি।মনে করা হচ্ছে, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি প্রকাশ্যে আসতে পারেন। তবে তিনি সামনে না এলেও তাঁর বার্তা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং তা দেশের সরকারি সম্প্রচার মাধ্যমেও তুলে ধরা হয়েছে।সম্প্রতি মার্কিন ও ইজরায়েলি হামলায় প্রয়াত হন ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। এরপর তাঁর পুত্র মোজতবাকে নতুন নেতা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে সেই ঘটনার পর থেকেই গুজব ছড়াতে শুরু করে যে তিনিও হয়তো হামলায় আহত বা নিহত হয়েছেন।কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, তিনি গুরুতর আহত এবং বিদেশে চিকিৎসাধীন। এমনকী রাশিয়ায় তাঁর চিকিৎসা চলছে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে সেই সব জল্পনাকে উড়িয়ে দিয়ে এবার রুশ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তিনি ইরানেই আছেন এবং সুস্থ রয়েছেন।এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলা যুদ্ধ পরিস্থিতিও এখন নতুন মোড় নিচ্ছে। প্রায় এক মাস ধরে চলা সংঘর্ষের পর যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত মিলছে বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই সামরিক অভিযান বন্ধ হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে মোজতবা খামেনেইকে ঘিরে রহস্য কবে কাটবে, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

হু হু করে বাড়ছে বিমানের জ্বালানির দাম! এবার আকাশপথে ভ্রমণ হবে আরও ব্যয়বহুল

আকাশপথে ভ্রমণ এবার আরও ব্যয়বহুল হতে চলেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছে বিমানের জ্বালানির দাম। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে বিমান সংস্থাগুলির উপর এবং তার ফলে যাত্রীদেরও বেশি টাকা খরচ করতে হবে।দেশের বিভিন্ন শহরে জ্বালানির দামে বড়সড় বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। রাজধানী দিল্লিতে এই দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। সেখানে প্রতি কিলোলিটারের দাম এক লাফে দুই লক্ষ টাকারও বেশি হয়ে গেছে। গত মাসে যেখানে এই দাম ছিল এক লক্ষ টাকারও কম, সেখানে এক মাসের মধ্যেই এই বিশাল বৃদ্ধি নজরে পড়েছে।শুধু দিল্লি নয়, কলকাতাতেও জ্বালানির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। মার্চ মাসে যেখানে দাম ছিল প্রায় নিরানব্বই হাজার টাকা, এখন তা বেড়ে দুই লক্ষ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। চেন্নাইতেও দাম দুই লক্ষ টাকার বেশি হয়েছে। মুম্বইতে তুলনামূলকভাবে দাম কিছুটা কম হলেও সেখানেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে।এই হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিমান সংস্থাগুলির খরচ অনেকটাই বেড়ে যাবে। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই বিমানের টিকিটের দামও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁরা নিয়মিত বিমান যাত্রা করেন, তাঁদের জন্য এটি বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগেও জ্বালানির দাম কিছুটা বেড়েছিল, তবে এই প্রথম এত বড়সড় বৃদ্ধি দেখা গেল। প্রথমবারের মতো বিমানের জ্বালানির দাম দুই লক্ষ টাকার সীমা ছাড়িয়ে গেল।এই পরিস্থিতিতে আগামী দিনে বিমান ভাড়া কতটা বাড়বে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
রাজ্য

সাত এপ্রিলেই সব পরিষ্কার! ভোটার তালিকা নিয়ে বড় আশ্বাস, সন্তুষ্ট শীর্ষ আদালত

ভোটের আগে বড় স্বস্তির খবর এল আদালত থেকে। বিবেচনাধীন থাকা সমস্ত ভোটারের নাম খুব দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে বলে জানিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই আশ্বাসে সন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্টও।বুধবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির একটি চিঠি তুলে ধরা হয়। সেই চিঠিতে জানানো হয়েছে, আগামী সাত এপ্রিলের মধ্যেই সব বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। এই বক্তব্য শুনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।এদিন আদালতে জানানো হয়, মোট প্রায় ষাট লক্ষ নামের মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় সাতচল্লিশ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন প্রায় দুই লক্ষ করে নাম যাচাই ও নিষ্পত্তি করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।এর আগে এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, ভোটের আগে এত বিপুল সংখ্যক নামের নিষ্পত্তি আদৌ সম্ভব কি না। বিশেষ করে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ঘনিয়ে আসায় উদ্বেগ বাড়ছিল। তবে এদিন আদালতে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।সুপ্রিম কোর্ট জানায়, হাই কোর্টের এই অগ্রগতিতে তারা সন্তুষ্ট এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কাজ শেষ হবে বলে তারা আশা করছে।এছাড়াও আদালত জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই ট্রাইবুনালের কাজও শুরু হবে। বৃহস্পতিবার থেকেই ট্রাইবুনাল কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। এর আগে বুধবার প্রাক্তন বিচারপতিদের প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হবে।এই সিদ্ধান্তের ফলে ভোটার তালিকা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
কলকাতা

মহুয়ার মন্তব্যে অস্বস্তিতে দল! গুজরাটিদের ক্ষোভ, সামনে এল মমতার ক্ষমা প্রার্থনা

ভোটের আগে নতুন করে বিতর্কে জড়াল শাসক দল। দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের একটি মন্তব্য ঘিরে অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস। গুজরাটি সম্প্রদায়কে নিয়ে তাঁর মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই ভবানীপুরে বসবাসকারী গুজরাটি মানুষদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়ায়।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলেরই এক কাউন্সিলর প্রকাশ্যে ওই মন্তব্যের নিন্দা করেন। তিনি জানান, এই ধরনের মন্তব্য দলের অবস্থান নয় এবং সাংসদ নিজের মতেই তা বলেছেন। একইসঙ্গে গুজরাটি সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করা হয় তাঁর তরফে।এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বার্তাও সামনে আনা হয়। সেই বার্তায় তিনি গুজরাটি ভাই-বোনেদের কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি জানান, এই মন্তব্য দল সমর্থন করে না এবং বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সাংসদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। এই ধরনের মন্তব্যের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।কয়েকদিন আগে এক সাংবাদিক বৈঠকে স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে মহুয়া মৈত্র মন্তব্য করেছিলেন, যেখানে তিনি বাঙালিদের অবদানের কথা তুলে ধরতে গিয়ে গুজরাটিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর সেই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক।ঘটনার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়তে থাকে। ভবানীপুরের একটি বড় অংশ গুজরাটি সম্প্রদায়ের মানুষ নিয়ে গঠিত হওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। জানা যায়, অতীতের নির্বাচনে এই এলাকায় তৃণমূল খুব একটা ভালো ফল করতে পারেনি।রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে যখন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা চলছে, তখন এই ধরনের মন্তব্য উল্টো প্রভাব ফেলতে পারে। বিরোধী দল এই ইস্যুকে হাতিয়ার করতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে দ্রুত ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। দলের তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, এই মন্তব্য দল সমর্থন করে না এবং গুজরাটি সম্প্রদায়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
কলকাতা

ফর্ম নিয়ে তুমুল সংঘর্ষের পরও থামছে না উত্তেজনা! সিইও দপ্তরের সামনে আবার অবস্থান

ফর্ম নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। মঙ্গলবারের সংঘর্ষের পর বুধবার সকালেও নির্বাচন দফতরের সামনে চাপা উত্তেজনা বজায় রয়েছে। সকাল থেকেই সেখানে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধর্না ও অবস্থান শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় বিপুল সংখ্যায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।অভিযোগ, এক ব্যক্তি ব্যাগভর্তি ফর্ম নিয়ে নির্বাচন দফতরে ঢুকেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রচুর ফর্ম জমা দেওয়ার অভিযোগে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার নির্বাচন দফতরের সামনে দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মধ্যে বচসা চরমে ওঠে। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এরপর রাতেও দফতরের সামনে তৃণমূল কর্মীদের জমায়েত ও বিক্ষোভ চলতে থাকে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ আধিকারিকরা এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে বিক্ষোভকারীরা কিছুটা সরে যান।এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশনের তরফে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, এ ধরনের অসামাজিক কাজ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়। বুধবার সকাল থেকেই আবার দফতরের সামনে জমায়েত শুরু হয়েছে। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।এদিকে রাতের ঘটনাকে ঘিরে নির্বাচন দফতরের শীর্ষ আধিকারিক ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে বৈঠক হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।ফর্ম জমা দেওয়া নিয়ে এই বিতর্কে ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা ঘিরে বিস্ফোরক দাবি! একজনের হাতে হাজার হাজার আবেদন, প্রশ্নের মুখে প্রক্রিয়া

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানির মাঝেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হল। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এদিন উঠে আসে বিপুল সংখ্যক ফর্ম জমা পড়ার বিষয়টি। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, নির্বাচন কমিশনের দফতরে হঠাৎ করেই গুচ্ছ গুচ্ছ ফর্ম একসঙ্গে জমা পড়ছে।তিনি আদালতে বলেন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার পরও বিবেচনাধীন নামগুলির নিষ্পত্তির কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে এত বড় সংখ্যায় আবেদন জমা পড়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। যদিও তিনি কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে দোষারোপ করেননি, তবে কেন এই সময়ে এত আবেদন জমা পড়ছে, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।প্রধান বিচারপতি এই মন্তব্যের পর সতর্ক করে বলেন, অনুমানের ভিত্তিতে কোনও মন্তব্য করা উচিত নয়। এরপর নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী জানান, নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়নের শেষ দিন পর্যন্ত আবেদন জমা দেওয়া যায়। এমনকি যাঁর সেদিনই আঠারো বছর পূর্ণ হচ্ছে, তিনিও আবেদন করার অধিকার রাখেন। তাই এই প্রক্রিয়ায় কাউকে বাধা দেওয়া সম্ভব নয়।শুনানির সময় আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, এখানে সমস্যা হচ্ছে একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়া। সেই প্রসঙ্গেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, একজন ব্যক্তিই নাকি কয়েক হাজার ফর্ম জমা দিয়েছেন। এই ঘটনায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।প্রধান বিচারপতি বলেন, এই ধরনের ঘটনা নতুন নয় এবং অতীতেও এমন নজির রয়েছে। তবে আবেদনকারীদের পরিচয় জানা না যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন আইনজীবীরা। তাঁদের দাবি, বুথভিত্তিকভাবে আবেদনকারীদের তালিকা প্রকাশ করা হলে অভিযোগ জানানো সহজ হবে।আদালত জানিয়ে দেয়, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে যারা আবেদন করেছেন, তাঁদের নাম বিবেচনা করা হবে। তবে নির্দিষ্ট সময়ের পরে আবেদন করলে নাম তালিকায় উঠলেও সেই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার নাও থাকতে পারে।এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী জানান, তাঁদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী বিপুল সংখ্যক নাম তালিকায় যুক্ত হচ্ছে এবং অনেক নাম বাদও যাচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।এরই মধ্যে মঙ্গলবার রাজ্যের নির্বাচন দফতরের বাইরে উত্তেজনা ছড়ায়। দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীরা ফর্ম জমা দেওয়া নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে এবং পরিস্থিতি সংঘর্ষে গড়ায়। মারধর, ধস্তাধস্তির অভিযোগ ওঠে দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই। এক পক্ষের অভিযোগ, ফর্মের মাধ্যমে বাইরে থেকে লোক এনে ভোটার তালিকায় ঢোকানো হচ্ছে, অন্য পক্ষ সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।এই ঘটনায় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে এবং ভোটের আগে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে শুরু জনগণনা, কিন্তু বাদ পশ্চিমবঙ্গ! কেন এই ব্যতিক্রম? বাড়ছে জল্পনা

দেশজুড়ে আজ থেকে শুরু হল বহু প্রতীক্ষিত জনগণনা প্রক্রিয়া। এই জনগণনা হবে দুই ধাপে। এর সঙ্গে সঙ্গে শুরু হচ্ছে বাড়ি ও বাসস্থানের তথ্য সংগ্রহের কাজও। তবে এই প্রক্রিয়া আপাতত শুরু হচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গে, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, জনগণনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি রাজ্য। এই বিষয়টি ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গকে জানানো হয়েছে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, জনগণনা সম্পূর্ণভাবে একটি কেন্দ্রীয় বিষয় এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই তা করা হবে।এইবারের জনগণনা সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। নাগরিকদের নিজেদের তথ্য নিজেরাই নথিভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের বিস্তারিত তথ্য, বাড়ি ও সম্পত্তির বিবরণ দিতে হবে। এরপর সরকারি আধিকারিকরা বাড়িতে গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন। একবার তথ্য জমা হয়ে গেলে তা আর পরিবর্তন করা যাবে না।আজ থেকে শুরু হওয়া প্রথম ধাপ চলবে সেপ্টেম্বর মাসের শেষ পর্যন্ত। প্রথমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নাগরিকরা নিজেরাই তথ্য জমা দিতে পারবেন। তারপর সরকারি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন।এই প্রথমবার দেশের জনগণনা সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। নাগরিকরা নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে নিজেদের তথ্য জমা দিতে পারবেন এবং যাচাইয়ের জন্য একটি বিশেষ নম্বর পাবেন। পরে সরকারি কর্মীরা সেই নম্বরের ভিত্তিতে তথ্য মিলিয়ে দেখবেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১১ সালের পর এই প্রথম জনগণনা হচ্ছে। সাধারণত প্রতি দশ বছর অন্তর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি। এবারের জনগণনার জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে দেশের অধিকাংশ জায়গায় জনগণনা শুরু হলেও পশ্চিমবঙ্গের বাইরে থাকা এই সিদ্ধান্ত নতুন করে প্রশ্ন তুলছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে এই ইস্যুতে টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal