• ২৭ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election Commission,

দেশ

লক্ষদ্বীপ প্রথম, উত্তর প্রদেশ একেবারে শেষে! ভোটার তালিকায় বড় ফাঁকফোকরের ইঙ্গিত

দেশের ৯টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চলছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জনের কাজ। প্রথম দফায় পরীক্ষামূলক ভাবে এই কাজ শুধু বিহারেই শুরু হয়েছিল। দ্বিতীয় দফায় তা একসঙ্গে একাধিক রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে শুরু হয়েছে। এই কাজ ঘিরেই শুরু হয়েছে নানা বিতর্ক। কোথাও আতঙ্ক, কোথাও অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনাও সামনে এসেছে। কোনও কোনও রাজ্যে আত্মঘাতী হয়েছেন বিএলও-ও। এই পরিস্থিতির মধ্যেই নিজের গতিতে চলছে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ। সোমবার সেই কাজের বর্তমান অবস্থা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, শুক্রবার পর্যন্ত লক্ষদ্বীপে ১০০ শতাংশ ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে এখন শুধুই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের অপেক্ষা। লক্ষদ্বীপে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫৭ হাজারের একটু বেশি। সেখানে কাজ করেছেন ৫৫ জন বিএলও।লক্ষদ্বীপের পরেই রয়েছে গোয়া। সেখানে এখনও পর্যন্ত ৯২ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজড হয়েছে। গোয়ায় মোট ভোটার সংখ্যা ১১ লক্ষ ৮৫ হাজার। কাজ করেছেন ১ হাজার ৭২৫ জন বিএলও। তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে রাজস্থান। সেখানে ৮৯ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজড হয়েছে। রাজস্থানে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ কোটি ৪৬ লক্ষেরও বেশি। কাজ করেছেন ৫২ হাজার ২২২ জন বিএলও।এর পরেই চতুর্থ স্থানে রয়েছে বাংলা। বাংলায় এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮৮ শতাংশ ভোটার তালিকার ফর্ম ডিজিটাইজড হয়েছে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে মধ্যপ্রদেশ। সেখানে ৮৬ শতাংশ কাজ হয়েছে। রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ কোটি ৭৪ লক্ষ। কাজ করেছেন ৬৫ হাজার ১৪ জন বিএলও।ষষ্ঠ স্থানে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি। সেখানে ৮৩ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজ হয়েছে। মোট ভোটার ১০ লক্ষ ২১ হাজার। কাজ করছেন ৯৬২ জন বিএলও। সপ্তম স্থানে রয়েছে গুজরাট। সেখানে এখনও পর্যন্ত ৮১ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজ হয়েছে। সেখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ কোটি ৮ লক্ষেরও বেশি। কাজ করছেন প্রায় ৫০ হাজার বিএলও।অষ্টম স্থানে রয়েছে ছত্তিশগড়। সেখানে ৭৭ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর পরেই রয়েছে আন্দামান ও নিকোবর। সেখানে ৭৬ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজ হয়েছে। দশম স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু। সেখানে ৭৫ শতাংশ কাজ হয়েছে।এই তালিকার একেবারে নীচে রয়েছে কেরল ও উত্তর প্রদেশ। কেরলে এখনও পর্যন্ত মাত্র ৬৪ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজ হয়েছে। আর উত্তর প্রদেশে সবচেয়ে কম, প্রায় ৫৫ শতাংশ কাজই শেষ হয়েছে। কমিশনের এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
দেশ

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়ায় কমিশনের কঠোর বার্তা, চাপ বাড়ছে শাসক দলের অভ্যন্তরে

এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি সরগরম। একদিকে, একাধিক ব্লক লেভেল অফিসারের মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ, অন্যদিকে ডিজিটাইজেশনের ক্ষেত্রে রাজ্য অনেকটা এগিয়ে রয়েছে। তৃণমূলের শাসক দল শুরু থেকেই এই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে পথে নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের দফতরে হাজির হয় তৃণমূলের ১০ প্রতিনিধি। সূত্রের খবর, কমিশন প্রতিনিধি দলকে আইন ও প্রক্রিয়ার সব দিক পরিষ্কার করে বোঝায়।কমিশন জানিয়েছে, রাজনৈতিক বক্তব্য থাকতে পারে, তবে এসআইআর নিয়ে ভুল প্রচার বা বিএলওদের হুমকির কোনো সুযোগ নেই। কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র ভারতীয় ভোটাররা ভোট দেবে, অনুপ্রবেশকারীরা নয়। নির্বাচনের সব কাজ নির্বাচনী আইন মেনে হবে।কমিশনের বার্তার পর তৃণমূল অভিযোগ করেছে, আদতে বিএলওদের হুমকি দিচ্ছে বিজেপি। তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, এটা কি শুধু পশ্চিমবঙ্গের জন্য বলছে? গুজরাটেও বিএলও আত্মহত্যা করেছে। শুভেন্দু অধিকারী তো বিএলওদের জেলে ঢোকানোর হুমকি দিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে কমিশন কেন কোনো পদক্ষেপ নিল না?অন্যদিকে, বিজেপি জানাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে ৮৫ শতাংশ ফর্ম ইতিমধ্যেই ডিজিটাইজড করা হয়েছে। বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ফুল বেঞ্চ স্পষ্ট ভাষায় তৃণমূলকে বলেছে নির্বাচনের পবিত্রতা রক্ষা করতে। এবার তৃণমূলকেও লাইনে আসতে হবে।এসআইআর প্রক্রিয়ার তত্ত্বাবধানের জন্য রাজ্যে আসছেন নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। তিনি জেলায় জেলায় গিয়ে প্রক্রিয়ার কাজ খতিয়ে দেখবেন। সঙ্গে থাকবেন মোট ১২ জন অভিজ্ঞ আইএএস অফিসার। প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখে তারা রিপোর্ট পাঠাবেন বিশেষ পর্যবেক্ষককে।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
কলকাতা

এসআইআর নিয়ে কমিশনের দরজায় তৃণমূল! শুক্রবার বৈঠকে কী বিস্ফোরক তথ্য দেবে দল?

এসআইআর নিয়ে ক্রমশ বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। অবশেষে নির্বাচন কমিশনের দরবারেই যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবার রাতেই রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন ই-মেল করে কমিশনের কাছে বৈঠকের আবেদন জানান। সেই আবেদনের জবাব এসেছে দ্রুত। কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, শুক্রবার সকাল ১১টা বৈঠকের সময় নির্ধারিত।কমিশনের বক্তব্য, এসআইআর চলাকালীন প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কাজেই তৃণমূলের বক্তব্যও শোনা হবে। শুধু তৃণমূল নয়, আরও চারটি রাজনৈতিক দলকে একই দিনে বৈঠকে ডাকা হয়েছে। কারা সেই দলতা স্পষ্ট না করলেও রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে।তৃণমূলের চার প্রতিনিধি এই বৈঠকে যোগ দেবেন। গেরুয়া শিবির, বাম, কংগ্রেসসব পক্ষই কাছে নজর রাখছে, কারণ এসআইআর-কে ঘিরে অভিযোগ-প্রতিঅভিযোগ চলছেই।তার আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি CEC জ্ঞানেশ কুমারকে একটি বিস্তারিত চিঠি পাঠিয়েছিলেন। সেখানে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন ১ হাজার ডেটা এন্ট্রি অপারেটর ও ৫০ জন সফটওয়্যার ডেভেলপার নিয়োগের প্রস্তাব নিয়ে। তাঁর অভিযোগ, জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের স্পষ্টভাবেই বলা হয়েছিল চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের দিয়ে এসআইআর-এর কাজ করানো যাবে না। বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের কর্মীদের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশিকা বহাল ছিল। তাহলে রাজ্যের সিইও অফিস কীভাবে এমন নিয়োগের প্রস্তাব দিলএই প্রশ্ন এখন বিস্ফোরক হয়ে উঠেছে।এখানেই শেষ নয়। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ভোটকেন্দ্র কোনও সরকারি বা আধা-সরকারি স্থাপনাতেই হওয়া উচিত। বেসরকারি জায়গা সাধারণত নির্বাচন প্রক্রিয়ার জন্য উপযুক্ত নয়। তাঁর এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। কেউ কেউ বলছেন, নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা রক্ষায় এই প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; আবার শাসক-বিরোধী লড়াইতেও এই ইস্যু বাড়িয়ে দিতে পারে উত্তেজনা।এসআইআর বা Social Impact Review এখনই ভোটের আগে সবচেয়ে আলোচিত কিওয়ার্ড হয়ে উঠেছে। শুক্রবারের বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হয়, সেই দিকেই তাকিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
কলকাতা

বিবাদী বাগে আগুন! নির্বাচন কমিশনের গেটে তালা দিতে ছুটলেন বিএলও, ধস্তাধস্তিতে উত্তাপ

কলকাতার বুকে আজ যেন দুদিক থেকে আগুন। একদিকে নবাগত চাকরিপ্রার্থীদের ক্ষোভে ফুঁসছে রাজপথ, অন্যদিকে মুখ্য নির্বাচন অফিসারের দফতর ঘিরে তীব্র আন্দোলনে নেমেছেন বিএলওদের একাংশ। সকালে থেকেই বিবাদী বাগ এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে। ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, গেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টাসব মিলিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশকে।নির্বাচন কমিশনের অফিসের সামনে ব্যারিকেডের দুই পাশে দুই শিবির। এক পাশে কড়া নিরাপত্তায় দাঁড়িয়ে পুলিশকর্মীরা, আর অন্য পাশে ক্ষুব্ধ বিএলওরা। হঠাৎই এক বিএলও কমিশনের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁকে আটকে দেয়। তাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে ভিড়। অনেকে সামনেই বসে পড়েন ধরনায়। ধাক্কাধাক্কিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। এমনকি বিক্ষোভ চলাকালীন এক বিএলও অসুস্থ হয়ে পড়েন।বিএলওদের অভিযোগ, কয়েক দিন ধরেই তাঁদের ওপর অস্বাভাবিক চাপ তৈরি করা হয়েছে। প্রতিদিনই ফোনে নতুন নির্দেশ আসছে, সঙ্গে আছে ডিজিটাইজেশনের চাপ। তাঁদের দাবি ছিলফর্ম ডিজিটাইজ করার জন্য কিছুটা সময় বাড়ানো হোক। কিন্তু রাজ্যে এসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার স্পষ্ট করে দেন, একটুও সময় বাড়ানো হবে না। বরং ৪ ডিসেম্বর নয়, ২৫ নভেম্বরের মধ্যেই সব কাজ শেষ করতে হবে। আর সেই নির্দেশের প্রতিবাদে আজ রাস্তায় নেমে পড়েছেন বিএলওদের একাংশ।এক বিক্ষুব্ধ বিএলও বলেন, আমাদের ওপর অমানবিক চাপ দেওয়া হচ্ছে। কাজ করব না এমন নয়কিন্তু এত কম সময়ে এই বিশাল দায়িত্ব পালন করা অসম্ভব। সঠিক পরিকল্পনাই নেই। আরও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরাবাংলায় কেন এত সমস্যা? কেন বাকি রাজ্যগুলির মতো যথাযথ প্রশিক্ষণ বা পরিকাঠামো দেওয়া হয়নি?নবাগত চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন সামলাতে ব্যস্ত পুলিশকে আজ একই সঙ্গে সামলাতে হচ্ছে কমিশন ভবনের সামনে ক্ষুব্ধ বিএলওদেরও। দিনের শেষে পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা নিয়েই চরম উত্তেজনা শহরজুড়ে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
রাজ্য

‘গোপন চাপ’ ফাঁস করলেন বিএলওরা! ভোটার তালিকায় নাম তুলতে রাজনৈতিক দবাব? চাঞ্চল্য কমিশনে

পরতে-পরতে বাড়ছে বিস্ময়। পশ্চিমবঙ্গে একের পর এক বিএলও-র মৃত্যু, আর তার মাঝেই সামনে এলো অন্য এক অভিযোগযে চাপের কথা এতদিন কেউ খোলাখুলি বলছিলেন না, সেই গোপন চাপ-এর অভিযোগ তুললেন বিএলও ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী নয়, সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দোরগোড়ায় গিয়ে স্মারকলিপি জমা দিয়ে উঠে এল এই বিস্ফোরক অভিযোগ।স্বপন মণ্ডল জানান, কমিশনের প্রশাসনিক চাপ, ডেডলাইন, ডেটা এন্ট্রিএসবের বাইরে আরও এক অদৃশ্য চাপ চেপে বসেছে জেলার পর জেলা। মালদহ থেকে তাঁকে ফোন করে জানানো হয়, কিছু ব্যক্তি বাবা বা ঠাকুমার পরিচয় দেখিয়ে একসঙ্গে চারপাঁচজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করানোর জন্য বিএলওদের উপর চাপ সৃষ্টি করছেন। অথচ তাদের সঙ্গে ২০০২ সালের তালিকাভুক্ত ব্যক্তির কোনও প্রকৃত সম্পর্কই নেই। কারা সেই মানুষ? কেনই বা এমনভাবে তালিকা ভরানোর চেষ্টা? স্বপনবাবু সরাসরি কোনও দলের নাম উল্লেখ না করলেও তাঁর ইঙ্গিত, রাজনৈতিক চাপ যে রয়েছে, তা স্পষ্ট। আরও বড় অভিযোগএই কাজে নাকি কিছু ERO-ও পরোক্ষে জড়িত।কমিশন আগেই জানিয়ে দিয়েছে, ফর্মে কোনও ভুল হলে দায় যাবে সরাসরি বিএলওদের ঘাড়েই। ফলে একদিকে কমিশনের কড়াকড়ি, অন্যদিকে অদৃশ্য চাপমাঝখানে দমবন্ধ হয়ে যাচ্ছে সাধারণ স্কুলশিক্ষক থেকে শুরু করে গ্রাম-শহরের মাঠে নেমে থাকা হাজার হাজার বুথ লেভেল অফিসার। তাই বিএলওদের দাবি, ফর্ম আপলোডের আগে অ্যাপেই একটি রিমার্কস কলাম রাখতে হবে, যেখানে তারা সন্দেহ বা আপত্তি লিখে রাখতে পারবেন। সিইও দফতর নাকি এই প্রস্তাবে ইতিমধ্যে সম্মতি দিয়েছে।রাজ্যে ইতিমধ্যেই এসআইআর আতঙ্কে তিন বিএলও-র অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে তীব্র ক্ষোভ। এর মধ্যেই আবার উঠল রাজনৈতিক চাপ-এর অভিযোগ। রাজ্য সরকার মৃতদের পরিবারকে দুলক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করলেও স্বপন মণ্ডল তা সরাসরি ভিক্ষা বলে কটাক্ষ করেন। তাঁর দাবিএ রকম চাপের মধ্যে কাজ করলে আরও মৃত্যু অনিবার্য। উপরন্তু ERO-রা অহেতুক ২৫ তারিখের ডেডলাইন চাপিয়ে দিয়ে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে বলেও সরব তিনি।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছেএসআইআর কি ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা তৈরি করছে, নাকি উল্টে প্রশাসনিক-রাজনৈতিক চাপে ক্লান্ত সাধারণ শিক্ষকদের জীবনই বিপন্ন করে তুলছে? বিএলওদের দাবি, এইভাবে চাপের মধ্যে কাজ চললে, তালিকার ভুল যেমন বাড়বে, তেমনই বাড়বে মৃত্যুর সংখ্যা।

নভেম্বর ২৩, ২০২৫
কলকাতা

"এসআইআর কি মৃত্যুকূপ?" কৃষ্ণনগরে বিএলওর আত্মহত্যায় তীব্র আক্রমণে মুখ্যমন্ত্রী

কৃষ্ণনগরে বিএলও রিঙ্কু তরফদারের আত্মহত্যা ঘিরে রাজ্য রাজনীতি ফের সরগরম। মৃত্যুর আগে পাওয়া তাঁর সুইসাইড নোটে কাজের অতিরিক্ত চাপ ও নির্বাচন কমিশনের এসআইআর প্রক্রিয়াকেই দায়ী করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠতেই সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনকে আক্রমণ করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেনআর কতজনের প্রাণ যাবে এই এসআইআর-এর জন্য? আর কত মৃতদেহ দেখতে হবে আমাদের?মুখ্যমন্ত্রী জানান, রিঙ্কু তরফদার পার্শ্বশিক্ষক ছিলেন, পাশাপাশি বিএলও হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। গভীর মানসিক চাপে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলে অভিযোগ পরিবারের। তাঁর সুইসাইড নোটেই নাকি স্পষ্ট লেখা রয়েছে, এসআইআর-এর চাপ তাঁর পক্ষে আর সহ্য করা সম্ভব ছিল না। সেই নোট প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে প্রশ্ন তুলেছেন মমতাএই প্রক্রিয়া চালু রেখে কমিশন কি মানুষের জীবনের মূল্য ভুলে যাচ্ছে?তবে এই ঘটনার দায় উল্টে রাজ্যের ঘাড়ে চাপিয়েছে বিরোধীরা। বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল জানান, কমিশন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগ করতে বলেছিল, যাতে বিএলওদের ওপর অতিরিক্ত ডিজিটাল কাজের চাপ না পড়ে। কিন্তু রাজ্য সরকার তা মানেনি। তাঁর দাবি, রিঙ্কু অনলাইনে কাজ করতে পারতেন না। যদি ডেটা এন্ট্রি অপারেটর রাখা হত, তাহলে হয়তো এই ট্র্যাজেডি ঘটত না। তাঁর কথায়, এই মৃত্যুর দায় সম্পূর্ণ মুখ্যমন্ত্রীর।এদিকে রিঙ্কুর মৃত্যুর পরই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল নদিয়ার জেলাশাসকের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছেন। কী কারণে এই মৃত্যু, কী ধরনের কাজের চাপ ছিলএসব তথ্য দ্রুত জমা দিতে বলা হয়েছে।এর আগেও একই অভিযোগ উঠেছিল জলপাইগুড়ির মালবাজারে। সেখানেও এসআইআর-এর অতিরিক্ত চাপেই বিএলও শান্তি মুনি ওরাঁও আত্মঘাতী হয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন তাঁর পরিবার। সেই ঘটনার পর মমতা এসআইআর প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবি জানিয়ে কমিশনকে চিঠি পাঠান। কিন্তু কয়েক দিনের ব্যবধানে ফের আরেক বিএলও-র মৃত্যুতে আরও ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী।এসআইআর নিয়ে যে বিস্ফোরণধর্মী চাপ সৃষ্টি হয়েছে, তা নিয়ে রাজ্যের সর্বস্তরে প্রশ্নএভাবে কি চলতে পারে? আর একজন কর্মকর্তার মৃত্যু কি প্রশাসন ও কমিশনকে নাড়া দেবে? কৃষ্ণনগরের এই ঘটনা সেই প্রশ্নকে আরও জোরালো করে তুলল।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
রাজ্য

৭ হাজার জীবন্ত ভোটার গায়েব, হাজার হাজার মৃতের নাম তালিকায়—মালদহে চরম গরমিল

মালদহের ভোটার তালিকা ঘেঁটে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের রীতিমতো চক্ষু চড়কগাছ। তালিকা হাতে নিয়ে দেখা গেলএখনও জীবিতদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভোটার হিসেবে রয়েছেন হাজার হাজার মৃত মানুষ। শুধু তাই নয়, জেলার বিভিন্ন বিধানসভায় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না আরও কয়েক হাজার আসল ভোটারকে। যে পরিস্থিতি ঘিরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল।সূত্রের খবর, মালদহ জেলায় ভোটার তালিকায় খোঁজ মিলছে না ৭ হাজার ১৭১ জন ভোটারের। এঁদের বাড়িতে এনুমারেশন ফর্ম পৌঁছয়নি, এবং স্থানীয় প্রশাসন তাঁদের সন্ধানও পায়নি। অন্যদিকে একই তালিকায় রয়ে গিয়েছে ৫ হাজার ৫৭২ জন মৃত ব্যক্তির নাম। ২০২৫ সালের এখনও কার্যকর তালিকায় মৃতদের নাম দেখে অবাক হয়ে যান কমিশনের আধিকারিকরা।বৃহস্পতিবার এসআইআরস্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনএর কাজ পর্যালোচনা করতেই মালদহে আসে কেন্দ্রীয় কমিশনের প্রতিনিধি দল। দলের নেতৃত্বে ছিলেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত জাতীয় নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ ভারতী। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল। জেলা প্রশাসনিক ভবনে দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টার বৈঠকে তাঁরা জেলার আধিকারিকদের সঙ্গে একে একে তালিকার ত্রুটি, মৃত ভোটারদের নাম এবং অনট্রেসযোগ্য ভোটারদের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন।জেলায় কোন কোন বিধানসভায় সবচেয়ে বেশি সমস্যা, সেই হিসেবও উঠে আসে বৈঠকে। দেখা যায়ইংরেজবাজার কেন্দ্রে নিখোঁজ ভোটারের সংখ্যা সর্বাধিক, ১১৭৩ জন। এরপরেই সুজাপুরে ৯৯৬ জন, রতুয়ায় ৯৪৪ জন, মানিকচকে ৮৩০ জন এবং বৈষ্ণবনগরে ৭৮৬ জন ভোটারের হদিশই মিলছে না।শুধু নিখোঁজ নয়, তালিকায় মৃতদের সংখ্যাও কম নয়। মৃত ভোটারের সংখ্যায়ও শীর্ষে ইংরেজবাজারএখানে মৃত হয়েও তালিকায় নাম রয়েছে ১০১৭ জনের। সুজাপুরে ৮২২, রতুয়ায় ৬৮২, মানিকচকে ৬৪১, মালদহ কেন্দ্রেই ৬১৯ এবং বৈষ্ণবনগরে ৫৯৪ জন মৃত মানুষের নাম ভোটার তালিকায় রয়ে গেছে।কমিশনের নির্দেশপদ্ধতি মেনে দ্রুত নোটিস দিয়ে মৃতদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে এবং যাঁদের খোঁজ নেই তাঁদের বিষয়ে যথাযথ তদন্ত চালিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। বৈঠকের শেষে কমিশনের প্রতিনিধিদের বার্তাও স্পষ্টএভাবে ভোটার তালিকার ভুল-ত্রুটি চলতে দেওয়া যাবে না।মালদহের এই বিশাল গরমিল ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক টানাপোড়েন। ভোটের আগে এমন চিত্র সামনে আসায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনিক তৎপরতা নিয়েও।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
কলকাতা

“এসআইআর বন্ধ করুন”—নির্বাচন কমিশনকে কড়া চিঠি মমতার, আতঙ্কে রাজ্য

রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে যখন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে প্রশাসনিক স্তরে উদ্বেগ বাড়ছে, ঠিক তখনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠালেন। চিঠিতে তাঁর দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে এসআইআর প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া বিপজ্জনক ও অমানবিক। অবিলম্বে প্রক্রিয়া বন্ধ বা স্থগিত করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, কয়েক হাজার বিএলও দিনরাত রাস্তায় ঘুরে এনুমারেশন ফর্ম বিলি করছেন। পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ নেই, নেই প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো। এই অবস্থায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এত বড় কাজ শেষ করা সম্ভব নয়। এতে এমন সব ভুল-ত্রুটি তৈরি হবে, যার দায় শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে বইতে হবে। অনেক প্রকৃত ভোটার ভুলবশত বাদ পড়ে যেতে পারেন। মমতার কথায়, এভাবে চাপিয়ে দেওয়া হলে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভোটাধিকারই প্রশ্নের মুখে পড়বে।চিঠিতে তিনি আরও লিখেছেন, মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিদিন আত্মহত্যা, অসুস্থতা, হতাশার খবর আসছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে। ইতিমধ্যেই এক বিএলও-র মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও বহু বিএলও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদের ওপর ভয়ঙ্কর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। মমতার দাবি, এই পরিস্থিতি বোঝার বদলে কলকাতার সিইও দপ্তর উল্টো বিএলওদের ভয় দেখাচ্ছে, শোকজ করছে, কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও অমানবিক করে তুলছে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এত বড় দায়িত্ব কি মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ করা সম্ভব? ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে সমস্ত ডেটা আপলোড করার যে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবে কতটা সম্ভব, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর আশঙ্কা, চরম চাপে ভুলভ্রান্তি অনিবার্য, আর ভুল ফর্ম জমা পড়লে প্রকৃত ভোটারই সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়বেন।চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্টভাবে লিখেছেন, এই প্রক্রিয়া যে উদ্বেগজনক জায়গায় পৌঁছেছে, তা অস্বীকার করা যাবে না। প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও তিনি মানুষের ভয়, দুর্দশা ও অস্থিরতা সরাসরি অনুভব করছেন। সেই কারণেই এসআইআর স্থগিত বা বন্ধ করার দাবি জানান তিনি। একইসঙ্গে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপও চান।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
কলকাতা

BLO-দের জন্য বড় খবর— এবার থেকে পূর্ণসময়ের কাজ, শিক্ষকরা কি আর স্কুলে ফিরবেন না?

নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ BLO মানে ফুল-টাইম কাজই করতে হবে। কোনও দ্বিধা, সন্দেহ, অস্পষ্টতা আর নেই। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবু অনেকেই ভাবছিলেন, দিনের এক ভাগ ভোটার তালিকার কাজ করে পরে আগের দপ্তরে ফিরতে হবে কিনা। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন ফের জানিয়ে দিয়েছে BLO-দের দায়িত্ব সম্পূর্ণ সময়ের জন্যই।জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যেই এই নির্দেশিকা মাঠপর্যায়ে পাঠিয়ে দিয়েছে। ফলে আপাতত শিক্ষক-বিএলওরা ধরেই নিচ্ছেন, স্কুলে তাদের এখন যাওয়া লাগবে না। কারণ কমিশন খুব পরিষ্কার করে দিচ্ছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের এই সময়ে BLO-দের একটাই কাজ SIR-এর দায়িত্ব পূর্ণ সময় পালন করা। অন্য কোনও কাজ নয়।যদিও বিহার প্রশাসন তাদের BLO-দের ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছিল। কিন্তু বাংলা এখনও মুখ্যসচিবের কোনও আলাদা নির্দেশ পায়নি। তাই শিক্ষক সমাজের এক বড় অংশ বলছে, কমিশনের নির্দেশই যথেষ্ট আপাতত ক্লাসে ফিরতে হবে না। কিন্তু তাতে নতুন সমস্যা SIR কালে প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার হাজার স্কুলে শিক্ষক ফাঁকা হয়ে পড়ার আশঙ্কা। শিক্ষা দফতরেরই মাথাব্যথা বেড়েছে।রাজ্যের যুগ্ম সিইও অরিন্দম নিয়োগী জানিয়েছেন, ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত SIR পুরোপুরি ফুলটাইম কাজ হিসেবেই ধরা হবে। সেইমতো সব জেলা নির্বাচন আধিকারিক ও EROদেরকে ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে SIR। আর প্রথম দিনেই বিভ্রান্তি চরমে ওঠে BLO-দের মধ্যে। অনেকেই ফর্ম পাননি, কারও হাতে দেওয়া হয়েছে একটির বদলে মাত্র এক কপি, কারও আই-কার্ডই নেই এমন অভিযোগও ওঠে।সবে শুরু হল কাজ, কিন্তু তার আগেই বিতর্ক, বিভ্রান্তি, আর নির্দেশাবলীর ঢল। মাঠে নামা BLO-রা বলছেন বুঝে উঠতেই দিন শেষ! তবে কমিশন চূড়ান্ত করে দিল দুই নৌকোয় পা নয়, আপাতত শুধু ভোটার তালিকাই।

নভেম্বর ০৫, ২০২৫
দেশ

ভোট কম পড়িয়াছে!

রাজকন্যা কম পড়িয়াছে গুপি গাইন বাঘা বাইনের সেই দৃশ্য মনে আছে? গনতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসবে ভোট কম পড়িয়াছে বলে সোরগোল শুরু হয়েছে। সেই প্রসঙ্গেই মনে পড়লো গুগা বাবার কথা। লোকসভা নির্বাচনের শুধু প্রথম দফা নয়, দ্বিতীয় দফাতেও কম মানুষ ভোট দিতে পথে নেমেছেন। আর তাতেই চিন্তায় পড়েছে শাসকদল। প্রথম দফায় সারা দেশে ৬৬.১ শতাংশ ভোট পড়ে। প্রথম দফায় যে ১০২ টি আসনে ভোট কম পড়েছে সেখানে ২০১৯ সালে ভোট পড়েছিল ৭০ শতাংশের উপরে। হিন্দি বলয়ের যে তিন রাজ্যে ভোট সবচেয়ে কম পড়েছে সেই তিন টি রাজ্যই বিজেপির প্রায় একাধিপত্য ছিল। এই তিন রাজ্যের যে ৩৬ আসনে ভোট হয়েছে তার মধ্যে ২০১৪ সালে ৩৫টি এবং ২০১৯ সালে ২৯ টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। পরিসংখ্যান বলছে প্রথম দফার ভোটে উত্তর-পূর্ব ও দেশের বাকি অঞ্চলের তুলনায় হিন্দি বলয়ের রাজ্যগুলিতে ভোট সবচেয়ে কম পড়েছে। নিজেদের শক্ত জমিতে ভোট কম পড়ার কারণ খুঁজতে বসেছে গেরুয়া শিবির।আরও পড়ুনঃ ভোটের সুনামিভোট বিশেষজ্ঞরা যে পরিসংখ্যান তুলে ধরেছেন তাতে দেখা যাচ্ছে প্রথম দফায় যে ১০২টি আসনে ভোট হয় গত নির্বাচনে তার মধ্যে বিজেপি ৫০ টি আসনে জিতেছিল। ওই আসনগুলিতে ৫% উপরে ভোট কম পড়েছে। আর INDIA মঞ্চে যে দলগুলি রয়েছে তারা মিলিতভাবে ৪৯ টি আসন জিতেছিল। এই আসনগুলিতে ভোট কম পড়ার হার ২.৪%। নিজেদের শক্তি-গড়ে কম ভোট পড়ায় স্নায়ুর চাপ বেড়েছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বে। গত নির্বাচনে রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে যে ১৮টি আসন বিজেপি জিতেছিল সেই আসনগুলিতে এবার ভোটের হার অনেকটাই কম। ওই আসনগুলিতে রাজস্থানে ১৭.৬ % এবং মধ্যপ্রদেশে প্রায় ১৩% ভোট কম পড়েছে। এই দুই রাজ্যেই এখন বিজেপির সরকার। কেন্দ্র ও রাজ্য মিলিয়ে বিজেপির যে ডবল ইঞ্জিন সরকারের স্লোগান তার থেকে কি মানুষ মুখ ফেরাচ্ছে? নাকি জাতীয় স্তরে এই স্লোগানের ধার কমছে? স্বাভাবিক ভাবেই এই প্রশ্ন উঠছে।আরও পড়ুনঃ গ্যারান্টি বনাম ন্যায় - ভোটের হালহকিকতপ্রথম দফায় রাজস্থানের গঙ্গানগর লোকসভা কেন্দ্রে ভোট ছিল। এই কেন্দ্রে ভোটের নির্ধারক শক্তি কৃষক সমাজ। এখানে এবার ভোট দানের হার কমেছে। রাজ্যের আরেক লোকসভা কেন্দ্র ঝুনঝুনুতেও ভোট কম পড়েছে। অগ্নিপথ প্রকল্পের বিরুদ্ধে যে সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিবাদী আন্দোলন দেখা গিয়েছিল তার মধ্যে এই ঝুনঝুনুতেই আন্দোলন সবচেয়ে তীব্র হয়েছিল। সেনাবাহিনীতে চাকরি প্রত্যাশী বিপুল সংখ্যক যুবক এখানে পথে নেমেছিলেন। অন্যদিকে মধ্য প্রদেশের সিধি লোকসভা কেন্দ্র যা ওই রাজ্যের সবচেয়ে দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলির অন্যতম। আরেক লোকসভা কেন্দ্র শাদোল সেখানে জনসংখ্যার ৫০% বেশি আদিবাসী। এই দুই লোকসভা কেন্দ্রেও কম মানুষ ভোট দিতে পথে নেমেছিলেন। এবারের লোকসভা প্রচার পর্বে বিভিন্ন জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদের Caste Census -র দাবি মোকাবিলায় বলেছিলেন কৃষক, যুব, নারী ও দরিদ্র এই চতূর্বণের উন্নয়নই তাঁর লক্ষ্য। রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে এই চারটি কেন্দ্র সেই চতূর্বণেরই প্রতীক। সেখানে কম ভোটদানের হারে অর্থ কি প্রধানমন্ত্রীর বার্তা মন ভেজাতে পারেনি ভোটারদের?আরও পড়ুনঃ এক দেশ এক ভোটভোটের আগে বিজেপির মন্ত্র ছিল ৪০০ আসন। কিন্তু প্রথম দফায় ভোট কম পড়ায় ধর্মীয় বিভাজনের কথা বলে মেরুকরণের পুরোনো অস্ত্রেই ফেরে গেরুয়া শিবির। কিন্তু দ্বিতীয় দফার শেষেও একই রকম উদ্বেগ রয়ে গেল। দ্বিতীয় দফায় ভোট পড়ল ৬১শতাংশের কাছাকাছি। যা ২০১৯ সালের তুলনায় ৬% কম । উত্তর প্রদেশে আবার দ্বিতীয় দফায় প্রথম দফার থেকে ও কম ভোট পড়েছে। ভোট দানের হার কেন কমছে তার নিয়ে নানা ব্যাখ্যা শুরু হয়েছে। কোনটা সঠিক তা বোঝা যাবে ফল বেরোনোর পরে। ভোট দানের হার বেশি হলে শাসক দলের পক্ষে অশনিসংকেত। নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রাচীন প্রবাদ। ১৯৬৭ দেশে শেষবার লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন একসঙ্গে হয়েছিল। সেই নির্বাচনে কেন্দ্রে কংগ্রেসের আসন কমেছিল এবং উত্তর প্রদেশ, বাংলা, পঞ্জাব সহ কয়েকটি রাজ্যে কংগ্রেস ক্ষমতা হারিয়ে ছিল। সেই বিচারে বিজেপির সন্তুষ্ট থাকার কথা। কিন্তু বিজেপির অভ্যন্তরে অস্বস্তি বাড়ছে। প্রশ্ন উঠছে প্রধানমন্ত্রীর চতূর্বণের উন্নয়নের গ্যারান্টি ও মেরুকরণের রাজনীতি কি মানুষ প্রত্যাখান করছে? প্রশ্ন রইল, উত্তর আপাতত ভবিষ্যতের গর্ভে।

এপ্রিল ২৮, ২০২৪
রাজ্য

কোথায় কত বুথে পুননির্বাচন? কেন্দ্রীয় বাহিনির কি দেখা মিলবে বুথে বুথে?

রাজ্যের কতগুলি বুথে পুনর্নির্বাচন?২০২৩ পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত নির্বাচনে বুথদখল ও ছাপ্পা ভোট ও অশান্তির ঘটনায় রাজ্যের ২২টি জেলার মধ্যে ১৯টিতেই পুনর্নির্বাচনের আদেশ দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহন পক্রিয়া শুরু হয়েছে। একনো পর্যন্ত কোনও গণ্ডগোলের খব্র পাওয়া যাইনি। সব মিলিয়ে ৬৯৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন হচ্ছে। রবিবার রাজ্য নিবার্চন কমিশন জানিয়েছে, সোমবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতে হবে ভোটগ্রহণ।রবিবার রাজ্য নিবার্চন কমিশন জানিয়েছে, সোমবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতে হবে ভোটগ্রহণ।কোন কোন জেলার কটি বুথে পুনর্নির্বাচন?রাজ্যে মোট ১৯টি জেলাতে পুনর্নির্বাচনের আদেশ দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন, তাঁর মধ্যে মুর্শিদাবাদের ১৭৫টি বুথ, মালদহের ১০৯টি বুথ, নদিয়ার ৮৯টি বুথ, কোচবিহারের ৫৩টি বুথ, উত্তর ২৪ পরগনার ৪৬টি বুথ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩৬টি বুথ, উত্তর দিনাজপুরের ৪২টি বুথ, দক্ষিণ দিনাজপুরের ১৮টি বুথ, পূর্ব মেদিনীপুরের ৩১টি বুথ, পশ্চিম মেদিনীপুরের ১০টি বুথ, হুগলির ২৯টি বুথ, জলপাইগুড়ি এবং বীরভূমের ১৪টি করে বুথ, হাওড়া এবং বাঁকুড়ার ৮টি করে বুথ, পূর্ব বর্ধমানের ৩টি বুথ, পশ্চিম বর্ধমানের ৬টি বুথ, পুরুলিয়ার ৪টি বুথ এবং আলিপুরদুয়ারের ১টি বুথে সোমবার পুর্নির্বাচন হচ্ছে। ঝাড়গ্রাম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে পুর্নির্বাচন হচ্ছে না।প্রতি বুথে কত জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে?২০২৩ পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভারপ্রাপ্ত অফিসার জানিয়েছেন, বুথ প্রতি এক সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট হবে, তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে এই মুহূর্তে পর্যাপ্ত পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিত। রবিবার বিকালে কমিশন জানিয়েছিল, বুথ প্রতি হাফ সেকশন (৪জন) মোতায়েন থাকবে। পরে বিএসএফ আইজি জানিয়েছে, প্রতি বুথে মোতায়েন করা হবে এক সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী (৮জন)।

জুলাই ১০, ২০২৩
রাজ্য

বিরোধীদের দাবি ১০হাজার বুথে পুনর্নির্বাচন, পাত্তা না দিয়ে প্রায় ৭০০ বুথে সোমবার ভোট

বিরোধীদের দাবি পুরোপুরি না-মানলেও কয়েকটি বুথে ফের নির্বাচনের কথা ঘোষণা করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সোমবারই পুনর্নির্বাচন করানো হচ্ছে। নিরাপত্তায় থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন হবে। তবে, বিরোধীদের দাবি, শনিবারের ভোটে যে হারে ছাপ্পা, রিগিং ও সন্ত্রাস হয়েছে। যা হয়েছে, সেটা আসলে প্রহসন। তাতে অত কম বুথে পুনর্নির্বাচন করে কোনও লাভ নেই। অন্তত ১০ হাজার বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে কমিশনকে পুনরায় স্বচ্ছ নির্বাচন করাতে হবে। যদিও শ্যাম রাখি না-কূল, এই পরিস্থিতিতে পড়া রাজ্য নির্বাচন কমিশন সেই দাবি মানতে নারাজ।শনিবার রাজ্যে একদিনের পঞ্চায়েত ভোটে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। অবাধে ভোট লুঠ, ব্যালট বাক্স নষ্ট, বুথ দখল, হিংসা, গুলিচালনা, বোমাবাজি তথা এককথায় অরাজকতার অভিযোগ উঠেছে ভোট ঘিরে। তারপরই বিরোধীরা দাবি, সমস্ত বুথে লাগানো সিসিটিভির ফুটেজ ও ভিডিওগ্রাফির ফুটেজ খতিয়ে দেখতে হবে। সেইমতো যেসব বুথে অরাজকতা হয়েছে, সেখানে পুনরায় নির্বাচন করাতে হবে। সেই দাবি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছিল কমিশন। গুটি কয়েক বুথে পুনরায় ভোট ঘোষণায় ক্ষুব্ধ বিরোধীরা।তার পাশাপাশি, ভোটের দিন সকাল পর্যন্ত রাজ্যে এসে পৌঁছেছিল ৬৪৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারপর শনিবার সন্ধ্যা এবং রবিবার সকালে আরও কয়েক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসে পৌঁছয়। সেই সব বাহিনীকে পুনর্নির্বাচনের কাজে লাগানো হবে বলেই কমিশন জানিয়েছে। একইসঙ্গে, রবিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এবারের পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যে ভোট পড়েছে ৮০.৭১ শতাংশ।বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, কেন্দ্রীয় ভাবে আমরা ৭ হাজার বুথে পুনরায় ভোট চেয়েছিলাম। সেটা জেলাস্তরে সব মিলিয়ে ছিল ১০ হাজার। কিন্তু ৬০০-এর বেশি বুথে পুনর্নির্বাচন হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুকান্ত মজুমদার।

জুলাই ০৯, ২০২৩
রাজ্য

নির্বাচন কমিশনের গেটে পরপর লাথি শুভেন্দু অধিকারীর, সিসিটিভি এবং ভিডিওগ্রাফি দেখার দাবি

নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে একাধিকবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কমিশনের নানা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে গিয়েছেন। আজ ভোট চলাকালীন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে ফোনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কমিশনের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। পূর্ব ঘোষণা মতো শনিবার ভোটগ্রহণ শেষ হলে সন্ধ্যা ৬টার পর রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে দেখে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কর্মীরা দরজায় তালা লাগিয়ে দেন। তাই দেখে বেজায় চটে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি কমিশনের গেটে পরপর লাথি মারতে থাকেন।কমিশনারের কর্মীকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমাকে দেখে তালা দিলেন কেন? আপনাদের মাইনে কি মমতা ব্যানার্জি দেয়? কয়লা (অভিষেক ব্যানার্জি) দেয়? দরজা খুলুন। এখন তিনটে লাথি মেরেছি। আরও মারব। অসভ্য কোথাকার! একথা বলার পাশাপাশি, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা দরজা খোলার জন্য অপেক্ষাও করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শিশির বাজোরিয়া-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। কিন্তু, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কর্মীরা শুভেন্দু অধিকারীর জন্য গেটের দরজা খোলেননি।এরপর শুভেন্দু অধিকারী সদলবলে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বাইরে বেরিয়ে আসেন। তিনি এরপর রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দরজার বাইরে প্রতীকী বিক্ষোভের অঙ্গ হিসেবে তালা ঝুলিয়ে দেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমরা দাবি করেছি, কাল দুপুরের মধ্যে সিসিটিভি এবং ভিডিওগ্রাফি দেখতে হবে। যেসব বুথে ছাপ্পা হয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করতে হবে। দরকার হলে ভোটের ফল ঘোষণার দিন পিছিয়ে দিতে হবে। ছাপ্পা হওয়া বুথগুলোয় নতুন করে ভোটগ্রহণ করাতে হবে। অবশ্যই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রেখে।এদিন বিজেপি কর্মীরাও এর আগে পৃথকভাবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে বিক্ষোভ দেখান। পাশাপাশি, বিক্ষোভ দেখান রাজ্য বামফ্রন্টের শীর্ষ নেতৃত্বও। বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সুষ্ঠুভাবে ভোট হয়নি। নির্বাচন কমিশনের গাফিলতির জন্যই সেটা হয়নি।

জুলাই ০৮, ২০২৩
রাজনীতি

কমিশনে গিয়ে শুভেন্দুর দাবি, ২০ হাজার আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলকে জিতিয়ে দেওয়াই লক্ষ্য

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সামনে নিজে হাতে ব্যারিকেডের দড়ি খুললেন বিরোধী শুভেন্দু অধিকারী। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সামনে বেনজির দৃশ্য দেখা গেল। যেসব প্রার্থী মনোনয়ন জমা করতে পারেননি তাঁদের নিয়ে কমিশনের দফতরের সামনে হাজির হয়েছিলেন সুকান্ত মজুমদার। দলীয় কর্মীদের নিয়ে সেই সময় হাজির ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। এরপরই কলকাতায় কমিশন দফতরেরর সামনে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়। কমিশনের দফতরে বিজেপি নেতা-কর্মীরা যাতে ঢুকতে না পারে তার জন্য পুলিশ আগে থেকেই ব্যারিকেড করে রেখেছিল। প্রথমে সেই ব্যারিকেড নিজে হাতে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে ব্যারিকেডের দড়ি খুলে দেন নিজে হাতে।এরপর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মনোনয়নে বাধা দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে কমিশন দফতরে ঢোকেন কথা বলতে। কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে এসে ক্ষোভ উগরে দেন বিরোধী দলনেতা। রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোষ্য বলে কটাক্ষ করেন। শুধু তাই নয়, কমিশন তৃণমূলকে সুবিধা করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। ১৪৪ ধারা থাকা সত্ত্বেও রোজ কীভাবে রক্ত ঝরছে? প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু।বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, রাজ্যের শাসকদল, কমিশন এবং পুলিশ মিলে বিরোধীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে মনোনয়ন জমা দিতে দিচ্ছে না। ২০ হাজর আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলকে জিতিয়ে দেওয়াই এদের লক্ষ্য।একটা সময় উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। কমিশনের দফতরের সামনেই জয় শ্রী রাম স্লোগান চলতে থাকে। রাজ্য পুলিশের উদ্দেশে হায় হায় ধ্বনি দেওয়া হয়। শুভেন্দুর দাবি, আদালত স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানোর নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু স্পর্শকাতর এলাকা বলে কিছু রয়েছে, তা মানতেই চাইছে না কমিশন। হাইকোর্ট অভিযোগ জমা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে বললেও, কমিশনে তেমন কোনও ব্যবস্থা নেই।শুভেন্দুর দাবি, যাঁর মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি, কমিশনের দফতরেই তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা নিতে হবে। আশান্তি রুখতে ও মনোনয়নে অশান্তি থামাতে কমিশন পদক্ষেপ না করলে বৃহস্পতিবার থেকে কমিশন দফতরের সামনে হাজার হাজার মানুষের ভিড় জমবে বলে হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিনও তাঁর মুখে নো ভোট টু মমতা সুর শোনা যায় নির্বাচন ল কমিশনের দফতরে। মমতাকে ভোট লুঠ না করতে দেওয়াই তাঁর চ্যালেঞ্জ বলে দাবি করেন তিনি।

জুন ১৪, ২০২৩
রাজ্য

'ঘনিষ্ঠ বন্ধু' অর্পিতা'র ফ্ল্যাট থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হলেও পার্থ'র কাছে না আছে 'বাড়ি , না গাড়ি...! সম্বল সামান্য কিছু টাকা......

বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ইডি দাবি করেছে, এই ১৯ ঘণ্টার ম্যারাথন অভিযানে বেলঘড়িয়ায় পার্থ চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে শুক্রবার, ইডি জানিয়েছিল টালিগঞ্জের করুণাময়ী অভিজাত আবাসনে অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে ২১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। অর্থাৎ দু-দিনে সব মিলিয়ে ৪৯.৮ কোটি টাকা উদ্ধার করল ইডি। এখন প্রশ্ন হল, তাঁর কি আসলেই এত টাকা আছে? যদিও এই টাকা তার অন্তরঙ্গ বন্ধুর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল, সুত্রের খবর, অর্পিতা দাবি করেছেন যে সমস্ত টাকা বা সম্পদ যা এখনও অবধি পাওয়া গেছে তা সবই পার্থর। যদিও ইডি এখনও কিছু এ ব্যাপারে জানায়নি।২০২১ এ বিধানসভা নির্বাচনে পার্থ বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই সময় তিনি নির্বাচন কমিশনে যে নমিনেশনের জমা দিয়েছেলেন তাতে এক হলফনামা জমা দেন, সেই হলফনামাতে তৃণমূলের এই অপসারিত হেভিওয়েট নেতা সম্পত্তির যা বিবরন দেন তা নিম্নরূপঃ১। সে সময় পার্থর কাছে নগদ ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭৬ টাকা ছিল। তার সাথে দুটি ব্যাংকের ৪টি শাখায় তাঁর রয়েছে ২৪ লাখ ৮১ হাজার, ২৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৩৫, ১৫ লাখ ১ হাজার ১৬১ ও ১ লাখ ৮ হাজার ৬৯ টাকা জমা ছিল।২। একটি জীবন বীমা পলিসি তার নামে ছিল, যার সাম অ্যাসিওর ২৫ লাখ টাকা। জীবন বীমা, ব্যাংকে জমাসহ তাঁর মোট সঞ্চয় ৯০ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৩ টাকা!৩। পার্থ নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন, তাঁর একটি গাড়িও নেই।৪। পারিবারিক সূত্রে বা নিজের উপার্জন থেকে কেনা কোনও কৃষিজমিও তার নেই।৫। পার্থ জানান, পারিবারিক সূত্রে তার একটি বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়ি নাকতলায়। নাম বিজয়কেতন। প্রসঙ্গত, গত শনিবার ওই বাড়ি থেকেই পার্থকে গ্রেফতার করে ইডি।৬। হলফনামায় পার্থ জানিয়েছেন, বাবার কাছ থেকে পাওয়া দেড় কাঠা জমিতে বানানো বাড়িটি পেয়েছেন তিনি। বাড়িটি নির্মান করা হয়েছিলো ১৯৮৯-এ। তৎকালীন মুল্যে সেই বাড়িটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল ৬ লাখ টাকা। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী বাড়িটির আনুমানিক মুল্য ২৫ লাখ টাকা।৭। পার্থ হলফনামায় দাবি করেছেন যে তাঁর কাছে কোনও সোনা-হীরে-প্ল্যাটিনামের গয়না নেই!৮। এ ছাড়া পার্থের জমা দেওয়া হলফনামায় বলা হয়েছে, তার নামে কোথাও কোনো ঋণ নেই।৯। এছাড়াও, তিনি আরও জানান যে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে মোট আয় ছিল ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৭২০ টাকা।১০। পার্থের হলফনামা অনুযায়ী, পার্থের মোট স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৯০ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৩ টাকা।এসএসসিতে স্কুল শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থর নাম জড়ানোর পর, সম্প্রতি তাকে ইডি গ্রেপ্তার করেছে। যদিও তার বাড়ি থেকে বিশেষ কিছু উদ্ধার হয়নি, ইডি দাবি করেছে যে পার্থ চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে তারা প্রায় ৪৯.৪ কোটি টাকা ও প্রচুর পরিমাণে সোনার গহনা উদ্ধার করেছে।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

নির্বাচনী প্রচারে নিষেধাজ্ঞা তৃণমূল বিধায়কের

পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে নির্বাচনীয় প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জাড়ি করে নির্বাচন কমিশনার। বুধবার তার প্রতিক্রিয়া দিলেন বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। প্রতিক্রিয়ায় বিধায়কের দাবি, নির্বাচন কমিশনারের কাছ থেকে এই ধরনের কোনও নোটিশ তিনি পাননি।উল্লেখ্য, আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের উপ নির্বাচন দলীয় প্রচার চলছে। সেখানে আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার অন্তর্গত লাউদহ ব্লকের কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে কর্মীদের সম্বোধন করার সময় বিজেপি সমর্থকদের খোলাখুলি হুমকি দিতে দেখা যায়। যে ভিডিও র সত্যতা যাচাই করিনি আমরা।যারা কট্টর বি জে পি যাদেরকে এড়ানো যাবে না তাদেরকে চমকাতে হবে। বলবেন আপনি যদি ভোট দিতে চান তাহলে ধরে নেব আপনি বিজেপিকে ভোট দেবেন। ভোটের পর আপনি কোথায় থাকবেন সেটা আপনার নিজের বিষয়। আপনি যদি ভোট দিতে না যান তাহলে ধরে নেব আপনি আমাদের সমর্থন করছেন। তাহলে আপনি বাড়িতে থাকুন ব্যবসা করুন, চাকরি করুন, ভালভাবে থাকুন, কোন অসুবিধা নেই আমরা আপনার সঙ্গে আছি ক্লিয়ার। ভিডিওটি সামনে আসার পর বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন একটা জিনিসই উনি বুঝেছেন। বিজেপির লোকেরা যদি ভোট দেওয়ার সুযোগ পায় তাহলে উনারা হারবেন, এটা উনি বলেছেন। এরকম হুমকি উনি না দিলেই ভাল হয়। উনিতো অনুব্রত মণ্ডলের শিষ্য, অনুব্রত মণ্ডল তো কিছুদিন পর হয়তো জেলের মধ্যে থাকবেন। এরকম থাকলে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে লুডু খেলার জন্য আরও দুতিনজন লাগবে। তখন হয়তো উনাকে যেতে হবে । এরকম না করলেই ভালো হবে।আসানসোল লোকসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার সমর্থনে পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার বিভিন্ন অঞ্চলের কর্মীদের নিয়ে কর্মিসভা করা হল। এই কর্মিসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী পাণ্ডবেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মদন বাউরি সহ-সভাপতি রমা রুইদাস এবং কিরীটি মুখার্জি, রামচরিত পাসোয়ান সহ অন্যান্য ব্লক নেতৃত্ব।মূলত এই সভাটি বিধানসভার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হরিপুরে অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনী সভায় বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী সেখানেই বলেন বলে বিজেপির অভিযোগ।

মার্চ ৩০, ২০২২
দেশ

রাজ্যে দুই আসনে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করল কমিশন

রাজ্যে দুই আসনে উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। শনিবার,আসানসোল লোকসভা এবং বালিগঞ্জ বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১২ এপ্রিল, মঙ্গলবার ভোট হবে এই দুই আসনে। গণনা হবে ১৬ এপ্রিল, শনিবার। একই দিনে ছত্রিশগড় বিহার এবং মহারাষ্ট্রের একটি করে বিধানসভা আসনেও ভোট নেওয়া হবে। ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে যাওয়ায় ওই সব এলাকায় এদিন থেকে জারি হয়ে গেল নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধি।২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে আসানসোল থেকে জিতেছিলেন বিজেপির বাবুল সুপ্রিয়। পরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর বাবুল সাংসদ পদ থেকেও ইস্তফা দেন। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তা গ্রহণ করেন। ফলে আসানসোল লোকসভা শূন্য হয়। সেই কেন্দ্রের উপনির্বাচন বকেয়া ছিল।বালিগঞ্জের বিধায়ক ছিলেন প্রবীণ নেতা তথা মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। গত বছর নভেম্বরে কালীপুজোর দিন সন্ধেবেলা তিনি প্রয়াত হন। সুব্রতবাবুর প্রয়াণের কারণে বালিগঞ্জ আসনেও ভোট করতে হত। এদিন বাংলার একটি লোকসভা ও একটি বিধানসভার উপনির্বাচন ঘোষণা করে দিল কমিশন।কমিশন সূত্রে খবর আসানসোলের ১০০% বুথকেই উত্তেজনা প্রবন বুথ বলেই চিহ্নিত করা হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির বাংলা বনধে অশান্তি জেলায় জেলায় , কঠোর নবান্নও

পুরভোটে অশান্তিকে কেন্দ্র করে আজ রাজ্যজুড়ে ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি।এই পুরভোট বাতিল করে ফের ভোট করার দাবিও তুলেছে তারা। সকাল হতেই জেলায় জেলায় অবরোধ শুরু করেছেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। যদিও কলকাতায় বনধের প্রভাব সকালের দিকে তেমন একটা চোখে পড়েনি। আবার কোথাও কোথাও বনধের বিরোধিতা করতে রাস্তায় নামতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা।এদিকে কাল বনধ ঘোষণার পরই রাজ্য প্রশাসন অবশ্য সঙ্গে সঙ্গেই জানিয়ে দিয়েছে, জনজীবন সচল রাখার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে। কোথাও জোর করে বন্ধ করা বা বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা হলে পুলিশ-প্রশাসন কড়া হাতে তার মোকাবিলা করবে বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসও আজ শান্তিপূর্ণভাবে বন্ধ বিরোধিতার কথা জানিয়েছে।সোমবার সকাল হতেই হুগলি স্টেশনে রেল অবরোধ করছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ডাউন বর্ধমান লোকাল আটকে থাকে হুগলি স্টেশনে। ভোগান্তিতে পড়েন নিত্যযাত্রীরা।বিজেপির ডাকা বনধে এখন পর্যন্ত আলিপুরদুয়ারে কোনও প্রভাব নেই।উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহনের বাস চলছে। রাস্তায় যানবাহনও চলছে। রাস্তায় দেখা মেলেনি কোন বিজেপি বনধ সমর্থনকারীকে।বনধে কোনও প্রভাব পড়েনি পূর্ব বর্ধমানে। সকাল থেকে সবই স্বাভাবিকভাবেই চলছে। পথে নেমেছে সরকারি বাসের পাশাপাশি বেসরকারি বাস। যান চলাচল একেবারে স্বাভাবিক। মানুষজনও রাস্তায় নেমেছে। তবে বেলা বাড়লে পরিস্থিতি বদলাতে পারে।শিলিগুড়িতেও একই ছবি। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের জন্য পুলিশের ধস্তাধস্তি। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।সোমবার সকাল সকাল বালুরঘাট সরকারি বাস স্ট্যান্ডের সামনে বিজেপি কর্মীসমর্থকদের পিকেটিং বনধ সফলের জন্য। রাস্তায় বসে বাস আটকানোর চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। পুলিশ তুলতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয়। বিজেপি কর্মীদের চ্যাঙদোলা করে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ।এদিন উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতায় বেশ কয়েকটি কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিজেপি।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

শেষ হল পুরভোটের প্রচার, বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল কমিশন

আগামী রবিবার ১০৮ পুরসভা নির্বাচনের প্রচার পর্ব শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় শেষ হয়েছে। প্রচারের আজ শেষ লগ্নে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের দেখা গিয়েছে শেষ বেলার জনসংযোগে। উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার সভা করেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কামারহাটিতে দলের প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে বের হন সেখানকার তৃনমূল কংগ্রেস বিধায়ক মদন মিত্র। বারাসাতে বিধান পার্ক থেকে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার করেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। সিপিআইএমের প্রবীণ নেতা মহাম্মদ সেলিমও কামারহাটিতে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে দলীয় কর্মীদের নিয়ে সেখানে প্রচার সরেন। এছাড়া রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি সিপিআইএম-সহ বাম দলের প্রার্থীও কর্মীসমর্থকরা, ও কংগ্রেস দলের প্রার্থী ও দলীয় নেতৃবৃন্দ আজ প্রচারের শেষ লগ্নে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার সারেন।রাজ্যের ১০৮ পুরসভায় ভোটগ্রহণ রবিবার। রাজ্য পুলিশ দিয়ে নির্বিঘ্নে ভোট করানোই চ্যালেঞ্জ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে। এর আগে কলকাতা-সহ চার পুরনিগমের ভোটে কড়া হাতে পরিচালনা করে সুনাম ও ধন্যবাদ কুড়িয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কলকাতা হাইকোর্টও বারবার কমিশনের নানা সিদ্ধান্তেই খুশি। তাই রবিবারের ১০৮ পুরসভার ভোট নির্বিঘ্নে পরিচালন করাই লক্ষ্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। সেই মর্মে আরও এক বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করল কমিশন। ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার নির্বাচনের জন্য ১০জন আইএএস অফিসারকে সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।এর আগে ১৬জন বিশেষ পর্যবেক্ষক ও ১০৮জন পর্যবেক্ষক নিযুক্ত করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এবার আরও একধাপ বাড়িয়ে সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেই কড়া বার্তা দিয়েছে কমিশন। প্রত্যেক সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষককয়ে শনিবারেই নিজের নিজের জায়গায় ডিউটিতে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। ১০৮ পুরসভার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিরোধীদের করা আবেদন সুপ্রিম কিংবা কলকাতা হাইকোর্ট খারিজ করেছে। রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট করানোর কমিশনের প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে আদালত। সেই মর্মে বিভিন্ন জেলায় রুটমার্চ শুরু করেছে পুলিশ।রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ১০৮ পুরভোটের নিরাপত্তায় ৪৪ হাজার পুলিশ কর্মী-আধিকারিক মোতায়েন করা হবে। বুধবার সন্ধ্যায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রসচিব ভগবতীপ্রসাদ গোপালিকা, রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত জানার পরেই রাজ্যের প্রত্যেক জেলাশাসককে চিঠি পাঠিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারির পুরভোটে অশান্তি এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তারপরে সন্ধ্যায় পুরভোটের নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব, রাজ্য পুলিশের সঙ্গে বৈঠকে বসেন নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে পুরভোটে অশান্তি এড়াতে আরও বাড়তি চার হাজার পুলিশ কর্মী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি ইএফআর, এসটিএফ, কম্যান্ডো ও র্যা ফকেও নামানোর সিদ্ধান্ত হয়।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
কলকাতা

১০৮ পুরসভার ভোট গণনা ২ মার্চ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কমিশনকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

২ মার্চ ১০৮ টি পুরসভার ভোটগণনা। বিজ্ঞপ্তিতে জানাল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। স্ক্রুটিনির জন্য আরও এক দিন বরাদ্দ। ২৭ ফেব্রুয়ারি যে ১০৮ পুরসভার ভোট, তার গণনার দিন আগে ঘোষণা করা হয়নি। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, ২ মার্চ ১০৮ পুরসভার ভোটগণনা হবে।এক্ষেত্রে যদি চার পুরসভার ভোটের কথা উল্লেখ করা যায়, তাহলে দেখা যাবে ১২ ফেব্রুয়ারির পর ১৪ ফেব্রুয়ারি, মাত্র এক দিন পরই গণনার দিন স্থির হয়েছিল। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠেছিল, যে দিন ভোট হল, সেই রাতেই মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কীভাবে স্ক্রুটিনি করা সম্ভব? কারণ যদি পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা থাকে, তাহলে সেটা একদিন পরই করতে হবে। কোথাও হয়তো পুনর্নির্বাচনের ভাবনা নেই, তাই কমিশন এই ধরনের পদক্ষেপ করেছে। এমনও অভিযোগ তুলেছিলেন বিরোধীরা। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন বিরোধীদের আগের দাবি মেনে স্ক্রুটিনির জন্য এক দিন সময় বাড়াল।এদিকে, ১০৮ পুরসভায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া যায় কি না, জানাতে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিজেপির দায়ের করা মামলায় নির্দেশ প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের। একই সঙ্গে দুয়ারে সরকার, পাড়ায় পাড়ায় সমাধান প্রকল্প ওই পুরএলাকায় বন্ধ রাখা যায় কিনা, তাও জানাতে হবে রাজ্যকে। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি। তার মধ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।বিরোধীদের অভিযোগ সম্পর্কে কী ভাবছে রাজ্য সরকার, তা মামলার শুনানিতে জানতে চায় আদালত। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা আছে? দুয়ারে সরকার পাড়ায় পাড়ায় সমাধান কর্মসূচি বন্ধ রাখা যায়? সে বিষয়ে তথ্য চায় হাইকোর্ট। রাজ্য সরকার এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে এই মর্মে হলফনামা জমা দিতে বলা হয়। আগামী সোমবার মামলার শুনানি। ওইদিনই হলফনামা জমা দিতে হবে। এছাড়াও রাজ্যের চার পুরনিগমের ভোটকেন্দ্রগুলির সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal