• ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

East Burdwan

রাজ্য

Bomb Explosion: ভাতারের বোমা বিস্ফোরণের পিছনে রহস্য কি?

বোমা বিস্ফোরণে আস্ত একটি মাটির বাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার ঘটনায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে জেলা পুলিশের কর্তাদের। শুক্রবার ভোররাতে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার বাণেশ্বরপুরের এই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই বাড়ির সদস্য লালচাঁদের নামে এর আগেও থানায় নানা অভিযোগ আছে। কয়েকদিন আগে সে একটি ঝামেলায় জড়িয়ে ছিল। কেন বাড়িতে বোমা রাখা ছিল, কোথা থেকেই বা তা সংগ্রহ করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ জামরুল মল্লিকের বাড়িতে তদন্তে যায়। সমস্তকিছু খতিয়ে দেখার পর পুলিশ কর্তারা একপ্রকার নিশ্চিৎ হন মাটির বাড়ির ভিতরেই মজুত রাখা ছিল বোমা। সেই বোমার বিস্ফোরণ ঘটাতেই গোটা মাটির বাড়িটি ভেঙে পড়েছে। আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানতদন্তের প্রয়োজনে ওই বাড়িটি ও তার চারপাশ পুলিশ ঘিরে রেখেছে। বাড়ির ভিতরে আর বোমা রয়েছে কিনা তাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। ভাতার থানার পুলিশ জামরুল ও তাঁর ছেলে লালচাঁদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকার জন্য অনেকদিন আগেই পুলিশের খাতায় স্থান পায় লালচাঁদের নাম। বেআইনি ভাবে আগ্নেআস্ত্র রাখার অভিযোগে বছর দেড়েক আগে লালচাঁদ পুলিশের হাতে ধরাও পড়ে।যদিও পড়ে সে ছাড়া পায়। এছাড়াও কয়েকবছর আগে ভাতার কলেজে অশান্তির ঘটনাতেও লালচাঁদের নাম জড়ায়। তারপর সে কেরলে গিয়ে বাবা জামরুল মল্লিকের সঙ্গে নির্মাণ শ্রমিকের কাজে যোগ দেয়। দিন কুড়ি আগে বাবা ও ছেলে কেরল থেকে ভাতারের বাণেশ্বরপুর গ্রামের বাড়িতে ফেরে । তার পর এদিনই তাঁদের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলো ।আরও পড়ুনঃ জেলাশাসক থেকে সফল ব্যবসায়ী, মেধাবী অশ্বিনী এখন দেশের বড় দায়িত্বেতদন্তে নেমে পুলিশ জেনেছে, লালচাঁদ বাড়ি ফেরার পর গত বৃহস্পতিবার রাতে পাশের কুলনগর গ্রামের কয়েকজন যুবকের সঙ্গে লালচাঁদ ও তাঁর বন্ধুদের বচসা হয়েছিল। কি নিয়ে বচসা হয়েছিল তা এখনও পরিস্কার জানা যায়নি। তবে ওই বোমা মজুতের সঙ্গে ওই গোলযোগের কোনও সম্পর্ক রয়েছে কিনা সেই বিষয়ে পুলিশ খোঁজ নেওয়া শুরু করেছে। বোমা বিস্ফোরণের তদন্তে ভাতার থানার পুলিশ বোম স্কোয়াডে ও ফরেনসিক বিভাগেরও সাহায্যা নিচ্ছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহরায় জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পরেই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনার তদন্ত শুর হয়েছে । ওই বাড়ির দুইজনকে আটক করে ঘটনা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলানো হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহারএদিকে খবর পেয়ে এদিন দুপুর নাগাদ ঘটনাস্থলে আসে বোম্ব স্কোয়াড। আর কোথাও বোমা মজুত আছে কিনা তল্লাশি করে পুলিশ । শেষে ঘটনাস্থল থেকে কিছু নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায় বোম্ব স্কোয়াডের সদস্যরা।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজ্য

১০০ দিনের কাজ না পাওয়ায় পঞ্চায়েত ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ বর্ধমানে

পঞ্চায়েতের কাজকর্ম নিয়ে নানা অভিযোগ এনে পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের সাহেবগঞ্জ ২ নম্বর পঞ্চায়েতে। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা এদিন পঞ্চায়েত প্রধান বিনয়কৃষ্ণ ঘোষকে ঘিরে রেখে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখান। গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের জেরে এদিন শিকেয় ওঠে পঞ্চায়েতের কাজকর্ম। খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ পঞ্চায়েত অফিসে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয় । সাহেবগঞ্জ ২ নম্বর পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা ছবি দাস, বন্দনা বাগদি অভিযোগে জানান, ১০০ দিনের কাজ পঞ্চায়েত এলাকার সবাই পাচ্ছেন না।এছাড়াও সরকারি আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে চরম অনিয়ম হচ্ছে। এলাকার বহু পরিবারের শৌচাগার নেই। এই সব কিছু পঞ্চায়েত প্রধানকে বারবার তাঁরা জানিয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। ওড়গ্রামের বাসিন্দা ইসমাইল শেখ বলেন, রাজ্য সরকার গ্রামীন এলাকার উন্নয়নের কথা বললেও সাহেবগঞ্জ ২ পঞ্চায়েত এলাকায় উন্নয়নের কোন উদ্যোগই নেই। গ্রামবাসীদের সমস্যা ও দাবিদাওয়ার বিষয় নিয়ে বিক্ষোভকারীদের এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনায় বসেন প্রধান । পরে দাবা দাওয়া মেটানোর আশ্বাস দেন। পঞ্চায়েত প্রধান বিনয় কৃষ্ণ ঘোষ যদিও দাবি করেন, এদিনের ঘটনা সব চক্রান্ত। এলাকার কয়েকজনকে উস্কে এদিন ঝামেলা করানো হয়েছে। ভাতার বিধানসভার বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী বলেন, বিক্ষোভ হয়নি। আলোচনার জন্য বসেছিল। বিধানসভা থেকে ফিরে তিনি আলোচনা করে সব সমাধানের ব্যবস্থা করবেন বলে জানান।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজ্য

Student Stabbed: জখম কলেজ ছাত্রী, রক্তমাখা ধারালো কাঁচিসহ গ্রেপ্তার যুবক

পেটে ধারালো কাঁচি চালিয়ে দিয়ে এক কলেজ ছাত্রীকে জখম করার অভিযোগে যুবককে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতের নাম সত্যম দে ওরফে চিনা।তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার দেবীপুরের বটতলা এলাকায়। মেমারি থানার পুলিশ বুধবার ভোরে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতের দেখানো জায়গা থেকেই পুলিশ এদিন রক্তমাখা কাঁচিটি উদ্ধার করেছে। উদ্ধার হওয়া কাঁচিটি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে।আরও পড়ুনঃ মার্টিনেজ যেন ১৯৯০ র গাইকোচিয়া। কোপা ফাইনালে মেসি-নেইমারপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানিয়েছে, আক্রান্ত মেমারি কলেজের তৃতীয় বর্ষে ছাত্রী সান্তনা হাঁসদার বাড়ি মেমারি থানার জুঝাপুর গ্রামে। মেমারির দেবীপুরে প্রাইভেট টিউশন সেন্টারে অনলাইন পরীক্ষা দেওয়া শেষে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫ টা নাগাদ স্কুটি চেপে ছাত্রীটি বাড়ি ফিরছিল। পথে আচমকা এক যুবক তাঁর পেটে ধারালো কাঁচি চালিয়ে দেয়। ছাত্রীর পেটে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা ছাত্রীকে উদ্ধার করে মেমারি হাসপাতালে নিয়ে যান। আঘাত গুরুতর থাকায় সেখান থেকে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই এখন ছাত্রীটি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ৯৬ বছর বয়সে মারা গেলেন হকির কিংবদন্তী কেশব দত্তএই হামলার কথা জানিয়ে রাতে ছাত্রীর মা মেনকা হাঁসদা মেমারি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে ধারাল অস্ত্র দিয়ে জখম করার ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ হামলাকারীর খোঁজ চালানো শুরু করে। এদিন ভোরে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেতে সক্ষম হয়। ধৃতকে এদিনই পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজ্য

MGNREGA Work: শাসক দলের 'গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে' জামালপুরে বন্ধ ১০০ দিনের কাজ

অতিমারিতে গ্রামগঞ্জের গরিব মানুষের আর্থিক হাল ফেরাতে তাঁদের বেশী করে ১০০ দিনের প্রকল্পে কাজ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদন্দের জেরে তা পণ্ড হতে বসেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ২ পঞ্চায়েত এলাকায়। ১০০ দিনের কাজ পরিচালনা নিয়ে বুধবার এই পঞ্চায়েত এলাকার জোড়বাঁধে চরমে উঠে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘাত। দুপক্ষ সন্মুখ-সমরে অবতীর্ণ হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শেষ পর্যন্ত প্রশাসন বাধ্য হয় জোড়বাঁধে ১০০ দিনের কাজ বন্ধ করে দিতে। বিরোধীদের পাশাপাশি জব কার্ড শ্রমিকরাও এই ঘটনা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন।আরও পড়ুনঃ ৯৬ বছর বয়সে মারা গেলেন হকির কিংবদন্তী কেশব দত্তসংঘাতের কারণ প্রসঙ্গে জামালপুরের তৃণমূল নেতা প্রদীপ পাল বলেন, জামালপুর ২ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান উদয় দাস নিজের মন মতো কিছু জবকার্ড শ্রমিককে দিয়ে ১০০ দিনের কাজ করাচ্ছে। অথচ জোড়বাঁধ সংসদ এলাকায় প্রায় দুশো জন জবকার্ড শ্রমিক রয়েছে। প্রদীপবাবুর আরও অভিযোগ, এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যকে কিছু না জানিয়েই উপপ্রধান বিভিন্ন কাজ করছে। এদিনও এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখেই জোড়বাঁধ এলাকায় ১০০ দিনের কাজ শুরু কর হয়। সেই খবর পেয়ে এলাকার অন্য জবকার্ড শ্রমিকরা বাঁধে গিয়ে আপত্তি তোলে। তা নিয়ে সংঘাত চরমে ওঠে। দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি, মারামারির উপক্রম হয়। এই খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। কাজ না পাওয়া জবকার্ড শ্রমিকদের আপত্তিতে পরে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যা শর্মিলা দাস জানান, তাঁকে না জানিয়েই উপপ্রধান তাঁর সংসদ এলাকায় কিছু জবকার্ড শ্রমিক নিয়ে কাজ করাচ্ছে। এটা সম্পূর্ণ নিয়ম বিরুদ্ধ কাজ। এমনটা চলতে দেবেন না বলে পঞ্চায়েত সদস্য শর্মিলা দাস এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দেন। আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরযদিও এদিন জোড়বাঁধ এলাকায় থাকা ১০০ দিনের কাজের সুপারভাইজার উজ্জ্বল চক্রবর্তী দাবি করেন, নিয়ম মেনে মাষ্টাররোল তৈরী করে এদিন জোড়বাঁধ এলাকায় একশোজন জবকার্ড শ্রমিককে নিয়ে কাজ শুরু হয়। এলাকার কয়েকজন জোড়বাঁধে এসে নানা অজুহাত তুলে কাজ বন্ধ করে দেয়। আপত্তিকারীদের তৃণমূলের লোক বলে মানতে চাননি উজ্জ্বল বাবু। তিনি দাবি করেন,আপত্তিকারীরা সকলে বিজেপির সমর্থক। আরও পড়ুনঃ ছোট্ট ছুটির ঠিকানা সিঙ্গিসাপারভাইজার উজ্জ্বল চক্রবর্তী বলেন, গোটা বিষয়টি তিনি ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েছেন। পঞ্চায়েতের উপপ্রধান উদয় দাস এদিনের ঘটনা নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি। তবে তিনি সাফাই দিয়েছেন, সরকারি নিয়ম মেনেই পঞ্চায়েত কাজ করছে। কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হতাশ জোড়বাঁধের জবকার্ড শ্রমিকরা বলেন, নেতায় নেতায় দ্বন্দ্বে যেন তাঁদের কাজ বন্ধ না হয় । তাঁরা যাতে বেশি করে ১০০ দিনের কাজ পান তার ব্যবস্থাই করুক প্রশাসন।আরও পড়ুনঃ শিব- পার্বতীর বিবাহ স্থলেবিজেপির জামালপুর বিধাসভার আহ্বায়ক জীতেন ডকাল বলেন, এদিন জোড়বাঁধে যা কিছু ঘটেছে তার সবটাই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আড়াল করতে তৃণমূলের এক গোষ্ঠী এখন অপর গোষ্ঠীকে বিজেপি বানিয়ে দিচ্ছে। এর থেকে বড় লজ্জার আর কিছু হতে পারে না। জোড়বাঁধ এলাকার মানুষ তৃণমূলের এইসব নাটক সন্মন্ধে ওয়াকিবহাল রয়েছেন বলে জীতেন বাবু মন্তব্য করেন।জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার বলেন, ১০০ দিনের কাজ নিয়ে সমস্যার কথা শুনেছি। সমস্যা মিটিয়ে দ্রুত যাতে ১০০ দিনের শুরু হয় সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজ্য

Cheating Style: কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?

চিটফাণ্ড কাণ্ডে এরাজ্যে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিঃস্ব হয়েছে। এবার চাকরি, তার সঙ্গে প্রশিক্ষণের নামে সক্রিয় প্রতারণা চক্র। করোনা আবহেও তারা অতি-সক্রিয়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে এই প্রতারণা চক্রের জাল বহুদূর বিস্তৃত রয়েছে, যার সঙ্গে যোগসাজস থাকতে পারে প্রভাবশালীদেরও। কীভাবে এই চক্র জাল বিছিয়ে ছিল? কারাই বা এই কাণ্ডের মাথা?আরও পড়ুনঃ কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা হল মিহির কুমার দাস, আলি হোসেন, হাসিবুল রহমান, আবুল বাসদ, রিয়াজুল ইসলাম, ইব্রাহিম শেখ, শ্যামসুল আলম ও মলয় কর্মকার। এই ধৃতদের মধ্যে প্রথম ছয় জন মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দা। বাকিদের মধ্যে শ্যামসুল বীরভূম জেলার নলহাটি থানার গোপালচক ও মলয় কর্মকার হুগলির সিঙ্গুর থানার জগৎনগর এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭টি মোবাইল ফোন, ৩ টি পেনড্রাইভ, ৭টি স্ট্যাম্প, অশোকস্তম্ভ দেওয়া বেশ কিছু নথিপত্র ও ফর্ম, কয়েকটি রেজিস্টার খাতা, ১লক্ষ ১০ হাজার ৫০০ টাকা, সংবাদপত্রে দেওয়া বিজ্ঞাপনের কপি এবং একটি দামি চারচাকা গাড়ি। এ ছাড়াও উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কাছে পাঠানো চিঠি, পথ-সুরক্ষা নিয়ে রাজ্যপালের শংসাপত্রও উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেপ্রতারণার একাধিক ধাারায় মামলা রুজু করে পুলিশ মঙ্গলবার ৮ ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। প্রতারণা চক্রে জড়িত বাকি পাণ্ডাদের হদিশ পেতে ও তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের মধ্যে মিহির দাস, আবুল বাসার ও মলয় কর্মকারকে ৭ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে এদিন আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ৩ ধৃতের ৫ দিনের পুলিশি হেপাজত ও বাকিদের জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন প্রতারিত চাকরি প্রার্থীরা।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরপথ সুরক্ষার প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রায় তিন হাজার বেকার যুবক -যুবতীয় কাছে একটি সংস্থার নাম করে প্রতারকরা কয়েক কোটি টাকা তুলেছে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার জেলার মেমারির পালসিটের একটি ধাবাতে প্রশিক্ষণ নেওয়া কর্মপ্রার্থীদের শপথ পত্রে সই করাতে আসে প্রতারক দলটি। মেমারির কানাইডাঙা নিবাসী সেখ মইনুল হাসান নামে এক প্রতারিত যুবক প্রতারকদের বিষয়ে ওইদিনই মেমারি থানায় অভিযোগ জানান। পালশিটের এক ধাবায় হাজির হয়েছিলেন ৩৩ জন কর্মপ্রার্থী। তাঁরা মূলত পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, হুগলি জেলার বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে মেমারির কানাইডাঙার মইনুল হাসান সহ ২০ জন পুলিশকে প্রতারণার কথা জানান। মইনুল হাসানের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করেছে।আরও পড়ুনঃ শিব- পার্বতীর বিবাহ স্থলেযুবক মইনুল হাসান পুলিশকে অভিযোগে জানিয়েছে, ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে শক্তিগড়ের সামন্তী গ্রামের বাসিন্দা ধনঞ্জয় মাঝির মাধ্যমে তাঁর মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের মিহির কুমার দাসের পরিচয় হয়। ওই ব্যক্তির সঙ্গেই তারকেশ্বরের মহেশপুরের বিনয় কুমার মালিকের কাছে গিয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারের চাকরির আশায় ৫৫ হাজার টাকা দেন। তাঁদের গ্রামের শেখ গোলাম মহম্মদ ছাড়াও আরও কোন কোন কর্মপ্রার্থী কত টাকা চাকরির জন্য দিয়েছে তাও তিনি পুলিশকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। ওই যুবক জানিয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে এই চক্রটি চলছে। দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে-সহ রাজ্যের অন্য লেনে পথ নিরাপত্তার কাজে তাঁদের নিয়োগ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্র সরকারের তরফে এই চাকরি দেওয়া হবে বলে জানিয়ে কর্মপ্রার্থীদের কাছে আবেদন নেওয়া হয়। তারপর ৬০ হাজার থেকে সাড়ে চারলক্ষ টাকা ধাপে ধাপে কর্মপ্রার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া হয়। এরপর কলকাতার কসবার কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁদের শারীরিক পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের বারাসাতে তিনদিনের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। যদিও ধৃতরা দাবি করেছে, চাকরি দেওয়ার নাম করে নয়, প্রশিক্ষণ দেওয়ার নামে ২৫ হাজার টাকা করে তাঁরা নিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতাজেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহ রায় জানিয়েছেন, ধৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, তাঁদের হেড অফিস কলকাতার নিমতা থানার বিরাটিতে। জনৈক দেবকুমার চট্টোপাধ্যায় হচ্ছেন ওই সংস্থার প্রধান। গোটা চক্রটিকে ধরার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
রাজ্য

Accident: বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন রাজ্যের মন্ত্রী

বরাত জোরে বেঁচে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের বিধায়ক বড়সড় পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। রাজ্যের গ্রন্থাগারমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী সোমবার বিকেলে নিজের বিধানসভা এলাকা থেকে মেমারি-কাটোয়া রোড ধরে কাটোয়ায় বাড়ি ফিরছিলেন। পথে মেমারি থানার কামালপুর ব্রিজের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। জানা গিয়েছে, অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা করানোর জন্য বাড়ি যাচ্ছিলেন। আহত মন্ত্রীকে রাতে পৌছে দেওয়া হয় কাটোয়ার কবজগ্রামের বাড়িতে।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেজানা গিয়েছে, সাতগেছিয়ার আগেই বড়সড় বিপত্তি ঘটে। ওই সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি ডানদিকে ঘুরে যাওয়া মেমারি মুখী একটি বোলেরো পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মন্ত্রীর গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এই দুর্ঘটনায় সামান্য জখম হয়েছেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। মন্ত্রীর গাড়ির চালক এবং বোলেরো গাড়ির চালকও আহত হন । বোলেরো গাড়ির চালককে মেমারির পাহাড়হাটি স্বাস্থকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্যে নিয়ে যাওয়া হয় । আরও পড়ুনঃ বিপদসংকুল ও ভয়ঙ্কর সাচ পাস অভিযানের অভিজ্ঞতাগ্রন্থাগারমন্ত্রী বলেন, বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছি। দুটি আঙুলে সামান্য চোট রয়েছে। তবে সুস্থ রয়েছি। তাঁর মায়ের শরীর খারাপ। মায়ের চিকিৎসা করানোর জন্য তিনি তাঁর কাটোয়ার বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান সদর(দক্ষিণ) এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান জানান, মন্ত্রীর গাড়ির চাকা পাংচার হয়ে এই বিপত্তি ঘটে। পুলিশ খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজ্য

Human Rights : জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিদের পূর্ব বর্ধমানে আসা নিয়ে তুঙ্গে তৃণমূল ও বিজেপির তর্জা

ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা নিয়ে খোঁজ খবর নিতে এই রাজ্য চষে বেড়াচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি দল। সোমবার কমিশনের প্রতিনিধিদন পূর্ব বর্ধমান জেলার ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে আসেন। বিমলজিত উপ্পল ও আই আর কুরিলসের নেতৃত্বাধীন কমিশনের প্রতিনিধি দল এদিন প্রথম বর্ধমান সার্কিট হাউসে পৌঁছান। সেখানে এক প্রস্থ বৈঠক সেরে তাঁরা বিকেলের দিকে সোজা পৌছে যান জামালপুর থানার নবগ্রামে। পরে সন্ধ্যায় তাঁরা রায়নার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।আরও পড়ুনঃ চূড়ান্ত ট্রায়ালে সাফল্য, ডেল্টা প্রজাতি রুখতে সক্ষম কোভ্যাক্সিন!ভোটের ফল প্রকাশের পর দিন অর্থাৎ গত ৩ মে নবগ্রামেই রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছিলেন দুই তৃণমূল কর্মী শাজাহান শা (৩০)ও বিভাস বাগ (২৭) এবং এক বিজেপি কার্যকর্তার মা কাকলি ক্ষেত্রপাল (৪৭)। একই দিনে নিহত হন রায়না থানার সমসপুর নিবাসী তৃণমূল সমর্থক গনেশ মালিক (৬০)। নবগ্রাম উড়িষ্যা পাড়ায় বিভাস বাগের বাড়ি। আর কাকলি ক্ষেত্রপালের বাড়ি পাশের পাড়া ষষ্ঠিতলায়। অপর নিহত সাজু শেখের বাড়ি জামালপুরের ভেড়িলি গ্রামে। নবগ্রামে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছিল ১২ জন । তারা সকলেই এখন জামিনে মুক্ত। রায়নার সমসপুরের গনেশ মালিককে হত্যার ঘটনাতেও ৮ জন গ্রেপ্তার হন । দো-ভাষীকে সঙ্গে নিয়ে কড়া পুলিশ পাহারায় কমিশনের প্রতিনিধিরা এদিন জামালপুরের তিন নিহতের বাড়িতে পৌছান।আরও পড়ুনঃ বিপদসংকুল ও ভয়ঙ্কর সাচ পাস অভিযানের অভিজ্ঞতাজাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি দল গত ৩ মে নবগ্রামে নিহত হওয়া তিন জনের বাড়িতে গিয়ে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।পাশাপাশি ওইদিন নবগ্রামে কি ঘটনা ঘটেছিল তার সবিস্তার তথ্যও তাঁরা সংগ্রহ করেন। এরপর কমিশনের প্রতিনিধিরা রায়নার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।আরও পড়ুনঃ মেসি জাদুতে আচ্ছন্ন কোপা, শেষচারে আর্জেন্টিনানিহত বিভাষ বাগের স্ত্রী ঝর্ণা বাগ বলেন, সেদিন কী ঘটনা ঘটেছিল তা কমিশনের প্রতিনিধিরা তাঁর কাছে জানতে চান । বিভাষ বাগ কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তাও জানতে চায় ।সরকারি কোনও সাহায্য পেয়েছে কিনা জানতে চাইলে ঝর্ণাদেবী কমিশণের প্রতিনিদিধের বলেন তিনি ৪ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য পেয়েছেন । একটি চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার দাবিকমিশনের প্রতিনিধিদের কাছে রাখেন ঝর্ণাদেবী । তবে চাকরির বিষয়টি নিয়ে আশ্বাস কিছু মেলেনি বলে ঝর্ণাদেবী জানিয়েছেন । একইভাবে কাকলি ক্ষেত্রপাল ও শাজাহন শাহের বাড়িতে গিয়েও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে সেদিনের ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করেন কমিশনের প্রতিনিধিরা।জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের এই অতি সক্রিয়তা নিয়েই পূর্ব বর্ধমান জেলায় তুঙ্গে উঠেছে তৃণমূল ও বিজেপির রাজনৈতিক তর্জা। রাজ্য বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী তথা আসানসোল দক্ষিনের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলরবিবার কালনায় দলের কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ইস্যুকে সামনেএনে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে সুর চড়ান।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরতৃণমূল কংগ্রেস, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর বর্ধমানসহ রাজ্য জুড়ে আক্রান্ত হচ্ছে বিজেপি কর্মীরা। আদালত নির্দেশ দেওয়ার পর এখন পুলিশ ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের বাড়ি পৌছে দিচ্ছে। অগ্নিমিত্রা দাবি করেন, নির্যাতনের বিষয়ে খোঁজখবর নিতে আসা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের টিমও এই রাজ্যে ছাড়া পাচ্ছে না। এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেশের প্রধানমন্ত্রীকে মানেন না , মানবাধিকার কমিশনকেও মানেন না। এখন আদালতকেও মানছেন না বলে অগ্নিমিত্রা পল কটাক্ষ করেন। বিজেপি নেত্রীর এহেন মন্তব্যের কঠোর বিরোধিতা করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেতৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যের মুখপত্র তথা পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু এই প্রসঙ্গে বলেন, বিধানসভা ভোটে পরজয়টা বিজেপির নেতা নেত্রীরা কিছুতেই মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না। সেই জন্য ওরা এখন নানা ভাবে রাজ্য সরকারের বদনাম করার জন্যে উঠেপড়ে লেগেছে । তাই জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন, তপশিলি কমিশন এদের এই রাজ্যে পাঠাচ্ছে। দেবু টুডু দাবি করেন, এরা কোনও সরকারের নিরপেক্ষ কোনও এজেন্সি নয়। এরা রাজনৈতিক দল বিজেপির এজেন্সি মাত্র। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন, তপশিলি কমিশন শুধু বিজেপির দালালি করছে। ওরা শুধু বিজেপির নেতা কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে কথা বলে চলে যাচ্ছে । প্রশাসনিক কোনও লেবেলের সঙ্গে কথা বলছে না , সাধারণ মানুষের সঙ্গেও কথা বলছে না। বিজেপি নেতাদের সঙ্গে সিটিং করে শুধু কাজ করছে । জাতীয় মানবাধিকার কমিশন , মহিলা কমিশন, তপশিলি কমিশন এ সবই বিজেপির শাখা সংগঠন বলে দেবু টুডু দাবি করেন । একই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, ওদের কথা কে শুনবে।আরও পড়ুনঃ গলসিতে আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতিরতৃণমূল কংগ্রেসের মুখপত্র দেবু টুডুর এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিতে কশুর করেনি জেলা বিজেপি নেতৃত্ব । বিজেপির পূর্ব বর্ধমান কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, দেবু টুডুর বক্তব্য থেকেই পরিস্কার হয়ে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস আসলে দেশের সাংবিধানিক কোন ব্যবস্থাকেই মানে না। অগ্নিমিত্রা পল ঠিকই বলেছেন, এই রাজ্যে স্বৈরাচারী, অত্যাচারী সরকার চলছে। অন্যদিকে জেলা বিজেপির সহ- সভাপতি প্রবাল রায় বলেন , আজকে যিনি মুখ্যমন্ত্রী তিনি ও তাঁর দলের অন্য রাজ্য নেতারা সিপিএমের রাজত্ব কালে কথায় কথায় ৩৫৬ ধারা, মানবাধিকার কমিশন চাই ইত্যাদি ইত্যাদি বলতেন। এখন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন তৃণমূলের নেতা, হার্মাদ ও জেহাদিদের আসল চরিত্র গুলি বুঝে আদালতকে জানাচ্ছে। এটাই তৃণমূলের বড্ড খারাপ লাগছে।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে আক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর চক্রান্ত করে আক্রমণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নন্দীগ্রামে রেয়াপাড়ায় তিনি ঘরভাড়াও নিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবিযোগ করেছেন,গাড়ি দাঁড় করিয়ে মন্দিরে প্রণাম করছিলাম তখন চার-পাঁচ জন আমাকে ঠেলে দেয়। তখনই আমার মুখে ও পায়ে আগাত লাগে। আপাতত কলকাতায় যাচ্ছি।এদিন হলদিয়ায় মনোনয়নপত্র জমা দেন। রাণীচকে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানেই ঘটনাটি ঘটে। এদিন নন্দীগ্রামে থাকার কথা ছিল। বিজেপি পুরো বিষয়টা নাটক হিসাবে দেখছেন। বিজেপির রাজ্য সহসভাপতি তথা সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, এই ঘটায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্তাদের সাসপেন্ড করা উচিত। সূত্রের খবর,, ভিড়ের মধ্যে নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় ধাক্কা-ধাক্কিতে মুখ থুবড়ে পড়ে যান মমতা। তাঁর পায়ে প্রচণ্ড চোট লেগেছে। মুখ্যমন্ত্রীকে তড়িঘড়ি কলকাতায় আনা হচ্ছে। জানা গিয়েছে এসএসকেএম-এ তাঁর চিকিৎসা হবে। ঘটনার সময় পুলিশ সুপার বা কোনও রাজ্য পুলিশ ছিল না। বলেই অভিযোগ মমতার। জানা গগিয়েছে, খবর জানাজানি হতেই নির্বাচন কমিশন জেলা প্রশাসনের থেকে রিপোর্ট তলব করেছে।ভোটের বাংলায় এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল। জেড প্লাস নিরাপত্তা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার মধ্যেই নিরাপত্তার বেড়াজাল ভেঙে কীভাবে এত মুখ্যমন্ত্রীকে ধাক্কা দিলেন? সব মহলেই এই প্রায় উঠেছে।

মার্চ ১০, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে বাড়ি ভাড়া নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, বানাবেন কুঁরে ঘর

সবার প্রথম তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়েছে নন্দীগ্রামে। ওই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছে। সম্মুখ সমরে মমতা-শুভেন্দু। জমি আন্দোলনের পর এবার রাজনীতির উত্তাপে দগ্ধ নন্দীগ্রাম। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সব থেকে নজরকাড়া কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের বটতলার সভা থেকে প্রচারে ঝড় তুললেন তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজে সেখানে দুই কামরার বাড়ি ভাড়া নেওয়ার কথাও ঘোষণা করলেন। স্মৃতি আওড়ালেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের।একসময় বামপন্থীরা স্লোগান তুলছিল ভুলতে পারি বাপের নাম, ভুলবো নাকো ভিয়েতনাম। এদিন মমতা বলেন, ভুলতে পারি সবার নাম, ভুলবো নাকো নন্দীগ্রাম। এভাবেই নন্দীগ্রামকে সম্মান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সিঙ্গুরে আন্দোলন শুরু হয় নন্দীগ্রামের আগে। সিঙ্গুর আন্দোলন না হলে নন্দীগ্রামের আন্দোলনে তুফান হত না। আমি নিজেও গ্রামের মেয়ে। শহরে মানুষ হয়েছি। সেটাও ভালবাসার জায়গা। ছোটবেলা গ্রামেই কেটেছে। আলে আলে ঘুরে বেড়াতাম। ধান কাটতাম। সর্ষে ক্ষেতে যেতাম। গ্রামের প্রতি আমার টান আছে। সিঙ্গুর বা নন্দীগ্রামে যে কোনও এক জায়গায় আমি প্রার্থী হতাম। রাজনৈতিক মহলের মতে, এভাবেই গ্রামের আবেগ ছুঁতে চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী।আন্দোলনের স্মৃতি উসকে মমতা বলেন, গন্ডগোলের সময় একবার তাহের(আবু তাহের) ফোন করছে, একবার সুফিয়ান(সেখ সুফিয়ান) ফোন করছে। গুলির শব্দ শোনাচ্ছেন ফোনে। যাঁদের থাকার কথা ছিল তাঁরা একটা গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়েও ছিলেন না। ১০ নভেম্বর সূর্য উদয়। ১০ জনকে টানতে টানতে নিয়ে গিয়ে কেটে ভাসিয়ে দিয়েছে না কী করেছে কেউ জানে না। তেখালিতে গুলি চালাচ্ছে, আমার গাড়িতে গুলি লেগেছে। গোকুলনগর, তেখালি, সোনাচূড়া বিভিন্ন গ্রামের নাম বলতে থাকেন মমতা। মমতার বক্তব্য, তাঁকেও বাইরের লোক বলে অভিহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।বেশ কয়েকটি জনসভায় বামেদের বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বাম দলেও অনেক ভাল মানুষ আছেন বলেও মন্তব্য করেছিলেন। এদিন নন্দীগ্রামে মমতা বলেন, পুরনো অত্যাচারী সিপিএম চলে এসেছে। বিজেপি এদের নিয়ে এসেছে। নন্দীগ্রামে লক্ষ্মণ শেঠের সঙ্গে কাজ করছে। সিপিএম, কংগ্রেস ও বিজেপি এক। হুমকি দিচ্ছে তোমার বিরুদ্ধে কেস আছে! এসব দুমাস করে নাও। সাতদিন পরে তোমরা কোথায় যাবে?এদিনের সভায় নন্দীগ্রামের উন্নয়নের ফিরিস্তি দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। একইসঙ্গে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম ও হলদিয়াকে জুড়তে সেতু তৈরি করা হবে। মডেল নন্দীগ্রাম করব। বেকারদের চাকরি হবে। নন্দীগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় করব। আমি চাই এখানকার ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করুক। মমতা জানিয়ে দেন, নন্দীগ্রামে রুইয়া পাড়ায় দুটি রুমের একটা বাড়ি ভাড়া নিয়েছি। পরে একটা কুঁড়ে ঘর বানিয়ে নেব। এখানে ভোট পয়লা এপ্রিল। ওদের এপ্রিল ফুল করে দেবেন। পয়লা এপ্রিল নন্দীগ্রামে খেলা হবে। তিন মাস অন্তর তিনি নন্দীগ্রামে আসবেন বলেও জানিয়ে দেন।

মার্চ ০৯, ২০২১
রাজ্য

ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা বর্ধমানে, পর পর পিষতে থাকল ট্রাক

ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার শিকার হল চারজন। বেপরোয়া ট্রাক টানা পিষে দিল একাধিকজনকে। মৃত চারজনের মধ্যে তিনজনের পরিচয় জানা গিয়েছে। রিপন মণ্ডল (২০), অনিমেষ রায়(২২) ও বিকাশ শর্মা(৫৫)। বারে বারে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনার জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তা অবরোধ করে। অবরোধের জেরে জাতীয় সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পালসিটে যান এসডিপিও সাউথ আমিনুল ইসলাম খান। তিনি বিক্ষোভের মুখে পড়েন।জানা গিয়েছে, বর্ধমানের ২ নম্বর জাতীয় সড়কের পালসিট স্টেশনের কাছে একটি লরি রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনকে টানা পিষে দিয়ে চলে যায়। স্থানীয়রা চিৎকার চেচামেচি করলেও লরিটি পর পর মানুষজনকে ধাক্কা মারতে থাকে। দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চারজন মারা গিয়েছে। লরিটি কলকাতা থেকে বর্ধমানের দিকে যাচ্ছিল।পালসিট স্টেশনের কাছে লরির চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা বাইকে প্রথমে ধাক্কা মারে।তারপর রাস্তার বাঁদিকে বাস ধরার জন্য দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনকে একের পর একজনকে পিষে দিয়ে চলে যায়। এই দুর্ঘটনার ১৪ জন জখম হয়। তাঁদের উদ্ধার করে অনাময় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চারজন মারা যায়। মৃতদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও একজন মহিলা।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১
রাজ্য

বড় খবর: কোকেন-কাণ্ডে আটক রাকেশ সিং

গলসি থেকে আটক কোকেন কাণ্ডে অভিযুক্ত রাকেশ সিং। ইতিমধ্যেই গলসির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। রাকেশকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতার ফিরবেন তাঁরা। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার জন্য তাঁর দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।কোকেন কাণ্ডে রাকেশ যোগ নিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত অরফানগঞ্জ। মঙ্গলবার তার লালবাজারে হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও সুকৌশলে তা এড়ানোর চেষ্টা করে বিজেপি নেতা। জানান, দলের কাজে দিল্লিতে রয়েছেন তিনি। তবে পুলিশের হাজিরের নির্দেশ প্রত্যাহারের আবেদন জানাতে কলকাতা হাইকোর্টে যান তিনি। এরপরই পুলিশ আধিকারিকরা নিশ্চিত হন রাকেশ সিংয়ের সাক্ষাৎ পাওয়া সহজ হবে না। মঙ্গলবার দুপুরে আচমকাই কোকেন কাণ্ডে অভিযুক্ত রাকেশ সিংয়ের অরফানগঞ্জ এলাকার বাড়িতে হাজির হয় কলকাতা পুলিশের বিশাল বাহিনী। প্রথমে সিআইএসএফ তাঁদের বাড়ির ভিতরে ঢুকতে বাধা দেয়। এরপর সামনে আসেন রাকেশ-পুত্র। পুলিশ আধিকারিকদের ভিতরে ঢুকতে তিনি বাধা দেন বলে অভিযোগ। তিনি দাবি করেন, পুলিশের কাছে যথাযথ নথি নেই। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে শুরু হয় বচসা। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। বিকেল ৫ টায় অবশেষে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করেন আধিকারিকরা। সেই সময়ই জানা গিয়েছিল, এদিনই গোটা বাড়িতে তল্লাশি চালানো হবে। তিনঘণ্টা তল্লাশি চালানোর পর রাত আটটা নাগাদ রাকেশ সিংয়ের বাড়ি থেকে বের হন পুলিশ আধিকারিকরা। সন্ধেয় রাকেশ সিংয়ের দুই ছেলে সাহেব ও শুভমকে আটক লালবাজারে নিয়ে যায় পুলিশ। তদন্তকারীদের তরফে জানানো হয়েছে, কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগেই আটক করা হয়েছে এই দুই যুবককে। এরপর রাতে গলসি থেকে আটক করা হয় রাকেশকে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২১
রাজনীতি

মুখ্যমন্ত্রীও বলছেন খেলা হবে, কী ভূমিকা নেবেন মমতা?

খেলা হবে স্লোগানে মাতোয়ারা বাংলার রাজনীতি। ডান-বাম সব পক্ষই বলছে খেলা হবে। কী খেলা হবে তা কেউ ব্যাখ্যা করছে না। তবে খেলায় জিতব বলে সকলেই দাবি করছে। এরই মধ্যে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন তিনি খেলবেন গোলরক্ষকের ভূমিকায়। তিনি যে কারও চমকানি ধমকানিতে ভয় পান না, ফের হুঁশিয়ার করেছেন মমতা। তাছাড়া জয় বাংলা স্লোগান যে বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান দিয়েছেন সেকথাও স্মরণ করিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।খেলা হবে-তে তিনি থাকছেন বলেই ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। মমতা বলেছেন, একুশেই চ্যালেঞ্জ হবে। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম দেখি কার জোর কত বেশি। একুশে একটাই খেলা হবে, আমি থাকব গোলরক্ষক। কারা হারে কারা জেতে সেটা আমি দেখতে চাই। জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে কটাক্ষ করে আসছে পদ্মশিবির। এটা বাংলাদেশের স্লোগান বলেই বিজেপির দাবি। সেই দাবিকেই সিলমোহর দিলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রী বলেন, যদি জেলে পাঠিয়ে দেয় তাহলেও আমি জেল থেকে ডাক দেব বঙ্গবন্ধুর মতো জয় বাংলা, জয় বাংলা, জয় বাংলা, জয় হিন্দ, জয় হিন্দ, জয় হিন্দ, বন্দেমাতরম। হারতে আমরা শিখিনি আমরা হারব না। হারাতে আমাদের পারবে না। এটাই আমাদের ভাষা দিবসে আমাদের শপথ। ভাষা দিবসের অঙ্গীকার।ভাষা দিবসে মমতার আক্ষেপ কেন এই রাজ্যের নাম বাংলা হবে না। এটা তো রাজ্য বা প্রদেশ। বাংলাদেশের সঙ্গে মিলবে কেন? বলেন মমতা। তিনি বলেন, ওড়িষা হবে, বাংলা হবে না। বরাবরই বাংলার প্রতি বিমাতৃসুলভ আচরণ। এটাতো বাংলা রাজ্য। বাংলাদেশ তো নয়। পাকিস্তানেও তো পাঞ্জাব আছে। তাতে কী হয়েছে। নেতাজি সুভাষ বোস, রবীন্দ্রনাথকে অবহেলিত হতে হয়েছে। কেউ কেউ বলেন, বাংলা মানেই বাঙ্গাল ওতো সবসে জাদা খারাপ হ্যায়। বাঙাল বলেছে কাঙাল বলেছে কত কিছু বলেছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
রাজনীতি

ভোটে দাঁড়াবেন না রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, তিন লাইনের চিঠি মমতাকে

শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মাটি উৎসবের মঞ্চে হাজির ছিলেন না। বুধবার সকালে সরাসরি টুইট করে রাজ্যের প্রাক্তনমন্ত্রী রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তিনি লড়বেন না। গত ৩০ জানুয়ারি বর্ধমান দক্ষিণের দুইবারের বিধায়ক চিঠি লিখে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সেকথা জানিয়েও দিয়েছেন। এই খবরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।২০১১ বিধানসভা নির্বাচনে বর্ধমান দক্ষিণে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিলেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত বাংলার অধ্যাপক রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। প্রথমে অবশ্য দলের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রার্থী হিসাবে ডা. স্বরূপ দত্তের নাম ঘোষণা করেছিল। তাঁকে প্রার্থী করা নিয়ে দলের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়েছিল। বর্ধমানে দলের একাংশ স্বরূপ দত্তের নামে প্রচারও শুরু করে দিয়েছিল। কিন্তু পরে তাঁকে বদলে প্রার্থী করা হয় রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়কে। জয় পেয়ে রাজ্যের ক্যাবিনেট মন্ত্রীও হয়ে যান রবিবরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। এখনও তিনি বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান রয়েছেন।আগামী বিধানসভা নির্বাচনে আমার বয়স ও শারীরিক কারণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দলনেত্রী @MamataOfficial কেও এই বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছি।আমার প্রিয় বর্ধমানবাসীদের ধন্যবাদ জানাই ও তাঁদের কল্যাণ কামনা করি। pic.twitter.com/h0CYEUZCtW Rabiranjan Chattopadhyay (@RabiranjanChat1) February 10, 2021এদিন প্রবীণ এই তৃণমূল বিধায়ক টুইটে লিখেছেন, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে আমার বয়স ও শারীরিক কারণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দলনেত্রীকে এই বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছি। আমার প্রিয় বর্ধমানবাসীকে ধন্যবাদ জানাই ও তাঁদের কল্যাণ কামনা করি। এই টুইটের পরেই বর্ধমান শহরে তৃণমূলের প্রার্থী কে হবেন তা নিয়ে রীতিমতো জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে।সম্প্রতি বর্ধমানে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে ওঠে। এক গোষ্ঠী মিছিল করলেই আরেক গোষ্ঠী পাল্টা মিছিল করেছে। এদিকে বর্ধমানের প্রাক্তন পুরপতি আইনুল হক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। তাঁর দলে যোগ দেওয়া নিয়ে প্রকাশ্যে বিদ্রোহী হয়েছেন আরেক তৃণমূল নেতা খোকন দাস। প্রকাশ্যে বিরোধিতাও করেছেন। বর্ধমান শহরে গোষ্ঠীকলহের জেরে সংঘর্ষও হয়েছে। দলবল নিয়ে থানা ঘেরাও করেছেন খোকন দাস। এককথায় নজীরবিহীন গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শুরু হয়ে যায় বর্ধমান শহরে। দলের একাংশ মনে করেন, কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বই কখনও সামলাতে পারেননি রবিবরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। ২০১৬ তে বিধায়ক হওয়ার পর দল রবিবাবুকে আর মন্ত্রীও করেনি। শোনা যায় ক্রমশ দলনেত্রীর সঙ্গেও তাঁর দূরত্ব বেড়ে গিয়েছিল। শেষমেশ রবিরঞ্জনবাবু টুইট করে ঘোষণা করে দিলেন তিনি আর প্রার্থী হবেন না।বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, আইনুল ও খোকন শিবির প্রার্থীপদের প্রত্যাশী। তার মধ্যেই বেড়েছে বিজেপি। বেশিরভাগ ওয়ার্ডে জিতলেও বর্ধমান দক্ষিণে সামান্য ভোটে পিছিয়ে ছিল গেরুয়া শিবির। এই ফলাফলে উৎসাহিত বিজেপি আসন্ন নির্বাচনে টার্গেট করেছে এই আসনটিকেও।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
রাজনীতি

"ভাল হয়েছে পাপ বিদায় নিয়েছে", তোপ তৃণমূল সুপ্রিমোর

কালনায় দলীয় জনসভা করার পর বর্ধমানে মাটি উৎসবে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর তিনি মুর্শিদাবাদে জনসভা করেন।রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। একাধিক তৃণমূল বিধায়ক পদ্মশিবিরে ভিড়েছেন। মঙ্গলবার কালনার জনসভায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দুষ্টু গরুর থেকে শূন্য গোয়াল ভাল। কয়েকটা দুষ্টু গরু হাম্বা হাম্বা ডাকতে ডাকতে ইদার উধার করে বেড়াচ্ছেন। নিজেদের দুর্নীতি চাপা দেওয়ার জন্য তারা গেছেন। ভালো হয়েছে পাপ বিদায় নিয়েছে। যাঁরা তৃণমূলে থেকে খারাপ করে তাদের তৃণমূল কংগ্রেসের থাকার প্রয়োজন নেই।কালনার তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুন্ডু বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কালনা বিধানসভা আসন এবার তাই তৃণমূলের কাছে চ্যালেঞ্জ। নাম না করে বিঁধেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকেও। কালনায় দাঁড়িয়ে মমতা বলেন, বুঝে তো নিতেই হবে বিজেপি পার্টিকে। যে পার্টিটা কোনও ধর্ম জানে না। জানে না হিন্দু ধর্মের মধ্যে কত ধর্ম আছে। স্বামী বিবেকানন্দকে বিবেকানন্দ ঠাকুর বলে দিচ্ছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পদবী বসিয়ে দিচ্ছেন।কৃষি ভান্ডারে দাঁড়িয়ে তৃণমূল নেত্রী জানিয়ে দেন, কৃষকদের জন্য কি কি করছে রাজ্য সরকার। ধান প্রতিবার কেনা হবে বলেও ঘোষনা করেন মমতা। পদ্মশিবিরের বিরুদ্ধে তোপ দেগে মমতা বলেন, বিজেপি টাকা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। টাকা দিলে খেয়ে নেবেন। মুরগির মাংস খেয়ে নেবেন। বিজেপি গোঁজামিল পার্টি। শুধু মিথ্যা কথা বলে। বিজেপি থেকে সাবধান। ঠাকুরঘরে তৃণমূলের জোড়াফুল চিহ্নে পুজো দিয়ে বাড়ি থেকে বাইরে বের হন হলে জানান মমতা।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
রাজ্য

সোশাল মিডিয়ায় প্রেমিকার আপত্তিকর ছবি, গ্রেপ্তার যুবক

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় টাকা হাতানোর জন্য প্রেমিকার আপত্তিকর ছবি সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়ে ব্ল্যাকমেলিং করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হল এক যুবক। ধৃতের নাম ইমদাদুল শেখ ওরফে বিশাল। ধৃতের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার খাঁপাড়ায়। মঙ্গলবার রাতে বাড়ি থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। ধৃতকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে সোমবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত সিজেএম দিতি ভট্টাচার্য। যুবকের ডাক্তারি পরীক্ষা করানোরও দির্দেশ দিয়েছেন সিজেএম। ধৃতের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন যুবতী ও তাঁর পরিবার । পুলিশ জানিয়েছে, গলসি থানার রাইপুরের বাসিন্দা ওই যুবতীর সঙ্গে ইমদাদুলের ভাব-ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ইমদাদুল তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেয়। হোটেল ও গেস্ট হাউসে যুবতীকে নিয়ে গিয়ে ইমদাদুল তার সঙ্গে সহবাস করে বলেও অভিযোগ। মাস তিনেক আগে যুবতীর সঙ্গে তার সম্পের্ক ছেদ পড়ে। এরপরেই যুবতীর হোয়াটস অ্যাপে ইমদাদুল বেশ কয়েকটি অশালীন ছবি পাঠায়। একই সঙ্গে যুবতীকে সম্পর্ক জোড়ার জন্য যুবক চাপও দেয়। তাতে রাজি না হওয়ায় যুবতীকে নানাভাবে ব্ল্যাকমেলিং করতে শুরু করে অভিযুক্ত। কয়েকটি আপত্তিকর ছবি যুবতীর জামাইবাবুকেও হোয়াটসঅ্যাপ করে ইমদাদুল পাঠায়। তার প্রস্তাবে রাজি না হলে সব ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেয়। এমনকি যুবতীর কাছ থেকে সে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে।যুবতী মঙ্গলবার ঘটনার কথা জানিয়ে গলসি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ ধৃতের ২টি মোবাইল ও কয়েকটি আপত্তিকর ছবি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১
রাজ্য

"পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে সরকার গড়তে দেবেন না", আবেদন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় সরকার কৃষক বিরোধী বিল পাশ করে আসলে বড় পুঁজিপতিদের হাত শক্ত করছে। এর ফলে প্রকৃত কৃষকরা বঞ্চিত হবে আর কর্পোরেট সংস্থাগুলি সুবিধা পাবে বলে মঙ্গলবার দাবি করেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মাণিক সরকার। এদিন বিকেলে বর্ধমান টাউনহলে সিপিআইএমের জনসভায় বক্তব্যে কেন্দ্র ও ত্রিপুরার বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে মাণিক সরকার তীব্র আক্রমণ শানান । একই সঙ্গে তিনি আবেদন করেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে সরকার গড়তে দেবেন না । তাহলে বড় সর্বনাশ হয়ে যাবে । বর্ধমানে জনসভার মঞ্চ থেকে মাণিক সরকার আরও বলেন, বিজেপি ডিভাইড এ্যন্ড রুল অর্থাৎ ধর্মের মাধ্যমে আন্দোলনকে ভাগ করতে চাইছে। সেই কারণে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। মাণিকবাবুর দাবি, লকডাউনে মানুষকে বিপদে ফেলেছিল বিজেপি সরকার। গোটা দেশে ৪৯ থেকে ৫২ কোটি পরিযায়ী শ্রমিক আছে। লকডাউনে কোটি কোটি মানুষ অসহায় হয়ে পড়েন। শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। বিভিন্ন জায়গায় আটকে পড়া মানুষজন লকডাউনের সময় হেঁটে হেঁটে বাড়ি ফিরেছেন। তবুও বিজেপি সরকার তাদের কথা ভাবেনি। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য কোন চিন্তাও করেনি। কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইন প্রসঙ্গে মাণিক সরকার বলেন, পুঁজিপতিদের হাত শক্ত করতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার কৃষক বিরোধী বিল পাশ করেছে। এরফলে প্রকৃত কৃষকরা বঞ্চিত হবে আর লাভবান হবে, সুবিধা পাবে কর্পোরেট সংস্থাগুলি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জানান ,কৃষি আইন বাতিলের জন্য মাসের পর মাস সারা ভারত কৃষকসভা আন্দোলন করছে। এছাড়াও কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র সবাই এখন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে । বিজেপি সরকারের কঠোর সমালোচনা করে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, বিজেপি সরকার সাধারণ মানুষের অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। ধর্মের নামে কেউ যাতে ভারতবর্ষকে ভাগ করতে না পারে তার জন্য ভারতে সংবিধান তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সংবিধানকেও এখন আক্রমণ করা হচ্ছে। মাণিক বাবুর দাবি, আরএসএস পরিচালিত বিজেপি সরকার গোটা দেশকে হিন্দুরাষ্ট্র করতে চাইছে। সংবিধানে নাগরিকের অধিকারের কথা উল্লেখ করা আছে। আর বিজেপি সরকার হিন্দুত্বের ভাবনা তৈরি করেছে। নতুন নাগরিক আইনে করে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হল।এইসব করে দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে তাদের অবদানকেই কার্যত অস্বীকার করা হচ্ছে। এদিন বর্ধমানের সভা মঞ্চ থেকে নির্বাচন কমিশনকেও একহাত নেন মানিক সরকার। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে না। সেই কারণে মানুষ ভোট দিতেও পারছে না। তাদের ঘরছাড়া হতে হয়। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন কেউই সঠিক ভূমিকা পালন করছে না বলে মাণিক বাবু মন্তব্য করেন। মাণিক বাবু জনসভা মঞ্চ থেকে আবেদন রাখেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে সরকার তৈরি করতে দেবেন না। তাহলে বড় সর্বনাশ হয়ে যাবে বলে তিনি জানিয়েদেন।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১
রাজ্য

"পূর্ব বর্ধমানে করোনার টীকা ঝেড়েছে তৃণমূল কোম্পানি", কালনার জনসভায় তোপ শুভেন্দুর

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সোমবার ২০২১-২২ অর্থ বর্ষের বাজেট পেশ করেছেন। এদিন পূর্ব বর্ধমানের কালনায় বিজেপির জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় বাজেটের ভূয়সী প্রশংসা করলেন তৃণমূল ত্যাগী বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, করোনা অতিমারির জন্য মোদি সরকার বাজেটে ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। আগামী এক বছর ধরে সমস্ত ভারতবাসীকে টিকা দেওয়ার কথাও বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে বাজেটে। স্বাস্থ্য খাতে ৬৫ হাজার কোটি টাকা বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে শুরু করে এইমস(AIIMS)-এর মত হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ পর্যন্ত সমস্ত চিকিৎসা ক্ষেত্রে নতুন আধুনিক পর্বের ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা বাজেটে বলা হয়েছে।কালনার এই জনসভায় বিজেপির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মুকুল রায় বলেন, দীর্ঘ দিন রাজনীতি করছি। এর আগে সরকার পরিবর্তন দেখেছি। একই উচ্ছাস ২০২১ সালেও দেখছি। এবারও মানুষের উচ্ছাসও যে সরকার পরিবর্তন করার উচ্ছাস তা পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে বলে মকুলবাবু মন্তব্য করেন।বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দুবাবু দাবি করেন, ৭৫ উর্ধ্ব বয়সের প্রবীন নাগরিকদের ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করতে হবে না বলে বাজেটে যা ঘোষণা করা হয়েছে সেটা বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত। ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছরে দেশের সিনিয়র সিটিজেনদের এই বিশেষ উপহার দিয়েছে মোদি সরকার।বাজেটের প্রসঙ্গ সামনে এনে তৃণমূল কংগ্রেসকেও বেনজির ভাষায় আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূলকে লকডাউনে চালচুরি, আমফানে ত্রিপল চুরি করতে দেখা গেছে। এখন দেখা যাচ্ছে টিকাও চুরি করছে। পূর্ব বর্ধমান জেলার চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য যে টিকা এসেছিল তার থেকে ১৫ টি টিকা ঝেড়ে নিয়েছে তৃণমূল কোম্পানির লোকেরা। তার মধ্যে রয়েছে ২ বিধায়ক ও একজন প্রাক্তন বিধায়ক। তৃণমূল জানিয়ে দিয়েছিল এঁরা হাসপাতালের সঙ্গে যিক্ত। শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন ,কালনা, কাটোয়া,পূর্বস্থলী এলাকা হল শস্যভাণ্ডার। সেই কারণে বিজেপি কৃষক সুরক্ষা যাত্রা এখান থেকে শুরু করেছে । শুভেন্দুবাবু কালনার সভামঞ্চ থেকে জেলার চাষিদের উদ্দেশ্যে বলেন, পশ্চিম বাংলার চাষিরা বাদে সবাই তিন বছরে এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনায় ২০ হাজার টাকা পেয়ে গিয়েছে। রবিবার অমিত শাহজি বলেছেন ,পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুধুমাত্র সংখ্যা পাঠিয়ে দিয়ে রাজ্য সরকারের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বলেছে । কিন্তু মোদিজি বলে দিয়েছেন , না - এই ভাবে টাকা দেওয়া যাবে না। কাটমানি খেতদেওয়া হবে না। সরাসরি কৃষকদের অ্যাকউন্টে টাকা পাঠানো হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।কালনার জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে খালিস্তানিদের মদত দেওয়ার অভিযোগ আনেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, কেন্দ্রের সরকার যখন দেশকে শক্তিশালী করতে চাইছে তখন এই রাজ্যের সরকার দেশকে দুর্বল করতে চাইছে। লালকেল্লা থেকে খালিস্তান জিন্দাবাদ বলছে। শুভেন্দু বাবু দাবি করেন, খালিস্তানি মদতপুষ্ট আন্দোলনকে আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সমর্থন জানাচ্ছেন। রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়েও কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেন, বিধানসভা ভোটের জন্য স্বাস্থ্যসাথী করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের চাপে তিন মাস রোগীদের এখন নার্সিংহোমগুলি ফেরাবে না। সিপিএম নেতাদের উদ্দেশ্যে শুভেন্দু বলেন ,তৃণমূল সরকারের আমলে পঞ্চায়েত ভোটে নমিনেশন জমা দিতে পারেননি, পঞ্চায়েত ভোটে লড়তে পারেননি। বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় না এলে অবাধ পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে না।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
রাজ্য

ভোটারদের মন পেতে বিজেপির প্রতিশ্রুতির পাল্টা দান-ধ্যান তৃণমূলের

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়দোরগোড়ায় রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। ভোটারদের মন পেতে তাই এখন প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন রাজনৈতিক দলের নেতারা। সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁ ঘোষণা করেন, বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলে ছাত্রীদের স্কুটিদেওয়া হবে। পাশাপাশি আরও অনেক কিছু রাজ্যবাসী পাবেন বলে সৌমিত্র ওইদিন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে তৃণমূল নেতৃত্ব সাধারণ মানুষের পাশে থেকে দান-ধ্যান ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার পন্থা নিয়েছে।জনগনের মন পেতে রবিবার জামালপুর বিধানসভা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষথেকে সাত হাজারেরও বেশী দুঃস্থ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হল শীতের কম্বল।একই ভাবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এদিন মেমারি পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তিন শতাধিক দুঃস্থের হাতেও কম্বল তুলে দেওয়া হয়। কনকনে ঠান্ডায় শীত নিবারণের জন্য যাঁরা কম্বল নিলেন তাঁরা ভোট কাকে দেবেন তা অবশ্য কারও জানা নেই। যদিও তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, মানুষের পাশে যাঁরা থাকে জনগন তাঁদেরকেই ভোট দেয় । জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা ব্লক তৃণমূলের নেতা মেহেমুদ খান এই প্রসঙ্গে বলেন, গত লোকসভা ভোটের সময়ে বিজেপি প্রত্যেকের এ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ।এছাড়াও ঘরে ঘরে চাকরি দেবারও প্রতিশ্রুতি দেয়। লোকসভা ভোট মিটে যাবার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু জনগন কিছুই পাননি।অন্যদিকে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের জামালপুর ব্লক সভাপতি ভূতনাথ মালিক এদিন দাবি করেন, শীত ,গ্রীষ্ম ,বর্ষা তৃণমূলই যে বাংলার জনগণের ভরসা সেটা বাংলার মানুষ খুব ভালোভাবেই জানেন। এটাও জনগন জানেন তৃণমূল ভোটে জেতার জন্য মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয় না। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বাংলার উন্নয়নে যেমন জোয়ার এনেছেন তেমনই তৃণমূল কর্মীরা বাংলার জনগনের ভালোর জন্য সারাবছর কাজ করে যাচ্ছে।এইসবের জন্যই জামালপুর সহ গোটা রাজ্যের মানুষ ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী করবেন।যদিও তৃণমূল নেতৃত্বের এমন দাবি প্রসঙ্গে বিজেপির পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দী বলেন, সর্বক্ষেত্রে গরিব মানুষের কাছ থেকে কাটমানি কারা খায় তা বাংলার মানুষ ভালকরেই জানেন। পায়খানা ঘরের টাকা থেকেও তৃণমূলের নেতারা কাটমানি খেতে ছাড়ে না। এবারের বিধানসভা ভোটে জামালপুরের পাশাপাশি গোটা বাংলার মানুষ কাটমানি খাওয়া তৃণমূলকে যে বাংলা ছাড়া করবে তা তৃণমূলের নেতারা ভালোই বুঝে গিয়েছেন। তাই এখন তৃণমূল নেতারা দান ধ্যান করে ভোটারদের মন পেতে চাইছে। তবে এইসব করে আর লাভ কিছু হবে না। সন্দীপ বাবুর দাবি, তৃণমূল সরকারের বিদায় সময়ের অপেক্ষা মাত্র ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
রাজনীতি

বর্ধমান জেলা বিজেপি সভাপতিসহ ১৪ নেতাকে শোকজ, ভোটের মুখে কড়া পদক্ষেপ

বর্ধমান জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দীসহ ১৪ জন বিজেপি নেতাকে শোকজ করল রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিজেপি নেতা গৌর মল্লিক, বিজয় ধারা, নন্দন সিং, কেশব চন্দ্র কোনার, খোকন সেন, সাগ্নিক শিকদার, বিশ্বজিৎ দাস, লক্ষ্মীকান্ত দাস, উত্তম চৌধুরী, স্মৃতিকান্ত মন্ডল, পুস্পজিৎ সাঁই, দেবজ্যোতি সিংহ রায়, রবীন্দ্র গর্গকে শোকজ করা হয়েছে। ৭দিনের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ নেতৃত্ব। জবাবে সন্তুষ্ট না হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে দল।গত ২১ জানুয়ারি বর্ধমান জেলা বিজেপি অফিস চত্বর রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। বিজেপির গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ভিডিওতে দেখা যায় বিজেপির জেলা অফিসের ছাদ থেকে ইঁট, পাথর, পাটা নীচে ছোড়া হচ্ছে। অফিসের সামনে বিক্ষোভ চলতে থাকে। জেলা বিজেপি সভাপতির বিরোধিতা করে বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে থাকে। গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। অভিযোগ পুলিশের ওপর ব্যাপক ইঁটবৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। এই ঘটনায় তখন তৃণমূলের ওপর দোষ চাপিয়েছিল বিজেপি। বিজেপির গোষ্ঠী সংঘর্ষ বলেই পাল্টা দাবি করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এবার ২১ জানুয়ারির ঘটনায় বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব বর্ধমানে দলের ১৪ জন জেলা নেতাকে শোকজ করল।গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ঘটনায় দলীয় শোকজের তালিকায় বিজেপির জেলা সভাপতি তো রয়েছেন। বাকি ১৩ জনও নেতৃত্ব স্থানীয়। এই শোকজের পর গোষ্ঠী সংঘর্ষে অযথা তাদের নাম জড়ানো হয়েছিল বলে দাবি করছে তৃণমূল কংগ্রেস। এখন দেখার বিষয় বিধানসভা নির্বাচনের মুখে এই ঘটনা কোন দিকে মোড় নেয়।

জানুয়ারি ২৫, ২০২১
স্বাস্থ্য

বর্ধমানে দুই তৃণমূল বিধায়কের করোনা টীকাকরণ নিয়ে রাজ্যজুড়ে বিতর্ক

করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে বিতর্কে পূর্ব বর্ধমান জেলার দুজন তৃণমূল বিধায়ক ও একজন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক। শনিবার সারা দেশের সঙ্গে রাজ্যে প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের ভ্যাকসিন বা টিকাকরণ প্রক্রিয়ার কাজ শুরু হয়। এদিন ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালে করোনা ভ্যাকসিন নেন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সুভাষ মন্ডল ও প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। এছাড়াও কাটোয়াতে করোনার টিকা নিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের করোনা ভ্যাকসিন নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। বিজেপি অভিযোগ করেছে রোগী কল্যান সমিতির নাম করে এভাবে টীকা নেওয়া ঠিক হয়নি। প্রথম সারির যোদ্ধাদের আগে টিকাকরণ করার কথা। অন্যদিকে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও জনপ্রতিনিধিদের টিকাকরণ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ প্রকাশ করেছেন।তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের করোনা ভ্যাকসিন নেওয়া প্রসঙ্গে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, এখনই যাঁদের করোনা ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত হয়নি তাঁরা ভ্যাকসিন নিচ্ছেন। আম্ফান এর মতোন এক্ষেত্রেও তালিকায় গন্ডগোল রয়েছে। এদিকে পূর্ব বর্ধমানের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রনব রায় জানিয়েছেন, এই বিধায়করা রোগী কল্যাণ সমিতির সদস্য। তাঁরা সরাসরি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত। তাই তাঁদের টিকাকরণ করা হয়েছে। বর্ধমান জেলা তৃণমূল এর মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাসের বক্তব্য, টীকা নিয়ে কোন স্বজনপোষণ করা হয়নি। বিজেপি সব ক্ষেত্রেই অভিযোগ করে। এই বিধায়করা করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। এঁরা রোগী কল্যাণ সমিতির সঙ্গে যুক্ত।রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের একাংশ জনপ্রতিনিধিদের টীকাকরণ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, সর্বপ্রথমে প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের টীকাকরণ করতে হবে। এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল রাজ্যজুড়ে। টিকাকরণের সফটওয়্যারে একটা সমস্যা হয়েছে। তাই নির্দেশ ছিল জরুরি ভিত্তিতে তালিকা অনুযায়ী টীকা দিতে হবে। এটা ঠিক কাজ হয়নি বলেই তাঁরা মনে করেন।

জানুয়ারি ১৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় বড়সড় ‘অ্যাকশন’! ২৫২টি বন্ধের নির্দেশ, শোকজ আরও ১০০—সরকারি সমীক্ষায় চাঞ্চল্য

অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ রাজ্যের, জেলায় জেলায় নথি যাচাইয়ের পর সিদ্ধান্ত।মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় এবার বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। রাজ্যজুড়ে মাদ্রাসাগুলির উপর চালানো সমীক্ষার পর প্রথম দফায় ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে আরও প্রায় ১০০টি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কলকাতা-সহ রাজ্যের ২২টি জেলায় মাদ্রাসাগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই যাচাই-পর্বে শুধু অনুমোদন রয়েছে কি না, তা-ই নয়পরিচালন ব্যবস্থা, পড়ুয়ার সংখ্যা, শিক্ষক-শিক্ষিকার উপস্থিতি, অর্থের উৎস, নথিপত্র, রেজিস্ট্রেশন এবং পরিকাঠামো-সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছে।সমীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসতেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যে বিপুল সংখ্যক মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন বা নির্দিষ্ট স্বীকৃতি ছাড়াই চলছে বলে প্রশাসনের তরফে দাবি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২,৩৯৬। এর মধ্যেই প্রথম ধাপে ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরাসরি বন্ধের নোটিস জারি করেছে সরকার।খারিজি মাদ্রাসাই কি নিশানায়?সরকারি পদক্ষেপের আওতায় আসা ২৫২টি মাদ্রাসার বড় অংশই খারিজি বা বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত মাদ্রাসা বলে খবর। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বৈধতা, পরিচালন পদ্ধতি এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েই মূলত প্রশাসনের নজরদারি।তবে সরকারের অবস্থানও স্পষ্টকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি স্বীকৃতির বাইরে থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চলতে পারে না। যে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই কিংবা ন্যূনতম পরিকাঠামো ও নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ, তাদের বিরুদ্ধে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শুধু বন্ধ নয়, শোকজ-এর পরেও কড়া বার্তাপ্রথম দফায় ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিস দেওয়া হলেও প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠানকে আপাতত দেওয়া হয়েছে শোকজ নোটিস। অর্থাৎ, তাদের নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।প্রশাসনের প্রশ্নকোন আইনি অনুমোদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান চলছে? কতজন পড়ুয়া রয়েছে? শিক্ষক কারা? অর্থ আসছে কোথা থেকে? পর্যাপ্ত ভবন ও শিক্ষার পরিকাঠামো রয়েছে কি না? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।জানা যাচ্ছে, সন্তোষজনক উত্তর বা প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারলে শোকজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধেও পরবর্তী ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হতে পারে।২২ জেলায় নথি যাচাইতারপরই সিদ্ধান্তমাদ্রাসা নিয়ে এই অভিযান হঠাৎ করে নয়। রাজ্য সরকারের নির্দেশেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছিল সমীক্ষা। কলকাতা-সহ ২২টি জেলার মাদ্রাসাগুলির নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়।সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে দাবি, অনুমোদিত মাদ্রাসাগুলি নিয়ম মেনেই চলছে। কিন্তু অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রে সরকার আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না।মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর বক্তব্য, মাদ্রাসাগুলির যাবতীয় নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়েছে। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলি চালু রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।সরকারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, প্রশ্ন তুললেন ত্বহা সিদ্দিকীতবে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে পাল্টা প্রশ্নও উঠছে। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেনকেন কোনও মাদ্রাসাকে শোকজ করা হচ্ছে, কেনই বা বন্ধ করা হচ্ছে, তা আগে সাধারণ মানুষকে জানানো হোক।তাঁর বক্তব্য, বহু মাদ্রাসা সাধারণ মানুষের অনুদান ও সাহায্যের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। মাদ্রাসায় শুধু ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয় না, সরকারি পাঠ্যক্রমও পড়ানো হয় বলে দাবি তাঁর।ফলে সরকারের প্রশাসনিক যুক্তির বিপরীতে উঠে আসছে অন্য প্রশ্নঅনুমোদনের মাপকাঠি কী? কোন প্রতিষ্ঠান নিয়মবহির্ভূত এবং কোনটি নয়? আর বহু বছর ধরে চলা প্রতিষ্ঠানগুলির ভবিষ্যৎই বা কী?রাজনীতির ময়দানেও বাড়ছে উত্তাপমাদ্রাসা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, সংখ্যালঘু শিক্ষা এবং সরকারি অনুমোদনের প্রশ্নের সঙ্গে এবার সরাসরি যুক্ত হচ্ছে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বনাম দীর্ঘদিনের সামাজিক উদ্যোগে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলির স্বাধীনতা।একদিকে সরকারের যুক্তিআইন ও নিয়মের বাইরে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের একাংশের বক্তব্যশুধু সরকারি অনুমোদনের অভাবকে কেন্দ্র করে কোনও প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।ফলে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ এখন শুধু প্রশাসনিক ফাইলের বিষয় নয়; তা ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনীতি ও সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে।উত্তরাখণ্ডের পর বাংলাতেও কড়া পদক্ষেপঅনুমোদনহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের নজির অন্য রাজ্যেও রয়েছে। উত্তরাখণ্ডে ইতিমধ্যেই একাধিক অননুমোদিত মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলার এই পদক্ষেপকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।এখন মূল নজর শোকজ পাওয়া প্রায় ১০০টি মাদ্রাসার জবাবের দিকে। তারা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিকাঠামোর প্রমাণ দিতে পারে কি না, তার উপরই নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ।তবে একটি বিষয় ইতিমধ্যেই স্পষ্টমাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে আর নজরদারির বাইরে রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার। ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রথম দফার এই অ্যাকশন আগামী দিনে আরও বড় প্রশাসনিক অভিযানের ইঙ্গিত কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
বিদেশ

পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে যাত্রীবাহী ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলা! ইউক্রেন যুদ্ধ কি এবার ন্যাটোর দরজায়?

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে ড্রোন হামলার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার পশ্চিম ইউক্রেনে ঘটনাটি ঘটে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। হামলায় ট্রেনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ২০৬ জন যাত্রীর কেউ আহত হননি বলে দাবি করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পোল্যান্ডের একটি রেল সংস্থার পরিচালিত ওই ট্রেনটি কিয়েভ থেকে ওয়ারশের দিকে যাচ্ছিল। পথে আচমকাই ট্রেনটির উপর একের পর এক রুশ ড্রোন হামলা হয় বলে অভিযোগ। হামলার জেরে ট্রেনে আগুন ধরে যায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে।তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হামলার পর প্রায় ছঘণ্টা ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি এমন একটি সময়ে ঘটল, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে গোটা ইউরোপেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।পোল্যান্ডের কাছে এই ঘটনার গুরুত্ব আরও বেশি বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য দেশ। ন্যাটোর চুক্তি অনুযায়ী, কোনও সদস্য দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলা হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্য সদস্যদেশগুলির সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হতে পারে।তবে রবিবারের ঘটনাটিকে সরাসরি পোল্যান্ডের উপর রুশ হামলা হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকেরা। তাঁদের একাংশের মতে, পোল্যান্ড সীমান্তের এত কাছে এমন ঘটনা ন্যাটোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। রাশিয়ার উদ্দেশ্য ন্যাটোর প্রস্তুতি ও ঐক্য পরীক্ষা করা কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া যদি ভবিষ্যতে পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তার প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা কম। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য। সে ক্ষেত্রে গোটা ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেই বড় পরিবর্তন আসতে পারে।তবে রবিবারের হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যে পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে এই হামলার অভিযোগ নতুন করে ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাইরাশিয়া যদি সত্যিই পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তখন ন্যাটো কী পদক্ষেপ করবে?

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
দেশ

একের পর এক ভূমিধসে বসে যাচ্ছে আস্ত পাহাড়! সিকিমে হড়পা বানের আতঙ্ক, সরানো হল ৩৮ পরিবার

পশ্চিম সিকিমের গিয়ালশিং জেলার সিঙ্গলিথাম গ্রাম এবং সংলগ্ন রিম্বি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রবিবার সকাল থেকে ভূমিধসের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পাহাড়ের ঢাল থেকে কাদা, পাথর ও গাছের ধ্বংসাবশেষ নেমে আসছে। এর জেরে রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় সিকিম প্রশাসনের তরফে রিম্বির ৩০টি এবং সিঙ্গলিথামের ৮টি পরিবারকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় সিঙ্গলিথামের বেশ কয়েকটি বাড়িও ইতিমধ্যে ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, সিঙ্গলিথামের পাহাড়ের ঢাল থেকে ক্রমাগত কাদা, বড় পাথর এবং গাছ নেমে এসে স্থানীয় ঝোরার গতিপথ আটকে দিচ্ছে। ফলে রিম্বির নিচের দিকে আচমকা হড়পা বান নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। প্রশাসনের নজরদারিতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, রিম্বির ঠিক উপরে সিঙ্গলিথাম গ্রামের কাছে একটি টিলা ধীরে ধীরে বসে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতির অবনতি শুরু হয়। টানা ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় মাটি, কাদা এবং পাথর ক্রমাগত নিচের দিকে নেমে আসছে। স্থানীয়দের দাবি, গত অগস্ট মাস থেকেই ওই এলাকায় ভূমিধস শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধস গ্রামের দিকে এগিয়ে আসছে।ভূমিধসের ধ্বংসস্তূপে রিম্বি-ইউকসম এবং রিম্বি-খেচুপেরি সড়কের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ইউকসম-তাশিডিং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও। স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদেরও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে প্রশাসনের তরফে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ এবং যাত্রীদের বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিপদের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে শুরু করেছেন।প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। পাহাড়ের ঢাল আরও নরম হলে নতুন করে ধস নামার আশঙ্কাও রয়েছে। বিশেষ করে ঝোরা অবরুদ্ধ হলে নিচের এলাকায় হড়পা বান তৈরি হতে পারে কি না, সেই দিকেই এখন নজর স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রাম, রেজিনগরে বড় চমক মমতার, আসন্ন উপনির্বাচনে ২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার দলের তরফে জানানো হয়েছে, নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন সঞ্চিতা প্রধান (দে)। পাশাপাশি, রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য রাবিউল আলম চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতার জল্পনার অবসান হল।দলের এই ঘোষণা এমন সময়ে এল, যখন শনিবারই তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করলে তারা ওই কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে না। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তরফে মমতাকে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করে বিধানসভায় ফেরার আহ্বানও জানানো হয়েছিল।১৫ বছর পর বিধানসভার বাইরে মমতা?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫,১০৫ ভোটে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামেও শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ভবানীপুরের উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধানসভায় প্রবেশ করেন মমতা। ২০১৬ সালে ফের ভবানীপুর থেকে জয় পান তিনি। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর উপনির্বাচনে জিতে আবারও বিধানসভায় জায়গা করে নেন। তৃণমূল নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা করায় এবার দীর্ঘ ১৫ বছর পর তাঁকে বিধানসভার বাইরে থাকতে হতে পারে।কেন নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে তিনি ভবানীপুর আসনটি ধরে রেখে নন্দীগ্রাম থেকে ইস্তফা দেন। সেই কারণেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হচ্ছে।নির্বাচন কমিশনের সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন হবে। ভোটের গণনা ৯ অক্টোবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর।তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল অব্যাহতপ্রার্থী ঘোষণার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিবাদ আরও জটিল হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীদুই পক্ষই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। উভয় শিবিরই দলের নিয়ন্ত্রণ, নাম এবং জোড়াফুল প্রতীকের স্বীকৃতি দাবি করেছে।১২ সেপ্টেম্বর দুই পক্ষের বক্তব্য শোনে নির্বাচন কমিশন। বিদ্রোহী শিবিরের কাছে আরও কিছু নথি চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমার আগে দলের প্রতীক ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিবাদের নিষ্পত্তি হয়নি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রীর পুরনো হাসি ভুলতে পারেননি! ৮৮ বছর বয়সে নিজের হাতেই বানিয়ে ফেললেন তাঁর মুখ

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা ৮৮ বছরের ভূপতিরঞ্জন দেবনাথ। দীর্ঘ কর্মজীবনে মধ্যমগ্রাম হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন তিনি। প্রায় তিন দশক আগে অবসর নিয়েছেন। এখন পেনশনের টাকাতেই চলে তাঁর সংসার। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংসারে একের পর এক কঠিন সময় এসেছে তাঁর জীবনে।ভূপতির স্ত্রী অঞ্জলির বয়স সত্তরের কোঠায়। তাঁদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে। দুই মেয়েরই মধ্যমগ্রামে বিয়ে হয়েছে। বাড়িতে রয়েছেন পুত্রবধূ এবং নাতিও। তবে করোনা অতিমারির সময় একমাত্র ছেলেকে হারিয়েছেন ভূপতি ও অঞ্জলি। ছেলের পরিবারকেও এরপর নিজেদের দায়িত্বে আগলে রেখেছেন তাঁরা।এরই মধ্যে গত ছমাস ধরে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী অঞ্জলি। বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন যে, এখন হাতে কলম নিয়ে সই করাও তাঁর পক্ষে সম্ভব হয় না। একসময় যে স্ত্রী সংসারের নানা কঠিন পরিস্থিতিতেও হাসিমুখে সব সামলে নিতেন, আজ সেই মুখেই অসুস্থতার ছাপ স্পষ্ট।কিন্তু স্ত্রীর সেই পুরনো হাসি এখনও ভুলতে পারেননি ভূপতি। বরং সেই হাসিই তাঁর মনে আজও একই রকম উজ্জ্বল। তাই স্ত্রীর মুখের সেই পুরনো অবয়ব এবং হাসিকে ধরে রাখতে নিজের হাতেই তৈরি করেছেন একটি প্রতিকৃতি।শিক্ষকতার পাশাপাশি হাতের কাজেও যথেষ্ট দক্ষ ছিলেন ভূপতি। কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে মাটি, নারকেলের খোল, গাছের ডাল-সহ নানা সাধারণ উপকরণ দিয়ে নানা জিনিস তৈরি করেছেন তিনি। ফেলে দেওয়া জিনিস তাঁর হাতে নতুন রূপ পেয়েছে। সেইসব কাজ এখনও তাঁর বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় যত্ন করে রাখা রয়েছে।এ বার সেই দক্ষতাকেই কাজে লাগিয়েছেন নিজের জীবনসঙ্গীর স্মৃতি ধরে রাখতে। প্লাস্টার অফ প্যারিস দিয়ে তৈরি করেছেন অঞ্জলির হাসিমুখের একটি প্রতিকৃতি। বাড়ির একটি শোকেসে রাখা রয়েছে সেই মূর্তি। স্ত্রীর পাশে বসে থাকার সময় কখনও অসুস্থ অঞ্জলির দিকে তাকান, কখনও আবার চোখ চলে যায় সেই হাসিমুখের প্রতিকৃতির দিকে।ভূপতির কথায়, তাঁদের দাম্পত্য জীবন প্রায় ৫৯ বছরের। অঞ্জলি বরাবরই হাসিখুশি থাকতে ভালোবাসতেন। সংসারে যত সমস্যাই আসুক, তিনি কখনও তা প্রকাশ করতেন না। হাসিমুখেই কঠিন সময় পার করেছেন। সেই হাসিই ছিল ভূপতির কাছে বড় ভরসা।আজ অঞ্জলি অসুস্থ। বিছানা থেকে ওঠার শক্তিও নেই। মুখের সেই পুরনো হাসিও আর দেখা যায় না। কিন্তু ভূপতির স্মৃতিতে অঞ্জলির হাসি এখনও একই রকম জীবন্ত। সেই হাসিকে অমলিন রাখতেই স্ত্রীর মুখের আদলে তৈরি করেছেন এই প্রতিকৃতি।পুরনো দিন আর ফিরে আসবে না, তা জানেন ৮৮ বছরের ভূপতি। তবু তাঁর একটাই আশা, স্ত্রী আবার শারীরিক সমস্যা কাটিয়ে উঠে একটু হাঁটাচলা করতে পারবেন, আগের মতো তাঁর পাশে বসতে পারবেন। আর সেই আশার সঙ্গেই ঘরের শোকেসে হাসিমুখে থেকে গিয়েছে অঞ্জলির সেই পুরনো মুখ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি? কেনার আগে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি, সঠিক নিয়মে পুজোয় পাবেন হাতে নাতে ফল

ভগবান গণেশকে উৎসর্গ করে পালিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু উৎসব গণেশ চতুর্থী। বিঘ্নহর্তা, জ্ঞানদাতা এবং শুভ সূচনার দেবতা হিসেবে গণেশের আরাধনা করেন ভক্তরা। ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। ওই দিন থেকেই শুরু হবে দশ দিনব্যাপী গণেশ উৎসব।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, গণেশ চতুর্থীর দিন বাড়িতে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পুজো করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস, এই সময় বাপ্পাকে বাড়িতে স্বাগত জানালে জীবনের বাধা-বিপত্তি দূর হয় এবং সুখ-সমৃদ্ধি আসে। তবে মূর্তি কেনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সৌন্দর্য বা সাজসজ্জা দেখলেই হবে না। ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, মূর্তির উচ্চতা, ভঙ্গি, রং, শুঁড়ের দিক এবং বাহনের উপস্থিতিরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করা হয়।কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি?বাস্তুশাস্ত্রের প্রচলিত মত অনুযায়ী, বাড়িতে পুজোর জন্য গণেশের মূর্তি খুব বড় হওয়া উচিত নয়। সাধারণত ৯ থেকে ১১ ইঞ্চি উচ্চতার মূর্তিকে গৃহস্থের পুজোর জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। এর তুলনায় বড় মূর্তি রাখলে পুজো ও বিসর্জনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সমস্যা হতে পারে বলেও মত রয়েছে।মূর্তির ভঙ্গির দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলা হয়। বাড়িতে পুজোর জন্য উপবিষ্ট গণেশের মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই ভঙ্গি শান্তি, স্থায়িত্ব ও সুখের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, চার হাতের গণেশ মূর্তির ক্ষেত্রে উপরের বাম হাতে পাশ, ডান হাতে অঙ্কুশ, নীচের বাম হাতে মোদক এবং নীচের ডান হাত অভয় মুদ্রায় থাকা শুভ বলে মনে করা হয়।গণেশের শুঁড় কোন দিকে থাকবে?গণেশের মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাম দিকে বাঁকানো শুঁড়যুক্ত গণেশের মূর্তি বাড়িতে স্থাপনের জন্য শুভ। এই ধরনের গণেশকে বামামুখী গণেশ বলা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রূপ শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক।অন্যদিকে, ডান দিকে বাঁকানো শুঁড়ের গণেশকে সিদ্ধিবিনায়ক বলা হয়। এই রূপকে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী বলে মনে করা হয় এবং তাঁর পুজোয় বিশেষ নিয়মকানুন মেনে চলার প্রচলন রয়েছে। তাই বাড়ির পুজোর জন্য মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটি খেয়াল করার পরামর্শ দেওয়া হয়।গণেশের বাহন ইঁদুর থাকা কি জরুরি?ভগবান গণেশের বাহন ইঁদুর। তাই মূর্তি কেনার সময় গণেশের পায়ের কাছে তাঁর বাহন ইঁদুরের মূর্তি রয়েছে কি না, সেটিও দেখে নেওয়ার কথা বলা হয়।প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির সঙ্গে তাঁর বাহন ইঁদুরের উপস্থিতির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তাই সম্পূর্ণ মূর্তি কেনার সময় এই বিষয়টিও নজরে রাখা হয়।কোন দিকে মুখ করে থাকবে গণেশের মূর্তি?বাড়িতে গণেশের মূর্তি স্থাপনের ক্ষেত্রে দিকেরও গুরুত্ব রয়েছে বলে বাস্তুশাস্ত্রে প্রচলিত মত রয়েছে। সেই অনুযায়ী, গণেশের মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকে রেখে মূর্তি স্থাপন করা শুভ বলে মনে করা হয়। পুজোর সময়ও গণেশের মুখ যেন পূর্ব অথবা উত্তর দিকে থাকে, সেদিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।তবে গণেশের মূর্তির আকার, ভঙ্গি, শুঁড়ের দিক কিংবা মূর্তি স্থাপনের দিক নিয়ে প্রচলিত এই ধারণাগুলি মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্রভিত্তিক মত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১৪ নাকি ১৫ সেপ্টম্বর, কবে পালিত হবে গণেশ চতুর্থী? জানুন ঠিক কোন সময়ে পুজোয় মিলবে দ্বিগুণ আর্শীবাদ?

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব গণেশ চতুর্থী। গণেশোৎসব নামেও পরিচিত এই উৎসব ভগবান গণেশের জন্মতিথি হিসেবে পালিত হয়। জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবতা গণেশের আরাধনা করে ভক্তরা সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতেই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল। সাধারণত ১০ দিন ধরে চলে এই উৎসব। অনন্ত চতুর্দশীর দিন গণেশ বিসর্জনের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি হয়।গণেশ চতুর্থী ২০২৬ কবে?দ্রিক পঞ্চাঙ্গ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। গণেশ বিসর্জন হবে শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর। উৎসবের শুরুতে বাড়ি ও বিভিন্ন মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো, প্রার্থনা ও আরতির মাধ্যমে চলে বাপ্পার আরাধনা। ফুল, ধূপ, প্রদীপ, ফল, মিষ্টি এবং বিশেষ করে মোদক নিবেদন করা হয় গণেশকে।গণেশ চতুর্থী ২০২৬-এর পুজোর শুভ মুহূর্তগণেশ পুজোর ক্ষেত্রে মধ্যাহ্নকালকে বিশেষ শুভ বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সময়েই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল।১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ পুজোর শুভ সময়:সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত।গণেশ চতুর্থীর তিথি শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৬ মিনিটে এবং শেষ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে।শহরভেদে গণেশ পুজোর শুভ সময়বিভিন্ন শহরে স্থানীয় সময় অনুযায়ী গণেশ পুজোর শুভক্ষণে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।পুনে: সকাল ১১টা ১৬ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৪ মিনিটনয়াদিল্লি: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচেন্নাই: সকাল ১০টা ৫১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ১৮ মিনিটজয়পুর: সকাল ১১টা ৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৬ মিনিটহায়দরাবাদ: সকাল ১০টা ৫৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৫ মিনিটগুরগাঁও: সকাল ১১টা ৩ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচণ্ডীগড়: সকাল ১১টা ৪ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৩ মিনিটকলকাতা: সকাল ১০টা ১৮ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটমুম্বই: সকাল ১১টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৮ মিনিটবেঙ্গালুরু: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৮ মিনিটআহমেদাবাদ: সকাল ১১টা ২১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৯ মিনিটনয়ডা: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটকীভাবে পালিত হয় গণেশ চতুর্থী?গণেশ চতুর্থীর উৎসব শুরু হয় বাড়ি বা মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো ও আরতি করা হয়। ভক্তরা বাপ্পাকে ফুল, ফল, দূর্বা, ধূপ এবং বিভিন্ন মিষ্টি নিবেদন করেন। এর মধ্যে গণেশের প্রিয় মিষ্টি হিসেবে মোদকের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।অনেক পরিবারে গণেশের মূর্তি বাড়িতে এনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কয়েক দিন ধরে পুজো করা হয়। অন্যদিকে, বিভিন্ন শহর ও এলাকায় বড় বড় মণ্ডপ তৈরি করে গণেশোৎসবের আয়োজন করা হয়। পুজোর পাশাপাশি সেখানে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি, সঙ্গীতানুষ্ঠান, খাবারের আয়োজন এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগও দেখা যায়।উৎসবের শেষ দিনে গণেশের মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জলাশয়ে বাপ্পার বিসর্জনের মাধ্যমে গণেশোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

রাশি অনুযায়ী বেছে নিন গণপতি বাপ্পার মূর্তির রং, কোন রাশির জন্য কোন রং শুভ?

গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে বাড়িতে গণপতি বাপ্পার মূর্তি স্থাপনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন ভক্তরা। মূর্তি কেনার সময় সাধারণত আকার, রূপ, ভঙ্গি এবং পুজোর নিয়মের দিকে নজর দেওয়া হয়। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির রঙেরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বিভিন্ন রঙের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রহ এবং তাদের বৈশিষ্ট্যের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়। সেই বিশ্বাস অনুযায়ী, নিজের রাশি অনুসারে গণেশের মূর্তির রং বেছে নিলে শুভ ফল পাওয়া যেতে পারে।২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে ১৪ সেপ্টেম্বর। প্রচলিত জ্যোতিষীয় মতে, ওই সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করবে। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কোন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়।মেষ ও বৃষ রাশির জন্য লাল ও হালকা গোলাপিমেষ রাশির অধিপতি গ্রহ মঙ্গল। জ্যোতিষশাস্ত্রে মঙ্গলের সঙ্গে লাল রঙের সম্পর্ক রয়েছে। তাই মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য লাল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সাহস, কর্মশক্তি ও সংকল্পের প্রতীক। জীবনের বাধা কাটিয়ে এগিয়ে যেতে লাল গণপতির আরাধনা ফলদায়ক হতে পারে বলে বিশ্বাস।বৃষ রাশির অধিপতি শুক্র। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ক্রিম বা হালকা গোলাপি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, আরাম, সম্প্রীতি ও স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।মিথুন ও কর্কটের জন্য সবুজ ও সাদামিথুন রাশির অধিপতি বুধ। তাই মিথুন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, সবুজ রং বুদ্ধি, যোগাযোগ, শিক্ষা ও ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কিত।কর্কট রাশির অধিপতি চন্দ্র। তাই এই রাশির জন্য সাদা রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। সাদা রং শান্তি, পবিত্রতা, মানসিক স্থিরতা এবং পারিবারিক সম্প্রীতির প্রতীক বলে বিশ্বাস করা হয়।সিংহ ও কন্যার জন্য কমলা ও সবুজসিংহ রাশির অধিপতি সূর্য। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কমলা, জাফরান বা হালকা সোনালি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং আত্মবিশ্বাস, প্রাণশক্তি, নেতৃত্ব এবং অভ্যন্তরীণ শক্তির প্রতীক।কন্যা রাশির অধিপতিও বুধ। তাই কন্যা রাশির জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি উপযুক্ত বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে মনে করা হয়। সবুজ রং বুদ্ধি, দক্ষতা ও যোগাযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।তুলা ও বৃশ্চিকের জন্য গোলাপি ও মেরুনতুলা রাশির অধিপতি শুক্র। তাই এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গোলাপি এবং হালকা নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, সম্পর্কের ভারসাম্য, সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক।বিশেষ করে ২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থীর সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করার বিষয়টিকেও জ্যোতিষীয় দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গাঢ় লাল বা মেরুন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং শক্তি, মানসিক সাহস এবং নিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।ধনু ও মীনের জন্য হলুদধনু রাশির অধিপতি বৃহস্পতি। তাই ধনু রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। হলুদ রং শিক্ষা, সমৃদ্ধি এবং আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতীক বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়।মীন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। বৃহস্পতির সঙ্গে হলুদ রঙের সম্পর্ক থাকায় এই রঙকে জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।মকর ও কুম্ভের জন্য মাটির রং ও নীলমকর রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ধূসর, পাথুরে বা মাটির মতো বাদামি রঙের গণেশ মূর্তি বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই রং শনির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও ধীরস্থির অগ্রগতির প্রতীক বলে মনে করা হয়।অন্যদিকে, কুম্ভ রাশির জন্য নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে জ্যোতিষীয় বিশ্বাস রয়েছে। নীল রং স্থিরতা, গভীরতা ও মানসিক দৃঢ়তার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।তবে রাশি অনুযায়ী গণেশ মূর্তির রং বেছে নেওয়ার এই ধারণাগুলি মূলত জ্যোতিষশাস্ত্র ও ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে প্রচলিত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ও পছন্দ ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal