• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ECI

রাজ্য

রাজ্য পুলিশের ডিজিকে সরাল কমিশন, ওই পদে এলেন বিবেক সহায়

রাজ্য পুলিশের ডিজি পদ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ আইপিএস রাজীব কুমারের অপসারণের কয়েক ঘন্টা পরই নয়া ডিজি বেছে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। রাজ্য পুলিশের ডিজি হলেন আইপিএস বিবেক সহায়। রাজীব কুমারের বদলে রাজ্য পুলিশের ডিজির পদে নিয়োগের জন্য ৩ জন আধিকারিকের নাম নবান্নের থেকে জানতে চেয়েছিল কমিশন। জানা যায়, সেই তালিকায় নাম ছিল বিবেক সহায়, রণবীর কুমার এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের। রাজ্যের পাঠানো সেই তালিকা থেকে নির্বাচন কমিশন ডিজি পদে সিলমোহর দিল আইপিএস বিবেক সহায়ের নামে।আগামী মে মাসে আইপিএস বিবেক সহায়ের অবসরগ্রহণের কথা। সেই কারণেই তাঁর ডিজি হওয়ার সম্ভাবনা কম ছিল বলে মনে করা হচ্ছিল। তবে, সেই সিনিয়ারিটির দরুন-ই লোকসভা ভোটের মুখে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সর্বোচ্চ পদে বেছে নিয়েছে কমিশন। গত নভেম্বর মাস থেকে ডিজি (হোমগার্ড) পদে কাজ করছিলেন আইপিএস বিবেক সহায়।উল্লেখ্য, ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে ভোটপ্রচারে গিয়ে আহত হয়েছিলেন। সে সময় তাঁর প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন আইপিএস বিবেক সহায়।শনিবার লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ওই দিন থেকেই দেশ জুড়ে কার্যকর হয় আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি। সেই বিধি জারির ৪৮ ঘন্টা পরই কমিশন রাজীব কুমারকে ডিজি পদ থেকে সরিয়ে দেয়। ওই আইপিএস-কে নির্বাচনী কোনও প্রক্রিয়ার অংশ না করারও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

মার্চ ১৮, ২০২৪
দেশ

এক দেশ এক ভোট

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে শোরগোল চলছে। নাগরিকত্ব পাওয়ার আশ্বাস আর আশংকার মাঝে এবার এক দেশ এক ভোট। এই নীতি খতিয়ে দেখার জন্য গতবছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্ডের নেতৃত্বে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠিত হয়। সেই কমিটি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শীর্ষ আদালত ও হাইকোর্টের কয়েকজন প্রাক্তন বিচারপতি এবং বিশিষ্ট নাগরিকদের মত নেওয়ার পাশাপাশি ৬৫ টি বৈঠক করেন।অবশেষে গত বৃহস্পতিবার কোভিন্ড কমিটি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মূর কাছে তাদের রিপোর্ট জমা দেয়। এই নীতি প্রয়োগের বছর হিসেবে ২০২৯ সাল কে চিহ্নিত করেছে কমিটি। অর্থাৎ আসন্ন লোকসভা ভোটে সরকার গঠনের পরে যে সমস্ত রাজ্যে বিধানসভার ভোট হবে তাদের মেয়াদ এই কেন্দ্রীয় সরকারের মেয়াদ পর্যন্ত স্থায়ী হবে। সেক্ষেত্রে অনেক রাজ্যে সরকারের মেয়াদই পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই শেষ হয়ে যাবে। যদি কেন্দ্রে বা কোনো রাজ্যে মাঝপথে সরকার ভেঙে যায় তাহলে কি হবে? কোভিন্ড কমিটির সুপারিশ হলো, সেক্ষেত্রে নির্বাচন হবে তবে সেই নির্বাচিত সরকার ২০২৯ সালের আগে যে সময়কাল থাকবে সেই সময় পর্যন্তই ক্ষমতায় থাকবে।এর ফলে লোকসভা ও সব রাজ্যের বিধানসভার ভোট করতে কোনো বাধা থাকবে না। রাষ্ট্রপতির কাছে কমিটির যে ২৮১ পাতার রিপোর্ট জমা পড়েছে তাতে সংবিধানের কিছু আইন সংশোধন ও নতুন আইন সংযোজনের সুপারিশ করা হয়েছে। কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে ঘন ঘন ভোট হলে যে বিপুল অর্থ ব্যায় হয় তা এড়াতে লোকসভা ও বিধানসভার ভোট একসঙ্গে হওয়া উচিত। পাশাপাশি লোকসভা ও বিধানসভা ভোট হওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে পুরসভা ও পঞ্চায়েতগুলির ভোটের সুপারিশ ও করা হয়েছে।এই সার্বিক নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য দুটি সংবিধান সংশোধনী বিল আনার কথা বলা হয়েছে।এই দুটি বিলের মাধ্যমে সংবিধানে ১৫ টি সংশোধনী আনার সুপারিশ করেছে কমিটি। প্রথম বিলটির মাধ্যমে লোকসভা ও বিধানসভার ভোট একসঙ্গে করতে মেয়াদ ফুরোনোর আগেই বিধানসভা গুলি কে ভেঙে দেওয়া যাবে। সংসদে এই বিল পাশ করানোর জন্য রাজ্য গুলির মতামত নেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেই মত দিয়েছে কমিটি। দ্বিতীয় বিলটির মাধ্যমে লোকসভা, বিধানসভা, পুরসভা ও পঞ্চায়েত ভোটের জন্য একটি ভোটার তালিকা তৈরির ক্ষমতা দেওয়া হবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে। তবে দ্বিতীয় বিলটির জন্য দেশের অর্ধেকের বেশি রাজ্যে অনুমোদন প্রয়োজন বলে কমিটি জানিয়েছে।পাশাপাশি প্রথম বিলটি রাজ্য গুলির অনুমোদন ছাড়াই যাতে পাশ করাতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার তার জন্য সংবিধানের নতুন ধারা সংযোজনের সুপারিশ করা হয়েছে। কোভিন্ড কমিটির ওই সুপারিশ অনুযায়ী সংবিধানে নতুন ৮২(ক) ধারা সংযুক্ত হলে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে রাজ্য গুলির অনুমোদন ছাড়াই ওই বিল পাশ করানোর ক্ষমতা আসবে। এই লোকসভা ভোটের পরে যে সরকার ক্ষমতায় আসবে তারা যদি কোভিন্ড কমিটির রিপোর্ট গ্ৰহণ করে তাহলে ২০২৯ সালে লোকসভা ও বিধানসভার ভোট একসঙ্গে হবে। সেক্ষেত্রে চলতি বছরে লোকসভা ভোট শেষ হলেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে ২০২৯ সালের ভোট প্রক্রিয়ার কাজ শুরু করতে হবে। যদি তাই হয় তাহলে অনেক রাজ্যের বিধানসভা মেয়াদ ই পূর্ণ সময়ের আগে শেষ হয়ে যাবে।যেমন গতবছর যে দশটি রাজ্যে বিধানসভার ভোট হয়েছে সেই রাজ্য গুলিতে বিধানসভার মেয়াদ ফুরোনোর কথা ২০২৮ সালে। সেক্ষেত্রে ২০২৮ সালেই ওই রাজ্যগুলিতে বিধান সভার ভোট হওয়ার কথা। কিন্তু ২০২৯ সালে যদি এক দেশ এক নীতি চালু হয় তাহলে ওই রাজ্য গুলিতে সরকারের মেয়াদ পাঁচ বছরের পরিবর্তে এক বছরের মধ্যে ই ফুরিয়ে যাবে। এই রাজ্য গুলি হল হিমাচল প্রদেশ, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা, কর্নাটক, তেলেঙ্গানা, মিজোরাম, মধ্য প্রদেশ, ছত্তিশগঢ় ও রাজস্থান। অন্য দিকে পাঞ্জাব , উত্তর প্রদেশ ও গুজরাটে ২০২৭ সালে বিধানসভার ভোট হওয়ার কথা। ওই তিন রাজ্যে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠিত হলেও তার মেয়াদ দুবছরের বেশি হবে না।২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, কেরল ও তামিল নাড়ু তে বিধানসভার মেয়াদ ফুরোবে। ওই রাজ্য গুলিতে ভোটে যে সরকার ক্ষমতায় বসবে তার মেয়াদ তিন বছরের বেশি হবে না। দেশের ৪৭টি স্বীকৃত রাজনৈতিক দল কোভিন্ড কমিটি কে নিজেদের মতামত জানিয়েছিল। এই ৪৭টই দলের মধ্যে ৩২টি দল এক দেশ এক ভোট নীতি কে সমর্থন করেছে। বাকি ১৫ টি দল এই নীতির বিরুদ্ধে মত জানায়। যে ৩২টি রাজনৈতিক দল এই নীতিকে সমর্থন করেছে তারা হয় বিজেপির সহযোগী নয়তো বন্ধু ভাবাপন্ন দল। কংগ্রেস, তৃণমূল, বাম ও DMK সহ যে ১৫ টি রাজনৈতিক দল বিরোধীতা করেছে তাদের বক্তব্য হল এই নীতি চালু হলে দেশের সংবিধানে যে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে তা ক্ষুন্ন হবে।এর ফলে সংসদীয় গণতন্ত্রের দিন ফুরোবে।পাশাপাশি যে কমিটি এই সুপারিশ গুলি করেছে তার এক্তিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দল গুলি। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য হল দেশে ঘন ঘন ভোট হলে বিপুল অর্থ ব্যায় হয় । একসঙ্গে ভোট হলে সেই ব্যায়ভার কমানো যাবে। এছাড়াও প্রতি বছরে কোন না কোন ভোট হওয়ার ফলে নির্বাচনী আচরণবিধি লাগু হয়। এর ফলে উন্নয়নের কাজ বাধা পায়। এছাড়াও কেন্দ্রের দাবি এক দেশ এক ভোট নীতি চালু হলে নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার কমবে।

মার্চ ১৬, ২০২৪
রাজ্য

মফস্বল ও শহরতলি থেকে কলকাতায় রাত জেগে প্রতিমা দর্শনঃ রাতভোর লোকাল ট্রেনের সময়সূচি জানুন

বাংলার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো হেরিটেজ তকম দিয়েছে। তা নিয়ে মাতোয়াড়া বাংলা। এদিকে কলকাতার প্রতিমা দর্শনে সাধারণের সুবিধা করতে প্রতিবারের মতো এবারও এগিয়ে এসেছে পূর্ব রেল। দুর্গা-পুজোয় ঠাকুর ও প্যান্ডেল দেখার জন্য একগুচ্ছ অতিরিক্ত ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত পূর্ব রেলের। পুজোতে রাতভর ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত কথা জানালো রেল। পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ডিভিশনে ২০টি স্পেশাল ট্রেন দুর্গাপুজোর পঞ্চমী থেকে দশমী অবধি চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। এই বাড়তি ট্রেন গুলি শিয়ালদহনৈহাটি, শিয়ালদহরানাঘাট, শিয়ালদহবনগাঁ, শিয়ালদহ-ডানকুনি ও দক্ষিণ শাখায় স্পেশাল বজবজ এবং বারুইপুর লোকাল চালানো হবে বলে সুত্রে জানা গেছে।কোন ষ্টেশন থেকে কোন সময় স্পেশাল ট্রেনগুলি ছাড়বে জেনে নিনঃ* শিয়ালদহ থেকে রানাঘাট যাবার শেষ ট্রেন শিয়ালদহ ষ্টেশন ছাড়বে রাত ১২ টা ৪০ মিনিটে। রানাঘাট থেকে শিয়ালদহ আসার লোকাল ট্রেন রানাঘাট ছাড়বে রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে।* দুটি স্পেশাল শিয়ালদহ-নৈহাটি লোকাল চালানো হবে রাতে। রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে একটি ট্রেন শিয়ালদহ থেকে ছাড়বে, অপরটি ২টা ৩০ মিনিটে। ওই একই শাখায় নৈহাটি থেকে শিয়ালদহের উদ্দেশে শেষ দুটি ট্রেন ছাড়বে যথাক্রমে রাত ১২টা ২৫মিনিট ও রাত ২টা ৫৫ মিনিটে।* শিয়ালদহ - বনগাঁর লাইনের শেষ ট্রেন শিয়ালদহ ষ্টেশন ছাড়বে রাত ১২টা ৪০ মিনিটে। অন্যদিকে বনগাঁ থেকে শেষ শিয়ালদহ আসার শেষ লোকাল ছাড়বে রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে।* শিয়ালদহ-ডানকুনি শেষ লোকাল ট্রেন শিয়ালদহ ছাড়বে রাত ১১টা ৩০ মিনিটে। আবার ডানকুনি থেকে শিয়ালদহের উদ্দেশে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ১২টা ২৫ মিনিটে।* এছাড়া অতিরিক্ত ভিড় ও ঠাকুর দেখার জন্য পুজোর সময় এক জোড়া রানাঘাট-বনগাঁ লোকাল ট্রেন চলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল দপ্তর। রানাঘাট থেকে বনগাঁ যাওয়ার শেষ লোকাল ট্রেনটি ছাড়বে রাত ১০টায়। অপরদিকে, রানাঘাট আসার শেষ ট্রেন বনগাঁ ষ্টেশন ছাড়বে ৯ টা ৫৮ মিনিটে।* শিয়ালদহ-বারুইপুর শাখায় তিন জোড়া লোকাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল। শিয়ালদহ থেকে সেই তিনটি ট্রেন ছাড়বে যথাক্রমে- দুপুর ৩টা ২০ মিনিট, রাত ১২টা ৩০ এবং ২টা ২০ মিনিটে।* বারুইপুর থেকে শিয়ালদহ আসারও ট্রেন সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। ওই শাখায় তিনটি লোকাল ট্রেন দেওয়া হয়েছে। একটি বিকেল ৪টা ৩৮ মিনিটে, বাকি দুটি রাত ১টা ২৫ মিনিটে ও ভোর ৩টা ১০ মিনিটে।* শিয়ালদহ-বজবজ শাখায়, বজবজ স্টেশন থেকে শিয়ালদহ আসার শেষ লোকাল ট্রেন ছাড়বে রাত ১২টা ৩০ মিনিটে। অপরদিকে শিয়ালদহ থেকে বজবজের উদ্দশ্যে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ১১টা ৩০ মিনিটে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আবৃত্তি শিল্পী সংস্থা'-র আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র আবৃত্তি প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে ব্যাপক সাড়া

২৮ শে জুন মঙ্গলবার রবীন্দ্রসদনে আবৃত্তি শিল্পী সংস্থা আয়োজিত আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র আবৃত্তি প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হল। আবৃত্তি নিয়েই আবৃত্তিশিল্পী সংস্থার পথ চলা চুরু ২০১৫ সালে। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বিশাল ভাবনা চিন্তার চাষ শুরু হয়েছিল বহু আগে থেকেই আগে। সারা বিশ্ব যখন আতিমারির কবলে আটকে পড়েছিল সেই সময় আবৃত্তিশিল্পী সংস্থা অনলাইনের মাধ্যমে শুরু করেছিল আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র আবৃত্তি প্রতিযোগিতা। ভারত তথা বিশ্বের বহুপ্রান্তীয় সংস্কৃতিমনস্ক মানুষ এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল। সংখ্যাটা ছিল ৪১৬৪ জন। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকেও বহু প্রতিযোগী অংশ নিয়েছিল। বিভিন্ন পর্যায়ের শেষে গত ২৮ জুন চূড়ান্ত পর্বে ছিলেন তিনটে বিভাগে মোট ১৯ জন প্রতিযোগী।এদিন চূড়ান্ত পর্বের বিচারকের আসন অলংকৃত করেছিলেন স্বনামধন্য বাচিক শিল্পী প্রণতি ঠাকুর, রত্না মিত্র, সুকুমার ঘোষ। উদ্বোধন করা হয় গাছে জল সিঞ্চন এবং কবিগুরুর বিভিন্ন কথার মালা গাঁথা হয় গাছটিতে। উপস্থিত ছিলেন আবৃত্তি শিল্পী সংস্থার সভাপতি সতীনাথ মুখোপাধ্যায়, সহ সভাপতি মধুমিতা বসু, কর্ণধার জয়ন্ত ঘোষ এবং বিচারকরা। প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই মেন্টরদের সংবর্ধনা দেওয়া হয। এছাড়াও যে সমস্ত প্রতিযোগী সেমিফাইনালে উঠেছিলেন তাঁদেরকেও সংবর্ধিত করা হয়। কবি দিধিতি চক্রবর্তী এবং কবি মনীষা যুগ্ম সম্পাদনায় আবৃত্তি শিল্পী সংস্থার নিজস্ব পত্রিকা কন্ঠকথার তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়। প্রতিযোগিতায় তিনটি বিভাগ ছিল ক-খ-গ, ক বিভাগে প্রথম হয় তৃষিত চক্রবর্তী (চিত্তরঞ্জন), দ্বিতীয়- পরিযায়ী চ্যাটার্জী (পুরুলিয়া), তৃতীয় - প্রমীতি পন্ডা ( পাটুলী)। খ বিভাগে প্রথম হয় সৃজা রায় ( পুরুলিয়া), দ্বিতীয় - শ্রীপর্ণা সিং (মুর্শিদাবাদ), এবং তৃতীয় -সোমশ্রী দেব ( হুগলি)। গ বিভাগ প্রথম- রীতি সেন(দক্ষিণ দিনাজপুর), দ্বিতীয়- স্বাগতা মির্জা (মুর্শিদাবাদ), তৃতীয়- সুশ্বেতা চক্রবর্তী ( উত্তর ২৪ পরগণা)। অনুষ্ঠানের শেষে সমস্ত প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।এইদিন সংস্থার নিজস্ব প্রযোজনা ছিল শতাধিক শিল্পীর কন্ঠে হে মোর চিত্ত পূণ্যতীর্থ কবিতাটি। দীর্ঘ সময় ধরে অনলাইন থেকে শুরু করে অফলাইনে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মানের আবৃত্তি প্রতিযোগিতা এবং তার গ্রান্ড ফিনালে - এই ভাবনা বাস্তবায়িত হয়েছে জয়ন্ত ঘোষের তত্বাবধানে।

জুন ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ছোটদের জন্য কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষ উদ্যোগ

কুমার রায়ের আবোল তাবোল হোক কিংবা সত্যজিৎ রায়ের সন্দেশ ছোটদের নিয়ে গান ও গল্পের কাজ খুবই মনে দাগ কাটে এখনো। সেরকমই এরকম একটা কাজ করলেন কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন।ছোটদের জন্য, ছোটদের নিয়ে নতুন একটি সিডি প্রকাশ পেয়েছে গ্যালারি গোল্ড থেকে। উদ্যোক্তা হিন্দুস্থান রেকর্ডস। ২০১৯ সালে কাজটি সম্পন্ন হলেও অতিমারীর কারণে সেটা রিলিজ করা সম্ভব হয়নি। অতীতে যেরকমভাবে ছোটদের জন্য কাজ হত এখন যে আর তেমনভাবে তা হয় না। এই উপলব্ধি থেকেই ছোটদের জন্য কাজ করার এই উদ্যোগ। ভিন্ন ভিন্ন শিশু মনকে এক সুরে মেলানোর ভাবনা থেকেই সিডির নামকরণ করা হয়েছে ওদের সাথে মেলাও। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ছোটদের ৮ টি গানকে, কবিতা ও গল্পে গেঁথেছেন বিশিষ্ট কবি এবং সাহিত্যিক শ্রী শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সিডির সঙ্গীত আয়োজন-এর দায়িত্বে আছেন আরেক গুণী শিল্পী সুরজিৎ দাস। গানগুলি গেয়েছেন অর্পিতা বোস রায়, ভাষ্যপাঠে আছেন অমৃতা সরকার এবং শিশুশিল্পী অর্ঘ্য সরকার।এই সিডি প্রকাশ অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে ছিলেন দক্ষিণীর অধ্যক্ষ শ্রী সুদেব গুহঠাকুরতা, প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী শ্রী প্রবুদ্ধ রাহা, জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী শ্রী শ্রীকান্ত আচার্য্য, প্রখ্যাত তবলাবাদক সুভেন চ্যাটার্জি, প্রসিদ্ধ কন্ঠশিল্পী শ্রীমতী অদিতি গুপ্ত এবং সহজিয়া ব্যান্ডের প্রধান কন্ঠশিল্পী দেব চৌধুরী।

জুন ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সঙ্গীতশিল্পী কেকে কে শ্রদ্ধা জানানো হল শিল্পের মাধ্যমে

সম্প্রতি নজরুল মঞ্চে অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা সবার প্রিয় সংগীতশিল্পী কেকের প্রয়াণ হয়েছে এবং তার জন্য সঙ্গীতপ্রেমীরা বিভিন্ন রকম এই শহরে তাঁকে সম্মান জানিয়ে ইভেন্টের আয়োজন করেছে ইতিমধ্যে। তেমনই এক সন্ধ্যার সাক্ষ্য থেকে গেল কলকাতাবাসী। দক্ষিণ কলকাতার সাদার্ন এভিনিউয়ের কাছে গ্যালারি গোল্ডে এই বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।এখানে লাইভ আর্ট এর মাধ্যমে ৪৫ জন শিল্পী কেকে কে স্মরণ করলেন তাঁর গানের মাধ্যমে। প্রখ্যাত শিল্পী অ্যানি আহমেদ যিনি হইচই এর চরিত্রহীন ওয়েব সিরিজে গান করেছিলেন তিনি বহু গানের মাধ্যমে প্রয়াত শিল্পীকে সম্মান জানালেন।

জুন ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আজ পঞ্চভূজের স্পেশাল স্ক্রিনিং, তার আগে অভিষেকের নামে বিশেষ তারা

রানা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত সৌমেন চট্টোপাধ্যায়ের প্রযোজনায়, শ্রী দে লা আর্ট-এর উপস্থাপনায় মুক্তি পেয়েছে অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের শেষ ছবি পঞ্চভূজ। এই ছবিরই আজ স্পেশাল স্ক্রিনিং হবে নিউটাউনের নজরুল তীর্থে। উপস্থিত থাকবেন ছবি পরিচালক, প্রযোজক, অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী সংযুক্তা চট্টোপাধ্যায়, কন্যা সায়না চট্টোপাধ্যায় (ডল) সহ অন্যান্যরা।ছবিটি নিয়ে অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের কন্যা জানিয়েছেন, আমার বাবার শেষ ছবি পঞ্চভূজ। সবাই প্লিজ হলে গিয়ে দেখুন।এদিকে প্রযোজক সৌমেন চট্টোপাধ্যায় অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের নামে একটি তারার নামকরণ করেছেন। কোনো বাঙালি অভিনেতাকে এইভাবে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানো এটাই প্রথম। নিজের নামে একটি তারার নামকরণের আবেদন করেছিলেন অভিষেকই। প্রয়াত অভিনেতার অনুরোধ রেখেছেন তিনি। মোনোসেরস বা ইউনিকর্ন নক্ষত্রপুঞ্জের একটি তারার নামকরণ করা হয়েছে অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। তারাটির ম্যাগনিউটিউড ১৬.৪৪ ম্যাগ। গত ১৭ এপ্রিল তারাটির নামকরণ করা হয়েছে। তারাটি সাইনা এবং সংযুক্তার জন্য জ্বলছে বলেও সোসাইটির তথ্য থেকে জানা গেছে।

জুন ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সঙ্গীতশিল্পীদের জন্য বিশেষ ভাবনা ইন্ডিয়ান পারফর্মিং রাইট সোসাইটি লিমিটেডের

ইন্ডিয়ান পারফর্মিং রাইট সোসাইটি লিমিটেড সবসময় তাদের সদস্যদের সুবিধা নিয়ে চিন্তিত। ১৯৬৯-এ এর সূচনা থেকে কম্পোজার, গীতিকার ও পাবলিশার্সের স্বত্ব রক্ষা করে আসছে। প্রতিভাবান ক্রিয়েটরদের তাদের স্বত্ব ও সুযোগ সম্পর্কে জ্ঞানের অভাবের ফলে পীড়িত হওয়া দেখাটা সত্যিই অস্বস্তিকর এবং এই পরিস্থিতি সঠিক করতে সংশোধনমূলক প্রতিকারের প্রতি তাদের চিন্তাভাবনা জোগায় আইপিআরএস।একটি যৌক্তিক কপিরাইট সোসাইটি হিসেবে আইপিআরএস এর সদস্যরা মহামারি চলাকালীন কতটা আর্থিক দুর্বিপাকের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন সেই বিষয়ে তারা সচেতন ছিল। পাশাপাশি সোসাইটি পর্যবেক্ষণ করেছে তাদের সদস্যদের বহু সংশয় ও অনুসন্ধান এই দ্রুত রূপান্তরশীল মিউজিক ল্যান্ডস্কেপে।এই উদ্বেগের প্রেক্ষিতেই, একটি উদ্যোগ চালু করা কথা ভাবা হয়েছে এর সদস্যদের তথ্যাভিজ্ঞ, শিক্ষিত ও সবল করতে। এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে সদস্যদের কাছে পৌঁছনো হল আইপিআরএস-এর প্রধান উদ্দেশ্য।এই অভিমুখে যাত্রা শুরু করে আইপিআরএস সিদ্ধান্ত নেয় এর সদস্যদের জন্য একগুচ্ছ ওয়ার্কশপ চালু করবে।এসব প্যান-ইন্ডিয়া ওয়ার্কশপ হবে আইপিআরএস সদস্যদের চোখ-খোলার জন্য দুর্দান্ত বিষয়, যা তাদের সৃজনশীল যাত্রা ও কেরিয়ারে সুবিধা দেবে। এই নলেজ ওয়ার্সশপ যার নাম লার্ন অ্যান্ড আর্ন সফলভাবে শুরু হয়েছে কলকাতায়। এই ওয়ার্কশপ চেন্নাই ও হায়দরাবাদের মতো সঙ্গীতপ্রেমীদের শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখানে এরকম দুর্দান্ত লার্ন অ্যান্ড আর্ন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল মে মাসের প্রথমদিকে। শিল্পকলার অন্যান্য ফর্ম যেমন সাহিত্য, নাটকের পাশাপাশি কলকাতার রয়েছে উজ্জ্বল মিউজিক্যাল লিগ্যাসি, এজন্য কলকাতার মুকুটে যুক্ত হয়েছে ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানীর রঙিন পালক। বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক আইকন যেমন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও সত্যজিৎ রায়ের মতো আইকনিক চরিত্র এই সিটি অব জয়-এর অসাধারণ আবেদনে অন্য মাত্রা যুক্ত করেছেন। যেমন প্রত্যাশিত, বাংলার ঋদ্ধ মিউজিক্যাল ঐতিহ্য একত্র হয়েছিল ক্লাসিক্যাল, ফোক, বাংলা রক মিউজিক প্রভৃতি জঁরের কয়েকজন সবচেয়ে শক্তিশালী মিউজিক্যাল ক্রিয়েটরের সৃষ্টি শুনতে এবং এঁদের সঙ্গে ছিলেন জঁর-নির্ধারিত স্বাধীন শিল্পীরা - যাঁরা এই গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টের জন্য এসেছিলেন। মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির ক্রেমে ডে লা ক্রেমে শৈলী, বিশেষ করে বাংলা থেকে, যার অন্তর্ভুক্ত টপ-লাইন কম্পোজার, গীতিকার, পাবলিশার এবং আইপিআরএস-এর সব প্রখ্যাত সদস্যরা এই সাক্ষাৎকে করে তুলেছিল আরও তাৎপর্যপূর্ণ। ওয়ার্কশপের আলোচনার মূল বিষয়ের কেন্দ্রে ছিল মিউজিক ও এই সংক্রান্ত ক্ষেত্রে কপিরাইট যেমন লাইসেন্সিং, উদিত প্রবণতা এবং ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, এবং ক্রিয়েটরদের স্বত্ব, অধিকার ও তাদের সঠিক বকেয়া সম্পর্কে আইপিআরএস-এর ভূমিকা।ক্যাম্পেনের প্রশংসা করে প্রখ্যাত গীতিকার ময়ূর পুরী জানিয়েছেন, আইপিআরএস হল মিউজিক সম্প্রদায়ের সবচেয়ে উচ্চ ও গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর। আজ, মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি যত দিন যাচ্ছে বিকেন্দ্রীকৃত হচ্ছে প্রতিদিন। যেমন আমাদের দূরদর্শী চেয়ারপার্সন জাভেদ আখতার সাব বলেছিলেন, আইপিআরএস-এ আমাদের সবার জন্য আমাদের বৈচিত্র্যময়তা ও ইনক্লুশন স্থির করা খুব জরুরি। লার্ন অ্যান্ড আর্ন হল পূর্ণ-দিনের একটি সিরিজ, বহু-শহরের ওয়ার্কশপ ডিজাইন করা হয়েছে আমাদের সদস্যদের সবল করতে শুধু বেঁচে থাকতে নয়, বরং এই ক্রিয়েটার সম্প্রদায়ে অংশ নিতে। এই প্রথম এই মাপের এবং ব্যাপক কনটেন্টের মহাকাব্যিক প্রচেষ্টার পরিকল্পনা করা হয়েছে সম্প্রদায়কে একত্র করতে এবং আমরা আশা করি এর থেকে হাজার হাজার মিউজিক ক্রিয়েটর লাভবান হবেন।

জুন ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

রাজা রামমোহন রায়কে শ্রদ্ধা জানাতে বিশেষ ভাবনা

সমাজসংস্কারক ও ভারতের নবজাগরণের পথিকৃৎ রাজা রামমোহন রায়ের জন্মের সার্ধ দ্বিশত জন্মবার্ষিকী শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাল নববারাকপুর শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদের পক্ষ থেকে। স্থানীয় কৃষ্টি প্রেক্ষাগৃহ সংলগ্ন অস্থায়ী প্রাঙ্গণে এই বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।রাজা রামমোহন রায়ের প্রতিচ্ছবিতে মালা ও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন নববারাকপুর পুরসভার পুরপ্রধান প্রবীর সাহা, উপপুরপ্রধান স্বপ্না বিশ্বাস, লেনিনগড় শিক্ষা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার রায়, কলোনী উচ্চ বালক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক ডঃ অনিরুদ্ধ বিশ্বাস, ডাঃ পঙ্কজ কুমার অধিকারী, কবি মেঘমালা বসু সহ এলাকার বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা, প্রাক্তনী ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরগন। রাজা রামমোহন, পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র, স্বামী বিবেকানন্দ, মহাত্মা গাঁধী মত মনীষিদের ভাবনা চিন্তাধারা যত বেশি করে আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরলে বিশ্বের কাছে মাথা উঁচু করে চলতে ও শিখতে পারবে। এলাকার উন্নয়ন হবে। সমাজ তত সুন্দর ভাবে এগিয়ে চলবে। রবিবার সকালে নববারাকপুর পুরসভাও যথাযথ মর্যাদার সাথে বাংলার নবজাগরণের রূপকার রাজা রামমোহন রায়ের জন্মের সার্ধ দ্বিশত জন্মবার্ষিকী উদযাপন করে পুরসভা প্রাঙ্গণে। অনুষ্ঠানের শুরুতে খালি গলায় উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করেন শিক্ষক বাচিক শিল্পী অম্লান দাশগুপ্ত। এরপর পুরপ্রধান, উপপুরপ্রধান সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও পুরকর্মীরা মালা ও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ভারতপথিককে। সবমিলিয়ে বিশেষ আয়োজন করে শ্রদ্ধা জানানো হল রাজা রামমোহন রায় কে।

মে ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

লতা মঙ্গেশকরকে বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের শ্রদ্ধার্ঘ্য

উত্তম মঞ্চে অনুষ্ঠিত হল আড্য কলা তীর্থম এবং প্রয়াসের সতেরো তম বার্ষিক অনুষ্ঠান। অভিরূপ সেনগুপ্তের নির্দেশনায় বিশেষভাবে সক্ষম ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি, অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীরাও নৃত্য পরিবেশন করেন। রঙ বাহার আর মেরি আওয়াজ হি পেহচান হ্যায় শীর্ষক দুটো বিশেষ প্রযোজনা উপস্থাপনা করা হয়। এরপর সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টদের প্রয়াস সম্মান দেওয়া হয় ক্ষেত্রের বিশিষ্টদের। বিশেষ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অলকানন্দা রায়, রোহন ভট্টাচার্য, দেবলীনা কুমার প্রমুখ। পরে রায়া ভট্টাচার্য, অভিরূপ সেনগুপ্ত, ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায় মিলে বিশ্ব শান্তির উপর এক বিশেষ প্রযোজনা পরিবেশন করেন। প্রথম নিবেদনে ছিল সংস্থার ছাত্র-ছাত্রীদের নৃত্য পরিবেশন। মঙ্গলাচরণ, জয় ভগবতী, আঙ্গিকাম, গুরু ব্রহ্ম, মক্ষ, মাণিক্য বীণা তারপর অভিরূপ সেনগুপ্ত লতা মঙ্গেশকরের গান লুকা ছুপি-তে নৃত্য পরিবেশন করেন। এরপর সংস্থাটি দেবলীনা কুমার, দেবযানী কুমার, রোহন ভট্টাচার্য, অর্ণব দত্ত, নিখিল জৈন, সুলগ্না রায় ভট্টাচার্য এবং তাঁর মাকে প্রয়াস সম্মান প্রদান করেন। অনুষ্ঠানটি শেষ হয় ঋদ্ধি বন্দোপাধ্যায়, রায়া ভট্টাচার্য, অভিরূপ সেনগুপ্ত এবং বিশেষ বাচ্চাদের নিয়ে বিশেষ প্রযোজনা মঙ্গল বার্তা এর মাধ্যমে। প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররাও মেরি আওয়াজ হি পেহেচান নামে তাদের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে লতা জিকে তাদের শ্রদ্ধা জানায়। এত ভালো একটি অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে উপস্থিত দর্শকরা সত্যিই খুব খুশি।

মে ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নাটক নিয়ে বিশেষ ভাবনা, অ্যাপের মাধ্যমে জানা যাবে নাটকের বিভিন্ন বিষয়

নাটকের জন্য একটি বিশেষ প্ল্যাটফর্ম টাইমস অফ থিয়েটার-এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ হল কলকাতা প্রেস ক্লাবে। গুগল প্লে স্টোরে এই অ্যাপটি পাওয়া যাচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বিল্পব দাশগুপ্ত, শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌমিত্র বসু, জগন্নাথ বসু, উর্মিমালা বসু, অংশুমান ভৌমিক, মুরারি রায়চৌধুরী, প্রদীপ মিত্র, সঞ্চয়িতা ভট্টাচার্যর মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।টাইমস অফ থিয়েটার প্রকাশ অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নাটক নিয়ে কাজ করতে করতেই আমাদের মনে হয়েছিল যে নাটকের জন্য এমন কিছু করা দরকার যা নাটককে আমাদের হাতের মুঠোয় এনে দেবে। রোজকার জীবনে নাটক যেন বন্ধুর মতো থাকে। তাই টিওটি রেডিও অ্যাপ তৈরি হল। টিওটি রেডিও অ্যাপে সারাদিন নাটক, নাটক নিয়ে আলোচনা, নাটকের গল্প, নাটকের গান, নাটকের কুইজ, ছোটদের নাটক সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে। টিওটি রেডিও অ্যাপের কোনো সাবস্ক্রিপশন ফি নেই। বিশ্বের যেকোনও প্রান্ত থেকে এই অ্যাপের মাধ্যমে যুক্ত থাকা যাবে।

মে ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মাতৃ দিবসে মা কে বিশেষ উপহার শাহরুখ কন্যা সুহানার

১৯০৮ সালের ৮ মে মাতৃ দিবস পালনের সূচনা হয়েছিল। আনা জার্ভিস নামে এক আমেরিকান মহিলা তাঁর প্রয়াত মায়ের সম্মানে গির্জায় উপাসনার আয়োজন করেন। সেই থেকেই নাকি শুরু হয় Mothers Day পালন। সেই থেকে সারা বিশ্ব জুড়ে প্রতি বছর এই দিনটি মাতৃ দিবস হিসাবে পালিত হয়ে আসছে। মাতৃ দিবসে মা তথা ইন্টিরিয়র ডিজাইনার গৌরী খানকে ভালোবাসা উপহার দিলেন মেয়ে সুহানা খান। এদিন মায়ের জন্য বিশেষ উপহার এনেছিলেন শাহরুখ-গৌরী কন্যা। একটা সাদা এবং গোলাপী ফুলের তোড়া মাকে উপহার দিয়েছেন সুহানা। শুধু তাই নয়, ভালোবাসা জানিয়ে একটি নোটে আরিয়ান খানের বোন লিখেছেন, শুভ মাতৃ দিবস মা, ভালোবাসি, তোমার সুহানা। এ দিন ফুলের তোড়ার ছবি শেয়ার করার পাশাপাশি মেয়ে সুহানা খানের একটি না দেখা ছবিও সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেন গৌরী খান। এই পোস্ট দেখে নেটিজেনরা খুবই খুশি। তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবির কমেন্ট বক্সে মা ও মে দুজনকেই ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। কমেন্ট করেছেন অনেক সেলিব্রিটিরাও।

মে ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রয়াত বাচিকশিল্পী পার্থ ঘোষের স্মৃতিচারণায় বাচিকশিল্পী রুমকি গাঙ্গুলি

আবার একটি দুঃসংবাদ। প্রয়াত বিশিষ্ট বাচিকশিল্পী পার্থ ঘোষ। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। শনিবার সকাল ৭.৩৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন জনপ্রিয় বাচিকশিল্পী পার্থ ঘোষ। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ পরিবার-পরিজনেরা। গত ২৬ আগস্ট পার্থ ঘোষের স্ত্রী স্বনামধন্যা বাচিকশিল্পী গৌরী ঘোষ মারা যান। এবার না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন পার্থ ঘোষ। রেডিওয় উপস্থাপক হিসেবে পেশাজীবনের শুরু করেন এই আবৃত্তিকার দম্পতি। দীর্ঘ দিন তাঁরা আকাশবাণী কলকাতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কর্ণ-কুন্তী সংবাদ-এর সুবাদে এক সময় পার্থ ঘোষ এবং গৌরী ঘোষের প্রচুর জনপ্রিয় হন। কুন্তীর ভূমিকায় ছিলেন গৌরী এবং কর্ণের ভূমিকায় ছিলেন পার্থ।পার্থ ঘোষের প্রয়াণে স্মৃতিমেদুর বাচিকশিল্পী রুমকি গাঙ্গুলি। তাঁর সঙ্গে পার্থবাবুর ভালো যোগাযোগ ছিল। জনতার কথা কে রুমকি জানালেন, খবরটা শোনার পর আমার মনটা খুব খারাপ। পার্থদার যে চেহারাটা দেখেছি সেই চেহারাটাই চোখে রাখতে চাই। ২০১৮ তে পার্থদার সঙ্গে আমার ভালোভাবে পরিচয় হয়। আমার একক অনুষ্ঠানে তিনি এসেছিলেন। গাড়ি করে নিয়ে আসা হয়েছিল। ওনার শরীর তখনও ভালো ছিল না। উনি বলেছিলেন একটু সময় থেকে চলে যাবেন। আমার একক অনুষ্ঠানে পার্থদার সঙ্গে পরিচয় গাঢ় হয়। আমার ২ ঘন্টা ৩০ মিনিটের শো শেষ হওয়ার পরে যখন লাইট জ্বলেছে তখন দেখি পার্থদা প্রথম সারিতে বসেই আছেন। অত লোকের মাঝেও আমি স্টেজ থেকে নেমে এসে বললাম দাদা তুমি যাওনি কেন? বলল আমি যেতে পারলাম না। তুই আমায় আটকে দিলি। প্রতিটা কবিতার পরেই ভাবছিলাম যাব, কিন্তু তোর কবিতা শোনার পরে উঠতে পারছিলাম না। এটা আমার জীবনের বোধহয় সবথেকে বড় পাওনা। তিনি আরও জানালেন, সেদিন চলে যাওয়ার পর রাতে আমাকে ফোন করে দাদার বাড়ি যেতে বলেন। দু-তিন দিন পর আমি পার্থদার বাড়ি যাই। আমাকে বলেছিলেন তোকে দিল্লিতে একটা অনুষ্ঠান দেবো। এই জিনিস তোকে করতে হবে। আমি বললাম ঠিক আছে। তারপর থেকেই পার্থদার শরীর খারাপ। একটা বড় অপারেশন হল। আমি তারপর দেখতে গেছি। কি ভালোবাসতেন তৈরি করে নিয়ে গেছি দু-চারবার। এত স্নেহ করতেন। আর বলতেন আমি জানি আমি মরে গেলে আর কেউ না কাঁদলেও তুই কাঁদবি। আমি বলতাম দাদা মরার কথা বলবে না। লাস্ট দিন কুড়ি আগে দাদার বাড়ি যাই। দাদার ছেল দরজা খুলে বললেন বাবা হসপিটালে রয়েছেন। চেক আপের জন্য বাবাকে কয়েকদিন ওখানে রাখা হয়েছে। আমি উনার ছেলের ফোন নম্বরটা নিয়ে যাই। দাদা বাড়িতে আসলে কথা বলে আমি আসবো। উনি বললেন হ্যাঁ ঠিক আছে। আমি লাস্ট দু একদিন ধরে ভাবছি ফোন করে দেখাটা করে আসি। আমার কপালে নেই। আজ সকালে যে এরম একটা খবর পাবো ভাবিনি।

মে ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আবৃত্তি জগতে শূন্যতার সৃষ্টি, প্রয়াত বাচিক শিল্পী পার্থ ঘোষ

প্রয়াত হলেন প্রখ্যাত বাচিক শিল্পী পার্থ ঘোষ। আবৃত্তি জগতে ফের নক্ষত্র পতন। সৃষ্টি হল শূন্যতার। জানা গিয়েছে, শনিবার ভোরে এই শিল্পীর কার্ডিয়াক এরেস্ট হয়। তাঁর গলায় অস্ত্রোপচার হয়েছিল। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। শোকের ছায়া নেমে এসেছে শিল্পী মহলে। তিনি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সূত্রের খবর, হাসপাতাল থেকে মরদহে যাবে দমদমে শিল্পীর বাসভবনে। সেখান থেকে নিমতলা শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন।গতবছর অগস্টে প্রয়াত হয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী আরেক প্রখ্যাত বাচিক শিল্পী গৌরী ঘোষ। আবৃত্তি জগতে পার্থ ঘোষ ও গৌরী ঘোষের দ্বৈত পাঠ সাড়া জাগিয়েছিল বাংলায়। তাঁদের কন্ঠে ছিল যাদু। দুজনের নাম একসঙ্গে উচ্চারিত হত। পার্থ ঘোষ ও গৌরী ঘোষ পরবর্তী প্রজন্মের আবৃত্তিকারদের কাছে অগ্রজপ্রতিম। তাঁদের দুজনেরই অভিব্যক্তি, উচ্চারণ দক্ষতা অসাধারণ। মুগ্ধ হতেন স্রোতারা।বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্য জনতার কথাকে জানান আজকের সকালটা বাচিক শিল্পের সাথে জড়িত সকলের কাছে এক অন্ধকারময় সকাল। জটিলেশ্বর বাবুর কথা ধার করে বলতে হয়, এ কোন সকাল রাতের চেয়েও অন্ধকার,ও কি সূর্য না কি স্বপনের চিতা, ও কি পাখির কুজন নাকি হাহাকার...... প্রখ্যাত বাচিক শিল্পী পার্থ ঘোষ আজ আমাদের মধ্যে নেই। প্রথাগত বাচিক শিক্ষা হয়ত কোনও দিন আমায় দেননি, কিন্তু তাঁর ও গৌরী ঘোষের অসংখ্য মঞ্চ মাতানো পরিবেশনা থেকে আমার মত বহু বাচিক শিল্পী বহু কিছু শিখেছেন। তাঁরা যেন সত্যিই কলি যুগের কর্ণ-কুন্তি ছিলেন। কুন্তি আগেই চলে গেছেন-এবার কর্ণ...। ধন্য হল পরলোক...। বাচিক শিল্পের নক্ষত্র পতন। ঘোষক / ঘোষিকা থেকে বাচিক শিল্পীর উত্তরণ যাঁদের হাত ধরে তাঁদের একজন হলেন পার্থ ঘোষ।সুদেষ্ণা আরও জানান, কয়েকটি অনুষ্ঠানে এই মহান শিল্পীর সাথে মঞ্চ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ হয়েছিল এই অধমের। একজন উদীয়মান শিল্পিকে যেভাবে উৎসাহ দিয়েছিলেন আমি কোন দিন ভুলতে পারবো না। আমার অবৃত্তি শেষে ওই রকম মহান শিল্পীরা (পার্থ ঘোষ - গৌরী ঘোষ) এসে আমার মত একজন উঠতি শিল্পীকে প্রসংশায় ভরিয়ে দিয়ে গেলেন। এই উৎসাহ ও প্রসংশাই আমাদের মত শিল্পীর কাছে পরম পাওয়া। আজ আর বলার মত কিছু নেই। মহান শিল্পীর আত্মার চির শান্তি কামনা করি।

মে ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অনুষ্ঠিত হলো সন্তোষপুরের ‘আগন্তুক’ সংস্থার ‘নারীর সামাজিক-সাংস্কৃতিক ক্ষমতায়ন’ অনুষ্ঠান

৮ই মার্চ ছিল বিশ্ব নারী দিবস। এই দিনটি কে মাথায় রেখে আই সি সি আর হলে সন্তোষপুর আগন্তুক আয়োজন করল ছিলো নারী দিবসের এক বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আমরা নারীদের বিশেষভাবে সম্মান দেওয়ার চেষ্টা করি। চেষ্টা করি তাদের জন্য আর একটু বেশি কিছু করার। সন্তোষপুর আগন্তুক নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে একটি অগ্রগণ্য সংস্থা। বিশ্ব নারী দিবসে তারা উদযাপন করতে চলেছে অনুপ্রানন। জীবনের সর্ব শ্রেণীর নারীদের উন্নতি ও ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্যে ও তাদের সম্মান জানিয়ে এই অনন্য সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্ভাবনা। এখন প্রসঙ্গক্রমে একজন বিশেষ ব্যাক্তিত্বের কথা না বললে খুবই অন্যায় ও পরিবেশনায় অসম্পূর্ণতা থেকে যাবে, তিনি হলেন এই স্বয়ম কর্ম ভাবনাটির প্রাণদাত্রী অভিষিক্তা বসু। ইনি মূলত এই কর্ম ভাবনার বাস্তব প্রতিক্ষেপণে বিপদগ্রস্ত মহিলাদের আইনগত সহযোগিতা ও পরামর্শদানের গুরু দায়িত্বটি পালন করে থাকেন। অনুপ্রানন শব্দটির অর্থ আত্মা। যে কর্মে আত্মার যোগ যদি না থাকে সেই কর্মে যেমন সাফল্য আশা করা বৃথা, তেমনই আত্মার একাত্মতাই মানুষকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে সাহস যোগায়। তাই এই আত্মিকতা নিয়েই অনুপ্রাননের আজকের এই বিশেষ দিনে এই সবিশেষ প্রচেষ্টা। এই অনুষ্ঠানটি শুরু থেকেই তার নিজস্বতা আর এক অনন্য স্বাদ নিয়ে হাজির হয়েছে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয় মূক ও বধির শিশুদের সাংকেতিক ভাষার মাধ্যমে জাতীয় সঙ্গীতের এক মর্মস্পর্শী উপস্থাপনের মাধ্যমে। অনুষ্ঠানের পরবর্তী পদক্ষেপ ছিল সন্তোষপুর আগন্তুকের সভাপতি বিপ্রদাস ভট্টাচার্যের সংবর্ধনা ও সংস্থার উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যতের কর্ম প্রকল্প নিয়ে সর্বজনের জন্য কিছু কথা ও তথ্য। সন্ধ্যার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল স্বয়ম এর প্রকাশ। স্বয়ম হল সন্তোষপুর আগন্তুক-এর একটি আইনি সচেতনতামূলক উদ্যোগ। স্বয়ম-এর উদ্দেশ্য হল নারীদের আইনগত অধিকার অর্জন এবং বাস্তবায়নের মাধ্যমে ন্যায়বিচার অর্জন করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা ও শিক্ষা দান। এই উদ্যোগ দেশের বিশাল জনসংখ্যার নারীদেরকে আইনিভাবে ক্ষমতায়ন করতে সহায়তা করবে। অনুষ্ঠানের পরবর্তী অংশে নিয়ে আসা হয়েছিল এমন একটি বিশেষ উপস্থাপনা যা আগে কখনও কোনও মঞ্চে চিত্রিত হয়নি। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোনার হরিণ, নৃত্যনাট্যের সাথে একাধিক সাহিত্যকর্ম থেকে বিভিন্ন নারী চরিত্রের সংমিশ্রণ নিয়ে প্রযোজনাটি উপস্থাপিত হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটির গ্রন্থনে ছিলেন তুশি নস্কর। চিত্রনাট্য লিখেছেন কৃষ্ণা দত্ত। কণ্ঠ দিয়েছেন স্বর্ণালী পাল এবং উপস্থাপনাটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা হলেন সুব্রত মুখার্জি (সঙ্গীত) ও সুবর্ণ প্রতিম গিরি (কণ্ঠ)। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে দর্শকদের জন্য ছিল তিতিক্ষা নামের একটি ছায়া ছবির একটি অতি আবেগপূর্ণ উপস্থাপনা যা সত্যিকারের নারীত্বের যাত্রাকে চিত্রিত করেছে। এই ছায়াছবি ছিল ৩ টি অনন্য গল্পের একটি অপরূপ সংকলন। তিতিক্ষা উপস্থাপন করেছে ক্রিয়া নামের একটি প্রযোজনা সংস্থা। আহি নস্কর দ্বারা পরিচালিত ও চলচ্চিত্র নির্মাতা শ্রীযুক্ত সন্দীপন মন্ডলের সুপরামর্শে সমৃদ্ধ এই ছবিটির বিশেষ প্রাপ্তি পরিচালকের অসাধারণ গ্রন্থনা ও চিত্র রূপাংকন। অনুষ্ঠানের বিশেষ আহ্বান, নারী ক্ষমতায়নের সহযাত্রী।সন্তোষপুর আগন্তুক হাজার হাজার নারীর জীবনে তাদের দক্ষতা ও কার্য সম্পাদনের মাধ্যমে সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং সর্বোপরি আর্থিকভাবে ক্ষমতায়নের মাধ্যমে তাদের জীবনে পার্থক্য সৃষ্টি করে দেওয়ার মহৎ কর্মে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। স্বর্ণালী পাল (সংস্থা র প্রেসিডেন্ট),অরিজিৎ মুখার্জী (সম্পাদক), তুষি নস্কর, সায়নজিৎ ঘোষ এবং আরও অনেকে এই সংস্থাটি পরিচালনার গুরুভার স্বেচ্ছায় নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়ে এক মহতি পথরেখা এঁকে চলেছেন। তাদের নিঃস্বার্থ কর্মকাণ্ড এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বহু অসহায় নারীর মুখে হাসি ফুটিয়েছেন এবং ফুটিয়ে চলেছেন। এদিনের সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন উজ্জ্বল ভট্টাচার্য।

মার্চ ১৩, ২০২২
রাজ্য

শেষ হল পুরভোটের প্রচার, বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল কমিশন

আগামী রবিবার ১০৮ পুরসভা নির্বাচনের প্রচার পর্ব শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় শেষ হয়েছে। প্রচারের আজ শেষ লগ্নে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের দেখা গিয়েছে শেষ বেলার জনসংযোগে। উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার সভা করেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কামারহাটিতে দলের প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে বের হন সেখানকার তৃনমূল কংগ্রেস বিধায়ক মদন মিত্র। বারাসাতে বিধান পার্ক থেকে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার করেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। সিপিআইএমের প্রবীণ নেতা মহাম্মদ সেলিমও কামারহাটিতে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে দলীয় কর্মীদের নিয়ে সেখানে প্রচার সরেন। এছাড়া রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি সিপিআইএম-সহ বাম দলের প্রার্থীও কর্মীসমর্থকরা, ও কংগ্রেস দলের প্রার্থী ও দলীয় নেতৃবৃন্দ আজ প্রচারের শেষ লগ্নে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার সারেন।রাজ্যের ১০৮ পুরসভায় ভোটগ্রহণ রবিবার। রাজ্য পুলিশ দিয়ে নির্বিঘ্নে ভোট করানোই চ্যালেঞ্জ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে। এর আগে কলকাতা-সহ চার পুরনিগমের ভোটে কড়া হাতে পরিচালনা করে সুনাম ও ধন্যবাদ কুড়িয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কলকাতা হাইকোর্টও বারবার কমিশনের নানা সিদ্ধান্তেই খুশি। তাই রবিবারের ১০৮ পুরসভার ভোট নির্বিঘ্নে পরিচালন করাই লক্ষ্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। সেই মর্মে আরও এক বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করল কমিশন। ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার নির্বাচনের জন্য ১০জন আইএএস অফিসারকে সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।এর আগে ১৬জন বিশেষ পর্যবেক্ষক ও ১০৮জন পর্যবেক্ষক নিযুক্ত করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এবার আরও একধাপ বাড়িয়ে সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেই কড়া বার্তা দিয়েছে কমিশন। প্রত্যেক সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষককয়ে শনিবারেই নিজের নিজের জায়গায় ডিউটিতে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। ১০৮ পুরসভার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিরোধীদের করা আবেদন সুপ্রিম কিংবা কলকাতা হাইকোর্ট খারিজ করেছে। রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট করানোর কমিশনের প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে আদালত। সেই মর্মে বিভিন্ন জেলায় রুটমার্চ শুরু করেছে পুলিশ।রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ১০৮ পুরভোটের নিরাপত্তায় ৪৪ হাজার পুলিশ কর্মী-আধিকারিক মোতায়েন করা হবে। বুধবার সন্ধ্যায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রসচিব ভগবতীপ্রসাদ গোপালিকা, রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত জানার পরেই রাজ্যের প্রত্যেক জেলাশাসককে চিঠি পাঠিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারির পুরভোটে অশান্তি এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তারপরে সন্ধ্যায় পুরভোটের নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব, রাজ্য পুলিশের সঙ্গে বৈঠকে বসেন নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে পুরভোটে অশান্তি এড়াতে আরও বাড়তি চার হাজার পুলিশ কর্মী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি ইএফআর, এসটিএফ, কম্যান্ডো ও র্যা ফকেও নামানোর সিদ্ধান্ত হয়।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সিঙ্গল ফাদারদের জন্য 'বাবা বেবি ও...'র স্পেশাল স্ক্রিনিং

সিঙ্গল ফাদারদের গল্প বলেছেন পরিচালক অরিত্র মুখারজি তাঁর ছবিতে।সেই সিঙ্গল ফাদার দের নিয়ে বাবা বেবি ওদেখানো হল কলকাতার এক মাল্টিপ্লেক্সে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গোটা প্রেক্ষাগৃহটা কেবল তাঁদের জন্যই। তাঁরা এলেন দেখলেন এবং বাবা বেবি ওউপভোগ করলেন। এই স্পেশাল স্ক্রিনিং নিয়ে অল বেঙ্গল মেনস ফোরাম-এর পক্ষ থেকে নন্দিনী ভট্টাচার্য বললেন, ছেলে এবং পুরুষদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির মৌলিক পরিবর্তন আনতে চাই আমরা। সিঙ্গল ফাদার এবং সারোগেসি সম্পর্কেও মানুষের নানা রকমের ধারণা রয়েছে। আমি যখন জানতে পারি, বাংলা ছবিতে এক সিঙ্গেল ফাদারের গল্প দেখানো হচ্ছে যিনি সারোগেসির মাধ্যমে পিতৃত্ব গ্রহণ করেছেন, তখনই আমার ফোরামের পুরুষ সদস্যদের জন্য একটি বিশেষ স্ক্রিনিং করার কথা ভাবলাম। কথা বললাম প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে। বিশেষ স্ক্রিনিংয়ে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী শোলাঙ্কি রায়। দর্শকদের অনুভূতি সামনে থেকে দেখে অভিভূত তিনি। একা হাতে দুই যমজ শিশুকে সামলানো। সহজ কথা নয়। পুরুষ হোন বা নারী। নিদ্রাহীন দিন এবং রাতের শুরুই বটে। কিন্তু সেই কাজটাই করে দেখালেন যিশু। দিন কয়েকের জন্যই হোক না কেন, তিনি সম্পূর্ণ ভাবেই হয়ে উঠেছিলেন মেঘ রোদ্দুর চট্টোপাধ্যায়। বাস্তবের মেঘদের তাই এক জায়গায় নিয়ে এল উইন্ডোজ প্রোডাকশনস।সারোগেসির মাধ্যমে দুই পুত্রসন্তান পোস্ত আর পটলের বাবা হয়েছে চল্লিশোর্ধ মেঘ। ২০ বছরে ছোট এক মেয়ে বৃষ্টির প্রেমে পড়ে সে। তারপর এগোতে থাকে বাবা বেবি ওর গল্প।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিশেষভাবে সক্ষমদের পাশে দাঁড়িয়ে বিশেষ দৃষ্টান্ত স্থাপন ঐক্যতানের

বিগত বছরের মতো এই বছরেও ঐক্যতানের পক্ষ থেকে রক্তদান শিবিরের আয়োজন কড়া হল। ভালোবাসার দিন অর্থাৎ ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র ঠিক আগের দিন এই মহৎ কর্মসূচীর আয়োজন করে তারা। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা ও দেবাশিস কুমার। এছাড়া মর্নিং গ্লোরি ইন্ট্রিগ্রেটেড স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরাও রক্তদান শিবিরে উপস্থিত হয়েছিল। এই সংগঠনের সদস্য আনন্দ ভুঁইয়া জনতার কথা কে জানালেন, আমাদের উদ্দেশ্য ছিল মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা একটা সংগঠন তৈরি করি। গত বছর প্রথম রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছিলাম আমরা। এই বছর এখনও পর্যন্ত ৫০ জন রক্ত দিয়েছেন। দেবাশিস কুমার এদিন জানান, আগামীকাল ভালোবাসার দিন। ভালোবাসার ব্যপকতা, ভালোবাসার ব্যপ্তি কতটা হতে পারে ঐক্যতান তার প্রমাণ রাখলো। বিশেষভাবে সক্ষম বাচ্চাদের পাশে দাঁড়িয়ে আগামী দিনের সার্থকতা আজকে তারা করে দিলেন। ভালোবাসাটা দুটো নারী-পুরুষের মধ্যে নয়। ভালোবাসাটা মানুষের সঙ্গে মানুষের। সেই কাজটাই তারা করলেন।উদ্যোক্তারা আরো জানিয়েছেন মর্নিং গ্লোরি ইন্ট্রিগ্রেটেড স্কুলের বিশেষভাবে সক্ষম ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে দাঁড়ানোর একটা প্রয়াস ছিল তাদের। আনন্দ ভুঁইয়া এই স্কুলের সঙ্গে ওতপ্রতোভাবে জড়িত।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
কলকাতা

ইউনেস্কোর স্বীকৃতি-উদযাপন, দুর্গাপুজোর একমাস আগে বিশেষ মিছিলের ঘোষণা মমতার

কলকাতার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর বিশেষ মর্যাদা পেয়েছে। সেই কৃতিত্বকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং ইউনেস্কোকেও পাল্টা মর্যাদা দিতে শহরে বিশেষ মিছিল করা হবে। ওই মিছিল হবে দুর্গাপুজোর এক মাস আগে। বুধবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচনের শেষে মঞ্চ থেকে ওই ঘোষণা করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি জানিয়েছেন, এক মাস আগে মিছিল করা হবে। সেখানে ইউনেস্কোর স্বীকৃতিকে সামনে রেখে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মেয়েরা শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি করবেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। সংখ্যালঘু মহিলারা নিজেদের মতো করে প্রার্থনা করবেন। আর বাকিরা শঙ্খধ্বনি-উলুধ্বনি করবেন। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দুর্গাপুজোর একমাস আগে একটা মিছিল করব। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মা-বোনেরা শঙ্খ বাজাবে। সংখ্যালঘুরাও শামিল হবে। শঙ্খ উলুধ্বনি কাকে বলে বাংলা দেখবে। পাশাপাশি, সংখ্যালঘু মহিলারাও দোয়া করবেন। থাকবেন তপসিলি জাতি-উপজাতির মহিলারাও। তাঁরা সকলেই নিজের নিজের মতো করে প্রার্থনা করবেন।এর পরই দুর্গাপুজো কমিটির সদস্য ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাসদের দায়িত্ব নিতে পরামর্শ দেন তিনি। দুর্গাপুজোর উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে নির্দেশ দেন মমতা। জানিয়ে দেন আগামী কর্মসূচিও।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
দেশ

সংসদ শুরুর আগে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

সোমবার সংসদে শুরু হল বাজেট অধিবেশন। এই পরিস্থিতিতে বিরোধী দলগুলির তরফে গোলমালের আশঙ্কা করে আগে থেকেই সাংসদদের সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার সংসদে ঢোকার আগে মোদি বলেন, সংসদের প্রত্যেককে অধিবেশনে স্বাগত। তবে আশা করব, ভোট কোনওভাবেই বাজেট অধিবেশনকে প্রভাবিত করবে না। সব দল খোলা মনে উত্তম চর্চা করে দেশের প্রগতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবেন।মোদি এদিন বলেছেন, ভারতের অর্থনীতি বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই বাজেট অধিবেশনও ভারতের আার্থিক প্রগতিকে আগামী এক বছরের জন্য প্রভাবিত করবে। আশা করব, দেশের উন্নতির কথা মাথায় রেখে সাংসদরা একযোগে কাজ করবেন। কারণ, ভোট নিজের জায়গায়, বাজেট অধিবেশন নিজের জায়গায়।ঘটনাচক্রে, বাজেট অধিবেশন যখন বসছে, তখন পেগাসাস নিয়ে দেশে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আবার উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পঞ্জাব, গোয়া এবং মনিপুরেও আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন। পশ্চিমবঙ্গেও শুরু হচ্ছে পুরসভা ভোট। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনুমান, পেগাসাস-কাণ্ড এবং ভোটকে সামনে রেখে বাজেট অধিবেশনে বিরোধীরা অশান্তি করতে পারেন ভেবেই আগে থেকে এই বার্তা দিয়ে রাখলেন মোদি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal