• ৭ বৈশাখ ১৪৩৩, বুধবার ২২ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Donald Trump

বিদেশ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে! একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার গভীর রাতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আগের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগে এই ঘোষণা ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইরান। একই সঙ্গে ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন সেনার অবরোধ ও নজরদারি আগের মতোই চালু থাকবে।ট্রাম্প বলেন, ইরান সরকারের মধ্যে বিভাজন রয়েছে এবং সেই পরিস্থিতিতে তারা এখনও কোনও ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব দিতে পারেনি। তাই আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আক্রমণ স্থগিত রাখা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের ভূমিকাকেও তিনি প্রশংসা করেন। তবে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী ও ইরানের উপকূলে মার্কিন সেনা মোতায়েন ও অবরোধ বজায় থাকবে এবং সেনাবাহিনী সব দিক থেকে প্রস্তুত থাকবে।এই অবস্থায় হরমুজে আমেরিকার অবস্থান নিয়েই আপত্তি তুলেছে ইরান। তারা জানিয়ে দিয়েছে, আমেরিকার শর্তে কোনও যুদ্ধবিরতিতে তারা রাজি নয়। ইরানের সরকারি সূত্রে দাবি, এই পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা অর্থহীন হয়ে উঠছে।এর মধ্যেই দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠক নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। ইসলামাবাদে সেই বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও, ইরান এখনও সেখানে অংশ নেবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীতে ইরানের দুটি জাহাজ বাজেয়াপ্ত করেছে আমেরিকা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। তাদের অভিযোগ, আমেরিকার এই পদক্ষেপ যুদ্ধোন্মুখ আচরণ এবং জলদস্যুতার সমান। পাশাপাশি আমেরিকার শান্তি আলোচনায় অংশগ্রহণের সদিচ্ছা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ইরান।অন্যদিকে পাকিস্তান জানিয়েছে, ইরান এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং ইরান আলোচনায় অংশ নেবে কি না, তা জানার জন্য অপেক্ষা করছে। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি জারি থাকলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধবিরতির মাঝেই বিস্ফোরণ! ট্রাম্পকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলল ইরান, বাড়ল উত্তেজনা

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আপাতত দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চলছে। তারই মধ্যে এক সপ্তাহ কেটে গেলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণ নেই। বরং পাল্টা আক্রমণ এবং কড়া বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল ইরান। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ দাবি করেছেন, ট্রাম্প অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক মিথ্যা দাবি করেছেন। যদিও ঠিক কোন দাবিগুলি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন, তা স্পষ্ট করেননি।শুক্রবার ট্রাম্পের বক্তব্যের সময়ই সামাজিক মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন ঘালিবাফ। তিনি স্পষ্ট করে জানান, আমেরিকার অবরোধ চালু থাকলে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে না। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ইরানের নিয়ম মেনে এবং তাদের অনুমতি নিয়েই করতে হবে।এর পরেই ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। তাদের দাবি, আমেরিকা প্রতিশ্রুতি ভেঙেছে এবং এখনও ইরানের বন্দরগামী জাহাজগুলির উপর অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র কথার ভিত্তিতে নয়, বাস্তব পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগে যদিও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ খুলে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
বিদেশ

মিত্র দেশকেই আক্রমণ! মেলোনিকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইজরায়েল এবং আমেরিকার পাশে দাঁড়ায়নি ইউরোপের একাধিক দেশ। সেই তালিকায় রয়েছে ইতালিও। আর এই বিষয়েই ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তিনি মেলোনিকে নিয়ে যা ভেবেছিলেন, বাস্তবে তিনি তেমন নন। তাঁর কথায়, মেলোনির সাহস রয়েছে বলে মনে করতেন, কিন্তু সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, অনেকদিন ধরে মেলোনির সঙ্গে তাঁর কোনও কথা হয়নি।হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইতালির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, শক্তি খাতে ইতালির খরচ অনেক বেশি হলেও তারা এই ইস্যুতে সক্রিয় হতে চাইছে না। ট্রাম্পের অভিযোগ, ইতালি চায় আমেরিকা একাই পরিস্থিতি সামলাক, কিন্তু তারা নিজেরা কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এমনকি যুদ্ধের সময় ইতালির তরফে কোনও সাহায্য পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অবস্থান ইতালির সাধারণ মানুষ মেনে নেবে কি না, সেটাও প্রশ্ন। ইরানের হুমকির প্রসঙ্গ তুলে ট্রাম্প বলেন, বিপদের সময়েও মেলোনির অবস্থান ঠিক নয়।প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। তেহরান-সহ একাধিক জায়গায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তার পর থেকেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ইরান পাল্টা হামলা চালাতে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা আমেরিকার বিভিন্ন ঘাঁটি এবং ইজরায়েলের উপর। একাধিক দেশে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলার খবর সামনে আসে।এখনও পুরোপুরি যুদ্ধ থামেনি। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই যুদ্ধে ধীরে ধীরে একঘরে হয়ে পড়ছেন ট্রাম্প। আর সেই কারণেই মিত্র দেশগুলির বিরুদ্ধেও তিনি প্রকাশ্যে ক্ষোভ দেখাচ্ছেন।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
দেশ

শত্রু দেশের ভিতরে ঢুকে রুদ্ধশ্বাস অভিযান, নিখোঁজ পাইলটকে ফিরিয়ে আনল আমেরিকা

ইরানে ভেঙে পড়া একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের পাইলটকে নিয়ে টানটান উত্তেজনার অবসান হল। প্রায় ২৪ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি অভিযানের মাধ্যমে ইরানের ভিতরে ঢুকে ওই পাইলটকে উদ্ধার করেছে মার্কিন বাহিনী।রবিবার নিজের সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প জানান, গত কয়েক ঘণ্টায় আমেরিকার ইতিহাসের অন্যতম দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, নিখোঁজ ওই অফিসার একজন কর্নেল পদমর্যাদার আধিকারিক এবং বর্তমানে তিনি নিরাপদে আছেন, যদিও সামান্য আহত হয়েছেন।ট্রাম্প আরও জানান, পাইলটকে উদ্ধারের জন্য পেন্টাগন সারাক্ষণ নজর রাখছিল এবং পরিকল্পনা করছিল। শেষ পর্যন্ত ইরানের আকাশে একাধিক যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে এই অভিযান সফল করা হয়। তাঁর দাবি, এই পুরো অভিযান অত্যন্ত কঠিন ছিল এবং প্রতিটি পদে ঝুঁকি ছিল। তবুও কোনও ক্ষতি ছাড়াই তারা এই কাজ সম্পন্ন করেছে এবং ইরানের আকাশে নিজেদের ক্ষমতা দেখিয়েছে।অন্যদিকে, একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক মার্কিন কর্তা বলেন, নিখোঁজ ওই পাইলট প্রায় দুদিন ধরে ইরানের নজর এড়িয়ে নিজের প্রাণ বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। পরে তাঁকে খুঁজে পেয়ে উদ্ধার করা হয়। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ইরানের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।উল্লেখ্য, শুক্রবার ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুটি যুদ্ধবিমান ভেঙে দেয়। সেই ঘটনায় এই পাইলট নিখোঁজ হন। তাঁকে খুঁজতে গিয়ে দুটি হেলিকপ্টারও হামলার মুখে পড়ে, যদিও সেগুলি কোনওমতে ফিরে আসে। এরপর বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ওই পাইলট ইরানের সংঘাতপূর্ণ এলাকায় লুকিয়ে ছিলেন। তাঁকে খুঁজতে তল্লাশি চালায় ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীও। শেষ পর্যন্ত সেই পাইলটকে উদ্ধার করার দাবি করল আমেরিকা।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্প বললেন আলোচনা চলছে, ইরানের জবাব— ‘সব মিথ্যা!’ যুদ্ধবিরতি ঘিরে বড় বিস্ফোরণ

যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা নিয়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই দাবি একেবারে খারিজ করে দিয়েছে ইরান।ইরানের বিদেশমন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমেরিকার সঙ্গে কোনও সরাসরি আলোচনা হয়নি। তাদের বক্তব্য, কেবলমাত্র বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, কিন্তু কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেন, টানা একত্রিশ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের মধ্যে তারা আত্মরক্ষাতেই মন দিয়েছে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।অন্যদিকে, ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে আমেরিকার দেওয়া পনেরো দফা শর্তের বেশিরভাগই মেনে নিয়েছে ইরান। তিনি জানান, আলোচনা দ্রুত এগোচ্ছে এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যেই একটি চুক্তি হতে পারে বলে আশাবাদী তিনি। তাঁর কথায়, যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।কিন্তু ইরানের তরফে এই সমস্ত দাবিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। তেহরানের এই অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে যুদ্ধবিরতি আদৌ সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ৩১, ২০২৬
বিদেশ

‘আমরা রাজা চাই না’—ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাস্তায় লাখো মানুষ, আমেরিকাজুড়ে বিস্ফোরক বিক্ষোভ

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আবারও রাস্তায় নামলেন সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন শহরে একসঙ্গে উঠল নো কিংস স্লোগান। অর্থাৎ, কেউ রাজা নয়এই বার্তাই তুলে ধরলেন বিক্ষোভকারীরা। ট্রাম্পের একাধিক নীতির বিরোধিতা করে এই আন্দোলনে অংশ নিলেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।শনিবার আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্তে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়। জানা গিয়েছে, দেশের পঞ্চাশটি প্রদেশে তিন হাজারেরও বেশি কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছিল। সবচেয়ে বড় জমায়েত দেখা যায় মিনেসোটায়। সেখানে হাজার হাজার মানুষ একসঙ্গে মিছিল করেন। গান, স্লোগান এবং প্ল্যাকার্ডে মুখর হয়ে ওঠে রাস্তা।এই বিক্ষোভ শুধু বড় শহরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগোর মতো বড় শহরের পাশাপাশি ছোট শহরেও ছড়িয়ে পড়ে এই আন্দোলন। সর্বত্রই মানুষের ঢল নামে রাস্তায়।বিক্ষোভকারীদের হাতে ছিল নো কিংস লেখা প্ল্যাকার্ড। অনেকেই উল্টো করে আমেরিকার পতাকা ধরেছিলেন, যা বিপদের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। কেউ কেউ ট্রাম্পকে ব্যঙ্গ করে নানা ধরনের পোস্টারও তুলে ধরেন। কোথাও কেউ নিজেকে ব্যাঙের রাজা সাজিয়ে প্রতিবাদ করেছেন, আবার কেউ ট্রাম্পকে শিশুর মতো রূপ দিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন।এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল গত বছরের জুন মাসে। ট্রাম্পের একাধিক নীতিকে স্বৈরাচারী বলে অভিযোগ করেন নাগরিকরা। বিশেষ করে ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কেন এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হল, তার ব্যাখ্যা দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা।এর আগে জুন এবং অক্টোবর মাসে দুদফা বড় বিক্ষোভ হয়েছিল। সেই সময়েও বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। প্রথম দফায় প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ এবং দ্বিতীয় দফায় প্রায় সত্তর লক্ষ মানুষ রাস্তায় নেমেছিলেন। এবার সেই সংখ্যাও ছাড়িয়ে গেছে। জানা গিয়েছে, এই দফায় প্রায় নব্বই লক্ষেরও বেশি মানুষ এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।পুরো পরিস্থিতি এখন আমেরিকার রাজনৈতিক পরিবেশকে নতুন করে নাড়িয়ে দিয়েছে। সাধারণ মানুষের এই ক্ষোভ আগামী দিনে কী প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পকে সরাসরি না ইরানের! যুদ্ধবিরতি জল্পনায় বড় ধাক্কা

আমেরিকা এবং ইজরায়েলের চাপের সামনে মাথা নত করতে নারাজ ইরান। যুদ্ধবিরতির জল্পনার মধ্যেই তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনও নির্দেশ মানবে না। শুধু তাই নয়, আমেরিকার সঙ্গে কোনওরকম আলোচনায় বসার কথাও তারা একেবারে নাকচ করে দিয়েছে।ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, আমেরিকার দেওয়া প্রস্তাব তারা খতিয়ে দেখেছে, কিন্তু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হবে না। তিনি বলেন, বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আমেরিকা বার্তা পাঠালেও তা আলোচনার সমতুল্য নয়।আরাঘচির কথায়, ইরান কখনও চাপের কাছে মাথা নত করবে না। আমেরিকার লক্ষ্য ছিল ইরানের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন এবং যুদ্ধে জয়লাভ, কিন্তু সেই উদ্দেশ্য তারা পূরণ করতে পারেনি বলেই দাবি করেন তিনি। তিনি আরও জানান, ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে স্থায়ী সমাধানের জন্য তাদের শর্ত মানতেই হবে, না হলে সংঘাত চলতেই থাকবে।অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপকে বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলছে এবং ইরানের সরকার যুদ্ধ থামাতে চাইলেও দেশের মানুষের প্রতিক্রিয়ার ভয়ে তারা পিছিয়ে রয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ট্রাম্প একাধিক শর্ত দিয়েছেন। তার মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচির উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ। এর পালটা জবাবে ইরানও নিজেদের শর্ত জানিয়েছে। তাদের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সমস্ত সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করতে হবে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য আমেরিকাকে অর্থ দিতে হবে।এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
দেশ

ট্রাম্পের ঘোষণায় চাঙ্গা বাজার! কিন্তু ঘণ্টা খানেকেই ধাক্কা, আতঙ্কে বিনিয়োগকারীরা

মঙ্গলবার সকালে বাজার খুলতেই হঠাৎ করেই চাঙ্গা হয়ে ওঠে শেয়ার বাজার। সেনসেক্স ও নিফটি দুটিই দ্রুত উপরের দিকে উঠতে শুরু করে। একই সঙ্গে টাকার দামও কিছুটা শক্তিশালী হয় এবং সোনা ও রুপোর দাম কমে যায়। তবে এই উত্থান কতক্ষণ স্থায়ী হবে, তা নিয়ে শুরু থেকেই সংশয় তৈরি হয়।এই উত্থানের পিছনে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য। তিনি দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং আগামী পাঁচ দিন ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামোয় কোনও হামলা করা হবে না। এই ঘোষণার পরই বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ থামার আশা তৈরি হয় এবং তার প্রভাব পড়ে ভারতীয় বাজারেও।বাজার খুলতেই সেনসেক্স এক লাফে হাজার পয়েন্টেরও বেশি বেড়ে যায়। নিফটিতেও দেখা যায় উন্নতি। একই সময়ে টাকার দামও ডলারের তুলনায় প্রায় চৌত্রিশ পয়সা বেড়ে যায়। তেলের দাম কিছুটা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়।কিন্তু এই খুশি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। বাজার খোলার অল্প সময়ের মধ্যেই সেনসেক্স প্রায় পাঁচশো পয়েন্ট পড়ে যায়। সূচক ঘোরাফেরা করতে থাকে তিয়াত্তর হাজার তিনশোর আশপাশে। এই ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে ইতিমধ্যেই ইরান ভুয়ো বলে দাবি করেছে। সেই কারণেই বাজারে আবার অনিশ্চয়তা ফিরে এসেছে। যুদ্ধ যদি সত্যিই না থামে, তাহলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।প্রায় চার সপ্তাহ ধরে চলা এই সংঘাত কবে শেষ হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বাজারে অস্থিরতা থাকলে লাভের আশা করাও কঠিন হয়ে পড়বে। ফলে সাময়িক উত্থান হলেও বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
বিদেশ

৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম! প্রণালী না খুললেই ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ল। হরমুজ প্রণালী ঘিরে ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রণালী সম্পূর্ণভাবে না খুললে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে বড় ধরনের হামলা চালানো হবে।শনিবার সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রণালী খুলে না দিলে একে একে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিকে ধ্বংস করা হবে এবং এই অভিযান শুরু হবে সবচেয়ে বড় কেন্দ্র দিয়ে। এই হুমকির পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানের নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখে তারা বিশ্বজুড়ে চাপ তৈরি করবে। এর ফলে তেল এবং গ্যাসের সরবরাহে বড় প্রভাব পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে গিয়েছে।এই দীর্ঘ সংঘর্ষে দুই পক্ষই ক্ষতির মুখে পড়েছে। একাধিক সামরিক ঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। তেল শোধনাগার এবং জ্বালানির ভাণ্ডারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে।হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এই অবস্থায় প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য চাপ বাড়াচ্ছে আমেরিকা। সেই প্রেক্ষিতেই এই কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে, এখন সেটাই দেখার।

মার্চ ২২, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ, তবুও নরম নন ট্রাম্প! কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

ইরানকে ঘিরে চলা সংঘাত নিয়ে কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই মুহূর্তে যুদ্ধবিরতি চান না তিনি। তাঁর দাবি, এই সংঘাতে ইরান দুর্বল অবস্থায় রয়েছে, তাই এখন যুদ্ধ থামানোর প্রশ্নই ওঠে না।শুক্রবার হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, আলোচনা হতে পারে, কিন্তু তিনি যুদ্ধবিরতি চান না। তাঁর কথায়, যখন প্রতিপক্ষকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তখন যুদ্ধ থামানো ঠিক নয়।ইজরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের উপর হামলা এবং যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। ট্রাম্প জানান, ইজরায়েলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক খুব ভালো এবং দুই দেশই একই লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। তাঁর মতে, তারা জয় চায় এবং সেই দিকেই এগোচ্ছে।হরমুজ প্রণালী নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ সুরক্ষিত রাখতে আরও সাহায্যের প্রয়োজন। বিশেষ করে চিন ও জাপানের মতো দেশ এগিয়ে এলে পরিস্থিতি সামলানো সহজ হবে। ইরানের কারণে এই পথ আংশিকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তা পুনরায় চালু করতে জাহাজের প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, আমেরিকার কাছে হরমুজ প্রণালী ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, কারণ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলির মতো তারা এই পথের উপর খুব বেশি নির্ভরশীল নয়।উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় কুড়ি শতাংশ এই হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হয়। বর্তমান সংঘাতের জেরে ইরান এই পথ বন্ধ করে দেওয়ায় বহু দেশে তেলের সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হচ্ছে।

মার্চ ২১, ২০২৬
বিদেশ

বন্ধু দেশ পাশে নেই, ক্ষোভে বিস্ফোরণ ট্রাম্পের, বললেন আমাদের কাউকে দরকার নেই

বিপদের সময়ে কে সত্যিই পাশে থাকে, সেই প্রশ্নই যেন সামনে এনে দিল হরমুজ প্রণালী ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি। এই সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু সেই ডাকে সাড়া দেয়নি কোনও দেশই। এরপরেই সোশ্যাল মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। জানান, আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ এবং তাদের কাউকে প্রয়োজন নেই।ইজরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের উপর হামলা চালানোর পর থেকেই উত্তেজনা বেড়েছে। পালটা পদক্ষেপ হিসেবে হরমুজ প্রণালী কার্যত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে ইরান। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাস সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন দেশে জ্বালানির দাম বাড়তে শুরু করেছে। আমেরিকাতেও তার প্রভাব পড়ছে এবং জ্বালানি সংকট দেখা দিচ্ছে।এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাম্প বিভিন্ন দেশকে হরমুজে রণতরী পাঠানোর আহ্বান জানান। তিনি ন্যাটোর সদস্য দেশগুলির পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশের নাম উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কোনও দেশই তার প্রস্তাবে আগ্রহ দেখায়নি।এরপরেই ট্রাম্প বলেন, আমেরিকার শক্তিশালী সেনাবাহিনী রয়েছে এবং তারা নিজেরাই পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম। তিনি আরও জানান, তিনি আসলে দেখতে চেয়েছিলেন, তার ডাকে অন্য দেশগুলি কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়। তার দাবি, অনেক সময় প্রয়োজনের মুহূর্তে এই দেশগুলি পাশে থাকে না।তিনি আরও মনে করিয়ে দেন, দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা বিভিন্ন দেশকে আর্থিক সাহায্য দিয়ে এসেছে। তবুও এই পরিস্থিতিতে তাদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।উল্লেখযোগ্যভাবে, ট্রাম্প চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ব্রিটেনের মতো দেশের নাম উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কেউই এগিয়ে আসেনি। অন্যদিকে ভারত জানিয়েছে, এই বিষয়ে তাদের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হয়নি। তবে ইরানের সঙ্গে তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং নিজেদের জ্বালানিবাহী জাহাজ নিরাপদে পার করার চেষ্টা চালাচ্ছে।সব মিলিয়ে এই পরিস্থিতিতে বিশ্বরাজনীতিতে আমেরিকা কিছুটা একা হয়ে পড়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। হরমুজ প্রণালী নিয়ে উত্তেজনা এখনও বজায় রয়েছে এবং পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের বড় ডাক, ভারত কি যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে? স্পষ্ট জানাল দিল্লি

ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মিত্র দেশগুলিকে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের এখনও কোনও আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক।সোমবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে বিভিন্ন দেশ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে। কিন্তু এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক কোনও আলোচনা এখনও হয়নি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, পরিস্থিতি নিয়ে সরকার অভ্যন্তরীণভাবে আলোচনা করছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।এর আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে থাকলে বহু দেশ তার প্রভাবের মুখে পড়বে। তাই চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেনসহ একাধিক দেশকে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানান তিনি। তাঁর মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে নিরাপদ ও খোলা রাখার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জরুরি।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের সামরিক ক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল করা হয়েছে। তবুও ওই অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন বা মাইন হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সেই আশঙ্কা থেকেই মিত্র দেশগুলিকে সতর্ক থাকতে বলেছেন তিনি।নিজের বার্তায় ট্রাম্প আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে বহু দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আন্তর্জাতিক শক্তিগুলিকে একসঙ্গে এগিয়ে এসে ওই জলপথকে নিরাপদ রাখতে হবে। তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে আমেরিকা সমুদ্রপথে অভিযান চালিয়ে যাবে এবং যে কোনও উপায়ে হরমুজ প্রণালীকে মুক্ত ও নিরাপদ রাখার চেষ্টা করবে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের অবস্থান নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে এই সংবেদনশীল বিষয়ে ভারত কী অবস্থান নেয়, তা আন্তর্জাতিক মহলেও নজরে রাখা হচ্ছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
বিদেশ

আমেরিকায় পঞ্চাশ বছরে প্রথম তেল শোধনাগার, গড়ছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা

আমেরিকায় নতুন একটি তেল শোধনাগার তৈরি হতে চলেছে এবং সেই প্রকল্পে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা রিলায়েন্স। এমনই ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, টেক্সাসের ব্রাউনসভিল এলাকায় এই নতুন শোধনাগার তৈরি হবে। তাঁর দাবি, গত পঞ্চাশ বছরের মধ্যে এটিই হবে আমেরিকার প্রথম নতুন তেল শোধনাগার।ট্রাম্প বলেন, এই প্রকল্প আমেরিকার জ্বালানি শক্তিকে আরও মজবুত করবে। তাঁর কথায়, আমেরিকা আবার শক্তির আধিপত্যের পথে ফিরছে এবং দেশের স্বার্থই সবার আগে থাকবে। তিনি এই প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য ভারতের অংশীদার এবং দেশের অন্যতম বড় বেসরকারি জ্বালানি সংস্থা রিলায়েন্সকে ধন্যবাদ জানান।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, এই শোধনাগারটি বিশ্বের অন্যতম পরিচ্ছন্ন তেল শোধনাগার হবে। এর ফলে আমেরিকার বিপুল আর্থিক লাভ হবে বলেও তিনি জানান। তবে এই প্রকল্প ভারতের সঙ্গে কোনও বড় চুক্তির অংশ কি না, তা তাঁর ঘোষণায় স্পষ্টভাবে বলা হয়নি।জানা যায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মুকেশ আম্বানির মধ্যে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। গত বছর কাতারে একটি অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করেছিলেন রিলায়েন্সের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি। এছাড়া ভেনেজুয়েলার তেল কেনার বিষয়েও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রিলায়েন্স। এবার আমেরিকার মাটিতে তেল শোধনাগার তৈরির ঘোষণা সেই সম্পর্ককেই আরও স্পষ্ট করে তুলল।উল্লেখ্য, ইরানকে ঘিরে ইজরায়েল ও আমেরিকার সংঘাতের আবহে এই ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। এই সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণ হয়। সেই পথ এখন বড়সড় চাপের মুখে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে অনেক তেলের ট্যাঙ্কার এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলাচল করতে পারছে না বলে জানা যাচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এই জ্বালানি সংকটের প্রভাব বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই পড়ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আমেরিকায় নতুন তেল শোধনাগার তৈরির ঘোষণা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের নতুন নেতাকে নিয়ে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি! “শান্তিতে বাঁচতে পারবেন না”

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। সংঘাত থামার কোনও লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না। এর মধ্যেই ইরানকে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইকে নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, তাঁর মনে হয় না নতুন নেতা শান্তিতে থাকতে পারবেন। তবে উত্তেজনা বাড়লেও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খোলা রয়েছে বলেই দাবি করেছে ওয়াশিংটন।আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তাঁর পুত্র মোজতবা খামেনেইকে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তে তিনি মোটেও খুশি নন। এরপরই কড়া সুরে মন্তব্য করেন যে নতুন নেতা শান্তিতে থাকতে পারবেন বলে তাঁর মনে হয় না।এর আগেই তেহরানকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। তিনি জানান, ইরানের বিরুদ্ধে আরও বড় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে আমেরিকা। তাঁর কথায়, ইরানের ভেতরে আরও বড় আঘাত হানার পরিকল্পনা রয়েছে এবং এবার আরও বেশি যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমান ব্যবহার করা হবে। গোয়েন্দা তথ্যও আগের চেয়ে আরও নির্ভুল হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, গত চব্বিশ ঘণ্টায় ইরান খুব কম সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যা আমেরিকার পদক্ষেপের ফল বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে কয়েক দিন আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান যুদ্ধ কার্যত শেষ হয়ে গেছে এবং আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ অভিযানে বড় সাফল্য মিলেছে। কিন্তু তার কিছুক্ষণ পরেই আরেক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুদ্ধ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। এই মন্তব্য ঘিরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাত এখনও থামেনি। বরং নতুন করে বড় হামলার সতর্কবার্তা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতে প্রথম দিকে ইরান মূলত ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছিল। কিন্তু এখন পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত হয়েছে। তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জায়গায় আক্রমণ বাড়িয়েছে। একই সময়ে ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েল ও আমেরিকাও। ইজরায়েলের হামলায় ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত দপ্তর ধ্বংস হয়েছে বলে জানা গেছে।এই যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত ইরানে এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। যুদ্ধের এই পরিস্থিতি শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, তার প্রভাব পড়ছে গোটা বিশ্বের অর্থনীতিতে এবং তেলের বাজারেও। যুদ্ধ আর কত দিন চলবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মার্চ ১১, ২০২৬
বিদেশ

“ট্রাম্পকে ছাড়ব না” হুমকিতে কাঁপছে বিশ্ব, প্রতিশোধের বার্তা ইরানের নিরাপত্তা প্রধানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। তাঁকে এর মূল্য চোকাতে হবে। এমনই কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি। সরাসরি ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে তিনি এই বার্তা দিয়েছেন।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। সেই ঘটনার পর থেকেই ইরানের মধ্যে প্রবল ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিশোধের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটি। দিন যত যাচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতিও ততই জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পকে হুমকি দিয়ে লারিজানি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, তাঁদের নেতা খামেনেই এবং দেশের মানুষের রক্তের বদলা নেওয়া হবে। তাঁর কথায়, ট্রাম্পকে এর মূল্য দিতেই হবে। শত্রুদের হামলার জবাব ইরান অবশ্যই দেবে বলেও জানান তিনি।লারিজানির দাবি, ইতিমধ্যেই কয়েকজন মার্কিন সেনাকে বন্দি করেছে ইরান। ইরানের এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ট্রাম্প তাঁদের নেতাকে হত্যা করেছেন এবং প্রায় এক হাজার ইরানি নাগরিক নিহত হয়েছেন। তাই মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ছেড়ে দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন তিনি।মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে ইতিমধ্যেই বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, শুধু ইরানেই এখনও পর্যন্ত এক হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। গত পাঁচ দিনে ইরান প্রায় পাঁচশো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দুই হাজার ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে আমেরিকা ও ইজরায়েলও ইরানের দুই হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।ফলে পরিস্থিতি ক্রমেই আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মহল এখন গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।

মার্চ ০৮, ২০২৬
বিদেশ

ঘাঁটি ব্যবহার করতে না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, স্পেনের সঙ্গে সব বাণিজ্য বন্ধের ঘোষণা!

ইরানকে ঘিরে চলা সামরিক অভিযানের মধ্যে বড় কূটনৈতিক সংঘাতের ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার তিনি জানান, স্পেন যদি আমেরিকার সেনাবাহিনীকে তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে না দেয়, তবে স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করে দেওয়া হবে।জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে বৈঠকের সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, স্পেনের আচরণ অত্যন্ত খারাপ। তিনি অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে নির্দেশ দিয়েছেন, স্পেনের সঙ্গে সব লেনদেন বন্ধ করার বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে। অর্থমন্ত্রীও প্রেসিডেন্টের এই অবস্থানকে সমর্থন করেন এবং জানান, প্রয়োজন হলে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা জারি করার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের রয়েছে।এই মন্তব্যের পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক একটি সিদ্ধান্ত। দক্ষিণ স্পেনের রোটা ও মোরোন সামরিক ঘাঁটি থেকে আমেরিকা তাদের অন্তত পনেরোটি বিমান সরিয়ে নেয়। এর মধ্যে ছিল জ্বালানি ভরার ট্যাঙ্কার বিমানও। স্পেনের সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্ব জানিয়ে দেয়, ইরানের উপর হামলার মতো অভিযানে তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। স্পেনের বিদেশমন্ত্রী হোসে মানুয়েল আলবারেস বলেন, এই সামরিক অভিযান তাদের সঙ্গে করা চুক্তির আওতায় পড়ে না এবং তা জাতিসংঘ সনদের সঙ্গেও সঙ্গতিপূর্ণ নয়।মধ্যপ্রাচ্যে চলা সংঘাত ইতিমধ্যেই ভয়াবহ আকার নিয়েছে। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-সহ সামরিক ও রাজনৈতিক মহলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর পরেই ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় উপসাগরীয় একাধিক দেশে, যেখানে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। কাতার, কুয়েত ও বাহরিনে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের খবর মিলেছে। পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সৌদি আরব ও ওমানেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।এই দ্রুত পরিবর্তনশীল সংকটে ইতিমধ্যেই পাঁচশোর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান। নিহতদের মধ্যে ছয়জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে, কারণ এই সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে তার প্রভাব পড়তে পারে বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির উপর।স্পেনকে ঘিরে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। কূটনৈতিক টানাপোড়েন কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক! ইরানকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, ‘এবার আঘাত এলে নজিরবিহীন জবাব দেবে আমেরিকা’

ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত ঘিরে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। ইরান যদি আরও বড় আঘাত হানে, তা হলে আমেরিকা এমন জবাব দেবে যা আগে কখনও দেখা যায়নি এমনই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। নিজের সামাজিক মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ইরান যদি হুমকি মতো খুব বড় আক্রমণ চালায়, তা হলে আমেরিকার পাল্টা আঘাত হবে নজিরবিহীন।এই হুঁশিয়ারির আগে ইরান জানিয়েছিল, ইজরায়েল ও আমেরিকার বিরুদ্ধে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর সামরিক অভিযান শুরু করা হবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পরই এই ঘোষণা করে তেহরান। ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস জানায়, খুব শিগগিরই বড় আকারের অভিযান শুরু হবে।রবিবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন জানায়, ইজরায়েল ও আমেরিকার ঘাঁটি লক্ষ্য করে নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলের নেগেভ ও ডেড সি অঞ্চলে লাল সতর্কতা জারি করা হয়। তেল আবিবে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আকাশে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার চেষ্টা চালায়।ইরানের দাবি, পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে যে এই সংঘাত আরও বিস্তৃত আকার নিতে পারে।এরই মধ্যে নিশ্চিত হয়েছে, ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন খামেনেই। তাঁর মৃত্যুর পর ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডই বড় গণআন্দোলনের সূচনা করবে। ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যমও জানিয়েছে, তেহরানে নিজের বাসভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে খামেনেইয়ের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।হামলায় খামেনেইয়ের পরিবারের একাধিক সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর মেয়ে, নাতি, পুত্রবধূ ও জামাই। পাশাপাশি ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ এবং ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পসের কমান্ডার মহম্মদ পাকপৌরও নিহত হয়েছেন বলে খবর।মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত যে বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এখন সবার নজর, পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেয় ইরান ও আমেরিকা।

মার্চ ০১, ২০২৬
বিদেশ

পাক–আফগান রক্তক্ষয়ী সংঘাত, পাকিস্তানের পাশেই আমেরিকা! ট্রাম্পের মন্তব্যে চাঞ্চল্য

ক্রমশ ভয়াবহ আকার নিচ্ছে পাকআফগান সংঘাত। রক্তক্ষয়ী এই লড়াই নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই যুদ্ধে ইসলামাবাদকেই সমর্থন করছে আমেরিকা। পাশাপাশি তিনি বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খুবই ভালো। এই মন্তব্যে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, তিনি পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন এবং প্রয়োজন হলে হস্তক্ষেপ করবেন। তাঁর কথায়, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী একজন মহান নেতা এবং সে দেশের সেনা প্রধানকেও তিনি সম্মান করেন। পাকিস্তান ভালো কাজ করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ট্রাম্পের পাশাপাশি মার্কিন বিদেশ দপ্তরও পাকিস্তানের আত্মরক্ষার অধিকারের পক্ষে সওয়াল করেছে। তাদের বক্তব্য, তালিবানের হামলার বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে পাকিস্তানের। তালিবান সন্ত্রাস দমনের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ ওয়াশিংটনের। তাদের দাবি, আফগান ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি হামলা চালাচ্ছে, যা গোটা অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলছে।কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এতদিন তালিবানকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি আমেরিকা। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তানকে সমর্থন করে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান শক্ত করতে চাইছে ওয়াশিংটন।সংঘাতের সূত্রপাত গত রবিবার। পাকিস্তানের হামলার জবাবে বৃহস্পতিবার রাতে পাক সীমান্ত পেরিয়ে আক্রমণ চালায় আফগান বাহিনী। তালিবান প্রশাসনের দাবি, পাকিস্তানের অন্তত ১২টি সীমান্ত পোস্ট এখন তাদের দখলে। সেই হামলায় ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনার মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এরপর শুক্রবার আফগানিস্তানের একাধিক এলাকায় পাল্টা আক্রমণ চালায় পাকিস্তান। দুই পক্ষই সেনা মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছে।পাকিস্তানের দাবি, কান্দাহার আকাশে তাদের যুদ্ধবিমান টহল দিচ্ছে। পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ জানিয়েছেন, এবার সরাসরি যুদ্ধের পথে এগোবে দেশ। অন্যদিকে আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ দাবি করেছেন, পাকিস্তান কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া প্রদেশে বিমান হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তানের বক্তব্য, সীমান্ত পেরিয়ে হামলার জবাব দিতেই এই পদক্ষেপ।এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে তালিবান তাদের আত্মঘাতী বাহিনী সক্রিয় করেছে বলেও খবর মিলেছে। ফলে সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার এই অস্থিরতা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধ না থামালে বাঁচতেন না পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের

আবার অপারেশন সিঁদুর প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করার পর এবার তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন যা ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, ভারত ও পাকিস্তানের সংঘাত যদি তিনি থামাতে উদ্যোগী না হতেন, তবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বেঁচে থাকতেন না। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন পাকিস্তান অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছিল।ওয়াশিংটনে মার্কিন ক্যাপিটলে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তাঁর কথায়, তিনি মধ্যস্থতা না করলে ভয়াবহ প্রাণহানি ঘটতে পারত। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প সংখ্যার উল্লেখে বিভ্রান্তি তৈরি করেছেন। আসলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী তাঁকে ফোন করে জানিয়েছিলেন, যুদ্ধ বন্ধ না হলে সাড়ে তিন কোটিরও বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারত।অপারেশন সিঁদুর নিয়ে এর আগেও একাধিকবার ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। এক সময় ভারত ও আমেরিকার সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে তাঁর মন্তব্যে পাকিস্তানপন্থী সুর শোনা গিয়েছিল বলে সমালোচনা হয়। তবে ভারত নিজের অবস্থানে অনড় থেকে জানিয়ে দেয়, ভারত-পাকিস্তান সংঘাত থামাতে তৃতীয় কোনও দেশের ভূমিকা ছিল না এবং পাকিস্তানের অনুরোধেই সংঘর্ষ থেমেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-আমেরিকার সম্পর্কের উন্নতি ঘটার পর ট্রাম্পের বক্তব্যে আবার পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে, যা নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
বিদেশ

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন ধাক্কা, ট্রাম্প সরকারের পরিকল্পনা বদল

শুক্রবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক শুল্ক প্রস্তাব বাতিল করে দিয়েছে। রায় ঘোষণার পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের এই রায় ভুল এবং তিনি অন্য উপায়ে বাণিজ্য নীতি তৈরি করবেন। তিনি আরও ঘোষণা করেছেন যে বিকল্প হিসেবে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের একটি নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করবেন।ট্রাম্প রায়কে অত্যন্ত হতাশাজনক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের দেশের স্বার্থে যা সঠিক তা করার সাহস আদালতের নেই। তিনি অভিযোগ করেছেন, বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন দেশ আমেরিকার টাকা লুঠ করে আনন্দ করছে, কিন্তু সেই আনন্দ বেশিদিন স্থায়ী হবে না। তিনি আরও দাবি করেছেন, সুপ্রিম কোর্ট কোনও বিদেশি স্বার্থ বা রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে এই রায় দিয়েছে।প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি নতুন আন্তর্জাতিক শুল্ক নীতি প্রণয়ন করেছিলেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবার সেই নীতি বাতিল করে আন্তর্জাতিক আমদানি শুল্ককে বেআইনি ঘোষণা করেছে। প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বে নয় বিচারপতির বেঞ্চ ৬-৩ ভোটে এই রায় দেন। রায় অনুযায়ী, ট্রাম্প সরকারকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও আমদানিকারীদের অর্থ ফেরত দিতে হতে পারে।প্রধান বিচারপতি রবার্টস বলেন, ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট (আইইইপিএ) মার্কিন প্রেসিডেন্টকে একা এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেয় না।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

তিলক বিতর্কে চরম নাটক! শোরুমে ঢুকে কর্মীদের কপালে তিলক এঁকে দিলেন বিজেপি নেত্রী

চশমার জনপ্রিয় সংস্থা লেন্সকার্টকে ঘিরে তিলক ও ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিতর্ক নতুন দিকে মোড় নিল। সংস্থা ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, কর্মীরা তাঁদের সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় পরিচয় প্রকাশ করতে পারবেন। কিন্তু সেই ঘোষণার মধ্যেই মুম্বইয়ে এক শোরুমে ঘটে গেল নতুন ঘটনা।জানা গিয়েছে, বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সদস্য নাজিয়া ইলাহি কয়েকজন কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে একটি শোরুমে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি কর্মীদের কপালে তিলক পরিয়ে দেন এবং জয় শ্রীরাম ধ্বনি তোলেন। একই সঙ্গে সংস্থার আগের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। শোরুমের ফ্লোর ম্যানেজারের কাছে তিনি জানতে চান, কেন তিলক পরায় আপত্তি করা হয়েছিল।শোরুমের বাইরে সংবাদমাধ্যমের সামনে নাজিয়া ইলাহি বলেন, সংস্থা ক্ষমা না চাইলে বয়কট করা হবে। তাঁর বক্তব্য, কর্মীদের নিজেদের ধর্মীয় পরিচয় প্রকাশ করতে কোনও বাধা থাকা উচিত নয়।এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় কয়েকদিন আগে। এক সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী দাবি করেন, সংস্থার কর্মীদের জন্য এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যেখানে হিজাব পরা যাবে, কিন্তু তিলক বা টিপ পরা যাবে না। সেই দাবি সামনে আসতেই ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।পরবর্তীতে সংস্থার পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়, কর্মীরা স্টোরে কাজ করার সময় তিলক, টিপ, সিঁদুর, মঙ্গলসূত্র, হিজাব বা পাগড়িসব ধরনের ধর্মীয় চিহ্ন ব্যবহার করতে পারবেন। এই ঘোষণার পরেও বিতর্ক পুরোপুরি থামেনি, বরং নতুন করে তা আরও তীব্র হয়েছে।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
রাজ্য

শেষবেলায় পাহাড়ে অমিত শাহের বিস্ফোরক প্রতিশ্রুতি! গোর্খা ইস্যুতে বড় ঘোষণা

প্রথম দফার ভোটের প্রচারের শেষ দিনে মঙ্গলবার একাধিক সভায় অংশ নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কার্শিয়াং, কুলটি, শালবনি এবং চণ্ডীপুরএই চারটি জায়গায় তাঁর সভা হওয়ার কথা ছিল। কার্শিয়াংয়ের সভা থেকেই গোর্খা সমস্যা নিয়ে বড় ঘোষণা করেন তিনি।অমিত শাহ দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে গোর্খা সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হলে ৬ মে-র মধ্যেই প্রত্যেক গোর্খার মুখে হাসি ফিরবে। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গোর্খা ইস্যু ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে এবং এর জন্য কংগ্রেস ও তৃণমূলকে দায়ী করেন তিনি।সভার শুরুতেই তিনি জানান, আগে দার্জিলিংয়ে আসার পরিকল্পনা থাকলেও হেলিকপ্টার ওড়ার অনুমতি না মেলায় এবং আবহাওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ভিডিও বার্তায় তিনি জানিয়েছিলেন, ২১ তারিখ অবশ্যই পাহাড়ে আসবেন এবং সেই প্রতিশ্রুতি মতোই তিনি পৌঁছেছেন।কার্শিয়াংয়ের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তীব্র আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, এবার পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হচ্ছে। মমতাদিদিকে বিদায় জানানোর সময় এসে গেছে।উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন নিয়েও একাধিক প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, বিজেপি ক্ষমতায় এলে উত্তরবঙ্গে একটি পৃথক এইমস হাসপাতাল তৈরি করা হবে। ৫০০ বেডের ক্যানসার হাসপাতাল, আইআইটি ও আইআইএম ক্যাম্পাস এবং একটি আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির কথাও বলেন তিনি।এছাড়াও উত্তরবঙ্গকে ইকো অ্যাডভেঞ্চার ও হেরিটেজ ট্যুরিজম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। অনুপ্রবেশ রোধ, নতুন শিল্পশহর গঠন, চা বাগানের শ্রমিকদের জমির পাট্টা দেওয়া এবং মজুরি বৃদ্ধির মতো একাধিক প্রতিশ্রুতিও দেন অমিত শাহ।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
কলকাতা

বেলডাঙা মামলায় হঠাৎ বড় মোড়! ডিভিশন বেঞ্চ থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

বেলডাঙা হিংসা মামলায় বড় পরিবর্তন ঘটল আদালতে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলা থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। ফলে মামলাটি এখন প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চে ফের পাঠানো হয়েছে।সূত্রের খবর, এনআইএ-র বিশেষ আদালতের একটি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এনআইএ এই ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেছিল। কিন্তু শুনানির সময় বিচারপতি জানান, এই মামলায় ইউএপিএ বা বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের ধারা প্রযোজ্য হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার প্রধান বিচারপতির। তাই এই বেঞ্চে মামলার শুনানি এগোনো সম্ভব নয় বলে জানানো হয়।এই কারণেই মামলাটি ফের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে।বেলডাঙায় হিংসার ঘটনায় ১৫ জন অভিযুক্তকে আগেই জামিন দিয়েছিল এনআইএ-র বিশেষ আদালত। আদালতের বক্তব্য ছিল, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিল না হওয়ায় এই জামিন দেওয়া হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এনআইএ হাইকোর্টে যায়।ঘটনার পেছনে রয়েছে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বেলডাঙায় তৈরি হওয়া উত্তেজনা। ওই মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। রাস্তা অবরোধ, রেল অবরোধ এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয় এবং একাধিক জায়গায় ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে পরে এই মামলার তদন্তভার রাজ্য পুলিশের কাছ থেকে নিয়ে এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশেই শুরু হয় কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্ত।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
রাজ্য

এবার ভোটে বাইক বন্ধের ‘মেগা রুল’! জারি হল চাঞ্চল্যকর নিষেধাজ্ঞা

ভোটের আগে রাজ্যে আরও কঠোর হল নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ। এবার বাইক চলাচল নিয়েও জারি হল একাধিক কড়া নিয়ম। স্পর্শকাতর এলাকা ও বুথ সংলগ্ন এলাকায় আগেই বাইক রিকুইজিশন করে নেওয়া হয়েছিল। এবার তার থেকেও কড়া নির্দেশ দিল কমিশন।নতুন নিয়ম অনুযায়ী ভোটের দুদিন আগে থেকে কোনও বাইক র্যালি বা মিছিল করা যাবে না। একই সঙ্গে ওই সময়ের মধ্যে সন্ধে ছটা থেকে পরের দিন সকাল ছটা পর্যন্ত বাইক চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা বা বিশেষ পরিস্থিতিতে এই নিয়মে ছাড় দেওয়া হবে।ভোটের দুদিন আগে সকাল ছটা থেকে সন্ধে ছটা পর্যন্ত বাইকে কাউকে বসিয়ে যাতায়াত করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনে ডাক্তার দেখাতে যাওয়া, স্কুলে শিশু আনা-নেওয়া বা জরুরি পরিস্থিতিতে এই নিয়মে ছাড় থাকবে বলে জানানো হয়েছে।ভোটের দিন সকাল ছটা থেকে সন্ধে ছটা পর্যন্ত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাইকে ভোট দিতে যাওয়া যাবে। এছাড়াও চিকিৎসা জরুরি পরিস্থিতিতে চলাচল করা যাবে। কিন্তু এই কারণ ছাড়া বাইক ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।যদি বিশেষ কোনও প্রয়োজনে বাইক ব্যবহার করতে হয়, তাহলে স্থানীয় থানার অনুমতি নিয়ে তবেই চলাচল করা যাবে। সব জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ কমিশনারকে এই নির্দেশ কার্যকর করার জন্য লিখিতভাবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
কলকাতা

আনন্দলোক হাসপাতালে আগুনে হাহাকার! স্যালাইন হাতে রাস্তায় রোগীরা, ছড়াল চরম আতঙ্ক

সল্টলেকের আনন্দলোক হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চরম আতঙ্ক ছড়াল। হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় হঠাৎ করেই আগুন লাগে বলে জানা গেছে। মুহূর্তের মধ্যেই গোটা ভবন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে রোগী ও তাঁদের পরিজনদের মধ্যে।প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এসির শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। আগুনের উৎসস্থল খুঁজে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি কেউ ভেতরে আটকে আছেন কি না, তাও খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা।হাসপাতালের লিফট আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। দ্রুত রোগীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। পাশের আনন্দলোকেরই DL ব্লকের অন্য একটি ভবনে তাঁদের স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অনেক রোগীকে স্যালাইন হাতে নিয়েই বাইরে রাস্তায় বসে থাকতে দেখা যায়, যা নিয়ে আতঙ্ক আরও বাড়ে।একের পর এক ওয়ার্ড ধোঁয়ায় ঢেকে যায়, ফলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেয়। হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
দেশ

শিশুমৃত্যুর পর জ্বলছে মণিপুর! রাস্তায় হাজার মানুষ, পাঁচ দিনের বন্‌ধে অচল রাজ্য

চলতি মাসের শুরুতে এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে রকেট হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও অশান্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। ওই হামলায় এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। নাগরিক সমাজ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং পাঁচ দিনের বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে।রবিবার মণিপুরের নানা প্রান্তে হাজার হাজার মানুষ পথে নামেন। ইম্ফলে রাতে মশাল হাতে মিছিল করেন বহু মানুষ, বিশেষ করে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অভিযোগ, এই বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ শক্তি প্রয়োগ করেছে। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। কিছু জায়গায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনাও সামনে আসে।প্রতিবাদকারীদের দাবি, এই হামলার সঙ্গে জড়িত দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় সক্রিয় কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে। বন্ধের জেরে বাজার, স্কুল-কলেজ এবং সরকারি অফিস বন্ধ ছিল। পরিবহন ব্যবস্থাও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা কিছু এলাকায় চালু রাখা হয়।অন্যদিকে মণিপুর পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিবাদের নামে কিছু সমাজবিরোধী কাজকর্ম চলছে। যারা হিংসা ছড়াচ্ছে বা অন্যদের উসকানি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের দাবি, কিছু মানুষ বিক্ষোভকারীদের হাতে পেট্রোল বোমা, লোহার গোলা লাগানো গুলতি এবং পাথর তুলে দিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করছে।উল্লেখযোগ্য, গত ছয় এপ্রিল রাতে বিষ্ণুপুর জেলার মোইরাং ট্রোংলাওবি এলাকায় এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, একাধিক জঙ্গি ওই বাড়ি লক্ষ্য করে রকেট ছোড়ে। তখন বাড়ির সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। এই হামলায় ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয় পাঁচ মাসের এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের। গুরুতর জখম হন তাদের মা। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ক্ষুব্ধ মানুষ পরে নিকটবর্তী একটি সুরক্ষা শিবিরেও হামলা চালায়। তারপর থেকেই পরিস্থিতি অস্থির হয়ে রয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন মোড়! জামিন নিয়ে হাই কোর্টে ছুটল এনআইএ

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। আগে এনআইএ-র বিশেষ আদালত শর্তসাপেক্ষে ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানা হয়নি এবং সেই কারণেই এই জামিন দেওয়া ঠিক হয়নি।আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দেওয়ার কথা থাকলেও, ৯০ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও এনআইএ চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি। এমনকি তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কেও আদালতের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি তারা। এই পরিস্থিতিতে অভিযুক্তদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। এরপর ১০ হাজার টাকার বন্ডে ১৫ জনের জামিন মঞ্জুর করে বিশেষ আদালত। যদিও তাঁদের চলাফেরার উপর বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে।হাই কোর্টে এনআইএ-র বক্তব্য, তদন্ত চলাকালীন এইভাবে জামিন দেওয়া উচিত হয়নি। আদালতে প্রশ্ন ওঠে, যখন সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি হাই কোর্টে ফেরত পাঠিয়েছে, তখন কীভাবে নিম্ন আদালত জামিন মঞ্জুর করল। এই বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামী শুনানিতে স্পষ্ট হবে, এই জামিন বহাল থাকবে নাকি হাই কোর্ট হস্তক্ষেপ করে নতুন নির্দেশ দেবে।উল্লেখযোগ্য, গত জানুয়ারি মাসে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। অভিযোগ ছিল, ঝাড়খণ্ডে ওই শ্রমিককে খুন করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে বেলডাঙায় রেল ও জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয় এবং ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এমনকি সংবাদমাধ্যমের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে। পরে রাজ্য পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে, যদিও এলাকায় উত্তেজনা বজায় ছিল।পরবর্তীতে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যায়। মোট ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। এখন জামিনের প্রশ্নে নতুন করে এই মামলায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বিতর্ক! ভোটার তালিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কড়া নজর

বাংলার প্রথম দফার ভোট একেবারে সামনে। তার মধ্যেই ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনাল কাজের ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে। এই অভিযোগ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী দেবদত্ত কামাত। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে রিপোর্ট তলব করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আইনজীবী কামাতের অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে অফলাইনে আবেদন করার সুযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে। এতে অনেক মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। যাঁরা অনলাইনে আবেদন করতে পারেন না, তাঁদের পক্ষে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষও বিপাকে পড়ছেন। তাঁর আরও দাবি, সঠিক শুনানি বা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অনেক ক্ষেত্রে যান্ত্রিকভাবে আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনকি আইনজীবীদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগও দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এই নতুন মামলায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, কেন বারবার এই একই বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি ক্ষোভের সুরে বলেন, নির্দেশ দেওয়ার পরেও কেন নতুন করে অভিযোগ সামনে আসছে।এর জবাবে আইনজীবী কামাত জানান, ট্রাইব্যুনাল আদালতের নির্দেশ ঠিকভাবে মানছে না বলেই বারবার এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সেই কারণেই বারবার শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। এরপর প্রধান বিচারপতি জানান, বাংলার এই ট্রাইব্যুনালের কাজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে চাওয়া হবে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal