• ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ১০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Donald Trump

বিদেশ

পাক–আফগান রক্তক্ষয়ী সংঘাত, পাকিস্তানের পাশেই আমেরিকা! ট্রাম্পের মন্তব্যে চাঞ্চল্য

ক্রমশ ভয়াবহ আকার নিচ্ছে পাকআফগান সংঘাত। রক্তক্ষয়ী এই লড়াই নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই যুদ্ধে ইসলামাবাদকেই সমর্থন করছে আমেরিকা। পাশাপাশি তিনি বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খুবই ভালো। এই মন্তব্যে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, তিনি পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন এবং প্রয়োজন হলে হস্তক্ষেপ করবেন। তাঁর কথায়, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী একজন মহান নেতা এবং সে দেশের সেনা প্রধানকেও তিনি সম্মান করেন। পাকিস্তান ভালো কাজ করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ট্রাম্পের পাশাপাশি মার্কিন বিদেশ দপ্তরও পাকিস্তানের আত্মরক্ষার অধিকারের পক্ষে সওয়াল করেছে। তাদের বক্তব্য, তালিবানের হামলার বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে পাকিস্তানের। তালিবান সন্ত্রাস দমনের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ ওয়াশিংটনের। তাদের দাবি, আফগান ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি হামলা চালাচ্ছে, যা গোটা অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলছে।কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এতদিন তালিবানকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি আমেরিকা। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তানকে সমর্থন করে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান শক্ত করতে চাইছে ওয়াশিংটন।সংঘাতের সূত্রপাত গত রবিবার। পাকিস্তানের হামলার জবাবে বৃহস্পতিবার রাতে পাক সীমান্ত পেরিয়ে আক্রমণ চালায় আফগান বাহিনী। তালিবান প্রশাসনের দাবি, পাকিস্তানের অন্তত ১২টি সীমান্ত পোস্ট এখন তাদের দখলে। সেই হামলায় ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনার মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এরপর শুক্রবার আফগানিস্তানের একাধিক এলাকায় পাল্টা আক্রমণ চালায় পাকিস্তান। দুই পক্ষই সেনা মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছে।পাকিস্তানের দাবি, কান্দাহার আকাশে তাদের যুদ্ধবিমান টহল দিচ্ছে। পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ জানিয়েছেন, এবার সরাসরি যুদ্ধের পথে এগোবে দেশ। অন্যদিকে আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ দাবি করেছেন, পাকিস্তান কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া প্রদেশে বিমান হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তানের বক্তব্য, সীমান্ত পেরিয়ে হামলার জবাব দিতেই এই পদক্ষেপ।এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে তালিবান তাদের আত্মঘাতী বাহিনী সক্রিয় করেছে বলেও খবর মিলেছে। ফলে সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার এই অস্থিরতা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধ না থামালে বাঁচতেন না পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের

আবার অপারেশন সিঁদুর প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করার পর এবার তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন যা ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, ভারত ও পাকিস্তানের সংঘাত যদি তিনি থামাতে উদ্যোগী না হতেন, তবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বেঁচে থাকতেন না। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন পাকিস্তান অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছিল।ওয়াশিংটনে মার্কিন ক্যাপিটলে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তাঁর কথায়, তিনি মধ্যস্থতা না করলে ভয়াবহ প্রাণহানি ঘটতে পারত। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প সংখ্যার উল্লেখে বিভ্রান্তি তৈরি করেছেন। আসলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী তাঁকে ফোন করে জানিয়েছিলেন, যুদ্ধ বন্ধ না হলে সাড়ে তিন কোটিরও বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারত।অপারেশন সিঁদুর নিয়ে এর আগেও একাধিকবার ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। এক সময় ভারত ও আমেরিকার সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে তাঁর মন্তব্যে পাকিস্তানপন্থী সুর শোনা গিয়েছিল বলে সমালোচনা হয়। তবে ভারত নিজের অবস্থানে অনড় থেকে জানিয়ে দেয়, ভারত-পাকিস্তান সংঘাত থামাতে তৃতীয় কোনও দেশের ভূমিকা ছিল না এবং পাকিস্তানের অনুরোধেই সংঘর্ষ থেমেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-আমেরিকার সম্পর্কের উন্নতি ঘটার পর ট্রাম্পের বক্তব্যে আবার পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে, যা নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
বিদেশ

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন ধাক্কা, ট্রাম্প সরকারের পরিকল্পনা বদল

শুক্রবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক শুল্ক প্রস্তাব বাতিল করে দিয়েছে। রায় ঘোষণার পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের এই রায় ভুল এবং তিনি অন্য উপায়ে বাণিজ্য নীতি তৈরি করবেন। তিনি আরও ঘোষণা করেছেন যে বিকল্প হিসেবে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের একটি নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করবেন।ট্রাম্প রায়কে অত্যন্ত হতাশাজনক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের দেশের স্বার্থে যা সঠিক তা করার সাহস আদালতের নেই। তিনি অভিযোগ করেছেন, বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন দেশ আমেরিকার টাকা লুঠ করে আনন্দ করছে, কিন্তু সেই আনন্দ বেশিদিন স্থায়ী হবে না। তিনি আরও দাবি করেছেন, সুপ্রিম কোর্ট কোনও বিদেশি স্বার্থ বা রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে এই রায় দিয়েছে।প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি নতুন আন্তর্জাতিক শুল্ক নীতি প্রণয়ন করেছিলেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবার সেই নীতি বাতিল করে আন্তর্জাতিক আমদানি শুল্ককে বেআইনি ঘোষণা করেছে। প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বে নয় বিচারপতির বেঞ্চ ৬-৩ ভোটে এই রায় দেন। রায় অনুযায়ী, ট্রাম্প সরকারকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও আমদানিকারীদের অর্থ ফেরত দিতে হতে পারে।প্রধান বিচারপতি রবার্টস বলেন, ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট (আইইইপিএ) মার্কিন প্রেসিডেন্টকে একা এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেয় না।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
বিদেশ

৫০ বছরের ইতিহাস ভেঙে পরমাণু অস্ত্রে আর কোনও সীমা নেই, বিশ্ব কি পরমাণু যুদ্ধের দিকে?

একের পর এক যুদ্ধে জ্বলছে বিশ্ব। গাজা থেকে ইউক্রেনসব জায়গাতেই সংঘাতের ছায়া ঘনাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আবারও সামনে এল পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা। বিশ্বের দুই শক্তিধর দেশ আমেরিকা ও রাশিয়া এবার পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার মুখে দাঁড়াল।বৃহস্পতিবার রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে শেষ যে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ছিল, তার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। গত অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম দুই দেশের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের উপর আর কোনও আইনি সীমা রইল না। নিউ স্টার্ট চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন করে পারমাণবিক অস্ত্রের প্রতিযোগিতা শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।যদিও গত বছর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটন চাইলে আরও এক বছর তিনি নিউ স্টার্ট চুক্তির নিয়ম মেনে চলতে রাজি। তবে সেই প্রস্তাবে বিশেষ আগ্রহ দেখায়নি আমেরিকা। তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি ছিল, এই চুক্তিতে চিনকেও যুক্ত করতে হবে। কিন্তু সেই প্রস্তাবে চিন সায় দেয়নি।রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে তারা চিনের সঙ্গে আলোচনা করেছিল। তবে আমেরিকার তরফে কোনও স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। ক্রেমলিনের পরামর্শদাতা ইউরি উষাকভ জানিয়েছেন, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রাশিয়া দায়িত্বশীল এবং ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবে।উল্লেখ্য, ২০১০ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ নিউ স্টার্ট চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশকে সর্বাধিক ৭০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমারু বিমান এবং ১,৫৫০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হত। চুক্তির মেয়াদ প্রথমে ২০২১ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরে আরও পাঁচ বছরের জন্য তা বাড়ানো হয়েছিল। এবার সেই চুক্তিরও ইতি ঘটল।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

২৫% থেকে ১৮%! ট্রাম্পের ঘোষণায় বড় স্বস্তি ভারতের, কিন্তু রাশিয়ার তেল নিয়ে রহস্য কী?

দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটতে চলেছে ভারত-আমেরিকার বাণিজ্য সম্পর্কে। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়ে দিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে নতুন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। চুক্তিতে এখনও আনুষ্ঠানিক সই না হলেও, শর্তাবলি প্রায় স্থির বলে ইঙ্গিত মিলেছে। এই চুক্তির ফলে ভারতের উপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ কমবে এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের সুযোগ আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, নতুন চুক্তি কার্যকর হলে ভারতের উপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হবে। এতে ভারতীয় পণ্যের রফতানিতে সুবিধা হবে বলে তাঁর দাবি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও জানিয়েছেন, শুল্ক কমার বিষয়টি ভারতের পক্ষে ইতিবাচক। ট্রাম্পের কথায়, চুক্তিতে সিলমোহর পড়লেই দ্রুত নতুন শুল্কহার কার্যকর করা হবে।তবে ট্রাম্প আরও কিছু শর্তের কথাও জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, ভারত নাকি ভবিষ্যতে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে এবং তার বদলে আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলার কাছ থেকে তেল আমদানি বাড়াবে। যদিও প্রধানমন্ত্রী মোদীর তরফে এই বিষয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, ভারত আমেরিকা থেকে প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য কিনতে পারে এবং আমেরিকার পণ্যের উপর থাকা ট্যারিফ ও নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ার অনেকটাই কমানো হবে, এমনকি শূন্যে নামানোর কথাও বলা হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বর্তমানে আমেরিকা বাংলাদেশের উপর ২০ শতাংশ এবং পাকিস্তানের উপর ১৯ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। সেখানে ভারতের উপর শুল্ক ১৮ শতাংশে নামলে, এই অঞ্চলে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারত স্পষ্টভাবেই বাড়তি সুবিধা পাবে। অর্থনৈতিক মহলের মতে, এই চুক্তি কার্যকর হলে ভারতের রফতানি ও শিল্পক্ষেত্রে নতুন গতি আসতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
দেশ

আমেরিকার চাপে পিছু হটল ভারত? চাবাহার বন্দরে এক টাকাও নেই বাজেটে

রবিবার সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সেই বাজেটে অনেক ক্ষেত্রেই সুখবর মিললেও, কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প পুরোপুরি বঞ্চিত হল। সেই তালিকায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নাম ইরানে ভারতের চাবাহার বন্দর। কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বন্দরের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে এক টাকাও বরাদ্দ করল না নরেন্দ্র মোদি সরকার। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।এর আগে প্রতি বছরই চাবাহার বন্দরের জন্য উল্লেখযোগ্য অর্থ বরাদ্দ করে এসেছে ভারত সরকার। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এই প্রকল্পে ৪০০ কোটি টাকা খরচ করেছিল কেন্দ্র। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেটে শুরুতে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হলেও পরে তা বাড়িয়ে ৪০০ কোটি টাকা করা হয়। কিন্তু এবারের বাজেটে চাবাহারের জন্য কোনও বরাদ্দ রাখা হয়নি। এই প্রথমবার এমন সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র।বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে আমেরিকার কূটনৈতিক চাপ। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলা সংঘাতের প্রেক্ষাপটেই ভারতের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলির সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে চাবাহার বন্দর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু বাণিজ্য নয়, কৌশলগত দিক থেকেও এই বন্দরের গুরুত্ব অনেক। সেই কারণেই ইরানের সঙ্গে যৌথভাবে এই বন্দরের উন্নয়নে এতদিন সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিল নয়াদিল্লি।তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের উপর চাপ বাড়িয়েছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যে দেশগুলি ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানো হবে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ইরানের উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও, চাবাহার প্রকল্পের ক্ষেত্রে ভারতকে ছয় মাসের জন্য ছাড় দেওয়া হয়েছিল। সেই ছাড়ের মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি মাসের ২৬ এপ্রিল। এই পরিস্থিতিকে মাথায় রেখেই চাবাহার বন্দরে নতুন করে বিনিয়োগ থেকে সরে এল ভারত, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।উল্লেখ্য, ভারত ও ইরানের মধ্যে যোগাযোগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর লক্ষ্যেই চাবাহার বন্দর তৈরি করা হয়েছিল। এই বন্দরকে ইন্টারন্যাশনাল নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডোর-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাকিস্তানকে এড়িয়ে আফগানিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে ভারতের যোগাযোগের জন্য এই বন্দর বিশেষ ভূমিকা নিতে পারে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আমেরিকার চাপের মুখে চাবাহার বন্দরে বরাদ্দ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

ইউক্রেন যুদ্ধ নয়, ভারত-ইউরোপ চুক্তিই বেশি মাথাব্যথা ট্রাম্প প্রশাসনের

শুল্কযুদ্ধ এবং মার্কিন আগ্রাসনের আবহে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নাকের ডগায় মঙ্গলবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারত। এই চুক্তি যে ওয়াশিংটনের মোটেই পছন্দ হয়নি, তা এবার স্পষ্ট হয়ে গেল। ট্রাম্প প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তার মন্তব্যে বোঝা যাচ্ছে, ইউক্রেন যুদ্ধের থেকেও ভারতের সঙ্গে ইউরোপের এই বাণিজ্য চুক্তিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে আমেরিকা।বুধবার এই বিষয়ে মুখ খোলেন ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, মার্কিন কোষাগার সচিব স্কট বেসান্ত। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত এক বিশাল বাণিজ্য চুক্তি সই করছে। তাঁর প্রশ্ন, এর মাধ্যমে কি আমেরিকাকে চাপে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে? একই সঙ্গে তিনি বলেন, প্রত্যেক দেশেরই নিজের স্বার্থে কাজ করা উচিত।এর পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বেসান্ত। তাঁর বক্তব্য, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের ক্ষেত্রে ইউরোপ প্রথম সারিতে রয়েছে। অথচ একই সঙ্গে তারা এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। ভারতকে টেনে এনে ইউরোপকে একহাত নেন মার্কিন কোষাগার সচিব। তিনি বলেন, ভারত রাশিয়া থেকে তেল কিনছে, আবার সেই ভারত থেকেই ইউরোপের দেশগুলি নানা পণ্য কিনছে। তাঁর দাবি, সব মিলিয়ে ইউক্রেন এবং ইউরোপের বিরুদ্ধে চলা যুদ্ধে আর্থিক ভাবে পরোক্ষ মদত দিচ্ছে ইউরোপ নিজেই।এই মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট, ভারত-ইউরোপ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে কূটনৈতিক ভাবে অস্বস্তিতে পড়েছে আমেরিকা। একদিকে ট্রাম্পের চাপানো অতিরিক্ত শুল্কের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিতে পেরেছে ভারত। অন্যদিকে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ওয়াশিংটনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে ইউরোপের দেশগুলিও। যদিও এই চুক্তি নিয়ে এখনও পর্যন্ত সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ভারত ও ইউরোপের মধ্যে এক ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যাকে তিনি মাদার অফ অল ডিলস বলে উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য, এই চুক্তি ভারত ও ইউরোপের নাগরিকদের জন্য বিপুল সুযোগ তৈরি করবে। বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির মধ্যে অংশীদারিত্বের এক অনন্য উদাহরণ এই চুক্তি। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, এই অংশীদারিত্ব বিশ্বের মোট জিডিপির প্রায় ২৫ শতাংশ এবং বিশ্ব বাণিজ্যের এক-তৃতীয়াংশের প্রতিনিধিত্ব করবে।এমনিতেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভারতের অন্যতম বড় বাণিজ্য সহযোগী। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ভারত ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৩৫ বিলিয়ন ডলার। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নতুন চুক্তির ফলে ইউরোপের ক্ষেত্রে মার্কিন নির্ভরতা কমবে এবং ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে আরও গতি আসবে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পের আমন্ত্রণে পুতিনের পাল্টা চাল! গাজার জন্য ১ বিলিয়ন ডলার, শর্তে চমক

বিশ্ব কূটনীতির মঞ্চে নতুন চাল দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সদ্য গঠিত গাজা পিস বোর্ডে রাশিয়াকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই আমন্ত্রণের পরই পুতিন জানালেন, গাজার উন্নয়নের জন্য তিনি ১ বিলিয়ন ডলার দিতে প্রস্তুত। তবে এই অর্থ দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি শর্ত জুড়ে দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। তাঁর প্রস্তাব, আমেরিকা যে রুশ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে রেখেছে, সেখান থেকেই এই টাকা কেটে নেওয়া হোক।গাজায় শান্তি ফেরাতে নতুন উদ্যোগ হিসেবে বোর্ড অফ পিস গঠন করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। জানা যাচ্ছে, প্রাথমিক ভাবে তিন বছরের জন্য এই বোর্ডের সদস্য হওয়া যাবে। তবে স্থায়ী সদস্যপদ পেতে হলে দিতে হবে ১ বিলিয়ন ডলার। আমন্ত্রিত দেশগুলির তালিকায় রয়েছে রাশিয়াও।এই আমন্ত্রণ পাওয়ার পর পুতিন প্যালেস্টাইনের প্রেসিডেন্ট মহমুদ আব্বাসের সঙ্গে বৈঠকে জানান, প্যালেস্টাইনের সঙ্গে রাশিয়ার বিশেষ সম্পর্কের কারণে তিনি গাজার উন্নয়নে ১ বিলিয়ন ডলার দিতে চান। তাঁর বক্তব্য, এই অর্থ আমেরিকা যে রুশ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে, সেখান থেকেই দেওয়া হোক। এই প্রস্তাবের মাধ্যমে কার্যত বল আমেরিকার কোর্টে ঠেলে দিয়েছেন পুতিন।উল্লেখ্য, ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে রাশিয়ার উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে আমেরিকা ও পশ্চিমি দেশগুলি। জি-৭ দেশগুলির যৌথ সিদ্ধান্তে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রাশিয়ার প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সম্পত্তি ফ্রিজ করা হয়েছে। শুধু আমেরিকাতেই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার। রাশিয়া বহুবার এই অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি জানালেও তা মানেনি ওয়াশিংটন।এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া বুঝে নিয়েছে, এই অর্থ সহজে আর ফেরত পাওয়া সম্ভব নয়। তাই সেই অর্থেরই একটি অংশ গাজার উন্নয়নে ব্যবহার করার প্রস্তাব দিয়ে কৌশলী চাল দিলেন পুতিন। পিস বোর্ডের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য যে ১ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন, ঠিক সেই অঙ্কের অর্থই ফ্রিজ করা সম্পত্তি থেকে দেওয়ার কথা বলেছে মস্কো।শুধু গাজাই নয়, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন পুনর্গঠনের ক্ষেত্রেও একইভাবে সাহায্য করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন পুতিন। যদিও ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিসে রাশিয়া শেষ পর্যন্ত যোগ দেবে কি না, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তবে গাজা ইস্যুতে এই প্রস্তাব দিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
বিদেশ

গ্রিনল্যান্ড বিতর্কে নতুন মোড়! ইউরোপের উপর বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করলেন ট্রাম্প

গ্রিনল্যান্ড কিনতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু গ্রিনল্যান্ড একটি স্বশাসিত দ্বীপ, যা ডেনমার্কের অধীনে। ফলে এই প্রস্তাবে স্বাভাবিক ভাবেই আপত্তি জানিয়েছে গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক। শুধু তাই নয়, ফ্রান্স, ব্রিটেন-সহ একাধিক ইউরোপীয় দেশও ট্রাম্পের এই প্রস্তাব মানতে রাজি হয়নি। এর পরেই ক্ষোভ উগরে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইউরোপের কয়েকটি দেশের উপর বাণিজ্যিক শুল্ক চাপানোর ঘোষণা করলেন তিনি।শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, ব্রিটেন, নরওয়ে, জার্মানি, সুইডেন, নেদারল্যান্ড এবং ফিনল্যান্ড থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের উপর ১০ শতাংশ করে শুল্ক বসানো হবে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই শুল্ক কার্যকর হবে। এখানেই থামেননি ট্রাম্প। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কোনও সমঝোতা না হলে ১ জুন থেকে এই শুল্ক বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে।ট্রাম্পের দাবি, বহু বছর ধরে আমেরিকা ইউরোপের বিভিন্ন দেশকে নানা বাণিজ্যিক সুবিধা ও ভর্তুকি দিয়ে এসেছে। তাঁর বক্তব্য, এখন সেই সুবিধার পালা শেষ। ট্রাম্প আরও বলেন, গ্রিনল্যান্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য। তাঁর অভিযোগ, ডেনমার্ক নিজের সীমানা ঠিকমতো রক্ষা করতে পারছে না। সেই কারণেই আমেরিকার গ্রিনল্যান্ডের উপর নজরদারি দরকার বলে দাবি করেন তিনি।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, যেসব দেশের উপর এই শুল্ক চাপানো হয়েছে, তাদের প্রত্যেকটিই আমেরিকার দীর্ঘদিনের মিত্র দেশ। শুল্ক ঘোষণার একদিন আগেই ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তাঁর প্রস্তাবে যারা সমর্থন দেবে না, তাদের উপর বাণিজ্যিক চাপ বাড়ানো হবে। শনিবার সেই কথাই কার্যত বাস্তবায়িত করলেন তিনি।ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, চিন ও রাশিয়াও গ্রিনল্যান্ডের উপর নজর রাখছে। তাঁর মতে, বৈশ্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে আমেরিকার গ্রিনল্যান্ডে উপস্থিতি জরুরি। তিনি এটাও বলেন, গত দেড়শো বছরের বেশি সময় ধরে একাধিক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডেনমার্ককে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে প্রতিবারই সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে ডেনমার্ক।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল না পেলেও হাতে এল মেডেল, ট্রাম্পের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন নোবেলজয়ী নেত্রী

তিনি আগেই দাবি করেছিলেন, আটটি যুদ্ধ থামিয়েছেন তিনি, তাই নোবেল শান্তি পুরস্কার তাঁরই প্রাপ্য। কিন্তু নোবেল ঘোষণার সময় সেই পুরস্কার পাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বার ঘটল এক বিস্ময়কর ঘটনা। নোবেল শান্তি পুরস্কার না পেলেও সেই পুরস্কারের মেডেল এসে পৌঁছল ট্রাম্পের হাতেই।নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। বৃহস্পতিবার তিনি হোয়াইট হাউসে গিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানেই নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের মেডেল মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দেন মাচাদো। হোয়াইট হাউসে প্রায় এক ঘণ্টা দুজনের বৈঠকও হয়।বৈঠকের পরে হোয়াইট হাউস থেকে বেরিয়ে মাচাদো জানান, তিনি স্বেচ্ছায় নিজের মেডেল ট্রাম্পকে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার স্বীকৃতি হিসেবেই এই মেডেল তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে দিয়েছেন।যদিও আগেই নোবেল কমিটির তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, এইভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার বা তার মেডেল অন্য কাউকে হস্তান্তর করা নিয়মবিরুদ্ধ। তবুও হোয়াইট হাউস সূত্রে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প এই মেডেল নিজের কাছেই রাখবেন বলে জানিয়েছেন।সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প নিজেও বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন, মারিয়া তাঁর কাজের স্বীকৃতি হিসেবে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের মেডেল তাঁকে দিয়েছেন।প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই ভেনেজুয়েলায় নজিরবিহীন সামরিক অভিযান চালিয়েছিল আমেরিকা। সেই অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করে আমেরিকায় নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তাঁকে বন্দি রেখে মাদক পাচারের মামলায় বিচার চলছে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, গত মাসে নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে মাচাদো নিজে উপস্থিত ছিলেন না। তাঁর হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন তাঁর কন্যা। তার আগে প্রায় ১১ মাস ভেনেজুয়েলায় আত্মগোপনে ছিলেন মাচাদো।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বন্ধ আকাশপথ, যুদ্ধের দোরগোড়ায় মধ্যপ্রাচ্য?

ইরানে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। বিক্ষোভ, প্রশাসনের কড়া অবস্থান এবং বিদেশি হুমকির মধ্যেই এবার আকাশপথ বন্ধ করে দেওয়া হল। ইরানের এয়ারস্পেস বন্ধ হওয়ায় বহু বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। একই সঙ্গে দেশের ভিতরে সরকার-বিরোধী আন্দোলনের তীব্রতাও বাড়ছে। বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেওয়ার হুমকি দিয়েছে প্রশাসন। অন্য দিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নাগরিকদের রক্ষা করতে প্রয়োজনে সে দেশে হামলার হুমকি দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে ইরান এখন গভীর সংকটের মধ্যে দাঁড়িয়ে।বুধবার জানা যায়, সাময়িকভাবে ইরানের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুধু ইরান থেকে ওড়া এবং ইরানের উদ্দেশে যাওয়া আন্তর্জাতিক বিমানগুলিকেই ওঠানামার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। অন্যান্য সব ধরনের বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪ সূত্রে এই তথ্য জানা গিয়েছে। তবে হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা নিয়ে ইরান প্রশাসনের তরফে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।সূত্রের খবর, সম্ভাব্য বিমান হামলার আশঙ্কাতেই আকাশপথ বন্ধ করা হয়েছে। শুধুমাত্র জরুরি আন্তর্জাতিক বিমানকে বিশেষ অনুমতি নিয়ে চলাচলের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের পিছনে মার্কিন হামলার আশঙ্কাই বড় কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।ইতিমধ্যেই ইরানে আন্দোলনকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়েছে। সেই আবহেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের যুবসমাজকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন এবং জানিয়েছেন, সাহায্য আসছে। বিভিন্ন সূত্রে খবর, আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সেনা সরানো শুরু করেছে।অন্য দিকে, ইরানও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিতে পিছপা হয়নি। প্রতিবেশী দেশগুলিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুমকি দিয়েছে তেহরান। একই সঙ্গে ইরাক থেকে কুর্দিশ বাহিনী ইরানে ঢোকার চেষ্টা করতে পারে বলেও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত সংঘাতের দিকে এগোচ্ছে কি না, তা নিয়েই এখন বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ। মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা শেষ পর্যন্ত বড় যুদ্ধের রূপ নেয় কি না, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসি কি শেষমেশ স্থগিত? ট্রাম্পের বার্তায় নতুন মোড় ইরান সংকটে

বিদ্রোহের আগুনে এখনও জ্বলছে ইরান। সরকারের বিরুদ্ধে পথে নেমেছে হাজার হাজার মানুষ। এই আবহেই আমেরিকা থেকে একের পর এক হুমকি দিচ্ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘদিনের সতর্কবার্তার পর বুধবার হঠাৎই বড় ঘোষণা করলেন তিনি। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানে সরকার বিরোধী আন্দোলনকারীদের হত্যা বন্ধ করা হয়েছে।বুধবার ১৪ জানুয়ারি ইরানে ২৬ বছরের যুবক এরফান সলতানির ফাঁসি হওয়ার কথা ছিল। অভিযোগ ছিল, তিনি সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন এবং সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ আলি খোমেইনির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। তবে নরওয়ের একটি মানবাধিকার সংগঠনের দাবি, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ইরান প্রশাসন আপাতত বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেওয়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে।সম্প্রতি ইরানে আন্দোলনকারীদের উপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ, গুলি চালানো এবং হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের মতে, এই দমন-পীড়নে মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ২৬০০ ছাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই ট্রাম্প দাবি করেন, সেই হত্যালীলা এখন থেমেছে।বুধবার ট্রাম্প বলেন, আমরা খবর পেয়েছি যে ইরানে খুন বন্ধ করা হয়েছে। আর কোনও হত্যা বা ফাঁসি হবে না। গত কয়েকদিন ধরে গোটা বিশ্ব এই বিষয়টি নিয়েই উদ্বিগ্ন ছিল।তবে প্রশ্ন উঠেছে, যখন আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে কোনও কূটনৈতিক যোগাযোগ নেই, তখন এই খবর ট্রাম্প পেলেন কীভাবে? এই প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ সূত্র থেকে এই তথ্য পেয়েছেন। তবে সেই সূত্র কী, তা প্রকাশ করেননি তিনি।ট্রাম্প আরও বলেন, এখন আমরা অপেক্ষা করব এবং পরিস্থিতির দিকে নজর রাখব। হোয়াইট হাউস ইরানের দিক থেকে ইতিবাচক বার্তা পাচ্ছে।অন্যদিকে, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাহচি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আন্দোলনকারীদের ফাঁসি দেওয়ার কোনও পরিকল্পনা সরকারের নেই। তাঁর কথায়, ফাঁসিতে ঝোলানোর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এই ধরনের শাস্তির প্রশ্নই ওঠে না।তবে বাস্তবে পরিস্থিতি কতটা বদলাচ্ছে, তা নিয়ে এখনও সংশয় রয়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

প্রেসিডেন্টের আদেশ মানতে নারাজ সেনা! গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমেরিকায় ফাটল

গ্রিনল্যান্ড দখল করতে প্রয়োজনে সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে, এমন হুঁশিয়ারি আগেই দিয়েছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। সেই মতো মার্কিন সেনার বিশেষ বাহিনীকে হামলার পরিকল্পনা তৈরি করে রাখার নির্দেশও দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণে থাকা গ্রিনল্যান্ডে হামলা চালাতে রাজি নন মার্কিন সেনার একাংশ শীর্ষ আধিকারিক।সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেল একটি মার্কিন প্রশাসনিক সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ট্রাম্প সেনার জয়েন্ট স্পেশাল অপারেশনস কমান্ডকে গ্রিনল্যান্ডে সামরিক অভিযানের সব রকম পরিকল্পনা প্রস্তুত রাখতে বলেছেন। কিন্তু মার্কিন সেনার জয়েন্ট চিফ অফ স্টাফেরা কার্যত এই নির্দেশের বিরোধিতা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, এ ভাবে গ্রিনল্যান্ডে হামলা চালানো আইনবিরোধী এবং এমন সিদ্ধান্তে কখনওই সায় দেবে না মার্কিন কংগ্রেস।ওই সূত্রের দাবি, ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘ দিন ধরেই গ্রিনল্যান্ডে হামলা চালানোর কথা ভাবছেন। তবে সেনা আধিকারিকেরা বারবার তাঁর দৃষ্টি অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছেন। কখনও আটলান্টিক মহাসাগরে রুশ জাহাজের তৎপরতার কথা তুলে ধরা হচ্ছে, আবার কখনও ইরানে হামলা চালানোর প্রসঙ্গ তোলা হচ্ছে।সূত্রের আরও দাবি, ট্রাম্পের রাজনৈতিক উপদেষ্টা স্টিফেন মিলার গ্রিনল্যান্ডে সামরিক অভিযান চালানোর বিষয়ে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে আমেরিকায় আনার পরিকল্পনার পর থেকেই তাঁর নজর গ্রিনল্যান্ডের দিকে যায়। তাঁর আশঙ্কা, আমেরিকা দেরি করলে রাশিয়া বা চিন সেখানে নিজেদের প্রভাব বাড়িয়ে ফেলতে পারে।ডেইলি মেলকে এক ব্রিটিশ কূটনীতিক জানিয়েছেন, ট্রাম্প নিজেও গ্রিনল্যান্ড দখল করতে আগ্রহী। তাঁর মতে, দেশে লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ। সেই ক্ষোভ থেকে নজর ঘোরাতেই কখনও ভেনেজুয়েলা, কখনও গ্রিনল্যান্ড, আবার কখনও ইরানে হামলার কথা ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।চলতি বছরের শেষেই আমেরিকায় মধ্যবর্তী নির্বাচন হওয়ার কথা। ট্রাম্পের আশঙ্কা, দেশের অর্থনৈতিক মন্দা ভোটের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তাতে সুবিধা পেতে পারে ডেমোক্র্যাটরা এবং কংগ্রেস তাদের দখলে চলে যেতে পারে। সেই কারণেই বড় কোনও পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি নিজেদের পক্ষে ঘোরাতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, এমনটাই মনে করছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল না পেয়েই রাগ! ভেনেজুয়েলার পর এবার মধ্যরাতে সিরিয়া আক্রমণ ডোনাল্ড ট্রাম্পের

থামার কোনও লক্ষণ নেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ভেনেজ়ুয়েলার পর এবার সিরিয়ায় হামলা চালাল আমেরিকা। মধ্যরাতে সিরিয়ার একাধিক এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন প্রশাসন। ট্রাম্পের দাবি, ইসলামিক স্টেট জঙ্গিগোষ্ঠীর ঘাঁটি লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছে।ডিসেম্বরের পর জানুয়ারিতে ফের সিরিয়ায় সামরিক অভিযান চালাল আমেরিকা। গত ডিসেম্বরেই সিরিয়ার উপর বড়সড় অভিযান চালিয়েছিল মার্কিন সেনা। সেই অভিযানে দুজন মার্কিন সেনা ও এক জন অনুবাদক নিহত হন। ওই অভিযানের নাম ছিল অপারেশন হক আই স্ট্রাইক। এবার সেই একই অভিযানের আওতায় ফের হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, সিরিয়া জুড়ে সক্রিয় আইসিস জঙ্গিদের লক্ষ্য করেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। তবে এই হামলায় কত জন আইসিস জঙ্গি নিহত হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য জানানো হয়নি।মার্কিন সেনার তরফে আরও জানানো হয়েছে, এই অভিযানে তাদের এক সহযোগী বাহিনী সাহায্য করেছে। তবে সেই বাহিনী সিরিয়ার সেনা না অন্য কোনও গোষ্ঠী, তা স্পষ্ট করা হয়নি। এই বিষয়ে পেন্টাগনও কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। বর্তমানে সিরিয়ায় এক হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।উল্লেখ্য, গত ১৩ বছর ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে সিরিয়ায়। ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট বাসার আল আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হন। তাঁর জায়গায় ক্ষমতায় আসেন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতা আহমেদ আল সারাহ। নতুন সিরিয়া সরকার বর্তমানে আইসিস বিরোধী অভিযানে আমেরিকার সঙ্গে সহযোগিতা করছে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

‘মোদি ফোন করেননি বলেই চুক্তি ভেস্তে!’ ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চু্ক্তি নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনীহার কারণেই ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি সম্পন্ন হয়নিএমন দাবি সম্প্রতি করেছিলেন মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক। তাঁর বক্তব্য ছিল, চুক্তির শেষ ধাপে পৌঁছতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করা প্রয়োজন ছিল, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদি সেই ফোন করেননি। তার ফলেই ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।তবে এই অভিযোগ একেবারেই খারিজ করে দিল ভারত সরকার। বিদেশমন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বাস্তবতার সঙ্গে কোনও মিল নেই।শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়স্বাল বলেন, গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকেই ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তারপর থেকে দুই দেশ একাধিকবার বৈঠকে বসেছে এবং নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তাঁর দাবি, দুদেশের মধ্যে একটি পারস্পরিক লাভজনক চুক্তির বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে এবং আলোচনা এখনও চলছে।রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, মার্কিন বাণিজ্য সচিব যে মন্তব্য করেছেন, তা সঠিক নয় এবং বিভ্রান্তিকর। ভারত আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করতে আগ্রহী এবং এমন একটি চুক্তি চায়, যাতে দুই দেশেরই লাভ হয়।প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে হাওয়ার্ড লুটনিক দাবি করেন, ভারত-আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে শর্ত ছিল, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ট্রাম্পকে ফোন করতে হবে। সেই ফোন না আসাতেই চুক্তি ভেস্তে যায় বলে দাবি করেন তিনি। এবার সেই বক্তব্যকে সরাসরি নাকচ করে দিল নয়াদিল্লি।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনায় ধাক্কা! পাকিস্তানকে বিশ্বাস করতে পারবে না ইজরায়েল

গাজা পুনর্গঠনের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে আন্তর্জাতিক শান্তিবাহিনীর প্রস্তাব দিয়েছেন, সেখানে পাকিস্তানি সেনার উপস্থিতি কোনও ভাবেই মেনে নেবে না ইজরায়েল। শুক্রবার স্পষ্ট ভাষায় এই কথা জানালেন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার। তাঁর বক্তব্য, একটি ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে ইজরায়েলের পক্ষে গাজায় পাকিস্তানি সেনার অংশগ্রহণ গ্রহণযোগ্য নয়।একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রিউভেন আজার বলেন, পাকিস্তানের বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে হামাসের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। বিশেষ করে লস্কর-এ-তইবা-র মতো জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে হামাসের যোগের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের উপর ভরসা করা সম্ভব নয়।রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য, যতক্ষণ না হামাসকে পুরোপুরি ধ্বংস করা যাচ্ছে, ততক্ষণ গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও পরিকল্পনাই বাস্তবায়িত হতে পারে না। তাঁর কথায়, হামাস নির্মূল না হলে গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রশ্নই ওঠে না। এই কারণেই পাকিস্তানের মতো দেশের সেনা নিয়ে গঠিত কোনও শান্তিবাহিনীর ধারণাকে ইজরায়েল সমর্থন করতে পারে না।উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা পুনর্গঠনের জন্য একটি আন্তর্জাতিক শান্তিবাহিনী গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। সেই বাহিনীতে একাধিক দেশকে সেনা পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর, সেই তালিকায় পাকিস্তানের নামও রয়েছে। তবে এই প্রস্তাব নিয়ে ইজরায়েল যে স্বস্তিতে নেই, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন আজার।রিউভেন আজার আরও জানান, ইতিমধ্যেই অনেক দেশ গাজায় সেনা পাঠাতে অনীহা প্রকাশ করেছে। কারণ, তারা হামাসের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ করতে চায় না। তাঁর মতে, এই অবস্থায় শান্তিবাহিনী গঠনের পরিকল্পনা বাস্তবের মাটিতে দাঁড়াবে না।প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রসংঘ ট্রাম্পের গাজা শান্তি প্রস্তাবে নীতিগত সমর্থন জানিয়েছে। সেই সূত্র ধরেই গাজায় আন্তর্জাতিক শান্তিবাহিনী মোতায়েনের ভাবনা চলছে। ওয়াশিংটন পাকিস্তানের উপর চাপ বাড়াচ্ছে যাতে তারা সেনা পাঠাতে রাজি হয়। কিন্তু পাকিস্তানের সামনে বড় সমস্যা তৈরি হয়েছে। গাজায় সেনা পাঠানোর অর্থ হামাসের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরা, আর সেই হামাসকেই পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে সমর্থন করে এসেছে। উপরন্তু, ইজরায়েলকে পাকিস্তান এখনও স্বীকৃতি দেয়নি। ফলে মুসলিম দেশগুলির সামনে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে ইসলামাবাদকে।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৬
বিদেশ

ভারতকে নিশানা ট্রাম্পের? ফের শুল্ক বাড়ানোর হুঁশিয়ারি আমেরিকার

ভারতের উপর চাপ আরও বাড়াতে পারে আমেরিকা। দ্বিগুণ শুল্ক বসানোর পর এবার আরও শুল্ক চাপানোর ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা নিয়ে যে তিনি মোটেও খুশি নন, তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভালভাবেই জানতেন বলেও মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।রবিবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী খুব ভাল মানুষ, কিন্তু তিনি জানতেন যে রাশিয়া থেকে তেল কেনার বিষয়টি নিয়ে আমেরিকা অসন্তুষ্ট। ট্রাম্পের কথায়, তাঁকে খুশি রাখা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, ভারত আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য করে এবং আমেরিকা চাইলে যে কোনও সময় শুল্ক বাড়াতে পারে।উল্লেখ্য, গত বছর ভারতের উপর প্রথমে পাল্টা শুল্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ চাপিয়েছিল আমেরিকা। পরে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর আরও ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক বসানো হয়। এর ফলে মোট শুল্কের হার বেড়ে দাঁড়ায় ৫০ শতাংশে, যা ছিল সর্বোচ্চ। এবার ফের সেই শুল্ক আরও বাড়ানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প।গত সপ্তাহেই ফোনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই সময় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। শুল্ক নিয়েও কথাবার্তা হয় বলে জানা গিয়েছিল। কিন্তু রবিবার ট্রাম্পের মন্তব্যে সম্পূর্ণ উল্টো সুর ধরা পড়ে।এখন প্রশ্ন, আমেরিকা কি আবার ভারতের উপর নতুন করে শুল্ক চাপাবে, আর যদি চাপায়, তবে ভারতের প্রতিক্রিয়া কী হবে। এর আগেও রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে শুল্ক আরোপের সময় নয়া দিল্লির পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মমতার হারের পর তৃণমূলে নতুন সমীকরণ! বিধানসভায় বড় দায়িত্ব পেলেন কারা?

পনেরো বছর পর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা হারিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ফলে এবার বিধানসভায় বিরোধী আসনে বসতে হবে তৃণমূলকে। আর সেই কারণেই বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জোর জল্পনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে।অবশেষে শনিবার সেই জল্পনার অবসান ঘটাল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্ষীয়ান নেতা ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ই হচ্ছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা।একই সঙ্গে বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের চিফ হুইপ করা হয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে। এছাড়াও ডেপুটি বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্র।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মোট ৮০টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে সরকার গঠন করেছে। ভবানীপুর কেন্দ্রেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে।ফল ঘোষণার পর তৃণমূল বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সেই বৈঠকে কোনও নাম ঘোষণা করা হয়নি। অবশেষে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করল দল।রাজনৈতিক মহলের মতে, অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কাজের কারণেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের উপর ভরসা রেখেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। আগামী দিনে বিধানসভায় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তৃণমূলের মুখ হিসেবেই দেখা যাবে তাঁকে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

“আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দিয়েছে”, বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করে চলেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গণনাকেন্দ্রে তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলে আগেই অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন কালীঘাটের অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নতুন অভিযোগ তুললেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, বাড়ির ইন্টারনেট সংযোগও কেটে দেওয়া হয়েছে।শনিবার কালীঘাটে রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেই মঞ্চ থেকেই তিনি বলেন, বিজেপি জেতার রাত থেকেই তাঁর নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। মমতার কথায়, ওরা যেদিন জিতেছে, সেই রাত থেকেই আমাদের সব নিরাপত্তারক্ষী তুলে নিয়েছে। তার পর দেখলাম ফোন আসছে না, মেসেজ ঢুকছে না। পরে বুঝলাম আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দেওয়া হয়েছে। অন্তত এক ঘণ্টা আগে জানাতে পারত। তবে আমি ওদের দয়া চাই না। কারণ লড়াইটা আমরাই জিতেছি।এর আগেও গণনার দিন গুরুতর অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি দাবি করেছিলেন, গণনাকেন্দ্রে ঢোকার সময় তাঁকে বাধা দেওয়া হয় এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে মারধর করেন। তাঁর অভিযোগ, আমি এগিয়ে ছিলাম। তার পর বিজেপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কাউন্টিং সেন্টারে ঢুকে চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে। আমাকে ধাক্কা দেওয়া হয়, লাঠি মারা হয়। তখন সিসিটিভিও বন্ধ ছিল।মমতার এই ধারাবাহিক অভিযোগ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপি অবশ্য এই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। তবে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ইতিহাসে হাত শুভেন্দুর! নতুন বিতর্কে সরগরম বাংলা

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনই পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে শপথ গ্রহণের কয়েক ঘণ্টা পর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাসভবনে যান তিনি। সেখানে শ্রদ্ধা জানানোর পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস ১৯৪৭ সালের ২০ জুন হওয়া উচিত। তাঁর দাবি, ওই দিন বাংলাভাগের সিদ্ধান্ত হয়েছিল বলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে গড়ে উঠেছিল। তিনি জানান, এই বিষয়টি মন্ত্রিসভা এবং বিধানসভায় তোলা হবে। শুভেন্দুর কথায়, ইতিহাস বদলে দেওয়া যায় না। ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে আমাদের অবস্থাও বাংলাদেশে থাকা সংখ্যালঘু হিন্দুদের মতো হতে পারত।১৯৪৭ সালের ২০ জুন অবিভক্ত বাংলার আইনসভায় বাংলাভাগের প্রস্তাব ওঠে। ভোটাভুটিতে বাংলাভাগের পক্ষে মত পড়ে। তার ফলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হয় এবং পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। এই ঘটনাকেই সামনে রেখে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালনের দাবি জানিয়ে এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকারও এই দিনটিকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে পালন করে। লোকভবনেও প্রতি বছর ২০ জুন অনুষ্ঠান হয়।তবে তৎকালীন তৃণমূল সরকার এই সিদ্ধান্ত মানতে চায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাজ্য বিধানসভায় পয়লা বৈশাখকে বাংলা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাশ হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই দুই তারিখ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছিল। এবার রাজ্যে সরকার বদলের পর নতুন করে সেই বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলল শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যে।রাজনৈতিক মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম দিনেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভাবনাকে সামনে এনে শুভেন্দু স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা দিলেন। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে।মেটা বর্ণনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পয়লা বৈশাখের বদলে ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস করার কথা বলতেই শুরু তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

বিজেপিকে ঠেকাতে বাম-অতিবামদের ডাক মমতার! কালীঘাট থেকে বড় বার্তা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

একসময় তৃণমূলকে হারাতে সব বিরোধী শক্তিকে একজোট হওয়ার ডাক দিত বিজেপি। এবার বাংলায় ক্ষমতার পালাবদলের পর একই বার্তা শোনা গেল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। বিজেপিকে রুখতে বাম, অতিবাম-সহ সব বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে আসার আহ্বান জানালেন তিনি।শনিবার রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে কালীঘাটে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দোলা সেন, ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষ-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতা। সেই অনুষ্ঠান থেকেই বিরোধী ঐক্যের বার্তা দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আমি আবেদন জানাচ্ছি, বিজেপির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করছে তারা সবাই একজোট হোন। ছাত্র, যুব, রাজনৈতিক সংগঠন সবাই এক প্ল্যাটফর্মে আসুন। বাম, অতিবামদের নিয়েও আমার কোনও আপত্তি নেই। আমার কোনও ইগো নেই। বিজেপিকে রুখতে হলে সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় জয়ের পরই রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন একক শক্তিতে লড়াই করা তৃণমূল এখন বুঝতে পারছে যে বিজেপির বিরুদ্ধে বৃহত্তর বিরোধী জোট গড়া জরুরি। সেই কারণেই বাম ও অতিবাম দলগুলিকেও পাশে চাওয়ার বার্তা দিলেন মমতা।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বামের ভোটের বড় অংশ বিজেপির দিকে যাওয়াই এবারের নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে। সেই কারণেই বাম ভোটব্যাঙ্ককে ফের একত্রিত করার চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। একই সঙ্গে বিজেপি বিরোধী সব শক্তিকে এক ছাতার তলায় আনার বার্তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন মমতা।তবে মমতার এই আহ্বান নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে ঠিক করুন তিনি বিরোধী রাজনীতি করবেন কি না। বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের কথা যখনই উঠেছে, তখনই তিনি ভাঙনের রাজনীতি করেছেন। তাই এখন তাঁর কথায় কতটা বিশ্বাস করা যায়, সেটাই প্রশ্ন।অন্যদিকে সিপিএমএল নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, বাংলার বর্তমান পরিস্থিতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকেই রাস্তায় নামতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মতো আন্দোলন করুন, আমরাও করব।বাংলার রাজনীতিতে এই মুহূর্তে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বিজেপির উত্থানের পর বিরোধী শক্তিগুলির মধ্যে নতুন করে জোট রাজনীতির আলোচনা শুরু হওয়ায় রাজ্যের রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

২০২০-র সেই সিদ্ধান্তই বদলে দিল বাংলার রাজনীতি, আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর, শনিবার। মেদিনীপুরের কলেজ মাঠে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই দিনটি রাজ্য রাজনীতিতে বড় চমক তৈরি করেছিল। ঠিক সাড়ে পাঁচ বছর পর আবারও এক শনিবার বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকল। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।দুই শনিবারের এই রাজনৈতিক যাত্রা এখন শুভেন্দুর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সময় থেকেই তাঁর লক্ষ্য ছিল বাংলায় বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে হাতে খুব বেশি সময় পাননি তিনি। সেই নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসনে জয় পেলেও পরে একাধিক বিধায়ক দলবদল করেন। তৃণমূলে ফিরে যান মুকুল রায়ও।কিন্তু তারপরও থেমে থাকেননি শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা হিসেবে বিধানসভার ভিতরে এবং বাইরে লাগাতার তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়ে গিয়েছেন। বিজেপি কর্মীদের মনোবল বাড়াতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছুটে গিয়েছেন তিনি।শুভেন্দু বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রামে তিনি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগেও ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দু বুঝেছিলেন, ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রীকে চাপে রাখতে পারলে তার প্রভাব গোটা রাজ্যে পড়বে।শেষ পর্যন্ত সেই কৌশলই সফল হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পরপর দুবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনে হারিয়ে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। আর সেই সাফল্যের পর বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদে তাঁর নামই সবচেয়ে জোরালো হয়ে ওঠে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংগঠন শক্তিশালী করা থেকে শুরু করে বিজেপির ভোটব্যাঙ্ককে ধরে রাখাসব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই শেষ পর্যন্ত বাংলার মসনদে তাঁর বসা অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দুর শপথ মঞ্চে নজর কাড়লেন এই প্রবীণ নেতা, জানেন তাঁর পরিচয়?

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস গড়ল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে ব্রিগেড ময়দান।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়েন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে গোটা মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি বরাবরই বাংলায় নিজেদের রাজনৈতিক লড়াইকে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শের সঙ্গে যুক্ত করে এসেছে। ফল ঘোষণার দিনও বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান করেছিলেন।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই সময়ের অন্যতম সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে বিশেষ সম্মান জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।১৯৮০ সালে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলার সাংগঠনিক দায়িত্বও সামলান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্যকে বিজেপিতে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি দলের।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ হিসেবে টাকা দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডের মঞ্চে আবেগঘন মুহূর্ত! মোদির আলিঙ্গনে উঠে এলেন ৯৭ বছরের প্রবীণ নেতা

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস তৈরি করল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে গোটা ব্রিগেড।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়লেন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে ব্রিগেডের মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি সূত্রে দাবি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শেষযাত্রার সঙ্গীও ছিলেন তিনি।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই ঐতিহাসিক সময়ের সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে সম্মান জানানো হয়।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।পরে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলায় সংগঠন শক্তিশালী করার দায়িত্ব পান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্য সংগঠনে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি বিজেপির।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

রাজ্য়ের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু! সঙ্গে ছিলেন আরও পাঁচ মন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। শুক্রবার নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে তাঁকেই পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতেই বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেই সর্বসম্মতিক্রমে শুভেন্দু অধিকারীর নাম চূড়ান্ত করা হয়। বিজেপি সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু ছাড়া দ্বিতীয় কোনও নাম প্রস্তাবই করা হয়নি। যদিও বিধায়কদের অন্য নাম প্রস্তাব করার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান অমিত শাহ।শুভেন্দুর নাম ঘোষণা হওয়ার পর তাঁকে পদ্মফুল তুলে সংবর্ধনা দেন অমিত শাহ। বৈঠকে উপস্থিত বিজেপি বিধায়কদের মধ্যেও তখন উচ্ছ্বাস দেখা যায়।২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজনৈতিক চমক তৈরি করেছিলেন তিনি। যদিও সেই সময় রাজ্যে সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি।তবে এবারের নির্বাচনে আবারও বড় জয় পান শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন তিনি। এরপর থেকেই বিজেপির অন্দরে মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল।রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপির এই ঐতিহাসিক জয়ের পিছনে শুভেন্দুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং সংগঠনের উপর দখলও তাঁর পক্ষে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নামেই সিলমোহর দিল বিজেপি নেতৃত্ব।

মে ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal