• ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Dog

রাজ্য

'ম্যানস বেস্ট ফ্রেন্ড' কুকুর, তবু এত ভয় কেন? ব্যাখ্যা দিলেন বিশেষজ্ঞে

কুকুরকে দীর্ঘদিন ধরেই বলা হয় মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সঙ্গী। তবু বাস্তবে দেখা যায়, কুকুর সামনে এলেই অনেকেই রাস্তা বদলে ফেলেন, থমকে যান কিংবা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অথচ বিড়ালকে ঘিরে এমন ভীতি তুলনামূলকভাবে অনেক কম। কেন এই পার্থক্য? এর উত্তর দিয়েছেন পশু চিকিৎসক ডা. বিনোদ শর্মা।ডা. শর্মা জানান, কুকুরকে ঘিরে মানুষের ভয় মূলত তাদের আচরণ নয়, বরং মানুষের ধারণা, অভিজ্ঞতা এবং সামাজিক প্রভাবের ফল। তাঁর মতে, বিড়ালের তুলনায় কুকুর আকারে বড়, শক্তিশালী এবং জনবহুল এলাকায় বেশি দেখা যায়। ফলে অনেকের মনে কুকুরের কামড় বা আক্রমণের আশঙ্কা বেশি কাজ করে।তিনি বলেন, এই ভয় অনেক ক্ষেত্রেই জন্মগত নয়, বরং শেখা। ছোটবেলার খারাপ অভিজ্ঞতা, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে শোনা ঘটনা কিংবা সংবাদমাধ্যমে কুকুরের আক্রমণের খবর মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরি করে। তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি বাস্তব ঝুঁকির চেয়ে মানসিক ধারণার ফল।ডা. শর্মার মতে, কুকুরকে ভয় পাওয়া মানেই প্রাণীকে ঘৃণা করা নয়। অনেক সময় মানুষকে প্রাণী-বিদ্বেষী বলে মনে করা হলেও এই ধারণা সঠিক নয়। কুকুরকে ভয় পাওয়া অনেকের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ভয়ের প্রতিক্রিয়া, আবার কারও ক্ষেত্রে তা ফোবিয়ার পর্যায়েও পৌঁছাতে পারে।তিনি জানান, প্রকৃত ফোবিয়ার ক্ষেত্রে শুধু অস্বস্তি নয়, তীব্র মানসিক ও শারীরিক প্রতিক্রিয়াও দেখা দেয়। যেমনহৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম, শরীর কাঁপা, কান্না কিংবা কুকুরের সম্ভাব্য উপস্থিতি এড়িয়ে চলার প্রবণতা, যা দৈনন্দিন জীবনেও প্রভাব ফেলে। অন্যদিকে, যাঁরা কেবল কুকুর অপছন্দ করেন, তাঁরা দূরত্ব বজায় রাখলেও এমন তীব্র আতঙ্কে ভোগেন না।কুকুরের কিছু আচরণ মানুষ প্রায়ই ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেন বলেও জানিয়েছেন ডা. শর্মা। তাঁর মতে, লেজ নাড়ানো মানেই কুকুর বন্ধুসুলভএমন ধারণা সবসময় ঠিক নয়। যদি কুকুর দ্রুত, শক্তভাবে এবং উঁচু করে লেজ নাড়ে, তবে সেটি উত্তেজনা বা সতর্কতারও ইঙ্গিত হতে পারে।এছাড়া কুকুরের ঠোঁট চাটা, হাই তোলা বা মুখ ঘুরিয়ে নেওয়াকে অনেকেই স্বাভাবিক বা মজার আচরণ মনে করেন। কিন্তু বাস্তবে এগুলো অনেক সময় কুকুরের অস্বস্তি বা মানসিক চাপের সংকেত।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। অনেকেই মনে করেন, স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কুকুর শান্ত রয়েছে। কিন্তু কোনও কুকুর যদি হঠাৎ একেবারে স্থির হয়ে যায়, শরীর শক্ত করে রাখে এবং একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে, তবে সেটি আক্রমণের আগাম সতর্কবার্তাও হতে পারে।ডা. শর্মার পরামর্শ, কুকুরের আচরণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং তাদের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করাই অপ্রয়োজনীয় ভয় কমানোর অন্যতম উপায়। অপরিচিত কুকুরের কাছে যাওয়ার আগে অবশ্যই মালিকের অনুমতি নেওয়া উচিত।সবশেষে তিনি বলেন, কুকুরকে ভয় পাওয়া কোনও দুর্বলতা বা প্রাণীদের প্রতি বিদ্বেষের প্রকাশ নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই ভয় মানুষের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, পরিবেশ এবং মানসিক ধারণা থেকেই তৈরি হয়। (দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত)

জুলাই ১৯, ২০২৬
রাজ্য

মধ্যরাত থেকে বড় অপারেশন! খণ্ডঘোষে বিস্ফোরক দাবি মমতার

ভোটের মুখে খণ্ডঘোষের সভা থেকে বড় অভিযোগ তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, বিজেপির বিরুদ্ধে একটি বড় ষড়যন্ত্র চলছে এবং রবিবার মধ্যরাত থেকেই সেই পরিকল্পনা শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। যদিও এই পরিস্থিতিতেও দলীয় কর্মী-সমর্থক এবং প্রার্থীদের আরও জোর দিয়ে প্রচার চালানোর নির্দেশ দেন তৃণমূল নেত্রী।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভোটের যন্ত্র ব্যবহার নিয়ে সবাইকে খুব সতর্ক থাকতে হবে। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে ধীরগতিতে ভোট গ্রহণ ও গণনা করানোর চেষ্টা হতে পারে। তিনি দাবি করেন, প্রথমে এমনভাবে ফলাফল দেখানো হতে পারে যাতে মনে হয় বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। পাশাপাশি অনেককে গ্রেপ্তার করার চেষ্টাও চলছে বলে অভিযোগ তাঁর।তিনি আরও বলেন, টেলিভিশনে যদি দেখানো হয় বিজেপি জিতছে, তা মিথ্যে হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি। জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী সুরে তিনি জানান, শেষ পর্যন্ত তাঁর দলই জিতবে এবং তাঁদের হারানোর ক্ষমতা কারও নেই। এর আগেও একাধিকবার ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি।এছাড়াও বহিরাগতদের দিয়ে ভোটে প্রভাব ফেলার চেষ্টা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ভোটারদের প্রভাবিত করতে টাকা বিলি করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে তিনি বলেন, কোনওভাবেই নিজের ব্যাঙ্কের তথ্য বা অ্যাকাউন্ট নম্বর কাউকে দেওয়া উচিত নয়।এই বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ভোটের আগে এই ধরনের অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
দেশ

পথকুকুরদের সরাতেই হবে — শীর্ষ আদালতের ঐতিহাসিক নির্দেশে তোলপাড় দেশ

দেশজুড়ে পথকুকুরদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার এক ঐতিহাসিক নির্দেশে শীর্ষ আদালত জানাল, দেশের সমস্ত হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন ও খেলাধুলোর মাঠ এসব গুরুত্বপূর্ণ জায়গা থেকে সব পথকুকুরকে সরিয়ে ফেলতে হবে। তাদের নিরাপদে নিয়ে যেতে হবে ডগ শেল্টারে, এবং কোনওভাবেই আবার আগের জায়গায় ছেড়ে দেওয়া যাবে না।বিচারপতি বিক্রম নাথ, সন্দীপ মেহতা ও এন.ভি. আঞ্জারিয়া-র বেঞ্চে পথকুকুরদের কামড় নিয়ে চলা স্বতঃপ্রণোদিত মামলার শুনানিতে এই নির্দেশ দেন আদালত। বলা হয়, আগামী আট সপ্তাহের মধ্যেই এই কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে।সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ সরকারি হাসপাতাল, বাসস্ট্যান্ড, স্কুল, কলেজ, রেলস্টেশন বা জনবহুল স্থানে একটিও পথকুকুর রাখা যাবে না। যেসব কুকুরকে ধরা হবে, তাদের শেল্টারে পাঠানোর পর যেন আর কখনও ওই এলাকায় না ফেরা যায়, সে দিকেও নজর রাখতে হবে প্রশাসনকে। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, এই পুরো প্রক্রিয়া অ্যামিকাস কিউরি-র মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং তার রিপোর্ট জমা দিতে হবে পরবর্তী শুনানিতে, যা নির্ধারিত হয়েছে আগামী ১৩ জানুয়ারি।শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশ আসতেই নতুন করে আলোচনায় আগুন। কারণ কয়েক মাস আগেই এমনই এক নির্দেশ দিল্লি ও এনসিআর অঞ্চলে জারি করেছিল সুপ্রিম কোর্ট, যা নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও প্রতিবাদ হয়েছিল। পরে সেই রায় সংশোধন করে বলা হয়, কেবল টিকাকরণ ও নির্বীজকরণের পরই পথকুকুরদের ছেড়ে দেওয়া যাবে। তবে এবার আদালত বলেছে, হাসপাতাল বা রেলস্টেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কোনও অবস্থাতেই তাদের রাখা যাবে না। আদালতের ভাষায়, জননিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষাই অগ্রাধিকার। তাই জনবহুল এলাকাগুলিতে পথকুকুর রাখা যাবে না।এর পাশাপাশি, আদালত গরুদের ক্ষেত্রেও নির্দেশ দিয়েছে দেশের সমস্ত জাতীয় ও রাজ্য সড়ক থেকে গরুদের সরিয়ে নির্দিষ্ট গোরক্ষাকেন্দ্রে রাখতে হবে। রাজ্যগুলিকে বলা হয়েছে, হাইওয়ে হেল্পলাইন নম্বর চালু করতে হবে এবং হাইওয়ে পেট্রোলিং টিম তৈরি করতে হবে, যাতে রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো প্রাণীদের দ্রুত উদ্ধার করা যায়।পর্যবেক্ষক মহলের মতে, এই নির্দেশ একদিকে যেমন শহুরে নিরাপত্তার দিকে বড় পদক্ষেপ, অন্যদিকে প্রাণীপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়াতে পারে। অনেকেই বলছেন, পথকুকুরদের সরিয়ে ফেলা সমাধান নয়, তাদের টিকাকরণ ও দায়িত্বপূর্ণ যত্নই দরকার। তবে আদালতের মতে, জননিরাপত্তা ও মানুষের জীবনই সর্বাগ্রে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

বাগডোগরায় রানওয়ে ছাড়িয়ে ঘাসজমিতে ঢুকে গেল বায়ুসেনার বিমান, জখম চালক ও ক্রু

গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বাগডোগরা বিমানবন্দরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ল বায়ুসেনার বিমান। পাক ১১টা ৫৮মিনিট নাগাদ বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে বিমানবন্দর চত্বর। ছুটোছুটি শুরু হয়ে যায় বায়ুসেনা, অ্যাম্বুল্যান্স ও দমকলকর্মীদের। জানা যায়, দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে বায়ুসেনার এএন-৩২ বিমান। বায়ুসেনার উদ্ধারকারী দল, দমকলকর্মীরা মিলে দূর্ঘটনাগ্রস্ত বিমান থেকে চালক সহ ৬ জনকে উদ্ধার করে। আহতদের একজন চালক এবং একজন ক্রু রয়েছেন। এদের ব্যাংডুবি সামরিক বিভাগের বেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে বায়ুসেনা কর্তৃপক্ষ মুখে কুলুপ এঁটেছে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে ভারতীয় বায়ুসেনা তড়িঘড়ি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বায়ুসেনা এবং পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ১১ টা ৫৮ মিনিটে এএন-৩২ বিমানটি বাগডোগরা বিমানবন্দরের রানওয়েতে নামার সময় নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রানওয়ে ছেড়ে প্রায় ঘাসজমির মধ্যে ২২০ ফুট ঢুকে যায়। সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দ ও ধুলো উড়তে দেখা যায়। দুর্ঘটনাস্থলের কাছেই বিমানবাহিনীর ডিভিওআর রয়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই বায়ুসেনার দমকল, অ্যাম্বুল্যান্স, মেডিকেল টিম, উদ্ধারকারী দল, বায়ুসেনার আধিকারিকরা পৌঁছে যান। বিমানের পাইলট, কো পাইলট ও ৪ জন ক্রু সহ মোট ৬ জন ছিলেন। আহত হয়েছেন একজন পাইলট ও একজন ক্রু। তাঁরা সামরিক হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও আঘাত গুরুতর নয় বলেই জানা গিয়েছে। তবে রানওয়েতে দুর্ঘটনা ঘটলেও বাগডোগরা বিমানবন্দরে যাত্রীবাহী বিমান চলাচল করতে কোনও সমস্যা হয়নি। শুক্রবার সব বিমানই স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করেছে। অন্যদিকে শুক্রবার হরিয়ানার পঞ্চকুলায় ভেঙে পড়ে ভারতীয় বায়ুসেনার একটি যুদ্ধবিমান। দৈনন্দিন প্রশিক্ষণের সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। যুদ্ধবিমান থেকে নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন চালক।

মার্চ ০৮, ২০২৫
রাজ্য

আটকে থাকা কুকুর বাঁচার তাগিদে ফোন করলো! এ কাহিনী শুনলে অবাক হতেই হবে

গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস যথারীতি নিয়ম মাফিক বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যে যার মতো বাড়ি চলে গিয়েছেন। কিন্তু কারও জানা নেই তালাবন্ধ অফিসে আটকে পড়ে একজনের দফারফা অবস্থা। অগত্যা উপায় কি। তার দলবলেরও কেউ সঙ্গে নেই। একা ভয়ে-আতঙ্কে কাঁদতে কাঁদতে ফোন করে বসলেন পঞ্চায়েতের উপপ্রধানকে। অপর প্রান্তের গলা শুনে আঁতকে উঠে পঞ্চায়েত অফিসে ছুটলেন উপপ্রধান। অফিসে গিয়ে আটক এক সারমেয়কে মুক্তি দিলেন উপাপ্রধান। পঞ্চায়েত অফিসে তালাবন্দি হয়ে পড়েছিল নেহাতই একটি কুকুর।চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল সন্ধ্যায় হুগলির গুপ্তিপাড়ায়। পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের মোবাইলেই শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটায় একটি কল যায়। সেই কল পেয়েই তিনি বুঝতে পারেন ফোনের অপর প্রান্তে কোনও মানুষ নয় রয়েছে একটি কুকুর। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উপপ্রধান কুকুরের ফোন পেয়ে রাতেই ছুটে যান পঞ্চায়েত অফিসে।পঞ্চায়েত অফিসে এসে ঘুমিয়ে পড়েছিল কুকুরটি। ঘুম ভাঙার পর দেখে পঞ্চায়েত অফিস বন্ধ। ১১টি কুকুরের দল পঞ্চায়েত অফিস চত্বরে থাকে। ভিতরেই তালাবন্দি হয়ে পড়ে একটি কুকুর।এই ব্যাপারে উপপ্রধান বিশ্বজিত নাগ বলেন, প্রতিদিনের মতো শনিবারেও পঞ্চায়েত অফিস বন্ধ হওয়ার পর আমি বাড়ি ফিরে আসি। আমার ঘরের ল্যান্ড লাইনটা হটলাইন করা আছে। মানে কেউ রিসিভার তুলে ডায়াল না করলেও অটোমেটিকালি আমার সেলফোনে কল ডাইভার্ট হয়ে যাবে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার সময় হঠাৎ আমার সেলফোনে একটি কল আসে। আমি দেখি সেটা পঞ্চায়েত অফিসের নম্বর। আমি তো চমকে যাই। বার দুয়েক হ্যালো বলি, কিন্তু অপর প্রান্তে কোনও সাড়া নেই। হঠাৎ কয়েক মুহূর্ত বাদে আমি কুকুরের কান্নার আওয়াজ পাই। আমি বুঝতে পারি কিছু একটা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এরপর চাবি নিয়ে পঞ্চায়েত অফিসে যাই। চাবি খোলার পর সার্টার তুলতেই বেরিয়ে আসে কুকুরটি। উল্লেখ্য, ওই পঞ্চায়েত অফিসে প্রচুর পথকুকুর খায়, বিশ্রাম করে। বিশ্বজিতও তাদের খাওয়ান প্রত্যেকদিন।সব থেকে বড় প্রশ্ন ফোন গেল কি করে? আটকে গিয়ে সারা ঘরে দৌড়ঝাঁপ করতে থাকে কুকুরটি। সেই সময় কোন কারণ ছাড়া ল্যান্ডলাইনের রিসিভারের তারে সারমেয়টির পা পড়ে যায়। তাতে রিসিভারটি হালকা স্থানচ্যুত হয়। আর তখনই সিস্টেম অনুযায়ী অপর প্রান্তে উপপ্রধান বিশ্বজিতের কাছে ফোন চলে যায়। যদিও রিসিভারটি আবার যথাস্থানেই রাখা ছিল।

জুলাই ২৩, ২০২৩
দেশ

জংলিবাবা মন্দিরের কাছে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর যখন ৪ সেনা জওয়ান

বাগডোগরা জংলি বাবা মন্দির এর কাছে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর যখন ৪ সেনা জওয়ান। জানা যায় রবিবার সন্ধ্যে ৫টা নাগাদ একটি চার চাকা গাড়িতে চার সেনা যাওয়া বাগডোগরা জংলি বাবা মন্দির পথ হয়ে বাগডগোরার দিকে আসছিলেন। সেই সময় বাম্পারে ধাক্কা লেগে গাড়ি রাস্তা থেকে প্রায় ১০ ফিট দূরে জঙ্গলে গিয়ে পড়ে। তাদের সকলকেই দ্রুত বেঙডুবি বেস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বাগডোগরা বন বিভাগের কর্মীরা, বাগডোগরা ট্রাফিক গার্ডের কর্মীরা ও বাগডোগরা থানার পুলিশ।

আগস্ট ২৮, ২০২২
রাজ্য

সেলিমের পুলিশ না রেখে কুকুর পোষার মন্তব্যে বিতর্ক তুঙ্গে

গতকাল, শনিবার পুলিশকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। প্রাক্তন সাংসদের মন্তব্যে তোলপাড় পুলিশ থেকে রাজনৈতিক মহল। তবে নিজের বক্তব্য থেকে একটুও সরে আসেননি সেলিম। বরং সিপিএম নেতার বক্তব্য, পুলিশের বদলে কুকুর পোষার কথা বলে অপমান করেছেন কুকুরকে। তৃণমূল কংগ্রেস কড়া সমালোচনা করেছে মহম্মদ সেলিমের। পুলিশ মহলের বক্তব্য, সমালোচনা করতেই পারেন তবে এভাবে কুকুরের সঙ্গে তুলনা না করলেই পারতেন।দক্ষিণ ২৪ পরগণার বিষ্ণুপুরে জনসভায় মহম্মদ সেলিম বলেছেন, পুলিশকে কেন মাইনে দিয়ে রাখা হয়েছে। পুলিশকে না রেখে কয়েকটা কুকুর পুষলে ভাল হত। পুলিশের কুকুর থাকে না ট্রেনিং দেওয়া, তাঁরা শুঁকে শুঁকে বলে দিতে পারবে কোন দিকে অপরাধী গিয়েছে। কয়েকটা এসপির বদলে বিদেশি কুকুর রেখে দিলে খুনের কীনারা হয়ে যাবে। সেলিমের এই মন্তব্যে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি।তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, এমন মন্তব্য করে অত্যন্ত নিম্মরুচির পরিচয় দিয়েছেন সেলিম। সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী-সহ অন্য নেতারাও এই বিষয়ে তাঁকে সমর্থন করবেন না। নেতাজিকে এরাই তোজোর কুকুর বলেছিল। সিপিএমের আমলে পুলিশ দলদাস ছিল। লালবাজারের নাকের ডগায় বড়বাজারে রশিদ খানের বাড়িতে বোমা বিষ্ফোরণে ১০০জন মারা গিয়েছিল। রশিদ গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু তার পিছনে যে সিপিএম নেতারা ছিল তাঁরা দলের শাস্তির কোপে পড়লেও তাঁদের গ্রেফতার করা হয়নি। এখন পুলিশ নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করছে।এদিকে সেলিমের বক্তব্য নিয়ে প্রাক্তন পুলিশ কর্তারাও বিরোধিতা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, পুলিশ দুর্নীতিযুক্ত নয় তা বলছি না তবে এমন তুলনা না করলেই পারতেন। কিছু সৎ পুলিশ কর্মী-আধিকারিক এখনও আছেন। সিপিএমের আমলেও পুলিশ দলদাসে পরিণত হয়েছিল। লোকাল কমিটির সম্পাদকের সম্মতি ছাড়া পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করতে পারত না। তবে এখন সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে পুলিশ। সব রাজনৈতিক দলই এর জন্য দায়ী।

মে ০৮, ২০২২
বিবিধ

মানুষের সঙ্গে তালে তালে নৃত্য দেশি কুকুরের, দেখুন সেই মজার ভাইরাল ভিডিও

কুকুরের ড্যান্স নিয়ে উত্তাল সোশাল মিডিয়া। যে সে কুকুর নয় একেবারে দেশি কুকুর। এই কুকুরের নৃত্য দেখে সোশাল মিডিয়ায় মানুষজন এতটাই মেতেছে যে লক্ষ লক্ষ ভিউ হয়েছে এই ড্যান্সের ভিডিওর। আপনি দেখলেও মোহিত হয়ে যাবেন।ভিডিও দেখে মনে হচ্ছে কোনও অনুষ্ঠান বাড়ি চলছিল। সেখানে একটু দেশি কুকুর অন্যদের সঙ্গে নিজের তালে তালে নেচে চলেছেন। কুকুরটি পিঠে কালো রং,পায়ের দিকটা লালছে। এই কুকুরের ড্যান্স দেখলে যে কেউ অবাক হতে বাধ্য। কুকুরটির নৃত্য দেখলে মনে হতে পারে সে বোধহয় নাচের প্রশিক্ষণ নিয়েছে। বক্সে গান বাজছে আর আনন্দে আত্মহারা হয়ে চার পায়ের সঙ্গে দেহের তাল মিলিয়ে নেচেই চলেছে কুকুরটি। নিজেও মজা পেয়েছে। দেখুন সেই মজার ভিডিও।

মে ০৩, ২০২২
রাজ্য

পর পর গাড়ির ধাক্কায় চিতাবাঘের মৃত্যু, উদ্বিগ্ন বনদফতর

গাড়ির ধাক্কায় চিতাবাঘের মৃত্যু যেন কিছুতেই কমছে না। শুক্রবার রাতে ৩১নং জাতীয় সড়কে বাগডোগরার মুনি চাবাগানের কাছে ফের গাড়ির ধাক্কায় চিতাবাঘের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বিগত কয়েক মাসে এই রাস্তা পারাপার করতে গিয়ে তিনটে চিতার মৃত্যু হয়েছে। স্বভাবতই উদ্বিগ্ন বনদফতর।বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বাগডোগরার ৩১নং জাতীয় সড়কের ওপর ক্ষত বিক্ষত একটি চিতাবাঘের দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় পথযাত্রী। খবর দেওয়া হয় বাগডোগরা থানায়। তৎক্ষনাৎ বিষয়টি জানানো হয় বাগডোগরা বন বিভাগে। বাগডোগরা থানার ট্রাফিক গার্ড ও বাগডোগরা বনবিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন। বেঙ্গল সাফারি পার্কে নিয়ে যাওয়া হয় মৃত চিতাটিকে। জানা গিয়েছে, ওই পার্কেই চিতাবাঘটির ময়নাতদন্ত হবে। মাথায় আঘাত পেয়েছে চিতাটি।বাগডোগরা বনদফতরের রেঞ্জ অফিসার সমীরণ রাজ জানিয়েছেন, রাস্তা পার হতে গিয়েই সম্ভবত গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে চিতাবাঘটির। ময়না তদন্তেই জানা যাবে মৃত্য়ুর প্রকৃত কারণ। এর আগেও এই এলাকাতেই রাস্তা পারাপার করতে গিয়ে একের পর এক চিতাবাঘের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। তাতে উদ্বেগ বেড়েছে বনদফতরের।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানের এই গ্রামে দোল উৎসবে মেলে ১,০০০ টাকা দরে এক পিস রসগোল্লা

এক পিস রসগোল্লা এক হাজার টাকা! এটা কোন আজগুবি গল্পকথা নয়। পাঁচ শতাধিক বছরের প্রাচীন দোল উৎসবের মেলার সেরা আকর্ষণ হাজার টাকা পিসের পেল্লাই সাইজের রসগোল্লা। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ১ ব্লকের দোগাছিয়ার দোল উৎসবের এমনই মস্ত সাইজের মিষ্টি তৈরি হয়। দোল উৎসব উপলক্ষ্যে আগত অতিথিদের এমন বিশালাকার মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়ন করাটাই দোগাছিয়া গ্রামের রেওয়াজ। তাই দোল উৎসব উপলক্ষ্যে দোগাছিয়া গ্রামের মেলায় যাঁরা মিষ্টির দোকান খুলে বসেন তাঁরা সবাই তৈরি করেন পেল্লাই সাইজের হরেক রকমের মিষ্টি। নজর কাড়া এমন মিষ্টি স্বচক্ষে একবার দেখার জন্যেও অনেকে মেলায় ভিড় জমান।দোগাছিয়া গ্রামের দোল উৎসবের মাহাত্ম্য নিয়ে এলাকায় নানা লোককথা প্রচলিত রয়েছে। গ্রামের বাসিন্দা নিখিলেশ রায়চৌধুরি ও দেবপ্রসাদ রায়চৌধুরি জানান, প্রায় সাড়ে পাচশো বছর আগের ঘটনা।বাংলায় তখন রাজত্ত্ব চালাতেন জমিদাররা। সেই সময় কালে দোগাছিয়া গ্রামে চারদিনের দোল উৎসবের সূচনা হয়।দোলে গ্রামের চৌধুরিপাড়ার মূল মন্দিরে হয় কৃষ্ণচন্দ্র, গুপীনাথ ও মদনমোহন মূর্তির পুজোপাঠ। মূল মন্দির থেকে কিছুটা দূরে থাকা দোলমন্দিরে চতুর্দোলা করে তিন দেবতার মূর্তি নিয়ে গিয়ে পুজো করা হয়। নিখিলেশ রায়চৌধুরি জানান, তাঁদেরই বংশের পূর্বপুরুষ শ্রীধর কর জমিদারী আমলে মন্দিরগুলি তৈরি করেন। পরবর্তীকালে নবাব আমলে তাঁদের পরিবার রায়চৌধুরি উপাধি লাভ করে। চৌধুরী পরিবারের সদস্যদের কথায় জানা গিয়েছে, দোল উৎসব উপলক্ষ্যে গ্রামে হরিনাম সংকীর্তন সহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান হয়, মেলাও বসে।দোগাছিয়া গ্রামে দোল উৎসবের মেলায় এদিন গিয়ে দেখা যায় মেলার মূল আকর্ষন মিষ্টি। দু-এক কেজি ওজনের মিষ্টি নয়। ১০০০ টাকা পিস দরের ৮ কেজি ওজনের রসগোল্লা মেলায় বিক্রির জন্য তৈরি করেছেন বিক্রেতারা। বড় বড় গামলায় সেইসব বিশালাকার মিষ্টি সাজিয়ে রাখেন বিক্রেতারা। এত বড় বড় মিষ্টি মেলায় আগত মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা তৈরি করেন মূলত এলাকার রীতি রেওয়াজকে মান্যতা দিয়েই। স্থানীয় বাসিন্দা সুধাকর ঘোষ ও কৃপেশ বিশ্বাস বলেন, জমিদারি আমল থেকেই দোল উৎসবে আমাদের গ্রামে আগত অতিথীদের মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়ন করা হত। সেই রেওয়াজ এখনও চালু রয়েছে। আর তার কারণেই দোল উৎসব উপলক্ষে গ্রামে বসা মেলার সবথেকে বেশি প্রাধান্য পায় মিষ্টি।মেলায় মিষ্টির দোকান খুলে বসা ব্যবসায়ী তপন বিদ, প্রভাত ঘোষ জানান, দোগাছিয়া গ্রামের দোল উৎসবের মেলায় মিষ্টিই মূল আকর্ষন। তাই তাঁরা নজরকাড়া নানা মিষ্টি তৈরি করেন। এই বছর করেছেন ১০০০ টাকা পিস দরের ৮ কেজি ওজনের রসগোল্লা।এছাড়াও ৫০০, ৪০০, ২০০ টাকা পিস দামের মিষ্টিও মেলায় বিক্রীর জন্য তৈরি করেছেন। মিষ্টি কিনতে জেলা ছাড়িয়ে ভিন জেলার ক্রেতারাও মেলায় আসছেন। প্রবাত ঘোষ বলেন, , মেলায় বিক্রি-বাটাও খারাপ হচ্ছে না। দাম যাই হোক, খরিদ্দাররা সব ধরণের মিষ্টি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। মেলার স্টলে বসেও দল বেঁধে হাজার টাকা দামের রসগোল্লা খাচ্ছেন।

মার্চ ২০, ২০২২
রাজ্য

Dog Show: সারমেয়-র টানে পশুপ্রেমী টলি অভিনেত্রী বর্ধমানে

রবিবার পুর্ব-বর্ধমানের মেমারি তে মেমারি কেনাল ক্লাব আয়োজিত এবং শিক্ষা বিকাশ সেবা ফাউন্ডেশন-র ঐশী সিংঘ রায়-র উদ্যোগের এক সারমেয়-র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এই প্রদর্শনী তে নানা প্রকারের সারমেয় নিয়ে উপস্থিত হন দূর-দুরান্ত থেকে আগত সারমেয় প্রেমী-রা। এই শো দেখতে ঢল নামে মেমারি শহর সংলগ্ন বি-এড কলজের মাঠে। একপ্রকার মেলা বসে যায়।মেমারি কেনাল ক্লাব আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে-র প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী ও পশু-প্রেমী শ্রীলেখা মিত্র। তাঁর সারমেয় প্রেম বহুজনবিদিত। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর এই পথ সারমেয় ভালোবাসা নিয়ে বহুবার তাঁকে কটাক্ষ শুনতে হয়েছে। শ্রীলেখা মিত্র-র সামাজিক মাধ্যম ফলো করলেই মানুষ জানতে পারবে তিনি কোনও তথাকথিত নামজাদা সারমেয় পালন করেন না। তিনি পথ চলতি সারমেয় দের কেই তাঁর বাড়ির অন্দরমহলে স্থান দেন। তাদের লালন পালন করেন।আজকের এই অনুষ্ঠানে আসার পথে জাতীয় সড়কের পাসে এক ধাবা তে দাঁড়িয়ে সেখানকার কয়েকটি সারমেয় সাথে অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবি পোস্ট করেন। তিনি সেখানে উল্লেখ করেন বর্ধমানে একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে তার মাঝে আমার বন্ধুদের শুভেচ্ছা। এর থেকেই তাঁর সারমেয় প্রেম সমন্ধে কিছুটা ধারনা পাওয়া যায়।এ-হেন মানুষ কেই এই ধরনের অনুষ্ঠানের প্রধান অথিতি হিসাবে আমন্ত্রন যতার্থ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে জাতীয় সঙ্গীত-এ গলা মেলালেন, এবং শো-তে উপস্থিত থাকা এক সারমেয়-র জাতীয় সঙ্গীত কে সন্মান জানানোর মুহুর্তটি মনে রাখার মত। যদিও যান্ত্রিক গোলযোগের কারনে জাতীয় সঙ্গীত-র ছন্দ পতন হয়। অভিনেত্রী কোনও রকমে সামলে নেন।আজকের এই শোয়ে প্রধান অকর্ষন ছিলো এক ট্রেন দুর্ঘটনায় চলশক্তিরহিত পথভ্রষ্ট সোনামনি, সঞ্চিতা নামের এক গর্বিত কুকুর অভিভাবক এই অবলা পথভ্রষ্ট সারমেয় কে পালন করে জীবনদান করেন। অভিনেত্রী বলেন আমি এটা দেখে আরো অভিভূত কারণ এই সমস্ত মানুষ আমাদের লোমশ বন্ধুদের সম্পর্কে যে সচেতনতা ছড়াচ্ছে তাতে সাধারণ মানুষের অদের প্রতি ভালোবাসা কিছুটা হলেও বাড়বে। সঞ্চিতা বলেন হোক প্রতিবাদ, সবাই যেনো সতর্ক থাকে, ওদের ওপর কেউ যেন কেউ অত্যাচার করতে না পারে, সারমেয়দের ভালো রাখার আবেদন রাখেন।এই অনুষ্ঠানে বহু প্রজাতির সারমেয় অংশগ্রহন করে, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- জার্মান শেফার্ড, গ্রে হাউন্ড, ল্যাব্রেডার, তোসা ইনু, আমেরিকান বানডগ, কেনে কর্সো, রোডেশিয়ান রিংব্যাক, ডগো আর্জেন্টিনা, বোয়ের বোয়েল, গাল ডং, সেন্ট বার্নাড, আমেরিকান বুলডগ, বক্সার ইত্যাদি। এই সমস্ত সারমেয়রা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করে।আয়োজক সংস্থা জনতার কথা কে জানান এই ধরণের অনুষ্ঠান করার উদ্দশ্যে একটাই যাতে সামান্য হলেও মানুষের এই সমস্ত অবলা পশুদের প্রতি সহমর্মিতা একটু হলেও বৃদ্ধি পায়। তখনই এই আয়োজনটাকে স্বার্থক বলে মনে করবো আমরা। মেমারি এলাকাই এই ধরণের আয়োজন এই প্রথম। প্রথম বারেই বেশ সাড়া ফেলে দেয়। বিশিষ্ট এক সাহিত্যিক বলেছিলেন কাউকে অমুকের বাচ্ছা বলে সেই পশু / জন্তু টার অপমান করবেন না। আর সাহিত্যিক দুলেন্দ্র ভৌমিকের বাজা তোরা রাজা যায় তে এক যায়গায় লিখেছেন, এক মানুষ দ্বারা আহত বাঘ তাঁর বাচ্ছা বাঘ কে বলছেন আমাদের বীরত্ব ফলাতে গেলে মানুষের চামড়া দেওয়ালে টাঙ্গিয়ে রাখতে হয় না। এর থেকে সপাট থাপ্পড় বোধহয় হাত দিয়েও মারা যায় না। তাই মানুষকে ডগ-শো করে সারমেয় / পশু প্রেম বাড়াতে হয়। যাক মুঠো টা তো খুলুক।।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Howrah Robbery : বাড়ির পোষা কুকুরের নীরবতাই কাল হল ডাকাতদলের

কুকুরের আচরণই ডাকাতির কিনারা করতে সাহায্য করল পুলিশকে। গত ২৫ শে জুন হাওড়া ব্যাঁটরা হৃদয়কৃষ্ণ ব্যানার্জী লেনে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুঃসাহসিক ডাকাতি হয়। ডাকাতির সময় বাড়ির পোষা কুকুর কোনওরকম চিৎকার করেনি। চুপচাপ ছিল। কুকুরের এমন অস্বাভাবিক আচরণ তদন্তকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে পুলিশকে। কুকুরের এহেন আচরণ দেখে পুলিশের বুঝতে অসুবিধা হয় না যারা ডাকাতি করেছে তারা ওই বাড়ির কোন পরিচিত ব্যক্তি। সেই সূত্র ধরে গ্রেপ্তার করা হয় ধর্মেন্দ্র দাস (৩৪) এবং শুভজিৎ সামন্ত (২৬) কে। তারা দুজনেই কাজের জন্য একাধিকবার এই বাড়িতে এসেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ বিধ্বংসী আগুনে ভস্মীভূত তিনটি বাস, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশাপুলিশ জানিয়েছে, গৌতম পালের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে। ধর্মেন্দ্র ছিলেন অ্যাম্বুলেন্স চালক। ধৃত অপর একজন সুরজিৎ সামন্ত ওই ডায়াগনস্টিক ল্যাবে সিটি স্ক্যান করতেন। কাজের সূত্রে অনেকবারই গৌতম পালের বাড়ি গিয়েছেন অভিযুক্তরা। সেই সূত্রে বাড়ির কুকুরটি চিনত তাদের দুজনকেই। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ধর্মেন্দ্রর বাড়ি ওড়িশায়। সে এই ডাকাতির জন্য ওড়িশা থেকে দুই আত্মীয়কে এখানে নিয়ে এসেছিল। বর্তমানে তারা এখন পলাতক। তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ টিকা-বিতর্কে জড়ালেন আসানসোলের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়রপুলিশের দাবি সিসিটিভি অভিযুক্তদের গতিবিধি জানতে সাহায্য করেছে কিন্তু তদন্ত করেই ধরা হয়েছে অভিযুক্তদেরকে। এই তদন্তে ডাকাতির সময় কুকুরের এই আচরণের ঘটনা জানতে পারে। ডাকাতির সময় পোষ্যটি ছিল নীরব। এই ঘটনা তদন্তের কাজ অনেকটাই সাহায্য করেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরউল্লেখ্য ২৫ জুন বিকেলে মধ্য হাওড়ার ব্যাঁটরার হৃদয়কৃষ্ণ ব্যানার্জি লেনের একটি তিন তলা বাড়িতে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, এদিন বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ হঠাৎ দুই যুবক দরজা খুলে বাড়িতে ঢুকে বাড়ির গৃহকত্রীকে বেঁধে ফেলে বছর পঁয়তাল্লিশের শান্তনা পালকে। তাঁর গলায় ভোজালি ঠেকিয়ে লক্ষাধিক টাকার গয়না নিয়ে চম্পট দেয় ওই দুই দুষ্কৃতী। মারধর ও শরীরে ধারালো অস্ত্র ঠেকানোয় আহতও হন। প্রায় আধঘন্টা তান্ডব চালায় দুষ্কৃতিরা। সেইসময় তাঁর স্বামী গৌতম পাল ও ছেলে সম্রাট ছিলেন তাঁদের ডায়গোনিস্টিক সেন্টারে। খবর পেয়ে বাড়ি আসেন। পরে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন পাল দম্পতি।

জুলাই ০৪, ২০২১
বিদেশ

কুকুর-বিড়ালের জন্যও করোনা প্রতিষেধক

মানুষ তো করোনা (COVID 19) আক্রান্ত হচ্ছেই, কুকুর, বিড়াল, সিংহ, বাঘ কেউ বাকি নেই। করোনা করাল থাবা বসাচ্ছে প্রত্যেকের শরীরে। এমতাবস্থায় প্রাণীদেরও করোনা টিকা দেওয়া শুরু করেছে রাশিয়া। মার্চ মাসে রাশিয়াই প্রথম প্রাণীদের জন্য করোনা টিকা নিয়ে এসেছিল। ইতিমধ্যেই সে দেশের একাধিক অঞ্চলে শুরু হয়েছে প্রাণীদের করোনা টিকাকরণ।রাশিয়ার প্রাণীদের করোনা প্রতিষেধক কার্নিভ্যাক-কোভ বিশ্ব বাজারেও জায়গা করে নিয়েছে। ইতিমধ্যেই কার্নিভ্যাক-কোভ কেনার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আর্জেন্টিনা, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান। বিশেষজ্ঞরা বারবার বলেছেন পশুদের শরীরে করোনা ছড়ায় মানুষের কাছ থেকেই। পশুদের কাছ থেকে মানুষের দেহে মারণ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার প্রত্যক্ষ কোনও প্রমাণ মেলেনি।তবে পশুরাও যাতে করোনা আক্রান্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতেই রাশিয়ায় শুরু হয়েছে করোনা টিকাকরণ। কুকুর, বিড়াল, মিঙ্ককে দেওয়া হচ্ছে এই টিকা। রাশিয়ার প্রাণীসংরক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, প্রত্যেকে নিজেদের পোষ্যকে করোনা টিকা দিতে চাইছেন। উল্লেখ্য, রাশিয়া ছাড়াও পশুদের জন্য করোনা টিকা তৈরি করছে মার্কিন ভেটিনারি ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা জোটিসও।

জুন ০৮, ২০২১
কলকাতা

মৃত পশু সৎকারে চুল্লি মহানগরে

এবার আর মৃত পশুদের দেহ যত্র-তত্র ফেলে দেওয়া যাবে না। নোংরা করা যাবে না পরিবেশ। মহানগরে মৃত পশুদের সৎকারের জন্য চুল্লি নির্মিত হয়েছে দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রোমদনগরে। আজ, বুধবার বিকেলে সেই চুল্লির উদ্বোধন করবেন পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। রাস্তার কুকুর, বিড়াল হোক বাড়িতে পোষ্য হোক, মৃত্যুর পর এই পশুদের ফেলে দেওয়া হয় কোনও আস্তাকুঁরে। আবার অনেক সময় দেখা যায় রাস্তার পাশে মৃত পশু ফেলে দেওযা হচ্ছে। যথাযথ ভাবে দাহ করা হয় না বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই। ফলে পরিবেশ নষ্ট হয়। পশুপ্রেমীদের দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল পশুদের জন্য় চুল্লির। অবশেষে সেই দাবি পূরণ হচ্ছে। এবার অন্তত কিছুটা হলেও রক্ষা পাবে মহানগরের পরিবশে।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় বড়সড় ‘অ্যাকশন’! ২৫২টি বন্ধের নির্দেশ, শোকজ আরও ১০০—সরকারি সমীক্ষায় চাঞ্চল্য

অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ রাজ্যের, জেলায় জেলায় নথি যাচাইয়ের পর সিদ্ধান্ত।মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় এবার বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। রাজ্যজুড়ে মাদ্রাসাগুলির উপর চালানো সমীক্ষার পর প্রথম দফায় ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে আরও প্রায় ১০০টি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কলকাতা-সহ রাজ্যের ২২টি জেলায় মাদ্রাসাগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই যাচাই-পর্বে শুধু অনুমোদন রয়েছে কি না, তা-ই নয়পরিচালন ব্যবস্থা, পড়ুয়ার সংখ্যা, শিক্ষক-শিক্ষিকার উপস্থিতি, অর্থের উৎস, নথিপত্র, রেজিস্ট্রেশন এবং পরিকাঠামো-সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছে।সমীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসতেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যে বিপুল সংখ্যক মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন বা নির্দিষ্ট স্বীকৃতি ছাড়াই চলছে বলে প্রশাসনের তরফে দাবি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২,৩৯৬। এর মধ্যেই প্রথম ধাপে ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরাসরি বন্ধের নোটিস জারি করেছে সরকার।খারিজি মাদ্রাসাই কি নিশানায়?সরকারি পদক্ষেপের আওতায় আসা ২৫২টি মাদ্রাসার বড় অংশই খারিজি বা বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত মাদ্রাসা বলে খবর। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বৈধতা, পরিচালন পদ্ধতি এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েই মূলত প্রশাসনের নজরদারি।তবে সরকারের অবস্থানও স্পষ্টকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি স্বীকৃতির বাইরে থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চলতে পারে না। যে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই কিংবা ন্যূনতম পরিকাঠামো ও নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ, তাদের বিরুদ্ধে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শুধু বন্ধ নয়, শোকজ-এর পরেও কড়া বার্তাপ্রথম দফায় ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিস দেওয়া হলেও প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠানকে আপাতত দেওয়া হয়েছে শোকজ নোটিস। অর্থাৎ, তাদের নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।প্রশাসনের প্রশ্নকোন আইনি অনুমোদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান চলছে? কতজন পড়ুয়া রয়েছে? শিক্ষক কারা? অর্থ আসছে কোথা থেকে? পর্যাপ্ত ভবন ও শিক্ষার পরিকাঠামো রয়েছে কি না? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।জানা যাচ্ছে, সন্তোষজনক উত্তর বা প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারলে শোকজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধেও পরবর্তী ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হতে পারে।২২ জেলায় নথি যাচাইতারপরই সিদ্ধান্তমাদ্রাসা নিয়ে এই অভিযান হঠাৎ করে নয়। রাজ্য সরকারের নির্দেশেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছিল সমীক্ষা। কলকাতা-সহ ২২টি জেলার মাদ্রাসাগুলির নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়।সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে দাবি, অনুমোদিত মাদ্রাসাগুলি নিয়ম মেনেই চলছে। কিন্তু অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রে সরকার আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না।মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর বক্তব্য, মাদ্রাসাগুলির যাবতীয় নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়েছে। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলি চালু রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।সরকারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, প্রশ্ন তুললেন ত্বহা সিদ্দিকীতবে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে পাল্টা প্রশ্নও উঠছে। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেনকেন কোনও মাদ্রাসাকে শোকজ করা হচ্ছে, কেনই বা বন্ধ করা হচ্ছে, তা আগে সাধারণ মানুষকে জানানো হোক।তাঁর বক্তব্য, বহু মাদ্রাসা সাধারণ মানুষের অনুদান ও সাহায্যের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। মাদ্রাসায় শুধু ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয় না, সরকারি পাঠ্যক্রমও পড়ানো হয় বলে দাবি তাঁর।ফলে সরকারের প্রশাসনিক যুক্তির বিপরীতে উঠে আসছে অন্য প্রশ্নঅনুমোদনের মাপকাঠি কী? কোন প্রতিষ্ঠান নিয়মবহির্ভূত এবং কোনটি নয়? আর বহু বছর ধরে চলা প্রতিষ্ঠানগুলির ভবিষ্যৎই বা কী?রাজনীতির ময়দানেও বাড়ছে উত্তাপমাদ্রাসা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, সংখ্যালঘু শিক্ষা এবং সরকারি অনুমোদনের প্রশ্নের সঙ্গে এবার সরাসরি যুক্ত হচ্ছে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বনাম দীর্ঘদিনের সামাজিক উদ্যোগে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলির স্বাধীনতা।একদিকে সরকারের যুক্তিআইন ও নিয়মের বাইরে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের একাংশের বক্তব্যশুধু সরকারি অনুমোদনের অভাবকে কেন্দ্র করে কোনও প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।ফলে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ এখন শুধু প্রশাসনিক ফাইলের বিষয় নয়; তা ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনীতি ও সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে।উত্তরাখণ্ডের পর বাংলাতেও কড়া পদক্ষেপঅনুমোদনহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের নজির অন্য রাজ্যেও রয়েছে। উত্তরাখণ্ডে ইতিমধ্যেই একাধিক অননুমোদিত মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলার এই পদক্ষেপকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।এখন মূল নজর শোকজ পাওয়া প্রায় ১০০টি মাদ্রাসার জবাবের দিকে। তারা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিকাঠামোর প্রমাণ দিতে পারে কি না, তার উপরই নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ।তবে একটি বিষয় ইতিমধ্যেই স্পষ্টমাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে আর নজরদারির বাইরে রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার। ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রথম দফার এই অ্যাকশন আগামী দিনে আরও বড় প্রশাসনিক অভিযানের ইঙ্গিত কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
বিদেশ

পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে যাত্রীবাহী ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলা! ইউক্রেন যুদ্ধ কি এবার ন্যাটোর দরজায়?

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে ড্রোন হামলার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার পশ্চিম ইউক্রেনে ঘটনাটি ঘটে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। হামলায় ট্রেনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ২০৬ জন যাত্রীর কেউ আহত হননি বলে দাবি করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পোল্যান্ডের একটি রেল সংস্থার পরিচালিত ওই ট্রেনটি কিয়েভ থেকে ওয়ারশের দিকে যাচ্ছিল। পথে আচমকাই ট্রেনটির উপর একের পর এক রুশ ড্রোন হামলা হয় বলে অভিযোগ। হামলার জেরে ট্রেনে আগুন ধরে যায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে।তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হামলার পর প্রায় ছঘণ্টা ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি এমন একটি সময়ে ঘটল, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে গোটা ইউরোপেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।পোল্যান্ডের কাছে এই ঘটনার গুরুত্ব আরও বেশি বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য দেশ। ন্যাটোর চুক্তি অনুযায়ী, কোনও সদস্য দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলা হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্য সদস্যদেশগুলির সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হতে পারে।তবে রবিবারের ঘটনাটিকে সরাসরি পোল্যান্ডের উপর রুশ হামলা হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকেরা। তাঁদের একাংশের মতে, পোল্যান্ড সীমান্তের এত কাছে এমন ঘটনা ন্যাটোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। রাশিয়ার উদ্দেশ্য ন্যাটোর প্রস্তুতি ও ঐক্য পরীক্ষা করা কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া যদি ভবিষ্যতে পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তার প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা কম। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য। সে ক্ষেত্রে গোটা ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেই বড় পরিবর্তন আসতে পারে।তবে রবিবারের হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যে পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে এই হামলার অভিযোগ নতুন করে ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাইরাশিয়া যদি সত্যিই পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তখন ন্যাটো কী পদক্ষেপ করবে?

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
দেশ

একের পর এক ভূমিধসে বসে যাচ্ছে আস্ত পাহাড়! সিকিমে হড়পা বানের আতঙ্ক, সরানো হল ৩৮ পরিবার

পশ্চিম সিকিমের গিয়ালশিং জেলার সিঙ্গলিথাম গ্রাম এবং সংলগ্ন রিম্বি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রবিবার সকাল থেকে ভূমিধসের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পাহাড়ের ঢাল থেকে কাদা, পাথর ও গাছের ধ্বংসাবশেষ নেমে আসছে। এর জেরে রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় সিকিম প্রশাসনের তরফে রিম্বির ৩০টি এবং সিঙ্গলিথামের ৮টি পরিবারকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় সিঙ্গলিথামের বেশ কয়েকটি বাড়িও ইতিমধ্যে ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, সিঙ্গলিথামের পাহাড়ের ঢাল থেকে ক্রমাগত কাদা, বড় পাথর এবং গাছ নেমে এসে স্থানীয় ঝোরার গতিপথ আটকে দিচ্ছে। ফলে রিম্বির নিচের দিকে আচমকা হড়পা বান নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। প্রশাসনের নজরদারিতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, রিম্বির ঠিক উপরে সিঙ্গলিথাম গ্রামের কাছে একটি টিলা ধীরে ধীরে বসে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতির অবনতি শুরু হয়। টানা ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় মাটি, কাদা এবং পাথর ক্রমাগত নিচের দিকে নেমে আসছে। স্থানীয়দের দাবি, গত অগস্ট মাস থেকেই ওই এলাকায় ভূমিধস শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধস গ্রামের দিকে এগিয়ে আসছে।ভূমিধসের ধ্বংসস্তূপে রিম্বি-ইউকসম এবং রিম্বি-খেচুপেরি সড়কের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ইউকসম-তাশিডিং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও। স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদেরও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে প্রশাসনের তরফে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ এবং যাত্রীদের বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিপদের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে শুরু করেছেন।প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। পাহাড়ের ঢাল আরও নরম হলে নতুন করে ধস নামার আশঙ্কাও রয়েছে। বিশেষ করে ঝোরা অবরুদ্ধ হলে নিচের এলাকায় হড়পা বান তৈরি হতে পারে কি না, সেই দিকেই এখন নজর স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রাম, রেজিনগরে বড় চমক মমতার, আসন্ন উপনির্বাচনে ২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার দলের তরফে জানানো হয়েছে, নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন সঞ্চিতা প্রধান (দে)। পাশাপাশি, রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য রাবিউল আলম চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতার জল্পনার অবসান হল।দলের এই ঘোষণা এমন সময়ে এল, যখন শনিবারই তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করলে তারা ওই কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে না। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তরফে মমতাকে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করে বিধানসভায় ফেরার আহ্বানও জানানো হয়েছিল।১৫ বছর পর বিধানসভার বাইরে মমতা?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫,১০৫ ভোটে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামেও শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ভবানীপুরের উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধানসভায় প্রবেশ করেন মমতা। ২০১৬ সালে ফের ভবানীপুর থেকে জয় পান তিনি। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর উপনির্বাচনে জিতে আবারও বিধানসভায় জায়গা করে নেন। তৃণমূল নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা করায় এবার দীর্ঘ ১৫ বছর পর তাঁকে বিধানসভার বাইরে থাকতে হতে পারে।কেন নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে তিনি ভবানীপুর আসনটি ধরে রেখে নন্দীগ্রাম থেকে ইস্তফা দেন। সেই কারণেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হচ্ছে।নির্বাচন কমিশনের সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন হবে। ভোটের গণনা ৯ অক্টোবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর।তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল অব্যাহতপ্রার্থী ঘোষণার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিবাদ আরও জটিল হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীদুই পক্ষই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। উভয় শিবিরই দলের নিয়ন্ত্রণ, নাম এবং জোড়াফুল প্রতীকের স্বীকৃতি দাবি করেছে।১২ সেপ্টেম্বর দুই পক্ষের বক্তব্য শোনে নির্বাচন কমিশন। বিদ্রোহী শিবিরের কাছে আরও কিছু নথি চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমার আগে দলের প্রতীক ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিবাদের নিষ্পত্তি হয়নি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রীর পুরনো হাসি ভুলতে পারেননি! ৮৮ বছর বয়সে নিজের হাতেই বানিয়ে ফেললেন তাঁর মুখ

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা ৮৮ বছরের ভূপতিরঞ্জন দেবনাথ। দীর্ঘ কর্মজীবনে মধ্যমগ্রাম হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন তিনি। প্রায় তিন দশক আগে অবসর নিয়েছেন। এখন পেনশনের টাকাতেই চলে তাঁর সংসার। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংসারে একের পর এক কঠিন সময় এসেছে তাঁর জীবনে।ভূপতির স্ত্রী অঞ্জলির বয়স সত্তরের কোঠায়। তাঁদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে। দুই মেয়েরই মধ্যমগ্রামে বিয়ে হয়েছে। বাড়িতে রয়েছেন পুত্রবধূ এবং নাতিও। তবে করোনা অতিমারির সময় একমাত্র ছেলেকে হারিয়েছেন ভূপতি ও অঞ্জলি। ছেলের পরিবারকেও এরপর নিজেদের দায়িত্বে আগলে রেখেছেন তাঁরা।এরই মধ্যে গত ছমাস ধরে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী অঞ্জলি। বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন যে, এখন হাতে কলম নিয়ে সই করাও তাঁর পক্ষে সম্ভব হয় না। একসময় যে স্ত্রী সংসারের নানা কঠিন পরিস্থিতিতেও হাসিমুখে সব সামলে নিতেন, আজ সেই মুখেই অসুস্থতার ছাপ স্পষ্ট।কিন্তু স্ত্রীর সেই পুরনো হাসি এখনও ভুলতে পারেননি ভূপতি। বরং সেই হাসিই তাঁর মনে আজও একই রকম উজ্জ্বল। তাই স্ত্রীর মুখের সেই পুরনো অবয়ব এবং হাসিকে ধরে রাখতে নিজের হাতেই তৈরি করেছেন একটি প্রতিকৃতি।শিক্ষকতার পাশাপাশি হাতের কাজেও যথেষ্ট দক্ষ ছিলেন ভূপতি। কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে মাটি, নারকেলের খোল, গাছের ডাল-সহ নানা সাধারণ উপকরণ দিয়ে নানা জিনিস তৈরি করেছেন তিনি। ফেলে দেওয়া জিনিস তাঁর হাতে নতুন রূপ পেয়েছে। সেইসব কাজ এখনও তাঁর বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় যত্ন করে রাখা রয়েছে।এ বার সেই দক্ষতাকেই কাজে লাগিয়েছেন নিজের জীবনসঙ্গীর স্মৃতি ধরে রাখতে। প্লাস্টার অফ প্যারিস দিয়ে তৈরি করেছেন অঞ্জলির হাসিমুখের একটি প্রতিকৃতি। বাড়ির একটি শোকেসে রাখা রয়েছে সেই মূর্তি। স্ত্রীর পাশে বসে থাকার সময় কখনও অসুস্থ অঞ্জলির দিকে তাকান, কখনও আবার চোখ চলে যায় সেই হাসিমুখের প্রতিকৃতির দিকে।ভূপতির কথায়, তাঁদের দাম্পত্য জীবন প্রায় ৫৯ বছরের। অঞ্জলি বরাবরই হাসিখুশি থাকতে ভালোবাসতেন। সংসারে যত সমস্যাই আসুক, তিনি কখনও তা প্রকাশ করতেন না। হাসিমুখেই কঠিন সময় পার করেছেন। সেই হাসিই ছিল ভূপতির কাছে বড় ভরসা।আজ অঞ্জলি অসুস্থ। বিছানা থেকে ওঠার শক্তিও নেই। মুখের সেই পুরনো হাসিও আর দেখা যায় না। কিন্তু ভূপতির স্মৃতিতে অঞ্জলির হাসি এখনও একই রকম জীবন্ত। সেই হাসিকে অমলিন রাখতেই স্ত্রীর মুখের আদলে তৈরি করেছেন এই প্রতিকৃতি।পুরনো দিন আর ফিরে আসবে না, তা জানেন ৮৮ বছরের ভূপতি। তবু তাঁর একটাই আশা, স্ত্রী আবার শারীরিক সমস্যা কাটিয়ে উঠে একটু হাঁটাচলা করতে পারবেন, আগের মতো তাঁর পাশে বসতে পারবেন। আর সেই আশার সঙ্গেই ঘরের শোকেসে হাসিমুখে থেকে গিয়েছে অঞ্জলির সেই পুরনো মুখ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি? কেনার আগে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি, সঠিক নিয়মে পুজোয় পাবেন হাতে নাতে ফল

ভগবান গণেশকে উৎসর্গ করে পালিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু উৎসব গণেশ চতুর্থী। বিঘ্নহর্তা, জ্ঞানদাতা এবং শুভ সূচনার দেবতা হিসেবে গণেশের আরাধনা করেন ভক্তরা। ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। ওই দিন থেকেই শুরু হবে দশ দিনব্যাপী গণেশ উৎসব।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, গণেশ চতুর্থীর দিন বাড়িতে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পুজো করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস, এই সময় বাপ্পাকে বাড়িতে স্বাগত জানালে জীবনের বাধা-বিপত্তি দূর হয় এবং সুখ-সমৃদ্ধি আসে। তবে মূর্তি কেনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সৌন্দর্য বা সাজসজ্জা দেখলেই হবে না। ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, মূর্তির উচ্চতা, ভঙ্গি, রং, শুঁড়ের দিক এবং বাহনের উপস্থিতিরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করা হয়।কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি?বাস্তুশাস্ত্রের প্রচলিত মত অনুযায়ী, বাড়িতে পুজোর জন্য গণেশের মূর্তি খুব বড় হওয়া উচিত নয়। সাধারণত ৯ থেকে ১১ ইঞ্চি উচ্চতার মূর্তিকে গৃহস্থের পুজোর জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। এর তুলনায় বড় মূর্তি রাখলে পুজো ও বিসর্জনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সমস্যা হতে পারে বলেও মত রয়েছে।মূর্তির ভঙ্গির দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলা হয়। বাড়িতে পুজোর জন্য উপবিষ্ট গণেশের মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই ভঙ্গি শান্তি, স্থায়িত্ব ও সুখের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, চার হাতের গণেশ মূর্তির ক্ষেত্রে উপরের বাম হাতে পাশ, ডান হাতে অঙ্কুশ, নীচের বাম হাতে মোদক এবং নীচের ডান হাত অভয় মুদ্রায় থাকা শুভ বলে মনে করা হয়।গণেশের শুঁড় কোন দিকে থাকবে?গণেশের মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাম দিকে বাঁকানো শুঁড়যুক্ত গণেশের মূর্তি বাড়িতে স্থাপনের জন্য শুভ। এই ধরনের গণেশকে বামামুখী গণেশ বলা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রূপ শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক।অন্যদিকে, ডান দিকে বাঁকানো শুঁড়ের গণেশকে সিদ্ধিবিনায়ক বলা হয়। এই রূপকে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী বলে মনে করা হয় এবং তাঁর পুজোয় বিশেষ নিয়মকানুন মেনে চলার প্রচলন রয়েছে। তাই বাড়ির পুজোর জন্য মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটি খেয়াল করার পরামর্শ দেওয়া হয়।গণেশের বাহন ইঁদুর থাকা কি জরুরি?ভগবান গণেশের বাহন ইঁদুর। তাই মূর্তি কেনার সময় গণেশের পায়ের কাছে তাঁর বাহন ইঁদুরের মূর্তি রয়েছে কি না, সেটিও দেখে নেওয়ার কথা বলা হয়।প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির সঙ্গে তাঁর বাহন ইঁদুরের উপস্থিতির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তাই সম্পূর্ণ মূর্তি কেনার সময় এই বিষয়টিও নজরে রাখা হয়।কোন দিকে মুখ করে থাকবে গণেশের মূর্তি?বাড়িতে গণেশের মূর্তি স্থাপনের ক্ষেত্রে দিকেরও গুরুত্ব রয়েছে বলে বাস্তুশাস্ত্রে প্রচলিত মত রয়েছে। সেই অনুযায়ী, গণেশের মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকে রেখে মূর্তি স্থাপন করা শুভ বলে মনে করা হয়। পুজোর সময়ও গণেশের মুখ যেন পূর্ব অথবা উত্তর দিকে থাকে, সেদিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।তবে গণেশের মূর্তির আকার, ভঙ্গি, শুঁড়ের দিক কিংবা মূর্তি স্থাপনের দিক নিয়ে প্রচলিত এই ধারণাগুলি মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্রভিত্তিক মত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১৪ নাকি ১৫ সেপ্টম্বর, কবে পালিত হবে গণেশ চতুর্থী? জানুন ঠিক কোন সময়ে পুজোয় মিলবে দ্বিগুণ আর্শীবাদ?

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব গণেশ চতুর্থী। গণেশোৎসব নামেও পরিচিত এই উৎসব ভগবান গণেশের জন্মতিথি হিসেবে পালিত হয়। জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবতা গণেশের আরাধনা করে ভক্তরা সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতেই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল। সাধারণত ১০ দিন ধরে চলে এই উৎসব। অনন্ত চতুর্দশীর দিন গণেশ বিসর্জনের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি হয়।গণেশ চতুর্থী ২০২৬ কবে?দ্রিক পঞ্চাঙ্গ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। গণেশ বিসর্জন হবে শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর। উৎসবের শুরুতে বাড়ি ও বিভিন্ন মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো, প্রার্থনা ও আরতির মাধ্যমে চলে বাপ্পার আরাধনা। ফুল, ধূপ, প্রদীপ, ফল, মিষ্টি এবং বিশেষ করে মোদক নিবেদন করা হয় গণেশকে।গণেশ চতুর্থী ২০২৬-এর পুজোর শুভ মুহূর্তগণেশ পুজোর ক্ষেত্রে মধ্যাহ্নকালকে বিশেষ শুভ বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সময়েই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল।১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ পুজোর শুভ সময়:সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত।গণেশ চতুর্থীর তিথি শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৬ মিনিটে এবং শেষ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে।শহরভেদে গণেশ পুজোর শুভ সময়বিভিন্ন শহরে স্থানীয় সময় অনুযায়ী গণেশ পুজোর শুভক্ষণে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।পুনে: সকাল ১১টা ১৬ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৪ মিনিটনয়াদিল্লি: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচেন্নাই: সকাল ১০টা ৫১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ১৮ মিনিটজয়পুর: সকাল ১১টা ৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৬ মিনিটহায়দরাবাদ: সকাল ১০টা ৫৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৫ মিনিটগুরগাঁও: সকাল ১১টা ৩ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচণ্ডীগড়: সকাল ১১টা ৪ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৩ মিনিটকলকাতা: সকাল ১০টা ১৮ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটমুম্বই: সকাল ১১টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৮ মিনিটবেঙ্গালুরু: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৮ মিনিটআহমেদাবাদ: সকাল ১১টা ২১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৯ মিনিটনয়ডা: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটকীভাবে পালিত হয় গণেশ চতুর্থী?গণেশ চতুর্থীর উৎসব শুরু হয় বাড়ি বা মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো ও আরতি করা হয়। ভক্তরা বাপ্পাকে ফুল, ফল, দূর্বা, ধূপ এবং বিভিন্ন মিষ্টি নিবেদন করেন। এর মধ্যে গণেশের প্রিয় মিষ্টি হিসেবে মোদকের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।অনেক পরিবারে গণেশের মূর্তি বাড়িতে এনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কয়েক দিন ধরে পুজো করা হয়। অন্যদিকে, বিভিন্ন শহর ও এলাকায় বড় বড় মণ্ডপ তৈরি করে গণেশোৎসবের আয়োজন করা হয়। পুজোর পাশাপাশি সেখানে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি, সঙ্গীতানুষ্ঠান, খাবারের আয়োজন এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগও দেখা যায়।উৎসবের শেষ দিনে গণেশের মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জলাশয়ে বাপ্পার বিসর্জনের মাধ্যমে গণেশোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

রাশি অনুযায়ী বেছে নিন গণপতি বাপ্পার মূর্তির রং, কোন রাশির জন্য কোন রং শুভ?

গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে বাড়িতে গণপতি বাপ্পার মূর্তি স্থাপনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন ভক্তরা। মূর্তি কেনার সময় সাধারণত আকার, রূপ, ভঙ্গি এবং পুজোর নিয়মের দিকে নজর দেওয়া হয়। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির রঙেরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বিভিন্ন রঙের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রহ এবং তাদের বৈশিষ্ট্যের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়। সেই বিশ্বাস অনুযায়ী, নিজের রাশি অনুসারে গণেশের মূর্তির রং বেছে নিলে শুভ ফল পাওয়া যেতে পারে।২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে ১৪ সেপ্টেম্বর। প্রচলিত জ্যোতিষীয় মতে, ওই সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করবে। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কোন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়।মেষ ও বৃষ রাশির জন্য লাল ও হালকা গোলাপিমেষ রাশির অধিপতি গ্রহ মঙ্গল। জ্যোতিষশাস্ত্রে মঙ্গলের সঙ্গে লাল রঙের সম্পর্ক রয়েছে। তাই মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য লাল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সাহস, কর্মশক্তি ও সংকল্পের প্রতীক। জীবনের বাধা কাটিয়ে এগিয়ে যেতে লাল গণপতির আরাধনা ফলদায়ক হতে পারে বলে বিশ্বাস।বৃষ রাশির অধিপতি শুক্র। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ক্রিম বা হালকা গোলাপি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, আরাম, সম্প্রীতি ও স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।মিথুন ও কর্কটের জন্য সবুজ ও সাদামিথুন রাশির অধিপতি বুধ। তাই মিথুন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, সবুজ রং বুদ্ধি, যোগাযোগ, শিক্ষা ও ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কিত।কর্কট রাশির অধিপতি চন্দ্র। তাই এই রাশির জন্য সাদা রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। সাদা রং শান্তি, পবিত্রতা, মানসিক স্থিরতা এবং পারিবারিক সম্প্রীতির প্রতীক বলে বিশ্বাস করা হয়।সিংহ ও কন্যার জন্য কমলা ও সবুজসিংহ রাশির অধিপতি সূর্য। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কমলা, জাফরান বা হালকা সোনালি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং আত্মবিশ্বাস, প্রাণশক্তি, নেতৃত্ব এবং অভ্যন্তরীণ শক্তির প্রতীক।কন্যা রাশির অধিপতিও বুধ। তাই কন্যা রাশির জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি উপযুক্ত বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে মনে করা হয়। সবুজ রং বুদ্ধি, দক্ষতা ও যোগাযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।তুলা ও বৃশ্চিকের জন্য গোলাপি ও মেরুনতুলা রাশির অধিপতি শুক্র। তাই এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গোলাপি এবং হালকা নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, সম্পর্কের ভারসাম্য, সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক।বিশেষ করে ২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থীর সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করার বিষয়টিকেও জ্যোতিষীয় দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গাঢ় লাল বা মেরুন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং শক্তি, মানসিক সাহস এবং নিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।ধনু ও মীনের জন্য হলুদধনু রাশির অধিপতি বৃহস্পতি। তাই ধনু রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। হলুদ রং শিক্ষা, সমৃদ্ধি এবং আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতীক বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়।মীন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। বৃহস্পতির সঙ্গে হলুদ রঙের সম্পর্ক থাকায় এই রঙকে জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।মকর ও কুম্ভের জন্য মাটির রং ও নীলমকর রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ধূসর, পাথুরে বা মাটির মতো বাদামি রঙের গণেশ মূর্তি বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই রং শনির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও ধীরস্থির অগ্রগতির প্রতীক বলে মনে করা হয়।অন্যদিকে, কুম্ভ রাশির জন্য নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে জ্যোতিষীয় বিশ্বাস রয়েছে। নীল রং স্থিরতা, গভীরতা ও মানসিক দৃঢ়তার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।তবে রাশি অনুযায়ী গণেশ মূর্তির রং বেছে নেওয়ার এই ধারণাগুলি মূলত জ্যোতিষশাস্ত্র ও ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে প্রচলিত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ও পছন্দ ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal