• ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Director

বিনোদুনিয়া

Anirban Bhattacharya : অনির্বাণের প্রথম পূর্ণ দৈর্ঘ্য ছবি, থাকছে চমক

অনির্বাণ ভট্টাচার্য তাঁর অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছেন। তাঁর অভিনয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বর্ষীয়ান অভিনেতা থেকে শুরু করে নেটিজেরাও। সেই অনির্বাণ ভট্টাচার্য মন্দার এর মাধ্যমে পরিচালক হিসাবে নিজের জাত চিনিয়েছিলেন। এসভিএফের ব্যানারে নির্মিত এই ওয়েব সিরিজ দর্শকমহলে ভালোই সাড়া ফেলেছে। এবার নতুন বছরে আরো একটি সুখবর দিলেন অনির্বাণ।এসভিএফের ব্যানারে এবার একটি পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি নির্মাণ করছেন তিনি। বাদল সরকারের নাটক বল্লভপুরের রূপকথা অবলম্বনে এক নামেই বল্লভপুরের রূপকথা নিয়ে আসছেন অনির্বাণ। অনির্বাণ ও তাঁর বন্ধু প্রতীক দত্ত মিলে এই ছবির স্ক্রিপ্ট লিখেছেন।রাজবাড়ির দুই চরিত্র, রায় পরিবারের শেষ উত্তরাধিকারি ভূপতি রায় এবং তাঁর ভৃত্য মনোহরকে ঘিরে এই ছবির চিত্রনাট্য নির্মিত হয়েছে। প্রচণ্ড অর্থাভাবে ভুগছেন একসময় বল্লভপুরের রাজপাট সামলানো রায় পরিবারের এই বংশধর। অবশেষে বাড়ি বিক্রির প্রস্তাব আগে ভূপতি রায়ের কাছে, সেই সময় ক্রেতা, ভূপতি, ভৃত্য মনোহর আর ভূতে মিলে কী কী কাণ্ড কারখানা হয়, তা নিয়েই এগোবে ছবির গল্প।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Raj Chakraborty : চিকেন পক্স থেকে সেরে উঠছেন, এখন অনেকটাই সুস্থ রাজ

চিকেন পক্সে আক্রান্ত হয়েছিলেন টলিউডের পরিচালক ও ব্যারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তাড়েছিলেন। চলচ্চিত্র উৎসবের আগে রাজের এই শারীরিক অবস্থার জন্য তার ফ্যান থেকে শুরু করে অনেকেই চিন্তিত হয়ে পরেছিলেন। তবে তিনি এখন অনেকটাই ভালো আছেন। আনন্দবাজার অনলাইনকে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।রাজ বলেছেন, ভালো আছি। শরীরে কোনও অসুবিধা নেই। একটু কাবু হয়ে পড়েছিলাম। জ্বরও এসেছিল। গুটিও বেরিয়েছিল। এখন সব কমে গিয়েছে। পরশু অর্থাৎ ৩০ ডিসেম্বর থেকে আগের মতোই কাজে বেরোতে পারব। কলকাতার বাড়িতেও ফিরব ওই দিনেই।চিকেন পক্স ছোঁয়াচে রোগ তাই রিস্ক নেননি রাজ। সোজা চলে গিয়েছিলেন হালিশহরের বাড়িতে। ছেলে ইউভান এবং শাশুড়ি লীলা চক্রবর্তীকে নিয়ে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় এখন কলকাতায় রয়েছেন বহুতলের ফ্ল্যাটেই। রাজকে দেখভাল করেছেন তাঁর সহকারীরাই।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিধায়কের দায়িত্ব পালনের যেমন একটা চাপ রয়েছে এর পাশাপাশি কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের চেয়ারপার্সনও তিনি। তাই ব্যস্ততা আরও বেশি। রাজের আগামী ছবি ধর্মযুদ্ধ মুক্তি পবে ২১ জানুয়ারি।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Pavel : ওজন কমিয়ে অন্য এক পাভেল

কলকাতার পরিচালকদের মধ্যে বর্তমানে একটি পরিচিত নাম পাভেল। বাবার নাম গান্ধীজি, রসোগোল্লা ছবির পরিচালকের হাতে বর্তমানে অনেক প্রোজেক্ট। তাঁর আসন্ন দুটি ছবি মন খারাপ ও কলকাতা চলন্তিকা। এই দুটি ছবিতে শুধু পরিচালনাই নয়, এর পাশাপাশি অভিনয় করতেও দেখা যাবে তাঁকে। আর তার জন্য রোগাও হয়েছেন।কলকাতার চলন্তিকা করতে কোনও অসুবিধা হয়নি জানিয়েছেন পাভেল। তবে মন খারাপ এর জন্য প্রায় ২৭ কেজির মতো ওজন ঝরিয়েছেন পরিচালক। ফলে যারা পাভেল কে এতদিন ধরে চেনেন তারা অন্য পাভেলকে দেখতে পাবেন। পাভেল তাঁর চরিত্র প্রসঙ্গে কলকাতার এক সংবাদমাধ্যম কে জানিয়েছেন, কলকাতা চলন্তিকার ক্যারেক্টারটা মন খারাপ-এর থেকে তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু চরিত্রটা আমার খুব প্রিয় এবং পছন্দের। তার অন্যতম কারণ চরিত্রটি একজন কবির। যেহেতু আমি ছোটবেলা থেকে লিটল ম্যাগাজিনের সঙ্গে যুক্ত এবং কবিতা লিখি, তাই আমি আমার সেই পুরনো বইমেলার দিনগুলোয় ফিরে যেতে পেরেছিলাম। তবে মন খারাপ-এর রোলটা একটু আলাদা। চরিত্রটা নিয়ে আপাতত বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়। তবে চরিত্র আর আমার মধ্যে একটাই মিল রয়েছে। আমরা দুজনেই একটু রাগচটা।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

SHERDIL: নতুন ছবির শুটিং শুরু করলেন সৃজিত

বেগম জান, সাবাশ মিঠু র পর তৃতীয় বলিউড ছবির কাজে হাত দিলেন পরিচালক সৃজিত মুখার্জী। বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরবঙ্গের জঙ্গলে শুরু হল সৃজিত মুখার্জীর নতুন হিন্দি ছবি শেরদিল এর শুটিং। সেখান থেকে ক্ল্যাপস্টিকের ছবি পোস্ট করলেন পরিচালক।এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী। ফলে দর্শকদের মধ্যে আলাদা একটা উত্তেজনা কাজ করছে। সৃজিতের থেকে আরো ভালো একটি প্রোজেক্ট পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী তারা।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৯ এই এই ছবির কথা ঘোষণা করেন সৃজিত। ২০২০ তে করোনার জন্য সব পিছিয়ে যায়। সত্য ঘটনা অবলম্বনে এই ছবিটি। ২০১৬ সালে আসলে খবরের কাগজে নেপালের একটি ঘটনার কথা জানতে পারেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। নেপাল সীমান্তে ৬০২ কিমি অঞ্চলজুড়ে একটি ব্র্যঘ্র প্রকল্প রয়েছে। যেখানে বাঘের সংখ্যা পঞ্চাশের বেশি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, জঙ্গলের বাইরে বাঘের আক্রমণে কোনও এলাকাবাসীর মৃত্যু ঘটলে মৃতের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে। আর সেই টাকা পাওয়ার আশাতেই নাকি বহু দুঃস্থ পরিবার তাঁদের বৃদ্ধ কিংবা অসহায় কোনও পরিবারের সদস্যকে জঙ্গলে ছেড়ে দিয়ে আসত খিদের জ্বালা মানবিকতার থেকেও বড় হয়ে ওঠে। সেইরকমই ঘটনা নিয়ে শেরদিল-এর গল্প সাজান সৃজিত।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Aparna Sen : বাবার জন্মশতবার্ষিকীতে বিশেষ ভাবনা অপর্ণা সেনের

চলতি বছর চলচ্চিত্র সমালোচক, পরিচালক এবং সাংবাদিক চিদানন্দ দাশগুপ্তের জন্মশতবার্ষিকী। সেই উপলক্ষে আগামী নভেম্বরে নানা অনুষ্ঠান এবং বিশেষ পুরস্কারের আয়োজন করেছে চিদানন্দ দাশগুপ্ত মেমোরিয়াল ট্রাস্ট। আজ টুইট করে এই কথাটাই জানালেন তাঁর কন্যা অপর্ণা সেন। একাধিক টুইটে পরিচালক ও অভিনেত্রী লিখেছেন, চিদানন্দ দাশগুপ্ত মেমোরিয়াল ট্রাস্ট আগামী নভেম্বরে জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন করবে প্রয়াত পরিচালকের ছবি দেখিয়ে। থাকবে স্মারক বক্তৃতা। বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত তাঁর নানা লেখা নিয়ে আয়োজিত হবে প্রদর্শনী। ২০ এবং ২১ নভেম্বর দুদিন ধরে উদযাপনের পাশাপাশি দেওয়া হবে কিছু বিশেষ পুরস্কার। উদ্যাপনের আয়োজক অপর্ণা সেন, তাঁর পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ মহল।১৯২১ সালের ২০ নভেম্বর শিলংয়ে জন্মগ্রহণ করেন মন্মথনাথ-শান্তিলতা দাশগুপ্তের সন্তান চিদানন্দ। সাংবাদিকতা, চলচ্চিত্র সমালোচনার পাশাপাশি সিনেমা শিল্পের তাত্ত্বিক দিক নিয়ে একাধিক গ্রন্থ রচনা করে তিনি। ছবি পরিচালনার পাশাপাশি ১৯৪৭ সালে সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ক্যালকাটা ফিল্ম সোসাইটি।তাঁর বাবার জন্মশতবার্ষিকী সম্বন্ধে অপর্ণা সেন আরও জানান, এ বছর বাবার জন্মশতবার্ষিকী। তাঁকে ঘিরে উদ্যাপনের আয়োজন করতে পেরে ভীষণই আনন্দিত। বাবা শুধুই সুপরিচিত সাংবাদিক, চলচ্চিত্র সমালোচক এবং পরিচালক ছিলেন না, ছবির ইতিহাস সম্বন্ধেও তাঁর গভীর জ্ঞান ছিল। ভারতীয় সিনেমা এবং পরিচালকদের সম্পর্কে অনেক মৌলিক বই লিখেছেন তিনি। বাবা-ই প্রথম চলচ্চিত্রকে পাঠ্য হিসাবে দেখেছিলেন। তাঁর কথায়, বাবা না থাকলে আমি কখনওই পরিচালক অপর্ণা সেন হতে পারতাম না!

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Yuvaan : ১ বছরে পা ইউভানের

এই তো সেদিন পৃথিবীর আলো দেখল ইউভান। দেখতে দেখতে অনেকটাই বড় হয়ে গেল। ১ মাস দু মাস পেরিয়ে ১ বছরে পা দিল শুভশ্রী ও রাজ চক্রবর্তীর পুত্রসন্তান। সোশ্যাল মিডিয়াতে বিভিন্ন সময়ে ইউভানের সঙ্গে ছবি পোস্ট করতে দেখা যায় শুভশ্রী ও রাজ চক্রবর্তী কে। ইউভানের দুষ্টু মিষ্টি ছবি বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে বেশ ভালোই আলোড়ন ফেলে। কখনও দেখা যায় ইউভান খেলছে, আবার কখনও মজার মুহূর্ত ধরা পড়ে। আদরের মামা জিত্ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে তার গান শোনার ভিডিও-তে মন ভরেছে নেটিজেনদের। ইউভানের ১ বছরের জন্মদিনে মা শুভশ্রী ভেসেছেন আবেগে। ছেলে কোলে ছবির সঙ্গে আবেগ মাখা পোস্ট করেছেন মা।শুভশ্রী লিখেছেন শুভ জন্মদিন জান। এই এক বছরে তুমি আমার মধ্যে এক মায়ের জন্ম দিয়েছ। তোমাকে প্রাণভরা ভালবাসা, আমার সোনা...সত্যিই তো এক বছরে এক নতুন পরিচয় তৈরি হয়েছে অভিনেত্রী শুভশ্রীর জীবনে। তিনি বাংলা ইন্ডাস্ট্রির নামি নায়িকা, রাজ চক্রবর্তীর ঘরণী, আর এখন তিনি ইউভানের মা। জীবনে পূর্ণতা পেয়েছেন তিনি।অন্যদিকে বাবা রাজ চক্রবর্তীও ছেলের জন্মদিনে লিখেছেন শুভেচ্ছা বার্তা। তিনি লিখেছেন যে, তুমি আমার গর্ব, আমার ভালবাসা, আমার পৃথিবী, আমার সবকিছু। প্রথম জন্মদিনে অনেক শুভেচ্ছা। পুরীর সমুদ্র সৈকতে ইউভানের একটা মিষ্টি ছবি বেছে নিয়েছেন এই শুভেচ্ছা বার্তার জন্য।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
রাজ্য

Malay Ghatak : কয়লা পাচার-কাণ্ডে ইডির তলব আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে

এবার কয়লা পাচার কাণ্ডে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তলব করল রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে। সূত্রের খবর, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর দিল্লির ইডি দফতরে তলব করা হয়েছে মলয় ঘটককে। তিনি কয়লা শিল্পাঞ্চল আসানসোলের তৃণমূলের বিধায়ক। এই তলবকেও রাজনৈতিক প্রতিহংসা বলে মনে করছে তৃণমূল নেতৃত্ব।এর আগে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সস্ত্রীক তলব করেছে ইডি। যদিও অভিষেকের স্ত্রী রুজিরা ইডির কাছে আবেদন জানিয়েছেন করোনা পরিস্থিতিতে তিনি দুই সন্তান নিয়ে দিল্লি যেতে পারছেন না। ইডি আধিকারিকদের তাঁর বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। অভিষেক নিজে এখনও কোনও মন্তব্য করেননি।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের লক্ষ্যে পানাগড়ে একাধিক বড় ঘোষণা মমতারএদিকে কয়লা পাচার কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত বিনয় মিশ্র এখনও অধরা। তিনি রাজ্য যুব তৃণমূল কংগ্রেসের পদেও ছিলেন। সূত্রের খবর, তিনি এখন দ্বীপ রাষ্ট্র ভানুয়াতিতে রয়েছেন। আদালতে তাঁর আইনজীবী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।কয়লা পাচার নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে তদন্ত করছে সিবিআই। পাশাপাশি তদন্ত করছে ইডি। কয়লাখনি অঞ্চলে দীর্ঘ দিন ধরে রাজনীতি করছেন মলয় ঘটক। তৃণমূল কংগ্রেসের টানা তিনবারের বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী। আসানসোল শিল্পাঞ্চলে মলয় ঘটকের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেখানকার আর্থ সামাজিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মলয়বাবু অবগত বলে মনে করে ইডির আধিকারিকরা। সেকারণেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Kareena Kapoor : করিনা এবার প্রযোজক

জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করছেন বেবো অর্থাৎ অভিনেত্রী করিনা কাপুর। এতদিন অভিনয় করে দর্শকদের মাতিয়েছেন। এবার তাকে দেখা যাবে প্রযোজক হিসাবে। একতা কাপুর ও হংসল মেহতার সঙ্গে ছবি প্রযোজনার কাজ করবেন তিনি। জীবনের প্রথম প্রযোজনা? বেবো বলছেন, একতা কপূরকে পরিবার সূত্রে বহু বছর ধরে চিনি। এই ছবিতে প্রযোজনার সুযোগ পেয়ে সম্মানিত বোধ করছি। আর এই প্রথমবার প্রযোজক হিসাবে কাজ করব হংসলের সঙ্গে। আমি হংসল মেহতা পরিচালিত ছবির ভক্ত। এই কাজটায় অনেক কিছুই প্রথমবার হচ্ছে। কাজ শুরু করার জন্য অধীর অপেক্ষায় রয়েছি।আরও পড়ুনঃ দীপ্সিতার জন্মদিনে শুভেচ্ছা দাদান শোভনেরএর আগে তৈমুরের জন্মের পর ভীরে দি ওয়েডিং ছবির মাধ্যমে কামব্যাক করেছিলেন করিনা। এবার দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর নতুন ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে তাকে। একতা বলছেন, করিনা কপূর যথেষ্ট ক্ষমতাশালী একজন অভিনেত্রী। ভীরে দি ওয়েডিং-এর মত নায়িকাকেন্দ্রিক ছবির প্রধান চরিত্রে নজর কেড়েছিলেন করিনা। এইবারেও করিনার সঙ্গে কাজ করার জন্য আমি ভীষণ উত্সাহী আর অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। গল্পটা শোনার পরেই আমার ভীষণ ভালো লাগে। দর্শকেরা আরও একটা দারুণ কাজের অপেক্ষায় থাকতেই পারেন। বাস্তব জীবন থেকে অনুপ্রাণিত এই ছবি। খুব তাড়াতাড়ি এই শুটিং শুরু হবে বলে জানা গেছে।

আগস্ট ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Anik Dutta : বিশাল ভরদ্বাজের ওয়েবে অভিনয় করছেন না অনীক দত্ত

অনীক দত্ত একজন পরিচালক হিসাবে কতটা ভালো সেটা সকলেরই জানা। তাঁর নির্মিত ছবিগুলোই সেই কথা বলে। সেই অনীক দত্ত এবার ডাক পাচ্ছেন অভিনয়ের জন্য। কিন্তু তাঁকে সব প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে। কারণ তাঁর আগামী ছবি অপরাজিতা-র শুটিং এ ব্যস্ত।আরও পড়ুনঃ মুক্তি পেল বেল বটম-এর ট্রেলারমঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়াতে অনীক দত্ত জানিয়েছেন, ওই দিন বিশাল ভরদ্বাজ তাঁর আগামী ওয়েব সিরিজে মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন তাঁকে। যথারীতি অনীক ফিরিয়ে দিয়েছেন সেই ডাক। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই ঘটনা নতুন নয়। বহু বছর ধরেই বিভিন্ন পরিচালক তাঁকে এই প্রস্তাব দিয়েছেন। নিজের কাজের খাতিরে সেই প্রস্তাব সবিনয়ে প্রত্যাখ্যান করতে হয়েছে তাঁকে। বিশালের আগে আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত তাঁকে অভিনয়ের জন্য ডেকেছিলেন। অনীক তাঁর ডাকেও সাড়া দিতে পারেননি।আরও পড়ুনঃ দেখুন নুসরতের জীবনের প্রকৃত ভালোবাসা কেএই প্রসঙ্গে পরিচালক আরও জানিয়েছেন, মঙ্গলবার তাঁর কাছে বলিউডের পরিচালকের কাস্টিং ডিরেক্টরের ফোন আসে। তিনি অভিনেত্রী মৌমিতা পণ্ডিতের নামও করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, ২০১২-য় ভুবনেশ্বরে বিশালের সঙ্গে একটি আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন। পরে বিশালের সঙ্গে অনেকক্ষণ আড্ডাও দিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি পরিচালকের আফসোস, এ জীবনে সম্ভবত তাঁর আর পরিচালক-অভিনেতা হওয়া হল না। কী ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের ডাক পেয়েছিলেন অনীক? পরিচালক জানিয়েছেন, প্রস্তাবে রাজি হলে সিরিজে তাঁকে অবসরপ্রাপ্ত বাঙালি ব্রিগেডিয়ারের ভূমিকায় দেখা যেত

আগস্ট ০৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Covid : করোনায় আক্রান্ত ফারুকী ও শাওন

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বাংলাদেশের বিনোদন জগতের দুই তারকা। অভিনয়শিল্পী মেহের আফরোজ শাওন গতকাল শুক্রবার জানতে পেরেছেন, তিনি কোভিড১৯ পজিটিভ। আর পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী শনিবার সেই খবরটা দিলেন।আরও পড়ুনঃ কিশোর কুমারের জন্মদিনে নতুন চমক আনছেন পুত্র অমিতনিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ফারুকী লিখেছেন, সব রকম নিরাপত্তাব্যবস্থা কঠোরভাবে মানার পরও পজিটিভ আমি। দয়া করে সবাই নিজের যত্ন নিন এবং মনোবল মজবুত রাখুন। পাঁচ দিন আগে করোনার টিকার প্রথম ডোজ নেন পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। অন্যদিকে শাওনের উপসর্গ বলতে গাব্যথা, দুর্বলতা, কাশি। তবে তিনি জানিয়েছেন তাঁর দুই সন্তান বাড়িতেই আছেন এবং সুস্থ আছেন।বাংলাদেশে ফারুকী ও শাওনের ভক্ত কম নয়। সকলেই এখন অপেক্ষা করছেন কত তাড়াতাড়ি তাদের দুজন প্রিয় মানুষ সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।

আগস্ট ০১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rohan : রোহনের নতুন ছবি বাবা-মেয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে

এভাবেই গল্প হোক জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর পরিচালক রোহন সেন তার দ্বিতীয় ছবির নির্মাণে হাত দিলেন। যার নাম অপরাজিতা। বাবা-মেয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়েই এই অপরাজিতা-র গল্প। ছবিতে প্রধান ভূমিকায় রয়েছেন তুহিনা দাস। তার বাবার ভূমিকায় অভিনয় করবেন শান্তিলাল মুখার্জি। পরিবারের ঘনিষ্ঠ চিকিৎসকের চরিত্রে রয়েছেন রানা বসু ঠাকুর। ছবির প্রযোজক এবং অপরাজিতার দিদির চরিত্রে অভিনয় করছেন অমৃতা দে। পুরোদমে চলছে এই ফিচার ফিল্মের শুটিং।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারঅপরাজিতা-র গল্প প্রসঙ্গে জনতার কথা কে পরিচালক রোহন সেন জানালেন,অপরাজিতা একটা মেয়ের গল্প। মেয়েটির নাম অপরাজিতা। যেটা তুহিনা করছে। মেয়েটা একটা ইন্ডিপেন্ডেন্ট মেয়ে। সে আর তার বাবা বাড়িতে থাকে। তার দিদি থাকে আমেরিকায়, বিয়ে হয়ে গেছে। তার সঙ্গে তার বাবার বিগত তিন বছর ধরে কোনও কথা নেই। মেয়েদের লাইফে বাবার বড় ভূমিকা থাকে। কিন্তু এতদিন ধরে তার বাবার সঙ্গে কথা হচ্ছে না তার পেছনে একটা স্ট্রং রিসন আছে। বাবার চরিত্রে শান্তিলাল দা রয়েছেন। গল্পটা যত এগোতে থাকে তাদের রিলেশনশিপ ততো কমপ্লেক্স হতে থাকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কি হবে সেটা নিয়েই অপরাজিতার গল্প।পরিচালক জানালেন পুরো শুটিং কলকাতাতেই হচ্ছে। এই মাসেই শুটিং শেষ হবে।

জুলাই ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Director : কলকাতার পরিচালক এখন বিজনেসম্যান!

সায়ন্তন সেন করোনা মানুষের জীবন অনেকটা বদলে দিয়েছে। অনেক মানুষ চাকরি হারিয়ে অন্য পেশা খুঁজতে বাধ্য হয়েছেন। তবে সবথেকে খারাপ অবস্থা শিল্পীদের। পরিচালক, অভিনেতা, অভিনেত্রী, থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত মানুষ, সঙ্গীতশিল্পী সকলের কাছেই করোনার যথেষ্ট প্রভাব দেখা গেছে। অনেককে নিজেদের মাসিক বেতনের সঙ্গে কম্প্রোমাইজ করতে হয়েছে। আবার অনেকের কাছে টাকা থাকলেও তাদের ক্রিয়েটিভিটতে কিছুটা হলেও ভাটা পড়েছে। তবে এর কিছু ভাল দিকও রয়েছে। অনেকেই তাদের প্যাশনের ওপর জোর দিয়েছেন এই করোনায় মনখারাপ দূর করতে। কেউ ভাল ছবি আঁকছেন, কেউ কবিতা লিখছেন, অনেকে আবার নিজেদের ইউটিউব ভ্লগ চ্যানেল খুলেছেন। এরকম আরও কত কী। এই করোনার মধ্যেই যেমন ব্যবসায় মনোনিবেশ করলেন কলকাতার পরিচালক সত্যজিত দাস। বেশ কিছু শর্ট ফিল্ম, ওয়েব সিরিজ ও ফিচার ফিল্মের পরিচালক সত্যজিত দাস নিজের ব্যস্ত সময়ের মধ্যে MEATY ABSOLUTELY PREMIEM QUALITY PRODUCT নামে একটি অনলাইন ডেলিভারি সার্ভিস চালু করলেন। বাড়িতে বসেই এক্সট্রা ডেলিভারি চার্জ দিয়েই অনলাইনে পাওয়া যাবে মাছ, মাংস, ডিম। তার এই নতুন উদ্যোগ নিয়ে জনতার কথা-কে সত্যজিত জনালেন,আমার বিজনেস স্টার্ট আপ টা করার ইচ্ছা হলো তার কারণ এই লকডাউন সময়টা আমাদের অনেক কিছু শিখিয়েছে। আমিও এই লকডাউনে অনেক কিছু হারিয়েছি। আর সেখান থেকে মনে হলো নতুন কিছু করার। তখন অনেক বিজনেসের মধ্যে অনলাইন ডেলিভারির মাধ্যম মাথায় আসে। সেটাকে আমি বেছে নিয়েছি। চিকেন , ফিশ, এগ। এই খাদ্যটি আমাদের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই সেটা যদি মানুষের বাড়িতে গিয়ে পৌঁছে দিতে পারি এই কঠিন সময়ে। যখন বাজারে গিয়ে লাইন দিয়ে কেনার ভয় সবার মধ্যে আছে। তাই এই চিন্তা রেখেই আমার এই শুরু। তিনি আরও জানান,এই বিজনেস টা অনেকেই করছে। তবে আমার বিজনেস টা অনেক দিক থেকে ইউনিক হতে চলেছে। সেটার প্রমোশন বা কিভাবে আরো ডেভালপ করা যায় সেটা নিয়ে আমরা এগোচ্ছি। এই মুহূর্তে আমরা ডাইরেক্ট কাস্টমার দের সাথে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কথা বলছি ও ডেলিভারি নিচ্ছি যাতে তাদের সমস্যা বা কিভাবে আরো বেটার সার্ভিস দিতে পারি। সেটা সরাসরি করার সুযোগ রাখছি।

জুলাই ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

R. D. Burman: "ফিরে এলাম দূরে গিয়ে......" পঞ্চম

জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় অগণিত দর্শককুলের প্রানের পঞ্চম রাহুল দেব বর্মণ, আরডি বর্মণ হিসাবে অধীক পরিচিত। ষাট-এর দশক থেকে নব্বই-এর দশক সারা ভারত দাপিয়ে বেড়িয়েছিলেন তাঁর গানের ঝুলি নিয়ে। ওই সময় কালে তিনি বলিউড সঙ্গীত জগতে একছত্র অধিপতি ছিলেন। ভারতীয় ফিল্মি ও আধুনিক সঙ্গীতে পশ্চিমি মেলবন্ধন তাঁর হাত ধরেই শুরু। সাতের দশকে তাঁর সুরারোপিত গানগুলিতে যার ছাপ স্পষ্ট। এই ধারা আজকের সঙ্গীত প্রজন্মকে বিশেষ ভাবে প্রভাবিত করেছে।১৯৩৯ এর ২৭শে জুন কলকাতায় তাঁর জন্ম হয়। তাঁর বাবা ছিলেন কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক এসডি বর্মণ এবং তার মায়ের নাম মীরা। সঙ্গীত জগতে তিনি বহুল পরিচিত পঞ্চম নামে। হিন্দুস্থানি সঙ্গীতে যে সাতটি স্বর আছে পা হল পঞ্চম স্বর। কীভাবে এই পঞ্চম নামটি তাঁর নামের সঙ্গে একাত্ম হয়েছিলো সেটা নিয়ে কিছুটা মতবিরোধ রয়েছে। একটি সুত্রে জানা যায় যে শিশু রাহুলের কান্না শচীনকর্তাকে ভারতীয় সঙ্গীতের পঞ্চম নোটের কথা মনে করিয়ে দেয়। আর একটি সূত্রে জানা যায় যে একবার অশোক কুমার শচীনকর্তার সঙ্গে সাক্ষাত করতে গিয়ে দেখেন ছোট্টো রাহুল তীব্র স্বরে কাঁদছেন। রসিক মানুষ আশোককুমার রাহুলের সঙ্গে স্বরমিলিয়ে পা, পা, পা, পা বলতে থাকেন এবং সেই থেকেই অশোক কুমার তাঁর নাম রেখেছিলেন পঞ্চম। ডাক নাম যেভাবেই আসুক না কেন ছোট বেলা থেকে এই সুর ও স্বর তাঁকে সঙ্গীতের সমুদ্রেই এনে ফেলল।তাঁর গানবাজনা শিক্ষার শুরু খুব ছোটবেলা থেকেই। শচীন দেব বর্মনের বাড়ির সাঙ্গীতিক পরিবেশ ছোটো রাহুলের বাড়িতে বেড়ে ওঠার পিছনে বিশেষ প্রভাব রেখেছিল। শচীন দেব বর্মন গানের টানে সপরিবারে কলকাতা থেকে বোম্বে অধুনা মুম্বাই-য়ে চলে যান। সেখানেই রাহুল প্রবাদপ্রতিম আলী আকবর খানের কাছে সরোদ শিখতে শুরু করেছিলেন। সহজাত সঙ্গীত প্রতিভার করণে তিনি হারমোনিকা সহ বহু সুরের যন্ত্র ও তাল বাদ্য বাজাতে পারতেন। রাহুল মাত্র নয় বছর বয়সে একটি গানের সুর দেন। ১৯৫৬ তে হিন্দি ছবি ফান্টুস এ ব্যবহার করেছিলেন। কিশোর কুমারের কন্ঠে গানটি ছিলো আয়ে মেরি টোপি পালাত কে আ। তিনি তাঁর পেশাদার সঙ্গীত জীবন শুরু করেন ১৯৫৮তে। সহকারি সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে শোলোয়াঁ সাল (১৯৫৮), চলতি কা নাম গাড়ি (১৯৫৮) এবং কাগজ কা ফুল (১৯৫৭) সিনেমাতে তাঁর বাবাকে সহায়তা করতে শুরু করেন। ১৯৫৯ এ গুরু দত্তের রাজ সিনেমায় তিনি প্রথম সঙ্গীত পরিচালক হিসাবে কাজ শুরু করেন। তাঁর দূর্ভাগ্য এই সিনেমাটি মাঝ পথেই বন্ধ হয়ে যায়। সংগীত পরিচালক হিসাবে প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাটি ছিল মেহমুদের পরিচালিত ছোটে নবাব (১৯৬১)। সেই তাঁর যাত্রা শুরু যা ভারতের সঙ্গীত দর্শনে এক নতুন আঙ্গিকের পথ দেখায়।ষাটের দশকে আমরা অনেক পরিণত পঞ্চমকে পাই। তাঁর তারুণ্যে প্রানবন্ত পঞ্চম কখনও তিনি তাঁর বাবার সহকারী সংগীত পরিচালক হিসাবে কাজ করেছেন, কখনও তিনি নিজেই অভিনেতা, আবার নিজের সিনেমায় সুর দিচ্ছেন। বাবাকে বন্দিনী (১৯৬৩), গাইড (১৯৬৫5), জুয়েল থিফ (১৯৬৭) এর মতো একের পর এক হিট ছবিতে সহায়তা করেছিলেন। অন্যদিকে তিনি ভূত বাংলা (১৬৫) এবং প্যার কা মৌসম (১৯৬৭) এর মতো ছবিতে অভিনয়ও করেছিলেন। তাঁর সুরারোপিত প্রথম হিট ছবি তিসরি মঞ্জিল (১৯৬৬)। এই সিনেমাটি তাঁকে তাঁর কেরিয়ারের একটি বড় মাইলস্টোন। এই ছবিটিই তাঁকে বলিউডে প্রতিষ্ঠা দেয়। সমসাময়িকদের মতে, এই ছবিতেই তিনি শচীনকর্তার ছায়া থেকে বেড়িয়ে আসেন। এর পর আর তাঁকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। এর পর তিনি বেশ কিছু প্রতিষ্ঠিত পরিচালকদের বড় বাজেটের চলচ্চিত্রের জন্য সংগীত পরিচালকের দায়িত্ব হাতে পান। সাতের দশক শুরুর আগেই রাহুল একটি ব্রান্ড-এ পরিণত হয়। এই সময় পাড়োসন (১৯৬৮), ওয়ারিস (১৯৬৯) এর মতো একের পর এক সফল ছবি তাঁকে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করে। সাতের দশক পঞ্চমএর দশক বললে কোনও রকম অত্যুক্তি হয় না। ওই দশকে তাঁর অমর সৃষ্টি অমর প্রেম (১৯৭১), হরে রামা হরে কৃষ্ণ (১৯৭১), সীতা অউর গীতা (১৯৭২) এবং শোলে-র (১৯৭৫) সুর তাঁকে সঙ্গীতপ্রেমীদের মনের মনিকোঠায় স্থান করে দিয়েছে।সাতের দশক যেমন তাঁকে হাত উজার করে দিয়েছে, তেমন ভাবেই কষ্টও দিয়েছে। তাঁর প্রথমা স্ত্রী রীতা প্যাটেলের সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায় ১৯৭১ এ। সবচেয়ে বড় আঘাত তিনি পান তাঁর বাবার প্রয়াণে। ১৯৭৫ এ শচীন দেব বর্মন পরলোকগমন করেন। তিনি শুধু পঞ্চম এর পিতা ছিলেন না, একাধারে বন্ধু, দিকপ্রদর্শক, সঙ্গীত গুরু। তাঁর বাবার মৃত্যু তাঁর কেরিয়ারের জন্য খুব খারাপ হতে পারত। কিন্তু তিনি লিজেন্ড, থেমে থাকেননি। দশকের পর দশক এক সে বরকর এক সফল ছবির সুরে মাতিয়ে দিয়েছেন আসমুদ্র হিমাচল। খাতা পেন দিয়ে লিখে শেষ করা যাবে সে সমস্ত সিনেমার নাম। তাঁর মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সিনেমা হাম কিসি সে কম নেহি (১৯৭৭), গোলমাল (১৯৭৯), কুদরত (১৯৮০) এবং বার্নিং ট্রেন (১৯৮০)। আটের দশক এক পরিণত পঞ্চমকে পেয়েছিল। ১৯৮০ সালে তিনি আশা ভোঁসলেকে বিয়ে করেছিলেন।তাঁর সুরারোপিত বেশ কিছু হিট গান নিয়ে বিতর্কেরও দানা বাধে। সমলোচকদের মতে পঞ্চমএর সুরে পাশ্চাত্য ভাবধারার প্রাধান্য খুব বেশী ছিল। তাঁরা উল্লেখ করেন বেশ কিছু হিন্দি সিনেমার গান সরাসরি সে সমস্ত গান থেকেই কপি করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ আও টুইস্ট করে (ভূত বাংলো - ১৯৬৫) Lets Twist Again by Chubby Checker থেকে নেওয়া, তেরা মুঝসে হে পহেলে কা নাতা কোই (আ গলে লাগ জা - ১৯৭৩) The Yellow Rose of Texas (Traditional Texas folksong) থেকে নেওয়া হয়েছে, বা তুমসে মিলকে (পারিন্দা - ১৯৮৯) When I Need You (Hammond Sager) এর থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সুর করা। তাঁর গানের সুরে বিদেশী ভাবধারার প্রাধান্য নিয়ে পঞ্চম বারবার উল্লেখ করেছেন মেলবন্ধনের কথা, সঙ্গীত কে কখনই সীমানা দিয়ে আটকে রাখা যায় না। সঙ্গীত হল সামাজের দর্পন। একটা সুরই একটা জাতি ও তাদের রীতিনীতিকে এক লহমায় চিনিয়ে দেয়। তাঁর সুরে যেমন ভারতীয় রাগরাগিণী-র প্রভাব আছে সাথে সাথে পাশ্চাত্য সঙ্গীতকেও তিনি তাঁর অনেক গানে ব্যবহার করেছেন। সঙ্গীতপ্রেমীদের মতে তিনিই ভারতে প্রথম মার্গসঙ্গীতের সাথে পাশ্চাত্য সঙ্গীতের যুগলবন্দী ঘটিয়ে এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। তাঁর বহুমুখী গানের সুরে দিকভ্রষ্ট হয়ে তাঁর সমলোচকরা রণে ভঙ্গ দেন।আশির দশকের মাঝামাঝি থেকেই তাঁর কেরিয়ারের গ্রাফ নিম্নমুখী হতে থাকে। তাঁর সিগনেচার সুর যেন আর মানুষকে টানছিল না। পঞ্চমের গানগুলি জনসাধারণের উপর প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হচ্ছিল। তাঁর পশ্চিমি ঘরানার গানগুলি বাপ্পি লাহিড়ি-র পশ্চিমা অনুপ্রাণিত ডিস্কোর কাছে হেরে যাচ্ছে। ১৯৮৮ সালে তিনি মাত্র ৪৯ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। অস্ত্রোপচারের পর সাময়িক ভাবে তিনি তাঁর সঙ্গীত থেকে বিরত থাকেন। নব্বইয়ের দশকে তিনি আবার বিধু বিনোদ চোপড়ার সিনেমা ১৯৪২ এ লাভ স্টোরি-তে সুরারোপ করেন। আবার ইতিহাস। ৫৪ বছর বয়সে পঞ্চম আরেকবার হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন। ১৯৯৪ এর ৪ঠা জানুয়ারী তিনি সুরালোক থেকে পরলোকে যাত্রা করেন। পঞ্চমের মৃত্যুই তাঁর সঙ্গীতসত্তাকে আরও জনপ্রিয় করে তোলে। যে মানুষগুলি নব্বইয়ের দশকে তাঁকে বাদের খাতায় ফেলে দিয়েছিল, তাঁর অবর্তমানে তাঁর সৃষ্টি নিয়েই তাদের মাতামাতি। স্রষ্টার মৃত্যু হয়, সৃষ্টি অমর। তাঁরই গানে ফিরে এলাম দূরে গিয়ে......।

জুন ২৭, ২০২১
কলকাতা

Film Director passes away: প্রয়াত পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত

প্রয়াত চিত্র পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত। বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ কলকাতার নিজের বাসভবনে মৃত্যু হয় তাঁর। অনেকদিন ধরেই তিনি কিডনির অসুখে ভুগছিলেন। চলছিল ডায়ালিসিস। কিডনির সমস্যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল ছিল বার্ধক্যজনিত সমস্যা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। তাহাদের কথা, উত্তরা ছবির জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি।বিশিষ্ট পরিচালকের মৃত্যুতে বিনোদুনিয়ায় শোকের ছায়া। পরিচালকের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।Anguished by the demise of Shri Buddhadeb Dasgupta. His diverse works struck a chord with all sections of society. He was also an eminent thinker and poet. My thoughts are with his family and several admirers in this time of grief. Om Shanti. Narendra Modi (@narendramodi) June 10, 2021Saddened at the passing away of eminent filmmaker Buddhadeb Dasgupta. Through his works, he infused lyricism into the language of cinema. His death comes as a great loss for the film fraternity. Condolences to his family, colleagues and admirers Mamata Banerjee (@MamataOfficial) June 10, 2021বৃহস্পতিবারও তাঁর ডায়ালিসিস হওয়ার কথা ছিল। তবে তার আগে বুধবার রাতে কবি-পরিচালকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ঘরে ঘুমোচ্ছিলেন তিনি। তাঁর স্ত্রী ঘুম থেকে ডাকতে যান। তবে কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে আঁতকে ওঠেন। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসককে ডেকে পাঠান। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত্যু সংবাদ জানা। ১৯৪৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পুরুলিয়ার আনাড়ায় জন্ম বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর। নজন ভাইবোনের পরিবারে তৃতীয় সন্তান ছিলেন তিনি। তাঁর বাবা তারাকান্ত দাশগুপ্ত পেশায় চিকিৎসক ছিলেন। রেলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। তাই একাধিক জায়গায় ঘুরে ফিরে বড় হয়েছেন কবি-পরিচালক। মাত্র ১২ বছর বয়সে কলকাতায় চলে আসেন। হাওড়ার দীনবন্ধু স্কুলে পঠনপাঠন শুরু হয় তাঁর। স্বাধীনতার পর তাঁর বাবার খড়গপুর এবং ঝাড়খণ্ডে বদলি হয়ে যায়। অর্থনীতি নিয়ে স্কটিশ চার্চ কলেজেও পড়াশোনা করেছেন বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ শ্যামসুন্দর কলেজে অধ্যাপনা করেছেন তিনি।ন।এরপর সিনেমা তৈরির ভাবনাচিন্তা শুরু করেন। কলকাতা ফিল্ম সোসাইটির সদস্যপদ গ্রহণ করেন তিনি। ১৯৬৮ সালে ১০ মিনিটের একটি তথ্যচিত্র তৈরির মধ্য দিয়ে পরিচালনায় হাতেখড়ি তাঁর। তারপর একে একে দূরত্ব, নিম অন্নপূর্ণা, গৃহযুদ্ধ, মন্দ মেয়ের উপাখ্যান, স্বপ্নের দিন, উড়োজাহাজ-এর মতো ছবি করেছেন তিনি। তাঁর বহু ছবি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছে। বাঘ বাহাদুর, চরাচর, লাল দরজা, কালপুরুষ-সহ একাধিক ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। তাহাদের কথা বাংলায় সেরা ফিচার ফিল্মের সম্মান পেয়েছিল। এই ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি। বিনোদুনিয়ার পাশাপাশি সাহিত্য জগতেও অবদান রয়েছে তাঁর। চলচ্চিত্র সির্মাতার মৃত্যুতে শোকে পরিজনেরা। বিনোদুনিয়াতেও নেমেছে শোকের ছায়া।

জুন ১০, ২০২১
দেশ

করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত সিবিআইয়ের প্রাক্তন ডিরেক্টর

প্রয়াত হলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের প্রাক্তন ডিরেক্টর রঞ্জিত সিনহা। শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ দিল্লিতে মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। সূত্রের খবর, করোনায় আক্রান্ত হয়েই মারা গিয়েছেন ১৯৭৪ ব্যাচের এই অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার।একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বেশ কয়েকদিন ধরেই নাকি অসুস্থ ছিলেন রঞ্জিত সিনহা। এমনকী শরীরে কোভিডের উপসর্গও দেখা দিয়েছিল। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাতেই করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল তাঁর। আর করোনা সংক্রান্ত জটিলতার কারণেই মৃত্যু হয়েছে রঞ্জিত সিনহার। যদিও পরিবারের তরফ থেকে এই ব্যাপারে এখনও কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।রঞ্জিত সিনহা চাকরিজীবনে বহু গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ বা আইটিবিপি-র ডিজি, রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স বা আরপিএফের চিফ এবং সিবিআইয়ের পাটনা ও দিল্লি অফিসের অনেক উঁচু পদে দায়িত্বভার সামলেছেন। পরবর্তীতে সিবিআইয়ের ডিরেক্টরও হয়েছেন। ২০১২ সাল থেকে দুবছরের জন্য ওই দায়িত্ব সামলেছিলেন। যদিও ২০১৭ সালে কয়লা কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়েছিল রঞ্জিত সিনহার।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
কলকাতা

মোদী সরকারের সমালোচনা করলে দেশদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যাবেনঃ অপর্ণা সেন

নাম না করে কেন্দ্রের মোদী সরকারের ফের সমালোচনা করলেন অভিনেত্রী তথা চিত্র পরিচালক অপর্ণা সেন। টুইটারে অভিনেত্রী লেখেন, দয়া করে দেশের কোনও ঘটনার প্রতিবাদ করবেন না। যদি করেন তাহলেই আপনি হয় দেশদ্রোহী আর নয়তো আর্বান-নকশাল হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যাবেন। কিন্তু পাকিস্তানের সমর্থক হিসেবেও প্রতিপন্ন হতে পারেন। নয়তো বলা হতে পারে, আপনি টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের প্রতিনিধি আর নাহলে একজন সন্ত্রাসবাদী বা খালিস্তানি। যে কোনও মুহূর্তে আপনা জেলে পাঠিয়ে দেওয়া হতে পারে। তাই সাবধান। আরও পড়ুন ঃ ভেন্টিলেশন থেকে বের করা হল বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে নিজের টুইটের মধ্যে দিয়েই অপর্ণা সেন বোঝাতে চেয়েছেন, দেশে গণতন্ত্র ভুলুণ্ঠিত। কারণ এখানে সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুললেই শাস্তি পেতে হবে। ঘটনার প্রতিবাদ করলে বিপদে পড়তে হবে। সম্প্রতি এক আলোচনা সভায় বিজেপির তীব্র বিরোধী অভিনেত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর জরুরি অবস্থাটা ছিল গণতন্ত্রের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। কিন্তু গত কয়েক বছরের পরিস্থিতি যেন আরও ভয়াবহ।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
বিনোদুনিয়া

অভিনেত্রীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগে আটক কাস্টিং ডিরেক্টর

​বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করার অভিযোগে এক কাস্টিং ডিরেক্টরকে আটক করল মুম্বই পুলিশ। অভিনেত্রীর বয়স ২৮ বছর। অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলতি বছরের জুলাই থেকে অক্টোবর মাসের মধ্যে একাধিকবার ওই কাস্টিং ডিরেক্টর তাঁকে ধর্ষণ করেছেন। তাঁর ভারসোভার ফ্ল্যাটে থাকতেও শুরু করেন কাস্টিং ডিরেক্টর। কিন্তু গত অক্টোবরে ওই অভিনেত্রী বিয়ের কথা বলতেই বেঁকে বসে ওই যুবক। এর মধ্যেই গর্ভবতী হয়ে পড়ে ওই তরুণী। অভিযোগ, তিনি ওই ডিরেক্টরকে তাঁর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর জানালেও সে কোনও আগ্রহ দেখায়নি। আরও পড়ুন ঃ বিয়ে করলেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য গর্ভপাতের জন্য হাসপাতালে যেতেও অস্বীকার করে সে। চিকিৎসকের কাছে যাওয়া থেকে শুরু করে গর্ভপাত করানো অবধি সবটা তিনি একাই সামলেছেন বলে দাবি করেন পুলিশের কাছে। এর মধ্যেই ওই অভিনেত্রীর গর্ভপাত হয়ে যায়। এরপরেও ওই ব্যক্তি অভিনেত্রীকে বিয়ে করবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন। এরপরেই তিনি গত ২৫ নভেম্বর ম্বইয়ের ভারসোভা থানায় ওই কাস্টিং ডিরেক্টরের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন। তারপরই মুম্বই পুলিসের তরফে আটক করা হয় বছর ২৭-এর ওই কাস্টিং ডিরেক্টরকে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল ফেলুদা ফেরত ছবির ট্রেলার

সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ফেলুদা ফেরত নিয়ে দর্শকদের মধ্যে প্রথম থেকেই উত্তেজনা তুঙ্গে। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুক্তি পেল ফেলুদা ফেরত-এর ট্রেলার। শনিবার মুক্তি পেল ফেলুদা ফেরত-এর ট্রেলার। ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে ছিলেন বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পুরনো ফেলুদা সব্যসাচী চক্রবর্তী। ছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। দেখা গেল এই ছবির ফেলুদা টোটা রায় চৌধুরী, জটায়ু অনির্বাণ চক্রবর্তী। অতিথি হিসাবে ছিলেন সাহেব ভট্টাচার্য। আরও পড়ুন ঃ অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কে অশ্লীল মেসেজ পাঠানোর অভিযোগ , ধৃত যুবক ছবির ট্রেলারে উঠে এল বনজঙ্গল, বাঘ, প্রাচীন মন্দির থেকে তোপসে, জটায়ু-সহ একাধিক স্থান এবং চরিত্র। তবে নজর কাড়লেন ফেলুদা রূপী টোটা রায় চৌধুরী। তাঁকে ওয়েব দুনিয়ার নয়া ফেলুদা হিসাবে মন্দ লাগল না। জানা গিয়েছে, ফেলুদা সিরিজের জনপ্রিয় দুই গল্প ছিন্নমস্তার অভিশাপ এবং যত কাণ্ড কাঠমান্ডুতে নিয়েই বানানো হচ্ছে এই সিরিজ।

নভেম্বর ২২, ২০২০
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল হাবজি গাবজির ট্রেলার

মুক্তি পেল রাজ চক্রবর্তীর নতুন ছবি হাবজি গাবজি-র ট্রেলার। শনিবার শিশু দিবসে এই ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে। এই ছবিতে জুটি বেঁধেছে পরমব্রত-শুভশ্রী। বাচ্চা ছেলের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন স্যমন্তক দ্যুতি মৈত্র। জানা গিয়েছে, বড়দিনে উৎসবের মরসুমে মুক্তি পাবে হাবজি গাবজি। সত্য ঘটনা অবলম্বনে এই ছবি। ছবির বিষয় নেটমগ্ন শৈশব। শিশুদের জগতজুড়ে এখন স্মার্টফোন বা কম্পিউটার স্ক্রিন। তাঁদের জীবনে বাইরের মাঠ নেই, আকাশ নেই খেলা নেই। মোবাইল গেমে আটকে যাচ্ছে জীবন। এর পরিণতি কী হতে পারে তা নিয়েই গল্পের প্রেক্ষাপট। আরও পড়ুন ঃ অত্যন্ত সংকটজনক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বাবা-মা আর দশ বছরের একটি বাচ্ছা। খুশির পরিবার। আর এই পরিবারেই নেমে আসে ঝড়। কেরিয়ার আর অ্যাম্বিশনের জেরে ছোট্ট ছেলের সঙ্গী হয়ে ওঠে মোবাইল গেম। ছেলে বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাল ফোনের চাহিদাও বাড়তে থাকে। বাবাও জন্মদিনে উপহার দেয়। এরপর নেটমগ্ন ছেলেকে আর ফিরিয়ে আনতে পারে না বাবা-মা। এরপর কী হয়? তা জানতে অবশ্যই দেখতে হবে রাজ-শুভশ্রী-পরমব্রতর হাবজি গাবজি। ছবিটির চিত্রনাট্য লিখেছেন পদ্মনাভ দাশগুপ্ত।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
বিনোদুনিয়া

বন্ধুর সঙ্গে বাগদান সেরে ফেললেন ইমন

জাতীয় পুরস্কারজয়ী সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তীর বিয়ে নিয়ে অনেকদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। এবার সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সোমবার বাগদানপর্ব সেরেই ফেললেন এই স্বনামধন্য সংগীতশিল্পী। পাত্র সংগীত পরিচালক নীলাঞ্জন ঘোষ। হাওড়ার লিলুয়ায় বাড়ি ইমন চক্রবর্তীর। মায়ের কাছেই প্রথম সংগীত শিক্ষা। তাঁর কাছ থেকেই শিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথের সুরকে ভালবাসতে। ধীরে ধীরে বাংলার সংগীত জগতে নিজের পরিচিতি গড়ে তোলেন ইমন। আরও পড়ুনঃ আচ্ছন্নভাব থাকলেও শারীরিক উন্নতি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ২০১৭ সালে পান জাতীয় স্বীকৃতি। অনুপম রায়ের সুরে তুমি যাকে ভালবাসো গানটির সুবাদে জাতীয় পুরস্কার পান ইমন। জানা গিয়েছে, বহুদিনের বন্ধু নীলাঞ্জনের সঙ্গে ডিসেম্বর থেকে প্রেম শুরু সংগীতশিল্পীর। দুজনে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সম্পর্ককে পরিণতি দিতে চান।

অক্টোবর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

আমেরিকা-ইউরোপের সমালোচনার মাঝেই রাশিয়া নিয়ে বড় বার্তা জয়শংকরের, মনে করালেন সেই পুরনো ‘বন্ধুত্ব’

রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে ফের নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল নয়াদিল্লি। রুশ তেল কেনা নিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপের একাংশের সমালোচনার মধ্যেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর মনে করিয়ে দিলেন, ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক শুধুমাত্র বর্তমান পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল নয়। এর পিছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস এবং কঠিন সময়ে মস্কোর পাশে থাকার অভিজ্ঞতা। জয়শংকরের কথায়, দেশের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখনই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তখনই সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পরে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।রবিবার নয়াদিল্লিতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের আলোচনায় রাশিয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন জয়শংকর। তিনি বলেন, মানুষ যেমন ভাল ইতিহাস ভুলে যায় না, তেমনই খারাপ ইতিহাসও ভুলে যায় না। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে স্বাধীনতার পর থেকে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের দীর্ঘ সম্পর্কের প্রসঙ্গ। বিদেশমন্ত্রীর মতে, প্রতিটি দেশ নিজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিচার করে। তাই ইউরোপ যে ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, ভারত একই ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, এমনটা হওয়ার নয়।জয়শংকর বিশেষ করে সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দেন, যখন আন্তর্জাতিক মহলের বড় অংশ পাকিস্তানের সামরিক শাসনের পাশে ছিল। তাঁর বক্তব্যে ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রসঙ্গও উঠে আসে। সেই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতার কথা উল্লেখ করে বিদেশমন্ত্রী বলেন, ভারতের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখন চাপের মুখে পড়েছিল, তখন মস্কো নয়াদিল্লির পাশে ছিল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় বঙ্গোপসাগরে আমেরিকার নৌবহর পাঠানোর ঘটনাকেও তাঁর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখা হচ্ছে।বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে বদলেছে ঠিকই, কিন্তু তার ভিত্তি এখনও শক্তিশালী। সামরিক সহযোগিতার পাশাপাশি পরমাণু শক্তি, বাণিজ্য, জ্বালানি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষেত্রেও দুই দেশের সম্পর্ক বিস্তৃত হয়েছে। তাঁর কথায়, রাশিয়া সম্পর্কে ভারতের অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিন ধরেই ইতিবাচক এবং সেই অভিজ্ঞতা বর্তমান নীতিতেও প্রভাব ফেলছে।এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন রাশিয়া থেকে ভারতের অপরিশোধিত তেল কেনা নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলির চাপ ও সমালোচনা অব্যাহত। জয়শংকর এর আগেও স্পষ্ট করেছেন যে জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে ভারতের সিদ্ধান্ত নির্ভর করে জ্বালানির প্রাপ্যতা, দাম এবং ঝুঁকির মতো বিষয়গুলির উপর। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই সরবরাহের উৎস ঠিক করা হয়।রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেন জয়শংকর। তাঁর বক্তব্য, যুদ্ধের অবসান হওয়া প্রয়োজন এবং আলোচনার মাধ্যমেই তার পথ খুঁজতে হবে। তিনি জানান, ভারত রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখে সংঘাতের অবসানে সহায়ক ভূমিকা নেওয়ার চেষ্টা করছে। কৃষ্ণসাগরে জাহাজ চলাচল, খাদ্য ও জ্বালানি রফতানি এবং সংঘাত কমানোর মতো বিষয়েও ভারতের আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।সব মিলিয়ে রুশ তেল নিয়ে পশ্চিমী চাপের মধ্যেও জয়শংকরের বক্তব্যে ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের অবস্থানই ফের সামনে এসেছে। ইতিহাস, নিরাপত্তা এবং জ্বালানি প্রয়োজনএই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখেই মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার বার্তা দিয়েছে নয়াদিল্লি।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এসআরএফটিআই-এর গেট ভেঙে ঢোকার চেষ্টা! মিছিল ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, ছোড়া হল ইট-পাথর

বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল ঘিরে ফের উত্তেজনা ছড়াল এসআরএফটিআই-এর সামনে। অজয়নগর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গেট পর্যন্ত মিছিল করে সংগঠনটি। অভিযোগ, গেটের সামনে পৌঁছনোর পর কয়েক জন মিছিলকারী ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।এ দিকে, মিছিলকারীরা গেটের বাইরে জড়ো হওয়ার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের হেলমেট পরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। বাইরে থেকে ভিতরে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে। পাল্টা বিক্ষোভকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে দাবি বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের।এই ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবারের একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। এসআরএফটিআই-এর অডিটোরিয়ামে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির একটি অনুষ্ঠান ছিল। অভিযোগ, সেখানে এসএফআইয়ের কয়েক জন পড়ুয়া গিয়ে উত্তেজনা তৈরি করেন। ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগও ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির তরফে প্রতিবাদ জানানো হয়।এর পর দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইট-পাথর ছোড়াছুড়ির অভিযোগে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। ঘটনায় কয়েক জন আহত হন বলে দাবি। প্রায় ছয় থেকে সাত ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এই ঘটনায় চারটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ সরকার জানিয়েছিলেন, ভারতমাতা বা স্বামী বিবেকানন্দকে অসম্মান করার অভিযোগে কাউকে রেয়াত করা হবে না। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই এ দিন বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল হয়।অজয়নগর থেকে মিছিলটি এসআরএফটিআই-এর গেটের সামনে পৌঁছতেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ, কয়েক জন বিক্ষোভকারী গেট ধরে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন এবং ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। এর মধ্যেই ভিতরে থাকা পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের দিকে জলের বোতল ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে।এই ঘটনায় অধ্যাপক দেবাশিস সেনশর্মা আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতেই তিনি আহত হন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেশ কয়েক জন বিক্ষোভকারীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।অন্য দিকে, বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের দাবি, তাঁদের কয়েক জন সদস্যও আহত হয়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতর থেকে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের ছোড়া জলের বোতলের আঘাতেই তাঁদের কয়েক জন জখম হয়েছেন। তবে এই অভিযোগের স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য মেলেনি।বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যদের বক্তব্য, ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবিকে অসম্মান করার অভিযোগের প্রতিবাদেই তাঁদের এই কর্মসূচি। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই মিছিলের মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা তৈরি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ। এসআরএফটিআই-এর তরফে এই দিনের ঘটনার বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে গেটের সামনে ঠিক কী ভাবে ইট-পাথর ও জলের বোতল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছিল, তা নিয়ে দুই পক্ষের অভিযোগই এখন সামনে রয়েছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিদেশ

‘বিমানটাকে ধ্বংস করাই ছিল লক্ষ্য’, জেরায় কী বললেন ফ্লাইদুবাইয়ের সহকারী পাইলট? সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মাঝ আকাশে ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন তথ্য। তদন্তকারীদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের নাগরিক সহকারী পাইলট হামাম আল-হামামি জেরায় জানিয়েছেন, যাত্রী-সহ বিমানটি ধ্বংস করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। একই জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নাকি বলেছেন, আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না।এই তথ্য প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তদন্তকারীদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, সৌদি আরবে জিজ্ঞাসাবাদের সময় হামাম নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এমন কথা জানিয়েছেন। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তাঁর বক্তব্যের পাশাপাশি অন্য তথ্য-প্রমাণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার। দুবাই থেকে তেল আভিভ যাচ্ছিল ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি। মাঝ আকাশে আচমকাই ককপিটে ভারতীয় অধিনায়ক স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন সহকারী পাইলট হামাম। বিমানের ককপিটে থাকা জরুরি কুঠার ব্যবহার করে হামলা করা হয়েছিল বলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এরপর বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুত নীচের দিকে নামতে শুরু করে।আক্রমণের পরেও স্মিত মচ্ছর ককপিটের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত যাত্রী এবং বিমানে থাকা অন্যদের সাহায্যে হামামকে কাবু করা সম্ভব হয়। পরে অন্য পাইলটরা বিমানের নিয়ন্ত্রণ সামলে নেন। বিমানটি সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করে।এই ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, ককপিটে এমন ভয়াবহ হামলার আসল উদ্দেশ্য কী ছিল। প্রথম দিকে ব্যক্তিগত বিরোধের সম্ভাবনা নিয়েও নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, তদন্তে সহকারী পাইলটের সন্ত্রাসী হামলা চালানোর চেষ্টা ধরা পড়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও তদন্তে উঠে এসেছে।এখন তদন্তকারীরা হামামের অতীত, তাঁর মতাদর্শ এবং অন্য কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন। ওমানের কর্তৃপক্ষ আগে তাঁর বিমান চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বলে তদন্ত-সূত্র উদ্ধৃত করে একাধিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। তাঁর কথিত উগ্রপন্থী ভাবধারার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।হামামকে সৌদি আরব থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ইজরায়েলের তদন্তকারী সংস্থাগুলি ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। তাঁর সঙ্গে কোনও বহিরাগত শক্তির যোগাযোগ ছিল কি না, সেই প্রশ্নও তদন্তের অংশ।বিমানটির আকস্মিক পতনের ভয়াবহতাও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। উড়ান-তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটির সময় বিমানটি মাত্র কিছুক্ষণের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার ফুট নীচে নেমে গিয়েছিল। যাত্রী ও বিমানের অন্য কর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপ এবং পরে অতিরিক্ত পাইলটদের সহায়তায় বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়।ফলে ফ্লাইদুবাইয়ের এই ঘটনা এখন শুধু ককপিটে পাইলটের উপর হামলার তদন্তে সীমাবদ্ধ নেই। বিমানটি কেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল, হামামের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তাঁর অতীত সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ কতটা তথ্য জানত এবং তাঁর সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি নাএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামামের জেরায় উঠে আসা দাবিগুলির পাশাপাশি অন্যান্য প্রমাণও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও ঢুকতে পারেননি? এ বার উরুগুয়ে ম্যাচে বড় উপহার, ২২ হাজার পাস বিনামূল্যে!

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও যাঁরা বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য বড় ঘোষণা। আগামী ৬ অক্টোবর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। গত বছর মেসির কলকাতা সফরের অনুষ্ঠানের জন্য অনলাইনে টিকিট কেনা দর্শকদের মধ্য থেকেই এই সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।তবে প্রশ্ন ছিল, সেই পাস পাওয়া যাবে কোথা থেকে এবং কী ভাবে? এ বার সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তাঁর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ ডিসেম্বর কলকাতায় মেসির অনুষ্ঠানের জন্য যাঁরা টিকিট কিনেছিলেন, তাঁরাই ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের বিনামূল্যের পাস সংগ্রহ করতে পারবেন।পাস সংগ্রহের সময়ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৫ অক্টোবর সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে পাস সংগ্রহ করতে হবে। তবে শুধু আগের টিকিট থাকলেই হবে না। পাস নিতে গেলে সঙ্গে রাখতে হবে বৈধ সরকারি ছবি-সহ পরিচয়পত্র। ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা পাসপোর্টের মতো পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। একই সঙ্গে গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠানের জন্য কেনা আসল টিকিটও সঙ্গে রাখতে হবে।অর্থাৎ মেসির অনুষ্ঠানের পুরনো টিকিটটি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র যাচাই করার পরেই বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। নতুন করে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের টিকিট কেনার প্রয়োজন হবে না এই নির্দিষ্ট দর্শকদের।গত বছরের ডিসেম্বরে মেসিকে দেখতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিপুল ভিড় হয়েছিল। বহু দর্শক টাকা দিয়ে টিকিট কেনার পরেও প্রত্যাশিত ভাবে অনুষ্ঠান দেখতে পারেননি। ভিড় ও বিশৃঙ্খলা নিয়ে সেই সময় ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার পর বঞ্চিত দর্শকদের ক্ষতিপূরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন ছিল। এ বার তাঁদের মধ্য থেকে ২২ হাজার দর্শককে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচ দেখার সুযোগ করে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই এই ঘোষণা সামনে আসে। তার পর থেকেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, বঞ্চিত দর্শকরা কোথা থেকে পাস সংগ্রহ করবেন। ক্রীড়ামন্ত্রীর ঘোষণায় এ বার সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুরনো টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র নিয়ে পাস সংগ্রহ করতে হবে।ফলে যাঁরা গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে টিকিট কেটেও বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য এ বার যুবভারতীতেই ফের আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখার সুযোগ তৈরি হল। ৬ অক্টোবর ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে সেই দর্শকদের একাংশ গ্যালারিতে থাকবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

সৃজলার কাছে বারবার ক্ষমা, এবার প্রকাশ্যেই কাঁদতে কাঁদতে কী বললেন নন্দিনীর মা?

বিগ বসের দুর্গে সৃজলা গুহর সঙ্গে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা নিয়ে এখনও অনুশোচনায় রয়েছেন নন্দিনী দত্ত। ঘটনার পর একাধিক বার সৃজলার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। এবার প্রকাশ্যেই সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেন নন্দিনীর মা। একটি সাক্ষাৎকারে মেয়ের হয়ে ক্ষমা চেয়ে তিনি আবেদন করেন, সৃজলার পরিবার যেন নন্দিনীকে ক্ষমা করে দেয়।নন্দিনীর মা বলেন, পারলে প্লিজ ওকে ক্ষমা করে দিন। দুসপ্তাহ ধরে তো দেখছি, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী ভালো নেই।কী ঘটেছিল বিগ বসের দুর্গে? কয়েক সপ্তাহ আগে ক্যাপ্টেন হওয়ার টাস্কে প্রথমে সঙ্গীতের চেয়ার খেলা হয়। সেই পর্বের পর পরবর্তী খেলায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান সৃজলা, মনামী, জীতু, তনুশ্রী এবং রাজবীর। তাঁদের সামনে ছিল কাঠের ঘোড়ায় বসে থাকার টাস্ক। যিনি শেষ পর্যন্ত ঘোড়ায় বসে থাকতে পারবেন, তিনিই ক্যাপ্টেন হবেন।খেলার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগীরা অন্যদের ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করতে পারতেন। তবে সেই সময় কারও শরীরে আঘাত না করার নিয়ম ছিল। সেই টাস্ক চলাকালীন নন্দিনী সৃজলাকে ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় সৃজলা পড়ে গিয়ে গুরুতর চোট পান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।চোটের কারণে সৃজলাকে পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। চিকিৎসার পর তিনি আবার বিগ বসের দুর্গে ফিরে আসেন। সৃজলা ফিরে আসার পর থেকেই নন্দিনীকে একাধিক বার তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে দেখা যায়। নিজের ভুল স্বীকার করে ফের বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টাও করতে দেখা যায় তাঁকে।তবে সৃজলার পক্ষ থেকে এই ঘটনায় কষ্ট বা রাগ থাকা স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন অনেকেই। সেই আবহেই কয়েক দিন আগে প্রতিযোগীদের পরিবারের উদ্দেশে চিঠি লেখার সুযোগ দেওয়া হয়। সেই চিঠিতে নন্দিনী তাঁর মা-বাবাকে সৃজলার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষমা চাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন।এবার সেই অনুরোধের কথাই প্রকাশ্যে জানালেন নন্দিনীর মা। মেয়ের হয়ে সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী মানসিক ভাবে ভালো নেই। তাই সৃজলার পরিবার যদি তাঁকে ক্ষমা করে, সেটাই তাঁদের কাছে বড় বিষয় হবে।অন্য দিকে, সাক্ষাৎকারে রাজবীরের প্রসঙ্গও ওঠে। সেই প্রসঙ্গে নন্দিনীর মা স্পষ্ট করে জানান, মেয়ের পছন্দই তাঁদের পছন্দ। ফলে বিগ বসের দুর্গে সৃজলা-নন্দিনীকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যেই নন্দিনীর পরিবারের তরফে এল নতুন বার্তা।সৃজলার চোটের পর থেকে এই ঘটনা নিয়ে বিগ বসের দর্শকদের মধ্যেও আলোচনা চলছে। এক দিকে নন্দিনীর অনুশোচনা ও ক্ষমা চাওয়া, অন্য দিকে সৃজলার পরিবারের প্রতি তাঁর মায়ের প্রকাশ্য আবেদনসব মিলিয়ে ঘটনাটি ফের নতুন করে চর্চায় এসেছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

‘পা ভাঙেনি’ শুভেন্দুর দাবির পরেই নতুন বিস্ফোরণ, মমতার পুরনো ছবি দেখিয়ে কী প্রশ্ন শান্তনুর?

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে ঠিক কী হয়েছিল, পাঁচ বছর পর সেই পুরনো ঘটনা ঘিরে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও হাড় ভাঙার প্রমাণ ছিল না। একটি চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি দেখিয়ে তিনি এই দাবি করেন এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্তের কথাও জানান।শুভেন্দুর ওই দাবির পরেই এ বার সরব হলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা চিকিৎসক শান্তনু সেন। সমাজমাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার সময়ের চারটি ছবি প্রকাশ করে তিনি একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে কালশিটের দাগ দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। অন্য একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে রক্তপাতের মতো দাগ রয়েছে। বাকি ছবিগুলিতে পায়ে প্লাস্টার দেখা যাচ্ছে।এই ছবিগুলি প্রকাশ করে শান্তনু সেন দাবি করেছেন, ১০ মার্চ চোট পাওয়ার পর এসএসকেএম হাসপাতালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের যে ছবি দেখা গিয়েছিল, সেখানে গোড়ালির উপরে কালশিটে ছিল, কিন্তু রক্তপাতের চিহ্ন ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, পরে প্রকাশিত ছবিতে রক্তের দাগ দেখা গেল কী ভাবে?শান্তনুর আরও প্রশ্ন, যদি চোট পাওয়ার সময় রক্তপাত না হয়ে থাকে, তা হলে পরবর্তী সময়ে ছবিতে রক্তের মতো দাগ কেন দেখা গেল? একই সঙ্গে পায়ে দীর্ঘদিন প্লাস্টার থাকার বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে তুলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, চিকিৎসক হিসেবে তিনি অভিযোগ করছেন না, কিছু বিষয় নিয়ে পর্যবেক্ষণ জানাচ্ছেন।শান্তনু সেনের দাবি, কোনও আঘাতের কারণে রক্তপাত হলে সাধারণত সেই সময়েই তার প্রকাশ ঘটে। পরে সেই রক্তপাতের ছবি সামনে এলে সেটিকে পুরনো আঘাতের সঙ্গে যুক্ত করা কঠিন। পায়ে প্লাস্টার করার প্রয়োজন হলে সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের পর তা খুলে ফেলার কথাও বলেন তিনি। তবে এই মন্তব্য তাঁর চিকিৎসক হিসেবে ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ, ২০২১ সালের চিকিৎসা-ঘটনা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।এত দিন কেন তিনি এই প্রশ্ন তোলেননি, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন শান্তনু। তাঁর বক্তব্য, এত দিন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল না বলেই তিনি কিছু বলেননি। এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে বলেই তিনি নিজের পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন।একই সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকদের নিয়ে পুরনো অভিযোগের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন শান্তনু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারিবারিক চিকিৎসক এসপি দাসকে ঘিরেও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, আগে তিনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কথিত ভয় দেখানোর সংস্কৃতি নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন এবং তার জেরেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।তবে শান্তনুর এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলে থাকাকালীন শান্তনু সেন দলের কাছ থেকে একাধিক রাজনৈতিক সুযোগ পেয়েছেন। এত বছর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলারও সমালোচনা করেন তিনি।এর মধ্যেই ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম-চোটের ঘটনা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী যে চিকিৎসা-নথি প্রকাশ্যে এনেছেন, তাতে ১১ মার্চের পরীক্ষার রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার কথা বলা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। অন্য দিকে, সেই সময়ের চিকিৎসা-পর্বে মমতার পায়ে গুরুতর আঘাতের কথা হাসপাতালের চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছিল। ফলে পুরনো নথি, নতুন দাবি এবং পাল্টা প্রশ্ন ঘিরে বিতর্ক আরও জটিল হয়েছে।এই আবহে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষও পুরনো ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে মমতার চোট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে নন্দীগ্রামে ২০২১ সালের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাঁচ বছর পর আবারও রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আসলে সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কী ধরনের চোট হয়েছিল, প্রকাশ্যে আসা চিকিৎসা-নথি ও ছবির মধ্যে কী সম্পর্ক রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তর নিয়েই এখন শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

সিপিএম অফিসের সামনেই হনুমান চালিশা পাঠ! স্বপনের মন্তব্যে তেতে উঠল বাঁকুড়া, ‘ওষুধ’-এর হুঁশিয়ারি

হনুমান চালিশা নিয়ে সিপিআই-এর রাজ্য সম্পাদক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক আরও বাড়ল। তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদে বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠের আয়োজন করল বজরং দল। শনিবার সন্ধ্যার এই কর্মসূচিকে ঘিরে বাঁকুড়া সদর এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। সংগঠনের তরফে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি সভায় হনুমান চালিশা পাঠ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, হনুমান চালিশা হনুমানেরাই পড়ে। তাঁরা হনুমান নন এবং হনুমানের দলও করেন না। তাঁদের রাজনৈতিক আদর্শ মার্কসবাদ, লেনিনবাদ এবং গান্ধীবাদএমনই বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। সেই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়।এর পর শনিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হাজির হন বজরং দলের কর্মীরা। সেখানে হনুমান চালিশা পাঠ করা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু কোনও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে কটাক্ষ করা হলে তার প্রতিবাদ করা হবে।বজরং দলের নেতা বাপ্পা দাস বলেন, স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা না চাইলে তাঁরা তাঁদের মতো করে ওষুধ ঠিক করে রেখেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ওষুধ বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট করেননি বাপ্পা। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বজরং দলের দাবি, তাঁদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ছিল। কোনও হিংসাত্মক কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়নি বলেও সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, রাজনৈতিক মতাদর্শের সমালোচনা করা যেতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় বিশ্বাসকে আঘাত করে মন্তব্য করা উচিত নয়। সেই কারণেই স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রকাশ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, ওষুধ শব্দটি ব্যবহার করে দেওয়া বার্তাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধীদের একাংশের বক্তব্য, ধর্মীয় আবেগকে সামনে রেখে এমন ভাষা ব্যবহার করলে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি এবং বজরং দলের পক্ষ থেকেও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের কথাই জানানো হয়েছে।ফলে হনুমান চালিশা নিয়ে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বাঁকুড়ায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে। সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠ এবং তার পরেই ক্ষমা না চাইলে ওষুধ-এর মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বাইরনের বাড়িতে আগুনের নেপথ্যে কী? দুর্ঘটনা, না কি ইচ্ছাকৃত অগ্নিকাণ্ড—তদন্তে পুলিশ

মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে নিজের বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁর বাড়ি থেকে আগুনের শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় দমকলে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে বাড়ির ভিতর থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বাইরনকে উদ্ধার করা হয়। এই অগ্নিকাণ্ড কী ভাবে ঘটল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয়দের দাবি, বাড়ির দোতলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে তাঁরা প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেন। খবর পেয়ে দমকল ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের তৎপরতায় বাইরনকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় বলে পুলিশ ও দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে।অগ্নিকাণ্ডে বাইরনের হাত ও পায়ের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে শরীরের কতটা অংশ পুড়েছে, তা নিয়ে ভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তবে তাঁর আঘাতের মূল জায়গা হাত ও পা বলেই জানা গিয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কী ভাবে বাইরনের বাড়িতে আগুন লাগল? প্রাথমিক ভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ ও দমকল বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। একটি প্রতিবেদনে বৈদ্যুতিক গোলযোগ বা বাড়ির সঙ্গে যুক্ত বিড়ি তৈরির কারখানা থেকে আগুন ছড়ানোর সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। ফলে এখনই ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হামলা বা পুড়িয়ে মারার চেষ্টা বলে নিশ্চিত করার মতো তথ্য সামনে আসেনি।তবে ঘটনাটি ঘিরে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বাইরন সেই সময় বাড়ির ভিতরে কেন ছিলেন, আগুনের সূত্রপাত ঠিক কোথায় এবং কী ভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের পিছনে দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা স্পষ্ট হবে না।বাইরন বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আপাতত স্বস্তির খবর দিয়েছে পুলিশ। জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, তাঁর আঘাত খুব গভীর নয় এবং তিনি স্থিতিশীল রয়েছেন। অন্য দিকে, অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ও দমকল। ফলে সাগরদিঘির বিধায়কের বাড়িতে এই আগুন নিছক দুর্ঘটনা, না কি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তরই এখন খুঁজছে তদন্তকারীরা।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal